বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

জীববিজ্ঞানের শাখা, অবদান ও আবিষ্কার

মোট প্রশ্ন১৩২এই পাতা৩২প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জীববিজ্ঞানের শাখা, অবদান ও আবিষ্কার

PrepBank · পাতা / · ১০১১৩২ / ১৩২

১০১.
কোষ ও কোষাঙ্গাণুর গঠন ও কাজ নিয়ে জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় আলোচনা করা হয়?
  1. Physiology
  2. Embryology
  3. Morphology
  4. Cytology
সঠিক উত্তর:
Cytology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cytology
ব্যাখ্যা

জীববিজ্ঞানের বিশেষ শাখা:
- জীবের তথা জীববিজ্ঞানের কোন দিকটি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে তার উপর ভিত্তি করে জীববিজ্ঞানকে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত করা হয়ে থাকে।
- এখানে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শাখার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি দেয়া হলো-
অঙ্গসংস্থান (Morphology):
- এ শাখায় জীবের গঠন বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- বাহ্যিক গঠনকে বহিঃঅঙ্গসংস্থান (External morphology) এবং অভ্যন্তরীণ গঠনকে অন্তঃঅঙ্গসংস্থান (Internal morphology) বলে।

শারীরবিদ্যা (Physiology):
- জীবের শ্বসন, রেচন, প্রজনন, পরিপাক ও আত্তীকরণ, সবুজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ এসব জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াসমূহ এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

ভ্রূণবিদ্যা (Embryology):
- ভ্রূণ সৃষ্টি ও বিকাশের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবের সৃষ্টি হয়।
- জীবের ভ্রূণ গঠন ও বিকাশ নিয়ে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

কোষবিদ্যা (Cytology):
- জীবদেহের গঠন ও কার্যের একক হলো কোষ।
- কোষ ও কোষাঙ্গাণুর গঠন, কাজ ও বিভাজন সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়

বংশগতিবিদ্যা (Genetics):
- মাতা-পিতার বৈশিষ্ট্য সন্তানে স্থানান্তরিত হয়।
- বংশগতির এ ধারা সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

বাস্তুবিদ্যা (Ecology):
- জীবসমূহ যে পরিবেশে বাস করে সেই পরিবেশ এবং সেই পরিবেশের সাথে ঐ জীবসমূহের আন্তঃসম্পর্ক সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

বিবর্তন (Evolution):
- আদি কালের অনেক জীবই বর্তমান কালের জীবসমূহ থেকে অন্য রকম ছিল, কালের বিবর্তনের মাধ্যমে বর্তমান পর্যায়ে এসেছে।
- জীবসমূহের সূচনা ও বিবর্তন নিয়ে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০২.
নিচের কোন ধাপটি শ্রেণিবিন্যাসের আন্তর্জাতিক কোড চিহ্নিত নয়?
  1. ক) সুপার কিংডম
  2. খ) ফ্যামিলি
  3. গ) গণ
  4. ঘ) বর্গ
সঠিক উত্তর:
ক) সুপার কিংডম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সুপার কিংডম
ব্যাখ্যা

একটি জীবকে প্রজাতি পর্যায়ে বিন্যাসে মূলত আন্তর্জাতিক কোড চিহ্নিত সাতটি ধাপ আছে।
যথাঃ ১) রাজ্য (Kingdom)
২) পর্ব (Phylum)
৩) শ্রেণি (Class)
৪) বর্গ (Order)
৫) গোত্র (Family)
৬) গণ (Genus)
৭) প্রজাতি (species)


উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১০৩.
'Species Plantarum' বইটির রচয়িতা-
  1. ক) বেন্থাম ও হুকার
  2. খ) থিয়োফ্রাস্টাস
  3. গ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
  4. ঘ) জ্যাঁ ল্যামার্ক
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা

- সুইডিস বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস সর্বপ্রথম নামকরণের একটি প্রথা প্রবর্তন করেন। এটি দ্বিপদ নামকরণ প্রথা নামে পরিচিত।
- তাঁকে শ্রেণি বিন্যাসের জনক বলা হয়।
- তাঁর রচিত বিখ্যাত বইঃ Species Plantarum।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১০৪.
কোষ ও কোষাঙ্গাণুর গঠন সম্বন্ধে জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় আলোচনা করা হয়?
  1. জেনেটিক্স
  2. সাইটোলজি
  3. এনাটমি
  4. শারীরবিদ্যা
সঠিক উত্তর:
সাইটোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইটোলজি
ব্যাখ্যা

◉ সাইটোলজি (Cytology) হলো জীববিজ্ঞানের একটি শাখা, যেখানে কোষের গঠন, কার্যপ্রণালী, কোষাঙ্গাণু এবং কোষ বিভাজন নিয়ে গবেষণা করা হয়। এটি মূলত কোষতত্ত্ব (Cell Biology)-এর একটি অংশ।

কোষবিদ্যা (Cytology):
- জীবদেহের গঠন ও কার্যের একক হলো কোষ।
- কোষ ও কোষাঙ্গাণুর গঠন, কাজ ও বিভাজন সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
জেনেটিক্স - এটি বংশগতির বিজ্ঞান, যেখানে DNA, জিন, মিউটেশন ও বংশগত বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। 
এনাটমি - এটি শরীরের গঠন ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের গঠন ও বিন্যাস নিয়ে আলোচনা করে। 
শারীরবিদ্যা - জীবের শ্বসন, রেচন, প্রজনন, পরিপাক ও আত্তীকরণ, সবুজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ এসব জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াসমূহ এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৫.
‘জনন কোষের উৎপত্তি’ কোন শাখায় আলোচিত হয়?
  1. ক) কোষবিদ্যা
  2. খ) হিস্টোলজি
  3. গ) ভ্রুণবিদ্যা
  4. ঘ) বিবরতনবিদ্যা
সঠিক উত্তর:
গ) ভ্রুণবিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভ্রুণবিদ্যা
ব্যাখ্যা
ভ্রূণবিদ্যা (Embryology): জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগোট থেকে ভ্রূণের সৃষ্টি, গঠন, পরিস্ফুটন, বিকাশ প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা এ শাখার প্রধান বিষয়।
হিস্টোলজিঃ জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি এ শাখায় আলোচনা করা হয়।
বিবর্তনবিদ্যা (Evolution): পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ, জীবের বিবর্তন এবং ক্রমবিকাশের তথ্যসমূহের আলোচনা এ শাখার বিষয়।
কোষবিদ্যা (Cytology): জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলি ও বিভাজন সম্পর্কে যাবতীয় আলোচনা এ শাখার বিষয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৬.
লিনিয়াস-এর দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতিতে প্রথম অংশটি কী নির্দেশ করে?
  1. ফ্যামিলি
  2. অর্ডার
  3. স্পিসিস
  4. জেনাস
সঠিক উত্তর:
জেনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনাস
ব্যাখ্যা

◉ দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতিতে প্রথম অংশ জেনাস (Genus) এবং দ্বিতীয় অংশ স্পিসিস (Species) নির্দেশ করে।
যেমন, Homo sapiens নামে, Homo হলো Genus, এবং sapiens হলো Species।

দ্বিপদ নামকরণ:
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুটি অংশ বা পদ নিয়ে গঠিত হয়।
- প্রথম অংশটি তার গণের নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি তার প্রজাতির নাম।
- উদ্ভিদের নাম International Code of Botanical Nomenclature (ICBN) কর্তৃক এবং প্রাণীর নাম International code of Zoological Nomenclature (ICZN) কর্তৃক স্বীকৃত নিয়মানুসারে হতে হবে।
- নামকরণ ল্যাটিন শব্দে হওয়ায় কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নাম সারা বিশ্বে একই নামে পরিচিত হয়।
- 1753 সালে সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস Species plantarum বইটি রচনা করেন।

নামকরণের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নীতিমালা নিম্নরূপ:
১. নামকরণের ভাষা হবে ল্যাটিন।
২. প্রতিটি জীব-প্রজাতির নামের দু'টি অংশ থাকবে, প্রথম অংশ হলো গণ (Genus) নাম এবং দ্বিতীয় অংশ হলো প্রজাতিক (Species) পদ।
৩. একই দ্বিপদ নাম কোন দু'টি প্রজাতির জন্য প্রযোজ্য হবে না, একটি দ্বিপদ নাম কেবল মাত্র একটি প্রজাতির জন্যই সুনির্দিষ্ট।
৪. গণ নামের প্রথম অক্ষর বড় হাতের হবে, প্রজাতিক পদ ছোট অক্ষরে হবে ।
৫. ছাপানো হলে দ্বিপদ নাম ইটালিক বা মোটা অক্ষরে হবে। হাতে লিখলে দ্বিপদ নামের নিচে দু'অংশে দু'টি টানা দাগ দিতে হবে; যেমন- Homo sapiens বা Homo sapiens.
৬. দ্বিপদ নামের শেষে নাম প্রদানকারীর নাম উল্লেখ করতে হয়, যেমন- Mangifera indica L., L. হলো লিনিয়াসের সংক্ষিপ্ত রূপ। এ নামটি লিনিয়াস দিয়েছিলেন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৭.
জীবাশ্ম নিয়ে গবেষণার শাস্ত্রকে কী বলা হয়?
  1. Paleontology
  2. Archaeology
  3. Fossilogy 
  4. Anthropology
সঠিক উত্তর:
Paleontology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Paleontology
ব্যাখ্যা

- প্যালিওন্টোলজি (Paleontology) হলো বিজ্ঞানসম্মতভাবে জীবাশ্ম বা ফসিল (fossil) নিয়ে গবেষণা ও অধ্যয়নের শাস্ত্র

জীবাশ্ম: 

- জীবাশ্ম বা ফসিল (Fossil), ল্যাটিন Fossilis শব্দ থেকে ইংরেজি Fossil শব্দের উৎপত্তি। Fossilis শব্দের অর্থ হলো dug out বা খুড়ে তোলা। 
- পূর্বে মাটি খুড়ে যা কিছু তোলা হতো তাকেই জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হতো। 
- বর্তমানে, পৃথিবীর ভূত্বকে (crust) প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষিত প্রাগৈতিহাসিক জীবের দেহ, দেহাবশেষ বা দেহের কোন অংশের চিহ্ন বা সাক্ষ্যকে জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হয়। 
- গমন পথ, ট্রেইল এবং জীবজনিত গর্তকে ট্রেস ফসিল (trace fossil) বা ইকনোফসিল (ichnofossil ) বা জার্মান ভাষায় লেবেনস্পুরেন (lebenspuren) নামে আখ্যায়িত করা হয়। 
- জীবাশ্মগত বিদ্যাকে জীবাশ্মবিদ্যা বা প্যালেন্টোলজি (palaeontology) বলা হয়। 
- Paleobotany হলো জীববিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে প্রাচীন উদ্ভিদের জীবাশ্ম নিয়ে আলোচনা করা হয়, এটি জীবাশ্মবিদ্যার (Paleontology) একটি উপশাখা। 

অন্যদিকে, 
- Fossilogy শব্দটি বিজ্ঞানে প্রচলিত বা স্বীকৃত কোনো শাখা নয়। 
- Archaeology হলো প্রাচীন মানুষের বস্তু, স্থাপনা, সংস্কৃতি ও সভ্যতা নিয়ে গবেষণা। 
- Anthropology হলো মানুষের উৎপত্তি, বিকাশ এবং সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণার শাস্ত্র।। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। এবং ব্রিটানিকা।

১০৮.
On the Origin of Species গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ক) Jean-Baptiste Lamarck
  2. খ) Charles Darwin
  3. গ) Alfred Russel Wallace
  4. ঘ) Gregor Mendel
সঠিক উত্তর:
খ) Charles Darwin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Charles Darwin
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ হয়নি
১০৯.
ডারউইনবাদ কিসের ওপর ভিত্তি করে গঠিত?
  1. অর্জিত বৈশিষ্ট্যের উত্তরাধিকার
  2. পরিবেশগত চাপ
  3. প্রাকৃতিক নির্বাচন
  4. জীন পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক নির্বাচন
ব্যাখ্যা

• ডারউইনবাদ বা ডারউইনিজম মূলত প্রাকৃতিক নির্বাচন (Natural Selection) মতবাদের ওপর ভিত্তি করে গঠিত।
- উল্লেখ্য: 'অর্জিত বৈশিষ্ট্যের উত্তরাধিকার' হলো ল্যামার্কবাদের মূল ভিত্তি।

• ডারউইনবাদ বা ডারউইনের তত্ত্ব:
- ব্রিটিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন জীববিজ্ঞান তথা সমগ্র বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি বৈপ্লবিক চিন্তাধারার সৃষ্টি করেন।
- বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন (Charles Robert Darwin, 1809-1882) ইংল্যান্ডের স্রাসবেরি শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত গ্যালাপ্যাগোস দ্বীপপুঞ্জ পরিভ্রমণকালে তিনি ঐ অঞ্চলের উদ্ভিদ এবং প্রাণিকুলের বিস্ময়কর বৈশিষ্ট্য দেখে বিশেষভাবে আকৃষ্ট হন এরপর সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে 1837 খ্রিষ্টাব্দে ইংল্যান্ডে প্রত্যাবর্তনের প্রায় 20 বছর পরে 1859 খ্রিষ্টাব্দে 'প্রাকৃতিক নির্বাচনের দ্বারা প্রজাতির উদ্ভব' (Origin of Species by Means of Natural Selection) নামক বইয়ে তাঁর মতবাদটি প্রকাশ করেন।
- ডারউইনের তত্ত্বটি বিবর্তন তত্ত্ব নামে প্রচলিত হলেও তিনি প্রকৃতপক্ষে জৈব অভিব্যক্তি তথা বিবর্তনের আবিষ্কারক নন।
- ডারউইনের সাফল্য ছিল, জৈব অভিব্যক্তির কারণ হিসেবে পর্যাপ্ত সংখ্যক -বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে একটি প্রক্রিয়ার (mechanism) ধারণা প্রতিষ্ঠা করা, যা জৈব অভিব্যক্তির যাবতীয় বিষয় ব্যাখ্যা করতে পারবে।
- জৈব অভিব্যক্তির কারণ হিসেবে প্রাকৃতিক নির্বাচনকে উল্লেখ করে আরও একজন সমসাময়িক ব্রিটিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী, আলফ্রেড ওয়ালেস (Alfred Russel Wallace, 1823-1913), একই সময়ে কিন্তু স্বাধীনভাবে অনুরূপ তত্ত্ব প্রণয়ন করেন।
- তবে বিভিন্ন ঐতিহাসিক কারণে তাঁর চেয়ে ডারউইনের নামেই তত্ত্বটি অধিক প্রচলিত।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১০.
কোন বিজ্ঞানী রোগজীবাণু তত্ত্ব উদ্ভাবন করেন?
  1. ডারউইন
  2. লুই পাস্তুর
  3. প্রিস্টলী
  4. ল্যাভয়সিয়ে
সঠিক উত্তর:
লুই পাস্তুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুই পাস্তুর
ব্যাখ্যা
- বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর রোগজীবাণু তত্ত্ব উদ্ভাবন করেন। 
- তিনি ছিলেন ফ্রেঞ্চ রসায়নবিদ এবং অণুজীববিজ্ঞানী। 
- ১৮৮৫ সালে লুই পাস্তুর জলাতঙ্কের টিকা আবিষ্কার করেন এবং টিকাজগতে বিপ্লব ঘটান। 
- এছাড়াও তিনি মুরগির কলেরা, গবাদি পশুর অ্যানথ্রাক্স, পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি প্রভৃতি উদ্ভাবন করেন। 

