বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৬২ / ৭২ · ৬,১০১৬,২০০ / ৭,১৯১

৬,১০১.
কালবৈশাখী ঝড় সৃষ্টির প্রধান কারণ কোনটি?
  1. আর্দ্রতা
  2. নিম্নতাপ
  3. নিম্নচাপ
  4. উচ্চচাপ 
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
ব্যাখ্যা
কালবৈখাশী ঝড় (North Westerlies):
- বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলো কালবৈখাশী ঝড়।
- এটি গ্রীষ্মকালীন জলবায়ুর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
- সাধারণত বৈশাখ মাসের শেষের দিকে এ ঝড় হতে দেখা যায় বলে একে কালবৈশাখী বলা হয়।
- মার্চ-এপ্রিল মাসে সন্ধ্যার দিকে আকাশ কালো মেঘে ঢেকে আসে এবং সেই সাথে বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়ো বাতাস প্রবাহিত হয়।
- এটিই কালবৈশাখী ঝড় নামে পরিচিত। 
- কালবৈশাখী ঝড় সৃষ্টির প্রধান কারণ হল নিম্নচাপ (Depression)।
- নিম্নচাপের কারণে উষ্ণ বাতাস ওপরের দিকে উঠতে থাকে।
- এর ফলে সৃষ্ট ফাঁকা জায়গা পূরণের জন্য ঠান্ডাবাতাস প্রচন্ড বেগে ঐ ফাঁকা স্থানের দিকে অগ্রসর হয়।
- ফলে ঝড়ের উৎপত্তি হয়।

তথ্যসূত্র: ভুগোল ও পরিবেশ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১০২.
যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে বলা হয় -
  1. অয়ন বায়ু
  2. মৌসুমী বায়ু
  3. প্রত্যয়ন বায়ু
  4. নিয়ত বায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা
• নিয়ত বায়ু:
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে বলা হয় নিয়ত বায়ু।
- নিয়ত বায়ু তিন প্রকার। যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু।
- কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে সদা প্রবাহিত বায়ুকে বলা হয়- অয়ন বায়ু।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১০৩.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' কী?
  1. ক) একটি দেশের নাম
  2. খ) ম্যানগ্রোভ বন
  3. গ) একটি দ্বীপ
  4. ঘ) সাবমেরিন ক্যানিয়ন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাবমেরিন ক্যানিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাবমেরিন ক্যানিয়ন
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground):
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো। মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে। বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।
- সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ডটি বঙ্গোপসাগরের ১৪ কিলোমিটার প্রশস্ত গভীর সমুদ্রের উপত্যকা। এই উপত্যকার গভীরতম রেকর্ড করা অঞ্চলটি প্রায় ১৩৫০ মি।
- সাবমেরিন উপত্যকাটি বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গ পাখার অংশ, বিশ্বের বৃহত্তম সাবমেরিন পাখা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,১০৪.
ধলেশ্বরী নদীর শাখানদী কোনটি?
  1. ধরলা 
  2. বংশী 
  3. বুড়িগঙ্গা
  4. আড়িয়াল খা
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
ব্যাখ্যা

ধলেশ্বরী নদী:
- ধলেশ্বরী নদী টাঙ্গাইল জেলার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে যমুনা থেকে সৃষ্ট একটি শাখা নদী।
- নদীটির প্রবাহ সর্পিলাকৃতি এবং এর দুটি শাখা রয়েছে।
- প্রধান শাখাটি মানিকগঞ্জের উত্তর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মানিকগঞ্জের দক্ষিণে অপর শাখা কালীগঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- বুড়িগঙ্গা একসময় ধলেশ্বরীর একটি শাখা নদী ছিল এবং এর প্রবাহ পুনরায় ধলেশ্বরীতেই পতিত হতো।
- নারায়ণগঞ্জের কাছে ধলেশ্বরী শীতলক্ষ্যা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে এবং আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে ষাটনলের কাছে মেঘনা নদীতে পতিত হয়ে এর নিজস্ব পরিচয় হারায়।
- নদীটির সর্বমোট দৈর্ঘ্য ১৬০ কিমি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬,১০৫.
কোন দেশের সবচেয়ে বেশি দেশের সাথে সীমান্ত রয়েছে?
  1. ক) ব্রাজিল
  2. খ) চীন
  3. গ) কঙ্গো
  4. ঘ) জার্মানি
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
ব্যাখ্যা
চীন এবং রাশিয়া উভয় দেশের ১৪ টি দেশের সাথে সীমান্ত রয়েছে।

চীনের সীমান্ত রাষ্ট্রগুলো হলো:
রাশিয়া, মঙ্গোলিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজিস্তান, তাজিকিস্তান, আফগানস্তান, পাকিস্তান, ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, লাওস, ভিয়েতনাম এবং উত্তর কোরিয়া।

রাশিয়ার সীমান্ত রাষ্ট্রগুলো হলো:
আজারবাইজান, বেলারুশ, চীন, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, জর্জিয়া, কাজাগস্তান, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, মঙ্গোলিয়া, উত্তর কোরিয়া, নরওয়ে, পোল্যান্ড, ইউক্রেন। 

- ব্রাজিলের সীমান্ত রয়েছে ১০ টি দেশের সাথে।
- কঙ্গোর সীমান্ত রয়েছে ৯ টি দেশের সাথে।
- জার্মানির সীমান্ত রয়েছে ৯ টি দেশের সাথে।

উৎস: worldatlus.
৬,১০৬.
’বগা লেক’ কোথায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. ফেনী
  4. বান্দারবান
সঠিক উত্তর:
বান্দারবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দারবান
ব্যাখ্যা

- বগাকাইন হ্রদ বা বগা লেক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উচ্চতার স্বাদু পানির একটি হ্রদ। 
- বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে বগা লেকের  অবস্থান কেওকারাডং পর্বতের গা ঘেষে, রুমা উপজেলায়।

• দেশের অন্যান্য লেকসমূহ হলো:
- কাপ্তাই লেক: রাঙামাটি -
- বগা লেক: বান্দরবান
- মহামায়া লেক: চট্টগ্রাম
- ফয়'স লেক: চট্টগ্রাম
- ভাটিয়ারি লেক: চট্টগ্রাম।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬,১০৭.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলা কোনটি?
  1. মেহেরপুর
  2. নড়াইল
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. মুন্সীগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

নারায়ণগঞ্জ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলা নারায়ণগঞ্জ।
- নারায়ণগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি জেলা।
- নারায়ণগঞ্জ শহরে এ জেলার প্রশাসনিক সদরদপ্তর অবস্থিত।
- অত্যন্ত প্রাচীন এবং প্রসিদ্ধ সোনারগাঁও এ জেলার অন্তর্গত।
- নারায়ণগঞ্জ সোনালী আশঁ পাটের জন্য প্রাচ্যের ড্যান্ডি নামে পরিচিত।
- শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর একটি বিখ্যাত নদী বন্দর।
- ৬৮৩.১৪ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ জেলাটি বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা।
- রাজধানী ঢাকার সাথে এ জেলার সীমানা রয়েছে।
- প্রধান নদী: শীতলক্ষ্যা, মেঘনা, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, বুড়িগঙ্গা, বালু ও ধলেশ্বরী নদী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬,১০৮.
ভিক্টোরিয়া হ্রদ থেকে উৎপন্ন নদী কোনটি?
  1. ক) মারে ডার্লিং
  2. খ) নীলনদ
  3. গ) হোয়াংহো
  4. ঘ) আমাজান
সঠিক উত্তর:
খ) নীলনদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নীলনদ
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের কয়েকটি প্রধান নদীর উৎপত্তি স্থল-
- হোয়াংহো নদী:  কুনকুন পর্বত, চিন দেশ।
- মিসিসিপি নদী: মিনোসোটার হ্রদ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- দানিয়ুব নদী: ব্ল্যাক ফরেস্ট, ইউরোপ।    
- মারে ডার্লিং নদী: কোমিয়াস্কে, অষ্ট্ৰেলিয়া।
- তিস্তা নদী: সিকিমের পর্বত অঞ্চল।
- নীলনদ: ভিক্টোরিয়া হ্রদ, আফ্রিকা মহাদেশ
- আমাজান নদী: আন্দিজ পর্বতমালা, দক্ষিণ আমেরিকা।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১০৯.
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রবাল প্রাচীরের সমষ্টি 'গ্রেট বেরিয়ার রিফ' কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক সাগর
  3. উত্তর মহাসাগর
  4. ভারত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

• গ্রেট বেরিয়ার রিফ (Great Barrier Reef):
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রবাল প্রাচীরের সমষ্টি, যা অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্ব উপকূলের পাশে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- অবস্থান: অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের উপকূলবর্তী অঞ্চলে, প্রশান্ত মহাসাগরের অংশ কোরাল সাগরে।​
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ১,২৫০ মাইল (২,০০০ কিমি)​
- আয়তন: প্রায় ১,৩৫,০০০ বর্গমাইল (৩,৫০,০০০ বর্গকিমি)​
- এই প্রবাল প্রাচীরটি এত বিশাল যে এটি মহাকাশ থেকেও দৃশ্যমান।
- এটি ১৯৮১ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬,১১০.
যমুনা নদী কোন জেলার নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়েছে?
  1. ভৈরব
  2. রাজবাড়ি
  3. জামালপুর
  4. চাঁদপুর
সঠিক উত্তর:
রাজবাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজবাড়ি
ব্যাখ্যা
• যমুনা (Jamuna):

- যমুনা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি নদীর একটি।
- যমুনা দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়।
- এরপর এই মিলিত স্রোত দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে।
- যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা।
- যমুনার উপনদীগুলোর মধ্যে ধরলা, করতোয়া, আত্রাই অন্যতম।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১১১.
দক্ষিণ আমেরিকার চির বসন্তের দেশ কোনটি?
  1. বলিভিয়া
  2. ইকুয়েডর
  3. চিলি
  4. প্যারাগুয়ে
সঠিক উত্তর:
ইকুয়েডর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইকুয়েডর
ব্যাখ্যা
ইকুয়েডর:

- দেশটির নামের অর্থ "নিরক্ষীয় অঞ্চল"।
- ইকুয়েডর উত্তর-পশ্চিম দক্ষিণ আমেরিকার দেশ।
- দেশটির আয়তন ৯৯,১১২ বর্গ মাইল (২৫৬,৭০০ বর্গ কিমি)।
- এর রাজধানীর নাম কুইটো।
- বর্তমানে ইকুয়েডর যা আছে তার বেশিরভাগই ইনকা সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত।
- ইকুয়েডর নিরক্ষরেখায় অবস্থিত , সিয়েরা ব্যতীত বেশিরভাগ দেশই আর্দ্র গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ু অনুভব করে।
- ওরিয়েন্ট সারা বছর ধরে একটি অস্থির সামুদ্রিক গ্রীষ্মমন্ডলীয় বায়ু দ্বারা প্রভাবিত হয়।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার চির বসন্তের দেশ।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৬,১১২.
গ্রীষ্মকালের শুরুতে নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে কোন ধরনের বৃষ্টিপাত হয়?
  1. পরিচলন বৃষ্টিপাত
  2. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত
  3. গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিপাত
  4. মুষলধারে বৃষ্টিপাত
সঠিক উত্তর:
পরিচলন বৃষ্টিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচলন বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা
পরিচলন বৃষ্টিপাত:
• নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টি হয়ে থাকে। এ সময়ে এই অঞ্চলের ভূপৃষ্ঠ যথেষ্ট উত্তপ্ত হলেও উপরের বায়ুমণ্ডল বেশ শীতল থাকে। ফলে ভূপৃষ্ঠের জলাশয়গুলো থেকে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে পরিচলন বৃষ্টিরূপে পতিত হয়।

উল্লেখ্য
 - ভূ-পৃষ্ঠের বায়ু উষ্ণ হলে প্রচুর জলীয়বাষ্প সম্পন্ন হালকা বায়ু উপরে উঠে যায়। এ সময়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজা নিচে নেমে আসে। এই বৃষ্টিপাতকে বলা হয় পরিচলন বৃষ্টি।
- পরিচলন বৃষ্টিতে বায়ুর তাপ হ্রাস পেয়ে যখন অতিরিক্ত জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয় তখন এই ধরনের বৃষ্টিপাত ঘটায়। নিরক্ষীয় নিম্নচাপ এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় কারণ এই সব এলাকার উর্ধ্বগামী বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে।
-  নিরক্ষীয় এলাকায় স্থলভাগের থেকে জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে লম্বভাবে সূর্যকিরণ পতিত হয়। এই অঞ্চলে হালকা জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে।
- হালকা জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু যখন শীতল বায়ুর সংস্পর্শে আসে তখন এই রকম পরিচলন বৃষ্টিপাত ঘটায়। নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় সারাবছরই সন্ধ্যা ও বিকালে এইরূপ বৃষ্টি হয়।  

অন্যদিকে,
⇒ বৃষ্টিপাতের শ্রেণিবিভাগ:
চারটি উপায়ে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঊর্ধ্বে উত্থিত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায় বলে একে চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা যায়।
যথা -
১. পরিচলন বৃষ্টিপাত (Convectional Rain)
২. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি (Orographic Rain)
৩. ঘূর্ণিবাত বৃষ্টি (Cyclonic Rain)
৪. সংঘর্ষ বৃষ্টি (Frontal Rain)

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১১৩.
পৃথিবীর দীর্ঘতম রেলপথের নাম কী?
  1. ট্রান্স-কানাডিয়ান রেলপথ
  2. নর্দান-প্যাসিপিক রেলপথ
  3. ট্রান্স-রাশিয়ান রেলপথ
  4. ট্রান্স-সাইবেরিয়ান রেলপথ
সঠিক উত্তর:
ট্রান্স-সাইবেরিয়ান রেলপথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্স-সাইবেরিয়ান রেলপথ
ব্যাখ্যা
ট্রান্স সাইবেরিয়ান রেলপথ:
- পৃথিবীর দীর্ঘতম রেলপথ ট্রান্স সাইবেরিয়ান রেলপথ
- এই রেলপথটি রাশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি মস্কো এবং ভিলাডের মধ্যে রাশিয়া জুড়ে ৫,৭৭১ মাইল (৯,২৮৮ কিমি) দীর্ঘ।
- ট্রান্স-সাইবেরিয়ান রেলপথ সাইবেরিয়া অঞ্চলে গভীর প্রভাব ফেলেছে।
- সেইসাথে রাশিয়ান সাম্রাজ্য এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের অর্থনৈতিক ও সামরিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করছে।
- মঙ্গোলিয়া, চীন এবং উত্তর কোরিয়ায় এই রেলপথের সংযোগকারী শাখা আছে।

