বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস (সভ্যতা, প্রাচীন ও মধ্যযুগ ইত্যাদি)

মোট প্রশ্ন১,১৮৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস (সভ্যতা, প্রাচীন ও মধ্যযুগ ইত্যাদি)

PrepBank · পাতা / ১২ · ৫০১৬০০ / ১,১৮৫

৫০১.
Which ancient civilization is credited with the creation of the first known code of laws?
  1. Ancient Egypt
  2. Ancient Greece
  3. The Roman Empire
  4. The Babylonian Empire
সঠিক উত্তর:
The Babylonian Empire
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Babylonian Empire
ব্যাখ্যা
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:

- প্রাচীন মেসোপটেমিয়াতে সভ্য নগররাষ্ট্রগুলো গড়ে উঠেছিল।
- নগররাষ্ট্র ব্যাবিলন ছিল মেসোপটেমিয়ার কেন্দ্রবিন্দু এবং 
- ১৭৬০ খ্রিষ্টপূর্ব বেশ কটি ধারাবাহিক যুদ্ধের পর ব্যাবিলনের শক্তিমান রাজা হাম্মুরাবি কঠোর হাতে মেসোপটেমিয়া শাসন করেছেন।
- তিনি ছিলেন ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের শ্রেষ্ঠ রাজা।
- তিনি আইন প্রণয়ন ও অপরাধের জন্য শাস্তি নির্ধারণ করেছিলেন। তাঁর আইনগুলো ‘কোড অব হাম্মুরাবি’ নামে পরিচিত।
- এটি সবচেয়ে পুরোনো লিখিত আইন।
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান হল এই আইন প্রণয়ন ও সংকলন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৫০২.
দ্রাবিড় জাতির বসবাস কোথায় ছিল?
  1. মহেঞ্জোদারো
  2. আলেপ্পো
  3. কনস্টান্টিনোপল
  4. এথেন্স
সঠিক উত্তর:
মহেঞ্জোদারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেঞ্জোদারো
ব্যাখ্যা
দ্রাবিড়:
- ভারতে আর্যদের আগমনের পূর্বে দ্রাবিড় জাতির বসবাস ছিল।
- এই জাতিগোষ্ঠী দক্ষিণে ইন্দো-আফ্রিকার নিগ্রোদের গোত্রভুক্ত।
- হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোতে যে আদিবাসীদের অস্তিত্বের কথা সিন্ধু সভ্যতা আবিষ্কারের ফলে জানা যায় এরাই দ্রাবিড় জাতি।
- প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগেই ভারতে দ্রাবিড়দের অবস্থান ছিল বলে অনুমান করা হয়।

উল্লেখ্য,
- দ্রাবিড়দের মূল পেশা ছিল কৃষিকাজ।
- এরা আদিম অবস্থা অতিক্রম করে ভারতে নগর গড়ে তোলে এবং প্রতিষ্ঠা করে রাষ্ট্র।
- তারা মিশর, প্যালেস্টাইন, পারস্য, মেসোপটেমিয়া, ব্যবিলনিয়া ও এশিয়া মাইনর প্রভৃতি দেশে বাণিজ্য করত।
- তাদের রপ্তানি পণ্যের মধ্যে ছিল হাতির দাঁত, স্বর্ণ, মূল্যবান পাথর, ধান, কাঠ, বানর ও ময়ূর।
- দ্রাবিড় ভাষার সাথে এখনও তামিল, তেলেগু, কানাড়ীয়, মালিয়াম প্রভৃতি অঞ্চলের ভাষার মিল রয়েছে।
- দ্রাবিড়দের সমাজ কাঠামো ছিল মাতৃতান্ত্রিক।
- দ্রাবিড় সমাজে কোন বর্ণভেদ ছিল না।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০৩.
সর্বপ্রথম পঞ্জিকার প্রচলন করে কোন সভ্যতায়?
  1. ক্যালেডীয় সভ্যতা
  2. সুমেরীয় সভ্যতা
  3. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
  4. মায়া সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইনের প্রচলন হয় ব্যাবিলনে।
- সর্বপ্রথম পঞ্জিকার প্রচলন করে ব্যাবিলনীয় সভ্যতায়
- মেসোপটেমিয়ায় গড়ে ওঠা সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা সুমেরীয় সভ্যতা।
- সুমেরীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান চাকা আবিষ্কার।
- ৭ দিনে সপ্তাহ গণনা শুরু করে ক্যালেডীয়রা।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০৪.
ফরাসী বিপ্লব সংঘটিত হয় - 
  1. ১৩ জুলাই, ১৭৮৮
  2. ১৪ জুলাই, ১৭৮৮
  3. ১৩ জুলাই, ১৭৮৯
  4. ১৪ জুলাই, ১৭৮৯
সঠিক উত্তর:
১৪ জুলাই, ১৭৮৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ জুলাই, ১৭৮৯
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লব আধুনিক ইউরোপের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে। 
- 'স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী'- ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।

অন্যদিকে,
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৫০৫.
'ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান' কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) সিন্ধু নদ
  2. খ) নীল নদ
  3. গ) ইউফ্রেটিস
  4. ঘ) শাত-ইল-আরব
সঠিক উত্তর:
গ) ইউফ্রেটিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউফ্রেটিস
ব্যাখ্যা
ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান বা ঝুলন্ত বাগান ইরাকের ইউফ্রেটিস নদীর তীরে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে নির্মিত হয়।
সম্রাট নেবুচাদনেজার সম্রাজ্ঞীর প্রেরণায় এটি নির্মাণ করেন।
প্রথমে নির্মাণ করা হয় বিশাল এক ভিত, যার আয়তন ছিল ৮০০ বর্গফুট।

উৎসঃ ব্রিটানিকা।
৫০৬.
গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান 'লুম্বিনী' গ্রামটি বর্তমানে কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ভুটান
  2. খ) নেপাল
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) শ্রীলংকা
সঠিক উত্তর:
খ) নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নেপাল
ব্যাখ্যা
- গৌতম বুদ্ধে ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মের প্রচালক। 
- গৌতম বুদ্ধের পূর্বনাম ছিল সিদ্ধার্থ।
- গৌতম গোত্রজাত বলে তিনি গৌতম নামে পরিচিত।
-  ভারতের উত্তর প্রদেশের এবং বিহারের উত্তরে নেপালের তরাই অঞ্চলে কপিলাবস্তুর লুম্বিনী গ্রামে শাক্যবংশে তাঁর জন্ম হয়। 
- তাঁর জন্ম তারিখ সম্পর্কে পন্ডিতদের মধ্যে মতভেদ আছে। তবে বিভিন্ন সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এখন প্রায় সব পন্ডিতই মনে করেন যে, গৌতম বুদ্ধ ৫৮৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। 
- তাঁর পিতা শুদ্ধধন ছিলেন শাক্য জাতির গোষ্ঠী নেতা। তাঁর মাতার নাম মায়া দেবী। 
- বাল্যকালে গৌতম অস্ত্র ও শাস্ত্র উভয় বিষয়েই শিক্ষালাভ করেছিলেন। 
- ষোল বছর বয়সে গোপা নামে এক সুন্দরী কন্যার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। 
- ২৯ বছর বয়সে তাঁর এক পুত্র সন্তান জন্মলাভ করে। তখন গৌতম সংসার ত্যাগ করে সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করে প্রথমে তিনি আলারাকালাম নামে এক সন্ন্যাসীর কাছে ধ্যান ও তপস্যাবিদ্যা অর্জন করেন। 
- কিছুদিন পর তিনি পাঁচজন সন্ন্যাসীর সঙ্গে ছয় বছর কঠোর ধ্যান ও কৃচ্ছসাধন করেন এবং এ পথে মুক্তি লাভ করা যাবেনা বুঝতে পেরে তা ত্যাগ করেন। 
- এবার তিনি উরুবিল্ব নামক স্থানে এক পিপল গাছের নিচে সাধনা করতে থাকেন। ৪৯ দিন সাধনার পর তিনি দিব্যজ্ঞান বা বোধি লাভ করে বুদ্ধ (জ্ঞানী) বলে পরিচিত হন।
- বারাণসীর কাছে সারনাথে গৌতম বুদ্ধ তাঁর ভূতপূর্ব পাঁচ সঙ্গীর কাছে প্রথম তাঁর ধর্মমত প্রচার করেন। এই ঘটনা ‘ধর্মচক্র প্রবর্তন' রূপে আখ্যায়িত। 
- এরপর তিনি বরাণসী, রাজগৃহ প্রভৃতি স্থানে তাঁর ধর্মমত প্রচার করেন। মগধের রাজা বিম্বিসার তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন।
-  বুদ্ধের ধর্মমত প্রধানত মগধে প্রচারিত হলেও উত্তর প্রদেশের কোশল দেশেই তাঁর ধর্মের বিকাশ ঘটে। 
গৌতম বুদ্ধ প্রায় ২১ বছর কোশল দেশে তাঁর ধর্মপ্রচার করেছিলেন। 
 
উৎস: ইতিহাস -১, বিএ, বিএসএস; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫০৭.
হাইডেলবার্গ মানব কোন যুগের প্রতিনিধি?
  1. মধ্য প্রস্তর যুগ
  2. নিম্ন প্রাচীন প্রস্তর যুগ
  3. নব্য প্রস্তর যুগ
  4. ধাতু যুগ
সঠিক উত্তর:
নিম্ন প্রাচীন প্রস্তর যুগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্ন প্রাচীন প্রস্তর যুগ
ব্যাখ্যা

হাইডেলবার্গ মানব:
- নিম্ন প্রাচীন প্রস্তর যুগের প্রতিনিধি হাইডেলবার্গ মানব।
- হোমো হাইডেলবার্গেনসিস নামে এরা পরিচিত ছিল।
- এরা ছিল জাভা ও পিকিং মানুষের সমসাময়িক।

⇒ আফ্রিকা, ইউরোপ এবং সম্ভবত এশিয়ায় ৬০০,০০০ থেকে ২০০,০০০ বছর আগেকার জীবাশ্ম থেকে এদের ধারনা পাওয়া যায়। 
- ড্যানিয়েল হার্টম্যান ১৯০৭ সালে জার্মানির হাইডেলবার্গে মায়ার নামক স্থানে এই প্রজাতির মানুষের চোয়ালের কিছু হাড় আবিষ্কার করেন।
- মায়ার অঞ্চলে আবিষ্কৃত হয় বলে এদের মায়ার মানুষও বলা হয়।
- মনের ভাব প্রকাশ করত মুখে বিভিন্ন রকম শব্দ তুলে ও অঙ্গভঙ্গির মাধ্যেমে।
- এদের চোয়াল ছিল নিম্নমুখী ও অনেক শক্তিশালী।

উৎস: Britannica.

৫০৮.
ইতালিতে কোন শহরে সর্বপ্রথম রেনেসাঁর বিস্তার ঘটেছিল?
  1. রোম
  2. তুরিন
  3. মিলান
  4. ফ্লোরেন্স
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরেন্স
ব্যাখ্যা
রেনেসাঁ:
- ইংরেজি 'রেনেসাঁ' Renaissance) শব্দের অর্থ নবজাগরণ বা পুনর্জন্ম।
- ধর্মভাবনা নিয়ন্ত্রিত ও সামন্ততান্ত্রিক মধ্যযুগীয় দীর্ঘ বদ্ধ দশা থেকে মুক্ত হয়ে নতুনভাবে জীবনের সবকিছুকে জানার জন্য মানব মনের যে আগ্রহ তারই পরিণতি স্বরূপ যে নবজীবনবাদের সূচনা, তাকেই সাধারণভাবে রেনেসাঁ বা নবজাগরণ নামে আখ্যায়িত করা হয়।

⇒ রেনেসাঁ যুগের বৈশিষ্ট্য:
- মানবতাবাদ, ব্যক্তিত্বের বিকাশ, যুক্তিবাদী মানসিকতার উদ্ভব, ধর্মনিরপেক্ষতা, ধর্মনিরপেক্ষ ও জীবনমুখী সাহিত্য চিত্রকলা, বিজ্ঞানের চর্চা।

⇒ চতুর্দশ শতাব্দীতে ইউরোপীয় রেনেসাঁ শুরু হয়।
- ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে রেনেসাঁস এর গোড়াপত্তন ঘটে।
- ফ্লোরেন্স ছিল ইতালির একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর এবং ১৪শ ও ১৫শ শতাব্দীতে এটি শিল্প, সাহিত্য, বিজ্ঞান এবং সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। এটি ছিল রেনেসাঁ আন্দোলনের সূচনা এবং বিকাশের জন্য একটি প্রধান স্থান।
- পরবর্তী সময়ে জার্মানিতে রিফরমেশন, ফ্রান্সে ফরাসি বিপ্লব, ইংল্যান্ডে শিল্পবিপ্লব এবং সোভিয়েত ইউনিয়নে রুশ বিপ্লব ও চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব ঘটে।
- তবে ইতালিতেকেই রেনেসাঁসের প্রথম পর্ব হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।

উৎস: i) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
৫০৯.
ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা বলা হয় কাদের?
  1. আশেরীয়দের
  2. মিশরীয়দের
  3. ব্য়াবিলনীয়দের
  4. ক্যালডিয়দের
সঠিক উত্তর:
মিশরীয়দের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশরীয়দের
ব্যাখ্যা

মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতার যাত্রা শুরু হয়েছিল ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। 
- রাজা মেনেস নামে এক শক্তিশালী সামন্ত রাজা খ্রিস্টপূর্ব ৩২০০ অব্দে উত্তর ও দক্ষিণ মিসরকে একত্রিত করে একটি বড় রাজ্যে পরিণত করেন। তাঁকে মিশরের প্রথম রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়। তিনি প্রথম ফারাও-এর মর্যাদাও লাভ করেন।
- উচ্চ মিসরের রাজধানী ছিল থিবস (Thebes)। দক্ষিণ মিসরের মেক্ষিশ শহরে নতুন রাজধানী স্থাপন করা হয়।
- রাজা মেনেসের পর থেকে তিন হাজার বছর পর্যন্ত প্রাচীন মিসরে ৩১টি রাজবংশের ইতিহাস পাওয়া যায়।
- মিসরের 'ফারাও' বা সম্রাটের মধ্যে বিখ্যাত ছিলেন রাজা মেনেস, প্রথম আহমোজ, রাজা থুতমোস, সম্রাট ইখনাটন, তৃতীয় আমেনহোটেপ এবং প্রথম ও দ্বিতীয় র‍্যামেসিস।

• স্থাপত্য ও ভাস্কর্য:
- মিশরীয়দের বলা হয় ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা।
- পাথর কেটে কেটে তারা প্রকাণ্ড সব সৌধ বানাতে ছিল খুব দক্ষ। 
- তাদের এসব সৌধ হচ্ছে মিশরের বিখ্যাত পিরামিড। 
- সবচেয়ে বড় পিরামিড ফারাও খুফুর পিরামিড যার উচ্চতা ৪৮১ ফুট।
- তারা মৃত্যুর পর আরেকটি জীবনে বিশ্বাসী ছিল। সে জীবনেও রাজা হবেন ফারাও।
- তাই তাদের মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্যে তৈরি করা হয়েছিল পিরামিড।
- আর মধ্যরাজ বংশের আমলে পিরামিডের বদলে ফারাওরা তৈরি করেন ধর্ম মন্দির।
- সবচেয়ে বড় মন্দির কারনাক মন্দির।
- ভাস্কর্যের অধিকাংশ নিদর্শন দেখা যায় সমাধি, সৌধ ও মন্দিরের প্রবেশ পথে।
- মন্দিরের ভেতরের দেয়াল সাজানো হতো মূর্তি খোদাই করে। 
- মিশরীয় ভাস্কর্যের সবচেয়ে গৌরব 'স্ফীংস' তৈরিতে।
- এর দেহ ছিল সিংহের আর মাথা ছিল ফারাওয়ের। এর দ্বারা বুঝানো হতো ফারাও সিংহের মতো বলবান।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১০.
ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইরাক
  2. মিশর
  3. ইরান
  4. তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক
ব্যাখ্যা

- ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান বর্তমানের ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত।  

ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান: 
- ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান বর্তমান ইরাকে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের একটি।
- ঐতিহাসিকভাবে বিশ্বাস করা হয় যে, রাজা নেবুচাদনেজার II তার স্ত্রী অ্যামিটিসকে খুশি করতে এই উদ্যান তৈরি করেছিলেন।
- পৃথিবীতে প্রথম লিখিত আইনের উদ্ভব হয় এই সভ্যতার সময়ে।
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান হল — আইন প্রণয়ন ও সংকলন।
- পৃথিবীর প্রাচীনতম মানচিত্র পাওয়া গিয়েছে ব্যাবিলনের উত্তরে — গাথুর শহরে।
- এটি ছিল ভ্রমণকারীদের পথনির্দেশক মানচিত্র।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৫১১.
পারস্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে কাকে বিবেচনা করা হয়?
  1. আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট
  2. দারিয়াস
  3. সাইরাস দ্য গ্রেট
  4. জরথ্রুস্ত্র
সঠিক উত্তর:
সাইরাস দ্য গ্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইরাস দ্য গ্রেট
ব্যাখ্যা
সাইরাস দ্য গ্রেট: 
- পারস্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সাইরাস দ্য গ্রেট। 
- জন্ম: খ্রিষ্টপূর্ব ৫৯০–৫৮০, মৃত্যু: আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ৫২৯
- সাইরাস দ্য গ্রেট ছিলেন একজন বিজয়ী শাসক যিনি পারস্যভিত্তিক আখেমেনীয় সাম্রাজ্য (Achaemenid Empire) প্রতিষ্ঠা করেন।
- তাঁর সাম্রাজ্য এজিয়ান সাগর থেকে ইন্দুস নদী পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- প্রাচীন পার্সীয়রা তাঁকে বলত “জনগণের পিতা”।
- গ্রিক লেখক জেনোফন তাঁর জীবনী লিখেছেন ‘সাইরোপেডিয়া’ নামে, যেখানে তিনি ছিলেন একজন সহনশীল ও আদর্শ রাজা।
- বাইবেলে তাঁকে ব্যবিলনে বন্দি ইহুদিদের মুক্তিদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- সাইরাস দ্য গ্রেট ইতিহাসে স্মরণীয় একজন শাসক যিনি রাজ্য জয় করার পাশাপাশি ধর্মীয় সহনশীলতা ও মানবাধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

উল্লেখ্য,
- আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ছিলেন প্রাচীন গ্রিক রাজ্য ম্যাসিডনের রাজা।
- দারিয়াস ছিলেন হাখমানেশি সাম্রাজ্যের ৩য় পারস্য সম্রাট।
- জরথুস্ত্রীয় বা পারসিক ধর্মের প্রবর্তক জরথুস্ত্র।

