বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

টেকনিক্যাল বিষয়সমূহ

মোট প্রশ্ন৬৬০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

টেকনিক্যাল বিষয়সমূহ

PrepBank · পাতা / · ৪০১৫০০ / ৬৬০

৪০১.
গাছ মোট পানির কত শতাংশ মূলাঞ্চলের প্রথমার্ধ থেকে গ্রহণ করে?
  1. ৪০ শতাংশ
  2. ৫০ শতাংশ
  3. ৭০ শতাংশ
  4. ৯০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৭০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
গাছের মূলাঞ্চল হতে পানি সংগ্রহ: 
- গাছ মূলাঞ্চল হতে পানি গ্রহণ করে।
- গাছের বৃদ্ধির সাথে মূল বৃদ্ধি পায় ও মাটির গভীরে প্রবেশ করে।
- তাই সেচের মাধ্যমে গাছের মূলাঞ্চল ভিজাতে হয়।
- বেশির ভাগ ফসলের ৮০-৯০ শতাংশ মূল উপরের প্রথম এক থেকে দেড় ফুট মাটির গভীরে থাকে।
- গাছ মোট পানির ৭০ শতাংশ মূলাঞ্চলের প্রথমার্ধ থেকে গ্রহণ করে
- তাই মাটির প্রথম এক থেকে দেড় ফুট গভীরতা পর্যন্ত ভিজিয়ে পানি সেচ দিতে হবে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪০২.
কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা?
  1. তথ্য মন্ত্রণালয়
  2. কৃষি মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  4. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
কৃষি মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS):
- কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) কৃষি মন্ত্রণালয়াধীন একটি সংস্থা।
- কৃষি তথ্য ও প্রযুক্তি গণমাধ্যমের সাহায্যে তৃণমূল পর্যায়ে কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়াই সংস্থার মূল লক্ষ্য।
- এটি ১৯৬১ সালে কৃষি তথ্য সংস্থা হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর ১৯৮০ সালে কৃষি তথ্য সার্ভিসে পরিণত হয়।
- সদর দপ্তর ও দেশব্যাপী ১১টি আঞ্চলিক কার্যালয়ের মাধ্যমে কৃষি তথ্য সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে।
- কৃষি তথ্য সার্ভিস কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষে মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কৃষি উন্নয়নমূলক প্রচার-প্রচারণার কাজটি করে থাকে।
- কৃষি মন্ত্রণালয় ও কৃষি মন্ত্রণালয়াধীন বিভিন্ন সংস্থার চাহিদানুযায়ী মুদ্রণ সামগ্রী প্রকাশ, ভিডিও সামগ্রী নির্মাণ ও প্রচারের দায়িত্ব পালন করে আসছে।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)। 
৪০৩.
লিগিউমজাতীয় গাছ কৃষি বনায়নে কেন ব্যবহার করা হয়?
  1. বায়বীয় কার্বন গাছের ভিতর প্রবেশে বেশি সাহায্য করে
  2. বায়বীয় নাইট্রোজেন মাটিতে সঞ্চিত করতে পারে
  3. রোগ ও পোকামাকড় প্রতিরোধী
  4. কম শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট
সঠিক উত্তর:
বায়বীয় নাইট্রোজেন মাটিতে সঞ্চিত করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়বীয় নাইট্রোজেন মাটিতে সঞ্চিত করতে পারে
ব্যাখ্যা
লিগিউমজাতীয় প্রজাতি:
- লিগিউমজাতীয় প্রজাতি শিকড়ের সাহায্যে বায়বীয় নাইট্রোজেন মাটিতে সঞ্চিত করতে পারে
- মাটির গুণাগুন বৃদ্ধি করে।

উৎস: বনায়ন, Bachelor of Agriculture Education (B.Ag.Ed), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০৪.
কোন জমি থেকে একই সময়ে বা পর্যায়ক্রমিকভাবে বিভিন্ন গাছ, ফসল ও পশুপাখি উৎপাদন ব্যবস্থাকে কী বলে?
  1. মনোক্রপিং
  2. শস্যপর্যায়
  3. কৃষি বনায়ন
  4. শস্যবিন্যাস
সঠিক উত্তর:
কৃষি বনায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি বনায়ন
ব্যাখ্যা
কৃষি বনায়ন: 
- কৃষি বনায়ন হলো কোন জমি থেকে একই সময়ে বা পর্যায়ক্রমিকভাবে বিভিন্ন গাছ, ফসল ও পশুপাখি উৎপাদন ব্যবস্থা।
- সাধারণভাবে কৃষি বনায়ন হচ্ছে এক ধরনের সম্মতি ভূমি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি।
- এতে কৃষি ফসল, পশু, মৎস্য এবং অন্যান্য কৃষি ব্যবস্থা সহযোগে বহু বর্ষজীবী কাষ্ঠল উদ্ভিদ জন্মানোর ব্যবস্থা করা হয়।
- অর্থাৎ কৃষি বনায়ন হচ্ছে একই ভূমি/ভূখন্ড থেকে কৃষি ফসল এবং বনজ দ্রব্য যুগপৎ কিংবা পর্যায়ক্রমিকভাবে উৎপাদন করা।
- পরিবেশ বাঁচানো, জ্বালানি সরবরাহ, কাঁঠ ও শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহ বাড়ানোর জন্য বিশ্বব্যাপী কৃষি বনের প্রসার ঘটছে।
- আমাদের দেশেও বর্তমানে কৃষি বনায়ন পদ্ধতির যথেষ্ট উন্নয়ন ঘটছে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০৫.
আদর্শ মাটিতে পানির পরিমাণ কত?
  1. শতকরা প্রায় ১ ভাগ
  2. শতকরা প্রায় ৫ ভাগ
  3. শতকরা প্রায় ১৫ ভাগ
  4. শতকরা প্রায় ২৫ ভাগ
সঠিক উত্তর:
শতকরা প্রায় ২৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শতকরা প্রায় ২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
পানি:
- মাটির একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো পানি।
- মাটির বিভিন্ন কণার মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানে পানি অবস্থান করে।
- মাটির পানি উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানগুলোকে তরল রাখে এবং মাটিকে রসাল রাখে।
- বৃষ্টিপাত, বায়ুমণ্ডলের জলীয়বাষ্প, ভূ-গর্ভস্থ পানি ও সেচব্যবস্থা থেকে প্রাপ্ত পানিই মাটির পানির প্রধান উৎস।
- আদর্শ মাটিতে পানির পরিমাণ হলো শতকরা প্রায় ২৫ ভাগ।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪০৬.
মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ কত?
  1. শতকরা ৪৫ ভাগ
  2. শতকরা ৫ ভাগ
  3. শতকরা ৮৮ ভাগ
  4. শতকরা ৮ ভাগ
সঠিক উত্তর:
শতকরা ৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শতকরা ৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
মাটির বুনট:
- বিভিন্ন ধরনের মাটির কণার আপেক্ষিক অনুপাতকে মাটির বুনট বলে।
- মাটির কণা বলতে বালি, পলি, কর্দম কণাকে বুঝায়।

⇒ মাটির বর্ণ লাল হলে, এই মাটিতে লোহার পরিমাণ বেশি ও আঠালো বর্ণ কালো হলে বুঝতে হবে জৈব পদার্থের পরিমাণ বেশি।
- বালি মাটি অধিক তাপ শোষণ করতে পারে ইত্যাদি।

⇒ মাটি সবচেয়ে বেশি কৃষি কাজে ব্যবহৃত হয়।
- মাটির উর্বরতা, দ্রবণ, অম্লত্ব, ক্ষারত্ব, লবণাক্ত ইত্যাদি মাটির রাসায়নিক ধর্ম।
- মাটিতে যে সকল রাসায়নিক পদার্থ বিদ্যমান থাকে তাকে মাটির রাসায়নিক উপাদান বলে।
- মাটিতে সবচেয়ে বেশি থাকে সিলিকন ও এলুমিনিয়াম অক্সাইড যার পরিমাণ ৮৮% ভাগ, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইডের পরিমাণ ৭% ভাগ, এবং জৈব পদার্থের পরিমাণ ৫% ভাগ আর এসব মিলে মাটিতে বিদ্যমান থাকে ১০০% ভাগ।

⇒ মাটিস্থ রাসায়নিক উপাদান পানিতে দ্রবীভূত হয়ে মাটির দ্রবণ তৈরি হয়।
- এ দ্রবণে কোলয়েড ও হিউমাস মিশ্রিত থাকে যা মাটির উর্বরতা বাড়ায়।
- মাটির দ্রবণের ঘনত্ব শতকরা ০.৫ ভাগের বেশি হলে শস্য তা গ্রহন করতে পারে না।

উৎস: পরিবেশ শিক্ষা- বিজ্ঞান ১২৬, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০৭.
নিচের কোনটি মৌসুম নিরপেক্ষ ফসল?
  1. পেঁপে
  2. পাট
  3. আলু
  4. ফুলকপি
সঠিক উত্তর:
পেঁপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেঁপে
ব্যাখ্যা
- যেসব ফসল সারা বছর লাভজনকভাবে চাষ করা হয় তাদেরকে মৌসুম নিরপেক্ষ ফসল বা বারমাসি ফসল বলা হয়।
- মৌসুম নিরপেক্ষ ফসলগুলোকে আবার দিবা নিরপেক্ষ ফসলও বলে।
- কারণ যেকোনো দৈর্ঘ্যের দিনে এসব ফসল ফুল-ফল উৎপাদন করতে পারে।
- ফসলের ফুল-ফল উৎপাদনে দিবা দৈর্ঘ্যের প্রভাবের বিষয়ে আমরা পরের পাঠে বিস্তারিত জানব।
- আমাদের দেশে মৌসুম নিরপেক্ষ উদ্যান ফসলগুলোর মধ্যে রয়েছে- লালশাক, বেগুন, মরিচ, পেঁপে, কলা ইত্যাদি।
- অন্যদিকে মৌসুম নিরপেক্ষ মাঠ ফসলগুলোর মধ্যে রয়েছে- ভুট্টা, চিনাবাদাম ইত্যাদি।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪০৮.
নিচের কোনটি ধানের টুংরো রোগ ছড়ায়?
  1. পাতা ফড়িং
  2. গাছ ফড়িং
  3. ঘাস ফড়িং
  4. অ্যাফিড
সঠিক উত্তর:
পাতা ফড়িং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাতা ফড়িং
ব্যাখ্যা
ধানের টুংরো রোগ: 
- এটি ভাইরাস জনিত রোগ। 
- চারা রোপণের এক মাসের মধ্যে টুংরো রোগ দেখা দিতে পারে।
- আক্রমণের প্রথমে পাতার রং হালকা সবুজ, পরে আস্তে আস্তে হলদে হয়ে যায়।
- গাছ টান দিলে সহজেই উঠে আসে।
- কুশি হয় না।
- প্রথমে দুই-একটি গোছায় এ রোগটি দেখা যায়, পরে ধীরে ধীরে আশেপাশের গোছায় ছড়িয়ে পড়ে।

দমন পদ্ধতি: 
- পাতা ফড়িং এ রোগ ছাড়ায়, তাই পাতা ফড়িং দমন করতে হবে।
- রোগ প্রতিরোধীজাত যেমন-চান্দিনা, দুলাভোগ, ব্রি শাইল, গাজী, বিআর ১৬, বিআর ২২, ব্রি ধান ৩৭, ব্রি ধান ৩৯, ব্রি ধান ৪১, ব্রি ধান ৪২ চাষ করা।
- আলোর ফাঁদ ব্যবহার করে সবুজ পাতা ফড়িং মেরে ফেলা।
- রোগাক্রান্ত গাছ তুলে মাটিতে পুঁতে ফেলা।
- ম্যালাথিয়ন ৫৭ ইসি স্প্রে করা।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৪০৯.
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কোনটি ঘটছে?
  1. প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে
  2. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে
  3. মরুকরণপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হচ্ছে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনের কুফল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, মেরু অঞ্চল ও পর্বতের হিমবাহের বরফ গলা, মরুকরণপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হচ্ছে।
- ফলে অতিবৃষ্টি, খরা, লবণাক্ততা, বন্যা, বন্যার তীব্রতা ও দীর্ঘস্থায়িত্ব বৃদ্ধি, ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা বৃদ্ধি, অতি গরম, অতি ঠাণ্ডা ইত্যাদি দুর্যোগ দেখা দিচ্ছে।
- ফলে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
- কৃষি উৎপাদন পদ্ধতি ও ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনার প্রয়োজন দেখা দিচ্ছে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪১০.
ফল ও শাকসবজিকে আকার আকৃতি অনুযায়ী ভাগ করাকে কী বলে?
  1. শীতল করণ
  2. প্যাকেজিং
  3. গ্রেডিং
  4. প্রক্রিয়াজাতকরণ
সঠিক উত্তর:
গ্রেডিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেডিং
ব্যাখ্যা
গ্রেডিং করা (Grading):
- ফল ও শাকসবজিকে আকার, আকৃতি, বর্ণ ইত্যাদি বাহ্যিক গুণের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
- গ্রেডিং করা ফল ও শাকসবজির সংরক্ষণ কাল বেড়ে যায় এবং গ্রেডিং করা শাকসবজি ও ফলের বাজারমূল্য ভাল পাওয়া যায়।

প্যাকেজিং:
- প্যাকেজিং নির্ভর করে পণ্য কতদূরে এবং কিভাবে যাবে তার উপর।
- প্যাকেট এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে পরিবহনের সময় পণ্য আঘাত প্রাপ্ত না হয়।
- উন্নত বিশ্বে বাতাস চলাচলে সুবিধাযুক্ত প্লাস্টিক কাঠ বা হাডবোর্ডের বাক্সে শাকসবজি ও ফল পরিবহন করা হয়।

ফল ও শাকসবজি শীতল করা:
- শাকসবজি ও ফল সংগ্রহের পরও শরীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া চলতে থাকে এবং এতে এইসব পণ্য দ্রুত পচে যায়।
- তাই মাঠ থেকে ফল উত্তোলনের পর এগুলোকে বায়ুচলাচলের সুবিধাযুক্ত ছায়াযুক্ত স্থানে কিছুক্ষণ রেখে ঠান্ডা করে নিতে হয়।
- অনেক সময় ঠান্ডা করার জন্য উন্নত পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- যেমন: সবজি বা ফলের উপর দিয়ে আর্দ্র ঠান্ডা বাতাস প্রবাহিত করা হয়।
- বরফ পানি ছিটানো হয় বা বরফ পানিতে ফল ও সবজি ডুবানো হয়।
- এতে করে ফল ও সবজি দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায়।
- বরফ পানিতে ডুবানোর একটি সুবিধা হলো এর সাথে ছত্রাকনাশক মিশিয়ে ফল ও শাকসবজি জীবাণুমুক্ত করা যায়।
- বাণিজ্যিকভাবে ফল ও শাকসবজি দূরের কোন স্থানে পরিবহণ করার আগে এভাবে ঠান্ডা করে নিলে বেশিদিন এগুলো সংরক্ষণ করা যায়।

প্রক্রিয়াজাত করণের মাধ্যমে ফল সংরক্ষণ: 
- বিভিন্ন পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে ফল দিয়ে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী তৈরি করে ১-৩ বছর পর্যন্ত ফল সংরক্ষণ করা যায়।
- প্রক্রিয়াজাতকরণের ফলে কখনও কখনও ফলের স্বাদ ও গন্ধের তেমন পরিবর্তন হয় না আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বাদের খাদ্য তৈরি করা হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১১.
সবুজ পাতাফড়িং প্রতিরোধী ধানের জাত কোনটি?
  1. বিআর১
  2. বিআর২৫
  3. ব্রি ধান৩১
  4. ব্রি ধান৩৬
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান৩৬
ব্যাখ্যা
বালাই সহনশীল জাতের চাষাবাদ: 
নিম্নলিখিত ধানের জাতসমূহ ক্ষতিকারক পোকামাকড়ের আক্রমণ অনেকাংশে প্রতিরোধ করতে পারে:
- বিআর১ : হলুদ মাজরা পোকা
- বিআর২৫: পামরি পোকা
- বিআর২৬: বাদামি গাছফড়িং
- ব্রি ধান৩১: বাদামি গাছফড়িং
- ব্রি ধান৩৫: বাদামি গাছফড়িং
- ব্রি ধান৩৬: সবুজ পাতাফড়িং

উৎস: Bangladesh Rice Knowledge Bank
৪১২.
পাট কোন মৌসুমের ফসল?
  1. রবি
  2. খরিপ-১
  3. খরিপ-২
  4. খ ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
খরিপ-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরিপ-১
ব্যাখ্যা
খরিপ-১:
- এ মৌসুমে মাঝারি বৃষ্টিপাত হয় এবং মৌসুমের শেষের দিকে বেশি বৃষ্টিপাত শুরু হয়।
- কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা বেশি।
- এ মৌসুমে দেশের অনেক অঞ্চলে ঢল বন্যার আশঙ্কা দেখা দেয়।
- এ সময় তাপমাত্রা খুব বেশি এবং বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ মাঝারি থাকে।
- ফসলে রোগ ও পোকার আক্রমণ মাঝারি হয়।
- ফসল উৎপাদনে মাঝারি ধরনের সেচের প্রয়োজন হয়।
- খরিপ-১ মৌসুমের প্রধান ফসল হলো- পাট, তিল, ডাঁটা, মুখি কচু, ঢেঁড়স, চিচিঙ্গা, ঝিঙ্গা, করলা, পটোল, মিষ্টি কুমড়া ইত্যাদি।
- আম, জাম, কাঁঠাল, পেঁপে, তরমুজ, বাঙ্গী এ সময়ে পাকে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
৪১৩.
কম্পিউটারে কী- বোর্ডে F5 বাটনের কাজ কী?
  1. পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
  2. কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা
  3. ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা
  4. অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা
সঠিক উত্তর:
পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
ব্যাখ্যা
• ফাংশন কী:
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে।
- তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 - হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 - কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 - সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 - last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে স্পক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 - পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 - মাউসের কারসরকে ইন্তারনেট ব্রাইজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 - বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 - অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]
- F9 - কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 - ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 - ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 - ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪১৪.
বড় মাছের জন্য পুকুরে অবস্থিত মাছের মোট ওজনের শতকরা কতভাগ হারে প্রতিদিন খাবার দেওয়া উচিত?
  1. ১-২ ভাগ
  2. ২-৩ ভাগ
  3. ৩-৫ ভাগ
  4. ৫-১০ ভাগ
সঠিক উত্তর:
৩-৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩-৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
মাছের সম্পূরক খাদ্য:
- শুধু প্রাকৃতিক খাদ্যে মাছের উৎপাদন আশানুরূপ হয় না।
- সার প্রয়োগ করে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাদ্যের যোগান দিলে তাতেও মাছের পরিপূর্ণ পুষ্টি সাধন হয় না।
- অধিক উৎপাদন পেতে হলে পুকুরে প্রতিদিন নিয়মিত সম্পূরক খাদ্য সরবরাহ করতে হবে।
- এজন্য পুকুর থেকে জাল টেনে ৩০-৪০টি মাছ ধরে গড় ওজন বের করে পুকুরের সব মাছের আনুমানিক মোট ওজন নির্ণয় করতে হবে।
- বড় মাছের জন্য পুকুরে অবস্থিত মাছের মোট ওজনের শতকরা ৩-৫ ভাগ হারে প্রতিদিন খাবার দেওয়া উচিত
- অর্থাৎ কোনো পুকুরে সব মাছের মোট ওজন ১০০ কেজি হলে ঐ পুকুরে দৈনিক ৩-৫ কেজি হারে খাবার দিতে হবে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪১৫.
নার্সারি উঁচু দালানের কোন পাশে স্থাপন করা সর্বোত্তম?
  1. দক্ষিণ
  2. উত্তর
  3. পূর্ব
  4. পশ্চিম
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ
ব্যাখ্যা
নার্সারির স্থান নির্বাচন:
- নার্সারির স্থান নির্বাচনে সেখানে কতটা আলো ও বাতাস পাওয়া যাবে তা লক্ষ্য করা দরকার।
- কারণ, গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য এই দু'টি জিনিষের প্রাচুর্য থাকা আবশ্যক।
- কোন ভবনের বা বড় দালানের কাছাকাছি স্থাপন করতে হলে নার্সারিটির সর্বোত্তম স্থান হবে দালানের দক্ষিণ পাশে
- বাংলাদেশের যে কোন স্থানে গাছপালা জন্মানোর জন্য দক্ষিণ দিকই সবচেয়ে উপযোগী।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় উত্তম স্থান যথাক্রমে দালানের পূর্ব ও পশ্চিম দিক।
- নার্সারির জন্য উত্তর দিক সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট।
- কেননা, দালানের ছায়া সবচেয়ে বেশী পড়ে সেটার উত্তর পাশে।

উৎস: CULTIVATION OF ORNAMENTAL PLANTS, Bachelor of Agriculture Education (B.Ag.Ed), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১৬.
শসা, বেগুন, ঢেড়শ ইত্যাদি ফসল সংগ্রহের জন্য নিচের কোনটি বিবেচনা করা হয়?
  1. উদ্যানগত পরিপক্কতা
  2. শারীরবৃত্তীয় পরিপক্কতা
  3. ফসল পরিপক্কতা
  4. বাণিজ্যিক পরিপক্কতা
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্যিক পরিপক্কতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাণিজ্যিক পরিপক্কতা
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক পরিপক্বতা: 
- উদ্যান ফসলের ফল, পাতা, কুঁড়ি, অঙ্কুর, মূল, কাণ্ড, কলি ও ফুল ইত্যাদি অংশ আমরা ব্যবহারের জন্য সংগ্রহ করি।
- ফসল সংগ্রহের জন্য আমাদের বাণিজ্যিক পরিপক্বতাকে বিবেচনা করতে হয়।
- বাণিজ্যিক পরিপক্বতা বলতে ফসলের ব্যবহার্য অংশের এমন অবস্থানে বোঝায় যখন মানুষ তা খাওয়ার জন্য ব্যবহার করতে পারে।
- যেমন- শসা, লাউ, কুমড়া, বেগুন, শিম, বরবটি, ঢেড়শ, পাতাজাতীয় সবজি ইত্যাদি আমরা বাড়ন্ত অবস্থার বিভিন্ন পর্যায়ে সংগ্রহ ও বাজারজাত করি।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪১৭.
ভালো বীজের গুণ নয় কোনটি?
  1. মিশ্রণহীন বীজ
  2. অন্তত ৮০% অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা
  3. চারার উচ্চমানের সতেজতা
  4. রোগজীবাণুর দূষণ ও সংক্রমণ
সঠিক উত্তর:
রোগজীবাণুর দূষণ ও সংক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোগজীবাণুর দূষণ ও সংক্রমণ
ব্যাখ্যা
ভালো বীজের গুণাবলি:
- উচ্চ ফলনশীলতা উন্নত জাতের একটি বিশেষ গুণ।
- কিন্তু উন্নত জাতের বীজ হলেই উচ্চ ফলন পাওয়া নিশ্চিত হয় না, চাষির প্রয়োজন উন্নত জাতের ভালো বীজ।
- ভালো বীজের আরও কিছু ভালো গুণ থাকা প্রয়োজন যেমন: 
• মিশ্রণহীন বীজ
• অন্তত ৮০% অঙ্কুরোদগম ক্ষমতাসম্পন্ন
• চারার উচ্চমানের সতেজতা
• পরিচ্ছন্নতা
• সুস্থ বীজ (রোগজীবাণুর দূষণ ও সংক্রমণমুক্ততা)

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪১৮.
ভূত্বকের কোন স্থানের মৃত্তিকা প্রধানত কয়টি উপাদানের যুগপৎ ক্রিয়ার ফলে গঠিত?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
মৃত্তিকার গঠন:
- কঠিন শিলা থেকে বিভিন্ন পরিবর্তনের মাধ্যমে মৃত্তিকার সৃষ্টি হয়।
- শিলা থেকে প্রথমে খনিজের সৃষ্টি হয়।
- শিলা ও খনিজ থেকে মাটি সৃষ্টি হতে অনেক সময়ের প্রয়োজন হয়।
- দীর্ঘ সময় ব্যাপিয়া শিলা ও খনিজের উপর বিভিন্ন ভৌত, রাসায়নিক ও জৈবিক পরিবর্তন সাধিত হয়ে মৃত্তিকায় পরিণত হয়।

⇒ বিশেষ করে তাপমাত্রা, বারিপাত, বিভিন্ন রকমের উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর চলমান ক্রিয়ায় শিলা ও খনিজ নির্দিষ্ট সময় পর মৃত্তিকায় পরিণত হয়।
- সুতরাং যেসব উপাদান নতুন মৃত্তিকা গঠনের জন্য দায়ী তাদেরকে মৃত্তিকা গঠনের উপাদান বলে।

⇒ ভূত্বকের কোন স্থানের মৃত্তিকা প্রধানত পাঁচটি উপাদানের যুগপৎ ক্রিয়ার ফলে গঠিত হয়।
- এ পাঁচটি উপাদান হলো:
১. মৃত্তিকার উৎস বস্তু (Parent material),
২. জলবায়ু (Climate),
৩. জীবসত্ত্বা (Biosphere),
8. ভূমির বন্ধুরতা (Topography),
৫. সময় (Time)। 

উৎস: মৃত্তিকা বিজ্ঞান, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১৯.
নার্সারি উঁচু দালানের কোন পাশে স্থাপন করা সর্বোত্তম?
  1. উত্তর
  2. দক্ষিণ
  3. পূর্ব
  4. পশ্চিম
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ
ব্যাখ্যা
নার্সারির স্থান নির্বাচন:
- নার্সারির স্থান নির্বাচনে সেখানে কতটা আলো ও বাতাস পাওয়া যাবে তা লক্ষ্য করা দরকার।
- কারণ, গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য এই দু'টি জিনিষের প্রাচুর্য থাকা আবশ্যক।
- কোন ভবনের বা বড় দালানের কাছাকাছি স্থাপন করতে হলে নার্সারিটির সর্বোত্তম স্থান হবে দালানের দক্ষিণ পাশে।
- বাংলাদেশের যে কোন স্থানে গাছপালা জন্মানোর জন্য দক্ষিণ দিকই সবচেয়ে উপযোগী।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় উত্তম স্থান যথাক্রমে দালানের পূর্ব ও পশ্চিম দিক।
- নার্সারির জন্য উত্তর দিক সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট।
- কেননা, দালানের ছায়া সবচেয়ে বেশী পড়ে সেটার উত্তর পাশে।

উৎস: CULTIVATION OF ORNAMENTAL PLANTS, Bachelor of Agriculture Education (B.Ag.Ed), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২০.
পাট জাগ দেওয়ার সময় কোন সার ছিটিয়ে দিলে পাট তাড়াতাড়ি পচে ও পাটের আঁশের রং ভালো হয়?
  1. ইউরিয়া
  2. টিএসপি
  3. এমওপি
  4. জিপসাম
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
পাট জাগ দেওয়া: 
- প্রথমে ১০-১৫টি আঁটি একদিকে গোড়া রেখে তারপর উল্টা দিকে গোড়া রেখে আরও আঁটি পানির উপর সাজাতে হবে একেই পাটের জাগ বলে।
- খেয়াল রাখতে হবে যাতে জাগের উপর ৩০ সেমি ও নিচে ৬০ সেমি পানি থাকে।
- প্রতি ১০০টি আঁটির উপরে ১ কেজি ইউরিয়া ছিটিয়ে দিলে পাট তাড়াতাড়ি পচে ও পাটের আঁশের রং ভালো হয়।
- পাট জাগ দেওয়ার জন্য বিল, খাল বা নদীর মৃদু স্রোতযুক্ত পরিষ্কার পানি সর্বাপেক্ষা উত্তম।
- জাগ ডুবানোর জন্য মাটির ঢেলা, কলাগাছ, আমগাছ ইত্যাদি ব্যবহার করা উচিত নয়।
- কারণ এতে আঁশের রং কালো হয়।
- বাঁশের খুঁটির সাথে রশি দিয়ে বেঁধে, কিংবা পাথর দিয়ে চাপা দিয়ে জাগ ডুবানো যায়।
- জাগ ঢাকার জন্য কচুরিপানা, ধানের খড় ব্যবহার করা যেতে পারে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪২১.
C4 চক্রের অপর নাম কী?
  1. ব্যাশাম চক্র
  2. ক্যালভিন চক্র
  3. হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্র
  4. ক্রাসুলেসিয়ান এসিড চক্র
সঠিক উত্তর:
হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্র
ব্যাখ্যা
হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্র (Hatch and Slack cycle):
- দু'জন অস্ট্রেলীয় বিজ্ঞানী M. D. Hatch এবং C. R. Slack (১৯৬৬) ইক্ষু উদ্ভিদ নিয়ে গবেষণার সময় দেখান যে, সালোকসংশ্লেষণের সময় এদের প্রথম স্থায়ী পদার্থ চার-কার্বনবিশিষ্ট।
- এ চার কার্বনবিশিষ্ট পদার্থসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অক্সালো অ্যাসিটিক অ্যাসিড।
- তাদের নাম অনুযায়ী সালোকসংশ্লেষণের এ চক্রকে হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্র বলা হয়।
- যেহেতু এ উদ্ভিদে প্রথম স্থায়ী পদার্থ চার কার্বনবিশিষ্ট সেহেতু হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্রকে C4 চক্রও বলা হয় এবং যে সব উদ্ভিদে এ চক্র চলে তাদেরকে C4 উদ্ভিদ বলা হয়।
- ইক্ষু, ভুট্টা, মুথা ঘাস, কাটানটে, ডাটাশাক ইত্যাদি C4 উদ্ভিদ।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২২.
থ্রিপস ও জাবপোকার আক্রমণ দেখা দিলে কোন পেস্টিসাইড স্প্রে করলে ভালো ফল পাওয়া যায়?
  1. টিল্ট ২৫০ ইসি
  2. ম্যালাথিয়ন ৫০ ইসি
  3. ডায়থেন এম ৪৫
  4. নোইন ৫০ ডাব্লিউ পি
সঠিক উত্তর:
ম্যালাথিয়ন ৫০ ইসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যালাথিয়ন ৫০ ইসি
ব্যাখ্যা
মরিচের পোকামাকড় দমন:
- এক ধরনের ক্ষুদ্র মাকড়ের আক্রমণে চারা গাছের পাতা কুঁকড়িয়ে যায়।
- প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম থিওভিট মিশিয়ে ১০ দিন পর পর স্প্রে করে মাকড় দমন করা যায়।
- থ্রিপস ও জাবপোকার আক্রমণ দেখা দিলে ম্যালাথিয়ন ৫০ ইসি ১ মিলি প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
- ফসল সংগ্রহের সময় কীটনাশক বা ছত্রাকনাশক ব্যবহার না করাই ভালো।
- ব্যবহার করলেও ৫-৭ দিন ফসল সংগ্রহ বন্ধ রাখা উচিত।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪২৩.
সমস্ত অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের পরে মাটিতে থাকা পানির পরিমাণ হচ্ছে -
  1. স্যাচুরেশন
  2. স্থায়ী উইল্টিং পয়েন্ট
  3. ফিল্ড ক্যাপাসিটি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড ক্যাপাসিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড ক্যাপাসিটি
ব্যাখ্যা
স্যাচুরেশন:
- সমস্ত মাটির ছিদ্রগুলি (Pores) পানি (soil moisture or soil water) দিয়ে ভরা থাকে এবং পানি সহজেই মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা মূল অঞ্চল (root zone) থেকে ঝরে যায় বা বেরিয়ে যায়।

ফিল্ড ক্যাপাসিটি:
- সমস্ত অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের পরে মাটিতে থাকা পানির পরিমাণ।

স্থায়ী উইল্টিং পয়েন্ট (PWP):
- যখন মাটি এমনভাবে শুকিয়ে যায় যে গাছগুলিকে মরে যাওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য এটি কোনও পানি সরবরাহ করতে পারে না।

Available water holding capacity (AWC):
- এটি হল সর্বাধিক পরিমাণ পানি যা মাটি গাছপালা দ্বারা গ্রহণের জন্য সঞ্চয় করতে পারে। এটি ফিল্ড ক্যাপাসিটি এবং স্থায়ী ওয়েল্টিং পয়েন্টের মধ্যে ধারণ করা পানি।

উৎস: University of Minnesota Extension.
৪২৪.
এমওপিতে কোন পুষ্টি উপাদানের প্রাধান্য থাকে?
  1. নাইট্রোজেন
  2. ফসফরাস
  3. পটাশিয়াম
  4. ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
পটাশিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটাশিয়াম
ব্যাখ্যা
জৈব সার:
- উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানের সবগুলোই জৈব সারে পাওয়া যায়।
- গোবর, কম্পোস্ট, আবর্জনা, খড়কুটা ও আগাছা পচিয়ে জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

রাসায়নিক সার:
- ইউরিয়াতে নাইট্রোজেন, টিএসপিতে ফসফরাস, এমওপিতে পটাশিয়াম এবং জিপসামে ক্যালসিয়াম ও সালফারের প্রাধান্য থাকে।
- এছাড়া জিঙ্ক সালফেটে জিঙ্ক ও সালফার থাকে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪২৫.
উন্নত জাতের গাছের যে অঙ্গ স্টকের সঙ্গে লাগানো হবে তাকে কী বলা হয়?
  1. সায়ন
  2. গ্রাফটিং
  3. রুট স্টক
  4. স্টক
সঠিক উত্তর:
সায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সায়ন
ব্যাখ্যা
জোড় কলম:
- জোড় কলমের দুটি অংশ (১) রুট স্টক ও (২) সায়ন।
- অনুন্নত যে গাছের সঙ্গে জোড়া লাগানো হবে সে গাছটিকে রুট স্টক বলে।
- উন্নত জাতের গাছের যে অঙ্গ স্টকের সঙ্গে লাগানো হবে তাকে বলা হয় সায়ন।
- রুট স্টক ও সায়নের জোড়া লাগানো পদ্ধতিকে জোড় কলম বলে।
- জোড়কলম প্রধানত দু'ধরনের হয়। যেমন-যুক্ত জোড় কলম ও বিযুক্ত জোড় কলম।
- জোড় কলমের মাধ্যমে বর্তমানে আম, তেজপাতা, সফেদা প্রভৃতি গাছের বংশবিস্তার করা হচ্ছে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪২৬.
বাংলাদেশকে কয়টি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে?
  1. ২০টি
  2. ৩০টি
  3. ৩৫টি
  4. ৪০টি
সঠিক উত্তর:
৩০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষি পরিবেশ অঞ্চল: 
- বাংলাদেশকে ৩০টি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে।
- কৃষি উৎপাদনের জন্য ফসল নির্বাচন, ফসল পরিচর্যা, রোগবালাই দমন ও ব্যবস্থাপনা এই সকল ক্ষেত্রে কৃষি পরিবেশ অঞ্চল বিবেচনায় নেওয়া হয়।
- পরিবেশ অঞ্চল গঠনে কতগুলো নির্দিষ্ট বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়।
- প্রধান বিবেচ্য বিষয়গুলো হচ্ছে ভূমি, কৃষি আবহাওয়া, মৃত্তিকা এবং পানি পরিস্থিতি।
- এর প্রতিটি ক্ষেত্রে আবার বিভাজন রয়েছে। যেমন-ভূমির শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে ৫ ভাগে। উঁচু ভূমি, মাঝারি উঁচু ভূমি, মাঝারি নিচু ভূমি, নিচু ভূমি এবং অতি নিচু ভূমি।
- কৃষি আবহাওয়া প্রসঙ্গে বিবেচনায় নেওয়া হয় খরিপ-পূর্ব আবহাওয়া, খরিপ আবহাওয়া, রবি আবহাওয়া ও চরম তাপমাত্রা।
- কৃষি পরিবেশ অঞ্চল নির্ধারণে পানি পরিস্থিতি বা মাটির আর্দ্রতার বিষয়টিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এ ছাড়া নদীর অববাহিকা, হাওর-বাঁওড় এলাকাও বিবেচনায় নেওয়া হয়।
- মৃত্তিকার শ্রেণি বিবেচনায় বেলে মাটি, এঁটেল মাটি, বেলে দোআঁশ, এঁটেল দোআঁশ এবং এর পাশাপাশি মাটির Pও (অম্লত্ব-ক্ষারত্ব) বিবেচ্য।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
৪২৭.
মাটির রাসায়নিক গুণাগুণ বলতে নিচের কোনটিকে বোঝায়?
  1. মাটির সংযুতি
  2. মাটির লবণাক্ততা
  3. মাটির বর্ণ
  4. অণুজীবের কার্যাবলি
সঠিক উত্তর:
মাটির লবণাক্ততা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটির লবণাক্ততা
ব্যাখ্যা
মাটির গুণাগুণ: 
- ফসল উৎপাদনে মাটির গুণাগুণ প্রভাব বিস্তার করে।
- কোন মাটিতে কোন ধরনের ফসল উৎপাদন করা যাবে তা মাটির গুণাগুণের উপর নির্ভর করে।
- মাটির সকল গুণাবলিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
- যথা- (ক) ভৌত গুণাগুণ (খ) রাসায়নিক গুণাগুণ (গ) জৈবিক গুণাগুণ।

