বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ১৪ / ৭২ · ১,৩০১১,৪০০ / ৭,১৯১

১,৩০১.
ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি বাংলাদেশে কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. টাঙ্গাইল
  3. গাজীপুর
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে।
- এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
(ক) ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলগাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
(খ)দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত। শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়। গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম - ১০ম শ্রেণি। 

১,৩০২.
ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে কোন দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়?
  1. বাম দিকে
  2. পশ্চিম দিকে
  3. পূর্ব দিকে
  4. ডানদিকে
সঠিক উত্তর:
ডানদিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডানদিকে
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর আবর্তন:
- আহ্নিক গতির কারণে পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ঘুরছে।
- পৃথিবীর এইরূপ আর্বতনের সাথে সাথে সাগর মহাসাগরের পানিরাশিও পশ্চিম হতে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র স্রোতের সৃষ্টি হয়।
- আবর্তন গতির ফলে সৃষ্ট সমুদ্র স্রোত ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়। যেমন: উত্তর গোলার্ধে উপসাগরীয় স্রোত ও ক্যানারি স্রোতের প্রবাহ ঘড়ির কাঁটার দিকে অর্থাৎ ডান দিক ঘুরে প্রবাহিত হয়।
- একইভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে ব্রাজিল স্রোত ও পশ্চিমা বায়ু প্রবাহজনিত স্রোত ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরে প্রবাহিত হয়।

⇒ একটি অঞ্চলে সৃষ্ট নিম্নচাপের ফলে একটি কেন্দ্রাভিমুখী ঘূর্ণায়মান প্রচন্ড বায়ুপ্রবাহ থেকেই ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- উত্তর গোলার্ধে এ বায়ু ঘড়ির কাঁটার বিপরীতমুখী অর্থাৎ উত্তরাভিমুখী এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণাভিমুখী প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩০৩.
”তিনবিঘা করিডোর” কোথায় অবস্থিত?
  1. কালীগঞ্জ
  2. হাতিবান্ধা
  3. পাটগ্রাম 
  4. আদিতমারী
সঠিক উত্তর:
পাটগ্রাম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটগ্রাম 
ব্যাখ্যা

 তিনবিঘা করিডোর:
- লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল ছিল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
- এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- পাকিস্তান আমল পেরিয়ে বাংলাদেশ আমল পর্যন্ত তিন বিঘা হস্তান্তর প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের অনেক বৈঠক এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয় এবং ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ আগস্ট এখানে ইউনিয়ন পরিষদের শুভ উদ্বোধন ঘটে।
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।
- তবে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ১ ঘন্টা পর পর করিডোর দিয়ে বাংলাদেশীদের যাতায়াতের সুযোগ দেয়া হয়।
- অতঃপর করিডোর দিন- রাত খোলা রাখার জন্য দাবী উত্থাপিত হলে ২০০১ খ্রিষ্টাব্দের ২৭ এপ্রিল থেকে তা সকাল ৬ঃ৩০ মিনিট হতে সন্ধ্যা ৬ঃ৩০ পর্যন্ত খোলা রাখার ব্যবস্থা করা হয়।
-  ২০১১ খ্রি. তারিখে ঢাকাতে অনুষ্ঠিত হাসিনা-মনমোহন বৈঠকে স্বাক্ষরিত চুক্তি মোতাবেক বাংলাদেশীদের যাতায়াতের জন্য তিনবিঘা করিডোর বর্তমানে ২৪ ঘন্টা খোলা রাখা হচ্ছে।

উৎস: লালমনিরহাট জেলা ওয়েবসাইট।

১,৩০৪.
হিমবাহ উৎপন্ন হয় কোথায়?
  1. পর্বতে
  2. নদীতে
  3. সাগরে
  4. আগ্নেয়গিরিতে
সঠিক উত্তর:
পর্বতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্বতে
ব্যাখ্যা
হিমবাহ:

- উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে বা মেরু অঞ্চলে ধীরগতি সম্পন্ন চলমান বিশাল, দীর্ঘস্থায়ী তুষার বা বরফের স্তুপ কে হিমবাহ বলে।
- বিশ্বের বেশিরভাগ হিমবাহগুলি মেরু অঞ্চলে, গ্রীনল্যান্ড, কানাডিয়ান আর্কটিক এবং অ্যান্টার্কটিকার মতো অঞ্চলে বিদ্যমান।
- কিছু পর্বত অঞ্চলে নিরক্ষরেখার কাছাকাছি হিমবাহগুলি উৎপন্ন হয়।
- দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালায় বিশ্বের বৃহত্তম গ্রীষ্মমন্ডলীয় হিমবাহ রয়েছে।
- পৃথিবীর সমস্ত জলের প্রায় ২ শতাংশ হিমবাহে হিমায়িত।

তথ্যসূত্র - National Geographic অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৩০৫.
টর্নেডোর বৈশিষ্ট্য -
  1. টর্নেডোর চোঙ মাটি স্পর্শ করলে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়
  2. পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি টর্নেডো প্রবণ এলাকা উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া
  3. টর্নেডো গমনপথ অর্ধবৃত্তাকার
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• টর্নেডো:
→ টর্নেডো মূলত অতি দ্রুত আবর্তনশীল ক্ষুদ্র আকারের অথচ প্রলয়ঙ্কারী বজ্রঝড়।
→ এটি চোঙ আকৃতির হয়ে থাকে এবং এই বজ্রঝড়ের মধ্যভাগে বায়ু অতিদ্রুত বেগে উপরে উঠতে থাকে। এই চোঙ যদি ভূমি স্পর্শ করে তখন ধ্বংসলীলা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। তবে চোঙ ভূমি স্পর্শ না করলে তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয় না।
→ টর্নেডোর ব্যাস ভূ-পৃষ্ঠের উপরে ১০০ থেকে ৫০০ গজ পর্যন্ত হয়।
→  টর্নেডোর ভিতরে ও বাইরের বায়ুচাপের গড় পার্থক্য প্রায় ২ ইঞ্চি। তবে কখনো কখনো তা ৫ ইঞ্চি হয়ে যায়।
→ টর্নেডোর চোঙ মাটি স্পর্শ করলে ব্যাপক শব্দে সবকিছু ধূলিসাৎ হয়ে যায় এবং কালো মেঘে ছেঁয়ে যায়।
→ টর্নেডোর গতিপথ অর্ধবৃত্তাকার হতে পারে এবং উত্তর গোলার্ধে টর্নেডো ডানদিকে আবর্তিত হয়।
→ পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি টর্নেডো প্রবণ এলাকা উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যলয়।
১,৩০৬.
বাষ্পীভবন প্রক্রিয়ায় জলীয়বাষ্প কোথায় মিশে যায়?
  1. নভোমন্ডলে
  2. শিশির কণায়
  3. সমুদ্রে
  4. বায়ুমন্ডলে
সঠিক উত্তর:
বায়ুমন্ডলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুমন্ডলে
ব্যাখ্যা
বাষ্পীভবন (Evaporation):

- বাষ্পীভবন এমন একটি প্রক্রিয়া যার দ্বারা নদী, হ্রদ, জলাশয় বা সমুদ্রের পানি সূর্যের তাপে বাষ্পে পরিণত হয় এবং তা বায়ুমন্ডলের মিশে যায়।
- এই জলীয়বাষ্প হালকা বলে তা উপরে উঠে বায়ুমন্ডলে অদৃশ্য হয়ে যেতে সক্ষম হয়।
- এক্ষেত্রে বায়ুর উষ্ণতার পরিমাণের উপর নির্ভর করে যে কতটুকু জলীয়বাষ্প ধারণ করা সম্ভব হবে।
- জলীয়বাষ্প প্রধানত সমুদ্র থেকে বাষ্পীভূত হলেও নদ-নদী ও উদ্ভিদ জগতও জলীয়বাষ্পের অন্যতম উৎস।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩০৭.
দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া থেকে কোন ধরনের খনিজ উত্তোলন করা হয়?
  1. খনিজ তৈল
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. কঠিন শিলা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কঠিন শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন শিলা
ব্যাখ্যা

- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার খনি পাওয়া গিয়েছে।

কঠিন শিলা (Hard Rock):

- পাললিক শিলা থেকে পৃথক এবং সাধারণভাবে শক্ত, ঘন, কেলাসিত আগ্নেয় অথবা রূপান্তরিত শিলাকে কঠিন শিলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার খনি পাওয়া গিয়েছে।
আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৭৪ সালে।
- গভীরতা: ১২৮ মিটার। মজুদ: ১৭১ মেট্রিক টন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৬ সালে রংপুর জেলার বদরগঞ্জ থানার রানীপুকুর নামক স্থানে প্রায় ১৮২ মিটার মাটির নিচে প্রথম কঠিন শিলার সন্ধান পাওয়া যায়।
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানার মধ্যপাড়ায় ১২৮ মিটার মাটির নিচে কঠিন শিলা রয়েছে যা ২০০৭ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হয়।
- মধ্যপাড়ায় গ্রানোডায়োরাইট, কোয়ার্টজ, ডায়োরাইট, নিস্ ইত্যাদি কঠিন শিলা পাওয়া যায়।
- এছাড়া নওগাঁ জেলার পত্নীতলা, সিলেট জেলার ভোলাগঞ্জ এবং পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়ায় কঠিন শিলা পাওয়া গেছে।
- রেললাইন, রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, নদীর বাঁধসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে কঠিন শিলা ব্যবহৃত হয়।  

উৎস: ¡)খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
        ¡¡)  বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।[লিঙ্ক]

১,৩০৮.
বাংলাদেশে বৈশাখ মাসে সংঘটিত ঝড়ের নাম কী?
  1. সাইক্লোন
  2. টর্নেডো
  3. কালবৈশাখী
  4. ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর:
কালবৈশাখী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালবৈশাখী
ব্যাখ্যা
কালবৈশাখী:

- বাংলাদেশে বৈশাখ মাসে সংঘটিত ঝড়ের নাম কালবৈশাখী।
- বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে কালবৈশাখী ঝড় সুপরিচিত।
- কালবৈশাখী ঝড় বায়ুপ্রবাহ ও ভারী বৃষ্টিপাতের সাথে সংঘটিত হয়।
- কালবৈশাখী ঝড় ভারী বৃষ্টিপাত ও বজ্রসহ ভূ-পৃষ্ঠের উপর আঘাত হানে।
- কালবৈশাখীকে বায়ুপুঞ্জ বজ্রঝড় অথবা পরিচলনগত বজ্রঝড় নামেও আখ্যায়িত করা যায়।
- বাংলাদেশে কালবৈশাখী সৃষ্টির প্রধান কারণ দেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আসা উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু যা ঊর্ধ্বে ২ কিলোমিটার পর্যন্ত আরোহন করে থাকে এবং এ উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু উত্তর-পশ্চিম এবং পশ্চিম দিক থেকে আসা অপেক্ষাকৃত শীতল ও শুষ্ক বায়ুর সঙ্গে মিলিত বা মুখোমুখি হয়।
- উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু ছোটনাগপুর মালভূমিতে সৃষ্টির পর পূর্বদিকে ধাবিত হয়ে বাংলাদেশের সীমায় উপস্থিত হয়। বিপরীতধর্মী ও অসম এ দু বায়ুপ্রবাহের মুখোমুখি হওয়ার ফলে প্রাক-কালবৈশাখীর সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বজ্র-বিদ্যুৎপূর্ণ ঝড় সৃষ্টি হয়।
- এই ঝড় বৈশাখ মাসে কখনও চৈত্র মাসে উত্তর-পশ্চিম দিক হতে আসে বলে একে কালবৈশাখী ঝড় বা গ্রীষ্মকালীন উত্তর পশ্চিম ঝড় বা বজ্রবিদ্যুৎপূর্ণ ঝড়বৃষ্টি বলা হয়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩০৯.
'Gate of Tears' কোন দুটি মহাদেশকে পৃথক করেছে?
  1. এশিয়া ও ইউরোপ
  2. আফ্রিকা ও ইউরোপ
  3. ইউরোপ ও আমেরিকা
  4. এশিয়া ও আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
এশিয়া ও আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া ও আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

⇒ বাব এল-মান্দেব প্রণালী 'Gate of Tears' নামে পরিচিত।
- 'Gate of Tears' এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে।

বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী, আরবি বাব আল-মান্দব, আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী।
- প্রণালীটির মোট দৈর্ঘ্য, পূর্ব-উত্তর-পূর্ব থেকে পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ১৪৮০ কিমি, এবং এর গড় প্রস্থ, উত্তর-উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ৪৮০ কিমি।
- এটি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালীটি এডেন উপসাগর, গভীর জলের অববাহিকা যা লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সমুদ্র সংযোগ তৈরি করে।
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের সাথে, প্রণালীটি ভূমধ্যসাগর এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের একটি অংশ গঠন করে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ ‘কান্নার দ্বার’।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,৩১০.
“পূর্বাশা” দ্বীপের অপর নাম-
  1. নিঝুম দ্বীপ
  2. সেন্টমার্টিন দ্বীপ
  3. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
  4. কুতুবদিয়া দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
ব্যাখ্যা

• দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ:
⇒ দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ (South Talpatti Island) সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্ভূক্ত বঙ্গোপসাগরের অগভীর সামুদ্রিক মহীসোপান (continental shelf) এলাকায় জেগে ওঠা একটি উপকূলবর্তী দ্বীপ।
-  বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণা জেলার বশীরহাট থানার মধ্যকার হাড়িয়াভাঙ্গা নদী দ্বারা চিহ্নিত সীমান্ত রেখা বরাবর দক্ষিণে হাড়িয়াভাঙ্গা মোহনায় অগভীর সমুদ্রে এ ক্ষুদ্র দ্বীপটি গড়ে উঠেছে।

 - বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার (পূর্বতন বৃহত্তর খুলনা জেলা) শ্যামনগর উপজেলাধীন তালপট্টির দক্ষিণে অবস্থানের কারণে এ দ্বীপটির নামকরণ করা হয়েছে দক্ষিণ তালপট্টি।

- দ্বীপটির বর্তমান আয়তন প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটার।
- দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ৩.৫ কিমি দীর্ঘ এবং পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ প্রায় ৩ কিমি বিস্তৃত।
- ১৯৭১ সালের মাঝামাঝি সময়ে দ্বীপটির অভ্যুদয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়।
- ভারত নতুন জেগে ওঠা দ্বীপটিকে ‘নিউমুর দ্বীপ’ (The New Moore Island) নামে চিহ্নিত করে।
- সে সময় পশ্চিমবঙ্গে দ্বীপটিকে কখনও ‘নিউমুর’ আবার কখনও ‘পূর্বাশা’ নামে অভিহিত করা হতো। 
- ভারত সরকারও দ্বীপটিকে নিজ রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভূক্ত বলে দাবী করে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৩১১.
দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ স্থান কোন সমভূমির অন্তর্গত?
  1. ব-দ্বীপ সমভূমি
  2. প্লাবন সমভূমি
  3. পাদদেশীয় পলল সমভূমি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পাদদেশীয় পলল সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাদদেশীয় পলল সমভূমি
ব্যাখ্যা

দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ স্থান পাদদেশীয় পলল সমভূমির অন্তর্গত।

পাদদেশীয় পলল সমভূমি (Peidmont Alluvial Plain): 
​- অনেক সময় পাহাড়িয়া নদী পাদদেশে পলি সঞ্চয় করতে করতে একটা সময় পাহাড়ের পাদদেশে নতুন বিশাল সমভূমি গড়ে তোলে। 
​- এ ধরনের সমভূমিকে পাদদেশীয় পলল সমভূমি বলে। 
​- বাংলাদেশের তিস্তা, আত্রাই, করতোয়া সংলগ্ন রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ স্থানই পলল সমভূমি নামে পরিচিত। 
​- এসব নদী উত্তরের হিমালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে সহজেই পাহাড় থেকে পলল বহন করে এ অঞ্চলে সঞ্চয় করে পাদদেশীয় পললভূমি গঠন করেছে।

​উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

১,৩১২.
কেন্দ্রমণ্ডল প্রধানত কোন কোন পদার্থ দ্বারা গঠিত?
  1. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  2. লৌহ ও নিকেল
  3. সিলিকা ও অ্যালুমিনিয়াম
  4. ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
লৌহ ও নিকেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লৌহ ও নিকেল
ব্যাখ্যা

কেন্দ্রমণ্ডল:
- গোলাকার পৃথিবীর ব্যাসার্ধ প্রায় ৬৩৭১ কি.মি.।
- পৃথিবীর কেন্দ্রের চারদিকে প্রায় ৩৪৮৬ কি.মি. ব্যাসার্ধের যে গোলক রয়েছে, সেই গোলকটির নাম কেন্দ্রমন্ডল।
- বৈজ্ঞানিকদের মতে, কেন্দ্রমণ্ডল লৌহ, নিকেল, পারদ, সীসা প্রভৃতি কঠিন ও ভারী গদার্থ দ্বারা গঠিত।
- এ স্তরে নিকেল (Nickel) ও লৌহের (Ferus) পরিমাণ বেশি থাকায় এ স্তরটি সংক্ষেপে নাইফ (Nife) নামে পরিচিত।
- এটি পানি অপেক্ষা ১০/১২ গুণ এবং পৃথিবীর অন্যান্য অংশ অপেক্ষা দ্বিগুণের অধিক ঘন।
- কিন্তু প্রচণ্ড তাপ ও চাপে এটি সম্ভবত কঠিন অবস্থায় নেই।

উল্লেখ্য,
- ভূকম্পন তরঙ্গ থেকে বুঝা যায় যে, কেন্দ্রমণ্ডল দুটি অংশে বিভক্ত: বাইরের অংশ এবং ভিতরের অংশ।
- বাইরের অংশ তরল এবং ভিতরের অংশ কঠিন অবস্থায় আছে বলে অনুমান করা হয়।
- কেন্দ্রমন্ডলের বাইরের অংশের বিস্তৃতি প্রায় ২২৭০ কি.মি.।
- কেন্দ্রমন্ডলের ভিতরের অংশটি পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে প্রায় ১,২১৬ কি.মি. ব্যাসার্ধের মধ্যে কঠিন অবস্থায় রয়েছে।

তথ্যসূত্র – বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়; নবম দশম শ্রেণি।

১,৩১৩.
হিমালয়, আল্পস, আন্দিজ কোন পর্বতমালার উদাহরণ?
  1. স্তূপ পর্বত
  2. ভঙ্গিল পর্বত
  3. আগ্নেয় পর্বত
  4. ক্ষয়জাত পর্বত
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
ব্যাখ্যা
• পর্বত (Mountains):
- সমুদ্রতল থেকে অন্তত ১,০০০ মিটারের বেশি উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।

• ভঙ্গিল পর্বত:
- ভঙ্গ বা ভাঁজ থেকে ভঙ্গিল শব্দটির উৎপত্তি।
- কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- এশিয়ার হিমালয়, ইউরোপের আল্পস, উত্তর আমেরিকার রকি এবং দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,৩১৪.
হালদা ভেলী কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) খাগড়াছড়ি
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) রাঙামাটি
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের ভেলী বা উপত্যকাসমূহ:
- হালদা ভেলী : খাগড়াছড়ি
- ভেঙ্গী ভেলী : কাপ্তাই (রাঙামাটি)
- সাজেক ভেলী : রাঙামাটি
- সাঙ্গু ভেলী : চট্টগ্রাম
- নাপিত খালী ভেলী : কক্সবাজার
- বালিশিরা ভেলী : মৌলভীবাজার।
(সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক পত্রিকা)
১,৩১৫.
বাংলাদেশের একমাত্র গন্ধক খনি কোথায় অবস্থিত?
  1. কক্সবাজার
  2. দিনাজপুর
  3. সুনামগঞ্জ
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
গন্ধকের খনি:
- বাংলাদেশের একমাত্র গন্ধক খনি কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া দ্বীপে অবস্থিত।
- গন্ধক বা সালফারকে সালফিউরিক এসিড, বারুদ ও কীটনাশক তৈরিতে বহুলভাবে ব্যবহার করা হয়।

এছাড়াও,
- দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়ায় অবস্থিত দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ গ্রানাইট পাথরের খনি।
- এই খনিতে পাওয়া গ্রানাইট দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- আরেকটি উল্লেখযোগ্য খনিজ সম্পদ হলো ইউরেনিয়াম, যার সন্ধান পাওয়া গেছে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া পাহাড়ে।
- ইউরেনিয়াম মূলত পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনে সম্ভাবনাময় একটি উৎস।

উৎস: i) ভূগোল ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।
১,৩১৬.
বাংলাদেশের কোন দ্বীপে টারশয়িারি যুগের পাহাড় রয়েছে?
  1. মহশেখালী
  2. নিঝুম দ্বীপ
  3. কুতুবদয়িা
  4. সন্দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
মহশেখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহশেখালী
ব্যাখ্যা
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
 →
টারশয়িারি যুগরে পাহাড় রয়ছে মহশেখালীতে।
 → বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে বৈচিত্র্যময় করে তুলেছে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
 → টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের উৎপত্তি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় হিসেবে পরিচিত।
→  আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
→ এ পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কদর্ম দ্বারা গঠিত।
 → রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়সমূহ টারশিয়ারি যুগের অন্তর্ভুক্ত।
 → এ পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
 → টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।
 → এগুলো হলো: দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩১৭.
সুন্দা প্রণালী কোন দুইটি মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর ও উত্তর মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
সুন্দা প্রণালী:
- সুন্দা প্রণালী ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর (জাভা সাগর) কে যুক্ত করেছে।
- এটি ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথক করেছে।
- সুন্দা প্রণালী ব্যতীত মালাক্কা প্রণালীও ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।

অন্যদিকে,
- পক প্রণালী ভারত মহাসাগরের বঙ্গোপসাগর ও পক উপসাগরকে যুক্ত করেছে।
- ফরমোজা প্রণালী প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।
- জিব্রাল্টার প্রণালী ভূম্যসাগরকে উত্তর আটলান্টিক সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।লিঙ্ক
১,৩১৮.
ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে কোথায় বেশি বৃষ্টিপাত থাকে?
  1. পাহাড়ের কাছে
  2. খোলা মাঠে
  3. সমুদ্র উপকূলে
  4. বনভূমিতে
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র উপকূলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র উপকূলে
ব্যাখ্যা
ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু:
- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের বিভিন্নতার কারণে জলবায়ুর ধরনেরও পার্থক্য দেখা যায়।
- ভূ-মধ্যসাগরীয় অঞ্চল অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের ৩০০-৪৫০ অক্ষাংশের মধ্যে যে সকল মহাদেশসমূহের অবস্থান তাদের পশ্চিমাংশ জুড়েই ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল বিস্তৃত।
- উত্তর আফ্রিকার লিবিয়া, তিউনিশিয়া, মিশরের উত্তরাংশ, মরক্কোর উত্তরাংশ, ভূ-মধ্যসাগরের তীরবর্তী অঞ্চলসমূহ এই জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত।
- এছাড়াও তুরস্ক, স্পেন, গ্রীস, দক্ষিণ ফ্রান্স, ইতালি, ইসরাইল, সিরিয়া, দক্ষিণ ও পশ্চিম যুগোশ্লাভিয়া এই জলবায়ুর অর্ন্তভুক্ত।
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলের মধ্যে আরও যে দেশসমূহ রয়েছে সেগুলো হলো- লেবানন, পর্তুগাল, আলবেনিয়া এবং দ্বীপসমূহ হলো কর্ষিকা, মাল্টা, সাইপ্রাস ইত্যাদি।
- এছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, আফ্রিকার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, দক্ষিণ আমেরিকার চিলির মধ্যভাগ এবং উত্তর আমেরিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া এই জলবায়ুর অর্ন্তগত।
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উষ্ণ, শুষ্ক ও বৃষ্টিহীন গ্রীষ্মকাল এবং শীতকাল বৃষ্টিবহুল।
- এই অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে গড় উষ্ণতা থাকে ২০০- ২৮০ সে. এবং শীতকালে উষ্ণতা ১০° সে. এর কম থাকে।
- এই জলবায়ু অঞ্চলে যে বৈশিষ্ট্যটি উল্লেখযোগ্য তা হলো- এখানে সমুদ্র বায়ুর প্রভাবে শীতকালে বৃষ্টিপাত হয় এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৩৮ সে.মি থেকে ৭৫ সে.মি।
- সাধারণত অন্যান্য এলাকার তুলনায় সমুদ্র উপকূলে বৃষ্টিপাতের হার বেশি।
- বৃষ্টিপাত অধিক বলে এখানে শীতকালীন বৃক্ষ যেমন- জলপাই, কর্ক, তুঁত, নিম, পাইন গাছের উৎপত্তি লক্ষ্যণীয়। কম বৃষ্টি হয় এমন স্থানে ঝোপঝাড় জন্মে।
- প্রকৃতপক্ষে ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু স্বাস্থ্যকর ও আরামদায়ক।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩১৯.
বাংলাদেশের শীতলতম মাস কোনটি?
  1. ক) ডিসেম্বর
  2. খ) জানুয়ারি
  3. গ) ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
খ) জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের শীতলতম মাস হলো জানুয়ারী। এই মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- দেশের সবচেয়ে উষ্ণতম মাস হলো এপ্রিল।
- বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার
- সর্বোচ্চ বৃষ্টিবহুল এলাকা সিলেট।
- গড় তাপমাত্রা ২৬.০১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল)
১,৩২০.
বিশ্বের দীর্ঘতম মিঠা পানির হ্রদ কোনটি?
  1. সুপিরিয়র
  2. কাস্পিয়ান সাগর
  3. টাঙ্গানিকা
  4. বৈকাল
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গানিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গানিকা
ব্যাখ্যা
টাঙ্গানিকা হ্রদ:
- এটি বিশ্বের দীর্ঘতম মিঠা পানির হ্রদ।
- হ্রদটি বুরুন্ডি, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব দ্য কঙ্গো, তানজানিয়া ও জাম্বিয়া-এই চার দেশের মধ্যে পড়েছে।
- চারটি দেশই আফ্রিকা অঞ্চলের।
- টাঙ্গানিকা হ্রদটি ৩২ হাজার ৯০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত।
- এটি বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গভীর হ্রদ।
- এর গভীরতা ১ হাজার ৪৭০ মিটার (৪ হাজার ৮২২ ফুট)।
- মিঠা পানির এই হ্রদটি আনুমানিক ৯০ লাখ থেকে ১ কোটি ২০ লাখ বছরের পুরোনো।

অন্যদিকে,
- কাস্পিয়ান সাগর আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ।
- লেক সুপিরিয়র (Lake Supirior): এটি হল বিশ্বের সব চেয়ে বড় স্বচ্ছ জলের লেক।
- বৈকাল হ্রদ পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ।

উৎস: i) Guinness World Records ওয়েবসাইট। [link]
ii) Britannica.
১,৩২১.
ভারতের মেঘালয় রাজ্যটি অবস্থিত বাংলাদেশের-
  1. ক) পশ্চিমে
  2. খ) উত্তরে
  3. গ) দক্ষিণে
  4. ঘ) পূর্বে
সঠিক উত্তর:
খ) উত্তরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উত্তরে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্যের অবস্থান।
- বাংলাদেশের পূর্বে ভারতের আসাম, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমারের আরাকান ও চিন প্রদেশ অবস্থিত।
- বাংলাদেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩২২.
নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে সাধারণত কোন প্রকার বৃষ্টিপাত দেখা যায়?
  1. ঘূর্ণি বৃষ্টি
  2. বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি
  3. পরিচলন বৃষ্টি
  4. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি
ব্যাখ্যা

◉ নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে সাধারণত বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি (Frontal Rain) দেখা যায়, এটি শীতল ও উষ্ণ বায়ুর সংঘর্ষে সৃষ্টি হয়।  

বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি (Frontal Rain):

- শীতল ও উষ্ণ বায়ু মুখোমুখি উপস্থিত হলে উষ্ণ বায়ু এবং শীতল বায়ু একে অপরের সঙ্গে মিশে না গিয়ে তাদের মধ্যবর্তী এলাকায় অদৃশ্য বায়ুপ্রাচীরের (Front) সৃষ্টি করে।
- বায়ুপ্রাচীর সংলগ্ন এলাকায় শীতল বায়ুর সংস্পর্শে উষ্ণ বায়ুর তাপমাত্রা হ্রাস পায় ফলে শিশিরাঙ্কের সৃষ্টি হয়।
- ফলে উভয় বায়ুর সংযোগস্থলে বৃষ্টিপাত ঘটে, একে বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি বলে।
- এ প্রকার বৃষ্টিপাত নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে দেখা যায়।

ঘূর্ণি বৃষ্টি (Cyclonic Rain):
- কোনো অঞ্চলে বায়ুমণ্ডলে নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হলে জলভাগের উপর থেকে জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ এবং স্থলভাগের উপর থেকে শুষ্ক শীতল বায়ু ঐ একই নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে অনুভূমিকভাবে ছুটে আসে। শীতল বায়ু ভারী বলে উষ্ণ বায়ু শীতল বায়ুর উপর ধীরে ধীরে উঠতে থাকে। জলভাগের উপর থেকে আসা উষ্ণ বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে। ঐ বায়ু শীতল বায়ুর উপরে উঠলে তার ভিতরে জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়। এরূপ বৃষ্টিপাতকে ঘূর্ণি বৃষ্টি বলে। 

শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি (Orographic Rain):
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু স্থলভাগের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় যদি গমনপথে কোনো উঁচু পর্বতশ্রেণিতে বাধা পায়, তাহলে ঐ বায়ু উপরের দিকে উঠে যায়। তখন জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ক্রমশ প্রসারিত হয় এবং পর্বতের উঁচু অংশে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে (Windward slope) বৃষ্টিপাত ঘটায়। এরূপ বৃষ্টিপাতকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে। 

পরিচলন বৃষ্টি (Convectional Rain):
- দিনের বেলায় সূর্যের কিরণে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠেযায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজাসুজি নিচে নেমে আসে। এরূপ বৃষ্টিপাতকে পরিচলন বৃষ্টি বলে।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।

১,৩২৩.
দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস সংক্রান্ত 'সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক' কবে গৃহীত হয়?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০২০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক:
- ১৪ মার্চ - ১৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলন।
- এই সম্মেলনের শেষদিন দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস সংক্রান্ত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক: ২০১৫-৩০ গৃহীত হয়।
- এই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য এবং চারটি অগ্রাধিকারের রূপরেখা স্থির করা হয়।
- দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনে টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই এ সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য।

সাতটি লক্ষ্য:
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী দুর্যোগে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) সাথে সরাসরি দুর্যোগের অর্থনৈতিক ক্ষতি হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে গুরুতর অবকাঠামোর দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুবিধাগুলির মধ্যে মৌলিক পরিষেবাগুলির ব্যাঘাতকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০২০ সালের মধ্যে জাতীয় এবং স্থানীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কৌশলসহ দেশের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে এই কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য তাদের জাতীয় কর্মের পরিপূরক করার জন্য পর্যাপ্ত এবং টেকসই সহায়তার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বহু-বিপদ প্রারম্ভিক সতর্কতা ব্যবস্থা এবং দুর্যোগ ঝুঁকির তথ্য এবং মূল্যায়নের প্রাপ্যতা এবং অ্যাক্সেস উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা।

উৎস: UNDRR ওয়েবসাইট।
১,৩২৪.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ রয়েছে?
  1. উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
  2. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
  3. দক্ষিণ- পশ্চিমাঞ্চলে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
ব্যাখ্যা

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
• উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩২৫.
যমুনা নদী কোথায় পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়?
  1. চাঁদপুরের কাছে
  2. দৌলতদিয়ার কাছে
  3. মাওয়ার কাছে
  4. জাজিরার কাছে
সঠিক উত্তর:
দৌলতদিয়ার কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৌলতদিয়ার কাছে
ব্যাখ্যা
যমুনা:
- ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে দৌলতদিয়ার কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে পদ্মা নাম ধারণ করে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।
- করতোয়া ও আত্রাই যমুনার প্রধান উপনদী।
- ধলেশ্বরী এর শাখানদী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৩২৬.
দানিয়ুব নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?
  1. হিমালয় পর্বতমালা
  2. ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বতমালা
  3.  রকি পর্বতমালা
  4.  আন্দিজ পর্বতমালা
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বতমালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বতমালা
ব্যাখ্যা

• দানিয়ুব নদী (Danube):
- ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী (ভলগার পর)।
- উৎপত্তি: জার্মানির পশ্চিমাঞ্চল, ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বতমালা
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ১,৭৭০ মাইল (২,৮৫০ কিমি)।
পতিত হয়েছে: কৃষ্ণ সাগরে (Black Sea)।
- অতিক্রান্ত দেশসমূহ : জার্মানি, অস্ট্রিয়া, স্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া, বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, মলডোভা, ইউক্রেন।
- এটি মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে রাজনীতি ও বসতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ।
- এই নদীর তীরভূমি দুর্গ ও প্রাসাদের দ্বারা সীমারেখা হিসেবে ব্যবহৃত।
- এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১,৩২৭.
ভূ-অভ্যন্তরে যেখানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়, সেই স্থানটিকে কী বলে?
  1. বিন্দুস্থল
  2. কেন্দ্রস্থল
  3. উপকেন্দ্রস্থল
  4. সমকেন্দ্রস্থল
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রস্থল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রস্থল
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প:
- একটি শান্ত পুকুরে টিল ছুড়লে যেভাবে ঢেউ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে তেমনি পৃথিবীর অভ্যন্তরে যেখানে তরঙ্গ শক্তি উৎপত্তি হয় সেখানে থেকে মুক্ত শক্তি টেউয়ের মত শিলায় তরঙ্গের সৃষ্টি করে এবং চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিূকম্প বলে।
- ভূ-অভ্যন্তরে যেখানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়, সেই স্থানটিকে "কেন্দ্রস্থল" (Focus) বলা হয়।
- কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলে।
- ভূমিকম্পের উৎপত্তির কেন্দ্র হতে দূরত্ব বৃদ্ধির সাথে ভূ-কম্পন শক্তি হ্রাস পায়।
- ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূ-অভ্যন্তরের প্রায় ১৬-২০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হয়ে থাকে।
- যে যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্প পরিমাপ করা হয় তাকে বলা হয় সিসমোগ্রাফ।

তথ্যসূত্র: - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩২৮.
নিরক্ষীয় শান্ত বলয় এর অবস্থান কোনটি?
  1. নিরক্ষরেখার উভয়দিকে উত্তর-দক্ষিণে ৩° অক্ষাংশ পর্যন্ত
  2. নিরক্ষরেখার উভয়দিকে উত্তর-দক্ষিণে ১০° অক্ষাংশ পর্যন্ত 
  3. নিরক্ষরেখার উভয়দিকে উত্তর-দক্ষিণে ৫° অক্ষাংশ পর্যন্ত 
  4. নিরক্ষরেখার উভয়দিকে উত্তর-দক্ষিণে ১৫° অক্ষাংশ পর্যন্ত 
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখার উভয়দিকে উত্তর-দক্ষিণে ৫° অক্ষাংশ পর্যন্ত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখার উভয়দিকে উত্তর-দক্ষিণে ৫° অক্ষাংশ পর্যন্ত 
ব্যাখ্যা

অয়ন বায়ু (The Trade Winds):
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় থেকে উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরে উঠে গেলে কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।
- ফেরেলের সূত্র অনুসারে এ বায়ু উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে থাকে।
- প্রাচীনকালে পরিচালিত বাণিজ্য জাহাজগুলো এ বায়ুপ্রবাহের দিক অনুসরণে যাতায়াত করত বলে এগুলোকে অয়ন বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু বলে।
- উত্তর গোলার্ধে এটি উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নামে পরিচিত।
- উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু ঘণ্টায় প্রায় ১৬ কিলোমিটার এবং দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু প্রায় ২২.৫৪ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হয়।
- উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী হলে অত্যধিক তাপে উষ্ণ ও হালকা হয়ে ঊর্ধ্বে উঠে যায়।
- তখন নিরক্ষীয় অঞ্চলে বায়ুর অনুভূমিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং নিরক্ষরেখার উভয়দিকে উত্তর-দক্ষিণে ৫° অক্ষাংশ পর্যন্ত একটি শান্ত বলয়ের সৃষ্টি হয়।
- এ বলয়কে নিরক্ষীয় শান্ত বলয় (Doldrum) বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৩২৯.
নিঝুম দ্বীপ কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. ক) হাতিয়া
  2. খ) শ্যামনগর
  3. গ) টেকনাফ
  4. ঘ) মহেশখালী
সঠিক উত্তর:
ক) হাতিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হাতিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য দ্বীপ ও তাদের অবস্থান: 
- ভোলা - ভোলা(দ্বীপজেলা)।
- সেন্টমার্টিন - টেকনাফ, কক্সবাজার।
- দক্ষিণ তালপট্টি/পূর্বাশা/নিউমুর - শ্যামনগর, সাতক্ষীরা।
- নিঝুম দ্বীপ - হাতিয়া, নোয়াখালী।
- সোনাদিয়া - মহেশখালী, কক্সবাজার।
- মনপুরা দ্বীপ - মনপুরা, ভোলা।
- কতুবদিয়া - কুতুবদিয়া, কক্সবাজার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৩০.
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা এর অক্ষাংশ কত?
  1. ২০°৩৪′ দক্ষিণ অক্ষরেখা
  2. ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা
  3. ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা
  4. ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা
সঠিক উত্তর:
২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা

ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা:
⇒ যেহেতু বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের অক্ষাংশ ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা এবং বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা তাইলে আমরা বলতে পারি যে বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা এর অক্ষাংশ ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা।

উল্লেখ্য,
এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩°৫) অতিক্রম করেছে। পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. এবং উত্তর-উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি.।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের, পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।

সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা। (অক্ষাংশ ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।  
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ। (অক্ষাংশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা। ( ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।(৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা)
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট এবং ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।

১,৩৩১.
সর্বশেষ BNBC প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল কোনটি?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- ২০১৬ সালে প্রকাশিত Bangladesh National Building Code (BNBC) রিপোর্টে প্রথম সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- সর্বশেষ ২০২০ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন  অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে।
অঞ্চলগুলো হলো -
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল।)
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.36
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.28
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.2
৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.1
---------
এর আগে,
BANGLADESH NATIONAL BUILDING CODE (BNBC) সর্বপ্রথম ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রিপোর্টে সমগ্র বাংলাদেশকে তিনটি ভূমিকম্প সংঘটন অঞ্চলে (Seismic Zone) বিভক্ত করে।
অঞ্চলগুলো হলো -
১. মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ - উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা -৭)
২. মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ - মধ্যাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা ৬)
৩. কম ঝুঁকিপূর্ণ - দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা-৫)।
পরে, ২০০৬ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও তিনটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
----------------
উল্লেখ্য,
মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ বইয়ের সর্বশেষ সংস্করণে ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রির্পোর্ট অনুসারে, ভূমিকম্পের প্রবণতার ভিত্তিতে সমগ্র বাংলাদেশকে ৩টি অঞ্চলে ভাগ করে দেখানো হয়েছে।

উৎস: BNBC প্রকাশিত Seismic Design সমীক্ষার রিপোর্ট।
১,৩৩২.
কোন ধরনের বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়? 
  1. অয়ন বায়ু 
  2. পশ্চিমা বায়ু 
  3. মেরু বায়ু
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

নিয়ত বায়ু (Planatary Winds):
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়।
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা-অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু ।

অয়ন বায়ু (The Trade Wind):
- বিষুবীয় অঞ্চলে সূর্যকিরণ লম্বভাবে পতিত হয় বলে বায়ুর চাপ কম থাকে তাতে বায়ু উপরে উঠে ছড়িয়ে যায়।
- এই বায়ু ক্রমাগত শীতল হয়ে নিচে নামতে না পেরে উত্তর ও দক্ষিণে ছড়িয়ে যায়।
- প্রায় ৩০০ অক্ষাংশ বরাবর এই বায়ু নিচে নেমে তা আবার বিষুবীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
- ফেরেলের সূত্রানুযায়ী উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে এই বায়ু প্রবাহিত হয়।
- এই বায়ুকেই বলা হয় অয়ন বায়ু। উত্তর গোলার্ধের অয়ন বায়ুকে উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু ও দক্ষিণ গোলার্ধের অয়ন বায়ুকে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু বলা হয়। 

পশ্চিমা বায়ু:
- উত্তর গোলার্ধের দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে পশ্চিম বায়ু প্রবাহিত হয়।
- ৩০০ অক্ষাংশে কিছু বায়ু পৃথিবীর গা-ঘেষে মেরুর দিকে ৬০০ অক্ষাংশ পর্যন্ত পৌঁছালে মেরু এলাকা থেকে আগত
শীতল ও ভারী বায়ু মুখোমুখি হয়। এসময় অপেক্ষাকৃত উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরের দিকে উঠে গেলেও এর এক অংশ মেরুবৃত্তের নিম্নচাপে প্রবাহিত হয় বলেই একে পশ্চিমা বায়ু বলা হয়।

মেরু বায়ু:
- মেরু অঞ্চলের উচ্চচাপ বলয় থেকে অতি শীতল ও ভারী বায়ু উত্তর গোলার্ধে নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।
- এদের উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত বায়ুকে সুমেরু বায়ু বা উত্তর-পূর্ব মেরু বায়ু বলা হয়।
- আবার দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্বদিক থেকে প্রবাহিত হয় যে বায়ু তাকে বলা হয় কুমেরু বায়ু বা দক্ষিণ-পূর্ব মেরু বায়ু।
- মূলত এভাবেই নিয়ত বায়ু প্রবাহসমূহ বিষুবরেখা ও মেরুর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং পৃথিবী উষ্ণ ও শীতল এলাকার মধ্যে তাপের ভারসাম্য রক্ষা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৩৩.
'পতেঙ্গা' সমুদ্র সৈকত কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) পটুয়াখালী
  2. খ) টেকনাফ
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

- পারকী, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত। লাবনী, হিমছড়ি, ইনানী, সাবরাং ইত্যাদি বিচ কক্সবাজারে অবস্থিত‌।
- কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পটুয়াখালীতে অবস্থিত।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

১,৩৩৪.
বায়ুমণ্ডলের উপাদান নয় কোনটি?
  1. নাইট্রোজেন
  2. হাইড্রোজেন
  3. জলীয় বাষ্প
  4. ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলের উপাদান: 
- বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (N₂) ও অক্সিজেন (O₂)।
- এই দুটি গ্যাস মিলিয়ে বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৯৮.৭৩ শতাংশ গঠন করে।
- নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, এটি প্রায় ৭৮.০২ শতাংশ।
- অপরদিকে অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় ২০.৭১ শতাংশ, এটি জীবজগৎ শ্বাস-প্রশ্বাস ও জ্বালনির জারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- বায়ুমণ্ডলে এই দুই গ্যাসের ভারসাম্য জীবজগতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 
- ফসফরাস বায়ুমণ্ডলের উপাদান নয়।

• বায়ুমণ্ডলের উপাদানসমূহ হলো-
• নাইট্রোজেন (৭৮.০২%),
• অক্সিজেন (২০.৭১%),
• আর্গন (০.৮০%),
• কার্বন-ডাই-অক্সাইড (০.০৩%),
• জলীয় বাষ্প (০.৪১%) ইত্যাদি।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৩৩৫.
পরিচলন বৃষ্টি সাধারণত কোথায় বেশি দেখা যায়?
  1. মেরু অঞ্চল
  2. নিরক্ষীয় অঞ্চল
  3. মরুভূমি অঞ্চল
  4. তুন্দ্রা অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চল
ব্যাখ্যা