উৎস: Britannica.
৫১২.
হায়ারোগ্লিফিক কোন সভ্যতার প্রাচীন লিখন-পদ্ধতি?
  1. মিশরীয় সভ্যতা
  2. পারস্য সভ্যতা
  3. গ্রিক সভ্যতা
  4. মায়া সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
মিশরীয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
• হায়ারোগ্লিফিক:
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখন পদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত।
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- মিশরীয় সভ্যতার চিত্রলিপিকে বলা হয় 'হায়ারোগ্লিফিক’ বা পবিত্র অক্ষর।
- প্রাচীন মিশরীয়রা মানব সভ্যতার ইতিহাসে গৌরবময় স্থান দখল করে আছে।
- মানব সভ্যতার অগ্রগতি তাদের অবদানে সমৃদ্ধ।
- স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে তাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা বলা যায়।
- চিত্রকলায় আছে বিশেষ বৈচিত্রপূর্ণ অবদান।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১৩.
বর্তমান পাকিস্তানের কোন অঞ্চলে প্রাচীন হরপ্পা নগরীর অবস্থান?
  1. ক) রাওয়ালপিন্ডি
  2. খ) লাহোর
  3. গ) করাচি
  4. ঘ) পাঞ্জাব
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাঞ্জাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাঞ্জাব
ব্যাখ্যা
• সিন্ধু সভ্যতার আবিষ্কৃত অংশের বেশিরভাগেরই অবস্থান পাকিস্তানের সিন্ধু ও বেলুচিস্তান প্রদেশে। এছাড়াও করাচি ও পাঞ্জাব অঞ্চলেও এর নিদর্শন পাওয়া যায়।
• পাকিস্তানের পাশাপাশি পাঞ্জাব, রাজস্থানসহ ভারতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে মহেঞ্জোদারো ও সিন্ধু সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া যায়।
• মহেঞ্জোদারোর নগরীর অবস্থান বর্তমান পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায়। 
হরপ্পা নগরীর অবস্থান বর্তমান পাকিস্তানের পাঞ্জাবের সাহিওয়াল জেলায়।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
৫১৪.
‘হায়ারোগ্লিফিক’ কোন সভ্যতার প্রাচীন লিখন পদ্ধতি?
  1. সুমেরীয়
  2. ব্যাবিলনীয়
  3. মিশরীয়
  4. ক্যালডীয়
সঠিক উত্তর:
মিশরীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশরীয়
ব্যাখ্যা

মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতার বিস্তৃতিকাল: খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০-৫২৫ পর্যন্ত।
- মিশরে প্রথম এই সাম্রাজ্যের উদ্ভব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে।
- একটি ছিল উত্তর মিশর অপরটি দক্ষিণ মিশর।
- স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে তাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা বলা যায়।
- লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন, সেচ ব্যবস্থা চালু, চিকিৎসা শাস্ত্র, জ্যোতিষশাস্ত্র অংক শাস্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান সভ্যতার ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা করেছিল।
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য: লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
- মিশরীয় সভ্যতার প্রথম দিকে তারা ছবি এঁকে মনের ভাব প্রকাশ করত।
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল ‘হায়ারোগ্লিফিক’ বা পবিত্র অক্ষর।
- পিরামিড: মিশরীয় স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। গিজার গ্রেট পিরামিড পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের একটি।
- স্ফিংস: এটি ফারাও খাফরের শাসনকালে নির্মিত বিশাল মূর্তি।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১৫.
মায়া সভ্যতার সৌর ক্যালেন্ডার কোনটি?
  1. টজলকিন
  2. নব
  3. হাব
  4. এরিস
সঠিক উত্তর:
হাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাব
ব্যাখ্যা

মায়া সভ্যতা:
- তৎকালীন পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক ও উন্নত সভ্যতা ছিল এ মায়া সভ্যতা।
- মায়া সভ্যতায় বসবাসকারীদের মায়ানও বলা হতো।
- মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার কয়েকটি দেশ যেমন গুয়েতমালা, বেলিজ, এল সালভাদের, হন্ডরাস প্রভৃতি দেশে মায়া সভ্যতা লোকজনের বসবাস ছিল।
- তারা আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দ থেকে এসকল অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- মায়া সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল মেক্সিকোর অন্যতম প্রদেশ ইয়াকাতানে অবস্থিত চেচেন ইৎজা (Chichen Itza) শহর।
- মায়া সভ্যতাকে দুটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১. প্রাচীন মায়া সভ্যতা (খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০-২৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত) এবং
২. ক্ল্যাসিক মায়া সভ্যতা (২৫০-৯০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত)।

⇒ মায়ারা দুটি ক্যালেন্ডার তৈরি করেছিল:
• হাব (Haab): ৩৬৫ দিনের সৌর ক্যালেন্ডার।
• টজলকিন (Tzolk’in): ২৬০ দিনের ধর্মীয় ক্যালেন্ডার।

তথ্যসূত্র - Britannica & history.com

৫১৬.
অ্যাজটেক সভ্যতার রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. হরপ্পা
  2. টেনোচিটিলান
  3. মেমফিস
  4. জেরুজালেম
সঠিক উত্তর:
টেনোচিটিলান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেনোচিটিলান
ব্যাখ্যা
অ্যাজটেক সভ্যতা:
- উত্তর মেসোআমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- বর্তমান মেক্সিকো অঞ্চলে এই সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- যার বিস্তৃতি ছিল উত্তর আমেরিকার বেশির ভাগ অংশজুড়ে।
- কৃষিকাজের মাধ্যমে আজটেক সভ্যতার প্রসার ঘটে।
- খ্রিস্টীয় ১২ শতকে এ সভ্যতার উৎপত্তি হয়েছিল।
- আজটেকের রাজধানী ছিল টেনোচিটিলান।
- টিনোচ ছিলেন আজটেকদের প্রথম রাজা।

উল্লেখ্য,
- সৃজনশীল ও উন্নত সংস্কৃতির ধারক হিসেবে প্রায় ৪৫০ বছর নিজেদের সভ্যতা টিকিয়ে রাখতে পেরেছিল আজটেকরা।
- আজটেক সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছিল ১৫২১ খ্রিষ্টাব্দে স্প্যানিশদের দ্বারা।

অন্যদিকে,
- সুমেরীয়দের আদি বাসস্থান ছিল মেসোপটেমিয়ার (বর্তমান ইরাক) উত্তর-পূর্বে অবস্থিত এলামের পাহাড়ি অঞ্চলে।
- ব্যাবিলন থেকে প্রায় দু'শ মাইল উত্তরে টাইগ্রিস নদীর তীরে এ্যাসিরীয় সভ্যতা গড়ে ওঠে।

উৎস: Britannica.
৫১৭.
ইহুদিরা কবে ফিলিস্তিনের ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে?
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৪৯ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ছোট্ট একটি দেশ ইসরাইল।
- রাজধানী: জেরুজালেম।
- মুদ্রা: শেকেল।
- ইসরাইলের ভাষা হিব্রু।
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা ফিলিস্তিনের আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।
- ইসরাইলের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন ডেভিড বেন গুরিয়েন।

উল্লেখ্য,
- ইসরায়েলের স্বপ্নদ্রষ্টা অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক থিওডর হার্জেল।
- ইহুদিবাদ অন্দোলনের প্রবক্তা থিওডোর হার্জল।
- যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম আরব দেশ মিসর।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ তুরস্ক।

উৎস: i) Britannica.
ii) ১৪ নভেম্বর, ২০২৩, Al Jazeera.
৫১৮.
নব্য প্রস্তর যুগ কোন যুগের শেষ পর্যায়?
  1. ব্রোঞ্জ যুগ
  2. পাথরের যুগ
  3. লৌহ যুগ
  4. তাম্র যুগ
সঠিক উত্তর:
পাথরের যুগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাথরের যুগ
ব্যাখ্যা

নব্য প্রস্তর যুগ (Neolithic Age):
- মানব সভ্যতার ইতিহাসে নব্য প্রস্তর যুগ বা 'নিওলিথিক যুগ' হলো পাথরের যুগের শেষ পর্যায়।

- একে 'নব্য প্রস্তর বিপ্লব' (Neolithic Revolution)-ও বলা হয়।
- এই যুগটি আনুমানিক ১০,০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ৪,৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের মধ্যে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সময়ে শুরু ও শেষ হয়েছিল।

• কৃষিভিত্তিক সমাজ: নব্য প্রস্তর যুগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো কৃষিকাজের সূচনা।
- মানুষ বন্য শস্য সংগ্রহ করার বদলে সেগুলো চাষাবাদ করতে শুরু করে। গম, যব এবং ডাল ছিল তাদের প্রধান ফসল।
- খাদ্য সংগ্রাহক থেকে মানুষ 'খাদ্য উৎপাদক'-এ পরিণত হয়।

• পশুপালন: এই যুগে মানুষ বন্য পশুদের পোষ মানাতে শুরু করে।
- কুকুর, ছাগল, ভেড়া এবং গরু পালন করার মাধ্যমে তারা দুধ, মাংস এবং পশমের নিয়মিত উৎস খুঁজে পায়।

• হাতিয়ার ও প্রযুক্তির উন্নতি:
- এই যুগের হাতিয়ারগুলো ছিল আগের যুগের তুলনায় অনেক বেশি মসৃণ, ধারালো এবং পালিশ করা।

• চাকা ও মৃৎশিল্পের উদ্ভব:
- চাকা আবিষ্কার এই যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন। এটি যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহনে আমূল পরিবর্তন আনে।

• ধর্ম ও শিল্প: 
- মানুষ এই সময় প্রকৃতি ও আদিম দেবতাদের পূজা শুরু করে এবং পাথরের তৈরি বড় বড় স্তম্ভ বা স্মৃতিস্তম্ভ (Megalith) নির্মাণ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট এবং ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।

৫১৯.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সমাজকর্মী ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা ছিলেন -
  1. ক) মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
  2. খ) মার্টিন লুথার
  3. গ) জনসন এফ গ্রান্ডি
  4. ঘ) জ্যাকব সি রুড
সঠিক উত্তর:
ক) মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
ব্যাখ্যা
মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
• মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সমাজকর্মী ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা। তিনি আজীবন বর্ণবাদ ও আমেরিকার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন।
• ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসির লিঙ্কন মেমোরিয়ালের সম্মুখে তিনি তার বিখ্যাত ''আই হ্যাভ এ ড্রিম'' ভাষণটি প্রদান করেন।
• ১৯৬৪ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
• ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেম্ফিস শহরে আততায়ীর গুলিতে তিনি মারা যান।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
৫২০.
পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইন কী নামে পরিচিত?
  1. ক) রোমান আইন
  2. খ) গ্রীক আইন
  3. গ) কোড অব হাম্মুরাবি
  4. ঘ) ব্রিটিশ আইন
সঠিক উত্তর:
গ) কোড অব হাম্মুরাবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কোড অব হাম্মুরাবি
ব্যাখ্যা
• আক্কাডীয়ানদের পতনের মাধ্যমে মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে “ব্যবিলনীয় সাম্রাজ্য” এর গোড়াপত্তন ঘটে।
• এই সভ্যতার প্রধান ও সবচেয়ে বিখ্যাত রাজা ছিলেন “হাম্মুরাবি”।
• তিনি ১৭৯২ থেকে ১৭৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত মেসোপটেমিয়া শাসন করেন। তিনি তার পাশ্ববর্তী প্রতিবেশী রাজ্যসমূহ জয় করে তার শাসনের অন্তর্ভূক্ত করেছিলেন।
• তিনি ছিলেন পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইন প্রণেতা যা - “Code of Hammurabi” নামে পরিচিত।
• ১৭৭২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এই আইন প্রণীত হয়েছিল।
• তার শাসনামলকে ব্যাবিলনীয় সভ্যতার স্বর্ণযুগ বলা হয়।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ডটকম।
৫২১.
মিশরীয় লিপি হায়ারোগ্লিফিক্সের পাঠোদ্ধার করেছিলেন কে? 
  1. জাঁ-ফ্রাঁসোয়া চ্যাম্পোলিয়ন
  2. হেরোডোটাস
  3. খুফু
  4. তুতেনখামেন
সঠিক উত্তর:
জাঁ-ফ্রাঁসোয়া চ্যাম্পোলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাঁ-ফ্রাঁসোয়া চ্যাম্পোলিয়ন
ব্যাখ্যা

- মিশরীয় লিপি হায়ারোগ্লিফিক্সের পাঠোদ্ধার করেছিলেন জাঁ-ফ্রাঁসোয়া চ্যাম্পোলিয়ন।

মিশরীয় সভ্যতা:

- ঐতিহাসিক হেরোডোটাসের মতে, মিশর হলো "নীল নদের দান" (The Gift of the Nile)। নীল নদের নিয়মিত বন্যা ও পলিমাটি না থাকলে এই মরু অঞ্চলে এমন বিশাল সভ্যতার বিকাশ অসম্ভব ছিল।
- ফারাওরা ছিলেন মিশরের একচ্ছত্র অধিপতি। তারা মনে করতেন তারা দেবতা 'হোরাস'-এর উত্তরসূরি।
- খুফু (Khufu): চতুর্থ রাজবংশের শাসক, যিনি বিশাল পিরামিড নির্মাণ করেন।
- হাটশেপসুট (Hatshepsut): তিনি কেবল রাণী ছিলেন না, বরং ফারাও হিসেবে পূর্ণ ক্ষমতা ভোগ করতেন এবং বাণিজ্যে উন্নতি ঘটান।
- তুতেনখামেন (Tutankhamun): "বালক রাজা" হিসেবে পরিচিত,
- মিশরের অর্থনীতির মূল ভিত্তি ছিল কৃষি।
- নীল নদ: প্রতি বছর নীল নদে বন্যা হতো, যা জমিতে উর্বর পলি ফেলে যেত। তারা বাঁধ ও সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে এই পানি নিয়ন্ত্রণ করত।
- প্যাপিরাস: এই গাছ থেকে তারা বিশ্বের প্রথমদিককার কাগজ তৈরি করেছিল।
- দেব-দেবী: সূর্যদেব 'রা', সৃষ্টির দেবতা 'আমন' এবং মৃত্যুর দেবতা 'আনুবিস' ছিলেন প্রধান।
- মমি: তারা বিশ্বাস করত মৃতদেহ রক্ষা করলে আত্মা (কা) অমর হবে। ন্যাট্রন লবণের সাহায্যে মৃতদেহ শুকিয়ে কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে মমি করা হতো। এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে প্রায় ৭০ দিন সময় লাগত।

• হায়ারোগ্লিফিক্স: এটি ছিল এক ধরনের লিপি যা ছবির মাধ্যমে লেখা হতো।
- ১৮২২ সালে জাঁ-ফ্রাঁসোয়া চ্যাম্পোলিয়ন (Jean-François Champollion)'রোসেটা স্টোন' (Rosetta Stone) ব্যবহারের মাধ্যমে এই লিপির পাঠোদ্ধার করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৫২২.
'মহেঞ্জোদারো' কোন সভ্যতার অংশ?
  1. মেসোপটেমিয়া সভ্যতা
  2. সিন্ধু সভ্যতা
  3. মায়া সভ্যতা
  4. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
সিন্ধু সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিন্ধু সভ্যতা
ব্যাখ্যা
- মহেঞ্জোদারো হলো ভারতর্ষের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা সিন্ধু সভ্যতার নিদর্শন। মহেঞ্জোদারো পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায় অবস্থিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ অব্দে সিন্ধু নদীর তীরে সিন্ধু সভ্যতার সূচনা হয়।
- ১৯২১ সালে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সাহিওয়াল জেলার হরপ্পায় প্রথম সিন্ধু সভ্যতার সন্ধান মেলে। হরপ্পার নির্দশন আবিষ্কারে দয়ারাম সাহনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন।
- ১৯২২ সালে বাঙালি প্রত্নতাত্ত্বিক রাখালদাস বন্দোপাধ্যায়ের প্রচেষ্টায় মহেঞ্জোদারো শহরে খননকার্যের মাধ্যমে সিন্ধু সভ্যতার নির্দশন উন্মোচিত হয়।
- সিন্ধু সভ্যতা আবিষ্কারে স্যার মার্টিন হুইলার, কাশীনাথ দীক্ষিত এবং ননী গোপাল মজুমদারের ভূমিকাও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- সিন্ধু সভ্যতা ছিলো একটি উন্নত নগর সভ্যতা।

(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
৫২৩.
কোন সভ্যতার মানুষ পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেন?
  1. সুমেরীয় সভ্যতা
  2. অ্যাশেরীয় সভ্যতা
  3. ক্যালেডীয় সভ্যতা
  4. মিশরীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
অ্যাশেরীয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাশেরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা

• অ্যাশেরীয় সভ্যতা:
প্রাচীন মেসোপটেমীয় অঞ্চলে বেশ কয়েকটি নগর সভ্যতার বিকাশ ঘটে যার একটি হলো অ্যাশেরীয় সভ্যতা।

অ্যাশেরীয় সভ্যতার অবদান:
- বিজ্ঞান ও জ্যোতিশাস্ত্রে অ্যাশেরীয়রা অতুলনীয় অবদান রাখেন যা বর্তমান সময়েও কাজে লাগে৷
- অ্যাশেরীয়রা বৃত্তকে ৩৬০ ডিগ্রী কোণে ভাগ করে।
-  তারা সর্বপ্রথম পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেন।

- জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসারের জন্য তারা মেসোপটেমিয়ায় সর্বপ্রথম লাইব্রেরি স্থাপন করেন যা বর্তমানে ইরাকের ‘নিনেভাহ' -তে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম লাইব্রেরী হিসাবে পরিচিত যা মিশরের আলেক্সান্দ্রিয়া লাইব্রেরী থেকেও কয়েকশ বছরের পুরনো।
- ৬২৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ব্যাবিলন হাতছাড়া হওয়ার মাধ্যমে ক্যালেডীয়দের কাছে অ্যাশেরীয় সাম্রাজ্যের পতন শুরু হয় এবং ৬১৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে নেবুচাঁদনেজারের হাতে পূর্ণাঙ্গরূপে পতন ঘটে।

উৎস: Britannica & History.com

৫২৪.
প্রাচীন চৈনিক সভ্যতা কয়টি অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
চৈনিক সভ্যতা: 
- প্রাচীন চীনে তিনটি অঞ্চল ঘিরে সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল।
- যার কেন্দ্র ছিল পশ্চিমের উচ্চভূমি হতে উৎপন্ন নদীসমূহ।
- প্রথম সভ্যতা গড়ে ওঠে হোয়াং হো তীরবর্তী অঞ্চলে,
- দ্বিতীয়টি ইয়াংজেকিয়াং তীরবর্তী অঞ্চলে।
- এবং তৃতীয়টি দক্ষিণ চীনের সুবিস্তৃত ভূখণ্ডে।
- হোয়াংহো নদীর ধীর প্রবাহ এর দুতীরে বিস্তীর্ণ পলল ভূমির সৃষ্টি করেছে।
- তবে বর্ষায় দু-কূল ছাপিয়ে আসা বন্যায় জীবন ও ফসল অনেক সময় ধ্বংস হতো।
- আর এজন্যই ইতিহাসে হোয়াংহো পরিচয় তৈরি করেছে 'চীনের দুঃখ'।
- চীনের দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত ইয়াংজেকিয়াং বিশ্বের অন্যতম বড় নদী।
- দক্ষিণ চীনের পাহাড়ি অঞ্চল ছিল খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫২৫.
রোমের অর্থনীতি কীসের উপর নির্ভর ছিল?
  1. কৃষি
  2. শিল্প
  3. মৃৎশিল্প
  4. দাস
সঠিক উত্তর:
দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাস
ব্যাখ্যা
রোমান সভ্যতা:
- রোমান সভ্যতা গড়ে উঠে ইতালির টাইবার নদীর তীরে।
- এ সভ্যতা ছিল দাসনির্ভর।
- রোমানদের বেশি আবদান ছিল- আইন।
- তারা ১২ টি ব্রোঞ্জপাতে খোদাই করে আইন লিখে।
- রোমান বিখ্যাত কবি ছিলেন- ভার্জিল।
- খ্যাতিমান সম্রাট ছিলেন- জুলিয়াস সিজার।
- জুলিয়াস সিজারের বিখ্যাত উক্তি: “এলাম, দেখলাম, জয় করলাম”
- রোমানদের প্রধান দেবতা- জুপিটর।

উৎস: ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রম, বাংলাদেশে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২৬.
কোন সভ্যতায় ৩৬৫ দিনে বছর হিসাবের উদ্ভাবন হয়?
  1. মিশরীয় সভ্যতায়
  2. গ্রিক সভ্যতায়
  3. ফিনিশীয় সভ্যতায়
  4. সুমেরীয় সভ্যতায়
সঠিক উত্তর:
মিশরীয় সভ্যতায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশরীয় সভ্যতায়
ব্যাখ্যা
মিশরীয়রা সর্বপ্রথম ৩৬৫ দিনে সৌরবর্ষ ও সৌরপঞ্জিকা উদ্ভাবন করে। এছাড়া তারা সূর্যঘড়ি, ছায়াঘড়ি ও জলঘড়ি আবিষ্কার করে।

গ্রিকরা প্রথম পৃথিবীর মানচিত্র অঙ্কন করে।
সপ্তাহকে সাতদিনে বিভক্ত করে ক্যালডীয়রা।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং ব্রিটানিকা)
৫২৭.
Which empire was known as 'The Empire on which the sun never sets'?
  1. The Roman Empire
  2. The British Empire
  3. The Ottoman Empire
  4. The Mongol Empire
সঠিক উত্তর:
The British Empire
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The British Empire
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ সাম্রাজ্য:

- ব্রিটিশ সাম্রাজ্য ১৩.৭১ মিলিয়ন বর্গমাইল এলাকায় বিস্তৃত ছিল, যা বিশ্বের মোট ভূমির ২৩.৮৪%।
- এই সাম্রাজ্যের উপস্থিতি ছিল আমেরিকা, ইউরোপ, এশিয়া, ওশেনিয়া এবং আফ্রিকার বসবাসযোগ্য মহাদেশগুলোতে।
- "The Empire on which the sun never sets" উপমার মাধ্যমে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিশালতা বোঝানো হয়।
- কারণ এর বিস্তৃতি এতই বড় ছিল যে, বিশ্বের কোনো না কোনো অংশে সবসময় সূর্যোদয় থাকত। সাম্রাজ্যের এক অংশে রাত থাকলেও, অন্য অংশে দিন থাকত।

উল্লেখ্য,
- অন্যান্য সাম্রাজ্য যেমন রোমান, ওসমানীয় এবং মঙ্গোল বিশাল ছিল, কিন্তু ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের মতো বৈশিষ্ট্য তাদের ছিল না।
- ১৬ এবং ১৭তম শতাব্দীতে স্প্যানিশ সাম্রাজ্যের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে ব্রিটিশরা উপনিবেশ স্থাপন শুরু করে।
- ১৮শ শতকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার মাধ্যমে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের পতন শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৫২৮.
প্রাচীন নগরী পালমিরা কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইরাক
  2. মেক্সিকো
  3. সিরিয়া
  4. ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া
ব্যাখ্যা
পালমিরা:
- বিশ্বের অন্যতম সবচেয়ে প্রাচীন ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের শহর পালমিরা।
- পালমিরা বর্তমান সিরিয়ার হমস প্রদেশে অবস্থিত।

সিরিয়া:
- আনুষ্ঠানিকভাবে সিরিয়ান আরব প্রজাতন্ত্র।
- সিরিয়া মধ্যপ্রাচ্যের ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূল বরাবর অবস্থিত।
- আয়তন: ৭১,৪৯৮ বর্গ মাইল (১৮৫,১৮০ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: দামেস্ক।
- ভাষা: আরবি (অফিসিয়াল), কুর্দি, আর্মেনিয়ান।
- ধর্ম: ইসলাম (প্রধানত সুন্নি), এছাড়াও খ্রিস্টান।
- মুদ্রা: সিরিয়ান পাউন্ড।
- দেশটি ১৯৬২ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৫২৯.
আইন প্রণয়ন ও সংকলন কোন সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান ছিল?
  1. আজটেক সভ্যতা
  2. অ্যাশেরীয় সভ্যতা
  3. ক্যালেডীয় সভ্যতা
  4. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
• ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:
- পৃথিবীতে প্রথম লিখিত আইনের উদ্ভব হয় এই সভ্যতার সময়ে।
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান হল - আইন প্রণয়ন ও সংকলন।
- পৃথিবীর প্রাচীনতম মানচিত্র পাওয়া গিয়েছে ব্যাবিলনের উত্তরে গাথুর শহরে।
- এটি ছিল ভ্রমণকারীদের পথনির্দেশক মানচিত্র।
- পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইন প্রণেতা যা -  "Code of Hammurabi' নামে পরিচিত। 
- এটি থেকে ধারনা করা হয় পৃথিবীর আদি মানচিত্রব্যাবিলনীয়রা অঙ্কন করেছিলো।
- জ্যোতির্বিদ্যার উন্নয়ন ঘটিয়ে চাঁদ পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যাবিলনীয়রা চন্দ্রপঞ্জিকা তৈরি করেছিল।
- যদিও আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ মানচিত্র গ্রীকরা প্রথম অঙ্কন করে।
- হাম্বুরাবির মৃত্যুর পর ব্যবলনীয় সভ্যতা তার প্রভাবের সাথে খুব বেশী দিন টিকতে পারে নি।
- ১৫৯৫ খ্রিস্টপূর্ব্দের দিকে তুরস্কের আনাতলিয়ার ‘হিট্টিটেস” ও ১৫৩০ অব্দের দিকে ‘কিসিটেস’ ব্যবিলন দখল করে নেয়।
- ফলে এই সভ্যতার চূড়ান্ত পতন হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫৩০.
বাংলাদেশের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক স্থান কোনটি?
  1. ময়নামতি
  2. পাহাড়পুর
  3. সোনারগাঁও
  4. মহাস্থানগড়
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা

মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বগুড়া শহর হতে ১৫ কিঃমিঃ দূরে পুণ্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী ।
- সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দুর্গ নগরী ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে ৫মিঃ উঁচু।
- কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য, গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

তথ্যসূত্র - বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৫৩১.
আজটেক সভ্যতা ধ্বংসের জন্য কে দায়ী ছিলেন?
  1. আলেকজান্ডার
  2. হারনান কর্তেজ
  3. কলম্বাস
  4. ড্রেক
সঠিক উত্তর:
হারনান কর্তেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হারনান কর্তেজ
ব্যাখ্যা
হারনান কর্তেজ:
- হারনান কর্তেজ (হার্নান্দো কর্তেজ) ছিলেন অ্যাজটেক সাম্রাজ্য বিজয়ী স্প্যানিশ অভিযাত্রী। 
- হারনান কর্তেজ জন্মগ্রহণ করেন ১৪৮৫ সালে, স্পেনের মেদেলিন শহরে।
- তিনি ছিলেন একজন স্প্যানিশ কনকিস্তাদর (দখলদার যোদ্ধা)।
- ১৫১৯-২১ সালে তিনি অ্যাজটেক সাম্রাজ্য ধ্বংস করে মেক্সিকো জয় করেন।
- ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৫১৯ সালে কোর্তেস ১১টি জাহাজ, ৫০০ সৈন্য, ১৬টি ঘোড়া নিয়ে ইউকাটান উপকূলের দিকে যাত্রা করেন।
- টাবাসকোতে অবতরণ করে স্থানীয়দের সমর্থন ও উপহার পান, যার মধ্যে মালিনচে নামে এক নারীও ছিলেন, যিনি পরে তার অনুবাদক, সহচর এবং সন্তানের জননী হন।
- কোর্তেস ভেরাক্রুজ শহর প্রতিষ্ঠা করেন এবং নিজেকে “ক্যাপ্টেন জেনারেল” ঘোষণা করে কিউবার গভর্নর ভেলাসকেজের অধীনতা প্রত্যাখ্যান করেন।
- সৈন্যদের পালানোর পথ রোধ করতে নিজের সব জাহাজ ডুবিয়ে দেন, যেটি ছিল তার জয়ের জন্য এক চূড়ান্ত পদক্ষেপ।
- কোর্তেস যুদ্ধের পাশাপাশি কূটনৈতিক উপায়ে বিভিন্ন উপজাতিকে তার পক্ষে টানেন, বিশেষ করে ত্লাসকালা গোষ্ঠী।
- ৮ নভেম্বর, ১৫১৯ সালে মাত্র ১,০০০ ত্লাসকালান সহযোগী ও কিছু স্প্যানিশ সৈন্য নিয়ে তিনি অ্যাজটেক রাজধানী টেনোচতিতলানে প্রবেশ করেন।
- কোর্তেস অ্যাজটেক সম্রাট মন্তেজুমাকে বন্দি করেন যেন রাজাকে দিয়ে দেশ শাসন করা যায়।
- পরে কিউবা থেকে পাঠানো নারভায়েজ নামক এক স্প্যানিশ নেতাকে পরাজিত করে তার সৈন্যদের দলে নেন।
- এদিকে, কোর্তেসের অনুপস্থিতে টেনোচতিতলানে বিদ্রোহ শুরু হয়। কোর্তেস ফিরে এসে শহর ত্যাগ করেন – যেটি ছিল "নিশীথে কান্নার রাত" (La Noche Triste) নামে পরিচিত।
- ডিসেম্বর ১৫২০-তে কোর্তেস আবার অভিযান শুরু করেন।
- ১৩ আগস্ট, ১৫২১-তে টেনোচতিতলান সম্পূর্ণরূপে দখল করেন, যা অ্যাজটেক সাম্রাজ্যের পতন ঘটায়।
- তিনি মেক্সিকোর বৃহৎ অংশের একচ্ছত্র শাসক হন।
- স্পেনের রাজা কার্লোস পঞ্চমের কাছে পাঁচটি চিঠিতে অভিযানের বিবরণ পাঠান, যাতে তার ভূমিকার স্বীকৃতি আদায় করা যায়।
- যদিও তিনি একটি স্বাধীন রাজ্য গঠনের সুযোগ পেয়েছিলেন, তবুও রাজভক্ত থাকার কারণে স্পেনের অধীনেই থেকে যান।

উৎস: Britannica.
৫৩২.
কোন সভ্যতার মানুষ সর্বপ্রথম সপ্তাহকে ৭ দিনে ভাগ করেছিল?
  1. ব্যাবিলনীয়
  2. সুমেরীয়
  3. অ্যাসেরীয়
  4. ক্যালডীয়
সঠিক উত্তর:
ক্যালডীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালডীয়
ব্যাখ্যা

• ক্যালডীয় সভ্যতা:
- ব্যাবিলন শহরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিলো ক্যালডীয় সভ্যতা।
- ইতিহাসে এটি নতুন ব্যাবিলনীয় সভ্যতা হিসাবেও পরিচিত।
- ক্যালডীয় সভ্যতার স্থপতি সম্রাট নেবুচাদনেজার ব্যাবিলনের শূন্যউদ্যান নির্মান করেন।
- ক্যালডীয়রাই প্রথম সপ্তাহকে ৭ দিনে ভাগ করে।
- ক্যালডীয়রা ১২ টি নক্ষত্রপুঞ্জের সন্ধান পান যার থেকে ১২ টি রাশিচক্রের সৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র: নবম ও দশম শ্রেনীর ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই।

৫৩৩.
নিচের কোনটি কৃষিভিত্তিক সভ্যতা নয়?
  1. ক) চৈনিক সভ্যতা
  2. খ) মিশরীয় সভ্যতা
  3. গ) সিন্ধু সভ্যতা
  4. ঘ) সুমেরীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
গ) সিন্ধু সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিন্ধু সভ্যতা
ব্যাখ্যা
চৈনিক, মিশরীয় ও সুমেরীয় সভ্যতা ছিলো কৃষিভিত্তিক সভ্যতা। সিন্ধু সভ্যতা একটি নগরভিত্তিক সভ্যতা। কিছু মানুষ কৃষি কাজ করলেও এদের আয়ের প্রধান উৎস ছিলো - বাণিজ্য। পারস্য ও মেসোপটেমীয়দের সাথে তাদের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিলো।
নবম - দশম শ্রেণীর ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই (উন্মুক্ত)।
৫৩৪.
গণতন্ত্রের ধারণা উৎসারিত হয় প্রথম কোন দেশে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. প্রাচীন গ্রীস
  3. প্রাচীন রােম
  4. প্রাচীন ভারত
সঠিক উত্তর:
প্রাচীন গ্রীস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাচীন গ্রীস
ব্যাখ্যা
গণতন্ত্রের সূচনা:
- ‘গণতন্ত্র’ পরিভাষাটি ইংরেজি ‘Democracy’ থেকে এসেছে।
- গ্রিক শব্দ Demos অর্থ হলো জনগণ আর Kritos অর্থ শাসনক্ষমতা বা কর্তৃত্ব।
- ব্যুত্পত্তিগত অর্থে গণতন্ত্র হলো জনগণের শাসন।
- খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে সলোন (Solon) গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেন।
- প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয় গ্রিসের নগররাষ্ট্র এথেন্সে।
- গ্রিক সভ্যতার এথেন্স নগররাষ্ট্র ছিলো তখন গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীলতার ধারক।
- অ্যাথেন্সকে সাধারণত গণতন্ত্রের জন্মস্থান হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- প্রাচীন গ্রীসের গণতান্ত্রিক ধারণার মূল উপাদান ছিল ৬টি।

উৎস: Britannica.
৫৩৫.
পৃথিবীর সবচেয়ে পুরোনো লিখিত আইন 'কোড অব হাম্মুরাবি' কোন সভ্যতার সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. গ্রিক সভ্যতা
  2. অ্যাজটেক সভ্যতা
  3. মেসোপটেমিয়া
  4. ইনকা সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
মেসোপটেমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসোপটেমিয়া
ব্যাখ্যা
- রাজা হাম্মুরাবি কঠোর হাতে মেসোপটেমিয়া শাসন করেছেন।
- তিনি আইন প্রণয়ন ও অপরাধের জন্য শাস্তি নির্ধারণ করেছিলেন।
- তাঁর আইনগুলো ‘কোড অব হাম্মুরাবি’ নামে পরিচিত।
- এটি সবচেয়ে পুরোনো লিখিত আইন।
- ব্যাবিলনের সূর্য দেবতা শামাশের নামে হাম্মুরাবি প্রণীত আইনগুলো পাথরে খোদাই করা ছিল।
উৎস : প্রথম আলো
৫৩৬.
প্রাচীন 'কনস্ট্যান্টিনোপল' শহরটির বর্তমান নাম কী?
  1. বাগদাদ
  2. ইস্তাম্বুল
  3. তেহরান
  4. জেরুজালেম
সঠিক উত্তর:
ইস্তাম্বুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্তাম্বুল
ব্যাখ্যা

- কনস্ট্যান্টিনোপল শহরটির বর্তমান নাম ইস্তাম্বুল।

• ইস্তাম্বুল:
- অবস্থান: উত্তর-পশ্চিম তুরস্কে, ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগস্থলে বসফরাস প্রণালীর দুই পাশে অবস্থিত।
- বর্তমান দেশ: তুরস্ক (Turkey).
- প্রাচীন নাম: বাইজান্টিয়াম, কনস্ট্যান্টিনোপল।
- কনস্টান্টিনোপলের বর্তমান নাম ইস্তানবুল। 
- মহাদেশ: ইউরোপ ও এশিয়া দুই মহাদেশে বিস্তৃত।
- তুরস্কের সবচেয়ে বড় শহর ও অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক কেন্দ্র।
- প্রাচীন বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য, পরে ইস্টার্ন রোমান সাম্রাজ্য (Byzantine Empire)-এর রাজধানী। 

» ঐতিহাসিক স্থাপনা: 
- হায়া সোফিয়া (Hagia Sophia).
- নীল মসজিদ (Blue Mosque).
- তপকাপি প্রাসাদ (Topkapi Palace).
- গ্র্যান্ড বাজার (Grand Bazaar).

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

৫৩৭.
মেসোপটেমীয় সভ্যতাকে কয়টি পর্যায়ে ভাগ করা যায়?
  1. দুটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারটি
ব্যাখ্যা

মেসোপটেমীয় সভ্যতা:
- এ সভ্যতাকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়-
• সুমেরীয়।
• ব্যাবিলনীয়।
• অ্যাসেরীয়।
• ক্যালেডীয়।
- Mesopotamia মানে হলো দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল।
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা 'মেসোপটেমীয় সভ্যতা'।
- ফোরাত ও দজলা নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতার নামকরণ হয়েছে গ্রিক শব্দে। 
- ওই সময় উরুক নামে গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর ছিল। এ শব্দ থেকেই ইরাকের নাম রাখা হয়।
- বর্তমান ইরাকের বেশির ভাগ অংশ এবং সিরিয়ার কিছু অংশ একসময় মেসোপটেমীয় সভ্যতারই
অংশ ছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০ সালের দিকে এ অঞ্চল পার্সিয়ানদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। পরে রোমানদের দখলে যায়। মুসলিম শাসনামলে এ অঞ্চল ইরাক নামে পরিচিতি পায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৫৩৮.
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা কোন বিষয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি খ্যাত?
  1. স্থাপত্য
  2. আইন প্রণয়ন
  3. যুদ্ধনীতি
  4. জ্যোতির্বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
আইন প্রণয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন প্রণয়ন
ব্যাখ্যা

• ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতা হলো মেসোপটেমিয়ায় গড়ে উঠা দ্বিতীয় সভ্যতা। 
- খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১৬০০ অব্দে ব্যাবিলনীয় সভ্যতা বিকশিত হয়।
- অ্যামেরাইট জাতি এই সভ্যতা গড়ে তোলে।

- ব্যাবিলনীয় সভ্যতা আইন প্রণয়নের জন্যে বিখ্যাত।
- ব্যাবিলনীয় রাজা হাম্বুরাবি পৃথিবীর প্রথম আইনপ্রণেতা হিসেবে বিবেচিত।
- ফ্রান্সের লুভ্যর মিউজিয়ামে সংরক্ষিত একটি স্তম্ভে ২৮২টি আইনের উল্লেখ পাওয়া যায়।

- আইন প্রণয়নের পাশাপাশি বিজ্ঞান, জ্যোতিষশাস্ত্র, গণিত ও শিল্পকলায়ও ব্যাবিলনীয় সভ্যতার অবদান রয়েছে।
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতায় মাসকে ৩০দিনে, সপ্তাহকে ৭দিনে এবং দিনকে ২৪ ঘন্টায় বিভক্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণী।

৫৩৯.
নিচের কোনটি শূন্য জনসংখ্যা বৃদ্ধির দেশ?
  1. ক) দক্ষিণ কোরিয়া
  2. খ) মন্টিনিগ্রো
  3. গ) স্লোভাকিয়া
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
শূন্য জনসংখ্যা বৃদ্ধির দেশ - দক্ষিণ কোরিয়া, মন্টিনিগ্রো ও স্লোভাকিয়া।
• সর্বাধিক জন্মহারে পাঁচ দেশ - ১. সিরিয়া (৫.৫%); ২. নাইজার (৩.৭%); ৩. অ্যাঙ্গোলা (৩.২%); ৪. নিরিক্ষীয় গিনি (৩.১%); ৫. ডিআর কঙ্গো (৩.০%)।
• সর্বনিম্ন জন্মহারে পাঁচ দেশ - ১. লেবানন (-১.৩%); ২. লাটভিয়া ও লিথুয়ানিয়া (-১.০%); ৩. বুলগেরিয়া (-০.৮%); ৪. মালদ্বীপ (-০.৭%), ৫. ইউক্রেন (-০.৬%)।
• শীর্ষ পাঁচ জনবহুল দেশ - ১. চীন (১৪৪.৮৫ কোটি); ২. ভারত (১৪০.৬৬ কোটি); ৩. যুক্তরাষ্ট্র (৩৩.৪৮ কোটি); ৪. ইন্দোনেশিয়া (২৭.৯১ কোটি); ৫. পাকিস্তান (২২.৯৫ কোটি)।
• সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে জনসংখ্যায় বাংলাদেশের অবস্থান - ৩য়।
• এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জনসংখ্যায় বাংলাদেশের অবস্থান - ৫ম।
• সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ - আফগানিস্তানে (২.২%)।
• সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সর্বনিম্ন - মালদ্বীপ (-০.৭%)।

সূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, মে ও জুন ২০২২
৫৪০.
প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ____ সালে।
  1. ক) ১৯৭৫
  2. খ) ১৯৮০
  3. গ) ১৯৮৫
  4. ঘ) ১৯৬৫
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
১৯ জুন - ২ জুলাই, ১৯৭৫ সালে মেক্সিকো সিটিতে প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে। তৃতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় কেনিয়ার নাইরোবিতে। চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় চীনের বেইজিং এ। উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া।
৫৪১.
সৌরবর্ষ ও সৌরপঞ্জিকা প্রথম উদ্ভাবন করেন কারা?
  1. ক) গ্রিকরা
  2. খ) হিব্রুরা
  3. গ) রোমানরা
  4. ঘ) মিশরীয়রা
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিশরীয়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিশরীয়রা
ব্যাখ্যা
মিশরীয়রা প্রথম ৩৬৫ দিনে সৌরবর্ষ ও সৌরপঞ্জিকা উদ্ভাবন করে। এছাড়া তারা সূর্যঘড়ি, ছায়াঘড়ি ও জলঘড়ি আবিষ্কার করে।
অন্যদিকে,
- গ্রিকরা প্রথম পৃথিবীর মানচিত্র অঙ্কন করে।
- সপ্তাহকে সাতদিনে বিভক্ত করে ক্যালডীয়রা।
- বৃত্তকে ৩৬০ ডিগ্রি কোণে এবং পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে বিভক্ত করে অ্যাসেরীয়রা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,নবম-দশম শ্রেণি এবং মাধ্যমিক ইতিহাস,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪২.
অটোমান সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. প্রথম মুহাম্মদ
  2. প্রথম উসমান
  3. দ্বিতীয় উসমান
  4. প্রথম সুলাইমান
সঠিক উত্তর:
প্রথম উসমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম উসমান
ব্যাখ্যা
অটোমান সাম্রাজ্য:
- অটোমান সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন প্রথম উসমান।

⇒ বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সাম্রাজ্যগুলির মধ্যে একটি, অটোমান সাম্রাজ্য ১৩ শতকে প্রথম উসমান (উসমান গাজীর) হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই সময়ের মধ্যে, বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের পতন হয় এবং আনাতোলিয়া অনেক ছোট ছোট রাজ্যে বিভক্ত হয়েছিল।
- উল্লেখ্য, বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য বর্তমান ইতালি, গ্রীস ও তুরস্ক আর উত্তর আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অংশ নিয়ে বিস্তৃত ছিল। অন্যদিকে, আনাতোলিয়া হচ্ছে বর্তমান তুরস্কের বড় একটি অংশ।

⇒ এই অটোমান সাম্রাজ্য ছয়শ' বছর ধরে শাসন করেছে।
- এমন দীর্ঘ সময় ধরে তারা কেবল আনাতোলিয়া নয়, বরং তিনটি মহাদেশের বিশাল অংশ শাসন করে গিয়েছে।
- উসমানের উত্তরসূরিরা ইউরোপের দিকে নজর দেয়। তারা ১৩২৬ সালে গ্রীসের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর থেসালোনিকি জয় করে। এরপর ১৩৮৯ সালে সার্বিয়া জয় করে।
- কিন্তু তাদের সবচেয়ে বড় ও ঐতিহাসিক বিজয় ছিল ১৪৫৩ সালে। ওই বছর তারা বাইজেন্টাইনের রাজধানী কনস্টান্টিনোপল (বর্তমান ইস্তাম্বুল) জয় করে।

উল্লেখ্য,
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পূর্বে অটোমান সুলতান জার্মানির সঙ্গে একটি গোপন চুক্তি করেন। এতে করে যুদ্ধ চলাকালে দীর্ঘ সময় ধরে জার্মানির পক্ষে ছিল তারা। ১৯১৫ থেকে ১৯১৬ সাল পর্যন্ত মিত্রবাহিনীর হয়ে যুদ্ধ করতে গিয়ে কনস্টান্টিনোপল (ইস্তাম্বুল) শহরকে রক্ষা করতে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চালিয়ে যায় অটোমান সেনারা। এতে করে অটোমানদের প্রায় ৫ লক্ষ সেনা নিহত হয় এবং ৩.৮ মিলিয়ন সেনা আহত হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর ১৯২২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে পতন ঘটে অটোমানদের।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর অটোমান রাজতন্ত্রের পতন ঘটলে জাতীয়তাবাদী নেতা ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল পাশার নেতৃত্বে তুরস্কে প্রজাতন্ত্রের সূচনা ঘটে। তিনি ১৯২৩ থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত তুরস্কের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: Britannica.
৫৪৩.
কোন সভ্যতায় সর্বপ্রথম পানির সাহায্যে সেচ পদ্ধতি আবিষ্কার হয়?
  1. সিন্ধু সভ্যতায়
  2. মেসোপটেমীয় সভ্যতায়
  3. ইনকা সভ্যতায়
  4. মিশরীয় সভ্যতায়
সঠিক উত্তর:
মেসোপটেমীয় সভ্যতায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসোপটেমীয় সভ্যতায়
ব্যাখ্যা
সুমেরীয় সভ্যতা (Sumerian Civilization)
মেসোপটেমীয় অঞ্চলে সবচেয়ে প্রাচীন যে সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল, তার নাম সুমেরীয় সভ্যতা।
▪ বর্তমানে ইরাকের টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস (তৎকালীন দজলা ও ফোরাত) নদীর মধ্যবর্তী উর্বর স্থানে সুমেরীয় সভ্যতার গোড়াপত্তন ঘটে। 

সুমেরীয়দের উল্লেখযোগ্য অবদান - 
▪ লিখন পদ্ধতির আবিষ্কার - সুমেরীয়দের আবিষ্কৃত লিখন পদ্ধতির নাম “কিউনিফর্ম” (Cuneiform)।
▪ কিউনিফর্ম লিপি বাম থেকে ডানদিকে লেখাঁ হত এবং এর বর্ণের সংখ্যা ছিলো - ৩২টি।
▪ তারা বিশ্বের প্রথম মহাকাব্য হিসাবে বিবেচিত - “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেছিলেন।  
▪ ‘চাকা’ আবিষ্কার – সুমেরীয়রা প্রথম চাকার ব্যবহার শুরু করে।
▪ উন্নত সেচ ব্যবস্থা – টাইগ্রিস ও ইউফ্রিটিস নদীর পানি ব্যবহার করে কৃষির উন্নতির জন্য তারা উন্নত সেচ ব্যবস্থার উদ্ভাবন করেছিলো। অর্থাৎ মেসোপটেমীয় সভ্যতায় প্রথম সেচ পদ্ধতির আবিষ্কার হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪৪.
মেসোপটেমীয় সভ্যতার সবার শেষে গড়ে উঠেছিল -
  1. ক্যালেডীয়
  2. অ্যাসেরীয়
  3. ব্যাবিলনীয়
  4. সুমেরীয়
সঠিক উত্তর:
ক্যালেডীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালেডীয়
ব্যাখ্যা
ক্যালডীয় সভ্যতা:
- ক্যালডীয় সভ্যতাটি মেসোপটেমীয় সভ্যতার সবার শেষে গড়ে উঠেছিল।
- ৬১২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এ্যাসিরীয়দের পতন এবং ক্যালডীয়দের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মেসোপটেমীয় সভ্যতা চূড়ান্ত পর্বে উন্নীত হয়।
- মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় বসবাসকারী সেমিটিক জাতিভুক্ত ক্যালডীয়রা এ সভ্যতা গড়ে তোলে বলে ইতিহাসে এটি ক্যালডীয় সভ্যতা নামে পরিচিত।
- এ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা নেবোপালেসার এ্যাসিরীয়দের সমৃদ্ধ রাজধানী নিনেভা ধ্বংস করে পুনরায় ধ্বংসপ্রাপ্ত নগরী ব্যাবিলনকে কেন্দ্র করে রাজধানী ও তাদের সভ্যতা গড়ে তোলে বলে এ সভ্যতা নতুন ব্যাবিলনীয় সভ্যতা নামেও পরিচিত।
- প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘণ্টায় ভাগ করার পদ্ধতি বের করে।
- বছরের দৈর্ঘ্যও তারা বের করে।
- এ যুগের জ্যোতির্বিজ্ঞানীগণ ১২টি নক্ষত্রপুঞ্জের সন্ধান পান। তা থেকে ১২টি রাশিচক্রের সৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪৫.
মুসলমান ও রোমান বাহিনীর মধ্যকার সংগঠিত যুদ্ধ কোনটি?
  1. ক) খন্দকের যুদ্ধ
  2. খ) তাবুকের যুদ্ধ
  3. গ) বদরের যুদ্ধ
  4. ঘ) উহুদের যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
খ) তাবুকের যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তাবুকের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
- তাবুকের যুদ্ধ সংগঠিত হয় ৬৩১ খ্রিস্টাব্দ (৯ম হিজরী)।
- এটি ছিল  মুসলমান এবং রোমান বাহিনীর মধ্যকার মহানবী (স.) জীবদ্দশায় পরিচালিত শেষ অভিযান।
- পরাক্রমশালী রোমান সাম্রাজ্যকে যুদ্ধে পরাজিত করে মুসলিম ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
- বাকি ৩টি যুদ্ধ মুসলমান এবং মক্কার কুরাইশদের সাথে সংগঠিত হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস (১ম পত্র), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার (Upcoming)।
৫৪৬.
মদিনা শরীফের পূর্বনাম -
  1. ক) আল হারামাইন
  2. খ) আলমদিনা
  3. গ) মদিনাতুর রহমান
  4. ঘ) ইয়াসরিব
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইয়াসরিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইয়াসরিব
ব্যাখ্যা

- মদিনা শরিফের পূর্বনাম ছিল ইয়াসরিব।
- যেদিন বনু সালেম ইবনে আওফের মহল্লায় জুমার নামায আদায়ের পর রসূল (স) মদিনায় গমন করেন, সেদিন থেকেই ইয়াসরিবের নাম 'মদিনাতুর রসূল’ বা রসূল (স)- এর শহর সংক্ষেপে মদিনা হয়ে যায়।

৫৪৭.
১৯২৯ সালে কোথায় পিকিং মানবের মাথার খুলি ও চোয়ালের হাড় আবিষ্কৃত হয়?
  1. জার্মানি   
  2. ইথিওপিয়া
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. চীন 
সঠিক উত্তর:
চীন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন 
ব্যাখ্যা

• ১৯২৯ সালে কোথায় পিকিং মানবের মাথার খুলি ও চোয়ালের হাড় আবিষ্কৃত চীনে। 
---------------
• পিকিং মানব:

- পিকিং মানব হলো হোমো ইরেক্টাস প্রজাতির বিলুপ্ত হোমিনিন।
- এরা প্রায় মধ্য প্লাইস্টোসিন যুগে চীনের বেইজিংয়ের কাছে ঝোউকৌদিয়ান গুহায় বসবাস করত।
- প্রাথমিকভাবে ১৯২৭ সালে ডেভিডসন ব্ল্যাক একটি মাত্র দাঁতের ভিত্তিতে পিকিং মানবকে সনাক্ত করেছিলেন।
- পরে ১৯২৯ সালে চীনা বিজ্ঞানীরা প্রথম সম্পূর্ণ মাথার খুলি আবিষ্কার করেন।
- খননকাজে আরও অনেক কপালের খুলি, চোয়ালের হাড়, মুখমণ্ডল এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের হাড়সহ প্রায় ৪০ জন ব্যক্তির দাঁত পাওয়া যায়।

• পিকিং মানবের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
- অবস্থান ও সময়কাল: চীনের বেইজিংয়ের ঝোউকৌদিয়ান গুহা, মধ্য প্লাইস্টোসিন যুগ।
- শারীরিক গঠন: কপালের অংশ হেলানো, ভুরু ও কপালের হাড় বেশ পুরু।
- প্রযুক্তিগত দক্ষতা: আগুনের ব্যবহার জানত এবং পাথর দিয়ে অস্ত্র ও সরঞ্জাম তৈরি করতে পারত।
- বিবর্তনগত গুরুত্ব: মানুষের বিবর্তনের ধারায় সরাসরি পূর্বপুরুষ হিসেবে বিবেচিত।
--------------
উল্লেখ্য,
- প্রাগৈতিহাসিক মানুষের জীবাশ্ম আবিষ্কারের ইতিহাস থেকে জানা যায়, মানব বংশের বিবর্তনকে বোঝার জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতির জীবাশ্ম আবিষ্কৃত হয়েছে বিভিন্ন সময়ে ও স্থানে।
- এগুলো হলো:

• জাভা মানব:
- ১৮৯১ সালে ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপে আবিষ্কৃত। এটি হোমো ইরেক্টাস প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত।

• হেইডেলবার্গ মানব:
- ১৯০৭ সালে জার্মানির হেইডেলবার্গে আবিষ্কৃত।
- এটি হোমো সারপিয়েন্সের পূর্বপুরুষ হিসেবে বিবেচিত।

• লুসি (Lucy):
- ১৯৭৪ সালে ইথিওপিয়ার আফার অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- এটি Australopithecus afarensis প্রজাতির প্রায় পূর্ণাঙ্গ কঙ্কাল এবং প্রাগৈতিহাসিক মানব গবেষণার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

• ফ্লোরেন্স মানব:
- ২০০৩ সালে ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেন্স দ্বীপে আবিষ্কৃত।
- এদের উচ্চতা প্রায় ৩ ফুট, তাই এদেরকে 'হবিট' বলা হয়।

• ডেনিসোভান:
- ২০১০ সালে সাইবেরিয়ার আলতাই পর্বতমালার ডেনিসোভা গুহা থেকে আবিষ্কৃত।
- এটি ডিএনএ বিশ্লেষণের মাধ্যমে শনাক্ত হওয়া সম্পূর্ণ নতুন মানব প্রজাতি।

উৎস: Britannica. 

৫৪৮.
কোন শতাব্দীতে ইউরোপীয় রেনেসাঁ শুরু হয়?
  1. একাদশ শতাব্দীতে
  2. দ্বাদশ শতাব্দীতে
  3. ত্রয়োদেশ শতাব্দীতে
  4. চতুর্দশ শতাব্দীতে
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশ শতাব্দীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশ শতাব্দীতে
ব্যাখ্যা
রেনেসাঁ:
- ইংরেজি 'রেনেসাঁ' Renaissance) শব্দের অর্থ নবজাগরণ বা পুনর্জন্ম।
- ধর্মভাবনা নিয়ন্ত্রিত ও সামন্ততান্ত্রিক মধ্যযুগীয় দীর্ঘ বদ্ধ দশা থেকে মুক্ত হয়ে নতুনভাবে জীবনের সবকিছুকে জানার জন্য মানব মনের যে আগ্রহ তারই পরিণতি স্বরূপ যে নবজীবনবাদের সূচনা, তাকেই সাধারণভাবে রেনেসাঁ বা নবজাগরণ নামে আখ্যায়িত করা হয়।

⇒ মধ্যযুগের জ্ঞান-বিজ্ঞান, বিশ্বাস সব কিছুই আবর্তিত হতো প্রচলিত ধর্ম বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে।
- ইউরোপে চতুর্দশ ও পঞ্চদশ শতক থেকে ক্রমেই এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটে।
- সাধারণ মানুষ যুক্তিতর্ক দ্বারা সবকিছুকে গ্রহণ বা বর্জন করতে উৎসাহী হয়ে ওঠে।
- রেনেসাঁস মূলত একটি দীর্ঘস্থায়ী সমাজ পরিবর্তন প্রক্রিয়া।
- এই রেনেসাঁসের ভেতর দিয়ে আধুনিক পাশ্চাত্য সভ্যতার উত্থান ঘটেছে।

⇒ চতুর্দশ শতাব্দীতে ইউরোপীয় রেনেসাঁ শুরু হয়।
- ইতালিতে রেনেসাঁস এর গোড়াপত্তন ঘটে।
- পরবর্তী সময়ে জার্মানিতে রিফরমেশন, ফ্রান্সে ফরাসি বিপ্লব, ইংল্যান্ডে শিল্পবিপ্লব এবং সোভিয়েত ইউনিয়নে রুশ বিপ্লব ও চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব ঘটে।
- তবে ইতালিতেকেই রেনেসাঁসের প্রথম পর্ব হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।

উৎস: i) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica. [link]
৫৪৯.
অ্যাজটেক সভ্যতার প্রথম রাজা ছিলেন কে?
  1. মোকতেজুমা
  2. তিজোক
  3. আকামাপিচটলি
  4. আহুইৎজোতল
সঠিক উত্তর:
আকামাপিচটলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকামাপিচটলি
ব্যাখ্যা

অ্যাজটেক সভ্যতা:
- অ্যাজটেক সভ্যতা ছিল মেসোআমেরিকার শেষ বড় সভ্যতাগুলোর একটি।
- উত্তর মেসোআমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা ৷
- বর্তমান মেক্সিকো অঞ্চলে এই সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- যার বিস্তৃতি ছিল উত্তর আমেরিকার বেশির ভাগ অংশজুড়ে।
- খ্রিস্টীয় ১২ শতকে এ সভ্যতার উৎপত্তি হয়েছিল।
- অ্যাজটেকের রাজধানী ছিল টেনোচিটিলান ।
- আকামাপিচটলি ছিলেন অ্যাজটেকদের প্রথম রাজা।
- কৃষিকাজের মাধ্যমে অ্যাজটেক সভ্যতার প্রসার ঘটে।
- চিনাম্পা নামক ভাসমান বাগানের মাধ্যমে তারা অত্যন্ত উন্নত কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
- অ্যাজটেকদের কাছে ধর্ম খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
- তারা প্রকৃতির শক্তির প্রতিনিধিত্বকারী বেশ কয়েকটি দেবতার পূজা করত।
- অ্যাজটেক ধর্মের দেবতা:
• যুদ্ধের দেবতা হুইটজিলোপোচটলি,
• সূর্যের দেবতা টোনাটিউহ,
• বৃষ্টির দেবতা তালোক ।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৫৫০.
রোমানরা কোন ধরনের সংখ্যাকে দুর্ভাগ্য মনে করত?
  1. জোড় সংখ্যা
  2. বিজোড় সংখ্যা
  3. ভগ্নাংশ
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
জোড় সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোড় সংখ্যা
ব্যাখ্যা

আধুনিক গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের উৎপত্তি:
- আধুনিক গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার মূলত প্রায় ২,০০০ বছরের পুরনো রোমান ক্যালেন্ডারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি কর হয়।
- প্রাথমিক রোমান ক্যালেন্ডার সম্ভবত গ্রীক মডেলের ওপর তৈরি, যা চন্দ্রচক্রের ওপর নির্ভর করত।
- রোমানরা জোড় সংখ্যাকে দুর্ভাগ্য মনে করত, তাই মাসের দিন বিজোড় সংখ্যা রাখা হতো।
- এই প্রথা ৪৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত চলেছিল।
- জুলিয়াস সিজার এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানী সোসিজেনেস সৌর বছরের সঙ্গে ক্যালেন্ডার সামঞ্জস্য করতে জুলিয়ান ক্যালেন্ডার চালু করেন।
- জুলিয়াস সিজার বছরে দিনের সংখ্যা ৩৫৫ থেকে ৩৬৫ দিনে বৃদ্ধি করেন এবং ১২ মাস অন্তর্ভুক্ত করেন।
- জুলিয়ান ক্যালেন্ডারে সৌর বছরের সাথে সামঞ্জস্যের জন্য ১১ মিনিটের ত্রুটি ছিল, যা বছরের পর বছর জমা হয়ে ক্যালেন্ডারকে কয়েকদিন পিছিয়ে দিত।
- ১৫৮২ সালে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার চালু করা হয় এবং লিপ বছরের নিয়ম পরিবর্তন করে ত্রুটি দূর করা হয়।

উৎস: History.com [লিঙ্ক]

৫৫১.
'ওসেনিয়ান' সভ্যতা বলা হয় কোনটিকে?
  1. গ্রিক সভ্যতা 
  2. মিশরীয় সভ্যতা 
  3. রোমান সভ্যতা 
  4. মেসোপটেমীয় সভ্যতা 
সঠিক উত্তর:
গ্রিক সভ্যতা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিক সভ্যতা 
ব্যাখ্যা

গ্রিক সভ্যতা: 
- ইউরোপ মহাদেশের গ্রিক রাষ্ট্রের অন্তর্গত প্রাচীন কয়েকটি শহরকে কেন্দ্র করে গ্রিক সভ্যতার উদ্ভব ঘটে। 
- বলকান উপকূলের দক্ষিণাংশে অবস্থিত গ্রিক প্রায় পাঁচ হাজার বর্গমাইল ব্যাপী বিস্তৃত। 
- ভূ-প্রকৃতি দেশটিকে তিন ভাগে বিভক্ত করে দিয়েছে।
- যথা: দক্ষিণ গ্রিস, মধ্য গ্রিস ও উত্তর গ্রিস। 
- মেসিডোনিয়ান অধিপতি আলেকজাণ্ডারের শাসনামলে এ সভ্যতার সীমা ছাড়িয়ে আধুনিক মিসর, ইসরাইল, প্যালেষ্টাইন, লেবানন, সিরিয়া, ইরাক ও ইরান হয়ে ভারতবর্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল। 
- আড্রিয়াটিক সাগর, ভূমধ্যসাগর, ইজিয়ান সাগর দ্বারা বেষ্টিত থাকার কারণে গ্রিক সভ্যতাকে 'ওসেনিয়ান' (সাগরীয়) সভ্যতা বলা হয়। 

উল্লখ্য,
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞানচর্চার সূত্রপাত করে।
- ৬০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অঙ্কন করেন গ্রিক বিজ্ঞানীরা।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।
- চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই এবং বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের ক্রোধের কারণে নয়, প্রাকৃতিক কারণে ঘটে- এই সত্য তারাই প্রথম আবিষ্কার করেন।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         iii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৫২.
Sumerian civilization is a part of which civiliazation?
  1. Mesopotamian
  2. Akkandian
  3. Egypt
  4. Hebrew
  5. Mayan
সঠিক উত্তর:
Mesopotamian
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mesopotamian
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমিয় সভ্যতা:
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা ‘মেসোপটেমীয় সভ্যতা’।
- আধুনিক ইরাক রাষ্ট্রের সীমারেখার মধ্যেই প্রাচীনকালে মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- ফোরাত (ইউফ্রেটিস) ও দজলা (টাইগ্রিস) নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ হতে খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দের মধ্যে মেসোপটেমিয়ায় অতি উন্নত এক সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল।
- মেসোপটেমিয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিস নদীর তীরে।
- মেসোপটেমিয় সভ্যতারই চারটি পর্ব ছিল।
- সেগুলো হলো: সুমেরীয় সভ্যতা, ব্যাবিলনীয় সভ্যতা, অ্যাশিরীয় সভ্যতা ও ক্যালডীয় সভ্যতা।

উৎস: Britannica.
৫৫৩.
নিচের কে গ্রিক দেবতা?
  1. আর্টেমিস
  2. নেফের তিতি
  3. অ্যাপোলো
  4. মাইকেরি নুস
সঠিক উত্তর:
অ্যাপোলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাপোলো
ব্যাখ্যা

 গ্রিক দেবতার মূর্তি অ্যাপোলো ।
- গ্রীকরা বহু দেবতায় বিশ্বাসী ছিল।
- গ্রীকদের প্রধান দেবতা ছিল জিউস।
- দেবতা অ্যাপোলো ও দেবী এথেনাও ছিলেন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
- গ্রীকরা বিশ্বাস করত দেবতাদের বাস উত্তর গ্রীসের অলিম্পাস পর্বতের চূড়ায়।
- আফ্রেডায়িট হচ্ছে ভালোবাসা রোমান্স এবং সৌন্দর্যের দেবী ।
- এথেনা ছিল প্রজ্ঞার দেবী ।

উৎস: Britannica.com 

৫৫৪.
'ভাইমার রিপাবলিক' এর সাথে জড়িত কোন দেশ?
  1. ফ্রান্স
  2. ইতালি
  3. জার্মানি
  4. স্পেন
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা

ভাইমার রিপাবলিক: 
- 'ভাইমার রিপাবলিক' জার্মানির ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এটি ১৯১৮ থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত জার্মানিতে বিদ্যমান ছিল।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির পরাজয়ের পর ভাইমার প্রজাতন্ত্র গঠন করা হয়।
- এটি জার্মান প্রগতিবাদীদের উদ্যোগে গঠিত হয়, এবং ১৯১৯ সালে এর সংবিধান রচিত হয়।
- ভাইমার প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রিডরিশ এবার্ট, তিনি ১৯২৫ সাল পর্যন্ত এই পদে ছিলেন।
- ১৯৩৩ সালে ফিল্ড মার্শাল হিন্ডেনবুর্গের মাধ্যমে অ্যাডলফ হিটলার ক্ষমতায় আসেন, এর পর জার্মানিতে ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো। 

৫৫৫.
কৌটিল্য রচিত গ্রন্থের নাম কী?
  1. ক) আইন ই আকবরী
  2. খ) অর্থশাস্ত্র
  3. গ) কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ
  4. ঘ) কিতাবুল হিন্দ
সঠিক উত্তর:
খ) অর্থশাস্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অর্থশাস্ত্র
ব্যাখ্যা
প্রাচীন ভারতের শ্রেষ্ঠ দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, সমরবিদ কৌটিল্য কর্তৃক রচিত গ্রন্থ হলো অর্থশাস্ত্র। এই বইয়ে রাজনীতি, অর্থনীতি, সমরনীতি, কৃষি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। কৌটিল্য চাণক্য ও বিষ্ণুগুপ্ত নামেও পরিচিত। তিনি চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের মন্ত্রী ছিলেন।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৫৫৬.
কোন সভ্যতায় সর্বপ্রথম পানির সাহায্যে সেচ পদ্ধতি আবিষ্কার করা হয়?
  1. সুমেরীয় সভ্যতায়
  2. ইনকা সভ্যতায়
  3. অ্যাশেরীয় সভ্যতায়
  4. রোমান সভ্যতায়
সঠিক উত্তর:
সুমেরীয় সভ্যতায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুমেরীয় সভ্যতায়
ব্যাখ্যা
সুমেরীয় সভ্যতা (Sumerian Civilization)
মেসোপটেমীয় অঞ্চলে সবচেয়ে প্রাচীন যে সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল, তার নাম সুমেরীয় সভ্যতা।
▪ বর্তমানে ইরাকের টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস (তৎকালীন দজলা ও ফোরাত) নদীর মধ্যবর্তী উর্বর স্থানে সুমেরীয় সভ্যতার গোড়াপত্তন ঘটে। 

সুমেরীয়দের উল্লেখযোগ্য অবদান - 
▪ লিখন পদ্ধতির আবিষ্কার - সুমেরীয়দের আবিষ্কৃত লিখন পদ্ধতির নাম “কিউনিফর্ম” (Cuneiform)।
▪ কিউনিফর্ম লিপি বাম থেকে ডানদিকে লেখাঁ হত এবং এর বর্ণের সংখ্যা ছিলো - ৩২টি।
▪ তারা বিশ্বের প্রথম মহাকাব্য হিসাবে বিবেচিত - “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেছিলেন।  
▪ ‘চাকা’ আবিষ্কার – সুমেরীয়রা প্রথম চাকার ব্যবহার শুরু করে।
▪ উন্নত সেচ ব্যবস্থা – টাইগ্রিস ও ইউফ্রিটিস নদীর পানি ব্যবহার করে কৃষির উন্নতির জন্য তারা উন্নত সেচ ব্যবস্থার উদ্ভাবন করেছিলো। অর্থাৎ সুমেরীয় সভ্যতায় প্রথম সেচ পদ্ধতির আবিষ্কার হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫৭.
বর্ধমান কার অপর নাম?
  1. ক) মহাবীর
  2. খ) গৌতম বুদ্ধ
  3. গ) শ্রীচৈতন্য
  4. ঘ) ঋষভদেব
সঠিক উত্তর:
ক) মহাবীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মহাবীর
ব্যাখ্যা
- ভারতীয় উপমহাদেশের বিখ্যাত ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মহাবীরের আসল নাম বর্ধমান।
- তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৫৪০ অব্দে জন্মগ্রহণ এবং খ্রিস্টপূর্ব ৪৬৮ অব্দে মারা যান বলে অনুমান করা হয়।
- মহাবীর প্রবর্তিত ধর্ম হলো জৈন ধর্ম। প্রাচীন ভারতে খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে জৈন ধর্মের উদ্ভব ঘটে।
- তবে কিছু ঐতিহাসিকের মতে জৈন ধর্মের প্রবর্তক খষভদেব বা আদিনাথ।
- তাদের মতে জৈন ধর্মের প্রচারক সংখ্যা ২৩ জন এবং এদের মধ্যে মহাবীর হলেন সর্বশেষ প্রচারক।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস : প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৫৫৮.
মহামন্দা মোকাবিলার জন্য নিউ ডিল (New Deal) ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?
  1. ক) ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  2. খ) থিওডর রুজভেল্ট
  3. গ) জন এফ. কেনেডি
  4. ঘ) আব্রাহাম লিংকন
সঠিক উত্তর:
ক) ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
নিজ ডিল (New Deal)
• ১৯২৯ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে যুক্তরাষ্ট্র সহ সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক মহামন্দা (Great Depression) দেখা দেয়।
• এর ফলে শেয়ার বাজারের পতন ঘটে, ব্যাংকগুলাে অর্থনৈতিক সমস্যায় জর্জরিত হতে থাকে, বেকারত্ব বৃদ্ধি পেতে থাকে, বেতন ও মজুরি ব্যাপকভাবে কমে যায়, ফলে জীবন ধারন দুর্বিসহ হয়ে পড়ে।
• যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেট তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে নিউ ডিল (New Deal) ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।
• নিউ ডিল (New Deal) ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 
৫৫৯.
কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক -
  1. লক্ষ্মণ সেন
  2. কেশব সেন
  3. হেমন্ত সেন
  4. বল্লাল সেন
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
ব্যাখ্যা
কৌলিন্য প্রথা ও বল্লাল সেন:
- কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক হিসেবে বল্লাল সেন ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত।
- সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যায় যে, কৌলিন্য প্রথার সাথে বল্লাল সেনের সম্পর্কের তেমন কোনো যুক্তিযুক্ত ভিত্তি নেই।
- বাংলাদেশে কৌলিন্য প্রথার বহুল প্রচলন দেখা যায় আঠারো ও উনিশ শতকে।
- বল্লাল সেন তাঁর পিতার ন্যায় শৈব ছিলেন।
- ধর্মপ্রচারে তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল।
- তিনি তাঁর পিতার অন্যান্য উপাধির সাথে 'অরিরাজ নিঃশঙ্কর' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি আনুমানিক ১৮ বছর রাজত্ব করার পর বৃদ্ধ বয়সে পুত্র লক্ষণ সেনের হাতে রাজ্যভার অপর্ণ করে সস্ত্রীক ত্রিবেণীর কাছে গঙ্গাতীরে বাণপ্রস্থ অবলম্বন করে শেষ জীবন অতিবাহিত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬০.
নিচের কোনটি মিশরীয় সভ্যতার সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. প্যাপিরাস
  2. হায়ারোগ্লিফিক
  3. সৌর পঞ্জিকা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল নীল নদের তীরে।
- এই সভ্যতা ছিল কৃষিনির্ভর। 
- সে কারণে নীল নদের প্লাবন, নাব্যতা, পানি প্রবাহের মাপ জোয়ারভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- তারা অংক শাস্ত্রের দুটি শাখা জ্যামিতি এবং পাটিগণিতের প্রচলন করে। 
- খ্রিস্টপূর্ব ৪২০০ অব্দে তারা পৃথিবীতে প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে। 
- ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারকও তারা। 
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্য ঘড়ি, ছায়াঘড়ি, জলঘড়ি আবিষ্কার করে।
- তাদের চিত্রলিপিকে বলা হয় হায়ারোগ্লিফিক।
- চিকিৎসা শাস্ত্রে মিশরীয়রাই সর্বপ্রথম ‘মেটেরিয়া মেডিকা' বা ঔষুধের তালিকা প্রণয়নে সক্ষম হয়।
- প্যাপিরাস হলো পুরু কাগজের অনুরূপ একটি উপাদান যা প্রাচীন কালে লেখার পৃষ্ঠ হিসাবে ব্যবহৃত হত।
- প্রাচীন মিশরীয়রা প্যাপাইরাস গাছ থেকে প্যাপিরাস কাগজ তৈরি করেছিলেন। 

উৎস: i) Britannica.
         ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬১.
আব্বাসীয় বংশের পতন ঘটে কত সালে?
  1. ১২৫২ সালে
  2. ১২৫৮ সালে
  3. ১২৬৪ সালে
  4. ১২৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১২৫৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৫৮ সালে
ব্যাখ্যা
আব্বাসী বংশ:

- ১২৫৮ সালে আব্বাসীয় বংশের পতন ঘটে।
- শেষ যুগের খলিফাদের অযোগ্যতা, সুষ্ঠু উত্তরাধিকার নীতির অভাব, তুর্কী সেনাবাহিনীর উত্থান, স্বাধীন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আঞ্চলিক রাজবংশের উদ্ভব, বিভিন্ন জাতি, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব, অর্থনৈতিক সংকট ইত্যাদি নানা কারণে এই বংশের অধ:পতন নেমে আসে।
- অবশেষে মোঙ্গল সেনাপতি হালাগু খান ১২৫৮ সালে বাগদাদ নগরী ধ্বংস সাধন করেন এবং এর ফলে আব্বাসীয় বংশের পতন ঘটে।

তথ্যসূত্র - ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬২.
প্রথম লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন করে -
  1. ক) চৈনিকরা
  2. খ) সুমেরীয়রা
  3. গ) মিশরীয়রা
  4. ঘ) ব্যাবিলনীয়রা
সঠিক উত্তর:
খ) সুমেরীয়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুমেরীয়রা
ব্যাখ্যা
সুমেরীয় সভ্যতা:
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা মেসোপটেমীয় সভ্যতা।
- মেসোপটেমীয় সভ্যতার পর্যায় ছিল ৪টি।

যথা:
১. সুমেরীয় সভ্যতা,
২. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা,
৩. অ্যাশেরীয় সভ্যতা ও
৪. ক্যালেডীয় সভ্যতা।

- প্রথম লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন করে - সুমেরীয়রা। 
- মেসোপটেমিয়ায় গড়ে ওঠা সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা সুমেরীয় সভ্যতা।
- বর্তমান ইরাকের দক্ষিণ অংশ তৎকালীন সময়ে মেসোপটেমিয়া নামে পরিচিত ছিল।
- মেসোপটেমিয়ার বাসিন্দা ছিল সুমেরীয়রা।
- এটাই প্রাচীন সুমেরীয় সভ্যতা।

উৎস: Britannica.
৫৬৩.
'The Starry Night' চিত্রকর্মটি কোন বিখ্যাত চিত্রশিল্পীর সৃষ্টি?
  1. পাবলো পিকাসো
  2. লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি
  3. ভিনসেন্ট ভ্যান গগ
  4. মাইকেল অ্যাঞ্জেলো
সঠিক উত্তর:
ভিনসেন্ট ভ্যান গগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিনসেন্ট ভ্যান গগ
ব্যাখ্যা
"The Starry Night" ডাচ চিত্রশিল্পী ভিনসেন্ট ভ্যান গগের একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম।

