বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৫৪ / ৭২ · ৫,৩০১৫,৪০০ / ৭,১৯১

৫,৩০১.
বাংলাবান্ধা সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. পঞ্চগড়
  3. লালমনিরহাট
  4. চাপাইনবাবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী স্থান:
- বাংলাবান্ধা স্থল বন্দর বাংলাদেশের তেঁতুলিয়া উপজেলার ১নং বাংলাবান্ধা ইউনিয়নে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র স্থল বন্দর যার মাধ্যমে চারটি দেশের (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভূটান)মধ্যে পণ্য আদান-প্রদানের সুবিধা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্ব-উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার মহানন্দা নদীর তীরে এ বন্দরটি অবস্থিত।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন প্রায় ১০ একর জায়গার উপর স্থলবন্দরটি অবস্থিত।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরে অবস্থিত স্থান বাংলাবান্ধা। যা পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত।

এছাড়াও,
সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

 সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র:- সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৩০২.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' এর মানে-
  1. একটি খেলার মাঠ
  2. একটি প্লাবন ভূমির নাম
  3. বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম
  4. ঢাকা সেনানিবাসের পোলা গ্রাউন্ডের নাম
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম
ব্যাখ্যা
• সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground):
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে। এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।

পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের আরও কিছু বদ্বীপমুখী খাদ দেখতে পাওয়া যায়, যেমন সিন্ধু নদীর মোহনার অদূরে সিন্ধু খাদ, মিসিসিপি বদ্বীপের পশ্চিম পাশে মিসিসিপি খাদ। 

- সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ডটি বঙ্গোপসাগরের ১৪ কিলোমিটার প্রশস্ত গভীর সমুদ্রের উপত্যকা। এই উপত্যকার গভীরতম রেকর্ড করা অঞ্চলটি প্রায় ১৩৫০ মি।
- সাবমেরিন উপত্যকাটি বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গ পাখার অংশ, বিশ্বের বৃহত্তম সাবমেরিন পাখা।
- 'বেঙ্গল ফ্যান' ভূমি রূপটি পাওয়া যায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৫,৩০৩.
বাংলাদেশে GIS কৌশলটির প্রথম ব্যবহার শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
GIS:
- GIS-এর পূর্ণরূপ: Geographic information systems বা ভৌগোলিক তথ্য পদ্ধতি হলো ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ ব্যবস্থা।
- কম্পিউটারের হার্ডওয়‍্যার এবং সফট্ওয়‍্যারের মাধ্যমে ভৌগোলিক তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, বিশ্লেষণ ও প্রদর্শন করাই জিআইএস।
- GIS সফট্ওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ESRI (Environmental System Research Institute).

⇒ ১৯৬৪ সালে কানাডিয়ান 'The Canadian Geographic Information System (CGIS)' এর মাধ্যমে জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮৬ সালে ESRI বাণিজ্যিকভাবে Arc/Info সফট্ওয়্যার তৈরি শুরু করে।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।

⇒ জিআইএস এর কার্যপ্রণালি (Function of GIS): 
- উপাত্ত সংগ্রহ,
- উপাত্ত আদান-প্রদান,
- উপাত্ত সংস্করণ,
- উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং,
- উপাত্ত উপস্থাপন ও ব্যবস্থাপনা।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩০৪.
পানামা খাল কোন দুইটি মহাদেশকে পৃথক করেছে?
  1. এশিয়া ও ইউরোপ
  2. আমেরিকা ও এশিয়া
  3. উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা
  4. ইউরোপ ও আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

পানামা খাল :
- বিশ্ব বাণিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ রুট।
- পানামা প্রজাতন্ত্রের বুক চিরে বয়ে চলা কৃত্রিম খালটি জাহাজ চলাচলের জন্য ১৯০৪ সালে খনন করা হয় যেটি বিশ্ববাসীর কাছে পানামা খাল হিসেবে সমাধিক পরিচিত।
- ১৯০৪ সালে এর খনন কাজ শুরু হয় এবং ১৯১৪ সালে সমাপ্ত হয়।
- পানামা খালের দৈর্ঘ্য ৬৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৩০ থেকে ৯০ মিটার পর্যন্ত।
- তবে গভীর জলভাগ থেকে এর দৈর্ঘ্য হিসেব করলে এর দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় ৮২ কিলোমিটার।
- গভীরতা স্থানভেদে ৪৬ থেকে ৮৫ ফুট।
- এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- পানামা খাল উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ কে পৃথক করেছে।
- এই খাল নির্মাণের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে পুর্ব থেকে পশ্চিম উপকূলে চলাচলকারী জাহাজ গুলোর পথ প্রায় ১৫ হাজার কিলোমিটার হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ও  ব্রিটানিকা।

৫,৩০৫.
দেবতাখুম বান্দরবানের কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. থানচি
  2. রোয়াংছড়ি
  3. আলীকদম
  4. লামা
সঠিক উত্তর:
রোয়াংছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোয়াংছড়ি
ব্যাখ্যা

দেবতাখুম:
- দেবতাখুম বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলায় অবস্থিত।
- বান্দরবানে ছোট বড় অনেক খুম আছে, যেমন থানচির আমিয়াখুম, ভেলাখুম ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- খুম অর্থ হচ্চে জলাধার। দেবতাখুম মূলত তারাছা খালের একটি অংশ, যার দুই পাশে পাহাড় দিয়ে ঘেরা এবং গভীর পানির পাথুরে জায়গা।
- এই খুমের দুইপাশে রয়েছে বিশাল জঙ্গল।
- উঁচু পাহাড়ের কারণে খুমের ভিতর সরাসরি সূর্যের আলো পৌঁছায় না, তাই খুমের যত ভিতরে যাওয়া যায় ততই শীতল মনে হয়।
- জায়গাটি খুব শান্ত এবং কোলাহলমুক্ত। এর পানিও বেশ স্বচ্ছ।
- বাঁশের ভেলায় চেপে এই খুমের ভিতর যাওয়ার সময় পর্যটকদেরকে এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি দেয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
ii) প্রথম আলো।

৫,৩০৬.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন কাজকে পর্যায়ক্রম অনুযায়ী সাজাতে হলে কোন কাজটি সর্বপ্রথমে হবে?
  1. পুনর্বাসন
  2. ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ
  3. দুর্যোগ প্রস্তুতি
  4. সাড়াদান
সঠিক উত্তর:
ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- ঝুঁকি অর্থ আপদ, বিপদাপন্নতার উপাদান এবং পরিবেশের আন্তঃক্রিয়া বা সম্মিলন ও সক্ষমতার ফলে উদ্ভূত সম্ভাব্য ক্ষতিকর অবস্থা।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ কাজটি সর্বপ্রথমে করতে হবে।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূল লক্ষ্য হলো:
- দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করা।
- সম্পদ এবং পরিবেশের যে ক্ষতি হয়ে থাকে তা এড়ানো বা ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা,
- প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে অল্প সময়ে সকল প্রকার ত্রাণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং
- দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ ভালভাবে সম্পন্ন করা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩০৭.
Europe and Africa is separated by-
  1. Strait of Gibraltar
  2. Strait of Bosforus
  3. Bering strait
  4. Dardanelles
সঠিক উত্তর:
Strait of Gibraltar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Strait of Gibraltar
ব্যাখ্যা
জিব্রাল্টার প্রণালী:
- উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্য সাগরকে যুক্ত করেছে।
- এটি আফ্রিকা ও ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- এর ইউরোপিয়ান প্রান্তে স্পেন এবং আফ্রিকান প্রান্তে মরক্কো অবস্থিত।
- এটির পশ্চিম প্রান্ত ২৭ মাইল এবং পুর্ব প্রান্ত ১৪ মাইল চওড়া।
- এটি গড়ে ১২০০ ফুট গভীর।
এছাড়া,
- বসফরাস প্রণালি এশিয়া ও ইউরোপকে পৃথক করেছে এবং কৃষ্ণসাগর ও মর্মর সাগরকে যুক্ত করেছে।
- বেরিং প্রণালী এশিয়া থেকে উত্তর আমেরিকাকে পৃথক করেছে এবং বেরিং সাগর ও উত্তর সাগরকে যুক্ত করেছে।
- দার্দানেলিস হলো তুর্কিয়ের উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত একটি সরু প্রণালি যা এশিয়া ও ইউরোপকে পৃথক করেছে এবং এজিয়ান সাগর ও মর্মর সাগরকে যুক্ত করেছে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। [লিঙ্ক]
৫,৩০৮.
বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে কোন ধরণের বৃষ্টিপাত হয়?
  1. পরিচলন
  2. শৈলোৎক্ষেপ
  3. ঘূর্ণিবাত
  4. সংঘর্ষ
সঠিক উত্তর:
শৈলোৎক্ষেপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৈলোৎক্ষেপ
ব্যাখ্যা
বৃষ্টিপাতের প্রকারভেদ:
- মোট ৪টি উপায়ে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ঊর্ধ্বাকাশে উত্থিত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায় বলে বৃষ্টিপাত প্রধানত ৪টি ভাগে বিভক্ত।

বৃষ্টিপাতের  ৪টি প্রকারভেদ হলো:
১। পরিচলন বৃষ্টিপাত:
- ভূ-পৃষ্ঠের বায়ু উষ্ণ হলে প্রচুর জলীয়বাষ্প সম্পন্ন হালকা বায়ু উপরে উঠে যায়।
- এ সময়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজা নিচে নেমে আসে।
- এই বৃষ্টিপাতকে বলা হয় পরিচলন বৃষ্টি।
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় কারণ এই সব এলাকার উর্ধ্বগামী বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে। 
২। শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত:
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সময় পর্বতে বাধাপ্রাপ্ত হলে তা পর্বতের ঢাল বেয়ে উপরের দিকে উঠে যায়।
- এই বায়ু শীতল হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।
- দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু মেঘালয় পাহাড়ে বাধা পাওয়ায় সিলেট এলাকায় প্রচুর শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি হয়। 
৩। ঘূর্ণিবাত বৃষ্টিপাত:
- ঘূর্ণিবাত কেন্দ্রের বায়ু যখন উপরে উঠে যায় তখন তাপমাত্রা হ্রাস পায় ও শীতল হয়।
- এ সময় বায়ুতে থাকা জলীয়বাষ্প অতিরিক্ত ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিবাত বৃষ্টিপাত ঘটায়।
৪। সংঘর্ষ বৃষ্টিপাত:
- শীতল ও উষ্ণ বায়ুপুঞ্জ যখন মুখোমুখি হয় তখন শীতল বায়ুর সংস্পর্শে উষ্ণ বায়ুর তাপমাত্রা হ্রাস পায় এবং শিশিরাঙ্কে পৌঁছায়।
- আরও ঘনীভূত হয়ে বায়ুপুঞ্জের সংযোগস্থলে বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- এই প্রকার বৃষ্টি নাতিশীতোষ্ণ বৃষ্টিপাত নামে পরিচিত। এই ধরনের বৃষ্টি নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,৩০৯.
সমুদ্র থেকে দূরবর্তী এলাকার ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. দিনরাত্রির তাপমাত্রার তেমন পার্থক্য হয় না।
  2. শীত-গ্রীষ্ম উভয়ই চরম হয়।
  3. দিন বড় হয় ও রাত ছোট হয়।
  4. রাত বড় হয় ও দিন ছোট হয়।
সঠিক উত্তর:
শীত-গ্রীষ্ম উভয়ই চরম হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শীত-গ্রীষ্ম উভয়ই চরম হয়।
ব্যাখ্যা
জলবায়ু ও তাপমাত্রার উপর সমুদ্র উপকূল এর দূরত্বের প্রভাব 
- সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় স্থলভাগ জলভাগ অপেক্ষা যেমন দ্রুত উষ্ণ হয়, আবার দ্রুত ঠান্ডাও হয়। 
- এ জন্য সমুদ্রতীর থেকে দূরবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম উভয়ই তীব্র বা চরম হয়।
-  গ্রীষ্মকালে মহাদেশের মধ্য ভাগের তাপমাত্রা অনেক বেশী থাকে, আবার শীতকালে প্রচণ্ড শীত অনুভূত হয়।
- এ ধরনের জলবায়ুকে চরমভাবাপন্ন বা মহাদেশীয় জলবায়ু বলে। 

অন্যদিকে, 
- সমুদ্র নিকটবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম এবং দিনরাত্রির তাপমাত্রার তেমন পার্থক্য হয় না।
- এই ধরনের জলবায়ুকে সমভাবাপন্ন জলবায়ু বলে।

উল্লেখ্য,
- কোনো এলাকার প্রতি দিনের গড় তাপ, চাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাতের তথ্যের ভিত্তিতে সামগ্রিক যে অবস্থা প্রকাশ পায় তাকেই সেই  আবহাওয়া বলে।
- সাধারণত কোনো এলাকার ৩০ থেকে ৪০ বছরের গড় আবহাওয়াজনিত অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
- সাধারণত বৃহৎ এলাকাজুড়ে জলবায়ু পরিমাপ করা হয়ে থাকে।
- আবহাওয়া সম্পর্কীয় বিজ্ঞান মেটিওরোলজি (Meteorology) নামে পরিচিত।

উৎস- ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩১০.
কোন জেলায় বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতের ছিটমহল এর সংখ্যা সর্বাধিক ছিল?
  1. ক) কুড়িগ্রাম
  2. খ) লালমনিরহাট
  3. গ) পঞ্চগড়
  4. ঘ) নীলফামারী
সঠিক উত্তর:
খ) লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে অবস্থিত ভারতের কিংবা ভারতের মধ্যে অবস্থিত বাংলাদেশের ছিটমহল সম্পর্কিত তথ্যাবলি দুষ্প্রাপ্য। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় যে, শুধু উত্তর-পশ্চিম সীমান্তেই ১৭৯টি ছিটমহল রয়েছে, যেগুলির অবস্থান অমীমাংসিত এবং যেগুলির বিষয়ে কোনো বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় নি।

- ১৯৯৬ সালের ৯ থেকে ১২ অক্টোবর কলকাতায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত সীমানা সম্মেলনে ছিটমহল সমস্যা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয় এবং ঐবছর ২১ থেকে ২৪ নভেম্বর সরেজমিন পরিদর্শনে ভারতীয় ভূখন্ডে মোট ১১১টি বিনিময়যোগ্য বাংলাদেশি ছিটমহল চিহ্নিত করা হয় যার আয়তন ১৭,১৬০.৬৩ একর।

- পরিদর্শনে বাংলাদেশ ভূখন্ডে ৫১টি বিনিময়যোগ্য ভারতীয় ছিটমহল চিহ্নত করা হয় যার আয়তন প্রায় ৭,১১০.০২ একর। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারতীয় সীমানায় অবস্থিত বাংলাদেশি ৭৫টি ছিটমহলের মধ্যে ৪১টি লালমনিরহাট জেলায় (২টি হাতিবান্ধা উপজেলায়, ১টি লালমনিরহাট সদরে, ৪টি কালীগঞ্জে, ৩টি আদিতমারীতে, ২৮টি পাটগ্রামে এবং ৩টি ফুলবাড়ীতে), ১৬টি কুড়িগ্রাম জেলায় (সবকটি ভুরুঙ্গামারি উপজেলায়) এবং ১৮টি পঞ্চগড় জেলায় (২টি পঞ্চগড় সদরে, ১২টি বোদায় এবং ৪টি দেবীগঞ্জে)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৫,৩১১.
বৃষ্টিপাত পরিমাপক যন্ত্রের নাম-
  1. ক) হাইগ্রোমিটার
  2. খ) রেইনগেজ
  3. গ) আইসোহাইট
  4. ঘ) ম্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) রেইনগেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেইনগেজ
ব্যাখ্যা

- বৃষ্টিপাত পরিমাপক যন্ত্রের নাম রেইনগেজ।
- শীতপ্রধান অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিবর্তে তুষারপাত হয়।
- ঐ তুষার গলে যে জল হয় তা মেপে সেখানকার বৃষ্টিপাতের পরিমাণ নির্ণয় করা হয়।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৩১২.
পৃথিবীর মোট জলভাগের মধ্যে বায়ুমন্ডলে কত শতাংশ পানি পাওয়া যায়?
  1. ০.০১ ভাগ
  2. ০.০০১ ভাগ
  3. ০.৬৮ ভাগ
  4. ০.৩২ ভাগ
সঠিক উত্তর:
০.০০১ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০০১ ভাগ
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর জলভাগের অবস্থানভিত্তিক বণ্টন:
- সমুদ্র : ৯৭.২৫ ভাগ
- হিমবাহ : ২.০৫ ভাগ
- ভূগর্ভস্থ পানি : ০.৬৮ ভাগ
- হ্রদ : ০.০১ ভাগ
- মাটির আর্দ্রতা : ০.০০৫ ভাগ
- বায়ুমণ্ডল : ০.০০১ ভাগ
- নদী : ০.০০০১ ভাগ
- জীবমণ্ডল : ০.০০০০৪ ভাগ।

(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)

৫,৩১৩.
ভোমরা স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) চাপাইনবাবগঞ্জ
  2. খ) সাতক্ষীরা
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
খ) সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
• ভোমরা স্থলবন্দর:
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।

- এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে এটি যথাক্রমে ১২-০১-২০০২ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দর ঘোষণা কেএবং ১৯-০৫-২০১৩ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৫,৩১৪.
পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. নীল নদ
  2. আমাজন
  3. মিসিসিপি
  4. কঙ্গো
সঠিক উত্তর:
আমাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাজন
ব্যাখ্যা
আমাজন নদী:
- পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী আমাজন নদী।
- আমাজন নদীর দৈর্ঘ্য ৬৪০০ কি.মি। -
- এটি দক্ষিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় নদী।
- আমাজন নদী ৯টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নদীটি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর তাংশে অবস্থিত, পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে। - এই নদীটি - পেরুর আন্দিজ পর্বতমালায় উৎপন্ন হয় এবং আটলান্টিক মহাসাগরে যুক্ত হয়েছে।
- আমাজনের মূল স্রোতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ব্রাজিলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী নীল নদ।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com
৫,৩১৫.
বন্যা নিয়ন্ত্রণের সাধারণ ব্যবস্থাপনা-
  1. সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার পানির অনুপ্রবেশ বন্ধ করা।
  2. রাস্তাঘাট নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা।
  3. নদী-শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা।
  4. নদী তীরকে স্থায়ী সুদৃঢ় কাঠামোর সাহায্যে সংরক্ষণ করা।
সঠিক উত্তর:
নদী-শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদী-শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা।
ব্যাখ্যা
• বন্যা নিয়ন্ত্রণ সাধারণের ব্যবস্থাপনা - নদী-শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা।

• বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (Flood Control Measures)

• সাধারণ ব্যবস্থাপনা (General management):
- সহজে স্থানান্তরযোগ্য বসতি তৈরি করা।
-  নদীর দু'তীরে ঘন জঙ্গল সৃষ্টি করা।
-  নদী-শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা।
-  বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন।
- পুকুর, নালা, বিল প্রভৃতি খনন করা এবং সেচের পানি সংরক্ষণ করা।
-  প্রতি বছর বন্যা মোকাবেলার জন্য সরকারিভাবে স্থায়ী প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা।

• শ্রমসাধ্য ও ব্যয়বহুল প্রকৌশল ব্যবস্থাপনা (Labour intensive and expensive engineering management):
-  ড্রেজারের মাধ্যমে নদীর তলদেশ খনন করে পানির পরিবহন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
-  সন্নিহিত স্থানে জলাধার নির্মাণের মাধ্যমে পানিপ্রবাহকে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা।
- ভারত থেকে আসা পানিকে বাঁধের সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন করা।
সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার পানির অনুপ্রবেশ বন্ধ করা।
- নদী তীরকে স্থায়ী সুদৃঢ় কাঠামোর সাহায্যে সংরক্ষণ করা।

• সহজ প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা (Easy engineering management):
-  নদীর দু'তীরে বেড়িবাঁধ দিয়ে নদীর পানি উপচে পড়া বন্ধ করা।
-  দেশের সর্বত্র বনায়ন সৃষ্টি করা।
- রাস্তাঘাট নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা।
- বন্যা প্রবল অঞ্চলে সর্বোচ্চ বন্যা লেভেলের উপরে 'আশ্রয়কেন্দ্র' প্রতিষ্ঠা করা।
- শহর বেষ্টনীমূলক বাঁধ দেওয়া।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
৫,৩১৬.
বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান কোনটি? 
  1. অক্সিজেন
  2. নাইট্রোজেন
  3. জলীয়বাষ্প
  4. হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলের উপাদান:
- বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান হলো নাইট্রোজেন।
- বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, এটি শতকরা ৭৮.০২%।
- এরপর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপাদান হলো অক্সিজেন, এর পরিমাণ ২০.৭১%। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদানসমূহ হলো-
• নাইট্রোজেন (৭৮.০২%),
• অক্সিজেন (২০.৭১%),
• আর্গন (০.৮০%),
• কার্বন-ডাই-অক্সাইড (০.০৩%),
• জলীয় বাষ্প (০.৪১%) ইত্যাদি।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৩১৭.
চুনাপাথর কোন শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. সিরামিক
  2. সিমেন্ট
  3. মৃৎশিল্প
  4. ইস্পাত 
সঠিক উত্তর:
সিমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিমেন্ট
ব্যাখ্যা

• চুনাপাথর :
- চুনাপাথর (Limestone)  এক প্রকার পাললিক শিলা যা প্রধানত ক্যালসিয়াম কার্বোনেট দ্বারা গঠিত।
- প্রকৃতিতে ম্যাগনেসিয়াম কার্বোনেট সহযোগে অথবা ম্যাগনেসিয়াম কার্বোনেটের উপস্থিতি ব্যতীত খনিজ ক্যালসাইট হিসেবে চুনাপাথর পাওয়া যায়। 
- বাংলাদেশে চুনাপাথরের ভূ-পৃষ্ঠীয় (surface) এবং অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠীয় (sub-surface) বা ভূগর্ভস্থ উভয় প্রকার মজুত রয়েছে। 
- কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিনস দ্বীপ এবং  সুনামগঞ্জ জেলার ভাঙ্গেরঘাট-লালঘাট-টাকেরঘাট এলাকায় চুনাপাথরের ভূ-পৃষ্ঠীয় ও ভূ-পৃষ্ঠের স্বল্পগভীরতায় মজুত রয়েছে।  
- জয়পুরহাট জেলার জয়পুরহাটে রয়েছে চুনাপাথরের অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠীয় বা ভূগর্ভস্থ মজুত।
- বাংলাদেশে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ১৯৫৭ সালে সর্বপ্রথম চুনাপাথরের মজুত আবিষ্কৃত হয়।
- সিমেন্ট তৈরির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে চুনাপাথর। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫,৩১৮.
বাংলাদেশে মৌসুমী বৃষ্টিপাত মূলত কোন বায়ুর কারণে হয়ে থাকে?
  1. উত্তর-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু
  2. দক্ষিণ-পূর্ব মৌসুমী বায়ু
  3. দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু
  4. উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ু
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের জলবায়ু:
- বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু নামে পরিচিত।
- সুতরাং ঋতু ভেদে জলবায়ুর যে পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় তাকে মৌসুমী বায়ু বলে।
- গ্রীষ্মকালে এ বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম দিক হতে এবং শীতকালে উত্তর-পূর্ব দিক হতে প্রবাহিত হয়।
- এ বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম দিক হতে বাংলাদেশের দিকে আসে বলে একে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বলে।
- কিন্তু শীতকালে এর বিপরীত অবস্থা ঘটে। শীতকালে এ বায়ু উত্তর-পূর্ব দিক হতে প্রবাহিত হয় বলে একে উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ু বলে।
- দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে বর্ষাকালে বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।

• বর্ষাকাল:
- বাংলাদেশে মধ্য জুন থেকে নভেম্বর (জ্যৈষ্ঠ-কার্তিক) পর্যন্ত বর্ষাকাল।
- এই সময় গড় তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়।
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ভারত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে আসে।
- বছরে মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ এসময় হয়।
- বর্ষার শেষ দিকে মাঝে মাঝে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩১৯.
দেশের কোন বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই?
  1. রংপুর
  2. বরিশাল
  3. রাজশাহী
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
সীমান্ত জেলা:
- বাংলাদেশে বিভাগ রয়েছে ৮টি এবং জেলা ৬৪টি।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩টি।
- রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।

এছাড়াও,
- ৬টি বিভাগের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকলেও ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।
৫,৩২০.
বাংলাদেশের খরাপ্রবণ অঞ্চল কোনটি?
  1. ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল
  2. খ) উত্তর-পূর্বাঞ্চল
  3. গ) দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
  4. ঘ) উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে দীর্ঘকাল ধরে শুষ্ক আবহাওয়া ও অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত এবং অল্পসংখ্যক নদী থাকার কারণে খরার প্রবণতা বেশি। যেমন দিনাজপুর, বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ইত্যাদি।  

তথ্যসূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩২১.
বিশ্বের গভীরতম হ্রদ কোনটি?  
  1.  সুপিরিয়র হ্রদ
  2. বৈকাল হ্রদ  
  3. ভিক্টোরিয়া হ্রদ 
  4. টাঙ্গানিকা হ্রদ 
সঠিক উত্তর:
বৈকাল হ্রদ  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈকাল হ্রদ  
ব্যাখ্যা

বৈকাল হ্রদ: 
- যা দক্ষিণ সাইবেরিয়ার বুরিয়াত প্রজাতন্ত্র ও ইরকুতস্ক ওব্লাস্ট-এর মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত।
- বিশ্বের গভীরতম হ্রদ বৈকাল হ্রদ।
- যা আয়তনের দিক থেকে নয় বরং পানির পরিমাণ বা আয়তন (volume) অনুসারে প্রথম।
- পৃথিবীর মোট ভূপৃষ্ঠের কমপক্ষে ২২% মিঠা পানি এই হ্রদে সংরক্ষিত।
- উত্তর আমেরিকার সমস্ত গ্রেট লেকসের পানির পরিমাণ একত্র করলেও তা লেক বৈকাল পূর্ণ করতে পারে - 
- বৈকাল হ্রদ সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ।
- এটি বিশ্বের অন্যতম স্বচ্ছ (clearest) হ্রদ হিসেবেও পরিচিত।

অপরদিকে,
- ভিক্টোরিয়া হ্রদ পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশুদ্ধ পানির আধার।
- টাঙ্গানিকা হ্রদ এটি বিশ্বের দীর্ঘতম স্বাদু পানির হ্রদ।
- সুপিরিয়র হ্রদ উত্তর আমেরিকার সর্ববৃহৎ হ্রদ। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস। 

৫,৩২২.
পরিবেশ অধিদপ্তর কত সালে সেন্ট মার্টিনকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

সেন্ট মার্টিন পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পূর্বে মিয়ানমার সীমান্তের কাছে সাগরের বুকে ৮ দশমিক ৩ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ছোট্ট প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন।
- এ দ্বীপ সামুদ্রিক কাছিমের প্রজনন ক্ষেত্র। এছাড়া এখানে ৬৮ প্রজাতির প্রবাল, ১৫১ প্রজাতির শৈবাল, ১৯১ প্রজাতির মোলাস্ট বা কড়ি জাতীয় প্রাণী, ৪০ প্রজাতির কাঁকড়া, ২৩৪ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ, পাঁচ প্রজাতির ডলফিন, চার প্রজাতির উভচর প্রাণী, ২৮ প্রজাতির সরীসৃপ, ১২০ প্রজাতির পাখি, ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ১৭৫ প্রজাতির উদ্ভিদ, দুই প্রজাতির বাদুড়সহ নানা প্রজাতির প্রাণীর বসবাস ছিল এককালে।
- জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তর ১৯৯৯ সালে সেন্ট মার্টিনের ৫৯০ হেক্টর এলাকাকে ‘পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ ঘোষণা করেছিল সরকার।
- এছাড়াও, সমুদ্র সম্পদের টেকসই আহরণের লক্ষে বঙ্গোপসাগরের ১ হাজার ৭৪৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকাকে ২০২২ সালে ‘সেন্ট মার্টিন মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া’ ঘোষণা করেছে সরকার।

⇒ বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

উৎস: i) পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৫,৩২৩.
সমুদ্রস্রোতের অন্যতম কারণ কোনটি?
  1. বন্যা
  2. খরা
  3. বায়ুপ্রবাহ
  4. নিম্নচাপ
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ বায়ুপ্রবাহ।

সমুদ্রস্রোত:
- সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ বায়ুপ্রবাহ।
- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রের উপরিভাগের পানির সঙ্গে ঘর্ষণ তৈরি করে এবং ঘর্ষণের জন্য পানিতে ঘূর্ণন তৈরি করে।
- সমুদ্রের পানি একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরণ করে চলাচল করে, একে সমুদ্রস্রোত বলে।
-  সমুদ্রস্রোতকে উষ্ণতার তারতম্য অনুসারে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- (ক) উষ্ণ স্রোত ও (খ) শীতল স্রোত।

সমুদ্রস্রোতের কারণ:
- প্রথিবীর আহ্নিক গতি, সমুদ্রজলের লবণাক্ততার পার্থক্য, সমুদ্রজলের তাপমাত্রার পার্থক্য।

সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩২৪.
'সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক' কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক্ষতিকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
  2. দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস
  3. জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা
  4. জলাভূমির যথাযথ ব্যবহার
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস
ব্যাখ্যা

সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক:
- ২০১৫ সালের ১৪ থেকে ১৮ মার্চ জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলন। 
- এই সম্মেলনে দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস সংক্রান্ত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক : ২০১৫-২০৩০ গৃহীত হয়।
- সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য স্থির করা হয়।

• এগুলো হলো:
- বিশ্বব্যাপী দুর্যোগে মৃত্যুর সংখ্যা কমিয়ে আনা
- দুর্যোগের ফলে আক্রান্তের সংখ্যা হ্রাস করা
- দুর্যোগের আর্থিক ক্ষয়-ক্ষতি হ্রাস করা
- দুর্যোগের ফলে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও জরুরি সেবাখাতের ক্ষয়-ক্ষতি হ্রাস করা
- জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস কৌশলের বিস্তৃতি
- উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা
- দুর্যোগের পূর্বাভাস প্রযুক্তি ও পদ্ধতির উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও সহজলভ্যতা বৃদ্ধি।

সূত্র: জাতিসংঘ দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যালয়। 

৫,৩২৫.
'জিপসাম' হলো একধরনের -
  1. ক) আগ্নেয় শিলা
  2. খ) রূপান্তরিত শিলা
  3. গ) পাললিক শিলা
  4. ঘ) প্রাথমিক শিলা
সঠিক উত্তর:
গ) পাললিক শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাললিক শিলা
ব্যাখ্যা
পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তা পাললিক শিলা।
- এ শিলায় পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে একে স্তরীভূত শিলাও বলে।
- পাললিক শিলা নরম ও হালকা যা সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- এর মধ্যে জীবাশ্ম দেখা যায়। পাললিক শিলায় ছিদ্র দেখা যায়।
- পাললিক শিলার উদাহরণ- চুনাপাথর, কয়লা, নুড়িপাথর, বেলেপাথর, পলিপাথর, কর্দমপাথর, চক, কোকিনা, লবণ, জিপসাম, ডায়াটম, ডোলোমাইট ইত্যাদি।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩২৬.
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাতে কোন ঢালে বৃষ্টিপাত ঘটে?
  1. Leeward slope
  2. Windward slope
  3. Rain-shadow region
  4. A & B both
সঠিক উত্তর:
Windward slope
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Windward slope
ব্যাখ্যা
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি (Orographic Rain):
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু স্থলভাগের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় যদি গমনপথে কোনো উঁচু পর্বতশ্রেণিতে বাধা পায় তাহলে ঐ বায়ু উপরের দিকে উঠে যায়। তখন জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ক্রমশ প্রসারিত হয় এবং পর্বতের উঁচু অংশে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে (Windward slope) বৃষ্টিপাত ঘটায়। এরূপ বৃষ্টিপাতকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।

উল্লেখ্য
⇒ পর্বত অতিক্রম করে ঐ বায়ু যখন পর্বতের অপর পার্শ্বে অর্থাৎ অনুবাত ঢালে (Leeward slope) এসে পৌঁছায় তখন জলীয়বাষ্প কমে যায়। এছাড়া নিচে নামার ফলে ঐ বায়ু উষ্ণ ও আরও শুষ্ক হয়। এ দুটো কারণে এখানে বৃষ্টি বিশেষ হয় না। এরূপ প্রায় বৃষ্টিহীন স্থানকে বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল (Rain-shadow region) বলে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩২৭.
নিচের কোনটি পাললিক শিলার উদাহরণ?
  1. কোয়ার্টজাইট
  2. কয়লা
  3. গ্রানাইট
  4. মার্বেল
সঠিক উত্তর:
কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
ব্যাখ্যা

- কয়লা পাললিক শিলা। 

• ভুত্বক গঠিনকারী উপাদানসমূহ শিলা নামে পরিচিত। গঠন অনুসারে শিলা তিন প্রকার।
- যথাঃ আগ্নেয় শিলা, পাললিক শিলা ও রূপান্তরিত শিলা।

• পাললিক শিলা: 
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে পাললিক শিলা বলে।
- পাললিক শিলায় জীবাশ্ম ও স্তর লক্ষ্য করা যায়।
- পাললিক শিলা নরম, ভঙ্গুর ও সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- বেলেপাথর, চুনাপাথর, কাঁদাপাথর, কয়লা, কেওলিন, শেল প্রভৃতি পাললিক শিলার উদাহরণ।
- আগ্নেয় ও রূপান্তরিত শিলায় জীবাশ্ম দেখা যায় না।

• রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট,
- গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে,
- কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণী। 

৫,৩২৮.
বাংলাদেশের কোন স্থান থেকে মেঘ স্পর্শ করা যায়?
  1. ক) খাগড়াছড়ির পাহাড়সমূহ
  2. খ) নীলগিরি পাহাড়
  3. গ) সীতাকুন্ড পাহাড়
  4. ঘ) মাধবকুন্ড পাহাড়
সঠিক উত্তর:
খ) নীলগিরি পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নীলগিরি পাহাড়
ব্যাখ্যা

- বান্দরবানের নীলগিরি যেখান থেকে মেঘ স্পর্শ করা যায়। 
- বান্দরবান জেলা সদর থেকে প্রায় ৪৭ কিলোইমটার দক্ষিণ পূর্ব দিকে বান্দরবান-থানছি সড়কে পাহাড় চূড়ায় নীলগিরি পর্যটন কেন্দ অবস্থিত।
- সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে এর উচ্চতা ২ হাজার ২ শত ফুট।

উৎস: এস.এস.সি. ভূগোল ও পরিবেশ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বান্দরবন জেলা ওয়েবসাইট।
৫,৩২৯.
সাহারা মরুভূমি অবস্থিত-
  1. ক) উত্তর আফ্রিকা
  2. খ) দক্ষিণ আমেরিকা
  3. গ) দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. ঘ) উত্তর আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তর আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তর আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
সাহারা বিশ্বের বৃহত্তম গরম মরুভূমি এবং অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিকের পরে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি যা উত্তর আফ্রিকার অনেকাংশ নিয়ে গঠিত। উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৫,৩৩০.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা -
  1. ১২ নটিক্যাল মাইল
  2. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  3. ২২০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩৭০.৪০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:
- বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার।
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৩১.
লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে সীমানারেখার নাম কী?
  1. ব্লু লাইন
  2. পার্পল লাইন
  3. লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল
  4. সিগফ্রিড লাইন
সঠিক উত্তর:
ব্লু লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্লু লাইন
ব্যাখ্যা
• "ব্লু লাইন" -লেবানন ও ইসরাইল এর মধ্যে সীমানা নির্ধারণকারী সীমারেখা।

অন্যদিকে -
- ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা নির্ধারণকারী সীমারেখা-পার্পল লাইন।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল-চীন ও ভারতের সীমান্তবর্তী রেখা।
- সিগফ্রিড লাইন ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে নিরুপিত সীমারেখা।

লেবানন: দেশ পরিচিতি- 
ভূগোল: লেবানন এশিয়ার মধ্যপ্রাচ্যের একটি রাষ্ট্র, যা ভূমধ্যসাগরের পাড়ে অবস্থিত।
রাজধানী: বৈরুত।

গুরুত্বপূর্ণ শহর:
লেবাননের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শহর হলো বৈরুত, বালবেক, এবং ত্রিপোলি।

মুদ্রা:
লেবাননের মুদ্রা হলো পাউন্ড।
ভাষা:
আরবি ভাষা লেবাননের সরকারি ভাষা।

সীমান্ত:
লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে সীমানারেখা 'Blue Line' দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে।

রাজনৈতিক অবস্থা:
হিজবুল্লাহ লেবাননের শিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি রাজনৈতিক ও সশস্ত্র গোষ্ঠী।
মিডিয়া:
হিজবুল্লাহ পরিচালিত টিভি চ্যানেল হলো 'আল মানার'।

স্বাধীনতা:
লেবানন ১৯৪৩ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

উৎস: Britannica.
 
৫,৩৩২.
৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা ও কর্কটক্রান্তি রেখার ছেদ বিন্দুটি বাংলাদেশের কোন জেলায় পড়েছে?
  1. মাদারীপুর
  2. দিনাজপুর
  3. ফরিদপুর
  4. পিরোজপুর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা:
- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত।
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।
- কর্কটক্রান্তি রেখা এবং ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার ছেদ বিন্দু পড়েছে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায়।
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৩৩.
বাংলাদেশেকে “ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ুর দেশ” বলা হয় কেন?
  1. ক) কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে
  2. খ) মৌসুমি বায়ুর প্রভাব অধিক হওয়া
  3. গ) মকরক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে
  4. ঘ) ক+খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক+খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক+খ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ু:
- বাংলাদেশের জলবায়ু উষ্ণ, আর্দ্র ও সমভাবাপন্ন।
- এ দেশের মধ্যভাগে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এবং মৌসুমি বায়ুর প্রভাব অধিক হওয়ায় “ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ুর দেশ” বলা হয়।
- ঋতুভেদে উচ্চ তাপমাত্রা, ভারী বর্ষণ, অত্যাধিক আর্দ্রতা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য বাংলাদেশের জলবায়ুতে পরিলক্ষিত হয়।
- সার্বিক বৃষ্টিপাত এবং তাপমাত্রার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের জলবায়ুকে প্রধানত তিনটি ঋতুতে ভাগ করা যায়, যথা-শীতকাল, গ্রীষ্মকাল এবং বর্ষাকাল।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৩৪.
‘মাউন্ট লেওটোবি লাকি-লাকি’ আগ্নেয়গিরি কোথায়  অবস্থিত?
  1. আফ্রিকা
  2. জাপান
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
‘মাউন্ট লেওটোবি লাকি-লাকি’ আগ্নেয়গিরি: 
- ৪ নভেম্বর ২০২৪ ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে মাউন্ট লেওটোবি লাকি-লাকি আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যুৎপাতে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
- ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, ফ্লোরেসের দূরবর্তী দ্বীপে একাধিক অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে।
- ইন্দোনেশিয়া, একটি বিস্তীর্ণ দ্বীপপুঞ্জের দেশ, প্রশান্ত মহাসাগরের "রিং অফ ফায়ার" এর অবস্থানের কারণে ঘন ঘন অগ্ন্যুৎপাতের সম্মুখীন হয়।
- এটি তীব্র আগ্নেয়গিরি এবং ভূমিকম্প প্রবন একটি এলাকা।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স সংবাদ ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। লিঙ্ক
৫,৩৩৫.
সিলিকন ভ্যালি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
সিলিকন ভ্যালি:
- সিলিকন ভ্যালি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। 

উল্লেখ্য,
- বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বা প্রযুক্তিপণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত একটি জরুরি উপাদান সিলিকন।
- এই সিলিকন থেকেই সারাবিশ্বের প্রযুক্তির রাজধানী সিলিকন ভ্যালির নামকরণ করা হয়েছে।
- আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত সিলিকন ভ্যালিতে আছে প্রায় কয়েক হাজার প্রযুক্তি-প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়।
- ফেসবুক, গুগল ও অ্যাপলের মতো প্রযুক্তি দানবের সদরদপ্তরও এই সিলিকন ভ্যালিতে।
- বর্তমান প্রযুক্তি বিশ্বের সিংহভাগ নিয়ন্ত্রণ করা হয় সরাসরি সিলিকন ভ্যালি থেকে।

উৎস: Britannica.
৫,৩৩৬.
The only rock-mine of Bangladesh is situated in:
  1. Bogra
  2. Thakurgaon
  3. Dinajpur
  4. Rangpur
সঠিক উত্তর:
Dinajpur
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dinajpur
ব্যাখ্যা
কঠিন শিলা (Hard Rock):
- পাললিক শিলা থেকে পৃথক এবং সাধারণভাবে শক্ত, ঘন, কেলাসিত আগ্নেয় অথবা রূপান্তরিত শিলাকে কঠিন শিলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার খনি পাওয়া গিয়েছে।
- আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৭৪।
- গভীরতা: ১২৮ মিটার।
- মজুদ: ১৭১ মেট্রিক টন।

উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৫,৩৩৭.
বাংলাদেশে ‘বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য’ কতটি রয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ২২টি
  2. ২৩টি
  3. ২৪টি
  4. ২৫টি
সঠিক উত্তর:
২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫টি
ব্যাখ্যা
বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য:
- অভয়ারণ্য শব্দটির অর্থ হলো যে জঙ্গলে প্রাণীদের নির্ভয় বিচরণ নিশ্চিত করা হয় তাকে অভয়ারণ্য বলা হয়।
- অভয়ারণ্য হলো এমন বনাঞ্চল, যেখানে বন্যপ্রাণীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় এবং তাদের প্রজনন ও আবাস নিরাপদ রাখতে শিকারিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

⇒ অভয়ারণ্য ঘোষণা করার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়:
১. ঐ এলাকার বন্যপ্রাণী যেন ধ্বংস না হয়।
২. পশুপাখিদের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কাজ থেকে যেন এই বনাঞ্চল মুক্ত থাকে।
- পাশাপাশি, বাইরে থেকে শিকারিরা যাতে এই নিরাপত্তা বলয়ে প্রবেশ না করতে পারে।
- অভয়ারণ্য শুধু স্থলভাগের বনাঞ্চলই হয়ে থাকে তা নয়, জলভাগের অংশও অভয়ারণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত আছে।
- বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের সংখ্যা ২৫টি।

উল্লেখযোগ্য বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হলো: রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, হবিগঞ্জ, চর কুকরি মুকরি বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, ভোলা, সুন্দরবন ইষ্ট বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, বাগেরহাট, সুন্দরবন ওয়েস্ট বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, সাতক্ষীরা, সুন্দরবন সাউথ বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, খুলনা, পাবলাখালী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম, চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, চট্টগ্রাম ইত্যাদি।

উৎস: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৫,৩৩৮.
আগাম সতর্ক সংকেত ছাড়া সংঘটিত দুর্যোগ কোনটি?
  1. ক) বন্যা
  2. খ) ভূমিকম্প
  3. গ) খরা
  4. ঘ) ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর:
খ) ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
- কোন ধরনের আগাম সতর্ক সংকেত ব্যতীত অর্থাৎ কার্যকর পূর্বাভাস ছাড়া সংঘটিত দুর্যোগ হলো ভূমিকম্প।
- ভূমিকম্প সংঘটনের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল চিহ্নিত করা সম্ভব হলেও ভূমিকম্প সংঘটনের পূর্বে সতর্কতা প্রাপ্তি এখনো সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে,
- বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও শৈত্যপ্রবাহের ক্ষেত্রে পূর্বাভাস পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৩৯.
কালনী ও ব্রহ্মপুত্রের মিলিত প্রবাহ কী নামে পরিচিত?
  1. পদ্মা
  2. মেঘনা
  3. যমুনা
  4. কর্ণফুলী
সঠিক উত্তর:
মেঘনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘনা
ব্যাখ্যা
মেঘনা নদী: 
- আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপত্তি।
- উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম বরাক।
- সুরমা ও কুশিয়ারা নামে সিলেট জেলার আমলশীদ দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- সুরমা ও কুশিয়ারা পুনরায় মিলিত হয়েছে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে।
- সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত স্রোতের নাম কালনী।
- ভৈবরবাজারে কালনী ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্র মিলিত হয়ে মেঘনা নাম ধারন করে।
- মেঘনার উপনদী: মনু, বাউলাই, তিতাস, গোমতী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৩৪০.
প্রবাহমান দুইটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে বলা হয়-
  1. ক) দোয়াব
  2. খ) খাঁড়ি
  3. গ) নদী উপত্যকা
  4. ঘ) মোহনা
সঠিক উত্তর:
ক) দোয়াব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দোয়াব
ব্যাখ্যা

মোহনাঃ নদী যখন কোন হ্রদ বা সাগরে এসে পতিত হয়, তখন সেই পতিত স্থানকে মোহনা বলে।
খাঁড়িঃ নদীর অধিক বিস্তৃত মোহনাকে বলা হয় খাঁড়ি।
দোয়াবঃ প্রবাহমান দুইটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলে।
নদী উপত্যকাঃ উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত যে খাতের মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় সে খাতকে উক্ত নদী উপত্যকা বলে।
সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং ভূগোল ও পরবিশে এসএসসি পোগ্রাম (উন্মুক্ত)।

৫,৩৪১.
'দারফুর' অঞ্চলটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) মিশর
  2. খ) মরক্কো
  3. গ) সুদান
  4. ঘ) লিবিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) সুদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুদান
ব্যাখ্যা
- দারফুর সুদানের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল।
- অঞ্চলটি তিনটি স্বায়ত্বশাসিত প্রদেশ নিয়ে গঠিত।
- এই তিনটি প্রদেশ হচ্ছেঃ পশ্চিম দারফুর, দক্ষিণ দারফুর এবং উত্তর দারফুর।

উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস
৫,৩৪২.
ঢাকার দ্রাঘিমা ৯০° পূর্ব এবং জেদ্দার দ্রাঘিমা ৪৫° পূর্ব। ঢাকার স্থানীয় সময় দুপুর ২.২০ টা হলে সেই সময় জেদ্দার স্থানীয় সময় কত?
  1. সকাল ১০.৪০ টা
  2. বিকাল ৫.২০ টা
  3. সকাল ১১.২০ টা
  4. দুপুর ১২.২০ টা
সঠিক উত্তর:
সকাল ১১.২০ টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকাল ১১.২০ টা
ব্যাখ্যা

সমাধান:
আমরা জানি, প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট

ঢাকা ও জেদ্দার দ্রাঘিমার পার্থক্য ৯০°- ৪৫° = ৪৫°
সময়ের পার্থক্য হবে ৪৫ × ৪ = ১৮০ মিনিট অর্থাৎ ৩ ঘণ্টা
প্রশ্নে উল্লিখিত ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা দেখে আমরা বুঝতে পারি, জেদ্দা ঢাকার পশ্চিমে অবস্থিত। তাই ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে এই ৩ ঘণ্টা বাদ যাবে।

প্রশ্নেমতে,
⇒ জেদ্দার স্থানীয় সময় হবে
= দুপুর ২.২০টা – ৩ ঘণ্টা। [এখানে দুপুর ২.২০টা বলতে ১৪.২০টা হবে।]
= ১৪.২০টা – ৩ ঘণ্টা
= ১১.২০টা

উত্তর: জেদ্দার স্থানীয় সময় হবে সকাল ১১.২০টা।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৩৪৩.
সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় -
  1. ১০ কোটি কিলোমিটার
  2. ১৩ কোটি কিলোমিটার
  3. ১৫ কোটি কিলোমিটার
  4. ১৭ কোটি কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১৫ কোটি কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ কোটি কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

পৃথিবী:
- পৃথিবীকে বলা হয় আদর্শ গ্রহ।
- কারণ একমাত্র পৃথিবী গ্রহেই উদ্ভিদ ও প্রাণীর বসবাসের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড।
- পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৪৪.
পৃথিবীর গভীরতম খাতের নাম কী?
  1. ক) মারিয়ানা খাত
  2. খ) আটলান্টিক শৈলশিরা
  3. গ) পোর্টোরিকো খাত
  4. ঘ) শুন্ডা খাত
সঠিক উত্তর:
ক) মারিয়ানা খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মারিয়ানা খাত
ব্যাখ্যা
• গভীর সমুদ্রখাত (Oceanic Trench) :
- মহাসাগরের তলদেশে বিভিন্ন স্থানে গভীর খাত থাকে। এইগুলিকে গভীর সমুদ্রখাত বলে।
- গভীর সমুদ্র খাতগুলো সাধারণত আগ্নেয়গিরি, ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে অধিক দেখতে পাওয়া যায়।
- গভীর সমুদ্রখাতের গড় গভীরতা সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে ৫,৪০০ মিটারের অধিক।
- সমুদ্রতলে মোট সাতান্নটি গভীর সমুদ্রখাত রয়েছে।
- প্রশান্ত মহাসাগরেই গভীর সমুদ্রখাতের সংখ্যা অধিক।
- নিউগিনির উত্তর দিকে অবস্থিত প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা খাত পৃথিবীর মধ্যে গভীরতম সমুদ্র খাত এর গড় গভীরতা প্রায় ১০,৮৭০ মিটার।
- আটলান্টিক মহাসাগরের পোর্টোরিকো খাত (৮,৫৩৮ মিটার) উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৪৫.
কোনটি বাল্টিক রাষ্ট্র নয়?
  1. ডেনমার্ক
  2. লাতভিয়া
  3. এস্তোনিয়া
  4. লিথুয়ানিয়া
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
- উল্লিখিত প্রশ্নে 'ডেনমার্ক' বাল্টিক রাষ্ট্র নয়।

⇒ বাল্টিক রাষ্ট্র:
- উত্তর-পূর্ব ইউরোপের বাল্টিক সাগরের পূর্বতীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ বাল্টিক রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত।
- এই অঞ্চলে তিনটি দেশ রয়েছে; এস্তোনিয়া,  লাতভিয়া এবং লিথুয়ানিয়া।
- বাল্টিক দেশগুলো শীতল, আর্দ্র জলবায়ুর অঞ্চল। 
- অঞ্চলটির এক-তৃতীয়াংশের বেশি অরণ্যাঞ্চল, যেখানে বার্চ ও শঙ্কু গাছ প্রধান।
- বন্যপ্রাণীর মধ্যে আছে এল্ক, বন্য শূকর, হরিণ, নেকড়ে ইত্যাদি।
- এস্তোনিয়ানরা ফিনো-উগ্রিক ভাষা বলে, যা ফিনিশ সংস্কৃতি দ্বারা প্রভাবিত।
- লাতভিয়ান এবং লিথুয়ানিয়ানরা বাল্টিক-ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা বলে।
- বাল্টিক রাষ্ট্র গুলো সোভিয়েত শাসন হতে ১৯৯১ সালের স্বাধীনতা লাভ করে। 
- বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহ বর্তমানে ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৫,৩৪৬.
বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা কোনটি?
  1. বান্দরবান 
  2. লালমনিরহাট
  3. দিনাজপুর
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

সীমান্তবর্তী স্থান, উপজেলা, জেলা:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা – পঞ্চগড়।
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

​উৎসঃ সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৫,৩৪৭.
জাতিসংঘের মতে ২০৫০ সালে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা কত ফুট বাড়বে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘের মতে ২০৫০ সালে, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়বে ৩ ফুট।
• বাংলাদেশের উপকূলবর্তী ভূমি ডুবে যাবে ১৭%।
• বাংলাদেশের জলবায়ু শরণার্থী হবে আনুমানিক ৩ কোটি।

তথ্যসূত্র:- জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
৫,৩৪৮.
নিচের কোন নদী বাংলাদেশে উৎপত্তি হয়ে বাংলাদেশে পতিত হয়েছে?
  1. কর্ণফুলী
  2. মাতামুহুরী
  3. তিস্তা
  4. হালদা নদী
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
ব্যাখ্যা

হালদা নদী: 
- হালদা বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের ছোট্ট একটি নদী। 
- হালদা নদীর উৎপত্তি, বিস্তার এবং সমাপ্তি সবই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে।

⇒ উল্লেখ্য:
- হালদী নদী সরকার ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম। 
- হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র। 
- হালদা বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী, যেখান থেকে রুইজাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ) নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়। - হালদা নদী বাংলাদেশে কার্পজাতীয় মাছের রেণুর প্রধান উৎস।
- হালদা নদীর প্রজনন সময় হচ্ছে এপ্রিল, মে, জুন এই তিন মাস। 
- অমাবস্যা, পূর্ণিমা তিথিতে এখানে রুইজাতীয় মাছ নিষিক্ত ডিম ছাড়ে। 
হালদা হচ্ছে বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক। 

তথ্যসূত্র - মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৫,৩৪৯.
বাংলাদেশের পাহাড় ধসের অন্যতম প্রধান কারণ -
  1. পাহাড় কাটা
  2. বৃষ্টিপাত
  3. ভূমিকম্প
  4. জুম চাষ
সঠিক উত্তর:
পাহাড় কাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাহাড় কাটা
ব্যাখ্যা
পাহাড়ধস:
- পাহাড় কেটে অবৈধ বসতি স্থাপন এবং পাহাড়ের বন উজাড় ধসের অন্যতম প্রধান কারণ।
- ফলে অব্যাহতভাবে পাহাড়ের মাটি ক্ষয় হতে থাকে এবং পাহাড়গুলো নাজুক হয়ে পড়ে।
- পাহাড়ধসের অরেকটি কারণ বলা হচ্ছে জুম চাষ।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম দেশের সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- ছোট ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প পাহাড়গুলোতে ফাটল সৃষ্টি করে।
- পাহাড়ধসের তাৎক্ষণিক কারণ বজ্রপাতও।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ১৩ আগস্ট ২০১৭ , প্রথম আলো।
৫,৩৫০.
গ্রেট বেরিয়ার রীফ কোথায় অবস্থিত?
  1. আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. পারস্য মহাসাগরে
  4. ভারত মহাসাগরে
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরে
ব্যাখ্যা

গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ:
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ হল বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর সিস্টেম।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর-পূর্ব অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের তীরে প্রবাল সাগরে অবস্থিত।
- এর আনুমানিক ৩৪৪,৪০০০ কি.মি. বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এটি ২,৯০০টিরও বেশি পৃথক রিফ সিস্টেম, ৭৬০টি ফ্রেঞ্জ রিফ, ৩০০টি প্রবাল রশ্মি এবং ৯০০টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- এটি অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসী এবং টরেস স্ট্রেইট দ্বীপবাসীরা ব্যবহার করত।

উৎস: Worldatlas.com।

৫,৩৫১.
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতটি পর্যটকদের কাছে কী নামে পরিচিত?
  1. সমুদ্র রানী
  2. সাগর কন্যা
  3. সোনার সৈকত
  4. প্রকৃতির কোল
সঠিক উত্তর:
সাগর কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাগর কন্যা
ব্যাখ্যা
• কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত:
- কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র।
- পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা "সাগর কন্যা" হিসেবে পরিচিত।

অবস্থান: 
- পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে কুয়াকাটা অবস্থিত।
- ঢাকা থেকে সড়কপথে এর দূরত্ব ৩৮০ কিলোমিটার, বরিশাল থেকে ১০৮ কিলোমিটার।
- পূর্বে গজমতির সংরক্ষিত বনাঞ্চল, পশ্চিমে কুয়াকাটার বনভূমি, উত্তরে কলাপাড়া জনপদ ও দক্ষিণে বিশাল বঙ্গোপসাগর।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, কুয়াকাটা।
৫,৩৫২.
উচ্চতার দিক থেকে পৃথিবীর ২য় পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
  1. কাঞ্চনজঙ্ঘা
  2. লোৎসে
  3. কে টু
  4. এভারেস্ট
সঠিক উত্তর:
কে টু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কে টু
ব্যাখ্যা
উচ্চতার দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষ পর্বতশৃঙ্গ:
• শীর্ষ পর্বতশৃঙ্গ: মাউন্ট এভারেস্ট
- বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট নেপাল এবং তিব্বতের সীমান্তে হিমালয়ে অবস্থিত।
- এটির উচ্চতা ৮৮৪৮.৮৬ মিটার।

• ২য় শীর্ষ পর্বতশৃঙ্গ: কে টু (K2)
- পাকিস্তান ও চীনের সীমান্তে অবস্থিত বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ K2।
- এর আরেক নাম Godwin-Austen।
- এটির উচ্চতা ৮৬১১ মিটার।

• ৩য় শীর্ষ পর্বতশৃঙ্গ: কাঞ্চনজঙ্ঘা
- নেপাল ও ভারতের সীমান্তে অবস্থিত কংচেনজঙ্ঘা।
- এটির উচ্চতা ৮৫৮৬ মিটার।

• ৪র্থ শীর্ষ পর্বতশৃঙ্গ: লোৎসে
- নেপাল এবং তিব্বতের সীমান্তে অবস্থিত লোটসে।
- এটির উচ্চতা ৮৫১৬ মিটার।

• ৫ম শীর্ষ পর্বতশৃঙ্গ: মাকালু পর্বত
- নেপাল ও তিব্বতের সীমান্তে অবস্থিত মাকালু।
- এটির উচ্চতা ৮৪৮৫ মিটার।

উৎস: Worldatlas.
৫,৩৫৩.
মৌসুমি বায়ু সৃষ্টির কারণ কী?
  1. সূর্যের উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়ন
  2. উচ্চতা
  3. বনভূমি
  4. সমুদ্রস্রোত
সঠিক উত্তর:
সূর্যের উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্যের উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়ন
ব্যাখ্যা
• মৌসুমি বায়ু এবং ঋতু পরিবর্তন:
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে যে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয়, তাকে মৌসুমি বায়ু বলে।
- শীত-গ্রীষ্মে ঋতুভেদে স্থলভাগ ও জলভাগের তাপের তারতম্য ঘটে ও সূর্যের উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়নের ফলে মৌসুমি বায়ু সৃষ্টি হয়।
- মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- এই তারতম্যের কারণে মৌসুমি বায়ু সৃষ্টি হয়, যা বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশে সর্বত্র মৌসুমি বায়ু দ্বারা বৃষ্টিপাত ঘটে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩৫৪.
বন্যা সৃষ্টির প্রাকৃতিক কারণ নয় কোনটি?
  1. বর্ষাকালে উত্তরাঞ্চলে নদীর উজানে প্রচুর বৃষ্টি
  2. অপরিকল্পিত রাস্তাঘাট নির্মাণ
  3. মূল নদীসমূহের গভীরতা হ্রাস পাওয়া
  4. হিমালয়ের বরফগলা পানিপ্রবাহ
সঠিক উত্তর:
অপরিকল্পিত রাস্তাঘাট নির্মাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরিকল্পিত রাস্তাঘাট নির্মাণ
ব্যাখ্যা
বন্যার কারণসমূহ
প্রাকৃতিক কারণ
- বর্ষাকালে উত্তরাঞ্চলে নদীর উজানে প্রচুর বৃষ্টি
- মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাব। 
- মূল নদীসমূহের গভীরতা হ্রাস পাওয়া
- বঙ্গোপসাগরে ভরা জোয়ার।
- হিমালয়ের বরফগলা পানিপ্রবাহ
- শাখা নদীগুলো পলি দ্বারা ভরাট হয়ে যাওয়া।

মানব সৃষ্ট কারণ
- অপরিকল্পিত নগরায়ন ও জলাধার ভরাট করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বিঘ্ন করা।
অপরিকল্পিত রাস্তাঘাট নির্মাণ
- গঙ্গা নদীর উপর ফারাক্কা ও তিস্তা নদীর উপর নির্মিত বাঁধের প্রভাব।
- বালু ভরাট করে নদীসমূহের স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা দান।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম - ১০ম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৫৫.
পাট চাষের জন্যে উপযোগী তাপমাত্রা কত ডিগ্রি সেলসিয়াস?
  1. ১২° - ৩৩°
  2. ১৪° - ৩৩°
  3. ১০° - ৩৩°
  4. ১৮° - ৩৩°
সঠিক উত্তর:
১৮° - ৩৩°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮° - ৩৩°
ব্যাখ্যা

পাট চাষ:
- উর্বর দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- তবে বেলে ও এঁটেল মাটি ছাড়া সব জমিতেই পাট চাষ করা যায়।
- তবে যে জমিতে বর্ষার শেষের দিকে পলি পড়ে সে জমি পাট চাষের জন্য উত্তম।
- তোষা পাট উঁচু জমিতে এবং দেশী পাট উঁচু ও নিচু দু'ধরনের জমিতেই চাষ করা যায়।
- পাট চাষের জন্যে উপযোগী তাপমাত্রা ১৮০ - ৩৩° সেলসিয়াস

⇒ পাট আঁশপ্রধানত দুটি প্রজাতি, সাদাপাট (Corchorus capsularis) ও তোষাপাট (Corchorus olitorius) থেকে উৎপন্ন হয়।
- ৫.০-৮.৬ পর্যন্ত অম্লমানের (pH) মাটিতে পাট ফলানো যায়।
- ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, যশোর, ঢাকা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জামালপুর অঞ্চলে পাট চাষের পরিমান বেশি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৫৬.
বাংলাদেশের উচ্চতম পর্বত শৃঙ্গের নাম কী?
  1. ক) বিজয়
  2. খ) ক্রেওকাডং
  3. গ) চিম্বুক
  4. ঘ) চন্দ্রনাথ
সঠিক উত্তর:
ক) বিজয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিজয়
ব্যাখ্যা
Worldatlas.com অনুযায়ী বাংলাদেশের উচ্চতম পর্বত শৃঙ্গ সাকা হাপং কিন্তু নবম দশম শ্রেণীর ভূগোল বই অনুসারে বাংলাদেশের উচ্চতম পর্বত শৃঙ্গ বিজয় (তাজিংডন) ।
৫,৩৫৭.
সিন্দু সভ্যতা নিচের কোনটির উপর কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল?
  1. ক) খনিজ সম্পদ
  2. খ) পানির উৎস
  3. গ) মৃত্তিকা
  4. ঘ) আবহাওয়া
সঠিক উত্তর:
খ) পানির উৎস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পানির উৎস
ব্যাখ্যা
- ভ‚-পৃষ্ঠের চারভাগের তিনভাগই পানি দ্বারা আবৃত। পানির বিভিন্ন উৎসের মধ্যে রয়েছে সমুদ্রের পানি, বৃষ্টির পানি, পার্বত্য অঞ্চলের বরফগলা পানি, ভূ-পৃষ্ঠের পানি, নদ-নদীর পানি এবং জলাভূমির পানি।
- প্রাণি কিংবা উদ্ভিদ উভয়ের টিকে থাকার জন্য অন্যতম উপাদান পানি।
- পৃথিবীর প্রাচীনতম সভ্যতা যেমন- মিশরীয় সভ্যতা, সিন্দু সভ্যতা পানির উৎসকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল যার ধারা আজও বিদ্যমান।

উৎস: এস.এস.সি. ভূগোল ও পরিবেশ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,৩৫৮.
বায়ুমণ্ডলে কোন গ্যাস সর্বাধিক পরিমাণে পাওয়া যায় ?
  1. অক্সিজেন
  2. কার্বন ডাইঅক্সাইড
  3. নাইট্রোজেন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
শুষ্ক বাতাসে ৭৮.০৯% নাইট্রোজেন,২০.৯৫% অক্সিজেন, ০.৯৩% আর্গন, ০.০৩% কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং সামান্য পরিমাণে অন্যান্য গ্যাস থাকে।
বাতাসে এছাড়াও পরিবর্তনশীল পরিমাণ জলীয় বাষ্প রয়েছে যার গড় প্রায় ১%।

উৎস: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান।
৫,৩৫৯.
মেঘনা নদী ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়েছে-
  1. ভৈরব বাজারে
  2. গোয়ালন্দে
  3. চাঁদপুরের কাছে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ভৈরব বাজারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভৈরব বাজারে
ব্যাখ্যা
মেঘনা:
- আসামের বরাক নদী নাগা-মণিপুর অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশের সিলেট জেলায় প্রবেশ করেছে।
- উত্তরের শাখা সুরমা পশ্চিম দিকে সিলেট, ছাতক, সুনামগঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- আজমিরীগঞ্জের কাছে উত্তর সিলেটের সুরমা, দক্ষিণ সিলেটের কুশিয়ারা নদী এবং হবিগঞ্জের কালনী নদী একসঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- পরে কালনী, সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত প্রবাহ কালনী নামে দক্ষিণে কিছুদূর প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে।
- মেঘনা ভৈরববাজারের দক্ষিণে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়েছে।
- চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- মনু, বাউলাই, তিতাস, গােমতী হচ্ছে মেঘনার উপনদী।

গুরত্বপূর্ণ নদীসমূহের মিলিত স্থান:
→ পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা: ভৈরব বাজার।
→ হালদা ও কর্ণফুলী: কালুরঘাট, চট্টগ্রাম।
→ তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র: চিলমারি, কুড়িগ্রাম।
→ পদ্মা ও যমুনা: গোয়ালন্দ, রাজবাড়ি।
→ পদ্মা ও মেঘনা: চাঁদপুর।
→ কুশিয়ারা ও সুরমা: আজমিরীগঞ্জ, হবিগঞ্জ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩৬০.
সিডর আক্রান্ত এলাকায় আমেরিকার রিলিফ কার্যক্রমের নাম কী?
  1. ক) অপারেশন সি-এঞ্জেল-১
  2. খ) অপারেশন ইমারজেন্সি
  3. গ) অপারেশন সি-এঞ্জেল-২
  4. ঘ) অপারেশন মান্না
সঠিক উত্তর:
গ) অপারেশন সি-এঞ্জেল-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অপারেশন সি-এঞ্জেল-২
ব্যাখ্যা
১৫ নভেম্বর, ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডর বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচন্ড ভাবে আঘাত হানে।
এই ঘূর্ণিঝড় সিডরের সময় মার্কিন সেনাবাহিনী পরিচালিত ত্রাণ কার্যক্রমের সাংকেতিক নাম 'অপারেশন সি-এঞ্জেল-২'।
২৯ এপ্রিল, ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের সময় ব্রিটিশ রাজকীয় নৌবাহিনী 'অপারেশন মান্না' সাংকেতিক নামে ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনা করে এবং মার্কিন টাস্কফোর্স 'অপারেশন সি-এঞ্জেল' ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনা করে।
৫,৩৬১.
স্ট্রাটোবিরতির উপরে প্রায় ৮০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে কী বলে?
  1. মেসোমণ্ডল
  2. ট্রপোমণ্ডল
  3. তাপমণ্ডল
  4. এক্সোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
ব্যাখ্যা
মেসোমণ্ডল (Mesosphere): 
- স্ট্রাটোবিরতির উপরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে মেসোমণ্ডল বলে।
- এই স্তরের উপরে তাপমাত্রা হ্রাস পাওয়া থেমে যায়। এই স্তরকে মেসোবিরতি (Mesopause) বলে।

মেসোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of the Mesosphere): 
(ক) এই স্তরে ট্রপোমণ্ডলের মতোই উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা কমতে থাকে। যা-৮৩° সেলসিয়াস পর্যন্ত নিচে নেমে যায়। মেসোমণ্ডল বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে শীতলতম তাপমাত্রা ধারণ করে।
(খ) মহাকাশ থেকে যেসব উল্কা পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে সেগুলোর অধিকাংশই এই স্তরের মধ্যে এসে পুড়ে যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫,৩৬২.
বায়ুমণ্ডল কাকে বলে?
  1. সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর প্রবাহ মাত্রা
  2. মাধ্যাকর্ষণের কেন্দ্রে বায়ুর অস্তিত্ব
  3. ভূ-পৃষ্ঠ ও তার চারিদিকের বায়বীয় আবরণ
  4. বায়ুর উর্ধ্বমুখী চাপ
সঠিক উত্তর:
ভূ-পৃষ্ঠ ও তার চারিদিকের বায়বীয় আবরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূ-পৃষ্ঠ ও তার চারিদিকের বায়বীয় আবরণ
ব্যাখ্যা
• বায়ুমণ্ডল:
- ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত আছে তাকে বায়ুমন্ডল বলে।
- বায়ুমণ্ডলের গভীরতা প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার।
বায়ুমণ্ডলের একটির উপর আরেকটি স্তর আছে। ভূ-পৃষ্ঠের কাছাকাছি বা সমুদ্রপৃষ্ঠে এই বায়ুচাপের ঘনত্ব বেশি ও উর্ধ্বদিকে এই ঘনত্ব কমতে থাকে।

- বায়ুমণ্ডলের উপাদান মূলত বিভিন্ন প্রকার গ্যাস, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কণিকার সংমিশ্রণ।
- বায়ুমণ্ডলের এই সব গ্যাসীয় উপাদানের মধ্যে শুদ্ধ উপাদান হলো অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন, বাকী উপাদান হলো কৃত্রিম বা অশুদ্ধ উপাদান।
- এই সব গ্যাসীয় উপাদান, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কণিকাসমূহ বায়ুমন্ডলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৬৩.
তিস্তা বাঁধ বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়
  2. নওগাঁ
  3. নীলফামারী
  4. লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
• তিস্তা বাঁধ:
- তিস্তা বাঁধ লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলাধীন দুয়ানি নামক স্থানে তিস্তা নদীর উপর নির্মিত।
- এই বাঁধে ৬১৫মি দীর্ঘ একটি কংক্রিটের কাঠামোর সঙ্গে ৪৪টি বেড়িয়েল দ্বার সংযুক্ত রয়েছে।
- বাঁধের পানি অপসারণ ক্ষমতা ১২.৭৫০ কিউমেক।
- বাঁধের উজানে সেচকার্যের জন্য নদীর ডানতীরে খালের মাধ্যমে পানি সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
- বাঁধটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৭৯ সালে, সেচকার্যের জন্য সেচখালসমূহ খনন শুরু হয় ১৯৮৪ সালে এবং বাঁধটির সামগ্রিক কাজ সমাপ্ত হয় ১৯৯৭ - ৯৮ অর্থ বৎসরে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৬৪.
ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত -
  1. ক) হিমালয় পর্বতমালা
  2. খ) আল্পস পর্বতমালা
  3. গ) দক্ষিণ আমেরিকা
  4. ঘ) উত্তর আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
খ) আল্পস পর্বতমালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আল্পস পর্বতমালা
ব্যাখ্যা
আল্পস পর্বতমালা ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত। 

অন্যদিকে,
• হিমালয় পর্বতমালায় বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত। 
• পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতশ্রেণী হলো দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালা।
• দ্বিতীয় দীর্ঘতম পর্বতশ্রেণী হলো উত্তর আমেরিকার রকি পর্বতমালা।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস
৫,৩৬৫.
ভারত মহাসাগর ও জাভা সাগরকে যুক্ত করেছে কোন প্রণালী?
  1. পক প্রণালী
  2. ফরমোজা প্রণালী
  3. সুন্দা প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
সঠিক উত্তর:
সুন্দা প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দা প্রণালী
ব্যাখ্যা
 সুন্দা প্রণালী:
- সুন্দা প্রণালী ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর (জাভা সাগর) কে যুক্ত করেছে
- এটি ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথক করেছে।
- সুন্দা প্রণালী ব্যতীত মালাক্কা প্রণালীও ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- সুন্দা প্রণালীর সর্বনিম্ন প্রস্থ প্রায় ২৪ কি.মি এবং সর্বনিম্ন গভীরতা প্রায় ২০ মিটার। 

অন্যদিকে,
- পক প্রণালী ভারত মহাসাগরের বঙ্গোপসাগর ও পক উপসাগরকে যুক্ত করেছে।
- ফরমোজা প্রণালী প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।
- জিব্রাল্টার প্রণালী ভূম্যসাগরকে উত্তর আটলান্টিক সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।

উৎস: WorldAtlas.
৫,৩৬৬.
'Gate of Tears' নামে পরিচিত কোনটি?
  1. বাব এল-মান্দেব প্রণালী
  2. ডোভার প্রণালী
  3. সুয়েজ খাল
  4. মালাক্কা প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বাব এল-মান্দেব প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাব এল-মান্দেব প্রণালী
ব্যাখ্যা

⇒ বাব এল-মান্দেব প্রণালী 'Gate of Tears' নামে পরিচিত।

বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী, আরবি বাব আল-মান্দব, আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী।
- প্রণালীটির মোট দৈর্ঘ্য, পূর্ব-উত্তর-পূর্ব থেকে পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ১৪৮০ কিমি, এবং এর গড় প্রস্থ, উত্তর-উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ৪৮০ কিমি।
- এটি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালীটি এডেন উপসাগর, গভীর জলের অববাহিকা যা লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সমুদ্র সংযোগ তৈরি করে।
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের সাথে, প্রণালীটি ভূমধ্যসাগর এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের একটি অংশ গঠন করে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ ‘কান্নার দ্বার’।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৫,৩৬৭.
পৃথিবীর আকাশে সর্বশেষ কত সালে 'হ্যালির ধূমকেতু' দেখা গিয়েছিল?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৮৬ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা
- সর্বশেষ পৃথিবীর আকাশে ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গেছে।

ধূমকেতু (Comet): 

- মহাকাশে মাঝে মাঝে একপ্রকার জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে যাদের একটি মাথা ও একটি লেজ আছে, এসব জ্যোতিকে ধূমকেছূ বলে। 
- ধূমকেতু আকাশের এক অতি বিস্ময়কর জ্যোতিক। 
- সৌরজগতের মধ্যে ধূমকেতুর বসবাস হলেও এরা কিছুদিনের জন্য উপয় হরে পাবার অদৃশ্য হয়ে যায়। 
- এরা সূর্যের যত কাছাকাছি আসতে থাকে তত এর লেজ লম্বা হতে থাকে। 
- এরা অনেক দীর্ঘ কক্ষপথে সূর্যকে পরিক্রমণ করে বলে অনেক বছর পর পর এরা আবির্ভূত হয়। 
- জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত। 
- হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছরে একবার দেখা যায়। 
- মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী হ্যালির ধূমকেতু ২৪০ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দ থেকে দেখা যায় এবং সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গেছে।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
 
৫,৩৬৮.
'দারফুর' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মিশর
  2. খ) মরক্কো
  3. গ) সুদান
  4. ঘ) লিবিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) সুদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুদান
ব্যাখ্যা

- দারফুর সুদানের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল।
- অঞ্চলটি তিনটি স্বায়ত্বশাসিত প্রদেশ নিয়ে গঠিত।
- এই তিনটি প্রদেশ হচ্ছেঃ পশ্চিম দারফুর, দক্ষিণ দারফুর এবং উত্তর দারফুর।

৫,৩৬৯.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' বলতে বুঝানো হয় -
  1. নদীর মোহনা
  2. একটি প্লাবন ভূমি
  3. একটু ফুটবল প্লে গ্রাউন্ড
  4. বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড।
- এটি ১৪ কিলোমিটার ব্যাপী বঙ্গোপসাগরের গভীর খাদ। 
- এটি সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। 
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- এই এলাকাটি বিভিন্ন প্রজাতির ডলফিন এবং তিমির মতো বিপন্ন প্রাণীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড ‘গঙ্গাখাদ’ নামেও পরিচিত। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৩৭০.
বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত আন্তঃসীমান্ত নদীর সংখ্যা কত?
  1. ৫০টি
  2. ৫৫টি
  3. ৫৭টি
  4. ৫৯টি
সঠিক উত্তর:
৫৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদী:
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রবাহিত ৫৭টি আন্তঃসীমান্ত নদী (Trans-boundary Rivers) রয়েছে।
- বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃসীমান্ত নদী ৫৪টি।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তঃসীমান্ত নদী ৩টি (সাঙ্গু, মাতামুহুরী, নাফ)।
- আন্তঃসীমান্ত নদী বলতে সাধারণত সেসমস্ত নদীকে বুঝায় যেগুলি অন্তত এক বা একাধিক দেশের রাজনৈতিক সীমা অতিক্রম করে।
- এই সীমা একটি দেশের অভ্যন্তরস্থ বা আন্তর্জাতিক হতে পারে।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৩৭১.
ষাট গম্বুজ মসজিদ কে ইউনেস্কো কত সালে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে?
  1. ১৯৮৫
  2. ১৯৮১
  3. ১৯৮২
  4. ১৯৮৩
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ শতাব্দীতে বাগেরহাট জেলায় খান জাহান আলী বাংলাদেশের মধ্যযুগের সবচেয়ে বড় মসজিদ ‘ষাট গম্বুজ মসজিদ’ নির্মাণ করেন।
১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো একে ৩২১-তম বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে।
উৎসঃ ইউনেস্কো ওয়েবসাইট
৫,৩৭২.
নিম্নের কোন নিয়ামকটি একটি অঞ্চলের বা দেশের জলবায়ু নির্ধারণ করে না?
  1. ক) অক্ষরেখা
  2. খ) দ্রাঘিমারেখা
  3. গ) উচ্চতা
  4. ঘ) সমুদ্রস্রোত
সঠিক উত্তর:
খ) দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সব অঞ্চলের জলবায়ু একই রকম নয়। এর কোনো অঞ্চলে উষ্ণ এবং কোনো অঞ্চল শীতল। আবার কোনো স্থান বৃষ্টিবহুল এবং কোনো স্থান বৃষ্টিহীন।
কিছু ভৌগোলিক বিষয়ের পার্থক্যের কারণে স্থানভেদে জলবায়ুর এরকম পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। এই বিষয়গুলোকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে।
জলবায়ুর বিভিন্ন নিয়ামকগুলো হলো -
- অক্ষাংশ,
- উচ্চতা,
- সমুদ্র থেকে দূরত্ব,
- বায়ুপ্রবাহ,
- সমুদ্রস্রোত,
- পর্বতের অবস্থান,
- ভূমির ঢাল,
- মৃত্তিকার গঠন,
- বনভূমির অবস্থান ইত্যাদি।
দ্রাঘিমারেখা একটি অঞ্চল বা দেশের জলবায়ু নির্ধারণে নিয়ামক হিসাবে কাজ করে না।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩৭৩.
চা চাষের জন্য কত সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত প্রয়োজন?
  1. ক) ১০০ সেন্টিমিটার
  2. খ) ১৫০ সেন্টিমিটার
  3. গ) ২০০ সেন্টিমিটার
  4. ঘ) ২৫০ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫০ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫০ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

অর্থকরী ফসলের মধ্যে চা অন্যতম। বাংলাদেশে উৎপাদিত চা-এর কিছু অংশ বিদেশে রপ্তানি হয়। পানি নিষ্কাশনবিশিষ্ট ঢালু জমিতে চা ভালো হয়। বাংলাদেশের মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সিলেটে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে। এছাড়াও চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ে চা চাষ করা হয়।
নিয়ামক:
তাপমাত্রা : চা চাষের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু প্রয়োজন। ১৬° থেকে ১৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা চা চাষের উপযোগী।
বৃষ্টিপাত : চা চাষের জন্য ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত প্রয়োজন।
মৃত্তিকা : উর্বর লৌহ ও জৈব পদার্থ মিশ্রিত দোঁআশ মাটিতে চা চাষ ভালো হয়।
সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৫,৩৭৪.
কোন সমুদ্র সৈকতকে বাংলাদেশের ‘সাগরকন্যা’ বলা হয়?
  1. পতেঙ্গা
  2. সেন্টমার্টিন
  3. কক্সবাজার
  4. কুয়াকাটা
সঠিক উত্তর:
কুয়াকাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়াকাটা
ব্যাখ্যা
সাগরকন্যা:
- পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা।
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকাটা।
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৩৭৫.
আচেহ প্রদেশ  কোন দেশে অবস্থিত? 
  1. মালয়েশিয়া 
  2. ফিলিপাইন
  3. ইন্দোনেশিয়া 
  4. নাইজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া 
ব্যাখ্যা

- আচেহ প্রদেশ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ায়।

ইন্দোনেশিয়া:
- ইন্দোনেশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র।
- ইন্দোনেশিয়াতে সর্বমোট ১৭,০০০+ দ্বীপ রয়েছে।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপগুলো হচ্ছে-সুমাত্রা, জাভা, বালি ইত্যাদি।
- বৃহত্তম দ্বীপ সুমাত্রা।
- আচেহ প্রদেশ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ায়।
- জনবহুল দ্বীপ জাভা (রাজধানী জাকার্তা অবস্থিত)।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া নেদারল্যান্ডসের উপনিবেশ ছিল।
- নেদারল্যান্ডের কাছ থেকে দেশটি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে স্বাধীন হয়।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি (স্বাধীনতার নেতৃত্ব প্রদান) মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী।
- মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী (২০০১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত)।
- তিনি মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত মহিলা প্রধান।

উৎস: Worldatlas.

৫,৩৭৬.
কোন দেশকে মুক্তার দেশ বলা হয়?
  1. বাহরাইন
  2. কিউবা
  3. জাপান
  4. থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
কিউবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিউবা
ব্যাখ্যা
গুরুত্বপূর্ন ভৌগলিক উপনাম (দেশ)
- সূর্যোদয়ের দেশ - জাপান।
- শ্বেতহস্তীর দেশ - থাইল্যান্ড।
- মুক্তার দেশ - কিউবা।
- মুক্তার দ্বীপ- বাহরাইন।
- প্রাচীরের দেশ - চীন।
- ল্যান্ড অফ মার্বেল - ইতালি।
- সমুদ্রের বধূ - গ্রেট ব্রিটেন।
- ম্যাপল পাতার দেশ - কানাডা।
- হাজার হ্রদের দেশ -ফিনল্যান্ড।
- সিল্ক রুটের দেশ - ইরান।
- ইউরোপের ককপিট - বেলজিয়াম।
- সোনালী প্যাগোডার দেশ- মায়ানমার।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৫,৩৭৭.
পার্বত্য চট্টগ্রামের পূর্বে ভারতের কোন রাজ্য অবস্থিত?
  1. ক) ত্রিপুরা
  2. খ) অরুণাচল
  3. গ) মিজোরাম
  4. ঘ) মেঘালয়
সঠিক উত্তর:
গ) মিজোরাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মিজোরাম
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রাম (Chittagong Hill Tracts)  দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাপক পাহাড়ি অঞ্চল (২১°২৫´ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৩°৪৫´ উত্তর অক্ষাংশ ও ৯১°৫৪´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৫০´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ)।
- এর দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে মায়ানমার, উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, পূর্বে মিজোরাম এবং পশ্চিমে চট্টগ্রাম জেলা অবস্থিত। 
- পার্বত্য চট্টগ্রামের এলাকা প্রায় ২৩,১৮৪ বর্গ কিমি যা বাংলাদেশের মোট এলাকার প্রায় এক দশমাংশ।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৫,৩৭৮.
‘হ্নীলা’ সীমান্ত এলাকা বাংলাদেশের কোন জেলার অন্তর্গত?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) রাঙ্গামাটি
  4. ঘ) পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
খ) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
হ্নীলা বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত টেকনাফ উপজেলার বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন। সূত্র- hnilaup.coxsbazar.gov.bd
৫,৩৭৯.
অতিরিক্ত লবণাক্ততার প্রভাবে কোনটি হতে পারে?
  1. সুপেয় পানির অভাব দেখা
  2. কৃষি জমি নষ্ট হওয়া
  3. মিঠা পানির মাছের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• লবণাক্ততা (Salinity):
- লবণাক্ততা বলতে মাটি ও পানিতে লবণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে যে অবস্থার সৃষ্টি হয় তাকে বুঝায়।
- সাধারণত লবণাক্ততার মাত্রা পরিমাপ করা হয় Parts Per Thousand বা পিপিটি (PPT) দ্বারা।
- সমুদ্রের পানিতে লবণাক্ততার গড় মাত্রা ৩৫পিপিটি অর্থাৎ ১ কিলোগ্রাম পানিতে প্রায় ৩৫ গ্রাম লবণ থাকে।

লবণাক্ততার প্রভাব:
- উপকূলীয় অঞ্চলের জমি কৃষিকাজের অনুপযোগী হয়ে উৎপাদন হ্রাস পাওয়া;
- সুপেয় পানির অভাব দেখা দেওয়া;
- উদ্বাস্তু লোকের সংখ্যা বৃদ্ধি;
- সম্পদহানি ও দারিদ্রতা বৃদ্ধি;
- বিভিন্ন রোগব্যাধির প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়া;
- ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষতি;
- মিঠা পানির মাছের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস;
- গাছপালায় মড়ক লাগা ও ফসলের গোড়া পচে যাওয়া;
- সামাজিক বন্ধনে শিথিল হওয়া প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৮০.
ভূ-পৃষ্ঠ পরিবর্তনের ধীর মাধ্যম কোনটি?
  1. ভূ-কম্পন
  2. বিচূর্ণীভবন
  3. ভূমিধ্বস
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিচূর্ণীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচূর্ণীভবন
ব্যাখ্যা
ভূ-ত্বকের পরিবর্তন:
- বিচূর্ণীভবন পৃথিবীর ধীর পরিবর্তনকারী শক্তি।
- নানা প্রকার বাহ্যিক প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে ভূ-পৃষ্ঠে দীর্ঘদিন ধরে যে পরিবর্তন সাধিত হয় তাকে ধীর প্রাকৃতিক পরিবর্তন বলে।
- ভূ-পৃষ্ঠের অতি বিস্তুৃত এলাকা জুড়ে ধীর পরিবর্তনের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
- নদী, বৃষ্টি, হিমবাহ, তুহিন, উত্তাপ, সমুদ্র প্রভৃতি ধীর পরিবর্তনের সহায়ক শক্তি।
- এদের দ্বারা পরিবর্তন এত ধীর গতিতে সংঘটিত হয় যে, দুই চারশত বৎসরেও কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় না।
- ধীর পরিবর্তনকারী প্রাকৃতিক শক্তিগুলি দীর্ঘ দিনের ক্ষয়সাধনের দ্বারা বৃহৎ ভূমিরূপ হতে নানা প্রকার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভূমিরূপের সৃষ্টি করে।

 

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৮১.
'Line of Actual Control' যে দু'টি দেশের সীমান্তে অবস্থিত-
  1. ক) পাকিস্তান - আফগানিস্তান
  2. খ) চীন - ভারত
  3. গ) ভারত - পাকিস্তান
  4. ঘ) নেপাল - ভারত
সঠিক উত্তর:
খ) চীন - ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চীন - ভারত
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের মধ্যকার সীমারেখা:
- LAC (Line of Actual Control) : চীন ও ভারত
- লাইন অব কন্ট্রোল : পাকিস্তান ও ভারত
- গ্রিন লাইন : ইসরাইল ও জর্ডান/ফিলিস্তিন
- ব্লু লাইন : ইসরাইল ও লেবানন।

(সূত্র: ব্রিটানিকা)
৫,৩৮২.
‘সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক ২০১৫-৩০’-এর লক্ষ্য কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক:
-  ১৪ মার্চ - ১৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলন।
- এই সম্মেলনের শেষদিন দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস সংক্রান্ত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক: ২০১৫-৩০ গৃহীত হয়।
- এই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য এবং চারটি অগ্রাধিকারের রূপরেখা স্থির করা হয়।
- দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনে টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই এ সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য।

সাতটি লক্ষ্য:
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী দুর্যোগে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) সাথে সরাসরি দুর্যোগের অর্থনৈতিক ক্ষতি হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে গুরুতর অবকাঠামোর দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুবিধাগুলির মধ্যে মৌলিক পরিষেবাগুলির ব্যাঘাতকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০২০ সালের মধ্যে জাতীয় এবং স্থানীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কৌশলসহ দেশের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে এই কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য তাদের জাতীয় কর্মের পরিপূরক করার জন্য পর্যাপ্ত এবং টেকসই সহায়তার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বহু-বিপদ প্রারম্ভিক সতর্কতা ব্যবস্থা এবং দুর্যোগ ঝুঁকির তথ্য এবং মূল্যায়নের প্রাপ্যতা এবং অ্যাক্সেস উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা।

উৎস: UNDRR ওয়েবসাইট। [link]
৫,৩৮৩.
ধরলা ও তিস্তা কোন নদীর উপনদী?
  1. পদ্মা
  2. মেঘনা
  3. কর্ণফুলী
  4. ব্রহ্মপুত্র
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র নদ: 
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের তিব্বত অংশের মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- এরপর তিব্বত হয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- এরপর ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। 
- মেঘনা নদীতে মিলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত। 
- বাংলাদেশ অংশে ব্রহ্মপুত্র নদ প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে। 
- প্রধান শাখানদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা। 
- প্রধান উপনদী: ধরলা ও তিস্তা। 
- এখানে উল্লেখ্য যে, ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উপরে উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গিয়ে একটি নতুন স্রোতধারা সৃষ্টি হয়।
- যা যমুনা নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৮৪.
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে চিম্বুক পাহাড়ের উচ্চতা-
  1. প্রায় ৫৫০ মিটার
  2. প্রায় ৮৭০ মিটার
  3. প্রায় ৭৬২ মিটার
  4. প্রায় ১০০০ মিটার
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৭৬২ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৭৬২ মিটার
ব্যাখ্যা

• চিম্বুক পাহাড়:
- চিম্বুক পাহাড় বাংলাদেশের বান্দরবান জেলায় অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।
- এটি দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ পাহাড়।
- পাহাড়টি বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
- এই পাহাড়টি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২৪০০ ফুট (৭৬২ মিটার) উঁচু।
- চিম্বুককে "বাংলার দার্জিলিং" নামেও ডাকা হয়।
- এখান থেকে বিস্তৃত পাহাড়ের সারি দেখা যায়, যা সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো মনে হয়।
- এছাড়া, মেঘে ঢাকা উপত্যকার দৃশ্য দর্শকদের মুগ্ধ করে।
- চিম্বুককে "পাহাড়ের রানী" নামেও সম্বোধন করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৫,৩৮৫.
তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে ভূ-পৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থানে উৎপত্তি হয়-
  1. ক) অয়ন বায়ুর
  2. খ) প্রত্যয়ন বায়ুর
  3. গ) স্থানীয় বায়ুর
  4. ঘ) মৌসুমী বায়ুর
সঠিক উত্তর:
গ) স্থানীয় বায়ুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্থানীয় বায়ুর
ব্যাখ্যা

- ঋতু পরিবর্তনের সাথে যে বায়ুর দিক পরিবর্তন হয় তাকে বলা হয় মৌসুমী বায়ু।
- তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে ভূ-পৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থানে উৎপত্তি হয় স্থানীয় বায়ুর।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৩৮৬.
Which two countries are separated by the Strait of Florida?
  1. Africa and Spain
  2. United States and Cuba
  3. Canada and Finland
  4. Italy and Sicily
সঠিক উত্তর:
United States and Cuba
উত্তর
সঠিক উত্তর:
United States and Cuba
ব্যাখ্যা
ফ্লোরিডা প্রণালী (Straits of Florida):
- ফ্লোরিডা প্রণালী যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবাকে পৃথক করেছে এবং মেক্সিকো উপসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করে।

⇒ অবস্থান: উত্তরে: ফ্লোরিডা কিস (Florida Keys), যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণে: কিউবা, পূর্বদিকে: বাহামা দ্বীপপুঞ্জ।
- প্রস্থ: সবচেয়ে সংকীর্ণ স্থানে প্রায় ৯৩ মাইল (১৫০ কিমি)। -
- স্রোত: এখান দিয়েই ফ্লোরিডা কারেন্ট (Florida Current) প্রবাহিত হয়, যা গালফ স্ট্রিমের (Gulf Stream) প্রাথমিক অংশ
- এই প্রণালী দিয়ে ১৫১৩ সালে স্প্যানিশ অভিযাত্রী হুয়ান পনসে দে লিওন প্রথম নৌযাত্রা করেন বলে লিপিবদ্ধ আছে।

অন্যদিকে,
- জিব্রাল্টার প্রণালী পৃথক করেছে আফ্রিকা-স্পেন।
- মেসিনা প্রণালী পৃথক করেছে ইতালী-সিসিলি।
- কানাডা ও গ্রিনল্যান্ডকে পৃথক করেছে ডেভিস প্রণালী।

উৎস: Britannica.
৫,৩৮৭.
নীলনদ পৃথিবীর কয়টি দেশে প্রবাহিত হয়েছে?
  1. ১২টি
  2. ১১টি
  3. ১০টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
নীল নদ:
- অবস্থান: পূর্ব ও উত্তর আফ্রিকা।
- দৈর্ঘ্য: আনুমানিক ৬,৬৫০ কিলোমিটার।
- প্রবাহিত: ১১টি দেশ।
- তানজানিয়া, উগান্ডা, রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, কঙ্গো (DRC), দক্ষিণ সুদান, সুদান, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, ইরিত্রিয়া ও মিশর।

উল্লেখ্য,
- এটি বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী হিসেবে পরিচিত (আমাজন নদীর পরেই)।
- এটি ভূমধ্যসাগরে গিয়ে পতিত হয়েছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস। 
৫,৩৮৮.
বায়ুমণ্ডলে আর্গন ও  জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কত?
  1. ০.০২ ও ০.৩০ শতাংশ
  2. ৭৮.০২ ও ০.০৩ শতাংশ
  3. ২০.৭১ ও ০.৮০ শতাংশ
  4. ০.৮০ ও  ০.৪১ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
০.৮০ ও  ০.৪১ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৮০ ও  ০.৪১ শতাংশ
ব্যাখ্যা

• বায়ুমন্ডল:
- ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে তাকেই সহজ ভাষায় বলা হয় বায়ুমন্ডল।

• বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ।
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ।
- আর্গন : ০.৮০ শতাংশ।
- জলীয়বাষ্প ০.৪১ শতাংশ।
- কার্বন ডাই-অক্সাইড ০.০৩ শতাংশ।
- অন্যান্য গ্যাস ০.০২ শতাংশ।
- ধূলিকণা ও কণিকা ০.০১ শতাংশ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেনি।

৫,৩৮৯.
বর্তমানে নদীবন্দরগুলোর জন্য মোট কয়টি সতর্ক সংকেত প্রচলিত রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
নদী বন্দরের সংকেত:
- বর্তমানে নদীবন্দরগুলোর জন্য মোট ছয়টি সতর্ক সংকেত প্রচলিত
- ছয়টি সংকেতের প্রথমটি স্থানীয় সতর্ক সংকেত ৩।
- দ্বিতীয়টি হুঁশিয়ারি সংকেত ৪।
- নদীবন্দরের জন্য শুধু ৩ এবং ৪ সম্বর সতর্ক সংকেত ব্যবহার করা হয় যা কালবৈশাখী ও বর্ষাকালীন ঝড়ো হাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- বড় ঝড় কিংবা ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষেত্রে সমুদ্রবন্দরের মতোই নদী বন্দরেও বিপদ সংকেত ৬ এবং মহাবিপদ সংকেত ৮, ৯ ও ১০ ব্যবহার করা হয়।

সমুদ্র বন্দরের সংকেত:
- প্রচলিত পদ্ধতির ১১টির স্থলে নতুন পদ্ধতিতে সমুদ্র ও সমুদ্রবন্দরের জন্য মোট আটটি সংকেত প্রবর্তন করা হচ্ছে।
- এর মধ্যে দূরবর্তী সতর্ক সংকেত ১ ও দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত ২ শুধু গভীর সমুদ্র এলাকার জন্য।

স্থানীয় সতর্ক সংকেত ৩:
- বন্দর ও সংলগ্ন এলাকায় ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

হুঁশিয়ারি সংকেত ৪:
- বন্দর ও সংলগ্ন এলাকা ঘূর্ণিঝড়কবলিত।
- বাতাসের গতিবেগ ৫১-৬১ কিলোমিটার।

বিপদ-সংকেত ৬:
- মাঝারি তীব্রতাসম্পন্ন সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় বন্দর এলাকায় মাঝারি ঝড়ো হাওয়া সৃষ্টি করবে।
- বাতাসের গতিবেগ ৬২-৮৮ কিলোমিটার।

মহাবিপদ-সংকেত ৮:
- প্রচণ্ড তীব্রতাসম্পন্ন সামুদ্রিক ঝড় বন্দর এলাকায় অতিতীব্র ঝড়ো আবহাওয়া সৃষ্টি করবে।
- বাতাসের গতিবেগ ৮৯-১১৭ কিলোমিটার।

মহাবিপদ-সংকেত ৯:
- অতি প্রচণ্ড তীব্রতাসম্পন্ন সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়।
- বন্দর এলাকায় অতিতীব্র ঝড়ো হাওয়া বিরাজ করবে।
- বাতাসের গতিবেগ ১১৮-১৭০ কিলোমিটার।

মহাবিপদ-সংকেত ১০:
- সুপার সাইক্লোনের তীব্রতাসম্পন্ন ঘূর্ণিঝড়। বন্দর এলাকায় অতিতীব্র ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ ঝড়ো হাওয়া সৃষ্টি করবে।
- বাতাসের গতিবেগ ১৭১ কিলোমিটার বা তার বেশি।

উৎস: ঘূর্ণিঝড় ও আবহাওয়ার নতুন সতর্ক সংকেত এবং গণদুর্যোগ বার্তা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরো, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়।
৫,৩৯০.
বেলেপাথর কোন ধরনের শিলা?
  1. ক) পাললিক শিলা
  2. খ) আগ্নেয় শিলা
  3. গ) রূপান্তরিত শিলা
  4. ঘ) মিশ্র শিলা
সঠিক উত্তর:
ক) পাললিক শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাললিক শিলা
ব্যাখ্যা
পাললিক শিলা:
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তাকে পাললিক শিলা বলে। যেমন: চুনাপাথর, বেলেপাথর, পাথুরিয়া কয়লা, সৈন্ধব লবণ, খড়িমাটি প্রভৃতি।
- পলল বা তলানি থেকে গঠিত হয় বলে এরূপ শিলাকে পাললিক শিলা বলে।
- এ শিলার পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়। আর স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে এ শিলাকে স্তরীভূত শিলাও বলা হয় ।
- পাললিক শিলা ভূ-ত্বকের মোট আয়তনের শতকরা ৫ ভাগ।
- তবে মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের উন্মুক্ত অংশের প্রায় ৭৫ ভাগই পাললিক শিলায় গঠিত।
- পাললিক শিলার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে স্তরীভূত, জীবাশ্ম বিশিষ্ট, অকেলাসিত, তরঙ্গচিহ্ন ও কোমলতা ইত্যাদি।
- মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পাললিক শিলা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
পাললিক শিলা প্রধানত তিন প্রকার। যথা:
১। যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বেলেপাথর
২। রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- চুনাপাথর এবং
৩। জৈবিক উপায়ে গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বাংলাদেশের জামালগঞ্জের কয়লা ও গোপালগঞ্জের পিট কয়লা।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৯১.
'সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক' গ্রহণের এর প্রধান উদ্দেশ্য-
  1. বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধ করা
  2. জলবায়ু তহবিল সংগ্রহ
  3. দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করা
  4. গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ হ্রাস
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করা
ব্যাখ্যা
সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক:

- ১৪ মার্চ - ১৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলন।
- এই সম্মেলনের শেষদিন দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস সংক্রান্ত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক: ২০১৫-৩০ গৃহীত হয়।
- এই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য এবং চারটি অগ্রাধিকারের রূপরেখা স্থির করা হয়।
- দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনে টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই এ সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য।

⇒ সাতটি লক্ষ্য:
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী দুর্যোগে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) সাথে সরাসরি দুর্যোগের অর্থনৈতিক ক্ষতি হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে গুরুতর অবকাঠামোর দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুবিধাগুলির মধ্যে মৌলিক পরিষেবাগুলির ব্যাঘাতকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০২০ সালের মধ্যে জাতীয় এবং স্থানীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কৌশলসহ দেশের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে এই কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য তাদের জাতীয় কর্মের পরিপূরক করার জন্য পর্যাপ্ত এবং টেকসই সহায়তার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বহু-বিপদ প্রারম্ভিক সতর্কতা ব্যবস্থা এবং দুর্যোগ ঝুঁকির তথ্য এবং মূল্যায়নের প্রাপ্যতা এবং অ্যাক্সেস উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা।



উৎস: UNDRR ওয়েবসাইট এবং দূর্যোগ বিষয়ক- স্থায়ী আদশাবলী-২০১৯।
৫,৩৯২.
জাপানে অবস্থিত পর্বতের উদাহরণ কোনটি?
  1. ইউরাল ও ককেশাস
  2. আন্দিজ
  3. রকি
  4. ফুজিয়ামা
সঠিক উত্তর:
ফুজিয়ামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুজিয়ামা
ব্যাখ্যা
• আগ্নেয় পর্বতের উৎপত্তি :
→ কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূ-আলোড়নের জন্য ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে। এই উত্তপ্ত লাভা ফাটলের চতুর্দিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি করে। যেমন- জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৯৩.
মংলা বন্দর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) পশুর
  2. খ) ভৈরব
  3. গ) পায়রা
  4. ঘ) পদ্মা
সঠিক উত্তর:
ক) পশুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পশুর
ব্যাখ্যা
মংলা বন্দর বাংলাদেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাাতিক সমুদ্র বন্দর।
১৯৫০ সালে ১১ ডিসেম্বর বৃটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ ''The City of Lyons'' সুন্দরবনের মধ্যে পশুর নদীর জয়মনিগোল নামক স্থানে নোঙ্গর করে ।
এটাই ছিল মংলা বন্দর প্রতিষ্ঠার শুভ সুচনা।

উৎস: মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৫,৩৯৪.
নিচের কোন জেলায় মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের কোন সীমান্ত নেই?    
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

- খাগড়াছড়ি জেলার সাথে মিয়ানমারের কোন সীমান্ত নেই। 

• সীমান্তবর্তী জেলা:

- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।  ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙ্গামাটি।
- তার মধ্যে - ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার ২টি দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।
- অর্থাৎ উল্লেখিত প্রশ্নে 'খাগড়াছড়ি' মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা নয়। 

⇒ অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি। যথা- আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।
- উত্তরে- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় প্রদেশ।

» বাংলাদেশের: 
- পূবে - ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম প্রদেশ এবং মিয়ানমার।
- দক্ষিণে - বঙ্গোপসাগর, আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (ভারত), মিয়ানমার।
- পশ্চিমে - ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি

৫,৩৯৫.
ঢাকার দ্রাঘিমারেখা ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা হলে, ঢাকার থেকে ৩ ঘণ্টা বেশি কোন স্থানের দ্রাঘিমারেখা কত?
  1. ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
  2. ৪৫° পশ্চিম দ্রাঘিমা
  3. ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
  4. ১৩৫° পশ্চিম দ্রাঘিমা
সঠিক উত্তর:
১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমা নির্ণয়:
১। যেহেতু ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য দুটি স্থানের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট। এ কারণে স্থান দুটির সময়ের পার্থক্য যা হয় তাকে ৪ দিয়ে ভাগ করে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।

২। যে কোনো স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক হলে বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং কম হলে স্থানটি গ্রীনিচের পশ্চিমে অবস্থিত। গ্রীনিচের দ্রাঘিমাকে ০° ধরে সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী অন্যান্য স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়। ক্রনোমিটার নামক ঘড়ি গ্রীনিচ সময় অনুসারে চলে। তাই এই ঘড়ি দেখে কোনো স্থানের স্থানীয় সময়ের সাথে গ্রীনিচ সময়ের পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।

সমাধান:
আমরা জানি, ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে ১° ।
৩ ঘণ্টা (১৮০ মিনিট) সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে (১৮০/৪)= ৪৫° ।
অর্থাৎ ঢাকার থেকে ঐ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°।

প্রশ্নে উল্লিখিত ঢাকার থেকে ঐ স্থানের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা বেশি দেখে আমরা বুঝতে পারি, ঐ স্থানের অবস্থান ঢাকার পূর্বে অবস্থিত। তাই ঢাকার দ্রাঘিমার সাথে ৪৫° দ্রাঘিমা যোগ দিলে ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা পাওয়া যাবে। 
সুতরাং ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা (৯০° + ৪৫°)= ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা।
উত্তর: ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা।

অন্যভাবে,
যে কোনো স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক হলে বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং কম হলে স্থানটি গ্রীনিচের পশ্চিমে অবস্থিত। গ্রীনিচের দ্রাঘিমাকে ০° ধরে সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী অন্যান্য স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।
গ্রীনিচের সাথে ঢাকার দ্রাঘিমার পার্থক্য ৯০° এবং সময়ের পার্থক্য ৬ ঘণ্টা বেশি।(GMT+6)

প্রশ্নমতে, ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে ঐ স্থানের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা বেশি, অর্থাৎ ঐ স্থানের স্থানীয় সময় গ্রীনিচের থেকে ৯ ঘণ্টা বেশি। (GMT+9)
∴ ৩ ঘণ্টা (১৮০ মিনিট) সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে (১৮০/৪)= ৪৫°।
অর্থাৎ ঢাকার থেকে ঐ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°  বেশি আবার গ্রীনিচের থেকেও ঐ স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য (৯০° + ৪৫°)= ১৩৫° বেশি। (ঢাকার দ্রাঘিমার সাথে অতিরিক্ত ৪৫° যোগ করে)

এখানে, আমরা ঢাকার দ্রাঘিমা সাথে ৪৫° যোগ করে বা গ্রীনিচের দ্রাঘিমার সাথে ১৩৫° যোগ করে ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা পাব।
সুতরাং ঐ স্থানের দ্রাঘিমারেখা (৯০° + ৪৫°)= ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা। বা (০° + ১৩৫°)=১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা। (ঢাকার ও ঐ স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক তাই বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত বা GMT+)

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৯৬.
'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন, কপ- ২৮' কোন শহরে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. শারম্ এল-শেখ
  2. দুবাই
  3. সিডনি
  4. রিয়াদ
সঠিক উত্তর:
দুবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুবাই
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP): 
• ১৯৯২ সালের ৩-১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) গৃহীত হয়।
• UNFCCC means United Nations Framework Convention on Climate Change.  
• এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা।  

• ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।   
• ২০২২ সালের নভেম্বরে মিশরের শারম্ এল-শেখ এলাকায় 'কপ-২৭' অনুষ্ঠিত হয়। 
• আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে 'কপ-২৮' আয়োজিত হবে। 

• 'কপ-২৯' আয়োজিত হবে আজারবাইজানে। 
• 'কপ-৩০' ব্রাজিলের বেলেম শহরে।   

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট, জাতিসংঘ বাংলাদেশ ওয়েবসাইট এবং সময়নিউজ (২৭ মে ২০২৩)।
৫,৩৯৭.
এশিয়ার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. ইয়াংসিকিয়াং
  2. গঙ্গা
  3. সিন্ধু
  4. হোয়াংহো নদী
সঠিক উত্তর:
ইয়াংসিকিয়াং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াংসিকিয়াং
ব্যাখ্যা
ইয়াংসিকিয়াং:

- এশিয়া ও চীনের দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং।
- এটি পৃথিবীর ৩য় দীর্ঘতম নদী।
- নদীটির দৈর্ঘ্য ৩,৯১৫ মাইল (৬,৩০০ কিমি)।
- এর অববাহিকা, পশ্চিম থেকে পূর্ব পর্যন্ত প্রায় ২,০০০ মাইল (৩,২০০ কিমি) এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬০০ মাইল (১,০০০ কিমি) এরও বেশি সময় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- তিব্বতের মালভূমি এর উৎপত্তিস্থল এবং পতিত হয়েছে পূর্ব চীন সাগরে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৫,৩৯৮.
২০২০ সালে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে বাংলাদেশে কী পরিমাণ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে?
  1. প্রায় ১ কোটি
  2. প্রায় ৭০ লাখ
  3. প্রায় ২ কোটি
  4. প্রায় ৩ কোটি
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৩ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৩ কোটি
ব্যাখ্যা
UNB রিপোর্ট অনুসারে,
- ২০২০ সালে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ৩ কোটি ৭ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
- প্রতিবছর জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারনে ৫০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে।
উৎসঃ The Financial Express
৫,৩৯৯.
এফসিডিআই প্রকল্পের উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ
  2. বন্যা নিয়ন্ত্রণ
  3. বনায়ন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বন্যা নিয়ন্ত্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্যা নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা

♦ এফসিডিআই প্রকল্প:
- FCDIP-এর পূর্ণরপ Flood Control, Drainage and Irrigation Projects.
- বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প (Flood Control, Drainage and Irrigation Projects) অনুচ্চ ভূ-সংস্থানের কারণে একটি স্বাভাবিক বৎসরে বাংলাদেশের ভৌগোলিক এলাকার কমপক্ষে ২০% এলাকা বন্যা কবলিত হয়ে থাকে।
- ১৯৯৮ সালের মতো মারাত্মক পর্যায়ে গেলে বন্যা কবলিত এলাকার পরিমাণ প্রায় ৭০% এ গিয়ে পৌঁছতে পারে।
- বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পসমূহ বন্যার তীব্রতা হ্রাসকরণে অথবা বন্যা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বন্যার পানি নিষ্কাশনের উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেগুলো শস্য উৎপাদন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অনুকূল অবস্থার সৃষ্টি করে।
- প্রতিষ্ঠিত Bangladesh Water Development Board সংক্রান্ত বিধানাবলী রহিত করিয়া পানি সম্পদের উন্নয়ন ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে আইন প্রণয়ন করা হয় ।
- এই আইন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড আইন, ২০০০ নামে পরিচিত।

⇒ এফসিডিআই প্রকল্পের উদ্দেশ্য -
• বন্যা নিয়ন্ত্রণ,
• পানি নিষ্কাশন ও
• সেচ প্রকল্প।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর।

৫,৪০০.
'সোনাদিয়া দ্বীপ' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) টেকনাফ
  2. খ) কুতুবদিয়া
  3. গ) পেকুয়া
  4. ঘ) মহেশখালী
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহেশখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহেশখালী
ব্যাখ্যা
- কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সোনাদিয়া দ্বীপটি অবস্থিত।
- মহেশখালীর দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের কুল ঘেঁষে সোনাদিয়ার অবস্থান।
- সোনাদিয়া দ্বীপটি মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নে অবস্থিত।
- ঘটিভাঙ্গা নামে একটি খাল মহেশখালী দ্বীপের সাথে একসময় সোনাদিয়াকে বিচ্ছিন্ন রাখলেও খালের ওপর সেতু নির্মিত হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হয়েছে।

উৎসঃ কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট।