উত্তর
ব্যাখ্যা
- রাশিয়া নিম্নলিখিত দেশগুলির সাথে সীমান্ত ভাগ করে:
উৎস: Worl atlas.
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১ / ৫ · ১–১০০ / ৪১৫
যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে 'সেক্রেটারি অব স্টেট' বলা হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান 'সেক্রেটারি অব স্টেট' মার্কো রুবিও। [মার্চ, ২০২৬]
উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে দায়িত্ব পালন করেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৫০তম ভাইস প্রেসিডেন্ট জেমস ডেভিড ভ্যান্স (JD Vance)।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
- বাংলাদেশে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
উৎস: United States Mission to the United Nations (.gov).
মাউরি:
- মাউরি নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের উৎপত্তি পূর্ব পলিনেশিয়া অঞ্চলে, প্রায় ৮০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে।
- ধারণা করা হয়, ১৪শ শতকে “মহান নৌবহর” হাওয়াইকি নামের একটি পৌরাণিক ভূমি থেকে এসে পৌঁছায়।
- মাওরি সমাজ মূলত আত্মীয়তার বন্ধনের উপর গঠিত।
- তাদের উপজাতিকে বলা হয় ইউই (iwi), যারা একই পূর্বপুরুষের বংশধর।
- তারা প্রধান বা নেতাদের (আরিকি – ariki) প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে।
- গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক একক হলো হাপু (hapū) — উপগোত্র বা উপ-উপজাতি।
- আরেকটি একক হলো ওয়ানাউ (whānau) — বর্ধিত পরিবার।
- মাওরি ভাষা তে রেও মাওরি (te reo Māori) নিউজিল্যান্ডের সরকারি ভাষাগুলোর একটি।
- ১৯৮৭ সাল থেকে ভাষাটির সরকারি স্বীকৃতি রয়েছে।
উৎস: Britannica.
পানামা খাল:
- পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে পানামার কাছে হস্তান্তর করা হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের সময়ে।
- ১৯৭৭ সালে তৎকালীন পানামার জাতীয়তাবাদী নেতা ওমর তোরিজোস এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার একটি চুক্তি সই করেন, এটা "তোরিজোস-কার্টার চুক্তি" নামে পরিচিত।
উল্লেখ্য,
- চুক্তি অনুযায়ী, পানামা খাল ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পানামার নিয়ন্ত্রণে আসে।
- পানামার কাছে হস্তান্তরের আগে খালটি দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে ছিল এবং
- তারা সেখানে "ক্যানাল জোন" নামে একটি বিশেষ অঞ্চল পরিচালনা করত।
- পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর বিষয়টি পানামার জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ছিল, যা এই চুক্তির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়।
- খালটি বর্তমানে পানামা খাল কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত হয়।
সূত্র: প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা।
• ম্যাকমোহন লাইন:
- ম্যাকমোহন লাইন হলো তিব্বত ও ভারতের উত্তরপূর্ব অঞ্চলের মাঝখান দিয়ে চলে যাওয়া একটি কূটনৈতিক সীমারেখা।
- ১৯১৪ সালের সিমলা সম্মেলনে তৎকালীন ব্রিটিশ উপনিবেশের অ্যাডমিনিস্ট্রেটর স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের তত্ত্বাবধানে তিব্বত ও ভারতের প্রতিনিধিদের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তার নামানুসারে ম্যাকমোহন লাইনের নামকরণ করা হয়।
- বর্তমানে এটি ভারত-চীন সীমান্তরেখা নামে বহুল পরিচিত।
- কারণ, চীন বরাবরই তিব্বতকে নিজেদের অংশ হিসেবে দাবি করে আর মূলত এ নিয়েই দেশটির সঙ্গে তাদের বিরোধের সূত্রপাত।
- পরবর্তী সময়ে ১৯৫০ সালে চীন তিব্বতকে পুরোপুরি দখল করে নেয় এবং তখন থেকে এখন পর্যন্ত দেশটি এ সীমান্তরেখাকে কখনো স্বীকৃতি দেয়নি।
- এ সংক্রান্ত বিরোধে চীন ও ভারত ১৯৬২ সালে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চীন ভারতের কিছু এলাকা দখল করে নেয়।
- পরবর্তীতে শান্তি চুক্তির মাধ্যমে তারা দখলকৃত অংশ ফিরিয়ে দেয়।