• ভিনসেন্ট ভ্যান গগ:-
- ভিনসেন্ট ভ্যান গগ ছিলেন একজন  ডাচ চিত্রশিল্পী।

• তাঁর আঁকা আরো কিছু শিল্পকর্ম:-
- The Potato Eaters;
- Van Gogh self-portrait;
- Café Terrace at Night;
- The Yellow House;
- Almond Blossoms ।
- Sunflowers ইত্যাদি

উৎস: ভ্যানগগ মিউজিয়াম ও ব্রিটানিকা।
৫৬৪.
সিন্ধু সভ্যতা গড়ে তুলেছিলো কোন জাতি গোষ্ঠীর মানুষেরা?
  1. ক) রাঢ়
  2. খ) মঙ্গোলীয়
  3. গ) দ্রাবিড়
  4. ঘ) অস্ট্রিক
সঠিক উত্তর:
গ) দ্রাবিড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দ্রাবিড়
ব্যাখ্যা
সিন্ধু সভ্যতা:
- সিন্ধু সভ্যতা গড়ে তুলেছিলো দ্রাবিড় জাতি।

- পাঞ্জাব অঞ্চলের হরপ্পাতে প্রথম ১৯২১ সালে এবং তারপর ১৯২২ সালে সিন্ধু অঞ্চলের সিন্ধু নদীর কাছে মহেঞ্জোদারোতে সনাক্ত করা হয়েছিল।উভয় অংশই বর্তমান পাকিস্তানে, যথাক্রমে পাঞ্জাব এবং সিন্ধু প্রদেশে। 
- সিন্ধু সভ্যতা প্রথম সনাক্ত করা হয় পাঞ্জাবে
- মহেঞ্জোদারোর ধ্বংসাবশেষ ১৯৮০ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটে মনোনীত হয়েছিল।
- বিশ্বের তিনটি প্রাচীনতম সভ্যতার মধ্যে-অন্য দুটি হল মেসোপটেমিয়া এবং মিশর। সিন্ধু সভ্যতা ছিল সবচেয়ে বিস্তৃত।
- সিন্ধু সভ্যতা দুটি বড় শহর হরপ্পা এবং মহেঞ্জোদারো এবং ১০০টিরও বেশি শহর ও গ্রাম নিয়ে গঠিত বলে জানা যায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com 
৫৬৫.
রাশিদুন খিলাফতের সময় মুসলিম সাম্রাজ্যের রাজধানী কোথায় ছিলো?
  1. ক) ইস্তাম্বুল
  2. খ) দামেস্ক
  3. গ) মদিনা
  4. ঘ) মক্কা
সঠিক উত্তর:
গ) মদিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মদিনা
ব্যাখ্যা
রাশিদুন খিলাফত (৬৩২ খ্রি. – ৬৬১ খ্রি.):
- মুসলিম সাম্রাজ্যের রাজধানী - মদিনা।
- ইসলামের চার খলিফার শাসনকাল।

হযরত আবুবকর সিদ্দিক (রা.)
- শাসন কাল (৬৩২ খ্রি. - ৬৩৪ খ্রি.)।
- ইসলামের প্রথম খলিফা (৬৩২ খ্রি.)।

হযরত ওমর ইবনে আল খাত্তাব(রা.)
- শাসন কাল (৬৩৪ খ্রি. - ৬৪৪ খ্রি.)।
- "ওমর দ্য গ্রেট" বলা হয় (ন্যায়পরায়ণতার জন্য )। 

হযরত উসমান ইবনে আফফান (রা.)
- শাসন কাল ( ৬৪৪ খ্রি. - ৬৫৬ খ্রি.)। 
- সর্ব প্রথম ইসলামী মুদ্রার প্রচলন।

হযরত আলী ইবনে আবু তালিব (রা.)
- শাসন কাল (৬৫৬ খ্রি. - ৬৬১ খ্রি.)।
- খোলাফায়ে রাশেদীনের সর্বশেষ খলিফা।
- আসাদুল্লাহ (আল্লাহর সিংহ) উপাধি লাভ।
৫৬৬.
মেসোপটেমীয় সভ্যতার সর্বশেষ পর্যায় কোনটি?
  1. অ্যাসেরীয়
  2. ক্যালেডীয়
  3. ব্যাবিলনীয়
  4. সুমেরীয়
সঠিক উত্তর:
ক্যালেডীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালেডীয়
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমীয় সভ্যতা:
- এ সভ্যতাকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়-
• সুমেরীয়।
• ব্যাবিলনীয়।
• অ্যাসেরীয়।
• ক্যালেডীয়।

ক্যালডীয় সভ্যতা:
- ক্যালডীয় সভ্যতাটি মেসোপটেমীয় সভ্যতার সবার শেষে গড়ে উঠেছিল।
- ৬১২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এ্যাসিরীয়দের পতন এবং ক্যালডীয়দের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মেসোপটেমীয় সভ্যতা চূড়ান্ত পর্বে উন্নীত হয়।
- মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় বসবাসকারী সেমিটিক জাতিভুক্ত ক্যালডীয়রা এ সভ্যতা গড়ে তোলে বলে ইতিহাসে এটি ক্যালডীয় সভ্যতা নামে পরিচিত।
- এ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা নেবোপালেসার এ্যাসিরীয়দের সমৃদ্ধ রাজধানী নিনেভা ধ্বংস করে পুনরায় ধ্বংসপ্রাপ্ত নগরী ব্যাবিলনকে কেন্দ্র করে রাজধানী ও তাদের সভ্যতা গড়ে তোলে বলে এ সভ্যতা নতুন ব্যাবিলনীয় সভ্যতা নামেও পরিচিত।
- প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘণ্টায় ভাগ করার পদ্ধতি বের করে।
- বছরের দৈর্ঘ্যও তারা বের করে।
- এ যুগের জ্যোতির্বিজ্ঞানীগণ ১২টি নক্ষত্রপুঞ্জের সন্ধান পান। তা থেকে ১২টি রাশিচক্রের সৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬৭.
কুয়েত কোন সাগরের তীরে অবস্থিত?
  1. ক) বঙ্গোপসাগর
  2. খ) ভারত মহাসাগর
  3. গ) পারস্য উপসাগর
  4. ঘ) আরব সাগর
সঠিক উত্তর:
গ) পারস্য উপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পারস্য উপসাগর
ব্যাখ্যা
• কুয়েত:
 - কুয়েত একটি নগর রাষ্ট্র।
- এটি পারস্য সাগরের তীরে অবস্থিত।
- কুয়েতের রাজধানী কুয়েত সিটি।
- পারস্য উপসাগর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত।
- এর আয়তন ২৫১০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এই সাগরে অবস্থিত।
- এর তীরে অবস্থিত দেশসমূহ হলো ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ওমান।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৫৬৮.
নিচের কোনটি মেসোপটেমীয় সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) অ্যাসেরীয় সভ্যতা
  2. খ) ক্যালডীয় সভ্যতা
  3. গ) সুমেরীয় সভ্যতা
  4. ঘ) ফিনিশীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিনিশীয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিনিশীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হলো মেসোপটেমীয় সভ্যতা। বর্তমান ইরাকের ইউফ্রেতিস ও টাইগ্রিস নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৫০০০ বছর পূর্বে মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয়, অ্যাসেরীয় এবং ক্যালডীয় সভ্যতা মেসোপটেমীয় সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত।
- এদের মধ্যে সবার আগে গড়ে উঠেছিল সুমেরীয় সভ্যতা এবং সবার শেষে ক্যালডীয় সভ্যতা।
- ফিনিশীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো ভূমধ্যসাগরের তীরে বর্তমান লেবাননে।
(সূত্র: ব্রিটানিকা)
৫৬৯.
উন্নত সেচ পদ্ধতির আবিষ্কার কোন সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ অবদান?
  1. ক) ব্যাবিলনীয়
  2. খ) আ্যশেরীয়
  3. গ) সুমেরীয়
  4. ঘ) ক্যালেডীয়
সঠিক উত্তর:
গ) সুমেরীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুমেরীয়
ব্যাখ্যা
সুমেরীয় সভ্যতা (Sumerian Civilization)
মেসোপটেমীয়া অঞ্চলে সবচেয়ে প্রাচীন যে সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল, তার নাম - সুমেরীয় সভ্যতা।
বর্তমানে ইরাকের টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস (তৎকালীন দজলা ও ফোরাত) নদীর মধ্যবর্তী উর্বর স্থানে সুমেরীয় সভ্যতার গোড়াপত্তন ঘটে।
দক্ষিণ মেসোপটেমিয়ার আদি অ-সেমেটিকবাসীরা সাধারণভাবে ‘সুমেরিয়ান’ নামে পরিচিত ছিল।

সুমেরীয়দের উল্লেখযোগ্য অবদানঃ
সুমেরীয়দের অবদান মূলত কৃষি কেন্দ্রিক। কৃষি ব্যবস্থার উন্নতির জন্য তাদের অবদান অতুলনীয়। নিম্নে সুমেরীয়দের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অবদানের কথা উল্লেখ করা হল -
⤇ ‘চাকা’ আবিষ্কার ও উন্নত সেচ ব্যবস্থা - টাইগ্রিস সুমেরীয়রা প্রথম চাকার ব্যবহার শুরু করে। তাদের কৃষকরা প্রথম দুই চাকা বিশিষ্ট ‘রথ’ (Chariot) ব্যবহার শুরু করেছিল। পরবর্তীতে সেগুলো যুদ্ধের উপযোগী করে নির্মাণ করা হয়।
ও ইউফ্রিটিস নদীর পানি ব্যবহার করে কৃষির উন্নতির জন্য তারা উন্নত সেচ ব্যবস্থার উদ্ভাবন করেছিলো। তাছাড়া ঐ সময় তারা জমি চাষের উন্নত লাঙ্গল ও ফসল মজুদ করার জন্য বড় পাত্র তৈরী করেছিলো।
⤇ লিখন-পদ্ধতির আবিষ্কার - সুমেরীয়দের আবিষ্কৃত লিখন পদ্ধতির নাম - “কিউনিফর্ম” (Cuneiform)। কিউনিফর্ম লিপি বাম থেকে ডানদিকে লেখাঁ হত এবং এর বর্ণের সংখ্যা ছিলো - ৩২টি।
তারা বিশ্বের প্রথম মহাকাব্য হিসাবে বিবেচিত - “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেছিলেন।
⤇ ‘উল’ থেকে কাপড় তৈরীর পদ্ধতি আবিষ্কার করেছিল - সুমেরীয়রা। এছাড়াও বাড়ি নির্মানের জন্য মাটি দিয়ে ইট তৈরী করত। জলঘড়ি ও চন্দ্রপঞ্জিকা আবিষ্কারেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে সুমেরীয়রা।

উৎস: ব্রিটানিকা, হিস্টরি.কম।
৫৭০.
পৃথিবীতে বিরাজমান সবচেয়ে পুরাতন সভ্যতা কোনটি?
  1. মায়া সভ্যতা
  2. রোমান সভ্যতা
  3. চীন সভ্যতা
  4. গ্রিক সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
চীন সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন সভ্যতা
ব্যাখ্যা

চীন সভ্যতা:
- চীনের প্রাচীন সভ্যতা একমাত্র সভ্যতা যা কোনো সময় পুরোপুরি ধ্বংস প্রাপ্ত হয়নি।
- খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দ থেকে আজ পর্যন্ত চীন তার সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।
- চীনা সভ্যতা পৃথিবীতে বিরাজমান সবচেয়ে পুরাতন সভ্যতা।
- চীন পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- দেশটির তিনটি অঞ্চলে প্রাচীন সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- একটি হোয়াং হো নদীর তীরে, দ্বিতীয়টি ইয়াং জেকিয়াং নদীর তীরে, তৃতীয়টি দক্ষিণ চীনের ভূখণ্ডে।
- এই সভ্যতা সৃষ্টি হয়েছিল- শাং ও চৌ রাজাদের আমলে।
- ঐ সময় বৌদ্ধধর্মের প্রসার ঘটে।
- চীনা সিল্ক, চিনা মাটির পাত্র, চিনের মহাপ্রাচীর সব কিছু চিনা সভ্যতাকে ভিন্ন বৈশিষ্ট্য দান করেছে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭১.
প্রাচীন গ্রিসের কোন দুটি নগর-রাষ্ট্র তাদের ভিন্নধর্মী সমাজ ব্যবস্থার জন্য পরিচিত ছিল?
  1. করিন্থ ও থিবস
  2. এথেন্স ও স্পার্টা
  3. ডেলফি ও অলিম্পিয়া
  4. মাইসিনি ও ট্রয়
সঠিক উত্তর:
এথেন্স ও স্পার্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এথেন্স ও স্পার্টা
ব্যাখ্যা

- এথেন্স তার গণতন্ত্র, দর্শন ও শিল্পের জন্য পরিচিত ছিল, অন্যদিকে স্পার্টা ছিল একটি সামরিক রাষ্ট্র যা কঠোর শৃঙ্খলা এবং সামরিক শক্তির উপর জোর দিত। এই দুটি নগর-রাষ্ট্রের মধ্যে বৈপরীত্য প্রাচীন গ্রিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

গ্রিক সভ্যতা:
- প্রাচীন গ্রিক সভ্যতা, মাইসেনিয়ান সভ্যতার পরের সময়কাল।
- প্রাচীন গ্রিস তার উচ্চতায় এশিয়া মাইনর, দক্ষিণ ইতালি, সিসিলি এবং গ্রীক দ্বীপপুঞ্জের বসতি নিয়ে গঠিত।
- এটি শহর-রাজ্যে বিভক্ত ছিল-এথেন্স এবং স্পার্টা।
- গ্রিক সংস্কৃতি হেলেনীয় সংস্কৃতি নামে বেশি পরিচিত।
- সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রাচীন গ্রিসের সৃষ্টি আজও মানব সমাজের মূল্যবান সম্পদ।
- হোমারের মহাকাব্য 'ইলিয়ড' এবং ‘ওডিসি' মহাকাব্যের অপূর্ব নিদর্শন।
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্ৰ গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।

সূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭২.
পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা কোথায় গড়ে উঠেছিল?
  1. পেরুতে
  2. ইরাকে
  3. ইতালিতে
  4. ভারতে
সঠিক উত্তর:
ইরাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাকে
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমিয় সভ্যতা:
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা ‘মেসোপটেমীয় সভ্যতা’।
- আধুনিক ইরাক রাষ্ট্রের সীমারেখার মধ্যেই প্রাচীনকালে মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- ফোরাত (ইউফ্রেটিস) ও দজলা (টাইগ্রিস) নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ হতে খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দের মধ্যে মেসোপটেমিয়ায় অতি উন্নত এক সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল।
- মেসোপটেমিয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিস নদীর তীরে।
- মেসোপটেমিয় সভ্যতারই চারটি পর্ব ছিল।
- সেগুলো হলো: সুমেরীয় সভ্যতা, ব্যাবিলনীয় সভ্যতা, অ্যাশিরীয় সভ্যতা ও ক্যালডীয় সভ্যতা।

অন্যদিকে -
- প্রাচীন ভারতে সিন্ধু নদের তীরে গড়ে উঠেছিল সিন্ধু সভ্যতা।
- প্রাচীন রোমের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল রোমান সভ্যতা।

উৎস: Britannica.
৫৭৩.
মিশরীয়রা প্যাপিরাস থেকে কী তৈরি করত?
  1. পোশাক
  2. কাগজ
  3. খাবার
  4. রং
সঠিক উত্তর:
কাগজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাগজ
ব্যাখ্যা

মিশরীয় সভ্যতা:
- ঐতিহাসিক হেরোডোটাসের মতে, মিশর হলো "নীল নদের দান" (The Gift of the Nile)। নীল নদের নিয়মিত বন্যা ও পলিমাটি না থাকলে এই মরু অঞ্চলে এমন বিশাল সভ্যতার বিকাশ অসম্ভব ছিল।
- ফারাওরা ছিলেন মিশরের একচ্ছত্র অধিপতি। তারা মনে করতেন তারা দেবতা 'হোরাস'-এর উত্তরসূরি।
- খুফু (Khufu): চতুর্থ রাজবংশের শাসক, যিনি বিশাল পিরামিড নির্মাণ করেন।
- হাটশেপসুট (Hatshepsut): তিনি কেবল রাণী ছিলেন না, বরং ফারাও হিসেবে পূর্ণ ক্ষমতা ভোগ করতেন এবং বাণিজ্যে উন্নতি ঘটান।
- তুতেনখামেন (Tutankhamun): "বালক রাজা" হিসেবে পরিচিত,
- মিশরের অর্থনীতির মূল ভিত্তি ছিল কৃষি।
- নীল নদ: প্রতি বছর নীল নদে বন্যা হতো, যা জমিতে উর্বর পলি ফেলে যেত। তারা বাঁধ ও সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে এই পানি নিয়ন্ত্রণ করত।
- প্যাপিরাস: এই গাছ থেকে তারা বিশ্বের প্রথমদিককার কাগজ তৈরি করেছিল।
- দেব-দেবী: সূর্যদেব 'রা', সৃষ্টির দেবতা 'আমন' এবং মৃত্যুর দেবতা 'আনুবিস' ছিলেন প্রধান।
- মমি: তারা বিশ্বাস করত মৃতদেহ রক্ষা করলে আত্মা (কা) অমর হবে। ন্যাট্রন লবণের সাহায্যে মৃতদেহ শুকিয়ে কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে মমি করা হতো। এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে প্রায় ৭০ দিন সময় লাগত।

• হায়ারোগ্লিফিক্স: এটি ছিল এক ধরনের লিপি যা ছবির মাধ্যমে লেখা হতো।
- ১৮২২ সালে জাঁ-ফ্রাঁসোয়া চ্যাম্প লিওঁ'রোসেটা স্টোন' (Rosetta Stone) ব্যবহারের মাধ্যমে এই লিপির পাঠোদ্ধার করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৭৪.
প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘণ্টায় ভাগ করার পদ্ধতি কারা বের করে?
  1. ব্যাবিলনীয়রা
  2. মিশরীয়রা
  3. ক্যালডীয়রা
  4. এ্যাসিরীয়রা
সঠিক উত্তর:
ক্যালডীয়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালডীয়রা
ব্যাখ্যা

