বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৫৮ / ১২৪ · ৫,৭০১৫,৮০০ / ১২,৪২১

৫,৭০১.
বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে ল্যান্স নায়েক ছিলেন কতজন?
  1. এক জন
  2. দুই জন
  3. তিন জন
  4. চার জন
সঠিক উত্তর:
দুই জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই জন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে ২ জন ল্যান্স নায়েক ছিলেন।
- তারা হলেন ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ এবং ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ। 

বীরশ্রেষ্ঠদের সেক্টর অনুযায়ী তাঁদের ভাগ ছিল এইভাবে:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ ১নং সেক্টরে ছিলেন।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল ২নং সেক্টরে ছিলেন।
- সিপাহী হামিদুর রহমান ৪নং সেক্টরে ছিলেন।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ৭নং সেক্টরে ছিলেন।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ৮নং সেক্টরে ছিলেন।
- ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমীন ১০নং সেক্টরে ছিলেন।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান পশ্চিম পাকিস্তানে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করেছিলেন।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫,৭০২.
বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন ঘটনাটি আগে ঘটে?
  1. ক) ছয় দফা ঘোষণা
  2. খ) আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলা
  3. গ) গণ-অভ্যুত্থান
  4. ঘ) ভারত- পাকিস্তান দ্বিতীয় যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভারত- পাকিস্তান দ্বিতীয় যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভারত- পাকিস্তান দ্বিতীয় যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

অপশনে উল্লেখিত ঘটনাগুলোর মধ্যে,
১. ভারত পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিতীয় যুদ্ধটি আগে সংঘটিত হয়। ১৯৬৫ সালে এই যুদ্ধ হয়।
তার আগে ১৯৪৭ - ৪৯ সময়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

২. ছয়দফা - ১৯৬৬ সালে ঘোষণা করা হয়।
৩. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ১৯৬৮ সালে দায়ের করা হয়েছিলো।
৪. গণ-অভ্যুত্থান বলতে এখানে বাংলাদেশ ভূখন্ডে ১৯৬৯ সালের আন্দোলন সংগ্রামকে বোঝানো হয়েছে।

৫,৭০৩.
সম্রাট নেবুচাঁদনেজার কোন রাজবংশের ছিলেন?
  1. ক) সুমেরীয়
  2. খ) এ্যাসিরীয়
  3. গ) ক্যালডীয়
  4. ঘ) আক্কাদীয়
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালডীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালডীয়
ব্যাখ্যা
নেবুচাদনেজার (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬৩০ — ৫৬১):
- ব্যাবিলনিয়ার ক্যালডিয়ান রাজবংশের দ্বিতীয় এবং সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা।
- তিনি প্রশাসক হিসেবে তাঁর সামরিক জীবন শুরু করেন (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬১০)
- মিশরের (৬০৫ খ্রিস্টপূর্ব) থেকে সিরিয়া জয় করার পরই তাঁর পিতার মৃত্যুতে সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি ৫৯৭ খ্রীস্টপূর্বাব্দে জেরুজালেম দখল করেন এবং ৫৮৬/৮৭ খ্রীস্টপূর্বাব্দে এটি পুনরুদ্ধার করেন এবং বিশিষ্ট নাগরিকদের ব্যাবিলনে নির্বাসন দেন।
- তিনি ব্যাবিলন পুনরুদ্ধার, রাস্তা পাকা, মন্দির পুনর্নির্মাণ, এবং খাল খননের জন্য সময় এবং শক্তি ব্যয় করেছিলেন। 
- ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান নির্মাণের কৃতিত্ব তার।

উৎস: Britannica.
৫,৭০৪.
কুমিল্লার পূর্বনাম কী?
  1. ক) নাসিরাবাদ
  2. খ) ত্রিপুরা
  3. গ) সুধারাম
  4. ঘ) সুবর্ণগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
কুমিল্লার পূর্বনাম - ত্রিপুরা।

এছাড়াও -
বাংলাদেশের কয়েকটি স্থানের পূর্বনামঃ
- মুন্সীগঞ্জের পূর্বনাম - বিক্রমপুর।
- বগুড়ার পূর্বনাম - পুণ্ড্রনগর।
- বাগেরহাটের পূর্বনাম - খলিফাবাদ।
- খুলনার পূর্বনাম - জাহানাবাদ।
- বরিশালের পূর্বনাম - চন্দ্রদ্বীপ/ ইসমাইলপুর।
- চট্টগ্রামের পূর্বনাম - ইসলামাবাদ।
- ময়মনসিংহের পূর্বনাম - নসিরাবাদ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৭০৫.
পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় কবে?
  1. ২১ জুন, ১৭৫৭
  2. ২৩ জুন, ১৭৫৭
  3. ২১ জুন, ১৮৫৭
  4. ২৩ জুন, ১৮৫৭
সঠিক উত্তর:
২৩ জুন, ১৭৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ জুন, ১৭৫৭
ব্যাখ্যা
পলাশীর যুদ্ধ:
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- পলাশী যুদ্ধের ফলে ইংরেজ বা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭০৬.
‘তমদ্দুন মজলিশ' প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৯৪৮ সালের ২ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

তমদ্দুন মজলিশের গঠনতন্ত্রে বিধৃত এই সংগঠনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিম্নরূপ:
১. কুসংস্কার, গতানুগতিকতা ও প্রতিক্রিয়াশীলতা দূর করে ‘সুস্থ ও সুন্দর’ তমদ্দুন গড়ে তোলা;
২. যুক্তিবাদের উপর প্রতিষ্ঠিত সর্বাঙ্গ সুন্দর ধর্মভিত্তিক সাম্যবাদের দিকে মানবসমাজকে এগিয়ে নেওয়া;
৩. মানবীয় মূল্যবোধ ভিত্তিক সাহিত্য ও শিল্পের মাধ্যমে নতুন সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করা;
৪. নিখুঁত চরিত্র গঠন করে গণজীবনের উন্নয়নে সহায়তা করা।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
উক্ত পুস্তিকায় নিম্ন লিখিত বিষয়গুলো প্রস্তাব করা হয় -

পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?
- তমদুন মজলিশ

১. বাংলা ভাষাই হবে:
(ক) পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষার বাহন।
(খ) পূর্ব পাকিস্তানের আদালতের ভাষা।
(গ) পূর্ব পাকিস্তানের অফিসাদির ভাষা।
২. পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের ভাষা হবে দুটি - উর্দু ও বাংলা।
৩. বাংলাই হবে পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষা বিভাগের প্রথম ভাষা। ইহা পূর্ব পাকিস্তানের শতকরা একশতজনই শিক্ষা করবেন।
(খ) উর্দু হবে দ্বিতীয় ভাষা। যারা পাকিস্তানের অন্যান্য অংশে চাকরী ইত্যাদি কাজে লিপ্ত হবেন, তারাই শুধু এ-ভাষা শিক্ষা করবেন। ইহা পূর্ব পাকিস্তানের শতকরা ৫ হইতে ১০ জন শিক্ষা করলেও চলবে। মাধ্যমিক স্কুলের উচ্চতর শ্রেণীতে এই ভাষা দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে শিক্ষা দেওয়া যাবে।
(গ) ইংরেজী হবে পূর্ব পাকিস্তানের তৃতীয় ভাষা বা আন্তর্জাতিক ভাষা। পাকিস্তানের কর্মচারী হিসাবে যাঁরা পৃথিবীর অন্যান্য দেশে চাকরী করবেন বা যারা উচ্চতর বিজ্ঞান শিক্ষায় নিয়ােজিত হবেন তাঁরাই শুধু ইংরেজী শিক্ষা করবেন। তাদের সংখ্যা পূর্ব পাকিস্তানের হাজারকরা ১ জনের চেয়ে কখনাে বেশী হবে না। ঠিক একই নীতি হিসাবে পশ্চিম পাকিস্তানের প্রদাশেগুলিতে ওখানের স্থানীয় ভাষা বা উর্দু ১ম ভাষা, বাংলা ২য় ভাষা, আর ইংরেজী ৩য় ভাষার স্থান অধিকার করবে।
৪. শাসনকার্য ও বিজ্ঞান-শিক্ষার সুবিধার জন্য আপাততঃ কয়েক বৎসরের জন্য ইংরেজী ও বাংলার উভয় ভাষাতেই পূর্ব পাকিস্তানের শাসনকার্য চলবে। ইতিমধ্যে প্রয়ােজন অনুযায়ী বাংলা ভাষার সংস্কার সাধন করতে হবে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

৫,৭০৭.
কুমিল্লা সেনানিবাসে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য -
  1. ক) অনির্বাণ জেড
  2. খ) শিখা অনির্বাণ
  3. গ) বিজয় গাঁথা
  4. ঘ) রক্ত সোপান
সঠিক উত্তর:
ক) অনির্বাণ জেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অনির্বাণ জেড
ব্যাখ্যা
সেনানিবাস গুলোতে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ও স্থাপনা:
- ঢাকা সেনানিবাস - বিজয় কেতন, শিখা অনির্বাণ, জাহাঙ্গীর গেট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
- রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস - রক্ত সোপান
- কুমিল্লা সেনানিবাস - অনির্বাণ জেড
- রংপুর সেনানিবাস - বিজয় গাঁথা।

উৎস:
বিবিসি।
৫,৭০৮.
কোনটির মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি বন্ধ হয়?
  1. মূলধন যোগান হ্রাস করা
  2. সুদের হার কমানো
  3. সুদের হার বৃদ্ধি
  4. পণ্যের দাম হ্রাস করা
সঠিক উত্তর:
সুদের হার বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুদের হার বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
মুদ্রাস্ফীতি:
- অর্থনৈতিক প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সাধারণত পণ্য ও সেবার মূল্য বৃদ্ধি পায়, যার ফলে মুদ্রার ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায় অর্থাৎ, মুদ্রাস্ফীতির ফলে একই পরিমাণ অর্থ দিয়ে কম পণ্য বা সেবা কেনা যায়।

- মুদ্রাস্ফীতির কারণসমূহ:
• অর্থের যোগান বৃদ্ধি ।
• সরকারের ব্যয় বৃদ্ধি।
• উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি।

- মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের উপায়:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়ানো।
• সরকারের করের হার বৃদ্ধি।
• সরকার পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭০৯.
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পিটস ইন্ডিয়া এ্যাক্ট পাস হয় কবে?
  1. ১৭৮৪ সালে
  2. ১৭৮৫ সালে
  3. ১৮৭৭ সালে
  4. ১৭৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৮৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮৪ সালে
ব্যাখ্যা
পিটস ইন্ডিয়া এ্যাক্ট:
- কোম্পানি দিউয়ানির নামে বাংলায় যে শোষণ ও উৎপীড়নের রাজত্ব কায়েম করে সে বিষয়ে ব্রিটিশ-রাজ কখনো দৃষ্টিপাত করেনি।
- কিন্তু ১৭৭০ সালে বাংলার মহাদুর্ভিক্ষ ব্রিটিশ সরকারকে কোম্পানির বিষয়াদিতে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য করে।
- ১৭৭২ সালের রেগুলেটিং অ্যাক্ট-এর মাধ্যমে পার্লামেন্ট কোম্পানি নিয়ন্ত্রিত বাংলার বঙ্গরাজ্য বিষয়ে প্রথম হস্তক্ষেপ করে।
- মার্কিন বিপ্লবের পর আমেরিকা থেকে বিতাড়িত হয়ে ব্রিটিশ সরকার ভারতবর্ষকে বিকল্প কলোনি হিসেবে বেছে নেয়।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পিটস ইন্ডিয়া এ্যাক্ট পাস হয় ১৭৮৪ সালে।
- ১৭৮৪ সালের পিট-এর ভারত আইনের মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া নিয়ন্ত্রিত কোম্পানির বঙ্গ রাজ্যের ওপর ব্রিটিশ সরকারের কর্তৃত্ব আরও সুদৃঢ় করা হয়।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম পিট এর নামে নামকরণ করা হয়েছিল।

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭১০.
‘তমদ্দুন মজলিশ' কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ক) হাজী শরিয়ত উল্লাহ
  2. খ) শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  3. গ) আবুল কাশেম
  4. ঘ) মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
গ) আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

- ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

তথ্যসূত্র:- স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৭১১.
'Kherua Masjid' is located in which district?
  1. ক) Dinajpur
  2. খ) Moulavi Bazar
  3. গ) Bogura
  4. ঘ) Cumilla
সঠিক উত্তর:
গ) Bogura
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Bogura
ব্যাখ্যা
• খেরুয়া মসজিদ:
- এটি সুলতানী ও মোগল আমলে নির্মিতএকটি ঐতিহাসিক মসজিদ।
- খেরুয়া মসজিদ বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রত্ননিদর্শন।
- মোগল-পূর্ব সুলতানি আমলের স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে মোগল স্থাপত্যশৈলীর সমন্বয়ে নির্মিত এই মসজিদ।
- প্রায় ৪৩০ বছর ধরে টিকে থাকা এই মসজিদের অবস্থান বগুড়া শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে শেরপুর উপজেলা সদরের খোন্দকার টোলা মহল্লায়।
- চুন-সুরকি দিয়ে গাঁথা পাতলা লাল ইটের দেয়ালগুলো ১.৮১ মিটার চওড়া। তার ওপর ভর করেই ছাদের ওপর টিকে আছে খেরুয়া মসজিদের তিনটি গম্বুজ।
মসজিদটির নিচের অংশে ভূমি পরিকল্পনা মোগল স্থাপত্যরীতির। ওপরের অংশ মোগল-পূর্ব সুলতানিরীতিতে।

