বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১১২ / ৩০৬ · ১১,১০১১১,২০০ / ৩০,৮৩২

১১,১০১.
বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেললাইন নির্মাণে বাংলাদেশ কোন দেশের সাথে চুক্তি করে?
  1. ক) চীন
  2. খ) ভারত
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভারত
ব্যাখ্যা
বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেললাইন নির্মাণে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ বাংলাদেশ ভারতের সাথে চুক্তি করে। 
বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকায় সিরাজগঞ্জ থেকে বগুড়া পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ করা হবে।
বর্তমানে ঢাকা-রংপুর বিভাগের জেলাতে ট্রেন যায় পাবনার ঈশ্বরদী ঘুরে বগুড়ার সান্তাহার হয়ে।
এ কারণে শত কিলোমিটার বাড়তি পথ পাড়ি দিতে হয় উত্তরের যাত্রীদের।
রেলের হিসাব অনুযায়ী, ঢাকা-বগুড়ার বর্তমান দূরত্ব ৩২৪ কিলোমিটার।
নতুন রেলপথ নির্মাণ হলে এই দূরত্ব কমে হবে ২১২ কিলোমিটার।
১১২ কিলোমিটার দূরত্ব কমায় আশা করা হচ্ছে অন্তত তিন ঘণ্টা সাশ্রয় হবে। 
উৎস: দৈনিক ইনকিলাব। 
১১,১০২.
কে বীরশ্রেষ্ঠ নন?
  1. মুন্সী আব্দুর রহমান
  2. নূর মোহাম্মাদ শেখ
  3. মোস্তফা কামাল
  4. হামিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
মুন্সী আব্দুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুন্সী আব্দুর রহমান
ব্যাখ্যা
৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ হলেন -
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১১,১০৩.
এ. কে ফজলুল হক কোন দলের নেতৃত্বে ছিলেন?
  1. আওয়ামী মুসলিম লীগ
  2. কৃষক শ্রমিক পার্টি
  3. নেজামে ইসলাম
  4. গণতন্ত্রী দল
সঠিক উত্তর:
কৃষক শ্রমিক পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষক শ্রমিক পার্টি
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের নির্বাচন:
- ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অধীনে সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ এবং পাঁচটি দলের সমন্বয়ে গঠিত যুক্তফ্রন্ট।
- যুক্তফ্রন্টের প্রধান শরিক দলগুলো ছিল:
- মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ,
- এ. কে ফজলুল হকের নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক পার্টি,
- মওলানা আতাহার আলীর নেতৃত্বাধীন নেজামে ইসলাম,
- হাজী মোহাম্মদ দানেশের নেতৃত্বাধীন গণতন্ত্রী দল এবং
- খিলাফতে রব্বানী পার্টি।

নির্বাচনের ফলাফল:
- এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ৩০৯টি আসনের মধ্যে ২২৮টি আসন লাভ করে।
- এর মধ্যে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত ৯টি আসনও ছিল।
- ১৯৩৭ সাল থেকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ক্ষমতায় আসীন মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৭টি আসন।
- যুক্তফ্রন্টের ২২৮টি আসনের মধ্যে আওয়ামী মুসলিম লীগ পায় ১৪৩টি আসন, কৃষক শ্রমিক পার্টি ৪৮, নেজামে ইসলাম ২২, গণতন্ত্রী দল ১৩, এবং খেলাফতে রববানী পার্টি পায় ২টি আসন।
- অমুসলিম আসনে কংগ্রেস পায় ২৫টি, তফসিলী ফেডারেশন ২৭টি এবং সংখ্যালঘুদের যুক্তফ্রন্ট পায় ১৩টি আসন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,১০৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা কোন সেক্টরের অধীনে ছিল
  1. ক) ২ নং
  2. খ) ৭ নং
  3. গ) ৮ নং
  4. ঘ) ৯ নং
সঠিক উত্তর:
ক) ২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ নং
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল-১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)
-১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না

- চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর।
- ঢাকা-২ নং সেক্টর।
- রাজশাহী-৭ নং সেক্টর।
- মুজিব নগর-৮ নং সেক্টর।
- সুন্দরবন-৯ নং সেক্টর।

সূত্র: ঢাকা বিভাগের ওয়েবসাইট।
১১,১০৫.
‘আয়নাবাজি’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. মোস্তাফিজুর রহমান মানিক
  2. তানভীর মোকাম্মেল
  3. চাষী নজরুল ইসলাম
  4. অমিতাভ রেজা চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
অমিতাভ রেজা চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমিতাভ রেজা চৌধুরী
ব্যাখ্যা

আয়নাবাজি:
- ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরের ৩০ তারিখে মুক্তি পেয়েছিল ‘আয়নাবাজি’।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন অমিতাভ রেজা চৌধুরী।
- এর কাহিনি গাউসুল আলম শাওনের এবং যৌথভাবে চিত্রনাট্য করেছিলেন গাউসুল আলম শাওন এবং অনম বিশ্বাস।
- চলচ্চিত্রটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন চঞ্চল চৌধুরী।
- এ কারণে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হওয়ার পাশাপাশি ওই বছর ‘আয়নাবাজি’ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আরো সাতটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।
- চঞ্চল ছাড়াও ‘আয়নাবাজি’-তে অন্যান্য চরিত্রে আরও অভিনয় করেন মাসুমা নাবিলা, পার্থ বড়ুয়া, লুৎফুর রহমান জর্জ, বৃন্দাবন দাশ, গাউসুল আলম শাওন, জামিল হোসেন প্রমুখ।

তথ্যসূত্র - চ্যানেল আই অনলাইন, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪।

১১,১০৬.
হরি ধান আবিষ্কার করেন​ -
  1. হরিপদ কাপালি
  2. হরিপদ কুমার
  3. হরিপদ কপিল
  4. হরিপদ পাল
সঠিক উত্তর:
হরিপদ কাপালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিপদ কাপালি
ব্যাখ্যা
হরি ধান 
- ধানের উচ্চফলনশীল একটি নতুন জাত আবিষ্কার করেন​ ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কৃষক হরিপদ কাপালি।
- যা পরে ‘হরি ধান’ হিসেবে পরিচিতি পায়। 
- লেখক অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের মতে, বাংলাদেশের সেরা আবিষ্কার হরিধান। 
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটও ‘হরি ধান’কে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- হরিধানের ফলন হলো বিঘাপ্রতি প্রায় ২২ মণ।
- ১৯৯২ সালে তিনি এ ধানের আবাদ শুরু করেন, যা পরে সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়ে। 

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো।
১১,১০৭.
কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত -
  1. ক) পরিবহন খাত
  2. খ) সেবাখাত
  3. গ) শিল্পখাত
  4. ঘ) কৃষিখাত
সঠিক উত্তর:
ঘ) কৃষিখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কৃষিখাত
ব্যাখ্যা
• জিডিপিতে প্রধান ৩টি খাত।

• জিডিপিতে অবদান: 
সেবাখাত - ৫১.৪৪%
শিল্পখাত - ৩৭.০৭%
কৃষিখাত - ১১.৫০%

• প্রবৃদ্ধির হার:
সেবাখাত - ৬.৩১%
শিল্পখাত - ১০.৪৪%
কৃষিখাত - ২.২০%

• নিয়োজিত শ্রমশক্তি:
সেবাখাত - ৩৯.০%
শিল্পখাত - ২০.৪%
কৃষিখাত - ৪০.৬%

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১১,১০৮.
দেশের প্রথম ঔষধ শিল্পপার্ক কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বাউশিয়া
  2. খ) সোনারগাঁও
  3. গ) হেমায়েতপুর
  4. ঘ) জয়দেবপুর
সঠিক উত্তর:
ক) বাউশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাউশিয়া
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম ঔষধ শিল্পপার্ক নির্মিত হচ্ছে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়ায়। এর আয়তন প্রায় ২০০ একর। ২০০৮ সালে সরকার ঔষধ শিল্পপার্ক স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। ২০২৩ সালে এটি পুরোদমে উৎপাদনে যাবে।
(সূত্রঃ বিসিক ও বাংলাদেশ প্রতিদিন)
১১,১০৯.
নিচের কোনটি সিভিল সোসাইটির অংশ নয়?
  1. আইন ও সালিশ কেন্দ্র
  2. সুশাসনের জন্যে নাগরিক
  3. বাংলাদেশ পুলিশ
  4. বিজিএমইএ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পুলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পুলিশ
ব্যাখ্যা
- সিভিল সোসাইটি বা সুশীল সমাজ সরকারের অংশ নয়, তবে সরকারের নীতি-নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করে থাকে।
- সমাজের বিভিন্ন পেশাজীবী, বিশিষ্ট নাগরিক, বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠন বা এনজিও’র সমন্বয়ে সিভিল সোসাইটি গঠিত।
- আইন ও সালিম কেন্দ্র (আসক), সুশাসনের জন্যে নাগরিক (সুজন), বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) প্রভৃতি সিভিল সোসাইটির অংশ হিসেবে বিবেচিত।
অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ পুলিশ সরকারের অংশ, যা সিভিল সোসাইটির অংশ নয়।
(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন)
১১,১১০.
বাংলাদেশের পার্লামেন্টের প্রতীক কী?
  1. ক) পদ্মফুল
  2. খ) শাপলা
  3. গ) দোয়েল
  4. ঘ) টাইগার
সঠিক উত্তর:
খ) শাপলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শাপলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পার্লামেন্টের প্রতীক হলো শাপলা। আবার শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুলও বটে। দোয়েল বাংলাদেশের জাতীয় পাখি এবং বাঘ বাংলাদেশের জাতীয় পশু।
১১,১১১.
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. সুপ্রিমকোর্ট
  3. আইনসভা
  4. হাইকোর্ট
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
----------------------------------------------
• বাংলাদেশের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।
- সংসদ যেকোনো নতুন আইন প্রণয়ন, প্রচলিত আইনের পরিবর্তন বা সংশোধন করতে পারে।
- কোনো নতুন আইন পাশ করতে হলে খসড়া বিলের আকারে তা সংসদে পেশ করা হয়। সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটে বিলটি গৃহীত হওয়ারপর এবং বিধি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর তা' আইনে পরিণত হয়।

• জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগের কার্যক্রম তদারকি করে।
- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যগণ সংসদের নিকট দায়ী থাকেন।
- কোনো কারণে সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা আনলে মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়। মুলতুবি

• জাতীয় সংসদের অনুমতি ছাড়া কোনো কর বা খাজনা আরোপ ও আদায় করা যায় না।
- সংসদ প্রতিবছর জাতীয় বাজেট পাস করে।
- অর্থমন্ত্রী বাজেটের খসড়া সংসদে উপস্থাপন করেন। সংসদ সদস্যগণ দীর্ঘ বিতর্ক ও আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংশোধনীসহ তা পাশ করেন।

•  জাতীয় সংসদের বিচারসংক্রান্ত ক্ষমতা রয়েছে। কোনো সংসদ সদস্য অসংসদীয় আচরণ করলে স্পিকার তাঁকে বহিষ্কার করতে পারেন।
- তাছাড়া সংবিধান লঙ্ঘন করলে সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে এবং প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারে।

•  সংসদ সংবিধানে উল্লিখিত নিয়মের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করতে পারে। তবে এজন্য সংসদের মোট সদস্যের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের দরকার হয়।
• জাতীয় সংসদের সদস্যগণ সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার এবং সংসদের বিভিন্ন কমিটির সদস্যদের নির্বাচিত করেন।
- সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যগণও সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
- এ ছাড়া সংসদ সদস্যগণ দেশের রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচন করে থাকেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
১১,১১২.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০১ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. সুপ্রীম কোর্টের আসন
  2. হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার
  3. আপীল বিভাগের এখতিয়ার
  4. সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
- অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০২ - কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০৩ - আপীল বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০৪ - আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ।
- অনুচ্ছেদ ১০৫ - আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা।
- অনুচ্ছেদ ১০৬ - সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০৭ - সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০৮ - "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট।
- অনুচ্ছেদ ১০৯ - আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ।
- অনুচ্ছেদ ১১০ - অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,১১৩.
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৩৬
  2. অনুচ্ছেদ-৩৯
  3. অনুচ্ছেদ-৪১
  4. অনুচ্ছেদ-৪৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯
ব্যাখ্যা

• ’সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

• বাংলাদেশ সংবিধান: 
- অনুচ্ছেদ:৩৯:  চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- ৩৯। (১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

• ৩৯।(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
- (ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
- (খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ: ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা
- অনুচ্ছেদ: ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১১,১১৪.
সরকারি ব্যয় সংক্রান্ত কোনো বিল সংসদে উত্থাপন করতে হলে কার সুপারিশ প্রয়োজন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. অর্থমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কার্যাবলি :

• অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা:
⇒ সংসদ ভেঙ্গে গেলে বা অধিবেশন না থাকলে কোনো বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। এ অধ্যাদেশ সংসদ প্রণীত আইনের মতো ক্ষমতাসম্পন্ন।

• প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ও বিচারসংক্রান্ত কাজ:
⇒ রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না। সুপ্রিম কোর্টের অন্য বিচারপতিগণও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন।

• ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা:
⇒  রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা রয়েছে যে কোনো দন্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করবার। কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত যে কোনো দন্ড তিনি মার্জনা করতে পারেন।

• অর্থসংক্রান্ত ক্ষমতা ও কাজ: 
⇒ সরকারি ব্যয়সংক্রান্ত কোনো বিল সংসদে উথাপন করতে হলে তাতে রাষ্ট্রপতির সুপারিশ সাগে। প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি সংযুক্ত তহবিল থেকে ব্যয় নির্বাহের ব্যবস্থা করতে পারেন।

• প্রতিরক্ষাসংক্রান্ত ক্ষমতা: 
⇒ বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কত্ব রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত। তিনি বহিআক্রমণ মোকাবিলার জন্য যে কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

উৎস: বাংলাদেশে ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

১১,১১৫.
ঐতিহাসিক পলাশী যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের ফলে ভারতে-
  1. ক) ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের পথ প্রশস্ত হয়
  2. খ) মুঘল সম্রাটদের ক্ষমতা সুসংহত হয়
  3. গ) বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সূচনা হয়
  4. ঘ) বাংলার স্বাধীন নবাবি শাসনের অবসান হয়
সঠিক উত্তর:
ক) ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের পথ প্রশস্ত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের পথ প্রশস্ত হয়
ব্যাখ্যা
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাবের সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়। 
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের কারণে বাংলায় ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্তহয়।
- তবে পলাশীর বিজয়ে কোম্পানির সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা হয়নি।
- সে জন্য তাকে আরো একটি যুদ্ধে লিপ্ত হতে হয়।
- মীর জাফর ইংরেজদের স্বার্থ রক্ষা করতে ব্যর্থ হলে তাকে সরিয়ে মীর কাশিমকে সিংহাসনে শর্তসাপেক্ষে বসানো হয়।
- স্বাধীনচেতা মীর কাশিম ইংরেজদের অনুগত না হয়ে স্বাধীনভাবে দেশ পরিচালনার জন্য একের পর এক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
- যার ফলে শেষ পর্যন্ত ১৭৬৪ খ্রিস্টাব্দে বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধে বাংলার নবাব একা পরাজিত হননি তাঁর সাথে তার মিত্র দিল্লির সম্রাট শাহ আলম অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলাও পরাজিত হন।
- এই তিন শক্তির এক সঙ্গে পরাজয়ের কারণে ইংরেজদের মর্যাদা ও শক্তি বৃদ্ধি পায়।
- একই সঙ্গে রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের পথ সুনিশ্চিত হয়।
- যার পরিণতিতে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি একশবছর অর্থাৎ ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই উপমহাদেশ শাসন করতে সক্ষম হয়।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ব বিদ্যালয়।
১১,১১৬.
ইকরামুল হাসান শাকিল তাঁর ‘সি টু সামিট’ অভিযান কোথা থেকে শুরু করেন?
  1. সিলেট
  2. কক্সবাজার
  3. চট্টগ্রাম
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল। মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
১১,১১৭.
"বঙ্গীয় কৃষক পার্টি" গঠন করেন কে?
  1. দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস
  2. আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  3. এ. কে. ফজলুল হক
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
এ. কে. ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ. কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
ফজলুল হকের অবদান:
- 'বঙ্গীয় কৃষক পার্টি' গঠন করেন শেরে বাংলা এ, কে, ফজলুল হক।
- ১৯২৭ সালে তিনি এই পার্টি গঠন করেন।

উল্লেখ্য, 
- ১৯০৬ সালে ঢাকায় নিখিল ভারত মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনের তিনি অন্যতম সংগঠক ছিলেন।
- ১৯১২ সালে তার বলিষ্ঠ উদ্যোগে “কেন্দ্রীয় জাতীয় মুসলিম শিক্ষা সমিতি” গঠিত হয়। এই সমিতির উদ্দেশ্য ছিল মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং তাদের জন্য বৃত্তি, অনুদান প্রভৃতির ব্যবস্থা করা।
- ১৯২০ সালে আলীগড় ও ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় তিনি প্রভূত অবদান রাখেন।

সূত্র: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১১,১১৮.
‘উর্দুই এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’ বলে ঘোষণা করেন?
  1. ক) খাজা নাজিমুদ্দিন
  2. খ) লিয়াকত আলী খান
  3. গ) নুরুল আমিন
  4. ঘ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
১৯৪৮ সালের ১৯ মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ ঢাকায় আসেন। ২১ মার্চ রমনার রেসকোর্স ময়দানে এক জনসভায় এবং ২৪ মার্চ কার্জন হলে অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ঘোষণা করেন ‘উর্দুই এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’। উপস্থিত ছাত্ররা ‘না না’ ধ্বনি দিয়ে এর প্রতিবাদ জানায়। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
১১,১১৯.
NIPORT-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. National Institute of Public Organization and Training
  2. National Institute of Population Research and Training
  3. National Institute of Population Resources and Technology
  4. National Institute of Policy Research and Training
সঠিক উত্তর:
National Institute of Population Research and Training
উত্তর
সঠিক উত্তর:
National Institute of Population Research and Training
ব্যাখ্যা

NIPORT (নিপোর্ট):
- NIPORT-এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- এটি বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৭৭ সালে নিপোর্ট প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচি ব্যবস্থাপনায় গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করে।
- জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে।
- প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে গবেষণা ও সার্ভে পরিচালনা করে।
- গবেষণার ফলাফল কর্মসূচি উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে উপস্থাপন করা হয়।
- নিপোর্টের মাধ্যমে ১২টি Family Welfare Visitor Training Institute (FWVTI) পরিচালিত হয়।
- এছাড়া ২০টি Regional Training Centre (RTC) এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

উৎস: জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) ওয়েবসাইট।

১১,১২০.
'বৈসু' কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব?
  1. ত্রিপুরা
  2. মারমা
  3. খাসিয়া
  4. চাকমা
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা

ত্রিপুরা:
- একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জাতি। ব্রিটিশ আমলে ত্রিপুরা ছিল একটি দেশীয় রাজ্য।
- ১৯৪৭ সালের পর ত্রিপুরী জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বসবাস সুবাদে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ও মিরসরাই, নোয়াখালীর বিলোনীয়া অঞ্চল, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরা বসবাস করেন।
- ত্রিপুরা জাতি যে ভাষায় কথা বলে তা কক্-বরক নামে অভিহিত।
- কক্-বরক্ ভাষাটি ৫৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা ছিল।
- ত্রিপুরা ভারতে যোগ দিলে কক্-বরক্ রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা হারায়।
- ত্রিপুরা জাতির সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসু।
- ধর্ম বিশ্বাসে ত্রিপুরা জাতি সনাতন ধর্মের অনুসারী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।

১১,১২১.
দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. আকিজ সিমেন্ট কারখানা
  2. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
  3. শাহ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড
  4. লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানা
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
ব্যাখ্যা
• ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
-  এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হয়।
- পরে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি'র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, বিএমইডিসি ।
- এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি'র নিয়ন্ত্রণে আসে।

অপরদিকে,
- লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানা:
- ছাতক লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ফ্যাক্টরি বাংলাদেশে তথা এশিয়া মহাদেশের অন্যতম মাল্টি-ন্যাশনাল কোম্পানি।
- শাহ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
- আকিজ সিমেন্ট কারখানা।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।
১১,১২২.
Which of the following is a land port of Bangladesh?
  1. Chattogram
  2. Mongla
  3. Hili
  4. Barisal
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Hili
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hili
ব্যাখ্যা
হিলি স্থলবন্দর:

- পানামা-হিলি পোর্ট লিংক লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত।
- হিলি স্থলবন্দর দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপেজলার বাংলা হিলি সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি এলসিএস রয়েছে।
- ১২ জানুয়ারি ২০০২ তারিখ হিলি শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- ০৯ অক্টোবর ২০০৫ তারিখ স্থলবন্দর উন্নয়ন ও পরিচালনার  জন্য কর্তৃপক্ষের সাথে  পানামা-হিলি পোর্ট লিংক লিমিটেড মধ্যে Concession Agreement (CA) স্বাক্ষরিত হয়।
- CA অনুযায়ী পোর্ট অপারেটর ০১ জানুয়ারি ২০১০ তারিখ স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করে;
- রাজধানী ঢাকা হতে হিলি স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৮৫ কি.মি.

তথ্যসূত্র - হিলি স্থলবন্দর ওয়েবসাইট।
১১,১২৩.
নিচের কোনটি 'পরোক্ষ কর'?
  1. ভূমি রাজস্ব
  2. সম্পদ কর
  3. বিক্রয় কর
  4. আয়কর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় কর
ব্যাখ্যা

⇒ প্রত্যক্ষ কর:
- যে কর প্রথমে যার উপর ধার্য করা হয় চূড়ান্তভাবে তাকেই পরিশোধ করতে হয় তাকে প্রত্যক্ষ কর বলা হয়।
- এ কর কোনোভাবেই অন্যের উপর চাপানো যায় না।
- যেমন: আয়কর, ভূমি রাজস্ব, সম্পদ কর প্রভৃতি।

⇒ পরোক্ষ কর:
- কোনো ব্যক্তির উপর কর ধার্য করা হলে সে যদি করের ভার অন্যের উপর চাপাতে পারে তাকে বলা হয় পরোক্ষ কর।
- এরূপ করের বোঝা প্রাথমিকভাবে একজন বহন করলেও পরে তা অন্যের উপর চাপাতে পারে।
- যেমন: মূল্য সংযোজন কর, বিক্রয় কর, আমদানী শুল্ক প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,১২৪.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে ”চরমপত্র” পাঠ করতেন কে?
  1. মাহবুবুল হক
  2. আবদুল মান্নান
  3. এম. আর. আখতার মুকুল
  4. মাজহারুল ইসলাম  
সঠিক উত্তর:
এম. আর. আখতার মুকুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম. আর. আখতার মুকুল
ব্যাখ্যা
• স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র :
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়। এই কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- ১৯৭১-এর ৩০ মার্চ পাকিস্তান বিমান বাহিনী কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করে। ফলে এটি অচল হয়ে যায়।
- ২৫ মে তারিখ কেন্দ্রটি কলকাতায় স্থানান্তরিত হয় এবং একই দিনে সেখানে এটি তার কার্যক্রম শুরু করে।
- স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র‘ ও ‘জল্লাদের দরবার’
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে তুলে ধরা হতো।
- চরমপত্র সিরিজটি পরিকল্পনা করেন - আবদুল মান্নান ।
- এম.আর আখতার মুকুল, এর উপস্থাপক ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,১২৫.
বাংলাদেশে পণ্যের জিআই স্বীকৃতি দেয় -
  1. বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর
  2. বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর
  3. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর
  4. নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর
সঠিক উত্তর:
পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর
ব্যাখ্যা
 বাংলাদেশে পণ্যের জিআই স্বীকৃতি দেয় - পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর (ডিপিডিটি)।
পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর:

- পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি অধিদপ্তর, যা পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কসের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
- এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি বিভাগ।
- সাবেক ‘পেটেন্ট অফিস’ এবং ‘ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রি’ অফিস দুটি একীভূত করে ২০০৩ সালে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর হিসাবে এটি কার্যক্রম শুরু করে।
- এই অধিদপ্তরের মূল কার্যাবলীর মধ্যে রয়েছে মেধা সম্পদ সুরক্ষায় নতুন নতুন উদ্ভাবনের পেটেন্ট, ডিজাইন সত্ত্ব মঞ্জুর করা, পণ্য ও সেবার ট্রেডমার্ক ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নিবন্ধন করা।

উৎস: পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর।
১১,১২৬.
কার সময়ে বঙ্গভঙ্গ করা হয়?
  1. ক) লর্ড মিন্টো
  2. খ) লর্ড হার্ডিঞ্জ
  3. গ) লর্ড কার্জন
  4. ঘ) লর্ড মন্টেগু
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড কার্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর তৎকালীন বড়লাট লর্ড কার্জন বিশাল বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করেন যা ‘বঙ্গভঙ্গ’ নামে পরিচিত।
- কিন্তু কংগ্রেস ও বর্ণহিন্দুরা বঙ্গভঙ্গের তীব্র বিরোধিতা করে এবং সহিংস আন্দোলন শুরু করে। ফলে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে লর্ড হার্ডিঞ্জের সময়ে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- এতে করে ১৯১২ সালের ১ এপ্রিল পুনরায় দুই বাংলা একত্রিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১১,১২৭.
কোন উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ধর্ম ইসলাম?
  1. সাঁওতাল
  2. পাঙন
  3. রাখাইন
  4. ম্রো
সঠিক উত্তর:
পাঙন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঙন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী 'পাঙন'।

