বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৩১ / ১২৪ · ৩,০০১৩,১০০ / ১২,৪২১

৩,০০১.
বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন ঘটনাটি আগে ঘটেছিল?
  1. ক) শাসনতন্ত্র আন্দোলন
  2. খ) ভাষা আন্দোলন
  3. গ) যুক্তফ্রন্ট গঠন
  4. ঘ) শিক্ষা আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
খ) ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের ঘটনাটি আগে ঘটেছিল -১৯৪৭ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত। 
- যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল- ১৯৫৩ সালের ডিসেম্বরে। 
- শাসনতন্ত্র আন্দোলন হয়েছিল- ১৯৫৬ সালে এবং 
- শিক্ষা আন্দোলন হয়েছিল- ১৯৬২ সালে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক)। 
৩,০০২.
এস. ই. ফাইবার চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে কী বলে আখ্যায়িত করেছেন?
  1. ক) Lobby Group
  2. খ) Organized group
  3. গ) Interest group
  4. ঘ) Pressure group
সঠিক উত্তর:
ক) Lobby Group
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Lobby Group
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সম্পর্কে তথ্য:
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে ‘লবি গ্রুপ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন - এস. ই. ফাইবার
- অন্যদিকে, “Interest group” - বলে আখ্যায়িত করেছেন - এইচ. জিগলার।
- অ্যালেন পটার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর পরিবর্তে ‘সংগঠিত গোষ্ঠী’ (Organized group) শব্দ দু’টি ব্যবহারের পক্ষে।
Almond ও Powel চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে চার ভাগে ভাগ করেছেন।
যথা:-
1. Institutional Interest Groups
2. The Associational Interest Groups
3. Anomic Interest Groups
4. Non-Associational Interest Groups.
অন্যদিকে, অ্যালান বল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে দুই ভাগে ভাগ করেছেন।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০০৩.
কৃষক প্রজা পার্টি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৩৬ সাল
  2. খ) ১৯০৫ সাল
  3. গ) ১৯১১ সাল
  4. ঘ) ১৯৪৭ সাল 
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৩৬ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৩৬ সাল
ব্যাখ্যা
ফজলুল হক ১৯৩৬ সালের জুলাই মাসে ঢাকায় কৃষক প্রজা পার্টি (কে.পি.পি) প্রতিষ্ঠা করেন। আর্থ-সামাজিক কর্মসূচি সম্বলিত এ রাজনৈতিক দলটি ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত বাংলার রাজনীতিতে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করেছিল।
১৯৩৭ সালের নির্বাচনে কে.পি.পি-র প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ। কৃষক ভোটাররা হকের প্রতি বিশাল সমর্থন জানায়। কে.পি.পি-র টিকেটে নির্বাচিত ৩৬ আসনের ৩৩টি আসে পূর্ব বঙ্গ থেকে। এর ফলে কে.পি.পি পূর্ব বঙ্গের একটি দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া]
৩,০০৪.
পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয় কবে?
  1. ২০ মার্চ, ১৯৫৬
  2. ২১ মার্চ, ১৯৫৬
  3. ২২ মার্চ, ১৯৫৬
  4. ২৩ মার্চ, ১৯৫৬
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৫৬
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানের শাসনতন্ত্র বিল:
- পাকিস্তান সৃষ্টির দীর্ঘ ৯ বছর পর শাসনতন্ত্র বিশেষজ্ঞগণ এ শাসনতন্ত্রটি প্রণয়ন করেছিলেন।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চে পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র।
- ১৯৫৬ সালের ২৯শে ফেব্রুয়ারি গণপরিষদ পাকিস্তানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ধরনের শাসনতন্ত্র গ্রহণ করে।
- জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা ১৯৫৬ সালের ২রা মার্চ গভর্নর শাসনতন্ত্র বিলে সম্মতি দেন।
- মোট ১০৫ পৃষ্ঠার এ শাসনতন্ত্রে একটি প্রস্তাবনা, ১৩টি অংশ, ২৩৪টি বিধিএবং ৬টি তালিকা সন্নিবেশিত ছিল।
- এ শাসনতন্ত্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ছাড়াও প্রাদেশিক শাসন ব্যবস্থার উল্লেখ ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০০৫.
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় ‘কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন ‘মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান কে?
  1. ক) আবু হোসেন সরকার
  2. খ) আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরি
  3. গ) সৈয়দ আজিজুল হক
  4. ঘ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ঘ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
• ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিক লীগকে মোকাবিলার জন্য ৪টি রাজনৈতিক দল ‘যুক্তফ্রন্ট’ নামে জোট গঠন করে। • যুক্তফ্রন্টের প্রধান তিন নেতা ছিলেন মওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
• ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
• যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।যথা: 

১. আওয়ামী মুসলিম লীগ – হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা ভাসানী
২. কৃষক শ্রমিক পার্টি – শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক
৩. নেজামে ইসলাম পার্টি – মওলানা আতাহার আলী
৪. বামপন্থী গনতন্ত্রী দল – হাজী মোহাম্মদ দানেশ

• যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা: 
১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে। মুখ্যমন্ত্রী হন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক। অন্যান্য মন্ত্রী-
১. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র---এ কে ফজলুল হক
২. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার--আবু হোসেন সরকার
৩. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী---আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরি
৪. সৈয়দ আজিজুল হক--শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প

পরবর্তীতে ১৫ মে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্বকনিষ্ট মন্ত্রী হিসবে কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। 

রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ফজলুল হক মন্ত্রীসভা বাংলাকে স্বাধীন করবে এমন অজুহাতে ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদ বাতিল করেন। ফজলুল হক মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ৫৬ দিন যার মধ্যে পূর্নাঙ্গ মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ১৫ দিন।

SOURCE: বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র ) ,প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক ।
৩,০০৬.
কোন সেক্টরে নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিল না?
  1. ৮নং সেক্টর
  2. ৯নং সেক্টর
  3. ১০নং সেক্টর
  4. ১১নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
১০নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
১০ নং সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধকালে যুদ্ধাঞ্চলকে যে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এর মধ্যে ১০নং সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো।
- মূলত সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকা, নদী ও সমুদ্র বন্দরসহ বাংলাদেশের সমগ্র জলপথ নিয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়।
- নদীমাতৃক বাংলাদেশের সঙ্গে সমুদ্রপথে পাকিস্তানের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া ছিল নৌ-কমান্ডো আক্রমণের উদ্দেশ্য।
- ১০নং সেক্টরের কোনো নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না।
- অপারেশনের সময় কমান্ডোদের কাজের নিয়ন্ত্রণ থাকত যে এলাকায় অপারেশন পরিচালিত হবে সে এলাকার সেক্টর কমান্ডারের ওপর।
- এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,০০৭.
'সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান' কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ১৯৬৯ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
• সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান:
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা এবং ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতা হত্যাকাণ্ডের ঘটনার ধারাবাহিকতায় ওই দিনই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ তার অনুসারী সেনাসদস্যদের নিয়ে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দী করেন।
- ৬ নভেম্বর খালেদ মোশাররফ বঙ্গভবনের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন।
- তৎকালীন প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমদকে গ্রেফতার করেন এবং মন্ত্রিসভা বাতিল ও জাতীয় সংসদ ভেঙে দেয়ার ঘোষণা দেন।
- একই দিনে তিনি প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে দেশের প্রেসিডেন্টের বানান।
- পরবতীতে ৬ নভেম্বর গভীর রাতে সেনাবাহিনীর সাধারণ সিপাহিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশপ্রেমবোধ নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
- সিপাহি-জনতার সেই বিপ্লবে মুক্ত হন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান।
- ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে সর্বস্তরের সৈনিক ও জনতা সম্মিলিতভাবে নেমে আসে ঢাকার রাস্তায়, ছড়িয়ে পড়ে উচ্ছাসে আর ভালোবাসায়।
- এটাই  ইতিহাসে সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান নামে পরিচিত।
- বিশাল এক জনসংহতির নজির সৃষ্টি হয় দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতি নির্মাণের প্রচেষ্টায়।
-১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানে ঐ বছরের মধ্য আগস্ট থেকে চলা অস্থিতিশীল পরিস্থিতির অবসান হয়।

উল্লেখ্য,
-বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন পৃথক নামে দিনটি পালন করে।
-বিএনপি দিনটিকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে।
-জাসদ দিনটিকে পালন করে ‘সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো।
৩,০০৮.
আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে মুসলিম শব্দ বাদ দেওয়া হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫৩ সালে
  2. খ) ১৯৫৫ সালে
  3. গ) ১৯৫৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৬০ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫৫ সালের ২১শে অক্টোবর আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দ বাদ দেওয়া হয়। অসাম্প্রদায়িক চেতনার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তা করা হয়। একই কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয়বারের মতো আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
(সূত্রঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী)
৩,০০৯.
দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা-
  1. ক) কুতুবউদ্দিন আইবক
  2. খ) মুহাম্মদ ঘোরী
  3. গ) শামসুদ্দীন ইলতুৎমিশ
  4. ঘ) সুলতানা রাজিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) শামসুদ্দীন ইলতুৎমিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শামসুদ্দীন ইলতুৎমিশ
ব্যাখ্যা
দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ইলতুৎমিশ। 

- ইলতুৎমিশ (১২১০-১২৩৬) দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিবেচিত শামসুদ্দীন ইলতুৎমিশ তুর্কিস্তানের ইলবারি গোত্রের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- জনশ্রুতি আছে যে, ইলতুৎমিশের বুদ্ধিমত্তা, বিচক্ষণতা ও সুদর্শন চেহারা তাঁর ভাইদের মনে ঈর্ষার উদ্রেক করে এবং তারা তাঁকে বাল্যকালে ক্রীতদাসরূপে বিক্রি করে দেয়।
- দিল্লির শাসনকর্তা কুতুবউদ্দীন তার নৈপূণ্যে আকৃষ্ট হয়ে তাকে উচ্চমূল্যে ক্রয় করেন।
- ইলতুৎমিশের পদমর্যাদা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে।
- তিনি দিল্লির সুলতান কুতুবউদ্দীনের অধীনে বদায়ুনের শাসনকর্তা নিযুক্ত হন এবং তার সঙ্গে সুলতানের এক কন্যার বিবাহ দেওয়া হয়।
- ইলতুৎমিশ ১২১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
৩,০১০.
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহিদ হন কে?
  1. ক) জেহাদ
  2. খ) ডা. মিলন
  3. গ) নূর হোসেন
  4. ঘ) মতিউর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মতিউর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মতিউর
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালে সংঘটিত উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ফলে স্বৈরাচার আইয়ুব খান সরকারের পতন ঘটে। এই আন্দোলননে ২৪ জানুয়ারি ঢাকার নবকুমার ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণীর ছাত্র মতিউর পুলিশের গুলিতে শহিদ হন। একইদিন মকবুল, রুস্তম ও আলমগীর নামে আরও তিনজন শহিদ হন।
এছাড়া ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদুজ্জামান, ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহা শহিদ হন।
অন্যদিকে নূর হোসেন, জেহাদ এবং ডা. মিলন নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহিদ হন।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,০১১.
মাস্টারদার প্রকৃত নামের ক্ষেত্রে কোনটি সমর্থনযোগ্য?
  1. ক) নেতাজী
  2. খ) অজয় সেন
  3. গ) সূর্যসেন
  4. ঘ) মাস্টার মশাই
সঠিক উত্তর:
গ) সূর্যসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সূর্যসেন
ব্যাখ্যা
- এমন একজন দুঃসাহসী বিপ্লবী ছিলেন চট্টগ্রামের মাস্টারদা, যার আসল নাম সূর্যসেন (১৮৯৪-১৯৩৪)।
- তিনি চট্টগ্রামকে ব্রিটিশ শাসন মুক্ত করার জন্য গঠন করেন চট্টগ্রাম বিপ্লবী বাহিনী।
- পরে এই বিপ্লবী বাহিনীর নাম হয় ‘চিটাগাঙ রিপাবলিকান আর্মি’।
- এই বাহিনী একের পর এক সরকারি প্রতিষ্ঠান দখল করে, সরকারি অস্ত্রাগার লুণ্ঠন করে ‘স্বাধীন চিটাগাঙ সরকার’ গঠনের ঘোষণা দেয়।
- যুদ্ধ ঘোষণা করে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে।
- এ যুদ্ধ ছিল অসম শক্তির যুদ্ধ। ফলে গোলাবারুদ ফুরিয়ে গেলে বিপ্লবীরা পিছু হটে।
- ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে সূর্যসেন গ্রেফতার হন।
- ১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দে সংক্ষিপ্ত ট্রাইবুনালের বিচারে তাঁকে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়।
- চরম নির্যাতনের পর ১২ জানুয়ারি তাকে ফাঁসি দেয়া হয় এবং তাঁর লাশ বঙ্গোপসাগরে ভাসিয়ে দেয়া হয়।
- সূর্য সেনের বিপ্লবী বাহিনীতে নারী যোদ্ধাও ছিলেন। 
-  উল্লেখযোগ্য কল্পনা দত্ত ও প্রীতিলতা।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
৩,০১২.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে কী নেই?
  1. বাংলাদেশের মানচিত্র
  2. ভাসমান শাপলা ফুল
  3. ৪ টি তারকা
  4. ’গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ লেখা
সঠিক উত্তর:
ভাসমান শাপলা ফুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাসমান শাপলা ফুল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার - নিত্যানন্দ সাহা (এনএন সাহা)।
- এই মনোগ্রামে রয়েছে লাল বৃত্তের মাঝখানে হলুদ রংঙের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপরে লেখা ’গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’, নিচে লেখা ’সরকার’ এবং বৃত্তের দুপাশে রয়েছে ২ টি করে মোট ৪ টি তারকা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার - কামরুল হাসান।
- জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রে রয়েছে পানিতে ভাসমান একটি শাপলা ফুল, তার উপর ৩ টি পরস্পর সংযুক্ত পাট পত্রক এবং তার দুপাশে ২ টি করে তারকা।
- সৈয়দ মাইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের ডিজাইনার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,০১৩.
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রথম নারী শহীদ কে?
  1. শারমিন আক্তার
  2. নাঈমা সুলতানা
  3. তানজিলা নাযিয়া
  4. তহমিনা রহমান
সঠিক উত্তর:
নাঈমা সুলতানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাঈমা সুলতানা
ব্যাখ্যা
• জুলাই গণঅভ্যুত্থান:
- ৮৪৪ জন জুলাই শহীদের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে।
- এর মধ্যে ৬ থেকে ৬০ বছর বয়সী ১০ জন নারীর নাম রয়েছে।
- শহীদ ১০ জন নারীর মধ্যে ৭ জন ঢাকায়, ২ জন নারায়ণগঞ্জে ও ১ জন সাভারে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন।
- প্রথম নারী শহীদ নাঈমা সুলতানা।
- সময়:  ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীর উত্তরার বাসার বারান্দায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়।