ক্যালডীয় সভ্যতা:
- দক্ষিণ মেসোপটেমিয়ার বাবিলন এলাকায় (বর্তমান ইরাক অঞ্চলে) ক্যালডীয় সভ্যতার বিকাশ ঘটে।
- ক্যালডীয় সভ্যতাটি মেসোপটেমীয় সভ্যতার সবার শেষে গড়ে উঠেছিল।
- ৬১২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এ্যাসিরীয়দের পতন এবং ক্যালডীয়দের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মেসোপটেমীয় সভ্যতা চূড়ান্ত পর্বে উন্নীত হয়।
- মেসোপটেমিয়ার সেমিটিক জাতিভুক্ত ক্যালডীয়রা এ সভ্যতা গড়ে তোলে বলে ইতিহাসে এটি ক্যালডীয় সভ্যতা নামে পরিচিত।
- এ সভ্যতা নতুন ব্যাবিলনীয় সভ্যতা নামেও পরিচিত।
- প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘণ্টায় ভাগ করার পদ্ধতি বের করে।
- বছরের দৈর্ঘ্যও তারা বের করে।
- এ যুগের জ্যোতির্বিজ্ঞানীগণ ১২টি নক্ষত্রপুঞ্জের সন্ধান পান। তা থেকে ১২টি রাশিচক্রের সৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭৫.
কোন যুগে মানুষ খাদ্য সংগ্রহ থেকে খাদ্য উৎপাদনে পর্যায়ক্রমে মন দিয়েছিল?
  1. ধাতব যুগ
  2. নব্য প্রস্তর যুগ
  3. মধ্য প্রস্তর যুগ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নব্য প্রস্তর যুগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নব্য প্রস্তর যুগ
ব্যাখ্যা
নব্যপ্রস্তর যুগ (Neolithic Age):
- বিখ্যাত ইংরেজ প্রত্নতত্ত্ববিদ Sir John Lubbock ১৮৬৫ সালে প্রথম Neolithic শব্দটি ব্যবহার করেন।
- আনুমানিক ৮০০০-৩৫০০ খ্রিস্টপূর্ব অব্দের মধ্যে ও নিকট প্রাচ্যে নব্য প্রস্তরযুগের প্রথম বিকাশ ঘটে।
- অতঃপর ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল এবং অবশেষে খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ অব্দে ইংল্যান্ডে এ যুগের সূচনা হয়।
- বিখ্যাত ইংরেজ ঐতিহাসিক গর্ডন চাইল্ড (Gordon Childe) খাদ্য-আহরণ পর্যায় থেকে খাদ্য উৎপাদনের জন্য কৃষিকাজে উত্তরণকে নব্য প্রস্তরযুগের বিপ্লব হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। 

কৃষিকাজের মাধ্যমে নব্য প্রস্তরযুগের মানুষেরা খাদ্য-উৎপাদনমুখী এক সৃজনশীল যুগের সূচনা করে।
- প্রকৃতপক্ষে কৃষিকাজের সূচনা করাই ছিল প্রাগৈতিহাসিক যুগে মানব সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উদ্ভাবন।
- শিকার ও সংগ্রহভিত্তিক অনিশ্চিত অর্থনীতি থেকে মানুষ খাদ্য উৎপাদনের নিরাপদ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলেছেল খাদ্যের নিশ্চয়তা মানুষের সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। 

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭৬.
'জরথুস্ত্র' ধর্ম কোন সভ্যতায় প্রচলিত ছিল?
  1. রোমান সভ্যতা
  2. চৈনিক সভ্যতা
  3. অ্যাশেরীয় সভ্যতা
  4. পারস্য সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
পারস্য সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারস্য সভ্যতা
ব্যাখ্যা
পারস্য:
- পারস্য বর্তমানে ইরান নামে পরিচিত।
- পারস্যের নামকরণ 'ইরান' করা হয় ২১ মার্চ, ১৯৩৫ সালে।
- পারস্য সভ্যতার ধর্ম ছিল জরথুস্ত্র।
- জরথুস্ত্রের আর্বিভাব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে।
- পারস্যের সাসানীয় রাজবংশের সম্রাট আরদাশিরের সময় জরথুস্ত্র ধর্ম রাজকীয় মর্যাদা লাভ করে।
- জরথুস্ত্রবাদ ছিলো একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী। বিশ্বের অন্যান্য ধর্মের উপর জরথ্রুস্ত্র ধর্মের ব্যাপক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
- এদের প্রধান দেবতার নাম আছর মাজদা। ধর্মগ্রন্থের নাম জেন্দাবেস্তা।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ষষ্ঠ শ্রেণী এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস: প্রথমপত্র: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭৭.
কারা বিশ্বের প্রথম মহাকাব্য হিসাবে বিবেচিত “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেছিলেন?
  1. ক্যালডীয়রা
  2. ব্যাবিলনীয়রা
  3. সুমেরীয়রা
  4. অ্যাসিরীয়ারা
সঠিক উত্তর:
সুমেরীয়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুমেরীয়রা
ব্যাখ্যা
সুমেরীয়রা প্রথম মহাকাব্য হিসাবে বিবেচিত “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেছিলেন।

• সুমেরীয় সভ্যতা (Sumerian Civilization):

- মেসোপটেমীয়া অঞ্চলে সবচেয়ে প্রাচীন যে সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল, তার নাম সুমেরীয় সভ্যতা।
- বর্তমানে ইরাকের টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস (তৎকালীন দজলা ও ফোরাত) নদীর মধ্যবর্তী উর্বর স্থানে সুমেরীয় সভ্যতার গোড়াপত্তন ঘটে।
- ‘চাকা’ আবিষ্কার – সুমেরীয়রা প্রথম চাকার ব্যবহার শুরু করে।

- তাদের কৃষকরা প্রথম দুই চাকা বিশিষ্ট 'রথ' (Chariot) ব্যবহার শুরু করেছিল।
- উন্নত সেচ ব্যবস্থা – টাইগ্রিস ও ইউফ্রিটিস নদীর পানি ব্যবহার করে কৃষির উন্নতির জন্য তারা উন্নত সেচ ব্যবস্থার উদ্ভাবন করেছিলো ।
- লিখন-পদ্ধতির আবিষ্কার - সুমেরীয়দের আবিষ্কৃত লিখন পদ্ধতির নাম “কিউনিফর্ম” (Cuneiform)।
- কিউনিফর্ম লিপি বাম থেকে ডানদিকে লেখাঁ হত এবং এর বর্ণের সংখ্যা ছিলো ৩২টি।

- তারা বিশ্বের প্রথম মহাকাব্য হিসাবে বিবেচিত “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেছিলেন।
- জলঘড়ি ও চন্দ্রপঞ্জিকা আবিষ্কারেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন সুমেরীয়রা।
- সুমেরীয়রা বহু ঈশ্বরবাদে বিশ্বাসী ছিল। তাদের অনেক দেবতা ছিল। প্রধান দবতা ‘নাগাল’।
- ২২৩৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে লুগালজাগেসি (King Lugalzagesi) আক্কাডীয়ান রাজা ‘সারগন’ এর নিকট পরাজিত হলে সুমেরীয় সাম্রাজ্যের অবসান হয়। 
সুমেরীয়, ব্যবিলনীয়, এ্যাসিরীয়, ক্যালডীয় ও আক্কাদীয় সভ্যতা

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৫৭৮.
কবে পারস্যের নাম পরিবর্তন করে ইরান রাখা হয়?
  1. ১৯৩২ সালে
  2. ১৯৩৩ সালে
  3. ১৯৩৫ সালে
  4. ১৯৩৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৩৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩৫ সালে
ব্যাখ্যা
ইরানের প্রাচীন নাম ও সভ্যতা:
- পারস্য বর্তমানে ইরান নামে পরিচিত।
- পারস্যের নামকরণ 'ইরান' করা হয় ২১ মার্চ, ১৯৩৫ সালে।
- পারস্য সভ্যতার ধর্ম ছিল জরথুস্ত্র।
- জরথুস্ত্রের আর্বিভাব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে।
- পারস্যের সাসানীয় রাজবংশের সম্রাট আরদাশিরের সময় জরথুস্ত্র ধর্ম রাজকীয় মর্যাদা লাভ করে।
- জরথুস্ত্রবাদ ছিলো একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী। বিশ্বের অন্যান্য ধর্মের উপর জরথ্রুস্ত্র ধর্মের ব্যাপক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
- এদের প্রধান দেবতার নাম আছর মাজদা। ধর্মগ্রন্থের নাম জেন্দাবেস্তা।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ষষ্ঠ শ্রেণী এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস: প্রথমপত্র: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭৯.
কোন জাতি বৃত্তকে প্রথম ৩৬০ ডিগ্রিতে ভাগ করেন?
  1. মিশরীয়রা
  2. হিব্রুরা
  3. এজিয়ানরা
  4. অ্যাসেরীয়রা
সঠিক উত্তর:
অ্যাসেরীয়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসেরীয়রা
ব্যাখ্যা
অ্যাসিরীয় সভ্যতা:
- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১০০০-৯০০ অব্দের মধ্যে অ্যাসিরীয় সভ্যতার পত্তন ঘটে।
- ব্যাবিলন থেকে প্রায় দু'শ মাইল উত্তরে টাইগ্রিস নদীর তীরে এই শহর গড়ে ওঠে।
- এ শহরের অধিবাসীরা অ্যাসিরীয় নামে পরিচিত ছিল।
- সামরিক ক্ষেত্রে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
- অ্যাসিরীয় সম্রাট বিশ্বাস করতেন তিনি দেবতা অসুরের প্রতিনিধি।
- অ্যাসিরীয়দের অর্থনীতির মূল উৎস ছিল বিভিন্ন দেশ থেকে লুণ্ঠন করে আনা ধনসম্পদ।
- তারাই প্রথম বৃত্তকে ৩৬০° তে ভাগ করে।
- পৃথিবীকে সর্বপ্রথম তারা অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেছিল।
- তিন'শ বছরের এই প্রাচীন সভ্যতা খ্রিস্টপূর্ব ৬১২ অব্দে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
 
উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮০.
কোন আইন ‘ডিউটোরোনোমিক কোড’ নামে পরিচিত?
  1. হাম্বুরাবী আইন
  2. হিব্রু আইন
  3. রোমান আইন
  4. অ্যাসেরীয় আইন
সঠিক উত্তর:
হিব্রু আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিব্রু আইন
ব্যাখ্যা
হিব্রু সভ্যতা:
- হিব্রু সভ্যতা হলো বর্তমানের ফিলিস্তিন ও ইসরাইল অঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- হিব্রু সভ্যতা জেরুজালেম নগরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে।
- হিব্রু মূলত ভাষার নাম, অর্থ যাযাবর বা নিম্ন শ্রেণি।
- জাতিগতভাবে হিব্রু সভ্যতার লোকজন একটি মিশ্র জাতি।
- প্রধান ধর্মীয় নেতা: হযরত মূসা (আ)।
- হিব্রুদের আদি পুরুষ ইব্রাহিম (আ:)।
- হিব্রু দেবতা যেহোভা।
- পৃথিবীর প্রাচীন ভাষা হিব্রু ভাষা।
- হিব্রু জাতি বর্তমানে ইজরাইলে বসবাস করে।
- হিব্রু সভ্যতার অবদান ধর্ম প্রচার।
- হিব্রুদেরও আইন অনেকটা হাম্মুরাবীর আইনের দ্বারা প্রভাবিত।
- ব্যাবিলনীয় আইনের অনুকরণে তারা যে আইন তৈরী করে তা 'ডিউটোরোনোমিক কোড' নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: i) Britannica.
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮১.
কোন সভ্যতায় প্রথম লৌহের ব্যবহার শুরু হয়?
  1. হিট্টাইট
  2. হেলেনেস্টিক
  3. ইনকা
  4. ইজিয়ান
সঠিক উত্তর:
হিট্টাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিট্টাইট
ব্যাখ্যা
লৌহযুগ:
- সাধারণ মানুষ তাদের দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে লৌহ নির্মিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে শুরু করে।
- এভাবেই লৌহযুগ নামে নতুন এক সভ্যতার বিকাশ লাভ ঘটে।
- এশিয়া মাইনরে হিট্টাইটরা (Hittites) প্রথম লোহার আবিষ্কার ও এর ব্যবহার শুরু করে।

 খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে মধ্যপ্রাচ্যে লোহার ব্যবহার শুরু হয়।
- লৌহযুগে বর্ণমালাভিত্তিক লিখন পদ্ধতির প্রচলন শুরু হয়।
- ব্যবসাবাণিজ্য ও মুদ্রা-অর্থনীতি ব্যাপকতা লাভ করে।
- জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে শুরু হওয়ার ফলে যাতায়াতব্যবস্থা সহজ হয়।
- এর ফলে বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের মানুষের মধ্যে আর্থ- সামাজিক ও সাংস্কৃতিক লেনদেন ও ভাবের আদান-প্রদান বৃদ্ধি পায়।
- গৃহনির্মাণ, বিভিন্ন ধরনের গৃহসামগ্রী, আসবাবপত্র, রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কুঠার, লাঙলের ফলা, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে লোহার ব্যবহারের মাধ্যমে সভ্যতার দ্রুত উত্থান ঘটে।
- লৌহযুগে গ্রিসে এক উন্নত গণতান্ত্রিক নগরসভ্যতার বিকাশ ঘটে।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮২.
'কনস্টান্টিনোপলের পতন' কোন সাম্রাজ্যের অবসান ঘটায়?
  1. বাইজেন্টাইন
  2. অটোমান
  3. পারস্যিক
  4. মিশরীয়
সঠিক উত্তর:
বাইজেন্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাইজেন্টাইন
ব্যাখ্যা
বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য:
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য আনুমানিক ৩৯৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল।
- ১৫ শতকে অটোমান তুর্কি আক্রমণে পতনের আগে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান সভ্যতায় পরিণত হয়েছিল।
- বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ভূমধ্যসাগরের আশেপাশের বেশিরভাগ ভূমি জুড়ে ছিল, যার মধ্যে বর্তমানে ইতালি, গ্রীস এবং তুরস্ক এবং উত্তর আফ্রিকা জুড়ে বিস্তৃত।

⇒ কনস্টান্টিনোপল আধুনিক তুরস্কের একটি প্রাচীন শহর যা এখন ইস্তাম্বুল নামে পরিচিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।

⇒ কনস্টান্টিনোপলের পতন:
- চতুর্দশ শতাব্দী থেকে ওসমানীয় তুর্কিদের শক্তি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ১৪৫৩ সালে ওসমানীয় খলিফা দ্বিতীয় মোহাম্মদের হাতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপলের পতন ঘটে।
- পরবর্তী পর্যায়ে তুর্কি শক্তি সমগ্র গ্রিস অঞ্চলসহ পূর্ব ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তাদের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস: i) History.com
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮৩.
কোন দেশকে কেন্দ্র করে ইনকা সভ্যতা গড়ে উঠেছিল?
  1. পেরু
  2. ব্রাজিল
  3. ভেনেজুয়েলা
  4. বলিভিয়া
সঠিক উত্তর:
পেরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরু
ব্যাখ্যা
ইনকা সভ্যতা:
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতা পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল এবং আন্দিজ পর্বতমালা বরাবর উত্তর ইকুয়েডর থেকে মধ্য চিলি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় পেরুর মাচু পিচুতে।
- স্থপতি: মানকো কাপেন।
- ভাষা: কেচুয়া

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৫৮৪.
হিব্রু সভ্যতা কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রসিদ্ধ?
  1. ক) বাণিজ্য
  2. খ) ধর্ম সংস্কার
  3. গ) কৃষিকাজ
  4. ঘ) জ্যোতির্বিদ্যা
সঠিক উত্তর:
খ) ধর্ম সংস্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধর্ম সংস্কার
ব্যাখ্যা
- হিব্রু সভ্যতা বর্তমান প্যালেস্টাইনে বিকশিত হয়েছিলো। হিব্রু সভ্যতার কেন্দ্রবিন্দু ছিলো জেরুজালেম নগর। খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ১৮০০ অব্দে হযরত ইব্রাহিম (আ.) নেতৃত্বে হিব্রু সভ্যতার সূচনা ঘটে।
- বিশ্ব সভ্যতায় হিব্রুদের সর্বাধিক অবদান হলো ধর্মের ক্ষেত্রে। হিব্রুরাই প্রথম একেশ্বরবাদী ধর্মের সূত্রপাত করে। পরবর্তীতে খ্রিস্ট ও ইসলাম ধর্ম এই একেশ্বরবাদী ধর্ম গোটা পৃথিবীতে প্রচার করে।
- এছাড়া ‘ডিউটোরোনোমিক কোড’ নামে আইন প্রণয়নের জন্যেও হিব্রুরা সভ্যতা বিখ্যাত।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং ইতিহাস : এসএসসি প্রোগ্রাম : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৫৮৫.
সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয় -
  1. পারস্য সভ্যতা
  2. রোমান সভ্যতা
  3. মায়া সভ্যতা
  4. মিশরীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
মিশরীয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার বিস্তৃতিকাল খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০-৫২৫ পর্যন্ত।
- আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব অংশ যা আমাদের কাছে পরিচিত ইজিপ্ট বা মিশর নামে।
- খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে মিশরে প্রথম সাম্রাজ্যের উদ্ভব ঘটে।
- যার একটি ছিল উত্তর মিশর (নিম্ন মিশর) অপরটি ছিল দক্ষিণ মিশর (উচ্চ মিশর)।
- মানব সভ্যতার অগ্রগতি তাদের অবদানে সমৃদ্ধ।
- স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে তাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা বলা যায়।
- চিত্রকলায় আছে বিশেষ বৈচিত্রপূর্ণ অবদান।
- লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন, সেচ ব্যবস্থা চালু, চিকিৎসা শাস্ত্র, জ্যোতিষশাস্ত্র অংক শাস্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান সভ্যতার ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা করেছিল।
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত। এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক’ বা পবিত্র অক্ষর।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮৬.
কার আক্রমণের মাধ্যমে ক্যালডীয় সভ্যতার পতন ঘটে?
  1. পারস্যদের আক্রমণ
  2. মঙ্গোলীয়দের আক্রমণ
  3. রোমানদের আক্রমণ
  4. গ্রিকদের আক্রমণ
সঠিক উত্তর:
পারস্যদের আক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারস্যদের আক্রমণ
ব্যাখ্যা

ক্যালডীয় সভ্যতা:
- ৬১২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এ্যাসিরীয়দের পতন এবং ক্যালডীয়দের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মেসোপটেমীয় সভ্যতা চূড়ান্ত পর্বে উন্নীত হয়।
- মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় বসবাসকারী সেমিটিক জাতিভুক্ত ক্যালডীয়রা এ সভ্যতা গড়ে তোলে বলে ইতিহাসে এটি ক্যালডীয় সভ্যতা নামে পরিচিত।
- এ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা নেবোপালেসার এ্যাসিরীয়দের সমৃদ্ধ রাজধানী নিনেভা ধ্বংস করে পুনরায় ধ্বংসপ্রাপ্ত নগরী ব্যাবিলনকে কেন্দ্র করে রাজধানী ও তাদের সভ্যতা গড়ে তোলে বলে এ সভ্যতা নতুন ব্যাবিলনীয় সভ্যতা নামেও পরিচিত।
- এ সাম্রাজ্যের উল্লেখযোগ্য শাসক ছিলেন সম্রাট নেবুচাঁদনেজার।
- খ্রিস্টপূর্ব ৫৩৮ অব্দে ক্যালডীয় সাম্রাজ্যের পতন ঘটিয়ে পারস্য সম্রাট কাইরাস ক্যালডীয়দের উপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে।

⇒ উল্লেখযোগ্য অবদান:
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতার স্থপতি হাম্মুরাবির সংস্কৃতি অনেকটাই গ্রহণ করেছিল ক্যালডীয়রা।
- সম্রাট নেবুচাঁদনেজার তৈরি করেছিলেন আশ্চার্য সুন্দর এক বাগান, ইতিহাসে যা 'শূন্য উদ্যান' নামে পরিচিত।
- ক্যালডীয়দের প্রধান দেবতা ছিল বৃহস্পতি বা জুপিটার গ্রহ। 
- ক্যালডীয়রাই প্রথম সপ্তাহকে সাত দিনে বিভক্ত করে।
- তারাই প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘণ্টায় ভাগ করার পদ্ধতি বের করে।
- বছরের দৈর্ঘ্যও তারা বের করে।
- এ যুগের জ্যোতির্বিজ্ঞানীগণ ১২টি নক্ষত্রপুঞ্জের সন্ধান পান। তা থেকে ১২টি রাশিচক্রের সৃষ্টি হয়।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৮৭.
নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের কী বলা হয়?
  1. ক) তাতারু
  2. খ) মাউরি
  3. গ) জুলু
  4. ঘ) রেড ইন্ডিয়ান
সঠিক উত্তর:
খ) মাউরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাউরি
ব্যাখ্যা
নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের বলা হয় মাউরি। - জুলু উপজাতি বাস করে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাতার তুর্কি জাতিগোষ্ঠির অন্তর্ভূক্ত একটি উপজাতি। আর আমেরিকান অধিবাসীদের বলা হয় রেড ইন্ডিয়ান।
৫৮৮.
মেসোপটেমীয় সভ্যতার প্রথম পর্যায় কোনটি?
  1. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
  2. ক্যালেডীয় সভ্যতা
  3. সুমেরীয় সভ্যতা
  4. অ্যাসেরীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
সুমেরীয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুমেরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমীয় সভ্যতা:
- এ সভ্যতাকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়-
• সুমেরীয়।
• ব্যাবিলনীয়।
• অ্যাসেরীয়।
• ক্যালেডীয়।
- Mesopotamia মানে হলো দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল।
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা 'মেসোপটেমীয় সভ্যতা'।
- ফোরাত ও দজলা নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতার নামকরণ হয়েছে গ্রিক শব্দে।
- ওই সময় উরুক নামে গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর ছিল। এ শব্দ থেকেই ইরাকের নাম রাখা হয়।
- বর্তমান ইরাকের বেশির ভাগ অংশ এবং সিরিয়ার কিছু অংশ একসময় মেসোপটেমীয় সভ্যতারই
অংশ ছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০ সালের দিকে এ অঞ্চল পার্সিয়ানদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। পরে রোমানদের দখলে যায়। মুসলিম শাসনামলে এ অঞ্চল ইরাক নামে পরিচিতি পায়।

সুমেরীয় সভ্যতা:
- মেসোপটেমীয় সভ্যতার প্রথম পর্যায় ও সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা সুমেরীয়।
- ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বে সুমেরীয় জাতি মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণাংশে এবং পারস্য উপকূল অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- এরা অ-সেমিটিক জাতিগোষ্ঠি এবং মধ্য এশিয়া থেকে স্থানান্তরিত হয়ে মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে বসতি স্থাপন করে।
- লিখন পদ্ধতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা, আইন কানুন প্রণয়ন, ধর্মীয় অনুশাসন ইত্যাদি সুমেরীয়রাই প্রথম শুরু করে।
- সুমেরীয় সভ্যতায় ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় নেতাদের পদবী ছিল 'পাতেজী'।
- সুমেরীয়দের পরবর্তী বিখ্যাত শাসক ছিলেন সম্রাট 'ডুঙি'।
- সম্রাট ডুঙির নেতৃত্বে সুমেরীয়গণ খ্রিস্টপূর্ব ২১০০ অব্দে একটি ঐক্যবদ্ধ সাম্রাজ্য গড়ে তুলেন।
- ডুঙি সুমের জাতির জন্য সর্বপ্রথম একটি বিধিবদ্ধ আইন (Code) প্রচলন করেন।
- সুমেরীয় সমাজে শিল্প ও ব্যবসা পরিচালনায় নারীদের অধিকার দেওয়া হয়েছিল।
- মেসোপটেমীয় সভ্যতার বিকাশ এবং নিত্য নতুন আবিষ্কারের মূলে সুমেরীয়দের অবদানই অধিক ছিল।
- সুমেরীয় শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যকীর্তি ‘জিগগুরাট' নামক ধর্মমন্দির।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮৯.
কোন সংকটকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘে 'শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব' পেশ করা হয়?
  1. সাইপ্রাস সংকট
  2. কোরিয়া সংকট
  3. তাইওয়ান সংকট
  4. প্যালেস্টাইন সংকট
সঠিক উত্তর:
কোরিয়া সংকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোরিয়া সংকট
ব্যাখ্যা
কোরিয়া সংকট:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হওয়ার ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরিয়া উপদ্বীপকে ৩৮° সমান্তরাল রেখায় ভাগ করে।
- ফলে উত্তর কোরিয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে এবং দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে চলে যায়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চলা স্নায়ুযুদ্ধের প্রভাবে দুই কোরিয়াকে একত্রিত করার লক্ষ্যে ২৫ জুন, ১৯৫০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পরোক্ষ নেতৃত্বে উত্তর কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়া আক্রমণ করে।

- দক্ষিণ কোরিয়া আক্রমণের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে সামরিক বাহিনী উত্তর কোরিয়া আক্রমণ করে।
- অপরদিকে, চীন সরাসরি উত্তর কোরিয়ার পক্ষ নিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
- এ যুদ্ধের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ ৩ নভেম্বর, ১৯৫০ সালে 'শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব (Uniting for peace resolution)' পাশ করে।
- অবশেষে ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সালে কোরিয়া যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: un.org.
৫৯০.
সুমেরীয়দের উদ্ভাবিত লিপির নাম-
  1. কৌশম্বী
  2. কিউনিফর্ম
  3. গঞ্জাম
  4. কলিঙ্গ
সঠিক উত্তর:
কিউনিফর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিউনিফর্ম
ব্যাখ্যা
• সুমেরীয় সভ্যতা :
- মেসোপটেমিয়া সভ্যতার অন্তর্গত প্রাচীন সভ্যতা সুমেরীয় সভ্যতা ।
- সুমেরীয় জাতি মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণাংশে এবং পারস্য উপকূল অঞ্চলে ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে বসবাস শুরু করে।
- এরা অ-সেমিটিক জাতিগোষ্ঠী।
-  লিখন পদ্ধতি সুমেরীয়রাই প্রথম শুরু করে।
- তাদের উদ্ভাবিত লিপির নাম - কিউনিফর্ম।
- কিউনিফর্ম লিপিতে লেখা মহাকাব্য- গিল-গামেশ।
- নগররাষ্ট্র নিয়ে প্রথম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত করেন- সম্রাট ডুঙি।
- তাদের  বিখ্যাত দেবতা শামাশ (সূর্যদেবতা) ।
- ইশতা নারী জাতির দেবতা নামে পরিচিত ছিল।

 উৎস: ইসলামের ইতিহাস প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৫৯১.
হায়ারোগ্লিফিক শব্দের অর্থ কী?
  1. অক্ষর ভিত্তিক লিপি
  2. পবিত্র লিপি
  3. ফিনিশীয় লিপি
  4. রোমান লিপি
সঠিক উত্তর:
পবিত্র লিপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পবিত্র লিপি
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
-নীল নদের অববাহিকায় ৫০০০ খ্রিষ্টপূর্ব গড়ে উঠা সভ্যতা  মিশরীয় সভ্যতা।
- গ্রিক ইতিহাসবিধ হেরোডোটাস মিশরকে নীল নদের দান বলেছেন।
- মিশরের ছোট ছোট নগর রাষ্ট্র কে বলা হতো- নোম।
- মিশরীয়দের লিখন পদ্ধতির নাম -হায়ারোগ্লিফিক।
- হায়ারোগ্লিফিক  শব্দের অর্থ - পবিত্র লিপি।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্থাপত্য- মিশরের পিরামিড।
- ৩৬৫ দিনে বছর গণনা শুরু করেছিলো মিশরীয়রা।
 -মিশরের রাজাদের বলা হতো- ফারাও।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯২.
পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবন হয় কোন সভ্যতায়?
  1. গ্রিক সভ্যতায়
  2. সিন্ধু সভ্যতায়
  3. রোমান সভ্যতায়
  4. মিশরীয় সভ্যতায়
সঠিক উত্তর:
সিন্ধু সভ্যতায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিন্ধু সভ্যতায়
ব্যাখ্যা
• সিন্ধু সভ্যতার পরিমাপ পদ্ধতি:
- সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসিরা দ্রব্যের ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক ছিল।
- তাদের এই পরিমাপ পদ্ধতির আবিষ্কার সভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান বলে বিবেচিত।
- তারা বিভিন্ন দ্রব্য ওজনের জন্য নানা মাপের ভিন্ন ভিন্ন আকৃতির বাটখারা ব্যবহার করত।
- দাগ কাটা স্কেল দিয়ে দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতিও তাদের জানা ছিল।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯৩.
মেসোপটেমীয় সভ্যতাকে কয়টি পর্যায়ে ভাগ করা যায়?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমীয় সভ্যতা:
- এ সভ্যতাকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়-
• সুমেরীয়।
• ব্যাবিলনীয়।
• অ্যাসেরীয়।
• ক্যালেডীয়।
- Mesopotamia মানে হলো দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল।
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা 'মেসোপটেমীয় সভ্যতা'।
- ফোরাত ও দজলা নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতার নামকরণ হয়েছে গ্রিক শব্দে।
- ওই সময় উরুক নামে গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর ছিল। এ শব্দ থেকেই ইরাকের নাম রাখা হয়।
- বর্তমান ইরাকের বেশির ভাগ অংশ এবং সিরিয়ার কিছু অংশ একসময় মেসোপটেমীয় সভ্যতারই
অংশ ছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০ সালের দিকে এ অঞ্চল পার্সিয়ানদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। পরে রোমানদের দখলে যায়। মুসলিম শাসনামলে এ অঞ্চল ইরাক নামে পরিচিতি পায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৫৯৪.
এখন পর্যন্ত কোন সভ্যতা পুরোপুরি ধ্বংস প্রাপ্ত হয়নি?
  1. সিন্ধু সভ্যতা
  2. চীন সভ্যতা
  3. মিশরীয় সভ্যতা
  4. ব্যবিলনীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
চীন সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন সভ্যতা
ব্যাখ্যা

চীন সভ্যতা:
- চীনের প্রাচীন সভ্যতা একমাত্র সভ্যতা যা কোনো সময় পুরোপুরি ধ্বংস প্রাপ্ত হয়নি।
- খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দ থেকে আজ পর্যন্ত চীন তার সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।
- চীনা সভ্যতা পৃথিবীতে বিরাজমান সবচেয়ে পুরাতন সভ্যতা।
- চীন পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- দেশটির তিনটি অঞ্চলে প্রাচীন সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- একটি হোয়াং হো নদীর তীরে, দ্বিতীয়টি ইয়াং জেকিয়াং নদীর তীরে, তৃতীয়টি দক্ষিণ চীনের ভূখণ্ডে।
- এই সভ্যতা সৃষ্টি হয়েছিল- শাং ও চৌ রাজাদের আমলে।
- ঐ সময় বৌদ্ধধর্মের প্রসার ঘটে।
- চীনা সিল্ক, চিনা মাটির পাত্র, চিনের মহাপ্রাচীর সব কিছু চিনা সভ্যতাকে ভিন্ন বৈশিষ্ট্য দান করেছে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯৫.
Who invented 22 consonants?
  1. Mayans
  2. Phoenician
  3. Sumerians
  4. Egyptians
  5. Babylonians
সঠিক উত্তর:
Phoenician
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phoenician
ব্যাখ্যা
ফিনিশীয় সভ্যতা:
- ভূমধ্যসাগর এবং লেবানন পর্বতের মাঝে একখণ্ড সরু উপকূল অঞ্চলে ফিনিশীয় নামের ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি গড়ে উঠেছিল।
- ফিনিশীয়দের সামনে ছিল সাগর আর পিছনে ছিল পাহাড়।
- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে তাদের উত্থান হয়েছিল।
- প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে ফিনিশীয়দের পরিচয় শ্রেষ্ঠতম নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে।
- মূলত ফিনিশীয়রাই প্রথম পৃথিবীর ইতিহাসে সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক সভ্যতা গড়ে তোলে।
- ফিনিশীয় নাবিকরা রাতে তারা দেখে জাহাজ চালাত।
- এ কারণে ধ্রুবতারাকে অনেকে ফিনিশীয় তারা বলে থাকে।

উল্লেখ্য,
- সভ্যতার ইতিহাসে ফিনিশীয়দের বড় অবদান হলো বর্ণমালার উদ্ভাবন।
- তারা ২২টি ব্যঞ্জনবর্ণের উদ্ভাবন করে।
- আধুনিক বর্ণমালার সূচনা এখান থেকে।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯৬.
চীনের মহাপ্রাচীর নির্মিত হয় কোন রাজ বংশের আমলে?
  1. তাং-রাজ বংশ
  2. কেকিয়াং রাজ-বংশ
  3. ঝেং রাজ-বংশ
  4. চৌ-রাজ বংশ
সঠিক উত্তর:
চৌ-রাজ বংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌ-রাজ বংশ
ব্যাখ্যা
• চীনের প্রাচীর:
- চীনের মহাপ্রাচীর নির্মিত হয় চৌ-রাজ বংশের আমলে।
- রাজা শি-হুয়াং তি এই প্রাচীর তৈরি করেন।
- হুনদের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নির্মিত হয়েছিল। 
- দেড় হাজার মাইল দীর্ঘ এই প্রাচীরের উচ্চতা গড়ে ২৪ ফুট।
- এই প্রাচীরের উপর দিয়ে ৬ জন অশ্বারোহী পাশাপাশি চলতে পারতো।

এছাড়াও,
- দর্শন বিদ্যায় চিন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হয়।
- চৌ-রাজাদের আমলে একটি শিক্ষিত নতুন সামাজিক শ্রেণির উদ্ভব ঘটে।
- দার্শনিকরা ছিল এই শ্রেণিভুক্ত।
- চীনের প্রাচীন দার্শনিক ছিলেন লাওৎসে (খ্রিষ্টপূর্ব ৬০৪-৫১৭)।
- তিনি বিশ্বসভ্যতায় এক অবিস্মরণীয় মানবতাবাদী দর্শন উপহার দেন।
- কনফুসিয়াসের দর্শন খ্রিষ্টপূর্ব ২০৬ অব্দে চিনে ধর্মে পরিণত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯৭.
ধর্মমন্দির প্যানথিয়ন কোন সভ্যতার স্থাপত্যের এক অসাধারণ নির্দশন-
  1. ক) গ্রিক
  2. খ) রোমান
  3. গ) ইনকা
  4. ঘ) পারস্য
সঠিক উত্তর:
খ) রোমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রোমান
ব্যাখ্যা
সম্রাট হার্ডিয়ানের তৈরি ধর্মমন্দির প্যানথিয়ন রোমানদের স্থাপত্যের এক অসাধারণ নির্দশন। ৮০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট টিটাস কর্তৃক কলোসিয়াম নাট্যশালা নির্মিত হয়, যেখানে একসঙ্গে ৫৬০০ দর্শক বসতে পারত। সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৫৯৮.
মায়া সভ্যতার লিখন পদ্ধতি কোনটি?
  1. হায়ারোগ্লিফিক
  2. ক্যালিওগ্রাফি
  3. মিয়ামোগ্রাফি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
হায়ারোগ্লিফিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হায়ারোগ্লিফিক
ব্যাখ্যা
মায়া সভ্যতা:
- মায়া সভ্যতা মধ্য আমেরিকার গুয়েতেমালা, বেলিজ, ও মেক্সিকোর কিছু অংশে খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে গড়ে উঠেছিলো।
- ২৫০ অবদি থেকে ৯০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মায়ার সভ্যতার ক্লাসিক যুগ ছিল।
- ৯০০ খ্রিস্টাব্দে মায়া সভ্যতার পতন ঘটে।
- মায়া সভ্যতা পাথুরে স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত ছিল।
- মায়া সভ্যতার লিখন পদ্ধতি - হায়ারোগ্লিফিক। 

এছাড়াও, 
- মিশরীয়রা একটি লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন করে।
- এই লিখন পদ্ধতিকে হায়ারোগ্লিফিক বলে যার অর্থ পবিত্র লিপি।

উৎস: ব্রিটানিকা (লিঙ্ক)।
৫৯৯.
কোন সভ্যতার অধিবাসীরা দ্রব্যের ওজন পরিমাপের জন্য ভিন্ন ভিন্ন আকৃতির বাটখারা ব্যবহার করত-
  1. ক) ব্যাবিলনীয়
  2. খ) সিন্ধু
  3. গ) গ্রিক
  4. ঘ) মিশরীয়
সঠিক উত্তর:
খ) সিন্ধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিন্ধু
ব্যাখ্যা
সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা দ্রব্যের ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক ছিল। তারা বিভিন্ন দ্রব্যের ওজন পরিমাপের জন্য ভিন্ন ভিন্ন আকৃতির বাটখারা ব্যবহার করত। দাগ কাটা স্কেল দিয়ে দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতিও তাদের জানা ছিল। তারা তামা ও টিনের মিশ্রণে ব্রোঞ্জ তৈরি করতে শিখেছিল। এই সভ্যতার অধিবাসীরা লোহার ব্যবহার জানত না। সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৬০০.
কোন সভ্যতা ইতিহাসে ‘শ্রেষ্ঠতম নাবিক’ হিসেবে প্রসিদ্ধ?
  1. ক) ক্যালডীয়রা
  2. খ) অ্যাসেরীয়রা
  3. গ) ফিনিশিয়রা
  4. ঘ) মিশরীয়রা
সঠিক উত্তর:
গ) ফিনিশিয়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফিনিশিয়রা
ব্যাখ্যা
খ্রিস্টপূর্ব ৩ হাজার বছর পূর্বে ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী লেবানন, ইসরাইল ও ফিলিস্তিনে ফিনিশীয় সভ্যতা গড়ে উঠে।
সাগর তীরবর্তী হওয়ায় ফিনিশীয়রা নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে খুবই প্রসিদ্ধ ছিলো। তাদের মূল পেশাও ছিলো নৌবাণিজ্য।
টায়ার ও সিডন ফিনিশিয়ার দুটো বিখ্যাত বন্দর।
ফিনিশীয়রা ২২টি ব্যাঞ্জনবর্ণ সম্বলিত বর্ণমালা উদ্ভাবন করে যা থেকে আধুনিক বর্ণমালার উদ্ভব হয়।
(সূত্রঃ মাধ্যমিক ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)