উৎস: Britannica.
৬,১১৪.
কাপ্তাই লেক থেকে প্লাবিত রাঙ্গামাটির উপত্যকা হল-
  1. সাঙ্গু ভ্যালী
  2. হালদা ভ্যালী
  3. ভেঙ্গি ভ্যালী
  4. সাজেক ভ্যালী
সঠিক উত্তর:
ভেঙ্গি ভ্যালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেঙ্গি ভ্যালী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পাহাড়- গারো পাহাড়।
- বাংলাদেশের পাহাড় সমূহের গড় উচ্চতা- ২০৫০ ফুট।
- আলু টিলা পাহাড়- খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- লালমাই পাহাড়- কুমিল্লায় অবস্থিত।
- ইউরেনিয়াম পাওয়া গেছে- কুলাউড়া পাহাড়ে।
- কুলাউড়া পাহাড় অবস্থিত- মৌলভীবাজার জেলায়।
- চিম্বুক পাহাড়ের পাদদেশে বাস করে- মারমা উপজাতি।
- ‘কালা পাহাড়’ বা ‘পাহাড়ের রাণী’ বলা হয়- চিম্বুক পাহাড়কে (৩য় উচ্চতম)।
- হিন্দুদের তীর্থ স্থানের জন্য বিখ্যাত- চন্দ্রনাথের পাহাড়।
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম- তাজিংডং বা বিজয় বা মদক মুয়াল।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ- কেওক্রাডং।
- কাপ্তাই লেক থেকে প্লাবিত রাঙ্গামাটির উপত্যকা হল- ভেঙ্গি ভ্যালী।
- সাঙ্গু ভ্যালী অবস্থিত- চট্টগ্রামে।
- হালদা ভ্যালী অবস্থিত- খাগড়াছড়িতে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,১১৫.
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কোন মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়? 
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. উত্তর মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা:
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা মূলত একই দ্রাঘিমা রেখা।
- ফলে একই দ্রাঘিমা রেখায় সময়ের ব্যবধান হয়ে যাচ্ছে ২৪ ঘন্টা এবং তারিখের ক্ষেত্রে দুইটি তারিখ হয়ে যাচ্ছে।
- তারিখ, সময় ও সাপ্তাহিক দিন নির্ধারনের এই সমস্যা সমাধানের উদেশ্যে ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন-এ 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত আর্ন্তজাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাকে 'আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা' হিসাবে স্থির করা হয়।
- আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয় এবং রেখাটি সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্বাংশ এবং এ্যালিউশয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগকে এড়িয়ে ১১° পূর্ব দিয়ে বেঁকে এবং বেরিং প্রণালিতে ১২° পূর্ব দিকে বেঁকে কল্পনা করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১১৬.
বাসন্ত বিষুব বা মহাবিষুব বলা হয় কোন দিনটিকে?
  1. ২১ মার্চ
  2. ২২ জুন 
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
ব্যাখ্যা

উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল:
- পৃথিবী তার কক্ষপথে চলতে চলতে ২২ ডিসেম্বরের পর থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত এমন স্থানে ফিরে আসে যখন সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে।
- ফলে ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয়।
- দিনের বেলায় সূর্যকিরণের কারণে ভূপৃষ্ঠের বায়ুস্তর গরম হয় এবং রাত্রিবেলায় বিকিরিত হয়ে ঠান্ডা হয়।
- এই সময় উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল।
- ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয় এবং ঐ দিনটিকে বাসন্ত বিষুব বা মহাবিষুব বলে।

অন্যদিকে,
- ২৩শে সেপ্টেম্বর দিনটিকে বলে জলবিষুব।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,১১৭.
উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল হলে দক্ষিণ গোলার্ধে-
  1. শীতকাল
  2. গ্রীষ্মকাল
  3. বসন্তকাল
  4. হেমন্তকাল
সঠিক উত্তর:
বসন্তকাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসন্তকাল
ব্যাখ্যা
• উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল:
- ২১এ জুন থেকে দক্ষিণ মেরু সূর্যের দিকে হেলতে থাকে।
- উত্তর গোলার্ধের অংশগুলোকম কিরণ পেতে থাকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধের অংশগুলো বেশি সূর্যকিরণ পেতে থাকে।
- এভাবে ২৩এ সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবেকিরণ দেয়।
- তাই এ সময় পৃথিবীর সর্বত্র দিন ও রাত্রি সমান হয়।
- দিনের বেলায় যে তাপ আসে রাত সমান হওয়ায় একই পরিমাণ তাপ বিকিরিত হওয়ার সুযোগ পায়।
- ফলে আবহাওয়াতে ঠান্ডা গরমের পরিমাণ সমান থাকে।
- এই সময় উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল বিরাজ করে।
- ২৩ এ সেপ্টেম্বরের দেড় মাস আগে থেকেই উত্তর গোলার্ধে শরৎকালের সূচনা হয় এবং দেড় মাস পর পর্যন্ত এই শরৎকাল স্থায়ী থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
৬,১১৮.
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. সুরমা
  2. মেঘনা
  3. ব্রহ্মপুত্র
  4. ইছামতি
সঠিক উত্তর:
ইছামতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইছামতি
ব্যাখ্যা
ইছামতী নদী:
- জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের দীর্ঘতম নদী হচ্ছে ইছামতি।
- এর দৈর্ঘ্য ৩৩৪ কিলোমিটার।
- চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহ ও সাতক্ষীরা এই চারটি জেলার ১০টি উপজেলার ওপর দিয়ে নদীটি বয়ে গেছে।
- এটা একটি সীমান্তবর্তী নদী।
- এর উৎস ভারতে।
- নদীটি মিশেছে সাতক্ষীরার আরেক নদী রায়মঙ্গলে।
- এঁকেবেঁকে প্রবাহিত হওয়ার কারণে নদীটি এত দীর্ঘ হয়েছে।  
- চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহ ও সাতক্ষীরার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতি নদীর পাশাপাশি একই নামে আরও ৯টি নদী দেশের বিভিন্ন জেলায় রয়েছে। 

উল্লেখ্য,
- দেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদ ধনু।

উৎস: ২৬ আগস্ট ২০২৩, প্রথম আলো।
৬,১১৯.
মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথ দুইটির মাঝামাঝি অবস্থানে যে গ্যাসীয় পদার্থসমূহের বলয় রয়েছে তা কী নামে পরিচিত?
  1. উল্কা
  2. গ্রহাণুপুঞ্জ
  3. নক্ষত্র
  4. ধূমকেতু
সঠিক উত্তর:
গ্রহাণুপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহাণুপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
গ্রহাণুপুঞ্জ (Asteroids):
- মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথ দুইটির মাঝামাঝি অবস্থানে গ্রহাণুপুঞ্জ রয়েছে।
- সৌরজগতে মঙ্গল ও বৃহস্পতি এই দুইটি গ্রহের মধ্যবর্তী অংশে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গ্রহ একত্রে পূঞ্জীভূত হয়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।
- এগুলোকে একত্রে গ্রহাণুপুঞ্জ বলে।
- গ্রহাণুপুঞ্জসমূহ একটি বলয়ের মতো ঘিরে থাকে, যা গ্রহাণুপুঞ্জ বলয় নামে অভিহিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১২০.
হরমুজ প্রণালী পৃথক করেছে -
  1. ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিশর
  3. ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. মিশর ও সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
হরমুজ প্রণালী:
- হরমুজ প্রণালী হলো পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্তকারী জলপথ, যা উত্তরে ইরান ও দক্ষিণে সংযুক্ত আরব আমিরাত (আরব উপদ্বীপ) কে পৃথক করেছে।
- প্রণালীর প্রস্থ ৫৫ থেকে ৯৫ কিমি (৩৫ থেকে ৬০ মাইল) এবং এতে কেশম, হরমুজ ও হেঙ্গাম দ্বীপ অন্তর্ভুক্ত।
- এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও কৌশলগত জলপথ, কারণ—
- বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
- বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ সমুদ্রপথে পরিবাহিত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) এই প্রণালী দিয়ে যায়।

উৎস: Britannica.
৬,১২১.
দক্ষিণ-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর দিক পরিবর্তন হওয়ার যৌক্তিক কারণ কোনটি?
  1. ফেরেলের সূত্র
  2. হিমালয় পর্বতে বাধা
  3. অয়ন গতি
  4. উষ্ণতার পার্থক্য
সঠিক উত্তর:
ফেরেলের সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেরেলের সূত্র
ব্যাখ্যা
মৌসুমি জলবায়ু:
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এ বায়ু প্রবাহের দিক পরিবর্তন হয় বলে একে মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়।
- কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির নিকটবর্তী অঞ্চল জুড়ে যে জলবায়ু বিস্তৃত তা মৌসুমি জলবায়ু।
- ক্যারিবিয়ান সাগর, পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপসমূহের দেশগুলো, পূর্ব আফ্রিকা, পূর্ব ব্রাজিল, উত্তর-পূর্ব অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ চীন ও জাপান, থাইল্যান্ড, কম্পুচিয়া, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিয়ানমার অর্থাৎ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও মেক্সিকো উপসাগরের উপকূলবর্তী দেশসমূহ, লাওস, মালাগাছি দ্বীপও এই জলবায়ুর অন্তর্ভুক্ত।

⇒ দক্ষিণ গোলার্ধের উচ্চচাপ বলয় থেকে আসা দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু এশিয়া মহাদেশের নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে প্রবলবেগে ছুটে যায়।
- এই বায়ুকেই বলা হয় উত্তর গোলার্ধের মৌসুমি বায়ু।
- ফেরেলের সূত্রানুযায়ী একে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বলা হয়।
- কারণ নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে ডানদিকে বেঁকে দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ু দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে উত্তর পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১২২.
হাকালুকি হাওর কোথায় অবস্থিত?
  1. হবিগঞ্জ ও সিলেটে
  2. সিলেট ও সুনামগঞ্জে
  3. হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে
  4. মৌলভীবাজার ও সিলেটে
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার ও সিলেটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার ও সিলেটে
ব্যাখ্যা
হাকালুকি হাওর:

- হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তর হাওর।
- এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- এর ভৌগোলিক অবস্থান ২৪°৩৫´-২৪°৪৪´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯২°০১´-৯২°০৯´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
- হাকালুকি হাওরের আয়তন ১৮১.১৫ বর্গ কিমি।
- হাওরটি ৫টি উপজেলা ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে বিস্তৃত।
- হাওরের ৪০% বড়লেখা, ৩০% কুলাউড়া, ১৫% ফেঞ্চুগঞ্জ, ১০% গোলাপগঞ্জ এবং ৫% বিয়ানীবাজার উপজেলার অন্তর্গত।
- হাকালুকি হাওরের বিশাল জলরাশির মূল প্রবাহ হলো জুরী এবং পানাই নদী।
- হাকালুকি হাওরে প্রায় ২৩৮টি বিল রয়েছে।
- জীববিজ্ঞানীদের মতে, হাকালুকি হাওরে ১৫০ প্রজাতির মিঠা পানির মাছ, ১২০ প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ, ২০ প্রজাতির সরীসৃপ বিলুপ্ত প্রায়। 
- এখানে প্রতি বছর শীতকালে প্রায় ২০০ বিরল প্রজাতির অতিথি পাখির সমাগম ঘটে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬,১২৩.
বাংলাদেশের মোট বনভূমির কত শতাংশ পাহাড়ী বন রয়েছে?
  1. ক) ৪০%
  2. খ) ৪৫%
  3. গ) ৩০%
  4. ঘ) ৩৫%
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মোট বনভূমির -
৩৮.৭১% - প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন।
৩০% - পাহাড়ী বন।  
১১.৪২% - সৃজিত ম্যানগ্রোভ বন।
৭.৬১% - শালবন।
১.৭১% - জলাভূমির বন। 

সূত্র: bforest.portal.gov.bd
৬,১২৪.
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ২৮ কিলোমিটার
  2. খ) ১৮ কিলোমিটার
  3. গ) ২০ কিলোমিটার
  4. ঘ) ১২০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত
• কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র। পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা "সাগর কন্যা" হিসেবে পরিচিত।
• অবস্থান: পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে কুয়াকাটা অবস্থিত।
• ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সৈকত বিশিষ্ট কুয়াকাটা বাংলাদেশের অন্যতম নৈসর্গিক সমুদ্র সৈকত।
• বাংলাদেশের এটাই একমাত্র সৈকত যেখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত দুটোই ভাল দেখা যায়, সব চাইতে ভালোভাবে সূর্যোদয় দেখা যায় সৈকতের গঙ্গামতির বাঁক থেকে আর সূর্যাস্ত দেখা যায় পশ্চিম সৈকত থেকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন।
৬,১২৫.
সূর্য থেকে কোন প্রক্রিয়ায় পৃথিবীতে তাপ পৌঁছায়?
  1. পরিবহন
  2. সঞ্চালন
  3. বিকিরণ 
  4. সংবহন 
সঠিক উত্তর:
বিকিরণ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকিরণ 
ব্যাখ্যা

বিকিরণ প্রক্রিয়া :
-
বায়ুর তাপ বলতে বোঝায় বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা, অর্থাৎ কোনো স্থানে থাকা বায়ু কতটা উষ্ণ বা শীতল। তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছায় তিনভাবে—পরিচলন, পরিবহন, এবং বিকিরণ।
- বিকিরণ এমন একটি উপায়, যেখানে কোনো বস্তু তার অভ্যন্তরীণ শক্তিকে তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ হিসাবে নির্গত করে এবং সেই তরঙ্গ দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে পৃথিবীর পৃষ্ঠে এসে পৌঁছায়।
- বিকিরণ প্রক্রিয়ায় তাপ স্থানান্তরের জন্য বাতাসসহ কোনো মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ ও আলো পৌঁছায় বিকিরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, কারণ এই প্রক্রিয়ায় তাপ পরিবহনের জন্য কোনো মাধ্যমের দরকার হয় না।

 উল্লেখ্য,
- মহাকাশ প্রায় সম্পূর্ণ শূন্যস্থান হওয়ায় সেখানে পরিবহন বা পরিচলন - এই দুই উপায়ে তাপ চলাচল সম্ভব নয়।
- কোনো বস্তু তাপ বিকিরণ করলে তার অভ্যন্তরের শক্তি তরঙ্গ হিসেবে বেরিয়ে যায়—এটাই তাপ সঞ্চালনের একটি স্বতন্ত্র পদ্ধতি।
- দিনে সূর্যের বিকিরণে ভূপৃষ্ঠ উত্তপ্ত হয়, আর
- রাতে ভূপৃষ্ঠ সেই সঞ্চিত তাপ বিকিরণের মাধ্যমে মহাশূন্যে ছেড়ে দেয়; ফলে ধীরে ধীরে ভূপৃষ্ঠ ঠান্ডা হয়ে যায়।
- বিকিরণ প্রক্রিয়ায় কোনো বস্তু তার তাপশক্তি তরঙ্গ আকারে হারায়, তাই এটি শীতল হতে শুরু করে।

