বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১১৩ / ৩০৬ · ১১,২০১১১,৩০০ / ৩০,৮৩২

১১,২০১.
বিরোধী দলের কাজ নয় কোনটি?
  1. রাজনৈতিক সংযোগ সাধন
  2. রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ
  3. জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বিরোধী দলের কাজ:

• অধিকার বাস্তবায়ন:
- জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।

• প্রার্থী মনোনয়ন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়ে থাকে।
- এ ক্ষমতা হস্তান্তরের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হল সাধারণ নির্বাচন।
- তাই নির্বাচনের সময় বিরোধী দল নিজ-আদর্শ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী মনোনয়ন করে এবং প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারকার্য চালায়।

• রাজনৈতিক সংযোগ সাধন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অন্যতম কাজ হল রাজনৈতিক সংযোগ সাধন।
- বিরোধী দল জনগনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বা মতামতকে সরকারের নিকট পেশ করে থাকে।
- এভাবে বিরোধী দলের সাথে জনগণের সংযোগ সাধন হয়ে থাকে।

• রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ:
- রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে বিরোধী দল তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- জনগণকে রাজনীতির সাথে একত্রীকরণ, মূল্যবান ভোট সম্পর্কে সচেতন করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধী দল কাজ করে থাকে।

• জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- মন্ত্রিসভা তাদের কার্যের জন্য ব্যক্তিগত ও যৌথভাবে আইনসভার নিকট দায়ী থাকে।
- মন্ত্রিসভার যেকোন সিদ্ধান্ত বা নীতি সম্পর্কে বিরোধীদলের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। মন্ত্রীগণ তার জবাব দিতে বাধ্য থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২০২.
কোন পর্তুগিজ নাবিক প্রথম সমুদ্রপথে ভারত উপমহাদেশে আসেন?
  1. জব চার্নক
  2. ভাস্কো-ডা-গামা
  3. ক্যাপ্টেন হকিন্স
  4. স্যার টমাস রো
সঠিক উত্তর:
ভাস্কো-ডা-গামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাস্কো-ডা-গামা
ব্যাখ্যা

পর্তুগিজ
- পর্তুগিজদের মধ্যেকার  দুঃসাহসী নাবিক ভাস্কো-ডা-গামা প্রথম সমুদ্রপথে এদেশে আসেন ।
- তিনি ১৪৯৮ সালের ২৭শে মে ভারতের পশ্চিম-উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন।
- উপমহাদেশে তাঁর এ আগমন ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
- ১৫৩৮ সালে তারা চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে বাণিজ্যঘাঁটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে। ১৫৭৯ সালে হুগলী নামক স্থানে তারা উপনিবেশ গড়ে তোলে। 
- পর্তুগিজদের বিভিন্ন অপকর্ম ও দস্যুতার কারণে বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খান তাদের চট্টগ্রাম ও সন্দীপের ঘাঁটি দখল করে বাংলা থেকে বিতাড়ন করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।

১১,২০৩.
কত সালে মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ খেতাব "বীরশ্রেষ্ঠ" প্রদান করা হয়?
  1. ক) ১৯৭৫ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৭৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা-
১. বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
২. বীর উত্তম ৬৮ জন (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
৩. বীর বিক্রম ১৭৫ জন (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
৪. বীর প্রতীক ৪২৬ জন (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।
মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।

উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,২০৪.
মাছ উৎপাদনে দেশের শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. কুমিল্লা
  3. যশোর
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মাছ উৎপাদনে
প্রথম - ময়মনসিংহ
দ্বিতীয় - কুমিল্লা
তৃতীয় - যশোর।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
১১,২০৫.
ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র'কে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা?
  1. সার্ক
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. ইউনেস্কো
  4. আইএমএফ
সঠিক উত্তর:
ইউনেস্কো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনেস্কো
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কোর স্বীকৃতি ঢাকার রিকশাচিত্র:
- জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’।
- ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আন্তসরকার কমিটির ১৮তম অধিবেশনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) পর পঞ্চম বিমূর্ত ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেসকোর ‘ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ তালিকায় স্থান পেল রিকশা ও রিকশাচিত্র।

উল্লেখ্য,
- আফ্রিকার দেশ বতসোয়ানার কাসান শহরে অনুষ্ঠিত হয় ইউনেস্কোর আন্তসরকার কমিটির ওই অধিবেশন।

উৎস: ৬ ডিসেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
১১,২০৬.
প্রাথমিকভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম শুরু হয় কোথায়?
  1. চট্টগ্রামের জোবরা
  2. চট্টগ্রামের হালিশহর
  3. চট্টগ্রামের রাউজান
  4. চট্টগ্রামের আনোয়ারা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের জোবরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের জোবরা
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে প্রাথমিকভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রকল্প শুরু করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।

গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

সূত্র: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১১,২০৭.
বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কত নং সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন?
  1. ৬নং
  2. ৭নং
  3. ৮নং
  4. ৯নং
সঠিক উত্তর:
৭নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭নং
ব্যাখ্যা
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:

- মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে.
- ১৯৫৩ সালে পাতারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষা জীবনের সূচনা হয়।
- ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩রা অক্টোবর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
- ১৯৬৮ সালের ২রা জুন তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কমিশন লাভ করেন।
- তিনি ৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টরের অধীনে যুদ্ধে অংশ নেন।
- তিনি অসামান্য বীরত্বের সাথে আরগরারহাট, কানসাট, শাহপুর এলাকায় যুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং মুক্তাঞ্চল গঠন করেন।
- ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তার নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করে।
- যুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে ১৪ ডিসেম্বর সকালে পাকিস্তানী বাহিনীর স্নাইপার বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন।
- পরদিন সহযোদ্ধারা লাশ উদ্ধার করে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করে।

তথ্যসূত্র -  মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১১,২০৮.
বর্তমানে দেশে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী কত জন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৪ জন
  4. ১০ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
• টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ হয় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।
                             
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদে নতুন সরকারে টেকনোক্র্যাট কোটায় রয়েছেন দুজন মন্ত্রী।
- তারা হলেন স্থপতি ইয়াফেস ওসমান ও ডা. সামন্ত লাল সেন। 

উৎস: প্রথম আলো।
১১,২০৯.
ফিরিঙ্গি' কাদের বলা হয়?
  1. ক) ফরাসিদের
  2. খ) মগদের
  3. গ) পর্তুগিজদের
  4. ঘ) দিনেমারদের
সঠিক উত্তর:
গ) পর্তুগিজদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পর্তুগিজদের
ব্যাখ্যা
পর্তুগিজদের আগমন:

- 'ফিরিঙ্গি' বলা হয় পর্তুগিজদের।
- ভাস্কো-ডা-গামা একজন পর্তুগিজ নাবিক যে ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের ২৭ মে প্রথম সমুদ্রপথে ভারতের পশ্চিম-উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন, কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি অঞ্চলে কুঠি স্থাপন এবং ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে শুল্কঘাটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
- পর্তুগিজরা ভারতীয় উপমহাদেশে আগত প্রথম ইউরোপীয়ান বাণিজ্যিক দল।

অন্যদিকে,
- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- ডেনমার্কের অধিবাসীদের দিনেমার বলা হয়।

তথ্যসূত্র - এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২১০.
লালবাগ কেল্লার পূর্ব নাম কী ছিল?
  1. পরী বিবি দুর্গ
  2. আজম শাহ কেল্লা
  3. কেল্লা আওরঙ্গবাদ
  4. শায়েস্তা খাঁ কেল্লা
সঠিক উত্তর:
কেল্লা আওরঙ্গবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেল্লা আওরঙ্গবাদ
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লা পুরাতন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত।
- লালবাগ কেল্লার আদি নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।

লালবাগ কেল্লার চত্বরে তিনটি স্থাপনা রয়েছে-
১. কেন্দ্রস্থলের দরবার হল ও হাম্মাম খানা;
২. পরীবিবির সমাধি;
৩. উত্তর পশ্চিমাংশের শাহী মসজিদ।

উল্লেখ্য,
- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
- এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,২১১.
বাংলাদেশে কত শ্রেণির ব্যাংক রয়েছে?
  1. ক) ৩ শ্রেণি
  2. খ) ২ শ্রেণি
  3. গ) ৪ শ্রেণি
  4. ঘ) ৫ শ্রেণি
সঠিক উত্তর:
খ) ২ শ্রেণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ শ্রেণি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাত:
- বর্তমানে দেশে প্রধানত দুই শ্রেণির ব্যাংক রয়েছে।
- যথা:
১। তফসিলী ব্যাংক: যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। 
২। অ-তফসিলী ব্যাংক: যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।
• মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি (ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত)।
এর মধ্যে –
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
• মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১১,২১২.
গৌড় জনপদের রাজধানী শহর ছিল কোনটি?
  1. মহাস্থানগড়
  2. কোটিবর্ষ
  3. তাম্রলিপ্তি
  4. কর্ণসুবর্ণ
সঠিক উত্তর:
কর্ণসুবর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণসুবর্ণ
ব্যাখ্যা

গৌড়:
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলো যে যুগে যুগে সীমানা সম্প্রসারণ করেছে তার বড় উদাহরণ হলো গৌড়।
- এই জনপদের খ্যাতি এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে, সমগ্র বাংলাকেই সময়ে সময়ে গৌড়দেশ বিবেচনা করা হতো।
- পূর্ব ভারতীয় দেশসমূহের সামগ্রিক নাম হিসেবে এমনকি উত্তর ভারতের আর্যাবর্তের নাম হিসেবেও কখনো কখনো গৌড়ের ব্যবহার দেখা যায়।
- সর্বপ্রথম পাণিনির গ্রন্থে গৌড়ের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- সেনবংশীয় রাজারা ‘গৌড়েশ্বর' উপাধি গ্রহণ করে গৌরববোধ করতেন।
- ব্যাপক অর্থে ‘গৌড়' বলতে অনেক সময় বাংলা ভাষাভাষী সমগ্র অঞ্চলকে বুঝাত।
- আদিকালে গৌড় বলতে বর্তমানের মুর্শিদাবাদ জেলা ও মালদা জেলার দক্ষিণাংশকে বুঝাত।
- হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং হর্ষচরিত গ্রন্থে শশাঙ্ককে ‘গৌড়াধিপতি' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- মুসলিম যুগে অঞ্চলটি কখনো ‘গৌড়' আবার কখনো লক্ষ্মণাবতী নামে পরিচিত ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,২১৩.
বাংলাদেশে কতটি ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৩২টি
  2. ৩৫টি
  3. ৩৬টি
  4. ৩৮টি
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
ব্যাখ্যা

• আর্থিক প্রতিষ্ঠান:
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ অনুযায়ী 'আর্থিক প্রতিষ্ঠান' বলতে বাংলাদেশ ব্যাংক হতে লাইসেন্স প্রাপ্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বুঝায়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক এর আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের লাইসেন্স প্রদান, নিয়ন্ত্রণ, তদারকি এবং তদসংক্রান্ত প্রবিধান প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকে এবং প্রয়োজনে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করতে পারে।

- তফসিলি ব্যাংক ছাড়াও দেশে কার্যরত সকল অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (Non-Bank Financial Institutions)
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত ৩৫ টি অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান আছে। 
- সাধারণত মার্চেন্ট ব্যাংক, বিনিয়োগ কোম্পানী, মিউচুয়াল এসোসিয়েশন, মিউচুয়াল কোম্পানি, লিজিং কোম্পানি এবং বিল্ডিং সোসাইটিসমূহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে অভিহিত হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংকের ওয়েবসাইট। (Link) (Link2)

