উত্তর
ব্যাখ্যা
গুরুত্বপুর্ণ কয়েকটি বাগ্ধারা:
- 'দক্ষযজ্ঞ' অর্থ -ব্যাপক আয়োজন,
- 'ধর্মের ষাড়' অর্থ - যথেচ্ছাকারী,
- 'পঞ্চত্ব প্রাপ্ত' অর্থ - মারা যাওয়া।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৫ / ১৬ · ১,৪০১–১,৫০০ / ১,৫৫৯
'সুলুক-সন্ধান' বাগধারাটির অর্থ খোঁজখবর।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
• “অন্ধের যষ্টি” বাগ্ধারাটির অর্থ হচ্ছে- একমাত্র অবলম্বন।
বাক্য: বিধবার একমাত্র সন্তান তার অন্ধের যষ্ঠি/অন্ধের নড়ি।
• অন্যান্য অপশন:
- 'অমাবস্যার চাঁদ'- বাগ্ধারাটির অর্থ- দুর্লভ বস্তু।
- 'আদিখ্যেতা' বাগ্ধারার অর্থ - ন্যাকামি।
- আকাশ কুসুম বাগ্ধারার অর্থ - অসম্ভব কল্পনা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০২৫ সংস্করণ)।
• 'তামার বিষ' বাগ্ধারাটির অর্থ- 'অর্থের কুপ্রভাব'।
বাক্য গঠন: ছাত্রজীবনে তামার বিষে আক্রান্ত হলে লেখাপড়া হয়না।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- 'ঘুণাক্ষর' বাগ্ধারাটির অর্থ- সামান্য ইঙ্গিত।
- 'ঢুঁ মারা' বাগ্ধারাটির অর্থ- অনুসন্ধান।
- 'আমড়া কাঠের ঢেঁকি' বাগ্ধারাটির অর্থ- অপদার্থ।
- 'কালে ভদ্রে' বাগধারাটির অর্থ - কদাচিৎ।
- ‘ডাকাবুকো’ বাগধারাটির অর্থ - নির্ভীক।
- ‘কূপমুন্ডক’ বাগধারার অর্থ - সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
- ‘কানকাটা’ বাগধারাটির অর্থ - বেহায়া।
- ইঁদুর কপালে বাগধারাটির অর্থ - মন্দভাগ্য।
- অদৃষ্টের পরিহাস বাগধারাটির অর্থ - ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা।
- ‘তামার বিষ’ বাগধারাটির অর্থ - অর্থের কু-প্রভাব।
- ‘ভূষন্ডির কাক’ - বিচক্ষণ ব্যক্তি/ দীর্ঘজীবী।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
- ঢাকের কাঠি - মোসাহেব, চাটুকার, তোষামোদকারী; খয়ের খাঁ - চাটুকার
- কাছা ঢিলা - অসাবধান
- লেফাফা দুরস্ত - পরিপাটি
- গোঁফ খেজুরে - অত্যন্ত অলস
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলা একাডেমী অভিধান
• 'দক্ষিণ হস্ত' বাগ্ধারাটির অর্থ- প্রধান সহায়।
উল্লেখ্য,
• 'ধরাকে সরা জ্ঞান করা' অর্থ- তুচ্ছ জ্ঞান করা।
• 'পথের কাঁটা' অর্থ- প্রতিবন্ধক।
• 'ফোড়ন কাটা' অর্থ- কথার মাঝে বিদ্রূপ করা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে' অর্থ- একজনের দোষ অন্যজনের ওপর চাপিয়ে দেয়া।
অন্যদিকে,
• 'এক ক্ষুরে মাথা কামানো' অর্থ- একই স্বভাবের দোষে দোষী।
• 'খাল কেটে কুমির আনা' অর্থ- বাইরের বিপদ ঘরে টেনে আনা।
• 'গোদের ওপরে বিষফোঁড়া' অর্থ- কষ্টের ওপর আরো কষ্ট।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'গয়ংগচ্ছ' বাগ্ধারার অর্থ - ঢিলেমি।
অন্যদিকে,
ধামাধরা - তোষামোদে।
তালকানা - কাণ্ডজ্ঞানহীন।
ডাকাবুকো - নির্ভীক।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• ‘থ বনে যাওয়া’ বলতে বোঝায় হঠাৎ কোনো অবস্থায় বিস্মিত বা স্তম্ভিত হয়ে যাওয়া।
--------------------------------------------
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা-
- অকাল কুষ্মাণ্ড = অপদার্থ, অকেজো;
- আকাশ কুসুম = অসম্ভব কল্পনা;
- ইঁদুর কপালে = নিতান্ত মন্দভাগ্য;
- উড়নচন্ডী = অমিতব্যয়ী;
- এলোপাতাড়ি = বিশৃঙ্খলা;
- ওজন বুঝে চলা = অবস্থা বুঝে চলা;
- কচুকাটা করা = নির্মমভাবে ধ্বংস করা;
- খাল কেটে কুমির আনা = বিপদ ডেকে আনা;
- গরজ বড় বালাই = প্রয়োজনে গুরুত্ব;
- ঘর ভাঙানো = সংসার বিনষ্ট করা;
- চক্ষুদান করা = চুরি করা;
- জগাখিচুড়ি পাকানো = গোলমাল বাধানো;
- ঝড়ো কাক = বিপর্যস্ত;
- টাকার কুমির = ধনী ব্যক্তি;
- ডুমুরের ফুল = দুর্লভ বস্তু;
- ঠাঁট বজায় রাখা = অভাব চাপা রাখা;
- ঢাক ঢাক গুড় গুড় = গোপন রাখার চেষ্টা;
- তাসের ঘর = ক্ষণস্থায়ী;
- থ বনে যাওয়া = স্তম্ভিত হওয়া।
উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।
• 'ঈদের চাঁদ' বাগ্ধারার অর্থ- আকাঙ্ক্ষিত বস্তু।
বাক্য- হারানো ছেলেকে ফিরে পেয়ে মা যেন ঈদের চাঁদ হাতে পেলেন।
অন্যদিকে,
• 'আঁধার ঘরের মানিক' অর্থ- অত্যন্ত প্রিয়জন।
• 'আকাশকুসুম' অর্থ- কাল্পনিক বস্তু।
• 'কেউকেটা' অর্থ- বিশিষ্ট ব্যক্তি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'তুলসী বনের বাঘ' বাগ্ধারার অর্থ - ভণ্ড, শয়তান।
বাক্য: নাম শুভ হলে হবে কী, আসলে ও তুলসী বনের বাঘ।
অন্যদিকে,
• 'ঢাকের কাঠি' অর্থ - তোষামোদকারী।
• 'ডাকাবুকো' অর্থ - নিৰ্ভীক।
• 'তালকানা' অর্থ - কাণ্ডজ্ঞানহীন।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ।
• 'তীর্থের কাক' বাগ্ধারার অর্থ - সুযোগ সন্ধানী।
অন্যদিকে,
• 'চিনে জোঁক' অর্থ - নাছোড়বান্দা।
• 'উড়নপেকে' অর্থ- অপব্যয়ী।
• 'কলুর বলদ' অর্থ- একটানা খাটুনি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম দশম শ্রেণি (২০২১- সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'কত ধানে কত চাল' প্রবাদটির অর্থ - অভিজ্ঞতা দিয়ে জানা।
অন্যদিকে,
- 'উন বর্ষে দুনো শীত' প্রবাদটির অর্থ - অল্প বর্ষায় বেশি শীত।
- 'উনা ভাতে দুনা বল' প্রবাদটির অর্থ - স্বল্পাহার স্বাস্থ্যপ্রদ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
• 'অষ্টরম্ভা' বাগ্ধারাটির অর্থ- ফাঁকি।
• কিছু বহুল প্রচলিত বাগ্ধারা:
- 'কেউকেটা' - বিশিষ্ট ব্যক্তি।
