উত্তর
ব্যাখ্যা
• 'চশমখোর' বাগ্ধারার অর্থ - নির্লজ্জ।
অন্যদিকে,
চোখের পর্দা - লজ্জা।
গোমূর্খ - অতি মূর্খ।
গায়ে পড়া - অযাচিত।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩ / ১৬ · ২০১–৩০০ / ১,৫৫৯
• 'চশমখোর' বাগ্ধারার অর্থ - নির্লজ্জ।
অন্যদিকে,
চোখের পর্দা - লজ্জা।
গোমূর্খ - অতি মূর্খ।
গায়ে পড়া - অযাচিত।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'উলুখাগড়া' বাগ্ধারার অর্থ - গুরুত্বহীন লোক।
অন্যদিকে,
গোঁয়ার গোবিন্দ - কাণ্ডজ্ঞানহীন।
কুমড়ো কাটা বটঠাকুর - অকর্মণ্য লোক।
ঘণ্টাগরুড় - অকর্মণ্য লোক।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• “সব শেয়ালের এক রা” বাগ্ধারাটির অর্থ হলো- ঐকমত্য।
- অর্থাৎ, কোনো বিষয়ে সকলের একমত জ্ঞাপন করা।
-----------------------------------------------
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা:
- অকাল কুষ্মাণ্ড: অপদার্থ, অকেজো,
- অক্কা পাওয়া: মারা যাওয়া,
- অগস্ত্য যাত্রা: চিরকালের জন্য প্রস্থান,
- অগাধ জলের মাছ: সুচতুর ব্যক্তি,
- অর্ধচন্দ্র: গলা ধাক্কা,
- অন্ধের নড়ি: একমাত্র অবলম্বন,
- আকাশ কুসুম: অসম্ভব কল্পনা,
- আকাশ পাতাল: অনেক পার্থক্য,
- অতি লোভে তাঁতি নষ্ট: লোভে ক্ষতি,
- অন্ধের যষ্টি: একমাত্র অবলম্বন,
- আঙুল ফুলে কলাগাছ: অপ্রত্যাশিত ধনলাভ,
- আষাঢ়ে গল্প: আজগুবি কথা,
- উভয় সংকট: দুই দিকেই বিপদ,
- উড়ে এসে জুড়ে বসা: অনধিকার চর্চা,
- এক চোখা: পক্ষপাতদুষ্ট,
- কচুকাটা করা: নির্মমভাবে ধ্বংস করা,
- কূপমণ্ডুক: সীমাবদ্ধ জ্ঞানসম্পন্ন,
- করায় গণ্ডায়: পুরোপুরি,
- গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল: আগেই আয়োজন,
- গোবর গণেশ: মূর্খ,
- গুড়ে বালি: আশায় নৈরাশ্য,
- চোখে ধুলো দেওয়া: প্রতারণা করা,
- ঝোপ বুঝে কোপ মারা: সুযোগ বুঝে আঘাত,
- টনক নড়া: চৈতন্যোদয় হওয়া,
- তিলকে তাল করা: বাড়িয়ে বলা,
- সাপের পাঁচ পা দেখা : অহঙ্কারী হওয়া,
- সোনায় সোহাগা : উপযুক্ত মিলন,
- সাক্ষী গোপাল : নিষ্ক্রিয় দর্শক,
- সখাত সলিলে : ঘোর বিপদে পড়া,
- হাটে হাঁড়ি ভাঙা : গোপন কথা প্রকাশ করা,
- হাতটান : চুরির অভ্যাস,
- হ য ব র ল : বিশৃঙ্খলা,
- হরি ঘোষের গোয়াল : বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ,
- হরিলুট : অপচয়,
- হাড়ে দুর্বা গজানো : অত্যন্ত অলস হওয়া,
- হাতের পাঁচ : শেষ সম্বল,
- হীরার ধার : অতি তীক্ষ্ণবুদ্ধি,
- হোমরা চোমরা : গণ্যমান্য ব্যক্তি,
- হিতে বিপরীত : উল্টো ফল,
- হাড় হদ্দ : নাড়ি নক্ষত্র/সব তথ্য,
- হাড় হাভাতে : হতভাগ্য।
উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।
• ‘কানু ছাড়া গীত নাই’ বাগধারার অর্থ - একমাত্র অবলম্বন।
উদাহরণ: এই শর্মাকে সব কাজে ডাকতেই হবে। জানই তো, কানু ছাড়া গীত নাই।
অন্যদিকে,
‘কাঁজি ভক্ষণ নামে গোয়ালা’ বাগধারার অর্থ - হতভাগ্য।
‘কাট-গোঁয়ার’ বাগধারার অর্থ - অত্যন্ত একগুঁয়ে।
‘কেবলা হাকিম’ বাগধারার অর্থ - অনভিজ্ঞ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
• 'ছক্কাপাঞ্জা করা' বাগ্ধারার অর্থ - বড়ো বড়ো কথা বলা।
অন্যদিকে,
জগদ্দল পাথর - গুরুভার।
জবরজং - জমকালো কিন্তু বেমানান।
চুনোপুটি - সামান্য ব্যক্তি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'দহরম মহরম' বাগ্ধারাটির অর্থ - ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।
অন্যদিকে,
• 'দুধের মাছি' বাগ্ধারাটির অর্থ - সুসময়ের বন্ধু।
• 'বসন্তের কোকিল' বাগ্ধারাটির অর্থ- সুসময়ের বন্ধু।
• 'কংস মামা' বাগ্ধারাটির অর্থ- নির্মম আত্মীয়
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
• 'পুঁটি মাছের প্রাণ' বাগ্ধারার অর্থ - ক্ষীণজীবী লোক।
অন্যদিকে,
• 'উজানের কৈ' অর্থ - সহজলভ্য।
• 'কৈ মাছের প্রাণ' অর্থ - যা সহজে মরে না।
• 'ঝাঁকের কৈ' অর্থ - এক দলভুক্ত বা একই স্বভাবের লোক।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• Cry in the wilderness:
English Meaning: someone who is pointing out the dangers in a situation or the truth about it, but nobody is paying any attention.
বাংলা অর্থ: অরণ্যে রোদন করা।
• 'ইতর বিশেষ' বাগ্ধারার অর্থ - পার্থক্য।
অন্যদিকে:
- 'গোবর গণেশ' বাগ্ধারার অর্থ - মূর্খ।
- 'চিনে জোঁক' বাগ্ধারার অর্থ - নাছোড়বান্দা।
উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
‘মুখ তোলা’ অর্থ - অনুগ্রহ লাভ করা, প্রসন্ন হওয়া।
উদাহরণ -
- খোদা মুখ তুলে চাইলে অবশ্যই ব্যবসায় লাভ হবে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণি
• 'জগদ্দল পাথর' বাগধারাটির অর্থ - গুরুভার।
বাক্য গঠন: সে আমার উপর দায়িত্বের জগদ্দল পাথর চাপিয়ে নিশ্চিত হয়ে আছে।
• আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- 'ইতর বিশেষ' বাগধারাটির অর্থ - পার্থক্য।
- 'ছেঁড়া চুলে খোঁপা বাঁধা' বাগধারাটির অর্থ- বৃথা চেষ্টা।
- 'খয়ের খাঁ' বাগধারাটির অর্থ - তোষামোদকারী।
- ঢেঁকি অবতার বাগধারাটির অর্থ - নিষ্কর্মা ও নির্বোধ লোক।
- 'গৌরচন্দ্রিকা' বাগধারাটির অর্থ - ভূমিকা।
- 'গোঁফ খেজুরে' বাগধরার অর্থ - অত্যন্ত অলস।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'কূপমণ্ডূক' বাগধারাটির অর্থ হলো- সীমাবদ্ধ জ্ঞান বা সংকীর্ণমনা।