১১,২১৪.
'কোটিবর্ষ' কোন জনপদের রাজধানী ছিল?
  1. রাঢ়
  2. বঙ্গ
  3. সমতট
  4. হরিকেল
সঠিক উত্তর:
রাঢ়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঢ়
ব্যাখ্যা
রাঢ়:
- বিভিন্ন ঐতিহাসিক উৎস থেকে বলা যায় যে, রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- তবকত-ই-নাসিরীর বর্ণনায়ও গঙ্গার দক্ষিণে রাঢ়ের অবস্থান নির্দেশিত হয়েছে।
- এই জনপদটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল।
• দক্ষিণ রাঢ়।
• উত্তর রাঢ়।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূহ্মভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- রাঢ় বা সূহ্মদেশের অন্তর্গত তাম্রলিপ্তের কথা টলেমির ভূগোলে উল্লিখিত ছিল ।
- অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২১৫.
মুক্তিযুদ্ধকালীন 'কে' ফোর্সের প্রধান কে ছিলেন?
  1. এ কে খন্দকার
  2. খালেদ মোশাররফ
  3. এ টি এম হায়দার
  4. খাদেমুল বাশার
সঠিক উত্তর:
খালেদ মোশাররফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালেদ মোশাররফ
ব্যাখ্যা
• কে ফোর্স:
- মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ৯ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ১০ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ১ ফিল্ড ব্যাটারি আর্টিলারি ও একটি সিগন্যাল কোম্পানী সদস্যদের নিয়ে।
- কে ফোর্সের উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ সমূহ ছিল দেউশ মন্দভাগ অভিযান, শালদা নদী অভিযান, পরশুরাম, চিতলিয়া, ফুলগাজী, নিলক্ষ্মীর যুদ্ধ, বিলোনিয়ার যুদ্ধ, চাপিলতার যুদ্ধ, কুমিল্লা শহরের যুদ্ধ, নোয়াখালীর যুদ্ধ, কশবার যুদ্ধ, বারচরগ্রাম যুদ্ধ, মিয়াবাজার যুদ্ধ, গাজীপুর যুদ্ধ, সলিয়াদীঘি যুদ্ধ, ফেনী যুদ্ধ, চট্টগ্রাম বিজয় ও ময়নামতি বিজয়।
- তার হেডকোয়ার্টার ছিল মেলাঘর (আগরতলা)।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,২১৬.
জুলাই জাতীয় সনদে কয়টি প্রস্তাব রয়েছে?
  1. ৮৪টি
  2. ৮৫টি
  3. ৮৬টি
  4. ৮৭টি
সঠিক উত্তর:
৮৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৪টি
ব্যাখ্যা

জুলাই জাতীয় সনদ:
- ছয়টি সংস্কার কমিশনের ৮৪টি প্রস্তাব নিয়ে তৈরি হয়েছে জুলাই জাতীয় সনদ।
- ১৭অক্টোবর, ২০২৫ এ জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্যে ৪৮টি প্রস্তাব সংবিধান-সম্পর্কিত।
- সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের জন্যই জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ১৩ নভেম্বর জারি হয়েছে এবং তা নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১১,২১৭.
বাংলাদেশ CTBTO স্বাক্ষরকারী কততম দেশ?
  1. ক) ৫৩ তম
  2. খ) ৫৪ তম
  3. গ) ৫৫ তম
  4. ঘ) ৫৬ তম
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৪ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৪ তম
ব্যাখ্যা
• CTBTO:
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরিক্ষা নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক সংস্থা (CTBTO)
- CTBTO এর পূর্ণরুপ - Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization 
- পারমাণবিক পরীক্ষা-নিষেধাজ্ঞা চুক্তি, আনুষ্ঠানিকভাবে বায়ুমণ্ডলে, মহাকাশে এবং পানির নিচে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার চুক্তি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যের দ্বারা ৫ আগস্ট, ১৯৬৩ সালে মস্কোতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- সদর দপ্তর- ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

-  বাংলাদেশ CTBTO স্বাক্ষর করে - ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (এশিয়ার ১ম)।
- অনুমোদন করে- ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ CTBTO স্বাক্ষরকারী - ৫৪ তম দেশ।
- বর্তমান নির্বাহী প্রধান- রবার্ট ফ্লয়েড।

তথ্যসূত্র: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (CTBTO)
১১,২১৮.
বাংলাদেশে মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area) -
  1. ক) ৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯ একর
  2. খ) ৮২ লক্ষ ৮৪ হাজার একর
  3. গ) ২ কোটি ৮১ হাজার একর
  4. ঘ) ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর
সঠিক উত্তর:
গ) ২ কোটি ৮১ হাজার একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২ কোটি ৮১ হাজার একর
ব্যাখ্যা
• মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area) - ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর।
• মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area) - ২ কোটি ৮১ হাজার একর
• আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ (Not available for cultivation) - ৮২ লক্ষ ৮৪ হাজার একর।
• বনাঞ্চল (Forest Area) - ৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯ একর।

সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১।
১১,২১৯.
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে কোন বীরশ্রেষ্ঠের সমাধিস্থল?
  1. ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
  2. সিপাহী মোস্তফা কামাল
  3. সিপাহী হামিদুর রহমান
  4. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা

ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- সেক্টর: ৭ নং।
- মৃত্যু: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ (বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে শেষ শহীদ)।
- সমাধিস্থল: চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণ।
অন্যদিকে,
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান; মৃত্যু: ২০ আগস্ট, ১৯৭১ এবং সমাধিস্থল: মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল (২ নং সেক্টর); মৃত্যু: ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১ এবং সমাধিস্থল: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে।
- সিপাহী হামিদুর রহমান (৪ নং সেক্টর); মৃত্যু: ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১; আর তার সমাধিস্থল: মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।
- নূর মোহাম্মদ শেখ (৮ নং সেক্টর); মৃত্যু: ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ এবং সমাধিস্থল: যশোরের কাশিপুর নামক স্থানে।

উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১১,২২০.
বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন একটি ___________ সংস্থা।
  1. কর্পোরেট
  2. সাংবিধানিক
  3. আধাস্বায়ত্তশাসিত
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সাংবিধানিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংবিধানিক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন:
- বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত।
- রাষ্ট্রপতির ৩৪ নং আদেশবলে ১৯৭২ সালের মে মাসে প্রাথমিক পর্যায়ে পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও পাবলিক সার্ভিস কমিশন নামে দুটি আলাদা কমিশন গঠিত হয়।
- সরকার ১৯৭৭ সালের নভেম্বর মাসে দুটি কমিশনের স্থলে একটি কমিশন স্থাপন করার লক্ষ্যে আরেকটি অধ্যাদেশ জারি করে।
- ১৯৭৭ সালের ২২ ডিসেম্বর এই কমিশনের নামকরণ হয় বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের পাঁচটি অনুচ্ছেদ সংবলিত একটি অধ্যায়ে কমিশনের গঠনপ্রণালী ও কার্যাবলি নির্দেশিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়োগ প্রদান করেন।
- বর্তমানে মো. সোহরাব হোসাইন এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত আছেন।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।
১১,২২১.
স্বাধীন বাংলাদেশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয়-
  1. ক) ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে
  2. খ) ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
  3. গ) ৪ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
  4. ঘ) ৪ মার্চ, ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
- ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ২৪ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

উৎসঃ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১১,২২২.
বাংলাদেশ ব্যাংকের ন্যাশনাল ডেবিট কার্ড চালু হবে -
  1. ১ নভেম্বর, ২০২৩
  2. ২ নভেম্বর, ২০২৩
  3. ৩ নভেম্বর, ২০২৩
  4. ৪ নভেম্বর, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০২৩
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংকের ন্যাশনাল ডেবিট কার্ড:
- বিদেশি কার্ড প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে ১ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে ন্যাশনাল ডেবিট কার্ড চালু করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- প্রাথমিকভাবে ৮টি ব্যাংক নিয়ে পাইলটিং কার্যক্রম করা হচ্ছে।
- জাতীয় পর্যায়ে এই কার্ড ব্যবহার হলে গ্রাহকের খরচ কমবে।
- কারণ বাংলাদেশ ব্যাংক একটি কার্ডের জন্য যেসব সেবা দেবে, তা সাশ্রয়ী হবে।
- প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংক অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের জন্য এ কার্ড চালু করবে, পরে টাকা-রুপি কার্ড চালু করা হবে।

উল্লেখ্য,
- আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, বাংলাদেশেও এই কার্ড দিয়ে লেনদেন করা যাবে।
- আবার কেউ ভারতে গেলে ভ্রমণকারীর ১২ হাজার ডলারের যে ভ্রমণ কোটা আছে, সেই পরিমাণ অর্থ তিনি রুপিতে কেনাকাটা করতে পারবেন।
- ফলে মুদ্রার বিনিময়ের কারণে যে ক্ষতি হতো, সেটা আর হবে না।
- তাতে দেখা গেছে, ৬ শতাংশের মতো অপচয় কমবে।
- বাংলাদেশিরা সবচেয়ে বেশি ভ্রমণ করেন ভারতে।
- এতে অনেক ডলার বাঁচবে।

উৎস: ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, The Business Standard। [link]
১১,২২৩.
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণে বাংলাদেশের পক্ষে কে উপস্থিত ছিলেন?
  1. আতাউল গণি ওসমানি
  2. এ কে খন্দকার
  3. সামসুল আলম
  4. জিয়াউর রহমান
সঠিক উত্তর:
এ কে খন্দকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ কে খন্দকার
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়:
- মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই ভারত বিভিন্নভাবে বাংলাদেশকে সাহায্য সহযোগিতা করে।
- ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে 'যৌথ কমান্ড' গঠন করে।
- ৬-১৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সাথে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে।
- যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- এতে অস্থায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
- পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় সম্পন্ন হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২২৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে পল্লী বিদ্যুতায়নের কথা বলা হয়েছে?
  1. ১১
  2. ১৩
  3. ১৪
  4. ১৬
সঠিক উত্তর:
১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬
ব্যাখ্যা
সংবিধান:

- ১২ নং অনুচ্ছেদে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- ১৩ নং অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতি।
- ১৪ নং অনুচ্ছেদে কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি।
- ১৫ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে।
- ১৬ নং অনুচ্ছেদে পল্লী বিদ্যুতায়নের কথা বলা হয়েছে।
- ১৭ নং অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,২২৫.
India-Bangladesh friendship pipeline কবে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ১৮ মার্চ,২০২৩
  2. ২৫ জুন,২০২৩
  3. ৭ অক্টোবর,২০২৩
  4. ২০ নভেম্বর,২০২৩
সঠিক উত্তর:
১৮ মার্চ,২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ মার্চ,২০২৩
ব্যাখ্যা
India-Bangladesh friendship pipeline ১৮ মার্চ,২০২৩ তারিখে উদ্বোধন করা হয়।

India-Bangladesh friendship pipeline:

- ‘ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন’ দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে ডিজেল আসবে।
- ১৮ মার্চ,২০২৩ তারিখে এই ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন ভার্চ্যুয়ালি উদ্বোধন করা হয়।
- পাইপলাইনটি উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

উল্লেখ্য,
- শিলিগুড়ি টার্মিনাল থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর পর্যন্ত ১৩০ কিলোমিটার পাইপলাইন তৈরি করা হয়েছে।
- বছরে ১০ লাখ টন ডিজেল সরবরাহ করা যাবে এই পাইপলাইন দিয়ে।
- চুক্তি অনুসারে, সরবরাহ শুরুর পর ১৫ বছর পর্যন্ত এই পাইপলাইন দিয়ে ভারত থেকে ডিজেল নেবে বিপিসি।
- এ পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় মোট ১৩১.৫৭ কিলোমিটার পাইপলাইন স্থাপন করা হয়েছে।
- তার মধ্যে বাংলাদেশ অংশে ১২৬.৫৭ কিলোমিটার এবং ভারত অংশে ৫ কিলোমিটার পাইপ লাইন স্থাপন করা হয়েছে।

উৎস: ১৮ মার্চ ২০২৩, প্রথম আলো।
১১,২২৬.
বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের নতুন ডিভিশন ডিরেক্টর কে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. লি ইয়ং
  2. জ্যঁ পেম
  3. সেলিম রেহান
  4. জেমস পিটারসন
সঠিক উত্তর:
জ্যঁ পেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যঁ পেম
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর:
- বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের নতুন ডিভিশন ডিরেক্টর নিযুক্ত হয়েছেন জ্যঁ পেম।
- ১লা জুলাই, ২০২৫ থেকে তিনি দায়িত্ব পালন শুরু করেন।
- জ্যঁ পেম একজন ফরাসি নাগরিক।
- তিনি ২০০৩ সালে বিশ্বব্যাংকে সিনিয়র অবকাঠামো বিশেষজ্ঞ হিসেবে যোগ দেন এবং পরবর্তী সময়ে বিশ্বব্যাংকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
- বর্তমান দায়িত্বে আসার আগে জ্যঁ পেম বিশ্বব্যাংকের ফাইন্যান্স গ্লোবাল ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী।
- স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশকে ৪ হাজার ৬০০ কোটি ডলার অনুদান ও ঋণ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
- বাংলাদেশে অনুদান, সুদমুক্ত ও স্বল্পসুদে ঋণ মিলিয়ে মোট ৪৬ বিলিয়ন ডলার ছাড় করেছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের ১ হাজার ৫৪০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচি চলছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
১১,২২৭.
নিচের কোনটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. গারো
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
গারো: 
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- তবে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে।
- গারোদের আদি বাসভূমি বর্তমান চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের সিন-কিয়াং প্রদেশ।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- মা-ই পরিবারের কর্তা ও সম্পত্তির অধিকারী এবং এক্ষেত্রে পিতা পরিবারের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করে।
- পরিবারের সন্তানসন্ততিরা মায়ের পদবি ধারণ করে।
- গারোদের প্রথাগত আইন অনুযায়ী পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী  মেয়েরা।