উৎস : 
ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,১২৬.
'লোম্বক প্রণালি' কোনো দেশে অবস্থিত? 
  1. ইন্দোনেশিয়া 
  2. রাশিয়া
  3. ফিলিপাইন 
  4. মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া 
ব্যাখ্যা

• লম্বক প্রণালী (Lombok Strait): 
- একটি প্রণালী (Strait) হলো প্রাকৃতিকভাবে গঠিত একটি সংকীর্ণ জলপথ, যা দুটি স্থলভাগের মধ্যে অবস্থান করে এবং দুটি বড় জলরাশিকে সংযুক্ত করে।
- লম্বক প্রণালী ইন্দোনেশিয়ার লম্বক ও বালি দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ভারত মহাসাগরকে জাভা সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে।

- লম্বক প্রণালী ৬০ কিমি দীর্ঘ এবং এর সর্বোচ্চ গভীরতা ২৫০ মিটার (৮২০ ফুট)।
- এটি প্রায়শই একটি বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে ভারি মালবাহী জাহাজ (Bulk Carriers) এবং সুপারট্যাংকারগুলো যেগুলো আরব দেশ থেকে চীনে তেল বা অন্যান্য পণ্য পরিবহন করে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস। (Link) 

৬,১২৭.
অত্যন্ত সংকীর্ণ ও গভীর গিরিখাতকে বলা হয়-
  1. ক) বর্তুলাকার গর্ত
  2. খ) পলল কোণ
  3. গ) ক্যানিয়ন
  4. ঘ) ‘U’-আকৃতির উপত্যকা
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যানিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যানিয়ন
ব্যাখ্যা
নদী যখন শুষ্ক অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং সেখানে যদি কোমল শিলার স্তর থাকে তাহলে গিরিখাতগুলো অত্যন্ত সংকীর্ণ ও গভীর হয়। এরূপ গিরিখাতকে ক্যানিয়ন বলে। উত্তর আমেরিকার কলোরোডো নদীর গিরিখাত গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন পৃথিবী বিখ্যাত। এটি ১৩৭-১৫৭ মিটার বিস্তৃত, প্রায় ২.৪ কিলোমিটার গভীর ও ৪৮২ কিলোমিটার দীর্ঘ। সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৬,১২৮.
গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে দেশের কোন জেলা জলমগ্ন হবে?
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) সাতক্ষীরা
  3. গ) নোয়াখালী
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে দেশের নিম্নভূমি তলিয়ে যাবার আশংকা রয়েছে।
• এক্ষেত্রে সাতক্ষীরা, বরিশালনোয়াখালী জেলা নিম্নাংশসহ উপকূলবর্তী নিম্নভূমি প্লাবিত হতে পারে।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১২৯.
ADB এর সমীক্ষা মতে, ২০৫০ সাল পর্যন্ত উষ্ণায়নের ধারা অব্যাহত থাকলে দক্ষিণ এশিয়ায় কী প্রভাব পড়বে?
  1. শস্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে
  2. শস্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে
  3. পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে
  4. কৃষিক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা আসবে
সঠিক উত্তর:
শস্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শস্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে
ব্যাখ্যা
এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (ADB) একটি সমীক্ষা থেকে জানা যায়,
- উষ্ণায়নের বর্তমান ধারা ২০৫০ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকলে দক্ষিণ এশিয়ায় শস্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
- জলবায়ুর অন্য আনুষঙ্গিক পরিবর্তনের প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ার ১৫০ কোটির বেশি মানুষ সরাসরি পানি ও খাদ্য ঝুঁকিতে পড়বে।
- ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে যে, বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে এ শতকের শেষ নাগাদ বিশ্বে চাষাবাদ ২০ থেকে ৪০ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৬,১৩০.
বাণিজ্য বায়ু বলা হয় কোন বায়ুকে?
  1. পশ্চিমা বায়ু
  2. অয়ন বায়ু
  3. মেরু বায়ু
  4. অনিয়মিত বায়ু
সঠিক উত্তর:
অয়ন বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অয়ন বায়ু
ব্যাখ্যা

অয়ন বায়ু: 
- এই বায়ু ক্রমাগত শীতল হয়ে নিচে নামতে না পেরে উত্তর ও দক্ষিণে ছড়িয়ে যায়।
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় থেকে উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরে উঠে গেলে কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।
- ফেরেলের সূত্র অনুসারে এ বায়ু উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে থাকে।
- প্রাচীনকালে বাণিজ্য জাহাজগুলো এই বায়ুপ্রবাহ অনুসরণ করতো বলে একে বাণিজ্য বায়ুও বলা হয়। 
- উত্তর গোলার্ধে এটি উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নামে পরিচিত।
- প্রায় ৩০০ অক্ষাংশ বরাবর এই বায়ু নিচে নেমে তা আবার বিষুবীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
- সাধারণত উচ্চচাপ সম্পন্ন এলাকায় অয়ন বায়ু প্রবাহিত হয় বলেই এইসব স্থানে আবহাওয়া উষ্ণ, শুষ্ক ও মেঘমুক্ত প্রকৃতির হয়।
- পৃথিবীর বড় বড় মরুভূমি যেমন-সাহারা, কালাহারি মরুভূমিতে এই বায়ুপ্রবাহের প্রভাব দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,১৩১.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত NDMC কমিটির প্রধান কে?
  1. ক) বিভাগীয় কমিশনার
  2. খ) জেলা প্রশাসক
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বোচ্চ কমিটি হলো NDMC (National Disaster Management Council)। এটির প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী। এটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ও আইনের বিষয়ে সিদ্ধান্তগ্রহণ এবং দুর্যোগকালীন সময়ে জরুরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে।
(তথ্যসূত্রঃ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন : ২০১২)
৬,১৩২.
ভারত মহাসাগরে অবস্থিত বৃহত্তম দ্বীপ কোনটি?
  1. সিচেলিস
  2. মরিশাস
  3. মাদাগাস্কার
  4. মালদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
মাদাগাস্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদাগাস্কার
ব্যাখ্যা

ভারত মহাসাগর:
- ভারত মহাসাগর বিশ্বের তিনটি প্রধান মহাসাগরের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম।
- এর মোট আয়তন প্রায় ২৭,২৪৩,০০০ বর্গমাইল (৭০,৫৬০,০০০ বর্গকিমি)।
- মহাসাগরের গড় গভীরতা প্রায় ১২,২৭৪ ফুট (৩,৭৪১ মিটার)।
- এর গভীরতম স্থান হলো পুয়ের্তো সুন্ডা ট্রেঞ্চ;
- যার পূর্বের নাম ছিল জাভা খাত (Java Trench)।

- ভারত মহাসাগরে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপগুলোর মধ্যে রয়েছে মাদাগাস্কার, যা বৃহত্তম।
- এছাড়াও রয়েছে- সিচেলিস, মরিশাস, দিয়াগো গার্সিয়া, মালদ্বীপ ও মালাগাসি।

উৎস: Britannica. 

৬,১৩৩.
সর্বশেষ কত সালে হ্যালির ধূমকেতু পৃথিবী থেকে দেখা গেছে?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা

ধূমকেতু (Comet):
- মহাকাশে মাঝে মাঝে একপ্রকার জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে। এদের একটি মাথা ও একটি লেজ আছে। এসব জ্যোতিষ্ককে ধূমকেতু বলে। ধূমকেতু আকাশের এক অতি বিস্ময়কর জ্যোতিষ্ক। সৌরজগতের মধ্যে ধূমকেতুর বসবাস হলেও এরা কিছুদিনের জন্য উদয় হয়ে আবার অদৃশ্য হয়ে যায়। সূর্যের চারদিকে অনেক দূর দিয়ে এরা পরিক্রমণ করে। সূর্যের নিকটবর্তী হলে এদের দেখা যায়। এরা সূর্যের যত কাছাকাছি আসতে থাকে তত এর লেজ লম্বা হতে থাকে। এরা অনেক দীর্ঘ কক্ষপথে সূর্যকে পরিক্রমণ করে বলে অনেক বছর পর পর এরা আবির্ভূত হয়।

উল্লেখ্য, 
- জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত।
- হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছরে একবার দেখা যায়।
- হ্যালির ধূমকেতু ২৪০ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দ থেকে দেখা যায় এবং সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গেছে।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

৬,১৩৪.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' অন্য কী নামে পরিচিত?
  1. ক) দুবলার চর
  2. খ) গঙ্গারিডি
  3. গ) কলাতলী চ্যানেল
  4. ঘ) গঙ্গা খাদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) গঙ্গা খাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গঙ্গা খাদ
ব্যাখ্যা
- সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড হলো বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি গভীরতম উপত্যকা বা গিরিখাত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড এর গড় গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার এবং সবচেয়ে গভীরতম উপত্যাকা হলো ১,৩৪০ মিটার।
- এই খাতটি সুন্দরবন এর দুবলার চর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

- Swatch of No Ground গঙ্গা খাদ নামেও পরিচিত।
- এটা বিশ্বের বড় ১১টি বড় উপত্যকার মধ্যে একটি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৬,১৩৫.
সিন্ধু নদের উৎপত্তিস্থল কোথায়?
  1. কুনলুন পর্বত
  2. পামীর মালভূমি 
  3. হিন্দুকুশ পর্বত
  4. তিব্বতের মালভূমি
সঠিক উত্তর:
তিব্বতের মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিব্বতের মালভূমি
ব্যাখ্যা
সিন্ধু নদ: 

• উৎপত্তি: তিব্বতের মালভূমি। 
• আরব সাগরে পতিত হয়েছে।
• পাকিস্তানের করাচি সিন্ধু নদীর তীরে।
• আমুদরিয়া নদী পামীর মালভূমি থেকে উৎপন্ন হয়েছে। 
• হোয়াংহো নদীর অন্য নাম – পীত নদী / হলুদ নদী/The Yellow River/চীনের দুঃখ।
• এটি কুনলুন পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে দক্ষিণ চীন সাগরে পতিত হয়েছে।
• ইয়াংসিকিয়াং এশিয়ার দীর্ঘতম নদী। দৈর্ঘ্য-৬৩৮০ কি.মি।
• এটি তিব্বতের মালভূমি থেকে উৎপন্ন হয়ে পূর্ব চীন সাগরে পতিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটিনিকা ও  Live Mcq লেকচার।
৬,১৩৬.
বায়ু প্রবাহিত হয়-
  1. উচ্চচাপের স্থান থেকে নিম্নচাপের দিকে
  2. নিম্নচাপের স্থান থেকে উচ্চচাপের দিকে
  3. উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে
  4. দক্ষিণ থেকে উত্তর দিকে
সঠিক উত্তর:
উচ্চচাপের স্থান থেকে নিম্নচাপের দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চচাপের স্থান থেকে নিম্নচাপের দিকে
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
যথা - 
• নিয়ত বায়ু, 
• সাময়িক বায়ু, 
• স্থানীয় বায়ু এবং 
• অনিয়মিত বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৩৭.
কোন অঞ্চল 'রোয়ারিং ফর্টিস' নামে পরিচিত?
  1. আফ্রিকা মহাদেশের চল্লিশটি দেশ
  2. দক্ষিণ গোলার্ধের ৪০ ডিগ্রি থেকে ৪৭ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশ
  3. বিশ্বের দরিদ্রতম চল্লিশটি অঞ্চল
  4. বিশ্বের দরিদ্রতম চল্লিশটি দেশ
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ গোলার্ধের ৪০ ডিগ্রি থেকে ৪৭ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ গোলার্ধের ৪০ ডিগ্রি থেকে ৪৭ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
রোয়ারিং ফর্টিস বা গর্জনশীল চল্লিশ
- দক্ষিণ গোলার্ধের ৪০ থেকে ৪৭ দক্ষিণ অক্ষাংশে প্রত্যয়ন বায়ুর গতিবেগ সর্বোচ্চ।
- তাই এই অঞ্চলকে রোয়ারিং ফর্টিস বা গর্জনশীল চল্লিশ বলে।

- প্রত্যয়ন বায়ু পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে পুর্ব দিকে যায়।
- এই জন্য এই বায়ুকে পশ্চিমা বায়ুও বলাহয়।
- প্রত্যয়ন বায়ুর প্রবাহের দিক একই থাকে বলে এটি নিয়ত বায়ুর অন্তর্ভুক্ত।
- রোয়ারিং ফর্টিস বা গর্জনশীল চল্লিশ অঞ্চলে প্রত্যয়ন বা পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত হয়; যা একপ্রকার নিয়ত বায়ু।

উল্লেখ্য,
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত ৪ প্রকার। যথা -
১. নিয়ত বায়ু,
২. সাময়িক বায়ু,
৩. স্থানীয় বায়ু,
৪. অনিয়মিত বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১৩৮.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে খরার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি?
  1. উত্তর-পূর্বাঞ্চল
  2. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল
  3. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
  4. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের খরাপ্রবণ অঞ্চল:
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল খরার জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- এই অঞ্চলের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর প্রভৃতি জেলা খরার জন্যে অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- অনাবৃষ্টি, দীর্ঘদিন শুষ্ক আবহাওয়া, বৃষ্টিপাত অপেক্ষা বাষ্পীভবন ও প্রস্বেদনের হার অধিক হলে সাধারণত খরা দেখা দেয়।
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল, বিশেষ করে রাজশাহী, রংপুর এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার কিছু অংশ খরাপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত।

খরার কারণগুলো:
স্বল্প বৃষ্টিপাত: বার্ষিক বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে মাটি আর্দ্রতা হারায়।
তীব্র গ্রীষ্মকাল: গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে মাটির আর্দ্রতা কমে।
জলবায়ুর পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন আসছে, যা খরার প্রবণতা বাড়ায়।
নদীপ্রবাহের হ্রাস: নদীপ্রবাহ কমে যাওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে পানির স্তর নেমে যায়।
আবহাওয়ার চক্র: বিশেষ করে রবি ফসলের সময় মাটির আর্দ্রতা কম হওয়ায় ফসল উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে।

তথ্যসূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান: নবম-দশম শ্রেণি ও ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১৩৯.
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (continental shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে-
  1. ক) ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
  2. খ) ৪০০ নটিক্যাল মাইল
  3. গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ঘ) ৩০০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী,
- একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
- অর্থনৈতিক সীমারেখার দৈর্ঘ্য - ২০০ নটিক্যাল মাইল।

উৎসঃ ব্রিটানিকা
৬,১৪০.
সিলিকা বালু প্রধানত কোন অঞ্চলে পাওয়া যায়?
  1. রাঙামাটি 
  2. শেরপুর
  3. পটুয়াখালী
  4. চাঁদপুর
সঠিক উত্তর:
শেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেরপুর
ব্যাখ্যা

সিলিকা বালু (Silica Sand):
এটি এক ধরনের বালু যা কাচ নির্মাণে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য, রং, অগ্নিচুল্লির ইষ্টক নির্মাণে এর দরকার হয়।
উৎপাদন অঞ্চলসমূহ (Production Regions): বাংলাদেশের শেরপুর, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেট, কুমিল্লা ও দিনাজপুর জেলায় সিলিকা (কাচ বালু) বালু পাওয়া যায়।

(ক) শেরপুর জেলা (Sherpur District): শেরপুর জেলার উত্তরে গারো পাহাড়িয়া অঞ্চলের নিকটবর্তী বালিজুরি নামক স্থানে সিলিকা বালু পাওয়া যায়। এ অঞ্চলে সঞ্চিত সিলিকা বালুর পরিমাণ প্রায় ২ লক্ষ টন। বালু দ্বারা রঙিন কাচ তৈরি করা যায়।

(খ) মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলা (Maulvibazar And Habigonj District): মৌলভীবাজারের কুলাউড়া এবং হবিগঞ্জের শাহজীবাজার ও নয়াপাড়া অঞ্চলে সিলিকা বালু পাওয়া যায়।
শাহজীবাজার ও নয়াপাড়া অঞ্চলে ৮২ মিটার (২.৭ ফুট) পুরু সিলিকা বালুর স্তরে প্রায় ৪ লক্ষ টন উৎকৃষ্টমানের বালি সঞ্চিত আছে বলে ধারণা করা হয়। এ বালিতে প্রায় ৯৭-৯৯-৯৮-৬২% সিলিকা আছে। বাংলাদেশের কাচ শিল্পের প্রধান কাঁচামাল হিসেবে এ বালি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া, সুনামগঞ্জ জেলার টাকেরঘাট অঞ্চলেও প্রচুর সিলিকা বালু পাওয়া যায়।

(গ) কুমিল্লা জেলা (Kumilla District): কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার বাতাসিয়া অঞ্চলে সিলিকা বালুর সন্ধান পাওয়া গেছে। এ অঞ্চলে সঞ্চিত বালুর পরিমাণ প্রায় ৪ লক্ষ টন।

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী।

৬,১৪১.
পৃথিবীর কঠিন ভূত্বকের কোনো কোনো অংশ প্রাকৃতিক কোনো কারণে কখনো কখনো অল্প সময়ের জন্য আকস্মিক কম্পনকে কী বলে?
  1. ভূমিক্ষয়
  2. ভূমিকম্প
  3. সুনামি
  4. অগ্ন্যুৎপাত
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প (Earthquake): 
- পৃথিবীর কঠিন ভূত্বকের কোনো কোনো অংশ প্রাকৃতিক কোনো কারণে কখনো কখনো অল্প সময়ের জন্য হঠাৎ কেঁপে ওঠে।
- ভূত্বকের এরূপ আকস্মিক কম্পনকে ভূমিকম্প বলে।
- ভূকম্পন সাধারণত কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয় আবার কখনো কিছু সময় পর পর অনুভূত হয়।
- এ কম্পন কখনো অত্যন্ত মৃদু আবার কখনো অত্যন্ত প্রচন্ড হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৬,১৪২.
আয়তন এবং গভীরতার দিক থেকে সবচেয়ে বড় মহাসাগর কোনটি? 
  1. আটলান্টিক মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. উত্তর মহাসাগর
  4. প্রশান্ত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

বারিমণ্ডলের ধারণা: 
- বারিমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Hydrosphere, Hydro' শব্দের অর্থ পানি এবং 'sphere' শব্দের অর্থ মণ্ডল। 
- পৃথিবীর সকল স্থানেই বারিমণ্ডলের অস্তিত্ব রয়েছে। 
যেমন- বায়ুমণ্ডলে পানি রয়েছে জলীয়বাষ্প হিসাবে, ভূ-পৃষ্ঠে পানি রয়েছে তরল ও কঠিন অবস্থায় এবং ভূ-গর্ভে রয়েছে ভূ-গর্ভস্থ তরল পানি হিসাবে। 
- পৃথিবীর মোট জলরাশির শতকরা ৯৭ ভাগ রয়েছে সমুদ্রে। মাত্র ৩ ভাগ রয়েছে নদী, হিমবাহ, ভূ-গর্ভস্থ, হ্রদ, মৃত্তিকা জীবমণ্ডল ও বায়ুমণ্ডলে। 
- মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবনাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভূ-গর্ভের পানি, বৃষ্টির পানি ও ঝর্ণার পানি মিঠা। 
- আয়তন এবং গভীরতার ভিত্তিতে বারিমণ্ডলকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা - 
১। মহাসাগর (Ocean), 
২। সাগর (Sea), 
৩। উপসাগর (Bay), 
৪। হ্রদ (Lake)। 

মহাসাগর (Ocean): 
- উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ জলরাশি বা পানি রাশিকে মহাসাগর (Ocean) বলে। 
- পৃথিবীতে মোট পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে। 
যথা: প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean), আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean), ভারত মহাসাগর (Indian Ocean), উত্তর মহাসাগর (North Ocean), দক্ষিণ মহাসাগর (South Ocean)। 
- মহাসাগরসমূহের মধ্যে আয়তন এবং গভীরতার দিক থেকে প্রশান্ত মহাসাগর সবচেয়ে বড়। 

 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৪৩.
নিচের কোনটি পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলা নয়?
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান এই তিনটি জেলা নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম গঠিত।
- আশির দশকের প্রথম দিকে দেশব্যাপী প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামকে তিনটি স্বতন্ত্র জেলায় বিভক্ত করা হয়।
- এগুলো হচ্ছে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলা।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৬,১৪৪.
বিস্তৃত অঞ্চলজুড়ে শিলার ঢেউয়ের মতো ভাঁজ পড়ে কোন পর্বতের সৃষ্টি হয়?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. চ্যুতিস্তূপ পর্বত
  3. আগ্নেয় পর্বত
  4. উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বত
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
ব্যাখ্যা
⇒ উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পর্বতকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
ক. ভঙ্গিল পর্বত,
খ. আগ্নেয় পর্বত,
গ. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত এবং,
ঘ. উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বত।

ভঙ্গিল পর্বত (Folded Mountains):

- অগভীর সমুদ্রের তলদেশে সঞ্চিত পাললিক শিলাস্তরে আনুভূমিক আলোড়ন বা সংকোচনের ফলে শিলাস্তর কুঞ্চিত হয়ে ঢেউয়ের আকারে ভঙ্গিল পর্বতের সৃষ্টি হয়।
- চার ধরণের পর্বতের মধ্যে ভঙ্গিল পর্বতের উৎপত্তি সবচেয়ে জটিল।
- এ ধরনের পর্বতের বিস্তার অন্যান্য ধরনের পর্বতের চাইতে বেশি।

ভঙ্গিল পর্বতের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
১. দুটি পরস্পরমুখী প্লেট সীমানায় সংকোচনজনিত চাপে পাললিক শিলাস্তরে ভাঁজ সৃষ্টি হয়ে ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়ে থাকে।
২. ভঙ্গিল পর্বতের শিলা কাঠামো ভাঁজ ও চ্যুতিযুক্ত।
৩. সাধারণত ভঙ্গিল পর্বত পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত। তবে উৎপত্তির বিভিন্ন পর্যায়ে আগ্নেয় ও রূপান্তরিত শিলাও দেখা যায়।

প্রধান তিন ধরণের পরিবেশ ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়। যথা:
(i) দুটি মহাদেশীয় প্লেটের সংঘাতপূর্ণ এলাকায়;
(ii) মহাদেশ ও সমুদ্র তলদেশীয় সীমানা বরাবর যেখানে সামুদ্রিক শিলাস্তর মহাদেশীয় প্লেটের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে;
(iii) বিচ্ছিন্ন শিলামন্ডল মহাদেশীয় প্লেট সীমানা বরাবর।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৪৫.
বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. ঈশ্বরদী, পাবনা
  2. লালপুর, নাটোর
  3. নাচোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. পুটিয়া, রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
লালপুর, নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালপুর, নাটোর
ব্যাখ্যা
• লালপুর: 
- নাটোরের লালপুর বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান।

- নাটোর জেলা গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ু এলাকায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের চরমভাবাপন্ন এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- আয়তনের দিক থেকে নাটোর জেলার ৩য় বৃহত্তম উপজেলা হলো লালপুর যা ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত।
- গ্রীষ্মকালে মাঝে মাঝে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড ও শীতকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড রেকর্ড হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,১৪৬.
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় বিশ্বের মোট জনসমষ্টির কত শতাংশ অধিবাসীর সরাসরি ভাগ্য বিপর্যয় দেখা দিতে পারে?
  1. প্রায় ১০ শতাংশ
  2. প্রায় ২০ শতাংশ
  3. প্রায় ২৫ শতাংশ
  4. প্রায় ৩০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক প্রভাব: 
• বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী গ্রিনহাউস প্রভাব পৃথিবীর কয়েকটি দেশে যথা- কানাডা, রাশিয়া, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, সুইডেন, দক্ষিণ আমেরিকা প্রভৃতি দেশগুলোর জন্য সাফল্য বয়ে আনবে।
• এ কারণে ঐসব অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ একর জমি বরফমুক্ত হয়ে চাষাবাদ ও বসবাসযোগ্য হয়ে উঠবে।
• অন্যদিকে দুর্ভোগ বাড়বে পৃথিবীর প্রায় ৪০ শতাংশ এলাকার দরিদ্র অধিবাসীদের।
• কারণ গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ার ফলে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে উপকূলীয় এলাকার এক বিরাট অংশ পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
• সমুদ্র উপকূলবর্তী পৃথিবীর বেশ কয়েকটি বিখ্যাত শহর হবে ব্যাপক আকারে ক্ষতিগ্রস্ত।  
♠♠ 
• পৃথিবী উষ্ণায়নের ফলে একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় বিশ্বের মোট জনসমষ্টির প্রায় ২০ শতাংশ অধিবাসীর সরাসরি ভাগ্য বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।
• এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠলে আবহাওয়ার প্রকৃতিই বদলে যাবে। 
• সময়ে অসময়ে জলোচ্ছ্বাসের শিকার হয়ে ফসল ডুবে যাবে, দূষিত হবে সুপেয় পানি, লোনা পানি প্রবেশের ঝুঁকি বাড়বে, বনাঞ্চল ধ্বংস হবে, বন্য জীবজন্তুর সংখ্যা হ্রাস পাবে এবং একই দেশের মানুষ অন্য অঞ্চলে হবে জলবায়ু শরণার্থী (Climate refugee)।
• এক্ষেত্রে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় নিম্নাঞ্চলের মানুষ হবে প্রথম শিকার।  

 উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১৪৭.
'মাইনমুখী ভ্যালি' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) মৌলভীবাজার
  3. গ) রাঙ্গামাটি
  4. ঘ) কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
গ) রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

উপত্যকা দুইটি পাহাড়ের মধ্যে অবস্থিত সমতল বা অসমতল, ঢালু, প্রশস্ত ভূমিক্ষেত্র। এর ভেতর দিয়ে নদী প্রবাহিত হতে পারে বা না-ও পারে। পর্বতের শীর্ষ থেকে যখন বরফ গলা পানি বা বৃষ্টির পানির স্রোত যখন পর্বতের খাড়া ঢাল বেয়ে দ্রুতবেগে নেমে আসে, তখন পাহাড়ের শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ক্রমান্বয়ে ধীরে ধীরে, হাজার হাজার বছর ধরে উপত্যকার সৃষ্টি হয়। অনেক সময় হিমবাহ অর্থাৎ বরফের নদী পর্বতের শীর্ষ থেকে ধীরে ধীরে নিচে নামার সময় উঁচু নিচু শিলা-পাথরগুলিকে সরিয়ে চূর্ণ করে সমতল মাটির স্তর তৈরি করে এবং ফলে উপত্যকার জন্ম হয়। আবার কখনো কখনো কোন নদী গতিপথ বদলালে এর পুরাতন অববাহিকাটি উপত্যকার জন্ম দেয়।
বাংলাদেশের কতিপয় উপত্যকাঃ
উপত্যকা------------ অবস্থান
ভেঙ্গি ভেলী -------- কাপ্তাই লেক
বালিশিরা ভেলী ---- মৌলভীবাজার
হালদা ভেলী --------- খাগড়াছড়ি
সাজেক ভ্যালী ------- রাঙামাটি
সাঙ্গু ভ্যালি ----------- চট্টগ্রাম
নাপিত খালি ভ্যালি -- কক্সবাজার
মাইনমুখী ভ্যালি ---- রাঙামাটি

৬,১৪৮.
বিপর্যয় উপদ্রুত এলাকার জনসাধারণ যখন চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় তখন তাকে কী বলে?
  1. বিপদাপন্নতা
  2. প্রতিকূলতা
  3. আপদ
  4. দুর্যোগ
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ (Disaster):
- বিপর্যয় উপদ্রুত এলাকার জনসাধারণ যখন চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় তখন তাকে দুর্যোগ বলে।
- একটি বিপর্যয় যখন কোনো নির্দিষ্ট এলাকার জনগণের বেশির ভাগ মানুষকে বিপদাপন্ন করে তুলে এবং তাদের নিজস্ব মোকাবিলা ক্ষমতার বাইরে চলে যায়, তখন তাকে দুর্যোগ বলে।
- দুর্যোগ একটি এলাকার স্বাভাবিক কাজকর্মে প্রচন্ডভাবে বিঘ্ন ঘটায় এবং জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।
- ক্ষতিগ্রস্থ সমাজের পক্ষে নিজস্ব সম্পদ দিয়ে এই ক্ষতি মোকাবিলা করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে।
- দুর্যোগ কোনো স্থানের জনবসতিকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেয়, যার ফলে ঐ জনবসতি সহজে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে পারে না।

• বিশ্বব্যাপী দুর্যোগসমূহের প্রকারভেদ:
- পৃথিবীর যেকোনো দেশে দুই ধরনের দুর্যোগ সংঘটিত হয়। 
১. প্রাকৃতিক দুর্যোগ:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। যেমন: অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি।
২. মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ:
- মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ বলতে মানব কর্মকান্ডের ফলে সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। যেমন: জলাবদ্ধতা, অগ্নিকান্ড, রাসায়নিক দূষণ, যুদ্ধ ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৪৯.
কোন দুর্যোগটি ভূমিকম্পের ফলশ্রুতিতে হতে পারে?
  1. সুনামি
  2. বন্যা
  3. মৃত্তিকা ক্ষয়
  4. খরা
সঠিক উত্তর:
সুনামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামি
ব্যাখ্যা
- ভূমিকম্পের ফলে সুনামি হতে পারে। 

দুর্যোগ (Disaster):