- “কূপমণ্ডূক” এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায় যার জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা খুবই সীমিত।
- কূপমণ্ডূক হলো এমন ব্যক্তি যিনি নিজের ছোট দুনিয়ার বাইরে কোনো ধারণা রাখেন না।
----------------------------
অন্যদিকে,
- ঠোঁটকাটা - বেহায়া।
- নেই আঁকড়া - একগুঁয়ে।
- ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির- অতি ধার্মিক।
-------------------
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- ননীর পুতুল: শ্রমবিমুখ।
- অকাল কুষ্মাণ্ড: অপদার্থ, অকেজো,
- অক্কা পাওয়া: মারা যাওয়া,
- তামাটের বিষ: অর্থের কুপ্রভাব।
- গড্ডলিকা প্রবাহ: অন্ধ অনুকরণ।
- অগস্ত্য যাত্রা: চিরকালের জন্য প্রস্থান,
- অগাধ জলের মাছ: সুচতুর ব্যক্তি,
- অর্ধচন্দ্র: গলা ধাক্কা,
- অন্ধের নড়ি: একমাত্র অবলম্বন,
- আকাশ কুসুম: অসম্ভব কল্পনা,
- আকাশ পাতাল: অনেক পার্থক্য,
- অতি লোভে তাঁতি নষ্ট: লোভে ক্ষতি,
- অন্ধের যষ্টি: একমাত্র অবলম্বন,
- আঙুল ফুলে কলাগাছ: অপ্রত্যাশিত ধনলাভ,
- আষাঢ়ে গল্প: আজগুবি কথা,
- উভয় সংকট: দুই দিকেই বিপদ,
- উড়ে এসে জুড়ে বসা: অনধিকার চর্চা,
- এক চোখা: পক্ষপাতদুষ্ট,
- কচুকাটা করা: নির্মমভাবে ধ্বংস করা,
- কূপমণ্ডুক: সীমাবদ্ধ জ্ঞানসম্পন্ন,
- করায় গণ্ডায়: পুরোপুরি,
- গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল: আগেই আয়োজন,
- গোবর গণেশ: মূর্খ,
- গুড়ে বালি: আশায় নৈরাশ্য,
- ঝোপ বুঝে কোপ মারা: সুযোগ বুঝে আঘাত,
- টনক নড়া: চৈতন্যোদয় হওয়া,
- সাপের পাঁচ পা দেখা : অহঙ্কারী হওয়া,
- সোনায় সোহাগা : উপযুক্ত মিলন,
- সাক্ষী গোপাল : নিষ্ক্রিয় দর্শক,
- সখাত সলিলে : ঘোর বিপদে পড়া,
- সব শেয়ালের এক রা : ঐকমত্য,
- হাটে হাঁড়ি ভাঙা : গোপন কথা প্রকাশ করা,
- হাতটান : চুরির অভ্যাস,
- হ য ব র ল : বিশৃঙ্খলা,
- হরি ঘোষের গোয়াল : বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ,
- হরিলুট : অপচয়,
- হাড়ে দুর্বা গজানো : অত্যন্ত অলস হওয়া,
- হাতের পাঁচ : শেষ সম্বল,
- হীরার ধার : অতি তীক্ষ্ণবুদ্ধি,
- হোমরা চোমরা : গণ্যমান্য ব্যক্তি,
- হিতে বিপরীত : উল্টো ফল,
- হাড় হদ্দ : নাড়ি নক্ষত্র/সব তথ্য,
- হাড় হাভাতে : হতভাগ্য।
উৎস:
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ);
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।
• কুঁজড়োপনা' বাগ্ধারার অর্থ - ঝগড়াটে স্বভাব।
উল্লেখ্য,
- কেউ কেটা - সামান্য।
