বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৮৭ / ১২৪ · ৮,৬০১৮,৭০০ / ১২,৪২১

৮,৬০১.
Who was the chief Justice of the 'Agartala case' tribunal?
  1. M.R. khan
  2. Muksumul Hakim
  3. Ataur Rahman Khan
  4. S.A. Rahman
সঠিক উত্তর:
S.A. Rahman
উত্তর
সঠিক উত্তর:
S.A. Rahman
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬০২.
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন কে?
  1. ক) ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  4. ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
⇨ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
⇨ ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র খসড়া প্রণয়ন ও আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
⇨ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম
⇨ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
⇨ মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন ইউসুফ আলী।
⇨ ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয় ।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬০৩.
১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের ধারা অনুযায়ী প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৩৫ সালে
  2. ১৯৩৬ সালে
  3. ১৯৩৭ সালে
  4. ১৯৩৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৩৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩৭ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন:
- ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের প্রদত্ত স্বায়ত্তশাসন শুধু তত্ত্বেই ছিল বাস্তবে ছিল না।
- ভারত সচিব, গভর্নর জেনারেল ও গভর্নরদের সীমাহীন ক্ষমতার কারণে এ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন 'আড়ম্বরপূর্ণ প্রহসনে' পরিণত হয়।
- ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের কেবলমাত্র প্রাদেশিক অংশটুকুকে কার্যকর করা হয় ১৯৩৭ সালে।
- এ আইন অনুসারে ১৯৩৭ সালে প্রাদেশিক আইন পরিষদ গঠনের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে সর্বভারতীয় দুটো রাজনৈতিক দল কংগ্রেস ও মুসলীম লীগ সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করে।
- নির্বাচনে যে এগারোটি প্রদেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় তাতে কংগ্রেস ছয়টি প্রদেশে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- মুসলীম লীগ চারটি প্রদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করলে কোয়ালিশন সরকার গঠনের ইঙ্গিত প্রদান করে।
- কিন্তু একক ভাবে কংগ্রেস মন্ত্রিসভা গঠন করলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে কংগ্রের মন্ত্রীরা একে একে পদত্যাগ করে।
- অবসান ঘটে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের কার্যকারিতা।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬০৪.
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার জন্য প্রণীত অধ্যাদেশের নং কত?
  1.  ৬০ নং 
  2. ৬১ নং 
  3. ৬৩ নং 
  4. ৬৫ নং 
সঠিক উত্তর:
৬৩ নং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩ নং 
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার উদ্দেশ্যে প্রণীত অধ্যাদেশের সরকারি নং ৬৩।
- এটি “জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশ, ২০২৫” নামে পরিচিত।
-----------------------------------------
“জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশ”: 
- ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান ঘটে।
- ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ৫ আগস্ট স্বৈরাচারী শাসকের পতন ঘটে। 
- তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন ছিল স্বৈরাচারী সরকারের উত্থান ও দমন-পীড়নের কেন্দ্র।
- তাই ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে গণভবনকে স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তর করার প্রস্তাবনা দেয়া হয়। 
- ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে সরকার এ প্রস্তাব অনুমোদন করে।
- রাজধানীর তেজগাঁওয়ে গণভবনের ১৭.৬৮ একর জমিতে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ এখনও নির্মাণাধীন অবস্থায় রয়েছে। 

- “জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশ” (৬৩ নং) অনুযায়ী এই জাদুঘর তৈরির মূল উদ্দেশ্য—
• আন্দোলনের ইতিহাস, নিদর্শন ও দলিল সংরক্ষিত করা;
• গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংবলিত নিদর্শন ও দলিল সংগ্রহ করে জাতীয় ইতিহাসে প্রামাণিকভাবে সংরক্ষণ করা। 

উৎস: Laws Of Bangladesh.  

৮,৬০৫.
মুক্তিবাহিনীর চীফ অব স্টাফ কে ছিলেন?
  1. কর্নেল এম.এ.জি ওসমানী
  2. লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম.এ রব
  3. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ.কে খন্দকার
  4. মেজর জিয়াউর রহমান
সঠিক উত্তর:
লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম.এ রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম.এ রব
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তানি সৈন্যদের কবল থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করার অদম্য বাসনায় ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক ও রাজনৈতিক কর্মীরা মুক্তিবাহিনীতে যোগদান করে যুদ্ধের কৌশল, অস্ত্র চালনা ও বিস্ফোরক সম্পর্কে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
- প্রশিক্ষণ শেষে তাদের বিভিন্ন সেক্টরে শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নিয়োজিত করা হয়।
- কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে বাংলাদেশ বাহিনীর সদরদপ্তর স্থাপিত হয়।
- ১২ এপ্রিল থেকে এই সদরদপ্তর কার্যক্রম শুরু করে।
- লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম.এ রব এবং গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ.কে খন্দকারকে যথাক্রমে চীফ অব স্টাফ এবং ডেপুটি চীফ অব স্টাফ নিয়োগ করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,৬০৬.
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি কোন পরিষদের কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত?
  1. NICAR
  2. BSEC
  3. ECNEC
  4. NEC
সঠিক উত্তর:
NEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NEC
ব্যাখ্যা

- এনইসি (NEC) হচ্ছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি এনইসি কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত।
- দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদনের জন্য সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ- এনইসি।
- জাতীয় অর্থনীতির নীতি নির্ধারণের সর্বোচ্চ ফোরাম- একনেক।
- প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি হলো- নিকার।
উৎসঃ অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৮,৬০৭.
আর্যদের আদিনিবাস কোথায় ছিল?
  1. ক) ইরাকে
  2. খ) ইরানে
  3. গ) জর্দানে
  4. ঘ) প্যালেস্টাইনে
সঠিক উত্তর:
খ) ইরানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইরানে
ব্যাখ্যা

সমগ্র বাঙালি জনগোষ্ঠীকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
প্রাক-আর্য(অনার্য) জনগোষ্ঠী ও আর্য জনগোষ্ঠী।
আর্যদের আদিনিবাস ছিল ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে বর্তমান মধ্য এশিয়া- ইরানে।
আর্যরা খ্রিস্টপূর্ব ২০০ অব্দে ভারতবর্ষে আগমন করেন।
আর্যরা সনাতন ধর্মালম্বী ছিল। তাদের ধর্মগ্রন্থের নাম ছিল বেদ।

৮,৬০৮.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত তারিখে জন্ম গ্রহণ করে?
  1. ক) ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৩২০
  2. খ) ৩ চৈত্র ১৩২৬
  3. গ) ১৬ বৈশাখ ১৩২২
  4. ঘ) ২৬ চৈত্র ১৩২৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ চৈত্র ১৩২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ চৈত্র ১৩২৬
ব্যাখ্যা
• শেখ মুজিবুর রহমান:
- শেখ মুজিবুর রহমান জন্ম ১৭ মার্চ ১৯২০ (৩ চৈত্র ১৩২৬)।
- মৃত্যু ১৫ আগস্ট ১৯৭৫।
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার (বর্তমানে জেলা) টুঙ্গিপাড়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ (৩ চৈত্র, ১৩২৬) জন্মগ্রহণ করেন।

- শেখ লুৎফর রহমান ও মোসাম্মৎ সাহারা খাতুনের চার কন্যা ও দুই পুত্রের মধ্যে তৃতীয় সন্তান শেখ মুজিব।
- বাবা-মা তাকে খোকা বলে ডাকতেন। খোকার শৈশবকাল কাটে টুঙ্গিপাড়ায়।
- ১৯২৭ সালে ৭ বছর বয়সে গিমাডাঙ্গা প্রাইমারি স্কুলে পড়াশোনা শুরু করেন।
- নয় বছর বয়সে গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুলে তৃতীয় শ্রেণীতে ভর্তি হন। পরে তিনি স্থানীয় মিশনারী স্কুলে ভর্তি হন।

- ১৯৩৪ সালে ১৪ বছর বয়সে বেরিবেরি রোগে আক্রান্ত হলে তার একটি চোখ কলকাতায় অপারেশন করা হয় এবং চক্ষুরোগের কারণে তার লেখাপড়ার সাময়িক বিরতি ঘটে।
- ১৯৩৭ সালে চক্ষুরোগে চার বছর শিক্ষাজীবন ব্যাহত হওয়ার পর শেখ মুজিব পুনরায় স্কুলে ভর্তি হন।
- ১৯৩৮সালে ১৮ বছর বয়সে বঙ্গবন্ধু ও বেগম ফজিলাতুননেছার আনুষ্ঠানিক বিয়ে সম্পন্ন হয়।
- তারা দুই কন্যা শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও তিন পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেলের জনক-জননী।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,৬০৯.
নিচের কোনটি লালবাগ দুর্গের অভ্যন্তরে অবস্থিত?
  1. পরী বিবির মাজার
  2. ছোটকাটরা
  3. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  4. বড়কাটরা
সঠিক উত্তর:
পরী বিবির মাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরী বিবির মাজার
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- লালবাগ দুর্গের অভ্যন্তরে পরী বিবির মাজার অবস্থিত।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।
- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
- এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।
-  এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন। 

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৮,৬১০.
'রোহিতগিরি' বাংলাদেশের কোন স্থানের পূর্বনাম?
  1. ক) মহাস্থানগড়
  2. খ) ময়নামতি
  3. গ) পাহাড়পুর
  4. ঘ) সোনারগাঁও
সঠিক উত্তর:
খ) ময়নামতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ময়নামতি
ব্যাখ্যা
- ময়নামতি হলো কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কি. মি. পশ্চিমে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- এর পূর্ব নাম রোহিতগিরি
- এযাবৎ আবিষ্কৃত লালমাই অঞ্চলের প্রাচীনতম সভ্যতার নিদর্শন হল ময়নামতি প্রত্নস্থল।
- রাজা মানিক চন্দ্রের স্ত্রী ময়নামতির নামানুসারে এর নামকরণ করা হয় ।
- ময়নামতিকে আবার শালবন বিহার ও বলা হয় ।
- ধারণা করা হয় যে খৃষ্টিয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।
- এর আবিস্কার বা খনন কাজ শুরু হয় ১৯৫৫ সালে ।
- পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল (আনু. ৭৮১-৮২১ খ্রি) পাহাড়পুর (সোমপুর বিহার ) বিহার স্থাপন করেন।
- মহাস্থানগড়ে বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন ও সর্ববৃহৎ নগর পুন্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ বিদ্যমান।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে পুরাতন ব্রক্ষ্মপুত্র নদ বা কয়রা নদীর তীরে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এবং বাংলাপিডিয়া ।
৮,৬১১.
‘হর্ষচরিত’ গ্রন্থটি রচনা করেন কে?
  1. কলহন
  2. বানভট্ট
  3. হর্ষবর্ধন
  4. কৌটিল্য
সঠিক উত্তর:
বানভট্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বানভট্ট
ব্যাখ্যা
বাণভট্ট:
- বাণভট্ট ছিলেন খ্রিষ্টাব্দ সপ্তম শতাব্দীর ভারতীয় সংস্কৃত পণ্ডিত।
- তিনি বাণ নামে সমধিক পরিচিত ছিলেন। 
- হর্ষবর্ধন (৬০৬-৬৪৭) ছিলেন পূষ্যভূতি বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা।
 -হর্ষবর্ধনের সভাকবি ছিলেন বানভট্ট।
- বানভট্টের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘হর্ষচরিত’

উৎস: ইতিহাস, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬১২.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. কে.এম শফিউল্লাহ
  2. আব্দুল আল মনসুর
  3. এম.এ.জি ওসমানী
  4. খালেদ মোশারফের
সঠিক উত্তর:
এম.এ.জি ওসমানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম.এ.জি ওসমানী
ব্যাখ্যা
• মুক্তিবাহিনী:
- মুক্তিবাহিনী  বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সংগঠিত সশস্ত্রবাহিনী।
- শুরুতে এর নাম ছিল মুক্তিফৌজ।
- ১৯৭১ সালের মার্চের শুরু থেকে দেশের শহর ও গ্রাম এলাকায় ছাত্র ও যুব নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে গঠিত সংগ্রাম পরিষদের কর্মীরাই পরবর্তী সময়ে সংগঠিত হয়ে মুক্তিফৌজ ও মুক্তিবাহিনী গঠন করে।
- তবে কখন কিভাবে এর সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে ওঠে এবং কিভাবে এর নাম মুক্তিবাহিনী হয়, সেসব বিষয়ে সুস্পষ্ট দালিলিক তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
- মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের মূলত দুই শ্রেণীতে ভাগ করা যায়:
- প্রথম শ্রেণীর সদস্যরা ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয়তাবাদী সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ, অন্যভাগ আসে ইতিপূর্বে শহর ও গ্রামে সংগঠিত সংগ্রাম পরিষদের বিভিন্ন শাখার সদস্য ও তাদের অনুসারী বেসামরিক জনগণ থেকে।

• ১৯৭১ সালের ১২ এপ্রিল কর্নেল (পরবর্তীকালে জেনারেল) এম.এ.জি ওসমানী তেলিয়াপাড়ায় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।