উৎস: ব্রিটনিকা।
১১১.
জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় জীবের গঠন বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয়?
  1. Physiology
  2. Morphology
  3. Cytology
  4. Genetics
সঠিক উত্তর:
Morphology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Morphology
ব্যাখ্যা
অঙ্গসংস্থান (Morphology) : এ শাখায় জীবের গঠন বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাহ্যিক গঠনকে
বহিঃঅঙ্গসংস্থান এবং অভ্যন্তরীণ গঠনকে অন্তঃঅঙ্গসংস্থান বলে। মানুষের দু’টি পা, দু’টি হাত, দু’টি চোখ,
একটি মাথা, একটি মুখ, একটি নাক, গড়ন ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের বর্ণনাহলো বহিঃঅঙ্গসংস্থান।
দেহাভ্যন্তরে হাড়, সন্ধি, পেশির বিন্যাস, বিভিন্ন তন্ত্র ইত্যাদি হলো অন্তঃঅঙ্গসংস্থান।

শারীরবিদ্যা (Physiology) : জীবের শ্বসন, রেচন, প্রজনন, পরিপাক ও আত্তীকরণ, সবুজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ
এসব জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াসমূহ এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

কোষবিদ্যা (Cytology) : জীবদেহের গঠন ও কার্যের একক হলো কোষ। কোষ ও কোষাঙ্গাণুর গঠন, কাজ ও
বিভাজন সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

বংশগতিবিদ্যা (Genetics) : মাতা-পিতার বৈশিষ্ট্য সন্তানে স্থানান্তরিত হয়। বংশগতির এ ধারা সম্বন্ধে এ শাখায়
আলোচনা করা হয়।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১১২.
নিম্নের কোন জোড়া ক্রোমোজোম লিঙ্গ নির্ধারণ করে? 
  1. সেন্ট্রোমিয়ার
  2. মাইটোকন্ড্রিয়াল ডিএনএ
  3. অটোজোম
  4. সেক্স ক্রোমোজোম
সঠিক উত্তর:
সেক্স ক্রোমোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেক্স ক্রোমোজোম
ব্যাখ্যা
ক্রোমোজোম: 
- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম। 
- এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু। 
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি। 
- Weldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে। 
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। 
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম। 
- অটোজোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই। 
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম। 
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম। 
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৩.
জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় কীটপতঙ্গের জীবন নিয়ে আলোচনা করা হয়?
  1. এন্টোমোলজি
  2. সাইটোলজি
  3. এন্ডোক্রাইনোলজি
  4. ইকোলজি
সঠিক উত্তর:
এন্টোমোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এন্টোমোলজি
ব্যাখ্যা
জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা: 
- ভৌত জীববিজ্ঞান শাখায় তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়ে থাকে। 
- এতে সাধারণত নিচে উল্লিখিত বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়- 
১। অঙ্গসংস্থান (Morphology): 
- জীবের সার্বিক অঙ্গসংস্থানিক বা দৈহিক গঠন বর্ণনা এ শাখার আলোচ্য বিষয়। দেহের বাহ্যিক বর্ণনার বিষয়কে বহিঃ অঙ্গসংস্থান (External Morphology) এবং দেহের অভ্যন্তরীণ বর্ণনার বিষয়কে অন্তঃ অঙ্গসংস্থান (Internal Morphology) বলা হয়। 

২। শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা বা ট্যাক্সোনমি (Taxonomy): 
- জীবের শ্রেণিবিন্যাস এবং তার রীতিনীতিগুলো এ শাখার আলোচ্য বিষয়। 

৩। শারীরবিদ্যা (Physiology): 
- জীবদেহের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জৈবরাসায়নিক কার্যাদি, যেমন: শ্বসন, রেচন, সালোকসংশ্লেষণ ইত্যাদি বিষয় এ শাখায় আলোচনা করা হয়। এছাড়া জীবের যাবতীয় শারীরবৃত্তীয় কাজের বিবরণ এ শাখায় পাওয়া যায়। 

৪। হিস্টোলজি (Histology): 
- জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

৫। ভূণবিদ্যা (Embryology): 
- জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগোট থেকে ভ্রূণের সৃষ্টি, গঠন, পরিস্ফুটন, বিকাশ প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা এ শাখার প্রধান বিষয়। 

৬। কোষবিদ্যা (Cytology): 
- জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলি ও বিভাজন সম্পর্কে যাবতীয় আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

৭।  বংশগতিবিদ্যা বা জেনেটিক্স (Genetics): 
- জিন ও জীবের বংশগতিধারা সম্পর্কে এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

৮। বিবর্তনবিদ্যা (Evolution): 
- পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ, জীবের বিবর্তন এবং ক্রমবিকাশের তথ্যসমূহের আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

৯। বাস্তুবিদ্যা (Ecology): 
- এ শাখায় প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে জীবের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়। 

১০। এন্ডোক্রাইনোলজি (Endocrinology): 
- জীবদেহে হরমোনের (hormone) কার্যকারিতাবিষয়ক আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

ফলিত জীববিজ্ঞান: 
- এ শাখায় রয়েছে জীবন-সংশ্লিষ্ট প্রায়োগিক বিষয়গুলো। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শাখা নিচে উল্লেখ করা হলো- 
১। জীবাশ্মবিজ্ঞান (Palaeontology): 
- প্রাগৈতিহাসিক জীবের বিবরণ এবং জীবাশ্ম সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

২। কীটতত্ত্ব (Entomology): 
- কীটপতঙ্গের জীবন, উপকারিতা, অপকারিতা, ক্ষয়ক্ষতি, দমন ইত্যাদি সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

৩। পরজীবীবিদ্যা (Parasitology): 
- পরজীবিতা, পরজীবী জীবের জীবনপ্রণালি এবং রোগ সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

৪। অণুজীববিজ্ঞান (Microbiology): 
- ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, আণুবীক্ষণিক ছত্রাক এবং অন্যান্য অণুজীব সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

৫। জিনপ্রযুক্তি (Genetic Engineering): 
- জিনপ্রযুক্তি ও এর ব্যবহার সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