- কিম্ভুতকিমাকার - অদ্ভুত ও কুৎসিত।
- কায়েতের ঘরের ঢেঁকি - অপদার্থ লোক।
উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যের বাগধারাটি হলঃ রাবণের চিতা।
রাবণের চিতা = চির অশান্তি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণ বই।
• 'তামার বিষ' বাগ্ধারার অর্থ - অর্থের কুপ্রভাব।
- দীর্ঘস্থায়ী শত্রুতার বাগ্ধারাগুলো হলো 'দা-কুমড়া সম্পর্ক', 'অহি-নকুল সম্পর্ক', 'আদায়-কাঁচকলায়' এবং 'সাপে-নেউলে'।
উল্লেখ্য,
- 'ডুমুরের ফুল' বাগ্ধারার অর্থ - দুর্লভ বস্তু।
- 'অকাল কুষ্মাণ্ড ও আমড়া কাঠের' ঢেঁকি বাগ্ধারার অর্থ - অপদার্থ।
- 'গোকুলের ষাঁড়' বাগ্ধারার অর্থ - স্বেচ্ছাচারী।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'ছিঁচকাঁদুনে' বাগ্ধারার অর্থ - সামান্যতে কেঁদে ফেলে।
অন্যদিকে,
জবরজং - জমকালো কিন্তু বেমানান।
জগাখিচুড়ি - বিশৃঙ্খল।
ঝাঁকের কই - সমমনা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• ’হাতভারী’ বাগ্ধারার অর্থ - ব্যয়কুণ্ঠ।
অন্যদিকে,
মাথা খাওয়া - নষ্ট করা।
ভেক ধরা - ভান করা।
গা ঢাকা দেয়া - পলায়ন করা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• ‘অজগর বৃত্তি’ বাগ্ধারার অর্থ - আলসেমি।
অন্যদিকে,
- 'অকাল কুষ্মাণ্ড' বাগধারার অর্থ - অপদার্থ/অকেজো।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- ‘ঊনপাঁজরে’ বাগধারাটির অর্থ = অপদার্থ।
- ‘ঊনকোটি চৌষট্টি’ বাগধারাটির অর্থ = প্রায় সম্পূর্ণ।
- ‘আকাট মূর্খ’ বাগধারাটির অর্থ = নিরট বোকা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• 'গাছপাথর' বাগ্ধারার অর্থ - হিসাবনিকাশ।
অন্যদিকে,
গৌরচন্দ্রিকা - ভূমিকা।
খতিয়ে দেখা - বিবেচনা করা।
কাঠখোট্টা - নীরস ও অনমনীয়।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'দক্ষিণ হস্ত বাগ্ধারার অর্থ - প্রধান সহযোগী।
অন্যদিকে,
দহরম মহরম - অন্তরঙ্গতা।
থই পাওয়া - পথ পাওয়া/ অবস্থা নাগালে আসা।
ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির - সত্যবাদিতার ভান করা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
সঠিক উত্তর — ঘ) তোষামোদকারী।
উল্লখ্য,
'ধামাধরা' বাগধারাটির অর্থ = তোষামোদকারী/ যে ব্যক্তি অন্যের প্রশংসা করে নিজের স্বার্থ হাসিল করে।
বাক্যের বিশ্লেষণ:
• "ধামাধরা লোকজন সব সময় বসের পাশে থাকে" - এখানে বোঝানো হচ্ছে যে তোষামোদকারী লোকেরা সবসময় ক্ষমতাবান ব্যক্তির (বস) কাছাকাছি থাকে তাদের খুশি রাখার জন্য এবং নিজেদের সুবিধা আদায়ের জন্য।
অন্যান্য অপশনগুলো:
নির্লিপ্ততা অর্থ- উদাসীনতা।
কদরহীন লোক অর্থ- যার মূল্য নেই।
যথেচ্ছাচারী অর্থ- ইচ্ছামতো আচরণকারী।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• 'কূপমণ্ডূক' বাগ্ধারা অর্থ - সীমাবন্ধ জ্ঞানবিশিষ্ট।
উল্লেখ্য,
- কেউকেটা - তুচ্ছ ব্যক্তি।
- খয়ের খাঁ - তোষামোদকারী।
- খোদার খাসি - ভাবনাচিন্তাহীন।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
'বাঘের চোখ' বাগ্ধারার অর্থ দুঃসাধ্য বস্তু।
অন্যদিকে,
- বালির বাঁধ বাগ্ধারার অর্থ অস্থায়ী বস্তু।
- তাসের ঘর বাগ্ধারার অর্থ ক্ষণস্থায়ী বস্তু।
- কাঁঠালের আমসত্ত্বা বাগ্ধারার অর্থ অসম্ভব বস্তু।
- অমাবস্যার চাঁদ বাগ্ধারার অর্থ দুর্লভ বস্তু।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
• 'ছিঁচকাঁদুনে' বাগ্ধারাটির অর্থ- সামান্যতে কেঁদে ফেলে।
• বাক্য গঠন- এম.এ. পাশ করেও মেয়েটার ছিঁচকাঁদুনে স্বভাব গেল না।
অন্যদিকে,
• 'উনপাঁজুরে' অর্থ- দুর্বল ও ব্যক্তিত্বহীন।
• 'ঝড়ো কাক' অর্থ- বিপর্যস্ত অবস্থা।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা:
• 'কড়ি কপালে, লগন চাঁদা' বাগ্ধারাটির অর্থ - ভাগ্যবান।
• 'কপাল ফেরা' বাগ্ধারাটির অর্থ - সৌভাগ্য লাভ।
• ‘ক-অক্ষর গোমাংশ’ বাগ্ধারাটির অর্থ - সম্পূর্ণ মূর্খ।
• 'কেউকেটা' বাগ্ধারাটির অর্থ - সামান্য।
• ‘আটাশে ছেলে’ বাগ্ধারাটির অর্থ - দুর্বল ছেলে।
• ‘আক্কেল সেলামি’ বাগ্ধারাটির অর্থ - নির্বুদ্ধিতার দণ্ড।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা , ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'ধামাধরা' বাগ্ধারার অর্থ - তোষামুদে।
অন্যদিকে,
দুকান কাটা - বেহায়া / নির্লজ্জ।
নয়-ছয় - অপচয়/বিশৃঙ্খল অবস্থা।
দিবাস্বপ্ন - অলীক কল্পনা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
'অরণ্যে রোদন' বাগধারাটির অর্থ হলো নিষ্ফল আবেদন বা বৃথা চেষ্টা।
- এর মানে হলো এমন কোনো আবেদন বা চেষ্টা করা যা কোনো ফল দেবে না
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- অকাল কুষ্মাণ্ড: অপদার্থ, অকেজো,
- অক্কা পাওয়া: মারা যাওয়া,
- অগস্ত্য যাত্রা: চিরকালের জন্য প্রস্থান,
- অগাধ জলের মাছ: সুচতুর ব্যক্তি,
- অর্ধচন্দ্র: গলা ধাক্কা,
- অন্ধের নড়ি: একমাত্র অবলম্বন,
- আকাশ কুসুম: অসম্ভব কল্পনা,
- আকাশ পাতাল: অনেক পার্থক্য,
- অতি লোভে তাঁতি নষ্ট: লোভে ক্ষতি,
- অন্ধের যষ্টি: একমাত্র অবলম্বন,
- আঙুল ফুলে কলাগাছ: অপ্রত্যাশিত ধনলাভ,
- আষাঢ়ে গল্প: আজগুবি কথা,
- উভয় সংকট: দুই দিকেই বিপদ,
- উড়ে এসে জুড়ে বসা: অনধিকার চর্চা,
- এক চোখা: পক্ষপাতদুষ্ট,
- কচুকাটা করা: নির্মমভাবে ধ্বংস করা,