১৭ এপ্রিল তারিখে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে সশস্ত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ঘোষণা করা হয়।
বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীকে সংগঠিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় জুলাই মাসের ১১ থেকে ১৭ তারিখের মধ্যে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,৬১৩.
কোন দলটি যুক্তফ্রন্ট এর অন্তর্ভুক্ত ছিল না?
  1. ক) আওয়ামী মুসলিম লীগ
  2. খ) নেজামে ইসলাম
  3. গ) কৃষক শ্রমিক পার্টি
  4. ঘ) জাতীয় পার্টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাতীয় পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাতীয় পার্টি
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট এর অন্তর্ভুক্ত রাজনৈতিক দলসমূহ:
- আওয়ামী মুসলিম লীগ,
- নেজামে ইসলাম,
- কৃষক শ্রমিক পার্টি,
- বামপন্থী গণতন্ত্রী দল।

(বাংলাপিডিয়া, নবম দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়)

[ অতিরিক্ত একটি দল এর কথা উল্লেখ আছে নবম দশম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই(২০২২) সংস্করণে।]
- খিলাফত ই রাব্বানী।
৮,৬১৪.
কোন সম্রাট 'দ্বীন-ই-ইলাহী' নামক ধর্মমত প্রবর্তন করেন?
  1. বাবর
  2. হুমায়ুন
  3. আকবর
  4. জাহাঙ্গীর
সঠিক উত্তর:
আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকবর
ব্যাখ্যা

সম্রাট আকবর:
- সম্রাট আকবর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা।
- সম্রাট হুমায়ুন যখন শেরশাহ এর নিকট পরাজিত ও রাজ্যচ্যুত হয়ে স্ত্রী হামিদাবানুকে নিয়ে পারস্য অভিমুখে যাত্রাকালে, রাজস্থানের অমরকোটে ২৩ নভেম্বর, ১৫৪২ সালে আকবর জন্মলাভ করেন।
- জন্মের পর হুমায়ুন শিশুপুত্রের নামকরন করেন জালালউদ্দিন। 
- যুদ্ধক্ষেত্র, সমরনীতি, কূটনীতি ও প্রশাসন সকল ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন মুঘলদের মধ্যে সর্বশেষ্ঠ শাসক। ইতিহাসে তাই তিনি 'Akbar the Great' নামে পরিচিত।

• ১৫৫৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর উপাধি নিয়ে মাত্র ১৩ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
- উত্তরে কাশ্মীর হতে দক্ষিণে আহমেদনগর ও মধ্য এশিয়ার কাবুল কান্দাহার হতে পূর্ব বাংলা পর্যন্ত একচ্ছত্র মুঘল নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন।

উল্লেখ্য,
- সম্রাট আকবর ১৫৮২ খ্রি. দ্বীন-ই-ইলাহী নামক এক নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। আকবর সকলের মতামত মনোযোগ সহকারে শুনতেন এবং এই সকল ধর্মের দ্বন্দ্বকে একপাশে রেখে সকল ধর্মের ভাল দিকগুলো একত্রিত করে একটি নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। এটিই দ্বীন-ই-ইলাহি নামে পরিচিত।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii)ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৬১৫.
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কত সালে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ব্যবহারের দাবি জানান?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৫১ সালে
  3. ১৯৫২ সালে
  4. ১৯৪৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
- ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা'র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী ও বাংলাপিডিয়া।
৮,৬১৬.
১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার বাংলাদেশকে কতটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করে?
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো:

- মুজিবনগর সরকার একটি পূর্ণাঙ্গ সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- জনাব রুহুল কুদ্দুস প্রধান সচিব নিযুক্ত হয়েছিলেন।
- সুষ্ঠু প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য জুলাই মাসে (১৯৭১) বাংলাদেশকে ১১টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- এগুলোর নাম দেয়া হয় জোনাল কাউন্সিল।
- মুজিবনগর সরকারের প্রতি আনুগত্য ঘোষণাকারী প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদের সদস্যদের প্রত্যক্ষভোটে ১১ জন আঞ্চলিক চেয়ারম্যান নির্বাচন করা হয়।
- প্রতিটি অঞ্চলে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে একজন করে আঞ্চলিক প্রশাসক বা জোনাল এডমিনিস্ট্রেটর নিয়োগ করা হয়।
- প্রতিটি অঞ্চলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ত্রাণ, প্রকৌশল, পুলিশ, তথ্য ও হিসাব কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬১৭.
ব্যানবেইস শিক্ষাক্ষেত্রে কোন ধরনের ভূমিকা রাখে?
  1. শিক্ষা অফিসারদের নিয়োগ প্রদান করা
  2. শিক্ষা সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রকাশ করা
  3. শিক্ষকদের বেতন অনুদান বিতরণের দায়িত্ব এ সংস্থার
  4. শিক্ষকদের নিয়োগের ব্যবস্থা করে
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রকাশ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও প্রকাশ করা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস):
- প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার অধীন ১৯৭৬-৭৭ অর্থবছরে একটি স্কীমের মাধ্যমে ‘বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)’ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৭ সালে জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষা সম্পর্কিত তথ্য ও পরিসংখ্যান সংগ্রহ, সংরক্ষন, সংকলন ও প্রকাশনা উদ্দেশ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সংযুক্ত দপ্তর হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সীমিত জনবল নিয়ে একজন পরিচালকের অধীনে ২ জন বিভাগীয় প্রধানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি কাজ শুরু করে।
- বর্তমানে একজন মহাপরিচালকের নেতৃত্বে প্রধান কার্যালয়ে ১৭৫ জন এবং মাঠ পর্যায়ে এ ৬৪০ জন কর্মকর্তা কর্মচারী কাজ করছেন । 

⇒ ব্যানবেইস শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি সংযুক্ত দপ্তর।
- এ সংস্থা শিক্ষা সম্পর্কীয় বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য এজেন্সিকে সরবরাহ করে। 

⇒ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষা সংক্রান্ত তথ্য ও পরিসংখ্যান সংরক্ষণ, সংকলন, সরবরাহ ও প্রচার করা।
- দেশে শিক্ষা শুমারি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় জরিপসহ নানা ধরনের বিশ্লেষণধর্মী তথ্যের জন্য জনমত জরিপ করা।
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোসহ অন্যান্য তথ্যের ডাটাবেইস প্রণয়ন ও Education GIS (School Mapping) এর মাধ্যমে ডাটা ওয়্যার হাউসকে সমৃদ্ধ করা।
- শিক্ষাতথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে শিক্ষা পরিকল্পনা ও মূলনীতি প্রণয়নকারী সংস্থাসমূহে হালনাগাদ তথ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা।
- জাতীয় পর্যায়ে একটি বিশেষায়িত ডিজিটাল লাইব্রেরি পরিচালনা করা।
- শিক্ষাক্ষেত্রে সকল ধরনের শিক্ষা সংক্রান্ত ডকুমেন্ট সংগ্রহ করে একটি শিক্ষা বিষয়ক জাতীয় ডকুমেন্টেশন সেন্টার পরিচালনা করা।
- শিক্ষা ক্ষেত্রে সমন্বিত শিক্ষাতথ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি (আই.ই.আই.এম.এস.) প্রতিষ্ঠা করা এবং এর Focal Point হিসেবে কাজ করা।
- বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় নিয়মিত শিক্ষা সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করা।
- শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা কার্য পরিচালনা করা।
- শিক্ষা ক্ষেত্রে আই. সি. টি. প্রশিক্ষণ প্রদান ও আই. সি. টি. শিক্ষা প্রসারে ব্যবস্থা গ্রহণ।
- উপজেলা পর্যায়ে আই.সি.টি. প্রশিক্ষণ প্রদান এবং শিক্ষার রিসোর্স সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা।

উৎস: বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৮,৬১৮.
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কত নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেন?
  1. ৩নং সেক্টর
  2. ৭নং সেক্টর
  3. ৯নং সেক্টর
  4. ২নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৭নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

• বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:

- মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে। 
- পিতা আব্দুল মোতালেব হাওলাদার ছিলেন কৃষক ও শৌখিন গাইয়ে এবং মা সাফিয়া বেগম ছিলেন গৃহিণী।
- ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩রা অক্টোবর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
- ১৯৬৮ সালের ২রা জুন তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কমিশন লাভ করেন।
- পাকিস্তান সেনাবাহিনী যখন পূর্ব পাকিস্তানে গণহত্যা চালাচ্ছিলো তখন তিনি কারাকোরামে কর্মরত ছিলেন। 
- গণহত্যার সংবাদ পেয়ে ৩ জুলাই আরো তিনজন বাঙালি অফিসার ক্যাপ্টেন সালাহউদ্দিন, ক্যাপ্টেন শাহরিয়ার ও ক্যাপ্টেন আনামের সাথে শিয়ালকোটের নিকটবর্তী সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন।
- তার পোস্টিং হয় ৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টরে। 
- এখানে তিনি অসামান্য বীরত্বের সাথে আরগরারহাট, কানসাট, শাহপুর এলাকায় যুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং মুক্তাঞ্চল গঠন করেন।
- এই ত্যাগী যোদ্ধা বেতন থেকে ২০টাকা নিজের জন্য রেখে বাকি টাকা শরণার্থীদের সাহায্যার্থে দান করতেন। যুদ্ধকালীন তিনি গুরুতর আহত হন এবং পুরোপুরি সুস্থ্য হবার আগেই পুনরায় যুদ্ধে অংশ নেন।
- ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তার নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করে।
- যুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে ১৪ ডিসেম্বর সকালে পাকিস্তানী বাহিনীর স্নাইপার বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন।
- পরদিন সহযোদ্ধারা লাশ উদ্ধার করে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করা হয়।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৮,৬১৯.
কত সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা বাতিল করা হয়?
  1. ১৭৯৩ সালে
  2. ১৯৩৩ সালে
  3. ১৮৫০ সালে
  4. ১৯৫০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত

- ১৭৯৩ সালের ২২মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নামে পরিচিত।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের কারণে কৃষক জমির উপর তাদের অধিকার হারায়। বিপরীতে জমির উপর জমিদারদের স্থায়ী মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ত্ব আইনের ফলশ্রুতিতে জমিদারি প্রথা ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার উচ্ছেদ ঘটে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৬২০.
'শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের' স্থপতি কে?
  1. সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  2. শামীম শিকদার
  3. তানভীর কবির
  4. মোস্তফা আলী কুদ্দুস
সঠিক উত্তর:
মোস্তফা আলী কুদ্দুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোস্তফা আলী কুদ্দুস
ব্যাখ্যা
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ: 
- বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী রাজাকার-আলবদর বাহিনীর সহায়তায় অগণিত বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এ হত্যাযজ্ঞ চলে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
- প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর দিনটিকে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। 
- বিজয় লাভের পর অনেক বুদ্ধিজীবীর ক্ষত-বিক্ষত লাশ পাওয়া যায় রায়েরবাজার ও মিরপুর বধ্যভূমিতে।

- নিহত বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ঢাকার মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
- স্থপতি মোস্তফা আলী কুদ্দুস স্মৃতিসৌধটি নির্মাণ করেন।
- ১৯৭২ সালে স্মৃতিসৌধটি উদ্বোধন করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- গণকবর, বুদ্ধিজীবীদের কবর আর স্মৃতিস্তম্ভ নিয়ে এই স্মৃতিসৌধের ব্যাপ্তি।


অন্যদিকে:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ঢাকা থেকে ৩৫ কিমি উত্তর-পশ্চিমে সাভারে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান শহীদদের অসামান্য ত্যাগ ও শৌর্যের স্মৃতি হিসেবে সৌধটি দাঁড়িয়ে আছে।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। 

- মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ বাঙালির স্বাধীনতা যুদ্ধ ও আত্মত্যাগের প্রতীক।
- ২৩টি কংক্রিটের ত্রিকোণাকার স্তম্ভ সমন্বয়ে এ স্মৃতিসৌধ নির্মিত।
- স্থপতি তানভীর কবিরের নকশায় এ সৌধটিকে উদীয়মান সূর্যের প্রতীক বলে মনে হয়। 

- টিএসসি সড়ক দ্বীপে ১৯৮৮ সালে শামীম শিকদার নির্মাণ করেন ‘স্বোপার্জিত স্বাধীনতা’ ভাস্কর্যটি।
- স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যটি শামীম শিকদার নির্মাণ করেন ১৯৯১ সালে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া, প্রথম আলো (১৬ ডিসেম্বর ২০১৬) এবং কালের কণ্ঠ (১৪ ডিসেম্বর ২০১৮)।
৮,৬২১.
ক্র্যাক প্লাটুন কী?
  1. পাকবাহিনী কর্তৃক পুলিশ লাইন অভিযান
  2. মুক্তিযুদ্ধকালীন ঢাকার গেরিলা সংগঠন
  3. মুক্তিবাহিনীর নৌ কমান্ডোদের অপারেশন
  4. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধকালীন ঢাকার গেরিলা সংগঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধকালীন ঢাকার গেরিলা সংগঠন
ব্যাখ্যা
ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বযে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন। ২নং সেক্টরের কমান্ডার মেজর খালেদ মোশারফের উদ্যোগে এই গেরিলা বাহিনী গড়ে তোলা হয়।

১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে।

ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন:
শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ।

(তথ্যসূত্র: দৈনিক সমকাল)
৮,৬২২.
'শিখা চিরন্তন' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
  2. খ) ঢাকা সেনানিবাস
  3. গ) গাজীপুর চৌরস্তা
  4. ঘ) ঢাকা বিশ্ব্যবিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
ক) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ ও ভাস্কর্যের অবস্থান:
- শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি সৌধ - ঢাকার মিরপুর;
- শিখা অনির্বাণ - ঢাকা সেনানিবাস।
- শিখা চিরন্তন - সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। 
- জাগ্রত চৌরাঙ্গী - জয়দেবপুর।
- শাবাশ বাংলাদেশ - রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়;
- বিজয়-৭১ - বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ;
- রক্তসোপান - রাজেন্দ্র সেনানিবাস, গাজীপুর;
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টি.এস.সি.