পাঙন উপজাতি:
- পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- তবে এদের অধিকাংশের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায়।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।
- এরা বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি।
- ধর্মীয় দিক থেকে এরা সুন্নি মুসলিম।

⇒ অপরদিকে,
- ম্রোদের ধর্মের নাম: তোরাই।
- রাখাইনরা বৌদ্ধ ধর্মের।
- সাঁওতালদের নিজস্ব ধর্ম রয়েছে।

সূত্র:- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি: ষষ্ঠ শ্রেণি, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,১২৮.
ঢাকার লালবাগ দুর্গ নির্মাণ করেন কে?
  1. মীর জুমলা
  2. শায়েস্তা খান
  3. শাহ সুজা
  4. সুবেদার ইসলাম খান
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা

লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।
- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
- এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।
- এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১,১২৯.
নিচের কোনটি বিচার বিভাগের কাজের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. শাসন সংক্রান্ত কাজ
  2. আইন সংক্রান্ত কাজ
  3. সংবিধান প্রণয়ন
  4. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
সংবিধান প্রণয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান প্রণয়ন
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
- উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
- অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- সংবিধান প্রণয়ন বিচার বিভাগের কাজ নয়।

•বিচার বিভাগের কার্যাবলি:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ।
২. আইন সংক্রান্ত কাজ।
৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা।
৪. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ।
৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
৬. তদন্ত সংক্রান্ত কাজ।
৭. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১৩০.
গণপরিষদের কোন সদস্য হস্ত লিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করে নি?
  1. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  2. বেগম রাজিয়া বানু
  3. খন্দকার মোশতাক
  4. সদর উদ্দীন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
ব্যাখ্যা
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া - ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
- হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,১৩১.
১৯৭১ সালে পাকবাহিনীর হত্যাযজ্ঞ বিষয়ে কোন পত্রিকায় ‘ট্যাংকস ক্র্যাশ রিভোল্ড ইন পাকিস্তান’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়?
  1. নিউইয়র্ক টাইমস
  2. ডেইলি টেলিগ্রাফ
  3. নিউজ উইকস
  4. হেরাল্ড ট্রিবিউন
সঠিক উত্তর:
ডেইলি টেলিগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেইলি টেলিগ্রাফ
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ ‘অপারেশন সার্চলাইটে’র সময় ব্রিটেনের ‘ডেইলি টেলিগ্রাফ’ পত্রিকার সাংবাদিক সাইমন ড্রিং ঢাকা ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে গোপনে অবস্থান করে পাকবাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেন।
- পরবর্তীতে ৩০শে মার্চ ১৯৭১ ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় তিনি ‘ট্যাংকস ক্র্যাশ রিভোল্ড ইন পাকিস্তান’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে সর্বপ্রথম পাকবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের খবর বহির্বিশ্বে প্রচার করেন।
- এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে বহির্বিশ্ব প্রথম পূর্ব পাকিস্তানে পাকবাহিনীর হত্যাযজ্ঞ সম্পর্কে জানতে পারে।
- সায়মন ড্রিং গত ১৬ জুলাই ২০২১ রোমানিয়ার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
(তথ্যসূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো)
১১,১৩২.
শহিদ আবু সাঈদকে নিয়ে অঙ্কিত শিল্পকর্মের নাম -
  1. উন্নত মম শির
  2. অকুতোভয় বীর
  3. নির্ভীক
  4. আলোকদিশারী
সঠিক উত্তর:
উন্নত মম শির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত মম শির
ব্যাখ্যা
• শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে অঙ্কিত শিল্পকর্মের নাম ‘উন্নত মম শির’।
- শিল্পকর্মটি অঙ্কন করেছেন শিল্পী শহীদ কবির।

• আবু সাঈদ:
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ রংপুরের আবু সাঈদ।
- ১৬ই জুলাই, ২০২৪ আন্দোলন চলাকালে একজন পুলিশ সদস্যের গুলিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- তাকে কোটা আন্দোলনকারীরা আন্দোলনের প্রথম শহিদ বলে আখ্যায়িত করে।

উৎস: প্রথম আলো।
১১,১৩৩.
'আমি সব সময় অখন্ড বাংলার পক্ষপাতী' উক্তিটি ছিল-
  1. ফজলুল হকের
  2. খাজা নাজিমুদ্দিনের
  3. খান ভাসানীর
  4. শহীদ সোহরাওয়ার্দীর
সঠিক উত্তর:
শহীদ সোহরাওয়ার্দীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদ সোহরাওয়ার্দীর
ব্যাখ্যা

- 'আমি সব সময় অখন্ড বাংলার পক্ষপাতী' উক্তিটি ছিল হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর।
- ১৯৪৬ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পর লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারত বিভাগ এবং এর পাশাপাশি বাংলা ও পাঞ্জাব প্রদেশকে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু এবং সরদার বল্লভ ভাই প্যাটেলসহ অনেক কংগ্রেস নেতাও ধর্মের ভিত্তিতে দেশ ভাগের সিদ্ধান্তকে মেনে নিন।
- বাঙালি জাতির এ দুঃসময়ে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও অবিভক্ত বাংলার সে সময়ের মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব আবুল হাশিম ধর্মের ভিত্তিতে বাংলা প্রদেশকে বিভক্তির বিরোধিতা করেন।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১১,১৩৪.
কত সেন্টিমিটারের নিম্নের ইলিশ মাছকে ‘জাটকা’ বলা হয়ে থাকে?
  1. ২৩ সে:মি:
  2. ৩২ সে:মি:
  3. ২৫ সে:মি:
  4. ২৭ সে:মি:
সঠিক উত্তর:
২৫ সে:মি:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ সে:মি:
ব্যাখ্যা
জাটকা ইলিশ:

- ১০ ইঞ্চি বা ২৫ সেন্টিমিটারের (ঠোঁট থেকে লেজের প্রান্ত পর্যন্ত) কম দৈর্ঘ্যের ইলিশকে জাটকা বলা হয়।
- জাটকা ধরা হলে পরিপক্কতা লাভের সুযোগ বিঘ্নিত হয়ে বড় ইলিশ পাওয়া যায় না ফলে পরবর্তীতে মা ইলিশ থাকেনা। বিধায় বংশবৃদ্ধির সুযোগ থাকেনা। 
- প্রাকৃতিকভাবে মা ইলিশ নদীতে ডিম ছাড়ার পর তা  থেকে  পোনা এবং বড় হয়ে জাটকা এবং পরবর্তীতে বড় ইলিশে পরিণত হয়।
- একটি মা ইলিশ ২.৫ লক্ষ  থেকে শুরু করে ২৩ লক্ষ পর্যন্ত ডিম ছাড়ে অর্থাৎ একটি মা ইলিশ ধরলে ২৩ লক্ষ  পোনা উৎপাদন বন্ধ হয়।
- জাটকা ও ডিমওয়ালা মা ইলিশ ধরার কারণে ইলিশের উৎপাদন কমে যায়।

তবে, মৎস্য সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ - এর মূল আইনে ইলিশ ২৩ সে.মি দেওয়া ছিল। কিন্তু গেজেট সংশোধন করা হয়েছে। বর্তমানে ২৫ সে.মি বা ১০ ইঞ্চি - এর ছোট মাছকে জাটকা বলা হয়; এবং এর আহরণ, বহন ও বিতরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাই , ২৫ সে.মি কে সঠিক উত্তর ধরা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - যুগান্তর, ২৪ মার্চ ২০২২ ও মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১১,১৩৫.
কেরু এন্ড কোং (বিডি) লিমিটেড চিনিকল কোথায় অবস্থিত?
  1. লালপুর, নাটোর
  2. ঈশ্বরদী, পাবনা
  3. দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা
  4. সেতাবগঞ্জ, দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সবচেয়ে বড় চিনিকল হলো কেরু এন্ড কোং (বিডি) লিমিটেড। এটি চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনায় অবস্থিত যা ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের অধীনে মোট ১৫টি চিনিকল রয়েছে৷ এদের মধ্যে নাটোরে অবস্থিত নর্থবেঙ্গল চিনিকল দেশের প্রথম চিনিকল।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
১১,১৩৬.
নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের অনুপস্থিতিতে বাধাগ্রস্থ হয় -
  1. ক) ন্যায়পরায়ণতা
  2. খ) আইনের শাসন
  3. গ) জবাবদিহিতা
  4. ঘ) সুশাসন প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুশাসন প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুশাসন প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের অনুপস্থিতিতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্থ হয়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন-প্রফেসর মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
১১,১৩৭.
আইয়ুব খান বিরোধী জোট এন.ডি.এফ গঠিত হয় কার উদ্যোগে?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. নূর খান
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. টিক্কা খান
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
এন. ডি. এফ 
-  এন. ডি. এফ এর পূর্ণরূপ ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট।
- এটি গঠিত হয় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর উদ্যোগে।
- ১৯৬২ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়।
- আওয়ামী লীগ, নেজামে ইসলাম, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, কাউন্সিল মুসলিম লীগ ও নূরুল আমিনের নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ মিলে বা এন. ডি. এফ গঠিত হয়।
- এই ফ্রন্ট ১৯৬২ সালে গঠিত হয়।
- এই ফ্রন্টের উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ১৯৫৬ সালের সংবিধানে ফিরে যাওয়া।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১৩৮.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালনা করে -
  1. নৌবাহিনী
  2. বিমান বাহিনী
  3. গেরিলা বাহিনী
  4. যৌথবাহিনী
সঠিক উত্তর:
নৌবাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌবাহিনী
ব্যাখ্যা
• অপারেশন জ্যাকপট:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনী পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট',
- ১৫ই আগস্ট ১৯৭১ অভিযান পরিচালনা করে।
- এই অভিযানে দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর—চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে অপারেশন চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান। 
- অপারেশন জ্যাকপটের চট্টগ্রাম বন্দরের অভিযান সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রফিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়,
- তিনি মুক্তিযুদ্ধে এক নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা, প্রথম আলো।
১১,১৩৯.
আদিনা মসজিদ কোন শাসকের সময় নির্মিত হয়?
  1. সুলতান নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  2. সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  3. সুলতান সিকান্দার শাহ
  4. সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
সঠিক উত্তর:
সুলতান সিকান্দার শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুলতান সিকান্দার শাহ
ব্যাখ্যা

⇒ আদিনা মসজিদ সুলতান সিকান্দার শাহ এর সময় নির্মিত হয়।

⇒ সিকান্দর শাহ:

- ইলিয়াস শাহের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র সিকান্দর শাহ ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি প্রায় ৩৪ বছর রাজত্ব করেন।
- তাঁর এ সুদীর্ঘ রাজত্বকালে বাংলাদেশে মুসলিম শাসন সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সিকান্দর শাহ সুশাসক ও বিদ্যানুরাগী ছিলেন। 
- সুফি শেখ আলাউল হক ও শেখ শরফউদ্দীন ইয়াহিয়ার সাথে সিকান্দর শাহের সৌহার্দ্য ও পত্রালাপ ছিল।
- তাঁর রাজত্বকালে স্থাপত্যশিল্পের যথেষ্ট উন্নতি হয়।

⇒ আদিনা মসজিদ:
- আদিনা মসজিদ পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার হযরত পান্ডুয়া বা ফিরুজাবাদে অবস্থিত।
- এটি ১৩৭৩ খ্রিস্টাব্দে ইলিয়াস শাহের পুত্র সিকান্দর শাহ কর্তৃক নির্মিত হয়।
- এটি তৎকালীন সময়ে বাংলা তথা সমগ্র উপমহাদেশের বৃহত্তম মসজিদ ছিল।
- মসজিদের বাইরের আয়তন প্রায় ১৫৫ মি × ৮৭ মি এবং ভেতরের ১২২ মি × ৪৬ মি।
- বর্তমানে এটি ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থায় রয়েছে, শুধু পশ্চিম দেয়ালের কিছু অংশ টিকে আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১১,১৪০.
মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা কত?
  1. ৬০০ মেগাওয়াট
  2. ৮০০ মেগাওয়াট
  3. ১২০০ মেগাওয়াট
  4. ১৪০০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
১২০০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো বাংলাদেশের একটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা ইউনিয়নের ১,৪১৪ একর জমিতে এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
- ৬০০ মেগাওয়াট এর মোট দুটি ইউনিট তৈরি হবে।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১২০০ মেগাওয়াট।
- জাপানের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে মাতারবাড়ির এই বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের মহাপরিকল্পনায় মাতারবাড়িকে ‘বিদ্যুৎ হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা রয়েছে।
- ২৯ জুলাই, ২০২৩ তারিখে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয় মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট।

উৎস: ২৯ জুলাই, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
১১,১৪১.
বাংলাদেশের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. এক
  2. দুই
  3. তিন
  4. চার
সঠিক উত্তর:
চার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার
ব্যাখ্যা
• ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র:
- বর্তমানে বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র — ৪টি।
যথা:
- রাঙ্গামাটি (বেতবুনিয়া)
- গাজীপুর (তালিবাবাদ)
- মহাখালী ও
- সিলেট

• বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উদ্বোধন করেন।
• এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র: আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,১৪২.
'ভাষা ও সাহিত্যে' কতজন ২০২৪ সালে একুশে পদক লাভ করেন?
  1. ৪ জন
  2. ৬ জন
  3. ১২ জন
  4. ১ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ২০২৪:
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিতে ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিক ২০২৪ সালে একুশে পদক পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেয়েছেন।

⇒ পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন - 
- ভাষা আন্দোলননে ২ জন: মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ(মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়ার (মরণোত্তর)।
- শিল্পকলায় ১২ জন: জালাল উদ্দীন খা(মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যানী ঘোষ (মরণোত্তর), বিদিত লাল দাস(মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর), শুভ্রদেব, শিবলী মোহাম্মদ, ডলি জহুর, এম এ আলমগীর, খান মো.মুস্তাফা ওয়ালিদ(শিমুল মুস্তাফা), রূপা চক্রবর্তী, শাহজাহান আহমেদ বিকাশ, কাওসার চৌধুরী।
- সমাজসেবায় ২ জন: মো. জিয়াউল হক, রফিক আহামদ।
- ভাষা ও সাহিত্যে ৪ জন: মুহাম্মদ সামাদ, লুৎফর রহমান রিটন, মিনার মনসুর, রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ (মরণোত্তর)।
- শিক্ষায় ১ জন: প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১১,১৪৩.
বাংলাদেশে কৃষি গবেষণা বিষয়ক সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
  2. খ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. ঘ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে কৃষি গবেষণা সিস্টেমের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল।
এটির অবস্থান ঢাকার ফার্মগেটে যা ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

(তথ্যসূত্র: কৃষি গবেষণা কাউন্সিল ওয়েবসাইট)
১১,১৪৪.
কোনটি বাংলাদেশের নৃগোষ্ঠী নয়? 
  1. লুসাই
  2. কোচ
  3. মাওরি
  4. চাক
সঠিক উত্তর:
মাওরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওরি
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী:
- মাওরিরা বাংলাদেশে বসবাসরত নৃগোষ্ঠী নয়।
- তারা নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী বা নৃগোষ্ঠী।
- তারা প্রায় ১৩২০–১৩৫০ সালের মধ্যে পূর্ব পলিনেশিয়ার দ্বীপ থেকে নৌকা যোগে নিউজিল্যান্ডে আসে।
- এরপর থেকে তারা নিউজিল্যান্ডের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- বর্তমানে নিউজিল্যান্ডের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ মাওরি।
- মাওরিদের নিজস্ব সংস্কৃতি আছে।
- তাদের নিজস্ব একটি বৈশিষ্ট্য হলো ট্যাটু।
- মাওরি ভাষায় এই ট্যাটুকে “তামোকে” বলা হয়।  
- এই ট্যাটু তাদের  শারীরিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অংশ।
- যুদ্ধের সময় প্রতিপক্ষকে ভয় দেখাতে এবং শক্তি প্রদর্শন করতে মাওরিরা তাদের হাকা নাচ যুদ্ধ নৃত্য হিসেবে ব্যবহার করে ।
 
অন্যদিকে,
লুসাই:
-  লুসাই হলো একটি ছোট নৃগোষ্ঠী।
- তারা মূলত বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বসবাস করে।
- তারা নিজেদের মঙ্গোলীয় বংশধর মনে করে।
- লুসাই জনগোষ্ঠী মূলত কুর্কি-চিন গোষ্ঠীর অংশ।
- তাদের প্রধান আবাসস্থল হলো- রাঙামাটি ও বান্দরবান।

কোচ:
- কোচ নৃগোষ্ঠী হলো বাংলাদেশের একটি প্রাচীন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী।
- তারা মূলত কোচবিহার অঞ্চল থেকে এসে ময়মনসিংহ জেলায় স্থায়ীভাবে বসতি গড়ে তোলে।
- বর্তমানে কোচ নৃগোষ্ঠী শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী ও শ্রীবর্দী উপজেলায় বসবাস করছে।

চাক:
-  চাক হলো বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তারা মূলত পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলাতে বসবাস করে।
- তাদের প্রধান আবাসস্থল হলো- নাইক্ষ্যংছড়ি থানার বাইশারি, নাইক্ষ্যংছড়ি, কামিছড়া, ক্রোক্ষং, বাকখালি, আলেখ্যং, ক্রোয়াংঝিড়ি এবং ডুছড়ি এলাকা।

উৎস: Britannica ও বাংলাপিডিয়া। 

১১,১৪৫.
সরকার ঘোষিত 'রুপকল্প ২০২১' অনুযায়ী কত সালের মধ্য খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্নতা অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল?
  1. ক) ২০১২
  2. খ) ২০১৩
  3. গ) ২০১৫
  4. ঘ) ২০২১
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৩
ব্যাখ্যা
৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, জাতীয় কৃষি নীতি ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে কৃষিখাতের সার্বিক উন্নয়নে সরকারের সর্বাত্নক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সরকার ঘোষিত 'রুপকল্প ২০২১' অনুযায়ী ২০১৩ সালের মধ্য খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্নতা অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। (রেফারেন্সঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯)
১১,১৪৬.
কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালিত হয়?
  1. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  2. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  4. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• স্পারসো (SPARRSO):
- SPARRSO এর পূর্ণরূপ: Space Research and Remote Sensing Organisation
- বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৮০ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীন স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৯ নম্বর আইন দ্বারা স্পারসোকে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৯৫ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে মহাকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য স্পারসোকে “ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট” নির্ধারণ করা হয়।
- মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি, বন, সমুদ্রবিজ্ঞান, মহাকাশ ও বায়ুমন্ডল, পানিসম্পদ বিষয়ে গবেষণার দ্বারা নিজস্ব সক্ষমতা উন্নীতকরণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে শক্তিশালীকরণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরিবীক্ষণ ও পূর্বাভাস প্রদান করাই এর প্রধান উদ্দেশ্য।

তথ্যসূত্র: স্পারসো ওয়েবসাইট। 

১১,১৪৭.
নিম্নের কোন জন 'The Grand Old Man of India' নামে পরিচিত?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. দাদাভাই নওরোজী
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. জওহরলাল নেহরু
সঠিক উত্তর:
দাদাভাই নওরোজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাদাভাই নওরোজী
ব্যাখ্যা
দাদাভাই নওরোজী:
- দাদাভাই নওরোজি ছিলেন একজন ভারতীয় জাতীয়তাবাদী এবং ভারতে ব্রিটিশ অর্থনৈতিক নীতির সমালোচক।
- ভারতীয়দের মধ্যে তিনিই প্রথম ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য।
- 'The Grand Old Man of India' হিসাবে পরিচিত ছিলেন দাদাভাই নরোজি।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে ১৮৮৬, ১৮৯৩ এবং ১৯০৬ সালে তিনি সভাপতি ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ১৮৫৫ সালে দাদাভাই নওরেজি প্রথম বারের মতো ব্রিটেন সফরে আসেন।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য হওয়ার জন্য তার মধ্যে যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়, তার মূলে ছিল ভারতের দারিদ্র।

উৎস: Britannica.
১১,১৪৮.
স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয় ১৯৭১ সালের কোন তারিখে?
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর
  2. খ) ২৬ মার্চ
  3. গ) ৭ মার্চ
  4. ঘ) ২ মার্চ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২ মার্চ
ব্যাখ্যা
• প্রথম জতীয় পতাকা উত্তোলন:
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনের পশ্চিম গেটে বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলিত হয়।
- সেদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব। সেই পতাকার মাঝখানে হলুদ বৃত্ত ছিল। আর বৃত্তের মধ্যে ছিল বাংলাদেশের মানচিত্র।
- সেই থেকে প্রতি বছর ২ মার্চ জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস পালন করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চে তার বাসভবনে পতাকা উত্তোলন করেছিলেন।

- ১৯৭২ সালে শিবনারায়ণ দাশের ডিজাইন করা পতাকা থেকে মানচিত্রটি বাদ দেওয়া হয়। 
- পতাকার মাপ, রং ও তার ব্যাখ্যাসহ একটি প্রতিবেদন দিতে বলা হয় পটুয়া কামরুল হাসানকে। 
- কামরুল হাসান আমাদের জাতীয় পতাকার যে রূপ দিয়েছিলেন সেটিই বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত। সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, বৃত্তের লাল রং উদীয়মান সূর্য, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রক্তের প্রতীক।
-  বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।
 
উৎস: বিডিনিউজ।
১১,১৪৯.
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন কত সালে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন:
- বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বাংলাদেশের ফুটবল খেলার প্রশাসনিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭৩ সালে এএফসি এবং ১৯৭৬ সালে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে।
- বাফুফে সভাপতি: তাবিথ আউয়াল।
- প্রধান কার্যালয়: ঢাকার মতিঝিলে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম-এর কাছে ‘বিএফএফ ভবন’-এ অবস্থিত।

⇒ এই সংস্থাটি বাংলাদেশের পুরুষ, নারী এবং অনূর্ধ্ব-২৩ দলের পাশাপাশি ঘরোয়া ফুটবলে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ এবং ফেডারেশন কাপের মতো প্রতিযোগিতার সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে।

উৎস: i) বাফুফে ওয়েবসাইট।
ii) FIFA ওয়েবসাইট।

১১,১৫০.
ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস কোনটি?
  1. মাতৃভাষা
  2. আরেক ফাল্গুন
  3. কবর
  4. একুশ
সঠিক উত্তর:
আরেক ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম উপন্যাস:
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন'।
- এটি ১৯৫৫ সালের ভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় লেখা।
- পুলিশ ভাষা দিবস পালনকারী অনেককে গ্রেপ্তার করলে একজন বলে - ‘আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুন হবো'।
- চরিত্র: মুনিম, আসাদ, রসুল, সালমা ইত্যাদি। এই উপন্যাসে বাঙালির জাতীয় ঐতিহাসিক ঘটনাকে রূপায়িত করা হয়েছে।
- 'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত প্রথম বাংলা নাটক ।
- 'একুশের গল্প' জহির রায়হান এর ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত গল্প।

​তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১১,১৫১.
দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোন এলাকাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করা হয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. সাভার
  3. গাজীপুর
  4. কেরানীগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা

ডিগ্রেডেড এয়ারশেড:
- বায়ুদূষণের মাত্রা নিয়মিতভাবে জাতীয় মান অতিক্রম করলে কোনো এলাকাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করা হয়।
- বায়ুদূষণ গুরুতর আকার ধারণ করায় ঢাকা জেলার অন্তর্গত শিল্পঘন সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
- ​সাভারের বায়ুর বার্ষিক মানমাত্রা জাতীয় বার্ষিক নির্ধারিত মানমাত্রার প্রায় তিন গুণ অতিক্রম করেছে। 
​- পরিপত্র অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বর থেকে সাভার উপজেলার অন্তর্গত সব ধরনের ইটভাটায় (টানেল ও হাইব্রিড হফম্যান কিলন ছাড়া) ইট পোড়ানোসহ ইট প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা সম্পাদন নিষিদ্ধ।
- উন্মুক্ত অবস্থায় কঠিন বর্জ্য পোড়ানো এবং বায়ুদূষণ সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে এমন সব ধরনের নতুন শিল্পকারখানার অনুকূলে অবস্থানগত ও পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান বন্ধ থাকবে।

​তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

১১,১৫২.
পরিকল্পনা কমিশন প্রণীত সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা কোনটি?
  1. ক) প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনা
  2. খ) বদ্বীপ পরিকল্পনা
  3. গ) দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র
  4. ঘ) দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা
সঠিক উত্তর:
খ) বদ্বীপ পরিকল্পনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বদ্বীপ পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হলো ১০০ বছর মেয়াদী বদ্বীপ পরিকল্পনা বা ডেল্টা প্ল্যান-২১০০। ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভায় এটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীকে চেয়ারম্যান করে ১২ সদস্যের ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। বদ্বীপ পরিকল্পনা প্রণয়নে নেদারল্যান্ডস সহায়তা করে।
(সূত্রঃ পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট এবং দৈনিক যুগান্তর)
১১,১৫৩.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার কত শতাংশ ছিল?
  1. ৪০.৮
  2. ৪০.৯
  3. ৪১.৬
  4. ৪১.৮
সঠিক উত্তর:
৪১.৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১.৮
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিলো ৪১.৮ শতাংশ।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ:
- বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে।
- ২৮টি রাজনৈতিক দল দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করে।
- দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২২৪টিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ।
- ক্ষমতাসীনদের পর সবচেয়ে বেশি জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২টি আসনে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ নির্বাচিত ২৯৮ জন সংসদ সদস্য শপথ নেন ১০ জানুয়ারি, ২০২৪।

উল্লেখ্য,
⇒ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা:
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেন।
- রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
১১,১৫৪.
বাংলাদেশের সংবিধানে জাতীয় সংসদের ইংরেজি নাম হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. Parliament of Bangladesh
  2. National Parliament
  3. House of the Nation
  4. National Legislature
সঠিক উত্তর:
House of the Nation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
House of the Nation
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সংসদের ইংরেজী নাম:
- সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের ইংরেজী নাম 'The House of the Nation'.
- সংবিধানের পঞ্চম ভাগে আইনসভার উল্লেখ রয়েছে।
- সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠার উল্লেখ রয়েছে।

• জাতীয় সংসদ:
→ জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
→ দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
→ প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
→ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
→ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
→ জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
→ সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
→ জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
→ অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
→ সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
→ ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রস্তবনায় কমিশন দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ চালু করার জন্য সুপারিশ করেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

১১,১৫৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ১৮.৭%
  2. ১৫.৫%
  3. ২০.২%
  4. ১৯.৫%
সঠিক উত্তর:
১৮.৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮.৭%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- রপ্তানি আয়: ৪০,৮৭৫ মিলিয়ন ডলার।
- সাক্ষরতার হার: ৭৭.৯%। 
- পুরুষ: ৮০.১%
- মহিলা: ৭৫.৮%
- মাথাপিছু জিডিপি: ২৬২৫ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি'র (উৎপাদন মূল্য) প্রবৃদ্ধির হার: ৪.২২%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১১,১৫৬.
সর্বপ্রথম ‘পাট্টা’ (ভূমি স্বত্বের দলিল) ও ‘কবুলিয়াত’ (চুক্তি দলিল) প্রথা চালু করেন-
  1. ক) হুসেন শাহ
  2. খ) মুহম্মদ খান
  3. গ) শের শাহ
  4. ঘ) জালাল খাঁ
সঠিক উত্তর:
গ) শের শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শের শাহ
ব্যাখ্যা
শূর শাসনের সূচনা করেন আফগান শাসক শের শাহ। তিনি ১৫৩৮ সালে বাংলার সুলতান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।
চৌসা (১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দ) ও কণৌজের (১৫৪০ খ্রিস্টাব্দ) যুদ্ধে শের শাহ মুঘল সম্রাট হুমায়ূনকে পরাজিত করে দিল্লীর সিংহাসন দখল করেন।
শের শাহের আমলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান হচ্ছে -
- শের শাহ বাংলায় ঘোড়ার ডাক ব্যবস্থার প্রচলন করেন।
- তিনি ‘দাম’ নামক মুদ্রার প্রচলন করেন।
- সড়ক-ই-আজম বা বিখ্যাত গ্রান্ড ট্রাংক রোডের নির্মাতা তিনি।
- পাট্টা ও কবুলিয়াত প্রথা চালু করেন শের শাহ।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া]
১১,১৫৭.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়?
  1. ইলিশ
  2.  ক্ষীরশাপাতি আম
  3. জামদানি
  4.  বেনারসি
সঠিক উত্তর:
জামদানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামদানি
ব্যাখ্যা
জিআই পণ্য:
- ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (Geographical Indication)।
- সংক্ষেপে GI) বলতে বোঝায় এমন একটি পণ্য, যা বিশেষ কোনো ভৌগোলিক এলাকা বা অঞ্চলের কারণে তার গুণগত মান, খ্যাতি বা অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত ও স্বীকৃত।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) জামদানি।
- সময়: ১৭ নভেম্বর ২০১৬ সালে স্বীকৃতি লাভ করে।
- বর্তমানে দেশে জিআই পণ্য ৫৬টি। (মে, ২০২৫)।
- সর্বশেষ জিআইপণ্য: ঢাকাই ফুটি কার্পাস তুলার বীজ ও গাছ। (৫৬তম)।
- ৫৫ তম টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের জুমর্কির সন্দেশ।
- ৫৪ তম নওগাঁর নাক ফজলি আম।

উৎস: পেটেন্ট, শিল্প, নকশা, ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর ও প্রথম আলো। [Link]
১১,১৫৮.
বাংলার শেষ স্বাধীন হিন্দু রাজা কে ছিলেন?
  1. হেমন্ত সেন
  2. সামন্ত সেন
  3. কেশব সেন
  4. লক্ষণ সেন
সঠিক উত্তর:
লক্ষণ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষণ সেন
ব্যাখ্যা
• সেন বংশ:
- সেন বংশের রাজত্ব কাল ছিল ১০৭০- ১২৩০ সাল পর্যন্ত।
- সেন রাজবংশের গোড়াপত্তন করেন সামন্ত সেন।
- বাংলার সেন রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা- হেমন্ত সেন।
- বাংলার সর্বপ্রথম একক শাসনাধীন আসে বিজয় সেনের সময়।
- সেন বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা বিজয় সেন।
- সেন বংশের সর্বশেষ রাজা লক্ষণ সেন।
- বাংলার শেষ স্বাধীন হিন্দু রাজা লক্ষণ সেন।
- সেন বংশের সর্বশেষ শাসনকর্তা কেশব সেন।

উল্লেখ্য,
- লক্ষণ সেনের সময় রাজধানী ছিল নদীয়া বা নবদ্বীপ।
- লক্ষণসেনের উপাধি ছিল গৌড়েশ্বর।
- কৌলীন্য প্রথার প্রবর্তক বল্লাল সেন।
- দান সাগর ও অদ্ভুত সাগর নামে দুটি গ্রন্থ লিখেছেন বল্লাল সেন।
- দান সাগর ও অদ্ভুত সাগর নামে দুটি গ্রন্থ লিখেছেন বল্লাল সেন।
- লক্ষণ সেনের রাজসভার কবি ছিলেন জয়দেব, ধোয়ি, হলায়ুধ মিশ্র।

উৎস: ¡) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ¡¡) বাংলাপিডিয়া।
১১,১৫৯.
বর্তমানে বাংলাদেশে 'এ' ক্যাটাগরির জেলা কয়টি?[জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ২৫
  2. ২৭
  3. ৩১
  4. ৩৬
সঠিক উত্তর:
২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭
ব্যাখ্যা

সাতক্ষীরা:
- সাতক্ষীরা জেলাকে 'বি' থেকে 'এ' ক্যাটাগরির জেলায় উন্নীত করেছে সরকার।
 - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ৮ বা এর বেশি উপজেলা থাকা জেলাকে 'এ', ৫ থেকে ৭টি উপজেলা থাকা জেলাকে 'বি' এবং ৫টির কম - উপজেলা থাকা জেলাকে 'সি' শ্রেণির উপজেলার মর্যাদা দেওয়া হয়।
 - আর অবস্থানগত কারণে বেশি গুরুত্ববহ জেলাকে 'বিশেষ ক্যাটাগরি'র অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- মোট এ ক্যাটাগরির জেলা ২৭টি।

এ ক্যাটাগরির জেলাসমূহ:
- কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, কুমিল্লা, রাঙামাটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, চাঁদপুর, কক্সবাজার, বগুড়া, নওগাঁ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, রংপুর, বাগেরহাট, যশোর, বরিশাল, পটুয়াখালী, সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা,  ও সাতক্ষীরা।

উৎস: প্রথম আলো ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১,১৬০.
দেশের প্রস্তাবিত নবম প্রশাসনিক বিভাগ-
  1. ক) বৃহত্তর টাঙ্গাইল
  2. খ) বৃহত্তর নোয়াখালী
  3. গ) বৃহত্তর কুমিল্লা
  4. ঘ) বৃহত্তর ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বৃহত্তর ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বৃহত্তর ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলকে নিয়ে পদ্মা নামে দেশের নবম বিভাগ ঘোষণা প্রক্রিয়াধীন। ২১ অক্টোবর ২০১৯ প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) এর ১১৬ তম সভায় ফরিদপুরকে শর্তসাপেক্ষে সিটি কর্পোরেশন করার অনুমতি দেওয়া হয়। ফরিদপুর পদ্মা নামে নতুন বিভাগ হিসেবে ঘোষণার পরই সিটি কর্পোরেশন হিসেনে উন্নীত হবে। (সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক)
১১,১৬১.
সংবিধান অনুযায়ী ভোটার তালিকায় নামভুক্তির ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ক) ১৬ বছর
  2. খ) ১৮ বছর
  3. গ) ২১ বছর
  4. ঘ) ২৫ বছর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদে ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
এই অনুচ্ছেদ অনুসারে ভোটার তালিকায় নামভুক্তির জন্যে ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর হতে হয়। এছাড়া অন্যান্য যোগ্যতা সমূহের মধ্যে রয়েছে:
- বাংলাদেশের নাগরিক হওয়া
- কোন আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ বলে ঘোষিত না হওয়া
- সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হওয়া
- ১৯৭২ সালের যোগসাজশকারী আদেশের অধীন কোন অপরাধে দণ্ডিত না হওয়া।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
১১,১৬২.
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে কয়টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। 

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: [১৪৮ অনুচ্ছেদ]
- শপথ ও ঘোষণা।

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
১। রাষ্ট্রপতি [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
২। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রী ও উপমন্ত্রী [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। ডেপুটি স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৫। সংসদ সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
৬। প্রধান বিচারপতি বা বিচারক [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৭। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
৮। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। [link]
১১,১৬৩.
বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রথম চিনিকল স্থাপিত হয় কোথায়?
  1. পাবনা
  2. ফরিদপুর
  3. নাটোর
  4. চুয়াডাঙ্গা
সঠিক উত্তর:
নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটোর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ভূখণ্ডে স্থাপিত প্রথম চিনিকল হলো নর্থবেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেড। এটি ১৯৩০ সালে নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার গোপালপুরে স্থাপিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের অধীনে মোট ১৫টি চিনিকল রয়েছে৷
- এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সর্ববৃহৎ চিনিকল হলো চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় অবস্থিত কেরু এন্ড কোং (বিডি) লিমিটেড।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
১১,১৬৪.
বাংলাদেশ IMF-এর সদস্যপদ লাভ করে-
  1. ১৯৭২ সালের ১৫ আগস্ট
  2. ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট
  3. ১৯৭২ সালের ১৩ আগস্ট
  4. ১৯৭২ সালের ১২ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IMF-এর সদস্যপদ লাভ করে
- ১১৯ সদস্যের মধ্যে ৮৮টি দেশ বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভের পক্ষে ভোট দিয়েছে। 
- পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং জর্ডান সহ ছয়টি দেশ ভোটদান প্রক্রিয়া থেকে বিরত ছিল।
- শুধুমাত্র সুদান আইএমএফ-এ বাংলাদেশের প্রবেশের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।

IMF:
- IMF-এর পূর্ণরূপ: The International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- গঠনের সিদ্ধান্ত: ৪ জুলাই, ১৯৪৪ সাল।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা/চুক্তি কার্যকর: ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সাল।
- কার্যক্রম শুরু: মার্চ, ১৯৪৭।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: Bretton Woods Conference।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৩০ সালের মহামন্দার পরে ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই Bretton Woods Conference এর মাধ্যমে IMF গঠিত হয়।
- ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর ২৯টি রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক লেন-দেন ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্য রাখার লক্ষ্য নিয়ে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এর ভিত্তিতেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত হয়।

⇒ IMF-এর কাজ:
- IMF-এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল স্থির হারের বিনিময়ব্যবস্থাটি পরিচালনা করা।
- এটি অবশেষে সরকারকে ঋণদানের মাধ্যমে অস্থায়ী বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা সংশোধন করতে সহায়তা করে।
- আইএমএফ বহু উন্নয়নশীল দেশকে আর্থিক চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ও স্থিতিশীল আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট এবং দ্যা ডেইলি স্টার।

