বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ২৮ / ১২৪ · ২,৭০১২,৮০০ / ১২,৪২১

২,৭০১.
'দানসাগর' ও 'অদ্ভুতসাগর' গ্রন্থ দুটি কে রচনা করেন?
  1. বিজয়সেন
  2. বল্লালসেন
  3. লক্ষ্মণসেন
  4. জয়দেব সেন 
সঠিক উত্তর:
বল্লালসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বল্লালসেন
ব্যাখ্যা

- সেন রাজা বল্লালসেন একজন সুপণ্ডিত ছিলেন এবং তিনি 'দানসাগর' ও 'অদ্ভুতসাগর' নামক দুটি বিখ্যাত স্মৃতিশাস্ত্র গ্রন্থ রচনা করেন।    

বল্লাল সেন:
- বিজয় সেনের মৃত্যুর পর আনুমানিক ১১৬০ সালে তার পুত্র বল্লাল সেন সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি রাজ্য জয়ের চেয়ে দেশের ভেতরে উন্নয়ন, নতুন প্রথা চালু ও সংস্কারের কাজে অধিকতর মনোযোগী ছিলেন।
- তবে তিনি গোবিন্দপালকে পরাজিত করে মগধের পূর্বাঞ্চল অধিকার করেন।
- কথিত আছে যে, বল্লাল সেন তাঁর পিতার রাজত্বকালে মিথিলা জয় করেন।
- বল্লাল সেন বিদ্যান ও বিদ্যোৎসাহী রাজা ছিলেন।
- তিনি ব্রতসাগর, আচারসাগর, প্রতিষ্ঠাসাগর, দানসাগর ও অদ্ভুতসাগর নামে পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেন ।
- কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক হিসেবে বল্লাল সেন ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত।
- বল্লাল সেন তাঁর পিতার ন্যায় শৈব ছিলেন ।
- ধর্মপ্রচারে তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল।
- তিনি তাঁর পিতার অন্যান্য উপাধির সাথে ‘অরিরাজ নিঃশঙ্কর' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি আনুমানিক ১৮ বছর রাজত্ব করার পর বৃদ্ধ বয়সে পুত্র লক্ষণ সেনের হাতে রাজ্যভার অপর্ণ করে সস্ত্রীক ত্রিবেণীর কাছে গঙ্গাতীরে বাণপ্রস্থ অবলম্বন করে শেষ জীবন অতিবাহিত করেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (৯ম-১০ম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭০২.
ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৮২০
  2. ১৮২৬
  3. ১৮২৮
  4. ১৮৩৩
সঠিক উত্তর:
১৮২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮২৮
ব্যাখ্যা
১৮২৮ সালে রামমোহন রায় ব্রাহ্মসভা (পরবর্তীসময়ে ব্রাহ্মসমাজ) অর্থাৎ ঈশ্বরের সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন, যা বস্তুত হিন্দুধর্মের নতুন একটি শাখা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- রামমোহনের ধর্মীয় ধ্যান-ধারণা মৌলিক হলেও তা ইসলাম ও খ্রিস্টধর্ম দ্বারা খানিকটা প্রভাবিত হয়েছিল।
- তাঁর সংস্কারমূলক ও উদারবাদী ধারণাসমূহের প্রচারের জন্য ১৮২১ সালে রামমোহন সম্বাদ কৌমুদী নামে বাংলা সংবাদপত্র ও ১৮২২ সালে মিরাত-উল-আখবার নামে ফারসি সংবাদপত্র প্রকাশ করেন।
রাজা রামমোহন রায়(১৭৭২/৭৪-১৮৩৩):
- তিনি ছিলেন হিন্দুধর্মের মহান সংস্কারক।
- পশ্চিম বাংলার রাধানগর গ্রামে এক রক্ষণশীল ব্রাহ্মণ পরিবারে তাঁর জন্ম।
- ১৮১৪ সালের মাঝামাঝিতে তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে, তিনি তাঁর জীবনকে সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কারের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন। তাঁর কলকাতা পৌঁছার এক বছরের মধ্যেই সমমনা ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি আত্মীয় সভা (বন্ধুদের সমিতি) নামে একটি একান্ত সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। এর সদস্যবৃন্দ ওই সময়কার ধর্মীয় ও সামাজিক সমস্যাবলি নিয়ে আলোচনার জন্য তাঁর বাসায় নিয়মিত মিলিত হতেন। 
- রামমোহন হিন্দু সংস্কারের এক মহান যুগের সূত্রপাত করেন। তিনি সতীদাহের মতো কুপ্রথার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে সক্ষম হন, যা ১৮২৯ সালে বিশেষ আইনের মাধ্যমে এ প্রথা বন্ধ করতে সরকারকে প্রভাবিত করে। রামমোহন প্রতিমা পূজাকেও দৃঢ়ভাবে বর্জন করেন এবং তিনি বিশ্বাস করতেন যে, হিন্দুধর্ম এক সর্বজনীন ঈশ্বরের পূজা করতে নির্দেশ দেয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২,৭০৩.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের নাম-
  1. ক) বঙ্গভবন
  2. খ) যমুনা
  3. গ) গণভবন
  4. ঘ) পিএমও
সঠিক উত্তর:
গ) গণভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গণভবন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান নির্বাহী প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের নাম গণভবন।
- গণভবন অবস্থিত শেরেবাংলা নগর, ঢাকা।
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ইংরেজি নাম পিএমও।
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অবস্থান তেজগাঁও, ঢাকা।
- রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবনের নাম বঙ্গভবন।

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৭০৪.
১৯৬০ সালে আইয়ুব খান শাসনতন্ত্র রচনার জন্য যে কমিশন গঠন করেন তার নাম-
  1. শরীফ কমিশন
  2. হামুদুর রহমান কমিশন
  3. ব্যুরো অব ন্যাশনাল রিকনস্ট্রাকশন
  4. মোমিন কমিশন
সঠিক উত্তর:
ব্যুরো অব ন্যাশনাল রিকনস্ট্রাকশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যুরো অব ন্যাশনাল রিকনস্ট্রাকশন
ব্যাখ্যা

• শাসনতন্ত্র বিরোধী আন্দোলন:
- বাষট্টির ছাত্র আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্বের সূচনা ঘটে আইয়ুব খান কর্তৃক পরিকল্পিত শাসনতন্ত্রকে কেন্দ্র করে।
- আইয়ুব খান ১৯৬০ সলের জানুয়ারি মাসে মৌলিক গণতন্ত্রের নির্বাচন শেষে ১৫ ফেব্রুয়ারি ৯৫.৬ শতাংশ মৌলিক গণতন্ত্রীদের আস্থা ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- এর দুদিন পর পাকিস্তানের শাসনতন্ত্র রচনার জন্য 'ব্যুরো অব ন্যাশনাল রিকনস্ট্রাকশন' (BNR) নামক একটি কমিশন গঠন করেন।
- কমিশন '৬২ সালের ২৮ এপ্রিল জাতীয় পরিষদের এবং ৬ মে প্রাদেশিক পরিষদের পরোক্ষ নির্বাচনের সুপারিশ করে।
- কমিশন আইয়ুব খানের সাংবিধানিক পরিকল্পনা সম্বলিত একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- এতে ব্রিটিশ পদ্ধতির পার্লামেন্টারি গণতন্ত্র পাকিস্তানে প্রযোজ্য নয় বলে উল্লেখ করা হয়।

উৎস:ইতিহাস, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭০৫.
ষষ্ঠ শতকে বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অংশে কোন স্বাধীন রাজ্যে গড়ে উঠে?
  1. পাটন
  2. রাজমহল
  3. সমতট
  4. গৌড়
সঠিক উত্তর:
গৌড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌড়
ব্যাখ্যা

গৌড়:
- ষষ্ঠ শতকে বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অংশে গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যে গড়ে উঠে।
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- বর্তমান  পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় ছিল এর অবস্থান।
- বাংলায় তুর্কি বিজয়ের কিছু আগে মালদহ জেলার লক্ষণাবতীকেও গৌড় বলা হতো।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম, শ্রেণি।

২,৭০৬.
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত ভাষণটি ইউনেস্কো কোন তারিখে 'বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য' হিসেবে ঘোষণা করে?
  1. ৩০শে অক্টোবর, ২০১৭ সাল
  2. ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সাল
  3. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সাল
  4. ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৮ সাল
সঠিক উত্তর:
৩০শে অক্টোবর, ২০১৭ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০শে অক্টোবর, ২০১৭ সাল
ব্যাখ্যা
৩০ অক্টোবর, ২০১৭ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ’কে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা, ইউনেস্কো (UNESCO)।
• ভাষণটি ইউনেস্কো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য “Memory of the World International Heritage Register'-এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
• এ পর্যন্ত এসব স্বীকৃতির মধ্যে ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকেই প্রথম পাণ্ডুলিপিবিহীন এবং অলিখিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২,৭০৭.
ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের প্রেক্ষাপট কোনটি?
  1. ক) ১৯৩৭ সালের সাধারণ নির্বাচন
  2. খ) ভারত ছাড় আন্দোলন
  3. গ) মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনা
  4. ঘ) ক্রিপস প্রস্তাব
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৩৭ সালের সাধারণ নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৩৭ সালের সাধারণ নির্বাচন
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৭ সালের নির্বাচনের পর মুসলিম লীগকে প্রায় উপেক্ষা করে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে কংগ্রেস সরকার গঠন করে। 
- যেভাবে কংগ্রেসের সরকার পরিচালিত হচ্ছিল তাতে ভারতের মুসলমানদের মধ্যে দ্রুত হিন্দু আধিপত্যের ভীতি ছড়িয়ে পড়ে।
-  এমনি রাজনৈতিক পটভূমিতে মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনে ১৯৪০ সালের লাহর প্রস্তাব গৃহীত হয়।
-  এর মূল কথা ছিলঃ ভারতের উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-পশ্চিমে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে ‘স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ' প্রতিষ্ঠা করা। 
- বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এবং তৎকালীন মুসলিম লীগ নেতা এ.কে ফজলুল হক ছিলেন এ প্রস্তাবের উপস্থাপক। 
- এ প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর ভারতের মুসলমান সম্প্রদায় ও তাদের দল মুসলিম লীগ সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক কর্মসূচি ও দিকনির্দেশনা লাভ করে । 
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। 
- লাহোর প্রস্তাবে ব্যক্ত রাষ্ট্রচিন্তার পথ ধরেই তৎকালীন পাকিস্তান ও পরবর্তীতে পাকিস্তান ভেঙে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। 
 
উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৭০৮.
১৯৬৬ সালের ৬ দফায় কয়টি দফা অর্থনৈতিক বিষয়ক ছিল না?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা
- ৬ দফায়  অর্থনৈতিক বিষয়ক ছিল না - ৩টি 
- যথা- শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি, কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা, আঞ্চলিক বাহিনী গঠন সংক্রান্ত ক্ষমতা।
- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত বঙ্গবন্ধু ছয় দফা ঘোষিত হয় ১৯৬৬ সালে।

• ছয় দফা:
ছয় দফা আন্দোলনে যে দাবিসমূহ ছিল তা হলো-
১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি,
২। কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
৩। অর্থ ও মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা,
৪। রাজস্ব, কর, বা শুল্ক সংক্রান্ত ক্ষমতা,
৫। বৈদেশিক বাণিজ্য সংক্রান্ত ক্ষমতা,
৬। আঞ্চলিক বাহিনী গঠন সংক্রান্ত ক্ষমতা।

উৎস:
পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
২,৭০৯.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত প্রথম উপন্যাস কোনটি?
  1. একুশের গল্প
  2. আরেক ফাল্গুন
  3. কবর
  4. মায়ের ভাষা
সঠিক উত্তর:
আরেক ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম উপন্যাস:
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন'।
- এটি ১৯৫৫ সালের ভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় লেখা।
- পুলিশ ভাষা দিবস পালনকারী অনেককে গ্রেপ্তার করলে একজন বলে - ‘আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুন হবো'।
- চরিত্র: মুনিম, আসাদ, রসুল, সালমা ইত্যাদি। এই উপন্যাসে বাঙালির জাতীয় ঐতিহাসিক ঘটনাকে রূপায়িত করা হয়েছে।
- 'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত প্রথম বাংলা নাটক ।
- 'একুশের গল্প' জহির রায়হান এর ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত গল্প।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২,৭১০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর কোন সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিলো?
  1. ১১ নং সেক্টর
  2. ৮ নং সেক্টর
  3. ৫ নং সেক্টর
  4. ৬ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৮ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুুদ্ধের সেক্টর:
- ১৯৭১ সালে ‍মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
- এর মধ্যে বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা এবং ফরিদপুর ও খুলনা জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ৮ নং সেক্টর গঠিত হয়।
- বর্তমান মেহেরপুর জেলা ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
- ৮ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।

সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া
২,৭১১.
বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান কোন সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন?
  1. ৪নং সেক্টর
  2. ৫নং সেক্টর
  3. ৬নং সেক্টর
  4. ৭নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৪নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ: ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল: ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান: ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ: ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন: ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান: কোনো সেক্টরের অধীনে ছিলেন না।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৭১২.
পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে উর্দুর পাশাপাশি পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা হয়-
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি:
-  ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেল উদ্দিন আহমেদ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে ১৬ ফেব্রুয়ারী ১৯৫৬ তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়।
- ১৯৫৪ সালের ৯ মে পাকিস্তান গণপরিষদ বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিয়ে একটি বিল পাশ করে।
- ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এতে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
- গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবী পেশ করেন। কিন্তু মুসলিম লীগ সদস্যরা এর তীব্র বিরোধিতা করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭১৩.
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কত তারিখে 'মার্চ ফর জাস্টিস' কর্মসূচি পালন করেছে?
  1. ৩০ জুলাই, ২০২৪
  2. ৩১ জুলাই, ২০২৪
  3. ১ আগস্ট, ২০২৪
  4. ২ আগস্ট, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
৩১ জুলাই, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ জুলাই, ২০২৪
ব্যাখ্যা
'মার্চ ফর জাস্টিস' কর্মসূচি:
- বাংলাদেশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবি- কোটা সংস্কার আন্দোলনের সহিংসতায় অনেক শিক্ষার্থীর প্রাণহানি হয়েছে।
- এমতাবস্থায় আন্দোলন দমনের জন্য সাধারণ ছাত্র ও আন্দোলনের সমন্বয়ক এবং বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে গণগ্রেপ্তার চালানো হয়েছে।
- যা রীতিমতো দেশের সংবিধান বিরোধী ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে দাবি করা হয়েছে।
- আর এরই প্রতিবাদে ছাত্ররা তাদের কর্মসূচি 'মার্চ ফর জাস্টিস' পালন করেছে।

⇒ ৩০ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তারা মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচী পালন করার ঘোষণা দিয়েছে।
- ৩১ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তারা মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচী পালন করেছে।
- ৯ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।
২,৭১৪.
গণপরিষদের অধিবেশনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন কত সালে?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৪৯ সালে
  4. ১৯৫০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
- ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা'র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী ও বাংলাপিডিয়া।
২,৭১৫.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি
  3. গ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) ক্যাপটেন মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
খ) জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তিনি অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তার নেতৃত্বেই বাংলাদেশর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়। তিনিই স্বাধীনতার ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে,
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুজিবনগর সরকারের উপ-রাষ্ট্রপতি এবং ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন অস্থায়ী প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী
- মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল এম এ জি ওসমানী।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৭১৬.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় রাজসাক্ষীসহ মোট সাক্ষীর সংখ্যা কত ছিল?
  1. ক) ২২৫ জন
  2. খ) ২২৮ জন
  3. গ) ২২৭ জন
  4. ঘ) ২৩০ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ২২৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২৭ জন
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯শে জুন বেলা এগারোটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- সাক্ষীর সংখ্যা ছিল সরকার পক্ষে ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন। 
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্ত আইনজীবীদের নিয়ে একটি ডিফেন্স টিম গঠন করা হয়।
- অন্যদিকে যুক্তরাজ্যে প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলি ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি. এইচ. খান। 
- ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস এ রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম আর খান ও মুকসুমুল হাকিম।
- ২৯শে জুলাই ১৯৬৮ সালে মামলার শুনানি পুনরায় শুরু হয়। 
- স্যার টমাস উইলিয়াম ৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুর পক্ষে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করেন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
২,৭১৭.
আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের সময় বাংলায় কোন জনপদের উপস্থিতির উল্লেখ করা হয়?
  1. ক) রাঢ়
  2. খ) বরেন্দ্র
  3. গ) গঙ্গারিডি
  4. ঘ) হরিকেল
সঠিক উত্তর:
গ) গঙ্গারিডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গঙ্গারিডি
ব্যাখ্যা
গ্রিকবীর আলেকজান্ডার খ্রিস্টপূর্ব ৩২৬-২৭ অব্দে ভারতবর্ষে আক্রমণ করেন। তার সময়ে বাংলায় ‘গঙ্গারিডি’ নামে একটি শক্তিশালী জনপদের উপস্থিতির উল্লেখ করা হয়।
পদ্মা ও ভাগীরথী নদীর মধ্যবর্তী স্থানে ‘গঙ্গারিডি’ রাজ্যের অবস্থান ছিলো।
আলেকজান্ডার কর্তৃক ভারত আক্রমণের সময় ‘প্রাসিয়র’ নামে আরেকটি রাজ্যেরও অস্তিত্ব ছিলো।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
২,৭১৮.
’বাঁশের কেল্লা’ দূর্গের সাথে কার নামটি জড়িত?
  1. সৈয়দ আহমদ
  2. মঈনুদ্দিন
  3. দুুদুমিয়া
  4. তিতুমীর
সঠিক উত্তর:
তিতুমীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিতুমীর
ব্যাখ্যা
তিতুমীর:
- তিতুমীর ১৮৩১ সালের অক্টোবর মাসে নারকেলবাড়িয়ায় এক দুর্ভেদ্য বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন।
- তিনি তাঁর মুজাহিদ বাহিনীতে বিপুল সংখ্যক মুজাহিদ নিয়োগ করে তাদের সামরিক প্রশিক্ষণ দান করেন।
- অচিরেই মুজাহিদদের সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজারে উপনীত হয়।
- সামরিক প্রস্ত্ততি সম্পন্ন করে তিতুমীর নিজেকে ‘বাদশাহ’ বলে ঘোষণা দেন।
- লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বে ১০০ অশ্বারোহী,
- ৩০০ স্থানীয় পদাতিক, দুটি কামানসহ গোলন্দাজ সৈন্যের এক নিয়মিত বাহিনী তিতুমীরের বিরুদ্ধে প্রেরণ করেন।
- ১৮৩১ সালের ১৪ নভেম্বর ইংরেজ বাহিনী মুজাহিদদের উপর আক্রমণ চালায়।
- মুজাহিদগণ সাবেকি ধরনের স্থানীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আধুনিক অস্ত্র সজ্জিত ইংরেজ বাহিনীকে প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয়ে বাঁশের কেল্লায় আশ্রয় নেয়।
- ইংরেজরা কামানে গোলাবর্ষণ করে কেল্লা সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত করে দেয়।
- বহুসংখ্যক অনুসারিসহ তিতুমীর যুদ্ধে শহীদ হন (১৯ নভেম্বর ১৮৩১)। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৭১৯.
পলাশির যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ক) জুন ২৩, ১৭৫৮
  2. খ) জুন ২৪, ১৮৫৭
  3. গ) জুন ২৩, ১৭৫৭
  4. ঘ) জুন ২৩, ১৮৫৭
সঠিক উত্তর:
গ) জুন ২৩, ১৭৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জুন ২৩, ১৭৫৭
ব্যাখ্যা
• পলাশির যুদ্ধ ২৩ জুন, ১৭৫৭ সংঘটিত হয়েছিল।  

- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার নবাব সিরাজুদ্দৌলা এবং রবার্ট ক্লাইভ নেতৃত্বাধীন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনীর মধ্যে পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আম্রকাননে সংঘটিত এই যুদ্ধে নবাব সিরাজুদ্দৌলা পরাজিত হন এবং এর ফলে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য স্তিমিত হয়।
- বাংলায় প্রায় দুইশ বছরের ইংরেজ শাসনের সূত্রপাত ঘটে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭২০.
ডিপিএড উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কোন প্রতিষ্ঠান সনদ প্রদান করে?
  1. ক) পিটিআই
  2. খ) নেপ
  3. গ) এনসিটিবি
  4. ঘ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
খ) নেপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নেপ
ব্যাখ্যা
ডিপিএড উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সনদ প্রদান করে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমী /National Academy for Primary Education (NAPE).
Source: nape.gov.bd
২,৭২১.
সোমপুর মহাবিহার বাংলার কোন শাসন আমলের স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন? 
  1. মৌর্য
  2. পাল
  3. গুপ্ত
  4. চন্দ্র
সঠিক উত্তর:
পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল
ব্যাখ্যা

⇒ সোমপুর মহাবিহার বাংলার পাল শাসন আমলের স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন।

সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। 
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপাল অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।

২,৭২২.
গুপ্তদের পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে কয়টি স্বাধীন রাজ্যের সৃষ্টি হয়?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন:
- ষষ্ঠ শতকের প্রথমার্ধেই ভারতের বিশাল গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।
- দুর্ধর্ষ পাহাড়ি জাতি হুনদের আক্রমণে টুকরো টুকরো হয়ে যায় গুপ্ত সাম্রাজ্য।
- এ সুযোগে বাংলাদেশে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উত্থান ঘটে।
- এর একটি ছিল প্রাচীন 'বঙ্গরাষ্ট্র' এবং দ্বিতীয় স্বাধীন রাষ্ট্রের নাম গৌড়রাজ্য।

⇒ স্বাধীন বঙ্গরাষ্ট্র:
- স্বাধীন বঙ্গরাষ্ট্রের প্রাচীন রাজারা তামার পাতে খোদাই করে বিভিন্ন ঘোষণা বা রাজকীয় নির্দেশ জারি করতেন। এগুলোকে বলা হতো তাম্র শাসন। স্বাধীন বঙ্গরাষ্ট্রের যুগে এরূপ সাতটি তাম্র শাসন পাওয়া গেছে। এসব থেকে জানা যায় যে, গোপচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও সমাচার দেব নামে তিনজন রাজা স্বাধীন বঙ্গরাজ্য শাসন করেছেন। উল্লিখিত তিন রাজা ৫২৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৬০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রাজত্ব করেছিল। এক সময় বঙ্গ রাষ্ট্রের পতন ঘটে। ধারণা করা হয়, দাক্ষিণাত্যের চালুক্য বংশের রাজা কীর্তি বর্মণের হাতে স্বাধীন বঙ্গরাজ্যের পতন ঘটেছিল। তবে কারো কারো মতে স্বাধীন গৌড় রাজ্যের উত্থান ঘটলে বঙ্গরাজ্যের পতন ঘটে। 

⇒ স্বাধীন গৌড়রাজ্য:
- গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটলে পরবর্তী গুপ্তবংশ নামে পরিচিত গুপ্ত উপাধি নেয়া রাজাগণ বাংলা, পশ্চিম বাংলার উত্তরাংশ ও মগধে ক্ষমতা বিস্তার করেছিলেন। বিভিন্ন কারণে গুপ্ত বংশের রাজারা দুর্বল হয়ে পড়লে এ অবস্থার সুযোগ নিয়ে মগধে শশাঙ্ক নামক এক খ্যাতিমান শাসক গৌড় রাজ্যের ক্ষমতা দখল করেন। প্রাথমিক যুগে শশাঙ্ক ছিলেন গুপ্ত রাজ মহাসেন গুপ্তের একজন মহাসামন্ত। ৬০৬ খ্রিস্টাব্দের আগে কোন এক সময় তিনি গৌড়ের স্বাধীন নরপতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। তিনি কর্ণসুবর্ণে রাজধানী স্থাপন করেন। প্রাথমিক সময়ে স্বাধীন গৌড় রাষ্ট্রের রাজা শশাঙ্ক দণ্ডভুক্তি রাজ্য, উড়িষ্যার উৎকল ও কঙ্গোগ রাজ্য এবং বিহারের মগধ রাজ্য জয় করে তার রাজ্যসীমা বৃদ্ধি করেন। পশ্চিমে তার রাজ্য বারানসী পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল। কামরূপ রাজারাও শশাঙ্কের হাতে পরাজিত হন।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭২৩.
‘বরেন্দ্রভূমি’ প্রাচীন কোন জনপদের সাথে সম্পর্কিত?
  1. পুন্ড্র
  2. রাঢ়
  3. বঙ্গ
  4. সমতট
সঠিক উত্তর:
পুন্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুন্ড্র
ব্যাখ্যা

পুন্ড্র:
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুন্ড্র।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তীকালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
- পুন্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুন্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- পুন্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুন্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭২৪.
বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  2. বখতিয়ার খলজি
  3. মুহাম্মদ বিন কাসিম
  4. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
বখতিয়ার খলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বখতিয়ার খলজি
ব্যাখ্যা

- বখতিয়ার খলজি ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১২০৪ থেকে ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে বাংলায় তুর্কি শাসনের প্রথম পর্যায় ধরা হয়।
- এ সময়ের শাসকরা পুরোপুরি স্বাধীন ছিলেন না।
- কেউ ছিলেন বখতিয়ারের সহবোদ্ধা খলজি মালিক, আবার কেউ তুর্কি বংশের শাসক।
- সবাই দিল্লির সুলতানদের অধীনে বাংলার শাসনকর্তা হিসেবে শাসন করতেন।
- পরবর্তীকালে অনেক শাসক দিল্লির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে স্বাধীন হতে চেয়েছিলেন।
- কিন্তু তাঁদের বিদ্রোহ শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি; দিল্লির আক্রমণে ব্যর্থ হয়।
- এ যুগ ছিল বিদ্রোহ ও বিশৃঙ্খলায় পূর্ণ।
- ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারানী বাংলার নাম দেন ‘বুলগাকপুর’, অর্থ ‘বিদ্রোহের নগরী’।

- বখতিয়ার খলজির মৃত্যুর পর তাঁর সহযোদ্ধাদের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
- তাঁর তিনজন সহযোদ্ধা খলজি মালিক ছিলেন—মুহম্মদ শিরান খলজি, আলি মর্দান খলজি, হুসামউদ্দিন ইওজ খলজি।
- অনেকের ধারণা ছিল আলি মর্দান খলজি বখতিয়ার খলজির হত্যাকারী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

২,৭২৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের সরকারের চীফ অব স্টাফ কে ছিলেন?
  1. মেজর খালেদ মোশারফ
  2. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খোন্দকার
  3. কর্ণেল (অব) এম এ জি ওসমানী
  4. কর্ণেল (অব) এম এ রব
সঠিক উত্তর:
কর্ণেল (অব) এম এ রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণেল (অব) এম এ রব
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।
- মুক্তিবাহিনীর চিফ অব স্টাফ ছিলেন লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব এবং ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
- মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

(উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৭২৬.
অপারেশন জ্যাকপট পরিচালিত হয় কবে?
  1. ১৯৭১ সালের ১০ জুলাই
  2. ১৯৭১ সালের ০১ আগস্ট
  3. ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট
  4. ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ‍মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে পরিচিত।
এইদিন নৌ-কমান্ডোরা একযোগে চট্টগ্রাম, মংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দরে পাকবাহিনীর উপর হামলা চালায়। এতে পাকবাহিনীর ২৬টি নৌযান ধ্বংস হয়। মোট ১৪৮ জন নৌ-কমান্ডোরা চারটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে এই অপারেশনে অংশ নেয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২,৭২৭.
ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী শরণার্থীদের জন্য কোন সরকার আন্তর্জাতিক ত্রাণ তৎপরতায় অংশ নেয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. যুক্তরাজ্য
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ ও বিশ্বজনমত:

• যুক্তরাজ্য সরকার ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী শরণার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক ত্রাণ তৎপরতায় অংশগ্রহণ করে। 
• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সারা বিশ্ব ও পরাশক্তিসমূহ দুভাগে ভাগ হয়েছিল।
• একভাগের নেতৃত্বে পাকিস্তান, চীন, আমেরিকা ও মুসলিম দেশসমূহ।
• অন্যদিকে ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং জোট নিরপেক্ষ দেশসমূহ।
• সৌদি আরব, ইরান, ইরাক প্রভৃতি দেশসমূহ এবং ওআইসি বাংলাদেশে পাকিস্তানের গণহত্যার প্রতিবাদ করেনি বরং পাকিস্তানকে সমর্থন করতে বিশ্বের মুসলমানদের আহ্বান জানিয়েছে।
• সোভিয়েত বলয়ভুক্ত দেশসমূহ সরাসরি বাংলাদেশকে সমর্থন করেছে। 
• চীন পাকিস্তানকে সমর্থন করেছে। 
• জাতিসংঘে স্থায়ী সদস্যদের মধ্যে তিন পরাশক্তির বিভাজনের কারণে জাতিসংঘ মুক্তিযুদ্ধে কোন ভূমিকা রাখতে পারেনি।
• জাতিসংঘের উদ্বাস্তু বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ইউএনএইচসিআর শরণার্থীদের সহায়তা করেছিল।
• মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাজ্য সরকার নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭২৮.
বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ কত বছর নির্ধারিত হয়েছে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৮ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা

• প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়:
- 'জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০' অনুসারে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছিল বিগত সরকার।
- তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নেই।
- রয়েছে শিক্ষক সংকট। নানান সংকটের মুখে সেই উদ্যোগ থেকে সরে এসেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- এজন্য আগামী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত থাকছে প্রাথমিক শিক্ষা।
- প্রাথমিকে ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। 
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা উপযোগী নয় বলে আপাতত প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ ৫ বছরেই রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক ইত্তেকাফ।

২,৭২৯.
একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন-
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) আতাউর রহমান খান
  3. গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. ঘ) আবুল মনসুর আহমেদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আবুল মনসুর আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আবুল মনসুর আহমেদ
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে একুশ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- ২১ দফার প্রথম দফা ছিলো বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
- ২১ দফার মধ্যে ভাষা সংক্রান্ত দফা ৫ টি যথা - ১,১০,১৬,১৭,১৮ । 

এছাড়া অন্যান্য দাবীর মধ্যে ছিলো:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন প্রভৃতি।

উৎস- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২,৭৩০.
প্রাচীন জনপদ গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল কোনটি?
  1. কোটিবর্ষ
  2. মহাস্থানগড়
  3. কর্ণসুবর্ণ
  4. তাম্রলিপ্তি
সঠিক উত্তর:
কর্ণসুবর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণসুবর্ণ
ব্যাখ্যা

গৌড়:
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলো যে যুগে যুগে সীমানা সম্প্রসারণ করেছে তার বড় উদাহরণ হলো গৌড়।
- এই জনপদের খ্যাতি এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে, সমগ্র বাংলাকেই সময়ে সময়ে গৌড়দেশ বিবেচনা করা হতো।
- পূর্ব ভারতীয় দেশসমূহের সামগ্রিক নাম হিসেবে এমনকি উত্তর ভারতের আর্যাবর্তের নাম হিসেবেও কখনো কখনো গৌড়ের ব্যবহার দেখা যায়।
- সর্বপ্রথম পাণিনির গ্রন্থে গৌড়ের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- সেনবংশীয় রাজারা ‘গৌড়েশ্বর' উপাধি গ্রহণ করে গৌরববোধ করতেন।
- ব্যাপক অর্থে ‘গৌড়' বলতে অনেক সময় বাংলা ভাষাভাষী সমগ্র অঞ্চলকে বুঝাত।
- আদিকালে গৌড় বলতে বর্তমানের মুর্শিদাবাদ জেলা ও মালদা জেলার দক্ষিণাংশকে বুঝাত।
- হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং হর্ষচরিত গ্রন্থে শশাঙ্ককে ‘গৌড়াধিপতি' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- মুসলিম যুগে অঞ্চলটি কখনো ‘গৌড়' আবার কখনো লক্ষ্মণাবতী নামে পরিচিত ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৩১.
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কী?
  1. মজিদ খান শিক্ষা কমিশন
  2. শামসুল হক শিক্ষা কমিশন
  3. কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন
  4. কুদরত-ই-খুদা কমিশন
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা কমিশন
ব্যাখ্যা

কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন 'জাতীয় শিক্ষা কমিশন'।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই
বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

২,৭৩২.
একমাত্র খেতাব প্রাপ্ত বিদেশী মুক্তিযোদ্ধা ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. জার্মানি
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. অস্ট্রিয়া
  4. হাঙ্গেরি
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে একমাত্র বিদেশি নাগরিক হিসেবে বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড।
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ২নং
সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ওডারল্যান্ড ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৭৩৩.
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ কতজন পাকিস্তানি সৈন্য আত্মসমর্পণ করেন?
  1. ৯২,০০০
  2. ৯৩,০০০
  3. ৯৪,০০০
  4. ৯৫,০০০
সঠিক উত্তর:
৯৩,০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৩,০০০
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে।
- পাকিস্তান বাহিনীর পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে যৌথবাহিনীর পক্ষে লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবদুল করিম খন্দকার (এ.কে খন্দকার)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
২,৭৩৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কয়টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল?
  1. ১১টি
  2. ৩৪টি
  3. ৩৯টি
  4. ৬৪টি
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়। এই সেক্টরগুলোকে আবার ৬৪ টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ করা হয়।
-  যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য প্রতিটি সেক্টরকে কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৩৫.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ ছিলেন- 
  1. ওহিউল্লাহ
  2. রফিকউদ্দিন আহমদ
  3. আব্দুল বরকত
  4. আব্দুস সালাম
সঠিক উত্তর:
রফিকউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিকউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা

• প্রথম শহীদ:
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ ছিলেন রফিকউদ্দিন আহমদ।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার অধিকার আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে তিনি ঘটনাস্থলেই শহীদ হন।
- তাকে আজিমপুর গোরস্থানে দাফন করা হয়।
 • প্রেক্ষাপট: 
- পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকা এক জনসভায় ঘোষণা করেন, “উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।” 
- এর প্রতিক্রিয়ায় ৩১ জানুয়ারি, বিভিন্ন রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক দলের সভায় আলাউদ্দিন রহমান খানের সভাপতিত্বে কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি গঠন করা হয়। 
- কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ আহ্বায়ক কাজী গোলাম মাহবুবের নেতৃত্বে ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ) রোজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রভাষা দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- এর ফলে সরকার ১৪৪ ধারা জারি করে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করলেও ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা সমবেত হয়ে “রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই” শ্লোগান দিতে থাকে। 
- পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করলে সংঘর্ষ হয়। 
- এই মিছিলে রফিকউদ্দিন আহমদের সঙ্গে শহীদ হন আব্দুল বরকত, আব্দুস সালাম, আবুল জব্বার প্রমুখ।
- নয় বছরের শিশু ওহিউল্লাহও পুলিশের গুলিতে নিহত হন।

উৎস:
i) মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ;
ii) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট;
iii) বাংলাপিডিয়া।

২,৭৩৬.
বখতিয়ার খিলজি বাংলা আক্রমনের সময় লক্ষ্মণ সেন কোথায় অবস্থান করছিলেন?
  1. কনৌজ
  2. বিক্রমপুর
  3. কর্ণসুবর্ণ
  4. নদীয়া
সঠিক উত্তর:
নদীয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদীয়া
ব্যাখ্যা
বখতিয়ার খিলজির বাংলা আক্রমণ:
- তের শতকের প্রথম দিকে (১২০৪ সালে) বখতিয়ার খিলজি বাংলা আক্রমণ করেন।
- লক্ষ্মণ সেন তখন নদীয়ায় অবস্থান করছিলেন।
- দুর্বল লক্ষ্মণ সেন কোনো প্রতিরোধ না করে নদীপথে দক্ষিণপূর্ব বাংলায় চলে যান।
- এর ফলে উত্তর ও উত্তর পশ্চিম বাংলা বখতিয়ার অধিকার করেন এবং লক্ষ্মণাবতীকে (গৌড়) কেন্দ্র করে বাংলায় মুসলিম সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেন।
- লক্ষ্মণ সেনের নদীয়া ত্যাগের মাধ্যমেই বাংলায় হিন্দুশাসনের পতন হয়েছিল বলে ধরা হলেও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় লক্ষ্মণ সেন আরও কয়েক বছর রাজত্ব করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৩৭.
বীর মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি কোন সম্প্রদায়ের?
  1. ক) সাঁওতাল
  2. খ) গারো
  3. গ) খাসিয়া
  4. ঘ) রাখাইন
সঠিক উত্তর:
গ) খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খাসিয়া
ব্যাখ্যা
কাকন বিবি:
- নারী মুক্তিযোদ্ধা কাকন বিবি খাসিয়া সম্প্রদায়ের।
- তার জন্ম ১৯৪৮ সালে সুনামগঞ্জ জেলার এক খাসিয়া পরিবারে।
- তিনি ১৯৭১ সালে ৫নং সেক্টরে মুক্তিবাহিনীর পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি করেন।
- যুদ্ধে তিনি পাকবাহিনীর হাতে ধরা পড়লে তার উপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।
- কাকন বিবি কে মৌখিক ভাবে বীর প্রতীক খেতাব দেওয়া হলেও তার গেজেট প্রকাশিত হয়নি।

উৎস: i) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী।
         ii) ২২ মার্চ ২০১৮, প্রথম আলো।
২,৭৩৮.
ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত হয় কখন?
  1. ক) আঠারো শতকের শেষার্ধে
  2. খ) উনিশ শতকের প্রথমার্ধে
  3. গ) উনিশ শতকের শেষার্ধে
  4. ঘ) আঠারো শতকের প্রথমার্ধে
সঠিক উত্তর:
খ) উনিশ শতকের প্রথমার্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উনিশ শতকের প্রথমার্ধে
ব্যাখ্যা
- ফরায়েজি আন্দোলন ছিলো একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন। উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তউল্লাহ ফরায়েজি আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- এই আন্দোলনের কেন্দ্র ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল।
- ১৮৪০ সালে শরীয়তউল্লাহর মৃত্যুর পর তার পুত্র মুহাম্মদ মুহসিন উদ্দিন ওরফে দুদু মিয়া এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।
- দুদু মিয়া ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেন।
- ১৮৬২ সালে দুদু মিয়ার মৃত্যুর পর সুযোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া)
২,৭৩৯.
কোন সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না?
  1. ২নং সেক্টর
  2. ৪নং সেক্টর
  3. ৮নং সেক্টর
  4. ১০নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
১০নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:

- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং সেক্টরের অধীনে।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৭৪০.
'কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা' ছয় দফার কততম দফায় অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. প্রথম দফা
  2. দ্বিতীয় দফা
  3. তৃতীয় দফা
  4. চতুর্থ দফা
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় দফা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
২,৭৪১.
'পলাশীর প্রথম ব্যারন' কার উপাধি ছিল?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. ওয়াটসন
  3. কার্টিয়ার
  4. রবার্ট ক্লাইভ
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ
ব্যাখ্যা
রবার্ট ক্লাইভ: 

• উপমহাদেশের ইংরেজ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন লর্ড ক্লাইভ।
• প্রথম পর্যায়ে তিনি দাক্ষিণাত্যে কোম্পানিকে রক্ষা করেন; দ্বিতীয় পর্যায়ে তিনি বাংলা জয় করেন। তৃতীয় পর্যায়ে তিনি নবাব ও সম্রাটকে নিয়ন্ত্রণ করে সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী হন এবং ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।
• তাঁর উপাধি ছিল পলাশীর প্রথম ব্যারন।
• ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে রবার্ট ক্লাইভ বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করে দ্বৈত শাসন প্রবর্তন করে। 
• ক্লাইভ মধ্যবর্তী রাজ্য হিসেবে কোম্পানি ও মারাঠাদের মধ্যে অযোধ্যা রাজ্যকে প্রতিষ্ঠা করেন। 
• লর্ড ক্লাইভ উপমহাদেশে ইংরেজ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতার মর্যাদা পেলেও বাংলায় জালিয়াতি এবং উৎকোচ গ্রহণের অপরাধে স্বদেশবাসী তাঁর বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে বহু অভিযোগ উত্থাপন করেন। 
• ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে স্বগৃহে ক্লাইভ আত্মহত্যা করেন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া। 
২,৭৪২.
'দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে' ছয় দফার কত নং দফায় এই বিষয়টি আলোচিত হয়েছে?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) পঞ্চম
  4. ঘ) তৃতীয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে '৬ দফা দাবি' পেশ করেন।
• আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সাথে মিল রেখে ২৩ মার্চ।
• ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালিদের অধিকারের সনদ যার মধ্যে বাঙালিদের জীবনের দাবি নিহিত ছিল। নিম্নে ছয় দফা কর্মসূচি উল্লেখ করা হল।