উল্লেখ্য,
- খাসিয়াদের সমাজ ব্যবস্থাও মাতৃতান্ত্রিক। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,২২৮.
ভাসানীর নেতৃত্বে কত সালে 'ন্যাপ' প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৭ সালে
  2. ১৯৫৮ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি:
- ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) বাংলাদেশের একটি বামপন্থী রাজনৈতিক দল।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ১৯৫৭ সালের জুলাই মাসে এই দলটি গঠিত হয়।
- ন্যাপের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের মাহমুদুল হক ওসমানী।
- অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন হাজী মুহাম্মদ দানেশ, অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ, মশিউর রহমান যাদু মিয়া, আবদুল মতিন, ওয়ালি খান প্রমুখ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের কাগমারিতে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে আওয়ামী লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং আওয়ামী লীগ নেতা ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মধ্যে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে মতবিরোধ দেখা দেয়।
- এ প্রশ্নে দলের ডানপন্থী নেতা-কর্মীরা সোহরাওয়ার্দীর পক্ষাবলম্বন করেন এবং বামপন্থী অংশ মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে স্বাধীন ও জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি এবং পূর্ব-পাকিস্তানের সর্বাধিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি তোলেন।
- ফলে আওয়ামী লীগ আদর্শিক কারণে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- ঐ বছর ১৮ মার্চ মওলানা ভাসানী পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ ত্যাগ করেন।
- আওয়ামী লীগের বামপন্থী অংশের উদ্যোগে ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে ২৪-২৫ জুলাই গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ সম্মেলনে পাকিস্তান ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠিত হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,২২৯.
রূপকল্প-২০৪১ এ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৬.৮%
  2. ৭.১%
  3. ৮.৩%
  4. ৯.৯%
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
ব্যাখ্যা

রূপকল্প-২০৪১:
- ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত দেশের কাতারে সামিল করার লক্ষ্য সামনে রেখে রূপকল্প ২০৪১।
- রূপকল্প ২০৪১ এর খসড়া জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদিত হয়।
- ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের পর্যায় পেরিয়ে এক শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ, সুখী এবং উন্নত জনপদ।
- সুশাসন, জনগণের সক্ষমতা ও ক্ষমতায়ন হবে এই অগ্রযাত্রার মূলমন্ত্র।

উদ্দেশ্য:
- সম্ভাব্য জনসংখ্যা ২১ কোটি ৩ লাখ।
- মাথাপিছু আয়: ১২,৫০০ ডলার (২০৪১ সালের মূল্যমানে ১৬,০০০ ডলারের বেশি)। 
- দারিদ্র্য দূরীকরণ।
- ২০৪১ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯.৯%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু ৮০ বছর।
- ২০৪১ সালের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতার হার ১০০% এ বৃদ্ধি করা।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ১% এরও নিচে নামিয়ে আনা।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা বিভাগ ওয়েবসাইট।

১১,২৩০.
পাকিস্তানের দ্বিতীয় সংবিধান কার শাসনামলে প্রণীত হয়?
  1. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. খাজা নাজিমউদ্দিন
  3. ইস্কান্দার মীর্জা
  4. আইয়ুব খান
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তানের দ্বিতীয় সংবিধান আইয়ুব খান এর শাসনামলে প্রণীত হয়।

পাকিস্তানের দ্বিতীয় সংবিধান প্রণয়ন:

- ১৯৫৬ সালে প্রণিত সংবিধান ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসন জারির সময় বাতিল করা হয়।
- আইয়ুব খান দেশ পরিচালনা করছিলেন সামরিক আইনের মাধ্যমে।
- পাকিস্তানে একটি সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে আইয়ুব খান একটি ১১ সদস্য বিশিষ্ট সংবিধান প্রণয়ন কমিশন গঠন করেন।
- দেশে তখন সামরিক আইন চালু থাকায় জনগণের বাক- স্বাধীনতা ও মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা ছিল না।
- এতদসত্ত্বেও কমিশন প্রশ্নমালা পূরণের মাধ্যমে, পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার গ্রহণের মাধ্যমে মতামত সংগ্রহ করেন।
- পূর্ব পাকিস্তান থেকে সাক্ষাৎকার প্রদানকারীগণ ১৯৫৬ সালের সংবিধান পুনঃপ্রবর্তন এবং সংবিধানে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি প্রবর্তনের দাবি করেন।
- কমিশন ১৯৬১ সালের ৬ মে একটি রিপোর্ট প্রেসিডেন্টের নিকট উপস্থাপন করেন।
- কিন্তু রিপোর্টটি প্রেসিডেন্টের মনঃপূত না হওয়ায় তিনি তা গ্রহণ করেননি।
- এরপর প্রেসিডেন্ট একটি নতুন কমিটি গঠন করেন।
- এই কমিটি 'জনগণ কী চায়' তা প্রাধান্য না দিয়ে 'প্রেসিডেন্ট কী চান' এই নীতির ভিত্তিতে সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ১৯৬২ সালের ১ মার্চ তা 'অনুমোদন করেন 
- ১৯৬২ সালের ৮ জুন পাকিস্তানের দ্বিতীয় সংবিধান কার্যকর করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৩১.
কোন শাসকের পৃষ্ঠপোষকতায় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্ররূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. দেবপাল
  2. মহীপাল
  3. গোপাল
  4. রামপাল
সঠিক উত্তর:
দেবপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেবপাল
ব্যাখ্যা
দেবপাল:
- দেবপাল পালবংশের অন্যতম রাজা ছিলেন।
- তিনি আনুমানিক ৮২১ খ্রিস্টাব্দে বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি শুধু পিতা ধর্মপালের সাম্রাজ্য রক্ষাই করেননি, বরং সীমানা বৃদ্ধিও করেন।
- দেবপাল গুর্জের রাজাকে পরাজিত করেন, উড়িষ্যাও জয় করেন।
- দেবপাল সুমাত্রা, জাভা ও বোর্ণিও রাজ্যের রাজাদের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।
- দেবপাল বৌদ্ধ ধর্মের একজন প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- তিনি মগধের বৌদ্ধ মঠগুলোর সংস্কার সাধন করেন।
- তিনি নালন্দায়ও কয়েকটি মঠ এবং বুদ্ধগয়ায় একটি বড় মন্দির নির্মাণ করেন।
- দেবপালের পৃষ্ঠপোষকতায় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্ররূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এ বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে তাঁর শাসনামলে উত্তর ভারতে লুপ্তপ্রায় বৌদ্ধ ধর্ম পুনরায় সঞ্জীবিত হয়ে উঠে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৩২.
লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন কে?
  1. ইসলাম খান
  2. যুবরাজ মোহাম্মদ আযম
  3. শায়েস্তা খান
  4. রুকনদ্দিন নুসরাত শাহ
সঠিক উত্তর:
যুবরাজ মোহাম্মদ আযম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুবরাজ মোহাম্মদ আযম
ব্যাখ্যা
লালবাগের কেল্লা পুরান ঢাকার লালবাগে অবস্থিত।
এটির পূর্বনাম আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
সম্রাট আওরঙ্গজেবের তৃতীয় পুত্র শাহজাদা মোহাম্মদ আযম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
সুবেদার শায়েস্তা খানের আমলে নির্মাণ কাজ অব্যাহত থাকে।
এখানে শায়েস্তা খানের কন্যা পরিবিবি (প্রকৃত নাম ইরান দুখত) সমাধি রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় -৫ম শ্রেণি।
১১,২৩৩.
কার সময়ে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল?
  1. দ্বিতীয় মহীপাল
  2. হেমন্ত সেন
  3. ধর্মপাল
  4. বল্লাল সেন
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় মহীপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় মহীপাল
ব্যাখ্যা
কৈবর্ত বিদ্রোহ:
- কৈবর্ত বিদ্রোহকে বলা হয়ে থাকে বাংলাদেশ এমনকি ভারতবর্ষের প্রথম সফল জনবিদ্রোহ।
- বরেন্দ্র বিদ্রোহ নামেও অভিহিত করা হয় একে।
- এ সময় পাল বংশের রাজা ছিলেন দ্বিতীয় মহীপাল, যাঁর রাজত্বকাল ধারণা করা হয় ১০৭৫ সাল থেকে ১০৮০ সালের মধ্যে। এই বিদ্রোহের নেতা ছিলেন দিব্যক বা দিব্য। তিনি খুব সম্ভব প্রথম দিকে পালদের একজন রাজকর্মচারী কিংবা সামন্ত ছিলেন। কৈবর্তদের একত্রিত করে একটি শক্তিশালী বাহিনী তৈরি করেন তিনি।
- কৈবর্ত বিদ্রোহের প্রত্যক্ষ কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয় ধর্মীয় কারণকে। 

⇒ পাল রাজবংশ:

- পাল বংশ আট শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে প্রায় চারশত বছর বাংলা ও বিহারে শাসনকারী রাজবংশ।
- পালবংশের রাজারা প্রায় চারশ বছর রাজত্ব করেন।
- পাল রাজারা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী ছিলেন। 
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর প্রায় একশ বছর বাংলায় অরাজকতা চলে। এই অরাজক অবস্থাকে বলা হয় 'মাৎস্যন্যায়'। গোপাল নামক একজন শক্তিশালী লোক এই অরাজকতার অবসান ঘটান।
- গোপালের পর তাঁর পুত্র ধর্মপাল সিংহাসনে বসেন।
- দেবপালের পর পাল সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রথম মহীপালের রাজত্বকালে পালবংশের গৌরব পুনরায় ফিরে আসে।
- দ্বিতীয় মহীপাল ও রামপালের রাজত্বকালে বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। রামপাল কৈবর্ত বিদ্রোহ দমন করে বরেন্দ্র অঞ্চল পুনরুদ্ধার করেন। তিনি পালবংশের শেষ মুকুটমণি।
- অবশেষে সেনবংশের উত্থানের মধ্য দিয়ে পাল শাসনের অবসান ঘটে।
 
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৩৪.
কোন দেশকে হারিয়ে ২০২৪ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের 'ব্যাক টু ব্যাক' চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ?
  1. ভারত
  2. আফগানিস্তান
  3. পাকিস্তান
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
২০২৪ অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ:
- এসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ কাপের ১১তম সংস্করণ।
- আয়োজক: সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৮টি।
- চ্যাম্পিয়ন: বাংলাদেশ।
- রানার্সআপ: ভারত।
- টুর্নামেন্ট সেরা: ইকবাল হোসেন ইমন (বাংলাদেশ)।
- সর্বাধিক রান সংগ্রহকারী: শাহজাইব খান (পাকিস্তান)।
- সর্বাধিক উইকেটধারী: ইকবাল হোসেন ইমন (বাংলাদেশ)।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো অনূর্ধ্ব–১৯ এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ।

উৎস: ESPN Cricinfo.
১১,২৩৫.
নাসিরুদ্দীন মাহমুদ শাহ এর সময়কালীন স্থাপত্যকীর্তি কোনটি?
  1. ক) ষাটগম্বুজ মসজিদ
  2. খ) ঢাকার বখত বিনত মসজিদ
  3. গ) ভাগলপুরে খুরশীদ খানের মসজিদ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
নাসিরুদ্দীন মাহমুদ শিল্প ও স্থাপত্যের একজন বড় পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- শিলালিপি থেকে জানা যায় যে, তাঁর রাজত্বকালে বহু মসজিদ, খানকাহ, সেতু ও সমাধিসৌধ নির্মিত হয়।
- তাঁর রাজত্বকালে নির্মিত মসজিদগুলির মধ্যে বাগেরহাটের খান জাহানের ষাটগম্বুজ মসজিদ, মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গীপুরে সরফরাজ খানের নির্মিত দুটি মসজিদ (১৪৪৩), গৌড়ের নিকটবর্তী এলাকায় জনৈক হিলালী কর্তৃক নির্মিত মসজিদ (১৪৫৫), ঢাকার বখত বিনত মসজিদ (১৪৫৫) এবং ভাগলপুরে খুরশীদ খানের মসজিদ (১৪৪৬) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- বাগেরহাটে খান জাহান আলীর সমাধিসৌধ এবং হজরত পান্ডুয়ায় জনৈক আল্লামার সমাধিসৌধ তাঁর রাজত্বকালে নির্মিত হয়।
- নাসিরুদ্দীন মাহমুদ নিজে গৌড়ে একটি দুর্গ ও প্রাসাদের ভিত্তি স্থাপন করেন। বহু ইমারত দ্বারা তিনি গৌড় শহর সুসজ্জিত করেন।
- স্থাপত্যকীর্তিসমূহের মধ্যে পাঁচটি খিলানবিশিষ্ট পাথরের সেতু, দুর্গের পুরু দেয়াল এবং কোতোয়ালী দরওয়াজার অস্তিত্ব এখনও বিদ্যমান।
- উপরিউক্ত ইমারতসমূহ নাসিরুদ্দীন মাহমুদের রাজত্বকালে শান্তি ও সমৃদ্ধির উজ্জ্বল সাক্ষ্য বহন করছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,২৩৬.
সংবিধান অনুযায়ী অ্যাটর্নি জেনারেল কতদিন স্বপদে বহাল থাকতে পারেন?
  1. রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা অনুযায়ী
  2. ৬৫ বছর পর্যন্ত
  3. ৬৭ বছর পর্যন্ত
  4. কার্যভার গ্রহণ হতে ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

• চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ। 
- ৫ম পরিচ্ছেদ: অ্যাটর্নি-জেনারেল।
• অ্যাটর্নি-জেনারেল: 
- ৬৪(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- ৬৪(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
- ৬৪(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
- ৬৪(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১১,২৩৭.
বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশনের প্রধান কার্যক্রম কোনটি?
  1. দেশীয় শিল্প রক্ষা করা এবং উন্নয়ন
  2. শুল্কহার যৌক্তিকীকরণ এবং নীতি প্রণয়ন
  3. ডাম্পিং পণ্য আমদানি প্রতিরোধ
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন: 
- স্বাধীনতার পর পাকিস্তান ট্যারিফ কমিশনের উত্তরসূরি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
- পুনর্গঠন: ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন অনুযায়ী।
- অধিভুক্ত: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে।
- প্রধান: সচিব পর্যায়ের চেয়ারম্যান।

প্রধান কার্যক্রম:
- দেশীয় শিল্প রক্ষা এবং উন্নয়ন।
- শিল্পসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি।
- ডাম্পিং ও অসাধু আমদানি প্রতিরোধ।
- শুল্কহার যৌক্তিকীকরণ এবং নীতি প্রণয়ন।
- আমদানি নিষেধাজ্ঞা ও সীমাবদ্ধতা মূল্যায়ন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১১,২৩৮.
সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. বাকশাল গঠন
  2. যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধান
  3. রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা প্রবর্তন
  4. জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধান
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধান
ব্যাখ্যা
প্রথম সংশোধনী: 
- প্রথম সংশোধনী আইন ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই সংবিধান (প্রথম সংশোধনী) আইন, ১৯৭৩ গৃহীত হয়।
- প্রথম সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিলো - যুদ্ধাপরাধীসহ গণবিরোধীদের বিচারের বিধান সন্নিবেশন করা।
- এই সংশোধনীর দ্বারা সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদে একটি অতিরিক্ত দফা সংযুক্ত করা হয়, যা ‘গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনে অন্যান্য অপরাধ’-এর দায়ে যে কোনো ব্যক্তির বিচার ও শাস্তি অনুমোদন করে।
- ৪৭ অনুচ্ছেদের পরে একটি নতুন অনুচ্ছেদ ৪৭ক সংযুক্ত করা হয়, যাতে সুনির্দিষ্ট করে বলা হয় যে, উপরে বর্ণিত অপরাধসমূহের ক্ষেত্রে কতিপয় মৌলিক অধিকার প্রযোজ্য হবে না।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
১১,২৩৯.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. রাজশাহী
  3. গাজীপুর
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

BRRI ধান বিষয়ক গবেষণার জন্য দেশের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান এবং এর সদর দপ্তর গাজীপুরে অবস্থিত।

• BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
- এর পূর্ণরুপ - Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, 
- এটি ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।
- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

সূত্র:  বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১১,২৪০.
বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তনের জৈবিক কারণ নয় কোনটি? 
  1. জন্ম ও মৃত্যুহার
  2. জনসংখ্যার ঘনত্ব
  3. জলবায়ু পরিবর্তন
  4. জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তন:
- বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তন নির্ভর করে নানা উপাদানের উপর, যেমন-
- আর্থসামাজিক, প্রাকৃতিক, জৈবিক, রাজনৈতিক, শিক্ষা, ধর্ম ও সংস্কৃতি, যোগাযোগ, প্রযুক্তি এবং শিল্পায়ন-নগরায়ণ।

• প্রাকৃতিক উপাদানসমূহ: 

১) জলবায়ু পরিবর্তন
২) বৈশ্বিক উষ্ণতা
৩) ভৌগোলিক পরিবর্তন
৪) নদী ভাঙন
৫) অতিবৃষ্টি
৬) অনাবৃষ্টি
৭) টর্নেডো ইত্যাদি
 
• জৈবিক উপাদানসমূহ
- জন্ম ও মৃত্যুহার
- জনসংখ্যার ঘনত্ব
- গড় আয়ু
- জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম দশম শ্রেণি।  

১১,২৪১.
শহীদ আবু সাঈদকে কোথায় সমাহিত করা হয়েছে?
  1. পীরগঞ্জ, রংপুর
  2. পীরগাছা, রংপুর
  3. আজিমপুর কবরস্থান, ঢাকা
  4. রংপুর সদর, রংপুর
সঠিক উত্তর:
পীরগঞ্জ, রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পীরগঞ্জ, রংপুর
ব্যাখ্যা

শহীদ আবু সাঈদ:
- রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তিনি রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি লুটিয়ে পড়েন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন। ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান হাসিনা।

⇒ ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার পরদিন ১৭ জুলাই তাকে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। 

উৎস: i) বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) The Daily Star Bangla.

১১,২৪২.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমান কতদিন জেলে বন্দি ছিলেন?
  1. ৪৬৭৫ দিন
  2. ৩০৫৩ দিন
  3. ৪৬৮৫ দিন
  4. ৪৬৮২ দিন
সঠিক উত্তর:
৪৬৮২ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬৮২ দিন
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় (বাইগার নদীর তীরে)।
- বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে অভিষিক্ত হন ১৯৪৪ সালে কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে।
- ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- বন্দী থাকা অবস্থায় ১৬ ফেব্রুয়ারিতে রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবিতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে অনশন শুরু করেন। ভাষার দাবিতে বঙ্গবন্ধু ১৩ দিন অনশন করেছিলেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আনুষ্ঠানিকভাবে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ ছয়দফা ঘোষণা করেন।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী ছিল ৩৫ জন। বঙ্গবন্ধু ১ নং আসামী ছিলেন।
- শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে সংবর্ধনা দেয়া হয়।
- শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ।
- 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয় রেসকোর্স ময়দানে ।
- বঙ্গবন্ধু পূর্ব বাংলাকে 'বাংলাদেশ' নামকরণ করেন ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯।
- ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধুকে 'জাতির জনক' উপাধি দেওয়া হয় ৩ মার্চ ১৯৭১ (উপাধি দেন আ স ম আবদুর রব)।
- ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণ দেন ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে, যা এখন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত।
- বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের মূল বক্তব্য ছিল “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম"।
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণের ব্যাপ্তি ছিল ১৮ মিনিট ।
- বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাড়িতে প্রথম ২৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত অর্থাৎ ২৬ মার্চে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- এরপরই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে।
- বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয় অপারেশন বিগবার্ড এর মাধ্যমে।

উল্লেখ্য,
- ৫৫ বছর জীবনে বঙ্গবন্ধু ৪৬৮২ দিন কারাগারে ছিলেন।
- এর মধ্যে স্কুলের ছাত্র থাকা অবস্থায় ব্রিটিশ আমলে ৭ দিন কারাভোগ করেন আর বাকী ৪৬৭৫ দিন পাকিস্তান আমলে।

উৎস: i) শতবর্ষে শত তথ্যে 'বঙ্গবন্ধু'।
ii) ১৬ মার্চ ২০১৯, প্রথম আলো।
১১,২৪৩.
'বালাম' ধান মূলত আবাদ হয়-
  1. ক) ময়মনসিংহে
  2. খ) কুমিল্লায়
  3. গ) পটুয়াখালীতে
  4. ঘ) চট্টগ্রামে
সঠিক উত্তর:
গ) পটুয়াখালীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পটুয়াখালীতে
ব্যাখ্যা
- 'বালাম' ধান মূলত বাংলাদেশের বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'কাটারিভোগ' ধান মূলত বাংলাদেশের দিনাজপুরে আবাদ হয়।
- 'বিরই' ধান মূলত বাংলাদেশের ময়মনসিংহ অঞ্চলে আবাদ হয়।
- 'চিনিগুড়া' ধান মূলত বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলায় আবাদ হয়।
- 'কালিজিরা' ধান মূলত বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মিরসরাই আবাদ হয়।
- 'হরিধান' মূলত বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলায় অবাক হয়।
১১,২৪৪.
আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবুল মনসুর আহমদের প্রণীত ২১ দফা প্রকাশিত হয় -
  1. ক) ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৯৫৩ সালের ৫ ডিসেম্বর
  3. গ) ১৯৫৪ সালের ৪ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৯৫৪ সালের ৫ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৩ সালের ৫ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৩ সালের ৫ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
• এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মাওলানা ভাসানী ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠন করেন।
- আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবুল মনসুর আহমদের প্রণীত ২১ দফায় বিভিন্ন নেতা স্বাক্ষর করেন। ১৯৫৩ সালের ৫ ডিসেম্বর ২১ দফা প্রকাশিত হয়।

• ২১ দফার ভিত্তিতে যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল নৌকা এবং মুসলিম লীগের প্রতীক ছিল হারিকেন। ১৯৫৪ সালের ৭-১২ মার্চ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মোট আসন ছিল ৩০৯টি। তার মধ্যে ৭২টি হিন্দু ও তফসিলি। ২৩৭টি মুসলমান আসন। ৯টি বাদে সব আসনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করে।

• পূর্ব বাংলায় ভোটের বিপ্লব হলো। জাতীয়তাবাদের জয় হলো। ১৯৫৪ সালের ২ এপ্রিল সরকারিভাবে ভোটের ফলাফল প্রকাশিত হয়।

• শেরেবাংলা যুক্তফ্রন্টের নেতা নির্বাচিত হন। মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে যুক্তফ্রন্টে মতবিরোধ দেখা দেয়। ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল এ কে ফজলুল হক চার সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করেন। ১৯৫৪ সালের ১৫ মে পূর্ণাঙ্গ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো। 
১১,২৪৫.
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগের বয়সসীমা সর্বোচ্চ কত?
  1. ৫৯ বছর
  2. ৬০ বছর
  3. ৬৫ বছর
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ‌ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারের যোগ্যতা:

- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগদানের জন্য কোনো ব্যক্তিকে সুপারিশ করিবার ক্ষেত্রে তাহার নিম্নরূপ যোগ্যতা থাকিতে হবে, যথা -
- তাঁকে বাংলাদেশের নাগরিক খতে হবে।
- তাঁর বয়স ন্যূনতম ৫০ (পঞ্চাশ) বৎসর হতে হবে।
- কোনো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধা-সরকারি, বেসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত পদে বা পেশায় তাঁহার অন্যূন ২০ (বিশ) বৎসরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,২৪৬.
মানব উন্নয়ন সূচক-২০২০ এ বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) ১২৯তম
  2. খ) ১৩৩তম
  3. গ) ১৩৫তম
  4. ঘ) ১৩৭তম
সঠিক উত্তর:
খ) ১৩৩তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৩৩তম
ব্যাখ্যা
গত ১৫ ডিসেম্বর UNDP প্রকাশিত মানব উন্নয়ন সূচক-২০২০ এ ১৮৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৩তম। বাংলাদেশের স্কোর ০.৬৩২।
সূচকে শীর্ষদেশ নরওয়ে এবং সর্বনিম্ন নাইজার।
(সূত্র: UNDP ওয়েবসাইট)
১১,২৪৭.
বরেন্দ্র কোন রাজাদের পিতৃভূমি ছিলো?
  1. পাল রাজা
  2. খড়গ রাজা
  3. মৌর্য রাজা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
পাল রাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল রাজা
ব্যাখ্যা
পাল বংশ:
- শশাঙ্ক পরবর্তী বাংলায় অরাজকতার যুগের অবসান ঘটিয়ে গোপাল বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং পালবংশের শাসনের সূচনা করেন।
- বরেন্দ্র পাল রাজাদের পিতৃভূমি ছিলো।
- পাল বংশ আট শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে প্রায় চারশত বছর বাংলা ও বিহারে শাসনকারী রাজবংশ।
- গোপাল প্রতিষ্ঠিত এ বংশের শাসন চলে নানা ধরনের উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে আঠারো পুরুষ ধরে।
- গোপালের রাজত্বকাল সম্পর্কে সঠিকভাবে জানার উপায় নেই। আর্যমঞ্জুশ্রীমূলকল্পে উল্লেখ আছে যে, তিনি ২৭ বছর রাজত্ব করেন। অনুমান করা হয় গোপাল ৭৫৬ হতে ৭৮১ খিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেছিলেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,২৪৮.
দাবা খেলায় বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার কে? [জানুয়ারি, ২০২৬]  
  1. নিয়াজ মোর্শেদ
  2. রিয়াজ বিন সাত্তার
  3. জিয়াউর রহমান
  4. মনন রেজা নীড়
সঠিক উত্তর:
মনন রেজা নীড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনন রেজা নীড়
ব্যাখ্যা

