বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৪৯ / ৭২ · ৪,৮০১৪,৯০০ / ৭,১৯১

৪,৮০১.
ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য-
  1. ক) দু'দেশের নদীগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি
  2. খ) দু'দেশের নদীগুলোর পলিমাটি অপসারণ
  3. গ) বন্যা নিয়ন্ত্রণে দু'দেশের মধ্যে সহযোগিতা
  4. ঘ) দু'দেশের নৌ-পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
ক) দু'দেশের নদীগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দু'দেশের নদীগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালের মার্চ মাসে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও প্রজাতন্ত্রী ভারত সরকারের প্রধানমন্ত্রীদ্বয়ের মধ্যে যৌথ ঘোষণার মাধ্যমে দু’দেশের বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে অভিন্ন নদীর ব্যাপক জরিপ কার্যক্রম পরিচালন এবং নাব্যতা ঠিক রেখে বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণের বিস্তারিত প্রকল্প প্রণয়ন ও প্রধান প্রধান নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্পের উপর সমীক্ষা পরিচালন, উভয় দেশের জনগণের পারস্পরিক সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যে এতদাঞ্চলের পানি সম্পদের ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার এবং বাংলাদেশের সাথে ভারত সংলগ্ন এলাকায় পাওয়ার গ্রীড সংযোজনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য স্থায়ী ভিত্তিতে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।

উৎস: যৌথ নদী কমিশন ওয়েবসাইট।
৪,৮০২.
নিচের কোন রাষ্ট্রটি বলকান অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. ক) জর্জিয়া
  2. খ) লাটভিয়া
  3. গ) নরওয়ে
  4. ঘ) বুলগেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) বুলগেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বুলগেরিয়া
ব্যাখ্যা
বলকান পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ বলকান রাষ্ট্র নামে পরিচিত। এগুলো হলো:
বুলগেরিয়া
আলবেনিয়া
সার্বিয়া
মন্টিনিগ্রো
ক্রোয়েশিয়া
স্লোভেনিয়া
উত্তর মেসিডোনিয়া
বসনিয়া ও হার্জিগোভিনা
কসোভো
গ্রিস
রোমানিয়া ও
তুরস্কের ইউরোপিয়ান অংশ।
অন্যদিকে জর্জিয়া ককেশাস অঞ্চলে, নরওয়ে স্ক্যান্ডেনিভিয়া অঞ্চলে এবং লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া এগুলো বাল্টিক অঞ্চলে অবস্থিত।
(সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৪,৮০৩.
নিচের কোনটি কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী দেশ নয়?
  1. ক) তুরস্ক
  2. খ) বুলগেরিয়া
  3. গ) ইউক্রেন
  4. ঘ) সার্বিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) সার্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সার্বিয়া
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণসাগর ইউরোপের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত। এটির আয়তন প্রায় ৪.৬১ লক্ষ বর্গকিলোমিটার। বসফরাস ও দার্দেনেলিস প্রণালি দ্বারা কৃষ্ণসাগর ভূমধ্যসাগরের সাথে যুক্ত।

- অ্যাজভ সাগর, কার্চ প্রণালি ও ক্রিমিয়া উপদ্বীপ কৃষ্ণসাগরের অংশ।
- কৃষ্ণসাগরের তীরে অবস্থিত বন্দরসমূহের মধ্যে ওডেসা (ইউক্রেন), নভোরোসিস্ক (রাশিয়া), কনস্ট্যান্টা (রোমানিয়া), বার্না (বুলগেরিয়া), সামসুন (তুরস্ক), মারিয়োপুল (ইউক্রেন) প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

কৃষ্ণসাগরের তীরে অবস্থিত দেশসমূহ হলো:

- রাশিয়া
- তুরস্ক
- ইউক্রেন
- রোমানিয়া
- বুলগেরিয়া এবং
- জর্জিয়া।
অন্যদিকে,
- সার্বিয়া বলকান অঞ্চলে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ।

(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৪,৮০৪.
আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা কোথায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি জেলায়
  2. রাঙ্গামাটি জেলায়
  3. বান্দরবান জেলায়
  4. কক্সবাজার জেলায়
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি জেলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি জেলায়
ব্যাখ্যা
আলুটিলা গুহা:

অবস্থান:
আলুটিলা গুহা বাংলাদেশের — খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক গুহা।

কিভাবে যাওয়া যায়:
মাটিরাঙ্গা থেকে ১১ কিলোমিটার জেলা শহর পথে। অথবা জেলা শহর থেকে মাত্র আট কিলোমিটার পশ্চিমে আলুটিলার অবস্থান।

স্থানীয় নাম:
স্থানীয়রা এই গুহাকে "মাতাই হাকড়" বা দেবতার গুহা বলে থাকেন।

গুরুত্ব:
- আলুটিলা খাগড়াছড়ি জেলার সবচেয়ে উঁচু পর্বত।
- আলুটিলা সুরঙ্গের দৈঘ্য প্রায় ২৮২ ফুট।

তথ্যসূত্র:
- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
- যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
- মাটিরাঙ্গা উপজেলার ওয়েবসাইট।
৪,৮০৫.
সমুদ্র তলদেশে ভূত্বকের গড় গভীরতা কত?
  1. ক) ৫ কিলোমিটার
  2. খ) ১২ কিলোমিটার
  3. গ) ২০ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৩৫ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তা ভূত্বক নামে পরিচিত।
ভূত্বকের গড় গভীরতা ২০ কি. মি.।
এর মধ্যে মহাদেশীয় অঞ্চলে ভূত্বকের গড় গভীরতা ৩৫ কি. মি. এবং সমুদ্র তলদেশে গড় গভীরতা ৫ কি. মি.।
ভূত্বকে সিয়াল ও সিমা নামে এর দুটো স্তর বিদ্যমান।
(সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৮০৬.
ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

ভূ-প্রকৃতি (Physiography):
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
- এদেশের ভূ-খন্ড উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে বিস্তৃত।
- উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়ি অংশ ব্যতীত সমগ্র দেশ নদীবিধৌত পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি।
- এই পললের পুরুত্ব প্রায় ১৮-২২ কিলোমিটার।
- ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
• উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। 

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড় এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র দেশ সাম্প্রতিককালের পলি দ্বারা গঠিত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- এই প্লাবন সমভূমির বয়স ১২,০০০ বছরের কম।
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা প্রভৃতি প্রধান নদীসহ অসংখ্য উপনদী এবং শাখানদী জালের ন্যায় সমগ্র দেশে ছড়িয়ে রয়েছে। ন
- বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় এই প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
- এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।
- এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- রাজশাহী অঞ্চলের চলনবিল, ঢাকার আড়িয়াল বিল, গোপালগঞ্জের বিল, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ এবং শেরপুর জেলার হাওড় ও বিল উল্লেখযোগ্য।
- মেঘনা নদীর মোহনায় হাতিয়া, সন্দ্বীপ, শাহবাজপুর এবং ভোলা জেলায় বেশ কিছু দ্বীপ অবস্থিত। এছাড়া দক্ষিণ উপকূলে আরও কিছু ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮০৭.
বাংলাদেশের বৃহত্তম পানি শোধনাগার কোনটি?
  1. ক) সায়েদাবাদ
  2. খ) সোনাকান্দা
  3. গ) শ্যামবাজার
  4. ঘ) পোস্তগোলা
সঠিক উত্তর:
ক) সায়েদাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সায়েদাবাদ
ব্যাখ্যা

দেশের সবচেয়ে বড় পানি শোধনাগার মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় অবস্থিত।
- সর্ববৃহৎ এই পানি শোধনাগারের নাম - "পদ্মা-জশলদিয়া পানি শোধনাগার"।
- ২০১৫ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং ২০১৯ সালে সমাপ্ত হয়।
- পদ্মা নদীর পানিকে এ শোধনাগারে ব্যবহার করা হচ্ছে। দৈনিক প্রায় ৪৫ কোটি লিটার পানি শোধিত হয় এই শোধনাগার দিয়ে।
- চীনা সরকারের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা এটি বাস্তবায়িত হয়।

তবে, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে বৃহত্তম পানি শোধনাগার - ঢাকার সায়েদাবাদে অবস্থিত। পদ্মা-জশলদিয়া পানি শোধনাগার নির্মাণের পূর্বে এটিই ছিলো দেশের বৃহত্তম পানি শোধনাগার। এটি নির্মিত হয় ২০০২ সালে।

তথ্যসূত্র: কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার রিপোর্ট।

অপশনে জশলদিয়া না থাকায় সায়েদাবাদকে সঠিক উত্তর হিসাবে ধরে নেওয়া হলো।

৪,৮০৮.
পরিবেশ অধিদপ্তর কত সালে সেন্ট মার্টিনকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area - ECA /ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- পরিবেশ অধিদপ্তর ১৯৯৯ সালে সেন্ট মার্টিনকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে।
- ৩৮ বছরের সেন্ট মার্টিন দ্বীপে প্রবাল প্রজাতি ১৪১টি থেকে কমে ৪০টিতে নেমেছে ।

অন্যদিকে:
- সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, এবং সুন্দরবনকে ১৯৯৯ সালে ঘোষণা করে। - জাফলং-ডাউকি নদী ২০১৫ সালে।

তথ্যসূত্র - পরিবেশ অধিদপ্তর।

৪,৮০৯.
ভৌগোলিকভাবে কোন দেশটি হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. ক) লাইবেরিয়া
  2. খ) তাঞ্জানিয়া
  3. গ) সোমালিয়া
  4. ঘ) মোজাম্বিক
সঠিক উত্তর:
গ) সোমালিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সোমালিয়া
ব্যাখ্যা
- আফ্রিকা মহাদেশের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত হর্ন অব আফ্রিকা একটি উপদ্বীপ। এই অঞ্চলে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ হলো:
- ইরিত্রিয়া
- সোমালিয়া
- জিবুতি এবং
- ইথিওপিয়া।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
৪,৮১০.
সাধারণত সারা বছর বৃষ্টিপাত হয় -
  1. ক) নিরক্ষীয় অঞ্চলে
  2. খ) বিষুবীয় অঞ্চলে
  3. গ) মেরু অঞ্চলে
  4. ঘ) ক্রান্তীয় অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
ক) নিরক্ষীয় অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিরক্ষীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
দিনের বেলায় সূ্র্যকিরণের জন্যে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে উপরে উঠে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে পরিচলন বৃষ্টি বলে। নিরক্ষীয় অঞ্চলে স্থলভাগ অপেক্ষা জলভাগের বিস্তৃতি অধিক এবং এখানে সূর্য সর্বদা লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় এখানকার বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ সব সময় বেশি থাকে। ফলে এই হালকা জলীয়বাষ্প উপরে উঠে শীতল বায়ু সংস্পর্শে এসে নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর বিকাল অথবা সন্ধ্যায় পরিচলন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টি ঘটায়।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৮১১.
দক্ষিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় নদী কোনটি?
  1. পিলকোমায়ো
  2. আমাজন
  3. টোক্যান্টিনস
  4. পারানা
সঠিক উত্তর:
আমাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাজন
ব্যাখ্যা
আমাজন নদী:
- পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী আমাজন নদী।
- আমাজন নদীর দৈর্ঘ্য ৬৪০০ কি.মি।
- এটি দক্ষিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় নদী।
- আমাজন নদী ৯টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নদীটি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর তাংশে অবস্থিত, পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে। 
- এই নদীটি - পেরুর আন্দিজ পর্বতমালায় আমাজন নদীপন্ন হয় এবং আটলান্টিক মহাসাগরে যুক্ত হয়েছে।
- আমাজনের মূল স্রোতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ব্রাজিলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৮১২.
বাংলাদেশে প্রচুর ঘূর্ণিঝড় হওয়ার কারণ- 
  1. নদীর মোহনা বেশি হওয়ার কারণে
  2. সমুদ্র থেকে দূরত্ব বেশি হওয়ার কারণে
  3. বঙ্গোপসাগরের ফানেল আকৃতির কারণে 
  4. পাহাড় বেশি হওয়ার কারণে
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরের ফানেল আকৃতির কারণে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরের ফানেল আকৃতির কারণে 
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড় হলো এক ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- এই বায়ুমণ্ডলীয় দুর্যোগ বাতাসের প্রচণ্ড ঘূর্ণায়মান গতি এবং নিম্নচাপের কারণে সৃষ্টি হয়। 
- এটি সাধারণত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে ঘটে।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের আকৃতি ফানেলের মতো হওয়ার কারণে বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা বেশি হয়। 
- ফানেল আকারের কারণে ঝড় সহজে উপকূলের দিকে চলে আসে।
- এবং জলোচ্ছ্বাস আরও শক্তিশালী হয়।
- বঙ্গোপসাগরের উপর নিম্নচাপ তৈরি হলে এই ঝড় বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানে। 
- বিশেষ করে এপ্রিল-মে ও অক্টোবর-নভেম্বর মাসে বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় বেশি সংঘটিত হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের ফলে প্রচণ্ড বাতাস, ভারী বৃষ্টি ও জলোচ্ছ্বাস উপকূলে অনেক ক্ষয়ক্ষতি করে।
- ঘরবাড়ি, রাস্তা, কৃষিজমি ও মাছ চাষের ক্ষেত্র ধ্বংস হয়।
- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানও ঘূর্ণিঝড় সংঘটনের জন্য দায়ী। 

উৎস:
১. বাংলাপিডিয়া;
২. Britannica.

৪,৮১৩.
কোনটি বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য নয়?
  1. ত্রিপুরা
  2. আসাম
  3. সিকিম
  4. মিজোরাম
সঠিক উত্তর:
সিকিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিকিম
ব্যাখ্যা
- উল্লিখিত প্রশ্নে সিকিম বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য নয়।

সীমান্তবর্তী ভারতের:
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি। যথা- আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।
- বাংলাদেশের উত্তরে- ভারতের পশ্চিবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় প্রদেশ।
- বাংলাদেশের পূবে - ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম প্রদেশ এবং মিয়ানমার।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে - বঙ্গোপসাগর, আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (ভারত), মিয়ানমার।
- বাংলাদেশের পশ্চিমে - ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩টি।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙামাটি।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮১৪.
Sendai Framework for Disaster Risk Reduction কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ২০১৪ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৭ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
Sendai Framework for Disaster Risk Reduction:
- জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলন ১৪ মার্চ - ১৮ মার্চ, ২০১৫ তারিখে জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনের শেষদিন দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস সংক্রান্ত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক: ২০১৫-৩০ গৃহীত হয়।
- এই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য এবং চারটি অগ্রাধিকারের রূপরেখা স্থির করা হয়।
- দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনে টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই এ সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য।

⇒ সাতটি লক্ষ্য:
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী দুর্যোগে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) সাথে সরাসরি দুর্যোগের অর্থনৈতিক ক্ষতি হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে গুরুতর অবকাঠামোর দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুবিধাগুলির মধ্যে মৌলিক পরিষেবাগুলির ব্যাঘাতকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০২০ সালের মধ্যে জাতীয় এবং স্থানীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কৌশলসহ দেশের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে এই কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য তাদের জাতীয় কর্মের পরিপূরক করার জন্য পর্যাপ্ত এবং টেকসই সহায়তার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বহু-বিপদ প্রারম্ভিক সতর্কতা ব্যবস্থা এবং দুর্যোগ ঝুঁকির তথ্য এবং মূল্যায়নের প্রাপ্যতা এবং অ্যাক্সেস উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা।

উৎস: UNDRR ওয়েবসাইট।
৪,৮১৫.
Which country is cooperating to implement 'Bangladesh Delta Plan, 2100'?
  1. Beigium
  2. Denmark
  3. USA
  4. Netherland
সঠিক উত্তর:
Netherland
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Netherland
ব্যাখ্যা
ডেল্টা প্ল্যান-২১০০:   
• ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ হলো ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রণীত একটি ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনা।
• এটি মূলত একটি পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা। 
• বন্যা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদী কৌশল।

• ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের অনুমোদন পায়। 
• এটি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।  

• ২০২০ সালের ১ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১২ সদস্যের ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
• বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেল্টা কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়েছে।

• এই পরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য ৮০টি প্রকল্প গ্ৰহণ করা হয়েছে।
• এর মধ্যে ৬৫টি ভৌত অবকাঠামো প্রকল্প এবং ১৫টি প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, দক্ষতা ও গবেষণা বিষয়ক প্রকল্প।

• ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে; 
• নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন। 

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট। 
৪,৮১৬.
সম্প্রতি বাংলাদেশের কোন জেলায় জ্বালানি তেলের সন্ধান পাওয়া গেছে?
  1. দিনাজপুর
  2. বিবাড়িয়া
  3. সিলেট
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জ্বালানি তেলের খনি:
- বাংলাদেশের সিলেট জেলায় গ্যাসক্ষেত্রের ১০ নম্বর কূপের ১ম স্তরে জ্বালানি তেলের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- সিলেটে জৈন্তাপুর-গোয়াইনহাট এলাকায় গ্যাসক্ষেত্রের ১০ নম্বর কূপে ২৫৭৬ মিটার গভীরতায় খনন সম্পন্ন হয়েছে।
- এই কূপে ৪টি স্তরে গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়।
- স্তরগুলো প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মিটারের ঊর্ধ্বে।
- এখানে প্রতি ঘণ্টায় ৩৫ ব্যারেল তেল উঠছে, প্রথম দিন দুই ঘণ্টা ৭০ ব্যারেল তেল উঠেছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ৩৭ বছর পর আবারও ভূগর্ভে তেলের সন্ধান মিলেছে।

উৎস: ১০ ডিসেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৪,৮১৭.
বাংলাদেশে কোন অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা হয়? 
  1. পশ্চিম-উত্তরাঞ্চলে
  2. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে
  3. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে
  4. উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
ব্যাখ্যা
আকস্মিক বন্যা (Flash Flood):
- বর্ষা মৌসুম ব্যতীত অন্য যে কোনো মৌসুমী আকস্মিক বৃষ্টিপাত বা পাহাড়ি ঢলের ফলে বন্যার সৃষ্টি হয়,
- এটাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তথা সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কিশোরগঞ্জ প্রভৃতি জেলায় আকস্মিক বন্যা হতে দেখা দেয়।
- বোরো মৌসুমে এ ধরনের বন্যা হলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
--------------------- 
বন্যা:

- সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে।
- প্রায় প্রতি বছর দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়।
- সাধারণত বন্যা চার প্রকারের হয়ে থাকে।
- যথা:
১. মৌসুমী বন্যা,
২. আকস্মিক বন্যা,
৩. উপকূলীয় বন্যা,
৪. নগর বন্যা। 

সূত্র: ভূগোল ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮১৮.
‘নয় কুড়ি কান্দায় ছয় কুড়ি বিল' নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ক) টাঙ্গুয়ার হাওর
  2. খ) হাকালুকি হাওর
  3. গ) চলন বিল
  4. ঘ) শনির হাওর
সঠিক উত্তর:
ক) টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার ধরমপাশা ও তাহিরপুর উপজেলায় মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। 
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি এবং দ্বিতীয় রামসার সাইট। 
- টাঙ্গুয়ার হাওর ‘নয় কুড়ি কান্দার ছয় কুড়ি বিল’ নামে পরিচিত। 
-  এ হাওরে জীববৈচিত্র্যের মধ্যে অন্যতম হলো বিভিন্ন জাতের পাখি। 
 
উৎস: প্রথম আলো 
৪,৮১৯.
ইস্তাম্বুল প্রণালী নামে পরিচিত কোনটি?
  1. বসফরাস প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. দার্দানেলিস প্রণালী
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বসফরাস প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসফরাস প্রণালী
ব্যাখ্যা
বসফরাস প্রণালী:
- বসফরাস প্রণালী এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যবর্তী অঞ্চলের একটি অংশের সীমানা নির্দেশ করে।
- এটি তুরস্কের ইস্তানবুল শহরকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটিকে তাই ইস্তাম্বুল প্রণালীও বলা হয়।
- এই প্রণালীটি বিশ্বের নৌ চলাচলের ব্যবহৃত সবচেয়ে সরু জলপথ।

দার্দানেলিস প্রণালী:
- দার্দানেলিস প্রণালী তুরস্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী, যা এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যকার সীমানা নির্দেশ করে। 
- কৃষ্ণসাগর ও ভূমধ্যসাগরের মাঝে সংযোগ স্থাপন করেছে বসফরাস প্রণালি ও দার্দানেলিস প্রণালী।
- দার্দানেলিস প্রণালী তুরস্কের থ্রেস (European) ও আনাতোলিয়া (Asian) অংশের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি এজিয়ান সাগর এবং মারমারা সাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং তাই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।

উৎস: Britannica.
৪,৮২০.
নিচের কোনটি যমুনা নদীর উপনদী?
  1. তিস্তা
  2. ধলেশ্বরী
  3. বুড়িগঙ্গা
  4. শীতলক্ষ্যা
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
ব্যাখ্যা
• যমুনা (Jamuna):
- প্রকৃতপক্ষে ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্ন প্রবাহ যমুনা নামে অভিহিত।
- ১৭৮২ থেকে ১৭৮৭ সালের মধ্যে সংঘটিত ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।
- যমুনা দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়।
- এরপর এই মিলিত স্রোত দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে।
- যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা।

•যমুনার উপনদীগুলো হলো:
- ধরলা,
- তিস্তা,
- করতোয়া,
- আত্রাই।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়- নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া।
৪,৮২১.
'পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ' কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. আর্কটিক মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর
  4. প্রশান্ত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক মহাসাগর:
- পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জুড়ে এটি অবস্থিত।
- আটলান্টিক মহাসাগর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- এর আয়তন ৮১,৭৬০,০০০ বর্গ কিমি।
- আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ।
- এর গড় গভীরতা ১১,৯৬২ ফুট এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ২৭,৪৯৩ ফুট।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৮২২.
চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোন শিলায় পরিণত হয়?
  1. স্লেট
  2. মার্বেল
  3. গ্রাফাইট
  4. কোয়ার্টজাইট
সঠিক উত্তর:
মার্বেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্বেল
ব্যাখ্যা

• রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic Rocks):
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- ভূআন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প, রাসায়নিক ক্রিয়া কিংবা ভূগর্ভস্থ তাপ আগ্নেয় ও পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত করে।

যেমন: 
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস;
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

৪,৮২৩.
জাতিসংঘের কোন বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে এই শতাব্দীর শেষে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার ২°C'র মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে?
  1. ক) প্যারিস
  2. খ) কোপেনহেগেন
  3. গ) স্টকহোম
  4. ঘ) কার্টাগেনা
সঠিক উত্তর:
খ) কোপেনহেগেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কোপেনহেগেন
ব্যাখ্যা

ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে ২০০৯ সালে জাতিসংঘের বিশ্বজলবায়ু সম্মেলনে তিন পৃষ্ঠার অঙ্গীকারনামাকে একটি নোট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
- এতে এই শতাব্দীর শেষে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার ২° সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। Copenhagen Accord

- উল্লেখ্য, প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার ২° সেলসিয়াসের অনেক নিচে রাখার কথা বলা হয়েছে। সেটা ১.৫° সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার কথা জোর দেওয়া হয়েছে।
এখানে লিংক দেওয়া হলো Paris Accord on Climate change

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি ও UNFCCC ওয়েবসাইট।

৪,৮২৪.
ট্রপিক অব ক্যান্সার বাংলাদেশের কয়টি জেলার উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer):
- কর্কটক্রান্তি রেখা হলো উত্তর গোলার্ধে বিষুবরেখার সমান্তরালে অবস্থিত একটি কাল্পনিক রেখা যা নিরক্ষরেখার প্রায় ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত।
- কর্কটক্রান্তি রেখা প্রধানত ১৭টি দেশ, ৩টি মহাদেশ ও ৬টি জলাশয়ের ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে। 
- প্রধান দেশসমূহ: আলজেরিয়া, নাইজার, লিবিয়া, মিশর, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার, চীন, তাইওয়ান, মেক্সিকো, বাহামা, পশ্চিম সাহারা, মৌরিতানিয়া, মালি।
- যেসব এলাকার ওপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা গেছে, সেসব এলাকা এবং আশপাশের এলাকায় তাপ অনেক বেশি। এখানে সূর্যের কিরণ লম্বভাবে পড়ে। 

উল্লেখ্য,
- কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে অতিক্রম করেছে। এই রেখার অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ুর অন্তর্গত এবং এখানে উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া বিরাজ করে। 
- এটি বাংলাদেশের ১১টি জেলার উপর দিয়ে ( চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি) অতিক্রম করেছে।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) Worldatlas.

৪,৮২৫.
নিচের কোন জেলায় নদীভাঙনের পরিমাণ অত্যধিক?
  1. চট্টগ্রাম
  2. সিরাজগঞ্জ
  3. যশোর
  4. সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা নদীতে ভাঙনের পরিমাণ সর্বাধিক। তিনটি নদীতে বিগত চল্লিশ বছরে দেড় থেকে দুই লক্ষ হেক্টর জমি ভাঙনের শিকার হয়েছে। বাৎসরিক চার থেকে ছয় হাজার হেক্টর জমি ভাঙনের শিকার হয়।

ভাঙনপ্রবণ জেলাসমূহের মধ্যে সিরাজগঞ্জ, শরীয়তপুর, চাঁদপুর, ভোলা, চাপাইনবাবগঞ্জ, বগুড়া, কুড়িগ্রাম, জামালপুর, ফরিদপুর, মাদারীপুর, মুন্সিগঞ্জ ও বরিশাল প্রধান।

(তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা, ডয়েচভেলে এবং সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিস)
৪,৮২৬.
পদ্মা নদী কোথায় থেকে উৎপত্তি লাভ করে?
  1. হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গ
  2. নাগা-মণিপুর অঞ্চল থেকে উৎপন্ন
  3. লুসাই পাহাড়
  4. হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ
সঠিক উত্তর:
হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ
ব্যাখ্যা
• পদ্মা:
- বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম নদী পদ্মা।
- ভারতে এই নদীর নাম গঙ্গা।
- গঙ্গা নদী হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপত্তি লাভকরেছে।
- এরপর প্রথমে দক্ষিণ-পশ্চিম ও পরে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে ভারতের হরিদ্বারের নিকট সমভূমিতে পড়েছে।
- এরপর ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহার রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ধুলিয়ান নামক স্থানে ভাগীরথী (হুগলি নদী) নামে এর একটি শাখা বের হয়ে পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- গঙ্গা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী অঞ্চলের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এরপর দৌলতদিয়ার নিকট যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- গঙ্গার মূল ধারা হওয়াতে দৌলতদিয়া পর্যন্ত এই নদীটি গঙ্গা।
- কুমার, মাথাভাঙা, ভৈরব, গড়াই, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ ইত্যাদি পদ্মা নদীর প্রধান শাখানদী।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
৪,৮২৭.
নিচের কোনটি স্থানীয় বায়ুর উদাহারণ?
  1. বাংলাদেশের মৌসুমি বায়ু
  2. আরব মালভূমির সাইমুম
  3. চীনের বৃষ্টিপাত ও ঝড়
  4. ভিয়েতনামের ঘুর্ণিবাত বায়
সঠিক উত্তর:
আরব মালভূমির সাইমুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরব মালভূমির সাইমুম
ব্যাখ্যা

স্থানীয় বায়ু:
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ।

• কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহারণ-
- রকি পবর্তের চিনুক,
- ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল,
- আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু,
- আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা,
- উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরাক্কা,
- আরব মালভূমির সাইমুম,
- মিসরের খামসিন ও
- ভারতীয় উপমহাদেশের লু।

