বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৬৫ / ৭২ · ৬,৪০১৬,৫০০ / ৭,১৯১

৬,৪০১.
কোনটি নবায়নযােগ্য সম্পদ?
  1. কয়লা
  2. বায়ু
  3. চুনাপাথর
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু
ব্যাখ্যা
নবায়নযােগ্য শক্তি (Renewable Energy):
- যে জ্বালানি পুন: পুন ব্যবহার করলে সাধারণত ফুরােয় না এমনকি অদূর ভবিষ্যতেও ঘাটতির সম্ভাবনা থাকে না, তাকে নবায়নযােগ্য জ্বালানি বলা হয়।
যেমন: সূর্যের আলাে, সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা, সমুদ্রের ঢেউ, বায়ু, নদীর বহমান পানি, পৃথিবীর গভীরের উত্তপ্ত ম্যাগমা।

অনবায়নযােগ্য শক্তি (Non-Renewable Energy):
অনবায়নযােগ্য মানে হলাে, যে শক্তি একবার ব্যবহার করা হলে তা থেকে পুনরায় শক্তি উৎপন্ন করা যায় না। এটি হলো মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ, যা পুনরায় উৎপন্ন করা যায় না।
যেমন - তেল, গ্যাস, কয়লা, ইউরেনিয়াম।

তথ্যসূত্র:- পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪০২.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' কী?
  1. প্রতিবাত ঢাল
  2. বদ্বীপ
  3. নদীর মোহনা
  4. গিরিখাত
সঠিক উত্তর:
গিরিখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গিরিখাত
ব্যাখ্যা

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground):
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র ব-দ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বেঙ্গল ফ্যান ভূমিরূপটি পাওয়া যায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডটি বঙ্গোপসাগরের ১৪ কিলোমিটার প্রশস্ত গভীর সমুদ্রের উপত্যকা।
- এই উপত্যকার গভীরতম রেকর্ড করা অঞ্চলটি প্রায় ১৩৫০ মিটার।
- সাবমেরিন উপত্যকাটি বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গ পাখার অংশ, বিশ্বের বৃহত্তম সাবমেরিন পাখা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৬,৪০৩.
লোহিত সাগর যে দুটি মহাদেশকে বিভক্ত করেছে-
  1. ক) এশিয়া ও ইউরোপ
  2. খ) ইউরোপ ও আফ্রিকা
  3. গ) আফ্রিকা ও এশিয়া
  4. ঘ) আমেরিকা ও এশিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) আফ্রিকা ও এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আফ্রিকা ও এশিয়া
ব্যাখ্যা
এশিয়া মহাদেশকে আফ্রিকা মহাদেশ হতে পৃথক করেছে লোহিত সাগর এবং সুয়েজ খাল। লোহিত সাগর সৌদি আরব (এশিয়া) এবং মিশর (আফ্রিকা) কে পৃথক করেছে।
ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণে আফ্রিকা মহাদেশ অবস্থিত। ইউরোপ মহাদেশকে আফ্রিকা মহাদেশ হতে পৃথক করেছে ভূমধ্যসাগর।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৬,৪০৪.
আরব উপসাগর এবং বঙ্গোপসাগরকে সংযুক্ত করেছে কোন প্রণালী?
  1. বেরিং প্রণালী
  2. ফ্লোরিডা প্রণালী
  3. মোজাম্বিক প্রণালী
  4. পক প্রণালী
সঠিক উত্তর:
পক প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক প্রণালী
ব্যাখ্যা

পক প্রণালী : 
- এটি ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- আরব উপসাগর এবং বঙ্গোপসাগরকে সংযুক্ত করেছে পক প্রণালী (Palk Strait)।
- এটি শ্রীলঙ্কার মান্নার জেলা এবং ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যকে পৃথক করেছে।
- পক প্রণালী শ্রীলঙ্কা ও ভারত পৃথক করেছে।

অন্যদিকে,
- বেরিং প্রণালী: আমেরিকা ও এশিয়া মহাদেশকে পৃথক করেছে। আর প্রশান্ত মহাসাগর এবং আর্কটিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করে।
- ফ্লোরিডা প্রণালী: কিউবা-ফ্লোরিডাকে পৃথক করেছে। আর সংযুক্ত করে মেক্সিকো উপসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে।
- মোজাম্বিক প্রণালী- ভারত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে এবং মাদাগাস্কার ও মোজাম্বিক কে পৃথক করেছে।
- হরমুজ প্রণালী: ইরান- আরব আমিরাত পৃথক করেছে। আর ওমান উপসাগর এবং আরব সাগরকে সংযুক্ত করে।
- দার্দানিলিস প্রণালী- মর্মর সাগর ও ইজিয়ান সাগরকে যুক্ত করেছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৬,৪০৫.
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. টেমস নদী
  2. দানিয়ুব নদী
  3. সিন নদী 
  4. রাইন নদী
সঠিক উত্তর:
সিন নদী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিন নদী 
ব্যাখ্যা

• ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস সিন নদীর তীরে অবস্থিত।

• প্যারিস ও সিন নদী সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

- সিন নদীর গুরুত্ব: সিন নদী প্যারিস শহরকে দুই ভাগে ভাগ করেছে— উত্তর অংশকে বলা হয় 'Right Bank' এবং দক্ষিণ অংশকে বলা হয় 'Left Bank'।
- ইউনেস্কো হেরিটেজ: সিন নদীর তীরবর্তী প্যারিসের এই অঞ্চলটি ইউনেস্কো (UNESCO) বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে স্বীকৃত।
- বিখ্যাত স্থাপনা: আইফেল টাওয়ার, লুভর মিউজিয়াম এবং নটরডেম ক্যাথেড্রাল এই সবই সিন নদীর খুব কাছে অবস্থিত।
 
অন্যদিকে,
- টেমস নদী: লন্ডন (যুক্তরাজ্য)।
- দানিয়ুব নদী: ভিয়েনা, বুদাপেস্ট, বেলগ্রেড।
- রাইন নদী: কোলন, বন (জার্মানি)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬,৪০৬.
নিচের কোন জেলাতে প্লাস্টোসিন চত্বরভূমি রয়েছে?
  1. চাঁদপুর
  2. বগুড়া
  3. পিরোজপুর
  4. মাদারীপুর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
আজ থেকে প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয়। ঐ সময়ে গঠিত ভূমিরূপ প্লাইস্টোসিন কালের ভূমি নামে পরিচিত।
বাংলাদেশে অবস্থিত প্লাইস্টোসিন কালের ভূমিরূপগুলো হলো:
- রাজশাহী, বগুড়া, দিনাজপুর, রংপুর ও জয়পুরহাট জেলার বরেন্দ্রভূমি
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকা জেলায় অবস্থিত মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
- কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড়।
- দেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ৮ শতাংশ হলো প্লাইস্টোসিন কালে গঠিত ভূমিরূপ।

(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-৬০)
৬,৪০৭.
দর্শনা স্থলবন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) যশোর
  3. গ) চুয়াডাঙ্গা
  4. ঘ) সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
গ) চুয়াডাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চুয়াডাঙ্গা
ব্যাখ্যা

ভোমরা স্থলবন্দর – সাতক্ষীরা
দর্শনা স্থলবন্দর – চুয়াডাঙ্গা
বিরল ও হিলি স্থলবন্দর – দিনাজপুর
সোনা মসজিদ স্থলবন্দর – চাপাই নবাবগঞ্জ।
(সূত্র: স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ)

৬,৪০৮.
২১ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশে কত মাত্রার ভূমিকম্প সংঘটিত হয়? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ৫.২ মাত্রা
  2. ৫.৩ মাত্রা
  3. ৫.৭ মাত্রা
  4. ৫.৯ মাত্রা
সঠিক উত্তর:
৫.৭ মাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৭ মাত্রা
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্প:
- রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ২১ নভেম্বর, ২০২৫ ৩০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে।
- বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে এ ভূমিকম্প হয়।
- রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৭।
- এর উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে নরসিংদীর জেলার মাধবদী উপজেলায় মাটির প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।
- এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন মারা গেছেন এবং ছয় শতাধিক আহত হয়েছেন।
- রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য ভবনে ফাটল দেখা দেয়।

তথ্যসূত্র- বিবিসি, বাসস।

৬,৪০৯.
দুটি স্থানের দ্রাঘিমা পার্থক্য কত হলে স্থান দুটির মধ্যকার সময়ের পার্থক্য ১ ঘণ্টা হবে?
  1. ক) ১০°
  2. খ) ১৫°
  3. গ) ২০°
  4. ঘ) ২৫°
সঠিক উত্তর:
খ) ১৫°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৫°
ব্যাখ্যা
• প্রদত্ত প্রশ্নের উত্তর ১৫

• পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমা পার্থক্যের জন্য সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। তাহলে ১ ঘন্টা বা ৬০ মিনিটের জন্য দ্রাঘিমা পার্থক্য হবে (৬০/৪)= ১৫ ডিগ্রি।

• সেজন্যেই বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ × ৪ ৩৬০ = মিনিট বা ৬ ঘন্টা ।

উৎস: ভূগোল নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৪১০.
কোন অঞ্চলে প্রায়শই মেঘ বিস্ফোরণ ঘটে?
  1. পার্বত্য অঞ্চল
  2. উপকূলীয় অঞ্চল
  3. মরুভূমি অঞ্চল
  4. সমতল ভূমি
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য অঞ্চল
ব্যাখ্যা

মেঘ বিস্ফোরণ:
- মেঘ বিস্ফোরণের ইংরেজি শব্দ ‘ক্লাউড ব্রাস্ট’। এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
​- যখন কোথাও হঠাৎ করে মেঘ জমে যায় এবং এর প্রভাবে খুবই কম সময়ের মধ্যে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয় তখন এটিকে ক্লাউড ব্রাস্ট বলা হয়। 
​- মেঘ বিস্ফোরণ সবচেয়ে বেশি ঘটে পার্বত্য এলাকায়। 
​- কারণ বজ্রঝড়ের উষ্ণ বায়ুপ্রবাহ সাধারণত পাহাড়ি ঢাল বেয়ে উপরে ওঠে।
​- এছাড়া পাহাড়ি অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে পানি গিরিখাত ও উপত্যকায় জমা হয়ে আকস্মিক ও ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করে।

​সম্প্রতি, 
- পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায়, ​ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মিরে মেঘ বিস্ফোরণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি হয়েছে।
​- যা ভয়াবহ প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ ডেকে এনেছে।

​​তথ্যসূত্র- ব্রিটানিকা, পত্রিকা প্রতিবেদন।

৬,৪১১.
বরেন্দ্রভূমির অন্তর্ভুক্ত নয় কোন জেলা?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) নওগাঁ
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্রভূমি:
- রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের রংপুর, গাইবান্ধা ও দিনাজপুর জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত। এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। এটি বঙ্গ অববাহিকায় স্নাইস্টোসিনকালের সর্ববৃহৎ উচ্চভূমি। প্লাবন সমভূমি থেকে বরেন্দ্রভূমির গড় উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এ অঞ্চলের মৃত্তিকা অসমতল। বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ উচ্চভূমি কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে। ধান এখানকার প্রধান কৃষিজ ফসল। এছাড়া পাট, ভু্ট্টা প্রভৃতি উৎপন্ন হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪১২.
চলনবিল কোন জেলাগুলোর মধ্যে বিস্তৃত?
  1. ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ
  2. নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা
  3. রাজশাহী, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ 
  4. পাবনা, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা
সঠিক উত্তর:
নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা
ব্যাখ্যা

চলনবিল: 
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিল: চলনবিল।
- চলন বিল বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ জলাভূমি অঞ্চল। 
- বিস্তৃতি: নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা জেলা।
- আয়তন: প্রায় ১১৫০ বর্গকিমি (বর্তমানে)। 
- গঠিত: ব্রহ্মপুত্র নদের প্রবাহ পরিবর্তনের সময়।
- শুষ্ক মৌসুম: চাষাবাদের জন্য উর্বর মাটি।
- বড় বিলের নাম: গাজনা, বড়বিল, সোনাপাতিলা, কুরলিয়া, দিক্ষি।
- প্রধান নদী ও জলাশয়: ১৪ নদী, ছোট-বড় জলাশয়।
- বর্তমানে এটি চলনবিলের উত্তর-পশ্চিম সীমা নির্দেশ করছে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬,৪১৩.
কালবৈশাখী ঝড়ের বৈশিষ্ট্য নিচের কোনটি?
  1. গুড়িগুড়ি বৃষ্টি ও বজ্রপাত
  2. ভারী বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহ
  3. বজ্রপাত ও টানা বৃষ্টিপাত
  4. সমুদ্র উপকূলে ঝড়ের আঘাত
সঠিক উত্তর:
ভারী বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারী বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহ
ব্যাখ্যা
কালবৈশাখী:
- বাংলাদেশে বৈশাখ মাসে সংঘটিত ঝড়ের নাম কালবৈশাখী।
- বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে কালবৈশাখী ঝড় সুপরিচিত।
- কালবৈশাখী ঝড় বায়ুপ্রবাহ ও ভারী বৃষ্টিপাতের সাথে সংঘটিত হয়।
- কালবৈশাখী ঝড় ভারী বৃষ্টিপাত ও বজ্রসহ ভূ-পৃষ্ঠের উপর আঘাত হানে।
- কালবৈশাখীকে বায়ুপুঞ্জ বজ্রঝড় অথবা পরিচলনগত বজ্রঝড় নামেও আখ্যায়িত করা যায়।
- বাংলাদেশে কালবৈশাখী সৃষ্টির প্রধান কারণ দেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আসা উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু যা ঊর্ধ্বে ২ কিলোমিটার পর্যন্ত আরোহন করে থাকে এবং এ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু উত্তর-পশ্চিম এবং পশ্চিম দিক থেকে আসা অপেক্ষাকৃত শীতল ও শুষ্ক বায়ুর সঙ্গে মিলিত বা মুখোমুখি হয়।
- উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ছোটনাগপুর মালভূমিতে সৃষ্টির পর পূর্বদিকে ধাবিত হয়ে বাংলাদেশের সীমায় উপস্থিত হয়। বিপরীতধর্মী ও অসম এ দু বায়ুপ্রবাহের মুখোমুখি হওয়ার ফলে প্রাক-কালবৈশাখীর সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বজ্র-বিদ্যুৎপূর্ণ ঝড় সৃষ্টি হয়।
- এই ঝড় বৈশাখ মাসে কখনও চৈত্র মাসে উত্তর-পশ্চিম দিক হতে আসে বলে একে কালবৈশাখী ঝড় বা গ্রীষ্মকালীন উত্তর পশ্চিম ঝড় বা বজ্রবিদ্যুৎপূর্ণ ঝড়বৃষ্টি বলা হয়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪১৪.
পাহাড়ি এলাকায় কোন ধরণের বন্যা হয়?
  1. আকস্মিক বন্যা
  2. মৌসুমি বন্যা
  3. উপকূলীয় বন্যা
  4. নগর বন্যা
সঠিক উত্তর:
আকস্মিক বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকস্মিক বন্যা
ব্যাখ্যা
বন্যা (Flood):
- বন্যা বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে।
- প্রায় প্রতি বছর দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়।
- ধরণ ও প্রকৃতি অনুযায়ী বন্যাকে চার ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা: মৌসুমী বন্যা, আকস্মিক বন্যা, উপকূলীয় বন্যা এবং নগর বন্যা।

⇒ আকস্মিক বন্যা:
- বর্ষা মৌসুম ব্যতীত অন্য যে কোনো মৌসুমী আকস্মিক বৃষ্টিপাত বা পাহাড়ি ঢলের ফলে যে বন্যার সৃষ্টি হয়, তাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তথা সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কিশোরগঞ্জ প্রভৃতি জেলায় আকস্মিক বন্যা হতে দেখা দেয়।
- বোরো মৌসুমে এ ধরনের বন্যা হলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

