বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৩১ / ৭২ · ৩,০০১৩,১০০ / ৭,১৯১

৩,০০১.
নদীর মোহনাতে প্রচুর পরিমাণে পলি সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমির সৃষ্টি হয় তাকে কী ধরনের সমভূমি বলা হয়?
  1. হিমবাহ
  2. ব-দ্বীপ
  3. উপকূলীয়
  4. সামুদ্রিক
সঠিক উত্তর:
ব-দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব-দ্বীপ
ব্যাখ্যা
নদীর মোহনাতে প্রচুর পরিমাণে পলি সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমির সৃষ্টি হয় তাকে ব-দ্বীপ সমভূমি বলা হয়।

• ব-দ্বীপ:
- নদীর গতিপথের সর্বশেষ পর্যায়ে অর্থাৎ সমুদ্রে পতিত হওয়ার পূর্বে নদীর গতি সর্বাধিক মন্থর থাকে এবং পানিতে পলির পরিমাণ থাকে সর্বাধিক। ফলে নদীর মোহনাতে প্রচুর পরিমাণে পলি সঞ্চিত হয়।
- এ পলি সঞ্চিত হতে হতে বাংলা মাত্রাহীন ‘ব’ এর মতো যে সমভূমির সৃষ্টি হয় তাকে ব-দ্বীপ বলে।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, পাকিস্তানের সিন্ধু, মিশরের নীল, ব্রহ্মদেশের ইরাবতী, চীনের ইয়াংসি, হোয়াংহো, উত্তর আমেরিকার মিসিসিপি, ইতালির পো প্রভৃতি নদীর মোহনায় বিস্তীর্ণ ব-দ্বীপ গঠিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০০২.
নিচের কোনটি আমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশ বেষ্টিত?
  1. চীন সাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক মহাসাগর:
- আটলান্টিক মহাসাগর পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম মহাসাগর।
- পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জুড়ে এটি অবস্থিত।
- আয়তনের দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান দ্বিতীয় এবং গভীরতার দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান তৃতীয়।
- এর আয়তন ৮,৫১,৩৩,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- অবস্থান: আমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকা।
- আটলান্টিক মহাসাগর পূর্বে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশে পৌঁছে উত্তর আমেরিকা এবং পশ্চিমে দক্ষিণ আমেরিকা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি উত্তরে আর্কটিক মহাসাগর থেকে দক্ষিণে অ্যান্টার্কটিকার কাছে দক্ষিণ মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
৩,০০৩.
মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশ নয় কোনটি?
  1. পালাউ
  2. নাউরু
  3. কিরিবাতি
  4. ভানুয়াতু
সঠিক উত্তর:
ভানুয়াতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভানুয়াতু
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু
- পালাউ
- কিরিবাতি
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
- মারিয়ানা।

• মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
- ফিজি
- ভানুয়াতু
- পাপুয়া নিউগিনি।

• পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু
- সামোয়াত

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
৩,০০৪.
দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুর অঞ্চল নিয়ে গঠিত -
  1. ক) পলল গঠিত সমভূমি
  2. খ) বরেন্দ্রভূমি
  3. গ) চলনবিল
  4. ঘ) পাহাড়পুর
সঠিক উত্তর:
খ) বরেন্দ্রভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বরেন্দ্রভূমি
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- ভূ-তাত্তিক সময়পঞ্জি অনুযায়ী আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বে এ সোপান অঞ্চল গঠিত হয়েছে বলে ভূ-বিজ্ঞানীরা মনে করেন।
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের সুবিশাল বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই উচ্চভূমি নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।
এ অঞ্চলের আয়তন ১৩,৪২৭ বর্গকিলোমিটার। মাটির রং লাল ও ধূসর।
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপান এলাকাকে আলোচনার সুবিধার্থে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা: ক) বরেন্দ্রভূমি, খ) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং গ) লালমাই পাহাড়।

বরেন্দ্রভূমি:
- দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুর অঞ্চল নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত
- এর আয়তন ৯,২৮৮ বর্গকিলোমিটার বা ৩৬,০০ বর্গমাইল।
- বরেন্দ্রভূমি প্লাবন সমভূমি থেকে প্রায় ৬ থেকে ১২ মিটার উঁচু।
- সমগ্র বরেন্দ্র অঞ্চলটি পুনর্ভবা, আত্রাই ও যমুনা নদী দ্বারা চারটি অংশে বিভক্ত। মাটির রং লালচে হলুদ।
- বরেন্দ্রভূমির ছোট বিনুনী আকৃতির নদীগুলো খাড়ি নামে পরিচিত। 

মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলায় মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় অবস্থিত।
- এ অঞ্চলের মোট আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত এ অঞ্চলের উত্তরাংশকে বলা হয় মধুপুর গড় এবং গাজীপুর জেলায় অবস্থিত এ অঞ্চলের দক্ষিণাংশকে বলা হয় ভাওয়ালের গড়।
- এ গড়ের পূর্ব ও দক্ষিণাংশের উচ্চতা প্রায় ৬ মিটার কিন্তু পশ্চিম ও উত্তর দিকের উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- এই এলাকার মাটির রং সাধারণত লাল ও কঙ্করময়।
- মধুপুর গড়কে আবার ‘নদী সোপান’ বা উত্থিত ব-দ্বীপও বলা হয়।
- এ এলাকার মধ্য দিয়ে বংশী, শীতলক্ষ্যা, বানার, বালু, সুতিয়া, তুরাগ, লৌহজং প্রভৃতি নদী প্রবাহিত হয়েছে। 

লালমাই পাহাড়:
- কুমিল্লা জেলা শহর থেকে ৮ কি.মি পশ্চিমে লালমাই পাহাড় অবস্থিত।
- এ এলাকার আয়তন ৩৪ বর্গকিলোমিটাার (১৩ বর্গমাইল)।
- গড় উচ্চতা ২১ মিটার তবে কোনো কোনো স্থানে ৪৫ মিটার পর্যন্ত লক্ষ্য করা যায়।
- লালমাই এলাকার ভূমিরূপ কোনো পর্বতশ্রেণির অংশ নয়। এটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ হর্স্ট শ্রেণিভুক্ত।
এ অঞ্চলের মাটির রং লাল। পাহাড়গুলো লাল মাটি, নুড়ি, বালি ইত্যাদি দ্বারা গঠিত।


তথ্যসূত্র: ভূগোল (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০০৫.
কোন ধরনের শিলায় স্তর নেই?
  1. পাললিক শিলায়
  2. রূপান্তরিত শিলায়
  3. বিচূর্ণীত শিলায়
  4. আগ্নেয় শিলায়
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলায়
ব্যাখ্যা
• আগ্নেয় শিলা (Igneous Rocks):
- পৃথিবী জ্বলন্ত অবস্থা থেকে শীতল হবার সময়ে অর্ধগলিত বিভিন্ন খনিজ অত্যন্ত দ্রুত শীতল ও কঠিনাকার ধারণ করে। এইরূপে সৃষ্ট কঠিন পদার্থগুলো আগ্নেয়শিলা নামে অভিহিত।

- আবার ভূমিকম্পের বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত অর্ধগলিত ম্যাগমা ভূ-পৃষ্ঠে বেরিয়ে আসে। ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে এলে, তাকে লাভা বলে।
- লাভা শীতল হয়ে জমাট বেঁধে আগ্নেয়শিলার সৃষ্টি হয়।
- পৃথিবী সৃষ্টির আদিতে এই শিলার সৃষ্টি হওয়ায় একে প্রাথমিক শিলা বা আদি শিলা (Primary Rock) বলা হয়। যেমন- ব্যাসল্ট,
গ্রানাইট ইত্যাদি।

• আগ্নেয় শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। আগ্নেয় শিলার স্তর নেই অর্থাৎ অস্তরীভূত শিলা;
২। আগ্নেয় শিলায় কোনো জীবাশ্ম নেই;
৩। আগ্নেয় শিলা অপ্রবেশ্য;
৪। আগ্নেয় শিলা সুদৃঢ় ও সুসংহত। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০০৬.
ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল?
  1. ক) ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত
  2. খ) ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে
  3. গ) বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয়
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
স্থান অনুসারে ঘূর্ণিঝড়ের বিভিন্ন নামকরণ হয়। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত। এর কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে। বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয়। উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই
৩,০০৭.
'বাতাসের শহর' বলা হয় কোনটিকে?
  1. শিকাগো
  2. বাকু
  3. সিডনি
  4. বার্লিন
সঠিক উত্তর:
শিকাগো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিকাগো
ব্যাখ্যা
শিকাগো:
- শিকাগো সিটি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- ১৮৩৭ সালে শিকাগোকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি শহর করা হয়েছিল।
- মিশিগান হ্রদের তীরে এর অবস্থান।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম শহর।
- শিকাগো শহরটিকে 'বাতাসের শহর' বলা হয়।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com & Britannica.com
৩,০০৮.
বাংলাদেশের কোন সংস্থা ভূ-উপগ্রহ চিত্র ও রাডার চিত্রের সাহায্যে উপাত্ত সংগ্রহ করে?
  1. সিপিপি
  2. রেড ক্রিসেন্ট
  3. স্পারসো
  4. প্রশিকা 
সঠিক উত্তর:
স্পারসো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পারসো
ব্যাখ্যা
• প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনার কতিপয় পন্থা:
- বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পারসো-এর মাধ্যমে ভূ-উপগ্রহের চিত্র ও রাডার চিত্রের সাহায্যে উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে পূর্বাভাস ও আগাম সতর্কীকরণের ব্যবস্থার উন্নয়ন করা। 

- পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র হতে বন্যা সংক্রান্ত পূর্বাভাস প্রচার ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করা।
- ঘূর্ণিঝড় পূর্ব ও পরবর্তি সংকেত দান, সতর্কীকরণ,উদ্ধার ও পূণর্বাসন ইত্যাদি কাজে সরকারি সংস্থা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচী (সিপিপি)-এর কার্যক্রমের আওতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

- জরুরি পরিস্থিতিতে আর্তদের চিকিৎসা, উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও পূণর্বাসন কাজে সামরিক বাহিনীর সদস্যবৃন্দ কর্তৃক বেসামরিক প্রশাসনকে সব রকম সাহায্য ও সহযোগিতা দান করা।
- বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন সংস্থা কর্তৃক দুর্যোগ সংক্রান্ত সংকেতসমূহ প্রচারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০০৯.
পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশ- 
  1. কিরিবাতি
  2. সামোয়া 
  3. নাউরু
  4. মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
সঠিক উত্তর:
সামোয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামোয়া 
ব্যাখ্যা

• ওশেনিয়া মহাদেশ:
- অঞ্চলভিত্তিক ওশেনিয়ার দেশসমূহ:
- অস্ট্রেলিয়া ১. অস্ট্রেলিয়া।
- নিউজিল্যান্ড- ১. নিউজিল্যান্ড।
- মাইক্রোনেশিয়া ১. মাইক্রোনেশিয়া, ২. কিরিবাতি ৩. নাউরু, ৪. মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, ৫. পালাউ।
- বৃহত্তম দ্বীপ গুয়াম মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত, যার পরিমাপ ৫৬১ বর্গ কিমি।

• পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু ও
- সামোয়া।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৩,০১০.
নিচের কোনটি পাললিক শিলা?
  1. ক) ব্যাসল্ট
  2. খ) গ্রাফাইট
  3. গ) কয়লা
  4. ঘ) ডাইক
সঠিক উত্তর:
গ) কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কয়লা
ব্যাখ্যা
- পলি সঞ্চিত হয়ে গঠিত শিলা পাললিক শিলা নামে পরিচিত।
বিভিন্ন প্রকার পাললিক শিলাসমূহ হলো:
- কয়লা
- চুনাপাথর
- বেলেপাথর
- কেওলিন
- শেল
- কাঁদাপাথর প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- ব্যাসল্ট : বহিঃস্থ আগ্নেয় শিলা
- ডাইক : অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
- গ্রাফাইট : রূপান্তরিত শিলা।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,০১১.
বর্ষাকালে বাংলাদেশে কোন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টিপাত হয়?
  1. পরিচলন
  2. সাংঘর্ষিক
  3. শৈলোৎক্ষেপ
  4. সাইক্লোনিক
সঠিক উত্তর:
শৈলোৎক্ষেপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৈলোৎক্ষেপ
ব্যাখ্যা

• বর্ষাকাল:
- বাংলাদেশে মধ্য জুন থেকে নভেম্বর (জ্যৈষ্ঠ-কার্তিক) পর্যন্ত বর্ষাকাল।
- বর্ষাকালেও অধিক সূর্যতাপ থাকার রংপুর ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- তবে আকাশে মেঘ ও প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে অধিক তাপমাত্রা উপলব্ধি করা যায় না।
- বর্ষাকালে অধিক জলীয়বাষ্পের কারণে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টিপাত হয়।
- এই সময় গড় তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়।
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ভারত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে আসে।
- বছরে মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ এসময় হয়। বর্ষার শেষ দিকে মাঝে মাঝে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০১২.
বাংলাদেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমের সমভূমিকে কোন সমভূমি বলে?
  1. পাদদেশীয় সমভূমি
  2. গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার প্লাবন সমভূমি
  3. ব-দ্বীপ সমভূমি
  4. ত্রিপুরার সমভূমি
সঠিক উত্তর:
ব-দ্বীপ সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব-দ্বীপ সমভূমি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

⇒ দেশের সমগ্র সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি একই ধরনের নয় বলে একে আবার নিম্নলিখিত কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করে আলোচনা করা যায়। যথা:
ক) কুমিল্লার বা ত্রিপুরার সমভূমি
খ) পাদদেশীয় পলল সমভূমি
গ) সিলেট অববাহিকা
ঘ) গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার প্লাবন সমভূমি
ঙ) ব-দ্বীপ।

