বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৬৬ / ৭২ · ৬,৫০১৬,৬০০ / ৭,১৯১

৬,৫০১.
বাংলাদেশে সাধারণত কালবৈশাখী ঝড় কোন মাসে দেখা যায়?
  1. জানুয়ারী- ফেব্রুয়ারি
  2. জুন- জুলাই
  3. মার্চ- এপ্রিল
  4. এপ্রিল- মে
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল- মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল- মে
ব্যাখ্যা
কালবৈখাশী ঝড়: 
- কালবৈখাশী ঝড় (Nor' wester): বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলো কালবৈখাশী ঝড়।
- এটি গ্রীষ্মকালীন জলবায়ুর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
- সাধারণত বৈশাখ মাসের শেষের দিকে এ ঝড় হতে দেখা যায় বলে একে কালবৈশাখী বলা হয়।
- এপ্রিল - মে মাসে সন্ধ্যার দিকে আকাশ কালো মেঘে ঢেকে আসে এবং সেই সাথে বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়ো বাতাস প্রবাহিত হয়।
- এটিই কালবৈশাখী ঝড় নামে পরিচিত।
- কালবৈশাখী ঝড়ে বাৎসরিক এক পঞ্চমাংশ বৃষ্টিপাত হয়।
 - এ ঝড়ের ফলে উষ্ণতা স্বাভাবিকের তুলনায় ৫০-১০০ সেলসিয়াস কমে যায়।
- কালবৈশাখী ঝড় সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো নিম্নচাপ (Depression)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫০২.
বিশ্বের বৃহত্তম লবণাক্ত হ্রদ-
  1. আরাল হ্রদ
  2. সুপিরিয়র হ্রদ
  3. কাস্পিয়ান সাগর
  4. উর্মিয়া হ্রদ
সঠিক উত্তর:
কাস্পিয়ান সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাস্পিয়ান সাগর
ব্যাখ্যা
কাস্পিয়ান সাগর:
- কাস্পিয়ান সাগর আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম হ্রদ।
- এটি বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ।
- কাস্পিয়ান সাগর ককেশাস পর্বতমালার পূর্বে এবং মধ্য এশিয়ার বিস্তীর্ণ মাঠের পশ্চিমে অবস্থিত।
- কাস্পিয়ান সাগর পাঁচটি দেশ দ্বারা সীমান্তবর্তী: তুর্কমেনিস্তান, ইরান, কাজাখস্তান, আজারবাইজান এবং রাশিয়া।
- এই বিশাল হ্রদটি এশিয়া ও ইউরোপের মাঝে অবস্থিত।

উল্লেখ্য, 
- আরাল সাগর, মধ্য এশিয়ার এক সময়ের বৃহৎ লবণাক্ত পানির হ্রদ। 
- উর্মিয়া হ্রদ যা মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম হ্রদ।
- সুপিরিয়র হ্রদ উত্তর আমেরিকার সর্ববৃহৎ হ্রদ।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,৫০৩.
বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন কোন দেশে অবস্থিত?
  1. চিলি
  2. ব্রাজিল
  3. বাংলাদেশ
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন:
১. সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ: বাংলাদেশে অবস্থিত।
২. পিচাভারম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট: ভারতের তামিলনাড়ুতে অবস্থিত।
৩. ফ্লোরিডা ম্যানগ্রোভ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
৪. বাহিয়া ম্যানগ্রোভ: উত্তর-পূর্ব ব্রাজিলে অবস্থিত।
৫. গোদাবরী-কৃষ্ণ ম্যানগ্রোভ: অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণ-গুন্দুর জেলায় অবস্থিত।

ম্যানগ্রোভ:
- ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তির্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ম্যানগ্রোভ বন সৃষ্টি হয়েছে।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- এ বনের গাছপালা লোনা পানি সহনশীল এবং বৃক্ষসমূহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম।
- সুন্দরবনের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৬৫১ থেকে ১৭৭৮ মি.মি.।
- এ বনের মাটিতে অতিরিক্ত লবণ ও পচা জৈব পদার্থ থাকায় অক্সিজেনের অভাব ঘটে বলে গাছপালা শ্বাসমূল তৈরী করে।
- ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ হলো: সুন্দরী, ধুন্দুল, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, গোলপাতা, হেন্তাল ইত্যাদি।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

উৎস: UNESCO ওয়েবসাইট ও বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
৬,৫০৪.
বাংলাদেশের সর্বপশ্চিমের উপজেলা -
  1. ক) শিবগঞ্জ
  2. খ) টেকনাফ
  3. গ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. ঘ) থানচি
সঠিক উত্তর:
ক) শিবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শিবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্বউত্তরে
স্থান:  বাংলাবান্ধা
উপজলা: তেঁতুলিয়া
জেলা: পঞ্চগড়

সর্বদক্ষিণে
স্থান: ছেঁড়াদ্বীপ
উপজেলা: টেকনাফ
জেলা: কক্সবাজার

সর্বপূর্বে
স্থান: আখানইঠং
উপজেলা: থানচি
জেলা: বান্দরবান

সর্বপশ্চিমে
স্থান: মনাকশা
উপজেলা: শিবগঞ্জ
জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ
৬,৫০৫.
নিম্নের কোন আপদটি (Hazard) পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ?
  1. সড়ক দুর্ঘটনা
  2. তামাক ও মাদকদ্রব্য গ্রহণ
  3. বায়ু দূষণ
  4. ক্যান্সার
সঠিক উত্তর:
বায়ু দূষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু দূষণ
ব্যাখ্যা
বায়ু দূষণ আপদটি (Hazard) পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ।

বায়ু দূষণ:
- বায়ু দূষণের ফলে বিশ্বময় উষ্ণায়নের সৃষ্টি হয়েছে।
- বায়ুর দূষকগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোঅক্সাইড, ওজোন, নাইট্রোজেনের অক্সাইডসমূহ, এরোসল প্রভৃতি।
- বায়ু দূষণের অন্যতম কারণ হলো- জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, যানবাহন ও কল-কারখানার ধোঁয়া, তেজস্ক্রিয় পদার্থ, ইটভাটা, অগ্ন্যুৎপাত প্রভৃতি।
- দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে শহরাঞ্চলে বায়ু দূষণ মাত্রা অধিক।
- বায়ু দূষণের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় মানব স্বাস্থ্য।
- দূষিত বায়ু গ্রহণের মাধ্যমে শুধুমাত্র শ্বাস-প্রশ্বাসই নয় এর মাধ্যমে জীবনও বিপন্ন হতে পারে।
- বায়ু দূষণের ফলে শ্বাসনালীতে জ্বালা, কাশি ও দম বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
- বিশেষ করে সালফারের অক্সাইডগুলো ফুসফুসে নানা ধরনের রোগ সৃষ্টির প্রধান কারণ।
- নাইট্রোজেনের অক্সাইডগুলোর বিষাক্ত প্রতিক্রিয়ায় ফুসফুস ফুলে যায় এবং ফুসফুসে পানি জমে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।
- অতিমাত্রায় বায়ু দূষণ দীর্ঘস্থায়ী হাঁপানি, শ্বাসনালীর প্রদাহ ও কণ্ঠস্বর ভঙ্গের কারণ হতে পারে।
- মানুষের প্রায় প্রত্যেকটি অঙ্গতন্ত্রে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে।
- ক্যান্সার , নিউমোনিয়া , জন্ডিসসহ নানা রোগ পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ।


⇒ ‘আপদ (Hazard):
- আপদ একটি অস্বাভাবিক ঘটনা যা প্রাকৃতিক, মানব সৃষ্ট বা কারিগরি ক্রটির কারণে ঘটতে পারে এবং মানুষের জীবন ও জীবিকার ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।
- এর ফলস্বরূপ বিপর্যয় সংঘটনের মাধ্যমে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপদ ও হুমকির মধ্যে নিপতিত করে।
- দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প, বন্যা ইত্যাদির প্রাথমিক এবং প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে অবকাঠামোর উপর যার পুনঃনির্মাণ খুব ব্যয়বহুল কাজ।
- সব চরম ঘটনাই হচ্ছে আপদ।

উল্লেখ্য,
- প্রাকৃতিক আপদ: ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, বজ্রঝড়, টর্ণেডো, বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি, খরা, নদী ভাঙ্গন ইত্যাদি।
- মানবসৃষ্ট আপদ: ভবনধ্বস, নৌ ও সড়ক দুর্ঘটনা, অগ্নিকান্ড ইত্যাদি।
- কারিগরি আপদ: বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকান্ড, শিল্প ও কলকারখানায় দুর্ঘটনা, পারমানবিক দুর্ঘটনা ইত্যাদি।

উৎস: i) ভূগোল প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২।
৬,৫০৬.
ভূমিকম্পের সংগে নিচের কোনটি সংঘটনের সম্পর্ক আছে?
  1. ক) আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত
  2. খ) সাইক্লোন
  3. গ) ঝড়
  4. ঘ) সুনামি
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুনামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুনামি
ব্যাখ্যা
সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্পের ফলেই সুনামি সংঘটিত হয়।
৬,৫০৭.
সার্বিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলতে কোন কার্যক্রমকে বুঝায়?
  1. ক) দুর্যোগপূর্ব কার্যক্রম
  2. খ) দুর্যোগকালীন কার্যক্রম
  3. গ) দুর্যোগ পরবর্তী কার্যক্রম
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
সার্বিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলতে দুর্যোগপূর্ব কার্যক্রম, দুর্যোগকালীন কার্যক্রম এবং দুর্যোগ পরবর্তী কার্যক্রমকে বুঝায়। উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই
৬,৫০৮.
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মাছ কোন দিকে স্থানান্তরিত হচ্ছে?
  1. মেরু অঞ্চলের সাগরের দিকে
  2. উষ্ণ মণ্ডলীয় অঞ্চলের দিকে
  3. সমুদ্রের গভীর অংশের দিকে
  4. নদীতে
সঠিক উত্তর:
মেরু অঞ্চলের সাগরের দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরু অঞ্চলের সাগরের দিকে
ব্যাখ্যা

• সামুদ্রিক মৎস্য ক্ষেত্রে প্রভাব:
১) বায়ুমণ্ডলে দিন দিন কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বাড়ছে ফলে বেড়ে যাচ্ছে বাতাসের ও সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা।
ফলে বাতাসের গতি প্রকৃতি বদলে যাচ্ছে, বৃষ্টির ধরন পরিবর্তন হচ্ছে। এতে করে সাগরে মাছের বিচরণ ও উৎপাদশীলতায় প্রভাব পড়ছে।
ফলে সমুদ্রের কোনো অংশে মাছের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে। আবার মাছের নিরাপদ বিচরণক্ষেত্র বলে খ্যাত কিছু এলাকা মাছশূন্য হয়ে যেতে পারে।

২) বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে মাছ উষ্ণ মণ্ডলীয় অঞ্চল থেকে মেরু অঞ্চলের সাগরের দিকে সরে যাচ্ছে।
- অনেক মাছ তার অভিপ্রায়ন (Migration) পথ, প্রজননক্ষেত্র এবং বিচরণক্ষেত্র পরিবর্তন করে ফেলছে।
- ফলে জেলেরা সুদূর অতীত থেকে যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে সমুদ্রের যে সব সামুদ্রিক এলাকায় মাছ আহরণ করতে যেত, সেগুলোর পরিবর্তন হলে জেলেরা বিপাকে পড়বে।

৩) কোরাল রীফ বা প্রবাল সামুদ্রিক মাছের উৎকৃষ্ট আবাসস্থল, যেখানে বিভিন্ন ধরনের মাছ বাস করে এবং প্রজনন ক্ষেত্র হিসাবে ব্যবহার করে।
- পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি, ঢেউয়ের তারতম্য, সমুদ্রের অম্লত্ব বৃদ্ধি, দূষণ, স্রোতের গতি পরিবর্তন ইত্যাদি কারণে প্রবাল ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। 
- এর ফলে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য তথা মৎস্য বৈচিত্র্যের উপর অত্যন্ত নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।

৬,৫০৯.
ওয়ার্ল্ড ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স অনুযায়ী, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের কত শতাংশ ভূমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে?
  1. ১৭%
  2. ২০%
  3. ১০%
  4. ২৫%
সঠিক উত্তর:
১৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭%
ব্যাখ্যা

- বৈশ্বিক উষ্ণতা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, চরম মাত্রার বন্যা-ঘূর্ণিঝড় এবং লবণাক্ততার অভিঘাত বাংলাদেশে আঘাত করছে।
- ওয়ার্ল্ড ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স অনুযায়ী, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষ ১০-এ অবস্থান করছে।
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের ১৭ শতাংশ ভূমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
- এটি দুই কোটি মানুষকে বাস্তুচ্যুত করতে পারে।
- এ ছাড়া অনিয়মিত বৃষ্টি, নদীভাঙন, খরা ও ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়ের মতো দুর্যোগ ইতিমধ্যে কৃষি, অর্থনীতি ও জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাপ): রূপকল্প ও চ্যালেঞ্জ জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ২০২২ সালে তার জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাপ) চূড়ান্ত করেছে, যাতে ১৪টি জলবায়ু ঝুঁকি চিহ্নিত করে ২০৫০ সাল পর্যন্ত ১১০টি কর্মকৌশল প্রস্তাব করা হয়েছে।

উৎস:¡) Climate Risk Index 2025. [লিঙ্ক] [লিঙ্ক]
        ¡¡) দৈনিক প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

৬,৫১০.
বাষ্পীভবন প্রক্রিয়ায় জলীয়বাষ্প কোথায় মিশে যায়?
  1. সমুদ্রে
  2. নভোমন্ডলে
  3. শিশির কণায়
  4. বায়ুমন্ডলে  
সঠিক উত্তর:
বায়ুমন্ডলে  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুমন্ডলে  
ব্যাখ্যা
• বাষ্পীভবন (Evaporation):
- নদী, হ্রদ, জলাশয় বা সমুদ্রের পানি সূর্যের তাপে বাষ্পে পরিণত হয় এবং তা বায়ুমন্ডলের মিশে যায়।
- এই জলীয়বাষ্প হালকা ফলে বায়ুমন্ডলে অদৃশ্য হয়ে যেতে সক্ষম হয়।
-  বায়ুর উষ্ণতার পরিমাণের উপর নির্ভর করে যে কতটুকু জলীয়বাষ্প ধারণ করা সম্ভব হবে।
- জলীয়বাষ্প প্রধানত সমুদ্র থেকে বাষ্পীভূত হয়।
- এছাড়াও,  নদ-নদী ও উদ্ভিদ জগতও জলীয়বাষ্পের অন্যতম উৎস।

 উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫১১.
'Blue economy' এর সাথে সম্পর্কিত -
  1. খনিজ সম্পদ
  2. সমুদ্র সম্পদ
  3. মৎস সম্পদ
  4. প্রাণীজ সম্পদ
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র সম্পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র সম্পদ
ব্যাখ্যা
সুনীল অর্থনীতি:
- সুনীল অর্থনীতি বা Blue economy হচ্ছে সমুদ্রের সম্পদনির্ভর অর্থনীতি।
- সমুদ্রের বিশাল জলরাশি ও এর তলদেশের বিভিন্ন প্রকার সম্পদকে কাজে লাগানোর অর্থনীতি।
- সমুদ্র থেকে আহরণকৃত যে কোন সম্পদ দেশের অর্থনীতিতে যুক্ত হয়, তাই সুনীল অর্থনীতির পর্যায়ে পড়বে।
- সমুদ্র পৃথিবীর অন্যতম মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ।
- বিশ্বব্যাংকের মতে, সুনীল অর্থনীতি হল ‘অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, উন্নত জীবিকা, এবং সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্য সংরক্ষণের জন্য সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহার।’
- সুনীল অর্থনীতি আমাদের এই উপলব্ধি করতে চ্যালেঞ্জ করে যে সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সীমান্ত এবং সেক্টর জুড়ে সহযোগিতার প্রয়োজন হবে।
- এটি একটি লম্বা আদেশ, বিশেষ করে ক্ষুদ্র দ্বীপ উন্নয়নশীল রাষ্ট্র (SIDS) এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলির (LDCs) জন্য যারা উল্লেখযোগ্য সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন।

উৎস: Blue Economy Definitions - the United Nations, un.org.
৬,৫১২.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান নয় কোনটি?
  1. পুনরুদ্ধার
  2. পূর্বপ্রস্তুতি
  3. প্রশমন
  4. প্রতিরোধ
সঠিক উত্তর:
পুনরুদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান।
- সুতরাং দুর্যোগকে কার্যত মোকাবেলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই এর ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।
- অতীতে দুর্যোগে সাড়াদানকেই সম্পূর্ণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে ধরে নেওয়া হতো।

অন্যদিকে,
দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে - 
- সাড়াদান,
- পুনরুদ্ধার ও
- উন্নয়ন।
এইগুলো দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান নয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৫১৩.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে বজ্রপাত ঘটে?
  1. ক) ট্রপোমন্ডল (Troposphere)
  2. খ) স্ট্রাটোমন্ডল (Stratosphere)
  3. গ) মেসোমন্ডল (Mesosphere)
  4. ঘ) তাপমন্ডল (Troposphere)
সঠিক উত্তর:
ক) ট্রপোমন্ডল (Troposphere)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ট্রপোমন্ডল (Troposphere)
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়।
যথা - ট্রপোমন্ডল, স্টার স্ট্রাটোমন্ডল, মেসোমন্ডল, তাপমন্ডল ও এক্সোমন্ডল।
- ভূ-পৃষ্ঠের নিকটতম বায়ুস্তরকে বলে ট্রপোমন্ডল। আবহাওয়া ও জলবায়ুজনিত যাবতীয় প্রক্রিয়ার বেশির ভাগ বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে ঘটে।
- মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড় ও কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৫১৪.
বাংলাদেশের কোন নদীতে ভাঙনের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) মেঘনা নদী
  2. খ) যমুনা নদী
  3. গ) পদ্মা নদী
  4. ঘ) ব্রহ্মপুত্র নদ
সঠিক উত্তর:
গ) পদ্মা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পদ্মা নদী
ব্যাখ্যা
- মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার সমীক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশের পদ্মা নদী বাংলাদেশ ও বিশ্বের সবচেয়ে ভাঙনপ্রবণ নদী।
- নাসার মতে ১৯৬৭ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত গত ৫০ বছরে পদ্মায় ৬৬০ বর্গকিমি এলাকা ভাঙনের শিকার হয়েছে।
- বিজ্ঞান সাময়িকী স্প্রিংগার নেচার এর মতে, বিগত ১০৫ বছরে পদ্মা নদী দ্বারা ভাঙনের পরিমাণ ১,৭৪৯ বর্গকিমি। একই সময়ে পদ্মায় সৃষ্ট চরের পরিমাণ ১,৩১৬ বর্গকিমি।
- গবেষণা মতে প্রতিবছর পদ্মায় ১৭ বর্গকিমি এলাকা ভাঙনের শিকার হয় এবং ১৩ বর্গকিমি চর সৃষ্টি হয়।
- চাঁদপুর, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, সিরাজগঞ্জ, ফরিদপুর, মুন্সিগঞ্জ প্রভৃতি জেলায় নদীভাঙনের পরিমাণ সর্বাধিক।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো, ১৬ আগস্ট ২০২০)
৬,৫১৫.
দেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মার দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩৩৪ কিলোমিটার
  2. ২৯৪ কিলোমিটার
  3. ৩৪১ কিলোমিটার
  4. ৩৪৫ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৩৪১ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪১ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

দীর্ঘতম নদী:
- দেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা।
- নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৪১ কিলোমিটার।
- নদীটি তিন বিভাগের ১২টি জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- প্রবেশ পথ - শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- নদীটির পতনমুখ - মেঘনা (ভেদরগঞ্জ, শরীয়তপুর)।

অন্যদিকে, 
- দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী ইছামতি। এর দৈর্ঘ্য ৩৩৪ কিলোমিটার। এই নদীটি খুলনা বিভাগের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- তৃতীয় দীর্ঘতম নদী সাঙ্গু। এর দৈর্ঘ্য ২৯৪ কিলোমিটার। এটি চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট।

৬,৫১৬.
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ কী দ্বারা গঠিত?
  1. চুনাপাথর
  2. কাদা মাটি
  3. মার্বেল ও গ্রানাইট
  4. বেলেপাথর, শেল ও কদম
সঠিক উত্তর:
বেলেপাথর, শেল ও কদম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলেপাথর, শেল ও কদম
ব্যাখ্যা
• ভূ-প্রকৃতি অনুসারে, বাংলাদেশকে তিনটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো:
→ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
→ প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ;
→ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়সমূহ টারশিয়ারি যুগের অন্তভুর্ক্ত।
- এ পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কদম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ;
খ) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫১৭.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদ কোনটি?
  1. ক) মেঘনা
  2. খ) যমুনা
  3. গ) কপোতাক্ষ
  4. ঘ) ব্ৰহ্মপুত্ৰ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্ৰহ্মপুত্ৰ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্ৰহ্মপুত্ৰ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদ হলো ব্ৰহ্মপুত্ৰ। 
ব্রহ্মপুত্র (Brahmaputra)
⇨ ব্রহ্মপদ নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এরপর এটি তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।    
⇨ এই নদ ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় মিলিত হয়েছে।
⇨ বাংলাদেশের ভিতরে এ নদের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার।
⇨ ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী।
⇨ আর প্রধান শাখানদী হলো বংশী ও শীতলক্ষ্যা। 

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,৫১৮.
What is the name of the deepest lake in the world?
  1. Caspian Sea
  2. Dead Sea
  3. Lake Baikal
  4. Lake Manasarovar
সঠিক উত্তর:
Lake Baikal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lake Baikal
ব্যাখ্যা
বৈকাল হ্রদ:
- বৈকাল হ্রদ রাশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি হলো পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ। 
- এর গভীরতা প্রায় ১৬৪২ মিটার।
- এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম হ্রদ।

অন্যদিকে,
- কাস্পিয়ান সাগর পৃথিবীর সবচেয়ে লবণাক্ত হ্রদ।
- মানস সরোবর হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত বিখ্যাত মিষ্টি পানির হ্রদ। 
- জর্ডানের ডেড সী বিশাল লবণাক্ত জলভূমি, এর পানিতে লবণাক্ততার পরিমাণ প্রায় ৩৪.২%, যা সমুদ্রের পানির চেয়ে ৮.৬ গুণ বেশি লবণাক্ত। এই অত্যধিক লবণাক্ততার কারণে সৃষ্ট প্রতিকূল পরিবেশে জলজ প্রাণীরা বসবাস ও জীবনধারণ করতে পারে না, তাই এই সাগরে কোনো প্রাণের বাস নাই বললেই চলে। এ কারণে এই জলভূমির নাম মৃতসাগর।

উৎস: World Atlas.
৬,৫১৯.
পপি উৎপাদনের ক্ষেত্রে কোন দেশগুলোকে ‘গোল্ডেন ট্রায়েঙ্গেল’ বলা হয়?
  1. ক) মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও চীন
  2. খ) মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
  3. গ) মিয়ানমার, আফগানিস্তান ও কম্বোডিয়া
  4. ঘ) ইরান, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
খ) মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
ব্যাখ্যা
• গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গলে বার্মা, চীন, লাওস এবং থাইল্যান্ডের কিছু অংশ রয়েছে।
• এটি আফিম চাষের জন্য আদর্শ পরিস্থিতি প্রদান করে, যা ১৬ এবং ১৭ শতকে শুরু হয়েছিল।
• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর হেরোইন আফিম ব্যবসার একটি প্রধান উপাদান হয়ে ওঠে এবং ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যদের দ্বারা হেরোইনের চাহিদা গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গলের আফিম অর্থনীতিকে একটি বৃহৎ এবং লাভজনক হেরোইন অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে।
• ১৯৬৪ সাল থেকে পরিচালিত শস্য নির্মূল প্রচেষ্টা কোন উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেনি।
•  বার্মিজ সরকারকে মাদক পাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তা করার জন্য যে সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছিল তা বিদ্রোহ বিরোধী অভিযানে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে বিশ্বাস করে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে।
 
উৎস: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একটি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, বিচার বিভাগ।
৬,৫২০.
বাতাসের শহর হিসেবে পরিচিত -
  1. প্যারিস
  2. ইস্তাম্বুল
  3. মেলবোর্ন
  4. শিকাগো
সঠিক উত্তর:
শিকাগো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিকাগো
ব্যাখ্যা
শিকাগো:

- শিকাগো সিটি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- ১৮৩৭ সালে শিকাগোকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি শহর করা হয়েছিল।
- মিশিগান হ্রদের তীরে এর অবস্থান।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম শহর।
- শিকাগো শহরটিকে 'বাতাসের শহর' বলা হয়।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com & Britannica.com
৬,৫২১.
'বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট' - এর অবস্থান কোন স্থানে? 
  1. চট্টগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. রাজশাহী
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI):
- বাংলা নাম: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট
- ইংরেজি নাম: Bangladesh Forest Research Institute
- সংক্ষিপ্ত নাম: বি.এফ.আর.আই (BFRI)
- নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। 
- অবস্থান: ষোলশহর, চট্টগ্রাম।
- বন ও বনজ সামগ্রীর ওপর গবেষণা পরিচালনার জন্য চট্টগ্রামের ষোলশহরে অবস্থিত একটি জাতীয় গবষেণা ইনস্টিটিউট।
- এটি মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন এজেন্সির (USAID) কারিগরি সহায়তায় ১৯৫৫ সালে পূর্ব পাকিস্তান বন গবেষণা পরীক্ষাগার (EPFRL) হিসেবে স্থাপিত হয়। 

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

৬,৫২২.
ভূত্বক প্রধানত কোন দুটি উপাদান দ্বারা গঠিত?
  1. ক) অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  2. খ) অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম
  3. গ) সিলিকন ও অক্সিজেন
  4. ঘ) লোহা ও নিকেল 
সঠিক উত্তর:
গ) সিলিকন ও অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিলিকন ও অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তা ভূত্বক নামে পরিচিত। ভূত্বের গড় গভীরতা ২০ কিমি।
ভূত্বক গঠনকারী উপাদানসমূহের মধ্যে অক্সিজেন ও সিলিকন প্রধান। ভূত্বক গঠনকারী উপাদানসমূহ:

- অক্সিজেন: ৪৬.৬ ভাগ
- সিলিকন: ২৭.৭ ভাগ
- অ্যালুমিনিয়াম : ৮.১ ভাগ
- লোহা: ৫ ভাগ
- ক্যালসিয়াম: ৩.৬ ভাগ
- সোডিয়াম: ২.৮ ভাগ
- পটাশিয়াম: ২.৬ ভাগ
- ম্যাগনেসিয়াম: ২.১ ভাগ।

তথ্যসূত্র: স্পেস ওয়েবসাইট।
৬,৫২৩.
‘পুয়ের্তোরিকো ট্রেঞ্চ’ এর অবস্থান কোথায়?
  1. ভারত মহাসাগরে
  2. প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. আটলান্টিক মহাসাগরে
  4. উত্তর মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
⇒ পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ হচ্ছে - আটলান্টিক মহাসাগর এবং ক্যারিবিয়ান সাগরের গভীরতম অংশ।

আটলান্টিক মহাসাগর:
- পৃথিবীর মোট আয়তনের পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে আটলান্টিক মহাসাগর।
- এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- এই মহাসাগরের মোট আয়তন ১০৬.৪৬ মিলিয়ন (১০৬,৪৬০,০০০) বর্গকিলোমিটার।
- এর গড় গভীরতা ১০ হাজার ৯২৫ ফুট।

- এর পশ্চিমে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ এবং পূর্বে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশ।
- উত্তর দিকে ‘উত্তর মহাসাগর’ এবং দক্ষিণে ‘দক্ষিণ মহাসাগর’।
- রহস্যঘেরা বারমুডা ট্রায়াঙ্গল (যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি সৈকত, পুয়ের্তো রিকো দ্বীপ ও বারমুডা দ্বীপের মাঝামাঝি অংশ) এই মহাসাগরেই।
- পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ আটলান্টিক মহাসাগর এবং ক্যারিবিয়ান সাগরকে পৃথক করেছে।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।
৬,৫২৪.
পৃথিবীর গভীরতম সাগর কোনটি?
  1. ক) আরব সাগর
  2. খ) ক্যারিবিয়ান সাগর
  3. গ) দক্ষিণ চীন সাগর
  4. ঘ) মেক্সিকো উপসাগর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যারিবিয়ান সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যারিবিয়ান সাগর
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ চীন সাগর - পৃথিবীর বৃহত্তম সাগর
• ক্যারিবিয়ান সাগর - পৃথিবীর গভীরতম সাগর
• মেক্সিকো উপসাগর [Gulf] -পৃথিবীর বৃহত্তম উপসাগর
• বঙ্গোপসাগর [Bay] -পৃথিবীর বৃহত্তম উপসাগর

উৎস: ওয়ার্ন্ড এটলাস।
৬,৫২৫.
বাংলাদেশের শীতলতম মাস কোনটি?
  1. নভেম্বর
  2. ডিসেম্বর
  3. জানুয়ারি
  4. ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শীতকাল:
- সাধারণত এ দেশে নভেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি মাস (কার্তিক - ফাল্গুন) পর্যন্ত সময়কে শীতকাল বলে।
- সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের পর তাপমাত্রা কমতে থাকে।
- জানুয়ারি মাসে দেশে তাপমাত্রা সর্বনিম্ন থাকে।
-  অর্থাৎ বাংলাদেশের শীতলতম মাস জানুয়ারি।

তাপমাত্রা:
আমাদের দেশে শীতকালে তাপমাত্রা সবচেয়ে কম থাকে।
- এ সময় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯° সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১° সেলসিয়াস থাকে।
- জানুয়ারি শীতলতম মাস। এই মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭° সেলসিয়াস।

