ব্যাখ্যা
- বাক্য: আমাদের ব্যক্তিগত ব্যাপারে তুমি ফোঁপরদালালি করতে এসো না।
অন্যদিকে,
• 'ফোড়ন কাটা' অর্থ - কথার মাঝে বিদ্রূপ করা।
• 'নকড়া ছকড়া করা' অর্থ - তুচ্ছ জ্ঞান করা।
• 'হাল ধরা' অর্থ - দায়িত্ব বা নেতৃত্ব গ্রহণ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়ৎ মামুদ।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১ / ১৬ · ১–১০০ / ১,৫৫৯
- ‘চুনোপুঁটি’ অর্থ সামান্য ব্যাক্তি
- সকলকে চুনোপুঁটি ভেবে অবজ্ঞা করা উচিত না।
- ‘তীর্থের কাক’ এর অর্থ সুযোগ সন্ধানী
- ‘টাকার কুমির’ এর অর্থ অনেক টাকার মালিক
- ‘লেফাফা দুরস্ত ’ এর অর্থ পরিপাটি
[বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত , নবম -দশম শ্রেণি ,সংস্করণ ২০২১]
• ভুজঙ্গ (বিশেষ্য পদ),
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- সাপ, সর্প।
স্ত্রীবাচক শব্দ- ভুজঙ্গী।
উল্লেখ্য,
• 'টুপ ভুজঙ্গ' বাগধারার অর্থ- (নেশাগ্রস্ত)
• বাক্য-বেটা টুপ ভুজঙ্গ, এ পাড়ায় মাতলামি করতে এসো না।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'উড়নপেকে' বাগ্ধারার অর্থ- অপব্যয়ী।
অন্যদিকে,
• 'ইস্কুপের প্যাচ' অর্থ - কুটিল বুদ্ধি।
• 'ইঁচড়ে পাকা' অর্থ - অকালপক্ব।
• 'উর্জস্থল' অর্থ - বলবান।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'ছক্কা পাঞ্জা করা' বাগ্ধারাটির অর্থ বড় বড় কথা বলা।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা:
‘বকধার্মিক’ বাগ্ধারাটির অর্থ- অসাধু যখন সাধুর ভান করে।
• ‘বিড়াল তপস্বী’ বাগ্ধারাটির অর্থ- ভণ্ড লোক।
• ‘মণিকাঞ্চন যোগ’ বাগ্ধারাটির অর্থ- উপযুক্ত মিলন।
• ‘সোনায় সোহাগা’ বাগ্ধারাটির অর্থ- সুন্দর মিল।
• ‘অন্ধের যষ্টি’ বাগ্ধারাটির অর্থ-অপরিহার্য অবলম্বন।
• ‘অন্ধের নড়ি’দ বাগ্ধারাটির অর্থ- একমাত্র অবলম্বন।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'হাত ধুয়ে বসা' বাগধারাটির অর্থ - সাধু সাজা।
• ভাষা-শিক্ষা, - ড. হায়াৎ মামুদের বই অনুসারে, 'হাত ধুয়ে বসা'- i) বাগ্ধারাটির অর্থ- 'নিশ্চিন্ত বোধ করা'।
• অভিগম্য অভিধান অনুসারে, 'হাত ধুয়ে বসা'- i) বাগ্ধারাটির অর্থ- আশা ত্যাগ করা।
• সংসদ বাংলা অভিধান অনুসারে, 'হাত ধুয়ে বসা'- i) বাগ্ধারাটির অর্থ- আশা বা সম্পর্ক ত্যাগ করা, দায়িত্ব না নেয়া।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বান্ধারা হলো:
'চুলোয় যাওয়া' বাগধারাটির অর্থ নষ্ট হওয়া।
'উড়োকথা' বাগধারাটির অর্থ - গুজব।
'উড়োচিঠি' বাগধারাটির অর্থ বেনামি চিঠি।
'গা ঢাকা দেওয়া' বাগধারাটির অর্থ পলায়ন করা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
সঠিক উত্তর - গ) অক্ষম লোকের হাঁকডাক বেশি
'অসারের তর্জনগর্জন' প্রবাদ প্রবচনটির অর্থ হচ্ছে - অক্ষম লোকের হাঁকডাক বেশি।
অন্যদিকে,
- কাঁচা বাঁশে ঘুণ ধরা (অল্প বয়সেই স্বভাব নষ্ট হওয়া),
- আঙুল ফুলে কলা গাছ (হঠাৎ বড়োলোক হওয়া),
- এক হাতে তালি বাজে না (দুই পক্ষ ছাড়া ঝগড়া হয় না)।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
• 'আদাড়ের হাঁড়ি' বাগ্ধারার অর্থ - তুচ্ছ / অনাদৃত ব্যক্তি।
অন্যদিকে,
আঠারো আনা - বাড়াবাড়ি / সম্ভাবনা।
আক্কেল গুড়ুম - হতবুদ্ধি / স্তম্ভিত।
আকাট মূর্খ - নিরেট বোকা।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা বানান অভিধান ও ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'ঘোল খাওয়ানো' বাগ্ধারার অর্থ- জব্দ করা।
অন্যদিকে,
• 'মুধু চরানো' অর্থ- সর্বনাশ করা।
• 'কান ভারী করা' অর্থ- কুপরামর্শ দান।
• 'মাথা খাওয়া' অর্থ- নষ্ট করা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'গদাই লস্করি চাল' বাগ্ধারার অর্থ- অতি ধীর গতি, আলসেমি।
বাক্য: এমন গদাই লস্করি চালে চললে ট্রেন ফেল করবে।
অন্যদিকে,
• 'কাঠের পুতুল' বাগ্ধারার অর্থ- নির্জীব, অসার।
• 'একক্ষুরে মাথা মুড়ানো' বাগ্ধারার অর্থ- একই স্বভাবের।
এরূপ গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগ্ধারা হলো-
• 'এলোপাতাড়ি' অর্থ- বিশৃঙ্খলা।
• 'এসপার ওসপার' অর্থ- মীমাংসা।
• 'একাদশে বৃহস্পতি' অর্থ- সৌভাগ্যের বিষয়।
• 'এলাহি কাণ্ড' অর্থ- বিরাট আয়োজন।
• 'কলুর বলদ' অর্থ- একটানা খাটুনি।
• 'কথার কথা' অর্থ- গুরুত্বহীন কথা।
• 'কপাল ফেরা' অর্থ- সৌভাগ্য লাভ।
• 'কত ধানে কত চাল' অর্থ- হিসাব করে চলা।
• 'কড়ায় গণ্ডায়' অর্থ- সম্পূর্ণ, পুরোপুরি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
• 'আঠারো মাসে বছর" বাগধারাটির অর্থ দীর্ঘসূত্রতা - তার আঠারো মাসে বছর, কোন কাজই সে সময় মতো করে না।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা:
- অকাল কুষ্মাণ্ড = অপদার্থ
- অন্ধের যষ্ঠি = একমাত্র অবলম্বন
- অগাধ জলের মাছ = খুব চালাক
- অষ্টরম্ভা = ফাঁকি
- আদায় কাঁচকলায় = তিক্ত সম্পর্ক , শত্রুতা
- ইতর বিশেষ = পার্থক্য
- ঊনপঞ্চাশ বায়ু = পাগলামি
- এক বনে দুই বাঘ = প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী
- কেতাদুরস্থ = পরিপাটি
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ‘অন্ধিসন্ধি’ বাগ্ধারার অর্থ - ফাঁকফোকর।
অন্যদিকে,
• ‘আঠারো আনা’ বাগ্ধারার অর্থ - বাড়াবাড়ি।
• ‘পটল তোলা’ বাগ্ধারার অর্থ - মারা যাওয়া।
• ‘দুধের মাছি’ বাগ্ধারার অর্থ - সুসময়ের বন্ধু ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
নারদের ঢেঁকি = কলহবিবাদ বাঁধাতে পটু।
ফতো নবাব = অন্তঃসারশূন্য।
নেই আঁকড়া = নাছোড়বান্দা।
ফেকলু পার্টি = গুরুত্বহীন লোক।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
• “সাপের পাঁচ পা দেখা” বাগ্ধারাটির অর্থ: অহঙ্কারী হওয়া।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা:
- চক্ষুদান করা = চুরি করা,
- ছাই ফেলতে ভাঙা কুলা = সামান্য কাজের জন্য অপদার্থ ব্যক্তি,
- জগাখিচুড়ি পাকানো = গোলমাল বাধানো,
- ঝড়ো কাক = বিপর্যস্ত,
- টনক নড়া = চৈতন্যোদয় হওয়া,
- ঠাঁট বজায় রাখা = অভাব চাপা রাখা,
- ডাকের সুন্দরী = খুবই সুন্দরী,
- ঢাক ঢাক গুড় গুড় = গোপন রাখার চেষ্টা,
- তালকানা = বেতাল হওয়া,
- থ বনে যাওয়া = স্তম্ভিত হওয়া,
- দা-কুমড়া = ভীষণ শত্রুতা,
- ধর্মের ষাঁড় = যথেচ্ছাচারী,
- ননীর পুতুল = শ্রমবিমুখ,
- পটল তোলা = মারা যাওয়া,
- ফেউ লাগা = আঠার মতো লেগে থাকা,
- বগল বাজানো = আনন্দ প্রকাশ করা,
- ভরাডুবি = সর্বনাশ,
- মগের মুল্লুক = অরাজক দেশ,
- যক্ষের ধন = কৃপণের ধন,
- রাবণের চিতা = চির অশান্তি,
- লাল বাতি জ্বালা = দেউলিয়া হওয়া,
- শকুনি মামা = কুটিল ব্যক্তি,
- ষাঁড়ের গোবর = অযোগ্য,
- সাত খুন মাফ = অত্যধিক প্রশ্রয়,
- হিরার ধার = অতি তীক্ষ্ণবুদ্ধি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।
• 'তোষামোদকারী' - শব্দটি দিয়ে "খয়ের খাঁ" বাগ্ধারা নির্দেশ করা হয়। 'খয়ের খাঁ' বাগধারাটির অর্থ - তোষামোদকারী।
অন্যদিকে,
- ‘লেফাফা দুরস্ত’ বাগধারাটির অর্থ 'পরিপাটি'।
- 'কংস মামা' বাগধারাটির অর্থ - নির্মম আত্মীয়,
- 'খোদার খাসি' বাগধারাটির অর্থ - ভাবনাচিন্তা হীন বা হৃষ্টপুষ্ট ব্যক্তি।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ৯ম - ১০ম শ্রেণি (২০১৮)।
আদায় - কাঁচকলায়, দা-কুমড়া ও অহি-নকুল - বাগধারাগুলোর অর্থ সমার্থক। এগুলোর অর্থ - ভীষণ শত্রুতা।
অন্যদিকে,
'গাছ পাথর' বাগধারাটির অর্থ হিসেব নিকেশ।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণ বই ও ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ
• 'ঠুটো জগন্নাথ' এর সমার্থক বাগ্ধারা 'কুমড়ো কাটা বটঠাকুর'।
• 'ঠুটো জগন্নাথ' বাগ্ধারার অর্থ - অকর্মণ্য।
• 'কুমড়ো কাটা বটঠাকুর' বাগ্ধারার অর্থ - অকর্মণ্য লোক।
অন্যদিকে,
• ‘চিনে জোঁক’ অর্থ - নাছোড়বান্দা।
• তীর্থের কাক' অর্থ - সুযোগ সন্ধানী।
• 'খয়ের খাঁ' অর্থ - তোষামোদকারী।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম - দশম শ্রেণি (২০২১- সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
‘এসপার ওসপার’ - বাগধারাটি মীমাংসা অর্থে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
তথ্যসূত্র: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি-ড. হায়াৎ মাহমুদ
হরি ঘোষের গোয়াল (বাগধারা):
অর্থঃ বহু অপদার্থ ব্যাক্তির সমাবেশ।
বাক্যের উদাহরণঃ ছাত্রাবাসটা হয়েছে হরি ঘোষের গোয়াল।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর)
• 'তাসের ঘর' বাগধারার অর্থ ক্ষণস্থায়ী।
• 'তুর্কি নাচন' বাগধারার অর্থ নাজেহাল অবস্থা,
• 'তামার বিষ' বাগধারার অর্থ অর্থের কুপ্রভাব,
• তালপাতার সেপাই বাগধারার অর্থ ক্ষণজীবী।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
• 'উনপাঁজুরে' এই বাগ্ধারার অর্থ- দুর্বল ও ব্যক্তিত্বহীন।
অন্যদিকে,
• 'আক্কেল গুড়ুম' অর্থ- হতবুদ্ধি হওয়া।
• 'উড়নচণ্ডী' অর্থ- অমিতব্যয়ী।
• 'চুনোপুটি' অর্থ- সামান্য ব্যক্তি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'এসপার ওসপার' বাগ্ধারার অর্থ- মীমাংসা।
বাক্য: চুপ করে থেকে লাভ কী, এসপার ওসপার একটা করে ফেল।
অন্যদিকে,
• 'একচোখা' বাগ্ধারার অর্থ- পক্ষপাতিত্ব, পক্ষপাতদুষ্ট।
• 'এলোপাতাড়ি' বাগ্ধারার অর্থ- বিশৃঙ্খলা।
• 'অহিনকুল সম্বন্ধ' বাগ্ধারার অর্থ- ভীষণ শত্রুতা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
সঠিক উত্তর - ঘ) নির্বোধেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়
বোকার ফসল পোকায় খায় প্রবাদের অর্থ হচ্ছে নির্বোধেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
অন্যান্য প্রবাদ প্রবচন ও এর অর্থ-
- বুকের মাঝে ঢেকির পাড় (অন্তর্বেদনা): কথাটা শুনেই ভাই আমার কেমন যেন বুকের মাঝে টেকির পাড় পড়তে শুরু করেছে।
- বেল পাকলে কাকের কী (আয়ত্ত বহির্ভূত জিনিসের আকর্ষণ না হওয়া): বড়লোকের রাজসূয় যজ্ঞে গরিবের বাঁ আসে যায়-বেল পাকলে কাকের কী?
- বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ (বুড়ো বয়সে অপকর্ম করা): অথর্ব বুড়োটার আবার বিয়ের সাধ জেগেছে-একেই বলে বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
• 'তাসের ঘর' বাগ্ধারার অর্থ - স্বল্পস্থায়ী।
অন্যদিকে,
তালপাতার সেপাই - ছিপছিপে।
ডুমুরের ফুল - অদৃশ্য বস্তু।
পুঁটি মাছের প্রাণ - ছোটো মন।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
• 'ঘুঘু চরানো' বাগ্ধারার অর্থ- সর্বনাশ করা।
অন্যদিকে,
• 'ঘোল খাওয়ানো' অর্থ- জব্দ করা।
• 'কান ভারী করা' অর্থ- কুপরামর্শ দান।
• 'মাথা খাওয়া' অর্থ- নষ্ট করা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'দাঁত ফোটানো' অর্থ: কঠিন বিষয় আয়ত্ত করা।
- বাক্য: অঙ্কের বিষয়ে দাঁত ফোটানো যাচ্ছে না।
গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- দহরম মহরম - অন্তরঙ্গতা।
- দুধের মাছি - সুসময়ের বন্ধু।
- দা-কুমড়া সম্বন্ধ - শত্রুভাব।
- দক্ষিণ হস্ত - প্রধান সহযোগী।
- দেতো হাসি - কৃত্রিম হাসি।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'এককথার মানুষ' বাগধারার অর্থ - দৃঢ় সংকল্প ব্যক্তি।
অন্যদিকে:
- এক চোখা' বাগধারার অর্থ - পক্ষপাতদুষ্ট।
- 'উড়নচন্ডী' বাগধারার অর্থ - অমিতব্যয়ী।
- 'কংস মামা' বাগধারার অর্থ - নির্মম আত্মীয়।
উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• 'গরিবের ঘোড়া রোগ’ প্রবাদ প্রবচনের অর্থ - অক্ষমের অতিরিক্ত প্রত্যাশা।
অন্যদিকে,
ধর্মের কল বাতাসে নড়ে - অপকর্ম প্রকাশিত হয়ে পড়েই।
মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা - মর্মান্তিক আঘাতের উপর আঘাত।
রাখে হরি মারে কে? - সৌভাগ্যবান হলে মৃত্যুর হাত থেকেও রক্ষা পাওায়া যায়।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'বাঘের দুধ/চোখ' বাগ্ধারার অর্থ- দুঃসাধ্য বস্তু।
অন্যদিকে,
• 'ব্যাঙের আধুলি' অর্থ - সামান্য সম্পদ।
• 'ব্যাঙের সর্দি' অর্থ - অসম্ভব ঘটনা।
• 'ভূতের বেগার' অর্থ - অযথা শ্রম।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০১৯- সংস্করণ)।
• 'কেউকেটা' বাগ্ধারাটির অর্থ = তুচ্ছ ব্যক্তি।
অন্যদিকে,
- 'চুনোপুঁটি' বাগ্ধারাটির অর্থ = সামান্য ব্যাক্তি।
- 'চশমখোর' বাগ্ধারাটির অর্থ = নির্লজ্জ।
- 'ভুঁইফোঁড়' বাগ্ধারাটির অর্থ = অর্বাচীন।
• অপশনে 'কেউকেটা' এর বিপরীতার্থক বাগ্ধারা নেই। তাই, সঠিক উত্তর - কোনটিই নয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) , বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
• "লোটাকম্বল" বাগ্ধারার অর্থ - সামান্য সংগতি।
অন্যদিকে,
শিরে সংক্রান্তি - সামনেই বিপদ।
সবেধন নীলমণি - একমাত্র সম্পদ।
শকুনি মামা - অনিষ্টকর আত্মীয়।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
- ঢাকের কাঠি - মোসাহেব, চাটুকার, তোষামোদকারী; খয়ের খাঁ - চাটুকার
- আমড়া কাঠের ঢেঁকি - অপদার্থ; অকাল কুষ্মাণ্ড - অপদার্থ
- আটকপালে -হতভাগ্য; ইঁদুর কপালে - মন্দভাগ্য
- গোঁফ খেজুরে - অত্যন্ত অলস; কাছা ঢিলা - অসাবধান