তথ্যসূত্র: বগুড়া জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
৫,৭১২.
বাংলাভাষাকে পাকিস্তান গণপরিষদ কোন তারিখে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ৯ মে ১৯৫৪
  2. ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩
  3. ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬
  4. ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
সঠিক উত্তর:
৯ মে ১৯৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ মে ১৯৫৪
ব্যাখ্যা
• ১৯৫৪ সালের ৯ মে পাকিস্তান গণপরিষদ বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিয়ে একটি বিল পাশ করে।
প্রশ্নে তথ্যগত ভুল ছিলো।
প্রশ্নে যদি বলা হতো জাতীয় পরিষদ কবে স্বীকৃতি দেয় তবে উত্তর - (১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সাল) নেওয়া যেতো।
যেহেতু- প্রশ্নে গণপরিষদ বলা হয়েছে তাই উত্তর - ৯ মে ১৯৫৪ নেওয়া হয়েছে। 

• বাংলা ভাষার স্বীকৃতি:
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেল উদ্দিন আহমেদ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে ১৬ ফেব্রুয়ারী ১৯৫৬ তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- ১৯৫৪ সালের ৯ মে পাকিস্তান গণপরিষদ বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিয়ে একটি বিল পাশ করে।
- ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এতে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
- গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবী পেশ করেন। কিন্তু মুসলিম লীগ সদস্যরা এর তীব্র বিরোধিতা করে।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৭১৩.
ঐতিহাসিক ছয় দফার চতুর্থ দফাটি কী ছিল?
  1. অর্থবিষয়ক
  2. বৈদেশিক মুদ্রা
  3. শুল্কনীতি বিষয়ক
  4. প্রতিরক্ষা বিষয়ক
সঠিক উত্তর:
শুল্কনীতি বিষয়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুল্কনীতি বিষয়ক
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৭১৪.
দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কত ভাগ মহিলা শিক্ষক নিয়োগ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে?
  1. ক) ৩০%
  2. খ) ৬০%
  3. গ) ৪০%
  4. ঘ) ৩৯%
সঠিক উত্তর:
খ) ৬০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬০%
ব্যাখ্যা

নতুন সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৬০ ভাগ মহিলা শিক্ষক নিয়োগ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
Source: dhakatribune.com
উল্লেখ্য যে, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ৬০% নারী কোটার বিষয়টিও এই নীতিমালারই অংশ।

৫,৭১৫.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির গীতিকার কে?
  1. আবদুল লতিফ
  2. আলতাফ মাহমুদ
  3. হাসান হাফিজুর রহমান
  4. আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির গীতিকার 'আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী'।
- গানটি প্রথম হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি'(১৯৫৩) গ্রন্থে সংকলিত হয়।
- গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ।
- গানটির বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বিবিসি রিপোর্ট ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,৭১৬.
পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদের মোট আসন ছিল কয়টি?
  1. ক) ২৫০
  2. খ) ২৭৫
  3. গ) ৩০০
  4. ঘ) ৩০৯
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০৯
ব্যাখ্যা

পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদে আসন ছিল ৩০৯টি। 
- ১৯৫৪ সালের মার্চের ৮ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান পরিষদের নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলিম আসনের (সর্বমােট আসন ছিল ৩০৯ টি) মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২১৫ টি (পরে স্বতন্ত্র থেকে ৮ জন যােগ দিলে আসন সংখ্যা হয় ২২৩ টি) । 
- তন্মধ্যে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ ১৪০ টি, শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের কৃষক শ্রমিক পার্টি ৩৪ টি, নেজামী ইসলাম পার্টি ১২ টি, যুবলীগ ১৫ টি, গণতন্ত্রী দল ১০ টি, কমিউনিস্ট পার্টি ৪ টি ও পরে যােগ দেওয়া স্বতন্ত্র ৮টি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫,৭১৭.
'ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ' কত শতকে সংঘটিত হয়?
  1. ষোড়শ শতক
  2. সপ্তাদশ শতক
  3. অষ্টাদশ শতক
  4. ঊনবিংশ শতক
সঠিক উত্তর:
অষ্টাদশ শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টাদশ শতক
ব্যাখ্যা
• 'ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ' অষ্টাদশ শতকে সংঘটিত হয়।
• ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ১৭৬০ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল।

• ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে।
- তবে এ আন্দোলনের তীব্রতা ছিল উত্তর বঙ্গে।
- ফকির মজনু শাহের যুদ্ধ কৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি, অর্থাৎ অতর্কিতে আক্রমণ করে নিরাপদে সরে যাওয়া।
- তিনি ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।
- অপরদিকে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রধান নেতা ছিলেন ভবানী-পাঠক।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭১৮.
ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা কয়টি?
  1. ৩০টি
  2. ৩১টি
  3. ৩২টি
  4. ৩৩টি
সঠিক উত্তর:
৩০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমান্ত:
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মোট জেলা- ৩২টি।
- বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে- ভারত ও মিয়ানমার।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৭১৯.
শশাঙ্ক কত খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত গৌড় রাজ্যের অধিপতি ছিলেন?
  1. ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দ
  2. ৬২০ খ্রিস্টাব্দ
  3. ৬২৪ খ্রিস্টাব্দ
  4. ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ
সঠিক উত্তর:
৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা
- খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতকে উত্তর বাংলা, পশ্চিম বাংলার উত্তরাংশ এবং মগধ গৌড় জনপদ রূপে পরিচিতি লাভ করে।
- গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন পরবর্তী বিশৃঙ্খল অবস্থার সুযোগ গ্রহণ করে শশাঙ্ক ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দে গৌড় অঞ্চল অধিকার করে ‘স্বাধীন গৌড় রাজ্য’ স্থাপন করেন।
- তার রাজধানী ছিলো কর্ণসুবর্ণ।
- ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুর পূর্বপর্যন্ত শশাঙ্ক গৌড় রাজ্যের অধিপতি ছিলেন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,৭২০.
আইয়ুব বিরোধী রাজনৈতিক জোট ছিল না কোনটি?
  1. ক) এনএমএফ
  2. খ) কপ
  3. গ) নিউক্লিয়াস
  4. ঘ) স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
ক) এনএমএফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এনএমএফ
ব্যাখ্যা
আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন
- ১৯৫৮ সালের অক্টোবরে জেনারেল আইয়ুব খান পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন।
- ১৯৬২ সালের ৮ জুন পাকিস্তানের দ্বিতীয় সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- ঐদিন সামরিক আইন তুলে নেয়া হয়।
- আইয়ুব খা নিজে ‘কনভেনশন মুসলিম লীগ' নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন।
- পশ্চিম পাকিস্তানে কাউন্সিল মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও নেজামে ইসলামী দল সক্রিয় হয়।
- আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুব বিরোধী গণআন্দোলন পরিচালিত হয়। 

 এন.ডি.এফ 

সোহরাওয়ার্দীর উদ্যোগে আওয়ামী লীগ, নেজামে ইসলাম, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, কাউন্সিল মুসলিম লীগ ও নূরুল আমিনের নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ মিলে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা এন. ডি. এফ গঠিত হয়।
- এই ফ্রন্টের উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ১৯৫৬ সালের সংবিধানে ফিরে যাওয়া।

COP

- ১৯৬৪ সালের জুলাই মাসে আইয়ুব বিরোধী মঞ্চে সমবেত হওয়ার লক্ষ্যে গঠন করা হয় ‘সম্মিলিত বিরোধী দল' (Combined Opposition Party COP)।

স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াস
- স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াস বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১৯৬২ সালেই ছাত্রলীগের মধ্যে গঠিত হয়েছিল। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মধ্যেই সশস্ত্র যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন করার জন্য বঙ্গবন্ধুর পরামর্শে বাঙালি সৈন্যদের মধ্যেও নিউক্লিয়াস গঠিত হয়েছিল ১৯৬৪ সালে, যার বিস্তৃত বিবরণ পাওয়া যাবে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট স্বঘোষিত ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের দায়ের করা ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান’ মামলায়।

এনএসএফ

- আইয়ুব খানের শাসনামল থেকেই শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাসের সূচনা হয়।
- ওই সময়ে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ফেডারেশন (এনএসএফ) নামে একটি ছাত্রসংগঠন গঠিত হয়।
- আইয়ুব খানের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন ও শরীফ কমিশন শিক্ষা নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনের জন্য এই সংগঠন গড়ে উঠে।
- পূর্ব বাংলার গভর্নর মোনায়াম খানপন্থি জাতীয় ছাত্র ফেডারেশন (এনএসএফ)।

অন্যদিকে, 
- এনএমএফ নামে রাজনৈতিক জোট নেই।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
          ii) প্রথম আলো,০৯ অক্টোবর, ২০২১।
          ii) বাংলাপিডিয়া।
৫,৭২১.
জাতিগতভাবে বাঙালির নৃতাত্ত্বিক পরিচয় কী?
  1. ক) কৃষ্ণকায়
  2. খ) দ্রাবিড়ীয়
  3. গ) অস্ট্রেলীয়
  4. ঘ) সংকর জাতি
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংকর জাতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংকর জাতি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বসবাসকারী মানুষের প্রাক-ইতিহাস যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ সমর্থিত নয়। 
- আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার অভাবে জীবাশ্মবিজ্ঞানের গবেষণা এখানে তেমন হয়নি। আর সেকারণেই বাংলাদেশের মানুষের আদি পরিচয় ও জন্ম-উৎস এখনো অনেকটা অমীমাংসিত ।
- এ অঞ্চলে প্রথম অস্ট্রিক জনগোষ্ঠীর লোকরা আসে এবং সেটি সম্ভবত পাঁচ-ছয় হাজার বছর পূর্বে ইন্দোচীন থেকে। 
- এরপর একে একে দ্রাবিড়, আর্য, মঙ্গোল, শক, সেন, বর্মণ, তুর্কি, পাঠান, ইরানি, আরবীয়, আবিসিনীয়, ইংরেজ, পর্তুগিজ, মগ, ওলন্দাজ, আলপাইন প্রভৃতি ধারার মানুষদের আগমন ঘটে। 
- এসব নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর মিলন-মিশ্রণে বাঙ্গালীরা একটি সংকর জনগোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে। 
- অনেকের মতে সংকর জনগোষ্ঠী হওয়া সত্ত্বেও বাঙ্গালীদের দেহবৈশিষ্ট্যে আদি অস্ট্রেলীয় বা অস্ট্রিক তথা ভেড্ডিড জনগোষ্ঠীর দৈহিক বৈশিষ্ট্য বেশি প্রকট।
 
উৎস: সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,৭২২.
বর্তমানে 'বীর বিক্রম' খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ১৭৩ জন
  2. ১৭৪ জন
  3. ১৭৫ জন
  4. ১৭৬ জন
সঠিক উত্তর:
১৭৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৪ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৫,৭২৩.
ঋণ সালিশী বোর্ড গঠন করেন কে?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
  4. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
সঠিক উত্তর:
শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

শেরে বাংলা ফজলুল হক: 
- এ.কে ফজলুল রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি কলকাতার মেয়র ১৯৩৫ সালে
- অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩)।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ১৯৫৪ সালে।
- পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৫৫) এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ (১৯৫৬-১৯৫৮) সহ বহু উঁচু রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি ‘Bengal Agricultural Debtors' Act’ ১৯৩৮ কার্যকর করেন। 
- তিনি বাংলার সব এলাকায়  ঋণ সালিশি বোর্ডও স্থাপন করেছিলেন।

এছাড়াও, 
-হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলা হয়।
- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। 
- স্বাধীন পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫,৭২৪.
পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন কে?
  1. ইয়াহিয়া খান
  2. আইয়ুব খান
  3. জিয়াউল হক
  4. ইস্কান্দার মির্জা
সঠিক উত্তর:
ইস্কান্দার মির্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্কান্দার মির্জা
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি:
- ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- পাকিস্তানের শাসন ব্যবস্থায় একধরনের স্বৈরতান্ত্রিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রবণতা লক্ষ করা যায়।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন। সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরিউক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।
- উচ্চবিলাসী আইয়ুব খান ২৭ অক্টোবর ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭২৫.
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক কত খ্রিস্টাব্দে গভর্নর জেনারেল হয়ে ভারতে আসেন?
  1. ১৮২৮ সালে
  2. ১৮২৯ সালে
  3. ১৮৩০ সালে
  4. ১৮৩১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮২৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮২৮ সালে
ব্যাখ্যা
লর্ড বেন্টিঙ্ক:

- ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড বেন্টিঙ্ক এদেশে গভর্নর জেনারেল হয়ে আসেন।
- প্রথম জীবনে তিনি নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে ওয়াটারলুর যুদ্ধ বিজেতা ডিউক অফ ওয়েলিংটনের সেনা বাহিনীতে ছিলেন।
- তিনি যখন এদেশে গভর্নর জেনারেল হিসেবে আসেন তখন তাঁর এদেশে সামরিক নৈপুণ্য দেখানোর কোনো সুযোগ ছিল না।
- কারণ সে সময়টা ছিল সংস্কারের যুগ। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, বেন্টিঙ্কই প্রথম গভর্নর জেনারেল যিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে এদেশে প্রজাদের কল্যাণ সাধনই শাসকের প্রধান কর্তব্য।
- তাঁর প্রচেষ্টার ফলেই এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা ও সভ্যতার অবাধ প্রসারের পথ উন্মুক্ত হয়।
- বেন্টিঙ্কের সমাজ সংস্কার ধর্মীয় গোঁড়ামী ও নিপীড়নের হাত থেকে এদশের জনগণকে রক্ষা করেছিল।
- তাঁর শিক্ষা সংস্কার পরবর্তীকালে এদেশীয়দের মনোজগতে এক বিরাট আলোড়ন ও পরিবর্তন নিয়ে আসে যা এদেশের সমাজ ও সভ্যতার অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করে তুলেছিল।
- তাই আজও লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক উপমাহদেশের ব্রিটিশ যুগের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭২৬.
নিচের কোন অঞ্চলটি হরিকেল জনপদের অন্তর্গত ছিল?
  1. ঢাকা
  2. দিনাজপুর
  3. ফরিদপুর
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
প্রাচীন বাংলার জনপদ:
- হরিকেল:
- সপ্তম শতকের লেখকরা হরিকেল নামে অপর একটি জনপদের বর্ণনা করেছেন।
- এ জনপদের অবস্থান ছিল বাংলার পূর্ব প্রান্তে।
- সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এই জনপদ বিস্তৃত ছিল।

অপরদিকে,
- সমতট:
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের প্রতিবেশী জনপদ হিসেবে সমতটের অবস্থান।
- কেউ কেউ মনে করেন, সমতট বর্তমান কুমিল্লার প্রাচীন নাম।
- গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী অঞ্চলকেই সম্ভবত বলা হতো সমতট।
- কুমিল্লা শহরের ১২ মাইল পশ্চিমে বড় কামতা এর রাজধানী ছিল।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে কয়েকটি প্রাচীন নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- শালবন বিহার এদের অন্যতম।

বরেন্দ্র:
- বরেন্দ্রী, বরেন্দ্র বা বরেন্দ্রভূমি নামে প্রাচীন বাংলায় অপর একটি জনপদের কথা জানা যায়।
- এটিও উত্তরবঙ্গের একটি জনপদ।
- অনুমান করা হয়, পুন্ড্রের একটি অংশ জুড়ে বরেন্দ্রর অবস্থান ছিল।
- বগুড়া, দিনাজপুর ও রাজশাহী জেলার অনেক অঞ্চল এবং সম্ভবত পাবনা জেলাজুড়ে বরেন্দ্র অঞ্চল বিস্তৃত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইহিহাস ও সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৭২৭.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক সাহিত্যকর্ম নয় কোনটি? 
  1. আরেক ফাল্গুন
  2. আর্তনাদ
  3. ধীরে বহে মেঘনা
  4. কবর
সঠিক উত্তর:
ধীরে বহে মেঘনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীরে বহে মেঘনা
ব্যাখ্যা

• ইতিহাসভিত্তিক সাহিত্যকর্ম: 
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম কবিতা কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি (মাহবুব উল আলম চৌধুরী)।
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম নাটক হলো মুনীর চৌধুরী রচিত 'কবর'।
- প্রথম উপন্যাস- আরেক ফাল্গুন (জহির রায়হান)।
- শওকত ওসমান রচিত  ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস- ‘আর্তনাদ’। 
- ভাষা আন্দোলন পরবর্তীকালে ভাষা আন্দোলন নিয়েই বাংলা ভাষায় সবচেয়ে বেশি কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক এবং প্রবন্ধ রচিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- আলমগীর কবির নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত চলচ্চিত্র হলো 'ধীরে বহে মেঘনা'।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

৫,৭২৮.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কত সালে শিল্পনীতি প্রণয়ন করা হয়?
  1. ক) ১৯৯০
  2. খ) ১৯৮২
  3. গ) ১৯৭৬
  4. ঘ) ১৯৮৯
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮২
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৩ সালে প্রথম শিল্প ও বিনিয়োগ নীতি হয়। 
- এরপর ১৯৭৫ সালে সেটি সংশোধিত হয়। 
- ১৯৮২ সাল থেকে 'শিল্পনীতি' নামকরণ করে শিল্পনীতি প্রণয়ন করা হয়।
-  এরপর সংশোধিতসহ ৭ বার শিল্পনীতি তৈরি করা হয়। 
- বর্তমানে ২০১৬ সালের নীতি বহাল রয়েছে।

উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড 
৫,৭২৯.
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয় কবে?
  1. ১ ডিসেম্বর, ২০০৭
  2. ৫ ডিসেম্বর, ২০০৭
  3. ৮ ডিসেম্বর, ২০০৭
  4. ১০ ডিসেম্বর, ২০০৭
সঠিক উত্তর:
১০ ডিসেম্বর, ২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ডিসেম্বর, ২০০৭
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান:
- ১৯৫৩ সালে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার খোর্দ্দ খালিশপুর গ্রামে তিনি জম্ম গ্রহণ করেন।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে তিনি যোগ দেন সেনাবাহিনীতে।
- হামিদুর রহমানের পদবী ছিল সিপাহী।
- ১৯৭১ সালে হামিদুর রহমান মুক্তিবাহিনীর সাহসী সদস্য হিসেবে যুদ্ধ করছিলেন সিলেট শ্রীমঙ্গল এলাকায়।
- ১৯৭১ সালের ২৮শে অক্টোবর সম্মুখ যুদ্ধে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধে বিরোচিত ভূমিকা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত হন।
- সুদীর্ঘ ৩৬ বছর পর ১০ ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে তাঁর দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়।
- ১১ ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে ঢাকার মিরপুরস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৭৩০.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য খেতাব প্রাপ্ত ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. পোল্যান্ড
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড:

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে একমাত্র বিদেশি নাগরিক হিসেবে বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড।
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ২নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ওডারল্যান্ড ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫,৭৩১.
ধোলাই খাল কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. আত্রাই
  2. করতোয়া
  3. বুড়িগঙ্গা
  4. মেঘনা
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
ব্যাখ্যা
ধোলাই খাল
- ধোলাই খাল পুরানো ঢাকায়  বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি বাণিজ্যিক-আবাসিক এলাকা।
- অতীতে ধোলাই খাল শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এবং ঐতিহাসিক  লালবাগ দুর্গ,  আহসান মঞ্জিল ও  বড় কাটরা এবং  ছোট কাটরাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এর চারপাশে গড়ে ওঠে।
- ঢাকার প্রথম মুগল সুবাদার ইসলাম খান কর্তৃক ১৬০৮-১৬১০ খ্রিস্টাব্দে খননকৃত একটি খালের নামানুসারে এলাকাটির নামকরণ করা হয়।
- ১৮৩২ সালে মি. ওয়াল্টার নামে ঢাকার একজন কালেক্টর নারায়ণগঞ্জ যাতায়াতের সুবিধার্থে খালটির উপর একক স্প্যানের একটি ঝুলন্ত সেতু নির্মাণ করেন।
- এটি ছিল সে সময়ের প্রকৌশল সাফল্যের একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন।
- ১৮৬৭ সালে খালে চলাচলকারী যানবাহনের ওপর টোল আরোপ করা হয়।
- ঢাকা মিউনিসিপালিটির অংশ হিসেবে এখনকার ধোলাই খাল এলাকার আয়তন মাত্র ৫৫০ বর্গগজ।
- এর উত্তরে টিপু সুলতান রোড, দক্ষিণে ভিক্টোরিয়া পার্ক, পূর্বে নারিন্দা এবং পশ্চিমে ইংলিশ রোড। 

উৎস:- বাংলাপিডিয়া। 
৫,৭৩২.
কোন শাসককে পাল বংশের শেষ মুকুট বলা হয়?
  1. মহীপাল
  2. দেবপাল
  3. ধর্মপাল
  4. রামপাল
সঠিক উত্তর:
রামপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামপাল
ব্যাখ্যা

পাল বংশের ইতিহাস:
- রামপালকে পাল বংশের ‘শেষ মুকুট’ বলে অভিহিত করা হয়।
- পাল সাম্রাজ্যের ইতিহাসে দুঃসময়ে বিগ্রহপালের পর তাঁর পুত্র মহীপাল ৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে ক্ষমতায় আরোহণ করেন।
- তিনি কম্বোজ এবং চন্দ্রবংশের হাত থেকে ‘অনাধিকৃত বিলুপ্ত' পিতৃরাজ্য যেমন বিহার, উত্তর বাংলা পুনরুদ্ধার করেন।
- মহীপালের মৃত্যুর পর পাল রাজ্যে আবার অশান্তি সৃষ্টি হয়।
- রামপালের মৃত্যুর পর তার দুই পুত্র তৃতীয় গোপাল ও কিছু সময় বাংলার শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন। তারা ছিলেন দুর্বল ও অযোগ্য।
- ফলে বার শতকের শেষ দিকে সেন বংশের উত্থানের ফলে পাল রাজত্বের অবসান ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭৩৩.
শেখ মুজিবুর রহমানকে কত তারিখ 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেয়া হয়?
  1. ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে
  2. ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে
  3. ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে
  4. ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
'বঙ্গবন্ধু' উপাধি:

- ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দেয়া হয়। মুক্তি দেয়া হয় রাজবন্দীদেরও।
- শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তি লাভে ঢাকায় আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দি উদ্যান) শেখ মুজিবকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেয়া হয়।
- পাঁচ লক্ষ লোকের উপস্থিতিতে উক্ত সমাবেশে ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদের প্রস্তাবনায় শেখ মুজিবকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- উক্ত সভাতেই ‘জয় বাংলা' স্লোগানের উদ্ভব ঘটে।
- সভায় ‘বঙ্গবন্ধু’ ছয়দফা ও এগার দফা দাবি অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৩৪.
'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা আমরা তোমাদের ভুলব না।' গানটির রচয়িতা-
  1. ক) গোবিন্দ হালদার
  2. খ) আবদুল লতিফ
  3. গ) আব্দুল জব্বার
  4. ঘ) নজরুল ইসলাম বাবু
সঠিক উত্তর:
ক) গোবিন্দ হালদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গোবিন্দ হালদার
ব্যাখ্যা
গোবিন্দ হালদার রচিত কয়েকটি বিখ্যাত গান:
- 'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি....'
- 'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা আমরা তোমাদের ভুলব না।'
- 'পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে.....' 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৭৩৫.
মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টর কেবল নৌ কমান্ড দ্বারা গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ১ নং সেক্টর
  2. খ) ১০ নং সেক্টর
  3. গ) ৯ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১১ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এরমধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর।
- দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
- ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া
৫,৭৩৬.
আইয়ুব খান কত সালে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ জারি করেন?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১:
- আইয়ুব খান ১৯৬১ সালে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ জারি করেন।
- এই আইনে উত্তরাধিকার, বিবাহ রেজিস্ট্রেশন, বহুবিবাহ, তালাক, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, স্ত্রীর ভরণপোষণ প্রভৃতি বিষয়ে বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- উত্তরাধিকার আইনে কারো দাদার পূর্বে পিতা মৃত্যু বরণ করলেও সে তার দাদার সম্পত্তির অংশ পাবে মর্মে বিধান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭৩৭.
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি কার সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় ছাত্রসভা শুরু হয়?
  1. কাজী গোলাম মাহবুব
  2. আব্দুল জব্বার
  3. রফিকউদ্দিন আহমদ
  4. গাজীউল হক
সঠিক উত্তর:
গাজীউল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীউল হক
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের ১৪৪ ধারা ভঙ্গ:
⇒ ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন মুসলিম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে যোগ দিতে আসেন। তিনি পল্টন ময়দানের জনসভায় বলেন, ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু।’ ৩ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলনেও প্রধানমন্ত্রী একই কথার পুনরাবৃত্তি করেন। ১৯৪৮ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহও একই কথা বলে বারুদে আগুন দিয়েছিলেন।

⇒ ১৯৫২ সালের ২৯ জানুয়ারি তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ৩০ জানুয়ারি সব শিক্ষায়তনে প্রতীকী ধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্ত হয়। ৪ ফেব্রুয়ারি সব শিক্ষায়তনে পূর্ণ হরতাল পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

⇒ ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি ঢাকা বার লাইব্রেরি হলে সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব।

⇒ ২১ ফেব্রুয়ারির কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি যখন চলছিল, তখন ২০ ফেব্রুয়ারি ১ মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন। তাতে সভা, বিক্ষোভ, মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়। সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদের নেতারা দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যান। সাধারণ শিক্ষার্থীরা ১৪৪ ধারা ভঙ্গের পক্ষে ছিলেন। সে রাতে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদের বেশির ভাগ নেতা ১৪৪ ধারা ভঙ্গের বিপক্ষে ভোট দেন। ১১ / ৩ (১) ভোটে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ না করার প্রস্তাব গ্রহীত হয়। এই প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছিলেন অলি আহাদ, আবদুল মতিন ও গোলাম মাওলা।