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,৬২৩.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভিসি ছিলেন -
  1. ক) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. খ) ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
  3. গ) অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী
  4. ঘ) অধ্যাপক ওসমান গণি
সঠিক উত্তর:
ক) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হন। ১৯৭১ সালে জেনেভায় অবস্থানকালে পূর্ব পাকিস্তানে পাকবাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে তিনি উপাচার্য পদে ইস্তফা দেন। মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে জেনেভা থেকে তিনি লন্ডন যান এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে সচেষ্ট হন। স্বাধীনতার পর বিচারপতি চৌধুরী ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেন এবং ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। [সূত্র: বাংলাপিডিয়া]
৮,৬২৪.
‘শ্যামল ছায়া’ হুমায়ুন আহমেদের কোন ধরনের চলচ্চিত্র?
  1. ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক
  2. মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক
  3. গণঅভ্যুত্থান ভিত্তিক
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক
ব্যাখ্যা
শ্যামল ছায়া:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা তাদের যাত্রাপথে যখনই দেখা পেয়েছেন সাধারণ বাঙালিদের, তখনই পেয়েছেন তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা, অসুস্থ হলে সেবা-শুশ্রূষা পেয়েছে পরম আন্তরিকতায়।
- এ রকম একটি অখ্যান নিয়ে প্রখ্যাত কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র 'শ্যামলছায়া'।
- ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই চলচ্চিত্রে উঠে এসেছে যুদ্ধকালীন কিছু বিশেষ দিক।
- সিনেমাটির বিশেষত্ব হচ্ছে, সরাসরি যুদ্ধের দৃশ্য না দেখিয়েও এতে যুদ্ধের আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- মূল চরিত্রে ছিলেন হুমায়ূন ফরিদী, মেহের আফরোজ শাওন, শিমুল, রিয়াজ, স্বাধীন খসরু, সৈয়দ আক্তার আলী, তানিয়া আহমেদ, এজাজুল ইসলাম, ফারুক আহমেদ প্রমুখ।

উৎস: বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ। 
৮,৬২৫.
লালবাগ দুর্গের অভ্যন্তরের সমাধিতে সমাহিত শায়েস্তা খানের কন্যার আসল নাম কী?
  1. মরিয়ম
  2. হাফেজা
  3. ইরান দুখত
  4. জাহানারা
সঠিক উত্তর:
ইরান দুখত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান দুখত
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।
- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
- এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।
-  এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন। 

উল্লেখ্য,
- পরী বিবির আসল নাম ইরান দুখত রেহমত বানু। 

 উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
          ii) ৯ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
৮,৬২৬.
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভায় অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. এএইচএম কামারুজ্জামান
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. এম মনসুর আলী
  4. খন্দকার মোশতাক আহমদ
সঠিক উত্তর:
এম মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- মুজিবনগর সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
• রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
• উপরাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
• প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ। 
• অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: এম মনসুর আলী
• স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী: এএইচএম কামারুজ্জামান।
• পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমদ।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র: তৃতীয় খণ্ড।
৮,৬২৭.
মুক্তিযুদ্ধকালীন যশোর জেলা কোন সেক্টরের আওতাধীন ছিল?
  1. ১১ নম্বর সেক্টর
  2. ৭ নম্বর সেক্টর
  3. ৯ নম্বর সেক্টর
  4. ৮ নম্বর সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৮ নম্বর সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ নম্বর সেক্টর
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে যশোর জেলা:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রথম যশোর জেলা শত্রুমুক্ত হয়।
- যশোর জেলা প্রথম শত্রুমুক্ত হয়- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে।
- মুক্তিযুদ্ধকালীন ১১টি সেক্টরের মধ্যে যশোর ছিল ৮ নম্বর সেক্টরের অধীনে।
- মূলত বৃহত্তর যশোর ও কুষ্টিয়া জেলা, ফরিদপুর ও খুলনা জেলার কিছু অংশ ছিল ৮ নম্বর সেক্টরের আওতাধীন।
- ৮ নং সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল কল্যানীতে।
- এ সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী ও মেজর এম. এ মঞ্জুর।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ যশোরের গোয়ালহাটি গ্রামে শহিদ হন।

উৎস: যশোর জেলার ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৮,৬২৮.
ইউনেস্কো তাদের কত তম সাধারণ সভায় ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ২৮ তম
  2. ২৯ তম
  3. ৩০ তম
  4. ৩২ তম 
সঠিক উত্তর:
৩০ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ তম
ব্যাখ্যা
২১শে ফেব্রুয়ারি ইউনেস্কোর স্বীকৃতি:

• ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯ ইউনেস্কো তাদের ৩০তম সাধারণ সভায় ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে। 
• ২০০০ সাল থেকে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হতে শুরু করে।
• ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয়।
• জাতিসংঘ ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করে। 
• ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।
কার
• প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালের অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট (আমাই) ভবনের শুভ উদ্বোধন করেন। 

উৎস: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট। 
৮,৬২৯.
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ এর পদবী কী ছিল?
  1. ক্যাপ্টেন
  2. লেফটেন্যান্ট
  3. সিপাহী
  4. ল্যান্স নায়েক
সঠিক উত্তর:
ল্যান্স নায়েক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যান্স নায়েক
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ:

- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ এর পদবী ছিল ল্যান্স নায়েক।
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের জন্ম ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬, যশোর জেলার অর্ন্তঃগত নড়াইল মহকুমার মহিষখোলা গ্রামে।
- ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৯, তদানিন্তন ইপিআর-এ সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর গঠন হলে তাঁর উপর ন্যস্ত হয় ৮নং সেক্টরের দায়িত্ব।
- তিনি নিয়োগ পান বয়রা সাব-সেক্টরে।
- এই সাব-সেক্টরের অধীনে গোয়ালহাটি, ছুটিপুর ঘাট, ছুটিপুর সেনাক্যাম্প, বরনী আক্রমণে অংশ নেন এবং বীরত্ব প্রদর্শন করেন।
- বরনীতে নিজের জীবনের ঝুকি নিয়ে সাব-সেক্টর কমান্ডার ক্যাপ্টেন নাজমুল হুদার জীবন রক্ষা করেন।
- ৫ই সেপ্টেম্বর ১৯৭১, সুতিপুর প্রতিরক্ষা অবস্থানের সামনে ষ্ট্যান্ডিং পেট্রোলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালনের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আক্রমণ নস্যাৎ করে দেন প্রায় একাই।
- আহত অবস্থায় অধীনস্থ সৈনিকদের নিরাপদে পিছনে পাঠিয়ে দেন এবং শত্রুর মোকাবেলা অব্যাহত রাখার সময় শাহাদাত বরণ করেন।
- পরবর্তীতে সহযোদ্ধারা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে সীমান্তবর্তী যুদ্ধক্ষেত্র যশোরের কাশীপুরে সমাহিত করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার বীরত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।
 
তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৮,৬৩০.
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল-
  1. ক) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ভারত
  3. গ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. ঘ) খ ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন। অন্য থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল চীন ও যুক্তরাষ্ট্র।
৮,৬৩১.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. ক) ৬৫ জন
  2. খ) ৬৬ জন
  3. গ) ৬৭ জন
  4. ঘ) ৬৮ জন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৮ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন
- বীর উত্তম - ৬৮ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী]
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

∴ বর্তমানে (২০২১) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
৮,৬৩২.
পাল বংশের 'শেষ মুকুট' বলে অভিহিত করা হয় কোন শাসককে?
  1. রামপাল
  2. গোপাল
  3. চন্দ্রপাল
  4. দেবপাল
সঠিক উত্তর:
রামপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামপাল
ব্যাখ্যা

রামপাল:
- রামপাল রাজা হয়েই বরেন্দ্র পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেন।
- এই সময় কৈবর্তদের নেতা ছিলেন ভীম। প্রথম চেষ্টায় রামপাল ব্যর্থ হন।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের উপর রামপালের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তাঁর রাজত্বের শেষের দিকে তিনি কামরূপ এবং উড়িষ্যার উপরও প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হন।
- রামপালকে পাল বংশের শেষ মুকুট বলা হয়।
- কবি সন্ধ্যাকর নন্দী ‘রামচরিত’ নামে রামপালের জীবনী লিখেন।
- রামপালের মৃত্যুর পর পাল সাম্রাজ্যের গৌরব দ্রুত বিলুপ্তির পথে এগিয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৬৩৩.
বঙ্গভঙ্গের পর কাকে নতুন প্রদেশের গভর্ণর নিযুক্ত করা হয়?
  1. লর্ড কার্জন
  2. স্যার এন্ড্রু ফ্রেজার
  3. স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার
  4. উইলিয়াম হান্টার
সঠিক উত্তর:
স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার
ব্যাখ্যা
• বঙ্গভঙ্গ:
- বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত ছিল বাংলা প্রদেশ বা বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি। 
- কলকাতা ছিল এর রাজধানী।
- এটি ছিল ব্রিটিশ ভারতের বৃহত্তম প্রদেশ।
- ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গ সম্পন্ন হয়।
- সৃষ্টি হয় ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও আসামকে নিয়ে 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে' এক নতুন প্রদেশ।
- এবং এর রাজধানী হয় ঢাকা।
- নতুন প্রদেশের আয়তন ছিল ১,০৬,৫০৪, বর্গমাইল। 
- লর্ড কার্জন ঢাকাকে প্রশাসনিক কেন্দ্র ঘোষণা করেন।
- এবং স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার গভর্নর নিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গভঙ্গের পরবর্তী সময়ে নতুন প্রদেশে হাইকোর্ট ভবন, আইন পরিষদ ভবন ইত্যাদি গড়ে উঠে।
- ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর সম্রাট পঞ্চম জর্জের রাজ্যাভিষেকে দিল্লির দরবারে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণা করে।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৩৪.
দিল্লি থেকে রাজধানী দেবগিরিতে স্থানান্তর করেন কে?
  1. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. শায়েস্তা খান
  3. সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেক
  4. মুহম্মদ বিন তুগলক
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ বিন তুগলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ বিন তুগলক
ব্যাখ্যা
মুহম্মদ বিন তুঘলক:
- গিয়াসউদ্দীন তুঘলকের মৃত্যুর পর তাঁর জ্যেষ্ঠপুত্র মুহম্মদ বিন তুঘলক দিল্লীর সিংহাসনে আরোহন করেন।
- তাঁর রাজত্বকালের প্রথম তের বছর দেশে শান্তি বিরাজমান ছিল।
- এ সময়ের মধ্যে মুহম্মদ বিন তুঘলক দিল্লি থেকে রাজধানী দেবগিরিতে স্থানান্তর করেন।
- এছাড়াও খোরাসান অভিযান, কারাচিল অভিযান, প্রতীক মুদ্রার প্রচলন, দোয়াবে কর বৃদ্ধি ইত্যাদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন।
- সিন্ধুর বিদ্রোহ দমনকালে ক্লান্ত সুলতান মৃত্যু বরণ করেন।
- তিনি জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় অসাধারণ পন্ডিত ছিলেন।

অন্যদিকে -
- সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেক দিল্লির কুতুব মিনার নির্মাণ করেন।
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ বাংলার প্রথম স্বাধিন সুলতান। তিনি রাজধানী সোনারগায়ে প্রতিষ্ঠা করেন।
- শায়েস্তা খান লালবাগ কেল্লা, ছোট কাটরা, সাতগম্বুজ মসজিদ প্রভৃতি নির্মাণ করেন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৩৫.
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে যে ভাষণ দিয়েছিলেন তাকে ইউনেসকো কি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. ক) ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ
  2. খ) ওয়ার্ল্ড ওয়ার হেরিটেজ
  3. গ) ওয়ার্ল্ড হিসট্রিক্যাল হেরিটেজ
  4. ঘ) ওয়ার্ল্ড মেমোরি হেরিটেজ
সঠিক উত্তর:
ক) ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত ঐতিহাসিক ভাষণকে ৩০ অক্টোবর ২০১৭ ইউনেস্কো ‘ডকুমেন্টারি হেরিটেজ' হিসেবে ‘মেমোরি অফ দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিষ্টারে' এ অন্তর্ভুক্ত করে।
(সূত্র: ডয়েচভেলে)

৮,৬৩৬.
মুজিব নগর সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. এম. মনসুর আলী
  2. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  3. তাজউদ্দিন আহমদ
  4. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
সঠিক উত্তর:
এম. মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিব নগর সরকার। 
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- মুজিবনগর সরকারের তথা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড।
- সরকারকে নীতি নির্ধারণী পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য ৮ সদস্যের একটি উপদেষ্টা কাউন্সিল গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয় ছিল। 
- রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন এম.এ.জি ওসমানী।
- চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল আবদুর রব।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৩৭.
জাতিসংঘে বাংলাদেশ বিষয়ে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব গৃহীত হয় কত তারিখে?
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  2. খ) ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  3. গ) ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  4. ঘ) ২১ নভেম্বর, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
খ) ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘে বাংলাদেশ বিষয়ে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব

- নিরাপত্তা পরিষদের পরিবর্তে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ৭ ডিসেম্বর একটি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব উত্থাপিত হলে সোভিয়েত ইউনিয়ন তৃতীয়বারের মত ভেটো প্রয়োগ করে।
- ভারতীয় বাহিনী ঢাকা দখল করার পূর্ব মুহুর্ত্ত পর্যন্ত যেকোন প্রকার যুদ্ধবিরতির পদক্ষেপকে বানচাল করাই ছিল এ ভেটো দানের উদ্দেশ্য।
- আর তাই ১৬ ডিসেম্বর পাকবাহিনী আত্মসমর্পণ করার পর নিরাপত্তা পরিষদে সোভিয়েত ইউনিয়ন আর ভেটো প্রয়োগ না করায় শেষপর্যন্ত ২১ ডিসেম্বর যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব গৃহীত হয়।


তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৩৮.
বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন -
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. মোহাম্মদউল্লাহ
  4. আবদুস সাত্তার
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন: আবু সাঈদ চৌধুরী।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন।
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন: এম মনসুর আলী।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় ।
- ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান, বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
৮,৬৩৯.
বাংলাদেশে মোট কয়টি ক্যাডেট কলেজ আছে ?
  1. ক) ৮টি
  2. খ) ১০টি
  3. গ) ১২টি
  4. ঘ) ১৫টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ১২টি ক্যাডেট কলেজ রয়েছে।
এগুলো হলোঃ
- ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ,
- ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ,
- মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ,
- রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ,
- বরিশাল ক্যাডেট কলেজ,
- পাবনা ক্যাডেট কলেজ,
- সিলেট ক্যাডেট কলেজ,
- রংপুর ক্যাডেট কলেজ,
- কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ,
- ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ,
- ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ,
- জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ।
এগুলোর মধ্যে প্রথম নয়টি ছেলেদের, পরের তিনটি মেয়েদের জন্য সংরক্ষিত।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো

৮,৬৪০.
কার সময়ে সূর্যাস্ত আইন প্রবর্তিত হয়?
  1. লর্ড ডালহৌসি
  2. লর্ড মিন্টো
  3. উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  4. লর্ড কর্নওয়ালিস
সঠিক উত্তর:
লর্ড কর্নওয়ালিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড কর্নওয়ালিস
ব্যাখ্যা
- লর্ড কর্নওয়ালিস এর চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে সূর্যাস্ত আইন প্রবর্তিত হয়।

সূর্যাস্ত আইন:

- কোম্পানির বোর্ড অব ডাইরেক্টরস্ এর অনুমোদন লাভের পর কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে দশসালা বন্দোবস্তকে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত হিসেবে ঘোষণা করেন।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত অনুসারে রাজস্বের পরিমাণ চিরদিনের জন্য নির্দিষ্ট হয়ে যায় এবং জমির উপর জমিদারদের মালিকানা ক্ষমতা এবং আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- জমি হস্তান্তর বা দান করার ক্ষমতাও তাঁরা পান। জমিদারগণ নিজ খুশী মত শর্ত সাপেক্ষে জমি পত্তন বা ইজারা দেয়ার ক্ষমতাও লাভ করেন।
- কেবল শুল্ক আদায়ের ক্ষমতা, বিচার ও পুলিশী ক্ষমতা তাঁদের হাতে দেয়া হয় নি।
- তাছাড়া জমির রাজস্ব কিস্তি নির্দিষ্ট দিনে সূর্যাস্তের পূর্বে দিতে সক্ষম না হলে জমি নিলামে বিক্রি করার ক্ষমতা সরকারের হাতেই রয়ে গেল।
- তাই এই নিয়ম সূর্যাস্ত আইন নামে পরিচিত হয়।
- সূর্যাস্ত আইনের বলে বহু জমিদারী নিলামে উঠে এবং বহু নতুন জমিদার শ্রেণির সৃষ্টি হয় যা এদেশে বিদেশি শাসকদের হাতকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৪১.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. তাজউদ্দীন আহমেদ
  3. মোজাফফর আহমদ
  4. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:

- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
• মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৪২.
সর্বপ্রথম সমগ্র বাংলাকে একত্র করেন -
  1. শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
  2. গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ
  3. শিহাবুদ্দিন শাহ
  4. সিকান্দার শাহ
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা
• শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ:
→ এই দেশে শাহ-ই-বাঙ্গালাহ খ্যাত সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ সর্বপ্রথম সমগ্র বাংলাকে একত্র করেন।
→ তার সময় থেকে বাঙালা ও জনগণ বাঙালি হিসেবে পরিচিত হয়।
→ তিনি ছিলেন উদার, সব ধর্মের মানুষের প্রতি তার সম্মান দৃষ্টি ছিল। তার মৃত্যুর পর সিকান্দার শাহ ও গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ সিংহাসনে বসেন। এই সময় বাংলায় রাজা গণেশ নামক এক জমিদার ও আমাত্য স্বল্প সময়ের জন্যে বাংলার শাসক হন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৪৩.
যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয় কখন?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫১ সালে
  3. ১৯৫৩ সালে
  4. ১৯৫২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ই নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে 'যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট মূলত চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
১. মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ,
২. শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের কৃষক-শ্রমিক পার্টি,
৩. মওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম পার্টি এবং
৪. হাজী দানেশের বামপন্থী গণতন্ত্রী দল।

এছাড়াও,
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল 'নৌকা'।
- আওয়ামী মুসলিম লীগের নির্বাচনী কর্মসূচির ৪২ দফার প্রধান প্রধান দাবি নিয়ে।
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।

নোট: [বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র ১ম ও ২য় খণ্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র অধিক গ্রহণযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৬৪৪.
বারভূঁইয়াদের অন্যতম চাদ রায় ও কেদার রায় কোন অঞ্চলের জমিদার ছিলেন?
  1. ক) ময়নসিংহ
  2. খ) মুন্সিগঞ্জ
  3. গ) নোয়াখালী
  4. ঘ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  5. ঙ) মানিকগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
খ) মুন্সিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মুন্সিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বারভূঁইয়াদের অন্যতম চাদ রায় ও কেদার রায় বিক্রমপুর বার ‍মুন্সিগঞ্জ অঞ্চলের জমিদার ছিলেন। বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের জমিদার ছিলেন ঈসা খান ও মুসা খান। নোয়াখালীতে ছিলেন লক্ষণমাণিক্য । মানিকগঞ্জে ছিলেন বিনোদ রায় ও মধু রায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল অঞ্চলের জমিদার ছিলেন সোনা গাজি । (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৮,৬৪৫.
পাকিস্তানের সংবিধানে উর্দু ও বাংলাকে পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫২সালে
  2. খ) ১৯৫৪ সালে
  3. গ) ১৯৫৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের পর প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হতে থাকে। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের সংবিধানে উর্দু ও বাংলাকে পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হিসেবে অনুমোদন করা হয়। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
৮,৬৪৬.
দেব বংশের রাজারা কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?
  1. বৌদ্ধ
  2. হিন্দু
  3. শৈব
  4. জৈন
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা
দেব বংশ:
- অষ্টম শতকের মাঝামাঝি একই অঞ্চলে দেব বংশের উদ্ভব হয়।
- দেববংশের চারজন রাজার নাম পাওয়া যায়। এরা হলেন-
• শ্রী শান্তিদেব,
• শ্রী বীরদেব,
• শ্রী আনন্দদেব,
• শ্রী ভবদেব।
- শক্তিশালী দেব রাজারা ছিলেন বৌদ্ধ।
- তাঁদের রাজধানী ছিল দেবপর্বতে।
- কুমিল্লার নিকট ময়নামতির দক্ষিণে ছিল এই দেবপর্বত।
- সমগ্র সমতট অঞ্চল জুড়ে দেবরাজাদের রাজত্ব ছিল।
- দেবরাজা আনন্দের রাজধানীতে 'আনন্দ বিহার' বলে একটি বৌদ্ধ বিহার নির্মাণ করা হয়।
- আনুমানিক ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দেবরাজাদের শাসন চালু থাকে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৪৭.
মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. তাজউদ্দিন আহমদ
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. এম. মনসুর আলী
  4. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৮,৬৪৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কয়টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
ব্রিগেড ফোর্স:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- “জেড” ফোর্স, “কে” ফোর্স, “এস” ফোর্স নিয়ে ৩টি ব্রিগেড ফোর্স।
- জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।
- কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।
- খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৪৯.
The historic Lahore Resolution was influenced by -
  1. Non-violence
  2. Two nations theory
  3. Pakistani Nationalism
  4. Communal harmony
  5. None of them
সঠিক উত্তর:
Two nations theory
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Two nations theory
ব্যাখ্যা
লাহোর প্রস্তাব :
- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ কে ফজলুল হক একটি প্রস্তাব পেশ করেন।
- জিন্নাহর সভাপতিত্বে প্রস্তাবটি সভায় গৃহীত হয়।
- এই প্রস্তাবই ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব নামে পরিচিত।
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল দ্বিজাতি তত্ত্ব।
- এ প্রস্তাবের কোথাও পাকিস্তান শব্দটি ছিল না।
- তথাপি এ প্রস্তাব ‘পাকিস্তান প্রস্তাব' হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
- এ প্রস্তাব ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে পৃথক আবাসভূমির স্বপ্ন বপন করে।
- কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ লাহোর প্রস্তাবের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।
- এ প্রস্তাবে ভারতে একাধিক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হলেও ১৯৪৬ সালের দিল্লি অধিবেশনে কেবল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গৃহিত হয়।
 
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮,৬৫০.
বাংলা প্রদেশের শ্রেষ্ঠ সুবাহদার হিসেবে গণ্য করা হয় -
  1. মীর জুমলা
  2. শায়েস্তা খান 
  3. ইসলাম খান চিশতি
  4. শাহ সুজা
সঠিক উত্তর:
ইসলাম খান চিশতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলাম খান চিশতি
ব্যাখ্যা

ইসলাম খান চিশতি:
- সুবাদার ইসলাম খান চিশতিকে বাংলা প্রদেশের শ্রেষ্ঠ সুবাহদার হিসেবে গণ্য করা হয়
- প্রকৃত নাম শেখ আলাউদ্দীন চিশতি।

⇒ ১৬০৮ সালে সুবাদার জাহাঙ্গীর কুলি খানের মৃত্যুর পর সম্রাট জাহাঙ্গীর বিখ্যাত সুফি সেলিম চিশতীর দৌহিত্র ইসলাম খান চিশতী বাংলার সুবাদার নিয়োগ দেন।
- নিয়োগ লাভ করে তিনি অনতিবিলম্বে বাংলার তদানীন্তন রাজধানী বিহারের রাজমহল-এ চলে আসেন।
- ইসলাম খান ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় আসেন এবং বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- তিনি সম্রাটের নামে এর নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’।
- ইসলাম খান ঢাকাকে সুরক্ষিত করে তিনি ভূঁইয়াদের সব অবস্থানের বিরুদ্ধে অভিযান প্রেরণ করেন এবং ১৬১১ খ্রিস্টাব্দেই মুসা খানসহ বারো ভূঁইয়াদের সবাই ইসলাম খানের নিকট বশ্যতা স্বীকার করেন। 

⇒ সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে ইসলাম খান উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
- তিনি লোহার পুল নির্মান করেন এবং ঢাকার ধোলাই খাল খনন করেন।
- বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে রাজমহলে স্থানান্তরিত করেন শাহ সুজা।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম -১০ম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৮,৬৫১.
দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. লালপুর, নাটোর
  2. ঈশ্বরদী, পাবনা
  3. খানসামা, দিনাজপুর
  4. জলডাকা, নীলফামারী
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরদী, পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরদী, পাবনা
ব্যাখ্যা
পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে।
এটি নির্মাণে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা করছে রাশিয়া। রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটম এতে কারিগরি সহায়তা করছে। অপর রাশিয়ান কোম্পানি টিভিএল জয়েন্ট স্টক এতে জ্বালানি সরবরাহ করবে।
তবে বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রকল্পে অর্থ সহায়তা করছে ভারত সরকার।

এটির উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট।
মোট ব্যয় প্রায় ১২.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৩ সালে কেন্দ্রটি চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

(তথ্যসূত্র: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড)
৮,৬৫২.
বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল কোনটি?
  1. বরিশাল
  2. কুমিল্লা
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলা হয়।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো।
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৫৩.
প্রাচীন ময়নামতি বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন কোন শাসক?
  1. ধর্মপাল
  2. শ্রীভবদেব
  3. দেবপাল
  4. গোপাল
সঠিক উত্তর:
শ্রীভবদেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীভবদেব
ব্যাখ্যা

• ময়নামতি বৌদ্ধ বিহার:
- লালমাই ময়নামতি গিরি শ্রেণীর মধ্যবর্তী স্থানে এই বিহারটি অবস্থিত।
- এই বিহারটির প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য ৫৫০ ফুট।
- চারটি বাহুতে মোট ১১৫টি ভিক্ষু কক্ষ আছে যাতে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বসবাস করতেন।
- এর মধ্যবর্তী স্থানে রয়েছে বিশাল প্রবেশ দ্বার।
- উম্মুক্ত চত্বরে ক্রশাকৃতির প্রধান মন্দির।
- মূল বিহারটি দেব বংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব কর্তৃক আনুমানিক ৮ম শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছে।
- শালবন বিহার খনন করে অসংখ্য মূল্যবান প্রত্নতত্ত্ব আবিস্কার করা হয়েছে।
- এগুলোর মধ্যে আছে ৮টি তাম্রলিপি, ১৮টি স্বর্ণ ও ৩৫০টি রৌপ্য মুদ্রা, স্বর্ণালংকার, নানা ধরণের মূর্তি, পোড়ামাটির বিএফলক, সীল ও নিত্য ব্যবহার্য দ্রব্য।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।

৮,৬৫৪.
বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ রাজ্য ছিল কোনটি?
  1. সমতট
  2. বঙ্গ
  3. পুণ্ড্র
  4. হরিকেল
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা

পুণ্ড্র জনপদ:
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ রাজ্য।
- পুণ্ড্র ‘জন' বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল।
- পুণ্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তী কালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়। 
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
- পুণ্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে। ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুণ্ড্র ৫ম-৬ষ্ঠ শতকে পুণ্ড্র বর্ধন নামে পরিচিত হয়।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- পুন্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম- দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

৮,৬৫৫.
কোন ব্রিটিশ গভর্নরের শাসনামলে ভারতীয় উপমহাদেশ স্বাধীন হয়?
  1. লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
  2. লর্ড বেন্টিংক
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. লর্ড কর্ণওয়ালিস
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
ব্যাখ্যা

• লর্ড মাউন্টব্যাটেন: 
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় ও গভর্নর জেনারেল ছিলেন। 
- তিনি ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন।
- ১৯৪৭ সালের মার্চ মাসে তিনি ভারতের ভাইসরয় নিযুক্ত হন।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেনের সময়ে ভারত উপমহাদেশ স্বাধীন হয়।
- ভাইসরয় হিসেবে তাঁর কার্যকাল সংক্ষিপ্ত হলেও এই সময়ে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- সেসব সিদ্ধান্তের মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উপমহাদেশের বিভক্তি এবং ভারত ও পাকিস্তানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর।
- লর্ড স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
- মাউন্টব্যাটেন কর্মজীবন থেকে অবসর নেওয়ার পরও ভারত বিষয়ে যথেষ্ট আগ্রহী ছিলেন। 

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৮,৬৫৬.
ইউনেস্কোর কততম সাধারণ অধিবেশনে আন্তর্জাতিকভাবে মুজিববর্ষ পালনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়?
  1. ক) ৩০তম
  2. খ) ৩৪তম
  3. গ) ৩৬তম
  4. ঘ) ৪০তম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো গত ১২-২৭ নভেম্বর ২০১৯ অনুষ্ঠিত ৪০তম সাধারণ অধিবেশনে আন্তর্জাতিকভাবে মুজিববর্ষ পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
এর ফলে বিশ্বের ১৯৩টি দেশে মুজিববর্ষ পালিত হচ্ছে। এছাড়া ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর নামে একটি পুরস্কার প্রবর্তনেরও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার)
৮,৬৫৭.
দুর্নীতি দমন কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যানের নাম কী? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. ড. আনোয়ারুল ইসলাম
  2. ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন
  3. ড. রুহুল আমীন
  4. ড. মিজানুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন:
- দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে ২০০৪ সালের ৯ মে দুদক আইন কার্যকরের মাধ্যমে পূর্বেকার দুর্নীতি দমন ব্যুরোর স্থলে দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়।
- এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
- এর কার্যালয়: ঢাকার সেগুনবাগিচা।

- দুর্নীতি দমন কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত।
- মহামান্য রাষ্ট্রপতি তিনজন কমিশনারের মধ্যে হতে একজনকে চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করে থাকেন।
- দুর্নীতি দমন কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যানের নাম ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- প্রথম নারী মহাপরিচালক শিরীন পারভীন।

- দুদক আইন ২০০৪ এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার যথাক্রমে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমান মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন।

তথ্যসূত্র - দুর্নীতি দমন কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮,৬৫৮.
সরকারি নথিতে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার নাম কী ছিল?
  1. ক) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
  2. খ) রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য
  3. গ) করাচি ষড়যন্ত্র মামলা
  4. ঘ) ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আগরতলা মামলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। - ১৯৬৮ সালের ৬ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা করে যে, পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য একটি ষড়যন্ত্র উদঘাটিত হয়েছে।
- এর সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজন আওয়ামী লীগ নেতা, সিভিল সার্ভিসের দুইজন বাঙালি কর্মকর্তাসহ ২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
- ১৮ জানুয়ারি আরেকটি প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে উক্ত মামলার ১নং
আসামী বলে ঘোষণা করা হয়।
- এই মামলার বিচারের জন্য একটি স্পেশাল ট্রাইবুনাল গঠিত হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য’।
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ হিসেবে।
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন ‘ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা’ নামে।
- কিন্তু ১৯৬৯-এর গণআন্দোলন জোরদার হয়ে উঠলে ২২ ফেব্রুয়ারি সরকার আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করে ও বিনাশর্তে ৩৫ জন অভিযুক্তকেই মুক্তি দেয়।
- ১৯৬৮ সালের ৬ জানুয়ারি সরকার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করে পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন করার এক ষড়যন্ত্রের কথা প্রকাশ করে ও একটি মামলা দায়ের করে।
- এই মামলার ১নং আসামী করা হয় শেখ মুজিবুর রহমানকে।
- মোট আসামীর সংখ্যা ছিল ৩৫।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৫৯.
কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ক) রোজ গার্ডেন
  2. খ) সিরাজগঞ্জ
  3. গ) সুনামগঞ্জ
  4. ঘ) সন্তোষে
সঠিক উত্তর:
ঘ) সন্তোষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সন্তোষে
ব্যাখ্যা

 ১৯৫৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টাঙ্গাইল জেলার কাগমারীর সন্তোষে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৮ ফেব্রুয়ারি মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে সম্মেলনটি আরম্ভ হয়।
- কাগমারী সাংস্কৃতিক সম্মেলন বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।
- ৭ ফেব্রুয়ারি কাউন্সিল অধিবেশনে মূল আলোচ্যসূচি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের জন্য পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন এবং জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি।
- কিন্তু সিয়াটো ও সেন্টোর সামরিক চুক্তির প্রতি আওয়ামী লীগ নেতা ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী দৃঢ় সমর্থন ব্যক্ত করলে সম্মেলনে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ষষ্ঠ শ্রেণি

৮,৬৬০.
১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন কে?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. তোফায়েল আহমেদ
  3. নূরুল ইসলাম 
  4. আ স ম আবদুর রব 
সঠিক উত্তর:
আ স ম আবদুর রব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আ স ম আবদুর রব 
ব্যাখ্যা

পতাকা উত্তোলন:
- ২ মার্চ ১৯৭১:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব প্রথমবারের মতো ২মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। 
- এই দিনটি পরবর্তীতে “পতাকা দিবস” হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
- আ. স. ম. আবদুর রব তখন ঢাবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি ছিলেন।
- স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে তিনি পতাকা উত্তোলন করেন।
- পতাকায় সবুজের ওপর লাল বৃত্তের মধ্যে সোনালি মানচিত্র আঁকা ছিল।

উল্লেখ্য,
• ৩ মার্চ ১৯৭১: 
- এই দিন জাতীয় সংগীত “আমার সোনার বাংলা”-র সঙ্গে পতাকাটি পুনরায় উত্তোলিত হয়;
- এটি ছিল প্রথমবার জাতীয় সংগীতের সঙ্গে পতাকা উত্তোলনের ঐতিহাসিক মুহূর্ত।
• ২৩ মার্চ ১৯৭১: 
- পাকিস্তান দিবসের পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে এই দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা গ্রহণ করা হয়।

উৎস :
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (নবম–দশম শ্রেণি);
বাংলাপিডিয়া।

৮,৬৬১.
হরিকেল জনপদের অবস্থান কোথায় ছিল?
  1. বাংলার পশ্চিম প্রান্তে
  2. বাংলার উত্তর প্রান্তে
  3. বাংলার দক্ষিণ প্রান্তে
  4. বাংলার পূর্ব প্রান্তে
সঠিক উত্তর:
বাংলার পূর্ব প্রান্তে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলার পূর্ব প্রান্তে
ব্যাখ্যা

প্রাচীন বাংলার জনপদ:
- হরিকেল:
- সপ্তম শতকের লেখকরা হরিকেল নামে অপর একটি জনপদের বর্ণনা করেছেন।
- এ জনপদের অবস্থান ছিল বাংলার পূর্ব প্রান্তে।
- সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এই জনপদ বিস্তৃত ছিল।

অন্যদিকে,
- সমতট:
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের প্রতিবেশী জনপদ হিসেবে সমতটের অবস্থান।
- কেউ কেউ মনে করেন, সমতট বর্তমান কুমিল্লার প্রাচীন নাম।
- গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী অঞ্চলকেই সম্ভবত বলা হতো সমতট।
- কুমিল্লা শহরের ১২ মাইল পশ্চিমে বড় কামতা এর রাজধানী ছিল।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে কয়েকটি প্রাচীন নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- শালবন বিহার এদের অন্যতম।

বরেন্দ্র:
- বরেন্দ্রী, বরেন্দ্র বা বরেন্দ্রভূমি নামে প্রাচীন বাংলায় অপর একটি জনপদের কথা জানা যায়।
- এটিও উত্তরবঙ্গের একটি জনপদ।
- অনুমান করা হয়, পুন্ড্রের একটি অংশ জুড়ে বরেন্দ্রর অবস্থান ছিল।
- বগুড়া, দিনাজপুর ও রাজশাহী জেলার অনেক অঞ্চল এবং সম্ভবত পাবনা জেলাজুড়ে বরেন্দ্র অঞ্চল বিস্তৃত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইহিহাস ও সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৬৬২.
‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের’ সময় বাংলার ইংরেজ গভর্নর ছিলেন কে?
  1. কার্টিয়ার
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. মাউন্টব্যাটেন
  4. কর্নওয়ালিস
সঠিক উত্তর:
কার্টিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্টিয়ার
ব্যাখ্যা

• ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
• ১১৭৬ বঙ্গাব্দ অর্থাৎ ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে।
• খাদ্যের অভাবে মােট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (১ কোটি) মৃত্যুমুখে পতিত হয়।
• তখন দিল্লীর সম্রাট ছিলেন শাহ আলম।
• জন কার্টিয়ার ১৭৬৯ থেকে ১৭৭২ সাল পর্যন্ত বাংলার ফোর্ট উইলিয়ম কাউন্সিলের গভর্নর ছিলেন।
• বাংলার ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ১৭৬৯-৭০ সালের মহাদুর্ভিক্ষের দ্বারা জন কার্টিয়ারের শাসনকাল সমালোচনার মুখে পড়ে।
• নায়েব দীউয়ান ও নায়েব নাজিম সৈয়দ মুহম্মদ রেজা খান আসন্ন দুর্ভিক্ষ সম্পর্কে বারবার জন কার্টিয়ারকে অবহিত করা সত্ত্বেও তিনি তার সতর্কবাণীকে তেমন গুরুত্ব দেন নি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

৮,৬৬৩.
বেঙ্গল প্যাক্টের প্রধান উদ্যোক্তা কে ছিলেন?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. সুভাষচন্দ্র বসু
  3. চিত্তরঞ্জন দাশ
  4. জওহরলাল নেহেরু
সঠিক উত্তর:
চিত্তরঞ্জন দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিত্তরঞ্জন দাশ
ব্যাখ্যা
বেঙ্গল প্যাক্টের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন চিত্তরঞ্জন দাশ (সি.আর দাশ)।

বেঙ্গল প্যাক্ট, ১৯২৩:

- ব্রিটিশ বিরোধী অহিংস খিলাফত ও অসহযোগ আন্দোলন সহিংস রূপ ধারণ করলে, মহাত্মা গান্ধী ১৯২২ সালে এ আন্দোলন প্রত্যাহার করেন।
- আন্দোলন তুঙ্গে থাকা অবস্থায় তা বন্ধ ঘোষণা করার পর পক্ষে-বিপক্ষে মতামত ব্যক্ত হতে থাকে।
- অপরদিকে, ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন অনুযায়ী প্রাদেশিক আইনসভার দ্বিতীয় নির্বাচন ১৯২৩ সালের শেষের দিকে অনুষ্ঠিত হবার কথা।
- গান্ধীর নেতৃত্বাধীন একটি অংশ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার বিপক্ষে ছিলেন না অপরদিকে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের (সি আর দাশ) এর নেতৃত্বাধীন আরেকটি অংশ নির্বাচনের পক্ষে ছিলেন।
- সি আর দাশের প্রস্তাব কংগ্রেস সম্মেলনে গৃহীত হয়নি এমতাবস্থায়, তিনি তাঁর সমর্থকদের নিয়ে ১৯২২ সালের ৩১শে ডিসেম্বর গঠন করেন স্বরাজ পার্টি।
- সি.আর দাশ ছিলেন সাম্প্রদায়িক ঐক্যের পক্ষের মানুষ। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তিনি ব্রিটিশদের সহযোগিতা করতে চাননি বরং নিয়মতান্ত্রিকভাবে ব্রিটিশদের বিরোধিতা করতে চেয়েছিলেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে তিনি নিজ প্রদেশ বাংলায় মুসলমান নেতৃবৃন্দের সাথে রাজনৈতিক সমঝোতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্যে ১৯২৩ সনে এক চুক্তি সাক্ষর করেন যা বেঙ্গল প্যাক্ট নামে পরিচিত।