• দাবায় বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার:
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।
- বর্তমানে মনন রেজা নীড় দেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার।
- অক্টোবর, ২০২৪-এ বিশ্ব দাবা সংস্থার চতুর্থ ফিদে জোন কাউন্সিলের সভায় তার আন্তর্জাতিক মাস্টারের খেতাব অনুমোদন হয়।
- তিনি আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছেন গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদের রেকর্ড ভেঙে।

⇒ আন্তর্জাতিক মাস্টার হতে ২৪০০ রেটিং ও তিনটি নর্ম প্রয়োজন।

অন্যদিকে,
- নিয়াজ মোরশেদ আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছিলেন ১৫ বছর পাঁচ মাস বয়সে। 
- ১৪ বছর তিন মাস বয়সে এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন মনন।
- তাকে নিয়ে বাংলাদেশে এখন আন্তর্জাতিক মাস্টারের সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ। 
- বাকি চারজন জিল্লুর রহমান, আবু সুফিয়ান, মিনহাজ উদ্দিন, ফাহাদ রহমান।

তথ্যসূত্র:  প্রথম আলো।

১১,২৪৯.
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিলেন?
  1. মুসলিম লীগ
  2. কৃষক প্রজা পার্টি
  3. স্বরাজ দল
  4. কংগ্রেস
সঠিক উত্তর:
কংগ্রেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কংগ্রেস
ব্যাখ্যা
১৯৪৮সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান প্রথমগণপরিষদ অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম ভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন। কিন্তু মুসলিম লীগের সদস্যদের ভোটে তা অগ্রাহ্য হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,২৫০.
হালদা নদীকে সরকার "মৎস্য হেরিটেজ" ঘোষণা করে কত তারিখে?
  1. ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  2. ১ নভেম্বর ২০২৫
  3. ১৬ জুলাই ২০২৫
  4. ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২৯ অক্টোবর ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ অক্টোবর ২০২৫
ব্যাখ্যা

মৎস্য হেরিটেজ:
- ২৯ অক্টোবর ২০২৫ সরকার হালদা নদীকে 'মৎস্য হেরিটেজ' এলাকা ঘোষণা করেছে। 

⇒ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় হালদা নদীকে মৎস্য হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করে ৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
- প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মান উন্নয়নের মাধ্যমে রুইজাতীয় মাছের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিতকরণ ও গাঙ্গেয় ডলফিনের আবাসস্থল সংরক্ষণের লক্ষ্যে খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় ও মানিকছড়ি উপজেলা, চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি, রাউজান, হাটহাজারী উপজেলা এবং পাঁচলাইশ থানার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হালদা নদী এবং নদী তীরবর্তী ৯৩ হাজার ৬১২ টি দাগের ২৩ হাজার ৪২২.২৮০৫৯ একর জায়গা "হালদা নদী মৎস্য হেরিটেজ" হিসেবে ঘোষণা করা হলো।
- এপ্রিল-জুন মাসে হালদা নদীর বিভিন্ন স্থানে রুইজাতীয় মাছের প্রজননের ফলে পর্যাপ্ত পরিমাণ নিষিক্ত ডিম পাওয়া যায়।

⇒ প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, এ নদী হতে কোনো প্রকার মাছ ও জলজ প্রাণি ধরা বা শিকার করা যাবেনা, তবে মৎস্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে প্রতি বছর প্রজনন মৌসুমে নির্দিষ্ট সময়ে মাছের নিষিক্ত ডিম আহরণ করা যাবে।
- প্রাণি ও উদ্ভিদের আবাসস্থল ধ্বংসকারী কোনো প্রকার কার্যকলাপ করা যাবেনা। 
- নদীর চারপাশের বসতবাড়ি, শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পয়ঃপ্রণালী সৃষ্ট বর্জ্য ও তরল বর্জ্য নির্গমন করা যাবেনা। কোনো অবস্থাতেই নদীর বাঁক কেটে সোজা করা যাবেনা।
- হালদা নদীর সাথে সংযুক্ত ১৭ টি খালে প্রজনন মৌসুমে (ফেব্রুয়ারি-জুলাই) মৎস্য আহরণ করা যাবেনা।
- হালদা নদী এবং এর সংযোগ খালের উপর নতুন করে কোনো রাবার ড্যাম এবং কংক্রিট ড্যাম নির্মাণ করা যাবেনা।
- 'হালদা নদী মৎস্য হেরিটেজ তদারকি কমিটি' এ অনুমতি ব্যতিরেকে হালদা নদীতে নতুন পানি শোধানাগার, সেচ প্রকল্প স্থাপনের মাধ্যমে পানি উত্তোলন করা যাবেনা
- মাছের প্রাক-প্রজনন পরিভ্রমণ সচল রাখার স্বার্থে হালদা নদী এবং সংযোগ খালের পানির প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবেনা।
- সারা বছর হালদা নদীর কর্ণফুলী মোহনা থেকে নাজিরহাট ব্রিজ (অভয়াশ্রম এলাকা) পর্যন্ত ইঞ্জিন চালিত ভারী নৌযান (বালুবাহী ও পণ্যবাহী নৌকা এবং ড্রেজার) চলাচল করতে পারবে না।
- হালদা এবং তার শাখা নদীর বালুমহাল ইজারা বন্ধ করা এবং ড্রেজার দিয়ে/ক্ষতিকর পদ্ধতিতে বালু উত্তোলন করা যাবে না।
- নদীর অববাহিকা অঞ্চলে কোন প্রকার তামাক চাষ করা যাবে না।
- নদীর অববাহিকা অঞ্চলে কৃষি জমিতে ক্ষতিকর কোন কীটনাশক বা বালাইনাশক ব্যবহার করা যাবে না।

 

উৎস: i) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
ii) তথ্য অধিদফতর

১১,২৫১.
ওয়েজ আর্নার্স স্কিম কত সালে প্রবর্তিত হয়েছিল?
  1. ১৯৭২ সালে 
  2. ১৯৭৩ সালে 
  3. ১৯৭৪ সালে 
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে 
ব্যাখ্যা

ওয়েজ আর্নার্স স্কিম:
- ওয়েজ আর্নার্স স্কিম ১৯৭৪ সালে প্রবর্তিত হয়।
- বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের অর্জিত আয় সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রেরণে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে স্কিমটি চালু করা হয়।
- এ সময় বৈদেশিক মুদ্রা মজুত থাকার কারণে আমদানিকারকদের অনুকূলে বৈদেশিক মুদ্রার ছাড় হ্রাস পায়, যার ফলে স্কিমটি কার্যকারিতা অর্জন করে।
-  বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমজীবীদের প্রেরিত অর্থ খোলাবাজার বিনিময় হারের কাছাকাছি হারে বিনিময়ের লক্ষ্যে স্কিমটি চালু করা হয়।

⇒ প্রবাসী কর্মীদের অবদানের বিষয়টি বিবেচনা করে তাদের এবং দেশে বিদেশে কর্মীদের পরিবার পরিজনকে সাহায্য সহযোগিতা কিংবা উদ্ভূত সমস্যার সমাধান কল্পে তথা সার্বিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে সরকার Emigration Ordinance-1982 এর ১৯(১) ধারার ক্ষমতাবলে ১৯৯০ সালে “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল” গঠন করে।
- “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড আইন,২০১৮” এর মাধ্যমে “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড” একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড ওয়েবসাইট।

১১,২৫২.
বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে ৩য় বীরত্বসূচক খেতাব-
  1. ক) বীর প্রতীক
  2. খ) বীর বিক্রম
  3. গ) বীর উত্তম
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) বীর বিক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বীর বিক্রম
ব্যাখ্যা

- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা-
- বীরশ্রেষ্ঠ (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর উত্তম (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর বিক্রম (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
- বীর প্রতীক (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।

তথ্যসূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১,২৫৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে, বাংলাদেশে কয়টি চিনিকল রয়েছে?
  1. ১৪টি
  2. ১৫টি
  3. ১৬টি
  4. ১৭টি
সঠিক উত্তর:
১৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (BSFIC):
- BSFIC এর পুর্ণ রূপ: Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation.
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ১৫টি চিনিকল, ১টি ডিস্টিলারি ইউনিট, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা, ১টি জৈবসার কারখানা ও ২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।
- চিনিকলগুলোতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫২,৯৪৫ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২১,৩১৩ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১১,২৫৪.
বাংলাদেশে বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ থেকে ৬৭ বছর নির্ধারণ করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. ১২তম সংশোধনী
  2. ১৪তম সংশোধনী
  3. ১৬তম সংশোধনী
  4. ১৭তম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
১৪তম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪তম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

চতুর্দশ সংশোধনী:
- চতুর্দশ সংশোধনী আইন সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী আইন ২০০৪ সালের ১৬ মে সংসদে পাস হয়।
- বিভিন্ন বিধান সংবিধানে যুক্ত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৩০ থেকে ৪৫ এ উন্নীত করা হয়, যা পরবর্তী দশ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
- এছাড়াও এই সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরগ্রহণের বয়স ৬৫ থেকে ৬৭-তে বর্ধিত করা হয়।
- এর পাশাপাশি এই সংশোধনীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি তাদের স্ব স্ব কার্যলয়সহ সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে টানানোর ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়।

অন্যদিকে: 
- ১২তম সংশোধনী: সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন ও উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্তি।
- ১৬তম সংশোধনী: বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের কাছে অর্পণ।
- ১৭তম সংশোধনী: সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২৫ বছর পর্যন্ত বর্ধিত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।

১১,২৫৫.
ধর্মপাল কোথায় সোমপুর বিহার নির্মাণ করেন?
  1. দিনাজপুর
  2. কুমিল্লা
  3. বগুড়া
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
ধর্মপাল:
- ধর্মপাল হচ্ছেন পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা।
- তিনি প্রায় ৪০ বছর রাজত্ব করেন।
- দীর্ঘ শাসনামলে ধর্মপাল পাল রাজ্যকে একটি সাম্রাজ্যে উন্নীত করেন।
- ধর্মপাল বৌদ্ধ ছিলেন এবং তিনি অনেক বিহারের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি রাজশাহী বিভাগের বর্তমান নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে সোমপুর মহাবিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে প্রতিষ্ঠিত এই বৌদ্ধ ধর্ম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সমগ্র ভারতবর্ষের মধ্যে সর্ববৃহৎ বৌদ্ধ বিহার।
- এই জন্যে এটি মহাবিহার নামে পরিচিত।
- ধর্মপাল বৌদ্ধ ধর্মানুরাগী হলেও তিনি অন্য ধর্ম সম্পর্কে উদার মনোভাব পোষণ করতেন।
- তিনি হিন্দু দেবতার জন্য মন্দির নির্মাণ করার জন্য ভূমিদান করতেন।
- ধর্মপালের প্রধানমন্ত্রী গর্গ ছিলেন একজন ব্রাহ্মণ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৫৬.
স্বাধীনতার পর কৃষির উন্নয়নের জন্য বঙ্গবন্ধু কত বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করেন? 
  1. ২০ বিঘা
  2. ১৫ বিঘা
  3. ১০ বিঘা
  4. ২৫ বিঘা
সঠিক উত্তর:
২৫ বিঘা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বিঘা
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার পর কৃষির উন্নয়ন: 