পরিচলন বৃষ্টি (Convectional Rain):
- পরিচলন বৃষ্টি সাধারণত নিরক্ষীয় অঞ্চলে (Equatorial region) বেশি দেখা যায়।
- কারণ, এই অঞ্চলে সূর্যের কিরণ সারাবছর সরাসরি পড়ে এবং জলাভূমির বিস্তৃতি বেশি হওয়ায় বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণও বেশি থাকে।
- দিনের বেলায় সূর্যের তাপে পানি দ্রুত বাষ্পে পরিণত হয়ে উপরে উঠে এবং উপরিভাগে থাকা শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে মেঘ তৈরি করে বৃষ্টিতে পরিণত হয়।
- ফলে প্রতিদিন বিকেল বা সন্ধ্যায় এই অঞ্চলে পরিচলন বৃষ্টি হয়ে থাকে।
- এছাড়া, নাতিশীতোষ্ণমণ্ডলেও গ্রীষ্মের শুরুতে এধরনের বৃষ্টি হতে দেখা যায়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি।

১,৩৩৬.
'সাগরকন্যা' কোন অঞ্চলের ভৌগলিক নাম?
  1. ক) টেকনাফ
  2. খ) সেন্টমার্টিন
  3. গ) কুয়াকাটা
  4. ঘ) কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
গ) কুয়াকাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কুয়াকাটা
ব্যাখ্যা
- কুয়াকাটা স্থানীয়ভাবে 'সাগরকন্যা' নামে পরিচিত।
-  বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার লতাচাপলি ইউনিয়নে কুয়াকাটার অবস্থান।
- কুয়াকাটা সাগর-সৈকতের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ কিলোমিটার আর প্রস্থে প্রায় ৩ কিলোমিটার। 
- কুয়াকাটা হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের নিকট একটি তীর্থ স্থান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৩৩৭.
জাপান সাগরের তীরে রুশ বন্দর ও নৌঘাঁটি কোনটি?
  1. ক) তাসখন্দ
  2. খ) ভ্লাদিভোস্টক
  3. গ) ক্রেমলিন
  4. ঘ) লেনিনগ্রাড
সঠিক উত্তর:
খ) ভ্লাদিভোস্টক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভ্লাদিভোস্টক
ব্যাখ্যা
- জাপান সাগর প্রশান্ত মহাসাগরের অন্তর্গত একটি সাগর।
- ভ্লাদিভস্ট জাপান সাগরের তীরে, বৃহৎ অর্থে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত রাশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর এবং নৌঘাটি।
- ১৮৬০ সালে দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধের সময় রাশিয়া শহরটি চীনের নিকট থেকে দখল করে নেয়।
- ১৮৭২ সালে প্রশান্ত মহাসাগরের প্রধান রাশিয়ান নৌ ঘাঁটিটি সেখানে স্থানান্তরিত হয় এবং তারপরে ভ্লাদিভোস্টক বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। 
- ভ্লাদিভোস্টক রাশিয়ান দূরপ্রাচ্যের প্রধান শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

উৎস: - Britannica.com
১,৩৩৮.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' কোন যুগে সৃষ্টি হয়েছে?
  1. টারশিয়ারি যুগে
  2. প্লাইস্টোসিনকালে
  3. সাম্প্রতিককালে
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালে
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground) খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন কালে সৃষ্টি হয়েছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৩৩৯.
সাগর কন্যা বলা হয় কোন জেলাকে?
  1. কক্সবাজার
  2. পটুয়াখালী
  3. বান্দরবান
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
- সাগর কন্যা বলা হয় পটুয়াখালী জেলাকে।
- বাংলার ভেনিস নামে পরিচিত - বরিশাল।
- চট্টগ্রামের পুরাতন ভৌগলিক নাম- সমন্দার।
- কুমিল্লার জেলার পুৃরাতন নাম - ত্রিপুরা।
- বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী - কক্সবাজার

উৎস- প্রথম আলো, বিডিনিউজ, কুমিল্লা জেলা ওয়েব সাইট।
১,৩৪০.
বাংলাদেশে পানিতে সহনীয় মাত্রায় আর্সেনিকের পরিমাণ কত?
  1. ক) ০.০০১ মিগ্রা/লি
  2. খ) ০.০১ মিগ্রা/লি
  3. গ) ০.০০৫ মিগ্রা/লি
  4. ঘ) ০.০৫ মিগ্রা/লি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ০.০৫ মিগ্রা/লি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ০.০৫ মিগ্রা/লি
ব্যাখ্যা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা হলো ০.০১ মিলিগ্রাম।

তবে বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ দেশের মাত্রা নির্ধারণ করে থাকে।
বাংলাদেশে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা ০.০৫ মিলিগ্রাম
চাঁদপুর জেলা দেশের মধ্যে সবচেয়ে আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলা।

সূত্র: দুর্যোগকোষ
১,৩৪১.
ভারতের সেভেন সিস্টার্সের কয়টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে?
  1. ৩টি 
  2. ৪টি 
  3. ৫টি 
  4. ৬টি 
সঠিক উত্তর:
৪টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি 
ব্যাখ্যা

ভারতের সেভেন সিস্টার্স অঞ্চল:
- ভারতের সেভেন সিস্টার্স বলতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে বোঝানো হয়।
- রাজ্যগুলো হলো: আসাম, মেঘালয়, অরুণাচল, মনিপুর, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম। 
- এই সাত রাজ্যের আয়তন ২,৬২,১৭৯ বর্গকিলোমিটার, যা ভারতের মোট এলাকার প্রায় ৭.৯৭ শতাংশ।
- ভারতের মূল ভূখণ্ডের সাথে এদের সংযোগকারী সরু করিডোরটি আসামের গুয়াহাটিতে অবস্থিত যা চিকেন'স নেক নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- সেভেন সিস্টার্স অন্তর্ভুক্ত ৪টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা সংযোগ রয়েছে।
- এগুলো হলো: আসাম, মেঘালয়, মিজোরাম, ত্রিপুরা।

উৎস: i) Britannica.
ii) Ministry of Home Affairs ওয়েবসাইট।

১,৩৪২.
কোন সময়ে আবহাওয়া বিভাগ জলোচ্ছ্বাস সম্পর্কে পূর্বাভাস দেয়?
  1. ভারী বৃষ্টির সময়ে
  2. ভূমিকম্পের সময়ে
  3. ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে
  4. বন্যার সময়ে
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে
ব্যাখ্যা
জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস:

- ঘূর্ণিঝড়কালিন সময়ে বাতাসের গতিবেগ, জোয়ার-ভাঁটার সময়কাল, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় উপদ্রুত এলাকার প্রাকৃতিক গঠন ইত্যাদি বিষয়গুলো বিবেচনা করে আবহাওয়া বিভাগ জলোচ্ছ্বাস সম্পর্কে পূর্বাভাস দেয়।
- স্পারসো ও আবহাওয়া বিভাগ রাডারের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য ও উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে ঘূর্ণিঝড়ের মাত্রা, গতিবেগ ও গতিপথ সম্পর্কে পূর্বাভাস দেবার পাশাপাশি জলোচ্ছ্বাস সম্পর্কেও পূর্বাভাস দিয়ে থাকে।
- এক থেকে দশ (১-১০) ধরনের ও নদী বন্দরের জন্য এক থেকে চার (১-৪) ধরনের ঝড় সতর্কীকরণ সংকেত প্রদান করে।
- অধুনা আবহাওয়া বিভাগের প্রচারিত সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচী বা সাইক্লোন প্রিপেয়ার্ডনেস প্রোগ্রাম (CPP) এর আঞ্চলিক দপ্তরসমূহ থেকে স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে মোবাইল ও জনসংযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় জনসাধারণকে ঝড়ের পূর্বাভাস দেবার পাশাপাশি তাদেরকে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে সরিয়ে নিতে কাজ করছে।
- এর পাশাপাশি ১টি থেকে ৩টি পতাকা উত্তোলন ও মাইক, মেগাফোন ইত্যাদির সাহায্যে সিপিপি ও অন্যান্য বেসরকারি সংস্থাসমূহ সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় উপদ্রুত এলাকার জনগণকে সর্তক করে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৪৩.
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান-
  1. ছেড়াদ্বীপ
  2. থানচি
  3. মনাকষা
  4. টেকনাফ
সঠিক উত্তর:
মনাকষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনাকষা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমানা: 
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৪৪.
বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদের কাঁচামাল কোনটি?
  1. তামা
  2. আকরিক লোহা
  3. মিথেন
  4. কয়লা
সঠিক উত্তর:
মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথেন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ:
- খনি হতে প্রাপ্ত সম্পদকে খনিজ সম্পদ বলে।
- বাংলাদেশ খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ নয়। শিল্পোন্নয়ন তথা অর্থনেতিক উন্নয়নে খনিজ সম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে যেসব খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। ফলে খনিজদ্রব্যের চাহিদা মেটানোর জন্য আমাদেরকে বিদেশের উপর নির্ভর করতে হয়।
 
⇒ প্রাকৃতিক গ্যাস: বাংলাদেশে প্রাপ্ত খনিজ সম্পদগুলোর মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাস প্রধান। গ্যাস সম্পদে আমরা সমৃদ্ধ।
- গ্যাসের সাহায্যে তাপশক্তি উৎপাদিত হয় এবং তা থেকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত হয় বিদ্যুৎ।
- ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়।
- পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রচন্ড তাপ ও চাপ এ ধরনের গ্যাস সৃষ্টির মূল কারণ।
- পেট্রোলিয়াম কূপ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়।
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন গ্যাস।
- এই সকল শক্তিকে জীবাশ্ম শক্তিও বলা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৪৫.
১৮০° দ্রাঘিমারেখার অপর নাম কী?
  1. কর্কটক্রান্তি রেখা
  2. মকরক্রান্তি রেখা
  3. আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা
  4. নিরক্ষরেখা
সঠিক উত্তর:
আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা
ব্যাখ্যা
আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা:
→ ভূ-পৃষ্ঠে কোনো একটি স্থানের সঠিক অবস্থান ও সময় নির্ণয়ের উদ্দেশে পৃথিবী পৃষ্ঠে পূর্ব-পশ্চিমে ও উত্তর-দক্ষিণে কতিপয় রেখা
কল্পনা করা হয়।
 → পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টনকারী রেখাসমূহ একেকটি পূর্ণবৃত্ত এবং নিরক্ষরেখাটি সর্ববৃহৎ পূর্ণবৃত্ত।
→ নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরু বরাবর অক্ষরেখাসমূহের ব্যাস ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেতে পেতে উভয় মেরুদ্বয়ে বিন্দুতে পরিনত হয়।
→ উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাগুলো একেকটি অর্ধবৃত্ত।
→ লন্ডনের গ্রীনিচ মানমন্দির বরাবর মূল মধ্যরেখার মান ০° ও আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা মান ১৮০°।
→ ২৩.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখা যথাক্রমে কর্কটক্রান্তি ও মকর ক্রান্তি নামে পরিচিত।
→ ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখা যথাক্রমে সুমেরু ও কুমেরু বৃত্ত নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৪৬.
এশিয়ার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. হোয়াংহো
  2. পদ্মা
  3. মেকং
  4. ইয়াংসিকিয়াং 
সঠিক উত্তর:
ইয়াংসিকিয়াং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াংসিকিয়াং 
ব্যাখ্যা

ইয়াংসিকিয়াং:
- ইয়াংসিকিয়াং চীন ও এশিয়ার দীর্ঘতম নদী।
- এটি বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী।
- এর দৈর্ঘ্য ৩,৯১৫ মাইল বা ৬,৩০০ কিমি।
- এই নদীটি চীনে অবস্থিত।
- এটি চীনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নদী।
- তিব্বতের মালভূমি এর উৎপত্তিস্থল এবং পতিত হয়েছে পূর্ব চীন সাগরে।

অন্যদিকে,
- হোয়াংহো চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে দীর্ঘ নদী মেকং। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

১,৩৪৭.
হরমুজ প্রণালী পৃথক করেছে-
  1. ক) সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন
  2. খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরান
  3. গ) সংযুক্ত আরব আমিরাত ও পাকিস্তান
  4. ঘ) সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জিবুতি
সঠিক উত্তর:
খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরান
ব্যাখ্যা

- হরমুজ প্রণালী পৃথক করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানকে।
- হরমুজ প্রণালী সংযুক্ত করেছে পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১,৩৪৮.
এশিয়ার বৃহত্তম নদী কোনটি?
  1. ক) হোয়াংহো
  2. খ) মেকং
  3. গ) ব্রহ্মপুত্র
  4. ঘ) The Yangtze River
সঠিক উত্তর:
ঘ) The Yangtze River
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) The Yangtze River
ব্যাখ্যা
The Yangtze River, with a length of 6,300 km is the longest Asian River and the third longest river in the world.
Source: worldatlas.com
১,৩৪৯.
কোনটি ম্যাপল পাতার দেশ নামে পরিচিতি? 
  1. স্পেন
  2. কানাডা
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. মেক্সিকো
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা
কানাডা:
- ম্যাপল পাতার দেশ নামে পরিচিতি কানাডা।
- দেশটিতে ম্যাপল গাছের আধিক্য এবং কানাডার জনজীবনে এর সংশ্লিষ্টতার জন্যে কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়।
- কানাডার জাতীয় পতাকায়ও ম্যাপল পাতার ছবি রয়েছে।
- বিশ্বের মোট ম্যাপল সিরাপের ৭০ ভাগই কানাডা থেকে রপ্তানি হয়।
- কানাডা উত্তর আমেরিকার একটি দেশ।
- এটি আয়তনে পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম দেশ।
- কানাডার রাজধানীর নাম অটোয়া।
- টরেন্টো হচ্ছে কানাডার বৃহত্তম শহর।
- দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থা সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।

সূত্র - কানাডার সরকারি ওয়েবসাইট।
১,৩৫০.
মৌসুমি জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
  1. গ্রীষ্মে শুষ্ক, শীতকালে আর্দ্র
  2. গ্রীষ্মে আর্দ্র, শীতকালে শুষ্ক
  3. সব ঋতুতে সমান তাপমাত্রা
  4. সব ঋতুতে সমান বৃষ্টিপাত
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মে আর্দ্র, শীতকালে শুষ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মে আর্দ্র, শীতকালে শুষ্ক
ব্যাখ্যা

মৌসুমি জলবায়ু:
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এ বায়ু প্রবাহের দিক পরিবর্তন হয় বলে একে মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়।
- কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির নিকটবর্তী অঞ্চল জুড়ে যে জলবায়ু বিস্তৃত তা মৌসুমি জলবায়ু।
- ক্যারিবিয়ান সাগর, পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপসমূহের দেশগুলো, পূর্ব আফ্রিকা, পূর্ব ব্রাজিল, উত্তর-পূর্ব অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ চীন ও জাপান, থাইল্যান্ড, কম্পুচিয়া, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিয়ানমার অর্থাৎ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত। এছাড়াও মেক্সিকো উপসাগরের উপকূলবর্তী দেশসমূহ, লাওস, মালাগাছি দ্বীপও এই জলবায়ুর অন্তর্ভুক্ত।

⇒ মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য:
- মৌসুমি জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালে অধিক গরম ও শীতকালে শীত পড়ে। জুলাই মাস সবচেয়ে বেশি গরম ও জানুয়ারি মাসে বেশি শীত পড়ে। গ্রীষ্মকাল আর্দ্র ও শীতকাল শুষ্ক এই জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য। গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা গড়ে ২৭° সে. এর বেশি থাকে এবং শীতকালীন গড় তাপমাত্রা ১০ সে. থেকে ২২° সে. এর মধ্যে থাকে। শীত ও গ্রীষ্মে তাপমাত্রার পার্থক্য ৫° সে. থেকে ১০° সে. হয়।

- আবার শীতকালে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধের মকরক্রান্তির নিকট অবস্থান করায় সেখানে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। উত্তর গোলার্ধের স্থলভাগ শীতল হওয়ার জন্য সেস্থানে উচ্চচাপ সৃষ্টি হয়। উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে বায়ু দক্ষিণে নিম্নচাপে প্রবাহিত হয় বলেই তাকে বলা হয় উত্তর পূর্ব মৌসুমি বায়ু এবং স্থলভাগে প্রবাহিত হয় বলে এই বায়ু জলীয়বাষ্পহীন।

- মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে বৃষ্টিপাত বেশি হয় কিন্তু শীতকাল শুষ্ক থাকে। গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত ১২৫ সে.মি. থেকে ২০০ সে.মি.। তবে অতিবৃষ্টি, বন্যা, খরাও এই জলবায়ু অঞ্চলে দেখা যায়। কখনো কখনো পর্বতের ঢালে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে বায়ু উপরে উঠে যায় ফলে বৃষ্টিপাত হয়।

- গ্রীষ্মকালে উত্তর গোলার্ধে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর দিয়ে লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং এই সময় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, উত্তর-পশ্চিম ভারত প্রভৃতি স্থানে বায়ুর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। দক্ষিণ গোলার্ধের উচ্চচাপ বলয় থেকে আসা দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ু এশিয়া মহাদেশের নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে প্রবলবেগে ছুটে যায়। এই বায়ুকেই বলা হয় উত্তর গোলার্ধের মৌসুমি বায়ু। ফেরেলের সূত্রানুযায়ী একে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বলা হয়। কারণ নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে ডানদিকে বেঁকে দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ু দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে উত্তর পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।

- এই জলবায়ু অঞ্চলে উর্বর ভূমি ও পলিমাটি কৃষিকাজের জন্য উপকারী। উর্বর মাটি ও বৃষ্টিপাত, পর্যাপ্ত সূর্যালোক মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে পর্ণমোচী ও চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমির বিস্তার ঘটায়। চিরহরিৎ বৃক্ষের বনাঞ্চলে ২০০ সে.মি এর বেশি বৃষ্টিপাত হয় এবং তৃণভূমি অঞ্চলে ৫° সে.মি থেকে ১০০ সে.মি পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৫১.
এডেন কোন দেশের সমুদ্রবন্দর?
  1. ক) জর্ডান
  2. খ) ইয়েমেন
  3. গ) সুদান
  4. ঘ) মিশর
সঠিক উত্তর:
খ) ইয়েমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
- এডেন : ইয়েমেনের সমুদ্রবন্দর
- আকাবা : জর্ডানের সমুদ্রবন্দর
- পোর্ট সুদান : সুদানের সমুদ্রবন্দর
- সুয়েজ, আলেকজান্দ্রিয়া, পোর্ট সৈয়দ : মিশরের সমুদ্রবন্দর।
(সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
১,৩৫২.
নিচের কোনটি বৈশ্বিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র রক্ষার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) রামসার কনভেনশন
  2. খ) গ্রিনপিস
  3. গ) GCF
  4. ঘ) মন্ট্রিল প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রিনপিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রিনপিস
ব্যাখ্যা

গ্রিনপিস (Greenpeace) নেদারল্যান্ডস্‌ এর আমস্টারডাম ভিত্তিক একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা (Amchitka) দ্বীপে আমেরিকার ভূগর্ভস্থ পারমানবিক বোমার পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণের বিরুদ্ধে প্রচারণা ও লং-মার্চ পরিচালনার মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু।
বর্তমানে এটি বৈশ্বিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য প্রচারনা সহ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির বিরুদ্ধে প্রচারনা ও সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষার জন্য কাজ কর যাচ্ছে।
এক নজরে গ্রিনপিস (Greenpeace):
প্রতিষ্ঠাকালঃ ১৫, সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ সাল।
প্রতিষ্ঠার স্থানঃ ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, কানাডা।
সদরদপ্তরঃ আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ড।

উৎসঃ Live MCQ content (upcoming)
১,৩৫৩.
'তল্লাশি ও উদ্ধার' দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের কোনটির আওতাভুক্ত?
  1. প্রতিরোধ
  2. পুনরুদ্ধার
  3. উন্নয়ন
  4. সাড়া দান
সঠিক উত্তর:
সাড়া দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাড়া দান
ব্যাখ্যা
⇒ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্রান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে। দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে ও সংঘটনের অব্যবহিত পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদান যেমন- সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, প্রশমন উন্নয়ন, প্রতিরোধ, পূর্বপ্রস্তুতি কার্যক্রম সম্পাদন করা প্রয়োজন।

⇒ সাড়াদান (Response):
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন।
- সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়।



তথ্যসূত্র:  ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম -১০ম শ্রেনি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৫৪.
শীতকালে বাংলাদেশের কিছু পাহাড়ি অঞ্চলে অল্প বৃষ্টিপাত হওয়ার প্রধান কারণ কী?
  1. দক্ষিণ-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রভাবে
  2. সমুদ্র বায়ুর প্রভাবে
  3. উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রভাবে
  4. নিরক্ষীয় বায়ুর প্রভাবে
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রভাবে
ব্যাখ্যা
• শীতকালে বাংলাদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু:
- সাধারণত বাংলাদেশে নভেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি মাস (কার্তিক - ফাল্গুন) পর্যন্ত সময়কে শীতকাল বলে।
- সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের পর তাপমাত্রা কমতে থাকে।
- আমাদের দেশে শীতকালে তাপমাত্রা সবচেয়ে কম থাকে। এ সময় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১° সেলসিয়াস।
- জানুয়ারি শীতলতম মাস এবং এ মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭° সেলসিয়াস।
- শীতকালে বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত হয় না বললেই চলে।
- তবে,
উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু এ সময় বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং এর ফলে কিছু কিছু অঞ্চল বিশেষত পাহাড়ি এলাকায় অল্প বৃষ্টিপাত হয়।


তথ্যসূত্র:
ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৩৫৫.
মেঘনার মোহনায় জেগে ওঠা নতুন 'সবুজ চর' আয়তন প্রায় কত?
  1. ৬৫ বর্গকিলোমিটার
  2. ৮০ বর্গকিলোমিটার
  3. ৯০ বর্গকিলোমিটার
  4. ৭০ বর্গকিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৮০ বর্গকিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০ বর্গকিলোমিটার
ব্যাখ্যা

• সবুজ চর:
-বঙ্গোপসাগরের প্রাচীন দ্বীপ সন্দ্বীপ, যা স্পারসোর গবেষণায় তিন হাজার বছরের পুরোনো বলে উল্লেখ, দীর্ঘদিন ধরে ক্ষয় ও পলিমাটি জমার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
- ১৯৮৯ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এর পাশে জেগে উঠেছে জাহাইজ্জার চর (বর্তমান স্বর্ণদ্বীপ) ও ভাসানচর।
- ধীরে ধীরে তিন দ্বীপ এক হয়ে যাচ্ছে।
- মেঘনার মোহনার কাছে জেগে ওঠা প্রায় ৮০ বর্গকিলোমিটারের নতুন ‘সবুজ চর’-এর অর্ধেকের বেশি এখনো বিরান, তবে কিছু এলাকায় চাষাবাদ ও পশুচারণ চলছে।
- স্থানীয় লোকজনের মতে, নতুন এই ভূমি সাগরে ভিটেমাটি হারানো মানুষের কাছে পূর্বপুরুষের ঠিকানা ফিরে পাওয়ার মতো অনুভূতি এনে দিয়েছে।
- ধান, মাছ ও পশুপালনে প্রায় সাত হাজার পরিবার স্বনির্ভর হয়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। (Link1)

১,৩৫৬.
ঘূর্ণিঝড়ের সময় বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ ঘন্টায় কমপক্ষে কত হয়ে থাকে?
  1. ৬৪ কি.মি.
  2. ৮৫ কি.মি.
  3. ৯৩ কি.মি.
  4. ১১৯ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
৬৪ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪ কি.মি.
ব্যাখ্যা
• ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড় হলো একটি অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা প্রাকৃতিক পরিবেশ, মানুষ ও প্রাণিজগতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। 
- অনিয়মিত বায়ুর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হলো ঘূর্ণিঝড় ও প্রতীপ ঘূর্ণিঝড়।
- উপরের ও নিচের বায়ুর পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে এই ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের সময় পশ্চিমা বায়ু প্রবাহ দ্বারা মধ্য অক্ষাংশ অঞ্চলের নিম্নচাপ ও উচ্চচাপ পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়।
- এই ঝড়ের সময় বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ ঘন্টায় ৬৪ কি.মি বা তারও বেশি হয়।
- এছাড়াও নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। দ্রুত উর্দ্ধগামী বায়ু জলীয়বাষ্পপূর্ণ থাকলে ঘূর্ণিঝড়ের সময় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু আবর্তনের কেন্দ্রকে চোখ বলা হয়।
- উত্তর গোলার্ধে প্রবল ঘূর্ণিবায়ু বাইরের থেকে কেন্দ্রের দিকে প্রবাহিত হয়। পরে প্রচন্ড শক্তিতে বায়ু আবর্তনের মাধ্যমে উপরের দিকে উঠতে থাকে।
- ঘূর্ণিঝড় উষ্ণ জলরাশি থেকে সৃষ্টি হয় যার গড় উঞ্চতা ২৭° সেলসিয়াস।
- সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
- মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের ভেতরে এবং উপরের দিকে খাড়া হয়ে মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
- উর্দ্ধস্তরের বায়ু বহির্গামী হবে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৫৭.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২ এর অধীনে কোন নীতিমালা তৈরি হয়?
  1. দুর্যোগ মোকাবেলা নীতিমালা ২০১৫
  2. জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০১৫
  3. দুর্যোগ পরিকল্পনা নীতিমালা ২০১৪
  4. জাতীয় দুর্যোগ পরিকল্পনা নীতিমালা ২০১৫
সঠিক উত্তর:
জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০১৫
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২ (৩৪ নং আইন)
- আইন প্রণীত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১২।
- এর আওতায় প্রতিষ্ঠিত হয়: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।
- এর অধীনে তৈরি হয়: জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০১৫।

গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা ও পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০১০
- দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলি-২০১৯
- পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০)

উল্লেখ্য যে,
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২ প্রণীত হওয়ার পর, এর আওতায় দুর্যোগ মোকাবেলায় একটি কার্যকর কাঠামো এবং সুসংগঠিত পদ্ধতি গড়ে তোলার জন্য জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০১৫ তৈরি করা হয়।
- এই নীতিমালার মাধ্যমে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, সঠিক প্রস্তুতি গ্রহণ এবং দুর্যোগকালীন সময়ে জনগণের সুরক্ষা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- এটি দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে সুসংগঠিত এবং কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে সহায়ক।

তথ্যসূত্র: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন- ২০১২, জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০১৫ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,৩৫৮.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' কী?
  1. একটি দ্বীপ
  2. একটি গিরিখাত
  3. একটি মরুভূমি
  4. একটি নদীর মোহনা
সঠিক উত্তর:
একটি গিরিখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি গিরিখাত
ব্যাখ্যা
→ 'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' হলো বঙ্গোপসাগরের-একটি গিরিখাত।

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground):
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত।

- এটি বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- গিরিখাতটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডকে "গঙ্গা খাদ" নামেও ডাকা হয়।
- এর প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার এবং তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বঙ্গোপসাগরের নিচে কান্দা ও উপ-বদ্বীপ উপত্যকার আকারে এটি প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত সম্প্রসারিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,৩৫৯.
মার্গুই দ্বীপপুঞ্জ কোন উপসাগরের অন্তর্গত?
  1. গিনি উপসাগর
  2. মেক্সিকো উপসাগর
  3. পারস্য উপসাগর
  4. বঙ্গোপসাগর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগর
ব্যাখ্যা
মার্গুই দ্বীপপুঞ্জ 
- মার্গুই দ্বীপপুঞ্জ মিয়ানমারের সর্ব দক্ষিণ-পূর্বে তেনাসেরিম নদীর উপকূলে অবস্থিত।
- এই দ্বীপপুঞ্জ 200 টিরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- এটি বঙ্গোপসাগরের অন্তর্গত।
- নয়নাভিরাম অশান্ত উপবন আর আদিম নির্জনতার আধার মিয়ানমারের এই দ্বীপপুঞ্জ।
এছাড়াও, 
- আন্দামান, নিকোবর ও সেন্টমার্টিন দ্বীপ বঙ্গোপসাগরের অন্তর্গত।
 
উল্লেখ্য, 
বঙ্গোপসাগর
- পৃথিবীর বৃহত্তম উপসাগর হল বঙ্গোপসাগর।
- বঙ্গোপসাগরের আয়তন - 21,73,000 বর্গ কিমি।
- এটি মোটামুটিভাবে 5°-22° উত্তর অক্ষাংশ এবং 80°-90° পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। 
- এই উপসাগরের পশ্চিমে শ্রীলঙ্কা এবং ভারত, উত্তরে বাংলাদেশ এবং মায়ানমার অবস্থিত।
- উপসাগরটি প্রায় 1,600 কিমি প্রশস্ত।
- গড় গভীরতা 8,500 ফুট (2,600 মিটার) এর বেশি। 
- সর্বোচ্চ গভীরতা 15,400 ফুট (4,694 মিটার)।
- মহানদী, গোদাবরী, কৃষ্ণা, কাবেরী, গঙ্গা এবং ব্রহ্মপুত্র - বেশ কয়েকটি বড় নদী বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
১,৩৬০.
দিবারাত্রি সংঘটিত হয় -
  1. ক) আহ্নিক গতির জন্য
  2. খ) বার্ষিক গতির জন্য
  3. গ) মাধ্যাকর্ষণ শক্তির জন্য
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) আহ্নিক গতির জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আহ্নিক গতির জন্য
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলাফল  - দিন-রাত্রি সংঘটন।

আহ্নিক গতি:
- পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে নির্দিষ্ট গতিতে আবর্তিত হচ্ছে যা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত।
পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলাফল সমূহ:
- দিন-রাত্রি সংঘটন
- জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি
- বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি
- তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি
- সময় গণনা বা সময় নির্ধারণ প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- সূর্যের মহাকর্ষ বলের প্রভাবে পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর অবিরাম ঘূর্ণনের সাথে সাথে নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে (ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে) নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে যা পৃথিবীর বার্ষিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর বার্ষিক গতির কারণে ঋতু পরিবর্তন ও দিন-রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।
১,৩৬১.
সুন্দরবনের মোট আয়তনের কতটুকু বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানায় অন্তর্ভুক্ত?
  1. ৫৪২৭ বর্গ কিলোমিটার
  2. ৫৮৩৭ বর্গ কিলোমিটার
  3. ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
  4. ৬২১৭ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার।
- এর অন্য নাম বাদাবন।

⇒ সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।

⇒ সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

⇒ ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
⇒ ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
- ইউনেস্কো ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে ৭৯৮তম 'World Heritage site' বা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বনভূমি।
- আবার একক বন হিসাবে বৃহত্তম বন সুন্দরবন সুন্দরবন বনাঞ্চল।

উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১,৩৬২.
বাংলাদেশের একমাত্র কোরাল দ্বীপ কোনটি?
  1. হাতিয়া
  2. সন্দ্বীপ
  3. মনপুরা
  4. সেন্টমার্টিন
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র কোরাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন যা প্রবাল দ্বীপ নামেও পরিচিত।
- সেন্টমার্টিনের অপন নাম- নারিকেল জিঞ্জিরা।
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ হলো মহেশখালী।
- এই দ্বীপে আদিনাথ পাহাড় রয়েছে।
- এছাড়া এখানে আদিনাথ মন্দির রয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৬৩.
নিচের কোন জেলায় কঠিন শিলার খনি রয়েছে?
  1. সিলেট
  2. জামালগঞ্জ
  3. রংপুর
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
কঠিন শিলা (Hard Rock):
- পাললিক শিলা থেকে পৃথক এবং সাধারণভাবে শক্ত, ঘন, কেলাসিত আগ্নেয় অথবা রূপান্তরিত শিলাকে কঠিন শিলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার খনি পাওয়া গিয়েছে।
- আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৭৪।
- গভীরতা: ১২৮ মিটার।
- মজুদ: ১৭১ মেট্রিক টন।

উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
১,৩৬৪.
শূন্য পয়েন্ট ও কাঁটাতারের বেড়ার মধ্যবর্তী কত মিটার দূরত্বকে ‘No-Man’s-Land’ ধরা হয়?
  1. ১০০ মিটার
  2. ১৫০ মিটার
  3. ১৮০ মিটার
  4. ২০০ মিটার
সঠিক উত্তর:
১৫০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০ মিটার
ব্যাখ্যা

- কাঁটাতারের বেড়া থেকে শূন্য পয়েন্ট পর্যন্ত ১৫০ মিটার জায়গা নো ম্যানস ল্যান্ড হিসেবে চিহ্নিত।

- বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি, ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি নামে পরিচিত।
- এ চুক্তির অন্য সব বিষয়ের মধ্যে অন্যতম একটি বিষয় ছিল যে, যদি কোনো দেশ সীমান্ত বরাবর বেড়া দেয়, তবে তা শূন্য পয়েন্ট থেকে নিজ ভূখণ্ডের ১৫০ মিটার ভেতরে নির্মাণ করতে হবে।

• স্থলসীমান্ত চুক্তি ১৯৭৪:
- ১৯৭৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী যথাক্রমে শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধী স্থল সীমান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এর উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অমীমাংসিত স্থল সীমানা চূড়ান্ত করা।
- এই চুক্তি অনুযায়ী ভারতের ভেতরে থাকা দক্ষিণ বেরুবাড়ি ভারতের দখলে চলে যায় এবং দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অধিকারে আসে।
- ছিটমহল দুটি বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় পানবাড়ি মৌজার সঙ্গে যুক্ত করার জন্য তিনবিঘা জমি ভারত বাংলাদেশের অনুকূলে স্থায়ী ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- চুক্তি সইয়ের পরপরই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ এটি অনুমোদন করে।

এছাড়াও
- ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত সম্পর্কিত প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়।
- উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিটি প্রটোকল নয়, পূর্ণাঙ্গ চুক্তি ছিলো।

- ২০১১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বাংলাদেশ সফর করেন।
- ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ড. মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরে ওই প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়।
- উক্ত প্রটোকলে সীমান্তে অচিহ্নিত অংশগুলো চিহ্নিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল এবং অপদখলীয় ভূমি সমস্যার সমাধান করে স্থায়ী সীমানা চিহ্নিত করা হয়।
- এর আওতায় বাংলাদেশের ভেতর থাকা ভারতের ১১১টি ছিটমহল ও ভারতের মধ্যে থাকা বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল বিনিময়ে সম্মত হয়।
- পরবর্তীতে এই চুক্তির আওতায় ২০১৫ সালে ছিটমহল বিনিময় হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয়  তথ্য বাতায়ন।

১,৩৬৫.
আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ কোনটি?
  1. আলজেরিয়া
  2. কেনিয়া
  3. মিশর
  4. নাইজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
আলজেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলজেরিয়া
ব্যাখ্যা
আফ্রিকা মহাদেশ:

- আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এর আয়তন ১১,৭২৪,০০০ বর্গ মাইল (৩০,৩৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া।
- জনসংখ্যায় আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ নাইজেরিয়া।
- জনসংখ্যায় ও আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস।

তথ্যসূত্র - worldatlas.com
১,৩৬৬.
সমুদ্র সমতল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা কত?
  1. ২২ মিটার
  2. ২৫ মিটার
  3. ৩২.৫০ মিটার
  4. ৩৭.৫০ মিটার
সঠিক উত্তর:
৩৭.৫০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭.৫০ মিটার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান:
- পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ: বাংলাদেশ।
- সমুদ্রতল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা ৩৭.৫০ মিটার।
- সমুদ্রতল থেকে বগুড়ার উচ্চতা ২০ মিটার।
- সমুদ্রতল থেকে ঢাকার উচ্চতা ২৫ মিটার।
- সমুদ্রতল থেকে নারায়নগঞ্জ এবং রাজশাহীর উচ্চতা ৮ মিটার।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৫,১৩৮ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কি.মি.।
- কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য ১৫৫ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৬৭.
নিচের কোন কার্যক্রমটি সাড়াদান ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভূক্ত?
  1. তল্লাশি ও উদ্ধার
  2. ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা
  3. নিরাপদ স্থানে অপসারণ
  4. উপরের সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্রান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
- ’দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে ও সংঘটনের পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদান যেমন- সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, প্রশমন উন্নয়ন, প্রতিরোধ, পূর্বপ্রস্তুতি কার্যক্রম সম্পাদন করা প্রয়োজন।

সাড়াদান (Response):
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন।

- সাড়াদানের আওতাভূক্ত কার্যক্রমগুলো হলো:
• নিরাপদ স্থানে অপসারণ,
• তল্লাশি ও উদ্ধার,
• ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং
• ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৩৬৮.
প্রান্তিক হ্রদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
• প্রান্তিক হ্রদ — বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।

• প্রান্তিক হ্রদ:
- বান্দরবান জেলা সদর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে বান্দরবান কেরানীহাট সড়কের হলুদিয়ার সন্নিকটে প্রায় ২৫.২৯ একর এলাকা নিয়ে প্রান্তিক হ্রদ গঠিত।

• বান্দরবানে অবস্থিত আরো কয়েকটি হ্রদ:
- বগাকাইন হ্রদ বা বগা লেক, 
- কিয়াচলং হ্রদ ইত্যাদি।

উৎস: বান্দরবান জেলার ওয়েবসাইট।
১,৩৬৯.
পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে দূরত্ব কোন এককে মাপা হয়?
  1. কিলোমিটার
  2. নটিক্যাল মাইল
  3. আলোক বর্ষ
  4. আলোক মাইল
সঠিক উত্তর:
আলোক বর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোক বর্ষ
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না।
- এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়।
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে।
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৩৭০.
নিচের কোনটি ভারত ও পাকিস্তানের সীমারেখা?
  1. লাইন অব এ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল
  2. লাইন অব কন্ট্রোল
  3. ডুরান্ড লাইন
  4. ম্যাকমোহন
সঠিক উত্তর:
লাইন অব কন্ট্রোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইন অব কন্ট্রোল
ব্যাখ্যা
লাইন অব কন্ট্রোল (LoC):
- লাইন অব কন্ট্রোল  ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ রেখা।
- এটি একটি সামরিক নিয়ন্ত্রণ রেখা, যা আন্তর্জাতিক সীমান্ত হিসেবে স্বীকৃত নয়।
- তবে কার্যত এটি দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত হিসেবে কাজ করে।
- ১৯৭২ সালের শিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই রেখা প্রতিষ্ঠিত হয়।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- তিন বিঘা করিডোর: ভারত ও বাংলাদেশ,
- লাইন অব কন্ট্রোল (LOC): ভারত ও পাকিস্তান,
- লাইন অব এ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC): ভারত ও চীন।

উৎস: অক্সফোর্ড রিসার্স এনসাইক্লোপেডিয়া।
১,৩৭১.
মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা নয় কোনটি?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খাগড়াছড়ি
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।  ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙ্গামাটি।
- তার মধ্যে - ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার ২টি দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।
- অর্থাৎ উল্লেখিত প্রশ্নে 'খাগড়াছড়ি' মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা নয়। 

⇒ অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি। যথা- আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।
- উত্তরে- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় প্রদেশ।
- পূবে - ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম প্রদেশ এবং মিয়ানমার।
- দক্ষিণে - বঙ্গোপসাগর, আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (ভারত), মিয়ানমার।
- পশ্চিমে - ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩৭২.
অয়ন বায়ুর অপর নাম কী?
  1. মেরু বায়ু
  2. পশ্চিমা বায়ু
  3. বানিজ্য বায়ু
  4. মৌসুমী বায়ু
সঠিক উত্তর:
বানিজ্য বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বানিজ্য বায়ু
ব্যাখ্যা
• অয়ন বায়ু: 
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় থেকে উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরে উঠে গেলে কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।
- ফেরেলের সূত্র অনুসারে এ বায়ু উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে থাকে।
- প্রাচীনকালে পরিচালিত বাণিজ্য জাহাজগুলো এ বায়ুপ্রবাহের দিক অনুসরণে যাতায়াত করত বলে এগুলোকে অয়ন বায়ু বা বাণিজ্য বায়ু বলে।
- উত্তর গোলার্ধে এটি উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- নিয়ত বায়ু পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে বছরের সকল সময় একই দিকে প্রবাহিত হয়।
- এই বায়ু তিন প্রকারের। যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩৭৩.
পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল কোথায়?
  1. চাঁদপুর
  2. গোয়ালন্দ 
  3. ভৈরববাজার
  4. চিলমারি
সঠিক উত্তর:
গোয়ালন্দ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোয়ালন্দ 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে প্রধান নদীর মিলনস্থল:
- পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল- গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)।
- সুরমা + কুশিয়ারা (মেঘনা)- আজরিমিগঞ্জ (হবিগঞ্জ)।
- পদ্মা + মেঘনা মিলনস্থল - চাঁদপুর।
- ব্রহ্মপুত্র + তিস্তার মিলনস্থল- চিলমারি (কুড়িগ্রাম)।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র + মেঘনার মিলনস্থল - ভৈরববাজার (কিশোরগঞ্জ)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৩৭৪.
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বসতি কোনটি?
  1. ময়নামতি
  2. পুণ্ড্রবর্ধন
  3. পাহাড়পুর
  4. সােনারগাঁ
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্রবর্ধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্রবর্ধন
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ হলাে পুণ্ড্র।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড়ের বিস্তীর্ণ ধবংসাবশেষ প্রাচীর পুন্ড্রবর্ধনভূক্তির রাজধানী পুন্ড্রনগরেরসুদীর্ঘ প্রায় আড়াই হাজার বছরের গৌরবোজ্জল ইতিহাসের এক নীরব স্বাক্ষী।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ।

অন্যদিকে -
পাহাড়পুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

ময়নামতি:
- ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।

উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৭৫.
কলকারখানার ধোঁয়া থেকে নির্গত হয়-
  1. ক) মিথেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ঘ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসের প্রধান উৎস কলকারখানা, যানবাহন। উৎসঃ ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী
১,৩৭৬.
কনরাড বিযুক্তি ভূ-অভ্যন্তরের কোন স্তরসমূহের মাঝে অবস্থান করে?
  1. সিয়াল ও সিমা
  2. অশ্বমণ্ডল ও গুরুমণ্ডল
  3. গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডল
  4. সিমা ও অশ্বমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
সিয়াল ও সিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিয়াল ও সিমা
ব্যাখ্যা

◉  কনরাড বিযুক্তি ভূ-অভ্যন্তরের সিয়াল ও সিমা স্তরসমূহের মাঝে অবস্থান করে। 

কনরাড বিযুক্তি:
- Sial ও Sima বিভাজনকারী স্তরকে কনরাড বিযুক্তি রেখা বলে।
- অর্থাৎ ভূ-ত্বকের লঘু ও গুরু শিলান্তরদ্বয় সীমারেখায় মিলিত হয়েছে তাকে কনরাড বিযুক্তি (Conrad Discontinuity) বলে।

⇒ সমুদ্র তলদেশের ভূত্বক প্রধানত ব্যাসল্ট জাতীয় এবং মহাদেশীয় ভূত্বক ফেলসিক স্তরবিহীন, ব্যাসল্ট-এর প্রধান খনিজ উপাদানের নাম সিলিকন (Si) এবং ম্যাগনেসিয়াম (Mg) যা সাধারণভাবে সিমা (Sima) নামে পরিচিত। ধারণা করা হয় যে, এ ব্যাসল্ট স্তরই সারা পৃথিবী জুড়ে বহিরাবরণ হিসেবে মহাদেশের মেফিক স্তরের নিচে ও গভীর সমুদ্রের তলদেশে বিদ্যমান। ভূ-ত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০° সে. তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।

⇒ ওপরের লঘুশিলা ভূ-ত্বকের বাইরের স্তর। এর ওপরেই আমরা গাছপালা ও তৃণাদি জন্মাতে দেখি। এ স্তরে গ্রাণাইড শিলার পরিমাণ বেশি তাই এক গ্রানাইট শিলা স্তর বলা হয়। গ্রানাইটে সিলিকা (Silica) ও অ্যালুমিনিয়ামের (Aluminium) পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। তাই একে সিয়াল (Sial) স্তর বলে। মহাদেশগুলো প্রধানত এ জাতীয় শিলায় গঠিত। 

→ সুতরাং ভূ-ত্বকের গঠন মোটামুটি নিম্নরূপ:
১. সিয়াল (গ্রানাইট) →এটি ভূ-ত্বকের ওপরের কনরাড বিযুক্তি।
২. সিমা (ব্যাসল্ট)  → এটি ভূ-ত্বকের মধ্যবর্তী স্তর।
৩. অলিভিন  → এটি ভূ-ত্বকের নিচের অংশ।

এছাড়াও, 
- পৃথিবীর অভ্যন্তর তিনটি স্তরে বিভক্ত। স্তর তিনটির মধ্যে সবচেয়ে ওপরের স্তর যেটি গুরুমন্ডলের ওপরে অবস্থিত সেটিকেই অশ্বমন্ডল বলে। এটাই পৃথিবীর কঠিন বহিরাবরণ। এটি নানা প্রকার শিলা ও খনিজ উপাদান দ্বারা গঠিত। এর গভীরতা ৩০ কি. মি. হতে প্রায় প্রায় ৬৪ কি.মি.। অশ্মমন্ডল যে সকল উপাদানে গঠিত তারমধ্যে সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম, লৌহ, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন প্রভৃতির নাম উল্লেখযোগ্য।
- কেন্দ্র মন্ডলের বহিঃভাগ থেকে অশ্বমন্ডলের (ভূ-ত্বকের) নিম্ন স্তর পর্যন্ত বিস্তৃত স্তরকে গুরুমন্ডল বলে। এটি পৃথিবীর আয়তনের শতকরা ৮২ ভাগ এবং ওজনের শতকরা ৬৮ ভাগ দখল করে আছে। 
- পৃথিবীর ব্যাসার্ধ প্রায় ৬,৪৩৪ কি.মি.। পৃথিবীর কেন্দ্রের চারিদিকে প্রায় ৩,৪৮৬ কি.মি. ব্যাসার্ধের এক গোলক অবস্থিত। এই গোলকটির নাম দেয়া হয়েছে কেন্দ্রমন্ডল। অন্তঃকেন্দ্র ও বহিঃকেন্দ্রকে একত্রে কেন্দ্রন্ডল বলে। এই স্তরের ঘনত্ব প্রায় ১০.৭৮ গ্রাম/সে.মি., যা গুরুমন্ডলের চেয়ে প্রায় দ্বিগুন। কেন্দ্রমন্ডল লৌহ, নিকেল, পারদ, সীসা প্রভৃতি কঠিন ও ভারী পদার্থ দ্বারা গঠিত। এই স্তরে নিকেল (Ni) ও লৌহের (Fe) পরিমাণ বেশি থাকায় একে নাইফ (Nife) বলা হয়। 

উৎস: ভূমিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৭৭.
বাংলাদেশের উপর দিয়ে কত ডিগ্রী পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে ?
  1. ৯০°
  2. ১২০°
  3. ৪৫°
  4. ৬৮°
সঠিক উত্তর:
৯০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০°
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত। সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।

- এছাড়া বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া।
১,৩৭৮.
In which year did the fire occur in the Magurchara gas field?
  1. 1997
  2. 2005
  3. 1998
  4. 2003
  5. 2007
সঠিক উত্তর:
1997
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1997
ব্যাখ্যা
মাগুড়ছড়া গ্যাস ক্ষেত্রে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে ১৯৯৭ সালে।
বাংলাদেশের গ্যাস ফিল্ড দুর্ঘটনা:

- এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ২ টি গ্যাস ক্ষেত্রে দুর্ঘটনা হয়।
১. মাগুরছড়া:
- এটি মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জে অবস্থিত।
- ১৯৯৭ সালের ১৪ জুন এই গ্যাস ক্ষেত্রে আগুন লাগে।
- এই গ্যাস ক্ষেত্রের খননের সাথে জড়িত ছিলো মার্কিন কোম্পানি অক্সিডেন্টাল।

২. টেংরাটিলা:
- এটি সুনামগঞ্জের দুয়ারাবাজারে অবস্থিত।
- ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি প্রথম দফা এবং ২৪ জুন দ্বিতীয় দফা এখানে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
- এই গ্যাস ক্ষেত্রের খন কাজের দায়িত্বে ছিলো কানাডিয়ান কোম্পানী নাইকো।

উৎস: প্রথম আলো ও BGFCL.
১,৩৭৯.
কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বত শৃঙ্গ অবস্থিত-
  1. ক) ভারত ও ভুটানে
  2. খ) নেপাল ও ভুটানে
  3. গ) চীন ও নেপালে
  4. ঘ) নেপাল ও ভারতে
সঠিক উত্তর:
ঘ) নেপাল ও ভারতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নেপাল ও ভারতে
ব্যাখ্যা

- কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বত শৃঙ্গটি নেপাল ও ভারতের মধ্যে অবস্থিত একটি পর্বত শৃঙ্গ।
- এটি বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ।
- মাউন্ট এভারেস্ট আবিষ্কারের পূর্বে এটিকে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ বিবেচনা করা হতো।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস এবং সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।

১,৩৮০.
বর্তমান বিশ্বে কোন দেশে সবচেয়ে বেশি মানুষ বজ্রপাতে মারা যায়?
  1. নরওয়েতে
  2. বাংলাদেশে
  3. ভারতে
  4. চীনে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশে
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বাংলাদেশ 
- বাংলাদেশে বর্তমানে সরকার ঘোষিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ আছে ১৩ টি।
- ১৭ মে, ২০১৬ সালে দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয় বজ্রপাতকে ১৩তম প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে।  
- বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মানুষ বজ্রপাতে মারা যায় বাংলাদেশে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যা।
- বাংলাদেশে মধ্য জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসে বন্যা দেখা যায়।

অন্যদিকে,
- দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সংঘটিত সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য দুর্যোগ হলো ঘূর্ণিঝড়।

তথ্যসূত্র – বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট , দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।
১,৩৮১.
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কোন জলভাগের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়েছে?
  1. ভারত মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. উত্তর মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা:
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- গ্রীনিচ থেকে ১৮০° পূর্ব বা পশ্চিমে স্থলভাগকে এড়িয়ে আঁকাবাঁকা পথে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা রেখা বরাবর একটি রেখা কল্পনা করা হয়েছে। এই রেখাটিকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলে।
- অর্থাৎ এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অঙ্কিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা মূলত একই দ্রাঘিমা রেখা।
- ফলে একই দ্রাঘিমা রেখায় সময়ের ব্যবধান হয়ে যাচ্ছে ২৪ ঘণ্টা এবং তারিখের ক্ষেত্রে দুইটি তারিখ হয়ে যাচ্ছে।
- তারিখ, সময় ও সাপ্তাহিক দিন নির্ধারণের এই সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন-এ 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাকে 'আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা' হিসাবে স্থির করা হয়।
- আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয় এবং রেখাটি সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্বাংশ এবং এ্যালিউশয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগকে এড়িয়ে ১১° পূর্ব দিয়ে বেঁকে এবং বেরিং প্রণালিতে ১২° পূর্ব দিকে বেঁকে কল্পনা করা হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৮২.
মৌসুমি জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী? 
  1. বায়ুর তাপমাত্রা সব সময় সমান থাকে
  2. বায়ুর চাপ সবসময় স্থির থাকে
  3. কোনো ঋতুতে বৃষ্টি হয় না
  4. ঋতু পরিবর্তনের সাথে বায়ুর প্রবাহ দিক পরিবর্তন হয়
সঠিক উত্তর:
ঋতু পরিবর্তনের সাথে বায়ুর প্রবাহ দিক পরিবর্তন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋতু পরিবর্তনের সাথে বায়ুর প্রবাহ দিক পরিবর্তন হয়
ব্যাখ্যা
মৌসুমি জলবায়ু: 
- মৌসুমি শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ “মওসুম” থেকে যার অর্থ ঋতু। 
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এ বায়ু প্রবাহের দিক পরিবর্তন হয় বলে একে মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়। 
- কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির নিকটবর্তী অঞ্চল জুড়ে যে জলবায়ু বিস্তৃত তা মৌসুমি জলবায়ু। 

মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য: 
- গ্রীষ্মকালে উত্তর গোলার্ধে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর দিয়ে লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং এই সময় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, উত্তর-পশ্চিম ভারত প্রভৃতি স্থানে বায়ুর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়।  
- দক্ষিণ গোলার্ধের উচ্চচাপ বলয় থেকে আসা দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ুএশিয়া মহাদেশের নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে প্রবলবেগে ছুটে যায়। 
- এই বায়ুকেই বলা হয় উত্তর গোলার্ধের মৌসুমি বায়ু। 
- ফেরেলের সূত্রানুযায়ী একে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বলা হয়, কারণ নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে ডানদিকে বেঁকে দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ু দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে উত্তর পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৮৩.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা -
  1. ০.১ মিলিগ্রাম
  2. ০.০১ মিলিগ্রাম
  3. ০.০৩ মিলিগ্রাম
  4. ০.৩ মিলিগ্রাম
সঠিক উত্তর:
০.০১ মিলিগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০১ মিলিগ্রাম
ব্যাখ্যা
আর্সেনিক:
- ধূসর আভাযুক্ত সাদা রংবিশিষ্ট ভঙ্গুর প্রকৃতির একটি অর্ধধাতু বা উপধাতু হচ্ছে আর্সেনিক (Arsenic)।
- প্রকৃতিতে আর্সেনিক বিভিন্ন যৌগ আকারে পাওয়া যায়।
- ৩৩ আণবিক সংখ্যাবিশিষ্ট আর্সেনিকের আণবিক ভর ৭৪.৯২।
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত আর্সেনিক একটি নির্দিষ্ট মাত্রা পর্যন্ত মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয়।

উল্লেখ্য,
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা হলো ০.০১ মিলিগ্রাম।
- তবে বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ দেশের মাত্রা নির্ধারণ করে থাকে।
- বাংলাদেশে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রা ০.০৫ মিলিগ্রাম।
- চাঁদপুর জেলা দেশের মধ্যে সবচেয়ে আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলা।
- ১৯৯৩ সালে চাপাইনবাবগঞ্জে দেশে প্রথম নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি চিহ্নিত হয়।

উৎস: ত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।
১,৩৮৪.
মকরক্রান্তি রেখা কোনটি?
  1. ২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশ
  2. ২৩°৩০′ উত্তর অক্ষাংশ
  3. ২৩°৫′ দক্ষিণ অক্ষাংশ
  4. ২৩°৫′ উত্তর অক্ষাংশ
সঠিক উত্তর:
২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা বা ২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলা হয়।
- পৃথিবীর আহ্নিক গতি এবং নিজ অক্ষে ২৩.৫° কোণে হেলে অবস্থান করার ফলে সূর্যের কিরণ এই দুই অক্ষরেখা পর্যন্ত লম্বভাবে কিরণ দিয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৮৫.
নিচের কোনটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূখ্য উপাদান নয়?
  1. ক) দুর্যোগ প্রতিরোধ
  2. খ) পুনরুদ্ধার
  3. গ) পূর্বপ্রস্তুতি
  4. ঘ) দুর্যোগ প্রশমন
সঠিক উত্তর:
খ) পুনরুদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান।
সুতরাং দুর্যোগকে কার্যত মোকাবেলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই এর ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।

দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।
অতীতে দুর্যোগে সাড়াদানকেই সম্পূর্ণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে ধরে নেওয়া হতো।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৩৮৬.
‘বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ’ হিসেবে বিবেচিত হয় কোনটি?
  1. পক প্রণালী
  2. হরমুজ প্রণালী
  3. জিব্রাল্টার প্রণালী
  4. মালাক্কা প্রণালী
সঠিক উত্তর:
হরমুজ প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরমুজ প্রণালী
ব্যাখ্যা
হরমুজ প্রণালী:
- হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগরে যাওয়ার একমাত্র সামুদ্রিক প্রবেশপথ।
- এর এক পাশে ইরান, অন্য পাশে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- এ প্রণালী পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- এই প্রণালীটি ৩৫ থেকে ৬০ মাইল (৫৫ থেকে ৯৫ কিমি) প্রশস্ত এবং ইরানকে (উত্তর) আরব উপদ্বীপ (দক্ষিণ) থেকে পৃথক করে।
- প্রণালীটির সবচেয়ে সরু অংশ ৩৩ কিলোমিটার (২১ মাইল) চওড়া।
- এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও কৌশলগত জলপথ।
- মধ্যপ্রাচ্য থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় তেল রপ্তানি করা হয় হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে।
- পৃথিবীতে যে পরিমাণ জ্বালানী তেল রপ্তানি হয়, তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়।
- যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য সংস্থা হরমুজ প্রণালিকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ’ বলে বর্ণনা করেছে।

অন্যদিকে,
• পক প্রণালী:
- পক প্রণালী ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী একটি সামুদ্রিক প্রণালী।

• জিব্রাল্টার প্রণালী:
- ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযুক্তকারী চ্যানেল।
- এটি স্পেন এবং আফ্রিকার মধ্যে অবস্থিত।

• মালাক্কা প্রণালী:
- আন্দামান সাগর (ভারত মহাসাগর) এবং দক্ষিণ চীন সাগর (প্রশান্ত মহাসাগর) এর মধ্যে সংযোগকারী জলপথ।
- এটি ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপ এবংমালয়েশিয়াকে পৃথক করে।

তথ্যসূত্র- Britannica.
১,৩৮৭.
পর্নমোচী বৃক্ষের বনভূমিতে নিম্নের কোন উদ্ভিদ দেখা যায়?
  1. পাইন
  2. শাল
  3. সুন্দরী
  4. আবলুস
সঠিক উত্তর:
শাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাল
ব্যাখ্যা

পর্ণমোচী বন (Deciduous Forest) এক ধরনের বনাঞ্চল যেখানে শীতের শুরুতে বা শুষ্ক মৌসুমে অধিকাংশ গাছের পাতা ঝরে যায়।
- গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, টাঙ্গাইলের মধুপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত শালবন একটি পর্ণমোচী বা পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
- এই বনের প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারী

(তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)

১,৩৮৮.
কোন প্রক্রিয়ায় উত্তাপের কারণে পানি জলীয়বাষ্প হয়ে উপরে উঠে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়?
  1. শৈলোৎক্ষেপ
  2. সাইক্লোনিক
  3. পরিচলন
  4. বায়ুপ্রাচীরজনিত
সঠিক উত্তর:
পরিচলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচলন
ব্যাখ্যা
- পরিচলন প্রক্রিয়ায় উত্তাপে পানি জলীয়বাষ্প হয়ে উপরে উঠে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় এবং সেখানে জলভাগের পরিমাণ বেশি হওয়ায় সারাবছরই সকালে অথবা সন্ধ্যায় নিরক্ষীয় অঞ্চলে পরিচলন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টি হয়।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৩৮৯.
Which of the following is the biggest Mangrove forest in the world?
  1. ক) The Ganges
  2. খ) The Mekong
  3. গ) The Sundarbans
  4. ঘ) The Amazon
সঠিক উত্তর:
গ) The Sundarbans
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) The Sundarbans
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীতে ১০২টি দেশে ম্যানগ্রোভের অস্তিত্ব থাকলেও কেবলমাত্র ১০টি দেশে ৫০০০ বর্গ কিমি এর বেশি ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল রয়েছে।
- পৃথিবীর সমগ্র ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের ৪৩% ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া এবং নাইজার এ অবস্থিত এবং এদের প্রত্যেকটি দেশে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের ২৫% হতে ৬০% ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল রয়েছে।
- বাংলাদেশে অবস্থিত ম্যানগ্রোভ বন (সুন্দরবন) পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিত।

উৎস : বাংলাপিডিয়া
১,৩৯০.
মেঘনা নদীর উপনদী নয় কোনটি?
  1. ক) শীতলক্ষ্যা
  2. খ) চিত্রা
  3. গ) ডাকাতিয়া
  4. ঘ) গোমতি
সঠিক উত্তর:
খ) চিত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চিত্রা
ব্যাখ্যা
• মেঘনা:
- আসামের 'বরাক' নদী নাগা-মনিপুর পাহাড়ের দক্ষিণ থেকে উৎপত্তি লাভ করে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে সিলেট জেলায় প্রবেশ করেছে।
- শাখা দুইটি সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়েছে।
- মূলত সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত স্রোতধারাই মেঘনা নদী।
- সুরমা নামক শাখাটি প্রথমে খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া পাহাড়ের নিকট দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ছাতক ও সুনামগঞ্জের নিকট দিয়ে অগ্রসর হয়ে দক্ষিণে হবিগঞ্জ জেলার উত্তর সীমানায় পৌছে কুশিয়ারার সাথে মিলিত হয়েছে।
- মেঘনা ভৈরববাজারের নিকট এসে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের সাথে যুক্ত হয়েছে।
⇒ মেঘনা নদীর উপনদীগুলো হলো- শীতলক্ষ্যা, গোমতি, ডাকাতিয়া, ধলেশ্বরী, ব্রহ্মপুত্র।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৯১.
ভূ-অভ্যন্তরের স্তর কতটি?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ টি
ব্যাখ্যা
• ভূ-অভ্যন্তরের স্তরসমূহ:
- পৃথিবীর ভূ-অভ্যন্তর তিনটি স্তরে বিন্যস্ত।

• স্তরগুলো হলো:
অশ্মমন্ডল, গুরুমন্ডল, কেন্দ্রমন্ডল।

- অশ্মমন্ডল - যা সিলিকা ও এ্যালুমিনিয়াম দ্বারা গঠিত এবং এর ৭০০ কি.মি. পর্যন্ত গভীর।
- গুরুমন্ডল - যা সিলিকা, ম্যাগনেসিয়াম, লোহা, কার্বন ও অন্যান্য খনিজ পদার্থ দ্বারা গঠিত। যার গভীরতা প্রায় ৭০০-২৯০০ কি.মি.।
- কেন্দ্রমন্ডল - যা প্রায় ২৯০০ থেকে ৬৩৭৯ কি.মি বিস্তৃত এবং লোহা, নিকেল, পারদ ও সিসা দ্বারা গঠিত। তবে প্রধান উপাদান হলো নিকেল ও লোহা।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৯২.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দ্বীপ কোনটি?
  1. হাতিয়া
  2. ভোলা
  3. সেন্টমার্টিন
  4. সন্দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোলা
ব্যাখ্যা

- গাঙ্গেয় অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে অবস্থিত দেশের একমাত্র দ্বীপ ভোলা ।
- এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ এবং একটি জেলা।
- বর্তমান ভোলা একদা বৃহত্তর বরিশাল জেলার একটি মহকুমা ছিল। 
- ১৮৫৪ সালে দ্বীপটি মহকুমায় উন্নীত হয়। 
- ১৯৮৪ সালে মহকুমা থেকে জেলার মর্যাদা পায়। 
- ভোলার আদি নাম ছিল দক্ষিণ শাহবাজপুর। 
- হিমালয় থেকে নেমে আসা ৩টি প্রধান নদী পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র বাহিত পলি দিয়ে মোহনায় গড়ে উঠেছে এ দ্বীপ। 

এছাড়াও,
- দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হলো- সেন্টমার্টিন।
- সেন্টমার্টিনের অপন নাম- নারিকেল জিঞ্জিরা।
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ হলো মহেশখালী।
- এই দ্বীপে আদিনাথ পাহাড় রয়েছে।
- এছাড়া এখানে আদিনাথ মন্দির রয়েছে।
- কুতুবদিয়া দ্বীপে বাতিঘর রয়েছে।
- সন্দ্বীপে প্রাচীনকালে বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ হতো।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৩৯৩.
অলিভ পর্বত কোথায় অবস্থিত?
  1. কাবুল
  2. দামেস্ক
  3. তেল আবিব
  4. জেরুজালেম
সঠিক উত্তর:
জেরুজালেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরুজালেম
ব্যাখ্যা
অলিভ পর্বত:
- অলিভ পর্বত জেরুজালেমের ওল্ড সিটির ঠিক পূর্বে অবস্থিত একটি বহু-শিখর চুনাপাথরের শৈলশিরা।
- এটি কিদ্রোন উপত্যকা দ্বারা শহর থেকে বিচ্ছিন্ন।
- ইহুদি, খ্রিস্টান ও ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের কাছে এটি একটি পবিত্র স্থান।
- অলিভ পর্বতের তিনটি প্রধান শৃঙ্গ রয়েছে।
- সাধারণত জলপাই পর্বত হিসেবে বিবেচিত চূড়াটি হল দক্ষিণ চূড়া, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,৬৫২ ফুট (৮০৮ মিটার) উঁচু ।
- উত্তরে সর্বোচ্চ চূড়াটি (২,৬৯৪ ফুট বা ৮২০ মিটার) রয়েছে, যাকে সাধারণত মাউন্ট স্কোপাস বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১,৩৯৪.
সমূদ্র উপকূল রেখা থেকে তলদেশ ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে কী বলে?
  1. ক) মহীসোপান
  2. খ) মহীঢাল
  3. গ) নিমজ্জিত শৈলশিলা
  4. ঘ) সমুদ্রখাত
সঠিক উত্তর:
ক) মহীসোপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মহীসোপান
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর মহাদেশসমূহের চারিদিকে স্থলভাগের কিছু অংশ অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের মধ্যে নেমে গেছে।
- এরূপ সমূদ্রের উপকূল রেখা থেকে তলদেশ ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে ‘মহীসোপান’ বলে।
- মহীসোপানের সমুদ্রের পানির সর্বোচ্চ গভীরতা ১৫০ মিটার।
- মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে। 
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার।
- ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমে পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত।

উৎস: মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ।
১,৩৯৫.
বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস -
  1. মে
  2. জুন
  3. মার্চ
  4. এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস - এপ্রিল।

গ্রীষ্মকাল:

- বাংলাদেশে মার্চ হতে মে মাস (ফাল্গুন-জ্যৈষ্ঠ) পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল।
- এ ঋতুতে সূর্যের উত্তরায়নের ফলে উত্তাপের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। দেশের দক্ষিণাঞ্চল হতে উত্তরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পায়।
- আমাদের দেশে গ্রীষ্মকাল সবচেয়ে উষ্ণ ঋতু হিসেবে পরিচিত।
- এ ঋতুতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪° সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১° সেলসিয়াস।
- এপ্রিল উষ্ণতম মাস।
- এ মাসের গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৮° সেলসিয়াস।
- এ সময় সমুদ্র উপকূল থেকে দেশের অভ্যন্তরে অর্থাৎ উত্তর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে।
- গ্রীষ্মকালে সূর্য উত্তর গোলার্ধের নিকটবর্তী হওয়ায় বায়ুচাপের পরিবর্তন ঘটে।
- এ সময় বাংলাদেশের ওপর দিয়ে শুষ্ক ও আর্দ্র বায়ু প্রবাহিত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৯৬.
কোন দেশকে ‘সূর্যোদয়ের দেশ’ দেশ বলা হয়?
  1. ভুটান
  2. জাপান
  3. মিয়ানমার
  4. তাইওয়ান
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম: 

• বজ্রপাতের দেশ, বজ্র ড্রাগনের দেশ: ভুটান।
• সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
• নিষিদ্ধ দেশ: তিব্বত।
• সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
• সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
• হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
• নীল নদের দেশ: মিশর।
• মরুভুমির দেশ: আফ্রিকা।
• চীর সবুজের দেশ: নাটাল (দ: আফ্রিকা)।
• ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
• পিরামিডের দেশ: মিশর।
• প্রাচীরের দেশ: চীন।
• ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
• ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১,৩৯৭.
বাংলাদেশে কত সালে সংঘটিত ঘূর্ণিঝড়ে সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ হতাহত হয়?
  1. ক) ১৯৭০ সালে
  2. খ) ১৯৯১ সালে
  3. গ) ২০০৭ সালে
  4. ঘ) ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৬০ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত বাংলাদেশে ৫০টির অধিক সাইক্লোন আঘাত হেনেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ছিলো ১৯৭০ সালে আঘাত হানা সাইক্লোন। এতে প্রায় ৫ লক্ষাধিক মানুষ মারা যায়।
এছাড়াও ১৯৬১, ১৯৬৩, ১৯৬৫, ১৯৮৫, ১৯৯১, ২০০৭ ও ২০০৯ সালের ঘূর্ণিঝড়ও ব্যাপক মাত্রার ছিলো। ১৯৯১ সালে সংঘটিত ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ছিলো ঘণ্টায় ২২৫ কিমি।
(সূত্রঃ মাধ্যমিক সাধারণ বিজ্ঞান)
১,৩৯৮.
বাংলাদেশের কোন নদীটি সবচেয়ে বেশি উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে?
  1. পদ্মা
  2. মেঘনা
  3. ইছামতী
  4. সাঙ্গু
সঠিক উত্তর:
মেঘনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘনা
ব্যাখ্যা
দেশের নদ-নদী: 
- বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের নদ-নদী: সংজ্ঞা ও সংখ্যাবিষয়ক সেমিনার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন দেশের নদ-নদীর সংখ্যা ও তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে।
- দেশে বর্তমানে জীবন্ত নদ-নদীর সংখ্যা ১০০৮।
- সব মিলিয়ে দেশে ২২ হাজার কিলোমিটারের দীর্ঘ নদীপথ রয়েছে।
- দেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা। 
- দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী খুলনা বিভাগের ইছামতী নদী।
- এর পরই রয়েছে বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত সাঙ্গু বা শঙ্খ নদী। 
- দেশের ক্ষুদ্রতম নদী বলা হয়েছে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলায় অবস্থিত গাঙ্গিনা নদীকে (দৈর্ঘ্য ০.০৩২ কিলোমিটার)।
- সবচেয়ে বেশি ৩৬টি উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত নদী মেঘনা।
- সবচেয়ে বেশি নদ-নদী রয়েছে ঢাকা বিভাগে, ২২২টি। 
- জেলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নদী রয়েছে সুনামগঞ্জ জেলায়, ৯৭টি।

উৎস: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
১,৩৯৯.
’ভবদহ বিল’ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিরাজগঞ্জ
  2. যশোর 
  3. রাজশাহী
  4. পাবনা 
সঠিক উত্তর:
যশোর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যশোর 
ব্যাখ্যা

- ভবদহ বিল যশোর জেলায় অবস্থিত।

যশোর জেলা:
- যশোর জেলায় অবস্থিত নদী সমূহের মধ্যে ভৈরব, চিত্রা, কপোতাক্ষ, হরিহর, দাদরা, বেত্রাবতী, কোদলা ও ইছামতি অন্যতম।
- যশোর জেলার উল্লেখযোগ্য বিল সমূহের মধ্যে রয়েছে ভবদহ, জলেশ্বর, বকর, হরিণা ইত্যাদি।
- প্রতিষ্ঠাকালের দিক থেকে যশোর বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন জেলা।
- এ জেলা সৃষ্টি হয়েছিল প্রায় দুইশত বৎসর পূর্বে ১৭৮৬ সালে।
- স্বাধীন যশোর রাজ্যের যারা শাসক ছিলেন তাঁদের মধ্যে মহারাজ বিক্রমমাদিত্য, রাজা প্রতাপাদিত্য, রাজা সীতারাম রায় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৪০০.
সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নয়াদিল্লি, ভারত
  2. খ) গুজরাট, ভারত
  3. গ) কাঠমান্ডু, নেপাল
  4. ঘ) ঢাকা, বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
খ) গুজরাট, ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গুজরাট, ভারত
ব্যাখ্যা
সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ভারতের গুজরাটের গান্ধীনগরে অবস্থিত। 

• সার্ক:

- গঠিত হয়- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে।
- সচিবালয়- কাঠমান্ডু, নেপাল।
- সার্কভুক্ত দেশের সংখ্যা- ৮ টি। 
- সর্বশেষ সদস্য - আফগানিস্তান 
- ২০০৬ সালের অক্টোবরে ভারতের নয়াদিল্লিতে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- তবে ২০১৬ সালে সার্ক আবহাওয়া কেন্দ্র, সার্ক বন কেন্দ্র এবং সার্ক উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রকে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের সাথে একীভূত করা হয়।
- তখন এটির কার্যালয় নয়াদিল্লি থেকে গুজরাটের গান্ধীনগরে স্থানান্তর করা হয়।
- বর্তমানে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র গুজরাটের গান্ধীনগরে অবস্থিত।

• সার্কের অন্যান্য আঞ্চলিক কেন্দ্রেসমূহ:
- সার্ক কৃষি কেন্দ্র- ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সার্ক যক্ষ্মা ও এইডস কেন্দ্র- কাঠমান্ডু, নেপাল।
- সার্ক  সাংস্কৃতিক কেন্দ্র- কলম্বো, শ্রীলঙ্কা।
- সার্ক জ্বালানি কেন্দ্র- ইসলামাবাদ, পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র: সার্ক ওয়েবসাইট