⇒ বেঙ্গল প্যাক্টের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
১. বাংলায় প্রাদেশিক কাউন্সিল নির্বাচনে হিন্দু ও মুসলমান উভয় সম্প্রদায় জনসংখ্যার ভিত্তিতে প্রতিনিধিত্ব করবে।
২. স্থানীয় পরিষদ নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট এলাকার সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায় পাবে শতকরা ৬০ ভাগ আসন এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায় পাবে শতকরা ৪০ ভাগ আসন।
৩. মুসলমান সম্প্রদায়ের পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থার স্বীকৃতি।
৪. সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে মুসলমান সম্প্রদায়ের জন্য শতকরা ৪৫ ভাগ বরাদ্দ করা হয়। যতদিন পর্যন্ত হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের চাকরি লাভের একই অনুপাত অর্জিত না হবে, ততদিন পর্যন্ত মুসলমান সম্প্রদায়ের জন্য ৮০ ভাগ চাকরি লাভের বিধান রাখা হয়।
৫. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে হিন্দু ও মুসলমান উভয় সম্প্রদায় এমন কোন কাজ করবে না যা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে।

উল্লেখ্য,
- হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক সমঝোতার ক্ষেত্রে 'বেঙ্গল প্যাক্ট' নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ ছিল। অনগ্রসর মুসলিম জনগণের উন্নয়নে বেঙ্গল প্যাক্ট নিঃসন্দেহে কার্যকর ছিল। কিন্তু হিন্দু সম্প্রদায়ের বড় একটি অংশের বিরোধীতা ও সি আর দাশের হঠাৎ মৃত্যুতে বেঙ্গল প্যাক্ট মুখ থুবড়ে পড়ে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৬৪.
স্বাধীনতা যুদ্ধে বেসামরিক কতজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ‘বীর উত্তম’ খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ২ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়।
- এই প্রস্তাব উপস্থাপন করেন মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী।
- মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে তিনি এই প্রস্তাব করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।

⇒ মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক অবদানের জন্য ৬৭৬ জনকে খেতাব প্রদান করা হয়।
যথা:
• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
• বীর উত্তম ৬৮ জন,
• বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং
• বীর প্রতীক ৪২৬ জন।

উল্লেখ্য,
- কোন বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধাকে সর্বোচ্চ খেতাব 'বীর শ্রেষ্ঠ' দেয়া হয়নি।
- বীর উত্তম খেতাব দেয়া হয় ৬৮ জন মুক্তিযোদ্ধাকে, যার মধ্যে ৫ জন ছিলেন বেসামরিক।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, BBC.
৮,৬৬৫.
বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ নিচের কোনটি?
  1. সেন্টমার্টিন
  2. ভোলা
  3. কুতুবদিয়া
  4. মহেশখালী
সঠিক উত্তর:
ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোলা
ব্যাখ্যা
ভোলা:

- বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ ভোলা।
- ভোলা জেলার পূর্ব নাম দক্ষিন শাহবাজপুর।
- হিমালয় থেকে নেমে আসা ৩টি প্রধান নদী পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র বাহিত পলি দিয়ে মোহনায় গড়ে উঠেছে এ দ্বীপ।
- জেলাটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আয়তন - ৩,৪০৩.৪৮ বর্গ কিমি।
- ভোলা জেলা ৭টি উপজেলা, ১০টি থানা, ৫টি পৌরসভা, ৭০টি ইউনিয়ন ও ৪টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত।

তথ্যসূত্র - ভোলা জেলা ওয়েবসাইট ও শিক্ষক বাতায়ন।
৮,৬৬৬.
গৌড় নগরীকে ‘জান্নাতাবাদ’ নামে অভিহিত করেন কোন সম্রাট?
  1. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  2. সম্রাট আকবর
  3. সম্রাট হুমায়ুন
  4. সম্রাট আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
সম্রাট হুমায়ুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট হুমায়ুন
ব্যাখ্যা

সম্রাট হুমায়ুন:
- মুঘল বংশের প্রতিষ্ঠাতা জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবরের জ্যেষ্ঠপুত্র হুমায়ুন।
- বাবরের শাসনামলে হুমায়ুন বাদাখশান, হিসার ফিরোজা এবং সম্বলের শাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- পিতা বাবরের মৃত্যুর পর ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দের ৩০শে ডিসেম্বর মাত্র ২৩ বছর বয়সে পিতৃ মনোনয়ন অনুসারে হুমায়ুন ‘নাসির উদ্দিন মুহম্মদ হুমায়ুন' নাম ধারণ করে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- হুমায়ুনের শাসনামলে বাংলার রাজধানী ছিল গৌড়।
- সম্রাট হুমায়ুন বাংলার নতুন নামকরণ করেন 'জান্নাতাবাদ'।

উল্লেখ্য,
- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট জহিরউদ্দিন বাবর কর্তৃক ভারতবর্ষে মোগল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সম্রাট আকবর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা।
- সম্রাট আকবর এর প্রথম পুত্র জাহাঙ্গীর তাঁর পিতার উত্তরাধিকারী হিসেবে নূরুদ্দীন মুহম্মদ জাহাঙ্গীর উপাধি গ্রহণ করে ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দে আগ্রার সিংহাসনে আরোহণ করেন। তাঁর সময়ে ইসলাম খান বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হয়েছিলেন। তিনি ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামে এর নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া।

৮,৬৬৭.
জাতিসংঘ সদরদপ্তরে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুকে 'বিশ্ববন্ধু' হিসেবে আখ্যা দেন-
  1. আব্দুল মোমেন চৌধুরী
  2. হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
  3. আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
  4. বেগম রাবাব ফাতেমা
সঠিক উত্তর:
আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
গত ১৫ আগস্ট, ২০১৯ তারিখে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুকে 'বিশ্ববন্ধু' হিসেবে আখ্যা দেন- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী।
উৎসঃ দৈনিক পত্রিকা ও বিবিসি নিউজ।
৮,৬৬৮.
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসে যুক্ত হওয়া সর্বশেষ দুটি বিমানের নাম হলো-
  1. ক) আকাশতরী ও শ্বেত বলাকা
  2. খ) আকাশতরী ও হংস বলাকা
  3. গ) আকাশতরী ও গাংচিল
  4. ঘ) আকাশতরী ও শ্বেত কবুতর
সঠিক উত্তর:
ক) আকাশতরী ও শ্বেত বলাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আকাশতরী ও শ্বেত বলাকা
ব্যাখ্যা
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে বর্তমানে মোট উড়োজাহাজের সংখ্যা - ২১টি।
- ৫ মার্চ ২০২১ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিমান বহরে সর্বশেষ যুক্ত হয় 'শ্বেত বলাকা'।
- সম্পূর্ণ নতুন ড্যাশ ৮-কিউ ৪০০ শ্বেতবলাকা বাংলাদেশ ও কানাডা সরকারের মধ্যে জি টু জি ভিত্তিতে কেনা।
- ১৪ই মার্চ আকাশতরী ও শ্বেতবলাকা বিমানের বাণিজ্যিক যাত্রার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎসঃ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ওয়েবসাইট এবং লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মার্চ-এপ্রিল, ২০২১।
৮,৬৬৯.
বরিশালের প্রাচীন নাম কী ছিল?
  1. চন্দ্রদ্বীপ
  2. তাম্রলিপ্তি
  3. রাঢ়
  4. হরিকেল
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রদ্বীপ
ব্যাখ্যা
চন্দ্রদ্বীপ:
- বরিশালের প্রাচীন নাম ছিল চন্দ্রদ্বীপ। 
- প্রাচীন বাংলায় একটি ক্ষুদ্র জনপদের নাম হলো চন্দ্রদ্বীপ।
- বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখণ্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বোর্ড বই।
৮,৬৭০.
ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইট পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. টিক্কা খান
  2. এ কে নিয়াজী
  3. রাও ফরমান আলী
  4. পিরজাদা
সঠিক উত্তর:
রাও ফরমান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর 'অপারেশন সার্চ লাইট' পরিচালনা করে। এতে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে গণহত্যা চালানো হয়।
১৮ মার্চ টিক্কা খান এবং রাও ফরমান আলী অপারেশন সার্চ লাইটের নীলনকশা প্রস্তুত করেন। সব প্রস্তুতি শেষে ২৫ মার্চ এ অপারেশন চালানো হয়।
মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইট পরিচালনার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়।
(উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৮,৬৭১.
কোন সুলতান 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' উপাধি ধারণ করেন?
  1.  আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  2. গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
  3. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  4. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা

শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ: 
- ইলিয়াস শাহের রাজত্বকাল বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল অধ্যায়।
- একজন সামান্য শাসক থেকে একত্রিত বৃহৎ বাংলা প্রতিষ্ঠিত করে এখানে সুষ্ঠু প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করে জনকল্যাণমূলক শাসন প্রতিষ্ঠিত করায় ইলিয়াস শাহ বাংলার ইতিহাসে উচ্চ স্থান অধিকার করে আছেন।
- দুইবাংলার সমগ্র সীমানাকে একত্রিত করে বাঙ্গালাহ নামটি তাঁর সময়েই প্রচলিত হয় এবং শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহকে শাহ-ই-বাঙ্গালাহ বলা হয়।
- তাঁর রাজত্বকালে বাঙালিরা সর্বপ্রথম একটি জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এ সময় বাংলার লোকেরা বাঙালি হিসেবে পরিচিত হয়।
- এ কারণে ঐতিহাসিকগণ তাঁকে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক' বলে উল্লেখ করেছেন।
- বাংলার ইতিহাসের এ মহানায়ক সুদীর্ঘ ১৬ বছর রাজত্ব করার পর ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৬৭২.
“অপরাজেয় বাংলা” কী?
  1. ক) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্রকর্ম
  2. খ) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য
  3. গ) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ম্যুরালচিত্র
  4. ঘ) একটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক স্থাপনা
সঠিক উত্তর:
খ) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য অপরাজেয় বাংলা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সম্মুখ প্রাঙ্গনে অবস্থিত। এটির স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ।
১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর এটি উদ্বোধন করা হয়।
অপরাজেয় বাংলা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
৮,৬৭৩.
ইয়াহিয়া খান কবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন?
  1. ক) ২২ শে ফেব্রুয়ারী
  2. খ) ১০ মার্চ
  3. গ) ২১ মার্চ
  4. ঘ) ২৫ শে মার্চ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫ শে মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫ শে মার্চ
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থানে আইয়ুব খান ২৫ শে মার্চ সেনাপ্রধান ইয়াহিয়া খানের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে পদত্যাগে বাধ্য হন। ইয়াহিয়া খান ক্ষমতা গ্রহণ করে দেশে সামরিক শাসন জারি করেন। মুক্তিযুদ্ধে পাকবাহিনী আত্মসমর্পণ করলে ২০ ডিসেম্বর ১৯৭১ তিনি জুলফিকার আলী ভুট্টোর হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে পদত্যাগ করেন। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৮,৬৭৪.
কত সালে Dacca বানানকে Dhaka বানানে রূপান্তর করা হয়?
  1. ১৯৭৬
  2. ১৯৮২
  3. ১৯৮৫
  4. ১৯৮৮
সঠিক উত্তর:
১৯৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২
ব্যাখ্যা

• Dacca বানান থেকে Dhaka বানানে রূপান্তর: 
- ব্রিটিশ শাসনামলে বর্তমান রাজধানী ঢাকার নাম ছিল ইংরেজি বানানে ‘Dacca’।
- এই ‘Dacca’ (ডাক্কা) থেকে Dhaka (ঢাকা) নামকরণ করেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জেনারেল এরশাদ। 
- তার সরকারের সময় ১৯৮২ সালে এই পরিবর্তন আনা হয়।
- 'Dacca' বানানটি ব্রিটিশ শাসনকালেপ্রচলিত হয়, যা বাংলা 'ঢাকা' শব্দের উচ্চারণ থেকে বিচ্যুত। 
- ইসলাম খাঁর আমলে ১৬১০ সালে ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থানান্তর করেন।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়। 

তথ্যসূত্র: যুগান্তর ও বাংলা ট্রিবিউন। 

৮,৬৭৫.
জাতীয় জরুরী সেবা '৯৯৯' কবে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা

জাতীয় জরুরী সেবা '৯৯৯':
- রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্য নিয়ে ২০১৭ সালে ৯৯৯ কার্যক্রম চালু হয়।
- এটি বাংলাদেশের জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর। যেকোনো দুর্ঘটনার মুখোমুখি হলে জরুরি সেবা পেতে দেশের যেকোনো স্থান থেকে যে কেউ এ নম্বরে ফোন করতে পারেন।
- যেকোনো ফোন থেকে বিনা মূল্যে এ নম্বরে কল করা যায়।
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত এ জরুরি সেবার সঙ্গে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ যুক্ত রয়েছে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
ii) প্রথম আলো। 

৮,৬৭৬.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে কত জনের খেতাব বহাল রয়েছে?
  1. ৬৭০ জন
  2. ৬৭২ জন
  3. ৬৭৪ জন
  4. ৬৭৬ জন
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৮,৬৭৭.
শহীদ আবু সাঈদ কবে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন?
  1. ১৫ জুলাই, ২০২৪
  2. ১৬ জুলাই, ২০২৪
  3. ১৮ জুলাই, ২০২৪
  4. ২০ জুলাই, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১৬ জুলাই, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ জুলাই, ২০২৪
ব্যাখ্যা

শহীদ আবু সাঈদ:
- রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তিনি রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন।
- কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি লুটিয়ে পড়েন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন।
- ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান হাসিনা।

উৎস: i) বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।

৮,৬৭৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় গেরিলা বাহিনী হিসেবে 'হেমায়েত বাহিনী' কোথায় গঠিত হয়?  
  1. ফরিদপুর
  2. সিরাজগঞ্জ
  3. টাঙ্গাইল
  4. ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা বাহিনী:

• মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদশেকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
• বাংলাদেশের অভ্যন্তরে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গেরিলা বাহিনী হল: 
- টাঙ্গাইলের কাদের সিদ্দিকীর কাদেরিয়া বাহিনী, 
- সিরাজগঞ্জে রফিক মির্জা বাহিনী, 
- ফরিদপুরের হেমায়েত বাহিনী, 
- ঝিনাইদহের আকবর বাহিনী, 
- বরিশালের কুদ্দুস বাহিনী, 
- ময়মনসিংহের আফসার বাহিনী প্রভৃতি।
• ভারতের বাহিনীর মেজর জেনারেল ওবানের অধীনে বঙ্গবন্ধুর নামে 'মুজিব বাহিনী' নামে একটি বাহিনী গঠিত হয়। 
• ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ এ.কে. খন্দকারের নেতৃত্বে গঠিত হয় বিমান বাহিনী। 
• পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করা নৌসেনাদের নিয়ে গঠিত হয় বাংলাদেশ নৌবাহিনী। 
• ৯ নভেম্বর, ১৯৭১ উদ্বোধন করা হয় প্রথম নৌবহর 'বঙ্গবন্ধু নৌবহর'। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৭৯.
৭ মার্চ ১৯৭১ এর বঙ্গবন্ধুর ভাষণের মূল বক্তব্য কি ছিল?
  1. ক) স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা মুক্তি সংগ্রামের ঘোষণা
  2. খ) পুনরায় নির্বাচন দাবি
  3. গ) সামরিক আইন জারি করা
  4. ঘ) অনশন ধর্মঘট আহবান
সঠিক উত্তর:
ক) স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা মুক্তি সংগ্রামের ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা মুক্তি সংগ্রামের ঘোষণা
ব্যাখ্যা

৭ মার্চ এর ভাষণটিকে পরোক্ষভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষনা হিসেবেই বিবেচনা করা হয়ে থাকে।
উৎসঃ বিবিসি নিউজ।
৭ মার্চ ‘জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস’
- ভাষণকালঃ ৭ মার্চ, ১৯৭১
- স্থানঃ রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)
- ভাষণ শুরুঃ বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে
- মোট সময়ঃ ১৮ মিনিট (মতান্তরে ১৯ মিনিট)
- ভিডিও রেকর্ডকারীঃ পাকিস্তান চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক ও অভিনেতা আবুল খায়ের
- অডিও রেকর্ডকারীঃ এ এইচ খন্দকার
- প্রথম লাইনঃ ভাইয়েরা আমার, আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।
- শেষ লাইনঃ এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।
- শব্দ সংখ্যাঃ ১,১০৮টি
- ভাষণে দাবি ছিলঃ ৪টি
- সংবিধানের তফসিলে সংযুক্ত হয়ঃ ৩০ জুন ২০১১ জাতীয় সংসদে পাশ হওয়া সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে পঞ্চম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ভাষণটিকে UNESCO বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য ঘোষণা করেঃ ৩০ অক্টোবর ২০১৭
- ভাষণটি অনুদিত হয় (জুলাই ২০২০ পর্যন্ত): ১২টি ভাষায়।
উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার – আগস্ট ২০২০

৮,৬৮০.
প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. আমিনুল ইসলাম
  2. আকরাম খান
  3. গাজী আশরাফ হোসেন
  4. নাইমুর রহমান
সঠিক উত্তর:
নাইমুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইমুর রহমান
ব্যাখ্যা
টেস্টে প্রথম:

- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
৮,৬৮১.
ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি কোন রাজাকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন?
  1. হেমন্ত সেন
  2. বল্লাল সেন
  3. লক্ষ্মণ সেন
  4. বিজয় সেন
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মণ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মণ সেন
ব্যাখ্যা

ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি:
- ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি ছিলেন বাংলার দিল্লি সুলতানাতের একজন মুসলিম সুলতান।
- তিনি ছিলেন একজন তুর্কি সেনাপতি এবং আফগানিস্তানের গরমশির এলাকার অধিবাসী ছিলেন।
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- তিনি ১২০৪ সালে বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন। ত্রয়োদশ শতকে তার নদীয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৮,৬৮২.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় কয়টি সেক্টর গঠন করা হয়েছিল?
  1. ৫টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ: 
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সামরিক, বেসামরিক জনগণকে নিয়ে একটি মুক্তিযোদ্ধা বাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
- সরকার বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে ১১জন সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ করেছিল।
- এ ছাড়া বেশ কিছু সাব-সেক্টর এবং তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়।
- এসব বাহিনীতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালি সেনা কর্মকর্তা, সেনা সদস্য, পুলিশ, ইপিআর, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যগণ যোগদান করেন।
- প্রতিটি সেক্টরেই নিয়মিত সেনা, গেরিলা ও সাধারণ যোদ্ধা ছিল।
- এরা মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিফৌজ নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৮,৬৮৩.
বহির্বিশ্বে মুজিবনগর সরকারের প্রথম মিশন স্থাপিত হয় কোথায়?
  1. ক) কলকাতা
  2. খ) লন্ডন
  3. গ) দিল্লি
  4. ঘ) ওয়াশিংটন
সঠিক উত্তর:
ক) কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কলকাতা
ব্যাখ্যা
বহির্বিশ্বে মুজিবনগর সরকারের মিশন স্থাপন

- বহির্বিশ্বে মুজিবনগর সরকারের তৎপরতার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হচ্ছে কলকাতা, দিল্লি, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক ও স্টকহোম সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ সরকারের মিশন স্থাপন এবং ঐসব স্থানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি নিয়োগ করে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রচারণা ও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করা।

ভারতে বাংলাদেশ মিশন স্থাপন
- মুক্তিযুদ্ধ শুরুর প্রথম দিকেই মুজিবনগর সরকার দিল্লি ও কলকাতায় বাংলাদেশের দু'টি মিশন স্থাপন করে।
- নয়াদিল্লিতে মিশন প্রধান ছিলেন হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী এবং কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন জনাব হোসেন আলী।
- ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণের পর ১৮ এপ্রিল কলকাতাস্থ পাকিস্তান মিশনের সহকারী কমিশনার জনাব হোসেন আলী ১০ জন সহকর্মীসহ বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন এবং পাকিস্তান মিশন ভবন হতে পাকিস্তানি পতাকা নামিয়ে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।
- বিদেশে কলকাতাতেই প্ৰথম বাংলাদেশ মিশন স্থাপিত হয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৮৪.
ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ-এর স্বাধীন বাংলার প্রথম রাজধানী কোনটি ছিল?
  1. গৌড় 
  2. লক্ষ্মণাবতী
  3. সোনারগাঁও
  4. কর্ণসুবর্ণ
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা

ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ:
- ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা।
- তাঁর প্রতিষ্ঠা করা বাংলার প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের রাজধানী হয় সোনারগাঁও। ইতিহাসবিদরা বলেন, এটাই সোনারগাঁ-এর সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। 

উল্লেখ্য,
- তিনি দিল্লির তুগলক সুলতানের অধীনে সোনারগাঁয়ের শাসনকর্তা বাহরাম খানের সিলাহদার বা অস্ত্রাগারের তত্ত্বাবধায়ক হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন। ১৩৩৭ সালে বাহরাম খানের মৃত্যুর পর ফখরুদ্দীন সোনারগাঁয়ের শাসন ক্ষমতা করায়ত্ত করেন। ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে বাংলায় দু'শো বছরের স্বাধীন ইতিহাসের সূচনা হয়। তিনি কুমিল্লা, নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম জয় করেন।

• ফখরুদ্দীন মুবারক শাহের রাজত্বকালে মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা বাংলায় সফর করেন। তিনি বাংলায় তাঁর ভ্রমণের এক মূল্যবান বিবরণ লিপিবদ্ধ করে যান। এ বিবরণে বাংলার প্রাকৃতিক দৃশ্য, অধিবাসীদের জীবনের বিভিন্ন দিক এবং দেশের সমৃদ্ধির প্রাণবন্ত বর্ণনা পাওয়া যায়। তিনি তাঁর বিবরণে ফখরুদ্দীনের চারিত্রিক গুণাবলির প্রশংসা করে তাঁকে একজন খ্যাতনামা নরপতি হিসেবে মূল্যায়ন করেন।

• ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ বাংলায় সর্বাধিক সুদৃশ্য মুদ্রার রূপকার, চারুশিল্প ও হস্তশিল্পের পৃষ্ঠপোষক, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারক, বহিরাগত ও ফকির-দরবেশদের উদার পৃষ্ঠপোষক, মসজিদ সমাধিসৌধ ও সড়ক নির্মাতা, আরাকানি মগদের অত্যাচার ও লুণ্ঠন থেকে রাজ্যের জনগণের রক্ষক এই মহান নৃপতি বাংলার ইতিহাসে এক উজ্জল স্বাক্ষর রেখে গেছেন। ব
- ১৩৪৯ খ্রিস্টাব্দে (৭৫০ হিজরি) সোনারগাঁয়ে ফখরুদ্দীন মুবারক শাহের মৃত্যু হয়।

উৎস: i) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৮,৬৮৫.
ঢাকা সর্বপ্রথম বাংলার রাজধানী হয় কবে? 
  1. ১৯০৫ সালে
  2. ১৬১০ সালে 
  3. ১৭১৭ সালে 
  4. ১৯৪৭ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৬১০ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১০ সালে 
ব্যাখ্যা

• ঢাকায় সর্বপ্রথম বাংলার রাজধানী স্থাপিত হয় — ১৬১০ খ্রিঃ। 

• রাজধানী হিসেবে ঢাকা:
- এটি বাংলাদেশের — বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর।
- মুঘল সম্রাট আকবরের সময় বাংলার রাজধানী ছিল — বিহারের রাজমহল।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছানুযায়ী — ১৬১০ সালে ঢাকাকে সর্বপ্রথম সুবাহ বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম — 'জাহাঙ্গীরনগর' রাখা হয়।

উল্লেখ্য, 
• ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার শাহ সুজা রাজধানী আবার রাজমহলে স্থানান্তর করেছিলেন। শাহ সুজার পতনের পর ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মীর জুমলা আবার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।

• ১৭১৭ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মুর্শিদ কুলি খান রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকাকে আসাম ও বাংলার রাজধানী করা হয়।

• কংগ্রেসের বাধার মুখে ব্রিটিশ রাজ আবার ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতায় ফিরিয়ে নেয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান এবং স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলা নামে নতুন প্রদেশের রাজধানী হওয়ায় ঢাকার উথানে অধিকতর স্থায়ী উন্নয়ন সাধিত হয়।

• ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক , প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে।

তথ্যসূত্র: ঢাকা জেলা, dhaka.gov.bd.জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮,৬৮৬.
হুসেন শাহি যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান কে ছিলেন? 
  1. হোসেন মুজাফফর শাহ 
  2. সুলতান সিকান্দার লোদী 
  3. সুলতান নুসরত শাহ
  4. সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
ব্যাখ্যা
সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ:

• সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহি যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান। 
• তিনি সৈয়দ হোসেন হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে সিংহাসনে বসেন এবং সুলতান হয়ে 'আলাউদ্দিন হুসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন। 
• তিনি আরব দেশীয় সৈয়দ বংশের লোক ছিলেন। 
• তাঁর শাসনামল ছিল ১৪৯৮ থেকে ১৫১৯ সাল পর্যন্ত। 
• তিনি বাংলার আকবর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। 
• তাঁর আমলে শ্রী চৈতেন্যদেব “বৈষ্ণব ধর্ম” প্রচার করেন। 
• তাঁর সমাধি চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী তাঁরই প্রতিষ্ঠিত ছোট সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৬৮৭.
ইউনেস্কো ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ’কে ‘Memory of the World International Heritage Register’-এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে-
  1. ক) ২০১৫ সালে
  2. খ) ২০১৬ সালে
  3. গ) ২০১৭ সালে
  4. ঘ) ২০১৮ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
২০১৭ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ’কে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা, ইউনেস্কো (UNESCO) ।
-ভাষণটি ইউনেস্কো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য “Memory of the World International Heritage Register'-এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
-এ পর্যন্ত এসব স্বীকৃতির মধ্যে ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকেই প্রথম পাণ্ডুলিপিবিহীন এবং অলিখিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
৮,৬৮৮.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ‘হোয়াইট গোল্ড’ নামে পরিচিত?
  1. গলদা চিংড়ি
  2. মৎস্য
  3. পোশাক শিল্প
  4. ঔষধ
সঠিক উত্তর:
গলদা চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গলদা চিংড়ি
ব্যাখ্যা
হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উৎপাদিত হচ্ছে.
- তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- চিংড়ি খাত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাতে পরিণত হয়েছে।