• স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের শতকরা ৮৫ ভাগ জনগণের জীবিকা ছিল কৃষির ওপর নির্ভরশীল। 
• জাতীয় আয়ের অর্ধেকেরও বেশি আসত কৃষি খাত থেকে। 
• বঙ্গবন্ধু কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ মনোযোগ দিয়েছিলেন। যেমন-
- ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফসহ পূর্বের সমস্ত বকেয়া খাজনা মওকুফ করে দেন। 
- একটি পরিবারের সর্বাধিক ১০০ বিঘা পর্যন্ত জমির মালিকানা নির্ধারণ করেন।
- বাইশ লাখের অধিক কৃষক পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,২৫৭.
ক্লাসিক্যাল অর্থনীতি, মুক্ত বাজার ও অর্থনৈতিক উদারতাবাদের প্রবর্তক -
  1. ক) ডেভিড রিকার্ডো
  2. খ) এরিস্টল
  3. গ) অ্যাডাম স্মিথ
  4. ঘ) বব কলিনস
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যাডাম স্মিথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যাডাম স্মিথ
ব্যাখ্যা
- ক্লাসিক্যাল অর্থনীতি, মুক্ত বাজার ও অর্থনৈতিক উদারতাবাদের প্রবর্তক - অ্যাডাম স্মিথ
- মুক্ত বাজার অর্থনীতির ফলে রাষ্ট্রীয় খাতের ক্রমাগত লোকসান বন্ধ হবে;
- কাঠামোগত সংস্কার সাধনের ফলে প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আসবে এবং সরকারের ব্যয় কমবে;
- প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থার কারণে পণ্যের ব্যয় কমবে;
- প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থার কারণে পণ্যের মান বাড়বে এবং শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে;
- খোলাবাজার অর্থনীতি অনুসরণ করার ফলে রপ্তানীমুখী বিভিন্ন শিল্প স্থাপিত হওয়ার ফলে বৈদেশিক আয় বৃদ্ধি করবে হবে;
- অদক্ষ এবং অযোগ্য রুগ্ন শিল্পগুলোর দায়দায়িত্ব সরকারের হাতে থাকবে না। ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেয়া হলে মালিক পক্ষ ব্যক্তিগত স্বার্থেই এসব শিল্পসমূহকে পুনরুজ্জীবিত করবে।

উৎস: উৎস: ব্যবস্থাপনা ও নীতিমালা, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৫৮.
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA) কিসের অধীন?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  3. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  4. অর্থ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা BIDA (Bangladesh Investment Development Authority) ২০১৬ সালে গঠিত হয়।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটির কাজ হলো বেসরকারি বিনিয়োগ বিশেষত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সুবিধাদি প্রদান করা।

[উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট]
১১,২৫৯.
১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের ফলাফল কী ছিল?
  1. ৭০ এর নির্বাচন স্থগিত
  2. ছয় দফা বাতিল
  3. আইয়ুব খানের পতন
  4. ৬২ এর শিক্ষানীতি বাতিল
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খানের পতন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খানের পতন
ব্যাখ্যা

৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান:
→ আইয়ুব বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ১৯৬৮ সালের অক্টোবর মাসে শুরু হলেও তা ১৯৬৯-এর জানুয়ারিতে তুঙ্গে ওঠে এবং মধ্য জানুয়ারিতে গণআন্দোলনের রূপ নেয়। 
→ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ দেশের সকল মৌলিক গণতন্ত্রীকে পদত্যাগের আহ্বান জানালে অনেকেই সে আহ্বানে সাড়া দেন। 
→ ছাত্র-শিক্ষকবৃন্দ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের আন্দোলনের সংগে একাত্মতা ঘোষণা করেন।
→ আইয়ুব পুলিশ, ইপিআর ও সেনাবাহিনী দিয়ে ঐ আন্দোলন স্তব্ধ করার চেষ্টা করেন। 
→ ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও ছাত্র ইউনিয়ন মেনন গ্রুপের নেতা আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহীদ হলে আন্দোলন সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
→ আন্দোলন চরম আকার ধারণ করে যখন প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করার সময় ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা পুলিশের গুলি ও বেয়নেট চার্জের ফলে মৃত্যুবরণ করেন।
→ এ আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন ঘটে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,২৬০.
দিল্লি সালতানাত বিলুপ্ত হয়-
  1. ক) ১৫২৪
  2. খ) ১৫২৭
  3. গ) ১৫২৮
  4. ঘ) ১৫২৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫২৬
ব্যাখ্যা

- ইব্রাহিম লোদীর উদ্ধত আচরণ ও কঠোর দমন নীতির ফলে অসন্তুষ্ট আফগান অভিজাত শ্রেণি, পাঞ্জাবের শাসনকর্তা দৌলত খান লোদী এবং ইব্রাহীম লোদীর পিতৃব্য আলম খান এবং রাজপুতনার মেবারের রানা সংগ্রাম সিংহ কাবুলের অধিপতি জহিরুদ্দীন মুহম্মদ বাবরকে ভারত আক্রমণের আহ্বান জানান।
- উচ্চাভিলাষী এবং সাম্রাজ্যবাদী বাবর এই আহবানে সাড়া দিয়ে ভারত আক্রমণ করেন।
- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত ঐতিহাসিক পানিপথের প্রথম যুদ্ধে লোদী বংশের সর্বশেষ শাসক ইব্রাহিম লোদীকে পরাজিত করে দিল্লি সালতানাতের পতন ঘোষণা করেন এবং ভারতর্ষে মুঘল শাসনের গোড়াপত্তন করেন।

তথ্যসূত্র: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র , একাদশ - দ্বাদশ (উন্মুক্ত)।

১১,২৬১.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন -
  1. আবদুল লতিফ
  2. আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
  3. আলতাফ মাহমুদ
  4. আপেল মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
আবদুল লতিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ।

উল্লেখ্য,
- এই গানটি প্রথম হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি'(১৯৫৩) গ্রন্থে সংকলিত হয়।
- ঢাকা কলেজের নতুন নতুন ছাত্র ইউনিয়নের অভিষেক অনুষ্ঠানে গানটি প্রথম গাওয়া হয়।
- গানটির রচয়িতা 'আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী'।
- বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ।

⇒ আবদুল লতিফ:
- আবদুল লতিফ একজন সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার।
- তিনি বরিশালের রায়পাশা গ্রামে ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- কংগ্রেস সাহিত্য সংঘে তিনি ১৬ বছর বয়স থেকে গান গাইতে শুরু করেন।
- ১৯৪৮ সালের জুলাই মাসে তিনি ঢাকায় আসেন।
- ১৯৪৮ সালেই তিনি রেডিও পাকিস্তানে (বর্তমান ঢাকা বেতার কেন্দ্র) সংগীত প্রযোজকের চাকরি পান।
- ৫ আগস্ট তিনি বেতারে প্রথম গান পরিবেশন করেন।
- সংগীতে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার ও একুশে পদক লাভকরেন।
- তিনি ২০০৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি মারা যান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১,২৬২.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের আসন কয়টি?
  1. ক) ৩০০ টি
  2. খ) ৩৩০ টি
  3. গ) ৩৪৫ টি
  4. ঘ) ৩৫০ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৫০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৫০ টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের বর্তমানে মোট আসন সংখ্যা ৩৫০ টি। এর মধ্যে ৩০০ টি আসন জনগণের ভোটে সরাসরি নির্বাচিত এবং ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন ৪৫টি থেকে ৫০টি করা হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,২৬৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী বাংলাদেশের কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার-
  1. ৩.১১ শতাংশ
  2. ৫.৩২ শতাংশ
  3. ৬.৪৮ শতাংশ
  4. ৩.৫২ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৩.১১ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.১১ শতাংশ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৩৫ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.১১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৫.৩৬ শতাংশ।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৬.৪৮ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৩০ শতাংশ।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৩২ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।

১১,২৬৪.
BCB কত সালে ICC এর পূর্ণসদস্যপদ লাভ করে?
  1. ক) ১৯৯৭
  2. খ) ১৯৯৮
  3. গ) ১৯৯৯
  4. ঘ) ২০০০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০০
ব্যাখ্যা
Bangladesh Cricket Board (BCB), previously known as the Bangladesh Cricket Control Board, is the main governing body of cricket in Bangladesh. BCB became a full member of the International Cricket Council on 26 June 2000. The Board has its headquarters in Dhaka, it is responsible for the operation and development of cricket, maintenance of venues, and selection for the national team. [source: tigercricket.com.bd]
১১,২৬৫.
'বেহুলা' ও 'কাজল' ছবি দুটি পরিচালনা করেন কে?
  1. তারেক মাসুদ
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. তানভীর মোকাম্মেল
  4. জহির রায়হান
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
• জহির রায়হান:
- জহির রায়হান ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা মওলানা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ কলকাতা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক এবং ঢাকা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন।

• জহির রায়হান পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Stop Genocide,
- জীবন থেকে নেওয়া,
- কখনও আসেনি,
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম,
- বাহানা প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১১,২৬৬.
বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল কোনটি?
  1. ধান
  2. পাট
  3. চা
  4. ইলিশ
সঠিক উত্তর:
পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট
ব্যাখ্যা
অর্থকরী ফসল:
- যেসব কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা হয়, সেগুলোকে অর্থকরী ফসল বলে।
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী কৃষিপণ্য হচ্ছে পাট, চা ও তামাক।
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসলসমূহ: পাট, চা, আখ বা ইক্ষু, তামাক, তুলা, রাবার, ফুল প্রভৃতি।

⇒ পাট:
- পাট এক ধরনের কৃষিপণ্য।
- পাট একটি বর্ষাকালীন ফসল।
- এর জীবনকাল ১০০ থেকে ১২০ দিন পর্যন্ত।
- বাংলাদেশে পাটকে সোনালী আঁশ বলা হয়ে থাকে।
- পাট বাংলার শত বর্ষের ঐতিহ্য।
- দুই ধরনের পাট বাংলাদেশে দেখতে পাওয়া যায়: সাদা পাট ও তোষা পাট।
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।

উল্লেখ্য,
- পাট রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম।
- বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১৬ লক্ষ মে. টন পাট উৎপাদিত হয় যা বিশ্বে দ্বিতীয়।
- পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে পাট এবং পাট শিল্পের সাথে জড়িত।
- পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে ব্যাগ, শাড়ি, জুতা, স্যান্ডেল, বিছানার চাদর, পর্দা সোফার কভার,কার্পেট এবং আরো নানা ধরনের পণ্য।
- দেশের ভেতরে পলিথিন বা প্লাস্টিকের ব্যাগ নিষিদ্ধ করে পাটের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করা হলে পাটের বিপুল চাহিদা তৈরি হবে।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) পাট অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১১,২৬৭.
পৌরসভা কয়জন সদস্য নিয়ে গঠিত?
  1. ক) ১৩
  2. খ) ১৫
  3. গ) ২১
  4. ঘ) ২৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫
ব্যাখ্যা
শহর এলাকায় স্থানীয় শাসনের সর্বনিম্ন স্তর - পৌরসভা। পৌরসভা একজন মেয়র, কয়েকজন কাউন্সিলর ও কয়েকজন মহিলা কাউন্সিলর নিয়ে গঠিত। একটি পূর্ণাঙ্গ পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ড থাকে। সেই হিসাবে - একজন মেয়র, ১৮ জন কাউন্সিলর, ও ৬ জন সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর (প্রতি ৩ ওয়ার্ডের জন্য একজন মহিলা কাউন্সিলর) মোট ২৫ জন সদস্য নিয়ে পৌরসভা গঠিত। সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর (২য়) বোর্ড বই।
১১,২৬৮.
বাংলাদেশের কোন নারী মুক্তিযোদ্ধা 'মুক্তিবেটি' নামে পরিচিত?
  1. কাঁকন বিবি
  2. সেতারা বেগম
  3. তারামন বিবি
  4. নীলিমা ইব্রাহীম
সঠিক উত্তর:
কাঁকন বিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঁকন বিবি
ব্যাখ্যা
- নারী মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি খাসিয়া সম্প্রদায়ের।
- তিনি 'মুক্তিবেটি' নামে পরিচিত।
- তার জন্ম ১৯৪৮ সালে সুনামগঞ্জ জেলার এক খাসিয়া পরিবারে। 
- পরবর্তীতে তিনি ইসলামধর্ম গ্রহণ করে প্রথমে একজন বাঙালি এবং পরে একজন পাকিস্তানিকে বিয়ে করেন।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি ৫ নং সেক্টরে মুক্তিবাহিনীর পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি করেন। 
- এক পর্যায়ে তিনি পাকবাহিনীর হাতে ধরা পড়লে তার উপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।
- কাঁকন বিবি কে ১৯৯৭ সালে মৌখিক ভাবে বীর প্রতীক খেতাব দেওয়া হলেও তার গেজেট প্রকাশিত হয়নি।
- ২০১৮ সালের ২১শে মার্চ তিনি মারা যান।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং পত্রিকা রিপোর্ট
১১,২৬৯.
কোন আফ্রিকান দেশ বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি দেয়?
  1. সেনেগাল
  2. উগান্ডা
  3. গ্যাবন
  4. সিয়েরা লিওন
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বীকৃত লাভ:

- ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে ০৮ জুলাই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি), মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ইরান ও তুরস্ক ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ, ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ ও বিবিসি, মার্চ ২৬, ২০২১।
১১,২৭০.
কোন মুঘল সম্রাটের সময়ে বারোভূঁইয়াদের দমন করা হয়?
  1. সম্রাট আকবর
  2. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. সম্রাট আওরঙ্গজেব
  4. সম্রাট শাহজাহান
সঠিক উত্তর:
সম্রাট জাহাঙ্গীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
আফগান শাসন ও বারোভূঁইয়া (১৫৩৮-১৫৭৬ সাল): 
- ১৫৩৮ সালে আরব এবং পারস্যের অভিজাত মুসলমানদের হাতে প্রতিষ্ঠিত বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের অবসান হলে বাংলাকে একে একে অন্যান্য বিদেশি শক্তিসমূহ গ্রাস করতে থাকে।
- মুঘল সম্রাট হুমায়ুন অল্প কিছুকাল বাংলার রাজধানীর ওপর অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁকে আফগান নেতা শের শাহের কাছে পরাজয় মানতে হয়।
- বাংলা ও বিহার সরাসরি চলে আসে আফগানদের নিয়ন্ত্রণে।
- আফগানদের দুই শাখা-শূর আফগান ও কররানি আফগানরা বেশ কিছুকাল বাংলা শাসন করেন।
- শেষ পর্যন্ত মুঘল সম্রাট আকবর আফগানদের হাত থেকে বাংলার ক্ষমতা কেড়ে নেন।
- অবশ্য রাজধানী দখল করলেও মুঘলরা বাংলার অভ্যন্তরে অনেক দিন পর্যন্ত প্রকৃত ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত করতে পারেননি।
- এ সময় বাংলায় অনেক বড় বড় স্বাধীন জমিদার ছিলেন।
- 'বারোভূঁইয়া' নামে পরিচিত এ সকল জমিদার মুঘলদের অধিকার মেনে নেননি।
- সম্রাট আকবরের সময় মুঘল সুবাদারগণ 'বারোভূঁইয়া'দের দমন করার চেষ্টা করেও সফল হতে পারেননি।
- 'বারোভূঁইয়া'দের দমন করা হয় সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময়ে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১১,২৭১.
কোন সংসদের ব্যাপ্তি সবচেয়ে কম ছিলো?
  1. প্রথম সংসদ
  2. তৃতীয় সংসদ
  3. ষষ্ঠ সংসদ
  4. পঞ্চম সংসদ
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ সংসদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সবচেয়ে স্বল্পকালীন সংসদ হলো ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ। ১৯৯৬ সালের ১৯ মার্চ থেকে ৩০শে মার্চ পর্যন্ত এই সংসদের মেয়াদ ছিলো মাত্র ১২ দিন।
- এই সংসদে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী পাশ হয়।
- সপ্তম সংসদ হলো দেশের প্রথম পূর্ণমেয়াদকালীন সংসদ।
- প্রথম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে কোন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলো না।
- চতুর্থ সংসদে নারীদের জন্যে সংরক্ষিত কোন আসন ছিলো না।
- বর্তমান সংসদ দেশের ১১তম সংসদ।
(সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট)
১১,২৭২.
মুজিবনগর সরকার- এর কতটি মন্ত্রণালয় ছিল?
  1. ক) 10
  2. খ) 12
  3. গ) 15
  4. ঘ) 18
সঠিক উত্তর:
খ) 12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 12
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।
- শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ।
- নবগঠিত সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে এখানে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন হয় ১৮ এপ্রিল।
- এদিন মুজিবনগর সরকারকে ১২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ভাগ করা হয়।
- এছাড়া কয়েকটি বিভাগ মন্ত্রিপরিষদের কর্তৃত্বাধীনে থাকে। 

[শুধু মন্ত্রণালয় বললে ১২ টি কিন্তু   বিভাগ ও মন্ত্রণালয় বললে ১৫ টি।]

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,২৭৩.
According to the Article 48 of Constitution of Bangladesh, what should be the minimum age of the President? 
  1. ক) 30
  2. খ) 32
  3. গ) 40
  4. ঘ) 35
সঠিক উত্তর:
ঘ) 35
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 35
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার নূন্যতম বয়স ২৫ বছর।
- সংবিধানের ৪৮(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২(২) খ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ব্যক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির নূন্যতম বয়স ১৮ বছর।
- সংবিধানের ১২২(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে 'প্রাপ্ত বয়স্কদের ভোটাধিকার- এই নীতির ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।'
- তাই ভোটার হওয়ার নূন্যতম বয়স ১৮ বছর।
- রাষ্ট্রপতি হওয়ার নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,২৭৪.
পলাশীর যুদ্ধ কোন নদীর তীরে হয়েছিল?
  1. ব্রহ্মপুত্র
  2. পদ্মা
  3. ভাগীরথী
  4. গঙ্গা
সঠিক উত্তর:
ভাগীরথী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাগীরথী
ব্যাখ্যা
পলাশীর যুদ্ধ:
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- পলাশী যুদ্ধের ফলে ইংরেজ বা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৭৫.
বাংলাদেশের সংবিধান সর্বপ্রথম কোন তারিখে গণপরিষদে উত্থাপিত হয়?
  1. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ২৬ মার্চ, ১৯৭৩
  4. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি:
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট 'একটা খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' (Draft Constitution Committee) গঠিত হয়।
- এ কমিটিতে সংসদে নারী আসন থেকে একমাত্র মহিলা সদস্য বেগম রাজিয়া বানু ছিলেন।
- কমিটি মোট ৭৪টি বৈঠক মিলিত হয়।
- কমিটি ১৯৭২ সালের ১০ জুন অনুষ্ঠিত সভায় সংবিধানের প্রাথমিক খসড়া অনুমোদন করে।
- খসড়া সংবিধান নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা শেষে ১১ অক্টোবর কমিটির শেষ সভায় সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।
- ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান বিল আকারে পেশ করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়।
- সভাপতি কামাল হোসেন ১২ অক্টোবর ১৯৭২ 'সংবিধান বিল' গণপরিষদে উত্থাপন করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,২৭৬.
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন হয়েছিল কোন কমিশনের বিরুদ্ধে?
  1. মুরারজি কমিশন
  2. কুদরত-ই-খুদা কমিশন
  3. শরীফ কমিশন
  4. সিদ্দিকী কমিশন
সঠিক উত্তর:
শরীফ কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরীফ কমিশন
ব্যাখ্যা
শিক্ষা আন্দোলন: 
- ১৯৬২ সালে শরিফ কমিশন শিক্ষাসংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- এ প্রতিবেদনের সুপারিশে ছাত্রদের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
- ফলে শরিফ কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়।
- এ আন্দোলন 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' নামে পরিচিত।
- ১৫ই আগস্ট থেকে ১০ই সেপ্টেম্বর বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৭ই সেপ্টেম্বর হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে কয়েকজন নিহত এবং কয়েক'শ আহত হয়।
- এ আন্দোলনের ফলে শরিফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,২৭৭.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ কোনটি?
  1. পশ্চিম জার্মানি
  2. পূর্ব জার্মানি
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
পূর্ব জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব জার্মানি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- একইদিন দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র সচিবের ভাষ্যমতে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ ভুটান এবং দ্বিতীয় দেশ ভারত।
- সাবেক পূর্ব জার্মানি ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ ইউরোপের প্রথম আর বিশ্বের তৃতীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- আর সাবেক পশ্চিম জার্মানি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় প্রায় তিন সপ্তাহ পর ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।

সূত্র: প্রথম আলো ও বাংলাপিডিয়া।
১১,২৭৮.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত গণভোট হয়েছে কতবার?
  1. ১বার
  2. ২বার
  3. ৩বার
  4. ৪বার
সঠিক উত্তর:
৩বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩বার
ব্যাখ্যা
গণভোট
- ১৯৯১ সালের গণভোট মূলত রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার থেকে প্রধানমন্ত্রীর শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন করার জন্য গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- এটাই একমাত্র সাংবিধানিক গণভোট।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনার অথবা ৮, ৪৮, ৫৬, ৫৮, ৮০, ৯২ক বা ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধনের ব্যবস্থা করে কোন বিল উক্ত সংবিধানের ১৪২ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদে গৃহীত হওয়ার পর তাতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করবেন কি করবেন না এই প্রশ্নটি যাচাইয়ের জন্য গণভোটের বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট গণভোট হয়েছে ৩ বার।
- বাংলাদেশের প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমানের নিজ শাসনকে বৈধকরণ। (প্রশাসনিক)
- দ্বিতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ১ মার্চ এরশাদের সমর্থন যাচাই। (প্রশাসনিক)
- তৃতীয় গণভোট ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১ (একমাত্র সাংবিধানিক)।
- বাংলাদেশের গণভোট সংক্রান্ত আইন গণভোট আইন, ১৯৯১। 

উৎস: বাংলাদেশ আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো আর্কাইভ।
১১,২৭৯.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল কোন সালে টেস্ট ক্রিকেটের মর্যাদা লাভ করে?
  1. ১৯৯৯
  2. ২০০০
  3. ২০০১
  4. ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
২০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

১১,২৮০.
'বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা হবে' যুক্তফ্রন্টের ইশতেহারের কততম দফায় বলা হয়েছিল?
  1. ক) ১ নং
  2. খ) ২ নং
  3. গ) ৩ নং
  4. ঘ) ৪ নং
সঠিক উত্তর:
ক) ১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ নং
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নেতাগণ ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা শহীদদের স্মৃতি অম্লান করে রাখার জন্য শ্রদ্ধাভরে তাদের কর্মসূচীকে ২১ দফায় লিপিবদ্ধ করেন। যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা কর্মসূচির প্রথম দফা ছিল- 'বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা হবে।'
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১১,২৮১.
‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করে -
  1. ক) তমদ্দুন মজলিশ
  2. খ) গণতান্ত্রিক যুবলীগ
  3. গ) মুসলিম লীগ
  4. ঘ) সাংস্কৃতিক সংসদ 
সঠিক উত্তর:
ক) তমদ্দুন মজলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তমদ্দুন মজলিশ
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন:
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ‘তমদ্দুন মজলিস’ নামে একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে।
- তমদ্দুন মজলিস সভা-সমিতি ও লেখনীর মাধ্যমে বাংলা ভাষার পক্ষে জনমত গড়ে তোলে।
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে নূরুল হক ভূঁইয়াকে আহ্বায়ক করে তমদ্দুন মজলিস ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করে।
- ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ সালে ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ নামে একটি পুস্তিকাও প্রকাশ করে - গণতান্ত্রিক যুবলীগ।
-  ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম ভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন
করেন। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৮২.
FBCCI কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
FBCCI:
- FBCCI এর পূর্ণরূপ: The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry.
- বাংলাদেশের বেসরকারি সেক্টরের বাণিজ্য বিষয়ক সর্বোচ্চ সংগঠন FBCCI (এফবিসিসিআই)।
- ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১ এবং কোম্পানি আইন, ১৯১৩ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংস্থা হিসেবে পরামর্শমূলক এবং উপদেষ্টা ক্ষমতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে, বেসরকারি বাণিজ্য খাতের স্বার্থ রক্ষা করে।
- এফবিসিসিআই'র বর্তমান প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান। (নভেম্বর, ২০২৪)

তথ্যসূত্র - FBCCI ওয়েবসাইট।
১১,২৮৩.
স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা কত বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়?
  1. ১-৫ বছর
  2. ১-৭ বছর
  3. ২-১০ বছর
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১-৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১-৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা ১-৫ বছরের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হয়।

স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা:

