বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৯৮ / ১২৪ · ৯,৭০১৯,৮০০ / ১২,৪২১

৯,৭০১.
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কোথায় বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহার করার দাবি উত্থাপন করেন?
  1. মুসলিম লীগের অধিবেশনে
  2. পাকিস্তানের গণপরিষদের অধিবেশনে
  3. পূর্ব বাংলার গণপরিষদের অধিবেশনে
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভায়
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের গণপরিষদের অধিবেশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের গণপরিষদের অধিবেশনে
ব্যাখ্যা
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
- ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা'র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী ও বাংলাপিডিয়া।
৯,৭০২.
কুদরত-ই-খুদা কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, মাধ্যমিক শিক্ষার মেয়াদ কোন শ্রেণী থেকে কোন শ্রেণী পর্যন্ত?
  1. ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী
  2. ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী
  3. অষ্টম থেকে দশম শ্রেণী
  4. নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী
সঠিক উত্তর:
নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী
ব্যাখ্যা

কুদরত-ই-খুদা কমিশন:
- ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন' বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন।
- এই কমিশন গঠিত হয় ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই।
- এই কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদা।
- তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর এই কমিশন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
- এই কমিশন 'কুদরত-ই-খুদা কমিশন' নামেও পরিচিতি পায় চেয়ারম্যানের নামানুসারে।
- সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে এই কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে।
- এই কমিশনের মতে প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ হবে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত মোট আট বছর।
- মাধ্যমিক শিক্ষার মেয়াদ হবে নবম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মোট চার বছর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯,৭০৩.
‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাস
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  4. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
ঢাকা সেনানিবাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা সেনানিবাস
ব্যাখ্যা
সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য:

- সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’।
- এর উদ্বোধন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।
- ভাস্কর্যটি ঢাকা সেনানিবাসের মাটিকাটা মিলিটারি পুলিশ চেকপোস্ট এলাকায় অবস্থিত।
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ সালে ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করা হয়।
- ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটিতে ‘অর্ধবৃত্তাকার প্রাচীরে’ সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে তুলে ধরা হয়েছে।
- ভাস্কর্যের সামনে ‘ফোয়ারা’ নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।
- ফোয়ারা থেকে প্রাচীর পর্যন্ত সংযুক্ত রেখাগুলো ‘সূর্যরশ্মির প্রতীক’, যা দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে বীরশ্রেষ্ঠরা জাতির সূর্যসন্তান এবং তাঁরা সূর্যরশ্মির মতো দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আলোর দিশারি ও অনবদ্য অনুপ্রেরণার উৎস।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ১৩ নভেম্বর, ২০২৩।
৯,৭০৪.
১৯৯১ সালে কততম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পুনঃযাত্রা সূচিত হয়?
  1. চতুর্থ
  2. পঞ্চম
  3. ষষ্ঠ
  4. অষ্টম
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম
ব্যাখ্যা
গণতন্ত্রের পুনঃযাত্রা: 
- ১৯৯১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যবস্থায় পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পুনঃযাত্রা সূচিত হয়।
- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠনের কৃতিত্ব অর্জন করে।
- সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন বাংলাদেশের ইতিহাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ ও বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭০৫.
জাতীয় শিক্ষা নীতি–২০১০ অনুযায়ী, প্রাথমিক শিক্ষার স্তর কোন শ্রেণি পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে?  
  1. চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত 
  2. পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত
  3. অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত
  4. দশম শ্রেণি পর্যন্ত  
সঠিক উত্তর:
অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

• জাতীয় শিক্ষানীতি - ২০১০:
- জাতীয় শিক্ষানীতি–২০১০ অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ পূর্বের পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। 
- এর সঙ্গে এক বছরের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা যুক্ত করা হয়েছে। 
- নীতিতে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণিকে প্রাথমিক ও নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণিকে মাধ্যমিক স্তর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
- নীতিতে বলা হয়, প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণ করে একটি সমন্বিত স্তর গঠনের পাশাপাশি ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তিমূলক ও তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। 
- যদিও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন কারণে এটি সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয়নি;
- তবে সরকার ধীরে ধীরে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিচ্ছে।

তথ্যসূত্র: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। 

৯,৭০৬.
কুদরাত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন শিক্ষার্থীদের কোন শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে এবং বাধ্যতামূলক শিক্ষা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন?
  1. অষ্টম শ্রেণি
  2. সপ্তম শ্রেণি
  3. ষষ্ঠ শ্রেণি
  4. পঞ্চম শ্রেণি
সঠিক উত্তর:
অষ্টম শ্রেণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম শ্রেণি
ব্যাখ্যা

• ড. কুদরত-ই-খুদার শিক্ষা কমিশন:
- ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই সরকার প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ড. কুদরত-ই-খুদার নেতৃত্বে জাতীয় শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।
- ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই, সরকার ড. কুদরাত-ই-খুদার নেতৃত্বে জাতীয় শিক্ষা কমিশন গঠন করে।
- কমিশন ১৯৮৩ সালের মধ্যে প্রচলিত প্রাথমিক শিক্ষা প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করে।
- এছাড়া, কমিশন ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দেয়।
- ১৯৭৩ সালে জারি হওয়া ‘প্রাথমিক শিক্ষা অর্ডিন্যান্স’ এবং ১৯৭৪ সালের প্রাথমিক বিদ্যালয় অধিগ্রহণ আইন বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার দিক পরিবর্তন করে।
- এই আইন অনুসারে, পর্যায়ক্রমে ৩৬,১৬৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১,৫৭,৭৪২ জন শিক্ষক সরকারি কর্মচারী হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

তথ্যসূত্র: প্রাথমিক শিক্ষা, বিএড, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৭০৭.
মুক্তিযুদ্ধে গঠিত উপদেষ্টা পরিষদের অন্তর্ভুক্ত বাম রাজনৈতিক দল কোনটি?
  1. ন্যাপ-ভাসানী
  2. বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস
  3. বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে বিভিন্ন সংগঠনের ভূমিকা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভেদ লক্ষ করা যায়।
- বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর বড় অংশ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থাকলেও পিকিং পন্থী হিসেবে পরিচিত একটি অংশ বিরোধিতা করে।
- পাকিস্তানের আদর্শে বিশ্বাসী ইসলমপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে।
- এই দলগুলো পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক বাঙালিদের অত্যাচার, নির্যাতন ও গণহত্যায় সহযোগিতা করে।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৭১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে সমমনা বাম রাজনৈতিক দলসমূহ নিয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়।
- উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী (ন্যাপ-ভাসানী), মণি সিংহ (বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি), মনোরঞ্জন ধর (বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস), অধ্যাপক মুজাফফর আহমদ (ন্যাপ-মুজাফফর)।
- আওয়ামীলীগ থেকে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমদ, অর্থমন্ত্রী মনসুর আলী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৭০৮.
বখতিয়ার খিলজি বাংলা জয় করেন কোন সালে?
  1. ক) ১২১২
  2. খ) ১২০০
  3. গ) ১২০৪
  4. ঘ) ১২১১
সঠিক উত্তর:
গ) ১২০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২০৪
ব্যাখ্যা
- তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি ১২০৪ সালে বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন।
- লক্ষ্মণ সেন পেছনের দরজা দিয়ে নৌকাযোগে বিক্রমপুরে পলায়ন করেন।
- বখতিয়ার খলজি কর্তৃক নদীয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
৯,৭০৯.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সর্বশেষ কে শহীদ হন?
  1. ক) রফিক উদ্দিন
  2. খ) আবদুস সালাম
  3. গ) আবদুল জব্বার
  4. ঘ) আবুল বরকত
সঠিক উত্তর:
খ) আবদুস সালাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবদুস সালাম
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন, আবদুল জব্বার ঘটনাস্থলে নিহত হন। আবদুস সালাম গুলিবিদ্ধ হয়ে ৭ এপ্রিল মেডিকেল কলেজে মারা যান। 
অর্থাৎ, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলে নিহত হন ৩ জন। 
 
- ২১ ফেব্রুয়ারি গুলিতে ঠিক কতজন মারা গিয়েছে তা নিয়ে পরবর্তীকালে নানা কারণে মতভেদ দেখা দিয়েছে। 
- ২১ ফেব্রুয়ারি গুলি লেগে কেউ আবার পরে মৃত্যুবরণ করেছেন। 
- শেষপর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া গেছে ভাষার কারণে ৬ জন শহীদ হয়েছিলেন। 
 
- শহীদ রফিকউদ্দীন আই.কম. পড়তেন। তাঁর বয়স উনিশ/বিশ ছিল। তাঁর বাড়ি মানিকগঞ্জ। 
- আবুল বরকত ১৯২৭ সালের ১৬ জুন জন্মগ্রহণ এবং ১৯৪৫ সালৈ ম্যাট্রিক পাশ করেছিলেন। ১৯৪৮ সালে তিনি পাকিস্তানে আসেন। তাঁর পিতার নাম শামসুজ্জোহা। 
- শহীদ শফিউর রহমান ছিলেন হাইকোর্টের কর্মচারী। ১৯১৮ সালের ২৪ জানুয়ারি তার জন্ম। এঁদের তিনজনকেই আজিমপুর দাফন করা হয়। 
- শহীদ আব্দুল জব্বার ছিলেন পেশায় দর্জি। গফরগাঁওয়ের পাচাইয়া গ্রামে তাঁর বাড়ি। 
- শহীদ অলিউল্লাহর বয়স ৮/৯ বছর। তিনি রাজমিস্ত্রি হাবিবুর রহমানের ছেলে।
-  আবদুস সালাম ২১ ফেব্রুয়ারি গুলিবিদ্ধ হয়ে ৭ এপ্রিল মারা যান। তিনি পেশায় পিয়ন ছিলেন।

 উৎস: ইতিহাস,  এসএসএইচএল প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭১০.
মুসলিম যুগে কোন অঞ্চলটি 'লক্ষণাবতী' নামে পরিচিত ছিল?
  1. গৌড়
  2. হরিকেল 
  3. বঙ্গ
  4. সমতট
সঠিক উত্তর:
গৌড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌড়
ব্যাখ্যা
গৌড়: 

মুসলিম যুগে গৌড় অঞ্চলটি ‘লক্ষণাবতী’ নামে পরিচিত ছিল।
• বাংলার প্রাচীন জনপদগুলো যে যুগে যুগে সীমানা সম্প্রসারণ করেছে তার বড় উদাহরণ হলো গৌড়।
• এই জনপদের খ্যাতি এতই বৃদ্ধি পাচ্ছিল যে, সমগ্র বাংলাকেই সময়ে সময়ে গৌড় দেশ বিবেচনা করা হতো।
• সেনবংশীয় রাজারা 'গৌড়েশ্বর' উপাধি গ্রহণ করে গৌরববোধ করতেন। 
• ব্যাপক অর্থে 'গৌড়' বলতে অনেক সময় বাংলা ভাষাভাষী সমগ্র অঞ্চলকে বুঝাত। 
• আদিকালে গৌড় বলতে বর্তমানের মুর্শিদাবাদ জেলা ও মালদা জেলার দক্ষিণাংশকে বুঝাত। 
• হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং হর্ষচরিত গ্রন্থে শশাঙ্ককে 'গৌড়াধিপতি' বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 
• কর্ণসুবর্ণ দেশ ও গৌড়দেশ ছিল অভিন্ন। 
• গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল কর্ণসুবর্ণ। 
• মুসলিম পণ্ডিত আল বিরুনীর বিবরণ অনুযায়ী পূর্বভারতের বিভিন্ন দেশের অর্থাৎ বর্তমান বাংলা, উড়িষ্যা, আসামের আদি মধ্যযুগীয় লিপির প্রকৃত রূপ হলো এই 'গৌড়ীয় লিপি'। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭১১.
রাঢ় জনপদের রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. কামরুপ
  2. সমতট
  3. দক্ষিণ রাঢ়
  4. কোটিবর্ষ
সঠিক উত্তর:
কোটিবর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোটিবর্ষ
ব্যাখ্যা

রাঢ় জনপদ:
- রাঢ় জনপদটি ২টি অংশে বিভক্ত ছিল।
- রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- দক্ষিণ রাঢ় এবং উত্তর রাঢ় নিয়ে ছিল রাঢ় জনপদ।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূহ্মভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।
- শুধু বাংলা নয় এটি প্রাচীন ভারতেরও পূর্বাঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বন্দর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৭১২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রিগেড আকারে কয়টি ফোর্স গঠিত হয়েছিল?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
ব্রিগেড ফোর্স:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
• জেড ফোর্স,
• কে ফোর্স,
• এস ফোর্স।

⇒ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

⇒ কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

⇒ খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭১৩.
বাংলাদেশের শালবন সম্পর্কে কোনটি সত্য নয়?
  1. এটি গজারি বন নামেও পরিচিত।
  2. এগুলো প্লাইস্টোসিন যুগের ভূমিরূপ।
  3. এটি চিরহরিৎ বন।
  4. বাংলাদেশের ৫ টি বিভাগে এই বন দেখা যায়।
সঠিক উত্তর:
এটি চিরহরিৎ বন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি চিরহরিৎ বন।
ব্যাখ্যা
শালবন:
- শালবন  এক ধরনের বনভূমি যেখানে শালগাছ (Shorea robusta) মুখ্য উদ্ভিদ প্রজাতি।
- বনের শ্রেণীবিন্যাসে শালবনকে গ্রীষ্মমন্ডলীয় আর্দ্র পত্রঝরা বনাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশে মোট শালবন এলাকা প্রায় ১,২১,০০০ হেক্টর অর্থাৎ দেশের বনভূমির শতকরা প্রায় ৩২ ভাগ।
- মুল কর্তিত গাছ থেকে পুনরায় গজানোর গুণ থাকায় এগুলোকে গজারি বন ও বলা হয়। 
- মধুপুর ও বরেন্দ্র এলাকার উত্তর-দক্ষিণ প্রলম্বিত লালাভ বাদামি দ্বীপসমূহ বাংলাদেশে প্লাইসটোসিন সোপানের নমুনা বলে ধারণা করা হয়।
- মোটামুটি ব্যাপক হলেও শালবন দেশের মাত্র কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো। বেশির ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায়। 
- এ বনাঞ্চল ভাওয়ালের গড় ও মধুপুরের গড় নামে পরিচিত। 
- বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইলের শালবন এলাকা সবচেয়ে বড়, ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা নদীর মাঝে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত এ বনভূমির দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৬ কি.মি এবং চওড়া ৮ থেকে ২৪ কি.মি। 
- ‘মধুপুর গড়’ নামেই এটি সুপরিচিত। 
- এছাড়া কুমিল্লা জেলায় এবং দেশের উত্তর অঞ্চলের দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর এবং রাজশাহী জেলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে শালবন বিদ্যমান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৭১৪.
তৎকালীন পাকিস্তানের প্রথম জাতীয় পরিষদের নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৮ সালে
  3. ১৯৬৬ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
• ১৯৭০ সালে তৎকালীন অবিভক্ত পাকিস্তানের প্রথম এবং শেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

• ১৯৭০ সালের নির্বাচন:

- ১৯৬২ সালে মৌলিক গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জাতীয় পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জনগণ সর্বপ্রথম দেশের কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ লাভ করে।
- নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
- ১৯৭০ সালের ১ জানুয়ারি সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। ফলে সেদিন থেকেই নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরু হয়।
- ১৯৭০ সালের ৫ অক্টোবর জাতীয় পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
- কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে পূর্ব পাকিস্তানে বন্যা হয়।
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচন হয় ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর।
- এবং প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের তারিখ নির্দিষ্ট হয় ১৭ ডিসেম্বর।
- ১৯৭০ এর পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মোট ২৪টি দল অংশগ্রহণ করে।
- জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত ১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৬৭টি আসন লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৭১৫.
পাঁচসালা বন্দোবস্ত চালু হয় কত সালে?
  1. ১৭৬৫ সালে
  2. ১৭৭২ সালে
  3. ১৭৮৯ সালে
  4. ১৭৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৭২ সালে
ব্যাখ্যা

পাঁচসালা বন্দোবস্ত:
- প্রবর্তন: ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দ।
- প্রবর্তক: গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস।
- উদ্দেশ্য: রাজস্ব আদায় ব্যবস্থা সংস্কার।
- মেয়াদ: ৫ বছর।
- জমি ইজারা দেওয়া হতো সর্বোচ্চ দরদাতাকে।
- জমিদাররা কৃষকদের ওপর অতিরিক্ত খাজনা আরোপ করত।
- কৃষি ও জমির উন্নয়নে কোনো স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
- ব্যর্থতার ফলে একসালা বন্দোবস্ত চালু হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৭৮৯ সালে কর্নওয়ালিস দশসালা বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- পরবর্তীতে ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কার্যকর হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৭১৬.
কোন আইনের অধীনে 'ঋণ সালিশি বোর্ড' স্থাপিত হয়?
  1. বেঙ্গল অ্যাক্ট ১১
  2. বেঙ্গল অ্যাক্ট ৯
  3. বেঙ্গল অ্যাক্ট ৭
  4. বেঙ্গল অ্যাক্ট ৫
সঠিক উত্তর:
বেঙ্গল অ্যাক্ট ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেঙ্গল অ্যাক্ট ৭
ব্যাখ্যা
১৯৩৬ সালে বেঙ্গল এগ্রিকালচারাল ডেটরস অ্যাক্ট (১৯৩৬-এর বেঙ্গল অ্যাক্ট ৭)-এর অধীনে ঋণ সালিশি বোর্ড স্থাপিত হয়।

• ঋণ সালিশি বোর্ড:
- বোর্ড অব ইকোনমিক ইনকোয়ারি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ১৯৩৫ সালের জুলাই মাসে বঙ্গীয় আইন পরিষদে খাজা নাজিমউদ্দীন একটি বিল উত্থাপন করেন।
- বিলটি বেঙ্গল এগ্রিকালচারাল ডেটরস অ্যাক্ট (১৯৩৬-এর বেঙ্গল অ্যাক্ট ৭) শিরোনামে ১৯৩৬ সালের এপ্রিলে আইন পরিষদে পাস হয়।
- আইনটি ঋণদাতা ও ঋণগ্রহীতা উভয়ের দ্বারা মনোনীত স্থানীয় প্রভাবশালী ও শিক্ষিত লোকদের মধ্য থেকে সদস্য নিয়ে ‘বোর্ড’ নামক ঋণবিষয়ক বেশ কয়টি সালিশি সভা স্থাপনের ব্যবস্থা করে দেয়।
- বোর্ডের দায়িত্ব ছিল দু পক্ষেরই কথা শুনে প্রধানত মহাজনদের কাছে ঋণগ্রস্ত কৃষকদের অনাদায়ী ঋণ আনুপাতিক হারে কমানো এবং এভাবে তাদের ওপর থেকে চাপ লাঘব করা।
- ১৯৪৪ সাল পর্যন্ত এসব বোর্ড সক্রিয় ছিলো।

এছাড়াও,
- ঋণ সালিশি বোর্ড কৃষকদের ঋণের বোঝা থেকে রক্ষা করলেও এর প্রভাবে বাংলার গ্রামীণ ঋণ বাজার দুর্বল হয়ে পড়ে।
- কারণ অনেক মহাজন তাদের ব্যবসা গুটিয়ে ফেলে।
- এতে করে কৃষি ঋণের অভাবে অনাবাদী জমির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
- এটিকে ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের অন্যতম একটি কারণ হিসেবে অনেকে মনে করেন।
- এই দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৭১৭.
মৌর্য সাম্রাজ্যের রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. গৌড়
  2. পাটলিপুত্র
  3. বিক্রমপুর
  4. তাম্রলিপ্ত
সঠিক উত্তর:
পাটলিপুত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটলিপুত্র
ব্যাখ্যা

- মৌর্য সাম্রাজ্যের কেন্দ্রীয় রাজধানী ছিল পাটলিপুত্র, এটা বর্তমান ভারতের বিহার রাজ্যের পাটনা শহরের কাছে অবস্থিত।  

চন্দ্ৰগুপ্ত মৌর্য:
- ভারতবর্ষের প্রথম সাম্রাজ্যের নাম মৌর্য সাম্রাজ্য।
- মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ হচ্ছেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
- তার রাজত্বকাল খ্রিস্টপূর্ব ৩২২-২৯৮ অব্দ পর্যন্ত।
- তার সময় থেকেই সর্বভারতীয় চিন্তা-চেতনার প্রসার ঘটে, মৌর্য শাসন ব্যবস্থার সূচনা হয়, বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার-প্রসার বাড়তে থাকে।
- তার রাজধানী ছিল পাটালিপুত্র।
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিল কৌটিল্য।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৭১৮.
শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে বিশেষ ট্রাইবুনালের আইনজীবী কে ছিলেন?
  1. মনজুর কাদের
  2. এস.এ. রহমান
  3. টি.এইচ. খান
  4. স্যার টমাস উইলিয়াম
সঠিক উত্তর:
স্যার টমাস উইলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার টমাস উইলিয়াম
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন, রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- অন্যদিকে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ. খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ. রহমান। অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।
- এ সময় স্যার টমাস উইলিয়াম ট্রাইবুনালে উপস্থিত ছিলেন।
- তিনি ৫ জুলাই শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে বিশেষ ট্রাইবুনালের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭১৯.
১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি দিনটি কী বার ছিল?
  1. সোমবার
  2. শনিবার
  3. রবিবার
  4. বৃহস্পতিবার
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতিবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতিবার
ব্যাখ্যা
একুশে ফেব্রুয়ারি:
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহস্পতিবার।
- বাংলা ৮ ই ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
- ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা জমায়েত হয়।
- ১৪৪ ধারা জারি করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্ররা দুজন দুজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে থাকে।
- বেলা ১১ টায় ছাত্রসভা শুরু হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫২ সালের পর প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হতে থাকে।
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের সংবিধানে উর্দু ও বাংলাকে পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হিসেবে অনুমোদন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭২০.
'মৌলিক গণতন্ত্র' ব্যবস্থায় বেসিক ডেমোক্র্যাট কত ছিল?
  1. মোট ৭০ হাজার
  2. মোট ৯০ হাজার
  3. মোট ৮০ হাজার
  4. মোট ৬০ হাজার
সঠিক উত্তর:
মোট ৮০ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোট ৮০ হাজার
ব্যাখ্যা
মৌলিক গণতন্ত্রের স্তরগুলো হচ্ছে:
- ইউনিয়ন কাউন্সিল,
- থানা কাউন্সিল,
- জেলা কাউন্সিল এবং
- বিভাগীয় কাউন্সিল।

• ছোট ছোট শহরে টাউন কমিটি এবং বড় বড় শহরে পৌরসভা গঠনের বিধান করা হয়।
- এই কাঠামোর সর্ব নিম্নস্তর ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং পৌরসভা বা টাউন কমিটি জনগণের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল।
- এর ওপরের স্তরগুলো পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে গঠিত ছিল।
- মৌলিক গণতন্ত্রের সর্ব নিম্নস্তরে যে ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান মিলে।
- এদের সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার করে মোট ৮০ হাজার। এদেরকে বেসিক ডেমোক্রাট বা সংক্ষেপে বি.ডি. মেম্বার বলা হতো।
- এই ৮০ হাজার বি.ডি. মেম্বার দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গকে নির্বাচিত করতেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭২১.
পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান কবে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৪৯ সালে
  2. ১৯৫২ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৫৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

- পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার প্রায় ৯ বছর পর ১৯৫৬ সালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে দেশের প্রথম সংবিধান রচিত ও কার্যকর হয়।

প্রথম সংবিধান ঘোষণা: 
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান ঘোষণা করা হয়।
- এ সংবিধানের মাধ্যমে পাকিস্তান ইসলামী প্রজাতন্ত্র নাম ধারণ করে।
- পশ্চিমাঞ্চলের প্রদেশগুলোকে একত্রিত করে পশ্চিম পাকিস্তান এবং পূর্ব বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তান নাম দেয়া হয়।
- বাংলা এবং উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- ১৯৫৬ সালের ৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় গণপরিষদে পাকিস্তান ইসলামী প্রজাতন্ত্র সংবিধান বিল উত্থাপন করা হয়।
- বিলটি গণপরিষদে ২১ জানুয়ারি গৃহীত হয় এবং ২ মার্চ গভর্নর জেনারেল এ বিলে সম্মতি প্রদান করে।
- এ সংবিধান ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ থেকে কার্যকর করা হয়।
- সংবিধান প্রণয়নের জন্য দীর্ঘ নয় বছর সময় নেয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- এ সংবিধান মাত্র আট মাস স্থায়ী হয়।
- ১৯৫৮ সালে অক্টোবর মাসে তদানীন্তন প্রেসিডেন্ট জেনারেল (অব:) ইস্কান্দার মীর্জা সামরিক আইন জারি করেন এবং সংবিধান বাতিল করেন।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৭২২.
বাংলাদেশের (মুজিবনগর সরকারের) প্রতিরক্ষা মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) জনাব তাজউদ্দীন আহমেদ
  2. খ) জনাব এম মনসুর আলী
  3. গ) জনাব সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
ক) জনাব তাজউদ্দীন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জনাব তাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
-  মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।

মুজিবনগর সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় : তাজউদ্দীন আহমদ।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ-পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী : এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
৯,৭২৩.
নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার সময় পরিবেশিত গানের নাম কী?
  1. ক) জারিগান
  2. খ) টপ্পা গান
  3. গ) সারি গান
  4. ঘ) ভাটিয়ালি
সঠিক উত্তর:
গ) সারি গান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সারি গান
ব্যাখ্যা
সারি গান:

- সারি গান এক প্রকার লোকসঙ্গীত, যা শ্রমসঙ্গীত বা কর্মসঙ্গীত নামেও পরিচিত।
- নৌকার মাঝি-মাল্লাদের গান হিসেবেই এর প্রধান পরিচয়।
- মাঝিরা সারিবদ্ধভাবে বসে বৈঠা টানার তালে তালে এ গান গায় বলেই এর নাম হয়েছে সারি গান।
- দলবদ্ধভাবে গানের তালে তালে কাজ করলে শ্রম লাঘব হয়, কাজে উদ্দীপনা বাড়ে এবং কঠিন কাজও সহজ হয়ে যায়। এ কারণে শ্রমিকদের মধ্যে সারি গানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯,৭২৪.
কত সালে ঐতিহাসিক লক্ষ্মৌ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯০৫ সালে
  2. ১৯১১ সালে
  3. ১৯১৬ সালে
  4. ১৯১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১৬ সালে
ব্যাখ্যা

লক্ষ্মৌ চুক্তি: 
- ভারত উপমহাদেশের সাংবিধানিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে ১৯১৬ সালের লক্ষ্মৌ চুক্তি এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে রাজনৈতিক সহযোগিতার ভিত্তি রচনা করে এ চুক্তি। 

• নিম্নে লক্ষ্মৌ চুক্তির গুরুত্ব আলোচনা করা হলো:
১. লক্ষ্মৌ চুক্তির স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে হিন্দু মুসলিম রাজনৈতিক সহযোগিতার ভিত্তি রচিত হয়।
২. এ চুক্তির মাধ্যমে ভারতীয় কংগ্রেসে মুসলমানদের পৃথক নির্বাচনের দাবি মেনে নেয়।
৩. এ চুক্তির ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে খেলাফত ও অসহযোগ আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল।
8. এ চুক্তির ফলে ভারতবর্ষে স্বায়ত্তশাসনের দাবি জোরদার হয়ে ওঠে।
৫. এ চুক্তির ফলে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ সম্মিলিতভাবে ব্রিটিশ সরকারের কাছে স্বায়ত্বশাসনের দাবি জানায়।
৬. মুসলমানদের স্বার্থ বিরোধী বিল পাশ না হওয়ার সম্ভবনা সৃষ্টি হয়।

