বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ১০ / ৭২ · ৯০১১,০০০ / ৭,১৯১

৯০১.
করতোয়া নদী কোন জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. রাজবাড়ি
  2. কুড়িগ্রাম
  3. সিলেট
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন নদীর প্রবেশ পথ:
- পদ্মা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী জেলার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- মেঘনা ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী সিলেট সীমান্তে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- যমুনা ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের একাট শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- করতোয়া নদী পঞ্চগড় জেলার ভিটগড়ের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- মহানন্দা নদী পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে।
- কর্ণফুলী নদী রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- সাঙ্গু নদী বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- ফেনী নদী ফেনী জেলার পূর্ব সীমানা দিয়ে প্রবেশ করে সন্দ্বীপ প্রণালির উত্তরে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নাফ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমারের সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯০২.
বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থানের নাম কী?
  1. লালখান
  2. লালপুর
  3. পুটিয়া
  4. চন্দ্রঘোনা
সঠিক উত্তর:
লালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালপুর
ব্যাখ্যা

• লালপুর:
- নাটোর জেলা গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ু এলাকায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের চরমভাবাপন্ন এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- আয়তনের দিক থেকে নাটোর জেলার ৩য় বৃহত্তম উপজেলা।
- এটি ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত।
- লালপুর বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান।
- গ্রীষ্মকালে মাঝে মাঝে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড ও শীতকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড রেকর্ড হয়ে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯০৩.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি পাওয়া যায় কোন জেলায়?
  1. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  2. চাঁদপুর
  3. কুমিল্লা
  4. গোপালগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে আর্সেনিক:
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি ১৯৯৩ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বড়ঘরিয়া মৌজায় শনাক্ত করা হয়।
- জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল অধিদপ্তর সেখানে কয়েকটি নলকূপে পরীক্ষা চালিয়ে এ দূষণ শনাক্ত করে।
- এরপর বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, বিশেষ করে ১৯৯৫ সালে ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সেমিনারের পর।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জের এই আবিষ্কার বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষণ নিয়ে গবেষণা ও সতর্কতার সূচনা করে।
- এরপর সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং এনজিওগুলোর মাধ্যমে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও আর্সেনিক দূষণ শনাক্তের কাজ শুরু হয়। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো। 
৯০৪.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়?
  1. ক) ট্রপোস্ফিয়ার
  2. খ) স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  3. গ) আয়নোস্ফিয়ার
  4. ঘ) ওজোন
সঠিক উত্তর:
গ) আয়নোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আয়নোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
আয়নোস্ফিয়ার:
- মেসোস্ফিয়ার স্তরের শেষ সীমা হলো মেসোপজ।
- আর এই মেসোপজের ওপরে প্রায় ৫০০ কিমি. উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুমণ্ডলের স্তরকে আয়নোস্ফিয়ার বলে।
- এই স্তরে গ্যাসীয় কণাগুলি তড়িৎ-আধানযুক্ত বা আয়নিত অবস্থায় থাকে বলে, এই স্তরটিকে আয়নোস্ফিয়ার বলা হয় ।
- তীব্র সৌর বিকিরণে রঞ্জন রশ্মি ও অতিবেগুনি রশ্মির সংঘাতে এই অংশের বায়ু আয়নযুক্ত হয়।
- ভূপৃষ্ঠ থেকে পাঠানো বিভিন্ন বেতারতরঙ্গ আয়নমণ্ডলের বিভিন্ন আয়নে বাধা পেয়ে পুনরায় ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে অর্থাৎ প্রতিফলিত হয়।

উৎস: Britannica.
৯০৫.
আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম জেলা- 
  1. নাটোর 
  2. টাঙ্গাইল
  3. মাদারীপুর
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম জেলাঃ 
- ঢাকা বিভাগ বাংলাদেশের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এবং এটি দেশের রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র।
- এখানে সবচেয়ে বেশি ১৩টি জেলা রয়েছে।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম জেলা নারায়ণগঞ্জ এ বিভাগে অবস্থিত।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম বিভাগ এবং জেলা হলো ঢাকা।
- এ বিভাগে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি এবং জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।
- আয়তনে সবচেয়ে বড় বিভাগ চট্টগ্রাম।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এ বিভাগে ১১টি জেলা রয়েছে।
- আয়তন অনুযায়ী বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা রাঙ্গামাটি এবং জনসংখ্যায় বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলা বান্দরবন এ বিভাগে অবস্থিত।
- তাছাড়াও দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর এখানে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী নদীর ওপর কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। 

৯০৬.
বাংলাদেশের একমাত্র ভূকম্পন মানমন্দির কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
খ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
আবহাওয়া দফতর ১৯৫৪ সালে চট্টগ্রামে একটি ভূকম্পন মানমন্দির প্রতিষ্ঠা করে। আজও সেটিই দেশের একমাত্র ভূকম্পন মানমন্দির। সূত্র- বাংলাপিডিয়া।
৯০৭.
উত্তর মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে কোন প্রণালী?
  1. ক) মালাক্কা প্রণালী
  2. খ) জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. গ) বেরিং প্রণালী
  4. ঘ) পক প্রণালী
সঠিক উত্তর:
গ) বেরিং প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বেরিং প্রণালী
ব্যাখ্যা
বেরিং প্রণালী
- প্রণালী হল দুটি নদী বা সমুদ্রের সংযোগকারী সংকীর্ণ জলপ্রবাহ বা ধারা।
- বেরিং প্রণালী এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশ দুইটিকে পৃথককারী জলাশয়।
- এটি উত্তর মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- এটি আলাস্কা ও সাইবেরিয়াকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটির সবচেয়ে সরু অংশ রাশিয়ার দেজনিয়ভ অন্তরীপ এবং আলাস্কার প্রিন্স অফ ওয়েল্‌স অন্তরীপের মধ্যে অবস্থিত। 
- প্রণালীটির গভীরতা ৩০-৫০ মিটার।

অন্যদিকে -
- জিব্রাল্টার প্রণালী (১৪.৩ কি.মি.): ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
- মালাক্কা প্রণালী: মালয় উপদ্বীপ এবং সুমাত্রাকে পৃথক করেছে; যুক্ত করেছে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরকে।
- পক প্রণালী: তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে।

উৎস: World Atlas.
৯০৮.
মৌসুমী বায়ু কোন বায়ুর অন্তর্গত?
  1. ক) সাময়িক বায়ু
  2. খ) অনিয়মিত বায়ু
  3. গ) স্থানীয় বায়ু
  4. ঘ) নিয়ত বায়ু
সঠিক উত্তর:
ক) সাময়িক বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাময়িক বায়ু
ব্যাখ্যা
মৌসুমী বায়ু, সমুদ্র বায়ু, স্থলবায়ু, পার্বত্য বায়ু এবং উপত্যকা বায়ু সাময়িক বায়ুর অন্তর্গত। উৎসঃ ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী
৯০৯.
আগ্নেয় ও পাললিক শিলা রূপান্তরিত হয়ে  নিম্নোক্ত কোন শিলা সৃষ্টি হয়?
  1. আদি শিলা
  2. স্তরীভূত শিলা
  3. অস্তরীভূত শিলা 
  4. রূপান্তরিত শিলা
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যা

রূপান্তরিত শিলা:
- ভূ-আন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্পসহ অন্যান্য রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে আগ্নেয় ও পাললিক শিলা অত্যধিক তাপ ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে এক নতুন ধরনের শিলার সৃষ্টি করে, যাকে রূপান্তরিত শিলা বলা হয়।
যেমন-কাঁদা রূপান্তরিত হয়ে স্লেট, গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিসে পরিণত হয়। 

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯১০.
পদ্মা নদী কোন জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) খুলনা
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ঘ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
পদ্মা নদী:

- পদ্মা নদী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে পদ্মা নদী উৎপত্তি লাভ করে।
- পদ্মা নদী ভারতের উপর দিয়ে গঙ্গা নামে প্রবাহিত হয়।
- এর সর্বমোট দৈর্ঘ্য ২,৬০০ কি.মি.
- রাজবাড়ি জেলায় গোয়ালন্দের কাছে পদ্মা নদী ও যমুনা নদী একসাথে মিলিত হয়েছে
- চাঁদপুরের নিকট পদ্মা নদী ও মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- পদ্মার শাখা নদীগুলো হলো- মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি ইত্যাদি।
- এর উপনদী মহানন্দা, টাঙ্গন, নাগর, পুনর্ভবা, কুলিক।

অন্যদিকে,
- ব্রহ্মপুত্র তিব্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ থেকে উৎপত্তি লাভ করে।
- মেঘনা আসামের 'বরাক' নদী নাগা-মনিপুর পাহাড়ের দক্ষিণ থেকে উৎপত্তি লাভ করে।
- কর্ণফুলী নদী আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- করতোয়া নদীর মূলধারা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলার বৈকুণ্ঠপুর জলাভূমিতে উৎপন্ন হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচ.এস.সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১১.
'নাথু লা পাস' কোন দুটি দেশের মধ্যে অবস্থিত একটি গিরিপথ?
  1. চীন ও ভারত
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
  4. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
চীন ও ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন ও ভারত
ব্যাখ্যা
নাথু লা পাস:

- নাথু লা পাস চীন ও ভারতের মধ্যে অবস্থিত একটি গিরিপথ।
- এটি তিব্বত ও সিকিম সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি চীনের পুরাতণ সিল্ক রোডের একটি অংশ।
- এটি সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৪,৪৫০ ফুট উপরে অবস্থিত।
- বর্তমানে চীন-ভারতের বাণিজ্যের অন্যতম রুট হিসাবে এই গিরিপথটি ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র - সিকিমের সরকারি ওয়েবসাইট।
৯১২.
প্লাইস্টোসিনকালের গঠিত ভূমিরূপ নয় নিচের কোন জেলা?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকালে বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

• নিম্নে এসব উচ্চভূমি বর্ণনা করা হলো।
ক) বরেন্দ্রভূমি: বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার। প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার। এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি। বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ অঞ্চলটিকে কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে। 

খ) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়: টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত। এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি। সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার এবং আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার । এখানকার মৃত্তিকা কৃষিকাজের জন্য তেমন উপযোগী নয়। এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসাব পরিচিত।

গ) লালমাই পাহাড়: কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত। এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার। এ পাহাড়ের মাটি লাল এবং নুড়ি, বালি ইত্যাদি দ্বারা গঠিত।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯১৩.
রূপসা নদীর উপর নির্মিত সেতু নিচের কোনটি?
  1. ক) দপদপিয়া সেতু
  2. খ) খানজাহান আলী সেতু
  3. গ) লালন শাহ সেতু
  4. ঘ) বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতু
সঠিক উত্তর:
খ) খানজাহান আলী সেতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খানজাহান আলী সেতু
ব্যাখ্যা
- রূপচাঁদ সাহার কাটা খালটি আজ বিশাল রূপসা নদী।
- যা দেখে জীবনানন্দ দাশ মুগ্ধ হয়ে লিখেছিলেন:
- ‘‘রূপসার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেড়া পালে  ডিঙ্গা  বায়;  রাঙা   মেঘ সাঁতরায়ে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়ে ’’
- সেই রূপসা নদীর ওপর একটি সেতু  হয়েছে  লোকে  বলে  রূপসা  সেতু। পোশাকি  নাম খানজাহান আলী সেতু।

উৎস: খুলনা জেলা ওয়েবসাইট।
৯১৪.
'বালিশিরা ভ্যালি' বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?  
  1. সুনামগঞ্জ
  2. মৌলভীবাজার
  3. হবিগঞ্জ
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

- 'বালিশিরা ভ্যালি' বাংলাদেশের মৌলভীবাজারে অবস্থিত। 

অন্যদিকে,
- সাজেক ভ্যালি - রাঙামাটি,
- হালদা ভ্যালি অবস্থিত — খাগড়াছড়ি।
- সাঙ্গু ভ্যালি - চট্টগ্রাম, 
- ভেঙ্গি ভ্যালি - রাঙামাটি,
- মিরিঞ্জা ভ্যালি - বান্দরবান জেলা, 
- নাপিত খালি ভ্যালি - কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক পত্রিকা।

৯১৫.
মংলা সমুদ্র বন্দরটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) শ্যালা নদী
  2. খ) পশুর নদী
  3. গ) মাথাভাঙ্গা নদী
  4. ঘ) হাড়িয়াভাঙ্গা নদী
সঠিক উত্তর:
খ) পশুর নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পশুর নদী
ব্যাখ্যা

মংলা বন্দর বাংলাদেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাাতিক সমুদ্র বন্দর।
১৯৫০ সালে ১১ ডিসেম্বর বৃটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ ''The City of Lyons'' সুন্দরবনের মধ্যে পশুর নদীর জয়মনিগোল নামক স্থানে নোঙ্গর করে ।
এটাই ছিল মংলা বন্দর প্রতিষ্ঠার শুভ সুচনা।

উৎসঃ মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।

৯১৬.
মাউন্ট গডউইন (K2) পর্বতশৃঙ্গটি কোন দেশের সীমান্তে অবস্থিত?
  1. পাকিস্তান-চীন
  2. ভারত-নেপাল
  3. ভারত-পাকিস্তান
  4. নেপাল-চীন
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান-চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান-চীন
ব্যাখ্যা

কে২: মাউন্ট গডউইন
- বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ কে২ বা মাউন্ট গডউইন।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ৮,৬১১ মিটার (২৮,২৫১ ফুট)।
- এটি হিমালয় পর্বতমালার কারাকোরাম পর্বতশ্রেণির অন্তর্গত।
- এটি পাকিস্তান-চীন সীমান্তে বিস্তৃত।
- পর্বতটি পাকিস্তানের গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চল এবং চীনের জিনজিয়াং অঞ্চল সীমান্তে কারাকোরাম পর্বতশ্রেণীতে অবস্থিত।
- এই পর্বতটি ‘স্যাভেজ মাউন্টেন’ বা চোগোরি নামেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- অত্যন্ত দুর্গম হওয়ায় এটি জংলী পর্বত নামেও পরিচিত। 
- ১৮৫৬ সালে কর্নেল টিজি মন্টগোমেরি এটি আবিষ্কার করেন এবং কারাকোরাম রেঞ্জের দ্বিতীয় শৃঙ্গ হিসেবে 'K2' নামকরণ করেন।
- পরে, এটি জরিপকারী হেনরি গডউইন-অস্টেনের সম্মানে মাউন্ট গডউইন-অস্টেন নামেও পরিচিত হয়। 
- ১৯৫৪ সালের ৩১ জুলাই ইতালীয় অভিযাত্রী দল প্রথম এর চূড়ায় আরোহণ করেন।

উৎস: Britannica.

৯১৭.
নিচের কোন জ্বালানিটি ব্যবহার করে বায়ু দূষণ কমানো যায়?
  1. পেট্রোল
  2. সিএনজি
  3. ডিজেল
  4. কেরোসি
সঠিক উত্তর:
সিএনজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিএনজি
ব্যাখ্যা

• বায়ু দূষণ:
- যানবাহন থেকে নির্গত বায়ু দূষকগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কার্বন মনোঅক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইড, অদাহ্য হাইড্রোকার্বন।
- এগুলো নির্গমন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এক্ষেত্রে ডিজেল বা পেট্রোল চালিত যানের তুলনায় সিএনজি চালিত যানের দূষণমাত্রা অনেক কম।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯১৮.
নিচের কোনটি কৃষি-আবহাওয়াজনিত আপদ? 
  1. ভূমিকম্প
  2. বন্যা
  3. সুনামি 
  4. খরা
সঠিক উত্তর:
খরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরা
ব্যাখ্যা

খরা (Drought):
- খরা একটি প্রধান কৃষি-আবহাওয়াজনিত আপদ (Agricultural Hazard).
- খরা হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টিপাতের অভাব যা জলস্বল্পতার কারণে ঘটে।
- এটি কৃষি উৎপাদন, খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এর তীব্রতা, পুনরাবৃত্তি ও স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা কৃষির জন্য ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
- খরার কারণে মাটিতে এবং ভূ-পৃষ্ঠে জলের ঘাটতি দেখা দেয়, ফলে ফসল ও পশুপালন ব্যাহত হয়।
- মাটির আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় শস্য উৎপাদন কমে যায়, খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এবং কৃষকের আয় হ্রাস পায়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলায় খরার প্রকোপ বেশি দেখা যায়।
- দীর্ঘ অনাবৃষ্টি বা অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে:
•  মাটি ফেটে যায়,
• ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যায়,
• এবং ফসলের উৎপাদন কমে যায়।
- উপকূলীয় অঞ্চলেও খাদ্যদ্রব্যের অভাব প্রকট হয়।
- এছাড়া, তীব্র গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ায় মানুষের স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উৎস:
১. ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
২. প্রথম আলো। 

৯১৯.
বাংলাদেশে আবিষ্কৃত প্রথম কয়লা ক্ষেত্র কোনটি?
  1. জামালগঞ্জ
  2. বড় পুকুরিয়া
  3. দিঘীপাড়া
  4. খালাসপীর
সঠিক উত্তর:
জামালগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামালগঞ্জ
ব্যাখ্যা

কয়লা ক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র ৫টি।
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।
- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।

⇒ দেশের কয়লা খনিসমূহ হলো:
• বড়পুকুরিয়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৫।
• দীঘিপাড়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৯৫।
• ফুলবাড়ী: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৯।
• খালাসপীর: রংপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: বি.এইচ.পি মিনারেলস, ১৯৯৭।
• জামালগঞ্জ: আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জয়পুরহাট, জিএসবি, ১৯৬২।

উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট। 

৯২০.
নিম্মের কোনটি হিমবাহের সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপ?
  1. গ্রাবরেখা
  2. এসকার
  3. কেম
  4. সবগুলা
সঠিক উত্তর:
সবগুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলা
ব্যাখ্যা

হিমবাহের সঞ্চয়কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপ:
- হিমবাহের সঞ্চয়কার্যের ফলে গঠিত ভূমিরূপ হলো সেই বৈচিত্র্যময় ভূ-প্রকৃতি, যা হিমবাহের সঙ্গে বাহিত শিলাখণ্ড, বালি, কাদা ও নুড়ি-পাথরের স্তূপাকারে হিমবাহের প্রবাহপথে বা শেষপ্রান্তে জমে তৈরি হয়।
- হিমবাহের সঞ্চয়কার্যের ফলে গঠিত প্রধান ভূমিরূপগুলো হলো-
- গ্রাবরেখা (Moraine),
- কেম (Kame),
- ড্রামলিন (Drumlin),
- এসকার (Esker),
- বহিঃধৌত সমভূমি (Outwash Plain)
- এবং কেটল (Kettle)।
- এই ভূমিরূপগুলো সাধারণত কাদা, বালি, নুড়ি ও পাথরের স্তূপাকারে সঞ্চিত হয়ে তৈরি হয়।

- প্রধান ভূমিরূপের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা:
গ্রাবরেখা (Moraine):
- হিমবাহের সাথে বাহিত শিলাখণ্ড, নুড়ি ও বালি সঞ্চিত হয়ে গঠিত।
- এটি অবস্থান অনুসারে ভূমি গ্রাবরেখা (হিমবাহের নিচে) এবং প্রান্ত গ্রাবরেখা (হিমবাহের সামনের দিকে) হতে পারে।

এসকার (Esker): 
- হিমবাহের ভেতর বা নিচে নদী দ্বারা সঞ্চিত বালি ও নুড়ি দীর্ঘ, আঁকাবাঁকা ও সরু শৈলশিরার মতো ভূমিরূপ তৈরি করে।

কেম (Kame):
- হিমবাহের শেষপ্রান্তে বরফ গলে কাদা, বালি ও নুড়ি স্তূপাকারে সঞ্চিত হয়ে ত্রিকোণাকার বা দ্বীপাকার ছোট টিলা তৈরি করে।

• ড্রামলিন (Drumlin):
- হিমবাহের সঞ্চয় কার্যের ফলে গঠিত উল্টানো নৌকা বা অর্ধেক ডিমের মতো টিলা।

• বহিঃধৌত সমভূমি (Outwash Plain):
- হিমবাহের প্রান্তে গলিত জলের মাধ্যমে বাহিত পলি, বালি ও কাঁকর জমে গঠিত সমভূমি।

• কেটল (Kettle):
- হিমবাহের সঞ্চিত বালি ও পাথরের মধ্যে বরফের টুকরো গলে গর্ত বা ছোট হ্রদ তৈরি করে।

উৎস: BBC News ও Antarctic Glaciers Website. 

৯২১.
জাপানের টোকিও শহর ও ঢাকা শহরের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫° হলে এই দুই শহরের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য কত?
  1. ১.৫ ঘণ্টা
  2. ২.৫ ঘণ্টা
  3. ৩ ঘণ্টা
  4. ৩.৫ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
৩ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমা নির্ণয়:
১। যেহেতু ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য দুটি স্থানের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট। এ কারণে স্থান দুটির সময়ের পার্থক্য যা হয় তাকে ৪ দিয়ে ভাগ করে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।
-একই ভাবে দুই স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্যের সাথে ৪ গুণ করে দুই স্থানের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।

সমাধান:
আমরা জানি, পৃথিবীতে প্রতি ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট।
∴৪৫° দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য হবে (৪৫ × ৪)=১৮০ মিনিট বা ৩ ঘণ্টা।

অর্থাৎ জাপানের টোকিও শহর ও ঢাকা শহরের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য ১৮০ মিনিট বা ৩ ঘণ্টা।

উত্তর: এই দুই শহরের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য ৩ ঘণ্টা।
৯২২.
খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন জেলা -
  1. ক) যশোর
  2. খ) সিলেট
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট
ব্যাখ্যা
• ২০২০ সালে 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) প্রকাশিত রির্পোটে সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা
Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে। অঞ্চলগুলো হলো -
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল।) এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.36
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ- পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)। এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.28
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি) এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.2
৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি) এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.12

সূত্র:- BNBC প্রকাশিত Seismic Design সমীক্ষার রিপোর্ট।
 
৯২৩.
পৃথিবীর নিম্নতম বিন্দুটি কোথায় অবস্থিত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগরে
  2. আটলান্টিক মহাসাগরে
  3. বঙ্গোপসাগরে
  4. এন্টার্কটিকা মহাদেশে
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
- পৃথিবীর নিম্নতম বা গভীরতম স্থান - মারিয়ানা ট্রেঞ্চ।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরে তলদেশে অবস্থিত।
- হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী স্থানে এটির অবস্থান।
- এর গভীরতা প্রায় ৩৬,০৭০ ফুট বা ১১,০৩৪ মিটার।
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ এর গভীরতম স্থান কে  চ্যালেঞ্জার ডিপ বলা হয়।

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৯২৪.
পৃথিবীর সবগুলো মহাদেশ একসাথে জুড়ে যে বিশাল একটি মহাদেশ ছিল তার নাম কি?
  1. ক) প্যানথালাসা
  2. খ) প্যানজিয়া
  3. গ) ইউরোশিয়া
  4. ঘ) ওশিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) প্যানজিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্যানজিয়া
ব্যাখ্যা

প্যানজিয়া প্রাগৈতিহাসিক পৃথিবীর একটি একক মহাদেশ। এটি প্যানথালাসা নামক একটি মাত্র মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত ছিল। আজ থেকে ১১০ কোটি বছর পূর্বেও পৃথিবীতে একটি মাত্র মহাদেশ ছিল।
মহাদেশগুলো টেকটোনিক প্লেটের উপর অবস্থিত যারা চলমান। এই গতি রোডেনিয়ার ভগ্নাংশগুলোকে আবার একত্র করে প্রায় ৩০ কোটি বছর পূর্বে গঠন করেছিল প্যানজিয়া তবে এটি পুরোপুরি গঠিত হয় আনুমানিক ২৭ কোটি বছর পূর্বে।

উৎস: Britannica.com

৯২৫.
নিম্নের কোনটি পদ্মা নদীর উপনদী?
  1. তিস্তা
  2. গোমতী
  3. পুনর্ভবা
  4. ধরলা
সঠিক উত্তর:
পুনর্ভবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনর্ভবা
ব্যাখ্যা

পদ্মা নদী:
- বাংলাদেশের প্রধান নদী পদ্মা। এ নদী গঙ্গা নামে মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- পদ্মা নদী রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে। এই মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিশেছে। অতঃপর তিন নদীর মিলিত স্রোত মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- পদ্মার শাখা নদীগুলো হলো ⎯ মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি ইত্যাদি এবং উপনদী ⎯ মহানন্দা, টাঙ্গন, নাগর, পুনর্ভবা, কুলিক।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন,
ii) ভূগোল, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
iii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি,
iv) বাংলাপিডিয়া।

৯২৬.
মার্সেলি স্কেল ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) বাতাসের আদ্রতা পরিমাপে
  2. খ) বাতাসের চাপ পরিমাপে
  3. গ) ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপে
  4. ঘ) সাগরের গভীরতা পরিমাপে
সঠিক উত্তর:
গ) ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপে
ব্যাখ্যা
মার্সেলি স্কেল ব্যবহৃত হয় ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপে। এই স্কেলে ১-১২ পর্যন্ত তীব্রতার ভূকম্পন পরিমাপ করা যায় যেখানে রিখটার স্কেলে ১০ পর্যন্ত পরিমাপ করা যায়।
সূত্রঃ ভোরের কাগজ পত্রিকা
৯২৭.
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা কত নটিক্যাল মাইল?
  1. ১২ নটিক্যাল মাইল
  2. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  3. ২২০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
১২ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
-  অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার এবং
-  ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপান এলাকা বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার অন্তর্ভুক্ত।

[নোট: ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।]

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।।

৯২৮.
মহাদেশীয় ভূত্বকের স্তরকে কি বলে?
  1. ক) সিয়াল
  2. খ) সিয়াম
  3. গ) শিলা
  4. ঘ) সিমা
সঠিক উত্তর:
ক) সিয়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিয়াল
ব্যাখ্যা
ভূত্বকের শিলাস্তরগুলােকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। সিয়াল (SIAL) বা হালকা শিলাস্তর এবং সিমা (SIMA) বা ভারী শিলাস্তর। সিয়াল স্তরে থাকে সিলিকা ও অ্যালুমিনিয়াম তাই এর নাম সিয়াল। সাধারণত মহাদেশীয় ভূত্বকের স্তরকে সিয়াল বলে। সিমা হলাে ভূ-ত্বকের নিচের অংশ। এটা সিলিকা ও ম্যাগনেসিয়াম দিয়ে তৈরি। তাই এর নাম সিমা। (রেফারেন্স- ভূগােল ও পরিবেশ-৯ম-১০ম শ্রেণি)
৯২৯.
বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান খনিজ সম্পদ কোনটি?
  1. চুনাপাথর
  2. কাঁচবালি
  3. কয়লা
  4. খনিজ লবণ
সঠিক উত্তর:
কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান খনিজ সম্পদ কয়লা।

• কয়লা: 
-  ১৯৫৯ সালে ভূ-পৃষ্ঠের অত্যধিক গভীরতায় সর্বপ্রথম কয়লা আবিষ্কৃত হয়।
-  বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জি.এস.বি)-এর অব্যাহত প্রচেষ্টায় ৪টি কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার যৌথ কোম্পানি বি.এইচ.পি-মিনারেলস আরও একটি কয়লাখনি আবিষ্কার করলে দেশে কয়লাখনির মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৫টিতে। 
- আবিষ্কৃত সকল কয়লাখনিই দেশের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। 
- উত্তরপশ্চিমাঞ্চলেকয়লা প্রধান খনিজ সম্পদ। 
- যথা: জামালগঞ্জ, বড়পুকুরিয়া,খালাশপীর,দীঘিপাড়া,ফুলবাড়ী তে অবস্থিত কয়লার খনিগুলো।

• চুনাপাথর:
-  ১৯৬০-এর দশকের প্রথমভাগে দেশের উত্তর-পূর্বভাগে অবস্থিত টাকেরঘাট এলাকায় ইয়োসিনযুগীয় চুনাপাথরের একটি ক্ষুদ্র মজুত থেকে চুনাপাথর আহরণ করে তা একটি সিমেন্ট ফ্যাক্টরীতে সরবরাহ করা হয়।
- নওগাঁ ও জয়পুরহাট জেলায় চুনাপথর খনি রয়েছে।

• কাচাঁবালি:
-  বাংলাদেশে কাচবালির উল্লেখযোগ্য মজুত রয়েছে।
- বাংলাদেশের উপকূলীয় বলয় ও উপকূলীয় দ্বীপসমূহে সৈকত বালির মজুত চিহ্নিত করা হয়েছে।

• খনিজ লবণ: 
- বাংলাদেশে সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষত চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং খুলনা ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে সমুদ্রের লোনা পানি বাষ্পীভবন বা সৌর পদ্ধতিতে আটকে রেখে লবণ উৎপাদন করা হয়।
- যা প্রধান খনিজ সম্পদ নয়।

∴ সুতরাং সঠিক উত্তর কয়লা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯৩০.
ম্যাজিনো লাইন কোন দুই দেশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
  2. পর্তুগাল ও স্পেন
  3. ফ্রান্স ও জার্মানি
  4. রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স ও জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স ও জার্মানি
ব্যাখ্যা

ম্যাজিনো লাইন:
- ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে একটি সীমারেখা।
- ম্যাজিনো লাইন ছিল ফ্রান্সের একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ,
- যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি ও ইতালির সীমান্ত বরাবর নির্মাণ করা হয়েছিল।
- এটি সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এক অদম্য প্রতিরক্ষা ব্যূহ হিসেবে বিবেচিত হতো।
- তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান বাহিনী এই লাইনকে পাশ কাটিয়ে এবং ভেঙে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়।

অপরদিকে,
- ম্যানারহেম রেখা: রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড,
- লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেন,
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- সনোরা লাইন: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৯৩১.
সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে শনির সময় লাগে -
  1. ৯ বছর
  2. ১৩ বছর
  3. ২১ বছর
  4. ২৯ বছর
সঠিক উত্তর:
২৯ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ বছর
ব্যাখ্যা
শনি (Saturn):

- সূর্য থেকে শনির গড় দূরত্ব ১৪৩ কোটি কিলোমিটার।
- সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে শনির সময় লাগে ২৯ বছর।
- এর ব্যাস প্রায় ১,২০,০০০ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৩২.
কোন ভৌগলিক গুরুত্বপূর্ণ রেখা বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে?
  1. কুমেরুবৃত্ত
  2. কর্কট ক্রান্তি রেখা
  3. মকর ক্রান্তি রেখা
  4. সুমেরুবৃত্ত
সঠিক উত্তর:
কর্কট ক্রান্তি রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্কট ক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা

 কর্কটক্রান্তি রেখা:
- ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কর্কট ক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখার অপর নাম ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা।
- বছরে সূর্য একবার বিষুবরেখা অতিক্রম করে উত্তর গোলার্ধের সর্বশেষ যে স্থান পর্যন্ত পরিক্রমা করে (২৩.৫ ডিগ্রী উত্তর অক্ষাংশ) আবার বিষুবরেখার দিকে ফিরে আসে, সেই কাল্পনিক রেখাটিকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলে।

অন্যদিকে,
- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে।
- ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকর ক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত হয়।
- ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে উত্তর মেরু অঞ্চলের শেষ সীমানা ধরা হয় এবং এই অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত নামে অভিহিত করা হয়।
- ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরু অঞ্চলের শেষ সীমানা ধরা হয় এবং এই অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত (Antarctic Circle) নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩৩.
জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা কোনটি?
  1. ওডার-নেইস লাইন
  2. সনোরা লাইন
  3. পার্পল লাইন
  4. ডুরান্ড লাইন
সঠিক উত্তর:
ওডার-নেইস লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওডার-নেইস লাইন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনোরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৯৩৪.
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের কত শতাংশ ভূমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে?
  1. ১৩ শতাংশ
  2. ১৭ শতাংশ
  3. ২১ শতাংশ
  4. ২২ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১৭ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ:
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবে ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের জিডিপির দুই শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং ২১০০ সাল নাগাদ এই হার বৃদ্ধি হবে নয় শতাংশ।
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের ১৭ শতাংশ ভূমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং একই সময়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে দেশের মোট উৎপাদনের ৩০ শতাংশ হ্রাস পাবে।
- লবণাক্ততা ও বন্যার ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে উপকূলীয় অঞ্চল।
- তাছাড়া, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে বাংলাদেশে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ছিল প্রায় ২৪ লাখ এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় দুই কোটির বেশি মানুষ তাদের উপকূলীয় অঞ্চল থেকে স্থানচ্যুত হতে পারে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়ের প্রকোপ এবং তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
- শুধু গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বছরে গড় ক্ষতির পরিমাণ ইতোমধ্যে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার (মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির ০.৭ শতাংশ)।
- ২০৫০ সালের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে এবং এর ফলে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের জনজীবন আরও বিপর্যন্ত হতে পারে।
- তাছাড়া, সুন্দরবনের ৪০ শতাংশ অঞ্চল আগামী কয়েক দশকের মধ্যে বিলীন হবে।

উৎস: Transparency International Bangladesh ওয়েবসাইট।

৯৩৫.
বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. নাইট্রোজেন
  2. কার্বন ডাই অক্সাইড
  3. অক্সিজেন
  4. ধূলিকণা ও কনিকা
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডল: 
- নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান।
- সবচেয়ে বেশী রয়েছে নাইট্রোজেন। যার পরিমাণ প্রায় ৭৮.০২%।
- দ্বিতীয় প্রধান উপাদান হিসাবে সবচেয়ে বেশী রয়েছে অক্সিজেন। যার পরিমাণ প্রায় ২০.৭১ শতাংশ।
- এ দুটি গ্যাসবায়ুমন্ডলে আয়তনের দিক থেকে একত্রে শতকরা ৯৮.৭৩ ভাগ।
- সবচেয়ে কম ধূলিকণা ও কনিকা। যার পরিমাণ প্রায় ০.০১%।
- বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ ০.০৩%।
- জলীয় বাষ্প রয়েছে- ০.৪১%।



উৎস: ভূগোল ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩৬.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়েছে -
  1. ১ জুলাই, ২০১৫
  2. ৩১ জুলাই, ২০১৫
  3. ১ জুন, ২০১৫
  4. ৩১ জুন, ২০১৫
সঠিক উত্তর:
৩১ জুলাই, ২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ জুলাই, ২০১৫
ব্যাখ্যা
ছিটমহল বিনিময়:
- দুই দেশের যৌথ জরিপ অনুযায়ী ১৬২টি ছিটমহলে সাড়ে ৫৫ হাজারের মত মানুষ ছিল।
- দুই দেশের সরকারের হিসেব অনুযায়ী ভারতের মধ্যে বাংলাদেশের ৫১টি এবং বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল।
- এর মধ্যে জরিপে বাংলাদেশের মধ্যে থাকা ছিটমহলে সাড়ে ৪১ হাজার এবং ভারতের মধ্যে থাকা ছিটমহলে ১৪ হাজার মানুষের বসবাসের তথ্য ছিল।
- ১৯৭৪ সালের বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি এবং ২০১১ সালের প্রটোকল অনুযায়ী - ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের ৬৮ বছর পর দুটি দেশের মধ্যেকার সীমান্ত সমস্যার নিষ্পত্তি হয়েছে ২০১৫ সালে।
- বাংলাদেশে ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়েছে ৩১ জুলাই, ২০১৫ তারিখে।
- এর ফলে বাংলাদেশের ভেতরকার ভারতের ছিটমহলগুলো বাংলাদেশের ভুমি হিসেবে এবং ভারতের ভিতরকার বাংলাদেশের ছিটমহলগুলো ভারতের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে।

উৎস: ৩১ জুলাই, ২০১৫, বিবিসি বাংলা।
৯৩৭.
ভাওয়ালের সোপান ভূমি কোন সময়ে গঠিত হয়?
  1. প্লাইস্টোসিনকালে
  2. টারসিয়ারি যুগে
  3. সাম্প্রতিককালে
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালে
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে। এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর। দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত। প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৩৮.
'Rijuk Falls' is located in -
  1. ক) Khagrachari
  2. খ) Sitakund
  3. গ) Bandarban
  4. ঘ) Rangamati
সঠিক উত্তর:
গ) Bandarban
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Bandarban
ব্যাখ্যা
- ঋজুক ঝর্ণা (Rijuk Falls) বান্দরবানে অবস্থিত।

• বান্দরবানে অবস্থিত কয়েকটি ঝর্ণা:

- ট্রিপল ঝর্ণা (Triple Falls),
- জাদিপাই ঝর্ণা (Jadipai Falls),
- চিংড়ি ঝর্ণা (Shrimp Fountain), 
- জোড়া ঝর্ণা বা যমজ ঝর্ণা (Twin Falls or Double Falls), 
- রূপমুহুরী ঝর্ণা (Rupmuhuri Falls),
- বাকলাই ঝর্ণা (Baklai Falls),
- কুমারী ঝর্ণা (Kumari Falls), 
- দামতুয়া ঝর্ণা(Damtuya Falls), 
- রেনিক্ষ্যং ঝর্ণা (Renikkhyng Falls), 
- শৈলপ্রপাত (Shaoilo Propat), 
- তিনাপ সাইতার (Tinap Saitar), 
- নাফাখুম (Nafakhum),

উৎস: বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট।
৯৩৯.
বাংলাদেশের কোন জেলায় আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়?
  1. ক) কুড়িগ্রাম
  2. খ) রংপুর
  3. গ) সুনামগঞ্জ
  4. ঘ) চট্রগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সাধারণত চার ধরনের বন্যা সংঘটিত হয়।
এগুলো হলো:
- বৃষ্টিজনিত বন্যা
- উপকূলীয় বন্যা
- নদীসৃষ্ট বন্যা
- আকস্মিক বন্যা।

- বাংলাদেশেরে উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ী নদীর পানি উপচে পড়ে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি করে।
- এপ্রিল-মে এবং সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় পাহাড়ী নদীর উপচে পড়া পানির কারণে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।
- আকস্মিক বন্যায় হাওরাঞ্চলের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।

তথ্যসূত্র:- বন্যা সাড়াদান ও প্রস্তুতি পরিকল্পনা : বাংলাদেশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।
৯৪০.
আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান কোনটি?
  1. মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
  2. পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ
  3. জাভা ট্রেঞ্চ
  4. টোঙ্গা ট্রেঞ্চ
সঠিক উত্তর:
পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ
ব্যাখ্যা

আটলান্টিক মহাসাগর:
- পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জুড়ে এটি অবস্থিত।
- আটলান্টিক মহাসাগর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- এর আয়তন ৮১,৭৬০,০০০ বর্গ কিমি।
- আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ।
- এর গড় গভীরতা ১১,৯৬২ ফুট  এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ২৭,৪৯৩ ফুট।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৯৪১.
'ঘুমধুম' সীমান্ত কোন বিভাগে অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. সিলেট
  3. চট্টগ্রাম
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
ঘুমধুম সীমান্ত:
- ঘুমধুম সীমান্ত বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার অন্তর্গত নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার একটি ইউনিয়ন।
- এর উত্তরে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন ও সোনাইছড়ি ইউনিয়ন; পশ্চিমে কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়ন, উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন, রত্নাপালং ইউনিয়ন, রাজাপালং ইউনিয়ন ও পালংখালী ইউনিয়ন এবং দক্ষিণে ও পূর্বে মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশ অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - যুগান্তর, ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪।
৯৪২.
সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত? 
  1. গুজরাট
  2. কলম্বো
  3. ঢাকা
  4. থিম্পু
সঠিক উত্তর:
গুজরাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুজরাট
ব্যাখ্যা

SAARC:
- SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫, ঢাকায়।
- সার্কের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।

⇒ সার্কের কিছু আঞ্চলিক কেন্দ্র সার্কভুক্ত বিভিন্ন দেশে অবস্থিত। যথা:
- সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র: গুজরাট, গান্ধীনগর ভারত,
- সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র: কলম্বো, শ্রীলংকা,
- সার্ক যক্ষ্মা ও এইচআইভি/এইডস কেন্দ্র: কাঠমান্ডু, নেপাল,
- সার্ক শক্তি কেন্দ্র: পাকিস্তান,
- সার্ক বন গবেষণা কেন্দ্র: থিম্পু, ভুটান,
- সার্ক মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান,
- সার্ক উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র: মালদ্বীপ।

উল্লেখ্য,
- ২০০৬ সালের অক্টোবরে ভারতের নয়াদিল্লিতে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তবে ২০১৬ সালে সার্ক আবহাওয়া কেন্দ্র, সার্ক বন কেন্দ্র এবং সার্ক উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রকে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের সাথে একীভূত করা হয়।
- তখন এটির কার্যালয় নয়াদিল্লি থেকে গুজরাটের গান্ধীনগরে স্থানান্তর করা হয়।
- বর্তমানে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র গুজরাটের গান্ধীনগরে অবস্থিত।

উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।

৯৪৩.
বায়ুমণ্ডলের সর্বোচ্চ উপাদান কোনটি?
  1. অক্সিজেন
  2. আর্গন
  3. নাইট্রোজেন
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলের উপাদান: 
- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয় বাষ্পের সংমিশ্রণে গঠিত। 
- বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন (২০.৭১%)  
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলো প্রায় একই রকম থাকে যা সমমণ্ডল (Homosphere) নামে পরিচিত। 
- আর ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন এই ৯০ কিলোমিটারের ঊর্ধ্বে বায়ুমণ্ডলের যে অংশ রয়েছে সেখানে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত সমান থাকে না বলে তাকে বিষমমণ্ডল (Heterosphere) বলে। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদান: 
১. নাইট্রোজেন (N2) - ৭৮.০২%, 
২. অক্সিজেন (O2) - ২০.৭১%, 
৩. আর্গন (Ar) - o.৮০%, 
৪. কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) - ০.০৩%, 
৫. ওজোন (O3) - ০.০০০১%, 
৬. অন্যান্য গ্যাস - ০.০১৯৯%, 
৭. জলীয়বাষ্প - ০.৪১% এবং 
৮. ধূলিকণা - ০.০১%। 

সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯৪৪.
'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' কি বিষয়ক পুরস্কার?
  1. ক) পরিবেশ বিষয়ক
  2. খ) খেলাধুলা বিষয়ক
  3. গ) শরীরচর্চা বিষয়ক
  4. ঘ) সাঁতার প্রতিযোগিতা বিষয়ক
সঠিক উত্তর:
ক) পরিবেশ বিষয়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পরিবেশ বিষয়ক
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) ২০০৫ সাল থেকে পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পুরস্কার প্রদান করে আসছে। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সরকারি বেসরকারি পর্যায় থেকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
(সূত্রঃ চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ প্রাইজ ওয়েবসাইট, দৈনিক প্রথম আলো এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৯৪৫.
মালাক্কা প্রণালী কোন দুটি জলভাগকে সংযুক্ত করেছে?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
  3. লোহিত সাগর ও ভারত মহাসাগর
  4. ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ চীন সাগর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ চীন সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ চীন সাগর
ব্যাখ্যা

মালাক্কা প্রণালী:
- এটি ভারত মহাসাগর এবং দক্ষিণ চীন সাগরকে সংযোগকারী জলপথ।
- মালাক্কা প্রণালী সুমাত্রা এবং মালয় উপদ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এর আয়তন প্রায় ২৫,০০০ বর্গ মাইল (৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- প্রণালীটি ৫০০ মাইল (৮০০ কিমি) দীর্ঘ।
- এটি দক্ষিণে মাত্র ৪০ মাইল (৬৫ কিমি) ও উত্তরে ১৫৫ মাইল (২৪৯ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত।
- প্রণালীটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভ্রমণকারী শিপিং চ্যানেলগুলির মধ্যে একটি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৯৪৬.
যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে বলা হয়-
  1. অয়ন বায়ু
  2. নিয়ত বায়ু
  3. প্রত্যয়ন বায়ু
  4. মৌসুমী বায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা
যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে বলা হয় নিয়ত বায়ু।
নিয়ত বায়ু তিন প্রকার।
যথা-
- অয়ন বায়ু,
- পশ্চিমা বায়ু ও
- মেরু বায়ু।

কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে সদা প্রবাহিত বায়ুকে বলা হয়- অয়ন বায়ু।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৪৭.
অশ্বমণ্ডল প্রধানত কোন উপাদানগুলো দিয়ে গঠিত?
  1. নিকেল ও ম্যাগনেসিয়াম
  2. সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম
  3. আর্গন ও নাইট্রোজেন
  4. আর্গন ও নিকেল 
সঠিক উত্তর:
সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

অশ্বমণ্ডল (Lithosphere): 
- গুরুমণ্ডলের উপরাংশকে অশ্বমণ্ডল বা শিলামণ্ডল বলা হয়।
- এটি নানা রকম শিলা ও খনিজ উপাদান দ্বারা গঠিত।
- মহাদেশের নিচে অশ্বমণ্ডলের গভীরতা সর্বোচ্চ, আর মহাসাগরের নিচে সর্বনিম্ন।

- লিথোস্ফিয়ারের উপরের অংশকে ভূ-ত্বক বলে।
- এটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭০০ কিমি গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত।
- অশ্বমণ্ডল নিচের দিকে প্রতি কিমি গভীরতায় প্রায় ৩০°C তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।

• উপাদান ও শিলা গঠন:
- অশ্বমণ্ডলের প্রধান উপাদান হলো-
- অক্সিজেন, সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম, লৌহ, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম।
------------------ 
উল্লেখ্য,
• লিথোস্ফিয়ারের শিলার প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে ভূ-ত্বককে তিন ভাগে ভাগ করা হয়:

১. পৃষ্ঠের হালকা ঘন শিলাস্তর (Sial / গ্রানাইট স্তর):
- মানুষ, জীবকূল, গাছপালা ও তৃণগাছ এখানে বাস করে।
- প্রধান উপাদান: সিলিকা ও অ্যালুমিনিয়াম, তাই একে সিয়াল স্তর বলা হয়।
- স্থলভাগ বা মহাদেশ এই শিলায় গঠিত।

২. মধ্যম ঘন শিলাস্তর (Sima / ব্যাসল্ট স্তর): 
- এটি সিয়াল স্তরের ঠিক নিচে অবস্থিত মধ্যম শিলাস্তর।
- এই স্তরের প্রধান উপাদান: সিলিকা ও ম্যাগনেসিয়াম।
- মহাসাগরীয় ভূ-ত্বক এই শিলায় তৈরি হয়।
- সমুদ্র তলের নিচে গ্রানাইট শিলার পর এই স্তর শুরু হয়।
- সিয়াল ও সিমা স্তরের মিলনের সীমাকে কনরাড বিযুক্তি বলা হয়।

৩. নিম্ন স্তর – অলিভিন জাতীয় শিলা: 
- লিথোস্ফিয়ারের সবচেয়ে নিচের স্তর, যেখানে অলিভিন জাতীয় শিলা বেশি।
- শিলার প্রধান উপাদান: ম্যাগনেসিয়াম ও লৌহের সিলিকেট।
- ভূ-কম্পনের তরঙ্গ এখানে প্রতি সেকেন্ডে ৮ কিমি বেগে চলে।
- আপেক্ষিক গুরুত্ব: ৩.৩।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯৪৮.
নিচের কোনটি আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান নয়?
  1. ক) বৃষ্টিপাত
  2. খ) আর্দ্রতা
  3. গ) বায়ু প্রবাহ
  4. ঘ) সমুদ্রস্রোত
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমুদ্রস্রোত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমুদ্রস্রোত
ব্যাখ্যা
আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো:

- বায়ুর তাপ
- বায়ুর চাপ
- বায়ু প্রবাহ
- বায়ুর আর্দ্রতা এবং
- বারিপাত বা বৃষ্টিপাত।

অন্যদিকে,

আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ামকসমূহ হলো:

- অক্ষাংশ
- উচ্চতা
- সমুদ্র থেকে দূরত্ব
- বায়ুপ্রবাহ
- সমুদ্রস্রোত
- পর্বতের অবস্থান
- ভূমির ঢাল
- মৃত্তিকার গঠন
- বনভূমির অবস্থান প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৯৪৯.
ভূমিকম্প বিবেচনায় সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল কোনটি?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. খুলনা
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
• ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বিবেচনায় সমগ্র বাংলাদেশকে তিনটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে।

⇒ সর্বাধিক ঝুঁকিপূর্ণ হলো:
- দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার উত্তরাংশ।

মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হলো:
- চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ঢাকা, টাঙ্গাইল ও রংপুর অঞ্চল।

কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা:
- বরিশাল, খুলনা ও ফরিদপুর সহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল  হিসেবে চিহ্নিত।

সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৫০.
গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনায় সম্মিলিত নদী অববাহিকার কত শতাংশ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ১৪
  2. ৩৩
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা


বাংলাদেশ হিমালয় থেকে উৎসরিত ৩টি বৃহৎ নদী:
গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার পলল দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে। এটি পৃথিবীর একটি অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ।
- নদীগুলোর মধ্যে ৫৭টি হচ্ছে আন্তঃসীমান্ত নদী যার মধ্যে ৫৪টি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন এবং ৩টি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে অভিন্ন।
- আবহমানকাল ধরে নদীমাতৃক বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা আবর্তিত হচ্ছে এসকল নদীর পানিকে ঘিরে।
- এ তিনটি নদীর অববাহিকার মোট আয়তন প্রায় — ১.৭২ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার, যার মাত্র  — ৭ শতাংশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত। এসকল নদীর অন্যান্য অববাহিকাভূক্ত দেশ হচ্ছে ভারত, নেপাল, ভূটান ও চীন।

উৎস: যৌথ নদী কমিশন ওয়েবসাইট।
৯৫১.
এশিয়ার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. হোয়াংহো নদী
  2. ইয়াংসিকিয়াং নদী
  3. মেকং নদী
  4. হেইলংজিয়াং
সঠিক উত্তর:
ইয়াংসিকিয়াং নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াংসিকিয়াং নদী
ব্যাখ্যা

ইয়াংসি নদী:
- এশিয়ার দীর্ঘতম নদী হলো ইয়াংসি নদী যা চীনে অবস্থিত। 
- এটি বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৩০০ কিলোমিটার।
- নদীটি তিব্বত মালভূমি থেকে উৎপন্ন হয়ে পূর্ব চীন সাগরে পতিত হয়।
- চীনে এটি 'ছাং চিয়াং' (দীর্ঘ নদী) নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য, 
- ইয়াংসিকিয়াং নদীর অববাহিকায় চংকিং, উহান, নানজিং এবং সাংহাইয়ের মতো বড় শহর অবস্থিত।
- নদীর মধ্যভাগে বিখ্যাত তিনটি গিরিখাত রয়েছে।
- ইয়াংসিকিয়াং নদী চীনের অর্থনীতি, কৃষি ও পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- থ্রি গর্জেস ড্যামসহ অনেক বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এ নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে।
------------------------------------
অন্যদিকে, 
• হোয়াংহো নদী:
- হোয়াংহো বা পীত নদী চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- একে ‘চীনের দুঃখ’ বলা হয়।
• মেকং নদী দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী হিসেবে পরিচিত।
• হেইলংজিয়াং উত্তর-পূর্ব চীনের একটি প্রধান নদী, যা চীনের সীমান্ত দিয়ে প্রবাহিত হয়।

উৎস: Britannica.

৯৫২.
বজ্রপাতের সময় কীভাবে থাকা উচিত?
  1. উঁচু গাছের নিচে
  2. খোলা মাঠে দৌড়াদৌড়িতে
  3. গুহার ভিতর বা মাটিতে শুয়ে
  4. জলাশয়ের পানিতে
সঠিক উত্তর:
গুহার ভিতর বা মাটিতে শুয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুহার ভিতর বা মাটিতে শুয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ বজ্রপাতের পেছনে একক কোনো কারণ নেই। তবে এ থেকে বাঁচতে কিছু সতর্কতার কথা বলেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। 

১. পাকা বাড়ির নিচে আশ্রয় নিতে হবে। ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা বা উঁচু জায়গায় না থাকাই ভালো। এ অবস্থায় সবচেয়ে ভালো হয়, যদি কোনো দালানের নিচে আশ্রয় নিতে পারেন।

২. উঁচু গাছপালা ও বিদ্যুতের লাইন থেকে দূরে থাকতে হবে। উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেশি থাকে। খোলা জায়গায় কোনো গাছ থাকলে তা থেকে অন্তত ৪ মিটার দূরে থাকতে হবে। এ ছাড়া ফাঁকা জায়গায় কোনো যাত্রীছাউনি বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি থাকে।

৩. ঘরে থাকলে বজ্রপাতের সময় জানালা থেকে দূরে থাকতে হবে। জানালা বন্ধ রাখতে হবে।

৪. ধাতব বস্তু এড়িয়ে চলতে হবে। বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করা যাবে না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

৫. বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত সব যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখা ভালো। বজ্রপাতের আভাস পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করুন। অব্যবহৃত যন্ত্রপাতির প্লাগ আগেই খুলে রাখুন।

৬. বজ্রপাতের সময় রাস্তায় গাড়িতে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব নিরাপদ আশ্রয়ে ফেরার চেষ্টা করতে হবে। প্রচণ্ড বজ্রপাত ও বৃষ্টি হলে গাড়ি কোনো গাড়িবারান্দা বা পাকা ছাউনির নিচে রাখতে হবে। এ সময় গাড়ির কাচে হাত দেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে।

৭. বজ্রপাতের সময় চামড়ার ভেজা জুতা বা খালি পায়ে থাকা খুবই বিপজ্জনক। যদি একান্ত বেরোতেই হয় তাহলে পা ঢাকা জুতা পরে বের হতে হবে। রবারের গামবুট এ ক্ষেত্রে সব থেকে ভালো কাজ করবে।

৮. খোলা জায়গায় বা ফসলের মাঠে কাজ করা অবস্থায় আশ্রয়ের জায়গা না থাকলে যতটা সম্ভব নিচু হয়ে গুটিসুটি মেরে বসে পড়তে হবে। কোনো অবস্থাতেই মাটিতে শোয়া যাবে না।
৯. জলাশয় থেকে দূরে থাকতে হবে।
১০. বজ্রপাতের সময় মাছ ধরা বন্ধ রাখতে হবে।
১১. নৌকায় থাকলে ছইয়ের নিচে থাকতে হবে।

প্রশ্নোল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর অপশন 'গ'।

উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো
৯৫৩.
The most abundant element in the Earth's crust is
  1. ক) Oxygen
  2. খ) Hydrogen
  3. গ) Carbon Dioxide
  4. ঘ) Silicon
সঠিক উত্তর:
ক) Oxygen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Oxygen
ব্যাখ্যা
• ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক।
- ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম।
- ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন।
- ভূত্বকে অক্সিজেনের পরিমাণ- ৪২.৭%,
- সিলিকনের পরিমাণ- ২৭.৭%,
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ- ৮.১%,
- লোহা বা আয়রনের পরিমাণ- ৫.১%,
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ- ৩.৭%
- সোডিয়ামের পরিমাণ- ২.৮%,
- পটাসিয়ামের পরিমাণ- ২.৬% এবং
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ- ২.১%।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৫৪.
সুয়েজ খালকে জাতীয়করণ করা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৮৫৬ সালে
  2. খ) ১৮৫৯ সালে
  3. গ) ১৮৬৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৬ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
- সুয়েজ খাল একটি কৃত্রিম সামুদ্রিক খাল যা লোহিত সাগরকে ভূমধ্যসাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- ফরাসি প্রকৌশলী ফার্দিনান্দ দ্য লেসেপ্সের উদ্যোগে ১৮৫৯ সালে সুযেজ খালের খননকার্য শুরু হয়। ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর খালটি নৌ চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত‍ করে দেওয়া হয়।
- শুরুতে খালটি ফ্রান্স ও মিশরের জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হতো। পরবর্তীতে মিশর তার ৪৪ ভাগ শেয়ার ব্রিটেনের নিকট বিক্রি করে দেয়।
- ১৯৫৬ সালের ২৬ জুলাই মিশরের গামাল আবদেল নাসের সরকার সুয়েজ খালকে জাতীয়করণ করেন।
- এর ফলে ইসরাইল, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের সাথে মিশরের যুদ্ধ বেধে যায় যা ‘দ্বিতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ’ বা ‘সুয়েজ যুদ্ধ’ নামে পরিচিত।
- বর্তমানে সুয়েজ খাল মিশর সরকারের অধীন ‘সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ’ নামে একটি কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
- আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুসারে সুয়েজ খাল সবদেশের জন্যে সকল ধরনের বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজ চলাচলের চন্যে উন্মুক্ত থাকবে।

তথ্যসূত্র:- সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৯৫৫.
ভারতের ছিটমহলগুলোর মধ্যে লালমনিরহাটে কতটি ছিটমহল ছিল? 
  1. ৩টি 
  2.  ১২টি 
  3. ৫২টি 
  4. ৫৯টি 
সঠিক উত্তর:
৫৯টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯টি 
ব্যাখ্যা

ছিটমহল:
- ছিটমহল হলো একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের মধ্যে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকা অন্য কোনো দেশের অন্তর্ভুক্ত এলাকা।
- ২০১৫ সালের আগে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে মোট ১৬২টি ছিটমহল ছিল।
- ১ আগস্ট ২০১৫ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে ১৬২ টি ছিটমহলের বিলুপ্তি ঘটে।
- ভারত বাংলাদেশ এই সীমান্ত চুক্তি মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি নামে পরিচিত। 

- ১ আগস্ট ২০১৫ সালে ভারত ও বাংলাদেশ মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি অনুযায়ী নিজেদের ছিটমহলগুলো পরস্পরের মধ্যে বিনিময় করে।
- এর আগে ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের মধ্যে এবং বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের মধ্যে ছিল।
- এই বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হয় ভারতের ১১১টি ছিটমহলের নাগরিক।
- আর ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয় বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের নাগরিক।

ভারতের ছিটমহলগুলোর মধ্যে-
- বাংলাদেশের লালমনিরহাটে ছিল- ৫৯টি;
- পঞ্চগড়ে ৩টি;
- কুড়িগ্রামে ১২টি এবং
- নীলফামারীতে ৪টি অবস্থান করেছিল। 

• বাংলাদেশের ছিটমহলগুলোর মধ্যে-
- ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলায় ৪৭টি এবং জলপাইগুড়িতে ৪টি ছিল।

উৎস: প্রথম আলো এবং বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।

৯৫৬.
নিচের কোনটি উঁচু উচ্চতার মেঘ?
  1. ক) স্ট্রেটাস
  2. খ) সিরাস
  3. গ) কিউম্যুলাস
  4. ঘ) নিম্বাস
সঠিক উত্তর:
খ) সিরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিরাস
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতার ভিত্তিতে মেঘকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো:

উঁচু উচ্চতার মেঘ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬,০০০ মিটারের উর্ধ্বে অবস্থিত মেঘসমূহ উঁচু উচ্চতার মেঘ।
উঁচু উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:

- সিরাস
- সিরোকিউম্যুলাস
- সিরোস্ট্রেটাস প্রভৃতি।

মাঝারি উচ্চতার মেঘ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ থেকে ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মেঘসমূহ মাঝারি উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
মাঝারি উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:

- অল্টোস্ট্রেটাস
- কিউম্যুলাসস্ট্রেটাস
- নিম্বোস্ট্রেটাস।

নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত মেঘসমূহ নিম্ন উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:

- স্ট্রেটাস
- স্ট্রেটোকিউম্যুলাস
- কিউম্যুলাস
- কিউম্যুলোনিম্বাস।

(তথ্যসূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা)
৯৫৭.
ঘূর্ণিঝড়ের সময় সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির গড় তাপমাত্রা কত থাকে?
  1. ১৯°
  2. ২১°
  3. ২৩°
  4. ২৭°
সঠিক উত্তর:
২৭°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭°
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড় হলো একটি অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা প্রাকৃতিক পরিবেশ, মানুষ ও প্রাণিজগতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। সারা বিশ্বে ঘূর্ণিঝড় নানা নামে পরিচিত।
- অনিয়মিত বায়ুর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হলো ঘূর্ণিঝড় ও প্রতীপ ঘূর্ণিঝড়।
- উপরের ও নিচের বায়ুর পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে এই ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের সময় পশ্চিমা বায়ু প্রবাহ দ্বারা মধ্য অক্ষাংশ অঞ্চলের নিম্নচাপ ও উচ্চচাপ পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়।
- এই ঝড়ের সময় বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ ঘন্টায় ৬৫ কি.মি বা তারও বেশি হয়।
- এছাড়াও নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। দ্রুত উর্দ্ধগামী বায়ু জলীয়বাষ্পপূর্ণ থাকলে ঘূর্ণিঝড়ের সময় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু আবর্তনের কেন্দ্রকে চোখ বলা হয়।
- উত্তর গোলার্ধে প্রবল ঘূর্ণিবায়ু বাইরের থেকে কেন্দ্রের দিকে প্রবাহিত হয়। পরে প্রচন্ড শক্তিতে বায়ু আবর্তনের মাধ্যমে উপরের দিকে উঠতে থাকে।
- ঘূর্ণিঝড় উষ্ণ জলরাশি থেকে সৃষ্টি হয় যার গড় উঞ্চতা ২৭° সেলসিয়াস।
- সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
- মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের ভেতরে এবং উপরের দিকে খাড়া হয়ে মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
- উর্দ্ধস্তরের বায়ু বহির্গামী হবে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৫৮.
সুনামির ফলে কোন দুর্যোগটি হতে পারে?
  1. মৃত্তিকা ক্ষয়
  2. ভূমিকম্প
  3. জলোচ্ছ্বাস
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
জলোচ্ছ্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলোচ্ছ্বাস
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ (Disaster):
- দুর্যোগ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ Disaster.
- এটি গ্রিক শব্দ Dis এবং Aster এর সমন্বয়ে গঠিত। Dis অর্থ মন্দ বা খারাপ এবং Aster অর্থ তারা।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদগণ মনে করতেন, আকাশে কোনো তারা খারাপ অবস্থানে থাকলে খারাপ ঘটনা ঘটবে। সুতরাং উৎপত্তিগতভাবে দুর্যোগ বলতে এমন একটি অবস্থা বুঝায় যা মানুষকে মন্দ বা অকল্যাণকর পরিস্থিতির সম্মুখীন করে।
- দুর্যোগ বলতে এমন একটি বিপর্যয়কে বুঝায় যা কোনো নির্দিষ্ট এলাকার জনগণের বেশিরভাগ মানুষকে বিপদাপন্ন করে তোলে এবং উক্ত জনগোষ্ঠির তা মোকাবেলা করার ক্ষমতা সাধ্যের বাইরে চলে যায় । এসব দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে মানুষকে অনেক মূল্য দিতে হয়।
- দুর্যোগ কখনো হঠাৎ সংঘটিত হয় আবার কখনোবা এক বা একাধিক ঘটনা ধীরে ধীরে দুর্যোগ সৃষ্টি করতে পারে।
- অনেক সময় একটি দুর্যোগ একাধিক দুর্যোগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। যেমন- ভূমিকম্প থেকে সুনামি হতে পারে। আবার সুনামি থেকে জলোচ্ছ্বাস এবং জলোচ্ছ্বাস থেকে উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা হতে পারে।

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫৯.
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি টর্নেডো প্রবণ এলাকা কোনটি?
  1. এশিয়া
  2. আফ্রিকা
  3. ইউরোপ
  4. উত্তর আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা

টর্নেডো:
- টর্নেডো মূলত অতি দ্রুত আবর্তনশীল ক্ষুদ্র আকারের অথচ প্রলয়ঙ্কারী বজ্রঝড়। 
- এটি চোঙ আকৃতির হয়ে থাকে এবং এই বজ্রঝড়ের মধ্যভাগে বায়ু অতিদ্রুত বেগে উপরে উঠতে থাকে।
- এই চোঙ যদি ভূমি স্পর্শ করে তখন ধ্বংসলীলা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। 
- টর্নেডোর ব্যাস ভূ-পৃষ্ঠের উপরে ১০০ থেকে ৫০০ গজ পর্যন্ত হয়। 

টর্নেডোর বৈশিষ্ট্য:
- পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি টর্নেডোপ্রবণ এলাকা উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া।
- টর্নেডোতে প্রথমত আকস্মিকভাবে বায়ু চাপের হ্রাস ঘটে বলেই বড় বড় ইমারতে ফাটল ধরে।
- বায়ুর আবর্তন হয় অত্যন্ত দ্রুতবেগে। ফলে বায়ুপ্রবাহের সম্মুখে প্রতি বর্গফুটে বায়ুচাপের পরিমাণ হয় ১৬০ থেকে ১০০০ পাউন্ড।
- টর্নেডোর গতিপথ অর্ধবৃত্তাকার হতে পারে এবং উত্তর গোলার্ধে টর্নেডো ডানদিকে আবর্তিত হয়।
- টর্নেডোর গতিবেগ ঘন্টায় ৫ হতে ৬৫ মাইল হয়ে থাকে। তবে কখনো কখনো গড় গতিবেগ ঘন্টায় ৩৫ থেকে ৪৫ মাইল হয়।
- সমুদ্রের উপর টর্নেডো সৃষ্টি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের নিকটস্থ সমুদ্রে, মেক্সিকো উপসাগরে এবং চীন ও জাপানের উপকূলের নিকটস্থ সমুদ্রে গ্রীষ্মকালে টর্নেডোর প্রকোপ দেখা যায়।

উৎস - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬০.
প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়-
  1. নদীভাঙন
  2. অগ্নিকান্ড
  3. ভূমিকম্প
  4. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
সঠিক উত্তর:
অগ্নিকান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নিকান্ড
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক দুর্যোগ: 
প্রাকৃতিক দুর্যোগ আকস্মিকভাবে ঘটে এবং সাধারণত এর উপর মানুষের কোন হাত থাকে না।
যেমন - বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, টর্নেডো, ভূমিকম্প, খরা, নদীভাঙন, সুনামি, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি।
 
প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহকে তিনটি বৃহৎ বিভাগভুক্ত করা যেতে পারে। যেমন- 
- বায়ুমন্ডলীয় প্রক্রিয়াসৃষ্ট climatic বাযুমন্ডলীয় দুর্যোগসমূহ (ঝড়, ঘূর্ণিঝড়, কালবৈশাখী, টর্নেডো, হারিকেন, খরা ইত্যাদি), 
- ভূ-পৃষ্ঠের প্রক্রিয়া সৃষ্ট exogenetic দুর্যোগসমূহ (বন্যা, নদীতীর ভাঙন, উপকূলীয় ভাঙন, ভূমিধ্বস,  মৃত্তিকা ক্ষয় এবং প্রাকৃতিক ভূগর্ভস্থ পানি দূষণ), 
- এবং পৃথিবীপৃষ্ঠের অভ্যন্তরস্থ প্রক্রিয়াসৃষ্ট endogenetic ভূগর্ভস্থ দুর্যোগসমূহ (ভূমিকম্প এবং অগ্ন্যুৎপাত)

মানবসৃষ্ট দুর্যোগ: 
মানুষের অসচেতনতা বা দূরদৃষ্টির অভাবে যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয় এবং যা মানুষের প্রাণহানি ঘটানোর পাশাপাশি স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়, তাকে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ বলে।
যেমন - যুদ্ধ-বিগ্রহ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, বনাঞ্চল ধ্বংস, পরিবেশ দূষণ, মরুকরণ, অগ্নিকান্ড ইত্যাদি৷

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণীর বোর্ড বই। 
৯৬১.
সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৫৯ সাল
  2. ১৯৫২ সাল
  3. ১৯৪৯ সাল
  4. ১৯৫৬ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সাল
ব্যাখ্যা
• সুয়েজ খাল- 
- মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত সুয়েজ খাল মনুষ্য নির্মিত একটি কৃত্রিম খাল। 
- খালটি ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরের মাঝে সংযোগ স্থাপন করে।
- ১৮৫৯ সালে শুরু হয়ে দশ বছর ধরে চলে এই খনন কাজ।
- ১৮৬৯ সালে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয় এটি।
- মিশর ১৯৫৬ সালে সুয়েল খালকে জাতীয়করণ করে।

উৎস: Suez Canal Authority.
৯৬২.
নিয়ত বায়ুপ্রবাহ কোন উপাদান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. গ্রাভিটি
  2. সমুদ্রস্রোত
  3. পৃথিবীর চাপ বলয়
  4. পাহাড়ের উচ্চতা
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর চাপ বলয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর চাপ বলয়
ব্যাখ্যা
নিয়ত বায়ু (Planatary Winds): 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই নিয়ত বায়ু বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। 
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু। 

অয়ন বায়ু (The Trade Wind): 
- বিষুবীয় অঞ্চলে সূর্যকিরণ লম্বভাবে পতিত হয় বলে বায়ুর চাপ কম থাকে তাতে বায়ু উপরে উঠে ছড়িয়ে যায়। 
- এই বায়ু ক্রমাগত শীতল হয়ে নিচে নামতে না পেরে উত্তর ও দক্ষিণে ছড়িয়ে যায়। 
- প্রায় ৩০° অক্ষাংশ বরাবর এই বায়ু নিচে নেমে তা আবার বিষুবীয় নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। 
- ফেরেলের সূত্রানুযায়ী উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে এই বায়ু প্রবাহিত হয়। এই বায়ুকেই বলা হয় অয়ন বায়ু। 
- উত্তর গোলার্ধের অয়ন বায়ুকে উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু ও দক্ষিণ গোলার্ধের অয়ন বায়ুকে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু বলা হয়। 
- প্রাচীনকালে বাণিজ্য জাহাজগুলো এই বায়ুপ্রবাহ অনুসরণ করতো বলে একে বাণিজ্য বায়ুও বলা হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬৩.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের জলবায়ুর সাথে সম্পর্কিত?
  1. অতি উষ্ণ
  2. সমভাবাপন্ন
  3. শুষ্ক
  4. চরমবায়ু 
সঠিক উত্তর:
সমভাবাপন্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমভাবাপন্ন
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু:
- জলবায়ু হলো কোনো স্থানের দীর্ঘমেয়াদী (৩০–৪০ বছর) আবহাওয়ার গড় অবস্থা।
∗ জলবায়ুর উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে: 
- তাপমাত্রা,
- বায়ু চাপ,
- বায়ুপ্রবাহ,
- আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাত।
- বাংলাদেশের জলবায়ু প্রধানত ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু দ্বারা প্রভাবিত।
- এতে উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল লক্ষ্য করা যায়।
- ঐতিহ্যগতভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু সমভাবাপন্ন, অর্থাৎ শীত বা গ্রীষ্ম চরম নয়।
• এর কারণ হলো:
- ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগর থেকে আসা আর্দ্র মৌসুমি বায়ু এখানকার জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করে,
- এই আর্দ্র মৌসুমি বায়ু উষ্ণতা ও বৃষ্টিপাতও নিয়ন্ত্রণ করে।
- অক্ষাংশের ক্রান্তীয় অঞ্চলের অবস্থিতি, এবং
- সমুদ্রের নৈকট্যবর্তী হওয়ায় তাপমাত্রার চরমভাবাপন্নতা হ্রাস পায়। 

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের জলবায়ু চরমভাবাপন্ন হয়ে উঠেছে।
- ঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও খরার প্রকোপ বেড়েছে।
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণায়নের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা কৃষি ও জনজীবনে ঝুঁকি তৈরি করছে।
- বাংলাদেশের জলবায়ুতে মৌসুমী বায়ুর প্রভাব অত্যধিক হওয়ায় এটি ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামেও পরিচিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬৪.
নদীর গতির কোন পর্যায়ে ক্ষয় সাধন প্রধান কাজ-
  1. ক) নিম্নগতি
  2. খ) উর্ধ্বগতি
  3. গ) সমগতি
  4. ঘ) মধ্যগতি
সঠিক উত্তর:
খ) উর্ধ্বগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উর্ধ্বগতি
ব্যাখ্যা
উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত নদীর গতিকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। উর্ধ্বগতি হলো প্রাথমিক অবস্থা যেখানে ক্ষয় সাধন হলো প্রধান কাজ এবং এতে নদীর স্রোতের গতিবেগ সবচেয়ে বেশি থাকে। মধ্যগতি শুরু হয় যখন নদী সমভূমি দিয়ে প্রবাহিত হয়। এ সময় সঞ্চয় সাধন প্রধান কাজ। স্রোতের বেগ পূর্বের তুলনায় অনেক কমে যায়। সর্বশেষ হলো নিম্নগতি যেখানে স্রোতের বেগ একেবারেই কমে যায়। (সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৯৬৫.
দক্ষিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় নদীর নাম কী? 
  1. ভলগা 
  2. আমাজন 
  3. মারে ডার্লিং
  4. নীলনদ
সঠিক উত্তর:
আমাজন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাজন 
ব্যাখ্যা

• আমাজন নদী:
- পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী আমাজন নদী।
- আমাজন নদীর দৈর্ঘ্য ৬৪০০ কি.মি।
- এটি দক্ষিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় নদী।
- নদীটি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাংশে অবস্থিত, পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- এই নদীটি - পেরুর আন্দিজ পর্বতমালায় উৎপন্ন হয় এবং আটলান্টিক মহাসাগরে যুক্ত হয়েছে।
- আমাজনের মূল স্রোতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ব্রাজিলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

অন্যদিকে, 
- ইউরোপের বৃহত্তম নদী ভলগা।
- ওশেনিয়া মহাদেশের বৃহত্তম নদী মারে ডার্লিং।
- বিশ্বের দীর্ঘতম নদ নীলনদ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

৯৬৬.
'সোনোরান' মরুভূমি কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) আফ্রিকা
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) এশিয়া
  4. ঘ) আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমেরিকা
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ উষ্ণ মরুভূমি সাহারা মরুভূমি। সাহারা মরুভূমিকে আফ্রিকার দুঃখ বলা হয়।
পাটাগোনিয়ান মরুভূমি অবস্থিত আর্জেন্টিনা ও চিলিতে।
কালাহারি মরুভূমিও আফ্রিকায় অবস্থিত।।
সোনোরান মরুভূমি যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতে অবস্থিত।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস এবং সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।
৯৬৭.
তিতাস উপজেলা কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) নোয়াখালী
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
খ) কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গোমতী নদীর উত্তরাংশের ৯টি ইউনিয়নকে কর্তন করে ২০০৪ সালে এ উপজেলা গঠন করা হয়েছে। সুত্রঃ titas.comilla.gov.bd
৯৬৮.
যুক্তরাষ্ট্রে প্রমাণ সময় রয়েছে-
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪টি
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে।
আমেরিকার মূল ভূ-খণ্ডে ব্যবহার করা সময় অঞ্চলসমূহ:
- পূর্ব মান সময় অঞ্চল: (EST; ইউ টি চি −০৫; Zone R), আটলান্টিক উপকূল ও ওহিয় উপত্যকার পূর্বের তিনভাগের দুভাগ এই সময় অঞ্চলের অন্তর্গত।
- কেন্দ্রীয় মান সময় অঞ্চল: (CST; ইউ টি সি −০৬; Zone S), আমেরিকা উপসাগর উপকূল, মিসিসিপি উপত্যকা,ও গ্রেট প্লেইনস্ এই সময় অঞ্চলের অন্তর্গত।
- পর্বতীয় মান সময় অঞ্চল: (MST; ইউ টি সি −০৭; Zone T), রকি পর্বতমালা অঞ্চল এর অন্তর্গত।
- প্রশান্ত মান সময় অঞ্চল: (PST; ইউ টি সি −০৮; Zone U), প্রশান্ত উপকূল আর নেভাডা এই সময় অঞ্চলের অন্তর্গত।

৯৬৯.
চীন ও জাপান উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের নাম কী?
  1. বাগুই
  2. হারিকেন
  3. সাইক্লোন
  4. টাইফুন
সঠিক উত্তর:
টাইফুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাইফুন
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড়:
- সকল প্রকার বায়ুমন্ডলীয় গোলযোগের মধ্যে সবচেয়ে প্রলয়ঙ্করী গোলযোগ হলো ঘূর্ণিঝড়।
- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে এদের বিভিন্ন নামে অভিহিত করা হয়।
- এদের নাম ভারত মহাসাগরে সাইক্লোন (cyclone),
- চীন ও জাপান উপকূলে হলো টাইফুন (Typhoon),
- ফিলিপাইনের উপকূলে বাগুই (Baguio),
- অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে উইলি উইলিছ (willy willies)
- এবং ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ ও মেক্সিকো উপসাগর অঞ্চলে হলো হারিকেন (Hurricane)।

উৎস: প্রাকৃতিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৭০.
বাংলাদেশের শীতলতম মাস কোনটি?
  1. ডিসেম্বর
  2. জানুয়ারি
  3. ফেব্রুয়ারি
  4. মার্চ
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের উষ্ণতম ও শীতলতম:
- উষ্ণতম স্থান: নাটোর জেলার লালপুর।
- শীতলতম স্থান: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল।
- উষ্ণতম মাস: এপ্রিল।
- শীতলতম মাস: জানুয়ারি।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯৭১.
নিচের কোনটি এশিয়ার বৃহত্তম মরুভূমি?
  1. মোজাবে মরুভূমি
  2. গোবি মরুভূমি
  3. থর মরুভূমি
  4. ডেকান মরুভূমি
সঠিক উত্তর:
গোবি মরুভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোবি মরুভূমি
ব্যাখ্যা

গোবি মরুভূমি:
- অপশন অনুযায়ী গোবি মরুভূমি এশিয়ার বৃহত্তম মরুভূমি।
- এবং গোটা বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম মরুভূমি।
- উত্তর ও উত্তরপূর্ব চীন এবং দক্ষিণ মঙ্গোলিয়ার অংশে অবস্থিত।
- গোবি সাধারণত পাথুরে ও খরাময় মরুভূমি,
- যেখানে বালির চেয়ে পাথর এবং ছোট বড় কঙ্কর বেশি দেখা যায়।
- এটি বেশিরভাগই সমতল থেকে কিছুটা উঁচু বা পার্বত্য এলাকা নিয়ে গঠিত।

বিখ্যাত কিছু মরুভূমির অবস্থান:
- থর মরুভূমি: ভারত ও পাকিস্তান।
- মোজাবে মরুভূমি: যুক্তরাষ্ট্র,
- সাহারা মরুভূমি: আফ্রিকা,
- গোবি মরুভূমি: চীন ও মঙ্গোলিয়া।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৯৭২.
রায়োলাইট ও অ্যান্ডিসাইট কী জাতীয় শিলা?
  1. পাললিক শিলা
  2. আগ্নেয় শিলা
  3. রূপান্তরিত শিলা
  4. নমনীয় শিলা
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয় শিলা
ব্যাখ্যা

রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট - আগ্নেয় শিলা।

আগ্নেয় শিলা (Igneous Rocks):
- জন্মের প্রথমে পৃথিবী একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিন্ড ছিল।
- এই গ্যাসপিন্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়।
- পরে আরও তাপ বিকিরণ করে এর উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে।
- এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।
- আগ্নেয় শিলা পৃথিবীর প্রথম পর্যায়ে সৃষ্টি হয় তাই এই শিলাকে প্রাথমিক শিলাও বলে।
- এ শিলায় কোনো স্তর নেই। তাই আগ্নেয় শিলার অপর নাম অন্তরীভূত শিলা। এই শিলায় জীবাশ্ম নেই।

- আগ্নেয় শিলাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
(ক) বহিঃজ আগ্নেয় শিলা ও
(খ) অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা।

(ক) বহিঃজ আগ্নেয় শিলা (Extrusive Igneous Rocks): ভূগর্ভের উত্তপ্ত তরল পদার্থ ম্যাগমা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বা অন্য কোনো কারণে বেরিয়ে এসে শীতল হয়ে জমাট বেঁধে বহিঃজ আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি হয়, এদের দানা খুব সূক্ষ্ম, রং গাঢ়। এই শিলার উদাহরণ হলো ব্যাসন্ট, রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট ইত্যাদি।

(খ) অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা (Intrusive Igneous Rocks): উত্তপ্ত ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠের বাইরে না এসে ভূগর্ভে জমাট বাঁধলে তৈরি হয় অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা। এর দানাগুলো স্কুল ও হালকা রঙের হয়। গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ, ডাইক ও সিল এ শিলার অন্যতম উদাহরণ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি।

৯৭৩.
‘ডেড সী’ কী?
  1. একটি নদী
  2. একটি সাগর
  3. একটি হ্রদ
  4. মৃত সাগর
সঠিক উত্তর:
একটি হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি হ্রদ
ব্যাখ্যা
ডেড সি:

- ডেড সি জর্ডানে অবস্থিত।
- ডেড সি জর্ডান এবং ইসরায়েলের মধ্যে অবস্থিত দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার একটি লবণাক্ত হ্রদ।
- এই প্রাকৃতিক বিস্ময়টি সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে ৪৩০.৫ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত।
- ডেড সি পৃথিবীর সবচেয়ে লবণাক্ত জলাশয়গুলির মধ্যে একটি, সাধারণ সমুদ্রের জলের তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি লবণাক্ত।
- এটি বাষ্পীভবনের মাধ্যমে পানি হারায়। 
- উচ্চ লবণাক্ত স্তর এবং কঠোর জলবায়ু জন্যে ডেড সি তে কোনো মাছ জন্মায় না।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৯৭৪.
বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ক) উষ্ণ ও আর্দ্র শীতকাল এবং শুষ্ক গ্রীষ্মকাল
  2. খ) উষ্ণ ও শুষ্ক গ্রীষ্মকাল এবং আদ্র শীতকাল
  3. গ) উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল।
বাংলাদেশের জলবায়ু সাধারণত সমভাবাপন্ন।
দেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করায় এখানে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজ করে।
কিন্তু মৌসুমি বায়ুর প্রভাব এ দেশের জলবায়ুর উপর এত বেশি যে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি
৯৭৫.
বাংলাদেশের জলবায়ু কী ধরনের?
  1. ক) ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় জলবায়ু
  2. খ) ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু
  3. গ) উপক্রান্তীয় জলবায়ু
  4. ঘ) ক্রান্তীয় জলবায়ু
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ু সাধারণত সমভাবাপন্ন। দেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করায় এখানে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজ করে। কিন্তু মৌসুমি বায়ুর প্রভাব এ দেশের জলবায়ুর উপর এত বেশি যে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু নামে পরিচিত। উষ্ণ ও আদ্র গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
৯৭৬.
‘হাইল হাওর’ বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নেত্রকোনা
  2. মৌলভীবাজার
  3. সুনামগঞ্জ
  4. কিশোরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

• ‘হাইল হাওর’:
- সিলেটের শষ্যভাণ্ডার বলে খ্যাত মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজার সদর উপজেলা এবং হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ২৯টি গ্রাম নিয়ে গঠিত হাইল হাওর।
- ঐতিহ্যবাহী হাইল হাওর প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র ও জীবন জীবিকার বিবেচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি।

- এছাড়াও হাইল হাওর দেশী বিদেশী নানা জাতের পাখি, শামুক, ঝিনুক, ফোকল, ঘাস, শাপলা, শালুক, উকল, হিজল-করচ গাছ ইত্যাদি এবং অন্য বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল।

তথ্যসূত্র: মৌলভীবাজার জেলার ওয়েবসাইট।

৯৭৭.
বিশ্বের বৃহত্তম মিঠা পানির হ্রদ কোনটি?
  1. বৈকাল হ্রদ
  2. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
  3. সুপিরিয়র হ্রদ
  4. এরি হ্রদ
সঠিক উত্তর:
সুপিরিয়র হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপিরিয়র হ্রদ
ব্যাখ্যা
• লেক সুপিরিয়র:
অবস্থান:
- লেক সুপিরিয়র উত্তর আমেরিকার গ্রেট লেকস শৃঙ্খলের চরম উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত। এটি কানাডার অন্টারিও প্রদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন, মিনেসোটা ও মিশিগান রাজ্যের উচ্চ উপদ্বীপ দ্বারা ঘেরা।
আয়তন ও স্থান: প্রায় ৮২,১০৩ বর্গ কিলোমিটার
- এটি গ্রেট লেকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়
- ভূপৃষ্ঠের দিক থেকে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় মিঠা পানির হ্রদ।
- আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম হ্রদ।
- পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠে থাকা মিঠা পানির প্রায় ১০% এই হ্রদে সংরক্ষিত।

উৎস: worldatlas. লিংক
৯৭৮.
বায়ুমণ্ডলের মধ্যে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কত?
  1. ০.০৩ শতাংশ
  2. ০.৪১ শতাংশ
  3. ০.৮০ শতাংশ
  4. ২০.৭১ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
০.০৩ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা

• বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ
- আরগন : ০.৮০ শতাংশ
- জলীয়বাষ্প ০.৪১ শতাংশ
- কার্বন ডাই-অক্সাইড: ০.০৩ শতাংশ
- অন্যান্য গ্যাস : ০.০২ শতাংশ
- ধূলিকণা ও কণিকা : ০.০১ শতাংশ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।

৯৭৯.
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ কোন দুর্যোগের জন্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ?
  1. ক) ঝড়
  2. খ) সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি
  3. গ) মরুকরণ
  4. ঘ) বন্যা
সঠিক উত্তর:
ঘ) বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বন্যা
ব্যাখ্যা
• ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করে।
• এগুলো হলো:- মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা।
• এর মধ্যে বন্যা ঝুঁকিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১ নম্বরে। ঝড়ের ঝুঁকিতে ২ নম্বর এবং সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধিতে ১০ নম্বর।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৮০.
কুয়েত কোন সাগরের তীরে অবস্থিত?
  1. ক) বঙ্গোপসাগর
  2. খ) ভারত মহাসাগর
  3. গ) পারস্য উপসাগর
  4. ঘ) আরব সাগর
সঠিক উত্তর:
গ) পারস্য উপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পারস্য উপসাগর
ব্যাখ্যা

কুয়েত একটি নগর রাষ্ট্র।
এটি পারস্য সাগরের তীরে অবস্থিত।
এর রাজধানী কুয়েত সিটি।

পারস্য উপসাগর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত।
এর আয়তন ২৫১০০০ বর্গ কিলোমিটার।
গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এই সাগরে অবস্থিত।
এর তীরে অবস্থিত দেশসমূহ হলো ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ওমান।

সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৯৮১.
বিল ডাকাতিয়া কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) চাঁদপুর
  2. খ) মুন্সিগঞ্চ
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) সিরাজগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খুলনা
ব্যাখ্যা
- বিল ডাকাতিয়া খুলনা জেলার ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলায় অবস্থিত।
- এটিকে পশ্চিমাবাহিনীর নদী বলা হয়।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৯৮২.
SMOG কি? 
  1. সিগারেটের ধোঁয়া
  2. শিশির
  3. গাড়ির কালো ধোঁয়া
  4. দূষিত বাতাস
সঠিক উত্তর:
দূষিত বাতাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দূষিত বাতাস
ব্যাখ্যা

- SMOG হচ্ছে এক ধরণের দূষিত বাতাস। 

• SMOG: 
- ধোঁয়া ও কুয়াশা মিলে SMOG সৃষ্টি হয়।
- ‘SMOG’ শব্দটি SMOKE ও FOG শব্দ দুটো থেকে এসেছে।
- মোটরগাড়ি, কলকারখানার ধোঁয়া, কলকারখানার বর্জ্য, ধূলিকণা ইত্যাদি মিলে SMOG সৃষ্টি হয়।
- SMOG অবস্থায় বেশিক্ষণ বিরাজ করলে ফুসফুসে সমস্যা দেখা দেয়।
- এই ধোঁয়ায় অবস্থিত বিভিন্ন গ্যাস বৃষ্টির পানির সাথে মিশে এসিড বৃষ্টি ঘটায় এবং মাটির অম্লত্ব বৃদ্ধি করে। মাটির অম্লত্ব বৃদ্ধি পেলে তাতে উদ্ভিদ সহজে জন্মে না।
- SMOG শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং মানবদেহে ক্যান্সার, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস প্রভৃতি মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে।

তথ্যসূত্র: National Geographic Society

৯৮৩.
পৃথিবীর জলবায়ু অঞ্চল কয়টি?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
ব্যাখ্যা
জলবায়ু অঞ্চল:
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের সাদৃশ্য বা বৈসাদৃশ্য এবং অন্যান্য বিষয়ের ওপর সামগ্রিক প্রভাব বিবেচনা করে সমগ্র পৃথিবীকে যে কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করা হয় তাদের প্রত্যেকটিকে প্রাকৃতিক বা জলবায়ু অঞ্চল বলা হয়।
- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন প্রকার জলবায়ু বিদ্যমান রয়েছে। 
- পৃথিবীর জলবায়ু অঞ্চল ৪টি।
- সেগুলো হলো: 
• উষ্ণ জলবায়ু অঞ্চল,
• নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল,
• মেরু দেশীয় অঞ্চল পার্বত্য ও
• উচ্চভূমি অঞ্চল।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮৪.
বাংলাদেশ সরকারের কোন প্রতিষ্ঠানটি উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি পরিচালনা করে থাকে?
  1. ব্র্যাক
  2. সিপিপি
  3. প্রশিকা
  4. রেড ক্রিসেন্ট
সঠিক উত্তর:
সিপিপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপিপি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি বা Cyclone Preparedness Programme (সিপিপি) প্রতিষ্ঠানটি উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি পরিচালনা করে থাকে। 

ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি বা Cyclone Preparedness Programme (সিপিপি): 
- ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড় এর পর দীর্ঘ দুই মাসের অধিক সময়কাল উপকূলীয় অঞ্চল পরিদর্শনের পর মিঃ হেগষ্ট্রম ‘ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির’ রূপরেখা প্রণয়ন করেন।
- তদানীন্তন বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলা, নোয়াখালী জেলা, বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) জেলা ও পটুয়াখালী জেলার মেটি ২৩ টি থানায় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১,৯৭২ সালের আগস্ট মাসের মধ্যে ২৩ টি থানার ১৮৬ টি ইউনিয়নের আওতাধীন ১,৯২৭ টি ইউনিটের মোট ১৯,২৭০ জন স্বেচ্ছাসেবক নির্বাচন কাজ সম্পন্ন হয়।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: 
- দুর্যোগে সারা প্রদানের সক্ষমতা বৃদ্ধি।
- দুর্যোগে প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করা।
- সমাজ কল্যাণে ও মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের দক্ষতা, স্পৃহা, অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি ও আত্মত্যাগী মনোভাব সৃষ্টি করা।
- দুর্যোগ প্রস্তুতি কার্যক্রম শক্তিশালী এবং উন্নয়ন করা।
- ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচীর স্বেচ্ছাসেবক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা।
- দুর্যোগে দ্রুত সারা প্রদানের জন্য বেতার যোগাযোগ শক্তিশালী করা।
- আবহাওয়ার সতর্ক সংকেত বোধগম্য ও প্রতিষ্ঠিত করা এবং ঘূর্ণিঝড় সংকেত এর সহিত সস্পৃক্ত জনসাধারণকে কার্যকরী সাড়া প্রদানে নিশ্চিত করা।

- সরকারি প্রচেষ্টার পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কর্মরত বেসরকারি সংস্থাসমূহ যেমন- অক্সফাম, ডিজাস্টার, ফোরাম, কেয়ার বাংলাদেশ, কারিতাস, প্রশিকা, সিসিডিবি, বিডিপিসি (বাংলাদেশ দুর্যোগ প্রস্তুতি কেন্দ্র) ইত্যাদি সংস্থার উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।
- এছাড়া রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে রেডক্রিসেন্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান নয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮৫.
সমুদ্র সমতল হতে অতি উচ্চ বিস্তীর্ণ ভূমিকে বলা হয়-
  1. ক) সমভূমি
  2. খ) পর্বত
  3. গ) মালভূমি
  4. ঘ) চ্যুতি
সঠিক উত্তর:
গ) মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মালভূমি
ব্যাখ্যা
পর্বত থেকে নিচু কিন্তু সমভূমি থেকে উঁচু খাড়া ঢালযুক্ত ঢেউ খেলানো বিস্তীর্ণ সমতলভূমিকে মালভূমি বলে।।
মালভূমির উচ্চতা শত মিটার থেকে কয়েক হাজার মিটার পর্যন্ত হতে পারে। পৃথিবীর বৃহত্তম মালভূমির উচ্চতা ৪,২৭০ থেকে ৫,১৯০ মিটার। যেমন- পামির মালভূমি। পামির মালভূমিকে পৃথিবীর ছাদ বলা হয়।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৮৬.
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. কমলগঞ্জ
  2. বড়লেখা
  3. শ্রীমঙ্গল
  4. কুলাউড়া
সঠিক উত্তর:
কমলগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমলগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। 
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে অবশিষ্ট চিরহরিৎ বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯৮৭.
বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় -
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৮৬ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা
হরিপুর খনিজ তেলক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের দুটি খনিজ তেলক্ষেত্র রয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্র হলো হরিপুর তেলক্ষেত্র।
- এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সালে তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরু হয়।
- ১৯৯৪ সাল থেকে তেল উৎপাদনে স্থগিত হয়ে যায়।

এছাড়াও,
⇒ হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৫৫ সালে সর্বপ্রথম এখানে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- হরিপুর গ্যাসক্ষেত্রের ৭ ও ৯ নম্বর কূপ থেকে বর্তমানে গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
৯৮৮.
পৃথিবীর সর্বাধিক দ্বীপ দেশ কোনটি?
  1. রাশিয়া
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. জাপান
  4. শ্রীলংকা
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
• দ্বীপ দেশ:
→ পৃথিবীতে ৪৭টি দ্বীপ দেশ রয়েছে।
→ পৃথিবীর প্রতিটি অঞ্চলে, বিশ্বের প্রতিটি মহাসাগরে দ্বীপ দেশ রয়েছে।
ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম এবং সর্বাধিক জনবহুল দ্বীপ দেশ।
→ গ্রীনল্যান্ড পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ।
→  ১০টি বৃহত্তম দ্বীপ দেশ হচ্ছে - ইন্দোনেশিয়া, মাদাগাস্কার, পাপুয়া নিউ গিনি, জাপান, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, কিউবা, আইসল্যান্ড।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৯৮৯.
কোন স্তরে মেরুজ্যোতি (Aurora) দেখা যায়?
  1. মেসোমণ্ডল
  2. তাপমণ্ডল
  3. ট্রপোমণ্ডল
  4. স্ট্রাটোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
তাপমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমণ্ডল
ব্যাখ্যা
তাপমণ্ডল (Thermosphere):
- মেসোবিরতির উপরে প্রায় ৫০০ কি.মি পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুমণ্ডলকে বলে তাপমণ্ডল।
- এই অঞ্চলে বায়ু অত্যন্ত হালকা ও চাপ ক্ষীণ।
- তাপমন্ডলের নিচের অংশ হলো আয়নমণ্ডল (Ionosphere)।

মেরুজ্যোতি বা অরোরা:
- অরোরা প্রধানত তাপমণ্ডল বা থার্মোস্ফিয়ারে ঘটে।
- উচ্চ-শক্তির সৌর ফোটন থার্মোস্ফিয়ারের গ্যাস কণাগুলোর ইলেকট্রন ছিঁড়ে ফেলে, ফলে আধানযুক্ত পরমাণু ও অণু তৈরি হয়।
- মহাকাশ থেকে আসা আধানযুক্ত কণা (ইলেকট্রন, প্রোটন ও অন্যান্য আয়ন) উচ্চ অক্ষাংশে থার্মোস্ফিয়ারের পরমাণু ও অণুর সঙ্গে সংঘর্ষ করে।
- ফলে এসব পরমাণু ও অণু উচ্চ শক্তির অবস্থায় উত্তেজিত হয়।
- এই অতিরিক্ত শক্তি নিঃসরণ করতে তারা আলোর ফোটন বিকিরণ করে।
- আমরা এই বিকিরণকে বর্ণিল অরোরার আলো হিসেবে দেখি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
Center for Science Education.
৯৯০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মধ্যযুগীয় মসজিদ কোনটি?
  1. ক) কুসুম্বা মসজিদ
  2. খ) বড় সোনা মসজিদ
  3. গ) ষাট গম্বুজ মসজিদ
  4. ঘ) সাত গম্বুজ মসজিদ
সঠিক উত্তর:
গ) ষাট গম্বুজ মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ষাট গম্বুজ মসজিদ
ব্যাখ্যা
ষাটগম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের প্রাচীন মসজিদগুলির মধ্যে বৃহত্তম এবং সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম স্থাপত্যের অন্যতম চিত্তাকর্ষক নিদর্শন।
Source: Banglapedia
৯৯১.
বাংলাদেশের সাথে স্থল সীমান্ত রয়েছে-
  1. এক দেশের
  2. তিন দেশের
  3. চার দেশের
  4. দুই দেশের
সঠিক উত্তর:
দুই দেশের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই দেশের
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সাথে স্থল সীমান্ত রয়েছে- দুই দেশের।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান: 
- বাংলাদেশের স্থলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত।
- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কুচবিহার জেলা এবং আসাম ও মেঘালয়, পূর্বে আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমার অবস্থিত।
- আর দক্ষিণে রয়েছে বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর। 
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪′ উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১′ পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯২.
বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান কী?
  1. নাইট্রোজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড
  2. নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
  3. অক্সিজেন ও ওজোন
  4. জলীয়বাষ্প ও ধূলিকণা
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের উপাদান: 
- বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (N₂) ও অক্সিজেন (O₂)।
- এই দুটি গ্যাস মিলিয়ে বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৯৮.৭৩ শতাংশ গঠন করে।
- নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, এটি প্রায় ৭৮.০২ শতাংশ।
- অপরদিকে অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় ২০.৭১ শতাংশ, এটি জীবজগৎ শ্বাস-প্রশ্বাস ও জ্বালনির জারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- বায়ুমণ্ডলে এই দুই গ্যাসের ভারসাম্য জীবজগতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদানসমূহ হলো-
• নাইট্রোজেন (৭৮.০২%),
• অক্সিজেন (২০.৭১%),
• আর্গন (০.৮০%),
• কার্বন-ডাই-অক্সাইড (০.০৩%),
• জলীয় বাষ্প (০.৪১%) ইত্যাদি।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৯৩.
পাতাঝরা বা পর্ণমোচী বৃক্ষের উদাহরণ কোনটি?
  1. গর্জন
  2. চাপালিশ
  3. তেলসুর
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গর্জন
ব্যাখ্যা

​বনভূমির প্রকারভেদ:
​মৃত্তিকার গুণাগুণ এবং জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলাদেশের বনভূমিসমূহকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি;
২. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি এবং
৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

​ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার অংশবিশেষ, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলার পাহাড়ি অঞ্চলে এ বনভূমি অবস্থিত।
​- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বৃক্ষ এবং অপেক্ষাকৃত কম বৃষ্টিযুক্ত অঞ্চলে পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি অবস্থিত।
​- চিরহরিৎ বৃক্ষসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো চাপালিশ, তেলসুর, ময়না প্রভৃতি।
​- আর পাতাঝরা বা পর্ণমোচী বৃক্ষের মধ্যে গর্জন, শিমুল, কড়ই, জারুল, সেগুন উল্লেখযোগ্য।
​- ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমির মোট আয়তন প্রায় ১৫,৩২৬ বর্গ কিলোমিটার।

​তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯৪.
সেইন নদীর তীরবর্তী শহর -
  1. ক) প্যারিস
  2. খ) নিউইয়র্ক
  3. গ) লন্ডন
  4. ঘ) টরেন্টো
সঠিক উত্তর:
ক) প্যারিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্যারিস
ব্যাখ্যা
• প্যারিস শহর ফ্রান্সের রাজধানী।
- এটি দেশের উত্তর-মধ্য অংশে অবস্থিত।
- প্রায় ৭৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ইংলিশ চ্যানেল নদীর মুখ থেকে ২৩৩ মাইল (৩৭৫ কিমি) উজানে সেইন নদীর তীরে অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯৯৫.
বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিতে 'সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি” কোথায় দেখা যায়?
  1. চলনবিল
  2. সিলেট অঞ্চলের হাওড়
  3. সুনামগঞ্জ নিচু প্লাবন ভূমি
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি।
- এর কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত।
- স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- হাওর এলাকা: উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জ জেলার নিচু প্লাবন ভূমি।
-  চলনবিল, মাদারিপুর বিল ও সিলেট অঞ্চলের হাওড়সমূহ।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এসকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা- (ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও (খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভ, মি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভ, মি এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৯৯৬.
‘বেন নেভিস’ হলো যুক্তরাজ্যের -
  1. পর্বত
  2. মালভূমি
  3. সমভূমি
  4. জলপ্রপাত
সঠিক উত্তর:
পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্বত
ব্যাখ্যা
‘বেন নেভিস’ পর্বতের নাম বোঝায়।

বেন নেভিস:

- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হল বেন নেভিস।
- এর উচ্চতা প্রায় ১,৩৪৫ মিটার (৪,৪১৩ ফুট)।
- বেন নেভিস স্কটিশ হাইল্যান্ডসের লোচাবার এলাকায় অবস্থিত, ফোর্ট উইলিয়াম শহরের কাছে।
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গটি গ্র্যাম্পিয়ান পর্বতমালার অংশ।

উল্লেখ্য,
- বেন নেভিসসহ যুক্তরাজ্যে ২০০ টিরও বেশি পর্বত রয়েছে যার বেশিরভাগই স্কটল্যান্ডে।
- প্রকৃতপক্ষে, যুক্তরাজ্যের ২০০টি সর্বোচ্চ পর্বতের মধ্যে ১৯২টি স্কটল্যান্ডে পাওয়া যায়।

উৎস: i) Britannica.
ii) Global Adventure Challenges.
৯৯৭.
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য প্রায় কত কিলোমিটার?
  1. ৮ কিলোমিটার
  2. ১২ কিলোমিটার
  3. ১৮ কিলোমিটার
  4. ২৪ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১৮ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত:
- কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত একটি দীর্ঘ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যপূর্ণ সৈকত।
- এই সমুদ্র সৈকতটি "সাগর কন্যা" নামে পরিচিত।
- এই সৈকত প্রায় ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ৩ কিলোমিটার প্রশস্ত। 

- সৈকতের আশেপাশে নারিকেল গাছ, ঝাউবন, নীল ঢেউ এবং রুপালি বালুকা ভূমি সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলে।
- কুয়াকাটার কাছে রাখাইন পল্লী ও বৌদ্ধ মন্দির রয়েছে।
- সৈকতের আশেপাশে প্রচুর লাল কাঁকড়া দেখা যায়। 
- সৈকতের পশ্চিমদিকে অবস্থিত ফাতরার ম্যানগ্রোভ বনকে "দ্বিতীয় সুন্দরবন" বলা হয়।
- এছাড়া, সৈকতের নামকরণের পেছনে ঐতিহাসিক কুয়াটিও আছে।
- কুয়াকাটায় স্থানীয় উৎসব, তাঁতশিল্প, নৌকা বাইচ এবং মাছ ধরার মতো সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয়।
- এখান থেকে একই স্থানেই সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগ করা যায়, যা বাংলাদেশের অন্য কোনো সমুদ্র সৈকতে বিরল।
- এই অনন্য বৈশিষ্ট্য এবং বঙ্গোপসাগরের মনোরম দৃশ্যের কারণে পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা ‘সাগর কন্যা’ নামে পরিচিতি লাভ করেছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৯৯৮.
'দিয়াগো গার্সিয়া' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) আন্দামান সাগর
  2. খ) ভারত মহাসাগর
  3. গ) দক্ষিণ চীন সাগর
  4. ঘ) পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
খ) ভারত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভারত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
দিয়াগো গার্সিয়া দ্বীপটি মধ্যে ভারত মহাসাগরে অবস্থিত। 
দিয়াগো গার্সিয়া একটি প্রবাল দ্বীপ যা চ্যাগোস দ্বীপপুঞ্জ এর অন্তর্ভুক্ত। 
দ্বীপটি বর্তমানে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান ওশান টেরিটোরির অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। 
এখানে ১৯৬৮ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।

উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস, ব্রিটানিকা।
৯৯৯.
কোথায় 'বঙ্গবন্ধু আইল্যান্ড' অবস্থিত?
  1. ক) সুন্দরবনের উত্তরে
  2. খ) সুন্দরবনের পশ্চিমে
  3. গ) সুন্দরবনের দক্ষিণে
  4. ঘ) সুন্দরবনের পূর্বে
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরবনের দক্ষিণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরবনের দক্ষিণে
ব্যাখ্যা
'বঙ্গবন্ধু দ্বীপ' সুন্দরবনের দক্ষিণে অবস্থিত। 

• বঙ্গবন্ধু আইল্যান্ড:
- বঙ্গবন্ধু দ্বীপ বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার সুন্দরবনের অংশ 'দুবলার চর' থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ।
- ১৯৯২ সালে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে প্রথম নতুন জেগে ওঠা একটি চরের দেখা পান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত, মালেক ফরাজী নামের এক মৎস শিকারী।
- এ সময় তিনি জনমানবহীন এ দ্বীপের নাম দেন ‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ’ এবং সেখানে একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়ে আসেন।
- পরবর্তীতে ২০০৪ সালের পর থেকে দ্বীপটির আয়তন ক্রমেই বড় হচ্ছে এবং না ডুবে স্থিতিশীল অবস্থায় আসছে।
- সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই মিটার উঁচু দ্বীপটি । 

সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট ও কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
১,০০০.
"Sendai Framework 2015-2030"-এ ২০৩০ সালের মধ্যে দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য কতটি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
- "Sendai Framework 2015-2030"-এ ২০৩০ সালের মধ্যে দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করার জন্য ৭টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। 

• সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক:

- সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক ফর ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন’ একটি বৈশ্বিক চুক্তি,
- যা এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে দুর্যোগ পরিকল্পনা, মোকাবিলা ও পুনর্বাসনে সহায়তার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল।
- ২০১৫ সালের ১৪ থেকে ১৮ মার্চ জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলন।
- এই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য স্থির করা হয়।
- এই সম্মেলনের শেষদিন দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস সংক্রান্ত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক: ২০১৫-২০৩০ গৃহীত হয়।

সূত্র: জাতিসংঘ দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যালয় ও UNDP ওয়েবসাইট।