 উৎস: প্রথম আলো।
৩,০১৪.
সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন - প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. ক) নওয়াব আবদুল লতিফ
  2. খ) স্যার সৈয়দ আহমদ
  3. গ) সৈয়দ আমির আলি
  4. ঘ) নবাব স্যার সলিমুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দ আমির আলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দ আমির আলি
ব্যাখ্যা
১৮৭৭ সালে সৈয়দ আমির আলি কলকাতায় সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯০৬ সালে মুসলিমলীগ প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশনই ছিলো মুসলানদের একমাত্র রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
সৈয়দ আমির আলিই প্রথম মুসলমানদের জন্যে পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। তিনি আজীবন সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক ছিলেন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৩,০১৫.
'বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা' করার দাবি যুক্তফ্রন্টের কত নং দফায় অন্তর্ভূক্ত ছিল?
  1. ১ নং
  2. ২ নং
  3. ৩ নং
  4. ৪ নং
সঠিক উত্তর:
১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নং
ব্যাখ্যা

- ৪ ডিসেম্বর ১৯৫৩ সালে গঠিত হয় যুক্তফ্রন্ট।
- যুক্তফ্রন্ট কর্তৃক নির্বাচনী প্রচারণা পরিচালিত হয় ২১ দফার ভিত্তিতে।
- ২১ দফার অন্যতম রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- ২১ দফার প্রথম দফাটি ছিল বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দান।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৩,০১৬.
Who was the last Chief Minister of undivided Bengal?
  1. Husen Shahid Suhrawardy
  2. Khaja Nazim Uddin
  3. Abul Hashem
  4. A. K. Fazlul Haque
  5. None of them
সঠিক উত্তর:
Husen Shahid Suhrawardy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Husen Shahid Suhrawardy
ব্যাখ্যা
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:
- অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলায় সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিমলীগ ১১৪টি আসন পেয়ে জয় লাভ করে এবং সোহরাওয়ার্দী মুখ্যমন্ত্রী হন।
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হলে খাজা নাজিমুদ্দিন পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

অন্যদিকে,
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০১৭.
মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা কোনটি?
  1. ঢাকা
  2. যশোর
  3. রাজশাহী
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
যশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যশোর
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ ও যশোর জেলাঃ
- ১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাণপণ লড়াইয়ে দেশের সর্বপ্রথম শত্রু মুক্ত হয় যশোর জেলা।
- ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠর মধ্যে ২-জনই বৃহত্তর যশোর জেলার কৃতি সন্তান।
- এরা হলো বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ও বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সেপাহী হামিদুর রহমান।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যশোরই হল প্রথম শত্রু মুক্ত জেলা।

উল্লেখ্য,
- সর্বশেষ শত্রু মুক্ত হয় ঢাকা জেলা।

উৎস: যশোর জেলার ওয়েবসাইট।

৩,০১৮.
জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড কত সালে সংঘটিত হয়? 
  1. ১৯১১ সালে
  2. ১৯১৬ সালে
  3. ১৯১৯ সালে
  4. ১৯২১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯১৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১৯ সালে
ব্যাখ্যা

জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড:
- ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের অমৃতসরের জালিয়ানওয়ালাবাগে হত্যাযজ্ঞটি সংঘটিত হয়েছিল ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল।
- ব্রিটিশ সরকারের সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল রেগিনাল্ড ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র নারী-পুরুষ ও শিশুদের এক সমাবেশে শত শত রাউন্ড গুলিবর্ষণ করেছিল।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে তার ‘নাইটহুড উপাধি’ বর্জন করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ইংরেজদের সুবিধা করে দিতে ১৯১৯ সালের ১০ মার্চ বলবৎ করা হয় কুখ্যাত ‘রাওলাট অ্যাক্ট’।
- এমনই এক সময়ে ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল পাঞ্জাবের অমৃতসর শহরে ডাকা হলো এক প্রতিবাদসভা।
- সেদিন আবার ছিল পাঞ্জাবের অন্যতম বৃহৎ উৎসব বৈশাখীরও দিন।
- তখন পাঞ্জাবে জনসমাবেশ নিষিদ্ধ হলেও সাতসকালেই উদ্যান ভরে গেল উৎসাহী ক্রোধতপ্ত মানুষে।
- ইংরেজ সেনাবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত জেনারেল রেগিনাল্ড ডায়ারের নির্দেশে মুহূর্তেই গুলি ছুটল প্রতিবাদী জনসমষ্টির দিকে।
- এতে মারা যায় অসংখ্য মানুষ।

উৎস: i) বিবিসি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৩,০১৯.
বল্লাল সেন কার পুত্র ছিলেন?
  1. বিজয় সেন
  2. হেমন্ত সেন
  3. লক্ষ্মণ সেন
  4. গোবিন্দপাল
সঠিক উত্তর:
বিজয় সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজয় সেন
ব্যাখ্যা
- বিজয় সেনের মৃত্যুর পর বল্লাল সেন আনুমানিক ১১৬০ সালে সিংহাসনে বসেন।

বল্লাল সেন:
- বিজয় সেনের মৃত্যুর পর আনুমানিক ১১৬০ সালে তার পুত্র বল্লাল সেন সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি রাজ্য জয়ের চেয়ে দেশের ভেতরে উন্নয়ন, নতুন প্রথা চালু ও সংস্কারের কাজে অধিকতর মনোযোগী ছিলেন।
- তবে তিনি গোবিন্দপালকে পরাজিত করে মগধের পূর্বাঞ্চল অধিকার করেন।
- কথিত আছে যে, বল্লাল সেন তাঁর পিতার রাজত্বকালে মিথিলা জয় করেন।
- বল্লাল সেন বিদ্যান ও বিদ্যোৎসাহী রাজা ছিলেন।
- তিনি ব্রতসাগর, আচারসাগর, প্রতিষ্ঠাসাগর, দানসাগর ও অদ্ভুতসাগর নামে পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (৯ম-১০ম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০২০.
দুদক হটলাইনের মাধ্যমে দুর্নীতি সংক্রান্ত তথ্য জানানোর নম্বর কোনটি?  
  1. ১০৬
  2. ১০৩
  3. ১১১
  4. ১০৮
সঠিক উত্তর:
১০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৬
ব্যাখ্যা

- দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য সরাসরি জানাতে এখন থেকে চালু হলো দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হটলাইন ‘১০৬’।
- বিনা খরচে এবং যে কোন মোবাইল বা টেলিফোন থেকে এই নাম্বারে কল করে দুদককে দুর্নীতির তথ্য, অভিযোগ জানানো যাবে।
- অফিস চলাকালীন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এই নম্বরে ফ্রি কল করে দুর্নীতির তথ্য জানানো যাবে।

• বিভিন্ন সেবায় হটলাইন:
- ৯৯৯: বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার। ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস। 
- ১০৬: দুর্নীতি দমন কমিশনের কল সেন্টার।
- ১৬৪৩০: সরকারি আইনি সহায়তা কল সেন্টার। 
- ১৬১২৩: কৃষি বিষয়ক যে কোন পরামর্শ পেতে বিনামূল্যে কল করুন। 
- ১০৯: নারী ও শিশু নির্যাতন অথবা পাচারের ঘটনা প্রতিরোধে কল সেন্টার।
- ১০৯৮: শিশু সহায়তামুলক কল সেন্টার।
- ৩৩৩: জাতীয় তথ্যবাতায়ন কল সেন্টার।
- ১৬২৬৩: বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য কল সেন্টার। 
- ১৬১০৮: মানবাধিকার সহায়ক কল সেন্টার। 
- ১৬২৫৬: আপনার ইউনিয়নের সকল তথ্য জানতে কল করুন ইউনিয়ন সহায়তামুলক কল সেন্টারে।
- ১৩১: বাংলাদেশ রেলওয়ে কল সেন্টার। 
- ১০৫: জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্য কল সেন্টার।
- ১০০: বিটিআরসি কল সেন্টার।
- ১৬৪২০: বিটিসিএল কল সেন্টার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,০২১.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয় -
  1. ক) ২০০০ সনের ২৩ অক্টোবর
  2. খ) ২০০১ সনের ২৪ অক্টোবর
  3. গ) ২০০১ সনের ২৩ অক্টোবর
  4. ঘ) ২০০১ সনের ২৫ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০১ সনের ২৩ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০১ সনের ২৩ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিচিতি
২০০১ সনের ২৩ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়;
• সর্বপ্রথম বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ভবনে ৩ টি কক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরম্ভ হয়;
• মন্ত্রণালয়ের কাজের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের নিমিত্ত ও মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নির্বিঘ্নে সেবা প্রদানের সুবিধার্থে ২০০২ সালে বিআরটিবি ভবন,এলেনবাড়ী, তেজগাঁও-এ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় স্থানান্তরিত হয়;
• পরবর্তীতে কাজের কলেবর ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান ঠিকানা সচিবালয় লিংক রোড, ঢাকার সরকারি পরিবহন পুলভবনের ৬ষ্ঠ ও ৭ম তলায় গত ১০/১০/২০০৬ তারিখ হতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৩,০২২.
ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রথম শহীদ বিপ্লবী নারী কে ছিলেন?
  1. লীলা নাগ
  2. প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
  3. মনোরমা নাসিমা
  4. কল্পনা দত্ত
সঠিক উত্তর:
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
ব্যাখ্যা
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার:
- ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রথম শহীদ বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার।
- ১৯১১ সালের ৫ মে চট্টগ্রামের বর্তমান পটিয়া উপজেলার ধলঘাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ইডেন কলেজে ছাত্রী থাকাকালে প্রীতিলতা লীলা নাগের নেতৃত্বাধীন দীপালি সংঘের অন্তর্ভুক্ত শ্রীসংঘের সদস্য ছিলেন।
- ১৯৩০ সালে সমগ্র বাংলা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী হয়ে ওঠে।
- প্রথম মহিলা সদস্য হিসেবে প্রীতিলতা যোগ দেন সূর্যসেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের সঙ্গে।
- ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
- প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে।
- ওই সময়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হলে তাত্ক্ষণিকভাবে পটাসিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন।
- তাঁর আত্মদান বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে আরো উজ্জীবিত করে তোলে।
- পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবটি এখন ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা জাদুঘর’ নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
লীলা নাগ:
- লীলা নাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী।
- তিনি একজন সক্রিয় বিপ্লবী ও আন্দোলনকারী। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,০২৩.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে খেতাবপ্রাপ্ত ডব্লিউ এস ওডারল্যান্ড কোন দেশের নাগরিক?
  1. ক) পোল্যান্ড
  2. খ) সুইডেন
  3. গ) স্কটল্যান্ড
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
একজন বিদেশি হয়েও ডব্লিউ এস ওডারল্যান্ড বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে। ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তিনি ২নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। অসীম সাহসিকতার জন্যে বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করে। তিনি ২০০১ সালে মারা যান। (সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৩,০২৪.
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কয়টি আসন পায়?
  1. ক) ২৩৭টি
  2. খ) ২২৩টি
  3. গ) ১৪৩টি
  4. ঘ) ১৬৯টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪৩টি
ব্যাখ্যা

• ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রাপ্ত আসন ২২৩টি।
- যার মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৪৩ টি আসনে জয়ী।
- কৃষক শ্রমিক পার্টি ৪৮টি আসনে জয়ী।
- নেজামে ইসলাম ১৯টি আসনে জয়ী।
- গণতন্ত্রী পার্টি ১৩টি আসনে জয়ী হয়।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৩,০২৫.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে রচিত যাত্রাপালার নাম কি?
  1. নিঃসঙ্গ সঙ্গিনী
  2. নিঃসঙ্গ লড়াই
  3. নিঃসঙ্গ রাত
  4. নিঃসঙ্গ রাত্রিবাস
সঠিক উত্তর:
নিঃসঙ্গ লড়াই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঃসঙ্গ লড়াই
ব্যাখ্যা
যাত্রাপালা ‘নিঃসঙ্গ লড়াই’:

- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে তৈরি হয়েছে যাত্রাপালা ‘নিঃসঙ্গ লড়াই’।
- পাকিস্তানের লায়ালপুর জেলখানার বন্দি থাকা অবস্থায় তার জীবনীভিত্তিক কাহিনী নিয়েই গড়ে উঠেছে যাত্রাপালাটি।
- এর পালাকার মাসুম রেজা। নির্দেশনা দিয়েছেন সাইদুর রহমান লিপন।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ যাত্রাপালাটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে।
- পালাটি পরিচালনা করছে সাইদুর রহমান লিপন।
- বঙ্গবন্ধু চরিত্রে অভিনয় করবেন মিঠুন ইসলাম। ইয়াহিয়া চরিত্রে এস এম শফি, জুলফিকার আলী ভুট্টোর চরিত্রে আফসারুজ্জামান রনি অভিনয় করেছেন।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ৯ জানুয়ারি, ২০২২।
৩,০২৬.
প্রথম তৈরি শহিদ মিনার উদ্বোধন করেন কে?
  1. ক) শফিউর রহমান
  2. খ) আবুল কাশেম
  3. গ) মাহবুবুর রহমান
  4. ঘ) হামিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
গ) মাহবুবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাহবুবুর রহমান
ব্যাখ্যা
- ১৯৫২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের উদ্যোগে বর্তমান শহিদ মিনারের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে প্রথম শহিদ মিনার নির্মিত হয়।
- এটি ২৪ ফেব্রুয়ারি শহিদ শফিউরের পিতা মাহবুবুর রহমান অনানুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন আনুষ্ঠানিক ভাবে এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন। ঐ দিন বিকেলবেলা পুলিশ এটি ভেঙে ফেলে।
- এরপর ১৯৬৩ সালে হামিদুর রহমানের নকশায় নির্মিত শহিদ মিনার উদ্বোধন করেন শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,০২৭.
১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল প্রণয়ন করা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল কী নামে পরিচিত হয়?
  1. মালনীছড়া রণকৌশল
  2. তেলিয়াপাড়া রণকৌশল
  3. মুজিবনগর রণকৌশল
  4. বৈদ্যনাথপাড়া রণকৌশল
সঠিক উত্তর:
তেলিয়াপাড়া রণকৌশল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেলিয়াপাড়া রণকৌশল
ব্যাখ্যা
তেলিয়াপাড়া রণকৌশল:
- ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তারা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল প্রণয়ন করে।
- পরে এটি তেলিয়াপাড়া রণকৌশল নামে পরিচিত হয়।
- বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে।
- তেলিয়াপাড়াকে মুক্তিযুদ্ধের অগ্নিসাক্ষী হিসেবে পরিচিত করার মূল ভূমিকা পালন করেন ৪র্থ ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক মেজর খালেদ মোশাররফ।
- ২৭ মার্চ মেজর শাফায়াত জামিলের নেতৃত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদ্রোহ শুরু হয়, যেখানে কয়েকজন পাক সেনা অফিসার বন্দী হন।
- এরপর মেজর খালেদ মোশাররফ অধিনায়কত্ব গ্রহণ করেন এবং বিদ্রোহের সংবাদ ছড়িয়ে দেন।
- ২৮ মার্চ সম্ভাব্য বিমান হামলা এড়াতে ৪র্থ ইস্ট বেঙ্গলের সদর দপ্তর তেলিয়াপাড়া চা বাগানে স্থানান্তরিত হয়।
- ৪ এপ্রিল এখানে বিদ্রোহী সেনা কর্মকর্তাদের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
- ভারতীয় বিএসএফ-এর ব্রিগেডিয়ার ভি সি পান্ডে এবং আগরতলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ওমেস সায়গলসহ বাংলাদেশের বিদ্রোহী সেনা কর্মকর্তা ও কর্নেল ওসমানী এই সভায় উপস্থিত ছিলেন।
- এ সভার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক পরিকল্পনা গৃহীত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,০২৮.
Who was the first Prime Minister of the Provisional Government of Bangladesh?
  1. ক) Sheikh Mojibur Rahman
  2. খ) Tajuddin Chowdhury
  3. গ) Nazrul Islam
  4. ঘ) Tajuddin Ahmed
সঠিক উত্তর:
ঘ) Tajuddin Ahmed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Tajuddin Ahmed
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।
- মুজিবনগর সরকার  মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিব নগর সরকার গঠিত হয় -  ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে।
- সরকার শপথ গ্রহন করে ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
- শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যপক ইউসুফ আলী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করা হয়।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,০২৯.
কত তারিখে 'ছয়দফা দিবস' পালিত হয়?
  1. ক) ৭ জুন
  2. খ) ১৩ মার্চ
  3. গ) ১৮ জুন
  4. ঘ) ১২ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
ক) ৭ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭ জুন
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলসমূহের সম্মেলেনে বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন সংবলিত ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন।
- পরবর্তীতে ১৮-২০ মার্চ ১৯৬৬ আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সভায় ৬ দফা গৃহিত হয়। পরবর্তীতে, বঙ্গবন্ধু ছয়দফা উত্থাপনের জের ধরে গ্রেপ্তার হন।
- ৭ জুন ছয় দফা দাবী এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবীতে হরতাল চলাকালে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে অনেকে নিহত হয়।
- এর ফলশ্রুতিতে ৭ জুনকে ছয় দফা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- ছয় দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।

উৎস: অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেনি।
৩,০৩০.
ভারতবর্ষে ইউরোপীয়দের মধ্যে প্রথম দুর্গ স্থাপন করেন -
  1. ফরাসীরা
  2. দিনেমাররা
  3. ওলন্দাজরা
  4. পর্তুগিজরা
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজরা
ব্যাখ্যা
পর্তুগিজ
- পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দ্য-গামার উপমহাদেশে আসার পরপরই পর্তুগিজরা এ দেশে আসতে শুরু করে।
- আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
- কলম্বাস বিখ্যাত ইতালীয় নাবিক ছিলেন।
- পর্তুগিজরা বাংলাদেশের চট্টগ্রামেও বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে এবং কুঠিগুলোকে দুর্গে পরিণত করে।
- পর্তুগিজরাই প্রথম ইউরোপীয় যাঁরা ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য কাজে এদেশে সুদূরপ্রসারী ও স্থায়ী প্রভাব রেখে গেছে।
- ভারতে প্রথম ইউরোপীয় দুর্গগুলির মধ্যে, ফোর্ট ইমানুয়েল ১৫০৩ সালে পর্তুগিজদের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল।
- ফোর্ট কোচিতে অবস্থিত।
- এটি একসময় কোচির শাসক এবং পর্তুগালের রাজার মধ্যে জোটের প্রতীক ছিল।
- সৈকত বরাবর একটি আকর্ষণীয় কাঠামো, এটি একটি আকর্ষণীয় অনুসন্ধানের জন্য তৈরি করে।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ফোর্ট ইমানুয়েল, অবিশ্বাস্য ভারত।
৩,০৩১.
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. যশোর
  2. সিলেট
  3. খুলনা
  4. চট্টগ্রাম
  5. নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন:
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন: ১৯৩৫ সালে।
- তাঁর জন্মস্থান: বাঘচাপড়া, নোয়াখালী।
- ১৯৫৩ সালে তিনি নৌ বাহিনীতে জুনিয়ার মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে তিনি ২নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন।
- সেপ্টেম্বর ১৯৭১ এ বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী গঠনের উদ্দেশ্যে সকল সেক্টর থেকে প্রাক্তন নৌসেনাদের আগরতলায় সংগঠিত করে নৌ বাহিনীর প্রাথমিক কাঠামো গঠন করা হয়।
- ভারত সরকার বাংলাদেশ নৌ বাহিনীকে দুইটি টাগবোট উপহার দেয়। এগুলোকে কোলকাতার গার্ডেনরীচ নৌ ওয়ার্কসপে দুইটি বাফার গান ও মাইন পড লাগিয়ে গানবোটে রূপান্তরিত করা হয়।
- গানবোট দুটির নামকরণ করা হয় 'পদ্মা' ও 'পলাশ'।
- রুহুল আমিন নিয়োগ পান 'পলাশের' ইঞ্জিন রুম আর্টিফিশার হিসেবে।
- ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে সম্মুখ যুদ্ধে তিনি নিহত হন।
- খুলনার রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩,০৩২.
১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবর কাকে পরাজিত করেন?
  1. ক) ইব্রাহিম লোদী
  2. খ) শিবাজি
  3. গ) বৈরাম খাঁ
  4. ঘ) রানা প্রতাপ সিংহ
সঠিক উত্তর:
ক) ইব্রাহিম লোদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইব্রাহিম লোদী
ব্যাখ্যা
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- পক্ষ: সম্রাট বাবঢ় বনাম ইব্রাহিম লোদী। 
- সময়কাল: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ।
- অপরদিকে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্য সংখ্যা ছিল এক লক্ষ। 
- পানিপথ প্রান্তরে বাবর ভিন্ন রকম যুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করেছিলেন। 
- প্রতিরক্ষা হিসেবে পরিখা খনন করেন। 
- ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করেন। 
- শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদী পরাজিত ও নিহত হন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৩৩.
বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমদ
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
ক) তাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
তাজউদ্দীন আহমদ: 
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী (১০ এপ্রিল, ১৯৭১ - ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২)।
- ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর কারাগারে তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
- এই দিনটি “জেলহত্যা দিবস” নামে পরিচিত।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
৩,০৩৪.
মুক্তিযুদ্ধকালে ভারত-সোভিয়েত ইউনিয়ন মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত তারিখে?
  1. ক) ৯ আগস্ট ১৯৭১
  2. খ) ৪ জুলাই ১৯৭১
  3. গ) ৬ মে ১৯৭১
  4. ঘ) ৭ মার্চ ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ক) ৯ আগস্ট ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯ আগস্ট ১৯৭১
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে সোভিয়েত নীতির বিভিন্ন পর্যায়

- ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে আমেরিকান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার পাকিস্তান সফর করার পরই প্রেসিডেন্ট নিক্সনের প্রস্তাবিত চীন সফরের সংবাদ প্রচারিত হয়- যা সোভিয়েত ইউনিয়নের জন্য ছিল বিব্রতকর।
- অন্যদিকে পিকিং থেকে ফিরেই হেনরি কিসিঞ্জার ওয়াশিংটনে ভারতের রাষ্ট্রদূতকে বলেন যে, ভারত পাকিস্তান আক্রমণ করলে চীন হস্তক্ষেপ করবে এবং আমেরিকা ভারতের সাহায্যে নাও এগিয়ে আসতে পারে। 
- এর ফলে ভারতীয় নেতৃবৃন্দ বিশেষভাবে চিন্তিত ও শঙ্কিত হয়ে পড়েন।
- সোভিয়েত ইউনিয়নও এ বিষয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে। ফলে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের পারস্পরিক নিরাপত্তার অভাববোধ থেকে ১৯৭১ সালের ৯ আগস্ট স্বাক্ষরিত হয় ভারত-সোভিয়েত মৈত্রী চুক্তি।

- কিন্তু এই চুক্তি স্বাক্ষরের পর ভারত জোটনিরপেক্ষ নীতি বিসর্জন দিয়েছে বলে সমালোচনা হলে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বলেছিলেন, “India will continue to follow its policy of non-alignment as before.”
- তবে বাস্তব সত্য হচ্ছে যে, চীন-মার্কিন আঁতাতের জবাবেই মূলত এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।


তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৩৫.
কোথায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়?
  1. ঢাকা
  2. খুলনা
  3. কালুরঘাট
  4. মুজিবনগর
সঠিক উত্তর:
মুজিবনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুজিবনগর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণাই হল বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ এই ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিক ভাবে জারি করা হয় এবং ২৬ মার্চ, ১৯৭১ থেকে বলবৎ করা হয়।
- অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এই আদেশ জারি করেন।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ এ অধ্যাপক ইউসুফ আলী মুজিবনগরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৩৬.
পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রথম দাবী কে উত্থাপন করেন? 
  1. আবদুল মতিন 
  2. শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  4. মাওলানা ভাষানী
সঠিক উত্তর:
শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের প্রথম দাবী উত্থাপন করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
- ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা'র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন। 
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী ও বাংলাপিডিয়া।

৩,০৩৭.
Which European Country first introduced Bangladesh as an independent country?
  1. Belgium
  2. East-Germany
  3. Poland
  4. Ukraine
সঠিক উত্তর:
East-Germany
উত্তর
সঠিক উত্তর:
East-Germany
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় - ইরাক।
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে - ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ২৫ মে ১৯৭২।