⇔ ব-দ্বীপ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাংশের সমভূমিকে ব-দ্বীপ বলা হয়।
- এ ব-দ্বীপ অঞ্চলটি বৃহত্তর কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালীর সমস্ত অংশ এবং রাজশাহী, পাবনা, ঢাকা অঞ্চলের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০১৩.
পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে কোন ঘটনা সংঘটিত হয়?
  1. ঋতু পরিবর্তন
  2. জোয়ার-ভাটা
  3. সূর্যের তাপ বৃদ্ধি পায়
  4. রাত্রি দীর্ঘ হয়
সঠিক উত্তর:
জোয়ার-ভাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোয়ার-ভাটা
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর আহ্নিক গতি:
- পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে একবার আবর্তন করতে যা সময় নেয়, তাকে আহ্নিক গতি (Rotation) বলা হয়।
- নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে একবার আবর্তন করতে পৃথিবী সময় নেয় ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড। একে সৌরদিন বলা হয়।

• আহ্নিক গতির কারণে পৃথিবীতে নানা পরিবর্তন ঘটে, যেমন-
- দিবা-রাত্রি সংঘটন
- জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি
- সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি
- বায়ুপ্রবাহ সৃষ্টি
- তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি
- সময় নির্ধারণ
- উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের প্রভাব

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।

৩,০১৪.
জনপ্রতি বিদ্যুৎ খরচ সবচেয়ে বেশি কোন দেশে?
  1. ক) ভানুয়াতু
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) সলোমন দ্বীপপুঞ্জ
  4. ঘ) বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
গ) সলোমন দ্বীপপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সলোমন দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
জনপ্রতি সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ খরচ যে দেশগুলোর:
১. সলোমন দ্বীপপুঞ্জ - ০.৯৯ USD
২. ভানুয়াতু - ০.৬০ USD
৩. ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ - ০.৫২ USD
৪. কুক আইল্যান্ডস্‌ - ০.৫০ USD 
৫. টোঙ্গা - ০.৪৭ USD

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট
৩,০১৫.
গ্যালাক্সির অংশ বিশেষ কী নামে পরিচিত?
  1. ধূমকেতু
  2. ছায়াপথ
  3. নীহারিকা
  4. জ্যোতিষ্ক
সঠিক উত্তর:
ছায়াপথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছায়াপথ
ব্যাখ্যা
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি ও সৌরজগত (Milkyway Galaxy & Solar System):

- গ্যালাক্সির অংশ বিশেষ ছায়াপথ নামে পরিচিত।
- সুদুর আকাশে বায়বীয় পদার্থ ও গ্যাসপূর্ণ স্বপ্নালোকিত মেঘের মত আস্তরণকে গ্যালাক্সি বলা হয় ।
- আমাদের সৌরজগত মিল্কিওয়ে (Milkyway) গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশবিশেষ, যা বাংলায় ছায়াপথ নামে অভিহিত।
- এই ছায়াপথটি অসংখ্য গ্রহ-নক্ষত্রের সমন্বয়ে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০১৬.
কোনটি জলজ আবহাওয়া জনিত দুর্যোগ হিসেবে পরিচিত?
  1. তুষারপাত
  2. ঘূর্ণিঝড়
  3. বন্যা
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
Hydro-meteorological দুর্যোগ:
- Hydro-meteorological শব্দটি দুটি অংশ থেকে গঠিত: Hydro এর অর্থ পানি সংশ্লিষ্ট এবং Meteorological অর্থ আবহাওয়া বা জলবায়ু সংক্রান্ত ঘটনা।
- Hydro-meteorological দুর্যোগ বলতে মূলত জলবায়ু ও আবহাওয়াজনিত কারণে সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলিকে বোঝায়।
- বন্যা, ভূমিধস উভয় hydro-meteorological দুর্যোগ হিসেবে পরিচিত।
- এই দুর্যোগগুলো সরাসরি জলবায়ু (Climate) এবং আবহাওয়ার (Weather) পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- প্রধানত বৃষ্টিপাত, বায়ুর গতি, তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার পরিবর্তন এই দুর্যোগগুলির কারণ।
- এই দুর্যোগগুলি মানুষ এবং পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে এবং এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটে।
- জলজ আবহাওয়াজনিত দুর্যোগের কিছু উদাহরণ হলো: বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিধস, ভারি বৃষ্টি, খরা, তুষারপাত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০১৭.
বাংলাদেশের কোথায় প্লাইস্টোসিন কালের সোপান দেখা যায়?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. চট্টগ্রাম
  3. বরিশাল
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০১৮.
'চীনের দুঃখ' বলা হয় কোন নদীকে?
  1. ইয়াংসিকিয়াং নদী
  2. হুয়াংহো নদী
  3. নীলনদ
  4. সিন্ধু নদী
সঠিক উত্তর:
হুয়াংহো নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুয়াংহো নদী
ব্যাখ্যা

হোয়াংহো:
- হোয়াংহো চীনের দ্বিতীয় এবং বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম নদী।
- এর অপর নাম পীত নদী।
- হুয়াংহো নদীর সর্ব্বমোট দৈর্ঘ্য ৫৪৬৪ কিলোমিটার।
- এটি কুনলুন পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে নদীটি পীতসাগরে পতিত হয়েছে।
- প্রাচীন চীনে শুধু হোয়াংহো নদীকে হো নামে ডাকা হতো।
- হুয়াংহো নদী অর্থাৎ পীত নদীকে "চীনের দুঃখ" বলা হয়।
- প্রাচীন চীনে প্রায়ই হুয়াংহো নদী ছাপিয়ে উঠে সবকিছু বন্যায় ভাসিয়ে দিত বলে এই নদীর নাম ছিল "চিনের দুঃখ"।
- ইতিহাসে ২৬ বার এই নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে।
- চীনের প্রাচীনতম সভ্যতা গড়ে উঠেছিল এই নদীর অববাহিকায়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০১৯.
পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) গুলিয়াখালি
  2. খ) ভার্জিনিয়া
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) মিওজেনবার্গ
সঠিক উত্তর:
গ) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
বিশ্বের বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্হিত একটি পর্যটন শহর। এটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ১২০ কিলোমিটার। বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার। ইনানী, লাবনী, হিমছড়ি বিচ কক্সবাজারে অবস্থিত। এখানে রয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম সামুদ্রিক মৎস্য বন্দর এবং সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশান। পতেঙ্গা, পারকি ও গুলিয়াখালি বিচ অবস্থিত চট্টগ্রামে। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত অবস্থিত পটুয়াখালীতে। উৎস: parjatan.gov.bd
৩,০২০.
নিচের কোন দুটি দেশ ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. হাইতি ও বার্বাডোস
  2. পেরু ও বাহামা
  3. ঘানা ও জামাইকা
  4. উরুগুয়ে ও কিউবা
সঠিক উত্তর:
হাইতি ও বার্বাডোস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইতি ও বার্বাডোস
ব্যাখ্যা
ক্যারিবিয়ান দেশসমূহ: 
- অঞ্চল: উত্তর আমেরিকার মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
- সীমানা: দক্ষিণে: দক্ষিণ আমেরিকা।
- পশ্চিমে: মধ্য আমেরিকা
- উত্তরে: মেক্সিকো উপসাগর ও উত্তর আমেরিকা

→ সার্বভৌম দেশ: মোট ১৩টি।
• হাইতি, 
• জামাইকা,
•  সেন্ট কিটস ও নেভিস,
• সেন্ট লুসিয়া,
• সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস,
• ত্রিনিদাদ ও টোবাগো,
• অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা
• বাহামাস
• বার্বাডোস।
• কিউবা
• ডমিনিকা
• ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র
• গ্রানাডা।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৩,০২১.
কত বছর পূর্বে মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ১২.২৫ বিলিয়ন বছর
  2. ১২.৭৫ বিলিয়ন বছর
  3. ১৩.২৫ বিলিয়ন বছর
  4. ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর
সঠিক উত্তর:
১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের বয়স:
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত যেসব তত্ত্ব আছে তার মধ্যে বহুর প্রচলিত হল ‘বিগব্যাঙ’ তত্ত্ব।
- বাংলায় একে বলা হয় ‘মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব’।
- এই তত্ত্বের মতে মহাবিশ্ব একসময় অত্যন্ত উত্তপ্ত ও ঘনরূপে বা ঘন অবস্থায় ছিল যা অতি দ্রুত প্রসারিত হচ্ছিল।
- দ্রুত প্রসারণের ফলে মহাবিশ্ব ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়।
- জানা গেছে, বিগব্যাঙ বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) আগে।
- এটাই মহাবিশ্বের বয়স।

উৎস: i) Las Cumbres Observatory.
         ii) পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০২২.
'গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ' কোথায় অবস্থিত?
  1. ব্রাজিল
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. ফিলিপাইন
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের উত্তর-পূর্ব উপকূলে, কোরাল সাগরে। 

​গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ:
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ হল বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর সিস্টেম।
- এটি উত্তর-পূর্ব অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের তীরে প্রবাল সাগরে অবস্থিত।
- এটি আনুমানিক ৩৪৪,৪০০০ কি.মি. বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এটি ২,৯০০টিরও বেশি পৃথক রিফ সিস্টেম, ৭৬০টি ফ্রেঞ্জ রিফ, ৩০০টি প্রবাল রশ্মি এবং ৯০০টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- এটি অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসী এবং টরেস স্ট্রেইট দ্বীপবাসীরা ব্যবহার করত।

সূত্র - Worldatlas.com

৩,০২৩.
গ্রাফাইট কোন ধরনের শিলা? 
  1. পাললিক শিলা
  2. আগ্নেয় শিলা 
  3. জৈব শিলা 
  4. রূপান্তরিত শিলা
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যা

 রূপান্তরিত শিলা:
- গ্রাফাইট  রূপান্তরিত শিলা।

- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।

• রূপান্তরিত শিলা: 
- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট,
- গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে,
- কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

উৎস:  ভূগোল ও পরিবেশ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০২৪.
দেশের কোন বনাঞ্চলকে চিরহরিৎ বন বলা হয়?
  1. পার্বত্য বনাঞ্চল
  2. সুন্দরবন বনাঞ্চল
  3. গাজীপুর বনাঞ্চল
  4. মধুপুর বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য বনাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি
> অবস্থান ও বৈশিষ্ট্য:
- পাহাড়ি ও বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি দেখা যায়।
- কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি বিরাজমান।
বাংলাদেশে বিস্তার: পার্বত্য জেলা (খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান), চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশ।
 
• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি
> অবস্থান ও বৈশিষ্ট্য:
- পাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ যেমন: ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার বরেন্দ্র বনভূমি।
- শীতকালে পাতার ঝরা, গ্রীষ্মকালে নতুন পাতা গজায়।
 
• স্রোতজ বনভূমি (সুন্দরবন)
> অবস্থান:
- দক্ষিণে: বঙ্গোপসাগর
- উত্তরে: খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা
- পূর্বে: হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর, বরিশাল জেলা
- পশ্চিমে: রাইমঙ্গল ও হাড়িয়াভাঙ্গা নদী, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আংশিক অঞ্চল
- বিস্তার: খুলনা বিভাগের ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে।
-  বিশেষ বৈশিষ্ট্য: সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা, লোনা পানি ও প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে বৃক্ষ সমৃদ্ধ।


তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৩,০২৫.
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ তামার খনি কোন দেশে?
  1. ক) চীন
  2. খ) চিলি
  3. গ) দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. ঘ) সুমালিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) চিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চিলি
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ তামার খনি চিলিতে অবস্থিত। কপার খনিগুলি উত্তর চিলিতে এবং উত্তর-চিলির আন্দিজ বরাবর অবস্থিত।
সূত্রঃ ব্রিটানিকা
৩,০২৬.
'ব্ল্যাক ফরেস্ট' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. মালি
  2. নাইজেরিয়া
  3. জার্মানি
  4. কেনিয়া
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
• ব্ল্যাক ফরেস্ট:
- ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বত জার্মানিতে অবস্থিত। 
- জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলের ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বত থেকে দানিয়ুব নদীর উৎপত্তি ঘটেছে।
- দানিয়ুব ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী (২,৮৫০ কি.মি.)।
- ইউরোপের দশটি দেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দানিয়ুব নদী কৃষ্ণসাগরে পতিত হয়েছে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৩,০২৭.
সবচেয়ে বড় মহাদেশ-
  1. ক) আফ্রিকা
  2. খ) এশিয়া
  3. গ) ইউরোপ
  4. ঘ) উত্তর আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
খ) এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এশিয়া
ব্যাখ্যা
- আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ এশিয়া।
- এ মহাদেশের আয়তন ৪ কোটি ৫০ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৯২ বর্গকিলোমিটার।
- পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক তৃতীয়াংশের কাছাকাছি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- এ মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান মাউন্ট এভারেষ্ট (৮,৮৫০ মিটার)।
- মহাদেশটির উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভারত মহাসাগর, পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগর, দক্ষিণ-পশ্চিমে লোহিত সাগর ও আফ্রিকা মহাদেশ এবং পশ্চিমে ভ‚-মধ্যসাগর ও ইউরোপ মহাদেশ অবস্থিত।
- এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশের মাঝ বরাবর ইউরাল পর্বতমালা অবস্থিত।  
- এশিয়া মহাদেশে বিভিন্ন আয়তনের ৫০টি দেশ রয়েছে। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০২৮.
কোনটি ল্যাটিন আমেরিকার দেশ নয়?
  1. উরুগুয়ে
  2. কানাডা
  3. আর্জেন্টিনা
  4. এল সালভাদর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা
কানাডা ল্যাটিন আমেরিকার দেশ নয়।

ল্যাটিন আমেরিকা:
- ল্যাটিন আমেরিকা সাধারণত মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ ছাড়াও দক্ষিণ আমেরিকার সমগ্র মহাদেশ নিয়ে গঠিত।
- এখানকার জনগণ লাতিন ভাষা থেকে উদ্ভূত রোমান্স ভাষাসমূহে কথা বলে।
- রোমান্স ভাষা বলতে মূলত স্পেনীয় এবং পর্তুগিজ ভাষাকে বোঝায়।

উল্লেখ্য,
- ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলি:
• উত্তর ও মধ্য আমেরিকা: বেলিজ, কোস্টারিকা, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস, মেক্সিকো, নিকারাগুয়া, পানামা।
• দক্ষিণ আমেরিকা: আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া, ব্রাজিল, চিলি, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, ফ্রেঞ্চ গায়ানা, গায়ানা, প্যারাগুয়ে, পেরু, সুরিনাম, উরুগুয়ে, ভেনিজুয়েলা।
• ক্যারিবিয়ান দেশ: কিউবা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, হাইতি।

উৎস: Britannica.
৩,০২৯.
‘কর্তারপুর করিডোর’ রয়েছে-
  1. ক) ভারত ও ভুটানের মধ্যে
  2. খ) ভারত ও নেপালের মধ্যে
  3. গ) বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে
  4. ঘ) পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে
ব্যাখ্যা
ভারতের পাঞ্জাবের ডেরা বাবা নানক সৌধের সঙ্গে প্রায় চার কিমি দূরে পাকিস্তানের পাঞ্জাবের নারওয়াল জেলার কর্তারপুর সাহিবের সংযোগ স্থাপন করছে এই করিডোর। ভারতীয় শিখ তীর্থযাত্রীরা ভিসা ছাড়া পাকিস্তানের অভ্যন্তরে থাকা এই উপাসনালয়ে যেতে কর্তারপুর করিডোরের চুক্তি করেছে নয়া দিল্লি ও ইসলামাবাদ। সূত্র- বিবিসি, দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা এবং bengali.indianexpress.com।
৩,০৩০.
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলার বৈকুন্ঠপুর জলাভূমি থেকে কোন নদীর উৎপত্তি?
  1. ক) মহানন্দা 
  2. খ) মাতামুহুরী
  3. গ) করতোয়া
  4. ঘ) হালদা
সঠিক উত্তর:
গ) করতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) করতোয়া
ব্যাখ্যা
মহানন্দা: মহানন্দা নদীর উৎপত্তি হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত দার্জিলিং জেলার নিকটবর্তী মহালড্রীম
পর্বতে। এরপর জলপাইগুড়ি জেলার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের সর্বত্র উত্তরের পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা দিয়ে প্রবেশ করেছে

মাতামুহুরী: মাতামুহুরী নদীর উৎপত্তিস্থল লামার মাইভার পর্বত। উৎপত্তির পর উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার নিকট দিয়ে পশ্চিমে অগ্রসর হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১২০ কিলোমিটার। 

করতোয়া:
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলার বৈকুন্ঠপুর জলাভূমি থেকে করতোয়া নদীর উৎপত্তি। এটি পঞ্চগড় জেলার ভিটগড়ের নিকট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 

হালদা নদী: খাগড়াছড়ি জেলার বাদনাতলী পর্বতশৃঙ্গ থেকে হালদা নদী উৎপন্ন হয়েছে। এরপর দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে কালুরঘাটের নিকট কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে। 

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি
৩,০৩১.
ধান চাষের জন্য উপযুক্ত তাপমাত্রা কত?
  1. ১০°–১৫° সেলসিয়াস
  2. ১৬°–৩০° সেলসিয়াস
  3. ৩১°–৩৫° সেলসিয়াস
  4. ৩৬°–৪০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
১৬°–৩০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬°–৩০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

ধান (Rice):
- বাংলাদেশের খাদ্য-শস্যের মধ্যে ধানই প্রধান। এ দেশে আউশ, আমন, বোরো প্রভৃতি ধরনের ধান চাষ হয়। 
​- বাংলাদেশের রংপুর, কুমিল্লা, সিলেট, যশোর, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, বরিশাল, ময়মনসিংহ, বগুড়া, দিনাজপুর, ঢাকা, নোয়াখালী প্রভৃতি অঞ্চলে ধান চাষ বেশি হয়। 
​- তবে রংপুরে আমন ধান ও সিলেটে বোরো ধান ভালো হয়।
- ধান চাষের জন্য ১৬° থেকে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন এবং ১০০ থেকে ২০০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপ্রবণ এলাকায় ধানের ফলন ভালো হয়।
- নদী অববাহিকায় পলিমাটি ধান চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। 
​- এজন্য বাংলাদেশের সর্বত্রই ধান জন্মে।

​তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,০৩২.
'ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান' কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) সিন্ধু নদ
  2. খ) নীল নদ
  3. গ) ইউফ্রেটিস
  4. ঘ) শাত-ইল-আরব
সঠিক উত্তর:
গ) ইউফ্রেটিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউফ্রেটিস
ব্যাখ্যা
ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান বা ঝুলন্ত বাগান ইরাকের ইউফ্রেটিস নদীর তীরে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে নির্মিত হয়।
সম্রাট নেবুচাদনেজার সম্রাজ্ঞীর প্রেরণায় এটি নির্মাণ করেন।
প্রথমে নির্মাণ করা হয় বিশাল এক ভিত, যার আয়তন ছিল ৮০০ বর্গফুট।

উৎসঃ ব্রিটানিকা।
৩,০৩৩.
হাজার হ্রদের দেশ বলা হয় কোন দেশ কে?
  1. নরওয়ে
  2. ফিনল্যান্ড
  3. তাইওয়ান
  4. নিউজিল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• ফিনল্যান্ড উত্তর-পশ্চিম ইউরোপে বাল্টিক সাগরের উপকূলে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র।
- ফিনল্যান্ড ইউরোপের সবচেয়ে উত্তরে অবস্থিত দেশগুলোর একটি।
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।

→ বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম:
- বজ্রপাতের দেশ: ভুটান।
- সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
- নিষিদ্ধ দেশ: তিব্বত।
- শান্ত দেশ: কোরিয়া।
- সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
- সোনালী প্যাডোডার দেশ: মিয়ানমার।
- ধীবরের দেশ: নরওয়ে।
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
- নীল নদের দেশ: মিশর।
-মরুভমির দেশ: আফ্রিকা।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- বহ্মদেশ: মিয়ানমার।
- দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন: নিউজিল্যান্ড।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
- ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।

উৎস: Britannica.
৩,০৩৪.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অর্থ হলো, যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগ সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য ৩টি। উদ্দেশ্যগুলো হলো-
(ক) দুর্যোগকালিন সময়ে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা।
(খ) দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছানো ও পূণর্বাসন নিশ্চিত করা।
(গ) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করা।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৩৫.
‘পাহাড়ের রাণী’ বলা হয় নিচের কোনটিকে?
  1. গারো পাহাড়
  2. চন্দ্রনাথের পাহাড়
  3. চিম্বুক পাহাড়
  4. কুলাউড়া পাহাড়
সঠিক উত্তর:
চিম্বুক পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিম্বুক পাহাড়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পাহাড়- গারো পাহাড়।
- বাংলাদেশের পাহাড় সমূহের গড় উচ্চতা- ২০৫০ ফুট।
- আলু টিলা পাহাড়- খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- লালমাই পাহাড়- কুমিল্লায় অবস্থিত।
- ইউরেনিয়াম পাওয়া গেছে- কুলাউড়া পাহাড়ে।
- কুলাউড়া পাহাড় অবস্থিত- মৌলভীবাজার জেলায়।
- চিম্বুক পাহাড়ের পাদদেশে বাস করে- মারমা উপজাতি।
- ‘কালা পাহাড়’ বা ‘পাহাড়ের রাণী’ বলা হয়- চিম্বুক পাহাড়কে (৩য় উচ্চতম)।
- হিন্দুদের তীর্থ স্থানের জন্য বিখ্যাত- চন্দ্রনাথের পাহাড়।
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম- তাজিংডং বা বিজয় বা মদক মুয়াল।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ- কেওক্রাডং।
- কাপ্তাই লেক থেকে প্লাবিত রাঙ্গামাটির উপত্যকা হল- ভেঙ্গি ভ্যালী।
- সাঙ্গু ভ্যালী অবস্থিত- চট্টগ্রামে।
- হালদা ভ্যালী অবস্থিত- খাগড়াছড়িতে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৩,০৩৬.
প্রক্সিমা সেন্টারাই একটি-
  1. ক) ছায়াপথ
  2. খ) নক্ষত্র
  3. গ) উপগ্রহ
  4. ঘ) গ্যালাক্সি
সঠিক উত্তর:
খ) নক্ষত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নক্ষত্র
ব্যাখ্যা
- প্রক্সিমা সেন্টারাই হলো সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র।
- পৃথিবী থেকে এটির দূরত্ব ৪.২ কোটি আলোকবর্ষ।
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো রয়েছে তাদের নক্ষত্র বলা হয়। সূর্য এরূপ একটি নক্ষত্র।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,০৩৭.
নিচের কোনটি পদ্মার উপনদী?
  1. ভৈরব
  2. ইছামতি
  3. আড়িয়াল খাঁ
  4. মহানন্দা
সঠিক উত্তর:
মহানন্দা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহানন্দা
ব্যাখ্যা
পদ্মা (Padma):
- বাংলাদেশের প্রধান নদী পদ্মা।
- এ নদী গঙ্গা নামে মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- পদ্মার শাখানদীগুলোর মধ্যে কুমার, ভৈরব, গড়াই, মাথাভাঙ্গা, ইছামতি, আড়িয়াল খাঁ উল্লেখযোগ্য।
- উত্তর দিক থেকে আগত উপনদীগুলোর মধ্যে মহানন্দা প্রধান। 
- মহানন্দার উপনদীগুলোর মধ্যে রয়েছে পুনর্ভবা, নাগর, কুলিক, ট্যাংগন, পাগলা প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৩৮.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চল কম ভূমিকম্প প্রবণ?
  1. উত্তর - পশ্চিম
  2. উত্তর - পূর্ব
  3. দক্ষিণ - পশ্চিম
  4. দক্ষিণ - পূর্ব
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ - পশ্চিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ - পশ্চিম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-কম্পন অঞ্চল:
- ২০১৬ সালে প্রকাশিত 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) রিপোর্ট অনুযায়ী, সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- সর্বশেষ ২০২০ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে।

অঞ্চলগুলো হলো:
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল:
উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল)।
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.36
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল:
উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.28
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল:
নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)।
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.2
৪. কম ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল:
দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)।
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.12

উল্লেখ্য,
BANGLADESH NATIONAL BUILDING CODE (BNBC) সর্বপ্রথম ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রিপোর্টে সমগ্র বাংলাদেশকে তিনটি ভূমিকম্প সংঘটন অঞ্চলে (Seismic Zone) বিভক্ত করে।
অঞ্চলগুলো হলো:
১.মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ: উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা -৭),
২.মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ: মধ্যাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা ৬),
৩. কম ঝুঁকিপূর্ণ: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা-৫)।
পরে, ২০০৬ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও তিনটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।

এছাড়াও,
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ বইয়ের সর্বশেষ সংস্করণে ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রির্পোর্ট অনুসারে, ভূমিকম্পের প্রবণতার ভিত্তিতে সমগ্র বাংলাদেশকে ৩টি অঞ্চলে ভাগ করে দেখানো হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ-জাতীয়-বিল্ডিং-কোড-(BNBC Seismic Design সমীক্ষার রিপোর্ট) ওয়েবসাইট।
৩,০৩৯.
নিচের কোন দুর্যোগের কার্যকর পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়?
  1. বন্যা
  2. ভূমিকম্প
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. খরা
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প:
- ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
- ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র (Centre বা Focus) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ -পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে,তাকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।
- ভূমিকম্প পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়।

উল্লেখ্য,
- কোন ধরনের আগাম সতর্ক সংকেত ব্যতীত অর্থাৎ কার্যকর পূর্বাভাস ছাড়া সংঘটিত দুর্যোগ হলো ভূমিকম্প।

⇒ ভূমিকম্প নির্ণয় যন্ত্রের নাম সিসমোমিটার।
- ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয় রিখটার স্কেলে।
- এই রিখটার স্কেলে এক মাত্রা বেড়ে যাওয়া মানে তার শক্তি ৩১গুন বেড়ে যাওয়া।
- রিখটার স্কেলে ৫ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প আমরা অনুভব করতে পারি।

⇒ ভূমিকম্পের প্রধান কারণ:
- পৃথিবীর উপরিভাগ কতগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত।
- এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে।
- আবার অগ্নুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকিম্পন সৃষ্টি হয়।

উৎস: i) ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
৩,০৪০.
নিচের কোনটি গ্রিনহাউজ গ্যাস না?
  1. ক) মিথেন
  2. খ) ওজোন
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) কার্বন-ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
গ) অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণতার মূল কারণ - কার্বন ডাই অক্সাইড, ওজোন, মিথেন, সিএফসি, নাইট্রাস অক্সাইড এবং জলীয়বাষ্প, যেগুলো গ্রিনহাউজ গ্যাস নামে পরিচিত, সেসবের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া৷
গ্রিন হাইজ গ্যাসগুলোর মূল উৎস হচ্ছে - যানবাহন, শিল্প-কারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ইত্যাদি থেকে সৃষ্ট ধোয়া এবং রেফ্রিজারেটর ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রে ব্যবহৃত গ্যাস৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৩,০৪১.
মহীসোপান কত ডিগ্রি কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে?
  1. ১°
  2. ৩°
  3. ৬°
  4. ৯°
সঠিক উত্তর:
১°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১°
ব্যাখ্যা
মহীসোপান:
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের স্থলভাগের যে অংশ অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে তাকে মহীসোপান বলে।
- মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার।
- ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত। উত্তর আমেরিকার পূর্ব উপকূলে দ্বিতীয় বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে মহীসোপানের বিস্তৃতি প্রায় ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভূগোল ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৪২.
প্লাইস্টোসিন কালের ভূমিরূপ নিচের কোন জেলা?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) টাঙ্গাইল
  3. গ) নোয়াখালী
  4. ঘ) বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
খ) টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা
• আজ থেকে প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয়।
- ঐ সময়ে গঠিত ভূমিরূপ প্লাইস্টোসিন কালের ভূমি নামে পরিচিত।

