বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ১১ / ৭২ · ১,০০১১,১০০ / ৭,১৯১

১,০০১.
ভারতীয় উপমহাদেশের জলবায়ু ইউরোপের মত শীতল হয় না জলবায়ুর কোন নিয়ামকটির জন্য?
  1. ক) পর্বতের অবস্থান
  2. খ) বনভূমির অবস্থান
  3. গ) সমুদ্র থেকে দূরত্ব
  4. ঘ) সমুদ্রের অবস্থান
সঠিক উত্তর:
ক) পর্বতের অবস্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পর্বতের অবস্থান
ব্যাখ্যা
'পর্বতের অবস্থান (Location of Mountain)' জলবায়ুর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক (Factor)।
উচ্চ পার্বত্যময় এলাকা বায়ুপ্রবাহের পথে বাধা হলে এর প্রভাব জলবায়ুর উপর পরিলক্ষিত হয়৷ যেমন- শীতকালে মধ্য এশিয়ার শীতল বায়ু হিমালয় অতিক্রম করতে পারে না৷ তাই ভারতীয় উপমহাদেশের জলবায়ু ইউরোপের মত তত শীতল নয়৷
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি
১,০০২.
পৃথিবীতে উচ্চচাপ বলয়ের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) তিনটি
  2. খ) চারটি
  3. গ) পাঁচটি
  4. ঘ) সাতটি
সঠিক উত্তর:
খ) চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চারটি
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীতে মোট চাপ বলয়ের সংখ্যা ৭টি।
- এর মধ্যে উচ্চচাপ বলয় চারটি এবং নিম্নচাপ বলয় তিনটি।
এগুলো হলোঃ
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়
- উত্তর মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়
- দক্ষিণ মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়
- কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয়
- মকরীয় উচ্চচাপ বলয়
- উত্তর মেরু উচ্চচাপ বলয় এবং
- দক্ষিণ মেরু উচ্চচাপ বলয়।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল)
১,০০৩.
বাংলাদেশে বছরের কোন সময়ে সাধারণত কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হয়? 
  1. মার্চ-এপ্রিল
  2. এপ্রিল-মে
  3. মে-জুন
  4. অক্টোবর-নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল-মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল-মে
ব্যাখ্যা
• কালবৈশাখী ঝড়:
- কালবৈশাখী ঝড় বাংলাদেশের অতিপরিচিত একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- বাংলাদেশে সাধারণত এপ্রিল থেকে মে (বৈশাখ থেকে জ্যৈষ্ঠ) মাসে কালবৈশাখী ঝড় দেখা দেয়। তবে বৈশাখ মাসেই কালবৈশাখীর প্রকোপ বেশি থাকে।

- এই ঝড়ের গতিবেগ ৫৫ থেকে ৮০ কি. মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আগত শীতল ও শুষ্ক বায়ু এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আগত উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুর সংঘর্ষে সাধারণত কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : সপ্তম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
১,০০৪.
কোন জেলায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি অবস্থিত?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) রংপুর
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
 বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি: 
- এটি দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত।
- এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৫ সালে।
- এর থেকে প্রাপ্ত কয়লা দিয়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

উৎস: দিনাজপুর জেলা ওয়েবসাইট।
১,০০৫.
বাংলাদেশের কোন জেলায় ‘জাদিপাই ঝর্ণা’ অবস্থিত ?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান
  3. সিলেট
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা

- জাদিপাই ঝর্ণাটি অবস্থান হচ্ছে - বান্দরবান জেলায়।

• জাদিপাই ঝর্ণা:
- জাদিপাই ঝর্ণাকে বলা হয় ঝর্ণার রানি। বাংলাদেশের আকর্ষণীয় ঝর্ণাগুলোর একটি জাদিপাই ঝর্ণা।
- আকৃতিতে দেশের সবচেয়ে বড় না হলেও গঠন আর অবস্থানের ভিত্তিতে এ ঝর্ণা অনন্য, অপরূপা। উঁচু পাহাড় আর চার দিকে সবুজের সমারোহ। 
- কেওক্রাডং, জংছিয়া ও জাদিপাই তিন পাহাড়ি ঝিরি একসঙ্গে মিলিত হয়ে জাদিপাই ঝর্ণার সৃষ্টি হয়েছে।
- প্রায় ২০০ ফুট উপর থেকে কালো পাথর বেয়ে স্বচ্ছ পানির ধারা নিচে নেমে আসে। ঝর্ণাটি পরে মিলিত হয়েছে সাঙ্গু নদীর সঙ্গে।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,০০৬.
ভৌগোলিক বৈশিষ্টের ভিত্তিতে নিচের কোন দুর্যোগটি বাংলাদেশে নিয়মিত?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. ভূমিধ্বস
  3. নদীভাঙন
  4. ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর:
নদীভাঙন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদীভাঙন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ: 
• বন্যা,
• খরা,
• ঘূর্ণিঝড়, 
• সুনামি;
• ভূমিধ্বস,
• নদীভাঙন, 
• ভূমিকম্প।  

♣ নদীভাঙন: 

• নদীখাতে পানিপ্রবাহের কারণে পার্শ্ব ক্ষয়কে নদীভাঙন বলে।
• পলিমাটি গঠিত সমভূমি অধ্যুষিত বাংলাদেশে নদীভাঙনে প্রতি বছর প্রচুর ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ধ্বংস হয়।
• অনেক মানুষের জীবনহানি ঘটে।

♣ নদীভাঙনজনিত ক্ষয়ক্ষতি:  
• বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ হওয়ায় নদীভাঙন এ দেশের জন্য নিয়মিত সমস্যা বলা যায়।
• নদীভাঙনের ক্ষতি ব্যাপক আকার ধারণ করে। 
• এ দেশে প্রতি বছর পদ্মা, যমুনা, মেঘনা, তিস্তাসহ প্রায় ৪১০টি নদী-উপনদীতে বন্যা এবং সন্নিহিত নদীতে ভাঙনের ঘটনা ঘটে।
• এ দেশের মানুষ নদীভাঙন নামক দুর্যোগের সঙ্গে কমবেশি জড়িত।
• এর মধ্যে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন লোক প্রত্যক্ষভাবে নদীভাঙনের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
• এদের মধ্যে প্রায় তিন লক্ষ লোক আশ্রয় নেয় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাস্তা এবং বাঁধের উপর।
• অন্যদিকে বাংলাদেশ প্রতি বছর প্রায় ২০০ কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
• এছাড়া প্রতি বছর প্রায় ৮,৭০০ হেক্টর জমি নদীভাঙনে নিঃশেষ হয়ে যায়৷ 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।   
১,০০৭.
ক্লাউডবার্স্ট বলতে কী বোঝায়?
  1. অতি অল্প সময়ে অতি অল্প বৃষ্টিপাত
  2. অতি অল্প সময়ে অতি বেশি বৃষ্টিপাত
  3. দীর্ঘ সময় ধরে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত
  4. দীর্ঘ সময় ধরে অতি বেশি বৃষ্টিপাত
সঠিক উত্তর:
অতি অল্প সময়ে অতি বেশি বৃষ্টিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতি অল্প সময়ে অতি বেশি বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা

মেঘ বিস্ফোরণ (Cloudburst):
- ক্লাউডবার্স্ট হল অল্প সময়ের মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট স্বল্প জায়গায় শিলাবৃষ্টি এবং বজ্রপাত সহ অতি বৃষ্টিপাত।

​⇒ এর ফলে আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধ্বস হতে পারে।
- সাধারণত যখন ১০ বর্গকিলোমিটার (৩.৮৬ বর্গ মাইল) অঞ্চলে এক ঘন্টার মধ্যে ১০ সেন্টিমিটার (৩.৯৪ ইঞ্চি) এর বেশি পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়, তাকে ক্লাউড বিস্ফোরণ বা ক্লাউডবার্স্ট বলে থাকে।
- এটি হিমালয়ান অঞ্চল এবং পার্বত্য এলাকায় বেশি ঘটে থাকে।
- সাধারণত ক্লাউডবার্স্ট বর্ষা ঋতুতে হয়ে থাকে।
- তবে বিশেষজ্ঞদের অনেকের মতে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এর পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

⇒ মেঘ বিস্ফোরণের বৈশিষ্ট্য:
- মেঘ বিস্ফোরণ আকস্মিকভাবে ঘটে এবং খুব কম সময়ের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- এটি সাধারণত খুব ছোট এলাকা জুড়ে ঘটে।
- মেঘ বিস্ফোরণের পরিধি কয়েক বর্গ কিলোমিটারের বেশি হয় না।
- মেঘ বিস্ফোরণের ফলে স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হয়।
- কখনও কখনও এটি এতটাই প্রবল হয় যে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় নদী এবং জলাশয়গুলো পানিতে ভরে যায়, যা বন্যার সৃষ্টি করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।

১,০০৮.
সোনালী প্যাগোডার দেশ বলা হয় কোন দেশকে?
  1. শ্রীলঙ্কা
  2. মিয়ানমার
  3. থাইল্যান্ড
  4. তাইওয়ান
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
সোনালী প্যাগোডার দেশ:
- মিয়ানমারে অসংখ্য সোনালী রঙের প্যাগোডা ও স্তূপ ধর্ম, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের প্রতীক।
- এই বিরল ও বিস্ময়কর স্থাপত্যিক ঐতিহ্যের কারণে দেশটিকে “Land of Golden Pagodas” বলা হয়।

ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।

উৎস: Britannica.com
১,০০৯.
পার্বত্য চট্টগ্রামে সার্কেল বিদ্যমান রয়েছে-
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ৩টি সার্কেল বিদ্যমান রয়েছে। এগুলো হলো:
১) চাকমা সার্কেল (রাঙামাটি),
২) মং সার্কেল (খাগড়াছড়ি) এবং 
৩) বোমাং সার্কেল (বান্দরবান)।

- পার্বত্য চট্টগ্রামের এই ৩ সার্কেল প্রধানরা স্থানীয় পাহাড়ি জনগণের কাছে 'রাজা' হিসেবেই পরিচিত।
- সরকারিভাবে সার্কেল প্রধানদের সার্কেল চীফ বলা হয়। 

উৎসঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১,০১০.
উত্তর আটলান্টিক ও উত্তর-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়কে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. সাইক্লোন
  2. হ্যারিকেন
  3. টাইফুন
  4. উইলি উইলি
সঠিক উত্তর:
হ্যারিকেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যারিকেন
ব্যাখ্যা
হ্যারিকেন:
- উত্তর আটলান্টিক ও উত্তর-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়কে হ্যারিকেন নামে অভিহিত করা হয়
- হ্যারিকেন বড় এবং ঘূর্ণায়মান ঝড়। 
- এটি প্রতি ঘন্টায় ১১৯ কিলোমিটার (৭৪ মাইল প্রতি ঘন্টা) বা উচ্চতর বাতাস তৈরি করে। 
- এটি স্থলভাগের দ্রুততম প্রাণী অর্থাৎ চিতার চেয়ে দ্রুত। 
- হ্যারিকেনের বাতাস ভবন এবং গাছের ক্ষতি করতে পারে।
- উষ্ণ সাগরের জলের উপরে হ্যারিকেন তৈরি হয়।
- একটি হ্যারিকেন থেকে ভারী বৃষ্টি এবং বন্যা হতে পারে।

অন্যদিকে -
- ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়কে সাইক্লোন বলা হয়।
- এশিয়া ও জাপানের উপকূলের ঘূর্ণিঝড়কে টাইফুন বলা হয়।
- অস্ট্রেলিয়ার উপকূলের ঘূর্ণিঝড়কে উইলি উইলি বলা হয়।

উৎস: i) NASA (.gov).
         ii) redcross.org.
১,০১১.
'Line of Control' যে দুটি দেশের সীমান্তে অবস্থিত-
  1. ভারত-বাংলাদেশ
  2. ভারত-পাকিস্তান
  3. উত্তর কোরিয়া-দক্ষিণ কোরিয়া
  4. পাকিস্তান-আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
ভারত-পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত-পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সীমানা:
- ডুরান্ড লাইন - পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- ম্যাকমোহন লাইন - ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা।
- রেডক্লিফ লাইন - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
- লাইন অব ডিমারকেশন - পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব কন্ট্রোল - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল - চীন ও ভারত মধ্যে সীমানা।
- পার্পল লাইন - ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
- সনেরা লাইন - মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যকার সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,০১২.
পৃথিবীর দীর্ঘতম স্বাদু পানির হ্রদের নাম কী?
  1. Lake Tanganyika
  2. Lake Titicaca
  3. Lake Baikal
  4. Lake Victoria
সঠিক উত্তর:
Lake Tanganyika
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lake Tanganyika
ব্যাখ্যা
- দৈর্ঘ্যে বিশ্বের দীর্ঘতম স্বাদু পানির হ্রদ হল টাঙ্গানিকা হ্রদ। 

Lake Tanganyika: 
- টাঙ্গানিকা হ্রদ পূর্ব আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম হ্রদ।
- এটি বিশ্বের দীর্ঘতম স্বাদু পানির হ্রদ (দৈর্ঘ্য প্রায় ৪১০ মাইল বা ৬৬০ কিলোমিটার) এবং রাশিয়ার বৈকাল হ্রদের পর গভীরতার দিক থেকে দ্বিতীয় (৪,৭১০ ফুট বা ১,৪৩৬ মিটার)।
- তুলনামূলকভাবে সরু এই হ্রদের প্রস্থ ১০ থেকে ৪৫ মাইল (১৬ থেকে ৭২ কিলোমিটার) পর্যন্ত এবং এটি প্রায় ১২,৭০০ বর্গমাইল (৩২,৯০০ বর্গকিলোমিটার) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- টাঙ্গানিকা হ্রদ তাঞ্জানিয়া ও কঙ্গো গণপ্রজাতন্ত্রের (ডিআরসি) মধ্যে সীমানায় অবস্থিত।   

অন্যদিকে: 
- Lake Titicaca বিশ্বের উচ্চতম নৌ চলাচলযোগ্য হ্রদ।
- Lake Baikal বিশ্বের গভীরতম। 
- Lake Victoria আফ্রিকার বৃহত্তম হ্রদ।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১,০১৩.
'সেন্দাই ডিক্লারেশন' ঘোষণা করা হয়েছে কোথায়?
  1. ক) দক্ষিণ কোরিয়ায়
  2. খ) মঙ্গোলিয়ায়
  3. গ) জাপানে
  4. ঘ) ইন্দোনেশিয়ায়
সঠিক উত্তর:
গ) জাপানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাপানে
ব্যাখ্যা
• The Sendai Framework for Disaster Risk Reduction (2015 - 30): 
- ১৪ - ১৮ মার্চ ২০১৫ জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের 'দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসবিষয়ক' আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গৃহীত একটি উদ্যোগ।
- দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনে টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করার লক্ষ্য 'সেন্দাই ডিক্লারেশন' ঘোষণা করা হয়েছে।
- পরবর্তী দশ বছরের জন্য এই ঘোষণাপত্র অনুযায়ী জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো তাদের ঝুঁকি নিরসন কর্মকাণ্ড পরিচালনার মাধ্যমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা করবে, এটাই প্রত্যাশা।

সূত্র: UN এর ওয়েবসাইট।
১,০১৪.
মহানন্দা এর উপনদী কোনটি?
  1. নাগর
  2. ট্যাংগন
  3. পুণর্ভবা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
মহানন্দা (Mahananda):
- হিমালয়ের পাদদেশে দার্জিলিং এর নিকটবর্তী মহালড্রীম পর্বত হতে মহানন্দা নদী উৎপত্তি হয়েছে।
- ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে।
- অতঃপর ভারতের পূর্ণিয়া ও মালদহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চাপাইনবাবগঞ্জের নিকট বাংলাদেশে পুনরায় প্রবেশ করে গোদাগাড়ির কাছে পদ্মার সাথে মিলিত হয়েছে।
- নাগর, ট্যাংগন ও পুণর্ভবা এর উপনদী।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০১৫.
ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং স্থানীয় আবহাওয়া এটা কত নাম্বার বিপদ সংকেত?
  1. ক) বিপদ সংকেত ৫
  2. খ) বিপদ সংকেত ৭
  3. গ) মহাবিপদ সংকেত ১০
  4. ঘ) মহাবিপদ সংকেত ১১
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহাবিপদ সংকেত ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহাবিপদ সংকেত ১১
ব্যাখ্যা

৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের অর্থ হলো— প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে। ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের উত্তর দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে (মোংলা বন্দরের বেলায় পশ্চিম দিক দিয়ে)।
১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের অর্থ প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে এবং ঘূর্ণিঝড়টি বন্দরের খুব কাছ দিয়ে, অথবা ওপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।
১১ নম্বর যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার সংকেতের অর্থ হচ্ছে— ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং স্থানীয় আবহাওয়া কর্মকর্তার বিবেচনায় চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
Source:banglatribune

১,০১৬.
সম্প্রতি তুরস্ক ও সিরিয়ার মধ্যবর্তী এলাকায় সংগঠিত হওয়া ভূমিকম্পের মাত্রা কত ছিল?
  1. ক) ৮.৫
  2. খ) ৭.৫
  3. গ) ৭.৬
  4. ঘ) ৭.৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭.৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭.৮
ব্যাখ্যা
-  সম্প্রতি তুরস্ক ও সিরিয়ার মধ্যবর্তী এলাকায় সংগঠিত হওয়া ভূমিকম্প আঘাত হানে ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সালে।
- রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮।
- উৎপত্তিস্থলে এর গভিরতা ছিল ১৭.৯ কিলোমিটার।
-  ভূকম্পনপীড়িত তুরস্কের ১০টি অঞ্চলে ৩ মাসের জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
- ভূকম্পনপীড়িত এলাকাগুলোয় যথাসময়ে যথেষ্ট ত্রাণ না পৌঁছানোয় খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে।
- সেই সঙ্গে রয়েছে তীব্র শীত।
- ক্ষুধা ও শীতে কষ্ট পাচ্ছে অসংখ্য মানুষ।
- পরিস্থিতি এমন যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছে, ভূমিকম্পে যারা বেঁচে গেছে, তাদেরও অনেকে মারা যেতে পারে আশ্রয়, খাবার, সুপেয় পানি ও জ্বালানির অভাবে।
- তুরস্কের সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে—এমন মানুষের সংখ্যা ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি।
- আর সিরিয়ায় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক এল-মোস্তাফা বেনলামিল জানিয়েছেন, দেশটিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এক কোটির বেশি মানুষ।
- সংস্থাটির আশঙ্কা, তুরস্ক ও সিরিয়ার মৃত মানুষের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়াতে পারে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।
১,০১৭.
কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের তীব্রতা পরিমাপে Fujita Scale ব্যবহৃত হয়?
  1. সুনামি
  2. ভূমিকম্প
  3. টর্নেডো
  4. দাবানল
সঠিক উত্তর:
টর্নেডো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টর্নেডো
ব্যাখ্যা

ফুজিতা স্কেল:
- ফুজিতা স্কেল (Fujita Scale), যা F-স্কেল হিসেবেও পরিচিত, এটি টর্নেডোর তীব্রতা এবং ক্ষতির স্তরের জন্য ব্যবহৃত একটি স্কেল।
- ১৯৭১ সালে জাপানি আবহাওয়াবিদ তাতসুয়া থিওডোর ফুজিতা (Tetsuya Theodore Fujita) এটি তৈরি করেছিল।
- এই স্কেলটি টর্নেডোর শক্তি এবং তার ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি অনুযায়ী শ্রেণিবদ্ধ করে।
- ফুজিটা স্কেল বাতাসের শক্তি এবং ক্ষতির ক্ষয়ক্ষতি স্থাপনের চেষ্টা করে।
- ফুজিটা স্কেলে টর্নেডোগুলিকে F0 থেকে F5 পর্যন্ত শ্রেণিবদ্ধ করা হয়, যেখানে F0 হলো সবচেয়ে দুর্বল এবং F5 হলো সবচেয়ে শক্তিশালী। 


⇒ টর্নেডো:
- টর্নেডো এক ধরনের ঝড়, যা বায়ুস্তম্ভের আকারে সৃষ্ট প্রচণ্ড বেগে ঘূর্ণায়মান ঝড় যা মেঘ (সাধারণত কিউমুলোনিম্বাস, ক্ষেত্রবিশেষে কিউমুলাস) এবং পৃথিবীপৃষ্ঠের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- টর্নেডোর আকৃতি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এটি দৃশ্যমান ঘনীভূত ফানেল আকৃতির হয়, যার চিকন অংশটি ভূপৃষ্ঠকে স্পর্শ করে এবং এটি প্রায়শই বর্জ্যের মেঘ দ্বারা ঘিরে থাকে।
- সাধারণত কোন স্থানে নিম্নচাপ বা লঘুচাপ সৃষ্টি হলে ওই স্থানের উষ্ণ বাতাস উপরের দিকে উঠে যায় এবং তখন ওই শূন্য জায়গা পূরণের জন্য চারদিকের শীতল বাতাস দ্রুত বেগে ধাবিত হয়।
- কালবৈশাখীর মতো এভাবেই টর্নেডোর উৎপত্তি হয়। তবে কালবৈশাখীর মতো বজ্রঝড়ের সাথে আবহাওয়ার আরও কিছু উপাদান যোগ হয়ে তৈরি হয় এ টর্নেডো।
- এটি মূলত স্থলভাগে তৈরি হওয়া একটি বায়ুচাপ যা প্রচণ্ড বেগে ঘুরতে থাকে এবং খুব স্বল্প সময়ের জন্য সক্রিয় থাকে।
- টর্নেডোর বায়ুপ্রবাহ হচ্ছে ঘূর্ণন এবং বাতাসের প্রচণ্ড গতিবেগের জন্যই এর ধ্বংসক্ষমতা অনেক বেশি।
- বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টর্নেডো দেখতে সরু ফানেলের মতো হয়, যার চিকন অংশটি ভূমি স্পর্শ করে। যদিও টর্নেডো বিভিন্ন আকার কিংবা আকৃতির হতে পারে।
- শীতের শেষ থেকে বর্ষার শুরু এই সময়টাতেই টর্নেডো হানা দেয় বেশি। কয়েক সেকেন্ড থেকে শুরু করে এক ঘণ্টা পর্যন্ত। তবে অধিকাংশই স্থায়ী হয় মিনিট দশেক।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঞ্চলে টর্নেডো বেশি হয়ে থাকে।
- অনেক সময় একটি টর্নেডো থেকে একাধিক টর্নেডো তৈরি হতে পারে যাকে টর্নেডো পরিবার বলা হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) Britannica.

১,০১৮.
তালিবাবাদ ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) মুন্সিগঞ্জ
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
খ) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি। বেতবুনিয়া (রাঙ্গামাটি), ১৯৭৫; তালিবাবাদ (গাজীপুর), ১৯৮২; মহাখালী (ঢাকা), ১৯৯৫ এবং সিলেট, ১৯৯৭।
[সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ]
১,০১৯.
বাংলাদেশের চারপাশে অবস্থানকারী প্রধান টেকটোনিক প্লেটগুলোর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ইউরেশীয় প্লেট 
  2. বার্মা প্লেট
  3. ভারতীয় প্লেট
  4. প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের আশপাশে অবস্থিত প্রধান টেকটোনিক প্লেটগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট
- বাংলাদেশের অবস্থান ভারতীয় টেকটোনিক প্লেটে।
- এই প্লেটের দুপাশে রয়েছে ইউরেশীয় প্লেট ও বার্মিজ সাব-প্লেট।

• টেকটোনিক প্লেট:
- ভূতাত্ত্বিক মতবাদ অনুসারে ভূত্বক প্রধানত সাতটি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত, যেগুলি নিম্নস্থ ভ্রাম্যমান উষ্ণ গুরুমন্ডলীয় পদার্থের ওপর ভাসছে। 
- প্লেটের বিচলন (movement) ও পারস্পরিক ক্রিয়া ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, পর্বত সৃষ্টি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য ভূতাত্ত্বিক ঘটনাবলীর নিয়ন্ত্রক বলে ধারণা করা হয়। 

উল্লেখ্য,
- ভৌগোলিক দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ভূমিকম্প-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায়। 
- দেশের ভেতরে ও সীমানা ঘিরে বিধ্বংসী ভূমিকম্পের উৎপত্তি হওয়ার মতো একাধিক ফাটলরেখা (টেকটোনিক প্লেট বাউন্ডারি চ্যুতি বা পিবিএফ) রয়েছে। 
- বাংলাদেশের অবস্থান ভারতীয় টেকটোনিক প্লেটে।
- এই প্লেটের দুপাশে রয়েছে ইউরেশীয় প্লেট ও বার্মিজ সাব-প্লেট।
- বাংলাদেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও পূর্বে ওই দুটি প্লেটের প্রান্তসীমা।
-এই প্লেটগুলোর প্রান্তবর্তী অধিকাংশ ফাটলরেখাই বাংলাদেশ ভূখণ্ডের ভেতরে কিংবা সংলগ্ন এলাকায়।
- ফলে এসব ফাটলরেখায় বড় কোনো ভূমিকম্পের সৃষ্টি হলে দেশের মধ্যে তার প্রভাব বিধ্বংসী হবে। 

তথ্যসূত্র: i) বাংলাপিডিয়া। 
ii) প্রথম আলো।

১,০২০.
In Bangladesh, Which is the highest source of producing energy?
  1. ক) Oil
  2. খ) Gas
  3. গ) Coal
  4. ঘ) Diesel
সঠিক উত্তর:
খ) Gas
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Gas
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস: 
গ্যাস - ৫১.৩৫%
ফার্নেস অয়েল - 27.86%
কয়লা - ৮.০১% 
ডিজেল – ৫.৮৫%
 বিদ্যুৎ আমদানি – ৫. 26%
জলবিদ্যুৎ – ১.০৪%
নবায়নযোগ্য জ্বালানি - ১.০৪%

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,০২১.
নিচের কোনটি লালমাই পাহাড়ের গড় উচ্চতা?
  1. ২১ মিটার
  2. ২৫ মিটার
  3. ৩০ মিটার
  4. ৩৫ মিটার
সঠিক উত্তর:
২১ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ মিটার
ব্যাখ্যা

• লালমাই পাহাড়:
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এর আয়তন ৩৪ বর্গকিমি।
- গড় উচ্চতা ২১ মিটার।
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এটি প্লাইস্টোসিনকালের বা প্রায় ২৫ হাজার বছর আগে গঠিত একটি ভূমিরূপ।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০২২.
এশিয়ার কোন অঞ্চলে সারা বছর পরিচলন বৃষ্টি হয়?
  1. থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরে
  2. জাপান ও ভারতে
  3. মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায়
  4. নেপাল ও বাংলাদেশে
সঠিক উত্তর:
মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায়
ব্যাখ্যা
পরিচলন বৃষ্টি:
- ভূ-পৃষ্ঠের বায়ু উষ্ণ হলে জলীয়বাষ্প সম্পন্ন হালকা বায়ু উপরে উঠে যায়।
- এ সময়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে নিচে নেমে আসে।
- এই বৃষ্টিপাতকে বলা হয় পরিচলন বৃষ্টিপাত। 
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় কারণ এসব এলাকার ঊর্ধ্বগামী বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় সারা বছরই বিকেলে ও সন্ধ্যায় এ ধরনের বৃষ্টি হয়।
- নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়।

উল্লেখ্য,
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের অবস্থান:
- দক্ষিন আমেরিকার উত্তর পূর্ব উপকূল ও আমাজান নদীর অববাহিকা, ইকুয়েডর, কলম্বিয়ার দক্ষিনাংশ, পেরুর উত্তর পশ্চিমাঞ্চল; মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের আয়ন বায়ু পুষ্ট পানামার নিকারাগুয়া, হন্ডুরাস ও কোষ্টারিকা; আফ্রিকার কঙ্গো নদীর অববাহিকা ও গিনির উপকূলীয় অঞ্চল ক্যামেরুন, গ্যাবন, লাইবেরিয়া, আইভরিকোষ্ট, টাঙ্গানিকা, কেনিয়া; দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রনাই এবং ফিলিপাইনের দক্ষিণ দ্বীপপুঞ্জ অঞ্চলে এ জলবায়ু দেখা যায়।
- এশিয়ার সারা বছর পরিচলন বৃষ্টি হয় মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় অঞ্চলে।

উৎস: i) ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০২৩.
বাংলাদেশের বাৎসরিক বৃষ্টিপাতের কতখানি বর্ষাকালে হয়ে থাকে?
  1. দুই-পঞ্চমাংশ
  2. তিন-পঞ্চমাংশ
  3. চার-পঞ্চমাংশ
  4. সম্পূর্ণ অংশ
সঠিক উত্তর:
চার-পঞ্চমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার-পঞ্চমাংশ
ব্যাখ্যা
মৌসুমি বায়ু:
- মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- জুন মাসের প্রারম্ভে বঙ্গোপসাগর থেকে আগত উষ্ণ ও আর্দ্র দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় বাধাপ্রাপ্ত হলে বৃষ্টিপাত হয়।
- জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশের সর্বত্র মৌসুমি বায়ু দ্বারা বৃষ্টিপাত ঘটে এবং তখনই এখানে বর্ষাকাল।
- বর্ষাকালীন সময়ে বৃষ্টিপাতের সঙ্গে প্রায়ই নিম্নচাপ (Depression) বা ঘূর্ণিবাতের (Cyclone) সংযোগ থাকে।
- বাৎসরিক বৃষ্টিপাতের চার-পঞ্চমাংশ বর্ষাকালে হয়ে থাকে
- মেঘাচ্ছন্ন আকাশ ও অধিক বৃষ্টিপাতের জন্য বর্ষাকালে তাপমাত্রা গ্রীষ্মকাল অপেক্ষা কম থাকে।
- মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল। এপ্রিল উষ্ণতম মাস।
- কিন্তু সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাপমাত্রার বিশেষ কোনো পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় না।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,০২৪.
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা কত নটিক্যাল মাইল?
  1. ১৫ নটিক্যাল
  2. ১২ নটিক্যাল
  3. ১০ নটিক্যাল
  4. ১৪ নটিক্যাল
সঠিক উত্তর:
১২ নটিক্যাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ নটিক্যাল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমানা (Boundary):
- বাংলাদেশের তিনদিকের স্থলভাগ ভারত এবং মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত এবং দক্ষিণে অবস্থিত বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর।
- এ দেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কুচবিহার জেলা এবং আসাম ও মেঘালয় রাজ্য, পূর্বে  আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমার অবস্থিত।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।

অন্যদিকে,
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার।
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০২৫.
নিচের কোন দেশে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিদ্যমান নয়?
  1. ভারত
  2. সিঙ্গাপুর
  3. পেরু
  4. ফিলিপাইন
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় জলবায়ু:
- পৃথিবীর জলবায়ুর পাথর্য্যের জন্য সূর্যের অবস্থান একটি বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।
- কারণ তাপমাত্রা প্রাপ্তির ধরনের উপর আবহাওয়া ও জলবায়ুর প্রকৃতির পার্থক্য তৈরি হয়।
- নিরক্ষরেখায় অবস্থানকারী দেশসমূহ এবং এই নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থানরত দেশসমূহে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিরাজমান বলে একে বলা হয় নিরক্ষীয় জলবায়ু।

অবস্থান ও দেশসমূহ:
- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫০ অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
- সূর্যের উত্তরায়ন ও দক্ষিণায়নের ফলে এ অঞ্চলে দুইবার মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা দেখা যায়।
- কোনো কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার উত্তর ও দক্ষিণে ১০০ অক্ষাংশের সীমা পর্যন্ত নিরক্ষরেখা বিস্তৃত।
- বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন- মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০২৬.
প্লবতা বেশি -
  1. ক) পুকুরের পানির
  2. খ) সমুদ্রের পানির
  3. গ) নদীর পানির
  4. ঘ) সুইমিংপুলের পানির
সঠিক উত্তর:
খ) সমুদ্রের পানির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সমুদ্রের পানির
ব্যাখ্যা
- নদীর পানি অপেক্ষা সমুদ্রের পানিতে প্লবতা বেশি হওয়ায় সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ।
- প্লবতা প্রবাহীর ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে (সমানুপাতিক)। 
- নদীর পানির তুলনায় সমুদ্রের পানির ঘনত্ব কিছু বেশি। 
- তাই সাঁতার কাটার সময় নদীর পানির তুলনায় সমুদ্রের পানিতে বেশি উর্ধ্বমুখী বল পাওয়া যায়। 
- এ কারণে নদীর পানি অপেক্ষা সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ।
 
উৎস : কালের কণ্ঠ 
১,০২৭.
মিয়ানমার বাংলাদেশের কোন দিকে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ পশ্চিম
  2. দক্ষিণ পূর্ব
  3. উত্তর পূর্ব
  4. উত্তর পশ্চিম
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ পূর্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ পূর্ব
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্ত:
- মিয়ানমার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে বিভক্তকারী নদীর নাম নাফ নদী।
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমানা রেখা মিয়ানমারের পশ্চিমে অবস্থিত।
- সীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য ২৮০ কিলোমিটার (১৭০ মাইল)।
- মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের তিনটি জেলার স্থল সীমান্ত আছে।
- তিনটি হলো: রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী  মিয়ানমারের প্রদেশ - রাখাইন।
- মংডু হলো বাংলাদেশের কক্সবাজার সীমান্তে মিয়ানমারের একটি জেলা শহর।
- নাফ নদের মাধ্যমে মংডু ও বাংলাদেশের টেকনাফ শহর আলাদা হয়ে আছে।

উৎস: Britannica.
১,০২৮.
'হায়লি গুব্বি' আগ্নেয়গিরি কোথায় অবস্থিত?
  1. ইথিওপিয়া
  2. নেপাল
  3.  জাপান
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইথিওপিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথিওপিয়া
ব্যাখ্যা

• হায়লি গুব্বি:
- ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবা থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে আফার অঞ্চলে অবস্থিত হায়লি গুব্বি নামের আগ্নেয়গিরিটি অবস্থিত।
- এটি প্রায় ১২ হাজার বছর ধরে নিষ্ক্রিয় ছিল

উল্লেখ্য,
- ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলে দীর্ঘকাল ধরে সুপ্ত থাকা একটি আগ্নেয়গিরিতে গত ২৪ নভেম্বর, ২০২৫ সালে অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে।
- এই অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট ছাইয়ের বিশাল মেঘ লোহিত সাগর পেরিয়ে ইয়েমেন, ওমান ও এমনকি ভারতের কিছু অংশেও ছড়িয়ে পড়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১,০২৯.
ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী 'বরেন্দ্রভূমি' কোন যুগের উচু ভূমি?
  1. টারশিয়ারি যুগের
  2. প্লাইস্টোসিনকালের
  3. সাম্প্রতিককালের
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের
ব্যাখ্যা
ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী 'বরেন্দ্রভূমি' প্লাইস্টোসিনকালের উচু ভূমি।

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

• বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

• মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

• লালমাই পাহাড়:
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার।
- গড় উচ্চতা ২১ মিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩০.
ভূমিক্ষয়ের একটি কারণ কোনটি?
  1. ঝড়
  2. টাইফুন
  3. বায়ুপ্রবাহ
  4. প্রবল বাতাস
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুপ্রবাহ
ব্যাখ্যা

বায়ু প্রবাহের প্রভাবসমূহ:
- বায়ুমন্ডলে নানা রকম গ্যাসীয় উপাদান ও অন্যান্য উপাাদনসমূহের ঘনত্বের সমন্বয়ে বায়ু একটি অনন্য প্রাকৃতিক শক্তি।
- বায়ুপ্রবাহের নানা গতি ও প্রকৃতির জন্য প্রবল বাতাস, ঝড়, হারিকেন, টাইফুন, হাওয়া, বজ্রঝড় ইত্যাদি আবহাওয়ার অবস্থা দৃশ্যমান হয়।
- বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, ঘনত্ব ইত্যাদির কারণে বায়ুপ্রবাহ প্রভাবিত হয়।
- ক্ষমতাকেও এই বায়ুপ্রবাহ প্রভাবিত করে। যেমন- উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্র হাওয়া ও ভূমির তাপ শোষণ ক্ষমতায় বায়ু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রণের কাজ করে।
- বায়ুপ্রবাহের কারণে নানারকম নৌযান, আকাশযান, যুদ্ধবিমান, মহাকাশযান পরিবহনের গতি নির্ধারিত হয়।
- বায়ুপ্রবাহের শক্তি দ্বারাই বায়ু ঘূর্ণনযন্ত্র চালিত হয়, ফলে পৃথিবীব্যাপি বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে।
- বায়ুপ্রবাহের কারণেই বেশ কিছু জনপ্রিয় খেলা যেমন-ঘুড়ি ওড়ানো, স্নোকাইটিং, ঘুড়ি সাফিং ইত্যাদি সারা পৃথিবীতে প্রচলিত রয়েছে।
- এছাড়াও শুষ্ক আবহাওয়ায় ভূমিক্ষয়ের একটি বড় কারণ হলো বায়ুপ্রবাহ। বায়ুপ্রবাহের প্রভাবেই ছোট বালুকণা ও ধূলিকণা বায়ুসঞ্চালন দ্বারা একস্থান থেকে আরেক স্থানে প্রবাহিত হয়।

তথ্যসূত্র - ভুগোল ও পরিবেশ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৩১.
নাফ নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?
  1. সিকিম
  2. আরাকান
  3. দার্জিলিং
  4. আসাম
সঠিক উত্তর:
আরাকান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরাকান
ব্যাখ্যা
• নাফ নদী (Knaf):
- নাফ নদীর উৎপত্তি স্থল মিয়ানমার।
- আরাকান ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের অন্যান্য পাহাড় থেকে উৎসারিত নাফ নদী বঙ্গোপসাগরে এসে পড়েছে।
- এ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমার সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নাফ নদীর মোহনা অত্যন্ত প্রশস্ত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণতম উপজেলা টেকনাফ নাফ নদীর ডান তীরে অবস্থিত।
- মায়ানমারের আকিয়াব বন্দর নাফ নদীর বাম তীরে অবস্থিত। 

বিভিন্ন নদীর উৎপত্তিস্থল:

- পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল গঙ্গা নামে হিমালয় পর্বতের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ।
- মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল আসামের লুসাই পাহাড়।
- যমুনা নদীর উৎপত্তিস্থল ব্ৰহ্মপুত্ৰ নামে কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ।
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল মিজোরামের লুসাই পাহাড়।
- করতোয়া নদীর উৎপত্তিস্থল সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল।
- সাঙ্গু নদীর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড়।
- হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল খাগড়াছড়ির বাদানাতলী পর্বতশৃঙ্গ।
- মহানন্দা নদীর উৎপত্তিস্থল মহালড্রীম, দার্জিলিং।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩২.
উত্তর ভারত মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ চালু হয় কবে থেকে?
  1. ১৯৯৪ সাল
  2. ২০০১ সাল
  3. ২০০৪ সাল
  4. ২০০৯ সাল
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সাল
ব্যাখ্যা
- উত্তর ভারত মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ চালু হয় ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার অধীন The WMO/ESCAP Panel on Tropical Cyclones আবর সাগর ও বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়সমূহের নামকরণ করে থাকে।
- এই প্যানেলে বর্তমানে বাংলাদেশসহ ১৩টি দেশ রয়েছে। প্রতিটি দেশ প্রদত্ত ১৩টি করে মোট ১৬৯টি নামের তালিকা থেকে দেশ অনুযায়ী ক্রম অনুসারে নামকরণ করা হয়।
(তথ্যসূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা ওয়েবসাইট)
১,০৩৩.
বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় আইলা কবে সংঘটিত হয়?
  1. ক) ২০০৭
  2. খ) ২০০৯
  3. গ) ২০১০
  4. ঘ) ২০১১
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৯
ব্যাখ্যা
১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষের প্রাণহানী হয়েছে। ২০০৭ ও ২০০৯ সালে সংঘটিত ঘূর্ণিঝড় সিডর এবং আইলাতে যথাক্রমে ১০ হাজার এবং ৭ হাজার মানুষের প্রাণহানী হয়েছিলো।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১,০৩৪.
কোনটি ওজনস্তরের সুরক্ষার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) কার্টাগেনা প্রোটোকল
  2. খ) ভিয়েনা কনভেনশন
  3. গ) কিয়োটো প্রোটোকল
  4. ঘ) বাসেল কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
খ) ভিয়েনা কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভিয়েনা কনভেনশন
ব্যাখ্যা
১৯৮৫ সালের ২২ মার্চ অস্ট্রিয়ার ভিয়েনাতে জাতিসংঘের উদ্যোগে ওজনস্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ে ভিয়েনা কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়। এটি ১৯৮৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর কার্যকর হয়। মন্ট্রিয়াল প্রোটোকলও (১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭) ওজনস্তর বিষয়ক আরেকটি প্রোটোকল। কার্টেগেনা প্রোটোকল জৈব নিরাপত্তা, বাসেল কনভেনশন বিপজ্জনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং কিয়োটো প্রোটোকল উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণজনিত।(সূত্রঃ ইউএন ওয়েবসাইট)
১,০৩৫.
বিশ্বের বৃহত্তম বইমেলা অনুষ্ঠিত হয় কোথায়?
  1. ক) শিকাগো
  2. খ) ফ্রাঙ্কফুর্ট
  3. গ) ডানজিগ
  4. ঘ) কর্ডোবা
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রাঙ্কফুর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রাঙ্কফুর্ট
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের বৃহত্তম বইমেলা অনুষ্ঠিত হয় জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে।
- প্রতি বছর অক্টোবর মাসে বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৫০০ বছর ধরে ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা আয়োজিত হয়ে আসছে।
(তথ্যসূত্র: ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট)
১,০৩৬.
ব্রহ্মপুত্র নদ কোন জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. দিনাজপুর
  2. লালমনিরহাট
  3. কুড়িগ্রাম
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন নদীর প্রবেশ পথ:
- পদ্মা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী জেলার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- মেঘনা ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী সিলেট সীমান্তে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- যমুনা ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের একাট শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- করতোয়া নদী পঞ্চগড় জেলার ভিটগড়ের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- মহানন্দা নদী পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে।
- কর্ণফুলী নদী রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- সাঙ্গু নদী বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- ফেনী নদী ফেনী জেলার পূর্ব সীমানা দিয়ে প্রবেশ করে সন্দ্বীপ প্রণালির উত্তরে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নাফ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমারের সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩৭.
ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত
  2. ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সমুদ্রপৃষ্ঠে ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন হয়
  3. ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু শীতল ও আর্দ্র থাকে
  4. ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু আবর্তনের কেন্দ্রকে চোখ বলা হয়
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু শীতল ও আর্দ্র থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু শীতল ও আর্দ্র থাকে
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone।
- এটি গ্রিক শব্দ Kyklos থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- যার অর্থ কুণ্ডলি পাকানো সাপ।
- বিজ্ঞানী হেনরি পিডিংটন ১৮৪৮ সালে প্রথম এ শব্দটি ব্যবহার করেন।
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে।

⇒ ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু আবর্তনের কেন্দ্রকে চোখ বলা হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে বড় প্রভাব ঘটে আবহাওয়াতে।
- ঘূর্ণিঝড় শুরু হওয়ার আগে বায়ু শান্ত, উষ্ণ ও আর্দ্র থাকে।
- ঘূর্ণিঝড়ের মূল অংশ যখন আসে তখন প্রবল ঝড়ো হাওয়া ও ঘন মেঘসহ মুষলধারে বৃষ্টি হয়।
- আর কেন্দ্রের ভিতরে অবস্থানকারী চোখ শান্ত আবহাওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।
- ঘূর্ণিঝড়ের পশ্চাৎভাগে পৌঁছানোর পর আবারও ঘন মেঘ, বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হয়।
- এ সময় বায়ু অগ্রবর্তী ঘূর্ণিঝড়ের বিপরীত দিক থেকে প্রবাহিত হয়।

⇒ ঘূর্ণিঝড়ের বৈশিষ্ট্য:
- সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
- মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের ভেতরে এবং উপরের দিকে খাড়া হয়ে মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
- উর্দ্ধস্তরের বায়ু বহির্গামী হবে।
- ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত।
- এর কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে।
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয়।

উৎস: i) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩৮.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চল বেশি খরাপ্রবণ?
  1. উত্তর-পূর্ব অঞ্চল
  2. উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
  3. দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল
  4. দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উত্তর - পশ্চিম অঞ্চল জেলাসমূহ খরাপ্রবণ।

খরা:

- সাধারণত খরা বলতে কোনো এলাকায় দীর্ঘসময় ধরে ভূমিতে পানির অনুপস্থিতিকে বুঝায়।
- অর্থাৎ কোনো এলাকা বৃষ্টিহীন অবস্থায় থাকলে বা অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হলে মাটির স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে গিয়ে শুষ্ক হয়ে পড়ে।
- এর ফলে মাটি ফেটে চৌচির হয়ে যায় এবং পানির স্তর নিচে নেমে যায়।
- এরূপ অবস্থাকে খরা বলে।
- বাংলাদেশের উত্তর - পশ্চিম অঞ্চল জেলাসমূহ খরাপ্রবণ।
- বিগত অর্ধ শতকের ১৯৭৩, ১৯৭৫, ১৯৭৮, ১৯৭৯, ১৯৮১, ১৯৮২, ১৯৮৯, ১৯৯২, ১৯৯৪, ১৯৯৫ এবং ২০১৬ সালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অধিক মাত্রায় খরা দেখা দেয়।

⇒ বাংলাদেশের খরাপ্রবণ অঞ্চল:
- অতি তীব্র: রাজশাহী ও চাপাইনবাবগঞ্জ,
- তীব্র: দিনাজপুর, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর জেলা এবং টাঙ্গাইল জেলার অংশবিশেষ,
- মাঝারি: রংপুর ও বরিশাল জেলা এবং দিনাজপুর, কুষ্টিয়া ও যশোর জেলার অংশবিশেষ,
- সামান্য: তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনার পললভূমি এলাকা।

খরার কারণ:
১. সময়মতো বৃষ্টিপাতের অভাব;
২. পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা;
৩. অপরিকল্পিতভাবে বনভূমি উজাড়;
৪. নদীর উজানে অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ;
৫. এল নিনো ও লা নিনোর প্রভাব প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩৯.
'সেন্ট বার্নার্ড গিরিপথ' কোন পর্বতমালায় অবস্থিত?
  1. হিমালয়
  2. আল্পস
  3. আন্দিজ
  4. রকি
সঠিক উত্তর:
আল্পস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল্পস
ব্যাখ্যা
সেন্ট বার্নার্ড গিরিপথ:
- সেন্ট বার্নার্ড গিরিপথ সুইস আল্পস পর্বতমালায় অবস্থিত।
- এটি সুইজারল্যান্ডের তৃতীয় সর্বোচ্চ গিরিপথ।
- এটি সুইজারল্যান্ড এবং ইতালির সীমান্তে প্রায় ৮,১০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত।
- এটি আল্পস পর্বতমালার একটি গুরুত্বপূর্ণ পাস, যা ঐতিহাসিকভাবে ইউরোপের উত্তর ও দক্ষিণ অংশের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে।

উৎস: Britannica.
১,০৪০.
গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় কত ঘণ্টা আগে?
  1. ক) ৬ ঘণ্টা
  2. খ) সাড়ে ৫ ঘণ্টা
  3. গ) সাড়ে ৬ ঘণ্টা
  4. ঘ) ৫ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য +৬ ঘন্টা। অর্থাৎ, ৬ ঘন্টা আগে।
পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। অন্যদিকে, গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে।

সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা ও ভূগোল ও পরিবেশ।
১,০৪১.
বাংলাদেশের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় 'ভোলা সাইক্লোন বা গোর্কি' কত সালে আঘাত হেনেছিল?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৮৮ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ২০০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা

ভোলা সাইক্লোন বা গোর্কি:
- বাংলাদেশের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় 'ভোলা সাইক্লোন বা গোর্কি' ১৯৭০ সালে আঘাত হেনেছিল।

⇒ ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর রাতে উপকূলে আঘাত হানে প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় "ভোলা" সাইক্লোন বা গোর্কি। 
- প্রলয়ংকরী এ ঘূর্ণিঝড়টি মূহুর্তেই ব্যাপক জলোচ্ছ্বাসে ফুলে ফেপে শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল। পানির প্রবল স্রোত, ঝড়ের হিংস্রতা আর কালো মেঘের পেট থেকে নিক্ষিপ্ত বজ্রপাতে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিলো উপকূলীয় ভোলা ও তৎসংলগ্ন জেলাগুলোর প্রতিটি জনপদ।
- ওই সময়ে পুরো উপকূলজুড়ে ১০ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিলো। এর মধ্যে শুধু ভোলাতেই লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু হয়।
- তথ্য অনুযায়ী, ওই ঘূর্ণিঝড়ে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে দ্বীপ জনপদ ভোলা এবং পার্শ্ববর্তী জেলা নোয়াখালী উপকূলে। সেইসময় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় নোয়াখালী উপকূলের রামগতি, হাতিয়া, সন্দ্বীপ এবং পটুয়াখালীর জনপদ।
- জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী,"ভোলা সাইক্লোন" পৃথিবীর ইতিহাসে ভয়ঙ্করতম প্রাণঘাতী একটি ঘূর্ণিঝড়। 
- তথ্য অনুযায়ী, এটি ১৯৭০-এর উত্তর ভারতীয় ঘূর্ণিঝড় মৌসুমের ৬ষ্ঠ ঘূর্ণিঝড় এবং মৌসুমের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ছিল। এটি সিম্পসন স্কেলে ক্যাটাগরি ৩ মাত্রার ঘূর্ণিঝড় ছিল। এ ঘূর্ণিঝড়ে ১৫ থেকে ২৫ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসে দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চল ও দ্বীপগুলো প্লাবিত হয়ে ধংসযজ্ঞে পরিণত হয়। 

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব-দ্বীপ বাংলাদেশ।
- গ্রীষ্মকালে কিউমুলাস মেঘের কারণে বাংলাদেশ ঝড়ো হাওয়া আর বৃষ্টিপাত নিয়মিত ঘটনা। তবে এপ্রিল- মে মাসে সমুদ্রে যে লঘুচাপগুলো সৃষ্টি হয়, তার মধ্য দু’একটি মূলত ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়।
- তবে বছরের শেষভাগের ঘূর্ণিঝড়গুলো অনেক বেশী শক্তিশালী আর বিধ্বংসী হয়ে থাকে।
- ১৯৮৮ সালের নভেম্বরের ঘূর্ণিঝড়ও ছিলো বেশ বিধ্বংসী। এই ঝড় বয়ে যায়, যশোর, কুষ্টিয়া আর ফরিদপুরসহ বাংলাদেশে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বেশকিছু জেলার ওপর দিয়ে। সেসময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৬২ কিলোমিটার৷ এই ঘূর্ণিঝড়ে মারা যায় প্রায় ছয় হাজার মানুষ।
- ১৫ নভেম্বর ২০০৭। এদিন বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে আঘাত হানে ভয়ানক ঘূর্ণিঝড় সিডর। আঘাতের সময় সিডরের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার। তবে এ সময় দমকা হাওয়ার বেগ উঠছিল ঘণ্টায় ৩০৫ কিলোমিটার পর্যন্ত। সিডরের প্রভাবে উপকূলে ১৫ থেকে ২০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। 

১,০৪২.
এশিয়ার সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র কোনটি?
  1. ক) টাঙ্গুয়ার হাওর
  2. খ) হাকালুকি হাওর
  3. গ) পশুর নদী
  4. ঘ) হালদা নদী
সঠিক উত্তর:
ঘ) হালদা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হালদা নদী
ব্যাখ্যা
• হালদা নদী:
- হালদা নদী বাংলাদেশের পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম জেলার একটি নদী। 
- বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হলো হালদা নদী।
- ডিম ছাড়ার বিশেষ সময়কে তিথি বলা হয়ে থাকে।
- ডিম ছাড়ার তিথির পূর্বেই স্থানীয় জেলে এবং ডিম সংগ্রহকারীরা নদীতে অবস্থান নেন এবং ডিম সংগ্রহ করেন।
- সংগৃহীত ডিমগুলি ফোটানোর জন্য নদীর তীরে কৃত্রিম ছোট মাটির কুয়ায় নেয়া হয় এবং কার্প পোনা উৎপাদন করা হয়।
- এটি একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।
- মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে সরকার হালদা নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করেছে।

উৎস: মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট ও হাটহাজারী উপজেলা ওয়েবসাইট।
১,০৪৩.
বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী দেশ নয়-
  1. হাঙ্গেরি
  2. এস্তোনিয়া
  3. ফিনল্যান্ড
  4. লাটভিয়া
সঠিক উত্তর:
হাঙ্গেরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাঙ্গেরি
ব্যাখ্যা
- হাঙ্গেরি বাল্টিক সাগরের তীরে অবস্থিত নয়।

• বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী দেশ সমূহ:
- ডেনমার্ক,
- এস্তোনিয়া,
- ফিনল্যান্ড,
- জার্মানি,
- লাটভিয়া,
- লিথুয়ানিয়া,
- পোল্যান্ড,
- রাশিয়া (কালিনিনগ্রাদ ও সেন্ট পিটার্সবার্গ অঞ্চলের মাধ্যমে),
- সুইডেন।

উল্লেখ্য,
- মোট ৯টি দেশ বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী।
- এর মধ্যে এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, ও লিথুয়ানিয়া-কে একত্রে বাল্টিক রাষ্ট্র বলা হয়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,০৪৪.
দেশের প্রথম সংরক্ষিত সামুদ্রিক এলাকা হিসেবে কত সালে ‘দ্য সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড সংরক্ষিত সামুদ্রিক এলাকা’ প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৪ সালে
ব্যাখ্যা

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground) খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।
- এগুলো যথাক্রমে হিমালয়ের দক্ষিণ ও উত্তর দিক থেকে আসছে।
- বর্তমান অবস্থায় স্বল্প পরিমাণের ঘোলাটে স্রোত আর বালি সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের মাধ্যমে মহীসোপান থেকে গভীর সমুদ্রে পলল পরিবহণের প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করছে।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম সংরক্ষিত সামুদ্রিক এলাকা হিসেবে সরকার ২০১৪ সালের ২৭ অক্টোবর ‘দ্য সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড সংরক্ষিত সামুদ্রিক এলাকা’ প্রতিষ্ঠা করে।
- এটি তিমি, ডলফিন, সামুদ্রিক কচ্ছপ, হাঙর ও অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীর সুরক্ষায় ভূমিকা রাখবে।
- বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২-এর আওতায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড এবং সামুদ্রিক মত্স্যসম্পদ অধ্যাদেশ ১৯৮৩-এর আওতায় বঙ্গোপসাগরের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলকে দেশের প্রধান দুটি সংরক্ষিত সামুদ্রিক এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যার বিস্তৃত জলসীমার পরিমাণ ২৪৩ হাজার ৬০০ হেক্টর (২ হাজার ৪৩৬ বর্গকিলোমিটার), যা দেশের মোট সামুদ্রিক জলসীমার প্রায় ২ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বণিক বার্তা।

১,০৪৫.
ক্যাম্পস (campos) তৃণভূমি পাওয়া যায় -
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. তুরস্ক
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা
ক্যাম্পস:
- ক্যাম্পস (Campos) তৃণভূমি প্রধানত দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিল, উরুগুয়ে এবং আর্জেন্টিনাতে পাওয়া যায়।
- এটি একটি উষ্ণমণ্ডলীয় তৃণভূমি অঞ্চল, যা পাম্পাস তৃণভূমির অংশ হিসেবেও পরিচিত।
- এই অঞ্চলে বিস্তীর্ণ ঘাসের মাঠ, গুল্ম এবং কিছু গাছপালা দেখা যায়, যা বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের আবাসস্থল।
- ক্যাম্পস তৃণভূমি কৃষি ও পশুচারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: Britannica.
১,০৪৬.
নিচের কোনটি মানবসৃষ্ট আপদ?
  1. বজ্রঝড়
  2. নদী ভাঙ্গন
  3. কালবৈশাখী
  4. অগ্নিকান্ড
সঠিক উত্তর:
অগ্নিকান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নিকান্ড
ব্যাখ্যা
'আপদ' (Hazard):
- আপদ একটি অস্বাভাবিক ঘটনা যা প্রাকৃতিক, মানব সৃষ্ট বা কারিগরি ত্রুটির কারণে ঘটতে পারে এবং মানুষের জীবন ও জীবিকার ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।
- এর ফলস্বরূপ বিপর্যয় সংঘটনের মাধ্যমে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপদ ও হুমকির মধ্যে নিপতিত করে।
- দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প, বন্যা ইত্যাদির প্রাথমিক এবং প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে অবকাঠামোর উপর যার পুনঃনির্মাণ খুব ব্যয়বহুল কাজ।
- সব চরম ঘটনাই হচ্ছে আপদ।

• প্রাকৃতিক আপদ:
- ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, বজ্রঝড়, টর্নেডো, বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি, খরা, নদী ভাঙ্গন, কালবৈশাখী।
ইত্যাদি।

মানবসৃষ্ট আপদ: ভবনধ্বস, নৌ ও সড়ক দুর্ঘটনা, অগ্নিকান্ড ইত্যাদি।
- কারিগরি আপদ: বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকান্ড, শিল্প ও কলকারখানায় দুর্ঘটনা, পারমানবিক দুর্ঘটনা ইত্যাদি।

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২।
১,০৪৭.
নিচের কোনটি মানবসৃষ্ট বন্যার কারণ?
  1. উজানে প্রচুর বৃষ্টি
  2. নদীর গভীরতা কম
  3. নদী অববাহিকায় ব্যাপক বৃক্ষ কর্তন
  4. হিমালয়ের বরফগলা পানিপ্রবাহ
সঠিক উত্তর:
নদী অববাহিকায় ব্যাপক বৃক্ষ কর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদী অববাহিকায় ব্যাপক বৃক্ষ কর্তন
ব্যাখ্যা
বন্যার কারণ (Causes of Flood):
•  মানবসৃষ্ট কারণ
(i) নদী অববাহিকায় ব্যাপক বৃক্ষ কর্তন। 
(ii) গঙ্গা নদীর উপর নির্মিত ফারাক্কা বাঁধ। 
(iii) অন্যান্য নদীতে নির্মিত বাঁধের প্রভাব।
(iv) অপরিকল্পিত নগরায়ণ।

অন্যদিকে
• প্রাকৃতিক কারণ
(i) উজানে 
প্রচুর বৃষ্টি।
(ii) ভৌগোলিক অবস্থান।
(iii) মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাব।
(iv) নদীর গভীরতা কম।
(v) হিমালয়ের বরফগলা পানিপ্রবাহ। 
(vi) বঙ্গোপসাগরের তীব্র জোয়ার-ভাটা।
(vii) ভূমিকম্প।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৪৮.
এশিয়ার কোন অঞ্চলে সারাবছর পরিচলন বৃষ্টি হয়?
  1. মালয়েশিয়া
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. নেপাল
সঠিক উত্তর:
মালয়েশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
পরিচলন বৃষ্টি:
- ভূ-পৃষ্ঠের বায়ু উষ্ণ হলে জলীয়বাষ্প সম্পন্ন হালকা বায়ু উপরে উঠে যায়।
- এ সময়ে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ঐ জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে নিচে নেমে আসে।
- এই বৃষ্টিপাতকে বলা হয় পরিচলন বৃষ্টিপাত। 
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় কারণ এসব এলাকার ঊর্ধ্বগামী বায়ুতে প্রচুর জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু থাকে।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় সারা বছরই বিকেলে ও সন্ধ্যায় এ ধরনের বৃষ্টি হয়।
- নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলে গ্রীষ্মকালের শুরুতে পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়।

উল্লেখ্য,
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের অবস্থান:
- দক্ষিন আমেরিকার উত্তর পূর্ব উপকূল ও আমাজান নদীর অববাহিকা, ইকুয়েডর, কলম্বিয়ার দক্ষিনাংশ, পেরুর উত্তর পশ্চিমাঞ্চল; মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের আয়ন বায়ু পুষ্ট পানামার নিকারাগুয়া, হন্ডুরাস ও কোষ্টারিকা; আফ্রিকার কঙ্গো নদীর অববাহিকা ও গিনির উপকূলীয় অঞ্চল ক্যামেরুন, গ্যাবন, লাইবেরিয়া, আইভরিকোষ্ট, টাঙ্গানিকা, কেনিয়া; দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রনাই এবং ফিলিপাইনের দক্ষিণ দ্বীপপুঞ্জ অঞ্চলে এ জলবায়ু দেখা যায়।
- এশিয়ার সারা বছর পরিচলন বৃষ্টি হয় মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় অঞ্চলে।

উৎস: i) ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৪৯.
গ্রিনিচ মান মন্দির সময় অপেক্ষা বাংলাদেশের সময় -
  1. + ৩ ঘণ্টা
  2. + ৫ ঘণ্টা
  3. - ৬ ঘণ্টা
  4. + ৬ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
+ ৬ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
+ ৬ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
গ্রিনিচ মান সময়:
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত। 
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে। 
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷ 
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়। 
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
- গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে অর্থাৎ +৬ ঘন্টা।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী ও ব্রিটানিকা।
১,০৫০.
কোন ধরনের পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত দুর্যোগ কোনটি?
  1. বন্যা
  2. জলোচ্ছ্বাস
  3. ভূমিকম্প
  4. ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প:

- ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিূকম্প বলে।
- কোন ধরনের আগাম সতর্ক সংকেত ব্যতীত অর্থাৎ কার্যকর পূর্বাভাস ছাড়া সংঘটিত দুর্যোগ হলো ভূমিকম্প।
- ভূমিকম্প সংঘটনের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল চিহ্নিত করা সম্ভব হলেও ভূমিকম্প সংঘটনের পূর্বে সতর্কতা প্রাপ্তি এখনো সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে,
- বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও শৈত্যপ্রবাহের ক্ষেত্রে পূর্বাভাস পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৫১.
মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৭৫ সালে
  2. খ) ১৯৮০ সালে
  3. গ) ১৯৮৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা

- মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র (SPARRSO- Space Research and Remote Sensing Organisation) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ঢাকা শহরের আগারগাঁও এ অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।

উৎস: স্পারসোর ওয়েবসাইট।

১,০৫২.
নিরক্ষীয় জলবায়ুর দেশ নয় কোনটি?
  1. কোস্টারিকা
  2. ফিলিপাইন
  3. আলবেনিয়া
  4. ব্রুনাই
সঠিক উত্তর:
আলবেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলবেনিয়া
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় জলবায়ু:
- নিরক্ষরেখায় অবস্থানকারী দেশসমূহ এবং এই নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থানরত দেশসমূহে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিরাজমান করে।

⇒ অবস্থান ও দেশসমূহ:
- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫° অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
- সূর্যের উত্তরায়ন ও দক্ষিণায়নের ফলে এ অঞ্চলে দুইবার মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা দেখা যায়।
- কোনো কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার উত্তর ও দক্ষিণে ১০° অক্ষাংশের সীমা পর্যন্ত নিরক্ষরেখা বিস্তৃত।
- বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন: মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

⇒ নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য:
- নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী দেশগুলোতে সূর্য প্রায় সারাবছরই লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এখানে গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়।
- এই অঞ্চলে উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর জন্য দিন-রাতের মধ্যে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে।
- শীতের প্রকোপ একদম নেই বললেই চলে।
১. সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়ার জন্য এই অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বেশি থাকে।
২. অধিক সূর্য তাপ ও জলভাগের পরিমাণ বেশি হওয়ায় বাষ্পীভবনের মাত্রাও বেশি।
৩. অধিক বৃষ্টিপাতের জন্য চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়।
৪. অধিক উত্তাপ এ অঞ্চলে স্থায়ী নিম্নচাপ তৈরি করে এবং উপক্রান্তীয় উষ্ণ চাপ বলয়ের অয়ন বায়ু এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়।
৫. এ অঞ্চলের মৃত্তিকা কৃষিকাজের জন্য খুব উপকারী হলেও এখানে মাটি ক্ষয় হয়।

অন্যদিকে,
⇒ ভূ-মধ্যসাগরীয় অঞ্চল অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের ৩০০-৪৫০ অক্ষাংশের মধ্যে যে সকল মহাদেশসমূহের অবস্থান তাদের পশ্চিমাংশ জুড়েই ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল বিস্তৃত।
- উত্তর আফ্রিকার লিবিয়া, তিউনিশিয়া, মিশরের উত্তরাংশ, মরক্কোর উত্তরাংশ, ভূ-মধ্যসাগরের তীরবর্তী অঞ্চলসমূহ এই জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত।
- এছাড়াও তুরস্ক, স্পেন, গ্রীস, দক্ষিণ ফ্রান্স, ইতালি, ইসরাইল, সিরিয়া, দক্ষিণ ও পশ্চিম যুগোশ্লাভিয়া ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ুর অর্ন্তভুক্ত।
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলের মধ্যে আরও যে দেশসমূহ রয়েছে সেগুলো হলো- লেবানন, পর্তুগাল, আলবেনিয়া এবং দ্বীপসমূহ হলো কর্ষিকা, মাল্টা, সাইপ্রাস ইত্যাদি।
- এছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, আফ্রিকার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, দক্ষিণ আমেরিকার চিলির মধ্যভাগ এবং উত্তর আমেরিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া এই জলবায়ুর অর্ন্তগত।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৫৩.
সমুদ্রপৃষ্ঠ ৪৫cm বৃদ্ধি পেলে ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে climate refugee হবে?
  1. ৩ কোটি
  2. ৩.৫ কোটি
  3. ৪ কোটি
  4. ৪.৫ কোটি
সঠিক উত্তর:
৩.৫ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৫ কোটি
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্ঠ ৪৫cm বৃদ্ধি পেলে ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে ৩.৫ কোটি climate refugee হবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব:
- মানুষের নিয়ন্ত্রণহীন ব্যবহারের কারণে মাত্রাতিরিক্ত গ্রিনহাউস গ্যাস অর্থাৎ কার্বন ডাইঅক্সাইড মিথেন এবং নাইট্রাস অক্সাইড গ্যাসগুলো নির্গমনের কারণে বিশ্বে উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের যে ধারা শুরু হয়েছে তাতে বিশ্বের স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল অনেক দেশ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়বে।
- আর এসব দেশের মধ্যে বাংলাদেশ আছে সবচেয়ে ঝুঁকির মধ্যে।
- অন্যান্য দেশ এ ক্ষতির মুখোমুখি হওয়ার আগেই বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়ে গেছে।
- আগামী দিনগুলোতে এর মাত্রা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
- জাতিসংঘ তার সতর্কীকরণে বলেছে পরবর্তী ৫০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে তাতে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি অংশ প্লাবিত হবে এবং প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে।
- আনুমানিক ৩ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।
- ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ-এর তথ্য অনুসারে ২০৩০ সালের পর নদীর প্রবাহ নাটকীয়ভাবে কমে যাবে।
- ফলে এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা দেবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
- উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাবে ঘন ঘন বন্যা, ঝড়, অনাবৃষ্টি এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।
- যা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে অনুভূত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।

উল্লেখ্য,
- ৪৫ সেন্টিমিটার সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাংলাদেশের ভূখণ্ডের প্রায় ১০.৯% প্লাবিত করবে এবং উপকূলীয় অঞ্চলের ৩.৫ মিলিয়ন জনসংখ্যাকে বাস্তুচ্যুত করবে।

উৎস: i) World Bank ওয়েবসাইট। 
          ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৫৪.
বর্তমানে পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় কত শতাংশ জুড়ে মহাসাগর রয়েছে?
  1. ৬১ শতাংশ
  2. ৭১ শতাংশ
  3. ৮০ শতাংশ
  4. ৯০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৭১ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭১ শতাংশ
ব্যাখ্যা

•মহাসাগর (Oceans): 
- ভূপৃষ্ঠের বিশাল, বিস্তৃত, সুগভীর ও লবণাক্ত জলরাশিকে মহাসাগর বলে।
- পৃথিবীর প্রায় ৭১% জায়গা জুড়ে রয়েছে এ মহাসাগর।
- পৃথিবীর মহাসাগরসমূহের জলরাশির আয়তন প্রায় ১.৩৩২ বিলিয়ন কিউবিক কিলোমিটার।
- প্রতিটি মহাসাগরের তলে রয়েছে বিশাল বিশাল পর্বতমালা, বিস্তীর্ণ অববাহিকা এবং উপত্যকা।
- মহাসাগর শব্দটি এসেছে গ্রীক 'ওকিয়ানোজ' শব্দ থেকে।
- জলভাগের মোট আয়তন ৩৬১,৪১৯,০০০ বর্গ কিলোমিটার (৭০.৯%)।
- এবং মহাসাগরসমূহের আয়তন ৩৩৫,২৫৮,০০০ বর্গ কিলোমিটার।

• পৃথিবীতে ৫টি মহাসাগর রয়েছে-
১. প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean);
২. আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean);
৩. ভারত মহাসাগর (Indian Ocean);
৪. দক্ষিণ মহাসাগর (Southern Ocean);
৫. উত্তর মহাসাগর (Arctic Ocean)।

উৎস:  ¡) National Geography.[Link]
          ¡¡)ভূগোল ও পরিবেশ প্রশিক্ষণ, বি এড, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৫৫.
কোন দুটি প্লেটের সংযোগস্থল বরাবর মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত?
  1. ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
  2. ইন্ডিয়ান ও বার্মিজ
  3. ইন্ডিয়ান ও আফ্রিকান
  4. বার্মিজ ও ইউরেশিয়ান
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
ব্যাখ্যা
◉ ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান প্লেটের সংযোগস্থল বরাবর মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত। 

• এভারেস্ট পর্বত: 
- মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
- তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ইন্ডিয়ান এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল।
- মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
- এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট। 

বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:
- এখন পর্যন্ত পাঁচজন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২৩ মে ২০১০ সালে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- নারীদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্টজয়ী হচ্ছেন নিশাত মজুমদার।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন ও মো. খালেদ হোসাইন।

উৎস: Britannica & National Geographic.
১,০৫৬.
কোন দেশটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়?
  1. ক) ডেনমার্ক
  2. খ) নরওয়ে
  3. গ) সুইডেন
  4. ঘ) ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা

স্ক্যান্ডেনেভিয়ান ও নর্ডিক দুটিই উত্তর ইউরোপের বিশেষ অঞ্চল। মানুষের জীবনযাত্রা, অর্থনীতির প্রকৃতি - এসব কিছুতে এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে ব্যাপক সামঞ্জস্য বিদ্যমান ও ইউরোপের অন্যান্য অঞ্চল থেকে অনেকটাই ভিন্ন।
স্ক্যান্ডেনেভিয়ান অঞ্চলঃ (৩টি দেশ) - নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক। উল্লেখ্য, এসকল দেশের যে বিশেষ অঞ্চল রয়েছে, সেগুলোও এই স্ক্যান্ডেনেভিয়ান অঞ্চলের অন্তর্গত।
নর্ডিক অঞ্চলঃ (৫টি দেশ) - ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, সুইডেন ও নরওয়ে।

উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা ও Live MCQ content (upcoming)।

১,০৫৭.
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ রাষ্ট্র কোনটি?
  1. টোঙ্গা
  2. সেন্ট হেলেনা
  3. সিচিলিস
  4. সামোস
সঠিক উত্তর:
টোঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টোঙ্গা
ব্যাখ্যা
গত ১৪ জানুয়ারি ২০২২ সালে, সমুদ্রতলদেশে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ দেশ টোঙ্গার সুনামির সৃষ্টি হয়।
প্রশান্ত মহাসাগরের নিচে এক আগ্নেয়গিরিতে বিশাল অগ্ন্যুৎপাতের পর সুনামির বিরাট ঢেউ এসে আঘাত হেনেছে দ্বীপরাষ্ট্র টঙ্গাতে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
১,০৫৮.
অরুণাচল প্রদেশ কোথায় অবস্থিত?
  1. ভারত
  2. ভুটান
  3. মিয়ানমার
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
অরুণাচল প্রদেশ:
- অরুণাচল প্রদেশ উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি স্থলবেষ্টিত রাজ্য।
- এটি ভারতের সেভেন-সিস্টার্সভুক্ত।
- অরুণাচল প্রদেশের দক্ষিণে আসাম, পশ্চিমে ভূটান, উত্তর ও উত্তর পূর্ব দিকে চীন এবং পূর্বে মায়ানমার (পূর্বে বার্মা নামে পরিচিত) দ্বারা বেষ্টিত। 
- অরুণাচল প্রদেশের পশ্চিম সীমান্তে চীনের শিজিয়াং প্রদেশ এবং পূর্ব সীমান্তে ভূটানের সাথে সীমান্ত রয়েছে।
- অরুণাচল রাজ্যের রাজধানী: ইটানগর। 
- এই রাজ্যের প্রধান নদী হল ব্রক্ষপু্ত্র যা অরুণাচল প্রদেশে সিয়াং নামে পরিচিত।

উৎস: Britannica.
১,০৫৯.
বাংলাদেশের কোথায় সর্বাধিক বৃষ্টিপাত হয়?
  1. শ্রীমঙ্গল
  2. টেকনাফ
  3. সাজেক
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
শ্রীমঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীমঙ্গল
ব্যাখ্যা

 বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত হলো ২০৩ সেন্টিমিটার।
- মাস অনুসারে জুলাই মাসে সর্বাধিক (৫২৩.০ মি.মি.) এবং জানুয়ারি মাসে সর্বনিম্ন (৯ মি.মি.) বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।
‌- সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেট জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার লালাখালে।
- সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয় নাটোরের লালপুরে।

তাছাড়া, 
- বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা - রাজশাহী।
- বাংলাদেশের শীতলতম জেলা - সিলেট।
- বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান - লালপুর, নাটোর।
- বাংলাদেশের শীতলতম স্থান - শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
- বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস - এপ্রিল।
- বাংলাদেশের শীতলতম মাস - জানুয়ারি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং বাংলাপিডিয়া।

১,০৬০.
ভূমিকম্প সংঘটন বিন্দুর সরাসরি উপরে ভূপৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে কী বলা হয়?
  1. ফোকাস
  2. ফ্রাকচার
  3. ফল্ট
  4. এপিসেন্টার
সঠিক উত্তর:
এপিসেন্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিসেন্টার
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্প:
- ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিূকম্প বলে।
- একটি শান্ত পুকুরে টিল ছুড়লে যেভাবে ঢেউ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে তেমনি পৃথিবীর অভ্যন্তরে যেখানে তরঙ্গ শক্তি উৎপত্তি হয় সেখানে থেকে মুক্ত শক্তি টেউয়ের মত শিলায় তরঙ্গের সৃষ্টি করে এবং চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র (Centre বা Focus) বলে।
- কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলে।
- ভূমিকম্পের উৎপত্তির কেন্দ্র হতে দূরত্ব বৃদ্ধির সাথে ভূ-কম্পন শক্তি হ্রাস পায়।
- ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূ-অভ্যন্তরের প্রায় ১৬-২০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হয়ে থাকে।
- যে যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্প পরিমাপ করা হয় তাকে বলা হয় সিসমোগ্রাফ।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৬১.
কোথায় জলভাগের পরিমান বেশি?
  1. ক) উত্তর গোলার্ধে
  2. খ) দক্ষিণ গোলার্ধে
  3. গ) পূর্ব গোলার্ধে
  4. ঘ) পশ্চিম গোলার্ধে
সঠিক উত্তর:
খ) দক্ষিণ গোলার্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দক্ষিণ গোলার্ধে
ব্যাখ্যা
কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে অয়ন বায়ু ব্যতীত আরও দুটি বায়ুপ্রবাহ মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। উত্তর গোলার্ধে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়। এ বায়ুপ্রবাহকে পশ্চিমা বায়ু।
উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগের পরিমাণ অধিক বলে স্থানীয় কারণে পশ্চিমা বায়ুর সাময়িক বিরতি ঘটে।
কিন্তু দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমান বেশি বলে পশ্চিমা বায়ু প্রবলবেগে এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়। এজন্য এই বায়ুপ্রবাহকে প্রবল পশ্চিমা বায়ু বলে।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৬২.
নিচের কোন জেলাটি হাওরাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) সুনামগঞ্জ
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) নেত্রকোনা
  4. ঘ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
সঠিক উত্তর:
খ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৭টি জেলা নিয়ে হাওর বেসিন বা হাওরাঞ্চল গঠিত।
জেলাসমূহ হলো:
- সিলেট
- সুনামগঞ্জ
- মৌলভীবাজার
- হবিগঞ্জ
- নেত্রকোনা
- কিশোরগঞ্জ
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
- হাওরাঞ্চলে মোট ৩৭৩টি হাওর রয়েছে যার মোট আয়তন ৮,৫৮,৪৬০ হেক্টর।
- এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হাওর রয়েছে সিলেটে ১০৫টি।
- সবচেয়ে বড় হাওর হলো সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলা জুড়ে বিস্তৃত হাকালুকি হাওর।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১,০৬৩.
Where is kamta gas field located?
  1. Khagrachari
  2. Noakhali
  3. Gazipur
  4. Brahmanbaria
  5. Sylhet
সঠিক উত্তর:
Gazipur
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gazipur
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন গ্যাস ক্ষেত্র ও তাদের ভৌগোলিক অবস্থান: 
কামতা - গাজীপুর,
বাঙ্গুরা - কুমিল্লা,
বিয়ানীবাজার - সিলেট,
রশিদপুর - মৌলভীবাজার,
বিবিয়ানা - হবিগঞ্জ,
মেঘনা - ব্রাহ্মনবাড়িয়া,
তিতাস - ব্রাহ্মনবাড়িয়া,
সুন্দলপুর - নোয়াখালী,
ছাতক - সুনামগঞ্জ,
সেমুতাং - খাগড়াছরি।

উৎস: বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ কোম্পানী লিমিটেড ওয়েবসাইট।
১,০৬৪.
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান কারণ কী?
  1. জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার
  2. বন উজাড়
  3. গ্রিনহাউস গ্যাসের বৃদ্ধি
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ্রিনহাউস গ্যাসের বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিনহাউস গ্যাসের বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন:
- পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যাওয়াই হলো বৈশ্বিক উষ্ণায়ন।

⇒ বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান কারণ:
- ১৮০০ সালের প্রথম দিকে শিল্প বিপ্লবের পর থেকেই কয়লা, তেল, গ্যাসোলিনের মত জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধি পায়।
- ফলে বায়ুমন্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাসের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়।
- এর ফলে বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধি, বনায়ন এবং জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়।
- সেই সাথে সূর্য থেকে আগত অতিবেগুনি রশ্মিও পৃথিবী পৃষ্ঠে বসবাসরত জীবজগতের জীবনধারণে ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করে।
- তাই বলা যায় বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান কারণ গ্রিনহাউস গ্যাসের বৃদ্ধি।

⇒ বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তন।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টি।
- মেরু অঞ্চলের বরফ গলন।
- সমুদ্রে পৃষ্ঠের উচ্চতা পরিবর্তন।
- জীববৈচিত্র্য ধ্বংস।
- রোগব্যাধি।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৬৫.
কোন কোন উপজেলা নিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওর অবস্থিত?
  1. ক) তাহিরপুর এবং ধর্মপাশা
  2. খ) জামালগঞ্জ এবং তাহিরপুর
  3. গ) জগন্নাথপুর এবং ধর্মপাশা
  4. ঘ) দিরাই এবং জামালগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ক) তাহিরপুর এবং ধর্মপাশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তাহিরপুর এবং ধর্মপাশা
ব্যাখ্যা
টাঙ্গুয়ার হাওর (Tanguar Haor)  
• টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রুপ জলমহালগুলোর অন্যতম। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা এবং তাহিরপুর উপজেলাস্থিত জীববৈচিত্রে সমৃদ্ধ মিঠা পানির এ হাওর বাংলাদেশের ২য় রামসার এলাকা।
• এ হাওরটিতে ছোটবড় ১২০টি বিল রয়েছে। ৪৬টি গ্রামসহ পুরো হাওর এলাকার আয়তন প্রায় ১০০ বর্গ কিমি, এর মধ্যে ২৮০২.৩৬ হেক্টর জলাভূমি রয়েছে।
• কেবল সুনামগঞ্জ নয়, গোটা বাংলাদেশেই হাওরটি শীতের অতিথি পাখিদের ‘স্বর্গরাজ্য’ হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর এখানে প্রায় ২০০ প্রজাতির অতিথি পাখির আগমন ঘটে।
• টাঙ্গুয়ার হাওরকে ২০০০ সালের ১০ জুলাই ১০৩১তম রামসার সাইট ঘোষণা করা হয়।

তথ্যসূত্র:- সুনামগঞ্জ জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
১,০৬৬.
দেশের বাণিজ্যিক জ্বালানির সবচেয়ে বড় অংশ কোন খনিজ দ্বারা পূরণ করা হয়?
  1. কয়লা
  2. খনিজ তেল
  3. চুনাপাথর
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা

খনিজ সম্পদ: 
​- বিশ্বের যে কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে খনিজ সম্পদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। 
​- বাংলাদেশ খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ না হলেও যেটুকু খনিজ সম্পদ রয়েছে তা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
​- খনিজ সম্পদসমূহের মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক গ্যাস, খনিজ তেল, কয়লা, কঠিন শিলা, চুনাপাথর, নুড়িপাথর প্রভৃতি।
​- দেশের মোট বাণিজ্যিক জ্বালানি ব্যবহারের শতকরা ৭১ ভাগ পূরণ করে প্রাকৃতিক গ্যাস।
​- খনিজ তেল পরিশোধন করে ডিজেল, কেরোসিন প্রভৃতিতে রূপান্তর করে ব্যবহার করা হয়। 
​- প্রাপ্ত খনিজ সম্পদগুলো বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যেমন- চুনাপাথর সিমেন্ট শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
​- এছাড়া কৃষি উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে খনিজ সম্পদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

​তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার, ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৬৭.
বাংলাদেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত? 
  1. কাপ্তাই
  2. আশুগঞ্জ
  3. ঘোড়াশাল
  4. ভেড়ামারা
সঠিক উত্তর:
কাপ্তাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাপ্তাই
ব্যাখ্যা

পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- কর্ণফুলি পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় কর্ণফুলী নদীর ওপর অবস্থিত। 
- এটি চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ৫০–৬৫ কিলোমিটার দূরে।
- এই কেন্দ্রটি ১৯৬২ সালে চালু হয়।
- বাঁধটির দৈর্ঘ্য ৬৭০.৬ মিটার এবং উচ্চতা ৪৫.৭ মিটার।
- বাঁধের পাশে ১৬টি জলকপাট এবং ৭৪৫ ফুট দীর্ঘ একটি স্পীলওয়ে রয়েছে, যা পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয়।
- এই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের সবচেয়ে বড় এবং একমাত্র প্রধান জলবিদ্যুৎ প্রকল্প হিসেবে পরিচিত। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১,০৬৮.
কোনটি দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলের বৈশিষ্ট্য?
  1. দক্ষিণে প্রচন্ড শীত
  2. সারা বছর মধ্যম উষ্ণতা থাকে
  3. মকরক্রান্তি থেকে কুমেরু পর্যন্ত সূর্যরশ্মি তির্যক বা লম্বভাবে পড়া
  4. কর্কটক্রান্তি থেকে সুমেরুবৃত্ত পর্যন্ত সূর্যালোক লম্বভাবে বা তির্যকভাবে পড়া
সঠিক উত্তর:
সারা বছর মধ্যম উষ্ণতা থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সারা বছর মধ্যম উষ্ণতা থাকে
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণ মন্ডলের বৈশিষ্ট্য:
- দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণ মন্ডল: দক্ষিণে ২৩১/২° হতে ৬৬১/২° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত এলাকাটি দক্ষিণ নাতিশীতোষ্ণ মন্ডল বলে পরিচিত।
- এখানে সারা বছরই মধ্যম উষ্ণতা থাকে।
- এখানকার গড় তাপমাত্রা ০-২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৬৯.
বাকল্যান্ড বাঁধ কোথায় অবস্থিত?
  1. সদরঘাট
  2. জিঞ্জিরা
  3. শরীয়তপুর
  4. চাঁদপুর
সঠিক উত্তর:
সদরঘাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সদরঘাট
ব্যাখ্যা

 বাকল্যান্ড বাঁধ:
- বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকা শহরের দক্ষিণ দিক দিয়ে প্রবহমান বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর তীরে একটি শহর পরিবেষ্টনী বাঁধ।
- ১৮৬৪ সনে তৎকালীন নগর কমিশনার সি.টি বাকল্যান্ড এই বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করেন।
- নদীর ঘাট পর্যন্ত কার্গো ও যাত্রীবাহী স্টিমার চলাচল সুগম করার জন্য পাড়ের নিম্নভাগে পলি প্রতিরোধ করা এবং প্লাবন ও ভাঙন থেকে ঢাকা শহর রক্ষা প্রকল্পের অধীনে এই বাঁধ নির্মিত হয়।
- সর্বসাধারণের চাঁদায় এই প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছিল।
- এ প্রকল্পের জন্য প্রথম চাঁদাদাতাদের মধ্যে ছিলেন খাজা আব্দুল গণি এবং ভাওয়াল জমিদার কালীনারায়ণ রায়।
- ১৮৭০ সালে খাজা আব্দুল গণি ওয়াইজ ঘাট থেকে পশ্চিমদিকের এবং বাবু রূপলাল দাস ও রঘুনাথ দাস নর্থব্রুক হলের কাছ থেকে পূর্বদিকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- এইভাবে প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ এই বাঁধ নির্মিত হয় এবং পরবর্তীকালে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য মিউনিসিপ্যালিটির কাছে হস্তান্তরিত হয়।

উল্লেখ্য,
- সদরঘাট (Sadarghat) বাংলাদেশের ঢাকা শহরের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে গড়ে ওঠা একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী নদী বন্দর

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,০৭০.
বাংলাদেশের রেকর্ডকৃত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কত ডিগ্রি সেলসিয়াস?
  1. ক) -২.৬
  2. খ) -২.৫
  3. গ) ২.৫
  4. ঘ) ২.৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২.৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২.৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রেকর্ডকৃত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে পঞ্চগড়ের তেতুলিয়াতে রেকর্ড করা হয়৷
Source: bbc.com>bengali
১,০৭১.
ঝড়ের গতিবেগ ঘন্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি হলে একে কী বলা হয়?
  1. ক) হারিকেন
  2. খ) টর্নেডো
  3. গ) সাইক্লোন
  4. ঘ) টাইফুন
সঠিক উত্তর:
খ) টর্নেডো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টর্নেডো
ব্যাখ্যা
টর্নেডো শব্দটি এসেছে স্প্যানিশ শব্দ 'Tornada' থেকে, যার অর্থ হলো Thunder storm বা বজ্রঝড়।
ঝড়ের বেগ ঘন্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি হলে এটাকে টর্নেডো বলা হয়।
টর্নেডোর সবচেয়ে ক্ষতিকারক দিক হলো এটি হঠাৎ করে অল্প সময়ের মধ্যে প্রচন্ড ধ্বংসযজ্ঞ করে ফেলতে পারে৷
স্মরণকালের ভয়াবহ টর্নেডোর মধ্যে একটি হলো ১৯৬৯ সালের এপ্রিল মাসে ঢাকা জেলার ডেমরা থানায়। ঐ টর্নেডোতে বাতাসের গতিবেগ ছিলো ঘন্টায় ৬৪৪ কিলোমিটার।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম অধ্যায়।
১,০৭২.
ট্রপিক অব ক্যান্সার নিম্নের কোন জেলা দিয়ে অতিক্রম করেনি?
  1. রাজবাড়ি
  2. রাঙামাটি
  3. ফেনী
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
ফেনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেনী
ব্যাখ্যা
ট্রপিক অব ক্যান্সার নিম্নের ফেনী দিয়ে অতিক্রম করেনি।

ট্রপিক অব ক্যান্সার:

- ট্রপিক অব ক্যান্সার বা কর্কটক্রান্তি রেখা।
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের ১১টি জেলার উপর দিয়ে (চুয়াডাঙ্গা, মাগুরা, রাজবাড়ি, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, ফরিদপুর, ঝিনাইদহ, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি) অতিক্রম করেছে।

⇒ বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০৭৩.
'বালিশিরা ভেলী' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) রাঙামাটি
  3. গ) মৌলভীবাজার 
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
গ) মৌলভীবাজার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মৌলভীবাজার 
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ভেলী বা উপত্যকাসমূহ:
- বালিশিরা ভেলী: মৌলভীবাজার 
- হালদা ভেলী: খাগড়াছড়ি
- ভেঙ্গী ভেলী: রাঙামাটি
- সাজেক ভেলী: রাঙামাটি 

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০৭৪.
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সে.মি. -
  1. ক) ৫ নিউটন
  2. খ) ১০ নিউটন
  3. গ) ১০ কি.মি
  4. ঘ) ৫ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ নিউটন
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতিবর্গ সেন্টিমিটারে ১০ নিউটন বা ৬.৪৫ বর্গ সেন্টিমিটারের বা ৬.৭ কেজি।
- ভূ পৃষ্ঠের প্রতি একক জায়গায় বায়ুর গ্যাসের অনুগুলোর সংঘর্ষের ফলে প্রদত্ত বলই হলো বায়ুর চাপ।

(উৎস : এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
১,০৭৫.
‘বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি’ কোন ভূ-প্রকৃতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য? 
  1. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
  2. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ 
  3. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  4. ক ও খ 
সঠিক উত্তর:
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
ব্যাখ্যা
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি: 

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির বয়স ১২,০০০ বছরের কম। 
• পদ্মা, মেঘনা, যমুনাসহ অসংখ্যা ছোট-বড় নদী সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত। 
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার। 
• এ প্লাবন সমভূমি উত্তর দিক থেকে ক্রমশ ঢালু হয়ে দক্ষিণে প্রায় সমুদ্র সমতলে মিশেছে। 
• সমুদ্র সমতল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা ৩৭.৫০ মিটার, বগুড়ার উচ্চতা ২০ মিটার, ময়মনসিংহের উচ্চতা ১৮ মিটার, নারায়ণগঞ্জ ও যশোরের উচ্চতা ৮ মিটার। 
এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি। 
• স্থানীয়ভাবে এসব জলাভূমি ও নিম্নভূমিকে বিল, ঝিল বা হাওড় বলে। 
• রাজশাহীর চলনবিল, ঢাকার আড়িয়াল বিল, গোপালগঞ্জের বিল এবং সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা ও শেরপুর জেলার বিল ও হাওড় অন্যতম। 
• মেঘনা নদীর মোহনায় রয়েছে হাতিয়া ও সদ্বীপ। 

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
- পাদদেশীয় সমভূমি।
- বন্যাপ্রবণ সমভূমি।
- স্রোতজ সমভূমি। 
- চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি। 
- ব-দ্বীপ সমভূমি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,০৭৬.
নিচের কোন জেলার উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (ট্রপিক অব ক্যান্সার) অতিক্রম করেনি?
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) নারায়নগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
খ) বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (ট্রপিক অব ক্যান্সার) অতিক্রম করেছে।
চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ী ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি, ও রাঙ্গামাটি জেলার ওপর দিয়ে এ রেখা অতিক্রম করেছে।
অন্যদিকে বরিশাল, গোপালগঞ্জ, পিরোজপুর ও বরগুনা জেলার ওপর দিয়ে ৯০° দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করেছে।
উৎসঃ ভূগোল বোর্ড বই, উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৭৭.
আয়তনের দিক থেকে চীন বিশ্বের কততম রাষ্ট্র?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪র্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা

আয়তনের দিক দিয়ে পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ রাশিয়া।
কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ব্রাজিল যথাক্রমে ২য়, ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম বৃহত্তম দেশ।
জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ চীন এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ ভারত।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস

অনেকের কনফিউশন হতে পারে তাই বিস্তারিত আলোচনা করা হলঃ
World Bank Data Center এবং ওয়ার্ল্ড এটলাসের সূত্রমতে, শুধু স্থলভাগের আয়তনের (Land area) হিসাবে চীন আয়তনে তৃতীয়।
কিন্তু জল-স্থল (Water & Land area) হিসাবে যুক্তরাষ্ট্র তৃতীয়।
কয়েকটা ব্যাপার,
বাংলাদেশের আয়তন : ১৪৭,৫৭০ বর্গকিমি (ভূমি : ১৩৩,৯১০ বর্গকিমি, জলজ : ১০,০৯০ বর্গকিমি)
সুত্রঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন

আমরা যে আয়তন জানি সেটা Land and Water মিলিয়ে Total Surface Area.
World Bank অনুসারেঃ
Total Surface area of United States: 9,831,510 (square km)
Total Surface area of China: 9,562,910 (square km)
ওয়ার্ল্ড এটলাসের সূত্রমতেঃ
United States - 9,833,517
China - 9,596,961

এছাড়াও বলে রাখা প্রয়োজন যে, ভৌগোলিক ব্যাপারগুলোর জন্য ওয়ার্ল্ড এটলাস ব্রিটানিকা থেকে অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য।
আশা করি আর কোন কনফিউশন থাকবে না।

১,০৭৮.
কোনটি জলজ আবহাওয়াজনিত ( hydro-meteorological) দুর্যোগ নয়?
  1. ভূমিকম্প
  2. ভূমিধস
  3. নদীভাঙ্গন
  4. ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প 'hydro-meteorological' দুর্যোগ নয়।
- ভূমিধস, নদীভাঙ্গন ও ঘূর্ণিঝড় জলজ আবহাওয়াজনিত (Hydro-meteorological) দুর্যোগ।

ভূমিকম্প:
- ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
- ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ -পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে,তাকে উপকেন্দ্র বলা হয়।
- সাধারণত ভূ-ত্বকের ৩২ কি.মি. এর মধ্যে ভূমিকম্পের উৎস স্থান থাকলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে গভীরতা আরও বেশি হতে পারে।
- কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।
- ভূমিকম্প মাপন যন্ত্রের নাম সিসমোমিটার।
- ভূমিকম্পনের রেখা যে কাগজে অংকিত হয়, তাকে সিসমোগ্রাফ বলে।

⇒ ভূমিকম্পের প্রধান কারণগুলো হলো:
- পৃথিবীর উপরিভাগ কতগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত।
- এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে।
- আবার অগ্নুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকিম্পন সৃষ্টি হয়।

⇒ ভূমিকম্পের অপ্রধান কারণ:
- শিলাচ্যুতি,
- তাপ বিকিরণ,
- ভূগর্ভস্থ বাষ্প,
- ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস,
- হিমবাহের প্রভাব ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি। 
১,০৭৯.
পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমি কোনটি?
  1. ক) তিব্বত মালভূমি
  2. খ) গোলান মালভূমি
  3. গ) দাক্ষিণাত্য মালভূমি
  4. ঘ) পামীর মালভূমি
সঠিক উত্তর:
ক) তিব্বত মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তিব্বত মালভূমি
ব্যাখ্যা

তিব্বত মালভূমি:
- পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমি তিব্বত মালভূমি।
- সমুদ্র সমতল থেকে অতি উচ্চ বিস্তীর্ণ সমভূমিকে মালভূমি বলে। মালভূমি প্রায়ই পর্বতবেষ্টিত হয়।
- পৃথিবীর বৃহত্তম মালভূমি হল তিব্বতীয় মালভূমি।
- এটি মধ্য এশিয়া ও পূর্ব এশিয়ার একটি বিশাল উচ্চভূমি।
- তিব্বতীয় মালভূমির আয়তন প্রায় ২,৫০০,০০০ বর্গকিলোমিটার (৯৬৫,০০০ বর্গমাইল)। 
- এটি সমুদ্রতল থেকে ১৩,০০০ - ১৫,০০০ ফুট (৪,০০০ - ৫,০০০ মিটার) উঁচু।

⇒ তিব্বত মালভূমির উত্তরে রয়েছে ‘কুনলুন’ পর্বত এবং দক্ষিণে হিমালয়; পশ্চিমে কারাকোরাম পর্বতমালা; পূর্বে হেংতুয়ান পর্বতমালা।
- এখানে আরও রয়েছে গাংদেস পর্বতমালা - নাইনকেন তাংগুলা পর্বতমালা এবং এর শাখা।

উৎস: i) Britannica
ii) World atlas.

১,০৮০.
নিম্নলিখিত কোনটি বলকান অঞ্চলের একটি দেশ?
  1. সুইডেন
  2. ক্রোয়েশিয়া
  3. ফ্রান্স
  4. স্পেন
সঠিক উত্তর:
ক্রোয়েশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
বলকান রাষ্ট্র:
- বলকান হলো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত একটি পার্বত্য অঞ্চল।
- বলকান পর্বতমালার পাদদেশ বা বলকান পেনিনসুলায় অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

এই অঞ্চলে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ হলো:
- ক্রোয়েশিয়া,
- কসোভো,
- মন্টিনিগ্রো,
- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা,
- রােমানিয়া,
- বুলগেরিয়া,
- সার্বিয়া,
- উত্তর মেসিডোনিয়া,
- স্লোভেনিয়া,
- আলবেনিয়া।

উল্লেখ্য,
- গ্রিস এবং তুরস্কের কিছু অংশও বলকান অঞ্চলে অবস্থিত।

সূত্র: ব্রিটানিকা
১,০৮১.
ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইসিসিসিএডি)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের কয় লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারে?
  1. প্রায় নয় লাখ
  2. প্রায় নব্বই লাখ
  3. প্রায় ত্রিশ লাখ
  4. প্রায় পঞ্চাশ লাখ
সঠিক উত্তর:
প্রায় নয় লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় নয় লাখ
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি: 
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে বাংলাদেশে গত ৩০ বছর ধরে উপকূলবর্তী সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রতিবছর ৩ দশমিক ৮ থেকে ৫ দশমিক ৮ মিলিমিটার পর্যন্ত বাড়ছে।

ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইসিসিসিএডি)-এর তথ্য অনুযায়ী,
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে উপকূলের মানুষের ঘরবাড়ি ও জীবিকা বিপন্ন হওয়ার কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় নয় লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারে।
- এ কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ১২ থেকে ১৮ শতাংশ ডুবে যাওয়ারও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উৎস: বিবিসি বাংলা [৩০ জুন ২০২৪]
১,০৮২.
'শ্লেট' কোন ধরনের শিলা?
  1. পাললিক শিলা
  2. আগ্নেয় শিলা
  3. রূপান্তরিত শিলা
  4. মিশ্র শিলা
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যা
রূপান্তরিত শিলা:
- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।

কিছু রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
→ চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল,
→ বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, 
→ কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট,
→ গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে,
→ কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮৩.
লালমাই পাহাড়ের গড় উচ্চতা কত মিটার?
  1. ১০ মিটার
  2. ১৫ মিটার
  3. ২১ মিটার
  4. ৩০ মিটার
সঠিক উত্তর:
২১ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ মিটার
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

লালমাই পাহাড়:
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার।
- এ পাহাড়ের মাটি লাল এবং নুড়ি, বালি ইত্যাদি দ্বারা গঠিত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮৪.
এডেন উপসাগরের তীরবর্তী রাষ্ট্র নয় কোনটি?
  1. সোমালিয়া
  2. ইয়েমেন
  3. হাইতি
  4. জিবুতি
সঠিক উত্তর:
হাইতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইতি
ব্যাখ্যা
হাইতি এডেন উপসাগরের তীরবর্তী রাষ্ট্র নয়।

এডেন উপসাগর:

- এডেন উপসাগর হল ভারত মহাসাগরের একটি সম্প্রসারণ, যা আরব উপদ্বীপ এবং আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত। - এই উপসাগরটি বাব এল মান্দেব প্রণালী হয়ে লোহিত সাগরকে আরব সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।
- এডেন উপসাগর সুয়েজ খালের শিপিং রুটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা লোহিত সাগর এবং ভূমধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে। 
- এডেন উপসাগর তীরবর্তী রাষ্ট্র ৩টি। যথা:
- জিবুতি,
- সোমালিয়া,
- ইয়েমেন।
 
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট।
১,০৮৫.
খরার ফলে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. বন্যা দেখা দেয়
  2. খাদ্য উৎপাদন হ্রাস পায়
  3. ভূমিধ্বস ঘটে
  4. বসতবাড়ি বিধ্বস্ত হয়
সঠিক উত্তর:
খাদ্য উৎপাদন হ্রাস পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাদ্য উৎপাদন হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা
খরা একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা দীর্ঘদিন বৃষ্টিহীন আবহাওয়ার ফলে দেখা দেয়।
খরার ফলে মাটিতে পানির পরিমাণ কমতে থাকে। এতে করে মাটিতে গাছপালা বা শস্য জন্মাতে পারে না। ফলে খাদ্য উৎপাদন হ্রাস পায়।

খরার ফলে মানুষের পাশাপাশি গবাদিপশুরও খাদ্য সংকট দেখা দেয়। খরা দুর্ভিক্ষের অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত।

(তথ্যসূত্র: বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী)
১,০৮৬.
বেগমগঞ্জে গ্যাসের সন্ধানে প্রথম কূপ খনন করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
- নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ১৯৭৬ সালে প্রথম গ্যাসের সন্ধানে প্রথম কূপ খনন করা হয়।
- এরপর ১৯৭৮ সালে দ্বিতীয় আরেকটি কূপ খনন করা হয়।
- দুটি কূপের কোনোটিতে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ গ্যাস পাওয়া যায়নি।
- পরে ২০১৩ সালে তৃতীয় আরেকটি কূপের খনন শেষে সেখানে কাঙ্ক্ষিত গ্যাস পাওয়া যায়। পরে ওই কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু করা হয়।
- ওই কূপ থেকে বর্তমানে প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

সূত্র- প্রথম আলো।
১,০৮৭.
অনাবৃষ্টি বা খরার প্রভাব কোনটি?
  1. উপদ্রুত অঞ্চলে পানির অভাব দেখা দেয়
  2. অগ্নিকান্ডের উপদ্রব বেড়ে যায়
  3. পরিবেশ রুক্ষ হয়ে ওঠে
  4. উপরোক্ত সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো 
ব্যাখ্যা

খরা:
- দীর্ঘ সময় ধরে চলা শুষ্ক আবহাওয়া, অপর্যাপ্ত বৃষ্টি, বৃষ্টিপাতের তুলনায় বাষ্পীভবন ও প্রস্বেদনের পরিমাণ বেশি হলে খরার সৃষ্টি হয়।
- এতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় দেখা দেয় পানির অভাব।
- কুয়া, খাল, বিলের মতো নিত্যব্যবহার্য পানির আধার শুকিয়ে যায়।
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট অ্যান্ড ডিজাস্টার রিস্ক অ্যাটলাস’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে দেশের প্রায় ২২টি জেলা খরার ঝুঁকিতে রয়েছে।
- এর মধ্যে খুবই উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে ছয় জেলা।
- খরাপ্রবণ এসব এলাকা মূলত উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত।

অনাবৃষ্টি বা খরার প্রভাব: 
- বিভিন্ন ধরনের রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে,
- পরিবেশ রুক্ষ হয়ে ওঠে,
- অগ্নিকান্ডের উপদ্রব বেড়ে যায়,
- উপদ্রুত অঞ্চলে পানির অভাব দেখা দেয়,
- খাদ্যের অভাবে দুর্ভিক্ষ দেখা দেয় ইত্যাদি।

উৎস:  ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি বাংলা। 

১,০৮৮.
পার্বত্য এলাকায় অত্যধিক বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যাকে কী বলা হয়?
  1. আকস্মিক বন্যা
  2. স্বাভাবিক বন্যা
  3. জোয়ার-ভাঁটা জনিত বন্যা
  4. মৌসুমী বন্যা
সঠিক উত্তর:
আকস্মিক বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকস্মিক বন্যা
ব্যাখ্যা
বন্যা:

- নদীমাতৃক ও বৃষ্টিবহুল বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে বর্ষা মৌসুমে সংঘটিত বন্যা অন্যতম।
- ব্যাপকতার ভিত্তিতে বাংলাদেশে সাধারণ ও ভয়াবহ-এই দুই ধরনের বন্যা হয়ে থাকে।
- বন্যায় প্লাবিত এলাকার জন-জীবন ও সম্পদের বিপুল ক্ষতি সাধিত হয়।
- মৌসুমি বন্যা বর্ষা মৌসুমে সংঘটিত হয়।
- আকস্মিক বন্যা অধিক বৃষ্টিপাতের দরুণ আকস্মিকভাবে ঘটে থাকে। পার্বত্য এলাকায় সংঘটিত হয় ও ৫ থেকে ৬ ঘন্টা স্থায়ী হয়।
- জোয়ার-ভাটাজনিত বন্যা পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের সময়ে ভরা কটাল বা পূর্ণ জোয়ারের ফলে বন্যা হয়ে থাকে। নদী ও সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় জোয়ার চলাকালীন সময়ে পানির উচ্চতা বেড়ে এরূপ বন্যা হয়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮৯.
তামার দেশ হিসেবে পরিচিত- 
  1. ইতালি
  2. জাম্বিয়া
  3. মিশর
  4. তাইওয়ান
সঠিক উত্তর:
জাম্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাম্বিয়া
ব্যাখ্যা

ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।

উৎস: Britannica.com.

১,০৯০.
নিচের কোনটি 'পৃথিবীর ফুসফুস' হিসেবে পরিচিত?
  1. আর্কটিক টুন্ড্রা
  2. কঙ্গো বনভূমি
  3. আমাজন
  4. তৈগা বনভূমি
সঠিক উত্তর:
আমাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাজন
ব্যাখ্যা

⇒ 'পৃথিবীর ফুসফুস' হিসেবে পরিচিত আমাজন।

আমাজন:

- এটি বিশ্বের বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান অঞ্চল ।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের ৯ টি দেশজুড়ে এর অবস্থান ।
- আমাজনের বেশিরভাগ অংশ রয়েছে: ব্রাজিলে (৬৪%)।
- আমাজন ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা, সুরিনাম, পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, গায়ানা এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানা নামে নয়টি দেশে বিস্তৃত।
- আমাজন নদী নীল নদের পরে বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী এবং দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম নদী ।

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১,০৯১.
CDMP এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Comprehensive Disaster Management Programme
  2. খ) Communicative Disaster Management Programme
  3. গ) Comprehensive Disaster Management Policy
  4. ঘ) Communicative Disaster Management Policy
সঠিক উত্তর:
ক) Comprehensive Disaster Management Programme
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Comprehensive Disaster Management Programme
ব্যাখ্যা
CDMP এর পূর্ণরূপ হলো Comprehensive Disaster Management Programme বা সার্বিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি। এটি ২০০৪ সালে বাংলাদেশ সরকার গৃহিত একটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মডেল।
(সূত্রঃ দুর্যোগকোষ : ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়)
১,০৯২.
দেশের বৃষ্টিজনিত বন্যাপ্রবণ অঞ্চল কোনটি?
  1. বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল
  2. বৃহত্তর খুলনা ও যশোর
  3. বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল
  4. নদী তীরবর্তী অঞ্চলসমূহ
সঠিক উত্তর:
বৃহত্তর খুলনা ও যশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃহত্তর খুলনা ও যশোর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সাধারণত চার ধরনের বন্যা সংঘটিত হয়।
এগুলো হলো:
- বৃষ্টিজনিত বন্যা
- উপকূলীয় বন্যা
- নদীসৃষ্ট বন্যা
- আকস্মিক বন্যা।

বৃহত্তর খুলনা ও যশোর অঞ্চলে বৃষ্টিজনিত বন্যা সংঘটিত হয়।
দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট ও চট্টগ্রাম) আকস্মিক বন্যাপ্রবণ এলাকা
উপকূলীয় অঞ্চলে উপকূলীয় বন্যা দেখা দেয়।
নদী সংলগ্ন জেলাসমূহে নদীসৃষ্ট বন্যা দেখা যায়।

(তথ্যসূত্র: বন্যা সাড়াদান ও প্রস্তুতি পরিকল্পনা : বাংলাদেশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর)
১,০৯৩.
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’-এর নামকরণ করেছে কোন দেশ?
  1. ইয়েমেন
  2. ইরান
  3. শ্রীলঙ্কা
  4. ওমান
সঠিক উত্তর:
ওমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওমান
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’:
- ২৬ মে, ২০২৪ সালের রাত ৮টার দিকে প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি মোংলার দক্ষিণ-পশ্চিম দিক দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ও বাংলাদেশের খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম শুরু করে।
- ঘূর্ণিঝড়টির বিস্তৃতি ছিল প্রায় ৪০০ কিলোমিটার।
- ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’-এর নামকরণ করেছে ওমান।
- আরবিতে যার অর্থ বালি।
- বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল অতিক্রম করেছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল।

উল্লেখ্য,
- বিশ্ব আবহওয়া সংস্থার অধিভুক্ত প্রশান্ত-মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৩টি দেশের প্রস্তাবিত নামগুলো পরপর প্রয়োগ করা হয়।
- আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, যে মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়-তার অববাহিকায় থাকা দেশগুলো নামকরণ করে।
- পৃথিবীতে মোট ১১টি সংস্থা ঝড়ের নামকরণ করে থাকে।
- Q, U, X, Y ও Z- এই ৫টি অক্ষর বাদ দিয়ে ইংরেজি বর্ণমালার ২১টি অক্ষর ব্যবহার করে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়।
- 'রিমাল' ছাড়াও অদূর ভবিষ্যতে আসন্ন উত্তর ভারতীয় ঘূর্ণিঝড়ের নামগুলো হলো- আসনা (পাকিস্তান), ডানা (কাতার), ফেঙ্গাল (সৌদি আরব), শক্তি (শ্রীলঙ্কা), মন্থ (থাইল্যান্ড), সেনিয়ার (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ও দিত্ত্ব (ইয়েমেন)।
- ২০২০ সালে মোট ১৩টি দেশ ১৩টি করে মোট ১৬৯টি নাম দেয়।
- ১৩ টি দেশ হলো: বাংলাদেশ, ভারত, মলদ্বীপ, মায়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ইরান, কাতার, সৌদি আরব, আরব-আমিরাত এবং ইয়েমেন।
- ডব্লিওএমও-র ভারতীয় উপমহাদেশের এই সদস্য দেশগুলোই নাম দেয়।

উৎস: i) মে ২৬, ২০২৪, The Daily Star বাংলা.
        ii) ১৭ নভেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
১,০৯৪.
'সমুদ্রস্রোত' সৃষ্টির প্রধান কারণ কী?
  1. নিয়ত বায়ুপ্রবাহ
  2. পৃথিবীর আবর্তন
  3. সমুদ্রজলের লবণাক্ততার তারতম্য
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সমুদ্রস্রোত:
- শীতল বা উষ্ণ সমুদ্রস্রোতের প্রভাবে উপকূল সংলগ্ন এলাকার বায়ু ঠান্ডা বা উষ্ণ হয়।
- যেমন- উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের প্রভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলবর্তী এলাকার উষ্ণতা বেড়ে যায়।
- অর্থাৎ সমুদ্রস্রোত বায়ুর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে।
- উদাহরণস্বরূপ বলা যায় উত্তর আমেরিকার উত্তর-পূর্ব উপকূলকে শীতল রাখে শীতল ল্যাব্রাডার স্রোত, এ কারণে শীতল ইউরোপীয় স্রোত ও উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের প্রভাবে একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও উত্তর আমেরিকার পূর্ব উপকূল ও পশ্চিম ইউরোপীয় উপকূলের তাপমাত্রার ব্যাপক পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।

⇒ সমুদ্রস্রোতের কারণ:
- বায়ুপ্রবাহ,
- পৃথিবীর আবর্তন,
- উষ্ণতার তারতম্য,
- লবণাক্ততার তারতম্য,
- স্থলভাগের অবস্থান,
- শৈলশিরার অবস্থান,
- বাষ্পীভবনের তারতম্য,
- সমুদ্রের গভীরতা।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৯৫.
'হোয়াইট গোল্ড' নামে পরিচিত -
  1. রৌপ্য
  2. ইলিশ
  3. চিংড়ি
  4. কাঁচা পাট
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
ব্যাখ্যা
হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে 'সাদা সোনা' বা 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উৎপাদিত হচ্ছে, তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের মোট মৎস্য উৎপাদনের ৫.৫২% চিংড়ি।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩, দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ আগস্ট ২০২৩ ও ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
১,০৯৬.
ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য- 
  1. বৃষ্টিবহুল শীতকাল 
  2. বৃষ্টিবহুল গ্রীষ্মকাল
  3. সমুদ্র উপকূলে বৃষ্টিপাতের হার কম
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিবহুল শীতকাল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিবহুল শীতকাল 
ব্যাখ্যা

- বৈশিষ্ট্য: ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উষ্ণ, শুষ্ক ও বৃষ্টিহীন গ্রীষ্মকাল এবং শীতকাল বৃষ্টিবহুল।

ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল: 

- ভূ-মধ্যসাগরীয় অঞ্চল অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের ৩০০-৪৫০ অক্ষাংশের মধ্যে যে সকল মহাদেশসমূহের অবস্থান তাদের পশ্চিমাংশ জুড়েই ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল বিস্তৃত।
- উত্তর আফ্রিকার লিবিয়া, তিউনিশিয়া, মিশরের উত্তরাংশ, মরক্কোর উত্তরাংশ, ভূ-মধ্যসাগরের তীরবর্তী অঞ্চলসমূহ এই জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত।
- এছাড়াও তুরস্ক, স্পেন, গ্রীস, দক্ষিণ ফ্রান্স, ইতালি, ইসরাইল, সিরিয়া, দক্ষিণ ও পশ্চিম যুগোশ্লাভিয়া এই জলবায়ুর অর্ন্তভুক্ত।
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলের মধ্যে আরও যে দেশসমূহ রয়েছে সেগুলো হলো- লেবানন, পর্তুগাল, আলবেনিয়া এবং দ্বীপসমূহ হলো কর্ষিকা, মাল্টা, সাইপ্রাস ইত্যাদি।
- এছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, আফ্রিকার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ, দক্ষিণ আমেরিকার চিলির মধ্যভাগ এবং উত্তর আমেরিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া এই জলবায়ুর অর্ন্তগত।

• এর বৈশিষ্ট্য:
- ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উষ্ণ, শুষ্ক ও বৃষ্টিহীন গ্রীষ্মকাল এবং শীতকাল বৃষ্টিবহুল।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৯৭.
র‍্যাডক্লিফ লাইন বলতে কোন দুই দেশের সীমারেখাকে বোঝানো হয়?
  1. ভারত-চীন
  2. ভারত-পাকিস্তান
  3. ফিনল্যান্ড-রাশিয়া
  4. আফগানিস্তান-পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ভারত-পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত-পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
র‍্যাডক্লিফ লাইন:
- ১৯৪৭ সালের ৩রা জুন মাউন্টব্যাটেন তার ভারত বিভাগ পরিকল্পনা প্রকাশের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণের জন্যে ব্রিটিশ সরকার স্যার সিরিল জন র‍্যাডক্লিফকে চেয়ারম্যান করে র‍্যাডক্লিফ কমিশন গঠন করে।
- এই কমিশনের অধীন বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন ও পাঞ্জাব বাউন্ডারি কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে র‍্যাডক্লিফ রোয়েদাদ প্রকাশ করা হয়।
- এর ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয়।
- ভারত-পাকিস্তানের সীমানাকে র‍্যাডক্লিফ লাইন বলা হয়।

অন্যদিকে -
- ম্যাকমোহন লাইন হলো চীন ও ভারতের মধ্যে কার্যকরী সীমানা।
- ম্যানারহেইম লাইন হলো ফিনল্যান্ড ও রাশিয়াকে বিভক্ত করেছে।
- ডুরান্ড লাইন আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান সীমান্তে অবস্থিত একটি সীমান্ত রেখা বা লাইন।

উৎস: Britannica.
১,০৯৮.
'শুভলং ঝর্ণা' নিচের কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. বড়লেখা
  2. কাপ্তাই
  3. বাঘাইছড়ি
  4. বরকল
সঠিক উত্তর:
বরকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরকল
ব্যাখ্যা

• শুভলং ঝর্ণা:
- শুভলং ঝর্ণা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলায় অবস্থিত।
- রাঙ্গামাটি সদর হতে শুভলং ঝর্ণার দূরত্ব মাত্র ২৫ কিলোমিটার।
- শুকনো মৌসুমে শুভলং ঝর্নায় খুব সামান্য পানি থাকে।
- বর্ষা মৌসুমে শুভলং ঝর্ণার জলধারা প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু থেকে নিচে আছড়ে পড়ে কাপ্তাইয়ের জলে গিয়ে মেশে।

তথ্যসূত্র: রাঙ্গামাটি জেলা ওয়েবসাইট।

১,০৯৯.
নিচের কোন অঞ্চলে বরেন্দ্রভূমি আছে?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্রভূমি (Barind Tract):
- বঙ্গ অববাহিকার বৃহত্তম প্লাইসটোসিন ভূ-প্রাকৃতিক একক।
- অবস্থান- বৃহত্তর দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা, রাজশাহী ও বগুড়া জেলা জুড়ে বরেন্দ্রভূমির অবস্থান।
- বরেন্দ্রভূমির নামকরণের পেছনে একাধিক পৌরাণিক কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। ‘বর’ শব্দের অর্থ হচ্ছে আশীর্বাদ এবং ‘ইন্দ্র’ শব্দের অর্থ দেবতাদের রাজা। অর্থাৎ ইন্দ্রের বর বা ইন্দ্রের আশীর্বাদ থেকে সাধারণভাবে বরেন্দ্র শব্দটির উৎপত্তি।
- বরেন্দ্রভূমির অবস্থান গ্রীষ্মপ্রধান মৌসুমিমন্ডলে। কর্কটক্রান্তি এই ভূমির দক্ষিণে অবস্থান করছে। এই অঞ্চলের জলবায়ু সাধারণভাবে উষ্ণ ও আর্দ্র।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,১০০.
সক্রিয় আগ্নেয়গিরির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ইরানের কোহিসুলতান
  2. খ) হাওয়াই দ্বীপের মাওনালেয়া ও মাওনাকেয়া
  3. গ) জাপানের ফুজিয়ামা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) হাওয়াই দ্বীপের মাওনালেয়া ও মাওনাকেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হাওয়াই দ্বীপের মাওনালেয়া ও মাওনাকেয়া
ব্যাখ্যা

আগ্নেয়গিরির প্রকারভেদ:
১। সক্রিয় আগ্নেয়গিরি - যেসব আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত এখনও বন্ধ হয়নি, তাদেরকে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি বলে। যেমন - হাওয়াই দ্বীপের মাওনালেয়া ও মাওনাকেয়া
২। সুপ্ত আগ্নেয়গিরি : যেসব আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত অনেককাল আগে বন্ধ হয়ে গেছে; কিন্তু যে কোনাে সময় আবার অগ্ন্যুৎপাত শুরু হতে পারে তাকে সুপ্ত আগ্নেয়গিরি বলে। যেমন - জাপানের ফুজিয়ামা।
৩। মৃত আগ্নেয়গিরি : যেসব আগ্নেয়গিরি দীর্ঘকাল ধরে নিষ্ক্রিয় হয়ে আছে এবং ভবিষ্যতেও অগ্ন্যুৎপাতের সম্ভাবনা নেই, সেগুলােকে মৃত আগ্নেয়গিরি বলে। যেমন- ইরানের কোহিসুলতান।
(রেফারেন্স- ভূগােল ও পরিবেশ-৯ম-১০ম শ্রেণি)