উৎস: পৌরনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৭২৫.
The total border district of Bangladesh is -
  1. ক) 32
  2. খ) 35
  3. গ) 34
  4. ঘ) 36
সঠিক উত্তর:
ক) 32
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 32
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি।
- এদের মধ্যে ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- একমাত্র রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের স্থলসীমান্ত রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
৯,৭২৬.
১৯৭১ সালের জর্জ হ্যারিসন আয়োজিত কনসার্টের নাম কী ছিল?
  1. কনসার্ট ফর বাংলাদেশ
  2. স্বাধীন বাংলা কনসার্ট
  3. ইস্ট ব্যাঙ্গল কনসার্ট
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে এমন একটি আয়োজনে যোগ দিয়েছিলেন।
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পী জর্জ হ্যারিসন 'বাংলাদেশ কনসার্ট' আয়োজন করে তা থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন।
- ভারতের খ্যাতিমান শিল্পী রবি শঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে মানুষকে উজ্জীবিত করেন।
- তিনি বাংলাদেশ কনসার্টের আয়োজকদের মধ্যে অন্যতম"।

⇒ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিশ্বখ্যাত সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর।
- বাংলাদেশের জনগণের সাহায্যার্থে কিছু করার জন্য তিনি প্রথম যোগাযোগ করেন জনপ্রিয় বিটলসের অন্যতম সদস্য জর্জ হ্যারিসনের সঙ্গে।
- জর্জ হ্যারিসন 'কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ' থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন।
- ১৯৭১ সালের ১লা অগাস্টের সেই আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন পপ সঙ্গীতের তৎকালীন সুপারস্টার বব ডিলান, জর্জ হ্যারিসন এবং এরিক ক্ল্যাপটনের মত তারকারা।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, অষ্টম শ্রেণী।
ii) BBC।
৯,৭২৭.
গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলায় অবস্থিত বনভূমি কী ধরনের?
  1. মিঠাপানির জলাভূমি
  2. চিরহরিৎ
  3. ক্রান্তিয় আদ্র পাতাঝরা
  4. স্রোতজ
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তিয় আদ্র পাতাঝরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তিয় আদ্র পাতাঝরা
ব্যাখ্যা
ক্রান্তিয় আদ্র পাতাঝরা বন (শাল বন):
অবস্থান:
- এ বন মূলত গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলায় অবস্থিত।
- তাছাড়া দেশের উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, রংপুর, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলায় অল্প কিছু শাল বন রয়েছে।

পরিমাণ:
- প্রায় ১,২০,০০০ হেক্টর যা দেশের আয়তনের ০.৮১% এবং বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ৭.৫%।
 
 উদ্ভিদ প্রজাতি:
- এ বনের মূল প্রজাতি শাল যা অনেকেই গজারী বলে জানেন।
- শুষ্ক মৌসুমে (ফেব্রুয়ারি-মার্চ) শাল গাছের পাতা ঝরে যায় বলে একে পত্রঝরা বনও বলা হয়।
- এ ছাড়া রয়েছে হরিতকি, বহেরা, কড়ই, শিমুল, অর্জুন ইত্যাদি প্রজাতির বৃক্ষ। 
 
বন্যপ্রাণী:
- এ বনের উল্লেখযোগ্য বন্যপ্রাণীর মধ্যে রয়েছে মেছোবাঘ, বনবিড়াল, বানর, শিয়াল, বেজি, হনুমান, সজারু, ঈগল, কাঠবিড়ালী, সাপ, ধলাকোমর শামা, লাল বন মুরগী, সবুজঠোঁট মালকোয়া, তিলা-নাগঈগল।
 
উৎস: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৯,৭২৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় চট্রগ্রাম কত নম্বর সেক্টরের আওতায় ছিল?
  1. ক) ১ নং
  2. খ) ২ নং
  3. গ) ৭ নং
  4. ঘ) ৮ নং
সঠিক উত্তর:
ক) ১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ নং
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
-১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না

- চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর
- ঢাকা-২ নং সেক্টর
- রাজশাহী-৭ নং সেক্টর
- মুজিব নগর -৮ নং সেক্টর
- বরিশাল - ৯ নং সেক্টর
- নৌ-বাহিনী - ১০ নং (সেক্টর সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)

সূত্র: ঢাকা বিভাগের ওয়েবসাইট।
৯,৭২৯.
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয় -
  1. ৪ নভেম্বর
  2. ১৪ নভেম্বর
  3. ৪ ডিসেম্বর
  4. ১৪ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৪ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
বুদ্ধিজীবী হত্যা:

- যৌথ বাহিনীর ঢাকার উপকণ্ঠে আগমণ ও ভারতীয় বিমান বাহিনীর ঢাকা আক্রমণের প্রেক্ষাপটে ১৪ ডিসেম্বর গভর্ণর মালিকের নেতৃত্বাধীন সরকার পদত্যাগ করে।
- এ সময় পাকিস্তান বাহিনী তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও আল শামস এর সহযোগিতায় ব্যাপক গণহত্যা চালায়।
- যুদ্ধের শুরু থেকেই পাকিস্তানি বাহিনী বাংলাদেশের খ্যাতিমান শিক্ষক, চিকিৎসক ও সাংবাদিকসহ অনেক বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়।
- ১৪ ডিসেম্বর পরিকল্পিতভাবে আলবদর বাহিনী বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে।
- বাংলাদেশের ইতিহাস এ ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক।
- হত্যাকাণ্ডের শিকার বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৩০.
মায়া সভ্যতা কতটি শহর নিয়ে গড়ে উঠেছিল?
  1. ক) ৩০টির বেশি
  2. খ) ৪০টির বেশি
  3. গ) ৫০টির বেশি
  4. ঘ) ৬০টির বেশি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪০টির বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪০টির বেশি
ব্যাখ্যা
১৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মায়া জাতি গ্রামে বসতি স্থাপন করেছিল এবং কৃষিকাজ করছিল।
- মায়া সংস্কৃতির ক্লাসিক কাল প্রায় ২৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে প্রায় ৯০০ অবধি স্থায়ী হয়েছিল।
- মায়া সভ্যতা ৪০ টিরও বেশি শহর নিয়ে গঠিত, যার প্রত্যেকটির জনসংখ্যা ৫০০০ থেকে ৫০০০০ এর মধ্যে ছিল।
- ক্লাসিক-পরবর্তী সময়কালে (৯০০-১৫১৯) ইউকাটান উপদ্বীপের শহরগুলি কয়েক শতাব্দী ধরে ক্রমবর্ধমান অব্যাহত থাকার পর নিম্নভূমি গুয়াতেমালার শহরগুলি জনবহুল হয়ে পড়েছিল।


উৎস: Britannica.
৯,৭৩১.
এগারো দফা কর্মসূচি ঘোষনা করে কে?
  1. আওয়ামী লীগ
  2. ছাত্রলীগ
  3. ছাত্র ইউনিয়ন
  4. ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
১১ দফা কর্মসূচি:
- ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষনা করে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ।
- ১৯৬৮ সালের শেষের দিকে মওলানা ভাসানী বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ‘ঘেরাও কর্মসূচি' নামে নতুন এক আন্দোলনের ডাক দেন।
- এর সঙ্গে যুক্ত হয় ডাকসু ও চারটি ছাত্র সংগঠনের সাত জন নেতা প্রণিত ১১ দফা কর্মসূচি।
- ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্র নেতৃবৃন্দ ১১ দফা ঘোষণা করেন।
- মূলত ৬ দফার বিস্তারিত রূপই ১১ দফা।
- কেন্দ্রীয় শাসন থেকে বাঙালিদের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাধিকার অর্জনই ছিল ১১ দফা দাবির মূল বক্তব্য।
- এগার দফার আন্দোলনই উনসত্তরের গণ আন্দোলনে পর্যবসিত হয়।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফাও অন্তর্ভুক্ত করে আরো ৫টি দাবি সন্নিবেশিত করা হয়।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগারো দফা দাবির মধ্যে আওয়ামী লীগের ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এগারো দফায় বাঙালি মধ্যবিত্ত ও কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এগারো দফার আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্র-নেতৃবৃন্দের হাতে চলে আসে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৩২.
স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
  1. পন্ডিত জওহরলাল নেহেরু
  2. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  3. ব্যামফিল্ড ফুলার
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্টব্যাটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্টব্যাটেন
ব্যাখ্যা

লর্ড মাউন্টব্যাটেন:
- ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন।
- ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্বকাল: মার্চ ১৯৪৭ - আগস্ট ১৯৪৭।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
- গভর্নর জেনারেল হিসেবে কার্যকাল: আগস্ট ১৯৪৭ - জুন ১৯৪৮।
- ১৯২১ সালে প্রিন্স অব ওয়েলস্-এর সহকারী (aide-de-camp) নিযুক্ত হওয়ার আগে তিনি নৌবাহিনীর বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।
- দায়িত্বকালকালে ভারতীয় রাজন্যবর্গকে ভারতীয় ইউনিয়ন অথবা পাকিস্তানের সঙ্গে একীভূত হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।
- ভাইসরয় হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত: উপমহাদেশের বিভাজন এবং ক্ষমতা হস্তান্তর।
- ২৭ আগস্ট, ১৯৭৯, আয়ারল্যান্ডের ডোনেগাল বে-তে নৌযান বিস্ফোরণে নিহত হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯,৭৩৩.
কোন প্রেক্ষাপটে স্বদেশী আন্দোলনের সূত্রপাত হয়?
  1. খিলাফত আন্দোলন
  2. বঙ্গভঙ্গ
  3. বেঙ্গল প্যাক্ট
  4. রাওলাট আইন
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভঙ্গ
ব্যাখ্যা
স্বদেশী আন্দোলন:
- স্বদেশী আন্দোলন ছিলো একটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন।
- ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করে যা ‘বঙ্গভঙ্গ’ নামে পরিচিত।
- কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুরা এ সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে।
- বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতার অংশ হিসেবে ১৯০৫ সালে স্বদেশী আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- তাছাড়া এ আন্দোলন শুরুতে তরুণদের দেশপ্রেম, ঔপনিবেশিক শক্তিবিরোধী শাড়িপূর্ণ নিষ্ঠা ও আদর্শ নিয়ে শুরু হলেও ক্রমে তা থেকে চরম ও সশস্ত্র ধারার ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের জন্ম নেয়।
- ফলে ব্রিটিশ শক্তি শেষ পর্যন্ত বঙ্গভঙ্গ বাতিল করতে বাধ্য হয়।

⇒ স্বদেশী আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী ছিলেন সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়।
- এই আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিলেতি পণ্য বর্জন।
- পরে বিলেতি শিক্ষা বর্জনও এ কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হয়।
- কংগ্রেস নেতারা গ্রামে-গঞ্জে-শহরে প্রকাশ্য সভায় বিলেতি পণ্য পুড়িয়ে ফেলে।
- সঙ্গে সঙ্গে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে গড়ে উঠে বাংলার নিজস্ব তাঁতবস্ত্র, সাবান, লবণ, চিনি ও চামড়ার দ্রব্য তৈরির কারখানা।
- অপর দিকে বিলেতি শিক্ষা বর্জন এবং আন্দোলনের সাথে যুক্তদের বিভিন্ন সরকারি স্কুল-কলেজ থেকে বের করে দেওয়ার ফলে প্রয়োজনে গড়ে উঠে জাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
- এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বাংলা ভাষায় বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধকারী শ্রেষ্ঠ দেশাত্মবোধক গানগুলো রচনা করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিজেন্দ্রলাল রায় এবং রজণীকান্ত সেন প্রমুখ।
- আমাদের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি' গানটি রবীন্দ্রনাথ ঐ সময় রচনা করেন।
- তবে মুসলমানরা বঙ্গভঙ্গের পক্ষে ছিলো, তাই তারা স্বদেশী আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়নি।
- যার কারণে স্বদেশী আন্দোলনের ফলে বাংলার হিন্দু-মুসলমান সম্পর্কের অবনতি হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৩৪.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট কয়টি আসন লাভ করে?
  1. ১৬৭টি
  2. ১৮৮টি
  3. ২২৩টি
  4. ২৭৭টি
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল সম্মেলনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- পরবর্তীতে মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম ও হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে।
- ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৭৩৫.
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের জন্মস্থান কোন জেলায়?
  1. ভোলা
  2. নড়াইল
  3. ঝিনাইদহ
  4. নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের জন্মস্থান - সোনাইমুড়ি, নোয়াখালী।

• মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদ বীরশ্রেষ্ঠ গণের জন্মস্থান-

- বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান - আগা সাদেক রোড, ডাকা। পৈতৃক নিবাস: নরসিংদী
- বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল- দৌলতখান, ভোলা।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর- বাবুগঞ্জ, বরিশাল।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ সিপাহী হামিদুর রহমান- মহেশপুর, ঝিনাইদহ।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ- নড়াইল।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ- মধুখালী, ফরিদপুর।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৭৩৬.
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সিভিল সার্ভেন্টদের বলা হতো-
  1. কোম্পানি সার্ভিস টু পাবলিক
  2. কভেন্যান্টেড সিভিল সার্ভেন্ট
  3. ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সার্ভিস
  4. রয়েল ইস্ট ইন্ডিয়া সার্ভিস
সঠিক উত্তর:
কভেন্যান্টেড সিভিল সার্ভেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কভেন্যান্টেড সিভিল সার্ভেন্ট
ব্যাখ্যা
১৭৮৬ সালের পূর্ব পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ভূখন্ডগত মালিকানা প্রধানত ‘সুপারভাইজার’ নামে অভিহিত কোম্পানির স্থানীয় বাণিজ্যিক অফিসারদের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশীয় সংস্থাগুলোর দ্বারা পরিচালিত হতো।
কোম্পানির সিভিল সার্ভেন্টদের বলা হতো কভেন্যান্টেড সিভিল সার্ভেন্ট। কোম্পানির শাসনের অবসান পর্যন্ত এবং তারপরও দীর্ঘদিন এ পদবিটি চালু ছিল।
এ সার্ভিসের সদস্যরা ভারতে চাকরির জন্য ভারত সচিবের সঙ্গে চুক্তিতে আবদ্ধ হতেন বিধায় এ চাকরির নাম হয়েছিল কভেন্যান্টেড সিভিল সার্ভিস (সিসিএস)৷
উৎসঃ Live MCQ স্পেশাল PDF (সিভিল সার্ভিস এবং মুজিব বর্ষ)
৯,৭৩৭.
পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার কোন রাজবংশের সময়ে নির্মিত হয়েছিল?
  1. গুপ্ত
  2. কৈবর্ত
  3. চন্দ্র
  4. পাল
সঠিক উত্তর:
পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল
ব্যাখ্যা

⇒ পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার পাল রাজবংশের সময়ে নির্মিত হয়েছিল।

সোমপুর মহাবিহার:

- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর মহাবিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত ।
- সোমপুর মহাবিহার প্রাচীন বাংলার একটি বৌদ্ধ বিহার।
- পাহাড়পুরএর উৎখননকৃত বিহার কমপ্লেক্সের সঙ্গে সোমপুর মহাবিহারকে অভিন্ন মনে করা হয়।
- পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল আনুমাণিক ৭৮১ - ৮২১ খ্রিস্টাব্দে এ বিহার স্থাপন করেন বলে অনুমান করা হয়।
- বিহারের ধ্বংসাবশেষ হতে কিছু মাটির সিল পাওয়া গেছে, যেখানে উৎকীর্ণ রয়েছে- .‘শ্রী-সোমপুরে-শ্রী-ধর্মপালদেব-মহাবিহারিয়ার্য- ভিক্ষু-সংঘস্য'।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।

⇒ উল্লেখ্য:
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলেন: অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন, নওগাঁ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৯,৭৩৮.
সেন রাজবংশ বাংলায় কত বছর রাজত্ব করে? 
  1. ১০০ বছর
  2. ১২০ বছর
  3. ১৫০ বছর
  4. ২০০ বছর
সঠিক উত্তর:
১৫০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০ বছর
ব্যাখ্যা

বাংলায় সেন বংশের শাসন:
- ১০৭০ থেকে ১২৩০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় ১৫০ বছর সেনরা বাংলায় রাজত্ব করে। 

উল্লেখ্য,
- পালদের পতনের পর বাংলায় সেন রাজবংশের উত্থান ঘটে।
- ১০৭০ থেকে ১২৩০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত হেমন্ত সেন, বিজয় সেন, বল্লাল সেন, লক্ষ্মণ সেন, বিশ্বরূপ সেন, কেশব সেন রাজ্য পরিচালনা করেন।
- বাংলার সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সামন্ত সেন। সামন্ত সেন কোনো রাজ্য প্রতিষ্ঠা না করায় সেন বংশের প্রথম রাজার মর্যাদা দেওয়া হয় সামন্ত সেনের পুত্র হেমন্ত সেনকে।
- এই বংশের শেষ রাজা ছিলেন লক্ষ্মণ সেন।
- ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজী নদীয়া আক্রমণ করলে তিনি প্রতিরোধ না করে মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুর পালিয়ে আসেন।
- এই অঞ্চলে তিনি আরো ২/৩ বছর রাজত্ব করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৭৩৯.
মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অংশগ্রহণ ও অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ডকে কোন সম্মাননায় ভূষিত করে?
  1. বীরশ্রেষ্ঠ
  2. বীরউত্তম
  3. বীরবিক্রম
  4. বীরপ্রতীক
সঠিক উত্তর:
বীরপ্রতীক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীরপ্রতীক
ব্যাখ্যা
উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ওডারল্যান্ড বাংলাদেশে ছিলেন।
- তিনি বাটা সু কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন।
- মেজর হায়দারের দেওয়া এক সনদপত্রে উল্লেখ পাওয়া যায়, ওডারল্যান্ড মুক্তিযুদ্ধে যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, পরামর্শ, নগদ অর্থ, চিকিৎসা সামগ্রী, গরম কাপড় ও অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছেন।
- মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অংশগ্রহণ ও অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ডকে 'বীরপ্রতীক' সম্মাননায় ভূষিত করে
- উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ডই একমাত্র বিদেশি যিনি এ স্বীকৃতি পেয়েছিলেন।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরপ্রতীক পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় তার নাম ২ নম্বর সেক্টরের যোদ্ধাদের তালিকায় ৩১৭ নম্বর।
- ১৯৯৮ সালের ৭ মার্চ খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে ওডারল্যান্ডকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
- কিন্তু অসুস্থ থাকায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি তিনি।
- বীরপ্রতীক পদকের সম্মানীর টাকা তিনি দান করে গেছেন মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টে।

উৎস: The Daily Star বাংলা (ডিসেম্বর ২০, ২০২২)
৯,৭৪০.
বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা হলেন-
  1. ক) গোপাল
  2. খ) অশোক
  3. গ) শশাঙ্ক
  4. ঘ) লক্ষণ সেন
সঠিক উত্তর:
গ) শশাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা
শশাঙ্ক ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা।
তিনি নিজেকে গৌড়েশ্বর পরিচয় দিতেন। শশাঙ্ক একজন সুশাসক ছিলেন।
তার রাজধানী ছিল মুর্শিদাবাদের নিকটবর্তী কর্ণসুবর্ণ।
তার আমলে তাম্রলিপ্ত বন্দর গুরুত্ব লাভ করে।
বিখ্যাত চীনা পর্যটক হিউয়েন সাং হিন্দু ধর্মের অনুসারী রাজা শশাঙ্ককে বৌদ্ধ ধর্মের নিগ্রহকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৭৪১.
১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় কোন জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয়?
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমদ
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) এএইচএম কামরুজ্জামান
  4. ঘ) উপরের সবাই
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবাই
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর রাতে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে।
হত্যাকাণ্ডের শিকার জাতীয় চার নেতা হলেন:
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- তাজউদ্দীন আহমদ
- এম মনসুর আলী এবং
- এ এইচ এম কামারুজ্জামান।
- এই হত্যাকাণ্ড ইতিাহসে জেলহত্যা নামে পরিচিত।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি বাংলা)

৯,৭৪২.
কত সালে উপজেলা ব্যবস্থা পুনরায় চালু হয়?
  1. ক) ১৯৯২
  2. খ) ১৯৯৮
  3. গ) ১৯৯৯
  4. ঘ) ১৯৯১
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৮
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর তৎকালীন সরকার পূর্বের মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থা বাতিল করে এবং মৌলিক
গণতন্ত্রের দ্বিতীয় স্তরে অবস্থিত থাকা কাউন্সিলকে ভেঙ্গে দিয়ে ‘থানা উন্নয়ন কমিটি’ গঠন করে।
- পরবর্তী ১৯৭৬ সালে স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশের মাধ্যমে ‘থানা পরিষদ’ গঠন করা হয়।
- এরও পরে ১৯৮২ সালে তৎকালীন সামরিক শাসক এক অধ্যাদেশ বলে থানা প্রশাসনকে পুনবিন্যাস করেন এবং এ সময় থানাকে ‘উন্নীত থানা পরিষদ’ হিসেবে নামকরণ করা হয়।

- ১৯৮৩ সালে আরও এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে উন্নীত থানাকে উপজেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং এর ফলে ৬৪ জেলার ৪৬০টি উপজেলার সৃষ্টি হয়।
- সামরিক শাসনের অবসানের পর ১৯৯১ সালে তৎকালীন সরকার এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে উপজেলা ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে পুনরায় থানা ব্যবস্থা চালু করে।
- ১৯৯২ সালের ২৬ জানুয়ারি 'উপজেলা বাতিল' বিলটি সংসদে পাসের মাধ্যমে উপজেলা পদ্ধতি বাতিল হয়।

- পরে ১৯৯৮ সালের ৩ ডিসেম্বর উপজেলা পরিষদ আইনের মাধ্যমে পুনরায় উপজেলা ব্যবস্থা চালু করে। 

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন বোর্ড বই, প্র. মো. মোজাম্মেল হক।
৯,৭৪৩.
How many brigade forces were formed during the Liberation War of Bangladesh?
  1. 5
  2. 4
  3. 3
  4. 2
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধের ব্রিগেড ফোর্স গঠন:
-  ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সামরিক, বেসামরিক জনগণকে নিয়ে একটি মুক্তিযোদ্ধা বাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
 - ১০ই এপ্রিল সরকার ৪টি সামরিক জোনে বাংলাদেশকে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করে। ১১ই এপ্রিল তা পুনর্গঠিত করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- মে ও জুন মাসে তিনটি ব্রিগেড গঠিত হয়।
- ফোর্সের নামকরণ করা হয় অধিনায়কদের নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে।
- জেড ফোর্স: লেঃ কর্ণেল জিয়াউর রহমান।
- এস ফোর্স: লেঃ কর্ণেল কে. এম সফিউল্লাহ।
- কে ফোর্স:  লেঃ কর্ণেল খালেদ মোশাররফ।

তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৭৪৪.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সর্বপ্রথম কোন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান ভাষণ প্রদান করেন?
  1. ক) ভারতের রাষ্ট্রপ্রধান
  2. খ) যুগোশ্লাভিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান
  3. গ) শ্রীলংকার রাষ্ট্রপ্রধান
  4. ঘ) ভুটানের রাষ্ট্রপ্রধান
সঠিক উত্তর:
খ) যুগোশ্লাভিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যুগোশ্লাভিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান
ব্যাখ্যা
- ৩১ জানুয়ারি ১৯৭৪ সালে যুগোস্লাভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মার্শাল জোসেফ টিটো জাতীয় সংসদে কোন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রথম ভাষণ দেন।
- ১৮ জুন ১৯৭৪ সালে ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট ভিভি গিরি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ভাষণ দেন।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে এ পর্যন্ত এই দুজন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান বক্তৃতা করেন।

উৎসঃ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট
৯,৭৪৫.
কোন ঝর্ণাটি রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) মাধুবকুন্ড
  2. খ) হিমছড়ি
  3. গ) শুভলং
  4. ঘ) খৈয়াছড়া
সঠিক উত্তর:
গ) শুভলং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শুভলং
ব্যাখ্যা
মাধবকুন্ড: 
- মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায় অবস্থিত।

হামহাম: 
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।

হিমছড়ি: 
- কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত।

শুভলং: 
- রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলায় অবস্থিত।

খৈয়াছড়া: 
- চট্টগ্রামের মিরসরাই-এ অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৭৪৬.
'সীমান্ত গান্ধী’ নামে পরিচিত কে?
  1. ক) রাজীব গান্ধী
  2. খ) ইন্দিরা গান্ধী
  3. গ) মহাত্মা গান্ধী
  4. ঘ) খান আব্দুল গাফফার খান
সঠিক উত্তর:
ঘ) খান আব্দুল গাফফার খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খান আব্দুল গাফফার খান
ব্যাখ্যা
- খান আব্দুল গাফফার খান মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতির একজন একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন।
- ভারতের উত্তর - পশ্চিম সীমান্তে বিশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা রোধে মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতি প্রচার ও ধারণ করায় তাকে 'সীমান্ত গান্ধী' উপাধীতে ভূষিত করা হয়।

তথ্যসূত্র:- ডেইলি স্টার।
৯,৭৪৭.
যুক্তফ্রন্টের কোন দফায় 'বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার' দাবি জানানো হয়?
  1. ১ম দফা
  2. ২য় দফা
  3. ৩য় দফা
  4. ৪র্থ দফা
সঠিক উত্তর:
১ম দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম দফা
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা:
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।

উল্লেখ্য,
- যুক্তফ্রন্টের ১ম দফা ছিল - বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।

অন্যদিকে,
২য় দফা- বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ করা,
৩য় দফা- পাটের ব্যবসা জাতীয়করণ করা,
৪র্থ দফা- সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৪৮.
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করা হয় কবে?
  1. ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৭৩
  2. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭৩
  3. ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- ৬ জুন ২০২১ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৯,৭৪৯.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশের প্রথম বিদেশি মিশন কোথায় স্থাপন করা হয়?
  1. কলকাতা
  2. ওয়াশিংটন
  3. লন্ডন
  4. নিউইয়র্ক
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা

প্রবাসে বাঙালিদের ভূমিকা ও কূটনৈতিক তৎপরতা:
- বহির্বিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সমর্থন আদায়ের জন্য মুজিবনগর সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে বিশেষ দূত নিয়োগ করে।
- বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর প্রচেষ্টায় জাতিসংঘে ৪৭টি দেশের প্রতিনিধি বাংলাদেশ সমস্যা নিয়ে আলোচনা করে।
- এতে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুদণ্ড স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকেই বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) দিল্লি ও কলকাতায় বাংলাদেশের দুটি মিশন স্থাপন করে।
- কলকাতাতেই প্রথম বাংলাদেশ মিশন স্থাপিত হয়।
- এছাড়া বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক এবং লন্ডনেও বাংলাদেশ মিশন স্থাপন করে।
- এসব মিশন বাংলাদেশের পক্ষে মিছিল, সমাবেশ, বিভিন্ন অনুষ্ঠান, পার্লামেন্ট সদস্যদের সমর্থন আদায় ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জনমত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অবদান রাখে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

৯,৭৫০.
কোন রাজ বংশের সময়ে 'আনন্দ বিহার' নির্মাণ করা হয়?
  1. সেন বংশ
  2. পাল বংশ
  3. দেব বংশ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দেব বংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেব বংশ
ব্যাখ্যা
দেব বংশ:
- অষ্টম শতকের মাঝামাঝি একই অঞ্চলে দেব বংশের উদ্ভব হয়।
- দেববংশের চারজন রাজার নাম পাওয়া যায়। এরা হলেন-
• শ্রী শান্তিদেব,
• শ্রী বীরদেব,
• শ্রী আনন্দদেব,
• শ্রী ভবদেব।
- শক্তিশালী দেব রাজারা ছিলেন বৌদ্ধ।
- তাঁদের রাজধানী ছিল দেবপর্বতে।
- কুমিল্লার নিকট ময়নামতির দক্ষিণে ছিল এই দেবপর্বত।
- সমগ্র সমতট অঞ্চল জুড়ে দেবরাজাদের রাজত্ব ছিল।
- দেবরাজা আনন্দের রাজধানীতে 'আনন্দ বিহার' বলে একটি বৌদ্ধ বিহার নির্মাণ করা হয়।
- আনুমানিক ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দেবরাজাদের শাসন চালু থাকে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৫১.
বক্সারের যুদ্ধে ইংরেজ সেনাপতি ছিলেন -
  1. ক) মীর কাশিম
  2. খ) রবার্ট ক্লাইভ
  3. গ) সিনফ্রে
  4. ঘ) মেজর মনরো
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেজর মনরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেজর মনরো
ব্যাখ্যা
• ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে বাংলার নবাব মীর কাশিম, মুঘল সম্রাট শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলার সম্মিলিত বাহিনীর সাথে মেজর মনরো নেতৃত্বাধীন ইংরেজ বাহিনীর যুদ্ধ হয় যা বক্সারের যুদ্ধ নামে পরিচিত।
• তাদের সম্মিলিত বাহিনী বক্সারের যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে পরাজিত হয়।
• বক্সারের যুদ্ধকে পলাশীর প্রান্তরে ইংরেজদের নিকট হারানো বাংলার স্বাধীনতাকে পুনরুদ্ধারের শেষ প্রচেষ্টা বিবেচনা করা হয়।
• এই যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে বাংলার নামমাত্র টিকে থাকা স্বাধীনতা পুরোপুরি বিনষ্ট হয়। ভারতে ইংরেজদের সাম্রাজ্য বিস্তারের পথ আরও সুগম হয়।
• যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে পরাজিত হয়ে নিদারুণ দুঃখকষ্ট ও দারিদ্র ভোগ করে ১৭৭৭ সালের ৬ জুন জন্মভূমি থেকে অনেক দূরে শাজাহানাবাদের এক অখ্যাত পল্লীতে মৃত্যুবরণ করেছিলেন মীর কাসিম।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৭৫২.
জাতীয় সংসদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন -
  1. ক) স্পিকার
  2. খ) রাষ্ট্রপতি
  3. গ) প্রধান বিচারপতি
  4. ঘ) অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
ক) স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্পিকার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হচ্ছেন অ্যাটর্নি জেনারেল
- তিনি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্বাচিত হন।
- জাতীয় সংসদের প্রধান বা সভাপতি হলেন- স্পিকার।
- প্রধান বিচারপতি হলেন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান 'বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট' এর প্রধান।
- আইন মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান আইনমন্ত্রী।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৯,৭৫৩.
বাংলাদেশ কত সালে জাতিসংঘ ঘোষিত খাদ্য নিরাপত্তা নীতিতে স্বাক্ষর করে?
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৮৮ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
- খাদ্য নিরাপত্তা হল স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য সব সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে নিরাপদ এবং পুষ্টিকর খাদ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা।
- বাংলাদেশের জাতীয় খাদ্য নীতিতে (২০০৬) খাদ্য নিরাপত্তার তিনটি শর্ত হল: খাদ্যের লভ্যতা, খাদ্য প্রাপ্তির ক্ষমতা ও খাদ্য ভোগ। 
- ১৯৭০ এর দশকে জাতিসংঘ প্রথম খাদ্য নিরাপত্তার কথা বলে।
- ১৯৭৫ সালে জাতিসংঘে অনুষ্ঠিত হয় বৈশ্বিক খাদ্য সম্মেলন (world food summit)।
- পরবর্তীতে জাতিসংঘ ১৯৮০'র দশকে খাদ্য নিরাপত্তা বিশ্লেষণে তিনটি সূচকের কথা বলে।
- এগুলো হল-
খাদ্যের পর্যাপ্ততা (availability of food)
খাদ্য প্রাপ্তি (access to food) এবং
খাদ্য বাজারের স্থিতিশীলতা (stability of food market)।
- বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ ঘোষিত খাদ্য নিরাপত্তা নীতিতে স্বাক্ষর করে

বস্তুত খাদ্যে নিরাপত্তাকে তিনটি প্রধান বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত করে আলোচনা করা হয়।
আর এগুলো হল-
খাদ্যের পর্যাপ্ততা (food availability),
খাদ্য প্রবেশাধিকার (access to food) এবং
পুষ্টি ও ভোগ (utilization and nutrition)।

খাদ্যের পর্যাপ্ততা বলতে বুঝায় খাদ্যের প্রচুর উৎপাদন ও বাজারে খাদ্যের ব্যাপক উপস্থিতি। এটি দু'ভাবে অর্জিত হয়: প্রথমত, দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমে দ্বিতীয়ত, আমদানী কিংবা বৈদেশিক খাদ্য সহায়তার মাধ্যমে।

খাদ্য প্রবেশাধিকার মানে খাদ্য ক্রয় করার ক্ষমতা বা খাদ্য প্রাপ্তির অর্থনৈতিক ভিত্তি। অভ্যন্তরীণ বাজারে খাদ্যের প্রচুর সরবারাহ সত্ত্বেও অর্থের অভাবে জনগণের একটি বড় অংশ খাদ্য না পেতে পারে। বাংলাদেশে ৩০ ভাগ মানুষ কিংবা আফ্রিকার দরিদ্র জনগোষ্ঠী এর নির্মম উদাহরণ। এজন্য খাদ্য নিরাপত্তার একটি প্রধান আলোচ্য বিষয় ব্যক্তির খাদ্য ক্রয় ক্ষমতা।

অন্যদিকে, পুষ্টি ব্যক্তির খাদ্য গ্রহণ ও সুষম বিন্যাসের উপরই নির্ভর করে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৫৪.
’এলাহাবাদ চুক্তি’ চুক্তি স্বাক্ষর করে কে?
  1. কর্নওয়ালিস
  2. রবার্ট ক্লাইভ
  3. কার্টিয়ার
  4. ওয়াটসন
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ
ব্যাখ্যা
- ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে রবার্ট ক্লাইভ ও সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সাথে এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

• রবার্ট ক্লাইভ:
- উপমহাদেশের ইতিহাসে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের স্থপতি ও প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে লর্ড ক্লাইভের নাম অবিস্মরণীয়।
-১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে রবার্ট ক্লাইভের কূটনীতির জন্যই পলাশীর প্রান্তরে ইংরেজ পতাকা উত্তোলন সম্ভব হয়েছিল।
- এ বিজয় ইংরেজ শাসনের ভিত্তিকে সুনিশ্চিতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
- ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে রবার্ট ক্লাইভ ও সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সাথে এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষর করলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করে দ্বৈত শাসন প্রবর্তন করে।
-  লর্ড ক্লাইভ উপমহাদেশে ইংরেজ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতার মর্যাদা পেলেও বাংলায় জালিয়াতি এবং উৎকোচ গ্রহণের অপরাধে স্বদেশবাসী তাঁর বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে বহু অভিযোগ উত্থাপন করেন।
- অবশেষে পার্লামেন্টে নির্দোষ প্রমাণিত হলেও ইংল্যান্ডবাসীর ধিক্কারে অতিষ্ঠ হয়ে ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে স্বগৃহে ক্লাইভ আত্মহত্যা করেন।

উৎস:ইতিহাস ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৫৫.
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের পদবী কী ছিল?
  1. লেফটেন্যান্ট
  2. ল্যান্স নায়েক
  3. স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার
  4. ক্যাপ্টেন
সঠিক উত্তর:
স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের পদবী ছিল স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার।

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন:

- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীরশ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয়, রুহুল আমিন তাদের অন্যতম।
- তাঁর পদবী ছিল স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার।

⇒ বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের জন্ম ১৯৩৫ সালে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার বাঘচাপড়া গ্রামে।
- ১৯৫৩ সালে তিনি নৌ বাহিনীতে জুনিয়র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেন।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এপ্রিল মাসে তিনি ২নং সেক্টরে যোগদান করেন।
- পরবর্তীতে ১০নং নৌ সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর দুপুর ১২টার দিকে রূপসা নদীতে খুলনা শীপইয়ার্ডের কাছে সম্মুখ যুদ্ধে বাংলাদেশের যুদ্ধজাহাজ পলাশকে রক্ষা করতে গিয়ে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর নিক্ষিপ্ত গোলায় এ বীর সন্তান শহিদ হন।
- সমাধিস্থল: রূপসা ফেরিঘাটের লুকপুরে।
- নোয়াখালীতে তাঁর জন্মস্থানে বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ রুহুল আমিন স্মৃতি পাঠাগার ও জাদুঘর রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ভারত সরকার বাংলাদেশ নৌ বাহিনীকে দুইটি টাগবোট উপহার দেয়।
- এগুলোকে পরে গানবোটে রূপান্তরিত করা হয়।
- গানবোট দুটির নামকরণ করা হয় 'পদ্মা' ও 'পলাশ'।
- রুহুল আমিন নিয়োগ পান 'পলাশের' ইঞ্জিন রুম আর্টিফিশার হিসেবে।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৯,৭৫৬.
'আগুনের পরশমণি' চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য তৈরী করেছেন -
  1. মফিজুল হক
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. সত্য সাহা
  4. ফিরোজ আহমেদ
সঠিক উত্তর:
হুমায়ূন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা
আগুনের পরশমণি:
- মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে যে চলচ্চিত্রগুলো নির্মিত হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম ‘আগুনের পরশমণি’।
- চিত্রনাট্য ও পরিচালনা: হুমায়ূন আহমেদ।
- নির্মিত হয়: ১৯৯৪ সালে।
- মুক্তি পায়: ১৯৯৫ সালে।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় মুক্তিবাহিনীর অভিযান আর মধ্যবিত্ত একটি পরিবারের সংকট ছবিটিতে তুলে ধরেছেন। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন আসাদুজ্জামান নূর, বিপাশা হায়াত, ডলি জহুর ও আরো অনেকে।
- আগুনের পরশমণি চলচ্চিত্রটি ৮টি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।
- শাখাগুলো হচ্ছে-
• শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র (প্রযোজক হুমায়ূন আহমেদ),
• শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার (হুমায়ূন আহমেদ),
• শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা (হুমায়ূন আহমেদ),
• শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (বিপাশা হায়াত),
• শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক (সত্য সাহা),
• শ্রেষ্ঠ শব্দ গ্রাহক (মফিজুল হক),
• শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী (শিলা আহমেদ),
• শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার (হোসনে আরা পুতুল)।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৭৫৭.
মুক্তিযুদ্ধকালে তাজউদ্দিন-ইন্দিরা গান্ধী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় –
  1. ক) ১৮-১৯ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. খ) ২৩-২৫ মে, ১৯৭১
  3. গ) ৪-৫ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ঘ) ১-৩ মে, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
গ) ৪-৫ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪-৫ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
তাজউদ্দিন-ইন্দিরা গান্ধী বৈঠক

৪ ও ৫ এপ্রিল, ১৯৭১ দিল্লিতে তাজউদ্দিন-ইন্দিরা গান্ধী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সাত দফা প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। প্রস্তাবগুলো হচ্ছে-

১. স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারকে ভারতে অবস্থানের অনুমতি দেওয়া।
২. বাংলাদেশ সরকার পরিচালনায় সহায়তা করা।
৩. মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও অস্ত্রের ব্যবস্থা করা।
৪. আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায় করা।
৫. শরণার্থীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা।
৬. বাংলাদেশ সরকারকে একটি বিমান দেওয়া।
৭. বেতারকেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করা।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৭৫৮.
ইবনে বতুতা বাংলায় সফর করেন কোন সুলতানের রাজত্বকালে?
  1. শাশামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  2. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  3. আলাউদ্দিন আলী শাহ
  4. মুহম্মদ বিন তুঘলক
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা

ইবনে বতুতা:
- মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় সফর করেন ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের রাজত্বকালে।
- তাঁর ‘রেহেলা-ই-ইবনে বতুতা’ নামক ভ্রমণ বিবরণীতে সমসাময়িক বাংলায় আর্থ-সামাজিক অবস্থার অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
- ইবনে বতুতা সিলেটের প্রখ্যাত সাধক হযরত শাহজালালের সাথে সাক্ষাৎ করেন।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে একুশ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন।
- এবং আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন।
- ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি দিল্লিতে পৌঁছেন।
- ইবনে বতুতা ভারতে আসেন মুহম্মদ বিন তুঘলক শাসনামালে।
- সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক তাঁকে দিল্লির কাজী নিযুক্ত করেন।
- প্রায় আট বছর তিনি এ পদে বহাল ছিলেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৯,৭৫৯.
ছোট কাটরা কোন মুঘল সুবাদারের সময়ে নির্মিত হয়?
  1. মীর জুমলা
  2. দাউদ খান
  3. শায়েস্তা খান
  4. মুর্শিদ কুলি খান
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
শায়েস্তা খানের সুবাদারি আমল:
- শায়েস্তা খানের আমলে বাংলার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির মূলে ছিল শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার।
- এ আমলে কৃষিকাজের সঙ্গে শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যেরও যথেষ্ট উন্নতি হয়।
- শায়েস্তা খান ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিদেশী বণিকদের বাণিজ্যিক সুবিধা প্রদান করতেন।
- শায়েস্তা খানের শাসনকাল বাংলার স্থাপত্য শিল্পের জন্য সবিশেষ উল্লেখযোগ্য।
- বিচিত্র সৌধমালা, মনোরম সাজে সজ্জিত তৎকালীন ঢাকা নগরী স্থাপত্য শিল্পের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগের সাক্ষ্য বহন করে।
- স্থাপত্য শিল্পের বিকাশের জন্য এ যুগকে বাংলায় মুঘলদের 'স্বর্ণযুগ' হিসেবে অভিহিত করা যায়।
- তাঁর আমলে নির্মিত স্থাপত্য কার্যের মধ্যে ছোট কাটরা, লালবাগ কেল্লা, পরী বিবির সমাধি-সৌধ, হোসেনি দালান, সুফি খানের মসজিদ, বুড়িগঙ্গার মসজিদ, চক মসজিদ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৬০.
নিয়মিত বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. মুজিব বাহিনী
  2. ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট
  3. মুজিব ব্যাটারি
  4. ক্র্যাক প্লাটুন
সঠিক উত্তর:
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ ও বাহিনীসমূহ
- মুজিবনগর সরকার পরিকল্পিত উপায়ে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করার জন্য সামরিক ও বেসামরিক সকল জনগণকে নিয়ে ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই মুক্তিবাহিনী গঠন করে।
- মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা প্রধানত দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল। নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনী।

- অনিয়মিত বাহিনী গণবাহিনী বা গেরিলাবাহিনী নামে পরিচিত ছিল।
- ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণের পর বিভিন্ন সেক্টরে গণবাহিনীতে নিয়োগ করা হতো।
- গণবাহিনীর সদস্যদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শত্রুর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য পাঠানো হয়।
- ক্র্যাক প্লাটুন, মুজিব বাহিনী, মুজিব ব্যাটারি, কাদেরিয়া বাহিনী ইত্যাদি অনিয়মিত বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত।

- নিয়মিত বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসের সৈন্যরা।
- এই বাহিনীর সদস্যরা সশস্ত্রবাহিনীর প্রথাগত যুদ্ধে নিয়োজিত ছিলেন।
- নিয়মিত বাহিনীর সংগঠনিক নাম ছিল মুক্তিফৌজ।

উল্লেখ্য,
- মুজিবনগর সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে প্রথমে ৪ টি যুদ্ধাঞ্চলে ভাগ করে। পরে আরো ৩টি ভাগ করা হয়। ফলে মোট যুদ্ধাঞ্চল ছিল ৭টি।
- S ফোর্স, K ফোর্স ও Z ফোর্স নামে তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
-এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সমগ্র বাংলাদেশ ১১ টি সেক্টর ছিল , যেখানে মোট ১৬ জন সেক্টর-কমান্ডার ছিলেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র, দশম খন্ড।
৯,৭৬১.
স্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা কত সালে প্রবর্তন হয়?
  1. ১৭৯১সালে
  2. ১৭৯৩ সালে
  3. ১৮৯৩ সালে
  4. ১৭৮৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
- লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বা স্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। 

• চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
- নির্দিষ্ট রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির ওপর স্থায়ী মালিকানা দান করে যে বন্দোবস্ত চালু করা হয়, তাকেই 'চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' বলা হয়।
- লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বা স্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। 

• চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বৈশিষ্ট্য :
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত জমিদারদের জমির স্থায়ী মালিকে পরিণত করে এবং জমিদাররা জমির মালিকানা স্বত্ব লাভ করে।
- রাজস্বের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দেওয়ার ফলে নিয়মিত রাজস্ব প্রদানের বিনিময়ে জমিদার জমিদারি ভোগের চিরস্থায়ী অধিকার লাভ করে।
- এ প্রথা চালু হওয়ার ফলে জমিদারদের প্রশাসনিক ক্ষমতা বিলুপ্ত হয়। সরকার স্বয়ং শাস্তি রক্ষা ও
- নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করে।
- খাজনা বাকি পড়লে জমিদারদের ভূমির কিছু অংশ বিক্রি করে রাজস্ব আদায় করার ব্যবস্থা ছিল।
- নতুন এক জমিদার শ্রেণী গড়ে ওঠে। যাদের সাথে প্রজাদের প্রায় সম্পর্ক ছিল না।
- এই জমিদার শ্রেণির অধিকাংশই ছিল উঠতি পুঁজিপতি। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।
৯,৭৬২.
প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ কোনটি?
  1. বঙ্গ
  2. পুণ্ড্র
  3. হরিকেল
  4. গৌড়
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা

প্রাচীন বাংলার জনপদ:
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র।
- বলা হয় যে, পুণ্ড্র বলে একটি জাতি এ জনপদ গড়ে তুলেছিল।
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে এ পুণ্ড্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল।
- পুণ্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর।
- পরবর্তীকালে এর নাম হয় মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্র নগরীর ধ্বংসাবশেষ বলে পণ্ডিতেরা মনে করেন।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্র ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ।
- পাথরের চাকতিতে খোদাই করা লিপি এখানে পাওয়া যায়। ধারণা করা হয়, বাংলাদেশে প্রাপ্ত এটিই প্রাচীনতম শিলালিপি।

উৎস: বাংলাদেশের  ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম দশম শ্রেণি।

৯,৭৬৩.
কোন মুঘল সম্রাট বাংলার নাম রাখেন জান্নাতাবাদ?
  1. জাহাঙ্গীর
  2. বাবর
  3. আকবর
  4. হুমায়ুন
সঠিক উত্তর:
হুমায়ুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুমায়ুন
ব্যাখ্যা

হুমায়ুন:
- হুমায়ুন (১৫৩০-১৫৫৬) মুঘল সম্রাট বাবরের জ্যেষ্ঠ পুত্র।
- ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দে পিতার উত্তরাধিকারী হিসেবে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- হুমায়ুনের শাসনামলে বাংলার রাজধানী ছিল গৌড়।
- সম্রাট হুমায়ুন বাংলার রাজধানীর নতুন নামকরণ করেন 'জান্নাতাবাদ'।
- হুমায়ূন এখানে ছয়মাস অবস্থান করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৯,৭৬৪.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) আট
  2. খ) দশ
  3. গ) এগার
  4. ঘ) পনের
সঠিক উত্তর:
গ) এগার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এগার
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয়।
- এ সরকার প্রথমে ১০ এপ্রিল সমগ্র দেশকে ৪ টি সেক্টরে ভাগ করে। ১১ এপ্রিল তা পুর্নগঠন করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন এবং ১১ টি সেক্টরকে ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না। এটি ছিলো নৌ সেক্টর।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৭৬৫.
১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম শহিদ কে হন?
  1. শহিদ রফিক উদ্দিন আহমদ
  2. শহিদ আবুল বরকত
  3. শহিদ আব্দুল জব্বার
  4. শহীদ শফিউর রহমান
সঠিক উত্তর:
শহিদ রফিক উদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহিদ রফিক উদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা
• ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম শহিদ হন -  শহিদ রফিক উদ্দিন আহমদ।

রফিক উদ্দিন আহমদ:

- রফিক উদ্দিন (১৯২৬-১৯৫২) ভাষাশহীদ।
- ১৯২৬ সালের ৩০ অক্টোবর মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর উপজেলার পারিল গ্রামে তাঁর জন্ম। ১৯৪৯ সালে বায়রা স্কুল থেকে তিনি ম্যাট্রিক পাস করেন।
- বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সারা ঢাকায় ধর্মঘট আহবান ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়।
- সরকার ঐদিন ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে।সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণ করে।
- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হোস্টেল প্রাঙ্গণে মিছিলের ওপর পুলিশ গুলিবর্ষণ করে এবং ঘটনাস্থলেই রফিক উদ্দিন শহীদ হন। 
- ভাষা আন্দোলন-এ আত্মদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৭৬৬.
দেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেলের নাম কী?
  1. ক) এমআরটি লাইন-১
  2. খ) এমআরটি লাইন-৪
  3. গ) এমআরটি লাইন-৫
  4. ঘ) এমআরটি লাইন-৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) এমআরটি লাইন-৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এমআরটি লাইন-৬
ব্যাখ্যা

- উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেল নির্মিত হচ্ছে যা এমআরটি লাইন-৬ নামে পরিচিত।
- এটির মোট দৈর্ঘ্য ২০.১ কিলোমিটার।
- স্টেশন সংখ্যা ১৬টি।
- যাত্রী পরিবহন ক্ষমতা : প্রতি ঘণ্টায় ৬০ হাজার এবং দৈনিক প্রায় ৫ লক্ষ।
- কাজের উদ্বোধন : ২৬ জুন ২০১৬ এবং কাজ শেষ হবে ১৬ ডিসেম্বর ২০২১।
- অর্থায়ন : Japan International Cooperation Agency (JICA) এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়ন।
- মেট্রোরেল পরিচালনার জন্যে গঠিত সংস্থা Dhaka Mass Transit Company Limited.

উৎসঃ DMTCL এবং দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট

৯,৭৬৭.
বাংলার কোন শাসকের মৃত্যুর পর মাৎস্যন্যায় যুগ শুরু হয়?
  1. গোপাল
  2. শশাঙ্ক
  3. ধর্মপাল
  4. অশোক
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা
মাৎস্যন্যায়:
- ‘মাৎস্যন্যায়’ একটি সংস্কৃত শব্দ, যার আক্ষরিক অর্থ 'মাছের ন্যায়'।
- এতে বোঝানো হয় এমন একটি সামাজিক বা রাজনৈতিক অবস্থা যেখানে বড় বা ক্ষমতাবানরা ছোট বা দুর্বলদের শোষণ করে।
- অর্থাৎ, আইনশৃঙ্খলার অভাবে অরাজকতা ছড়িয়ে পড়ে এবং শক্তিশালীরা দুর্বলদের উপর অত্যাচার চালায়।
- রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতক পর্যন্ত বাংলায় বিরাজ করছিল এক অন্ধকার যুগ।
- প্রায় ৬৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই সময়কে মাৎস্যন্যায়ের যুগ হিসেবে ধরা হয়।
- এ সময়ে ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বণিক সবাই নিজের মতো রাজত্ব করতে শুরু করে।
- রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ ও তিব্বতীয় ও কনৌজীয় আক্রমণে পরিস্থিতি আরও অবনতি ঘটে। 
- এই বিশৃঙ্খলার অবসান ঘটে গোপালের আগমনের মাধ্যমে।
- তিনি পাল বংশ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর হাত ধরেই স্থিতিশীল শাসনের সূচনা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৬৮.
ছয় দফায় অর্থ সংক্রান্ত দফা কয়টি?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

- সুতরাং, ৬ দফার মধ্যে ৩টি (৩,৪,৫) দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৯,৭৬৯.
গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত সোনাদিয়া দ্বীপের আয়তন কত?
  1. ৯১ বর্গ কিলোমিটার
  2. ৯ বর্গ কিলোমিটার
  3. ৭ বর্গ কিলোমিটার
  4. ৮ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৯ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
◉ গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত সোনাদিয়া দ্বীপের আয়তন ৯ বর্গ কিলোমিটার।

সোনাদিয়া দ্বীপ:
- কক্সবাজার থেকে উত্তর-পশ্চিমে সোনাদিয়া দ্বীপটি অবস্থিত।
- মহেশখালী উপজেলার অন্তর্গত কুতুবজোম ইউনিয়নের ছোট্ট একটি দ্বীপ সোনাদিয়া।
- এর আয়তন প্রায় ৯ বর্গকিলোমিটার।
- এই দ্বীপটি একটি খালের মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন হয়েছে মহেশখালী দ্বীপ থেকে।
- দ্বীপটিকে সরকার প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা দিয়ে রাখছে।
- এ দ্বীপকে যাযাবর পাখিদের জন্য ভূ-স্বর্গ বলা যায়।
- দ্বীপের পশ্চিম দিকে বালুকাময় সমুদ্র সৈকত রয়েছে যেখানে ঝিনুক ও মুক্তা পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার সোনাদিয়া দ্বীপে গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরির প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়া হয়েছিল ২০১২ সালে।
- সোনাদিয়া দ্বীপে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের সিদ্ধান্ত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে এসেছে সরকার।
- পরবর্তীতে সোনাদিয়ার জায়গায় কিছুটা দূরত্বে মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

উৎস: i) ৩ মে, ২০২৪, The Daily Star Bangla.
         ii) ৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, বিবিসি বাংলা।
৯,৭৭০.
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত ‘কারাগারের রোজনামচা' প্রকাশিত হয় কবে?
  1. ক) ২৭ মার্চ, ২০১৭
  2. খ) ৭ মার্চ, ২০১৭
  3. গ) ২৮ মার্চ, ২০১৭
  4. ঘ) ১৭ মার্চ, ২০১৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭ মার্চ, ২০১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭ মার্চ, ২০১৭
ব্যাখ্যা
• কারাগারের রোজনামচা:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দিনলিপি গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- এটি ১৭ মার্চ, ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে।
- এই গ্রন্থটি মূলত একটি ডায়রি যা বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬-১৯৬৮ সময়ে কারাগারে বন্দিবস্থায় লিখেছিলেন।
- এর ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।
- নামকরণ করেন শেখ রেহেনা।
- প্রচ্ছদ ও নকশা করেন তারিক সুজাত।
- তবে প্রচ্ছদে ব্যবহৃত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি অঙ্কন করেন শিল্পী রাসেল কান্তি দাশ।

উৎস: কারাগারের রোচনামচা ও ডেইলি স্টার। 
৯,৭৭১.
নিম্নের নামগুলির মধ্যে মৃক্তিযুদ্ধে ‘বীর প্রতীক’ খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা কে?
  1. ক) সেতারা বেগম
  2. খ) জাহানারা বেগম
  3. গ) নীলিমা ইব্রাহিম
  4. ঘ) বেগম সুফিয়া কামাল
সঠিক উত্তর:
ক) সেতারা বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেতারা বেগম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী ‘বীরপ্রতীক’ খেতাব পেয়েছেন তাঁদের একজন ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা রহমান৷ অন্যজন তারামন বিবি৷
Source: dw.com
৯,৭৭২.
ঐতিহাসিক ছয় দফার শেষ দফা কোনটি?
  1. শুল্কনীতি
  2. বৈদেশিক মুদ্রা
  3. রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি
  4. প্রতিরক্ষা
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৯,৭৭৩.
বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান হিসেবে বাংলা শাসন করেন-
  1. সুলতান শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
  2. মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি
  3. নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  4. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
ব্যাখ্যা
মুসলিম শাসন:
- ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ (১৩৩৮-১৩৪৯)  বাংলার সুলতান।
- বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা।
- তাঁর রাজধানী ছিল ঐতিহাসিক নগর সোনারগাঁয়ে।
- ফখরুদ্দীন জাতিতে তুর্কি এবং তুর্কিদের কারাউনা গোত্রীয়।
- তিনি ছিলেন দিল্লির তুগলক সুলতানের অধীনে সোনারগাঁয়ের শাসনকর্তা  বাহরাম খানের সিলাহদার তত্ত্বাবধায়ক।
- ১৩৩৭ খ্রিস্টাব্দে বাহরাম খানের মৃত্যুর পর ফখরুদ্দীন সোনারগাঁয়ে শাসন ক্ষমতা করায়ত্ত করেন ।
- ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে নিজেকে স্বাধীন সুলতান ঘোষণা করেন।
- ফখরুদ্দীন আল-সুলতানুল আযম ফখরুদ্দুনিয়া ওয়াদ-দ্বীন আবুল মুজাফফর মুবারক শাহ আল-সুলতান উপাধি গ্রহণ করেন।
- ফখরুদ্দীন ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে নিজেকে স্বাধীন সুলতান ঘোষণার অব্যবহিত পরে দিল্লি সুলতান মুহম্মদ তুগলকের নির্দেশে লখনৌতি এর শাসনকর্তা কদর খান, সাতগাঁয়ের শাসনকর্তা  আইজ্জুদ্দিন ইয়াহিয়া তাদের সম্মিলিত বাহিনী নিয়ে বিদ্রোহী ফখরুদ্দীনের বিরুদ্ধে অভিযান করেন।
- কদর খানের নেতৃত্বে এই সম্মিলিত বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ফখরুদ্দীন পরাজিত হন ।

উৎস: ¡) বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বপরিচয়, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
         ¡¡) বাংলাপিডিয়া
৯,৭৭৪.
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার স্তর কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা তিন স্তরবিশিষ্ট। সেগুলো হলো:
• প্রাথমিক শিক্ষা,
• মাধ্যমিক শিক্ষা এবং
• উচ্চশিক্ষা বা বিশ্ববিদ্যালয় স্তর।
- সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়গুলো পরিচালিত হয় ৫ বছর মেয়াদী প্রাথমিক শিক্ষা।
- ৭ বছর মেয়াদী মাধ্যমিক  (এর মধ্যে ২ বছর মেয়াদী উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়)।
- বাংলাদেশে তৃতীয় পর্যায়ে অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা ৩ থেকে ৫ বছর মেয়াদি।
- উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী তার পছন্দমত বিষয়ে স্নাতক / স্নাতকোত্তর অথবা ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করতে পারে।
- শিক্ষা মন্ত্রণালয় হলো শিক্ষার জন্য রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দফতর। 

উৎস: বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, bangladesh.gov.bd.

৯,৭৭৫.
হুমায়ূন আহমেদের চলচ্চিত্র নয় কোনটি?
  1. চন্দ্রকথা
  2. শ্রাবণ মেঘের দিন
  3. জয়যাত্রা
  4. নয় নম্বর বিপদ সংকেত
সঠিক উত্তর:
জয়যাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়যাত্রা
ব্যাখ্যা

হুমায়ূন আহমেদ:

- 'মুক্তির গান' হুমায়ূন আহমেদের পরিচালিত চলচ্চিত্র নয়।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে।
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর অন্যন্যা চলচ্চিত্র গুলো হলো,
- শ্রাবণ মেঘের দিন (২০০০), দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), নয় নম্বর বিপদ সংকেত (২০০৭) এবং আমার আছে জল (২০০৮)।

জয়যাত্রা তৌকীর আহমেদ পরিচালিত চলচ্চিত্র; যা ২০০৪ সালে মুক্তি পায়। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৯,৭৭৬.
মুজিবনগর সরকারের কত সদস্য বিশিষ্ট্য উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়েছিল?
  1. ৫ জন
  2. ৬ জন
  3. ৭ জন
  4. ৮ জন
সঠিক উত্তর:
৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ জন
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:
- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
• মনি সিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৭৭.
সিকন্তি ও পয়ন্তি কোন ধরনের সার্ভে?
  1. RS
  2. CS
  3. BDS
  4. দিয়ারা
সঠিক উত্তর:
দিয়ারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিয়ারা
ব্যাখ্যা
সিকন্তি:
- নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।

পয়ন্তি:
- নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।

উল্লেখ্য,
⇒ আমাদের দেশে পরিচালিত ভূমি জরিপ বা রেকর্ড গুলো হচ্ছে:
- CS-Cadastral Survey (1888),
- SA- (1956),
- PS - Pakistan Survey,
- RS -Revitionel Survey,
- BS- Bangladesh Survey (1990),
- সিটি জরিপ,
- দিয়ারা জরিপ.

⇒ দিয়ারা জরিপ:
- দিয়ারা জরিপ হলো দরিয়া সম্পর্কিত জরিপ। জেগে উঠা নতুন ভূখন্ড (চর) জেলা প্রশাসকের চাহিদার ভিত্তিতে সিকস্তি পয়স্তির কারণে ভৌগলিক সীমারেখা ও স্বত্বের পরিবর্তন হলে নদী ও সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় নতুন জরিপ করা হয়। এ সমস্ত জরিপে নকশা ও রেকর্ড প্রস্তুত করা হয়। এটি অতি পুরাতন জরিপ। ক্যাডাস্ট্রাল জরিপ আরম্ভ হয় ১৮৮৮ সালে, পক্ষান্তরে দিয়ারা জরিপ আরম্ভ হয় ১৮৬২ সালে। দিয়ারা জরিপে সাধারন জরিপের জন্য প্রযোজ্য সকল স্তর অনুসরন করে পয়স্তি ভূমির (চর) নক্সা ও রেকর্ড প্রস্তুত করা হয় দিয়ারা সেটেলমেন্ট অফিসারের নেতৃত্বে ৪টি (রাজশাহী, নরসিংদী, চট্টগ্রাম ও বরিশাল) বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক অফিস ও ক্যাম্পের মাধ্যমে সারাদেশের সুনির্দিষ্ট কিছু মৌজায় এ জরিপ কাজ পরিচালিত হয়।
- সিকন্তি ও পয়ন্তি দিয়ারা জরিপ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৭৭৮.
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবি কি ছিল? 
  1. সিপাহী
  2. ল্যান্স নায়েক
  3. হাবিলদার
  4. ক্যাপ্টেন
সঠিক উত্তর:
সিপাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহী
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবি ছিল- সিপাহী।

- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীরশ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয় তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম।

• বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান: 
- তিনি সর্বকনিষ্ঠ শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ।
- তিনি ১৯৫৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহ জেলার খালিশপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। 
- তিনি ৪নং সেক্টরের অধীনে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। 
- তার সমাধি রয়েছে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থা্নে।

উল্লেখ্য যে, 
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের পদবী ছিল- সিপাহী।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
৯,৭৭৯.
বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
কাবাডি:

- কাবাডি খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেয়া হয় ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় কাবাডি দলের সঙ্গে প্রথম 
  কাবাডি টেস্ট খেলে।
- ১৯৭৮ সালে এশিয়ান অ্যামেচার কাবাডি ফেডারেশন গঠন করা হয়।
- ১৯৮০ সালে সফলভাবে প্রথম এশীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করা হয়
  এবং এতে ভারত চ্যাম্পিয়ন ও বাংলাদেশ রানার্স আপ হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯,৭৮০.
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত ছয়দফা দাবি সংক্রান্ত পুস্তিকাটির নাম কী ছিল?
  1. ক) ছয়দফা : পূর্ব বাংলার বাঁচার অধিকার
  2. খ) ছয়দফা : আমাদের সংগ্রামের দাবি
  3. গ) ছয়দফা কর্মসূচি : বাঙালির দাবি
  4. ঘ) ছয়দফা : আমাদের বাঁচার দাবি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছয়দফা : আমাদের বাঁচার দাবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছয়দফা : আমাদের বাঁচার দাবি
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক 'ছয়দফা কর্মসূচি' পেশ করেন।
এ কর্মসূচিকে তিনি 'পূর্ব পাকিস্তানের বাঁচার দাবি' বলে অভিহিত করেন। বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত ছয়দফা দাবি সংক্রান্ত পুস্তিকাটির নাম 'ছয়দফা : আমাদের বাঁচার দাবি।'
উৎসঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট।
৯,৭৮১.
২১শে ফেব্রুয়ারির পূর্বে ভাষা শহীদ দিবস হিসেবে কোন দিনটিকে পালন করা হয়?
  1. ৩ মার্চ
  2. ৭ মার্চ
  3. ১১ মার্চ
  4. ১৩ মার্চ
সঠিক উত্তর:
১১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ মার্চ
ব্যাখ্যা
প্রথম রাষ্ট্রভাষা দিবস:
- ২১ ফেব্রুয়ারির পূর্বে ১১ মার্চ রাষ্ট্রভাষা দিবস হিসেবে পালিত হতো।
- ১৯৪৯, ১৯৫০ ও ১৯৫১ সালে ১১ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানে পালিত হয়েছিল ‘রাষ্ট্রভাষা দিবস’ হিসেবে।

⇒ ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলায় বক্তব্য প্রদান ও সরকারি কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহারের জন্য একটি সংশোধনী প্রস্তাব দাখিল করেন গণপরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।
- ২৫ ফেব্রুয়ারি এটি গণপরিষদে আলোচিত হয়।
- এদিন তমিজুদ্দিন খানের নেতৃত্বে গণপরিষদের মুসলিম লীগের সব মুসলিম সদস্য একযোগে এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন।
- ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছাত্র ধর্মঘট ও হরতাল পালিত হয় পূর্ব বাংলার প্রায় সবগুলো জেলা শহরেই।
- ১১ মার্চের বিক্ষোভ কর্মসূচি, ছাত্র ধর্মঘটের মধ্য দিয়েই পাকিস্তানের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছিল।
- তীব্র আন্দোলনের মুখে খাজা নাজিমুদ্দীন মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর আসন্ন ঢাকা সফরকে কেন্দ্র করে সংগ্রাম পরিষদের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে ৮টি বিষয়ে সমঝোতা চুক্তি সই করতে বাধ্য হন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চের এ ঘটনার পরের বছর, তথা ১৯৪৯ সালে প্রথমবারের মতো দিনটি ভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত আন্দোলনের আগপর্যন্ত, অর্থাৎ ১৯৫১ সাল পর্যন্ত দিনটি পালিত হতো।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
৯,৭৮২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'আফসার ব্যাটালিয়ন' কোন অঞ্চলে যুদ্ধ করে?
  1. বরিশাল
  2. ময়মনসিংহ
  3. মাগুরা
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
আঞ্চলিক বাহিনী:

- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৯,৭৮৩.
১৯৫৬ সালের সংবিধান বাতিল করেন -
  1. ক) এ কে ফজলুল হক
  2. খ) ইস্কান্দার মির্জা
  3. গ) খাজা নাজিমুদ্দীন
  4. ঘ) ইয়াহিয়া খান
সঠিক উত্তর:
খ) ইস্কান্দার মির্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইস্কান্দার মির্জা
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৬ সালের নির্বাচিত গণপরিষদের দায়িত্ব ছিল একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা।
- কিন্তু শাসকগোষ্ঠীর অনিহার কারণে এই কাজে বিলম্ব হয়।
- এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৫৫ সালে গভর্ণর জেনারেল পাকিস্তানের সংবিধান প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান ঘোষণা করা হয়। 
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ যে সংবিধান প্রণীত ও কার্যকর করা হয়েছিল তা মাত্র ২ বছর ৮ মাসকাল চালু ছিল ।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর পাকিস্তানের তদানীন্তন প্রেসিডেন্ট জেনারেল (অব.) ইস্কান্দার মীর্জা সামরিক আইন জারি করেন এবং ১৯৫৬ সালের সংবিধান বাতিল ঘােষণা করেন।

উৎস:- ইতিহাস প্রথম পত্র - এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র,  এইচ এস সি,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৮৪.
‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’ পাঠ করেন কে?
  1. ক) শাহজাহান সিরাজ
  2. খ) আবদুল মান্নান
  3. গ) অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
গ) অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। এই অনুষ্ঠানে অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
এর আগে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ১৮ এপ্রিল এই সরকারের সদস্যদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৯,৭৮৫.
ভৌগলিক নির্দেশক (GI) পণ্য হিসেবে কবে বাংলাদেশের ইলিশ সনদ প্রাপ্ত হয়?
  1. ক) ১৭ আগস্ট ২০১৭
  2. খ) ২৭ জানুয়ারি ২০১৯
  3. গ) ১৭ জুন ২০২১
  4. ঘ) ১৭ নভেম্বর ২০১৬
সঠিক উত্তর:
ক) ১৭ আগস্ট ২০১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৭ আগস্ট ২০১৭
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমান পর্যন্ত ৯টি পণ্য ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ লাভ করেছে।
এগুলো হলো:
- জামদানি (২০১৬-বিসিক)
- ইলিশ (২০১৭-মৎস্য অধিদপ্তর)
- ক্ষীরশাপাতি আম (২০১৯-কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট)
- ঢাকাই মসলিন (২০২০-তাঁত বোর্ড)
- রাজশাহীর সিল্ক (২০২১-রেশম বোর্ড)
- রংপুরের শতরঞ্জি (২০২১-বিসিক)
- নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদা মাটি (২০২১- নেত্রকোনা জেলা প্রশাসন)
- দিনাজপুরের কাটারিভোগ (২০২১-BRRI) এবং
- বাংলাদেশি কালিজিরা (২০২১-BRRI)।
- World Intellectual Property Organization (WIPO) বিভিন্ন পণ্যের জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন (GI) সনদ প্রদান করে থাকে। তবে এই সনদ সরাসরি WIPO প্রদান করে না।
- WIPO এর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশে প্যাটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর WIPO এর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশে GI সনদ প্রদান করে থাকে।
- ভৌগলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ উৎপাদকদের পণ্যের স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠা দেয়। এতে অন্য দেশের সমজাতীয় পণ্য থেকে তাদের পণ্য আলাদাভাবে চেনা যায়। এর ফলে তাদের এই পণ্যের আলাদা রেপুটেশন তৈরি হয়।
(তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা এবং WIPO ওয়েবসাইট)
৯,৭৮৬.
২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা বাণী কার নিকট প্রেরণ করা হয়?
  1. ক) এম. এ রব
  2. খ) এম.এ জি ওসমানী
  3. গ) এম. এ হান্নান
  4. ঘ) তাজউদ্দিন আহমদ
সঠিক উত্তর:
গ) এম. এ হান্নান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এম. এ হান্নান
ব্যাখ্যা
২৬ মার্চ (১৯৭১) প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চট্টগ্রামস্থ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব এম.এ. হান্নানের নিকট বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা বাণী প্রেরণ করেন। [সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা]
৯,৭৮৭.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন কে?
  1. আবদুল মতিন
  2. শামসুল আলম
  3. কাজী গোলাম মাহবুব
  4. অধ্যাপক নূরুল হক ভূঞা
সঠিক উত্তর:
আবদুল মতিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল মতিন
ব্যাখ্যা
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়।
- এর আহবায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহবায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঞা।
- ১৯৪৮ সালের ২রা মার্চ ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ পুনর্গঠন করা হয় (এটি দ্বিতীয় ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ নামেও পরিচিত) এবং আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
- ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় গঠিত ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহবায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৯,৭৮৮.
বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানসম্মত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন -
  1. বিচারপতি হাবিবুর রহমান
  2. বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ
  3. বিচারপতি মনসুর আলী
  4. বিচারপতি খন্দকার মোশাররফ হোসেন
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি হাবিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি হাবিবুর রহমান
ব্যাখ্যা

 বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গৃহিত হয়।
- ১৯৯৬ সালে বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বাংলাদেশের সর্ব প্রথম সংবিধানসম্মত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। 
- প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি হাবিবুর রহমান নির্দলীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেন।
- তিনি ১৯৯৬ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সার্ক ফোরাম, কমনওয়েলথসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানায়।
- অবশেষে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৭৮৯.
সত্তরের নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা আসন বাদে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে মোট কতটি আসন লাভ করে? 
  1. ১৬০টি
  2. ১৬২টি 
  3. ১৬৭টি 
  4. ১৬৯টি 
সঠিক উত্তর:
১৬০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০টি
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের নির্বাচনের ফলাফল:

• ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। 
সংরক্ষিত ৭ টি মহিলা আসন বাদে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে ১৬২টি আসনের মধ্যে ১৬০টি আসন লাভ করে। 
• সংরক্ষিত ৭টি মহিলা আসনসহ ১৬৯ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ মোট ১৬৭টি আসন লাভ করে জাতীয় পরিষদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
• বাকি ২টি আসনের ১টি পায় পিডিপি (পাকিস্তান ডেমোক্রাটিক পার্টির নূরুল আমিন। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। 
অপরটি পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় (স্বতন্ত্র সদস্য হিসেবে)।
• পূর্ব পাকিস্তানে প্রাদেশিক পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ ৩১০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ মোট ২৯৮টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। 
• মোট প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে ৭৫.১০% এবং প্রাদেশিক পরিষদে ৭০.৪৮% ভোট পায়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৭৯০.
বাংলাদেশের জাতীয় পশু কোনটি?
  1. ক) গরু
  2. খ) ছাগল
  3. গ) গয়াল
  4. ঘ) রয়েল বেঙ্গল টাইগার
সঠিক উত্তর:
ঘ) রয়েল বেঙ্গল টাইগার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রয়েল বেঙ্গল টাইগার
ব্যাখ্যা
- বাঘ (Bengal Tiger) রয়েল বেঙ্গল টাইগার বা বাংলার বাঘ (Panthera tigris tigris) বাংলাদেশের জাতীয় পশু।
- বাংলাদেশের জাতীয় ফুল - শাপলা
- বাংলাদেশের জাতীয় ফল - কাঠাল
- বাংলাদেশের জাতীয় পাখি -  দোয়েল
- বাংলাদেশের জাতীয় মাছ - ইলিশ 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৭৯১.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন কার নেতৃত্বে গঠিত হয়?
  1. ড. মনিরুজ্জামান মিঞা
  2. ড. কুদরাত-ই-খুদা
  3. মোহাম্মদ আকরম খান
  4. আতাউর রহমান খান
সঠিক উত্তর:
ড. কুদরাত-ই-খুদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. কুদরাত-ই-খুদা
ব্যাখ্যা
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন:
- ড. কুদরাত-ই-খুদার নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়।

⇒ সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মানবসম্পদের উন্নয়নে শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
- দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ছয় মাসের মধ্যে স্বাধীন দেশের উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
- এই লক্ষ্যে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ কুদরাত-ই-খুদার নেতৃত্বে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়।

এছাড়াও,
- শিক্ষা ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে ৯০০ কলেজ ভবন ও ৪০০ হাইস্কুল পুননির্মাণ করা হয়।
- প্রথমবারের মতো সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ করা হয়।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় শিক্ষকদের পাওনা ৯ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়।
- সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে স্বায়ত্তশাসন প্রদানের জন্য জাতীয় সংসদে ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস করেন।

অন্যদিকে,
- মওলানা আকরম খাঁ শিক্ষা কমিশন (১৯৪৯) প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্মূল্যায়ন এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও পুনর্বিন্যাসের ক্ষেত্রে সুপারিশ পেশ করার জন্য ১৯৪৯ সালে পাকিস্তানে প্রথম শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়।
- আতাউর রহমান খান শিক্ষা কমিশন (১৯৫৭) পূর্ব পাকিস্তান সরকার প্রদেশে শিক্ষার সার্বিক সংস্কার সুপারিশের জন্য ১৯৫৭ সালের জানুয়ারি মাসে আতাউর রহমান খানকে চেয়ারম্যান করে একটি শিক্ষা কমিশন নিয়োগ করে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৭৯২.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'জাতির জনক' উপাধি কে প্রদান করেন?
  1. তোফায়েল আহমেদ
  2. শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক
  3. আ.স.ম. আব্দুর রব
  4. নূরে আলম সিদ্দিকী
সঠিক উত্তর:
আ.স.ম. আব্দুর রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আ.স.ম. আব্দুর রব
ব্যাখ্যা
শেখ মুজিবুর রহমান এর বিভিন্ন উপাধি: 

- ২০০৪ সালে বিবিসির এক জরিপে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি' খেতাব বা উপাধি পান।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেন তোফায়েল আহমেদ।
- ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'জাতির জনক' উপাধি দেন আ. স. ম. আবদুর রব।
- ৫ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'রাজনীতির কবি' উপাধি দেন নিউজউইক ম্যাগাজিন।

উল্লেখ্য,
- ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে পাঁচদফা স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সিরাজ।
- ঐদিনই বঙ্গবন্ধুকে 'জাতির জনক' উপাধি দেন ডাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব।

উৎস: শতবর্ষে শত তথ্যে 'বঙ্গবন্ধু'।
৯,৭৯৩.
ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত সাত গম্বুজ মসজিদের গম্বুজের সংখ্যা কত?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
- সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত মুঘল আমলে নির্মিত একটি মসজিদ।
- এই মসজিদটি চারটি মিনারসহ সাতটি গম্বুজের কারনে মসজিদের নাম হয়েছে 'সাতগম্বুজ মসজিদ'।
- এটির নির্মাতা মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান।
- ১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে তিনি এটি নির্মাণ করেন।
- তবে অন্য তথ্যমতে এটির নির্মাতা শায়েস্তা খানের ছেলে বুজুর্গ উদ্দিন (উমিদ)।
- বর্তমানে মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে আছে।

উৎস: ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট 
৯,৭৯৪.
বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়-
  1. ক) ১৯৯০ সালে
  2. খ) ১৯৯৬ সালে
  3. গ) ১৯৯৮ সালে
  4. ঘ) ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ইন্টারনেটের ব্যবহারঃ
- ১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়।
- ১৯৯৩ সালে প্রথম সরকারিভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইল (offline e-mail)-এর মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয় (ডায়াল-আপের সাহায্যে)।
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৯,৭৯৫.
পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে অন্যতম ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান কে?
  1. এ কে ফজলুল হক
  2. মওলানা আব্দুস সুবহান
  3. রানা দাশ গুপ্ত
  4. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

• ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট (১৯৪৮–১৯৫০):
- ১৯৪৮ সালের প্রথম থেকেই শিক্ষিত বাঙালি সমাজ বাংলা ভাষার দাবি নিয়ে সোচ্চার হয়ে ওঠে।
- এ সময় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের এক সভায় শিক্ষার প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে বাংলাকে গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
- ২৩শে ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলা কংগ্রেস পার্টির সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এর প্রতিবাদ করেন এবং বাংলাকেও অধিবেশনের অন্যতম ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
- মুসলিম লীগের সকল সদস্য এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে।
- এ ঘটনায় পূর্ব বাংলার শিক্ষার্থীরা ব্যাপকভাবে প্রতিবাদ করতে থাকে।
- ২৬ ও ২৯শে ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ সালে ঢাকার সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট পালিত হয়।
- ২রা মার্চ ১৯৪৮ সালে দেশের শিক্ষার্থী বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় বারের মতো 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ'গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৯,৭৯৬.
রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পের মোট উৎপাদন ক্ষমতা কত?
  1. ৮০০ মেগাওয়াট
  2. ১২০০ মেগাওয়াট
  3. ১,৩২০ মেগাওয়াট
  4. ১৪০০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
১,৩২০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৩২০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত।
- এটি একটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা: বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাঃ) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল)।
- প্রকল্পের ক্ষমতা: ১,৩২০ (২×৬৬০) মেগাওয়াট ক্ষমতা (সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি)।
- প্রকল্প ব্যয়: ১৬,০০০ কোটি টাকা।

উৎস: বিদ্যুৎ বিভাগ ওয়েবসাইট।
৯,৭৯৭.
মুজিবনগর সরকারের অধীনে মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা ছিল কতটি?
  1. ৫টি
  2. ১০টি
  3. ১৫টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার: 
• ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল ঘোষিত হয় 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার আদেশ'।    
• সেদিনই আগরতলায় 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আদেশ' অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার' গঠিত হয়। 
• এই সরকারই 'বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার' বা 'মুজিবনগর সরকার' নামে পরিচিত। 

• কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলার এক আম বাগানে এই সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
• ঐদিন 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র' পাঠ করেন অধ্যাপক মোঃ ইউসুফ আলী। 
• মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মোঃ ইউসুফ আলী ও আব্দুল মান্নান। 
• এই সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ছিল। 

সরকার কাঠামো:  
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান: মহামান্য রাষ্ট্রপতি;  
• সৈয়দ নজরুল ইসলাম: উপ-রাষ্ট্রপতি (বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করা হয়);
• তাজউদ্দীন আহমদ: প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা, তথ্য ও বেতার, শিক্ষা, স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ, শ্রম, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। 

• খন্দকার মোশতাক আহমেদ: পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়;  
• ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী: অর্থ, জাতীয় রাজস্ব, বাণিজ্য, শিল্প ও পরিবহন মন্ত্রণালয়; 
• এ.এইচ.এম কামরুজ্জামান: স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়।

• কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী: সেনাবাহিনী প্রধান;
• কর্নেল আবদুর রব: সেনাবাহিনীর উপপ্রধান-চিফ অব স্টাফ।   

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক; বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯,৭৯৮.
মুক্তিযুদ্ধের ছয় নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কে ছিলেন?
  1. মেজর সি.আর. দত্ত
  2. মেজর কাজী নুরুজ্জামান
  3. মেজর মীর শওকত 
  4. উইং কমান্ডার এম কে বাশার
সঠিক উত্তর:
উইং কমান্ডার এম কে বাশার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইং কমান্ডার এম কে বাশার
ব্যাখ্যা
ছয় নম্বর সেক্টর:

• মুক্তিযুদ্ধের ছয় নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম কে বাশার।
• মোহাম্মদ খাদেমুল বাশার জুন মাস থেকে মুক্তিবাহিনীর ৬ নম্বর সেক্টরে অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
• এ সেক্টরের অধীনে ছিল সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা। 
• জন্ম: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৫, নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার ছাতারদিঘি
• মৃত্যু: ১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৬
• খেতাব: বীর উত্তম। 
• তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। 
• মেজর কাজী নুরুজ্জামান ৩ নং সেক্টরের সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। 
• মেজর সি.আর. দত্ত ৪ নং সেক্টরের সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন।
• মেজর মীর শওকত ৫নং সেক্টরের সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন।

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৭৯৯.
ভাষা শহীদ রফিক উদ্দিন আহমদের জন্মস্থান কোন জেলায়?
  1. বরিশাল
  2. নাটোর
  3. মানিকগঞ্জ
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
মানিকগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• প্রথম ভাষা শহীদ:
- একুশের প্রথম শহীদ রফিকউদ্দিন আহমদ। 
- তিনি ছিলেন মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্রনাথ কলেজের বাণিজ্য বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
- তাঁর বাবার নাম আবদুল লতিফ এবং মায়ের নাম রাফিজা খানম। 
- রফিক উদ্দিনের জন্ম ১৯২৬ সালে, মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলায়। 
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি শহীদ হন। 
- ঘটনার সময় পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের কারণে ছাত্ররা ঢাকা মেডিকেল কলেজের ব্যারাকে আশ্রয় নেন। 
- ওই সময় পুলিশের গুলিতে তাঁর মাথার খুলি উড়ে যায়।
- মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তখনই মারা যান তিনি।
- ম্যাজিস্ট্রেট ওবায়দুল্লাহর উপস্থিতিতে তাঁর জানাজার নামাজ পড়ান আজিমপুর মসজিদের ইমাম হাফেজ আবদুল গফুর।
- আত্মীয়স্বজনকে না জানিয়ে গোপনে আজিমপুর কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। 
- ভাষা শহীদ রফিক ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদক পান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো।

৯,৮০০.
১৯৭০ এর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরাসরি ভোটে জয়লাভ করে কয়টি আসনে?
  1. ক) ২৯৮টি
  2. খ) ২৮৮টি
  3. গ) ১৬০টি
  4. ঘ) ১৬৭টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২৮৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৮৮টি
ব্যাখ্যা

• ১৯৭০ এর নির্বাচনে মোট ২৪টি দল অংশ নেয়। ৩০০টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন মোট এক হাজার ৯৫৭ জন প্রার্থী। মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে এক হাজার ৫৭৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
• জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগ ১৭০ আসনে প্রার্থী দেয়। এর মধ্যে ১৬২টি আসন পূর্ব পাকিস্তানে এবং বাকিগুলো পশ্চিম পাকিস্তানে।
• আওয়ামী লীগ ১৬০টি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। সংরক্ষিত মহিলা আসন নিয়ে মোট আসন সংখ্যা দাঁড়ায় - ১৬৭টি।

• আবার প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তান অ্যাসেম্বলির ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টিতে সরাসরি ভোটে জয়লাভ করে।
• সংরক্ষিত নারী আসনে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগে যোগ দিলে আওয়ামী লীগের দলীয় আসন দাঁড়ায় - ২৯৮টি।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি,  পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।