(ক) মাটির ভৌত গুণাগুণ: মাটির ভৌত গুণাগুণ বলতে ১) মাটির বুনট ২) মাটির সংযুতি ৩) মাটির ঘনত্ব ৪) মাটির বর্ণ ৫) মাটির তাপমাত্রা ৬) মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা ৭) মাটির বায়ু চলাচল ইত্যাদিকে বোঝায়।
(খ) মাটির রাসায়নিক গুণাগুণ: মাটির রাসায়নিক গুণাগুণ বলতে ১) মাটির অম্লত্ব ক্ষারত্ব ২) উদ্ভিদের জন্য সহজলভ্য পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ ৩) মাটির লবণাক্ততা ইত্যাদিকে বোঝায়
(গ) মাটির জৈবিক গুণাগুণ: মাটির জৈবিক গুণাগুণ বলতে ১) অণুজীবের প্রকার ২) অণুজীবের সংখ্যা ৩) অণুজীবের কার্যাবলি ইত্যাদিকে বোঝায়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড  বই।
৪২৮.
কোন বীজ থেকে প্রত্যায়িত বীজ উৎপাদন করা হয়?
  1. প্রজনন বীজ
  2. ভিত্তি বীজ
  3. মানঘোষিত বীজ
  4. যেকোন বীজ
সঠিক উত্তর:
ভিত্তি বীজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিত্তি বীজ
ব্যাখ্যা
প্রত্যায়িত বীজ (Certified Seed):
- ভিত্তি বীজ থেকে প্রত্যায়িত বীজ উৎপাদন করা হয়।
- যাতে বংশগত ও বাহ্যিক বিশুদ্ধতা নির্ধারিত মানে থাকে।
- বীজের গুণাবলী সংরক্ষণের জন্য প্রত্যয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা।
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী এই অনুমোদনের কাজটি করে থাকে।
- এ বীজের ট্যাগের কালার নীল হয়।

উৎস: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী (SCA) ।
৪২৯.
নমুনা বীজের শতকরা কতটি বীজ গজায় তা বের করা হচ্ছে -
  1. বীজের অঙ্কুরোদগম পরীক্ষা
  2. বীজের আর্দ্রতা পরীক্ষা
  3. বীজের জীবনীশক্তি পরীক্ষা
  4. বীজের তেজ পরীক্ষা
সঠিক উত্তর:
বীজের অঙ্কুরোদগম পরীক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীজের অঙ্কুরোদগম পরীক্ষা
ব্যাখ্যা
বীজের অঙ্কুরোদগম পরীক্ষা
- নমুনা বীজের শতকরা কতটি বীজ গজায় তা বের করাই বীজের অঙ্কুরোদগম পরীক্ষা।
- যখন বীজের আর্দ্রতা ৩৫-৬০% বা তার উপর হয় তখন অঙ্কুরোদগম শুরু হয়। এর হার শতকরায় প্রকাশ করা হয়।
- ১০০টি বীজ গুণে একটি বেলে মাটিপূর্ণ মাটির পাত্রে রেখে পানি দ্বারা ভিজিয়ে রাখতে হবে।
- প্রতিদিন দেখতে হবে পানি যেন শুকিয়ে না যায়। নির্ধারিত সময় পরে বীজের অঙ্কুরোদগম শুরু হবে।
 যতটি বীজ গজাবে ততটি হবে বীজের অঙ্কুরোদগম হার।

বীজের জীবনীশক্তি পরীক্ষা
- এই পরীক্ষার জন্য বীজ গজানোর একটি প্রতিকূল অবস্থা সৃষ্টি করা হয়।
- এই প্রতিকূল অবস্থায় যে বীজ বেশি গজাবে সে বীজেরই জীবনীশক্তি বেশি বলে প্রতীয়মান হবে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৩০.
খাদ্য নষ্ট হওয়ার প্রধান কারণ কোনটি?
  1. অণুজীবের ক্রিয়া বা জীবাণু
  2. খাদ্যের মধ্যে এনজাইম বা জারক রসের ক্রিয়া
  3. রাসায়নিক বিক্রিয়া
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
খাদ্য নষ্ট হওয়ার কারণ: 
- প্রকৃতিগতভাবে সাধারণ আলো বাতাসে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে সকল প্রাকৃতিক খাদ্যই যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে যায়।
- অণুজীবের বাঁচার জন্য দরকার হচ্ছে খাদ্য, পানি, তাপ ও অক্সিজেন।
- তার ফলে আমাদের দেশে কোনো খাদ্যই স্বাভাবিকভাবে ঘরে বেশিদিন রাখা যায় না।
- বিভিন্ন ধরনের মশলা ও সুগন্ধী দ্রব্য, ঈস্ট ও মোল্ড খাদ্য প্রস্তুতে ব্যবহৃত হয়।
- এ খাদ্যগুলোর মধ্যে কতগুলো খাদ্য খুব তাড়াতাড়ি পঁচে নষ্ট হয়, আবার কতগুলো নষ্ট হতে কিছু সময় লাগে।
- যথাযথ পদ্ধতিতে খাদ্য সংরক্ষণ করা না হলে বেশিরভাগ খাদ্যই জীবাণু দ্বারা নষ্ট হয়।
- যেসব খাদ্যের আর্দ্রতা বেশি সেসব খাদ্য ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নষ্ট হয়ে যায়।

খাদ্য নষ্ট হওয়ার প্রধান কারণগুলো হচ্ছে- 
১। অণুজীবের ক্রিয়া বা জীবাণু
২। খাদ্যের মধ্যে এনজাইম বা জারক রসের ক্রিয়া ও
৩। রাসায়নিক বিক্রিয়া।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩১.
বাংলাদেশের কোন বিজ্ঞানী পাটের জিনোম আবিষ্কার করেন?
  1. ড. আহমেদ মোবাশ্বের
  2. ড. মোবারক আহমদ খান
  3. ড. মাকসুদুল আলম
  4. ড. মাসুদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ড. মাকসুদুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা
• পাটের জিনোম আবিষ্কার:
- বায়োটেকনোলজি বা জীবকৌশল বিজ্ঞানে অগ্রগতি বাংলাদেশের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।
- বাংলাদেশি বিজ্ঞানী কর্তৃক পাটের জেনেটিক ম্যাপ আবিষ্কার একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা, অর্থাৎ বাংলাদেশে কৃষির আধুনিক যুগের সূচনা হয়েছে।
- পাটের জিনোম আবিষ্কারক ড. মাকসুদুল আলম।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি।
৪৩২.
নিচের কোনটি টিউবার এর সাহায্যে বংশ বিস্তার করে থাকে?
  1. আদা
  2. গোল আলু
  3. মিষ্টি আলু
  4. হলুদ
সঠিক উত্তর:
গোল আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোল আলু
ব্যাখ্যা
টিউবার বা স্ফীত কন্দ (Tuber):
- টিউবার বা স্ফীত কন্দ ভূ-নিম্নস্থ রূপান্তরিত কান্ড।
- নিম্ন কান্ডের শীর্ষে খাদ্য সঞ্চিত হয়ে তা স্ফীত হয়ে কন্দের রূপ ধারণ করে।
- এতে চোখ (Eye বা bud), শল্বপত্র (Scale leaves) বর্তমান থাকে।
- গোল আলুর বংশ বিস্তার টিউবারের সাহায্যে করা হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য, 
- আদা, হলুদ ইত্যাদির বংশ বিস্তারের জন্য রাইজোম ব্যবহৃত হয়।
- মিষ্টি আলুর বংশ বিস্তারে কন্দালমূল ব্যবহৃত হয়।

উৎস: SEED AND SEED TECHNOLOGY, BAgEd, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩৩.
নিচের কোনটি ভোজ্যতেলের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে?
  1. পাট
  2. চালের কুঁড়া
  3. তুষ
  4. অড়হর
সঠিক উত্তর:
চালের কুঁড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চালের কুঁড়া
ব্যাখ্যা
জ্বালানি:
- বাংলাদেশে জ্বালানির যোগানও কৃষিক্ষেত্র থেকে আসে।
- পাট, ধইঞ্চা, ভূট্টা, অড়হর, ডাল ও বিভিন্ন উদ্যান ফসলের গাছ শুকিয়ে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
- তুষ একটি ভালো জ্বালানি।
- এছাড়া উদ্যান ও বনজ বৃক্ষের কাঠও জ্বালানি হিসেবে জনপ্রিয়।

ভোজ্যতেল:

- সরিষা আমাদের উল্লেখযোগ্য তেল ফসল।
- গত কয়েক দশক যাবৎ সূর্যমুখী, সয়াবিনও তেল ফসল হিসেবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
- সম্প্রতি চালের কুঁড়া থেকে বাণিজ্যিকভাবে তেল উৎপাদন হচ্ছে।

অন্যান্য তেল:
- চিনাবাদাম, কালোজিরা ইত্যাদি তেলবীজ ফসলও ঐতিহাসিক কাল থেকেই দেশের কৃষিবৈচিত্র্যের অঙ্গ।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৩৪.
ধান গাছের বাদামি দাগ কী জনিত রোগের লক্ষণ?
  1. ভাইরাস
  2. ছত্রাক
  3. নেমাটোড
  4. ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
ব্যাখ্যা
দাগ:
- ফসলের পাতায়, কাণ্ডে বা ফলের গায়ে নানা ধরনের দাগ বা স্পট দেখা দেয়।
- দাগের রং কালো, হালকা বাদামি, গাঢ় বাদামি কিংবা দেখতে পানিতে ভেজার মতো হয়।
- ফসলের এসব দাগ বিভিন্ন রোগের কারণে হয়।
- যেমন ধান গাছের বাদামি দাগ একটি ছত্রাকজনিত রোগের লক্ষণ।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৩৫.
খাকি ক্যাম্পবেল কোন পাখির জাত?
  1. কোয়েল
  2. হাঁস
  3. মুরগি
  4. তিতির
সঠিক উত্তর:
হাঁস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাঁস
ব্যাখ্যা
হাঁসের জাত:
- উদ্দেশ্য অনুযায়ী হাঁসের জাতগুলোকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যেমন:
- ডিম উৎপাদনকারী জাত, যেমন:- ইন্ডিয়ান রানার, খাকি ক্যাম্পবেল, জিনডিং ইত্যাদি।
- মাংস উৎপাদনকারী জাত, যেমন:- পিকিন, মাসকোভি, আইলসবেরি, কোয়াগা, রোয়েন ইত্যাদি।
- শোভবর্ধনকারী জাত, যেমন:- কল, ক্রেস্টেড, ব্লু সুইডিশ, ব্ল্যাক ইস্ট ইন্ডিয়া ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩৬.
গভীরমূলী ফসল উৎপাদনের পর অগভীরমূলী জাতীয় ফসলের আবাদ করা নিচের কোন ধারণার অন্তর্ভুক্ত?
  1. সাথি ফসল চাষ
  2. রিলে চাষ
  3. শস্যপর্যায়
  4. শস্য বিন্যাস
সঠিক উত্তর:
শস্যপর্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শস্যপর্যায়
ব্যাখ্যা
শস্যপর্যায়ের ধারণা: 
- শস্যপর্যায় একটি উন্নত কৃষিপ্রযুক্তি।
- মাটির উর্বরতা বজায় রেখে এক খণ্ড জমিতে শস্য ঋতুর বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন ফসল উৎপাদন করার নাম শস্যপর্যায়।
- অর্থাৎ একই ধরনের ফসল একই জমিতে বার বার উৎপাদন না করে অন্য জাতের ফসল উৎপাদন করাই হচ্ছে শস্যপর্যায়।
- যেমন- গভীরমূলী ফসল উৎপাদনের পর অগভীরমূলী জাতীয় ফসলের আবাদ করা উচিত।
- ফলে পোকা-মাকড় ও রোগ-পোকার উপদ্রব কম হয় এবং মাটির বিভিন্ন গভীরতা থেকে পুষ্টি উপাদান শোষণ সম্ভব হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৩৭.
অঙ্গ ব্যবহার করে বংশবিস্তার করা যায় কোন ফসলের?
  1. ভুট্টা, মাষকলাই, বাদাম
  2. ধান, শসা, গম
  3. আখ, পটল, মিষ্টি আলু
  4. পাট, সরিষা, সয়াবিন
সঠিক উত্তর:
আখ, পটল, মিষ্টি আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আখ, পটল, মিষ্টি আলু
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদের বংশবিস্তারের মাধ্যম হলো বীজ।
- বীজ থেকেই নতুন উদ্ভিদের জন্ম হয়।
- সাধারণভাবে বীজ বলতে উদ্ভিদের নিষিক্ত ও পরিপক্ক ডিম্বককে বোঝায়।
- যেমন: ধান, গম, পাট ইত্যাদির বীজ।
- তবে ব্যাপকভাবে বীজ বলতে উদ্ভিদের যে কোনো জীবন্ত অংশ যা পরবর্তীতে বংশবিস্তারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন মিষ্টি আলুর লতা, আখের কাণ্ড, পাথর কুচির পাতা, পেঁয়াজ, গোলআলু ইত্যাদি।
- আখ, পটল, মিষ্টি আলুর অঙ্গ ব্যবহার করে বংশবিস্তার করা যায়। 

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড  বই।
৪৩৮.
পাটের মোজাইক রোগের জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়?
  1. সাদা মাছি দমন করা
  2. আক্রান্ত গাছ জমি থেকে উঠিয়ে ফেলা
  3. সুস্থ বীজ বপন করা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• পাটের মোজাইক রোগ:
• লক্ষণ:
- ভাইরাসের আক্রমণে পাতার হলদে ছোপ ছোপ দাগ পড়ে।
- পাতার শিরাত হলদে হয়ে যায়।

• প্রতিকার:
- আক্রান্ত গাছ জমি থেকে উঠিয়ে নষ্ট করে ফেলতে হবে।
- সাদা মাছি এ রোগ ছড়ায়, তাই এই মাছি দমন করতে হবে।
- রোগমুক্ত সুস্থ বীজ বপন করতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩৯.
ব্যাকটেরিয়াল লিফ ব্লাইট (BLB) রোগ কোন ফসলে মূলত দেখা যায়?
  1. পাট
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. ধান
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়াল লিফ ব্লাইট (BLB) রোগ:
- ধানের পাতা পোড়া বা পাতা ঝলসানো রোগ Bacterial Leaf Blight (BLB) (Xanthomonas campestris pv. oryzae) ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ।
- বর্তমান আবহাওয়ার কারনে ধানের জমিতে ব্যাকটেরিয়াল লিফ ব্লাইট রোগ প্রচন্ড আকারে আক্রমন করছে ।