- যখন সুনির্দিষ্ট কতগুলো আর্থ-সামাজিক লক্ষ্য স্বল্প সময়, যেমন ৫ বছর বা তার চেয়ে কম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়, তখন স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা বলে।
- এ পরিকল্পনার মধ্যে এমন ধরনের কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে যেগুলো জাতীয় স্বার্থে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন।
- কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, বাণিজ্যের প্রসার, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেচ ব্যবস্থার প্রসার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন প্রভৃতি লক্ষ্যগুলো দীর্ঘ সময়ের জন্য ফেলে রাখা যায় না। সামাজিক স্বার্থে এগুলো স্বল্প সময়ের মধ্যে অর্জন দরকার।
- স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য হল -
• আর্থ-সামাজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ও কর্মসূজির দ্রুত বাস্তবায়ন।
• মেয়াদ ভিত্তিক বৈদেশিক সাহায্যের ব্যবহার নিশ্চিত করা।
• বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির সফলতা ও বিফলতা মুল্যায়ন করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
• দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
• কখনও কখনও দেশে বিরাজমান বিশেষ পরিস্থিতির কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনার মত একটি স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা।
• পরবর্তী পরিকল্পনাগুলোর উন্নয়ন প্রক্রিয়া সহজ ও ত্বরান্বিত করা।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৮৪.
বাংলার গভর্নর জেনারেল পদ ভারতের গভর্নর জেনারেল পদে পরিণত হয় কত সালে?
  1. ১৭৭৬ সালে
  2. ১৮০১ সালে
  3. ১৮৩৩ সালে
  4. ১৮৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৩৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৩৩ সালে
ব্যাখ্যা
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক (১৭৭৪-১৮৩৯): 
- ১৮২৮ থেকে ১৮৩৩ সাল পর্যন্ত বাংলার গভর্নর জেনারেল এবং ১৮৩৩ থেকে ১৮৩৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- লর্ড উইলিয়ম ক্যাভেন্ডিস বেন্টিঙ্ক ১৭৭৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন।
- মাদ্রাজের গভর্নর হিসেবে ১৮০৩ সালে তিনি প্রথম ভারতে আসেন এবং ১৮০৬ সালে ভেল্লোরে সিপাইদের বিদ্রোহের কারণে ১৮০৭ সালে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়।
- প্রায় দুই দশক পর তাঁকে বাংলার গভর্নর জেনারেল নিয়োগ করা হয় এবং তিনি ১৮২৮ সালে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
- ১৮৩৩ সালের  সনদ আইন (Charter Act-1833) দ্বারা পরে তাঁর পদবিকে ভারতের গভর্নর জেনারেল হিসেবে পুনরাখ্যায়িত করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,২৮৫.
শিশুর ভাষা শিক্ষায় প্রথম মাধ্যম কে?
  1. ক) মা
  2. খ) বাবা
  3. গ) আত্মীয়-স্বজন
  4. ঘ) শিক্ষক
সঠিক উত্তর:
ক) মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মা
ব্যাখ্যা
শিশুর ভাষা শিক্ষায় প্রথম মাধ্যম হলো মা। 
বাড়ি হলো একজন শিশুর প্রথম পাঠগ্রহণের প্রথম বিদ্যালয়। 
১১,২৮৬.
পশ্চিম পাকিস্তান আমাদের কত বছর শাসন করেছে?
  1. ২০ বছর
  2. ২২ বছর
  3. ২৪ বছর
  4. ২৬ বছর
সঠিক উত্তর:
২৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ বছর
ব্যাখ্যা

পশ্চিম পাকিস্তান:
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট এক হাজার মাইলের অধিক ব্যবধান এবং বিচ্ছিন্নতাসহ পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তান নিয়ে গঠিত হয়েছিল পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র।
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির শুরু থেকেই পূর্ব বাংলা প্রদেশকে পাকিস্তানের একটি উপনিবেশে পরিণত করার প্রচেষ্টা চালায়।
- পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী অত্যন্ত সুকৌশলে পূর্ববাংলার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন শুরু করে। যার ফলে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সৃষ্টি হয় ব্যাপক বৈষম্যের পাহাড়। পাকিস্তানি অপশাসন ও শোষণের ফলে পূর্ব বাংলার সম্পদ পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে থাকে।
- পাকিস্তানের দুই অংশের উন্নয়ন ও বাস্তব পরিস্থিতিতে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অপশাসন ও শোষণের অভিঘাতে পূর্ববাংলা প্রথমে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধিকারের দাবি তোলে।
-  দীর্ঘ ২৪ বছরই সামরিক চক্র ও আমলারা দেশ শাসন করেন।
- অতঃপর ১৯৭০ এর সাধারণ নির্বাচন, ফলাফল বানচাল এবং পরবর্তী অসহযোগ আন্দোলনের পথ ধরে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়। 

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,২৮৭.
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ উত্থাপনকারী কে?
  1. ড. আদিলুর রহমান খান
  2. ড. আলী ইমাম মজুমদার
  3. ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন
  4. ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

১১,২৮৮.
কোন সম্প্রদায় ‘ফাগুয়া’ উৎসব পালন করে?
  1. ক) ওঁরাও
  2. খ) গারো
  3. গ) মারমা
  4. ঘ) ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
ক) ওঁরাও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ওঁরাও
ব্যাখ্যা
- ওঁরাওরা ফাল্গুন মাস থেকে বছর গণনা শুরু করে।
- নববর্ষকে বরণ করতে তারা পালন করে ‘ফাগুয়া’।
- গারোদের প্রধান সামাজিক ও কৃষি উৎসব হলো ‘ওয়ানগালা’। 
- ‘সাংগ্রাই’, ‘বৈসুক’ ও ‘বিজু’ বাঙালিদের পহেলা বৈশাখের ন্যায় যথাক্রমে মারমা, ত্রিপুরা এবং চাকমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব।

সূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণি।
১১,২৮৯.
বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত করেন কে?
  1. ক) মুহম্মদ ঘুরি
  2. খ) বখতিয়ার খলজী
  3. গ) ইলিয়াস শাহ
  4. ঘ) মুহম্মদ বিন কাসিম
সঠিক উত্তর:
খ) বখতিয়ার খলজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বখতিয়ার খলজী
ব্যাখ্যা
ত্রয়োদশ শতকে ১২০৪ সালে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি কর্তৃক নদীয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়।
- ১২০৪ সালে বখতিয়ার খলজি বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন।
- উত্তর আফগানিস্তানের গরমশির (আধুনিক দস্ত-ই-মার্গ) এলাকার বাসিন্দা ইখতিয়ারউদ্দীন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজী তুর্কি জাতির খলজী সম্প্রদায়র্ভুক্ত ছিলেন। 
- বখতিয়ার খলজী স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে তিনি গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন। পূর্বে গৌড়ের নাম ছিল লক্ষণাবতী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১১,২৯০.
চন্দ্রদ্বীপ : বরিশাল :: সমতট : ?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
চন্দ্রদ্বীপ
• বর্তমান বরিশাল অঞ্চলে চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি জনপদের সৃষ্টি হয়েছিল।
• এ জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।
অন্যদিকে,
• সমতট জনপদ বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিলো।
• হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
• বরেন্দ্র জনপদ বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১১,২৯১.
দেশের প্রথম বিশেষায়িত হিমাগার কোথায় স্থাপন করা হবে?
  1. রংপুর
  2. দিনাজপুর
  3. বগুড়া
  4. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম বিশেষায়িত হিমাগার স্থাপন করা হবে রংপুরে।

দেশের প্রথম বিশেষায়িত হিমাগার:
- দেশের প্রথম বিশেষায়িত হিমাগার স্থাপন করা হবে রংপুরের মিঠাপুকুরে।

উল্লেখ্য,
- হাঁড়িভাঙা আম ও সবজি সংরক্ষণের জন্য এ হিমাগার স্থাপন করা হবে।

উৎস: ২১ জুন, ২০২৪, প্রথম আলো।
১১,২৯২.
বাংলাদেশের সবচেয়ে স্বল্পকালীন সংসদ কোনটি?
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) পঞ্চম
  4. ঘ) ষষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ষষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সবচেয়ে স্বল্পকালীন সংসদ হলো ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ। এর মেয়াদ ছিলো ১৯ মার্চ ১৯৯৬ থেকে ৩০ মার্চ ১৯৯৬ মাত্র ১২ দিন। এ সংসদে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী গৃহিত হয়েছিল যার মাধ্যে তত্তাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিলো। এ সংসদ নির্বাচন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলগুলো বয়কট করেছিলো। তৃতীয় সংসদ ১ বছর ৫ মাস এবং চতুর্থ সংসদ ২ বছর ৭ মাস স্থায়ী ছিলো। পঞ্চম সংসদ ৪ বছর ৮ মাস স্থায়ী ছিলো। বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণ মেয়াদকালীন সংসদ হলো সপ্তম জাতীয় সংসদ। (সূত্রঃ জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট)
১১,২৯৩.
GDP হিসাবের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি গণ্য হয় না?
  1. ক) দেশে কর্মরত বিদেশীদের আয়
  2. খ) রপ্তানি আয়
  3. গ) প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স
  4. ঘ) ইপিজেডের উৎপাদন
সঠিক উত্তর:
গ) প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স
ব্যাখ্যা
- GDP (Gross Domestic Product) বা স্থূল দেশজ উৎপাদন হলো একটি দেশের ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উৎপাদিত সকল পণ্য ও সেবার সমষ্টি।
- GDP হিসাবে দেশে কর্মরত বিদেশীদের আয় অন্তর্ভুক্ত হলেও বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের আয় অন্তর্ভুক্ত হয় না।
- GNP (Gross National Product) বা স্থূল জাতীয় উৎপাদনে প্রবাসীদের আয় অন্তর্ভুক্ত হয় কিন্তু দেশে কর্মরত বিদেশীদের আয় অন্তর্ভুক্ত হয় না।
(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি : রণজিৎ কুমার নাথ)
১১,২৯৪.
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অনুযায়ী, মাথাপিছু আয় কত?
  1. ২,৭১০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৮০ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  4. ২,৯৬০ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

১১,২৯৫.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল কত তারিখে ঘোষণা করা হয়?
  1. ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  2. ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  3. ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  4. ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১১ ডিসেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ডিসেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
- ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। 

⇒ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ১২ তারিখ বৃহস্পতিবার ৩০০ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সাধারণ নির্বাচন এবং একইসঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
- চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ ২১শে জানুয়ারি, ২০২৬।
- নির্বাচনী প্রচারণা চলবে ২২শে জানুয়ারি থেকে ১০ই ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।
- জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট হবে সাদা, আর গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপি।
- এবার নির্বাচনের দিনেই গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায়, ভোটগ্রহণের সময় একঘণ্টা বাড়িয়ে সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা করা হয়েছে।

⇒ এবার দেশে ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন।
- এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ৯০৭ জন ও নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৭৯ হাজার ৪২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৩৪ জন।
- ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত যাদের বয়স ১৮ হয়েছে, তাদের নিয়েই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রস্তুত করেছে নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- ৫ আগষ্ট ২০২৪ তারিখে শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগের পর রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। 

উৎস: i) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

১১,২৯৬.
ΒΕΡΖΑ কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. শিল্প
  2. বাণিজ্য
  3. অর্থ
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
BEPZA:
- BEPZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority অথবা বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ।
- BEPZA হলো ইপিজেডগুলোতে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ বৃদ্ধিও জন্য সরকার কর্তৃক ঘোষিত প্রতিষ্ঠান। 

বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা।
- বাংলাদেশ সরকার দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র বিমোচনের উদ্দেশ্যে শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশের লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) আইন ১৯৮০ (আইন নং-৩৬) এর মাধ্যমে "বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ" (বেপজা) গঠন করে।
- বেপজা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইপিজেড স্থাপনর্পবুক দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আনয়ন, বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং প্রযুক্তি আহরণের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা সরকারের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য পুরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ১৯৮৩ সালে BEPZA (Bangladesh Export processing Zone Authority) কর্তৃক সর্বপ্রথম ইপিজেড (EPZ) প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামে।

উৎস: BEPZA ওয়েবসাইট।
১১,২৯৭.
বাংলাদেশের 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয় কোনটিকে?
  1. চা
  2. চিংড়ি
  3. তামাক
  4. ইলিশ
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
ব্যাখ্যা
হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে 'সাদা সোনা' বা 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উত্পাদিত হচ্ছে, তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪১ কোটি ডলারের চিংড়ি রপ্তানি হয়।
- প্রবৃদ্ধি দাড়ায় ২৩.৮৪ শতাংশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ আগস্ট ২০২৩ ও ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
১১,২৯৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে "জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার" এর নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৩২ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৩৩ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৩৪ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩৫ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩২ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।
- সংবিধানের ৩২ নং অনুচ্ছেদে, বর্ণিত হয়েছে: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
• আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাবে না।

অন্যদিকে,
​- ৩৩ নং অনুচ্ছেদ: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ।
- ৩৪ নং অনুচ্ছেদ: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
​- ৩৫ নং অনুচ্ছেদ: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১১,২৯৯.
'ময়না' কোন ফসলের উচ্চ ফলনশীল জাত?
  1. ভুট্টা
  2. আম
  3. ধান
  4. বাঁধাকপি
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১১,৩০০.
অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. নবাব আব্দুল লতিফ
  2. এ. কে. ফজলুল হক
  3. সরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
এ. কে. ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ. কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
এ.কে. ফজলুল হক:
- আবুল কাশেম ফজলুল হক বাকেরগঞ্জ জেলার দক্ষিণাঞ্চলের বর্ধিষ্ণু গ্রাম সাটুরিয়ায় ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন।
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এ.কে. ফজলুল হক।
- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি কলকাতার মেয়র হোন ১৯৩৫ সালে।
- তাঁর নেতৃত্বে ১৯৩৫ সালে কৃষক প্রজা পার্টি গঠিত হয়।
- অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩) এবং পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪) ছিলেন।
- তিনি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৫৫) এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ (১৯৫৬-১৯৫৮) সহ বহু উঁচু রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।