- 'দুধের মাছি' - সুসময়ের বন্ধু।
- 'তালকানা' - কাণ্ডজ্ঞানহীন।
- 'আদায় কাঁচকলায়' - ঘোর শত্রুতা।
- 'আকাশের চাঁদ'- দুর্লভ বস্তু।
- 'উড়নপেকে' - অপব্যয়ী।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'তাসের ঘর' বাগ্ধারার অর্থ - ক্ষণস্থায়ী বা ক্ষণস্থায়ী ঘর।
• 'শরতের শিশির' বাগ্ধারার অর্থ - সুসময়ের বন্ধু বা ক্ষণস্থায়ী।
অন্যদিকে,
তামার বিষ - অর্থের কুপ্রভাব।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
“মাছি মারা কেরানি”- প্রবচনটির অর্থ বিচারবোধহীন নকলনবিশ।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
মাছি মারা কেরানি এর অর্থ হুবহু অনুকরণকারী ব্যক্তি। কেউ যদি কোনো কাজের অর্থ, প্রয়োগ ও গুরুত্ব বিবেচনা করে ভুলত্রুটিসহ শুধুমাত্র অনুকরণ করে যায় তাদের মাছি মারা কেরানি বলে। জীবনের প্রতিটা কাজের ক্ষেত্রে মানুষের নিজের বিচার বুদ্ধি বিবেচনা করার একটা সুযোগ থাকে। কিন্তু ‘কেরানি’ বা ইংরেজিতে যাদের ক্লার্ক বলে তাদের পেশাটাই এমন যেখানে নিজের বুদ্ধি বিবেচনার সুযোগ হয়তো কমই থাকে। এ পেশার লোকদের কাজই হলো অন্যের নির্দেশ হুবহু মেনে চলে কোনো কাজ করা।
এই প্রবচনটি ইংরেজ আমল থেকে প্রচলিত হয়ে আসছে। এটা নিয়ে সুন্দর একটা গল্প আছে। পড়তে পারেন- [এখানে ক্লিক করুন]
• ‘ভূষন্ডির কাক’ বাগ্ধারাটির অর্থ - বিচক্ষণ ব্যক্তি।
অন্যদিকে,
• 'গোঁফ খেজুরে' বাগ্ধারাটির অর্থ - নিতান্ত অলস।
• 'আঠারো মাসে বছর' বাগ্ধারাটির অর্থ - দীর্ঘসূত্রিতা।
• 'আকাশের চাঁদ' বাগ্ধারাটির অর্থ - দুর্লভ বস্তু।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
• 'ঊর্জস্বল' বাগ্ধারার অর্থ - বলবান।
অন্যদিকে,
অষ্টাবক্র - কুৎসিত।
ঊর্ধ্ববাহ - হাত উঁচু করে আছে এমন।
ঊর্ধ্বদেহ - প্রেতদেহ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'কলুর বলদ' বাগ্ধারার অর্থ - একটানা খাটুনি।
বাক্য: মা সারাজীবন সংসারে কলুর বলদের মতো খেটেই গেলেন।
অন্যদিকে,
• 'কুমড়ো কাটা বটঠাকুর' অর্থ - অকর্মণ্য লোক।
• কানকাটা' অর্থ - নির্লজ্জ।
• 'কাঠখোট্টা' অর্থ - নীরস ও অনমনীয়।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
• "আঠার আনা" বাগ্ধারাটির অর্থ - বাড়াবাড়ি।
বাক্য গঠন: তোমার সবসময় আঠারো আনা স্বভাব, যা আমার একদম ভালো লাগে না।
অন্যদিকে,
- ‘ঊনকোটি চৌষট্টি’ বাগ্ধারাটির অর্থ - প্রায় সম্পূর্ণ।
- ‘তামার বিষ’ বাগ্ধারাটির অর্থ - অর্থের কু-প্রভাব।
- 'নাড়ির খবর' বাগ্ধারাটির অর্থ- সকল তথ্য।
উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
•’কেতাদুরস্থ’ বাগ্ধারার অর্থ- পরিপাটি।
অন্যদিকে,
- অকালকুষ্মাণ্ড/আমরা কাঠের ঢেঁকি বাগ্ধারার অর্থ- অপদার্থ।
- আট কপালে বাগ্ধারার অর্থ- = হতভাগ্য ।
- ইঁদুর কপালে বাগ্ধারার অর্থ- = মন্দভাগ্য ।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
- 'তামার বিষ' বাগ্ধারার অর্থ - অর্থের কুপ্রভাব।
• গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা:
- ‘অহিনকুল সম্পর্ক’ বাগ্ধারার অর্থ - ভীষণ শত্রুতা।
- ‘দা-কুমড়া সম্বন্ধ’ বাগ্ধারার অর্থ - শত্রুতা।
- 'অগ্নিশর্মা' বাগ্ধারার অর্থ - ক্ষিপ্ত।
- 'অগ্নিপরীক্ষা' বাগ্ধারার অর্থ - কঠিন পরিক্ষা।
- 'তামার বিষ' বাগ্ধারার অর্থ - অর্থের কুপ্রভাব।
- 'তাসের ঘর' বাগ্ধারার অর্থ - ক্ষণস্থায়ী বা ক্ষণস্থায়ী ঘর।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
চুনোপুঁটি- সামান্য ব্যক্তি।
গভীর জলের মাছ- খুব চালাক।
কানকাটা- নির্লজ্জ।
কাঠখোট্টা- নীরস।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'ভিজে বেড়াল' বাগ্ধারার অর্থ- সাধু বেশে অসৎ লোক।
অন্যদিকে,
• 'বিষবৃক্ষ' অর্থ- অনিষ্টকারী।
• 'বুদ্ধির ঢেঁকি' অর্থ- নির্বোধ।
• 'ভেক ধরা' অর্থ- ভান করা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• “কেতা দুরস্ত” বাগ্ধারাটির অর্থ- পরিপাটি।
- “কেতা দুরস্ত” বাগধারাটি ব্যবহার করা হয় কোনো ব্যক্তির কাজকর্ম বা শৃঙ্খলাবদ্ধ আচরণ বুঝানোর জন্য।
- সুন্দরভাবে সজ্জিত বা পরিপাটি হয়ে থাকা ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই বিশেষণটি ব্যবহার করা হয়।
---------------------
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা-
টাকার কুমির = ধনী ব্যক্তি,
ঢিমে তেতালা = মন্থর,
তাসের ঘর = ক্ষণস্থায়ী,
মাছের মায়ের পুত্রশোক = কপট বেদনাবোধ,
মুখ চুন হওয়া = লজ্জায় ম্লান হওয়া,
মুখে ফুল চন্দন পড়া = শুভ সংবাদের জন্য ধন্যবাদ,
ঝাঁকের কৈ = এক দলভুক্ত,
হরিলুট = অপচয়,
হস্তীমূর্খ = বুদ্ধিতে স্থূল,
হাড়ে দুর্বা গজানো = অত্যন্ত অলস হওয়া,
হাতুড়ে বদ্যি = আনাড়ি চিকিৎসক,
হাতের পাঁচ = শেষ সম্বল,
হীরার ধার = অতি তীক্ষ্ণবুদ্ধি,
হোমরা চোমরা = গণ্যমান্য ব্যক্তি,
জগাখিচুড়ি পাকানো = গোলমাল বাধানো,
দুধে ভাতে থাকা = খেয়ে-পড়ে সুখে থাকা,
ধরি মাছ না ছুঁই পানি = কৌশলে কার্যাধার,
বিদ্যার জাহাজ = অতিশয় পণ্ডিত,
বক ধার্মিক = ভণ্ড সাধু,
কেতা দুরস্ত = পরিপাটি,
কাঠের পুতুল = নির্জীব, অসার,
কথায় চিঁড়ে ভেজা = ফাঁকা বুলিতে কার্যসাধন,
কান পাতলা = সহজেই বিশ্বাসপ্রবণ,
কুল কাঠের আগুন = তীব্র জ্বালা,
কেঁচো খুড়তে সাপ = সামান্য থেকে অসামান্য পরিস্থিতি,
গরজ বড় বালাই = প্রয়োজনে গুরুত্ব,
গা ঢাকা দেওয়া = আত্মগোপন,
গায়ে কাঁটা দেওয়া = রোমাঞ্চিত হওয়া,
গুরু মারা বিদ্যা = যার কাছে শিক্ষা তারই উপর প্রয়োগ,
গোকুলের ষাঁড় = স্বেচ্ছাচারী লোক,
গোল্লায় যাওয়া = নষ্ট হওয়া, অধঃপাতে যাওয়া,
বিনা মেঘে বজ্রপাত = আকস্মিক বিপদ,
ভরাডুবি = সর্বনাশ,
শত্রুর মুখে ছাই = কুদৃষ্টি এড়ানো।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'রাশভারী' বাগ্ধারার অর্থ - গম্ভীর প্রকৃতি।
• "আমাদের বড় সাহেব খুব রাশভারী লোক, তাঁর সাথে বুঝেসুঝে কথা বলো।" - এখানে 'রাশভারী' বলতে বোঝায়- গম্ভীর প্রকৃতি।
অন্যদিকে,
• 'হাতভারী' অর্থ - ব্যয়কুণ্ঠ।
• 'সাক্ষী গোপাল' অর্থ - নিষ্ক্রিয় দর্শক।
• 'ফেকলু পার্টি' বাগধারাটির অর্থ - কদরহীন লোক।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• 'কুমড়ো কাটা বটঠাকুর' বাগ্ধারার অর্থ - অরর্মণ্য লোক।
অন্যদিকে,
• 'চিনে জোঁক' অর্থ - নাছোড়বান্দা।
• 'রাশভারি' অর্থ - গম্ভীর প্রকৃতির।
• 'রুই-কাতলা' অর্থ - পদস্থ বা নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম - দশম শ্রেণি (২০২১- সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
সঠিক উত্তর - খ) বড় বড় কথা বা পরিকল্পনা
পিপীলিকার পাখা ওঠে মরিবার তরে প্রবাদের অর্থ হচ্ছে বাড়াবাড়ি পতনের কারণ।
অন্যান্য প্রবাদ প্রবচন ও এর অর্থ-
- বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো (বড় বড় কথা বা পরিকল্পনা): তোমাকে আমি ভালো করেই চিনি, তোমার স্বভাবটাই হল বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো গোছের।
- পুরোনো চাল ভাতে বাড়ে (অভিজ্ঞতা বা প্রবীণত্বের মূল্য বেশি): দাদুর যুক্তিই শেষ পর্যন্ত কাজে লাগল-আসলে পুরোনো চালই ভাতে বাড়ে।
- পেটে খেলে পিঠে সয় (সুবিধে পেতে হলে কষ্ট স্বীকারে অসুবিধে হয় না): টাকা পেলে দশ মাইল কেন, পঞ্চাশ মাইল ছুটতে রাজি আছি, জানই তো পেটে খেলে পিঠে সয়।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
• 'ঊনকোটি চৌষট্টি' বাগ্ধারাটির অর্থ - প্রায় সম্পূর্ণ।
বাক্য গঠন: ঊনকোটি চৌষট্টি আয়োজন করার পর সব স্থগিত করা হল।
অন্যদিকে,
• 'উড়নচণ্ডী' বাগ্ধারাটির অর্থ - উচ্ছৃঙ্খল।
• 'আঠারো মাসে বছর' বাগ্ধারাটিরঅর্থ- দীর্ঘসূত্রিতা
• 'তাসের ঘর' বাগ্ধারাটিরঅর্থ- ক্ষণস্থায়ী।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
- তেল মাখানো বাগধারার অর্থ তোষামোদ।
- তীর্থের কাক বাগধারা অর্থ সুযোগ সন্ধানী।
- দুধের মাছি বাগধারার অর্থ সুসময়ের বন্ধু।
- ননীর পুতুল বাগধারা অর্থ শ্রমবিমুখ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।