• উপত্যকা ও পার্বত্য বায়ু:
- দিনের বেলায় পর্বতের গা বেয়ে উপরের দিকে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে উপত্যকা বায়ু।
- ভূমির বন্ধুরতায় পার্বত্য অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ ভিন্নরকম হয়।
- দিনের বেলায় পর্বত উপত্যকার তলদেশ থেকেও পর্বত গাত্র অনেক বেশি উষ্ণ হয়।
- এসময় পর্বতের পাদদেশের নিম্নচাপ ও উপত্যকার তলদেশে উচ্চচাপ সৃষ্টি হয় বলেই এই ধরনের বায়ুপ্রবাহ সৃষ্ট হয়।
- অপরদিকে রাতের বেলায় তাপ বিকিরণের ফলে পর্বতগাত্র শীতল হয় এবং এ সময় উপত্যকা উষ্ণ থাকে।
- এসময় পর্বতের গা বেয়ে ভারী ও শীতল বায়ু উপত্যকার নিচের দিকে নেমে আসে।
- এই প্রবাহিত বায়ুকে বলা হয় পার্বত্য বায়ু।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮২৮.
সুন্দরবনকে UNESCO World Heritage Site এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কবে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন:
- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন।
- সাতক্ষীরা, খুলনা এবং বাগেরহাট জেলার অংশবিশেষ জুড়ে বাংলাদেশের সুন্দরবন বিস্তৃত।
- পরস্পর সংযুক্ত প্রায় ৪০০ নদী-নালা, খালসহ প্রায় ২০০টি ছোট বড় দ্বীপ ছড়িয়ে আছে সুন্দরবনে।
- সুন্দরবনের দুই-তৃতীয়াংশ পড়েছে বাংলাদেশে, বাকিটা ভারতে।
- ১৮৭৫ সালে সুন্দরবনকে সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- এ বনভূমির প্রায় ৩২,৪০০ হেক্টর এলাকাকে বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। 
- সুন্দরবনকে ১৯৯৯ সাল থেকে UNESCO World Heritage Site-এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- সুন্দরবনের গাছপালার অধিকাংশই ম্যানগ্রোভ ধরনের।
- এখানে রয়েছে বৃক্ষ, লতাগুল্ম, ঘাস, পরগাছা এবং আরোহী উদ্ভিদসহ নানা ধরনের উদ্ভিজ্জ।
- রয়েল বেঙ্গল টাইগারের (Panthera tigris) সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ আবাস এখানেই।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪,৮২৯.
নিম্নের কোনটি ক্ষুদ্র স্কেল মানচিত্র?
  1. ক) ১ : ১০০০০,০০০
  2. খ) ১ : ১০০০,০০০
  3. গ) ১ : ১০০,০০০
  4. ঘ) ১ : ১০,০০০
সঠিক উত্তর:
খ) ১ : ১০০০,০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১ : ১০০০,০০০
ব্যাখ্যা
• স্কেল অনুসারে মানচিত্র দুই প্রকারের। যথা-

১) বৃহৎ স্কেল মানচিত্র: একটি ছোট এলাকা কে অনেক বড় করে দেখানো হয় বলে মানচিত্রে অনেক জায়গা থাকে। এবং অনেক কিছু তথ্য এরূপ মানচিত্রে ভাল ভাবে দেখানো যায়।
যেমন: ১: ১০,০০০

২) ক্ষুদ্র স্কেল মানচিত্র: সমগ্র পৃথিবী বা মহাদেশ বা দেশের মতো বড় অঞ্চলকে একটি ছোট কাগজে দেখানো হয় বলে এ প্রকার মানচিত্রে বেশি জায়গা থাকে না। ফলে মানচিত্রে বেশি কিছু দেখানো যায় না।
যেমন: ১ : ১০,০০,০০০

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
৪,৮৩০.
শালবন কোন ধরনের বনভূমি?
  1. ক) চিরহরিৎ
  2. খ) পর্ণমোচী
  3. গ) স্রোতজ
  4. ঘ) বিরুৎ
সঠিক উত্তর:
খ) পর্ণমোচী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পর্ণমোচী
ব্যাখ্যা
- শালবন একটি পত্রপতনশীল বা পর্ণমোচী বৃক্ষের বনভূমি। অর্থাৎ শীতকালে এই বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝড়ে যায়।
- শাল বা গজারি এই বনের প্রধান বৃক্ষ।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
- টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকা জুড়ে শালবন বিস্তৃত।

(তথ্যসূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৪,৮৩১.
’মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি’ কী ধরনের বনভূমি?
  1. চিরহরিৎ বনভূমি
  2. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমি
  3. স্রোতজ বনভূমি
  4. পার্বত্য বনভূমি
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- বনভূমি থেকে যে সম্পদ উৎপাদিত হয় বা পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- কোনো দেশের পারস্পরিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- বর্তমানে বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ ২৫ লক্ষ ৭৫ হাজার হেক্টর যা দেশের মোট আয়তনের ১৫.৫৮%। বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ ১০.৭৪%।
- জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি:
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত। পা
- হাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।
- উষ্ণ ও আর্দ্র ভূমির কারণে বাংলাদেশে চিরহরিৎ অরণ্যের সৃষ্টি হয়েছে।
- উষ্ণ ও আর্দ্র ভূমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা জন্ম নেয়।
- এসব গাছের পাতা একসঙ্গে ফোটে না, ঝরেও না। ফলে বনগুলো সারা বছর সবুজ থাকে।

• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে।
- এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
 (ক) ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
 (খ) দিনাজপুর ও রংপুর জেসায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।
- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়। গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

• স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- উত্তরে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর; পূর্বে হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে রাইমঙ্গল, হাড়িয়াভাঙ্গা নদী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আংশিক প্রান্ত সীমা পর্যন্ত এ বনভূমি বিস্তৃত।
- এটি খুলনা বিভাগের ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের জন্য এ অঞ্চল বৃক্ষ সমৃদ্ধ।

উৎস: প্রথম আলো এবং ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
৪,৮৩২.
কোনটি জনসংখ্যা বন্টনের প্রাকৃতিক প্রভাবক?
  1. সামাজিক
  2. মৃত্তিকা
  3. অর্থনৈতিক
  4. সংস্কৃতি
সঠিক উত্তর:
মৃত্তিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্তিকা
ব্যাখ্যা

জনসংখ্যা বন্টনে প্রভাবকসমূহ:
- পৃথিবীর জনসংখ্যার বন্টনও সর্বত্র সমান নয়।
- স্থানভেদে এই জনসংখ্যা বন্টনের তারতম্য রয়েছে।
- জনসংখ্যা বন্টনে কতকগুলো নিয়ামক কাজ করে।
- এই নিয়ামকগুলো জীবনধারণের জন্য অনুকূল হলে সেখানে মানুষের সংখ্যাধিক্য থাকে।
- আবার প্রতিকূল অবস্থায় জনসংখ্যার পরিমাণ কমে যায়।
- পৃথিবীর জনসংখ্যা বন্টনে যেসব নিয়ামক গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হিসেবে কাজ করে সেগুলোকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
• প্রাকৃতিক প্রভাবক।
• অপ্রাকৃতিক নিয়ামক।

→ প্রাকৃতিক প্রভাবকসমূহ:
• মৃত্তিকা, জলবায়ু, ভূমিরূপ, ভৌগোলিক অবস্থান, পানির প্রাচুর্যতা, সম্পদের পর্যাপ্ততা ও জীবজগৎ।

→ অপ্রাকৃতিক প্রভাবকসমূহ:
• কর্মসংস্থানের সুযোগ, শিল্প ও বাণিজ্য, প্রযুক্তি, অভিগমন, অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের ধরণ, ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক ও সরকারি নীতি।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৩৩.
What body of water surrounds Alcatraz Island?
  1. Florida Bay
  2. San Francisco Bay
  3. Gulf of Mexico
  4. Bristol Bay
সঠিক উত্তর:
San Francisco Bay
উত্তর
সঠিক উত্তর:
San Francisco Bay
ব্যাখ্যা
আলকাট্রাজ কারাগার:
- আলকাট্রাজ কারাগার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ফ্রান্সিসকো উপসাগরে অবস্থিত।

⇒ এই কারাগারটি আলকাট্রাজ দ্বীপে নির্মিত, যা সান ফ্রান্সিসকো শহর থেকে প্রায় ১.৫ মাইল (২.৪ কিলোমিটার) দূরে অবস্থিত।
- আলকাট্রাজ কারাগার ১৯৩৪ থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কারাগার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত সবচেয়ে বিপজ্জনক ও পালানোর প্রবণতা সম্পন্ন বন্দিদের জন্য নির্ধারিত ছিল।
- কারাগারটি ১৯৬৩ সালে উচ্চ রক্ষণাবেক্ষণ খরচের কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

⇒ আলকাট্রাজ প্রথমে একটি নৌ প্রতিরক্ষা দুর্গ ছিল, যা ২০ শতকের শুরুতে সামরিক কারাগারে রূপান্তরিত হয়।
- ১৯৩০-এর দশকে বিচার বিভাগ এটি দখল করে ফেডারেল বন্দীদের গ্রহণ শুরু করে।
- কুখ্যাত গ্যাংস্টার আল কাপোন, মিকি কোহেন এবং জর্জ ‘মেশিন গান’ কেলির মতো বিখ্যাত কয়েদিদের সেখানে রাখা হয়েছিল।
- কারাগারটি ১৯৬৩ সালে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং বর্তমানে এটি একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি (মে, ২০২৫) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আইন, শৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচারের প্রতীক হিসেবে ক্যালিফোর্নিয়ার উপকূলের কাছে অবস্থিত কুখ্যাত আলকাট্রাজ কারাগার পুনরায় চালু ও সম্প্রসারণের জন্য তার প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন।

উৎস: i) Federal Bureau of Investigation (.gov).
ii) BBC.
৪,৮৩৪.
কোন জেলাগুচ্ছ সুন্দরবন সংলগ্ন?
  1. বাগেরহাট, নড়াইল ও ঝিনাইদহ
  2. পিরোজপুর, মাদারীপুর ও বাগেরহাট
  3. বরিশাল, খুলনা ও সাতক্ষীরা
  4. সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও খুলনা
সঠিক উত্তর:
সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও খুলনা
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন ও সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা:
- সুন্দরবন বাংলাদেশের একক বৃহত্তম বনভূমি।
- বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সু্ন্দরবন অবস্থিত।
- সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।

উল্লেখ্য,
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম 'World Heritage বা বিশ্ব ঐতিহ্য' হিসেবে ঘোষণা করে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি এবং বনবিভাগ।
৪,৮৩৫.
‘রামসার সাইট’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে কোন ভৌগলিক এলাকাটি??
  1. টাঙ্গুয়ার হাওর
  2. বগা লেক
  3. কাপ্তাই হ্রদ
  4. মহাস্থানগড়
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
• রামসার সাইট:
- ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১মে, ১৯৯২)।
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই, ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট।
৪,৮৩৬.
কর্কটক্রান্তি রেখা ও দ্রাঘিমা রেখা বাংলাদেশের কোথায় ছেদ করেছে?
  1. ক) ভাঙ্গা
  2. খ) মধুখালী
  3. গ) কালিয়াকৈর
  4. ঘ) কাশিয়ানী
সঠিক উত্তর:
ক) ভাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভাঙ্গা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে উত্তর দক্ষিণে অতিক্রম করেছে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা।
- প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে অতিক্রম করেছে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা।
- এই রেখা দুটি ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের ভাঙ্গারদিয়া গ্রামের ধোপাডাঙ্গা মৌজার একটি ফসলি ক্ষেতের উপর মিলিত হয়েছে।
- এই স্থানকে কেন্দ্র করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মানমন্দির নির্মাণ করা হচ্ছে।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক।
৪,৮৩৭.
'লালমাই পাহাড়' বাংলাদেশের কোন প্রাকৃতিক অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত?
  1. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
  2. উত্তর-পূর্ব পাহাড়
  3. প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
  4. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ;
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি। 

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
→ আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
→ উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত।

• লালমাই পাহাড়:
→ কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
→ লালমাই-ময়নামতি পাহাড় উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১১ মাইল লম্বা এবং পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় ২ মাইল চওড়া।
→ এ পাহাড়ের সর্বোচ্চ উচ্চতা ৪৬ মিটার।
→ ১৯৮৯ সালের এপ্রিলে এবং ১৯৯১ সালের জুলাই মাসে লালমাই পর্বতমালায় প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধান কার্যক্রম চালানো হয়।
→ এই অনুসন্ধানে এখানে ১১টি প্রাগৈতিহাসিক প্রত্নক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৩৮.
'Atacama Desert' is located in -
  1. ক) China
  2. খ) Chile
  3. গ) United States
  4. ঘ) South Africa
সঠিক উত্তর:
খ) Chile
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Chile
ব্যাখ্যা
- আতাকামা মরুভূমি দক্ষিণ আমেরিকার চিলিতে অবস্থিত একটি শীতল মরূভূমি।
- মেরু অঞ্চল ব্যতীত আতাকামা মরুভূমি পৃথিবীর সবচেয়ে শুষ্কতম স্থান।

(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ও ব্রিটানিকা)
৪,৮৩৯.
‘গ্রিনল্যান্ড’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ইউরোপে
  2. খ) আফ্রিকায়
  3. গ) উত্তর আমেরিকায়
  4. ঘ) দক্ষিণ আমেরিকায়
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তর আমেরিকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তর আমেরিকায়
ব্যাখ্যা

ডেনমার্কের মালিকানাধীন পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ হচ্ছে গ্রীনল্যান্ড। যা উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত একটি স্বায়ত্তশাসিত দেশ। এর রাজধানীর নাম নুক।
দেশটির শুধুমাত্র প্রতিরক্ষা, আর্থিক নীতিমালা, এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ‘ডেনিশ র‌য়্যাল গভর্মেন্ট’ কর্তৃক নির্ধারিত হয়।
সম্প্রতি আমেরিকার প্রেসিন্ডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রীনল্যান্ড ক্রয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন।
সূত্র: Worldatlas

৪,৮৪০.
বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিতে সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি কোথায় দেখা যায়?
  1. সিলেট অঞ্চলের হাওড়
  2. চলনবিল
  3. মাদারিপুর বিল
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি।
- এর কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত।
- স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- হাওর এলাকা: উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জ জেলার নিচু প্লাবন ভূমি।
-  চলনবিল, মাদারিপুর বিল ও সিলেট অঞ্চলের হাওড়সমূহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮৪১.
পৃথিবীর বৃহত্তম রেইনফরেস্ট-
  1. কঙ্গোলিজ রেইনফরেস্ট
  2. নিউ গিনি রেইনফরেস্ট
  3. আমাজন রেইনফরেস্ট
  4. ভালদিভিয়ান তাপমাত্রা রেইনফরেস্ট
সঠিক উত্তর:
আমাজন রেইনফরেস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাজন রেইনফরেস্ট
ব্যাখ্যা
• আমাজন রেইনফরেস্ট :
- বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট।
- দক্ষিণ আমেরিকার ৪০ শতাংশ জুড়ে মোট ৯টি দেশ জুড়ে এর অবস্থান।
- আমাজনে ৫২৬ মিলিয়ন হেক্টর প্রাথমিক বনভূমি রয়েছে।
- আমাজনের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ব্রাজিলে অবস্থিত ।

• কঙ্গোলিজ রেইনফরেস্ট :
- ক্যামেরুন, গ্যাবন, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, নিরক্ষীয় গিনি অঞ্চলগুলো নিয়ে এই রেইফরেস্টের অবস্থান।
- কঙ্গোলিজ রেইনফরেস্ট বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রেইন ফরেস্ট। 

উৎস: worldrainforests website.
৪,৮৪২.
বজ্রপাত কোন স্তরে সৃষ্টি হয়?
  1. ক) স্ট্রাটোমন্ডল
  2. খ) মেসোমন্ডল
  3. গ) ট্রপোমন্ডল
  4. ঘ) আয়নমন্ডল
সঠিক উত্তর:
গ) ট্রপোমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ট্রপোমন্ডল
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডল:
- বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়।
- যথা:
• ট্রপোমন্ডল,
• স্ট্রাটোমন্ডল,
• মেসোমন্ডল,
• তাপমণ্ডল ও
• এক্সোমণ্ডল।
 ট্রপোমন্ডল:
- ভূ-পৃষ্ঠের নিকটতম বায়ুস্তর ট্রপোমন্ডল।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুজনিত যাবতীয় প্রক্রিয়ার বেশির ভাগ বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে ঘটে।
- মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড় ও কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৪৩.
পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মাটি কোনটি?
  1. পলি
  2. বেলে
  3. এঁটেল
  4. দো-আঁশ
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ
ব্যাখ্যা
পাট চাষ:
- উর্বর দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- তবে বেলে ও এঁটেল মাটি ছাড়া সব জমিতেই পাট চাষ করা যায়।
- তবে যে জমিতে বর্ষার শেষের দিকে পলি পড়ে সে জমি পাট চাষের জন্য উত্তম।
- তোষা পাট উঁচু জমিতে এবং দেশী পাট উঁচু ও নিচু দু'ধরনের জমিতেই চাষ করা যায়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৪৪.
কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে কী বলে?
  1. ধূমকেতু
  2. ব্ল্যাক হোল
  3. আকাশ গঙ্গা
  4. মহাকাশযান
সঠিক উত্তর:
আকাশ গঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকাশ গঙ্গা
ব্যাখ্যা

ছায়াপথ (Milky Way):
- কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে ছায়াপথ বা আকাশ গঙ্গা বলে।
- অন্ধকার আকাশে এদের উজ্জ্বল দীপ্তি দীর্ঘপথের মতো দেখায়।
- একটি ছায়াপথ লক্ষ কোটি নক্ষত্রের সমষ্টি।
- শীতকালে রাত্রিবেলা পরিষ্কার আকাশে লক্ষ করলে উত্তর-দক্ষিণে বেশ বড় পরিসরযুক্ত তেজোদ্দীপ্ত স্বচ্ছ দীর্ঘ আলোর রেখা দেখা যায়। তারকা খচিত এই আলোর পথই হলো ছায়াপথ।
- বিজ্ঞানীরা একে বিরাট চক্রাকার মন্ডল বলে অনুমান করেন। সৌরজগৎ এরকম একটি ছায়াপথের অন্তর্গত।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

৪,৮৪৫.
এসিড বৃষ্টির সৃষ্টি হয় কেন?
  1. বায়ুমণ্ডলে সালফার ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধির কারণে
  2. বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধির কারণে
  3. বায়ুমণ্ডলে CFC গ্যাস বৃদ্ধির কারণে
  4. বায়ুমণ্ডলেকার্বন মনো অক্সাইড গ্যাস বৃদ্ধির কারণে
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডলে সালফার ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধির কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডলে সালফার ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধির কারণে
ব্যাখ্যা

• এসিড বৃষ্টি: 
- বায়ুমণ্ডলে অধঃক্ষেপণ বৃষ্টিতে pH এর মান 5.6 এর কম হলেই ঐ অধঃক্ষেপণকে এসিড বৃষ্টি বলে। 
- এসিড বৃষ্টির কারণ হচ্ছে মনুষ্যসৃষ্ট বায়ু দূষণ ক্রিয়া। 
- সাধারণত কলকারখানা অঞ্চলের এসিড বৃষ্টির পানির pH এর মান 5.6 থেকে 3.5 এর মধ্যে থাকে। 
- এই এসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী গ্যাস বা এসিড বৃষ্টির কারণ মূলত সালফার ডাই অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন অক্সাইডসমূহ (যেমন- NO, NO2). 
- এর মূলে তিনটি এসিডের (H2SO3, H2SO4, HNO3 এর) ভূমিকা রয়েছে; যা প্রাইমারি বায়ুদূষক SO2 গ্যাস ও নাইট্রোজেন অক্সাইডসমূহ (NOx) হতে উৎপন্ন হয়। 
 
• কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2), কার্বন মনোঅক্সাইড (CO) এবং নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) এসিড বৃষ্টির সাথে সম্পর্কযুক্ত নয় বা এসিড বৃষ্টির কারণ নয়। 
 
উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।

৪,৮৪৬.
সমুদ্র বন্দরের জন্য সতর্ক সংকেত কয়টি?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ১১টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১টি
ব্যাখ্যা
সতর্ক সংকেত:
- ঝড়ের সময় আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সমুদ্রবন্দরের ক্ষেত্রে ১১টি এবং নদীবন্দরের ক্ষেত্রে ৪টি সংকেত নির্ধারিত আছে।
- এই সংকেতগুলো সমুদ্রবন্দর ও নদীবন্দরের ক্ষেত্রে ভিন্ন বার্তা বহন করে।
- সমুদ্রবন্দর সমূহের জন্যে সংকেত ১১টি।
- এগুলো হলো:
• ১-নং দূরবর্তী সতর্ক সংকেত,
• ২-নং দূরবর্তী হুশিয়ারি সংকেত,
• ৩-নং স্থানীয় সতর্ক সংকেত,
• ৪-নং স্থানীয় হুশিয়ারি সংকেত,
• ৫-নং বিপদ সংকেত,
• ৬-নং বিপদ সংকেত,
• ৭-নং বিপদ সংকেত,
• ৮-নং মহাবিপদ সংকেত,
• ৯-নং মহাবিপদ সংকেত,
• ১০-নং মহাবিপদ সংকেত,
• ১১-নং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেত।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশে নদীবন্দর সমূহের জন্যে দুর্যোগের সংকেত চারটি।
- এগুলো হলো:
• ১-নং নৌ সতর্ক সংকেত,
• ২-নং নৌ হুশিয়ারি সংকেত,
• ৩-নং নৌ বিপদ সংকেত,
• ৪-নং নৌ মহাবিপদ।

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৪,৮৪৭.
কোনটি থেকে গ্রাফাইট উৎপন্ন হয়?
  1. চুনাপাথর
  2. কয়লা
  3. বেলেপাথর
  4. গ্রানাইট
সঠিক উত্তর:
কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
ব্যাখ্যা
• রূপান্তরিত শিলা:
→ আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচন্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
→ ভূআন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প, রাসায়নিক ক্রিয়া কিংবা ভূগর্ভস্থ তাপ আগ্নেয় ও পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত করে।
→ চুনাপাথর রূপান্তরি হয়ে মার্বেল,
→ বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
→ কাদা ও শেল রুপান্তরিত হয়ে স্লেট,
→ গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস এবং
কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৪৮.
নারিতা বিমানবন্দর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) জাপান
  2. খ) থাইল্যান্ড
  3. গ) মিয়ানমার
  4. ঘ) ব্রুনাই
সঠিক উত্তর:
ক) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জাপান
ব্যাখ্যা
নারিতা জাপানের একটি বিমানবন্দর। সুবর্ণভূমি থাইল্যান্ডের এয়ারপোর্ট। সল্টলেক এবং ডেনভার এয়ারপোর্ট অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রে।
Source: worldatlas and narita-airport.jp
৪,৮৪৯.
বদ্বীপ পরিকল্পনায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকির ভিত্তিতে সমগ্র দেশকে কতটি হটস্পটে বিভক্ত করা হয়েছে?
  1. তিনটি
  2. পাঁচটি
  3. ছয়টি
  4. নয়টি
সঠিক উত্তর:
ছয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয়টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ডেল্টা বা বদ্বীপ পরিকল্পনায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকির ভিত্তিতে সমগ্র দেশকে ছয়টি হটস্পটে বিভক্ত করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
- উপকূলীয় অঞ্চল
- বরেন্দ্র ও খরা প্রবণ অঞ্চল
- হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ এলাকাসমূহ
- পার্বত্য চট্টগ্রাম
- নদী অঞ্চল ও মোহনা এবং
- নগর এলাকাসমূহ।

ডেল্টা পরিকল্পনায় ছয়টি জেলাকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে কম ঝুঁকিপূর্ণ জেলা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
- গাজীপুর
- ঝিনাইদহ
- মাগুরা
- ময়মনসিংহ
- নীলফামারী এবং
- শেরপুর।

(তথ্যসূত্র: বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০)
৪,৮৫০.
বাংলাদেশ দীর্ঘস্থায়ী খরায় কবলিত হয় কখন?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৮৮ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4.  ২০১২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা

• ১৯৯৪-৯৫ বাংলাদেশে সমসাময়িক কালের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী খরা, ব্যাপক শস্যহানি ঘটে।

ফসল উৎপাদনে খরার প্রভাব:
- বাংলাদেশে ফসল উৎপাদনে খরা অন্যতম একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে যা দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে।
ফসলের বৃদ্ধি পর্যায়ে গড় বৃষ্টিপাতের অভাবে মাটিতে পানি শূন্যতা সৃষ্টি হয়।
কম বৃষ্টিপাত ও অধিক হারে মাটি থেকে পানি বাষ্পীভূত হওয়ার ফলে কৃষিক্ষেত্রে খরার প্রভাব দেখা দেয়। দেশে প্রতি বছর ৩০-৪০ লাখ হেক্টর জমি বিভিন্ন মাত্রার খরায় কবলিত হয়ে থাকে।
খরাপ্রবণ এলাকায় ফসলের ফলন নির্ভর করে খরার তীব্রতা, খরার স্থিতিকাল এবং ফসলের বৃদ্ধি পর্যায়ের উপর।
ফসলে ক্ষতির মাত্রার উপর নির্ভর করে খরাকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন-
১। তীব্র খরা (৭০-৯০ ভাগ ফলন ঘাটতি হয়)
২। মাঝারি খরা (৪০-৭০ ভাগ ফলন ঘাটতি হয়)
৩। সাধারণ খরা (১৫-৪০ ভাগ ফলন ঘাটতি হয়)

ফসল উৎপাদন মৌসুমের উপর ভিত্তি করে খরাকে আবার তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমন- রবি খরা, খরিপ-১ খরা ও খরিপ-২ খরা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।

৪,৮৫১.
'মহাস্থানগড়' কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) কপোতাক্ষ
  2. খ) যমুনা
  3. গ) পদ্মা
  4. ঘ) করতোয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) করতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) করতোয়া
ব্যাখ্যা
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে মহাস্থানগড় সুমহান ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে। 
- ১৮৭৯ সালে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন আবিষ্কার করেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার কানিংহ্যাম।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের রাজধানী মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রনগর।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গেছে। 

- ২০১৫ সাল থেকে সার্ক কালচারাল সেন্টার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কোনো একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলকে সার্কের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে আসছে। সার্কভুক্ত দেশগুলোর ইংরেজি নামের আদ্যক্ষরের ভিত্তিতে দেশগুলোর স্থান বেছে নেওয়া হচ্ছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদ বগুড়ার মহাস্থানগড় সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী- ২০১৭ হিসেবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি পেল। 

সূত্র:  বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো
৪,৮৫২.
আয়তনে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের সবচেয়ে বড় দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. মেক্সিকো
  4. হন্ডুরাস
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা
উত্তর আমেরিকা (North America):

- পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ উত্তর আমেরিকা।
- ১৪৯২ সালে ক্রিস্টোফার কলম্বাস উত্তর আমেরিকা আবিষ্কার করেন।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান ডেনালি, যা ম্যাককিনলে নামেও পরিচিত।
- পানামা খাল উত্তর আমেরিকাকে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে পৃথক করেছে।
- এ মহাদেশে ছোট-বড় অনেকগুলো দ্বীপ রয়েছে। এর মধ্যে গ্রীনল্যান্ড, নিউফাউন্ডল্যান্ড অন্যতম।
- এ মহাদেশের মধ্য আমেরিকা থেকে মিসিসিপি অববাহিকা পর্যন্ত সুবিস্তৃত সমভূমি অঞ্চলকে প্রচুর পরিমাণে গম উৎপাদনের জন্য ‘বিশ্বের রুটির ঝুড়ি' বলা হয়।
- মিসিসিপি-মিসৌরি এ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী।
- আয়তনে সবচেয়ে বড় দেশ কানাডা এবং সবচেয়ে ছোট সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৪,৮৫৩.
কোন বায়ু বানিজ্য বায়ু নামে পরিচিত?
  1. পশ্চিমা বায়ু
  2. মেরু বায়ু
  3. অয়ন বায়ু
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অয়ন বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অয়ন বায়ু
ব্যাখ্যা

অয়ন বায়ু: 
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় থেকে উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরে উঠে গেলে কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।
- ফেরেলের সূত্র অনুসারে এ বায়ু উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে থাকে।
- প্রাচীনকালে পরিচালিত বাণিজ্য জাহাজগুলো এ বায়ুপ্রবাহের দিক অনুসরণে যাতায়াত করত বলে এগুলোকে অয়ন বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু বলে।
- উত্তর গোলার্ধে এটি উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- নিয়ত বায়ু পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে বছরের সকল সময় একই দিকে প্রবাহিত হয়।
• এই বায়ু তিন প্রকারের। যথা-
- অয়ন বায়ু,
- পশ্চিমা বায়ু ও
- মেরু বায়ু।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮৫৪.
পূর্বাশা কোন দ্বীপের অপর নাম?
  1. ক) দক্ষিণ তালপট্টি
  2. খ) মনপুরা
  3. গ) নিঝুমদ্বীপ
  4. ঘ) হাড়িয়াভাঙ্গা
সঠিক উত্তর:
ক) দক্ষিণ তালপট্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দক্ষিণ তালপট্টি
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ, পূর্বাশা বা নিউ মুর আইল্যান্ড বঙ্গোপসাগরের অবস্থিত ভারতের ছোটো জনবসতিহীন সাগরমুখী দ্বীপ।
এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ অঞ্চলের উপকূলে অবস্থিত এবং১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনার অদূরে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ জেগে ওঠে। নদীর মোহনা থেকে দুই কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৪,৮৫৫.
ইলিশ সংরক্ষণের জন্য বাংলাদেশে কয়টি অভয়াশ্রম রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
- বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬%।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১২%।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।
- প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে ২২দিন।
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৬টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।

উৎস: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।
৪,৮৫৬.
'চট্টগ্রাম' অঞ্চলের জলবায়ুকে কেমন জলবায়ু বলা হয়?
  1. ক) চরমভাবাপন্ন
  2. খ) সমভাবাপন্ন
  3. গ) মৃদুভাবাপন্ন
  4. ঘ) নিয়তভাবাপন্ন
সঠিক উত্তর:
গ) মৃদুভাবাপন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মৃদুভাবাপন্ন
ব্যাখ্যা
- সমুদ্র হতে দূরত্ব জলবায়ুতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে। 
- জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে। 
- যেমন- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় এসব স্থানের জলবায়ু মৃদুভাবাপন্ন।
 
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৮৫৭.
'পেরেজিল দ্বীপ' নিয়ে বিবদমান দেশ দুটি হলো-
  1. ক) রাশিয়া ও জাপান
  2. খ) ইরান ও তুরস্ক
  3. গ) মরক্কো ও স্পেন
  4. ঘ) চীন ও জাপান
সঠিক উত্তর:
গ) মরক্কো ও স্পেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মরক্কো ও স্পেন
ব্যাখ্যা

- 'পেরেজিল দ্বীপ' ভূমধ্যসাগরে অবস্থিত।
- এই দ্বীপ নিয়ে বিবদমান দুটি হলোঃ মরক্কো ও স্পেন।
- মরক্কোতে দ্বীপটি 'লায়লা দ্বীপ' নামে পরিচিত।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৪,৮৫৮.
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা কোনটি?
  1. মহেশখালী
  2. উখিয়া
  3. কুতুবদিয়া
  4. টেকনাফ
সঠিক উত্তর:
টেকনাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকনাফ
ব্যাখ্যা

কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত টেকনাফ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা।

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান হলো ছেড়াদ্বীপ।
- এটি সেন্টমার্টিন দ্বীপের দক্ষিণে অবস্থিত এবং বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের বিন্দু হিসেবে পরিচিত।
- সর্ব দক্ষিণের উপজেলা হলো টেকনাফ এটি কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত।
- এছাড়া, সর্ব দক্ষিণের জেলা হলো কক্সবাজার।

সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

সূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট এবং ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮৫৯.
বাংলাদেশে সম্প্রতি কোন খনিজ সম্পদটি আবিষ্কৃত হয়?
  1. ক) তেল
  2. খ) লোহা
  3. গ) সোনা
  4. ঘ) তামা
সঠিক উত্তর:
খ) লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লোহা
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার ইসবপুর গ্রামে দেশের প্রথম লোহা খনি আবিষ্কার করে ভূতাত্ত্বিক জরিপ অদিদপ্তর বা জিএসবি। ১৮ জুন ২০১৯ এ খনি আবিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে উন্নত মানের ম্যাগনেটাইট রয়েছে বলে জিএসবি জানায়। বাংলাদেশে সোনা বা তামার খনি নেই। ১৯৮৬ সালে দেশে প্রথম সিলেটের হরিপুরে তেল আবিষ্কৃত হয়।(সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো, ১৮ জুন ২০১৯ এবং ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৮৬০.
শীতকালে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে কারণ -
  1. সূর্য বিপরীত গোলার্ধে অবস্থান করে
  2. স্থলভাগের ওপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়
  3. দক্ষিণ–পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাব
  4. আকাশ মেঘমুক্ত থাকে
সঠিক উত্তর:
স্থলভাগের ওপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থলভাগের ওপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়
ব্যাখ্যা

শীতকাল:
- নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস এদেশে শীতকাল বিরাজ করে।
- এ সময় সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থান করে বলে বাংলাদেশে এর রশ্মি তীর্যকভাবে পড়ে এবং উত্তাপের পরিমাণ যথেষ্ট কমে যায়। ফলে তাপমাত্রার পরিমাণ কম থাকে।
- কখনও শিশির এবং কুয়াশা পড়তে দেখা যায়।

⇒ এ ঋতুতে বাংলাদেশের আবহাওয়া মোটামুটি শুষ্ক, শীতল ও আরামদায়ক থাকে বলে সবচেয়ে সুন্দর ও উপভোগ্য ঋতু বলতে এ ঋতুকে বোঝায়।
- শীতকালে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন উষ্ণতার তাপমাত্রা যথাক্রমে ২৯° সে. ও ১১° সে. এবং গড় তাপমাত্রা প্রায় ১৭.৭° সে.।

⇒ এসময় দক্ষিণাংশ থেকে উত্তরদিকে ক্রমশ তাপমাত্রা কম থাকে।
- এ সময় বাংলাদেশের উপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়। এ বায়ু স্থলভাগের উপর দিয়ে আসে বলে জলীয়বাষ্প খুব কম থাকে।
- তবে হিমালয় পর্বতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় তুষারকণা হতে সামান্য পরিমাণে জলীয়বাষ্প বহন করে।
- এ বায়ু দেশের পূর্বাঞ্চলের পর্বতসমূহ বাধা পেয়ে সামান্য বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- কোন কোন বছর নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে বঙ্গোপসাগর হতে আগত ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে কয়েকদিন বৃষ্টিপাত হয়।
- শীতকালে উত্তর-পূর্ব দিক হতে শীতল মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৬১.
'স্টবাক' জলপ্রপাতটি  যে দেশে অবস্থিত - 
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. ভেনিজুয়েলা
  4. নরওয়ে
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• স্টবাক জলপ্রপাত:
- স্টবাক জলপ্রপাত সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত।
- ইউরোপীয় মহাদেশে অবস্থিত এই জলপ্রপাতের উচ্চতা প্রায় ৩০০ ফুট।
- এটি সুইজারল্যান্ডের তৃতীয় সর্বোচ্চ জলপ্রপাত।
- গ্রীষ্মে উষ্ণ বাতাস চারদিকে জল ঘোরা করে, যাতে জলপ্রপাতগুলি সমস্ত দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

অন্যদিকে,
- ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত জাম্বিয়া/জিম্বাবুয়ে অবস্থিত।
- এঞ্জেল জলপ্রপাত ভেনিজুয়েলায় অবস্থিত।
- নায়াগ্রা জলপ্রপাত যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় অবস্থিত।
- ইগুয়াজু জলপ্রপাত ব্রাজিল/আর্জেন্টিনা অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৪,৮৬২.
শিকস্তি-পয়স্তি কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) নদী তীরবর্তী ভূমির ভাঙা ও গড়া
  2. খ) নদীতে চর জাগা
  3. গ) চর প্রশাসনের আইন
  4. ঘ) ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কিত
সঠিক উত্তর:
ক) নদী তীরবর্তী ভূমির ভাঙা ও গড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নদী তীরবর্তী ভূমির ভাঙা ও গড়া
ব্যাখ্যা
- নদীখাতে পানি প্রবাহের কারণে পার্শ্ব ক্ষয়কে নদী ভাঙ্গন বলে।
- নদী ভাঙ্গনের শিকার হয় পলিমাটি গঠিত সমভূমি অধ্যুষিত অঞ্চলসমূহ।
- নদীর তরঙ্গাঘাতে তীরের যে জমি নষ্ট হয় তাঁকে নদী শিকস্তি বলে।
- নদীতে ভেঙে যাওয়া জমির স্থানে নতুন চর জাগা বা পুনর্গঠনকে নদী পয়স্তি বলে।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৬৩.
'ফুরমোন পাহাড়' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবন
  2. সিলেট
  3. রাঙামাটি
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
রাঙামাটি জেলার দর্শনীয় স্থান:
- শুভলং ঝর্না
- ফুরমোন পাহাড়
- কাপ্তাই লেক
- ঝুলন্ত ব্রিজ
- যমচুক
- রাজবন বিহার ইত্যাদি

উৎস: রাঙামাটি জেলা ওয়েবসাইট।
৪,৮৬৪.
"সুনামি" শব্দটির উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে?
  1. চীনা
  2. জাপানি
  3. ল্যাটিন
  4. ইংরেজি
সঠিক উত্তর:
জাপানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপানি
ব্যাখ্যা

সুনামি (Tsunami):
- সুনামি (Tsunami) একটি জাপানি শব্দ।
- জাপানি ভাষায় এর অর্থ হলো 'পোতাশ্রয়ের ঢেউ'।
- সুনামি হলো পানির এক মারাত্মক ঢেউ যা সমুদ্রের মধ্যে বা বিশাল হ্রদে ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সৃষ্টি হয়ে থাকে
- পানির নিচে কোনো পারমাণবিক বা অন্য কোনো বিস্ফোরণ, ভূপাত ইত্যাদি কারণেও সুনামি হতে পারে।
- সুনামির ক্ষয়ক্ষতি সমুদ্র উপকূলীয় এলাকাগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকলেও এর আশেপাশে সুনামির ধ্বংসাত্মক লীলা সংঘটিত হয়।
- ২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে যে সুনামি সৃষ্টি হয় তা এই মহাসাগরের আশেপাশে ১৪টি দেশে আঘাত হানে এবং মারাত্মক একটি দুর্যোগ সৃষ্টি করে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৮৬৫.
সমুদ্রের যে অংশের মধ্যে জোয়ার-ভাঁটার সময় পানি উঠানামা করে তাকে বলা হয় -
  1. তটদেশীয় অঞ্চল
  2. ঝিনুক অঞ্চল
  3. মহীঢাল
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তটদেশীয় অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তটদেশীয় অঞ্চল
ব্যাখ্যা
মহীসোপান (Continental Shelf):
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের চারদিকে স্থলভাগের কিয়দংশ ক্রমশ সমুদ্রের পানির মধ্যে বিস্তৃত থাকে।
- এরূপ ক্রমনিম্ন স্বল্প গভীর নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বলে।

⇒ মহীসোপান অংশের পানির গভীরতা সাধারণত ২০০ মিটার পর্যন্তহয়ে থাকে।
- এটি এক ডিগ্রি কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
- মহীসোপান অঞ্চলটি সমুদ্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল।
- মহাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল নিমজ্জিত হওয়ার ফলে অথবা সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতার তারতম্য হওয়ার কারণে মহীসোপানের সৃষ্টি হয়।
- আবার অনেক সময় সমুদ্র তরঙ্গ ও ক্ষয়ক্রিয়া মহীসোপান গঠনে সহায়তা করে।
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা প্রায় ৭০ কিলোমিটার।
- এ অংশের বিস্তৃতি সর্বত্র সমান নয়।
- উপকূলভাগের বন্ধুরতার উপর এর বিস্তৃতি নির্ভর করে।
- মহীসোপানের সবচেয়ে উপরের অংশকে উপকূলীয় ঢাল বলে।

⇒ উপকূলীয় ঢালকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
ক. তটদেশীয় অঞ্চল এবং
খ. ঝিনুক অঞ্চল।

ক. তটদেশীয় অঞ্চল (Litoral Zone):
- মহীসোপানের যে অংশের মধ্যে জোয়ার-ভাঁটার সময় পানি উঠানামা করে তাকে তটদেশীয় অঞ্চল বলে।
- স্থল হতে সমুদ্র পর্যন্ত এ অঞ্চল প্রায় ৩.২ কিলোমিটার প্রশস্ত।
- পৃথিবীর তটদেশীয় অঞ্চলের আয়তন ১ লক্ষ ৫৫ হাজার বর্গকিলোমিটার।

খ. ঝিনুক অঞ্চল (Neritic Zone):
- তটদেশীয় অঞ্চলের পর হতে মহীসোপানের শেষ সীমা পর্যন্তঅংশকে ঝিনুক অঞ্চল বলে।
- এ অঞ্চলে সমুদ্র তরঙ্গ সবচেয়ে বেশি ক্রিয়াশীল।
- সমুদ্র তরঙ্গের ক্ষয় ও গঠন প্রক্রিয়া এখানে সুস্পষ্টভাবে বুঝা যায়।
- পৃথিবীতে ঝিনুক অঞ্চলের আয়তন প্রায় ২ কোটি ৫০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার। 

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র ,এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৬৬.
মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বনজ সম্পদ: 
- বনভূমি থেকে যে সকল সম্পদ পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- যে কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- কিন্তু বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ শতকরা প্রায় ১৭ ভাগ।
- মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
২. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৬৭.
আফ্রিকার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. নীলনদ
  2. মিসিসিপি
  3. আমাজান
  4. কঙ্গো
সঠিক উত্তর:
নীলনদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলনদ
ব্যাখ্যা
নীল নদ:
- পৃথিবীর ও আফ্রিকার দীর্ঘতম নদী নীল নদ।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস।

উল্লেখ্য,
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৮০০ কি.মি (৪,১৩৫ মাইল)।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এর সবচেয়ে দূরবর্তী উৎস বুরুন্ডির কাগেরা নদী।
- নীল নদ তিনটি প্রধান স্রোত দ্বারা গঠিত।
- নীল নীল এবং আতবারা যা ইথিওপিয়ার উচ্চভূমি থেকে প্রবাহিত হয় এবং সাদা নীল যার প্রধান স্রোত ভিক্টোরিয়া এবং আলবার্ট হ্রদে প্রবাহিত হয়।

অন্যদিকে।
- বিশ্বের ২য় বৃহত্তম নদী আমাজন নদী।
- বিশ্বের ৪র্থ বৃহত্তম নদী মিসিসিপি নদী।
- আফ্রিকার ২য় বৃহত্তম নদী কঙ্গো নদী।

উৎস: Worldatlas.
৪,৮৬৮.
নিচের কোনটি স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত?
  1. উত্তরের পাহাড়সমূহ
  2. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
  3. প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ 
  4. ক ও গ উভয়ই 
সঠিক উত্তর:
উত্তরের পাহাড়সমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরের পাহাড়সমূহ
ব্যাখ্যা
উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।
- এ পাহাড়গুলোর উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ১০ মিটার।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর মধ্যে চিকনাগুল, খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া প্রধান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৪,৮৬৯.
থর মরুভূমি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মঙ্গোলিয়া
  2. খ) চিলি
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) নামিবিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত
ব্যাখ্যা
- থর মরুভূমি : ভারত ও পাকিস্তান
- গোবি মরুভূমি : চীন ও মঙ্গোলিয়া
- মোজাবে মরুভূমি : যুক্তরাষ্ট্র
- সাহারা মরুভূমি : আফ্রিকা
- আতাকামা মরুভূমি : চিলি
- পাতাগোনিয়া মরুভূমি : চিলি, আর্জেন্টিনা
- কালাহারি মরুভূমি : নামিবিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
৪,৮৭০.
দেশের কোথায় পর্ণমোচী বৃক্ষের বনভূমির আধিক্য রয়েছে?
  1. রাঙামাটি
  2. খুলনা
  3. গাজীপুর
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
- পর্ণমোচী বন (Deciduous Forest) এক ধরনের বনাঞ্চল যেখানে শীতের শুরুতে বা শুষ্ক মৌসুমে অধিকাংশ গাছের পাতা ঝরে যায়।
- গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, টাঙ্গাইলের মধুপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত শালবন একটি পর্ণমোচী বা পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
- এই বনের প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারী।
(তথ্যসূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)
৪,৮৭১.
কর্ণফুলী নদীতে নির্মিত বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ৩.৪ কিমি
  2. খ) ৩.৫ কিমি
  3. গ) ৩.৬ কিমি
  4. ঘ) ৩.৮ কিমি
সঠিক উত্তর:
ক) ৩.৪ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩.৪ কিমি
ব্যাখ্যা

- চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে দেশের প্রথম সুরঙ্গপথ বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মিত হচ্ছে।
- এর দৈর্ঘ্য ৩.৪ কিলোমিটার।
- চট্টগ্রাম শহরের পতেঙ্গা ও আনোয়ারা উপজেলাকে সংযুক্ত করে এটি নির্মিত হচ্ছে।
- দীর্ঘ টানেলটি নির্মাণে মোট ব্যয় প্রায় দশ হাজার চারশ কোটি টাকা।
- এটি নির্মাণে চীনা সরকার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা করছে। চায়না কমিউনিকেন্স কনস্ট্রাকশন কোম্পানি এটি নির্মাণ করছে।
- ২০২২ সালে ডিসেম্বরে এটি যান চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়ার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র- সেতু কর্তৃপক্ষ ও প্রথম আলো।

৪,৮৭২.
লন্ডন শহর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. টেমস নদী
  2. রাইন নদী
  3. দানিয়ুব নদী
  4. মারে ডার্লিং নদী
সঠিক উত্তর:
টেমস নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেমস নদী
ব্যাখ্যা
→ লন্ডন শহর টেমস নদীর তীরে অবস্থিত।

• টেমস নদী:

- টেমস নদী, ইংল্যান্ডের দক্ষিণ অংশের প্রধান নদী।
- এটি কটসওয়াল্ড পাহাড় থেকে উৎপত্তি লাভ করে।
- এবং এর অববাহিকা প্রায় ৫,৫০০ বর্গমাইল।
- টেমস নদীর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২০৫ মাইল।
- নদীর সর্বশেষ প্রধান উপনদী মেডওয়ে নদী।

অপরদিকে, 
• রাইন নদী: 
- রাইন নদী ইউরোপের অন্যতম প্রধান ও ঐতিহাসিক নদী।
- এটি মূলত পশ্চিম ইউরোপে অবস্থিত।
- এবং একাধিক দেশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে উত্তরে উত্তর সাগরে পতিত হয়।

• মারে ডালিং নদী:
- মারে-ডার্লিং নদী অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘতম নদী ব্যবস্থার অংশ।

• দানিয়ুব নদী:
- দানিয়ুব নদী ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট (Schwarzwald) অঞ্চলে ব্রিগ ও ব্রেগ নামক দুটি ছোট নদীর মিলনে।

উৎস:  Britannica.
৪,৮৭৩.
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্যে নিচের কোনটি দায়ী নয়?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) মিথেন
  3. গ) নাইট্রাস অক্সাইড
  4. ঘ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
যেসব গ্যাস পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপ আটকে রেখে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে তাদের গ্রিনহাউজ গ্যাস বলা হয়।
- কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ফ্লোরোনেইটেড গ্যাসসমূহ প্রভৃতি প্রধান গ্রিনহাউজ গ্যাস হিসেবে বিবেচিত। এসব গ্যাসের মধ্যে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির কার্বন ডাই অক্সাইড প্রধানত দায়ী।
- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্যে দায়ী নয়।

(তথ্যসূত্র: মার্কিন পরিবেশ রক্ষা এজেন্সি)
৪,৮৭৪.
তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. লালমনিরহাট
  3. দিনাজপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প: 
- উত্তর জনপদের বৃহত্তর রংপুর, দিনাজপুর ও বগুড়া জেলার অনাবাদী জমিতে সেচ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে বাড়তি ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালীন সরকার তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
- মূল পরিকল্পনা গৃহীত হয় ১৯৫৩ খ্রিষ্টাব্দে।
- পরবর্তীতে ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে লালমনিরহাট ও নীলফামারী মহকুমার সীমান্তে তিস্তা নদীর উপর ৪৪টি রেডিয়াল গেট সম্বলিত ৬১৫ মিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট ব্যারেজটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে।
- বাইপাস ক্যানেলের উপর নির্মিত গেট সহ এ ব্যারেজের মোট গেট সংখ্যা ৫২টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৮৭৫.
নিরক্ষরেখার মান কত?
  1. ০°
  2. ৯০°
  3. ১২০°
  4. ১৮০°
সঠিক উত্তর:
০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০°
ব্যাখ্যা
নিরক্ষরেখা (Equator):
- পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুইটি গোলার্ধে বিভক্তকারী কাল্পনিক অক্ষরেখাটি নিরক্ষরেখা নামে অভিহিত।
- ভূ-গোলককে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টনকারী সর্বাপেক্ষা বৃহৎ অক্ষরেখা নিরক্ষরেখা।
- নিরক্ষরেখার মান হলো ০°।
- এই অক্ষরেখার অপর নামসমূহ হলো বিষুবরেখা (Equator) ও মহাবৃত্ত (Great Circle)।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবী আহ্নিক গতির বেগ সর্বাধিক।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
৪,৮৭৬.
নিচের কোনটি সমুদ্রস্রোতের কারণ?
  1. পৃথিবীর আবর্তন
  2. স্থলভাগের অবস্থান
  3. সমুদ্রের গভীরতা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

'সমুদ্রস্রোত:
- পানির উপরিভাগের সমতা রক্ষা করা পানির স্বাভাবিক ধৰ্ম । পানি স্বাভাবিক নিয়মে সমুদ্রপৃষ্ঠের উপরিভাগের পানির সমতা রক্ষার জন্য একস্থান হতে অন্যস্থানে নির্দিষ্ট ও নিয়মিতভাবে প্রবাহিত হয়। পানির এইরূপ প্রবাহকে সমুদ্রস্রোত বলে৷

→ সমুদ্রস্রোতের কারণসমূহ:
• বায়ুপ্রবাহ,
• পৃথিবীর আবর্তন,
• উষ্ণতার তারতম্য,
• লবণাক্ততার তারতম্য,
• স্থলভাগের অবস্থান,
• শৈলশিরার অবস্থান,
• অসম বাষ্পীভবন,
• সমুদ্রের গভীরতা।

তথ্যসূত্র - ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৭৭.
নিচের কোন দেশটির কোন সমুদ্রবন্দর নেই?
  1. ক) ডেনমার্ক
  2. খ) ইরাক
  3. গ) প্যারাগুয়ে
  4. ঘ) সেনেগাল
সঠিক উত্তর:
গ) প্যারাগুয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্যারাগুয়ে
ব্যাখ্যা
- উল্লিখিত দেশসমূহের মধ্যে প্যারাগুয়ের কোন সমুদ্রবন্দর নেই। দেশটি একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র।
অন্যদিকে,
- কোপেনহেগেন : ডেনমার্কের সমুদ্রবন্দর
- উম কাসর : ইরাকের প্রধান সমুদ্রন্দর
- ডাকার : সেনেগালের সমুদ্রবন্দর।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৪,৮৭৮.
ঢাকা থেকে পূর্বদিকে অবস্থিত একটি স্থানের সাথে দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°। ঢাকার সময় মধ্যাহ্ন ১২:০০ টা হলে ঐ স্থানটির স্থানীয় সময় হবে-
  1. সকাল ০৯:০০ টা
  2. বিকাল ০৩:০০ টা
  3. সন্ধ্যা ০৬:০০ টা
  4. রাত ০৯:০০ টা
সঠিক উত্তর:
বিকাল ০৩:০০ টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকাল ০৩:০০ টা
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- ৪৫° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের প্রার্থক্য হবে, ৪৫×৪ = ১৮০ মিনিট বা ৩ ঘণ্টা।
- যেহেতু পূর্বে গেলে সময় বাড়ে সেহেতু ঢাকার সময় মধ্যাহ্ন ১২:০০ টা হলে ঐ স্থানটির স্থানীয় সময় হবে বিকেল ৩টা।

আন্তর্জাতিক টাইম জোন:
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- কোন স্থান থেকে পশ্চিমে গেলে সময় কমবে আর পূর্বে গেলে সময় বাড়বে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৭৯.
কোনটি বাল্টিক রাষ্ট্র?
  1. লাটভিয়া
  2. লিথুয়ানিয়া
  3. এস্তোনিয়া
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাল্টিক রাষ্ট্র:
- বাল্টিক রাষ্ট্র বলতে ইউরোপের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল তথা বাল্টিক সাগরের পূর্ব তীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহকে বুঝায়।
- এই অঞ্চলে তিনটি দেশ রয়েছে।
- দেশগুলো হলো: এস্তোনিয়া, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়া।

এছাড়াও,
- বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহে আঞ্চলিক পর্যায়ে সহযোগিতার জন্য কিছু আন্তঃসরকার সংস্থা রয়েছে।

⇒ বাল্টিক সাগর:
- বাল্টিক সাগর ইউরোপের উত্তরাংশে অবস্থিত।
- এর চারদিকে স্ক্যান্ডিনেভীয় উপদ্বীপ, ইউরোপ মহাদেশের মূল ভূখণ্ড এবং ডেনমার্কের দ্বীপসমূহ অবস্থিত।
- পূর্বে এটি উত্তর মহাসাগরের সাথে যুক্ত।
- কৃত্রিম শ্বেত সাগর খালের মাধ্যমে এটি শ্বেত সাগরের সাথে যুক্ত।
- বাল্টিক সাগরের সাথে যেসব দেশের সরাসরি সীমানা রয়েছে: ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, পোল্যান্ড, রাশিয়া, সুইডেন।

উৎস: Britannica.
৪,৮৮০.
পৃথিবীর ০ ডিগ্রি অক্ষাংশকে বলা হয়-
  1. বিষুবরেখা
  2. নিরক্ষরেখা
  3. মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিষুবরেখা/ নিরক্ষরেখা/মহাবৃত্ত:
- পৃথিবীর দুই মেরু হতে সমান দূরত্বে (পৃথিবীর মাঝখানে) পূর্ব-পশ্চিমে পৃথিবীকে ঘিরে থাকা কল্পিত বৃত্তকে বলা হয় নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে।
- বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখাকে বলা হয় মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত। অর্থাৎ পৃথিবীর মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত এর মান ০°।
- আহ্নিক গতি নিরক্ষরেখায় সর্বাপেক্ষা বেশি। নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখার মান ০°। 
- তাহলে আমরা বলতে পারি যে, পৃথিবীর ০ ডিগ্রি অক্ষাংশকে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা এবং মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত বলা হয়।
- নিরক্ষরেখার সমান্তরালে উত্তরে ও দক্ষিণে কতকগুলো রেখা কল্পনা করা হয়। এই রেখাগুলোকে অক্ষরেখা বা সমাক্ষরেখা বলে।
- অক্ষরেখাসমূহের দূরত্ব সর্বত্র সমান। নিরক্ষেরেখা থেকে উত্তরে বা দক্ষিণে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বের মানকে ডিগ্রিতে প্রকাশ করলে তাকে অক্ষাংশ বলে। 
- নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখার মান ০°। নিরক্ষরেখা থেকে ৯০° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় সুমেরু এবং ৯০° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় কুমেরু।
- এছাড়া ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রামে- কর্কটক্রান্তি এবং ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশে বলা হয় মকরক্রান্তি।
- ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত এবং কুমেরু বৃত্ত।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস সর্বাপেক্ষা বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলে পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগও সর্বাপেক্ষা বেশি (ঘন্টা প্রতি ১৭০০ কি.মি. প্রায়)।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৮১.
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ কত?
  1. ৭৬ সে.মি.
  2. ৩০.৯২ ইঞ্চি
  3. ৭৬ মি.মি.
  4. ৭৬০ সে.মি
সঠিক উত্তর:
৭৬ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬ সে.মি.
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলীয় চাপ: 
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হল নির্দিষ্ট অঞ্চলের ওপরে থাকা সম্পূর্ণ বায়ুর স্তম্ভ দ্বারা প্রতি একক ক্ষেত্রফলের ওপর প্রয়োগ করা বল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপের জন্য পারদ বারোমিটার ব্যবহার করা হয়।
- এটি পারদের একটি স্তম্ভের উচ্চতা দেখায়, যা নির্দিষ্ট অঞ্চলের বায়ুস্তম্ভের ওজনের সমান ভারসাম্য বজায় রাখে।
-এছাড়াও অ্যানেরয়েড ব্যারোমিটার ব্যবহার করা হয়।
- এতে একটি ফাঁপা ধাতব চাকতি থাকে, যা বায়ুর চাপের পরিবর্তনের সাথে সংকুচিত বা প্রসারিত হয় এবং একটি কলম ও ঘড়ি-চালিত ড্রামের সাহায্যে রেকর্ড করা হয়।

সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ:
- ৭৬০ মি.মি. বা ৭৬ সে.মি. (২৯.৯২ ইঞ্চি) পারদ
- ১৪.৭০ psi
- ১,০১৩.২৫ × ১০³ ডাইন/বর্গ সেন্টিমিটার
- ১,০১৩.২৫ মিলিবার
- ১ atm
- ১০১.৩২৫ কিলোপ্যাস্কেল

উৎস: Britannica.

৪,৮৮২.
নিচের কোনটি 'গ্রেট ইন্ডিয়ান মরুভূমি' নামে পরিচিত?
  1. ক) গোবি মরুভূমি
  2. খ) পাতাগোনিয়া মরুভূমি
  3. গ) আতাকামা মরুভূমি
  4. ঘ) থর মরুভূমি
সঠিক উত্তর:
ঘ) থর মরুভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) থর মরুভূমি
ব্যাখ্যা
- থর মরুভূমি ভারতীয় উপমহাদেশে অবস্থিত। 
- একে 'গ্রেট ইন্ডিয়ান মরুভূমি' বলা হয়ে থাকে। 
- এটি ভারতের উত্তর পশ্চিমাংশে রাজস্থান রাজ্যে এবং পাকিস্তানের পূর্বাংশে পাঞ্জাব ও সিন্ধু প্রদেশে অবস্থিত। 
 
- গোবি মরুভূমি : চীন ও মঙ্গোলিয়া
- আতাকামা মরুভূমি : চিলি
- পাতাগোনিয়া মরুভূমি : চিলি, আর্জেন্টিনা 
 
উৎস: ব্রিটানিকা
৪,৮৮৩.
নিচের কোন জেলায় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র আছে?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) রাঙামাটি
  3. গ) বান্দরবান
  4. ঘ) চাঁদপুর
সঠিক উত্তর:
খ) রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই-এ দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত। এটি ১৯৬২ সালে চালু হয়।
১৯৫৬ থেকে ১৯৬১ সালে কাপ্তাই খালে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে তৈরি জলাধারের পানি প্রবাহের মাধ্যমে এই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। এই কেন্দ্রের বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৪,৮৮৪.
মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতম বিন্দু কোনটি?
  1. Horizon Deep
  2. Tonga Deep
  3. Challenger Deep
  4. Mariana Deep
সঠিক উত্তর:
Challenger Deep
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Challenger Deep
ব্যাখ্যা

প্রশান্ত মহাসাগর:
- প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর বৃহত্তম, গভীরতম ও প্রশস্ততম মহাসাগর, যার আয়তন প্রায় ৬৩ মিলিয়ন বর্গমাইল এবং
- আকৃতিতে এটি বৃহদাকার ত্রিভুজ এর মতো দেখতে।
- এ মহাসাগরটি এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত।
- প্রশান্ত মহাসাগরের গড় গভীরতা ( সংলগ্ন সমুদ্র ব্যতীত) ১৪,০৪০ ফুট (৪,২৮০ মিটার)।
- উত্তর গোলার্ধে প্রশান্ত মহাসাগর বেরিং সাগরের মাধ্যমে আর্কটিক মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত হয়।
- অপরদিকে, দক্ষিণ গোলার্ধে প্রশান্ত মহাসাগর আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে একটি তুলনামূলকভাবে সংকীর্ণ অঞ্চলে মিলিত হয়।

- প্রশান্ত মহাসাগরের তথা পৃথিবীর গভীরতম স্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্চ, যার গভীরতা প্রায় ১১,০৩৪ মিটার।
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতম বিন্দু হচ্ছে Challenger Deep.
- পাশাপাশি এই মহাসাগরেই অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম প্রবালপ্রাচীর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ।
- এটি অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্ব উপকূল জুড়ে অবস্থিত।  

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৪,৮৮৫.
ভারতীয় কোন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কোন সীমান্ত নেই?
  1. মিজোরাম
  2. পশ্চিমবঙ্গ
  3. ত্রিপুরা
  4. নাগাল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
নাগাল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগাল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমান্ত:
- নাগাল্যান্ড সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।

- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের ৫ টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে।
- এগুলো হলো: পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মেঘালয়।
- উল্লেখ্য ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলো হলো আসাম, মিজোরাম, মণিপুর, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, অরুনাচল ও ত্রিপুরা।
- মণিপুর, নাগাল্যান্ড ও অরুনাচল এর সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৮৮৬.
ই-৮ পৃথিবীর কোন ধরনের ৮ টি দেশকে নির্দেশ করে ?
  1. সবচেয়ে দরিদ্র ৮ টি দেশ
  2. সবচেয়ে শিল্পোন্নত ৮ টি দেশ
  3. সবচেয়ে উন্নত ৮ টি দেশ
  4. সবচেয়ে পরিবেশ দূষণকারী ৮ টি দেশ
সঠিক উত্তর:
সবচেয়ে পরিবেশ দূষণকারী ৮ টি দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবচেয়ে পরিবেশ দূষণকারী ৮ টি দেশ
ব্যাখ্যা
- 'ই - ৮' হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে পরিবেশ দূষণকারী আটটি দেশ। এক্ষেত্রে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের নাম সর্বাগ্রে। 
- অন্যদিকে-
'ডি - ৮' উন্নয়নশীল ৮টি দেশের জোট।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা
৪,৮৮৭.
কোন খালটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে? 
  1. কিয়েল খাল
  2. পানামা খাল
  3. গ্র্যান্ড খাল
  4. সুয়েজ খাল
সঠিক উত্তর:
সুয়েজ খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুয়েজ খাল
ব্যাখ্যা

সুয়েজ খাল :
- পৃথিবীর দীর্ঘতম কৃত্রিম খাল হলো সুয়েজ খাল।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ফরাসি প্রকৌশলী ফার্দিনান্দ দে লেসেপ্স।
- সুয়েজ খালের খনন কাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে।
- এটি চালু হয় ১৮৬৯ সালে।
- এই খাল লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে।
- ১৯৫৬ সালে মিশর সুয়েজ খালকে জাতীয়করণ করে। 
- মিশরের এই জাতীয়করণের ফলেই দ্বিতীয় আরব–ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়। 

উৎস : Britannica.

৪,৮৮৮.
ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যের মধ্যে কোনগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই?
  1. মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরাম
  2. পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মিজোরাম
  3. মণিপুর, নাগাল্যান্ড, অরুনাচল
  4. আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
মণিপুর, নাগাল্যান্ড, অরুনাচল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুর, নাগাল্যান্ড, অরুনাচল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমান্ত: 
- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের ৫ টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে।
- এগুলো হলো: পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মেঘালয়।
- উল্লেখ্য ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলো হলো – আসাম, মিজোরাম, মণিপুর, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, অরুনাচল ও ত্রিপুরা।
- এদের মধ্যে ৪টির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে: আসাম, মিজোরাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরা।
- মণিপুর, নাগাল্যান্ড ও অরুনাচল এর সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই। 
- বাংলাদেশের সর্বমোট সীমারেখা ৪৭১১ কি.মি।
- বাংলাদেশ-ভারতের সীমারেখা ৩৭১৫ কি.মি বা বিজিবি’র তথ্য মতে, ৪১৫৬ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমারের সীমারেখা ২৮০ কি.মি. বা বিজিবি’র তথ্য মতে, ২৭১ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩২ টি: ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি জেলার (রাঙামাটি, বান্দরবন ও কক্সবাজার) সীমান্ত রয়েছে।

এছাড়া,
- রাঙামাটি জেলায় বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্তরেখা পরস্পরকে স্পর্শ করেছে।
- অর্থাৎ এটি তিনদেশের সীমান্ত যুক্ত হওয়া একটি সাধারণ জেলা।
- ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম উভয় রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী সাধারণ জেলাও রাঙামাটি।
- বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের সাথে কোন দেশের সীমান্ত সংযোগ নেই।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৮৮৯.
ঘূর্ণিঝড় 'সিত্রাং' নামকরণ করে -
  1. ক) ভারত
  2. খ) মালয়েশিয়া
  3. গ) ইন্দোনেশিয়া
  4. ঘ) থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) থাইল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
সিত্রাং: 
- ২৪ অক্টোবর ২০২২ ঘুর্ণিঝড় সিত্রাং বাংলাদেশের উপকূলবর্তী বরিশাল, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে আঘাত হানে।
- ‘সিত্রাং’ নামকরণ করে থাইল্যান্ড
- ভিয়েতনামি ভাষায় যার অর্থ ‘পাতা’।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার নভেম্বর ২০২২।
৪,৮৯০.
বিশ্বের সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি 'ওজোস দেল সালাদো' কোন দুটি দেশের সীমান্তে অবস্থিত?
  1. চিলি-আর্জেন্টিনা
  2. পেরু-বলিভিয়া 
  3. ইকুয়েডর-কলম্বিয়া
  4. ভেনেজুয়েলা-ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
চিলি-আর্জেন্টিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিলি-আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা

ওজোস দেল সালাদো: 
- ওজোস দেল সালাদো হলো বিশ্বের সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি।
- এটি আর্জেন্টিনা-চিলি সীমান্তে আন্দিজ পর্বতমালায় অবস্থিত। 
- এর উচ্চতা ৬,৮৯৩ মিটার। 
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত এবং আতাকামা মরুভূমির পূর্বে অবস্থিত একটি স্ট্র্যাটো-আগ্নেয়গিরি। 
- উল্লেখযোগ্যভাবে, ওজোস দেল সালাদোতে বিশ্বের সর্বোচ্চ হ্রদ রয়েছে, যা ৬,৩৯০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- এটি হিমালয়ের বাইরে বিশ্বের সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি এবং সাতটি মহাদেশের সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি বা 'ভলক্যানিক সেভেন সামিট'-এর অংশ। 

উৎস: World Atlas.

৪,৮৯১.
একটি পুকুরের বাস্তুসংস্থানের তৃতীয় শ্রেণির খাদক কোনটি?
  1. ব্যাঙ
  2. গাংচিল
  3. কচ্ছপ
  4. ভাসমান ক্ষুদ্র পোকা
সঠিক উত্তর:
গাংচিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাংচিল
ব্যাখ্যা
• গাংচিল হলো পুকুরের বাস্তুসংস্থানের তৃতীয় শ্রেণির খাদক।

• বাস্তুসংস্থান:

- পরিবেশের সাথে জীবের যে পারস্পরিক ক্রিয়া তার একটি শৃঙ্খলা রয়েছে যাকে বাস্তুসংস্থান বলা হয়।
- বাস্তুসংস্থানকে ইংরেজিতে Ecology বলা হয়। এর উৎপত্তি গ্রিক শব্দ Oikos যার অর্থ ঘর বা বসতি স্থান এবং Logos হচ্ছে বিজ্ঞান বা অধ্যয়ন।
সুতরাং বাস্তুসংস্থান শব্দটির আভিধানিক অর্থ পৃথিবী বাসগৃহের তত্ত্বাবধায়ক বিজ্ঞান। তবে বাস্তুসংস্থান শব্দটি ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- বৃহৎ অর্থে বাস্তুসংস্থান হলো পৃথিবীতে বসবাসকারী জীবগোষ্ঠির সাথে পরিবেশের সম্পর্ক অর্থাৎ জীবের সাথে পরিবেশের পারস্পরিক ক্রিয়া সম্পর্কিত বিজ্ঞানই হলো বাস্তুসংস্থান।
যেমন- জলজ বাস্তুসংস্থান, স্থলজ বাস্তুসংস্থান, বনজ বাস্তুসংস্থান ইত্যাদি।
- প্রত্যেকটি বাস্তুসংস্থান আলাদা এবং পরিপূর্ণভাবে শৃঙ্খলের মধ্যে টিকে আছে। আর প্রত্যেকটি শৃঙ্খলের উপর মানুষ নির্ভরশীল।
- পরিবেশের এই শৃঙ্খলা যখন স্বাভাবিক নিয়মে বিরাজমান এবং চলমান থাকে তখন তাকে পরিবেশের ভারসাম্য অবস্থা বলে।
- একটি পুকুরে বসবাসকারী জীব সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রধান হচ্ছে ভাসমান ও সঞ্চারমান ক্ষুদ্র জীব অর্থাৎ প্লাঙ্কটন। এছাড়া রয়েছে সবুজ শেওলা ও ক্ষুদ্র জলজ প্রাণি। - আর জড় উপাদানের মধ্যে রয়েছে পানি, মাটি ও সৌরশক্তি ইত্যাদি।
- পুকুরের বাস্তুসংস্থানের উৎপাদক হচ্ছে সাধারণ ভাসমান ও অগভীর পানির বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ। যেমন- কচুরিপানা, শাপলা, হাইড্রিলা ইত্যাদি।
- একটি পুকুরের প্রথম শ্রেণির খাদক হলো বিভিন্ন প্রকার ভাসমান ক্ষুদ্র পোকা, মশার শুককীট প্রভৃতি।
- দ্বিতীয় শ্রেণির খাদক হলো খামারি আকৃতির মাছ, ব্যাঙ, কচ্ছপ ইত্যাদি।
- আর তৃতীয় শ্রেণির খাদকের মধ্যে রয়েছে বড় মাছ, বক, গাংচিল প্রভৃতি।
- মৃত্যুর পর একই নিয়মে জীবাণু, মৃতজীবি ছত্রাক, কাঁদায় বসবাসকারী পোকা বিয়োজকের কাজ করে।
- বিয়োজিত অজৈব লবণ পুকুরের উৎপাদক সম্প্রদায় খাদ্য উপাদান হিসেবে গ্রহণ করে। এভাবে পুকুরের প্রত্যেকটি উপাদান স্বাভাবিক নিয়মে নিজ নিজ কার্যাদি সম্পন্ন করে থাকে।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, একটি পুকুরের বাস্তুসংস্থান তার সুশৃঙ্খল ধারা বজায় রেখে ভারসাম্য বজায় রাখছে।
- কোনো কারণে এই শৃঙ্খলার ব্যত্যয় ঘটলে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। পুকুরের বাস্তুসংস্থানের অন্তর্গত কোনো একটি শ্রেণি নষ্ট বা ধ্বংস হলে শৃঙ্খলা ভেঙ্গে যাবে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৯২.
বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কত?
  1. ৪,৫৯৬ টি
  2. ৪,৬৬০ টি
  3. ৪,৩০২ টি
  4. ৪,৩২১ টি
সঠিক উত্তর:
৪,৫৯৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪,৫৯৬ টি
ব্যাখ্যা
• বায়ুর উপাদানের শতকরা হার শতকরা:
- নাইট্রোজেন (N₂) = ৭৮.০২%।
- অক্সিজেন (O2)= ২০.৭১%।
-  আর্গন (A₂) = ০.৮০%।
- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂) = ০.০৩%।
- অন্যান্য গ্যাসমূহ (ওজোন, মিথেন, জেনন, নাইট্রাস অক্সাইড, নিয়ন, হিলিয়াম) = ০.০২%।
- জলীয়বাষ্প = ০.৪১%।
- ধূলিকণা ও কণিকা= ০.০১%।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, বাংলাদেম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৯৩.
পৃথিবীর দক্ষিণতম শহর 'উশুইয়া' কোন দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ
  2. তাসমানিয়া দ্বীপ
  3. তিয়েরা দেল ফুয়েগো দ্বীপ
  4. সাউথ আইল্যান্ড 
সঠিক উত্তর:
তিয়েরা দেল ফুয়েগো দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিয়েরা দেল ফুয়েগো দ্বীপ
ব্যাখ্যা

-পৃথিবীর দক্ষিণতম শহর 'উশুয়ায়া' (Ushuaia), তিয়েরা দেল ফুয়েগো দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত।

দ্বীপপুঞ্জ:

- তিয়েরা দেল ফুয়েগো: পৃথিবীর শেষ প্রান্তের দ্বীপ।
- তিয়েরা দেল ফুয়েগো হলো দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণতম প্রান্তে অবস্থিত একটি বিশাল দ্বীপপুঞ্জ,
- যা ম্যাগেলান প্রণালী দ্বারা মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন।

• ভৌগোলিক অবস্থান ও রাজনৈতিক বিভাজন: 
- অবস্থান: এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরের মিলনস্থলে অবস্থিত।
- এর দক্ষিণে বিখ্যাত 'কেপ হর্ন' (Cape Horn) অবস্থিত।
- বিভাজন: এই দ্বীপপুঞ্জটি দুটি দেশের মধ্যে বিভক্ত:

- চিলি: পশ্চিম অংশ এবং দক্ষিণ দিকের দ্বীপগুলো চিলির অন্তর্ভুক্ত।
- আর্জেন্টিনা: পূর্ব অংশটি আর্জেন্টিনার একটি প্রদেশ।
- প্রধান দ্বীপ: এর সবচেয়ে বড় দ্বীপটির নাম হলো 'ইসলা গ্রান্দে দে তিয়েরা দেল ফুয়েগো'।

গুরুত্বপূর্ণ শহর ও স্থান
- উশুয়াইয়া (Ushuaia): এটি আর্জেন্টিনার অন্তর্ভুক্ত একটি শহর, যাকে 'পৃথিবীর দক্ষিণতম শহর' বলা হয়।
- এখান থেকেই অ্যান্টার্কটিকা অভিযানের জাহাজগুলো রওনা দেয়।
- পুন্তা এরেনাস (Punta Arenas): এটি চিলির অংশে অবস্থিত এই অঞ্চলের অন্যতম বড় ও গুরুত্বপূর্ণ শহর।

উৎস: - Worldatlas.com

৪,৮৯৪.
বঙ্গোপসাগরে ইলিশের নতুন প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে কত বর্গ কিমি এলাকা?
  1. ক) ৭,০০০ বর্গ কিমি
  2. খ) ১০,০৬০ বর্গ কিমি
  3. গ) ৯,০০০ বর্গ কিমি
  4. ঘ) ৮,৯০০ বর্গ কিমি
সঠিক উত্তর:
ক) ৭,০০০ বর্গ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭,০০০ বর্গ কিমি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ইলিশ সমাদৃত। পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের অধিক ইলিশ উৎপাদনকারী বাংলাদেশ ইলিশের দেশ হিসেবে পরিচিত। 
ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে সরকার নিম্নবর্ণিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে:
- Hilsha Fisheries Management Action Plan প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন
- বঙ্গোপসাগরের ৭,০০০ বর্গ কিমি ইলিশের প্রধান প্রজনন এলাকা চিহ্নিতকরণ
- পদ্মা, মেঘনার ঊর্ধ্বাঞ্চল ও নিম্ন অববাহিকায়, কালাবদর, আন্ধারমানিক ও তেঁতুলিয়াসহ অন্যান্য উপকূলীয় নদীতে মোট ৬টি ইলিশ অভয়াশ্রম স্থাপন ও অংশীদারিত্বমূলক ব্যবস্থাপনা জোরদারকরণ 
- নিঝুম দ্বীপ সংলগ্ন ৩,১৮৮ বর্গ কিমি এলাকা মেরিন রিজার্ভ ঘোষণা
- ইলিশের সর্বোচ্চ প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণের ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ
- জাটকা সংরক্ষনের নিমিত্ত জাটকা আহরণের ওপর ৮ মাস (নভেম্বর-জুন) নিষেধাজ্ঞা আরোপ
- বঙ্গোপসাগরে সব ধরনের মাছ আহরণের ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ ভিজিএফ (Vulnerable Group Feeding) এবং
- বিকল্প কর্মসংস্থানের (Alternative Income Generation) মাধ্যমে ইলিশ জেলেদের জীবিকায়নের ব্যবস্থা করা।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৪,৮৯৫.
‘Parrot of India’ বা 'তোতা-ই-হিন্দ' বলা হয় কাকে?
  1. ক) তানসেনকে
  2. খ) আমীর খসরুকে
  3. গ) আবুল ফজলকে
  4. ঘ) গালিবকে
সঠিক উত্তর:
খ) আমীর খসরুকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আমীর খসরুকে
ব্যাখ্যা

১) তানসেনকে সঙ্গীত সম্রাট বলা হয়। তার একমাত্র উপাধি ছিল "মিয়া", মানে হল জ্ঞানী ব্যাক্তি।
২) আমীর খস্রু কে বলা হয় "Parrot of India" তোতা-ই-হিন্দ।
৩) বিখ্যাত নেত্রী সরোজিনী নাইডু, তিনি বিশিষ্ট কবিও ছিলেন। তাঁর রচিত কবিতা সংগ্রহ The Golden Threshold ১৯০৫ সালে প্রকাশিত হওয়ার পর তিনি সাধারণ্যে ‘বুলবুলে হিন্দ’ খেতাবে বিভূষিত হন।
১৯০৮ সালে হায়দ্রাবাদে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ তৎপরতার জন্য ব্রিটিশ সরকার তাঁকে কায়সার-ই-হিন্দ স্বর্ণপদক প্রদান করে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা।

৪,৮৯৬.
নিচের কোন দেশটি পারস্য উপসাগর তীরবর্তী নয়?
  1. সিরিয়া
  2. ইরান
  3. বাহরাইন
  4. ইরাক
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া
ব্যাখ্যা
পারস্য উপসাগর: 
- পারস্য উপসাগর তীরবর্তী দেশ নয় সিরিয়া। 

- পারস্য উপসাগরের আটটি উপকূলীয় দেশ হলো:
- বাহরাইন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত।

উল্লেখ্য,
- পারস্য উপসাগরকে কখনও কখনও আরব উপসাগর বা ইরান উপসাগর নামেও ডাকা হয়।
- এটি আনুমানিক ২,৫১০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এবং এর সর্বোচ্চ গভীরতা ৯০ মিটার, আর গড় গভীরতা ৫০ মিটার।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৪,৮৯৭.
বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্র -
  1. ক) পুণ্ড্রনগর
  2. খ) ময়নামতি
  3. গ) সোনারগাঁও
  4. ঘ) পাহাড়পুর
সঠিক উত্তর:
ক) পুণ্ড্রনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পুণ্ড্রনগর
ব্যাখ্যা

পুন্ড্রনগর বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্র।
এর প্রাচীনত্ব খ্রিস্টপূর্ব চার শতকের বলে ধরে নেওয়া হয়। পুন্ড্রনগরের (গুপ্ত ও গুপ্ত-পরবর্তী যুগে ‘পুন্ড্রবর্ধনপুর নামে উল্লিখিত) ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করা হয়েছে বগুড়া জেলার মহাস্থান-এ আবিষ্কৃত ধ্বংসাবশেষের সঙ্গে।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া

৪,৮৯৮.
কোন সাগরের তীরে ওডেসা বন্দর অবস্থিত?
  1. ক) মর্মর সাগর
  2. খ) কৃষ্ণ সাগর
  3. গ) এজিয়ান সাগর
  4. ঘ) লোহিত সাগর
সঠিক উত্তর:
খ) কৃষ্ণ সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কৃষ্ণ সাগর
ব্যাখ্যা
- ওডেসা হলো ইউক্রেনের একটি বন্দরনগরী, যা রাজধানী কিয়েভ থেকে প্রায় ৪৪৩ কিমি দক্ষিণে কৃষ্ণ সাগরের তীরে অবস্থিত।।
- মারিওপোল ইউক্রেনের আরেকটি বন্দর নগরী যা আজভ সাগরের তীরে অবস্থিত।
- রাশিয়া ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ইউক্রেনের ন্যাটোতে যোগদান কে কেন্দ্র করে ইউক্রেনে আক্রমণ করে। 

সূত্র: worldatlas.com & history.com
৪,৮৯৯.
বাংলাদেশের মিঠাপানির একমাত্র জলাবন কোনটি?
  1. সুন্দরবন
  2. টাঙ্গুয়ার হাওর
  3. রাতারগুল জলাবন
  4. হাকালুকি হাওর
সঠিক উত্তর:
রাতারগুল জলাবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাতারগুল জলাবন
ব্যাখ্যা

• রাতারগুল জলাবন: 
- রাতারগুল জলাবন বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন।
- যা সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত। 
- বনের আয়তন ৩,৩২৫.৬১ একর,
- আর এর মধ্যে ৫০৪ একর বনকে ১৯৭৩ সালে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- সারা পৃথিবীতে স্বাদুপানির জলাবন আছে মাত্র ২২টি।
- ভারতীয় উপমহাদেশে আছে দুটি।
- একটি শ্রীলংকায়, আরেকটি বাংলাদেশের রাতারগুল।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।  

৪,৯০০.
ইক্ষু উৎপাদনের জন্য কত সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন?
  1. ১১০ সেন্টিমিটার
  2. ১৫০ সেন্টিমিটার
  3. ১৩০ সেন্টিমিটার
  4. ১২০ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
১৫০ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

ইক্ষু (Sugarcane): 
- চিনি ও গুড় উৎপাদনের জন্য ইক্ষু বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ফসল।
- ইক্ষু চাষের জন্য সমতলভূমি প্রয়োজন। রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, পাবনা, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, ঢাকা, যশোর ও ময়মনসিংহ ইক্ষু চাষের প্রধান অঞ্চল।
- ইক্ষু উৎপাদনের জন্য ১৯০ থেকে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং কমপক্ষে ১৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন।
- বেলে দোআঁশ ও কর্দমময় দোআঁশ মাটিতে ইক্ষু চাষ ভালো হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।