⇒ লক্ষণ:
- এ রোগ চারায় এবং বয়স্ক গাছে দু’ধরণের লক্ষণ সৃষ্টি হয়।
- চারা অবস্থায় একে নেতিয়ে পড়া বা চারা পচা (ক্রিসেক) বলে এবং বয়স্ক অবস্থায় একে পাতাপোড়া রোগ বলে। চারার বাইরের পাতা হলদে হয়ে আস্তে আস্তে শুকিয়ে খড়ের রঙে পরিণত হয় ফলে নতুন পাতা ও তেমনি ভাবে শুকিয়ে যায় এবং চারা নেতিয়ে পড়ে। চারার গোড়ায় হাত দ্বারা চাপ দিলে পুঁজের মত দুর্গন্ধযুক্ত পদার্থ বের হয়।
- বয়স্ক গাছে প্রথমে পাতার কিনারায় এবং আগায় ছোট ছোট জলছাপের মতো দাগ দেখা যায়। এ দাগগুলো আস্তে আস্তে বড় হয়ে পাতার দু’প্রান্ত দিয়ে নিচের বা ভিতরের দিকে অগ্রসর হয় আক্রান্ত অংশ বিবর্ণ হতে থাকে ও ধূসর বাদামী বর্ণে পরিণত হয় যা ঝলসানো বা পাতা পোড়া বলে মনে হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪৪০.
মিল্ক রিপ্লেসার কী?
  1. গরুর দুধের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য
  2. এক ধরনের তরল পশুখাদ্য
  3. গবাদি পশুর ওজন কমানোর জন্য
  4. মানুষের জন্য তৈরি দুগ্ধজাত পানীয়
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের তরল পশুখাদ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক ধরনের তরল পশুখাদ্য
ব্যাখ্যা
মিল্ক রিপ্লেসার (Milk Replacer):
- বিশেষ প্রক্রিয়ায় তৈরি এক ধরনের তরল পশুখাদ্য যাতে দুধের উপাদান থাকে এবং বাছুরের জন্য দুধের পরিবর্তে ব্যবহার করা যায়।
- এতে ২০% আমিষ ও ১০% এর অধিক চর্বি থাকে।
- এর উপাদানসমূহকে গরম স্কিম মিল্কে বা পানিতে মিশ্রিত করা হয়।
- প্রয়োগ পদ্ধতি: বাছুরের বয়স অনুসারে দৈনিক ০.৫ থেকে ৩ লিটার পর্যন্ত খাওয়ানো যায়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৪৪১.
কোনো স্থানের ২৫-৩০ বছরের আবহাওয়ার গড়কে সেই স্থানের কী বলে?
  1. ভৌত পরিবেশ
  2. কৃষি পরিবেশ
  3. মাইক্রো ক্লাইমেট
  4. জলবায়ু
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু
ব্যাখ্যা
জলবায়ু:
- জলবায়ু পরিবর্তনের কথাটি আমরা প্রায়ই শুনতে পাই।
- জলবায়ু সম্পর্কে জানতে হলে প্রথমে আবহাওয়া সম্পর্কে জানতে হয়।
- কোনো স্থানের ২৫-৩০ বছরের আবহাওয়ার গড়কে সেই স্থানের জলবায়ু বলে।
- জলবায়ুর বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১) জলবায়ু কোনো স্থানের দীর্ঘ সময়ের বায়ুমণ্ডলের গড় অবস্থা।
২) জলবায়ু ধীরে পরিবর্তনশীল।
৩) মাটির গুণাবলিতে প্রভাব ফেলে।
৪) কোনো কোনো অঞ্চলে ফসলের প্রকার ও জাত নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৪২.
বাংলাদেশে কৃষি ঋতু কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
কৃষি মৌসুম:
- বাংলাদেশ ছয় ঋতুর দেশ হলেও কৃষি ঋতু তিনটি।
- যথা- রবি (শীতকাল), খরিপ-১ (গ্রীষ্মকাল) ও খরিপ-২ (বর্ষাকাল)।
- ঋতু ভেদে ফসল উৎপাদনে ভিন্নতা দেখা যায়।
- যেমন- শীতকালে শাক সবজি ও গ্রীষ্মকালে ফলমূলের উৎপাদন বেশি হয়।
- বিশেষ করে জৈষ্ঠ্য মাসে দেশীয় নানা সুমিষ্ট ফলমূলের সমাহার বেশি থাকে বলে একে মধু মাসও বলা হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
৪৪৩.
নিচের কোনটি ধানের বন্যা সহনশীল জাত?
  1. ব্রি ধান৫২
  2. ব্রি ধান৫৪
  3. ব্রি ধান৫৬
  4. ব্রি ধান৫৭
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান৫২
ব্যাখ্যা
বন্যা সহনশীল জাত: 
- দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যাপ্রবণ এলাকায় বোরো ধান উঠার সময় হঠাৎ করে বন্যা দেখা দেয়।
- এসব অঞ্চলে আগাম জাতের বোরো ধান চাষ করে ফসল রক্ষা করা যায়।
- ব্রি ধান২৮, ব্রি ধান৩৬ আগে পাকে বলে এ অঞ্চলে চাষ করা উচিত।
- জানুয়ারি মাসে জমি থেকে পানি বের করে দিয়ে ৬০ দিন বয়সের চারা রোপণ করে ভালো ফলন পাওয়া যায়।
- এসব জাতের ধান ১৪০-১৫০ দিনের মধ্যে পাকে।
- ফলে এপ্রিলের শেষে সংগ্রহ করে বন্যা এড়ানো যায়।
- এ অঞ্চলে রোপা আমন হিসাবে ব্রি ধান৫১ ও ব্রি ধান৫২ দুটি অনুমোদিত বন্যা সহনশীল জাত।
- এ জাত দুটির ১০-১৫ দিন পানির নিচে ডুবে থাকার ক্ষমতা আছে।
- উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওড় এলাকায় চাষিরা স্থানীয় জাতের গভীর পানির আমন ধানও চাষ করে থাকে।

উল্লেখ্য, ব্রি ধান৫৪ লবণাক্ততা সহিষ্ণু এবং ব্রি ধান৫৬ ও ব্রি ধান৫৭ খরা সহিষ্ণু ধানের জাত। 

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৪৪.
কোন ধরনের বল তুলা সংগ্রহের জন্য উত্তম?
  1. অতিরিক্ত পরিপক্ক বল
  2. পরিপক্ক বল
  3. আধা-পরিপক্ক বল
  4. কচি বল
সঠিক উত্তর:
পরিপক্ক বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিপক্ক বল
ব্যাখ্যা
তুলা চাষ:
- তুলা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আঁশ জাতীয় ফসল।
- বস্ত্রখাতে ব্যবহৃত আঁশের ৭০-৭৫% আসে তুলা থেকে।
- বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্পে বর্তমানে ৫৪ লাখ বেল তুলার প্রয়োজন যার মাত্র ৩% দেশে উৎপন্ন হয়। এ

⇒ মাটি ও জলবায়ু:
- তুলা উষ্ণ ও শুষ্ক আবহাওয়া পছন্দ করে।
- চারাগাছের দৈহিক বৃদ্ধির জন্য ২৪-৩৩° সে. তাপমাত্রা উপযোগী তুলাগাছ অতিবৃষ্টি সহ্য করতে পারে না।
- বার্ষিক ১০০ সে.মি. বৃষ্টি তুলার জন্য উত্তম।
- সবধরনের মাটিতেই তুলাগাছ জন্মে।
- দোঁআশ ও বেলে দোঁআশ মাটি তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। 

⇒  বীজ বপনের সময়:
- রবি মৌসুম: মধ্য শ্রাবণ-ভাদ্র মাস।
- খরিফ মৌসুম: জৈষ্ঠ্য-আষাঢ় মাস।

⇒ তুলা সংগ্রহ:
- শুধুমাত্র পরিপক্ক বল থেকে তুলা সংগ্রহ করতে হবে।
- বল ফেটে তুলা বের হলেই বল পরিপক্ক হয়েছে বুঝতে হবে।
- সাধারণ বীজ বপনের ৫-৬ মাস পর তুলা সংগ্রহ করা যায়।
- তুলা সংগ্রহের সময় রৌদ্র উজ্জ্বল দিন তুলা সংগ্রহ করতে হয়।
- সাধারণত রবি মৌসুমে তুলা কার্তিক-অগ্রাহায়ণ মাসে এবং খরিফ মৌসুমের তুলা ফাল্গুন-চৈত্র মাসে সংগ্রহ করা হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪৫.
নিচের কোনটি খরা সহনশীল ধানের জাত?
  1. ব্রি ধান৫৩
  2. ব্রি ধান৫৪
  3. ব্রি ধান৫৫
  4. ব্রি ধান৫৬
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান৫৬
ব্যাখ্যা
কৃষিতে খরা ও লবণাক্ততা সহনশীল ধানের উদ্ভাবন: 
- বাংলাদেশের কৃষি খাতে বন্যার পাশাপাশি খরা ও লবণাক্ততা বড় সমস্যা।
- এ সমস্যা মোকাবিলায় বিজ্ঞানীরা বিশেষ ধানের জাত উদ্ভাবন করেছেন।
- এই ধানগুলো উপকূলীয় ও খরাপ্রবণ অঞ্চলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

খরা সহনশীল ধান:
- ব্রি ধান৫৬
- ব্রি ধান৫৭

লবণাক্ততা সহনশীল ধান:
- ব্রি ধান৪০
- ব্রি ধান৪১
- ব্রি ধান৪৬
- ব্রি ধান৪৭
- ব্রি ধান৫৩
- ব্রি ধান৫৪
- ব্রি ধান৫৫

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৪৬.
ডালিয়া সাধারণত কী থেকে চারা করা হয়?
  1. বীজ
  2. মূল
  3. পাতা
  4. কন্দমূল
সঠিক উত্তর:
কন্দমূল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কন্দমূল
ব্যাখ্যা
ডালিয়া চাষ:
- ডালিয়ার রং আকারের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি শীতকালীন মৌসুমি ফুল টবে, গৃহে ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণের শোভা বর্ধনের জন্য চাষ হয়ে থাকে।
- ডালিয়া বিভিন্ন জাতের হয়ে থাকে।
- বংশবিস্তার সাধারণত কন্দমূলের মাধ্যমে অথবা শাখা কলমের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে। 
- সময়মত স্টপিং, টাইমিং ও থিনিং করা প্রয়োজন।
- ফুল বড় করার জন্য ডিজবাডিং করা হয়ে থাকে।
- ফুল ফোটা শেষ হলে কন্দমুল তুলে সংরক্ষণ করতে হবে।

⇒ মাটি ও জলবায়ু:
- প্রচুর সূর্যালোক সম্পন্ন ঠান্ডা আবহাওয়া ডালিয়া চাষের জন্য উপযোগী।
- উর্বর ও সুনিষ্কাশিত দোঁআশ মাটি উত্তম।

⇒ বংশ বিস্তার:
- সাধারণত অঙ্গজ বংশ বিস্তারের মাধ্যমে চারা তৈরি করা হয়।
- কন্দমুল ও শাখা কলম থেকে চারা করা হয়।
- কন্দমুলকে সরাসরি টবে বা জামিতে রোপন করা যায়।
- কন্দমুল থেকে গাছ জন্মালে দুই তিনটি পাতাসহ ৭-৮ সে.মি. কেটে মে থেকে জুন মাসে শাখা কলম করে চারা রোপন করা যায়।

⇒ মাটি বা জমি তৈরি:
- ডালিয়া ফুল বেড ও টবে দুইভাবে চাষ করা যায়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪৭.
উত্তম লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসল কোনটি?
  1. গম
  2. মিষ্টি আলু
  3. টমেটো
  4. সুগার বিট
সঠিক উত্তর:
সুগার বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুগার বিট
ব্যাখ্যা
লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলের চাষ: 
- লবণাক্ত অঞ্চলে চাষের জন্য আমাদের লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলের জাত নির্বাচন করতে হবে।
- উত্তম লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলগুলো হলো- নারিকেল, সুপারি, সুগার বিট, তুলা, শালগম, ধৈঞ্চা, পালংশাক ইত্যাদি।
- মধ্যম লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলগুলো হলো- আমড়া, মিষ্টি আলু, মরিচ, বরবটি, মুগ, খেসারি, ভুট্টা, টমেটো, পেয়ারা ইত্যাদি।
- গম, কমলা, নাশপাতি কম লবণাক্ততা সহিষ্ণু।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৪৮.
রতন, লালিমা, অনুপমা প্রভৃতি কোন ফসলের জাত?
  1. টমেটো
  2. বেগুন
  3. ফুলকপি
  4. গম
সঠিক উত্তর:
টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমেটো
ব্যাখ্যা
টমেটোর জাত:
- বাংলাদেশে টমেটোর অনেক অনুমোদিত জাত রয়েছে।
- শীতকালীন জাতের মধ্যে রয়েছে বারি টমেটো-২ (রতন), বারি টমেটো-৯ (লালিমা), বারি টমেটো-১০ (অনুপমা), বিনা টমেটো-৩ । 
- বিদেশ থেকে আমদানি করা জাত মারগ্লোব, রুমা ভিএফ, অক্সহার্ট ইত্যাদি।
- গ্রীষ্মকালীন জাতের মধ্যে রয়েছে-বারি টমেটো-৪, বারি টমেটো-৫, বারি টমেটো-৯ (লালিমা), বারি টমেটো-১০ (অনুপমা), বারি টমেটো-১১ (ঝুমকা), বারি হাইব্রিড টমেটো-৩, বারি হাইব্রিড টমেটো-৪ ইত্যাদি।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৪৯.
পাটের কালো পট্টি রোগ হলে নিচের কোনটি প্রয়োগ করা যাবে?
  1. সুমিথিয়ন ৫০ ইসি
  2. ডাইথেন এম- ৪৫
  3. ম্যালাথিয়ন ৫৭ ইসি
  4. ব্যাকট্রল
সঠিক উত্তর:
ডাইথেন এম- ৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাইথেন এম- ৪৫
ব্যাখ্যা
রোগের নাম: 
- পাটের কালো পট্টি রোগ Black Band of Jute (Botryodiplodia theobromae), ছত্রাকজনিত রোগ।
- পাটের কান্ডে কালো রঙের বেষ্টনীর সৃষ্টি হয়।
- আক্রান্ত স্থানে হাত দ্বারা ঘষলে তাতে কালো দাগ লেগে যায়।

সমন্বিত দমন ব্যবস্থাপনা: 
- আক্রান্ত গাছ দেখামাত্র তা তুলে পুড়ে ফেলা।
- সুস্থ, সবল ও রোগমুক্ত গাছ হতে বীজ সংগ্রহ করা।
- বীজ বপনের পূর্বে বীজ শোধন করা, ভিটাফ্লো বা প্রোভেক্স বা ভিটাভেক্স- ৩ গ্রাম বা ব্যাভিষ্টিন- ২ গ্রাম/ কেজি বীজ।
- জমিতে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করা।
- আক্রমণ বেশী হলে ডাইথেন এম- ৪৫ ২.৫ গ্রাম/ প্রতি লিটার পানি মিশিয়ে স্প্রে করা।

উৎস: Plant Disease Clinic. 
৪৫০.
DAE এর কাজ কী?
  1. কৃষি সম্প্রসারণ
  2. বীজ উৎপাদন
  3. প্রযুক্তি উদ্ভাবন
  4. কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ
সঠিক উত্তর:
কৃষি সম্প্রসারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি সম্প্রসারণ
ব্যাখ্যা
- বীজ উৎপাদন, প্রযুক্তি উদ্ভাবন বা কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ DAE এর কাজ নয়।
 
DAE:
- পূর্ণরূপ Department of Agricultural Extension বা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
- এটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন।
- ১৯৮২ সালে ফসল প্রযুক্তি সম্প্রসারণে নিয়োজিত ছয়টি সংস্থা একিভূত করে বর্তমান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সৃষ্টি করা হয়। 
- কাজ: চাহিদাভিত্তিক এবং সমন্বিত কৃষি সম্পসারণ সেবা প্রদান।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভিশন (রুপকল্প):
”ফসলের টেকসই ও লাভজনক উৎপাদন”

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মিশন (অভিলক্ষ্য):
”টেকসই ও লাভজনক ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে দক্ষ, ফলপ্রসূ, বিকেন্দ্রীকৃত, এলাকানির্ভর, চাহিদাভিত্তিক এবং সমন্বিত কৃষি সম্পসারণ সেবা প্রদানের মাধ্যমে সকল শ্রেণির কৃষকের প্রযুক্তি জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ”

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৪৫১.
কোন পুকুরে রেণু পোনা ছাড়া হয়?
  1. লালন পুকুর
  2. মজুদ পুকুর
  3. আঁতুড় পুকুর
  4. মৌসুমী পুকুর
সঠিক উত্তর:
আঁতুড় পুকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঁতুড় পুকুর
ব্যাখ্যা
পুকুরের প্রকারভেদ:
মাছ চাষের পুকুরকে পুকুরের আয়তন, পানি ধারণ ক্ষমতা পানির স্থায়িত্ব এবং বিভিন্ন আকারের মাছ প্রতিপালনের উপর ভিত্তি করে বিভিন্নভাবে ভাগ করা যায়।

১। পানির স্থায়িত্বের উপর ভিত্তি করে পুকুরের শ্রেণি বিন্যাস:
ক. স্থায়ী পুকুর এবং
খ. অস্থায়ী পুকুর

ক. স্থায়ী পুকুর:
- এ ধরনের পুকুর অধিকতর গভীর হয় এবং এতে সারা বছর পানি থাকে।
- এদের মাটি সবসময় পানি ধরে রাখতে পারে।

খ. অস্থায়ী বা মৌসুমী পুকুর
- এ ধরনের পুকুর অগভীর এবং বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় (৩-৮ মাস) পানি থাকে।
- বেলে মাটির পুকুর সাধারণত অস্থায়ী হয় ফলে পানি বেশি দিন ধরে রাখতে পারে না।

২। আকারের উপর ভিত্তি করে শ্রেণি বিন্যাস:
বিভিন্ন আকারের মাছ প্রতি পালনের জন্য ৩ ধরনের পুকুরের প্রয়োজন হয়।

ক. আঁতুড় পুকুর:
- যে পুকুরে রেণু পোনা ছেড়ে ধানী পোনা পর্যন্ত বড় করা হয় তাদেরকে আঁতুড় পুকুর বলে।
- সাধারণভাবে এ ধরনের পুকুরের আয়তন ১০-১৭ শতাংশ পর্যন্ত হয়।

খ. লালন পুকুর:
- যে পুকুরে ধানী পোনা ছেড়ে চারা পোনা বা আঙ্গুলে পোনা তৈরি করা হয় তাকে লালন পুকুর বলে।
- লালন পুকুরের আয়তন ২০-১০০ শতাংশ এবং গভীরতা ১.৫-২.০ মিটার হয়ে থাকে।

গ. মজুদ পুকুর:
- যে পুকুরে ধানী বা আঙ্গুলে পোনা ছেড়ে বড় মাছে পরিণত করা হয় তাকে মজুদ পুকুর বলে।
- এ ধরনের পুকুরের আয়তন ৩০ শতাংশের উপরে এবং গভীরতা ২-৩ মিটার হয়।
- মাছ চাষের জন্য এ ধরনের পুকুরই প্রধান পুকুর হিসেবে পরিচিত।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫২.
কোন কাঠ থেকে পেন্সিল তৈরি হয়?
  1. গেওয়া
  2. ধুন্দল
  3. সুন্দরী
  4. কেওড়া
সঠিক উত্তর:
ধুন্দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধুন্দল
ব্যাখ্যা
শিক্ষায় কৃষি:
- আখের ছোবড়া, বাঁশ ও গেওয়া কাঠ থেকে লেখার কাগজ তৈরি হয়।
- ধুন্দল কাঠ থেকে পেন্সিল তৈরি হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৫৩.
কান্ড উৎপন্ন হয় -
  1. ভ্রূণমূল থেকে
  2. বীজপত্র থেকে
  3. ভ্রূণমুকুল থেকে
  4. রুট ক্যাপ থেকে
সঠিক উত্তর:
ভ্রূণমুকুল থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্রূণমুকুল থেকে
ব্যাখ্যা
ভ্রূণ (Embryo):
- বীজত্বক দ্বারা আবৃত সুপ্ত উদ্ভিদকে ভ্রূণ বলে।
- ভ্রূণের দুইটি অংশ যথাঃ ভ্রূণাক্ষ বা টাইজেলাম (Tigellum) ও বীজপত্র (Cotyledon)।
- ভ্রূণাক্ষের দুইটি অংশ যেমন: ভ্রূণমূল (Radicle) যা থেকে বীজ গজানোর পর শিকড় হয় এবং ভ্রূণকান্ড/ভ্রূণমুকুল (Plumule) যা থেকে কান্ড উৎপন্ন হয়।

উৎস: Seed and Seed Technology, B.Ag.Ed, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫৪.
পেঁপের পরাগায়নের সুবিধার জন্য বাগানে কী পরিমাণ পুরুষ গাছ রাখা হয়?
  1. ৫%
  2. ১০%
  3. ২০%
  4. ৩০%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা
পেঁপের অন্তর্বর্তীকালীন পরিচর্যা:
- পেঁপের একলিঙ্গ জাতের ক্ষেত্রে প্রতি মাদায় ৩টি চারা রোপণ করা হয়।
- ফুল এলে ১টি সত্রী গাছ রেখে বাকি গাছ তুলে ফেলতে হবে।
- পরাগায়নের সুবিধার জন্য বাগানে ১০% পুরুষ গাছ রাখা হয়
- ফুল হতে ফল ধরা নিশ্চিত মনে হলে একটি বোঁটায় একটি ফল রেখে বাকিগুলো ছিঁড়ে ফেলতে হয়।
- গাছ যাতে ঝড়ে না ভাঙে তার জন্য বাঁশের খুটি দিয়ে গাছ বেঁধে দিতে হবে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
৪৫৫.
হাইব্রিড ধান বীজের জনক -
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
চীনের কৃষি:
- পরিকল্পিত উৎপাদন ও বণ্টন ব্যবস্থার সুবিধাগুলো চীনের কৃষিব্যবস্থার উন্নয়নে খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।
- বিশ্বের সর্ববৃহৎ জনসংখ্যার দেশ হলেও চীনে খাদ্যঘাটতির কথা শোনা যায় না।
- প্রতি হেক্টরে সর্বোচ্চ পরিমাণ ধান, গম, ভুট্টা উৎপাদনের ক্ষমতা চীনা কৃষক ও বিজ্ঞানীদের কজায় রয়েছে।
- হাইব্রিড ধান বীজের জনক চীন।
- এখন পর্যন্ত চীন থেকেই সবচেয়ে বেশি হাইব্রিড ধান বীজ আমাদের দেশে আমদানি হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৫৬.
ভালো বীজের গুণ নয় কোনটি?
  1. মিশ্রণহীন বীজ
  2. উচ্চমানের সতেজতা
  3. অন্তত ৭০% অঙ্কুরোদগম ক্ষমতাসম্পন্ন
  4. পরিচ্ছন্নতা
সঠিক উত্তর:
অন্তত ৭০% অঙ্কুরোদগম ক্ষমতাসম্পন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্তত ৭০% অঙ্কুরোদগম ক্ষমতাসম্পন্ন
ব্যাখ্যা
ভালো বীজের গুণাবলি:
- উচ্চ ফলনশীলতা উন্নত জাতের একটি বিশেষ গুণ।
- কিন্তু উন্নত জাতের বীজ হলেই উচ্চ ফলন পাওয়া নিশ্চিত হয় না, চাষির প্রয়োজন উন্নত জাতের ভালো বীজ।
- ভালো বীজের আরও কিছু ভালো গুণ থাকা প্রয়োজন যেমন-
i) মিশ্রণহীন বীজ
ii) অন্তত ৮০% অঙ্কুরোদগম ক্ষমতাসম্পন্ন
iii) চারার উচ্চমানের সতেজতা
iv) পরিচ্ছন্নতা
v) সুস্থ বীজ (রোগজীবাণুর দূষণ ও সংক্রমণমুক্ততা)

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৫৭.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনের উৎস কোনটি?
  1. পানি
  2. কার্বন ডাই অক্সাইড
  3. আলো
  4. ক্লোরোফিল
সঠিক উত্তর:
পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণে সৃষ্ট অক্সিজেনের উৎস:
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় এক অণু গ্লুকোজ তৈরি হওয়ার সময় ৬ অণু ০₂ তৈরি হয়।
- বিক্রিয়াটিতে অংশগ্রহণ করে CO₂ ও H₂O অর্থাৎ বিক্রিয়ার কাঁচামাল CO₂ ও H₂O দুটি কাঁচামালে O₂ অণু উপস্থিত।
- অতএব সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নির্গত অক্সিজেনের উৎস হতে পারে দু'টি, একটি হলো CO₂ এবং অপরটি হলো H₂O।
- হিল বিক্রিয়া (Hill Reaction) ও ভ্যান নিল এর পরীক্ষা (Experiment of Van Neil) এর মাধ্যমে এটি নিঃসন্দেহে প্রমাণিত হয়েছে যে, সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উপজাত দ্রব্য হিসেবে যে অক্সিজেন নির্গত হয় তা পানি (H₂O) হতে আসে, কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) হতে নয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫৮.
বাংলাদেশে কতটি সরকারি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট আছে?
  1. ১৫টি
  2. ১৬টি
  3. ১৮টি
  4. ২০টি
সঠিক উত্তর:
১৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮টি
ব্যাখ্যা
কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ATI):
- বাংলাদেশে ১৮টি সরকারি কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট আছে। 
- কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সরকারিভাবে কৃষি ডিপ্লোমা করার সুযোগ রয়েছে।
- এছাড়া অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। 
- কারিগরি বোর্ডের একাডেমিক অধীনে থেকে ইনস্টিটিউটগুলো ৪ বছর মেয়াদি কৃষি ডিপ্লোমা প্রদান করে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।
৪৫৯.
আন্তর্জাতিক পানি ব্যবস্থাপনা ইন্সটিটিউট (IWMI)-এর জরিপ অনুসারে, আমাদের দেশে সেচ দক্ষতা কত শতাংশ?
  1. ১৫-২৫ শতাংশ
  2. ৩০-৩৫ শতাংশ
  3. ৪০-৪৫ শতাংশ
  4. ৫০-৬৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৩০-৩৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০-৩৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- বিভিন্ন ধরনের সেচ প্রযুক্তি যেমন-গভীর নলকূপ, অগভীর নলকূপ, শক্তিচালিত পাম্প, ভাসমান পাম্প ইত্যাদি ব্যবহার করে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করে সেচ দেওয়া হয়।
- পানি উত্তোলনের পর কাঁচা বা পাকা সেচ নালার মাধ্যমে জমিতে দেওয়া হয়।
- দেশের মোট কৃষি জমির ৫২ শতাংশ সেচের আওতাভুক্ত।
- ১৪.৩৫ লক্ষ হেক্টর জমিতে ভুউপরিস্থ সেচ এবং ৩৩.৭৩ লক্ষ হেক্টর জমি ভূগর্ভস্থ সেচের আওতাভুক্ত।
- আন্তর্জাতিক পানি ব্যবস্থাপনা ইন্সটিটিউট (IWMI-International Water Management Institute)-এর এক জরিপে দেখা যায় আমাদের দেশে সেচ দক্ষতা ৩০-৩৫ শতাংশ
- অর্থাৎ সেচের জন্য দেওয়া পানির ৬৫-৭০ ভাগই অপচয় হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৬০.
প্রজনন বীজ ও ভিত্তি বীজ কোথায় উৎপাদন করা হয়?
  1. গবেষণা প্রতিষ্ঠানে
  2. বীজ বর্ধন খামারে
  3. প্রাইভেট এন্টারপ্রাইজে
  4. প্রাইভেট নার্সারীতে
সঠিক উত্তর:
গবেষণা প্রতিষ্ঠানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গবেষণা প্রতিষ্ঠানে
ব্যাখ্যা
• বীজের মান নিয়ন্ত্রণ ও প্রত্যয়ন:
- বীজের মান নিয়ন্ত্রণে বীজ প্রত্যয়ন কার্যক্রম উন্নত বীজ স্বীকৃতির একটি প্রক্রিয়া।
- বীজমানের স্বকীয়তা তাক্ষুন্ন রাখার জন্য প্রত্যয়ন কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ১৯৭৪ সালে শস্য বীজ প্রকল্পের আওতায় বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির জন্ম হয়।
- বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও বীজমান নিয়ন্ত্রণ ও প্রত্যয়নের আইনগত বৈধতাস্বরূপ বীজ তাধ্যাদেশ ১৯৭৭ইং এবং বীজ বিপি ১৯৮০ইং প্রণয়ন করা হয়।
- বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান, পাট গবেষণা প্রতিষ্ঠান) প্রজনন বীজ এবং ভিত্তি বীজ সরবরাহ করে থাকে।
- বি.এ.ডি.সি জাতীয় বীজ বোর্ড ও বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির সাথে সহযোগিতার মাধ্যমে এই সমস্ত বীজ উৎপাদন ও সরবরাহ করে।
- প্রত্যয়ন এজেন্সী বি.এ.ডি.সি'র উৎপাদিত ভিত্তি ও প্রত্যয়িত বীজ প্রত্যয়ন করে।

উৎস: বীজ ও বীজ প্রযুক্তি, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪৬১.
ওজনভেদে একটি গরুকে দৈনিক কত কেজি সবুজ ঘাস সরবরাহ করতে হয়?
  1. ২-৫ কেজি
  2. ৫-১০ কেজি
  3. ৮-১০ কেজি
  4. ১২-১৫ কেজি
সঠিক উত্তর:
১২-১৫ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২-১৫ কেজি
ব্যাখ্যা
সবুজ ঘাস:
- সবুজ ঘাসই গাভীর প্রধান খাদ্য। কিন্তু এদেশে চারণভূমি ও খোলা সবুজ মাঠ না থাকায় পশুর সবুজ ঘাসের অভাব লেগেই থাকে।
- বাড়ির পাশের পতিত জমি, পুকুরপাড়, রাস্তা, রেললাইন ও বাঁধের ধারে উন্নত জাতের ঘাস চাষ করতে হবে।
- উন্নত জাতের ঘাস হিসেবে নেপিয়ার, পারা, জার্মান, গিনি এবং দেশি ঘাস চাষ করা যেতে পারে।
- উন্নত ও সংকর জাতের গাভীর ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ কেজি দৈহিক ওজনের জন্য ৩-৪ কেজি সবুজ ঘাস সরবরাহ করতে হবে।
- ওজনভেদে একটি গরুকে দৈনিক ১২-১৫ কেজি সবুজ ঘাস সরবরাহ করতে হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৬২.
এমওপি (MoP) সারে কোন পুষ্টি উপাদান থাকে?
  1. নাইট্রোজেন
  2. পটাশিয়াম
  3. ফসফরাস
  4. ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
পটাশিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটাশিয়াম
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক সার: 
- কলকারখানায় যে সকল সার তৈরি করা হয় তাদেরকে রাসায়নিক সার বলে।
- যেমন: ইউরিয়া, ডিএপি, জিপসাম, দস্তাসার।
- কয়েকটি সারের নাম ও এদের সরবরাহকৃত পুষ্টি উপাদানের নাম নিম্নের ছকে তুলে ধরা হলো:  
সারের নাম পুষ্টি উপাদান
ইউরিয়া নাইট্রোজেন
টিএসপি ফসফরাস, ক্যালসিয়াম
এমওপি পটাশিয়াম
ডিএপি নাইট্রোজেন, ফসফরাস
জিপসাম সালফার, ক্যালসিয়াম
দস্তাসার জিংক, সালফার
উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৬৩.
কৃষির বর্তমান অগ্রগতিকে নিম্নের কোন বিষয়টির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়?
  1. সবুজ বিপ্লব
  2. ৪র্থ কৃষি বিপ্লব
  3. ১ম কৃষি বিপ্লব
  4. ৩য় কৃষি বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
সবুজ বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবুজ বিপ্লব
ব্যাখ্যা
কৃষির বর্তমান অগ্রগতি সাধারণত "সবুজ বিপ্লব" (Green Revolution) শব্দটির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।

সবুজ বিপ্লব:
- বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে উচ্চফলনশীল বীজ, সার ও সেচের পানি ব্যবহারের মাধ্যমে গম, ভুট্টা, ধান প্রভৃতির উৎপাদন অতিদ্রুত যে সাফল্য অর্জিত হয়েছে তাকে "সবুজ বিপ্লব" (Green Revolution) হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- এখানে "বিপ্লব” শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে দ্রুত পরিবর্তনের অর্থে।
- এ পরিবর্তনটি এসেছে প্রচলিত (Conventional) পদ্ধতির চাষাবাদ থেকে অধিক উৎপাদনক্ষম নতুন প্রযুক্তির চাষাবাদে রূপান্তরের মাধ্যমে।
- আর "সবুজ” শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে উৎপাদিত শস্যের কাঁচা রং হিসেবে।
- বাস্তবে দেখা যায়, শস্য যৌবন প্রাপ্ত হলে এর নান্দনিক সবুজ রং প্রকাশ পায়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে সবুজ বিপ্ল­বের সূচনা হয়েছে ষাট- এর দশকে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BADC ওয়েবসাইট।
৪৬৪.
এগ্রোফরেস্ট্রি পদ্ধতিতে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে -
  1. ফসল
  2. প্রাণী
  3. গাছ
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
এগ্রোফরেস্ট্রি: 
- এগ্রোফরেস্ট্রি হলো ফসল এবং প্রাণী পালন ব্যবস্থায় গাছ এবং ঝোপঝাড় অন্তর্ভুক্ত করার একটি পদ্ধতি। 
- এটি পরিবেশগত, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক সুবিধা সৃষ্টি করে।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বহু শতাব্দী ধরে চর্চা হয়ে আসছে।
- এগ্রোফরেস্ট্রি কৃষি এবং বন প্রযুক্তিকে একত্রিত করে একটি সমন্বিত, বহুমুখী, উৎপাদনশীল, লাভজনক, স্বাস্থ্যকর এবং টেকসই ভূমি ব্যবহার ব্যবস্থা গড়ে তোলে।
- এই পদ্ধতিগুলো মূলত ব্যক্তিমালিকাধীন জমিতে মানুষের অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং সামাজিক চাহিদা পূরণের ওপর জোর দেয়।

উৎস: USDA ওয়েবসাইট। 
৪৬৫.
'তারাপুরি' কোন ফসলের জাত?
  1. তরমুজ
  2. বেগুন
  3. মরিচ
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুন
ব্যাখ্যা
বেগুনের জাত: 
বারি বেগুন-১(উত্তরা)
বারি বেগুন-২(তারাপুরি)
বারি বেগুন-৪(কাজল)
বারি বেগুন-৫(নয়নতারা)

তরমুজ এর জাত: 
পদ্ম
বারি তরমুজ-১ 
বারি তরমুজ-২

মরিচের জাত:  
- ঝাল ও মিষ্টি এ ধরনের মরিচ দেখা যায়।
- ঝাল মরিচের মধ্যে বগুড়া, চাঁদপুরী, ফরিদপুরী উল্লেখযোগ্য।
- এছাড়া কামরাংগা, আকালী ও কালো মরিচ খুব ঝাল।

তামাক: 
সুগন্ধী (BAT-2)

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
৪৬৬.
কোন মাটিতে শিম সবচেয়ে ভাল জন্মে?
  1. এঁটেল মাটি
  2. বেলে মাটি
  3. দোআঁশ মাটি
  4. বেলে-দোআঁশ মাটি
সঠিক উত্তর:
দোআঁশ মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোআঁশ মাটি
ব্যাখ্যা
শিম চাষ:
- শিম আমিষ সমৃদ্ধ একটি সবজি।
- শিম এবং এর বীজ উভয়ই জনপ্রিয় শীতকালীন সবজি।
- এটি উচ্চ আঁশযুক্ত, ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ যা মানুষের জন্য খুবই উপকারী।
- এর মূলে নডিউল জাত আছে তা বায়ুমন্ডলের নাইট্রোজেন সংবদ্ধ করে নাইট্রোজেন মাটিতে যুক্ত করতে পারে।

⇒ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত বারি শিম-১, বারি শিম-২, বারি শিম-৩, বারি শিম-৪, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভাবিত ইপসা শিম, এছাড়া কার্তিকা, বারমাসি জনপ্রিয় জাতের মধ্যে অন্যতম।
- এছাড়াও বিভিন্ন বীজ কোম্পানি থেকে নিত্য নতুন জাত বাজারজাত করছে।

⇒ জলবায়ু ও মাটি:
- শিম শীতকালীন এবং খরা সহিষ্ণু সবজি।
- দোআঁশ মাটি শিমের জন্য ভালো তবে সার ও পানি ব্যবস্থাপার মাধ্যমে যেকোন মাটিতে ভালো জন্মে।
- মাটির pH ৬.৫-৮.৫ হলে ভালো।
- ফসলের অঙ্গজবৃদ্ধি ও পুষ্পায়ন জন্য তাপমাত্রা ও দিবস দৈর্ঘ্য যথেষ্ট প্রভাব ফেলে।
- এ সবজি গাছের অঙ্গজ বৃদ্ধির জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু এবং দীর্ঘ দিবস প্রয়োজন।
- কিন্তু প্রজননের জন্য নিম্ন তাপমাত্রা ও কম দিবস দৈর্ঘ্য প্রয়োজন।
- শীতকালীন জাতগুলোতে কেবল শীতের প্রভাবেই পুষ্পায়ন ঘটে.
- গ্রীষ্মকালীন জাতগুলো দিবস নিরপেক্ষ হওয়ায় বছরের যে কোনো সময় বীজ বপন বা চারা রোপন করা হউক না কেন যথাসময়ে পুষ্পায়ন ঘটে থাকে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬৭.
রোটেনন কেন ব্যবহার করা হয়?
  1. পুকুরের পানির অম্লত্ব/ক্ষারত্ব দূরীকরণে
  2. চুনের বিকল্প হিসেবে
  3. রাক্ষুসে মাছ নিধনে
  4. মাছের সম্পূরক খাদ্য হিসেবে
সঠিক উত্তর:
রাক্ষুসে মাছ নিধনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাক্ষুসে মাছ নিধনে
ব্যাখ্যা
রাক্ষুসে ও অচাষযোগ্য মাছ:
- বিভিন্ন রাক্ষুসে মাছ যেমন-শোল, বোয়াল, চিতল, ফলি, টাকি, গজার ইত্যাদি সরাসরি চাষের মাছ খেয়ে ফেলে।
- এছাড়া পুঁটি, চাপিলা, চান্দা ইত্যাদি অচাষযোগ্য মাছ।
- এরা চাষযোগ্য মাছের জায়গা, খাদ্য, অক্সিজেন সবকিছুতেই ভাগ বসায়।
- এর ফলে চাষকৃত মাছের উৎপাদন কমে যায়।

নিচের যেকোনো পদ্ধতিতে রাক্ষুসে ও আবাদযোগ্য নয়, এমন মাছ দূর করা যায়-
ক) পুকুর শুকিয়ে:
- পুকুরের পানি শুকিয়ে সব মাছ ধরে ফেলা যায়।
- অনেক মাছ পুকুরের তলায় কাদায় লুকিয়ে থাকতে পারে।
- তাই কড়া রোদে পুকুর শুকিয়ে ফেলতে হবে।

খ) জাল টেনে:
- পুকুরে পানি কম থাকলে বার বার জাল টেনে মাছ ধরে ফেলা যায়।

গ) মাছ মারার বিষ ব্যবহার করে:
- এক্ষেত্রে রোটেনন বা মহুয়ার খৈল ব্যবহার করা যায়।
- এসব দ্রব্য পুকুরে দিলে মাছের ফুলকার ছিদ্র বন্ধ করে দেয়। ফলে মাছ দম বন্ধ হয়ে মারা যায়।
- পুকুরে ১ ফুট বা ৩০ সেমি গভীরতায় পানির জন্য শতক প্রতি ৩০-৩৫ গ্রাম রোটেনন অথবা ৩ কেজি মহুয়ার খৈল ব্যবহার করতে হবে। 
- বিষ দেওয়ার পর ৭-১০ দিন পুকুরের পানি ব্যবহার করা যাবে না ও নতুন মাছ ছাড়া যাবে না।
- পুকুরে বিভিন্ন রাসায়নিক বিষ ব্যবহার করেও মাছ মারা যায় যেমন-ফসটক্সিন ট্যাবলেট। তবে রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে মাছ মারা ঠিক নয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৬৮.
নিষিক্ত ও পরিপক্ব ডিম্বককে কী বলে?
  1. পরাগরেণু
  2. গর্ভাশয়
  3. বীজ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বীজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীজ
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যাবলী এবং কৃষি কাজের বৈচিত্র্যময় ব্যবহার অনুসারে বীজের সংজ্ঞা দু'রকম হতে পারে।

প্রথমত, উদ্ভিদতত্ত্বানুসারে ফুলের পরাগরেণু দ্বারা ডিম্বক নিষিক্ত হবার পর পরিপক্ক ডিম্বককে বীজ বলে। যেমন: ধান, গম, পেঁপে বীজ।

দ্বিতীয়ত, কৃষিতত্ত্বানুসারে গাছের যে অংশ (শারীরিক বা জাননিক) বংশ বিস্তারের জন্য ব্যবহৃত হয় তাকেই বীজ বলে। যেমন: আলুর টিউবার, মিষ্টি আলুর লতা, কলার সাকার, কুলের কুঁড়ি, পাথরকুচির পাতা, বিভিন্ন ফুল গাছের শাখা-প্রশাখা, ধান, গম ইত্যাদি।

- প্রকৃত বীজ বা যৌন বীজ হচ্ছে বীজত্বকদ্বারা আবৃত এক সুপ্ত ভ্রাণধারী পরিণত ও নিষিক্ত ডিম্বক।
- আর গাছের যে কোন অংশ বিশেষ, যা উপযুক্ত পরিবেশে একই রকম গাছের বংশ বিস্তারের জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে, তাকে কৃষি বীজ বলে।

উৎস: SEED AND SEED TECHNOLOGY, Bachelor of Agriculture Education (B.Ag.Ed), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬৯.
নিচের কোনটি গণযোগাযোগ শিক্ষাদান পদ্ধতি?
  1. বুলেটিন
  2. পোস্টার
  3. লিফলেট
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
গণযোগাযোগ শিক্ষাদান পদ্ধতি: 
- অতি অল্প সময়ে যে পদ্ধতিতে খবরাদি জনসাধারণের মধ্যে প্রচার করা যায়, তাকে গণযোগাযোগ বলে। 
- যে পদ্ধতি ব্যবহার করে অতি অল্প সময়ে সারাদেশে কোন তথ্য জনসাধারণের মধ্যে প্রচার করা যায় তাকে গণযোগাযোগ শিক্ষাদান পদ্ধতি বলা হয়।
- ব্যক্তিগত ও দলীয় যোগাযোগের মাধ্যমে খবরাদি কেবল মাত্র সীমিত সংখ্যক লোকের নিকটই পৌঁছানো সম্ভব হয়।
- সারাদেশের জনগণকে বিশেষ প্রয়োজনে যেমন বন্যা ও খরার সময় অথবা অন্যকোন জরুরী প্রয়োজনে কোন তথ্য অতি অল্প সময়ে প্রচার করতে হলে গণযোগাযোগের কোন ব্যতিক্রম নেই।
- সারাদেশে কৃষককে একই সময়ে প্রয়োজনের চাহিদায় নতুন কোন কলাকৌশল সম্পর্কে সচেতন করতে হলে এটাই একমাত্র দ্রুত পদ্ধতি।
- এরূপ গণশিক্ষাদান পদ্ধতির মাধ্যমে যে সকল কৃষক সচেতন হয়, তারা প্রয়োজন অনুসারে অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহের জন্য পাড়াপ্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব বা ব্লক সুপারভাইজারের সাথে যোগাযোগ করতে পারে।
- গণশিক্ষাদান পদ্ধতির মধ্যে আছে রেডিও, টেলিভিশন, পোস্টার, লিফলেট, বুলেটিন, মেলা, প্রদর্শনী, ম্যাগাজিন, সংবাদপত্র, সার্কুলার লেটার, সিনেমা, খামার প্রকাশনা, বড় ধরণের জনসভা, প্রচারাভিযান, ডিসপ্লে কার্ড ইত্যাদি।
- গণযোগাযোগের মাধ্যমে প্রধানত কোন নতুন বিষয়, চিন্তা, প্রযুক্তি বা অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জনগণকে প্রাথমিক ধারণা দেয়া হয়ে থাকে।
- কিন্তু নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হলে বা চাক্ষুষ ধারণা নিতে হলে শিক্ষার্থীকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা স্থান থেকে বাস্তব শিক্ষা গ্রহণ অথবা অভিজ্ঞতা নিতে হবে।
- যেহেতু মানুষ সাধারনত কোন জিনিষই একবারে গ্রহণ করেনা বা শিখতে পারে না তাই গণযোগাযোগ প্রাথমিক পর্যায়ে খুবই খুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- সকল লোক সকল বিষয়ে একইভাবে উদ্বুদ্ধ হবে না।
- কারণ মানুষের পরিবেশ, পারিবারিক, আর্থ-সামাজিক ও ব্যক্তিগত বিভিন্নতার জন্য চাহিদা এবং প্রয়োজনও বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে।
- তাই গণযোগাযোগের মাধ্যমে কোন জিনিষ গ্রহণ করবে বা করবেনা তার একটি প্রাথমিক বাছাই হয়ে যায়।

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ, BAged প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭০.
সেচ পানির পরিমাণ নির্ণয়ে নিচের কোন সূত্রটি সঠিক?
  1. IR = WR + ER + S
  2. IR = WR + ER - S
  3. IR = WR - ER - S
  4. IR = WR - ER + S
সঠিক উত্তর:
IR = WR - ER - S
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IR = WR - ER - S
ব্যাখ্যা
ফসলের পানি চাহিদা:
- কোন একটি ফসল তার জীবন চক্র সম্পন্ন করতে মাটি হতে মোট যে পরিমান পানি গ্রহণ করে তাকে ফসলের পানি চাহিদা বলে।
- অপরদিকে যে পরিমান পানি গ্রহণ করতে না পারলে কোন ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যহত হয় সেই পারিমান পানিকে ফসলের ন্যূনতম পানির চাহিদা বলে।
- ফসলের পানির পরিমান ফসলের জীবনকাল, মাটির ধরন, বৃদ্ধি পাওয়া ও আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে।
- আবার গাছের জীবনচক্রে সব সময় সমান পরিমান পানি লাগে না।
- ফসলের যে বৃদ্ধি পর্যায়ে পানির অভাব হলে ফলন মারাত্মকভাবে কমে যায় তাকে ফসলের পানির ক্রান্তিকাল বলে।

নিম্নবর্ণিত সূত্রের সাহায্যে ফসলের পানি চাহিদা নির্ণয় করা যায়।
WR = IR + ER + S
বা, IR = WR - ER - S

যেখানে, 
WR = মোট পানির চাহিদা
IR = সেচ পানি
ER = কার্যকরী বৃষ্টিপাত
S = মাটি থেকে সরবরাকৃত পানি

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৭১.
নিচের কোনটির কারণে আখের পাতার লাল দাগ রোগ হয়?
  1. ছত্রাক
  2. ভাইরাস
  3. ব্যাকটেরিয়া
  4. নেমাটোড
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
ব্যাখ্যা
রোগের নাম: আখের পাতার লাল দাগ রোগ

লক্ষণ:
১। এটি ছত্রাকজনিত রোগ ।
২। এ রোগ হলে আখের পাতায় মাঝে মাঝে রক্তের ফোটার ন্যায় লাল দাগ দেখা দেয়। দাগের মাঝখানটা কালো হয়।

ব্যবস্থাপনা ও করনীয়:
১। নিচের দিকের আক্রান্ত পাতা অপসারণ করে পুড়িয়ে ফেলা ।
২। কপারঅক্সিক্লোরাইড ১ গ্রাম/ লি. হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা ।
৩। রোগমুক্ত আনূমোদিত বীজ ব্যবহার করতে হবে
৪। রোগ প্রতিরোধ জাতের চাষ করতে হবে ।

উৎস: কৃষি বাতায়ন 
৪৭২.
নিচের কোনটির কারণে আলুর আগাম ধ্বসা রোগ হয়?
  1. Alternaria brassicicola
  2. Alternaria solani
  3. Alternaria brassicae
  4. Phytophthora infestans
সঠিক উত্তর:
Alternaria solani
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alternaria solani
ব্যাখ্যা
রোগের নাম:
আলুর আগাম ধ্বসা রোগ (Early Blight of Potato).
Causal organism: Alternaria solani

লক্ষণ:
- বয়স্ক পাতায় রোগের লক্ষণ প্রথম দেখা যায়।
- আক্রান্ত পাতার উপর কাল বা বাদামী রংয়ের বৃত্তাকার দাগ পড়ে।
- ক্ষত স্থানটি অনেকগুলি ছোট বড় বৃত্তের সমষ্টি।
- পাতার মত কাণ্ডেও বৃত্তাকার দাগ দেখা যায়।

ব্যবস্থাপনা:
- পরিমিত ও সময়মত সুষম সার ও সেচ প্রয়োগ করা এবং পাতায় ২/১টি দাগ দেখার সাথে সাথে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম আইপ্রোডিয়ন বা মেনকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন: রোভরাল বা ডাইথেন এম ৪৫ স্প্রে করা ।

করনীয়:
১। সুস্থ, সবল ও রোগ সহনশীল জাত চাষ করা ।
২। ট্রু পটেটো সীড ব্যবহার করা বা প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম আইপ্রোডিয়ন বা মেনকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন: রোভরাল বা গ্রাম ডাইথেন এম ৪৫ মিশিয়ে বীজ শোধন করা।
৩। নিয়মিত ক্ষেত পরিদর্শন করুন।
৪। সুষম সার প্রয়োগ করুন ।

উৎস: কৃষি বাতায়ন।
University of Connecticut.
৪৭৩.
পুকুরে মাছ চাষের জন্য উত্তম গভীরতা হচ্ছে -
  1. ১ মিটার
  2. ২ মিটার
  3. ৩ মিটার
  4. ০.৫ মিটার
সঠিক উত্তর:
২ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মিটার
ব্যাখ্যা
পুকুরের পানির গভীরতা:
- পানির গভীরতা মাছ চাষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
- মাছ চাষের জন্য পুকুরের পানির গভীরতা কমপক্ষে ১.৫ মিটার থেকে ৩ মিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- তবে ২ মিটার গভীরতা মাছ চাষের জন্য উত্তম।
- পানির গভীরতা খুব বেশি হলে সূর্যের আলো পানির গভীরে পৌঁছাতে পারে না।
- আবার পানির গভীরতা খুব কম হলে সূর্যের তাপে পানি গরম হয়ে উঠে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড  বই।
৪৭৪.
চিনা, কাউন, ফুটি ইত্যাদি কোন মাটিতে চাষ করা যায়?
  1. দোআঁশ মাটি
  2. বেলে মাটি
  3. এঁটেল মাটি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বেলে মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলে মাটি
ব্যাখ্যা
মাটির প্রকারভেদ:
- কৃষিকাজে ব্যবহারের সুবিধার জন্য বুনটের উপর ভিত্তি করে মাটিকে প্রধানত ৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
(১) বেলে মাটি,
(২) দোআঁশ মাটি ও
(৩) এঁটেল মাটি।

(১) বেলে মাটি:
- যে মাটিতে শতকরা ৭০ ভাগ বা তারও বেশি বালিকণা থাকে, তাকে বেলে মাটি বলে।
- বেলে মাটিতে প্রচুর কম্পোস্ট, গোবর ও সবুজ সার প্রয়োগ করে চিনা, কাউন, ফুটি, আলু, তরমুজ ইত্যাদি চাষ করা সম্ভব।

(২) দোআঁশ মাটি:
- যে মাটিতে বালিকণার পরিমাণ শতকরা ৭০ ভাগের কম কিন্তু ২০ ভাগের বেশি, তাকে দোআঁশ মাটি বলে।
- এ মাটিতে সব ধরনের ফসল ভালো জন্মে।

(৩) এঁটেল মাটি:
- যে মাটিতে কমপক্ষে শতকরা ৪০ ভাগ কর্দমকণা থাকে, তাকে এঁটেল মাটি বলে।
- এ মাটিতে পলিকণাও বেশি থাকে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৭৫.
পানির পি-এইচ ৭-এর কম হলে তা -
  1. অম্লীয়
  2. নিরপেক্ষ
  3. ক্ষারীয়
  4. অ্যালকালাইন
সঠিক উত্তর:
অম্লীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অম্লীয়
ব্যাখ্যা
পানির পি-এইচ:
- পানি অম্লধর্মী না ক্ষারধর্মী, তা পি-এইচ মিটার দ্বারা পরিমাপ করা যায়।
- পি-এইচ ৭-এর কম হলে পানি অম্লীয়, ৭-এর বেশি হলে পানি ক্ষারীয় এবং ৭ হলে পানি নিরপেক্ষ।
- সামান্য ক্ষারধর্মী পানি মাছ চাষের জন্য ভালো।
- তবে পানির পি-এইচ ৬.৫-৮.৫ হলে পানি প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদনে সহায়ক হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড  বই।
৪৭৬.
BRRI কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬৩ সালে
  2. ১৯৭০ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
• BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
- এর পূর্ণরুপ- Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান- জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।

- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
৪৭৭.
ইনকিউবেটরের মধ্যে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা কত রাখা হয়?
  1. ৩৫-৪০% এর মধ্যে
  2. ৪৫-৫০% এর মধ্যে
  3. ৫৫-৬০% এর মধ্যে
  4. ৬৫-৭০% এর মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৬৫-৭০% এর মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫-৭০% এর মধ্যে
ব্যাখ্যা
ইনকিউবেটর যন্ত্র দ্বারা বাচ্চা ফোটানোর সময় নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ গুরুত্ব সহকারে অনুসরণ করতে হবে।
১। তাপমাত্রা: ইনকিউবেটরের তাপমাত্রা ৯৯.৫-১০০.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট এর মধ্যে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। উল্লেখ্য উপযুক্ত তাপমাত্রা না পেলে ভ্রুণের কোষ বিভাজন হবে না এবং ভ্রুণের মৃত্যু হবে।
২। আর্দ্রতা: ইনকিউবেটরের মধ্যে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা ৬৫-৭০% এর মধ্যে রাখা হয়। ইনকিউবেটরে আর্দ্রতা কম থাকলে ডিম থেকে পানি বাষ্পায়িত হয়ে ভ্রুণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
৩। বায়ুপ্রবাহ: ভ্রুণের অক্সিজেন গ্রহণ এবং ডিম থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস বের হওয়ার জন্য বায়ুপ্রবাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই ইনকিউবেটরে বায়ুপ্রবাহের মাধ্যমে অক্সিজেনের প্রবেশ এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড দূরীকরণের ব্যবস্থা থাকে। বায়ুপ্রবাহ না থাকলে ভ্রুণের মৃত্যু হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
৪৭৮.
Pomology কী সম্পর্কিত?
  1. ফল চাষ
  2. সবজি চাষ
  3. ফুল চাষ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ফল চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফল চাষ
ব্যাখ্যা
ফলের পরিচিতি:
- নিষিক্ত হওয়ার পরে ফুলের গর্ভাশয় অংশ বিশেষ পরিপুষ্ট, পরিবর্ধিত ও বিকশিত হয়ে ফলে পরিণত হয়।
- অর্থাৎ এক কথায় নিষিক্ত পরিপক্ক গর্ভাশয়ই ফল।
- উদ্ভিদ বিজ্ঞানে এগুলো প্রকৃত ফল বলে।
- সব সময় নিষিক্ত পরিপক্ক গর্ভাশয় থেকে ফল উৎপন্ন হয় না।
- নিষেক ছাড়া গর্ভাশয় বিশেষ প্রক্রিয়ায় অর্থাৎ পার্থেনোজেনিটিকভাবে বা ডিম্বক সরাসরি ফলে পরিণত হয়।
- এসব ফলে বীজ থাকে না।
- যেমন: গর্ভাশয় ছাড়াও সম্পূর্ণ পুষ্পমঞ্জুরী ফলে রূপান্তরিত হতে পারে এগুলোকে অপ্রকৃত ফল বলে।
- আমরা বলতে পারি প্রকৃত বা অপ্রকৃত ফল পরিণত বা পাকা অবস্থায় রান্না ছাড়াই খাওয়া হয় তাদেরকে উদ্যানতাত্বিক ফল বলে।
- উদ্যানতত্বের যে শাখায় ফল, নিয়ে আলোচনা করে তাকে ফল বিজ্ঞান বা পোমোলজি (Pomology) বলে।

উল্লেখ্য,
- Olericulture হল উদ্যানপালনের একটি শাখা যা শাকসবজি উৎপাদন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বিপণন বা ব্যবহারের জন্য উদ্ভিদ চাষের সাথে সম্পর্কিত। 
- Floriculture হল ফুল চাষ সম্পর্কিত। 

উৎস: Global Conference on Agriculture and Horticulture
কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭৯.
রোপা আমন ধানক্ষেত কতদিন পর্যন্ত আগাছামুক্ত রাখতে পারলে ভালো ফলন পাওয়া যায়?
  1. ১৫-২০ দিন
  2. ২৫-৩০ দিন
  3. ৩৫-৪০ দিন
  4. ১৫-৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩৫-৪০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫-৪০ দিন
ব্যাখ্যা
রোপা আমন ধানক্ষেতের আগাছা দমন: 
- ধানক্ষেত ৩৫-৪০ দিন পর্যন্ত আগাছামুক্ত রাখতে পারলে ভালো ফলন পাওয়া যায়
- হাত দিয়ে, নিড়ানি যন্ত্র দিয়ে এবং আগাছানাশক ব্যবহার করে আগছা দমন করা যায়।
- রোপা আমন ধানে সর্বোচ্চ দু'বার হাত দিয়ে আগাছা দমন করতে হয়।
- প্রথম বার ধান রোপণের ১৫ দিন পর এবং পরের বার ৩০-৩৫ দিন পর।
- আগাছানাশক ব্যবহারে কম পরিশ্রমে ও কম খরচে বেশি পরিমাণ জমির আগাছা দমন করা যায়।
- প্রি-ইমারজেন্স আগাছানাশক ধান রোপণের ৩-৬ দিনের মধ্যে (আগাছা জন্মানোর আগে) এবং পোস্ট ইমারজেন্স আগাছানাশক ধান রোপণের ৭-২০ দিনের মধ্যে (আগাছা জন্মানোর পর) ব্যবহার করতে হবে।

বিভিন্ন মৌসুমে বপন/রোপণের ক্ষেত্রে জমি আগাছামুক্ত রাখার ক্রান্তিকাল
মৌসুম সরাসরি বপন (দিন) রোপন (দিন)
আউশ ৩০-৩৫ ৩০-৩৫
আমন ৪৫-৫০ ৩৫-৪০
বোরো ৫৫-৭৫ ৪০-৪৫

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
৪৮০.
Phytophthora infestans নামক ছত্রাকের কারণে আলুর কোন রোগ হয়?
  1. পাতা কুঁকড়ানো রোগ
  2. আগাম ধ্বসা রোগ
  3. বিলম্বিত ধ্বসা রোগ
  4. পচন রোগ
সঠিক উত্তর:
বিলম্বিত ধ্বসা রোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিলম্বিত ধ্বসা রোগ
ব্যাখ্যা
আলুর বিলম্বিত ধ্বসা রোগ (Late Blight of Potato):
- গাছের পাতা, কান্ড, ফুল ইত্যাদি শুকিয়ে যাওয়াকে বলা হয় ধ্বসা রোগ (Blight)।
- আলু গাছে দু'ধরনের ব্লাইট দেখা যায়। যথা- (ক) বিলম্বিত ধ্বসা রোগ এবং (খ) আগাম ধ্বসা রোগ।
- বিলম্বিত ধ্বসা রোগের জন্য অনেক সময় ক্ষেতের সমস্ত ফসলই নষ্ট হয়।
- তাই একে অনেক সময় মড়ক রোগও বলা হয়।
- এ রোগ বিশ্বের সর্বত্রই পরিলক্ষিত হয়।
- ১৮৪৫ সালে আয়ারল্যান্ডে এ রোগ মারাত্মকভাবে দেখা দেয়ায় সে দেশে দুর্ভিক্ষ হয়।
- ফলে বহুলোক মারা যায় এবং বহুলোক দেশ ছেড়ে অন্য দেশে পাড়ি জমায়।
- সাধারণত বপনের প্রায় দু'মাস পর এ রোগের আবির্ভাব হয় বলে এ রোগকে বিলম্বিত ধ্বসা রোগ বলা হয়।
- Phytophthora infestans নামক ছত্রাকের কারণে আলুর বিলম্বিত ধ্বসা রোগের সৃষ্টি হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮১.
আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের সদর দপ্তর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. চীন
  3. থাইল্যান্ড
  4. ফিলিপাইন
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা
- কৃষির উন্নয়নের বিষয়টি দেশ বা অঞ্চলের সীমানা ছাড়িয়ে আজ আন্তর্জাতিক বা বৈশ্বিক গুরুত্ব লাভকরেছে।
- এই প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠন হিসেবে যে প্রতিষ্ঠান বিশ্বজুড়ে কাজ করে তার নাম "খাদ্য ও কৃষি সংগঠন" (Food and Agriculture Organization, FAO)।
- এ ছাড়াও রয়েছে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের (International Rice Research Institute, IRRI, Phillipines) মতো বিশেষ ফসলভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহ।
- আমাদের দেশের কৃষি উন্নয়নে এই প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৮২.
কৃষি বনায়ন এর মাধ্যমে নিচের কোনটি সম্ভব নয়?
  1. কৃষিজ পণ্য উৎপাদন
  2. বনজ দ্রব্য উৎপাদন
  3. পশুপালন
  4. সবগুলোই সম্ভব
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই সম্ভব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই সম্ভব
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে কৃষি বনায়ন:
- ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠির খাদ্য চাহিদা পূরণের জন্য কৃষিজ জমির উপর চাপ অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- কৃষি বনায়ন এর মাধ্যমে একই সাথে কৃষিজ পণ্য, বনজ দ্রব্য ও পশুপালন সম্ভব।
- ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা পূরণার্থে দেশের বনসম্পদ দ্রুত সংকুচিত হচ্ছে।
- ফলে নতুন নতুন সমস্যা দেখা দিচ্ছে, যেমনÑ জ্বালানি সংকট, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ হ্রাস, উষ্ণতা বৃদ্ধি, মরুকরণ প্রক্রিয়া, ভূমিধ্বংস, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া, মাটির উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস, বন্যপ্রাণীর সংখ্যা হ্রাস, নানাবিধ প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রভৃতি।
- উপর্যুক্ত অনাকাংক্ষিত সমস্যা সমূহ মোকাবেলার জন্য কৃষি বনায়ন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারে।

উৎস: AFORESTRATION, Bachelor of Agriculture Education (B.Ag.Ed), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮৩.
আমাদের দেশে গম বপনের উপযুক্ত সময় কোনটি?
  1. নভেম্বরের ১ম সপ্তাহ - ডিসেম্বরের ২য় সপ্তাহ পর্যন্ত
  2. অক্টোবরের ১ম সপ্তাহ - ডিসেম্বরের ২য় সপ্তাহ পর্যন্ত
  3. অক্টোবরের ১ম সপ্তাহ - নভেম্বরের ২য় সপ্তাহ পর্যন্ত
  4. ডিসেম্বরের ১ম সপ্তাহ - ফেব্রুয়ারির ২য় সপ্তাহ পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
নভেম্বরের ১ম সপ্তাহ - ডিসেম্বরের ২য় সপ্তাহ পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নভেম্বরের ১ম সপ্তাহ - ডিসেম্বরের ২য় সপ্তাহ পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
গম বপন সময়:
- গম শীতকালীন ফসল।
- বাংলাদেশে শীতকাল স্বল্পস্থায়ী।
- এ কারণে গমের ভালো ফলন পেতে হলে সঠিক সময়ে গম বীজ বপন করা উচিত।
- আমাদের দেশে নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে ডিসেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত গম বপনের উপযুক্ত সময়
- উঁচু ও মাঝারি দোঁআশ মাটিতে গম ভালো জন্মে।
- তবে লোনা মাটিতে গমের ফলন কম হয়।
- যেসব এলাকায় ধান কাটতে ও জমি তৈরি করতে দেরি হয় সেসব এলাকায় কাঞ্চন, আকবর, প্রতিভা, গৌরব চাষ করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৮৪.
জাতীয় কৃষি যান্ত্রিকীকরণ নীতিমালা ২০২০ অনুসারে, নিচের কোনটি কৃষি যান্ত্রিকীকরণের চ্যালেঞ্জ নয়?
  1. ছোট খামার ও খন্ড খন্ড জমি
  2. কৃষিযন্ত্রের বিক্রয়োত্তর সেবার অপ্রতুলতা
  3. প্রাকৃতিক দুর্যোগের নেতিবাচক প্রভাব
  4. কৃষিযন্ত্র ক্রয়ে ঋণ প্রদান
সঠিক উত্তর:
কৃষিযন্ত্র ক্রয়ে ঋণ প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষিযন্ত্র ক্রয়ে ঋণ প্রদান
ব্যাখ্যা
- কৃষিযন্ত্র ক্রয়ে ঋণ প্রদান কৃষি যান্ত্রিকীকরণের চ্যালেঞ্জ নয়। কৃষিযন্ত্র ক্রয়ে ঋণ প্রদান কৃষি যান্ত্রিকীকরণের কৌশল। 

কৃষি যান্ত্রিকীকরণের চ্যালেঞ্জ:

- ছোট খামার ও খন্ড খন্ড জমি
- কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়ে কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা
- কৃষিযন্ত্রের বিক্রয়োত্তর সেবার অপ্রতুলতা
- কৃষি যান্ত্রিকীকরণে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকাণ্ডের সীমাবদ্ধতা
- স্থানীয়ভাবে কৃষিযন্ত্র ও খুচরা যন্ত্রাংশ উৎপাদনে আধুনিক মূলধনী যন্ত্রপাতি ও দক্ষ জনবলের অভাব
- আমদানিকৃত ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কৃষি যন্ত্রপাতির গুণগত মান ঘোষণা ও নির্ধারণ ব্যবস্থার অনুপস্থিতি
- আধুনিক কৃষিযন্ত্র ব্যবহার উপযোগী গ্রামীণ অবকাঠামোর অভাব
- প্রাকৃতিক দুর্যোগের নেতিবাচক প্রভাব

উৎস: জাতীয় কৃষি যান্ত্রিকীকরণ নীতিমালা ২০২০
৪৮৫.
প্রশিক্ষণে মূলত নিম্নের কোন বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হয়?
  1. বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান
  2. দক্ষতার উন্নয়ন
  3. দৃষ্টিভঙ্গির উপর
  4. খামার ভ্রমণের উপর
সঠিক উত্তর:
দক্ষতার উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষতার উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
প্রশিক্ষণে মূলত দক্ষতার উন্নয়ন গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রশিক্ষণ:

- একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের অন্যতম উপায় হলো সুষম মানবসম্পদ উন্নয়ন।
- আর মানবসম্পদ উন্নয়নের অন্যতম উপায় হলো প্রশিক্ষণ।
- যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের মানবসম্পদকে দক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব।

⇒ কর্মীদের পেশাগত দক্ষতা, জ্ঞান, ও সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
- প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন একটি পরস্পর সম্পর্কিত বিষয় এবং একটি অন্যটির পরিপূরক।
- সাধারণত, প্রশিক্ষণ কর্মী ও নির্বাহীর দক্ষতার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।
- প্রশিক্ষিত হলে কর্মী উন্নত হয়, আবার কর্মী উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ প্রয়োজন।
- কর্মীদের কার্য সম্পাদন জ্ঞান, দক্ষতা, কৌশল বৃদ্ধির জন্যই মূলত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।
- প্রশিক্ষণের ফলে কর্মি আরো দক্ষ ও পারদর্শী হয়ে উঠে।

উৎস: প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮৬.
সেচ বলতে নিচের কোনটিকে বোঝায়?
  1. জমি থেকে অতিরিক্ত পানি সরানো
  2. দ্রবীভূত পুষ্টি উপাদান সরবরাহ
  3. জমিতে কৃত্রিম উপায়ে পানি সরবরাহ
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
জমিতে কৃত্রিম উপায়ে পানি সরবরাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমিতে কৃত্রিম উপায়ে পানি সরবরাহ
ব্যাখ্যা
সেচ ও নিষ্কাশন: 
- গাছ পানি পায় সেচ বা বৃষ্টি থেকে।
- যখন পানি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি হয় তখন তা সরানোর প্রয়োজন পড়ে যাকে নিষ্কাশন বলে।
- ফসলের গাছ বড় হওয়ার জন্য জমিতে কৃত্রিম উপায়ে পানি সরবরাহ করাকেই সেচ বলা হয়।
- যেকোনো জীবের বাঁচার জন্য যেমন পানি অপরিহার্য, ফসলের জন্যও তেমনি।
- ফসল সুন্দরভাবে বাঁচার ও ফলন দেবার জন্য মাটি থেকে প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি ও পানিতে দ্রবীভূত পুষ্টি উপাদান সংগ্রহ করে।
- খরা, অনাবৃষ্টি বা অন্য কোনো কারণে ফসলের জমিতে পানির আবশ্যকতা দেখা দেয়।
- আধুনিক কৃষিব্যবস্থায় সেচ অত্যাবশ্যক।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৮৭.
উপকূল অঞ্চলের লবণাক্ত জমিতে চাষের জন্য কোন ধানের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে?
  1. ব্রি ধান ৫৪
  2. ব্রি ধান ৫৬
  3. ব্রি ধান ৫৭
  4. ব্রি ধান ৭৯
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫৪
ব্যাখ্যা
- বন্যা যেমন কৃষকদের একটি বড় সমস্যা, খরা ও লবণাক্ততা আরও বড় সমস্যা।
- এজন্য বিজ্ঞানীরা ব্রিধান ৫৬ ব্রি ধান৫৭ নামের খরা সহনশীল ধান উদ্ভাবন করেছেন।
- উপকূল অঞ্চলের লবণাক্ত জমিতে চাষের জন্য ব্রি ধান-৪০, ব্রি ধান-৪১, ব্রি ধান-৪৬, ব্রি ধান-৪৭, ব্রি ধান-৫৩, ব্রি ধান-৫৪ ও ব্রি ধান-৫৫ উদ্ভাবন হয়েছে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৮৮.
ফল বাগানে কোন পদ্ধতিতে সেচ দিলে পানির অপচয় কম হয়?
  1. চেক বেসিন পদ্ধতি
  2. রিং বেসিন পদ্ধতি
  3. নালা পদ্ধতি
  4. বর্ষণ সেচ পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
রিং বেসিন পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিং বেসিন পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
সেচ পদ্ধতি:
ফসলের প্রকার, ভূমির বন্ধুরতা, মাটির প্রকৃতির উপর নির্ভর করে বিভিন্ন ধরনের সেচ পদ্ধতি রয়েছে।
নিচে পানি সাশ্রয়ী কয়েকটি সেচ পদ্ধতি সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:

১. চেক বেসিন পদ্ধতি:
- প্লাবন সেচপদ্ধতিতে জমিতে পানি নিয়ন্ত্রণের কোনো সুযোগ থাকে না।
- ফলে পানির অপচয় বেশি হয়।
- এ অসুবিধা দূর করার জন্য চেক বেসিনপদ্ধতি ব্যবহার করা যায়।
- চেক বেসিন বা আইল সেচপদ্ধতিতে সমস্ত জমিকে ঢাল অনুসারে কয়েকটি খণ্ডে উঁচু আইল দ্বারা বিভক্ত করে পানি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সেচ দেওয়া যায়।

২. রিং বেসিন পদ্ধতি:
- ফল বাগানে রিং বেসিন বা বৃত্তাকার পদ্ধতিতে সেচ দিলে পানির অপচয় কম হয়
- এ পদ্ধতিতে প্রত্যেকটি ফল গাছের গোড়ায় বৃত্তাকার নালা তৈরি করে প্রধান সেচ নালার সাথে সংযোগ দেওয়া হয়।

৩. নালা পদ্ধতি:
- নালা সেচ পদ্ধতিতে জমির আয়তন অনুসারে পর্যাপ্ত সংখ্যক নালা তৈরি করে প্রধান সেচ নালার সাথে সংযুক্ত করে দেওয়া হয়।
- সারি ফসলে এ পদ্ধতি বেশি উপযোগী। এ পদ্ধতিতে পানিনিয়ন্ত্রণ সহজ বলে অপচয় কম হয়।

৪. বর্ষণ সেচ পদ্ধতি:
- এ পদ্ধতিতে নজলের মাধ্যমে পানি গাছের উপর বৃষ্টির মতো ছিটিয়ে দেওয়া হয়।
- পানি সাশ্রয়ী এ পদ্ধতিতে প্রাথমিক খরচ বেশি। চা বাগানে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

৫. ড্রিপ সেচপদ্ধতি:
- এ পদ্ধতিতে পানি পাইপের মাধ্যমে গাছের মূলাঞ্চলে পৌঁছে দেওয়া হয়।
- এটা সবচেয়ে পানি সাশ্রয়ী পদ্ধতি।
- যেখানে সেচের পানির খুব অভাব সেখানে এ পদ্ধতি বেশি কার্যকর।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৮৯.
বাংলাদেশে চা বাগানে সাধারণত কোন গাছ দেখা যায়?
  1. আম
  2. কাঁঠাল
  3. কড়ই
  4. জাম
সঠিক উত্তর:
কড়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কড়ই
ব্যাখ্যা
ছায়াদানকারী বৃক্ষের নিচে একবর্ষ বা বহুবর্ষজীবী শস্যের চাষ:
- এ পদ্ধতিতে ছায়াদানকারী বৃহৎ বৃক্ষের নিচে একবর্ষ বা বহুবর্ষজীবী শস্যের চাষ করা হয়।
- এ পদ্ধতিতে আন্তঃফসলের গুণগত মান বৃদ্ধি পায়।
- সেজন্য বাংলাদেশে চা বাগানে বিভিন্ন প্রজাতির কড়ই গাছ দেখা যায়।

উৎস: বনায়ন, Bachelor of Agriculture Education (B.Ag.Ed), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯০.
মাটির প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে কয়টি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ১০টি
  2. ২০টি
  3. ২৯টি
  4. ৩০টি
সঠিক উত্তর:
৩০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০টি
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিবেশ অঞ্চল: 
- মাটির প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে ৩০টি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে
- কোনো একটি কৃষি পরিবেশ অঞ্চল প্রকৃতপক্ষে সে অঞ্চলের মাটির প্রতিনিধিত্ব করে।
- এক একটি কৃষি অঞ্চল এক একটি প্রযুক্তিও বটে।
- কৃষি কর্মকাণ্ডের জন্য সবচেয়ে বড় কাজ হলো মাটির বৈশিষ্ট্য ও বন্ধুরতা অনুযায়ী ফসল নির্বাচন করা।
- মাটির বৈশিষ্ট্যভিত্তিক ফসল নির্বাচন কৃষি কর্মের একটি অত্যাবশ্যক প্রযুক্তি।
- এই প্রযুক্তি যত নিখুঁতভাবে ব্যবহার করা যাবে কৃষিকাজের ফলাফলও তত বেশি লাভজনক হবে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৯১.
সিইসি (ক্যাটায়ন বিনিময় ক্ষমতা) এর একক কোনটি?
  1. গ্রাম/সিসি
  2. পাউন্ড/সেমি
  3. মি.গ্রাম/মিটার
  4. মিলি তুল্যাংক/১০০ গ্রাম মাটি
সঠিক উত্তর:
মিলি তুল্যাংক/১০০ গ্রাম মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিলি তুল্যাংক/১০০ গ্রাম মাটি
ব্যাখ্যা
• ক্যাটায়ন বিনিময় ক্ষমতা (সিইসি):
- নির্দিষ্ট পরিমাণ (১০ অথবা ২০ গ্রাম) মৃত্তিকার সঙ্গে এমোনিয়াম (NH4+), পটাসিয়াম (K+), বেরিয়াম (Ba++) বা ক্যালসিয়াম (Ca+) লবণের জলীয় দ্রবণ পর্যায়ক্রমে কয়েকবার বিক্রিয়া করালে মৃত্তিকার ক্যাটায়নগুলো প্রতিস্থাপিত হয়ে যথাক্রমে NH4+, K+, Ba++ ও Ca++এর দ্বারা মাটি সম্পৃক্ত হয়।
- দ্রবণে অবস্থিত মুক্ত আয়ন পানিতে ধুয়ে সরিয়ে নিয়ে যে কোন ক্যাটায়ন সম্পৃক্ত মাটি থেকে বিনিময় পদ্ধতিতে পুণরায় মাটিতে আবদ্ধ অবস্থা থেকে দ্রবণীয় অবস্থায় নিয়ে আসা সম্ভব।
- তবে H+ আয়ন ব্যবহার করা সবচেয়ে উত্তম।
- বিনিময় দ্বারা মুক্ত ক্যাটায়নের পরিমাণ জানলে অতি সহেজই মৃত্তিকা ক্যাটায়ন বিনিময় ক্ষমতা হিসাব করা সম্ভব।
- ক্যাটায়ন বিনিময় ক্ষমতার ইউনিট হচ্ছে ১০০ গ্রাম মাটিতে মিলিইকুইভ্যালেন্ট (সব/১০০ম) বা মিলি তুল্যাংক।

উৎস: মৃত্তিকা বিজ্ঞান, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯২.
রুট স্টক ও সায়নের জোড়া লাগানো পদ্ধতি হচ্ছে -
  1. দাবা কলম
  2. গুটি কলম
  3. স্টেম কাটিং
  4. জোড় কলম
সঠিক উত্তর:
জোড় কলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোড় কলম
ব্যাখ্যা
জোড় কলম:
- জোড় কলমের দুটি অংশ (১) রুট স্টক ও (২) সায়ন।
- অনুন্নত যে গাছের সঙ্গে জোড়া লাগানো হবে সে গাছটিকে রুট স্টক বলে।
- উন্নত জাতের গাছের যে অঙ্গ স্টকের সঙ্গে লাগানো হবে তাকে বলা হয় সায়ন।
- রুট স্টক ও সায়নের জোড়া লাগানো পদ্ধতিকে জোড় কলম বলে।
- জোড়কলম প্রধানত দু'ধরনের হয়। যেমন-যুক্ত জোড় কলম ও বিযুক্ত জোড় কলম।
- জোড় কলমের মাধ্যমে বর্তমানে আম, তেজপাতা, সফেদা প্রভৃতি গাছের বংশবিস্তার করা হচ্ছে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৯৩.
একজন মানুষের দৈনিক কমপক্ষে কত মিলি. দুধ পান করা প্রয়োজন?
  1. ১২০ মিলি.
  2. ৩০৪ মিলি.
  3. ২৫০ মিলি.
  4. ৮০ মিলি.
সঠিক উত্তর:
২৫০ মিলি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫০ মিলি.
ব্যাখ্যা
দুধ, মাংস এবং ডিমের চাহিদা, উৎপাদন এবং প্রাপ্যতা (২০২৩-২৪):

পণ্যের নাম চাহিদা উৎপাদন প্রাপ্যতা
দুধ ১৫৮.৭৮ লাখ মেট্রিক টন (২৫০ মি.লি./দিন/প্রতি জন) ১৫০.৪৪ লাখ মেট্রিক টন ২৩৪.৪৫ মি.লি./দিন/প্রতি জন
মাংস ৭৬.২১ লাখ মেট্রিক টন (১২০ গ্রাম/দিন/প্রতি জন) ৯২.২৫ লাখ মেট্রিক টন ১৪৩.৭৭ গ্রাম/দিন/প্রতি জন
ডিম ১৮০৯.৬০ কোটি (১০৪টি/বছর/প্রতি জন) ২৩৭৪.৯৭ কোটি ১৩৫.০৯টি/বছর/প্রতি জন

উৎস: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
৪৯৪.
মাছের কাঁটায় কোন পুষ্টি উপাদান প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়?
  1. ক্যালসিয়াম
  2. পটাশিয়াম
  3. লৌহ
  4. বোরণ
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
মাছ:
- আমাদের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় আমিষের প্রধান উৎস হচ্ছে মাছ।
- এটি একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবার।
- আমাদের দৈহিক বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধের জন্য আমিষ দরকার।
- আমিষের মধ্যে প্রাণিজ আমিষ উৎকৃষ্ট মানের।
- মাছ চাষের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়িয়ে প্রাণিজ আমিষের অভাব দুর করা সম্ভব।
- এ ছাড়াও মাছের তেল দেহের জন্য উপকারী।
- বিভিন্ন জাতের ছোট মাছ যেমন- মলা, ঢেলা, কাচকি মাছে প্রচুর ভিটামিন 'এ' পাওয়া যায়।
- ভিটামিন 'এ' রাতকানা রোগ দূর করে।
- মাছের কাঁটায় প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস পাওয়া যায়, বা দেহের হাড় গঠনে সাহায্য করে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৯৫.
নিচের কোনটি টমেটোর জাত?
  1. রতন
  2. লালিমা
  3. ঝুমকা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
টমেটোর জাত:
- টমেটো মূলত শীতকালীন সবজি। তবে বর্তমানে গ্রীষ্মেও চাষ করা যায়।
- বাংলাদেশে টমেটোর অনেক অনুমোদিত জাত রয়েছে।
- শীতকালীন জাতের মধ্যে রয়েছে বারি টমেটো-২ (রতন), বারি টমেটো-৯ (লালিমা), বারি টমেটো-১০ (অনুপমা), বিনা টমেটো-৩ এবং বিদেশ থেকে আমদানি করা জাত মারগ্লোব, রুমা ভিএফ, অক্সহার্ট ইত্যাদি।
- গ্রীষ্মকালীন জাতের মধ্যে রয়েছে-বারি টমেটো-৪, বারি টমেটো-৫, বারি টমেটো-৯ (লালিমা), বারি টমেটো-১০ (অনুপমা), বারি টমেটো-১১ (ঝুমকা), বারি হাইব্রিড টমেটো-৩, বারি হাইব্রিড টমেটো-৪ ইত্যাদি।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৯৬.
গম ক্ষেত আগাছামুক্ত রাখার জন্য কমপক্ষে কয়বার নিড়ানি দিতে হবে?
  1. একবার
  2. দুইবার
  3. তিনবার
  4. চারবার
সঠিক উত্তর:
দুইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইবার
ব্যাখ্যা
গম ক্ষেতের আগাছা দমন:
- সার, সেচের পানি ইত্যাদিতে আগাছা ভাগ বসায়।
- ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগের আগে নিড়ানি দিতে হবে।
- উপরি প্রয়োগের পর সেচ দিতে হবে।
- গম ক্ষেত আগাছামুক্ত রাখার জন্য কমপক্ষে দুইবার নিড়ানি দিতে হবে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৯৭.
জৈব পদার্থের শতকরা কত ভাগ হিউমাস?
  1. ১ - ৫%
  2. ১০ - ১৫%
  3. ৭০ - ৮০%
  4. ৮৫ - ৯০%
সঠিক উত্তর:
৮৫ - ৯০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৫ - ৯০%
ব্যাখ্যা
• হিউমাসের সংজ্ঞা:
- মৃত্তিকার জৈব পদার্থ সম্পূর্ণ বিয়োজনের পর অবশিষ্ট দ্রব্য যা তুলনামূলকভাবে স্থায়ী, বিয়োজন প্রতিরোধী, গাঢ় কাল থেকে বাদামী বর্ণের এবং প্রোটিন ও লিগনিন সমন্বয়ে গঠিত, তাকে হিউমাস বলা হয়।
- জীবাণুর উৎসেচকের অনুঘটক প্রক্রিয়ার ফলে জৈব পদার্থের বিয়োজন ঘটে থাকে।
- এ বিয়োজনের উপজাত হলো বাদামী বা গাঢ় বাদামী রংয়ের জটিল অনিয়তাকার অসমসত্ব (Heterogeneous) এক প্রকার মিশ্রণ।
-  লিগনিন, প্রোটিন, ও প্রোটিন কাদা জাতীয় উপরোক্ত পদার্থগুলোই এ মিশ্রণের উপাদান। এ মিশ্রণই হিউমাস।

• হিউমাসের বৈশিষ্ট্য:
১। গাঢ় বাদামী থেকে কালো বর্ণের।
২। পানিতে অদ্রবণীয় তবে ক্ষারে দ্রবণীয়।
৩। রাসায়নিক গঠন বড়ই জটিল।
81 শতকরা আনুমানিক ৩০ ভাগ আমিষ, ৩০ ভাগ লিগনিন ও ৩০ ভাগ জটিল চিনি ধারণ করে।
৫। শতকরা ৫৫-৫৮ ভাগ কার্বন, ৩-৬ ভাগ নাইট্রোজেন এবং সিলিকন, এলুমিনিয়াম ও লৌহ ধারণ করে।
৬। কার্বন নাইট্রোজেন অনুপাত ১২:১।
৭। সংকোচন ও প্রসারন গুণে সমৃদ্ধ।
৮। ক্যাটায়ন বিনিময় ক্ষমতা বেশি।
৯। জৈব পদার্থের শতকরা ৮৫-৯০ ভাগই হিউমাস।

উৎস: মৃত্তিকা বিজ্ঞান, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯৮.
স্বাধীন বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কয়বার কৃষি শুমারি করা হয়েছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ৪ বার
  2. ৫ বার
  3. ৬ বার
  4. ৭ বার
সঠিক উত্তর:
৫ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বার
ব্যাখ্যা
• কৃষিশুমারি:
- বাংলাদেশে ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ছয়বার (১৯৬০, ১৯৭৭, ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬, ২০০৮ ও ২০১৯) কৃষি শুমারি পরিচালনা করা হয়েছে।
- সর্বশেষ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালে।
- স্বাধীন বাংলাদেশে কৃষিশুমারি হয় ৫ বার।
- ০৯ জুন হতে ২০ জুন, ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত সারা দেশে শহর ও পল্লী এলাকার সকল খানায় ও খামারে ৬ষ্ঠ বারের মত কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৪৯৯.
কৃষিতাত্ত্বিক বীজ এর উদাহরণ কোনটি?
  1. আলুর কন্দ
  2. আনারসের মুকুট
  3. কলাগাছের সাকার
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদতত্ত্ব অনুসারে-
- উদ্ভিদের নিষিক্ত ও পরিপক্ক ডিম্বককে বীজ বলা হয়।
- এ রকম বীজকে ফসলের উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ বা প্রকৃত বীজ বলে।
যেমন- ধান, গম, সরিষা, টমেটো, শিম, ফুলকপি, মরিচ, জাম, কাঁঠাল ইত্যাদি বীজ।

কৃষিতত্ত্ব অনুসারে-
- উদ্ভিদের যে কোনো অংশ যা উপযুক্ত পরিবেশ পেলে একই রকম নতুন উদ্ভিদের জন্ম দিতে পারে তাকে কৃষিতাত্ত্বিক বীজ বা অঙ্গজ বীজ বলে।
- এ রকম বীজকে বংশ বিস্তারক উপকরণও বলা হয়।
যেমন- লিচুর কলম, আমের কলম, আলুর কন্দ, আনারসের মুকুট, কলাগাছের সাকার, কাকরোলের মূল, পাথরকুচি গাছের পাতা, উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০০.
জমিতে বেশি করে জৈবসার ব্যবহার করলে কোনটি ঘটে?
  1. মাটির গঠন উন্নত হয়
  2. মাটি ঝুরঝুরে হয়
  3. মাটির পানিধারণ ক্ষমতা বাড়ে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
জৈব সার ব্যবহার:
- জমিতে উদ্ভিদ খাদ্য সরবরাহ, জমির উর্বরতা বৃদ্ধি ও গুণগত মান উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রাকৃতিকভাবে জৈব উৎস (উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ) থেকে প্রাপ্ত দ্রব্যাদি পচিয়ে বা প্রক্রিয়াজাত করে প্রয়োগ করা হলে তাকে জৈব সার বলে।
- জমিতে বেশি করে জৈবসার ব্যবহার করলে মাটির গঠন উন্নত হয়, মাটি ঝুরঝুরে হয়
- ফলে মাটির পানিধারণ ক্ষমতা বেড়ে যায়

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, BAged, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।