বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৫০ / ৭২ · ৪,৯০১৫,০০০ / ৭,১৯১

৪,৯০১.
যানবাহনের কালো ধোঁয়া কিভাবে পরিবেশকে দূষিত করে?
  1. ক) বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
  2. খ) বাতাসে ফ্লোরাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
  3. গ) বাতাসে সালফার ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
  4. ঘ) বাতাসে কার্বন মনোক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাতাসে কার্বন মনোক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাতাসে কার্বন মনোক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে
ব্যাখ্যা
গাড়ি, বিভিন্ন যানবাহন, কল-কারখানা থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ায় বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। কার্বন মনোক্সাইড হিমোগ্লোবিনের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা খর্ব করে। যা পরিবেশকে দূষিত করে।
৪,৯০২.
দুই বা ততোধিক নদীর মিলনস্থলকে কী বলে?
  1. দোয়াব
  2. নদীসংগম
  3. মোহনা
  4. নদী উপত্যকা
সঠিক উত্তর:
নদীসংগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদীসংগম
ব্যাখ্যা
নদীর উৎস: যেখান থেকে নদীর উৎপত্তি হয় তাকে নদীর উৎস বলে।
মোহনা: নদী যখন কোনো হ্রদ বা সাগরে এসে পতিত হয়, তখন সেই পতিত স্থানকে মোহনা বলে।
খাঁড়ি: নদীর অধিক বিস্তৃত মোহনাকে খাঁড়ি বলে।
দোয়াব: প্রবহমান দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলে।
নদীসংগম: দুই বা ততোধিক নদীর মিলনস্থলকে নদীসংগম বলে।
নদী উপত্যকা: যে খাতের মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় সে খাতকে উক্ত নদীর উপত্যকা বলে।
নদীগর্ভ: নদী উপত্যকার তলদেশকে নদীগর্ভ বলে।
নদী অববাহিকা: উৎপত্তি স্থান থেকে শাখাপ্রশাখার মাধ্যমে যে বিস্তীর্ণ অঞ্চল দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র বা হ্রদে পতিত হয় সেই সমগ্র অঞ্চলই নদীর অববাহিকা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,৯০৩.
আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) কবে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রিনিচ মান:
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহীত হয়।
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য +৬ ঘন্টা।
- অর্থাৎ, ৬ ঘন্টা আগে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৯০৪.
”ডিবির হাওর” কোথায় অবস্থিত?
  1. ফেঞ্চুগঞ্জ
  2. গোলাপগঞ্জ
  3. গোয়াইনঘাট
  4. জৈন্তাপুর
সঠিক উত্তর:
জৈন্তাপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জৈন্তাপুর
ব্যাখ্যা

• ডিবির হাওর:
- সিলেটের জৈন্তাপুরে জৈন্তরাজ্যের রাজা রাম সিংহের স্মৃতিবিজড়িত ডিবির হাওর, ইয়াম, হরফকাটা কেন্দ্রী বিলসহ রয়েছে চারটি বিল৷
- বিলগুলোকে কেন্দ্র করেই নাম করা হয়েছে ডিবির হাওর৷ 
-  বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে রাম সিংহের বিলগুলো শাপলার সিজনে শাপলার রাজ্যে রূপ নেয়৷
- বিলে ফুটে থাকে অজস্র লাল শাপলা।
- লতা- পাতা-গুল্মে ভরা বিলের পানিতে শত-হাজারো লাল শাপলা হার মানায় ভোরের সূর্যের আলোকেও। 
- সবুজ পাতার আচ্ছাদনে ঢাকা পড়েছে বিস্তীর্ণ জলরাশি৷ 
- ভোরের আলোয় শাপলার হাসি আরও আলোকিত করে দেয় বিলগুলোকে৷ 
- প্রকৃতি তার নিজ হাতে লাল শাপলার হাসিতে সাজিয়ে দেয় বিলগুলোকে৷ 
- বেড়াতে আসা যেকোনো ভ্রমণপিপাসুদের মনের দুয়ার খুলে দেবে এই শাপলা বিল।। 
- একটি ধ্বংসপ্রায় মন্দির আছে।

উৎ]স: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং প্রথম আলো।

৪,৯০৫.
প্রথম উপকূলীয় সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম শুরু হয় কখন?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৬৬ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকার দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় অঞ্চলে জেগে উঠা চরাঞ্চলে সর্বপ্রথম ১৯৬৬ সাল থেকে উপকূলীয় সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম ‍শুরু করে।
এর আওতায় বর্তমানে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, লক্ষীপুর, নোয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী এবং পিরোজপুর জেলায় প্রায় ২ লক্ষ হেক্টর জমিতে উপকূলীয় বনায়ন করা হয়েছে।
এছাড়া আরো ৩ লক্ষ হেক্টর জমিতে উপকূলীয় বনায়ন কার্যক্রম চালু রয়েছে।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৪,৯০৬.
'গুয়ারিয়া জলপ্রপাত' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ভেনুজুয়েলা
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) নিউজিল্যান্ড
  4. ঘ) ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
গুয়ারিয়া জলপ্রপাত ব্রাজিল ও প্যারাগুয়ে সীমান্তে অবস্থিত। পানি পতনের দিক থেকে এটি বিশ্বের বৃহত্তম জলপ্রপাত। অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত অবস্থিত ভেনেজুয়েলায়। এর উচ্চতা ১০০০ মিটার। এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ জলপ্রপাত। মিডল ক্যাসকেড জলপ্রপাত অবস্থিত ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে। মুদারল্যান্ড জলপ্রপাত নিউজিল্যান্ডে অবস্থিত। উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটিনিকা।
৪,৯০৭.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে অনাবৃষ্টি বা খরার প্রভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়?
  1. উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
  2. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে
  3. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
  4. দক্ষিণ-পূবার্ঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
ব্যাখ্যা
['ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়' এর তথ্যমতে অনাবৃষ্টি বা খরার প্রভাব বেশি পরিলক্ষিত হয় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যা ভুল। বাংলাপিডিয়া এর তথ্যমতে, সাম্প্রতিক দশকগুলিতে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম (বরেন্দ্রভূমি) অঞ্চলে খরার ঘন ঘন প্রাদুর্ভাব ওই এলাকার একটা বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল নেওয়া হয়েছে।]

• অনাবৃষ্টি ও খরা:
- কোনো এলাকা দীর্ঘদিন বৃষ্টিহীন অবস্থা থাকলে অথবা অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হলে উক্ত এলাকাটির মাটির স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে গিয়ে শুষ্ক হয়ে পড়ে। ফলে, উক্ত এলাকার মাটি ফেটে চৌচির হয়ে যায় ও ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যায়। মাটির এরূপ অবস্থাকে খরা বলা হয়।
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অনাবৃষ্টি বা খরার প্রভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়।
- খরা উপদ্রুত অঞ্চলে কৃষিজ ফসলের উৎপাদন কমে যায়।
- উপদ্রুত অঞ্চলে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গিয়ে পানির অভাব দেখা দেয়।
- পর্যাপ্ত ফসলের অভাবে খাদ্যদ্রব্যের অভাব প্রকট হয়ে পড়ে।
- গাছপালা বিহীন শুষ্ক প্রকৃতি ও তীব্র গরমে মানুষের মধ্যে নানা ধরনের অসুখের প্রাদুর্ভাব ঘটে।
- বনজ সম্পদ বৃদ্ধি তথা অধিক বৃক্ষরোপন করে ও ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমিয়ে এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগকে কিছুটা নিয়ন্ত্রন করা যায়।

উৎস:
১. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. বাংলাপিডিয়া।
৪,৯০৮.
বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের কোন কোন রাজ্য রয়েছে?
  1. পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা
  2. মেঘালয় ও মিজোরাম
  3. আসাম ও ত্রিপুরা
  4. পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয়
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত ভারতের তিনটি রাজ্য—পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম।

বাংলাদেশের সীমা:
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য;
- পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য ও মিয়ানমার;
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।
- বাংলাদেশের সর্বমোট সীমারেখা ৪,৭১১ কিলোমিটার।
- এর মধ্যে ভারত-বাংলাদেশের সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৩,৭১৫ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমারেখার দৈর্ঘ্য ২৮০ কিলোমিটার এবং
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে হাড়িয়াভাঙ্গা নদী এবং দক্ষিণপূর্বে নাফ নদী ভারত ও মিয়ানমারের সীমানায় অবস্থিত।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। 

৪,৯০৯.
পরিবেশ দূষণের কৃত্রিম কারণ কোনটি?
  1. বন্যা
  2. খরা
  3. পাহাড় কর্তন
  4. ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর:
পাহাড় কর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাহাড় কর্তন
ব্যাখ্যা
• পরিবেশ দূষণ (Environment Pollution):
→ পরিবেশে জীবের স্বাভাবিক অবস্থা বা জীবনযাত্রায় বিঘ্ন সৃষ্টিতে সক্ষম ক্ষতিকর অবস্থার নাম দূষণ।
→ অন্যদিকে পানি, বাতাস, মৃত্তিকা বা পরিবেশের কোনো উপাদানের ভৌত, রাসায়নিক বা জৈবিক যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্খিত পরিবর্তনই প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণ।
→ মানুষের বহুমুখী কর্মকান্ডই পরিবেশ দূষণের সবচেয়ে বড় কারণ।

• প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণের কারণ:
→ প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণের কারণসমূহকে দুইটি ভাগে ভাগ করে আলোচনা করা যেতে পারে। যথা-
ক. প্রাকৃতিক কারণ এবং খ. মানবসৃষ্ট কারণ।

→ প্রাকৃতিক কারণ:
১. বন্যা ও খরা, 
২. ভূমিকম্প, 
৩. ঘূর্ণিঝড়,
৪. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত।

→ মানবসৃষ্ট কারণ:
১. গাছপালা নিধন।
২. পাহাড় কর্তন।
৩. অপরিকল্পিত নগরায়ন।
৪. কীটনাশক ব্যবহার।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯১০.
নিচের কোন দেশটি ইউরোপের বলকান অঞ্চলে অবস্থিত নয়?
  1. ক) এস্তোনিয়া
  2. খ) আলবেনিয়া
  3. গ) রোমানিয়া
  4. ঘ) স্লোভেনিয়া।
সঠিক উত্তর:
ক) এস্তোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এস্তোনিয়া
ব্যাখ্যা
বাল্টিক দেশ (৩টি): এস্তোনিয়া, লিথুনিয়া ও লাটভিয়া।
এগুলো বাল্টিক সাগরের তীরে অবস্থিত দেশ। বাল্টিক সাগরতীরবর্তী আরো কয়েকটি দেশ রয়েছে।

বলকান দেশ (১০টি): আলবেনিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, কসোভো, মন্টিনিগ্রো, মেসিডোনিয়া, রোমানিয়া, সার্বিয়া ও স্লোভেনিয়া।
বলকান পর্বতমালার পাদদেশ বা বলকান পেনিনসুলায় অবস্থিত দেশসমূহ এই অঞ্চলের অন্তর্ভূক্ত।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৪,৯১১.
’র‍্যাডক্লিফ লাইন’ কোন দুটি দেশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. ভারত ও পাকিস্তান
  2. চীন ও ভারত
  3. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  4. ভারত ও নেপাল
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
র‍্যাডক্লিফ লাইন:
-
র‌্যাডক্লিফ লাইন দুটি নতুন আধিপত্যের মধ্যে সীমানা চিহ্নিত করেছে,
- যার নাম সীমানা কমিশনের চেয়ারম্যান স্যার সিরিল র‌্যাডক্লিফের নামে রাখা হয়েছে। 
- যা ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিভক্ত হয়। 
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান সীমারেখা।

আন্তর্জাতিক সীমারেখা:

- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC): ভারত ও চীন,
- লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তান। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৪,৯১২.
নিরক্ষরেখা থেকে যতই উত্তর বা দক্ষিণে যাওয়া যায় সূর্যকিরণ ততই
  1. লম্বভাবে পড়তে থাকে
  2. তির্যকভাবে পড়তে থাকে
  3. খাঁড়াভাবে পড়তে থাকে
  4. একইভাবে পড়তে থাকে
সঠিক উত্তর:
তির্যকভাবে পড়তে থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তির্যকভাবে পড়তে থাকে
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ (Latitude):
- সূর্যকিরণের মাত্রা অক্ষাংশভেদে বিভিন্ন রকম হয়।
- নিরক্ষরেখার উপর সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- আর নিরক্ষরেখা থেকে যতই উত্তর বা দক্ষিণে যাওয়া যায়, সূর্যকিরণ তির্যকভাবে পড়তে থাকে।
- এর ফলে নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণ উভয় মেরুর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কমতে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৪,৯১৩.
বাংলাদেশের বরেন্দ্রভূমি কোন ধরণের ভূমি?
  1. ক) পাদদেশীয় মালভূমি
  2. খ) ক্ষয়জাত সমভূমি
  3. গ) সঞ্চয়জাত সমভূমি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ক্ষয়জাত সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্ষয়জাত সমভূমি
ব্যাখ্যা
সমভূমি (Plains )
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অল্প উঁচু মৃদু ঢালবিশিষ্ট সুবিস্তৃত ভূমিকে সমভূমি বলে। বিভিন্ন ভূপ্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যেমন— নদী, হিমবাহ ও বায়ুর ক্ষয় ও সঞ্চয়ক্রিয়ার ফলে সমভূমির সৃষ্টি হয়। 
উৎপত্তির ধরনের ভিত্তিতে সমভূমিকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায় যেমন—
ক্ষয়জাত সমভূমি 
সঞ্চয়জাত সমভূমি।

ক্ষয়জাত সমভূমি (Erosional plains ) :
বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তির যেমন- নদীপ্রবাহ, বায়ুপ্রবাহ এবং হিমবাহের ক্ষয়ক্রিয়ার ফলে কোনো উচ্চভূমি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ক্ষয়জাত সমভূমির সৃষ্টি হয়। অ্যাপালেশিয়ান পাদদেশীয় সমভূমি, ইউরোপের ফিনল্যান্ড ও সাইবেরিয়া সমভূমি এ ধরনের ক্ষয়জাত সমভূমি। বাংলাদেশের মধুপুরের চত্বর ও বরেন্দ্রভূমি দুটি ক্ষয়জাত সমভূমির উদাহরণ।

সঞ্চয়জাত সমভূমি (Depositional plains ) :
নদী, হিমবাহ, বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা পলি, বালুকণা, ধূলিকণা কোনো নিম্ন অঞ্চলে সঞ্চিত হয়ে কালক্রমে যে সমভূমি সৃষ্টি হয় তাকে সঞ্চয়জাত সমভূমি বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৯১৪.
পৃথিবী পর্যন্ত সূর্যের আলো পৌঁছাতে কত মিনিট সময় লাগে?
  1. ৮.৩০ মিনিট
  2. ৮.৩২ মিনিট
  3. ৮.৪৮ মিনিট
  4. ৮.৬০ মিনিট
সঠিক উত্তর:
৮.৩২ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮.৩২ মিনিট
ব্যাখ্যা

• সূর্য (Sun):
- সূর্য একটি নক্ষত্র।
- এটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে।
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড বা ৮.৩২ মিনিট।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

৪,৯১৫.
ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা কোন দ্বীপে অবস্থিত?
  1. সুমাত্রা দ্বীপ
  2. বালি দ্বীপ
  3. বোর্নিও দ্বীপ
  4. জাভা দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
জাভা দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাভা দ্বীপ
ব্যাখ্যা

জাভা দ্বীপ:
- জাভা হলো ইন্দোনেশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ।
- এটি সুমাত্রার দক্ষিণ-পূর্বে, বালির পশ্চিমে এবং বোর্নিও (কালিমন্তান) দ্বীপের দক্ষিণে অবস্থিত।
- দ্বীপটির উত্তরে জাভা সাগর এবং দক্ষিণে ভারত মহাসাগর অবস্থিত।
- জাভা ইন্দোনেশিয়ার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
- দেশটির প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যা এই দ্বীপে বসবাস করে।
- ফলে এটি বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দ্বীপ।
- ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা (পূর্বনাম বাতাভিয়া) এই দ্বীপেই অবস্থিত।

- প্রশাসনিকভাবে জাভা দ্বীপটি পশ্চিম জাভা, মধ্য জাভা ও পূর্ব জাভা—এই তিনটি প্রদেশ নিয়ে গঠিত।
- এর সঙ্গে বিশেষ রাজধানী জেলা জাকার্তা এবং যোগাকার্তা বিশেষ অঞ্চল যুক্ত।
- নিকটবর্তী দ্বীপসহ জাভার মোট আয়তন প্রায় ১,২৯,৪৩৮ বর্গকিলোমিটার।
- আগ্নেয়গিরি দ্বারা গঠিত এই দ্বীপে বহু ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক নিদর্শন রয়েছে।
- এই নিদর্শনসমূহ জাভাকে ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক—উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

উৎস: Britannica. 

৪,৯১৬.
Which of the following straits separates asia from africa?
  1. Bosphorus Strait
  2. Bering Strait
  3. Strait of Gibraltar
  4. Strait of Bab-el Mandeb
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Strait of Bab-el Mandeb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Strait of Bab-el Mandeb
ব্যাখ্যা
বাবেল মান্দেব প্রণালি:
- আফ্রিকা থেকে এশিয়াকে পৃথক করেছে।
- প্রণালিটি আরব উপদ্বীপে অবস্থিত ইয়েমেন এবং আফ্রিকার অন্তরীপে অবস্থিত জিবুতি, ইরিত্রিয়া ও সোমালিয়াকে পৃথক করেছে।

অন্যদিকে -
- জিব্রাল্টার প্রণালি: আফ্রিকা থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- বেরিং প্রণালি: এশিয়া থেকে আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- বসফরাস প্রণালি: এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

উৎস: World Atlas.
৪,৯১৭.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা হয়?
  1. পশ্চিমাঞ্চল
  2. উত্তর-পূর্বাঞ্চল
  3. দক্ষিণাঞ্চল
  4. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চল
ব্যাখ্যা
বন্যা:
- বাংলাদেশে সাধারণত চার ধরনের বন্যা সংঘটিত হয়। এগুলো হলো:
• বৃষ্টিজনিত বন্যা
• উপকূলীয় বন্যা
• নদীসৃষ্ট বন্যা
• আকস্মিক বন্যা।

আকস্মিক বন্যা:
- বাংলাদেশেরে উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ী নদীর পানি উপচে পড়ে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে।
- এপ্রিল-মে এবং সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় পাহাড়ী নদীর উপচে পড়া পানির কারণে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। আকস্মিক বন্যায় হাওরাঞ্চলের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।

তথ্যসূত্র - বন্যা সাড়াদান ও প্রস্তুতি পরিকল্পনা : বাংলাদেশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।
৪,৯১৮.
কোন জলবায়ু অঞ্চলে চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমির সৃষ্টি হয়েছে?
  1. ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে
  2. মৌসুমি অঞ্চলে
  3. নিরক্ষীয় অঞ্চলে
  4. মেরুদেশীয় অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল:
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন: মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

⇒ নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য:
- নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী দেশগুলোতে সূর্য প্রায় সারাবছরই লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এখানে গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়।
- দিন-রাতের মধ্যে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে।
- এই সকল এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয়।
- অধিক বৃষ্টিপাতের জন্য চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়।

⇒ চিরহরিৎ বৃক্ষ:
- চিরহরিৎ শব্দের অর্থ হলো চির সবুজ। উদ্ভিদবিদ্যায় চিরহরিৎ বৃক্ষ হলো সেসব উদ্ভিদ, যাদের পাতা প্রত্যেক ঋতুতেই সবুজ থাকে। এরা উষ্ণ ও আর্দ্রভূমিতে কিছু এলাকাজুড়ে বন আকারে জন্মে। অল্প ঠাণ্ডা শীতপ্রধান জলবায়ুর অধিকাংশ উদ্ভিদ প্রজাতিই চিরহরিৎ। যেসব অঞ্চলে বার্ষিক বৃষ্টিপাত ২০০ সেন্টিমিটারের বেশি, সেসব অঞ্চলেও চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি দেখা যায়। অত্যধিক বৃষ্টিপাতের জন্য এখানকার গাছপালা সারা বছরই সবুজ পাতায় ভরা থাকে। শিশু, গর্জন, মেহগিনি, সেগুন, চাপালিশ, পাইন, লোহাকাঠ, কাঁঠাল, জাম, ডুমুর ইত্যাদি চিরহরিতের প্রধান বৃক্ষ। এসব বৃক্ষের কাঠ খুবই শক্ত ও ভারী। এ কাঠ গৃহনির্মাণ ও আসবাবপত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। গুল্ম ও বৃক্ষ উভয় ধরনের উদ্ভিদের মধ্যেই চিরহরিৎ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
- বাকিরা পর্ণমোচী উদ্ভিদ। পর্ণমোচী হলো সেসব উদ্ভিদ, যাদের পাতা শীতকালে অথবা শুষ্ক ঋতুতে সম্পূর্ণ ঝরে যায়।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯১৯.
'লাইন অব কন্ট্রোল' কোন দুইটি দেশের সীমান্তবর্তী রেখা চিহ্নিত করে?
  1. ভারত ও চীন
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  4. উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
লাইন অব কন্ট্রোল (LOC ):
- 'লাইন অব কন্ট্রোল' ভারত ও পাকিস্তানের রাষ্ট্রের সীমান্তবর্তী রেখা চিহ্নিত করে।

এছাড়াও, আন্তর্জাতিক সীমারেখা:

- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC ): ভারত ও চীন,
- ম্যানারহেম রেখা: রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড,
- লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেন,
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- সনোরা লাইন: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।

উৎস: i) Britannica.
ii) WorldAtlas.
৪,৯২০.
কর্কট ক্রান্তি ও মকর ক্রান্তির মধ্যবর্তী অঞ্চলের জলবায়ুর নাম -
  1. ক) উষ্ণ জলবায়ু অঞ্চল
  2. খ) নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল
  3. গ) মরু দেশীয় অঞ্চল
  4. ঘ) পার্বত্য ও উচ্চভূমি অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
ক) উষ্ণ জলবায়ু অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উষ্ণ জলবায়ু অঞ্চল
ব্যাখ্যা
উষ্ণ জলবায়ু অঞ্চল:
- কর্কট ক্রান্তি ও মকর ক্রান্তির মধ্যবর্তী অঞ্চলকে উষ্ণ জলবায়ু অঞ্চল বলা হয়।
- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫-৩০° উত্তর এবং দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে উষ্ণ জলবায়ু দেখা যায়।
- পৃথিবীর মোট ভূখন্ডের প্রায় এক তৃতীয়াংশ এ জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এর গড় তাপমাত্রা প্রায় ২১° সে. এর উপরে।

সূত্র: বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৯২১.
নিচের কোনটি উঁচু উচ্চতার মেঘ?
  1. ক) স্ট্রেটাস
  2. খ) সিরোস্ট্রেটাস
  3. গ) কিউম্যুলাস
  4. ঘ) নিম্বাস
সঠিক উত্তর:
খ) সিরোস্ট্রেটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিরোস্ট্রেটাস
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতার ভিত্তিতে মেঘকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
এগুলো হলো:

উঁচু উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬,০০০ মিটারের উর্ধ্বে অবস্থিত মেঘসমূহ উঁচু উচ্চতার মেঘ।
উঁচু উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- সিরাস
- সিরোকিউম্যুলাস
- সিরোস্ট্রেটাস প্রভৃতি।

মাঝারি উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ থেকে ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মেঘসমূহ মাঝারি উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
মাঝারি উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- অল্টোস্ট্রেটাস
- কিউম্যুলাসস্ট্রেটাস
- নিম্বোস্ট্রেটাস

নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত মেঘসমূহ নিম্ন উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- স্ট্রেটাস
- স্ট্রেটোকিউম্যুলাস
- কিউম্যুলাস
- কিউম্যুলোনিম্বাস।

(তথ্যসূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা)
৪,৯২২.
কোন মহাদেশে পৃথিবীর চারটি গোলার্ধের প্রতিটির অংশ রয়েছে?
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. আফ্রিকা
  3. ইউরোপ
  4. এশিয়া
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
গোলার্ধ:
- নিরক্ষরেখা নামক একটি কাল্পনিক রেখা উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধকে বিভক্ত করে।
- বিষুবরেখাকে 0° অক্ষাংশও বলা হয়।
- এটি পৃথিবীর মাঝখানে পূর্ব এবং পশ্চিমে চলে।
- নিরক্ষরেখার উত্তরে অবস্থিত স্থানগুলি উত্তর গোলার্ধের অংশ।
- নিরক্ষরেখার দক্ষিণে স্থানগুলি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।

⇒ উত্তর গোলার্ধের মধ্যে রয়েছে উত্তর আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা, ইউরোপ এবং এশিয়ার মূল ভূখণ্ড।
- আফ্রিকার প্রায় অর্ধেক এবং দক্ষিণ আমেরিকার একটি ছোট অংশও উত্তর গোলার্ধে রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- আফ্রিকাই একমাত্র মহাদেশ যেখানে পৃথিবীর চারটি গোলার্ধের প্রতিটিতে অংশ রয়েছে।

⇔ দক্ষিণ গোলার্ধ:
- দক্ষিণ গোলার্ধ হল পৃথিবীর দক্ষিণ অংশ।
- ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত বিরাজ করে।
- ২১ জুন দক্ষিণ গোলার্ধে ক্ষুদ্রতম দিন ও দীর্ঘতম রাত।
- দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস জানুয়ারি এবং শীতলতম মাস জুলাই।
- দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ অংশ এবং সমস্ত অস্ট্রেলিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকা দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।

উৎস: i) Britannica.
ii) World atlas.
৪,৯২৩.
প্রথম পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়-
  1. ক) নাইরোবিতে
  2. খ) জেনেভায়
  3. গ) স্টকহোমে
  4. ঘ) নিউইয়র্কে
সঠিক উত্তর:
গ) স্টকহোমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্টকহোমে
ব্যাখ্যা

- ১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে প্রথম পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়।
- এটির নাম UN Conference on the Human Environment.
- ১৯৭২ সালে এই সম্মেলন থেকে UNEP (United Nations Environment Program) গঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত।
- এই সম্মেলন থেকে ৫ই জুন কে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ঘোষণা করা হয়।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

৪,৯২৪.
জলবায়ুর নিয়ামক নয় কোনটি?
  1. ভূমির ঢাল
  2. বায়ুপ্রবাহ
  3. অক্ষাংশ
  4. বারিপাত
সঠিক উত্তর:
বারিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারিপাত
ব্যাখ্যা
জলবায়ুর নিয়ামক:
- বারিপাত জলবায়ুর নিয়ামক নয়।
- কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরে গড় আবহাওয়ার অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
- আবহাওয়া অফিস গুলোতে অনেকদিনের আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান গুলোকে পর্যবেক্ষণ করে জলবায়ু সম্পর্কে ধারনা করা হয়।
- পৃথিবীর সব স্থানের জলবায়ু একধরণের হয় না। কিছু ভৌগৌলিক কারণে স্থানভেদে জলবায়ুর পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। এই বিষয় গুলোকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে।
- জলবায়ুর নিয়ামকগুলো হল-
• অক্ষাংশ,
• উচ্চতা,
• সমুদ্র থেকে দূরত্ব,
• বায়ুপ্রবাহ,
• সমুদ্রস্রোত,
• পর্বতের অবস্থান,
• ভূমির ঢাল,
• মৃত্তিকার গঠন।
- বনভূমির অবস্থান ইত্যাদি জলবায়ুর নিয়ামক।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯২৫.
কোনটি আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম হ্রদ?
  1. ক) আসাল
  2. খ) ভিক্টোরিয়া
  3. গ) নিয়াসা
  4. ঘ) বৈকাল
সঠিক উত্তর:
খ) ভিক্টোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভিক্টোরিয়া
ব্যাখ্যা
• ভিক্টোরিয়া হ্রদ:
- ভিক্টোরিয়া হ্রদ আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম হ্রদ এবং এটি বিশ্বের বৃহত্তম গ্রীষ্মমন্ডলীয় হ্রদ।
 - এটি আফ্রিকান গ্রেট লেকগুলির মধ্যে একটি এবং উত্তর আমেরিকার লেক সুপিরিয়রের পরে, এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির হ্রদ।
- এই হ্রদের প্রায় ৪৯% তানজানিয়ার অধীনে, তারপরে ৪৫% উগান্ডায় এবং প্রায় ৬% কেনিয়াতে পড়ে।
- এটি নীল নদের প্রধান জলাধার।
- ভিক্টোরিয়া হ্রদ তার প্রায় ৮০% জল সরাসরি বৃষ্টিপাত থেকে এবং প্রায় ২০% জল হ্রদে প্রবাহিত অসংখ্য নদী এবং ছোট স্রোত থেকে গ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৪,৯২৬.
'বগালেক' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
বগালেক:
- বগাকাইন লেক, যা সাধারণভাবে বগালেক নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলা থেকে প্রায় ১৭ কিলোমিটার দূরে, কেওক্রাডং পাহাড়ের কোল ঘেঁষে এটি অবস্থিত।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১২০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই প্রাকৃতিক হ্রদ।
- এই হ্রদটি তিনদিক থেকে পর্বতশৃঙ্গ দ্বারা বেষ্টিত।
- ভূতত্ত্ববিদদের মতে, এই হ্রদটি প্রায় ২০০০ বছর আগে একটি মৃত আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ অথবা উল্কাপিণ্ডের পতনের ফলে সৃষ্টি হয়েছে।
- এটি অনেকের কাছে ড্রাগন লেক নামেও পরিচিত।
- একে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উচ্চতার মিঠাপানির হ্রদ হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৯২৭.
বাংলাদেশের পূর্বে কোন ভারতীয় রাজ্যের অবস্থান নয়?
  1. আসাম
  2. মিজোরাম
  3. মেঘালয়
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মেঘালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘালয়
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা: 
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখার থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমারেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩°৫′) অতিক্রম করেছে।
- পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. এবং উত্তর-উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি.।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মোট আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি. বা ৫৬, ১৭৭ বর্গমাইল।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,৯২৮.
গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. কার্টাগেনা প্রটোকল
  4. নাগোয়া প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা
কিয়োটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ৮৩টি।
- অনুমোদনকারী দেশ: ১৯২টি।
- প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হয় ২০২০ সালে।

উল্লেখ্য,
- এই সম্মেলনে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নসহ ১৯২টি দেশের মধ্যে কানাডা, দক্ষিণ সুদান ও যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত ১৯১টি দেশ উপস্থিত ছিল।
- কিয়োটো চুক্তির ভিত্তিতে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ২০১২ সালের মধ্যে ৫.২ শতাংশ কমানোর বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- চুক্তি বাস্তবায়নের শর্ত অনুযায়ী বিশ্বের মোট গ্রিনহাউস গ্যাসের ৫৫ শতাংশ উৎপাদনকারী দেশগুলোর স্বাক্ষরের প্রয়োজন ছিল।
- প্রাথমিক পর্যায়ে নিজ নিজ দেশে উৎপন্ন গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
- ক্তিভুক্ত দেশগুলো যে ছয়টি গ্যাস নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগ নেয় সেগুলো হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, হাইড্রোফ্লোরোকার্বন, পারফ্লোরোকার্বন ও সালফার।

অন্যদিকে,
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- কার্টাগোনা প্রোটোকল জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- জীববৈচিত্র্য বিষয়ক কনভেনশনের সম্পূরক হিসেবে নাগোয়া প্রটোকল গৃহীত হয়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৪,৯২৯.
বাংলাদেশের কোন দ্বীপে গন্ধক (Sulphur) এর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে?
  1. ক) মহেশখালী দ্বীপ
  2. খ) সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ
  3. গ) কুতুবদিয়া দ্বীপ
  4. ঘ) সোনাদিয়া দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
গ) কুতুবদিয়া দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কুতুবদিয়া দ্বীপ
ব্যাখ্যা
গন্ধক (Sulphur) : 
বাংলাদেশে শুধুমাত্র কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া দ্বীপে গন্ধক পাওয়া গেছে।
সালফিউরিক এসিড, বারুদ ও কীটনাশক তৈরিতে গন্ধক ব্যবহৃত হয়।
 
উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৯৩০.
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮৮ সালে
  4. ১৯৮৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
• বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি: 
- বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর কর্তৃক ১৯৮৫ সালে বড়পুকুরিয়া কয়লা ক্ষেত্র আবিষ্কার করা হয়।
- বড়পুকুরিয়া কয়লা ক্ষেত্রে এম/এস ওয়ার্ডেল আর্মস্ট্রং (ইউকে ভিত্তিক সংস্থা) একটি বিস্তারিত সম্ভাব্যতা ষ্টাডি সম্পন্ন করে।
- উক্ত ষ্টাডির অন্তর্ভুক্ত প্রধান কাজ গুলো হ‘ল ৩৩ টি বোরহোল খনন,
- চাইনিজ কোম্পানি সিএমসি-এর সাথে ৭ ফেব্রুয়ারী ১৯৯৪ সালে খনি উন্নয়নের জন্য টার্ন-কি ভিত্তিতে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ৪ জুন ২০০৫ সালে বিসিএমসিএল ও চাইনিজ কনসোর্টিয়াম (এক্সএমসি-সিএমসি) এর মধ্যে ৪.৭৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন কয়লা উত্তোলনের জন্য ৭১ মাস মেয়াদী প্রথম ম্যানেজমেন্ট এন্ড প্রডাকশন (এমএন্ডপি) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির কার্যক্রম সেপ্টেম্বর ২০০৫ হতে শুরু হয় এবং আগস্ট ২০১১ সালে শেষ হয়।
- উক্ত সময়ের আওতায় ৩.৬৫১ মিলিয়ন মেট্রিক টন কয়লা সেন্ট্রাল পার্ট হতে উত্তোলন করা সম্ভব হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৯৩১.
কোন সালের দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
  1. ১৯৭৮ সাল
  2. ১৯৮৮ সাল
  3. ১৯৯৮ সাল
  4. ১৯৮৪ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বন্যা:
- ভৌগলিক অবস্থান ও জলবায়ুগত কারণে বাংলাদেশ বন্যা উপদ্রুত এলাকা হিসাবে চিহ্নিত।
- এশিয়ার অন্যতম ২টি বড় নদী বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- এর ফলে প্রায় প্রতি বছর বাংলাদেশ মারাত্মক বন্যায় আক্রান্ত হয়।
- বর্ষাকালে অতিবৃষ্টি, উজান থেকে আসা বরফগলা ও বৃষ্টির পানি, সেই সঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে বৃষ্টি বহুল অঞ্চল মেঘালয় পাহাড়ের পাহাড়ী ঢল এবং বঙ্গোপসাগরের জোয়ার এই বন্যাকে দীর্ঘস্থায়ী ও মারাত্মক অবস্থায় নিয়ে যায়।

বন্যার ধরনের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের বন্যাকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়:
১. সাধারণ বন্যা (General Flood):
- সাধারণত বড় নদীগুলো থেকে সৃষ্ট বন্যা।
- বাংলাদেশের উত্তর ও মধ্য ভাগ এই বন্যায় বেশী আক্রান্ত হয়।

২. আকস্মিক বন্যা (Flash Flood):
- পাহাড়ী ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যা যা অল্প সময়ের মধ্যে ঘটে।
- সাধারনত বাংলাদেশের উত্তর ও পূর্ব অঞ্চল বিশেষ করে মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশের এলাকাসমূহ এই বন্যায় আক্রান্ত হয়।

৩. ঘূর্নিঝড়ের ফলে সৃষ্ট বন্যা বা জলোচ্ছ্বাস (Tidal Surge):
- বাংলাদেশের উপকূলবর্তী এলাকায় বিশেষ করে ঘূর্নিঝড় প্রবন এলাকায় এই বন্যা দেখা দেয়।

বন্যার প্রভাব (Influence of Flood in Bangladesh):

- বাংলাদেশের বন্যার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ব্যাপক।
- বন্যার পানিতে ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়ে বিপুল পরিমাণ ফসলের ক্ষতি, মানুষসহ অন্যান্য প্রাণির প্রাণহানি, অর্থ-সম্পদ ধ্বংস এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করে।
- ১৯৫৪ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে ১৯৭৪, ১৯৭৮, ১৯৮৪, ১৯৮৮, ২০০৪ সালের বন্যা ছিল ভয়াবহ।
- এর মধ্যে ১৯৯৮ সালের দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় সবচেয়ে বেশি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশের ৬১% ও ১৯৯৮ সালে ৬৮% এলাকা পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল। (বিবিসি বাংলা [২৪ আগস্ট, ২০১৭])
- পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যে দেখা যাচ্ছে ২০১৭ সালে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে বিপদসীমার ১৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে, যেটি সর্বকালের সবচে বেশি।
- ১৯৮৮ সালে পানি ১১২ সেন্টিমিটার ও ১৯৯৮ সালে বিপদসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে বন্যার সৃষ্টি করেছিল।

উৎস: i) বিবিসি বাংলা [২৪ আগস্ট, ২০১৭]
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) বাংলাদেশ সরকারের ক্লাইমেট চেঞ্জ সেল।
৪,৯৩২.
নিম্নলিখিত দেশগুলির মধ্যে কোনটি ইন্দোচীন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. মালয়েশিয়া
  2. থাইল্যান্ড
  3. কম্বোডিয়া
  4. মিয়ানমার
সঠিক উত্তর:
কম্বোডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা
ইন্দোচীন:
- ইন্দোচীনের অন্তর্ভুক্ত ভিয়েতনাম, লাওস এবং কম্বোডিয়া। 

- ফ্রান্স অষ্টাদশ শতকে ইন্দোচীন হিসাবে পরিচিত বর্তমান ভিয়েতনাম, লাওস ও কম্বােডিয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত অঞ্চলটির উপর শাসন অব্যাহত রাখে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জাপান ইন্দোচীন দখল করে নেয়।
- ১৯৪৫ সালে ভিয়েতনাম স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- ফ্রান্স ভিয়েতনামকে ফরাসি ইউনিয়নের অধীনে একটি পৃথক রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে ১৯৪৬ সালে দেশটির উপর পুনরায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৯৩৩.
নিচের কোন প্রণালী 'কান্নার দ্বার' নামে পরিচিত?
  1. বেরিং প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. দার্দানেলিস প্রণালী
  4. বাব এল-মান্দেব প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বাব এল-মান্দেব প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাব এল-মান্দেব প্রণালী
ব্যাখ্যা
বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী, আরবি বাব আল-মান্দব, আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী যা লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের সাথে, প্রণালীটি ভূমধ্যসাগর এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের একটি অংশ গঠন করে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ ‘কান্নার দ্বার’।
- প্রণালীটি এডেন উপসাগর, গভীর জলের অববাহিকা যা লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সমুদ্র সংযোগ তৈরি করে।
- প্রণালীটির মোট দৈর্ঘ্য, পূর্ব-উত্তর-পূর্ব থেকে পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ১৪৮০ কিমি, এবং এর গড় প্রস্থ, উত্তর-উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ৪৮০ কিমি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৯৩৪.
বঙ্গোপসাগরের উত্তরে নিচের কোনটি অবস্থিত?
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. মিয়ানমার
  4. ক + খ
সঠিক উত্তর:
ক + খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক + খ
ব্যাখ্যা
• বঙ্গোপসাগর:
- বঙ্গোপসাগরের উত্তরে বাংলাদেশ, ভারত, দক্ষিণ মহাসাগর।
- পূর্বে মিয়ানমার, মালয় উপদ্বীপ।
- পশ্চিমে শ্রীলংকা ও ভারত রয়েছে।
- এবং দক্ষিণে ভারত মহাসাগর।
- এর আয়তন প্রায় ২২ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
- গড় গভীরতা ২,৫৮৬ মিটার।
- এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ৫,২৫৮ মিটার।

উল্লেখ্য,
-  বঙ্গোপসাগরের ইংরেজি প্রতিশব্দ Bay of Bengal.
- প্রাচীন মোঘল সাম্রাজ্য 'বঙ্গদেশ' থেকে বঙ্গোপসাগর শব্দটি এসেছে।
- এর তিনদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত।
- শুধু দক্ষিণ দিকে উন্মুক্ত ভারত মহাসাগর।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৩৫.
দুর্যোগ সংঘটনের পরপরই কোন ধরনের কার্যক্রম শুরু করতে হয়?
  1. প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম
  2. সাড়াদান কার্যক্রম
  3. পুনরুদ্ধার কার্যক্রম
  4. প্রশমন কার্যক্রম
সঠিক উত্তর:
সাড়াদান কার্যক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাড়াদান কার্যক্রম
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ সংঘটনের পরপরই সাড়াদান কার্যক্রম শুরু করতে হয়।
সাড়াদান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে:
- তল্লাশি ও উদ্ধার কার্যক্রম
- নিরাপদ স্থানে অপসারণ
- ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ
- পুনর্বাসন কার্যক্রম প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম দুর্যোগ সংঘটনের পূর্বে সম্পন্ন করা হয়। পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের মাধ্যমে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়। প্রশমনমূলক কার্যক্রম হলো দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৯৩৬.
বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কত মিলিমিটার?
  1. ২,১০০
  2. ২,২৫০
  3. ২০৩০
  4. ২,৪০০
সঠিক উত্তর:
২০৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৩০
ব্যাখ্যা

বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত:
- বাংলাদেশের গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২০৩০ মিমি।
- সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেটের লালাখালে।
- সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয় নাটোরের লালপুরে।
- বাংলাদেশে শীতলতম মাস - জানুয়ারি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৯৩৭.
শীতকালে বাংলাদেশের কোনটি সবচেয়ে শীতলতম জেলা?
  1. দিনাজপুর
  2. বগুড়া
  3. শেরপুর
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
- অপশন অনুযায়ী, শীতকালে বাংলাদেশের সবচেয়ে শীতলতম জেলা- দিনাজপুর। 

শীতকাল: 

- শীতকাল আমাদের দেশে ঠান্ডার সময় হিসেবে পরিচিত।
- এ সময় তাপমাত্রা সবচেয়ে কম থাকে।
- শীতকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ১১° সেলসিয়াস।
- জানুয়ারি মাসে গড় তাপমাত্রা ১৭.৭° সেলসিয়াস এবং এটি শীতলতম মাস।
- এ সময় দক্ষিণাঞ্চল অপেক্ষা উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা অনেক কম থাকে।
- ১৯০৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি দিনাজপুরে সর্বনিম্ন ১° সেলিসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যা এদেশের ইতিহাসে প্রথম ঘটনা ।
- শীতকালে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আগত শীতল মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৯৩৮.
Rooppur nuclear power plant is located on the bank of which river?
  1. Bhairab
  2. Padma
  3. Rupsha
  4. Mathabahanga
সঠিক উত্তর:
Padma
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Padma
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বাংলাদেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি পাবনা জেলায় অবস্থিত। 
- এটি পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত।
- দেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয় ১৯৬১ সালে।
- পাবনা জেলার রূপপুরে প্রকল্প এলাকার জন্য প্রায় ২৬০ একর জমি এবং বৈদ্যুতিক সাব-ষ্টেশন নির্মাণসহ ৭২টি আবাসিক ইউনিটের নির্মাণ কাজও আংশিকভাবে সম্পন্ন করা হয়। 
- বাংলাদেশ সরকার ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
- ৩০ নভেম্বর ২০১৭ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নং ইউনিটের প্রথম কংক্রিট ঢালাই মাননীয় প্রধান মন্ত্রী উদ্বোধন করেন।
- এর মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২৪০০ মেগাওয়াট।
 
উল্লেখ্য,
- ৫ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান হস্তান্তর করা হয়।
- এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে যুক্ত হলো বাংলাদেশ।
 
উৎস: i) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
         ii) ৫ অক্টোবর, ২০২৩, প্রথম আলো।
৪,৯৩৯.
সারদা পুলিশ একাডেমি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) করতোয়া
  2. খ) আত্রাই
  3. গ) মহানন্দা
  4. ঘ) পদ্মা
সঠিক উত্তর:
ঘ) পদ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পদ্মা
ব্যাখ্যা
নদীর তীরবর্তী স্থান/শহর...
সারদা - পদ্মা, নারায়ণগঞ্জ - শীতলক্ষ্যা।
বরিশাল - কীর্তনখোলা, ঢাকা - বুড়িগঙ্গা।
কক্সবাজার - নাফ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া - তিতাস।
চাঁদপুর - মেঘনা, বান্দরবান - শংখ।
মাদারীপুর - আরিয়াল খাঁ, পিরোজপুর - বলেশ্বর।
৪,৯৪০.
প্রত্যয়ন বায়ু উত্তর গোলার্ধে _____ দিক থেকে ____ দিকে প্রবাহিত হয়?
  1. পূর্ব, পশ্চিম
  2. দক্ষিণপশ্চিম, উত্তরপূর্ব 
  3. উত্তর, দক্ষিণ
  4. উত্তর, পশ্চিম
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণপশ্চিম, উত্তরপূর্ব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণপশ্চিম, উত্তরপূর্ব 
ব্যাখ্যা

পশ্চিমা বায়ু বা প্রত্যয়ন বায়ু :
- উত্তর গোলার্ধের দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে পশ্চিম বায়ু প্রবাহিত হয়।
 - ৩০° অক্ষাংশে কিছু বায়ু পৃথিবীর গা-ঘেষে মেরুর দিকে ৬০° অক্ষাংশ পর্যন্ত পৌঁছালে মেরু এলাকা থেকে আগত শীতল ও ভারী বায়ু মুখোমুখি হয়।
- এসময় অপেক্ষাকৃতি উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরের দিকে উঠে গেলেও এর এক অংশ মেরুবৃত্তের নিম্নচাপে প্রবাহিত হয় বলেই একে পশ্চিমা বায়ু বলা হয়।
- উত্তর গোলার্ধের বিশাল স্থলভাগের জন্য স্থানীয়ভাবে পশ্চিমা বায়ু পরিবর্তনশীল।
 - আবার দক্ষিণ গোলার্ধে জলাবিস্তৃতি ভূমিরূপের কারণেই পশ্চিমা বায়ু প্রবলভাবে প্রবাহিত হয় এবং এ কারণেই এই বায়ু প্রবাহের ধরণকে তখন বলা হয় প্রবল পশ্চিমা বায়ু।
- ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সব থেকে বেশি বলেই এই অঞ্চলের নামকরণ করা হয়েছে গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring Forties) ।
 - নিরক্ষীয় শান্ত বলয়ের মত ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়েও দুটি শান্ত বলয়ের সৃষ্টি হয়।
- ৩০° থেকে ৫০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে দুটি ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয়ের অবস্থান রয়েছে।
- বায়ু নিম্নদিকে প্রবাহিত হয় বলেই এই অঞ্চলে অনুভূমিক বায়ু অনুভব করা যায় না।
 - প্রাচীনকালে আটলান্টিক মহাসাগরের উপর দিয়ে জাহাজ প্রবাহিত হবার সময় ইউরোপ থেকে আমেরিকায় অশ্ব ও অন্যান্য পশু রপ্তানি করে নিয়ে যেত।
- কিন্তু এই অঞ্চলের বায়ু প্রবাহের জন্য বাতাসের গতি যখন মন্থর হয়ে যেতো নাবিকরা তখন খাদ্য ও পানীয় জলের অনেক অভাবে তাদের অশ্বগুলো সমুদ্রে ফেলে দিতো।
 - এ জন্য আটলান্টিক মহাসাগরের ক্রান্তীয় শান্ত বলয়কে অশ্ব অক্ষাংশ (Horse Latitude) বলে।
 - উত্তর গোলার্ধে ৩০° থেকে ৩৫° উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত অঞ্চলটিতে শীতকালেও পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত হয়।

উল্লেখ্য,
মেরু বায়ু: মেরু অঞ্চলের উচ্চচাপ বলয় থেকে অতিশীতল ও ভারী বায়ু উত্তর গোলার্ধে নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
অয়ন বায়ু: উত্তর গোলার্ধে উত্তর পূর্ব দিক থেকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের দক্ষিণ পূর্ব দিক থেকে এই বায়ু প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, ওপেন স্কুল।

৪,৯৪১.
বায়ুমন্ডলের স্তরগুলোর মধ্যে কতটি সমমণ্ডল এর অন্তর্ভুক্ত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের স্তরবিন্যাস ও বৈশিষ্ট্য: 
- বায়ুমন্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়।
- যথা- ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমন্ডল, মেসোমণ্ডল, তাপমণ্ডল ও এক্সোমন্ডল।
- উল্লিখিত স্তরগুলোর প্রথম তিনটি সমমণ্ডল (Homosphere) এবং পরবর্তী দুটি বিষমমণ্ডল (Hetrosphere)-এর অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৪,৯৪২.
হাইগ্রোমিটার দ্বারা কি পরিমাপ করা হয়?
  1. বায়ুর চাপ
  2. গ্যাসের চাপ
  3. তরলের আপেক্ষিক ঘনত্ব
  4. বায়ুর আর্দ্রতা
সঠিক উত্তর:
বায়ুর আর্দ্রতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুর আর্দ্রতা
ব্যাখ্যা

Humidity বা বায়ুর আর্দ্রতা :
- বায়ুর একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান জলীয়বাষ্প।
- বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করাকে বায়ুর আর্দ্রতা বলে।
- বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগেরও কম।
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প যখন একদম থাকে না, তাকে শুষ্ক বায়ু বলে।
- যে বায়ুতে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে, তাকে আর্দ্র বায়ু বলে।
- আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ থাকে প্রায় শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ।
- বায়ুর আর্দ্রতা হাইগ্রোমিটার (Hygrometer) দ্বারা পরিমাপ করা হয়।
- বায়ুর আর্দ্রতা দু'ভাবে প্রকাশ করা যায়।
- যথা- পরম আর্দ্রতা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা।

অন্যদিকে,
- হাইড্রোমিটার- তরলের আপেক্ষিক ঘনত্ব পরিমাপক যন্ত্র।
- ব্যারোমিটার- বায়ুর চাপ মাপক যন্ত্র।
- ম্যানোমিটার- গ্যাসের চাপ মাপক যন্ত্র।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৯৪৩.
’সাদা হাতির দেশ’ বলা হয় কোন দেশকে?
  1. ভারত
  2. থাইল্যান্ড
  3. ভুটান
  4. শ্রীলঙ্কা
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ভৌগলিক উপনাম: 
- সাদা হাতি থাইল্যান্ডে একটি পবিত্র, রাজকীয় এবং সৌভাগ্যের প্রতীক।
- এবং সেগুলোর সাথে দেশটির ধর্ম, ইতিহাস ও সংস্কৃতির গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
- তাই থাইল্যান্ডকে বলা হয় সাদা হাতির দেশ।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।

উৎস: ব্রিটানিকা
৪,৯৪৪.
উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয়-
  1. হ্যারিকেন
  2. টাইফুন
  3. সাইক্লোন
  4. উইলি উইলি
সঠিক উত্তর:
টাইফুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাইফুন
ব্যাখ্যা

• টাইফুন:
- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয় 'টাইফুন'।
- চীন, তাইওয়ান, ফিলিপাইন ও জাপানে প্রায় প্রতি বছরই টাইফুনের কারণে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়।

অন্যদিকে,
- উত্তর আটলান্টিক ও উত্তর-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়কে হ্যারিকেন বলা হয়।
- ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়কে সাইক্লোন বলা হয়।
- অস্ট্রেলিয়ার উপকূলের ঘূর্ণিঝড়কে উইলি উইলি বলা হয়।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট ও Redcross ওয়েবসাইট।

৪,৯৪৫.
ভূত্বকের গড় গভীরতা কত কিলোমিটার?
  1. ক) ০৫ কি.মি.
  2. খ) ১০ কি.মি.
  3. গ) ২০ কি.মি.
  4. ঘ) ৩৫ কি.মি
সঠিক উত্তর:
গ) ২০ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০ কি.মি.
ব্যাখ্যা
ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তা ভূত্বক নামে পরিচিত। ভূত্বের গড় গভীরতা ২০ কিমি।
মহাসাগরীয় ভূত্বকের গড় গভীরতা ০৫ কিলোমিটার এবং মহাদেশীয় পৃষ্ঠে ভূত্বকের গড় গভীরতা ৩৫ কিমি।

মহাদেশীয় ভূত্বক সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al) দ্বারা গঠিত যা সিয়াল (SiAl) স্তর নামে পরিচিত।
মহাসাগরীয় ভূত্বক সিলিকন (Si) এবং ম্যাগনেসিয়াম (Mg) দ্বারা গঠিত যা সিমা (SiMg) স্তর নামে পরিচিত।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৯৪৬.
বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস কোনটি?
  1. জুন
  2. মে
  3. এপ্রিল
  4. মার্চ
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল
ব্যাখ্যা
গ্রীষ্মকাল:
- আমাদের দেশে গ্রীষ্মকাল সবচেয়ে উষ্ণ ঋতু হিসেবে পরিচিত।
- এ ঋতুতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১° সেলসিয়াস।
- এপ্রিল উষ্ণতম মাস।
- এ মাসের গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৮° সেলসিয়াস।
- এ সময় সমুদ্র উপকূল থেকে দেশের অভ্যন্তরে অর্থাৎ উত্তর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে।
- উদাহরণস্বরূপ এপ্রিল মাসে যখন কক্সবাজারে ২৭.৬৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রা তখন রাজশাহীর তাপমাত্রা প্রায় ৩০° সেলসিয়াস।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৯৪৭.
ভূপৃষ্ঠের সমতাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের সংযোগকারী রেখা কোনটি?
  1. আইসোহেলাইন
  2. আইসোথার্ম
  3. আইসোহাইট
  4. আইসোবার
সঠিক উত্তর:
আইসোথার্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোথার্ম
ব্যাখ্যা
- আইসোথার্ম : সমতাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
- আইসোবার : সমচাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
- আইসোহেলাইন : সমুদ্রের সমলবণাক্ততা সম্পন্ন স্থানসমূহের সংযোগকারী রেখা
- আইসোহাইট : সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
(তথ্যসূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল : উন্মুক্ত বিশ্ব. এবং সায়েন্সডিরেক্ট ওয়েবসাইট)
৪,৯৪৮.
বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় হয় কোন মাসে?
  1. ক) আষাঢ়-শ্রাবণ
  2. খ) আশ্বিন-কার্তিক
  3. গ) চৈত্র-বৈশাখ
  4. ঘ) খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে আশ্বিন-কার্তিক এবং চৈত্র-বৈশাখ মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই
৪,৯৪৯.
বাংলাদেশে সর্বাধিক বৃষ্টিপাতের কারণ কোনটি?
  1. মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ ও নদী প্রবাহ
  2. ভৌগোলিক প্রকৃতি ও বনভূমিধ্বস 
  3. মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ ও ভৌগোলিক প্রকৃতি
  4. ভৌগোলিক প্রকৃতি ও শিল্পায়ন
সঠিক উত্তর:
মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ ও ভৌগোলিক প্রকৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ ও ভৌগোলিক প্রকৃতি
ব্যাখ্যা

বৃষ্টিপাতের কারণ: 
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে।
- বাংলাদেশের সিলেট বিভাগ চেরাপুঞ্জি ও মৌসিনরামের কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় এখানে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত ঘটে।
- বিশেষ করে জুড়ি, শ্রীমঙ্গল, এবং গোয়াইনঘাট এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- চট্টগ্রাম বিভাগের পার্বত্য অঞ্চলগুলোতেও যথেষ্ট বৃষ্টিপাত হয়।
- এই বিভাগের বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, এবং খাগড়াছড়ি এলাকায়ও প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টিপাত হয়।
- বাংলাদেশে সর্বাধিক বৃষ্টিপাতের কারণ হচ্ছে- মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ ও ভৌগোলিক প্রকৃতি।
- এছাড়া বেশি বৃষ্টিপাতের আরেকটা কারণ হলো মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ, যা বঙ্গোপসাগর থেকে আর্দ্র বায়ু নিয়ে আসে।
- এছাড়া, হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়ায় সিলেটের দিকে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তন হয় এবং বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পায়। 
-  সিলেটের লালাখাল এলাকায় সর্বাধিক বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
- আর সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে নাটোরের লালপুরে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৪,৯৫০.
প্রাচীন গৌড় নগরীর অংশবিশেষ বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) চট্রগ্রাম
  4. ঘ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ঘ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
প্রাচীন গৌড় নগরী:
- ধারণা করা হয় যে, গুড় উৎপাদনের কেন্দ্র বলে গৌড় নগর ও দেশের নামের উদ্ভব হয়। আর হয়ত এই গৌড় নগরকে ঘিরেই পরে গৌড় জনপদ গড়ে উঠেছিল। 
- গৌড় নামটি সুপ্রাচীন হলেও এর অবস্থান সম্পর্কে সঠিক ধারণা করা কষ্টসাধ্য। বাংলার প্রাচীন জনপদগুলো যে যুগে যুগে সীমানা সম্প্রসারণ করেছে তার বড় উদাহরণ হলো গৌড়।
- এই জনপদের খ্যাতি এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে, সমগ্র বাংলাকেই  গৌড়দেশ বিবেচনা করা হতো।
- গৌড় বাংলার এককালীন রাজধানী এবং অধুনা ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি নগর যার অবস্থান বর্তমান ভারত-বাংলাদশে সীমান্তর্বতী অঞ্চল। এটি লক্ষণাবতী বা লখনৌত  নামেও পরিচিত।
- প্রাচীন এই দূর্গনগরীর অধকিাংশ পড়ছে র্বতমান ভারতরে পশ্চমিবঙ্গ রাজ্যের মালদা জেলায় এবং কিছু অংশ পড়েছে বাংলাদশেরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। 
- সেনবংশীয় রাজারা ‘গৌড়েশ্বর’ উপাধি গ্রহণ করে গৌরববোধ করতেন। 
আদিকালে গৌড় বলতে বর্তমানের মুর্শিদাবাদ জেলা ও মালদা জেলার দক্ষিণাংশকে বুঝাত।
- হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং হর্ষচরিত গ্রন্থে শশাঙ্ককে ‘গৌড়াধিপতি’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ থেকে
প্রতীয়মান হয় যে, কর্ণসুবর্ণ দেশ ও গৌড়দেশ অভিন্ন।
- গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল- কর্ণসুবর্ণ। 

তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, (HSC Programme), বাংলাদেশ ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৫১.
সার্ক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) গুজরাট
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) কাঠমান্ডু
  4. ঘ) থিম্পু
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
ব্যাখ্যা

- সার্ক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র - ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র অবস্থিত ভারতের গুজরাট রাজ্যের গান্ধীনগরে। পূর্বে এটি ভারতের নয়াদিল্লিতে ছিল।
- সার্ক বন কেন্দ্র - থিম্পু, ভুটান।
- সার্কের সদর দপ্তর কাঠমন্ডুতে অবস্থিত।
উৎসঃ উৎসঃ সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রর ওয়েবসাইট।

৪,৯৫২.
দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায় নয় কোনটি?
  1. সাড়া প্রদান
  2. উন্নয়ন
  3. প্রশমন
  4. পুনরুদ্ধার 
সঠিক উত্তর:
প্রশমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশমন
ব্যাখ্যা

'প্রশমন' দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায় নয়। এটি দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: 

- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান ৩টি। যথা-
১। দুর্যোগ প্রতিরোধ
২। দুর্যোগ প্রশমন
৩। দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:  
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র বলতে দুর্যোগ মোকাবেলার সাথে পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত পর্যায়গুলোকে বুঝানো হয়ে থাকে।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রকে দুইটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-

ক. দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়:
- দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়।
- এগুলো হলো: পূর্ব প্রস্তুতি, প্রতিরোধ এবং প্রশমন।
- এই ৩টি কার্যক্রম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান ।

খ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়:-
- দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়।
- এগুলো হলো- সাড়া প্রদান, পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়ন।

উল্লেখ্য,
- সুতরাং দুর্যোগকে কার্যত মুকাবেলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই এর ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।
- দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।
- অতীতে দুর্যোগে সাড়াদানকেই সম্পূর্ণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে ধরে নেওয়া হতো।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৯৫৩.
'ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম' কোনটির আওতাভুক্ত?
  1. সাড়া দান
  2. উন্নয়ন
  3. প্রতিরোধ
  4. পুনরুদ্ধার
সঠিক উত্তর:
সাড়া দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাড়া দান
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্রান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে। দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে ও সংঘটনের অব্যবহিত পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদান যেমন- সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, প্রশমন উন্নয়ন, প্রতিরোধ, পূর্বপ্রস্তুতি কার্যক্রম সম্পাদন করা প্রয়োজন।

• সাড়াদান (Response):
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন।
- সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম -১০ম শ্রেনি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৫৪.
আরব উপদ্বীপ এবং আফ্রিকান মহাদেশের মাঝখানে অবস্থিত কোন উপসাগর?
  1. এডেন উপসাগর
  2. ব্যাফিন উপসাগর
  3. পানামা উপসাগর
  4. ওমান উপসাগর
সঠিক উত্তর:
এডেন উপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডেন উপসাগর
ব্যাখ্যা
এডেন উপসাগর: 
- এডেন উপসাগর ভারত মহাসাগরের একটি সম্প্রসারণ,
- যা আরব উপদ্বীপ এবং আফ্রিকান মহাদেশের মাঝখানে অবস্থিত।
- এই উপসাগরটি বাব এল মান্দেব প্রণালীর মাধ্যমে লোহিত সাগরকে আরব সাগরের সাথে সংযুক্ত করে।
- এটি ঐতিহাসিকভাবে এরিত্রীয় সাগরের অংশ হিসেবে পরিচিত।
-  দূরপ্রাচ্য ও ইউরোপের মধ্যে তেল পরিবহনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- আডেন উপসাগর সুয়েজ খাল-ভিত্তিক নৌপথেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা লোহিত সাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস: 
৪,৯৫৫.
ঘূর্ণিঝড়ের সময় কোন ধরনের বায়ু প্রবাহিত হয়?
  1. নিয়মিত বায়ু
  2. স্থানীয় বায়ু
  3. সাময়িক বায়ু
  4. অনিয়মিত বায়ু
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত বায়ু
ব্যাখ্যা
অনিয়মিত বায়ু:

- কোনো স্থানে অধিক উত্তাপের জন্য বায়ুচাপ কমে নিম্নচাপের অথবা অত্যাধিক শীতের জন্য কোনো স্থানীয় বায়ু শীতল জলে উচ্চচাপের সৃষ্টি হয়।
- এভাবে সৃষ্টি যে বায়ুপ্রবাহ তাকে বলা হয় অনিয়মিত বায়ু প্রবাহ।
- এই অনিয়মিত বায়ু মূলত দুই প্রকার যথা ঘূর্ণিবাত ও প্রতীপ ঘূর্ণিবাত বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৫৬.
'বরেন্দ্রভূমি' কোন ভূ-অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
  2. পাদদেশীয় সমভূমি
  3. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
  4. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি:
- ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।
- বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ অঞ্চলটিকে কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৯৫৭.
পারস্য উপসাগরের অবস্থান কোথায়?
  1. পশ্চিম এশিয়া
  2. দক্ষিণ এশিয়া
  3. উত্তর এশিয়া
  4. দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম এশিয়া
ব্যাখ্যা
পারস্য উপসাগর: 
- ভূমধ্যসাগরীয় সমুদ্র পারস্য উপসাগর ভারত মহাসাগরের অংশ ।
- এটি পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি ওমান উপসাগরের একটি সম্প্রসারিত অংশ এবং পূর্বে হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে ভারত মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত ।
- পারস্য উপসাগরকে আরব উপসাগর বা ইরান উপসাগরও বলা হয়।
- এটির আয়তন প্রায় ২,৫১,০০০ বর্গ কিলোমিটার ।
-  যার সর্বোচ্চ গভীরতা ৯০ মিটার 
- গড় গভীরতা ৫০ মিটার।
- পারস্য উপসাগর কয়েকটি দেশ দ্বারা বেষ্টিত, যার মধ্যে উত্তরে ইরান, এবং উত্তর-পশ্চিমে বাহরাইন , ইরাক এবং কুয়েত রয়েছে। দক্ষিণে, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত , বাহরাইন, অবস্থিত।

উৎস: WorldAtlas.
৪,৯৫৮.
সর্বকালের সবচেয়ে প্রলয়ঙ্করী সাইক্লোন কত সালে সংঘটিত হয়েছিলো?
  1. ক) ১৯৬৩
  2. খ) ১৯৬৯
  3. গ) ১৯৭০
  4. ঘ) ১৯৯১
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭০
ব্যাখ্যা
নিম্নচাপের কারণে যখন বাতাস প্রচন্ড গতিবেগে ঘুরতে থাকে, তখন সেটাকে সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় বলে।
১৯৬০ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত প্রায় ৫০ বার বাংলাদেশে সাইক্লোন আঘাত হেনেছে।
১৯৭০ সালের সাইক্লোনটি সর্বকালের সবচেয়ে প্রলয়ঙ্করী সাইক্লোন হিসেবে পৃথিবীর ইতিহাসে চিহ্নিত হয়েছে৷ এ ঝড়ে প্রায় ৫ লক্ষ প্রাণহানি ঘটেছিলো।
এ পর্যন্ত বাংলাদেশে সবচেয়ে শক্তিশালী সাইক্লোন হয়েছিলো ১৯৯১ সালে
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৪,৯৫৯.
কোন আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে 'পম্পেই' নগরী ধ্বংস হয়েছিল?
  1. মাওনালেয়া, হাওয়াই দ্বীপ
  2. ফুজিয়ামা, জাপান
  3. ভিসুভিয়াস, ইতালি
  4. কোহিসুলতান, ইরান
সঠিক উত্তর:
ভিসুভিয়াস, ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিসুভিয়াস, ইতালি
ব্যাখ্যা
আগ্নেয়গিরি:
- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে লাভা চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে গ্রাম, নগর ও কৃষিক্ষেত্র সব ধ্বংস করে।
- ১৮৭১ সালে ইতালির ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে হারকিউলেনিয়াম ও পম্পেই নামের দু'টি নগর উত্তপ্ত লাভা ও ভস্মরাশির মধ্যে ডুবে গিয়েছিল।
- আগ্নেয়গিরির কারণে কেবল মানুষের অপকার নয় উপকারও হয়ে থাকে।
- এতে ভূমির উর্বরতাও বৃদ্ধি পায়। যেমন- দাক্ষিণাত্যের লাভা গঠিত কৃষ্ণমৃত্তিকা কার্পাস চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
- অনেক সময় লাভার সঙ্গে অনেক খনিজ পদার্থ নির্গত হয়।
- আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাংশে অগ্ন্যুৎপাতের জন্য অধিক পরিমাণে খনিজ দ্রব্য পাওয়া যায়।
- অগভীর সমুদ্রে বা হ্রদে লাভা ও ভস্ম সঞ্চিত হয়ে এরূপ ভূভাগ সৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র - ভুগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,৯৬০.
বাংলাদেশে কোন কোন নদী ঘিরে 'ডিএনডি প্রকল্প' বিস্তৃত?
  1. ক) তিস্তা ও কপোতাক্ষ
  2. খ) বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা
  3. গ) ফেনী ও মাতা মুহুরী
  4. ঘ) সুরমা ও কুশিয়ারা
সঠিক উত্তর:
খ) বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা
ব্যাখ্যা
ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) প্রকল্প
ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ শহরের মধ্যে অবস্থিত এবং বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা নদী দ্বারা প্রকল্পটির বিস্তৃতি সীমা নির্ধারিত।
২২.৯ মিলিয়ন টাকা ব্যয়ে প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ১৯৬৪ সালে এবং কাজ সমাপ্ত হয় ১৯৬৮ সালে। 
দ্বৈত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নকারী পানি উত্তোলন কেন্দ্রটি শিমরাইলে অবস্থিত, যার সর্বমোট উত্তোলন ক্ষমতা ৪.২ কিউমেক। 
ডিএনডি প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে ৪.৮৬০ হেক্টর জমিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়েছে। 
সেচ সুবিধা পৌঁছে দেয়া গেছে ৬.০৭০ হেক্টর জমিতে, ৪.৮৬০ হেক্টর জমি থেকে পাম্পের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন এবং ২.৪৭০ হেক্টর জমি থেকে পানির নিম্নগামী প্রবণতা কাজে লাগিয়ে নিষ্কাশন সম্ভব হচ্ছে। কিন্তু যেহেতু প্রকল্পটি ঢাকা শহরের সন্নিকটে অবস্থিত সেহেতু শহরায়ন ঘটেছে খুবই দ্রুত। স্বভাবতই প্রকল্পের প্রাথমিক উদ্দেশ্য কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির কাজটির সাফল্য সন্তোষজনক নয়।
 
উৎস: বাংলা পিডিয়া। 
৪,৯৬১.
ভূ-মধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে কোন প্রণালির অবস্থান?
  1. হরমুজ
  2. জিব্রাল্টার
  3. বসফরাস
  4. দার্দানোলিস
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার
ব্যাখ্যা

ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে জিব্রাল্টার প্রণালী অবস্থিত।

জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
- জিব্রাল্টার প্রণালী পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি ৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ।

অন্যদিকে -
- পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালি। এটি আরব উপদ্বীপ থেকে ইরানকে পৃথক করেছে।
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- দার্দানেলিস প্রণালী তুরস্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী, যা এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যকার সীমানা নির্দেশ করে। কৃষ্ণসাগর ও ভূমধ্যসাগরের মাঝে সংযোগ স্থাপন করেছে বসফরাস প্রণালি ও দার্দানেলিস প্রণালী।

উৎস: Britannica.

৪,৯৬২.
সুয়েজ খাল কোথায় অবস্থিত?
  1. মিশর
  2. ইরাক
  3. আলজেরিয়া
  4. ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এটি একটি কৃত্তিম সামুদ্রিক খাল।
- এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- দশ বছর ধরে খননের পর পথটি ১৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়।
- নির্মাণ শুরু হয়েছে: ২৫ এপ্রিল, ১৮৫৯।
- নির্মাণ শেষ হয়: ১৭ নভেম্বর, ১৮৬৯।
- খালটি মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথোরিটির মালিকানাধীন।

উৎস: Britannica.
৪,৯৬৩.
ধ্বংসস্তুপ অপসারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরুপণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের কোন স্তরের অন্তর্ভুক্ত?
  1. সাড়াদান
  2. পূর্বপ্রস্ততি
  3. প্রশমন
  4. উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
সাড়াদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাড়াদান
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান।
- সুতরাং দুর্যোগকে কার্যকরভাবে মোকাবিলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।
- দুর্যোগ সংঘটনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।

• সাড়াদান:
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন।
- সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৬৪.
বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
• ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্ৰ:
- বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি।

- সেগুলো হলো:
- রাঙামাটির বেতবুনিয়া (১৯৭৫),
- গাজীপুরের তালিবাবাগ (১৯৮২),
- ঢাকার মহাখালী (১৯৯৫),
- সিলেট (১৯৯৭)।

- ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ জুন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাঙামাটির বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহটি কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেছিলেন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাসস।
৪,৯৬৫.
অক্ষাংশ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ভিত্তি হিসেবে কোন কাল্পনিক রেখা ব্যবহৃত হয়?
  1. কর্কটক্রান্তি
  2. মকরক্রান্তি
  3. বিষুবরেখা
  4. মূল মধ্যরেখা
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
ব্যাখ্যা

• অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা:
- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে। 

• নিরক্ষরেখা (Equator): 
- পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুইটি গোলার্ধে বিভক্তকারী কাল্পনিক অক্ষরেখাটি নিরক্ষরেখা নামে অভিহিত।
-  ভূ-গোলাককে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টনকারী সর্বাপেক্ষা বৃহৎ অক্ষরেখা নিরক্ষরেখা। 
- এই অক্ষরেখার অপর নাম সমূহ হলো- বিষুবরেখা (Equator) ও মহাবৃত্ত (Great Circle)। 
- বিষুবরেখা রেখা থেকে অক্ষাংশ গণনা করা হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৯৬৬.
বাংলাদেশের প্রশস্ততম নদী কোনটি?
  1. ক) মেঘনা
  2. খ) কর্ণফুলি
  3. গ) যমুনা
  4. ঘ) পদ্মা
সঠিক উত্তর:
ক) মেঘনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মেঘনা
ব্যাখ্যা
মেঘনা নদী বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ নদী ও প্রশস্ততম নদী। চাঁদপুরের পর থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনার মিলিত ধারার নাম মেঘনা। উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম ছিল বরাক নদী। ভোলার চরফ্যাশন এলাকায় মেঘনা বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে।
সূত্র : মাধ্যমিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণী।
৪,৯৬৭.
নদী বন্দরের জন্য নির্ধারিত সতর্কতা সংকেত কতটি?
  1. ২টি
  2. ৪টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
সতর্কতা ও বিপদ সংকেত:
ঘূর্ণিঝড়ের সময় সতর্কতা ও বিপদ বুঝানোর জন্য ১১টি সংকেত রয়েছে।
- তার মধ্যে প্রথম চারটি সতর্কতা ও স্থানীয় সংকেত। বাকিগুলো বিপদ সংকেত।
নিম্নে ১১টি সংকেতের অর্থ দেওয়া হল:

১ নং দূরবর্তী সতর্ক সংকেত:
জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার পর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সম্মুখীন হতে পারে। দূরবর্তী এলাকায় একটি ঝড়ো হাওয়ার অঞ্চল রয়েছে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬১ কিলোমিটার (কি.মি.)। ফলে সামুদ্রিক ঝড়ের সৃষ্টি হবে।

২ নং দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত:
দূরে গভীর সাগরে একটি ঝড় সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কিলোমিটার। বন্দর এখনই ঝড়ে কবলিত হবে না, তবে বন্দর ত্যাগকারী জাহাজ পথে বিপদে পড়তে পারে।

৩ নং স্থানীয় সতর্ক সংকেত:
বন্দর ও বন্দরে নোঙর করা জাহাজগুলোর দুর্যোগ কবলিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বন্দরে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং ঘূর্ণি বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০-৫০ কি.মি. হতে পারে।

৪ নং স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত:
বন্দর ঘূর্ণিঝড় কবলিত। বাতাসের সম্ভাব্য গতিবেগ ঘণ্টায় ৫১-৬১ কি.মি.। তবে ঘূর্ণিঝড়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়ার মতো তেমন বিপজ্জনক সময় এখনও আসেনি।

৫ নং বিপদ সংকেত:
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৬ নং বিপদ সংকেত:
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৭ নং বিপদ সংকেত:
বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২-৮৮ কি.মি.। ঝড়টি বন্দরের উপর বা এর নিকট দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

৮ নং মহাবিপদ সংকেত:
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়তে পারে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. বা এর বেশি হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে বাম দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।

৯ নং মহাবিপদ সংকেত:
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি. বা এর বেশি হতে পারে। প্রচণ্ড ঝড়টি বন্দরকে ডান দিকে রেখে উপকূল অতিক্রম করবে।

১০ নং মহাবিপদ সংকেত:
বন্দর প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতর এক সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়বে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কি.মি.বা তার বেশি হতে পারে।

১১ নং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেত:
আবহাওয়ার বিপদ সংকেত প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সকল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং স্থানীয় আবহাওয়া কর্মকর্তা পরিস্থিতি দুর্যোগপূর্ণ বলে মনে করেন।

উৎস: ঘূর্নিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচী (সিপিপি) ওয়েবসাইট ও বিবিসি বাংলা।
৪,৯৬৮.
'সাগরকন্যা' বাংলাদেশের কোন এলাকার ভৌগোলিক নাম?
  1. ক) ভোলা
  2. খ) সেন্টমার্টিন
  3. গ) কুয়াকাটা
  4. ঘ) কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
গ) কুয়াকাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কুয়াকাটা
ব্যাখ্যা
পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা। বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি। অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকটা। একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।
Source: patuakhali.gov.bd
৪,৯৬৯.
পূর্ব থেকে পশ্চিমে বাংলাদেশের বিস্তৃতি কত কিলোমিটার?
  1. ক) ৪৪০ কিলোমিটার
  2. খ) ৪৮০ কিলোমিটার
  3. গ) ৫০০ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৪৬০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
ক) ৪৪০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪৪০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
⇨ বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার বা ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল।
⇨ পূর্ব থেকে পশ্চিমে বিস্তৃতি ৪৪০ কিলোমিটার এবং উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বিস্তৃতি প্রায় ৭৬০ কিলোমিটার।
⇨ দেশের দক্ষিণে উপকূলীয় অঞ্চলের প্রসার ঘটলে অথার্ৎ ভূ-ভাগ জেগে উঠলে ভবিষ্যতে আয়তন আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়।
⇨ বাংলাদেশের মোট সীমারেখা ৪,৭১২ কিলোমিটার। এর মধ্যে ভারতের সাথে সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৩,৭১৫ কিলোমিটার এবং মিয়ানমারের সাথে ২৮১ কিলোমিটার।
⇨ দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
⇨ বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার এবং অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার (১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার)।    

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৭০.
নিচের কোনটি কাঠামোগত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা?
  1. প্রশিক্ষণ প্রদান 
  2. আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি
  3. বেরিবাঁধ নির্মাণ
  4. খ+গ
সঠিক উত্তর:
খ+গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ+গ
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব না হলেও যথাযথ ব্যবস্থাপনার দ্বারা এর ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
- এ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কাঠামোগত ও অকাঠামোগত প্রশমন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
- কাঠামোগত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা যেমন: বেরিবাঁধ নির্মাণ, আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি,
- নদী খনন ইত্যাদি খুবই ব্যয়বহুল যা অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্যে উপযোগী নয়।
- গণসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ প্রদান প্রভৃতি অকাঠামোগত প্রশমন ব্যবস্থা তুলনামূলক কম ব্যয়বহুল যা দরিদ্রদেশগুলোর জন্যে উপযোগী।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেনি।

৪,৯৭১.
ভূ-অভ্যন্তরের আকস্মিক পরিবর্তনের ফলে কোন ধরনের দুর্যোগ সংঘটিত হয়?
  1. ক) কালবৈশাখি ঝড়
  2. খ) অগ্ন্যুৎপাত
  3. গ) ভূমিকম্প
  4. ঘ) খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা
• ভূ-অভ্যন্তর উত্তপ্ত বলে প্রচণ্ড তাপ ও চাপের যে তারতম্য হয়, তাতে ভূ-অভ্যন্তরে প্রচন্ড শক্তির সৃষ্টি হয় এবং ভূ-ত্বকের আকস্মিক ও ধীর পরিবর্তন হয়।
• ভূ-অভ্যন্তরের আকস্মিক পরিবর্তনের ফলে ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত প্রভৃতি হয়ে থাকে।
• এসব দুর্যোগের ফলে সৃষ্ট প্রতিক্রিয়ায় দূষণের উদ্ভব হতে পারে। যেমন- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে গ্রাম, শহর ও জনপদ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে, ইতালির ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে পম্পেই নগর লাভার নিচে চাপা পড়ে। এছাড়া ছাই, ভস্ম ইত্যাদি চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে বাতাস দূষিত করে তোলে।
• আবার ভূমিকম্পের ফলে বহু মানুষ, জীবজন্তু মারা যায় এবং ঘরবাড়ি বিনষ্ট হয়। মৃতদেহসমূহ দ্রুত সরাতে না পারলে তা পচে দুর্গন্ধ এবং রোগ-জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। ফলে বায়ু, পানি এবং মৃত্তিকা দূষণ
দেখা দেয়। সুতরাং বলা যায় যে, ভূ-অভ্যন্তরস্থ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট দুর্যোগসমূহ দূষণের কারণ হিসেবে কাজ করে।   

তথ্যসূত্র: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৭২.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) খাগড়াছড়ি
  2. খ) রাঙামাটি
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
▪ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং।
▪ এটি বিজয় নামেও পরিচিত।
▪ স্থানীয় ভাষায় তাজিং অর্থ বড় আর ডং অর্থ পাহাড়। একত্রে বড় পাহাড় বা তাজিংডং।
▪ তাজিংডং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বান্দরবানের রুমা উপজেলার রেমাক্রী পাংশা ইউনিয়নে সাইচল পর্বতসারিতে অবস্থিত। 
তাজিংডং এর উচ্চতা:
▪ ১২৩১ মি. বা ৪০৩৯ ফুট [সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল]।
▪ ১৩৭২ মি. বা ৪৫০০ ফুট [সূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন]। 
▪ ১০০৩ মিটার [সূত্র: জেলা প্রশাসক কার্যালয়, বান্দরবান]।
▪ বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কেওক্রাডং (রুমা, বান্দরবান)।
▪ বাংলাদেশের সবচেয়ে উচু পাহাড় হচ্ছে গারো পাহাড়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ নবম দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া। 
৪,৯৭৩.
ফয়েজ লেক কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবান
  2. খাগড়াছড়ি
  3. রাঙ্গামাটি
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
ফয়েজ লেক: 
- ফয়েজ লেক চট্টগ্রামের পাহাড়তলি রেলস্টেশনের অদূরে খুলশী এলাকায় অবস্থিত একটি মানবসৃষ্ট হ্রদ।
- লেকটি ১৯২৪ সালে আসাম-বেঙ্গল রেলওয়ে কোম্পানির তত্ত্বাবধায়নে খনন করা হয়।
- এই লেকটি তৈরির উদ্দেশ্য ছিল রেল কলোনিতে বসবাসকারী লোকদের কাছে পানি পৌঁছানো।
- সেসময় এটি পাহাড়তলী লেক হিসেবে পরিচিত ছিল।
- পরবর্তীতে লেকটিকে ব্রিটিশ রেল প্রকৌশলী ফয়-এর নামে নামকরণ করা হয় যিনি এর নকশা তৈরিতে সহায়তা করেন।
- ৩৩৬ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই লেকটি পাহাড়ের এক শীর্ষ থেকে আরেক শীর্ষের মধ্যবর্তী একটি সংকীর্ণ উপত্যকায় আড়াআড়িভাবে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে সৃষ্ট।
- বাঁধটি চট্টগ্রাম শহরের উত্তর দিকের পাহাড় শ্রেণী থেকে নেমে আসা পানির প্রবাহের দিক পরিবর্তনের মাধ্যমে এই লেক সৃষ্টি করেছে।
- ভূতাত্ত্বিকভাবে এইসব পাহাড় শ্রেণী দুপিটিলা স্তর সমষ্টির শিলা দ্বারা গঠিত। ফয়স লেকের পাশেই আছে চট্টগ্রাম শহরের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় বাটালি হিল।

এছাড়াও,
- বান্দরবান জেলায় অবস্থিত:
- প্রান্তিক হ্রদ।
- বগাকাইন হ্রদ বা বগা লেক,
- কিয়াচলং হ্রদ ইত্যাদি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৯৭৪.
বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার জলবায়ু -
  1. মৃদুভাবাপন্ন
  2. মহাদেশীয়
  3. সমভাবাপন্ন
  4. চরমভাবাপন্ন
সঠিক উত্তর:
মৃদুভাবাপন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃদুভাবাপন্ন
ব্যাখ্যা

• মৃদুভাবাপন্ন:
- কক্সবাজারের জলবায়ুকে বলা হয় মৃদুভাবাপন্ন।
- জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে। যেমন- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় এসব স্থানের জলবায়ু মৃদুভাবাপন্ন।
-  সমুদ্রের নিকটবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম তেমন পার্থক্য না হলেও সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় শীত ও গ্রীষ্ম উভয়ই বেশি হয়। এ কারণে সমুদ্র নিকটবর্তী জলবায়ুকে সমভাবাপন্ন ও দূরবর্তী জলবায়ুকে মহাদেশীয় চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বলা হয়।
- স্থলভাগের চেয়ে জলভাগ অনেক ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়। কারণ পানির আপেক্ষিক তাপ ধারণ ক্ষমতা বেশি। অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সমুদ্রের পানি উত্তপ্ত হতে যে পরিমাণ তাপের দরকার হয় তার সমপরিমাণ মাটি উত্তপ্ত হতে তার থেকে কম তাপ দরকার হয়।
- তবে সৌরতাপ ভূমি অপেক্ষা সমুদ্রের অনেক গভীরে প্রবেশ করে তাপ বিস্তার করে। এ কারণেই অনেক দীর্ঘ সময়ে সমুদ্র উত্তপ্ত হয়।
- আবার তাপ বিকিরণের ক্ষেত্রে সমুদ্র পুনরায় ধীরে ধীরে তাপ হারায় যা ভূমির ক্ষেত্রে আরও দ্রুত হয়। ফলে সমুদ্র ঠান্ডা হতেও দীর্ঘ সময় লাগে। মূলত এ কারণেই গ্রীষ্মকালে উপকূলীয় এলাকা ভূ-ভাগের অভ্যন্তরের তুলনায় শীতল হয় এবং শীতকালে তুলনামূলকভাবে উষ্ণ থাকে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৯৭৫.
বায়ু প্রবাহের প্রধান কারণ কোনটি?
  1. ক) আর্দ্রতার তারতম্য
  2. খ) তাপের তারতম্য
  3. গ) চাপের তারতম্য
  4. ঘ) অক্ষাংশের ভিন্নতা
সঠিক উত্তর:
গ) চাপের তারতম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চাপের তারতম্য
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠের কোন স্থানে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সেখানকার বায়ু উত্তপ্ত ও হালকা হয়ে উপরে উঠে যায়। এতে করে সেই স্থানে বায়ুর চাপর হ্রাস পায় বা নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়।
- এতে করে বায়ুর উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে সেই নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে বায়ু দ্রুতগতিতে ছুটে আসে যা বায়ু প্রবাহ নামে পরিচিত।
- অর্থাৎ বায়ু সর্বদা উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৯৭৬.
২০২১ সালের টেকসই উন্নয়ন সূচকে শীর্ষদেশ কোনটি?
  1. আইসল্যান্ড
  2. সুইডেন
  3. ডেনমার্ক
  4. ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশন্স নেটওয়ার্ক প্রকাশিত টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদন-২০২১ অনুসারে,
- প্রথম : ফিনল্যান্ড
- দ্বিতীয় : সুইডেন
- তৃতীয় : ডেনমার্ক
- চতুর্থ : জার্মানি
- বাংলাদেশের অবস্থান : ১০৯তম
- সর্বনিম্ন দেশ (১৬৫তম) : মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র।
(তথ্যসূত্র: এসডিজি ইনডেক্স ওয়েবসাইট)
৪,৯৭৭.
এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে -
  1. বেরিং প্রণালী
  2. পানামা খাল
  3. জিব্রাল্টার প্রণালী
  4. সুয়েজ খাল
সঠিক উত্তর:
সুয়েজ খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুয়েজ খাল
ব্যাখ্যা

সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খালের অবস্থান সিনাই উপদ্বীপ, মিশর।
- এর খনন কাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে।
- সুয়েজ খাল আনুষ্ঠানিকভাবে খোলা হয়েছে ১৮৬৯ সালে।
- এর দৈর্ঘ্য ১৯৩ কি.মি।
- সুয়েজ খাল মিশর জাতীয়করণ করে ১৯৫৬ সালে।
- সুয়েজ খাল সংযুক্ত করেছে - ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে।
- সুয়েজ খাল পৃথক করেছে - এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশকে।

উৎস: Britannica.com

৪,৯৭৮.
'মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. কেনিয়া
  2. তানজানিয়া
  3.  রুয়ান্ডা 
  4. উগান্ডা
সঠিক উত্তর:
তানজানিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তানজানিয়া
ব্যাখ্যা

কিলিমাঞ্জারো পর্বত:
- কিলিমাঞ্জারো আগ্নেয় পর্বত তানজানিয়াতে অবস্থিত।
- এটি উত্তর-পূর্ব তানজানিয়াতে কেনিয়ার সাথে সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি একটি মৃত আগ্নেয়গিরি।
- এটি আফ্রিকার সবচেয়ে উঁচু পর্বত।
- মাউন্ট কিলিমাঞ্জারোর উচ্চতা প্রায় ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪০ ফুট)।

উল্লেখ্য,
- কিলিমাঞ্জারো তিনটি শৃঙ্গ দ্বারা গঠিত: কিবো, মাওয়েঞ্জি এবং শিরা।
- উচ্চতর শৃঙ্গটির নাম কিবো। কিবোর জ্বালামুখ সর্বদাই বরফে আবৃত থাকে।

উৎস: Britannica.

৪,৯৭৯.
নিরক্ষীয় জলবায়ুর অন্তর্গত দেশ নয় কোনটি?
  1. সৌদি আরব
  2. ব্রুনাই
  3. সিঙ্গাপুর
  4. ফিলিপাইন
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
সৌদি আরব নিরক্ষীয় জলবায়ুর অন্তর্গত দেশ নয়।

নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল:

- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫° অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
- নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের দেশসমূহ সারা বছর সূর্যের তাপ পায় বলে এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সেই সাথে উর্বর মৃত্তিকা এবং জলবায়ুর প্রভাবে চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়।
- এখানে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে।
- বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন: মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য:
- নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী দেশগুলোতে সূর্য প্রায় সারাবছরই লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এখানে গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়।
- দিন-রাতের মধ্যে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে।
- এই সকল এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয়।
- অধিক বৃষ্টিপাতের জন্য চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়। 

উৎস:  ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৮০.
সুনামির প্রধান কারণ কোনটি?
  1. সমুদ্রতলের ভূমিকম্প
  2. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
  3. ভূমিধ্বস
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রতলের ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রতলের ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা

সুনামি:
- সুনামির (Tsunami) কারন হলো সমুদ্রতলের ভূমিকম্প।
- সুনামি (Tsunami) জাপানি শব্দ। এর শাব্দিক অর্থ পোতাশ্রয়ের ঢেউ।
- সুনামির উৎপত্তি সমুদ্রতলে।
- সমুদ্র তলদেশে প্রবল ভূমিকম্প সংঘটিত হলে সমুদরপৃষ্ঠে বিশাল যে ঢেউয়ের সৃষ্টি হয় তাকে সুনামি বলে।
- সর্বপ্রথম সুনামির কথা লিপিবদ্ধ হয় খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে।

⇒ সুনামি সৃষ্টির কারণ ও সুনামির গতিবিধি:
- সুনামির সৃষ্টির প্রধান কারণ সমুদ্রের তলদেশের ভূমিকম্প। আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণেও সুনামি সৃষ্টি হয়ে থাকে। এছাড়া পারমানবিক বিস্ফোরণ, ভূমিধ্বস, উল্কাপিন্ডের পতন ইত্যাদি কারণেও সুনামি হতে পারে।
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে যে ঢেউয়ের সৃষ্টি করে তা প্রবলবেগে উপকূলের দিকে অগ্রসর হয়।
- সুনামির একেকটি ঢেউ ঘন্টায় ৬৪০- ৯৬০ কি.মি বেগে প্রবাহিত হয়। সুনামির ঢেউ উপকূলের দিকে আসতে থাকলে ঢেউয়ের গতির প্রচন্ডতা কমলেও ঢেউয়ের উচ্চতা বেড়ে যায় বহুগুণে।
- গভীর সমুদ্রে সুনামির উৎপত্তিস্থলে সুনামির উচ্চতা মাত্র কয়েক সে.মি. উঁচু কিন্তু উপকূলে সুনামির ঢেউয়ের উচ্চতা ৩০-৫০ মিটার উঁচু আকার ধারণ করে।
- এ ছাড়া ভূ-অভ্যন্তরে টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া হতে থাকে। এভাবে কখনো কোনো একটি প্লেট অপর প্লেটের দিকে অনবরত ধাক্কা দিতে থাকলে সমুদ্রের তলদেশে সুনামির সৃষ্টি হয়।

⇒ সুনামির ঢেউ সাধারণত হয় ধারাবাহিক এবং একটি ঢেউয়ের চূড়া থেকে আরেকটি ঢেউয়ের চূড়ার দূরত্ব ১০০ মাইলের (১৬০ কিলোমিটার) মতো হতে পারে। তাই একটি বড় ঢেউ আঘাত করার মোটামুটি এক ঘণ্টা বা সামান্য বেশি সময় পর দ্বিতীয় আরেকটি ঢেউ ভূ-ভাগে এসে আঘাত করে।
- ২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট সুনামিতে উপকূলবর্তী ১২টিরও বেশি দেশে দুই লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারায়। এর পর থেকে ‘সুনামি’ শব্দটি ব্যাপকভাবে পরিচিতি পায়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৯৮১.
এক্সোমন্ডলে কোন গ্যাসের আধিক্য রয়েছে? 
  1. ওজোন (O3) গ্যাস
  2. হিলিয়াম গ্যাস
  3. হাইড্রোজেন গ্যাস
  4. খ + গ
সঠিক উত্তর:
খ + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ + গ
ব্যাখ্যা

এক্সোমন্ডল (Exosphere):
- তাপমন্ডলের উপরে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত যে বায়ুস্তর আছে তাকে এক্সোমণ্ডল বলে।
- এই স্তরে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায়।
- এক্সোমন্ডল, তাপমণ্ডল অতিক্রম করে ৯৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রসারিত হয়।
- এটি ক্রমান্বয়ে আন্তগ্রহ স্থান (Interplanetary Space) এ প্রবেশ করে।
- এ স্তরের তাপমাত্রা প্রায় ৩০০° সেলসিয়াস থেকে ১৬৫০° সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়।
- এ স্তরে খুব সামান্য পরিমাণ গ্যাস যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, আর্গন এবং হিলিয়াম ধারণ করে, কেননা মাধ্যাকর্ষণের ঘাটতির  কারণে গ্যাস অণু বা কণাগুলো সহজে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে।

অপরদিকে,
• স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere): 
- ট্রপোবিরতির উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্ট্রাটোমন্ডল নামে পরিচিত।
- স্ট্রাটোমন্ডল ও মেসোমণ্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause) বলে।
- এই স্তরেই ওজোন (O3) গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে।
- এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolate rays) শুষে নেয়। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা ৪° সেলিসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৯৮২.
‘ওয়েস্টফ্যালিয়া’ (Westphalia) অঞ্চলটি বর্তমানে কোন দেশের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ডেনমার্ক
  2. জার্মানি
  3. ফ্রান্স
  4. সার্বিয়া
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা

ওয়েস্টফালিয়া :
- উত্তর-পশ্চিম জার্মানির ঐতিহাসিক অঞ্চল।
- বর্তমান ফেডারেল ভূমি (রাজ্য) নর্থ রাইন-ওয়েস্টফালিয়ার একটি বৃহৎ অংশ নিয়ে গঠিত ।

• প্রাচীনস্যাক্সনরা তিনটি প্রধান দলে বিভক্ত ছিল: 
- ওয়েস্টফালিয়ান, 
- অ্যাংগ্রিয়ান (জার্মান: Engern), 
 - ইস্টফালিয়ান (Ostfalen)।

- ওয়েস্টফালিয়ানরা, যারা প্রায় ৭০০ খ্রিস্টাব্দে এমস এবং হান্টে নদীর তীরে বসতি স্থাপন করেছিল।
- এর আর্চবিশপরা১১৮০ সালে কোলন ওয়েস্টফালিয়াকে ডাচি হিসেবে গ্রহণ করে, কিন্তু ডাচি মূলত কোলনের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত একটি অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল।
 
- ১৬৪৪ থেকে ১৬৪৮ সাল পর্যন্ত ওয়েস্টফালিয়ান শহর মুনস্টার এবং ওসনাব্রুক শান্তি সম্মেলন আয়োজন করে যা আশি বছরের যুদ্ধ এবং ত্রিশ বছরের যুদ্ধের জার্মান পর্বের মীমাংসা করে । এর ফলে ওয়েস্টফালিয়ার শান্তি আধুনিক ইউরোপীয় জাতি-রাষ্ট্র ব্যবস্থার ভিত্তি তৈরিতে অবদান রাখে।

উৎস: ব্রিটনিকা।

৪,৯৮৩.
২১ শে মার্চ দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হওয়ায় উত্তর গোলার্ধে কোন ঋতু বিরাজ করে?
  1. বর্ষাকাল
  2. শরৎকাল
  3. গ্রীষ্মকাল
  4. বসন্তকাল
সঠিক উত্তর:
বসন্তকাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসন্তকাল
ব্যাখ্যা

উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল:
- পৃথিবী ২২শে ডিসেম্বরের পর নিজ কক্ষপথে অগ্রসর হতে হতে ২১শে | মার্চ এমন অবস্থানে পৌঁছায় যখন সূর্য রশ্মি নিরক্ষরেখা বরাবর লম্বভাবে পতিত হয়৷
- ২১শে মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রি সমান হয়।
- এই সময়কালে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসে উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ (নবম-দশম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৯৮৪.
ভূমিকম্পের কারণ কী?
  1. পাত সঞ্চালনের সংঘর্ষ
  2. সমুদ্রের স্রোত
  3. আগ্নেয়গিরির সঞ্চালন
  4. কল-কারখানার বর্জ্য
সঠিক উত্তর:
পাত সঞ্চালনের সংঘর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাত সঞ্চালনের সংঘর্ষ
ব্যাখ্যা
পাত সঞ্চালন:
- সমুদ্রের তলদেশ, মহাদেশ, পর্বত, মালভূমি প্রভৃতির গঠন ব্যাখ্যা করার জন্য পাত সঞ্চালন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এই সম্পর্কে সর্বপ্রথম ১৯১২ সালে আলফ্রেড ওয়েগনার মহাদেশীয় ভূ-ভাগ সঞ্চালন মতবাদ প্রদান করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৬৮ সালে জেভিয়ার লি-পিনচন পাত সঞ্চালন মতবাদ প্রদান করেন।
- মহাদেশ এবং মহাসাগরের তলদেশ বিভিন্ন পাতের সমন্বয়ে তৈরি এবং এইসব পাতসমূহ চলমান। যদিও গতিশীলতার পরিমাণ বছরে মাত্র ১০-২০মি.মি.।

- এই সকল পাতসমূহ পরস্পরের দিকে, বিপরীত দিকে, পার্শ্বীয় দিকে তাদের নিজ নিজ সীমানা, অবস্থান ও সীমানা অনুয়ায়ী সঞ্চালিত হয়। - এই ধরনের সঞ্চালনের ফলেই মহাসাগরের তলদেশে তাদের সীমানা বরাবর ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টি করে ভূমিকম্প হয়।
- ভূ-অভ্যন্তরীণ উত্তাপই হচ্ছে পাত সঞ্চালনের সংঘর্ষের প্রধান কারণ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৮৫.
বাংলাদেশে প্রধানত কত ধরনের কয়লা পাওয়া যায়?
  1. ৩ ধরনের
  2. ৪ ধরনের
  3. ৫ ধরনের
  4. ২ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
ব্যাখ্যা

কয়লা উৎপাদন ও বণ্টন:
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রধান পাঁচটি কয়লা খনিতে প্রধানত তিন ধরনের কয়লা পাওয়া যায়।
- যথা-বিটুমিনাস, লিগনাইট ও পীট।
- বিটুমিনাস ও লিগনাইট শ্রেণির কয়লায় ছাই ও গন্ধকের পরিমাণ বেশি এবং কার্বনের পরিমাণ খুবই কম।
- পীট কয়লার উদ্ভব হয় উদ্ভিদ হতে কয়লায় পরিণত হবার প্রাথমিক পর্যায়ে।
- বাংলাদেশের প্রধান কয়লা ক্ষেত্রগুলো হলো: বড়পুকুরিয়া (দিনাজপুর), জামালগঞ্জ (জয়পুরহাট), ফুলবাড়ী (দিনাজপুর), খালাসপীর (রংপুর) এবং দিওপাড়া (দিনাজপুর)।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৯৮৬.
কোনটি ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে সীমানা হিসাবে গণ্য হয়?
  1. অ্যাটলাস পর্বতমালা
  2. কারাকোরাম পর্বতমালা
  3. ইউরাল পর্বতমালা
  4. পিরিনিজ পর্বতমালা
সঠিক উত্তর:
ইউরাল পর্বতমালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরাল পর্বতমালা
ব্যাখ্যা
⇒ ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যবর্তী সীমানা হিসেবে বিবেচিত- ইউরাল পর্বতমালা। 

⇒ ইউরাল পর্বতমালা:
- ইউরাল পর্বত এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সীমানা।
- এটি রাশিয়ায় অবস্থিত এবং দেশটিকে ইউরোপীয় ও এশীয় অংশে বিভক্ত করেছে।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২,৫০০ কিলোমিটার।

 অন্যদিকে, অন্যান্য উল্লেখযোগ্য পর্বতমালা:
- কারাকোরাম পর্বতমালা দক্ষিণ এশিয়ার অংশ এবং এটি পাকিস্তান, ভারত, ও চীনের মধ্যে বিস্তৃত।
- পিরেনিজ পর্বত স্পেন ও ফ্রান্সের মধ্যে সীমান্ত তৈরি করেছে।
- অ্যাটলাস পর্বতমালা মরক্কো, আলজেরিয়া এবং তিউনিসিয়ার মধ্যে বিস্তৃত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ওয়েবসাইট।
৪,৯৮৭.
নদ-নদী, সমুদ্রের পানি থেকে কোন প্রক্রিয়ায় জলীয়বাষ্প সৃষ্টি হয়?
  1. ঘনীভবন
  2. বাষ্পীভবন
  3. বারীপাত
  4. তুষারপাত
সঠিক উত্তর:
বাষ্পীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাষ্পীভবন
ব্যাখ্যা
• বৃষ্টিপাত:
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু উপরে উঠে শীতল হয়ে যায় ও ঘনীভূত হয়ে মেঘে পরিণত হয়। এই মেঘের মধ্যে যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পানির কণা থাকে তা মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে ভূ-পৃষ্ঠে পতিত হয়।
- মূলত পানির কণাগুলো যখন বড় বড় কণায় পরিণত হয়ে ভূ-পৃষ্ঠে নেমে আসে তাকেই বলা হয় বৃষ্টিপাত।
- সমুদ্র, নদ-নদী, জলাশয়, উদ্ভিদ প্রভৃতি থেকে পানি জলীয়বাষ্পে পরিণত হয়।
- বাষ্পীভবন (Evaporation) প্রক্রিয়ার একটি নির্দিষ্ট উষ্ণতায় বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ ক্ষমতা নির্দিষ্ট।
- যেমন- ১০° সেলসিয়াস উত্তাপে প্রতি ঘনমিটার বায়ু ৯.৪১ গ্রাম বাষ্প ধারণ করে এবং এই অবস্থাকে বলা হয় বায়ুর সম্পৃক্ত।
- বায়ুর তাপমাত্রা ১০° সেলসিয়াস থেকে কম হলে তার জলীয়বাষ্প ধারণ ক্ষমতাও হ্রাস পায়।
- এই ধরনের ঘনীভবনের (Condensation) সাহায্যে অতিরিক্ত জলীয়বাষ্প বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- বৃষ্টিপাত কঠিন ও তরল দুই ধরনেরই হতে পারে।
- জলীয়বাষ্পের শিশিরাংক যদি শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস বা হিমাংকের নিচে নেমে যায় তখন জলীয়বাষ্প তুষার ও বরফরূপে ভূ-পৃষ্ঠে পতিত হয়।
- আবার হিমাংক শিশিরাংকের ওপর থাকলে ঘনীভবনের মাধ্যমে শিশির, কুয়াশা বা বৃষ্টি আকারে পৃথিবী পৃষ্ঠে নেমে আসে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৮৮.
জাপানের ফুজিয়ামা কোন ধরনের আগ্নেয়গিরি?
  1. ক) সক্রিয়
  2. খ) মৃত
  3. গ) নিস্তেজ
  4. ঘ) সুপ্ত
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুপ্ত
ব্যাখ্যা

- ভূপৃষ্ঠে ছিদ্রপথ পা ফাটলের চারপাশে ক্রমশ জমাট বেঁধে যে উঁচু মোচাকৃতি পর্বত সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয়গিরি বলে।
- জাপানের ফুজিয়ামা সুপ্ত আগ্নেয়গিরির উদাহরণ।
- হাওয়াই দ্বীপের মাওনালেয়া ও মাওনাকেয়া সক্রিয় আগ্নেয়গিরির উদাহরণ।
- ইরানের কোহিসুলতান মৃত আগ্নেয়গিরির উদাহরণ।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৯৮৯.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সর্বপ্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়?
  1. ক) মৌলভীবাজার
  2. খ) হবিগঞ্জ
  3. গ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ১৯৫৫ সালে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- এটি আবিষ্কার করেছিলো বার্মা ওয়েল কোম্পানি।
- ১৯৫৭ সালে ক্ষেত্রটি থেকে উৎপাদন শুরু হয়।
(তথ্যসূত্র: পেট্রোবাংলা ও বাংলাপিডিয়া)
৪,৯৯০.
নদী প্রবাহের কোন পর্যায়ে স্রোতের গতিবেগ সর্বাধিক থাকে?
  1. ক) ধীরগতি
  2. খ) মধ্যগতি 
  3. গ) উর্ধ্বগতি
  4. ঘ) নিম্নগতি 
সঠিক উত্তর:
গ) উর্ধ্বগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উর্ধ্বগতি
ব্যাখ্যা
• নদী প্রবাহ:
- পর্বতের উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত নদীর প্রবাহকে তিনভাগে ভাগ করা হয়।
এগুলো হলো:
- উর্ধ্বগতি, মধ্যগতি এবং নিম্নগতি।
- উর্ধ্বগতি হলো প্রাথমিক অবস্থা যেখানে ক্ষয় সাধন হলো প্রধান কাজ এবং এতে নদীর স্রোতের গতিবেগ সবচেয়ে বেশি থাকে।
- মধ্যগতি শুরু হয় যখন নদী সমভূমি দিয়ে প্রবাহিত হয়। এ সময় সঞ্চয় সাধন প্রধান কাজ। স্রোতের বেগ পূর্বের তুলনায় অনেক কমে যায়।
- সর্বশেষ হলো নিম্নগতি যেখানে স্রোতের বেগ একেবারেই কমে যায়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।
৪,৯৯১.
ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত-
  1. চিম্বুক পাহাড়
  2. গারো পাহাড়
  3. কালা পাহাড়
  4. ময়নামতি পাহাড়
সঠিক উত্তর:
গারো পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো পাহাড়
ব্যাখ্যা
- ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত - গারো পাহাড়।
-   হিন্দু সম্প্রদায়ের তীর্থস্থান চন্দ্রনাথ পাহাড় সীতাকুন্ডে অবস্থিত।
-  কালাউড়া পাহাড় মৌলভীবিাজার জেলায় অবস্থিত।
- ময়নামতি পাহাড় কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত।
- চিম্বুক পাহাড় বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।

• তাছাড়া ও,
কুমিল্লায় লালমাই পাহাড়, শালবন বিহার, আনন্দ বিহার, কোটিলা মুড়া, ইটাখোলা মুড়া, রূপবান মুড়া, চন্ডি মন্দিরসহ ৫৪টি টিবি ও বৌদ্ধ বিহার রয়েছে। 

উৎস: কুলাউড়া উপজেলা, বান্দরবান জেলা, খাগড়াছড়ি জেলা, সীতাকুন্ড উপজেলা, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর
৪,৯৯২.
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ৬২০ কি.মি.
  2. ৭১৬ কি.মি.
  3. ৭১৩ কি.মি.
  4. ৮৭০ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
৭১৬ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭১৬ কি.মি.
ব্যাখ্যা
• উপকূলীয় অঞ্চল:
- বাংলাদেশের উপকূল (৭১৬ কি.মি.) অঞ্চল সমুদ্র সমতলের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস ও নদীভাঙন ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ দ্বারা অনবরত ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
- ফলে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসরত অসংখ্য নিম্ন আয়ের মানুষ প্রতিনিয়ত নানা ধরনের দুর্যোগ দ্বারা বিপদাপন্ন অবস্থায় পতিত হচ্ছে।
-  অতএব সুষ্ঠু দুর্যোগ মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উপকূলীয় জনগণের দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা (দুর্যোগ মোকাবেলার ক্ষমতা) বৃদ্ধি ও পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।
 
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৯৩.
ইউনেস্কো কর্তৃক বাংলাদেশ অধিকৃত ‘সুন্দরবন' বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষিত হয় -
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার।
- এর অন্য নাম বাদাবন।

⇒ সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।

⇒ সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

⇒ ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
- ইউনেস্কো ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে ৭৯৮তম 'World Heritage site' বা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

অন্যদিকে,
- ইউনেস্কো ১৯৮৭ সালে ভারত সংলগ্ন সুন্দরবন অঞ্চলকে 'World Heritage site' হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৪,৯৯৪.
নিচের কোনটি পাললিক শিলা নয়?
  1. কয়লা
  2. চুনাপাথর
  3. জিপসাম
  4. গ্রানাইট
সঠিক উত্তর:
গ্রানাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রানাইট
ব্যাখ্যা
পাললিক শিলা:
- পাললিক শিলা কথাটি এসেছে 'পলি' বা 'পলল' থেকে।
- পাললিক শিলা হলো এক প্রকারের শিলা যা ছোট ছোট কণা জমে বা জমা করে এবং পরবর্তীকালে পৃথিবীর পৃষ্ঠে সমুদ্রের তলে বা জলের অন্যান্য দেহের খনিজ বা জৈব কণার সিমেন্টেশন দ্বারা গঠিত হয়।
- কংগ্লোমারেট, ব্রেকসিয়া, গ্রেওয়েক, বেলেপাথর, কাদাপাথর, কোয়ার্টজ, ডলোমাইট, ক্যালসাইট, জিপসাম, কয়লা, চুনাপাথর ইত্যাদি পাললিক শিলার উদাহরণ। 

পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য:
- এই শিলায় স্তরায়ন এবং কাদার চির খাওয়া দাগ লক্ষ্য করা যায়।
- একমাত্র এই শিলাতেই জীবাশ্ম দেখা যায়।
- এই শিলায় সচ্ছিদ্রতা ও ভঙ্গুরতা দেখা যায়।
- এই শিলার প্রবেশ্যতা খুব বেশি।
- ক্ষয় প্রতিরোধের ক্ষমতা বিভিন্ন রকম হয়।
- কয়লা, খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ভান্ডার এই শিলা।
- কাঠিন্য আগ্নেয় শিলার থেকে কম।
- দারণ, ফাটল বা কেলাসের গঠন থাকে না।

অন্যদিকে -
- আগ্নেয় শিলা: গ্রানাইট।
- রূপান্তরিত শিলা: মার্বেল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৯৫.
দুর্যোগ প্রশমন বলতে কী বোঝায়?
  1. দুর্যোগ পরবর্তী ত্রাণ বিতরণ
  2. দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস
  3. আবহাওয়ার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ
  4. দুর্যোগ পরবর্তী উদ্ধার অভিযান
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়ীত্ব হ্রাস এবং দুর্যোগের পূর্ব প্রস্তুতিকেই দুর্যোগ প্রশমন বলে।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব না হলেও যথাযথ ব্যবস্থাপনার দ্বারা এর ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
- এ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কাঠামোগত ও অকাঠামোগত প্রশমন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
- কাঠামোগত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, যেমন: বেরিবাঁধ নির্মাণ, আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি, নদী খনন ইত্যাদি।
- কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন খুবই ব্যয়বহুল, যা অনেক দরিদ্র দেশের পক্ষে বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।

→ অন্যদিকে:
- পুনরুদ্ধার, সাড়াদান, পূর্বপ্রস্তুতি প্রভৃতি অল্প ব্যয়ে করা সম্ভব।
- প্রশমন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূখ্য উপাদান।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূখ্য উপাদানসমূহ:
• দুর্যোগ প্রতিরোধ,
• দুর্যোগ প্রশমন এবং
• দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি।
- দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে:
• সাড়াদান,
• পুনরুদ্ধার ও
• উন্নয়ন।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।

৪,৯৯৬.
ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ কোনটি?
  1. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
  2. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
  3. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  4. ফেডোনিয়ান যুগের পাহাড়সমূহ
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
ব্যাখ্যা
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৯৭.
বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান প্রভৃতি জেলার পর্বতে কোন ধরনের বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে?
  1. ক) পরিচলন বৃষ্টি
  2. খ) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
  3. গ) ঘূর্ণিবাত বৃষ্টি
  4. ঘ) সংঘর্ষ বৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
খ) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান প্রভৃতি জেলার পর্বতে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। উৎসঃ ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী
৪,৯৯৮.
স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৭৭ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৮০ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
- SPARRSO (স্পারসো) এর পূর্ণরূপ: Space Research and Remote Sensing Organisation (মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র)।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- এটি ঢাকা শহরের আগারগাঁও এ অবস্থিত।

উৎসঃ স্পারসোর ওয়েবসাইট।
৪,৯৯৯.
'সাগরকন্যা' বাংলাদেশের কোন এলাকার ভৌগোলিক নাম?
  1. কক্সবাজার
  2. কুয়াকাটা
  3. ভোলা
  4. সেন্টমার্টিন
সঠিক উত্তর:
কুয়াকাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়াকাটা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকাটা। 
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।
- কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পটুয়াখালি জেলায় অবস্থিত যেখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত অবলকন করা যায়।

উৎস: পটুয়াখালী জেলার ওয়েবসাইট। 

৫,০০০.
What is the dividing line between Mexico and the United States?
  1. ক) Line of Control
  2. খ) The Durand Line
  3. গ) Sanora Line
  4. ঘ) The McMahon Line
সঠিক উত্তর:
গ) Sanora Line
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Sanora Line
ব্যাখ্যা
 • সনােরা লাইন:
- সনােরা লাইন হলাে মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভক্তকারী সীমারেখা।

এছাড়াও-
- ভারত-চীনের মধ্যে চিহ্নিত সীমারেখা - ম্যাকমোহন লাইন-
- ভারত- পাকিস্তানের মধ্যে চিহ্নিত সীমারেখা- লাইন আব কন্ট্রোল
- ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যে চিহ্নিত সীমারেখা ডুরাল্ড লাইন। (বর্তমানে এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্ত রেখা)

উৎস: ব্রিটানিকা।