বায়ু প্রবাহ:
উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আগত শীতল মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কারণে শীতকালের বাতাসের আদ্রতা অত্যন্ত কম থাকে।
- এ সময় বাতাসের সর্বনিম্ন আদ্রতা - ৩৬ ভাগ।

বৃষ্টিপাত:
শীতকালে বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত হয় না বললেই চলে।
- তবে উত্তর - পূর্ব মৌসুমি বায়ু এ সময় বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং এর ফলে কিছু কিছু অঞ্চল বিশেষত পাহাড়ি এলাকায় অল্প বৃষ্টিপাত হয়।
-  এর পরিমাণ ১০ সেন্টিমিটারের অধিক নয়।

তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ বই।
৬,৫২৬.
নিচের কোনটি ইউরেনাসের উপগ্রহ?
  1. অ্যারিয়েল
  2. ওবেরন
  3. অ্যামব্রিয়েল
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবকটি
ব্যাখ্যা
ইউরেনাস:
- ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগ অনেক শীতল।
- এই গ্রহের বায়ুতে প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস উপস্থিত হওয়ায় এটিকে সবুজ রঙের দেখা যায়।
- তাই একে সবুজ গ্রহ বলা হয়।
- এটি সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- এটিতে শনির মতো একটি বলয় রয়েছে।
- উইলিয়াম হার্শেল ১৭৮১ সালে গ্রহটি আবিষ্কার করেছিলেন।
- ইউরেনাস গ্রহের উপগ্রহ ২৭টি।
- এগুলো হলো: অ্যামব্রিয়েল, অ্যারিয়েল, ওফেলিয়া, ওবেরন, কর্ডেলিয়া, কিউপিড, ক্যালিবান, ক্রেসিডা, জুলিয়েট, টাইটানিয়া, ট্রিন্কুলো, ডেসডিমোনা, প্যাদ্রিতা, পুক, পোর্শিয়া, প্রোসপেরা, ফ্রান্সিসকো, ফার্ডিনান্দ, বিয়ান্কা, বেলিন্দা, মার্গারেট, মিরান্ডা, ম্যাব, রোসালিন্ড, সাইকোরাক্স, সেটেবস, স্টেফানো।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) NASA ওয়েবসাইট।
৬,৫২৭.
’সনোরা লাইন’ কোন দুই দেশের মধ্যে সীমারেখা? 
  1. জার্মানি ও ফ্রান্স
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
  3. পর্তুগাল ও স্পেন
  4. লেবানন ও ইসরায়েল
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
ব্যাখ্যা

সনোরা লাইন: 
- সনোরা লাইন যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যেকার একটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত রেখা। 

- এটি মেক্সিকোর সনোরা রাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা ও ক্যালিফোর্নিয়ার মধ্যে অবস্থিত। 

অপরদিকে,
- ম্যানারহেম রেখা: রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড,
- লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেন,
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- সনোরা লাইন: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৬,৫২৮.
কোনটি বায়ুর প্রধান উপাদান?
  1. হাইড্রোজেন
  2. অক্সিজেন
  3. অ্যালুমিনিয়াম
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

- বায়ুমণ্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুইটি হলো- নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন।
- বায়ুমণ্ডলে আয়তনের দিক থেকে এ দুটি গ্যাস একত্রে শতকরা ৯৮.৭৩ ভাগ এবং বাকিগুলো শতকরা ১.২৭ ভাগ।
- বায়ুর উপাদানের শতকরা হারঃ
• নাইট্রোজেন- ৭৮.০২%
• অক্সিজেন- ২০.৭১%
• আরগন- ০.৮০%
• কার্বন ডাই অক্সাইড- ০.০৩%
• জলীয় বাষ্প- ০.৪১%
• অন্যান্য গ্যাসসমূহ- ০.০২%
• ধূলিকণা ও কণিকা- ০.০১%
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৫২৯.
বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু ও বৃহত্তম পাহাড়ের অবস্থান কোন জেলায়?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এবং বৃহত্তম পাহাড় ময়মনসিংহের গারো পাহাড়।
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, পূর্ব- পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত একটি পর্বতশ্রেণী।
- গারো পাহাড় মূলত পূর্ব গারো পাহাড়, পশ্চিম গারো পাহাড় এবং দক্ষিণ গারো পাহার এই তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এবং এই অঞ্চলসমূহ এই পাহাড়ের পাদদেশীয় পালিজ সমৃদ্ধ।
- গারো পাহাড়ের উত্তর এবং উত্তর পশ্চিমে রয়েছে আসাম এবং পূর্বে মেঘালয়ে খাসি পাহাড়।
- গারো  মূলত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারোখাসি পাহাড়শ্রেণীর অন্তর্গত, মেঘালয়ের রাজধানী শিলং এখানে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- চন্দ্রনাথ পাহাড় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত হিন্দুদের জন্য তীর্থস্থান।
- কুলাউড়া পাহাড় মৌলভীবাজার,  এই পাহাড়ে ইউরেনিয়াম পাওয়া গেছে।
- চিম্বুক পাহাড় বান্দরবান অবস্থিত একটি পাহাড়, এটি  'কালা পাহাড়' বা 'পাহাড়ের রানী' নামে পরিচিত।
- জৈয়ন্তিকা পাহাড় সিলেট।
- লালমাই পাহাড়টি  কুমিল্লায় অবস্থিত।

 তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট জেলা সমূহের ওয়েবসাইট।
৬,৫৩০.
কখন ব্রহ্মপুত্র নদীখাতে পানির সর্বোচ্চ প্রবাহ সৃষ্টি হয়?
  1. এপ্রিল ও মে
  2. আগষ্ট ও সেপ্টেম্বর
  3. মার্চ ও এপ্রিল
  4. জুন ও জুলাই
সঠিক উত্তর:
জুন ও জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুন ও জুলাই
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্ষা মৌসুমে প্রচুর বৃষ্টিপাত ও পানি প্রবাহের সম্মিলিত প্রভাবে বন্যা হয়।
- জুন ও জুলাই মাসে অর্থাৎ বর্ষা মৌসুমের শুরুতে ব্রহ্মপুত্র নদীখাতে সর্বোচ্চ প্রবাহ সৃষ্টি হয়।
- অপর দিকে আগষ্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে গঙ্গার পানির সর্বোচ্চ প্রবাহ সৃষ্টি হয়।
- বাংলাদেশের প্রধান নদী দুটির পানির প্রবাহ যখন সর্বোচ্চ তখন একই সময়ে ভয়াবহ বন্যার রূপ নেয়।

উৎস: বিবিএ বাংলা, পৰিবেশ বিজ্ঞান; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৩১.
সবচেয়ে ছোট পাখীর নাম কি?
  1. ক) চড়ুই
  2. খ) শালিক
  3. গ) হামিংবার্ড
  4. ঘ) দোয়েল
সঠিক উত্তর:
গ) হামিংবার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হামিংবার্ড
ব্যাখ্যা
বিশ্বের সবচেয়ে ছোট পাখীর নাম হামিংবার্ড। উত্তর আমেরিকা মহাদেশে হামিংবার্ড পাখির উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
৬,৫৩২.
শিল্প বিপ্লবের পূর্বে বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ কত ছিল?
  1. ক) 285-290 ppmv
  2. খ) 258-290 ppmv
  3. গ) 245-285 ppmv
  4. ঘ) 255-292 ppmv
সঠিক উত্তর:
ক) 285-290 ppmv
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 285-290 ppmv
ব্যাখ্যা

- বায়ুমন্ডলে বিভিন্ন গ্রীন হাউজ গ্যাসের মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইড এর পরিমান সবচেয়ে বেশি।
- শিল্প বিপ্লবের পর বা অষ্টাদশ শতাব্দীর পর থেকে এর পরিমান বেড়েই চলছে।
- গবেষণায় দেখা গেছে বায়ুমন্ডলে কার্বন দাই অক্সাইড থাকার ফলে তাপমাত্রা বেড়েই চলছে।
-  শিল্প বিপ্লবের পূর্বে বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমান ছিল ২৮৫ থেকে ২৯০ ppmv 
- এভাবে চলতে থাকলে ২০৫০ সালে এর পরিমান বেড়ে দাঁড়াবে ৪৫০ ppmv ।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৫৩৩.
খরা এর ফলে কোন ধরনের প্রাকৃতিক পরিবর্তন হয়?
  1. মাটি শুকনো হয়ে ফেটে যায়
  2. বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হয়
  3. শিলা
  4. জমির মধ্যে পানি জমে যায়
সঠিক উত্তর:
মাটি শুকনো হয়ে ফেটে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটি শুকনো হয়ে ফেটে যায়
ব্যাখ্যা
অনাবৃষ্টি ও খরা:
- কোনো এলাকা দীর্ঘদিন বৃষ্টিহীন অবস্থা থাকলে অথবা অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হলে উক্ত এলাকাটির মাটির স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে গিয়ে শুষ্ক হয়ে পড়ে। ফলে, উক্ত এলাকার মাটি ফেটে চৌচির হয়ে যায় ও ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যায়। মাটির এরূপ অবস্থাকে খরা বলা হয়।
- বাংলাদেশের উত্তর- পূর্বাঞ্চলে অনাবৃষ্টি বা খরার প্রভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়।
- খরা উপদ্রুত অঞ্চলে কৃষিজ ফসলের উৎপাদন কমে যায়।
- উপদ্রুত অঞ্চলে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গিয়ে পানির অভাব দেখা দেয়।
- পর্যাপ্ত ফসলের অভাবে খাদ্যদ্রব্যের অভাব প্রকট হয়ে পড়ে।
- গাছপালা বিহীন শুষ্ক প্রকৃতি ও তীব্র গরমে মানুষের মধ্যে নানা ধরনের অসুখের প্রাদুর্ভাব ঘটে।
- বনজ সম্পদ বৃদ্ধি তথা অধিক বৃক্ষরোপন করে ও ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমিয়ে এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগকে কিছুটা নিয়ন্ত্রন করা যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৩৪.
পৃথিবীর অধিকাংশ মরুভূমি মহাদেশের পশ্চিমাংশে অবস্থিত কেন?
  1. ক) অয়ন বায়ুর জন্য
  2. খ) সমুদ্র বায়ুর জন্য
  3. গ) মেরু বায়ুর জন্য
  4. ঘ) পশ্চিমা বায়ুর জন্য
সঠিক উত্তর:
ক) অয়ন বায়ুর জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অয়ন বায়ুর জন্য
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রবাহ জলবায়ুকে বহুলাংশে নিয়ন্ত্রিত করে। সমুদ্র হতে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু কোনো দেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হলে সে অঞ্চলে বৃষ্টিপাত হয় এবং উত্তাপ কমে যায়। কিন্তু স্থলভাগ হতে প্রবাহিত বায়ুতে জলীয়বাষ্প থাকে না। ফলে এ শুষ্ক বায়ু যে অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হয় সে অঞ্চলে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় উত্তাপ হ্রাস পায় না। অয়ন বায়ু পূর্ব দিক থেকে পশ্চিমে প্রবাহিত হয়। ফলে সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হয়েও অয়ন বায়ু বাহিত মহাদেশের পশ্চিম উপকূলের দেশগুলোতে বৃষ্টি হয় না অথচ পূর্ব উপকূলের দেশগুলোতে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। এ কারণে অধিকাংশ মরুভূমি মহাদেশের পশ্চিমাংশে দেখা যায়। উৎসঃ ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী
৬,৫৩৫.
প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করার লক্ষ্যে দুর্যোগ পূর্ব সময়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করাকে কী বলা হয়?
  1. প্রশমন
  2. পুনরুদ্ধার
  3. পূর্বপ্রস্তুতি
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পূর্বপ্রস্তুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বপ্রস্তুতি
ব্যাখ্যা
পূর্ব প্রস্তুতি:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করার লক্ষ্যে দুর্যোগ পূর্ব সময়ে যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়, সেগুলোকে পূর্ব প্রস্তুতি বলে।

প্রশমন:
- দীর্ঘ সময়ব্যাপী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস করা এবং দুর্যোগ পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ করাকে প্রশমন বলে।
- দুর্যোগ প্রশমন কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে মজবুত ও পাঁকা ভবনসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর, বনায়ন, বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রভৃতি।

পুনরুদ্ধার:
- দুর্যোগের ফলে সম্পদ, অবকাঠামো, পরিবেশ ইত্যাদির যে ক্ষতি হয় তা পুনঃনির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগ পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে পুনরুদ্ধার বলে। এক্ষেত্রে সরকারি, বেসরকারি, স্বেচ্ছাসেবী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাহায্য ও সহায়তা প্রয়োজন হয়। যেমন- ঘরবাড়ি নির্মাণ, রাস্তাঘাট মেরামত ইত্যাদিতে অর্থ ও প্রযুক্তি যোগান।

তথ্যসূত্র - ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৩৬.
আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. চীন
  4. মেক্সিকো
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা
কানাডা: 
-  কানাডা - উত্তর আমেরিকা মহাদেশ অবস্থিত।
-  স্বাধীনতা লাভ করে - যুক্তরাজ্য থেকে (১৮৬৭ সালে)।
- কানাডার মুদ্রায় ব্রিটেনের রাণীর ছবি আছে।
- কানাডার মুদ্রার নাম - ডলার।
-  আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ - কানাডা।
-  বর্তমান প্রধানমন্ত্রী - জাস্টিন ট্রুডো।
- ম্যালপ পাতার দেশ - কানাডা।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্ট্রি।
৬,৫৩৭.
বায়ু দূষণের প্রাকৃতিক কারণ নয় কোনটি?
  1. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
  2. দাবানল ও ধূলিঝড়
  3. শিল্প-কারখানার নির্গত ধোঁয়া
  4. গ্যাসক্ষেত্রের বিস্ফোরণ
সঠিক উত্তর:
শিল্প-কারখানার নির্গত ধোঁয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প-কারখানার নির্গত ধোঁয়া
ব্যাখ্যা
• বায়ু দূষণের কারণসমূহকে দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
১. প্রাকৃতিক কারণ:
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত:
- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে নির্গত সালফার ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোঅক্সাইড, হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস প্রভৃতি বায়ুর সাথে মিশে বায়ুকে দূষিত করে।
• জৈব ও অজৈব পদার্থ:
- বিভিন্ন প্রকার জৈব ও অজৈব পদার্থের স্বাভাবিক পচনের ফলে যে গ্যাস সৃষ্টি হয় তা বায়ুকে দূষিত করে ।
দাবানল ও ধূলিঝড়:
- বিস্তৃত বনাঞ্চলে দাবানল হলে তা ব্যাপক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে বায়ুকে দূষিত করে। এছাড়া মরু এলাকায় ধূলিঝড়ও বায়ু দূষণ ঘটায়
গ্যাসক্ষেত্রের বিস্ফোরণ:
- গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ বা দুর্ঘটনাজনিত কারণে যে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে তা বায়ুকে দূষিত করে।

২. মানব-সৃষ্ট কারণ:
• তেজস্ক্রিয় পদার্থ:
- যুদ্ধক্ষেত্র অথবা পারমানবিক চুল্লিতে দুর্ঘটনার ফলে তেজস্ক্রিয় পদার্থের বিকিরণ হলে বায়ু দূষিত হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমানবিক বোমার বিস্ফোরণ।
• এছাড়াও জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, শিল্প-কারখানার নির্গত ধোঁয়া, পরিত্যক্ত বর্জ্য পদার্থের দহন, বন উজার, ইটভাটা, কীটনাশক ইত্যাদি মানব-সৃষ্ট কারণসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণ।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৩৮.
নিম্নের কোন উপজেলাটি সবচেয়ে নদীভাঙ্গন-প্রবণ?
  1. ক) বােয়ালমারী
  2. খ) নড়িয়া
  3. গ) আলমডাঙ্গা
  4. ঘ) নিকলি
সঠিক উত্তর:
খ) নড়িয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নড়িয়া
ব্যাখ্যা

শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলাটি বর্তমানে সবচেয়ে ভাঙ্গন প্রবণ উপজেলা।
- পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে পদ্মাতীরবর্তী উপজেলাটি  বসতবাড়ি, হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থাপনা।
- পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (সিইজিআইএস) হিসাবে গত সাত বছরে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার প্রায় সোয়া ১৩ বর্গকিলোমিটার এলাকা নদীতে তলিয়ে গেছে।
- এর মধ্যে ২০১১-১২ থেকে ২০১৪-১৫ সময়কাল পর্যন্ত নড়িয়াতে প্রতিবছর গড়ে আধা বর্গকিলোমিটারের বেশি এলাকা ভাঙনের শিকার হয়। এরপর থেকে ভাঙন বাড়তে থাকে। ২০১৫-১৬ সময়কালে বিলীন হয়েছে ১ দশমিক ৩ বর্গকিলোমিটার এলাকা। ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ভেঙেছে প্রায় ২ বর্গকিলোমিটার।

উল্লেখ্য,
- বোয়ালমারি ফরিদপুর জেলার একটি উপজেলা।
- আলমডাঙ্গা চুয়াডাঙ্গার একটি উপজেলা।
- নিকলি কিশোরগঞ্জের একটি উপজেলা।

উৎস: প্রথম আলো রিপোর্ট।

৬,৫৩৯.
বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা কোনটি?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
খ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস এপ্রিল এবং শীতলতম মাস জানুয়ারি,
উষ্ণতম জেলা রাজশাহী এবং শীতলতম জেলা সিলেট,
উষ্ণতম স্থান লালপুর, নাটোর এবং শীতলতম স্থান শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।
৬,৫৪০.
ইউফ্রেটিস নদীর অন্য নাম কী?
  1. দজলা
  2. ফোরাত
  3. টাইগ্রিস
  4. কারুন
সঠিক উত্তর:
ফোরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফোরাত
ব্যাখ্যা

• ইউফ্রেটিস নদী:
- ইউফ্রেটিস নদী দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার দীর্ঘতম নদী। 
- এর আরেক নাম ফোরাত।
- এর উৎপত্তি তুরস্কতে হয়ে ইরাক ও সিরিয়ার ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দজলা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- তারপর শাত ইল আরব নামে পরিচিত পারস্য উপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নদীর তীরঘেঁষা প্রধান শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে সিরিয়ার রাক্কা ও দাইর আজ জর, ইরাকের রামাদি। 

উল্লেখ্য,
- এই নদী দুটির (ইউফ্রেটিস নদী ও টাইগ্রিস নদী) অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল প্রাচীন মেসোপটেমীয় সভ্যতা।
- প্রাচীন সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয় এবং আসিরীয় সভ্যতাগুলোও এখানে বিকাশ লাভ করেছে।

তথ্যসূত্র: Britannica.

৬,৫৪১.
উভয় গোলার্ধে ২৩.৫ থেকে ৬৬.৫ অক্ষাংশ পর্যন্ত অবস্থিত অঞ্চলের জলবায়ু কী নামে পরিচিত?
  1. ক) নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু
  2. খ) উষ্ণ জলবায়ু
  3. গ) নিরক্ষীয় জলবায়ু
  4. ঘ) মৌসুমী জলবায়ু
সঠিক উত্তর:
ক) নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু
ব্যাখ্যা
নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল: 
- পৃথিবীর যেসব এলাকায় খুব বেশী শীত বা গরম আবহাওয়া থাকে না তাকে নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু অঞ্চল বলে।
- উভয় গোলার্ধে ২৩.৫ থেকে ৬৬.৫ অক্ষাংশ পর্যন্ত এ অঞ্চল অবস্থিত।
- এই নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের এক পার্শ্বে উষ্ণ মন্ডল এবং অপর পার্শ্বে হিম মন্ডল অবস্থিত।
- এই উভয় জলবায়ু অঞ্চলের প্রভাব নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের ভেতর কিছুটা বিদ্যমান রয়েছে।

সূত্র: বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৪২.
বাংলাদেশের মোট ভূমির কত শতাংশ এলাকা নিয়ে প্লাইস্টোসিনকালের সোপান সমূহ গঠিত?
  1. ক) ৮০ শতাংশ
  2. খ) ৫ শতাংশ
  3. গ) ১২ শতাংশ
  4. ঘ) ৮ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা

ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশকে ৩টি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
- টারশিয়ারী যুগের পাহাড়সমূহ,
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

বাংলাদেশের মোট ভূমির,
- ১২% টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
- ৮% প্লাইস্টোসিনকালের সোপান সমূহ এবং
- ৮০% সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৫৪৩.
অস্ট্রেলিয়ার ভৌগলিক উপনাম কী?
  1. ম্যাপল পাতার দেশ
  2. ভূমিকম্পের দেশ
  3. হাজার হ্রদের দেশ
  4. ক্যাঙ্গারুর দেশ
সঠিক উত্তর:
ক্যাঙ্গারুর দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাঙ্গারুর দেশ
ব্যাখ্যা

• ভৌগলিক উপনাম:
- অস্ট্রেলিয়া হলো ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত একটি দেশ।
- অস্ট্রেলিয়াকে ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত দ্বীপ ও বলা যায়।
- এই দ্বীপটি ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে প্রচলিত ভৌগোলিক উপনাম হলো “ক্যাঙ্গারুর দেশ” এবং “The Land Down Under”.
- দেশটিতে ক্যাঙ্গারুর প্রচুরতার কারণে অস্ট্রেলিয়াকে ক্যাঙ্গারুর দেশ বলা হয়।
- আর ডাউন আন্ডার নির্দেশ করে অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।

- এছাড়া দেশটিকে আরও কিছু নামেও ডাকা হয়-
• Straya,
• Aussie,
• the Great Southern Land,
• the Sunburnt Country,
•  the Wide Brown Land. 

অন্যদিকে,
• ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়- কানাডাকে।
• ভূমিকম্পের দেশ বলা হয়- জাপানকে।
• হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়- ফিনল্যান্ডকে।

উৎস: Britannica. 

৬,৫৪৪.
'ডেপসাং-ডেমচক' অঞ্চল নিয়ে কোন দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চলছে?
  1. ক) ভারত ও চীন
  2. খ) ভারত ও নেপাল
  3. গ) চীন ও রাশিয়া
  4. ঘ) চীন ও পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ক) ভারত ও চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভারত ও চীন
ব্যাখ্যা
সীমানা:
- 'ডেপসাং-ডেমচক' অঞ্চল নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা চলছে।
- ভারত ও চীনের সেনাবাহিনীর মধ্যে পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) বরাবর সংঘর্ষ-পূর্ববর্তী স্থিতাবস্থা বিরাজমান রয়েছে।
- দুই দেশই সামরিক ও কূটনৈতিক পরিসরে আলোচনার মধ্য দিয়ে সমস্যার দ্রুত সমাধানে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। লক্ষ্য পূরণ হওয়া পর্যন্ত দুই দেশই সীমান্তে শান্তি ও সংহতি রক্ষা করে চলবে।’
- ২০২০ সালের জুনে পূর্ব লাদাখের গলওয়ানে ভারত ও চীনের ফৌজের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটেছিল।
- গলওয়ান সংঘর্ষের পর প্যাংগং লেক, গোগরা-হট স্প্রিং, চুমুর ও গলওয়ান উপত্যকায় সেনা সরানোর পর ৩ থেকে ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ‘বাফার জোন’ বা ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ তৈরি করা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৬,৫৪৫.
নিচের কোনটি আগ্নেয় দ্বীপ?
  1. ক) লুজন
  2. খ) আবু মুসা
  3. গ) হাওয়াই
  4. ঘ) শ্রীলংকা
সঠিক উত্তর:
গ) হাওয়াই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাওয়াই
ব্যাখ্যা
- অগ্ন্যুৎপাতের ফলে উদগিরিত লাভা দ্বারা সৃষ্ট দ্বীপ হলো আগ্নেয় দ্বীপ
- এই দ্বীপটিকে আগ্নেয় দ্বীপ বলা হয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত হাওয়ায় দ্বীপপুঞ্জ একটি আগ্নেয় দ্বীপ।
- এই দ্বীপে অবস্থিত মাওনালেয়া ও মাওনাকেয়া আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের সৃষ্টি হয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা
৬,৫৪৬.
নিচের কোনটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ?
  1. আলবেনিয়া
  2. নরওয়ে
  3. বেলজিয়াম
  4. লাটবিয়া
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে
ব্যাখ্যা
• স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশসমূহ: 
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হচ্ছে ইউরোপের উত্তরাঞ্চলের একটি অঞ্চল।
- এই অঞ্চলে প্রধানত তিনটি দেশ অন্তর্ভুক্ত:
• ডেনমার্ক,
• নরওয়ে,
• সুইডেন। 

• নর্ডিক দেশসমূহ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়ার তিনটি দেশ (ডেনমার্ক, সুইডেন, নরওয়ে)+ ফিনল্যান্ড ,আইসল্যান্ড। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস। [লিঙ্ক]
৬,৫৪৭.
'বরেন্দ্রভূমি' বাংলাদেশের কোন ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
  2. পাদদেশীয় পলল সমভূমি
  3. প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
  4. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

• বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৪৮.
কোনটি সূর্যোদয়ের দেশ নামে পরিচিত?
  1. নরওয়ে
  2. জাপান
  3. তিব্বত
  4. ভুটান
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা

জাপান:
- এশিয়ার পূর্ব উপকূলে অবস্থিত দ্বীপরাষ্ট্র জাপান।
- এটি উত্তর-পূর্ব-দক্ষিণ-পশ্চিম বৃত্তে অবস্থিত এক বিশাল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- পশ্চিম উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য দিয়ে প্রায় ১,৫০০ মাইল (২,৪০০ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত।
- প্রায় সমগ্র ভূমি এলাকা দেশের চারটি প্রধান দ্বীপ দ্বারা দখল করা হয়েছে; উত্তর থেকে দক্ষিণে এগুলি হল- হক্কাইডো, হনশু, শিকোকু, এবং কিউশু।
- পূর্ব-মধ্য হোনশুতে অবস্থিত জাতীয় রাজধানী টোকিও (টোকিও) বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহরগুলির মধ্যে একটি।
- সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয় জাপানকে।

• পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম-
- বজ্রপাতের দেশ: ভুটান।
- নিশীথ সূর্যের দেশ: নরওয়ে।
- নিষিদ্ধ দেশ: তিব্বত।
- সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
- ধীবরের দেশ: নরওয়ে।
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
- নীল নদের দেশ: মিশর।
- মরুভুমির দেশ: আফ্রিকা।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- বহ্মদেশ: মিয়ানমার।
- দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন: নিউজিল্যান্ড।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
- ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬,৫৪৯.
নীল নদের উপনদী কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
নীল নদ:

- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস ।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এই নদ দুটি উপনদী নিয়ে গঠিত: সাদা নীল এবং নীল নীল।

তথ্যসূত্র- Britannica.com & Worldatlas.com
৬,৫৫০.
বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত নিচের কোন কোন দেশ দ্বারা বেষ্টিত?
  1. ভারত
  2. মিয়ানমার
  3. নেপাল
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমানা:
- বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত তিনদিকে ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৫৫১.
দেশের সর্বাধিক আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলা কোনটি?
  1. গোপালগঞ্জ
  2. চাঁদপুর
  3. চাপাইনবাবগঞ্জ
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুর
ব্যাখ্যা
সর্বাধিক আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলাসমূহ
- চাঁদপুর : ৯০ শতাংশ
- মুন্সিগঞ্জ : ৮৩ শতাংশ
- গোপালগঞ্জ : ৭৯ শতাংশ
- ফরিদপুর : ৬৫ শতাংশ
- কুমিল্লা : ৬৫ শতাংশ।
(দুর্যোগকোষ : ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়)
৬,৫৫২.
বাংলাদেশের সর্বপূর্বে অবস্থিত জেলা কোনটি?
  1. বান্দরবান
  2. সিলেট
  3. কক্সবাজার
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের

সর্ব পূর্বের:
- স্থান : আখাইনঠং
- উপজেলা : থানচি
- জেলা : বান্দরবান

সর্ব পশ্চিমের:
- স্থান : মনাকষা
- উপজেলা : শিবগঞ্জ
- জেলা : চাপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব দক্ষিণের:
- স্থান : ছেঁড়া দ্বীপ
- উপজেলা : টেকনাফ
- জেলা : কক্সবাজার

সর্ব উত্তরের:
- স্থান : বাংলাবান্দা
- উপজেলা : তেঁতুলিয়া
- জেলা : পঞ্চগড়।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
৬,৫৫৩.
পাদদেশীয় সমভূমি কী ধরনের বন্যা কবলিত হয়?
  1. জলোচ্ছাস জনিত বন্যা
  2. নদীজ বন্যা
  3. জোয়ার ভাটাজনিত বন্যা
  4. ঝটতি/আকস্মিক বন্যা
সঠিক উত্তর:
নদীজ বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদীজ বন্যা
ব্যাখ্যা
পাদদেশীয় সমভূমি নদীজ বন্যা কবলিত হয়।

পাদদেশীয় সমভূমি:

- পাহাড়ী নদী দ্বারা পর্বতের ঢাল হতে ক্ষয়প্রাপ্ত নানা আকৃতির প্রস্তর ও শিলাখন্ড, কাঁকর, নুড়ি ও বালুকণা প্রভৃতি পর্বতের পাদদেশে সঞ্চিত হয়। এভাবে নদী দ্বারা অবক্ষেপণের ফলে পর্বতের পাদদেশে যে সমভূমির সৃষ্টি হয় তাকে পাদদেশীয় সমভূমি বলে যেমন- বাংলাদেশের দিনাজপুর এবং রংপুর জেলার অধিকাংশই পাদদেশীয় সমভূমি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৫৪.
নিম্নলিখিত কোনটি সঞ্চয়জাত সমভূমির উদাহরণ?
  1. উত্তর আমেরিকার হাডসন উপসাগর তীরবর্তী সমভূমি 
  2. নদীর পলিগঠিত সমভূমি
  3. উত্তর-পশ্চিম ইউরোপে অবস্থিত সমভূমি 
  4. আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব তীরে অবস্থিত সমভূমি 
সঠিক উত্তর:
নদীর পলিগঠিত সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদীর পলিগঠিত সমভূমি
ব্যাখ্যা

নদীর পলি ও বালু দীর্ঘদিন ধরে জমে নদী সমভূমি তৈরি করে- যা সঞ্চয়জাত সমভূমির অন্তর্গত। 
--------------------------
• সমভূমি: 
- সমভূমি হলো সমুদ্র সমতলের কাছাকাছি বা সমতুল্য উচ্চতায় বিস্তৃত ভূমি, তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি কয়েকশ মিটার উচ্চতাতেও থাকতে পারে। 
- এ ধরনের ভূমিতে সাধারণত মৃদু ঢাল, ছোট টিলা, পাহাড় বা নদী উপত্যকা দেখা যায়। 
- পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় অর্ধেকই সমভূমি দ্বারা গঠিত। 
- সমভূমি এশিয়া, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি, আর আফ্রিকায় অপেক্ষাকৃত কম। 
- ইউরেশিয়ার উত্তরাংশে বিশ্বের বৃহত্তম সমভূমি অবস্থিত।

- সমভূমির বৈশিষ্ট্য হলো- 
- সাধারণত কোনো খাড়া ঢাল, 
- উচ্চভূমি বা নিম্নভূমি থাকে না, যদিও সামান্য উঁচু-নিচু থাকতে পারে। 
- এগুলি মহাদেশের সীমান্ত, মহাসাগরের তীরে বা অভ্যন্তরীণ অঞ্চলেও দেখা যায়।

- সমভূমিকে অবস্থান ও গঠনের ভিত্তিতে প্রধান কয়েক প্রকারে ভাগ করা যায়:
- ক্ষয়জাত সমভূমি। 
- হৈমবাহিক সমভূমি। 
- সঞ্চয়জাত সমভূমি। 
- কার্স্ট সমভূমি। 
------------------------------
সঞ্চয়জাত সমভূমি: 
- নদী, হিমবাহ বা বায়ুর মাধ্যমে ক্ষয়প্রাপ্ত পলিমাটি, বালি, কাদা ও নুড়ি নিচু স্থানে জমে উর্বর সমভূমি তৈরি করে।
- এ ধরনের সমভূমি অত্যন্ত উর্বর এবং জনবসতিপূর্ণ হয়।
- উদাহরণ:
নদীর পলিগঠিত সমভূমি,
• উপকূলীয় সমভূমি,
• প্লাবন সমভূমি,
• লোয়েস সমভূমি,
• হিমবাহ সমভূমি,
• লাভার সমভূমি।
-----------------------------------
উল্লেখ্য, 
• ক্ষয়জাত সমভূমি:
- দীর্ঘ সময় ধরে বায়ু, জলপ্রবাহ, বৃষ্টি বা হিমবাহের কারণে উচ্চভূমি ক্ষয় হয়ে নিম্নভূমিতে পরিণত হলে এ ধরনের সমভূমি তৈরি হয়।
- উদাহরণ:
- ইউরোপের ফিনল্যান্ড ও উত্তর আমেরিকার হাডসন উপসাগর তীরবর্তী সমভূমি ক্ষয়জাত সমভূমির অন্তর্গত। 

• হৈমবাহিক সমভূমি:
- হিমবাহের প্রবাহ ভূমি ক্ষয় করে এবং সঙ্গে যে শিলা, কাঁকর ও পাথর আসে তা নিচে সঞ্চিত হয়ে সমভূমি তৈরি করে।
- উদাহরণ:
- এই ধরনের সমভূমি দেখা যায়- উত্তর-পশ্চিম ইউরোপ, ফিনল্যান্ড, পূর্ব কানাডা, সুইডেন।

• কার্স্ট সমভূমি: 
- কার্স্ট সমভূমি হলো চুনাপাথরের বিস্তৃত অঞ্চলে গঠিত সমভূমি, যা ভূ-গর্ভস্থ জলধারার ক্রিয়াশীলতার মাধ্যমে তৈরি হয়।
- এ ধরনের সমভূমি মূলত চুনাপাথরের ক্ষয়প্রক্রিয়ার ফলে সৃষ্টি হয় এবং
- এটি ভূ-গর্ভস্থ গুহা, চুনাপাথরের গর্ত বা কূপের মাধ্যমে ভূ-প্রকৃতিতে বিশেষ বৈশিষ্ট্যযুক্ত হয়।
- উদাহরণস্বরূপ-
- যুগোশ্লোভিয়ার কার্স্ট অঞ্চল যা আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব তীরে অবস্থিত

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬,৫৫৫.
কোনটি পাললিক শিলা?
  1. ডলোমাইট
  2. মার্বেল
  3. কোয়ার্টজাইট
  4. গ্রানাইট
সঠিক উত্তর:
ডলোমাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডলোমাইট
ব্যাখ্যা
পাললিক শিলা:
- পাললিক শিলা কথাটি এসেছে 'পলি' বা 'পলল' থেকে।
- পাললিক শিলা হলো এক প্রকারের শিলা যা ছোট ছোট কণা জমে বা জমা করে এবং পরবর্তীকালে পৃথিবীর পৃষ্ঠে সমুদ্রের তলে বা জলের অন্যান্য দেহের খনিজ বা জৈব কণার সিমেন্টেশন দ্বারা গঠিত হয়।
- কংগ্লোমারেট, ব্রেকসিয়া, গ্রেওয়েক, বেলেপাথর, কাদাপাথর, কোয়ার্টজ, ডলোমাইট, ক্যালসাইট, জিপসাম, কয়লা, চুনাপাথর ইত্যাদি পাললিক শিলার উদাহরণ।

⇒ পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য:
১। পাললিক শিলা স্ফটিকাকার নয়;
২। পাললিক শিলায় জীবাশ্ম পাওয়া যায়;
৩। পাললিক শিলা স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়;
৪। পাললিকা শিলা হালকা, ভঙ্গুর ও তরঙ্গ বিশিষ্ট।

অন্যদিকে -
- আগ্নেয় শিলা: গ্রানাইট।
- রূপান্তরিত শিলা: মার্বেল, কোয়ার্টজাইট।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৫৬.
কোন নদীটি সিকিমের পাহাড়ি এলাকা থেকে উৎপত্তি?
  1. তিস্তা
  2. পদ্মা
  3. ব্রহ্মপুত্র
  4. করতোয়া
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
ব্যাখ্যা

তিস্তা (Teesta): 
- তিস্তা নদী বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী।
- উৎপত্তিস্থল: সিকিমের পর্বত অঞ্চল।
- এটি ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী।
- তিস্তা সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি বিভাগের প্রধান নদী।
- একে সিকিম ও উত্তরবঙ্গের জীবনরেখাও বলা হয়।
- সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর বাংলাদেশে প্রবেশ করে তিস্তা ব্রহ্মপুত্র নদের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

⇒ বিভিন্ন নদীর উৎপত্তিস্থল:
- পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল গঙ্গা নামে হিমালয় পর্বতের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ।
- মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল আসামের লুসাই পাহাড়।
- যমুনা নদীর উৎপত্তিস্থল ব্ৰহ্মপুত্ৰ নামে কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ।
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল মিজোরামের লুসাই পাহাড়।
- করতোয়া নদী ভুটান সীমান্তের উত্তরে হিমালয় পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন হয়ে বিভিন্ন উপনদীর জলধারা বক্ষে ধারণ করে পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- সাঙ্গু নদীর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড়।
- হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল খাগড়াছড়ির বাদানাতলী পর্বতশৃঙ্গ।
- মহানন্দা নদীর উৎপত্তিস্থল মহালড্রীম, দার্জিলিং।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) ভূগোল ১ম পত্র ,এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৫৫৭.
কোন শিলায় জীব ও প্রাণির ধ্বংসাবশেষ থাকে?
  1. আগ্নেয়
  2. পাললিক
  3. রূপান্তরিত
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পাললিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাললিক
ব্যাখ্যা
• পাললিক শিলা:
→ পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে পাললিক শিলা  বলে।

• পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ - 
পাললিক শিলায় জীব ও প্রাণির ধ্বংসাবশেষ থাকে।
→  পাললিক শিলা স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়।
→  পাললিক শিলাস্তরে জীবাশ্মের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। যে সকল জীব এই শিলাঞ্চলে বাস করে তাদের মৃতদেহ কালক্রমে পলির নিচে চাপা পড়ে। এর ফলে এদের দেহের কঠিন অংশ প্রস্তরীভূত হয়ে জীবাশ্মে পরিণত হয়।
→ পাললিক শিলা স্ফটিকাকার নয়।
→  পাললিকা শিলা হালকা, ভঙ্গুর ও তরঙ্গ বিশিষ্ট।

• জৈবিক উপায়ে গঠিত পাললিক শিলা:
→ উদ্ভিদ বা প্রাণির দেহাবশেষজাত পলি থেকে এ শিলার উৎপত্তি হয়।
→  চুনাপাথর এ জাতীয় শিলা। জলজ পরিবেশে অতীতে যে গাছ ছিল তা ভূ-প্রাকৃতিক কারণে ভূ-অভ্যন্তরে চাপা পড়ে যায় এবং ওপরের পলির প্রচন্ড চাপে এর পরিবর্তন হয় এবং কালক্রমে কয়লায় পরিণত হয়।
→  বাংলাদেশের জামালগঞ্জের কয়লা এবং গোপালগঞ্জের পিট কয়লা এ জাতীয় শিলার উদাহরণ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৫৮.
প্লাইস্টোসিনকালের বৃহত্তম উচ্চভূমি কোনটি?
  1. ক) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  2. খ) বরেন্দ্রভূমি
  3. গ) সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) বরেন্দ্রভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বরেন্দ্রভূমি
ব্যাখ্যা
• বরেন্দ্রভূমি:
- রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের রংপুর, গাইবান্ধা ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- এ- টি বঙ্গ অববাহিকায় প্লাইস্টোসিনকালের সর্ববৃহৎ উচ্চভূমি
- প্লাবন সমভূমি থেকে বরেন্দ্রভ‚মির গড় উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এ অঞ্চলের মৃত্তিকা অসমতল।
- বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ উচ্চভূমি কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে।
- ধান এখানকার প্রধান কৃষিজ ফসল। এছাড়া পাট, ভ্ট্টুা প্রভৃতি উৎপন্ন হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৫৯.
আরব মালভূমির স্থানীয় বায়ুর নাম কী?
  1. সিরক্কো
  2. সাইমুম
  3. চিনুক
  4. খামসিন
সঠিক উত্তর:
সাইমুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইমুম
ব্যাখ্যা
স্থানীয় বায়ু (Local Wind):
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য কিংবা তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে ভূপৃষ্ঠের স্থানে স্থানে স্থানীয় বায়ুর উৎপত্তি হয়।
- রকি পর্বতের চিনুক (Chinook), ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল (Mistral), আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু (Pampero), আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা (Bora), উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরক্কো (Sirocco), আরব মালভূমির সাইমুম (Simoom), মিসরের খামসিন (Khamsin) ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু (Loo) কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৬,৫৬০.
উপগ্রহ ও রাডার চিত্রের মাধ্যমে কী করা হয়?
  1. পূর্বাভাস ও আগাম সতর্কীকরণ
  2. নদী খনন
  3. বাঁধ নির্মাণ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পূর্বাভাস ও আগাম সতর্কীকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বাভাস ও আগাম সতর্কীকরণ
ব্যাখ্যা

উপকূলীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- বাংলাদেশের উপকূল (৭১৬ কি.মি.) অঞ্চল সমুদ্র সমতলের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙন ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ দ্বারা অনবরত ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ফলে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসরত অসংখ্য নিম্নআয়ের মানুষ প্রতিনিয়ত নানা ধরনের দুর্যোগ দ্বারা বিপদাপন্ন অবস্থায় পতিত হচ্ছে। অতএব সুষ্ঠু দুর্যোগ মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উপকূলীয় জনগণের দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা (দুর্যোগ মোকাবেলার ক্ষমতা) বৃদ্ধি ও পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

⇒ উপকূলীয় অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনার কতিপয় পন্থা সম্পর্কে বর্ণনা করা হল:
• আবহাওয়ার তথ্যভিত্তিক পূর্বাভাস ও সর্তীকরণ যথা সময়ে প্রচার করা। 
• বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পারসো-এর মাধ্যমে ভূ-উপগ্রহের চিত্র ও রাডার চিত্রের সাহায্যে উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে পূর্বাভাস ও আগাম সতর্কীকরণের ব্যবস্থার উন্নয়ন করা।
• পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র হতে বন্যা সংক্রান্ত পূর্বাভাস প্রচার ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করা।
• ঘূর্ণিঝড় পূর্ব ও পরবর্তি সংকেত দান, সতর্কীকরণ, উদ্ধার ও পূর্ণর্বাসন ইত্যাদি কাজে সরকারি সংস্থা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচী (সিপিপি)-এর কার্যক্রমের আওতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
• বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন সংস্থা কর্তৃক দুর্যোগ সংক্রান্ত সংকেতসমূহ প্রচারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৫৬১.
আমাজন নদী কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. আফ্রিকা
  2. এশিয়া 
  3. দক্ষিণ আমেরিকা
  4. ইউরোপ
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

আমাজন নদী (Amazon River):
- এটি দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত।
- পেরুর আন্দিজ পর্বতমালা আমাজন নদীর উৎস
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৭,০৬২ কিলোমিটার।
- আমাজন নদী বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- এই নদী জাগুয়ার, প্যারাট এবং অগণিত প্রজাতির মাছ, উদ্ভিদ ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল।
- পৃথিবীর মোট নদীর পানিপ্রবাহের প্রায় ২০% আমাজন নদী নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম জলাধার নদী এবং দক্ষিণ আমেরিকার প্রাণভোমরা হিসেবে পরিচিত।
- আমাজন নদী বন উজাড়, জলদূষণ ও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া হেকে রক্ষা করে।
- এটি ৬টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে- 
- ব্রাজিল,
- পেরু,
- কলম্বিয়া,
- ভেনেজুয়েলা,
- ইকুয়েডর,
- বোলিভিয়া।

উৎস: ব্রিটানিকা ও worldatlas।

৬,৫৬২.
'United Nations Office for Disaster Risk Reduction' এর সদরদপ্তর -
  1. ক) ভিয়েনা
  2. খ) লন্ডন
  3. গ) নাইরোবি
  4. ঘ) জেনেভা
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেনেভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেনেভা
ব্যাখ্যা
• United Nations Office for Disaster Risk Reduction (UNDRR) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৯ সালে।
- এটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে জাতীয় কর্মকৌশল বাস্তবায়ন।
- এর সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।

উৎস: UNDRR'র ওয়েবসাইট।
৬,৫৬৩.
বাংলাদেশের উত্তর সীমান্তে ভারতের কোন রাজ্যটি অবস্থিত নয়? 
  1. পশ্চিমবঙ্গ
  2. মেঘালয় 
  3. ত্রিপুরা
  4. আসাম 
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা

- ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যটি বাংলাদেশের উত্তর সীমান্তে অবস্থিত নয়।
- ত্রিপুরা রাজ্যটি বাংলাদেশের পূর্বে অবস্থিত। 

• বাংলাদেশের সীমানা: 

• বাংলাদেশের উত্তরে→  ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য;
• পূর্বে→ আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য ও মিয়ানমার; 
• দক্ষিণে→  বঙ্গোপসাগর;
• পশ্চিমে→  ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৬,৫৬৪.
ভূপৃষ্ঠের ওপর বায়ুর সমচাপ বিশিষ্ট স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তাকে কী বলে?
  1. Isotherm line
  2. Isobar line
  3. Isohyet line
  4. Isohpress line
সঠিক উত্তর:
Isobar line
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Isobar line
ব্যাখ্যা

সমরেখ পদ্ধতি:
- পরিমাণগত বা ঘনত্ব জ্ঞাপক একই মান বিশিষ্ট বিভিন্ন স্থানকে মানচিত্রের উপর যে রেখা দ্বারা যোগ করা হয় সেই রেখাকে সমমান রেখা বা Isopleth line বলে।
- এ রেখা সমমান বিশিষ্ট অঞ্চলের ওপর দিয়ে টানা হয়।
- প্রকৃতিক বিষয় আবহাওয়া, জলবায়ু ইত্যাদি সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের উপাত্ত প্রদর্শনের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- যেমন- সমতাপ বা সমোষ্ণরেখা, সমচাপ রেখা, সমবর্ষণ রেখা এবং সমোষ্ণ রেখা।

• সমোষ্ণ রেখা (Isotherm line):
- ভূপৃষ্ঠের ওপর সমান তাপ বিশিষ্ট স্থানগুলোকে মানচিত্রের ওপর যে রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয় সে রেখাকে সমোষ্ণ রেখা বলে।

• সমচাপ রেখা (Isobar line):
- ভূপৃষ্ঠের ওপর বায়ুর সমচাপ বিশিষ্ট স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তাকে সমচাপ রেখা (Isobar line) বলে।

সমবর্ষণ রেখা (Isohyet line):
- সম বৃষ্টিপাত যুক্ত স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তাকে সমবর্ষণ রেখা বলে।
- সমান উচ্চতা বিশিষ্ট স্থানগুলোকে মানচিত্রের ওপর যে রেখা দ্বারা যোগ করা হয় তাকে সমোচ্চ রেখা বলে।
- এ সমস্ত রেখা কাল্পনিক।

উৎস: ব্যবহারিক ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৫৬৫.
আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড (এএফসিসিএল) কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি?
  1. ক) অ্যামোনিয়া
  2. খ) সুপার ফসফেট
  3. গ) টিএসপি
  4. ঘ) ইউরিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
- আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিমিটেড দেশের অন্যতম ইউরিয়া সার কারখানা।
- রাজধানী ঢাকা হতে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে মেঘনা নদীর পূর্ব তীরে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার আশুগঞ্জে এ কারখানা অবস্থিত।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার অব্যবহিত পরে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় আশুগঞ্জে একটি ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
- ১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী (এএফসিসি) নামে এ কারখানা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী রূপে যাত্রা শুরু করে। 

উৎস: afccl.portal.gov.bd
৬,৫৬৬.
কোনটিকে ইউরোপের ককপিট বলা হয়?
  1. তুর্কিয়ে
  2. ব্রিটেন
  3. জার্মানি
  4. বেলজিয়াম
সঠিক উত্তর:
বেলজিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
- প্রায়ই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে এরুপ স্থানকে ককপিট বলা হয়। 
- বেলজিয়ামকে ইউরোপের ককপিট বা ইউরোপের সমরক্ষেত্র বা রণক্ষেত্র বলা হয়।
- কারণ এখানে বিখ্যাত ওয়াটুর লু যুদ্ধসহ অনেক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।
এছাড়া,
- তুর্কিয়ে কে ইউরোপের রুগ্ন মানুষ এবং
- ব্রিটেনকে সমুদ্রের বধু বলা হয়।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৬,৫৬৭.
বিশ্বের উচ্চতম পর্বত কোনটি?
  1. মাউন্ট এলবুজ
  2. কাঞ্চনজঙ্ঘা
  3. মাউন্ট এভারেষ্ট
  4. কিলিমাঞ্জারো
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট এভারেষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট এভারেষ্ট
ব্যাখ্যা

মাউন্ট এভারেষ্ট:
- বিশ্বের উচ্চতম পর্বত মাউন্ট এভারেষ্ট।
- মাউন্ট এভারেস্ট, দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত।
- এটি নেপাল এবং চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের সীমান্তে অবস্থিত। 
- এর উচ্চতা ২৯,০৩২ ফুট (৮,৮৪৯ মিটার)।

অন্যদিকে,
- আফ্রিকা মহাদেশটির সর্বোচ্চ স্থান কিলিমাঞ্জারো (৫,৯৬৩ মিটার)।
- আফ্রিকা এবং ইউরোপ মহাদেশকে পৃথক করেছে ভূ-মধ্যসাগর।
- ইউরোপ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান মাউন্ট এলবুর্জ (৫,৬৩৩ মিটার)।

 উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

৬,৫৬৮.
সর্বপ্রথম সামাজিক বনায়ন শুরু হয় কবে?
  1. ১৯৬২ সালে
  2. ১৯৬৬ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে চট্টগ্রাম জেলার বেতাগী ও পোমরাতে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম শুরু হয়।
এরপর ১৯৮১-৮২ সালে উত্তরবঙ্গের বৃহত্তর ৭টি জেলায় সরকারী বনভূমিতে কমিউনিটি ফরেষ্ট্রী প্রকল্পের মাধ্যমে জনগণের অংশগ্রহণে অংশীদারিত্বমূলক সামাজিক বনায়নের প্রচলন করে।
বর্তমান পর্যন্ত সামাজিক বনায়নের আওতায় ৯৯,৩১৪ হেক্টর জমি এবং ৭৩,২২৩ কিলোমিটার বাগান সৃজন করা হয়েছে। উপকূলীয় বনায়ন কর্মসূচি শুরু হয় ১৯৬৬ সাল থেকে।
(উৎসঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৬,৫৬৯.
রাফাহ ক্রসিং সংলগ্ন মরুভূমি কোনটি?
  1. পশ্চিম মরুভূমি
  2. গিলফ কেবির মরুভূমি
  3. সিনাই মরুভূমি
  4. সাহারা মরুভূমি
সঠিক উত্তর:
সিনাই মরুভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনাই মরুভূমি
ব্যাখ্যা
রাফা ও রাফা ক্রসিং
- গাজার সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত, মিশর আর গাজা ভূখণ্ডের মধ্যে একমাত্র সীমান্ত পারাপারের পথ রাফাহ ক্রসিং।
- এটি সিনাই মরুভূমি সংলগ্ন একটি সীমান্ত পথ।
- গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফা।
- রাফা ক্রসিং ছিল একমাত্র পথ যেখান দিয়ে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থেকে বাকি বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেতেন গাজার ফিলিস্তিনিরা।
- রাফাহ ক্রসিং ছাড়াও স্থলপথে গাজার আরও দুটি ক্রসিং রয়েছে। একটি কেরেম শালম ক্রসিং, আরেকটি বেইত হানুন বা ইরেজ ক্রসিং।
- এই দুটি ক্রসিং ব্যবহৃত হতো শুধু পণ্য পরিবহনে। যেগুলো পুরোপুরি ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে এবং দুটোই এখন বন্ধ।
- এর বাইরে গাজার সাথে ইসরায়েলের আরও চারটি ক্রসিং থাকলেও গত ১০/১৫ বছর ধরেই সেগুলো বন্ধ রয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- গত ৭ই অক্টোবর, ২০২৩ গাজার উত্তরাঞ্চলের ইরেজ সীমান্ত দিয়ে ইসরায়েলে আক্রমণ করে হামাস।
- হামাস ইসরায়েলে হামলা চালানোর সময় থেকেই ইসরায়েলের সাথে গাজার দুটি ক্রসিং বন্ধ করে দেয়া হয়।
- খোলা থাকে শুধুমাত্র রাফাহ ক্রসিং। এমন অবস্থায় রাফাহ ক্রসিং হয়ে উঠেছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষদের গাজা ছেড়ে যাওয়া এবং ভয়াবহ এই সংকটকালে গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর একমাত্র স্থলপথ।

অন্যদিকে,
- মিশরের পশ্চিম মরুভূমি হল সাহারার একটি এলাকা যা নীল নদের পশ্চিমে লিবিয়ার সীমান্ত পর্যন্ত এবং দক্ষিণে ভূমধ্যসাগর থেকে সুদানের সীমান্ত পর্যন্ত অবস্থিত।
- গিলফ কেবির হল মিশর এবং লিবিয়ার সীমান্তে একটি মালভূমি।
- সাহারা মরুভূমি হলো বিশ্বের বৃহত্তম গরম মরুভূমি এবং অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিকের পরে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি। আফ্রিকার ১১ টি দেশের সীমানাজুড়ে সাহারা মরুভূমি। উত্তর আফ্রিকার একটি বড় অংশ জুড়ে আধিপত্য। মিশর, মরক্কো, আলজেরিয়া, লিবিয়া, নাইজার, মালি, পশ্চিম সাহারা, তিউনিসিয়া, মৌরিতানিয়া, ইরিত্রিয়া, সুদানের অংশে রয়েছে এই মরুভূমি।

তথ্যসূত্র - The Daily Star, Britannica.
৬,৫৭০.
দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত ফ্রান্সের অধীনে থাকা দ্বীপ কোনটি?
  1. গুয়াম
  2. নিউ ভার্জিন আইল্যান্ডস্‌
  3. কুক আইল্যান্ডস্‌
  4. নিউ ক্যালিডোনিয়া
সঠিক উত্তর:
নিউ ক্যালিডোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউ ক্যালিডোনিয়া
ব্যাখ্যা
- গত প্রায় ১৭০ বছর ধরে (১৮৫০ সাল থেকে) দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত নিউ ক্যালিডোনিয়া দ্বীপটি ফ্রান্সের অধীনে রয়েছে।
- ৪ অক্টোবর, ২০২০ সালে ফ্রান্সের অধীনে থাকা দ্বীপ “নিউ ক্যালিডোনিয়া” - তে স্বাধীনতার প্রশ্নে দ্বিতীয়বারের মত গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে ভোট দেওয়া ৫৩% মানুষ ফ্রান্সের অধীনে থাকার পক্ষে ভোট দেয়।
উৎস: গার্ডিয়ান প্রতিবেদন।
৬,৫৭১.
ভারতের সাথে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ক) ৩,৭১৫ কিলোমিটার
  2. খ) ৩,৯৯৫ কিলোমিটার
  3. গ) ৪,০১৩ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৪,৩২০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
ক) ৩,৭১৫ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩,৭১৫ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য : ৪,৭১১ কি.মি.
- স্থল সীমান্ত : ৩,৯৯৫ কি.মি.
- সমুদ্রতট : ৭১৬ কি.মি.
- ভারতের সাথে স্থলসীমান্ত : ৩,৭১৫ কি.মি.
- মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত : ২৮০ কি.মি.।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,৫৭২.
বাংলাদেশের শীতলতম মাস কোনটি?
  1. নভেম্বর
  2. জানুয়ারি
  3. ডিসেম্বর
  4. ফেব্রুয়ারী
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
শীতলতম:
- বাংলাদেশের শীতলতম মাস জানুয়ারি।
- বাংলাদেশের শীতলতম জেলা সিলেট।
- বাংলাদেশের শীতলতম স্থান শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান লালপুর, নাটোর।
- বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা রাজশাহী।
- বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস এপ্রিল।

তথ্যসূত্র - বাংলিপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৫৭৩.
‘দেবতাখুম’ কোথায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙামাটি
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
দেবতাখুম:
- 'খুম' অর্থ হচ্ছে জলাধার।
- দেবতাখুম (Debotakhum) বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলায় অবস্থিত। 
- দেবতাখুম মূলত তারাছা নামের একটি খালের অংশ, যার দুই পাশে পাহাড় দিয়ে ঘেরা এবং গভীর পানির পাথুরে জায়গা।
- স্থানীয়দের মতে, খুমের দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০০-৬০০ ফুট এবং এই খুমের কিছু জায়গা প্রায় ৫০ ফুট গভীর।
- এই খুমের দুইপাশে রয়েছে বিশাল জঙ্গল।
- উঁচু পাহাড়ের কারণে খুমের ভিতর সরাসরি সূর্যের আলো পৌঁছায় না, তাই খুমের যত ভিতরে যাওয়া যায় ততই শীতল মনে হয়।
- দেবতাখুম বান্দরবানের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটক কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৫৭৪.
বাংলাদেশে খরার জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল কোনটি?
  1. ক) উত্তরাঞ্চল
  2. খ) উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
  3. গ) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল
  4. ঘ) দক্ষিণাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
খ) উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল খরার জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
-  এ অঞ্চলের রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর প্রভৃতি জেলা খরার জন্যে অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- অনাবৃষ্টি, দীর্ঘদিন শুষ্ক আবহাওয়া, বৃষ্টিপাত অপেক্ষা বাষ্পীভবন ও প্রস্বেদনের হার অধিক হলে সাধারণত খরা দেখা দেয়।

উৎস: মাধ্যমিক সাধারণ বিজ্ঞান
৬,৫৭৫.
ট্রপোমন্ডল বায়ুমন্ডলের ওজনের শতকরা কত ভাগ বহন করে?
  1. ক) ৬০
  2. খ) ৬৫
  3. গ) ৭০
  4. ঘ) ৭৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭৫
ব্যাখ্যা
ট্রপোমন্ডল:
- ট্রপোমন্ডল ভূ-পৃষ্ঠ হতে নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় ১৬-১৯ কিলোমিটার এবং মেরু অঞ্চলে প্রায় ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ট্রপোস্ফিয়ারের উর্ধ্বসীমাকে ট্রপোপজ বলে যার গভীরতা অনেক কম।
- এই স্তরে উচ্চতা যত বাড়তে থাকে বায়ুর ঘনত্ব ও উষ্ণতা ততই কমতে থাকে।
- ট্রপোমন্ডলে সাধারণত প্রতি ১,০০০ মিটার উচ্চতায় ৬° সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমে যায়।
- ট্রপোমন্ডলের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাতাসের গতিবেগ বেড়ে যায় ও নিচের দিকের বাতাসে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতি বেশি পাওয়া যায়।
- এ স্তরেই আবহাওয়া ও জলবায়ুজনিত সকল প্রক্রিয়া সাধারণত ঘটে।
- ট্রপোমন্ডলে ধূলিকণা থাকে এবং বায়ুমন্ডলের ওজোনের শতকরা ৭৫ ভাগ এই স্তর বহন করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৫৭৬.
ভৌগোলিক দিক বিবেচনায় পৃথিবীর সমগ্র ভূমিরূপকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর প্রধান ভূমিরূপ:
- ভূপৃষ্ঠ সর্বত্র সমান নয়। এর আকৃতি, প্রকৃতি এবং গঠনগত বেশ কিছু পার্থক্য আছে।
- ভূমির এই আকৃতি ও গঠনগত বৈশিষ্ট্যকেই ভূমিরূপ বলে।
- ভূপৃষ্ঠের কোথাও রয়েছে উঁচু পর্বত, কোথাও সমতল, কোথাও পাহাড় এবং কোথাও মালভূমি।
- এছাড়া বিভিন্ন স্থানের উচ্চতা, বন্ধুরতা এবং ঢালের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
- ভৌগোলিক দিক দিয়ে বিচার করলে পৃথিবীর সমগ্র ভূমিরূপকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
(১) পর্বত,
(২) মালভূমি ও
(৩) সমভূমি।

পর্বত (Mountains):
- সমুদ্রতল থেকে অন্তত ১,০০০ মিটারের বেশি উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।
- সাধারণত ৬০০ থেকে ১,০০০ মিটার উঁচু স্বল্প বিস্তৃত শিলাস্তূপকে পাহাড় বলে।

মালভূমি (Plateaus):
পর্বত থেকে নিচু কিন্তু সমভূমি থেকে উঁচু খাড়া ঢালযুক্ত ঢেউ খেলানো বিস্তীর্ণ সমতলভূমিকে মালভূমি বলে।

সমভূমি (Plains):
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অল্প উঁচু মৃদু ঢালবিশিষ্ট সুবিস্তৃত ভূমিকে সমভূমি বলে।
- বিভিন্ন ভূপ্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেমন- নদী, হিমবাহ ও বায়ুর ক্ষয় ও সঞ্চয়ক্রিয়ার ফলে সমভূমির সৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৬,৫৭৭.
নিচের কোনটি জলবায়ুর নিয়ামক হিসেবে বিবেচিত নয়?
  1. দ্রাঘিমারেখা
  2. সমুদ্রস্রোত
  3. বায়ুপ্রবাহ
  4. অক্ষাংশ
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
- দ্রাঘিমারেখা জলবায়ুর নিয়ামক নয়। 

জলবায়ুর নিয়ামক:

- সময় প্রবাহ জলবায়ুর নিয়ামক নয়।
- কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরে গড় আবহাওয়ার অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
- আবহাওয়া অফিস গুলোতে অনেকদিনের আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান গুলোকে পর্যবেক্ষণ করে জলবায়ু সম্পর্কে ধারনা করা হয়।
- পৃথিবীর সব স্থানের জলবায়ু একধরণের হয় না।
- কিছু ভৌগৌলিক কারণে স্থানভেদে জলবায়ুর পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। এই বিষয় গুলোকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে।

জলবায়ুর নিয়ামকগুলো হল -
- অক্ষাংশ, 
- উচ্চতা, 
- সমুদ্র থেকে দূরত্ব, 
- বায়ুপ্রবাহ, 
- সমুদ্রস্রোত, 
- পর্বতের অবস্থান, 
- ভূমির ঢাল, 
- মৃত্তিকার গঠন, 
- বনভূমির অবস্থান ইত্যাদি জলবায়ুর নিয়ামক।

সূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৭৮.
বুড়িগঙ্গার পূর্বনাম কি?
  1. ক) কীর্তিনাশা
  2. খ) জোনাই
  3. গ) লোহিত্য
  4. ঘ) দোলাই
সঠিক উত্তর:
ঘ) দোলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দোলাই
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন নদীর পূর্বনাম: 
পদ্মা - কীর্তিনাশা
যমুনা - জোনাই
ব্রহ্মপুত্র - লোহিত্য
বুড়িগঙ্গা - দোলাই

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,৫৭৯.
সুমাত্রা দ্বীপটি কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. দক্ষিণ মহাসাগরে
  4. ভারত মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
সুমাত্রা দ্বীপ:
- সুমাত্রা ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমে অবস্থিত একটি দ্বীপ।
- এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত।
- এককভাবে ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ হিসেবে সুমাত্রা বৃহত্তম।
- এর আয়তন ১৮৪,৯৫৪ বর্গ মাইল।

⇒ প্রশান্ত মহাসাগর: পাপুয়া নিউ গিনি, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ, নিউজিল্যান্ড, ফিলিপাইন, পালাউ, নাউরু, তাহিতি, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি।
⇒ আটলান্টিক মহাসাগর: যুক্তরাজ্য, বাহামা, বারমুডা, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, জ্যামাইকা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, কিউবা ইত্যাদি।
⇒ ভারত মহাসাগর: সুমাত্রা, মাদাগাস্কার, সেইসিলিশ, মরিশাস, দিয়াগো গার্সিয়া, মালদ্বীপ, আন্দামান ও নিকোবর, মালাগাছি ইত্যাদি।

উৎস: Britannica.
৬,৫৮০.
‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ হয়েছিল ইংরেজি কত সালে?
  1. ১৯৪৩ সালে
  2. ১৮৫০ সালে
  3. ১৯২১ সালে
  4. ১৯৫০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৩ সালে
ব্যাখ্যা
পঞ্চাশের মন্বন্তর:
- বাংলার ইতিহাসে একটি ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ছিল পঞ্চাশের মন্বন্তর।
- ইংরেজি ১৯৪৩ সালে অর্থাৎ বাংলা ১৩৫০ সালে এই দুর্ভিক্ষটি হয়েছিল বলে এটি পঞ্চাশের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- ১৭৭০ সালের পর বাংলায় সংঘটিত সবচেয়ে বড় ও ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ছিল এটি।
- পঞ্চাশের মন্বন্তরে প্রায় সাত লাখ পরিবারের ৩৮ লাখ মানুষের জীবনযাত্রার মানের মারাত্মক অবনতি ঘটে।
- ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই দুর্ভিক্ষ এবং দুর্ভিক্ষ-পরবর্তী মহামারিতে ৩৫ থেকে ৩৮ লাখ মানুষ মারা যায়।
- এই দুর্ভিক্ষের পেছনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল একটা বড় কারণ।

উৎস: ১৫ মে, ২০১৪, কালের কন্ঠ। 
৬,৫৮১.
সমুদ্র সমতল থেকে নিচের কোন জেলার উচ্চতা বেশি?
  1. দিনাজপুর
  2. বগুড়া
  3. যশোর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- অসংখ্য ছোট-বড় নদী, বাংলাদেশের সর্বত্র জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে।
- সমতলভূমির উপর দিয়ে এ নদীগুলো প্রবাহিত হওয়ার কারণে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়।
- বছরের পর বছর এভাবে বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত মাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে।
⇒ এ সমভূমি বাংলাদেশের উত্তর অংশ থেকে উপকূলের দিকে ক্রমনিম্ন।
- সুন্দরবন অঞ্চল প্রায় সমুদ্র সমতলে অবস্থিত।
- সমুদ্র সমতল থেকে বাকি অঞ্চলগুলো যেমন-
-দিনাজপুরের উচ্চতা ৩৭.৫০ মিটার,
- বগুড়ার উচ্চতা ২০ মিটার,
- ময়মনসিংহের উচ্চতা ১৮ মিটার এবং
- নারায়ণগঞ্জ ও যশোরের উচ্চতা ৮ মিটার।
- এই অঞ্চলে বিক্ষিপ্তভাবে অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি ছড়িয়ে আছে।
- এর কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওর বলে।
- সমগ্র সমভূমির মাটির স্তর খুব গভীর এবং ভূমি খুবই উর্বর।

সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি
৬,৫৮২.
বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদীর সংখ্যা কতটি?
  1. ৫৯টি
  2. ৫৩টি
  3. ৫৭টি
  4. ৫১টি
সঠিক উত্তর:
৫৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদী:
- আন্তঃসীমান্ত নদী ৫৭টি। 
- ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা নদী ৫৪টি।
- মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা নদী ৩ টি। (নাফ, সাঙ্গু, মাতামুহুরী)
- আন্তর্জাতিক নদী ১ টি। (পদ্মা)
- বাংলাদেশের প্রায় সব নদীর প্রবাহের দিক উত্তর থেকে দক্ষিণে (সর্পিল গতি)।
- পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রবাহিত নদী মাতামুহুরী, ডাকাতিয়া, গোমতী।
- দুবার ভারতে ও বাংলাদেশে প্রবেশ করে আত্রাই, পুনর্ভবা ও টাঙ্গন নদী। 
- সর্বাধিক নাব্য নদী মেঘনা। 
- বাংলাদেশে উৎপত্তি হয়ে ভারতে যাওয়া নদী ১ টি (কুলিখ)।
- বাংলাদেশে উৎপত্তি ও সমাপ্তি হওয়া নদী ১ টি (হালদা)।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও যৌথ নদী কমিশনের ওয়েবসাইট।

৬,৫৮৩.
কত সালের মধ্যে 'সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক' অর্জনের লক্ষ্য এবং রূপরেখা স্থির করা হয়?
  1. ২০২৬ সাল
  2. ২০৩০ সাল
  3. ২০৩৫ সাল
  4. ২০৪০ সাল
সঠিক উত্তর:
২০৩০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৩০ সাল
ব্যাখ্যা
২০৩০ সালের মধ্যে 'সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক' অর্জনের লক্ষ্য এবং রূপরেখা স্থির করা হয়।

সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক:

- ১৪ মার্চ - ১৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলন।
- এই সম্মেলনের শেষদিন দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস সংক্রান্ত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক: ২০১৫-৩০ গৃহীত হয়।
- এই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য এবং চারটি অগ্রাধিকারের রূপরেখা স্থির করা হয়।
- দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনে টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই এ সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য।

⇒ সাতটি লক্ষ্য:
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী দুর্যোগে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) সাথে সরাসরি দুর্যোগের অর্থনৈতিক ক্ষতি হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে গুরুতর অবকাঠামোর দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুবিধাগুলির মধ্যে মৌলিক পরিষেবাগুলির ব্যাঘাতকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০২০ সালের মধ্যে জাতীয় এবং স্থানীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কৌশলসহ দেশের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে এই কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য তাদের জাতীয় কর্মের পরিপূরক করার জন্য পর্যাপ্ত এবং টেকসই সহায়তার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বহু-বিপদ প্রারম্ভিক সতর্কতা ব্যবস্থা এবং দুর্যোগ ঝুঁকির তথ্য এবং মূল্যায়নের প্রাপ্যতা এবং অ্যাক্সেস উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা।

উৎস: UNDRR ওয়েবসাইট।
৬,৫৮৪.
বাংলাদেশে ঘর্ণিঝড়ের মৌসুম কোনটি?
  1. অগ্রাহায়ণ-চৈত্র
  2. আশ্বিন-কার্তিক
  3. ভাদ্র-আশ্বিন
  4. আষাঢ়-শ্রাবণ
সঠিক উত্তর:
আশ্বিন-কার্তিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশ্বিন-কার্তিক
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় (Cyclone) প্রচন্ড শক্তিশালী এবং মারাত্মক ধ্বংসকারী বাংলাদেশে সংঘটিত প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় উল্লেখযােগ্য। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও উর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত। এর কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে।
বাংলাদেশে আশ্বিন-কার্তিক এবং চৈত্র-বৈশাখ মাসে এ ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয় এবং একই ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশের দক্ষিণে ফানেলাকার আকৃতির কারণে এ দেশে অধিকসংখ্যাক ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়।
উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ
৬,৫৮৫.
এশিয়ার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. সিন্ধু
  2. ইয়াংসিকিয়াং
  3. হোয়াংহো
  4. গঙ্গা
সঠিক উত্তর:
ইয়াংসিকিয়াং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াংসিকিয়াং
ব্যাখ্যা

• ইয়াংজি/ ইয়াংসিকিয়াং নদী (Yangtze River):
- চীন এবং এশিয়ার দীর্ঘতম নদী এবং বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী।
- দৈর্ঘ্য: ৩,৯১৫ মাইল (৬,৩০০ কিমি)।
- নদীর বেসিন প্রায় ২,০০০ মাইল (৩,২০০ কিমি) পশ্চিম থেকে পূর্ব এবং ৬০০ মাইল (১,০০০ কিমি) উত্তর থেকে দক্ষিণ পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- নদীটি তিব্বতের প্লেটোর উৎস থেকে বের হয়ে পূর্ব চীনা সাগরে পতিত হয়।
- নদী ১০টি চীনা প্রদেশ বা অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বা তাদের সীমান্ত হিসাবে কাজ করে।
- নদীর প্রায় ৭৫% পথ পাহাড়ি অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত।

• প্রধান উপনদীসমূহ:
- বাম তীরে: ইয়ালুং, মিন, জিয়ালিং, হান নদী।
- ডান তীরে: উ, ইউয়ান, শিয়াং, গ্যান নদী।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৬,৫৮৬.
নিচের কোনটি প্লাইস্টোসিনকালের ভূমিরূপ?
  1. নীলগিরি পাহাড়
  2. সুন্দরবন
  3. বরেন্দ্রভূমি
  4. উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়শ্রেণী
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
ব্যাখ্যা
ভূপ্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশে তিন ধরনের ভূমিরূপ দেখা যায়।
এগুলো হলো:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী
- প্লাইস্টোসিনকালের চত্বরভূমি
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

উত্তরাঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের চত্বরভূমি এবং কুমিল্লার লালমাই পাহাড় প্লাইস্টোসিনকালের ভূমিরূপের অন্তর্ভুক্ত। আজ থেকে প্রায় পঁচিশ হাজার বছর আগে এরূপ ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়।

অন্যদিকে,

নীলগিরি পাহাড় ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়শ্রেণী : টারশিয়ারি যুগের ভূমিরূপ
- সুন্দরবন : সাম্প্রতিককালের প্লাবন ভূমিরূপ।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,৫৮৭.
ভারতীয় কোন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কোনো সীমান্ত নেই?
  1. মিজোরাম
  2. আসাম
  3. ত্রিপুরা
  4. মণিপুর
সঠিক উত্তর:
মণিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুর
ব্যাখ্যা

- ভারতের মণিপুর রাজ্যের সাথে বাংলাদেশ কোনো সীমান্ত সংযোগ নেই।

• বাংলাদেশের সাথে ভারতের সেভেন সিস্টার্সভুক্ত চারটি রাজ্যসহ মোট ৫টি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে। এগুলো হলো:
- পশ্চিমবঙ্গ,
- আসাম,
- মেঘালয়,
- ত্রিপুরা এবং
- মিজোরাম৷

- উল্লেখ্য, সেভেন সিস্টার্সভুক্ত মণিপুর, অরুণাচল ও নাগাল্যান্ড রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