- দুর্যোগ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Disaster, যা গ্রিক শব্দ Dis এবং Aster এর সমন্বয়ে গঠিত। Dis অর্থ মন্দ বা খারাপ এবং Aster অর্থ তারা। প্রাচীন গ্রিক জ্যোতির্বিদগণ বিশ্বাস করতেন, আকাশে কোনো তারা খারাপ অবস্থানে থাকলে খারাপ ঘটনা ঘটে। এই ধারণা থেকেই দুর্যোগ শব্দের উৎপত্তি। দুর্যোগ বলতে এমন একটি বিপর্যয় বোঝায়, যা একটি নির্দিষ্ট এলাকার জনগণের একটি বড় অংশকে বিপদাপন্ন করে তোলে এবং তাদের তা মোকাবিলার সক্ষমতা অতিক্রম করে।

এছাড়াও, 
- দুর্যোগের কারণে মানুষের জীবন, সম্পদ ও পরিবেশে ব্যাপক ক্ষতি হয় এবং ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রচুর মূল্য দিতে হয়। এটি কখনো হঠাৎ সংঘটিত হয়, আবার কখনো এক বা একাধিক ঘটনার ধীরে ধীরে সৃষ্টি হতে পারে। অনেক সময় একটি দুর্যোগ অন্য দুর্যোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। উদাহরণস্বরূপ, ভূমিকম্প থেকে সুনামি হতে পারে, সুনামি থেকে জলোচ্ছ্বাস এবং জলোচ্ছ্বাস থেকে উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততার সমস্যা তৈরি হতে পারে। সুতরাং, দুর্যোগ কেবল একটি পৃথক ঘটনা নয়, বরং তা একাধিক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে।

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৫০.
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাতে কোন ঢালে বৃষ্টিপাত ঘটে?
  1. অনুবাত
  2. অনুপাদিত
  3. প্রতিপদ
  4. প্রতিবাত
সঠিক উত্তর:
প্রতিবাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিবাত
ব্যাখ্যা
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত:
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সময় পর্বতে বাধাপ্রাপ্ত হলে তা পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরের দিকে উঠে যায়।
- এই বায়ু শীতল হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।
- দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু মেঘালয় পাহাড়ে বাধা পাওয়ায় সিলেট এলাকায় প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি হয়।
- পর্বত অতিক্রমকারী বায়ু যদি পর্বতের অপর পাশে অর্থাৎ অনুবাত ঢালে পৌঁছায় তখন ঐ বায়ুতে জলীয়বাষ্প কমে থাকে। ঐ বায়ু নিচে নামার ফলে আরও উষ্ণ এবং শুষ্ক হয়ে উঠে বলেই ঐ স্থানে বৃষ্টিপাত হয় না।
- এই বৃষ্টিহীন স্থানকে বলা হয় বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৫১.
জ্যোতিষ্ক কয় প্রকার?
  1. ১১
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
জ্যোতিষ্ক:
- মহাশূন্যে অবস্থিত বস্তুসমূহকে জ্যোতিষ্ক বলা হয়ে থাকে।
- জ্যোতিষ্ক ৭ প্রকার
- যথা:
• নক্ষত্র।
• নীহারিকা।
• গ্রহ।
• উপগ্রহ।
• ছায়াপথ।
• ধূমকেতু।
• উল্কা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১৫২.
পামীর মালভূমি কোন ধরনের মালভূমি?
  1. লাভা গঠিত মালভূমি
  2. পর্বতবেষ্টিত মালভূমি
  3. পাদদেশীয় মালভূমি
  4. মহাদেশীয় মালভূমি
সঠিক উত্তর:
পর্বতবেষ্টিত মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্বতবেষ্টিত মালভূমি
ব্যাখ্যা

পামীর মালভূমি:
- কয়েকটি পাহাড়ের সম্মিলিত স্থানে যে সমতল অঞ্চল তৈরি হয় তাই মালভূমি।
- পামীর মালভূমি পর্বতবেষ্টিত মালভূমি।
- পামীর মালভূমি মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত বিশ্বের সর্বোচ্চ ও বৃহত্তম মালভূমির মধ্যে অন্যতম।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা হচ্ছে প্রায় ১৯,০০০ থেকে ২০,০০০ ফুট।
- এটি মধ্য এশিয়ার তাজিকিস্তান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও চীনের সংযোগস্থলে অবস্থিত। এর বেশিরভাগ অংশ তাজিকিস্তানে অবস্থিত।

⇒ এই অঞ্চলটি তাজিকিস্তান, আফগানিস্তান, চীন ও পাকিস্তানের সীমান্তে হিমালয়, কারাকোরাম, হিন্দু কুশ ও তিয়ান শান পর্বতমালাকে সংযুক্ত করেছে।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অত্যধিক উচ্চতায় অবস্থিত হওয়ার কারণে এবং বিশ্বের প্রধান পর্বতশ্রেণীগুলোর মিলনস্থল হওয়ায় একে "পৃথিবীর ছাদ" বলা হয়। 
- এটি প্রাচীন 'সিল্ক রোড'-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।

উৎস: Britannica.

৬,১৫৩.
কোনটি রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ নয়?
  1. ফিনল্যান্ড
  2. রোমানিয়া
  3. লাটভিয়া
  4. জর্জিয়া
সঠিক উত্তর:
রোমানিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোমানিয়া
ব্যাখ্যা
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ:
- রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি। যথা-
• আজারবাইজান।
• বেলারুশ।
• চীন।
• এস্তোনিয়া।
• ফিনল্যান্ড।
• জর্জিয়া।
• কাজাখস্তান।
• লাটভিয়া।
• লিথুয়ানিয়া।
• মঙ্গোলিয়া।
• উত্তর কোরিয়া।
• নরওয়ে।
• পোল্যান্ড।
• ইউক্রেন।

অন্যদিকে -
- রোমানিয়া রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ নয়।

উৎস: Worldatlas.
৬,১৫৪.
নবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ কোনটি?
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. খনিজ তেল
  3. বায়োগ্যাস
  4. পীট কয়লা
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস
ব্যাখ্যা

নবায়নযোগ্য শক্তি:
- নবায়নযোগ্য শক্তি হলো এমন শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায়।
- এই শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না।
- বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস যেমন: সূর্যের আলো ও তাপ, বায়ু প্রবাহ, জলপ্রবাহ, জৈব শক্তি (বায়োগ্যাস, বায়োম্যাস, বায়োফুয়েল), ভূ-তাপ, সমুদ্র তরঙ্গ, সমুদ্র-তাপ, জোয়ার-ভাটা, শহুরে আবর্জনা, হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।

• অনবায়নযোগ্য শক্তি:
- অনবায়নযোগ্য শক্তি (Non-renewable Energy) হলো যে সম্পদ প্রকৃতিতে প্রাকৃতিকভাবে নবায়ন হয় না এমনকি মানুষ ও নবায়ন করতে পারে না।
- যেমন: প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, নিউক্লীয় শক্তি, খনিজ তেল ইত্যাদি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৫৫.
'মোজাবে মরুভূমি' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. কেনিয়া
  2. জর্ডান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. অস্ট্রিয়া
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
মোজাবে মরুভূমি:

- মোজাবে মরুভূমি যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্ব ক্যালিফোর্নিয়া‍য় অবস্থিত।
- মোজাবে মরুভূমিটি ২৫,০০০ বর্গ মাইল (৬৫,০০০ বর্গ কিমি) এরও বেশি জায়গা জুড়ে বিস্তৃত।
- কলোরাডো নদী এবং লেক মিড মরুভূমির পূর্ব প্রান্তের কাছে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৬,১৫৬.
সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু কী নামে পরিচিত?
  1. উপক্রান্তীয় জলবায়ু
  2. ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু
  3. নিরক্ষীয় জলবায়ু
  4. ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু 
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের জলবায়ু :
- বাংলাদেশের জলবায়ু মোটামুটি উষ্ণ, আর্দ্র ও সমভাবাপন্ন।
- মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাব এখানে এত অধিক যে, সামগ্রিকভাবে এ জলবায়ু 'ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু' নামে পরিচিত।
- দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক জলবায়ুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বাংলাদেশে বছরে ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ছয়টি ঋতু দেখা যায়,
- যেমন- গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত।
- ঋতুভেদে জলবায়ুর কিছুটা তারতম্য হয়, কিন্তু কখনো এটি অন্যান্য শীতপ্রধান বা গ্রীষ্মপ্রধান দেশের মতো চরমভাবাপন্ন হয় না।
- তবে বাংলাদেশের জলবায়ুর বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ছয়টি ঋতুকে প্রধান তিনটি ঋতু হিসেবে দেখানো যায়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম  ও দশম শ্রেণি।

৬,১৫৭.
নিম্নের কোন জায়গায় চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে?
  1. নেত্রকোনা
  2. কুষ্টিয়া
  3. শেরপুর
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
ক ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ
ব্যাখ্যা
চীনামাটি:
- চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহূত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭ সালে বর্তমান নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,১৫৮.
নিচের কোন দেশটি বলকান রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. মন্টিনিগ্রো
  2. বুলগেরিয়া
  3. ক্রোয়েশিয়া
  4. নরওয়ে
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরওয়ে
ব্যাখ্যা
- নরওয়ে বলকান রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত নয়।

• বলকান রাষ্ট্র বলতে বোঝায় সেই দেশগুলোকে যেগুলো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বালকান  উপদ্বীপে অবস্থিত।
• বালকান উপদ্বীপভুক্ত দেশসমূহ; 
- আলবেনিয়া
- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা
- বুলগেরিয়া
- ক্রোয়েশিয়া
- কসোভো
- মন্টিনিগ্রো
- উত্তর মেসিডোনিয়া
- রোমানিয়া (আংশিক)।
- সার্বিয়া।
- স্লোভেনিয়া (আংশিক)।

উল্লেখ্য, 
- গ্রিস ও তুরস্ককে বালকান বাদ দেওয়া হয়।
- পর্তুগাল, সুইজারল্যান্ড ও ডেনমার্ক এই দেশগুলো পশ্চিম ও উত্তর ইউরোপে অবস্থিত এবং বলকান অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৬,১৫৯.
'কালাহারি মরুভূমি' আফ্রিকা মহাদেশের কয়টি দেশ জুড়ে অবস্থিত?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
কালাহারি মরুভূমি:
- কালাহারি হলো আফ্রিকা মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মরুভূমি।
- এটি আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় ৩টি দেশে ৩৬০,০০০ বর্গ মাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- ৩টি দেশ হলো বতসোয়ানা, নামিবিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
- প্রায় ৭০% কালাহারি মরুভূমি বতসোয়ানায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- কালাহারি মরুভূমির জলবায়ু মূলত গরম এবং শুষ্ক। 
- এ মরুভূমিতে রয়েছে সিংহ, চিতা, হায়েনা, জিরাফ, জেব্রাসহ নানা প্রাণী।
- এখানেও রয়েছে বেশ কিছু আদিবাসী জনগোষ্ঠীর আবাস।

উৎস: Worldatlas.
৬,১৬০.
বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম নদী - নীলনদের উৎপত্তিস্থল কোথায়?
  1. ক) লামার মইভার পর্বত শৃঙ্গ
  2. খ) হিমালয় পর্বত
  3. গ) আরাকান পর্বত
  4. ঘ) ভিক্টোরিয়া লেক
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিক্টোরিয়া লেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিক্টোরিয়া লেক
ব্যাখ্যা
The Nile is credited as the longest river in the world. Its main source is Lake Victoria in east central Africa. From its farthest stream in Burundi, it extends 6,695 km (4,160 miles) in length and then drains in the Mediterranean Sea.
Source: guinnessworldrecords.com
৬,১৬১.
বিশ্ব ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস কবে?
  1. ক) ৫ জুন
  2. খ) ১৭ জুন
  3. গ) ১৬ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ১৩ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস - ৫ জুন,
বিশ্ব মরুকরণ ও খরা প্রতিরোধ দিবস ১৭ জুন,
বিশ্ব ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস - ১৬ সেপ্টেম্বর,
আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস - ১৩ অক্টোবর,
ধরিত্রী দিবস - ২২ এপ্রিল।
উৎসঃ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
৬,১৬২.
প্রতি ঘন্টায় সাইক্লোনের গতিবেগ হয় -
  1. ৪০ কি.মি
  2. ৬৩ কি.মি
  3. ২০০ কি.মি
  4. ৯০ কি.মি
সঠিক উত্তর:
৬৩ কি.মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩ কি.মি
ব্যাখ্যা
- গ্রীষ্মকালের শেষে বিষুবরেখার ৫° থেকে ২০° উত্তর অক্ষাংশের মধ্যবর্তী অঞ্চলের গভীর সমুদ্রে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে যখন প্রচণ্ড গতিসম্পন্ন চারদিক থেকে ধেয়ে আসা বাতাস এককেন্দ্রিক ঊর্ধ্বমুখী ঘূর্ণনের কারণে স্থলভাগের দিকে অগ্রসর হয়, তখন তাকেই সাইক্লোন বলে।
- সাইক্লোনের গতিবেগ কমপক্ষে প্রতি ঘন্টায় ৬৩ কি.মি. বা ৪০ মাইল হতে হয়। 
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৬,১৬৩.
ভাওয়াইয়া লোকসংগীত কোন জেলার?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) কুষ্টিয়া
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
খ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

নরনারীর জীবন প্রবাহ, প্রেম বিরহ, ব্যাকুলতা, যৌন আবেগ, নারীর জীবন ইত্যাদি ভাওয়াইয়া গানের বিষয়বস্তু। বাংলাদেশের দিনাজপুর-রংপুর অঞ্চলে এগুলো বেশি প্রচলিত।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৬,১৬৪.
গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত সোনাদিয়া দ্বীপের আয়তন কত?
  1. ক) ৯১ বর্গ কিলোমিটার
  2. খ) ৯ বর্গ কিলোমিটার
  3. গ) ৭ বর্গ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৮ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ৯ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৯ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
সোনাদিয়া কক্সবাজার জেলাধীন মহেশখালী উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ একটিদ্বীপ।
- দ্বীপটির আয়তন ৯ বর্গ কিলোমিটার।
- কক্সবাজার শহর থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নে সোনাদিয়া অবস্থিত।

- প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রশস্থ সৈকত, সৈকত ঘেষে সারিবদ্ধভাবে দাড়িয়ে থাকা সূউচ্চ বালিয়াড়ি, জালের  মতো ছোট-বড় অসংখ্য খাল বেষ্টিত ম্যানগ্রোভ বন, বিস্তির্ণ ল্যাগুন্যাল ম্যাডফ্ল্যাট, কেয়া-নিশিন্দার ঝোপ, বিচিত্র প্রজাতির জলচর পাখি সোনাদিয়া দ্বীপের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- সমুদ্র সৈকতের পাশ ঘেষে অবস্থিত সোনাদিয়ার সূ-উচ্চু বালিয়াড়ির তুলনা বাংলাদেশে  নেই। সমুদ্র এবং সৈকত থেকে বালিয়াড়ির দৃশ্য অপূর্ব মনে হয়।
- সোনাদিয়ার সৈকত এবং বালিয়াড়ি বিপন্ন জলপাই বর্ণের সামুদ্রিক কাছিমের ডিম পাড়ার উপযোগী স্থান। এখানে সামুদ্রিক সবুজ কাছিমও ডিম পাড়তে আসে।
- সমুদ্র সৈকতের বেলাভূমিতে পানির কিনারা ঘেষে বিচরন করে লাল কাঁকড়া এবং প্যারাবন এলাকায় শীলা কাঁকড়া পাওয়া যায়।

উৎস: মহেশখালী উপজেলার ওয়েবসাইট ও শিক্ষক বাতায়ন।
৬,১৬৫.
ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগের নরম আবরণকে কী বলে?
  1. ক) জৈব পদার্থ
  2. খ) পানি
  3. গ) মৃত্তিকা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) মৃত্তিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মৃত্তিকা
ব্যাখ্যা
• মৃত্তিকা:
- রোদ, বৃষ্টি, বায়ুপ্রবাহ, পানি স্রোত, হিমবাহ, অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে শিলারাশি চূর্ন-বিচূর্ণ হয়ে পৃথিবী পৃষ্ঠের উপরিভাগে যে নরম আবরণ সৃষ্টি হয়েছে তাকে মৃত্তিকা বলে।
মৃত্তিকার উপরই আমরা বসবাস করি এবং গাছপালাসহ নানা ধরনের ফসল উৎপাদন করে জীবনধারণ করি।

• মৃত্তিকা দূষণ:
- শিল্প বর্জ্য, কৃষি বর্জ্য, তেজস্ক্রিয় বর্জ্য, জমাকৃত আবর্জনা এবং বিভিন্ন জৈব উপাদান মৃত্তিকার যে ক্ষতিসাধন করে তাই হলো মৃত্তিকা দূষণ। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৬৬.
আফ্রিকার সবচেয়ে জনবহুল দেশ কোনটি?
  1. নাইজেরিয়া
  2. মিশর
  3. আলজেরিয়া
  4. ইথিওপিয়া
সঠিক উত্তর:
নাইজেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা
- আফ্রিকার সবচেয়ে জনবহুল দেশ নাইজেরিয়া।
- এর জনসংখ্যা ২০ কোটির কিছুটা বেশি।
- এটি বিশ্বের সপ্তম জনবহুল দেশ।
- রাজধানী আবুজা।
- বৃহত্তম শহর লাগোস।
- ইথিওপিয়া ও মিশর যথাক্রমে আফ্রিকার ২য় ও ৩য় জনবহুল দেশ।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস। [লিঙ্ক]
৬,১৬৭.
মেডিসিন লাইন কোন দুটি দেশের মধ্যকার সীমানা রেখা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
  3. রাশিয়া ও ইউক্রেন
  4. রাশিয়া ও বেলারুশ
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
ব্যাখ্যা

মেডিসিন লাইন/সীমানা (Medicine Line):
- মেডিসিন লাইন (Medicine Line) হলো যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যকার সীমানা।
- বিশেষ করে ৪৯° উত্তর অক্ষরেখা (49th parallel) বরাবর টানা সীমারেখাকে বোঝাতে মেডিসিন লাইন ব্যবহার করা হয়।
- ৪৯° উত্তর অক্ষরেখা  (49° N latitude) হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার মধ্যে দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক সীমান্তের একটি অংশ যা প্রধানত সোজা রেখা।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ অরক্ষিত (unfortified) সীমান্ত হিসেবে পরিচিত।
- এটি প্রায় ৫,৫২৫ মাইল দীর্ঘ সীমান্ত। 
- এই সীমান্ত ১৮৪৬ সালের ওরেগন ট্রিটি (Oregon Treaty) দিয়ে নির্ধারিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- কানাডার স্থানীয়রা এই লাইনটিকে মেডিসিন লাইন হিসেবে উল্লেখ করে থাকেন। 

উৎস: i) Americas.org
ii) History.com

৬,১৬৮.
সুরমা ও কুশিয়ারা নদী কোথায় মিলিত হয়েছে?
  1. ক) চিলমারি
  2. খ) গোয়ালন্দ
  3. গ) ভৈরববাজার
  4. ঘ) আজরিমিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আজরিমিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আজরিমিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• সুরমা ও কুশিয়ারার মিলনস্থল (মেঘনা): আজরিমিগঞ্জ (হবিগঞ্জ)

অন্যদিকে,
• পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল: গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)
• পদ্মা ও মেঘনা নদী চাঁদপুরে মিলিত হয়েছে।
• পদ্মা ও মেঘনার মিলনস্থল: চাঁদপুর
• ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার মিলনস্থল: চিলমারি (কুড়িগ্রাম)
• পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার মিলনস্থল: ভৈরববাজার (কিশোরগঞ্জ)

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৬,১৬৯.
কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম কোনটি?
  1. ক) ভাদ্র-অগ্রহায়ণ
  2. খ) শ্রাবণ-আশ্বিন
  3. গ) কার্তিক-ফাল্গুন
  4. ঘ) চৈত্র-বৈশাখ
সঠিক উত্তর:
গ) কার্তিক-ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্তিক-ফাল্গুন
ব্যাখ্যা
• রবি মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
যথাঃ রবি মৌসুম এবং খরিপ মৌসুম।
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য। চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।

উৎসঃ কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
৬,১৭০.
বাংলাদেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প কোনটি?
  1. ক) গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প
  2. খ) কাপ্তাই ব্যারেজ প্রকল্প
  3. গ) তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প
  4. ঘ) ফেনী ব্যারেজ প্রকল্প
সঠিক উত্তর:
গ) তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প
ব্যাখ্যা
তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প:
তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প বাংলাদেশের সর্ববৄহৎ সেচ প্রকল্প। যা উত্তরাঞ্চলের লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার দোয়ানী নামক স্থানে তিস্তা নদীর উপর অবস্থিত। 
⇒ বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেচ প্রকল্প মুহুরী প্রজেক্ট।
⇒ আয়তন: মোট প্রকল্প এলাকা ১,৫৪,২৫০ হেক্টর (বাস্তবায়িত ১,২৬,৩১০ হেক্টর) এবং সেচযোগ্য এলাকা ১,১১,৪০৬ হেক্টর।
⇒ বৃহত্তর রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের প্রায় ৩৫ টি উপজেলার প্রায় সাড়ে ১৮ লক্ষ একর জমিতে পানি সেচের ব্যবস্থা করা এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য।

উৎস: নীলফামারী পওর বিভাগ, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ।
৬,১৭১.
নিচের কোনটি বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী গ্রিনহাউস গ্যাস নয়?
  1. কার্বন ডাইঅক্সাইড
  2. নাইট্রাস অক্সাইড
  3. মিথেন
  4. হেলিয়াম 
সঠিক উত্তর:
হেলিয়াম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেলিয়াম 
ব্যাখ্যা

বিশ্ব উষ্ণায়ন:
- মানুষের নেতিবাচক কর্মকান্ডের ফলে বায়ুমন্ডলে বিশেষভাবে নির্দিষ্ট গ্রিনহাউস গ্যাসসমূহের উপস্থিতির মাত্রার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী গ্যাসগুলো হলো কার্বন ডাইঅক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড, মিথেন ও ক্লোরোফ্লোরো কার্বন।
- শিল্পায়ন, যানবাহনের সংখ্যাগত বৃদ্ধি, বনাঞ্চল উজাড় ও কৃষির সম্প্রসারণ ইত্যাদি কর্মকান্ডের কারণে উল্লিখিত গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।
- বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে অন্যান্য অনেক দেশের মতো বাংলাদেশে অধিক বৃষ্টিপাত, ব্যাপক বন্যা, ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়, খরা প্রভৃতি জলবায়ুগত পরিবর্তন সাধিত হতে পারে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৬,১৭২.
সুন্দরবনের পরে দেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক বনভূমি কোনটি?
  1. চুনতি
  2. হাজারিখিল
  3. চর কুকরি মুকরি
  4. রেমা কালেঙ্গা
সঠিক উত্তর:
রেমা কালেঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেমা কালেঙ্গা
ব্যাখ্যা
রেমা–কালেঙ্গা বন:
- রেমা–কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বণ্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং জীব ও উদ্ভিদবৈচিত্র্যে দেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ বনাঞ্চল। 
- এটি হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার খুব কাছে এবং ভারতের ত্রিপুরা সীমান্ত সংলগ্ন।

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক পাহাড়ি বনাঞ্চল রেমা-কালেঙ্গা।
- এটি সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক বনভূমি।
- ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্ত সংলগ্ন এ অভয়ারণ্যের একদিকে ভারতীয় সীমান্ত ও অন্য তিন দিকে বিস্তীর্ণ চা বাগান ঘেরা।
- রেমা–কালেঙ্গা অভয়ারণ্য ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে এটির আরো সম্প্রসারণ করা হয়।
- বর্তমানে এই অভয়ারণ্যের আয়তন প্রায় ১৭৯৫.৫৪ হেক্টর।
- ব্যবস্থাপনার কারণে বন বিভাগ র্কতৃক এ বনাঞ্চলকে রেমা, কালেঙ্গা, ছনবাড়ি ও রশিদপুর—চারটি বিটে ভাগ করা হয়েছে।
- বিস্তীর্ণ এ অঞ্চলটি যেহেতু প্রাকৃতিক বনাঞ্চল, এজন্য বনের দেখভালের জন্য রয়েছে ১১টি ইউনিট ও ৭টি ক্যাম্প।

⇒ বর্তমানে এই বনে ৩৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৬৭ প্রজাতির পাখি, ৭ প্রজাতির উভচর, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ ও ৬৩৮ প্রজাতির গাছপালা-লতাগুল্ম পাওয়া যায়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৬,১৭৩.
জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ জেলা কোনটি?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) সিলেট
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
গ) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
- সমুদ্র এবং প্রবাহমান নদীসমূহ থেকে অবস্থানগত দূরত্বের কারণে দেশের ছয়টি জেলা তুলনামূলকভাবে জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্যে কম ‍ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত।
জেলাসমূহ হলো:
- ময়মনসিংহ
- শেরপুর
- গাজীপুর
- নীলফামারী
- মাগুরা এবং
- ঝিনাইদহ।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০)
৬,১৭৪.
শ্রমসাধ্য এবং ব্যয়বহুল বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কোনটি?
  1. নদীর তীরে ঘন জঙ্গল সৃষ্টি
  2. নদী শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা
  3. ভারত থেকে আসা পানিকে বাঁধের সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন করা
  4. সরকারিভাবে স্থায়ী প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা
সঠিক উত্তর:
ভারত থেকে আসা পানিকে বাঁধের সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত থেকে আসা পানিকে বাঁধের সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন করা
ব্যাখ্যা

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি
৬,১৭৫.
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি কোন মহাসাগরের উপর দিয়ে টানা হয়েছে?
  1. আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. ভারত মহাসাগরে
  4. আর্কটিক মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা:
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা মূলত একই দ্রাঘিমা রেখা।
- ফলে একই দ্রাঘিমা রেখায় সময়ের ব্যবধান হয়ে যাচ্ছে ২৪ ঘন্টা এবং তারিখের ক্ষেত্রে দুইটি তারিখ হয়ে যাচ্ছে।
- তারিখ, সময় ও সাপ্তাহিক দিন নির্ধারনের এই সমস্যা সমাধানের উদেশ্যে ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন-এ 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত আর্ন্তজাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাকে 'আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা' হিসাবে স্থির করা হয়।
- আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয় এবং রেখাটি সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্বাংশ এবং এ্যালিউশয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগকে এড়িয়ে ১১° পূর্ব দিয়ে বেঁকে এবং বেরিং প্রণালিতে ১২° পূর্ব দিকে বেঁকে কল্পনা করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৭৬.
ভারতের সাথে কোন দেশের সবচেয়ে দীর্ঘ স্থল সীমান্ত রয়েছে?
  1. চীন
  2. বাংলাদেশ
  3. পাকিস্তান
  4. নেপাল
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত:
- ভারতের সাথে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, চীন ৬টি দেশের সঙ্গে স্থল সীমান্ত আছে। 
- স্থল সীমান্তের হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ।
- বাংলাদেশের সাথে ৪ হাজার ৯৬ দশমিক ৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত আছে ভারতের। 
- এ সীমান্ত বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘ স্থলসীমান্ত।

উল্লেখ্য,
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩০টি।

- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি।
- রাজ্যগুলো হলো: আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

তথ্যসূত্র- Ministry of Home affairs, India, [Link]; পত্রিকা প্রতিবেদন।

৬,১৭৭.
'নাফাখুম' জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মৌলভীবাজারে
  2. খ) কক্সবাজারে
  3. গ) খাগড়াছড়িতে
  4. ঘ) বান্দরবনে
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবনে
ব্যাখ্যা

- বাংলদেশের সবচেয়ে আকর্ষণীয় জলপ্রপাতগুলোর মধ্যে নাফাখুম অন্যতম। থানচি উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা রেমাক্রিতে পাহাড় ও বনের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত খরস্রোতা সাঙ্গু নদীতে অবস্থান নাফাখুমের।
- বাংলাদেশের প্রশস্ততম জলপ্রপাতগুলোর একটি হলো জাদিপাই। এটি রুমা উপজেলায় অবস্থিত।
- শৈলপ্রপাত জলপ্রপাত বান্দরবনে অবস্থিত।
- খাগড়াছড়ির অন্যতম সৌন্দর্য ‘রিছাং ঝর্ণা’।
- আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- হিমছড়ি জলপ্রপাত কক্সবাজারে অবস্থিত।
- হামহাম, মাধবকুন্ড জলপ্রপাত মৌলভীবাজারে অবস্থিত।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৬,১৭৮.
দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কী বলে?
  1. নিরক্ষরেখা
  2. কর্কটক্রান্তি রেখা
  3. মকরক্রান্তি রেখা
  4. বিষুবরেখা
সঠিক উত্তর:
মকরক্রান্তি রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মকরক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা
• দক্ষণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলা হয়।

- ভূ-পৃষ্ঠের যেকোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে।
- পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটিকে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে।
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলা হয়।
- দক্ষণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলা হয়।
- ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরু বৃত্ত বলা হয়।
- ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরু বৃত্ত বলা হয়।
- পৃথিবী নিজ অক্ষে ২৩.৫° কোণে হেলে আছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৭৯.
কোন জেলার মধ্য দিয়ে সবচেয়ে বেশি নদী প্রবাহিত হয়?
  1. সুনামগঞ্জ
  2. বরিশাল
  3. ভোলা
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা

⇒ সবচেয়ে বেশি জেলা দিয়ে প্রবাহিত নদীর নাম: পদ্মা।
- জেলার সংখ্যা: ১২টি।

⇒ সবচেয়ে বেশি নদী প্রবাহিত জেলার নাম: সুনামগঞ্জ।
- নদীর সংখ্যা: ৯৭টি।

⇒ সবচেয়ে বেশি উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত নদীর নাম: মেঘনা।
- উপজেলার সংখ্যা: ৩৬টি।

⇒ সবচেয়ে বেশি নদী প্রবাহিত বিভাগের নাম: ঢাকা।
- নদীর সংখ্যা: ২২২টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট।

৬,১৮০.
গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে বাংলাদেশে কোন ধরনের বিরূপ প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে?
  1. ক) সমুদ্রস্তরের উচ্চতা হ্রাস পাওয়া
  2. খ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়া
  3. গ) সামুদ্রিক মৎস্যের উৎপাদন হ্রাস
  4. ঘ) নদী নাব্যতা কমে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
খ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়া
ব্যাখ্যা
- গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে মেরু অঞ্চলসহ পৃথিবীর অন্যান্য স্থানে সঞ্চিত থাকা বরফ গলতে শুরু করবে। যার কারণে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর স্থলভাগের অনেক নিম্নভূমি সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হবে।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
৬,১৮১.
নিম্নলিখিত কোনটি প্লাইসটোসিন উচ্চভূমির অন্তর্গত নয়?
  1. লালমাই পাহাড়ি অঞ্চল
  2. বরেন্দ্রভূমি
  3. মধুপুর ভাওয়ালের গড়
  4. বান্দরবান পাহাড় 
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান পাহাড় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান পাহাড় 
ব্যাখ্যা

প্লাইসটোসিন উচ্চভূমির অন্তর্গত নয়- বান্দরবন পাহাড় ।

- বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র অঞ্চল এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
-  বাংলাদেশে সামান্য পরিমাণে উচ্চভূমি রয়েছে। 
- ভূপ্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।

- টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চল,
- প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি ,
- এবং প্লাবন সমভূমি ।

• প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি :
- আনুমানিক ২৫০০০ বছর পূর্বের  সময়কে প্লাইস্টানকাল বলে।
- প্লাইসটোসিন উচ্চভূমির অন্তর্গত ভূ-অঞ্চাল হল-
- লালমাই পাহাড়ি অঞ্চল,
- বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ভাওয়ালের গড় ( টাঙ্গাইল)। 

• টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চলের অন্তর্গত ভূ-অঞ্চল -  
- উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চল,
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চালের পাহাড় সমূহ।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% ভাগ নিয়ে টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চল গঠিত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চালের পাহাড় সমূহ- রাঙ্গামাটি, বান্দরবন, কক্সবাজার,ও চট্টগ্রাম, জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চল- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।  

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
(ক) রংপুর ও দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি।
(খ) ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী ও সিলেটের অন্তর্গত বন্যা প্লাবন সমভূমি।
(গ) ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা ও ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি।
(ঘ) নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি।
(ঙ) খুলনা ও পটুয়াখালী অঞ্চল এবং বরগুনা জেলার কিয়দংশ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি।

উৎস: ভূগোল পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৬,১৮২.
বাংলাদেশের কোন বিভাগটির সাথে ভারতের কোনো সীমান্ত নেই?
  1. রাজশাহী বিভাগ
  2. খুলনা বিভাগ
  3. চট্টগ্রাম বিভাগ
  4. বরিশাল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
বরিশাল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল বিভাগ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের মোট ৮ টি বিভাগের মধ্যে ৬টি বিভাগের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকলেও ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।

• সীমান্ত জেলা:
- বাংলাদেশে বিভাগ রয়েছে ৮টি এবং জেলা ৬৪টি।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩টি।
- রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।

তথ্যসূত্র: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।

৬,১৮৩.
পৃথিবীর আবর্তনের বেগ সবচেয়ে বেশি কোন স্থানে?
  1. মেরু অঞ্চলে
  2. নিরক্ষরেখায়
  3. কর্কটক্রান্তি রেখায়
  4. মকরক্রান্তি রেখায়
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখায়
ব্যাখ্যা

আহ্নিক গতি
- পৃথিবী নিজ অক্ষের চারপাশে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তিত হয়, যা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ অক্ষে প্রতি ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা প্রায় ২৪ ঘণ্টায় একবার আবর্তিত হয়।
- এই সময়কে সৌরদিন এবং পৃথিবীর ঘূর্ণনকে আহ্নিক গতি বা দৈনিক গতি বলা হয়।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস সবচেয়ে বড় হওয়ায় এখানে আহ্নিক গতির গতি সর্বোচ্চ। ঘণ্টায় প্রায় ১৭০০ কিলোমিটার।
- ঢাকায় পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগ ১৬০০ কিলোমিটার।
- যত মেরুর দিকে যাবে এ আবর্তনের বেগ তত কমতে থাকে এবং মেরুদ্বয়ে প্রায় নিঃশেষ হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র: NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি. 

৬,১৮৪.
UNESCO সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করে কবে?
  1. ১৯৯৩ সালের ৬ ডিসেম্বর
  2. ১৯৯৫ সালের ৬ ডিসেম্বর
  3. ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর
  4. ১৯৯৮ সালের ৬ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমি হিসেবে অখন্ড বন যা বিশ্বে সর্ববৃহৎ।
- এই বনভূমি গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মোহনায় অবস্থিত এবং বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিস্তৃত ।
- ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে গড়ে ওঠা সুন্দরবনের ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার রয়েছে বাংলাদেশে।
- UNESCO ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর সুন্দরবনকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- সুন্দরবনকে জালের মত জড়িয়ে রয়েছে সামুদ্রিক স্রোতধারা, কাদা চর এবংম্যানগ্রোভ বনভূমির লবণাক্ততাসহ ছোট ছোট দ্বীপ।
- ১৯৯২ সালের ২১শে মে সুন্দরবন রামসার স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

উৎস: বাগেরহাট জেলা, জাতীয় তথ্য বাতায়ন ওয়েবসাইট।
৬,১৮৫.
লাভা বলতে কী বুঝায়?
  1. ভূমিকম্পে নির্গত পদার্থ
  2. সুনামির উঁচু ঢেউ
  3. আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ দিয়ে নির্গত গলিত পদার্থ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ দিয়ে নির্গত গলিত পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ দিয়ে নির্গত গলিত পদার্থ
ব্যাখ্যা
আগ্নেয়গিরি: 
- ভূত্বকের শিলান্তর সর্বত্র একই ধরনের কঠিন বা গভীর নয়।
- কোথাও নরম আবার কোথাও কঠিন। কোনো কোনো সময় ভূগর্ভের চাপ প্রবল হলে শিলাস্তরের কোনো দুর্বল অংশ ফেটে যায় বা সুড়ঙ্গের সৃষ্টি হয়।
- ভূপৃষ্ঠের দুর্বল অংশের ফাটল বা সুড়ঙ্গ দিয়ে ভূগর্ভের উষ্ণ বায়ু, গলিত শিলা, ধাতু, ভস্ম, জলীয়বাষ্প, উত্তপ্ত পাথরখন্ড, কাদা, ছাই প্রভৃতি প্রবলবেগে ঊর্ধ্বে উৎক্ষিপ্ত হয়।
- ভূপৃষ্ঠে ঐ ছিদ্রপথ বা ফাটলের চারপাশে ক্রমশ জমাট বেঁধে যে উঁচু মোচাকৃতি পর্বত সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয়গিরি বলে।
- আগ্নেয়গিরির মুখকে জ্বালামুখ এবং জ্বালামুখ দিয়ে নির্গত গলিত পদার্থকে লাভা বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৬,১৮৬.
‘মাৎস্যন্যায়’ ধারনাটি কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) মাছ ধরার নৌকা
  2. খ) ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা
  3. গ) মাছ বাজার
  4. ঘ) আইন-শৃঙ্খলাহীন অরাজক অবস্থা
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইন-শৃঙ্খলাহীন অরাজক অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইন-শৃঙ্খলাহীন অরাজক অবস্থা
ব্যাখ্যা

শশাঙ্কের মৃত্যুর পরবর্তী একশ বছর (৬৫০-৭৫০) বাংলায় কোনো স্থায়ী সরকার ছিলো না বললেই চলে। সমগ্র দেশ অভ্যন্তরীণ কলহ- কোন্দলে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন এবং বৈদেশিক আক্রমণে পর্যুদস্ত হয়েছে।

গোপাল-এর উত্থানের আগে খ্রিস্টীয় আট শতকের মাঝামাঝি সময়ের রাজনৈতিক অবস্থাকে পাল আমলের একটি লিপিতে (খালিমপুর তাম্রশাসন) 'মাৎস্যন্যায়' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ অরাজকতা ও নৈরাজ্যের মধ্য দিয়ে পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপালের আবির্ভাব হয়। পাল তাম্রশাসনে উল্লেখ পাওয়া যায় যে, গোপাল উল্লিখিত অরাজক অবস্থার (মাৎস্যন্যায়ম) অবসান ঘটান।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

৬,১৮৭.
সোনালী প্যাগোডার দেশ নামে পরিচিত-
  1. শ্রীলঙ্কা
  2. থাইল্যান্ড
  3. মিয়ানমার
  4. কম্বোডিয়া
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
সোনালী প্যাগোডার দেশ:
- মিয়ানমারে অসংখ্য সোনালী রঙের প্যাগোডা ও স্তূপ ধর্ম, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের প্রতীক।
- এই বিরল ও বিস্ময়কর স্থাপত্যিক ঐতিহ্যের কারণে দেশটিকে “Land of Golden Pagodas” বলা হয়।

ভৌগলিক উপনাম:

- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।

উৎস: Britannica.com
৬,১৮৮.
অভিবাসন দ্বারা জনগণের কি ধরণের পরিবর্তন সম্ভব?
  1. গুণগত
  2. প্রাকৃতিক 
  3. রাজনৈতিক 
  4. পরিমাণগত
সঠিক উত্তর:
গুণগত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুণগত
ব্যাখ্যা

∗ অভিবাসন:
• অভিবাসন হলো এক দেশ থেকে অন্য দেশে বা এক স্থানের থেকে অন্য স্থানে স্থায়ীভাবে বসবাস বা কাজ করার জন্য মানুষের স্থানান্তর।
• এটি শুধুমাত্র স্থান পরিবর্তন নয়, বরং মানুষের জীবনযাত্রা, অর্থনৈতিক সুযোগ এবং সামাজিক পরিবেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একটি প্রক্রিয়া।
সামাজিক ও গুণগত ক্ষেত্রে, অভিবাসন উন্নত শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করে;
- নতুন দক্ষতা ও জ্ঞান সমাজে বিস্তৃত করতে সাহায্য করে এবং
- সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের মাধ্যমে সমাজকে সমৃদ্ধ করে।

উল্লেখ্য, 
- অভিবাসন বিভিন্ন কারণে ঘটতে পারে:
• আকর্ষণমূলক কারণ (Pull factors) যেমন: ভালো কর্মসংস্থান, উন্নত জীবনযাত্রার সুযোগ, উন্নত শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা, বা আত্মীয়স্বজনের কাছে চলে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা মানুষকে নতুন স্থানে যেতে প্রলুব্ধ করে। 
• বিকর্ষণমূলক কারণ (Push factors) যেমন: প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দারিদ্র্য, রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামাজিক বৈষম্য বা অপর্যাপ্ত সুযোগ মানুষকে তাদের বর্তমান স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য করে।
- অভিবাসন দুই ধরনের হয় :
• আন্তর্জাতিক অভিবাসন : সেই প্রক্রিয়া যেখানে মানুষ দেশের সীমানা পার করে অন্য দেশে স্থায়ীভাবে যায়। এটি সাধারণত অর্থনৈতিক সুযোগ, নিরাপত্তা বা রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য ঘটে।
• অভ্যন্তরীণ অভিবাসন হলো দেশের ভেতরে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে মানুষের স্থানান্তর। 
- এটি প্রায়শই শহরায়ণ, কর্মসংস্থান, শিক্ষা বা জীবনযাত্রার মান উন্নতির জন্য ঘটে।
- অভিবাসনের প্রভাব বিভিন্ন মাত্রায় প্রকাশ পায়। জনসংখ্যাগতভাবে, কোনো অঞ্চলের জনসংখ্যা বাড়তে বা কমতে পারে এবং জনসংখ্যার ঘনত্ব, বয়স, লিঙ্গ ও দক্ষতার গঠনেও পরিবর্তন ঘটে। 
- এছাড়াও, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তন অভিবাসনের গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে কাজ করে। 

উৎস:
১. Britannica;
২. বাংলাপিডিয়া।

৬,১৮৯.
নিচের কোনটি গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলাফল-
  1. ক) মেরু অঞ্চলে বরফের সঞ্চিতি বৃদ্ধি
  2. খ) সমুদ্র স্তরের উচ্চতা হ্রাস
  3. গ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়া
  4. ঘ) নদীর নাব্যতা হ্রাস পাওয়া
সঠিক উত্তর:
গ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়া
ব্যাখ্যা
গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে মেরু অঞ্চলসহ পৃথিবীর অন্যান্য স্থানে সঞ্চিত থাকা বরফ গলতে শুরু করবে। যার কারণে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর স্থলভাগের অনেক নিম্নভূমি সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হবে।
(সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৬,১৯০.
মারমা উপজাতির বসবাস কোন পাহাড়ে?
  1. ক) আসামের পাহাড় অঞ্চলে
  2. খ) চিম্বুক পাহাড়ে
  3. গ) গারো পাহাড়ে
  4. ঘ) জৈয়ন্তিকা পাহাড়ে
সঠিক উত্তর:
খ) চিম্বুক পাহাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চিম্বুক পাহাড়ে
ব্যাখ্যা
পাহাড়ভিত্তিক উপজাতিদের বাসস্থানঃ
গারো পাহাড়ে - গারো
চিম্বুক পাহাড়ে- মারমা
জৈয়ন্তিকা পাহাড়ে- খাসিয়া
আসামের পাহাড় অঞ্চলে- মণিপুরী
(রেফারেন্সঃ nrigostisanad.gov.bd)
৬,১৯১.
স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় -
  1. নিয়মিত বায়ুপ্রবাহ
  2. স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ
  3. সাময়িক বায়ুপ্রবাহ
  4. অনিয়মিতস্থানীয় বায়ুপ্রবাহ
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ
ব্যাখ্যা

স্থানীয় বায়ু:
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ।
- রকি পবর্তের চিনুক, ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু, আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরাক্কা, আরব মালভূমির সাইমুম, মিসরের খামসিন ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহারণ।
- উপত্যকা ও পার্বত্য বায়ু দিনের বেলায় পর্বতের গা বেয়ে উপরের দিকে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে উপত্যকা বায়ু।
- ভূমির বন্ধুরতায় পার্বত্য অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ ভিন্নরকম হয়। দিনের বেলায় পর্বত উপত্যকার তলদেশ থেকেও পর্বত গাত্র অনেক বেশি উষ্ণ হয়। এসময় পর্বতের পাদদেশের নিম্নচাপ ও উপত্যকার তলদেশে উচ্চচাপ সৃষ্টি হয় বলেই এই ধরনের বায়ুপ্রবাহ সৃষ্ট হয়।
- অপরদিকে রাতের বেলায় তাপ বিকিরণের ফলে পর্বতগাত্র শীতল হয় এবং এ সময় উপত্যকা উষ্ণ থাকে। এসময় পর্বতের গা বেয়ে ভারী ও শীতল বায়ু উপত্যকার নিচের দিকে নেমে আসে। এই প্রবাহিত বায়ুকে বলা হয় পার্বত্য বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৯২.
ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে আবহাওয়া বিভাগ কোনটির সম্পর্কে পূর্বাভাস দেয়?
  1. বন্যার
  2. সুনামির
  3. ভূমিকম্পের
  4. জলোচ্ছ্বাসের
সঠিক উত্তর:
জলোচ্ছ্বাসের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলোচ্ছ্বাসের
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস:
- বঙ্গোপসাগরে প্রখর সূর্যতাপের কারণে পানি বাষ্পীভূত হয়ে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। এই নিম্নচাপ শক্তি সঞ্চয় করে ধীরে ধীরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়।
- গভীর নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে। আবহাওয়া বিভাগ এই নিম্নচাপের গভীরতা ও শক্তি পর্যবেক্ষণ করে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস দেয়।
- সমুদ্র ও নদী বন্দরের জন্য পৃথক সংকেত প্রচার করা হয়:
- সমুদ্র বন্দরের জন্য: ১ থেকে ১০ নম্বর সংকেত।
- নদী বন্দরের জন্য: ১ থেকে ৪ নম্বর সংকেত।

জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস:
- ঘূর্ণিঝড়ের সময় বাতাসের গতিবেগ, জোয়ার-ভাঁটার সময়কাল এবং এলাকার প্রাকৃতিক গঠন বিবেচনা করে জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস দেওয়া হয়।
- স্পারসো ও আবহাওয়া বিভাগ রাডার ও উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে ঘূর্ণিঝড়ের মাত্রা, গতিবেগ, গতিপথ এবং জলোচ্ছ্বাস সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রদান করে।

ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (CPP):
- সাইক্লোন প্রিপেয়ার্ডনেস প্রোগ্রাম (CPP) এর আঞ্চলিক দপ্তরগুলো স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে মোবাইল ও জনসংযোগের মাধ্যমে ঝড়ের পূর্বাভাস ও সতর্কতা প্রচার করে।
- ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার জনগণকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করা হয়।
- এছাড়াও, পতাকা উত্তোলন, মাইক, মেগাফোন ইত্যাদির মাধ্যমে জনগণকে সতর্ক করা হয়।
- আবহাওয়া বিভাগ, সিপিপি এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার জনগণকে সতর্ক করে এবং নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করে।
- এছাড়াও, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে জরুরি সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

তথ্যসুত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
৬,১৯৩.
বিগত কত বছরে পৃথিবীর তাপমাত্রা প্রায় ০.৭৪° সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে?
  1. ২০ বছরে
  2. ৫০ বছরে
  3. ৭৫ বছরে
  4. ১০০ বছরে
সঠিক উত্তর:
১০০ বছরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ বছরে
ব্যাখ্যা

জলবায়ু পরিবর্তন ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট:
- জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রভাব মূল্যায়নের জন্য ১৯৮৮ সালে গঠিত Intergovernmental Panel on Climate Change (IPCC) এর চতুর্থ মূল্যায়ন রিপোর্ট (AR4) অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং তা ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
- বিগত ১০০ বছরে পৃথিবীর তাপমাত্রা প্রায় ০.৭৪° সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে।
- ধারণা করা হচ্ছে, ২১০০ সালের মধ্যে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১.১-৬.৪° সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে।
- অন্যদিকে, পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলতে শুরু করেছে।
- পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে বহু প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণিকূল বিলুপ্ত হবে। যা উদ্ভিদ ও প্রাণির বসবাসের অনুকূল পরিবেশে সরাসরি আঘাত হানার মধ্য দিয়ে ধ্বংস সাধন করবে।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৯৪.
বঙ্গোপসাগর থেকে বিশ্বের কত শতাংশ ঘূর্ণিঝড়ের উৎপত্তি হয়?
  1. ৫%
  2. ৮%
  3. ১০%
  4. ১৫%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড়:
- বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় একটি বিধ্বংসী দুর্যোগ হিসেবে প্রমাণিত।
- ভারত মহাসাগর সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর থেকে বিশ্বের প্রায় ১০ শতাংশ ঘূর্ণিঝড়ের উৎপত্তি হয়। 
- যা বৈশ্বিক ৮৫ শতাংশ ঘূর্ণিঝড় সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির কারণ। 
- ভারত মহাসাগরের হটস্পট নিকোবার এবং আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের নিকট থেকে সৃষ্ট নিম্নচাপ প্রায়শ বিভিন্ন মাত্রার ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয় এবং বাংলাদেশে এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-নভেম্বরে আঘাত হানে।

উৎস: জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা।

৬,১৯৫.
গজলডোবা বাঁধ কোথায় অবস্থিত?
  1. জলপাইগুড়ি
  2. তেঁতুলিয়া
  3. দিনাজপুর
  4. মেঘালয়
সঠিক উত্তর:
জলপাইগুড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলপাইগুড়ি
ব্যাখ্যা
গজলডোবা বাঁধ
- নীলফামারীর তিস্তা নদীর উজানে ভারত জলপাইগুড়ি জেলার মালবাজার মহকুমায় ১৯৯৮ সালে স্থাপন করে গজলডোবা বাঁধ।
- এ বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে তিস্তা নদীর নিয়ন্ত্রণচলে যায় ভারতের হাতে।
- এই বাঁধে ফটক রয়েছে ৫৪টি যা বন্ধ করে তিস্তার মূল প্রবাহ থেকে পানি বিভিন্ন খাতে পুনর্বাহিত করা হয়।
- প্রধানত তিস্তার পানি তিস্তা-মহানন্দা খালে পুনার্বাহিত করার উদ্দেশ্য নিয়েই এই বাঁধ স্থাপন করা হয়। 
- গজলডোবা বাঁধের আগে তিস্তা অববাহিকায় যেখানে ২৫০০ কিউসেক পানি পাওয়া যেত, সেখানে ভারতের পানি প্রত্যাহারের কারণে এখন পানি প্রবাহের পরিমাণ ৪০০ কিউসেকেরও কম।

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৬,১৯৬.
নিচের কোনটি পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ?
  1. ক্যাস্পিয়ান সাগর
  2. বৈকাল হ্রদ 
  3. ডেড সী 
  4. টাঙ্গানিকা হ্রদ
সঠিক উত্তর:
বৈকাল হ্রদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈকাল হ্রদ 
ব্যাখ্যা

বৈকাল হ্রদ:
- বৈকাল হ্রদ রাশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি হলো পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ।
- এর গভীরতা প্রায় ১৬৪২ মিটার।
- এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম হ্রদ।

বিশ্বের ১০টি গভীরতম হ্রদ -
1. বৈকাল হ্রদ - ১৬৪২ মিটার।
2. টাঙ্গানিকা হ্রদ - ১৪৭০ মিটার।
3. ক্যাস্পিয়ান সাগর - ১০২৫ মিটার।
4. ভোস্টক হ্রদ - ১০০০ মিটার।
5. ও'হিগিন্স-সান মার্টিন লেক - ৮৩৬ মিটার।
6. মালাউই হ্রদ - ৭০৬ মিটার।
7. ইসিক কুল - ৬৬৮ মিটার।
8. গ্রেট স্লেভ লেক - ৬১৪ মিটার।
9. ক্রেটার লেক - ৫৯৪ মিটার।
10. মাতানো হ্রদ - ৫৯০ মিটার।

উৎস: World Atlas.

৬,১৯৭.
সুপ্ত আগ্নেয়গিরির উদাহরণ-
  1. মিয়ানমারের পোপা
  2. লিপারী দ্বীপের স্ট্রম্বলি
  3. ইতালির ভিসুভিয়াস
  4. জাপানের ফুজিয়ামা
সঠিক উত্তর:
জাপানের ফুজিয়ামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপানের ফুজিয়ামা
ব্যাখ্যা
আগ্নেয়গিরির শ্রেণিবিভাগ:
পৃথিবীর আগ্নেয়গিরিসমূহকে প্রধানত তিনটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যেমন:
ক. সক্রিয় আগ্নেয়গিরি,
খ. সুপ্ত আগ্নেয়গিরি এবং
গ. মৃত আগ্নেয়গিরি।
ক. সক্রিয় আগ্নেয়গিরি হলো সেই সব আগ্নেয়গিরি যেখান থেকে এখনও অগ্ন্যুৎপাত হয়।
- সক্রিয় আগ্নেয়গিরি দুই ধরনের। যেমন:
- যে সকল আগ্নেয়গিরি থেকে অবিরত লাভা নির্গত হয় সেগুলো অবিরাম আগ্নেয়গিরি। যেমন: ভূমধ্যসাগরের লিপারী দ্বীপের ট্রম্বলী আগ্নেয়গিরি। 
- অন্যদিকে যে সকল আগ্নেয়গিরি থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার পর মাঝে মাঝে অগ্ন্যুৎপাত হয়, তাকে সবিরাম আগ্নেয়গিরি বলে। যেমন: ইতালির ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরি।
খ. সুপ্ত আগ্নেয়গিরি সমূহ থেকে বহু বছর অগ্ন্যুৎপাত না হলেও যে কোনো সময়ে অগ্ন্যুৎপাত হবার সম্ভাবনা থাকে। যেমন : জাপানের ফুজিয়ামা।
গ. মৃত আগ্নেয়গিরিসমূহ থেকে পুনরায় অগ্ন্যুৎপাত হবার সম্ভাবনা থাকে না। যেমন: পোপো আগ্নেয়গিরি। মৃত আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে বৃষ্টির পানি জমে হ্রদ সৃষ্টি হলে, তাকে আগ্নেয় হ্রদ বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৯৮.
'দুর্যোগ সংক্রান্ত পরিকল্পনা প্রণয়ন' দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের কোন ধাপের কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত?
  1. প্রশমন
  2. প্রতিরোধ
  3. পূর্বপ্রস্তুতি
  4. উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
পূর্বপ্রস্তুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বপ্রস্তুতি
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:    
♣ প্রতিরোধ: 
• দুর্যোগ প্রতিরোধের কাঠামোগত এবং অকাঠামোগত প্রশমনের ব্যবস্থা রয়েছে। 
• কাঠামোগত প্রশমনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নির্মাণ কার্যক্রম যথা- বেড়িবাঁধ তৈরি, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, পাকা ও মজবুত ঘরবাড়ি তৈরি, নদী খনন ইত্যাদি বাস্তবায়নকেই বোঝায়। 
• অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রতিরোধ, যেমন- প্রশিক্ষণ, গণসচেতনতা বৃদ্ধি, পূর্বপ্রস্তুতি ইত্যাদি কার্যক্রম স্বল্প ব্যয়ে করা সম্ভব।  

♣ প্রশমন:
• দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়ী হ্রাস এবং দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতিকেই দুর্যোগ প্রশমন বলে। 
• মজবুত পাকা ভবন নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল নির্ধারণ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শক্ত অবকাঠামো নির্মাণ, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর; প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠন ইত্যাদি কার্যক্রম দুর্যোগ প্রশমনের আওতাভুক্ত। 
• দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন ব্যয়বহুল হলেও সরকার সীমিত সম্পদের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী খনন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, বনায়ন ইত্যাদি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

♣ পূর্বপ্রস্তুতি:
• দুর্যোগপূর্ব প্রস্তুতি বলতে দুর্যোগপূর্ব সময়ে দুর্যোগের ঝুঁকি কমানোর ব্যবস্থাসমূহকে বোঝায়।   
• আগে থেকে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল ও জনগোষ্ঠীকে চিহ্নিতকরণ, দুর্যোগ সংক্রান্ত পরিকল্পনা প্রণয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ, ড্রিল বা ভূমিকা অভিনয় এবং রাস্তাঘাট, যানবাহন, বেতার যন্ত্র ইত্যাদি দুর্যোগের পূর্বে প্রস্তুত রাখা দুর্যোগ প্রস্তুতির অন্তর্ভুক্ত। 

♣ সাড়াদান: 
• সাড়াদান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার একটি অংশ মাত্র। দুর্যোগের পরপরই উপযুক্ত সাড়াদানের প্রয়োজন হয়। 
• সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়।

♣ পুনরুদ্ধার: 
• দুর্যোগে সম্পদ, পরিবেশ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো ইত্যাদির যে ক্ষতি হয়ে থাকে তা পুননির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনাকেই পুনরুদ্ধার বোঝায়। 
• এক্ষেত্রে সরকারি, বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সাহায্য ও সহায়তার প্রয়োজন হয়।

♣ উন্নয়ন: 
• ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাকে দুর্যোগপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনার পরপরই ঐ এলাকার উন্নয়ন কাজে হাত দিতে হয়। 
• উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হাতে নেওয়ার পূর্বে ভৌগোলিক ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্যের উপর লক্ষ রাখতে হবে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১৯৯.
মুজিবনগর কোথায় অবস্থিত?
  1. সাতক্ষীরায়
  2. মেহেরপুরে
  3. চুয়াডাঙ্গায়
  4. নবাবগঞ্জে
সঠিক উত্তর:
মেহেরপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেহেরপুরে
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর:
- মেহেরপুর জেলায় মুজিব নগর অবস্থিত।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য এখানে গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম সরকার। -
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিব নগর সরকার গঠিত হয় ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে।
- সরকার শপথ গ্রহন করে ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে।
- শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যপক ইউসুফ আলী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করা হয়।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬,২০০.
বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্র কোনটি?
  1. বিবিয়ানা
  2. তিতাস
  3. হরিপুর
  4. কৈলাশটিলা
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
ব্যাখ্যা
- সিলেটের হরিপুর বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।

হরিপুর খনিজ তেলক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের দুটি খনিজ তেলক্ষেত্র রয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্র হলো হরিপুর তেলক্ষেত্র।
- এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সালে তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরু হয়।
- ১৯৯৪ সাল থেকে তেল উৎপাদনে স্থগিত হয়ে যায়।

এছাড়াও,
- হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৫৫ সালে সর্বপ্রথম এখানে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো।