বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা / ১২৪ · ৩০১৪০০ / ১২,৪২১

৩০১.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে কত দফা প্রণীত হয়?
  1. ১ দফা
  2. ৬ দফা
  3. ১১ দফা
  4. ২১ দফা
সঠিক উত্তর:
১১ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ দফা
ব্যাখ্যা

১১ দফা কর্মসূচি:
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে 'এগারো দফা' প্রণীত হয়।
- ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ।
- ১৯৬৮ সালের শেষের দিকে মওলানা ভাসানী বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে 'ঘেরাও কর্মসূচি' নামে নতুন এক আন্দোলনের ডাক দেন।
- এর সঙ্গে যুক্ত হয় ডাকসু ও চারটি ছাত্র সংগঠনের সাত জন নেতা প্রণিত ১১ দফা কর্মসূচি।
- ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্র নেতৃবৃন্দ ১১ দফা ঘোষণা করেন।
- মূলত ৬ দফার বিস্তারিত রূপই ১১ দফা।
- কেন্দ্রীয় শাসন থেকে বাঙালিদের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাধিকার অর্জনই ছিল ১১ দফা দাবির মূল বক্তব্য।
- এগার দফার আন্দোলনই ঊনসত্তরের গণ আন্দোলনে পর্যবসিত হয়।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফাও অন্তর্ভুক্ত করে আরো ৫টি দাবি সন্নিবেশিত করা হয়।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগারো দফা দাবির মধ্যে আওয়ামী লীগের ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এগারো দফায় বাঙালি মধ্যবিত্ত ও কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এগারো দফার আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্র-নেতৃবৃন্দের হাতে চলে আসে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০২.
কোন রাজবংশ প্রায় চারশ বছর বাংলা শাসন করে?
  1. গুপ্ত
  2. মৌর্য
  3. পাল
  4. সেন
সঠিক উত্তর:
পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল
ব্যাখ্যা
পাল বংশ:
- প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পাল রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে।
- সুশাসন, জনকল্যাণ, ধর্মীয় সহিষ্ণুতা, উন্নত জীবনবোধ ইত্যাদি বাংলায় সর্বপ্রথম পালরাই প্রতিষ্ঠিত করে।
- পাল রাজারা বাংলা ও বিহার অঞ্চলে অষ্টম শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় চারশ বছর শাসন করেছেন।
- নৈরাজ্য ও চরম অরাজকতার হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করে গোপাল নামক এক উচ্চবর্গীয় ব্যক্তি এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- ধর্মপাল, দেবপাল, মহিপাল নামে অনেক পাল রাজারা বাংলা শাসন করেছেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৩.
নিচের কোনটি বিশ্বের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়?
  1. ক) কেমব্রিজ
  2. খ) অক্সফোর্ড
  3. গ) আল-আজহার
  4. ঘ) নালন্দা
সঠিক উত্তর:
ঘ) নালন্দা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নালন্দা
ব্যাখ্যা
• নালান্দা বিশ্ববিদ্যালয়কে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন ও পুর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে গণ্য করা হয়।
- ৬০০ খ্রীষ্টপূর্বের দিকে সে সময়কার রাজা সকরাদিত্য প্রতিষ্ঠা করেন এই বিশ্ববিদ্যালয়। 
- বাঙালি বৌদ্ধ পণ্ডিত শীলভদ্র ৬৩৫ সালে নালন্দা মহাবিহারের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও top-10-list.org, theculturetrip.com
৩০৪.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. মোজাফফর আহমদ
  2. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  3. তাজউদ্দীন আহমেদ
  4. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:
- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
• মনি সিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৫.
NIPORT প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
- NIPORT (নিপোর্ট) বা National Institute of Population Research and Training হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

তথ্যসূত্র: NIPORT ওয়েবসাইট।  
৩০৬.
১১ দফা ঘোষণা করা হয় কত তারিখ?
  1. ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি
  2. ১৯৬৯ সালের ৬ জানুয়ারি
  3. ১৯৬৯ সালের ৮ জানুয়ারি
  4. ১৯৬৯ সালের ১৬ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
১১ দফা কর্মসূচি:

- ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষনা করে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ।
- ১৯৬৮ সালের শেষের দিকে মওলানা ভাসানী বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ‘ঘেরাও কর্মসূচি' নামে নতুন এক আন্দোলনের ডাক দেন।
- এর সঙ্গে যুক্ত হয় ডাকসু ও চারটি ছাত্র সংগঠনের সাত জন নেতা প্রণিত ১১ দফা কর্মসূচি।
- ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্র নেতৃবৃন্দ ১১ দফা ঘোষণা করেন।
- মূলত ৬ দফার বিস্তারিত রূপই ১১ দফা।
- কেন্দ্রীয় শাসন থেকে বাঙালিদের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাধিকার অর্জনই ছিল ১১ দফা দাবির মূল বক্তব্য।
- এগার দফার আন্দোলনই উনসত্তরের গণ আন্দোলনে পর্যবসিত হয়।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফাও অন্তর্ভুক্ত করে আরো ৫টি দাবি সন্নিবেশিত করা হয়।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগারো দফা দাবির মধ্যে আওয়ামী লীগের ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এগারো দফায় বাঙালি মধ্যবিত্ত ও কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এগারো দফার আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্র-নেতৃবৃন্দের হাতে চলে আসে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৭.
কোন পত্রিকা ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে?
  1. সাপ্তাহিক বঙ্গদূত
  2. সাপ্তাহিক সৈনিক
  3. সাপ্তাহিক কল্লোল
  4. সাপ্তাহিক ধূমকেতু
সঠিক উত্তর:
সাপ্তাহিক সৈনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাপ্তাহিক সৈনিক
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র ছিল- 'সাপ্তাহিক সৈনিক' পত্রিকা। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন 'তমুদ্দিন মজলিশ' -এর উদ্যোক্তা গণ এই পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন।
- সেই অর্থে এটি তমুদ্দিন মজলিসেরও মুখপত্র।
- সাপ্তাহিক সৈনিক -এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। 
- এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন - শাহেদ আলী। 
- পরে এর সম্পাদক ছিলেন - আবদুল গফুর ও সানাউল্লাহ নুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ ও  কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
৩০৮.
কোন যুদ্ধে হুমায়ুনের বিরুদ্ধে জয়লাভের পর শের খান 'শেরশাহ' উপাধি গ্রহন করেন?
  1. চৌসার যুদ্ধে
  2. খানুয়ার যুদ্ধে
  3. গোগরার যুদ্ধে
  4. কনৌজ যুদ্ধে
সঠিক উত্তর:
চৌসার যুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌসার যুদ্ধে
ব্যাখ্যা

চৌসার যুদ্ধ:
- ১৫৩৯ সালের ২৬ জুন বিহারের চৌসারে মুঘল সম্রাট হুমায়ুন ও আফগান নেতা শের খান (পরে শের শাহ সূরি) এর মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধে শের খান বিজয়ী হন এবং হুমায়ুন পালিয়ে যেতে বাধ্য হন।
- এর মাধ্যমে মুঘল শাসনের পতন শুরু হয় এবং সূরি বংশের উত্থান ঘটে।

⇒ সম্রাট হুমায়ুন গৌড় পরিত্যাগ করার পূর্বে জাহাঙ্গীর কুলী বেগকে বাংলার শাসনভার অর্পণ করেন।
- হুমায়ুন তাঁর বিশাল সৈন্যবাহিনী নিয়ে আগ্রা অভিমুখে যাত্রা করলেন।
- কিন্তু দুভার্গ্যক্রমে পথিমধ্যে বক্সারের নিকটবর্তী চৌসা নামক স্থানে শেরখান ও তাঁর আফগান অনুচরেরা সম্রাট হুমায়ুনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন।
- ১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জুন চৌসায় উভয়পক্ষের মধ্যে এক তীব্র যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধ ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে চৌসার যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এই যুদ্ধে হুমায়ুন শোচনীয় ভাবে পরাজিত হয়।
- চৌসার যুদ্ধে শের খানের জয়লাভ ভারতীয় উপমহাদেশে অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। কেননা এর ফলে শের খানের রাজ্য পশ্চিম দিকে কনৌজ হতে পূর্বে আসাম ও চট্টগ্রাম এবং উত্তর দিকে রোটাস হতে দক্ষিণ দিকে বীরভূম পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে।
- এই যুদ্ধের পর শেরখান 'শেরশাহ' উপাধি ধারণ করেন এবং নিজ নামে মুদ্রা প্রচলন ও পাঠের নির্দেশ প্রদান করেন।
- পক্ষান্তরে এই যুদ্ধে হুমায়ুনের পরাজয়ের মাধ্যমে মুঘলদের সামরিক ও কূটনৈতিক দুর্বলতা প্রস্ফুটিত হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০৯.
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
  2. খ) তাজউদ্দীন আহমদ
  3. গ) এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান
  4. ঘ) খন্দকার মোশতাক আহমদ
সঠিক উত্তর:
গ) এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন এ এইচ এম কামারুজ্জামান। [সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া]
৩১০.
'কিলো ফ্লাইট' কোন বাহিনীর সাথে সম্পর্কিত নাম?
  1. মুক্তিবাহিনী
  2. নৌবাহিনী
  3. বিমান বাহিনী
  4. জেড ফোর্স
সঠিক উত্তর:
বিমান বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিমান বাহিনী
ব্যাখ্যা
কিলো ফ্লাইট:
- ১৯৭১ এর সেপ্টেম্বর এর মাঝামাঝি ভারত সরকার অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারকে একটি স্বাধীন বিমান বাহিনী গঠনের জন্য আমেরিকায় তৈরী ১টি পুরানো ডিসি-৩ বিমান, কানাডার তৈরী ১টি অটার বিমান এবং ফ্রান্সের তৈরী ১টি এ্যালুয়েট-৩ হেলিকপ্টার দেয়।
- এর সাথে ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে একটি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পরিত্যক্ত রানওয়ে ব্যবহারের অনুমতি দেয়।
- এই সীমিত সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর যাত্রা শুরু হয়।
- বিমান বাহিনী প্রধান হিসাবে মুক্তিযুদ্ধের উপ-প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকারকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- সশস্ত্র বিমান বাহিনী গঠনে গোপনীয়তা রক্ষার্থে এর গুপ্ত নাম হয় 'কিলো ফ্লাইট'।
- 'কিলো ফ্লাইটের' অস্তিত্ব বিডি এফ এবং গোটা কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছাড়া আর কেউ জানতেন না।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৩১১.
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
  1. সোনারতরী
  2. অগ্নিবীণা
  3. গীতবিতান
  4. বনফুল
সঠিক উত্তর:
গীতবিতান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গীতবিতান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ শীর্ষক সঙ্গীতটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়।
- এই সঙ্গীত বিশ শতকের প্রথম দুই দশকে স্বদেশী আন্দোলনের সময় অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গবিরোধী রাজনীতিক, স্বদেশী কর্মী ও বিপ্লবীরা বাঙালি জনগণকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যম হিসেবে এই গান প্রচার করেন।
- ১৯৭১ সালের ৩ জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগ আয়োজিত এক জনসভায় গানটি গীত হয়।
- ২৩ মার্চ, ১৯৭১ স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা প্যারেডেও গানটি গীত হয়।

⇒ মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার এই গানকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গানটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে নিয়মিত পরিবেশিত হতো।
- স্বাধীনতার পর সাংবিধানিকভাবে (অনুচ্ছেদ ৪.১) ‘আমার সোনার বাংলা’ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রূপে ঘোষিত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার গানটির প্রথম দশ লাইন জাতীয় সংগীত হিসেবে গাওয়ার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি গীতবিতানের স্বদেশ পর্বে অন্তর্ভুক্ত।
- এর চরণসংখ্যা ২৫।
- গানের প্রথম ১০ লাইন কণ্ঠসঙ্গীত এবং প্রথম ৪ লাইন যন্ত্রসঙ্গীত হিসেবে পরিবেশনের বিধান রাখা হয়েছে।
- প্রথম চার চরণের যন্ত্রসংগীত বাজানো হয় বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে।
- দেশে ১৯৭৮ সালে জাতীয় সংগীত বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে রচিত হয়েছিল। 
- ১৯০৫ সালের সঞ্জীবনী পত্রিকায় ও বঙ্গদর্শন পত্রিকায় গানটি প্রকাশিত হয়।
- ১৯০৫ সালের ৭ আগস্ট কলকাতায় বঙ্গভঙ্গ বিরোধী একটি সমাবেশে প্রথম গানটি গাওয়া হয়।
- গানটি গীতবিতান গ্রন্থের স্বদেশ অংশের অর্ন্তভুক্ত।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১১ মার্চ ২০১৫, প্রথম আলো।
৩১২.
২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের জন্য পরিচালিত অপারেশনটির নাম কী?
  1. ব্লেক লাইট
  2. ব্লু বার্ড
  3. বিগ বার্ড
  4. রেড হেড
সঠিক উত্তর:
বিগ বার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিগ বার্ড
ব্যাখ্যা
অপারেশন বিগ বার্ড:
- ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের জন্য পরিচালিত অপারেশনটির নাম অপারেশন 'বিগ বার্ড'।
- ২৫ মার্চ প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান রাতের অন্ধকারে গোপনে ঢাকা ত্যাগ করেন।
- সেই কালরাত্রিতেই জেনারেল রাও ফরমান আলী খানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় সামরিক অভিযানের কোড ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে ঢাকায় ও দেশের অন্যান্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ শহরে ব্যাপক তাণ্ডব ও নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালানো করা হয়।
- ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ওয়্যারলেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- রাত ১টা ৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর রোডের নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যাওয়া হয়।
- এর কয়েক মিনিটের মধ্যে ওয়্যারলেসে ৫৭ ব্রিগেডের মেজর জাফর জানায়-‘বিগ বার্ড ইন দ্য কেজ, অন্যান্য পাখিরা নীড়ে নেই, ওভার’ (সূত্র : উইটনেস টু স্যারেন্ডার; লেখক : সালিক সিদ্দিক)।
- অতঃপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঢাকা থেকে রাওয়ালপিন্ডির লয়ালপুর জেলে স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বে তিরান্নবই হাজার পাকিস্তানি সেনাসদস্য ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে ভারত-বাংলাদেশের যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- ০৮ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও যুগান্তর, ১০ জানুয়ারি ২০২২।
৩১৩.
জাপান কবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  2. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
  3. ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
  4. ১৫ আগস্ট ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে জাপানের স্বীকৃতি:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করার পর প্রথম যে কয়টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে, জাপান তার মধ্যে অন্যতম।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমপর্ণের মাধ্যমে নয় মাস ব্যাপী রক্তক্ষয়ী মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে।
- বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের। বাংলাদেশের বিজয় অর্জনে জাপানিপত্র-পত্রিকায় শিরোনাম করল 'Pakistanis Ink Surrender Papers'.
- ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি জাপান এয়ার লাইন্সের একটি বিরাট বিমান নানা সাহায্য সামগ্রী নিয়ে ঢাকা পৌঁছায়। জাপানের জনগণ ও স্কুলের ছেলেমেয়েরা জাপান রেডক্রসের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের জন্য এই সাহায্য দান করেন। জাপানি স্কুল শিশুরা তাদের টিফিনের অর্থ বাঁচিয়ে মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশিদের পাশে দাঁড়িয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
-  স্বীকৃতি দান প্রসঙ্গে হায়াকাওয়া বলেন, জাপান স্বাধীন বাংলাদেশকে দ্রুত স্বীকৃতি দিয়েছিল। সিদ্ধান্তটি ছিল অতি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর জাপান কূটনীতির ক্ষেত্রে এই প্রথম স্বতস্ফূর্তভাবে একটা উদ্যোগ নিল।
- ১৯৭২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি: জাপান বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। জাপান বাংলাদেশে দূতাবাসের কার্যক্রম চালু করে। তাকাশি ওয়ামাদা বাংলাদেশে নিযুক্ত প্রথম জাপানি রাষ্টদূত। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি প্রদান করে। 
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম ভুটান স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভুটান ও ভারত উভয় দেশই বাংলাদেশকে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বীকৃতি দিয়েছিল। 
- সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি প্রদান করে।
 
উৎস: i) সংগ্রামের নোটবুক।
ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৩১৪.
স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য ডা. সিতারা বেগমকে কোন খেতাবে ভূষিত করা হয়?
  1. বীরশ্রেষ্ঠ
  2. বীর-উত্তম
  3. বীর-প্রতীক
  4. বীর-বিক্রম
সঠিক উত্তর:
বীর-প্রতীক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীর-প্রতীক
ব্যাখ্যা
ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম এবং ২নং সেক্টর:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আহত বা অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সেক্টরে হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছিল।
- ২ নং সেক্টরের হাসপাতালের নাম ছিল ‘বাংলাদেশ হাসপাতাল’।
- এখানে ডা. জাফরউল্লাহ, ডা. মোবিন, ডা. আখতার, ডা. সিতারা বেগমসহ আরও অনেক চিকিৎসক।
- এটি প্রথমে স্থাপিত হয় বাংলাদেশের কুমিল্লার সীমান্তসংলগ্ন ভারতের সোনামুড়ায়।
- নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে পরবর্তীতে তা স্থানান্তর করা হয় আগরতলার কাছাকাছি বিশ্রামগঞ্জে।
- ডা. সিতারা বেগম বাংলাদেশ হাসপাতালে অসাধ্য সাধনের মতো সব কাজ করতেন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী ‘বীরপ্রতীক’ খেতাব পেয়েছেন, তাঁদের একজন ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং অন্যজন তারামন বিবি। 

উৎস:  প্রথম আলো, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০।
৩১৫.
ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র ছিল -
  1. দৈনিক ইত্তেফাক
  2. সাপ্তাহিক সৈনিক
  3. একুশে সংকলন
  4. সাপ্তাহিক জয়বাংলা
সঠিক উত্তর:
সাপ্তাহিক সৈনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাপ্তাহিক সৈনিক
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র ছিল - 'সৈনিক' পত্রিকা। এটি সাপ্তাহিক আকারে প্রকাশিত হত।
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন 'তমুদ্দিন মজলিশ' - এর উদ্যোক্তাগণ এই পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন। সেই অর্থে এটি তমুদ্দিন মজলিশেরও মুখপত্র। এতে তৎকালীন বাংলা ভাষার প্রতিযশা সকল লেখকগণই লিখে বাংলা সপক্ষে জনমত গড়ে তুলতে সহায়তা করেন।
সাপ্তাহিক সৈনিক - এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় - ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন - শাহেদ আলী। পরে এর সম্পাদক ছিলেন - আবদুল গফুর ও সানাউল্লাহ নুরী।

উল্লেখ্য, তমুদ্দিন মজলিশের উদ্যোগে আরো একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশিত হতো যার নাম - 'মাসিক দ্যুতি'।
মাসিক দ্যুতি - ভাষা আন্দোলনের স্বপক্ষে কাজ করলেও সে অর্থে এটিকে ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র বলা যায় না।
এছাড়াও, 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকাও ভাষা আন্দোলনে বাংলা ভাষার পক্ষে বিভিন্ন নিবন্ধ প্রকাশ করতো।
বাংলা ভাষার পক্ষের আরো কয়েকটি পত্রিকা হচ্ছে - ইনসাফ, মিল্লাত, ইত্তেহাদ, ইত্তেফাক, ঢাকাপ্রকাশ, সীমান্ত ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 'মর্নিং নিউজ' উর্দুর পক্ষে নিউজ প্রকাশ করে বাংলা ভাষার তীব্র বিরোধিতা করতো।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ ও প্রথম আলো আর্কাইভ।
৩১৬.
'বঙ্গবন্ধু ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বরিশাল
  2. খুলনা
  3. যশোর
  4. ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
- খুলনার রূপসার সামন্তসেনায় অবস্থিত ‘বঙ্গবন্ধু ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট’ 
- এ প্রকল্পের আওতায় ৩৩ কিলোমিটার দূরে মোল্লাহাট মধুমতি নদী থেকে পাইপের মাধ্যমে অপরিশোধিত পানি রূপসার সামন্তসেনায় নির্মিত বঙ্গবন্ধু ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টে পরিশোধন করা হচ্ছে।
- সামন্তসেনায় ৪৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৪ একর জমির ওপর এ প্ল্যান্টটি নির্মিত হয়েছে।  
- এতে দৈনিক গড়ে ১১ কোটি লিটার পানি পরিশোধন হচ্ছে। 
উৎস: banglanews24.com
৩১৭.
মিশরীয় সম্রাট বা রাজাদের উপাধি ছিলো-
  1. ক) ফারাও
  2. খ) সম্রাট
  3. গ) ইখনাটন
  4. ঘ) সিজার
সঠিক উত্তর:
ক) ফারাও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফারাও
ব্যাখ্যা
প্রাচীন মিশরীয় রাজাদের উপাধি ছিলো ফারাও। ফারাও শব্দের অর্থ বড়বাড়ি। বিশাল প্রাসাদে বসবাসকারী ফারাওদের মনে করা হতো ঈশ্বরের সন্তান। মেনেস ছিলেন প্রথম ফারাও। রোমান সম্রাটদের উপাধি ছিলো সিজার।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩১৮.
বাংলাদেশে মোট কতটি সরকারি EPZ রয়েছে?
  1. ক) ৭ টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ৮ টি
  4. ঘ) ৯ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে সরকারি EPZ এর সংখ্যা ৮ টি।
- এগুলোর অবস্থান হলো- চট্টগ্রাম, সাভার, মংলা (খুলনা), উত্তরা (নীলফামারী), ঈশ্বরদী (পাবনা), কুমিল্লা, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) ও আদমজী (নারায়ণগঞ্জ)।
- বাংলাদেশের প্রথম EPZ চট্টগ্রামে স্থাপিত হয়।
- এট ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের EPZ সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রন করে BEPZA.
- দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ উত্তরা , নীলফামারী।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ কাস্টমস এবং বাংলাপিডিয়া।

৩১৯.
বাংলার সোনারগাঁও থেকে পাঞ্জাব পর্যন্ত বিস্তৃত ‘গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড’ নির্মাণ করেন কে?
  1. ক) শেরশাহ
  2. খ) ইসলাম খান
  3. গ) লর্ড ডালহৌসী
  4. ঘ) শাহ সুজা
সঠিক উত্তর:
ক) শেরশাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শেরশাহ
ব্যাখ্যা
• গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড  ষোল শতকে সুলতান শেরশাহ কর্তৃক নির্মিত বাংলার সোনারগাঁও থেকে পাঞ্জাব পর্যন্ত বিস্তৃত সুদীর্ঘ সড়ক।
• এ দীর্ঘ সড়ক পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রশাসনিক কাজে গতি সৃষ্টি করা। এ ছাড়া, প্রতিরক্ষার কৌশলগত দিক সামনে রেখে সমগ্র সাম্রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নিত বিধানও এর লক্ষ্য ছিল।
• এর মাধ্যমে রাজধানী আগ্রার সঙ্গে সাম্রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চলকে যুক্ত করা হয়েছিল। 
• ‘সড়ক-ই-আজম’ নামে পরিচিত এ সড়ককে ঘিরে আরও কিছু কর্মতৎপরতার প্রমাণ মেলে।

• ১৮৩৯ সালের সংস্কার পরিকল্পনায় বাংলাদেশে ও উত্তর ভারতের অন্তর্ভুক্ত সড়কের অংশ কলকাতা সামরিক বিভাগের উপর ন্যস্ত হয়। এ সময় রাস্তাটির প্রায় ৩৭৭ কিমি পাকা করা হয়।
• অবশেষে ১৮৪৮ সালে লর্ড ডালহৌসীর শাসনামলে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হয়।   

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
৩২০.
ভারত বিভক্তির সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) পল ব্যারন
  2. খ) মাউন্টব্যাটন
  3. গ) ক্লিমেন এ্যাটলি
  4. ঘ) ডেভিট লোডে
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লিমেন এ্যাটলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লিমেন এ্যাটলি
ব্যাখ্যা
ব্রটিশ শাসন:

- ক্লিমেন এ্যাটলি ভারত বিভক্তির সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- ব্রটিশ শাসন অবসানের পূর্ব মুহূর্তে শুধু বাংলা না সারা ভারত জুড়ে ক্ষোভের আগুন জ্বলছিল। 
- ভারতবাসী স্বাধীনতা ছাড়া আর কোন কিছু মেনে নিতে প্রস্তুত ছিল না।
- ইংল্যান্ডের নব নির্বাচিত লেবার পার্টি সরকার বুঝতে পারে এই অবস্থায় বেশি দিন ভারত শাসন করা যাবে না।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এ্যাটলি ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ভারতীয়দের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা দেন ।
- এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের বড় লাট ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে 'ভারত স্বাধীনতা আইন' প্রণয়ন করেন এবং ঐ বছর ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত নামে দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- বিভক্ত হয় ভারতীয় উপমহাদেশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২১.
অপারেশন জ্যাকপট কী ধরনের অভিযান ছিল?
  1. স্থল
  2. বিমান
  3. নৌ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
নৌ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌ
ব্যাখ্যা
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি নৌ-কমান্ডো পরিচালিত নৌ-অভিযান।
- এতে জলপথে পাকিস্তানি বাহিনীকে আঘাত করা হয়।

অপারেশন জ্যাকপট:
- অপারেশন জ্যাকপট ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি নৌ-কমান্ডোরা বিভিন্ন অভিযানের মাধ্যমে অত্যন্ত অল্প সময়ে যুদ্ধের গতি সম্পর্কে বিশ্বকে ধারণা দিতে সক্ষম হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট পরিচালিত নৌ-কমান্ডো বাহিনীর প্রথম অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে পরিচিত।
- এদিন রাতে নৌ-কমান্ডোরা একযোগে মংলা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ বন্দর আক্রমণ করে এবং পাকিস্তান বাহিনীর ২৬ টি পণ্য ও সমরাস্ত্রবাহী জাহাজ ও গানবোট ডুবিয়ে দেয়।
- মুক্তিযুদ্ধকালে যুদ্ধাঞ্চলকে যে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এর মধ্যে ১০নং সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো।
- মূলত সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকা, নদী ও সমুদ্র বন্দরসহ বাংলাদেশের সমগ্র জলপথ নিয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৩২২.
প্রথম বংশানুক্রমিক শাসন শুরু করেন কারা?
  1. সেন বংশ
  2. পাল বংশ
  3. গুপ্ত বংশ
  4. মৌর্য বংশ
সঠিক উত্তর:
মৌর্য বংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌর্য বংশ
ব্যাখ্যা
• প্রথম বংশানুক্রমিক শাসন শুরু করে মৌর্য বংশ (Maurya Dynasty)। খ্রিস্টপূর্ব ৩২২ সালে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এই সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। মৌর্যরা ছিল প্রাচীন ভারতে প্রথম সুসংগঠিত ও কেন্দ্রীভূত শাসনব্যবস্থা, যা উত্তরাধিকার সূত্রে শাসিত হয়েছিল।
------------- 
অন্যদিকে,
পাল সাম্রাজ্য:
- বাংলায় প্রথম বংশানুক্রমিক শাসন শুরু করেন → পালরা।
- বাংলার প্রথম দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ → পালবংশ।
- প্রায় ৪২৪ বছর শাসন করেছে।
- পালবংশের প্রতিষ্ঠাতা ও গণতান্ত্রিকভাবে  নির্বাচিত ভারতবর্ষের প্রথম রাজা→ গোপাল।
- সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠাতা → রাজা ধর্মপাল।
- পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা  → ধর্মপাল।
- পাল বংশের শেষ রাজা → মদনপাল।
- পাল বংশের শেষ রাজধানী → বরেন্দ্র।

উল্লেখ্য
- চর্যাপদ রচিত হয় → পাল শাসনামলে।
- পাল যুগের পুঁতি চিত্র আঁকা হয় → তালপাতার উপর।
- পাল শাসকদের উপাধি ছিল → মহারাজাধিরাজ, পরমেশ্বর।
- কৈবর্ত বিদ্রোহ / বরেন্দ্র বিদ্রোহ হয় → ২য় মহিপালের সময়ে।

উৎস: ¡) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ¡¡) বাংলাপিডিয়া।
৩২৩.
বীর শ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল কোন জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন?
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) ভোলা
  3. গ) নড়াইল
  4. ঘ) ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
খ) ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভোলা
ব্যাখ্যা
- বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা।
- ভোলা জেলায় দৌলতখান উপজেলার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে ১৯৪৭ সালে তাঁর জন্ম হয়।
- মোস্তফা কামাল  ১৯৬৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাড়ি থেকে পালিয়ে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন।
- প্রশিক্ষণ শেষে তাঁকে নিয়োগ করা হয় ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, কুমিল্লায় 
- বীর শ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল ২নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ কেরন।
- ১৯৭১ সালের উত্তাল রাজনৈতিক পরিবেশে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে অভ্যন্তরীণ গোলযোগ নিয়ন্ত্রণের অজুহাতে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় মোতায়েন করে।
- মোস্তফার গুলীবর্ষণে পাকিস্তানি সৈন্যদের প্রায় ২০-২৫ জন হতাহত হয় এবং তাদের অগ্রগতি মন্থর হয়ে পড়ে।
- পাকিস্তানিরা মরিয়া হয়ে মোস্তফা কামালের অবস্থানের উপর মেশিনগান এবং মর্টারের গোলাবর্ষণ করতে থাকে।
- এক পর্যায়ে মোস্তফা কামালের এল.এম.জি-র গুলি নিঃশেষ হয়ে যায় এবং তিনি মারাত্বক জখম হন।
- তখন পাকিস্তানি সৈনিকরা ট্রেঞ্চে এসে তাঁকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে।
- দরুইন গ্রামের জনগণ মোস্তফা কামালকে তাঁর শাহাদাতের স্থানের পাশেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সমাহিত করেন।  
- মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত করে।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৩২৪.
‘জুলাই ৩৬ গেট’ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মিত হয়েছে?
  1. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  2. সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় 
  3. রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় 
ব্যাখ্যা

• জুলাই ৩৬ গেইট:
-সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে  জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি অম্লান রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ‘জুলাই ৩৬ গেইট’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
- ২৪ এর জুলাইয়ের শহীদ ও আহত বীর সন্তানদের প্রতি সম্মান জানিয়ে গেইটটির নাম ‘জুলাই ৩৬’ রাখা হয়েছে। নামটির প্রতিটি অংশে নিহিত আছে স্মৃতি ও প্রতিজ্ঞা।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস, আঞ্চলিক অফিস, সিলেট।

৩২৫.
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন -
  1. আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
  2. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
  3. তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
অস্থায়ী সরকার গঠন:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল ও মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের জন্য এই দিনটির তাৎপর্য অপরিসীম, কেননা এই দিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়।
- এদিন (১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল) কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি 'মুজিবনগর সরকার' নামেই সমধিক পরিচিত এবং মুজিব নগর সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- ১০ এপ্রিল দেশের 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামকরণ করে তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে মন্ত্রীসভা ঘোষণা করা হয়।
- উল্লেখ্য, মেহেরপুর মহকুমা পরবর্তীতে জেলা হিসাবে উন্নীত হয় এবং বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়- মুজিবনগর।
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর ছিলো স্বাধীন দেশের অস্থায়ী রাজধানী এবং সচিবালয়/সদর দপ্তর ছিলো- কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড।

অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ,
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান,
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, DMP ও তথ্য অধিদফতর ওয়েবসাইট।
৩২৬.
কোন বিষয়টি ছয়দফার অন্তর্ভুক্ত ছিলো না?
  1. ক) ফেডারেল সরকার পদ্ধতি
  2. খ) মুদ্রা ব্যবস্থা ও পৃথক রিজার্ভ ব্যাংক
  3. গ) পৃথক সুপ্রিমকোর্ট প্রতিষ্ঠা
  4. ঘ) পূর্ব পাকিস্তানে নৌবাহিনীর সদরদপ্তর স্থাপন
সঠিক উত্তর:
গ) পৃথক সুপ্রিমকোর্ট প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পৃথক সুপ্রিমকোর্ট প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
- ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।
- ১৯৬৬ সালের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ পালিত হয়।
ছয়দফার দাবীসমূহ হলো:
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানকে একটি ফেডারেশনে পরিণত করতে হবে, যেখানে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার থাকবে এবং প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত আইন পরিষদ সার্বভৌম হবে
- ফেডারেল সরকারের হাতে থাকবে শুধু দুটি বিষয়, প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক সম্পর্ক, এবং অপর সব বিষয় ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত রাজ্যসমূহের হাতে ন্যস্ত থাকবে
- পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করতে হবে। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে সমগ্র পাকিস্তানের জন্য ফেডারেল সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন একটিই মুদ্রাব্যবস্থা থাকবে, একটি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ও দুটি আঞ্চলিক রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থাকবে। তবে এক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তান থেকে পুঁজি যাতে পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে না পারে তার ব্যবস্থা সম্বলিত সুনির্দিষ্ট বিধি সংবিধানে সন্নিবিষ্ট করতে হবে
- দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পৃথক হিসাব থাকবে এবং অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা রাজ্যের হাতে থাকবে। তবে ফেডারেল সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে কিংবা উভয়ের স্বীকৃত অন্য কোনো হারে আদায় করা হবে
- দুই অংশের মধ্যে দেশিয় পণ্য বিনিময়ে কোনো শুল্ক ধার্য করা হবে না এবং রাজ্যগুলো যাতে যেকোন বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে সংবিধানে তার বিধান রাখতে হবে।
- প্রতিরক্ষায় পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে আধা-সামরিক রক্ষীবাহিনী গঠন, পূর্ব পাকিস্তানে অস্ত্র কারখানা স্থাপন এবং কেন্দ্রীয় নৌবাহিনীর সদর দফতর পূর্ব পাকিস্তানে স্থাপন করতে হবে।
- পাকিস্তানের দুই অঞ্চলের জন্যে পৃথক সুপ্রিমকোর্ট প্রতিষ্ঠার বিষয়টি ছয়দফার অন্তর্ভুক্ত ছিলো না।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৩২৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রকাশিত 'জয়বাংলা পত্রিকা'র সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি কে ছিলেন?
  1. আব্দুল মান্নান
  2. আব্দুল রাজ্জাক
  3. জিল্লুর রহমান
  4. আলী জাকের
সঠিক উত্তর:
আব্দুল মান্নান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল মান্নান
ব্যাখ্যা
জয়বাংলা পত্রিকা:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পত্র-পত্রিকা প্রকাশ করা হয়।
- গণমাধ্যম হিসেবে মূল্যবান অবদান রেখেছে এসব পত্র-পত্রিকা।
- সে সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপাত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় 'সাপ্তাহিক জয়বাংলা'।
- আব্দুল মান্নান এম.এন.এ. ছিলেন এর সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি এবং জিল্লুর রহমান এম.এন.এ. ছিলেন প্রধান সম্পাদক।
- ১১ মে থেকে ১৬ ডিসেম্বর এটি প্রকাশিত হয়। 

উল্লেখ্য,
- বহিঃবিশ্বে জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে মুজিবনগর সরকার Bangladesh (বাংলাদেশ) নামক একটি পত্রিকা প্রকাশ করে।
- গেরিলা আক্রমণ ও সম্মুখ সমরসহ মুক্তিযোদ্ধাদের নানা ধরনের তৎপরতার খবরের পাশাপাশি এই পত্রিকাগুলোতে থাকতো বাংলাদেশ সরকারের কার্যক্রম ও নির্দেশাবলী, রাজনৈতিক দল ও নেতৃবৃন্দের বিবৃতি ও তৎপরতা, প্রবাসী বাঙালিদের সংগঠন ও আন্দোলনের খবর এবং বাঙালি কুটনীতিকদের কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৮.
মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শহীদ হন কে?
  1. ক) শম্ভু সরকার
  2. খ) সন্তু নাথ
  3. গ) নূর হোসেন
  4. ঘ) শঙ্কু সমজদার
সঠিক উত্তর:
ঘ) শঙ্কু সমজদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শঙ্কু সমজদার
ব্যাখ্যা
•  ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ দেশব্যাপী হরতাল চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন শঙ্কু সমজদার।
তাকে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৩২৯.
গঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত বন্দরটির নাম কী?
  1. গঙ্গে
  2. মংলা
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. তাম্রলিপ্তি
সঠিক উত্তর:
গঙ্গে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গঙ্গে
ব্যাখ্যা
ব্যবসায়-বাণিজ্য ও শিল্প:

- প্রাচীন বাংলায় শুধু দেশের ভেতরে ব্যবসায়-বাণিজ্য হতো তা নয়, বিদেশের হাটেবাজারেও জিনিসপত্র রফতানি হতো।
- গ্রামাঞ্চলের হাটে নিত্য-ব্যবহার্য জিনিসের কেনাবেচা চলত।
- দেশের ভেতরে নৌযোগে বেচাকেনা হতো। ফলে গড়ে ওঠে হাট-বাজার, গঞ্জ ও নতুন নতুন শহর।
- খ্রিস্টীয় প্রথম শতকে গঙ্গা নদীর মোহনায় গঙ্গে নামক বন্দর ছিল বলে জানা যায়।
- তৎকালীন সুবর্ণভূমি (ব্রহ্মদেশ), মালয় উপদ্বীপ, যবদ্বীপ, সুমাত্রায় সুতি কাপড় ও মুক্তা রফতানি করা হতো।
- স্থলপথে আসাম, মায়ানমার, চীন, ভুটান, নেপালসহ বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল।
- বাণিজ্যের কারণে বাংলার সম্পদ প্রাচীন যুগে প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি পায়।
- প্রাচীন যুগেই বাংলার বস্ত্রশিল্পের খ্যাতি দেশ ও বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩০.
'বরেন্দ্র রিসার্চ সােসাইটি' কোথায় এবং কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. রংপুর জেলায় ১৯৩৫ সালে
  2. রাজশাহী জেলায় ১৯১০ সালে
  3. রংপুর জেলায় ১৯৭২ সালে
  4. রাজশাহী জেলায় ১৯০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী জেলায় ১৯১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী জেলায় ১৯১০ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ এর প্রথম জাদুঘর বরেন্দ্র জাদুঘর।
- এটি বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির একটি বড় অর্জন।
- এটি ১৯১০ সালে রাজশাহী তে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৮৬০ সালের ভারতীয় সমিতি আইন অনুযায়ী ১৯১৪ সালে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর নিবন্ধন লাভ করে।

উৎসঃ রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৩১.
বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের কতভাগ বাংলাদেশের অংশ?
  1. ক) ৪০%
  2. খ) ৫০%
  3. গ) ৬০%
  4. ঘ) ৭০%
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০%
ব্যাখ্যা
[অপশনে ৬২% না থাকায় কাছাকাছি উত্তর হিসেবে ৬০% নেওয়া হয়েছে।]

সুন্দরবন:

- সুন্দরবন বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
- সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ বা ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা বাংলাদেশের অংশে পড়েছে।
- সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সুন্দরবন অবস্থিত।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি ।
৩৩২.
‘সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ৪ জানুয়ারী ১৯৬৯
  2. খ) ১১ জানুয়ারী ১৯৬৯
  3. গ) ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৮
  4. ঘ) ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
সঠিক উত্তর:
ক) ৪ জানুয়ারী ১৯৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪ জানুয়ারী ১৯৬৯
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ডাকসু ভবনে ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া), ছাত্র ইউনিয়ন (মেনন) ও ডাকসু'র উদ্যোগে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ। এই পরিষদের পক্ষ থেকে ১১ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের প্রবল আন্দোলনে ১৯৬৯ সালের ২২ শে ফেব্রুয়ারি আইয়ুব খান বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হন এবং ২৫ শে মার্চ ১৯৬৯ আইয়ুব খান পদত্যাগে বাধ্য হন। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৩৩৩.
The only foreigner awarded the title of "Bir Protik" is
  1. William Abraham Simon Ouderland
  2. Jorge Harrison
  3. Alen Ginsburg
  4. William Rockford
  5. Archer Kent
সঠিক উত্তর:
William Abraham Simon Ouderland
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Abraham Simon Ouderland
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে একমাত্র বিদেশি নাগরিক হিসেবে বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড।
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ২নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ওডারল্যান্ড ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩৩৪.
বাংলাদেশে প্রথম সরাসরি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কোন সালে অনুষ্ঠিত হয়?  
  1.  ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

• ১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন:
- ১৯৭৮ সালের ৩ জুন বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটিই ছিল রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রথম সরাসরি নির্বাচন।
- এর আগে সংসদ দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছিল।
- সরাসরি ভোটের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জিয়াউর রহমান বিজয়ী হয়েছিলেন।
- তিনি জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের ব্যানারে অংশ নিয়ে ৭৭ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন।
- তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এমএজি ওসমানী গণতান্ত্রিক ঐক্যজোটের ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ২২ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন।
- জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি।
- তিনি ২১ এপ্রিল ১৯৭৭ থেকে ৩০ মে ১৯৮১ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে ছিলেন।

তথ্যসূত্র: এইচ.এস.সি প্রোগ্রাম, ইতিহাস ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয় ও পত্রিকা। 

৩৩৫.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্টপ জেনোসাইড' এর পরিচালক কে?
  1. মোরশেদুল ইসলাম
  2. তারেক মাসুদ
  3. জহির রায়হান
  4. তানভীর মোকাম্মেল
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
• স্টপ জেনোসাইড:
- স্টপ জেনোসাইড বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র।
- শহীদ বুদ্ধিজীবি ও বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালে ২০ মিনিটের এই তথ্যচিত্রটি তৈরি করেন।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ভারতে আশ্রয়গ্রণকারী বাঙ্গালীদের দুঃখ-দুর্দশা, হানাদার পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ, ভারতে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের দিনকাল প্রভৃতি এই তথ্যচিত্রে তুলে ধরা হয়েছিল।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের মে/জুন মাসে এটি প্রথম কলকাতায় প্রদর্শিত হয়।

উল্লেখ্য,
• মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: আগামী ও সূচনা।
• তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র: মুক্তির গান ও মুক্তির কথা।
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্মৃতি ৭১' এর পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৩৬.
মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষা সচিব কে ছিলেন?
  1. ক) এইচ টি ইমাম
  2. খ) রুহুল কুদ্দুস
  3. গ) এস. এ সামাদ
  4. ঘ) নুরুল কাদের
সঠিক উত্তর:
গ) এস. এ সামাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এস. এ সামাদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় : এস এ সামাদ প্রতিরক্ষা সচিব।
মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম. এ. জি ওসমানী,
চীফ অব স্টাফ কর্নেল আবদুর রব,
উপ-সেনাপতি এ.কে খন্দকার।
সূত্র-বাংলাপিডিয়া।
৩৩৭.
বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল কোথায় শহীদ হন?
  1. ক) ধলই, কমলগঞ্জ
  2. খ) দরুইন, আখাউড়া
  3. গ) চিংড়ি খাল, নানিয়ারচর
  4. ঘ) গোয়ালপাড়া, শার্শা
সঠিক উত্তর:
খ) দরুইন, আখাউড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দরুইন, আখাউড়া
ব্যাখ্যা
- বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার দরুইন গ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করেন। পরবর্তীতে তাকে সেখানেই দাফন করা হয়।
অন্যদিকে,
- বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোরের শার্শা উপজেলার গোয়ালপাড়া গ্রামে শহীদ হন।
- বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ধলই গ্রামে শহীদ হন।
- বীরশ্রেষ্ঠ ‌ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ ১৯৭১ সালের ৮ এপ্রিল রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচরের চিংড়ি খাল এলাকায় শহীদ হন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
৩৩৮.
বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ পরিচালনা করেন কে?
  1. আবদুল জব্বার খান
  2. খান আতাউর রহমান
  3. আবদুস সামাদ
  4. মোজাম্মেল হোসেন
সঠিক উত্তর:
আবদুল জব্বার খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল জব্বার খান
ব্যাখ্যা
‘মুখ ও মুখোশ’:
- বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’।
- দিনটি ছিল ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট। চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় রূপমহল প্রেক্ষাগৃহে।
- এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ৩১ মে, ২০২৩।
৩৩৯.
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা কত তারিখ ছিল?
  1. ৬ ফাল্গুন, ১৩৫৮
  2. ৭ ফাল্গুন, ১৩৫৮
  3. ৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮
  4. ৯ ফাল্গুন, ১৩৫৮
সঠিক উত্তর:
৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি:
- ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় দিনটি ছিল বাংলা ১৩৫৮ সনের ৮ ফাল্গুন।
- দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার।

উৎস: শিক্ষক বাতায়ন। [link]
৩৪০.
পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা কে ছিলেন?
  1. গোপাল
  2. মদনপাল
  3. দেবপাল
  4. ধর্মপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা

ধর্মপাল:
- ধর্মপাল হচ্ছেন পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা।
- তিনি প্রায় ৪০ বছর রাজত্ব করেন।
- বাংলার ইতিহাসে ধর্মপালই প্রথম রাজা যিনি সর্বপ্রথম উত্তর ভারতীয় রাজনীতিতে স্বল্পকালের জন্য হলেও কিছু সাফল্য অর্জন করেন। ধর্মপালের সময়ে বাংলা নতুন শক্তি ও উদ্দীপনার প্রতীক হয়েছিল।
- ধর্মপাল বৌদ্ধ ছিলেন এবং তিনি অনেক বিহারের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি রাজশাহী বিভাগের বর্তমান নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে সোমপুর মহাবিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে প্রতিষ্ঠিত এই বৌদ্ধ ধর্ম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সমগ্র ভারতবর্ষের মধ্যে সর্ববৃহৎ বৌদ্ধ বিহার। এই জন্যে এটি মহাবিহার নামে পরিচিত। 
- পালবংশের অন্যতম রাজা দেবপাল ছিলেন ধর্মপালের পুত্র।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪১.
লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলসমূহের কনভেনশনে ছয়দফা কর্মসূচি উপস্থাপন করা হয় সেটি কেন আয়োজন করা হয়েছিল?
  1. তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরের বিরোধিতা
  2. পূর্ব বাংলায় সরকার গঠন
  3. পূর্ব বাংলার প্রতিরক্ষা নিয়ে আলোচনা
  4. কেন্দ্রের ক্ষমতা বণ্টন
সঠিক উত্তর:
তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরের বিরোধিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরের বিরোধিতা
ব্যাখ্যা
ছয়দফা কর্মসূচি ঘোষণা: 
- ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের পর পরই স্বায়ত্তশাসনের প্রবক্তাদের অন্যতম শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেন যে, পূর্ব পাকিস্তানের জন্য স্বায়ত্তশাসন আদায় অতি আবশ্যক হয়ে পড়েছে।
- তিনি স্বায়ত্তশাসনের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ছয়দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করেন।
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের নেতৃবৃন্দের এক কনভেনশনে, যা আইয়ুব খান কর্তৃক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরের বিরোধিতা করার জন্য আয়োজন করা হয়েছিল, সেখানে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয়দফা কর্মসূচি উপস্থাপন করেন।
- কনভেনশনটি মূলত পাকিস্তানের ডানপন্থী দলসমূহ নিয়ে গঠিত ছিল।
- কনভেনশনে উপস্থিত ৭৪০ জন প্রতিনিধির মধ্যে পূর্ব পাকিস্তান থেকে আগত ছিলেন মাত্র ২১ জন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪২.
জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০-এ কোন শ্রেণি পর্যন্ত মাধ্যমিক স্তর বিবেচিত হয়েছে?
  1. ষষ্ঠ-দশম শ্রেণি
  2. অষ্টম-দশম শ্রেণি
  3. নবম-দশম শ্রেণি
  4. নবম-দ্বাদশ শ্রেণি
সঠিক উত্তর:
নবম-দ্বাদশ শ্রেণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবম-দ্বাদশ শ্রেণি
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ অনুযায়ী, নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মাধ্যমিক স্তর বিবেচিত হয়েছে।

জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০:

- জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ প্রণয়নে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বিধৃত সংশ্লিষ্ট নির্দেশনাসমূহ (সংযোজনী-১) বিবেচনায় রাখা হয়েছে। জাতিসংঘ শিশু অধিকার কনভেনশন, যেখানে প্রত্যেক সদস্য দেশে সকল শিশুর শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার তাগিদ রয়েছে, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। শিক্ষানীতির মূল উদ্দেশ্য মানবতার বিকাশ এবং জনমুখী উন্নয়ন ও প্রগতিতে নেতৃত্বদানের উপযোগী মননশীল, যুক্তিবাদী, নীতিবান, নিজের এবং অন্যান্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কুসংস্কারমুক্ত, পরমতসহিষ্ণু, অসাম্প্রদায়িক, দেশপ্রেমিক এবং কর্মকুশল নাগরিক গড়ে তোলা। পাশাপাশি শিক্ষার মাধ্যমেই জাতিকে দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার বৈশিষ্ট্য ও দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এই শিক্ষানীতি সংবিধানের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশে গণমুখী, সুলভ, সুষম, সর্বজনীন, সুপরিকল্পিত, বিজ্ঞান মনস্ক এবং মানসম্পন্ন শিক্ষাদানে সক্ষম শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ভিত্তি ও রণকৌশল হিসেবে কাজ করবে। 

উল্লেখ্য, 
- প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বৃদ্ধি করে আট বছর অর্থাৎ অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত সম্প্রসারন করা হবে। এটি বাস্তবায়নে দু'টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অবকাঠামোগত আবশ্যকতা মেটানো এবং প্রয়োজনীয়সংখ্যক উপযুক্ত শিক্ষকের ব্যবস্থা করা। প্রাথমিক স্তরের শেষ তিন শ্রেণীতে অর্থাৎ ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জীবন পরিবেশের উপযোগী প্রাক-বৃত্তিমূলক এবং তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা প্রদান করা হবে, যাতে যারা কোনো কারণে আর উচ্চতর পর্যায়ে পড়বে না এ শিক্ষার ফলে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হতে পারে।
- নতুন শিক্ষা কাঠামোয় নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মাধ্যমিক শিক্ষা স্তর হিসেবে বিবেচিত হবে। এই স্তরের শিক্ষাশেষে শিক্ষার্থীরা সামর্থ্য অনুযায়ী উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন ধারায় যাবে, নয়তো অর্জিত বৃত্তিমূলক শিক্ষার ভিত্তিতে বা আরো বৃত্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমে জীবিকার্জনের পথে যাবে। 

উল্লেখ্য,
- 'জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০' অনুসারে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছিল বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নেই। রয়েছে শিক্ষক সংকট। নানান সংকটের মুখে সেই উদ্যোগ থেকে সরে এসেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এজন্য আগামী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত থাকছে প্রাথমিক শিক্ষা। 

উৎস: i) জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
৩৪৩.
Which of the following is the highest authority for approving the economic policies and development plans in Bangladesh?
  1. ক) Planning Commission
  2. খ) Ministry of Finance
  3. গ) Ministry of Law
  4. ঘ) ECNEC
  5. ঙ) None
সঠিক উত্তর:
ঘ) ECNEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ECNEC
ব্যাখ্যা
ECNEC:
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি হলো ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council)।
- ECNEC ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর প্রধান/চেয়ারপার্সন হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারপার্সন অর্থমন্ত্রী।
- একনেকে সরকারি খাতে ৫০ কোটি টাকার উর্ধ্বের প্রকল্প অনুমোদন, বিনিয়োগ প্রস্তাব পর্যালোচনা, উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা প্রভৃতি কার্যাবলি সম্পন্ন হয়।

(সূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া)
৩৪৪.
বেঙ্গল প্যাক্টের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন কে?
  1. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. মহাত্মা গান্ধী
  3. চিত্তরঞ্জন দাশ 
  4. জহরলাল নেহেরু
সঠিক উত্তর:
চিত্তরঞ্জন দাশ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিত্তরঞ্জন দাশ 
ব্যাখ্যা

- বেঙ্গল প্যাক্টের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন চিত্তরঞ্জন দাশ (সি.আর দাশ)।

• বেঙ্গল প্যাক্ট, ১৯২৩:
- ব্রিটিশ বিরোধী অহিংস খিলাফত ও অসহযোগ আন্দোলন সহিংস রূপ ধারণ করলে, মহাত্মা গান্ধী ১৯২২ সালে এ আন্দোলন প্রত্যাহার করেন।
- আন্দোলন তুঙ্গে থাকা অবস্থায় তা বন্ধ ঘোষণা করার পর পক্ষে-বিপক্ষে মতামত ব্যক্ত হতে থাকে।
- অপরদিকে, ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন অনুযায়ী প্রাদেশিক আইনসভার দ্বিতীয় নির্বাচন ১৯২৩ সালের শেষের দিকে অনুষ্ঠিত হবার কথা।
গান্ধীর নেতৃত্বাধীন একটি অংশ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার বিপক্ষে ছিলেন না।
- অপরদিকে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের (সি আর দাশ) এর নেতৃত্বাধীন আরেকটি অংশ নির্বাচনের পক্ষে ছিলেন।
- সি আর দাশের প্রস্তাব কংগ্রেস সম্মেলনে গৃহীত হয়নি এমতাবস্থায়, তিনি তাঁর সমর্থকদের নিয়ে ১৯২২ সালের ৩১শে ডিসেম্বর গঠন করেন স্বরাজ পার্টি।
- সি.আর দাশ ছিলেন সাম্প্রদায়িক ঐক্যের পক্ষের মানুষ।
- নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তিনি ব্রিটিশদের সহযোগিতা করতে চাননি বরং নিয়মতান্ত্রিকভাবে ব্রিটিশদের বিরোধিতা করতে চেয়েছিলেন।
- এ পরিপ্রেক্ষিতে তিনি নিজ প্রদেশ বাংলায় মুসলমান নেতৃবৃন্দের সাথে রাজনৈতিক সমঝোতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্যে ১৯২৩ সনে এক চুক্তি সাক্ষর করেন যা বেঙ্গল প্যাক্ট নামে পরিচিত।

উৎস: পৌরনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪৫.
তমদ্দুন মজলিশ এর প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. অধ্যাপক আবুল কাশেম
  2. অধ্যাপক গোলাম মাহবুব
  3. অধ্যাপক শামসুল আলম
  4. অধ্যাপক আবদুল মতিন
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা

• তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

৩৪৬.
বাংলা ভাষা ছিল জনসংখ্যার দিক থেকে পাকিস্তানের -
  1. ক) প্রথম ভাষা
  2. খ) দ্বিতীয় ভাষা
  3. গ) তৃতীয় ভাষা
  4. ঘ) পঞ্চম ভাষা
সঠিক উত্তর:
ক) প্রথম ভাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রথম ভাষা
ব্যাখ্যা
• ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হয়।
- ভাষা, নৃতত্ত্ব, ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ভৌগোলিক পরিবেশ, খাদ্যাভ্যাসসহ সকল ক্ষেত্রে বিস্তর ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও কেবল ধর্মের ভিত্তিতে এক হাজার মাইলের ব্যবধানে অবস্থিত পশ্চিম পাকিস্তানের সঙ্গে পূর্ব পাকিস্তান তথা আজকের বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত করে এই অসম রাষ্ট্র গড়ে তোলা হয়।
- এই রাষ্ট্রের কর্ণধাররা প্রথমই শোষণ ও বৈষম্যের হাতিয়ার হিসেবে বেছে নেয় বাঙালির প্রাণের ভাষা বাংলাকে।
- অথচ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় পাকিস্তানের ভাষাগত জনসংখ্যার একটি পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় যে, মোট জনসংখ্যার ৫৪.৬০% বাংলা, ২৮.০৪% পাঞ্জাবি, ৫.৮% সিন্ধি, ৭.১% পশতু, ৭.২% উর্দু এবং বাকি অন্যান্য ভাষাভাষী নাগরিক।
- এর থেকে দেখা যায় উর্দু ছিল পাকিস্তানি ভাষাভাষির দিক থেকে ৩য় স্থানে। অন্যদিকে তদানীন্তন পূর্ববঙ্গের জনসংখ্যার ৪.৪০ কোটির মধ্যে ৪.১৩ কোটি ছিল বাংলা ভাষাভাষী। এখানে ৯৮% বাংলা এবং মাত্র ১.১% ছিল উর্দু ভাষী। অথচ বাংলা ভাষাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বেশ কিছু পরিকল্পনা নেয়।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৭.
অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন -
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. মাওলানা ভাসানী
  3. এ.কে. ফজলুল হক
  4. নুরুল আমিন
সঠিক উত্তর:
এ.কে. ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ.কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক এবং শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলায় সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিমলীগ ১১৪টি আসন পেয়ে জয় লাভ করে এবং সোহরাওয়ার্দী মুখ্যমন্ত্রী হন।
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হলে খাজা নাজিমুদ্দিন পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৪৮.
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কোথায় ঘোষণা করেন “উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা”?
  1. ক) পল্টন ময়দান
  2. খ) লাহোর
  3. গ) কার্জন হল
  4. ঘ) করাচি
সঠিক উত্তর:
গ) কার্জন হল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্জন হল
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:

- ১৯৪৮ সালের ১৯শে মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসেন।
- তিনি ২১শে মার্চ রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এবং ২৪শে মার্চ কার্জন হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে ঘোষণা করেন, “উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা”।
- উভয় জায়গাতেই তার এই ঘোষণায় উপস্থিত জনতা ও ছাত্ররা 'না না' ধ্বনি দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা। নবম-দশম শ্রেণি।
৩৪৯.
কোন পাল রাজার আমলে কৈবর্ত্য বিদ্রোহ সংঘটিত হয়?
  1. ক) রামপাল
  2. খ) দ্বিতীয় শূরপাল
  3. গ) দ্বিতীয় মহীপাল
  4. ঘ) কুমারপাল
  5. ঙ) তৃতীয় বিগ্রহপাল
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিতীয় মহীপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিতীয় মহীপাল
ব্যাখ্যা
তৃতীয় বিগ্রহপালের মৃত্যুর পর তার পুত্র দ্বিতীয় মহীপাল সিংহাসনে বসেন। তার সময় বরেন্দ্র অঞ্চলে বিদ্রোহ শুরু হয় যা ‘কৈবর্ত্য বিদ্রোহ’ নামে পরিচিত। এর নেতা ছিলেন দিব্য। তিনি দ্বিতীয় মহীপালকে হত্যা করেন এবং বরেন্দ্র দখল করেন। উৎসঃ নবম - দশম শ্রেণি : বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়।
৩৫০.
'দেবনম পিয়' উপাধি গ্রহণ করেন কোন শাসক?
  1. শশাংক
  2. কেশব সেন
  3. অশোক
  4. গোপাল
সঠিক উত্তর:
অশোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অশোক
ব্যাখ্যা
অশোক:
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পৌত্র এবং বিম্বিসারের পুত্র অশোক ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- পিতার রাজত্বকালে অশোক প্রথম জীবনে উজ্জয়িনীর শাসনকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।
- পরে তক্ষশীলায় বিদ্রোহ দেখা দিলে বিন্দুসার তাঁকে সেখানে পাঠান। বিদ্রোহ দমনের পর তিনি তক্ষশীলার শাসনভার গ্রহণ করেন।
- পিতার মৃত্যুর পর ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তিনি পাটলিপুত্রের সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- সিংহাসনে আরোহণের চার বছর পর তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
- সিংহাসনে আরোহণ করে অশোক তাঁর পূর্বসুরীদের মতই 'দেবনম পিয়' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি নিজেকে 'দেবনম পিয় পিয় দসী' রূপে পরিচয় দিতেন।
- তিনি তাঁর পূর্বসুরীদের সাম্রাজ্য সম্প্রসারণনীতি অনুসরণ করেন এবং রাজত্বের ত্রয়োদশ বছরে কলিঙ্গ আক্রমণ করে জয় করেন।
- কলিঙ্গ যুদ্ধে প্রচুর মানুষ হতাহত হয়। যুদ্ধের ভয়াবহতা অশোকের মন ও শাসননীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। এ যুদ্ধের পর তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন।
- সামরিক বিজয়ের পরিবর্তে ধর্ম বিজয় অর্থাৎ সৌহার্দ্য, মানবতা ও ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে অপরের প্রীতি অর্জনকেই প্রকৃত বিজয় বলে তিনি মনেপ্রাণে গ্রহণ করেন।
- তিনি ঘোষণা করেন সব মানুষই তাঁর সন্তান। তাদের জাগতিক ও পারলৌকিক সুখ নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর একমাত্র উদ্দেশ্য।
- প্রায় ৪০ বছর রাজত্বের পর ২৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহামতি অশোক মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫১.
কোন শাসককে পরাজিত করে বখতিয়ার খলজি বাংলা দখল করেন?
  1. বিজয় সেন
  2. বল্লাল সেন
  3. লক্ষ্মণ সেন
  4. গোপাল
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মণ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মণ সেন
ব্যাখ্যা

বাংলায় মুসলিম শাসন:
- বখতিয়ার খলজি আফগানিস্তানের গরমশীরের (দস্ত-ই-মার্গ) অধিবাসী ছিলেন। 
- রাজধানী নদীয়া আক্রমন করে বখতিয়ার খলজি বাংলা দখল করেন।
- বখতিয়ার খলজি লক্ষ্মণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।
- বখতিয়ার খলজির বাংলা দখলের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা পায়।
- বখতিয়ার খলজি ১২০৪-০৫ সালে শীতকালীন সময়ে নদীয়া আক্রমণ করেছিলেন।
- নদীয়া দখলের পর বখতিয়ার খলজি গৌড় বা লক্ষ্মণাবতীর দিকে যাত্রা করেন। তিনি লক্ষ্মণাবতী অধিকার করে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- এটি মুসলমান আমলে লখনৌতি নামে পরিচিত হয়।
- বাংলাদেশে বখতিয়ার খলজি রাজ্য পূর্বে তিস্তা ও করতোয়া নদী, দক্ষিণে পদ্মা নদী ও উত্তরে দিনাজপুর জেলার দেবকোট হয়ে রংপুর শহর অবধি ছিল।
- অতি সাধারণ অবস্থা থেকেই তিনি অল্প সময়ের মধ্যে নিজ প্রতিভাবলে লখনৌতিতে মুসলিম রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
- এ মুসলিম রাজ্যের প্রতিষ্ঠাই ছিল তাঁর জীবনের বড় কৃতিত্ব।
- বখতিয়ার খলজি  বিজিত এলাকায় খুতবা পাঠ ও মুদ্রা প্রচলনের ব্যবস্থা করেন এবং সমগ্র এলাকাকে তাঁর সহকর্মী তুর্কি খলজি আমীরদের মধ্যে ভাগ করে দেন ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫২.
মুদ্দুন মজলিস ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা কী নামে প্রকাশ করে?
  1. পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
  2. বাংলা ভাষা সংরক্ষণ
  3. ভাষার জন্য সংগ্রাম
  4. উর্দু না বাংলা
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের ঘটনা প্রবাহ :
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বেই নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কী হবে—এ বিষয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়।
- মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতারা তখন উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে মত দেন।
- এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবদুল হক, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ বাংলার বুদ্ধিজীবী, শিক্ষার্থী ও লেখকরা প্রতিবাদ করেন।
- ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন ‘তমুদ্দুন মজলিস’ গঠিত হয়।
- ‘তমুদ্দুন মজলিস’ ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন হিসেবে পরিচিত।
- এই সংগঠন ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ প্রকাশ করে।
- পুস্তিকায় রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা।
৩৫৩.
বর্তমানে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদের সংখ্যা কত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ৮৩৪ জন
  2. ৮৩৬ জন
  3. ৮৪৪ জন
  4. ৮৪৬ জন
সঠিক উত্তর:
৮৩৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৩৬ জন
ব্যাখ্যা

জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ২০২৪:
- বর্তমানে জুলাই শহীদের সংখ্যা ৮৩৬ জন।
- ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান শহীদদের ৮৩৪ জনের তালিকা প্রথম গেজেট আকারে প্রকাশ করে সরকার।
- পরবর্তীতে আরো ১০ জন যুক্ত করে শহীদদের তালিকা হয় ৮৪৪ জন ।
- ৩ আগস্ট, ২০২৫ ৮ জনের নাম বাদ দিয়ে আরেকটি গেজেট করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
- এদের মধ্যে চারজনের নাম গেজেটে দুবার এসেছে। বাকি চারজন সরাসরি জুলাই আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছিলেন না।
- আটজন বাদ দেওয়ার পর সংশোধিত তালিকায় বর্তমানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৬ জন।

অন্যদিকে,
- আহত ব্যক্তিদের প্রথম তালিকায় নাম ছিল ১২ হাজার ৪৩ জনের।
- গত জুলাইয়ে আরও ১ হাজার ৭৫৭ জনের নাম যুক্ত করা হয়।
- সরকারি গেজেট অনুযায়ী, আহত ব্যক্তিদের মোট সংখ্যা এখন ১৩ হাজার ৮০০।

তথ্যসূত্র- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৩৫৪.
মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্য প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. ক) বীরপ্রতীক
  2. খ) বীরশ্রেষ্ঠ
  3. গ) বীরবিক্রম
  4. ঘ) বীরউত্তম
সঠিক উত্তর:
ঘ) বীরউত্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বীরউত্তম
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
উপাধিগুলো হলো- 
• সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ: ৭জন,  
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম: ৬৮ জন
• তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম: ১৭৫ জন, 
• চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক: ৪২৬জন।

- ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
তারা হলেন- 
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম),
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম), 
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক), 
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)।

- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। 
যথা- 
• বীরশ্রেষ্ঠ: ৭জন, 
• বীর উত্তম: ৬৭ জন, 
• বীরবিক্রম: ১৭৪ জন, 
• বীরপ্রতীক: ৪২৪ জন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।
৩৫৫.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রথম কোথায় স্থাপন করা হয়?
  1. আগারগাঁও
  2. মিরপুর
  3. রাজারবাগ
  4. সেগুনবাগিচা
সঠিক উত্তর:
সেগুনবাগিচা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেগুনবাগিচা
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৬ সালের ২২ শে মার্চ সেগুনবাগিচায় বেসরকারি উদ্যোগে দেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- সেগুনবাগিচার ভাড়া বাড়ি থেকে ২০১৭ সালের এপ্রিলে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর শেরে বাংলা নগর আগারগাঁওয়ে সরকার প্রদত্ত জমিতে নির্মিত নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর করা হয়।
- বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
(তথ্যসূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওয়েবসাইট)
৩৫৬.
বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে কোন জেলার?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমান্ত:
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মোট জেলা- ৩২টি।
- বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে- ভারত ও মিয়ানমার।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৫৭.
মুক্তিযুদ্ধকে বেগবান করার জন্য 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ' গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ১৯৭১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

- একাত্তরের ৯ সেপ্টেম্বর মুক্তিযুদ্ধকে বেগবান করার জন্য আওয়ামী লীগসহ পাঁচটি দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয় ৮ সদস্যের 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ'।
- এই পরিষদের নেতৃবৃন্দ মূলত মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর একাত্তরের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে গঠিত মুজিবনগর সরকারকেই সার্বিক সহযোগিতা দিয়েছিল।
- আনুষ্ঠানিকভাবে সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করায় বিশ্বব্যাপী মুজিবনগর সরকার একটিই বার্তা দিয়েছিল, মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবি বাঙালির সর্বজনীন; কোনো দল বা গোষ্ঠীর একক কোনো বিষয় নয়।
- ভারতের কলকাতায় গঠন করা হয় 'জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি', যা 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ' নামে পরিচিতি লাভ করে।

৮ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটিতে ছিলেন -
- আহবায়ক ছিলেন - তাজউদ্দীন আহমেদ।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন-
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
- মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)

উৎস- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক এবং নবম - দশম শ্রেণীর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫৮.
পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্ত্বশাসনের রূপরেখা ছয় দফার ষষ্ঠ দফা কোনটি?
  1. ক) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  2. খ) বৈদেশিক বাণিজ্য
  3. গ) প্যারা মিলিশিয়া গঠন
  4. ঘ) স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা চালু
সঠিক উত্তর:
গ) প্যারা মিলিশিয়া গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্যারা মিলিশিয়া গঠন
ব্যাখ্যা

- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা দাবী উত্থাপন করেন।
- একই বছরের ১৮ - ১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহীত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করেন।

ছয়টি দফা হলো-

১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৩৫৯.
During the language movement of 1952, who was the Prime Minister of Pakistan?
  1. Nurul Amin
  2. Liaquat Ali Khan
  3. Golam Muhammad
  4. Khawaja Nazimuddin
  5. Naone of them
সঠিক উত্তর:
Khawaja Nazimuddin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Khawaja Nazimuddin
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ফিরোজ খান নুন ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দীন।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম- দশম শ্রেণি।
৩৬০.
পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেছিল-
  1. লে. জেনারেল জগজিৎ সিং আরোরা
  2. লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী
  3. আতাউল গণি ওসমানী
  4. লে. কর্নেল কে. এম. শফিউল্লাহ 
সঠিক উত্তর:
লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ:
- আমাদের জাতীয় ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায় হলো ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। 
- এই যুদ্ধের মাধ্যমেই স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম ঘটে।

- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান ইস্টার্ন কমান্ড যুদ্ধে হেরে গিয়ে আত্মসমর্পণ করে।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।
- পাকিস্তানের পক্ষে দলিলে স্বাক্ষর করেন পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী।
- নিয়াজী ৯৩,০০০ সৈন্য ও অস্ত্র-শস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেন।
- যৌথ বাহিনীর পক্ষে এই দলিল গ্রহণ করেন ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
- এই আত্মসমর্পণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় নিশ্চিত হয়।
- এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।
------------------------------------ 
অন্যদিকে,
- মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন আতাউল গণি ওসমানী।
- এস ফোর্সের প্রধান ছিলেন-  লে. কর্নেল কে. এম. শফিউল্লাহ।  

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বিবিসি নিউজ। 

৩৬১.
কোন কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা বাতিল হয়?
  1. ক) হান্টার কমিশন
  2. খ) ইন্ডিগো কমিশন
  3. গ) ফ্লাউড কমিশন
  4. ঘ) সায়মন কমিশন
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্লাউড কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্লাউড কমিশন
ব্যাখ্যা
ভূমি রাজস্ব সংক্রান্ত সমস্যাবলির সংস্কারের লক্ষ্যে এ কে ফজলুল হক নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক সরকার ১৯৩৮ সালে স্যার ফ্রান্সিস ফ্লাউডকে প্রধান করে ফ্লাউড কমিশন গঠন করা হয়।

এই কমিশন ১৯৪০ সালের ২ মার্চ তার রিপোর্ট পেশ করে। রিপোর্টে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা তথা জমিদারি ব্যবস্থা বাতিল ও ভূমির উপর কৃষকদের অধিকার পুনস্থাপনের সুপারিশ করা হয়।

আন্তরিকতা থাকা সত্ত্বেও ১৯৫০ সালের পূর্বে ফ্লাউড কমিশনের সুপারিশ সমূহ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। ১৯৫০ সালের পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের মাধ্যমে ১৯৫১ সালের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা বাতিল হয়।

অন্যদিকে,

- নীল বিদ্রোহ প্রশমনে ১৮৬০ সালের ৩১শে মার্চ ডব্লিউ এস সিটনকারের নেতৃত্বে ইন্ডিগো কমিশন বা নীল কমিশন গঠিত হয়।
- হান্টার কমিশন বা ইন্ডিয়ান এডুকেশন কমিশন গঠিত হয় ১৮৮২ সালে। এটি ছিলো আধুনিক ভারতের প্রথম শিক্ষা কমিশন। ১৮৫৪ সালের উডের শিক্ষা প্রস্তাবের সময় থেকে ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার পর্যালোচনা এবং পরবর্তী অগ্রগতি সাধনের জন্যে করণীয় নির্ধারণ করতে এই কমিশন গঠিত হয়। হান্টার কমিশনের সুপারিশমালায় প্রাথমিক শিক্ষার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়, যার কারণে উচ্চ শিক্ষা অবহেলিত হয়।
- ভারতের শাসনতান্ত্রিক সংস্কার সম্পর্কে প্রতিবেদন পেশ করার উদ্দেশ্যে ১৯২৭ সালে স্যার জন সা্‌ইমনের নেতৃত্বে সাইমন কমিশন বা ইন্ডিয়ান স্ট্যাটুটরি কমিশন গঠিত হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৩৬২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর কত নং সেক্টরের অধীন ছিলো?
  1. ৪ নং সেক্টর
  2. ২ নং সেক্টর
  3. ৩ নং সেক্টর
  4. ৯ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
২ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এর মধ্যে ফেনী নদী থেকে উত্তর দিকে আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত বৃহত্তর নোয়াখালী, ‍বৃহত্তর কুমিল্লা, ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ এবং ঢাকা শহর নিয়ে ২ নং সেক্টর গঠিত হয়।
- ২ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশারফ এবং মেজর এটিএম হায়দার।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৩৬৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়?
  1. ক) ১১ টি
  2. খ) ৪৪ টি
  3. গ) ২২ টি
  4. ঘ) ৬৪ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৪ টি
ব্যাখ্যা
জেনারেল এম এ জি ওসমানী মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের মাধ্যমে যুদ্ধকৌশলের সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টর এবং ৬৪টি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
৩৬৪.
মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমদ
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয় যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। উপ রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ। স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এএইচএম কামরুজ্জামান। অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী। খন্দকার মুশতাক আহমেদ ছিলেন পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
৩৬৫.
মানুষের প্রথম ব্যবহৃত ধাতু কোনটি?
  1. ক) তামা
  2. খ) ব্রোঞ্জ
  3. গ) লোহা
  4. ঘ) নিকেল
সঠিক উত্তর:
ক) তামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তামা
ব্যাখ্যা
তাম্রযুগ
- খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দের শেষদিকে ইউরোপে এবং নিকট প্রাচ্যে তাম্র যুগের সূচনা ঘটে।
- তাম্রযুগে প্রবেশের মধ্য দিয়ে নগরসভ্যতার সূচনা হয়।
- তামার ব্যবহার ছিল সভ্যতার নতুন সংযোজন। 
- এ অবস্থাকে তাম্রপলীয় যুগ নামে আখ্যায়িত করা হয়।
- মানুষের প্রথম ব্যবহৃত ধাতু হল তামা
- প্রাচীন মিশর, সিরিয়া ও অ্যাসিরিয়ার অধিবাসীরা ব্যাপকভাবে তামার ব্যবহার জানত। 
- বস্তুত সুমেরের নগর সভ্যতার গোড়াপত্তন হয়েছিল তামা ব্যবহারের মধ্যদিয়ে।
- প্রাচীন মিশরের পিরামিড যুগের সভ্যতা ও সিন্ধুসভ্যতা তাম্র ও ব্রোঞ্জযুগের সভ্যতা।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৬৬.
মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না?
  1. ক) ৮ নং সেক্টর
  2. খ) ৯ নং সেক্টর
  3. গ) ১০ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১১ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের জুলাই মাসে ‍মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
এর মধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর। দেশের সমুদ্র অঞ্চল ও নদীপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৩৬৭.
‘প্রাথমিক শিক্ষার উপবৃত্তি প্রকল্প’ -এর অধীনে শতকরা কত ভাগ ছাত্র/ছাত্রীকে উপবৃত্তি দেয়া হয়?
  1. ৩০%
  2. ৩৫%
  3. ৪০%
  4. এর কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৪০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০%
ব্যাখ্যা
[প্রশ্নটি তৎকালীন সময়ের। সে সময় ৪০% শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পেত।]

প্রাথমিকে উপবৃত্তি:
- প্রাথমিক শিক্ষার বিস্তার ও মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালে শিক্ষার জন্য খাদ্য কর্মসূচি এবং ১৯৯৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্প চালু করা হয়।
- ২০০২ সালে দুটি কর্মসূচিকে একীভূত করে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প চালু করে সরকার।
- উপবৃত্তি প্রকল্পের সুফল বিবেচনায় ২০০৮ সালে পুনরায় প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প (২য় পর্যায়) গ্রহণ করা হয়।
- এ প্রকল্পে তৃতীয় পর্যায়ে সুবিধাভোগী শিক্ষার্থীর লক্ষ্যমাত্রা ১ কোটি ৩০ লক্ষ নির্ধারণ করা হয়।
- পরবর্তীতে দুই দফায় প্রকল্পটির মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৬৮.
মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ১০ দিনের অনুষ্ঠান 'মুজিব চিরন্তন'-এর সময়কাল -
  1. ২১ ফেব্রুয়ারি - ০২ মার্চ
  2. ১৭ মার্চ - ২৬ মার্চ
  3. ২৬ মার্চ - ০৪ এপ্রিল
  4. ১০ এপ্রিল - ১৯ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
১৭ মার্চ - ২৬ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ মার্চ - ২৬ মার্চ
ব্যাখ্যা
মুজিব চিরন্তন:
- বাঙালি জাতির মুক্তি ও স্বাধীনতার অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন ১৭ই মার্চ ১৯২০ সালে।
- সে অনুযায়ী ২০২০ সাল সামনে রেখে উৎসবমুখর পরিবেশে দেশে-বিদেশে তার জন্মশতবার্ষিকী আয়োজনের ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে ২০২১ সালে ১৭-২৬ মার্চ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে।
- এ অনুষ্ঠানে দেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও অংশ নেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ।
- আয়োজিত এই ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের মূল থিম ছিল 'মুজিব চিরন্তন'।
- এছাড়া প্রতিদিন বিভিন্ন থিমে ছিল আলোচনা অনুষ্ঠান।

উৎস: ১৭ মার্চ, ২০২১, প্রথম আলো।
৩৬৯.
কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক ছিলেন -
  1. বল্লাল সেন
  2. কেশব সেন
  3. হেমন্ত সেন
  4. বিজয় সেন
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
ব্যাখ্যা

কৌলিন্য প্রথা ও বল্লাল সেন:
- কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক হিসেবে বল্লাল সেন ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত।
- সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যায় যে, কৌলিন্য প্রথার সাথে বল্লাল সেনের সম্পর্কের তেমন কোনো যুক্তিযুক্ত ভিত্তি নেই।
- বাংলাদেশে কৌলিন্য প্রথার বহুল প্রচলন দেখা যায় আঠারো ও উনিশ শতকে।
- বল্লাল সেন তাঁর পিতার ন্যায় শৈব ছিলেন।
- ধর্মপ্রচারে তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল।
- তিনি তাঁর পিতার অন্যান্য উপাধির সাথে 'অরিরাজ নিঃশঙ্কর' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি আনুমানিক ১৮ বছর রাজত্ব করার পর বৃদ্ধ বয়সে পুত্র লক্ষণ সেনের হাতে রাজ্যভার অপর্ণ করে সস্ত্রীক ত্রিবেণীর কাছে গঙ্গাতীরে বাণপ্রস্থ অবলম্বন করে শেষ জীবন অতিবাহিত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭০.
নিচের কোনটি পরোক্ষ কর?
  1. আয়কর
  2. বাড়ি কর
  3. মূল্য সংযোজন কর
  4. দান কর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর- পরোক্ষ কর।
কর:
- কর হলো একটি বাধ্যতামূলক আর্থিক পরিশোধ, যা সরকার জনগণ ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন সেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ব্যয় করে। 
• কর প্রধানত দুই প্রকার:

প্রত্যক্ষ কর :
- এই কর সরাসরি ব্যক্তির আয়, সম্পদ বা অন্যান্য আর্থিক উপার্জনের উপর আরোপিত হয়। 
যেমন:
• আয়কর ,
• সম্পত্তি কর ,
• সম্পত্তি লাভ কর,

পরোক্ষ কর :
- এই কর পণ্য ও সেবার উপর আরোপিত হয় এবং সাধারণত ভোক্তা পণ্য বা সেবা ক্রয়ের সময় পরিশোধ করে। উদাহরণস্বরূপ:
যেমন:
মূল্য সংযোজন কর ,
• শুল্ক,
• ব্যবসায় কর,

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭১.
চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) -তে সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. এডিবি
  2. জাইকা
  3. বিশ্বব্যাংক
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
Fourth Primary Education Development Program বা চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) 
- পিইডিপি-৪ প্রোগ্রামের লক্ষ্য প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিশুকে একটি অন্তর্ভুক্তি ও সমতামূলক শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। 
- কর্মসূচীটি শিক্ষার গুণগত মান জোরদার, শিক্ষায় প্রবেশাধিকার উন্নত করা এবং বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার উন্নতির উপর দৃঢ় মনোযোগ দিয়ে পূর্ববর্তী কর্মসূচির অর্জনের উপর ভিত্তি করে গড়ে তুলবে।
- কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহায়তা করবে জাইকা, এডিবি, বিশ্বব্যাংক সহ ৬টি সহযোগী সংস্থা ও বাংলাদেশ সরকার। 
- পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায়ে গণিত ও বিজ্ঞান শিক্ষার মানোন্নয়নে পিইডিপি-২ এবং পিইডিপি-৩ কর্মসূচিতে বাংলাদেশকে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে জাইকা।
- পিইডিপি-৪ প্রকল্পের মেয়াদ জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত।
- প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৩৮ হাজার ২৯১ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। 
- পিইডিপি-৪সহ বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় দেশের ২৪,৫৮৯ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১,০৯,৯৮১ টি শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।
- পিইডিপি-৪-এর  আওতায় ১,৬৫,১৭৪ জন শিক্ষক নিয়োগ ও পদায়ন করা হবে।
- এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, যাকে সংক্ষেপে আমরা ডিপিই বলে থাকি। 

তথ্য - প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৩৭২.
বাৎসরিক কত টাকার বিনিময়ে কোম্পানি বাংলা বিহার উড়িষ্যার দিওয়ানি লাভ করে?
  1. ২৭ লক্ষ
  2. ৩২ লক্ষ
  3. ২৩ লক্ষ
  4. ২৬ লক্ষ
সঠিক উত্তর:
২৬ লক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ লক্ষ
ব্যাখ্যা
• কোম্পানির দেওয়ানি লাভ:
- মুগল শাসনতন্ত্রে প্রদেশ শাসনের জন্য দু'টি সমপর্যায়ের পদের বিধান ছিল।
- একটি সুবাদারী, আরেকটি দিউয়ানি।
- সুবাদার ও দিউয়ান উভয় ব্যক্তিই সরাসরি দিল্লির সম্রাটের নিকট ব্যক্তিগতভাবে জবাবদিহি করতে বাধ্য ছিলেন।
- তাঁরা একে অপরকে প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতেন, কিন্তু একে অন্যকে তাঁর অধীন করতে পারতেন না।
- সুবাদারের দায়িত্ব ছিল বিচার, প্রতিরক্ষা ও সাধারণ প্রশাসন পরিচালনা।
- আর দিউয়ানের দায়িত্ব ছিল মূলত রাজস্ব (খাজনা) শাসন। 
- বক্সার যুদ্ধের ফলে রবার্ট ক্লাইভ দিল্লির সম্রাটের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে।
- ১৭৬৫ সালে ক্লাইভ দ্বিতীয়বার ভারতবর্ষে এসে প্রথমেই পরাজিত অযোধ্যার নবাব এবং দিল্লির সম্রাটের দিকে নজর দেন।
- তিনি অযোধ্যার পরাজিত নবাবের সঙ্গে মৈত্রী স্থাপন করেন।
- বিনিময়ে আদায় করে নেন কারা ও এলাহাবাদ জেলা দুইটি।
- যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ বাবদ আদায় করেন পঞ্চাশ লক্ষ টাকা।
- অপরদিকে তিনি দেওয়ানি শর্তসংবলিত দুইটি চুক্তি করেন।
- একটি দিল্লির সম্রাট শাহ আলমের সঙ্গে।
- এতে কোম্পানিকে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার দেওয়ানি দান করা হয়।
- এর বিনিময়ে ছাব্বিশ লক্ষ টাকা নবাব প্রতিবছর সম্রাটকে পাঠাবেন। 


উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।
৩৭৩.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রথম স্থাপন করা হয়-
  1. ক) মুজিবনগর, মেহেরপুর
  2. খ) সিতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
  3. গ) কালুরঘাট, চট্টগ্রাম
  4. ঘ) রাউজান, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) কালুরঘাট, চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কালুরঘাট, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- পরবর্তীতে, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও অস্থায়ী সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পর স্বাধীন দেশের বেতার কেন্দ্র হিসেবে এর নতুন নাম হয় ‘বাংলাদেশ বেতার’।
- বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরে আসে এবং সেদিন থেকেই স্বাধীন দেশের রেডিও হিসেবে বাংলাদেশ বেতারের সম্প্রচার কাজ শুরু হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৩৭৪.
ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং সর্বপ্রথম কোন অপারেশনের খবর বহির্বিশ্বে প্রকাশ করেন?
  1. অপারেশন ফ্লায়িং ফ্ল্যাগস
  2. অপারেশন বিগবার্ড
  3. অপারেশন কিলো ফ্লাইট
  4. অপারেশন সার্চলাইট
সঠিক উত্তর:
অপারেশন সার্চলাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন সার্চলাইট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং:
- সাইমন ড্রিং (জন্ম ১৯৪৫) একজন ব্রিটিশ সাংবাদিক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও পরিচালক এবং ২৫শে মার্চ বর্বর পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার প্রথম প্রত্যক্ষদর্শী বিদেশী সংবাদদাতা।
- দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ-এর প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করার সময় ১৯৭১ সালের ৬ মার্চ কম্বোডিয়া থেকে ঢাকায় আসেন সাইমন ড্রিং।
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অপারেশন সার্চলাইট নামে বাঙালিদের ওপরে সশস্ত্র আক্রমণ ও গণহত্যা, ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ইত্যাদি পটভূমিতে শুরু হয় ৯ মাসব্যাপী বাঙালিদের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ, যাতে ৩০ লক্ষ বাঙালিকে জীবনদান ও কয়েক লক্ষ মা-বোনকে সম্ভ্রম বিসর্জন দিতে হয়।

⇒ ২৫শে মার্চ রাতে বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা শুরুর পূর্বে শাহবাগস্থ তখনকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ২শর মতো বিদেশী সাংবাদিককে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা কঠোর প্রহরায় বিশেষ কক্ষে আবদ্ধ করে রাখে। তাঁদের মধ্যে লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকার প্রতিনিধি সাইমন ড্রিংও ছিলেন।
- সকলকে পরের দিন প্লেনে তুলে পাঠিয়ে দেয়া হলেও সাইমন ড্রিং ও এসোসিয়েটেড প্রেসের ফটোগ্রাফার মাইকেল লরেন্ট  লুকিয়ে থেকে নিজেদের সাময়িকভাবে রক্ষা করতে সক্ষম হন।
- ২৭শে মার্চ কিছু সময়ের জন্য কারফিউ তুলে নেয়া হলে তাঁরা দুজন ঢাকা শহরে বেড়িয়ে পড়েন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হল (বর্তমান জহুরুল হক হল), জগন্নাথ হল, রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বঙ্গবন্ধুর ৩২নং ধানমন্ডির বাস ভবন, রেসকোর্সের কালীবাড়ি মন্দির, পুরনো ঢাকার হিন্দু অধ্যুষিত এলাকাসহ ২৫শে মার্চ রাত থেকে শুরু করে পাকহানাদারদের দ্বারা ধ্বংসপ্রাপ্ত ঢাকা নগরীর বিভিন্ন স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাইমন ড্রিং একটি প্রতিবেদন তৈরি করেন।
- এটি ৩০শে মার্চ, ১৯৭১ লন্ডন থেকে প্রকাশিত দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় 'Tanks Crush Revolt in Pakistan 7,000 slaughtered: Homes burned' শিরোনামে প্রথম পৃষ্ঠায় তিন কলামে সাইমন ড্রিং (তখন বয়স ২৭)-এর ছবিসহ সবিস্তার ছাপা হয়।
- বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ২৫শে মার্চের অপারেশন সার্চলাইটের হত্যাকাণ্ডের কোনো প্রত্যক্ষদর্শী বিদেশী সাংবাদিকের এটিই ছিল প্রথম প্রতিবেদন।
- এটি প্রকাশিত হওয়ার পর ঢাকায় সে রাতে ও পরবর্তী দুদিন পাকবাহিনী কী নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংসলীলা চালিয়েছিল, সে সম্বন্ধে বিশ্ববাসী জানতে পারে।

উৎস: i) সংগ্রামের নোটবুক।
ii) দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা।

৩৭৫.
বঙ্গবন্ধু কত সালে প্রথম আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৬৬ সালে
  3. ১৯৬৮ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামীলীগ: 
- ১৯৬৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনটি ছিল অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা দলীয়  ফোরামে পাস হয়।
- ১৮ থেকে ২০ মার্চ হোটেল ইডেনে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মাধ্যমে দলের সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান।
- আর প্রথমবারের মতো সাধারণ সম্পাদক হন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- এতে কাউন্সিলর ও ডেলিগেটের সংখ্যা ছিল এক হাজার ৪৪৩ জন।
- বর্তমানে দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। 

উৎস- বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
৩৭৬.
“তাজহাট জমিদার” বাড়ি কোথায় অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. মানিকগঞ্জ
  3. বগুড়া
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
তাজহাট জমিদার বাড়ি:
- রংপুর জেলার তাজহাট, ডিমলা, কাকিনা, মন্থনা, পীরগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু জমিদার বংশ ছিল। তাদের ছিল বিশাল আয়তনের বেশ কিছু প্রাসাদ।
- রংপুর জেলার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত ছিল তাজহাট জমিদার বাড়ি।
- এটি তাজহাট রাজবাড়ি নামেও পরিচিত।

- তৎকালীন জমিদার মহারাজা কুমার গোপাল রায় প্রাসাদটি নির্মাণ করেছিলেন।
- এটি নির্মাণে সময় লেগেছিল প্রায় ১০ বছর।
- পাঞ্জাব থেকে আগত মান্নালাল রায় এই জমিদারির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

- তাজহাট জমিদার বাড়ি একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ।
- ১৯৮৪ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত রংপুর হাইকোর্ট ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একটি শাখা বা বেঞ্চ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এই প্রাসাদ।

- ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ তাজহাট জমিদার বাড়িকে একটি সংরক্ষিত স্থাপনা তথা স্থাপত্য হিসেবে ঘোষণা করে।
- এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনুধাবন করে ২০০৫ সালে রংপুর জাদুঘরকে সরিয়ে এই প্রাসাদের দোতলায় নিয়ে আসে।

উৎস: বাংলা ট্রিভিউন এবং জাগো নিউজ পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৭৭.
গুপ্ত শাসনের অবসানের পর বাংলায় কোন স্বাধীন রাজ্যের সৃষ্টি হয়?
  1. বঙ্গ
  2. রাঢ় 
  3. গৌড়
  4. ক ও গ উভয়ই 
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই 
ব্যাখ্যা
গুপ্ত পরবর্তী বাংলা: 
- ষষ্ঠ শতকের প্রথমার্ধেই বিভিন্ন যোদ্ধা জাতির সঙ্গে সংঘাত ও সংঘর্ষের মধ্যদিয়ে গুপ্ত শাসনের অবসান ঘটে।
- সাম্রাজ্যবাদী গুপ্তদের পর সারা উত্তর ভারতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাধীন রাজবংশের উদ্ভব হয়।
- এই সুযোগে বাংলায় দুইটি স্বাধীন রাজ্যের সৃষ্টি হয়।
- এর একটি হলো বঙ্গ। দ্বিতীয় রাজ্যের নাম গৌড়। 
- বঙ্গের অবস্থান দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম-বাংলার দক্ষিণাঞ্চলে।
- গৌড়ের অবস্থান ছিল বাংলার পশ্চিম ও উত্তর বাংলা নিয়ে।
- এ গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ যা বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৭৮.
ভারতীয় উপমহাদেশে লর্ড বেন্টিঙ্কের শাসনকালকে কোন যুগ হিসেবে বর্ণনা করা যায়?
  1. যুদ্ধের যুগ
  2. অর্থনৈতিক সংকটের যুগ
  3. সংস্কারের যুগ
  4. ধর্মীয় গোঁড়ামীর যুগ
সঠিক উত্তর:
সংস্কারের যুগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কারের যুগ
ব্যাখ্যা

⇒ ভারতীয় উপমহাদেশে লর্ড বেন্টিঙ্কের শাসনকালকে সংস্কারের যুগ হিসেবে বর্ণনা করা যায়।

লর্ড বেন্টিঙ্ক:
- লর্ড বেন্টিঙ্ক ভারতীয় উপমহাদেশে গভর্নর জেনারেল হয়ে আসেন ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে।
- প্রথম জীবনে তিনি নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে ওয়াটারলুর যুদ্ধ বিজেতা ডিউক অফ ওয়েলিংটনের সেনা বাহিনীতে ছিলেন।
- লর্ড বেন্টিঙ্ক যখন ভারতীয় উপমহাদেশে গভর্নর জেনারেল হিসেবে আসেন তখন তাঁর এদেশে সামরিক নৈপুণ্য দেখানোর কোনো সুযোগ ছিল না।
- কারণ সে সময়টা ছিল সংস্কারের যুগ।
- বেন্টিঙ্কই প্রথম গভর্নর জেনারেল যিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে এদেশে প্রজাদের কল্যাণ সাধনই শাসকের প্রধান কর্তব্য।
- তাঁর প্রচেষ্টার ফলেই এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা ও সভ্যতার অবাধ প্রসারের পথ উন্মুক্ত হয়।
- বেন্টিঙ্কের সমাজ সংস্কার ধর্মীয় গোঁড়ামী ও নিপীড়নের হাত থেকে এদশের জনগণকে রক্ষা করেছিল।
- তাঁর শিক্ষা সংস্কার পরবর্তীকালে এদেশীয়দের মনোজগতে এক বিরাট আলোড়ন ও পরিবর্তন নিয়ে আসে যা এদেশের সমাজ ও সভ্যতার অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করে তুলেছিল।
- তাই আজও লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক উপমাহদেশের ব্রিটিশ যুগের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭৯.
খিলাফত আন্দোলনে নেতৃত্ব কে দেন?
  1. মাওলানা আবুল কালাম আজাদ 
  2. মাওলানা শওকত আলী
  3. মাওলানা মোহাম্মদ আলী
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
খিলাফত আন্দোলন:
- ১৯২০ সালে সেভার্স চুক্তির অধীনে ব্রিটিশ সরকার মুসলমানদের খেলাফত তুরস্ক তথা অটোমান সাম্রাজ্যকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিলে এর বিরুদ্ধে ভারতীয়রা যে আন্দোলন গড়ে তোলে তা খিলাফত আন্দোলন নামে পরিচিত।
- ভারতীয় জাতীয়তাবাদের প্রভাবে উদ্ভূত একটি প্যান-ইসলামি আন্দোলন।
- কারণ ভারতের মুসলমানেরা তুরস্কের সুলতানকে মুসলিম বিশ্বের খলিফা বা ধর্মীয় নেতা বলে শ্রদ্ধা করতেন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্কের সুলতান ব্রিটিশ বিরোধী শক্তি জার্মানির পক্ষ অবলম্বন করলে ভারতে মুসলমান সম্প্রদায় বিব্রত হন।
- কারণ ধর্মীয় কারণে তাঁরা খলিফার অনুগত, আবার অন্যদিকে রাজনৈতিক কারণে ব্রিটিশ সরকারের অনুগত থাকতে বাধ্য।
- খিলাফত আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ও দুই ভাই মাওলানা শওকত আলী এবং মাওলানা মোহাম্মদ আলী।
 
উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮০.
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের স্থপতি কে?
  1. ক) হামিদুর রহমান
  2. খ) শামিম শিকদার
  3. গ) মাইনুল হোসেন
  4. ঘ) কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
ক) হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার/স্থপতি হলেন হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৬ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের পাশে হামিদুর রহমানের নকশায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া।
৩৮১.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৬
  2. ১৯৯৮
  3. ২০০০
  4. ২০০৮
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬
ব্যাখ্যা

- ১৯৯৬ সালের ২২ শে মার্চ সেগুনবাগিচায় বেসরকারি উদ্যোগে দেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- সেগুনবাগিচার ভাড়া বাড়ি থেকে ২০১৭ সালের এপ্রিলে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর শেরে বাংলা নগর আগারগাঁওয়ে সরকার প্রদত্ত জমিতে নির্মিত নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর করা হয়।
- বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।

(সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওয়েবসাইট)

৩৮২.
দেশের দ্বিতীয় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নাম কী হবে?
  1. সিলেট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
  2. চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
  3. রাজশাহী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
  4. বরিশাল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
ব্যাখ্যা
চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে:
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।
- চট্টগ্রামের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নগরীর লালখানবাজার থেকে শাহ আমানত বিমানবন্দর বা পতেঙ্গা সৈকত পর্যন্ত নির্মিত হবে।
- দক্ষিণ চট্টগ্রামের সঙ্গে নগরীর সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হবে কর্ণফুলী টানেলের সঙ্গে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মাধ্যমে।
- এর দৈর্ঘ্য হবে ১৬ কিলোমিটার।
- বাস্তবায়নকালঃ জুলাই-২০১৭ হতে জুন-২০২৪।

উৎস: চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৩৮৩.
বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় কোন নবাবের সময়কালে?
  1. ক) মীর জাফর
  2. খ) মীর কাশিম
  3. গ) মীর মদন
  4. ঘ) সিরাজউদ্দৌলা
সঠিক উত্তর:
খ) মীর কাশিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মীর কাশিম
ব্যাখ্যা
১৭৬৪ সালে বিহারের বক্সার নামক স্থানে বাংলার নবাব মীর কাশিম, মুঘল সম্রাট শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলার সম্মিলিত বাহিনীর সাথে মেজর মনরো নেতৃত্বাধীন ইংরেজ বাহিনীর যুদ্ধ হয় যা বক্সারের যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এই যুদ্ধে ইংরেজদের নিকট মীর কাশিমের সম্মিলিত বাহিনী শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়।
- বক্সারের যুদ্ধকে পলাশীর প্রান্তরে ইংরেজদের নিকট হারানো বাংলার স্বাধীনতাকে পুনরুদ্ধারের শেষ প্রচেষ্টা বিবেচনা করা হয়।
- এই যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে বাংলার নামমাত্র টিকে থাকা স্বাধীনতা পুরোপুরি বিনষ্ট হয়।
- অন্যদিকে ভারতে ইংরেজদের সাম্রাজ্য বিস্তারের পথ আরও সুগম হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৮৪.
'বিক্রমশীল' কার উপাধি ছিল?
  1. গোপাল
  2. ধর্মপাল
  3. দেবপাল
  4. রামপাল
  5. মহীপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
ধর্মপাল: 
- গোপালের মৃত্যুর পর ধর্মপাল (৭৮১-৮২১ খ্রিষ্টাব্দ) সিংহাসনে বসেন।
- নাম, যশ ও খ্যাতির দিক থেকে পাল রাজাদের মধ্যে তিনিই ছিলেন এগিয়ে।
- তার রাজ্য বিহার পর্যন্ত সম্প্রসারিত ছিল।
- ধর্মপাল প্রায় ৪০ বছর (৭৮১-৮২১ খ্রিষ্টাব্দ) রাজত্ব করেন।
- ধর্মপাল ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
- পাল রাজাদের মধ্যে তিনিই সর্বোচ্চ সার্বভৌম উপাধি পরমেশ্বর, পরমভট্টারক মহারাজাধিরাজ উপাধি ধারণ করেছিলেন।
- ভাগলপুরের পূর্ব দিকে তিনি একটি বৌদ্ধ বিহার বা মঠ নির্মাণ করেন।
- ধর্মপালের দ্বিতীয় নাম বা উপাধি ছিল 'বিক্রমশীল'।
- এ নামানুসারে বিহারটি 'বিক্রমশীল বিহার' নামে খ্যাত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৮৫.
বাংলাদেশে কয়টি বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান আছে?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান:

- বাংলাদেশে ৬ টি বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান আছে।
১. বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি),
২. ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো),
৩. নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো),
৪. বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি),
৫. ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) ও
৬. ঢাকা ইলেকট্রিসিটি পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো)।

তথ্যসূত্র - বিদ্যুৎ বিভাগ ওয়েবসাইট।
৩৮৬.
চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান 'শিশু স্বর্গ'-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. কাইয়ুম চৌধুরী
  2. কামরুল হাসান
  3. জয়নুল আবেদীন
  4. এস এম সুলতান
সঠিক উত্তর:
এস এম সুলতান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস এম সুলতান
ব্যাখ্যা
শিশু স্বর্গ:
- বিখ্যাত চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান প্রতিষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান 'শিশু স্বর্গ'।
- এস এম সুলতান তার জীবনের সঞ্চয় দিয়ে শিশুদের জন্যে একটি নৌকা তৈরি করে এতে 'শিশু স্বর্গ' নামে ভ্রাম্যমাণ চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান খোলেন।
- পরবর্তীতে নড়াইলের মাছিমদিয়ায় এস এম সুলতানের গ্রামে বাংলাদেশ সরকার সুলতান কমপ্লেক্স তৈরি করে।
- সেখানে 'শিশু স্বর্গ' নামে শিশুদের চিত্রাঙ্কন শেখার একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করে।
- এছাড়া এস এম সুলতান চারুপীঠ এবং নন্দকানন নামে আরো দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছিলেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, সমকাল।
৩৮৭.
ঐতিহাসিক ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ বাংলা কত তারিখ ছিল?
  1. ক) ৩১ পৌষ
  2. খ) ২৯ মাঘ
  3. গ) ৯ মাঘ
  4. ঘ) ৮ ফাল্গুন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ ফাল্গুন
ব্যাখ্যা

১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রফিক, সালাম ও বরকতসহ অনেকেই মাতৃভাষার জন্য রক্ত দেন; প্রাণ দেন। ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো এই দিনকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়।
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ছিলো ৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।

৩৮৮.
কারাগারের রোজনামচা দিনলিপির ভূমিকা কে লিখেছেন?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. শেখ হাসিনা
  3. শেখ রেহেনা
  4. তোফায়েল আহমেদ
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
কারাগারের রোজনামচা:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দিনলিপি গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- এটি ১৭ মার্চ, ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে ।
- এই গ্রন্থটি মূলত একটি ডায়রি যা বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬-১৯৬৮ সময়ে কারাগারে বন্দিবস্থায় লিখেছিলেন ।
- এর ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- নামকরণ করেন শেখ রেহেনা।

উৎস: কারাগারের রোজনামচা।
৩৮৯.
৭ই মার্চ এর ভাষণ বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে কোন সংস্থার স্বীকৃতি লাভ করে?
  1. UNDP
  2. UNESCO
  3. WIPO
  4. USAIDS
সঠিক উত্তর:
UNESCO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNESCO
ব্যাখ্যা
- ২০১৭ সালে '১৯৭১ সালে ৭ই মার্চ এর ভাষণ'কে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো(UNESCO).
- এটি 'Memory of the World International Heritage Register' এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- ৭ই মার্চ এর ভাষণকেই প্রথম পাণ্ডুলিপিবিহীন ও অলিখিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৯০.
Which was the first Bangladeshi film to win the National Film Award for Best Picture?
  1. Lathial
  2. Shurjo Dighal Bari
  3. Dhire Bohe Meghna
  4. Jibon Theke Neya
সঠিক উত্তর:
Lathial
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lathial
ব্যাখ্যা

•  জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (National Film Award) :
- কোনো বিশেষ চলচ্চিত্রে বিশেষ নির্মাণকুশলতার স্বীকৃতি দিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে।
- ১৯৭৬ সালের ২৪ মার্চ প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা করেন তথ্যসচিব এ বি এম গোলাম মোস্তফা।
- ‘লাঠিয়াল’ সিনেমাকে ১৯৭৫ সালের সেরা সিনেমা হিসেবে নির্বাচন করেন বিচারকেরা।
- সিনেমাটি পরিচালনার পাশাপাশি প্রযোজনাও করেছেন প্রযোজক ও নির্মাতা নারায়ণ ঘোষ মিতা।
- সেরা সিনেমা, সেরা সেরা পরিচালক, সেরা অভিনেতাসহ সর্বোচ্চ পাঁচটি পুরস্কার পায় সিনেমাটি।

উৎস: প্রথম আলো, ২৪ মার্চ ২০১৪ ।

৩৯১.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন -
  1. ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে
  2. ২৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে
  3. ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে
  4. ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:

- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩৯২.
প্রাচীন সমতট জনপদের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
  1. পুণ্ড্রনগর
  2. কোটিবর্ষ
  3. পাহাড়পুর
  4. লালমাই
সঠিক উত্তর:
লালমাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমাই
ব্যাখ্যা
সমতট:
- সমতট ছিল দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার একটি প্রাচীন জনপদ, এর নামের অর্থ তটের সমান্তরাল।
- চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- সপ্তম শতকে চীনা পর্যটক হিউয়েন সাঙ সমতটে এসেছিলেন এবং তিনি বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিদ্যমান অবস্থার বর্ণনা রেখে গেছেন।
- তাঁর বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই ছিল সমতট।
- সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল এবং মেঘনা নদীর পূর্ববর্তী অঞ্চলকে সমতট বলে পরিচিত ছিল।
- এর কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী 'লালমাই' এলাকা এটি ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে প্রাচীন সমতট গঠিত ছিল।

অন্যান্য প্রাচীন জনপদগুলোর অবস্থান:
- বঙ্গ জনপদ: বৃহত্তর ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি, ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহের কিছু অংশ।
- পুণ্ড্র জনপদ: বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী প্রভৃতি অঞ্চল নিয়ে এই জনপদটি গঠিত হয়েছিলো।
- বরেন্দ্র জনপদ: বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো।
- গৌড় জনপদ: বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বহরমপুর এলাকায় এটি বিস্তৃত ছিলো।
- হরিকেল জনপদ: সিলেট ও চট্টগ্রামের অংশবিশেষ ছিলো।
- চন্দ্রদ্বীপ জনপদ: বর্তমান বরিশাল অঞ্চলে চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি জনপদের সৃষ্টি হয়েছিল। এ জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৯৩.
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কোথায় আত্মসমর্পণ করেন?
  1. পল্টনে
  2. টিএসসি
  3. ঢাকা সেনানিবাসে
  4. রেসকোর্স ময়দানে
সঠিক উত্তর:
রেসকোর্স ময়দানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেসকোর্স ময়দানে
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ৬ থেকে ১৬ ডিসেম্বর যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়।
- ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডার প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।

উৎস:বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯৪.
ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম আদমশুমারি কোন লর্ডের শাসনামলে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. লর্ড ডালহৌসি
  2. লর্ড মেয়ো
  3. লর্ড রিপন 
  4. লর্ড ওয়েলেসলি 
সঠিক উত্তর:
লর্ড মেয়ো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড মেয়ো
ব্যাখ্যা

লর্ড মেয়ো:
- লর্ড মেয়ো ১৮৬৯ - ৭২ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় এবং গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- তিনি মেয়ো-র পঞ্চম আর্ল-এর পুত্র।
- পিতার উত্তরাধিকারী ষষ্ঠ আর্ল ভারতে আসেন লর্ড মেয়ো হিসেবে এবং তাঁর অব্যবহিত পূর্বসূরিদের অনুসৃত অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি অব্যাহত রাখেন।

উল্লেখ্য,
- ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম আদমশুমারি লর্ড মেয়োর শাসনামলে অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৮৭২ সালে লর্ড মেয়োর উদ্যোগে এই প্রথম অ-সমলয় আদমশুমারি পরিচালিত হয়েছিল।
- তিনি ভারতবর্ষে পরিসংখ্যান জরিপ চালু করেন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩৯৫.
পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথম সাধারণ নির্বাচন ছিল কোনটি?
  1. ১৯৪৮ সালের নির্বাচন
  2. ১৯৫৪ সালের নির্বাচন
  3. ১৯৬২ সালের নির্বাচন
  4. ১৯৭০ সালের নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালের নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালের নির্বাচন
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন: 
- পাকিস্তানের ইতিহাসে ১৯৭০ সালের নির্বাচন ছিল প্রথম সাধারণ নির্বাচন
- জেনারেল আইয়ুব খান গণ-আন্দোলনের মুখে পাকিস্তানের আরেকজন সামরিক শাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে পাকিস্তানের রাজনীতি থেকে বিদায় নেন।
- জেনারেল ইয়াহিয়া খান সামরিক শাসন জারি করে জাতির উদ্দেশে প্রথম ভাষণে ঘোষণা দিয়েছিলেন, যত শীঘ্র সম্ভব সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭০ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে সর্বপ্রকার বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে পুনরায় রাজনৈতিক তৎপরতার অনুমতি দেওয়া হয়।
- পাশাপাশি ৫ই অক্টোবর জাতীয় পরিষদ ও ২২শে অক্টোবর প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হলেও শেষ পর্যন্ত তা পিছিয়ে ৭ই ডিসেম্বর এবং ১৭ই ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়।
- তবে ১২ই নভেম্বর পূর্ব পাকিস্তানের উপকূলবর্তী এলাকায় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস হওয়ায় ঐ সব এলাকায় ১৯৭১ সালের ১৭ই জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৯৬.
বখতিয়ার খলজি বাংলা আক্রমণের সময় বাংলার রাজা কে ছিলেন?
  1. রামপাল
  2. বল্লাল সেন
  3. লক্ষণ সেন
  4. কেশব সেন
সঠিক উত্তর:
লক্ষণ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষণ সেন
ব্যাখ্যা
বখতিয়ার খলজির নদীয়া অধিকার: 
- বখতিয়ার খলজি বিহার দখল করার পর বাংলার দৃষ্টি দেন।
- এ সময় বাংলার রাজা ছিলেন সেন বংশীয় রাজা লক্ষ্মণ সেন।
- তিনি তখন রাজধানী নদীয়ায় অবস্থান করছিলেন।
- বখতিয়ার খলজি শুধু দুর্ধর্ষ যোদ্ধাই ছিলেন না, তিনি একজন কৌশলী সমরবিদও ছিলেন।
- তাই তিনি ঝাড়খণ্ডের দুর্গম জঙ্গলের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হন।
- তিনি বিরাট বাহিনীকে ছোট ছোট দলে বিভক্ত করে নিজে একটি ছোট দলের অগ্রভাগে ছিলেন।
- কথিত আছে যে, বখতিয়ার খলজি এতই ক্ষিপ্রতার সাথে অগ্রসর হয়েছিলেন যে, তাঁর সাথে মাত্র ১৮ জন অশ্বারোহী সৈনিক তাল রেখে আসতে পেরেছিলেন।
- ফলে তিনি যখন নদীয়া পৌঁছলেন, তখন লোকেরা ভাবল যে, কিছু ঘোড়াব্যবসায়ী হয়ত রাজ দরবারে যাচ্ছে।
- বখতিয়ার খলজি কোথাও কোনো বাধা না পেয়ে সোজা রাজপ্রাসাদের প্রধান ফটকে গিয়ে উপস্থিত হন। 
- এ সময় রাজা লক্ষ্মণ সেন মধ্যাহ্ন ভোজনে বসেছিলেন।
- খবর পেয়ে তিনি ধরে নেন যে, তাঁর সৈন্যবাহিনী পরাজিত হয়েছে।
- তাই তিনি খালি পায়ে পেছনের দরজা দিয়ে বের হয়ে নদীপথে পূর্ব-বাংলার বিক্রমপুরে গিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করেন।
- লক্ষ্মণ সেনের বিপুল ধন-সম্পদ বখতিয়ার খলজি লাভ করেন।
- এভাবে নদীয়া অধিকারে করেন বখতিয়ার খলজি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৭.
নিচের কোনটি প্রাচীন পুণ্ড্র নগরীর ধ্বংসাবশেষ?
  1. পাহাড়পুর
  2. মধুপুর
  3. ময়নামতি
  4. মহাস্থানগড়
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
পুণ্ড্র:
- পুণ্ড্র শব্দের অর্থ আখ বা ইক্ষু।
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র।
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর এলাকা নিয়ে এ পুণ্ড্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল।
- রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর।
- পরবর্তীকালে এর নাম হয় মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্র নগরীর ধ্বংসাবশেষ বলে পণ্ডিতেরা মনে করেন।

উল্লেখ্য,
- পুণ্ড্রই ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ নগরসভ্যতা।
- পাথরের চাকতিতে খোদাই করা লিপি এখানে পাওয়া যায়।
- লিপিটির নাম মহাস্থান ব্রাহ্মীলিপি।
- ধারণা করা হয়, বাংলাদেশে প্রাপ্ত এটিই প্রাচীনতম শিলালিপি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৯৮.
ছাত্র ও নাগরিকদের হত্যার প্রতিবাদে সারাদেশে ছাত্ররা ‘মার্চ ফর জাস্টিস' কত তারিখে পালন করা হয়?
  1. ২৬ জুলাই
  2. ৩১ জুলাই
  3. ২২ জুলাই
  4. ১৮ জুলাই
সঠিক উত্তর:
৩১ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ জুলাই
ব্যাখ্যা
• ছাত্র-জনতার জুলাই অভ্যুত্থানের কালপঞ্জি:

• ৩১ জুলাই ২০২৪:
- হত্যা, গণগ্রেফতার, হামলা, মামলা, জোরপূর্বক গুম এবং ছাত্র ও নাগরিকদের হত্যার প্রতিবাদে সারাদেশে ছাত্ররা ‘মার্চ ফর জাস্টিস' নামে প্রতিবাদ করেছে।
- শিক্ষার্থীদের নয়টি সুনির্দিষ্ট দাবির পক্ষে দেশব্যাপী আদালত প্রাঙ্গণ, ক্যাম্পাস এবং রাস্তায় দুপুর ১২ টায় বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
- সকাল ১১টা ২০ মিনিটে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও সিলেটের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভের সমর্থনে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট থেকে কোর্ট পয়েন্টের দিকে মিছিল করে।
- দুপুর সোয়া ১টার দিকে বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হাইকোর্টের দিকে মিছিল করে। 
- সকাল ১১টা নাগাদ বিক্ষোভকারীরা চট্টগ্রাম আদালত চত্বরে জড়ো হতে শুরু করে।
- পুলিশ ব্যারিকেড সত্ত্বেও, প্রায় ২০০ জন বিক্ষোভকারী চত্বরে প্রবেশ করে এবং অবস্থান নেয়।
- ৫০ থেকে ৬০ জন বিএনপিপন্থী আইনজীবী ছাত্রদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
- অন্যদিকে আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবীরা পাল্টা মিছিল করেন।

উৎস: বাসস।
৩৯৯.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়?
  1. ত্রয়োদশ
  2. চতুর্দশ
  3. পঞ্চদশ
  4. ষোড়শ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- সংশোধনীর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। 

এছাড়া,
- চতুর্দশ সংশোধনী ৪৫ টি নারী আসন সংরক্ষণ,
- ষোড়শ সংশোধনী বিচারপতিদের অভিসংশন ক্ষমতা এবং
- সপ্তদশ সংশোধনী ৫০ টি নারী আসন সংক্রান্ত।

উৎস: বিবিসি নিউজ বাংলা, ১৯ ডিসেম্বর ২০২১ [লিঙ্ক]
৪০০.
কোনটি বাঙালির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত?
  1. ক) একুশ দফা
  2. খ) উনিশ দফা
  3. গ) এগারো দফা
  4. ঘ) ছয় দফা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছয় দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছয় দফা
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয় দফা দাবী কে বাঙালির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয়। ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা দাবী উত্থাপন করেন। একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করেন। ৭ জুন ছয় দফা দিবস পালিত হয়। (সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)