বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৬১ / ৭২ · ৬,০০১৬,১০০ / ৭,১৯১

৬,০০১.
স্থলভাগে নিম্নচাপের ফলে কোন দুর্যোগের সৃষ্টি হয়?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. টর্নেডো
  3. ভূমিকম্প
  4. বজ্রপাত
সঠিক উত্তর:
টর্নেডো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টর্নেডো
ব্যাখ্যা
- স্থলভাগে সৃষ্ট ঝড়ের গতিবেগ ১০০ কিলোমিটারের অধিক হলে সাধারণত তাকে টর্নেডো বলা হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের ন্যায় টর্নেডো সৃষ্টিরও মুখ্য কারণ নিম্নচাপ। স্থলভাগে নিম্নচাপ সৃষ্টির ফলে উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু প্রবল বেগে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়ে টর্নেডোতে রূপ নেয়।
- টর্নেডোর স্থায়ীত্ব স্বল্প সময়ের জন্যে হলেও এর তাণ্ডবের মাত্রা থাকে অত্যধিক।
(তথ্যসূত্রঃ সাধারণ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,০০২.
Which country has the longest land border with India?
  1. Bangladesh
  2. Pakistan
  3. China
  4. Nepal
  5. Myanmar
সঠিক উত্তর:
Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh
ব্যাখ্যা
ভারতের স্থল সীমান্ত:
- ভারতের সাথে সবচেয়ে দীর্ঘ স্থল সীমান্ত রয়েছে বাংলাদেশের।
- ভারত ও বাংলাদেশের স্থল সীমান্ত: ৪১৪২ কিলোমিটার।

অন্যদিকে,
- পাকিস্তানের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৩১৯০ কিলোমিটার।
- চীনের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য ২৬৫৯ কিলোমিটার।
- নেপালের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য ১৭৫১ কিলোমিটার।
- মিয়ানমারের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য ১৬৪৩ কিলোমিটার।

উৎস: World Atlas.
৬,০০৩.
পৃথিবীর কোন অক্ষাংশতে আহ্নিক গতির বেগ সর্বাপেক্ষা কম?
  1. ০° অক্ষাংশ
  2. ২৩.৫° অক্ষাংশ
  3. ৬৬.৫° অক্ষাংশ
  4. ৯০° অক্ষাংশ
সঠিক উত্তর:
৯০° অক্ষাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০° অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর আহ্নিক গতি ও অক্ষরেখা:
- আহ্নিক গতি নিরক্ষরেখায় সর্বাপেক্ষা বেশি। নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখার মান ০°।
- অন্যদিকে ৯০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশে আহ্নিক গতি সর্বাপেক্ষা কম। 
- পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ অক্ষে অনবরত পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে।
- পৃথিবীর এই আবর্তনকে আহ্নিক গতি বা দৈনিক গতি বলা হয়।
- নিজ অক্ষে একবার ঘুরতে পৃথিবীর মোট ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘন্টা সময় প্রয়োজন।
- এই সময়কে সৌরদিন বলা হয়।
- পৃথিবী গোলাকার হলেও এর ব্যাস সর্বত্র সমান নয়।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস সর্বাপেক্ষা বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলে পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগও সর্বাপেক্ষা বেশি (ঘন্টা প্রতি ১৭০০ কি.মি. প্রায়)।
- অন্যদিকে ৯০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশে পৃথিবীর ব্যাস সর্বাপেক্ষা কম তাই এই অঞ্চলে পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগও সর্বাপেক্ষা কম। 

উল্লেখ্য:
- পৃথিবীর দুই মেরু হতে সমান দূরত্বে (পৃথিবীর মাঝখানে) পূর্ব-পশ্চিমে পৃথিবীকে ঘিরে থাকা কল্পিত বৃত্তকে বলা হয় নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে।
- নিরক্ষরেখার সমান্তরালে উত্তরে ও দক্ষিণে কতকগুলো রেখা কল্পনা করা হয়। এই রেখাগুলোকে অক্ষরেখা বা সমাক্ষরেখা বলে।
- অক্ষরেখাসমূহের দূরত্ব সর্বত্র সমান। নিরক্ষেরেখা থেকে উত্তরে বা দক্ষিণে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বের মানকে ডিগ্রিতে প্রকাশ করলে তাকে অক্ষাংশ বলে। 
- নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখার মান ০°। নিরক্ষরেখা থেকে ৯০° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় সুমেরু এবং ৯০° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় কুমেরু।
- এছাড়া ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রামে- কর্কটক্রান্তি এবং ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশে বলা হয় মকরক্রান্তি।
- ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত এবং কুমেরু বৃত্ত।
- বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখাকে বলা হয় মহাবৃত্ত।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০০৪.
আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশকে বিভক্ত করে-
  1. মালাক্কা প্রণালী
  2. বাব এল মান্দেব প্রণালী
  3. জিব্রাল্টার প্রণালী
  4. বেরিং প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বাব এল মান্দেব প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাব এল মান্দেব প্রণালী
ব্যাখ্যা
• বাব এল মান্দেব প্রণালী :
- লোহিত সাগর এবং এডেন সাগরকে যুক্ত করে।
- আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশকে বিভক্ত করে।

• বেরিং প্রণালী :
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশকে বিভক্ত করে।
- প্রশান্ত মহাসাগর এবং উত্তর মহাসাগরকে যুক্ত করে।

• জিব্রাল্টার প্রণালী :
- ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযুক্তকারী চ্যানেল ,
- এটি স্পেন এবং আফ্রিকার মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ইউরোপ এবং আফ্রিকা মহাদেশকে বিভক্ত করে।

• মালাক্কা প্রণালী :
- আন্দামান সাগর ( ভারত মহাসাগর ) এবং দক্ষিণ চীন সাগর ( প্রশান্ত মহাসাগর ) এর মধ্যে সংযোগকারী জলপথ ।
- এটি সুমাত্রা এবং মালয়েশিয়া পৃথক করে।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং worldatla.
৬,০০৫.
ঢাকা থেকে পূর্বদিকে অবস্থিত একটি স্থানের সাথে দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°। ঢাকার সময় মধ্যাহ্ন ১২:০০ টা হলে ঐ স্থানটির স্থানীয় সময় হবে-
  1. সকাল ০৯:০০ টা
  2. বিকাল ০৩:০০ টা
  3. সন্ধ্যা ০৬:০০ টা
  4. রাত ০৯:০০ টা
সঠিক উত্তর:
বিকাল ০৩:০০ টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকাল ০৩:০০ টা
ব্যাখ্যা
◉ পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
→ ৪৫° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের প্রার্থক্য হবে, ৪৫×৪ = ১৮০ মিনিট বা ৩ ঘণ্টা।
→ যেহেতু পূর্বে গেলে সময় বাড়ে সেহেতু ঢাকার সময় মধ্যাহ্ন ১২:০০ টা হলে ঐ স্থানটির স্থানীয় সময় হবে বিকেল ৩টা।
 
আন্তর্জাতিক টাইম জোন:
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- কোন স্থান থেকে পশ্চিমে গেলে সময় কমবে আর পূর্বে গেলে সময় বাড়বে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,০০৬.
বায়ুমানের স্কোর কত পার হলে সেটাকে দুর্যোগপূর্ণ ধরা হয়?
  1. ১৫০
  2. ২০০
  3. ২৫০
  4. ৩০০
সঠিক উত্তর:
৩০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০
ব্যাখ্যা
বায়ুদূষণের ভয়াবহতা:
- বায়ুমানের স্কোর ৩০০ পার হলে সেটাকে ‘দুর্যোগপূর্ণ’ ধরা হয়। 

উল্লেখ্য,
⇒ বিভিন্ন মানের জন্য বায়ু মানের শ্রেণীবিভাগ:
- ভালো: ০-৫০।
- মাঝারি বা সহনীয়: ৫১-১০০।
- সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর: ১০১-১৫০।
- অস্বাস্থ্যকর: ১৫১-২০০।
- খুবই অস্বাস্থ্যকর: ২০১-৩০০। 
- দুর্যোগপূর্ণ: ৩০০ এর উপরে।

উৎস: প্রথম আলো।
৬,০০৭.
নিচের কোন প্রধান উপনদী ধরলা ও তিস্তা?
  1. ব্রহ্মপুত্র
  2. মেঘনা
  3. পদ্মা
  4. যমুনা
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র:
- ব্রহ্মপদ নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- কুড়িগ্রাম জেলার উত্তরপূর্ব দিক এবং আসামের (ভারত) ভবানীপুরের পূর্ব দিক দিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এই নদ ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় মিলিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের ভিতরে এ নদের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার।
- ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী ধরলা ও তিস্তা।
- প্রধান শাখা নদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৬,০০৮.
সম বৃষ্টিপাত যুক্ত স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তার নাম -
  1. আইসোহাইট
  2. আইসোবার
  3. আইসোথার্ম
  4. আইসোহ্যালাইন
সঠিক উত্তর:
আইসোহাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোহাইট
ব্যাখ্যা
সমরেখ পদ্ধতি:
- পরিমাণগত বা ঘনত্ব জ্ঞাপক একই মান বিশিষ্ট বিভিন্ন স্থানকে মানচিত্রের উপর যে রেখা দ্বারা যোগ করা হয় সেই রেখাকে সমমান রেখা বা Isopleth line বলে।
- এ রেখা সমমান বিশিষ্ট অঞ্চলের ওপর দিয়ে টানা হয়।
- প্রকৃতিক বিষয় আবহাওয়া, জলবায়ু ইত্যাদি সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের উপাত্ত প্রদর্শনের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- যেমন- সমতাপ বা সমোষ্ণরেখা, সমচাপ রেখা, সমবর্ষণ রেখা এবং সমোষ্ণ রেখা।

উল্লেখ্য,
সমোষ্ণ রেখা (Isotherm line):
- ভূপৃষ্ঠের ওপর সমান তাপ বিশিষ্ট স্থানগুলোকে মানচিত্রের ওপর যে রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয় সে রেখাকে সমোষ্ণ রেখা বলে।
সমচাপ রেখা (Isobar line):
- ভূপৃষ্ঠের ওপর বায়ুর সমচাপ বিশিষ্ট স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তাকে সমচাপ রেখা (Isobar line) বলে।
সমবর্ষণ রেখা (Isohyet line):
- সম বৃষ্টিপাত যুক্ত স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তাকে সমবর্ষণ রেখা বলে।
- সমান উচ্চতা বিশিষ্ট স্থানগুলোকে মানচিত্রের ওপর যে রেখা দ্বারা যোগ করা হয় তাকে সমোচ্চ রেখা বলে।
- এ সমস্ত রেখা কাল্পনিক।

উৎস: ব্যবহারিক ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০০৯.
বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা কোনটি?
  1. দিনাজপুর
  2. ঠাকুরগাঁ
  3. লালমনিরহাট
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের, পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা। (অক্ষাংশ ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা)।

এছাড়াও,
⇒ বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা। ( ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

⇒ বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।(৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা)
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

⇒  বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ। (অক্ষাংশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,০১০.
বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘনদীর নাম কি?
  1. মিসিসিপি-মিসৌরী
  2. নীলনদ
  3. শাত-ইল-আরব
  4. আমাজন
সঠিক উত্তর:
নীলনদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলনদ
ব্যাখ্যা
নীলনদ:
- পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী নীলনদ।
- নীলনদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।

উল্লেখ্য,
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৮০০ কি.মি (৪,১৩৫ মাইল)।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এর সবচেয়ে দূরবর্তী উৎস বুরুন্ডির কাগেরা নদী।
- নীল নদ তিনটি প্রধান স্রোত দ্বারা গঠিত।
- নীল নীল এবং আতবারা যা ইথিওপিয়ার উচ্চভূমি থেকে প্রবাহিত হয় এবং সাদা নীল যার প্রধান স্রোত ভিক্টোরিয়া এবং আলবার্ট হ্রদে প্রবাহিত হয়।

অন্যদিকে।
- বিশ্বের ২য় বৃহত্তম নদী আমাজন নদী (৪,০০০ মাইল)।

উৎস: Worldatlas.
৬,০১১.
'Bangladesh Climate and Disaster Risk Atlas' প্রতিবেদন অনুসারে, দেশে ভূমিকম্প ঝুঁকি-প্রবণ জেলা কোনটি?
  1. নরসিংদী
  2. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  3. কুমিল্লা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) কর্তৃক প্রকাশিত Bangladesh Climate and Disaster Risk Atlas অনুসারে -
দেশে ভূমিকম্প ঝুঁকি প্রবণ জেলা - ৩টি।
কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নরসিংদী।
বন্যা প্রবণ জেলা - ১১টি।
টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, শরীয়তপুর ও চাঁদপুর।
আকস্মিক বন্যা ও ভূমিকম্প ঝুঁকি প্রবণ জেলা - ৬টি।
সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ।
দেশে খরাপ্রবণ জেলা - ১৩টি।
পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর, রংপুর, জয়পুরহাট, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা ও গাজীপুর। 
খরার সঙ্গে বন্যা প্রবণ জেলা - ৬টি।
রাজশাহী, নাটোর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও কুষ্টিয়া।
বন্যা ও ভূমিকম্প প্রবণ জেলা - ৬টি।
 লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও জামালপুর।
লবণাক্ততা ও ঘূর্ণিঝড় প্রবণ জেলা - ১৬টি।
যশোর, সাতক্ষীরা, নড়াইল, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বরিশাল, ভোলা, বরগুনা, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার।

Source: পত্রিকা রিপোর্ট।
৬,০১২.
ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ কবে পরিবর্তন হয়েছিল?
  1. ১৭৮৭ সালে
  2. ১৭৮৯ সালে
  3. ১৮৮৭ সালে
  4. ১৮৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র (Brahmaputra) নদ:
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের তিব্বত অংশের মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- এরপর তিব্বত হয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- বাংলাদেশে ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- মেঘনা নদীতে মিলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশ অংশে ব্রহ্মপুত্র নদ প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে।
- প্রধান শাখানদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা।
- প্রধান উপনদী: ধরলা ও তিস্তা।

⇒ ১৭৮৭ সালে ডাউকি চ্যুতিতে তীব্র ভূমিকম্পের পর ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়েছিল।
- সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উপরে উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গিয়ে একটি নতুন স্রোতধারা সৃষ্টি হয়।
- যা বর্তমানে যমুনা নামে পরিচিত।

⇒ বাংলাদেশের মাটির নিচে ভূমিকম্পের দুটি বড় উৎস আছে।
- একটি হচ্ছে উত্তরাঞ্চলের ডাউকি চ্যুতি বা ফাটল (ফল্ট)।
- ১৭৮৭ সালে ডাউকি চ্যুতিতে তীব্র ভূমিকম্পের পর ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়েছিল।
- সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উপরে উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গিয়ে একটি নতুন স্রোতধারা সৃষ্টি হয়।
- যা বর্তমানে যমুনা নামে পরিচিত।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
৬,০১৩.
সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় কত?
  1. ১০ কোটি কিলোমিটার
  2. ১৩ কোটি কিলোমিটার
  3. ১৫ কোটি কিলোমিটার
  4. ১৭ কোটি কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১৫ কোটি কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ কোটি কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

• পৃথিবী:
- পৃথিবীকে বলা হয় আদর্শ গ্রহ।
- কারণ একমাত্র পৃথিবী গ্রহেই উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড।
- পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬,০১৪.
বাংলাদেশের কোন জেলাটি কয়লা সমৃদ্ধ?
  1. রাজশাহী
  2. কুমিল্লা
  3. সিলেট
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
কয়লা:
- বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলাটি কয়লা সমৃদ্ধ।
- বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কয়লা খনি।
- এটি দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত।
- এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৫ সালে।
- এর থেকে প্রাপ্ত কয়লা দিয়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

উৎস: পার্বতীপুর উপজেলা ওয়েবসাইট।
৬,০১৫.
The Orange River flows in-
  1. Indonesia
  2. Egypt
  3. South Africa
  4. Mexico
সঠিক উত্তর:
South Africa
উত্তর
সঠিক উত্তর:
South Africa
ব্যাখ্যা
অরেঞ্জ নদী:

- অরেঞ্জ নদী দক্ষিণ আফ্রিকা জুড়ে পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রবাহিত হয়েছে।
- এটি পূর্ব কেপ, ফ্রি স্টেট এবং উত্তর কেপ প্রদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- নদীটি উত্তর কেপের আলেকজান্ডার উপসাগরে আটলান্টিক মহাসাগরে প্রবাহিত হয়েছে।
- অরেঞ্জ নদীর দুটি প্রধান উপনদী আছে।
• ভ্যাল নদী।
• ক্যালেডন নদী।

তথ্যসূত্র - Britannica Kids.com
৬,০১৬.
গ্রীন হাউজ ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি যা হবে-
  1. উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে
  2. নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
  3. সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে
  4. বৃষ্টিপাত কমে যাবে
সঠিক উত্তর:
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
ব্যাখ্যা

• গ্রিন হাউস ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি- নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে।

- গ্রীন হাউস ইফেক্টের কারনে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উপকূলীয় এলাকার এক বিরাট অংশ পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
- আইসিসি ২০০৭ সালে তার সতর্কীকরণে বলেছে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৪৫ সে.মি. বাড়লে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী ১০-১৫ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে। আনুমানিক ৩.৫ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।

• গ্রিন হাউজ প্রভাব:
- ওজোন স্তরে ক্ষত সৃষ্টি হলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়ে কৃষি ও পরিবেশের ওপর যে বিরুপ প্রভাব ফেলে একেই গ্রিন হাউজ প্রভাব (Green House Effect) বলা হয়।
- গ্রিন হাউস ইফেক্টের ফলে বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হচ্চে।
- ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ ক্রমে গলে যাচ্ছে।
- এর ফলে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর নিম্নভূমি ক্রমশ নিমজ্জিত হবে।
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।

• কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে:
- জলীয় বাষ্প,
- কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- মিথেন,
- ওজোন,
- ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি।
- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সাইফাইড পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।

উৎস:
১. বাংলাপিডিয়া।
২. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,০১৭.
নিচের কোনটি 'বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা' নয়?
  1. টাঙ্গুয়ার হাওর
  2. গুলশান-বারিধারা লেক
  3. তুরাগ নদী
  4. নিঝুম দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
নিঝুম দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঝুম দ্বীপ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

উল্লেখ্য,
- নিঝুম দ্বীপ 'বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা' নয়।

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৬,০১৮.
টারশিয়ারি যুগের পাহাড় প্রধানত কোন শিলা দ্বারা গঠিত?
  1. গ্রানাইট ও ব্যাসাল্ট
  2. চুনাপাথর ও মার্বেল
  3. বেলেপাথর, শেল ও কর্দম
  4. আগ্নেয় শিলা
সঠিক উত্তর:
বেলেপাথর, শেল ও কর্দম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলেপাথর, শেল ও কর্দম
ব্যাখ্যা

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০১৯.
মুখ্য জোয়ার পৃথিবীর কোন অংশে সবচেয়ে বেশি ঘটে?
  1. সূর্যের দিকে থাকা অংশে
  2. সূর্যের বিপরীত দিকে থাকা অংশে
  3. চন্দ্রের পাশে থাকা অংশে
  4. চন্দ্রের বিপরীত পাশে থাকা অংশে
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রের পাশে থাকা অংশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রের পাশে থাকা অংশে
ব্যাখ্যা

• জোয়ার-ভাঁটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে  ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাঁটা সংঘটিত হয়। 
- জোয়ার ভাঁটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. মুখ্য জোয়ার
২. গৌণ জোয়ার
৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল
৪. মরা কটাল

১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০২০.
ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ু উত্তর গোলার্ধে কোন দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়?
  1. ডান দিকে
  2. বাম দিকে
  3. সোজা
  4. উল্টো
সঠিক উত্তর:
ডান দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডান দিকে
ব্যাখ্যা
কোরিওলিস প্রভাব:
- ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ু উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ুপ্রবাহের পরিবর্তনের এই শক্তিকেই বলা হয় কোরিওলিস প্রভাব/শক্তি।
- গোলার্ধভিত্তিক এই পরিবর্তন কোনো প্রবাহিত চলমান বস্তুর উপর পৃথিবীর ঘূর্ণন বলের প্রভাব বলে অনুমান করা যায়।
- এই দিক পরিবর্তনকারী শক্তি -
১. বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তনে প্রভাব ফেলে যা সর্বদা লম্বভাবে ক্রিয়া করে।
২. কোরিওলিস শক্তি বায়ুর গতির উপর কোনো প্রভাব ফেলে না।
৩. কোরিওলিসের প্রভাব মেরুতে সবচেয়ে বেশি এবং বিষুবীয় এলাকায় অস্তিত্ব লোপ পায়।

⇒ পৃথিবীর আবর্তন:
- আহ্নিক গতির কারণে পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ঘুরছে।
- পৃথিবীর এইরূপ আর্বতনের সাথে সাথে সাগর মহাসাগরের পানিরাশিও পশ্চিম হতে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র স্রোতের সৃষ্টি হয়।
- আবর্তন গতির ফলে সৃষ্ট সমুদ্র স্রোত ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয।
- যেমন: উত্তর গোলার্ধে উপসাগরীয় স্রোত ও ক্যানারি স্রোতের প্রবাহ ঘড়ির কাঁটার দিকে অর্থাৎ ডান দিক ঘুরে প্রবাহিত হয়।
- একইভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে ব্রাজিল স্রোত ও পশ্চিমা বায়ু প্রবাহজনিত স্রোত ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরে প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০২১.
পৃথিবীর তাপমাত্রা গত ১০০ বছরে বৃদ্ধি পেয়েছে?
  1. ০.৩° সেলসিয়াস
  2. ০.৪° সেলসিয়াস
  3. ০.৬° সেলসিয়াস
  4. ০.৫° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
০.৬° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৬° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর তাপমাত্রা:
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সারা বিশ্ব জুড়ে তাপমাত্রা বাড়ছে।
- ১৯৭৯ সাল থেকে এনওএএ সর্বোচ্চ গড় তাপমাত্রার হিসেব রাখছে।
- প্রশান্ত মহাসাগরে এল নিনোর আবির্ভাবের কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধির আরও নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাষ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য,
- IPCC-এর সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী (২০০৭ সালে), পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা গত ১০০ বছরে প্রায় ০.৭৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে।
- উত্তর অক্ষাংশে বৃদ্ধি বেশি।
- আইপিসিসি আরও দেখেছে যে স্থল অঞ্চলগুলি সমুদ্রের চেয়ে দ্রুত উষ্ণ হচ্ছে।
- গত একশো বছরে সারা বিশ্বে গড় তাপমাত্রা বেড়েছে ০.৬ ডিগ্রি।
- অপরদিকে বাংলাদেশের তাপমাত্রা বেড়েছে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- এই অবস্থা চলতে থাকলে আগামী শতকে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বাড়বে ৬ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

উৎসনclimate.gov & IPCC website. 
৬,০২২.
'Blue economy' কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সমুদ্র সম্পদ
  2. সবুজ বিপ্লব
  3. খনিজ সম্পদ
  4. বনজ সম্পদ
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র সম্পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র সম্পদ
ব্যাখ্যা
• সুনীল অর্থনীতি:
- সুনীল অর্থনীতি বা Blue economy হচ্ছে সমুদ্রের সম্পদ নির্ভর অর্থনীতি। 
- সমুদ্রের বিশাল জলরাশি ও এর তলদেশের বিভিন্ন প্রকার সম্পদকে কাজে লাগানোর অর্থনীতি। 
- সমুদ্র থেকে আহরণকৃত যে কোন সম্পদ দেশের অর্থনীতিতে যুক্ত হয়, তাই সুনীল অর্থনীতির পর্যায়ে পড়বে। 
- সমুদ্র পৃথিবীর অন্যতম মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ।
- বিশ্বব্যাংকের মতে, সুনীল অর্থনীতি হল ‘অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, উন্নত জীবিকা, এবং সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্য সংরক্ষণের জন্য সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহার।’

- সুনীল অর্থনীতি আমাদের এই উপলব্ধি করতে চ্যালেঞ্জ করে যে সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সীমান্ত এবং সেক্টর জুড়ে সহযোগিতার প্রয়োজন হবে।
- এটি একটি লম্বা আদেশ, বিশেষ করে ক্ষুদ্র দ্বীপ উন্নয়নশীল রাষ্ট্র (SIDS) এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলির (LDCs) জন্য যারা উল্লেখযোগ্য সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন।

উৎস: Blue Economy Definitions - the United Nations, un.org.
৬,০২৩.
নিচের কোনটি মানব-সৃষ্ট দুর্যোগের উদাহরণ?
  1. অগ্ন্যুৎপাত
  2. অগ্নিকান্ড
  3. বন্যা
  4. ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর:
অগ্নিকান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নিকান্ড
ব্যাখ্যা

বিশ্বব্যাপী দুর্যোগসমূহের প্রকারভেদ:
- পৃথিবীর যে কোনো দেশে দুই ধরনের দুর্যোগ সংঘটিত হয়।
যেমন:
ক) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও
খ) মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ।

১. প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। যেমন: অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি।

২. মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ বলতে মানব কর্মকান্ডের ফলে সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। যেমন: জলাবদ্ধতা, অগ্নিকান্ড, রাসায়নিক দূষণ, যুদ্ধ ইত্যাদি। 

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম - ১০ম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬,০২৪.
নিচের কোনটি স্রোতজ বনভূমি?
  1. রাতারগুল
  2. শালবন
  3. সুন্দরবন
  4. পার্বত্য বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ। ‍সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।
- রাতারগুল দেশের একমাত্র সোয়াম্প ফরেস্ট বা জলমগ্ন বনভূমি।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ ওয়েবসাইট)
৬,০২৫.
'চিকেন'স নেক' বলা হয় কোন করিডরকে?
  1. বেনাপোল
  2. জলপাইগুড়ি
  3. ত্রিপুরা
  4. শিলিগুড়ি
সঠিক উত্তর:
শিলিগুড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিলিগুড়ি
ব্যাখ্যা
শিলিগুড়ি করিডর তথা ‘চিকেনস নেক’
- ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির সাথে দেশের অবশিষ্ট অঞ্চলের সংযোগ রক্ষাকারী একটি সংকীর্ণ ভূখণ্ড হল এই চিকেনস নেক ।
- এই ভূখণ্ডের আকৃতি অনেকটা মুরগির ঘাড়ের মতো দেখতে লাগে তাই এইরূপ নামকরণ।
- এ ভূখণ্ডের প্রস্থ ২১-৪০ কিমি। এর দুপাশে নেপাল বাংলাদেশ এবং রাজতান্ত্রিক ভূটান করিডরের উত্তর দিকে অবস্থিত।

                                                       

- ১৯৪৭ এর দেশভাগের সময় বৃহত্তর বাংলা প্রদেশ দ্বিখণ্ডিত হলে এই শিলিগুড়ি করিডরের সৃষ্টি হয়।
- ২০০২ সালে ভারত, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশ এই অঞ্চলে একটি মুক্ত বাণিজ্যাঞ্চল গঠনের প্রস্তাব গ্রহণ করে।
- এই প্রস্তাবে উক্ত অঞ্চলের মাধ্যমে অবাধে চার দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেন চালানোর কথা বলা হয়।
 
সূত্র- বিবিসি রিপোর্ট, ব্রিটানিকা। 
৬,০২৬.
'চর নিউটন' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ভোলা
  2. নোয়াখালী
  3. ফেনী
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোলা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের চরসমূহ:
- নদীর মাঝে বা মোহনায় পলি সঞ্চিত হয়ে জেগে উঠা ভূখণ্ড চর নামে পরিচিত।
- লক্ষ্মীপুর জেলা: চর গজারিয়া ও চর আলেকজান্ডার।
- ভোলা জেলা: চরফ্যাশন, চর মানিক, চর কুকড়ি মুকড়ি, চর নিউটন, চর নিজাম প্রভৃতি।
- নোয়াখালী জেলা: ভাসান চর, সুবর্ণ চর, চর শ্রীজনী, চর শাহাবানী প্রভৃতি।
- ফেনী জেলা: মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলা: নির্মল চর।
- সুন্দরবন: দুবলার চর, পাটনি চর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬,০২৭.
নিচের কোন দ্বীপটি নিয়ে জাপান ও রাশিয়ার মধ্যকার বিরোধ রয়েছে?
  1. ক) মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
  2. খ) দিয়াগো গার্সিয়া
  3. গ) গ্রেট বেরিয়ার রিফ
  4. ঘ) কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ ও শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি  হলো এই কুরিল দ্বীপপুঞ্জ।
- বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জের চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় দ্বীপ কুনাশির। 
- চারটি দ্বীপের সমন্বয়ে এই কুরিল দ্বীপপুঞ্জকে জাপান তাদের নর্দান টেরিটরি হিসাবে অভিহিত করে।
- এমনকি এই বিরোধের কারণে রাশিয়া ও জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অবসান ঘোষণা করে হওয়া শান্তিচুক্তিতেও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করে নি।
 
তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা, ওয়াল্ড এটলাস।
৬,০২৮.
নিচের কোনটি পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. কক্সবাজার
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
• পার্বত্য চট্টগ্রাম:
- বাংলাদেশে মোট ৬৪টি জেলা।
- এর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩টি জেলা বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি।
- উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের দেখভাল ও সমন্বয় সাধন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১৯৯৮ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইনানুসারে, ১৯৯৯ সালের ২৭শে মে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলার পুরো এলাকার স্থানীয় শাসনের কাজকর্ম তদারকি করার জন্য এই বিশেষ ধরনের আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১ জন চেয়ারম্যান, ১২ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্য, ৬ জন অ-ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্য, ২ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারী সদস্য, ১ জন অ- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারী সদস্য এবং তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের ৩ চেয়ারম্যানসহ সর্বমোট ২৫ জন সদস্য সমন্বয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হবে।
- চেয়ারম্যান হবেন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী থেকে।
- তিন পার্বত্য জেলার চেয়ারম্যানগণ পদাধিকার বলে এর সদস্য হবেন এবং তাদের ভোটাধিকার থাকবে।
- আঞ্চলিক পরিষদে সরকারের যুগাসচিব পদমর্যাদার একজন মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা থাকবেন।
- আঞ্চলিক পরিষদের মেয়াদ হবে ৫ বছর।
- কক্সবাজার পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্তর্ভুক্ত নয়।

উৎস: পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ।
৬,০২৯.
নিচের কোন দেশটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) গ্যাবন
  2. খ) হাইতি
  3. গ) গায়ানা
  4. ঘ) গাম্বিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) গায়ানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গায়ানা
ব্যাখ্যা
গায়ানা – দক্ষিণ আমেরিকা
হাইতি – উত্তর আমেরিকা
গ্যাবন ও গাম্বিয়া – আফ্রিকা।
(সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৬,০৩০.
বিশ্বে কোন নদী দিয়ে সর্বাধিক পানি প্রবাহিত হয়?
  1. দানিয়ুব
  2. আমাজন
  3. কঙ্গো নদী
  4. নীলনদ
সঠিক উত্তর:
আমাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাজন
ব্যাখ্যা
বিশ্বে প্রতি সেকেন্ড পানি প্রবাহে শীর্ষ নদীসমূহ:
- প্রথম : আমাজন (২,০৯০০০ ঘনমিটার/সেকেন্ড)
- দ্বিতীয় : কঙ্গো নদী (৪১,২০০ ঘনমিটার/সেকেন্ড)
- তৃতীয় : গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা (৩৮,১২৯ ঘনমিটার/সেকেন্ড)।

(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৬,০৩১.
সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. হবিগঞ্জ
  3. চট্টগ্রাম
  4. নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

• কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র: এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত; বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ১৯৬২ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। এর মোট অনুমিত মজুত ৩.৬৫ টিসিএফ যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত ২.৫২ টিসিএফ গ্যাস। কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাসের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কনডেনসেটও উৎপাদিত হয়ে থাকে। ১৯৮৩ সাল থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

• হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১১ কিমি দীর্ঘ এবং ৪.৫ কিমি প্রশস্ত। প্রায় ৩০ শতাংশ সচ্ছিদ্রতাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র একটি উন্নতমানের গ্যাসাধার হিসেবে খ্যাত। বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম একটি গ্যাস উৎপাদনক্ষেত্র। আজ পর্যন্ত এই গ্যাসক্ষেত্রে ১০টি কূপ খনন করা হয়েছে।

• বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র: এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। ১৯৮৪ সালে এখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৯৩ সালে এর উৎপাদন সর্বোচ্চে পৌঁছে (দৈনিক ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)। তখন থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের চাপ ও উৎপাদনে দ্রুত পতন ঘটে। ২০০০ সালের শেষদিকে এখান থেকে প্রতিদিন মাত্র ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাবে।

• সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র: এটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার একমাত্র গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের জাতীয় তেল কোম্পানি ও.জি.ডি.সি এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। খননকৃত ৪টি কূপের মধ্যে ৩নং ও ৪নং কূপে কোন গ্যাস পাওয়া যায় নি। এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে কোন গ্যাস উত্তোলিত হয় নি।

• কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র: এটি চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় ৯২ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানি ১৯৭৬ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। যদিও গ্যাসক্ষেত্রটি ছোট আকৃতির, তবুও এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় নি।

• বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত। পেট্রোবাংলা ১৯৭৭ সালে এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রটি একটি ছোট আকৃতির গ্যাসক্ষেত্র এবং এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নি। এখানে খননকৃত দুটি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে একটি শুষ্ক পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৬,০৩২.
কৃত্রিম গ্রাফাইট উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয় দেশ কোনটি?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) সিঙ্গাপুর
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

- গ্রাফাইট ধূসর রং এর অধাতব পদার্থ।
- এটি কয়লার রূপান্তর।
- লক্ষ লক্ষ বছর ধরে তাপ ও চাপের কারনে কয়লা গ্রাফাইটে পরিনত হয়।
- পরবর্তীতে এই গ্রাফাইট উচ্চ তাপ ও চাপে নীলা ও হীরকে পরিনত হয়।
- প্রাকৃতিক গ্রাফাইট সাধারনত ২ ধরনেরঃ ১। দানাদার গ্রাফাইট ও ২। অ্যাফিনিটিক গ্রাফাইট ।
- ব্রাজিল, তুরস্ক, শ্রীলংকা, চীন ও ইউক্রেনে দানাদার গ্রাফাইট পাওয়া যায়।
- অ্যাফিনিটিক গ্রাফাইট চীন, ভারত, ম্যাক্সিকো ও অস্ট্রিয়া তে পাওয়া যায়।
- বর্তমানে কৃত্রিম গ্রাফাইট এর উৎপাদন ও ব্যবহার বেড়েছে। 
- কৃত্রিম গ্রাফাইট গ্রাফাইট উৎপাদনে শীর্ষস্থানীয় দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৩৩.
ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে কোন স্থানের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা বেশি। ঢাকার দ্রাঘিমারেখা ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা হলে ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা কত?
  1. ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
  2. ৪৫° পশ্চিম দ্রাঘিমা
  3. ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
  4. ৯০° পশ্চিম দ্রাঘিমা
সঠিক উত্তর:
১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমা নির্ণয়:
১। যেহেতু ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য দুটি স্থানের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট। এ কারণে স্থান দুটির সময়ের পার্থক্য যা হয় তাকে ৪ দিয়ে ভাগ করে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।

২। যে কোনো স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক হলে বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং কম হলে স্থানটি গ্রীনিচের পশ্চিমে অবস্থিত। গ্রীনিচের দ্রাঘিমাকে ০° ধরে সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী অন্যান্য স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়। ক্রনোমিটার নামক ঘড়ি গ্রীনিচ সময় অনুসারে চলে। তাই এই ঘড়ি দেখে কোনো স্থানের স্থানীয় সময়ের সাথে গ্রীনিচ সময়ের পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।

সমাধান:
আমরা জানি, ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে ১° ।
৩ ঘণ্টা (১৮০ মিনিট) সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে (১৮০/৪)= ৪৫° ।
অর্থাৎ ঢাকার থেকে ঐ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°।

প্রশ্নে উল্লিখিত ঢাকার থেকে ঐ স্থানের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা বেশি দেখে আমরা বুঝতে পারি, ঐ স্থানের অবস্থান ঢাকার পূর্বে অবস্থিত। তাই ঢাকার দ্রাঘিমার সাথে ৪৫° দ্রাঘিমা যোগ দিলে ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা পাওয়া যাবে। 
সুতরাং ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা (৯০° + ৪৫°)= ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা।
উত্তর: ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা।

অন্যভাবে,
যে কোনো স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক হলে বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং কম হলে স্থানটি গ্রীনিচের পশ্চিমে অবস্থিত। গ্রীনিচের দ্রাঘিমাকে ০° ধরে সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী অন্যান্য স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।
গ্রীনিচের সাথে ঢাকার দ্রাঘিমার পার্থক্য ৯০° এবং সময়ের পার্থক্য ৬ ঘণ্টা বেশি।(GMT+6)

প্রশ্নমতে, ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে ঐ স্থানের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা বেশি, অর্থাৎ ঐ স্থানের স্থানীয় সময় গ্রীনিচের থেকে ৯ ঘণ্টা বেশি। (GMT+9)
∴ ৩ ঘণ্টা (১৮০ মিনিট) সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে (১৮০/৪)= ৪৫°।
অর্থাৎ ঢাকার থেকে ঐ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°  বেশি আবার গ্রীনিচের থেকেও ঐ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য (৯০° + ৪৫°)= ১৩৫° বেশি। (ঢাকার দ্রাঘিমার সাথে অতিরিক্ত ৪৫° যোগ করে)

এখানে, আমরা ঢাকার দ্রাঘিমা সাথে ৪৫° যোগ করে বা গ্রীনিচের দ্রাঘিমার সাথে ১৩৫° যোগ করে ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা পাব।
সুতরাং ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা (৯০° + ৪৫°)= ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা। বা (০° + ১৩৫°)=১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা। ( ঢাকার ও রিয়াদের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক তাই বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত বা GMT+)

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৩৪.
নিচের কোন জেলাটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যর সংলগ্ন নয়? 
  1. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের বান্দরবান জেলাটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য সংলগ্ন অবস্থান নয়।

ভারতের রাজ্য: 
• বাংলাদেশের সংলগ্ন জেলা 
- আসাম ৪টি (কুড়িগ্রাম, সুনামগঞ্জ, সিলেট ও মৌলভীবাজার)
- ত্রিপুরা ৭টি (ফেনী, কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটি)
- মেঘালয়: ৪টি (নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ, শেরপুর ও জামালপুর)
- মিজোরাম: ১টি (রাঙ্গামাটি)
- অপরদিকে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের জেলা ৯টি। যথা: মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, উত্তর চব্বিশ পরগোনা, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, কুচবিহার ও দার্জিলিং।
- বাংলাদেশ সীমান্তের বিপরীতে মিয়ানমারের চিন প্রদেশের মংডু শহর অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬,০৩৫.
সুন্দরবনের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বন কোনটি?
  1. হরিণঘাটা বন
  2. গোড়াপদ্মা বন
  3. কুয়াকাটা বন
  4. টেংরাগিরি বন
সঠিক উত্তর:
টেংরাগিরি বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেংরাগিরি বন
ব্যাখ্যা

টেংরাগিরি বন:
- সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বা ম্যানগ্রোভ বন হলো টেংরাগিরি বন যা ফাতরার বন নামেও পরিচিত।
- টেংরাগিরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন বরগুনা জেলার দক্ষিণাংশে অবস্থিত। 
- এই বনাঞ্চলের আয়তন ১৩ হাজার ৬৪৪ একর।

• ১৯৬৭ সালে বন বিভাগ একে ‘টেংরাগিরি বনাঞ্চল’ নামকরণ করে।
- ১৯২৭ সালের জরিপ অনুযায়ী ১৯৬০ সালের ১২ জুলাই তৎকালীন সরকার এটিকে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘোষণা করে। 

উল্লেখ্য,
- এ বনের বৃক্ষরাজির মধ্যে রয়েছে সুন্দরী, কেওড়া, বাইন, পশুর, কাঁকড়া, রেইনট্রি, জারুল, ধুন্দল, বনকাঁঠাল, বট, তেঁতুল, গেওয়া, করমচা, গরান, শিংড়া, হাররা, হেতাল, গিলালতা, কালিয়ালতা, বলাই, হারগোজা, গোলপাতাসহ অসংখ্য প্রজাতির গাছ-গাছড়া। এ বনে বানর, শুকর, সজারু, শিয়াল, বাদুর, কুকুর, বেজি, চামচিকা, গুইসাপ, গোখরাসাপ, অজগর সাপ, বাবুই, পেঁচা, বউ কথা কও, চিল, শালিক, শ্যামা, টুনটুনি, ঘুঘু, মাছরাঙা, সাদাবক, ডাহুক, দোয়েল, বুলবুলি ইত্যাদিসহ অসংখ্য প্রজাতির বণ্যপ্রাণী রয়েছে।

উৎস: i) বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইয়াট।
ii) প্রথম আলো। 

৬,০৩৬.
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের -
  1. উপকূলীয় অঞ্চল সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে
  2. উত্তাপ কমে যাবে
  3. নদ-নদীর পানি কমে যাবে
  4. বৃষ্টিপাত কমে যাবে
সঠিক উত্তর:
উপকূলীয় অঞ্চল সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপকূলীয় অঞ্চল সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে
ব্যাখ্যা
• সমুদ্রে পৃষ্ঠের উচ্চতা পরিবর্তন:
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।
- সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, মিশর, ভিয়েতনাম, ফিজি, কিরিবাতি, টুভ্যালু প্রভৃতি দেশের উপকূলীয় অঞ্চল সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
- এছাড়া কৃষি জমি লবণাক্ত হয়ে উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পাবে। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৩৭.
দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে কোন বায়ুতে রূপান্তরিত হয়?
  1. দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু
  2. কর্কটক্রান্তি বায়ু
  3. উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু
  4. উত্তরীয় পশ্চিমী বায়ু
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু
ব্যাখ্যা

বায়ু:
- দক্ষিণ গোলার্ধের উষ্ণ মহাসাগর থেকে দক্ষিণ-পূর্ব বাণিজ্য বায়ু উৎপন্ন হয়।
- গ্রীষ্মকালে যখন উত্তর গোলার্ধে তাপীয় নিম্নচাপ সরে যায়, তখন এই বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে উত্তর গোলার্ধে প্রবেশ করে
- নিরক্ষরেখা পার হওয়ার পর কোরিওলিস বলের প্রভাবে বায়ু ডানদিকে বাঁকে;( ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী)।
- এবং দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু হিসেবে প্রবাহিত হতে শুরু করে।
- ভারত মহাসাগরের উপর দিয়ে আসার সময় এই দক্ষিণ-পূর্ব বাণিজ্য বায়ু প্রচুর জলীয় বাষ্প সংগ্রহ করে। 
- স্থলভাগে প্রবেশ করলে, বিশেষ করে হিমালয় পর্বতমালার সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে ভারী বৃষ্টিপাত ঘটে।
- এটি উত্তর ও উত্তর-পূর্ব ভারত, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশসহ অঞ্চলে বর্ষাকালীন বৃষ্টিপাতের প্রধান কারণ।
- ফলস্বরূপ, দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুতে রূপান্তরিত হয়।
- এবং গ্রীষ্মকালীন ভারী বৃষ্টিপাতের মূল উৎস হিসেবে কাজ করে।

উৎস:  ভূগোল ও পরিবেশ – নবম-দশম শ্রেণি।

৬,০৩৮.
বাংলাদেশের কোন জেলার সাথে মিয়ানমারের সীমানা রয়েছে?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান
  3. কক্সবাজার
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত
- বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমান্তদৈর্ঘ্য ২৭১ কিমি।
- রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার; এই তিন জেলার সাথে মিয়ানমারের সীমানা রয়েছে।
- মিয়ানমারের আরাকান ও চিন; এই দুই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে।
- নাফ নদী এই দুই দেশকে পৃথক করেছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত - ৫১৩৮ কিমি।
- উপকূলীয় সীমানা - ৭১১ কিমি।
- ভারতের সাথে সীমান্তদৈর্ঘ্য - ৪১৫৬ কিমি।চ
- ভারতের ৫ টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে। এগুলো হলো,
১. পশ্চিমবঙ্গ,
২. আসাম,
৩. ত্রিপুরা,
৪. মেঘালয়,
৫. মিজোরাম

তথ্যসূত্র- বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।
৬,০৩৯.
আরব সাগর পারস্য উপসাগরের সঙ্গে কোন প্রণালীর মাধ্যমে যুক্ত?
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী  
  2. দারদানেলিস প্রণালী
  3. হরমুজ প্রণালী
  4. বসফরাস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
হরমুজ প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরমুজ প্রণালী
ব্যাখ্যা

হরমুজ প্রণালী:
- হরমুজ প্রণালী হলো একমাত্র ন্যূনতম সমুদ্রপথ যা তেল সমৃদ্ধ পারস্য উপসাগরকে দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে। 
-------------------------------------------
• আরব সাগর:

- আরব সাগর ভারতের উত্তর-পশ্চিম অংশ এবং আরব উপদ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ভারত ও ইউরোপের দেশগুলির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথ হিসেবে কাজ করে।
- আরব সাগরের উত্তরে পাকিস্তান ও ইরান এবং পশ্চিমে আফ্রিকার উপকূলের শৃঙ্গ রয়েছে।
- এখানে প্রধান নদী হিসেবে সিন্ধু নদী প্রবাহিত হয়।
- আরব সাগরের মোট আয়তন প্রায় ১,৪৯১,০০০ বর্গমাইল (৩,৮৬২,০০০ বর্গকিলোমিটার)।

- আরব সাগর ওমান উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী ব্যবহার করে পারস্য উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত এবং
- এডেন উপসাগর ও বাব-আল-মান্দেব প্রণালী ব্যবহার করে এটি লোহিত সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে।
----------------------------------------
অন্যদিকে,
• জিব্রাল্টার প্রণালী:
- এ প্রণালী ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এবং ইউরোপের স্পেনকে আফ্রিকার মরক্কো থেকে পৃথক করেছে।

• দারদানেলিস প্রণালী:
- এই প্রণালী মারমরা সাগর ও ইজিয়ান সাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এবং তুরস্কের ইউরোপীয় ও এশীয় অংশকে পৃথক করেছে।

• বসফরাস প্রণালী: 
- এটি কৃষ্ণ সাগরকে মর্মর সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এবং তুরস্কের এশিয়া ও ইউরোপ অংশকে পৃথক করেছে।

উৎস: Britannica. 

৬,০৪০.
' লাইন অব কন্ট্রোল' বলতে কোন দুটি দেশের সীমান্তবর্তী রেখাকে চিহ্নিত করে?
  1. ক) ইসরাইল ও জর্ডান
  2. খ) দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
  3. গ) চীন ও তাইওয়ান
  4. ঘ) ভারত ও পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
- লাইন অব কন্ট্রোল : ভারত ও পাকিস্তান
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল : ভারত ও চীন
- সনোরা লাইন : যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
- ডুরান্ড লাইন : পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

(সূত্র: ব্রিটানিকা)
৬,০৪১.
কোনটি চরমভাবাপন্ন মধ্য অক্ষাংশীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য?
  1. বরফাবৃত ভূমি
  2. কম বৃষ্টিপাত
  3. শীতলতম মাসের গড় তাপমাত্রা ৫° সে.
  4. শীতলতম মাসের গড় তাপমাত্রা ১০° সে.
সঠিক উত্তর:
বরফাবৃত ভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরফাবৃত ভূমি
ব্যাখ্যা
• চরমভাবাপন্ন মধ্য অক্ষাংশীয় বৃষ্টিবহুল জলবায়ুসমূহ:
- এ জলবায়ু গোত্রে শীতলতম মাসের গড় তাপমাত্রা ৩° সে. এর কম এবং উষ্ণতম মাসের গড় তাপমাত্রা ১০০ সে. এর বেশি থাকে এবং ভূমি বরফাবৃত থাকে।
- এ গোত্রে দুটি প্রধান শ্রেণির জলবায়ু হলো: ১. শুষ্ক শীত ঋতুসহ অতি শীতল জলবায়ু এবং ২. আর্দ্র ও অতি শীতল জলবায়ু।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৪২.
খুলনা কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. কীর্তনখোলা নদী
  2. রূপসা নদী
  3. সুরমা নদী
  4. তিস্তা নদী
সঠিক উত্তর:
রূপসা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপসা নদী
ব্যাখ্যা

• রূপসা-পসুর নদী :
- রূপসা-পসুর নদী  বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি বৃহৎ শাখা নদী।
- নদীটি প্রকৃতপক্ষে রূপসা নদীরই বর্ধিত রূপ।
- খুলনা জেলার দক্ষিণে ভৈরব নদী বা রূপসা নদী আরও দক্ষিণে মংলা বন্দরের কাছে পসুর নামে প্রবাহিত হয়ে ত্রিকোণা ও দুবলা দ্বীপদুটির ডানদিক দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- মংলার দক্ষিণে পসুর নদী সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
- গড়াই নদীর অধিকাংশ প্রবাহ নবগঙ্গা নদীর মধ্য দিয়ে এই নদীতে প্রবাহিত হয়। 
- বদ্বীপ অঞ্চলে আকারের দিক দিয়ে মেঘনার পর রূপসা-পসুরের স্থান। 
- মংলা থেকে পসুর প্রায় ৩২ কিমি দক্ষিণে মংলা খালের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- তারপর প্রায় দক্ষিণাভিমুখে প্রবাহিত হয়ে মোহনার ৩২ কিমি উত্তরে শিবসার সঙ্গে মিলিত হয় এবং পসুর নামে সাগরে পতিত হয়।

অন্যদিকে,
- কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত- বরিশাল।
- তিস্তা নদীর তীরে অবস্থিত- রংপুর।
- সুরমা নদীর তীরে অবস্থিত- সিলেট, সুনামগঞ্জ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬,০৪৩.
হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত সমুদ্রবন্দর হলো-
  1. ক) এডেন
  2. খ) জেদ্দা
  3. গ) বন্দর আব্বাস
  4. ঘ) চাবাহার
সঠিক উত্তর:
গ) বন্দর আব্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বন্দর আব্বাস
ব্যাখ্যা
গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত বন্দর আব্বাস ইরানের একটি সমুদ্রবন্দর। চাবাহার আরব সাগরের তীরে অবস্থিত ইরানের আরেকটি সমুদ্রবন্দর। লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত এডেন ও জেদ্দা যথাক্রমে ইয়েমেন ও সৌদি আরবের সমুদ্রবন্দর। (সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৬,০৪৪.
বিশ্বব্যাংক কর্তৃক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ২০০৯ সালে চিহ্নিত ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিকের কোনটিতে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষে?
  1. মরুকরণ
  2. বন্যা
  3. ঝড়
  4. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্যা
ব্যাখ্যা
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে।
- এগুলো হলো: মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।
- এগুলোর প্রতিটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি দেশের তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
- সেই তালিকার ৫টি ভাগের একটিতে (বন্যায়) শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে নাম আছে বাংলাদেশের।
- ঝড়ের ঝুঁকিতে বাংলাদেশ দ্বিতীয় এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকিতে বাংলাদেশের অবস্থান দশম।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বাংলাদেশ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।
৬,০৪৫.
পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তলদেশ কিছুটা উঁচু হয়ে তার গতিপথ পাল্টে বর্তমান যমুনা নদী দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করে কোন দুর্যোগের প্রভাবে?
  1. হিমবাহ ক্ষয়
  2. প্রচুর বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল
  3. ভূমিকম্প
  4. পাহাড় ধ্বস
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্পের ফলাফল (Effects of earthquakes):
- ভূমিকম্পের ফলে ভূপৃষ্ঠের অনেক ধরনের পরিবর্তন ঘটে এবং বহু ধ্বংসলীলা সাধিত হয়।
- ঘরবাড়ি, ধনসম্পদ ও যাতায়াত ব্যবস্থা বিনষ্ট হয়।
- এতে জীবনেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়ে থাকে। 
- ভূমিকম্পের ফলে ভূত্বকের মধ্যে অসংখ্য ভাঁজ, ফাটল বা ধসের সৃষ্টি হয়।
- নদীর গতিপথ পাল্টে যায়।
- উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ১৭৮৭ সালে আসামে যে ব্যাপক ভূমিকম্প হয় তাতে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তলদেশ কিছুটা উঁচু হয়ে যায়। ফলে নদটি তার গতিপথ পাল্টে বর্তমানে যমুনা নদী দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৬,০৪৬.
নিচের কোনটি বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল নয়?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. সৌদি আরব
  4. মেক্সিকো
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে পৃথিবীকে চারটি অঞ্চলে ভাগ করা যেতেপারে। যথা:

১. নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল;
২. পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল;
৩. বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল এবং
৪. প্রায় জনহীন অঞ্চল ।

বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল: 

- কোনো দেশ বা অঞ্চলে যদি প্রতি বর্গকিলোমিটারে ২ থেকে ৫০ জন লোক বাস করে তবে তাকে বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল বলে। যেমন- দক্ষিণ আফ্রিকা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, আইসল্যান্ড, সৌদি আরব, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, রাশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, উত্তর আমেরিকার প্রেইরি, দক্ষিণ আমেরিকার পম্পাস, ইউরেশিয়ার স্টেপস্ ।
অপরদিকে, 
- মেক্সিকো পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল।


উৎস: ভূগোল দ্বিতীয়পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৪৭.
পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা বেশি গম উৎপাদনকারী দেশ কোনটি?
  1. ক) অস্ট্রেলিয়া
  2. খ) কানাডা
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
ঘ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
বিশ্বে ধান, গম, চা, তুলা, মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ দেশ- চীন। (রেফারেন্সঃ বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান)
৬,০৪৮.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় রামসার সাইট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বাগেরহাট
  2. সিলেট
  3. সুনামগঞ্জ
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা

রামসার সাইট:
- রামসার কনভেনশন রামসার চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট  হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।
- বাংলাদেশের প্রথম রামসার সাইট সুন্দরবন।
- ১৯৯২ সালের ২১ মে সুন্দরবনকে রামসার সাইট (রামসার কনভেনশন কর্তৃক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জলাভূমি) হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওর।
- এটি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি টাঙ্গুয়ার হাওরকে সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় 'রামসার সাইট' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।

৬,০৪৯.
'দুলাহাজরা' সাফারী পার্ক কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
খ) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

দেশের প্রথম সাফারি পার্ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি উদ্যান, কক্সবাজার।
এটি দুলাহাজারা সাফারি পার্ক নামেও পরিচিত
এর আয়তন ৬০০ হেক্টর।
এটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎসঃ সরকারি ওয়েবসাইট এবং পত্রিকা।

৬,০৫০.
অতীতে দুর্যোগে _____ কেই সম্পূর্ণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে ধরে নেওয়া হতো।
  1. ক) পুনরুদ্ধার
  2. খ) সাড়াদান
  3. গ) দুর্যোগ প্রশমন
  4. ঘ) দুর্যোগ প্রতিরোধ
সঠিক উত্তর:
খ) সাড়াদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাড়াদান
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান।
সুতরাং দুর্যোগকে কার্যত মোকাবেলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই এর ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।

দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।
অতীতে দুর্যোগে সাড়াদানকেই সম্পূর্ণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে ধরে নেওয়া হতো।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,০৫১.
বাংলাদেশের জলবায়ুতে কোন বায়ুর প্রভাব সর্বাধিক?
  1. মহাদেশীয় বায়ু
  2. মৌসুমি বায়ু
  3. মেরু বায়ু
  4. অয়ন বায়ু
সঠিক উত্তর:
মৌসুমি বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌসুমি বায়ু
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জলবায়ুতে — মৌসুমি বায়ুর প্রভাব অত্যধিক।

• বাংলাদেশর জলবায়ু:
- বাংলাদেশ ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ুর দেশ।
- শীত ও গ্রীস্ম ঋতুতে এ দেশে বায়ু প্রবাহের দিক পরিবর্তন হয়।
- গ্রীষ্মকালে সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু প্রচুর জলীয়বাষ্প বহন করে নিয়ে আসে ফলে তখন এদেশে প্রচুর বৃষ্টি হয়।
- পক্ষান্তরে শীত কালে স্থলভাগের উপর দিয়ে সমুদ্রের দিকে প্রবাহিত বায়ু শুষ্ক থাকায় তখন বৃষ্টিপাত হয় না বললেই চলে।
-  মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশে তিনটি ঋতু বিশেষ ভাবে স্পষ্ট লক্ষ্য করা যায়; শীতকাল শীতল ও শুষ্ক, গ্রীষ্মকাল উষ্ণ ও শুষ্ক এবং বর্ষাকাল আর্দ্রভাবাপন্ন। 

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী, ভূগোল ১ম পত্র- এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৫২.
ছাতকের সিমেন্ট কারখানায় ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) হরিপুরের প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. খ) ফেঞ্চুগঞ্জের প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. গ) রশিদপুরের প্রাকৃতিক গ্যাস
  4. ঘ) বিয়ানীবাজারের প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
ক) হরিপুরের প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হরিপুরের প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
• বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানা, বাণিজ্যিক, শিল্প ও গৃহস্থালি খাতে জ্বালানির প্রধান উৎস প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ফেঞ্চুগঞ্জের সার কারখানা ও ছাতকের সিমেন্ট কারখানায় সিলেটের হরিপুরের প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।
- নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় অবস্থিত ঘোড়াশালের সার কারখানায় তিতাস গ্যাস কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- সিলেটের চা বাগানগুলো রশিদপুরের প্রাকৃতিক গ্যাসের উপর নির্ভরশীল।

উৎস: এস.এস.সি. ভূগোল ও পরিবেশ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৫৩.
 ITCZ-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Intra Tropical Convergence Zone
  2. Internal Tropical Convergence Zone
  3. Inter Tropicel Convargence Zone
  4. Inter Tropical Convergence Zone
সঠিক উত্তর:
Inter Tropical Convergence Zone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inter Tropical Convergence Zone
ব্যাখ্যা

ITCZ:
- ITCZ-এর পূর্ণরূপ হল Inter-tropical Convergence Zone.
- এটি হলো পৃথিবীর বিষুব রেখার কাছাকাছি একটি বিশেষ জলবায়ু অঞ্চলের নাম।
- এই অঞ্চলে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাতাস একে অপরের দিকে আসতে থাকে এবং এখানে সাধারণত শক্তিশালী বৃষ্টিপাত ও বজ্রপাত হয়।

•বৈশিষ্ট্য:
- বৃষ্টিপাত: ITCZ এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, বিশেষত গ্রীষ্মকালীন সময়ে।
- বাতাসের সংঘর্ষ: উত্তর গোলার্ধের ট্রপিক্যাল বাতাস এবং দক্ষিণ গোলার্ধের ট্রপিক্যাল বাতাস এখানে একে অপরকে ঠেকিয়ে আসে। এই সংঘর্ষের ফলে উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাস উপরে উঠে যায় এবং এটি মেঘ সৃষ্টি করে, যা বৃষ্টি নিয়ে আসে।
- ঋতুবর্তী পরিবর্তন: ITCZ-এর অবস্থান বছরের বিভিন্ন সময়ে বদলায়। গ্রীষ্মকালে এটি উত্তর দিকে চলে যায় এবং শীতকালে দক্ষিণ দিকে চলে আসে।
- এই অঞ্চলটি পৃথিবীর বেশ কিছু ট্রপিক্যাল এলাকায়, যেমন আফ্রিকা, এশিয়া, ও লাতিন আমেরিকাতে, বিশেষভাবে প্রভাব বিস্তার করে এবং এটি গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

উৎস: National Oceanic and Atmospheric Administration (.gov).

৬,০৫৪.
ভূমিকম্পের তরঙ্গের উৎপত্তি যে স্থান থেকে হয়, তাকে কী বলে?
  1. কেন্দ্র
  2. অগ্রকেন্দ্র
  3. উপকেন্দ্র
  4. ভূকেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্র
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্প:
- ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিূকম্প বলে।
- একটি শান্ত পুকুরে টিল ছুড়লে যেভাবে ঢেউ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে তেমনি পৃথিবীর অভ্যন্তরে যেখানে তরঙ্গ শক্তি উৎপত্তি হয় সেখানে থেকে মুক্ত শক্তি টেউয়ের মত শিলায় তরঙ্গের সৃষ্টি করে এবং চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র বলে।
- কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলে।
- ভূমিকম্পের উৎপত্তির কেন্দ্র হতে দূরত্ব বৃদ্ধির সাথে ভূ-কম্পন শক্তি হ্রাস পায়।
- ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূ-অভ্যন্তরের প্রায় ১৬-২০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হয়ে থাকে।
- যে যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্প পরিমাপ করা হয় তাকে বলা হয় সিসমোগ্রাফ।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৫৫.
উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় রাত কোনটি?
  1. ক) ২১ জুন
  2. খ) ২২ জুন
  3. গ) ২২ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ২১ মার্চ
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও সবচেয়ে ছোট রাত হলো ২১ জুন। এদিন দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও সবচেয়ে বড় রাত।
২২ ডিসেম্বর উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় রাত ও ছোট দিন। একইদিন দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত বিরাজ করে।
২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান থাকে।
উৎসঃ ভুগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি
৬,০৫৬.
বাংলাদেশে কোন ধরণের বন্যা ফসল উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে?
  1. ক) উপকূলীয় বন্যা
  2. খ) মৌসুমী বন্যা
  3. গ) নগর বন্যা
  4. ঘ) আকস্মিক বন্যা
সঠিক উত্তর:
খ) মৌসুমী বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মৌসুমী বন্যা
ব্যাখ্যা
বন্যার প্রকারভেদ : সাধারণত বন্যা চার প্রকারের হয়ে থাকে। যথা-মৌসুমী বন্যা, আকস্মিক বন্যা, উপকূলীয় বন্যা এবং
নগর বন্যা।
১. মৌসুমী বন্যা (Seasonal Flood) : বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে যে বন্যার সৃষ্টি হয়, তাকে মৌসুমী বন্যা বলে। কৃষি নির্ভর বাংলাদেশে মৌসুমী বন্যা তেমন ক্ষতি করে না বরং ফসল উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। তবে মাঝে মাঝে বন্যা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে যা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে ।
২. আকস্মিক বন্যা (Flash Flood) : বর্ষা মৌসুম ব্যতীত অন্য যে কোনো মৌসুমী আকস্মিক বৃষ্টিপাত বা পাহাড়ি ঢলের ফলে যে বন্যার সৃষ্টি হয়, তাকে আকস্মিক বন্যা বলে। বাংলাদেশের সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কিশোরগঞ্জ প্রভৃতি জেলায়
আকস্মিক বন্যা হতে দেখা দেয়। বোরো মৌসুমে এ ধরনের বন্যা হলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
৩. উপকূলীয় বন্যা (Coastal Flood) : উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, সুনামি বা জোয়ার-ভাটাজনিত কারণে যে বন্যা সৃষ্টি হয়, তাকে উপকূলীয় বন্যা বলে ।
৪. নগর বন্যা (Urban Flood) : নগর এলাকায় সুষ্ঠু ও পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকলে বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে বন্যা দেখা দেয়। এ ধরনের বন্যাকে নগর বন্যা বলে। ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ বেশ কয়েকটি বড় শহরে এ ধরনের বন্যা
দেখা দেয় ।
 
উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,০৫৭.
বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় সহজ প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা নয় কোনটি?
  1. দেশের সর্বত্র বনায়ন সৃষ্টি করা।
  2. বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন।
  3. শহর বেষ্টনীমূলক বাঁধ দেয়া।
  4. নদীর দু'তীরে বেড়িবাঁধ দিয়ে নদীর পানি উপচে পড়া বন্ধ করা।
সঠিক উত্তর:
বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন।
ব্যাখ্যা
বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (Flood Control Measures):

⇒ সহজ প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা (Easy engineering management)
(১) নদীর দু'তীরে বেড়িবাঁধ দিয়ে নদীর পানি উপচেপড়া বন্ধ করা।
(২) দেশের সর্বত্র বনায়ন সৃষ্টি করা।
(৩) রাস্তাঘাট নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা।
(৪) বন্যা প্রবল অঞ্চলে সর্বোচ্চ বন্যা লেভেলের উপরে 'আশ্রয়কেন্দ্র' প্রতিষ্ঠা করা।
(৫) শহর বেষ্টনীমূলক বাঁধ দেওয়া।

অন্যদিকে 
⇒ সাধারণ ব্যবস্থাপনা (General management)
(১) সহজে স্থানান্তরযোগ্য বসতি তৈরি করা।
(২) নদীর দু'তীরে ঘন জঙ্গল সৃষ্টি করা।
(৩) নদী-শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা।
(৪) বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন।
(৫) পুকুর, নালা, বিল প্রভৃতি খনন করা এবং সেচের পানি সংরক্ষণ করা।
(৬) প্রতি বছর বন্যা মোকাবেলার জন্য সরকারিভাবে স্থায়ী প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা।

এছাড়াও
⇒ শ্রমসাধ্য ও ব্যয়বহুল প্রকৌশল ব্যবস্থাপনা (Labour intensive and expensive engineering management)
(১) ড্রেজারের মাধ্যমে নদীর তলদেশ খনন করে পানির পরিবহন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
(২) সন্নিহিত স্থানে জলাধার নির্মাণের মাধ্যমে পানিপ্রবাহকে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা।
(৩) ভারত থেকে আসা পানিকে বাঁধের সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন করা।
(৪) সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার পানির অনুপ্রবেশ বন্ধ করা
(৫) নদী তীরকে স্থায়ী সুদৃঢ় কাঠামোর সাহায্যে সংরক্ষণ করা।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,০৫৮.
ইতালির ভিসুভিয়াস কী ধরনের পর্বত?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
  3. আগ্নেয় পর্বত
  4. ল্যাকোলিথ পর্বত
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় পর্বত
ব্যাখ্যা

ভিসুভিয়াস পর্বত:
- ভিসুভিয়াস পর্বত (Mount Vesuvius) ইতালিতে অবস্থিত।
- এটি একটি আগ্নেয় পর্বত।
- ভিসুভিয়াস পর্বত বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক আগ্নেয়গিরিগুলির মধ্যে একটি হিসেবে পরিচিত।
- ৭৯ খ্রিষ্টাব্দে ভিসুভিয়াস পর্বতের ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতের ফলে পম্পেই ও হারকুলেনিয়াম শহর দুটি ধ্বংস হয়ে যায়।
- এই অগ্ন্যুৎপাতের কারণে আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ থেকে নির্গত লাভা, ছাই এবং গ্যাস দ্রুতভাবে শহরগুলোকে আচ্ছন্ন করে ফেলে, যা এতে বসবাসরত মানুষের জন্য মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

​⇒ ​আগ্নেয় পর্বত:
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদগিরিত হয়ে চারদিকে সঞ্চিত হয়। পরবর্তীতে জমে ঠান্ডা হয়ে যে শিলাস্তূপের সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।
- আগ্নেয় পর্বতের উৎপত্তি কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূ-আলোড়নের জন্য ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে। এই উত্তপ্ত লাভা ফাটলের চতুর্দিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি করে।
- যেমন- জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি।

​অন্যদিকে,
- চ্যুতি-স্তূপ পর্বত: ভারতের বিন্ধ্যা ও সাতপুরা পর্বত, জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট, পাকিস্তানের লবণ পর্বত।
- ল্যাকোলিথ পর্বত: যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত।
- ভঙ্গিল পর্বত (Folded Mountain): এশিয়ার হিমালয়, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ, উত্তর আমেরিকার রকি এবং ইউরোপের আল্পস পর্বতমালা।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৫৯.
মায়ানমার, লাওস ও থাইল্যান্ড সীমান্তে অবস্থিত আফিম উৎপাদনকারী অঞ্চল কী নামে পরিচিত?
  1. গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল
  2. গোল্ডেন ক্রিসেন্ট
  3. গোল্ডেন ওয়েজ
  4. গোল্ডেন ভিলেজ
সঠিক উত্তর:
গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল
ব্যাখ্যা
গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল:
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তিনটি (মায়ানমার ,থাইল্যান্ড ,লাওস)দেশের সীমান্তে অবস্থিত আফিম উৎপাদনকারী অঞ্চল
- এদের অবস্থানগত আকৃতি ত্রিভুজের মত।

অন্যদিকে -
- গোল্ডেন ক্রিসেন্ট: আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান সীমান্তে অবস্থিত আফিম মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চল।
- গোল্ডেন ওয়েজ: বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল সীমান্ত যা মাদক পাচার ও চোরাচালানের জন্য বিখ্যাত ।
- গোল্ডেন ভিলেজ: বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ২৬ টি গ্রামকে গাঁজা উৎপাদনের জন্য 'গোল্ডেন ভিলেজ' বলা হয়।

উৎস: Britannica.
৬,০৬০.
ইউনেস্কো সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে কোন সালে?
  1. ১৯৮৫ সালে 
  2. ১৯৯৭ সালে 
  3. ২০০১ সালে 
  4. ২০০৫ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে 
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, যা জলাভূমির বন হিসেবেও পরিচিত।
- সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
- এই বনের অধিকাংশ অংশ দিনে দু’বার জোয়ার ভাটার কারণে লোনা পানিতে ডুবে যায়, যা ম্যানগ্রোভ বন হিসাবে এর বিশেষত্ব তৈরি করে।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০,০০০ বর্গকিমি।
- এর মধ্যে বাংলাদেশে বিস্তৃত সুন্দরবনের আয়তন ২,৪০০ বর্গমাইল বা ৬২%।
- সুন্দরবন যে এলাকাগুলো জুড়ে রয়েছে: সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, বরগুনা।
- সুন্দরবনকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা হয়। 
- কারণ এই বন বিপুল পরিমাণ অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং উপকূলীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।
- ১৮৭৮ সালে সুন্দরবনকে সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ৭ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো এই বনকে ৭৯৮তম ‘World Heritage Site’ বা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

- সুন্দরবন অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ প্রজাতির মধ্যে রয়েছে—
- সুন্দরী, গড়ান, গেওয়া, পশুর, ধুন্দুল, কেওড়া, বাইন, ওড়া, হেন্দাল ও কাঁকড়া প্রভৃতি।
- এসব উদ্ভিদ লবণাক্ত জলাভূমি পরিবেশে টিকে থাকার জন্য বিশেষভাবে অভিযোজিত।

- সুন্দরী বৃক্ষ এই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ গাছ।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই গাছটি “লুকিং গ্লাস ট্রি (Looking Glass Tree)” নামে পরিচিত।
- সুন্দরী গাছের প্রাচুর্যের কারণেই এই বনভূমির নামকরণ করা হয়েছে “সুন্দরবন”।

উৎস:
১. বন অধিদপ্তর,
২. বাংলাপিডিয়া;
৩. জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৬,০৬১.
বাবেল মান্দেব কোন ভাষার শব্দ?
  1. ক) ফারসি
  2. খ) উর্দু
  3. গ) আরবি
  4. ঘ) ইংরেজি
সঠিক উত্তর:
গ) আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আরবি
ব্যাখ্যা
Bab el-Mandeb Strait, Arabic Bāb al-Mandab, the strait between Arabia (northeast) and Africa (southwest) that connects the Red Sea (northwest) with the Gulf of Aden and the Indian Ocean (southeast). 
Source: Brittanica.com
৬,০৬২.
বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম চায়ের চাষ শুরু হয় কোথায়?
  1. পঞ্চগড়
  2. রাঙামাটি
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালিনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চায়ের চাষ শুরু হয়।
বর্তমানে দেশে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেট, চট্টগ্রাম, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও রাঙামাটি জেলায় মোট ১৬৭টি চা বাগান ও টি এস্টেট রয়েছে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড)
৬,০৬৩.
নিচের কোনটি মিঠা পানির উৎস?
  1. ক) হ্রদ
  2. খ) মহাসাগর
  3. গ) উপসাগর
  4. ঘ) সাগর
সঠিক উত্তর:
ক) হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হ্রদ
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- লবণাক্ত ও মিঠা পানি।
পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,০৬৪.
গ্রানাইট থেকে কোন রূপান্তরিত শিলার সৃষ্টি হয়?
  1. ক) নিস
  2. খ) কোয়ার্টজাইট
  3. গ) স্লেট
  4. ঘ) গ্রাফাইট
সঠিক উত্তর:
ক) নিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিস
ব্যাখ্যা
অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয়, যা রূপান্তরিত শিলা নামে পরিচিত। রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ। যেমন- গ্রানাইট থেকে নিস বা নাইস, কয়লা থেকে গ্রাফাইট, চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট ইত্যাদি রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ। সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৬,০৬৫.
'চৌম্বক শিলা' আবিষ্কৃত হয়েছে কোন জেলায়?
  1. নেত্রকোনা
  2. দিনাজপুর
  3. রংপুর
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
সাম্প্রতিক সময়ে দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলায় চৌম্বক শিলা (চৌম্বক, হেমাটাইট) আবিষ্কার করেছে।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
৬,০৬৬.
বাংলাদেশের কোন শহরটিকে প্রথম 'সাইবার সিটি' বলা হয়?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) চট্রগ্রাম
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
ব্যাখ্যা
২৭ জুলাই ২০১৯ পরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন বলেছেন, 'দেশের প্রথম ‘ডিজিটাল সিটি’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলো সিলেট। এখন সিলেট নিরাপত্তা সুবিধা সহ আধুনিক স্মার্ট নগরী হিসেবে গড়ে উঠেছে।' বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের বাস্তবায়নাধীন ‘ডিজিটাল সিলেট সিটি’ প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত ‘পাবলিক ওয়াইফাই জোন’ ও ‘আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স সংবলিত আইপি ক্যামেরা বেজড সার্ভিলেন্স সিস্টেম’ এবং তথ্য কমিশনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত ‘তথ্য অধিকার (আরটিআই) অনলাইন ট্র্যাকিং সিস্টেম’-এর পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। কিন্তু, এখানে উল্লেখ্য যে, নির্দিষ্ট করে সাইবার সিটির বিষয়ে ২০১৫ সালে ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ঘোষণা দিয়েছিলেন 'চট্টগ্রাম মহানগরের বাকলিয়ায় দেশের প্রথম সাইবার সিটি এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) হাইটেক পার্ক তৈরী হবে।' কিন্তু ভূমি জটিলতায় তা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি।
Source: দৈনিক সমকাল
৬,০৬৭.
‘হর্ন অন্তরীপ' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. জার্মান
  2. চিলি
  3. স্পেন
  4. গ্রিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
চিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিলি
ব্যাখ্যা
• ফ্রান্স স্পেন ভূ-ভাগের যে অংশ ক্রমশ সরু হয় সাগরের মধ্যে প্রসারিত হয় তা অন্তরীপ নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর বিখ্যাত অন্তরীপসমূহ:

- হর্ন অন্তরীপ : চিলি।
- ট্রাফালগার অন্তরীপ : স্পেন।
- উত্তমাশা অন্তরীপ : দক্ষিণ আফ্রিকা।
-  রিস জেসাপ অন্তরীপ : গ্রিনল্যান্ড।
- গার্দাফুই অন্তরীপ : সোমালিয়া।
- কন্যাকুমারী অন্তরীপ : ভারত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
৬,০৬৮.
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের অবস্থিত দ্বীপ কোনটি?
  1. ছেঁড়া দ্বীপ
  2. টেকনাফ দ্বীপ
  3. মহেশখালী দ্বীপ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ছেঁড়া দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছেঁড়া দ্বীপ
ব্যাখ্যা

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান হলো ছেড়াদ্বীপ। এটি সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণে অবস্থিত এবং বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের বিন্দু হিসেবে পরিচিত। সর্ব দক্ষিণের উপজেলা হলো টেকনাফ এটি কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত। এছাড়া, সর্ব দক্ষিণের জেলা হলো কক্সবাজার।

সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা। বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া। বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং। বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি। দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা। বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ। বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

সূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট এবং ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি। 

৬,০৬৯.
Which desert does "The Great Wall of China" pass through?
  1. ক) Atacama Desert
  2. খ) Slimpson Desert
  3. গ) Gobi Desert
  4. ঘ) Sahara Desert
সঠিক উত্তর:
গ) Gobi Desert
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Gobi Desert
ব্যাখ্যা
- The Great Wall stretches across 15 northern Chinese provinces, municipalities and autonomous regions, from the Bohai Sea in the east to the Gobi Desert, 2,500 kilometers away in the west.
- There are 15 geographically important passes built along the route.

Source: artsandculture.google.com
৬,০৭০.
ইয়াংঙ্গুন কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) টিবের
  2. খ) রাইন
  3. গ) রাভী
  4. ঘ) ইরাবতী
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইরাবতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইরাবতী
ব্যাখ্যা

ইয়াঙ্গুন শহরটি ইরাবতী নদীর তীরে অবস্থিত।
অন্যদিকে, টিবের নদীর তীরে ইতালির রোম শহর,
রাইন নদীর তীরে জার্মানির বন শহর এবং
রাভী নদীর তীরে পাকিস্তানের লাহোর শহর অবস্থিত।
সূত্র: Worldatlas

৬,০৭১.
UNESCO কত সালে গ্রেট ব্যারিয়ার রিফকে বিশ্ব হেরিটেজ সাইট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮১ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ:
- এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং দীর্ঘতম প্রবাল রিফ।
- রিফটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১,২৫০ মাইল (২,০০০ কিলোমিটার) এবং বিস্তৃতি ১০ থেকে ১০০ মাইল (১৬ থেকে ১৬০ কিলোমিটার) পর্যন্ত।
- এর আয়তন প্রায় ১,৩৫০০০ বর্গমাইল (৩৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার)।
- ২,১০০টি পৃথক রিফ এবং ৮০০টি ফ্রিঞ্জিং রিফ রয়েছে।
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের উপকূলে, প্রশান্ত মহাসাগরের কোরাল সাগরে অবস্থিত।
- এই রিফের পানি সাধারণত স্ফটিকস্বচ্ছ এবং গরম জলের পরিবেশে প্রবালগুলো বেড়ে ওঠে, গড় তাপমাত্রা ২১°C থেকে ৩৮°C পর্যন্ত থাকে।
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ ১৭৭০ সালে ব্রিটিশ অভিযাত্রী ক্যাপ্টেন জেমস কুক দ্বারা আবিষ্কৃত হয়েছিল।
- ১৯৮১ সালে UNESCO এটি বিশ্ব হেরিটেজ সাইট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- এটি ২,৯০০ এর বেশি একক রিফ দ্বারা গঠিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট এবং ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট।
৬,০৭২.
ফুজিয়ামা কী?
  1. শহর
  2. চিত্রকর্ম
  3. আগ্নেয়গিরি
  4. হ্রদ
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয়গিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয়গিরি
ব্যাখ্যা
• আগ্নেয়গিরি (Volcano):
- কোনো কোনো সময় ভূগর্ভের চাপ প্রবল হলে শিলাস্তরের কোনো দুর্বল অংশ ফেটে যায় বা সুড়ঙ্গের সৃষ্টি হয়।
- ভূপৃষ্ঠের দুর্বল অংশের ফাটল বা সুড়ঙ্গ দিয়ে ভূগর্ভের উষ্ণ বায়ু, গলিত শিলা, ধাতু, ভস্ম, জলীয়বাষ্প, উত্তপ্ত পাথরখণ্ড, কাদা, ছাই প্রভৃতি প্রবলবেগে ঊর্ধ্বে উৎক্ষিপ্ত হয়।
- ভূপৃষ্ঠে ঐ ছিদ্রপথ বা ফাটলের চারপাশে ক্রমশ জমাট বেঁধে যে উঁচু মোচাকৃতি পর্বত সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয়গিরি বলে।
- আগ্নেয়গিরির মুখকে জ্বালামুখ এবং জ্বালামুখ দিয়ে নির্গত গলিত পদার্থকে লাভা বলে।

আগ্নেয়গিরির প্রকারভেদ (Types of Volcanoes):
অগ্ন্যুৎপাতের ভিত্তিতে আগ্নেয়গিরিকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়।

১। সক্রিয় আগ্নেয়গিরি (Active Volcano):
যেসব আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত এখনও বন্ধ হয়নি, তাকে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি বলে।
যেমন-
হাওয়াই দ্বীপের মাওনালেয়া ও মাওনাকেয়া।

২। সুপ্ত আগ্নেয়গিরি (Dormant Volcano):
যেসব আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত অনেককাল আগে বন্ধ হয়ে গেছে; তাদেরকে সুপ্ত আগ্নেয়গিরি বলে।
যেমন-
জাপানের ফুজিয়ামা।

৩। মৃত আগ্নেয়গিরি (Extinct Volcano):
যেসব আগ্নেয়গিরি দীর্ঘকাল ধরে নিষ্ক্রিয় হয়ে আছে এবং ভবিষ্যতেও অগ্ন্যুৎপাতের সম্ভাবনা নেই, সেগুলোকেইমৃত আগ্নেয়গিরি বলে।
যেমন-
ইরানের কোহিসুলতান।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
৬,০৭৩.
গোবী মরুভূমি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মঙ্গোলিয়া ও চীন
  2. খ) ভারত ও পাকিস্তান
  3. গ) চীন ও জাপান
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
সঠিক উত্তর:
ক) মঙ্গোলিয়া ও চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মঙ্গোলিয়া ও চীন
ব্যাখ্যা
• গোবী মরুভূমি (Gobi Desert) মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত একটি বিশাল মরুভূমি।
• মরুভূমিটির অবস্থান মঙ্গোলিয়া ও চীন - দুই দেশে বিস্তৃত।
• মরুভূমিটি আনুমানিক ১৩ লক্ষ (১২ লক্ষ ৯৫ হাজার) বর্গকিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট।

•বিখ্যাত কিছু মরুভূমির অবস্থান - 
- থর মরুভূমি : ভারত ও পাকিস্তান।
- গোবি মরুভূমি : চীন ও মঙ্গোলিয়া
- মোজাবে মরুভূমি : যুক্তরাষ্ট্র
- সাহারা মরুভূমি : আফ্রিকা

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৬,০৭৪.
সর্বশেষ আদমশুমারি অনুসারে, জনসংখ্যায় বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলা কোনটি?
  1. ক) নারায়ণগঞ্জ
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) হবিগঞ্জ
  4. ঘ) চাঁদপুর
সঠিক উত্তর:
খ) বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
পঞ্চম আদমশুমারি ২০১১ অনুসারে, জনসংখ্যায় বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলা বান্দরবান। প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৮৭ জন লোক বসবাস করে। আয়তনের দিক থেকে ক্ষুদ্রতম হলো নারায়ণগঞ্জ।
৬,০৭৫.
নিচের কোন তথ্যটি ভুল?
  1. উত্তর গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জানুয়ারি
  2. উত্তর গোলার্ধে শীতলতম মাস - জানুয়ারি
  3. দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জানুয়ারি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উত্তর গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
- উত্তর গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জুলাই
- উত্তর গোলার্ধে শীতলতম মাস - জানুয়ারি
- দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জানুয়ারি
- দক্ষিণ গোলার্ধে শীতলতম মাস - জুলাই

উৎস: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৬,০৭৬.
গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে কীসে পরিনত হয়? 
  1. মার্বেল
  2. কোয়ার্টজাইট
  3. নিস
  4. চুনাপাথর 
সঠিক উত্তর:
নিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিস
ব্যাখ্যা

শিলা:
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ, রাসায়নিক ক্রিয়া প্রভৃতির ফলে রূপ পরিবর্তন করে যে নতুন শিলায় পরিণত হয় তা  রূপান্তরিত শিলা নামে পরিচিত।
• বিভিন্ন রূপান্তরিত শিলা:
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইট,
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল,
- বেলপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস পরিনত হয়।

অন্যদিকে,
- গ্রানাইট: আগ্নেয় শিলা
- কয়লা ও চুনাপাথর: পাললিক শিলা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি।

৬,০৭৭.
Which is the longest river in Bangladesh?
  1. Ichamati
  2. Padma
  3. Meghna
  4. Jamuna
সঠিক উত্তর:
Ichamati
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ichamati
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নদী:
- জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের মতে বাংলাদেশে নদীর সংখ্যা ৯০৭টি।
- সবচেয়ে বেশি নদ-নদী সিলেট বিভাগে।
- এই বিভাগের চারটি জেলায় নদীর সংখ্যা ১৫৭।
- সবচেয়ে কম নদী চট্টগ্রাম বিভাগে।
- এই বিভাগে নদীর সংখ্যা ৬০।

দীর্ঘতম নদী:
- জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশের দীর্ঘতম নদী হচ্ছে ইছামতী।
- এর দৈর্ঘ্য ৩৩৪ কিলোমিটার।
- চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহ ও সাতক্ষীরা —এই চারটি জেলার ১০টি উপজেলার ওপর দিয়ে নদীটি বয়ে গেছে। এ
- এর উৎস ভারতে, নদীটি মিশেছে সাতক্ষীরার আরেক নদী রায়মঙ্গলে।
- চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহ ও সাতক্ষীরার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতী নদীর পাশাপাশি একই নামে আরও ৯টি নদী দেশের বিভিন্ন জেলায় রয়েছে। 
- দেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদ ধনু। নদী রক্ষা কমিশন বলছে, এই নদের দৈর্ঘ্য ৩০৩ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৬ আগস্ট ২০২৩।
৬,০৭৮.
বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে শীতলতম তাপমাত্রা ধারণ করে-
  1. তাপমণ্ডল
  2. এক্সোমণ্ডল
  3. মেসোমণ্ডল
  4. স্ট্র্যাটোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

মেসোমণ্ডল (Mesosphere):
- স্ট্রাটোবিরতির উপরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে মেসোমণ্ডল বলে। 
​- এই স্তরের উপরে তাপমাত্রা হ্রাস পাওয়া থেমে যায়। 
​- এই স্তরকে মেসোবিরতি (Meso-pause) বলে।

​মেসোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of the Mesosphere):
(ক) এই স্তরে ট্রপোমণ্ডলের মতোই উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা কমতে থাকে। যা-৮৩° সেলসিয়াস পর্যন্ত নিচে নেমে যায়। মেসোমণ্ডল বায়ুমন্ডলের সবচেয়ে শীতলতম তাপমাত্রা ধারণ করে।

​(খ) মহাকাশ থেকে যেসব উল্কা পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে সেগুলোর অধিকাংশই এই স্তরের মধ্যে এসে পুড়ে যায়।

​​তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,০৭৯.
'পশ্চিমা বায়ু' দক্ষিণ গোলার্ধের কোন দিক থেকে প্রবাহিত হয়?
  1. দক্ষিণ-পশ্চিম
  2. উত্তর-পশ্চিম
  3. পুর্ব-পশ্চিম
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিম
ব্যাখ্যা

পশ্চিমা বায়ু (The Westerlies):
- কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে অয়ন বায়ু ব্যতীত আরও দুটি বায়ুপ্রবাহ মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
- উত্তর গোলার্ধে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়।
- এ বায়ুপ্রবাহকে পশ্চিমা বায়ু বলে।
- উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগের পরিমাণ অধিক বলে স্থানীয় কারণে পশ্চিমা বায়ুর সাময়িক বিরতি ঘটে।
- কিন্তু দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমাণ বেশি বলে পশ্চিমা বায়ু প্রবলবেগে এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়।
- এজন্য এই বায়ুপ্রবাহকে প্রবল পশ্চিমা বায়ু (Brave west winds) বলে।
- ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি।
- এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring forties) বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৬,০৮০.
খনিজ সম্পদ 'জিরকন' বিপুল পরিমানে মজুদ রয়েছে কোথায়?
  1. মৌলভীবাজার
  2. দিনাজপুর
  3. কক্সবাজার
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
- কক্সবাজার সদরের নাজিরটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সৈকতের বালিতে ১২ হাজার কোটি টাকারও বেশি দামের অন্তত ১৭ লাখ ৪০ হাজার টন খনিজ পদার্থ মজুত রয়েছে।
- বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশনের (বিএইসি) সাবেক চেয়ারম্যান ড. আনোয়ার হোসেন বলেছেন, সৈকত বালিতে মোট খনিজের প্রাক্কলিত মজুতের পরিমাণ ৪৪ লাখ (৪ দশমিক ৪ মিলিয়ন) টন।
- প্রকৃত সমৃদ্ধ খনিজের পরিমাণ প্রায় ১৭ লাখ ৫০ হাজার টন (এক দশমিক ৭৫ মিলিয়ন)।
- তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে উচ্চ চাহিদাধর্মী মজুত আকরিক রফতানি করতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মূল্যবান খনিজ বালি জিরকন, ইলমেনাইট, ম্যাগনেটাইট, গারনেট ও রুটাইল উত্তোলন করা যেতে পারে।
- প্রিমিয়ার মিনারেলস নামে একটি অস্ট্রেলীয় কোম্পানি ব্যয়বহুল খনিজসম্পদ জিরকন উত্তোলনের জন্য প্রাথমিকভাবে ৪শ’ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব দিয়েছে।
- তিনি বলেন, প্রাথমিক সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রতিটন জিরকনের দাম প্রায় ৬০ হাজার টাকা এবং বাকিগুলোর দাম গড়ে ৬ হাজার টাকা।
উৎস: কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট
৬,০৮১.
মার্বেল পাথর কোন ধরনের শিলা?
  1. আগ্নেয় শিলা 
  2. রূপান্তরিত শিলা 
  3. পাললিক শিলা 
  4. মিশ্র শিলা 
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা 
ব্যাখ্যা

 • রূপান্তরিত শিলা:
- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।

- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ।

রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
যেমন-
চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট,
- গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে,
- কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৮২.
'শাণিত ষাট' (Screaming Sixties) কোন বায়ুর সাথে সম্পর্কিত?
  1. অয়ন বায়ু
  2. মৌসুমি বায়ু
  3. মেরু বায়ু
  4. পশ্চিমা বায়ু
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমা বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমা বায়ু
ব্যাখ্যা
পশ্চিমা বায়ু (Westerlies):
-৩৫° থেকে ৬০° অক্ষাংশের মাঝে উভয় গোলার্ধে অপেক্ষাকৃত উষ্ণ ও হালকা বায়ু প্রবাহিত হয়ে মেরু অভিমুখে গমন করে। এ বায়ুকে পশ্চিমা বায়ু বলে।
- উত্তর গোলার্ধে এ বায়ু দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়।
- উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগের আধিক্যের জন্য বায়ু প্রবাহ ইতম্ভ ও স্থানীয় ভাবে বিভিন্ন গতির হলেও গড় গতি দক্ষিণ পশ্চিমেই হয়।
- দক্ষিণ গোলার্ধে প্রবাহ মোটামুটি নিয়ত।
- দক্ষিণ গোলার্ধে এ প্রবাহ ৪০° থেকে ৬০° অক্ষাংশে সর্বাধিক।
- এ অঞ্চলকে বলা হয় 'গর্জনশীল চল্লিশা' (Roaring Forties). 'উম্মত্ত পঞ্চাশ' (Furious Fifties) এবং 'শাণিত ষাট' (Screaming Sixties)।

উৎস:-(পৃষ্ঠা নং ১৫৮) ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি এ /বি এস এস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৮৩.
বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায় কোন ধরনের বন্যা দেখা যায়?
  1. আকস্মিক বন্যা
  2. মৌসুমী বন্যা
  3. উপকূলীয় বন্যা
  4. নগর বন্যা
সঠিক উত্তর:
আকস্মিক বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকস্মিক বন্যা
ব্যাখ্যা
বন্যা (Flood):
- বন্যা বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে।
- প্রায় প্রতি বছর দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়।
- ধরণ ও প্রকৃতি অনুযায়ী বন্যাকে চার ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা: মৌসুমী বন্যা, আকস্মিক বন্যা, উপকূলীয় বন্যা এবং নগর বন্যা।

মৌসুমী বন্যা:
- বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে যে বন্যার সৃষ্টি হয় তাকে মৌসুমী বন্যা বলে।
- কৃষি নির্ভর বাংলাদেশে মৌসুমী বন্যা তেমন ক্ষতি করে না তবে কখনো কখনো মারাত্মক ক্ষতিকর রূপ ধারণ করে।
- মৌসুমী বন্যার মাত্রা স্বভাবিক হলে ফসল উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

আকস্মিক বন্যা:
- বর্ষা মৌসুম ব্যতীত অন্য যে কোনো মৌসুমে আকস্মিক বৃষ্টিপাতের ফলে বা পাহাড়ি ঢলে যে বন্যার সৃষ্টি হয় তাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
- বাংলাদেশের সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, নেত্রকোণা এবং কিশোরগঞ্জ জেলায় প্রায় প্রতি বছর আকস্মিক বন্যা হতে দেখা যায়।

উপকূলীয় বন্যা:
- উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, সুনামি বা জোয়ার-ভাটাজনিত কারণে যে বন্যা সৃষ্টি হয় তাকে উপকূলীয় বন্যা বলে।
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জেলাসমূহে এ ধরনের বন্যা দেখা দেয়।

নগর বন্যা:
- নগর এলাকায় সুষ্ঠু ও পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকলে বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হলে বন্যা দেখা দেয়।
- এ ধরনের বন্যাকে নগর বন্যা বলে।
- ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় শহরে এ ধরনের বন্যা দেখা যায়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,০৮৪.
বাংলাদেশে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয় -
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
জিআইএস (GIS):
- GIS-এর পূর্ণরূপ: Geographic information systems.
- GIS হলো ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ ব্যবস্থা।
- সাধারণ অর্থে জিআইএস বলতে স্থানিক ও অস্থানিক উপাত্ত সংগ্রহ করে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য সমন্বয় করে তা মানচিত্রে উপস্থাপন করাকে বুঝায়।
- অর্থাৎ জিআইএস হলো কম্পিউটারের মাধ্যমে কোনো তথ্য ধারণ করে ভূ-পৃষ্ঠের কোনো অবস্থানের চিত্র বর্ণনা করা।
 
উল্লেখ্য,
- ১৯৬৪ সালে কানাডিয়ান The Canadian Geographic Information System (CGIS)' এর মাধ্যমে জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।
- সত্তরের দশকে নগর পরিকল্পনায় প্রথম কম্পিউটারভিত্তিক জিআইএস ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮০ সালের পর জিআইএস এর ব্যাপক প্রসার ঘটে।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়

⇔ জিআইএসের উপাদান (Elements of GIS):
- জিআইএস পাঁচটি উপাদানের সমন্বয়ে কাজ করে থাকে।
১. হার্ডওয়্যার
২. সফট্ওয়্যার
৩. উপাত্ত
৪. উপাত্ত ভিত্তি এবং
৫. প্রশিক্ষিত ও দক্ষ মানুষ৷

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৮৫.
নিচের কোনটি জলবায়ুর নিয়ামক নয়? 
  1. সমুদ্রস্রোত
  2. অক্ষাংশ
  3. দ্রাঘিমাংশ
  4. বায়ুপ্রবাহ
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমাংশ
ব্যাখ্যা

- দ্রাঘিমাংশ  জলবায়ুর নিয়ামক নয়।
- পৃথিবীর কোনো স্থান নির্ণয় করতে গেলে দ্রাঘিমাংশ প্রয়োজন হয়।

• জলবায়ু (Climate): 
- পরিবর্তনশীল আবহাওয়ায় কোনো স্থানের বায়ুর তাপ, চাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ইত্যাদির ৩০-৪০ বছরের গড় অবস্থাকে সে স্থানের জলবায়ু বলা হয়। 
- অক্ষাংশ, সমুদ্র হতে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহের দিক, ভূ-পৃষ্ঠের উচ্চতা, সমুদ্রস্রোত ইত্যাদি নিয়ামকের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন অঞ্চলে জলবায়ুর পার্থক্য দেখা যায়।

» জলবায়ুর নিয়ামক:
১। অক্ষাংশ
২। উচ্চতা
৩। সমুদ্র থেকে দূরত্ব
৪। স্থলভাগ ও জলভাগের অবস্থান
৫। সমুদ্রস্রোত
৬। ভূমির ঢাল
৭। ভূ-প্রকৃতি
৮। বায়ুপ্রবাহ
৯। বায়ুর চাপ এবং
১০। বনভূমির অবস্থান।

» জলবায়ুর উপাদান:
১। বায়ুর তাপ
২। চাপ
৩। বারিপাত
৪। আর্দ্রতা 
৫। বায়ুপ্রবাহ।

তথ্যসূত্র: ভুগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, ও ভুগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৮৬.
নিচের কোনটি 'প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা' নয়?
  1. সোনাদিয়া দ্বীপ
  2. হাকালুকি হাওর
  3. চলনবিল
  4. শীতলক্ষ্যা নদী
সঠিক উত্তর:
চলনবিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চলনবিল
ব্যাখ্যা

প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিলের নাম চলনবিল।
- এটি রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, এবং পাবনা জেলা জুড়ে বিস্তৃত।
- - ব্রহ্মপুত্র নদ যখন তার প্রবাহপথ পরিবর্তন করে বর্তমান যমুনায় রূপ নেয়, সে সময়েই চলনবিলের সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র: পরিবেশ অধিদপ্তর [লিংক] 

৬,০৮৭.
নিম্নের কোন অঞ্চলে 'ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি' দেখা যায়?
  1. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  2. খুলনা, সাতক্ষীরা
  3. খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি
  4. দিনাজপুর ও রংপুর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনভূমি:
জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়-
১) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি;
২) ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি;
৩) স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

⇒ ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।
- চাপালিশ, তেলসুর, ময়না, গর্জন, জারুল, গামার, কড়ই, সেগুন প্রভৃতি এই বনভূমির প্রধান বৃক্ষ।

অন্যদিকে,
ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের পাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ যেমন ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার বরেন্দ্র বনভূমিকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি বলা হয়।
- এই বনভূমির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শীতকালে এই বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায় এবং গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, উত্তরে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা, পূর্বে হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে রাইমঙ্গল, হাড়িয়াভাঙ্গা নদী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আংশিক প্রান্তসীমা পর্যন্ত এ বনভূমি বিস্তৃত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,০৮৮.
মৃত সাগর কোথায় অবস্থিত?
  1. জর্ডান
  2. লেবানন
  3. সিরিয়া
  4. তুর্কিয়ে
সঠিক উত্তর:
জর্ডান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্ডান
ব্যাখ্যা
মৃত সাগর/ডেড সি:
- ডেড সি জর্ডানে অবস্থিত।
- মৃত সাগর বা লবণ সাগর নামেও পরিচিত।
- এই প্রাকৃতিক বিস্ময়টি সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে ৪৩০.৫ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত।
- ডেড সি পৃথিবীর সবচেয়ে লবণাক্ত জলাশয়গুলির মধ্যে একটি, সাধারণ সমুদ্রের জলের তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি লবণাক্ত।
- এটি বাষ্পীভবনের মাধ্যমে পানি হারায়। 
- উচ্চ লবণাক্ত স্তর এবং কঠোর জলবায়ু জন্যে ডেড সি তে কোনো মাছ জন্মায় না।

উৎস: Worldatlas.com
৬,০৮৯.
নিচের কোন দেশটি মিলেনেশিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভূক্ত?
  1. ফিজি
  2. নাউরু
  3. সামোয়া
  4. লাওস
সঠিক উত্তর:
ফিজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিজি
ব্যাখ্যা
• ওশেনিয়া মহাদেশ:
• অঞ্চলভিত্তিক ওশেনিয়ার দেশসমূহ:
- অস্ট্রেলিয়া - ১.অস্ট্রেলিয়া।
- নিউজিল্যান্ড - ১.নিউজিল্যান্ড।

• মাইক্রোনেশিয়া - ১. মাইক্রোনেশিয়া, ২. কিরিবাতি ৩. নাউরু, ৪. মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, ৫. পালাউ।
- বৃহত্তম দ্বীপ গুয়াম মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত, যার পরিমাপ ৫৬১ বর্গ কিমি।

• মিলেনেশিয়া
- "মেলানেশিয়া" শব্দটি গ্রীক থেকে এসেছে এবং এর অর্থ "কালো দ্বীপ"।
- মেলানেশিয়া দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি অঞ্চল যা প্রায় ২,০০০ দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
এই অঞ্চলের দেশগুলো হলো:
১. পাপুয়া নিউগিনি,
২. সলোমন দ্বীপপুঞ্জ,
৩. ভানুয়াতু এবং
৪. ফিজি।

•পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু ও
- সামোয়া।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৬,০৯০.
দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের কোন স্থানে কঠিন শিলার খনি রয়েছে?
  1. রানীপুকুর
  2. ভোলাগঞ্জ
  3. পত্নীতলা
  4. মধ্যপাড়া
সঠিক উত্তর:
মধ্যপাড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যপাড়া
ব্যাখ্যা

- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার খনি পাওয়া গিয়েছে।

কঠিন শিলা (Hard Rock):
- পাললিক শিলা থেকে পৃথক এবং সাধারণভাবে শক্ত, ঘন, কেলাসিত আগ্নেয় অথবা রূপান্তরিত শিলাকে কঠিন শিলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার খনি পাওয়া গিয়েছে।
- আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৭৪ সালে।
- গভীরতা: ১২৮ মিটার। মজুদ: ১৭১ মেট্রিক টন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৬ সালে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ থানার রানীপুকুর নামক স্থানে প্রায় ১৮২ মিটার মাটির নিচে প্রথম কঠিন শিলার সন্ধান পাওয়া যায়।
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানার মধ্যপাড়ায় ১২৮ মিটার মাটির নিচে কঠিন শিলা রয়েছে যা ২০০৭ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হয়।
- মধ্যপাড়ায় গ্রানোডায়োরাইট, কোয়ার্টজ, ডায়োরাইট, নিস্ ইত্যাদি কঠিন শিলা পাওয়া যায়।
- এছাড়া নওগাঁ জেলার পত্নীতলা, সিলেট জেলার ভোলাগঞ্জ এবং পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়ায় কঠিন শিলা পাওয়া গেছে।
- রেললাইন, রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, নদীর বাঁধসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে কঠিন শিলা ব্যবহৃত হয়।

উৎস:¡ )খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট। 
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। [link]

৬,০৯১.
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা কোনটি?
  1. আটোয়ারি
  2. তেতুলিয়া
  3. দেবীগঞ্জ
  4. হালুয়াঘাট
সঠিক উত্তর:
তেতুলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেতুলিয়া
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান:

- তেঁতুলিয়া পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত।
- সর্ব উত্তরে - পঞ্চগড়(জেলা), - তেতুলিয়া (উপজেলা), বাংলাবান্ধা (ইউনিয়ন), জায়গীর জোত (স্থান)।
- সর্ব পশ্চিমে- চাঁপাইনবাবগঞ্জ(জেলা), শিবগঞ্জ(উপজেলা), মনাকাষা (স্থান)।
- সর্ব পূর্বে - বান্দরবান (জেলা), থানচি (উপজেলা), আখানইঠং (স্থান)। 
- সর্ব দক্ষিণে - কক্সবাজার (জেলা), টেকনাফ(উপজেলা), সেন্টমার্টিন (ইউনিয়ন), ছেঁড়া দ্বীপ(স্থান)। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬,০৯২.
কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন নয় কোনটি?
  1. বেড়িবাঁধ তৈরি
  2. আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ
  3. নদী খনন
  4. প্রশিক্ষণ
সঠিক উত্তর:
প্রশিক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশিক্ষণ
ব্যাখ্যা

→ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান। 

→ প্রতিরোধ:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও এর ক্ষয়ক্ষতি কমানোর ব্যাপারে প্রতিরোধ কার্যক্রম সফলতা বয়ে আনতে পারে।
- দুর্যোগ প্রতিরোধের কাঠামোগত এবং অকাঠামোগত প্রশমনের ব্যবস্থা রয়েছে।
- কাঠামোগত প্রশমনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নির্মাণ কার্যক্রম যথা- বেড়িবাঁধ তৈরি, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, পাকা ও মজবুত ঘরবাড়ি তৈরি, নদী খনন ইত্যাদি বাস্তবায়নকেই বোঝায়। 
- কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন খুবই ব্যয়বহুল, যা অনেক দরিদ্র দেশের পক্ষে বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।
- অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন যেমন- প্রশিক্ষণ, গণসচেতনতা বৃদ্ধি, পূর্বপ্রস্তুতি ইত্যাদি কার্যক্রম স্বল্প ব্যয়ে করা সম্ভব।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ‍ও পরিবেশ, এসএসসি, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,০৯৩.
নিম্নের কোন ধরনের বনে জোয়ার-ভাটার প্রভাব রয়েছে?
  1. দিনাজপুরের শালবন
  2. মধুপুর গড় এর বনভূমি
  3. বান্দরবানের পাহাড়ী বনভূমি
  4. খুলনার সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
খুলনার সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনার সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ:
- ম্যানগ্রোভ বন হচ্ছে সমুদ্র-উপকূলবর্তী বন, যেখানে জোয়ারের সময় পানি উঠে এবং ভাটার সময় নেমে যায়।
- পৃথিবীব্যাপী গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের উষ্ণ ও উপ-উষ্ণ উপকূলীয় এলাকায় ম্যানগ্রোভ জাতীয় বন দেখা যায়।
- বিশ্বে ১,৮১,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে ম্যানগ্রোভ বন ছিল; কিন্তু বর্তমানে এ বনের মোট আয়তন ১,৫০,০০০ বর্গকিলোমিটারের নিচে নেমে এসেছে।
- এখন পর্যন্ত ১০২টি দেশে এ বনের অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও শুধু ১০টি দেশে ৫০০০ বর্গকিলোমিটারের বেশি ম্যানগ্রোভ বন আছে।
- বাংলাদেশে অবস্থিত সুন্দরবন পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, যা ইউনেস্কো ঘোষিত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে বিশ্বের বুকে পরিচিত করে। এটি প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য হিসেবেও মনোনীত হয়।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ।
৬,০৯৪.
দীর্ঘকালীন শুষ্ক আবহাওয়া এবং অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে কোন দুর্যোগটি দেখা দেয়?
  1. টর্নেডো
  2. খরা
  3. কালবৈশাখী
  4. ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর:
খরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরা
ব্যাখ্যা
- দীর্ঘকালীন শুষ্ক আবহাওয়া এবং অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে খরা দেখা দেয়। বাষ্পীভবন ও প্রস্বেদনের হার বৃষ্টিপাত অপেক্ষা অধিক হলে এরূপ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল অধিক খরা প্রবণ।
অন্যদিকে,
- টর্নেডো ও ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির প্রধান কারণ নিম্নচাপ।
- গ্রীষ্মকালে দেশের উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে আগত বায়ুর সংঘর্ষে কালবৈশাখী ঝড় সৃষ্টি হয়।
(তথ্যসূত্রঃ সাধারণ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী এবং দুর্যোগকোষ)
৬,০৯৫.
‘ডেথ ভ্যালি' কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে
  2. উত্তর আমেরিকা মহাদেশে
  3. এশিয়া মহাদেশে
  4. আফ্রিকা মহাদেশে
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা মহাদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা মহাদেশে
ব্যাখ্যা
ডেথ ভ্যালি:
- ডেথ ভ্যালি উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত,
- বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে।
- এটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ এবং এই অঞ্চলের সবচেয়ে নিচু, গরম এবং শুষ্ক এলাকা হিসেবে পরিচিত।
- উপত্যকাটি গ্রেট বেসিন এবং মোহাভি মরুভূমির সীমানার কাছে অবস্থিত।

সূত্র - Britannica.com
৬,০৯৬.
বাংলাদেশের পাহাড় শ্রেণির ভূ-তাত্ত্বিক যুগের ভূমিরূপ কোনটি?
  1. ক) টারশিয়ারি যুগের
  2. খ) মায়োসিন যুগের
  3. গ) প্লাইস্টোসিন যুগের
  4. ঘ) নিউ টারশিয়ারি যুগের
সঠিক উত্তর:
ক) টারশিয়ারি যুগের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টারশিয়ারি যুগের
ব্যাখ্যা
- ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশে তিন ধরনের ভূমিরূপ দেখা যায়।
• এগুলো হলো:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
- প্লাবন সমভূমি।

- এদের মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ হলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী।
- আনুমানিক প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বে এগুলো গঠিত হয়।
- দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, ময়মনসিংহ প্রভৃতি জেলা জুড়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী অবস্থিত।
- দেশের মোট আয়তনের প্রায় ১২ শতাংশ অঞ্চল টারশিয়ারি যুগে গঠিত।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণি। 
৬,০৯৭.
নিচের কোনটি  চ্যুতি-স্তূপ পর্বতের উদাহরণ?
  1. ইতালির ভিসুভিয়াস
  2. উত্তর আমেরিকার রকি 
  3. জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট
  4. যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত
সঠিক উত্তর:
জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট
ব্যাখ্যা

• ভঙ্গিল পর্বত:
- পাললিক শিলাস্তর আনুভূমিক আলোড়ন বা মহাদেশীয় পর্বতের সংকোচনের ফলে কুঞ্চিত হয়ে ঢেউয়ের আকারে যে পর্বত সৃষ্টি হয় তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
-যেমন: এশিয়ার হিমালয়, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ, উত্তর আমেরিকার রকি এবং ইউরোপের আল্পস পর্বতমালা।

• আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain):
- আগ্নেয় পর্বত আগ্নেয়গিরি থেকে উদগিরিত পদার্থ সঞ্চিত ও জমাট বেঁধে আগ্নেয় পর্বত সৃষ্টি হয়। একে সঞ্চয়জাত পর্বতও বলে। এই পর্বত সাধারণত মোচাকৃতির (Conical) হয়ে থাকে। 
​- আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ হলো- ইতালির ভিসুভিয়াস, কেনিয়ার কিলিমানজারো, জাপানের ফুজিয়ামা এবং ফিলিপাইনের পিনাটুবো পর্বত।

• চ্যুতি-স্তূপ পর্বত: 
- ভূআলোড়নের সময় ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তরে প্রসারণ এবং সংকোচনের সৃষ্টি হয়। এই প্রসারণ এবং সংকোচনের জন্য ভূত্বকে ফাটলের সৃষ্টি হয়। কালক্রমে এ ফাটল বরাবর ভূত্বক ক্রমে স্থানচ্যুত হয়। ভূগোলের ভাষায় একে চ্যুতি বলে। ভূত্বকের এ স্থানচ্যুতি কোথাও উপরের দিকে হয়, আবার কোথাও নিচের দিকে হয়। চ্যুতির ফলে উঁচু হওয়া অংশকে স্তুপ পর্বত বলে।
- ভারতের বিন্ধ্যা ও সাতপুরা পর্বত, জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট, পাকিস্তানের লবণ পর্বত চ্যুতি-স্তূপ পর্বতের উদাহরণ।

• ল্যাকোলিথ পর্বত:
- পৃথিবীর অভ্যন্তর থেকে গলিত শিলা বা ম্যাগমা বিভিন্ন গ্যাসের দ্বারা স্থানান্তরিত হয়ে ভূপৃষ্ঠে বের হয়ে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু কোনো কোনো সময় বাধা পেয়ে এগুলো ভূপৃষ্ঠের উপরে না এসে ভূত্বকের নিচে একস্থানে জমাট বাঁধে। ঊর্ধ্বমুখী চাপের কারণে সস্ফীত হয়ে ভূত্বকের অংশবিশেষ গম্বুজ আকার ধারণ করে। এভাবে সৃষ্ট পর্বতকে ল্যাকোলিথ পর্বত বলে । 
যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত এর উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম দশম শ্রেণি।

৬,০৯৮.
নিচের কোনটি জার্মানি ও ফ্রান্সের মধ্যবর্তী সীমারেখা?
  1. সিগফ্রিড লাইন
  2. লাইন অব কন্ট্রোল
  3. ম্যানারহেইম রেখা
  4. হিনডেন বার্গ লাইন 
সঠিক উত্তর:
সিগফ্রিড লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিগফ্রিড লাইন
ব্যাখ্যা

- সিগফ্রেড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স, মধ্যবর্তী সীমারেখা।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সীমারেখা:

- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- লাইন অব কন্ট্রোল (LOC): ভারত ও পাকিস্তান,
- ম্যাগিনট লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স,
- ম্যানারহেম রেখা: রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড,
- লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেন,
- সিগফ্রেড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিনডেন বার্গ লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।

উৎস: Britannica.

৬,০৯৯.
গজারী বৃক্ষের বনভূমি হিসেবে পরিচিত কোন বনভূমি?
  1. ক) সুন্দরবন 
  2. খ) বরেন্দ্র বনভূমি
  3. গ) মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি 
  4. ঘ) পাহাড়ি বনভূমি 
সঠিক উত্তর:
গ) মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি 
ব্যাখ্যা
• মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি :
-  ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার বনভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- এ বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গজারী হওয়ায় এটি গজারী বৃক্ষের বনভূমি হিসেবে পরিচিত।
- এর আয়তন প্রায় ৮৭৫ বর্গকিলোমিটার।

• বনভূমির প্রকারভেদ :
- মৃত্তিকার গুণাগুণ এবং জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলাদেশের বনভূমিসমূহকে তিনটি ভাগে ভাগ
করা যায়। যথা
১. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি;
২. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি এবং
৩.  স্রোতজ  বনভূমি বা সুন্দরবন।

• রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের বনভূমি :
- রংপুর ও দিনাজপুর জেলার প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি অবস্থিত।
- এখানকার প্রধান বৃক্ষ শাল।
- এজন্য এটি শাল বৃক্ষের বনভূমি হিসেবে পরিচিত।
- এ বনভূমির আয়তন প্রায় ৩৯ বর্গকিলোমিটার। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ ও বাংলাপিডিয়া।
৬,১০০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ কোনটি?
  1. ক) কয়লা
  2. খ) চুনাপাথর
  3. গ) সাদামাটি
  4. ঘ) গ্যাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্যাস
ব্যাখ্যা
-  বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা ওয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৮টি।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজতেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং পেট্রোবাংলা, প্রথম আলো।