- এছাড়াও এ শাখায় মৎস্যবিজ্ঞান (Fisheries), কৃষিবিজ্ঞান (Agriculture), চিকিৎসাবিজ্ঞান (Medical Science), প্রাণরসায়ন (Biochemistry), পরিবেশবিজ্ঞান (Environmental Science), সামুদ্রিক জীববিজ্ঞান (Marine Biology), বনবিজ্ঞান (Forestry), জীবপ্রযুক্তি (Biotechnology), ফার্মেসি (Pharmacy), বন্য প্রাণিবিদ্যা (Wildlife), জীবপরিসংখ্যানবিদ্যা (Biostatistics), বায়োইনফরমেটিকস্ (Bioinformatics) ইত্যাদি শাখা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১৪.
ধানের বৈজ্ঞানিক নাম কী? 
  1. Mangifera indica
  2. Corchorus capsularis
  3. Oryza sativa
  4. Artocarpus heterophyllus
সঠিক উত্তর:
Oryza sativa
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oryza sativa
ব্যাখ্যা

- কয়েকটি জীবের দ্বিপদ নাম নিচে দেওয়া হলো- 
সাধারণ নাম ⇔ বৈজ্ঞানিক নাম: 
ধান ⇔ Oryza sativa.
• পাট ⇔ Corchorus capsularis.
• আম ⇔ Mangifera indica.
• কাঁঠাল ⇔ Artocarpus heterophyllus.
• শাপলা ⇔ Nymphaea nouchali.
• জবা ⇔ Hibiscus rosa-sinensis.
• কলেরা জীবাণু ⇔ Vibrio cholerae.
• ম্যালেরিয়া জীবাণু ⇔ Plasmodium vivax.
• আরশোলা ⇔ Periplaneta americana.
• মৌমাছি ⇔ Apis indica.
• ইলিশ ⇔ Tenualosa ilisha.
• কুনো ব্যাঙ ⇔ Duttaphrynus melanostictus (Bufo melanostictus).
• দোয়েল ⇔ Copsychus saularis.
• রয়েল বেঙ্গল টাইগার ⇔ Panthera tigris.
• মানুষ ⇔ Homo sapiens ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং লাইভ লেকচার।

১১৫.
'Zakerana dhaka' কোন প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম?
  1. সাপ
  2. ব্যাঙ
  3. টিকটিকি
  4. কচ্ছপ
সঠিক উত্তর:
ব্যাঙ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাঙ
ব্যাখ্যা

দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ: 
- ক্যারোলাস লিনিয়াস সর্বপ্রথম প্রজাতির বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেন এবং দ্বিপদ বা দুই অংশ বিশিষ্ট নামকরণ প্রথা প্রবর্তন করেন।
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা পদবিশিষ্ট হয়, এই নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলে।
যেমন- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo Sapiens.
- বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন বা ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়। 

- তরুণ প্রাণিবিজ্ঞানী সাজিদ আলী হাওলাদার সম্প্রতি নতুন প্রজাতির এক ব্যাঙ আবিষ্কার করেছেন, যা কেবল ঢাকায় পাওয়া যায়।
- ব্যাঙটির বৈজ্ঞানিক নামকরণ হয়েছে Zakerana dhaka । 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা কাজী জাকের হোসেনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এই গণের নাম জাকেরানা রাখা হয়েছে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

১১৬.
ফলিত জীববিজ্ঞানের শাখা কোনটি?
  1. ক) বাস্তুবিদ্যা
  2. খ) জীবভূগোল
  3. গ) পরজীবীবিদ্যা
  4. ঘ) কোষবিদ্যা
সঠিক উত্তর:
গ) পরজীবীবিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পরজীবীবিদ্যা
ব্যাখ্যা
ফলিত জীববিজ্ঞান এর শাখা হল: জীবাশ্মবিজ্ঞান, পরজীবীবিদ্যা, জীবপরিসংখ্যানবিদ্যা, মৎস্যবিজ্ঞান, কীটতত্ত্ব, অণুজীববিজ্ঞান, কৃষিবিজ্ঞান, চিকিৎসাবিজ্ঞান, জিনপ্রযুক্তি, প্রাণরসায়ন, ফার্মেসি ইত্যাদি।
অন্যদিকে অঙ্গসংস্থান, শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা, শারীরবিদ্যা, কোষবিদ্যা, জীবভূগোল, বংশগতিবিদ্যা, বিবর্তনবিদ্যা, বাস্তুবিদ্যা, ভ্রূণবিদ্যা, এন্ডোক্রাইনোলজি, জীবভূগোল ইত্যাদি হল ভৌত জীববিজ্ঞানের শাখা।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
১১৭.
অস্টিয়া কোন পর্বের প্রাণীদের দেহপ্রাচীরে দেখা যায়?
  1. পরিফেরা
  2. নিডারিয়া
  3. নেমাটোডা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পরিফেরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিফেরা
ব্যাখ্যা

• পরিফেরা:
- প্রাণী বিবর্তনের প্রথম ধাপ হিসেবে এ পর্বের প্রাণিদের চিহ্নিত করা হয়।
- দেহে অসংখ্য ছিদ্র থাকায় এদের ছিদ্রাল প্রাণীও বলা হয়।
- এই পর্বের সদস্যদেরকে সাধারণভাবে স্পঞ্জ নামে অভিহিত করা হয়। ১৮৩৬ সালে Grant সর্বপ্রথম এই পর্বটির নামকরণ করেন। 
- এ পর্যন্ত পাঁচ হাজারের অধিক প্রজাতির সন্ধান পওয়া গেছে।
- এদের কিছু প্রজাতি মিঠাপানির, অন্যরা সকলেই সামুদ্রিক। এই পর্বের প্রাণীরা পানির তলদেশে বা ভাসমান কোন বস্তুর সাথে সংলগ্ন থাকে।

বৈশিষ্ট্য:
- এদের দেহ কোষ দুই স্তরে বিন্যস্ত। এরা সরলতম বহুকোষী প্রাণী।
- এদের দেহপ্রাচীর অস্টিয়া নামক অসংখ্য ছিদ্রযুক্ত।
- এদের দেহে বিশেষ ধরনের নালীতন্ত্র বিদ্যমান, এর সাহায্যে অভ্যন্তরীণ পরিবহন ঘটে।
- এই পর্বের প্রাণীদের কোন অঙ্গ নেই ফলে এরা চলতে পারে না।
- এদের পরিপাক অন্তঃকোষীয়।
- এদের অন্তঃকঙ্কাল স্পিকিউল বা ফাইব্রাস নামক প্রোটিনে তৈরি স্পঞ্জিন সমন্বয়ে গঠিত।

উৎস: ১)জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৮.
কোন শাখায় জীবের বিবর্তন এবং ক্রমবিকাশের তথ্যসমূহের আলোচনা করা হয়?
  1. Ecology
  2. Entomology
  3. Genetics
  4. Evolution
সঠিক উত্তর:
Evolution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Evolution
ব্যাখ্যা
১। হিস্টোলজি (Histology): 
- জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

২।  বংশগতিবিদ্যা বা জেনেটিক্স (Genetics): 
- জিন ও জীবের বংশগতিধারা সম্পর্কে এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

৩। বিবর্তনবিদ্যা (Evolution): 
- পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ, জীবের বিবর্তন এবং ক্রমবিকাশের তথ্যসমূহের আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

৪। ভূণবিদ্যা (Embryology): 
- জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগোট থেকে ভ্রূণের সৃষ্টি, গঠন, পরিস্ফুটন, বিকাশ প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা এ শাখার প্রধান বিষয়। 

৫। কোষবিদ্যা (Cytology): 
- জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলি ও বিভাজন সম্পর্কে যাবতীয় আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

৬। বাস্তুবিদ্যা (Ecology): 
- এ শাখায় প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে জীবের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়। 

৭। কীটতত্ত্ব (Entomology): 
- কীটপতঙ্গের জীবন, উপকারিতা, অপকারিতা, ক্ষয়ক্ষতি, দমন ইত্যাদি সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১৯.
কোন একটি বা বিশেষ কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে উদ্ভিদজগতের যে শ্রেণিবিন্যাস করা হয় তাকে কী বলে?
  1. ক) প্রাকৃতিক শ্রেণীবিন্যাস
  2. খ) কৃত্রিম শ্রেণীবিন্যাস
  3. গ) জাতিজনি শ্রেণীবিন্যাস
  4. ঘ) আধুনিক শ্রেণীবিন্যাস
সঠিক উত্তর:
খ) কৃত্রিম শ্রেণীবিন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কৃত্রিম শ্রেণীবিন্যাস
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি : কোন একটি বা বিশেষ কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে উদ্ভিদজগতের যে শ্রেণিবিন্যাস করা হয় তাকে কৃত্রিম শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি বলা হয়। থিয়োফ্রাস্টাস এবং লিনিয়াসের শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি কৃত্রিম শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতির উদাহরণ।

প্রাকৃতিক শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি : বিভিন্ন উদ্ভিদ বা উদ্ভিদ গোষ্ঠীর মধ্যে সামগ্রিক অঙ্গসংস্থানিক সাদৃশ্যের উপর নির্ভর করে যে শ্রেণিবিন্যাস করা হয় তাকে প্রাকৃতিক শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি বলা হয়। বেনথাম-হুকার এর শ্রেণিবিন্যাস প্রাকৃতিক শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতির উদাহরণ।

জাতিজনি শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি : বিভিন্ন উদ্ভিদ বা উদ্ভিদ গোষ্ঠীকে তাদের উৎপত্তিগত সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে বিবর্তন ধারা অনুযায়ী আদি হতে আধুনিক ক্রমধারায় সাজিয়ে যে শ্রেণিবিন্যাস করা হয় তাকে জাতিজনি শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি বলা হয়। এঙ্গলার-প্রান্টল, হাচিনসন, বেসি, ক্রনকুইস্ট, তাখতাইয়ান প্রমুখ বিজ্ঞানীর দেয়া শ্রেণিবিন্যাস জাতিজনি শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতির উদাহরণ।

আধুনিক শ্রেণিবিন্যাস ঃ কোষ, এমনকি এর অঙ্গাণুর গঠন ও জীববিজ্ঞানের অন্যান্য শাখার আধুনিক তথ্য ব্যবহার করে তৈরি শ্রেণিবিন্যাসকেই আধুনিক শ্রেণিবিন্যাস বলে। মারগুলিস এর শ্রেণিবিন্যাসটি একটি আধুনিক শ্রেণিবিন্যাস।

সূত্রঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২০.
বংশগতিবিদ্যার প্রধান বিষয় কী? 
  1. প্রাণের বিকাশ 
  2. কীটপতঙ্গের জীবন 
  3. জিন ও জীবের বংশগতিধারা 
  4. কোষের গঠন ও কার্যাবলি 
সঠিক উত্তর:
জিন ও জীবের বংশগতিধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিন ও জীবের বংশগতিধারা 
ব্যাখ্যা
১।  বংশগতিবিদ্যা বা জেনেটিক্স (Genetics): 
- জিন ও জীবের বংশগতিধারা সম্পর্কে এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

২। বিবর্তনবিদ্যা (Evolution): 
- পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ, জীবের বিবর্তন এবং ক্রমবিকাশের তথ্যসমূহের আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

৩। হিস্টোলজি (Histology): 
- জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

৪। ভূণবিদ্যা (Embryology): 
- জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগোট থেকে ভ্রূণের সৃষ্টি, গঠন, পরিস্ফুটন, বিকাশ প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা এ শাখার প্রধান বিষয়। 

৫। কোষবিদ্যা (Cytology): 
- জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলি ও বিভাজন সম্পর্কে যাবতীয় আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

৬। বাস্তুবিদ্যা (Ecology): 
- এ শাখায় প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে জীবের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়। 

৭। কীটতত্ত্ব (Entomology): 
- কীটপতঙ্গের জীবন, উপকারিতা, অপকারিতা, ক্ষয়ক্ষতি, দমন ইত্যাদি সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২১.
নিচের কোন বইটির রচয়িতা ক্যারোলাস লিনিয়াস?
  1. Species Plantarum
  2. Philosophia Plantarum
  3. Historia Plantarum
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
Species Plantarum
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Species Plantarum
ব্যাখ্যা
- ১৭৫৩ সালে সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস 'Species Plantarum' বইটি রচনা করেন।
- তাঁর রচিত আরেকটি বিখ্যাত বই হলো ‘Philosophia Botanica’।

• দ্বিপদ নামকরণ: 
- বিপুল সংখ্যক প্রাণীর গঠন ও প্রকৃতি সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জনের সঠিক উপায় হলো শ্রেণিবিন্যাস। 
- প্রাণীদেহে বিদ্যমান বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে মিল, অমিল ও পরস্পরের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। 
- জীবজগতকে ধাপে ধাপে বিন্যস্ত করার এই পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে। 
- বর্তমানে প্রয়োজনের তাগিতে জীববিজ্ঞানের একটী স্বতন্ত্র শাখা গড়ে উঠেছে যার নাম শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা। 

- শ্রেণিবিন্যাসের ইতিহাসে অ্যাারিস্টটল, জন রে এবং ক্যারোলাস লিনিয়াসের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 
- প্রকৃতি বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াসকে শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয়। 
- ক্যারোলাস লিনিয়াসই সর্বপ্রথম প্রজাতির বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেন এবং দ্বিপদ বা দুই অংশ বিশিষ্ট নামকরণ প্রথা প্রবর্তন করেন। 
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা পদবিশিষ্ট হয়। 
- এই নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলে। 
যেমন মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম- Homo Sapiens. 
- বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন বা ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১২২.
আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার জনক কে?
  1. অ্যারিস্টটল
  2. ক্যারোলাস লিনিয়াস
  3. চার্লস ডারউইন
  4. উপরের কাউকেই নয়
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা

• আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার জনক ক্যারোলাস লিনিয়াস

• অ্যারিস্টটল: 
- অ্যারিস্টটলকে প্রাণিবিজ্ঞান এবং জীববিজ্ঞান এর জনক বলা হয়।
- প্রাণীদের গঠন ও স্বভাব নিয়ে তার ব্যাপক গবেষণা রয়েছে।

• ক্যারোলাস লিনিয়াস:
- যেকোনো প্রাণী সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করতে হলে সর্বপ্রথম প্রয়োজন তার শনাক্তকরণ। আর এ কাজটি সুচারুভাবে সম্পন্ন করার অন্যতম মাধ্যম হলো শ্রেণিকরণ।
- প্রাণিবিজ্ঞান চর্চার শুরু থেকেই অনেক বিজ্ঞানী প্রাণিদের শ্রেণিবদ্ধ করার চেষ্টা করেছেন। তারমধ্যে অন্যতম ছিলেন সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস (১৭০৭-১৭৭৮)। এজন্য তাকে আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার জনক (Father of taxonomy) বলা হয়।
- প্রতিটি জীবের দুটি বৈজ্ঞানিক নাম (গণ ও প্রজাতি) প্রদানের প্রবর্তন করেন, যেমন মানুষের জন্য Homo sapiens। একে দ্বিপদী নামকরণ বলা হয়।

• চার্লস ডারউইন:
- চার্লস ডারউইন বিবর্তনবাদ এবং প্রাকৃতিক নির্বাচন এর ধারণা আবিষ্কার করেন।
- তার বিখ্যাত বই 'On the Origin of Species' এই তত্ত্বকে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি দেয়। 

উৎস: ১) জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) BBC

১২৩.
জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবের সার্বিক অঙ্গসংস্থানিক বা দৈহিক গঠন সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তার নাম হলো-
  1. ক) Physiology
  2. খ) Morphology
  3. গ) Histology
  4. ঘ) Cytology
সঠিক উত্তর:
খ) Morphology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Morphology
ব্যাখ্যা
১.অঙ্গসংস্থান (Morphology): জীবের সার্বিক অঙ্গসংস্থানিক বা দৈহিক গঠন বর্ণনা এ শাখার আলোচ্য বিষয়। দেহের বাহ্যিক বর্ণনার বিষয়কে বহিঃ অঙ্গসংস্থান (External Morphology) এবং দেহের অভ্যন্তরীণ বর্ণনার বিষয়কে অন্তঃ অঙ্গসংস্থান (Internal Morphology) বলা হয়।

২. শারীরবিদ্যা (Physiology): জীবদেহের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জৈবরাসায়নিক কার্যাদি, যেমন: শ্বসন, রেচন, সালোকসংশ্লেষণ ইত্যাদি বিষয় এ শাখায় আলোচনা করা হয়। এছাড়া জীবের যাবতীয় শারীরবৃত্তীয় কাজের বিবরণ এ শাখায় পাওয়া যায়। I

৩. হিস্টোলজি (Histology): জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি এ শাখায় আলোচনাকরা হয়।

৪. কোষবিদ্যা (Cytology): জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলি ও বিভাজন সম্পর্কে যাবতীয় আলোচনা এ শাখার বিষয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১২৪.
শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয় কাকে?
  1. ক্যারোলাস লিনিয়াস
  2. জন রে
  3. অ্যারিস্টটল
  4. থিওফ্রাস্টাস
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যারোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা
শ্রেণিবিন্যাসবিদ্য: 
- পৃথিবীতে বৈচিত্র্যপূর্ণ প্রাণীর সংখ্যা সঠিক সংখ্যা কারো জানা নেই, তাই বিপুল সংখ্যক প্রাণীর গঠন ও প্রকৃতি সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জনের সহজ উপায় হলো শ্রেণিবিন্যাস। 
- প্রাণিদেহে বিদ্যমান বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে মিল, অমিল ও সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। 
- এদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী জীবজগৎকে ধাপে ধাপে বিন্যস্ত করার এই পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে। 
- প্রয়োজনের তাগিদে বর্তমানে জীববিজ্ঞানের একটি স্বতন্ত্র শাখা গড়ে উঠেছে যা শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা (Taxonomy) নামে পরিচিত। 
- প্রজাতি হলো শ্রেণিবিন্যাসের সবচেয়ে নিচের ধাপ বা একক। 
যেমন- মানুষ, কুনোব্যাঙ, কবুতর ইত্যাদি এক একটি প্রজাতি। 
- কোনো প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস করতে হলে সেই প্রাণীকে বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ধাপে ধাপে সাজাতে হয়, এই সকল ধাপের প্রত্যেকটিকে যথাযথভাবে বিন্যস্ত করতে হয়। 

- শ্রেণিবিন্যাসের ইতিহাসে অ্যারিস্টটল, জন রে ও ক্যারোলাস লিনিয়াসের নাম উল্লেখযোগ্য। 
- প্রকৃতিবিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াসকে শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয়, কারণ তিনিই সর্বপ্রথম প্রজাতির বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেন এবং দ্বিপদ বা দুই অংশ বিশিষ্ট নামকরণ প্রথা প্রবর্তন করেন। 
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা পদবিশিষ্ট হয়, এই নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলে। 
যেমন- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম - Homo sapiens  । 
- বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন অথবা ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১২৫.
শাপলার বৈজ্ঞানিক নাম কোনটি?
  1. Mangifera indica
  2. Nymphaea nouchali
  3. Oryza sativa
  4. Artocarpus heterophyllus
সঠিক উত্তর:
Nymphaea nouchali
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nymphaea nouchali
ব্যাখ্যা

• শাপলার বৈজ্ঞানিক নাম হলো Nymphaea nouchali। এটি Nymphaeaceae পরিবারের একটি উদ্ভিদ।

• দ্বিপদ নামকরণ:
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুটি অংশ বা পদ নিয়ে গঠিত হয়।
- প্রথম অংশটি তার গণের নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি তার প্রজাতির নাম।
-  যেমন: গোল আলুর বৈজ্ঞানিক নাম Solanum tuberosum।
- এখানে Solanum গণ নাম এবং tuberosum প্রজাতির নাম বুঝায়, এরূপ দুটি পদ নিয়ে গঠিত নামকে দ্বিপদ নাম।
- এবং নামকরণের প্রক্রিয়াকে দ্বিপদ নামকরণ (binomial nomenclature) পদ্ধতি বলে।
- দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির লক্ষ্য একটাই, তা হচ্ছে এই বৈচিত্র্যময় জীবজগতের প্রতিটি জীবকে আলাদা নামে সঠিকভাবে জানা।
- 1753 সালে সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস Species plantarum বইটি রচনা করেন।
- এই বইটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করে।
- কারণ এর প্রকাশনার মাধ্যমে তিনি দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির প্রবর্তন করেন এবং গণ ও প্রজাতির সংজ্ঞা দেন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১২৬.
জীবের বৈজ্ঞানিক নামকরণ করা হয় কোন ভাষায়?
  1. ল্যাটিন
  2. গ্রিক
  3. ফরাসী
  4. ইংরেজী
সঠিক উত্তর:
ল্যাটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যাটিন
ব্যাখ্যা
• দ্বিপদ নামকরণ:
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুটি অংশ বা পদ নিয়ে গঠিত হয়।
- প্রথম অংশটি তার গণের নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি তার প্রজাতির নাম।
- উদ্ভিদের নাম International Code of Botanical Nomenclature (ICBN) কর্তৃক এবং প্রাণীর নাম International code of Zoological Nomenclature (ICZN) কর্তৃক স্বীকৃত নিয়মানুসারে হতে হবে।
- নামকরণ ল্যাটিন শব্দে হওয়ায় কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নাম সারা বিশ্বে একই নামে পরিচিত হয়।
- 1753 সালে সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস Species plantarum বইটি রচনা করেন। 
- 1758 সালে ক্যারোলাস লিনিয়াস প্রাণীর দ্বিপদ নামকরণের প্রবর্তন করেন, তাই তাকে দ্বিপদ নামকরণের জনক বলা হয়।

• দ্বিপদ নামকরণের নিয়মাবলী:
- প্রতিটি জীব প্রজাতির একটি বৈজ্ঞানিক নাম থাকবে এবং তার দুটি অংশ থাকবে ।
- দ্বিপদ নামের প্রথম অংশটি উক্ত জীবের গণ নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি প্রজাতি পদের নির্দেশক।
- এই নামকরণ ল্যাটিন বা রূপান্তরিত ল্যাটিন থেকে গৃহীত হবে।
- দ্বিপদ নামকরণ ছাপা অক্ষরে হলে সর্বদা ইটালিক (ডান দিকে বাঁকা) হরফে হবে। যেমন- Duttaphrymus melanostictus (কুনোব্যাঙ)।
- দ্বিপদ নাম হাতে লিখলে রোমান অক্ষর ব্যবহার করতে হবে এবং প্রতিটি অংশের নিচে আলাদা আলাদাভাবে দাগ টানতে হবে। 
- গণ নামটি বিশেষ্য এবং তার আদ্য অক্ষরটি অবশ্যই capital lemon-এ লিখতে হবে এবং প্রজাতি নামটি বিশেষণ, যার আদ্যাক্ষর small letter-এ লিখতে হবে। যেমন- Catla (জাতি) Catla (প্রজাতি) = Catla catlic.
- দুটি শব্দের মাঝে কোনো দাগ বা কমা ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
- কোনো প্রজাতির জন্য আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নালে সর্বপ্রথম প্রকাশিত বৈজ্ঞানিক নামই স্বীকৃতি পাবে।
- প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নামের শেষে সংক্ষিপ্তভাবে নামের জনকের নাম ও প্রকাশের সাল উল্লেখ করতে হবে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
১২৭.
বংশগতি বিদ্যার জনক কে? 
  1. ল্যামার্ক
  2. জেমস ওয়াটসন
  3. চার্লস ডারউইন
  4. গ্রেগর জোহান মেন্ডেল
সঠিক উত্তর:
গ্রেগর জোহান মেন্ডেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেগর জোহান মেন্ডেল
ব্যাখ্যা
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেলকে বংশগতি বিদ্যার জনক বলা হয়। 
- তিনি ১৮৬৬ সালে মটরশুঁটি নিয়ে গবেষণাকালে বংশগতির ধারক ও বাহকরূপে যে ফ্যাক্টরের কথা উল্লেখ করেছিলেন সেটি আজ 'জিন' রূপে পরিচিত হয়েছে। 
- মাতা-পিতার বৈশিষ্ট্য উদ্ভিদের বংশধরদের মধ্যে কিভাবে প্রকাশ পায়, সে সম্বন্ধে তিনি পরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যবান তত্ত্ব আবিষ্কার করেছিলেন। 

- বিজ্ঞানী জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিক ১৯৫৩ সালে DNA অণুর কাঠামোর বর্ণনা দেন৷ 
- ইংলিশ জীববিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন সর্বপ্রথম বিবর্তনের ধারণা দেন। 
- ১৮৫৯ সালে তাঁর আলোড়ন সৃষ্টিকারী গ্রন্থ 'অরিজিন অব স্পিসিস' এ প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্ব উপস্থাপন করেন যা বৈজ্ঞানিক মহলে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পায়। 

উৎস: বিজ্ঞান এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২৮.
উদ্ভিদ বিজ্ঞানের জনক কে?
  1. অ্যারিস্টটল
  2. থিওফ্রাস্টাস
  3. রবার্ট হুক
  4. উইলিয়াম হার্ভে
সঠিক উত্তর:
থিওফ্রাস্টাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থিওফ্রাস্টাস
ব্যাখ্যা
জীববিজ্ঞান: 
- জীবজগতের বিজ্ঞানভিত্তিক পঠন-পাঠন, আলোচনা, গবেষণা এবং প্রয়োগই হলো Biology বা জীববিজ্ঞান। 
- ফরাসী বিজ্ঞানী ল্যামার্ক  জীবনের বিজ্ঞান বোঝাতে Biology শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। 
- দু'টি গ্রীক শব্দ Bios (অর্থ জীবন) এবং Logos (অর্থ জ্ঞান)-এর সমন্বয়ে ইংরেজি Biology শব্দটি গঠিত হয়েছে। 
- অ্যারিস্টটলকে জীববিজ্ঞানের জনক বলা হয়। 
- জীববিজ্ঞানের প্রধান শাখা দুটি। 
যথা- 
 ১. উদ্ভিদবিজ্ঞান (Botany): 
- জীববিজ্ঞানের যে শাখায় সব ধরনের উদ্ভিদ, তাদের গঠন, স্বভাব, আবাসস্থল, শ্রেণিবিন্যাস, পূর্ণ জীবন বৃত্তান্ত, মানব কল্যাণে প্রয়োগ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয় তা হলো উদ্ভিদবিজ্ঞান। 
- গ্রীক দার্শনিক থিওফ্রাস্টাসকে উদ্ভিদ বিজ্ঞানের জনক বলা হয়। 

২. প্রাণিবিজ্ঞান (Zoology): 
- জীববিজ্ঞানের যে শাখায় সব ধরনের প্রাণী, তাদের গঠন, স্বভাব, আবাসস্থল, শ্রেণিবিন্যাস, জীবন বৃত্তান্ত, মানব কল্যাণে প্রয়োগ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয় তা হলো প্রাণিবিজ্ঞান। 
-  গ্রীক দার্শনিক অ্যারিস্টটলকে প্রাণিবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। 

উল্লেখ্য, 
- কোষ বিদ্যার জনক রবার্ট হুক। 
- শারীর বিদ্যার জনক উইলিয়াম হার্ভে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৯.
প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং জীবের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় আলোচনা করা হয়?
  1. Embryology
  2. Ecology
  3. Genetics 
  4. Endocrinology
সঠিক উত্তর:
Ecology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ecology
ব্যাখ্যা

- জীববিজ্ঞানের যে শাখায় প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে জীবের আন্তঃসম্পর্ক এবং বিভিন্ন পরিবেশগত উপাদানগুলোর পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে Ecology (বাস্তুবিদ্যা বা পরিবেশবিদ্যা) বলা হয়। 

জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা: 
- ভৌত জীববিজ্ঞান শাখায় তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়ে থাকে। 
- এতে সাধারণত নিচে উল্লিখিত বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়- 
১। অঙ্গসংস্থান (Morphology): জীবের সার্বিক অঙ্গসংস্থানিক বা দৈহিক গঠন বর্ণনা এ শাখার আলোচ্য বিষয়। দেহের বাহ্যিক বর্ণনার বিষয়কে বহিঃ অঙ্গসংস্থান (External Morphology) এবং দেহের অভ্যন্তরীণ বর্ণনার বিষয়কে অন্তঃ অঙ্গসংস্থান (Internal Morphology) বলা হয়। 

২। শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা (Taxonomy): জীবের শ্রেণিবিন্যাস এবং তার রীতিনীতিগুলো এ শাখার আলোচ্য বিষয়। 

৩। হিস্টোলজি (Histology): জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

৪। ভূণবিদ্যা (Embryology): জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগোট থেকে ভ্রূণের সৃষ্টি, গঠন, পরিস্ফুটন, বিকাশ প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা এ শাখার প্রধান বিষয়। 

৫। কোষবিদ্যা (Cytology): জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলি ও বিভাজন সম্পর্কে যাবতীয় আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

৬।  বংশগতিবিদ্যা (Genetics): জিন ও জীবের বংশগতিধারা সম্পর্কে এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

৭। বিবর্তনবিদ্যা (Evolution): পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ, জীবের বিবর্তন এবং ক্রমবিকাশের তথ্যসমূহের আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

৮। বাস্তুবিদ্যা (Ecology): এ শাখায় প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে জীবের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়। 

৯। এন্ডোক্রাইনোলজি (Endocrinology): জীবদেহে হরমোনের (hormone) কার্যকারিতাবিষয়ক আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

১০। কীটতত্ত্ব (Entomology): কীটপতঙ্গের জীবন, উপকারিতা, অপকারিতা, ক্ষয়ক্ষতি, দমন ইত্যাদি সম্পর্কিত বিজ্ঞান।

১১। অণুজীববিজ্ঞান (Microbiology): ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, আণুবীক্ষণিক ছত্রাক এবং অন্যান্য অণুজীব সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

১২। জিনপ্রযুক্তি (Genetic Engineering): জিনপ্রযুক্তি ও এর ব্যবহার সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩০.
জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবাশ্ম নিয়ে আলোচনা করে, তাকে কী বলে? 
  1. Evolution
  2. Fossilogy
  3. Paleobotany
  4. Anthropology
সঠিক উত্তর:
Paleobotany
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Paleobotany
ব্যাখ্যা
জীবাশ্ম: 
- জীবাশ্ম বা ফসিল (Fossil), ল্যাটিন Fossilis শব্দ থেকে ইংরেজি Fossil শব্দের উৎপত্তি। 
- Fossilis শব্দের অর্থ হলো dug out বা খুড়ে তোলা। 
- পূর্বে মাটি খুড়ে যা কিছু তোলা হতো তাকেই জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হতো। 
- বর্তমানে, পৃথিবীর ভূত্বকে (crust) প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষিত প্রাগৈতিহাসিক জীবের দেহ, দেহাবশেষ বা দেহের কোন অংশের চিহ্ন বা সাক্ষ্যকে জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হয়। 
- গমন পথ, ট্রেইল এবং জীবজনিত গর্তকে ট্রেস ফসিল (trace fossil) বা ইকনোফসিল (ichnofossil ) বা জার্মান ভাষায় লেবেনস্পুরেন (lebenspuren) নামে আখ্যায়িত করা হয়। 
- জীবাশ্মগত বিদ্যাকে জীবাশ্মবিদ্যা বা প্যালেন্টোলজি (palaeontology) বলা হয়। 
- Paleobotany হলো জীববিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে প্রাচীন উদ্ভিদের জীবাশ্ম নিয়ে আলোচনা করা হয়, এটি জীবাশ্মবিদ্যার (Paleontology) একটি উপশাখা। 

অন্যদিকে 
- Evolution হলো জীবের ধাপে ধাপে পরিবর্তন ও অভিযোজন ব্যাখ্যা করে। 
- Fossilogy শব্দটি বিজ্ঞানে প্রচলিত বা স্বীকৃত কোনো শাখা নয়। 
- Anthropology হলো মানুষের উৎপত্তি, বিকাশ ও সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনা করে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। এবং ব্রিটানিকা।
১৩১.
বৈদ্যুতিক বাতি কে আবিষ্কার করেন?
  1. টমাস আলভা এডিসন
  2. জেমস ওয়াট
  3. উইলিয়াম গিলবার্ট
  4. মাইকেল ফ্যারাডে
সঠিক উত্তর:
টমাস আলভা এডিসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমাস আলভা এডিসন
ব্যাখ্যা
• টমাস আলভা এডিসন:
- তিনি ১১ ফেব্রুয়ারী ১৮৪৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেন।
- সেখানে তিনি কার্বন-বোতাম ট্রান্সমিটার (১৮৭৭) আবিষ্কার করেন।
- ১৮৭৭ সালে তিনি ফোনোগ্রাফ এবং ১৮৭৯ সালে বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কার করেন।

অন্যদিকে,
- উইলিয়াম গিলবার্ট (William Gilbert) কে বলা হয় "বিদ্যুতের জনক"। 
- জেমস ওয়াট বাষ্প ইঞ্জিনের উন্নয়নে অবদান রেখেছেন। 
- মাইকেল ফ্যারাডে ডায়নামো আবিষ্কার করেন। 

উৎস: Britannica.com। 
১৩২.
ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সম্পর্কিত বিজ্ঞান হলো- 
  1. অণুজীববিজ্ঞান
  2. বিবর্তনবিদ্যা
  3. এনটোমোলজি
  4. ভ্রূণবিদ্যা 
সঠিক উত্তর:
অণুজীববিজ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অণুজীববিজ্ঞান
ব্যাখ্যা

জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা: 
- ভৌত জীববিজ্ঞান শাখায় তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়ে থাকে। 
- নিচে উল্লিখিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হলো- 
১। অঙ্গসংস্থান (Morphology): জীবের সার্বিক অঙ্গসংস্থানিক বা দৈহিক গঠন বর্ণনা এ শাখার আলোচ্য বিষয়। দেহের বাহ্যিক বর্ণনার বিষয়কে বহিঃ অঙ্গসংস্থান (External Morphology) এবং দেহের অভ্যন্তরীণ বর্ণনার বিষয়কে অন্তঃ অঙ্গসংস্থান (Internal Morphology) বলা হয়। 

২। শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা (Taxonomy): জীবের শ্রেণিবিন্যাস এবং তার রীতিনীতিগুলো এ শাখার আলোচ্য বিষয়। 

৩। শারীরবিদ্যা (Physiology): জীবদেহের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জৈবরাসায়নিক কার্যাদি, যেমন: শ্বসন, রেচন, সালোকসংশ্লেষণ ইত্যাদি বিষয় এ শাখায় আলোচনা করা হয়। এছাড়া জীবের যাবতীয় শারীরবৃত্তীয় কাজের বিবরণ এ শাখায় পাওয়া যায়। 

৪। হিস্টোলজি (Histology): জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

৫। ভ্রুণবিদ্যা (Embryology): জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগোট থেকে ভ্রূণের সৃষ্টি, গঠন, পরিস্ফুটন, বিকাশ প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা এ শাখার প্রধান বিষয়। 

৬। কোষবিদ্যা (Cytology): জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলি ও বিভাজন সম্পর্কে যাবতীয় আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

৭।  বংশগতিবিদ্যা বা জেনেটিক্স (Genetics): জিন ও জীবের বংশগতিধারা সম্পর্কে এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

৮। বিবর্তনবিদ্যা (Evolution): পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ, জীবের বিবর্তন এবং ক্রমবিকাশের তথ্যসমূহের আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

৯। বাস্তুবিদ্যা (Ecology): এ শাখায় প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে জীবের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়। 

১০। এন্ডোক্রাইনোলজি (Endocrinology): জীবদেহে হরমোনের (hormone) কার্যকারিতাবিষয়ক আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

১১। কীটতত্ত্ব (Entomology): কীটপতঙ্গের জীবন, উপকারিতা, অপকারিতা, ক্ষয়ক্ষতি, দমন ইত্যাদি সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

১২। অণুজীববিজ্ঞান (Microbiology): ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, আণুবীক্ষণিক ছত্রাক এবং অন্যান্য অণুজীব সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

১৩। জিনপ্রযুক্তি (Genetic Engineering): জিনপ্রযুক্তি ও এর ব্যবহার সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।