- কূপমণ্ডুক: সীমাবদ্ধ জ্ঞানসম্পন্ন,
- করায় গণ্ডায়: পুরোপুরি,
- গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল: আগেই আয়োজন,
- গোবর গণেশ: মূর্খ,
- গুড়ে বালি: আশায় নৈরাশ্য,
- চোখে ধুলো দেওয়া = প্রতারণা করা,
- ঝোপ বুঝে কোপ মারা: সুযোগ বুঝে আঘাত,
- টনক নড়া: চৈতন্যোদয় হওয়া,
- তিলকে তাল করা = বাড়িয়ে বলা,
- সাপের পাঁচ পা দেখা : অহঙ্কারী হওয়া,
- সোনায় সোহাগা : উপযুক্ত মিলন,
- সাক্ষী গোপাল : নিষ্ক্রিয় দর্শক,
- সখাত সলিলে : ঘোর বিপদে পড়া,
- সব শেয়ালের এক রা : ঐকমত্য,
- হাটে হাঁড়ি ভাঙা : গোপন কথা প্রকাশ করা,
- হাতটান : চুরির অভ্যাস,
- হ য ব র ল : বিশৃঙ্খলা,
- হরি ঘোষের গোয়াল : বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ,
- হরিলুট : অপচয়,
- হাড়ে দুর্বা গজানো : অত্যন্ত অলস হওয়া,
- হাতের পাঁচ : শেষ সম্বল,
- হীরার ধার : অতি তীক্ষ্ণবুদ্ধি,
- হোমরা চোমরা : গণ্যমান্য ব্যক্তি,
- হিতে বিপরীত : উল্টো ফল,
- হাড় হদ্দ : নাড়ি নক্ষত্র/সব তথ্য,
- হাড় হাভাতে : হতভাগ্য।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।
- ‘লেফাফা দুরস্ত’ বাগধারাটির অর্থ 'পরিপাটি'
- 'অকাল কুষ্মাণ্ড' বাগধারার অর্থ 'অপদার্থ'
- 'তুলসী বনের বাঘ' বাগধারার অর্থ 'শয়তান'
- 'হস্তিমূর্খ' বাগধারাটির অর্থ নিরেট 'মূর্খ'
[উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
’শাপে বর’ -বাগ্ধারার অর্থ- অমঙ্গলে মঙ্গল ঘটা।
অন্যদিকে,
’সাপে নেউলে’- বাগ্ধারার অর্থ- ভীষণ শত্রুতা।
’সপ্তকাণ্ড রামায়ণ’- বাগ্ধারার অর্থ- বৃহৎ বিষয়।
’ঘোল কলা’- বাগ্ধারার অর্থ- সম্পূর্ণ।
উৎস: ভাষা শিক্ষা ড. হায়াৎ মামুদ।
চিনে জোঁক অর্থ নাছোড়বান্দা।
যেমন- লোকটি এ কাজটি পাওয়ার জন্য একেবারে চিনে জোঁকের মত লেগে আছে
এছাড়াও ‘কচ্ছপের কামড়’ বাগ্ধারাটিও নাছোরবান্দা অর্থে ব্যবহৃত হয়।
চশমখোর = বেহায়া,
কলুর বলদ = একটানা খাটুনি
খয়ের খাঁ = চাটুকার
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম-দশম শ্রেণি)।
”তুর্কি-নাচন” বাগ্ধারাটির অর্থ = তুমুল কাণ্ড।
অন্যদিকে,
”তাসের ঘর” বাগ্ধারাটির অর্থ = ক্ষণস্থায়ী।
”টুঁ - মারা” বাগ্ধারাটির অর্থ = অনুসন্ধান।
”তেল মাখানো” বাগ্ধারাটির অর্থ = তোষামোদ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
’যে সহ্য করতে পারে’- বাগ্ধারার অর্থ- সহিষ্ণু।
অন্যদিকে,
’সু হৃদয় যাঁর’- বাগ্ধারার অর্থ- সুহৃদ।
’যা সরোবরে জন্মে’- বাগ্ধারার অর্থ- সরোজ।
’যে সব জানে’- বাগ্ধারার অর্থ- সর্বাজ্ঞা।
উৎস: ভাষা শিক্ষা ড. হায়াৎ মামুদ।