১১,১৬৫.
'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' এর প্রথম আহ্বায়ক কে?
  1. অলি আহাদ
  2. নুরুল হক ভূঁইয়া
  3. শামসুল আলম
  4. আবদুল মতিন
সঠিক উত্তর:
নুরুল হক ভূঁইয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নুরুল হক ভূঁইয়া
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- ৩০ জানুয়ারি, ১৯৫২ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। 
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে ২৮ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আবুল হাশিমের সভাপতিত্বে আওয়ামী মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের বৈঠক বসে।
- এই বৈঠকে আবদুল মতিন, অলি আহাদ, গোলাম মাহবুব প্রমুখ নেতা ১৪৪ ধারা অমান্য করার সিদ্ধান্ত গ্রহণের পক্ষে জোরালো মত দেন।
- অবশেষে সভায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় (বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের চত্বর) ছাত্রদের সভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
- রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়– ১ অক্টোবর, ১৯৪৭। এর আহ্বায়ক ছিলেন নুরুল হক ভূঁইয়া।
- দ্বিতীয় বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় - ২ মার্চ, ১৯৪৮ সালে যার আহ্বায়ক ছিলেন শামসুল আলম।

উৎস: সংগ্রামের নোটবুক, স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (১ম খন্ড), ইতিহাস প্রথম পত্র, HSC Programme, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১৬৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশনের গঠিত হয়?
  1. ক) ১২৭
  2. খ) ১৩৭
  3. গ) ১৩৮
  4. ঘ) ১১৮
সঠিক উত্তর:
খ) ১৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৩৭
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৩৮(২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়। ১২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক' পদের নিয়োগ দেয়া হয় এবং ১১৮নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেয়া হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,১৬৭.
মুসা ইব্রাহিম কত সালে এভারেস্ট জয় করেন?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে নেপালের দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব শৈলশিরা ধরে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- এখন পর্যন্ত ৫ জন বাংলাদেশী এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন ও বাবর আলী।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২৩ মে ২০১০ সালে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- নারীদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্ট জয়ী হচ্ছেন নিশাত মজুমদার।
- সর্বশেষ ১৯ মে, ২০২৪ সালে এভারেস্ট জয় করেন বাবর আলী।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ আগস্ট ২০২২, দৈনিক কালের কণ্ঠ, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২ ও দ্যা ডেইলী স্টার, ১৯ মে, ২০২৪।
১১,১৬৮.
পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবরের জয়ের অন্যতম কারণ কোনটি?
  1. জাহাজের ব্যবহার
  2. কামানের ব্যবহার
  3. ঘোড়ার গাড়ি ব্যবহার
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কামানের ব্যবহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামানের ব্যবহার
ব্যাখ্যা
⇒ পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবরের জয়ের অন্যতম কারণ কামানের ব্যবহার।

পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- পক্ষ: সম্রাট বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী।
- সময়কাল: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ।
- অপরদিকে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্য সংখ্যা ছিল এক লক্ষ।
- পানিপথ প্রান্তরে বাবর ভিন্ন রকম যুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করেছিলেন।
- প্রতিরক্ষা হিসেবে পরিখা খনন করেন।
- ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করেন।
- শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদী পরাজিত ও নিহত হন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১৬৯.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া রাষ্ট্রপতি কাকে এককভাবে নিয়োগ দান করতে পারবেন?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. মন্ত্রী
  3. উপমন্ত্রী
  4. সংসদ সদস্য
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত রাষ্ট্রপতি সর্বদা প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুসারে কার্যনির্বাহ করেন।

রাষ্ট্রপতি:

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম পরিচ্ছেদে 'রাষ্ট্রপতি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

⇒ চতুর্থ ভাগের ৪৮ নং অনুচ্ছেদ -
• ৪৮ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন।
• ৪৮ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁকে প্রদত্ত ও তাঁর উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করবেন।
• ৪৮ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্ট্রপতি তাঁর অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করবেন।
• ৪৮ (৪) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি-
(ক) পঁয়ত্রিশ বছরের কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হতে অপসারিত হয়ে থাকেন।

• ৪৮ (৫) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করলে যেকোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,১৭০.
বাংলাদেশের গবাদিপশুতে প্রথম ভ্রূণ বদল করা হয় -
  1. ৫ মে, ১৯৯৪
  2. ৬ এপ্রিল, ১৯৯৪
  3. ৫ মে, ১৯৯৫
  4. ৭ মে, ১৯৯৫
সঠিক উত্তর:
৫ মে, ১৯৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ মে, ১৯৯৫
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের গবাদিপশুতে প্রথম ভ্রূণ বদল করা হয় - ৫ মে, ১৯৯৫।

- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত – সাভার, ঢাকা।
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র - সুন্দরবনের করমজলে।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র - চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র - ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র - টিলাগড়, সিলেট।
- বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র - ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১১,১৭১.
'অমর একুশে' স্থাপত্য শিল্পটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  3. গ) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঘ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ এর বিখ্যাত কিছু স্থাপনা:

- অপরাজেয় বাংলা- ঢা: বি: কলাভবন
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা - টি.এস.সি. ঢা:বি:
- জয় বাংলা, জয় তারুণ্য - টি.এস.সি. ঢা:বি
- জাগ্রত চৌরঙ্গী - গাজীপুর
- অমর একুশে - জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
- সংশপ্তক- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
- মুক্তবাংলা - ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
- গোল্ডেন জুবলী টাওয়ার - রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
- বিজয়-৭১ - কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ)

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,১৭২.
কোন প্রেক্ষাপটে একুশ দফা প্রণীত হয়েছিলো?
  1. ক) ভাষা আন্দোলন
  2. খ) যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন
  3. গ) শিক্ষা আন্দোলন
  4. ঘ) সত্তরের নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে একুশ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- এর প্রথম দফা বা দাবী ছিলো বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
এছাড়া অন্যান্য দাবীর মধ্যে ছিলো:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১১,১৭৩.
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ কোনটি?
  1. ক) নীল বিদ্রোহ
  2. খ) সিপাহী বিদ্রোহ
  3. গ) ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
  4. ঘ) সাঁওতাল বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
গ) ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
- ফকির-সন্ন্যাসীদের বিদ্রোহ ছিল বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অর্থনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ। 
- ১৭৬৩ থেকে ১৮০০ খ্রি.- এই দীর্ঘ সময় ধরে চলে ফকির সন্ন্যাসীদের বিদ্রোহ।
- এই ফকির-সন্ন্যাসীরা ছিলেন বাংলারই অধিবাসী। 
- ফকিরেরা ছিলেন সুফি সম্প্রদায়ের মাদারিয়া শ্রেণীভুক্ত। 
- আর সন্ন্যাসীরা ছিলেন বৈদান্তিক হিন্দু যোগী। 
- এদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন যারা মুঘল সাম্রাজ্যের সৈন্যদল থেকে বাদ পড়া সদস্য, আবার অনেকে ছিলেন ভূমিহীন কৃষক। 
- তবে এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই যে, এই ফকির-সন্ন্যাসীরা ছিলেন এদেশেরই স্থায়ী অধিবাসী। 
- ধর্মীয় দিক থেকে ফকির-সন্ন্যাসীদের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ ফকির-সন্ন্যাসীদের মধ্যে মিলনের সাধারণ ক্ষেত্র তৈরি করে এবং তারা একই পতাকাতলে সমবেত হন।
 
উৎস: ইতিহাস, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়। 
১১,১৭৪.
সম্প্রতি, সাফা আন্তর্জাতিক সম্মেলন কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে? (ফেব্রুয়ারি, ২০২৬)
  1. বাংলাদেশ
  2. পাকিস্তান
  3. নেপাল
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

সাফা সম্মেলন:
- দক্ষিণ এশিয়ার সনদপ্রাপ্ত হিসাববিদদের (সাফা) নিয়ে ঢাকায় আয়োজিত হয়েছে আন্তর্জাতিক সম্মেলন।
- সময়: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ সম্মেলনে অংশ নেন পেশাজীবী নিরীক্ষকদের আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টসের (আইএফএসি) প্রেসিডেন্ট জ্য' বুকো।
- ১৯৮৪ সালে সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস বা সাফা প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- এটি একটি আঞ্চলিক প্ল্যাটফর্ম, যা সার্কভুক্ত দেশগুলোর ৪ লাখ ৫০ হাজারের বেশি সনদপ্রাপ্ত হিসাববিদের প্রতিনিধিত্ব করে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।

১১,১৭৫.
সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে পরিচিত-
  1. আইন বিভাগ
  2. বিচার বিভাগ
  3. শাসন বিভাগ
  4. নির্বাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা

• বিচারবিভাগের গঠন
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

• ন্যায়বিচার করা: 
⇒ বিচারবিভাগের প্রধান কাজ প্রচলিত আইন অনুযায়ী অপরাধের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং আইন অমান্যকারীর বিচার করা। এক্ষেত্রে বিচারকগণ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে আইন অনুযায়ী ন্যায়নীতির ভিত্তিতে বিচারকার্য সম্পন্ন করেন। বিচার বিভাগ সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে। দেওয়ানি, ফৌজদারি প্রভৃতি মামলায় সত্য ঘটনা অনুসন্ধানের মাধ্যমে বিচারবিভাগ অপরাধীকে শাস্তি প্রদান করে।

• আইন তৈরি: 
⇒ সাধারণত আইনের ব্যাখ্যা প্রদান ও প্রয়োগের দায়িত্ব বিচারবিভাগের ওপর ন্যস্ত থাকে। এছাড়া বিচারকগণ নতুন আইন সংযোজন করে থাকেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিচার করতে গিয়ে উপযুক্ত আইন খুঁজে পাওয়া না গেলে বিচারকগণ ঐকমত্যের ভিত্তিতে বিচারের রায় প্রদান করেন যা আইন হিসেবে বিবেচিত হয়।

• মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ:
⇒  জনগণের মৌলিক অধিকার সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকে। এ অধিকার সংরক্ষণের দায়িত্ব বহুলাংশে আদালতের ওপরই ন্যস্ত হয়।

• আইনের ব্যাখ্যা প্রদান ও প্রয়োগ: 
⇒ বিচারবিভাগের গুরুত্বপূর্ণ কাজ আইনের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করা এবং সেই ব্যাখ্যা অনুযায়ী আইন প্রয়োগ করা। আইন বলতে সাধারণত সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন, শাসনতান্ত্রিক আদেশ বা অর্ডার এবং বিভিন্ন প্রথাগত আইনকে বোঝানো হয়।

• সংবিধান রক্ষা করা: 
⇒ সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে বিচারবিভাগ কাজ করে। বিচারবিভাগ সংবিধানের চূড়ান্ত ব্যাখ্যা দেয়। 

উৎস: ,বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়-৯ম-১০ম শ্রেণি।

১১,১৭৬.
বর্তমানে দেশের 'বাণিজ্যিক ঋণ' মোট খেলাপি ঋণের কত শতাংশ?
  1. ক) ২৩.৯৬
  2. খ) ২২.১৭
  3. গ) ২০.১৭
  4. ঘ) ১৮.১৭
সঠিক উত্তর:
ক) ২৩.৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৩.৯৬
ব্যাখ্যা
খেলাপি ঋণের হারে শীর্ষে:
- ২০২২ সাল শেষে ব্যাংক খাতে ঋণের পরিমাণ ছিল ১৪ লাখ ৭৭ হাজার ৬৯২ কোটি টাকা।
- ২০২২ সাল শেষে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ১ লাখ ২০ হাজার ৬৪৯ কোটি টাকা।
- খেলাপি ঋণের হারে শীর্ষে রয়েছে জাহাজভাঙা ও নির্মাণশিল্প।
- এই খাতে ২০২২ সাল শেষে খেলাপি ঋণ ৪ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা।
- সাম্প্রতিক সময়ে যেসব ব্যাংকের ঋণসংক্রান্ত অনিয়ম নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তার সবই ছিল ট্রেডিং বা বাণিজ্যিক ঋণ।
- এসব ঋণের বেশির ভাগই পণ্য আমদানির বিপরীতে দেওয়া হয়েছে।
- দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের ক্ষেত্রে বড় উদ্বেগ এখন বাণিজ্যিক ঋণে।
- মোট খেলাপি ঋণের প্রায় ২৩.৯৬ শতাংশই বাণিজ্যিক ঋণ।
- উল্লেখ্য, বাণিজ্যিক ঋণের পরেই খেলাপির শীর্ষে আছে তৈরি পোশাক খাতের ঋণ।

উৎস: ১৮ আগস্ট, ২০২৩, প্রথম আলো।[লিঙ্ক]
১১,১৭৭.
Bangladesh Development Forum এর সর্বশেষ সম্মেলন কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) প্যারিস
  2. খ) ওয়াশিংটন
  3. গ) জেনেভা
  4. ঘ) ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
২০২০ সালের ২৯-৩০ জানুয়ারি ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (বিডিএফ) এর সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
Bangladesh Development Forum (BDF) এর সমন্বয় করে থাকে বিশ্বব্যাংক।
BDF হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম যা ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
শুরুতে এটির নাম ছিলো ‘বাংলাদেশ এইড গ্রুপ’। ১৯৯৭ সালে এর নামকরণ হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
(সূত্রঃ ইআরডি ওয়েবসাইট)
১১,১৭৮.
১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে কয়টি আসন ছিল?
  1. ১৬০টি
  2. ১৬৯ টি
  3. ১৬৭ টি
  4. ১৬২ টি
সঠিক উত্তর:
১৬৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৯ টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে মোট ১৬৯টি আসন ছিল।
- এর মধ্যে সংরক্ষিত আসন ছিল ৭টি।
- আওয়ামী লীগ ১৬০টি সাধারণ আসন ও ৭টি মহিলা সংরক্ষিত আসনসহ মোট ১৬৭টি আসন লাভ করে।
- একটি ময়মনসিংহে ও অপরটি রাঙামাটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়লাভ করে।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১১,১৭৯.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর ছিল-
  1. ক) ১নং সেক্টরের অধীনে
  2. খ) ২নং সেক্টরের অধীনে
  3. গ) ৪নং সেক্টরের অধীনে
  4. ঘ) ৮নং সেক্টরের অধীনে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮নং সেক্টরের অধীনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮নং সেক্টরের অধীনে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ৮নং সেক্টরের অধীনে ছিল- মুজিবনগর। 

• মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- তার মধ্যে মুজিবনগর - ৮ নং সেক্টরের অধীনে ছিলো।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল - ১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)।
- ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।
- চট্টগ্রাম - ১নং সেক্টর,
- ঢাকা - ২ নং সেক্টর,
- সিলেট- ৪ নং সেক্টর,
- রাজশাহী - ৭ নং সেক্টর, 
- মুজিবনগর - ৮ নং সেক্টর,

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১৮০.
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলের সময় একুশের প্রথম লিফলেটটি কে লিখেছিলেন?
  1. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  2. হাসান হাফিজুর রহমান
  3. মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
  4. মোশাররফ উদ্দীন আহমদ
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন আল আজাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন আল আজাদ
ব্যাখ্যা

একুশের প্রথম লিফলেট:
- রাষ্ট্রভাষা আন্দোলের ইতিহাসে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী উল্লেখযোগ্য দিন একুশে ফেব্রুয়ারি। ১৯৫২ সালের এই দিনে শহীদ হন নাম জানা না–জানা অনেক মানুষ। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রচিত হয় কবিতা, গান, নাটক, উপন্যাস, প্রবন্ধ; নির্মিত হয় শহীদ মিনার, চলচ্চিত্র। 

⇒ ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি অপরাহ্ণের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ওই দিন সন্ধ্যায় একটি লিফলেট তৈরি হয়। 
- এ পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আলাউদ্দিন আল আজাদ, মুস্তফা নূরউল ইসলাম, ফজলে লোহানী এবং হাসান হাফিজুর রহমান।
- পাটুয়াটুলির সওগাত অফিসের বিপরীত গলির পাইওনিয়ার প্রেসে লিফলেটটি ছাপা হয়।
- সেখানে লেখা ছিল, ‘বিপ্লবের কোদাল দিয়ে আমরা অত্যাচারী, শাসকগোষ্ঠীর কবর রচনা করব।’
- এটি লিখেছিলেন আলাউদ্দিন আল আজাদ।
- আর ছাপানোর দায়িত্ব পালন করেন হাসান হাফিজুর রহমান।
- রাতেই লিফলেটটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পলাশী ব্যারাক এলাকায় বিতরণ করা হয়।

উৎস: প্রথম আলো।

১১,১৮১.
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (SRDI) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা
ব্যাখ্যা
- মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (SRDI) হচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠান-এর প্রধান নির্বাহী হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- এর উদ্দেশ্য যথাযথ এবং টেকসই ভূমি ও মৃত্তিকা (বাংলাদেশের প্রধান সম্পদ) ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ বান্ধব কৃষি প্রযুক্তির মাধ্যমে খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং সকলের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে ১৯৮৩ সালে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট নামে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করে। 
- এর প্রধান কার্যালয়: মৃত্তিকা ভবন, কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট, ঢাকা

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও srdi.portal.gov.bd।
১১,১৮২.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সরকারি শিল্প সংস্থা কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন
  2. খ) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন
  3. গ) বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন
  4. ঘ) বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতে সর্ববৃহৎ শিল্প সংস্থা হলো বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি)।
বিসিআইসি’র অধীনে বর্তমানে দেশে চালু শিল্প কারখানার সংখ্যা ১০টি। এগুলোর মধ্যে ৬টি সার কারখানা, ১টি কাগজকল, ১টি সিমেন্ট কারখানা, ১টি গ্লাসশীট কারখানা এবং ১টি স্যানিটারি ও ইন্স্যুলেটর কারখানা।
এছাড়া, যৌথ মালিকানাধীন কোম্পানির সংখ্যা ৯টি।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-১০৬)
১১,১৮৩.
কত তারিখে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করা হয়?
  1. ক) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
  2. খ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  3. গ) ২৬ মার্চ ১৯৭১
  4. ঘ) ৭ মার্চ ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
গ) ২৬ মার্চ ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৬ মার্চ ১৯৭১
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র খসড়া প্রণয়ন ও আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
১১,১৮৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর কোন সেক্টরের অধীন ছিল?
  1. ক) ১ নং সেক্টর
  2. খ) ২ নং সেক্টর
  3. গ) ৪ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৯ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল-১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও -বঙ্গোপসাগর)।
- ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।
- চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর,
- ঢাকা-২ নং সেক্টর,
- রাজশাহী-৭ নং সেক্টর,
- মুজিবনগর-৮ নং সেক্টর,
- সুন্দরবন- ৯ নং সেক্টর।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,১৮৫.
মুক্তিযুদ্ধে ৭নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে যুদ্ধ করেছেন-
  1. মেজর নাজমুল হক
  2. মেজর মীর শওকত আলী
  3. মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত
  4. মেজর আবু ওসমান চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
মেজর নাজমুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর নাজমুল হক
ব্যাখ্যা
• সেক্টর ও সেক্টর কমান্ডারগণ:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- প্রত্যেক সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।
- মুক্তিকালীন ১১টি সেক্টরের কমান্ডারগণ:

• ১ নং সেক্টর:
- মেজর জিয়াউর রহমান। 
- মেজর রফিকুল ইসলাম। 
• ২ নং সেক্টর:
- মেজর খালেদ মোশাররফ। 
- মেজর এ.টি.এম হায়দার। 
• ৩ নং সেক্টর:
- মেজর কে. এম শফিউল্লাহ। 
- মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান। 
• ৪ নং সেক্টর:
- মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত। 
- ক্যাপ্টেন এ রব। 
• ৫ নং সেক্টর:
- মেজর মীর শওকত আলী। 
• ৬ নং সেক্টর:
- উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার। 
• ৭ নং সেক্টর:
- মেজর নাজমুল হক । 
- সুবেদার মেজর এ. রব। 
• মেজর কাজী নূরুজ্জামান
• ৮ নং সেক্টর:
- মেজর আবু ওসমান চৌধুরী। 
- মেজর এম.এ মঞ্জুর। 
• ৯ নং সেক্টর:
- মেজর এম.এ জলিল
- মেজর এম. এ মঞ্জুজুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন
• ১০ নং সেক্টর: কোন নিয়মিত সেক্টর ছিলো না
• ১১ নং সেক্টর:
- মেজর এম. আবু তাহের
- স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১১,১৮৬.
দাপগ বীজতলা তৈরী করা হয় কোন অবস্থায়?
  1. পাহাড়ের টিলায়
  2. বর্ষার পানির জন্য কোন স্থান ডুবে গেলে
  3. লবণাক্ততা অবস্থায়
  4. যেখানে আলো বাতাস বেশী থাকে
সঠিক উত্তর:
বর্ষার পানির জন্য কোন স্থান ডুবে গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ষার পানির জন্য কোন স্থান ডুবে গেলে
ব্যাখ্যা
- দাপগ বীজতলা (Dapog seedbed) তৈরি করা হয় যখন সাধারণ বীজতলায় বৃষ্টি বা মেঘলা আবহাওয়ার কারণে চারা বড়ানো কঠিন হয়। এজন্য বীজতলাটি তৈরি করা হয় বাড়ির উঠোন, বারান্দা বা চালার নিচে, পলিথিন বা ত্রিপল বিছিয়ে ইট-বাঁশের ছাউনি দিয়ে।
- যেখানে বৃষ্টির পানি এসে পড়ে না, আর আলো ও বাতাসের ব্যবস্থা থাকে।
- দাপগ বীজতলা তৈরি করা হয় অতিবৃষ্টি ও মেঘলা দিনে, যেখানে বাহিরে সাধারণ ফিল্ডে চারা তৈরি সম্ভব না।
- এটি বাড়ির ছাদের নীচে বা ছাউনি যুক্ত স্থানগুলোতে নির্মিত হয় যাতে বৃষ্টি থেকে বীজতলাকে সুরক্ষা দেওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - কৃষি বাতায়ন।
১১,১৮৭.
'গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থা, কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশ' - সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের প্রতিনিধিত্ব করে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭
  2. অনুচ্ছেদ ১৪
  3. অনুচ্ছেদ ১৬
  4. অনুচ্ছেদ ১৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৬
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব:
অনুচ্ছেদ ১৬৷ নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবন যাত্রার মানের বৈষম্য ক্রমাগতভাবে দূর করিবার উদ্দেশ্যে কৃষিবিপ্লবের বিকাশ, গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতীকরণের ব্যবস্থা, কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশ এবং শিক্ষা, যোগাযোগ-ব্যবস্থা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের আমূল রূপান্তরসাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷

অনুচ্ছেদ ৭: সংবিধানের প্রাধান্য
অনুচ্ছেদ ১৪: কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
অনুচ্ছেদ ১৮:  পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
১১,১৮৮.
কত সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয়?
  1. ক) ২০১১ সালে
  2. খ) ২০১২ সালে
  3. গ) ২০১৩ সালে
  4. ঘ) ২০১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন:
- মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয় - ২০১২ সালে।
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদ্‌সংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- যেহেতু মানিলন্ডারিং ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধ এবং উহাদের শাস্তির বিধানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদ্‌সংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়;

 সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল-
- সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।
- (১) এই আইন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে।
- (২) ইহা ৩ মাঘ, ১৪১৮ বঙ্গাব্দ/১৬ জানুয়ারি, ২০১২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ হতে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।

তথ্যসূত্র: আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১১,১৮৯.
বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প পার্ক কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. সিরাজদিখান 
  2. মিরসরাই 
  3. গজারিয়া
  4. শ্রীনগর 
সঠিক উত্তর:
গজারিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গজারিয়া
ব্যাখ্যা

ওষুধ পার্ক:
- বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প পার্ক (API Industrial Park) মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
-
এটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে স্থাপিত।
- ২০০৮ সালে সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায়, ওষুধশিল্পের পার্ক স্থাপনের প্রকল্প অনুমোদিত হয়।
-পার্কটির মূল উদ্দেশ্য হলো-
• দেশীয় ওষুধ কোম্পানির ব্যবসা প্রসার, 
• পণ্য বৈচিত্র্য সৃষ্টি,
• এবং মান উন্নয়নের জন্য গবেষণা।
-পার্কটি দেশের ওষুধের কাঁচামাল আমদানি নির্ভরতা কমানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- এছাড়া, এর উদ্দেশ্য হলো ওষুধের রপ্তানি বাড়ানো।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ প্রথমবার ওষুধ রপ্তানি শুরু করে ১৯৯২ সালে।
- তখন বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পেনিসিলিনের কাঁচামাল ইরান, হংকং, ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠাত।
- পরের বছর তারা প্যারাসিটামল ও অন্যান্য ১৮ ধরনের ওষুধ রাশিয়ায় রপ্তানি করে;
- এটি দেশের ওষুধ শিল্পের জন্য একটি বড় মাইলফলক ছিল।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ১৪৭টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে।
- বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে বেশি ওষুধ রপ্তানি করে- মিয়ানমারে।
- শ্রীলংকায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চপরিমানে রপ্তানি করে।

উৎস:
১. বাংলাপিডিয়া;
২. The Daily Star Bangla;
৩. প্রথম আলো। 

১১,১৯০.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী রপ্তানি আয় (বিলিয়ন মার্কিন ডলার)-
  1. ক) ৩৩.৬৭
  2. খ) ৩২.৮৩
  3. গ) ৩৫.৮৬
  4. ঘ) ৪০.৬১
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৩.৬৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৩.৬৭
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী,
- দেশজ সঞ্চয় মোট জিডিপির ২৫.৩১ শতাংশ।
- জাতীয় সঞ্চয় মোট জিডিপির ৩০.১১ শতাংশ।
- বিনিয়োগ মোট জিডিপির ৩১.৭৫ শতাংশ।
- সরকারি বিনিয়োগ মোট জিডিপির ৮.১২ শতাংশ।
- বেসরকারি বিনিয়োগ মোট জিডিপির ২৩.৬৩ শতাংশ
- রপ্তানি আয় ৩৩.৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- আমদানি ব্যয় ৫৪.৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

১১,১৯১.
পলাশীর প্রান্তর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) মেঘনা নদী
  2. খ) ভাগীরথী নদী
  3. গ) যমুনা নদী
  4. ঘ) তিতাস নদী
সঠিক উত্তর:
খ) ভাগীরথী নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাগীরথী নদী
ব্যাখ্যা
পলাশী যুদ্ধ:

- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলা ২২ বছর বয়সে সিংহাসনে বসেন।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- পলাশী যুদ্ধের ফলে ইংরেজ বা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়। অপরদিকে ফরাসিরা এদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।
- পলাশী যুদ্ধের সুদূর প্রসারী পরিণতি ছিল সমগ্র উপমহাদেশে কোম্পানির শাসন প্রতিষ্ঠা। এ ভাবেই এ যুদ্ধে বাংলা তথা ভারতের স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১৯২.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ সংকলন করেন -
  1. ক) ফেন্টন মাইকস
  2. খ) জ্যাকব এফ ফিল্ড
  3. গ) শেখ ফয়জুল্লাহ
  4. ঘ) হেরিক জনসন
সঠিক উত্তর:
খ) জ্যাকব এফ ফিল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জ্যাকব এফ ফিল্ড
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ সংকলন করেন - জ্যাকব এফ ফিল্ড।

• ৭ মার্চের ভাষণ:

- পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের টালবাহানার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক সমাবেশে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদান করেন।
- ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু চারটি দাবি উত্থাপন করেন। এগুলো হলোঃ
- চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার করা। 
- সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া।
- গণহত্যার তদন্ত করা।
- নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
- ৭ই মার্চের ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইনটারন্যাশনাল রেজিস্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত করে।

এছাড়াও,
- ঐতিহাসিক জ্যাকব এফ ফিল্ডের ভাষণ সংকলন "The Speech the Inspired History" এ বিশ্বের সেরা ৪১টি ভাষণের মধ্য স্থান পেয়েছে ৭ই মার্চের ভাষণ।
- জ্যাকবের বইয়ে ভাষণটির শিরোনাম দেয়া হয়েছে The Struggle : This Time is the Struggle for Independence.
- বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের গেটিসবার্গ বক্তৃতার সাথে তুলনা করা হয়।
- "শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ কেবল একটি ভাষণ নয়,এটি একটি অনন্য রণকৌশলের দলিল" উক্তিটি করেছেন - কিউবার অবিসংবাদিত নেতা ফিদেল ক্যাস্ট্রো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট,  প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১১,১৯৩.
বঙ্গবন্ধু ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাকে' কি নামে নামকরণ করেছিলেন?
  1. পশ্চিম-পাকিস্তান ষড়যন্ত্র মামলা
  2. করাচি ষড়যন্ত্র মামলা
  3. লাহোর ষড়যন্ত্র মামলা
  4. ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা:  
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আগরতলা মামলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- ১৯৬৮ সালের ৬ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা করে যে, পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য একটি ষড়যন্ত্র উদ্ঘাটিত হয়েছে।
- এর সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজন আওয়ামী লীগ নেতা, সিভিল সার্ভিসের দুইজন বাঙালি কর্মকর্তাসহ ২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

♣ ১৮ জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তারের পর আরেকটি প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে উক্ত মামলার ১নং আসামী বলে ঘোষণা করা হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'।
- আসামী মোট ৩৫ জন। 
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবে।
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন 'ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা' নামে।   

- ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থানে বাধ্য হয়ে আইয়ুব-মোনায়েম সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করে। শেখ মুজিবসহ সকল রাজবন্দীকে নিঃশর্ত মুক্তি প্রদান করা হয়। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১৯৪.
বাংলাদেশের প্রথম ব্যাংক হিসেবে বাজার মূলধন এক বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে- [জুলাই, ২০২৫]
  1. সিটি ব্যাংক
  2. ব্র্যাক ব্যাংক
  3. গ্রামীণ ব্যাংক
  4. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্র্যাক ব্যাংক:
- দেশের শেয়ারবাজারে এক বিলিয়ন বা ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের বাজার মূলধন অতিক্রম করেছে বেসরকারি খাতের ব্র্যাক ব্যাংক।
- ২০০৭ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর এই প্রথম ব্যাংকটি এ মাইলফলক অর্জন করেছে।
- বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্র্যাক ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ৫ হাজার কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৯৯১ কোটি টাকা। 

উল্লেখ্য,
- ২০০১ সালে যাত্রা শুরু করে ব্র্যাক ব্যাংক।
- বর্তমানে সারা দেশে ১৯১টি শাখা, ৯৪টি উপশাখা, ১ হাজার ১২১টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট ও ৮ হাজারেরও বেশি কর্মী নিয়ে এই ব্যাংকের কার্যক্রম বিস্তৃত রয়েছে।
- আর গ্রাহক সংখ্যা ১৮ লাখের বেশি।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
১১,১৯৫.
বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নোয়াখালী
  2. কুমিল্লা
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
ব্যাখ্যা

• কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র: এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত; বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ১৯৬২ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। এর মোট অনুমিত মজুত ৩.৬৫ টিসিএফ যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত ২.৫২ টিসিএফ গ্যাস। কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাসের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কনডেনসেটও উৎপাদিত হয়ে থাকে। ১৯৮৩ সাল থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

• হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১১ কিমি দীর্ঘ এবং ৪.৫ কিমি প্রশস্ত। প্রায় ৩০ শতাংশ সচ্ছিদ্রতাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র একটি উন্নতমানের গ্যাসাধার হিসেবে খ্যাত। বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম একটি গ্যাস উৎপাদনক্ষেত্র। আজ পর্যন্ত এই গ্যাসক্ষেত্রে ১০টি কূপ খনন করা হয়েছে।

• বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র: এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। ১৯৮৪ সালে এখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৯৩ সালে এর উৎপাদন সর্বোচ্চে পৌঁছে (দৈনিক ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)। তখন থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের চাপ ও উৎপাদনে দ্রুত পতন ঘটে। ২০০০ সালের শেষদিকে এখান থেকে প্রতিদিন মাত্র ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাবে।

• সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র: এটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার একমাত্র গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের জাতীয় তেল কোম্পানি ও.জি.ডি.সি এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। খননকৃত ৪টি কূপের মধ্যে ৩নং ও ৪নং কূপে কোন গ্যাস পাওয়া যায় নি। এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে কোন গ্যাস উত্তোলিত হয় নি।

• কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র: এটি চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় ৯২ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানি ১৯৭৬ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। যদিও গ্যাসক্ষেত্রটি ছোট আকৃতির, তবুও এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় নি।

• বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত। পেট্রোবাংলা ১৯৭৭ সালে এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রটি একটি ছোট আকৃতির গ্যাসক্ষেত্র এবং এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নি। এখানে খননকৃত দুটি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে একটি শুষ্ক পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১১,১৯৬.
ল্যান্স নায়েক নূর মােহাম্মদ শেখ কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?
  1. ক) ৬ নম্বর
  2. খ) ৭ নম্বর
  3. গ) ৮ নম্বর
  4. ঘ) ৯ নম্বর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ নম্বর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ:
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের জন্ম ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬, যশোর জেলার অর্ন্তঃগত নড়াইল মহকুমার মহিষখোলা গ্রামে।
- পিতা আমানত শেখ ছিলেন কৃষক এবং মাতা জেন্নাতুন নেসা ছিলেন গৃহিণী। শৈশবেই বাবা-মা হারিয়ে অনেকটা সংসার বিরাগী জীবন যাপনে অভ্যস্থ হয়ে পড়েন।
- সংসারের প্রতি মন ফিরিয়ে আনতে অবিভাবকরা তাকে ১৯৫২ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে বিয়ে করান।

- ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৯, তদানিন্তন ইপিআর-এ সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন। তার ই.পি.আর ক্রমিক নম্বর ছিল - ৯৪৫৯।
- ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে দিনাজপুর সেক্টরে যুদ্ধরত অবস্থায় আহত হন। যুদ্ধ শেষে তিনি 'তকমা-ই-জং' ও 'সিতারা-ই-হারব' মেডেল লাভ করেন।

- মার্চ ১৯৭১এ তিনি ছুটি ভোগরত ছিলেন গ্রামের বাড়িতে। পাকিস্তানী বাহিনীর গণহত্যার খবর পেয়ে অসুস্থ অবস্থায় চুয়াডাঙ্গায় ইপিআর-এর ৪নং উইং এ নিজ কোম্পানির সাথে যোগ দিয়ে বিদ্রোহ করেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে।
- সেক্টর গঠন হলে তাদের উপর ন্যস্ত হয় ৮নং সেক্টরের দায়িত্ব। তিনি নিয়োগ পান বয়রা সাব-সেক্টরে।
- এই সাব-সেক্টরের অধীনে গোয়ালহাটি, ছুটিপুর ঘাট, ছুটিপুর সেনাক্যাম্প, বরনী আক্রমণে অংশ নেন এবং বীরত্ব প্রদর্শন করেন।
- বরনীতে নিজের জীবনের ঝুকি নিয়ে সাব-সেক্টর কমান্ডার ক্যাপ্টেন নাজমুল হুদার জীবন রক্ষা করেন।
- ৫ই সেপ্টেম্বর ১৯৭১, সুতিপুর প্রতিরক্ষা অবস্থানের সামনে ষ্ট্যান্ডিং পেট্রোলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালনের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আক্রমণ নস্যাৎ করে দেন প্রায় একাই।
- আহত অবস্থায় অধীনস্থ সৈনিকদের নিরাপদে পিছনে পাঠিয়ে দেন এবং শত্রুর মোকাবেলা অব্যাহত রাখার সময় শাহাদাত বরণ করেন।
- পরবর্তীতে সহযোদ্ধারা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে সীমান্তবর্তী যুদ্ধক্ষেত্র কাশীপুরে সমাহিত করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার বীরত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১১,১৯৭.
Which of the following is the highest authority for approving the economic policies and development plans in Bangladesh?
  1. Planning Commission
  2. Ministry of Finance
  3. Minstry of Law
  4. ECNEC
  5. None
সঠিক উত্তর:
ECNEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ECNEC
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরষিদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।

ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরষিদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।
- এর সভাপতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী।
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি।
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন। 
- নিম্নোক্ত মন্ত্রীদের মধ্য থেকে কমিটির সদস্য মনোনয়ন দেয়া হয়:
• স্থানীয় সরকার পলী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী,
• শিক্ষা মন্ত্ৰী,
• প্রযুক্তি মন্ত্ৰী,
• পানি সম্পদ মন্ত্রী,
• শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্ৰী,
• ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্ৰী,
• কৃষি, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী এবং
• পরিকল্পনা মন্ত্রী।
 
উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১১,১৯৮.
কোনো ব্যক্তি এটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার জন্য নিচের কোন যোগ্যতার প্রয়োজন?
  1. সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
  2. অধস্তন আদালতের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
  3. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
  4. কোন যোগ্যতার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন
ব্যাখ্যা
এটর্নি জেনারেল: 
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি এটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।
- সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে এটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উত্থাপিত যেকোনো রেফারেন্সের ক্ষেত্রে তাঁর নিজস্ব মত প্রকাশ করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,১৯৯.
In which year did Bangladesh get the membership of the OIC?
  1. 1972
  2. 1973
  3. 1974
  4. 1975
  5. 1976
সঠিক উত্তর:
1974
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1974
ব্যাখ্যা
 OIC:
- OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation.
- এটি একটি ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC- এর সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC-এর সদস্য।
 
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৪ সালে।
 
উৎস: OIC ওয়েবসাইট।
১১,২০০.
বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার কোনটি?
  1. জার্মানি
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

রপ্তানী বাজার: 
- বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাবে, সদ্য বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে ৮৭৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ।
- মোট পণ্য রপ্তানির ১৭ শতাংশের গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- উল্লেখ্য, এই বাজারে রপ্তানি হওয়া বাংলাদেশি পণ্যের ৮৭শতাংশই তৈরি পোশাক।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]