তথ্যসূত্র - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান), প্রথম আলো।
৩,০৩৮.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. তাজউদ্দীন আহমেদ
  3. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  4. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:

- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
• মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৩৯.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ‘জাতীয় জরুরি সেবা' প্রদান করে থাকে?
  1. ৩৩৩
  2. ৯৯৯
  3. ১০৩
  4. ২২২
সঠিক উত্তর:
৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৯৯
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন সেবায় হেল্পলাইন:
- ৯৯৯: বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার। ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস। দেশের সর্বস্তরের নাগরিকদের জরুরি সেবা প্রদানের উদ্দেশ্য ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর এই সেবা চালু হয়। যেকোনো বিপদে পড়লে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে দ্রুত সেবা পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য,
- ১০৬: দুর্নীতি দমন কমিশনের কল সেন্টার।
- ১৬৪৩০: সরকারি আইনি সহায়তা কল সেন্টার।
- ১৬১২৩: কৃষি বিষয়ক যে কোন পরামর্শ পেতে বিনামূল্যে কল করুন।
- ১০৯: নারী ও শিশু নির্যাতন অথবা পাচারের ঘটনা প্রতিরোধে কল সেন্টার
- ১০৯৮: শিশু সহায়তামুলক কল সেন্টার।
- ৩৩৩: জাতীয় তথ্যবাতায়ন কল সেন্টার।
- ১৬২৬৩: বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য কল সেন্টার।
- ১৬১০৮: মানবাধিকার সহায়ক কল সেন্টার।
- ১৬২৫৬: আপনার ইউনিয়নের সকল তথ্য জানতে কল করুন ইউনিয়ন সহায়তামুলক কল সেন্টারে।
- ১৩১: বাংলাদেশ রেলওয়ে কল সেন্টার।
- ১০৫: জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্য কল সেন্টার।
- ১০০: বিটিআরসি কল সেন্টার।
- ১৬৪২০: বিটিসিএল কল সেন্টার।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,০৪০.
মৌর্যদের পূর্বে মগধে কোন দুটি রাজবংশ শাসন করেছিল?
  1. কুষাণ ও সাতবাহন
  2. শুঙ্গ ও কণ্ব
  3. সেন ও পাল
  4. শৈশুনাগ ও নন্দ
সঠিক উত্তর:
শৈশুনাগ ও নন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৈশুনাগ ও নন্দ
ব্যাখ্যা

মগধ সাম্রাজ্য:
- খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ অব্দে ভারতে কোন অখন্ড সর্বভারতীয় রাজ্য ছিল না।
- এ সময়ে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল ১৬টি রাজ্য বা ষোড়শ মহাজনপদে বিভক্ত ছিল। এ রাজ্যগুলির মধ্যে ভৌগোলিক অবস্থান, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক যোগ্যতাবলে মগধ বৃহৎ শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়।
- বর্তমান বিহারের দক্ষিণাংশ, মুখ্যত পাটনা ও গয়া জেলা, প্রাচীনকালে মগধ নামে পরিচিত ছিল।
- এ রাজ্যের রাজধানী ছিল পাটলীপুত্র।  

• মৌর্যদের পূর্বে দুটি বিখ্যাত রাজবংশ মগধে রাজত্ব করেন বলে জানা যায় এগুলি হলো হর্ষঙ্ক-শৈশুনাগ বংশ এবং নন্দ বংশ।
- হর্ষঙ্ক-শৈশুনাগ বংশের বিম্বিসার, অজাতশত্রু এবং নন্দবংশের মহাপদ্মনন্দ ও ধননন্দ হচ্ছেন প্রসিদ্ধ রাজা।
- বিম্বিসার মগধের সাম্রাজ্য বিস্তার নীতির বীজ বপন করেন।
- বৌদ্ধ শাস্ত্র অনুসারে বিম্বিসারকে হত্যা করে তাঁরই পুত্র অজাতশত্রু মগধের সিংহাসনে বসেন। 

• হর্ষঙ্ক-শৈশুনাগ বংশের পর মহাপদ্মনন্দ প্রতিষ্ঠা করেন নন্দ বংশের শাসন।
- বৌদ্ধ সূত্র মতে, তিনি ছিলেন 'উগ্রসেনা' বা ভয়ংকর সেনাদলের অধিপতি।
- ধননন্দ ছিলেন নন্দবংশের সর্বশেষ রাজা। তিনি অত্যাচারী এবং অর্থলিপ্স হিসাবে ইতিহাসে নিন্দিত। 
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এবং কৌটিল্য এর পরিপূর্ণ সুযোগ গ্রহণ করেন এবং নন্দ বংশের শাসনের অবসান ঘটিয়ে প্রাচীন ভারতে মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত করেন।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৪১.
দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন জারি হয় হয় কবে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
  5. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি:
- ১৯৭৪ সালে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন জারি হয়।
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৮ সালে 'মৌলিক শিক্ষা একাডেমি' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটির নামকরণ করা হয় 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি'।
- এখানে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি দেশের ৬৮টি উপজেলায় এবং ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।

উৎস: জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৩,০৪২.
'ছয় দফা' উত্থাপন করা হয় কোথায়?
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) করাচিতে
  3. গ) পাঞ্জাবে
  4. ঘ) লাহোরে
সঠিক উত্তর:
ঘ) লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লাহোরে
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা দাবী উত্থাপন করেন।
• একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং
• ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করেন।
• পরবর্তীতে, বঙ্গবন্ধু ছয়দফা উত্থাপনের জের ধরে গ্রেপ্তার হন।
• ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ছয় দফা দাবী এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবীতে হরতাল চলাকালে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে অনেকে নিহত হয়।
• এর ফলশ্রুতিতে ৭ জুনকে ছয় দফা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৩,০৪৩.
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বের জন্য কতজন বীরমুক্তিযোদ্ধাকে বীরপ্রতীক উপাধি প্রদান করা হয়?
  1. ৪২৫
  2. ৪৩০
  3. ৪২৬
  4. ৪২০
সঠিক উত্তর:
৪২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৬
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

মহিলা বীরপ্রতীক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁরা হলেন- ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে যথাক্রমে ১১ ও ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৩,০৪৪.
'Government Note' is signed by-
  1. Finance Minister
  2. Bangladesh Bank Governor
  3. Finance Secretary
  4. Prime Minister
সঠিক উত্তর:
Finance Secretary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Finance Secretary
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে দুই টাকা ও পাঁচ টাকা এই দুটি মুদ্রাকে সরকারি নোট বলে।
- এতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে।
- দশ থেকে এক হাজার টাকার নোট ব্যাংক নোট হিসেবে পরিচিত।
- এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।

উৎস: দৈনিক যুগান্তর। [লিঙ্ক]
৩,০৪৫.
হান্টার কমিশন কোন ভাইসরয়ের সময় গঠিত হয়েছিল?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড রিপন
  3. লর্ড ওয়েলেসলি
  4. লর্ড ক্লাইভ
সঠিক উত্তর:
লর্ড রিপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড রিপন
ব্যাখ্যা

হান্টার কমিশন গঠন:
- ১৮৫৪ সালে উডের ডেসপ্যাচে প্রাথমিক ও দেশজ শিক্ষার উন্নতির জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- কিন্তু এই ডেসপ্যাচের ভাবধারা কে অবহেলা করে প্রাথমিক ও দেশজ শিক্ষার উপর গুরুত্ব না দিয়ে শুধু উচ্চশিক্ষা ও সরকারি স্কুল কলেজগুলিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নতি একেবারেই হয় না। তাই সরকার প্রথমে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নতি সম্পর্কে চিন্তা ভাবনা করেন।
- এই পরিস্থিতিতে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড রিপন ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দের ৩রা ফেব্রুয়ারি ২০ জন সদস্য নিয়ে একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।
- এটি প্রথম "ভারতীয় শিক্ষা কমিশন” নামে পরিচিত।
- এই কমিশন স্যার উইলিয়াম উইলসন হান্টারের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল বলে একে "হান্টার কমিশন” বলা হয়।
- স্যার উইলিয়াম উইলসন হান্টার ছিলেন এই কমিশনের সভাপতি।
- অন্যান্য সদস্যরা হলেন আনন্দমোহন বসু, কে.টি. তেলাং, ভূদেব মুখোপাধ্যায়, স্যার সৈয়দ আহমদ খান প্রমুখ।
- প্রাথমিক শিক্ষা ও নিরক্ষরতা বিষয়ে এই কমিশনকে বিশেষভাবে বিচার করার কথা বলা হয়।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,০৪৬.
ভাস্কো-দা-গামা কত খ্রিষ্টাব্দে কালিকট বন্দরে এসে পৌছান?
  1. ১৪৭৮
  2. ১৪৯৮
  3. ১৫১৮
  4. ১৫৩৮
সঠিক উত্তর:
১৪৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৯৮
ব্যাখ্যা

ভাস্কো-দ্য-গামা:
- ভাস্কো-দ্য-গামা প্রথম সমুদ্রপথে ভারতের পশ্চিম-উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের ২৭ মে।
- তার এ উপমহাদেশে আগমন ব্যবসায়-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
- পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দ্য-গামার উপমহাদেশে আসার পরপরই পর্তুগিজরা এ দেশে আসতে শুরু করে।

উল্লেখ্য,
- আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
- কলম্বাস এবং ম্যাজিলানও বিখ্যাত পর্তুগিজ নাবিক ছিলেন।
- পর্তুগিজরা ব্যবসায়-বাণিজ্যকে মূলধন করে এদেশে এলেও ক্রমে ক্রমে তারা সাম্রাজ্য বিস্তারের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন, কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি অঞ্চলে কুঠি স্থাপন এবং ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে শুল্কঘাটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
- প্রথম আগত ইউরোপীয়ান বাণিজ্যিক দল হলেও তাদের অপকর্ম ও দস্যুতার কারণে বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান পর্তুগিজদের চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপের ঘাঁটি দখল করে, তাদের বাংলা থেকে বিতাড়িত করেন।
- তাছাড়া পর্তুগিজরা এদেশে আগত ইউরোপীয় অন্যন্য শক্তির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরাজিত হয়ে এদেশ ত্যাগে বাধ্য হয়।

এছাড়াও,
- ১৪৭৭ খ্রিস্টাব্দে বার্থলমিউ দিয়াজ নামে এক পর্তুগিজ নাবিক আফ্রিকার সর্ব দক্ষিণের বিন্দুতে পৌঁছাতে পেরেছিলেন।
- তিনি যখন ওখানে পৌঁছেন তখন প্রচন্ড ঝড়ের কবলে পড়েন, তাই ঐ স্থানের নাম দিয়েছিলেন "ঝড়ের অন্তরীপ"।
- পর্তুগালের রাজা দ্বিতীয় জন এর মধ্যে আশার আলো দেখতে পান এবং এর নাম রাখেন "উত্তমাশা অন্তরীপ"।

উৎস: i) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৪৭.
কত সালে এরশাদ সরকার দেশে সামরিক আইন জারি করেন?
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৮২ খ্রিস্টাব্দে সামরিক আইন জারি:
- ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর উপ রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
- বিচারপতি সাত্তার নির্বাচিত হওয়ার মাত্র চার মাসের মধ্যে ১৯৮২ সালে ২৪ মার্চ সেনাবাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এরশাদের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করে।
- রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাত্তার অপসারিত হন।
- এরশাদ নিজেকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে ঘোষণা করেন।
- একই সঙ্গে সংবিধান স্থগিত, জাতীয় সংসদ বাতিল এবং মন্ত্রিপরিষদ ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- ১৯৮২ সালে এরশাদ সরকার দেশে সামরিক আইন জারি করেন।
- সামরিক সরকার দেশে সকল প্রকার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৪৮.
প্রাচীন বাংলার পূর্বাংশে কোন অঞ্চল ছিল?
  1. রাঢ়
  2. বরেন্দ্র
  3. চন্দ্রদ্বীপ
  4. হরিকেল
সঠিক উত্তর:
হরিকেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিকেল
ব্যাখ্যা
• হরিকেল:
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ। 
- খ্রিস্টীয় সাত শতকের প্রাচীন ভারতীয় লেখকগণ পূর্বভারতীয় একটি অঞ্চলকে হরিকেল বলে উলে­খ করেন।
- এটি পূর্ববঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য।
- সাত শতকের চৈনিক পরিব্রাজক  ই-ৎসিঙ্ হরিকেলের অবস্থানকে ‘পূর্বভারতের পূর্বসীমা’য় নির্দেশ করেন। 
- বর্তমান সিলেট, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে এই অঞ্চল নিয়ে গঠিত। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,০৪৯.
মুজিব নগর সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. তাজউদ্দিন আহমদ
  2. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  3. এম. মনসুর আলী
  4. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
সঠিক উত্তর:
এম. মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিব নগর সরকার। 
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- মুজিবনগর সরকারের তথা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড।
- রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- এস.এ সামাদ ছিলেন প্রতিরক্ষা সচিব।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন এম.এ.জি ওসমানী।
- চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল আবদুর রব।
- উপ-সেনাপতি ছিলেন এ.কে খন্দকার।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৩,০৫০.
বঙ্গবন্ধু কত তারিখে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন?
  1. ৭ জানুয়ারি, ১৯৭২
  2. ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
  3. ৯ জানুয়ারি, ১৯৭২
  4. ৮ জানুয়ারি, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৮ জানুয়ারি, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ জানুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন:
- মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের পর পাকিস্তান সরকার আন্তর্জাতিক চাপে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দানে বাধ্য হয়। 
- বঙ্গবন্ধু ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডন গমন করেন।
- সেখান থেকে দিল্লিতে কিছু সময় অবস্থান করে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ঢাকায় আসেন।
- ১০ জানুয়ারিকে বঙ্গবন্ধুর ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৫১.
বাংলার শস্যভান্ডার নামে পরিচিত কোন জেলা?
  1. দিনাজপুর
  2. বগুড়া
  3. ময়মনসিংহ
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শস্য ভাণ্ডার:
- বরিশাল জেলাকে বাংলার শস্যভান্ডার বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত এ শহরের পুরাতন নাম চন্দ্রদ্বীপ। 
- বাংলাদেশের শস্য ভাণ্ডার, প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ ও প্রাচ্যের ভেনিস সহ বিভিন্ন নামে পরিচিত এই বরিশাল নগরীতে রয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নদী ও খাল।
- এই অঞ্চলের অর্থনীতি ও যোগাযোগ অনেকাংশেই নির্ভরশীল ছিল এইসব নদী ও খালের উপর।
- ধান- নদী -খাল এই তিনে বরিশাল' খ্যাত বরিশাল বিভাগের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম।
- এ রাজ্য প্রতিষ্ঠার পূর্বে এ অঞ্চল ‘বাকলা' নামে পরিচিত ছিল।
- ‘বাকলা' অর্থ শস্য ব্যবসায়ী যা আরবী শব্দ থেকে আগত। 
- বাংলার শস্য ভান্ডার বরিশাল একদা ‘এগ্রিকালচারাল ম্যানচেস্টার' হিসেবে পরিচিত ছিল।
- প্রাচীনকাল থেকে পলি গঠিত উর্বর এ অঞ্চল ছিল কৃষির জন্য উৎকৃষ্ট এবং বসবাসের জন্য উত্তম।
- কৃষিই ছিল এ দেশের অর্থনীতির মূল উৎস।
- পর্যটক রালফ ফিস ১৫৮০ সালে বাকলাকে অত্যন্ত সম্পদশালী আখ্যায়িত করে এখানকার প্রচুর চাল, কার্পাস, রেশমবস্ত্র ও সুবৃহৎ ঘরের কথা উল্লেখ করেছেন। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,০৫২.
মুজিবনগর সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন -
  1. এ.এইচ.এম কামরুজ্জামান
  2. তাজউদ্দিন আহমদ
  3. মোহাম্মদ মনসুর আলী
  4. মোশতাক আহমেদ
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার
- বাংলাদেশের প্রথম সরকার "মুজিবনগর সরকার"।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল এই সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল, তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমায় মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- এই সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে।
- মুজিবনগর সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয় সহ মোট ১৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ ছিল।
- রাষ্ট্রপতি -- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি -- সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, তথ্য ও পরিকল্পনা মন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী -- তাজউদ্দিন আহমদ।
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী -- এ.এইচ.এম কামরুজ্জামান।
- অর্থমন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী -- মোহাম্মদ মনসুর আলী।

তথ্যসূত্র - উৎস : ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৫৩.
বাংলাদেশে মোট রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ক) ৬৭৬
  2. খ) ৭৮০
  3. গ) ৫৭৬
  4. ঘ) ৭৭৬
সঠিক উত্তর:
ক) ৬৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬৭৬
ব্যাখ্যা
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা- বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর উত্তম ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং বীর প্রতীক ৪২৬ জন।
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।

- কিন্তু ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
=================

প্রশ্নটি আগের হিসাব অনুসারে করা হয়েছে।
তাই এই প্রশ্নের হিসাবে সঠিক উত্তর - ৬৭৬ জন।
৩,০৫৪.
আইসিডিডিআর,বি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬৩ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যা

ICDDR,B:
- ICDDR,B- International Center for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh.

- আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ।
-  এটি বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- আইসিডিডিআর,বি ১৯৬০ সালে ঢাকায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (সিটো) কলেরা গবেষণাগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরে ১৯৭৮ সালে, CRL থেকে icddr,b (আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ) এ নতুন নামে রুপান্তর হয়।
- icddr,b ’খাবার স্যালাইন’ ও ’বেবি জিঙ্ক ট্যাবলেট’ উদ্ভাবন করে।
- ১৯৬২ সালে, সিআরএল, গুরুতর ডায়রিয়াজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের, বিশেষ করে ছোট শিশুদের চিকিৎসার জরুরি প্রয়োজন মেটাতে, আইসিডিডিআর,বি দ্বারা পরিচালিত ঢাকা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে। 

⇒ এ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় অবদান ওরস্যালাইন (Oral Rehydration Solution/ORS) উদ্ভাবন। লবণ ও গুড় অথবা চিনির সংমিশ্রণে তৈরী এ দ্রবণ তীব্র উদরাময় রোগে আক্রান্ত রোগীর দেহ থেকে দ্রুত বের হয়ে যাওয়া দেহ রসের পুনঃযোগান দেয়। দেহের শুষ্কতারোধে ORS গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং আজ পর্যন্ত বহু রোগীর জীবন বাঁচাতে সহায়ক হয়েছে। আইসিডিডিআর,বি-এর গবেষণা কার্যক্রম পরবর্তীতে আরও সম্প্রসারিত হয়েছে, এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে শ্বাসরোগ, যৌনরোগ, এইডস, হেপাটাইটিস, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, টিকার কার্যকারিতা পরীক্ষা এবং বিভিন্ন অন্যান্য সংক্রামক রোগ।

তথ্যসূত্র - icddr,b., বাংলাপিডিয়া।

৩,০৫৫.
ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন -
  1. মজনু শাহ
  2. সৈয়দ আহমদ
  3. দুদু মিয়া
  4. তিতুমীর
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
ব্যাখ্যা

ফরায়েজি আন্দোলন:
- ফরায়েজি আন্দোলন ছিল একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন।
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তুল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি।
- হাজী শরীয়তুল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে হাজী শরীয়তুল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
- ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
- ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর যোগ্যপুত্র মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।
- তিনি ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন।
- দুদু মিয়া ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুদু মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৫৬.
‘মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন’ কত সাল পাস হয়?
  1. ১৯০৭ সালে 
  2. ১৯০৯ সালে 
  3. ১৯১১ সালে 
  4. ১৯১৯ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯০৯ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৯ সালে 
ব্যাখ্যা

• ‘মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন’:
- ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকার প্রবর্তনের লক্ষ্যে ব্রিটিশ সরকার ১৯০৯ সালে ‘ইন্ডিয়া অ্যাক্ট’ পাস করে যা ‘মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন’ নামেই অধিক পরিচিত।
- এই আইনে প্রথম মুসলমানদের জন্যে পৃথক নির্বাচনের বিধান রাখা হয়।
- সাম্প্রদায়িক প্রতিনিধিত্বের দাবি স্বীকার করে এ আইনে মুসলিম সম্প্রদায়কে পৃথকভাবে নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচনের (পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা) অধিকার দেয়া হয়। 
- এর মাধ্যমে আইন সভার সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করা হলেও প্রতিনিধিদের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল না। 
- তবে মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা চালু করায় স্বভাবতই তারা খুশী হয়, যদিও কংগ্রেস এতে ক্ষুব্ধ ছিল
কংগ্রেসের নরমপন্থীরাও সন্তুষ্ট ছিল না ।
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দের সংস্কার আইন ভারতে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়।
- আইন সভার নির্বাচিত সদস্যগণ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন না। তাছাড়া তাদেরকে কোন ক্ষমতাও দেয়া হয়নি। 
- কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইন সভাগুলোতে তারা সব সময়ই সংখ্যালঘু ছিলেন। প্রকৃতপক্ষে এ সংস্কার আইনের মাধ্যমে ভারতে প্রতিনিধিমূলক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের কোন ইচ্ছাই ইংরেজদের ছিল না।
 
উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩,০৫৭.
‘বঙ্গবন্ধু নৌবহর’ কত তারিখে  উদ্বোধন করা হয়েছিল?
  1. ক) ৯ অক্টোবর, ১৯৭১
  2. খ) ১৯ অক্টোবর, ১৯৭১
  3. গ) ৯ নভেম্বর, ১৯৭১
  4. ঘ) ১৯ নভেম্বর, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
গ) ৯ নভেম্বর, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯ নভেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু নৌবহর
- মুক্তিযুদ্ধ  ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় এবং ঐ বছর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের মধ্য দিয়ে এর পরিসমাপ্তি ঘটে।
- পাকিস্তান নৌবাহিনী থেকে বেরিয়ে আসা নৌ সেনাদের নিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনী গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ৯ নভেম্বর প্রথম নৌবহর ‘বঙ্গবন্ধু নৌবহর’ উদ্বোধন করা হয়।
- এতে অন্তর্ভুক্ত ছিল মাত্র ৬টি ছোট নৌযান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,০৫৮.
সতীদাহ প্রথা কবে রহিত হয়?
  1. ১৮১৯ সালে
  2. ১৮২৯ সালে
  3. ১৮৩৯ সালে
  4. ১৯৪৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮২৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮২৯ সালে
ব্যাখ্যা
সতীদাহ প্রথা:
- সতীদাহ প্রথা হলো হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো সদ্য বিধবা নারীকে স্বামীর চিতায় সহমরণ বা আত্মাহুতি দিতে বাধ্য করার এক অমানষিক ও অমানবিক প্রথা।
- সতীদাহ প্রথা ছিল মূলত সামাজিক ও ধর্মীয় হত্যাকাণ্ড। 

⇒ ১৭৯৯ সালে উইলিয়াম কেরি এই প্রথা বন্ধের প্রয়াস নেন।
- গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলির কাছে তিনি সতীদাহ বন্ধের আবেদন জানান।
- এরপর রামমোহন রায় ১৮১২ সালে সতীদাহবিরোধী সামাজিক আন্দোলন শুরু করেন।
- ১৮২৮ সালে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন। লর্ড বেন্টিঙ্কের কাছে রামমোহন রায় সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ ঘোষণার জন্য আবেদন করেন। লর্ড বেন্টিঙ্ক রামমোহনের যুক্তির সারবত্তা অনুভব করে আইনটি পাসে উদ্যোগী হন।
- ব্রিটিশ শাসনের ক্ষেত্রে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তিনি ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর সতীদাহ প্রথাকে নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করে আইন পাস করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৮৩২ সালে প্রিভি কাউন্সিল রক্ষণশীল হিন্দুদের আপিল খারিজ করে লর্ড বেন্টিঙ্কের আদেশ বহাল রাখেন। এই বিজয়ের পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লির বাদশাহ দ্বিতীয় আকবর রামমোহনকে ‘রাজা’ উপাধিতে ভূষিত করেন। এরপর ভারতবর্ষ থেকে সতীদাহ প্রথা পুরোপুরি বন্ধ করতে আরও তিন দশক লেগে যায়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৫৯.
'বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল' এর সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন -
  1. ক) ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  2. খ) ডা. মোঃ আব্দুল মবিন
  3. গ) ডা. সিতারা বেগম
  4. ঘ) উপরের সবাই
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল' এর সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন - ডা. মোঃ আব্দুল মবিন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম।

• বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল:

-  ১৯৭১ সালের মে মাসের প্রথম দিকে বিএমএ এবং যুক্তরাজ্য যৌথ ভাবে ডা. মোঃ আব্দুল মবিন ও জাফরুল্লাহকে মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করার জন্য ভারতে পাঠায়।
-  ডা. মোঃ আব্দুল মবিন ও জাফরুল্লাহ বাংলাদেশ অস্থায়ী সরকারের সহায়তায় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মেলাঘরে ৪৮০ শয্যা বিশিষ্ট বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল   স্থাপন করেন।
- এই হাসপাতালের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন সেনাবাহিনীর চিকিৎসক ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম।
- ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ছিলেন এই গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা।
- প্রতিষ্ঠানটি সমাজ স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা বা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অবদান রাখায় দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পদক লাভ করে।
- বর্তমানে সারাদেশে গণস্বাস্থ্যের ৪০টি মেডিকেল সেন্টার রয়েছে।  
- স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১৯৭১ সালের মার্চে ব্রিটেনে বসবাসরত এক হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি চিকিৎসক নিয়ে গঠিত হয় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ)।
- যার সভাপতি ছিলেন ডা. এ এইচ সায়েদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

উৎস: ঢাকা ট্রিবিউন ও প্রথম আলো প্রতিবেদন।
৩,০৬০.
সেনদের মধ্যে কে প্রথম ‘গৌড়েশ্বর’ উপাধি ধারণ করেন?
  1. বিজয় সেন
  2. লক্ষ্মণ সেন
  3. বল্লাল সেন
  4. হেমন্ত সেন
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মণ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মণ সেন
ব্যাখ্যা
লক্ষ্মণ সেন:
- লক্ষ্মণসেন সেন বংশের তৃতীয় শাসক।
- লক্ষ্মণসেন প্রায় ২৮ বছর রাজত্ব করেন।
- বল্লাল সেন ও রমাদেবীর পুত্র লক্ষ্মণ সেন ১১৭৯ সালে প্রায় ৬০ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- লক্ষ্মণ সেন গৌড়, কলিঙ্গ, কামরূপ ও কাশীতে বিজয় অভিযান পরিচালনা করেছিলেন।
- গৌড় লক্ষ্মণসেনের রাজত্বকালেই পুরোপুরি সেন সাম্রাজ্যভুক্ত হয়েছিল।
- তিনিই সেনদের মধ্যে প্রথম রাজা যিনি ‘গৌড়েশ্বর’ উপাধি ধারণ করেন
- ১২০৪ সালে বখতিয়ার খিলজি বাংলা আক্রমণ করেন।
- লক্ষ্মণ সেনের নদীয়া ত্যাগের মাধ্যমেই বাংলায় হিন্দুশাসনের পতন হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- লক্ষ্মণ সেন একজন বিদ্বান ও কবি ছিলেন।
- তিনি বল্লাল সেনের অসমাপ্ত অদ্ভুতসাগর সমাপ্ত করেছিলেন।
- ভারত প্রসিদ্ধ পণ্ডিত হলায়ূধ তাঁর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৩,০৬১.
ঐতিহাসিক ছয় দফার চতুর্থ দফা কোনটি?
  1. কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা
  2. রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
  3. বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য
  4. মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৩,০৬২.
এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট কত সদস্য বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠন করে?
  1. ৪ জন
  2. ১৪ জন
  3. ১১ জন
  4. ৯ জন
সঠিক উত্তর:
১৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ জন
ব্যাখ্যা
•  ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে-পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ :
- শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট ১৪ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- যুক্তফ্রন্টের নিরঙ্কুশ জয়ে মুসলিম লীগ ক্ষুদ্ধ হয় ।
- তারা যুক্তফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র আরম্ভ করে।
- নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২১শে ফেব্রুয়ারিকে সরকারি ছুটি ও বর্ধমান হাউসকে বাংলা ভাষার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ঘোষণা দিলে কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
- নিউইয়র্ক টাইমস'-এ ফজলুল হকের এক সাক্ষাৎকার বিকৃত করে প্রকাশিত হয় যে, তিনি পূর্ব বাংলার স্বাধীনতা চান।
-এতে মুসলিম লীগ সরকার তাঁকে রাষ্ট্রদ্রোহী বলে ঘোষণা দেয়।
-অবশেষে কেন্দ্রীয় মুসলিম লীগ সরকার ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের ৯২ (ক) ধারা বলে ১৯৫৪ সালের ৩০শে মে যুক্তফ্রন্ট সরকার বাতিল করে পূর্ব বাংলায় গভর্নরের শাসন জারি করে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৩,০৬৩.
পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অঙ্কন করেন কারা?
  1. ক) মিশরীয় বিজ্ঞানীরা
  2. খ) গ্রিক বিজ্ঞানীরা
  3. গ) সিন্ধুসভ্যতার ব্যবসায়ীরা
  4. ঘ) রোমান ভূগোলবিদরা
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রিক বিজ্ঞানীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রিক বিজ্ঞানীরা
ব্যাখ্যা
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।
- পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অংকন করেন গ্রিক বিজ্ঞানিরা।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।
- চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই, বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের ক্রোধের কারণে নয় প্রাকৃতিক কারণে ঘটে।
- এই সত্য তারাই প্রথম আবিষ্কার করেন।
- বিখ্যাত গণিতবিদ পিথাগোরাস, চিকিৎসা বিজ্ঞানী হিপোক্রেটসের যথেষ্ট খ্যাতি ছিল।
-  গ্রিক শিল্পের বিশেষ করে স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে বিশেষ উন্নতি হয়েছিল। 

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৬৪.
‘জেকে ১৯৭১’ চলচ্চিত্রটির নির্মাতা -
  1. ক) রফিকুল আনোয়ার
  2. খ) মোরশেদুল ইসলাম
  3. গ) ফাখরুল আরেফিন খান
  4. ঘ) শ্যাম বেনেগাল
সঠিক উত্তর:
গ) ফাখরুল আরেফিন খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফাখরুল আরেফিন খান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক সিনেমা ‘জেকে ১৯৭১’ 
-  চলচ্চিত্রটির নির্মাতা - ফাখরুল আরেফিন খান।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষকে সহায়তার জন্য ফরাসি যুবক জ্যঁ কুয়ে ছিনতাই করেছিলেন ‌পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের [পিআইএ] একটি বিমান। এর উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি। 

সূত্র: প্রথম আলো 
৩,০৬৫.
নিচের কোন এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ঢাকা
  2. ফরিদপুর
  3. বরিশাল
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলা হয়।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো। 
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল । 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৬৬.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার কতজন আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার জন আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৩,০৬৭.
বাংলা নামের উৎপত্তি সম্পর্কে প্রথম ব্যাখ্যা কে প্রদান করেন?
  1. ক) ইলিয়াস শাহ
  2. খ) সম্রাট আকবর
  3. গ) আবুল ফজল
  4. ঘ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
সঠিক উত্তর:
গ) আবুল ফজল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবুল ফজল
ব্যাখ্যা
- মোগল সম্রাট আকবরের ইতিহাস লেখক আবুল ফজল বাংলা নামের উৎপত্তির একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। 
- তার মতে এদেশের প্রাচীন নাম ছিল ‘বঙ্গ'। 
- এর আগে আমরা অবশ্য একটি ছোট জনপদ হিসেবে বঙ্গ নামক অঞ্চলের সাথে পরিচিত হয়েছি। 
- আবুল ফজলের মতে প্রাচীনকালে এই বঙ্গ অঞ্চলের রাজারা ১০ গজ উঁচু ও ২০ গজ চওড়া প্রকাণ্ড ‘আল বা বাঁধ’ নির্মাণ করতেন।
-  এ থেকে বঙ্গ+আল=বঙ্গাল, বাঙ্গাল বা ‘বাঙ্গালা' নাম হয়েছে। 
- তবে একথা ঠিক মুসলিম আমলের পূর্বে ‘বঙ্গ’ ও বাঙ্গালা বাংলার অংশ বিশেষের নাম ছিল।
-  আবুল ফজল সে সময়ের বাংলার একটি সীমা এঁকেছেন।
-  তার মতে বাংলা চট্টগ্রাম থেকে রাজমহলের নিকট তেলিয়াগর্হি পর্যন্ত চারশত ক্রোশ লম্বা ছিল। 
- পূর্ব ও উত্তর দিক ছিল পাহাড়ে ঘেরা । বাংলার দক্ষিণে ছিল সাগর আর পশ্চিমে বিহার প্রদেশ। তখন প্রদেশগুলোর নাম হয় 'সুবা’। সুবা বাংলা তখনও চট্টগ্রাম থেকে তেলিয়া গর্হি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। 
- ব্রিটিশ শাসন যুগেও সীমারেখার তেমন কোন পরিবর্তন হয়নি। 
- তখন চট্টগ্রাম থেকে রাজমহল এবং হিমালয় পর্বত থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বাংলার বিস্তার ছিল। 
- ১৯৪৭ সালের পূর্ব পর্যন্ত সিলেট জেলা ছিল আসামের সাথে যুক্ত। পরে তা আবার বাংলাদেশের সাথে যুক্ত হয় ।
 
উৎস : ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,০৬৮.
বাংলা সন প্রবর্তন করেন কে এবং কত সালে?
  1. ক) সম্রাট আকবর, ১৫৬৫ সালে
  2. খ) সম্রাট আকবর, ১৫৫৬ সালে
  3. গ) সম্রাট আকবর, ১৬৬৫ সালে
  4. ঘ) সম্রাট আকবর, ১৬৫৬ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) সম্রাট আকবর, ১৫৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সম্রাট আকবর, ১৫৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
কৃষিকাজের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর ১৫৫৬ সাল বা আরবি ৯৯২ হিজরিতে খ্রিস্টাব্দে হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত করেন। উৎসঃ সাহিত্য কণিকা-অষ্টম শ্রেণী
৩,০৬৯.
বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা করেন-
  1. কুতুবউদ্দীন আইবক
  2. বখতিয়ার খলজী
  3. সুলতান মাহমুদ
  4. শের শাহ
সঠিক উত্তর:
বখতিয়ার খলজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বখতিয়ার খলজী
ব্যাখ্যা

• বখতিয়ার খলজী:
- বখতিয়ার খলজী  ১২০৫ খ্রিস্টাব্দের প্রথম দিকে নদীয়া জয় করেন এবং বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা করেন।
- উত্তর আফগানিস্তানের গরমশির (আধুনিক দস্ত-ই-মার্গ) এলাকার বাসিন্দা ইখতিয়ারউদ্দীন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজী তুর্কি জাতির খলজী সম্প্রদায়র্ভুক্ত ছিলেন। 

- ১২০৩ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজী বিহার আক্রমণ করেন এবং ওদন্তপুরী বৌদ্ধবিহারটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করে।
- অতঃপর তারা সে স্থান থেকে মূল্যবান সম্পদ লুণ্ঠন করে প্রত্যাবর্তন করে।
- তিনি কুতুবউদ্দীন আইবকের সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁকে মূল্যবান উপহার প্রদান করেন। 
- অপরপক্ষে কুতুবউদ্দীনও তাঁকে সাদর অভ্যর্থনা জানান।
- অতঃপর ১২০৪ খ্রিস্টাব্দের শীতকালে তিনি ঝাড়খন্ডের দুর্গম অরণ্যাঞ্চলের মধ্য নদীয়া আক্রমন করেন।
- রাজা লক্ষ্মণসেন নৌপথে তাঁর রাজধানী বিক্রমপুরে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- ইতোমধ্যে বখতিয়ার খলজীর মূল বাহিনীও এসে পড়েছিল।
- ফলে নদীয়া মুসলমানদের  অধিকারে আসে।

- বখতিয়ার খলজী স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে তিনি গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম শ্রেণি।

৩,০৭০.
পাকিস্তান আমলের ইউনাইটেড ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক নিয়ে কোন ব্যাংক গঠিত হয়?
  1. ক) সোনালি ব্যাংক
  2. খ) অগ্রণী ব্যাংক
  3. গ) জনতা ব্যাংক
  4. ঘ) রূপালি ব্যাংখ
  5. ঙ) পূবালি ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
গ) জনতা ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জনতা ব্যাংক
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালে এদেশে অবস্থিত পাকিস্তানি মালিকানাধীন ব্যাংকসমূহ জাতীয়করণ করা হয়। পাকিস্তান আমলের ইউনাইটেড ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক নিয়ে জনতা ব্যাংক গঠিত হয়। সোনালী ব্যাংক গঠিত হয় দ্য ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, দ্য ব্যাংক অব বাহওয়ালপুর ও দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে । হাবিব ব্যাংক ও কমার্স ব্যাংক নিয়ে অগ্রণী ব্যাংক গঠিত হয়। রূপালী ব্যাংক গঠিত হয় দ্য মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংক ও দ্য স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক নিয়ে। পূবালী ব্যাংক গঠিত হয় দ্য অস্ট্রেলেশিয়া ব্যাংক ও দ্য ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক নিয়ে।(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৩,০৭১.
'পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার অর্ডিন্যান্স' কবে জারি করা হয়?
  1. জুন, ১৯৭১
  2. জুলাই, ১৯৭১
  3. আগস্ট, ১৯৭১
  4. সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
জুন, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুন, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশে পাকিস্তানের পক্ষের সহযোগী বাহিনী:
- ১৯৭১ সালের জুন মাসে লে. জেনারেল টিক্কা খান 'পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার অর্ডিন্যান্স' জারি করেন।
- শুরুতে আনসার, মুজাহিদদের নিয়ে এই বাহিনী গঠিত হয়।
- পরে পাকিস্তানপন্থি অনেকে এই বাহিনীতে যোগ দেয়।
- এই বাহিনী গঠনে জেনারেল নিয়াজির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

উল্লেখ্য,
- রাজাকারদের প্রশিক্ষণের মেয়াদ ছিল এক সপ্তাহ। রাজাকারদের ট্রেনিং দিত পাকিস্তান সেনাবাহিনী। দখলদার বাহিনীর দোসর হিসেবে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। রাজাকার বাহিনী ছাড়াও আলবদর এবং আলশামস নামে আরও দুটি বাহিনী ছিল। এরাও বিভিন্নভাবে হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করে।মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতায় প্রথম যে সংগঠনের জন্ম হয় তা হলো 'শান্তি কমিটি'। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে শান্তি কমিটি গঠন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৭২.
কত সালে পাকিস্তান সংবিধানে বাংলা ভাষা পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ক) ১৯৫৪ সালে
  2. খ) ১৯৫৫ সালে
  3. গ) ১৯৫৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯৫৬ সালের ২৩শে মার্চ পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান গৃহিত হয়। এই সংবিধানে বাংলা ও উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এর আগে ১৯৫৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগ দলীয় জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেলউদ্দিন আহমেদ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)

৩,০৭৩.
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে মোট কত জনকে বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করা হয়?
  1. ৬৭২ জন
  2. ৬৭৬ জন
  3. ৬৭৮ জন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৬৭৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭৬ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- ৬ জুন ২০২১ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৩,০৭৪.
কার সময় থেকেই বাংলায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠী ‘বাঙালি’ নামে পরিচিতি পায়?
  1. ক) সিকান্দর শাহ
  2. খ) গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ
  3. গ) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  4. ঘ) ফিরুজ শাহ তুঘলক
সঠিক উত্তর:
গ) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা
• শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ:
- বাংলায় সুলতানী আমলের সূত্রপাত ১৩৩৮ সালে যা ১৫৩৮ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
- সুলতানি আমলে বাংলায় মুসলিম শাসন বিস্তৃতি লাভ করে।
- শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ হলেন `ইলিয়াস শাহী’ বংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- তার রাজত্বকাল ছিল ১৩৪২ সাল থেকে ১৩৫৮ সাল পর্যন্ত। এ সময়ে তিনি সমগ্র বাংলাকে একত্র করে বাঙ্গালাহ নাম দেন এবং এর অধিবাসীদের বাঙ্গালি নাম দেন।
- লখনৌতি, সাতগাঁও এবং এর সাথে সোনারগাঁও অধিকার করে ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলার একচ্ছত্র অধিপতির মর্যাদা লাভ করেন। ইতিপূর্বে এই বিরল গৌরব আর কোন মুসলমান শাসক অর্জন করতে পারেন নি।
- এ কারণে ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ তাঁকে ‘শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' এবং ‘সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহকে বাংলার প্রথম প্রকৃত স্বাধীন সুলতান হিসেবে অভিহিত করা হয় ।
- তিনি ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ইখতিয়ার উদ্দিন গাজি শাহকে পরাজিত করে দুই বাংলা একত্র করে বৃহত্তর বা অখণ্ড বাংলা প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার সময় থেকেই বাংলায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠী ‘বাঙালি’ নামে পরিচিত পায়

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৭৫.
বঙ্গবন্ধু কবে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন কবে?
  1. ক) ১ মার্চ ১৯৬৪
  2. খ) ২ সেপ্টেম্বর ১৯৬২
  3. গ) ১৯ মার্চ ১৯৬৬
  4. ঘ) ৩ জানুয়ারি ১৯৬৮
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯ মার্চ ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯ মার্চ ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামী লীগের ৬ষ্ঠ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। এই কাউন্সিলেই বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৪ সালের ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এর আগে ১৯৫৩ সালের ৫ জুলাই তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের প্রথম কমিটিতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে বন্দি অবস্থায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
(সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক এবং বাংলাপিডিয়া)
৩,০৭৬.
আগরতলা মামলার বিচারকার্যে ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি কে ছিলেন?
  1. এম.আর.খান
  2. এস.এ.রহমান
  3. টি.এইচ.খান
  4. মকসুমুল হাকিম
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৭৭.
নিচের কোন এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল না?
  1. ঢাকা
  2. ফরিদপুর
  3. কুমিল্লা
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
• কুমিল্লা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলা হয়।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো।
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৭৮.
পানিপথ কোন নদীর তীরে অবস্থিত ছিল?
  1. ব্রহ্মপুত্র
  2. যমুনা
  3. তিস্তা
  4. ধলেশ্বরী
সঠিক উত্তর:
যমুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যমুনা
ব্যাখ্যা

পানি পথের যুদ্ধ:
- পানিপথ ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত।
- দিল্লি হতে পানি পথের দূরত্ব- ৯০ কি.মি.
- পানি পথে এ পর্যন্ত তিনটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।

• পানি পথের প্রথম যুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ
- পক্ষ: বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী।
- ফলাফল: ইব্রাহিম লোদী পরাজিত হন এবং নিহত হন্।
- এই যুদ্ধে প্রথম কামানের ব্যাবহার হয়।

• পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ।
- পক্ষ: আকবরের সেনাপতি বৈরাম খাঁ বনাম আফগান নেতা হিমু।
- ফলাফল: হিমু পরাজিত ও নিহত হন।

• পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৪ জানুয়ারি, ১৭৬১ সালে।
- আহমদ শাহ আবদালি বনাম মারাঠা।
- ফলাফল: মারাঠা বাহিনী পরাজিত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেণি।

৩,০৭৯.
১৮৫৮ সালের আইন অনুযায়ী গভর্নর জেনারেল কোন নতুন উপাধি গ্রহণ করেন?
  1. সম্রাট
  2. লর্ড প্রোটেক্টর
  3. ভাইসরয়
  4. চ্যান্সেলর
সঠিক উত্তর:
ভাইসরয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইসরয়
ব্যাখ্যা

ভারত শাসন আইন:
- সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হওয়ার পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮৫৮ সালের ২ আগস্ট ভারত শাসন আইন নামক একটি আইন পাস করা হয়।
- এই আইনে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটানো হয়। ভারতের রাষ্ট্র ক্ষমতা ব্রিটিশ রাজ্যের উপর ন্যস্ত করা হয়। ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ও সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ব্রিটিশ সরকার ভারত বিষয়ক মন্ত্রকের হাতে এর শাসন ব্যবস্থার কার্যাদি হস্তান্তর করে। ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল ভাইসরয় উপাধি নিয়ে শাসনকার্য পরিচালনা করার নিয়ম প্রবর্তিত হয়।
- ১৮৫৭ সালে সিপাহী অভ্যুত্থান ঘটার প্রেক্ষিতে ভারতে সিভিল প্রশাসনের ভিত্তি মজবুত করার লক্ষে ১৮৫৮ থেকে ১৮৬৪ সাল পর্যন্ত সামরিক আইন, ভারতীয় পরিষদ (১৮৬১) ইত্যাদি প্রশাসনিক সংস্কারেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৮০.
‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ কোথায় পাঠ করা হয়?
  1. সোহরাওয়ার্দী উদ্যান 
  2. শাহবাগ
  3. পল্টন  
  4. মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
সঠিক উত্তর:
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
-জুলাই ঘোষণাপত্র হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল, যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- ৫ই আগস্ট, ২০২৫, রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে '৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন' শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- ঘোষণাপত্রের মূল বিষয়বস্তু হলো, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের নিরন্তর সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা।
- ঘোষণাপত্রে মোট ২৮টি দফা রয়েছে, যার মাধ্যমে গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাগুলোকে স্পষ্ট করা হয়েছে।

উৎস: জুলাই ঘোষণাপত্র।

৩,০৮১.
পাকিস্তানের সংবিধানে বাংলা ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয় কবে?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৫৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন: 
- ১৯৪৭ সালে সূচিত রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন শুরু হয়।
- ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সালে প্রতিবাদ ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে রূপ লাভ করে।
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের সংবিধানে বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
-১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর পঞ্চাশের দশকব্যাপী ছিল আমাদের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রস্তুতিকাল।
- ভাষা আন্দোলন পরবর্তীকালে সকল রাজনৈতিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।
- পাকিস্তানি শাসনপর্বে এটি বাঙালিদের জাতীয় মুক্তির প্রথম আন্দোলন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৮২.
ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম সংকলন গ্রন্থের সম্পাদক ছিলেন?
  1. করিম উল্লাহ
  2. অধ্যাপক মনসুর আহমদ
  3. হাসান হাফিজুর রহমান
  4. অধ্যাপক আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
হাসান হাফিজুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসান হাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলন গ্রন্থ 'একুশে ফেব্রুয়ারী'।
- এটি ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৬ সালে স্কুলে পড়া অবস্থায় তাঁর প্রথম রচনা একটি ছোটগল্প ‘অশ্রুভেজা পথ চলতে’ সওগাত পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- পরে ১৯৪৯ সালে সোনার বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কবিতা।
- এ বছর তিনি ‘ঢাকা প্রগতি লেখক ও শিল্পী সঙ্ঘ’-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং এ বছরই তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘অমর একুশে’ রচিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। [লিঙ্ক]
৩,০৮৩.
সিন্ধু বিজয়ের প্রধান মুসলিম সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. খালিদ বিন ওয়ালিদ
  2. কুতুবউদ্দিন আইবক
  3. মুহাম্মদ বিন কাসিম
  4. মাহমুদ গজনভী
সঠিক উত্তর:
মুহাম্মদ বিন কাসিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহাম্মদ বিন কাসিম
ব্যাখ্যা

সিন্ধু বিজয়:
- সিন্ধু বিজয়ের প্রধান মুসলিম সেনাপতি ছিলেন মুহাম্মদ বিন কাসিম।

আরবদের সিন্ধু বিজয় উপমহাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটিকে দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলমানদের আগমনের সূচনালগ্ন ধরা হয়।
- এ ঐতিহাসিক ঘটনার প্রধান কুশীলব ছিলেন আরব সেনাপতি মুহাম্মদ বিন কাসিম ও সিন্ধুর তৎকালীন রাজা দাহির।
- প্রথম সিন্ধু বিজয়ী মুসলিম সেনাপতি ছিলেন মুহাম্মদ বিন কাসিম।

উল্লেখ্য,
- খলিফা প্রথম ওয়ালিদের সময় মুসলমানগণ সিন্ধু অভিযান করে। খলিফার অনুমতি নিয়ে ইরাকের গভর্ণর হাজ্জাজ বিন ইউসুফ এই অভিযান পাঠান। সিন্ধু বিজয়ের মূল উদ্দেশ্য ছিল সাম্রাজ্যের বিস্তার সাধন এবং অর্থ সম্পদ লাভ।
- মুহম্মদ বিন কাসিম এক শক্তিশালী বাহিনী নিয়ে সিন্ধুদেশ আক্রমণ করেন। তিনি দাইবুল, নীরুন, সিওয়ান ও সিসাম দখল করে আরও উত্তরে অগ্রসর হন। সিন্ধুরাজ দাহির রাওয়ার দুর্গ রক্ষার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি যুদ্ধে নিহত হন।
- রাওয়ার দখলের পর মুহম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুর রাজধানী আলোর জয় করেন।
- এরপর মুলতানও মুসলমানদের দখলে আসে।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৮৪.
মুক্তিযুদ্ধে কোন দুইটি গানবোট নিয়ে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী?
  1. পদ্মা ও যমুনা
  2. মেঘনা ও যমুনা
  3. পদ্মা ও পলাশ
  4. বানৌজা ও পলাশ
সঠিক উত্তর:
পদ্মা ও পলাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্মা ও পলাশ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ নৌবাহিনী ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অধীনে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্ম হয়।
- ঐ বছর জুলাই মাসে সেক্টর কমান্ডারদের কনফারেন্সের ঘোষণা মোতাবেক বাংলাদেশ নৌবাহিনী আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাঙালি অফিসার ও নাবিক পশ্চিম পাকিস্তান ত্যাগ করে দেশে এসে বাংলাদেশ নৌবাহিনী গঠন করেন।
- ভারত থেকে প্রাপ্ত ‘পদ্মা’ ও ‘পলাশ’ নামের ছোট দুটি গানবোট এবং ৪৯ জন নাবিক নিয়ে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
- জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ সকল নাবিক শত্রুর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধ ও গেরিলা যুদ্ধে লিপ্ত হয়।
- পাশাপাশি ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে নির্ভীক ডুবুরীদল সমুদ্র ও নদী বন্দর সমূহে বিধ্বংসী আক্রমণ পরিচালনা করে।
- এতে হানাদার বাহিনীর ২৬ টি জাহাজ ধ্বংস হয় ও সমুদ্রপথ কার্যত অচল হয়ে পড়ে।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে এ ধরনের সফল আক্রমণ মুক্তিযুদ্ধের এক গৌরবময় অধ্যায়ের সুচনা করে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,০৮৫.
সাম্প্রদায়িক রোয়েদাদ ঘোষণা করেন কে?
  1. ক) উইন্সটন চার্চিল
  2. খ) রামজে ম্যাকডোনাল্ড
  3. গ) অষ্টম এডওয়ার্ড
  4. ঘ) লর্ড ওয়াভেল
সঠিক উত্তর:
খ) রামজে ম্যাকডোনাল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রামজে ম্যাকডোনাল্ড
ব্যাখ্যা
ভারতের শাসনতান্ত্রিক সংস্কার বিষয়ক সাইমন কমিশনের রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান এবং লন্ডনের গোলটেবিল আলোচনা (১৯৩১) ব্যর্থ হওয়ার পর ১৯৩২ সালের ১৬ আগস্ট তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী রামজে ম্যাকডোনাল্ড সাম্প্রদায়িক রোয়েদাদ ঘোষণা করেন।

এই সাম্প্রদায়িক রোয়েদাদে ভারতের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্যে পৃথক নির্বাচনের কথা বলা হয়। মুসলিম লীগ এই রোয়েদাদ গ্রহণ করলেও কংগ্রেস এটি গ্রহণ করেনি। মহাত্মা গান্ধীর প্রবল বিরোধিতার কারণে এই রোয়েদাদ প্রত্যাহার করা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৩,০৮৬.
The Ministry of Liberation War was formed-
  1. 2001
  2. 2002
  3. 2003
  4. 2004
সঠিক উত্তর:
2001
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2001
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়:

- ২০০১ সনের ২৩ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- সর্বপ্রথম বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ভবনে ৩ টি কক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরম্ভ হয়।
- মন্ত্রণালয়ের কাজের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের নিমিত্ত ও মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নির্বিঘ্নে সেবা প্রদানের সুবিধার্থে ২০০২ সালে বিআরটিবি ভবন,এলেনবাড়ী, ভেজগাঁও-এ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় স্থানান্তরিত হয়।
- পরবর্তীতে কাজের কলেবর ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান ঠিকানা সচিবালয় লিংক রোড, ঢাকার সরকারি পরিবহন পুলভবনের ৬ষ্ঠ ও ৭ম তলায় গত ১০/১০/২০০৬ তারিখ হতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়রবসাইট।
৩,০৮৭.
কত সালে আইয়ুব খানের পতন হয়?
  1. ১৯৬৬ সালে
  2. ১৯৬৭ সালে
  3. ১৯৬৮ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
আইয়ুব খানের  মৌলিক গণতন্ত্র: 
- আইয়ুব খানের সামরিক শাসনব্যবস্থা ছিল এক ধরনের প্রতিনিধিত্বমূলক একনায়কতন্ত্র। 
- তিনি ১৯৫৯ সালে  মৌলিক গণতন্ত্র নামে একটি নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেন।
- মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠানসমূহকে পাঁচটি স্তরে বিন্যস্ত করা হয়েছিল।
- ইউনিয়ন পরিষদ ছিল সর্বনিম্ন স্তর এবং এর সদস্যদের বলা হতো মৌলিক গণতন্ত্রী।
- পৌর এলাকায় একই ধরনের ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল।
- এক্ষেত্রে কতগুলো ছোট ইউনিয়ন পরিষদকে একত্রিত করে মিউনিসিপ্যাল কমিটি গঠন করা হতো এবং তারা একই ধরনের কাজ করত।
- ১৯৬০ সালে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত সদস্যরাই আইয়ুব খানের প্রেসিডেন্ট পদ সুনিশ্চিত করেন।
- ১৯৬২ সালের সংবিধান অনুযায়ী তাদের নিয়েই একটি নির্বাচকমন্ডলী গঠিত হয়।
- এই নির্বাচকমন্ডলীর ভোটে প্রেসিডেন্ট এবং জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যগেণ নির্বাচিত হতেন।
- আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থা দৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ পায় নি এবং আইয়ুব খানের স্বপ্নও সফল হয় নি।
- ১৯৬৯ সালে আইয়ুব খানের পতন হয় এবং তাঁর পতনের সঙ্গে সঙ্গে মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থারও অবসান ঘটে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৩,০৮৮.
তিব্বতের রাজার অনুরোধে বৌদ্ধধর্ম প্রচারে কোন বাঙালি তিব্বত গমন করেন?
  1. ক) শুদ্ধোধন
  2. খ) কৌটিল্য
  3. গ) অতীশ দীপঙ্কর
  4. ঘ) আর্যভট্ট
সঠিক উত্তর:
গ) অতীশ দীপঙ্কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অতীশ দীপঙ্কর
ব্যাখ্যা
অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান একজন বৌদ্ধ ধর্মগুরু, পণ্ডিত ও দার্শনিক। তিনি ৯৮০ সালে মুন্সিগঞ্জের বজ্রযোগিনি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিব্বতের রাজা চ্যান চাবের একান্ত অনুরোধে বৌদ্ধধর্মের প্রসারে অতীশ দীপঙ্কর ১০৪০ খ্রিস্টাব্দে তিব্বত গমন করেন। ১০৫৩ সালে তিনি তিব্বতের লাসায় দেহত্যাগ করেন।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৩,০৮৯.
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ কোথায় ঘটেছিল?
  1. ঢাকা 
  2. কুমিল্লা 
  3. গাজীপুর 
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর 
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ:
- ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে গাজীপুরের জয়দেবপুরের জনগণ সম্মুখযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল।
- এটিই ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ। 

⇒ ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চে ঢাকা ব্রিগেড হেডকোয়ার্টার থেকে আকস্মিকভাবে পাকিস্তানি ব্রিগেডিয়ার জাহান জেবের নেতৃত্বে পাকিস্তানি রেজিমেন্ট জয়দেবপুরের (গাজীপুর) দ্বিতীয় ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টকে নিরস্ত্র করার জন্য পৌঁছে যায়।
- এ খবর জানাজানি হতেই বিক্ষুব্ধ জনতা জয়দেবপুরে এক প্রতিরোধ সৃষ্টি করে।
- সশস্ত্র পাকিস্তানি সেনাবাহিনী জনতার ওপর গুলিবর্ষণ করলে অকুস্থলেই শহীদ হন অনেকে।
- এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৯০.
বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা প্রথম কোথায় উত্তোলন করা হয়?
  1. ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বটতলায়
  2. খ) পল্টন ময়দানে
  3. গ) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে
  4. ঘ) বৈদ্যনাথতলায়
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বটতলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বটতলায়
ব্যাখ্যা
- মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম রব প্রথম উত্তোলন করেন।
- ১৯৭১ সালের ২৩শে মার্চ ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনসহ দেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকা’র পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি মানচিত্র ব্যতীত বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকা গৃহিত হয়।
- এটির ডিজাইনার ছিলেন পটুয়া কামরুল হাসান।
- পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে নিউক্লিয়াসের সদস্যরা তৈরি করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং প্রথম আলো)
৩,০৯১.
জাতিসংঘের কোন সংস্থা একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. ক) আইএলও
  2. খ) ডব্লিউএইচও
  3. গ) ইউনেস্কো
  4. ঘ) ইউনিসেফ
সঠিক উত্তর:
গ) ইউনেস্কো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউনেস্কো
ব্যাখ্যা
• UNESCO (United Nations Educational Scientific and Cutural Organization ) ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করে এবং ২০০০ সাল থেকে ২১ শে ফেব্রুয়ারি 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে পালিত হচ্ছে।

SOURCE: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট 
৩,০৯২.
কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম প্রথম চালু হয়-
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা

- সরকারের সর্বনিম্ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো হচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিক
- কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম প্রথম চালু হয় ১৯৯৮ সালে।
- বর্তমানে চালু থাকা কমিউনিটি ক্লিনিক সংখ্যা ১৩৮৮১টি।
- কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে হেলথ কার্ড চালু হয় ২০২০ সালে।

৩,০৯৩.
'আমি কোনো ব্লকে নেই। প্রাচ্য ব্লকেও নয়, পাশ্চাত্য ব্লকেও নয়—আমি স্বাধীন নিরপেক্ষ বৈদেশিক নীতিতে বিশ্বাসী।' - কার উক্তি?
  1. ক) এ. কে. ফজলুল হক
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. ঘ) মাওলানা ভাসানী
সঠিক উত্তর:
খ) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতি
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পররাষ্ট্র নীতিতে বিশ্বাসী।
- তিনি বিশ্বাসী ছিলেন এ জোটনিরপেক্ষ নীতিতে।
- এজন্যই ১৯৭২ সালের মে মাসে আমেরিকান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে, 'আমি কোনো ব্লকে নেই। প্রাচ্য ব্লকেও নয়, পাশ্চাত্য ব্লকেও নয়—আমি স্বাধীন নিরপেক্ষ বৈদেশিক নীতিতে বিশ্বাসী।'

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
৩,০৯৪.
সাত গম্বুজ মসজিদ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) আরমানিটোলা
  2. খ) মোহাম্মদপুর
  3. গ) লালবাগ
  4. ঘ) চকবাজার
সঠিক উত্তর:
খ) মোহাম্মদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মোহাম্মদপুর
ব্যাখ্যা
- সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত। এটির নির্মাতা মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান। ১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে তিনি এটি নির্মাণ করেন।
- তবে অন্য তথ্যমতে এটির নির্মাতা শায়েস্তা খানের ছেলে বুজুর্গ উদ্দিন (উমিদ)।
- বর্তমানে মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে আছে।

(তথ্যসূত্র: ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট)
৩,০৯৫.
‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’- উক্তিটি কোন পত্রিকায় প্রতিটি সংখ্যার শিরোদেশে মুদ্রিত হতো?
  1. প্রগতি
  2. দৈনিক আজাদ
  3. শিখা
  4. সমকাল
সঠিক উত্তর:
শিখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিখা
ব্যাখ্যা
শিখা পত্রিকা: 
- শিখা ১৯২৬ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য-সমাজের মুখপত্র।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিভাগের অধ্যাপক আবুল হুসেন ছিলেন শিখা পত্রিকার প্রথম সংখ্যার সম্পাদক।
- শিখা বছরে একবার প্রকাশিত হত।
- প্রথম সংখ্যার প্রকাশকাল চৈত্র ১৩৩৩ (৮ এপ্রিল ১৯২৭)। 

উল্লেখ্য,
- শিখার প্রতিটি সংখ্যার শিরোদেশে ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’ কথাটি মুদ্রিত থাকত।
- এ উক্তিকেই শিখা পত্রিকার লেখকগোষ্ঠী তাদের মটো বা আদর্শবাণী হিসেবে বিবেচনা করত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,০৯৬.
আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি কে ছিলেন?
  1. মনজুর কাদের
  2. এস.এ.রহমান
  3. টি.এইচ.খান
  4. এম.আর.হাকিম
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৯৭.
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক ছিলেন -
  1. নুরুল হক ভূঞা
  2. আবদুল মতিন
  3. কাজী গোলাম মাহবুব
  4. শামসুল আলম
সঠিক উত্তর:
কাজী গোলাম মাহবুব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী গোলাম মাহবুব
ব্যাখ্যা
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
• ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
•  কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
• এই সভায় ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ব বাংলা ব্যবস্থাপক পরিষদের বাজেট অধিবেশনের দিন দেশ ব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

অন্যদিকে, 
• ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
• ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ছাত্রসমাজ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে। এ পরিষদের আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
• ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৩,০৯৮.
কোন সুলতানের আমলে ইবনে বতুতা ভারতে এসেছিলেন?
  1. মুহম্মদ বিন তুঘলক
  2. মুহম্মদ বিন কাসেম
  3. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  4. শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ বিন তুঘলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ বিন তুঘলক
ব্যাখ্যা
ইবনে বতুতা:
- মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- বাংলায় সফরের উদ্দেশ্য তিনি নিজেই তাঁর ভ্রমন কাহিনীতে উল্লেখ করেছেন এবং তা ছিল কামরূপের পার্বত্য অঞ্চলে বিখ্যাত সুফিসাধক শেখ জালালউদ্দিনের (হযরত শাহজালাল মুজার্রদ-ই-ইয়েমেনী) দর্শন লাভ।
- ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে একুশ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন এবং আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন।
- এরপর তিনি ভারতে আসেন।
- তিনি সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলকের শাসনামলে ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে দিল্লিতে আসেন এবং দীর্ঘ প্রায় আট বছর কাজীর পদে নিয়োজিত ছিলেন।
- ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের শাসনকালে বাংলায় সফর করেন।

⇒ ইবনে বতুতা তার 'আর রিহলা' গ্রন্থে বাংলাকে ‘দোজখ-ই-পুর নিয়ামত (A Hell Full Of Good Things) ’ অর্থাৎ প্রাচুর্যপূর্ণ নরক বলে অভিহিত করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,০৯৯.
COP- এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Combined Opposition Party
  2. খ) Common Opposition Party
  3. গ) Community Opposed Party
  4. ঘ) Combined Opposition Part
সঠিক উত্তর:
ক) Combined Opposition Party
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Combined Opposition Party
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে ১৯৬৪ সালের ২৬ জুলাই আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক জোট গঠিত হয় যা সম্মিলিত বিরোধী জোট +Combined Opposition Party) নামে পরিচিত। এ জোটের শরিক দল ছিল পাঁচটি।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৩,১০০.
জুলাই ঘোষণাপত্রের কোন ধারায় শহীদদের ‘জাতীয় বীর’ ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ২৩ নং ধারা
  2. ২৪ নং ধারা
  3. ২৫ নং ধারা
  4. ২৮ নং ধারা
সঠিক উত্তর:
২৪ নং ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ নং ধারা
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
-  ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে ঐকমত্যের একটি রাজনৈতিক দলিল।
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৫ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে র ‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।

⇒ জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- জুলাই ঘোষণাপত্রের ২৪ নং ধারায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের 'জাতীয় বীর' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
- ২৪ নং ধারা: সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সকল শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।

অন্যদিকে, 
- ২৫ নং ধারা: সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ যুক্তিসংগত সময়ে আয়োজিতব্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদে প্রতিশ্রুত প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারের মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশা, বিশেষত তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আইনের শাসন ও মানবাধিকার, দুর্নীতি, শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে। 
- ২৭ নং ধারা:  বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে ছাত্র-গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।
- ২৮ নং ধারা: ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানে বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হলো।

উৎস: প্রথম আলো।