বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ১৩ / ৭২ · ১,২০১১,৩০০ / ৭,১৯১

১,২০১.
আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা কত মিলিগ্রাম?
  1. ক) ০.০১ মিলিগ্রাম
  2. খ) ০.০৫ মিলিগ্রাম
  3. গ) ০.১০ মিলিগ্রাম
  4. ঘ) ০.৫০ মিলিগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) ০.০১ মিলিগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ০.০১ মিলিগ্রাম
ব্যাখ্যা
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা হলো ০.০১ মিলিগ্রাম।
- তবে বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ দেশের মাত্রা নির্ধারণ করে থাকে। বাংলাদেশে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রা ০.০৫ মিলিগ্রাম।
- চাঁদপুর জেলা দেশের মধ্যে সবচেয়ে আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলা।
- ১৯৯৩ সালে চাপাইনবাবগঞ্জে দেশে প্রথম নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি চিহ্নিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ ত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর)
১,২০২.
কোনটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান?
  1. দুর্যোগ প্রশমন
  2. দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতি
  3. দুর্যোগ প্রতিরোধ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
 - দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান।
- সুতরাং দুর্যোগকে কার্যত মোকাবেলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই এর ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।
- দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।
- অতীতে দুর্যোগে সাড়াদানকেই সম্পূর্ণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে ধরে নেওয়া হতো।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২০৩.
২০১৫ সালের প্যারিস ‍চুক্তির সাথে সম্পর্কিত বিষয়বস্তু হলো -
  1. জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাস
  2. সমুদ্র পরিবহন ব্যবস্থাপনা
  3. জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ
  4. জলবায়ু পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি-২০১৫:
- প্যারিস চুক্তি জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি ১২ ডিসেম্বর ২০১৫-এ ফ্রান্সের প্যারিসে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (COP21) গৃহীত হয়েছিল।
- এতে অংশগ্রহণকারী দেশ - ১৯৫টি এবং সংস্থা ১ টি (EU)।
- এটি ৪ নভেম্বর ২০১৬ এ কার্যকর হয়।

সূত্রঃ UNFCCC ওয়েবসাইট।
১,২০৪.
ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান শাখানদী - 
  1. মধুমতী
  2. শীতলক্ষা
  3. করতোয়া 
  4. ধরলা 
সঠিক উত্তর:
শীতলক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শীতলক্ষা
ব্যাখ্যা

• ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান শাখানদী -  বংশী ও শীতলক্ষা।

অন্যদিকে,
- ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান উপনদী - ধরলা ও তিস্তা।
-  পদ্মা নদীর প্রধান উপনদী -  কুমার, মাথাভাঙা, ভৈরব, গড়াই, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ ।
- যমুনা নদীর প্রধান উপনদী -  করতোয়া ও আত্রাই।

উৎস: ভূগোল পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,২০৫.
তিতাস গ্যাস ক্ষেত্র কোথায় আবিষ্কৃত হয়?
  1. হবিগঞ্জ
  2. সিলেট
  3. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাখ্যা

তিতাস গ্যাসক্ষেত্র: 
- তিতাস গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয় ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীরে। 
- প্রতিষ্ঠা: ২০ নভেম্বর ১৯৬৪।
- প্রতিষ্ঠানের নাম: তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি।
- প্রথম পাইপলাইন: ১৪ ইঞ্চি ব্যাস, ৫৮ মাইল দীর্ঘ তিতাস-ডেমরা।
- পাইপলাইন নির্মাণকারী: তৎকালীন শিল্প উন্নয়ন সংস্থা।
- বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু: ২৮ এপ্রিল ১৯৬৮।
- প্রথম গ্যাস সরবরাহ: সিদ্ধিরগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- মাতৃ কর্পোরেশন: বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা)।
- প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
- অধিভূক্ত এলাকা: বৃহত্তর ঢাকা ও বৃহত্তর ময়মনসিংহ।

উৎস: তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি, ওয়েবসাইট।

১,২০৬.
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের অন্তর্ভুক্ত-
  1. কালা পাহাড়
  2. চন্দ্রনাথ পাহাড়
  3. চিম্বুক পাহাড়
  4. লালমাই পাহাড়
সঠিক উত্তর:
লালমাই পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমাই পাহাড়
ব্যাখ্যা

• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ: 
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

উল্লেখ্য,
ভূপ্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,২০৭.
গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ার ফলে দেশের কোন জেলা জলমগ্ন হবে?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) বগুড়া
  4. ঘ) সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
• গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে দেশের নিম্নভূমি তলিয়ে যাবার আশংকা রয়েছে।
• এক্ষেত্রে সাতক্ষীরা, বরিশাল ও নোয়াখালী জেলা নিম্নাংশসহ উপকূলবর্তী নিম্নভূমি প্লাবিত হতে পারে।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২০৮.
বিশ্বের সর্বাধিক লবণাক্ত পানির হ্রদ লেক আসাল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) নাইজেরিয়া
  3. গ) বলিভিয়া
  4. ঘ) জিবুতি
সঠিক উত্তর:
ঘ) জিবুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জিবুতি
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের সর্বাধিক লবণাক্ত পানির হ্রদ হলো জিবুতিতে অবস্থিত লেক আসাল।

অন্যদিকে,
- বৈকাল হ্রদ : পৃথিবীর গভীরতম (১,৬২০ মিটার) এবং প্রাচীনতম হ্রদ।
- কাস্পিয়ান সাগর: পৃথিবীর বৃহত্তম হ্রদ
- টিটিকাকা হ্রদ (বলিভিয়া): পৃথিবীর উচ্চতম হ্রদ
- সুপিরিয়র হ্রদ (যুক্তরাষ্ট্র): বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা
১,২০৯.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী-
  1. ব্রহ্মপুত্র
  2. মেঘনা
  3. যমুনা
  4. পদ্মা
সঠিক উত্তর:
পদ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্মা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের নদ-নদী : 
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী - পদ্মা।

- বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদীর দৈর্ঘ্য - ৩৪১ কি.মি.।
- নদীটির উৎস মুখ - ভারত। 
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী - ইছামতী।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম নদী - গাঙ্গিনা।
- বাংলাদেশ - ভারত এবং বাংলাদেশ -মিয়ানমারের মধ্যে প্রবাহিত আন্তঃসীমান্ত নদীর - ৫৭টি ।

উৎস : যৌথ নদী কমিশন ও জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন 

১,২১০.
সুনামি সংঘটিত হওয়ার অন্যতম কারণ-
  1. সমুদ্রতলীয় ভূকম্প হওয়া 
  2. বন্যা বা নদীর পানি বৃদ্ধি হওয়া 
  3. ঘূর্ণিঝড় বা হারিকেন হওয়া 
  4. চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ হওয়া 
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রতলীয় ভূকম্প হওয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রতলীয় ভূকম্প হওয়া 
ব্যাখ্যা

সুনামি:
- সুনামি (Tsunami)  ‘সুনামি’  জাপানি শব্দ।
- বাংলায় এর অর্থ ‘পোতাশ্রয় ঢেউ’।
- সাগর বা নদী বা অন্য কোন জলক্ষেত্রে ভূমিকম্পের, ভূমিধ্বসের কিংবা আগ্নেয়গিরির উদগীরণের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসকেই বলা হয় সুনামি।

• বিভিন্ন কারণে সুনামির সৃষ্টি হতে পারে: 
- কারণগুলোর মধ্যে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্নূৎপাত, ভূমিধ্বস অন্যতম।
- তারমধ্য দুটি কারণ উলে­খযোগ্য হলো সমুদ্রতলের ২০-৩০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্প সংঘটনএবং টেকটোনিক পে­টের আকষ্মিক উত্থান-পতন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,২১১.
'ফুরমোন পাহাড়' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবন
  3. সিলেট
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা

রাঙামাটি বাংলাদেসশের সবচেয়ে দর্শনীয় জেলাগুলোর অন্যতম। 
রাঙামাটি জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান:
- ঝুলন্ত ব্রিজ
- যমচুক
- রাজবন বিহার
- ফুরমোন পাহাড়
- কাপ্তাই লেক
- শুভলং ঝর্না

উৎস: রাঙামাটি জেলা ওয়েবসাইট।

১,২১২.
আকাবা কোন দেশের সমুদ্র বন্দর?
  1. ইরাক
  2. মিয়ানমার
  3. জর্ডান
  4. ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
জর্ডান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্ডান
ব্যাখ্যা
- 'আকাবা' সমুদ্রবন্দর অবস্থিত জর্ডানে। 

আরো কিছু গুরত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর: 
- 'এডেন' সমুদ্রবন্দর ইয়েমেনে অবস্থিত।
- 'মন্ট্রিল', 'কুইবেক', 'ভ্যাঙ্কুভার' সমুদ্রবন্দর অবস্থিত কানাডায়।
- 'গ্লাসগো' সমুদ্র বন্দর অবস্থিত স্কটল্যান্ডে।

উৎস: সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি ওয়েবসাইট।
১,২১৩.
ভূমিকম্পের প্রবণতার ভিত্তিতে সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে?
  1. ক) ৪ ভাগে
  2. খ) ৫ ভাগে
  3. গ) ২ ভাগে
  4. ঘ) ৩ ভাগে
সঠিক উত্তর:
ক) ৪ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪ ভাগে
ব্যাখ্যা
⇨ ২০১৬ সালে প্রকাশিত 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) রিপোর্টে প্রথম সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
⇨ সর্বশেষ ২০২০ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন  অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে। অঞ্চলগুলো হলো -
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল।)
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.36
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.28
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.2
৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.12

উল্লেখ্য, 
⇨ BANGLADESH NATIONAL BUILDING CODE (BNBC) সর্বপ্রথম ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রিপোর্টে সমগ্র বাংলাদেশকে তিনটি ভূমিকম্প সংঘটন অঞ্চলে (Seismic Zone) বিভক্ত করে।
অঞ্চলগুলো হলো -
১. মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ - উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা -৭)
২. মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ - মধ্যাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা ৬)
৩. কম ঝুঁকিপূর্ণ - দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল (রিখটার স্কেলে তীব্রতা-৫)।
পরে, ২০০৬ সালে প্রকাশিত রির্পোটেও তিনটি ভূমিকম্পনীয় সংঘটিত অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ বইয়ের সর্বশেষ সংস্করণে ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত রির্পোর্ট অনুসারে, ভূমিকম্পের প্রবণতার ভিত্তিতে সমগ্র বাংলাদেশকে ৩টি অঞ্চলে ভাগ করে দেখানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র:-  BNBC প্রকাশিত Seismic Design সমীক্ষার রিপোর্ট।
১,২১৪.
নিরক্ষরেখায় সারা বছর কোন ঋতু থাকে?
  1. গ্রীষ্ম
  2. বর্ষা
  3. শরৎ
  4. শীত
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্ম
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় জলবায়ু:
- নিরক্ষরেখায় অবস্থানকারী দেশসমূহ এবং এই নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থানরত দেশসমূহে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিরাজমান করে।
- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫° অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
- সূর্যের উত্তরায়ন ও দক্ষিণায়নের ফলে এ অঞ্চলে দুইবার মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা দেখা যায়।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন: মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

⇒  নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী দেশগুলোতে সূর্য প্রায় সারাবছরই লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এখানে গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়।
- এই অঞ্চলে উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর জন্য দিন-রাতের মধ্যে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে।
- শীতের প্রকোপ একদম নেই বললেই চলে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২১৫.
'লাইন অব কন্ট্রোল' কোন দুটি রাষ্ট্রের সীমান্তবর্তী রেখা চিহ্নিত করে?
  1. ইসরাইল ও জর্ডান
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. চীন ও তাইওয়ান
  4. দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
লাইন অব কন্ট্রোল (LOC):
- ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী রেখা।

⇒ সিমলা চুক্তি (Simla Agreement):
- ১৯৭১ সালে ভারত পাকিস্তান সমঝোতার মাধ্যমে যে নিয়ন্ত্রণ সীমা তৈরি হয় তার নাম এল.ও.সি বা লাইন অব কন্ট্রোল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির অধীনেই ভারত সব যুদ্ধবন্দিকে বিনা বিচারে পাকিস্তানে ফেরত পাঠায়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ জুলাই, ১৯৭২।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারত ও পাকিস্তান।
- ভারতের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

উৎস: i) Ministry of External Affairs.
ii) UN Peacemaker.
১,২১৬.
ব্রাজিল স্রোত কোনদিকে প্রবাহিত হয়?
  1. ঘড়ির কাঁটার দিকে
  2. ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে
  3. ঘূর্ণন আকারে 
  4. চক্রাকারে
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর আবর্তন (Rotation of the Earth):
- আহ্নিক গতির কারণে পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ঘুরছে। পৃথিবীর এইরূপ আর্বতনের সাথে সাথে সাগর মহাসাগরের পানিরাশিও পশ্চিম হতে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র স্রোতের সৃষ্টি হয়।

- আবর্তন গতির ফলে সৃষ্ট সমুদ্র স্রোত ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয। যেমন: উত্তর গোলার্ধে উপসাগরীয় স্রোত ও ক্যানারি স্রোতের প্রবাহ ঘড়ির কাঁটার দিকে অর্থাৎ ডান দিক ঘুরে প্রবাহিত হয়।
- একইভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে ব্রাজিল স্রোত ও পশ্চিমা বায়ুপ্রবাহজনিত স্রোত ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরে প্রবাহিত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২১৭.
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সংস্থা কোনটি?
  1. UNOCC
  2. SANDEE
  3. IPCC
  4. IUCN
সঠিক উত্তর:
IPCC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IPCC
ব্যাখ্যা
• IPCC:
→ জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সংস্থা - IPCC.
→ এর পূর্ণরুপ - The Intergovernmental Panel on Climate Change (IPCC).
→ WMO এবং UNEP এর সমন্বয়ে IPCC গঠিত হয়।
→ প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ১৯৮৮ সালে।
→ সদর দপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
→ সদস্য সংখ্যা - ১৯৫ টি।
→ নোবেল পুরস্কার লাভ করে - ২০০৭ সালে।

তথ্যসূত্র: IPCC ওয়েবসাইট।
১,২১৮.
কোন দুটি প্লেটের সংযোগস্থল বরাবর মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত?
  1. ইন্ডিয়ান ও আফ্রিকান
  2. ইন্ডিয়ান ও বার্মিজ
  3. ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
  4. বার্মিজ ও ইউরেশিয়ান
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট পর্বত:
- মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
- তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ভারতীয় এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল। 
- মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
- এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।

উৎস: i) Britannica।
ii) National Geographic।
১,২১৯.
নিম্নের কোনটি UDMC-এর কাজ? 
  1. দুর্যোগের ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ
  2. দুর্যোগের জন্য পূর্বপ্রস্তুতি
  3. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার
  4. বর্ণিত সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো 
ব্যাখ্যা

UDMC:
- UDMC-এর পূর্ণরূপ: Union Disaster Management Committee.
- ইউনিয়ন পর্যায়ে দুর্যোগ মোকাবেলায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে সভাপতি করে এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েকজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয় UDMC।
- এই কমিটি দুর্যোগের ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ, পূর্বপ্রস্তুতি, সাড়াদান, পুনরুদ্ধার প্রভৃতি কর্মকাণ্ড করে থাকে।
- স্বাভাবিক সময়ে প্রতি মাসের অন্তত একবার UDMC এর সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- DMC গঠিত হয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বার এনজিও কর্মকর্তা দুর্যোগের বিপর্যস্ত গ্রুপের প্রতিনিধি সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, এবং ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের সমন্বয়ে।
- স্বাভাবিক সময়ে এ কমিটি একটি করে মিটিং করে এবং দুর্যোগ কালীন সময়ে একাধিক মিটিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট কয়েকটি বিষয়ের পূর্ণরূপ:
- NDMC: National Disaster Management Council.
- NDMAC: National Disaster Management Advisory Committee.
- DDMC: District Disaster Management Committee.
- UZDMC: Upazila Disaster Management Committee.

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

১,২২০.
নিচের কোন ব্যবস্থা বন্যা নিয়ন্ত্রণের সাধারণ ব্যবস্থাপনার আওতাভুক্ত নয়?
  1. নদী শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা
  2. নদীর দুই তীরে বনাঞ্চল সৃষ্টি করা
  3. বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করা
  4. নদী খননের মাধ্যমে পানি পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
নদী খননের মাধ্যমে পানি পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদী খননের মাধ্যমে পানি পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা

⇒ বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (Flood Control System):
ক) সাধারণ ব্যবস্থাপনা:
• নদীর দুই তীরে প্রচুর বৃক্ষ রোপন করা।
• নদী-শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা।
• বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন।
• পুকুর, নালা, বিল প্রভৃতি খনন ও পুনঃখনন করে পানি সংরক্ষণ করা।
• বন্যা মোকাবেলার জন্য সরকারি ভাবে স্থায়ী ও দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা।

খ) ব্যয়বহুল প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা:
• ড্রেজিং-এর মাধ্যমে নদীর পানি পরিবহন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
• জলাধার নির্মাণের মাধ্যমে পানি প্রবাহকে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা।
• আর্ন্তজাতিক নদীসমূহে পানি প্রবাহকে বাঁধের সাহায্যে নিয়ন্ত্রন ও নিষ্কাশন করা।
• সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার পানির অনুপ্রবেশ বন্ধ করা।
• নদী তীরে স্থায়ী ও সুদৃঢ় বাঁধ নির্মাণ করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ সংরক্ষণ করা।

গ) সহজ প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা:
• নদীর দুই তীরে বেড়িবাঁধ দিয়ে নদীর পানি উপচে পড়া বন্ধ করা।
• দেশের সর্বত্র বনায়ন সৃষ্টি করা।
• রাস্তাঘাট নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা।
• বন্যা প্রবল অঞ্চলে সর্বোচ্চ বন্যা লেভেলের উপরে 'আশ্রয়কেন্দ্র' প্রতিষ্ঠা করা।
• শহর বেষ্টনীমূলক বাঁধ দেওয়া।

তথ্যসূত্র - ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২২১.
বাংলাদেশের জ্বালানি তেল শোধনাগারটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চন্দ্রঘোনা
  2. খ) নারায়ণগঞ্জ
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) পার্বতীপুর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড।
- এটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- এটি ১৯৬৮ সালের ৭ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে। এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এটির শতভাগ শেয়ারের মালিক।

(তথ্যসূত্রঃ বিপিসি ও ইআরএল ওয়েবসাইট)
১,২২২.
বাংলাদেশের শীতলতম মাসের গড় তাপমাত্রা কত?
  1. ক) ২১.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস
  2. খ) ১৭.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস
  3. গ) ১৮.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস
  4. ঘ) ২০ ডিগ্রী সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার এবং গড় তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৃষ্টিপাত এবং তাপমাত্রায় কিছুটা পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।
• বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ হিসেবে পরিচিত। তবে তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত এবং বায়ুপ্রবাহের উপর ভিত্তি করে তিনটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ঋতু দেখা যায়। এগুলো হলো - গ্রীষ্মকাল, বষার্কাল এবং শীতকাল।  
• এপ্রিল মাসে গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং এটি বছরের উষ্ণতম মাস।
• জানুয়ারি শীতলতম মাস। এ মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২২৩.
জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (২০২১-২৫)-এর মূল লক্ষ্য কয়টি পর্যায়ে উন্নতি বিধানের উপর কেন্দ্রীভূত?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (২০২১-২৫):
- 'জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (এনপিডিএম) ২০২১-২০২৫° হচ্ছে ২০১৬-২০২০ এর ধারাবাহিক ও পরিমার্জিত সংস্করণ যেটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বাস্তবায়ন করেছে।
- সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, এনজিও, দাতাসংস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত/সেক্টর ও উন্নয়ন সহযাগীদের সাথে ব্যাপক আলোচনা-পর্যালোচনার মাধ্যমে এনপিডিএম ২০২১-২০২৫ প্রস্তুত করা হয়েছে।

⇒ এনপিডিএম ২০২১-২০২৫ দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক সেন্দাই কর্মকাঠামো (এসএফডিআরআর) ও বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলি (এসওডি)-এর মৌলিক নীতিমালার আলোকে দুর্যোগঝুঁকি ব্যবস্থাপনার পরস্পরযুক্ত নিম্নলিখিত পাঁচটি পর্যায়ে উন্নতি বিধানের লক্ষ্য নিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে।
১) দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রম, অর্থাৎ, পদ্ধতিগত উপায়ে দুর্যোগঝুঁকি নিরূপণ, বিশ্লেষণ এবং পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমাজের সামগ্রিক বিপদাপন্নতা ও দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস নিশ্চিত করা;
২) দুর্যোগ প্রস্তুতি অর্থাৎ, যে কোন প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য জাতীয়, আঞ্চলিক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী পর্যায়ে প্রয়োজনীয় বা যথাযথ প্রস্তুতি নিশ্চিত করা:
৩) আগাম সতর্কতা ও হুঁশিয়ারি অর্থাৎ, কোন আসন্ন আপদ থেকে জীবন, সম্পদ ও মূল্যবান দ্রব্যাদি রক্ষার জন্য কার্যকর সতর্কীকরণ নিশ্চিত করা:
৪) জরুরি সাড়াদান অর্থাৎ, প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট আপদে আক্রান্ত জনগোষ্ঠীর জন্য জরুরি মানবিক সেবা সরবরাহের উদ্যোগ গ্রহণ নিশ্চিত করা;
৫) পুনর্বাসন, পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধার অর্থাৎ, দুর্যোগ পরবর্তী প্রতিকুল পরিস্থিতিতে আগের চেয়ে ভালো অবস্থায় প্রত্যাবর্তনের কার্যকর কৌশল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
১,২২৪.
কোনটি জলবায়ুর নিয়ামক?
  1. বারিপাত
  2. বায়ুর আর্দ্রতা
  3. ভূমির ঢাল
  4. বায়ুর উষ্ণতা
সঠিক উত্তর:
ভূমির ঢাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমির ঢাল
ব্যাখ্যা

• কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের দৈনন্দিন সামগ্রিক অবস্থাকে সেই দিনের আবহাওয়া বলে।
• কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থাকে জলবায়ু বলে।
• কাজেই জলবায়ু কোন একটি অঞ্চলের অনেক দিনের বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরের সামগ্রিক অবস্থা।
• আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলোঃ
- বায়ুর উষ্ণতা,
- বায়ুর চাপ,
- বায়ুর আর্দ্রতা ও
- বারিপাত।

• জলবায়ুর নিয়ামকগুলো হলোঃ
- অক্ষাংশ,
- উচ্চতা,
- সমুদ্র থেকে দূরত্ব,
- বায়ুপ্রবাহ,
- সমুদ্রস্রোত,
- পর্বতের অবস্থান,
- ভূমির ঢাল,
- মৃত্তিকার গঠন,
- বনভূমির অবস্থান ইত্যাদি।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২২৫.
নিম্নের কোন ধরনের বৃষ্টিপাত সাধারনত দীর্ঘস্থায়ী হয়?
  1. বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি
  2. পরিচলন বৃষ্টি
  3. ঘূর্ণি বৃষ্টি 
  4. শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণি বৃষ্টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণি বৃষ্টি 
ব্যাখ্যা

-  ঘূর্ণি বৃষ্টি সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে।

• ঘূর্ণি বৃষ্টি (Cyclonic Rain):

- কোনো অঞ্চলে বায়ুমণ্ডলে নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হলে জলভাগের উপর থেকে জলীয়বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ এবং স্থলভাগের উপর থেকে শুষ্ক শীতল বায়ু ঐ একই নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে অনুভূমিকভাবে ছুটে আসে।
- শীতল বায়ু ভারী বলে উষ্ণ বায়ু শীতল বায়ুর উপর ধীরে ধীরে উঠতে থাকে।
- জলভাগের উপর থেকে আসা উষ্ণ বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে।
- ঐ বায়ু শীতল বায়ুর উপরে উঠলে তার ভিতরে জলীয়বাষ্প ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়।এরূপ বৃষ্টিপাতকে ঘূর্ণি বৃষ্টি বলে।
- এই বৃষ্টিপাত ইউরোপের বিভিন্ন দেশে শীতকালে এরূপ বৃষ্টিপাত হতে দেখা যায়। সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে।

অন্যদিকে,
শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি (Orographic Rain):
- জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু স্থলভাগের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় যদি গমনপথে কোনো উঁচু পর্বতশ্রেণিতে বাধা পায়, তাহলে ঐ বায়ু উপরের দিকে উঠে যায়। তখন জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু ক্রমশ প্রসারিত হয় এবং পর্বতের উঁচু অংশে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে পর্বতের প্রতিবাত ঢালে (Windward slope) বৃষ্টিপাত ঘটায়। এরূপ বৃষ্টিপাতকে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি বলে।

• পরিচলন বৃষ্টি (Convectional Rain):
- দিনের বেলায় সূর্যের কিরণে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজাসুজি নিচে নেমে আসে।এরূপ বৃষ্টিপাতকে পরিচলন বৃষ্টি বলে। 

• বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি (Frontal Rain): 
- শীতল ও উষ্ণ বায়ু মুখোমুখি উপস্থিত হলে উষ্ণ বায়ু এবং শীতল বায়ু একে অপরের সঙ্গে মিশে না গিয়ে তাদের মধ্যবর্তী এলাকায় অদৃশ্য বায়ুপ্রাচীরের (Front) সৃষ্টি করে।
- সংলগ্ন এলাকায় শীতল বায়ুর সংস্পর্শে উষ্ণ বায়ুর তাপমাত্রা হ্রাস পায় ফলে শিশিরাঙ্কের সৃষ্টি হয়। ফলে উভয় বায়ুর সংযোগস্থলে বৃষ্টিপাত ঘটে, একে বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২২৬.
কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশ অতিক্রম করে -
  1. পূর্ব-পশ্চিম বরাবর
  2. উত্তর- দক্ষিণ বরাবর
  3. দক্ষিণ-পূর্ব বরাবর
  4. উত্তর- পশ্চিম বরাবর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব-পশ্চিম বরাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব-পশ্চিম বরাবর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ু
- বাংলাদেশের জলবায়ু সমভাবাপন্ন।
- বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে পূর্ব-পশ্চিম বরাবর কর্কটক্রান্তি রেখা চলে গেছে।
-এই জন্য বাংলাদেশের জলবায়ুকে ক্রান্তিয় মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়।
- এই জলবায়ুর বৈশিষ্ট হচ্ছে ঋতুবৈচিত্র ।
- বাংলাদেশে এপ্রিল উষ্ণতম মাস এবং জানুয়ারি শীতলতম মাস ।
- এখানে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেমি ।
- বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৬º সেলসিয়াস ।

- মৌসুমি বায়ূপ্রবাহ , বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রার ভিত্তিতে বাংলাদেশকে তিনটি ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে । যথা-
১. গ্রীষ্মকাল,
২. বর্ষাকাল, 
৩. শীতকাল।

তথ্যসূত্র – বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ( নবম দশম শ্রেণি)।
১,২২৭.
'আলপাইন লাইন' কোন দুটি দেশের সীমানা?
  1. সাইপ্রাস-রাশিয়া
  2. ইতালি -ফ্রান্স
  3. ফ্রান্স-জার্মান
  4. যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো
সঠিক উত্তর:
ইতালি -ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি -ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
• সীমারেখা:
- আলপাইন লাইন'- ইতালি - ফ্রান্স।

এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু সীমারেখা:
- লাইন অব কন্ট্রোল’ -ভারত-পাকিস্তান।
- ম্যাকমোহন লাইন - ভারত-চীন।
- সনোরা লাইন - যুক্তরাষ্ট্র - মেক্সিকো।
- কার্জন লাইন- পোল্যান্ড-রাশিয়া।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,২২৮.
জনসংখ্যায় পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় দেশ কোনটি?
  1. ক) ভারত
  2. খ) চীন
  3. গ) ইন্দোনেশিয়া
  4. ঘ) রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চীন
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যায় পৃথিবীতে বৃহত্তম দেশ চীন। দেশটির মোট জনসংখ্যা ১৪৩ কোটির অধিক। জনসংখ্যায় দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ ভারত। তৃতীয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷ অন্যদিকে আয়তনে বৃহত্তম দেশ রাশিয়া।
(সূত্রঃ UNFPA এবং World Atlas)
১,২২৯.
SPARSO এর পূর্ণ রূপ কোনটি?
  1. Space Program and Research Scientific Organization
  2. Strategic Program for Aerospace Research and Space Operation
  3. Space Research and Regulatory Sensing Organisation
  4. Space Research and Remote Sensing Organisation
সঠিক উত্তর:
Space Research and Remote Sensing Organisation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Space Research and Remote Sensing Organisation
ব্যাখ্যা

• SPARRSO:
- বাংলাদেশের একমাত্র ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের পূর্বাভাস কেন্দ্র হলো SPARRSO (Space Research and Remote Sensing Organisations)।
- এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।

উৎস: SPARSO ওয়েবসাইট।

১,২৩০.
বর্তমানে দেশের মোট আয়তনের মোট কত শতাংশ এলাকা বৃক্ষাচ্ছাদিত?
  1. ক) ১০.৭%
  2. খ) ১৩.২৮%
  3. গ) ১৪%
  4. ঘ) ১৭%
সঠিক উত্তর:
খ) ১৩.২৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৩.২৮%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আয়তনের ১৭% এলাকা জুড়ে বনভূমি অবস্থিত।
বন বিভাগ নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৫ লক্ষ ৭৬ হাজার হেক্টর যা দেশের আয়তনের প্রায় ১০.৭%।
বর্তমানে দেশের মোট আয়তনের মোট ১৩.২৮% এলাকা বৃক্ষাচ্ছাদিত।
উৎসঃ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়
১,২৩১.
বাংলাদেশের কোন বিভাগের সবগুলো জেলা সীমান্তবর্তী?
  1. রংপুর
  2. রাজশাহী
  3. বরিশাল
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশের সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের সবগুলো জেলার সাথে ভারতের সীমান্ত রয়েছে।
- এই দুটি বিভাগের প্রতিটি জেলা সীমান্তবর্তী। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি। ভারতের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে ৩০টি জেলার আর মিয়ানমারের সাথে রয়েছে ৩টি জেলার। এদের মধ্যে ১টি জেলার (রাঙ্গামাটি) আবার দুই দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।
- বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগের সাথে ভারতের কোন সীমান্ত সংযোগ নেই।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি।

• চট্টগ্রাম বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলা: চট্ট্রগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, ফেনী, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি।
• খুলনা বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলা: সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়া।
• রাজশাহী বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলা: রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও জয়পুরহাট।
• রংপুর বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলা: পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম।
• ময়মনসিংহ বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলা: জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা।
• সিলেট বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলা: সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,২৩২.
বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম মহাসাগর- 
  1. ভারত মহাসাগর
  2. উত্তর মহাসাগর
  3. দক্ষিণ মহাসাগর
  4. প্রশান্ত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
উত্তর মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর মহাসাগর
ব্যাখ্যা

• উত্তর মহাসাগর (Arctic Ocean):
- উত্তর মহাসাগরকে অনেক ক্ষেত্রে আটলান্টিক মহাসাগরের একটি সাগর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- উত্তর মহাসাগর উত্তর মেবুর বেশির ভাগ অংশকে আচ্ছাদিত করে রেখেছে।
- উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ এবং এশিয়া এ তিনটি মহাদেশের উত্তর দিকে অবস্থিত উত্তর মহাসাগর যা উত্তর মেরু অঞ্চল নামে পরিচিত।
- উত্তর মহাসাগর বা আর্কটিক মহাসাগর প্রায় সারা বছর ধরে বরফ দ্বারা আচ্ছাদিত থাকে।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম মহাসাগর।
- উত্তর মহাসাগরের আয়তন প্রায় ১ কোটি ৪১ লক্ষ বর্গ কি. মি.।
- এবং গড় গভীরতা প্রায় ৯৩০ মিটার।
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ প্রশিক্ষণ, বি এড, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৩৩.
ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগের নরম আবরণকে কী বলে?
  1. ক) পানি
  2. খ) জৈব পদার্থ
  3. গ) মৃত্তিকা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) মৃত্তিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মৃত্তিকা
ব্যাখ্যা
• মৃত্তিকা:
- রোদ, বৃষ্টি, বায়ুপ্রবাহ, পানি স্রোত, হিমবাহ, অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে শিলারাশি চূর্ন-বিচূর্ণ হয়ে পৃথিবী পৃষ্ঠের উপরিভাগে যে নরম আবরণ সৃষ্টি হয়েছে তাকে মৃত্তিকা বলে
মৃত্তিকার উপরই আমরা বসবাস করি এবং গাছপালাসহ নানা ধরনের ফসল উৎপাদন করে জীবনধারণ করি।

• মৃত্তিকা দূষণ:
- শিল্প বর্জ্য, কৃষি বর্জ্য, তেজস্ক্রিয় বর্জ্য, জমাকৃত আবর্জনা এবং বিভিন্ন জৈব উপাদান মৃত্তিকার যে ক্ষতিসাধন করে তাই হলো মৃত্তিকা দূষণ। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৩৪.
যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত নিম্নের কোন পর্বতশ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. আগ্নেয় পর্বত
  3. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
  4. ল্যাকোলিথ পর্বত
সঠিক উত্তর:
ল্যাকোলিথ পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যাকোলিথ পর্বত
ব্যাখ্যা
পর্বত (Mountains):
- সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১,০০০ মিটার-এর অধিক উঁচু, সুবিস্তৃত, খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।
- অপর দিকে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬০০ থেকে ১,০০০ মিটার উঁচু, স্বল্প বিস্তৃত শিলাস্তূপকে পাহাড় বলে।
- পর্বতের ভূ-প্রকৃতি বন্ধুর, ঢাল খুব খাড়া এবং সাধারণত চূড়া বিশিষ্ট হয়।
- কোনো কোনো পর্বত বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করে, যেমন- পূর্ব আফ্রিকার কিলিমানজারো।
- আবার কিছু পর্বত অনেকগুলো পৃথক শৃঙ্গসহ ব্যাপক এলাকা জুড়ে অবস্থান করে, যেমন- হিমালয় পর্বতমালা।

• পর্বতের প্রকারভেদ:
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্য ও গঠন প্রকৃতির ভিত্তিতে পর্বত প্রধানত চার প্রকার। যথা:
(ক) ভঙ্গিল পর্বত (Fold Mountains),
(খ) আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountains),
( গ) চ্যুতি-স্তূপ পর্বত (Fault-block Mountains) এবং
(ঘ) ল্যাকোলিথ পর্বত (Dome/Laccolith Mountains)।

⇒ ল্যাকোলিথ পর্বত:
- ভূ-অভ্যন্তর থেকে গলিত শিলা বা ম্যাগমা বিভিন্ন উপায়ে ভূ-পৃষ্ঠে বের হয়ে আসার চেষ্টা করে।
- কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে ম্যাগমাসমূহ বাঁধা পেয়ে ভূ-পৃষ্ঠের বাইরে না এসে ভূ-ত্বকের নিচে জমাট বেঁধে উর্ধ্বমুখী চাপের কারণে স্ফীত হয়ে ভূ-ত্বকের অংশবিশেষ গম্বুজ আকার ধারণ করে।
- এভাবে সৃষ্ট শৃঙ্গবিহীন সামান্য খাড়া ঢাল বিশিষ্ট ও স্বল্প অঞ্চল ব্যাপী বিস্তৃত এই পর্বতকে ল্যাকোলিথ পর্বত বলে।
- আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত এর উদাহরণ।

অন্যদিকে,
- এশিয়ার হিমালয়, ইউরোপের আল্পস, উত্তর আমেরিকার রকি, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।
- পূর্ব আফ্রিকার কিলিমানজারো আগ্নেয় পর্বত।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৩৫.
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের কতটি রাজ্য রয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতাপ্রাপ্ত বাংলাদেশের স্থলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি।
- এগুলো হলো: মেঘালয়, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, দশম শ্রেণি- বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৩৬.
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ১০২ কিলোমিটার
  2. খ) ১১২ কিলোমিটার
  3. গ) ১২০ কিলোমিটার
  4. ঘ) ২০১ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ১২০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বিশ্বের বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত।
- এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্হিত একটি পর্যটন শহর।
- এটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত।
- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ১২০ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার।

উৎস: parjatan.gov.bd
১,২৩৭.
“র‍্যাডক্লিফ লাইন” কোন দুটি দেশের চিহ্নিত সীমারেখা?
  1. ক) জার্মানি-ফ্রান্স
  2. খ) ভারত-পাকিস্তান
  3. গ) ভারত-চীন
  4. ঘ) উত্তর কোরিয়া-দক্ষিণ কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) ভারত-পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভারত-পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
১৯৪৭ সালের ৩রা জুন মাউন্টব্যাটেন তার ভারত বিভাগ পরিকল্পনা প্রকাশের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণের জন্যে ব্রিটিশ সরকার স্যার সিরিল জন র‍্যাডক্লিফকে চেয়ারম্যান করে র‍্যাডক্লিফ কমিশন গঠন করে। এই কমিশনের অধীন বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন ও পাঞ্জাব বাউন্ডারি কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে র‍্যাডক্লিফ রোয়েদাদ প্রকাশ করা হয় যার ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয়। ভারত পাকিস্তানের সীমানাকে র‍্যাডক্লিফ লাইন বলা হয়।
Source: Britannica এবং বাংলাপিডিয়া
১,২৩৮.
কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড়ের ভূপ্রকৃতি কোন ধরনের?
  1. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
  2. প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
  3. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  4. ব-দ্বীপ (Delta)
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি

⇒ প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ: আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। 

⇒ লালমাই পাহাড়: কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
 • এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার।

সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১,২৩৯.
দুর্যোগ ‘পূর্ব প্রস্তুতি’ কার্যক্রমের আওতাভুক্ত-
  1. ক) নদী খনন
  2. খ) আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ
  3. গ) ঝুঁকিপুর্ণ অঞ্চল চিহ্নিতকরণ
  4. ঘ) পাকা ও মজবুত ঘরবাড়ি তৈরি
সঠিক উত্তর:
গ) ঝুঁকিপুর্ণ অঞ্চল চিহ্নিতকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঝুঁকিপুর্ণ অঞ্চল চিহ্নিতকরণ
ব্যাখ্যা
পূর্ব প্রস্তুতি বলতে দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি ও ঝুঁকি কমানোর উদ্দেশ্যে দুর্যোগের পূর্বেই ব্যবস্থা গ্রহণকে বোঝায়। ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল ও জনগোষ্ঠিকে চিহ্নিতকরণ, দুর্যোগ মোকাবিলা সংক্রান্ত পরিকল্পনা প্রনয়ণ, জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সম্পদের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ, ড্রিল বা পথ নাটক অভিনয় এবং রাস্তাঘাট, যানবাহন, বেতার যন্ত্র,টর্চ-ব্যাটারি ও প্রয়োজনীয় ঔষধপত্র ইত্যাদি দুর্যোগের পূর্বে প্রস্তুত রাখা দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতির অন্তর্ভুক্ত। কাঠামোগত প্রতিরোধের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নির্মাণ কার্যক্রম যেমন- বেড়িবাঁধ তৈরি, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, পাকা ও মজবুত ঘরবাড়ি তৈরি, নদী খনন ইত্যাদি বাস্তবায়নকে বুঝায়। সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১,২৪০.
নিচের কোনটি বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব?
  1. সমুদ্রে পৃষ্ঠের উচ্চতা পরিবর্তন
  2. জীববৈচিত্র্য ধ্বংস
  3. মেরু অঞ্চলের বরফ গলন
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তন।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টি।
- মেরু অঞ্চলের বরফ গলন
- সমুদ্রে পৃষ্ঠের উচ্চতা পরিবর্তন
- জীববৈচিত্র্য ধ্বংস
- রোগব্যাধি।

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিরোধের উপায়:
১. পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও কার্বন উৎপাদনের হারকে কমিয়ে আনা;
২. যানবাহন ও কল-কারখানার দূষিত গ্যাস নির্গমন নিয়ন্ত্রণ;
৩. যথাযথ মাত্রায় জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার;
৪. বিকল্প জ্বালানি যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, পারমানবিক শক্তি এর পরিবর্তে সৌরশক্তি, বায়ু শক্তি, জৈব গ্যাস ব্যবহার করা;
৫. প্রাকৃতিক বন সংরক্ষণ এবং নতুন বন সৃজন;
৬. পরিবেশ বান্ধব শিল্পায়ন;
৭. জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় ও বৈশ্বিক পদক্ষেপ প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৪১.
ভিসুভিয়াস আগ্নেয় পর্বত কোথায় অবস্থিত?
  1. ইতালিতে
  2. যুক্তরাষ্ট্রে
  3. জার্মানিতে
  4. মেক্সিকো
সঠিক উত্তর:
ইতালিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালিতে
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় পর্বত:
- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে নির্গত লাভা, দীর্ঘকাল ধরে একই জায়গায় সঞ্চিত হয়ে আগ্নেয় পর্বতের সৃষ্টি করে। যেমন- ইতালির ভিসুভিয়াস।

এছাড়াও -
আগ্নেয় হ্রদ: 
→ মৃত আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখে বৃষ্টির পানি জমে হ্রদের সৃষ্টি করে। যেমন- আলাস্কার মাউন্ট আতাকামা, নিকারাগুয়ার কোসেগায়েনা, অ্যারিজোনা ও নেভাদার আগ্নেয় হ্রদ উল্লেখযোগ্য।

আগ্নেয় দ্বীপ:
 → সমুদ্র তলদেশে অগ্ন্যুৎপাতের সময় নির্গত লাভা সঞ্চিত হয়ে দ্বীপের সৃষ্টি করে। যেমন- প্রশান্ত মহাসাগরের
হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ পৃথিবীর বৃহত্তম আগ্নেয় দ্বীপ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৪২.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা কত ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখার লক্ষ্যস্থির করা হয়?
  1. ক) ২ ডিগ্রি
  2. খ) ৪ ডিগ্রি
  3. গ) ৩ ডিগ্রি
  4. ঘ) ৫ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
ক) ২ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
• ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হওয়া ‘প্যারিস জলবায়ু চুক্তি’তে প্রাক-শিল্পযুগের তুলনায় ২১০০ সাল নাগাদ বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখার লক্ষ্যস্থির করা হয়।
• সম্ভব হলে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা।
• এজন্যে উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্যে দায়ী কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আনার লক্ষ্য স্থির করা হয়।

তথ্যসূত্র:- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি।
১,২৪৩.
নিচের কোন জেলায় 'ভাওয়াল ও মধুপুরের গড়'- এর বনভূমি নেই?
  1. গাজীপুর
  2. টাঙ্গাইল
  3. হবিগঞ্জ
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
শালবন:
- শালবন  এক ধরনের বনভূমি যেখানে শালগাছ মুখ্য উদ্ভিদ প্রজাতি।
- বনের শ্রেণীবিন্যাসে শালবনকে গ্রীষ্মমন্ডলীয় আর্দ্র পত্রঝরা বনাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ভারতেই এই শ্রেণীর বনভূমি প্রায় ১৩০ লক্ষ হেক্টর জায়গা দখল করে আছে।
- বাংলাদেশ এবং নেপালে রয়েছে মোট ১০ লক্ষ হেক্টরের বেশি স্থান জুড়ে এ ধরনের বনভূমি।
- বাংলাদেশে মোট শালবন এলাকা প্রায় ১,২১,০০০ হেক্টর অর্থাৎ দেশের বনভূমির শতকরা প্রায় ৩২ ভাগ।
- শালবন দেশের মাত্র কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো।
- বেশির ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- এ বনাঞ্চল ভাওয়ালের গড় ও মধুপুরের গড় নামে পরিচিত।
- ‘মধুপুর গড়’ নামেই এটি সুপরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২৪৪.
ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী প্রণালী কোনটি?
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী
  2. বাব এল-মান্দেব প্রণালী
  3. ডোভার প্রণালী
  4. মালাক্কা প্রণালী
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা

জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
- জিব্রাল্টার প্রণালী পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।
- যার গড় গভীরতা ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,২৪৫.
অপারেশন সি অ্যাঞ্জেল-২ পরিচালিত হয় কবে?
  1. ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়ে
  2. ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে
  3. ১৯৯৮ সালের বন্যায়
  4. ২০০৭ সালের সিডরে
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালের সিডরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালের সিডরে
ব্যাখ্যা
২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় সিডরের সময় উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতার অংশ হিসেবে মার্কিন মেরিন কর্পস অপারেশন সি অ্যাঞ্জেল-২ পরিচালনা করে।
এতে মার্কিন রণতরী ইউএসএস তারাওয়া ও ইউএসএস কারসার্জ অংশ নেয়। এই অপারেশনে ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়।
এর আগে ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের সময় মার্কিন মেরিন কর্পস অপারেশন সি অ্যাঞ্জেল-১ পরিচালনা করে।
(সূত্র: গ্লোবাল সিকিউরিটি সংস্থা ওয়েবসাইট)
১,২৪৬.
বাংলাদেশের কোন দ্বীপে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে?
  1. ক) কুতুবদিয়া
  2. খ) মহেশখালী
  3. গ) সন্দ্বীপ
  4. ঘ) সেন্ট মার্টিনস
সঠিক উত্তর:
খ) মহেশখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মহেশখালী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ হলো মহেশখালী
- এই দ্বীপে আদিনাথ পাহাড় রয়েছে।
- এছাড়া এখানে আদিনাথ মন্দির রয়েছে।
- মহেশখালী দ্বীপেই মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে।
- দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হলো সেন্টমার্টিন বা নারিকেল জিঞ্জিরা।
- কুতুবদিয়া দ্বীপে বাতিঘর রয়েছে।
- সন্দ্বীপে প্রাচীনকালে বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ হতো।

সূত্র:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২৪৭.
বাংলাদেশের সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয় কোন অঞ্চলে?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) পটুয়াখালী
  4. ঘ) ঢাকা
সঠিক উত্তর:
খ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
রাজশাহী অঞ্চলে বৃষ্টিপাত সবচেয়ে কম। এখানে ২৫ সেন্টিমিটারের কম বৃষ্টিপাত হয়। উৎসঃ ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী
১,২৪৮.
ট্রপোবিরতির উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত কী নামে পরিচিত?
  1. ট্রপোমণ্ডল
  2. স্ট্রাটোমণ্ডল
  3. মেসোমণ্ডল
  4. তাপমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোমণ্ডল
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমন্ডল (Stratosphere): 
- ট্রপোবিরতির উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্ট্রাটোমণ্ডল নামে পরিচিত।
- স্ট্রাটোমন্ডল ও মেসোমণ্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause) বলে।
স্ট্রাটোমন্ডলের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of the Stratosphere)
(ক) এই স্তরেই ওজোন (O3) গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে। এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolate rays) শুষে নেয়। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা ৪০ সেলিসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।
(খ) এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনোরকম জলীয়বাষ্প থাকে না। ফলে আবহাওয়া থাকে শান্ত ও শুষ্ক। ঝড়বৃষ্টি থাকে না বলেই এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে।
(গ) প্রায় ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় তাপমাত্রা পুনরায় হ্রাস পেতে শুরু করে। এটি স্ট্রাটোমন্ডলের শেষ প্রান্ত নির্ধারণ করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১,২৪৯.
Which of the following two continents are divided by strait of Bering?
  1. North America and Africa
  2. Asia and North America
  3. South America and North America
  4. Asia and South America
সঠিক উত্তর:
Asia and North America
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Asia and North America
ব্যাখ্যা
বেরিং প্রণালী:

- বেরিং প্রণালী হল প্রশান্ত মহাসাগরের সবচেয়ে উত্তরের অংশ এবং এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে, বিশেষ করে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আলাদা করেছে।
- বেরিং প্রণালী এবং সাগর উভয়েরই নামকরণ করা হয়েছিল ভিটাস বেরিংয়ের সম্মানে।
- বেরিং প্রণালী তুলনামূলকভাবে অগভীর, যার গড় গভীরতা ৫০ মিটার। এটি গভীরতম বিন্দুতে মাত্র ৯০ মিটার গভীর।
- প্রণালীতে ডায়োমেড দ্বীপপুঞ্জ এবং সেন্ট লরেন্স দ্বীপপুঞ্জসহ অসংখ্য দ্বীপ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
১,২৫০.
টর্নেডো কী কারণে সৃষ্টি হয়?
  1. ভূমিকম্প
  2. অত্যধিক বৃষ্টিপাত
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. বায়ুর নিম্নচাপ
সঠিক উত্তর:
বায়ুর নিম্নচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুর নিম্নচাপ
ব্যাখ্যা
টর্নেডো একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা স্থলভাগে সৃষ্টি হয়।
- স্থলভাগে নিম্নচাপ সৃষ্টির ফলে উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু প্রবল বেগে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়ে টর্নেডোতে রূপ নেয়।

- সাধারণত ঝড়ের গতিবেগ ১০০ কিলোমিটারের অধিক হলে তা টর্নেডো হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- টর্নেডোর স্থায়ীত্ব স্বল্প সময়ের জন্যে হলেও এর তাণ্ডবের মাত্রা থাকে অত্যধিক।

(তথ্যসূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী)
১,২৫১.
বাংলাবান্ধা কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ঠাকুরগাঁও
  2. খ) শেরপুর
  3. গ) পঞ্চগড়
  4. ঘ) জয়পুরহাট
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের স্থান বাংলাবান্ধা বা জায়গীরজোত।
এটি পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন

১,২৫২.
২০১৫ সালের প্যারিস ‍চুক্তির সাথে সম্পর্কিত বিষয়বস্তু হলো -
  1. জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ
  2. জলবায়ু পরিবর্তন
  3. জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাস
  4. সমুদ্র পরিবহন ব্যবস্থাপনা
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি-২০১৫:
- প্যারিস চুক্তি জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি ১২ ডিসেম্বর ২০১৫-এ ফ্রান্সের প্যারিসে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (COP21) গৃহীত হয়েছিল।
- এতে অংশগ্রহণকারী দেশ - ১৯৫টি এবং সংস্থা ১ টি (EU)।
- এটি ৪ নভেম্বর ২০১৬ এ কার্যকর হয়।

সূত্রঃ UNFCCC ওয়েবসাইট।
১,২৫৩.
বিশ্বের বৃহত্তম ও দীর্ঘতম প্রবালপ্রাচীর কমপ্লেক্স কোনটি?
  1. রেইনবো রীফ
  2. গ্রেট ব্যারিয়ার রীফ
  3. রেড সি রীফ
  4. কোরাল ট্রায়াঙ্গেল
সঠিক উত্তর:
গ্রেট ব্যারিয়ার রীফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেট ব্যারিয়ার রীফ
ব্যাখ্যা
গ্রেট ব্যারিয়ার রীফ: 
- গ্রেট ব্যারিয়ার রীফ অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্ব উপকূলের কাছে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম ও দীর্ঘতম প্রবালপ্রাচীর কমপ্লেক্স।
- এটি প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য ও সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের এক অনন্য নিদর্শন।
- এটি উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রসারিত, দৈর্ঘ্য ১,২৫০ মাইল (২,০০০ কিমি)। 
- উপকূল থেকে দূরত্ব: ১০ থেকে ১০০ মাইল (১৬ থেকে ১৬০ কিমি)। 
- এটি প্রবালপ্রাচীর, ছোট ছোট দ্বীপ ও শোলার একটি জটিল গঠন। 
- প্রায় ৯,০০০ প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণী ও উদ্ভিদ এখানে বাস করে। 
- "জীবিত জীবদের দ্বারা নির্মিত সবচেয়ে বড় গঠন" হিসেবে বর্ণনা করা হলেও, এটি কিছুটা অতিরঞ্জিত। 
- জলবায়ু পরিবর্তন, সামুদ্রিক দূষণ ও প্রবাল ফ্যাকিংয়ের কারণে হুমকির মুখে রয়েছে। 
- গ্রেট ব্যারিয়ার রীফ শুধু অস্ট্রেলিয়ার নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের জন্য এক অতুলনীয় প্রাকৃতিক সম্পদ—যা সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য।

উৎস: Britannica.
১,২৫৪.
বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র কয়টি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্ৰ:
- বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি।
- সেগুলো হলো:
i) রাঙামাটির বেতবুনিয়া (১৯৭৫),
ii) গাজীপুরের তালিবাবাগ (১৯৮২),
iii) ঢাকার মহাখালী (১৯৯৫), ও
 iv) সিলেট (১৯৯৭)।
- ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ জুন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাঙামাটির বেতবুনিয়া (১৯৭৫) ভূ-উপগ্রহটি কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেছিলেন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২৫৫.
'সুবর্ণ চর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. লক্ষ্মীপুর
  2. ভোলা
  3. নোয়াখালী
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের চরসমূহ:
- নদীর মাঝে বা মোহনায় পলি সঞ্চিত হয়ে জেগে উঠা ভূখণ্ড চর নামে পরিচিত।
- লক্ষ্মীপুর জেলা : চর গজারিয়া ও চর আলেকজান্ডার।
- ভোলা জেলা : চরফ্যাশন, চর মানিক, চর কুকড়ি মুকড়ি, চর নিউটন, চর নিজাম প্রভৃতি।
- নোয়াখালী জেলা : ভাসান চর, সুবর্ণ চর, চর শ্রীজনী, চর শাহাবানী প্রভৃতি।
- ফেনী জেলা : মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলা : নির্মল চর।
- সুন্দরবন : দুবলার চর, পাটনি চর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২৫৬.
ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ গঠিত হয়:
  1. টারশিয়ারি যুগে
  2. প্লাইস্টোসিন যুগে
  3. কোয়াটারনারী যুগে
  4. সাম্প্রতিক কালে
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগে
ব্যাখ্যা
ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন বা প্রাচীন ভূমিরূপ গঠিত হয় টারশিয়ারি যুগে। আনুমানিক প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বে এগুলো গঠিত হয়।

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ

⇒ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিনডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং (উচ্চতা ১,২৩০ মিটার)।

⇒ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৫৭.
মনট্রিক্স কনভেনশন কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সুয়েজ খাল
  2. তুর্কি প্রণালিসমূহ
  3. পানামা খাল
  4. জর্ডান নদী
সঠিক উত্তর:
তুর্কি প্রণালিসমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুর্কি প্রণালিসমূহ
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৬ সালের ২০ জুলাই সুইজারল্যান্ডের মনট্রিক্স শহরে তুরস্কের বসফরাস প্রণালি, দার্দানেলিস প্রণালি ও মর্মর সাগরে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল বিষয়ে মনট্রিক্স কনভেনশন গৃহিত হয়।
- এই কনভেনশন অনুযায়ী বসফরাস ও দার্দানেলিস প্রণালি এবং মর্মর সাগর ভৌগোলিকভাবে তুরস্কের অধীন হিসেবে স্বীকৃত হয়।
- কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী দেশগুলোর জন্যে এই জলসীমা উন্মুক্ত থাকবে।
- অন্যান্য দেশের নৌ চলাচলের ক্ষেত্রে তুরস্ক সরকার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে।
(সূত্র: মনট্রিক্স কনভেনশন)
১,২৫৮.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন পরিষদ কোনটি?
  1. ক) সেন্টমার্টিন
  2. খ) সাতগ্রাম
  3. গ) গাউছিয়া
  4. ঘ) হাজীপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাজীপুর
ব্যাখ্যা
পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ সাল অনুযায়ী, জনসংখ্যায় ও আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন হাজীপুর, (দৌলতখান, ভোলা)। জনসংখ্যায় বৃহত্তম ইউনিয়ন ধামসানী, (সাভার, ঢাকা)। আয়তনে বৃহত্তম ইউনিয়ন সাজেক, (বাঘাইছড়ি, রাঙ্গামাটি)।
১,২৫৯.
বঙ্গোপসাগরের সর্বনিম্ন খাদের নাম কী?
  1. মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
  2. সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড
  3. পুয়ের্তো রিকো খাত
  4. ম্যাতপান ট্রেঞ্চ
সঠিক উত্তর:
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড
ব্যাখ্যা
• সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground)  খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এটি ১৪ কিলোমিটার ব্যাপী বঙ্গোপসাগরের গভীর খাদ।
- এটি সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- এই এলাকাটি বিভিন্ন প্রজাতির ডলফিন এবং তিমির মতো বিপন্ন প্রাণীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল।
- সোয়ায অব নো গ্রাউন্ডকে গঙ্গা খাদ ও বলে।

অন্যদিকে,
প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরতম খাত- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ।
পুয়ের্তো রিকো খাতটি ক্যারিবিয়ান সাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যবর্তী সীমানায় অবস্থিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,২৬০.
হাইল হাওর কোথায় অবস্থিত?
  1. সিলেট ও সুনামগঞ্জ
  2. সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ
  3. সিলেট ও হবিগঞ্জ
  4. মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
হাইল হাওর:
- মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত ‘হাইল হাওর’।
- এই বিশাল জলাধারে রয়েছে ১৪টি বিল এবং পানি নিষ্কাশনের ১৩টি নালা।
- মোট আয়তন ১০ হাজার হেক্টর।
- প্রচুর লতা ও গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ থাকায় স্থানীয়দের কাছে এটি লতাপাতার হাওর নামেও পরিচিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২৬১.
নদীর ক্ষয়কার্য সাধারণত কতটি পদ্ধতিতে হয়ে থাকে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
• নদীর ক্ষয়কার্য (Erosion of the River):
- নদী তার ক্ষয়কার্যের মাধ্যমে নানা ধরনের ভূমিরূপ গঠন করে।
- নদীর এ ক্ষয়কার্য রাসায়নিক ও যান্ত্রিক উপায়ে সংঘটিত হয়।
- ক্ষয়কার্য সাধারণত চারটি প্রক্রিয়ার দ্বারা হয়ে থাকে।
- যথা- ১. পানি প্রবাহ ক্ষয়, ২. কর্ষণ, ৩.ঘর্ষণ এবং ৪. দ্রবণ।
১,২৬২.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫ কবে জারি হয়েছে?
  1. ১ জানুয়ারি
  2. ১১ জানুয়ারি
  3. ১৯ জানুয়ারি
  4. ২১ মার্চ
সঠিক উত্তর:
১৯ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫' ১৯ জানুয়ারি জারি হয়েছে।

বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন:
- দুর্যোগ মোকাবেলা বিষয়ক কার্যক্রমকে সমন্বিত, লক্ষ্যভিত্তিক ও শক্তিশালী করা এবং সকল ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় কার্যকর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কাঠামো গড়িয়া তুলিবার নিমিত্ত বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- ২০১২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর এই আইন প্রণীত হয়।
- ২০১২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করে।
- বাংলাদেশের সংসদে 'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২' পাসের মাধ্যমে এই অধিদপ্তর গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- দুর্যোগ মোকাবেলায় পূর্ব প্রস্তুতিসহ জনগণের সার্বিক দুর্যোগ লাঘব করা, দুর্দশাগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জন্য জরুরী মানবিক সহায়তা, পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন কর্মসূচি অধিকতর দক্ষতার সাথে পরিচালনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২ প্রণীত হয়েছে।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২ এর ১৯ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫ প্রণয়ন করা হয়েছে।
- ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২৬৩.
ইলিশের বাড়ি কোন জেলাকে বলা হয়?
  1. ক) ভোলা
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) চাঁদপুর
  4. ঘ) রাজবাড়ী
সঠিক উত্তর:
গ) চাঁদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চাঁদপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারের জেলা ব্রান্ডিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ২০১৫ সালে 'চাঁদপুর: সিটি অব হিলসা' নামকরণ করে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পাঠানো হয়। শিল্পী হাশেম খান এর লোগো তৈরি করে দেন এবং লোগোর লেখাটি বাংলায় অনুবাদ করে লেখা হয় 'ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর'।
উৎসঃ চাঁদপুর জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
১,২৬৪.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চল অধিক খরা প্রবণ?
  1. উত্তর-পূর্ব অঞ্চল
  2. উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
  3. দক্ষিন-পূর্ব অঞ্চল
  4. দক্ষিন-পশ্চিম অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
ব্যাখ্যা

• খরা প্রবণ অঞ্চল:
- খরা দীর্ঘকালীন শুষ্ক আবহাওয়া ও অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে খরা অবস্থার সৃষ্টি হয়।
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল খরার জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। 
- এ অঞ্চলের রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ দিনাজপুর, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর প্রভৃতি জেলা খরার জন্যে অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ। 
- অনাবৃষ্টি, দীর্ঘদিন শুষ্ক আবহাওয়া, বৃষ্টিপাত অপেক্ষা বাষ্পীভবন ও প্রস্বেদনের হার অধিক হলে সাধারণত খরা দেখা দেয়।
- গ্রীষ্মকালে সর্বোচ্চ গরমের সময় রাজশাহী এবং বিশেষ করে নাটোর জেলার লালপুরে তাপমাত্রা ৪৫° সেন্টিগ্রেড বা তারও বেশি হয়। 
- আর শীতকালে দিনাজপুর ও রংপুরের কিছু অঞ্চলে তাপমাত্রা এমনকি ৫° সেন্টিগ্রেডেরও নিচে নেমে যায়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

১,২৬৫.
পাহাড়ি ঢলে যে বন্যার সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় -
  1. মৌসুমী বন্যা
  2. নগর বন্যা
  3. উপকূলীয় বন্যা
  4. আকস্মিক বন্যা
সঠিক উত্তর:
আকস্মিক বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকস্মিক বন্যা
ব্যাখ্যা
বন্যা (Flood):
- বন্যা বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে।
- প্রায় প্রতি বছর দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়।
- ধরণ ও প্রকৃতি অনুযায়ী বন্যাকে চার ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা: মৌসুমী বন্যা, আকস্মিক বন্যা, উপকূলীয় বন্যা এবং নগর বন্যা।

⇒ মৌসুমী বন্যা:
- বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে যে বন্যার সৃষ্টি হয় তাকে মৌসুমী বন্যা বলে।
- কৃষি নির্ভর বাংলাদেশে মৌসুমী বন্যা তেমন ক্ষতি করে না তবে কখনো কখনো মারাত্মক ক্ষতিকর রূপ ধারণ করে।
- মৌসুমী বন্যার মাত্রা স্বভাবিক হলে ফসল উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

⇒ আকস্মিক বন্যা:
- বর্ষা মৌসুম ব্যতীত অন্য যে কোনো মৌসুমে আকস্মিক বৃষ্টিপাতের ফলে বা পাহাড়ি ঢলে যে বন্যার সৃষ্টি হয় তাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
- বাংলাদেশের সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোণা এবং কিশোরগঞ্জ জেলায় প্রায় প্রতি বছর আকস্মিক বন্যা হতে দেখা যায়।

⇒ উপকূলীয় বন্যা:
- উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, সুনামি বা জোয়ার-ভাটাজনিত কারণে যে বন্যা সৃষ্টি হয় তাকে উপকূলীয় বন্যা বলে।
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জেলাসমূহে এ ধরনের বন্যা দেখা দেয়।

⇒ নগর বন্যা:
- নগর এলাকায় সুষ্ঠু ও পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকলে বর্ষাকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হলে বন্যা দেখা দেয়।
- এ ধরনের বন্যাকে নগর বন্যা বলে।
- ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় শহরে এ ধরনের বন্যা দেখা যায়।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) মে ১, ২০২৪, The Daily Star বাংলা।
১,২৬৬.
About how much of the Sundarbans region is covered by mangrove forest?
  1. ক) Two-fifths
  2. খ) One-fifths
  3. গ) Three-fifths
  4. ঘ) Four-fifths
সঠিক উত্তর:
ক) Two-fifths
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Two-fifths
ব্যাখ্যা
- Sundarbans, a vast tract of forest and saltwater swamp forming the lower part of the Padma (Ganges)-Brahmaputra River delta in southeastern West Bengal state, northeastern India, and southern Bangladesh. 
- The name Sundarbans is thought to be derived from Sundari, the name of the large mangrove trees that are most plentiful in the area.
- Mangrove forests constitute about two-fifths of the Sundarbans region’s overall surface area, with water covering roughly half of that area.
 
Source: Britannica
১,২৬৭.
বরেন্দ্রভূমি দেশের কোন অঞ্চলে বিস্তৃত?
  1. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে
  2. পূর্ব-পশ্চিমাঞ্চলে
  3. উত্তর-পূর্বঅঞ্চলে
  4. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
ব্যাখ্যা
• বরেন্দ্রভূমি:
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বরেন্দ্রভূমি বিস্তৃত।
- প্লাবন সমভূমি হতে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এ স্থানের মাটি ধূসর ও লাল বর্ণের।

• মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়: 
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায় মধুপুর এবং গাজীপুর জেলায় ভাওয়ালের গড় অবস্থিত।
- এর আয়তন প্রায় ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- সমভূমি থেকে এর উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- মাটির রং লালচে ও ধূসর।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৬৮.
জলবায়ু সমভাবাপন্ন বা চরমভাবাপন্ন হয় কোন নিয়ামকের প্রভাবে?
  1. অক্ষাংশ
  2. উচ্চতা
  3. সমুদ্র থেকে দূরত্ব
  4. বায়ুপ্রবাহ
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র থেকে দূরত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র থেকে দূরত্ব
ব্যাখ্যা
- সমুদ্র থেকে দূরত্ব এর প্রভাবে জলবায়ু সমভাবাপন্ন বা চরমভাবাপন্ন হয়। 

সমুদ্র থেকে দূরত্ব (Distance from the sea):

- জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে।
- যেমন- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও পটুয়াখালী সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হওয়ার কারণে এখানকার জলবায়ু রাজশাহীর তুলনায় বেশ মৃদুভাবাপন্ন।
- সমুদ্র নিকটবর্তী এলাকার তাপমাত্রায় শীত-গ্রীষ্ম তেমন পার্থক্য হয় না।
- এ ধরনের জলবায়ুকে সমভাবাপন্ন জলবায়ু বলে।
- কিন্তু সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম উভয়ই চরম হয়।
- কারণ স্থলভাগ জলভাগ অপেক্ষা যেমন দ্রুত উষ্ণ হয়, আবার দ্রুত ঠান্ডাও হয়।
- এজন্য গ্রীষ্মকালে মহাদেশের অভ্যন্তরভাগের এলাকা অত্যন্ত উত্তপ্ত থাকে, আবার শীতকালে প্রচন্ড শীত অনুভূত হয়।
- এ ধরনের জলবায়ুকে মহাদেশীয় বা চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,২৬৯.
পদ্মা ও মেঘনা নদী কোথায় মিলিত হয়েছে?
  1. কিশোরগঞ্জ
  2. রাজশাহী
  3. ঢাকা
  4. চাঁদপুর
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুর
ব্যাখ্যা

পদ্মা নদী:
- গঙ্গা বিশ্বের ৩০তম দীর্ঘতম নদী (২৬০০ কি.মি.)।
- হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপত্তি লাভ করে ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে গঙ্গা নামে প্রবাহিত হয়ে মুর্শিদাবাদ জেলার ধুলিয়ান নামক স্থানে ভাগিরথী (বা হুগলি নদী) নামে এর একটি শাখা বের হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- মূল গঙ্গা নদীটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী জেলার দড়িাণ-পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার (৯০ মাইল) (সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ) /১৪৪ কি.মি. (সূত্র: উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল) পর্যনত্ম পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম দিক দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- বাংলাদেশে প্রবেশ করার পর এর নাম হয়েছে পদ্মা।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম ও গভীরতম নদী।
- তারপর এটি দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ি জেলায় আরিচার নিকট গোয়ালন্দের কাছে যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- এ মিলিত স্রোত পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরের নিকট মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বরিশাল ও নোয়াখালী জেলা হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- পদ্মার অপর নাম কীর্তিনাশা। বাংলাদেশে গঙ্গা-পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের পরিমাণ প্রায় ৩৪,১৮৮ বর্গকিলোমিটার (সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ) যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ২৩.১৭%।
- উপনদী: মহানন্দা (প্রধান উপনদী), ট্যাঙ্গন, পুনর্ভবা, নগর, কুলিক।
- শাখানদী: মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি, নবগঙ্গা, কালীগঙ্গা চিত্রা তেঁতুলিয়া বিষখালী কীর্তনখোলা ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। 

১,২৭০.
বাংলাদেশের কয়টি জেলার সাথে 'সুন্দরবন' সংযুক্ত আছে?
  1. ক) ৪ (চার) টি
  2. খ) ৫ (পাঁচ) টি
  3. গ) ৬ (ছয়) টি
  4. ঘ) ৭ (সাত) টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ (পাঁচ) টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ (পাঁচ) টি
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- বাংলাদেশের ৫টি জেলার সাথে 'সুন্দরবন' সংযুক্ত আছে।
- সুন্দরবনের সাথে যুক্ত জেলাগুলো হলো: খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালি, বরগুনা।

- সুন্দরবন বাংলাদেশের একক বৃহত্তম বনভূমি।
- বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।

উল্লেখ্য,
যে বাংলাপিডিয়া বা নবম দশম শ্রেণীর পাঠ্য বইয়ে সুন্দরবন বাংলাদেশের তিনটি জেলায় বিস্তৃত এমনটি বলা আছে।
তবে যেহেতু অপশনে ০৩ (তিন)টি না থাকার কারণে মানচিত্র এবং অন্যান্য উৎস বিবেচনায় এনে, অধিকতর উপযুক্ত উত্তর হিসেবে ০৫ (পাঁচটি) জেলা নেয়া হয়েছে।  

তথ্যসূত্র: বাগেরহাট জেলার ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১,২৭১.
বসফরাস প্রণালী কোন শহরকে দুটি অংশে ভাগ করেছে?
  1. আঙ্কারা
  2. ইস্তানবুল 
  3. তেবরিজ
  4. সাভোনা
সঠিক উত্তর:
ইস্তানবুল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্তানবুল 
ব্যাখ্যা

• বসফরাস প্রণালী:
- বসফরাস প্রণালী এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যবর্তী অঞ্চলের একটি অংশের সীমানা নির্দেশ করে।
- এটি তুরস্কের ইস্তানবুল শহরকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটিকে তাই ইস্তাম্বুল প্রণালীও বলা হয়।
- এই প্রণালীটি বিশ্বের নৌ চলাচলের ব্যবহৃত সবচেয়ে সরু জলপথ।
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- এই প্রণালী এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,২৭২.
নিচের কোনটি বঙ্গোপসাগরের দ্বীপ নয়? 
  1. আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ
  2. লাক্ষাদ্বীপ
  3. কোকো আইল্যান্ড
  4. জম্বুদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
লাক্ষাদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাক্ষাদ্বীপ
ব্যাখ্যা

লাক্ষাদ্বীপ বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত নয়; এটি ভারতের পশ্চিম দিকে আরব সাগরে অবস্থিত একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। 
-------------------------- 
বঙ্গোপসাগর:
- বঙ্গোপসাগর হলো বাংলাদেশের উপকূলবর্তী উপসাগর।
- এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত।
- বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশের উত্তরে, ভারতের পূর্ব উপকূল ও শ্রীলঙ্কার পূর্ব উপকূলের পশ্চিমে এবং মায়ানমার উপদ্বীপের পূর্বে অবস্থিত।
- বঙ্গোপসাগর প্রায় ৫° থেকে ২২° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮০° থেকে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে বিস্তৃত।
- বঙ্গোপসাগর পশ্চিমে গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র, মেঘনা, মহানদী, গোধাবরী, কৃষ্ণা ও কাবেরি নদী দ্বারা উপকূল সংযুক্ত।
- বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ সীমা শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ দন্দ্রা চূড়া থেকে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূলবর্তী দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মায়ানমার ও ইন্দোনেশিয়া। 
- বঙ্গোপসাগরের প্রস্থ প্রায় ১,০০০ মাইল (১,৬০০ কিমি), গড় গভীরতা প্রায় ২,৬০০ মিটার এবং সর্বোচ্চ গভীরতা প্রায় ৪,৬৯৪ মিটার।

- বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৫৭২টি দ্বীপ অন্তর্ভুক্ত। 
- এর মধ্যে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভারতের অধীনে এবং ৩৭টি দ্বীপে মানুষের বসবাস রয়েছে।
- কোকো দ্বীপপুঞ্জ (Coco Islands) হলো বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত মিয়ানমারের অন্তর্গত একটি দ্বীপসমষ্টি। 
জম্বুদ্বীপ হলো বঙ্গোপসাগরের একটি নির্জন দ্বীপ, যা পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের কাছাকাছি অবস্থিত এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ।

- বাংলাদেশের সঙ্গে বঙ্গোপসাগরের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল (২২.২২ কিমি)। 
- এবং অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল (৩৭০.৪০ কিমি)।
- এছাড়া ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপান অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত।

- বঙ্গোপসাগরের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড। 
- এটি বঙ্গোপসাগরের একটি খাদ।
- এর অর্থ- যার কোনো তল নেই। 
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডকে গঙ্গাখাত ও বলা হয়। 
- এটি মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করা খাদ আকৃতির গভীর অববাহিকা। বঙ্গোপসাগরের এই অংশ সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে প্রায় ৩০ কিমি দূরে।

উৎস: Britannica ও বাংলাপিডিয়া।

১,২৭৩.
’গ্রীনল্যান্ড দ্বীপ’ কোন মহাসাগরে অবস্থিত? 
  1. ভূমধ্যসাগরে 
  2. প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে
  4. ভারত মহাসগরে
সঠিক উত্তর:
উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে
ব্যাখ্যা

গ্রীনল্যান্ড:
- গ্রীনল্যান্ড পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপ।
- এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- গ্রীনল্যান্ড (স্থানীয় ভাষায় কালালিত নুনাত) পরিচিত এর বিশাল তুন্দ্রা অঞ্চল ও বিশাল হিমবাহের জন্য।
- তাঁরা তাঁদের মাতৃভূমিকে বলেন কালালিত নুনাত, অর্থাৎ "গ্রীনল্যান্ডবাসীদের দেশ”।
- গ্রীনল্যান্ডের রাজধানীর নাম নুক (ডেনিশ ভাষায় গোথহোব)।

অপরদিকে,
- নিউ গিনি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
- বোর্নিও বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
- মাদাগাস্কার বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দ্বীপ।

উৎস: Britannica.

১,২৭৪.
পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমি কোনটি?
  1. তিব্বত মালভূমি
  2. গোলান মালভূমি
  3. পামীর মালভূমি
  4. কলোরাডো মালভূমি
সঠিক উত্তর:
তিব্বত মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিব্বত মালভূমি
ব্যাখ্যা

তিব্বত মালভূমি:
- পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমি তিব্বত মালভূমি।
- সমুদ্র সমতল থেকে অতি উচ্চ বিস্তীর্ণ সমভূমিকে মালভূমি বলে। মালভূমি প্রায়ই পর্বতবেষ্টিত হয়।
- পৃথিবীর বৃহত্তম মালভূমি হল তিব্বতীয় মালভূমি।
- এটি মধ্য এশিয়া ও পূর্ব এশিয়ার একটি বিশাল উচ্চভূমি।
- তিব্বতীয় মালভূমির আয়তন প্রায় ২,৫০০,০০০ বর্গকিলোমিটার (৯৬৫,০০০ বর্গমাইল)। 
- এটি সমুদ্রতল থেকে ১৩,০০০ - ১৫,০০০ ফুট (৪,০০০ - ৫,০০০ মিটার) উঁচু।

⇒ তিব্বত মালভূমির উত্তরে রয়েছে ‘কুনলুন’ পর্বত এবং দক্ষিণে হিমালয়; পশ্চিমে কারাকোরাম পর্বতমালা; পূর্বে হেংতুয়ান পর্বতমালা।
- এখানে আরও রয়েছে গাংদেস পর্বতমালা - নাইনকেন তাংগুলা পর্বতমালা এবং এর শাখা।

উৎস: i) Britannica
ii) World atlas.

১,২৭৫.
বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী কোনটি?
  1. ক) যমুনা
  2. খ) ব্রহ্মপুত্র
  3. গ) পদ্মা
  4. ঘ) মেঘনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেঘনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেঘনা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম, বৃহত্তম, প্রশস্ত এবং গভীরতম নদী মেঘনা।
- মেঘনা হিমালয় বলয় বহির্ভূত (Non-Himalayan) নদী।
- মেঘনা মূলত সুরমা, ধলেশ্বরী, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও গঙ্গার মিলিত স্রোতধারা।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া; ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৭৬.
When did 'Sidr' hit Bangladesh?
  1. 15 Nov. 2007
  2. 16 Nov. 2007
  3. 17 Nov. 2007
  4. 18 Nov. 2007
সঠিক উত্তর:
15 Nov. 2007
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15 Nov. 2007
ব্যাখ্যা
সিডর:
- সরকারি তথ্য অনুসারে ১৯৬০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত মোট ৩৫টি বড় ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোনের হদিস পাওয়া যায়।
- এর মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক পাঁচটি ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে অন্যতম সিডর।
- এ অঞ্চলে যে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানবে, তার নাম দেওয়া হয় ২০০৪ সালে।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা শ্রীলঙ্কার দেওয়া নাম অনুসারে সিডরের নামটি ঠিক করে, যার অর্থ চোখ।
- ১৫ নভেম্বর, ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডর বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচন্ড ভাবে আঘাত হানে।
- আঘাতের সময় সিডরের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার। 
- সিডরকে ১৯৭০ ও ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর সবচেয়ে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় বিবেচনা করা হয়।

উৎস: ১৫ নভেম্বর ২০২১, প্রথম আলো।
১,২৭৭.
'Bangladesh Climate and Disaster Risk Atlas' প্রকাশিত দেশে বন্যা প্রবণ জেলা কতটি?
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) কর্তৃক প্রকাশিত Bangladesh Climate and Disaster Risk Atlas অনুসারে -
দেশে ভূমিকম্প ঝুঁকি প্রবণ জেলা - ৩টি।
কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নরসিংদী।
বন্যা প্রবণ জেলা - ১১টি।
টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, শরীয়তপুর ও চাঁদপুর।
আকস্মিক বন্যা ও ভূমিকম্প ঝুঁকি প্রবণ জেলা - ৬টি।
সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ।
দেশে খরাপ্রবণ জেলা - ১৩টি।
পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর, রংপুর, জয়পুরহাট, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা ও গাজীপুর। 
খরার সঙ্গে বন্যা প্রবণ জেলা - ৬টি।
রাজশাহী, নাটোর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও কুষ্টিয়া।
বন্যা ও ভূমিকম্প প্রবণ জেলা - ৬টি।
 লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও জামালপুর।
লবণাক্ততা ও ঘূর্ণিঝড় প্রবণ জেলা - ১৬টি।
যশোর, সাতক্ষীরা, নড়াইল, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বরিশাল, ভোলা, বরগুনা, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার।

Source: পত্রিকা রিপোর্ট।
১,২৭৮.
বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫৭ সালে
  2. খ) ১৯৫৫ সালে
  3. গ) ১৯৫৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৬ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয় ১৯৫৫ সালে।

গ্যাসক্ষেত্র:
- ১৯৫৯ সালে ছাতক গ্যাসক্ষেত্র থেকে সর্বপ্রথম শিল্পখাতে গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়।
- দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্রগুলির মধ্যে একটি এবং বর্তমান সময় পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস উৎপাদনকারী ক্ষেত্র।
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৬২ সালে পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি আবিষ্কার করে।
- সিলেট গ্যাসক্ষেত্র  সিলেট শহরের ২০ কিমি উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম লিমিটেড (পিপিএল) ১৯৫৫ সালে গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে।
- ছাতক গ্যাসক্ষেত্র  সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্রটি পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম লিমিটেড কর্তৃক ১৯৫৯ সালে আবিষ্কৃত হয়।
- হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র।
- বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,২৭৯.
দিনাজপুর ও শিলং একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও এদের জলবায়ু ভিন্ন হওয়ার কারণ কী?
  1. উচ্চতা
  2. সমুদ্র থেকে দূরত্ব
  3. সমুদ্রস্রোত
  4. মৃত্তিকার গঠন
সঠিক উত্তর:
উচ্চতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চতা
ব্যাখ্যা
উচ্চতা (Altitude): সমুদ্র সমতল থেকে যতই উপরে ওঠা যায়, উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমন্ডলীয় তাপমাত্রা ততই হ্রাস পায়।
- সাধারণত প্রতি ১,০০০ মিটার উচ্চতায় প্রায় ৬° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়।
- এ উচ্চতার পার্থক্যের কারণে দুই জায়গা একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও একটি অপরটির চেয়ে ভিন্ন জলবায়ু সম্পন্ন হয়।

- যেমন- দিনাজপুর ও শিলং একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও শুধু উচ্চতার তারতম্যের জন্য এদের জলবায়ু ভিন্ন রকম।
- উচ্চতা বেশি হওয়াতে শিলং-এ দিনাজপুরের চেয়ে তাপমাত্রা কম হয়।


তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৮০.
মেক্সিকো উপসাগর প্রধানত কোন মহাদেশ দ্বারা বেষ্টিত?
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. ইউরোপ
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা
মেক্সিকো উপসাগর (Gulf Of Mexico): 
- উপসাগর (gulf) হলো সমুদ্রের একটি অংশ, যা স্থলের ভেতরে প্রবেশ করেছে।
- এটি টেকটোনিক প্লেটের পরিবর্তনের ফলে গঠিত হয় এবং সাধারণত বৃহৎ ও গভীর হয়ে থাকে।
- মেক্সিকো উপসাগর অ্যাটলান্টিক মহাসাগরের একটি প্রান্তিক সাগর।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর (gulf) যার আয়তন ১৫,০৭,৬৩৯ বর্গকিলোমিটার।
- এটি প্রধানত উত্তর আমেরিকা মহাদেশ দ্বারা বেষ্টিত।
- কিছু উপসাগর সংকীর্ণ জলপথের মাধ্যমে মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তবে এটি সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

উৎস: World Atlas
১,২৮১.
নিচের কোন দুইটি দেশের মধ্যে স্থল সীমান্ত নেই?
  1. রাশিয়া-উত্তর কোরিয়া
  2. আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল
  3. কানাডা-মেক্সিকো
  4. মালয়েশিয়া-ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
কানাডা-মেক্সিকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা-মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
- কানাডা ও মেক্সিকো দুইটি দেশই উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত হলেও এদের মধ্যে কোনো সীমান্ত সংযোগ নেই।
- এই দুইটি দেশের মাঝে আমেরিকা অবস্থিত।
- পৃথিবীর বৃহত্তম রাষ্ট্র রাশিয়ার সাথে ১৬ টি দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- তন্মধ্যে উত্তর কোরিয়ার সাথে সবচেয়ে কম ১৭ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে।
- আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের মধ্যকার সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ৭৮৩ মেইল। 
- দ্বীপ রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও ইন্দোনেশিয়ার সাথে বোর্ণিও দ্বীপে মালেশিয়ার ১২৫৫ মাইল দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,২৮২.
নিচের কোনটি শীতল মরুভূমির উদাহরণ?
  1. সাহারা
  2. কালাহারি
  3. লাদাখ
  4. আতাকামা
সঠিক উত্তর:
লাদাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাদাখ
ব্যাখ্যা
মরুভূমি:
- যেখানে সামান্য বৃষ্টিপাত (Precipitaion) হয় তাকে মরুভূমি বলা হয়।
- মরুভূমি ২ ধরনের। শীতল ও উষ্ণ মরুভুমি।
- যেসব মরুভূমির উষ্ণতা অনেক বেশি সেগুলো উষ্ণ মরুভুমি।
- সাহারা, কালাহারি, আতাকামা  এগুলো উষ্ণ মরুভুমির উদাহরণ।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মরুভূমি আফ্রিকার সাহারা। 
- যেসব মরুভূমির উষ্ণতা অনেক কম থাকে সেগুলো শীতল মরুভুমি।
- লাদাখ, গ্রিনল্যান্ড, অ্যান্টার্কটিকা প্রভৃতি শীতল মরুভূমির উদাহরণ
- উচ্চতা, হিমালয়ের নিকটবর্তী অবস্থান ও বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলে হওয়ায় লাদাখ এ অনেক কম বৃষ্টিপাত হয় কিন্তু শীতল আবহাওয়া থাকে। 

উৎস: Britannica.
১,২৮৩.
এশিয়ার সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হলো-
  1. হালদা নদী
  2. হাইল হাওর
  3. চলন বিল
  4. হাকালুকি
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
ব্যাখ্যা

• হালদা নদী:
- হালদা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বাটনাতলী পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে এটি ফটিকছড়ির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
- এর মোট দৈর্ঘ্য ৮১ কিলোমিটার। 
- এটি কালুরঘাটের নিকটে কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- হালদা নদী হলো দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র।
- প্রতিবছর এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে হালদা নদীতে কার্প জাতীয় মাতৃমাছ প্রচুর পরিমাণ ডিম ছাড়ে।
- চট্টগ্রাম শহরের পণ্যসামগ্রীর অধিকাংশই হালদা নদীপথে বড় মালবাহী নৌকার মাধ্যমে পরিবহণ করা হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,২৮৪.
'মানব ভূগোল' এর অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. জীবভূগোল
  2. মৃত্তিকা ভূগোল
  3. সমুদ্রবিদ্যা
  4. আঞ্চলিক ভূগোল
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক ভূগোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক ভূগোল
ব্যাখ্যা

• প্রাকৃতিক ভূগোল (Physical geography):
⇒ ভূগোলের যে শাখায় ভৌত পরিবেশ ও এর মধ্যে কার্যরত বিভিন্ন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাকে প্রাকৃতিক ভূগোল বলে।
পৃথিবীর ভূমিরূপ, এর গঠন প্রক্রিয়া, বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, জলবায়ু ইত্যাদি প্রাকৃতিক ভূগোলের আলোচ্য বিষয়।
- ভূমিরূপবিদ্যা (Geomorphology)
- জলবায়ুবিদ্যা (Climatology)
- জীবভূগোল (Biogeography)
- মৃত্তিকা ভূগোল (Soil geography)
- সমুদ্রবিদ্যা (Oceanography)

 • মানব ভূগোল (Human geography):
⇒  পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন পরিবেশে মানুষ কীভাবে বসবাস করছে, কীভাবে জীবনযাত্রা নির্বাহ করছে, কেন এভাবে জীবনযাত্রা নির্বাহ করছে তার কার্যকারণ অনুসন্ধান মানব ভূগোলের আলোচ্য বিষয়।
- অর্থনৈতিক ভূগোল (Economic geography)
- জনসংখ্যা ভূগোল (Population geography)
- আঞ্চলিক ভূগোল (Regional geography)
- রাজনৈতিক ভূগোল (Political geography)
- সংখ্যাতাত্ত্বিক ভূগোল (Quantitative geography)
- পরিবহন ভূগোল (Transport geography)
- নগরভূগোল (Urban geography)
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (Disaster management)

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২৮৫.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সিলিকা বালুর সন্ধান পাওয়া গেছে?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) নওগাঁ
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) বগুড়া
সঠিক উত্তর:
গ) কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
সিলিকা বালু বা কাঁচ বালু : 
সিলিকা বালু বা কাঁচ বালু প্রধানত কাচ প্রস্তুতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও রং, অগ্নিচুল্লির ইপ্টক এবং বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য তৈরিতে সিলিকা বালু ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের যে সকল জেলায় সিলিকা বালু পাওয়া যায় সেগুলো হলো:
কুমিল্লা : বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার বাতাসিয়া গ্রামে সিলিকা বালুর সন্ধান পাওয়া গেছে। এখানে সঞ্চিত বালুর পরিমাণ প্রায় ৪ লক্ষ টন।
শেরপুর : শেরপুর জেলার গারো পাহাড়ের নিকটবর্তী বালিজুরিতে সিলিকা বালু পাওয়া যায়। এখানে সঞ্চিত সিলিকা
বালুর পরিমাণ প্রায় ২ লক্ষ টন
হবিগঞ্জ : হবিগঞ্জের শাহজীবাজার ও নয়াপাড়ায় সিলিকা বালুর সন্ধান পাওয়া গেছে। এখানে সঞ্চিত বালুর পরিমাণ প্রায় ৪ লক্ষ টন। এই বালিতে সিলিকার পরিমাণ প্রায় ৯৭.৯৯-৯৮.৬২% বলে কাঁচ শিল্পে এই অঞ্চলের বালু ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
 
হবিগঞ্জ ছাড়াও মৌলভীবাজার জেলার কুলাইড়া ও সুনামগঞ্জ জেলার টাকেরঘাট অঞ্চলে প্রচুর সিলিকাবালু পাওয়া যায়। 
 
দিনাজপুর: দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর থানায় কয়লার উপরিভাগে কাঁচবালু পাওয়া গেছে।
 
উৎস: ভূগোল ২য়  পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,২৮৬.
ভূ-উপগ্রহের মাধ্যমে আবহাওয়া অধিদপ্তরকে নিয়মিতভাবে মেঘচিত্র সর্বরাহ করে পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণে সহায়তা করে কোন সংস্থাটি?
  1. ক) স্পারসো
  2. খ) আর্সা
  3. গ) নাসা
  4. ঘ) ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন
সঠিক উত্তর:
ক) স্পারসো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্পারসো
ব্যাখ্যা
মহাকাশ গবেষণার সরকারি প্রতিষ্ঠান স্পারসো ভূ-উপগ্রহের মাধ্যমে আবহাওয়া অধিদপ্তরকে নিয়মিতভাবে মেঘচিত্র সর্বরাহ করে পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণে সহায়তা করে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
১,২৮৭.
নিচের কোনটি জাভা সাগরকে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে?
  1. পানামা খাল
  2. সুন্দা প্রণালী
  3. মালাক্কা প্রণালী
  4. তাইওয়ান প্রণালী
সঠিক উত্তর:
সুন্দা প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দা প্রণালী
ব্যাখ্যা
সুন্দা প্রণালী:
- সুন্দা প্রণালী জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথককারী একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক চ্যানেল।
- এটি জাভা সাগর (প্রশান্ত মহাসাগরের অংশ)কে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে।
- প্রস্থ: ১৬ থেকে ৭০ মাইল (২৬–১১০ কিমি)।
- প্রণালীর মধ্যে রয়েছে কয়েকটি আগ্নেয় দ্বীপ, সবচেয়ে বিখ্যাত হলো ক্রাকাটোয়া।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪২ সালে মিত্রবাহিনী ও জাপানি বাহিনীর মধ্যে একটি নৌ-সংঘর্ষ ঘটে এই প্রণালীতে।
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ, যা ভারত মহাসাগরকে পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করে
- বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী।
- সুন্দা প্রণালী শুধুমাত্র ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং ইতিহাস ও প্রকৃতির দিক থেকেও এটি বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে চলেছে।

উৎস: Britannica.
১,২৮৮.
নিম্নের কোনটি পাললিক শিলা?
  1. কোয়ার্টজাইট
  2. কয়লা
  3. গ্রানাইট
  4. মার্বেল
সঠিক উত্তর:
কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
ব্যাখ্যা

- কয়লা পাললিক শিলা। 
• ভুত্বক গঠিনকারী উপাদানসমূহ শিলা নামে পরিচিত। গঠন অনুসারে শিলা তিন প্রকার।
- যথাঃ আগ্নেয় শিলা, পাললিক শিলা ও রূপান্তরিত শিলা।
• পাললিক শিলাঃ
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে পাললিক শিলা বলে।
- পাললিক শিলায় জীবাশ্ম ও স্তর লক্ষ্য করা যায়।
- পাললিক শিলা নরম, ভঙ্গুর ও সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- বেলেপাথর, চুনাপাথর, কাঁদাপাথর, কয়লা, কেওলিন, শেল প্রভৃতি পাললিক শিলার উদাহরণ।
- আগ্নেয় ও রূপান্তরিত শিলায় জীবাশ্ম দেখা যায় না।

• রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট,
- গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে,
- কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

• অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা: 
- গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ, ডাইক ও সিল এ শিলার অন্যতম উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণী। 

১,২৮৯.
ইউরোপের ক্যালিডোনিয়ান পর্বতশ্রেণি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কোন মালভূমি সৃষ্টি হয়েছে?
  1. ফিজেন্ড মালভূমি
  2. মেসেটা মালভূমি
  3. তিব্বত মালভূমি
  4. দাক্ষিণাত্য মালভূমি
সঠিক উত্তর:
ফিজেন্ড মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিজেন্ড মালভূমি
ব্যাখ্যা

ইউরোপের ক্যালিডোনিয়ান পর্বতশ্রেণি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ফিজেন্ড মালভূমি সৃষ্টি হয়েছে। 
- এটি ক্ষয়জাত মালভূমির উদাহরণ। 
-----------------
• ক্ষয়জাত মালভূমি:
- কোনো পার্বত্য অঞ্চল বা উঁচু ভূ-খন্ড নদী, হিমবাহ, বৃষ্টিপাত, বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ভূমির উচ্চতা হ্রাস পেয়ে প্রায় সমতল ভূমিতে পরিণত হলে তাকে ক্ষয়জাত মালভূমি বলে।  
- মূলত এই মালভূমি পুরাতন উঁচু ভূ-ভাগ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে সৃষ্টির ফলে শিলার প্রকৃতি এর বন্ধুরতা নিয়ন্ত্রণ করে।
- উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ইউরোপের ক্যালিডোনিয়ান পর্বতশ্রেণি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ফিজেন্ড মালভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
----------- 
অন্যদিকে,
• চ্যুতি মালভূমি:
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠে কোনো বিস্তৃত স্থান চ্যুতির সৃষ্টি হয়ে কোনো এলাকার বিরাট অংশ অসমানভাবে উপরে উঠে গিয়ে যে ভূমির সৃষ্টি করে তাকে চ্যুতি মালভূমি বলে। 
- মূলত ভূ-আন্দোলনজনিত এবং পাত সঞ্চালনজনিত কারণে এই ধরনের মালভূমি সৃষ্টি হয় যা চ্যুতি সৃষ্টির কারণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- যেমন-স্পেনের মেসেটা।

• পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি:
- সংকোচনজনিত চাপের কারণে ভঙ্গিল পর্বতের মাঝে এ ধরনের মালভূমি সৃষ্টি হয়।
- যেহেতু ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হওয়ার সময় পবর্তদ্বারা বেষ্টিত নিম্নস্থানসমূহ উঁচু হয়ে এই মালভূমি সৃষ্টি করে সেহেতু এ ধরনের মালভূমিকে পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি বলে।
- এ ধরনের মালভূমির উচ্চতা সাধারণত ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
- যেমন- তিব্বতের মালভূমি।

• 
আগ্নেয় মালভূমি:
- অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ভূ-ত্বকের কোনো ফাটল বা আগ্নেয়গিরির ছিদ্র পথে ভূ-গর্ভ হতে লাভা প্রবাহ ভূ-পৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ে এবং শীতলীকরণ প্রক্রিয়ায় ঠান্ডা হয়ে কঠিন অবস্থা ধারণ করে যে ভূমির সৃষ্টি হয় তাকে আগ্নেয়জাত মালভূমি বলে। 
- যেমন- ভারতের দাক্ষিণাত্য মালভূমি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,২৯০.
বায়ুমণ্ডলে আর্গনের শতকরা পরিমাণ কত?
  1. o.০৮%
  2. o.৮০%
  3. o.০০৩%
  4. o.০০১%
সঠিক উত্তর:
o.৮০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
o.৮০%
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের উপাদান:
- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয় বাষ্পের সংমিশ্রণে গঠিত।
- বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন (২০.৭১%), যা মোট উপাদানগুলোর প্রায় ৯৯%। অবশিষ্ট ১% অন্যান্য উপাদান।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলো প্রায় একই রকম থাকে যা সমমণ্ডল (Homosphere) নামে পরিচিত।
- আর ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন এই ৯০ কিলোমিটারের ঊর্ধ্বে বায়ুমণ্ডলের যে অংশ রয়েছে সেখানে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত সমান থাকে না বলে তাকে বিষমমণ্ডল (Heterosphere) বলে।

বায়ুমণ্ডলের উপাদান ও এর শতকরা সংযুক্তি:
১. নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২%,
২. অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১%,
৩. আর্গন ⇒ o.৮০%,
৪. কার্বন ডাই-অক্সাইড ⇒ ০.০৩%,
৫. ওজোন ⇒ ০.০০০১%,
৬. অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯%,
৭. জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১% এবং
৮. ধূলিকণা ও কনিকা ⇒ ০.০১%।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৯১.
খার দুং পাস কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কোরিয়ায়
  2. খ) পাকিস্তানে
  3. গ) ভারতে
  4. ঘ) চীনে
সঠিক উত্তর:
গ) ভারতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভারতে
ব্যাখ্যা
- ১৮,৩৭৫ ফুট উঁচুতে অবস্থিত, খার দুং লা বিশ্বের সবচেয়ে উঁচুতে মোটরচালিত রাস্তা। 
- ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য, জম্মু ও কাশ্মীরের লাদাখ অঞ্চলে এর অবস্থান। 
- উত্তরে কারাকোরাম রেঞ্জের মধ্যে এটি একটি উঁচু পর্বতের পাস।
- খারদুং লা, তিব্বতি ভাষায়, লা মানে পাস।
- পাসটি পর্বতকে ঘিরে রাস্তাগুলি উপস্থাপন করে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১,২৯২.
বাংলাদেশের প্রমাণ সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা কত ঘণ্টা অগ্রগামী?
  1. ক) ৭ ঘন্টা
  2. খ) ৬ ঘন্টা
  3. গ) ৯ ঘন্টা
  4. ঘ) ৮ ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ ঘন্টা
ব্যাখ্যা
▪ যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময় অপেক্ষা বাংলাদেশের সময় ৬ ঘন্টা বেশি
▪ পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
▪ সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০×৪=৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,২৯৩.
নিচের কোনটি মানব-সৃষ্ট দুর্যোগের উদাহরণ?
  1. অগ্ন্যুৎপাত
  2. ভূমিকম্প
  3. যুদ্ধ
  4. ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাপী দুর্যোগসমূহের প্রকারভেদ:
- পৃথিবীর যে কোনো দেশে দুই ধরনের দুর্যোগ সংঘটিত হয়।
যেমন:
ক) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও
খ) মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ।

১. প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। যেমন: অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি।

২. মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ বলতে মানব কর্মকান্ডের ফলে সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। যেমন: জলাবদ্ধতা, অগ্নিকান্ড, রাসায়নিক দূষণ, যুদ্ধ ইত্যাদি। 

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম - ১০ম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৯৪.
কালবৈশাখী ঝড় কোথায় আঘাত হানে?
  1. নদীতে
  2. ফসলি জমিতে
  3. সমুদ্রে
  4. ভূমিতে
সঠিক উত্তর:
ভূমিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিতে
ব্যাখ্যা

কালবৈশাখী ঝড়:
- বাংলাদেশে বৈশাখ মাসের শেষের দিকে এ ঝড় হতে দেখা যায় বলে একে কালবৈশাখী ঝড় বলে।
- কালবৈশাখী ঝড় বায়ুপ্রবাহ ও ভারী বৃষ্টিপাতের সাথে সংঘটিত হয়।
- কালবৈশাখী ঝড় ভারী বৃষ্টিপাত ও বজ্রসহ ভূ-পৃষ্ঠের উপর আঘাত হানে।
- সাধারণ বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠের প্রবল গরমের সময় কালবৈশাখী ঝড় হয় বাংলাদেশে।
- কাল শব্দের অর্থ ধ্বংস এবং বৈশাখ মাসে উৎপত্তি হয় বলে একে কালবৈশাখী নামে অভিহিত করা হয়।
- কালবৈশাখী ঝড় উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয় বলে একে ইংরেজিতে নরওয়েস্টার বলা হয়।
- এই ঝড়ের গতিবেগ ৫৫ থেকে ৮০ কি. মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আগত শীতল ও শুষ্ক বায়ু এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আগত উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুর সংঘর্ষে সাধারণত কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হয়। 
- মার্চ-এপ্রিল মাসে সন্ধ্যার দিকে আকাশ হঠাৎ কালো মেঘে ঢেকে বজ্রবিদ্যুৎসহ প্রবল ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হয়।
- অনেক সময় বৃষ্টিপাতের সাথে শিলাবৃষ্টিও হয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ১ম ও ২য় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৯৫.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি পাওয়া যায়-
  1. ক) ১৯৯১ সালে
  2. খ) ১৯৯৩ সালে
  3. গ) ১৯৯৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা

- পানীয় জলের জন্য বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ নির্ভর করে অগভীর নলকূপের পানির উপর।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১৯৯৩ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি আবিষ্কৃত হয়।
- পানি থেকে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক দূর করার কাজে সোনো আর্সেনিক ফিল্টার ব্যবহার করা হয়। ২০০৬ সালে বাংলাদেশী বিজ্ঞানী অধ্যাপক আবুল হুসসাম দেশজ উপাদান ব্যবহার করে সোনো ফিল্টার আবিষ্কার করেন।
- এই আবিষ্কারের জন্য তিনি 'আউটস্ট্যান্ডিং আমেরিকান বাই চয়েস' পুরস্কার লাভ করেন।

১,২৯৬.
দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল কোথায় অবস্থিত? 
  1. আদিতমারী, লালমনিরহাট
  2. পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
  3. কালীগঞ্জ, লালমনিরহাট
  4. হাতীবান্ধা, লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল:
- লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল ছিল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
- এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল,
- যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- পাকিস্তান আমল পেরিয়ে বাংলাদেশ আমল পর্যন্ত তিন বিঘা হস্তান্তর প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের অনেক বৈঠক এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয় এবং ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ আগস্ট এখানে ইউনিয়ন পরিষদের শুভ উদ্বোধন ঘটে।
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,২৯৭.
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে কোনটি ঘটে?
  1. জনসংখ্যা বৃদ্ধি
  2. খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস
  3. গাছপালা বৃদ্ধি
  4. কল-কারখানা বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস
ব্যাখ্যা
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে  খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ঘটে থাকে। 

জলবাযু পরিবর্তন প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের আবহাওয়ার ধরন দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে।
- সঠিকভাবে কোনো ঋতুতেই আমরা প্রকৃতির কাছ থেকে স্বাভাবিক আচরণ পাচ্ছি না।
- বৃষ্টির সময় অনাবৃষ্টি, খরার সময়ে বৃষ্টি, শীতের সময়ে গরম আবহাওয়া এবং গরমের ভিন্নধর্মী আবহাওয়া ইত্যাদিই জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব।
- এছাড়াও এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠা, বন্য জীবজন্তুর সংখ্যা কমে যাওয়া, লোনা পানির প্রবেশ ঝুঁকি বৃদ্ধি, অসময়ে জলোচ্ছ্বাসের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, সুপেয় পানি দূষণ, বনাঞ্চল ধ্বংস, বাস্তুসংস্থানের উপর হুমকি, খরা বৃদ্ধি, বন্যা ও লবনাক্ততা দ্বারা ফসলি জমির ক্ষতি ইত্যাদিও এই জলবায়ু পরিবর্তনেরই প্রভাব।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৯৮.
'ইরাটম-২৪' কী?
  1. ক) উন্নত জাতের ধান
  2. খ) উন্নত জাতের গম
  3. গ) উন্নত জাতের ভুট্টা
  4. ঘ) উন্নত জাতের ইক্ষু
সঠিক উত্তর:
ক) উন্নত জাতের ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উন্নত জাতের ধান
ব্যাখ্যা
ইরাটম-২৪ হলাে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল একটি ধানের জাত।
বােরাে ও আউশ উভয় মৌসুমে এটি চাষ করা যায়।
ধানের অন্যান্য জাতের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির ব্রি, ইরি ও বিনা ধান, ময়না, কালিজিরা ইত্যাদি উল্লেখযােগ্য।

সূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট ও কৃষিশিক্ষা বাের্ডবই
১,২৯৯.
'দুর্গম চর' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মাদারগঞ্জ
  2. খ) পরশুরাম
  3. গ) সন্দ্বীপ
  4. ঘ) রামগতি
সঠিক উত্তর:
ক) মাদারগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মাদারগঞ্জ
ব্যাখ্যা
দুর্গম চর জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জে অবস্থিত। মুহুরীর চর ফেনী জেলার পরশুরামে অবস্থিত। উড়িরচর চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে অবস্থিত। আর চর আলেকজান্ডার ও চর গজারিয়া লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে অবস্থিত।
১,৩০০.
দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র কোথায় আবিষ্কৃত হয়?
  1. জামালপুর
  2. জয়পুরহাট
  3. দিনাজপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
জয়পুরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়পুরহাট
ব্যাখ্যা
কয়লাক্ষেত্র:
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- এটিতে কয়লার আনুমানিক মজুদের পরিমাণ ১০৫৪ মেট্রিক টন।
- গভীরতা: ৬৪০-১১৫৮ মিটার।
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।
- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।

⇒ দেশের কয়লা খনিসমূহ:
• বড়পুকুরিয়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৫।
• দীঘিপাড়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৯৫।
• ফুলবাড়ী: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৯।
• খালাসপীর: রংপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: বি.এইচ.পি মিনারেলস, ১৯৯৭।
• জামালগঞ্জ, জয়পুরহাট: আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জয়পুরহাট, জিএসবি, ১৯৬২।

উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।