এছাড়া,
- ভারত-পাকিস্তানকে বিভক্ত করেছে লাইন অফ কন্ট্রোল।
- ভারত-বাংলাদেশকে বিভক্ত করেছে র্যাডক্লিফ লাইন।
- পাকিস্তান-আফগানিস্তানকে পৃথক করেছে ডুরাল্ড লাইন।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
সনোরা লাইন:
- সনোরা লাইন যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যেকার একটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত রেখা।
- এটি মেক্সিকোর সনোরা রাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা ও ক্যালিফোর্নিয়ার মধ্যে অবস্থিত।
অপরদিকে,
- লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেন,
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- সনোরা লাইন: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
• গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল:
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তিনটি (মায়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস) দেশের সীমান্তে অবস্থিত আফিম উৎপাদনকারী অঞ্চল।
- এদের অবস্থানগত আকৃতি ত্রিভুজের মত।
অন্যদিকে,
- গোল্ডেন ক্রিসেন্ট: আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান সীমান্তে অবস্থিত আফিম মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চল।
- গোল্ডেন ওয়েজ: বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল সীমান্ত যা মাদক পাচার ও চোরাচালানের জন্য বিখ্যাত ।
- গোল্ডেন ভিলেজ: বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ২৬ টি গ্রামকে গাঁজা উৎপাদনের জন্য 'গোল্ডেন ভিলেজ' বলা হয়।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
- ১৯৬১ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সশস্ত্র শাখা গঠন করেন।
- ১৯৬২ সালে বর্ণবাদী সরকার তাকে গ্রেফতার করে এবং ১৯৬৪ সালে অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়।
- প্রচন্ড প্রতিবাদের মুখে বর্ণবাদী সরকার ১৯৯০ সালে ম্যান্ডেলাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।
- দীর্ঘ ২৭ বছর কারাভোগের মধ্যে ১৮ বছর তিনি দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের রুবেন দ্বীপে অন্তরীণ ছিলেন।
- ১৯৯১ সালে ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৯৪ সালে আফ্রিকায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে জয় লাভ করেন এবং তিনি প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
উৎসঃ দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারি ওয়েবসাইট।
বেনজির ভুট্টো:
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো।
- বেনজির ভুট্টোর জন্ম ১৯৫৩ সালের ২১ জুন, করাচিতে।
- বেনজির ভুট্টো ছিলেন জুলফিকার আলি ভুট্টোর কন্যা।
- জুলফিকার আলি ভুট্টো ১৯৭১ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের নেতা ছিলেন।
- প্রতিপক্ষের এক নেতাকে খুনের অভিযোগে ১৯৭৯ সালে জুলফিকার আলী ভুট্টোর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে বেনজির ভুট্টো মাত্র ২৬ বছর বয়সে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৮৮ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বেনজির ভুট্টোর নেতৃত্বাধীন পিপিপি জয়ী হলে তিনি মাত্র ৩৫ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- তিনি ১৯৮৮-৯০ এবং ১৯৯৩-৯৬ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দুটি মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন।
- ২০০৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর এক আত্মঘাতী বোমা হামলায় বেনজির ভুট্টো নিহত হন।
অন্যদিকে -
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট ইসাবেলা পেরন।
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট মেঘবর্তী সুকর্নপুত্রী।
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী শ্রীমাভো বন্দরানায়েক।
উৎস: Britannica.
- গাজার ক্ষুধার্ত ও অবরুদ্ধ মানুষের জন্য ত্রাণ সরবরাহ করতে যাওয়া জাহাজ বহরগুলো ফ্রিডম ফ্লোটিলা (Freedom Flotilla) নামে পরিচিত।
• ফ্রিডম ফ্লোটিলা/ Freedom Flotilla :
- ফ্রিডম ফ্লোটিলা হলো Freedom Flotilla Coalition (FFC) নামক একটি আন্তর্জাতিক শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রধান অংশ।
- এটি মূলত ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি নৌ-অবরোধ ভেঙে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে পরিচালিত হয়।
- ২০০৮ সালে গঠিত ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনে রয়েছে, ফ্রিডম ফ্লোটিলা ফাউন্ডেশন, গ্লোবাল মুভমেন্ট টু গাজা, মাগরেব সুমুদ ফ্লোটিলা এবং সুমুদ নুসানতারা।
- এই নৌ বহরগুলোতে খাদ্য, ওষুধ, শিশু সামগ্রী, চিকিৎসা সরঞ্জামসহ মানবিক সাহায্য (humanitarian aid) থাকে। এর মাধ্যমে গাজার মানুষের দুর্ভোগ, অবরোধের অমানবিকতা, ফিলিস্তিনিদের অধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বাড়ানো হয়।
- ফ্রিডম ফ্লোটিলার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত অভিযানটি ছিল ২০১০ সালের গাজা ফ্রিডম ফ্লোটিলা। এতে ছয়টি জাহাজে শত শত কর্মী ও মানবিক সহায়তা নিয়ে গাজার দিকে যাত্রা করা হয়।
- ২০২৫ সালের আগস্টে এই জোট ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ নামে একটি বৃহৎ ত্রাণ মিশনের আয়োজন করে।
- এতে অংশ নেন সুইডিশ জলবায়ুকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়াত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার নাতি মান্ডলা ম্যান্ডেলা, এবং বিভিন্ন দেশের প্রায় ৫০০ জন আইনজীবী, সংসদ সদস্য, স্বেচ্ছাসেবী ও মানবাধিকারকর্মী।
- বহরটি ৩১ আগস্ট স্পেন থেকে যাত্রা শুরু করে। তবে গাজার জলসীমার কাছাকাছি পৌঁছতেই ইসরায়েলি নৌবাহিনী একটি ব্যতীত সব নৌযান আটক করে নিয়ে যায়। জাহাজের আরোহীদের জোরপূর্বক ইসরায়েলের বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়, যার প্রতিবাদে বিশ্বব্যাপী তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
তথ্যসূত্র:
i) Freedom Flotilla. (Link)
ii) Al Jazeera.
- কম্বোডিয়া দক্ষিণ চীন সাগর মালিকানা দাবিদার দেশ নয়।
• দক্ষিণ চীন সাগর:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র অঞ্চল।
- দক্ষিণ চীন সাগর দক্ষিণে মালাক্কা প্রণালী থেকে শুরু হয়ে উত্তরে চীনের হাইনান দ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- যেখানে প্রায় ২১% বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবহন করা হয়।
• সীমানা বিতর্ক:
- চীন "নাইন-ড্যাশ লাইন" নামে একটি মানচিত্র ব্যবহার করে,
- যার মাধ্যমে দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় ৯০% অঞ্চল নিজেদের বলে দাবি করে।
- তবে, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই ও তাইওয়ানও এই অঞ্চলের বিভিন্ন অংশের ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্ব দাবি করে।
- ২০১৬ সালে হেগের আন্তর্জাতিক আদালত চীনের এই দাবিকে অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করে, কিন্তু চীন তা মানেনি।
উৎস: Britannica এবং বিবিসি।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট:
- রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট রাশিয়ার রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রধান।
- রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের মেয়াদকাল ৬ বছর।
- রাষ্ট্রপতি ছয় বছরের মেয়াদে জনগণের ভোটের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচিত হন।
- রাশিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির ভ্লাদিমিরোভিচ পুতিন।
- ২০২৪ সালে রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইউনাইটেড রাশিয়া জয়লাভ করে।
উল্লেখ্য,
- মার্চ, ২০২৪-এ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন।
- ভ্লাদিমির পুতিনের রাজনৈতিক দলের নাম ইউনাইটেড রাশিয়া।
- প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ৫মবারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।
উৎস: i) Britannica.
ii) Reuters.
• পানামা খাল:
- পানামা খালটির নির্মাণ কাজ ১৯০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে শুরু হয়ে ১৯১৪ সালে শেষ হয়েছিল।
- ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত পানামা খালটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- ১৯৭৯ সালের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পানামা প্রজাতন্ত্রের যৌথ সংস্থা খালটির নিয়ন্ত্রণ করে।
- ১৯৯৯ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র পানামার কাছে খালটি পুরোপুরি হস্তান্তর করে।
- খালটি উত্তর আমেরিকার দেশ পানামাতে অবস্থিত।
- আটালান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল।
- উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে।
উৎস:- ব্রিটানিকা।
• ট্রাফালগার স্কয়ার:
- ট্রাফালগার স্কয়ার লন্ডনের সিটি অব ওয়েস্টমিনস্টারে অবস্থিত একটি বিখ্যাত চত্বর।
- এটি লর্ড নেলসনের ১৮০৫ সালের ট্রাফালগারের নৌযুদ্ধে বিজয়ের স্মরণে নামকরণ করা হয়েছে।
- এ চত্বরের প্রকৃত নাম ছিল 'কিং উইলিয়াম দ্য ফোর্থস্ স্কয়ার'।
- এটি লন্ডনের সবচেয়ে পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ স্কয়ারগুলোর মধ্যে একটি এবং সবসময়ই এটি একটি উন্মুক্ত জনসাধারণের স্থান ছিল।
- সাতটি প্রধান রাস্তা এই প্রশস্ত পাথর-বাঁধানো স্কয়ারকে ঘিরে গাড়ি চলাচলের প্রবাহ তৈরি করে।
- স্কয়ারটির কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আছে নেলসন কলাম, যা লর্ড নেলসনের স্মরণে নির্মিত একটি ১৮৫ ফুট (৫৬ মিটার) উঁচু স্তম্ভ, যার শীর্ষে আছে ই.এইচ. বেইলির নির্মিত ১৭ ফুট (৫ মিটার) উচ্চতার নেলসনের মূর্তি।
- স্তম্ভের ভিত্তির চার কোণায় স্থাপিত আছে চারটি ব্রোঞ্জের সিংহ, যেগুলো খ্যাতনামা ভাস্কর স্যার এডউইন ল্যান্ডসিয়ার নির্মাণ করেন এবং ব্যারন ম্যারোকেটি এগুলো ঢালাই করেন।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
• BIMSTEC:
- BIMSTEC = Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation.
- বিমসটেক হলো বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের একটি আঞ্চলিক জোট।
- যা দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাতটি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করে: বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, নেপাল এবং ভুটান।
- এটি মূলত বহুমুখী প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য গঠিত হয়েছে।
- বিমসটেকের সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ BIMSTEC-এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য।
- ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে ১৯৯৭ সালের ৬ জুন BIMSTEC প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই ঘোষণায় বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড স্বাক্ষর করে; ফলে বাংলাদেশ ১৯৯৭ সাল থেকেই BIMSTEC-এর সদস্যপদ অর্জন করে।
উল্লেখ্য,
- প্রাথমিকভাবে এটি BIST-EC নামে পরিচিত ছিল,
- পরে মিয়ানমার যোগদানের পর BIMSTEC-EC হয় এবং
- নেপাল ও ভুটান যোগদানের পর চূড়ান্ত নাম BIMSTEC গৃহীত হয়।
- সংস্থার মূল কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে :
• আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বাণিজ্য সহজীকরণ,
• প্রযুক্তি ও জ্ঞান বিনিময়,
• জলবায়ু ঝুঁকি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা,
• পরিবহন ও যোগাযোগ উন্নয়ন,
• শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন, এবং
• সন্ত্রাসবাদ দমন ও নিরাপত্তা সমন্বযঅ্যান
উৎস: BIMSTEC Official Website.
ক্ষমতা বণ্টনের নীতির ভিত্তিতে সরকারের শ্রেণিবিভাগ:
- কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টনের নীতির ভিত্তিতে সরকার দুই ধরনের হতে পারে। যথা- এককেন্দ্রিক সরকার ও যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার।
এককেন্দ্রিক সরকার:
- যে শাসনব্যবস্থায় সরকারের সকল ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে এবং কেন্দ্র থেকে দেশের শাসন পরিচালিত হয়, তাকে এককেন্দ্রিক সরকার বলে।
- এতে কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতার বণ্টন করা হয় না।
- রাষ্ট্রে বিভিন্ন প্রদেশ বা প্রশাসনিক অঞ্চল থাকতে পারে।
- তবে তারা কেন্দ্রের প্রতিনিধি বা সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশ, জাপান, যুক্তরাজ্য প্রভৃতি দেশে এককেন্দ্রিক সরকার প্রচলিত আছে।
অপরদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রীয় বলতে সেই ধরনের সরকারকে বোঝায়, যেখানে একাধিক অঞ্চল বা প্রদেশ মিলে একটি সরকার গঠন করে।
- এতে সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব ও ক্ষমতার কিছু অংশ প্রদেশ বা আঞ্চলিক সরকারের এবং জাতীয় বিষয়গুলো কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকে।
- ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা প্রভৃতি দেশে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার পদ্ধতি রয়েছে।
তথ্যসূত্র: একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনীর পৌরনীতি ও সুসাশন বই, ব্রিটানিকা।
সরকারের শ্রেণিবিভাগ-
- আইন ও শাসনবিভাগ দুটি বিভাগের মধ্যে সম্পর্ক বা জবাবদিহিতা নীতির ভিত্তিতে সরকারের দুটি রূপ রয়েছে।
- যথা- সংসদীয় সরকার ও রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার।
সংসদীয় সরকার:
- যে সরকার ব্যবস্থায় শাসনবিভাগের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা আইনবিভাগের উপর নির্ভরশীল, তাকে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার বা সংসদীয় পদ্ধতির সরকার বলে।
- এতে মন্ত্রিসভার হাতে দেশের শাসন ক্ষমতা থাকে।
- সাধারণ নির্বাচনে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী দল মন্ত্রিসভা গঠন করেন।
- বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইডেন, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি দেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার রয়েছে।
এছাড়াও,
- এ ধরনের সরকারে একজন নিয়মতান্ত্রিক রাষ্ট্রপ্রধান থাকেন।
- তবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা হয় প্রকৃত শাসন ক্ষমতার অধিকারী।
- সংসদীয় সরকারে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভা তাদের কাজের জন্য আইন পরিষদের নিকট দায়ী থাকে।
সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনী, ব্রিটানিকা।
- জাপান এশিয়ার একটি উন্নত দেশ।
- জাপানকে সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয়।
- জাপানের আইন সভার নাম ডায়েট।
- জাপানের রাষ্ট্রপ্রধান- সম্রাট।
- জাপানের সরকার প্রধান- প্রধানমন্ত্রী।
- জাপানের বর্তমান সম্রাট নারুহিতো। তিনি জাপানের ১২৬ তম সম্রাট।
উৎসঃ জাপানের সরকারি ওয়েবসাইট।
পিগমি উপজাতি:
- পৃথিবীর সবচেয়ে খর্বকায় উপজাতি - পিগমি।
- এদের অবস্থান - মধ্য আফ্রিকার কঙ্গো, রুয়ান্ড, বুরুন্ডি।
এছাড়াও -
- চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসকারী প্রধান মুসলিম সম্প্রদায়ের নাম - উইঘুর।
- দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান অধিবাসীদের বলা হয় - জুলু।
- নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের বলা হয় - মাউরি।
- যুক্তরাষ্ট্রের আদিবাসীদের বলা হয় - রেড ইন্ডিয়ান।
উৎস: ব্রিটানিকা।
জাতীয় সভা (National Assembly)
⇒ ১৭ জুন থেকে ৯ জুলাই, ১৭৮৯ সাল পর্যন্ত, এটি তৃতীয় এস্টেটের প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত বিপ্লবী পরিষদের নাম ছিল; এরপর ( ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৭৯১ তারিখে আইনসভা দ্বারা প্রতিস্থাপিত না হওয়া পর্যন্ত ) এর আনুষ্ঠানিক নাম ছিল জাতীয় গণপরিষদ (Assemblée Nationale Constituante), ।
-কক্ষ বিশিষ্ট ফ্রান্সের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের নাম সিনেট (Senate)
- নিম্নকক্ষের নাম জাতীয় সভা (National Assembly)।
- সিনেটের সদস্যরা জনগণের দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে।
- একটি নির্বাচিত সংস্থা (Electoral College) দ্বারা।
- বর্তমানে সিনেটের সদস্য সংখ্যা ৩২১ জন।
- প্রত্যেক সদস্যের কার্যকাল ৯ (নয়) বছর।
- প্রতি তিন বছর অন্তর সিনেটের এক-তৃতীয়াংশ সদস্য অবসর গ্রহণ করেন।
- সিনেটের একটি ব্যুরো আছে।
- বর্তমানে জাতীয় সভার সদস্যসংখ্যা ৫৭৭ জন।
- এরা সরাসরি নির্বাচিত হন।
- ফরাসী জাতীয় সভার কার্যকাল হল ৫ (পাঁচ) বছর।
- নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই রাষ্ট্রপতি জাতীয়সভাকে ভেঙ্গে দিতে পারেন।
- জাতীয় সভারও একটি ব্যুরো আছে।
অন্যদিকে,
- Congress : এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সংসদ বোঝায়, যা দুই কক্ষে বিভক্ত: House of Representatives এবং Senate।
- রাশিয়ার ফেডারেল অ্যাসেম্বলি (Federal Assembly) হলো দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ।
- উচ্চকক্ষ (Upper House): ফেডারেশন কাউন্সিল (Federation Council)
- নিম্নকক্ষ (Lower House): স্টেট ডুমা (State Duma)
উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান: বৈদেশিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
- ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে নতুন আঙ্গিকে ‘ডনরো মতবাদ’ বা ট্রাম্পের সংস্করণ হিসেবে সামনে আনা হয়েছে,
- যার মূল উদ্দেশ্য হলো লাতিন আমেরিকায় মাদক পাচার রোধ, অবৈধ অভিবাসন বন্ধ করা এবং দক্ষিণ আমেরিকার কৌশলগত সম্পদের ওপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা।
- ওয়াশিংটনের এ নতুন কঠোর নীতি—‘ডনরো নীতি’। এটি ১৮২৩ সালে প্রেসিডেন্ট জেমস মনরোর ঘোষিত মনরো নীতির আধুনিক রূপ,
⇒ প্রকৃতপক্ষে মনরো মতবাদ হলো যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতির অবস্থান, যা পশ্চিম গোলার্ধে ইউরোপীয় উপনিবেশবাদের বিরোধিতা করে।
- এই মতবাদের মূল কথা হলো বিদেশি শক্তি দ্বারা আমেরিকা মহাদেশের রাজনৈতিক বিষয়ে যেকোনো হস্তক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একটি সম্ভাব্য শত্রুতামূলক কাজ।
- এই মতবাদটি ২০ শতকে আমেরিকান গ্র্যান্ড কৌশলের কেন্দ্রবিন্দু ছিল।
- এই মতবাদ ‘পলিসি অব আইসোলেশন’ নামেও পরিচিত ছিল।
উৎস: বিবিসি এবং বণিক বার্তা।
সানসাইন পলিসি:
- সানসাইন পলিসি- এর সাথে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া দুটি দেশ জড়িত৷
- দুই কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া এক নীতি গ্রহন করে যা 'সানসাইন পলিসি' (Sunshine Policy) নামে পরিচিত।
- এই পলিসির আওতায় দুই কোরীয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হয়।
- সানশাইন পলিসির প্রবক্তা দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং।
- এই পলিসির মেয়াদ ছিলো ১৯৯৮-২০০৮ সাল পর্যন্ত।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
• COMECON:
- COMECON এর পূর্ণরূপ Council for Mutual Economic Assistance.
- কমিকন (COMECON) প্রতিষ্ঠিত হয় জানুয়ারি ১৯৪৯ সালে।
- এটি ছিল সোভিয়েত ব্লকের অন্তর্ভুক্ত পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলোর একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমন্বয় সাধন।
- প্রতিষ্ঠাকালীন মূল সদস্য দেশ ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন, বুলগেরিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া।
- পরবর্তীতে আলবেনিয়া, পূর্ব জার্মানি, মঙ্গোলিয়ান গণপ্রজাতন্ত্র, যুগোস্লাভিয়া, কিউবা ও ভিয়েতনাম এতে যোগ দেয়।
- প্রাথমিকভাবে কমিকন সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও ঋণ চুক্তি নিবন্ধনের ওপর গুরুত্ব দেয়।
- ১৯৮৯–৯০ সালে পূর্ব ইউরোপে কমিউনিস্ট সরকারগুলোর পতন ঘটে।
- এর ফলে কমিকনের উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা হ্রাস পায়।
- পরিণামে সংস্থার নাম পরিবর্তন হয় এবং শেষ পর্যন্ত কমিকন ভেঙে যায়।
উৎস: ব্রিটানিকা
- ডমিনো তত্ত্ব দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে গৃহীত একটি গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব।
- এ তত্ত্ব অনুযায়ী, একটি অ-সাম্যবাদী রাষ্ট্র কমিউনিজমের কাছে “পতিত” হলে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর অ-সাম্যবাদী সরকারও পর্যায়ক্রমে পতিত হবে।
- তত্ত্বটি প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান-এর নীতিগত প্রস্তাবনার সাথে যুক্ত হয়ে গুরুত্ব পায়।
- - ১৯৪০-এর দশকে গ্রিস ও তুরস্কে সামরিক সহায়তা পাঠানোর যৌক্তিকতা প্রমাণে ট্রুম্যান প্রশাসন এ ধারণা ব্যবহার করে।
- ১৯৫০-এর দশকে প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার-এর আমলে তত্ত্বটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- আইজেনহাওয়ার এটি বিশেষভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়, বিশেষ করে দক্ষিণ ভিয়েতনামে প্রয়োগ করেন।
- ১৯৬০-এর দশকে কেনেডি ও লিন্ডন বি. জনসন প্রশাসন আমেরিকার ক্রমবর্ধমান সামরিক সম্পৃক্ততার যৌক্তিকতা দেখাতে ডমিনো তত্ত্ব ব্যবহার করে।
- বিশেষত ভিয়েতনাম যুদ্ধ-এ মার্কিন হস্তক্ষেপের পক্ষে এটি ছিল অন্যতম প্রধান নীতিগত যুক্তি।
উৎস: ব্রিটানিকা।
- ২০১৩ সালে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) চালু করেন।
- এই প্রকল্পে ইউরেশিয়া, আফ্রিকা এবং ল্যাটিন আমেরিকা জুড়ে
- বাণিজ্য, যোগাযোগ এবং সংযোগ উন্নত করার জন্য অবকাঠামো প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- চীন বিআরআই অর্থনৈতিক সংযোগ এবং সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে।
- পশ্চিমা বিশ্বের অনেকেই এটিকে চীনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের কৌশল হিসেবে দেখেন।
উৎস: Britannica.com.
ম্যাকমোহন লাইন:
- ম্যাকমোহন লাইন হলো তিব্বত ও ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের মাঝখান দিয়ে চলে যাওয়া একটি কূটনৈতিক সীমারেখা।
- ১৯১৪ সালের সিমলা সম্মেলনে তৎকালীন ব্রিটিশ উপনিবেশের অ্যাডমিনিস্ট্রেটর স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের তত্ত্বাবধানে তিব্বত ও ভারতের প্রতিনিধিদের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তার নামানুসারে ম্যাকমোহন লাইনের নামকরণ করা হয়।
- বর্তমানে এটি ভারত-চীন সীমান্তরেখা নামে বহুল পরিচিত।
- কারণ, চীন বরাবরই তিব্বতকে নিজেদের অংশ হিসেবে দাবি করে আর মূলত এ নিয়েই দেশটির সঙ্গে তাদের বিরোধের সূত্রপাত।
- পরবর্তী সময়ে ১৯৫০ সালে চীন তিব্বতকে পুরোপুরি দখল করে নেয় এবং তখন থেকে এখন পর্যন্ত দেশটি এ সীমান্তরেখাকে কখনো স্বীকৃতি দেয়নি।
- এ সংক্রান্ত বিরোধে চীন ও ভারত ১৯৬২ সালে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চীন ভারতের কিছু এলাকা দখল করে নেয়।
- পরবর্তীতে শান্তি চুক্তির মাধ্যমে তারা দখলকৃত অংশ ফিরিয়ে দেয়।
এছাড়া,
ভারত-পাকিস্তানকে বিভক্ত করেছে লাইন অব কন্ট্রোল।
ভারত-বাংলাদেশকে বিভক্ত করেছে র্যাডক্লিফ লাইন।
পাকিস্তান-আফগানিস্তানকে পৃথক করেছে ডুরাল্ড লাইন।
উৎস: ব্রিটানিকা।