বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস (সভ্যতা, প্রাচীন ও মধ্যযুগ ইত্যাদি)

মোট প্রশ্ন১,১৮৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস (সভ্যতা, প্রাচীন ও মধ্যযুগ ইত্যাদি)

PrepBank · পাতা / ১২ · ৮০১৯০০ / ১,১৮৫

৮০১.
ব্রিটিশ কৃষি বিপ্লব কখন সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ঊনবিংশ শতাব্দীতে
  2. অষ্টাদশ শতাব্দীতে
  3. ষোড়শ শতাব্দীতে
  4. চতুর্দশ শতাব্দীতে
সঠিক উত্তর:
অষ্টাদশ শতাব্দীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টাদশ শতাব্দীতে
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ কৃষি বিপ্লব:
- কৃষি বিপ্লব ছিল শিল্প বিপ্লবের পূর্ব শর্ত।
- এ বিপ্লবের ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং শ্রমিক হিসেবে কারখানায় নিয়োগের জন্য জনশক্তির অভাব হয় নি।

⇒ অষ্টাদশ শতাব্দীতে ব্রিটেনে এই বিপ্লব হয়েছিল।
- ব্রিটেনেও কৃষি বিপ্লবের চারটি বৈশিষ্ট্য ছিল।
- প্রথমত, তা বৃহদায়তন এবং সুসংহত কৃষি ব্যবস্থার জন্ম দিয়েছিল।
- দ্বিতীয়ত, কৃষি বিপ্লবের ফলে চালু হয়েছিল সাধারণের ব্যবহারযোগ্য অথচ উর্বর চারণভূমিতে কৃষির প্রসার এবং সুনিবিড় পশুপালন।
- তৃতীয়ত, গ্রামীণ সমাজে এক বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটিয়েছিল কৃষিবিপ্লব। স্বনির্ভর কৃষকরা সাধারণভাবে রূপান্তরিত হয়েছিলেন কৃষি শ্রমিকে। তাঁদের জীবনযাত্রার মান নির্ভর করতে শুরু করল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের উপর। শুধু আবহাওয়াকে কেন্দ্র করে তাঁদের ভাগ্যের চাকা আবর্তিত হওয়ার দিনের অবসান ঘটাল কৃষিবিপ্লব।
- চতুর্থত, এই বিপ্লবের ফলে কৃষি উৎপাদনশীলতা বেড়েছিল উল্লেখযোগ্য হারে।

উৎস: Britannica.
৮০২.
হিন্দু উগ্রপন্থীদের দ্বারা ভারতের 'বাবরি মসজিদ' ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯৩
  2. খ) ১৯৯২
  3. গ) ১৯৯৭
  4. ঘ) ১৯৯৬
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯২
ব্যাখ্যা
১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর হিন্দু উগ্রপন্থীদের দ্বারা বাবরি মসজিদ ধ্বংস প্রাপ্ত হয়।
• বাবরি মসজিদ ভারতের উত্তর প্রদেশের ফৈজাবাদ জেলার অযোধ্যায় অবস্থিত মুঘল আমলের একটি স্থাপত্য।
• এটি মুঘল সম্রাট বাবরের সেনাপতি মীর বাকী ১৫২৮ সালে নির্মাণ করেন।
• বিতর্কিত এই স্থান নিয়ে ‘রাম জন্মভূমি ট্রাস্ট’ ও ‘সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড’ দ্বারস্থ হয় সুপ্রিম কোর্টের।
• অবশেষে গত ৯ নভেম্বর ২০১৯ বিতর্কিত এই জায়গায় রাম মন্দির তৈরির পক্ষে চূড়ান্ত রায় দেয় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।
• সেই সাথে মসজিদ তৈরি করার জন্য মুসলিম পক্ষকে অযোধ্যার মধ্যেই পাঁচ একর জমি দেয়ার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।
• অতঃপর ১০ জুন, ২০২০ শুরু হয় বিতর্কিত রাম মন্দির নির্মাণ।

তথ্যসূত্র: ডয়েচভেলে।
৮০৩.
কোন সভ্যতার লোকজন গোলন্দাজ বাহিনী গঠন করে?
  1. মিশরীয়রা
  2. আসিরীয়রা
  3. ক্যলডীয়রা
  4. গ্রীকরা
সঠিক উত্তর:
আসিরীয়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসিরীয়রা
ব্যাখ্যা
আসিরীয় সভ্যতা:
-  টাইগ্রিস নদীর তীরে আশুর নামে একটি শহর  আসিরীয় সভ্যতা গড়ে উঠে।
-আসিরীয় সভ্যতার আদিবাসীরা আসিরীয় নামে পরিচিত।
- তারা প্র্রথম যুদ্ধরথের প্রচলন কর।
- প্রথম গোলন্দাজ বাহিনী গঠন করে- আসিরীয়রা।
- তারা বৃত্তকে ৩৬০ ডিগ্রি কোনে ভাগ করে ।
- পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করে আসিরীয়রা।
- ইতিহসে আসিরীয়দের পরিচয়- সামরিক রাষ্ট্র হিসেবে।
- আসিরীয় সভ্যতা ধ্বংস হয়- ৬১২ অব্দ।

উৎস:
১.britannica.
২. ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০৪.
মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র 'I Have a dream' বিখ্যাত এই ভাষণটি প্রদান করেন কত সালে?
  1. ক) ১৯৬৩
  2. খ) ১৯৬৪
  3. গ) ১৯৬৭
  4. ঘ) ১৯৬৮
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৬৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৬৩
ব্যাখ্যা
• মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সমাজকর্মী ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা। তিনি আজীবন বর্ণবাদ ও আমেরিকার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন।
১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসির লিঙ্কন মেমোরিয়ালের সম্মুখে তিনি তার বিখ্যাত ''আই হ্যাভ এ ড্রিম'' ভাষণটি প্রদান করেন।
• ১৯৬৪ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
• ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেম্ফিস শহরে আততায়ীর গুলিতে তিনি মারা যান।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
৮০৫.
‘বার বিধি’ (The Twelve Tables) কী?
  1. রোমান আইনের ভিত্তি
  2. গ্রিক আইনের ভিত্তি
  3. স্থাপত্যের ১২টি নিদর্শন
  4. মিশরীয় বারো জন ফারাও
সঠিক উত্তর:
রোমান আইনের ভিত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোমান আইনের ভিত্তি
ব্যাখ্যা
রোমান সভ্যতা:
- ইতালিতে টাইবার নদীর তীরে একটি বিশাল সম্রাজ্য ও সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- রােমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা রােমান সভ্যতা নামে পরিচিত।
- রােমান সভ্যতা প্রায় ছয়শ’ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- ৭৫৩ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে রোম নগরী প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ৪৭৬ খ্রিষ্টাব্দে জার্মান বর্বর জাতিগুলোর হাতে রোমান সম্রাজ্যের চূড়ান্ত পতন হয়।

⇒ খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০ অব্দে সর্বপ্রথম লিখিত রোমান আইন প্রচলিত হয়।
- ইতিহাসের পাতায় 'Twelve Tables বা বারো বিধি' নামে পরিচিত সেই আইনের মাধ্যমে রোমে এক নতুন যুগের সূচনা হয়।
- প্রায় বারটি ধাপে রোমের সকল নাগরিকের অধিকারের নিশ্চয়তা নিয়ে প্রণীত সেই বারো টেবিল আইনটি আজও ইতিহাসবিদগণের নিকট এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিগণিত হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮০৬.
ব্যাবিলনীয়দের প্রধান দেবতা কে ছিল?
  1. জুপিটর
  2. ইশতার
  3. মারডুক
  4. জেহোবা
সঠিক উত্তর:
মারডুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারডুক
ব্যাখ্যা
ব্যাবিলনীয়ন সভ্যতা:
- সিরিয়ার আমোরীয় জাতি ব্যাবিলনীয়ন সভ্যতা গড়ে তোলে।
- খ্রিষ্টপূর্ব-২০৫০ অব্দে ব্যাবিলনীয়ন সভ্যতা গড়ে উঠে।
- ব্যাবিলনীয়ন সভ্যতার স্থপতি- হাম্বুরাবি।
- ব্যাবিলনীয়নের প্রধান দেবতা- মারডুক।
- প্রথম পঞ্জিকার প্রচলন শুরু করে- ব্যাবিলনীরা।
- ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান অবস্থিত- ইরাকে।
- ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যানের নির্মাতা- রাজা নেবুচাদ।
- ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান- পৃথিবীর সপ্তাশ্চার্যের একটি।
- ব্যাবিলনীয়দের সবচেয়ে বড় অবদান- আইন প্রণয়নে।

উৎস: britannica. ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০৭.
বিশ্বের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় কোনটি?
  1. নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. আল-আযাহার বিশ্ববিদ্যালয়
  3. অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
  4. হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়: 
- নালান্দা বিশ্ববিদ্যালয়কে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন ও পুর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে গণ্য করা
হয়।
- এটি পাল আমলে নির্মিত।
- বাঙালি বৌদ্ধ পণ্ডিত শীলভদ্র ৬৩৫ সালে নালন্দা মহাবিহারের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।

অন্যদিকে,
- কারুইন বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের চালু থাকা প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়।
- এটি মরক্কোর ফেজ শহরে অবস্থিত।
এর প্রতিষ্ঠাকাল ৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে।

[ প্রশ্নে বিশ্বের প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়' বললে 'নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়' উত্তর হবে এবং 'বর্তমানে চালু থাকা বিশ্বের প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়' বললে 'কারুইন বিশ্ববিদ্যালয়' উত্তর হবে।]

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং Guinness World Records.

৮০৮.
ব্যাবিলনীয় সভ্যতার পত্তন হয় কবে-
  1. খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে
  2. খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ অব্দে
  3. খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ অব্দে
  4. ৭৫০ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে
ব্যাখ্যা
ব্যাবিলনীয় সভ্যতার অবস্থান ও সময়কাল
- সিরিয়ার মরুভূমি অঞ্চলে আমোরাইট নামক এক জাতি বসবাস করত। এরা এক সময় মেসোপটেমিয়ায় এসে নগর সভ্যতা গড়ে তোলে।
- এদের এই সভ্যতাকে বলে ব্যাবিলনীয় সভ্যতা।
- এ সভ্যতার পত্তন হয় খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে।
- আমোরাইট নেতা হাম্মুরাবী ছিলেন ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা।
- ব্যাবিলনীয় সমাজের মানুষ তিন শ্রেণীতে বিভক্ত ছিল:
উচ্চ শ্রেণী: উচ্চ শ্রেণীতে অবস্থান করত রাজা, পণ্ডিত, পুরোহিত ও সৈন্য। এদের নিজস্ব জমি ছিল।
মধ্য শ্রেণী: শিল্পী ও স্বাধীন ব্যবসায়ীদের মনে করা হতো মধ্যশ্রেণীর লোক।
নিম্ন শ্রেণী: নিম্ন শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ছিল কৃষক, সাধারণ শ্রমিক ও দাস। সাধারণত যুদ্ধবন্দিদের দাস করা হতো।
- গ্রিস, রোম, এশিয়া মাইনর, পারস্য, সিন্ধুদেশসহ প্রতিবেশী অঞ্চলগুলোর সাথে ব্যাবিলনীয়দের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল।
- পার্বত্য অঞ্চলের মানুষেরা ব্যাবিলনীয়দের কাছ থেকে শিল্পজাত দ্রব্য কিনত।
- ব্যাবিলনীয়রা আমদানি করত স্বর্ণ, রৌপ্য, তামা, কাঠ ও খনিজ লবণ।
- তারা ভারতবর্ষ থেকে হাতির দাঁত ও মরুভূমি অঞ্চল থেকে উট সংগ্রহ করত। ব্যাবিলনীয়রা ঘোড়ার ব্যবহার জানত।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি প্রোগ্রামের ইতিহাস প্রথম পত্র।
৮০৯.
পৃথিবীতে প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করেন কারা?
  1. গ্রিকরা
  2. রোমানরা
  3. মিশরীয়রা 
  4. অ্যাসেরীয়রা
সঠিক উত্তর:
মিশরীয়রা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশরীয়রা 
ব্যাখ্যা

• মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতা ছিল কৃষিনির্ভর।
- নীল নদের প্লাবন, নাব্য, পানিপ্রবাহের মাপ জোয়ার-ভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- তারা অঙ্কশাস্ত্রের দুইটি শাখা জ্যামিতি এবং পাটিগণিতেরও প্রচলন করে।
- মিশরীয় সভ্যতার মানুষ যোগ, বিয়োগ ও ভাগের ব্যবহার জানত।
- ৪২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ তারা প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে।
- ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারকও তারা।
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্যঘড়ি, ছায়াঘড়ি, পানিঘড়ি, আবিষ্কার করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৮১০.
নিচের কোন সভ্যতাকে উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতা হিসেবে ধরা হয়?
  1. মেসোপটেমীয় সভ্যতা
  2. চৈনিক সভ্যতা
  3. সিন্ধু সভ্যতা
  4. গাঙ্গেয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
সিন্ধু সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিন্ধু সভ্যতা
ব্যাখ্যা
সিন্ধু সভ্যতা:
- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
- সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে।
- বিশ শতকের প্রথম দিকে বাঙালি প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায় মহেঞ্জোদারোতে এবং দয়ারাম সাহানীর চেষ্টায় পাঞ্জাবের পশ্চিম দিকে মন্টোগোমারী জেলার হরপ্পায় এই সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।
- জন মার্শালের নেতৃত্বে পুরাতত্ত্ব বিভাগ অনুসন্ধান চালিয়ে আরো বহু নিদর্শন আবিষ্কার করে।
- মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পা উভয় অঞ্চল একই সভ্যতার অন্তর্গত।
- সিন্ধু সভ্যতা উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতা।

ভৌগোলিক অবস্থান:
- উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা হলেও এর বিস্তৃতি ছিল বিশাল এলাকা জুড়ে।
- মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পাতে এই সভ্যতার নিদর্শন সবচেয়ে বেশি আবিষ্কৃত হয়েছে।
- তা সত্ত্বেও এই সভ্যতা শুধু সিন্ধু নদীর অববাহিকা বা ঐ দুটি শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলনা।
- পাকিস্তানের পাঞ্জাব, সিন্ধু প্রদেশ, ভারতের পাঞ্জাব, রাজস্থান, গুজরাটের বিভিন্ন অংশে এই সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে।
- ঐতিহাসিকরা মনে করেন যে পাঞ্জাব থেকে আরব সাগর পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে সিন্ধু সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১১.
‘টিউলিপ বিপ্লব’ সংঘটিত হয় কোন দেশে?
  1. ক) জর্জিয়া
  2. খ) কিরগিজস্তান
  3. গ) ইউক্রেন
  4. ঘ) তিউনিশিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) কিরগিজস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কিরগিজস্তান
ব্যাখ্যা

কিরগিজস্তানে ২০০৫ সালে টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
অন্যদিকে,
২০০৩ সালে জর্জিয়ায় রোজ বিপ্লব,
২০০৪ সালে ইউক্রেনে অরেঞ্জ বা কমলা বিপ্লব এবং
২০১০ সালে তিউনিশিয়ায় আরব বসন্তের সূচনা হয়।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।

৮১২.
সুমেরীয়দের সূর্য দেবতার নাম কী ছিল?
  1. ক) শামাস
  2. খ) নাগাল
  3. গ) এনকি
  4. ঘ) নারগাল
সঠিক উত্তর:
ক) শামাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শামাস
ব্যাখ্যা
সুমেরীয় ধর্ম
- অন্যান্য প্রাচীন সভ্যতার ন্যায় সুমেরীয়রা অনেক দেব দেবীতে বিশ্বাসী ছিল। 
- তাদের এক একটি দেবতা এক একটি নামে পরিচিত ছিল। 
যেমন- 
‘শামাশ’ (সূর্য দেবতা)
• ‘এনলিল' (বৃষ্টি, বন্যা ও বায়ুর দেবতা), 
• ‘এনকি’ (পানির দেবতা), 
• ‘নারগাল' (প্লেগ রোগের বিশেষ দেবতা) এবং 
• ‘ইস্টারা’ (নারী জাতির দেবতা) নামে পরিচিত ছিলেন। 

- তবে তাদের প্রধান দেবতা ছিল 'নাগাল'। 
- সুমেরীয় সভ্যতায় মিসরীয় সভ্যতার অনেক প্রভাব থাকলেও পরকালের ধারণা বা পুনরুজ্জীবন (স্বর্গ-নরক) ধারণা জন্ম লাভ করেনি মিসরীয়দের মধ্যে। 
- সম্ভবতঃ এই কারণে সুমেরীয় অঞ্চলে মৃতদেহকে কেন্দ্র করে কোন প্রকার অট্টালিকা, সমাধি বা মমির প্রবণতা দেখা যায় না। 
- তাই তারা মৃতদেহকে কবর দিতো। 

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮১৩.
কোন সভ্যতার ধ্বংসস্তুপের ওপর গড়ে ওঠে ব্যাবিলনীয় সভ্যতা?
  1. ক) ক্যালডীয় সভ্যতা
  2. খ) অ্যাসিরীয় সভ্যতা
  3. গ) মিসরীয় সভ্যতা
  4. ঘ) সুমেরীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুমেরীয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুমেরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
- মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে গড়ে ওঠা সভ্যতা- ব্যাবিলনীয় সভ্যতার জনক ছিলো সেমিটিক জাতি।
- এ ব্যাবিলনীয় সভ্যতা গড়ে তোলে এ্যামোরাইট নামক সেমিটিক জাতি।
- প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে সেমিটিক জাতির অবদান সর্বাধিক। প্রকৃত পক্ষে সুমেরীয় রাজা ডুঙির মৃত্যুর পর পরই সুমেরীয় সভ্যতার পতন ঘটে।
- সুমেরীয় সভ্যতার ধ্বংসস্তুপের ওপর গড়ে ওঠে ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্য বা সভ্যতা।
- অ্যামোরাইটরা আরব মরুভূমির উত্তরাঞ্চল থেকে মেসোপটেমিয়ায় এসে ১৮০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ব্যাবিলনে সভ্যতা গড়ে তোলে।
- এই সভ্যতাকে প্রাচীন ব্যাবিলনীয় সভ্যতা বলা হয়। 
 
 উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১৪.
ভারতের বর্তমান (১৫তম) রাষ্ট্রপতির নাম কী?
  1. ক) নরেন্দ্র মোদী
  2. খ) দৌপদী মুর্মু
  3. গ) মমতা বদোপাধ্যায়
  4. ঘ) অমিত শাহ
সঠিক উত্তর:
খ) দৌপদী মুর্মু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দৌপদী মুর্মু
ব্যাখ্যা
ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রপতির নাম দৌপদী মুর্মু। 

তিনি ভারতের ১৫তম রাষ্ট্রপতি। 
প্রথম সাওতাল উপজাতি রাষ্ট্রপতি। 

অন্যদিকে- 
নরেন্দ্র মোদী ভারতের ১৫তম প্রধানমন্ত্রী। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো। 
৮১৫.
ইতালিতে রেনেসাঁর বিস্তার সবচেয়ে আগে ঘটেছিল কোন শহরে?
  1. রোম
  2. ভেনিস
  3. মিলান
  4. ফ্লোরেন্স
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরেন্স
ব্যাখ্যা
ইতালিতে রেনেসাঁর বিস্তার সবচেয়ে আগে ঘটেছিল ফ্লোরেন্স শহরে।

রেনেসাঁ:
- ইংরেজি 'রেনেসাঁ' Renaissance) শব্দের অর্থ নবজাগরণ বা পুনর্জন্ম।
- ধর্মভাবনা নিয়ন্ত্রিত ও সামন্ততান্ত্রিক মধ্যযুগীয় দীর্ঘ বদ্ধ দশা থেকে মুক্ত হয়ে নতুনভাবে জীবনের সবকিছুকে জানার জন্য মানব মনের যে আগ্রহ তারই পরিণতি স্বরূপ যে নবজীবনবাদের সূচনা, তাকেই সাধারণভাবে রেনেসাঁ বা নবজাগরণ নামে আখ্যায়িত করা হয়।

⇒ চতুর্দশ শতাব্দীতে ইউরোপীয় রেনেসাঁ শুরু হয়।
- ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে রেনেসাঁস এর গোড়াপত্তন ঘটে।
- ফ্লোরেন্স ছিল ইতালির একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর এবং ১৪শ ও ১৫শ শতাব্দীতে এটি শিল্প, সাহিত্য, বিজ্ঞান এবং সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। এটি ছিল রেনেসাঁ আন্দোলনের সূচনা এবং বিকাশের জন্য একটি প্রধান স্থান।
- পরবর্তী সময়ে জার্মানিতে রিফরমেশন, ফ্রান্সে ফরাসি বিপ্লব, ইংল্যান্ডে শিল্পবিপ্লব এবং সোভিয়েত ইউনিয়নে রুশ বিপ্লব ও চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব ঘটে।
- তবে ইতালিতেকেই রেনেসাঁসের প্রথম পর্ব হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।

উৎস: i) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
৮১৬.
Who first divided the world into latitude and longitude?
  1. ক) the Babylonians
  2. খ) the Assyrians
  3. গ) the Chaldeans
  4. ঘ) the Sumerians
সঠিক উত্তর:
খ) the Assyrians
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) the Assyrians
ব্যাখ্যা
সর্বপ্রথম পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেন - অ্যাশেরীয়রা।

• অ্যাশেরীয় সভ্যতা:

-অ্যাশেরীয় সভ্যতার অবদান:
- বিজ্ঞান ও জ্যোতিশাস্ত্রে অ্যাশেরীয়রা অতুলনীয় অবদান রাখেন যা বর্তমান সময়েও কাজে লাগে৷
- অ্যাশেরীয়রা বৃত্তকে ৩৬০ ডিগ্রী কোণে ভাগ করে।
-  তারা সর্বপ্রথম পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেন।
- জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসারের জন্য তারা মেসোপটেমিয়ায় সর্বপ্রথম লাইব্রেরি স্থাপন করেন যা বর্তমানে ইরাকের ‘নিনেভাহ' -তে অবস্থিত। - এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম লাইব্রেরী হিসাবে পরিচিত যা মিশরের আলেক্সান্দ্রিয়া লাইব্রেরী থেকেও কয়েকশ বছরের পুরনো।
- ৬২৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ব্যবিলন হাতছাড়া হওয়ার মাধ্যমে ক্যালেডীয়দের কাছে অ্যাশেরীয় সাম্রাজ্যের পতন শুরু হয় এবং ৬১৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে নেবুচাঁদনেজারের হাতে পূর্ণাঙ্গরূপে পতন ঘটে।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৮১৭.
'কুজকো' কোন সভ্যতার রাজধানী ছিল?
  1. মায়া সভ্যতা
  2. গ্রিক সভ্যতা
  3. ইনকা সভ্যতা
  4. ইজিয়ান সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
ইনকা সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনকা সভ্যতা
ব্যাখ্যা
ইনকা সভ্যতা:
- ইনকা সভ্যতা দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিলো ইনকা সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় মাচু পিচুতে।
- সভ্যতার উত্থান-পতনকাল হচ্ছে ১৪০০-১৫৭২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
- ইনকা সভ্যতার স্থপতি মানকো কাপেন।
- ইনকা সভ্যতার রাজধানী ছিল কুজকো।

উৎস: Britannica.com
৮১৮.
কোন সভ্যতায় সর্বপ্রথম ঔষুধের তালিকা প্রণয়নে সক্ষম হয়?
  1. গ্রিক সভ্যতা
  2. রোমান সভ্যতা
  3. চীন সভ্যতা
  4. মিশরীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
মিশরীয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- কৃষিনির্ভর ছিল মিশরীয় সভ্যতা।
- সে কারণে নীল নদের প্লাবন, নাব্যতা, পানি প্রবাহের মাপ জোয়ারভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- এসবের সঙ্গে জ্যোতিষশাস্ত্র ও অংক শাস্ত্রের ছিল গভীর যোগাযোগ।
- ফলে এ দুটি বিদ্যা তারা আয়ত্ত করেছিল প্রয়োজনের তাগিদে।
- তারা অংক শাস্ত্রের দুটি শাখা- জ্যামিতি এবং পাটিগণিতের প্রচলন করে।
- চিকিৎসা শাস্ত্রে মিশরীয়রাই সর্বপ্রথম ‘মেটেরিয়া মেডিকা' বা ঔষুধের তালিকা প্রণয়নে সক্ষম হয়।
- মিশরীয় সভ্যতার মানুষ যোগ, বিয়োগ ও ভাগের ব্যবহার জানত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৪২০০ অব্দে তারা পৃথিবীতে প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে।
- ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারকও তারা।
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্য ঘড়ি, ছায়াঘড়ি, জলঘড়ি আবিষ্কার করে।
- ধর্মের কারণে মিশরীয়রা বিজ্ঞানচর্চায় আগ্রহী ছিল ।
- চিকিৎসাশাস্ত্রেও প্রাচীন মিশরীয়রা বিশেষ অগ্রগতি লাভ করেছিল।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১৯.
রোমের অর্থনীতি কীসের ওপর নির্ভরশীল ছিল?
  1. দাস
  2. কৃষি
  3. নদী
  4. শিল্প
সঠিক উত্তর:
দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাস
ব্যাখ্যা
রোমান সাম্রাজ্য: 
- রোমে প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলেও ক্রমে দেশটি সাম্রাজ্যবাদী শক্তিরূপে আত্মপ্রকাশ করতে থাকে।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে রোম সমগ্র ইতালির ওপর প্রভাব বিস্তারে তৎপর হয়।
- ১৪৬ থেকে ৪৬ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত রোমান সভ্যতার অন্ধকার যুগ।
- ধনী-দরিদ্র সংঘাত, দাস বিদ্রোহ, ক্ষমতার দ্বন্দ্বের কারণে চরম বিশৃঙ্খলা, হানাহানি ও সহিংসতায় উন্মত্ত হয়ে ওঠে রোম।
- রোমের অর্থনীতি ছিল দাসদের ওপর নির্ভরশীল।
- শাসকদের অমানুষিক নির্বাতনে দাসরা স্পার্টাকাসের নেতৃত্বে বিদ্রোহ ঘোষণা করে।
- দুই বছরব্যাপী তারা তাদের বিদ্রোহ টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়।
- ৭১ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে স্পার্টাকাস নিহত হলে বিদ্রোহের অবসান হয়।
- চরম নির্যাতন নেমে আসে দাসদের ওপর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৮২০.
প্রাচীন গ্রিসে একক সাম্রাজ্যের পরিবর্তে কি গড়ে উঠেছিল?
  1. প্রজাতন্ত্র
  2. দ্বীপ রাষ্ট্র
  3. গণরাজ্য
  4. নগর রাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
নগর রাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নগর রাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

গ্রীক সভ্যতা (Greek Civilization):
- গ্রিসের প্রধান সভ্যতাটি মূলত এজিয়ান সাগরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল বলে একে 'এজিয়ান সভ্যতা'ও বলা হয়।
- এর দুটি প্রধান ধারা ছিল মিনোয়ান (ক্রিট দ্বীপ) এবং মাইসিনীয় (মূল ভূখণ্ড)।
• হোমারের মহাকাব্য: বিখ্যাত  কবি হোমারের 'ইলিয়াড' ও 'ওডিসি' মহাকাব্য দুটিতে এই প্রাচীন গ্রীক বীরত্ব, ট্রোজান যুদ্ধ এবং সভ্যতার কাহিনী বর্ণিত আছে।
• নগর রাষ্ট্র (City States): গ্রিস অসংখ্য পাহাড় ও উপত্যকায় বিভক্ত থাকায় সেখানে কোনো একক সাম্রাজ্যের পরিবর্তে ছোট ছোট 'নগর রাষ্ট্র' বা 'পলিস' গড়ে উঠেছিল।
- এথেন্স ও স্পার্টা ছিল এদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রতিদ্বন্দ্বী।

• এথেন্সকে বিশ্বের 'গণতন্ত্রের সূতিকাগার' বলা হয়।
- এথেন্সের বিপরীতে স্পার্টা ছিল একটি কঠোর সামরিক রাষ্ট্র। তাদের শিক্ষা ও জীবনযাত্রার মূল লক্ষ্যই ছিল দক্ষ সৈনিক তৈরি করা।
- গ্রীকরা স্থাপত্যে অসামান্য দক্ষতা দেখিয়েছিল। এথেন্সের অ্যাক্রোপলিসে অবস্থিত 'পার্থেনন' মন্দিরটি তাদের স্থাপত্যকলার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।

এছাড়াও,
• গ্রীকরা আধুনিক দর্শনের ভিত্তি স্থাপন করে। সক্রেটিস, প্লেটো এবং অ্যারিস্টটলের দর্শন আজও বিশ্বজুড়ে পঠিত। এছাড়া পীথাগোরাস (গণিত) এবং হিপোক্রেটিসকে (চিকিৎসা বিজ্ঞান) তাদের শ্রেষ্ঠ অবদানের জন্য স্মরণ করা হয়।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৭৬ অব্দে অলিম্পিয়া নামক স্থানে দেবতাদের রাজা 'জিউস'-এর সম্মানে প্রথম অলিম্পিক গেমস শুরু হয়।
- গ্রীকরা বহু ঈশ্বরে বিশ্বাসী ছিল। প্রধান দেবতাদের মধ্যে ছিলেন জিউস (আকাশ ও বিদ্যুৎ), অ্যাপোলো (সূর্য), অ্যাথেনা (প্রজ্ঞা) এবং পসাইডন (সমুদ্র)।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

৮২১.
কোন দেশকে রেনেসাঁসের প্রথম পর্ব হিসেবে চিহ্নিত করা যায়?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. ইতালি
  3. ফ্রান্স
  4. মিশর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
রেনেসাঁস:
- ইংরেজি 'রেনেসাঁ' Renaissance) শব্দের অর্থ নবজাগরণ বা পুনর্জন্ম।
- ধর্মভাবনা নিয়ন্ত্রিত ও সামন্ততান্ত্রিক মধ্যযুগীয় দীর্ঘ বদ্ধ দশা থেকে মুক্ত হয়ে নতুনভাবে জীবনের সবকিছুকে জানার জন্য মানব মনের যে আগ্রহ তারই পরিণতি স্বরূপ যে নবজীবনবাদের সূচনা, তাকেই সাধারণভাবে রেনেসাঁ বা নবজাগরণ নামে আখ্যায়িত করা হয়।

⇒ মধ্যযুগের জ্ঞান-বিজ্ঞান, বিশ্বাস সব কিছুই আবর্তিত হতো প্রচলিত ধর্ম বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে।
- ইউরোপে চতুর্দশ ও পঞ্চদশ শতক থেকে ক্রমেই এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটে।
- সাধারণ মানুষ যুক্তিতর্ক দ্বারা সবকিছুকে গ্রহণ বা বর্জন করতে উৎসাহী হয়ে ওঠে।
- রেনেসাঁস মূলত একটি দীর্ঘস্থায়ী সমাজ পরিবর্তন প্রক্রিয়া।
- এই রেনেসাঁসের ভেতর দিয়ে আধুনিক পাশ্চাত্য সভ্যতার উত্থান ঘটেছে।

⇒ মূলত ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষাংশে ইতালিতে রেনেসাঁস এর গোড়াপত্তন ঘটে।
- পরবর্তী সময়ে জার্মানিতে রিফরমেশন, ফ্রান্সে ফরাসি বিপ্লব, ইংল্যান্ডে শিল্পবিপ্লব এবং সোভিয়েত ইউনিয়নে রুশ বিপ্লব ও চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব ঘটে।
- তবে ইতালিকেই রেনেসাঁসের প্রথম পর্ব হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।

উৎস: i) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) World History Encyclopedia.
৮২২.
কোন সভ্যতার ইতিহাসে পৃথিবীর প্রাচীনতম মানচিত্র পাওয়া যায়?
  1. পারস্য সভ্যতা
  2. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
  3. সিন্ধু সভ্যতা
  4. ক্যালডীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:
- সিরিয়ার মরুভূমি অঞ্চলে আমোরাইট নামক এক জাতি বসবাস করত।
- এরা এক সময় মেসোপটেমিয়ায় এসে নগর সভ্যতা গড়ে তোলে।
- এদের এই সভ্যতাকে বলে ব্যাবিলনীয় সভ্যতা।
- এ সভ্যতার পত্তন হয় খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে।
- আমোরাইট নেতা হাম্মুরাবী ছিলেন ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা।
- তাদের বড় অবদান হলো পৃথিবীতে তারাই প্রথম লিখিত আইন প্রণয়ন করে।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো মানচিত্রটি ব্যাবিলনের।
- এর নাম ইন্ডিগো মুন্ডি।
- এটি পাওয়া যায় আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ সালে।
- মানচিত্রটি ছিল একটি পোড়ামাটির ফলক।
- ৫ ইঞ্চি পাথরের ট্যাবলেটটি ব্যাবিলনের চারপাশে কেন্দ্র করে বিস্তৃত আয়তক্ষেত্র যা ইউফ্রেটিস নদীর তীরে অবস্থিত এবং উপর থেকে নীচ পর্যন্ত আঁকাবাঁকা রেখা দ্বারা চিত্রিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- প্রথম পৃথিবীর মানচিত্র আঁকার চেষ্টা করেন অ্যানাঙ্গিম্যান্ডার।
- খ্রিস্টের মৃত্যুর ১৫০ বছর পরে গ্রীক-মিশরীয় জ্যোতির্বিদ টলেমী একটি আট-খণ্ডের পাঠ্যপুস্তক "জিওগ্রাফিয়া" প্রকাশ করেন যা প্রথম গাণিতিক নীতিগুলি ব্যবহার করে মানচিত্র গঠন করে।

উৎস: i) History.com
         ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২৩.
দুই জার্মানির একত্রীকরণের ব্যাপারে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ক) ১৯৯০ সালের ১৬ মে
  2. খ) ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর
  3. গ) ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর
  4. ঘ) ১৯৯১ সালের ১ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯০ সালের ১৬ মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯০ সালের ১৬ মে
ব্যাখ্যা
জার্মান একত্রীকরণ:
- ১৯৪৯ সালের ৭ অক্টোবর জন্ম পূর্ব জার্মানির।
- আর ১৯৬১ সালের ১৩ আগস্ট বার্লিন দেয়াল তৈরি করে কৃত্রিমভাবে জার্মা-নিকে বিভক্ত করে রাখা হয়েছিল।
- ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর বার্লিন দেয়ালের পতন হয়। জার্মান একত্রীকরণের পথ এতে করে ত্বরান্বিত হয়। 
- দুই জার্মানির একত্রীকরণের ব্যাপারে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯০ সালের ১৬ মে
- ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর পূর্ব জার্মানির অবলুপ্তি ঘোষণা করা হয় এবং দুই জার্মানি একত্রিত হয়।

• আর ২ ডিসেম্বর (১৯৯০) যুক্ত জার্মানির প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- দুই জার্মানির একত্রীকরণ ছিল বিংশ শতাব্দীর একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
- স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময় বিশ্ব দুভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছিল।
- একভাগে ছিল মুক্ত ও গণতান্ত্রিক বিশ্ব, অন্যদিকে ছিল সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহ।
- এই বিভক্তিই জার্মানিকে বিভক্ত করে রেখেছিল।
- পশ্চিম জার্মানিতে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি বিকশিত হয়েছিল।
- আর পূর্ব জার্মানিতে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
৮২৪.
আর্যদের আদি নিবাস ছিলো কোথায়?
  1. ক) তিব্বত মালভূমি
  2. খ) ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে
  3. গ) ইন্দোচীন
  4. ঘ) দক্ষিণ ভারত
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে
ব্যাখ্যা
আর্যদের আদি নিবাস ছিলো ইউরাল পর্বতমালার দক্ষিণে বর্তমান ইরান ও কিরগিজস্থানে।
সেখান থেকে খ্রিস্টপূর্ব প্রায় দুই হাজার অব্দে আর্যরা পশ্চিম প্রদেশ দিয়ে ভারতে আগমন করে।
প্রথম তারা সিন্ধু তীরে বসতি স্থাপন করে। পরবর্তীতে সমগ্র ভারতে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলায় আর্যদের আগমন শুরু হয় খ্রিস্টপূর্ব এক হাজার অব্দ থেকে।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা)
৮২৫.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 'Bill of Rights' কবে গৃহীত হয়?
  1. ১৭৬৪ সালে
  2. ১৭৮৩ সালে
  3. ১৭৯১ সালে
  4. ১৭৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৯১ সালে
ব্যাখ্যা
বিল অব রাইটস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম ১০ টি সংশোধনীকে 'Bill of Rights' বা অধিকারের বিল বলে অভিহিত করা হয়।
- এই সংশোধনীগুলি ১৭৯১ সালে গৃহীত হয় এবং মার্কিন নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষায় সহায়ক ছিল।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার পর ১৭৮৭ সালে ফিলাডেলফিয়ায় একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সেই সম্মেলনে মার্কিন সংবিধান রচিত হয়।
- কিন্তু এই সংবিধানে নাগরিকদের অধিকারগুলোর কোন নির্দিষ্ট উল্লেখ ছিল না।
- ১৭৮৯ সালে, জেমস মাদিসন নামে একজন মার্কিন রাজনৈতিক নেতা এবং সংবিধান প্রণেতা, মার্কিন কংগ্রেসে ১২টি সংশোধনী প্রস্তাব করেন, যা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করতে চেয়েছিল।
- তিনি পরবর্তীতে একে বিল অব রাইটস নামে পরিচিত করেন।
- মাদিসনের প্রস্তাবিত কিছু সংশোধনী সরাসরি অনুমোদিত হয়েছিল, এবং কিছু সংশোধনী পরিবর্তন ও সংযোজন করা হয়।
- সর্বশেষ, ১৭৯১ সালে ১০টি সংশোধনী মার্কিন সংবিধানে সংযুক্ত করা হয় এবং এগুলি বিল অব রাইটস হিসেবে পরিচিত হয়।

উৎস: Britannica.
৮২৬.
BCE এর পুর্ণরূপ লিখুন?
  1. Before common Era
  2. British Chartered Executive
  3. Bureau of Child Education
  4. Bhutan Centre for Environment
সঠিক উত্তর:
Before common Era
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Before common Era
ব্যাখ্যা

BCE:
- BCE-এর পূর্ণরূপ: Before Common Era.

• Before Common Era বলতে খ্রিস্টপূর্বাব্দ বা যীশু খ্রীষ্টের জন্মের আগের সময়কালকে বোঝানো হয়।
- বাংলায় একে 'সাধারণ যুগের পূর্বে' বা 'খ্রিস্টপূর্ব' বলা হয়ে থাকে।
- এটি BC (Before Christ) এর একটি ধর্মনিরপেক্ষ বা অ-ধর্মীয় বিকল্প রূপ। 

উল্লেখ্য,
- CE হচ্ছে common era বা current era এর সংক্ষিপ্ত রুপ।
- BCE হচ্ছে before common era বা current era.
- জুলিয়ান বা গ্রেগরিয়ান বর্ষ গণনার এ পদ্ধতিটি AD (anno domini) ও BC (before christ) এর বিকল্প হিসেবে সালের সাথে লিখা হয়।

উৎস: Britannica.

৮২৭.
'ওসেনিয়ান' সভ্যতা বলা হয় কোনটিকে?
  1. পারস্য সভ্যতা
  2. মায়া সভ্যতা
  3. সিন্ধু সভ্যতা
  4. গ্রিক সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
গ্রিক সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিক সভ্যতা
ব্যাখ্যা
গ্রিক সভ্যতা:
- ইউরোপ মহাদেশের গ্রিক রাষ্ট্রের অন্তর্গত প্রাচীন কয়েকটি শহরকে কেন্দ্র করে গ্রিক সভ্যতার উদ্ভব ঘটে।
- বলকান উপকূলের দক্ষিণাংশে অবস্থিত গ্রিক প্রায় পাঁচ হাজার বর্গমাইল ব্যাপী বিস্তৃত।
- ভূ-প্রকৃতি দেশটিকে তিন ভাগে বিভক্ত করে দিয়েছে।
- যথা: দক্ষিণ গ্রিস, মধ্য গ্রিস ও উত্তর গ্রিস।
- মেসিডোনিয়ান অধিপতি আলেকজাণ্ডারের শাসনামলে এ সভ্যতার সীমা ছাড়িয়ে আধুনিক মিসর, ইসরাইল, প্যালেষ্টাইন, লেবানন, সিরিয়া, ইরাক ও ইরান হয়ে ভারতবর্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল।
- আড্রিয়াটিক সাগর, ভূমধ্যসাগর, ইজিয়ান সাগর দ্বারা বেষ্টিত থাকার কারণে গ্রিক সভ্যতাকে 'ওসেনিয়ান' (সাগরীয়) সভ্যতা বলা হয়।

উল্লখ্য,
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞানচর্চার সূত্রপাত করে।
- ৬০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অঙ্কন করেন গ্রিক বিজ্ঞানীরা।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।
- চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই এবং বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের ক্রোধের কারণে নয়, প্রাকৃতিক কারণে ঘটে- এই সত্য তারাই প্রথম আবিষ্কার করেন।

উৎস: i) Britannica.
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮২৮.
পারসিয়ান বা প্রাচীন ইরানিদের প্রধান ধর্ম ছিল-
  1. ইহুদি ধর্ম
  2. জরথুস্ট্রবাদ
  3. হিন্দুধর্ম
  4. খ্রিস্টধর্ম
সঠিক উত্তর:
জরথুস্ট্রবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জরথুস্ট্রবাদ
ব্যাখ্যা

পারস্য সভ্যতা:-
- বর্তমান ইরানকে কেন্দ্র করে এই বিশাল ও শক্তিশালী সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল।
- এটি প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম এবং সুসংগঠিত সাম্রাজ্য ছিল।
- পারস্য সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন করেন সম্রাট সাইরাস (Cyrus the Great)।

• সাম্রাজ্য বিস্তার ও শাসন পদ্ধতি:
- সম্রাট সাইরাস থেকে শুরু করে সম্রাট প্রথম দারিউস (Darius I) পর্যন্ত পারস্য সাম্রাজ্য এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিশাল অংশে বিস্তৃত ছিল।

• সম্রাট সাইরাসের সিলিন্ডার (Cyrus Cylinder): এটিকে বিশ্বের প্রথম 'মানবাধিকারের ঘোষণাপত্র' হিসেবে গণ্য করা হয়।
- সম্রাট সাইরাস যখন ব্যাবিলন জয় করেন, তখন তিনি সেখানকার বন্দি হিব্রুদের মুক্তি দেন এবং সবাইকে নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দান করেন।

• ধর্ম ও দর্শন: পারস্যদের ধর্মের নাম ছিল 'জরথুস্ট্রবাদ' (Zoroastrianism)।
• স্থাপত্যকলা: পারস্য স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হলো 'পারসেপোলিস' (Persepolis) নামক বিশাল প্রাসাদ।
- মুদ্রার প্রচলন: সম্রাট দারিউস সর্বপ্রথম বাণিজ্য সহজ করার জন্য 'দারিক' (Daric) নামক স্বর্ণমুদ্রা এবং রৌপ্যমুদ্রার প্রচলন করেন।
- পারস্যরা প্রথম সুশৃঙ্খলভাবে একটি বিশাল নৌবাহিনী ও পদাতিক বাহিনী গড়ে তুলেছিল। তাদের বিশেষ একটি বাহিনী ছিল যার নাম 'ইমমোর্টালস' (Immortals) বা অমর বাহিনী।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

৮২৯.
উয়ারি বটেশ্বর সভ্যতা কত বছর পূর্বে গড়ে উঠেছিলো?
  1. ক) আড়াই হাজার বছর
  2. খ) দুই হাজার বছর
  3. গ) তিন হাজার বছর
  4. ঘ) এক হাজার বছর
সঠিক উত্তর:
ক) আড়াই হাজার বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আড়াই হাজার বছর
ব্যাখ্যা
নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলার উয়ারি-বটেশ্বর গ্রামে আজ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বের নগর সভ্যতার নির্দশন পাওয়া গেছে। খ্রিস্টপূর্ব ৭০০ বছর পূর্বে গঙ্গা নদীর অববাহিকায় ভারতীয় উপমহাদেশের যে দ্বিতীয় নগর সভ্যতা গড়ে উঠে উয়ারি বটেশ্বর সেটিরই অংশ। স্থানটিতে এখনো খনন কাজ চলমান রয়েছে। বাংলাদেশে আবিষ্কৃত সভ্যতা সমূহের মধ্যে উয়ারি বটেশ্বরই সবচেয়ে প্রাচীন বলে ধারণা করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : ষষ্ঠ শ্রেণী)
৮৩০.
আব্দুল মালিক উমাইয়া খিলাফতের কোন শাখায় অন্তর্ভুক্ত?
  1. হাশিমী
  2. কুরাইশ
  3. হানাফীয়া
  4. মারওয়ানী
সঠিক উত্তর:
মারওয়ানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারওয়ানী
ব্যাখ্যা
উমাইয়া খিলাফত:
- আব্দুল মালিক উমাইয়া খিলাফতের মারওয়ানী শাখায় অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- আব্দুল মালিক ছিলেন উমাইয়া বংশের একজন শ্রেষ্ঠতম শাসক।
- ব্যাপক সামরিক দক্ষতা, কূটনীতি, রাষ্ট্রজ্ঞান ও প্রশাসনিক যোগ্যতা তাকে উমাইয়া বংশের শ্রেষ্ঠ শাসকের মর্যাদা দিয়েছে।
- তার স্থাপত্য রুচিবোধ ছিল প্রশংসার দাবিদার ও উল্লেখযোগ্য।
- তিনি উমাইয়া সাম্রাজ্যকে অভ্যন্তরীণ বিশৃংখলা ও গৃহযুদ্ধ হতে নিরাপদ করে রাষ্ট্রের সম্প্রসারণ ঘটান।
- রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করার জন্য তিনি ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন।

তথ্যসূত্র - ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩১.
অলিম্পিক খেলার প্রচলন শুরু হয়েছে প্রাচীন কোন সভ্যতায়?
  1. ক) রোমান সভ্যতা
  2. খ) গ্রিক সভ্যতা
  3. গ) পারস্য সভ্যতা
  4. ঘ) ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রিক সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রিক সভ্যতা
ব্যাখ্যা
অলিম্পিক খেলা
- বড় কোন প্রয়োজনে বিচ্ছিন্ন নগর রাষ্ট্রগুলোর ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি।
- এই চিন্তা হতে প্রাচীন গ্রীকরা একটা উৎসব অনুষ্ঠানের চিন্তা করলেন।
- যার ফসল হিসেবে শুরু হলো অলিম্পিক খেলা ৭৭৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে।
- প্রতি চার বছর অন্তর অনুষ্ঠিত এ খেলায় বিভিন্ন নগর রাষ্ট্রের খেলোয়াড়রা অংশ নিত।
- এ খেলার সূত্র ধরে পারস্পরিক শত্রুতার বদলে গ্রিকদের মাঝে একটি সাংস্কৃতিক ঐক্য গড়ে ওঠে।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩২.
বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের অঞ্চলগুলোর মধ্যে বর্তমান কোন দেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. তুরস্ক
  2. ব্রাজিল
  3. পেরু
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা

বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য:
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য আনুমানিক ৩৯৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে - ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল৷
- ১৫ শতকে অটোমান তুর্কি আক্রমণে পতনের আগে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান সভ্যতা ছিল।
- অঞ্চলটিকে সাধারণত পূর্ব রোমান সাম্রাজ্য বলা হত।
- ৪৭৬ সালে রোমের পতনের ফলে রোমান সাম্রাজ্যের পশ্চিম অর্ধেক শেষ হয় এবং পূর্ব অর্ধেক বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য হিসাবে পরিচালিত হয়।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ভূমধ্যসাগরের আশেপাশের বেশিরভাগ ভূমি জুড়ে ছিল, যার মধ্যে বর্তমানে ইতালি, গ্রীস এবং তুরস্ক এবং উত্তর আফ্রিকা।
- এই সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন জাস্টিনিয়ান।
- ১৪ শতকে অটোমান তুর্কিরা দখল করতে শুরু করে এবং ১৪৫৩ সালে এটি অটোমান নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

তথ্যসূত্র -  Britannica.com

৮৩৩.
সিন্ধু সভ্যতার অন্তর্গত হরপ্পা নগরী গড়ে উঠেছিল কোথায়?
  1. নীলনদের তীরে
  2. রাভী নদীর তীরে
  3. ইউফ্রেটিস নদীর তীরে
  4. হোয়াংহো নদীর তীরে
সঠিক উত্তর:
রাভী নদীর তীরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাভী নদীর তীরে
ব্যাখ্যা
• সিন্ধু সভ্যতা:
-সিন্ধু নদের অববাহিকায় গড়ে উঠা সভ্যতার ইতিহাসে প্রথম পরিকল্পিত নগর সভ্যতাকে সিন্ধু সভ্যতা বলে।
- সিন্ধু সভ্যতা গড়ে তুলেছিল- দ্রাবিড় জাতি।
- সিন্ধু সভ্যতার দুটি  শহর ছিল- হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো।
- হরপ্পা অঞ্চল আবিষ্কৃত হয় -  ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে।
- মহেঞ্জোদারো অঞ্চলে আবিষ্কৃত হয় -  ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে।
- সিন্ধুর উপনদী রাভীর তীরে গড়ে উঠেছিল হরপ্পা নগরী। 
- সিন্ধু সভ্যতা আবিষ্কার করেন- স্যার জন মার্শাল, রাখালদাশ বন্দ্যোপাধ্যায়।
-  এ সভ্যতাকে তাম্র যুগের সভ্যতা বলা হয়।
 - এ সভ্যতা ছিল কৃষি নির্ভর।
- হরপ্পা নগরী গড়ে উঠে সিন্ধুর উপনদী- রাভীর তীরে।
- সিন্ধু সভ্যতার হাড় ও পাথরের তৈরি সিলমোহর পাওয়া যায়।
- এ সভ্যতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল- পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থা।
- সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীগণ পরিমাপের জন্য বাটখারা ব্যবহার করতেন।

উৎস: ইতিহাস-১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩৪.
কনস্টান্টিনোপল নগরী কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. রমুলাস
  2. কনস্টানটাইন
  3. পিথাগোরাস
  4. জুলিয়াস সিজার
সঠিক উত্তর:
কনস্টানটাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কনস্টানটাইন
ব্যাখ্যা
রোমান সাম্রাজ্য:
- কনস্টান্টিনোপল আধুনিক তুরস্কের একটি প্রাচীন শহর যা এখন ইস্তাম্বুল নামে পরিচিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।
- প্রথম দিকে ছিল এটা একটি বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
- ক্রমে গ্রিক সভ্যতার পতন ৪৭৬ (খ্রি.) ঘটলে এই রোম সমগ্র ইতালি ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল দখল করে এক বিশাল রোমান সাম্রাজ্য গড়ে তোলে।

উল্লেখ্য,
- এই বিশাল সাম্রাজ্য শাসনের জন্য রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বাইজান্টিয়াম নামক স্থানে দ্বিতীয় রাজধানী কনস্টান্টিনোপল প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই নামকরণ করা হয়েছিল সম্রাট কনস্টানটাইনের নামানুসারে।

উৎস: i) History.com
         ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩৫.
সর্ববৃহৎ অবিচ্ছিন্ন স্থল সাম্রাজ্য ছিল কোনটি?
  1. ব্রিটিশ সাম্রাজ্য
  2. অটোমান সামাজ্য
  3. বাইজেনটাইন সাম্রাজ্য
  4. মঙ্গোল সাম্রাজ্য
সঠিক উত্তর:
মঙ্গোল সাম্রাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গোল সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা
মঙ্গোল সাম্রাজ্য:
- ১২০০ শতকের শুরুতে মঙ্গোল সেনাপতি চেঙ্গিস খান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য।
- চেঙ্গিস খান মঙ্গোল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। 
- মঙ্গোলরা তাকে জাতির জনক হিসেবে মান্য করে।
- চেঙ্গিস খানের আদিনাম তিমুজিন।
- ১২০০ শতকের শেষে এসে প্রায় সমস্ত পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া এবং মধ্য ইউরোপ পর্যন্ত এটি বিস্তৃত ছিল। 
- এটি ইতিহাসের সর্ববৃহৎ অবিচ্ছিন্ন স্থলসাম্রাজ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
- এই সাম্রাজ্য প্রায় ৯ মিলিয়ন বর্গ মাইল (২৩ মিলিয়ন বর্গ কিমি) অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিল।
- ১২১৯ থেকে ১২২২ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে উত্তর-পূর্ব ইরানে চেঙ্গিস খানের সামরিক অভিযানের মাধ্যমে মুসলিম ভূখণ্ডে মঙ্গোলীয়দের অভিযান শুরু হয়।
- ১২৯৪ সালের মধ্যে তাদের সাম্রাজ্য চারভাগে বিভক্ত হয়- ১. ইউয়ান সাম্রাজ্য ২. চাগতাই খানাত ৩. সোনালি সাম্রাজ্য (Golden Horde), ৪. ইলখানদের এলাকা।

উল্লেখ্য, ব্রিটিশ সাম্রাজ্য প্রায় ১২ মিলিয়ন বর্গ মাইল এরও বেশি অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিল। কিন্তু তা অবিচ্ছিন্ন ছিল না। 

উৎস: i) Britannica.
৮৩৬.
প্রাচীন মিশরীয় সম্রাট বা রাজাদের উপাধি ছিল -
  1. নারমার
  2. জার
  3. ইখনাটন
  4. ফারাও
সঠিক উত্তর:
ফারাও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারাও
ব্যাখ্যা
ফারাও:
- প্রাচীন মিশরের সম্রাটদের 'ফারাও' বলা হতো।
- ফারাও শব্দের অর্থ বড় বাড়ি।
- বিশাল প্রাসাদে বসবাসকারী ফারাওদের মনে করা হতো ঈশ্বরের সন্তান।
- তাঁরা একই সঙ্গে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন।
- মিশরের 'ফারাও' বা সম্রাটের মধ্যে বিখ্যাত ছিলেন রাজা মেনেস, প্রথমত আহমোজ, রাজা তুথমোস, সম্রাট ইখনাটন এবং প্রথম ও দ্বিতীয় র‍্যামেসিস।
- পরাক্রমশালী তৃতীয় র‍্যামেসিসের মৃত্যুর পর ফারাওদের শাসন দুর্বল হয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৮৩৭.
Thirty Years War নিরসনে কোন চুক্তি সম্পাদিত হয়?
  1. পোটসডাম চুক্তি
  2. উত্তরের শান্তি চুক্তি
  3. ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
  4. ভার্সাই চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
ব্যাখ্যা
- ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফালিয়া চুক্তির মাধ্যমে ত্রিশ বছরের যুদ্ধ সমাপ্ত হয়।

ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধ ছিল ইউরোপের ধর্মকেন্দ্রিক যুদ্ধগুলোর সর্বশেষ উদাহরণ।
- মূলত প্রোটেস্টান্ট জার্মানির ওপর অস্ট্রিয়ান হ্যাপসবার্গদের প্রভাব বজায় রাখা, ডেনমার্কের রাজার উচ্চাভিলাষ, বাল্টিক অঞ্চলে সুইডেনের আধিপত্য বিস্তার এবং হ্যাপসবার্গদের পরাজিত করে ফ্রান্সকে ইউরোপের প্রধান শক্তিতে পরিণত করার প্রচেষ্টার ফলে এই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হয়। ধর্মান্ধতা, স্বার্থপরতা এবং ক্ষমতা দখলের প্রতিযোগিতায় ইউরোপের প্রায় সব দেশ এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘ ত্রিশ বছর ধরে চলা এই সংঘাতে সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য, 
- ১৬৪৮ সালে যুদ্ধের বিপর্যস্ত অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি পৃথক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে। ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর স্বাক্ষরিত ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘ ত্রিশ বছরব্যাপী ধর্মযুদ্ধের অবসান ঘটে। 

অন্যদিকে: 

- প্রথম ভার্সাই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে ব্রিটেন ও আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র। - দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মিত্রশক্তি ও জার্মানির মধ্যে। 
- উত্তরের শান্তি চুক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং নেটিভ আমেরিকান উপজাতিদের মধ্যে সম্পাদিত হয়েছিল।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৮৩৮.
মিশরীয় সভ্যতার চিত্রলিপিকে কী বলা হয়?
  1. ওডিসি
  2. হায়ারোগ্লিফিক
  3. প্যাপিরাস
  4. ক্যালিওগ্রাফি
সঠিক উত্তর:
হায়ারোগ্লিফিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হায়ারোগ্লিফিক
ব্যাখ্যা

• মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখনপদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করে।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত।

- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক ’ বা পবিত্র অক্ষর।
- মিশরীয়রা নলখাগড়া জাতীয় গাছের কাণ্ড থেকে কাগজ বানাতে শেখে।
- সেই কাগজের ওপর তারা লিখত। গ্রিকরা এই কাগজের নাম দেয় ‘প্যাপিরাস’।
- এই শব্দ থেকে ইংরেজি পেপার শব্দের উৎপত্তি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৮৩৯.
ইরাকের প্রাচীন নগরী 'ব্যাবিলন' কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) নীলনদ
  2. খ) ইউফ্রেটিস
  3. গ) টাইগ্রিস
  4. ঘ) শাত-ইল-আরব
সঠিক উত্তর:
খ) ইউফ্রেটিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউফ্রেটিস
ব্যাখ্যা
তৃতীয় সহস্রাব্দের শেষের দিকে মেসোপটেমিয়ার ইউফ্রেটিস নদীর তীরে অবস্থিত, ইরাকের প্রাচীন নগরী ব্যাবিলনের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়।
- যা ইরাকের বাগদাদ থেকে প্রায় ৫৫ মাইল কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত 
- এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে চিহ্নিত। 

খ্রিস্টপূর্ব ৫,০০০ অব্দে মিশরে যখন নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল, সেই সময় আরাে কিছু নগর সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- এই নগর সভ্যতাগুলাের আলাদা আলাদা নাম থাকলেও, একই ভূখণ্ডে গড়ে ওঠার কারণে এদেরকে একত্রে মেসােপটেমীয় সভ্যতা বলা হয়।
- বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যেই প্রাচীন মেসােপটেমীয়া অঞ্চল অবস্থিত। 
- মেসােপটেমীয়ার অন্তর্ভুক্ত সভ্যতাসমূহ প্রাচীন মেসােপটেমীয় অঞ্চলে বেশ কয়েকটি নগর সভ্যতার বিকাশ ঘটে।
যেমন: সুমেরীয়, ব্যবিলনীয়, এ্যাসিরীয়, ক্যালডীয় ও আক্কাদীয় সভ্যতা।


উৎস: Britannica এবং মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪০.
কোনটি মিশরীয় সভ্যতার অবদান?
  1. হায়ারোগ্লিফিক লিপি
  2. সৌর পঞ্জিকা
  3. প্যাপিরাস কাগজ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল নীল নদের তীরে।
- এই সভ্যতা ছিল কৃষিনির্ভর। 
- সে কারণে নীল নদের প্লাবন, নাব্যতা, পানি প্রবাহের মাপ জোয়ারভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- তারা অংক শাস্ত্রের দুটি শাখা জ্যামিতি এবং পাটিগণিতের প্রচলন করে। 
- খ্রিস্টপূর্ব ৪২০০ অব্দে তারা পৃথিবীতে প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে। 
- ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারকও তারা। 
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্য ঘড়ি, ছায়াঘড়ি, জলঘড়ি আবিষ্কার করে।
- তাদের চিত্রলিপিকে বলা হয় হায়ারোগ্লিফিক।
- চিকিৎসা শাস্ত্রে মিশরীয়রাই সর্বপ্রথম ‘মেটেরিয়া মেডিকা' বা ঔষুধের তালিকা প্রণয়নে সক্ষম হয়।
- প্যাপিরাস হলো পুরু কাগজের অনুরূপ একটি উপাদান যা প্রাচীন কালে লেখার পৃষ্ঠ হিসাবে ব্যবহৃত হত।
- প্রাচীন মিশরীয়রা প্যাপাইরাস গাছ থেকে প্যাপিরাস কাগজ তৈরি করেছিলেন। 

উৎস: i) Britannica.
         ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪১.
'হাম্মুরাবির কোড' কোন সভ্যতার অবদান?
  1. মিশরীয়
  2. ব্যাবিলনীয়
  3. ক্যালডীয়
  4. অ্যাজটেক
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনীয়
ব্যাখ্যা
'হাম্মুরাবির কোড' ব্যাবিলনীয় সভ্যতার অবদান।

হাম্মুরাবি কোড:

- নগররাষ্ট্র ব্যাবিলন ছিল মেসোপটেমিয়ার কেন্দ্রবিন্দু।
- ১৭৬০ খ্রিষ্টপূর্ব বেশ কয়টি ধারাবাহিক যুদ্ধের পর ব্যাবিলনের শক্তিমান রাজা হাম্মুরাবি অন্য সব বিপক্ষ নগররাষ্ট্রগুলো গুঁড়িয়ে দেন।
- রাজা হাম্মুরাবি ১৭৯২ থেকে ১৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ব্যাবিলন শাসন করেন।

⇒ ২৮২টি আইনের সমন্বয়ে তৈরি, পাথরে খোদাই করা এই কোডটি ব্যাবিলনের রাজা হাম্মুরাবি প্রাচীন মেসোপটেমিয়া শাসনের জন্য তৈরি করেছিলেন।
- তাঁর আইনগুলো ‘কোড অব হাম্মুরাবি’ নামে পরিচিত।
- এটি সবচেয়ে পুরোনো লিখিত আইন।
- আইনগুলো শতাব্দীর পর শতাব্দী কাদামাটিতে লিখে আগুনে পুড়িয়ে সংরক্ষণ করা হতো।
- বিষয় অনুসারে আইনগুলো নানা শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল। যেমন পারিবারিক বিষয়, বাণিজ্য, ধর্ম ও দাসপ্রথা।
- জনসাধারণ যদিও পড়তে জানত না, তবু আইনভঙ্গকারীদের দাঁত উপড়ে নেওয়া বা শূলে চড়ানোর মতো শাস্তি ভোগ করতে হতো।

উৎস: i) History.com
ii) প্রথম আলো।
৮৪২.
ফিনিশীয় সভ্যতা কোন সাগরের তীরে গড়ে উঠেছিল?
  1. লোহিত সাগর
  2. কৃষ্ণসাগর
  3. ভূমধ্যসাগর
  4. মৃতসাগর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন ফিনিশীয় সভ্যতা খ্রিস্টপূর্ব প্রায় তিন হাজার বছর পূর্বে ভূমধ্যসাগরের তীরে গড়ে উঠেছিলো। ভূমধ্যসাগর ও লেবানন পর্বতের মধ্যবর্তী স্থানে এ সভ্যতা গড়ে উঠে।
- টায়ার ও সিডন এ সভ্যতার দুটো বিখ্যাত বন্দর।
- আলেকজান্ডারের দ্বারা ফিনিশীয় সভ্যতার পতন ঘটে।
- ফিনিশীয়রা সভ্যতার ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে পরিচিত। এছাড়া বর্ণমালা আবিষ্কারের জন্যেও ফিনিশীয়রা বিখ্যাত।
- তারা ২২টি ব্যাঞ্জনবর্ণ সম্বলিত বর্ণমালার উদ্ভাবন করেছিল।

(সূত্র: মাধ্যমিক ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৮৪৩.
কারা ‘হেলাস’এর নামকরণ করেন গ্রিস?
  1. ক) হিব্রুরা
  2. খ) রোমানরা
  3. গ) মিশরীয়রা
  4. ঘ) ফিনিশীয়রা
সঠিক উত্তর:
খ) রোমানরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রোমানরা
ব্যাখ্যা
উনিশ শতকের শেষে ইজিয়ান সাগরের দ্বীপপুঞ্জে এবং এশিয়া মাইনরের পশ্চিম উপকূলে আবিষ্কৃত হয় এক উন্নততর প্রাচীন নগর সভ্যতা। সন্ধান মেলে মহাকাব্যের ট্রয় নগরীসহ একশত নগরীর ধ্বংস স্তুপের। ইউরোপ মহাদেশের এই অঞ্চলেই প্রথম সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল। যাকে বলা হয় ইজিয়ান সভ্যতা বা প্রাক ক্ল্যাসিক্যাল গ্রিক সভ্যতা। গ্রিসের পূর্ব নাম ছিল হেলাস। রোমানরা পরবর্তিকালে এর নামকরণ করে গ্রিস। গ্রিক সভ্যতার সঙ্গে ‘হেলেনিক’ ও ‘হেলেনিস্টিক’ এই দুটি সংস্কৃতির নাম জড়িত। অসংখ্য নগররাষ্ট্র নিয়ে গড়ে উঠা প্রাচীন গ্রিসে সংস্কৃতির বিভিন্ন ধারা এবং গণতন্ত্র চর্চার মূল কেন্দ্র ছিল এথেন্স। সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৮৪৪.
কোন উপজাতি কর্তৃক রোমান সভ্যতা বিকশিত হয়?
  1. ক) ল্যাটিন
  2. খ) কোস্টেনকি
  3. গ) ক্যারেলিন
  4. ঘ) নেটসিলিক
সঠিক উত্তর:
ক) ল্যাটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ল্যাটিন
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন রোমান সভ্যতার বিকাশ ঘটেছিল প্রাচীন রোম নগরীকে কেন্দ্র করে। 
- বর্তমান ইতালির পশ্চিমে দক্ষিণ ভূমধ্যাসাগরের উপকুলে রোম নগরী অবস্থিত। 
- রোম নগরী সাতটি পার্বত্য টিলার উপর ছিল। 
- নগরের চারিদিকে ছিল উর্বর সমতল ভূমি। 
- এ সমতল ভূমিতে বাস করত ল্যাটিন উপজাতি। 
- ল্যাটিন রাজা রোমিট্রলাস পত্তন করেন এক নগরী। তাঁর নামেই নগরীর নামকরণ করা হয় রোম। 
- রোমবাসীরা কথা বলত ল্যাটিন ভাষায়।
 
উৎস: বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮৪৫.
চেঙ্গিস খান নিম্নের কোন সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন?
  1. মুঘল সাম্রাজ্য
  2. অটোমান সাম্রাজ্য
  3. মোঙ্গল সাম্রাজ্য
  4. আচেমেনিয়ান সাম্রাজ্য
সঠিক উত্তর:
মোঙ্গল সাম্রাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোঙ্গল সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা
মোঙ্গল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন চেঙ্গিস খান।

মোঙ্গল সাম্রাজ্য:

- মোঙ্গল সাম্রাজ্য ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরুর দিকে মধ্য এশিয়ায় দুর্ধর্ষ মঙ্গল মঙ্গল জাতির উত্থান ঘটে।
- চেঙ্গিস খানের নেতৃত্বে মোঙ্গলদের এই বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা হয়।
- মোঙ্গলরা চীন থেকে শুরু করে মধ্য এশিয়া, পারস্য ও রাশিয়াতে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে এবং মিশর, ভারত, জাপান, কোরিয়া, বার্মা ও ইন্দোনেশিয়াতেও তাদের অভিযানের তরঙ্গ প্রবলভাবে আঘাত হানে।
- মোঙ্গলদের অভিযানগুলো নিষ্ঠুরতা লুণ্ঠন ও হত্যাকাণ্ডের কাহিনীতে ভরপুর।
- এ কারণে অনেক ঐতিহাসিক মঙ্গলদিগকে "বিধাতার অভিশাপ" ও "বিশ্বের ত্রাস" বলে অভিহিত করেছেন।

উল্লেখ্য,
- চেঙ্গিস খান ছিলেন বিশাল এ সাম্রাজ্যের প্রধান রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা।
- ধারণা করা হয়, ১১৬২ সালে বা ১১৫৫ সালে মঙ্গোলিয়ার খেনতি পর্বতমালায় চেঙ্গিস খানের জন্ম।
- কমোঙ্গল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পর চেঙ্গিস খান ইউরেশিয়া দখলে পা বাড়ান।
- চেঙ্গিস খান ১২২৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- মূলত এ সময় থেকেই মোঙ্গল সাম্রাজ্য দুর্বল হতে শুরু করে।

অন্যদিকে,
- সাইরাস দ্য গ্রেট ছিলেন আচেমেনিয়ান সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা।
- ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর।
- ওসমান প্রথম অটোমান সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস: i) Britannica.
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪৬.
মুসলমানরা স্পেনকে কী নামে অভিহিত করত?
  1. আইবেরীয় উপদ্বীপ
  2. গ্যালিসিয়া
  3. আন্দালুসিয়া
  4. মুরসিয়া
সঠিক উত্তর:
আন্দালুসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্দালুসিয়া
ব্যাখ্যা
স্পেনে মুসলিম শাসন:
– মধ্যযুগে স্পেনে আরব সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
– ৭১১ সালে এ অঞ্চলটি মুসলিম শাসনাধীনে আসে।
মুসলিমরা তৎকালীন স্পেনকে আল-আন্দালুস বা আন্দালুসিয়া নামে অভিহিত করত।
– এর রাজধানী ছিল কর্ডোভা।
– শুরুতে স্পেন উমাইয়া খিলাফতের অধীনে ছিল।
– ৭৫৬ সালে এখানে স্বাধীন উমাইয়া আমীরাত প্রতিষ্ঠা করা হয়।
– রোমান শাসনামলে স্পেনকে বলা হত আইবেরীয় উপদ্বীপ।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচ এস সি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪৭.
In which region did the Inca civilization exist?
  1. North America
  2. South America
  3. Europe
  4. Africa
  5. Asia
সঠিক উত্তর:
South America
উত্তর
সঠিক উত্তর:
South America
ব্যাখ্যা
ইনকা সভ্যতা:
- ইনকা সভ্যতা দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিলো ইনকা সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় মাচু পিচুতে।
- সভ্যতার উত্থান-পতনকাল হচ্ছে ১৪০০-১৫৭২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
- ইনকা সভ্যতার স্থপতি মানকো কাপেন।

উৎস: Britannica.
৮৪৮.
গ্রেট ডিপ্রেশন কত সালে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ১৯২৬ সালে
  2. ১৯২৭ সালে
  3. ১৯২৮ সালে
  4. ১৯২৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৯ সালে
ব্যাখ্যা
Great Depression:
- গ্রেট ডিপ্রেশন বা বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা।
- শুরু হয়েছিল ১৯২৯ সালে
- প্রায় ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল।
- ১৯২৯ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে নেমেছিল ভয়াবহ ধ্বস।
- আমেরিকা ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ও ইউরোপেও ছড়িয়ে পড়েছিল এর প্রভাব।
- এই মন্দায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকগুলো দেউলিয়া হয়ে যায় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা মেক্সিকান শরণার্থীদের একাংশ নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরতে বাধ্য হন।
- প্রায় এক দশক ধরে চলা অর্থনৈতিক মহামন্দায় সোভিয়েত ইউনিয়ন ছাড়া সারা বিশ্ব সম্মুখীন হয়েছিল অর্থনৈতিক ক্ষতির।

উৎস: Britannica.
৮৪৯.
ইরানের ইসলামি বিপ্লবের ফলে ক্ষমতাচ্যূত হয় কে?
  1. ক) রেজা শাহ
  2. খ) জহির শাহ
  3. গ) দাউদ খান
  4. ঘ) ইব্রাহিম খা
সঠিক উত্তর:
ক) রেজা শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রেজা শাহ
ব্যাখ্যা
১৯৭৮ সালের ৭ জানুয়ারী থেকে ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়। এতে ইরানের তদানীন্তন রাজা শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী পদত্যাগ করে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেই। জহির শাহ ও দাউদ খান আফগানিস্তের সাবেক সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান। (সূত্রঃ ইরানি ওয়েবসাইট)
৮৫০.
অ্যাজটেক সভ্যতার রাজধানী ছিল কোনটি?
  1. আজলান
  2. টেক্সকোকো
  3. টেনোচিটিলান
  4. টেওটিহুয়াকান
সঠিক উত্তর:
টেনোচিটিলান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেনোচিটিলান
ব্যাখ্যা
অ্যাজটেক সভ্যতা:
- উত্তর মেসোআমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- বর্তমান মেক্সিকো অঞ্চলে এই সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- যার বিস্তৃতি ছিল উত্তর আমেরিকার বেশির ভাগ অংশজুড়ে।
- খ্রিস্টীয় ১২ শতকে এ সভ্যতার উৎপত্তি হয়েছিল।
- অ্যাজটেকের রাজধানী ছিল টেনোচিটিলান।
- টিনোচ ছিলেন আজটেকদের প্রথম রাজা।
- কৃষিকাজের মাধ্যমে আজটেক সভ্যতার প্রসার ঘটে।
- অ্যাজটেক ধর্মের যুদ্ধের দেবতা হুইটজিলোপোচটলি, সূর্যের দেবতা টোনাটিউহ, বৃষ্টির দেবতা তালোক।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৮৫১.
চীনের ইউয়ান (Yuan) রাজবংশ কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. চেঙ্গিস খান
  2. ওগোতাই খান
  3. কুবলা খান
  4. হালাকু খান
সঠিক উত্তর:
কুবলা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুবলা খান
ব্যাখ্যা

ইউয়ান রাজবংশ:
- প্রতিষ্ঠাতা: মঙ্গোল নেতা চেঙ্গিস খানের নাতি কুবলা খান ১২৭১ সালে ইউয়ান রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- বৈশিষ্ট্য: এটি ছিল চীনের প্রথম রাজবংশ যা সম্পূর্ণভাবে বিদেশি (মঙ্গোল) শাসক দ্বারা শাসিত হয়েছিল।
- কুবলা খান বর্তমান বেইজিং শহরে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- ইউয়ান রাজবংশ ১২৭১ থেকে ১৩৬৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত চীন শাসন করে।
- মার্কো পোলো এই কুবলা খানের দরবারেই দীর্ঘ সময় কাটিয়েছিলেন।

উৎস: হিস্টোরিম্যাপস।

৮৫২.
'রিদ্দার যুদ্ধ' কোন খলিফার সময় সংঘটিত হয়?
  1. হযরত উমর (রা.)
  2. হযরত আলী (রা.)
  3. হযরত আবু বকর (রা.)
  4. হযরত উসমান (রা.)
সঠিক উত্তর:
হযরত আবু বকর (রা.)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হযরত আবু বকর (রা.)
ব্যাখ্যা
রিদ্দার যুদ্ধ:

- 'রিদ্দা' আরবী শব্দ। এর অর্থ প্রত্যাবর্তনকরণ বা পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাওয়া।
- মহানবী (স.) এর মৃত্যুর পর এক শ্রেণির মুসলিম ইসলাম ধর্মকে বর্জন করে, তাদের পৌত্তলিকতায় প্রত্যাবর্তন করে।
- ইসলাম প্রচারের পর মক্কা ও মদীনা কেন্দ্রীক ইসলাম ধর্ম সীমাবদ্ধ হয়ে রইল।
- এই সময় মহানবীর মৃত্যুর পরে কতিপয় ভণ্ডনবীর আবির্ভাব ঘটল, কেউ কেউ পৌত্তলিকতায় ফিরে গেল। সমগ্র আরব উপদ্বীপের বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে অর্ন্তদ্বন্দ্ব সৃষ্টি হল।
- ইসলামের প্রথম খলীফা হযরত আবু বকর (রা.) এই সকল স্বধর্মত্যাগীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন, যা ইতিহাসে 'রিদ্দার যুদ্ধ' হিসেবে পরিচিত।
- রিদ্দা বা স্বধর্মত্যাগী যুদ্ধ ছিল ইসলাম ও মদীনা রাষ্ট্রের জন্য হুমকিস্বরুপ।
- অবশেষে খলীফা আবু বকরের নেতৃত্বে মুসলিমগণ স্বধর্মত্যাগীদের বিরুদ্ধে জয় লাভ করেছিল।

তথ্যসূত্র - ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫৩.
ইসলামের ইতিহাসের প্রথম সম্মুখযুদ্ধ 'বদর যুদ্ধ' কত খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত হয়?
  1. ক) ৬২২ খ্রিস্টাব্দে
  2. খ) ৬২৪ খ্রিস্টাব্দে
  3. গ) ৬২৫ খ্রিস্টাব্দে
  4. ঘ) ৬২৬ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
খ) ৬২৪ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬২৪ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
বদর যুদ্ধ
- মদিনা থেকে প্রায় আশি মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি বাণিজ্যকেন্দ্রের নাম বদর।
- তখনকার দিনে এখানে পানির প্রাচুর্য থাকায় স্থানটির গুরুত্ব ছিল অত্যাধিক।
- এখানেই দ্বিতীয় হিজরীর ১৭ রমজান মোতাবেক ৬২৪ খ্রিস্টাব্দের ১১ মার্চ শুক্রবার ইসলামের ইতিহাসের প্রথম সম্মুখযুদ্ধ 'বদর যুদ্ধ' সংঘটিত হয়। 
- এটা ব্যহত যুদ্ধ মনে হলেও বাস্তবে পৃথিবীর ইতিহাসে এর ফলে একটি সুমহান বিপ্লব সূচিত হয়েছিল।
- এ কারণেই কুরআনের ভাষায় একে 'ইয়াওমুল ফুরকান' বলা হয়েছে।
- পাশ্চাত্যে ইতিহাসবিদরাও এর গুরুত্ব স্বীকার করেন।
- ঐতিহাসিক পি কে হিট্টি তার ' History of the Arabs' গ্রন্থে একে ইসলামের প্রকাশ্য বিজয় বলে অভিহিত করেছেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫৪.
বাংলায় হাবসি শাসন কত বছর স্থায়ী ছিল?
  1. ৯ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
• হাবসি শাসন:
বাংলার ইতিহাসে হাবসি শাসন ছিল একটি অল্প সময়ের, তবে অস্থির ও রক্তক্ষয়ী পর্ব।
মাত্র ছয় বছর (১৪৮৭-১৪৯৩ খ্রিষ্টাব্দ) স্থায়ী এই শাসনামলে বাংলা ছিল অন্যায়, অবিচার, বিদ্রোহ, ষড়যন্ত্র এবং হতাশায় পরিপূর্ণ।
এই সময় চারজন হাবসি সুলতান ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন, কিন্তু সকলেই হত্যার মাধ্যমে তাদের শাসনের অবসান ঘটান।

 হাবসি নেতা সুলতান শাহজাদা ‘বরবক শাহ’ উপাধি গ্রহণ করে বাংলার সিংহাসনে প্রথম বসেন।
তবে কিছু মাসের মধ্যেই তিনি হাবসি সেনাপতি মালিক আন্দিলের হাতে নিহত হন।
মালিক আন্দিল ‘সাইফুদ্দিন ফিরোজ শাহ’ উপাধি নিয়ে সিংহাসনে বসেন এবং তাঁর তিন বছরের শাসনকাল (১৪৮৭-১৪৯০ খ্রিষ্টাব্দ) তুলনামূলকভাবে কিছুটা গৌরবময় ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৮৫৫.
পারস্যের নামকরণ 'ইরান' করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৩০ সালে
  2. ১৯৩৩ সালে
  3. ১৯৩৫ সালে
  4. ১৯৩৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৩৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩৫ সালে
ব্যাখ্যা

পারস্য:
- পারস্য বর্তমানে ইরান নামে পরিচিত।
- পারস্যের নামকরণ 'ইরান' করা হয় ২১ মার্চ, ১৯৩৫ সালে।
- পারস্য সভ্যতার ধর্ম ছিল জরথুস্ত্র।
- জরথুস্ত্রের আর্বিভাব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে।
- পারস্যের সাসানীয় রাজবংশের সম্রাট আরদাশিরের সময় জরথুস্ত্র ধর্ম রাজকীয় মর্যাদা লাভ করে।
- জরথুস্ত্রবাদ ছিলো একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী। বিশ্বের অন্যান্য ধর্মের উপর জরথ্রুস্ত্র ধর্মের ব্যাপক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
- এদের প্রধান দেবতার নাম আছর মাজদা। ধর্মগ্রন্থের নাম জেন্দাবেস্তা।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ষষ্ঠ শ্রেণী এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস: প্রথমপত্র: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫৬.
পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অংকন করে কোন সভ্যতার বিজ্ঞানীরা?
  1. মিশরীয় সভ্যতার
  2. গ্রিক সভ্যতার
  3. মেসোপটেমীয় সভ্যতার
  4. চৈনিক সভ্যতার
সঠিক উত্তর:
গ্রিক সভ্যতার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিক সভ্যতার
ব্যাখ্যা
গ্রিক বিজ্ঞান:
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে খ্রিষ্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।
- পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অঙ্কন করেন গ্রিক বিজ্ঞানীরা।
- রাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।
- চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই, বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের ক্রোধের কারণে নয় প্রাকৃতিক কারণে ঘটে।
- এই সত্য তারাই প্রথম আবিষ্কার করেন।

এছাড়াও,
- গ্রিস দেশটি আড্রিয়াটিক সাগর, ভূ-মধ্যসাগর ও ইজিয়ান সাগর দ্বারা পরিবেষ্টিত।
- ইউরোপের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত বলকান উপদ্বীপ।
- এর দক্ষিণাংশে একটি ছোট পাহাড়ি দেশ গ্রিস।
- গ্রিস মূলত একটি পর্বতময় দ্বীপ রাষ্ট্র।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫৭.
কোন সভ্যতা বৃত্তকে ৩৬০ ডিগ্রিতে ভাগ করার পদ্ধতি ব্যবহার করেছিল?
  1. অ্যাসেরীয়
  2. মেসোপটেমীয়
  3. সুমেরীয়
  4. ক্যালডীয়
সঠিক উত্তর:
অ্যাসেরীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসেরীয়
ব্যাখ্যা

• অ্যাসেরীয় সভ্যতা:
- প্রাচীন মেসোপটেমীয় অঞ্চলে বেশ কয়েকটি নগর সভ্যতার বিকাশ ঘটে যার একটি হলো অ্যাশেরীয় সভ্যতা।
- বিজ্ঞান ও জ্যোতিশাস্ত্রে অ্যাশেরীয়রা অতুলনীয় অবদান রাখেন যা বর্তমান সময়েও কাজে লাগে৷
- অ্যাসেরীয়রা বৃত্তকে ৩৬০ ডিগ্রী কোণে ভাগ করে।
- তারা সর্বপ্রথম পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেন।
- জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসারের জন্য তারা মেসোপটেমিয়ায় সর্বপ্রথম লাইব্রেরি স্থাপন করেন যা বর্তমানে ইরাকের ‘নিনেভাহ'-তে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম লাইব্রেরী হিসাবে পরিচিত যা মিশরের আলেক্সান্দ্রিয়া লাইব্রেরী থেকেও কয়েকশ বছরের পুরনো।
- ৬২৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ব্যাবিলন হাত ছাড়া হওয়ার মাধ্যমে ক্যালেডীয়দের কাছে অ্যাশেরীয় সাম্রাজ্যের পতন শুরু হয় এবং ৬১৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে নেবুচাঁদনেজারের হাতে পূর্ণাঙ্গরূপে পতন ঘটে।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com 

৮৫৮.
গণতান্ত্রিক নগর রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত-
  1. স্পার্টা
  2. সিডন
  3. প্লোভদিভ
  4. এথেন্স
সঠিক উত্তর:
এথেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এথেন্স
ব্যাখ্যা
• গণতান্ত্রিক নগর রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত - এথেন্স।
- প্রাচীন গ্রীসে প্রথম গণতন্ত্র শুরু হয়।
- গ্রীসে চূড়ান্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়- পেরিক্লিসের সময়।

• সামরিক নগর রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত - স্পার্টা।
- স্পার্টা সমাজ তৈরি হয়েছিল যুদ্ধের প্রয়োজনকে ঘিরে।

• লেবাননের রাজধানী বৈরুতের প্রায় ২৫ মাইল দক্ষিণে সিডন শহর অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং সম্ভবত ফিনিশীয় সভ্যতার প্রাচীনতম শহরগুলোর একটি।
- এই শহরকে ভিত্তি করেই ফিনিশীয়দের ভূমধ্যসাগরীয় সাম্রাজ্যের বিকাশ ঘটেছিল।

• বুলগেরিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর প্লোভদিভ।
- এটি ছিল রোমান সাম্রাজ্যের একটি প্রধান শহর।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি। এবং প্রথম আলো {লিংক}
৮৫৯.
গুয়াতেমালার পিরামিডে কোন সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া যায়?
  1. মায়া সভ্যতা
  2. ইনকা সভ্যতা
  3. অ্যাজটেক সভ্যতা
  4. ব্যবলনীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
মায়া সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মায়া সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মায়া সভ্যতা:
- মায়া সভ্যতাকে বলা হয় রহস্যময় সভ্যতা।
- মায়া সভ্যতার অবস্থান ছিল মধ্য আমেরিকায়।
- মেক্সিকো, বেলিজ, গুয়াতেমালা, এল সালভাদর ও হন্ডুরাসের রেইনফরেস্টের মধ্যে এটি অবস্থিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ সালের প্রথম দিকে মায়ারা গ্রামে বসতি স্থাপন করেছিল।
- প্রধান শহরগুলির মধ্যে ছিল টিকাল , উয়াক্সাক্টুন , কোপান , বোনাম্পাক , ডস পিলাস , ক্যালাকমুল , প্যালেনকে , এবং রিও বেক। 
- শহরগুলোর ধ্বংসাবশেষ, জটিল হায়ারোগ্লিফিক লিপি আর চিরায়ত রহস্যের মধ্যে আটকা পড়েছে এ সভ্যতার গল্প। 
- প্রায় ৬০০ বছর ধরে মায়ার লোকেরা ঐশ্বর্যময় সভ্যতা নিয়ে টিকে ছিল।

উল্লেখ্য,
- গুয়াতেমালার একটি পিরামিডের ধ্বংসাবশেষে মায়া সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া যায়।

উৎস: i) Britannica.
         ii) আনন্দ বাজার পত্রিকা।
৮৬০.
রোমান সাম্রাজ্যের দ্বিতীয় রাজধানী কোথায় প্রতিষ্ঠা করা হয়?
  1. রোম
  2. এথেন্স
  3. কনস্টান্টিনোপল
  4. আলেকজান্দ্রিয়া
সঠিক উত্তর:
কনস্টান্টিনোপল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কনস্টান্টিনোপল
ব্যাখ্যা

• বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য:
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।
- এই বিশাল সাম্রাজ্য শাসনের জন্য রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলে কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বাইজান্টিয়ান নামক স্থানে দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিষ্ঠা করেন।
- ৩৩০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দ্বিতীয় রাজধানীর নামকরণ করা হয় কনস্টান্টিনোপল।
- পূর্ব রাজধানীকে কেন্দ্র করে রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চল তথা পূর্ব ইউরোপ, পূর্ব-ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চল, এশিয়া মাইনরসহ পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল শাসিত হতো।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৬১.
বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা কোনটি?
  1. মেসোপটেমীয় সভ্যতা
  2. গ্রীক সভ্যতা
  3. সিন্ধু সভ্যতা
  4. নারা সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
মেসোপটেমীয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসোপটেমীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা

• মেসোপটেমীয় সভ্যতা:
- বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হচ্ছে মেসোপটেমীয় সভ্যতা।
- বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যেই প্রাচীন মেসোপটেমীয়া অঞ্চল অবস্থিত।
- মেসোপটেমীয়া একটি গ্রিক শব্দ।
- যার অর্থ দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি।
- মেসোপটেমীয়া বলতে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস (দজলা- ফোরাত) এই দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে বোঝায়।
- এই উর্বর ভূখণ্ডের উত্তরে আর্মেনিয়ার পার্বত্যাঞ্চল, পশ্চিম ও দক্ষিণে আরব মরুভূমি; দক্ষিণ-পূর্বে পারস্য উপসাগর, পূর্বে এলাম পার্বত্যাঞ্চল এবং পশ্চিমে ভূমধ্যসাগর অবস্থিত।
- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৫,৫০০ অব্দে দক্ষিণ মেসোপটেমীয়ার অধিবাসীরা ইউফ্রেতিস নদীর পানির প্রবাহ পরিবর্তন করে এবং পানি সেচের ব্যবস্থা করতে শেখে। মেসোপটেমীয়ায় কৃষি কাজের জন্য এ ধরনের সেচ ব্যবস্থার খুবই দরকার ছিল।

• মেসোপটেমীয়ার অর্ন্তভুক্ত সভ্যতাসমূহ:
- সুমেরীয়,
- ব্যবিলনীয়,
- এ্যাসিরীয়,
- ক্যালডীয় সভ্যতা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৬২.
আফগানিস্তান থেকে সৌভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার শেষ হয় কবে?
  1. ক) ১৫ আগস্ট ১৯৮৮
  2. খ) ২৫ জুন ১৯৮৮
  3. গ) ১৫ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৯
  4. ঘ) ২৫ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৯
  5. ঙ) ২৮ নভেম্বর ১৯৮৯
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৯
ব্যাখ্যা
১৯৭৯ সালে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে তদানীন্তন শাসক বারবার কারমালের আহবানে সোভিয়েত সৈন্যরা আফগানিস্তানে প্রবেশ করে। এরপর এক দশকের লড়াইয়ে লক্ষাধিক মানুষ হতাহত হয়। পরবর্তীতে, ১৯৮৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী সর্বশেষ সোভিয়েত সৈন্য আফগানিস্তান ত্যাগ করে। (সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
৮৬৩.
এজটেক সভ্যতা (Aztec Civilization) কোথায় উদ্ভব ঘটেছিলো?
  1. ক) পেরু
  2. খ) কলম্বিয়া
  3. গ) মেক্সিকো
  4. ঘ) বলিভিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) মেক্সিকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
মেক্সিকোকে কেন্দ্র করে Aztec Civilization গড়ে উঠেছিলো ১৩ শতকে।
৮৬৪.
মায়া সভ্যতায় মায়ানরা কয়টি ক্যালেন্ডার তৈরি করেছিল?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

মায়া সভ্যতা:
- মায়া সভ্যতাকে বলা হয় রহস্যময় সভ্যতা।
- মায়া সভ্যতার অবস্থান ছিল মধ্য আমেরিকায়।
- মেক্সিকো, বেলিজ, গুয়াতেমালা, এল সালভাদর ও হন্ডুরাসের রেইনফরেস্টের মধ্যে এটি অবস্থিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ সালের প্রথম দিকে মায়ারা গ্রামে বসতি স্থাপন করেছিল।
- প্রধান শহরগুলির মধ্যে ছিল টিকাল , উয়াক্সাক্টুন , কোপান , বোনাম্পাক , ডস পিলাস , ক্যালাকমুল , প্যালেনকে , এবং রিও বেক। 
- শহরগুলোর ধ্বংসাবশেষ, জটিল হায়ারোগ্লিফিক লিপি আর চিরায়ত রহস্যের মধ্যে আটকা পড়েছে এ সভ্যতার গল্প। 
- প্রায় ৬০০ বছর ধরে মায়ার লোকেরা ঐশ্বর্যময় সভ্যতা নিয়ে টিকে ছিল।

⇒ মায়া সভ্যতা তিনটি প্রধান ক্যালেন্ডার তৈরি করেছিল:
• যোলকিন (Tzolk’in): ২৬০ দিনের ধর্মীয় ক্যালেন্ডার, ২০টি নামযুক্ত দিন এবং ১৩টি সংখ্যার সমন্বয়ে গঠিত।
• হাব (Haab): ৩৬৫ দিনের সৌর ক্যালেন্ডার, ১৮টি ২০ দিনের মাস এবং ৫ দিনের একটি অতিরিক্ত মাস (ওয়ায়েব) নিয়ে গঠিত।
• লং কাউন্ট (Long Count): দীর্ঘ সময়ের হিসাবের জন্য ব্যবহৃত, যা ৩১১৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে দিন গণনা করে।

⇒ এছাড়া, এই ক্যালেন্ডারগুলো একত্রে ক্যালেন্ডার রাউন্ড নামে ৫২ বছরের একটি চক্র তৈরি করে। সুতরাং, মায়ারা মোট তিনটি প্রধান ক্যালেন্ডার ব্যবহার করত।

উৎস: i) Britannica.
ii) The Daily Star Bangla.

৮৬৫.
ব্যাবিলনীয় সভ্যতার বিখ্যাত রাজা কে?
  1. হাম্মুরাবী
  2. সার্গন
  3. হিত্তি রাজা
  4.  অ্যাশারবানিপাল
সঠিক উত্তর:
হাম্মুরাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাম্মুরাবী
ব্যাখ্যা

রাজা হাম্মুরাবী:
- রাজা হাম্মুরাবী (১৭৯২-১৭৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ছিলেন এ্যামোরাইট তথা ব্যবিলনীয় সভ্যতা জাতির বিখ্যাত নেতা।
- তাঁর আমলে ব্যবিলন নতুন সভ্যতায় উদ্ভাসিত হয়।
- ইউফ্রেটিস উপত্যকায় ব্যবিলনে তিনি কেন্দ্রীয় রাজ্য স্থাপন করেন এবং যুদ্ধ জয়ের মাধ্যমে এক বিশাল শক্তিশালী রাজ্য গড়ে তোলেন।

⇒ ব্যবিলনীয় সভ্যতা চরম খ্যাতি অর্জন করে বিখ্যাত সম্রাট হাম্মুরাবীর শাসনামলে। হাম্মুরারীর আইন জগত বিখ্যাত। পরবর্তীতে ব্যবিলনীয় সভ্যতা জ্ঞান-বিজ্ঞান এবং ব্যবসা বাণিজ্যে প্রভূত উন্নতি সাধন করে।

⇒ ব্যবিলনীয় সভ্যতা:

- মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে গড়ে ওঠা অপর সভ্যতা (ব্যাবিলনীয়) সভ্যতার জনক ছিলো-সেমিটিক জাতি।
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতা গড়ে তোলে এ্যামোরাইট নামক সেমিটিক জাতি। প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে সেমিটিক জাতির অবদান সর্বাধিক। প্রকৃত পক্ষে সুমেরীয় রাজা ডুঙির মৃত্যুর পর পরই সুমেরীয় সভ্যতার পতন ঘটে। সুমেরীয় সভ্যতার ধ্বংসস্তূপের ওপর গড়ে ওঠে ব্যবিলনীয় সাম্রাজ্য বা সভ্যতা।
- অ্যামোরাইটরা আরব মরুভূমির উত্তরাঞ্চল থেকে মেসোপটেমিয়ায় এসে ১৮০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ব্যবিলনে সভ্যতা গড়ে তোলে। এই সভ্যতাকে প্রাচীন ব্যবিলনীয় সভ্যতা বলা হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৬৬.
সক্রেটিসকে কোথায় হেমলক পানে হত্যা করা হয়?
  1. গ্রিস
  2. ইতালি
  3. ফ্রান্স
  4. মিশর
সঠিক উত্তর:
গ্রিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিস
ব্যাখ্যা
গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস: 
- সক্রেটিস একজন বিশ্ববিখ্যাত প্রাচীন গ্রিসের দার্শনিক।
- ইউরোপের দেশ গ্রিসে ৪৭০ খ্রিস্টপূর্বে তার জন্ম।
- অ্যালোপেস নামক অঞ্চলে বেড়ে ওঠেন সক্রেটিস।
- তাঁর প্রখ্যাত শিষ্য ছিলেন প্লেটো।

⇒ সক্রেটিস তার নিজ দর্শন প্রচারের জন্য নির্দিষ্ট কোন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি। রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজার প্রভৃতি যখন যেখানে সুবিধা সেখানেই আবাল-বৃদ্ধ-বণিতার সঙ্গে বিনামূল্যে তিনি দর্শন আলোচনায় প্রবৃত্ত হতেন।
- তার অনুসারীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। তার প্রিয় শিষ্য প্লেটো প্রচার করতে থাকেন গুরুর শিক্ষা-দীক্ষা। কিন্তু দেশটির সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সক্রেটিসের এ খ্যাতি মেনে নেয়নি। পছন্দ করেনি তার শিক্ষা-দর্শন।
- একপর্যায়ে তারা অভিযোগ করেন, সক্রেটিস নাকি যুব সমাজকে বিপথগামী করছেন। এ অভিযোগে তাকে ঢোকানো হলো কারাগারে।

⇒ সক্রেটিসকে হেমলক পান করার মাধ্যমে গ্রিসের আথেন্সে হত্যা করা হয়। তিনি ৩৯৯ খ্রিস্টপূর্বে গ্রিসের আথেন্সে দোষী সাব্যস্ত হয়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন, এবং তার পরবর্তীতে হেমলক পান করার মাধ্যমে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: Britannica.
৮৬৭.
হাম্মুরাবি আইন সংহিতা কোন সভ্যতার অবদান?
  1. মিশরীয়
  2. ফিনিশীয়
  3. ব্যাবিলনীয়
  4. আসিরীয়
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনীয়
ব্যাখ্যা

হাম্মুরাবি আইন:
- হাম্মুরাবি আইন সংহিতা ব্যাবিলনীয় সভ্যতার।
- নগররাষ্ট্র ব্যাবিলন ছিল মেসোপটেমিয়ার কেন্দ্রবিন্দু। ১৭৬০ খ্রিষ্টপূর্ব বেশ কয়টি ধারাবাহিক যুদ্ধের পর ব্যাবিলনের শক্তিমান রাজা হাম্মুরাবি অন্য সব বিপক্ষ নগররাষ্ট্রগুলো গুঁড়িয়ে দেন।
- রাজা হাম্মুরাবি ১৭৯২ থেকে ১৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ব্যাবিলন শাসন করেন।
- ২৮২টি আইনের সমন্বয়ে তৈরি, পাথরে খোদাই করা এই কোডটি ব্যাবিলনের রাজা হাম্মুরাবি প্রাচীন মেসোপটেমিয়া শাসনের জন্য তৈরি করেছিলেন।
- তাঁর আইনগুলো ‘কোড অব হাম্মুরাবি’ নামে পরিচিত। এটি সবচেয়ে পুরোনো লিখিত আইন।
- আইনগুলো শতাব্দীর পর শতাব্দী কাদামাটিতে লিখে আগুনে পুড়িয়ে সংরক্ষণ করা হতো।

⇒ মেসোপটেমিয়া সভ্যতার অবদান:
- মেসোপটেমিয়ায় গড়ে ওঠা সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা সুমেরীয় সভ্যতা। জলঘড়ি ও চন্দ্র পঞ্জিকা আবিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে সুমেরীয়রা। তবে সুমেরীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান চাকা আবিষ্কার।
- বৃত্তকে ৩৬০° কোণে ভাগ করে অ্যাশেরীয়রা। সভ্যতায় অ্যাশেরীয়দের অবদান সমরবাদী, যুদ্ধবিদ্যা, অস্ত্র ও হাতিয়ার তৈরি।
- পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইনের প্রচলন হয় ব্যাবিলনে। সর্বপ্রথম পঞ্জিকার প্রচলন করে ব্যাবিলনীয় সভ্যতায়। সভ্যতায় ব্যাবিলনিয়দের অবদান ছিল আইন প্রণয়নে। ব্যাবিলনীয়দের আইন হাম্মুরাবির আইন নামে পরিচিত ছিল।
- ৭ দিনে সপ্তাহ গণনা শুরু করে ক্যালেডীয়রা। প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘন্টায় ভাগ করার পদ্ধতি বের করে ক্যালেডীয়রা। ক্যালেডীয় সভ্যতা গড়ে তুলেছিলেন রাজা নেবুচাঁদনেজার।

উৎস: i) History.com
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
iii) প্রথম আলো।

৮৬৮.
প্রাচীন গ্রিসে কত শতকে প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয়?
  1. ক) চতুর্থ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
  2. খ) ষষ্ঠ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
  3. গ) প্রথম খ্রিস্টপূর্বাব্দ
  4. ঘ) তৃতীয় খ্রিস্টাব্দ
সঠিক উত্তর:
খ) ষষ্ঠ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ষষ্ঠ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
ব্যাখ্যা
প্রাচীন গ্রিসে খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীর শুরুর দিকে প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয়।
গ্রিক সভ্যতার এথেন্স নগররাষ্ট্র ছিলো গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীলতার ধারক।
পরবর্তীতে অষ্টাদশ শতকে ইংল্যান্ডে প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রের সূচনা ঘটে।
(সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
৮৬৯.
হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারের প্রাচীন অধিবাসীরা কোন গোত্রের?
  1. মঙ্গোলীয় গোত্র
  2. আদিম উপজাতি
  3. আর্য গোত্র
  4. দ্রাবিড় গোত্র
সঠিক উত্তর:
দ্রাবিড় গোত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রাবিড় গোত্র
ব্যাখ্যা
দ্রাবিড়:
- ভারতে আর্যদের আগমনের পূর্বে দ্রাবিড় জাতির বসবাস ছিল।
- এই জাতিগোষ্ঠী দক্ষিণে ইন্দো-আফ্রিকার নিগ্রোদের গোত্রভুক্ত।
- হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোতে যে আদিবাসীদের অস্তিত্বের কথা সিন্ধু সভ্যতা আবিষ্কারের ফলে জানা যায় এরাই দ্রাবিড় জাতি।
- প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগেই ভারতে দ্রাবিড়দের অবস্থান ছিল বলে অনুমান করা হয়।
- দ্রাবিড়দের মূল পেশা ছিল কৃষিকাজ।
- এরা আদিম অবস্থা অতিক্রম করে ভারতে নগর গড়ে তোলে এবং প্রতিষ্ঠা করে রাষ্ট্র।
- তারা মিশর, প্যালেস্টাইন, পারস্য, মেসোপটেমিয়া, ব্যবিলনিয়া ও এশিয়া মাইনর প্রভৃতি দেশে বাণিজ্য করত।
- তাদের রপ্তানি পণ্যের মধ্যে ছিল হাতির দাঁত, স্বর্ণ, মূল্যবান পাথর, ধান, কাঠ, বানর ও ময়ূর।
- দ্রাবিড় ভাষার সাথে এখনও তামিল, তেলেগু, কানাড়ীয়, মালিয়াম প্রভৃতি অঞ্চলের ভাষার মিল রয়েছে।
- দ্রাবিড়দের সমাজ কাঠামো ছিল মাতৃতান্ত্রিক।
- দ্রাবিড় সমাজে কোন বর্ণভেদ ছিল না।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭০.
রাজা হাম্মুরাবি কোন সভ্যতার রাজা ছিলেন?
  1. সুমেরীয়
  2. এসিরীয়
  3. ক্যালডীয়
  4. ব্যাবিলনীয়
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনীয়
ব্যাখ্যা

ব্যাবিলনীয় সভ্যতার অবস্থান ও সময়কাল:
- মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে গড়ে ওঠা সভ্যতা- ব্যাবিলনীয় সভ্যতার জনক ছিলো সেমিটিক জাতি।
- এরা এক সময় মেসোপটেমিয়ায় এসে নগর সভ্যতা গড়ে তোলে।
- এ ব্যাবিলনীয় সভ্যতা গড়ে তোলে এ্যামোরাইট নামক সেমিটিক জাতি।
- প্রকৃত পক্ষে সুমেরীয় রাজা ডুঙির মৃত্যুর পর পরই সুমেরীয় সভ্যতার পতন ঘটে।
- সুমেরীয় সভ্যতার ধ্বংসস্তূপের ওপর গড়ে ওঠে ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্য বা সভ্যতা।
- অ্যামোরাইটরা খ্রিস্টপূর্ব ১৮৯৪ অব্দে মেসোপটেমিয়ার সুমের ও আক্কাদ নগরীর মাঝামাঝি অবস্থিত ব্যাবিলন নামক স্থানে একটি সভ্যতা গড়ে তোলে। 
- আমোরাইট নেতা হাম্মুরাবী ছিলেন ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা।

উল্লেখ্য,
- ব্যাবিলন শব্দটির অর্থ দেবতার নগরী।
- টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর দুটি যেখানে সবচেয়ে কাছাকাছি এসেছে, সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে এই নগরী।
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন প্রথম সারগন।
- এই সভ্যতার ঘরবাড়ি রোদে শুকানো ইট দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল।

উৎস: i) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৮৭১.
কোন শতাব্দীতে ইউরোপীয় রেনেসাঁ শুরু হয়?
  1. একাদশ শতাব্দীতে
  2. দ্বাদশ শতাব্দীতে
  3. ত্রয়োদেশ শতাব্দীতে
  4. চতুর্দশ শতাব্দীতে
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশ শতাব্দীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশ শতাব্দীতে
ব্যাখ্যা

• রেনেসাঁ:
- ইংরেজি 'রেনেসাঁ' Renaissance) শব্দের অর্থ নবজাগরণ বা পুনর্জন্ম।
- ধর্মভাবনা নিয়ন্ত্রিত ও সামন্ততান্ত্রিক মধ্যযুগীয় দীর্ঘ বদ্ধ দশা থেকে মুক্ত হয়ে নতুনভাবে জীবনের সবকিছুকে জানার জন্য মানব মনের যে আগ্রহ তারই পরিণতি স্বরূপ যে নবজীবনবাদের সূচনা, তাকেই সাধারণভাবে রেনেসাঁ বা নবজাগরণ নামে আখ্যায়িত করা হয়।
- মধ্যযুগের জ্ঞান-বিজ্ঞান, বিশ্বাস সব কিছুই আবর্তিত হতো প্রচলিত ধর্ম বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে।
- ইউরোপে চতুর্দশ ও পঞ্চদশ শতক থেকে ক্রমেই এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটে।
- সাধারণ মানুষ যুক্তিতর্ক দ্বারা সবকিছুকে গ্রহণ বা বর্জন করতে উৎসাহী হয়ে ওঠে।
- রেনেসাঁস মূলত একটি দীর্ঘস্থায়ী সমাজ পরিবর্তন প্রক্রিয়া।
- এই রেনেসাঁসের ভেতর দিয়ে আধুনিক পাশ্চাত্য সভ্যতার উত্থান ঘটেছে।
- চতুর্দশ শতাব্দীতে ইউরোপীয় রেনেসাঁ শুরু হয়।
- ইতালিতে রেনেসাঁস এর গোড়াপত্তন ঘটে।
- পরবর্তী সময়ে জার্মানিতে রিফরমেশন, ফ্রান্সে ফরাসি বিপ্লব, ইংল্যান্ডে শিল্পবিপ্লব এবং সোভিয়েত ইউনিয়নে রুশ বিপ্লব ও চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব ঘটে।
- তবে ইতালিতেকেই রেনেসাঁসের প্রথম পর্ব হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।

উৎস: i) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica

৮৭২.
'অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড' পরিচালনা করে কোন বিদ্রোহী গোষ্ঠী?
  1. হুতি
  2. হিজবুল্লাহ
  3. হামাস
  4. আইএস
সঠিক উত্তর:
হামাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হামাস
ব্যাখ্যা
অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড:

- ইসরাইলে হামাস ৭ অক্টোবর, ২০২৩ সালে আক্রমণের মধ্য দিয়ে দুদেশের সংঘাত শুরু হয়।
- হামাস কর্তৃক এ লড়াইয়ের নাম দেয়া হয়েছে 'অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড'।
- বস্তুত বন্যার জলের মতই সশস্ত্র হামাস বাহিনী ঢুকে পড়েছে ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ডে।
- এর আগে ২০২১ সালে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে ১১ দিন ধরে সংঘাত চলেছিল। 
- হামাস সদস্য ইজেত আল-রাশক জানান, আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে তারা লড়ছেন।
- ইহুদিদের চলা উৎসব পর্বে আঘাত হেনেছে হামাস।
- ইসরায়েলের বন্দর শহর তেল আবিবের উত্তরে পর্যন্ত রকেট হামলা করা হয়েছে।
- সেই সাথে হামাসের সশস্ত্র বাহিনী ঢুকে পড়েছে ইসরায়েলের দক্ষিণে।

তথ্যসূত্র - ৮ অক্টোবর, ২০২৩, বিবিসি বাংলা ও দৈনিক যুগান্তর, ০৩ নভেম্বর ২০২৩।
৮৭৩.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কখন শুরু হয়েছিল?
  1. ক) ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৪০ সালে
  2. খ) ২৩ আগস্ট, ১৯৪২ সালে
  3. গ) ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে
  4. ঘ) ১ সেপ্টেম্বর, ১৯১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে জার্মান কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল- জার্মান, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিল- ফ্রন্স, পোল্যান্ড, সোভিয়েত ইউনিয়ন, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- যুক্তরাষ্ট্র ‍দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে।
- জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্থন করে- ৭ মে, ১৯৪৫ সালে।
- জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্থনের মাধ্যমে ‍দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার হয়- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৮৭৪.
প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয় -
  1. গ্রিসে
  2. যুক্তরাজ্যে
  3. চীনে
  4. ইতালিতে
সঠিক উত্তর:
গ্রিসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিসে
ব্যাখ্যা

গণতন্ত্রের সূচনা:
- 'গণতন্ত্র' পরিভাষাটি ইংরেজি 'Democracy' থেকে এসেছে।
- গ্রিক শব্দ Demos অর্থ হলো জনগণ আর Kritos অর্থ শাসনক্ষমতা বা কর্তৃত্ব।
- ব্যুৎপত্তিগত অর্থে গণতন্ত্র হলো জনগণের শাসন।
- খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে সলোন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেন।
- প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয় গ্রিসের নগররাষ্ট্র এথেন্সে।
- গ্রিক সভ্যতার এথেন্স নগররাষ্ট্র ছিলো তখন গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীলতার ধারক।
- অ্যাথেন্সকে সাধারণত গণতন্ত্রের জন্মস্থান হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও কালের কণ্ঠ, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮।

৮৭৫.
বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কোন শহর ছিল?
  1. রোম
  2. এথেন্স
  3. আলেকজান্দ্রিয়া
  4. কনস্টান্টিনোপল
সঠিক উত্তর:
কনস্টান্টিনোপল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কনস্টান্টিনোপল
ব্যাখ্যা

বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য:
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য আনুমানিক ৩৯৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে - ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল৷
- ১৫ শতকে অটোমান তুর্কি আক্রমণে পতনের আগে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান সভ্যতা ছিল।
- অঞ্চলটিকে সাধারণত পূর্ব রোমান সাম্রাজ্য বলা হত।
- ৪৭৬ সালে রোমের পতনের ফলে রোমান সাম্রাজ্যের পশ্চিম অর্ধেক শেষ হয় এবং পূর্ব অর্ধেক বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য হিসাবে পরিচালিত হয়।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ভূমধ্যসাগরের আশেপাশের বেশিরভাগ ভূমি জুড়ে ছিল, যার মধ্যে বর্তমানে ইতালি, গ্রীস এবং তুরস্ক এবং উত্তর আফ্রিকা।
- এই সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন জাস্টিনিয়ান।
- ১৪ শতকে অটোমান তুর্কিরা দখল করতে শুরু করে এবং ১৪৫৩ সালে এটি অটোমান নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

তথ্যসূত্র -  Britannica.com

৮৭৬.
বিখ্যাত পরিব্রাজক মার্কো পোলো কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. স্পেন
  2. ইতালি
  3. পর্তুগাল
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা

• মার্কো পোলো:
-  মার্কো পোলো ১২৫৪ সালে ইতালির ভেনিস (Venice) শহরে একটি বিত্তশালী বণিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১২৭১ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি তাঁর বাবা এবং চাচার সাথে এশিয়ার উদ্দেশ্যে দীর্ঘ এক অভিযানে যাত্রা শুরু করেন। তিনি 'সিল্ক রোড' হয়ে চীনে পৌঁছান।
- তিনি মঙ্গোল সম্রাট কুবলাই খানের দরবারে দীর্ঘ ১৭ বছর (১২৭৫–১২৯২) কাটান এবং সম্রাটের বিশেষ দূত হিসেবে এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্রমণ করেন।
- তাঁর ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে রচিত বই 'দ্য ট্রাভেলস অফ মার্কো পোলো' (The Travels of Marco Polo) ইউরোপীয়দের কাছে এশিয়া, বিশেষ করে চীন, ভারত ও তিব্বত সম্পর্কে জানার প্রধান উৎসে পরিণত হয়। তাঁর এই বর্ণনা পরবর্তীকালে ক্রিস্টোফার কলম্বাসসহ অনেক অভিযাত্রীকে অনুপ্রাণিত করেছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮৭৭.
'হাম্মুরাবির বিধান' নিচের কোন সভ্যতার সাথে সম্পর্কিত?
  1. রোমান সভ্যতা
  2. গ্রিক সভ্যতা
  3. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
  4. সিন্ধু সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:
- ব্যাবিলন প্রাচীন মধ্যপ্রাচ্যের একটি শহর।
- এই শহরের ধ্বংসাবশেষ বাগদাদ থেকে প্রায় ৫৫ মাইল (৮৯ কিমি) দক্ষিণে, ইরাকের আধুনিক শহর আল-হিল্লার কাছে অবস্থিত।
- এটি ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের দিকে আমোরীয় রাজাদের শাসনের অধীনে আসে।
- শহরটি ব্যাবিলোনিয়ার রাজধানী হয়ে ওঠে।
- টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদী ব্যবস্থার প্রধান বাণিজ্যিক শহর ছিল।
- নেবুচাঁদনেজার পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের অন্যতম হিসেবে পরিচিত- ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান নির্মাণ করেন।
- হাম্মুরাবির বিধান এই সভ্যতার লিখিত আইনের একটি।
- এতে ২৮২টি ধারা ছিল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৮৭৮.
Hieroglyphic is the ancient writing system of which civilization?
  1. The ancient Sumerians
  2. The ancient Persian
  3. The ancient Babylonian
  4. The ancient Aztecian
  5. The ancient Egyptians
সঠিক উত্তর:
The ancient Egyptians
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The ancient Egyptians
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখনপদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করে।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত।
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারােগ্লিফিক' বা পবিত্র অক্ষর

উল্লেখ্য,
- লেখার কাজে কালি প্রথম ব্যবহার শুরু করে মিশরীয়রা।
- খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ শতকে মিশরীয়রা লেখার জন্য কালির ব্যবহার শুরু করলে এটি লেখালেখির আদর্শ অনুষঙ্গে পরিণত হয়।
- লেখার জন্য মিশরীয়রা প্যাপিরাস নামের একধরনের কাগজ ব্যবহার করত।
- এরপর ওই প্যাপিরাসের উপযোগী করে কালিও তৈরি করত তারা।
- এই কালি তৈরি হতো হাড়ের গুঁড়ো থেকে।
- পুরোপুরি কালো রঙের অমোচনীয় কালির উদ্ভাবন ঘটে চীনের হার্ন রাজবংশের শাসনামলে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) ১৬ আগস্ট ২০১৩, প্রথম আলো।
৮৭৯.
প্রাচীন রোমে ‘ত্রয়ী শাসন’ এর নেতা ছিলেন না-
  1. ক) লেপিডাস
  2. খ) অগাস্টাস সিজার
  3. গ) রোমিউলাস অগাস্টুলাস
  4. ঘ) মার্ক অ্যান্টনি
সঠিক উত্তর:
গ) রোমিউলাস অগাস্টুলাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রোমিউলাস অগাস্টুলাস
ব্যাখ্যা
জুলিয়াস সিজার ছিলেন প্রাচীন রোমের সবচেয়ে খ্যাতিমান সম্রাট। তাঁর মৃত্যুর পর রোমে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। ৪৪-৪২ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত এ যুদ্ধের ব্যাপ্তি ছিল। যুদ্ধে জয়ী হয়ে একযোগে ক্ষমতায় আসেন তিন নেতা – অক্টেভিয়াস ‍সিজার, মার্ক অ্যান্টনি এবং লেপিডাস। প্রাচীন রোমে তিনজনের মিলিত এ শাসন ‘ত্রয়ী শাসন’ নামে খ্যাত। ‘ত্রয়ী শাসন’ বেশি দিন টেকেনি। ৩১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমান সাম্রাজ্যের একচ্ছত্র অধিপতি হয়ে অক্টোভিয়াস সিজার ‘অগাস্টস (প্রথম সম্রাট) সিজার’ উপাধি গ্রহণ করেন। অগাস্টাস সিজারের রাজত্বকালের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যীশুখ্রিস্টের জন্ম। রোমের শেষ সম্রাট ছিলেন রোমিউলাস অগাস্টুলাস।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি(উন্মুক্ত)]
৮৮০.
নিচের কোন সভ্যতা সাগরের তীরে গড়ে উঠেছিলো?
  1. ক) সুমেরীয় সভ্যতা
  2. খ) গ্রিক সভ্যতা
  3. গ) সিন্ধু সভ্যতা
  4. ঘ) মিশরীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রিক সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রিক সভ্যতা
ব্যাখ্যা
গ্রিক সভ্যতা প্রাচীন গ্রিসের কয়েকটি নগরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিলো। আড্রিয়াটিক, ঈজিয়ান ও ভূমধ্যসাগর সাগর দ্বারা বেষ্টিত হওয়ায় গ্রিক সভ্যতাকে ‘ওসেনিয়ান বা সাগরীয়’ সভ্যতাও বলা হয়।
অন্যদিকে,
- সুমেরীয় সভ্যতা : ইউফ্রেতিস ও টাইগ্রিস নদীকেন্দ্রিক
- সিন্ধু সভ্যতা : সিন্ধু নদীর তীরে
- মিশরীয় সভ্যতা : নীলনদের তীরে।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস : প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৮৮১.
পারস্য সভ্যতা কোন দেশে কেন্দ্রীভূত ছিল?
  1. মিশর
  2. ইরান
  3. আফগানিস্তান
  4. তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা

পারস্য সভ্যতা:
- বর্তমান ইরানকে কেন্দ্র করে এই বিশাল ও শক্তিশালী সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল।
- এটি প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম এবং সুসংগঠিত সাম্রাজ্য ছিল।
- পারস্য সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন করেন সম্রাট সাইরাস (Cyrus the Great)।

• সাম্রাজ্য বিস্তার ও শাসন পদ্ধতি:
- সম্রাট সাইরাস থেকে শুরু করে সম্রাট প্রথম দারিউস (Darius I) পর্যন্ত পারস্য সাম্রাজ্য এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিশাল অংশে বিস্তৃত ছিল।

• সম্রাট সাইরাসের সিলিন্ডার (Cyrus Cylinder): এটিকে বিশ্বের প্রথম 'মানবাধিকারের ঘোষণাপত্র' হিসেবে গণ্য করা হয়।
- সম্রাট সাইরাস যখন ব্যাবিলন জয় করেন, তখন তিনি সেখানকার বন্দি হিব্রুদের মুক্তি দেন এবং সবাইকে নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দান করেন।

• ধর্ম ও দর্শন: পারস্যদের ধর্মের নাম ছিল 'জরথুস্ট্রবাদ' (Zoroastrianism)।
• স্থাপত্যকলা: পারস্য স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হলো 'পারসেপোলিস' (Persepolis) নামক বিশাল প্রাসাদ।
- মুদ্রার প্রচলন: সম্রাট দারিউস সর্বপ্রথম বাণিজ্য সহজ করার জন্য 'দারিক' (Daric) নামক স্বর্ণমুদ্রা এবং রৌপ্যমুদ্রার প্রচলন করেন।
- পারস্যরা প্রথম সুশৃঙ্খলভাবে একটি বিশাল নৌবাহিনী ও পদাতিক বাহিনী গড়ে তুলেছিল। তাদের বিশেষ একটি বাহিনী ছিল যার নাম 'ইমমোর্টালস' (Immortals) বা অমর বাহিনী।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৮২.
নিচের কোনটি মেসোপটেমিয়ায় সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. অ্যাসরীয় সভ্যতা
  2. নারা সভ্যতা
  3. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
  4. সুমেরীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
নারা সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারা সভ্যতা
ব্যাখ্যা
- নারা সভ্যতা জাপানে ছিল। 
- এটি মেসোপটেমীয় সভ্যতা অংশ নয়।

মেসোপটেমীয় সভ্যতা:

- এ সভ্যতাকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়-
- সুমেরীয় সভ্যতা,
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতা,
- অ্যাসেরীয় সভ্যতা,
- ক্যালেডীয় সভ্যতা।
- এই সভ্যতা বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া ও ভূমধ্যসাগরের পূর্বাঞ্চলে অবস্থান।
- এই সভ্যতার দেশ সমূহ- ইরাক, কুয়েত, তুরস্ক, ও সিরিয়ার অংশবিশেষ।

উল্লেখ্য,
- টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে মেসোপটেমীয় সভ্যতা সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- Mesopatamia শব্দের মানে দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল।
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮৩.
বিখ্যাত ওয়াটার লু যুদ্ধক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ইংল্যান্ড
  2. ইতালি
  3. ফ্রান্স
  4. বেলজিয়ামে
সঠিক উত্তর:
বেলজিয়ামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলজিয়ামে
ব্যাখ্যা
ওয়াটার লু যুদ্ধ:
- বিখ্যাত ওয়াটার লু যুদ্ধক্ষেত্র বেলজিয়ামে অবস্থিত।
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছে।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- ওয়াটার লুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন)।

উৎস: Britannica.
৮৮৪.
ক্রিমিয়া যুদ্ধে পরাজিত হয় -
  1. তুরস্ক
  2. ব্রিটেন
  3. ফ্রান্স
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
ক্রিমিয়ার যুদ্ধ:
- ১৮৫৩ সাল থেকে ১৮৫৬ সাল পর্যন্ত ক্রিমিয়ার যুদ্ধ চলে।
- রাশিয়ার সঙ্গে এই যুদ্ধ চলে তুরস্ক তথা অটোমান সাম্রাজ্যের মিত্রশক্তি ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সারডিনিয়ার।
- ১৮৫৩ সালে ইউরোপের তুর্কি এলাকায় রাশিয়া আক্রমণ চালালে এ যুদ্ধের সূচনা হয়।
- রাশিয়া তুরস্কের নিয়ন্ত্রিত দারদানেলিস প্রণালী দিয়ে যুদ্ধ জাহাজ চলাচলের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তুরস্কের খ্রিস্টানদের রক্ষার অজুহাত তুলে এই যুদ্ধ শুরু করে।
- ব্রিটেন ও ফ্রান্স তুরস্কের সাহায্যে এগিয়ে আসে।
- সারডিনিয়া মিত্রজোটে যোগ না দেয়া পর্যন্ত এই যুদ্ধ ১৮৫৫ সালের বসন্তকাল অবধি বন্ধ থাকে।
- এরপর মিত্রবাহিনী সেভাস্তোপোল দখল করে নেয়।
- প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হবার পর ১৮৫৬ সালে এই যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে।
- এই যুদ্ধে রাশিয়া পরাজিত হয়।
- যুদ্ধে বিজয়ী হয় ফ্রান্স, ব্রিটেন ও অটোমান সাম্রাজ্য।

উৎস: Britannica.
৮৮৫.
১২ মাসে বছর ও ৩০ দিনে মাস গণনার দিনপঞ্জি তৈরি করেন কে?
  1. সম্রাট কাইরাস
  2. সম্রাট ফারিয়ুস
  3. সম্রাট দারিয়ুস
  4. সম্রাট দারিরাস
সঠিক উত্তর:
সম্রাট দারিয়ুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট দারিয়ুস
ব্যাখ্যা
♦পারস্য সভ্যতা:
- আজকের ইরান দেশটি প্রাচীনকালে পারস্য নামে পরিচিত ছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব ৫৫৯ অব্দ থেকে ৩০০ অব্দের মধ্যে এখানে পারস্য সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- সভ্যতার ইতিহাসে দুটি ক্ষেত্রে পারসীয়দের অবদান ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রথমটি সুষ্ঠু ও দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং দ্বিতীয় ধর্মীয় ক্ষেত্রে একটি নতুন ধারণা নিয়ে আসা।
- সুন্দরভাবে সাম্রাজ্য পরিচালনা করার জন্য সম্রাট দারিয়ুস একটি দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলেছিলেন।
- সম্রাট দারিয়ুস চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নয়নের জন্য কাজ করেন।
- জ্যোতির্বিদ্যার উন্নয়নেরও সম্রাটের দৃষ্টি ছিল।
- সম্রাট দারিয়ুস ১২ মাসে বছর ও ৩০ দিনে মাস গণনার রীতি চালু করে পারসীয় দিনপঞ্জি তৈরি করেন।
- পারসীয়গণ লিখার জন্য ৩৯টি কিউনিফর্ম চিহ্ন ব্যবহার করত।
- পারস্য স্থাপত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হলো পিরামিডের আকৃতিতে তৈরি সম্রাট কাইরাসের সমাধি।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৮৮৬.
কত সালে মাদার তেরেসা শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান?
  1. ক) ১৯৭৯
  2. খ) ১৯৯০
  3. গ) ১৯৯৩
  4. ঘ) ১৯৯৪
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৯
ব্যাখ্যা
১৯৭৯ সালে মাদার তেরেসা শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পান। 

মাদার তেরেসার জন্ম ১৯১০ সালের ২৬ আগস্ট। মাদার তেরেসা নামে অধিক পরিচিত হলেও তার আসল নাম মেরি টেরিজা বোজাঝিউ। তিনি  ছিলেন একজন আলবেনীয়-বংশোদ্ভুত ভারতীয় ক্যাথলিক সন্ন্যাসিনী এবং ধর্মপ্রচারক।

১৯৫০ সালে কলকাতায় ‘দ্য মিশনারিজ অফ চ্যারিটি’ (দাতব্য ধর্মপ্রচারক সংঘ) নামে একটি খ্রিস্ট ধর্মপ্রচারণাসংঘ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমে ভারতে ও পরে সমগ্র বিশ্বে তার এই ধর্মপ্রচারণা কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়ে। ২০১৬ সালে পোপ ফ্রান্সিস তাকে 'সন্ত' হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেন এবং ক্যাথলিক গির্জায় তিনি ‘কলকাতার সন্ত টেরিজা’ হিসেবে আখ্যায়িত হন।

১৯৭৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার ও ১৯৮০ সালে ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ভারতরত্ন লাভ করেন।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
৮৮৭.
কত খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিন্ধু সভ্যতার পতন হয়?
  1. ক) ১৫০০
  2. খ) ২৭৫০
  3. গ) ৩০০০
  4. ঘ) ১২৮০
সঠিক উত্তর:
খ) ২৭৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৭৫০
ব্যাখ্যা

সিন্ধুসভ্যতার পতন:
- সভ্যতার ইতিহাসের নিয়মই হচ্ছে কোন একটি সভ্যতার উত্থান ঘটতে পারে, তারপরে এর বিকাশ, অবশেষে এর পরিণতি হয় পতন।
- সিন্ধু সভ্যতা পতনের জন্য বেশ কিছু কারণ দায়ী ছিল।

⇒ প্রাকৃতিক দুর্যোগ:
-  প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সিন্ধু সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যায়। দুই ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের কথা বলা হয়ে থাকে। এগুলো হচ্ছে, বন্যা এবং ভূমিকম্প। বলা হয়ে থাকে ক্রমাগত বন্যা এই নগরকে ধ্বংস করেছে। বন্যা প্রতিরোধের কোন প্রকার ব্যবস্থা সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা গ্রহণ করতে পারেনি।

⇒ বৈদেশিক আক্রমণ:
- পার্শ্ববর্তী বা বিদেশী আক্রমণকারীদের আক্রমণে ধ্বংস হয়েছে সিন্ধু সভ্যতা। এই আক্রমণকারী হিসেবে অনেকেই আর্যদের কথা বলেছেন। যাযাবর আর্যরা ভারতে প্রবেশ করে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। পূর্বোক্ত তারা উন্নত নগর সভ্যতা সিন্ধু সভ্যতাকে ধ্বংস করে।

⇒ আভ্যন্তরীণ সঙ্কট:
- অভ্যন্তরীণ সঙ্কটের কারণে এই সভ্যতা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। মনে করা হয় কৃষি উৎপাদন হ্রাস পেয়েছিল। বাণিজ্যও ভেঙ্গে পড়েছিল। এভাবে, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দুর্বল হয়ে পড়ে সিন্ধুসভ্যতা। সামরিক দিক থেকেও খুব সবল ছিল না সিন্ধুবাসীরা।

উল্লেখ্য,
- এ সমস্ত সঙ্কটের কারণে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে থাকে এই সভ্যতা।
- এসব কারণের মধ্যে প্রত্নতাত্ত্বিকগণ মোটামুটি নিশ্চিত হয়েছেন ২৭৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে প্রলয়ঙ্করী বন্যা হয়েছিল।
- হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো প্লাবিত হয় এই বন্যায়। হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো শহর এভাবে ধ্বংস হয়ে যায়।
- বলা হয়ে থাকে, ক্রমাগত বন্যায় শহর দু'টি ধীরে ধীরে মাটির নীচে চাপা পড়েছে।

উৎস: এইচ এস সি প্রোগ্রাম, ইতিহাস ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৮৮৮.
মায়া সভ্যতার সৌর ক্যালেন্ডার কোনটি?
  1. টজলকিন
  2. ইৎজা
  3. হাব
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাব
ব্যাখ্যা
মায়া সভ্যতা:
- তৎকালীন পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক ও উন্নত সভ্যতা ছিল এ মায়া সভ্যতা।
- মায়া সভ্যতায় বসবাসকারীদের মায়ানও বলা হতো।
- মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার কয়েকটি দেশ যেমন গুয়েতমালা, বেলিজ, এল সালভাদের, হন্ডরাস প্রভৃতি দেশে মায়া সভ্যতা লোকজনের বসবাস ছিল।
- তারা আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দ থেকে এসকল অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- মায়া সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল মেক্সিকোর অন্যতম প্রদেশ ইয়াকাতানে অবস্থিত চেচেন ইৎজা (Chichen Itza) শহর।

⇒ মায়া সভ্যতাকে দুটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-
• প্রাচীন মায়া সভ্যতা (খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০-২৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত) এবং
• ক্ল্যাসিক মায়া সভ্যতা (২৫০-৯০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত)।

⇒ মায়ারা দুটি ক্যালেন্ডার তৈরি করেছিল:
• হাব (Haab): ৩৬৫ দিনের সৌর ক্যালেন্ডার।
• টজলকিন (Tzolk’in): ২৬০ দিনের ধর্মীয় ক্যালেন্ডার।

তথ্যসূত্র - Britannica & history.com
৮৮৯.
কোন জাতিগোষ্ঠী ককেশীয় নৃগোষ্ঠীর অন্তর্গত?
  1. আর্য
  2. সিমেটিক
  3. নর্ডিক
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
ককেশীয় নৃগোষ্ঠী: 
- তারা সাধারনত লম্বা, ফর্সা, লম্বা নাক ও মুখ, পাতলা ঠোঁট।
- কৃষ্ণসারগ ও কাস্পিয়ান সাগরের মধ্যবর্তী পাহাড়ী অঞ্চল হলো ককাশ অঞ্চল। যেমন: রাশিয়া, জর্জিয়া, আজারবাইজান, আর্মেনিয়া।
- ইউরোপ, উত্তর আফ্রিকা, হর্ণ অব আফ্রিকা, পশ্চিম এশিয়া(মধ্য প্রাচ্য) ককেশিয়ানদের বসবাস।
- ককেশীয়া বৈশিষ্ঠ ধারনকারী কিছু জনগোষ্ঠী হলো:
আর্য,
সিমেটিক,
হেমেটিক,
নর্ডিক,
ইরানীয়,
আর্মেনীয়।

উৎস: ব্রিটানিকা, সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৯০.
নিচের কোনটি অ্যাশেরীয়দের অবদান?
  1. ক) পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ
  2. খ) বর্ণমালার উদ্ভাবন
  3. গ) সপ্তাহকে সাত দিনে বিভক্ত
  4. ঘ) চাকা আবিষ্কার
সঠিক উত্তর:
ক) পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ
ব্যাখ্যা
▪ খ্রিস্টপূর্ব ১৩৬৫ পূর্বাব্দে প্রথম অসুর উবালিট (Ashur-uballit I) - এর নেতৃত্বে হিট্টিটেস ও কিসিটেসদের পরাজিত করে নতুন সাম্রাজ্য গড়ে উঠে যা অ্যাশেরীয় সাম্রাজ্য নামে পরিচিত।

অ্যাশেরীয় সভ্যতার অবদান
▪ অ্যাশেরীয়রা বৃত্তকে ৩৬০ ডিগ্রী কোণে ভাগ করে।
▪ তারা সর্বপ্রথম পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেন।

অন্যদিকে,
▪ ফিনিশীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান বর্ণমালার উদ্ভাবন ও লিখন পদ্ধতির আবিষ্কার। তারা মিশর ও ব্যাবিলনের বর্ণমালা থেকে ২২টি ব্যঞ্জনবর্ণের সমন্বয়ে সহজ লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার করে।
▪ সপ্তাহকে সাত দিনে বিভক্ত করে ক্যালডীয়রা।
▪ সুমেরীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান চাকা আবিষ্কার।   

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।
৮৯১.
বর্তমান কোন দেশগুলোর অংশ নিয়ে ফিনিশীয় সভ্যতা গড়ে ওঠে?
  1. তুরস্ক ও গ্রিস
  2. লেবানন ও সিরিয়া
  3. ইসরাইল ও জর্ডান
  4. মিশর ও লিবিয়া
সঠিক উত্তর:
লেবানন ও সিরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেবানন ও সিরিয়া
ব্যাখ্যা

• ফিনিশীয় সভ্যতা (Phoenician Civilization):
- বর্তমান লেবানন এবং সিরিয়ার কিছু অংশ নিয়ে ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূলে এই প্রাচীন সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে তারা স্থলপথের চেয়ে জলপথে বাণিজ্যে বেশি আগ্রহী ছিল।
- গ্রীকরা এদের নাম দিয়েছিল 'ফিনিশীয়' বা 'পার্পল পিপল' (Purple People), কারণ তারা এক ধরণের বিশেষ সামুদ্রিক শামুক থেকে রাজকীয় বেগুনি রং তৈরি করত এবং এর ব্যবসা করত।

• বর্ণমালা আবিষ্কার (Invention of Alphabet):
- ফিনিশীয়দের সবচেয়ে বড় অবদান হলো বর্ণমালার উদ্ভাবন।
- তারা ২২টি ব্যঞ্জনবর্ণের একটি সেট তৈরি করে, যা ছিল আধুনিক বর্ণমালার পূর্বপুরুষ।
- পরবর্তীতে গ্রীকরা এই বর্ণমালার সাথে স্বরবর্ণ (Vowels) যুক্ত করে এবং রোমানদের হাত ধরে তা বর্তমান ইংরেজি বর্ণমালায় রূপ নেয়।

• প্রধান নগর রাষ্ট্রসমূহ:
- ফিনিশীয়রা কোনো একক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেনি, বরং তারা ছোট ছোট স্বাধীন 'নগর রাষ্ট্র' বা 'সিটি স্টেটস'-এ বিভক্ত ছিল।
- তারা ছিল প্রাচীন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা।
- তারা ধ্রুবতারা দেখে দিক নির্ণয় করতে জানত, যাকে গ্রীকরা 'ফিনিশীয় তারা' বলত।

• কার্থেজ (Carthage):
- ফিনিশীয়রা ভূমধ্যসাগরের নানা স্থানে উপনিবেশ স্থাপন করেছিল। এর মধ্যে উত্তর আফ্রিকায় (বর্তমান তিউনিসিয়া) অবস্থিত 'কার্থেজ' ছিল সবচেয়ে বিখ্যাত, যা পরবর্তীতে রোমান সাম্রাজ্যের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট  এবং বিশ্ব ইতিহাস এনসাইক্লোপিডিয়া।

৮৯২.
মুসলমানদের মক্কা বিজয় সংঘটিত হয়-
  1. ৬২২ সালে
  2. ৬২৮ সালে
  3. ৬৩০ সালে
  4. ৬৩২ সালে
সঠিক উত্তর:
৬৩০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩০ সালে
ব্যাখ্যা
•মুসলমানদের মক্কা বিজয় সংঘটিত হয় ৬৩০ সালে।

এছাড়াও,
- মদিনা সনদ: ৬২২ সালে।
- বদর যুদ্ধ: ৬২৪ সালে।
- ওহুদ যুদ্ধ: ৬২৫ সালে।
- খন্দক যুদ্ধ: ৬২৭ সালে।
- হুদায়বিয়ার সন্ধি: ৬২৮ সালে।
- ৬২২সালকে ১ম হিজরি ধরে আরবি সাল গণনা শুরু হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮৯৩.
বৃত্তকে ৩৬০° কোণে ভাগ করেছিল কারা?
  1. সুমেরীয়রা
  2. ব্যাবিলনীয়রা
  3. ক্যালেডীয়রা 
  4. অ্যাশেরীয়রা
সঠিক উত্তর:
অ্যাশেরীয়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাশেরীয়রা
ব্যাখ্যা

মেসোপটেমিয়া সভ্যতার অবদান:
- মেসোপটেমিয়ায় গড়ে ওঠা সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা সুমেরীয় সভ্যতা। জলঘড়ি ও চন্দ্র পঞ্জিকা আবিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে সুমেরীয়রা। তবে সুমেরীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান চাকা আবিষ্কার।
- বৃত্তকে ৩৬০° কোণে ভাগ করে অ্যাশেরীয়রা। সভ্যতায় অ্যাশেরীয়দের অবদান সমরবাদী, যুদ্ধবিদ্যা, অস্ত্র ও হাতিয়ার তৈরি।
- পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইনের প্রচলন হয় ব্যাবিলনে। সর্বপ্রথম পঞ্জিকার প্রচলন করে ব্যাবিলনীয় সভ্যতায়। সভ্যতায় ব্যাবিলনিয়দের অবদান ছিল আইন প্রণয়নে। ব্যাবিলনীয়দের আইন হাম্মুরাবির আইন নামে পরিচিত ছিল।
- ৭ দিনে সপ্তাহ গণনা শুরু করে ক্যালেডীয়রা। প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘন্টায় ভাগ করার পদ্ধতি বের করে ক্যালেডীয়রা। ক্যালেডীয় সভ্যতা গড়ে তুলেছিলেন রাজা নেবুচাঁদনেজার।

⇒ মেসোপটেমিয়া সভ্যতা (Mesopotamian Civilization):
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতার নাম মেসোপটেমিয়া সভ্যতা।খ্রিস্টপূর্ব ৪,০০০ অব্দে মিশরে যখন নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। সেই সময় আরো কিছু নগর সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- ‘মেসোপটেমিয়া' একটি গ্রিক শব্দ যার অর্থ দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি ৷ টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মধ্যবর্তী উপত্যকাটির নাম মেসোপটেমিয়া।
- বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যেই প্রাচীন মেসোপটেমীয়ার বেশিরভাগ অঞ্চল অবস্থিত। এছাড়াও সিরিয়া, তুরস্ক, ইরান ও কুয়েতে এই সভ্যতার কিছু অংশ রয়েছে।

⇒ মেসোপটেমীয় সভ্যতার পর্যায় ছিল ৪টি। যথা:
১. সুমেরীয় সভ্যতা,
২. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা,
৩. অ্যাশেরীয় সভ্যতা ও
৪. ক্যালেডীয় সভ্যতা।

উৎস: i) History.com
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৮৯৪.
রোমান সভ্যতায় আইনের ভিত্তি কী ছিল?
  1. The Ten Commandments
  2. The Twelve Tables
  3. The Code of Hammurabi
  4. Justinian Code
সঠিক উত্তর:
The Twelve Tables
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Twelve Tables
ব্যাখ্যা

- রোমান সভ্যতায় আইনের ভিত্তি ছিলো The Twelve Tables.

রোমান সভ্যতা:

- গ্রিক সভ্যতার অবসানের আগেই ইতালিতে টাইবার নদীর তীরে একটি বিশাল সম্রাজ্য ও সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- রোমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা রোমান সভ্যতা নামে পরিচিত।
- প্রথম দিকে রোম একজন রাজার শাসনাধীন ছিল।
- রাজা স্বৈরাচারী হয়ে উঠলে তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ৫১০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ রোমে একটি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রোমান সভ্যতা প্রায় ছয়শ' বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- রোমের অর্থনীতি ছিলো দাসদের উপর নির্ভরশীল।

• সভ্যতায় রোমের অবদান:
- রোম শিল্প, সাহিত্য, দর্শন, স্থাপত্য সর্বক্ষেত্রে গ্রিকদের দ্বারা প্রভাবিত ছিল।
- তারা এসব বিষয়ে গ্রিকদের অনুসরণ ও অনুকরণ করেছে।
- তবে সামরিক সংগঠন, শাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন ও প্রকৌশল বিদ্যায় তারা গ্রিক ও অন্যান্য জাতির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল।
- রোমানদের সবচেয়ে বড় অবদান আইনের ক্ষেত্রে।
- রোমান আইনের ভিত্তি ছিলো The Twelve Tables.

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৮৯৫.
জেরুজালেম নগরীকে কেন্দ্র করে কোন সভ্যতার বিকাশ ঘটে?
  1. হিব্রু সভ্যতা
  2. সিন্ধু সভ্যতা
  3. পারস্য সভ্যতা
  4. ফিনিশীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
হিব্রু সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিব্রু সভ্যতা
ব্যাখ্যা
হিব্রু সভ্যতা:
- হিব্রু সভ্যতা হলো বর্তমানের ফিলিস্তিন ও ইসরাইল অঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- হিব্রু সভ্যতা জেরুজালেম নগরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে।
- হিব্রু মূলত ভাষার নাম, অর্থ যাযাবর বা নিম্ন শ্রেণি।
- জাতিগতভাবে হিব্রু সভ্যতার লোকজন একটি মিশ্র জাতি।
- প্রধান ধর্মীয় নেতা: হযরত মূসা (আ)।
- হিব্রুদের আদি পুরুষ ইব্রাহিম (আ:)।
- হিব্রু দেবতা যেহোভা।
- পৃথিবীর প্রাচীন ভাষা হিব্রু ভাষা।
- হিব্রু জাতি বর্তমানে ইসরাইলে বসবাস করে।
- হিব্রু সভ্যতার অবদান ধর্ম প্রচার।
- হিব্রুদেরও আইন অনেকটা হাম্মুরাবীর আইনের দ্বারা প্রভাবিত।
- ব্যাবিলনীয় আইনের অনুকরণে তারা যে আইন তৈরী করে তা 'ডিউটোরোনোমিক কোড' নামে পরিচিত ছিল। 

উৎস: i) Britannica.
         ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৯৬.
'তেনোচতিৎলান' কোন সভ্যতার প্রধান শহর ছিলো?
  1. অ্যাজটেক সভ্যতা
  2. ইনকা সভ্যতা
  3. মেসোপটেমিয়া সভ্যতা
  4. মায়া সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
অ্যাজটেক সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাজটেক সভ্যতা
ব্যাখ্যা
• সভ্যতা:
- তেনোচতিৎলান হলো অ্যাজটেক সভ্যতার প্রধান শহর।
- কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কারের পূর্বে এটিই ছিলো আমেরিকার বৃহত্তর শহর।
- তেনোচতিৎলান শহরেই বর্তমান মেক্সিকো সিটি শহর বিকাশ লাভ করেছে।
- অ্যাজটেক সভ্যতা চতুর্দশ শতক থেকে ষোড়শ শতকের প্রথমার্ধ পর্যন্ত মেক্সিকোর মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে বিরাজমান ছিলো।
- কৃষি ও বাণিজ্যে অ্যাজটেক সভ্যতা অনেক সমৃদ্ধ ছিলো।
- ১৫১৯ সালে জনসংখ্যা প্রায় ৪০,০০০০ লোক বলে অনুমান করা হয়েছিল, যা মেসোআমেরিকান ইতিহাসে সব চেয়ে বেশি ঘনত্বপূর্ণ।
- ১৫২১ সালে স্পেনিশদের দ্বারা অ্যাজটেক সভ্যতা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

উৎস: এনসাক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।[link]
৮৯৭.
মায়া সভ্যতার অন্যতম নিদর্শন 'চিচেন ইৎজা' বর্তমানে কোন দেশে অবস্থিত?
  1. পেরু
  2. হন্ডুরাস
  3. মেক্সিকো
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
মায়া সভ্যতা:
- মায়া সভ্যতার অন্যতম নিদর্শন চিচেন ইৎজা হলো মেক্সিকোর ইউক্যাটান পেনিনসুলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন পাথুরে শহর।
- ক্লাসিক মায়া সভ্যতার যুগে পঞ্চম শতাব্দীতে চিচেন ইৎজা তৈরি হয় বলে ধারণা করা হয়।
- সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতক পর্যন্ত চিচেন ইৎজা ছিলো মায়া সভ্যতার অন্যতম প্রধান শহর।
- চিচেন ইৎজা বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের মধ্যে অন্যতম।
- ইউনেস্কো ১৯৮৮ সালে চিচেন ইৎজাকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করে।
- বর্তমান মধ্য আমেরিকার গুয়েতেমালা, মেক্সিকোর দক্ষিণাংশ, বেলিজ, হন্ডুরাস ও এল সালভাদরে মায়া সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো।
 
সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ওয়েবসাইট।
৮৯৮.
'পিকিং মানুষ' এর মাথার খুলি কত সালে পাওয়া যায়?
  1. ১৯২১ সালে
  2. ১৯২৫ সালে
  3. ১৯২৯ সালে
  4. ১৯৩৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৯ সালে
ব্যাখ্যা
 চীনা সভ্যতার অবস্থান ও পরিচয়
- পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম রাষ্ট্র চীন। মিশর, মেসোপটেমীয় এবং সিন্ধু সভ্যতার পরে চীনেও গড়ে উঠেছিল উন্নত সভ্যতা।
- চীনের তিনটি অঞ্চলে প্রাচীন চৈনিক সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- প্রথমটি হোয়াং হো নদীর তীরে, দ্বিতীয়টি ইয়াং জে কিয়াং নদীর তীরে আর তৃতীয়টি দক্ষিণ চীনের ভূখণ্ডে। চীনের এই প্রাচীন সভ্যতা সৃষ্টি হয় শাং রাজাদের ও চৌ রাজাদের যুগে।
- চীনের উত্তর দিকে গোবি মরুভূমি, পশ্চিমে তিব্বতের পার্বত্য অঞ্চল এবং পূর্ব ও দক্ষিণে প্রশান্ত মহাসাগরের অবস্থান ছিল।
- প্রাচীন চীনের নদীসমূহের প্রভাবে একদিকে এখানে যেমন কৃষিভিত্তিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল অন্যদিকে তেমনি অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও যোগাযোগের পথ সহজ ও সুগম হয়েছিল, পাশাপাশি বহির্বাণিজ্যের পথও উন্মুক্ত হয়েছিল। আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে এখানে সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল।

 চীনের আদি মানুষ
- চীনা উপকথা অনুযায়ী প্রথম মানুষ হলো পাকু। কিন্তু বাস্তবে তা নয়।
- চীনে আদি মানুষের সন্ধান পাওয়া গেছে। ১৯২৯ সালে চীনের রাজধানী পিকিং এর নিকট (আধুনিক বেইজিং) আদিম মানুষের মাথার খুলি পাওয়া গেছে; যারা 'পিকিং মানুষ' নামে পরিচিত।
- এই তথ্য হতে মনে করা যায় যে, নবোপলীয় তথা নতুন পাথরের যুগে চীনে মানুষের বসবাস ছিল।
- অনুমান করা হয় যে, চীনবাসীরা হোয়াং-হো ও ইয়াংসি নদীর দুটি পাড়েই বসবাস করত।
- পরে তারা বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। এদের একটা অংশ চাষাবাদ করত এবং অন্য অংশটি যাযাবরের মতো ঘুরে বেড়াত।
- যারা চাষাবাদ করত, তারাই নদীর ধারে ঘরবাড়ি তৈরি করে সভ্য মানুষে পরিণত হয়। একই সাথে তারা পশুপালন করত।
- তারা মাটির তৈরি জিনিসপত্র, রেশমের কাপড়, চাকাযুক্ত গাড়ি, তামা ও ব্রোঞ্জের অস্ত্র-শস্ত্র তৈরি করতে জানত।
- চাষাবাদে তারা ব্যবহার করত লাঙ্গল, খাল কেটে নদী হতে পানি জমিতে সরবরাহ করত।
- চীনের আদি মানুষ নগর নির্মাণ করেছিল এবং নগরকে যাযাবরদের আক্রমণ হতে বাঁচানোর জন্য উঁচু দেয়াল তৈরি করেছিল।
- প্রাচীন চীনের লোকেরা এক প্রকার দিনপঞ্জি বা ক্যালেন্ডার তৈরি করেছিল।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি প্রোগ্রামের ইতিহাস প্রথম পত্র। 
৮৯৯.
পৃথিবীর প্রাচীনতম মহাকাব্য কোনটি?
  1. শাহনামা
  2. ইলিয়াড
  3. গিলগামেশ
  4. ইনিড
সঠিক উত্তর:
গিলগামেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গিলগামেশ
ব্যাখ্যা
মহাকাব্য গিলগামেশ:
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা ‘মেসোপটেমীয় সভ্যতা’।
- আধুনিক ইরাক রাষ্ট্রের সীমারেখার মধ্যেই প্রাচীনকালে মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- আক্কাদিয়ান ভাষার নিদর্শন গিলগামেশ মহাকাব্য।
- কিউনিফর্ম লিপিতে লেখা হয় বিখ্যাত মহাকাব্য গিলগামেশ।
- গিলগামেশের কাহিনি প্রথম শুরু হয় ৫টি সুমেরীয়  কবিতার মাধ্যমে। 
- গিলগামেশ মহাকাব্যের প্রধান চরিত্র উরুকের রাজা গিলগামেশ, রোমান উচ্চারণে যাকে বলা হয় বিলগামেশ। 

উল্লেখ্য,
- সুমেরিয়ান শহর উরুকের  মানুষের জীবন যাপন এবং তাঁদের ধর্ম বিশ্বাস, প্রকৃতির সঙ্গে তাঁদের সম্পর্কের উত্থান-পতনের কথা তুলে ধরা হয়েছে গিলগামেশ মহাকাব্যে।
- দেবতা, স্বর্গ-মর্ত্য-নরক ও অমরত্বের সন্ধান ইত্যাদিও উঠে এসেছে মহাকাব্যটিতে।
- সুপ্রাচীন সুমেরিয় পাঁচটি স্বতন্ত্র কাব্যের ভিত্তিতে এ মহাকাব্যটি শুরু হয় যেখানে রাজা গিলগামেশের রাজ্য পরিচালনা এবং তার পরিচিতির সন্ধান পাওয়া যায়। 

উৎস: Britannica.
৯০০.
নিচের কোন যুগে প্রথম আধুনিক মানুষ ও সভ্যতার উদ্ভব ঘটে?
  1. প্যালিওজয়িক
  2. সিনোজয়িক
  3. মেসোজয়িক
  4. আরকিওজয়িক
সঠিক উত্তর:
সিনোজয়িক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনোজয়িক
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- আরকিওজয়িক যুগ ছিলো আজ থেকে ৪০০ কোটি বছর পূর্বে। এ যুগের কোনো জীবাশ্ম আজও পাওয়া যায়নি।
- প্রোটেরোজয়িক যুগে কিছু আদি প্রকৃতির প্রাণীর জীবাশ্ম পাওয়া যায়।
- প্যালিওজয়িক যুগে বিভিন্ন অমেরুদণ্ডী প্রাণী, প্রবাল, মাছ, উভচর, স্থলচর প্রাণীর উদ্ভব ঘটে।
- মেসোজয়িক যুগে ডাইনোসরের প্রাধান্য ছিলো। বর্তমান পাখির উদ্ভব হয় এই যুগে এবং মেসোজোয়িক যুগের শেষভাগ "ক্রিটেসাস যুগে" আদি মানুষদের আবির্ভাব ঘটে।
- প্রথম আধুনিক মানুষ ও সভ্যতার উৎপত্তি হয় আজ থেকে ২৫ হাজার বছর পূর্বে - সিনোজয়িক যুগে
- জিওলজিকাল যুগ বিভাজনের সর্বশেষ পর্যায় হচ্ছে সিনোজোয়িক যুগ। যা ৬৫ মিলিয়ন বছর আগে শুরু হয়ে বর্তমান কাল পর্যন্ত বিস্তৃত। আধুনিক মানুষের শ্রেণিটি (Homo Sapiens) - এই সময়ে বিস্তার লাভ করে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও কয়েকটি বিদেশি জার্নাল।