⇒ ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টার দিকে গাজীউল হকের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় ছাত্রসভা শুরু হয়।
- এ সভা থেকেই ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে, বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দানের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ছাত্রজনতা মিছিল করলে পুলিশের গুলিতে আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন আহমেদ, আব্দুল জববার ও আবদুস সালাম শহীদ হন।
- তখন থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস, বর্তমানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৫,৭৩৮.
বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ১৯২৩ সালে
  2. খ) ১৯৩৭ সালে
  3. গ) ১৯৩৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৩ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৩৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৩৭ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৫ সালে প্রবর্তিত ভারত শাসন আইনের অধীনে বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৩৭ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে।
- ১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক আইনসভার নির্বাচনের পর অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হন শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক।
- এই নির্বাচনে কোনো দলই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।
- শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের কৃষক প্রজা পার্টি ও মুসলিম লীগের মধ্যে কোয়ালিশন সরকার গঠন করা হয়। এই কোয়ালিশন মন্ত্রিসভায় ১১ জন সদস্য ছিল।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক; বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
৫,৭৩৯.
বর্তমানে বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কয়জন?
  1. ৪২৬ জন
  2. ৪২৪ জন
  3. ১৭৪ জন
  4. ৬৭ জন
সঠিক উত্তর:
৪২৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৪ জন
ব্যাখ্যা
বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
৫,৭৪০.
দিল্লির সম্রাটকে বাৎসরিক কত টাকার বিনিময়ে কোম্পানী দিউয়ানি লাভ করে?
  1. ১ লক্ষ
  2. ১২ লক্ষ
  3. ১৯ লক্ষ
  4. ২৬ লক্ষ
সঠিক উত্তর:
২৬ লক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ লক্ষ
ব্যাখ্যা
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিউয়ানি লাভ:
- পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং বক্সারের যুদ্ধে নবাব মীরকাশিম পরাজিত হওয়ার পর ইংরেজদের গতিরোধ করার মতো শক্তি ও সাহস এদেশ থেকে সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।
- তখন থেকেই বাংলার শাসন ব্যবস্থায় ইংরেজরা সরাসরি হস্তক্ষেপ শুরু করে এবং বাংলার ভাগ্যবিধাতা হয়ে যায়।
- মুগল শাসনতন্ত্রে প্রদেশ শাসনের জন্য দু'টি সমপর্যায়ের পদের বিধান ছিল। একটি সুবাদারী, আরেকটি দিউয়ানি।
- সুবাদার ও দিউয়ান উভয় ব্যক্তিই সরাসরি দিল্লির সম্রাটের নিকট ব্যক্তিগতভাবে জবাবদিহি করতে বাধ্য ছিলেন। তাঁরা একে অপরকে প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতেন, কিন্তু একে অন্যকে তাঁর অধীন করতে পারতেন না।
- সুবাদারের দায়িত্ব ছিল বিচার, প্রতিরক্ষা ও সাধারণ প্রশাসন পরিচালনা, আর দিউয়ানের দায়িত্ব ছিল মূলত রাজস্ব (খাজনা) শাসন। 
- মুর্শিদকুলী খানের (১৭১৭ খ্রি.) সুবাদারী লাভ পর্যন্ত সুবাদারী ও দিউয়ানের পদ পৃথক পৃথক ব্যক্তির উপর ন্যস্ত ছিল। 
- পলাশীর যুদ্ধের পর হতে কোম্পানি ছিল দেশের হর্তাকর্তা।
- বক্সার যুদ্ধের পর কোম্পানির কর্মচারীদের মধ্যে দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলা চরমে উঠলে এবং বাংলার রাজনৈতিক পরিবেশ খারাপ হলে, ইংরেজ সরকার ভীত হয়ে পড়লেন। ফলে ইংল্যান্ডের কর্তৃপক্ষ কোম্পানির দুর্নীতি দমন ও স্বার্থ বৃদ্ধির জন্য পুনরায় ক্লাইভকে লর্ড উপাধি দান করে বাংলায় দ্বিতীয়বার প্রেরণ করেন (১৭৬৫-১৭৬৭ খ্রি.)।
- তিনি দিল্লির দুর্বল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সাথে সন্ধি স্থাপন করেন।
- ক্লাইভ কারা ও এলাহাবাদ জেলা দু'টি ও বাৎসরিক ২৬ লক্ষ টাকা কর প্রদানের বিনিময়ে সম্রাটের নিকট হতে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করলেন (১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে ১২ আগস্ট ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিউয়ানি সনদ লাভ করে)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৪১.
’শাহ-ই-বাঙ্গালা’ নামে উপাধি কার ছিল?
  1. মুহাম্মদ বিন তুঘলক
  2. গিয়াস উদ্দিন আযম শাহ
  3. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  4. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা
সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ:
- সুলতানি যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ। 
- অতি সাধারণ অবস্থা থেকে লখনৌতির শাসক হয়ে লখনৌতি, সাতগাঁও, সোনারগাঁ ও বিহার অধিকার করে সমগ্র বাংলাকে একটি কেন্দ্রীয় শাসনের অধীনে এনে ইলিয়াস শাহ বাংলার ইতিহাসে অমর স্থান অধিকার করে আছেন। 
- ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ও সোনারগাঁও-এর শাসক ইখতিয়ারউদ্দিন গাজী শাহকে পরাজিত করে পূর্ব বঙ্গে রাজ্য সম্প্রসারণ করেন। 
- তাঁর রাজত্বকালে বাঙালিরা সর্বপ্রথম একটি জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। 
- এ সময় বাংলার লোকেরা বাঙালি হিসেবে পরিচিত হয়। 
- এ কারণে ঐতিহাসিকগণ তাঁকে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক' বলে উল্লেখ করেছেন।  
- লখনৌতি, সাতগাঁও এবং এর সাথে সোনারগাঁও অধিকার করে ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলার একচ্ছত্র অধিপতির মর্যাদা লাভ করেন। 
- ইতিপূর্বে এই বিরল গৌরব আর কোন মুসলমান শাসক অর্জন করতে পারেন নি। 
- এ কারণে ঐতিহাসিক শামস-ই- সিরাজ আফীফ তাঁকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ" এবং 'সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন। 

উল্লেখ্য, 
- দুই বাংলার সমগ্র সীমানাকে একত্রিত করে বাঙ্গালাহ নামটি তাঁর সময়েই প্রচলিত হয়।
- বাংলার ইতিহাসের এ মহানায়ক সুদীর্ঘ ১৬ বছর রাজত্ব করার পর ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৪২.
বঙ্গভঙ্গ করা হয় কত সালে?
  1. ১৯০১ সালে
  2. ১৯০৩ সালে
  3. ১৯০৫ সালে
  4. ১৯০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ সালে
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ:
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- বাংলার মুসলমানরা নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়।
- অপর দিকে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সমপ্রদায়ের মধ্যে।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে তারা বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে। রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- বঙ্গভঙ্গ রদে হিন্দু সম্প্রদায় খুশি হয়, অপর দিকে মুসলমান সম্প্রদায় মর্মাহত এবং হতাশ হয়।
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৪৩.
১৯৬৬ সালের ৬ দফার কয়টি দফা অর্থনীতি বিষয়ক ছিল?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ১ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
• ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা(৩,৪ ও ৫ নং দফা) অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো।

- ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
• ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন। 
২. ফেডারেল সরকারের এখতিয়ার। 
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা। 
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য ।
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য।
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

 ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৭৪৪.
মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার কে ছিলেন?
  1. তারামন বিবি
  2. সেতারা বেগম
  3. কাকন বিবি
  4. আশালতা বৈদ্য
সঠিক উত্তর:
আশালতা বৈদ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশালতা বৈদ্য
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার:
- মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার আশালতা বৈদ্য।
- আশালতা বৈদ্যের জন্ম ১৯৫৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি।
- মুক্তিযুদ্ধের বছর তার বয়স ছিল মাত্র পনের বছর।
- মাত্র ১৫ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধের ৮ ও ৯ নম্বর সেক্টরে কোটালীপাড়া সীমানা সাব-সেক্টরের কমান্ডার হেমায়েত উদ্দিনের বাহিনীতে যোগ দেন
- তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে হেমায়েত বাহিনী/৭১ গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, বরিশাল অঞ্চলে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং একমাত্র নারী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।

উৎস: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৫,৭৪৫.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা কী ছিল?
  1. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  2. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  3. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  4. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ - মনু মিয়া।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৪৬.
জাতীয় সংসদে বাংলা ভাষাকে জীবনের সর্বস্তরে ব্যবহারের জন্য কত সালে আইন পাস হয়েছে?
  1. ১৯৭৫ সালে 
  2. ১৯৭৮ সালে 
  3. ১৯৮২ সালে 
  4. ১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদে বাংলা ভাষাকে জীবনের সর্বস্তরে ব্যবহারের জন্য ১৯৮৭ সালে আইন পাস হয়েছে।

বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭:
- ১৯৪৭ সালে ভারত বর্ষ ভাগ হয়ে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রথম আঘাতটাই আসে বাংলা ভাষার ওপর।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনেই স্বাধীনতার বীজ বপন করা হয়েছিল, যা অঙ্কুরিত হয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পরিপূর্ণতা লাভ করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম হয়।
- স্বাধীনতার পরপর সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রয়োগের জন্য একাধিক পরিপত্র জারি করা হয়।
- সর্বোপরি ১৯৮৭ সালে বাংলা ভাষার প্রচলন আইন সংসদ কর্তৃক পাশ হয়। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৭ সালের ৮ মার্চ ‘বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭’ প্রণয়ন করা হয়।
- ঐ আইনের ৩(১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘এই আইন প্রবর্তনের পর বাংলাদেশের সর্বত্র তথা সরকারি অফিস-আদালত, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদেশের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে নথি ও চিঠিপত্র, আইন-আদালতের সওয়াল-জবাব এবং অন্যান্য আইনানুগ কার্যাবলি অবশ্যই বাংলায় লিখিত হবে।
- এই ধারা মোতাবেক কোনো কর্মস্থলে যদি কোনো ব্যক্তি বাংলা ভাষা ব্যতীত অন্য কোনো ভাষায় আবেদন বা আপিল করেন তা হলে তা বেআইনি ও অকার্যকর বলিয়া গণ্য হবে।’

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৭৪৭.
জেল হত্যা দিবসে নিম্নের কাকে হত্যা করা হয়নি?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  4. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমেদ
ব্যাখ্যা
জেল হত্যা দিবস: 
- প্রতি বছর ৩ নভেম্বর বাংলাদেশে জেল হত্যা দিবস পালিত হয়। 
- ১৯৭৫ সালের এই দিনে চার জাতীয় নেতাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়: 
• সৈয়দ নজরুল ইসলাম (অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, মুজিবনগর সরকার)
• তাজউদ্দিন আহমদ (প্রধানমন্ত্রী, মুজিবনগর সরকার)
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
• এ এইচ এম কামরুজ্জামান

- রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদ এবং বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জড়িত সেনা কর্মকর্তারা ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার চেষ্টা করছিলেন।
- এই পরিস্থিতিতে চার শীর্ষ নেতার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন ও পুনরুজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারত।
- খন্দকার মোশতাক ও বঙ্গবন্ধু হত্যাকারী সেনা কর্মকর্তারা আশঙ্কা করেছিলেন যে, এই চার নেতার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পুনরায় সংগঠিত হলে তাদের শাসন দীর্ঘস্থায়ী হবে না।
- তাদের প্রভাব এবং অভিজ্ঞতাকে ধ্বংস করার জন্যই কারাগারের ভেতরে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
- হত্যার দিনেই দেশে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে, যার নেতৃত্ব দেন মেজর জেনারেল খালেদ মোশারফ।

উৎস: বিবিসি বাংলা (৩ নভেম্বর ২০১৭)
৫,৭৪৮.
আগরতলা মামলার বিচারকার্য ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিচারপতি কে ছিলেন?
  1. এস.এ.রহমান
  2. টি.এইচ.খান
  3. এম.আর.খান
  4. মকসুমুল হাকিম
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৪৯.
বাংলাদেশে কোন সময়ের মধ্যে কালবৈশাখী ঝড়ের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়?
  1. জানুয়ারি - ফেব্রুয়ারি
  2. ফেব্রুয়ারি - মার্চ
  3. এপ্রিল -  মে 
  4. জুন - জুলাই
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল -  মে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল -  মে 
ব্যাখ্যা

• কালবৈশাখী:
- বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে কালবৈশাখী ঝড় সুপরিচিত। 
- কালবৈশাখী ঝড় বায়ুপ্রবাহ ও ভারী বৃষ্টিপাতের সাথে সংঘটিত হয়।
- মধ্য এপ্রিল থেকে মধ্য মে মাসের মধ্যে কালবৈশাখী ঝড় তীব্র রূপ ধারণ করে।
- মূলত আর্দ্র ও শুষ্ক বায়ুপুঞ্জ পরস্পর মুখোমুখি হলে এইরূপ কালবৈশাখী ঝড়ের সৃষ্টি হয়।
- মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত বাংলাদেশের তাপমাত্রা পূর্ববর্তী মাসগুলির (শীতকালের মাসগুলি) তুলনায় দ্রুত বাড়তে থাকে।  
- এপ্রিল মাসের মাঝামাঝিতে সারা দেশে বিশেষ করে দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে দৈনিক তাপমাত্রা সর্বোচ্চ পরিমাণে বৃদ্ধি পায়।
- অস্থিতিশীল বায়ুমন্ডল আর দ্রুত পরিচলন ক্রিয়া কালবৈশাখীর উৎপত্তি ও বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক।
- কালবৈশাখীর গতি প্রতি ঘণ্টায় ৪০ হতে ৮০ কিলোমিটার। 
- অনেক সময় এ ঝড়ের গতি ঘণ্টায় ১২৮ কিলোমিটারেরও বেশি হয়ে থাকে।  
- কালবৈশাখী সাধারণত বাংলাদেশের মধ্যভাগে বিশেষ করে ঢাকা, পাবনা, ফরিদপুর এলাকায় আঘাত হানে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭৫০.
বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল জন্মগ্রহণ করেন-
  1. ক) নোয়াখালী
  2. খ) নড়াইল
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) ভোলা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভোলা
ব্যাখ্যা
- বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল ১৯৪৭ সালে ভোলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সেনাবাহিনীর সিপাহী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- তিনি ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে শহীদ হন।
- তাঁর সমাধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়ায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৭৫১.
Who was responsible for causing the partition of Bengal?
  1. Lord Lytton
  2. Lord Wellesly
  3. Lord Dufferin
  4. Lord Minto
  5. Lord Curzon
সঠিক উত্তর:
Lord Curzon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lord Curzon
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ ও নতুন প্রদেশ সৃষ্টি: 
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করে দুটি প্রদেশ করা হয়।
- প্রধানত প্রশাসনিক প্রয়োজন এবং সেই সাথে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে বিশাল আয়তনের বাংলা প্রদেশকে বিভক্ত করেন।
- পূর্ব বঙ্গের ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগের সাথে জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা, মালদাহ ও আসামকে যুক্ত করে পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশ নামে একটি নতুন প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়।
- নতুন প্রদেশের আয়তন দাঁড়ায় ১০৬,৫৪০ বর্গমাইল।
- জনসংখ্যা ৩ কোটি ১০ লক্ষ।
- এর মধ্যে ১ কোটি ৮০ লক্ষ ছিল মুসলমান।
- নতুন প্রদেশের রাজধানী করা হয় ঢাকা এবং অনুসঙ্গী সদর দপ্তর চট্টগ্রামে।

অন্য দিকে -
- পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে আরেকটি প্রদেশ হয়।
- এর নামকরণ করা হয় বাংলা প্রদেশ।
- বাংলা প্রদেশের রাজধানী করা হয় কলকাতা।

উল্লেখ্য,
- নতুন প্রদেশে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় তারা কার্জনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানায়।
- অন্যদিকে উচ্চ বর্ণের হিন্দুরা এর তীব্র বিরোধিতা করে।
- কংগ্রেস এর বিরুদ্ধে একটি তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে।
- শেষ পর্যন্ত সরকার ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করে ।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৫২.
বাংলাদেশের বিচার বিভাগ কয়স্তর বিশিষ্ট?
  1. ক) ৪ স্তর
  2. খ) ২ স্তর
  3. গ) ১ স্তর
  4. ঘ) ৩ স্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ স্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দ্বি-স্তর বিশিষ্ট। উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালত। 
- উচ্চ আদালত বা সুপ্রীম কোর্ট আবার আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত।
- ন্যায়বিচারের মানদন্ডকে সমুন্নত রেখে নিরপেক্ষ বিচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন, শাসক ও শাসিতের সম্পর্ককে সংহত ও শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সংবিধানে সুপ্রিম কোর্ট নামে একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 
- সুপ্রিম কোর্ট সংবিধান বহির্ভূত কোনো বিধানকে অবৈধ ঘোষণা করে শাসনতন্ত্রকে সুনির্দিষ্ট পথে পরিচালিত হতে সাহায্য করে।
 
উৎস: পৌরনীতি, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,৭৫৩.
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের কতটি সাধারণ নির্বাচনী আসন ছিল?
  1. ৩১৬টি
  2. ৩১৩টি
  3. ৩১০টি
  4. ৩০০টি
সঠিক উত্তর:
৩০০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০টি
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের নির্বাচন:
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচনী আসন সর্বমোট ৩১৩ টি।
- যেখানে ১৩ টি মহিলা আসন ছিল।
- পাঁচটি প্রাদেশিক পরিষদে ৬২১ টি আসনের বিপরীতে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
- পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সাধারণ আসন ছিল ৩০০টি। 
জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের আসন
অঞ্চল জাতীয় পরিষদ প্রাদেশিক পরিষদ
সাধারণ মহিলা মোট সাধারণ মহিলা মোট
পূর্ব পাকিস্তান ১৬২ ১৬৯ ৩০০ ১০ ৩১০
পাঞ্জাব ৮২ ৮৫ ১৮০ ১৮৬
সিন্ধু ২৭ ২৮ ৬০ ৬২
উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত ১৮ ১৯ ৪০ ৪২
বেলুচিস্তান ২০ ২১
কেন্দ্র শাসিত এলাকা - - -
মোট ৩০০ ১৩ ৩১৩ ৬০০ ২১ ৬২১
উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৫৪.
বাংলাদেশ IDA এর সদস্যপদ লাভ করে কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৯৯৭
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২
ব্যাখ্যা
 IDA (International Development Association) তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে থাকে। যার কারণে IDA কে Soft Loan Window বলা হয়।
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, সেসব দেশকে IDA ঋণ প্রদান করে থাকে।
- IDA বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৩টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IDA এর সদস্যপদ লাভ করে। বাংলাদেশ IDA থেকে সর্বাধিক অর্থ সহায়তা পায়।
(তথ্যসূত্রঃ IDA ওয়েবসাইট)
৫,৭৫৫.
কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রথম শহিদ আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে নিহত হয় কবে?
  1. ১৬ জুলাই, ২০২৪
  2. ১৭ জুলাই, ২০২৪
  3. ১৮ জুলাই, ২০২৪
  4. ১৯ জুলাই, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১৬ জুলাই, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ জুলাই, ২০২৪
ব্যাখ্যা
শহীদ আবু সাঈদ:
- রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তিনি রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন।
- কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি লুটিয়ে পড়েন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন।
- ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান হাসিনা।

উৎস: i) বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) প্রথম আলো।
৫,৭৫৬.
'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি' গানটির শিল্পী কে?
  1. সমর দাস
  2. আব্দুল জব্বার
  3. গোবিন্দ হালদার
  4. আপেল মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
আপেল মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপেল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রচারিত গানগুলো মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রেরণা যুগিয়েছে।

⇒ তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর:
- কথা ও সুর: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: রথীন্দ্রনাথ রায়।

⇒ পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: সমর দাস।
- গানটি কয়েকজন শিল্পীর সমবেত কণ্ঠে প্রচার করা হয়।

⇒ মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: আপেল মাহমুদ।

⇒ এক সাগর রক্তের বিনিময়ে:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: স্বপ্না রায়।

⇒ সালাম সালাম হাজার সালাম:
- গীতিকার: ফজলে খোদা।
- সুরকার: আব্দুল জব্বার।
- শিল্পী: আব্দুল জব্বার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
৫,৭৫৭.
বাংলাদেশে শিক্ষাক্রম অনুসারে পাঠ্যপুস্তক ও অন্যান্য শিখন উপকরণ উন্নয়ন ও পরিমার্জন করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. DPE
  2. NAPE
  3. NCTB
  4. NAEM
সঠিক উত্তর:
NCTB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NCTB
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB):
- জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড NCTB নামে পরিচিত।
- এর পূর্ণরূপ National Curriculum & Textbook Board.
- বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।

উল্লেখ্য,
- এনসিটিবি প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাক্রম উন্নয়ন ও পরিমার্জনের জন্য শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। এটি জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুসারে পাঠ্যপুস্তক ও অন্যান্য শিখন উপকরণ উন্নয়ন ও পরিমার্জন করে, এটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তথ্যসূত্র - NCTB ওয়েবসাইট।

৫,৭৫৮.
মুজিবনগর সরকারের ‘ক্যাবিনেট সচিব’ ছিলেন -
  1. ক) খন্দকার আসাদুজ্জামান
  2. খ) আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. গ) এইচ টি ইমাম
  4. ঘ) লুৎফর রহমান
সঠিক উত্তর:
গ) এইচ টি ইমাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এইচ টি ইমাম
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের ‘ক্যাবিনেট সচিব’ ছিলেন - এইচ টি ইমাম।

• মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 

- মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলের - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী - এম মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী - এএইচএম কামরুজ্জামান।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৫৯.
স্বাধীন বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট কতটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ক) ৫ টি
  2. খ) ৬ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৭ টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ টি
ব্যাখ্যা

- স্বাধীন বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট ৫টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশে উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় ১৯৮২ সালে। এর অধীনে ১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর প্রথম ৪৫টি থানাকে এবং পরবর্তীতে ৪৬০টি থানাকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এরপর ১৯৯০, ২০০৯, ২০১৪ এবং সর্বশেষ ২০১৯ সালে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র;- বাংলাপিডিয়া এবং নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

৫,৭৬০.
প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ'- এর আহ্বায়ক মনোনীত হন কে?
  1. গোলাম মাহবুব
  2. আবুল কাসেম
  3. নূরুল হক ভূঁইয়া 
  4. জিয়াউল হক
সঠিক উত্তর:
নূরুল হক ভূঁইয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নূরুল হক ভূঁইয়া 
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন: 
- ১৯৩৭ সাল থেকে ভাষা বিতর্ক শুরু হয়।
- তমদ্দুন মজলিসের উদ্যোগে- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক মনোনীত হন নূরুল হক ভূঁইয়া।
- পরবর্তীকালে এ উদ্দেশ্যে আরও কয়েকটি কমিটি গঠিত হয়।
- কিন্তু প্রাথমিক পর্যায়ে তমদ্দুন মজলিসের গঠিত প্রথম সংগ্রাম পরিষদটি গুলুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের ১ ফেব্রুয়ারি সংগ্রাম পরিষদের সাথে আলোচনার পর শিক্ষামন্ত্রী ফজলুর রহমান আশ্বাস দেন যে, মানি অর্ডার, ফরম, ডাকটিকিট ও মুদ্রায় ইংরেজি-উর্দুর পাশাপাশি বাংলায় লেখা হবে।
- পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান ১৮ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেয়া বক্তৃতায় সুকৌশলে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিলে ছাত্রদের মধ্যে হতে 'না' 'না' ধ্বনি সম্বলিত প্রতিবাদ ওঠে।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭৬১.
ঐতিহাসিক “ছয় দফা দাবিতে” যে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না-
  1. স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা
  2. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
  3. শিক্ষা নীতি
  4. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা নীতি
ব্যাখ্যা

• ছয় দফা কর্মসূচি:
- ছয় দফা কর্মসূচিকে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়, কারণ এটি স্বাধীনতার ভিত্তি গড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। -
- ছয় দফার মূল উদ্দেশ্য ছিল:
∗ পাকিস্তানকে একটি ফেডারেল রাষ্ট্রে রূপান্তর করা;
∗ এবং পূর্ব পাকিস্তানকে (বর্তমান বাংলাদেশ) পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা।
- এই কর্মসূচির ভিত্তি ছিল ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব।
- ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর মহাসম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবিসহ ছয় দফা ঘোষণা করেন।
- এই ছয় দফা ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে পেশ করা হয়।
- ঐতিহাসিক “ছয় দফা দাবিতে” অন্তর্ভুক্ত ছিল না- শিক্ষা নীতি।


উল্লেখ্য, 
ছয় দফার দফাগুলো ছিল:
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন;
২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সীমিত করা;
৩. মুদ্রা ও অর্থ-সংক্রান্ত ক্ষমতা;
৪. রাজস্ব, কর ও শুল্কের নিয়ন্ত্রণ;
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য সম্পর্কিত ক্ষমতা;
৬. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা;
- এই কর্মসূচি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ হিসেবে পরিচিত।

উৎস:
ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি;
বাংলাপিডিয়া। 

৫,৭৬২.
কত সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালু হয়?
  1. ১৭৯০ সালে
  2. ১৭৯১ সালে
  3. ১৭৯২ সালে
  4. ১৭৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
- ১৭৯৩ সালের ২২শে মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’ নামে পরিচিত।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে বাংলার কৃষকরা জমির উপর তাদের মালিকানা হারায়।
- ১৯৫০ সালের ‘পূর্ববঙ্গ জমিদার অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনে’র ফলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথার বিলুপ্তি হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৭৬৩.
কান চলচ্চিত্র উৎসবে ফিপ্রেস্কি আন্তর্জাতিক সমালোচক পুরস্কারের আওতায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার অর্জন করে কোন চলচ্চিত্রটি? 
  1. অন্তর্যাত্রা
  2. মাটির ময়না
  3.  নরসুন্দর
  4. রানওয়ে
সঠিক উত্তর:
মাটির ময়না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটির ময়না
ব্যাখ্যা
মাটির ময়না: 

• মাটির ময়না ২০০২ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে ফিপ্রেস্কি আন্তর্জাতিক সমালোচক পুরস্কারের আওতায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার অর্জন করে।
• এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কিত একটি বাংলাদেশি ফিচার চলচ্চিত্র। 
• কাহিনি ও চিত্রনাট্য রচনা এবং পরিচালনা: তারেক মাসুদ
• প্রযোজক: ক্যাথরিন মাসুদ। 
• অভিনয়ে শিল্পী: নুরুল ইসলাম বাবলু, রাসেল ফরাজী, রোকেয়া প্রাচী, শোয়েব ইসলাম, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, লামিসা রিমঝিম প্রমুখ।
• তারেক মাসুদের উল্লেখযোগ্য আরও কয়েকটি চলচ্চিত্র হলো অন্তর্যাত্রা (২০০৬), নরসুন্দর (২০০৯) এবং রানওয়ে (২০১০)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং The Story of 'Matir Moina’
৫,৭৬৪.
হরিকেল জনপদের বিস্তার কোন অঞ্চল থেকে কোন অঞ্চল পর্যন্ত ছিল?
  1. ঢাকা থেকে খুলনা
  2. সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী থেকে সিলেট
  4. চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

হরিকেল:
- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন উলিণ্ঢখিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদগুলোর সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে এ কথা বলা যায় যে, জনপদগুলোর নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ণয় করা বা যুগে যুগে তাদের সীমার বিস্তার ও সংকোচনের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা দুরূহ কাজ।
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭৬৫.
মুজিব নগর সরকারের মূখ্য সচিব কে ছিলেন?
  1. ক) এইচ টি ইমাম
  2. খ) মাহবুবুল আলম চাষী
  3. গ) খন্দকার আসাদুজ্জামান
  4. ঘ) রুহুল কুদ্দুস
সঠিক উত্তর:
ঘ) রুহুল কুদ্দুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রুহুল কুদ্দুস
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। এই সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা। এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
মুজিবনগর মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ছিলো ছয়জন।
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- মূখ্য সচিব ছিলেন - রুহুল কুদ্দুস।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : তৃতীয় খণ্ড : 
৫,৭৬৬.
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ২২টি ভাষায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ অনুবাদ করেছে কোন সংস্থা?
  1. সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস (সিল)
  2. ইউনেস্কো
  3. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  4. Liberation War Museum
সঠিক উত্তর:
সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস (সিল)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস (সিল)
ব্যাখ্যা

- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ২২টি ভাষায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ অনুবাদ হয়েছে। এ কাজ করেছে আন্তর্জাতিক সংগঠন সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস (সিল)।
- সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস,অস্ট্রেলিয়া (সিল) ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষার সুরক্ষায় গবেষণার কাজ করে।
- বিশেষ করে যেসব ভাষা বিপন্ন, সেগুলোর প্রয়োজনমতো বর্ণমালা বা ব্যাকরণ তৈরির কাজও করে প্রতিষ্ঠানটি।
- ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো ৭ মার্চের ভাষণটিকে World’s Documentary Heritage এর মর্যাদা দিয়ে International Memory of the World Register-এ অর্ন্তভুক্ত করেছে।

তথ্যসূত্র:- প্রথম আলো।

৫,৭৬৭.
বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে কোথায়?
  1. ক) সোনাগাঁও
  2. খ) লালমাই
  3. গ) পাহাড়পুর
  4. ঘ) মহাস্থানগড়
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতার নাম পুণ্ড্রনগর বা মহাস্থানগড়। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে মহাস্থানগড়ই সর্বাধিক প্রাচীন ।
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুন্ড্র।
- পুন্ড্র ‘জন’ বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল। পুন্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- এটি বাংলার প্রাচীনতম জনপদ।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। পরবর্তী কালে এর নাম মহস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।

এছাড়াও প্রাচীন বাংলার আরো জনপদ সমূহ হচ্ছে:
- বঙ্গ
- বরেন্দ্র
- সমতট
- হরিকেল
- রাঢ়
- চন্দ্রদ্বীপ
- তাম্রলিপ্ত
- গঙ্গারিডাই
- গৌড় প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী; বাংলাপিডিয়া; সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৬৮.
মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ কত সালে জারি করা হয়?
  1. ১৯৫৮ সালে
  2. ১৯৫৯ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৯ সালে
ব্যাখ্যা

মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ:
- 'মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ' ব্যবস্থাটি জারি করেন আইয়ুব খান।
- ১৯৫৯ সালে জারিকৃত মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ এর উদ্দেশ্য ছিল জনগণের ইচ্ছেকে সরকারের কাছাকাছি এবং সরকারি কর্মকর্তাদেরকে জনগণের কাছাকাছি এনে গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণ-এর ব্যবস্থা করা।
- এটি ছিল চারস্তর বিশিষ্ট স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা।
- মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের চারটি স্তর ছিল। যথা-
(১) ইউনিয়ন কাউন্সিল (গ্রাম এলাকায়) এবং টাউন কমিটি (শহর এলাকায়)।
(২) থানা কাউন্সিল (পূর্ব পাকিস্তানে) এবং তহশিল কাউন্সিল (পশ্চিম পাকিস্তানে)।
(৩) জেলা কাউন্সিল।
(৪) বিভাগীয় কাউন্সিল।

উল্লেখ্য,
- উচ্চ বিলাসী আইয়ুব খান সামরিক শাসন যাত্রার ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজে প্রেসিডেন্ট পদ দখল করেন।
- অতঃপর তিনি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন।
- ১৯৫৯ সালের অক্টোবর মাসে আইয়ুব খান 'মৌলিক গণতন্ত্র' নামে একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু করেন।
- এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের দুই অঞ্চল থেকে ৪০ হাজার করে ৮০ - হাজার মৌলিক গণতন্ত্রী সদস্য নির্বাচন করা হয়।
- ১৯৬০ সালে এসব মৌলিক গণতন্ত্রীর আস্থা ভোটে আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

[উল্লেখ্য যে, [শুধুমাত্র সংগ্রামের নোটবুক ও বাংলাপিডিয়া মৌলিক গণতন্ত্রের ৫টি স্তর বলা হয়েছে। কিন্তু পৌরনীতি ও সুশাসন, ইতিহাস, ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খন্ডের মধ্যে মৌলিক গণতন্ত্রের ৪টি স্তরের কথা বলা হয়েছে। তাই অধিক গ্রহনযোগ্য হিসেবে ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭৬৯.
মুজিবনগর সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. এম. মনসুর আলী
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  4. তাজউদ্দিন আহমদ
সঠিক উত্তর:
এম. মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিব নগর সরকার। 
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- মুজিবনগর সরকারের তথা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড।
- রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন এম.এ.জি ওসমানী।
- চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল আবদুর রব।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৫,৭৭০.
বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় কাদের মধ্যে?
  1. মীর জাফর ও ইংরেজদের
  2. মীর কাসিম ও ইংরেজদের
  3. মীর কাসিম ও মারাঠাদের
  4. মীর জাফর ও ফরাসিদের
সঠিক উত্তর:
মীর কাসিম ও ইংরেজদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর কাসিম ও ইংরেজদের
ব্যাখ্যা

বক্সারের যুদ্ধ:
- বক্সারের যুদ্ধ নবাব মীর কাসিম ও তাঁর মিত্রশক্তির সাথে ইংরেজদের যুদ্ধ।
- ১৭৬৪ সালে বিহারের বক্সার নামক স্থানে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- মেজর হেক্টর মুনরোর নেতৃত্বে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনী এবং মীর কাসিম, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা-এর সম্মিলিত সেনাবাহিনীর মধ্যে লড়াই হয়েছিল।
- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে সংঘটিত এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে।
- এই যুদ্ধের ফলে বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম পুনরায় ইংরেজ শিবিরে আশ্রয় নেন।
- সুজাউদ্দৌলা রোহিলাখন্ডে পালিয়ে যান এবং অযোধ্যা ইংরেজ বাহিনীর পদানত হয়।
- মীর কাসিম নিরুদ্দেশ হন এবং এরপর তাঁর সম্পর্কে আর কিছু জানা যায় নি।
- বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাপিডিয়া।

৫,৭৭১.
ওলন্দাজরা কত সালে উপমহাদেশে আসে?
  1. ১৬০১ সালে
  2. ১৬০২ সালে
  3. ১৬০৩ সালে
  4. ১৬০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৬০২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০২ সালে
ব্যাখ্যা
ওলন্দাজ:
- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- ১৬০২ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজরা জলপথে উপমহাদেশে আসে।
- বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে হল্যান্ডের একদল বণিক 'ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করে।
- কালিকট, নাগাপট্রম, বাংলার চুঁচুড়া ও বাঁকুড়ায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৭২.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি
  3. তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. ক্যাপটেন মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি
ব্যাখ্যা
• জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী:
- জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন।
- আতাউল গণি ওসমানী ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭১ সালের ২৬ ডিসেম্বর তিনি বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীর জেনারেল পদে উন্নীত হন।
- তাঁর পদোন্নতি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করা হয়।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- মুক্তিযুদ্ধে উপসেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন এ কে খন্দকার।
- মুক্তিযুদ্ধে চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব পালন করেন কর্নেল এম এ রব।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৭৭৩.
ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হয় -
  1. ১৬০০ সালে
  2. ১৬৫৭ সালে
  3. ১৭০৪ সালে
  4. ১৭৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- ব্রিটেনের রানী প্রথম এলিজাবেথের নিকট থেকে প্রাপ্ত সনদের মাধ্যমে ১৬০০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়।
- ১৬১২ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের অনুমতি নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৭০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ স্থাপন করে।
- ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশী যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হয়।
- ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করে।
- এরপর ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার নিজে নিয়ে নেয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৫,৭৭৪.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ব্রিটেনের 'নাইট' উপাধি লাভ করেন -
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ফজলে হাসান আবেদ
  3. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  4. আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
সঠিক উত্তর:
ফজলে হাসান আবেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা
ফজলে হাসান আবেদ:
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭শে এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর বাবার নাম মরহুম সিদ্দিক হাসান এবং মায়ের নাম মরহুমা সৈয়দা সুফিয়া খাতুন।
- ফজলে হাসান আবেদ ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক উপাধি 'নাইট'।
- দ্বিতীয় বাঙালি এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে এ গৌরবময় উপাধি অর্জন করেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদ।

অন্যদিকে -
- ২০১৭ সালে ‘নাইট’ উপাধি পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আখলাকুর রহমান চৌধুরী।
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম বাঙালি হিসেবে ‘নাইট’ খেতাব পেয়েছিলেন।

উৎস: i) ব্র্যাক ওয়েবসাইট।
ii) ৩ নভেম্বর ২০১৭, প্রথম আলো।
৫,৭৭৫.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রচারণার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কোন শহরটি পরিচিত ছিল?
  1. কলকাতা
  2. বার্মিংহাম
  3. লন্ডন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
লন্ডন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লন্ডন
ব্যাখ্যা
গ্রেট ব্রিটেনের ভূমিকা:
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে ব্রিটেনের প্রচার মাধ্যম বিশেষ করে বিবিসি এবং লন্ডন থেকে প্রকাশিত পত্র-পত্রিকা বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মম নির্যাতন এবং বাঙালিদের সংগ্রাম ও প্রতিরোধ, ভারতে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের করুণ অবস্থা, পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা এবং মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতি সম্পর্কে বিশ্ব জনমতকে জাগ্রত করে তোলে।
- ব্রিটিশ সরকারও আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ব্যাপারে খুবই সহানুভূতিশীল ছিল।
- লন্ডন ছিল বহির্বিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারের প্রধান কেন্দ্র। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৭৭৬.
BSTI-এর পূর্ণ অভিব্যক্তি কী?
  1. Bangladesh ‍Society for Telecommunication & Information
  2. Bangladesh Standards and Testing Institution
  3. Bangladesh Security & testing Institute
  4. Bangladesh Scientific Testing Institute
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Standards and Testing Institution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Standards and Testing Institution
ব্যাখ্যা
• BSTI:
- বাংলাদেশের পণ্যের মান নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠানকারী প্রতিষ্ঠান - BSTI.
- এর পূর্ণরুপ - Bangladesh Standards and Testing Institution (BSTI).
এ উপমহাদেশে ১৯৪৬ সালে Indian Standards Institute স্থাপনের মাধ্যমে জাতীয় মান সংস্থার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।
- ১৯৪৭ সালে উপনিবেশিক শাসনের অবসানের সুদীর্ঘ এক যুগেরও বেশী সময় পরে, ১৯৫৮ সালে, তৎকালীন পাকিস্তানে Pakistan Standards Institute (PSI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তার আগে ১৯৫৬ সালে Colombo Plan এর অধীনে ঢাকায় Central Testing Laboratory (CTL) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ঢাকায় ১৯৬৩ সালে PSI এর অফিস প্রতিষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে CTL এবং BDSI, এই দুটি সংস্থা পৃথক সত্তা হিসেবে নিজ নিজ দায়িত্বে কার্যরত ছিল।

- বিগত ১৬ই মে ১৯৮৩ সালে তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী Science & Technology Division এর অধিনস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী (CTL) ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস ইনস্টিটিউশন (BDSI)-কে একীভূত করে ২৫শে জুলাই ১৯৮৫ তারিখে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত ‘দি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন অধ্যাদেশ, ১৯৮৫’ -এর মাধ্যমে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) গঠিত হয়।

- অতঃপর ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধিনস্ত কৃষিপণ্য বিপনন ও শ্রেণী বিন্যাস পরিদপ্তরটি বিএসটিআই’র সঙ্গে একীভূত হয়।
- উক্ত অধ্যাদেশটি ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন আইন-২০১৮’ -তে পরিণত করা হয়েছে।
- বর্তমানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধিনে বিএসটিআই একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র: বিএসটিআই ওয়েবসাইট।
৫,৭৭৭.
হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত চলচ্চিত্র নয় কোনটি?
  1. চন্দ্রকথা
  2. নন্দিত নরকে
  3. আমার আছে জল
  4. দুই দুয়ারী
সঠিক উত্তর:
নন্দিত নরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নন্দিত নরকে
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে।
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর অন্যন্যা চলচ্চিত্র গুলো হলো,
- শ্রাবণ মেঘের দিন (২০০০), দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), নয় নম্বর বিপদ সংকেত (২০০৭) এবং আমার আছে জল (২০০৮)।

অন্যদিকে,
- নন্দিত নরকে পরিচালনা করেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা চলচ্চিত্রকার বেলাল আহমেদ।
- হুমায়ুন আহমেদ এর জনপ্রিয় উপন্যাস নন্দিত নরকে অবলম্বনে নির্মাণ করা হয় চলচ্চিত্রটি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫,৭৭৮.
নৌ , সেনা ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত ফোর্সকে কি বলে ?
  1. ক) এলিট ফোর্স
  2. খ) এস ফোর্স
  3. গ) কে ফোর্স
  4. ঘ) টাস্কফোর্স
সঠিক উত্তর:
ঘ) টাস্কফোর্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টাস্কফোর্স
ব্যাখ্যা

- প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠিত হয় ১৯৭১ সালে।
- প্রথম প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হলেন তাজউদ্দীন আহমেদ বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছে।
- নৌ , সেনা ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে টাস্কফোর্স গঠিত হয়।
- প্রতিরক্ষা বাহিনীর চৌকস ক্যাডারদের সর্বোচ্চ সন্মাননা হলো সোর্ড অব অনার ।
- বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী গঠিত হয় ২১ নভেম্বর ১৯৭১ সালে।

তথ্যসূত্র - স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৫,৭৭৯.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয় কোন সালে? 
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা:
- জরুরি অবস্থা বলতে বোঝায় রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থে সংকটকালীন অবস্থায় মৌলিক অধিকারে সাময়িক বিধিনিষেধ আরোপ।
- জরুরি অবস্থা সংবিধানে যুক্ত হয় ১৯৭৩ সালের দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে।
- জরুরি অবস্থার সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ ১৪১(ক), ১৪১(খ), ১৪১(গ)।
- জরুরি অবস্থার মেয়াদ সর্বাধিক ১২০ দিন।
- বাংলাদেশে মোট ৫ বার জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে।
- ১ম বার জারি হয় ১৯৭৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর, শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে খাদ্য সংকট, দুর্ভিক্ষ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে জারি করা হয়েছিল। এর ফলে দেশজুড়ে বাকস্বাধীনতা সীমিত করা হয়েছিল এবং সংবাদপত্রের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। 
- ২য় বার ১৯৮১ সালের ৩০ মে, জারি করেন রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার; কারণ-জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড পরবর্তী পরিস্থিতি।
- ৩য় বার ১৯৮৭ সালের ২৭ নভেম্বর, জারি করেন জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ; কারণ-রাজনৈতিক অস্থিরতা।
- ৪র্থ বার ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর, জারি করেন জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (দ্বিতীয়বার); কারণ-সরকারবিরোধী আন্দোলন।
- ৫ম বার  ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি, জারি করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা ইয়াজউদ্দীন আহম্মেদ; কারণ- রাজনৈতিক সংকট (১/১১ নামে পরিচিত)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এস.এস.এইচ.এল., বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫,৭৮০.
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল কোনটি?
  1. অপারেশন নৌকাবাইচ
  2. অপারেশন ক্যাকটাস লিলি
  3. অপারেশন জ্যাকপট
  4. অপারেশন মংলা
সঠিক উত্তর:
অপারেশন জ্যাকপট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন জ্যাকপট
ব্যাখ্যা
অপারেশন জ্যাকপট:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালিত হয় ১৫ই আগস্ট মতান্তরে ১৬ই আগস্ট ১৯৭১ সালে। [অপশনে ১৫ আগস্ট থাকলে ১৫ আগস্ট দাগাতে হবে। অপশনে ১৫ আগস্ট না থাকলে সেই ক্ষেত্রে ১৬ আগস্ট দাগাতে হবে।]
- দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর - চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে পরিচালিত অপারেশনগুলো চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান।
- এই অপারেশনে পাকিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশ থেকে আসা অস্ত্র, খাদ্য ও তেলবাহী ২৬টি জাহাজ ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল।
- চট্টগ্রামে বন্দরে অপারেশন চালানোর জন্য বাছাই করা হয়েছিল ৬০ জনের একটি দল।
- ১৯৭১ সালের অগাস্টের ১৫ তারিখ রাতে অপারেশন জ্যাকপট পরিচালনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এর পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছিল সেই বছরের মে মাসে।
- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে এক নম্বর সেক্টরের কমান্ডার।
- অপারেশন জ্যাকপটে চট্টগ্রাম বন্দরের অভিযান তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর রফিকুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বীর উত্তম খেতাব লাভ করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বিবিসি বাংলা, ১৬ই আগস্ট ২০২১।
৫,৭৮১.
সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, একটি নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য মোট জেলার কত শতাংশে দলের সক্রিয় কার্যালয় থাকা বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করা হয়েছে?
  1. ২০% 
  2. ৫% 
  3. ১০% 
  4. ১৫% 
সঠিক উত্তর:
১০% 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০% 
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন: 
- নতুন দল নিবন্ধনের শর্ত শিথিলের লক্ষ্যে ১০% জেলা এবং ৫% উপজেলা/থানায় দলের অফিস থাকা লাগবে।
- এবং ন্যূনতম ৫,০০০ সদস্য থাকার বিধান করা।
- দলের সদস্যদের চাঁদা ন্যূনতম ১০০ টাকা ও কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে অনুদান হিসেবে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা নেওয়ার বিধান করা।
- এ অনুদান ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে গ্রহণের বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ট্যাক্স রিটার্নে প্রদর্শনের বিধান করা।
- দলের লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র, শিক্ষক ও শ্রমিক সংগঠন, ভাতৃপ্রতিম বা যে কোনো নামেই হউক না কেন, না থাকার বিধান করা।
- দলের, যে কোনো নামেই হউক না কেন, বিদেশি শাখা না থাকার বিধান করা।
- দলের সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নের জন্য দলের তিন বছরের সদস্য পদ থাকা বাধ্যতামূলক করা।
- প্রতি ৫ বছর পর পর দলের নিবন্ধন নবায়ন বাধ্যতামূলক করা।
- পর পর দুটি নির্বাচনে অংশ না নিলে দলের নিবন্ধন বাতিলের বিধান বাতিল করা।

উৎস:  নির্বাচন সংস্কার কমিশন।

৫,৭৮২.
"দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ" যুক্তরাষ্ট্রের কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. লস অ্যাঞ্জেলেস 
  2. নিউ ইয়র্ক
  3. সান ফ্রান্সিসকো
  4. শিকাগো
সঠিক উত্তর:
নিউ ইয়র্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউ ইয়র্ক
ব্যাখ্যা
দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্বের বন্ধুদের সহমর্মিতার এক উজ্জ্বল নিদর্শন ছিল 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'।
- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই ঐতিহাসিক কনসার্ট।
- এটি আয়োজন করেছিলেন বিখ্যাত সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর ও ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় ব্যান্ড দ্য বিটলসের সদস্য জর্জ হ্যারিসন।
- এই কনসার্টের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত তৈরি এবং শরণার্থীদের সহায়তার উদ্দেশ্যে অর্থ সংগ্রহ করা হয়।
- কনসার্টের ৫০ বছর পূর্তিতে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে 'ফ্রেন্ডস অব ফ্রিডম' নামে একটি সংগঠন বিশেষ উৎসবের আয়োজন করে।

সূত্র - দৈনিক যুগান্তর ও প্রথম আলো। 
৫,৭৮৩.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্মৃতি ৭১'- এর পরিচালক কে?
  1. ক) জহির রায়হান
  2. খ) মোরশেদুল ইসলাম
  3. গ) তারেক মাসুদ
  4. ঘ) তানভীর মোকাম্মেল
সঠিক উত্তর:
ঘ) তানভীর মোকাম্মেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তানভীর মোকাম্মেল
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্মৃতি ৭১'- এর পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
'স্টপ জেনোসাইড' এবং 'এ স্টেট ইজ বর্ন' জহির রায়হান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চিত্র।
'আগামী' ও 'সূচনা' মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
'মুক্তির গান' ও 'মুক্তির কথা' তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র।
উৎসঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৭৮৪.
মুজিবনগর সরকারের কৃষিমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. এএইচএম কামরুজ্জামান
  2. এম মনসুর আলী
  3. তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  5. খন্দকার মুশতাক আহমেদ
সঠিক উত্তর:
এএইচএম কামরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এএইচএম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 

- মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলের - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী - এম মনসুর আলী।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী - খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৮৫.
ঢাকা শহরে 'অপারেশন সার্চলাইট' পরিচালনার মূল দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. ক) জেনারেল রাও ফরমান আলী
  2. খ) জেনারেল খাদিম হোসেন রেজা
  3. গ) জেনারেল টিক্কা খান
  4. ঘ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
সঠিক উত্তর:
ক) জেনারেল রাও ফরমান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জেনারেল রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা
• অপারেশন সার্চলাইট:
- অপারেশন সার্চলাইট পাকিস্তানে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী মুক্তিকামী বাঙালিদের কঠোর হস্তে দমনের জন্য ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী যে সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করে সামরিক কর্তৃপক্ষ একে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে অভিহিত করে।
- অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় ২৫ মার্চ রাত সাড়ে এগারটা থেকে মধ্য মে পর্যন্ত বড় বড় শহরে অভিযান পরিচালিত হয়।
- অপারেশন সার্চলাইট  অভিযান শুরুর সময় নির্ধারিত ছিল ২৬ মার্চ রাত ১টা।
⇒ সিদ্ধান্ত হয়, ২৫ মার্চ রাত ১টায় অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় অভিযানে ঢাকায় নেতৃত্ব দিবেন জেনারেল রাও ফরমান আলী।
- দেশের অন্যান্য অঞ্চলে নেতৃত্ব দিবেন জেনারেল খাদিম হোসেন রেজা।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৫,৭৮৬.
ভারত-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকের নাম কী?
  1. চিরঞ্জীব মুজিব
  2. টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই
  3. মুজিব আমার পিতা
  4. মুজিব: একটি জাতির রূপকার
সঠিক উত্তর:
মুজিব: একটি জাতির রূপকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুজিব: একটি জাতির রূপকার
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত সিনেমা:
- ভারত-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে জাতির পিতার বায়োপিক ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’। 
- পরিচালনা করেছেন বলিউডের বিখ্যাত পরিচালক শ্যাম বেনেগাল।
- এ সিনেমায় বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ।
- বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত আরেক সিনেমা ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই’।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘চিরঞ্জীব মুজিব’। 
- ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে নির্মিত সিনেমাটিতে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আহমেদ রুবেল।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা বই ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ অবলম্বনে তৈরি হয়েছে পূর্ণদৈর্ঘ্য টু-ডি অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র ‘মুজিব আমার পিতা’। 
- এটি পরিচালনা করেছেন সোহেল মোহাম্মদ রানা। ২০২১ সালে সিনেমাটি মুক্তি পায়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে ‘তর্জনী’।
 
উৎস: দৈনিক যুগান্তর, ১৮ ই মার্চ ২০২৩। 
৫,৭৮৭.
মাৎস্যন্যায়ের অবসান ঘটান কোন রাজ বংশ?
  1. ক) মৌর্য
  2. খ) পাল
  3. গ) সেন
  4. ঘ) খিলজি
সঠিক উত্তর:
খ) পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাল
ব্যাখ্যা
• ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে শশাঙ্কের মৃত্যুর পর যোগ্য শাসকের অভাবে বাংলায় অরাজকতা দেখা দেয়। সর্বত্র অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা, লুটতরাজ প্রভৃতিতে ছেয়ে যায়। ঐতিহাসিকরা এ অবস্থাকে মাৎস্যন্যায় হিসেবে অভিহিত করেন।
• পুকুরে যেমন বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে, এ সময়ে বাংলার অবস্থাও তেমনটিই ছিলো। যার কারণে এ সময়কে মাৎস্যন্যায় বলা হয়।
• ৭ম শতকের মাঝামাঝি থেকে ৮ম শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় ১০০ বছর এ অবস্থা বিরাজমান ছিলো। 
• ৭৫০ সালে গোপাল কর্তৃক পাল শাসনের সূত্রপাতের মাধ্যমে মাৎস্যন্যায় অবস্থার অবসান হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,৭৮৮.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে কোন বিদেশী বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন?
  1. জর্জ হ্যারিসন
  2. অ্যালেন গিন্সবার্গ
  3. ডব্লিউ. এস. ওডারল্যান্ড
  4. মাদাম মারিও
সঠিক উত্তর:
ডব্লিউ. এস. ওডারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডব্লিউ. এস. ওডারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে একমাত্র বিদেশি নাগরিক হিসেবে বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ২নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ওডারল্যান্ড ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৫,৭৮৯.
বাংলাদেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা  কোথায় অবস্থিত?
  1. কমলাপুর
  2. লাকসাম
  3. আখাউড়া
  4. সৈয়দপুর
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সৈয়দপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দপুর
ব্যাখ্যা
দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা:
- বাংলাদেশ রেলপথ সরকারি মালিকানা ও সরকার কর্তৃক পরিচালিত দেশের একটি মুখ্য পরিবহন সংস্থা।
- দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা সৈয়দপুরে অবস্থিত।
- এ কারণে সৈয়দপুরকে রেলওয়ে শহর বলা হয়।
- সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানাটি ১৮৭০ সালে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই রেলওয়ে কারখানাকে কেন্দ্র করেই মূলত সৈয়দপুর শহরের গোড়া পত্তন হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশনও।
- এর অবস্থান ঢাকার মতিঝিলে।
- এটি ঢাকার সঙ্গে দেশের অন্য জায়গার মধ্যে যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল।
- এ স্টেশনের স্থাপত্যশৈলী অনন্য।
- তারা হলেন ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ইত্তেফাক।
৫,৭৯০.
সমতটের রাজধানীর নাম কী ছিল?
  1. তাম্রলিপ্ত
  2. বড় কামতা
  3. পুণ্ড্রনগর
  4. গৌড়
সঠিক উত্তর:
বড় কামতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বড় কামতা
ব্যাখ্যা

সমতট:
- সমতটের অবস্থান ছিল পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায়, বঙ্গের পাশাপাশি।
- সমতটের রাজধানী ছিল বড় কামতা।
- দেবপর্বত কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত ছিল।
- গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী এলাকা সমতটের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বর্তমান ভারতের ত্রিপুরার প্রাচীন অংশও সমতটের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে কয়েকটি প্রাচীন নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- শালবন বিহার এদের অন্যতম।

অন্যদিকে,
- গৌড়ের রাজধানী - কর্ণসুবর্ণ।
-  পুণ্ড্রর রাজধানীর নাম ছিল- পুণ্ড্রনগর।
- তাম্রলিপ্তি: হরিকেলের দক্ষিণে অবস্থিত ছিল তাভ্রলিপ্তি জনপদ। বর্তমান মেদিনীপুর জেলার তমলুকই ছিল তান্দ্রলিপ্তির প্রাণকেন্দ্র। 

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম।

৫,৭৯১.
অ্যাংলো হিন্দু কলেজ কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. হাজী মুহম্মদ মুহসিন
  4. স্যার সৈয়দ আহমদ
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
রাজা রামমোহন রায়:
→ বাংলার নবজাগরণের স্রষ্টা, ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ ছিলেন রাজা রামমোহন রায়।
→ ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে তাঁর জন্ম।
→ অসাধারণ পাণ্ডিত্যের অধিকারী রামমোহন, বিশেষ করে আরবি, ফারসি, উর্দু, ল্যাটিন ও গ্রিক ভাষায় অসামান্য দক্ষতা অর্জন করেন।
→ রাজা রামমোহন ১৮২২ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ‘অ্যাংলো হিন্দু কলেজ’ প্রতিষ্ঠা করেন। যেখানে ইংরেজি, দর্শন আধুনিক বিজ্ঞান পড়াবার ব্যবস্থা ছিল। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৯২.
রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা কত?
  1. ১০২০ মেগাওয়াট
  2. ১১২০ মেগাওয়াট
  3. ১২২০ মেগাওয়াট
  4. ১৩২০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
১৩২০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩২০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র:

- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়  ১৭ই ডিসেম্বর ২০২২ সালে।
- মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট (রামপাল) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাগেরহাটে অবস্থিত।
- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশ-ভারত যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।
- প্রকল্পের ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।
- প্রকল্প ব্যয় ১৬০০০ কোটি টাকা।
- অর্থের যোগান : ECA অর্থায়ন- ১.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ১২,৮০০ কোটি টাকা (এক্সচেঞ্জ রেট ভেরিয়েশন ব্যতিরেকে),বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (ইক্যুইটি)- ১,৬০০ কোটি টাকা এবং এনটিপিসি লি., ভারত (ইক্যুইটি) -১,৬০০ কোটি টাকা।
- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়  ১৭ই ডিসেম্বর ২০২২ সালে।প্রথম 
উৎপাদিত ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়।

তথ্যসূত্র - বিদ্যুৎ বিভাগ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫,৭৯৩.
১৬ই ডিসেম্বর ২০২৩, কততম বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়?
  1. ৫১ তম
  2. ৫২ তম
  3. ৫৩ তম
  4. ৫৪ তম
সঠিক উত্তর:
৫৩ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩ তম
ব্যাখ্যা
বিজয় দিবস:
- ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস।
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পৃথিবীর মানচিত্রে জাতি নিজেদের জন্য বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের নাম সংযোজিত করেছিল এক বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামে বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে। 
- ৩০ লাখ মানুষের প্রাণ, ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম আর বিপুল সম্পদহানির ভেতর দিয়ে মুক্তির সংগ্রামে সফল হয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা।
- ছিনিয়ে এনেছিলেন চূড়ান্ত বিজয়।
- ২০২৩ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাঙালি জাতি বিজয়ের ৫২ বছর পূর্ণ করছে ও  ৫৩তম বিজয় দিবস উদযাপন করেছে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
         ii) ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
৫,৭৯৪.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের চূড়ায় কী আছে?
  1. নারিকেল পাতা
  2. বটগাছের পাতা
  3. শাপলা পাতা
  4. পাটগাছের পাতা
সঠিক উত্তর:
পাটগাছের পাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটগাছের পাতা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক গ্রহণ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রে রয়েছে পানিতে ভাসমান একটি শাপলা ফুল যা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল।
- শাপলা ফুলটিকে বেষ্টন করে আছে ধানের দুটি শীষ।
- প্রতীকের চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয়পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- চারটি তারকা চিহ্ন দিয়ে বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতিকে নির্দেশ করা হয়েছে।
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি।

- জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার পটুয়া কামরুল হাসান।
- সংবিধানের প্রথম ভাগ (প্রজাতন্ত্র) অনুচ্ছেদে : ৪ (৩)-এ জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বর্ণনা করা আছে।

⇒ ভাসমান শাপলাটি এঁকেছেন মোহাম্মদ ইদ্রিস ও এর দুই পাশে ধানের শীষবেষ্টিত পাটপাতা ও চারটি তারকা যুক্ত করেছেন শামসুল আলম।
- কামরুল হাসান ও তাঁর দলের করা এই প্রতীকটি জাতীয় প্রতীক হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয় ১৯৭২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতি।
- জাতীয় প্রতীকের চারটি তারকা চিহ্ন দিয়ে এই চারটি মূলনীতিকেই বোঝানো হয়েছে।

⇒ এই জাতীয় প্রতীক কিন্তু সবাই ব্যবহার করতে পারেন না।
- শুধু রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার ব্যবহারের ক্ষমতা রাখেন।



উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৭৯৫.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম কে যে উপাধি দেওয়া হয়-
  1. ক) বীর উত্তম
  2. খ) বীর প্রতীক
  3. গ) বীরঙ্গনা
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) বীর প্রতীক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বীর প্রতীক
ব্যাখ্যা

১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়-
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৮ জন,
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন,
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তার মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী 'বীরপ্রতীক' খেতাব পেয়েছেন।
- ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম
- তারামন বিবি।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট

৫,৭৯৬.
পূর্বে আবিসিনিয়া নামে পরিচিত ছিলো কোনটি?
  1. ক) লেবানন
  2. খ) তুরস্ক
  3. গ) ইথিওপিয়া
  4. ঘ) মরক্কো
সঠিক উত্তর:
গ) ইথিওপিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইথিওপিয়া
ব্যাখ্যা
ইথিওপিয়া অতীতে এক সময় আবিসিনিয়া নামে পরিচিত ছিলো। আবিসিনিয়া ইথিওপিয়ার একটি অঞ্চল যা এক সময় সাম্রাজ্য ছিলো। তখন বর্তমান ইথিওপিয়া এর অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় তা আবিসিনিয়া নামে পরিচিতি পায়।
তবে এখনো কিছু কিছু ভাষা বিশেষত আরব্য ইতিহাস চর্চায় ইথিওপিয়া বুঝাতে আবিসিনিয়া নামটি ব্যবহৃত হয়।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৫,৭৯৭.
ভারতে মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. অশোক মৌর্য
  2. সমুদ্রগুপ্ত
  3. হর্ষবর্ধন
  4. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
ব্যাখ্যা

চন্দ্ৰগুপ্ত মৌর্য:
- ভারতবর্ষের প্রথম সাম্রাজ্যের নাম মৌর্য সাম্রাজ্য।
- ভারতে মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
- তার রাজত্বকাল খ্রিস্টপূর্ব ৩২২-২৯৮ অব্দ পর্যন্ত।
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যই প্রাচীন ভারতে অখন্ড ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পথে প্রথম বড় ধরনের সফল পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
- তাঁর সময় থেকেই সর্বভারতীয় চিন্তা-চেতনার প্রসার ঘটে।
- মৌর্য শাসন ব্যবস্থার সূচনা হয়।
- বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার-প্রসার বাড়তে থাকে।
- সামাজিক ক্ষেত্রে আর্য-অনার্যের পার্থক্য ক্রমেই ঘুঁচে যেতে শুরু করে।
- শিল্প- সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও গুণগত পরিবর্তনের সূচনা হয়।
- তার রাজধানী ছিল পাটালিপুত্র।
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন চাণক্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলায় মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা অশোক।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী।
         ii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭৯৮.
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালে আবু সাঈদ কত তারিখে শহীদ হয়েছিলেন?
  1. ৮ জুলাই, ২০২৪
  2. ১৪ জুলাই, ২০২৪
  3. ১৬ জুলাই, ২০২৪
  4. ২৪ জুলাই, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১৬ জুলাই, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ জুলাই, ২০২৪
ব্যাখ্যা
শহীদ আবু সাঈদ:
- রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তিনি রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন।
- কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি লুটিয়ে পড়েন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন।
- ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান হাসিনা।

উৎস: i) বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।
৫,৭৯৯.
পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে কে উপস্থিত ছিলেন? 
  1. জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী
  2. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
  3. মেজর জিয়াউর রহমান
  4. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
ব্যাখ্যা

• পাক-বাহিনীর আত্মসমর্পণ: 
- সময়: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- স্থান: ঢাকার রেসকোর্স (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ময়দানে।
- পাকিস্তান ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্য ও অস্ত্র-শস্ত্রসহ ভারতীয় ইস্টার্ন কামান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং আরোরার নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- নিয়াজী পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে যৌথ কমান্ডের কাছে আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- আতাউল গণি ওসমানী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন।
- মেজর জিয়াউর রহমান জেড ফোর্সের প্রধান ছিলেন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮০০.
‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ –পুস্তিকার রচয়িতা নন কে?
  1. ক) অধ্যাপক আবুল কাশেম
  2. খ) আবুল মনসুর আহমদ
  3. গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. ঘ) কাজী মোতাহার হোসেন
সঠিক উত্তর:
গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমুদ্দিন মজলিশের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ প্রকাশিত হয়।
এই পুস্তিকার নিবন্ধন সমূহের লেখক ছিলেন,
- কাজী মোতাহার হোসেন
- অধ্যাপক আবুল কাশেম এবং
- আবুল মনসুর আহমদ।
পুস্তিকাটি সম্পাদনা করেন অধ্যাপক আবুল কাশেম।
এই পুস্তিকায় বাংলা ভাষাকে পূর্ব বাংলায় শিক্ষার একমাত্র মাধ্যম, অফিস ও আদালতের ভাষা এবং পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি তুলে ধরা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)