উৎস: ১৬ আগস্ট ২০২৩, প্রথম আলো।
৮,৬৮৯.
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা সংবিধানের কোন তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে?
  1. ক) চতুর্থ তফসিল
  2. খ) পঞ্চম তফসিল
  3. গ) ষষ্ঠ তফসিল
  4. ঘ) সপ্তম তফসিল
সঠিক উত্তর:
গ) ষষ্ঠ তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ষষ্ঠ তফসিল
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে। ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে নতুন করে ৩টি তফসিল যথা: পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম তফসিল যুক্ত করা হয়।
অন্যদিকে,
- ৫ম তফসিল : বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ।
- ৭ম তফসিল : ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
- ৪র্থ তফসিল : ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
৮,৬৯০.
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কে?
  1. দেবপাল
  2. ধর্মপাল
  3. মহীপাল
  4. গোপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুর বৌদ্ধ: 
- পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ধর্মপাল।
- তিনি বাংলার পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা এবং সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক হিসেবে পরিচিত।
- ধর্মপাল সোমপুর মহাবিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- এটি ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র।
- পাল শাসকগণ বৌদ্ধ ধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এবং ধর্মপাল বিশেষভাবে বিক্রমশীল মহাবিহার এবং সোমপুর মহাবিহার প্রতিষ্ঠার জন্য বিখ্যাত।
- পাহাড়পুর বিহার গুপ্ত ও পাল স্থাপত্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন বহন করে।
- এটি এখন ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত।
- ধর্মপালের শাসনামলে বাংলা ছিল বৌদ্ধ সংস্কৃতি ও শিক্ষার কেন্দ্রবিন্দু।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
৮,৬৯১.
পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠনকালে ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন-
  1. লর্ড রিপন
  2. লর্ড হার্ডিঞ্জ
  3. লর্ড কার্জন
  4. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
সঠিক উত্তর:
লর্ড কার্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা

• বঙ্গভঙ্গ:
- হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকল বাঙালি লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনার বিরোধিতা করে। 
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করে দুটি প্রদেশ করা হয়।
- পূর্ব বঙ্গের ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগের সাথে জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা, মালদাহ ও আসামকে যুক্ত করে পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশ নামে একটি নতুন প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়।
- পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠনকালে ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন লর্ড কার্জন।
- নতুন প্রদেশের রাজধানী করা হয় ঢাকা।
- অন্য দিকে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে আরেকটি প্রদেশ হয় ।
- এর নামকরণ করা হয় বাংলা প্রদেশ।
- বাংলা প্রদেশের রাজধানী করা হয় কলকাতা ।

উৎস: ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৬৯২.
অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি কে গ্রহণ করেন?
  1. ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. লর্ড ক্যানিং
  4. রবার্ট ক্লাইভ
সঠিক উত্তর:
লর্ড ওয়েলেসলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ওয়েলেসলি
ব্যাখ্যা

অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি:
- জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি হস্তক্ষেপ না করার নীতিকে পরিবর্তন করেন এবং অধীনতামূলক মিত্রতার নীতি গ্রহণ করেন।
- এই নীতি অনুযায়ী ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণবর্হিভূত দেশীয় রাজ্যগুলোকে ব্রিটিশদের অধীনে ও নিরাপত্তায় থেকে রাজ্য শাসনে অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতা প্রদান করা হতো।
- এই নীতির মাধ্যমে হায়দ্রাবাদ ও মারাঠারাজ্য কোম্পানির অধীনে আসে।
- টিপু সুলতান এই নীতিগ্রহণে অস্বীকার করলে চতুর্থ মহীশূর যুদ্ধে তিনি ব্রিটিশদের নিকট পরাজিত ও নিহত হন।

উল্লেখ্য,
- ওয়ারেন হেস্টিংস অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির সূচনা করেন। আর এই নীতি নিপুণতার সাথে ব্যাপকভাবে কার্যকর করেন লর্ড ওয়েলেসলি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৬৯৩.
ভাষা আন্দোলন চলাকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ফিরোজ খান নুন
  2. নুরুল আমিন
  3. গোলাম মুহাম্মদ
  4. খাজা নাজিমুদ্দীন
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমুদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমুদ্দীন
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন চলাকালীন শাসকগণ:
- পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী: খাজা নাজিমউদ্দিন,
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী: নুরুল আমিন,
- পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল: গোলাম মুহাম্মদ,
- পূর্ব বাংলার গভর্নর: ফিরোজ খান নুন।

⇒ ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি:
- ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় দিনটি ছিল বাংলা ১৩৫৮ সনের ৮ ফাল্গুন, দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৮,৬৯৪.
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে ছিলেন?
  1. নিতুন কুণ্ডু
  2. শামীম শিকদার
  3. আমিনুল ইসলাম
  4. হামিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার:
- শহিদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে।
- ১৯৫৭ সালে বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান ও নভেরা আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশোধিত আকারে শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ কাজ শুরু হয়। 
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,৬৯৫.
কোন মুঘল সুবাদার বারো ভূঁইয়াদের পরাজিত করে ঢাকা অধিকার করেন?
  1. সুবাদার মুনিম খান
  2. সুবাদার মীর জুমলা
  3. সুবাদার ইসলাম খান
  4. সুবাদার শায়েস্তা খান
সঠিক উত্তর:
সুবাদার ইসলাম খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুবাদার ইসলাম খান
ব্যাখ্যা
মুঘল সুবাদার ইসলাম খান বারো ভূঁইয়াদের পরাজিত করে ঢাকা অধিকার করেন।

সুবাদার ইসলাম খান চিশতি:

- সুবাদার ইসলাম খান চিশতিকে বাংলা প্রদেশের শ্রেষ্ঠ সুবাহদার হিসেবে গণ্য করা হয়।
- প্রকৃত নাম শেখ আলাউদ্দীন চিশতি।
- ইসলাম খান ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় আসেন এবং ঢাকাকে সুবাহ বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে এর নাম করেন জাহাঙ্গীরনগর।
- তিনি লোহার পুল নির্মান করেন এবং দোলাই খাল খনন করেন।

⇔ বারো ভূঁইয়া:
- বাংলায় কররানী বংশের রাজত্ব দুর্বল হয়ে পড়লে বাংলার সোনারগাঁ, খুলনা, বরিশাল প্রভৃতি অঞ্চলে কিছুসংখ্যক জমিদার স্বাধীন রাজার মতো রাজত্ব শুরু করে।
- ১৫৭৬ সালে সম্রাট আকবর পশ্চিম বাংলা ও উত্তর বাংলার অধিকাংশই দখল করে নেন।
- এক দল জমিদার বা ভূস্বামী একযোগে পূর্ব বাংলার ওপর মোগল আক্রমণ প্রতিহত করেন।
- এরাই বারো ভূঁইয়া নামে পরিচিত।
- বারো ভূঁইয়াদের প্রধান ছিলেন ঈশা খাঁ।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসন আমলেও বারো ভূঁইয়ারা মোগলবিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

⇒ এ বারো ভূঁইয়াদের মধ্যে সোনারগাঁও এর ঈসা খাঁ ও তার পুত্র মুসা খাঁ, যশোহরের প্রতাপদিত্য, বিক্রমপুরের কেদার রায় ও চাঁদ রায়, বরিশালের কন্দর্প নারায়ণ, ফরিদপুরের মুকুন্দ রাম রায়, নোয়াখালীর লক্ষণ মাণিক্য, নাটোরের কংস নারায়ণ, বাকুড়ার বীর হাম্মীর, ভাওয়ালের ফজল গাজী, চন্দ্রপ্রতাপের চাঁদ গাজ, পুটিয়ার পীতাম্বর রায় এবং দিনাজপুরের প্রমথ রায় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- এছাড়াও বাহাদুর গাজী, সোনা গাজী, ওসমান কান, রাজা ছত্রজিৎ ও রাজা অনন্ত মাণিক্যও বারো ভূঁইয়াদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
- তবে শেষ পর্যন্ত বারো ভূঁইয়াগণ মুঘল সুবাদার ইসলাম খানের হাতে পরাজিত হন এবং মুঘল বশ্যতা স্বীকার করেন।
- ফলে বাংলায় মুঘল শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) ইতিহাস, এসএএস এইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৮,৬৯৬.
কোন জেলা ভারতের সীমান্তের সাথে নয়?
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. রংপুর
  3. নওয়াবগঞ্জ
  4. মেহেরপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত:
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের সেভেন সিস্টার্সভুক্ত চারটি রাজ্যসহ মোট ৫টি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে।
- এগুলো হলো: পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম।
- বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও ও নবাবগঞ্জ জেলার দক্ষিণ ও পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- রংপুর ভারতের সীমান্তের সাথে নয়।
- রংপুর জেলার উত্তরে লালমনিরহাট, পূর্বে কুড়িগ্রাম, দক্ষিণ-পূর্বে গাইবান্ধা, উত্তর-পশ্চিমে নীলফামারী এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে দিনাজপুর জেলা অবস্থিত। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,৬৯৭.
বাংলায় সেন বংশের শাসন কোন শতকে শুরু হয়?
  1. দশম শতকে
  2. তেরো শতকে
  3. বার শতকে
  4. এগারো শতকে
সঠিক উত্তর:
এগারো শতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগারো শতকে
ব্যাখ্যা

• সেন বংশ (১০৬১-১২০৪ খ্রিষ্টাব্দ):
- প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে এগারো শতকের অন্তিমলগ্নে পাল বংশের অবসান ঘটিয়েসেন শাসনের সূচনা হয়।
- ধারণা করা হয় তারা এদেশে ছিলেন বহিরাগত। সেনদের পূর্বপুরুষদের আদি বাস ছিল দাক্ষিণ্যাত্যের কর্নাটে।
- বাংলায় সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন হেমন্ত সেন।
- তিনি শেষ বয়সে কর্নাট থেকে এসে রাঢ় অঞ্চলে গঙ্গা নদীর তীরে বসতি স্থাপন করেন।

- ধারণা করা হয় যে, তিনি পাল রাজা রাম পালের অধীনে একজন সামন্ত রাজা ছিলেন। 
- হেমন্ত সেনের পুত্র বিজয় সেন ১০৯৮ সাল থেকে ১১৬০ সাল পর্যন্ত বাংলায় রাজত্ব করেন।
- বিজয় সেন সম্ভবত পালরাজা রামপালের রাজত্বকালে রাঢ় অঞ্চলে প্রথমে সামন্তরাজা ছিলেন।
- বিজয় সেন পালরাজা রামপালকে বরেন্দ্র উদ্ধারে সাহায্য করেছিলেন। 
- বাংলাদেশে বিজয় সেনের সময়ই সেন বংশের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৬৯৮.
Who discovered the water route from Europe to India?
  1. Vasco-the-Gamma
  2. Bartholomew Diaz
  3. Alvarez Cabral
  4. Albukark
  5. None of the above
সঠিক উত্তর:
Vasco-the-Gamma
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vasco-the-Gamma
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় আগমন:
- ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দে আফ্রিকার উত্তমাশা অন্তরীপ অতিক্রম করে ভাস্কো-দ্য-গামা কালিকট বন্দরে উপস্থিত হন।
- ভাস্কো-দ্য-গামা  প্রথম ইউরোপ থেকে ভারতের জলপথ আবিস্কার করেন।
- পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দ্য-গামার উপমহাদেশে আসার পরপরই পর্তুগিজরা এ দেশে আসতে শুরু করে। 
- এরপর ১৪৮৭ খ্রিস্টাব্দে বার্থলমিউ দিয়াজ, আলভারেঞ্জ ক্যাব্রাল ও ১৫০৯ খ্রিস্টাব্দে আলবুকার্ক গোয়াতে আগমন করেন। 
- পরবর্তীকালে এই জলপথ দিয়েই পর্তুগিজ, ডাচ, ইংরেজ, ফরাসি, সুইডিশ, অস্ট্রিয়ান ও অন্যান্য ইউরোপীয় বণিকগণ ক্রমান্বয়ে উপমহাদেশে এসে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেছিল।
- আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
- কলম্বাস এবং ম্যাজিলানও বিখ্যাত পর্তুগিজ নাবিক ছিলেন।
- পর্তুগিজরা বাংলাদেশের চট্টগ্রামেও বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে এবং কুঠিগুলোকে দুর্গে পরিণত করে। 

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এসসি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৯৯.
রাজা চন্দ্রগুপ্তের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন –
  1. ক) কৌটিল্য
  2. খ) কনফুসিয়াস
  3. গ) শীলভদ্র
  4. ঘ) হেমন্ত
সঠিক উত্তর:
ক) কৌটিল্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কৌটিল্য
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন ভারতের শ্রেষ্ঠ দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, সমরবিদ কৌটিল্য মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এর পরামর্শদাতা বা উপদেষ্টা বা মন্ত্রিসভার সভ্য ছিলেন।
- তিনি চাণক্য ও বিষ্ণুগুপ্ত নামেও পরিচিত।
- চাণক্য রচিত গ্রন্থ হলো অর্থশাস্ত্র।
- এই বইয়ে রাজনীতি, অর্থনীতি, সমরনীতি, কৃষি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮,৭০০.
কোন সংগঠনের পক্ষ থেকে ‘স্বাধীনতার ইশতেহার’ প্রচার করা হয়?
  1. ক) পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ
  2. খ) সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
  3. গ) স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
  4. ঘ) গণতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিষদ
সঠিক উত্তর:
গ) স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১ মার্চ ছাত্রলীগ ও ডাকসু নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে ‘স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। ৩ মার্চ এই পরিষদের পক্ষ থেকে পল্টন ময়দানে আয়োজিত জনসভায় স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করা হয়।
ছাত্রলীগ নেতা শাহজাহান সিরাজ এই ইশতেহার পাঠ করেন।
এতে মোট ৫টি দফা বা ঘোষণা ছিলো।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন)