বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৭৫ / ১২৪ · ৭,৪০১৭,৫০০ / ১২,৪২১

৭,৪০১.
মেজর আবু তাহের কত নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন?
  1. ৭ নং সেক্টর
  2. ৮ নং সেক্টর
  3. ৯ সেক্টর
  4. ১১ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
১১ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০-১৭ জুলাই কলকাতায় তাজউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত যুদ্ধাঞ্চলের অধিনায়কদের সম্মেলনে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
প্রত্যেক সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়। ১১টি সেক্টরকে ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
এর মধ্যে টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে ১১ নং সেক্টর গঠিত হয়। এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু তাহের এবং পরবর্তীতে উইং কমান্ডার এম. হামিদুল্লাহ।

অন্যদিকে,

১৭ নং সেক্টর কমান্ডার:
- মেজর নাজমুল হক
- সুবেদার মেজর এ. রব
- মেজর কাজী নূরুজ্জামান

৮ নং সেক্টর:
- মেজর আবু ওসমান চৌধুরী
- মেজর এম.এ মঞ্জুর

৯ নং সেক্টর:
- মেজর এম. এ জলিল
- মেজর এম. এ মঞ্জুর।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র)
৭,৪০২.
বাংলাদেশের শীতলতম স্থান কোনটি?
  1. লালপুর
  2. শ্রীমঙ্গল
  3. ভোলাগঞ্জ
  4. তেতুলিয়া
সঠিক উত্তর:
শ্রীমঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীমঙ্গল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান লালপুর, নাটোর।
- বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস এপ্রিল।
- বাংলাদেশের শীতলতম মাস জানুয়ারি।
- বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা রাজশাহী।
- বাংলাদেশের শীতলতম জেলা সিলেট।
- বাংলাদেশের শীতলতম স্থান শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।

তথ্যসূত্র - বাংলিপিডিয়া।
৭,৪০৩.
বাংলাদেশের ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য কয়টি?
  1. ক) ৯ (নয়) টি
  2. খ) ১০ (দশ) টি
  3. গ) ১১ (এগার) টি
  4. ঘ) ১২ (বার) টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ (এগার) টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ (এগার) টি
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরূপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক। WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- একাদশ পণ্য হিসেবে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে ফজলি আম।
- বাংলাদেশে উৎপন্ন আমের মধ্যে সবচেয়ে বড় আকৃতির আম হচ্ছে ফজলি। ফল গবেষণা ইনস্টিটিউট, রাজশাহীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালে এটি জিআই নিবন্ধন পায়। এই আম লম্বায় ১২ ও প্রস্থে ৫ সেন্টিমিটারের বেশি থাকে।  
- তার আগে বাগদা চিংড়ি কে ১০ম পণ্য হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার ফলে অন্য কোনো দেশ বাগদা চিংড়িকে আর তাদের পণ্য বলে পরিচয় দিতে পারবে না। সম্প্রতি পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদফতর এ স্বীকৃতি দিয়েছে। বিশ্ববাজারে বাগদা চিংড়িকে বাংলাদেশের বিশেষায়িত পণ্য হিসেবে তুলে ধরতে ২০১৯ সালের মে মাসে মৎস্য অধিদফতর জিআই স্বীকৃতির জন্য আবেদন করে।

- বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ: ১. জামদানি ২. ইলিশ ৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের - খিরসাপাত আম ৪. বিজয়পুরের সাদা মাটি ৫. দিনাজপুরের কাটারীভোগ ৬. কালিজিরা ৭. রংপুরের শতরঞ্জি ৮. রাজশাহী সিল্ক ৯. ঢাকাই মসলিন ১০. বাগদা চিংড়ি ১১. ফজলি আম।

উৎস: প্রথম আলো প্রতিবেদন।
৭,৪০৪.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কোন আসামীকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়?
  1. সার্জেন্ট সামসুল হক
  2. লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন
  3. স্টুয়ার্ট মুজিবুর রহমান
  4. সার্জেন্ট জহুরুল হক
সঠিক উত্তর:
সার্জেন্ট জহুরুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্জেন্ট জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট আসামি ছিলো ৩৫ জন।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার ১৭ নং আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- এতে আন্দোলন আরো প্রবল হয় এবং ফলশ্রুতিতে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনী)
৭,৪০৫.
ঢাকা প্রথমবার বাংলার রাজধানী স্থাপিত হয়- 
  1. ১৬১৫ খ্রিঃ
  2. ১৬১০ খ্রিঃ
  3. ১৬২০ খ্রিঃ
  4. ১৬৬০ খ্রিঃ
সঠিক উত্তর:
১৬১০ খ্রিঃ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১০ খ্রিঃ
ব্যাখ্যা

- ঢাকা প্রথমবার বাংলার রাজধানী স্থাপিত হয়: ১৬১০ খ্রিঃ।
- ঢাকার পুরোনো নাম: জাহাঙ্গীরনগর।
- ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ও পাকিস্তানের স্বাধীনতার পর ঢাকাকে পূর্ব বাংলার রাজধানী করা হয়। 
- ঢাকাকে রাজমহল থেকে আবার রাজধানী করা হয়: ১৬৬০ খ্রিঃ।
- বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকাকে পুনরায় রাজধানী করা হয়: ১৯০৫ খ্রিঃ।

- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ঢাকাকে স্বাধীন দেশের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়: ১৯৭১ খ্রিঃ।

উৎস: ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।

৭,৪০৬.
সেন রাজ বংশের প্রথম রাজা কে ছিলেন?
  1. ক) বল্লাল সেন
  2. খ) বিজয় সেন
  3. গ) হেমন্ত সেন
  4. ঘ) লক্ষ্মণ সেন
সঠিক উত্তর:
গ) হেমন্ত সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হেমন্ত সেন
ব্যাখ্যা
- বাংলার সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন - সামন্ত সেন।
- তবে তিনি কোন রাজ্য প্রতিষ্ঠা না করায় সেন বংশের প্রথম রাজার মর্যাদা দেয়া হয় তার পুত্র - হেমন্ত সেনকে। 
- হেমন্ত সেনের পর তাঁর পুত্র বিজয় সেন (১০৯৮-১১৬০ খ্রিস্টাব্দ) সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
- তিনিই সম্ভবত সামন্ত রাজা থেকে নিজেকে স্বাধীনরূপে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। 
- কৈবর্ত্য বিদ্রোহের সময় তিনি রামপালকে সাহায্য করেন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি। 
৭,৪০৭.
যুক্তফ্রন্ট সরকারকে বাতিল করেন কে?
  1. ইয়াহিয়া খান
  2. ইস্কান্দার মির্জা 
  3. আইয়ুব খান  
  4. জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ
সঠিক উত্তর:
জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ
ব্যাখ্যা
মন্ত্রিসভা গঠন: 
- যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করে।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রীসভার মুখ্যমন্ত্রী হন।
- তিনি নিজে মুখ্যমন্ত্রির দায়িত্ব ছাড়াও অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্ব নেন।
- মে মাসে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়।
- মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যদের আবু হোসেন সরকার বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার, সৈয়দ আজিজুল হক শিক্ষা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগের দায়িত্ব লাভ করেন।
- যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল করে পাকিস্তানের গভর্ণর জেনারেল গোলাম মুহাম্মদ।

- কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৫৪ সালের ৩০ মে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল করে। 
- ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত পূর্ব বাংলায় কেন্দ্রের শাসন বলবৎ ছিল।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪০৮.
প্রথম 'জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ' কোন জেলায় নির্মিত হয়েছে?
  1. ঢাকা 
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. রংপুর 
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

দেশের প্রথম জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ:
- দেশের প্রথম 'জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ' নারায়ণগঞ্জ জেলায় নির্মিত হয়েছে।

⇒ নারায়ণগঞ্জে ২১ জন শহীদের নামে নির্মিত হয়েছে দেশের প্রথম ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’।
- ১৪ জুলাই, ২০২৫ তারিখে নারায়ণগঞ্জের হাজীগঞ্জ এলাকায় স্মৃতিস্তম্ভটি উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ৫ উপদেষ্টা। তারা হলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। 
- বৈষম্যের বিরুদ্ধে টানা ৩৬ দিনের আন্দোলনে, অর্থাৎ ৩৬ জুলাই পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জে শহীদ হন ৫৬ জন, আহত হন ৩৭০ জন।
- নিহতদের মধ্যে ২১ জন ছিলেন নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় বাসিন্দা।
- শহীদদের স্মরণে সরকারি উদ্যোগে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় নির্মিত হয়েছে এই স্মৃতিস্তম্ভ।

উৎস: i) যুগান্তর।
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

৭,৪০৯.
বাংলায় স্বাধীন নবাবী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. আলীবর্দী খান
  2. সিরাজ-উদ-দৌলা
  3. মুর্শিদকুলী খান
  4. সুজাউদ্দিন খান
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদকুলী খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদকুলী খান
ব্যাখ্যা

বাংলায় নবাবী শাসন: 
- মুর্শিদকুলী খান বাংলায় নবাবী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুঘল সম্রাট কর্তৃক নিযুক্ত বাংলার শেষ সুবাদার ছিলেন মুর্শিদকুলি খান।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর দিল্লির দুর্বল শাসনে বাংলার সুবাদারগণ প্রায় স্বাধীনভাবে বাংলা শাসন করতে থাকেন।
- মোগল আমলের এই যুগ নবাবী আমল নামে পরিচিত।
- নবাবদের শাসনকালের পরিধি ছিল ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় ৫০ বছর।
- বাংলার নবাবী শাসনের সূচনাকারী নবাব মুর্শিদকুলী খান।

এছাড়াও, 
- বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব নবাব সিরাজউদ্দৌলা।
- আলাউদ্দিন হুসেন শাহ বাংলাদেশের হুসেন শাহী রাজবংশের এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম শাসক।
- ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ (১৩৩৮-১৩৪৯) বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা।

সূত্র: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪১০.
World Population Prospects 2022 অনুযায়ী, জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) পঞ্চম
  2. খ) ষষ্ঠ
  3. গ) সপ্তম
  4. ঘ) অষ্টম
সঠিক উত্তর:
ঘ) অষ্টম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অষ্টম
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - অষ্টম।

World Population Prospects 2022:

জুলাই ২০২২ এ জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিভাগ 'World Population Prospects 2022' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন অনুসারে –
• জনসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর শীর্ষ তিন দেশ – ১. চীন (১৪২৬ মিলিয়ন); ২. ভারত (১৪১২ মিলিয়ন) ও ৩. যযুক্তরাষ্ট্র (৩৩৭ মিলিয়ন)।
• জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম (১৭০ মিলিয়ন)।
• জনসংখ্যার ঘনত্বে বিশ্বের শীর্ষ দেশ - মোনাকো (২৪,৪৭৬ জন/বর্গ কিমি)।

• জনসংখ্যার ঘনত্বে বাংলাদেশের অবস্থান - ষষ্ঠ (১,৩১৫ জন/বর্গ কিমি)
• সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি – মালদ্বীপ (চতুর্থ) (১,৭৪৬ জন/বর্গ কিমি)।
• ২০৫০ সালে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ হবে ভারত, দ্বিতীয় চীন।
• ২০৫০ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা হবে ২০৪ মিলিয়ন।

তথ্যসূত্র:- UNFPA ওয়েবসাইট।
৭,৪১১.
ঢাকা পৌরসভা কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৬০৮ সালে
  2. ১৮৪০ সালে
  3. ১৮৬৪ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
ঢাকা পৌরসভা:
- বুড়িগঙ্গা নদীতীরে অবস্থিত প্রায় সাতশত বছরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বন্দর নগরী ঢাকা।
- মোঘল সমাট্র  জাহাঙ্গীরের আমলে ১৬০৮ সালে ঢাকায় রাজধানী স্থাপিত হলে বিশ্বব্যাপী এ নগরীর মর্যাদা ও গুরুত্ব বেড়ে যায়।
- ১৮৪০ সালে ‘ঢাকা কমিটি’ নামে একটি কমিটি গঠন করেন।
- ১৮৬৪ সালের ১লা আগষ্ট ঢাকা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যাল ইমপ্রুভমেন্ট অ্যাক্ট’ বলে আগস্ট মাসে গঠন করা হয় ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কমিটি’।
- ১৮৬৪ সালের পূর্ব পর্যন্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদাধিকার বলে মিউনিসিপ্যালিটির সভাপতি ছিলেন।
- ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা নগরীকে ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে নির্বাচনের মাধ্যমে ঢাকা পৌরসভা গঠন করা হয়।
- ১৯৭৭ সালের ৩১ অক্টোবর কমিশনারদের মাধমে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৪১২.
দেশের প্রথম 'জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ' কোথায় অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. চট্টগ্রাম 
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

দেশের প্রথম জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ:
- দেশের প্রথম 'জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ' নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।

⇒ নারায়ণগঞ্জে ২১ জন শহীদের নামে নির্মিত হয়েছে দেশের প্রথম ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’।
- ১৪ জুলাই, ২০২৫ তারিখে নারায়ণগঞ্জের হাজীগঞ্জ এলাকায় স্মৃতিস্তম্ভটি উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ৫ উপদেষ্টা। তারা হলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। 
- বৈষম্যের বিরুদ্ধে টানা ৩৬ দিনের আন্দোলনে, অর্থাৎ ৩৬ জুলাই পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জে শহীদ হন ৫৬ জন, আহত হন ৩৭০ জন।
- নিহতদের মধ্যে ২১ জন ছিলেন নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় বাসিন্দা।
- শহীদদের স্মরণে সরকারি উদ্যোগে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় নির্মিত হয়েছে এই স্মৃতিস্তম্ভ।

উৎস: i) যুগান্তর।
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

৭,৪১৩.
বঙ্গবন্ধুকে কবে জুলিও কুরি পদক প্রদান করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর
  2. ১৯৭২ সালের ২৩ মে
  3. ১৯৭৩ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি
  4. ১৯৭৩ সালের ২৩ মে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালের ২৩ মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালের ২৩ মে
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি পদক লাভ:
- ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী জঁ ফ্রেডেরিক জোলিও ক্যুরি ১৯৫৮ সালে মৃত্যুবরণ করলে বিশ্বশান্তি পরিষদ তাদের শান্তি পদকের নাম ১৯৫৯ সাল থেকে রাখে ‘জোলিও ক্যুরি’ যা বাংলায় জুলিও কুরি নামে পরিচিত।
- মূলত, সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিবাদ বিরোধিতা এবং মানবতার ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় যাঁরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন, তাঁরা এই পদকে ভূষিত হয়ে আসছিলেন ১৯৫০ সাল থেকে।
- বিশ্বশান্তি পরিষদ ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর পদকপ্রাপক হিসেবে বঙ্গবন্ধুর নাম ঘোষণা করে। 
- পরের বছর ১৯৭৩ সালের ২৩ মে এশীয় শান্তি সম্মেলনের এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে সেই পদক বঙ্গবন্ধুকে পরিয়ে দেন পরিষদের তৎকালীন সেক্রেটারি জেনারেল রমেশচন্দ্র। 
- সেই অনুষ্ঠানে রমেশচন্দ্র বলেছিলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলার নন, তিনি বিশ্বের এবং তিনি বিশ্ববন্ধু।' 
- স্বাধীন বাংলাদেশে কোনো রাষ্ট্রনেতার সেটিই ছিল প্রথম আন্তর্জাতিক পদক লাভ।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো, ২৩ মে ২০২১। [লিঙ্ক]
৭,৪১৪.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘আমার বন্ধু রাশেদ‘ এর পরিচালক কে?
  1. ক) মুহম্মদ জাফর ইকবাল
  2. খ) মোরশেদুল ইসলাম
  3. গ) তানভীর মোকাম্মেল
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) মোরশেদুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
- মুহম্মদ জাফর ইকবাল রচিত একই নামের শিশুতোষ উপন্যাস অবলম্বনে বাংলাদেশ সরকারের অনুদানে চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন মোরশেদুল ইসলাম। 
- ১৯৭১ সালে মফস্বল শহরের কয়েকজন কিশোর কীভাবে মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে, তারই কিছু চিত্র ফুঁটে উঠেছে গল্পে। 
- মোরশেদুল ইসলাম কিশোর চলচ্চিত্র দীপু নাম্বার টু (১৯৯৬) এবং খেলাঘর (২০০৬) নামে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্রও নির্মাণ করেন।

সুত্র: দৈনিক প্রথম আলো। 
৭,৪১৫.
'মোদের গর্ব মোদের আশা আ মরি বাংলা ভাষা'- গানের রচয়িতা কে?
  1. ক) কাজী নজরুল ইসলাম
  2. খ) অতুল প্রাসাদ সেন
  3. গ) হাসান হাফিজুর রহমান
  4. ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
খ) অতুল প্রাসাদ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অতুল প্রাসাদ সেন
ব্যাখ্যা
- 'মোদের গর্ব মোদের আশা আ মরি বাংলা ভাষা' এই বিখ্যাত গানের গীতিকার অতুল প্রাসাদ সেন।
- তিনি ১৮৭১ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকায় জন্ম গ্রহণ করেন।
- তাঁর আদি নিবাস ছিল ফরিদপুরের দক্ষিণ বিক্রমপুরের মগর গ্রামে।
 - ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌতে সর্বভারতীয় কংগ্রেস অধিবেশনে স্বেচ্ছাসেবকদের অধিনায়ক হিসেবে তিনি যে দেশাত্মবোধক গানটি রচনা করেন, তাতে হিন্দু-মুসলমানের ঐক্যের সুর আছে: ‘দেখ মা এবার দুয়ার খুলে/ গলে গলে এল মা/ তোর হিন্দু-মুসলমান দু ছেলে’।
- ‘মোদের গরব, মোদের আশা/ আ মরি বাংলা ভাষা’ গানটিতে অতুলপ্রসাদের মাতৃভাষার প্রতি মমত্ববোধ ফুটে উঠেছে।
- এ গান বাংলাদেশের  ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালিদের মধ্যে অফুরন্ত প্রেরণা জুগিয়েছে।
- ১৯৩৪ সালের ২৬ আগস্ট লক্ষ্ণৌতে তাঁর মৃত্যু হয়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৪১৬.
'দানসাগর' ও 'অদ্ভুতসাগর' নামক গ্রন্থ কে রচনা করেন?
  1. হেমন্ত সেন
  2. বিজয় সেন
  3. বল্লাল সেন
  4. বিশ্বরূপ সেন
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
ব্যাখ্যা
বল্লাল সেন:
- বিজয় সেনের মৃত্যুর পর আনুমানিক ১১৬০ সালে তার পুত্র বল্লাল সেন সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি রাজ্য জয়ের চেয়ে দেশের ভেতরে উন্নয়ন, নতুন প্রথা চালু ও সংস্কারের কাজে অধিকতর মনোযোগী ছিলেন। 
- তিনি গোবিন্দপালকে পরাজিত করে মগধের পূর্বাঞ্চল অধিকার করেন।
- কথিত আছে যে, বল্লাল সেন তাঁর পিতার রাজত্বকালে মিথিলা জয় করেন।
- বল্লাল সেন বিদ্যান ও বিদ্যোৎসাহী রাজা ছিলেন।
- তিনি ব্রতসাগর, আচারসাগর, প্রতিষ্ঠাসাগর, দানসাগরঅদ্ভুতসাগর নামে পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪১৭.
“বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু” গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. ক) মোনায়েম সরকার
  2. খ) এম. আর. আখতার মুকুল
  3. গ) শওকত ওসমান
  4. ঘ) উপরের কেউ নন
সঠিক উত্তর:
ক) মোনায়েম সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মোনায়েম সরকার
ব্যাখ্যা
'বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু' গ্রন্থটির লেখক মােনায়েম সরকার। এছাড়াও তার রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থগুলাের মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযােগ্য গ্রন্থ হলাে—বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও গণতন্ত্র বিকাশে ঐক্য অপরিহার্য (১৯৯১), ভাষা আন্দোলন ও বঙ্গবন্ধু (১৯৯৪), মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব (১৯৯৫), সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি (২০১০), বাঙালি ঐতিহ্য ও ভবিষ্যৎ (২০১০), বঙ্গবন্ধু রাজনীতি ও শেখ হাসিনা (২০১১) ইত্যাদি।
৭,৪১৮.
১৯৭১ সালের গণহত্যাকে জেনোসাইড, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধ ঘোষণা করে?
  1. ইউনেস্কো
  2. IAGS
  3. ICC
  4. জাতিসংঘ
সঠিক উত্তর:
IAGS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IAGS
ব্যাখ্যা
আইএজিএস (IAGS):

- জেনোসাইড বিশেষজ্ঞদের আন্তর্জাতিক সংস্থা 'আইএজিএস' ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞকে 'জেনোসাইড, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধ' ঘোষণা করে প্রস্তাব পাস করে।
- ২৪ এপ্রিল, ২০২৩ সালে আইএজিএস-এর পক্ষ থেকে ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে বাংলাদেশে সংঘটিত জেনোসাইড সংক্রান্ত প্রস্তাব গৃহীত হয়।
- ভোটদাতা ২১৮ জন সদস্যের মধ্যে ২০৮ জন প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন, যার মাধ্যমে এই প্রস্তাব নিরঙ্কুশ সমর্থনে পাস হয়।
- এ ঘোষণার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশে একাত্তরে সংঘটিত গণহত্যার বিশ্বজনীন স্বীকৃতির প্রয়াসে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ গৃহীত হয়।

তথ্যসূত্র - IAGS ওয়েবসাইট।
৭,৪১৯.
বাংলার প্রথম মহিলা যিনি ‘নবাব’ উপাধি লাভ করেন -
  1. ক) ফজিলাতুন্নেসা
  2. খ) বেগম রোকেয়া
  3. গ) প্রীতিলতা
  4. ঘ) ফয়জুন্নেসা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফয়জুন্নেসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফয়জুন্নেসা
ব্যাখ্যা
নবাব ফয়জুন্নেসা (১৮৩৪-১৯০৩)
• জমিদার, নারীশিক্ষার প্রবর্তক, সমাজসেবক ও কবি।
• কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলাধীন পশ্চিমগাঁও গ্রামে এক জমিদার বংশে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
• ১৮৭৩ সালে তিনি নারীশিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে কুমিল্লায় একটি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন।
ফয়জুন্নেসার এরূপ জনহিতৈষণার পুরস্কারস্বরূপ মহারানী ভিক্টোরিয়া ১৮৮৯ সালে তাঁকে ‘নবাব’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তিনিই বাংলার প্রথম মহিলা যিনি এই উপাধি লাভ করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
৭,৪২০.
মুজিবনগর সরকারের অর্থনীতি বিষয়ক ও পরিকল্পনা বিভাগের দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান
  3. গ) তাজউদ্দীন আহমদ
  4. ঘ) এম.মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
গ) তাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- রাষ্ট্রপতি।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম- উপরাষ্ট্রপতি (রাষ্ট্রপতি পাকিস্তানে অন্তরীণ থাকার কারণে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত)। 
⇒ তাজউদ্দীন আহমদ- প্রধানমন্ত্রীএবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। 
- খন্দকার মোশতাক আহমদ- মন্ত্রী, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 
- এম মনসুর আলী- মন্ত্রী, অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
- এ এইচ এম কামরুজ্জামান- মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৭,৪২১.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন কে?
  1. হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
  2. এ. এম. সয়েম
  3. আ. এফ. মোসাদ্দেক
  4. খন্দকার মোশতাক আহমদ
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসন:
- ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট তৎকালীন ও তাঁর পরিবারকে নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী খন্দকার মোশতাক আহমদ রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে নেন।
- প্রায় তিন মাসের মতো ক্ষমতায় ছিলেন মোশতাক।
- মোশতাকের স্বল্পকালীন শাসনকাল বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভয়াবহ বিপর্যয় বয়ে আনে।
- মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমস্ত অর্জন মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয় এবং পাকিস্তানের ভাবধারার পুনঃপ্রতিষ্ঠা শুরু হয়।
- ক্ষমতা দখল করে পাঁচ দিনের মাথায় মোশতাক স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।
৭,৪২২.
উয়ারি-বটেশ্বর কোন সভ্যতার অন্তর্গত?
  1. চৈনিক সভ্যতা
  2. সিন্ধু সভ্যতা
  3. দ্বিতীয় ভারতীয় সভ্যতা
  4. মালয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় ভারতীয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় ভারতীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর হলো উয়ারি-বটেশ্বর। আনুমানিক প্রায় আড়াইহাজার বছর আগে নরসিংদী জেলার উয়ারি-বটেশ্বরে নগর সভ্যতার বিকাশ ঘটে।
- এটি দ্বিতীয় ভারতীয় সভ্যতার অন্তর্গত। উয়ারি-বটেশ্বর ছিলো একটি নদীবন্দর ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকেন্দ্র।
- বগুড়ার পুন্ড্রনগরও দ্বিতীয় ভারতীয় সভ্যতার অন্তর্গত। সিন্ধু সভ্যতা পতনের প্রায় একহাজার বছর পর গাঙ্গেয় অববাহিকায় দ্বিতীয় ভারতীয় সভ্যতা বিকাশ লাভ করেছিলো।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : ষষ্ঠ শ্রেণী)
৭,৪২৩.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে একমাত্র বিদেশী হিসেবে বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন কে?
  1. জর্জ হ্যারিসন
  2. ডব্লিউ. এস. ওডারল্যান্ড
  3. সাইমন ড্রিং
  4. মার্ক টালী
সঠিক উত্তর:
ডব্লিউ. এস. ওডারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডব্লিউ. এস. ওডারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে ‘বীর প্রতীক’ খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি নাগরিক হলেন ডব্লিউ এ. এস. ওডারল্যান্ড।
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- তিনি ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। ওডারল্যান্ড ২নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- তিনি ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৭,৪২৪.
স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বশেষ শত্রু মুক্ত জেলা কোনটি?
  1. ঢাকা
  2. কুমিল্লা
  3. যশোর
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বশেষ শত্রুমুক্ত জেলা:
- স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বশেষ শত্রুমুক্ত জেলা ঢাকা।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে মিত্রবাহিনীর কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত পরাজয় হয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর।
- কিন্তু আত্মসমর্পণের পরও পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসররা দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে যুদ্ধ চালিয়ে গিয়েছিল।
- ঢাকায় আত্মসমর্পণের ১ সপ্তাহ পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর ২৩ ডিসেম্বর হানাদারমুক্ত হয় কুমিল্লার হোমনা।
- কিন্তু ঢাকার মিরপুর তখনো পাকিস্তানি বাহিনী ও বিহারিদের হাতে পুরোপুরি অবরুদ্ধ।
- ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি এক বিশেষ সামরিক অভিযানের পর ৩১ জানুয়ারি ১২ নম্বর সেকশনের ডি ব্লক ঈদগাহ মাঠে আত্মগোপনকারী পাকিস্তানি সেনা, বিহারি, রাজাকার, আলবদরদের অস্ত্রসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্ত হয় মিরপুর।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যশোরই হলো প্রথম শত্রু মুক্ত জেলা।
- সিলেট জেলা শত্রুমুক্ত হয় ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭১।
- কুমিল্লা জেলা শত্রুমুক্ত হয় ৮ ডিসেম্বর ১৯৭১।

উৎস: জানুয়ারি ৩০, ২০২৩, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
৭,৪২৫.
বঙ্গবন্ধু কোথায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদান করেন?
  1. ক) পল্টন ময়দান
  2. খ) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
  3. গ) ওসমানী উদ্যান
  4. ঘ) আরমানিটোলা মাঠ
সঠিক উত্তর:
খ) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১লা মার্চ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করলে পূর্ব পাকিস্তানে তার তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এর অংশ হিসেবে ৭ই মার্চ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান (সাবেক রেসকোর্স ময়দান) একটি জনসভার আয়োজন করা হয়।
- এই জনসভাতেই বঙ্গবন্ধু তার ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদান করেন। এই ভাষণে ২৫শে মার্চ পুনরায় ঘোষিত জাতীয় পরিষদের যোগদানের পূর্বশর্ত হিসেবে বঙ্গবন্ধু চারটি দাবী উত্থাপন করেন।
এগুলো হলো:
- সামরিক আইন প্রত্যাহার করা
- ‍নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা
- সেনাবাহিনীর গণহত্যার তদন্ত করা
- সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া।
- ৭ই মার্চের ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্ট্রারে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-১৬ এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
৭,৪২৬.
ঐতিহাসিক ছয়দফার কয়টি দফা অর্থনীতি বিষয়ক ছিল?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• ঐতিহাসিক ছয়দফা: 
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

 উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,৪২৭.
'বাউলার চর' নিম্নের কোনটির পূর্ব নাম?
  1. মনপুরা দ্বীপ
  2. নিঝুম দ্বীপ
  3. নির্মল চর
  4. ছেড়া দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
নিঝুম দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঝুম দ্বীপ
ব্যাখ্যা
নিঝুম দ্বীপ:
- নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের একটি ছোট্ট দ্বীপ।
- এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত।
- এর আয়তন ৯১ বর্গ কিলোমিটার।
- নিঝুম দ্বীপ হাতিয়ার মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে নিঝুম দ্বীপের অবস্থান।
- দ্বীপের তিন দিকে সাগর অন্যদিকে মেঘনার মোহনা।
- নিঝুম দ্বীপ এখন হরিণের অভয়ারণ্য।
- দ্বীপের বিশেষ আকর্ষণ উভচর প্রজাতির মাছ।

উল্লেখ্য,
- প্রায় ১৪ হাজার ৫০ একরের দ্বীপটি ১৯৪০ সালের দিকে জেগে ওঠে।
- ওসমান নামের একজন বাথানিয়া তাঁর মহিষের বাথান নিয়ে প্রথম নিঝুম দ্বীপে বসত গড়েন। তখন তাঁর নামেই এই চরের নাম হয় ওসমান চর।
- এই দ্বীপে প্রচুর বালুর ঢিবি বা টিলা ছিল বলে স্থানীয় লোকজন এই দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বা বাউল্লার চরও বলে ডাকত।
- আবার এ চরে প্রচুর ইচা মাছ (চিংড়ির স্থানীয় নাম) পাওয়া যেত বলে একে ইছামতীর চরও বলা হতো।
- বর্তমানে নিঝুম দ্বীপ হিসেবে পরিচিত হলেও স্থানীয় লোকজন এখনো এই দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বা বাউল্লার চর বলেই সম্বোধন করে।
- বাংলাদেশের বন বিভাগ সত্তরের দশকে এই দ্বীপে কার্যক্রম শুরু করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৪২৮.
হিউয়েন সাং রচিত মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের উপর সর্ববৃহৎ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ সম্বলিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) ইন্ডিকা
  2. খ) ফো-কুয়ো-কিং
  3. গ) জিউ জি (সি-উ চি)
  4. ঘ) কিতাবুল রেহালা
সঠিক উত্তর:
গ) জিউ জি (সি-উ চি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জিউ জি (সি-উ চি)
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত চৈনিক পর্যটক হিউয়েন সাং হর্ষবর্ধনের শাসনামলে ভারতবর্ষে আসেন। তাঁর রচিত ‘জিউ জি (সি-উ চি)’ মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের উপর সর্ববৃহৎ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ সম্বলিত গ্রন্থ। চন্দ্রগুপ্তের সময়ে গ্রিক পরিব্রাজক মেগাস্থিনিস ভারতবর্ষে আগমন করে ভারতের শাসন প্রকৃতি, ভৌগোলিক বিবরণ, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ইন্ডিকাতে লিপিবদ্ধ করেন। চৈনিক পর্যটক ফা-হিয়েন ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের আমলে ভারতে এসে এদেশে দীর্ঘদিন, প্রায় ১৫ বৎসর অতিবাহিত করেন । তাঁর রচিত ফো-কুয়ো-কিং একটি মূল্যবান গ্রন্থ। [সূত্র-বোর্ড বইঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়(ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি) ও বাংলাপিডিয়া]
৭,৪২৯.
ভেঙ্গি ভ্যালি কোথায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙামাটি
  3. মৌলভীবাজার
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
ভেঙ্গি ভ্যালি:
- ভেঙ্গি ভ্যালি রাঙামাটির কাপাতাই লেকে অবস্থিত।
- কাপ্তাই থেকে প্লাবিত চট্রগ্রামের উপত্যকা এলাকা 'ভেঙ্গি ভ্যালি' নামে পরিচিত।

ভ্যালি:
- ভেঙ্গি ভ্যালি: রাঙ্গামাটি,
- হালদা ভ্যালি: খাগড়াছড়ি,
- বলিশিয়া ভ্যালি: মৌলভীবাজার,
- সাজেক ভ্যালি: রাঙামাটি,
- সাঙ্গু ভ্যালি: চট্টগ্রাম,
- নাপিত খালি ভ্যালি: কক্সবাজার,
- মাইনমুখী ভ্যালি: রাঙামাটি।

উল্লেখ্য,
-  দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী প্রশস্ত সমতল ক্ষেত্র বা অসমতল ঢালু ক্ষেত্রকে উপত্যকা বা ভ্যালি বলে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৪৩০.
বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব কে ছিলেন?
  1. আলীবর্দী খান
  2. মুর্শিদকুলি খান
  3. সিরাজউদ্দৌলা
  4. ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদকুলি খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদকুলি খান
ব্যাখ্যা
- মুর্শিদকুলি খান ১৭০০ সালে দিওয়ান নিযুক্ত হন এবং ১৭১৭ সালে রাজধানী স্থানান্তর করে স্বাধীন নবাব হিসেবে বাংলায় শাসন শুরু করেন।

• নবাব:
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর কোনো কোনো সুবা স্বাধীন হয়ে যায়।
- বাংলাও এর ব্যতিক্রম ছিল না।
- বিশেষ করে মুর্শিদকুলী খানের সময় থেকে বাংলায় নবাবী আমলের সূচনা হয়।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে কর তলব খান উপাধি দিয়ে ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার দিওয়ান নিযুক্ত করেন।
- বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুরশিদকুলি খান দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি ঢাকা বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন ১৭১৭ সালে।
- তিনি অতিরিক্ত রাজস্ব ধার্য না করে সঠিক ব্যবস্থাপনার দ্বারা রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করেন।
- সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলা বিহার উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৪৩১.
দেশে স্থাপিত প্রথম সার কারখানা কোনটি?
  1. ক) ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লি.
  2. খ) চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লি.
  3. গ) ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লি.
  4. ঘ) পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লি.
সঠিক উত্তর:
ক) ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লি.
ব্যাখ্যা
দেশে স্থাপিত প্রথম সার কারখানা হলো ‘ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড’।
এটি ১৯৬১ সালে সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জে স্থাপিত হয়। যার কারণে এটি ‘ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা’ নামেই অধিক পরিচিত।
এটি কেবল বাংলাদেশ নয়, বরং এশিয়া মহাদেশেরও প্রথম সার কারখানা। এই কারখানায় ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়া সালফেট সার উৎপাদিত হতো।
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ও অব্যাহত লোকসানের কারণে ২০২০ সালে কারখানাটির যন্ত্রপাতি নিলামে বিক্রি করে সরকার এটিকে স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করে।
(সূত্র: বিসিআইসি এবং সিলেট জেলা ওয়েবসাইট)
৭,৪৩২.
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন চিনিকলের সংখ্যা-
  1. ১২ টি
  2. ১৫ টি
  3. ১৭ টি
  4. ১৮ টি
সঠিক উত্তর:
১৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি সংস্থা।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ জুলাই, ১৯৭৬ সালে।
- এর নিয়ন্ত্রণাধীন চিনিকলের সংখ্যা- ১৫ টি।
- বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প করপোরেশন, বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা।

উৎসঃ  চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

৭,৪৩৩.
কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন কে?
  1. কুজুলা
  2. বাসুদেব
  3. কনিষ্ক
  4. হুবিষ্ক
সঠিক উত্তর:
কনিষ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কনিষ্ক
ব্যাখ্যা
কুষাণ যুগ:
- যে সকল বিদেশি জাতি ভারতবর্ষে সাম্রাজ্য স্থাপন করেছিল তাদের মধ্যে কুষাণদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- কুষাণরা ছিল ইউ-চি জাতির একটি শাখা।
- কুষাণ শাখার নেতা কুজলা কদফিসেস কর্তৃক খ্রিস্টপূর্ব ৩০ অব্দ নাগাদ পাঁচটি শাখায় বিভক্ত ইউ-চিরা ঐক্যবদ্ধ হয়।
- তিনি কাবুল, সোমায়ার, কাশ্মির অধিকার করেন।
- তাঁর পুত্র বিম কদফিসেস সিংহাসনে বসেন।
- তাঁর সাম্রাজ্য মধ্য এশিয়ার তুর্কিস্থান থেকে সিন্ধু উপত্যকা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন কণিষ্ক।
- ৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং একটি অব্দ বা সম্বৎ প্রবর্তন করেন যা পরবর্তীতে শকাব্দ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ভারতে তিনি এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন, এটি উত্তর- পশ্চিমে পেশোয়ার থেকে পূর্বে পশ্চিমবাংলা, উত্তরে কাশ্মির থেকে দক্ষিণে মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ভারতের বাইরে বর্তমান সোভিয়েত তুর্কিস্থানের এবং আফগানিস্তানের কিছু অংশও তাঁর সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল।
- পুরুষপুর বা বর্তমান পেশোয়ার তাঁর রাজধানী ছিল।
- বিশাল সাম্রাজ্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে বিভিন্ন রাজকর্মচারীদের মাধ্যমে এখান থেকেই তিনি শাসনকার্য পরিচালনা করতেন।
- তাঁর আমলেই বৌদ্ধ ধর্ম 'মহাযান' ও 'হীনযান' -এ দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- ২৩ বছর রাজত্ব করার পর কণিষ্ক ১০১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৩৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'মুজিবনগর 'কোন সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ক) ২ নং সেক্টর
  2. খ) ৮ নং সেক্টর
  3. গ) ১০ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১১ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
- এর মধ্যে বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা এবং ফরিদপুর ও খুলনা জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ৮ নং সেক্টর গঠিত হয়।
- মেহেরপুর জেলা ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
- এর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।

সোর্সঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৭,৪৩৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় তাজউদ্দীন আহমদ কোন পদে দায়িত্ব পালন করেন?
  1. মুক্তিবাহিনীর প্রধান
  2. অস্থায়ী সরকারের অর্থমন্ত্রী
  3. অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী
  4. মিত্র বাহিনীর সেনাপ্রধান
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
তাজউদ্দীন আহমদ:
- তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকারের প্রধান নেতা।
- তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
- তাজউদ্দীন আহমদ ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
- শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে তাজউদ্দীন আহমদ রাজনৈতিক আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালির অধিকার আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

অবদান:
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করলে তাজউদ্দীন আহমদ অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
- ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং তাজউদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করেন, মুক্তিবাহিনী গঠনের উদ্যোগ নেন এবং আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের পক্ষে সমর্থন আদায় করেন।
- স্বাধীনতার পর তাজউদ্দীন আহমদ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারে অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর তাজউদ্দীন আহমদসহ অন্যান্য জাতীয় নেতাদের বন্দি করা হয়।
- ৩ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে তাকে হত্যা করা হয়, যা জেল হত্যা দিবস হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৭,৪৩৬.
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ এর গ্রামের বাড়ি -
  1. ক) সালামত ফুল
  2. খ) খোর্দ খালিশপুর
  3. গ) মহিষখোলা
  4. ঘ) পাথরঘাটা
সঠিক উত্তর:
গ) মহিষখোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মহিষখোলা
ব্যাখ্যা

১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল জেলার মহিষখোলা গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারে নূর মোহাম্মদ শেখ জন্মগ্রহণ করেন। 

-তার পিতা মোহাম্মদ আমানত শেখ, মাতা জেন্নাতুন্নেসা। অল্প বয়সে বাবা-মাকে হারান ফলে শৈশবেই ডানপিটে হয়ে পড়েন।

- ৫ই সেপ্টেম্বর ১৯৭১, সুতিপুর প্রতিরক্ষা অবস্থানের সামনে ষ্ট্যান্ডিং পেট্রোলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালনের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আক্রমণ নস্যাৎ করে দেন প্রায় একাই। 

-আহত অবস্থায় অধীনস্থ সৈনিকদের নিরাপদে পিছনে পাঠিয়ে দেন এবং শত্রুর মোকাবেলা অব্যাহত রাখার সময় শাহাদাতবরণকরেন।

উৎস:.narail.gov.bd

৭,৪৩৭.
একুশের প্রথম গান কোনটি?
  1. আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি
  2. ভুলবো না ভুলবো না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলবো না
  3. ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়
  4. মা গো ওরা বলে
সঠিক উত্তর:
ভুলবো না ভুলবো না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলবো না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুলবো না ভুলবো না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলবো না
ব্যাখ্যা
একুশের প্রথম গান রচনা করেন ভাষাসৈনিক আ ন ম গাজীউল হক। গানটির প্রথম চরণ- ভুলবো না ভুলবো না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলবো না।
- এটি সে সময় ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। 
- দূর হটো দূর হটো আই দুনিয়া ওলালো, হিন্দুস্তান হামারা হ্যায়'- জনপ্রিয় এ হিন্দি গান থেকে নেয়া হয় গানটির সুর।
- ১৯৫৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি আরমানিটোলা ময়দানে আয়োজিত এক জনসভায় এ গানটি প্রথম গাওয়া হয়।
- এটা ছিলো তখনকার দিনে রাজপথের গান। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৪৩৮.
৭ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন বীরশ্রেষ্ঠ-
  1. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
  2. হামিদুর রহমান
  3. মুন্সী আব্দুর রউফ
  4. মোস্তফা কামাল
সঠিক উত্তর:
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ৭ জনকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করে।
- এই বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সর্বশেষ শহীদ হন ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর।
- তিনি ৭ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন‌।
- তিনি শহীদ হোন ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৭,৪৩৯.
বঙ্গভঙ্গ রদের সময় ব্রিটেনের রাজা ছিলেন -
  1. ক) চার্লস (তৃতীয়)
  2. খ) হেনরি (সপ্তম)
  3. গ) জর্জ (পঞ্চম)
  4. ঘ) হেনরি (দ্বিতীয়)
সঠিক উত্তর:
গ) জর্জ (পঞ্চম)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জর্জ (পঞ্চম)
ব্যাখ্যা
- ভারতের বড় লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর বংলা প্রেসিডেন্সিকে দুই ভাগ করেন এই বিভক্ত ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- কিন্তু কংগ্রেসের বিরোধিতা চরমপন্থী নেতাদের আন্দোলনের সঙ্গে সশস্ত্র কার্যকলাপও যুক্ত হওয়ায় ব্রিটিশ সরকার আন্দোলনকারীদের দমন করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রহিত করেন।
- রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে ১৯১১ সালে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রধের ঘোষণা দেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৪৪০.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণকে 'International Memory of the World Register'-এ অর্ন্তভুক্ত করেছে কোন সংগঠন?
  1. ক) ইউনেস্কো
  2. খ) ইউএনডিপি
  3. গ) আইএমএফ
  4. ঘ) ইউনিসেফ
সঠিক উত্তর:
ক) ইউনেস্কো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইউনেস্কো
ব্যাখ্যা
• ৭ই মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ছিল বাঙালি জাতির ইতিহাসের অসামান্য ও অপরিহার্য এক গুরুত্বপূর্ণ দলিল। 
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) প্রদত্ত ভাষণ।
- এই ভাষণের মাধমে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে বাঙালি জাতির প্রতি স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন।

৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের বিশ্ব স্বীকৃতি:
- বিশ্ব ইতিহাসে যে ভাষণগুলো বিখ্যাত হয়ে আছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক এই ভাষণটি সেগুলোর অন্যতম।
- বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ Jacob F. Field এর বিশ্বসেরা ভাষণ নিয়ে লেখা "We shall Fight on the beaches: The Speeches that Inspired History" শীর্ষক গ্রন্থে বঙ্গবন্ধু সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি স্থান পেয়েছে।

- কেবল তাই নয়, ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণটিকে World's Documentary Heritage এর মর্যাদা দিয়ে International Memory of the World Register-এ অর্ন্তভুক্ত করেছে।
- বাঙালি জাতির স্বাধীনতার প্রতীক এই দূরদর্শী ভাষণের স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এক মহত্তর অর্জন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৪১.
'জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর' প্রতিষ্ঠা করা হয় কবে?
  1. ৩০ আগস্ট, ২০২৪
  2. ২৭ অক্টোবর, ২০২৪
  3. ২৩ এপ্রিল, ২০২৫
  4. ৩০ এপ্রিল, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২৩ এপ্রিল, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ এপ্রিল, ২০২৫
ব্যাখ্যা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরঃ 
- ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণ, শহিদ ও আহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা চূড়ান্তকরণ, আহতদের চিকিৎসা এবং শহিদের পরিবারবর্গকে সহায়তা প্রদান এর মুল লক্ষ্য।
- ২৭ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখের প্রজ্ঞাপন দ্বারা 'গণঅভ্যুত্থান সংক্রান্ত বিশেষ সেল' গঠন করা হয়।
- সরকার কর্তৃক ২৩ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর' প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- 'জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫' গত ১৭ জুন, ২০২৫ তারিখে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
- ২০ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন বিধিমালা, ২০২৫ এর প্রজ্ঞাপন গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

উৎস: জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর [লিঙ্ক]।

৭,৪৪২.
সরকারি এ গেজেট অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা কতজন?
  1. ৮৩৪ জন
  2. ৮৩৫ জন
  3. ৮৩৬ জন
  4. ৮৩৮ জন
সঠিক উত্তর:
৮৩৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৩৬ জন
ব্যাখ্যা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর শহীদদের গেজেট:
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এ শহীদদের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে সরকার।
- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এটি প্রকাশ করেছে।
- সরকারি এ গেজেট অনুযায়ী, ওই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৬ জন।
- সরকারি গেজেট অনুযায়ী, ২ আগস্ট পর্যন্ত শহীদের সংখ্যা ছিল ৮৪৪ জন। ৩ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে ৮ জনের নাম বাদ দিয়ে আরেকটি গেজেট করেছে মন্ত্রণালয়। এই গেজেট অনুযায়ী, শহীদের সংখ্যা এখন ৮৩৬ জন।
উল্লেখ্য,
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহত ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ তহবিল করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো।

৭,৪৪৩.
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নূর হোসেন কত তারিখ শহীদ হয়েছিলেন?
  1. ২ নভেম্বর, ১৯৮৭
  2. ৪ নভেম্বর, ১৯৮৭
  3. ৭ নভেম্বর, ১৯৮৭
  4. ১০ নভেম্বর, ১৯৮৭
সঠিক উত্তর:
১০ নভেম্বর, ১৯৮৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ নভেম্বর, ১৯৮৭
ব্যাখ্যা
নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন:
- স্বাধীন বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক অধিকার আন্দোলনের উজ্জ্বলতম অধ্যায় নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান।
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখল করে স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার ক্ষমতা দখলের পর থেকেই স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
- টানা ৯ বছর আন্দোলনের পর এ বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে ওঠা সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের দুর্বার আন্দোলনেই পতন ঘটে স্বৈরশাসক এরশাদের।
- ধারাবাহিক আন্দোলনের এক পর্যায়ে শিক্ষার্থী জেহাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।
- সে হামলায় নিহত হন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম মহাসচিব ডা. শামসুল আলম খান মিলন।
- এর পর সারাদেশের শহর-বন্দর, এমনকি গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে পড়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন।
- অবশেষে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন এরশাদ।

উল্লেখ্য,
- সেই আন্দোলনের সময় গণতন্ত্রের দাবিতে বুকে-পিঠে শ্লোগান লিখে রাস্তায় নামা এক তরুণ নূর হোসেন পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর নূর হোসেন শহিদ হন।

⇒ নূর হোসেনের লেখা শ্লোগান -
- বুকে 'স্বৈরাচার নীপাত যাক' এবং পিঠে 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক'।

অন্যদিকে,
- মতিউর এবং আসাদুজ্জামান উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে মারা যান।

তথ্যসূত্র - ৬ ডিসেম্বর ২০২০, বিবিসি বাংলা।
৭,৪৪৪.
তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন কে?
  1. প্রফেসর আবুল কাশেম
  2. অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া
  3. কাজী মোতাহার হোসেন
  4. আবুল মনসুর আহমদ
সঠিক উত্তর:
প্রফেসর আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রফেসর আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
• তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং
- এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।
- তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠায় অধ্যাপক আবুল কাশেমের অগ্রণী সহযোগীদের মধ্যে ছিলেন দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ, অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া, শাহেদ আলী, আবদুল গফুর, বদরুদ্দীন উমর, হাসান ইকবাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় সিনিয়র ছাত্র।
- প্রফেসর আবুল কাশেম ছিলেন পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।
- দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ ১৯৪৯ সালে মজলিশের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে অধ্যাপক আবুল কাশেম সম্পাদিত একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- এ ঐতিহাসিক পুস্তিকায় সন্নিবেশিত নিবন্ধগুলোতে এদের লেখক কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল মনসুর আহমদ ও অধ্যাপক আবুল কাশেম বাংলাকে পূর্ব বাংলায় শিক্ষার একমাত্র মাধ্যম, অফিস ও আদালতের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার পক্ষে জোরালো বক্তব্য রাখেন।
- তাঁরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিও তুলে ধরেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৭,৪৪৫.
প্রাদেশিক পরিষদের মোট মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট কতটি আসনে জয়লাভ করে?
  1. ২০৩টি
  2. ২২৩টি
  3. ২৪৩টি
  4. ২৬৩টি
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রণ্ট:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল সম্মেলনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- যুক্তফ্রণ্ট  ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলার আইনসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য গঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দল সমুহের নির্বাচনী মোর্চা।
- যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।
- প্রাদেশিক পরিষদে মোট ৩০৯টি মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসনে জয়লাভ করে।
- মুসলিম আসনগুলোতে ভোট প্রদানের শতকরা হার ছিল ৩৭.৬। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া , স্বাধীনতার দলিল পত্র।

৭,৪৪৬.
তৈমুর লং ভারত আক্রমণ করেন-
  1. ১৬৯৮ সালে
  2. ১৫৯৮ সালে
  3. ১৩৯৮ সালে
  4. ১২৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৩৯৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
তৈমুর লং -এর ভারত আক্রমণ:

- তৈমুর ছিলেন তুর্কী চাগতাই বংশীয়। খোঁড়া ছিলেন বলে তাঁকে 'লং' বলা হতো।
- তিনি ইরাক, ইরাণ ও আফগানিস্তান দখল করে ভারতে প্রবেশ করেন। ভারতে রাজ্যস্থাপন এবং ভারতের সম্পদ লুন্ঠন এই দুই উদ্দেশ্যেই তিনি ভারত আক্রমণ করেন।
- তিনি ১৩৯৮ খ্রিস্টাব্দে ভারত আক্রমণ করেন।
- সুলতান মাহমুদ শাহের সৈন্যবাহিনী নামেমাত্র প্রতিরোধের চেষ্টা করে পরাজিত হয় ও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
- তৈমুর দিল্লীতে বিজয়গৌরবে প্রবেশ করেন। 

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৭,৪৪৭.
বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশনের অধীনে দেশে বর্তমানে কতটি পাটকল চালু রয়েছে?
  1. ৩৫টি
  2. ২৯টি
  3. ২৬টি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন (বিজেএমসি) গত ১ জুলাই ২০২০ থেকে সংস্থাটির অধীনে থাকা সর্বশেষ ২৫টি পাটকল বন্ধ ঘোষণা করে। এর মাধ্যমে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল যুগের অবসান ঘটে।
- বন্ধ ঘোষিত পাটকলসমূহ সরকার বেসরকারি খাতে লিজ প্রদানের মাধ্যমে পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
(তথ্যসূত্র: বিজেএমসি ওয়েবসাইট)
৭,৪৪৮.
পলাশীর যুদ্ধে প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. ক) ফররুখ সিয়া
  2. খ) শওকত জঙ্গ
  3. গ) মীরজাফর
  4. ঘ) মীর কাসেম
সঠিক উত্তর:
গ) মীরজাফর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মীরজাফর
ব্যাখ্যা
- পলাশীর যুদ্ধ ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন নওয়াব সিরাজউদ্দৌলা ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এর মধ্যে সংঘটিত। 
- এ যুদ্ধ আট ঘণ্টার মতো স্থায়ী ছিল এবং প্রধান সেনাপতি মীরজাফর আলী খানের বিশ্বাসঘাতকতার দরুণ নওয়াব কোম্পানি কর্তৃক পরাজিত হন। 
- এ যুদ্ধের রাজনৈতিক ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী ও ধ্বংসাত্মক এবং এ কারণে যদিও এটি ছোট খাট দাঙ্গার মতো একটি ঘটনা ছিল, তবু এটিকে যুদ্ধ বলে বাড়িয়ে দেখানো হয়। এর ফলে বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির জন্য বাংলা অনেকটা স্প্রিং বোর্ডের মতো কাজ করে, যেখান থেকে ক্রমান্বয়ে ব্রিটিশ শক্তি আধিপত্য বিস্তার করে করে অবশেষে সাম্রাজ্য স্থাপনে সক্ষম হয়। 
- ব্রিটিশ সাম্রাজ্য প্রায় সমগ্র ভারতবর্ষ গ্রাস করে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে এশিয়ার অন্যান্য অনেক অংশও এর অধীনস্থ হয়।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া 
৭,৪৪৯.
'______' জেলায় রেল যোগাযোগ নেই।
  1. জামালপুর
  2. পটুয়াখালী
  3. নাটোর
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা

→ পটুয়াখালী জেলায় রেল যোগাযোগ নেই।

♦ রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা:
- দেশে বর্তমানে ৪৯টি জেলায় রেলপথ রয়েছে।
- রেল যোগাযোগব্যবস্থাকে বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
- দেশেরে ৬৪ জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে ৩০ বছর মেয়াদি মাস্টারপ্ল্যানের কাজ চলমান রয়েছে।
- ২০২৩ সালের অক্টোবরের শুরুতেও রেল নেটওয়ার্কের আওতায় ছিল দেশের ৪৩টি জেলা।
- ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পের ঢাকা-ভাঙ্গা অংশের উদ্বোধনে রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হয় আরও ৩টি জেলা (মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর)।
- ২০২৩ সালের ১ নভেম্বর খুলনা-মোংলা রেলপথ উদ্বোধনের মধ্যে ৪৭তম জেলা হিসেবে পুনরায় যুক্ত হয়েছে বাগেরহাট।
- ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর ৪৮ তম জেলা হিসেবে দোহাজারী-কক্সবাজার রেল প্রকল্পের উদ্বোধনের মাধ্যমে পর্যটন নগরী কক্সবাজার সংযুক্ত হয় রেল নেটওয়ার্কে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর দেশের ৪৯ তম জেলা হিসেবে রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হয় নড়াইল।

♦ উল্লেখ্য:
- দেশে ১৫টি জেলায় এখনো রেলপথ স্থাপন করা হয়নি।
- মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী ২০৪৫ সালের মধ্যে এই ১৫টি জেলাকেও রেলপথের আওতায় আনা হবে।
- জেলাগুলো হলো: সাতক্ষীরা, মেহেরপুর, মাগুরা, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙামাটি, শেরপুর, মানিকগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর ও ঝালকাঠি।

তথ্যসূত্র - Railway Technology ওয়েবসাইট বণিক বার্তা।

৭,৪৫০.
১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবরের ফরমানে কে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত হন?
  1. ইসকান্দার মীর্জা
  2. মোহাম্মদ আইয়ুব খান
  3. মালিক ফিরোজ খান নুন
  4. জিয়াউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা

আইয়ুব খানের সামরিক শাসন ১৯৫৮-১৯৬২: 
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর রাত ১০:৩০ মিনিটে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মেজর
জেনারেল ইসকান্দার মীর্জা সামরিক বাহিনীর সহায়তায় মালিক ফিরোজ খান নুনের সংসদীয় সরকারকে উৎখাত করে পাকিস্তানে সামরিক আইন জারি করেন।
- ৭ অক্টোবরের ফরমান বলে ইস্কান্দার মীর্জা পাকিস্তান সশস্ত্রবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিয়োগ করেন,
- ১৯৫৬ সালের সংবিধান বাতিল করেন, কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারসমূহকে বরখাস্ত করেন, জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদসমূহ ভেঙে দেন, রাজনৈতিক দলসমূহ বিলুপ্ত করেন, মৌলিক অধিকার কেড়ে নেন।
- এরপর নিজেই আইয়ুব খান কর্তৃক উৎখাত হয়ে ২৭.১০.৫৮ তারিখে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৫১.
প্রতিষ্ঠাকালীন আওয়ামী লীগে বঙ্গবন্ধু ছিলেন -
  1. ক) সভাপতি
  2. খ) সহ-সভাপতি
  3. গ) সাধারণ সম্পাদক
  4. ঘ) যুগ্ম-সম্পাদক
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুগ্ম-সম্পাদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুগ্ম-সম্পাদক
ব্যাখ্যা
১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কে. এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একটি অংশের নেতা-কর্মীদের কনভেনশনে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। নতুন এই দলের নামকরণ হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ।
মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে সভাপতি, আতাউর রহমান খান, শওকত হোসেন ও আলী আহমদ খানকে সহ-সভাপতি করা হয়।
আবার, ফরিদপুরের শামসুল হককে সাধারণ সম্পাদক, শেখ মুজিবুর রহমান (তখন কারাবন্দি), খোন্দকার মোশতাক আহমদ ও এ.কে রফিকুল হোসেনকে যুগ্ম-সম্পাদক এবং ইয়ার মোহাম্মদ খানকে কোষাধ্যক্ষ করে আওয়ামীলীগ গঠিত হয়।
সূত্র : বাংলাপিডিয়া
৭,৪৫২.
নিচের কোনটি হুমায়ূন আহমেদের পরিচালিত চলচ্চিত্র নয়?
  1. চন্দ্রকথা
  2. আমার আছে জল
  3. দারুচিনি দ্বীপ
  4. নয় নম্বর বিপদ সংকেত
সঠিক উত্তর:
দারুচিনি দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারুচিনি দ্বীপ
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে।
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর অন্যন্যা চলচ্চিত্র গুলো হলো,
- শ্রাবণ মেঘের দিন (২০০০), দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), নয় নম্বর বিপদ সংকেত (২০০৭) এবং আমার আছে জল (২০০৮)।

অন্যদিকে,
- দারুচিনি দ্বীপ ও জয়যাত্রা পরিচালনা করেছেন তৌকির আহমেদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭,৪৫৩.
What is 'swatch of no ground'?
  1. ক) Delta
  2. খ) Canyon
  3. গ) Reflective shield
  4. ঘ) Naval base
সঠিক উত্তর:
খ) Canyon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Canyon
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:

- বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড।
- এটি বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে। 
- গিরিখাতটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- এর প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বঙ্গোপসাগরের নিচে কান্দা ও উপ-বদ্বীপ উপত্যকার আকারে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড সাগর অভিমুখে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার সম্প্রসারিত হয়ে আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭,৪৫৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ মতে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপিতে পশুসম্পদের অবদান কত ছিল?
  1. ক) ১.২%
  2. খ) ১.৪৬%
  3. গ) ১.৬%
  4. ঘ) ১.৫৩%
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৪৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৪৬%
ব্যাখ্যা

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২১
৭,৪৫৫.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন ছিল -
  1. রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
  2. আওয়ামী মুসলিম লীগ
  3. তমদ্দুন মজলিশ
  4. ছাত্র ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।

ভাষা আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য তথ্য,
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

৭,৪৫৬.
শেখ রাসেল সেনানিবাস কোথায় অবস্থিত?
  1. মানিকগঞ্জ
  2. গোপালগঞ্জ
  3. ফরিদপুর
  4. শরীয়তপুর
সঠিক উত্তর:
শরীয়তপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরীয়তপুর
ব্যাখ্যা
শেখ রাসেল সেনানিবাস:
- শেখ রাসেল সেনানিবাস বাংলাদেশের শরীয়তপুরের জাজিরায় অবস্থিত।
- পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার জন্য এই সেনানিবাস নির্মাণ করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই সেনানিবাসের নাম শেখ রাসেলের নামে রেখেছে।
- ২০২২ সালের ২৯ মার্চ তারিখে এই সেনানিবাস উদ্বোধন করা হয়।
- এটি ২৩৫ একর জমি জুড়ে অবস্থিত।
- এই সেনানিবাসে তিনটি প্রধান ইউনিট রয়েছে।
- পদ্মা সেতুর নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য গঠিত ৯ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড এই সেনানিবাসে থাকছে।

উৎস: ২৯ মার্চ, ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
৭,৪৫৭.
দেশের সর্বাধিক দারিদ্র্যপীড়িত বিভাগ কোনটি?
  1. ক) ময়মনসিংহ বিভাগ
  2. খ) বরিশাল বিভাগ
  3. গ) রংপুর বিভাগ
  4. ঘ) রাজশাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) রংপুর বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রংপুর বিভাগ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে দেশে উচ্চ দারিদ্র্য হার ২০.৫ শতাংশ এবং চরম দারিদ্র্য হার ১০.৫ শতাংশ।
বিভাগ অনুসারে উচ্চ দারিদ্র্য হার:
- ঢাকা বিভাগ : ১৬.০ শতাংশ
- সিলেট বিভাগ : ১৬.২ শতাংশ
- চট্টগ্রাম বিভাগ : ১৮.৪ শতাংশ
- বরিশাল বিভাগ : ২৬.৫ শতাংশ
- খুলনা বিভাগ : ২৭.৫ শতাংশ
- রাজশাহী বিভাগ : ২৮.৯ শতাংশ
- ময়মনসিংহ বিভাগ : ৩২.৮ শতাংশ
- রংপুর বিভাগ : ৪৭.২ শতাংশ।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
৭,৪৫৮.
একুশের প্রথম সংকলন ”একুশে ফেব্রুয়ারি” প্রকাশ করেন কে?
  1. সিরাজুল ইসলাম
  2. হাসান হাফিজুর রহমান
  3. আতোয়ার রহমান
  4. মোহাম্মদ সুলতান
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ সুলতান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ সুলতান
ব্যাখ্যা

• প্রথম সংকলন:
- একুশের প্রথম সংকলনের নাম একুশে ফেব্রুয়ারি। 
- সম্পাদনা করেন হাসান হাফিজুর রহমান।
- সংকলনটি প্রকাশ করেন বিশিষ্ট রাজনৈতিক কর্মী মোহাম্মদ সুলতান।
- সংকলনে ‘সকল ভাষার সমান মর্যাদা’ শিরোনামে আলী আশরাফের একটি প্রবন্ধ ছাপা হয়।

⇒ এ সংকলনে শামসুর রাহমান, বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর, আবদুল গণি হাজারী, ফজলে লোহানী, আলাউদ্দিন আল আজাদ, আনিস চৌধুরী, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, জামালুদ্দিন, আতাউর রহমান, সৈয়দ শামসুল হক এবং হাসান হাফিজুর রহমানের কবিতা ছাপা হয়। গল্প ছাপা হয় শওকত ওসমান, সাইয়িদ আতীকুল্লাহ, আনিসুজ্জামান, সিরাজুল ইসলাম এবং আতোয়ার রহমানের। গান ছিল আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ও তোফাজ্জল হোসেনের।

- এ ছাড়া সংকলনে ‘একুশের ইতিহাস’ শিরোনামে একটি রচনা ছিল, যেটি কবির উদ্দিন আহমদের লেখা।
- ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলনের স্কেচ করেন মূর্তজা বশীর।
- হাসান হাফিজুর রহমানের অনুরোধে উৎসর্গপত্র লিখে দেন আনিসুজ্জামান।
- সংকলনটি ছাপেন এম এ মুকিত, পাইওনিয়ার প্রেস থেকে। 
- ক্রাউন সাইজে ছাপা ১৮৩ পৃষ্ঠার এ সংকলনের দাম রাখা হয় দুই টাকা আট আনা।
- এটি প্রকাশের পর প্রকাশকের আস্তানায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। 
- শেষ পর্যন্ত সংকলনটিকে নিষিদ্ধ করে সরকার। 
- পরে ১৯৫৬ সালে আতাউর রহমান খান মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো [লিংক]।

৭,৪৫৯.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলায় কোন ভাবাদর্শ ছড়িয়ে দিয়েছিল?
  1. স্বজাত্য বোধ
  2. দ্বীজাতি তত্ত্ব
  3. অসাম্প্রদায়িক মনোভাব
  4. বাঙালি জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
বাঙালি জাতীয়তাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙালি জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- তমদ্দুন মজলিশ ছিলো ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পূর্ব বাংলায় বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৪৬০.
পূর্ববঙ্গ এবং আসামের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর কে ছিলেন?
  1. ওয়ারেন হেস্টিং
  2. লর্ড মিন্টো
  3. লর্ড কার্জন
  4. ব্যামফিল্ড ফুলার
সঠিক উত্তর:
ব্যামফিল্ড ফুলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যামফিল্ড ফুলার
ব্যাখ্যা

ব্যামফিল্ড ফুলার:
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের ফলে সৃষ্ট নতুন প্রদেশ পূর্ববঙ্গ এবং আসামের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর ছিলেন স্যার জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার।
- তিনি ১৮৮৫ সালে মধ্য প্রদেশের ভূমি জরিপ ও কর নির্ধারণ এবং কৃষিবিষয়ক কমিশনার হিসেবে ভারতীয় সিভিল সার্ভিস-এ তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন।
- তিনি ১৮৯৯ সালে ভাইসরয়ের পরিষদের অতিরিক্ত সদস্য এবং ১৯০১-০২ সাল পর্যন্ত ভারত সরকারের সচিব ছিলেন।
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর নতুন প্রদেশ পূর্ববঙ্গ ও আসামের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের পদে নিয়োগ লাভের পূর্বে ফুলার আসামের প্রধান কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ভারতে ব্রিটিশ প্রশাসনে সেবা প্রদানের জন্য নাইট উপাধি লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলা ও ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫-১৯১১) একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত ছিল বাংলা প্রদেশ বা বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি। কলকাতা ছিল এর রাজধানী। এটি ছিল ব্রিটিশ ভারতের বৃহত্তম প্রদেশ।
- শাসন কার্যের সুবিধার্থে ব্রিটিশ সরকার বাংলা প্রেসিডেন্সির বিভক্তকরণের কথা চিন্তা করতে থাকে। 
- উদ্যোগী ভূমিকা পালন করেন স্যার রাম্পফিল্ড ফুলার এবং স্যার এন্ড্রু ফ্রেজার।
- ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গ সম্পন্ন হয়।
- সৃষ্টি হয় ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও আসামকে নিয়ে 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে' এক নতুন প্রদেশ এবং এর রাজধানী হয় ঢাকা। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
          ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৬১.
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত হবে -
  1. ৫ আগস্ট
  2. ৬ আগস্ট
  3. ৭ আগস্ট
  4. ৮ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট
ব্যাখ্যা
জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস:
- ৫ আগস্ট 'জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস' হিসেবে পালিত হবে।
- বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ৫ আগস্টকে 'জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস' ও ১৬ই জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

⇒ ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দিন ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস’ ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- গণ-আন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদের নিহত হওয়ার দিন ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ ঘোষণা করা হয়েছে।
- ২৫ জুন, ২০২৫ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ–সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
- ৫ আগস্ট জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত এবং অপর দিবস ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে বলে তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
৭,৪৬২.
হায়া সোফিয়া স্থাপত্যের নির্মাতা কে?
  1. ক) সুলতান তৃতীয় মেহমুদ
  2. খ) সম্রাট জাস্টিনিয়ান
  3. গ) সম্রাট দারিয়ুস
  4. ঘ) সম্রাট জুলিয়াস সিজার
সঠিক উত্তর:
খ) সম্রাট জাস্টিনিয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সম্রাট জাস্টিনিয়ান
ব্যাখ্যা
বাইজান্টাইন সম্রাট জাস্টিনিয়ান ৫৩৭ খ্রিস্টাব্দে বর্তমান তুরস্কের ইস্তাম্বুল নগরে অবস্থিত হায়া সোফিয়া স্থাপত্য নির্মাণ করেন যা ছিলো তৎকালীন সময়ের সবচেয়ে বড় গির্জা।
১৪৫৩ সালে অটোমান সুলতান ফাতিহ ‍মুহাম্মদ ইস্তাম্বুল অধিকার করে হায়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তর করেন। ১৯৩৫ সালে তুরস্কের কামাল আতাতুর্ক সরকার হায়া সোফিয়াকে মিউজিয়ামে রূপান্তর করে। সম্প্রতি তুরস্ক সরকার হায়া সোফিয়াকে পুনরায় মসজিদে রূপান্তর করেছে।
(সূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
৭,৪৬৩.
Which district was first set free enemy during the liberation war of Bangladesh?
  1. B.Baria
  2. Jessore
  3. Sylhet
  4. Dhaka
সঠিক উত্তর:
Jessore
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jessore
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- অবিভক্ত ভারতের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী জেলা যশোর অনেক কিছুর জন্যেই বিখ্যাত।
- ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠর মধ্যে ২ জনই বৃহত্তর যশোর জেলার কৃতি সন্তান।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চুড়ান্তভাবে শেষ হবার কয়েকদিন আগেই স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাণপণ লড়াইয়ে দেশের সর্বপ্রথম শত্রু মুক্ত যশোর জেলা।
- সেই গৌরবমন্ডিত তারিখটি ছিল ১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যশোরই হল প্রথম শত্রু মুক্ত জেলা।

উৎস: যশোর জেলার ওয়েবসাইট।
৭,৪৬৪.
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম সার্বভৌম রাজা কে ছিলেন?
  1. বিজয় সেন
  2. গোপাল
  3. শশাঙ্ক
  4. হর্ষবর্ধন
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা
শশাঙ্ক:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ- পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
- শশাঙ্ক সনাতন হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন।
- তিনি গৌড় রাজ্যকে ভারতের বিহার ও উড়িষ্যা পর্যন্ত বিস্তৃত করেন।
- উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন হর্ষবর্ধন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৬৫.
তুর্কি সেনাপতি বখতিয়ার খলজি সেন বংশের কোন রাজাকে পরাজিত করেন?
  1. বিজয় সেন
  2. লক্ষ্মণ সেন
  3. বল্লাল সেন
  4. সামন্ত সেন
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মণ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মণ সেন
ব্যাখ্যা
তুর্কি সেনাপতি বখতিয়ার খলজি লক্ষ্মণ সেনকে পরাজিত করেন।

ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি:

- বখতিয়ার খলজী ছিলেন বাংলার দিল্লি সুলতানাতের একজন মুসলিম সুলতান।
- তিনি আফগানিস্তানের গরমশির এলাকার অধিবাসী ছিলেন।
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- উল্লেখ্য, পূর্বে গৌড়ের নাম ছিল লক্ষণাবতী।
- ত্রয়োদশ শতকে তার নদীয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়।
- তিনি ১২০৪ সালে বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন।
- তিনি স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
- ১২০৬ সালে বখতিয়ার খিলজী ইহলোক ত্যাগ করেন।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলায় সেন বংশের শাসন:
- ১০৭০ থেকে ১২৩০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় ১৫০ বছর সেনরা বাংলায় রাজত্ব করে।
- পালদের পতনের পর বাংলায় সেন রাজবংশের উত্থান ঘটে।
- বাংলার সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সামন্ত সেন। সামন্ত সেন কোনো রাজ্য প্রতিষ্ঠা না করায় সেন বংশের প্রথম রাজার মর্যাদা দেওয়া হয় সামন্ত সেনের পুত্র হেমন্ত সেনকে।
- এই বংশের শেষ রাজা ছিলেন লক্ষ্মণ সেন। ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজী নদীয়া আক্রমণ করলে তিনি প্রতিরোধ না করে মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুর পালিয়ে আসেন। এই অঞ্চলে তিনি আরো ২/৩ বছর রাজত্ব করেন।

⇒ ১২০২ সালে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি বাংলা আক্রমণ করেন। সে সময় সেনদের অস্থায়ী রাজধানী ছিল নদীয়ায়। নদীয়ায় আক্রমণ করা হলে লক্ষ্মণ সেন পূর্ববঙ্গে পালিয়ে যান। এরপর লক্ষ্মণ সেনের মৃত্যু হলে সেনরা দুর্বল হতে শুরু করে। সামন্ত বিদ্রোহের ফলে বাংলায় সেনদের পতন ঘটে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৭,৪৬৬.
Parki beach is situated in ______.
  1. Chittagong
  2. Khulna
  3. Cox's Bazar
  4. Potuakhali
সঠিক উত্তর:
Chittagong
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chittagong
ব্যাখ্যা
পারকী সৈকত:
- পারকী সৈকত চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ার থানায় অবস্থিত একটি উপকূলীয় সমুদ্র সৈকত।
- স্থানীয়দের কাছে এটির পরিচয় পারকীর চর হিসেবে।
- এছাড়া অনেকে এটিকে পারকী বিচ বলেও পরিচয় দেন।
- চট্টগ্রাম শহর থেকে এই বিচটির দূরত্ব মাত্র ২৫ কিলোমিটার।
- এটি মূলত কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- অর্থাৎ কর্ণফুলী নদীর মোহনার পশ্চিম তীরে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এবং পূর্বদক্ষিণ তীরে এই পারকী সমুদ্র্র সৈকত।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
৭,৪৬৭.
মন্ত্রী মিশনের সদস্য সংখ্যা ছিলো কতজন?
  1. ক) দুইজন
  2. খ) তিনজন
  3. গ) পাঁচজন
  4. ঘ) সাতজন
সঠিক উত্তর:
খ) তিনজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিনজন
ব্যাখ্যা
ভারতীয়দের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের পরিকল্পনা বিষয়ে আলোচনার জন্যে ১৯৪৬ সালে ব্রিটিশ সরকার তৎকালীন ভারত সচিব পেথিক লরেন্স কে প্রধান করে তিন সদস্যের ক্যাবিনেট বা মন্ত্রী মিশন ভারতে পাঠায়।
এর অপর দুই সদস্য হলেন স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস এবং এ. ভি. আলেকজান্ডার।
এই মিশন ভারতকে তিনটি ভাগে ভাগ করে এবং তিন স্তর বিশিষ্ট যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা করে।
মুসলিমলীগ শেষ পর্যন্ত এই পরিকল্পনা মেনে নিলেও কংগ্রেসের অসহযোগিতায় মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনা সফল হয়নি।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৭,৪৬৮.
হালদা ভ্যালি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) স্বন্দীপ
  3. গ) বান্দরবন
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
ঘ) খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

‘হালদা ভ্যালি’ খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত একটি উপত্যকা (Valley)।
অন্যদিকে কাপ্তাই হ্রদ দ্বারা প্লাবিত রাঙামাটির একটি উপত্যকা হলাে ‘ভেঙ্গি ভ্যালি'।
এছাড়াও বালিশিরা ভেলী অবস্থিত মৌলভীবাজারে, সাঙ্গু ভ্যালি অবস্থিত চট্টগ্রামে, নাপিত খালি ভ্যালি অবস্থিত কক্সবাজারে, মাইনমুখী ভ্যালি অবস্থিত রাঙামাটিতে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭,৪৬৯.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অবদানকারী সমাজসেবী 'জুলিয়ান ফ্রান্সিস' কোন দেশের নাগরিক?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাজ্যের সমাজসেবী ও উন্নয়ন কর্মী জুলিয়ান ফ্রান্সিস:
- জুলিয়ান ফ্রান্সিস সমাজসেবী ও উন্নয়ন কর্মী, অক্সফামের সাবেক কর্মকর্তা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে ভারতে বাঙালি শরণার্থীদের মধ্যে অক্সফামের ত্রাণ তৎপরতার প্রধান সমন্বয়ক, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা পালনকারী, বাংলাদেশের 'মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা' ও নাগরিকত্ব প্রাপ্ত যুক্তরাজ্যের অধিবাসী।

⇒ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে ব্রিটিশ বেসরকারি সাহায্য সংস্থা অক্সফাম-এর ত্রাণকার্য বিষয়ক সমন্বয়ক হিসেবে জুলিয়ান ফ্রান্সিস ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশ থেকে আশ্রয় নেয়া শরণার্থীদের মধ্যে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ত্রাণতৎপরতা পরিচালনা করেন।
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৬০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির অভিজ্ঞতা বর্ণনা আকারে তুলে ধরে অক্সফাম বাংলাদেশের শরণার্থীদের দুর্বিষহ জীবনের ওপর টেস্টিমনি অফ সিক্সটি নামে যে ডকুমেন্টটি প্রকাশ (অক্টোবর ১৯৭১) এবং বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং নীতিনির্ধারকের কাছে প্রচার করেছিল, তা প্রস্তুত করণে জুলিয়ান ফ্রান্সিস গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- এ প্রচারপত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

⇒ স্বাধীনতার পর শরণার্থীদের পুনর্বাসন কাজে সহায়তা দানের জন্য তিনি ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশে আসেন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃচালুর প্রয়োজনে তিনি যুক্তরাজ্য অক্সফামের প্রধান কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেদেশ থেকে কয়েকটি ফেরি সংগ্রহ করতে সক্ষম হন।
- এক পর্যায়ে তিনি বাংলাদেশের দারিদ্র্যপীড়িত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োগ করেন।
- তিনি বাংলাদেশ সরকারের দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচির সঙ্গেও সক্রিয়ভাবে নিজেকে যুক্ত করেন।
- ১৯৯৮ সাল থেকে তিনি স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে বসবাস করছেন এবং ২০১৮ সালে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০১২ সালের ২৭শে মার্চ জুলিয়ান ফ্রান্সিস-কে মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের দারিদ্র্যমোচন ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ যুক্তরাজ্য সরকার কর্তৃক ২০১৯ সালে তাঁকে 'ওবিই" খেতাবে ভূষিত করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জ্ঞানকোষ ৪র্থ খণ্ড।
ii) সংগ্রামের নোটবুক।

৭,৪৭০.
মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী -
  1. ক) জনাব তাজউদ্দীন আহমদ
  2. খ) খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) এএইচএম কামারুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
খ) খন্দকার মুশতাক আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খন্দকার মুশতাক আহমেদ
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। ১৭ এপ্রিল এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত (অস্থায়ী) রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম। অর্থাৎ, তিনি বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমদ
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এএইচএম কামারুজ্জামান (পুরো নাম - আবুল হাসানাত মুহাম্মদ কামারুজ্জান)
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)

৭,৪৭১.
গণ অভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান কখন পদত্যাগ করেন?
  1. ২৫ মার্চ, ১৯৬৯ সাল
  2. ২৩ মার্চ, ১৯৬৯ সাল
  3. ২১ মার্চ, ১৯৭০ সাল
  4. ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ সাল
সঠিক উত্তর:
২৫ মার্চ, ১৯৬৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ মার্চ, ১৯৬৯ সাল
ব্যাখ্যা
• গণ অভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান ২৫ মার্চ, ১৯৬৯ সালে পদত্যাগ করেন।

• ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ক্রমাগতভাবে পূর্বপাকিস্তানের প্রতি পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠি যে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে তার বহি:প্রকাশ ঘটে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে।
- এসময় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। 
- এই আন্দোলনে ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহিদ হন।
- ২৪ জানুয়ারি শহিদ হন ঢাকার নবকুমার ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণীর ছাত্র মতিউর পুলিশের গুলিতে শহিদ হন।
- ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন পূর্বপাকিস্তানী নিহত হয়েছিলেন।
- জনতার রুদ্ররোষ এবং গণ-অভ্যুত্থানের জোয়ারে স্বৈরাচারী আইয়ুব সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান অভিযুক্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সবাইকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।
- আইয়ুব খান ২৫ মার্চ, ১৯৬৯ সালে পদত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা আর্কাইভ
৭,৪৭২.
৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে নিহত শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহার স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য নিচের কোনটি?
  1. স্মৃতি অম্লান
  2. স্ফুলিঙ্গ
  3. অদম্য বাংলা
  4. স্মৃতি চিরন্তন
সঠিক উত্তর:
স্ফুলিঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ফুলিঙ্গ
ব্যাখ্যা
৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান:
- ১৮ ফেব্রুয়ারি শহীদ শামসুজ্জোহা দিবস।
- ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা পুলিশের গুলি ও বেয়নেট চার্জের ফলে মৃত্যুবরণ করেন।
- ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের অগ্রনায়কের ভূমিকা পালন করেছিলেন ড. শামসুজ্জোহা।
- এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই শুরু হয়েছিল পাক-হানাদার বাহিনী হটাও আন্দোলন।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির দাবিসহ আইয়ুব খানবিরোধী আন্দোলনে ফুঁসে ওঠা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এই শহীদ বুদ্ধিজীবী।
- তিনিই পাক-হানাদারদের হাতে নিহত প্রথম বাংলাদেশি বুদ্ধিজীবী।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ শামসুজ্জোহা হলের সামনে নির্মিত হয়েছে শহীদ শামসুজ্জোহা স্মৃতি ভাস্কর্য ‘স্ফুলিঙ্গ’।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও দৈনিক ইত্তেফাক, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
৭,৪৭৩.
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মোট জেলার সংখ্যা কত?
  1. ৩০টি
  2. ৩১টি
  3. ৩২টি
  4. ৩৩টি
সঠিক উত্তর:
৩২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমান্ত:

- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মোট জেলা- ৩২টি।
- বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে- ভারত ও মিয়ানমার।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি জেলার যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৪৭৪.
উপমহাদেশে কত সাল থেকে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৮৬১ সাল
  2. ১৮৬৩ সাল
  3. ১৯২২ সাল
  4. ১৯৪৭ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯২২ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২২ সাল
ব্যাখ্যা
উপমহাদেশে সিভিল সার্ভিস
- ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনার মূল প্রতিষ্ঠান ছিল সিভিল সার্ভিস।
- ১৮৬১ সালের আইনবলে প্রতিষ্ঠিত হয় ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস (আইসিএস)।

- সিভিল সার্ভিসে অধিক সংখ্যক ভারতীয়ের যোগদানের সুবিধার্থে গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় লর্ড লীটন ১৮৭৯ সালে একটি বিধিবদ্ধ সিভিল সার্ভিস ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯২২ সাল থেকে ভারতীয় সিভিল সার্ভিসের পরীক্ষাগুলো  যুগপৎ ইংল্যান্ড ও ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়া শুরু হয়।

- ব্রিটিশ রাজত্বের সময়, ওয়ারেন হেস্টিংস সিভিল সার্ভিসের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। 
- চার্লস কর্নওয়ালিস এটিকে সংস্কার, আধুনিকীকরণ এবং যুক্তিযুক্ত করেছিলেন। তাই, চার্লস কর্নওয়ালিসকে 'ভারতে সিভিল সার্ভিসের জনক' বলা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া। 
৭,৪৭৫.
তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ক) ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬
  2. খ) ১৫ জানুয়ারি, ১৯৬৬
  3. গ) ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৬
  4. ঘ) ২৫ জানুয়ারি, ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
ক) ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ
- ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টির পর কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে এই দুই দেশের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়।
- ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশই কাশ্মীরকে তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মনে করত।
- কাশ্মীর সমস্যাকে কেন্দ্র করে ১৯৬৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাক-ভারত যুদ্ধ শুরু হয়।
- ৬ আগস্ট পাকিস্তান বাহিনী ভারত আক্রমণ করলে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হয়।
- ৬ সেপ্টেম্বর ভারত লাহোর আক্রমণে অগ্রসর হয়।
- ১৭ দিন যুদ্ধের পর জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ২৩ সেপ্টেম্বর যুদ্ধ বিরতি ঘোষিত হয়।
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত ‘তাসখন্দ চুক্তি'র মাধ্যমে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৭৬.
‘ওঙ্কার’ উপন্যাসের বিষয়বস্তু কী?
  1. তেভাগা আন্দোলন
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. মুক্তিযুদ্ধ
  4. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
ওঙ্কার:
- ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস ওঙ্কার।
- আহমদ ছফার দ্বিতীয় উপন্যাস ‘ওঙ্কার' (১৯৭৫)।
- এ উপন্যাসের ঘটনাপ্রবাহ বর্ণিত হয়েছে একজন কথকের উক্তিতে।
- ৩৮ পৃষ্ঠার এই ছোট্ট উপন্যাসটি উঠে এসেছে '৬৯ এর পাকিস্তান আমলের সমাজচিত্রের ক্যানভাস ও সামাজিক অসংগতি এবং মনস্তাত্ত্বিক খেলা। 
- আহমদ ছফার এ উপন্যাসে সমকালীন উত্তাপই শুধু নয় সমকালের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করার শৈল্পিক সাধনাও প্রকাশ পেয়েছে।

উল্লেখ্য,
- আহমদ ছফা একজন বিশিষ্ট কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, কবি ও অনুবাদক।

উৎস: প্রথম আলো।
৭,৪৭৭.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত 'কারাগারের রোজনামচা' এর গ্রন্থস্বত্ব কার?
  1. শেখ হাসিনা
  2. বন্ধবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট
  3. সিআরআই
  4. শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
বন্ধবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ধবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট
ব্যাখ্যা
কারাগারের রোজনামচা:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দিনলিপি গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- এটি ১৭ মার্চ, ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে ।
- এই গ্রন্থটি মূলত একটি ডায়রি যা বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬-১৯৬৮ সময়ে কারাগারে বন্দিবস্থায় লিখেছিলেন ।
- এর ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- নামকরণ করেন শেখ রেহেনা।
- প্রচ্ছদ ও নকশা করেন তারিক সুজাত।
- তবে প্রচ্ছদে ব্যবহৃত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি অঙ্কন করেন শিল্পী রাসেল কান্তি দাশ।
- 'কারাগারের রোজনামচা' এর গ্রন্থস্বত্ব - জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট।

উৎস: কারাগারের রোজনামচা।
৭,৪৭৮.
প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের দপ্তর ছিল-
  1. ক) ৮ নং থিয়েটার রোড,কলকাতা
  2. খ) মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলায়
  3. গ) নয়াদিল্লিতে
  4. ঘ) আগরতলা
সঠিক উত্তর:
ক) ৮ নং থিয়েটার রোড,কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৮ নং থিয়েটার রোড,কলকাতা
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমা বর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়। তখন মুজিবনগর সরকারের সদরদপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা- নবম-দশম শ্রেণী
৭,৪৭৯.
‘মাৎস্যন্যায়’-এর অবসান ঘটে কীভাবে?
  1. পালদের আগমনে
  2. সেনদের আগমনে
  3. গুপ্তদের আগমনে
  4. মৌর্যদের আগমনে
সঠিক উত্তর:
পালদের আগমনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পালদের আগমনে
ব্যাখ্যা

মাৎস্যন্যায়:
- ‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার ৭ম-৮ম শতক সময়কালকে নির্দেশ করে।
- রাজা শশাঙ্ক ৬৩৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য শাসকের অভাবে গৌড়ে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। গোটা বাংলায় নেমে আসে অন্ধকারের যুগ। প্রায় একশ বছর বাংলার ইতিহাসে যে অরাজকতা, নেতৃত্বের শূন্যতার সৃষ্টি হয় তাকে 'মাৎস্যন্যায়' বলা হয়ে থাকে।
- বাংলা অঞ্চলে বিশৃঙ্খলা যখন চরমে, তখন সিংহাসনে বসেন রাজা গোপাল।
- পালদের আগমনের মাধ্যমে অবসান ঘটে মাৎস্যন্যায়ের।

⇒ পাল রাজবংশ:
- পাল বংশ আট শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে প্রায় চারশত বছর বাংলা ও বিহারে শাসনকারী রাজবংশ।
- গোপাল নামক একজন শক্তিশালী রাজার প্রতিষ্ঠিত বংশের নাম পালবংশ।
- গোপালের পর তাঁর পুত্র ধর্মপাল সিংহাসনে বসেন।
- দেবপালের পর পাল সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রথম মহীপালের রাজত্বকালে পালবংশের গৌরব পুনরায় ফিরে আসে।
- দ্বিতীয় মহীপাল ও রামপালের রাজত্বকালে বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। রামপাল কৈবর্ত বিদ্রোহ দমন করে বরেন্দ্র অঞ্চল পুনরুদ্ধার করেন। তিনি পালবংশের শেষ মুকুটমণি।
- অবশেষে সেনবংশের উত্থানের মধ্য দিয়ে পাল শাসনের অবসান ঘটে।
- পাল রাজারা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী ছিলেন। পালযুগে বৌদ্ধ ধর্ম প্রসার লাভ করেছিল তিববত, জাভা, সুমাত্রা ও মালয়েশিয়াতে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৮০.
১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে মোট কয়টি আসন ছিল?
  1. ১৬৭টি
  2. ২২৩টি
  3. ৩০৯টি
  4. ৩৭০টি
সঠিক উত্তর:
৩০৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৯টি
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচন:
- ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসের ৮ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচন ছিল পূর্ব বাংলায় প্রথম অবাধ ও সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন।
- মোট ৩০৯টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২২৩টি আসন।
- ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ পায় ৯টি আসন।
- পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস ২৪টি, তফসিল ফেডারেশন ২৭টি, খেলাফতে রব্বানী ২টি, খ্রিস্টান ১টি, বৌদ্ধ ১টি, কম্যুনিস্ট পার্টি ৪টি আসন লাভ করে। 

তথ্যসূত্র: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৮১.
সম্রাট শাহজাহানের কোন পুত্র বাংলার শাসনকর্তা ছিলেন?
  1. ক) দারা
  2. খ) শাহ সুজা
  3. গ) মুরাদ
  4. ঘ) আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
খ) শাহ সুজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শাহ সুজা
ব্যাখ্যা
শাহ সুজা (১৬৩৯-১৬৬০) সুবাহ-বাংলার মুগল ভাইসরয়। তিনি ছিলেন সম্রাট শাহজাহান ও সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের দ্বিতীয় পুত্র। শাহজাহান ইসলাম খান মাসহাদীকে দরবারে ডেকে পাঠান এবং শাহ সুজাকে ১৬৩৯ খ্রিস্টাব্দে বাংলার সুবাহদার নিযুক্ত করেন। ১৬৪২ খ্রিস্টাব্দে তাঁকে ঊড়িষ্যা প্রদেশের দায়িত্বও অর্পণ করা হয়। ১৬৩৯-১৬৬০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিশ বছরের কিছু অধিক সময় ধরে তিনি প্রদেশ দুটি শাসন করেন। [সূত্র: বাংলাপিডিয়া]
৭,৪৮২.
'আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম'- গানটির গীতিকার কে?
  1. হাসন রাজা
  2. শাহ আবদুল করিম
  3. সাইদুর রহমান বয়াতি
  4. আমীর উদ্দিন
সঠিক উত্তর:
শাহ আবদুল করিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহ আবদুল করিম
ব্যাখ্যা
শাহ আবদুল করিম:
- শাহ আবদুল করিম (জন্ম: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৬ - মৃত্যু: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০০৯) বাংলা বাউল গানের জীবন্ত কিংবদন্তী হিসেবে পরিচিত।
- স্বল্প শিক্ষিত বাউল শাহ আব্দুল করিম এ পর্যন্ত প্রায় দেড় সহস্রাধিক গান লিখেছেন এবং সুরারোপ করেছেন।
- বাংলা একাডেমীর উদ্যোগে তাঁর ১০টি গান ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে। 
- বাউল শাহ আবদুল করিমের এ পর্যন্ত ৬টি গানের বই প্রকাশিত হয়েছে। 
- বাউল শাহ আব্দুল করিম ২০০১ সালে একুশে পদক লাভ করেন।

শাহ আবদুল করিমের জনপ্রিয় কিছু গান:
- বন্দে মায়া লাগাইছে, পিরিতি শিখাইছে,
- আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম, 
- গাড়ি চলে না,
- আমি কূলহারা কলঙ্কিনী,
- কেমনে ভুলিবো আমি বাঁচি না তারে ছাড়া,
- কোন মেস্তরি নাও বানাইছে,
- কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু,
- বসন্ত বাতাসে সইগো,
- আইলায় না আইলায় নারে বন্ধু,
- মহাজনে বানাইয়াছে ময়ূরপঙ্খী নাও,
- আমি তোমার কলের গাড়ি, 
- সখী কুঞ্জ সাজাও গো,
- জিজ্ঞাস করি তোমার কাছে,
- মানুষ হয়ে তালাশ করলে,
- আমি বাংলা মায়ের ছেলে,
- রঙ এর দুনিয়া তরে চায় না।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৪৮৩.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে কয়টি রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ করে?
  1. ১১টি
  2. ১৪টি
  3. ১৭টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
১৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪টি
ব্যাখ্যা

প্রথম জাতীয় নির্বাচন:
- ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ সংসদ নির্বাচন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন।
- ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার ছিলেন এম. ইদ্রিস।
- এ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পূর্বে মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত মুজিবনগর সরকার কর্তৃক রাষ্ট্র পরিচালিত হয়েছে।
- নয় মাসের প্রচেষ্টায় ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে ৩০০টি সাধারন আসন ও ১৫টি সংরক্ষিত মহিলা আসন।
- ১৪টি রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ করে।
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩০৮টি আসনে জয়লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট, পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৭,৪৮৪.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ হলেন-
  1. আব্দুল আহাদ
  2. শহীদ মুগ্ধ
  3. আবু সাইদ
  4. আবু কাহার
সঠিক উত্তর:
আব্দুল আহাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল আহাদ
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ আব্দুল আহাদ।
- ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নিহত হয় ৪ বছরের শিশু আব্দুল আহাদ। 
- শহীদ আব্দুল আহাদ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের আবুল হাসান ও মা সুমি আক্তারের পুত্র। 

উল্লেখ্য,
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগ এলাকায় ৮ তলার উপর তার বাবা-মায়ের মাঝে বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল আব্দুল আহাদ।
- এ সময় বাসার নিচে ছাত্রলীগ ও পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে নিহত হয় আহাদ।
- সে ‘জুলাই সর্বকনিষ্ঠ যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচিত।

উৎস: i) জুলাই আর্কাইভ।
ii) যুগান্তর।

৭,৪৮৫.
'লালমাই' কোন জনপদের অংশ ছিল?
  1. হরিকেল
  2. সমতট
  3. বঙ্গ
  4. রাঢ়
সঠিক উত্তর:
সমতট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতট
ব্যাখ্যা
সমতট:

- দক্ষিণ পূর্ব বাংলার জনপদ সমতট নামটি বর্ণনামূলক এবং এর অর্থ তটের সমান্তরাল।
- চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ রয়েছে।
- হিউয়েন সাঙ সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন।
- হিউয়েন সাঙ বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিদ্যমান অবস্থার যে বর্ণনা রেখে গেছেন তা থেকে বোঝা যায় যে, কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই সমতট।
- সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল।
- মেঘনা- পূর্ববর্তী অঞ্চলই সমতট বলে পরিচিত ছিল।
- কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী 'লালমাই' এলাকা।
- ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চলই নিয়েই ছিল প্রাচীন সমতট।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৮৬.
বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় কোন স্থানে?
  1. দিল্লি
  2. পাটনা
  3. কানপুর
  4. বিহার
সঠিক উত্তর:
বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিহার
ব্যাখ্যা

বক্সারের যুদ্ধ:
- বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় বিহারে।
- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে সংঘটিত এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে। 
- বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম পুনরায় ইংরেজ শিবিরে আশ্রয় নেন। সুজাউদ্দৌলা রোহিলাখন্ডে পালিয়ে যান এবং অযোধ্যা ইংরেজ বাহিনীর পদানত হয়। মীর কাসিম নিরুদ্দেশ হন এবং এরপর তাঁর সম্পর্কে আর কিছু জানা যায় নি।
- বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৭,৪৮৭.
দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রাথমিক ধারণা কে দেন?
  1. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. মাওলানা মওদুদী
  3. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  4. আল্লামা ইকবাল
সঠিক উত্তর:
স্যার সৈয়দ আহমদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার সৈয়দ আহমদ খান
ব্যাখ্যা

দ্বিজাতি তত্ত্ব:
- দ্বিজাতি তত্ত্ব (Two-Nation Theory) হলো এমন একটি রাজনৈতিক ও আদর্শিক মতবাদ যা ১৯৪৭ সালের ভারত বিভক্তির মূল কারণ।
- এই তত্ত্ব অনুসারে, ভারতীয় উপমহাদেশের হিন্দু ও মুসলমানরা কেবল দুটি ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষই নয়, বরং তারা দুটি আলাদা জাতি। তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, রীতিনীতি এবং জীবনধারা সম্পূর্ণ ভিন্ন হওয়ায়, একটি একক রাষ্ট্রে তারা একত্রে বসবাস করতে পারে না।
- এই তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করেই ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত বিভাজিত হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

মুসলমানদের একটি জাতি হিসেবে আত্মপরিচয়ের সন্ধানে উদ্বুদ্ধ করতে স্যার সৈয়দ আহমদ খান (১৮১৭-১৯৮) প্রথম এ ধারণার উন্মেষ ঘটান। তিনি ভারতের মুসলমানদের কংগ্রেস দলের তথাকথিত জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের স্রোতে গা ভাসাতে নিরূৎসাহিত করতেন। তিনি প্রচার করেন যে, ভারতীয় মুসলিম তাদের নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় একটি জাতি গঠন করবে এবং স্বশাসনের জন্য কংগ্রেস কর্তৃক পরিচালিত আন্দোলনের সঙ্গে মুসলমানদের জোটবদ্ধ হওয়া উচিৎ হবে না। তাঁর এ ধারণা উপনিবেশিক শাসকদের সমর্থন লাভ করে।

⇒ যদিও স্যার সৈয়দ আহমদ খান দ্বিজাতি তত্ত্ব-এর ভিত্তি স্থাপন করেন, তবুও এই তত্ত্বের প্রধান প্রবক্তা ছিলেন নিখিল ভারত মুসলিম লীগের নেতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ। 
- স্যার সৈয়দ আহমদ খান এর প্রাথমিক ধারণা দেন, আল্লামা ইকবাল এটিকে শক্তিশালী করেন এবং মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবে এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৮৮.
ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন সভাপতিত্ব করেন কে?
  1. এ কে ফজলুল হক
  2. আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. সিরাজুল আলম
সঠিক উত্তর:
আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা

- ১৯৫৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টাঙ্গাইল জেলার কাগমারীর সন্তোষে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৮ ফেব্রুয়ারি মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।
- কাগমারী সাংস্কৃতিক সম্মেলন বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।
- ৭ ফেব্রুয়ারি কাউন্সিল অধিবেশনে মূল আলোচ্যসূচি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের জন্য পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন এবং জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি।
- কিন্তু সিয়াটো ও সেন্টোর সামরিক চুক্তির প্রতি আওয়ামী লীগ নেতা ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী দৃঢ় সমর্থন ব্যক্ত করলে সম্মেলনে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৭,৪৮৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ বিমানবাহিনী কোথায় গঠিত হয়?
  1. কলকাতা
  2. নাগাল্যান্ড
  3. চট্টগ্রাম
  4. আগরতলা
সঠিক উত্তর:
নাগাল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগাল্যান্ড
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী:
- ভারতের নাগাল্যান্ডের দিমাপুরে ১৯৭১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ বিমানবাহিনী গঠিত হয়।
- এর সংগঠক ছিলেন এয়ার কমোডর এ.কে খন্দকার।
- স্কোয়াড্রন লিডার সুলতান মাহমুদ, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট বদরুল আলম, ক্যাপ্টেন খালেক, সাত্তার, শাহাবুদ্দিন, মুকিত, আকরাম, শরফুদ্দিন এবং ৬৭ জন বিমানসেনা নিয়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর যাত্রা শুরু হয়।
- তাদের সম্বল ছিল মাত্র কয়েকটি ডাকোটা, অটার টাইপ বিমান এবং অ্যালুভেট হেলিকপ্টার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৭,৪৯০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. কর্নেল (অব.) এম. এ. জি ওসমানী
  2. খন্দকার মোশতাক আহমদ
  3. লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব
  4. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার
সঠিক উত্তর:
কর্নেল (অব.) এম. এ. জি ওসমানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্নেল (অব.) এম. এ. জি ওসমানী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার): 
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দীন আহমদ
- অর্থমন্ত্রী: ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন, কৃষি মন্ত্রী: এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমদ
- প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (অব.) এম. এ. জি ওসমানী
- চিফ অব স্টাফ: লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৭,৪৯১.
ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে প্রথম ভারতীয় হিসেবে যোগদান করেন -
  1. অন্নদাশঙ্কর রায়
  2. সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
উপমহাদেশে সিভিল সার্ভিস
- ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনার মূল প্রতিষ্ঠান ছিল সিভিল সার্ভিস।
- ব্রিটিশ রাজত্বের সময়, ওয়ারেন হেস্টিংস সিভিল সার্ভিসের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। 
- চার্লস কর্নওয়ালিস এটিকে সংস্কার, আধুনিকীকরণ এবং যুক্তিযুক্ত করেছিলেন। তাই, চার্লস কর্নওয়ালিসকে 'ভারতে সিভিল সার্ভিসের জনক' বলা হয়।
- ১৮৬১ সালের আইনবলে প্রতিষ্ঠিত হয় ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস (আইসিএস)।

- ১৮৬৩ সালে সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম ভারতীয় হিসেবে আইসিএস সদস্য হন।
- সিভিল সার্ভিসে অধিক সংখ্যক ভারতীয়ের যোগদানের সুবিধার্থে গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় লর্ড লীটন ১৮৭৯ সালে একটি বিধিবদ্ধ সিভিল সার্ভিস ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭,৪৯২.
ইউরোপীয়দের ভারতে আগমনের প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. ক) রাজনৈতিক
  2. খ) সাংস্কৃতিক
  3. গ) বাণিজ্যিক
  4. ঘ) ধর্মীয়
সঠিক উত্তর:
গ) বাণিজ্যিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাণিজ্যিক
ব্যাখ্যা
- ১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দে কনস্টান্টিনপোল অটমান তুর্কিদের দখলে চলে গেলে, উপমহাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয়দের সমুদ্র পথে ব্যবসা-বাণিজ্যের পথ বন্ধ হয়ে যায়।
- ফলে ভারতবর্ষে আসার ভিন্ন পথ আবিষ্কারের প্রয়োজন দেখা দেয়।
- এই পথ আবিষ্কারে প্রথম সফল হন পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-ডা-গামা।
- সর্ব প্রথম পর্তুগিজরাই ভারতবর্ষে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য আসে।
- তাদের পথে আসে হল্যান্ড, ডেনমার্ক, ইংরেজ এবং ফরাসিরা।
- একশ বছর অর্থাৎ ১৮৫৭ সাল পর্যন্ত চলে এদেশে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন এবং চরম শোষণ।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭,৪৯৩.
‘সত্য মামলা আগরতলা' বইটির লেখক -
  1. তোফায়েল আহমেদ 
  2. শওকত ওসমান
  3. শামসুল আলম
  4. শওকত আলী
সঠিক উত্তর:
শওকত আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শওকত আলী
ব্যাখ্যা
সত্য মামলা আগরতলা:

• আগরতলা মামলাটির প্রকৃত শিরোনাম ছিল ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য’।
১৯৬৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের দায়ের করা এই মামলা সম্পর্কে কর্নেল শওকত আলী ‘সত্য মামলা আগরতলা'  বইটি রচনা করেন।
• প্রকাশনী : প্রথমা প্রকাশন
• বিষয় : রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও হত্যাকাণ্ড।
• অধ্যায়: মোট নয়টি অধ্যায়

• বইটির সূচিপত্র:
- বঙ্গবন্ধুও আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় জড়িত।
- উর্দু এবং শুধুই উর্দু।
- বাঙালির স্বায়ত্তশাসনের দাবি।
- আমরা সেনাবাহিনীতে যোগদান।
- পাকিস্তানি সশস্ত্রও বাহিনীতে বাঙালির অবস্থান।
- আইয়ুব খানের দশক।
- বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা কর্মসূচি।
- গ্রেফতার ও জিজ্ঞাসাবাদ।
- বিচারকার্য।
- শেখ মুজিবু বঙ্গবন্ধু হলেন।
- পরিশিষ্ট (ক-ছ)।

তথ্যসূত্র: প্রথমা প্রকাশনী ও মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ।
৭,৪৯৪.
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন এর লাশ কোন নদীর তীরে পাওয়া যায়?
  1. ইছামতি
  2. রূপসা
  3. সুরমা
  4. মেঘনা
সঠিক উত্তর:
রূপসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপসা
ব্যাখ্যা

• বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিনের লাশ ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১-এ  রূপসা নদীর তীরে পাওয়া যায়।

• বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন:
- বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন (১৯৩৫–১৯৭১) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন নৌ-সেনা ছিলেন।
- তিনি অসাধারণ সাহসিকতার জন্য সর্বোচ্চ সামরিক পদ ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।
- তিনি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বাঘপাঁচড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৫৩ সালে তিনি পাকিস্তান নৌবাহিনীতে যোগদান করেন এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
- মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি পরিবারকে ছেড়ে ত্রিপুরা সীমান্ত অতিক্রম করে ২নং সেক্টরে যোগ দেন;
- এবং সেখানে সক্রিয়ভাবে যুদ্ধ করেন।
- ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১-এ ‘পিএনএস পলাশ’ জাহাজে রূপসা নদীতে যুদ্ধরত অবস্থায় আহত হয়ে স্থানীয় রাজাকার ও পাক বাহিনীর হাতে শহীদ হন।
- শাহাদাত বরণ করার পর তাঁকে রূপসা নদীর তীর সংলগ্ন বাগমারা গ্রামে সমাহিত করা হয়।
- খুলনা শিপইয়ার্ডের কাছেই তাঁর সমাধিসৌধ সংরক্ষিত আছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।   

৭,৪৯৫.
বঙ্গ জনপদের অংশ ছিল কোনটি?
  1. কুমিল্লা
  2. ফরিদপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলা হয়।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো।
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৯৬.
সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময়ে ইংরেজরা কোথায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে?
  1. হুগলি
  2. সুরাট
  3. মাদ্রাজ
  4. মুম্বাই
সঠিক উত্তর:
সুরাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরাট
ব্যাখ্যা

ইংরেজদের আগমন ও ক্ষমতা বিস্তার:
- পর্তুগিজ ও ওলন্দাজ বণিকদের বাণিজ্যিক সাফল্য ও এদেশের বিপুল ধন-সম্পদের বর্ণনা ইংরেজ বণিকদের মনে এদেশে বাণিজ্য করার আগ্রহ সৃষ্টি করে।
- ১৬০০ খ্রিস্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ইংল্যান্ডের রানী এলিজাবেথের কাছ থেকে ১৫ বছর মেয়াদী সনদ নিয়ে এদেশে বাণিজ্য করতে আসে। 
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময়ে তারা ১৬১২ খ্রিস্টাব্দে মুম্বাইয়ের নিকট সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৬১৫ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ রাজদূত স্যার টমাস রো সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে এসে ইংরেজদের বাণিজ্যের জন্য কিছু সুবিধা আদায় করেন।
- পর্তুগিজরা বাংলা থেকে বিতাড়িত হলে ইংরেজগণ বালেশ্বরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে এবং করমণ্ডল উপকূলে কিছু জমি নিয়ে একটি দুর্গ নির্মাণ করে এবং এ দুর্গই পরে মাদ্রাজ শহরে পরিণত হয়।
- ১৬৫০ খ্রিস্টাব্দে জলপথে ইংরেজগণ হুগলিতে আসে এবং বাংলার সুবেদার শাহ সুজার অনুমতি নিয়ে ১৬৫১ খ্রিস্টাব্দে সেখানে বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করে।

⇒ ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় চার্লস ১৬৬৮ খ্রিস্টাব্দে কোম্পানিকে মুম্বাই ইজারা দেন।
- ১৬৯০ খ্রিস্টাব্দে জব চার্নক ভাগীরথী নদীর তীরে ১২০০ টাকার বিনিময়ে কলকাতা, সূতানটি ও গোবিন্দপুর এ তিনটি গ্রামের জমিদারী স্বত্ব কিনে নেন।
- পরবর্তীকালে উপমহাদেশের ভাগ্য নির্ধারণকারী দুর্গ ফোর্ট উইলিয়াম এখানেই নির্মিত হয়।
- ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট ফররুখশিয়ারের অনুমতি নিয়ে ইংরেজগণ বাংলা, মাদ্রাজ ও মুম্বাইয়ে বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্য করতে থাকে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৯৭.
যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন বিভাগের দায়িত্ব পান?  
  1. শিক্ষা বিভাগ
  2. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার বিভাগ
  3. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র বিভাগ
  4. কৃষি, সমবায় ও পল্লি উন্নয়ন বিভাগ
সঠিক উত্তর:
কৃষি, সমবায় ও পল্লি উন্নয়ন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি, সমবায় ও পল্লি উন্নয়ন বিভাগ
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা গঠন:

• যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়- ৪ ডিসেম্বর, ১৯৫৩ সালে।
• ৩ এপ্রিল, ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
• ৩০ মে, ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেওয়া হয়।
• যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভা ক্ষমতায় ছিল মাত্র- ৫৬ দিন।
• যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা গঠিত হয় শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে। 
• যুক্তফ্রন্ট ১৪ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে। 
• দায়িত্ব: 
- প্রাদেশিক প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্ব: শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক; 
- বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার বিভাগ: আবু হোসেন সরকার;  
- শিক্ষা বিভাগ: সৈয়দ আজিজুল হক;
- কৃষি, সমবায় ও পল্লি উন্নয়ন বিভাগ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
৭,৪৯৮.
“বসুন্ধরা” চলচ্চিত্রটি কোন উপন্যাসের আলোকে নির্মিত?
  1. স্মৃতিস্তম্ভ
  2. কর্ণফুলী
  3. শাশ্বতবঙ্গ
  4. তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
সঠিক উত্তর:
তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
ব্যাখ্যা

তেইশ নম্বর তৈলচিত্র উপন্যাসটি আলাউদ্দিন আল আজাদের প্রথম উপন্যাস। 
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
(পরিচালক: সুভাষ দত্ত) উপন্যাস অবলম্বনে বসুন্ধরা চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে।
- নির্মিত চলচ্চিত্রটি ১৯৭৭ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।
তার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রচনা:
- কর্ণফুলী উপন্যাসটি পাহাড়-সমুদ্র ধরা একটি বিশেষ জনপদের উপন্যাস।
- স্মৃতিস্তম্ভ একটি কাব্যগ্রন্থ যার উল্লেখযোগ্য কবিতা মানচিত্র।

- শাশ্বত বঙ্গ প্রবন্ধ কাজী আবদুল ওদুদ রচিত।

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৭,৪৯৯.
ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে -
  1. ক) ২০০১ সালের ১৭ই নভেম্বর
  2. খ) ২০০০ সালের ১৭ই নভেম্বর
  3. গ) ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর
  4. ঘ) ১৯৯৮ সালের ১৭ই নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর
ব্যাখ্যা
• ভাষার জন্য বাঙালির এই মহান আন্দোলনকে শ্রদ্ধা জানায় বিশ্ববাসী।
- ১৯৯৯ সালে আমাদের ভাষা আন্দোলন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে।
- কানাডায় বসবাসরত দু'জন বাঙ্গালি রফিকুল ইসলাম ও আব্দুস সালামের প্রাথমিক উদ্যোগে এবং তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার প্রধান শেখ হাসিনার জোরালো তৎপরতার কারণে সে বছর ১৭ই নভেম্বর ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- তাই এখন প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারি দিনটিতে পৃথিবীর সকল জাতি নিজ নিজ মাতৃভাষাকে বিশেষ সন্মান জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে।
- সেই সাথে স্মরণ করে ভাষার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগের কথা।

সূত্র: বাংলাদেশে ও বিশ্ব পরিচয়, ৭ম শ্রেণি।
৭,৫০০.
সংসদীয় সরকার উৎখাত করে পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন-
  1. জেনারেল আইয়ুব খান
  2. জেনারেল ইয়াহিয়া
  3. মালিক গোলাম মুহাম্মদ
  4. ইস্কান্দার মির্জা
সঠিক উত্তর:
ইস্কান্দার মির্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্কান্দার মির্জা
ব্যাখ্যা

• ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসন :
- ১৯৫৬ সালের ২৩শে মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন।
- ১৯৫৮ সালের ৭ই অক্টোবর প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে সামরিক শাসন জারি করেন।
- তিনি দেশের সংবিধান বাতিল করেন, কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইন পরিষদ ভেঙে দেন এবং মন্ত্রিসভা বাতিল করেন।
- রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
- প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিয়োগ করা হয় সেনাপ্রধান জেনারেল আইয়ুব খানকে। মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- এর কিছুদিনের মধ্যে ২৭শে অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব খান ইস্কান্দার মির্জাকে অপসারণ করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।
 
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।