উল্লেখ্য,
- পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) The Daily Star বাংলা।
৬,৪১৫.
নিচের কোন দেশটি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত নয়?
  1. তুর্কমেনিস্তান
  2. ইয়েমেন
  3. কাতার
  4. ইরান
সঠিক উত্তর:
তুর্কমেনিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুর্কমেনিস্তান
ব্যাখ্যা
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশ নয় - তুর্কমেনিস্তান।
- তুর্কমেনিস্তান হলো মধ্য এশিয়ার দেশ।

• মধ্যপ্রাচ্যে:
- মধ্যপ্রাচ্যে ১৮টি দেশ রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাহরাইন, সাইপ্রাস, মিশর, ইরান, ইরাক, ইসরাইল, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, ফিলিস্তিন, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়ান আরব রিপাবলিক, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইয়েমেন।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৬,৪১৬.
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির একটি প্রধান কারণ-
  1. লবণাক্ত পানি বৃদ্ধি
  2. বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত মাটি সঞ্চয়
  3. খরার কারণে মাটি জমাট বাঁধা
  4. ভূমিকম্পজনিত ভূমি সৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত মাটি সঞ্চয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত মাটি সঞ্চয়
ব্যাখ্যা

সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি :
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- অসংখ্য ছোট-বড় নদী, বাংলাদেশের সর্বত্র জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে।
- সমতলভূমির উপর দিয়ে এ নদীগুলো প্রবাহিত হওয়ার কারণে বর্ষাকালে বন্যার সৃষ্টি হয়।
- বছরের পর বছর এভাবে বন্যার সঙ্গে পরিবাহিত মাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে।
- এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
(ক) রংপুর ও দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি।
(খ) ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও সিলেটের অন্তর্গত বন্যা প্লাবন সমভূমি।
(গ) ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা ও ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি।
(ঘ) নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি।
(ঙ) খুলনা ও পটুয়াখালী অঞ্চল এবং বরগুনা জেলার কিয়দংশ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৪১৭.
আসাম ও বার্মিজ দ্বীপের মধ্যে কিছু ছোট ছোট দ্বীপ জন্মলাভ করে-
  1. ইয়োসিন যুগে
  2. মায়োসিন যুগে
  3. প্লায়স্টোসিন যুগে
  4. অলিগোসিন যুগে
সঠিক উত্তর:
ইয়োসিন যুগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়োসিন যুগে
ব্যাখ্যা

• বঙ্গ অববাহিকার জন্ম ও সমুদ্র গ্রাস:
- ইয়োসিন যুগে অর্থাৎ ৫-৬ কোটি বছর পূর্বে পলল সঞ্চয়নের মাধ্যমে আসাম ও বার্মিজ অববাহিকার মধ্যে কিছু ছোট ছোট দ্বীপ জন্মলাভ করে।
- এ সময়ের শেষভাগে 'ইষ্ট বেঙ্গল রিজ' নামক একটি বালুকাময় উচ্চ ভূমি দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর পূর্ব লাইন বরাবর আসাম ওবঙ্গ অববাহিকার মাঝে সমুদ্রে জমা হতে থাকে।
- অলিগোসিন (প্রায় ৪ কোটি বছর) সময় পর্যন্ত সমগ্র বঙ্গ অববাহিকা সমুদ্রের নীচেই ছিলো।
- দ্রুত ভরাট হওয়ার ফলে অববাহিকার গুলোর গভীরতা ক্রমশঃ হ্রাস পেতে থাকে।
- এ সময়ে অসংখ্য নদী সমুদ্রে এসে মিলিত হয়।
- নদী বাহিত পলি অববাহিকায় পলল পাখার মত ছড়িয়ে যায়।

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৪১৮.
জিব্রাল্টার প্রণালী ভূমধ্যসাগরকে কোন সাগর/মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে?
  1. লোহিত সাগর
  2. কৃষ্ণ সাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর
  4. ভারত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
জিব্রাল্টার প্রণালী: 
- জিব্রাল্টার প্রণালী হলো একটি সংকীর্ণ জলপথ যা ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত করে।
- এটি স্পেন এবং উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকার মধ্যে অবস্থিত।
- দৈর্ঘ্য: ৩৬ মাইল (৫৮ কিমি)।
- সর্বনিম্ন প্রস্থ: ৮ মাইল (১৩ কিমি), যা স্পেনের পয়েন্ট মারোকি এবং মরক্কোর পয়েন্ট সিরেসের মধ্যে।
- গড় গভীরতা: ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।
- জিব্রাল্টার প্রণালী উত্তর আফ্রিকার আটলাস পর্বতমালা এবং স্পেনের উঁচু মালভূমির মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সামরিক নৌপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: Britannica.
৬,৪১৯.
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কোনটি?
  1. ক) গাছপালা বৃদ্ধি পাওয়া
  2. খ) কল-কারখানা বৃদ্ধি পাওয়া
  3. গ) খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস
  4. ঘ) জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া
সঠিক উত্তর:
গ) খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব হচ্ছে - খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস।

• জলবাযু পরিবর্তন প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই বিশ্বের আবহাওয়ার ধরন দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে।
- সঠিকভাবে কোনো ঋতুতেই আমরা প্রকৃতির কাছ থেকে স্বাভাবিক আচরণ পাচ্ছি না।
- বৃষ্টির সময় অনাবৃষ্টি, খরার সময়ে বৃষ্টি, শীতের সময়ে গরম আবহাওয়া এবং গরমের ভিন্নধর্মী আবহাওয়া ইত্যাদিই জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব।

- অধিবাসীরা এই গ্রীনহাউসের প্রভাবে নানা রকম দুর্ভোগের মধ্যে পড়বে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উপকূলীয় এলাকা পানির
নিচে তলিয়ে যাবে এবং বিখ্যাত শহরগুলোও ক্ষতিগ্রস্থ হবে। বাংলাদেশও এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে।

- এছাড়াও এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠা, বন্য জীবজন্তুর সংখ্যা কমে যাওয়া, লোনা পানির প্রবেশ ঝুঁকি বৃদ্ধি, অসময়ে জলোচ্ছ্বাসের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, সুপেয় পানি দূষণ, বনাঞ্চল ধ্বংস, বাস্তুসংস্থানের উপর হুমকি, খরা বৃদ্ধি, বন্যা ও লবনাক্ততা দ্বারা ফসলি জমির ক্ষতি ইত্যাদিও এই জলবায়ু পরিবর্তনেরই প্রভাব।

ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪২০.
এশিয়ার হিমালয় কোন ধরনের পর্বত?
  1. আগ্নেয় পর্বত
  2. চ্যুতি-স্তুপ পর্বত
  3. ভঙ্গিল পর্বত
  4. ল্যাকোলিথ পর্বত
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রতল থেকে অন্তত ১০০০ মিটারের বেশি উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্য ও গঠন প্রকৃতির ভিত্তিতে পর্বত প্রধানত ৪ প্রকার।

যথা:
→ ভঙ্গিল পর্বত,
→ আগ্নেয় পর্বত,
→ চ্যুতি-স্তুপ পর্বত ও
→ ল্যাকোলিথ পর্বত।

ভঙ্গিল পর্বত: 
- ভঙ্গ বা ভাঁজ থেকে ভঙ্গিল শব্দটির উৎপত্তি।
- কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- ভঙ্গিল পর্বতের প্রধান বৈশিষ্ট্য ভাঁজ।
- পৃথিবীর উচ্চতম অধিকাংশ পর্বত এ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত।
- এশিয়ার হিমালয়, ইউরোপের আল্পস, উত্তর আমেরিকার রকি, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৪২১.
কোনটি আগ্নেয় শিলার উদাহরণ?
  1. গ্রানাইট
  2. চুনাপাথর
  3. মার্বেল
  4. কয়লা 
সঠিক উত্তর:
গ্রানাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রানাইট
ব্যাখ্যা

আগ্নেয় শিলা:
- ভূগর্ভের গলিত ম্যাগমা বা ভূপৃষ্ঠের লাভা শীতল ও কঠিন হয়ে যে কঠিন শিলা গঠিত হয়, তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।
- এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম শিলা যা সাধারণত স্ফটিকাকার, স্তরহীন এবং অত্যন্ত শক্ত হয়।
- এই শিলা কোনো স্তর বা জীবাশ্ম ধারণ করে না।
- আগ্নেয় শিলার উদাহরণ: গ্রানাইট, ব্যাসল্ট, গ্যাব্রো, সিয়েনাইট, পিউমিস। 

• আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্য:
- আগ্নেয় শিলার স্তর নেই অর্থাৎ অস্তরীভূত শিলা;
- আগ্নেয় শিলায় কোনো জীবাশ্ম নেই;
- আগ্নেয় শিলা অপ্রবেশ্য;
- আগ্নেয় শিলা সুদৃঢ় ও সুসংহত। 

অন্যদিকে, 
- চুনাপাথর, কয়লা পাললিক শিলা এবং মার্বেল রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৪২২.
'কালাপানি' কোন দুই রাষ্ট্রের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখণ্ড?
  1. বাংলাদেশ ও মিয়ানমার
  2. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  3. ভুটান ও ভারত
  4. ভারত ও নেপাল
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
ব্যাখ্যা
 কালাপানি:
- কালাপানি অঞ্চল ভারত ও নেপালের মধ্যকার বিতর্কিত একটি অঞ্চল যা উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে এই অঞ্চল ভারত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
- নেপাল ও ভারতের মধ্যে ১৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি খোলা সীমান্ত রয়েছে।
- তার মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- বিরোধের কেন্দ্রে থাকা ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে কালাপানি, লিপুলেখ এবং সুস্তা অন্যতম।
- নেপালের উত্তর-পশ্চিম অংশে এগুলো অবস্থিত।
- যার দক্ষিণে ভারতের কুমায়ুন এবং উত্তরে চীনের তিব্বত।
- এই ভূখণ্ডটি ভারত, নেপাল ও চীন- তিন দেশের একটি সংযোগস্থল।

উৎস: বিবিসি নিউজ বাংলা।
৬,৪২৩.
আয়তনের দিক দিয়ে পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ কোনটি?
  1. ক) কানাডা
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
গ) রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
আয়তনের দিক দিয়ে পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ রাশিয়া। কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ব্রাজিল যথাক্রমে ২য়, ৩য়, ৪র্থ ও পঞ্চম বৃহত্তম দেশ। জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ চীন এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ ভারত।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৬,৪২৪.
নিচের কোনটি দুর্যোগের পরবর্তী ব্যবস্থাপনার উপাদান নয়?
  1. উন্নয়ন
  2. সাড়াদান
  3. প্রতিরোধ
  4. পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
প্রতিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়ীত্ব হ্রাস এবং দুর্যোগের পূর্ব প্রস্তুতিকেই দুর্যোগ প্রশমন বলে।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব না হলেও যথাযথ ব্যবস্থাপনার দ্বারা এর ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।

- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূখ্য উপাদানসমূহ:
• দুর্যোগ প্রতিরোধ,
• দুর্যোগ প্রশমন এবং
• দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি।

- দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে:
• সাড়াদান,
• পুনরুদ্ধার ও
• উন্নয়ন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।
৬,৪২৫.
'সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক ২০১৫-৩০' হচ্ছে একটি -
  1. অর্থনৈতিক ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
  2. দুর্যোগ কালীন উন্নয়ন কৌশল
  3. ভূমিকম্পের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
  4. দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল  
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল  
ব্যাখ্যা
সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক:
- সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক ২০১৫-২০৩০ হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- যা জাতিসংঘের নেতৃত্বে প্রণীত হয়েছে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের লক্ষ্যে।
- এটি ২০১৫ সালের মার্চ মাসে জাপানের সেনদাই শহরে অনুষ্ঠিত তৃতীয় বিশ্ব দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস সম্মেলনে গৃহীত হয়।

৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Global Targets):
- দুর্যোগে মৃত্যুহার হ্রাস,
- ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের সংখ্যা হ্রাস,
- অর্থনৈতিক ক্ষতি হ্রাস,
- গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও সেবা ব্যবস্থার ক্ষতি হ্রাস,
- DRR কৌশলের সংখ্যা বৃদ্ধি,
- আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি,
- সময়মতো সতর্কবার্তা ও ঝুঁকি সচেতনতা বৃদ্ধি।

উৎস: UNDRR[link]
৬,৪২৬.
‘খৈয়াছড়া ঝর্ণা’ কোথায় অবস্থিত?
  1. মৌলভীবাজার
  2. রাঙামাটি
  3. চট্টগ্রাম
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- খৈয়াছড়া ঝর্ণা চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলার বড়তাকিয়ায় অবস্থিত।
এই ঝর্ণায় ৭/৯ টি ধাপ রয়েছে যা বেয়ে বেয়ে পানি নিচে নেমে আসে। আকারে এটি দেশের সবচেয়ে বড় ঝর্ণা।
- শুভলং ঝর্ণা অবস্থিত রাঙামাটি জেলায়
- হামহাম ঝর্ণা অবস্থিত মৌলভীবাজার জেলায়।
(সূত্রঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
৬,৪২৭.
নারিকেল জিঞ্জিরা নামে পরিচিত দ্বীপ কোনটি?
  1. ক) ছেড়া দ্বীপ
  2. খ) মহেশখালি দ্বীপ
  3. গ) সেন্ট মার্টিন দ্বীপ
  4. ঘ) সদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
গ) সেন্ট মার্টিন দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সেন্ট মার্টিন দ্বীপ
ব্যাখ্যা
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ: বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ অংশে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা থেকে ৯ কিমি দক্ষিণে গড়ে ওঠা একটি ছোট দ্বীপ।
- মায়ানমারের উত্তর-পশ্চিম উপকূল থেকে ৮ কিমি পশ্চিমে নাফ নদীর মুখে দ্বীপটি অবস্থিত। 
- স্থানীয় জনসাধারণ এটিকে নারিকেল জিনজিরা নামে চেনে।
-মূল ভূখন্ড এবং দ্বীপের মধ্যবর্তী ৯.৬৬ কিমি প্রশস্ত প্রণালী দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমের উন্মুক্ত সাগরের তুলনায় অনেক অগভীর।
-  এখানে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিক জুড়ে রয়েছে ১০-১৫ কিমি প্রবাল প্রাচীর।
- প্রবাল দ্বীপ নামেও দ্বীপটি পরিচিত ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া,  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৪২৮.
'জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ' SDG'র কত নং লক্ষ্যমাত্রার অন্তর্গত?
  1. পঞ্চদশ
  2. দ্বাদশ
  3. চতুর্দশ
  4. ত্রয়োদশ
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি): 

- টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) হলো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গৃহীত একটি বৈশ্বিক কর্ম পরিকল্পনা।
- ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ইউনাইটেড নেশন্স সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সামিটে এসডিজি গৃহীত হয়।
- এসডিজি এর প্রধান লক্ষ্যমাত্রা ১৭টি। এসডিজি এর লক্ষ্যমাত্রাসমূহ অর্জনের সময়সীমা ২০১৬-২০৩০ খ্রিস্টাব্দ।

এসডিজির লক্ষ্যসমূহ হলো:
- প্রথম : দারিদ্র্য নির্মূল;
- দ্বিতীয় : ক্ষুধামুক্তি;
- তৃতীয় : সুস্বাস্থ্য;
- চতুর্থ : মানসম্মত শিক্ষা;
- পঞ্চম : লিঙ্গ সমতা;
- ষষ্ঠ : বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন;
- সপ্তম : সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি;
- অষ্টম : উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
- নবম : শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
- দশম : বৈষম্য হ্রাস;
- একাদশ : টেকসই শহর ও জনগণ;
- দ্বাদশ : পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
- ত্রয়োদশ : জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ;
- চতুর্দশ : সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান;
- পঞ্চদশ : স্থলভাগের জীবন;
- ষোড়শ : শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং;
- সপ্তদশ : অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।



উৎস: SDG ওয়েবসাইট। 
৬,৪২৯.
বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে কোন রেখাটি অতিক্রম করেছে?
  1. ট্রপিক অব ক্যাপ্রিকন
  2. বিষুবরেখা
  3. ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
  4. ট্রপিক অব ক্যানসার
সঠিক উত্তর:
ট্রপিক অব ক্যানসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপিক অব ক্যানসার
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা:
- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত।
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৬,৪৩০.
বাংলাদেশের মৌসুমি পুকুরে মাছ ছাড়ার সময়বিলম্বের প্রধান কারণ হলো—
  1. মাছের প্রজাতি কম হওয়া
  2. জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে বৃষ্টিপাত কম বা দেরি 
  3. হ্যাচারিতে তাপমাত্রা কমে যাওয়া
  4. নদীর পানি বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে বৃষ্টিপাত কম বা দেরি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে বৃষ্টিপাত কম বা দেরি 
ব্যাখ্যা

 মাছ চাষ ও পোনা উৎপাদনে প্রভাব:
১) আমাদের দেশে মৌসুমি পুকুরগুলোতে এপ্রিল-মে মাসে বৃষ্টির পানি জমলে চাষিরা মাছ ছাড়ে। জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে বৃষ্টিপাত কমে গেছে। অথবা বৃষ্টিপাত শুরু হতে দেরি হচ্ছে। এতে করে পোনা ছাড়তে দেরি হচ্ছে। আবার দেরিতে পোনা ছাড়ার পর পুকুর শুকিয়েও যাচ্ছে তাড়াতাড়ি। ফলে চাষের সময় কমে যাচ্ছে এবং মাছ বড় হওয়ার আগেই ছোট মাছ বাজারজাত করতে হচ্ছে। এতে করে চাষিরা লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে।
২) জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও কম বৃষ্টিপাতের ফলে হ্যাচারিতে মাছের প্রজনন ও পোনা উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। প্রজননের অনুকূল পরিবেশ না পাওয়া ও তাপমাত্রা বেশি থাকার কারণে হ্যাচারিতে মাছ কৃত্রিম প্রজননে সাড়া দিচ্ছে না। পেটে ডিম আসলেও ডিম ছাড়ছে না। ডিম শরীরে শোষিত হয়ে যাচ্ছে। আবার মাছ ডিম ছাড়লেও তা নিষিক্ত হচ্ছে না বা কম হচ্ছে। আবার নিষিক্ত হওয়া ডিমফোটার হারও কম হচ্ছে। জলবায়ুর পরিবর্তন এভাবে হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদন ব্যাহত করছে।
৩) স্বল্প গভীর পুকুরে অধিক তাপমাত্রায় মাছ সহজে রোগাক্রান্ত হচ্ছে এবং মৃত্যুহার বেড়ে যাচ্ছে। ফলে উৎপাদন কম হচ্ছে ও চাষিদের আয় কমে যাচ্ছে।
৪) কম বৃষ্টির কারণে চাষের পুকুরে কম পানি পাওয়া যাচ্ছে। ফলে পুকুরে বা খামারে পানি সরবরাহে চাষিকে অতিরিক্ত খরচ করতে হচ্ছে।
৫) জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বন্যা, সাইক্লোন, জলোচ্ছ্বাসের তীব্রতা এবং সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। ফলে মৎস্য সেক্টরে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে গিয়ে চাষিদের দুর্ভোগ বাড়ছে। পুকুর থেকে মাছ বেরিয়ে যাচ্ছে।
৬) সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে উপকূলীয় অঞ্চলের চাষের পুকুরগুলো ডুবে যেতে পারে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।

৬,৪৩১.
'তাহরির স্কয়ার' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সিউল
  2. খ) আম্মান
  3. গ) কায়রো
  4. ঘ) তেহরান
সঠিক উত্তর:
গ) কায়রো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কায়রো
ব্যাখ্যা
Tahrir Square is a major public town square in downtown Cairo, Egypt.
Source: britannica.com
৬,৪৩২.
স্থানীয় বায়ু নয় কোনটি?
  1. ক) মৌসুমী বায়ু
  2. খ) চিনুক
  3. গ) সিরক্কো
  4. ঘ) সাইমুম
সঠিক উত্তর:
ক) মৌসুমী বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মৌসুমী বায়ু
ব্যাখ্যা
স্থানীয় বায়ু (Local Wind):
স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য কিংবা তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে ভূপৃষ্ঠের স্থানে স্থানে স্থানীয় বায়ুর উৎপত্তি হয়।

কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ:

- রকি পর্বতের চিনুক (Chinook),
- ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল (Mistral),
- আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পের (Pampero),
- আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা (Bora),
- উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরক্কো (Sirocco),
- আরব মালভূমির সাইমুম (Simoom),
- মিসরের খামসিন (Khamsin) ও
- ভারতীয় উপমহাদেশের লু (Loo)।

অন্যদিকে,
মৌসুমি বায়ু  দক্ষিণ এশিয়া এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জলবায়ুতে সর্বাপেক্ষা প্রভাব বিস্তারকারী বায়ুপ্রবাহ। গ্রীষ্ম ও শীত মৌসুমে সমুদ্র ও ভূ-পৃষ্ঠের উত্তাপ এবং শীতলতার তারতম্যের ফলে ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহের দিকও পরিবর্তিত হয়। শীত মৌসুমে শুষ্ক মৌসুমি বায়ু উত্তর-পূর্ব দিক (ভূভাগ) থেকে সমুদ্র অভিমুখে প্রবাহিত হয় এবং গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম (সমুদ্রভাগ) থেকে ভূমি অভিমুখে প্রবাহিত হয়। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৪৩৩.
বন্যার মনুষ্যসৃষ্ট কারণ কোনটি?
  1. বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টি
  2. বনজ সম্পদ ধ্বংস করা
  3. পাহাড়ি বরফগলা পানি
  4. নিম্নচাপের ফলে ভারী বর্ষণ
সঠিক উত্তর:
বনজ সম্পদ ধ্বংস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বনজ সম্পদ ধ্বংস করা
ব্যাখ্যা
বন্যা (Flood): সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে। 

বন্যার কারণ: 
প্রাকৃতিক কারণ: 
- বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টি
- ভৌগোলিক অবস্থান, ভূমিরূপের গঠন ও প্রকৃতি, 
- পাহাড়ি বরফগলা পানি
- নদীর আকাঁবাঁকা গতিপথ, 
- নিম্নচাপের ফলে ভারী বর্ষণ
- বর্ষা মৌসুমে নদীর অতিরিক্ত পানি, 
- নদীর পানি প্রবাহ ক্ষমতা কমে যাওয়া, 
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে জলবায়ুর পরিবর্তন প্রভৃতি।

মানবসৃষ্ট কারণ: 
- নদীর গতিপথে বাধা প্রদান, 
- খাল ও নালা ভরাট করে ফেলা, 
- অপরিকল্পিতভাবে রাস্তাঘাট নির্মাণ, 
- নদীর তলদেশ ভরাট করে ফেলা, 
- বনজ সম্পদ ধ্বংস করা
- প্রয়োজনে বা অপ্রয়োজনে অপরিকল্পিতভাবে নদীশাসন করা, 
- উজানে পানি প্রত্যাহার বা বাঁধ নির্মাণ, 
- পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অপ্রতুলতা প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৩৪.
রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. কেলাসিত
  2. অধিকতর শক্ত
  3. জীবাশ্মযুক্ত
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জীবাশ্মযুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবাশ্মযুক্ত
ব্যাখ্যা

- রূপান্তরিত শিলায় জীবাশ্ম থাকে না। 
⇒ তাই 'জীবাশ্মযুক্ত' রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য নয়।


♦ রূপান্তরিত শিলা:
- প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ। যেমন-
• চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল,
• বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
• কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট,
• গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে,
• কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়। 

♦ রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য:
• কেলাসিত।
• অধিকতর শক্ত ও মজবুত।
• জীবাশ্মহীন।
• সমান্তরাল।

তথ্যসূত্র - ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৪৩৫.
বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোসাগরে মহীসোপানের বিস্তৃতি কত?
  1. ক) ১২ নটিক্যাল মাইল
  2. খ) ২৫০ নটিক্যাল মাইল
  3. গ) ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল
  4. ঘ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোসাগরে মহীসোপানের বিস্তৃতি প্রায় ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল।
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের স্থলভাগের যে অংশ অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে তাকে  মহীসোপন বলে।
- মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার।
- পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত।

 উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং প্রথম আলো।
৬,৪৩৬.
নিম্নের কোনটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের অন্তর্ভুক্ত?
  1. রাসায়নিক দূষণ
  2. পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ
  3. অগ্ন্যুৎপাত
  4. খাদ্যে কীটনাশক ব্যবহার
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যুৎপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যুৎপাত
ব্যাখ্যা
• প্রাকৃতিক দুর্যোগ:
- প্রাকৃতিক কারণে যে সকল দুর্যোগ সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে।
• এ ধরনের দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে:
- ভূমিকম্প, 
- অগ্ন্যুৎপাত, 
- ঘূর্ণিঝড়, 
- বন্যা, 
- খরা, 
- নদীভাঙন, 
- লবণাক্ততা, 
- তুষারপাত ইত্যাদি।

• মানবসৃষ্ট দুর্যোগ:
- মানবসৃষ্ট দুর্যোগ বলতে মানুষের অবহেলা, ভুলভ্রান্তি বা কোনো বিশেষ অভিপ্রায়ের ফলে সৃষ্ট দুর্যোগকে বুঝায়। অর্থাৎ এ ধরনের দুর্যোগ মানুষের কর্মকাণ্ডের ফলে সৃষ্টি হয়।
- যুদ্ধ, 
- পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ, 
- রাসায়নিক দূষণ, 
- খাদ্যে কীটনাশক ব্যবহার, 

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৪৩৭.
'গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring Forties)' অঞ্চলটি কোন অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. ৪৫° থেকে ৫৭° উত্তর
  2. ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ
  3. ৩০° থেকে ৩৫° দক্ষিণ
  4. ৫০° থেকে ৬০° উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ
ব্যাখ্যা

• দক্ষিণ গোলার্ধে ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্য দিয়ে পশ্চিমা বায়ু কোনো বাধা ছাড়াই উন্মুক্ত সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রচণ্ড বেগে প্রবাহিত হয়। এই বায়ুর তীব্র আওয়াজের কারণেই একে 'গর্জনশীল চল্লিশ' বলা হয়।

• পশ্চিমা বায়ু: 
- উত্তর গোলার্ধের দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে পশ্চিম বায়ু প্রবাহিত হয়। 
- ৩০° অক্ষাংশে কিছু বায়ু পৃথিবীর গা-ঘেঁষে মেরুর দিকে ৬০° অক্ষাংশ পর্যন্ত পৌঁছালে মেরু এলাকা থেকে আগত শীতল ও ভারী বায়ু মুখোমুখি হয়। 
- এসময় অপেক্ষাকৃত উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরের দিকে উঠে গেলেও এর এক অংশ মেরুবৃত্তের নিম্নচাপে প্রবাহিত হয় বলেই একে পশ্চিমা বায়ু বলা হয়। 
- উত্তর গোলার্ধের বিশাল স্থলভাগের জন্য স্থানীয়ভাবে পশ্চিমা বায়ু পরিবর্তনশীল। 
- আবার দক্ষিণ গোলার্ধে জলাবিস্তৃতি ভূমিরূপের কারণেই পশ্চিমা বায়ু প্রবলভাবে প্রবাহিত হয় এবং এ কারণেই এই বায়ুপ্রবাহের ধরণকে তখন বলা হয় প্রবল পশ্চিমা বায়ু। 
- ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সব থেকে বেশি বলেই এই অঞ্চলের নামকরণ করা হয়েছে গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring Forties)। 

- নিরক্ষীয় শান্ত বলয়ের মত ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়েও দুটি শান্ত বলয়ের সৃষ্টি হয়। 
- ৩০° থেকে ৫০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে দুটি ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়ের অবস্থান রয়েছে। 
- বায়ু নিম্নদিকে প্রবাহিত হয় বলেই এই অঞ্চলে আনুভূমিক বায়ু অনুভব করা যায় না। 
- প্রাচীনকালে আটলান্টিক মহাসাগরের উপর দিয়ে জাহাজ প্রবাহিত হবার সময় ইউরোপ থেকে আমেরিকায় অশ্ব ও অন্যান্য পশু রপ্তানি করে নিয়ে যেত। 
- কিন্তু এই অঞ্চলের বায়ু প্রবাহের জন্য বাতাসের গতি যখন মন্থর হয়ে যেতো নাবিকরা তখন খাদ্য ও পানীয় জলের অনেক অভাবে তাদের অশ্বগুলো সমুদ্রে ফেলে দিতো। এ জন্য আটলান্টিক মহাসাগরের ক্রান্তীয় শান্ত বলয়কে অশ্ব অক্ষাংশ (Horse Latitude) বলে। 
- উত্তর গোলার্ধে ৩০° থেকে ৩৫° উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত অঞ্চলটিতে শীতকালেও পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৪৩৮.
কোন সালের ভূমিকম্পের ফলে যমুনা নদী উৎপত্তি লাভ করেছে?
  1. ১৭৮৭ সালে
  2. ১৭৮৯ সালে
  3. ১৮৮৭ সালে
  4. ১৮৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
যমুনা (Jamuna): 
- ব্রহ্মপুত্র একসময় বিশাল স্রোতধারা নিয়ে ছিল দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদ।
- আজকের চঞ্চলা যমুনা নদীও ছিল ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদী।
- মূলত ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উপরে উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গিয়ে একটি নতুন স্রোতধারা সৃষ্টি হয়।
- যার ফলে যমুনা নদী উৎপত্তি লাভ করেছে।
- এটি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়। 
- এরপর এই মিলিত স্রোত দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে। 
- যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা। 
- যমুনার উপনদীগুলোর মধ্যে ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই অন্যতম।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৪৩৯.
গর্জনশীল চল্লিশে কোন বায়ুর গতিবেগ সবচেয়ে বেশি?
  1. পশ্চিমা বায়ু
  2. মৌসুমী বায়ু
  3. স্থানীয় বায়ু
  4. অয়ন বায়ু
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমা বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমা বায়ু
ব্যাখ্যা

পশ্চিমা বায়ু (The Westerlies):
- কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে অয়ন বায়ু ব্যতীত আরও দুটি বায়ুপ্রবাহ মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
- উত্তর গোলার্ধে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়।
- এ বায়ুপ্রবাহকে পশ্চিমা বায়ু বলে।
- উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগের পরিমাণ অধিক বলে স্থানীয় কারণে পশ্চিমা বায়ুর সাময়িক বিরতি ঘটে।
- কিন্তু দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমাণ বেশি বলে পশ্চিমা বায়ু প্রবলবেগে এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়।
- এজন্য এই বায়ুপ্রবাহকে প্রবল পশ্চিমা বায়ু (Brave west winds) বলে।
- ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি।
- এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring forties) বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৬,৪৪০.
ট্রপোমন্ডলকে অন্য কোন নামে ডাকা হয়?
  1. আয়নমন্ডল
  2. বৃহৎমন্ডল
  3. ওজোনমন্ডল
  4. ক্ষুদ্রমন্ডল
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্রমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্রমন্ডল
ব্যাখ্যা

ট্রপোমন্ডল:
- ট্রপোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর।
- মেরু এলাকায় এ স্তরের গভীরতা প্রায় ৮ কিলোমিটার এবং নিরক্ষীয় এলাকায় ১৬ থেকে ১৯ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর গড় গভীরতা প্রায় ১৫ কিলোমিটার।
- এ স্তরের জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা অশান্ত বায়ুর সাথে মিশ্রিত হয়ে মেঘ, ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি সৃষ্টি করে।
- ট্রপোমন্ডলকে ক্ষুদ্রমন্ডলও বলা হয়ে থাকে।
- এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে।
- উষ্ণতা হ্রাসের এ হার প্রতি কিলোমিটারে ৬.৫° সেলসিয়াস যা স্বাভাবিক তাপ হ্রাস হার নামে পরিচিত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।
- এ স্তরের শেষ সীমাকে ট্রপোবিরতি (Tropopause) বলে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৪৪১.
নিচের কোনটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়?
  1. ক) পরিবেশ দূষণ
  2. খ) টর্নেডো
  3. গ) শৈত্যপ্রবাহ
  4. ঘ) ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর:
ক) পরিবেশ দূষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পরিবেশ দূষণ
ব্যাখ্যা

- জাতিসংঘের প্রশিক্ষণ ও গবেষণা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান দুর্যোগসমূহকে চার ভাগে ভাগ করেছে।
- এগুলো হলো-
১) প্রাকৃতিক দুর্যোগ: বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, নদী ভাঙ্গন, ভূমিকম্প, শৈত্যপ্রবাহ ইত্যাদি।
২) দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ: মহামারী, খরা ইত্যাদি।
৩) মানবসৃষ্ট দুর্যোগ: যুদ্ধ, অপরিকল্পিত নগরায়ন, বনাঞ্চল ধ্বংস, পরিবেশ দূষণ ইত্যাদি এবং
৪) দুর্ঘটনাজনিত দুর্যোগ।

৬,৪৪২.
বর্তমানে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কাঠমান্ডু
  2. খ) নয়াদিল্লি
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) গুজরাট
সঠিক উত্তর:
ঘ) গুজরাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গুজরাট
ব্যাখ্যা
 • সার্ক:
- গঠিত হয়- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে।
- সচিবালয়- কাঠমান্ডু, নেপাল।
- সার্কভুক্ত দেশের সংখ্যা- ৮ টি। 
- সর্বশেষ সদস্য - আফগানিস্তান 
- ২০০৬ সালের অক্টোবরে ভারতের নয়াদিল্লিতে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- তবে ২০১৬ সালে সার্ক আবহাওয়া কেন্দ্র, সার্ক বন কেন্দ্র এবং সার্ক উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রকে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের সাথে একীভূত করা হয়।
- তখন এটির কার্যালয় নয়াদিল্লি থেকে গুজরাটের গান্ধীনগরে স্থানান্তর করা হয়।
- বর্তমানে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র গুজরাটের গান্ধীনগরে অবস্থিত

• সার্কের অন্যান্য আঞ্চলিক কেন্দ্রেসমূহ:
- সার্ক কৃষি কেন্দ্র- ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সার্ক যক্ষ্মা ও এইডস কেন্দ্র- কাঠমান্ডু, নেপাল।
- সার্ক  সাংস্কৃতিক কেন্দ্র- কলম্বো, শ্রীলঙ্কা।
- সার্ক জ্বালানি কেন্দ্র- ইসলামাবাদ, পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র: সার্ক ওয়েবসাইট
৬,৪৪৩.
জলবায়ুর কোন নিয়ামকটির প্রভাবে বাংলাদেশের দিনাজপুরের চেয়ে ভারতের শিলং-এর তাপমাত্রা তুলনামুলক শীতল?
  1. মৃত্তিকার গঠন
  2. সমুদ্র থেকে দূরত্ব
  3. উচ্চতা
  4. সমুদ্রস্রোত
সঠিক উত্তর:
উচ্চতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চতা
ব্যাখ্যা
উচ্চতা (Altitude):
- সমুদ্র সমতল থেকে যতই উপরে ওঠা যায়, উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমন্ডলীয় তাপমাত্রা ততই হ্রাস পায়।
- সাধারণত প্রতি ১,০০০ মিটার উচ্চতায় প্রায় ৬° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়।
- এ উচ্চতার পার্থক্যের কারণে দুই জায়গা একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও একটি অপরটির চেয়ে ভিন্ন জলবায়ু সম্পন্ন হয়।
- যেমন- দিনাজপুর ও শিলং একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও শুধু উচ্চতার তারতম্যের জন্য এদের জলবায়ু ভিন্ন রকম। উচ্চতা বেশি হওয়াতে শিলং-এ দিনাজপুরের চেয়ে তাপমাত্রা কম হয়।

উল্লেখ্য
⇒ জলবায়ুর নিয়ামক (Factors of Climate)
- পৃথিবীর সব অঞ্চলের জলবায়ু একই রকম নয়। এর কোনো অঞ্চল উষ্ণ এবং কোনো অঞ্চল শীতল।
- আবার কোনো স্থান বৃষ্টিবহুল এবং কোনো স্থান বৃষ্টিহীন।
- কিছু ভৌগোলিক বিষয়ের পার্থক্যের কারণে স্থানভেদে জলবায়ুর এরকম পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
- এই বিষয়গুলোকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে।
- কিছু জলবায়ুর নিয়ামকের নাম হল-
- অক্ষাংশ (Latitude),
- উচ্চতা (Altitude),
- সমুদ্র থেকে দূরত্ব (Distance from the sea),
- বায়ুপ্রবাহ (Wind movement),
- সমুদ্রস্রোত (Ocean currents),
- পর্বতের অবস্থান (Location of the mountains),
- ভূমির ঢাল (Slope of the land),
- মৃত্তিকার গঠন (Composition of the soil),
- বনভূমির অবস্থান (Location of the forest) ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৪৪৪.
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা অনুযায়ী দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ কয়টি হটস্পটে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

• দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

৬,৪৪৫.
বঙ্গবন্ধু মানমন্দির কোথায় নির্মিত হচ্ছে?
  1. ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায়
  2. কর্কট ক্রান্তি ও পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার ছেদবিন্দুতে
  3. ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা ও ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখার ছেদবিন্দুতে
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবকটি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু মানমন্দির
- কর্কট ক্রান্তি (২৩.৫ উত্তর অক্ষরেখা) এবং ৯০ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার একটি স্থানে ছেদ করেছে।
- ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় এই ছেদবিন্দুতেই নির্মাণ করা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু মানমন্দির।
- প্রতি বছর জুন মাসের ২১ তারিখ দুপুর ১২টার সময় কেউ যদি এই স্থানে দাঁড়ায় এবং আকাশে মেঘ না থাকে তাহলে আবিষ্কার করবে সূর্য ঠিক মাথার উপর এবং সেজন্য সেখানে তার কোনো ছায়া পড়ছে না।

উল্লেখ্য,
- ২৩.৫ উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কট ক্রান্তি রেখা বলে।
- এ রেখাটি ১১টি জেলার ভেতর দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- এগুলো হল চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা , রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ , নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।
- ৯০পূর্ব দ্রাঘিমারেখাও বাংলাদেশের উপর দিয়ে অতিক্রম করে। 

অন্যদিকে, 
- পৃথিবীতে তিনটি পূর্ব পশ্চিম বিস্তৃত রেখা আছে, সেগুলো হলো কর্কট ক্রান্তি, মকর ক্রান্তি ও বিষুব রেখা।
- ঠিক এ রকম চারটি উত্তর দক্ষিণ বিস্তৃত রেখা আছে, সেগুলো হলো শূন্য ডিগ্রি, ৯০ ডিগ্রি, ১৮০ ডিগ্রি এবং ২৭০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা।
- চারটি উত্তর দক্ষিণ রেখা এবং তিনটি পূর্ব পশ্চিম রেখা, সব মিলিয়ে বারো জায়গায় ছেদ করেছে।
- ১২টি বিন্দুর ১০টি বিন্দুই পড়েছে সাগরে মহাসাগরে।
- এর মধ্যে শুধু দুইটি ছেদবিন্দু পড়েছে স্থলভাগে। এর একটি পড়েছে সাহারা মরুভূমিতে আর অন্য বিন্দুটি বাংলাদেশে, ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায়।

তথ্যসূত্র- দৈনিক যুগান্তর।
৬,৪৪৬.
জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু শীতল হয়ে পর্বতের কোন ঢালে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত ঘটায়?
  1. ক) অনুবাত
  2. খ) অনুপাদিত
  3. গ) প্রতিবাত
  4. ঘ) প্রতিপদ
সঠিক উত্তর:
গ) প্রতিবাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রতিবাত
ব্যাখ্যা
-  উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো- প্রতিবাত ঢালে।

বৃষ্টিপাত

- বৃষ্টিপাত হলো কোনো অঞ্চলের আবহাওয়ার একটি অবস্থা যা নানা ধরনের আবহাওয়ার উপাদানসমূহের উপর নির্ভরশীল। 
- স্বাভাবিকভাবে মেঘ যখন আকাশে ভাসতে থাকে তখন তা ঘনীভূত হয়ে ফোঁটা ফোঁটা আকারে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে ভূ-পৃষ্ঠে পতিত হলে তাকে বলা হয় বৃষ্টিপাত (Rainfall)।

বৃষ্টিপাতের প্রকারভেদ
- মোট ৪টি উপায়ে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঊর্ধ্বাকাশে উত্থিত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায় বলে বৃষ্টিপাত প্রধানত ৪টি ভাগে বিভক্ত। 
- এই ৪টি প্রকারভেদ হলো- ১. পরিচলন বৃষ্টিপাত ২. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত ৩. ঘূর্ণিবাত বৃষ্টিপাত এবং ৪. সংঘর্ষ বৃষ্টিপাত।

শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত:
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সময় পর্বতে বাধাপ্রাপ্ত হলে তা পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরের দিকে উঠে যায়।
- এই বায়ু শীতল হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।
- দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু মেঘালয় পাহাড়ে বাধা পাওয়ায় সিলেট এলাকায় প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি হয়।
- তবে পর্বত অতিক্রমকারী বায়ু যদি পর্বতের অপর পাশে অর্থাৎ অনুবাত ঢালে পৌছায় তখন ঐ বায়ুতে জলীয়বাষ্প কমে থাকে।
- ঐ বায়ু নিচে নামার ফলে আরও উষ্ণ এবং শুষ্ক হয়ে উঠে বলেই ঐ স্থানে বৃষ্টিপাত হয় না।
- এই বৃষ্টিহীন স্থানকে বলা হয় বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল (Rain - Shadow region)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৪৭.
বাংলাদেশে শীতকালের সময়কাল -
  1. ক) কার্তিক-অগ্রহায়ণ
  2. খ) ভাদ্র-পৌষ
  3. গ) আশ্বিন-ফাল্গুন
  4. ঘ) কার্তিক-ফাল্গুন
সঠিক উত্তর:
ঘ) কার্তিক-ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কার্তিক-ফাল্গুন
ব্যাখ্যা
সাধারণত এ দেশে নভেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি মাস (কার্তিক-ফাল্গুন) পর্যন্ত সময়কে শীতকাল বলে। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের পর তাপমাত্রা কমতে থাকে।
আমাদের দেশে শীতকালে তাপমাত্রা সবচেয়ে কম থাকে। এ সময় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১° সেলসিয়াস।
জানুয়ারি শীতলতম মাস এবং এ মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭° সেলসিয়াস।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৪৪৮.
ভূ-পৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগস্থলকে কী বলা হয়?
  1. নিরক্ষবৃত্ত
  2. গোধূলি
  3. ঊষা
  4. ছায়াবৃত্ত
সঠিক উত্তর:
ছায়াবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছায়াবৃত্ত
ব্যাখ্যা
ছায়াবৃত্ত:
- পৃথিবীর আলোকিত এবং অন্ধকার অংশের মধ্যবর্তী বৃত্তাকার অংশকে ছায়াবৃত্ত বলে।
- আবর্তনের ফলে পৃথিবীর যে অংশ অন্ধকার থেকে ছায়াবৃত্ত পার হয়ে সবেমাত্র আলোকিত অংশ পৌঁছায় সেখানে প্রভাত হয়।
- প্রভাতের কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সেখানে ঊষা এবং সন্ধ্যার কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সে সময়কে গোধূলি বলে।

অন্যদিকে,
- প্রভাতের কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সেখানে ঊষা।
- সন্ধ্যার কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সে সময়কে গোধূলি বলে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৪৪৯.
বাংলাদেশে আয়তনে সবচেয়ে ছোট বিভাগ -
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) সিলেট
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) বরিশাল
সঠিক উত্তর:
ক) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বিভাগ:
- বাংলাদেশে মোট ৮টি বিভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ছোট বিভাগ - ময়মনসিংহ।
- এর আয়তন ১০,৫৫২ বর্গ কিমি ।
- আয়তনে সবচেয়ে বড় বিভাগ চট্টগ্রাম ৩৩,৯০৪ বর্গ কিমি ।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় বিভাগ ঢাকা এবং সবচেয়ে ছোট বরিশাল বিভাগ।
- সবচেয়ে বেশি জেলা রয়েছে ঢাকা বিভাগে ১৩টি।
- সবচেয়ে কম ৪টি করে জেলা রয়েছে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৬,৪৫০.
কোনটির উপর বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা নির্ভর করে?
  1. বায়ুর আর্দ্রতা
  2. বায়ুর প্রকৃতি
  3. বায়ুর ঘনত্ব
  4. বায়ুর চাপ
সঠিক উত্তর:
বায়ুর আর্দ্রতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুর আর্দ্রতা
ব্যাখ্যা
বায়ুর আর্দ্রতা (Humidity):

- বায়ুতে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিকে বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা।
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প ধারণ করা না হলে পানিচক্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হত না। বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করাকে তাই বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা।
- বায়ুর আর্দ্রতার উপর বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা নির্ভর করে।
- বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগেরও কম।
- আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ প্রায় শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ বেশি থাকে।
- বায়ুর আর্দ্রতা মূলত দুই প্রকার। যথা-
• পরম আর্দ্রতা।
• আপেক্ষিক আর্দ্রতা।
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে বলা হয় পরম আর্দ্রতা।
- আপেক্ষিক আর্দ্রতা হলো কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণ আর একই আয়তনের বায়ুতে একই উষ্ণতায় পরিপৃক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প প্রয়োজন এ দুটির অনুপাত।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৫১.
ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা কোন নদী?
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) যমুনা
  3. গ) সুরমা
  4. ঘ) মেঘনা
সঠিক উত্তর:
খ) যমুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যমুনা
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র নদ: 
-  এ নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের নিকটে মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রথমে তিব্বতের উপর দিয়ে পূর্ব দিকে ও পরে আসামের ভিতর দিয়ে পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
অতঃপর ব্রহ্মপুত্র কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্বে বাঁক নিয়ে ময়মনসিংহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় পতিত হয়েছে।
-  ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী এবং বংশী ও শীতলক্ষ্যা প্রধান শাখানদী ৷

যমুনা :
- ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে দৌলতদিয়ার কাছে গঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়ে পদ্মা নাম ধারণ করে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।
- করতোয়া ও আত্রাই যমুনার প্রধান উপনদী। ধলেশ্বরী এর শাখানদী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা ৷

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ দশম অধ্যায়। 

 
৬,৪৫২.
পদ্মা নদীর উৎপত্তি স্থল কোথায়?
  1. হিমালয়ের পাদদেশে দার্জিলিং
  2. হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর
  3. হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ
  4. তিব্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর
সঠিক উত্তর:
হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ
ব্যাখ্যা
পদ্মা: বাংলাদেশের প্রধান নদী পদ্মা।
এ নদী গঙ্গা নামে মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।

⇒ অন্যদিকে,

• ব্রহ্মপুত্র: ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
• মহানন্দা: হিমালয়ের পাদদেশে দার্জিলিং এর নিকটবর্তী মহালড্রীম পর্বত হতে মহানন্দা নদীর উৎপত্তি হয়েছে।
• কর্ণফুলী: কর্ণফুলী নদী আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
• সাঙ্গু: সাঙ্গু নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত আরাকান পাহাড়ে উৎপন্ন হয়েছে।
• ফেনী: ফেনী নদী ভারতের ত্রিপুরার পার্বত্য অঞ্চলে উৎপত্তি হয়েছে।

সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং ভূগোল ও পরবিশে এসএসসি পোগ্রাম (উন্মুক্ত)।
৬,৪৫৩.
বাংলাদেশের গভীর উপত্যকাগুলােতে কোন ধরণের অরণ্য দেখা যায়?
  1. পত্র-পতনশীল অরণ্য
  2. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ অরণ্য
  3. গরান অরণ্য
  4. মধুপুর অরণ্য
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ অরণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ অরণ্য
ব্যাখ্যা
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ অরণ্য : এ অরণ্যকে সব সময় সবুজ দেখায়, এ জন্য চির হরিৎ নাম দেওয়া হয়েছে।
এ ধরনের অরণ্যের জন্য বাৎসরিক ২০৩ সে.মি. ৮০ ইঞ্চি এর বেশি গড় বৃষ্টিপাত প্রয়ােজন।
দেশের গভীর উপত্যকাগুলােতে যেখানে পানির কোনাে অভাব নেই, সে সকল স্থানে ২৪-৩০ মিটার উঁচু বৃক্ষবিশিষ্ট এ অরণ্য দেখা যায়।
এ অঞ্চলগুলাে হচ্ছে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্রগ্রাম ও সিলেট। চাপালিশ, তেলসুর ও ময়না হচ্ছে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বৃক্ষের উদাহরণ।

উৎস: ব্যাচেলর অফ এডুকেশন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৫৪.
'Gate of Tears' নামে পরিচিত কোনটি?
  1. বেরিং প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. বাব এল মান্দেব প্রণালী
  4. মালাক্কা প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বাব এল মান্দেব প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাব এল মান্দেব প্রণালী
ব্যাখ্যা

⇒ বাব এল-মান্দেব প্রণালী 'Gate of Tears' নামে পরিচিত।

বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী, আরবি বাব আল-মান্দব, আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী।
- প্রণালীটির মোট দৈর্ঘ্য, পূর্ব-উত্তর-পূর্ব থেকে পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ১৪৮০ কিমি, এবং এর গড় প্রস্থ, উত্তর-উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ৪৮০ কিমি।
- এটি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালীটি এডেন উপসাগর, গভীর জলের অববাহিকা যা লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সমুদ্র সংযোগ তৈরি করে।
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের সাথে, প্রণালীটি ভূমধ্যসাগর এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের একটি অংশ গঠন করে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ ‘কান্নার দ্বার’।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৬,৪৫৫.
কোন ধরনের শিলায় জীবাশ্ম থাকার সম্ভবনা রয়েছে?
  1. রূপান্তরিত শিলা
  2. পাললিক শিলা
  3. আগ্নেয় শিলা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা
ব্যাখ্যা
পাললিক শিলা:
- পাললিক শিলা কথাটি এসেছে 'পলি' বা 'পলল' থেকে।
- পাললিক শিলা হলো এক প্রকারের শিলা যা ছোট ছোট কণা জমে বা জমা করে এবং পরবর্তীকালে পৃথিবীর পৃষ্ঠে সমুদ্রের তলে বা জলের অন্যান্য দেহের খনিজ বা জৈব কণার সিমেন্টেশন দ্বারা গঠিত হয়।
- কংগ্লোমারেট, ব্রেকসিয়া, গ্রেওয়েক, বেলেপাথর, কাদাপাথর, কোয়ার্টজ, ডলোমাইট, ক্যালসাইট, জিপসাম, কয়লা, চুনাপাথর ইত্যাদি পাললিক শিলার উদাহরণ।

পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য:
- এই শিলায় স্তরায়ন এবং কাদার চির খাওয়া দাগ লক্ষ্য করা যায়।
- একমাত্র এই শিলাতেই জীবাশ্ম দেখা যায়।
- এই শিলায় সচ্ছিদ্রতা ও ভঙ্গুরতা দেখা যায়।
- এই শিলার প্রবেশ্যতা খুব বেশি।
- ক্ষয় প্রতিরোধের ক্ষমতা বিভিন্ন রকম হয়।
- কয়লা, খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ভান্ডার এই শিলা।
- কাঠিন্য আগ্নেয় শিলার থেকে কম।
- দারণ, ফাটল বা কেলাসের গঠন থাকে না।

উল্লেখ্য,
- পাললিক শিলার বিভিন্ন স্তরে আবদ্ধ হয়ে থাকা উদ্ভিত ও প্রাণীর দেহাবশেষ বা প্রস্তরীভূত রূপকে জীবাশ্ম বলে (Fossil)।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৫৬.
বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ হওয়ার প্রধান কারণ কোনটি?
  1. ক) বনাঞ্চলের স্বল্পতা
  2. খ) পরিবেশ দূষণ
  3. গ) জনসংখ্যার ঘনত্ব
  4. ঘ) ভৌগোলিক অবস্থান
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভৌগোলিক অবস্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভৌগোলিক অবস্থান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ। বাংলাদেশে প্রতিবছরই বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ হানা দিয়ে থাকে।
- বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ এর ভৌগোলিক অবস্থান।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে বছরের অধিকাংশ সময় তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের অধিক থাকে। যার কারণে ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস প্রভৃতি দুর্যোগ নিয়মিত হানা দেয়।
- আবার পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্রের প্রবাহের কারণে বাংলাদেশে বন্যা ও নদীভাঙনের প্রকোপ বেশি।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচিতি : অষ্টম শ্রেণী ও প্রথম আলো)
৬,৪৫৭.
কোন সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী 'জলবায়ুর পরিবর্তন জনিত প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ার ১৫০ কোটির বেশি মানুষ সরাসরি পানি ও খাদ্য ঝুঁকিতে পড়বে'?
  1. জাতিসংঘ
  2. ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ
  3. এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB)
  4. বিশ্বব্যাংক
সঠিক উত্তর:
এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB)
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব: বাংলাদেশ প্রেক্ষিত  
♣ জাতিসংঘ তার সতর্কীকরণে বলেছে;
• পরবর্তী ৫০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে তাতে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি অংশ প্লাবিত হবে;
• এবং প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে।
• আনুমানিক ৩ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে। 

♣ ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ-এর তথ্য অনুসারে:
• ২০৩০ সালের পর নদীর প্রবাহ নাটকীয়ভাবে কমে যাবে।
• ফলে এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা দেবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
• উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাবে ঘন ঘন বন্যা, ঝড়, অনাবৃষ্টি এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (ADB) একটি সমীক্ষা থেকে জানা যায়:    
• উষ্ণায়নের বর্তমান ধারা ২০৫০ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকলে দক্ষিণ এশিয়ায় শস্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। 
জলবায়ুর অন্য আনুষঙ্গিক পরিবর্তনের প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ার ১৫০ কোটির বেশি মানুষ সরাসরি পানি ও খাদ্য ঝুঁকিতে পড়বে।
• ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে যে, বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে এ শতকের শেষ নাগাদ বিশ্বে চাষাবাদ ২০ থেকে ৪০ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে।

♣ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলোজি (MIT) অর্থনীতিবিদদের নতুন গবেষণা অনুসারে বিশ্ব উষ্ণায়ন ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যকার ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেবে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৪৫৮.
ভৌগোলিক পরিভাষায় ‘Isthmus’ (যোজক) বলতে কী বোঝায়?
  1. দুটি বিশাল স্থলভাগকে যুক্তকারী সংকীর্ণ স্থলপথ
  2. দুটি বিশাল জলভাগকে যুক্তকারী সংকীর্ণ জলপথ
  3. সমুদ্রের ভেতরে প্রসারিত ভূখণ্ডের অগ্রভাগ
  4. তিন দিকে জল দ্বারা বেষ্টিত প্রশস্ত ভূখণ্ড
সঠিক উত্তর:
দুটি বিশাল স্থলভাগকে যুক্তকারী সংকীর্ণ স্থলপথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি বিশাল স্থলভাগকে যুক্তকারী সংকীর্ণ স্থলপথ
ব্যাখ্যা

• Isthmus’ (যোজক):
- একটি সঙ্কীর্ণ ভূমিক্ষেত্র যা দুটি বৃহৎ ভূমি বা মহাদেশকে সংযুক্ত করে এবং দুটি জলরাশির মধ্যে অবস্থিত থাকে।
- এটি দুটি বিশাল স্থলভাগকে যুক্তকারী সংকীর্ণ স্থলপথ।

- সাধারণত ইস্মাস বা যোজক হল “ল্যান্ড ব্রিজ” জাতীয় ভূমি।
- এর দুটি পাশে সমুদ্র, নদী বা সাগর থাকতে পারে।
এর উদাহরণ:

• ইস্তমাস অফ পানামা – উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা সংযুক্ত করে, এবং আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থান করে।
• ইস্তমাস অফ সুয়েজ  - মিশরে অবস্থিত একটি ১২৫ কিমি (৭৮ মাইল) চওড়া, নিম্নভূমি এবং বালি-আবৃত ভূমি সেতু, যা আফ্রিকা ও এশিয়াকে সংযুক্ত করে। এটি উত্তরে ভূমধ্যসাগর এবং দক্ষিণে লোহিত সাগরকে পৃথক করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬,৪৫৯.
প্রতি ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য কত?
  1. ২ মিনিট
  2. ৪ মিনিট
  3. ৮মিনিট
  4. ৬ ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
৪ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মিনিট
ব্যাখ্যা

গ্রিনিচ মান:
- GMT-এর পূর্ণরূপ: Greenwich Mean Time.
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়।
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে ।
- বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। অর্থাৎ, ৬ ঘন্টা আগে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৪৬০.
ঘূর্ণিঝড় ‘ফেনজল’ নামকরণ করেছে কোন দেশ?
  1. মালয়েশিয়া
  2. ওমান
  3. মাল দ্বীপ
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

⇒ ঘূর্ণিঝড় 'ফেনজল':
- ঘূর্ণিঝড় ‘ফেনজল’ নামকরণ করেছে 'সৌদি আরব'।

- বর্ষা–পরবর্তী মৌসুমে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া দ্বিতীয় ঘূর্ণিঝড় হচ্ছে ‘ফেনজল’।
-  দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে 'ফেনজল'।
- আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছিল , ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যার মধ্যে ভারতের তামিলনাড়ুর উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘ফেনজল’।]
- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছিল।
- উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছিল।

⇒ ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ:
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার আঞ্চলিক কমিটি প্রতিটি ঝড়ের একটি নাম দিয়ে থাকে।
- এ দেশগুলোর প্যানেলকে বলা হয় ডব্লিউএমও/এসক্যাপ (WMO/ESCAP)।
- অনেক আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্র বা অস্ট্রেলিয়া অঞ্চলে ঝড়ের নামকরণ করা হলেও,
- বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের উপকূলবর্তী দেশগুলোয় ঝড়ের নামকরণ শুরু হয় ২০০৪ সাল থেকে।

তথ্যসূত্র: i) প্রথম আলো নিউজ।[লিঙ্ক]
         ii) World Meteorological Organization (WMO)[link]
৬,৪৬১.
বাংলাদেশের সমুদ্র অঞ্চলের মোট আয়তন কত বর্গ কি.মি.?
  1. ক) ১০৫,১২০ বর্গ কিমি
  2. খ) ১১৮,৮১৩ বর্গকিমি
  3. গ) ১৩৮,৪৭০ বর্গকিমি
  4. ঘ) ১৬৭,৮৯০ বর্গকিমি
সঠিক উত্তর:
খ) ১১৮,৮১৩ বর্গকিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১৮,৮১৩ বর্গকিমি
ব্যাখ্যা
মিয়ানমার এবং ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির পর বাংলাদেশের সমুদ্র অঞ্চলের বর্তমান মোট আয়তন হলো ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গ কিলোমিটার। ২০০ নটিক্যাল মাইলের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার পাশাপাশি চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের উপর বাংলাদেশের দাবীও স্বীকৃত। (সূত্রঃ বিবিসি বাংলা, ৯ জুলাই ২০১৪)
৬,৪৬২.
কোনটি নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. সূর্য সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেয়
  2. চিরস্থায়ী নিম্নচাপ বলয় বিদ্যমান
  3. বাষ্পীভবনের মাত্রা কম
  4. চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়
সঠিক উত্তর:
বাষ্পীভবনের মাত্রা কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাষ্পীভবনের মাত্রা কম
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় জলবায়ু:
- নিরক্ষরেখায় অবস্থানকারী দেশসমূহ এবং এই নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থানরত দেশসমূহে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিরাজমান করে।
- নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী দেশগুলোতে সূর্য প্রায় সারাবছরই লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এখানে গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়।
- এই অঞ্চলে উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর জন্য দিন-রাতের মধ্যে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে।
- শীতের প্রকোপ একদম নেই বললেই চলে।

⇒ নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য:
১. সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়ার জন্য এই অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বেশি থাকে।
২. অধিক সূর্য তাপ ও জলভাগের পরিমাণ বেশি হওয়ায় বাষ্পীভবনের মাত্রাও বেশি।
৩. অধিক বৃষ্টিপাতের জন্য চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়
৪. অধিক উত্তাপ এ অঞ্চলে স্থায়ী নিম্নচাপ তৈরি করে এবং উপক্রান্তীয় উষ্ণ চাপ বলয়ের অয়ন বায়ু এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়।
৫. এ অঞ্চলের মৃত্তিকা কৃষিকাজের জন্য খুব উপকারী হলেও এখানে মাটি ক্ষয় হয়।

উল্লেখ্য,
- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫° অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
- সূর্যের উত্তরায়ন ও দক্ষিণায়নের ফলে এ অঞ্চলে দুইবার মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা দেখা যায়।
- কোনো কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার উত্তর ও দক্ষিণে ১০° অক্ষাংশের সীমা পর্যন্ত নিরক্ষরেখা বিস্তৃত।
- বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন: মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৬৩.
নিরক্ষীয় অঞ্চলে কখন পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়?
  1. গ্রীষ্মকালের শুরুতে
  2. গ্রীষ্মকালের শেষে
  3. শীতকালের শুরুতে
  4. সারাবছর
সঠিক উত্তর:
সারাবছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সারাবছর
ব্যাখ্যা
পরিচলন বৃষ্টি:
- ভূ-পৃষ্ঠের বায়ু উষ্ণ হলে জলীয়বাষ্প সম্পন্ন হালকা বায়ু উপরে উঠে যায়।
- এ সময়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে নিচে নেমে আসে।
- এই বৃষ্টিপাতকে বলা হয় পরিচলন বৃষ্টিপাত। 
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় কারণ এসব এলাকার ঊর্ধ্বগামী বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় সারা বছরই বিকেলে ও সন্ধ্যায় এ ধরনের বৃষ্টি হয়।
- নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়।

উল্লেখ্য,
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের অবস্থান:
- দক্ষিন আমেরিকার উত্তর পূর্ব উপকূল ও আমাজান নদীর অববাহিকা, ইকুয়েডর, কলম্বিয়ার দক্ষিনাংশ, পেরুর উত্তর পশ্চিমাঞ্চল; মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের আয়ন বায়ু পুষ্ট পানামার নিকারাগুয়া, হন্ডুরাস ও কোষ্টারিকা; আফ্রিকার কঙ্গো নদীর অববাহিকা ও গিনির উপকূলীয় অঞ্চল ক্যামেরুন, গ্যাবন, লাইবেরিয়া, আইভরিকোষ্ট, টাঙ্গানিকা, কেনিয়া; দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রনাই এবং ফিলিপাইনের দক্ষিণ দ্বীপপুঞ্জ অঞ্চলে এ জলবায়ু দেখা যায়।

উৎস: i) ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৬৪.
পরিবেশ ও জীবদেহের সম্পর্ক বিষয়ক বিদ্যাকে কী বলে?
  1. ক) বায়োলজি
  2. খ) সোসিওলজি
  3. গ) এনভায়রনমেন্ট
  4. ঘ) ইকোলজি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইকোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইকোলজি
ব্যাখ্যা
- পরিবেশের সাথে জীবদেহের সম্পর্ক সম্বন্ধীয় বিজ্ঞানকে ইকোলোজি  বলে। 
- ইকোলজি হলো বাস্তুসংস্থান।
- একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের জীব ও জড় উপাদানের পারস্পরিক ক্রিয়াকলাপ আদান-প্রদান ও একাত্মতার মাধ্যমে সুপ্রতিষ্ঠিত আন্তঃসম্পর্ককে ইকোলজি বলে।
- ইকোলজি শব্দটি গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ বাড়ি সংক্রান্ত আলোচনা।
- কোনো নির্দিষ্ট স্থানে উদ্ভিদ ও প্রাণীর সম্মিলিত অবস্থান যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে তাই মূলত ইকোলজি।
- Ernest Haeckel নামক জার্মান বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম ১৮৬৯ সালে Ecology শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- ইকোলজি হল জীববিজ্ঞানের একটি শাখা। 

তথ্যসূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,৪৬৫.
বাংলাদেশের শীতলতম জেলা-
  1. পঞ্চগড়
  2. নাটোর
  3. রাজশাহী
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের শীতলতম মাস জানুয়ারি,
- বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস এপ্রিল,
- বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা রাজশাহী,
- বাংলাদেশের শীতলতম জেলা সিলেট,
- বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান লালপুর, নাটোর।
- বাংলাদেশের শীতলতম স্থান শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
উৎসঃ বাংলিপিডিয়া।

৬,৪৬৬.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প বিকাশের অনুকূল পরিবেশের অন্যতম কারণ-
  1. ক) কাঁচামালের সহজলভ্যতা
  2. খ) যাতায়াতের সহজলভ্যতা
  3. গ) স্বল্প মজুরিতে শ্রমশক্তির সহজলভ্যতা
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) স্বল্প মজুরিতে শ্রমশক্তির সহজলভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্বল্প মজুরিতে শ্রমশক্তির সহজলভ্যতা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে তৈরি পােশাক শিল্প বিকাশের অনুকূল পরিবেশ বিদ্যমান। অন্যান্য নিয়ামকের মধ্যে স্বল্প মজুরিতে শ্রমশক্তির সহজলভ্যতা অন্যতম। এ দেশে এ শিল্পের বিকাশের মাধ্যমে দক্ষ ও অদক্ষ বিপুল শ্রমশক্তির, বিশেষ করে সমাজের নিম্ন আয়ের দরিদ্র জনগােষ্ঠীর আয়-রােজগারের বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও সুফল বয়ে আনছে। পােশাক শিল্পকে এখন বলে 'বিলিয়ন ডলার শিল্প'। (রেফারেন্স- ভূগােল ও পরিবেশ-৯ম-১০ম শ্রেণি)
৬,৪৬৭.
কয়টি পর্যায়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রকে বিভক্ত করা যায়?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি 
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: 
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান ৩টি। যথা-
১। দুর্যোগ প্রতিরোধ
২। দুর্যোগ প্রশমন
৩। দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:  
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র বলতে দুর্যোগ মোকাবেলার সাথে পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত পর্যায়গুলোকে বুঝানো হয়ে থাকে।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রকে দুইটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-

ক. দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়:
- দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়।
- এগুলো হলো: পূর্ব প্রস্তুতি, প্রতিরোধ এবং প্রশমন।
- এই ৩টি কার্যক্রম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান ।

খ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়:-
- দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়।
- এগুলো হলো- সাড়া প্রদান, পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়ন।

- সুতরাং দুর্যোগকে কার্যত মুকাবেলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই এর ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।
- দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।
- অতীতে দুর্যোগে সাড়াদানকেই সম্পূর্ণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে ধরে নেওয়া হতো।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি
৬,৪৬৮.
বাংলাদেশের সর্বপূর্বের স্থানের নাম কী?
  1. আখাইনঠং
  2. জকিগঞ্জ
  3. মনাকষা
  4. সাজেক
সঠিক উত্তর:
আখাইনঠং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আখাইনঠং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান:
- সর্বপূর্বের স্থান : আখাইনঠং।
- উপজেলা : থানচি।
- জেলা : বান্দরবান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান - বাংলাবান্ধা।
- উপজেলা : তেঁতুলিয়া
- জেলা : পঞ্চগড়।

- সর্ব দক্ষিণের স্থান : ছেঁড়া দ্বীপ/সেন্টমার্টিন।
- উপজেলা : টেকনাফ
- জেলা : কক্সবাজার

- সর্বপশ্চিমের:- স্থান : মনাকষা।
- উপজেলা : শিবগঞ্জ।
- জেলা : চাপাইনবাবগঞ্জ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬,৪৬৯.
সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-কম্পন অঞ্চল:
- ২০১৬ সালে প্রকাশিত 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) রিপোর্ট অনুযায়ী, সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- সর্বশেষ ২০২০ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে
- অঞ্চলগুলো হলো:
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.36
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.28
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.2
৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.12

উল্লেখ্য,
- BANGLADESH NATIONAL BUILDING CODE (BNBC) সর্বপ্রথম ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রিপোর্টে সমগ্র বাংলাদেশকে তিনটি ভূমিকম্প সংঘটন অঞ্চলে (Seismic Zone) বিভক্ত করে।
অঞ্চলগুলো হলো:
১. মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ: উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা -৭),
২. মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ: মধ্যাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা ৬),
৩. কম ঝুঁকিপূর্ণ: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা-৫)।
- পরে, ২০০৬ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও তিনটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।

এছাড়াও,
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ বইয়ের সর্বশেষ সংস্করণে ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রির্পোর্ট অনুসারে, ভূমিকম্পের প্রবণতার ভিত্তিতে সমগ্র বাংলাদেশকে ৩টি অঞ্চলে ভাগ করে দেখানো হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ-জাতীয়-বিল্ডিং-কোড-(BNBC Seismic Design সমীক্ষার রিপোর্ট) ওয়েবসাইট।
৬,৪৭০.
কর্কটক্রান্তি রেখা মোট কয়টি দেশের ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে?
  1. ১১টি
  2. ১৩টি
  3. ১৫টি
  4. ১৭টি
সঠিক উত্তর:
১৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭টি
ব্যাখ্যা

কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer):
- কর্কটক্রান্তি রেখা হলো উত্তর গোলার্ধে বিষুবরেখার সমান্তরালে অবস্থিত একটি কাল্পনিক রেখা যা নিরক্ষরেখার প্রায় ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত।
- কর্কটক্রান্তি রেখা প্রধানত ১৭টি দেশ, ৩টি মহাদেশ ও ৬টি জলাশয়ের ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- প্রধান দেশসমূহ: আলজেরিয়া, নাইজার, লিবিয়া, মিশর, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার, চীন, তাইওয়ান, মেক্সিকো, বাহামা, পশ্চিম সাহারা, মৌরিতানিয়া, মালি।
- যেসব এলাকার ওপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা গেছে, সেসব এলাকা এবং আশপাশের এলাকায় তাপ অনেক বেশি। এখানে সূর্যের কিরণ লম্বভাবে পড়ে। 

উল্লেখ্য,
- কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে অতিক্রম করেছে। এই রেখার অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ুর অন্তর্গত এবং এখানে উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া বিরাজ করে। 
- এটি বাংলাদেশের ১১টি জেলার উপর দিয়ে ( চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি) অতিক্রম করেছে।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) Worldatlas.

৬,৪৭১.
লু (Loo) কোন অঞ্চলের স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ?
  1. আরব মালভূমি
  2. ভারতীয় উপমহাদেশ
  3. রকি পর্বত
  4. উত্তর আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
ভারতীয় উপমহাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারতীয় উপমহাদেশ
ব্যাখ্যা
স্থানীয় বায়ু (Local Wind):
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য কিংবা তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে ভূপৃষ্ঠের স্থানে স্থানে স্থানীয় বায়ুর উৎপত্তি হয়।

• কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ: 
- রকি পর্বতের চিনুক (Chinook),
- ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল (Mistral),
- আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু (Pampero),
- আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা (Bora),
- উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরক্কো (Sirocco),
- আরব মালভূমির সাইমুম (Simoom),
- মিসরের খামসিন (Khamsin) ও
- ভারতীয় উপমহাদেশের লু (Loo)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৬,৪৭২.
লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের জলরাশি কোন প্রণালী দ্বারা যুক্ত?
  1. বাব এল-মান্দেব প্রণালী
  2. মালাক্কা প্রণালী
  3. হরমুজ প্রণালী
  4. বসফরাস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বাব এল-মান্দেব প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাব এল-মান্দেব প্রণালী
ব্যাখ্যা

• বাব এল-মান্দেব প্রণালী :
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী হলো একটি সংকীর্ণ সামুদ্রিক প্রণালি যা ইয়েমেন (এশিয়া) ও জিবুতি (আফ্রিকা)-কে পৃথক করেছে।
- এটি লোহিত সাগর  ও এডেন উপসাগর (Gulf of Aden)কে যুক্ত করে।
- এই প্রণালির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩২ কিলোমিটার, এবং
- এটি ইউরোপ-এশিয়া-বাণিজ্য রুটের একটি কৌশলগত স্থানে অবস্থিত।
- বাব আল-মান্দেব প্রণালীকে “মৃত্যুকূপ” বলা হয় কারণ এর আরবি নামের আক্ষরিক অর্থই “অশ্রুর দ্বার” বা “মৃত্যুর প্রবেশদ্বার”।
- এই নামের পেছনে দুটি প্রধান কারণ রয়েছে;
- প্রথমত, প্রাচীন আরব কাহিনিতে বলা হয় যে, আফ্রিকা থেকে আরব উপদ্বীপে যাত্রাকালে এই প্রণালী পার হতে গিয়ে বহু লোক ডুবে প্রাণ হারিয়েছিল।
- দ্বিতীয়ত, অতীতে প্রণালীটি ছিল দিকনির্দেশনার দিক থেকে অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ, যার ফলে নৌযাত্রায় বিপদের মাত্রা ছিল বেশি এবং এর ফলে বহু নাবিকের মৃত্যু ঘটত।

 উৎস : Britannica.

৬,৪৭৩.
পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
  1. এলবুর্জ
  2. এভারেস্ট
  3. কোসিয়াস্কো
  4. কিলিমাঞ্জারো
সঠিক উত্তর:
এভারেস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এভারেস্ট
ব্যাখ্যা
মাউন্ট এভারেস্ট:
- পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট।
- এভারেস্ট এশিয়ার ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর অংশে অবস্থিত।
- এটি চীন ও নেপালের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের সীমানায় অবস্থিত।
- ২৯শে মে ১৯৫৩ সালে নিউজিল্যান্ডের স্যার এডমন্ড হিলারি এবং স্থানীয় নেপালি শেরপা তেনজিং নোরগে আনুষ্ঠানিকভাবে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণকারী প্রথম পুরুষ হয়েছিলেন।

অন্যদিকে,
- আফ্রিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কিলিমাঞ্জারো।
- ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলবুর্জ।
- উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ম্যাককিনলি।
- দক্ষিন আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ অ্যাাকাস্কোগুয়া।
- ওশেনিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোসিয়াস্কো।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক] 
৬,৪৭৪.
ভোমরা স্থল বন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) সাতক্ষীরা
  2. খ) লালমনিরহাট
  3. গ) সুনামগঞ্জ
  4. ঘ) ঈশ্বরদী
সঠিক উত্তর:
ক) সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
ভোমরা স্থল বন্দর সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত।
শুভ উদ্বোধন করেন: জনাব মো: সাখাওয়াত হোসেন, কমিশনার, কাষ্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট , খুলনা।

সার্কেল সৃষ্টি হয়: ০২/০৬/১৯৯০ ইং    
আমদানী-রপ্তানী শুরু: ১৫/০৫/১৯৯৬ ইং     

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৪৭৫.
পৃথিবীর সর্বাধিক জাহাজ যাতায়াত করে কোথায়?
  1. ক) উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতে
  2. খ) দক্ষিণ আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতে
  3. গ) প্রশান্ত মহাসাগরে
  4. ঘ) ইউরোপ মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতে
ব্যাখ্যা
সমুদ্রস্রোতের অনুকূলে নৌকা, জাহাজ প্রভৃতি চলাচলের সুবিধা হয়। তবে শীতল সমুদ্রস্রাত অপেক্ষা উষ্ণ সমুদ্রস্রোতে জাহাজ ও নৌচলাচলের সুবিধা বেশি। উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রস্রোতের অনুকূলে পৃথিবীর মধ্যে সর্বাধিক জাহাজ যাতায়াত করে। শীতল স্রোতের গতিপথে তীব্র শীত ও হিমশৈলের জন্য জাহাজ চলাচলের অসুবিধা দেখা যায়। (রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির ভূগোল)
৬,৪৭৬.
জাপানের ফুজিয়ামা কোন ধরনের পর্বত?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. আগ্নেয় পর্বত
  3. চ্যূতি-স্তূপ পর্বত
  4. ল্যাকোলিথ পর্বত
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় পর্বত
ব্যাখ্যা
• আগ্নেয় পর্বত:
- জাপানের ফুজিয়ামা আগ্নেয় পর্বত।
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদগিরিত হয়ে চারদিকে সঞ্চিত হয়। পরবর্তীতে জমে ঠান্ডা হয়ে যে শিলাস্তূপের সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।
- লাভার প্রকৃতির ওপর আগ্নেয় পর্বতের বিস্তৃতি ও আকৃতি নির্ভর করে।
- কোনো কোনো আগ্নেয় পর্বত খাড়া ঢালবিশিষ্ট এবং স্বল্প স্থান জুড়ে থাকে।
- কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূ-আলোড়নের জন্য ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে। এই উত্তপ্ত লাভা ফাটলের চতুর্দিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি করে।
- হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ.এস.সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৭৭.
নিচের কোন দেশটির কোন সমুদ্র বন্দর নেই?
  1. ক) উরুগুয়ে
  2. খ) বলিভিয়া
  3. গ) সুরিনাম
  4. ঘ) কলম্বিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) বলিভিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বলিভিয়া
ব্যাখ্যা

- দক্ষিণ আমেরিকার দুটি দেশের কোন সমুদ্র বন্দর নেই।
- এই দেশ দুটি হলো: প্যারাগুয়ে ও বলিভিয়া।
- এদের নিজস্ব কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। কারণ দেশ দুটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র। এদের চারপাশে কোনো সমুদ্র নেই।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৬,৪৭৮.
কাঁটাতারের বেড়া থেকে শূন্য পয়েন্ট পর্যন্ত কত মিটার জায়গাকে 'No Man's Land' বিবেচনা করা হয়?
  1. ১০০ মিটার
  2. ১৫০ মিটার
  3. ১৮০ মিটার
  4. ২০০ মিটার
সঠিক উত্তর:
১৫০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০ মিটার
ব্যাখ্যা

• কাঁটাতারের বেড়া থেকে শূন্য পয়েন্ট পর্যন্ত ১৫০ মিটার জায়গা নো ম্যানস ল্যান্ড হিসেবে চিহ্নিত।

- বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি, ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি নামে পরিচিত।
- এ চুক্তির অন্য সব বিষয়ের মধ্যে অন্যতম একটি বিষয় ছিল যে, যদি কোনো দেশ সীমান্ত বরাবর বেড়া দেয়, তবে তা শূন্য পয়েন্ট থেকে নিজ ভূখণ্ডের ১৫০ মিটার ভেতরে নির্মাণ করতে হবে।

• স্থলসীমান্ত চুক্তি ১৯৭৪:
- ১৯৭৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী যথাক্রমে শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধী স্থল সীমান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এর উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অমীমাংসিত স্থল সীমানা চূড়ান্ত করা।
- এই চুক্তি অনুযায়ী ভারতের ভেতরে থাকা দক্ষিণ বেরুবাড়ি ভারতের দখলে চলে যায় এবং দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অধিকারে আসে।
- ছিটমহল দুটি বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় পানবাড়ি মৌজার সঙ্গে যুক্ত করার জন্য তিনবিঘা জমি ভারত বাংলাদেশের অনুকূলে স্থায়ী ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- চুক্তি সইয়ের পরপরই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ এটি অনুমোদন করে।

এছাড়াও
- ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত সম্পর্কিত প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়।
- উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিটি প্রটোকল নয়, পূর্ণাঙ্গ চুক্তি ছিলো।

- ২০১১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বাংলাদেশ সফর করেন।
- ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ড. মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরে ওই প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়।
- উক্ত প্রটোকলে সীমান্তে অচিহ্নিত অংশগুলো চিহ্নিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল এবং অপদখলীয় ভূমি সমস্যার সমাধান করে স্থায়ী সীমানা চিহ্নিত করা হয়।
- এর আওতায় বাংলাদেশের ভেতর থাকা ভারতের ১১১টি ছিটমহল ও ভারতের মধ্যে থাকা বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল বিনিময়ে সম্মত হয়।
- পরবর্তীতে এই চুক্তির আওতায় ২০১৫ সালে ছিটমহল বিনিময় হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয়  তথ্য বাতায়ন।

৬,৪৭৯.
বাংলাদেশের জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. উষ্ণ, শুষ্ক এবং সমভাবাপন্ন
  2. উষ্ণ, আর্দ্র এবং বিষমভাবাপন্ন
  3. উষ্ণ, আর্দ্র এবং সমভাবাপন্ন
  4. শীতল, শুষ্ক এবং বিষমভাবাপন্ন
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ, আর্দ্র এবং সমভাবাপন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ, আর্দ্র এবং সমভাবাপন্ন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ু (Climate of Bangladesh):
- বাংলাদেশের জলবায়ু মোটামুটি উষ্ণ, আর্দ্র এবং সমভাবাপন্ন।
- দেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করায় এবং মৌসুমী জলবায়ুর প্রভাব অধিক থাকায় সামগ্রিকভাবে এদেশের জলবায়ুকে ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু বলা হয়।
- এখানকার জলবায়ুর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো মৌসুমী বায়ু।
- মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়।
- বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার এবং গড় তাপমাত্রা ২৬° সেলসিয়াস।
- তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৃষ্টিপাত এবং তাপমাত্রায় কিছুটা পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।
- বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ হিসেবে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৮০.
বায়ু দূষণের প্রাকৃতিক কারণ কোনটি?
  1. ধূলিঝড়
  2. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
  3. গ্যাসক্ষেত্রের বিস্ফোরণ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বায়ু দূষণের প্রাকৃতিক কারণ:
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত: আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে নির্গত সালফার ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোঅক্সাইড, হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস প্রভৃতি বায়ুর সাথে মিশে বায়ুকে দূষিত করে।

⇒ জৈব ও অজৈব পদার্থ: বিভিন্ন প্রকার জৈব ও অজৈব পদার্থের স্বাভাবিক পচনের ফলে যে গ্যাস
সৃষ্টি হয় তা বায়ুকে দূষিত করে।

দাবানল ও ধূলিঝড়: বিস্তৃত বনাঞ্চলে দাবানল হলে তা ব্যাপক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে বায়ুকে দুষিত করে।
- এছাড়া মরু এলাকায় ধূলিঝড়ও বায়ু দূষণ ঘটায়।

গ্যাসক্ষেত্রের বিস্ফোরণ: গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ বা দুর্ঘটনাজনিত কারণে যে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে তা বায়ুকে দূষিত করে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৮১.
কোন বায়ু সারাবছর একইদিকে প্রবাহিত হয়?
  1. ক) স্থানীয় বায়ু
  2. খ) মৌসুমি বায়ু
  3. গ) সমুদ্র বায়ু
  4. ঘ) মেরু বায়ু
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেরু বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেরু বায়ু
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে যে বায়ু সারাবছর একইদিকে প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে।
নিয়ত বায়ু তিন প্রকার।
এগুলো হলো:
- অয়ন বায়ু
- পশ্চিমা বায়ু
- মেরু বায়ু।
অন্যদিকে,
- মৌসুমি বায়ু, স্থানীয় বায়ু ও সমুদ্রবায়ু নির্দিষ্ট সময়ে প্রবাহিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,৪৮২.
সুয়েজ খাল পৃথক করেছে -
  1. ইরাক ও ইরান
  2. ইরান ও ওমান
  3. স্পেন ও মরক্কো
  4. সৌদি আরব ও মিশর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব ও মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব ও মিশর
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল:
- মিশরের প্রেসিডেন্ট গামাল আবদেল নাসের সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেছিলেন ১৯৫৬ সালে।
- দখল করে নিয়েছিলেন মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানির অন্যতম প্রধান পথটির নিয়ন্ত্রণ।
- সুয়েজ খাল থেকে বছরে মিশরের প্রায় ৬০০ কোটি ডলার আয় হয়, যা দেশটির জিডিপির দুই শতাংশের মতো।
- লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে ১৮৬৯ সালে চালু হওয়া সুয়েজ খাল।
- এর মাধ্যমে সুয়েজ খাল সৌদি আরব (এশিয়া) ও মিশরকে (আফ্রিকা) পৃথক করে
- সুয়েজ খাল ১৯৩ কিলোমিটার বা প্রায় ১২০ মাইল লম্বা।

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো
৬,৪৮৩.
তুল্য আর্দ্রতার সাথে কীসের সম্পর্ক আছে?
  1. শিশিরাঙ্কের
  2. বায়ুর ঘনত্ব
  3. বায়ুর তাপমাত্রা
  4. কুয়াশা
সঠিক উত্তর:
শিশিরাঙ্কের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশিরাঙ্কের
ব্যাখ্যা
• তুল্য আর্দ্রতা (Absolute Humidity):
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে অবস্থিত জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাপকে তুল্য আর্দ্রতা বলে।
- তুল্য আর্দ্রতা দুই পদ্ধতিতে পরিমাপ করা যায়। যথা- হাইগ্রোমিটার এবং সাইক্রোমিটার।

- উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ২৫০° সে. তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত ১ কিলোগ্রাম বায়ুতে ২০ গ্রাম জলীয়বাষ্প থাকে।
- যদি কোনো সময়ের বায়ুতে উপস্থিত জলীয়বাষ্পের পরিমাণ ১০ গ্রাম হয় তবে ঐ সময়ের তুল্য আর্দ্রতা হবে ১০/২০ অথবা ৫০ শতাংশ।
- তুল্য আর্দ্রতার সাথে শিশিরাঙ্কের সম্পর্ক রয়েছে।
- যে তাপমাত্রার বায়ু জলীয়বাষ্পে সম্পৃক্ত হয় তা শিশিরাঙ্ক নামে পরিচিত। অর্থাৎ বায়ুতে উপস্থিত জলীয়বাষ্প দ্বারা ঐ বায়ুতে সম্পৃক্ত করতে হলে যে তাপমাত্রা পর্যন্ত শীতল করা প্রয়োজন সেই তাপমাত্রাকে শিশিরাঙ্ক (Dew Point) বলে।
- শিশিরাঙ্কের চেয়ে কম তাপমাত্রার বায়ুস্থ জলীয়বাষ্প শিশির হিসেবে জমে যেতে পারে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৮৪.
অলিভ পর্বত কোথায় অবস্থিত?
  1. বাগদাদ
  2. জেরুজালেম
  3. ইস্তাম্বুল
  4. ইসলামাবাদ
সঠিক উত্তর:
জেরুজালেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরুজালেম
ব্যাখ্যা
অলিভ পর্বত: 
- অলিভ পর্বত জেরুজালেমের ওল্ড সিটির ঠিক পূর্বে অবস্থিত একটি মাল্টি-সমিট চুনাপাথর পর্বত।
- এটি কিড্রন উপত্যকা দ্বারা শহর থেকে বিচ্ছিন্ন।
- ইহুদি, খ্রিস্টান ও ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের কাছে এটি একটি পবিত্র স্থান।
- অলিভ পর্বতের তিনটি প্রধান শৃঙ্গ রয়েছে। 

কিছু গুরত্বপূর্ণ পর্বত: 
- কারাকোরাম পর্বত অবস্থিত দক্ষিণ এশিয়ায়।
- পিরেনিজ পর্বত অবস্থিত স্পেন-ফ্রান্স সীমান্তে.
- এটলাস পর্বতমালা মরক্কো ,আলজেরিয়া , এবং তিউনিসিয়ায় অবস্থিত।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৬,৪৮৫.
সম্প্রতি, নরসিংদী জেলার মাধবদীতে সংঘটিত ভূমিকম্পটির গভীরতা কত ছিল? 
  1. ৫ কিলোমিটার
  2. ৮ কিলোমিটার
  3. ১০ কিলোমিটার
  4. ১৫ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

• ভূমিকম্প:
- ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
- ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র (Centre বা Focus) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ -পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে,তাকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।
- ভূমিকম্প পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়।

⇒ ২০২০ সালে 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) প্রকাশিত রির্পোটে সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে।
- অঞ্চলগুলো হলো:
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল)।
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ- পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)।
৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)।

উল্লেখ্য। 
- ২১ নভেম্বর, ২০২৫, সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে নরসিংদীর জেলার মাধবদী উপজেলায় মাটির প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প সংঘটিত হয়।

তথ্যসূত্র:  i) ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
iii) BBC 

৬,৪৮৬.
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য প্রায় কত?
  1. ১২ কিলোমিটার
  2. ১৫ কিলোমিটার
  3. ১৮ কিলোমিটার
  4. ২২ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১৮ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত:
- 'সাগরকন্যা' নামে পরিচিত 'কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত'।
- 'কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত' এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ কিলোমিটার।
- কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে সূর্যোদয় ও সূর্য়াস্তের মনোরম দৃশ্য অবলোকন করা যায়।
- পটুয়াখালী জেলা সদর থেকে কুয়াকাটার দুরত্ব ৭০ কিলোমিটার 
- সমুদ্র সৈকতের পাশেই দেড় শতাধিক একর জমিতে অবস্থিত নারিকেল বাগান যা "নারিকেল কুঞ্জ" নামে পরিচিত।

উৎস: পটুয়াখালী জেলার ওয়েবসাইট।

৬,৪৮৭.
কালবৈশাখী ঝড়ের প্রধান কারণ কী?
  1. দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আসা উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু
  2. উত্তর-পূর্ব দিক থেকে শীতল বায়ু
  3. দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে শীতল বায়ু
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আসা উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আসা উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু
ব্যাখ্যা

কালবৈশাখী:
- বাংলাদেশে বৈশাখ মাসে সংঘটিত ঝড়ের নাম কালবৈশাখী।
- বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে কালবৈশাখী ঝড় সুপরিচিত।
- কালবৈশাখী ঝড় বায়ুপ্রবাহ ও ভারী বৃষ্টিপাতের সাথে সংঘটিত হয়।
- কালবৈশাখী ঝড় ভারী বৃষ্টিপাত ও বজ্রসহ ভূ-পৃষ্ঠের উপর আঘাত হানে।
- কালবৈশাখীকে বায়ুপুঞ্জ বজ্রঝড় অথবা পরিচলনগত বজ্রঝড় নামেও আখ্যায়িত করা যায়।
- বাংলাদেশে কালবৈশাখী সৃষ্টির প্রধান কারণ দেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আসা উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু যা ঊর্ধ্বে ২ কিলোমিটার পর্যন্ত আরোহন করে থাকে এবং এ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু উত্তর-পশ্চিম এবং পশ্চিম দিক থেকে আসা অপেক্ষাকৃত শীতল ও শুষ্ক বায়ুর সঙ্গে মিলিত বা মুখোমুখি হয়।
- উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ছোটনাগপুর মালভূমিতে সৃষ্টির পর পূর্বদিকে ধাবিত হয়ে বাংলাদেশের সীমায় উপস্থিত হয়। বিপরীতধর্মী ও অসম এ দু বায়ুপ্রবাহের মুখোমুখি হওয়ার ফলে প্রাক-কালবৈশাখীর সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বজ্র-বিদ্যুৎপূর্ণ ঝড় সৃষ্টি হয়।
- এই ঝড় বৈশাখ মাসে কখনও চৈত্র মাসে উত্তর-পশ্চিম দিক হতে আসে বলে একে কালবৈশাখী ঝড় বা গ্রীষ্মকালীন উত্তর পশ্চিম ঝড় বা বজ্রবিদ্যুৎপূর্ণ ঝড়বৃষ্টি বলা হয়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৪৮৮.
ব্যাফিন উপসাগর নিম্নের কোথায় অবস্থিত?
  1. আইসল্যান্ড ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে
  2. যুক্তরাজ্য ও নরওয়ের মধ্যে
  3. কানাডা ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে
  4. যুক্তরাজ্য ও আইসল্যান্ডের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
কানাডা ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে
ব্যাখ্যা

• ব্যাফিন উপসাগর (Baffin Bay):
- উত্তর আর্কটিক অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপসাগর, যা কানাডা ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে অবস্থান করছে।
- এটি অ্যাটলান্টিক মহাসাগরের অংশ।
- এটি গ্রিনল্যান্ডের পূর্ব উপকূল এবং কানাডার নূনাভুত (Nunavut) অঞ্চলের কিছু অংশ দ্বারা বেষ্টিত।
- এই উপসাগর উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়ে আর্কটিক মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত।
- ব্যাফিন উপসাগরের প্রধান জলধারা হল বাফিন করিডোর, যা গ্রিনল্যান্ড এবং কানাডার আরেকটি অংশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আর্কটিক মহাসাগরের দিকে চলে যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬,৪৮৯.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় জোয়ার ভাটার বন কোনটি?
  1. পিচাভারম ম্যানগ্রোভ বন
  2. নাইজার ডেল্টা ম্যানগ্রোভ
  3. বোর্নিও ম্যানগ্রোভ 
  4. সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
ব্যাখ্যা

• প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন:
- প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন হলো এমন একটি বন যা জোয়ারের সময় পানিতে তলিয়ে যায় এবং ভাটার সময় শুকিয়ে যায়।
- এই বনকে জোয়ার-ভাটার বন বা ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- ম্যানগ্রোভ বন সাধারণত লবণাক্ত সমতলভূমিতে গঠিত হয়।
- এই বনের উদ্ভিদের শ্বাসমূল (Pneumatophores) থাকে, যা উদ্ভিদের জন্য অক্সিজেন গ্রহণে সহায়ক।
- বিশ্বের বৃহত্তম জোয়ার-ভাটার বন হলো সুন্দরবন।
- বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার মাতামুহুরী নদীর মোহনায় অবস্থিত চকোরিয়া সুন্দরবনও একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যানগ্রোভ বন।
------------------- 
• সুন্দরবন:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিস্তৃত সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০,০০০ বর্গকিমি।
- এর মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ সুন্দরবন বাংলাদেশের অংশে অবস্থিত।
- সুন্দরবনের বড় অংশ বাংলাদেশে সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট জেলায় বিস্তৃত।
- এছাড়াও খুলনা ও বাগেরহাট জেলার পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার কিছু এলাকা সুন্দরবনের অন্তর্ভুক্ত।
------------------------- 
অন্যদিকে,
- পিচাভারম ম্যানগ্রোভ বন ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের কুড্ডালোর জেলায় অবস্থিত। 
- নাইজেরিয়ার নাইজার ডেল্টা ম্যানগ্রোভ বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনগুলোর মধ্যে একটি। 
- এছাড়াও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বোর্নিও দ্বীপে অবস্থিত বোর্নিও ম্যানগ্রোভ বনও গুরুত্বপূর্ণ ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৬,৪৯০.
'অলিভ টারটল' বাংলাদেশের কোন দ্বীপে পাওয়া যায়?
  1. ক) সেন্টমার্টিন
  2. খ) রাঙ্গাবালি
  3. গ) চর আলেকজান্ডার
  4. ঘ) ছেড়াদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
ক) সেন্টমার্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা

বিশ্বের দুর্লভ জলপাইরঙা কাছিম বা অলিভ রিডলে টার্টল (Olive ridley sea turtle) পাওয়া যায় বাংলাদেশের সেন্টমার্টিনে৷

দেশের ভৌগোলিক সীমায় বঙ্গোপসাগরে কচ্ছপ বিচরণ করে। পশ্চিমে সুন্দরবন থেকে দক্ষিণ-পূর্বের সেন্টমার্টিন দ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত সমুদ্র সৈকতের বালুচরে এরা ডিম পাড়তে আসে। শীতকাল থেকে বর্ষার শুরু পর্যন্ত কচ্ছপের ডিম পাড়ার সময়। স্থান ও প্রজাতিভেদে দিন-ক্ষণ পরিবর্তন হয়।
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় এখন পর্যন্ত পাঁচ প্রজাতির সামুদ্রিক কচ্ছপের উপস্থিতির তথ্য পাওয়া গেছে।
এর মধ্যে অলিভ রিডলে, গ্রিন টারটল এবং হকসিবল্ড এই তিন প্রজাতির কচ্ছপ কক্সবাজার উপকূলে ডিম পাড়তে আসে।

উৎসঃ দৈনিক যুগান্তর।

৬,৪৯১.
নিচের কোনটি আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ?
  1. ক) হিমালয় পর্বতমালা
  2. খ) ভারতের বিন্ধ্যা
  3. গ) জাপানের ফুজিয়ামা
  4. ঘ) সাতপুরা পর্বত
সঠিক উত্তর:
গ) জাপানের ফুজিয়ামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাপানের ফুজিয়ামা
ব্যাখ্যা

আগ্নেয় পর্বত : আগ্নেয়গিরি থেকে উদগিরিত পদার্থ সঞ্চিত ও জমাট বেঁধে আগ্নেয় পর্বত সৃষ্টি হয়। একে সঞ্চিত পর্বতও বলে। এই পর্বত সাধারণত মােচাকৃতির (Conical) হয়ে থাকে।
আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ হলাে ইতালির ভিসুভিয়াস, কেনিয়ার কিলিমানজারাে, জাপানের ফুজিয়ামা এবং ফিলিপাইনের পিনাটুবাে পর্বত।
(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির ভূগোল)

৬,৪৯২.
কোনটি মানবসৃষ্ট আপদ নয়?
  1. পরিবেশ দূষণ
  2. ঘূর্ণিঝড়
  3. জলাবদ্ধতা
  4. বনাঞ্চল ধ্বংস
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড়
ব্যাখ্যা
- ’ঘূর্ণিঝড়’ একটি মানব-সৃষ্ট আপদ নয়, এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা আপদ।

উল্লেখ্য,
- আপদ হলো এমন এক ধরনের অপ্রত্যাশিত ও ক্ষতিকর ঘটনা, যা মানুষের জীবন, সম্পদ বা পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ হতে পারে।

• প্রাকৃতিক দুর্যোগঃ
-  প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। 
 যেমন:
- বন্যা, ঘূর্ণিঝড়,
- জলোচ্ছাস,
- টর্নেডো,
- ভূমিকম্প,
- খরা,
- নদীভাঙন,
- সুনামি,
- আগ্নেয়গিরির,  ইত্যাদি।

• মানব- সৃষ্ট দুর্যোগ:
- মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ বলতে মানব কর্মকান্ডের ফলে সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়।
যেমন:
- জলাবদ্ধতা,
- অগ্নিকাণ্ড, 
- রাসায়নিক দূষণ, 
- যুদ্ধ-বিগ্রহ,
- সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা,
- বনাঞ্চল ধ্বংস,
- পরিবেশ দূষণ,
- মরুকরণ,
- অগ্নিকাণ্ড ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৯৩.
ব্রহ্মপুত্র নদ কোথায় থেকে উৎপন্ন হয়েছে?
  1. হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ
  2. মানস সরোবর
  3. তিব্বতের লহাসা
  4. নেপালের পোখরা
সঠিক উত্তর:
মানস সরোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানস সরোবর
ব্যাখ্যা

- হিমালয়ের কৈলাস শৃঙ্গের কাছে অবস্থিত মানস সরোবর থেকে ব্রহ্মপুত্র নদ উৎপন্ন হয়।

ব্রহ্মপুত্র:

- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের নিকটে মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রথমে তিব্বতের উপর দিয়ে পূর্ব দিকে ও পরে আসামের ভিতর দিয়ে পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- অতঃপর ব্রহ্মপুত্র কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এরপর দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্বে বাঁক নিয়ে ময়মনসিংহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় পতিত হয়েছে।
- ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী এবং বংশী ও শীতলক্ষ্যা প্রধান শাখানদী।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। 

৬,৪৯৪.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে ওজোন গ্যাসের পরিমাণ বেশি? 
  1. ট্রপোমণ্ডল
  2. ​স্ট্রাটোমণ্ডল
  3. মেসোমণ্ডল
  4. তাপমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
​স্ট্রাটোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
​স্ট্রাটোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

বায়ুমন্ডলের ​স্ট্রাটোমণ্ডল স্তরে ওজোন গ্যাসের পরিমাণ বেশি।

​স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere):
- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর স্ট্রাটোমণ্ডল।
- ট্রপোবিরতির উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্ট্রাটোমণ্ডল নামে পরিচিত।
- স্ট্রাটোমণ্ডল ও মেসোমণ্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause) বলে।

⇒ স্ট্রাটোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of the Stratosphere):
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরেই ওজোন (O3) গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে।
- এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolate rays) শুষে নেয়। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা ৪° সেলিসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পায় ৷
- এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনোরকম জলীয়বাষ্প থাকে না। ফলে আবহাওয়া থাকে শান্ত ও শুষ্ক।
- ঝড়বৃষ্টি থাকে না বলেই এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে ।
- প্রায় ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় তাপমাত্রা পুনরায় হ্রাস পেতে শুরু করে। এটি স্ট্রাটোমণ্ডলের শেষ প্রান্ত নির্ধারণ করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৪৯৫.
বাংলাদেশে মৌসুমি জলবায়ু গ্রীষ্মকালে কোন দিকে প্রবাহিত হয়?
  1. স্থলভাগ থেকে জলভাগের দিকে
  2. জলভাগ থেকে স্থলভাগের দিকে
  3. উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জলভাগ থেকে স্থলভাগের দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলভাগ থেকে স্থলভাগের দিকে
ব্যাখ্যা

মৌসুমি বায়ু :
- আরবি ভাষায় 'মওসুম' শব্দের অর্থ ঋতু।
- ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে যে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয় তাকে মৌসুমি বায়ু বলে।
- সূর্যের উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়নের ফলে শীত-গ্রীষ্মে ঋতুভেদে স্থলভাগ ও জলভাগের তাপের তারতম্য ঘটে।
- সেজন্য মৌসুমি বায়ুর সৃষ্টি হয়।
- উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকালে সূর্য কর্কটক্রান্তির উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়।

• মৌসুমী জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য :
- এর প্রধান বৈশিষ্ট্যে হলো ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে দিক পরিবর্তন।
- বাংলাদেশে মৌসুমী জলবায়ু গ্রীষ্মকালে এটি জলভাগ থেকে স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। 
- আর শীতকালে এটি স্থলভাগ থেকে জলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়।
- ফলে গ্রীষ্মকাল বৃষ্টিবহুল এবং শীতকাল প্রায় বৃষ্টিহীন অবস্থায় থাকে।
- বায়ুর চাপ, তাপ, প্রবাহ এবং বৃষ্টিপাত দ্বারা এ জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য নিরূপন করাহয়।
- সাধারণত মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চলে তিনটি ঋতু সুষ্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হয়।
- এগুলো হলো-শীতল ও শুষ্ক শীতকাল, উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং আর্দ্র বর্ষাকাল।

 উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৪৯৬.
বাংলাদেশের কোন এলাকাকে Marine Protected Area (MPA) ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. সেন্টমার্টিন দ্বীপ 
  2. ভোলা দ্বীপ
  3.  চর আলেকজান্ডার
  4. পারকি সমুদ্র সৈকত
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন দ্বীপ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন দ্বীপ 
ব্যাখ্যা

• 'Marine Protected Area (MPA):
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও এর আশেপাশের ১ হাজার ৭৪৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকাকে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া ঘোষণা করা হয়েছে।
- এর আগে ১৯৯৯ সালে ৫৯০ হেক্টর প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় ‘সেন্টমার্টিন মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।
- নতুন ঘোষণায় সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও এর আশেপাশের ১ হাজার ৭৪৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকার পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরের ৭০ মিটার গভীর সমুদ্র যোগ হয়েছে।
- অনিয়ন্ত্রিত জাহাজ ও ইঞ্জিনচালিত নৌকার চলাচল, মাত্রাতিরিক্ত মৎস্য সম্পদ আহরণ, সমুদ্রে বর্জ্য ও ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ নিক্ষেপ, প্রবাল উপনিবেশ ধ্বংস, জীববৈচিত্র্য হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধে এই উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়।

• অন্যসব 'Marine Protected Area (MPA):
- চর কুকরি-মুকরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য 
- হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান;
- কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যান ;
- সামুদ্রিক সংরক্ষণাগার সামুদ্রিক সংরক্ষণাগার;
- নিঝুম দ্বীপ জাতীয় উদ্যান ;
- সোনারচর বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ;
- সুন্দরবন পূর্ব বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ;
- সুন্দরবন দক্ষিণ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ;
- সুন্দরবন পশ্চিম বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ;
- সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড মেরিন সুরক্ষিত এলাকা;
- সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড মেরিন সুরক্ষিত এলাকা মেরিন পার্ক;
- টেংরাগিরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য;


উৎস: বাংলা ট্রিবিউন এবং Marine Conservation Institute।

৬,৪৯৭.
নাটোরের দিঘাপাতিয়ার জমিদার বাড়িটি এখন কী নামে পরিচিত?
  1. ক) গণভবন
  2. খ) বঙ্গভবন
  3. গ) উত্তরা গণভবন
  4. ঘ) উত্তরবঙ্গ সংসদ ভবন
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তরা গণভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তরা গণভবন
ব্যাখ্যা
- ঢাকার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র বাসভবন নাটোরের উত্তরা গণভবন। 
- ইতিহাস আর ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে আজও সগৌরবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে নাটোরের দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি। 
- স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিঘাপতিয়া রাজবাড়িকে ‘উত্তরা গণভবন’ নামকরণ করেন। 
 
উৎস: trinomulerjanala.ictd.gov.bd
৬,৪৯৮.
গভীর নিম্নচাপ থেকে কী সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে?
  1. বন্যা
  2. ঘূর্ণিঝড়
  3. কালবৈশাখী
  4. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড়
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস:
- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরে প্রখর সূর্যতাপে পানি বাষ্পীভূত হয়ে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়।
- এরূপ একটি নিম্নচাপ বেশ কয়েকদিন ধরে শক্তি সঞ্চয় করে ও গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়।
- গভীর নিম্নচাপটি থেকে যে কোনো সময়ে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- আবহাওয়া বিভাগ সমুদ্র ও নদী বন্দরের জন্য পৃথক সংকেত প্রচার করে।
- বিপদের গুরুত্ব অনুযায়ী সমুদ্র বন্দরের জন্য এক থেকে দশ (১-১০) ধরনের ও নদী বন্দরের জন্য এক থেকে চার (১-৪) ধরনের ঝড় সতর্কীকরণ সংকেত প্রদান করে।
- সাইক্লোন প্রিপেয়ার্ডনেস প্রোগ্রাম (CPP) এর আঞ্চলিক দপ্তরসমূহ থেকে স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে মোবাইল ও জনসংযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় জনসাধারণকে ঝড়ের পূর্বাভাস দেবার পাশাপাশি তাদেরকে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে সরিয়ে নিতে কাজ করে।
- সিপিপি ও অন্যান্য বেসরকারি সংস্থাসমূহ সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় উপদ্রুত এলাকার জনগণকে সর্তক করে।
- ঘূর্ণিঝড়কালিন সময়ে বাতাসের গতিবেগ, জোয়ার-ভাঁটার সময়কাল, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় উপদ্রুত এলাকার প্রাকৃতিক গঠন ইত্যাদি বিষয়গুলো বিবেচনা করে আবহাওয়া বিভাগ জলোচ্ছ্বাস সম্পর্কে পূর্বাভাস দেয়।
- স্পারসো ও আবহাওয়া বিভাগ রাডারের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য ও উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে ঘূর্ণিঝড়ের মাত্রা, গতিবেগ ও গতিপথ সম্পর্কে পূর্বাভাস দেবার পাশাপাশি জলোচ্ছ্বাস সম্পর্কেও পূর্বাভাস দিয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৪৯৯.
’ফকল্যান্ড দ্বীপ’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ভারত মহাসাগরে
  2. আটলান্টিক মহাসাগরে
  3. প্রশান্ত মহাসাগরে
  4. লোহিত সাগরে
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগরে
ব্যাখ্যা

ফকল্যান্ড দ্বীপ:
‘ফকল্যান্ড দ্বীপ’ (Falkland Islands) দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের কাছাকাছি, আর্জেন্টিনা থেকে প্রায় ৪৮০ কিলোমিটার (৩০০ মাইল) পূর্বে অবস্থান করছে।
- ফকল্যান্ড দ্বীপ নিয়ে আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে ১৯৮২ সালে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- যুদ্ধের স্থান ছিল ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ।
- যুদ্ধের যুক্তরাজ্য বিজয়ী হয় এবং ফকল্যান্ডসহ কিছু দ্বীপে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ দখলে নিলে ব্রিটেন যুদ্ধ ঘোষণা করে।
- ১৪ জুন আর্জেন্টিনা পরাজিত হলে দ্বীপপুঞ্জে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং আর্জেন্টিনার সামরিক সরকার ক্ষমতা হারায়।

উৎস: Britannica. 

৬,৫০০.
নিম্নের কোন জেলায় চীনামাটির মজুত রয়েছে?
  1. নেত্রকোনা
  2. চট্টগ্রাম
  3. শেরপুর
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

চীনামাটি:
- চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহূত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭ সালে বর্তমান নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।