৬,৫৮৮.
'ব্লু লাইন' কোন দুইটি দেশের সীমান্তবর্তী রেখা?
  1. ক) লেবানন ও ইসরাইল
  2. খ) মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) সিরিয়া ও ইসরাইল
  4. ঘ) ভারত ও পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ক) লেবানন ও ইসরাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লেবানন ও ইসরাইল
ব্যাখ্যা
• সীমারেখা:
- ব্লু লাইন : লেবানন ও ইসরাইল।

এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু সীমারেখা:
- লাইন অব কন্ট্রোল : ভারত ও পাকিস্তান।
- ডুরান্ড লাইন : পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
- সনােরা লাইন : যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।
- ওডারনিস লাইন : জার্মানি ও পােল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন : জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন : জার্মানি ও ফ্রান্স।
- গ্রিন লাইন : ইসরাইল ও জর্ডান।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৬,৫৮৯.
উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম কি?
  1. এলব্রুস পর্বত
  2. দেনালি
  3. মাউন্ট লোগান
  4. মাউন্ট অ্যাকনকাগুয়া
সঠিক উত্তর:
দেনালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেনালি
ব্যাখ্যা

• দেনালি বা মাউন্ট ম্যাককিনলি:
- মাউন্ট ম্যাককিনলি (বর্তমানে পরিচিত দেনালি নামে) হলো উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।
- এটি অবস্থিত দক্ষিণ-মধ্য আলাস্কা, যুক্তরাষ্ট্রে, আলাস্কা রেঞ্জ পর্বতশ্রেণির কেন্দ্রে, ডেনালি ফল্ট-এর ওপরে অবস্থিত দুইটি শিখরের মধ্যে।
- সরকারিভাবে উচ্চতা: ২০,৩১০ ফুট (বা ৬,১৯০ মিটার)

- ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে এই পর্বতের নতুন উচ্চতা নির্ধারণ করে।
- এটি দুটি শৃঙ্গ বিশিষ্ট, এবং এর চারপাশের অঞ্চল ভূতাত্ত্বিকভাবে বেশ সক্রিয়।
- এই পর্বতের ঐতিহাসিক নাম ম্যাককিনলি, তবে ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরকার এটি স্থানীয় দেনালি নামে পুনঃনামকরণ করে, যার অর্থ "উঁচু এক" বা "মহান"—আলাস্কার আদিবাসী কয়ানাথ জাতির ভাষায়।
- ডেনালি শুধুমাত্র একটি ভৌগোলিক চূড়া নয়, বরং এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতীকস্বরূপ এবং বিশ্বের অন্যতম চ্যালেঞ্জিং পর্বতারোহণের গন্তব্য হিসেবেও বিবেচিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৬,৫৯০.
বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা প্রভৃতি বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে হয়ে থাকে?
  1. ওজোনমন্ডল
  2. স্ট্রাটোমন্ডল
  3. মেসোমন্ডল
  4. ট্রপোমন্ডল
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমন্ডল
ব্যাখ্যা
ট্রপোমন্ডল:

- বায়ুমন্ডলের যে স্তরটি ভূ-ত্বকের সব থেকে নিচের স্তরে অবস্থিত সেটি হলো ট্রপোমন্ডল বা ট্রপোস্ফিয়ার।
- এই স্তরে বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, তুষারপাত, শিশির ইত্যাদির সৃষ্টি হয়।
- ট্রপোমন্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি বা ট্রপোপজ।
- ট্রপোবিরতি এলাকায় তাপমাত্রা ৫৪° সেলসিয়াসের নিচে থাকে।
- ট্রপোমন্ডলের গভীরতা পৃথিবীর চারিদিকে সবসময় সমান থাকে না।
- ভিন্ন ভিন্ন অক্ষাংশে ও ঋতুভেদে এই গভীরতার পার্থক্য হয়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৯১.
বসফরাস প্রণালী কোন দুটি সাগরকে সংযুক্ত করে? 
  1. আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভূমধ্যসাগর 
  2. লোহিত সাগর এবং ভারত মহাসাগর
  3. কৃষ্ণ সাগর এবং মর্মর সাগর 
  4.  ভূমধ্যসাগর এবং কাস্পিয় সাগর 
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণ সাগর এবং মর্মর সাগর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণ সাগর এবং মর্মর সাগর 
ব্যাখ্যা

• বসফরাস প্রণালী:
- পৃথক করেছে: এশিয়া ও ইউরোপ।
- সংযুক্ত করেছে:  কৃষ্ণ সাগর এবং মর্মর সাগর।
- বসফরাস প্রণালী ১৯ মাইল দীর্ঘ এবং এর সর্বোচ্চ প্রস্থ উত্তর প্রান্তে ২.৩ মাইল।
- এর গভীরতা মাঝখানে ১২০ থেকে ৪০৮ ফুট পর্যন্ত।
- বসফরাস প্রণালীটি ব্যাপকভাবে মাছ ধরা হয়,
- কারণ এটি মাছের ঋতুকালীন অভিবাসন পথ হিসেবে কাজ করে,
- যা মাছকে কৃষ্ণ সাগর থেকে মর্মর সাগরে এবং বিপরীত দিকে নিয়ে যায়।
এছাড়াও,
- কনস্টান্টিনোপল (বর্তমান ইস্তাম্বুল) শহরের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত বসফরাস প্রণালীটি।
- এই কারণে বাইজেন্টাইন সম্রাটরা এবং পরবর্তীতে উসমানীয় সুলতানরা প্রণালীর তীরে দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন,
- বিশেষ করে ইউরোপীয় তীরে।
- আনাদোলুহিসারি, যা ১৩৯০–৯১ সালে বাইয়াজিদ প্রথম নির্মাণ করেছিলেন,
- এবং রুমেলিহিসারি, যা ১৪৫২ সালে মেহমেদ দ্বিতীয় নির্মাণ করেছিলেন।

উৎস: Britannica.

৬,৫৯২.
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোন ধরনের কাঠ?
  1. ক) চাপালিশ
  2. খ) কেওয়া
  3. গ) গেওয়া
  4. ঘ) সুন্দরী
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুন্দরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুন্দরী
ব্যাখ্যা
খুলনা হার্ডবোর্ড মিল দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা।
এটি ১৯৬৫ সালে খুলনা জেলার খালিশপুরে কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়।
এটিতে কাঁচামাল হিসেবে ‍সুন্দরবনের সুন্দরী কাঠ ব্যবহৃত হয়।

(সূত্র: বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
৬,৫৯৩.
বাংলাদেশের কোন দ্বীপে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় রয়েছে?
  1. মহেশখালী
  2. মনপুরা
  3. নিঝুম দ্বীপ
  4. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র পার্বত্য দ্বীপ মহেশখালীতে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় রয়েছে।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:

- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

⇒ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
• ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।

• খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়। উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত। এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৫৯৪.
কোনো বিশেষ দ্রাঘিমায় অবস্থিত স্থান সেই স্থানের বিপরীত দ্রাঘিমারেখায় দূরত্ব হবে-
  1. ৯০°
  2. ৩৬০°
  3. ১৭০°
  4. ১৮০°
সঠিক উত্তর:
১৮০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০°
ব্যাখ্যা
• প্রতিপাদ স্থান (The antipodes):-
- পৃথিবী গোল তাই এর কোনো একটি স্থানের বিপরীত দিকে অন্য কোনো একটি স্থান রয়েছে।
- ভূপৃষ্ঠের কোনো বিন্দু থেকে পৃথিবীর কোনো কল্পিত ব্যাস ভূকেন্দ্র ভেদ করে অপরদিকে ভূপৃষ্ঠকে যে বিন্দুতে স্পর্শ করে, সেই বিন্দুকে প্রথম বিন্দুটির প্রতিপাদ স্থান বলে ।
-কোনো বিশেষ দ্রাঘিমায় অবস্থিত স্থান সেই স্থানের বিপরীত দ্রাঘিমারেখায় অবস্থিত হয়। অর্থাৎ দুই দ্রাঘিমার যোগফল হবে ১৮০° ।
- যেহেতু দুই দ্রাঘিমার দূরত্ব হবে ১৮০° সেহেতু দুটির মধ্যে সময়ের পার্থক্য হবে (১৮০ × ৪ মিনিট = ৭২০ মিনিট বা ১২ ঘণ্টা) ১২ ঘণ্টা।
• ঢাকার প্রতিপাদ স্থান -চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
৬,৫৯৫.
Which two oceans does the English Channel connect?
  1. Pacific Ocean and the North Sea
  2. Atlantic Ocean and the North Sea
  3. Atlantic Ocean and the Mediterranean Sea
  4. Pacific Ocean and the Mediterranean Sea
  5. Atlantic Ocean and the Pacific Ocean
সঠিক উত্তর:
Atlantic Ocean and the North Sea
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Atlantic Ocean and the North Sea
ব্যাখ্যা
ইংলিশ চ্যানেল:
- ইংলিশ চ্যানেল আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অংশ।
- এটি উত্তর ফ্রান্স থেকে গ্রেট ব্রিটেনের দ্বীপকে পৃথক করে এবং উত্তর সাগরে আটলান্টিকের সাথে মিলিত হয়।
- এই চ্যানেল উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি প্রায় ৫৬৩ কিমি (৩৫০ মাইল) দীর্ঘ এবং এর প্রস্থে ২৪০ কিমি (১৫০ মাইল)।
- ডোভার প্রণালী হলো এই চ্যানেলের সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশ।
- পূর্বদিকে এর বিস্তার কমে মাত্র ৩৪ কিলোমিটার হয়ে যায় এবং সেখানে এটি ডোভার প্রণালীর মাধ্যমে উত্তর সাগরের সাথে সংযুক্ত।
- ইংলিশ চ্যানেলের প্রধান দ্বীপগুলির মধ্যে আছে আইল অভ ওয়াইট এবং চ্যানেল দ্বীপপুঞ্জ।

উৎস: Britannica.
৬,৫৯৬.
অপারেশন সি অ্যাঞ্জেল-২ পরিচালিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭০ সালে
  2. খ) ১৯৯১ সালে
  3. গ) ২০০৭ সালে
  4. ঘ) ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা
- ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় সিডরের সময় উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতার অংশ হিসেবে মার্কিন মেরিন কর্পস অপারেশন সি অ্যাঞ্জেল-২ পরিচালনা করে।
- এতে মার্কিন রণতরী ইউএসএস তারাওয়া ও ইউএসএস কারসার্জ অংশ নেয়। এই অপারেশনে ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়।
- এর আগে ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের সময় মার্কিন মেরিন কর্পস অপারেশন সি অ্যাঞ্জেল-১ পরিচালনা করে।
(তথ্যসূত্র: গ্লোবাল সিকিউরিটি সংস্থা ওয়েবসাইট)
৬,৫৯৭.
নিচের কোনটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নয়?
  1. ভুটান
  2. মিয়ানমার
  3. মালদ্বীপ
  4. শ্রীলঙ্কা
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ এশিয়া:
- মিয়ানমার দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নয়।
- দক্ষিণ এশিয়া বা দক্ষিণাঞ্চলীয় এশিয়া বলতে এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত ভারতীয় উপমহাদেশ ও তার সন্নিকটস্থ অঞ্চলকে বোঝায়।
- দক্ষিণ এশিয়া নিচের রাষ্ট্রগুলো নিয়ে গঠিত:
• নেপাল,
• পাকিস্তান,
• বাংলাদেশ,
• ভারত,
• ভুটান,
• মালদ্বীপ,
• শ্রীলঙ্কা।

অন্যদিকে,
- মিয়ানমার দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৬,৫৯৮.
নিম্নে উল্লেখিত ভূমিরূপসমূহের মধ্যে কোনটি হিমবাহের ক্ষয় কার্যের দ্বারা গঠিত?
  1. ক) পার্শ্ব গ্রাবরেখা
  2. খ) শৈলশিলা
  3. গ) ভি-আকৃতির উপত্যকা
  4. ঘ) ইউ-আকৃতির উপত্যকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউ-আকৃতির উপত্যকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউ-আকৃতির উপত্যকা
ব্যাখ্যা

হিমবাহের ক্ষয় সাধনের ফলে অনেক নতুন নতুন ভূমির সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন প্রকার হিমবাহের
বিভিন্ন ধরনের ক্ষয় সাধনের ফলে নিম্নোক্ত ক্ষয়জাত ভূমিরূপের সৃস্টি করে :
১) হৈমবাহিক উপত্যকা (ইউক আকৃতির উপত্যকা - Glaciated Valley)
২) ঝুৃলন্ত উপত্যকা
৩) সার্ক বা কোরি
৪) এরিটি ও পিরামিডীয় শৃঙ্গ
৫) নুনাট্যাক
৬) রসে মতানো
৭) হিমসিড়ি ও প্যাটার্নস্টার হ্রদ
৮) শৈলময় পর্বত ও অনিয়মিত প্রস্তরখন্ড
৯) ক্রিভাসেস
১০) ঢিবি ও পুচ্ছ
১১) দানবীর সিঁড়ি
১২) ফিয়র্ড
১৩) কর্তিত স্পার
সুত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পাঠ্যবই।

৬,৫৯৯.
তুন্দ্রা অঞ্চলের অন্তর্গত দেশ কোনটি?
  1. বলিভিয়া
  2. পেরু
  3. জাপান
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• তুন্দ্রা অঞ্চল:
- তুন্দ্রা অঞ্চল মেরু দেশীয় জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত।
- সুমেরু ও কুমেরু বৃত্তের মধ্যবর্তী স্থানে এই তন্দ্রা অঞ্চল অবস্থিত।
- দক্ষিণ গোলার্ধের এন্টার্কটিকা মহাদেশ; উত্তর গোলার্ধের সুইডেন, নরওয়ে, আলাস্কা, গ্রীনল্যান্ড, রাশিয়ার উত্তরাংশ, উত্তর কানাডা ইত্যাদি তুন্দ্রা অঞ্চলের অন্তর্গত।
- তুন্দ্রা অঞ্চল প্রায় সারাবছরই বরফাচ্ছন্ন থাকে। তাই হিমশীতল জলবায়ু এ অঞ্চলের প্রধান বৈশিষ্ট। এ
- অঞ্চলে বছরের অধিকাংশ সময়ই শীতকাল থাকে। আর গ্রীষ্মকাল হল ক্ষনস্থায়ী।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,৬০০.
বিশ্বের সবচেয়ে অস্ত্রসজ্জিত সীমান্ত হিসেবে পরিচিত-
  1. ক) কালাপানি
  2. খ) আকসাই চীন
  3. গ) সিয়াচেন
  4. ঘ) কারগিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) কারগিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কারগিল
ব্যাখ্যা
- ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকা কারগিল। এটি বিশ্বের সবচেয়ে অস্ত্রসজ্জিত সীমান্ত। 
- সিয়াচেন (ভারতের দখলে) কাশ্মীর অবস্থিত বিশ্বের উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র। 
- আকসাই চীন (চীনের দখলে) ভারত ও চীনের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সীমানা।
- ভারত-নেপালের মধ্যে অমিমাংসিত ভু-খন্ড।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।