১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি: ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচিত হবে। 

২। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত: বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

৩। অর্থ ও মুদ্রা: দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে। এ রকম ব্যবস্থা চালু সম্ভব না হলে দুই অঞ্চলের জন্য একই মুদ্রা থাকবে, তবে সংবিধানে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে এক অঞ্চলের মুদ্রা অন্য অঞ্চলে পাচার না হতে পারে।

৪। শুল্ক সম্বন্ধীয়: সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় নিবার্হের জন্য আদায়কৃত অর্থের একটা অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে।

৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: বৈদেশিক মুদ্রার ওপর প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। 

৬। আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলো আধা-সামরিক বাহিনী বা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করতে পারবে। 

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৪৩.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে নির্মিতব্য বায়োপিকের চিত্রনাট্যকার হচ্ছেন -
  1. ক) অতুল তিওয়ারি
  2. খ) শ্যাম বেনেগাল
  3. গ) শামা জাইদি
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ে
ব্যাখ্যা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হচ্ছে বায়োপিক 'বঙ্গবন্ধু'।
পরিচালক: ভারতের শ্যাম বেনেগাল। সহযোগী পরিচালক দয়াল নিহালানি।
চিত্রনাট্য: অতুল তিওয়ারি এবং শামা জাইদি।
এতে বঙ্গবন্ধু চরিত্রে অভিনয় করবেন আরিফিন শুভ। এছাড়া অন্যান্য চরিত্রে আরও ৪৯ জন বাংলাদেশি তারকা অভিনয় করবেন।
(সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো)

 
২,৭৪৪.
মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টরে কেবল নৌ কমান্ড দ্বারা গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ১ নং সেক্টর
  2. খ) ১০ নং সেক্টর
  3. গ) ৯ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১১ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এরমধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর। দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
- ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
২,৭৪৫.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু প্রথমবারের মতো মাতৃভাষায় ভাষণ দেন?
  1. ২৮তম
  2. ২৯তম
  3. ৩০তম
  4. ৩৩তম
সঠিক উত্তর:
২৯তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর প্রথম ভুটান ও ভারত ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বাংলাদেশের জন্য স্বীকৃতি আদায়ের কাজটি খুব সহজসাধ্য ছিল না।
- কারণ, পাকিস্তানের বৈরী প্রচারণায় মুসলিম বিশ্বসহ চীন বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করত।
- বঙ্গবন্ধুর সফল নেতৃত্বে ১৯৭৪ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন, জাপানসহ বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্র ও জাতিসংঘসহ প্রায় সকল আন্তর্জাতিক সংস্থার স্বীকৃতি লাভ করে।
- সাধারণ পরিষদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ যোগদান করে।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো মাতৃভাষা বাংলায় ভাষণ দেন। 
- বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৬টি দেশের স্বীকৃতি ও ২৭টি আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেন।

উৎস: i) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট। 
        ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৪৬.
জাতির পিতার জন্ম কত সালে?
  1. ১৯২০
  2. ১৯২৫
  3. ১৯৩০
  4. ১৯৩৫
সঠিক উত্তর:
১৯২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২০
ব্যাখ্যা
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি। 
- শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে।
- পিতার নাম শেখ লুৎফর রহমান।
- মায়ের নাম: সায়েরা খাতুন।
- দাদার নাম: শেখ আবদুল হামিদ।
- নানার নাম: শেখ আবদুল মজিদ।
- স্ত্রীর নাম: বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব (রেণু)।
- মা-বাবা তাঁকে ‘খোকা’ বলে ডাকতেন।
- তাঁরা দুই কন্যা শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা এবং তিন পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল। 
 
উল্লেখ্য,
- বাবা-মা তাকে খোকা বলে ডাকতেন।
- খোকার শৈশবকাল কাটে টুঙ্গিপাড়ায়। 
- ১৯৭৩ সালে বিশ্ব শান্তি পরিষদ তাঁকে'জুলি ও কুরি' পদকে ভূষিত করে।
- তাঁর জীবনের ১৩টি বছর কারাগারে কেটেছে।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকায়ধানমন্ডিস্থ বাস ভবনে একদল বিদ্রোহী সামরিক ঘাতকের হাতে সপরিবারেনির্মমভাবে নিহত হন। 
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর মাজার  টুঙ্গীপাড়া, গোপালগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।  
 
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৭৪৭.
'বিক্রমশীল বিহার' কার আমলে নির্মিত হয়?
  1. আনন্দপাল
  2. চন্দ্রপাল
  3. ধর্মপাল
  4. রাজা আনন্দদেব
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
•  ধর্মপাল প্রায় ৪০ বছর (৭৮১-৮২১ খ্রিষ্টাব্দ) রাজত্ব করেন।
- ধর্মপাল ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
- পালরাজাদের মধ্যে তিনিই সর্বোচ্চ সার্বভৌম উপাধি পরমেশ্বর,পরমভট্টারক মহারাজাধিরাজ উপাধি ধারণ করেছিলেন।
- ভাগলপুরের পূর্ব দিকে তিনি একটি বৌদ্ধ বিহার বা মঠ নির্মাণকরেন।
- ধর্মপালের দ্বিতীয় নাম বা উপাধি ছিল 'বিক্রমশীল'।
- এনামানুসারে বিহারটি 'বিক্রমশীল বিহার' নামে খ্যাত ছিল
- নালন্দার মতো বিক্রমশীল বিহার বাংলা ও ভারতবর্ষের সর্বত্র ও বাইরে প্রসিদ্ধি লাভ করেছিল।
- নবম শতক থেকে বারো শতক পর্যন্ত এটি সমগ্র ভারতবর্ষের একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
- তিব্বতের অনেক বৌদ্ধ ভিক্ষু এখানে অধ্যয়ন করতে আসত এবং এখানকার অনেক প্রসিদ্ধ বৌদ্ধ আচার্য তিব্বতে বিশুদ্ধ বৌদ্ধ ধর্ম প্রচার করেছিলেন।
- নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর নামক স্থানেও ধর্মপাল এক বিশাল বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- এটি সোমপুর মহাবিহার নামে পরিচিত। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
২,৭৪৮.
‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে প্রকাশিত পুস্তিকার লেখক নয় -
  1. ক) দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ
  2. খ) আবুল মনসুর আহমদ
  3. গ) কাজী মোতাহার হোসেন
  4. ঘ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
ক) দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ
ব্যাখ্যা
• পুস্তিকার নাম - ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’। 
• প্রকাশ - ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর। 
• সম্পাদক -  অধ্যাপক আবুল কাশেম।
• অন্যান্য লেখক - কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল মনসুর আহমদ।  

অন্যদিকে, 
• ‘তমদ্দুন মজলিশ’ এর প্রথম সভাপতি - দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ। 

বিঃদ্রঃ - যদি কোথাও তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠার তারিখ ২ সেপ্টেম্বর না থেকে ১ সেপ্টেম্বর থাকে তাহলে ১ সেপ্টেম্বর উত্তর করতে হবে। অনুরুপ ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ পুস্তিকাটি কখন প্রকাশিত হয় জানতে চাইলে ১৬ সেপ্টেম্বর উত্তর হবে। আর যদি ১৬ সেপ্টেম্বর না থাকে তাহলে হবে ১৫ সেপ্টেম্বর।  

তথ্যসূত্র:- স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
২,৭৪৯.
কোন দেশটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বিরোধিতা করেছিলো?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) কানাডা
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, সৌদি আরব, ইরান প্রভৃতি দেশ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে।
অন্যদিকে,
সোভিয়েত ইউনিয়ন, ভারত, কানাডা, ইরাক ও অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সমর্থন জানায়।
পশ্চিমা দেশগুলোর গণমাধ্যমসমূহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে। তবে জাতিসংঘ কার্যকর ভূমিকা গ্রহণে ব্যর্থ হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৭৫০.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক নাটক 'বিবাহ' এর রচয়িতা কে?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. শামসুল হক
  3. মমতাজ উদ্দীন আহমদ
  4. আলাউদ্দিন আল আজাদ
সঠিক উত্তর:
মমতাজ উদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মমতাজ উদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
বিবাহ:
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক নাটক 'বিবাহ।
- মমতাজউদদীন আহমদের ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা প্রথম নাটক বিবাহ।

⇒ একে একে তার হাতে জন্ম নিলো "ক্ষত বিক্ষত", "রঙ্গপঞ্চাদশ", "প্রেম বিবাহ সুটকেশ", "জমিদার দর্পণ", "হৃদয় ঘটিত ব্যাপার স্যাপার" এর মতো অসাধারণ সব নাটক।
- টেলিভিশনে নাট্যকার হিসেবে মমতাজউদদীন আহমদের যাত্রা শুরু হয় ‘দখিনের জানালা’ নাটকটি দিয়ে।
- হুমায়ূন আহমদের উপন্যাস “শঙ্খনীল কারাগার” অবলম্বনে একই নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। সেই চলচ্চিত্রে মতিন উদ্দিন চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়েই অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছিল মমতাজউদদীন আহমদের।

উল্লেখ্য,
- কিংবদন্তী নাট্যকার মমতাজউদদীন আহমদ।
- স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে পথিকৃৎ মমতাজ উদ্দীন আহমদ।
- মমতাজউদদীন আহমদের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১৮ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার হাবিবপুর থানার আইহো গ্রামে।

উৎস: The Daily Star Bangla.
২,৭৫১.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় কয়টি রং আছে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় দুটি রং রয়েছে। আয়তাকার গাঢ় সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের সমন্বয়ে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা পৃথিবীর যে কোন দেশের জাতীয় পতাকার তুলনায় অনন্য।
২,৭৫২.
ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহের সাথে ‍যুক্ত ছিলেন না কে?
  1. মজনু শাহ
  2. জুম্মা খান
  3. ভবানী পাঠক
  4. মুসা শাহ
সঠিক উত্তর:
জুম্মা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুম্মা খান
ব্যাখ্যা
ফকির  ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রথম বিদ্রোহ ছিল- ফকির  ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ।
- এই বিদ্রোহের প্রধান কারণ তাদের দলবেঁধে চলাচলে ইংরেজরা বাধা প্রদান করে।
- এই আদেশ জারি করেন- ওয়ারেন হেস্টিংস।
- এটি সংঘটিত হয় -অষ্টাদশ শতাব্দীতে।
- এই আন্দোলনের নেতা ছিল- মজনু শাহ, ভবানী পাঠক, মুসা শাহ।
- চাকমা বিদ্রোহ সাথে জড়িত - জুম্মা খান।
- ১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধে ফকিররা মীর কাসিমের পক্ষে যুদ্ধ করেন।
- ১৭৬০- ১৮০০ সাল পর্যন্ত বিদ্রোহ করেন।
- এই বিদ্রোহের কেন্দ্রে ছিল- উত্তর ও পশ্চিমবঙ্গ এবং বিহারের বিভিন্ন স্থানে।
- ফকিররা প্রথম ইংরেজ বাণিজ্য কুঠি আক্রমণ করেন বাকেরগঞ্জে বা বরিশালে।

উল্লেখ্য,
- ইংরেজদের বিরুদ্ধে চাকমা রাজা বিদ্রোহ করে জোয়ান বকস।
- তার প্রধান সেনাপতি ছিল- রুনু খান ( জুম্মা খান)

উৎস: ইতিহাস, (প্রথম পত্র) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৫৩.
পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে কত সালে?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:

- পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭৪ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত ও ভূটান বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়
- ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাজ্যসহ সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া নেদাল্যান্ডস এবং জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭২ সালের এপ্রিল মাসে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় বাংলাদেশকে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ২৬ মার্চ ২০২১।
২,৭৫৪.
'দেবনম পিয়' উপাধি গ্রহণ করেন কোন শাসক?
  1. বিম্বিসার
  2. অশোক
  3. কনিষ্ক
  4. বিক্রমাদিত্য
সঠিক উত্তর:
অশোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অশোক
ব্যাখ্যা

অশোক:
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পৌত্র এবং বিম্বিসারের পুত্র অশোক ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- পিতার রাজত্বকালে অশোক প্রথম জীবনে উজ্জয়িনীর শাসনকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।
- পরে তক্ষশীলায় বিদ্রোহ দেখা দিলে বিন্দুসার তাঁকে সেখানে পাঠান। বিদ্রোহ দমনের পর তিনি তক্ষশীলার শাসনভার গ্রহণ করেন।
- পিতার মৃত্যুর পর ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তিনি পাটলিপুত্রের সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- সিংহাসনে আরোহণের চার বছর পর তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
- সিংহাসনে আরোহণ করে অশোক তাঁর পূর্বসুরীদের মতই 'দেবনম পিয়' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি নিজেকে 'দেবনম পিয় পিয় দসী' রূপে পরিচয় দিতেন।
- তিনি তাঁর পূর্বসুরীদের সাম্রাজ্য সম্প্রসারণনীতি অনুসরণ করেন এবং রাজত্বের ত্রয়োদশ বছরে কলিঙ্গ আক্রমণ করে জয় করেন।
- কলিঙ্গ যুদ্ধে প্রচুর মানুষ হতাহত হয়। যুদ্ধের ভয়াবহতা অশোকের মন ও শাসননীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। এ যুদ্ধের পর তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন।
- সামরিক বিজয়ের পরিবর্তে ধর্ম বিজয় অর্থাৎ সৌহার্দ্য, মানবতা ও ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে অপরের প্রীতি অর্জনকেই প্রকৃত বিজয় বলে তিনি মনেপ্রাণে গ্রহণ করেন।
- তিনি ঘোষণা করেন সব মানুষই তাঁর সন্তান। তাদের জাগতিক ও পারলৌকিক সুখ নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর একমাত্র উদ্দেশ্য।
- প্রায় ৪০ বছর রাজত্বের পর ২৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহামতি অশোক মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৫৫.
অস্থায়ী প্রবাসী সরকারের প্রতি সর্বপ্রথম কোন কূটনীতিক আনুগত্য জ্ঞাপন করেন?
  1. ক) সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
  2. খ) এম. হোসেন আলী
  3. গ) আবদুল মান্নান
  4. ঘ) হুমায়ুন রশীদ চৌধূরী
সঠিক উত্তর:
খ) এম. হোসেন আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এম. হোসেন আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ৬ এপ্রিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অসাধারণ ঘটনার জন্ম দিয়েছিলেন তৎকালীন দু’জন তরুন বাঙালি কুটনীতিক-নয়দিল্লিস্থ পাকিস্তান হাই কমিশনের সেকেন্ড সেত্রেটারি কে. এম. শিহাবুদ্দিন এবং এসিস্টেন্ট প্রেস এটাচী আমজাদুল হক।

মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হওয়ার পূবের্ই কে. এম. শিহাবুদ্দিন ও আমজাদুল হকের নয়াদিল্লিতে এক প্রেস কনফারেন্স করে স্ত্রী, সন্তান ও পরিবারের কথা চিন্তা না করে লোভনীয় কূটনীতিকের পদ ছেড়ে দেন এবং পাকিস্তান সরকারের অন্যায় অত্যাচারের তীব্র নিন্দা জানান, যা সমগ্র পৃথিবীতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

অন্যদিকে,
- ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল সরকার গঠনের একদিন পর কলকাতার পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ হোসেন আলী এবং সব বাঙালি কূটনীতিক ও স্টাফ একযোগে বাংলাদেশের পক্ষে আনুগত্য জানান।
- 'পাকিস্তান ডেপুটি হাইকমিশন' নামফলক নামিয়ে ফেলা হয়। সেখানে 'বাঙলা দেশ কূটনৈতিক মিশন' নামফলক লাগিয়ে দেওয়া হয়।
- মিশনের ছাদে ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ হোসেন আলীর নেতৃত্বে ওড়ানো হয় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মত আনুষ্ঠানিকভাবে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়তে শুরু করে।

উৎস: i) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)।
২,৭৫৬.
মুঘল সম্রাটদের মধ্যে প্রথম আত্মজীবনী লিখেছিলেন -
  1. আকবর
  2. বাবর
  3. হুমায়ুন
  4. শাহজাহান
সঠিক উত্তর:
বাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাবর
ব্যাখ্যা

মুঘল সম্রাটদের মধ্যে প্রথম আত্মজীবনী লিখেছিলেন সম্রাট বাবর। তার রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'তযুক-ই-বাবরী'। 

সম্রাট বাবর:

- জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর ছিলেন ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা।
- বাবরের পিতা উমর শেখ মির্জা ছিলেন দুধর্ষ সমর নেতা তৈমুরের বংশধর এবং মাতা কুতলুঘ নিগার খানম ছিলেন মোঙ্গল নেতা চেঙ্গিস খানের অধস্তন বংশধর ইউনুস খানের কন্যা।
- মাত্র ১১ বছর বয়সে বাবর পিতৃ সিংহাসনে উপবেশন করেন।
- বাবর অল্পদিনের মধ্যেই সমগ্র আফগানিস্তানে নিজ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে 'পাদশাহ' (বাদশাহ) উপাধি গ্রহণ করে ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত কাবুলের শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৫১২ খ্রিস্টাব্দে উজবেকদের সাথে সংঘটিত এক যুদ্ধে বাবর পরাজিত হয়ে সমরকন্দ থেকে বিতাড়িত হন। অতঃপর মধ্য এশিয়ায় রাজ্য স্থাপন অসম্ভব মনে করে বাবর ভারতবর্ষের দিকে মনোনিবেশ করেন।

⇒  ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে ইব্রাহীম লোদীকে, ১৫২৭ খ্রিস্টাব্দে খানুয়ার যুদ্ধে মেবারের রাজপুত নেতা রানা সংগ্রাম সিংহকে, ১৫২৮ খ্রিস্টাব্দে চান্দেরী অভিযানের সময় মেদেনী রাওকে এবং সর্বশেষ ১৫২৯ খ্রিস্টাব্দে গোগরার যুদ্ধে সম্মিলিত আফগান শক্তিকে পরাস্ত করার মধ্যে বাবরের উন্নত সামরিক কৌশল, রণনিপুণতা এবং একজন সফল সমর নায়কের কৃতিত্ব ফুটে উঠে। 

⇒ জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মুঘল সাম্রাজ্য শাসন করেন। তাঁর সময় মুঘল সাম্রাজ্য পশ্চিমে কাবুল থেকে পূর্বে বিহার এবং উত্তরে হিমালয় থেকে দক্ষিণে চান্দেরি পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে। মাত্র চার বছরের সংক্ষিপ্ত রাজত্বকালে বাবর বিশাল সাম্রাজ্যে সুষ্ঠু শাসন ব্যবস্থা অব্যাহত রাখেন।
- তবে বাবর খলিফার ক্ষমতাকে অস্বীকার করে স্বয়ং 'বাদশাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- বাবর সমগ্র সাম্রাজ্যব্যাপী ১৫ মাইল অন্তর অন্তর ডাকচৌকির ব্যবস্থা করেন।
- তিনি তুর্কি ও ফার্সি ভাষায় অসংখ্য কবিতা রচনা করেন। তাঁর রচিত তুর্কি কবিতার সংকলন 'দিওয়ান' নামে পরিচিত। জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবরের সাহিত্যানুরাগের শ্রেষ্ঠ নির্দশন তুর্কি ভাষায় রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'তযুক-ই-বাবরী'। 'তুযুক-ই-বাবরী' মুঘল ইতিহাসের এক অমূল্য দলিল।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৫৭.
১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার খবর প্রথম বহির্বিশ্বে প্রচার করেন কোন সাংবাদিক?
  1. ক) মতিউর রহমান
  2. খ) সাইমন ড্রিং
  3. গ) এম আর আখতার মুকুল
  4. ঘ) অ্যালেন গিন্সবার্গ
সঠিক উত্তর:
খ) সাইমন ড্রিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাইমন ড্রিং
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ অপারেশন সার্চলাইটের সময় ব্রিটেনের ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকার সাংবাদিক সাইমন ড্রিং ঢাকা ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে গোপনে অবস্থান করে পাকবাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেন।
পরবর্তীতে ৩০শে মার্চ ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় 'ট্যাংকস ক্র্যাশ রিভোল্ট ইন পাকিস্তান' শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে সর্বপ্রথম পাকবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের খবর বহির্বিশ্বে প্রচার করেন। এ ঘটনার পর তাকে ঢাকা ছাড়তে হয়।
পরবর্তীতে ১৬ ডিসেম্বর মিত্রবাহিনীর ট্যাংকে চড়ে তিনি ঢাকায় প্রবেশ করেন।
উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো আর্কাইভ
২,৭৫৮.
দেশের বাহিরে নিচের কোন শহরে মুজিবনগর সরকার মিশন স্থাপন করেছিল? 
  1. স্টকহোম
  2. দিল্লি
  3. ওয়াশিংটন
  4. উপরের সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
দেশের বাহিরে মুজিবনগর সরকারের মিশন স্থাপন:

• ১৯৭১ সালের ১০ মার্চ মুজিবনগর সরকার গঠনের পর কাজের সুবিধার্থে ১২ টি মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়। 
• মুজিবনগর সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে বাংলাদেশ সরকারের মিশন স্থাপন করে। শহরগুলো হলোঃ
- কলকাতা
- দিল্লি
- লন্ডন
- ওয়াশিংটন
- নিউইয়র্ক
- স্টকহোম
• এসব মিশন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রচারণা ও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে। 
• সরকার বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে বিশেষ দূত নিয়োগ দেয়। 
• তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমতসৃষ্টি ও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সমর্থন আদায়ের জন্য কাজ করেন। 
• উল্লেখ্য, বিদেশে কলকাতাতেই প্রথম বাংলাদেশ মিশন স্থাপন করে। 
• মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে ছিল। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
২,৭৫৯.
‘তৈচাকমা’ জলপ্রপাতটি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. খাগড়াছড়ি
  3. রাঙামাটি
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
• তৈচাকমা জলপ্রপাত:
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা থেকে সাত কিলোমিটার দূরে জলপ্রপাতটির অবস্থান।
→ ত্রিপুরা ভাষার তৈচাকমা মানে লাল পানি, আর চাকমা ভাষায় রাঙাপানি। তবে এখন পানির রং স্বচ্ছ।
→ এছাড়াও রাঙামাটি জেলায় রয়েছে কাট্টলী বিল, চিৎমরম বৌদ্ধ বিহার, ফুরমোন পাহাড় ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও রাঙামাটি জেলার ওয়েবসাইট।
২,৭৬০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা (আয়তন) কোনটি?
  1. নওয়াবগঞ্জ
  2. নরসিংদী
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
নারায়ণগঞ্জ:
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম জেলা নারায়ণগঞ্জ।
- ১৯৮৪ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিষ্ঠিত।
- এর আয়তন ৬৮৪.৩৭ বর্গকিলোমিটার। 
- নারায়ণগঞ্জ সোনালী আশঁ পাটের জন্য প্রাচ্যের ড্যান্ডি নামে পরিচিত।
- নারায়ণগঞ্জ বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদীবন্দর। 
- নারায়ণগঞ্জের মধ্য দিয়ে শীতলক্ষ্যা নদী প্রবাহিত।

অন্যদিকে -
- আয়তন অনুযায়ী বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা হল রাঙ্গামাটি।
- প্রতিষ্ঠাকালের দিক থেকে যশোর বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন জেলা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৭৬১.
ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করে কে?
  1. আওয়ামী মুসলিম লীগ
  2. ছাত্রলীগ
  3. তমদ্দুন মজলিশ
  4. পাকিস্তান গণতান্ত্রিক যুবলীগ
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন। 
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বরে ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম পুস্তিকা প্রকাশিত হয়।
- ভাষা ও সংস্কৃতির প্রশ্নে শুরু থেকেই যে আলোড়ন সৃষ্টি হয় তার মধ্য থেকে জন্ম নিতে থাকে অনেক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান। 
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে গঠিত হয় প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’। 
- এর আহ্বায়ক মনোনিত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম পরিচালিত হলে পূর্ব বাংলা কংগ্রেস পার্টির সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এর প্রতিবাদ করেন।
- তিনি ‘বাংলা’ ভাষাকেও অধিবেশনের ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।

উৎস: i) ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ১৩ ডিসেম্বর ২০২১, প্রথম আলো।
২,৭৬২.
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করার জন্য পরিচালিত অপারেশনের নাম কী ছিল?
  1. অপারেশন ব্লুবার্ড
  2. অপারেশন বিগবার্ড
  3. অপারেশন বিগম্যান
  4. অপারেশন সার্চলাইট
সঠিক উত্তর:
অপারেশন বিগবার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন বিগবার্ড
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় (বাইগার নদীর তীরে)।
- বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে অভিষিক্ত হন ১৯৪৪ সালে কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে।
- ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- বন্দী থাকা অবস্থায় ১৬ ফেব্রুয়ারিতে রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবিতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে অনশন শুরু করেন। ভাষার দাবিতে বঙ্গবন্ধু ১৩ দিন অনশন করেছিলেন।

- ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণ দেন ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে, যা এখন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত।
- বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের মূল বক্তব্য ছিল “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম"।
- বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাড়িতে প্রথম ২৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত অর্থাৎ ২৬ মার্চে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- এরপরই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করতে পরিচালিত অপারেশনের নাম অপারেশন বিগবার্ড।

অন্যদিকে: 

- অপারেশন সার্চলাইট পাকিস্তানে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী মুক্তিকামী বাঙালিদের কঠোর হস্তে দমনের জন্য ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী যে সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করে সামরিক কর্তৃপক্ষ একে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে অভিহিত করে।

উৎস: শতবর্ষে শত তথ্যে 'বঙ্গবন্ধু' ও প্রথম আলো।
২,৭৬৩.
ইবনে বতুতা রচিত কোন গ্রন্থে চতুর্দশ শতকে বাংলার আর্থ সামাজিক অবস্থার চিত্র পাওয়া যায়?
  1. ক) কিতাবুল রেহালা
  2. খ) আন-নহর উল-আয্রাক
  3. গ) ইবনে জুযাই
  4. ঘ) আল রিহবাত
সঠিক উত্তর:
ক) কিতাবুল রেহালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কিতাবুল রেহালা
ব্যাখ্যা
- ইবনে বতুতা মরক্কোর পর্যটক ছিলেন।
- তিনি ১৩৩৪ সালে ভারতে ও ১৩৪৬ সালে বাংলায় ভ্রমণ করেন।
- তাঁর লিখিত বিখ্যাত গ্রন্থ কিতাবুল রেহালা বা সফরনামা।
- তাঁর ‘কিতাবুল রেহালা’ নামক গ্রন্থে সমসাময়িক বাংলায় আর্থ-সামাজিক অবস্থার অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
-  ইবনে বতুতা সিলেটের প্রখ্যাত সাধক হযরত শাহজালালের সাথে সাক্ষাৎ করেন।
- তিনি বাংলার নামকরণ করেন ‘দোযখ-ই-পুর নিয়ামত’ বা প্রাচুর্যপূর্ণ নরক।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
২,৭৬৪.
১৯৭১ সালের কত তারিখে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়?
  1. ১৬ ডিসেম্বর
  2. ১০ এপ্রিল
  3. ১৭ এপ্রিল
  4. ২৬ মার্চ
সঠিক উত্তর:
২৬ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ মার্চ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা 
- ২৫ মার্চ ১৯৭১ রাতে পাকবাহিনীর নৃশংসতম আক্রমণের পরে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে রাত দেড়টার কিছু পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইংরেজিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন।
- এই ঘোষণার মাধ্যমেই ২৬ মার্চ, ১৯৭১ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।
- এই ঘোষণা তিনি ওয়্যারলেসের মাধ্যমে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পৌঁছে দেন।
- সেই রাতেই চট্টগ্রাম ওয়্যারলেস জহুর আহমেদ চৌধুরীকে এটি পাঠিয়ে দেন।
- জহুর আহমেদ চৌধুরী এবং তৎকালীন চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক এম. এ. হান্নান এই ঘোষণার বঙ্গানুবাদ করেন।
- ২৬ মার্চ দুপুর আড়াইটায় এম. এ. হান্নান চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে জাতির উদ্দেশ্যে সর্বপ্রথম বঙ্গবন্ধু ঘোষিত স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন।
- ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর নামে ইংরেজিতে এই ঘোষণা পাঠ করেন।
- এই ঘোষণার প্রথম দুটি লাইন ছিল, 'This may be my last message. From today Bangladesh is independent.'
- ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস।

তথ্য- পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো মোজাম্মেল হোক।
২,৭৬৫.
১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে -
  1. ২১১টি
  2. ২০৭টি
  3. ২২৩টি
  4. ২২১টি
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
ব্যাখ্যা
প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন:
- চারটি দল নিয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার হয় ২১ দফা।
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে মুসলমান আসনে ৩৭.৬০% ভোট পড়ে।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়ী হয় এবং মুসলিম লীগ শোচনীয়ভাবে পরাজয় বরণ করে।
- নির্বাচনে মোট ৩০৯টি আসনের মধ্যে মুসলমানদের জন্য সংরক্ষিত ২৩৭টি আসনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসনে জয়ী হয়।
- যুক্তফ্রন্ট প্রদত্ত ভোটের ৬৪% লাভ করে।

অন্যদিকে -
- সরকারি দল মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৯টি আসন।
- বাকি ৫টি মুসলিম আসনের ৪টি পায় স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এবং ১টি পায় খেলাফত-ই-রব্বানী পার্টি।
- এছাড়া মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত ৯টি আসনের সবকটিই যুক্তফ্রন্ট লাভ করে।
- নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী যুক্তফ্রন্ট প্রাদেশিক মন্ত্রিসভা গঠনের যোগ্যতা অর্জন করে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস, SSHL প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৭৬৬.
স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের জন্য সম্প্রতি কোন স্কিমটি চালু করা হয়েছে?
  1. প্রগতি
  2. প্রবাস
  3. প্রত্যয়
  4. সমতা
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
প্রত্যয় স্কিম:
- চারটি আলাদা কর্মসূচি (স্কিম) নিয়ে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয় ১৭ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে।
- এগুলো হচ্ছে প্রগতি, সুরক্ষা, প্রবাস ও সমতা।
- প্রগতি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মচারীদের জন্য।
- সমতা দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী (যাঁদের আয়সীমা বার্ষিক অনূর্ধ্ব ৬০ হাজার টাকা) স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য।  
- প্রবাস শুধু প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য।
- আর সুরক্ষা রিকশাচালক, কৃষক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেলে, তাঁতি ইত্যাদি স্বকর্মে নিয়োজিত নাগরিকদের জন্য।
- সর্বজনীন পেনশনে ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী একজন সুবিধাভোগী ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত এবং ৫০ বছরের বেশি বয়সের সুবিধাভোগী ন্যূনতম ১০ বছর চাঁদা দেওয়া সাপেক্ষে আজীবন পেনশন সুবিধা ভোগ করবেন। 

উল্লেখ্য,
- দেশের সব স্বশাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোর চাকরিতে যেসব কর্মকর্তা বা কর্মচারী ২০২৪ সালের ১ জুলাইয়ের পর যোগ দেবেন, তাঁরা প্রত্যয় সর্বজনীন পেনশনের আওতাভুক্ত করা হবে। 
- ১ জুলাই, ২০২৪-এর পর যাঁরা নতুন চাকরিতে যোগ দেবেন, তাঁরা ‘প্রত্যয়’ স্কিমের আওতার অধীনস্ত হবেন।

উৎস: ১৫ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
২,৭৬৭.
প্রাচীন পুণ্ড্রনগরে কোন সাম্রাজ্যের নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে?
  1. মৌর্য সাম্রাজ্য
  2. গুপ্ত সাম্রাজ্য
  3. সেন সাম্রাজ্য
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৭৬৮.
১৯৭১ সালের ২ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে কোন আন্দোলন সংঘটিত হয়?
  1. ক) সহযোগ আন্দোলন
  2. খ) বাংলাদেশ স্বাধীন আন্দোলন
  3. গ) অসহযোগ আন্দোলন
  4. ঘ) বাংলাদেশ আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
গ) অসহযোগ আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অসহযোগ আন্দোলন
ব্যাখ্যা

• অসহযোগ আন্দোলন:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে ১৯৭১ সালের ২ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পরিচালিত আন্দোলন। - এ আন্দোলনে কেন্দ্রীয় শাসনের বিপরীতে স্বশাসন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।
- ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে দিগনির্দেশনামূলক ভাষণের মাধ্যমে অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- এছাড়া আওয়ামী লীগ বিভিন্ন নির্দেশের মাধ্যমে এ আন্দোলন পরিচালনা করে।
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু সরকার গঠনে আহবান জানানোর পরিবর্তে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান - ১৯৭১ সালের ১ মার্চ জাতীয় পরিষদ অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন।
- শেখ মুজিবুর রহমান এ সিদ্ধান্তকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ আখ্যা দেন এবং এর প্রতিবাদে ২ মার্চ ঢাকায় এবং ৩ মার্চ সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল আহবান করেন।

উৎস
: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া। 

২,৭৬৯.
মীর জাফরকে ক্ষমতাচুত্য করেন কোন ইংরেজ গভর্নর?
  1. ক) লর্ড ক্লাইভ
  2. খ) ভান্সিটার্ট
  3. গ) রবার্ট ক্লাইভ
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন হকিন্স
সঠিক উত্তর:
খ) ভান্সিটার্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভান্সিটার্ট
ব্যাখ্যা
- পলাশির যুদ্ধের পর মীর জাফরকে নামেমাত্র নবাব করা হয়। তবে মীর জাফরের বিরুদ্ধে অযোগ্যতা, অতিরিক্ত অর্থ প্রদানে অক্ষমতা এবং ওলন্দাজদের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।
- ১৭৬০ সালে ইংরেজ গভর্নর ভান্সিটার্ট মীর জাফরকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে মীর কাশিমকে শর্ত সাপেক্ষে সিংহাসনে বসান।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৭০.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সরকারিভাবে মুক্তিযোদ্ধা নামে পরিচিত ছিল -
  1. অনিয়মিত বাহিনী
  2. মুক্তিবাহিনী
  3. নিয়মিত বাহিনী
  4. যৌথ বাহিনী
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত বাহিনী
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ ও বাহিনীসমূহ
- মুজিবনগর সরকার পরিকল্পিত উপায়ে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করার জন্য সামরিক ও বেসামরিক সকল জনগণকে নিয়ে ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই মুক্তিবাহিনী গঠন করে।
- মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল। নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনী।

- অনিয়মিত বাহিনী গণবাহিনী বা গেরিলাবাহিনী নামে পরিচিত ছিল।
- ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণের পর বিভিন্ন সেক্টরে গণবাহিনীতে নিয়োগ করা হতো।
- গণবাহিনীর সদস্যদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শত্রুর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য পাঠানো হয়।
- অনিয়মিত বাহিনীকে সরকারিভাবে বলা হত মুক্তিযোদ্ধা।

- নিয়মিত বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসের সৈন্যরা।
- এই বাহিনীর সদস্যরা সশস্ত্রবাহিনীর প্রথাগত যুদ্ধে নিয়োজিত ছিলেন।
- নিয়মিত বাহিনীর সংগঠনিক নাম ছিল মুক্তিফৌজ।

উল্লেখ্য,
- মুজিবনগর সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে প্রথমে ৪ টি যুদ্ধাঞ্চলে ভাগ করে। পরে আরো ৩টি ভাগ করা হয়। ফলে মোট যুদ্ধাঞ্চল ছিল ৭টি।
- S ফোর্স, K ফোর্স ও Z ফোর্স নামে তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
-এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সমগ্র বাংলাদেশ ১১ টি সেক্টর ছিল , যেখানে মোট ১৬ জন সেক্টর-কমান্ডার ছিলেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র, দশম খন্ড।
২,৭৭১.
ডাক বিভাগ প্রবর্তিত ডিজিটাল আর্থিক সেবা কোনটি?
  1. ইউক্যাশ
  2. নগদ
  3. পরিচয়
  4. রকেট
সঠিক উত্তর:
নগদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নগদ
ব্যাখ্যা
ডাক বিভাগ প্রবর্তিত মোবাইল আর্থিক সেবা হলো নগদ। ২০১৯ সালের ২৬শে মার্চ প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে নগদ সেবা উদ্বোধন করেন।
রকেট, বিকাশ ও ইউক্যাশ হলো যথাক্রমে ডাচ বাংলা ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক ও ইউসিবিএল ব্যাংক প্রবর্তিত মোবাইল আর্থিক সেবা।
পরিচয় হলো নির্বাচন কমিশনের ভেরিফিকেশন গেটওয়ে।
(সূত্র: নগদ ও প্রথম আলো)
২,৭৭২.
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয় -
  1. ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট
  2. ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট
  3. ১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই
  4. ১৯৪৭ সালের ২৩ জুন
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই
ব্যাখ্যা
• 'ভারত স্বাধীনতা আইন' 

- ব্রিটিশ ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসের গতিধারায় ১৯৪৭ সালের ভারত শাসন আইন ভারতীয়দের জাতীয় জীবনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ও উল্লেখযোগ্য ঘটনা ।
- তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মি. এটলির ঘোষণা মোতাবেক ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন ভারতবর্ষকে বিভক্তির মাধ্যমে ভারতীয় শাসন পরিকল্পনায় যে সমস্ত সুপারিশ করেন সেগুলোকে সামনে রেখে ব্রিটিশ সরকার ভারতবর্ষের জনগণের স্বাধীনতা প্রদানে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়।
- ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

-  এ আলোকেই ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই কতিপয় ধারা সংবলিত ভারত শাসন আইন পাস করে ।
- এই আইন অনুসারে ভারতবর্ষ থেকে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে ।
- পৃথিবীর মানচিত্রে অখণ্ড ভারতের পরিবর্তে পাকিস্তান ও ভারত নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে ।

উৎস- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতাঃ নবম-দশম শ্রেণী।
২,৭৭৩.
১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর কতজন মুক্তিযোদ্ধাকে খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ৫৭৬ জন
  2. ৪৭৬ জন
  3. ৬৭৬ জন
  4. ৭৭৬ জন
সঠিক উত্তর:
৬৭৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭৬ জন
ব্যাখ্যা
বীরত্বসূচক খেতাব:
- বীরত্বসূচক খেতাব বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন এবং আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদত্ত খেতাব।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- এ পরিকল্পে চার পর্যায়ের খেতাব প্রদানের বিধান ছিল: (ক) সর্বোচ্চ পদ, (খ) উচ্চ পদ, (গ) প্রশংসনীয় পদ, (ঘ) বীরত্বসূচক প্রশংসাপত্র।
- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৮ জন,
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন,
- বীর প্রতীক- ৪২৬ জন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
২,৭৭৪.
কার রাজত্বকালেই শাহ মুহম্মদ সগীর তাঁর 'ইউসুফ জোলেখা' কাব্য রচনা করেন?
  1. নাসিরউদ্দিন নুসরত শাহ
  2. আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহ
  3. গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ
  4. রুকনউদ্দিন বরবক শাহ
সঠিক উত্তর:
গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ
ব্যাখ্যা

গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ:  
- তিনি ১৩৯০- ৯১ খ্রিস্টাব্দে বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- বাংলার ইতিহাসে তাঁর রাজত্বকাল নানা কারণে প্রসিদ্ধি লাভ করে।
- খ্যাতি ও সাফল্যের বিচারে তিনি ইলিয়াস শাহী বংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুলতান ছিলেন।
- তিনি ন্যায়পরায়ণ শাসক হিসেবেও প্রসিদ্ধি লাভ করেন।
- গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ নিজে বিদ্বান ছিলেন।
- তিনি বিদ্বান, কবি ও সাহিত্যিকদের সমাদর ও শ্রদ্ধা করতেন।
- তিনি ফার্সি ভাষায় কবিতা লিখতেন।
- ইরানের কবি হাফিজের সাথে তাঁর যোগাযোগ ছিল।
- তিনি হাফিজকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানান।
- তিনি বাংলা সাহিত্যেরও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের রাজত্বকালেই প্রথম বাঙালি মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর তাঁর কাব্য ইউসুফ জোলেখা রচনা করেন।
- গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ তাঁর পিতা ও পিতামহের মতই মুসলমান সুফি ও দরবেশদেরকে ভক্তি করতেন।
- সুফিদের মধ্যে শেখ নূর কুতব আলম প্রসিদ্ধ ছিলেন।
- চৈনিকসূত্র থেকে জানা যায় যে, গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ চীন সম্রাটের নিকট দূত ও উপহার পাঠিয়েছিলেন।
- চীন সম্রাটও বাংলাদেশের সুলতান ও তাঁর স্ত্রীর জন্য উপঢৌকন প্রেরণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 

২,৭৭৫.
মুক্তিযুদ্ধকালে 'যৌথকমান্ড' গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  2. খ) ১ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  3. গ) ১৫ নভেম্বর, ১৯৭১
  4. ঘ) ২১ নভেম্বর, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ নভেম্বর, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ নভেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
'যৌথকমান্ড' গঠন

'যৌথ বাহিনী' বা 'যৌথকমান্ড' গঠন করা হয়: ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর (বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সমন্বয়ে)। 
'যৌথ কমান্ড'-এর অধিনায়ক নির্বাচিত করা হয়: ভারতের ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা। 
'যৌথ কমান্ড'-এর প্রধান হন: ভারতের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল শ্যাম মানেকশ'।


তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
২,৭৭৬.
তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. সামসুল আলম
  2. আবদুল মতিন
  3. আবুল কাসেম
  4. নুরুল হক ভূঞা
সঠিক উত্তর:
আবুল কাসেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল কাসেম
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম ১৯৪৭ সালে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু'।
- তমদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলাভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
- ১৯৪৭ সালের মধ্যেই বহু প্রখ্যাত এবং অখ্যাত লেখক বাংলা রাষ্ট্রভাষার প্রতি তাদের দ্ব্যর্থহীন সমর্থন জানিয়েছিলেন।
- পাকিস্তানের পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিষয়তালিকা থেকে এবং নৌ ও অন্যান্য বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাকে বাদ দেয়া হয়।
- এমনকি পাকিস্তানের গণপরিষদের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও উর্দুকে নির্বাচন করা হয়। ফলে বাঙালিরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৭৭.
‘সম্মিলিত বিরোধী দল' (কপ) কোনটির প্রেক্ষিতে গঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৫৪ সালের নির্বাচন
  2. খ) ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান
  3. গ) ১৯৬৫ সালের নির্বাচন
  4. ঘ) ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৫ সালের নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৫ সালের নির্বাচন
ব্যাখ্যা
১৯৬৫ সালের নির্বাচন
- ১৯৬২ সালের ৮ জুন সামরিক আইন স্থগিত করে দলীয় রাজনীতির অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হয়। 
- ১৯৬৪ সালে আইয়ুব খান যথাক্রমে প্রেসিডেন্ট, জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের ঘোষণা দেন। 
- ১৯৬৪ সালের শুরুতে আওয়ামী লীগ এনডিএফ থেকে বেরিয়ে আসে। 
- শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন।
- ১৯৬৫ সালের ২ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে একক প্রার্থী দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ, ন্যাপ, কাউন্সিল মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম প্রভৃতি দল মিলে ‘সম্মিলিত বিরোধী দল' (Combined Opposition Party, COP) নামে একটি জোট গঠন করে। 
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে COP-এর প্রার্থী হিসেবে ফাতেমা জিন্নাহ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন । 
- মৌলিক গণতন্ত্রীদের নিরঙ্কুশ সমর্থনে আইয়ুব খান ফাতেমা জিন্নাহকে সহজেই পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মত প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। 
- অবৈধ প্রভাব ও প্রশাসনিক যন্ত্রকে ব্যবহার করেই আইয়ুব খান মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত জাতীয় পরিষদ এবং মে মাসে অনুষ্ঠিত প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করেন। 
- ফলে ১৯৬৫ সালের নির্বাচন পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উন্নয়নে কোন ভূমিকা রাখতে পারেনি ।
 
উৎস: বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৭৭৮.
উপমহাদেশে সংস্কৃত ও ফারসির পাশাপাশি ইংরেজি শিক্ষার প্রবর্তন করেন -
  1. ক) লর্ড ডালহৌসি
  2. খ) লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  3. গ) লর্ড মাউন্ট ব্যাটন
  4. ঘ) লর্ড রিপন
সঠিক উত্তর:
খ) লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
ব্যাখ্যা
উপমহাদেশে সংস্কৃত ও ফারসির পাশাপাশি ইংরেজি শিক্ষার প্রবর্তন করেন - লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক।

শিক্ষা সংস্কার
:
- এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রবর্তন লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দের চার্টার এ্যাক্ট দ্বারা কোম্পানি এদেশীয়দের শিক্ষা বিস্তারের জন্য বৎসরে এক লক্ষ টাকা ব্যয় করতে বাধ্য ছিল।
- এ অর্থ কেবল সংস্কৃত, ফারসি প্রভৃতি প্রাচ্য ভাষা শিক্ষার জন্য ব্যয় হতো।
- ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ইংরেজির মাধ্যমে শিক্ষাদান এবং পাশ্চাত্য জ্ঞানবিজ্ঞানের প্রসারের উদ্যোগ নিলে দুটি মত বা দলের সৃষ্টি হয়।

- একদল প্রাচ্য ভাষা (সংস্কৃত ও ফারসি) শিক্ষার পক্ষপাতী ছিলেন। অন্যদল, পাশ্চাত্য ভাষা ও জ্ঞানবিজ্ঞানের (ইংরেজি) শিক্ষার পক্ষপাতি ছিলেন।
- শেষোক্ত দলের সমর্থক ছিলেন গভর্নর জেনারেল পরিষদের আইন বিষয়ক সদস্য লর্ড মেকলে এবং এদেশীয় সমাজ সংস্কারক রাজা রামমোহন রায়।
- লর্ড মেকলে ইংরেজি শিক্ষার পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে একটি স্মারকলিপি গভর্নর জেনারেল বেন্টিঙ্কের কাছে পেশ করেন।

- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ইংরেজি শিক্ষার জন্য প্রচুর অর্থ বরাদ্দ করেন এবং ফার্সীর পরিবর্তে ইংরেজিকে সরকারি ভাষারূপে ঘোষণা করেন।
- ঐ বৎসরই (১৮৩৫ খ্রিঃ) বেন্টিঙ্কের চেষ্টার ফলে পাশ্চাত্য ধারার শিক্ষাদানের জন্য কলকাতায় একটি মেডিক্যাল কলেজ ও বোম্বাইয়ে (বর্তমান মুম্বাই) এলফিনস্টোন ইনস্টিটিউশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
২,৭৭৯.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদাধিকার বলে কোন প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন?
  1. ক) এশিয়াটিক সোসাইটি
  2. খ) সশস্ত্র বাহিনী
  3. গ) জাতীয় পর্যটন পরিষদ
  4. ঘ) বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি
সঠিক উত্তর:
গ) জাতীয় পর্যটন পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাতীয় পর্যটন পরিষদ
ব্যাখ্যা
পদাধিকার বলে প্রধানমন্ত্রী যেসকল প্রতিষ্ঠানের প্রধান:-
- ECNEC , NEC , BEZA , BEPZA  
- জাতীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন পরিষদ 
- জাতীয় পর্যটন পরিষদ 
- জাতীয় পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি 
- রপ্তানি সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি 
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA)
- প্রশাসন সংস্কার ও বাস্তবায়ন কমিটি (NICAR)

পদাধিকার বলে রাষ্ট্রপতি যেসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান সেগুলো নিম্নরুপ:-
- সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক,
- সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর 
- বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ,
- স্কাউট
- এশিয়াটিক সোসাইটির প্রধান।

তথ্যসূত্র:- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
২,৭৮০.
'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি' গানটির গীতিকার কে?
  1. গোবিন্দ হালদার
  2. আপেল মাহমুদ
  3. সমর দাস
  4. আব্দুল জব্বার
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দ হালদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দ হালদার
ব্যাখ্যা

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রচারিত গানগুলো মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রেরণা যুগিয়েছে।

⇒ তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর:
- কথা ও সুর: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: রথীন্দ্রনাথ রায়।

⇒ পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: সমর দাস।
- গানটি কয়েকজন শিল্পীর সমবেত কণ্ঠে প্রচার করা হয়।

⇒ মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: আপেল মাহমুদ।

⇒ এক সাগর রক্তের বিনিময়ে:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: স্বপ্না রায়।

⇒ সালাম সালাম হাজার সালাম:
- গীতিকার: ফজলে খোদা।
- সুরকার: আব্দুল জব্বার।
- শিল্পী: আব্দুল জব্বার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

২,৭৮১.
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. নুরুল আমিন
  2. লিয়াকত আলী খান
  3. মোহাম্মদ আলী
  4. খাজা নাজিমুদ্দীন
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমুদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমুদ্দীন
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময়:
- পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী : খাজা নাজিমউদ্দিন, 
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী : নুরুল আমিন, 
- পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল : গোলাম মুহাম্মদ।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি:
- ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় দিনটি ছিল বাংলা ১৩৫৮ সনের ৮ ফাল্গুন।
- দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া, শিক্ষক বাতায়ন ও বিবিসি বাংলা নিউজ।
২,৭৮২.
মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টর কেবল নৌ কমান্ড দ্বারা গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ১১ নং সেক্টর
  2. খ) ৯ নং সেক্টর
  3. গ) ১ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১০ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এরমধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর।
- দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
- ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া
২,৭৮৩.
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়?
  1. ৩১ সদস্য 
  2. ৩৬ সদস্য 
  3. ৩৯ সদস্য 
  4. ৪০ সদস্য 
সঠিক উত্তর:
৪০ সদস্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ সদস্য 
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- ভাষা ও সংস্কৃতির প্রশ্নে শুরু থেকেই যে আলোড়ন সৃষ্টি হয় তার মধ্য থেকে জন্ম নিতে থাকে অনেক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে গঠিত হয় প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া।

⇒ ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ছাত্রসমাজ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে।
- এ পরিষদের আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।

⇒ ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।

⇒ ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।

উৎস: i) ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।

২,৭৮৪.
নিচের কোন এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. বরিশাল
  2. কুমিল্লা
  3. সিলেট
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলা হয়।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো।
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৮৫.
ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইট পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. ক) টিক্কা খান
  2. খ) এ কে নিয়াজী
  3. গ) রাও ফরমান আলী
  4. ঘ) পিরজাদা
সঠিক উত্তর:
গ) রাও ফরমান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর 'অপারেশন সার্চ লাইট' পরিচালনা করে। এতে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে গণহত্যা চালানো হয়।
১৮ মার্চ টিক্কা খান এবং রাও ফরমান আলী অপারেশন সার্চ লাইটের নীলনকশা প্রস্তুত করেন। সব প্রস্তুতি শেষে ২৫ মার্চ এ অপারেশন চালানো হয়। মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইট পরিচালনার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৭৮৬.
কার সময়ে 'সিপাহী বিদ্রোহ' সংঘটিত হয়েছিল?
  1.  লর্ড ডালহৌসী
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড মেয়ো
  4. লর্ড ক্যানিং
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
লর্ড ক্যানিং:
- ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল এবং প্রথম ভাইসরয় লর্ড জন ক্যানিং।
- লর্ড ক্যানিং ১৮৫৬ থেকে ১৮৬২ সাল পর্যন্ত ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল এবং ১৮৫৮ সালের ১ নভেম্বর থেকে ভারতে প্রথম ভাইসরয় ছিলেন।
- তাঁর প্রশাসনের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিপ্লব-এর শুরু।
- লর্ড ক্যানিং বিদ্রোহটি দমন করেন এবং এ ঘটনার পর ১৮৫৮ সালে পার্লামেন্টারি আইন পাস হয়।

⇒ সিপাহী বিদ্রোহ:
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসন অবসানকল্পে ভারতীয়দের প্রথম জাতীয় সংগ্রাম বা ‘স্বাধীনতা লড়াই'।
- ১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুরের সেনানিবাসে ‘মঙ্গল পান্ডে' নামক একজন সিপাহী প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করে।
- ক্রমে এ বিদ্রোহ মিরাট, দিল্লি, বেরলী, ফতেহপুর, কানপুর, বুন্দেল খণ্ড, রোহিলা খণ্ড, এলাহাবাদ, অযোধ্যা, কলকাতা, বিহার, চট্টগ্রাম, ঢাকা, যশোর এবং দিনাজপুর প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিদ্রোহীরা মোগল সম্রাট ২য় বাহাদুর শাহকে ভারতের বাদশাহ ও বিদ্রোহের নেতা ঘোষণা করে।
- মারাঠা নেতা নানা সাহেব, ঝাঁসির রাণি লক্ষ্মীবাঈ, মৌলভী লিয়াকত আলী, মৌলভী আহম্মদ উল্লাহ প্রমুখ বিদ্রোহে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
- সিপাহীরা জেলখানা ভেঙ্গে কয়েদিদের মুক্তি, খাজাঞ্চিখানা লুঠ এবং সর্বত্র ব্রিটিশদের আক্রমণ করে।
- এ লড়াই শুধু সিপাহীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, ভারতের হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে ব্যাপক গণমানুষ এর প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি প্রকাশ করে।

⇒ সিপাহি বিদ্রোহের কারণ:
ক. সেনাবাহিনীতে সিপাহি পদে ভারতীয়দের সংখ্যা বেশি ছিল। সেখানে ৫০ হাজার ব্রিটিশ এবং ৩ লাখ ভারতীয় সিপাহি ছিল।
খ. ১৮৫৬ সালের পর ভারতের বাইরেও সৈন্যদের কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
গ. কামান ও বন্দুকের কার্তুজ পিচ্ছিল করার জন্য গরু ও শূকরের চর্বি ব্যবহারের গুজব নিয়ে ধর্মীয় অশান্তি তৈরি করা হয়েছিল।
ঘ. সৈন্যদের আন্দোলনকে সমর্থন জানানোর জন্য সাধারণ মানুষ প্রস্তুত ছিলেন। এই আন্দোলন দ্রুতই সৈন্যদের থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। ব্রিটিশ সরকার কঠোর হাতে এ বিদ্রোহ দমন করে। এ বিদ্রোহে প্রায় এক লাখ ভারতীয় মারা যায়।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৮৭.
দেশের সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
  2. খ) আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
  3. গ) পলাশ সার কারখানা
  4. ঘ) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
ঘ) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
ব্যাখ্যা
শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণে স্থাপিত  দেশের অত্যাধুনিক ডিসিএস, পিএলসি সম্বলিত শক্তি সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব দৈনিক ১৭৬০ মে.টন উৎপাদনক্ষমতা সম্পন্ন সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপদনকারী একটি সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।
- এসএফসিএল কারখানাটি সিলেট শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।  
- ২৪ মার্চ, ২০১২ খ্রিস্টাব্দ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এনজিএফএফএল এলাকায় শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। প্রকল্পে নির্মাণ কাজ এপ্রিল, ২০১২ খ্রিস্টাব্দ শুরু হয়।
- কারখানার নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করে ২০ সেপ্টেম্বর,২০১৫ খ্রিস্টাব্দে প্রথম ইউরিয়া উৎপাদন হয়। পরবর্তীতে পিজিটিআর ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজ সম্পাদন করে ২৯ ফেব্রুয়ারী,২০১৬ খ্রিস্টাব্দ Final Acceptance Certificate ইস্যু করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৭৮৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে কোন দেশ বাংলাদেশের পক্ষে 'ভেটো' প্রদান করেছিল?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. ফ্রান্স
  3. চীন
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান:
- ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান করেছিল – তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন। 

- যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষে মোট তিনবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনে এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তিন বার ই ভেটো দেয়।
- এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে ৭ম নৌবহর প্রেরণ করে।
- তার পাল্টা ভারত মহাসাগরে অবস্থিত সোভিয়েত ইউনিয়নের ২০তম নৌবহর ৭ম নৌবহরের পিছু নেয়।
- চীন ও যুক্তরাষ্ট্র তখন বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল তখন ভারত ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।

​উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৮৯.
তানসেন কে ছিলেন? 
  1. সম্রাট আকবরের সভাকবি 
  2. সম্রাট বাবরের মন্ত্রী 
  3. সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের অর্থমন্ত্রী
  4. একজন নৃত্যশিল্পী
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবরের সভাকবি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবরের সভাকবি 
ব্যাখ্যা

⇒ তানসেন মুঘল সম্রাট আকবরের রাজদরবারের সভাকবি  ছিলেন।

তানসেন:
- তানসেন ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সঙ্গীতজ্ঞ।
- তিনি মুঘল সম্রাট আকবরের রাজদরবারের সঙ্গীতজ্ঞ ও সভাকবি ছিলেন।
- তিনি শিল্পকলার পৃষ্ঠপোষকতার জন্য সুপরিচিত ছিলেন।
- তিনি মুঘল বাদশাহ আকবরের রাজদরবারের নবরত্নের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।
- তিনি দরবারের সবচেয়ে প্রতিভাবান বুদ্ধিজীবী এবং শিল্পী ছিলেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

২,৭৯০.
মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে কত তারিখ?
  1. ৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
  2. ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
  3. ১১ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
  4. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
২,৭৯১.
What does 'E-TIN' stands for?
  1. Electronic Taxpayer's Institutional Number
  2. eFiling Taxpayer's Individual Number
  3. Electronic Taxpayer's Identification Number
  4. Electronic Taxpayer's Individual Number
সঠিক উত্তর:
Electronic Taxpayer's Identification Number
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Electronic Taxpayer's Identification Number
ব্যাখ্যা
E-TIN:
- E-TIN এর পূর্ণরূপ: Electronic Taxpayer's Identification Number.
- 'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
- এটি আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করন।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই- টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
২,৭৯২.
'ফাগুন হাওয়ায়' চলচ্চিত্রটির নির্মাতা কে?
  1. নুর ইমরান মিঠু
  2. তৌকীর আহমেদ
  3. মোস্তফা কামাল রাজ
  4. মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
সঠিক উত্তর:
তৌকীর আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৌকীর আহমেদ
ব্যাখ্যা
ফাগুন হাওয়ায়:
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র 'ফাগুন হাওয়ায়'।
- চলচ্চিত্রটির নির্মাতা 'তৌকীর আহমেদ'।
- 'ফাগুন হাওয়ায়' ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড।
- চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা ও সিয়াম আহমেদ।

উল্লেখ্য,
- আমার জন্মভূমি, আবার তোরা মানুষ হ ও মেঘের পর মেঘ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৭৯৩.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের লক্ষ্যে কাজ করার জন্য বঙ্গবন্ধু কর্তৃক গঠিত গোপন পরিষদের নাম কি?
  1. স্বাধীন বাংলা মুক্তি পরিষদ
  2. স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ
  3. স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদ
  4. স্বাধীন বাংলা স্বাধীনতা পরিষদ
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ:
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা ও সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করেন এবং সমস্ত রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিষিদ্ধ করেন। 
- ১১ অক্টোবর শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে তাঁকে হয়রানি করা হয়। 
- ১৪ মাস পরে শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দিয়ে পুনরায় জেলগেটেই গ্রেফতার করা হয়।
- ১৯৬১ সালে হাইকোর্ট কর্তৃক আটকাদেশ অবৈধ ঘোষণা করার পর শেখ মুজিবুর রহমান কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন। 
- এ সময় তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের লক্ষ্যে কাজ করার জন্য উদ্যমী ছাত্র নেতৃবৃন্দদের নিয়ে 'স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ' নামে একটি গোপন সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: মুজিব জন্মশতবর্ষ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
২,৭৯৪.
‘জুলাই ঘোষণাপত্র’-এর ২৭ দফায় ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানকে কী ধরনের স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে?
  1. ঐতিহাসিক
  2. সামাজিক
  3. রাজনৈতিক
  4. সাংবিধানিক
সঠিক উত্তর:
সাংবিধানিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংবিধানিক
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
-জুলাই ঘোষণাপত্র হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল, যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- ৫ই আগস্ট, ২০২৫, রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে '৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন' শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- ঘোষণাপত্রের মূল বিষয়বস্তু হলো, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের নিরন্তর সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা।
- ঘোষণাপত্রে মোট ২৮টি দফা রয়েছে, যার মাধ্যমে গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাগুলোকে স্পষ্ট করা হয়েছে।

‘জুলাই ঘোষণাপত্র’-এর ২৭ দফা:
বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে, ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।

তথ্যসূত্র- জুলাই ঘোষণাপত্র।

২,৭৯৫.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটিতে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি কে ছিলেন?
  1. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  2. খন্দকার মোশতাক আহমদ
  3. মনোরঞ্জন ধর
  4. অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় - ৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১।

- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
- মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৯৬.
ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন -
  1. লর্ড রিপন
  2. লর্ড কার্জন
  3. লর্ড মেয়ো
  4. লর্ড ক্যানিং
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
লর্ড ক্যানিং:
- ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল এবং প্রথম ভাইসরয় লর্ড জন ক্যানিং ১৮৬১ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন।
- এর আগে মুদ্রা হিসেবে স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা ব্যবহৃত হতো।
- উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন লর্ড ক্যানিং (১৮৬১ সালে)।
- ১৮৬১ সালে পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা চালু করেন।

অন্যদিকে -
- লর্ড রিপনকে ভারতীয় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের জনক বলা হয়।
- বঙ্গবঙ্গ (১৯০৫) কার্যকর হয় লর্ড কার্জনের সময়ে।
- লর্ড মেয়োর শাসনামলেই ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি চালু হয় ১৮৭২ সালে ।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
২,৭৯৭.
জিয়াউদ্দিন বারাণী ছিলেন একজন -
  1. ক) ঐতিহাসিক
  2. খ) কবি
  3. গ) সম্রাট
  4. ঘ) সুলতান
সঠিক উত্তর:
ক) ঐতিহাসিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঐতিহাসিক
ব্যাখ্যা
উত্তর: ঐতিহাসিক 

- ইখতিয়ারউদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির মাধ্যমে ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা হলে বাংলার ইতিহাসে এক নবযুগের সূচনা হয় ৷
- বখতিয়ারের বাংলা বিজয়ের পর থেকে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত যেসব খলজি মালিক, তুর্কি শাসক ও বলবনী শাসকগণ বাংলা শাসন করেছেন তাদের অনেকেই পুরোপুরি স্বাধীন ছিলেন না, বরং তাঁরা দিল্লির সুলতানদের দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হতেন।
- কিন্তু দিল্লি থেকে বাংলা দূরবর্তী স্থানে হওয়ায় তাঁদের অনেকেই সুযোগ পেলেই স্বাধীনতার জন্য দিল্লির সুলতানদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন।
- এজন্য ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারাণী বাংলাকে বুলঘাকপুর বা বিদ্রোহের নগরীও বলা হত।
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁও-এ স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেন৷
- তখন থেকে ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় দু'শ বছর ধরে বাংলাদেশ অবিচ্ছিন্নভাবে স্বাধীনতা ভোগ করেছিল। 

সূত্র: নবম দশম শ্রেণির ইতিহাস, ওপেন স্কুল।
২,৭৯৮.
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন, ২০২৩ অনুযায়ী 'BPSC' কিভাবে গঠিত হয়?
  1. ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৪ জন ও অনূর্ধ্ব ১৬ সদস্যের সমন্বয়ে
  2. ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৬ জন ও অনূর্ধ্ব ২০ সদস্যের সমন্বয়ে
  3. ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৪ জন ও অনূর্ধ্ব ১৫ সদস্যের সমন্বয়ে
  4. ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৬ জন ও অনূর্ধ্ব ১৮ সদস্যের সমন্বয়ে
সঠিক উত্তর:
১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৬ জন ও অনূর্ধ্ব ২০ সদস্যের সমন্বয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৬ জন ও অনূর্ধ্ব ২০ সদস্যের সমন্বয়ে
ব্যাখ্যা
কর্ম কমিশন আইন ২০২৩:
- জাতীয় সংসদে ২৩ জানুয়ারি, ২০২৩ সালে ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন-২০২৩ বিল’ পাস হয়েছে।
- এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে Bangladesh Public Service Commission Ordinance, 1977 (Ordinance No. LVII of 1997) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত Bangladesh Public Service Commission, বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন নামে অভিহিত হবে এবং এটি এভাবে বহাল থাকবে যেন যে এটা এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৬ জন ও অনূর্ধ্ব ২০ সদস্যের সমন্বয়ে।
- কমিশন প্রজাতন্ত্রের জনবল নিয়োগের উদ্দেশে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান সাপেক্ষে পরীক্ষা নেওয়ার পদ্ধতি ও শর্তাবলি নির্ধারণ করতে পারবে। 

উল্লেখ্য,
- এই বিলে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) পরিচালিত কোনো পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায়ে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদন্ড এবং অর্থদন্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।
২,৭৯৯.
১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান কোন স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে হয়েছিল?
  1. জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  2. জেনারেল আইয়ুব খান
  3. খাজা নাজিমউদ্দীন
  4. জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
সঠিক উত্তর:
জেনারেল আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা

১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যূত্থানঃ
- ১৯৬৮ সালের নভেম্বর মাসে ছাত্র অসন্তোষকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে এ আন্দোলন। 
- পরবর্তীতে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে শহরে ও গ্রামের শ্রমিক-কৃষক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে। 
- পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা এই দুর্বার আন্দোলন, ১৯৬৯ সালে গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
- পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর এই আন্দোলন ছিল সবচেয়ে বড় আন্দোলন।
- আইয়ুব খানের পতনকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের দুই অংশের মানুষ প্রথমবার একসাথে আন্দোলনে নামে। 
- আইয়ুব খানের পতনের মধ্যে দিয়ে আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।
- ১৯৬৯ সালের ২৪ মার্চ জেনারেল আইয়ুব খান জেনারেল ইয়াহিয়ার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে পদত্যাগ করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন পূর্ব পাকিস্তানি নিহত হয়েছিলেন। 
- এছাড়াও ৩৪ জন শিল্প-কারখানার শ্রমিক, ২০ জন ছাত্র, ৭ জন সরকারি কর্মচারী, ৫ জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ১ জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ১ জন স্কুল শিক্ষক অন্যতম।

উৎস:  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮০০.
‘স্ফুলিঙ্গ’ ছায়াছবির পরিচালক কে?
  1. তৌকির আহমেদ
  2. মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী
  3. আব্দুল জব্বার
  4. সত্যজিৎ রায়
সঠিক উত্তর:
তৌকির আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৌকির আহমেদ
ব্যাখ্যা

‘স্ফুলিঙ্গ’ ছায়াছবি:
- স্ফুলিঙ্গ বাংলাদেশি বাংলা নাট্য চলচ্চিত্র।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করছেন তৌকির আহমেদ।
- এটি তৌকির আহমেদ পরিচালিত সপ্তম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- ছায়াছবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গড়া উঠতি স্বাধীন সঙ্গীতদলের সদস্যদের নিজ পারিবারিক বন্ধন, প্রেম ও দ্বন্দ্বের পাশাপাশি তাদের দেশপ্রেমে শেখ মুজিবের আদর্শ, অতীতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া তাদের বয়সী তরুণদের মনোবল ও বিভিন্ন পরিস্থিতির সাথে বর্তমান সময়ের তারুণ্যের সমান্তরাল গল্পের চিত্রায়ণ ঘটেছে।
- চিত্র্যনাট্যের মূল চরিত্রসমূহে অভিনয় করেছেন শ্যামল মাওলা, জাকিয়া বারী মম, পরীমনি, মামুনুর রশীদ, আবুল হায়াত, শহীদুল আলম সাচ্চু, রওনক হাসান, ফখরুল বাশার মাসুম ও হাসনাত রিপন।

উৎস: ২৮ নভেম্বর ২০২১, দৈনিক ইত্তেফাক।