• বাংলাদেশে অবস্থিত প্লাইস্টোসিন কালের ভূমিরূপগুলো হলো:
- রাজশাহী, বগুড়া, দিনাজপুর, রংপুর ও জয়পুরহাট জেলার বরেন্দ্রভূমি।
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকা জেলায় অবস্থিত মধুপুর ও ভাওয়াল গড়।
- কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড়।
- দেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ৮ শতাংশ হলো প্লাইস্টোসিন কালে গঠিত ভূমিরূপ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণী।
৩,০৪৩.
খুলনা কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. মহানন্দা
  2. কপোতাক্ষ
  3. রূপসা
  4. পশুর
সঠিক উত্তর:
রূপসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপসা
ব্যাখ্যা
খুলনা: 
- খুলনা বিভাগ বাংলাদেশের আটটি বিভাগের মধ্যে একটি এবং এটি দেশের দক্ষিণ পশ্চিম দিকে অবস্থিত। 
- খুলনা বিভাগের সদর দপ্তর খুলনা শহর।
- ঢাকা এবং চট্টগ্রামের পরে বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর।
- খুলনা বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে রূপসা নদী এবং ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতম নদী বন্দরগুলোর মধ্যে খুলনা অন্যতম।
- খুলনা বাংলাদেশের অন্যতম শিল্প ও বাণিজ্যিক এলাকা হওয়ায় খুলনা শহরকে শিল্প নগরী হিসেবে ডাকা হয়।
- খুলনা শহর থেকে ৪৮ কি.মি. দূরে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর মংলা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত।
- পৃথিবী বিখ্যাত উপকূলীয় বন সুন্দরবন খুলনা বিভাগের দক্ষিণাংশে অবস্থিত।
- খুলনা বিভাগের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সুন্দরবনের বিস্তৃতি ঘটেছে।
- খুলনাকে সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার বলা হয়।
- রাজধানী ঢাকা থেকে খুলনা শহরের দূরত্ব সড়কপথে ৩৩৩কি.মি.।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৩,০৪৪.
নিচের কোন দেশটি পারস্য উপসাগর তীরবর্তী নয়?
  1. ক) সৌদি আরব
  2. খ) ইরাক
  3. গ) ইয়েমেন
  4. ঘ) কুয়েত
সঠিক উত্তর:
গ) ইয়েমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
- পারস্য উপসাগর ভারত মহাসাগরের উত্তরাংশে অবস্থিত। পারস্য উপসাগরীয় রাষ্ট্রের সংখ্যা ৮টি।
এগুলো হলো:
- ইরান
- ইরাক
- কুয়েত
- সৌদি আরব
- বাহরাইন
- কাতার
- ওমান ও
- সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- ইয়েমেন পারস্য উপসাগরীয় রাষ্ট্র নয়।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
৩,০৪৫.
নিম্নের কোন জেলায় চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি দেখা যায়?
  1. সিলেট
  2. খাগড়াছড়ি
  3. দিনাজপুর
  4. বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।

অন্যদিকে,
⇒ ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের পাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ যেমন ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার বরেন্দ্র বনভূমিকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি বলা হয়।
- এই বনভূমির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শীতকালে এই বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায় এবং গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

⇒ স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, উত্তরে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা, পূর্বে হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে রাইমঙ্গল, হাড়িয়াভাঙ্গা নদী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আংশিক প্রান্তসীমা পর্যন্ত এ বনভূমি বিস্তৃত।
- এটি খুলনা বিভাগের ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের জন্য এ অঞ্চল বৃক্ষ সমৃদ্ধ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৪৬.
সম্প্রতি (সেপ্টেম্বর ২০২৩) ঘূর্ণিঝড় ‘ড্যানিয়েল’ কোন দেশে আঘাত হানে?
  1. মরক্কো
  2. লিবিয়া
  3. কানাডা
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
লিবিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিবিয়া
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় ‘ড্যানিয়েল’:
- স্মরণকালের শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘ড্যানিয়েলের’ তাণ্ডবে সুনামির মতো লিবিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলের বহু মানুষ সাগরে ভেসে যায়।
- দেশটির উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় ড্যানিয়েল।
- এর তাণ্ডবে ভেসে যায় ঘর-বাড়ি, যানবাহনসহ বহু গবাদি পশু।

উল্লেখ্য,
- লিবিয়ায় উদ্ধারকাজ বিঘ্ন হওয়ার একটি কারণ অবশ্য রাজনৈতিক।
- লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে দুটি সরকার রয়েছে দেশটিতে।
- একটিকে সমর্থন করে পশ্চিমারা।
- আরেকটি হলো লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় সরকার।
- এই রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে উদ্ধারকাজে গতি আসছে না।

উৎস: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
৩,০৪৭.
৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশকে কী বলা হয়?   
  1. সুমেরুবৃত্ত
  2. কুমেরুবৃত্ত
  3. মকরক্রান্তি
  4. কর্কটক্রান্তি
সঠিক উত্তর:
কুমেরুবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমেরুবৃত্ত
ব্যাখ্যা

- কুমেরুবৃত্ত পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত একটি কাল্পনিক অক্ষাংশ রেখা, যা প্রায় ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশে অবস্থিত। 
- এটি দক্ষিণ মেরু অঞ্চলের সীমানা নির্ধারণ করে।

• অক্ষাংশ:

- ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে কর্কটক্রান্তি (Tropic of Cancer) বলে।
- ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলে মকরক্রান্তি (Tropic of Capricorn)।
- ৬৬.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলে সুমেরুবৃত্ত (Arctic Circle) এবং
- ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলে কুমেরুবৃত্ত (Antarctic Circle)।
- বিষুবরেখাকে মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত বলে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 

৩,০৪৮.
SPARRSO প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৮০ সালে
  3. ১৯৮৮ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা

- মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র (SPARRSO- Space Research and Remote Sensing Organisation) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ঢাকা শহরের আগারগাঁও এ অবস্থিত।
উৎসঃ স্পারসোর ওয়েবসাইট।

৩,০৪৯.
'হামহাম জলপ্রপাত' কোথায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবান
  2. মৌলভীবাজার
  3. খাগড়াছড়ি
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
হামহাম জলপ্রপাত:
- হামহাম বা চিতা ঝর্ণা বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গভীরে কুরমা বন বিট এলাকায় অবস্থিত।
- এটি একটি প্রাকৃতিক জলপ্রপাত বা ঝর্ণা।
- জলপ্রপাতটি ২০১০ সালের শেষাংশে পর্যটন গাইড শ্যামল দেববর্মার সাথে দুর্গম জঙ্গলে ঘোরা একদল পর্যটক আবিষ্কার করেন। 
- দুর্গম গভীর জঙ্গলে এই ঝরণাটি ১৩৫ মতান্তরে ১৪৭ কিংবা ১৭০ ফুট উঁচু।

উল্লেখ্য,
⇒ কেউ কেউ ঝরণার সাথে গোসলের সম্পর্ক করে "হাম্মাম" (গোসলখানা) শব্দটি থেকে "হাম হাম" হয়েছে বলে মত প্রকাশ করেন।
- কেউ কেউ মনে করেন, সিলেটি উপভাষায় “আ-ম আ-ম" বলে বোঝানো হয় পানির তীব্র শব্দ।
- তবে স্থানীয়দের কাছে এটি "চিতা ঝর্ণা" হিসেবে পরিচিত, কেননা একসময় এজঙ্গলে নাকি চিতাবাঘ পাওয়া যেত।

⇒ হাম হাম যাবার পথ এবং হাম হাম সংলগ্ন রাজকান্দি বনাঞ্চলে রয়েছে সারি সারি কলাগাছ, জারুল, চিকরাশি কদম গাছ। এর ফাঁকে ফাঁকে উড়তে থাকে রং-বেরঙের প্রজাপতি। ডুমুর গাছের শাখা আর বেত বাগানে দেখা মিলবে অসংখ্য চশমাপড়া হনুমানের। এছাড়াও রয়েছে ডলু, মুলি, মির্তিঙ্গা, কালি ইত্যাদি বিচিত্র নামের বিভিন্ন প্রজাতির বাঁশ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,০৫০.
বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাহাড়সমূহ কোন যুগের ভূমিরূপের উদাহরণ?
  1. টারশিয়ারি যুগের
  2. প্লাইস্টোসিন যুগের
  3. সাম্প্রতিক কালের
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাহাড়গুলো মূলত টারশিয়ারি যুগের ভূমিরূপের উদাহরণ।

পার্বত্য চট্টগ্রাম:

- পার্বত্য চট্টগ্রাম (Chittagong Hill Tracts) দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাপক পাহাড়ি অঞ্চল (২১°২৫´ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৩°৪৫´ উত্তর অক্ষাংশ ও ৯১°৫৪´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৫০´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ)।
- এর দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে মায়ানমার, উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, পূর্বে মিজোরাম এবং পশ্চিমে চট্টগ্রাম জেলা অবস্থিত। 

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের উৎপত্তি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- এ পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কদম দ্বারা গঠিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়সমূহ টারশিয়ারি যুগের অন্তর্ভুক্ত।
- এ পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়। 

⇒ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উল্লেখ্য,
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,০৫১.
শীতকালে দেশের কোন বনভূমির গাছের পাতা ঝড়ে যায়?
  1. ক) পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
  2. খ) সুন্দরবন
  3. গ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
  4. ঘ) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বনভূমি
সঠিক উত্তর:
গ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।

শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর। এই বনের প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারী।

(তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৩,০৫২.
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে কোন দুর্যোগটির ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে?
  1. ভূমিকম্প
  2. ভূমিধস
  3. টর্নেডাে
  4. খরা
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

ভূমিকম্প:
- ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
- ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র (Centre বা Focus) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ -পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে,তাকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।
- ভূমিকম্প পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ ২০২০ সালে 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) প্রকাশিত রির্পোটে সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে।
- অঞ্চলগুলো হলো:
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল)।
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ- পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)।
৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)।

এছাড়াও,
- সম্প্রতি বাংলাদেশে ভূমিকম্পের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
- ২০২০ সালে সিলেট অঞ্চলে বেশ কয়েকটি বড় আকারের ভূমিকম্প সংঘটি হয়।
- এই অঞ্চলটি ভূমিকম্পের উচ্চঝুঁকিতে রয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ-জাতীয়-বিল্ডিং-কোড-(BNBC Seismic Design সমীক্ষার রিপোর্ট) ওয়েবসাইট।
ii) পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,০৫৩.
ব্রহ্মপুত্র নদের পূর্বনাম কী?
  1. ক) দোলাই
  2. খ) লোহিত্য
  3. গ) কীর্তিনাশা
  4. ঘ) জোনাই
সঠিক উত্তর:
খ) লোহিত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লোহিত্য
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন নদীর পূর্বনাম: 

ব্রহ্মপুত্র - লোহিত্য,
যমুনা - জোনাই,
পদ্মা - কীর্তিনাশা,
বুডিগঙ্গা - দোলাই।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,০৫৪.
বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্ৰ:
- বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি।
- সেগুলো হলো:
• রাঙামাটির বেতবুনিয়া,
• গাজীপুরের তালিবাবাগ,
• ঢাকার মহাখালী,
• সিলেট।
- ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ জুন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাঙামাটির বেতবুনিয়া (১৯৭৫) ভূ-উপগ্রহটি কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেছিলেন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,০৫৫.
কোনটি না থাকলে পৃথিবীর অর্ধাংশে চিরকাল দিন ও বিপরীত অর্ধাংশে চিরকাল রাত থাকত?
  1. বার্ষিক গতি
  2. আহ্নিক গতি
  3. মেরু গতি
  4. মাধ্যাকর্ষণ শক্তি
সঠিক উত্তর:
আহ্নিক গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহ্নিক গতি
ব্যাখ্যা
- 'আহ্নিক গতি' না থাকলে পৃথিবীর অর্ধাংশে চিরকাল দিন ও বিপরীত অর্ধাংশে চিরকাল রাত থাকত। 

আহ্নিক গতি: 

- পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে নির্দিষ্ট গতিতে আবর্তিত হচ্ছে যা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত। 
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলাফল সমূহ: 
• দিন-রাত্রি সংঘটন, 
• জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি, 
• বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি, 
• তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি, 
• জীব জগতের সৃষ্টি ও বংশবিস্তার প্রভৃতি। 

বার্ষিক গতি: 
- সূর্যের মহাকর্ষ বলের প্রভাবে পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর অবিরাম ঘূর্ণনের সাথে সাথে নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে (ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে) নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে যা পৃথিবীর বার্ষিক গতি নামে পরিচিত। 
- পৃথিবীর বার্ষিক গতির ফলাফল সমূহ: 
• ঋতু পরিবর্তন হয় ও 
• দিন- রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি হয়ে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৫৬.
ব্রাজিল স্রোত প্রবাহিত হয় -
  1. ঘড়ির কাঁটার দিকে
  2. ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে
  3. ঘূর্ণন আকারে 
  4. চক্রাকারে
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর আবর্তন (Rotation of the Earth):
- আহ্নিক গতির কারণে পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ঘুরছে। পৃথিবীর এইরূপ আর্বতনের সাথে সাথে সাগর মহাসাগরের পানিরাশিও পশ্চিম হতে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র স্রোতের সৃষ্টি হয়।

- আবর্তন গতির ফলে সৃষ্ট সমুদ্র স্রোত ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয। যেমন: উত্তর গোলার্ধে উপসাগরীয় স্রোত ও ক্যানারি স্রোতের প্রবাহ ঘড়ির কাঁটার দিকে অর্থাৎ ডান দিক ঘুরে প্রবাহিত হয়।
- একইভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে ব্রাজিল স্রোত ও পশ্চিমা বায়ুপ্রবাহজনিত স্রোত ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরে প্রবাহিত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৫৭.
বাংলাদেশের আবহাওয়া -
  1. সমভাবাপন্ন
  2. নাতিশীতোষ্ণ
  3. মৃদুভাবাপন্ন
  4. উষ্ণ
সঠিক উত্তর:
নাতিশীতোষ্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাতিশীতোষ্ণ
ব্যাখ্যা
আবহাওয়া:
- কোনো স্থানের প্রতিদিনের গড় তাপমাত্রা, চাপ, আর্দ্রতাকে ঐ স্থানের আবহাওয়া বলে।
- বাংলাদেশের আবহাওয়া নাতিশীতোষ্ণ।

জলবায়ু:
- কোনো স্থানের ৩০ থেকে ৪০ বছরের গড় আবহওয়াকে জলবায়ু বলা হয়।
- বাংলাদেশের জলবায়ু সমভাবাপন্ন।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল (১ম পত্র) বই।
৩,০৫৮.
মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. কপোতাক্ষ
  2. ভাগীরথী
  3. করতোয়া
  4. ব্রহ্মপুত্র
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
ব্যাখ্যা

করতোয়া: 
​- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
​- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলার বৈকুন্ঠপুর জলাভূমি থেকে করতোয়া নদীর উৎপত্তি। 
​- এটি পঞ্চগড় জেলার ভিটগড়ের নিকট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
​- এরপর দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলার নিকট আত্রাই নামে পরিচিত। 
​- সেখান থেকে দক্ষিণ দিকে সমাধিঘাট পর্যন্ত অগ্রসর হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করেছে। 
​- এরপর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ভিতর দিয়ে অগ্রসর হয়ে আবার রাজশাহী জেলার দেওয়ানপুরে বাংলাদেশে প্রবেশ করে বড়াল নদীর মধ্য দিয়ে পাবনার বেড়ার নিকট যমুনায় পতিত হয়েছে। 
​- করতোয়া যমুনার দীর্ঘতম উপনদী।

​উল্লেখ্য,​
​- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন দূর্গনগরী।
​- বগুড়া শহর হতে ১৫ কিঃমিঃ দূরে পুণ্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই মহাস্থানগড়।
​- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
​- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

​​তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৫৯.
দুর্যোগ প্রশমন বলতে কী বোঝায়? 
  1. ত্রাণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত
  2. দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস
  3. দুর্যোগ পরবর্তী ত্রাণ বিতরণ
  4. আবহাওয়ার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস
ব্যাখ্যা
প্রশমন (Mitigation): 
- দীর্ঘ সময়ব্যাপী নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস করা এবং দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহন করাকে দুর্যোগ প্রশমন বলে। 
- মজবুত পাকা ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল অবলম্বন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর ইত্যাদি কার্যক্রম দুর্যোগ প্রশমনের আওতাভুক্ত।
- দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন ব্যয়বহুল হলেও সরকার সীমিত সম্পদের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী খনন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, বনায়ন ইত্যাদি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৬০.
এশিয়ার কোন দেশে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিদ্যমান?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. বাংলাদেশ
  3. নেপাল
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় জলবায়ু:
- নিরক্ষরেখার আশেপাশের অঞ্চলসমূহে অত্যধিক আদ্রতার কারনে যে ভ্যাপসা গরম আবহাওয়া সারা বছরব্যাপী বিদ্যমান থাকে, তাকে নিরক্ষীয় জলবায়ু বলে।
- আর পৃথিবীর যে সকল অঞ্চলে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিদ্যমান, সে সকল অঞ্চলকে নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল বলা হয়। প্রধানত নিরক্ষীয় রেখার উভয় পাশে ৫ ডিগ্রী  অক্ষাংশের মধ্যে এই অঞ্চলের অবস্থান।
- এশিয়ার কয়েকটি দেশে এই ধরনের জলবায়ু বিদ্যমান। দেশগুলো হচ্ছে - মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনেই, ফিলিপাইনের দক্ষিনের দ্বীপাঞ্চল।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৬১.
কত সালের ঘূর্ণিঝড়ে সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ মারা যায়?
  1. ১৯৬৬ সাল
  2. ১৯৭০ সাল
  3. ১৯৯১ সাল
  4. ২০০৭ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সাল
ব্যাখ্যা
- ১৯৬০ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত বাংলাদেশে ৫০টির অধিক সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে।
- এদের মধ্যে সবচেয়ে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ছিলো ১৯৭০ সালে আঘাত হানা সাইক্লোন। এই ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ৫ লক্ষাধিক মানুষ মারা যায়।

- এছাড়া ১৯৬১, ১৯৬৩, ১৯৬৫, ১৯৮৫, ১৯৯১, ২০০৭ ও ২০০৯ সালের ঘূর্ণিঝড়ও ব্যাপক মাত্রার ছিলো।
- ১৯৯১ সালে সংঘটিত ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ছিলো ঘণ্টায় ২২৫ কিমি।

(তথ্যসূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,০৬২.
কোন কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে?
  1. গেওয়া
  2. কেওড়া
  3. গরান
  4. ধুন্দল
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
ব্যাখ্যা

শিল্প উন্নয়নে বনভূমির গুরুত্ব:
- কাগজ শিল্প: রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।
- নিউজপ্রিন্ট কারখানা: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।
- দিয়াশলাই শিল্প: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
- রেয়ন শিল্প: চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৬৩.
কোন দুইটি টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের ফলে হিমালয় পর্বতমালার উৎপত্তি ঘটেছে?
  1. আফ্রিকান প্লেট ও ইন্ডিয়ান প্লেট
  2. ইন্ডিয়ান প্লেট এবং ইউরেশিয়ান প্লেট
  3. অস্ট্রেলিয়ান প্লেট ও এন্টার্কটিক প্লেট
  4. উত্তর আমেরিকান প্লেট এবং ইউরেশিয়ান প্লেট
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান প্লেট এবং ইউরেশিয়ান প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান প্লেট এবং ইউরেশিয়ান প্লেট
ব্যাখ্যা

মাউন্ট এভারেস্ট ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থল বরাবর অবস্থিত।

এভারেস্ট পর্বত:
- মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
- তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ইন্ডিয়ান এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল
- মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
- এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।

উল্লেখ্য,
- ইউরেশিয়ান প্লেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় কনটিনেন্টাল প্লেট, যা ইউরোপ এবং এশিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- ইন্দোঅস্ট্রেলিয়ান প্লেট (বা ইন্ডিয়ান প্লেট) ভারতীয় উপমহাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়া অন্তর্ভুক্ত করে। এটি উত্তর দিকে চলমান হয়ে ইউরেশিয়ান প্লেটের সাথে সংঘর্ষ করে, যা হিমালয় গঠনের প্রধান কারণ।
- আফ্রিকান প্লেট ইউরেশিয়ানের সাথে সংঘর্ষ করে মরক্কো থেকে ইউরোপীয় পর্বত গঠন করে, কিন্তু হিমালয়ের জন্য নয়।

উৎস: i) Britannica।
ii) National Geographic।

৩,০৬৪.
রবিশস্য চাষের উপযোগী সময় হলো-
  1. ক) বর্ষাকাল
  2. খ) শীতকাল
  3. গ) বসন্তকাল
  4. ঘ) হেমন্তকাল
সঠিক উত্তর:
খ) শীতকাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শীতকাল
ব্যাখ্যা
শীতকালে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু আমাদের দেশে শৈত্যপ্রবাহের আগমন ঘটায়। তাই এই সময় রবিশস্য ও গম চাষের উপযোগী। প্রকৃতি প্রভাবিত কৃষিকাজ ই পরিবেশসম্মত ও কৃষকের জন্য লাভজনক।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
৩,০৬৫.
The river Buriganga is a branch of which river?
  1. Jamuna
  2. Padma
  3. Turag
  4. Dhaleshwari
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Dhaleshwari
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dhaleshwari
ব্যাখ্যা
যমুনা নদী:
- ব্রহ্মপুত্র-যমুনা বাংলাদেশের দ্বিতীয় এবং বিশ্বের দীর্ঘতম নদীসমূহের মধ্যে অন্যতম।
- প্রকৃতপক্ষে ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্ন প্রবাহ যমুনা নামে অভিহিত।
- ১৭৮৭ সালে সংঘটিত প্রচণ্ড ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের একটি হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- তারপর তিব্বত ও আসামের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ কুড়িগ্রাম জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্র নদ ময়মনসিংহের দেওয়ানগঞ্জের কাছে এটি দুটি শাখায় বিভক্ত হয়।
- একটি শাখা যমুনা নামে প্রবাহিত হয়ে গোয়ালন্দের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- অপর শাখা পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে ময়মনসিংহের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভৈরবের নিকট মেঘনায় পতিত হয়েছে।
- যমুনার শাখানদী ধলেশ্বরী, ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা।
- যমুনার উপনদী: তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, কালজানি, তোরসা, জলঢাকা, নাগর, দুপচাপিয়া, যমুনেশ্বরী, রায়ঢাক, ধবলা, ঘাঘট, বাঙালি, বড়াল, গঙ্গা, নারদ নদ, ধবল বা দুধকুমার, তুলসী গঙ্গা, শিব বরনাই।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,০৬৬.
সিলেট অঞ্চলে সাধারণত কোন ধরনের বন্যা দেখা দেয়?
  1. আকস্মিক বন্যা
  2. বৃষ্টিজনিত বন্যা
  3. জোয়ার-ভাটাজনিত বন্যা
  4. নদীসৃষ্ট বন্যা
সঠিক উত্তর:
আকস্মিক বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকস্মিক বন্যা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে সাধারণত চার ধরনের বন্যা সংঘটিত হয়।
এগুলো হলো:
- বৃষ্টিজনিত বন্যা
- উপকূলীয় বন্যা
- নদীসৃষ্ট বন্যা
- আকস্মিক বন্যা।
- বাংলাদেশেরে উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ী নদীর পানি উপচে পড়ে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে।
- এপ্রিল-মে এবং সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় পাহাড়ী নদীর উপচে পড়া পানির কারণে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।
- আকস্মিক বন্যায় হাওরাঞ্চলের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।
অন্যদিকে,
- বৃহত্তর খুলনা ও যশোর অঞ্চলে বৃষ্টিজনিত বন্যা দেখা যায়।
- উপকূলীয় অঞ্চলে উপকূলীয় বন্যা দেখা দেয়।
- নদী সংলগ্ন জেলাসমূহে নদীসৃষ্ট বন্যা দেখা যায়।
(তথ্যসূত্র: বন্যা সাড়াদান ও প্রস্তুতি পরিকল্পনা : বাংলাদেশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর)
৩,০৬৭.
কোনটি মানবসৃষ্ট বিপর্যয়ের অন্তর্ভুক্ত?
  1. সুনামি
  2. যুদ্ধ
  3. অগ্ন্যুৎপাত
  4. ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
বিপর্যয় (Hazard):
- যে সকল ঘটনা একটি এলাকার জনগণের জীবন, জীবিকা ও পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, এমনকি একেবারে ধ্বংস করতে পারে, সে সকল ঘটনাকে বিপর্যয় বলে।
- বিপর্যয় দুই ধরনের হতে পারে। যেমন:
(ক) প্রাকৃতিক বিপর্যয়- ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, কালবৈশাখী ঝড় ইত্যাদি।
(খ) মানব-সৃষ্ট বিপর্যয়: বায়ু দূষণ, রাসায়নিক বিষক্রিয়া, যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, মহামারি ইত্যাদি।

দুর্যোগ (Disaster):
- কোনো প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট অবস্থা যখন অস্বাভাবিক ও অসহনীয় পরিবেশের সৃষ্টি করে তখন তাকে দুর্যোগ বলে।
- জাতিসংঘের প্রশিক্ষণ ও গবেষণা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান (United Nations Institute for Training and Research) দুর্যোগসমূহকে চার ভাগে ভাগ করেছে-
ক) প্রাকৃতিক দুর্যোগ: বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, নদীভাঙন, ভূমিকম্প ইত্যাদি।
(খ) দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ: মহমারী, খরা ইত্যাদি।
(গ) মানবসৃষ্ট দুর্যোগ: যুদ্ধ, অপরিকল্পিত নগরায়ন, বনাঞ্চল ধ্বংস, পরিবেশ দূষণ ইত্যাদি।
(ঘ) দুর্ঘটনাজনিত দুর্যোগ।
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৬৮.
নিচের কোনটি ক্ষয়জাত সমভূমি?
  1. ক) সুন্দরবন
  2. খ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
  3. গ) মেঘনা প্লাবিত সমভূমি
  4. ঘ) হাতিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অল্প উঁচু মৃদু ঢালবিশিষ্ট সুবিস্তৃত ভূমিকে সমভূমি বলে। উৎপত্তিগতভাবে সমভূমি সঞ্চয়জাত ও ক্ষয়জাত দু’ভাবে গঠিত।
- বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা উচ্চভূমি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ক্ষয়জাত সমভূমি গঠিত হয়।
ক্ষয়জাত সমভূমির উদাহরণ:
- বরেন্দ্রভূমি
- মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
- অ্যাপালেশিয়ান পাদদেশীয় সমভূমি
- ফিনল্যান্ড
- সাইবেরিয়া প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সুন্দরবন, হাতিয়া ও মেঘনা প্লাবিত সমভূমি হলো নদী দ্বারা সৃষ্ট সঞ্চয়জাত সমভূমি।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,০৬৯.
নিচের কোন দেশটি কৃষ্ণ সাগর তীরবর্তী দেশ নয়?
  1. রোমানিয়া
  2. তুরস্ক
  3. আজারবাইজান
  4. বুলগেরিয়া
সঠিক উত্তর:
আজারবাইজান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজারবাইজান
ব্যাখ্যা
→ আজারবাইজান কৃষ্ণসাগরের তীরে অবস্থিত নয়।
• কৃষ্ণ সাগর:
-
কৃষ্ণ সাগর পূর্ব ইউরোপ এবং পশ্চিম এশিয়ার মধ্যে অবস্থিত।
- ইউরোপ মহাদেশ, আনাতোলিয়া এবং ককেশাস পর্বতমালা দ্বারা আবদ্ধ।
- এবং ভূ-মধ্যসাগর হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে মিলেছে।
- এই সাগর ভূ-মধ্যসাগরের সাথে বসফরাস প্রণালি দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
- এই প্রণালিটি সরু যার গড় গভীরতা ৭০০ মিটার এবং সর্বনিম্ন গভীরতা ৪০ মিটার।
- কৃষ্ণ সাগরের আয়তন প্রায় ৪.৩৬ বর্গকিলোমিটারG
- এবং গড় গভীরতা ১,৩১১ মিটার।

• কৃষ্ণ সাগরের তীরে মোট ৬টি দেশ অবস্থিত:
-
তুরস্ক, বুলগেরিয়া, জর্জিয়া, রোমানিয়া, ইউক্রেন, রাশিয়া।


উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ শ্রেণি।
৩,০৭০.
ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি কোন অঞ্চলে বিস্তৃত?
  1. পিরোজপুর
  2. খাগড়াছড়ি
  3. ময়মনসিংহ
  4. সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি: 
- বাংলাদেশের পাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ যেমন ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি, দিনাজপুর ও রংপুর জেলার বরেন্দ্র বনভূমিকে ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি বলা হয়।
- এই বনভূমির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শীতকালে এই বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায় এবং গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়। 
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।

স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, উত্তরে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা, পূর্বে হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে রাইমঙ্গল, হাড়িয়াভাঙ্গা নদী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আংশিক প্রান্তসীমা পর্যন্ত এ বনভূমি বিস্তৃত। 
- এটি খুলনা বিভাগের ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। 
- সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের জন্য এ অঞ্চল বৃক্ষ সমৃদ্ধ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৭১.
বাংলাদেশ গ্রিনিচ থেকে ৯০° পূর্বে অবস্থিত বলে বাংলাদেশের সময় -
  1. ৬ ঘণ্টা পিছিয়ে
  2. ৬.৩০ ঘণ্টা এগিয়ে
  3. ৬ ঘণ্টা এগিয়ে
  4. ৬.৩০ ঘণ্টা পিছিয়ে
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা এগিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা এগিয়ে
ব্যাখ্যা

গ্রিনিচের সময়:
- গ্রিনিচের দ্রাঘিমা শূন্য ডিগ্রি (০°) ধরা হয়।
- এখন আমরা যদি গ্রিনিচের সময় এবং অন্য কোনো স্থানের সময় জানতে পারি, তাহলে দুই স্থানের সময়ের পার্থক্য অনুসারে প্রতি ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্যে ১০ দ্রাঘিমার পার্থক্য ধরে ঐ স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করতে পারি।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকের দেশগুলো সময়ের হিসেবে গ্রিনিচের চেয়ে এগিয়ে থাকে এবং গ্রিনিচের পশ্চিমে অবস্থিত দেশগুলোর সময় গ্রিনিচের সময় থেকে পিছিয়ে থাকে।
- বাংলাদেশ গ্রিনিচ থেকে ৯০° পূর্বে অবস্থিত বলে বাংলাদেশের সময় ৬ ঘণ্টা এগিয়ে।
- এভাবে দ্রাঘিমার সাহায্যে সময় এবং সময়ের মাধ্যমে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩,০৭২.
কুলিখ ও টাঙ্গন কোন নদীর উপনদী? 
  1. ব্রহ্মপুত্র
  2. গোমতী
  3. মহানন্দা
  4. যমুনা
সঠিক উত্তর:
মহানন্দা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহানন্দা
ব্যাখ্যা
• কুলিখ ও টাঙ্গন - মহানন্দার উপনদী।

• মহানন্দা:
- মহানন্দা নদী হিমালয়ের পাদদেশে দার্জিলিংয়ের নিকট মহালড্রীম পর্বত থেকে উৎপত্তি হয়েছে।
- এটি ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ করে।
- সেখান থেকে পুনরায় ভারতে ফিরে গিয়ে পূর্ণিয়া ও মালদহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- অবশেষে, চাপাইনবাবগঞ্জের নিকট বাংলাদেশে পুনরায় প্রবেশ করে গোদাগাড়ির কাছে পদ্মা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়।
- পুনর্ভবা, নাগর ও টাঙ্গন এর উপনদী।

এছাড়া, 
- পদ্মা নদীর উপনদী - মহানন্দা ও পুনর্ভবা।

উল্লেখ্য,
- কোন নদীতে অপর কোন নদী পতিত হলে পতিত নদীকে উপনদী বলা হয়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৩,০৭৩.
বাংলাদেশের খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. চট্টগ্রাম
  3. কুমিল্লা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-কম্পন অঞ্চল:
- ২০১৬ সালে প্রকাশিত 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) রিপোর্ট অনুযায়ী, সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- সর্বশেষ ২০২০ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে।
- অঞ্চলগুলো হলো:
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহসহ উত্তরাঞ্চল)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.36
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.28
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.2
৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.12

উল্লেখ্য, 
- BANGLADESH NATIONAL BUILDING CODE (BNBC) সর্বপ্রথম ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রিপোর্টে সমগ্র বাংলাদেশকে তিনটি ভূমিকম্প সংঘটন অঞ্চলে (Seismic Zone) বিভক্ত করে।
অঞ্চলগুলো হলো:
১. মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ: উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা -৭),
২. মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ: মধ্যাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা ৬),
৩. কম ঝুঁকিপূর্ণ: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা-৫)।
- পরে, ২০০৬ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও তিনটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ বইয়ের সর্বশেষ সংস্করণে ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রির্পোর্ট অনুসারে, ভূমিকম্পের প্রবণতার ভিত্তিতে সমগ্র বাংলাদেশকে ৩টি অঞ্চলে ভাগ করে দেখানো হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ-জাতীয়-বিল্ডিং-কোড-(BNBC Seismic Design সমীক্ষার রিপোর্ট) ওয়েবসাইট।
৩,০৭৪.
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর কোনটি?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক মহাসাগর: 
- আটলান্টিক মহাসাগর পৃথিবীর মোট পৃষ্ঠের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জুড়ে বিস্তৃত একটি বিশাল লবণাক্ত জলভাগ।
- এটি পূর্বে ইউরোপ ও আফ্রিকা এবং পশ্চিমে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যে অবস্থিত।
- গ্রিক পুরাণের "Atlas" দেবতার নামে এর নামকরণ করা হয়েছে, যার অর্থ "Atlas-এর সমুদ্র"।
- সাধারণত S-আকৃতির এবং দৈর্ঘ্যের তুলনায় অপেক্ষাকৃত সংকীর্ণ।
- এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগরের পরেই এর অবস্থান।
- আটলান্টিক মহাসাগর বিশ্বব্যাপী নৌপরিবহন ও বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা ইউরোপ, আফ্রিকা এবং আমেরিকার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
 
উৎস: Britannica.
৩,০৭৫.
কোন বায়ু সারাবছর একইদিকে প্রবাহিত হয়?
  1. ক) মৌসুমি বায়ু
  2. খ) স্থানীয় বায়ু
  3. গ) সাময়িক বায়ু
  4. ঘ) অয়ন বায়ু
সঠিক উত্তর:
ঘ) অয়ন বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অয়ন বায়ু
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে যে বায়ু সারাবছর একইদিকে প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে।
নিয়ত বায়ু তিন প্রকার।
যথা:
- পশ্চিমা বায়ু
- অয়ন বায়ু
- মেরু বায়ু।

- পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত হয় ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে।
- অয়ন বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু প্রবাহিত হয় ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে।
- মেরু বায়ু প্রবাহিত হয় মেরু অঞ্চলের উচ্চচাপ বলয় থেকে মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,০৭৬.
ব্লু লাইন কোন দুটি দেশের সীমান্তবর্তী রেখা?
  1. ক) আরব - ইসরাইল
  2. খ) লেবানন - ইসরাইল
  3. গ) সিরিয়া - ইসরাইল
  4. ঘ) লেবানন - সিরিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) লেবানন - ইসরাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লেবানন - ইসরাইল
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৯ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের শেষে আর্মিস্টিস বর্ডার চুক্তির অংশ হিসাবে লেবানন এবং ইসরায়েলের মধ্যে বেশিরভাগ সীমান্ত সংজ্ঞায়িত করা হয়েছিল। এই সীমানাকে গ্রীন লাইন বলা হয়।

- ১৯৬৭ সালে ছয় দিনের যুদ্ধের আগ পর্যন্ত এই দুই দেশের সীমান্ত অবস্থান একই ছিল, যখন ইসরাইল সিরিয়া থেকে গোলান হাইটস অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেয়।

- ১৯৭৮ সালে, ইসরায়েলি বাহিনী প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের হাতে টিকে থাকা দেশটিতে আক্রমণের প্রতিক্রিয়া হিসাবে লেবাননে আক্রমণ করেছিল।

- এই আগ্রাসনের সময় ইসরাইল লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের একটি বড় অংশ দখল করে নেয়। লেবানন সরকার জাতিসংঘের কাছে সহায়তার অনুরোধ করেছিল এবং এই আগ্রাসনটি তখন এই আন্তর্জাতিক সংস্থার মধ্যস্থতা করেছিল, যেটি ইসরায়েলকে তার সৈন্য অপসারণের আহ্বান জানায়।
কয়েক বছর পরে, জাতিসংঘ এই দুটি দেশের মধ্যে একটি সীমানা তৈরি করে যা ব্লু লাইন নামে পরিচিত।
- ইসরায়েল তার সৈন্য প্রত্যাহারের আদেশ অনুসরণ করেছে কিনা তা নির্ধারণ করতে এই ব্লু লাইন ব্যবহার করা হয়েছিল।

- ২০০০ সালের মে পর্যন্ত ইসরায়েলি সৈন্যদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়নি। গ্রীন লাইন এবং ব্লু লাইন প্রায় অভিন্ন, যদিও কোনটিই এই দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বা অফিসিয়াল সীমান্ত হিসাবে কাজ করার উদ্দেশ্যে ছিল না।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও হিস্টরি.কম।
৩,০৭৭.
নদীভাঙনের কারণ নিচের কোনটি?
  1. অত্যধিক বৃষ্টিপাত
  2. নদীর গতিপথ পরিবর্তন
  3. নদীগর্ভে ফাটলের উপস্থিতি
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
নদীভাঙন:
- জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে বাংলাদেশের প্রধান নদী ও শাখানদী দ্বারা দেশের প্রায় ১০০টি উপজেলায় কমবেশি নদীভাঙন প্রক্রিয়া চলে।
- বর্ষাকালে নদীখাতে প্রবল বেগে পানিপ্রবাহ, নদী খাতের উভয় পার্শ্বে নরম মাটি ও ফাটলের অবস্থানের কারণে যে ক্ষয় হয়ে থাকে, তাকে নদীভাঙন বলে।
- পলিমাটি গঠিত সমভূমি অধ্যুষিত বাংলাদেশে নদীভাঙনে প্রতি বছর প্রচুর ঘরবাড়ি, নানা ধরনের স্থাপনা ও রাস্তাঘাট ধ্বংস হয় এবং অনেক মানুষের জীবনহানি ঘটে। - নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিকগণ জমি পুনরূদ্ধার করতে না পারায় ভূমিহীন হয়ে পড়ে। ফলে, তারা শহর ও নগরের ভাসমান মানুষে পরিণত হয়।

নদীভাঙনের কারণসমূহ:
- নদীর গতিপথ পরিবর্তন।
- নদী গর্ভে নরম, ক্ষয়িষ্ণু শিলার উপস্থিতি।
- বাহিত শিলার কাঠিন্যতা।
- নদীগর্ভে ফাটলের উপস্থিতি।
- বন্যার সময়ে প্রবল পানির আঘাত।
- অত্যধিক বৃষ্টিপাত।
- নদী তীর থেকে অত্যধিক পরিমাণে বৃক্ষ নিধন।
- নদী তীর ও তলদেশ থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন।
- নদী তীর দখলের মাধ্যমে নদীর গতিপথে বাধা দেয়া ও গতিপথ পরিবর্তন করা।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৭৮.
বাংলাদেশ এশিয়ার কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
  2. দক্ষিণ এশিয়া
  3. মধ্য এশিয়া
  4. পূর্ব এশিয়া
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ এশিয়া
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ:
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশের অবস্থান ২০°৩৪' উত্তর অক্ষরেখা হতে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১' পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা হতে ৯২°৪১' পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে।
- বাংলাদেশের মাঝখান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা ২৬.০১⁰ সেলসিয়াস।
- গড় বৃষ্টিপাত ২০৩⁰ সেন্টিমিটার।
- উষ্ণতম মাস: এপ্রিল, গড় তাপমাত্রা ২৮° সেলসিয়াস।
- শীতলতম মাস: জানুয়ারি, গড় তাপমাত্রা ১৭.৭° সেলসিয়াস।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৩,০৭৯.
বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) রামু
  3. গ) কাপ্তাই
  4. ঘ) রাঙ্গামাটি
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) কাপ্তাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাপ্তাই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় অবস্থিত। এটি ১৯৬২ সালে পাকিস্তান সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা নির্মাণ করে। এতে দৈনিক প্রায় ২৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।
৩,০৮০.
যমুনা নদী কোথা থেকে উৎপন্ন হয়েছে?
  1. হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের হিমবাহ
  2. মনালী হিমবাহ
  3. গঙ্গোত্রী হিমবাহ
  4. কাঞ্চনজঙ্ঘা হিমবাহ
সঠিক উত্তর:
হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের হিমবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের হিমবাহ
ব্যাখ্যা

যমুনা (ব্রহ্মপুত্র):
- হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের একটি হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- তারপর তিব্বত ও আসামের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ রংপুর অঞ্চলের কুড়িগ্রামের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- ময়মনসিংহের দেওয়ানগঞ্জের কাছে এটি দুটি শাখায় বিভক্ত হয়।
- একটি যমুনা নামে প্রবাহিত হয়ে গোয়ালন্দের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- অপর শাখা পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে ময়মনসিংহের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভৈরবের নিকট মেঘনায় পতিত হয়েছে। জানা যায়, দুইশত বৎসর আগে এটিই ব্রহ্মপুত্রের মূল গতিধারা ছিল।

• উপনদী: তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, কালজানি, তোরসা, জলঢাকা, নাগর, দুপচাপিয়া, যমুনেশ্বরী, রায়ঢাক, ধবলা, ঘাঘট, বাঙালি, বড়াল, গঙ্গা, নারদ নদ, ধবল বা দুধকুমার, তুলসী গঙ্গা, শিব বরনাই।

• শাখা নদী: ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা।

উৎস: অর্থনৈতিক ভূগোল, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৮১.
টেকনাফ ও তেঁতুলিয়া কোন দুটি জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) পঞ্চগড় ও কক্সবাজার
  2. খ) বান্দরবান ও পঞ্চগড়
  3. গ) কুড়িগ্রাম ও কক্সবাজার
  4. ঘ) কক্সবাজার ও পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কক্সবাজার ও পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কক্সবাজার ও পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
টেকনাফ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা। এটি কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত।
আর তেঁতুলিয়া বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা। এটি পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৩,০৮২.
 আইসিসিসিএডি-এরতথ্য মতে, ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের কয় লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারে?
  1. প্রায় পঞ্চাশ লাখ
  2. প্রায় নব্বই লাখ
  3. প্রায় নয় লাখ
  4. প্রায় দশ লাখ
সঠিক উত্তর:
প্রায় নয় লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় নয় লাখ
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি:
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে বাংলাদেশে গত ৩০ বছর ধরে উপকূলবর্তী সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রতিবছর ৩ দশমিক ৮ থেকে ৫ দশমিক ৮ মিলিমিটার পর্যন্ত বাড়ছে।
- ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইসিসিসিএডি)-এর তথ্য অনুযায়ী,
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে উপকূলের মানুষের ঘরবাড়ি ও জীবিকা বিপন্ন হওয়ার কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় নয় লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারে।
- এ কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ১২ থেকে ১৮ শতাংশ ডুবে যাওয়ারও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উৎস: বিবিসি বাংলা [৩০ জুন ২০২৪]।
৩,০৮৩.
কোন দেশটি মেলানেশিয়া অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. ক) কিরিবাতি
  2. খ) নাউরু
  3. গ) পালাউ
  4. ঘ) ফিজি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিজি
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের সকল দ্বীপকে একত্রে ওশেনিয়া বলে। এটি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ।
ওশেনিয়া মহাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলঃ
অস্ট্রেলেশিয়াঃ ১। অস্ট্রেলিয়া ও ২। নিউজিল্যান্ড।
পলিনেশিয়াঃ ১। সামোয়া, ২। টোঙ্গা ও ৩। টুভ্যালু।
মেলানেশিয়াঃ ১। পাপুয়া নিউগিনি, ২। সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, ৩। ভানুয়াতু ও ৪। ফিজি।
মাইক্রোনেশিয়াঃ ১। ফেডারেল স্টেট অব মাইক্রোনেশিয়া, ২। কিরিবাতি, ৩। নাউরু, ৪। মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ও ৫। পালাউ।
সূত্র- worldatlas ওয়েবসাইট।

৩,০৮৪.
কোন প্রণালী প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. পক প্রণালী
  2. সুন্দা প্রণালী
  3. ফরমোজা প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
সঠিক উত্তর:
সুন্দা প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দা প্রণালী
ব্যাখ্যা
• সুন্দা প্রণালী:
- সুন্দা প্রণালী ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর (জাভা সাগর) কে যুক্ত করেছে।
- এটি ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথক করেছে।
- সুন্দা প্রণালীর সর্বনিম্ন প্রস্থ প্রায় ২৪ কি.মি এবং সর্বনিম্ন গভীরতা প্রায় ২০ মিটার। 

অপরপক্ষে,
- পক প্রণালী ভারত মহাসাগরের বঙ্গোপসাগর ও পক উপসাগরকে যুক্ত করেছে।
- ফরমোজা প্রণালী প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।
- জিব্রাল্টার প্রণালী ভূম্যসাগরকে উত্তর আটলান্টিক সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস। [লিংক]
৩,০৮৫.
উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে ট্রপোমন্ডলে বায়ুর ক্রমহ্রাসমান তাপমাত্রা হল -
  1. ৫.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
  2. ৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
  3. ৭.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
  4. ৮.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
◉ উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে ট্রপোমন্ডলে বায়ুর ক্রমহ্রাসমান তাপমাত্রা হল - ৬.৫° সেলসিয়াস/কিলোমিটার। 

ট্রপোমন্ডল (Troposphere):

- ট্রপোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর।
- ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন হওয়ায় এ স্তর জীবজগতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- মেরু এলাকায় এ স্তরের গভীরতা প্রায় ৮ কিলোমিটার এবং নিরক্ষীয় এলাকায় ১৬ থেকে ১৯ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর গড় গভীরতা প্রায় ১৫ কিলোমিটার। এ স্তরের জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা অশান্ত বায়ুর সাথে মিশ্রিত হয়ে মেঘ, ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি সৃষ্টি করে।
- ফলে আবহাওয়ার বিভিন্ন পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় এবং এই স্তরেই আবহাওয়া ও জলবায়ুর সব রকমের বৈচিত্র্য দেখা যায়।
- এ মন্ডলটিকে ক্ষুদ্রমন্ডলও বলা হয়ে থাকে। এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে।
- উষ্ণতা হ্রাসের এ হার প্রতি কিলোমিটারে ৬.৫° সেলসিয়াস যা স্বাভাবিক তাপ হ্রাস হার (Normal Lapse Rate বা Environmental Lapse) নামে পরিচিত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। এ স্তরের শেষ সীমাকে ট্রপোবিরতি (Tropopause) বলে।

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৮৬.
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ নয়?
  1. পোল্যান্ড
  2. লিথুয়ানিয়া
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ:
- দক্ষিণ কোরিয়া রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ নয়।

উল্লেখ্য,
- রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি। যথা-
• আজারবাইজান।
• বেলারুশ।
• চীন।
• এস্তোনিয়া।
• ফিনল্যান্ড।
• জর্জিয়া।
• কাজাখস্তান।
• লাটভিয়া।
• লিথুয়ানিয়া।
• মঙ্গোলিয়া।
উত্তর কোরিয়া
• নরওয়ে।
• পোল্যান্ড।
• ইউক্রেন।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৩,০৮৭.
পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা বেশি টনের্ডো কোথায় হয়?
  1. ভিয়েতনাম ও শ্রীলঙ্কায়
  2. ইন্দোনেশিয়া ও প্রশান্ত সাগরের নিকটবর্তী এলাকায়
  3. উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ায়
  4. ভারত মহাসাগরের নিকট
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ায়
ব্যাখ্যা

টর্নেডো: 
- টর্নেডো মূলত অতি দ্রুত আবর্তনশীল ক্ষুদ্র আকারের অথচ প্রলয়ঙ্কারী বজ্রঝড়।
- এটি চোঙ আকৃতির হয়ে থাকে এবং এই বজ্রঝড়ের মধ্যভাগে বায়ু অতিদ্রুত বেগে উপরে উঠতে থাকে।
- এই চোঙ যদি ভূমি স্পর্শ করে তখন ধ্বংসলীলা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। 
- টর্নেডোর ব্যাস ভূ-পৃষ্ঠের উপরে ১০০ থেকে ৫০০ গজ পর্যন্ত হয়।
- টর্নেডোর ভিতরে ও বাইরের বায়ুচাপের গড় পার্থক্য প্রায় ২ ইঞ্চি। তবে কখনো কখনো তা ৫ইঞ্চি হয়ে যায়।
- টর্নেডোর চোঙ মাটি স্পর্শ করলে ব্যাপক শব্দে সবকিছু ধূলিসাৎ হয়ে যায় এবং কালো মেঘে ছেঁয়ে যায়।

• টর্নেডোর বৈশিষ্ট্য:
১. টর্নেডোতে প্রথমত আকস্মিকভাবে বায়ুচাপের হ্রাস ঘটে বলেই বড় বড় ইমারতে ফাটল ধরে।
২. বায়ুর আবর্তন হয় অত্যন্ত দ্রুতবেগে। ফলে বায়ুপ্রবাহের সম্মুখে প্রতি বর্গফুটে বায়ুচাপের পরিমাণ হয় ১৬০ থেকে ১০০০ পাউন্ড।
৩. টর্নেডোর উত্তোলন ক্ষমতা অনেক ভয়ঙ্কর। ভয়ঙ্কর বেগে টর্নেডোর বায়ু উপরের দিকে উত্থিত হয় এবং পথে যা পায় তাই তুলে নেয়।
৪. ভূমিতে টর্নেডোর রৈখিক গতিবেগ বিভিন্ন টর্নেডোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকমের হয়। যেমন- উত্তর গোলার্ধে টর্নেডো দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে আসে।
৫. টর্নেডোর গতিপথ অর্ধবৃত্তাকার হতে পারে এবং উত্তর গোলার্ধে টর্নেডো ডানদিকে আবর্তিত হয়।
৬. টর্নেডোর গতিবেগ ঘন্টায় ৫ হতে ৬৫ মাইল হয়ে থাকে। তবে কখনো কখনো গড় গতিবেগ ঘন্টায় ৩৫ থেকে ৪৫ মাইল হয়।
৭. পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি টর্নেডোপ্রবণ এলাকা উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া।
৮. সমুদ্রের উপর টর্নেডো সৃষ্টি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের নিকটস্থ সমুদ্রে, মেক্সিকো উপসাগরে এবং চীন ও জাপানের উপকূলের নিকটস্থ সমুদ্রে গ্রীষ্মকালে টর্নেডোর প্রকোপ দেখা যায়।
৯. টর্নেডো ব্যাপক জানমাল ও পরিবেশের ক্ষতিসাধন করে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  

৩,০৮৮.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য কয়টি?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৭ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অর্থ: 

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অর্থ হলো, যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য: 


• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য তিনটি। এগুলো হলো:

(ক) দুর্যোগকালিন সময়ে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা;
(খ) দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছানো ও পূণর্বাসন নিশ্চিত করা এবং
(গ) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৮৯.
নদীর মোহনাতে প্রচুর পরিমাণে পলি সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমির সৃষ্টি হয় তাকে কী ধরনের সমভূমি বলা হয়?
  1. হিমবাহ
  2. ব-দ্বীপ
  3. উপকূলীয়
  4. সামুদ্রিক
সঠিক উত্তর:
ব-দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব-দ্বীপ
ব্যাখ্যা
 নদীর মোহনাতে প্রচুর পরিমাণে পলি সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমির সৃষ্টি হয় তাকে ব-দ্বীপ সমভূমি বলা হয়।

• ব-দ্বীপ:
- নদীর গতিপথের সর্বশেষ পর্যায়ে অর্থাৎ সমুদ্রে পতিত হওয়ার পূর্বে নদীর গতি সর্বাধিক মন্থর থাকে এবং পানিতে পলির পরিমাণ থাকে সর্বাধিক। ফলে নদীর মোহনাতে প্রচুর পরিমাণে পলি সঞ্চিত হয়।
- এ পলি সঞ্চিত হতে হতে বাংলা মাত্রাহীন ‘ব’ এর মতো যে সমভূমির সৃষ্টি হয় তাকে ব-দ্বীপ বলে।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, পাকিস্তানের সিন্ধু, মিশরের নীল, ব্রহ্মদেশের ইরাবতী, চীনের ইয়াংসি, হোয়াংহো, উত্তর আমেরিকার মিসিসিপি, ইতালির পো প্রভৃতি নদীর মোহনায় বিস্তীর্ণ ব-দ্বীপ গঠিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৯০.
ধ্রুবতারার অবস্থানের মাধ্যমে নিম্নের কোনটি নির্ণয় করা যায়?
  1. দ্রাঘিমাংশ
  2. অক্ষাংশ
  3. দ্রাঘিমা রেখা
  4. কর্কটক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
অক্ষাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ:
- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে।
- প্রধানত দুইটি পদ্ধতিতে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।
- যথা:
১। ধ্রুবতারার অবস্থান:
- উত্তর গোলার্ধের কোনো স্থানে ধ্রুবতারা যত ডিগ্রি কোণে অবস্থান করে সেই মানই উক্ত স্থানের অক্ষাংশ।

২। সূর্যের অবস্থান:
- আকাশে সূর্যের অবস্থান অনুযায়ী সেক্সট্যান্ট নামক যন্ত্র ব্যবহার করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।

অন্যদিকে,
দ্রাঘিমাংশ:
- ভূ-পৃষ্ঠের কোনো স্থানে মূল মধ্যরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে দ্রাঘিমাংশ বলে।

দ্রাঘিমা রেখা:
- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দ্রাঘিমাংশ প্রকাশ করা হয়, তাকে দ্রাঘিমা রেখা বলে।
- অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ দ্রাঘিমা রেখা (Latitude)।
- প্রতিটি দ্রাঘিমারেখা একেকটি অর্ধবৃত্ত।

কর্কটক্রান্তি রেখা:
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৯১.
'Law of the Sea Convention' অনুযায়ী উপকূল থেকে কত দূরত্ব পর্যন্ত Exclusive Economic Zone হিসেবে গণ্য?
  1. ক) 22 নটিক্যাল মাইল
  2. খ) ৪৪ নটিক্যাল মাইল
  3. গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ঘ) ৩৭০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরে দেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ৩৭০.৪ কিলোমিটার বা ২০০ নটিক্যাল মাইল
এছাড়া,
- টেরিটোরিয়াল বা রাজনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য : ১২ নটিক্যাল মাইল
- মহীসোপানের দৈর্ঘ্য : ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা)
৩,০৯২.
কোন প্রণালী ভারত ও শ্রীলংকা'কে পৃথক করেছে?
  1. পানামা
  2. মালাক্কা প্রণালী
  3. পক প্রণালী
  4. বেরিং প্রণালী
সঠিক উত্তর:
পক প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক প্রণালী
ব্যাখ্যা
পক প্রণালী:
- পক প্রণালী ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী একটি সামুদ্রিক প্রণালী।
- এটি বঙ্গোপসাগর ও মান্নার উপসাগরকে একসঙ্গে যুক্ত করেছে।
- প্রণালীটি ৬৪-১৩৭ কিলোমিটার প্রশস্ত।
- তামিলনাড়ুর ভাইগাই নদী এই প্রণালীতে পতিত হয়েছে।
- ব্রিটিশ ভারতের মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির গভর্নর রবার্ট পকের নামে এই প্রণালীর নামকরণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- বেরিং প্রণালী উত্তর আমেরিকাকে এশিয়া থেকে পৃথক করেছে।
- পানামা যোজন আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- মালাক্কা প্রণালী সুমাত্রাকে মালয়েশিয়া থেকে পৃথক করেছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
৩,০৯৩.
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কোনটি?
  1. কল-কারখানা বৃদ্ধি পাওয়া
  2. জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া
  3. খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস
  4. গাছপালা বৃদ্ধি পাওয়া
সঠিক উত্তর:
খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তন হলো মানুষের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কর্মকান্ডের ফলে বায়ুমন্ডলের গঠনগত পরিবর্তন যা নির্দিষ্ট সময়কালে জলবায়ুর উপাদানসমূহের পরিবর্তন ঘটায় এবং প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ভিন্নতা প্রদর্শন করে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই বিশ্বের আবহাওয়ার ধরন দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে।
- বৃষ্টির সময় অনাবৃষ্টি, খরার সময়ে বৃষ্টি, শীতের সময়ে গরম আবহাওয়া এবং গরমের ভিন্নধর্মী আবহাওয়া ইত্যাদিই জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উপকূলীয় এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যাবে এবং বিখ্যাত শহরগুলোও ক্ষতিগ্রস্থ হবে। বাংলাদেশও এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে।
- এছাড়াও এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠা, বন্য জীবজন্তুর সংখ্যা কমে যাওয়া, লোনা পানির প্রবেশ ঝুঁকি বৃদ্ধি, অসময়ে জলোচ্ছ্বাসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, সুপেয় পানি দূষণ, বনাঞ্চল ধ্বংস, বাস্তুসংস্থানের উপর হুমকি, খরা বৃদ্ধি, বন্যা ও লবনাক্ততা দ্বারা ফসলি জমির ক্ষতি ইত্যাদিও এই জলবায়ু পরিবর্তনেরই প্রভাব।
- এভাবে পৃথিবী উষ্ণায়নের ফলে একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় বিশ্বের মোট জনসমষ্টির প্রায় ২০ শতাংশ অধিবাসীর ভাগ্য বিপর্যয় ঘটবে।
- গ্রীনহাউস প্রতিক্রিয়া বিশ্বব্যাপী উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামাজিক, প্রাকৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নানা রকম অস্থিরতা তৈরি করবে। ফলে তৈরি হবে অর্থনৈতিক মন্দা ও খাদ্যাভাব যা উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশের জনগণকে করে তুলবে শরনার্থী।
- উন্নত বিশ্বের অধিবাসীরা যখন আর্থ- সামাজিক উন্নতির শিখরে অবস্থান করবে তখন অনেক দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসমষ্টি দারিদ্রসীমার নিচে মানবেতর জীবনযাপন করবে। উদাহরণসস্বরূপ বলা যায় একদিকে বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, চীন, ইন্দোনেশিয়ায় জলবায়ু পরিবর্তন ব্যাপকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে অপরদিকে অস্ট্রেলিয়ার মত দেশে শীতকাল পূর্বের তুলনায় বর্ষাসিক্ত হওয়ায় শস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৯৪.
Europe's second largest river -
  1. ক) Danube River
  2. খ) Volga River
  3. গ) Tara River Canyon
  4. ঘ) Ural River
সঠিক উত্তর:
ক) Danube River
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Danube River
ব্যাখ্যা
Danube River
- দানিউব নদী ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- এটি পশ্চিম জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বতে উঠে এবং প্রায় 1,770 মাইল (2,850 কিমি) ব্ল্যাক সাগরের মুখে প্রবাহিত হয়।
- এর পথ ধরে এটি 10টি দেশের মধ্য দিয়ে যায়: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, স্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া, বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, মলদোভা এবং ইউক্রেন।
- 19টি দেশ দানিউব নদীর অববাহিকা ভাগ করে, যা এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে আন্তর্জাতিক নদী অববাহিকা করে তোলে।
- বিভিন্ন সংস্কৃতি এবং ভাষার 79 মিলিয়ন মানুষ দানিউব বেসিনকে তাদের বাড়ি বলে।
- বহু শতাব্দী ধরে তারা দানিয়ুবের ব্যাপকভাবে বিস্তৃত জল ব্যবস্থার মাধ্যমে আন্তঃসংযুক্ত হয়েছে।
- দানিয়ুব মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বসতি স্থাপন এবং রাজনৈতিক বিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
- এর তীরগুলি, দুর্গ এবং দুর্গগুলির সাথে রেখাযুক্ত।
- এই নদী মহান সাম্রাজ্যের মধ্যে সীমানা তৈরি করেছিল এবং এর জলগুলি জাতিগুলির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক মহাসড়ক হিসাবে কাজ করেছিল।
- নদীর মহিমা অনেক আগে থেকেই সঙ্গীতে পালিত হয়ে আসছে।

অন্যদিকে -
- Volga River ইউরোপের দীর্ঘতম নদী।
- তারা নদী ক্যানিয়ন ইউরোপের গভীরতম নদী।
- Ural River ইউরোপের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী।

উৎস: Britannica.
৩,০৯৫.
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে সবচেয়ে শীতল তাপমাত্রা পাওয়া যায়?
  1. স্ট্রাটোমণ্ডল
  2. আয়নোমণ্ডল
  3. মেসোমণ্ডল
  4. ট্রপোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

মেসোমণ্ডল বা মধ্যমণ্ডল :
- মেসোমণ্ডল হলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্যবর্তী স্তর।
- এই স্তর স্ট্র্যাটোমণ্ডলের ঠিক উপরে এবং থার্মোমণ্ডলের নিচে অবস্থান করে।
- এটি প্রায় ৫০ কিলোমিটার উচ্চতা থেকে শুরু হয়ে মেসোবিরতি পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে, যার উচ্চতা প্রায় ৮০–৮৫ কিলোমিটার।
- এই স্তরেই উল্কাপিণ্ড প্রবেশ করলে ঘর্ষণের ফলে পুড়ে যায়।
- উচ্চতার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা দ্রুত হ্রাস পাওয়ায় মেসোবিরতি অঞ্চলটি পৃথিবীর সবচেয়ে শীতলতম স্থান হিসেবে পরিচিত;
- যেখানে তাপমাত্রা প্রায় –100°C পর্যন্ত নেমে যেতে পারে।

উৎস :
Britannica;
ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,০৯৬.
”বাটালি পাহাড়” কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাঙ্গামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

- ”বাটালি পাহাড়” চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত।
- এটি চট্টগ্রাম শহরের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় হিসেবে স্বীকৃত। 
- চট্টগ্রামের লালখানবাজার, টাইগারপাস ও আমবাগানের বিস্তৃত এলাকাজুড়ে বাটালি পাহাড়ের অবস্থান।
- এই পাহাড়ের চূড়া থেকে একঝলকে পুরো শহরসহ বঙ্গোপসাগর দেখা যায়।
- এই পাহাড় এর চূড়ায় মুক্তিযুদ্ধের স্মারকও রয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,০৯৭.
এশিয়ার কোন দেশে সাভানা অঞ্চলের আবহাওয়া বিদ্যমান?
  1. ভারত
  2. মিয়ানমার
  3. থাইল্যান্ড
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
সাভানা অঞ্চল (Savanna):
সাভানা একটি ট্রপিক অঞ্চল যেখানে গাছপালা উচ্চ তাপ বা শুষ্ক মৌসুমী আবহাওয়াতে জন্মাতে পারে। এই অঞ্চলের গাছপালা সাধারণত খোলা ছাউনি বা পাতা সম্পন্ন (open tree canopy) হয়ে থাকে। এছাড়া গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ পাওয়া যায়।
- সাধারণত আফ্রিকায় সাভানা অঞ্চল বেশি লক্ষ্য করা যায়।
- এছাড়াও অস্ট্রেলিয়া ও ল্যাটিন আমেরিকার ব্রাজিলে এই ধরণের অঞ্চল পাওয়া যায়। ব্রাজিলের সাভানা অঞ্চলকে Cerrado বলা হয়।

এশিয়ার কয়েকটি দেশে সাভানা অঞ্চল রয়েছে।
যেমন -
- ভারত
- থাইল্যান্ড
- মিয়ানমার

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,০৯৮.
পৃথিবীর মৃদু ঢালবিশিষ্ট সুউচ্চ ভূভাগ কী নামে পরিচিত?
  1. ভূত্বক
  2. পর্বত
  3. মালভূমি
  4. পাহাড়
সঠিক উত্তর:
মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালভূমি
ব্যাখ্যা
মালভূমি:
- পৃথিবীর মৃদু ঢালবিশিষ্ট সুউচ্চ ভূভাগ মালভূমি নামে পরিচিত।
- মালভূমির উচ্চতা শত মিটার থেকে কয়েক হাজার মিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- পৃথিবীর বৃহত্তম মালভূমির উচ্চতা ৪,২৭০ থেকে ৪,১৯০ মিটার।
- পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমি হলো পামীর মালভূমি।

- অবস্থানের ভিত্তিতে মালভূমি তিন প্রকার। যথা:
পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি : তিব্বত মালভূমি, দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়া, মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো, এশিয়ার মঙ্গোলিয়া ও তারিম।
পাদদেশীয় মালভূমি : উত্তর আমেরিকার কলোরাডো এবং দক্ষিণ আমেরিকার পাতাগোনিয়া।
মহাদেশীয় মালভূমি : এ ধরনের মালভূমির সাথে পর্বতের কোন সংযোগ থাকে না। স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, সৌদি আরব, গ্রিনল্যান্ড।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৯৯.
বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ -
  1. বৈকাল হ্রদ
  2. টিটিকাকা হ্রদ
  3. সুপিরিয়র হ্রদ
  4. কাস্পিয়ান সাগর
সঠিক উত্তর:
কাস্পিয়ান সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাস্পিয়ান সাগর
ব্যাখ্যা
কাস্পিয়ান সাগর:
- কাস্পিয়ান সাগর পৃথিবীর বৃহত্তম ও বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ।
- অর্থাৎ নামের সাথে সাগর থাকলেও কাস্পিয়ান সাগর একটি হ্রদ।
- কাস্পিয়ান সাগর ককেশাস পর্বতমালার পূর্বে এবং মধ্য এশিয়ার বিস্তীর্ণ মাঠের পশ্চিমে অবস্থিত।
- কাস্পিয়ান সাগর পাঁচটি দেশ দ্বারা সীমান্তবর্তী: কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, ইরান, আজারবাইজান এবং রাশিয়া।

অন্যদিকে,
- বৈকাল (রাশিয়া) পৃথিবীর প্রাচীনতম ও গভীরতম হ্রদ।
- সুপিরিয়র পৃথিবীর বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ।
- পৃথিবীর উচ্চতম হ্রদ হলো টিটিকাকা।
- লেক আসাল (জিবুতি) সর্বাধিক লবণাক্ত পানির হ্রদ।

উল্লেখ্য,
-মহাসাগর অপেক্ষা স্বল্প আয়তনবিশিষ্ট জলরাশিকে সাগর (Sea) বলে। যথা- ভূমধ্যসাগর, লোহিত সাগর, ক্যরিবিয়ান সাগর, জাপান সাগর ইত্যাদি।
-তিনদিকে স্থলভাগ দ্বারা পরিবেষ্টিত এবং একদিকে জল তাকে উপসাগর (Bay) বলে। যথা- বঙ্গোপসাগর, পারস্য উপসাগর ও মেক্সিকো উপসাগর ইত্যাদি।
- চারদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলভাগকে হ্রদ (Lake) বলে। যথা- রাশিয়ার বৈকাল হ্রদ, আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তে অবস্থিত সুপিরিয়র হ্রদ ও আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া হ্রদ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৩,১০০.
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ কোনটি?
  1. ডেনমার্ক
  2. সুইডেন
  3. নরওয়ে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা- নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।

• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com ও Britannica.com