বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ২৪ / ১২৪ · ২,৩০১২,৪০০ / ১২,৪২১

২,৩০১.
'ভাওয়াইয়া' বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের গান?
  1. ময়মনসিংহ
  2. রাজশাহী
  3. রংপুর
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
ভাওয়াইয়া:
- ভাওয়াইয়া উত্তরবঙ্গে প্রচলিত এক প্রকার লোকগীতি।
- রংপুর ও ভারতের কুচবিহার জেলা এ গানের জন্মস্থান।
- ভাওয়াইয়া গান ভাবসমৃদ্ধ বিধায় 'ভাব' থেকে 'ভাওয়াইয়া' কথাটির উৎপত্তি বলে অনুমিত হয়।
- এ গানের মূল সুর নর-নারীর প্রণয়। প্রণয়ের বিচ্ছেদ জ্বালাই এতে অধিক রূপায়িত হয়।
- ভাওয়াইয়া গান দুই প্রকার- দীর্ঘ সুরবিশিষ্ট ও চটকা সুরবিশিষ্ট।
- প্রথম শ্রেণীর গানে নর-নারীর, বিশেষত নবযৌবনাদের অনুরাগ, প্রেমপ্রীতি ও ভালোবাসার আবেদন ব্যক্ত হয়।
এরূপ গানের মধ্যে 'ওকি গাড়িয়াল ভাই', 'যে জন প্রেমের ভাব জানে না', 'কোন দ্যাশে যান মইশাল বন্দুরে', 'নউতোন পিরিতির বড় জ্বালা' ইত্যাদি অধিক জনপ্রিয়।
- অপরপক্ষে চটকা এক প্রকার রঙ্গগীতি।
- এ গান চটুল ও দ্রুত তালের।
গ্রাম্য 'চট' (অর্থ তাড়াতাড়ি) শব্দটির স্ত্রীলিঙ্গান্তর করে 'চটকা' শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
- এ শ্রেণীর গানে যথেষ্ট হাস্যরসের উপাদান থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৩০২.
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কোন আসামিকে?
  1. ক) সার্জেন্ট জহু্রুল হক
  2. খ) ড. শামসুজ্জোহা
  3. গ) আসাদুজ্জামান
  4. ঘ) নূর হোসেন
সঠিক উত্তর:
ক) সার্জেন্ট জহু্রুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সার্জেন্ট জহু্রুল হক
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
• ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
• এই মামলার ১৭ নং আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
• রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহাকে ১৮ ফেব্রুয়ারি,১৯৬৯ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। 
• গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
২,৩০৩.
চট্টগ্রাম থেকে মগ ও ফিরিঙ্গি জলদস্যুদের বিতাড়িত করেন কে?
  1. শায়েস্তা খান
  2. শাহ সুজা
  3. মীর জুমলা
  4. মীর মদন
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
সুবেদার শায়েস্তা খান:

- শায়েস্তা খানের সুবাদারি আমল দুঅধ্যায়ে বিভক্ত ছিল।
- তিনি প্রথম অধ্যায়ে ১৬৬৪ খ্রিঃ থেকে ১৬৭৮ খ্রিঃ পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় অধ্যায়ে ১৬৮০ খ্রিঃ থেকে ১৬৮৮ খ্রিঃ পর্যন্ত বাংলাদেশের সুবাদার ছিলেন।
- তিনি একজন দক্ষ সেনাপতি ও জনপ্রিয় সুবেদার ছিলেন।
- চট্টগ্রাম থেকে মগ ও ফিরিঙ্গি জলদস্যুদের বিতাড়িত করেন শায়েস্তা খান।
- মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের ইচ্ছানুযায়ী চট্টগ্রামের নাম রাখা হয় ইসলামাবাদ।
- শুল্ক ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করলে ইংরেজ কোম্পানির সঙ্গে শায়েস্তা খানের প্রথম সংঘর্ষ ঘটে এবং ইংরেজরা বাংলাদেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। এভাবে তিনি ইংরেজ বণিকদের ঔদ্ধত্যের সমুচিত জবাব দেন।
- শায়েস্তা খান রাজস্ব সংস্কারে বড় ধরনের অবদান রাখেন।
-তাঁর সময়ে বাংলাদেশ কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যে যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছিল। তখন বাংলাদেশে জিনিসপত্রের দাম খুব কম ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩০৪.
কোনটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান হিসাবে প্রসিদ্ধ নয়? 
  1. ময়নামতি
  2. পাহাড়পুর
  3. মহাস্থানগড়
  4. সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
ব্যাখ্যা

 • প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান নয় - সুন্দরবন।

• প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান:
- প্রত্ন’ শব্দের অর্থ অতি পুরাতন বা প্রাচীন।
- এ-সম্পর্কিত যে তত্ত্ব তা-ই হচ্ছে প্রত্নতত্ত্ব।
- আর প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান হলো যেসব স্থানে প্রাচীন কালের জিনিসপত্র, মুদ্রা, অট্টালিকা, স্থাপত্য, গহনা, ধাতব বস্ত্র ইত্যাদি পাওয়া যায়।

- বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি স্থানে প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে। সেগুলো হলো মহাস্থানগড়, ময়মামতি, পাহাড়পুর ও উয়ারী-বটেশ্বর।

• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। 
- বাংলাদেশে অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা বোর্ড বই।

২,৩০৫.
মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. ক) আমেরিকা
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) ইতালি
  4. ঘ) ইংল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
অস্ট্রেলিয়ার ওলন্দাজ নাগরিক উইলিয়ম ওডারল্যান্ডই একমাত্র বিদেশি যিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার কর্তৃক ‘বীর প্রতীক’ রাষ্ট্রীয় খেতাবে ভূষিত হন।
- ওডারল্যান্ড ১৯১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর নেদারল্যান্ডের আমস্টারডামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৪০ সালে সেনাবাহিনীর চাকুরি ছেড়ে ওলন্দাজ বাহিনীর গেরিলা কমান্ডো হিসেবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯৩৯-১৯৪৫) অংশগ্রহণ করেন।
- ঢাকায় বাটা সু কোম্পানির প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে ওডারল্যান্ড ১৯৭০ সালের শেষের দিকে প্রথম  ঢাকায় আসেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গেরিলা কমান্ডো হিসেবে স্বীয় অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে এবং স্বয়ং ২নং সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধা গেরিলা শাখার সক্রিয় সদস্যরূপে অকুতোভয় ওডারল্যান্ড বাটা ফ্যাক্টরি প্রাঙ্গণসহ টঙ্গীর  কয়েকটি গোপন ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়মিত গেরিলা রণকৌশলের প্রশিক্ষণ দিতেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৩০৬.
ভাষা আন্দোলন কত সালে হয়?
  1. ১৯৪৭
  2. ১৯৫২
  3. ১৯৬৬
  4. ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
১৯৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫২
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন হয়েছিল ১৯৫২ সালে।

ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- তমদ্দুন মজলিশ ছিলো ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
 
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৩০৭.
বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত সর্বমোট বীর মুক্তিযোদ্ধা-
  1. ক) ৬৭৬ জন
  2. খ) ৪৩৯ জন
  3. গ) ৪২৬ জন
  4. ঘ) ৬৭২ জন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৭২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৭২ জন
ব্যাখ্যা

- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা- বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর উত্তম ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং বীর প্রতীক ৪২৬ জন।
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ছিল ৬৭৬ জন।
- কিন্তু ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত সর্বমোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।
- দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী এই খেতাব বাতিল করা হয়েছে।

খেতাব বাতিল হওয়া চার খুনি হলেন-
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীরউত্তম, গেজেট নং ২৫), লে. কর্নেল এস এইচ এম এইচ এম বি নুর চৌধুরী (বীরবিক্রম, গেজেট নং ৯০), লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীরপ্রতীক, গেজেট নং ২৬৭) ও নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীরপ্রতীক, গেজেট নং ৩২৯)।

উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৩০৮.
কোন আইনের ফলে কোন কোম্পানির গভর্নরের পদ গভর্নর জেনারেল পদ উন্নীত করা হয়?
  1. পিট ভারত আইন
  2. নিয়ামক আইন
  3. বেঙ্গল মিউনিসিপাল অ্যাক্ট
  4. ইলবার্ট বিল
সঠিক উত্তর:
নিয়ামক আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ামক আইন
ব্যাখ্যা

নিয়ামক বা রেগুলেটিং অ্যাক্ট, ১৭৭৩ বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন ও দায়িত্ব সংজ্ঞায়িত করে বৃটিশ পার্লামেন্টের প্রণীত প্রথম আইন।
- ব্রিটিশ কোম্পানির অবহেলা নির্যাতন ও নিপীড়ন থেকে এই অঞ্চলের মানুষকে রক্ষার্থে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ইস্ট ইন্ডিয়া
- কোম্পানির শাসন কে নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়ামক আইন পাশ করা হয়|
- এই আইনের ফলে কোম্পানির গভর্নর গভর্নর জেনারেল পদে উন্নীত করা হয় ।
-কোম্পানি কর্মকর্তাদের অসদাচরণ ও দুর্নীতি দমনই ছিল এ আইনের বিধানগুলির লক্ষ্য। অবশ্য এ আইন দুর্নীতি বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অষ্টম শ্রেণি

২,৩০৯.
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) কুষ্টিয়া
  4. ঘ) নঁওগা
সঠিক উত্তর:
ঘ) নঁওগা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নঁওগা
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুর বা পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত।
পাল রাজা ধর্মপাল ৭৮১-৮২১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেছেন। পাল বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক ধর্মপাল বৌদ্ধধর্মের প্রসারে নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
এখন পর্যন্ত সোমপুর বিহার ভারতবর্ষের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার হিসেবে স্বীকৃত।
এটিকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐহিত্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।

উৎস: নওগাঁ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ।
২,৩১০.
নিচের কে ভাষা আন্দোলনের শহীদ নন-
  1. ক) জব্বার
  2. খ) রফিক
  3. গ) মতিউর
  4. ঘ) বরকত
সঠিক উত্তর:
গ) মতিউর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মতিউর
ব্যাখ্যা
রফিক উদ্দিন, আব্দুল জব্বার, আবুল বরকত প্রমুখ ভাষা আন্দোলনের শহীদ। আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (আসাদ), মতিউর রহমান মল্লিক, সার্জেন্ট জহুরুল হক, মুহম্মদ শামসুদ্দোহা, শহীদ আনোয়ারা বেগম, শহীদ রুস্তম প্রমুখ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম-দশম শ্রেণি।
২,৩১১.
‘মৌলিক গণতন্ত্র’ ব্যবস্থায় সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?
  1. ক) জেলা কাউন্সিল
  2. খ) থানা কাউন্সিল
  3. গ) ইউনিয়ন কাউন্সিল
  4. ঘ) বিভাগীয় কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
গ) ইউনিয়ন কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউনিয়ন কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৮ সালের ২৮শে অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব খান এক সামরিক আদেশ জারি করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন এবং নিজেই রাষ্ট্রপতি পদের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৫৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রচলিত গণতান্ত্রিক পদ্ধতি ত্যাগ করে এক নতুন নির্বাচন কাঠামো প্রবর্তন করেন যার মূল ভিত্তি ছিল “মৌলিক গণতন্ত্র”।
- ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক পদে অধিষ্ঠিত হয়ে তিনি ১১ সদস্যবিশিষ্ট একটি মন্ত্রিসভা গঠন করেন। 
- ১৯৫৯ সালে মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তনের আদেশ জারি করা হয়।
- প্রাথমিক অবস্থায় মৌলিক গণতন্ত্র ছিল একটি চার স্তরবিশিষ্ট ব্যবস্থা। যথা- ১। ইউনিয়ন পরিষদ(গ্রামে) এবং টাউন ও ইউনিয়ন কমিটি(শহরে), ২। থানা পরিষদ( পূর্ব পাকিস্তানে), তহসিল পরিষদ(পশ্চিম পাকিস্তানে), ৩। জেলা পরিষদ এবং ৪। বিভাগীয় পরিষদ।
- এই চার স্তরের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ কাউন্সিল। 
- মোলিক গণতন্ত্রের সর্বনিম্ন স্তর ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হইতেন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান মিলে।
- মৌলিক গণতন্ত্রের আওতায় পাকিস্তানের উভয় অংশে ৪০,০০০ করে মোট ৮০,০০০ মৌলিক গণতন্ত্রী নিয়ে দেশের নির্বাচকমণ্ডলী গঠিত হয়। নির্বাচকমণ্ডলীর সদস্যরা মৌলিক গণতন্ত্রী বা বিডি মেম্বার ছিল।
- ১৯৬০ সালের নির্বাচনে পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য তিনি নির্বাচিত হন।
- ১৯৬২ সালের ১লা মার্চ নতুন সংবিধান ঘোষণা করেন এবং ৮ জুন সামরিক আইন প্রত্যাহার করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৩১২.
The ‘Black Hole Tragedy’ is associated with the reign of which ruler?
  1. Mir Qasim
  2. Siraj-ud-Daulah
  3. Alivardi Khan
  4. Nawab Murshid Quli Khan
সঠিক উত্তর:
Siraj-ud-Daulah
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Siraj-ud-Daulah
ব্যাখ্যা

• অন্ধকূপ হত্যা:  
- অন্ধকূপ হত্যা (Black Hole Tragedy)  ১৭৫৬ সালের ২০ জুন বাংলার নওয়াব সিরাজউদ্দৌলা কর্তৃক কলকাতা দখলের সময় সংঘটিত হওয়া কথিত ঘটনা।
-এ কাহিনী মূলত কলকাতা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ইংরেজ সেনাপতি জে.জেড হলওয়েলের বিবরণের ওপর ভিত্তি করে রচিত। 
-১৭৫৬ সালের ১৬ জুন ত্রিশ হাজার সৈন্যের এক বাহিনী নিয়ে ইংরেজদের হাত থেকে কলকাতা জয়ের লক্ষ্যে নওয়াব সিরাজউদ্দৌলা ফোর্ট উইলিয়মের প্রবেশদ্বারে উপনীত হন।
-দুদিন যুদ্ধের পর ইংরেজ গভর্নর রজার ড্রেক নিশ্চিত হন যে, নওয়াবের সেনাবাহিনীর সাথে যুদ্ধে টিকে থাকা সম্ভব নয়। তাই তিনি ১৯ জুন দুর্গের ইংরেজ বাসিন্দাদের বড় অংশ নিয়ে ফুলতা পালিয়ে যান।
-  ইংরেজ সেনাপতি হলওয়েল ইউরোপীয় এবং আর্মেনীয় সেনা ছাড়াও প্রায় ১৭০ জন শ্বেতাঙ্গ সৈন্যের একটি দল নিয়ে ফোর্ট উইলিয়ম দুর্গে থেকে যান।
-  ২০ জুন সিরাজউদ্দৌলার সৈন্যরা কলকাতার দুর্গ দখল করে। ইংরেজ নেতা হলওয়েল আত্মসমর্পণ করলে কিছু ইউরোপীয় সৈন্যকে বন্দি করা হয়। 
-অভিযোগ ওঠে তাদের একটি ছোট কক্ষে (Black Hole) গাদাগাদি করে রাখা হয়েছিল। প্রচণ্ড গরম ও শ্বাসকষ্টে রাতেই ১৪৬ জন বন্দির মধ্যে প্রায় ১২৩ জন মারা যায়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ; ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৩১৩.
'অপারেশন সার্চলাইট' পরিচালিত হয় কবে?
  1. ১৯৭১ সালের ২১শে মার্চ
  2. ১৯৭১ সালের ২৩শে মার্চ
  3. ১৯৭২ সালের ২৫শে মার্চ
  4. ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট: 
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে বাঙালির তথা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরলতম এবং একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা হয়, যা 'কালরাত্রি' নামে পরিচিত।
- সে সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র, নিরীহ, স্বাধীনতাকামী সাধারণ জনগণের ওপর ইতিহাসের নির্মমতম গণহত্যা চালায়।
- পাকিস্তান তাদের এ অভিযানের নাম দেয় 'অপারেশন সার্চলাইট'।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২,৩১৪.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত 'জল্লাদের দরবার'-এ ইয়াহিয়া খানকে কোন চরিত্রে চিত্রিত করা হয়?
  1. টিক্কা খান
  2. ছোট জল্লাদ
  3. ফতেহ খান
  4. কেল্লা ফতেহ খান
সঠিক উত্তর:
কেল্লা ফতেহ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেল্লা ফতেহ খান
ব্যাখ্যা
জল্লাদের দরবার এবং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বেলাল মোহাম্মদের প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র।
- বেতারে প্রচারিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠান হলো বজ্রকণ্ঠ, চরমপত্র, জল্লাদের দরবার, অগ্নিশিখা, প্রতিধ্বনি প্রভৃতি।
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে ‘কেল্লা ফতেহ খান’ চরিত্রে চিত্রিত করা হয়।
- ‘কেল্লা ফতেহ খান’ ভূমিকায় অভিনয় করেন রাজু আহমেদ। 
- 'জল্লাদের দরবার'  পরিচালনা করতেন কল্যাণ মিত্র।

এছাড়াও, 
- ৭ মার্চের ভাষণ সহ বঙ্গবন্ধুর অন্যান্য ভাষণ 'বজ্রকণ্ঠ' নামে প্রচারিত হত।
- ঢাকার আঞ্চলিক ভাষায় প্রচারিত 'চরমপত্র' লিখতেন ও পড়তেন এম.আর.আখতার মুকুল।
- 'অগ্নিশিখা' ছিল টি.এইচ সিকদার পরিচালিত মুক্তিবাহিনীর জন্য অনুষ্ঠান।

তথ্য- বাংলাপিডিয়া।
২,৩১৫.
বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. লর্ড ডালহৌসি
  4. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
সঠিক উত্তর:
লর্ড কার্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ:
- বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড কার্জন।
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন।
- এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- বাংলার মুসলমানরা নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়।
- অপর দিকে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সমপ্রদায়ের মধ্যে।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে তারা বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে।
- রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- বঙ্গভঙ্গ রদে হিন্দু সম্প্রদায় খুশি হয়, অপর দিকে মুসলমান সম্প্রদায় মর্মাহত এবং হতাশ হয়।
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।

অন্যদিকে,
- লর্ড ওয়েলেসলি ১৭৯৮ থেকে ১৮০৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- ভারতীয় উপমহাদেশের সর্বশেষ ভাইসরয় বা রাজপ্রতিনিধি ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।
- তাঁর সময় ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়েছিল।
- লর্ড ডালহৌসি ১৮৪৮ সালে স্বত্ব বিলোপ নীতির (ডকট্রিন অব ল্যান্স) প্রবর্তন করেন।
- তবে ডালহৌসির পূর্বেও ব্রিটিশ ভারতে এই নীতির প্রয়োগ ছিলো।
- ডালহৌসি এই নীতির সর্বাধিক প্রয়োগ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৩১৬.
মুক্তি যুদ্ধের বিজয়ের দিন আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনধিত্ব করেন কে?
  1. ক) জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানি
  2. খ) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
  3. গ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) আব্দুর রব
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
ব্যাখ্যা
ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের চীফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল জ্যাকব পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের খসড়া দলিল নিয়ে অপরাহ্ণ এক ঘটিকায় ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। লেফটেন্যান্ট জেনারেল অরোরা এক হেলিকপ্টার বহরে তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে বিকাল চারটায় ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছেন। মুক্তিবাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করেন ডেপুটি চীফ অব স্টাফ গ্রুপ-ক্যাপ্টেন এ.কে খন্দকার। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকাল পাঁচটা এক মিনিটে রমনা রেসকোর্সে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) যৌথ কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং পাকিস্তান বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন। [উৎসঃ বাংলাপিডিয়া]
২,৩১৭.
নিচের কোন জন ভাষা শহিদ নন?
  1. ক) আব্দুল জব্বার
  2. খ) মতিউর রহমান
  3. গ) শফিউর রহমান
  4. ঘ) আবুল বরকত
সঠিক উত্তর:
খ) মতিউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মতিউর রহমান
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্যে আবুল বরকত, শফিউর রহমান, আবদুল জব্বার, আব্দুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ জীবন উৎসর্গ করেন।
অন্যদিকে, মতিউর রহমান মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী বীর সেনানী। তবে ‘মতিউর’ নামে নবম শ্রেণীর এক কিশোর ১৯৬৯ সালের আন্দোলনে শহিদ হন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৩১৮.
নিচের কে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহিদ হন?
  1. আবুল বরকত
  2. নাজিউদ্দিন জেহাদ
  3. নূর হোসেন
  4. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালে সংঘটিত উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ফলে স্বৈরাচার আইয়ুব খান সরকারের পতন ঘটে।
এই আন্দোলনে ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহিদ হন।
২৪ জানুয়ারি শহিদ হন ঢাকার নবকুমার ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণীর ছাত্র মতিউর পুলিশের গুলিতে শহিদ হন।
১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহা শহিদ হন।
অন্যদিকে, আবুল বরকত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে এবং নূর হোসেন ও নাজিউদ্দিন জেহাদ নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শহিদ হন।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা আর্কাইভ)
২,৩১৯.
মৌলিক গণতন্ত্রের সর্ব নিম্নস্তর কোনটি?
  1. থানা কাউন্সিল
  2. জেলা কাউন্সিল
  3. বিভাগীয় কাউন্সিল
  4. ইউনিয়ন কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
মৌলিক গণতন্ত্রের স্তরগুলো হচ্ছে:
- ইউনিয়ন কাউন্সিল,
- থানা কাউন্সিল,
- জেলা কাউন্সিল এবং
- বিভাগীয় কাউন্সিল।

• ছোট ছোট শহরে টাউন কমিটি এবং বড় বড় শহরে পৌরসভা গঠনের বিধান করা হয়।
- এই কাঠামোর সর্ব নিম্নস্তর ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং পৌরসভা বা টাউন কমিটি জনগণের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল।
- এর ওপরের স্তরগুলো পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে গঠিত ছিল।
- মৌলিক গণতন্ত্রের সর্ব নিম্নস্তরে যে ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান মিলে।
- এদের সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার করে মোট ৮০ হাজার। এদেরকে বেসিক ডেমোক্রাট বা সংক্ষেপে বি.ডি. মেম্বার বলা হতো।
- এই ৮০ হাজার বি.ডি. মেম্বার দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গকে নির্বাচিত করতেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩২০.
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা কোন আন্দোলনের সময় শহীদ হয়েছিলেন?
  1. শিক্ষা আন্দোলন
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন পূর্বপাকিস্তানী নিহত হয়েছিলেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদুজ্জামান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা তাদের মধ্যে অন্যতম।
- এ আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন ঘটে।
- এ আন্দোলনের ফলে আগরতলা মামলা বাতিল হয়।
- শেখ মুজিব জেল থেকে মুক্তি পেয়ে রেসকোর্সের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩২১.
কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচিত্র নয়?
  1. গেরিলা
  2. আবার তোরা মানুষ হ
  3. ওরা ১১ জন
  4. ঘেটুপত্র কমলা
সঠিক উত্তর:
ঘেটুপত্র কমলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘেটুপত্র কমলা
ব্যাখ্যা
• ঘেটুপত্র কমলা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচিত্র নয়।
- হুমায়ূন আহমেদের সর্বশেষ নির্মিত চলচ্চিত্র 'ঘেটুপুত্র কমলা' যা ২০১২ সালে নির্মিত হয়েছিল। 
-------------
- হুমায়ূন আহমেদের নির্মিত চলচ্চিত্র:
 • 'শ্রাবণ মেঘের দিন'। 
• আগুনের পরশমনি।
• দুই দুয়ারী।
• শ্যামল ছায়া।
• আমার আছে জল।
• ঘেটুপুত্র কমলা। 

- তাঁর উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এরকম কিছু চলচ্চিত্র:
• শঙ্খনীল কারাগার।
• দারুচিনি দ্বীপ।
• নন্দিত নরকে।
-----------------------
আবার তোরা মানুষ হ (১৯৭৩):
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক খান আতাউর রহমান।
- এ চলচ্চিত্রে যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও অবক্ষয়ের চিত্র উঠে এসেছে।
- বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারুক, রাইসুল ইসলাম আসাদ, ববিতা, রোজী আফসারী, রওশন জামিলসহ অনেকে।
- এখানে আছে উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র ও তরুণদের কার্যকলাপ এবং একজন আদর্শবাদী অধ্যক্ষের দৃঢ়তা।
----------------
ওরা ১১ জন:
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- “ওরা ১১ জন” চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত ‘ও আমার দেশের মাটি’ দিয়ে।

 • নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত সৈয়দ শামসুল হক'র নিষিদ্ধ লোবান উপন্যাস অবলম্বনে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত গেরিলা চলচ্চিত্র।

উৎস: ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১, প্রথম আলো, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ, দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ আগস্ট ২০২২।
২,৩২২.
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড অবস্থিত-
  1. রাঙামাটিতে
  2. চট্টগ্রামে
  3. নারায়ণগঞ্জে
  4. খুলনায়
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা

- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড চট্টগ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার।
- এটি ১৯৬৮ সালের ৭ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে।
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এটির শতভাগ শেয়ারের মালিক।

উৎস: বিপিসি ও ইআরএল ওয়েবসাইট।

২,৩২৩.
 নিরাপদ চলাচলের জন্য শিশু-কিশোরদের কোন বিষয়ে সচেতন করা উচিত?
  1. যানবাহনের ধরন সম্পর্কে
  2. ট্রাফিক বাতি, ও জেব্রাক্রসিং সম্পর্কে
  3. রাস্তার পাশে খেলাধুলা সম্পর্কে
  4. গাড়ির গতি বৃদ্ধির কৌশল সম্পর্কে
সঠিক উত্তর:
ট্রাফিক বাতি, ও জেব্রাক্রসিং সম্পর্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাফিক বাতি, ও জেব্রাক্রসিং সম্পর্কে
ব্যাখ্যা

নিরাপদ চলাচলের জন্য করণীয়-
- ফুটপাত দিয়ে চলাচল করা,
- দৌড়ে রাস্তা পার না হওয়া,
- চলন্ত গাড়িতে ওঠা-নামা না করা,
- চলন্ত অবস্থায় গাড়ি চালকের সঙ্গে কথা না বলা এবং জেব্রাক্রসিং, ওভারব্রিজ ও মাটির নিচের সংযোগ পথ তথা আন্ডার  পাস দিয়ে রাস্তা পারাপার হওয়া;
- শিশু-কিশোরদের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে তাদের মহাসড়ক, সংযোগ সড়ক ও আধাপাকা সড়ক সম্পর্কে পরিচিত করানো।
- তাছাড়া চলাচলের জেব্রাক্রসিং,
- পারাপার সেতু, ট্রাফিক পুলিশ, ফুটপাত, ট্রাফিক বাতি ও চিহ্নাবলি,
- বিপজ্জনক স্থান প্রভৃতি সম্পর্কে পরিচিত করানো;

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৩২৪.
What is the previous name of 'Bagerhat'?
  1. Khalifatabad
  2. Jahanabad
  3. Nasirabad
  4. Bikrampur
  5. Pundranagar
সঠিক উত্তর:
Khalifatabad
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Khalifatabad
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কয়েকটি স্থানের পূর্বনাম:
বাগেরহাটের পূর্বনাম - খলিফাতাবাদ,
খুলনার পূর্বনাম - জাহানাবাদ,
মুন্সীগঞ্জের পূর্বনাম - বিক্রমপুর,
বগুড়ার পূর্বনাম - পুণ্ড্রনগর,
বরিশালের পূর্বনাম - চন্দ্রদ্বীপ/ ইসমাইলপুর,
চট্টগ্রামের পূর্বনাম - ইসলামাবাদ,
ময়মনসিংহের পূর্বনাম - নসিরাবাদ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৩২৫.
দ্বিতীয় ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’-এর আহ্বায়ক ছিলেন—
  1. আবদুল মতিন
  2. শামসুল আলম
  3. নূরুল হক ভূইয়া
  4. শামসুজ্জামান খান
সঠিক উত্তর:
শামসুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুল আলম
ব্যাখ্যা

• 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ',
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ', যার আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া।

⇒ ১৯৪৮ সালে ২রা মার্চ দেশের শিক্ষার্থী বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় বারের মতো 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- যার আহবায়ক ছিলেন- শামসুল আলম।
-  রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহবানে ১১ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।

• ’ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ গঠিত হয়।
- এ কমিটি আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে কমিটি গঠিত হয়,
- যার নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন পুনরায় সঞ্জীবিত হতে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৩২৬.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম কবিতার রচয়িতা কে?
  1. ক) শামসুর রাহমান
  2. খ) আব্দুল গাফফার চৌধুরী
  3. গ) মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
  4. ঘ) জহির রায়হান
সঠিক উত্তর:
গ) মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম কবিতা 'এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে রমনার ঊর্ধ্বমুখী কৃষ্ণচূড়ার নীচে সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি।'
- এর রচয়িতা মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলিবর্ষণের পর মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী 'কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' কবিতাটি লিখেন
১৯৫০ সালে তিনি দাঙ্গাবিরোধী 'সীমান্ত' প্রকাশ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৩২৭.
জাতীয় সংসদে কোন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান ভাষণ প্রদান করেন?
  1. ইয়াসির আরাফাত
  2. ভি ভি গিরি
  3. ফিদেল কাস্ত্রো
  4. ইন্দিরা গান্ধী
সঠিক উত্তর:
ভি ভি গিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভি ভি গিরি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে দুজন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান ভাষণ প্রদান করেন।
এরা হলেন:
- সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট জোসেফ ব্রোজ মার্শাল টিটো (৩১ জানুয়ারী ১৯৭৪) এবং
- ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরি (১৮ জুন ১৯৭৪)।
(সূত্রঃ জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট)
২,৩২৮.
মুজিবনগর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চুয়াডাঙ্গা
  2. খ) নবাবগঞ্জ
  3. গ) মেহেরপুর
  4. ঘ) কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) মেহেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেনি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র।
২,৩২৯.
বারো ভূঁইয়াদের নেতা ঈসা খান রাজধানী স্থাপন করেছিলেন-
  1. সোনারগাঁও
  2. রাজমহল
  3. জাহাঙ্গীরনগর
  4. মহাস্থানগড়
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
বাংলার ইতিহাসে ষোড়শ শতক থেকে সপ্তদশ শতকের মধ্যবর্তী সময়ে বাংলায় যেসব বড় বড় জমিদার মুঘলদের অধীনতা মেনে নেননি এবং শক্তিশালী সৈন্য ও নৌ-বহর নিয়ে স্বাধীনতা রক্ষার জন্য একজোট হয়ে মুঘল সেনাপতির বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তেন তারাই বাংলার ইতিহাসে 'বারো ভূঁইয়া' নামে পরিচিত।
বারো ভূঁইয়াদের নেতা ছিলেন ঈসা খান। তিনি সোনারগাঁও রাজধানী স্থাপন করেছিলেন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী]
২,৩৩০.
ইলবার্ট বিল কবে প্রস্তাবিত হয়েছিল?
  1. ১৮৮১ সালে
  2. ১৮৮৩ সালে
  3. ১৮৮৮ সালে
  4. ১৮৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
ইলবার্ট বিল:
- লর্ড রিপন তার শাসনামলে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করেন এবং নতুন নতুন সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করেন।
- তার শাসনকালীন সময়ের অন্যতম কীর্তি হলো ইলবার্ট বিল নামে একটি আইনের পরিকল্পনা।
- এ বিলের উদ্দেশ্য ছিল বিচার ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে ভারতীয় ও ইউরোপীয়দের মধ্যে যে বৈষম্য ছিল তা দূর করা।
- লর্ড রিপন বিচার বিভাগের বৈষম্য দূরীকরণের জন্য সচিব ইলবার্টকে একটি বিল প্রণয়নের দায়িত্ব দেন।
- যার কারণে স্যার ইলবার্ট এর নামানুসারে এ বিলটি ইলবার্ট বিল নামে পরিচিত।
- এ বিলে ভারতীয় বিচারকদের ইউরোপীয় অপরাধীদের বিচার করার ক্ষমতা দেয়া হয়।
- এ বিলটি ১৮৮৩ সালে পাস হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাপিডিয়া।
২,৩৩১.
বঙ্গভঙ্গ রদ কে ঘোষণা করেন?
  1. লর্ড কার্জন
  2. রাজা পঞ্চম জর্জ
  3. লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
  4. লর্ড ওয়াভেল
সঠিক উত্তর:
রাজা পঞ্চম জর্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা পঞ্চম জর্জ
ব্যাখ্যা
• বঙ্গভঙ্গ:
— ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা করা হয় এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়।
- এটি ভারতীয় উপমহাদেশের জাতীয়তাবাদ ও জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- এ বঙ্গভঙ্গকে পূর্ববাংলার মুসলমান সম্প্রদায় আশীর্বাদ বলে স্বাগত জানায়।
- কিন্তু হিন্দু জনগণ বিশেষ করে বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক নেতারা এটিকে কোনভাবেই মেনে নেয় নি।
- তারা নানারকম ষড়যন্ত্র করতে থাকে। তাদের এ আন্দোলন সহিংস রূপ ধারণ করে।
- ফলে তাদের এ চাপের মুখে পড়ে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- এবং পুনরায় পূর্ববঙ্গকে পশ্চিমবঙ্গের সাথে একত্রিত করা হয়। এটিই মূলত বঙ্গভঙ্গ রদ।

• বঙ্গভঙ্গ রদ:
১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর সম্রাট — পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে অনুষ্ঠিত অভিষেক অনুষ্ঠানে বঙ্গভঙ্গ রদের কথা ঘোষণা করেন।
- এবং পূর্ববঙ্গকে পশ্চিমবঙ্গের সাথে পুনরায় এক করেন।

• বঙ্গভঙ্গ রদের ফলাফল:
- বঙ্গভঙ্গ রদের ফলে ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দু – মুসলমানদের সম্প্রতি নষ্ট হয়। সাম্প্রদায়িকতা ও স্বাতন্ত্র্যবোধ প্রসার লাভ করে।
- ধর্মকেন্দ্রিক জাতীয়তার বীজ অঙ্কুরিত হয়।
- মুসলমানদের মাঝে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।
- তারা বুঝতে পারে যে আপস নয় বরং সংগ্রামের পথেই উন্নতি ও স্বাধীনতার পথে তাদেরকে আগাতে হবে।
- অর্থাৎ মুসলমানগণ তাদের রাজনৈতিক স্বার্থ সংরক্ষণে আরও তৎপর হয়ে উঠতে থাকে।

উৎস:
- বাংলাপিডিয়া।
২,৩৩২.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে প্রচারিত 'চরমপত্র' অনুষ্ঠানটির উপস্থাপক ছিলেন কে?
  1. এম আর আখতার মুকুল
  2. এমএ মান্নান
  3. আশরাফুজ্জামান খান
  4. বেলাল মুহম্মদ
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল
ব্যাখ্যা

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- বস্তুত, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- এই কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ছিল:
• 'চরমপত্র',
• 'জল্লাদের দরবার',
• 'মীর জাফরের রোজনামচা'।

⇒ 'চরমপত্র':
- চরমপত্র ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান।
- এটি ছিল ব্যঙ্গাত্মক ও শ্লেষাত্মক মন্তব্যে ভরপুর একটি অনুষ্ঠান, যা মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
- রচনা ও উপস্থাপনা: এম আর আখতার মুকুল।
- চরমপত্র প্রচারের পরিকল্পনা করেছিলেন: এমএ মান্নান [গণপরিষদ সদস্য]।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক রিপোর্ট।

২,৩৩৩.
বাংলাদেশের তার ও টেলিফোন বোর্ডের বর্তমান নাম কি?
  1. ক) বিটিটিবি
  2. খ) বিটিসিসি
  3. গ) বিটিসিএল
  4. ঘ) বিটিআরসি
সঠিক উত্তর:
গ) বিটিসিএল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিটিসিএল
ব্যাখ্যা
Bangladesh telegraph and telephone board(BTTB) converted into Bangladesh Telecommunications Company Limited (BTCL) with 100% shares owned by Government and The Submarine Cable Project transformed into Bangladesh Submarine Cable Company Limited (BSCCL).
Source: btrc.gov.bd
২,৩৩৪.
10th EPZ of Bangladesh will be established in-
  1. Patuakhali
  2. Gopalganj
  3. Habiganj
  4. Jashore
সঠিক উত্তর:
Jashore
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jashore
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে বাংলাদেশে ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে, আরো দুইটি ইপিজেড স্থাপনের কার্যক্রম চলমান।
- ১৯৮৩ সালে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে স্থাপিত হয় দেশের প্রথম ইপিজেড।
- পরবর্তী তিন দশকের মধ্যে পর্যায়ক্রমে স্থাপিত হয় বাকি ৭টি ইপিজেড।
- ঢাকা ইপিজেডের কাজ শুরু হয় ১৯৯৩ সালে; পরবর্তীতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৭ সালে এই ইপিজেড সম্প্রসারণের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়।
- পরবর্তীতে মংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী এবং উত্তরায় (নীলফামারী) ইপিজেড স্থাঅইত হয়। আদমজী জুট মিলস ও চট্টগ্রাম স্টিল মিলস এলাকায়ও স্থাপিত হয় আরও দুটি ইপিজেড।
- ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে  বেপজার  ৩৪তম  গভর্নর বোর্ড সভায় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে যশোর জেলায় একটি ইপিজেড স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 
- যশোরের অভয়নগর উপজেলার গ্রেমবাগ ইউনিয়নের চেঙ্গুটিয়া, মহাকাল, পোমবাগ, বালিয়াডাঙ্গা, আলডাঙ্গা আরাজি বাটিরঘাট, মাগুরা ও রাজাপুর মৌজায় ৫৬৫.৮৭১ একর ভূমিতে স্থাপিত হবে দেশের ১০ম এই  ইপিজেড।
- এর আগে, পটুয়াখালীতে প্রস্তাবিত দেশের নবম ইপিজেড স্থাপনের প্রকল্প প্রস্তাবটি বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশনের যাছাই-বাচাই শেষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় (একনেক) অনুমোদনের অপেক্ষা রয়েছে।

উৎস: দি বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। [লিঙ্ক] 
২,৩৩৫.
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের উপর ভিত্তি করে নির্মিত চলচ্চিত্রের নাম কী?
  1. ভয়েস অব লিবার্টি
  2. ওরা ১১ জন
  3. দ্য স্পিচ
  4. স্টপ জেনোসাইড
সঠিক উত্তর:
দ্য স্পিচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্য স্পিচ
ব্যাখ্যা
তথ্যচিত্র ‘দ্য স্পিচ':
-১৯৭১-এর ৭ মার্চে রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া সেই দৃপ্ত ভাষণ নিয়ে গুণী নির্মাতা ফাখরুল আরেফীন নির্মাণ করেছেন তথ্যচিত্র ‘দ্য স্পিচ’।
- আলোচিত এই তথ্যচিত্রটি নির্মিত হয় ২০১০ সালে।
- যেটি বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো হয়েছিল ইউনেস্কোতে।

উৎস: চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
২,৩৩৬.
জুলাই জাতীয় সনদে কতটি বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে? 
  1. ২৮টি
  2. ৩০টি
  3. ২৫টি
  4. ২১টি
সঠিক উত্তর:
৩০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০টি
ব্যাখ্যা

গণভোটের প্রশ্ন: 
• গণভোটে নিম্নরূপ একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করা হইবে-
- "আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবসমূহের প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করিতেছেন?"; (হ্যাঁ/ না):
- (ক) নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হইবে।
- (খ) আগামী জাতীয় সংসদ হইবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হইবে এবং সংবিধান সংশোধন করিতে হইলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হইবে।
- (গ) সংসদে নারী প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল হইতে ডেপুটি স্পীকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ,
- রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাসহ তফসিলে বর্ণিত যে ৩০টি বিষয়ে জুলাই জাতীয় সনদে ঐকমত্য হইয়াছে।
সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলো বাধ্য থাকিবে।

- (ঘ) জুলাই জাতীয় সনদে বর্ণিত অপরাপর সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হইবে।

উৎস: গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫।[লিঙ্ক]

২,৩৩৭.
What is the name of the newspaper published by the Mujibnagar government?
  1. ক) Muktir Dak
  2. খ) Shadinota
  3. গ) Muktir bani
  4. ঘ) Joy bangla
সঠিক উত্তর:
ঘ) Joy bangla
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Joy bangla
ব্যাখ্যা
• সাপ্তাহিক জয়বাংলা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বাংলা সাপ্তাহিক মুখপত্র - সাপ্তাহিক জয়বাংলা।
- পত্রিকাটি মূলত ছিল মুজিবনগরে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রচার মাধ্যম।
-  এর লক্ষ্য ছিল একদিকে মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতি ও মুক্তিযোদ্ধাদের কৃতিত্ব জনসমক্ষে তুলে ধরা এবং অন্যদিকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বিশ্বজনমত সৃষ্টি ও আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভ।
- সাপ্তাহিক জয়বাংলা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭১ সালের ১১ মে (২৭ বৈশাখ ১৩৭৮)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৩৩৮.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
  1. শামীম শিকদার
  2. আবদুর রাজ্জাক
  3. হামিদুর রহমান
  4. মঈনুল হোসেন
সঠিক উত্তর:
মঈনুল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঈনুল হোসেন
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ঢাকা থেকে ৩৫ কিমি উত্তর-পশ্চিমে সাভারে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান শহীদদের অসামান্য ত্যাগ ও শৌর্যের স্মৃতি হিসেবে সৌধটি দাঁড়িয়ে আছে।
- ১৯৭৮ সালে স্মৃতিসৌধের নকশা নির্বাচন করা হয়।
- এর স্থপতি মঈনুল হোসেন।
- অসমান উচ্চতা ও স্বতন্ত্র ভিত্তির ওপর সাতটি ত্রিভুজাকৃতির প্রাচীর নিয়ে মূল সৌধটি গঠিত।
- কাঠামোটির সর্বোচ্চ বিন্দু বা শীর্ষ ৪৫.৭২ মিটার উঁচু।
- সমগ্র কমপ্লেক্সটি ৩৪ হেক্টর (৮৪ একর) জমি জুড়ে বিস্তৃত।
- স্মৃতিসৌধের নির্মাণ তত্ত্বাবধান করেছে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৩৩৯.
‘বাংলার মুক্তিসনদ’ নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ৬ দফা
  2. ৭ মার্চের ভাষণ
  3. লাহোর প্রস্তাব
  4. কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
৬ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ দফা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

 উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৩৪০.
বাংলায় স্বাধীন সুলতানি যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  3. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  4. গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা
- বাংলায় স্বাধীন সুলতানি যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা হলেন শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ (১৩৪২-১৩৫৮ খ্রি.)।
- তিনি ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ইখতিয়ার উদ্দিন গাজি শাহকে পরাজিত করে দুই বাংলা একত্র করে বৃহত্তর বা অখণ্ড বাংলা প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার সময় থেকেই বাংলায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠী ‘বাঙালি’ নামে পরিচিত পায়।
- তিনি `ইলিয়াস শাহী’ বংশের প্রতিষ্ঠাতা। তার উপাধি ছিলো ‘শাহ-ই বাঙালা’ ও ‘শাহ-ই বাঙালিয়ান’।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৩৪১.
'ভাষা আন্দোলন' বাংলা কত সনে হয়েছিল?
  1. ১১৫২
  2. ১১৫৮
  3. ১৩৫২
  4. ১৩৫৮
সঠিক উত্তর:
১৩৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫৮
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি:
- ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় দিনটি ছিল বাংলা ১৩৫৮ সনের ৮ ফাল্গুন।
- দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার।

উৎস: শিক্ষক বাতায়ন
২,৩৪২.
'জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন' এর সভাপতি কে?
  1. মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ
  2. সারজিস আলম
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন:
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয় সরকার বহন করবে।
- আন্দোলনে যারা আহত হয়েছেন, সরকারি হাসপাতালে তাদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসহ যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করা হবে।
- একইসঙ্গে আন্দোলনে আহত চিকিৎসধীন ছাত্র জনতার চিকিৎসা সেবা সুনিশ্চিতে দেশের সব সরকারি হাসপাতালে আলাদা স্পেশালাইজড ডেডিকেটেড কেয়ার ইউনিট তৈরি করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদদের স্মৃতি সংরক্ষণ ও শহিদ পরিবারগুলোকে সহায়তার জন্য গঠন করা হয়েছে 'জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন'।
- প্ৰধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ফাউন্ডেশনের সভাপতি।
- ফাউন্ডেশনের সাত সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- কাজী ওয়াকার আহমদ (কোষাধ্যক্ষ), তথ্য উপদেষ্টা মো. নাহিদ
ইসলাম (দপ্তর সম্পাদক) এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা - আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া, নুরজাহান বেগম ও সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমিন এস মুর্শিদ (কার্যনির্বাহী সদস্য)।
- এ ফাউন্ডেশনে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ইতোমধ্যে ১০০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র - তথ্য অধিদফতর।

২,৩৪৩.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় “বীর প্রতীক” খেতাবে ভূষিত একমাত্র বিদেশী নাগরিক-
  1. ক্লাইভ ফিলিপসন
  2. মাইকেল আলেকজান্ডার ফস
  3. উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ওডারল্যান্ড
  4. ডোনাল্ড এন্ড্রুসন 
সঠিক উত্তর:
উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ওডারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ওডারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

‘বীর প্রতীক’:
- বীরত্বসূচক খেতাব হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ সাহসিকতা ও আত্মত্যাগ দেখানো বিশেষ মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য প্রদত্ত সম্মানসূচক খেতাব।
- ৪২৬ জন 'বীর প্রতীক' খেতাব প্রাপ্তদের মধ্যে একমাত্র বিদেশী- উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ওডারলল্যান্ড। 
- উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ওডারলল্যান্ড ছিলেন একজন ডাচ-অস্ট্রেলীয় কমান্ডো অফিসার।
- তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণের পাশাপাশি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অবদান রাখেন।
- বাটা বাংলাদেশের প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে থাকাকালীন তিনি ২নং সেক্টরে গেরিলা যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সরবরাহ করতেন।
- বাংলাদেশ সরকার তাঁকে মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ‘বীর প্রতীক’ খেতাবে ভূষিত করে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া। 

২,৩৪৪.
কার শাসনামলে ভারতীয় উপমহাদেশে 'আর্মস অ্যাক্ট' পাস হয়?
  1. লর্ড রিপন 
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. লর্ড লিটন 
  4. লর্ড ডালহৌসি
সঠিক উত্তর:
লর্ড লিটন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড লিটন 
ব্যাখ্যা

লর্ড লিটন:
- লর্ড লিটন (এডওয়ার্ড রবার্ট লিটন) ১৮৭৬ হতে ১৮৮০ পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় এবং গভর্নর জেনারেল ছিলেন। 
- ১৮৮০ সালে গ্ল্যাডস্টোন ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন করলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পদত্যাগ করেন।

উল্লেখ্য,
- লর্ড লিটন কর্তৃক প্রবর্তিত দুটি গুরুত্বপূর্ণ আইন হলো ১৮৭৮ সালের দেশীয় সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act) এবং ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন (Arms Act)।

⇒ দেশীয় সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act):
- এই আইনটি ভারতীয়দের দেশীয় ভাষায় (Vernacular) সংবাদপত্র প্রকাশের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে।
- এর উদ্দেশ্য ছিল সরকারের সমালোচনামূলক লেখা দমন করা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা খর্ব করা। 

⇒ অস্ত্র আইন (Arms Act):
- এই আইনের মাধ্যমে লাইসেন্স ছাড়া কোনো ভারতীয়র অস্ত্র বহন করা একটি ফৌজদারি অপরাধ বলে গণ্য করা হয়।
- তবে, এই আইনটি ব্রিটিশ নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য ছিল না। 

এছাড়াও,
- তার শাসনামলে দ্বিতীয় ইঙ্গ-আফগান যুদ্ধ সংঘটিত হয়। 

উৎস: i) অস্ত্র আইন, ১৮৭৮।
ii) বাংলাপিডিয়া।

২,৩৪৫.
সিপাহি বিদ্রোহের সূত্রপাত কোথায় ঘটে?
  1. কানপুর
  2. ব্যারাকপুর
  3. মিরাট
  4. লখনৌ
সঠিক উত্তর:
ব্যারাকপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যারাকপুর
ব্যাখ্যা

সিপাহি বিদ্রোহ:
- সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে মঙ্গলপাণ্ডে নামে এক সিপাহী কর্তৃক গুলি বর্ষণের মাধ্যমে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।
- দ্রুত এই বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে মিরাট, কানপুর, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র। বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী এই বিদ্রোহে শামিল হয় ।
- পরবর্তীতে তা ভারতবর্ষের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
- তবে এ বিদ্রোহের ফলে ভারতে কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে।
- ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার সরাসরি তার হাতে নিয়ে নেয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৩৪৬.
কোন সম্মেলনে ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয়?
  1. লাহোর সম্মেলন
  2. কাগমারী সম্মেলন
  3. কাশ্মীর সম্মেলন
  4. ইন্দিরা সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
লাহোর সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোর সম্মেলন
ব্যাখ্যা
 ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলীয় নেতারা একটি সম্মেলন আহ্বান করেন।
- আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু লাহোরে পৌছান।
- বিরোধী দলের সম্মেলন চলাকালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করলে সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ তা প্রত্যাখান করেন৷ বঙ্গবন্ধু সম্মেলন বর্জন করে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছয়দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ঢাকায় চলে আসেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নামে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়।
- ছয় দফাতে ছিল পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৪৭.
প্রাচীন ভারতের স্বর্ণযুগ হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. পাল যুগ
  2. মৌর্য যুগ
  3. গুপ্ত যুগ
  4. কুষাণ যুগ
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত যুগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত যুগ
ব্যাখ্যা
গুপ্ত যুগ:
- গুপ্ত সাম্রাজ্য ছিল একটি প্রাচীন ভারতীয় সাম্রাজ্য।
- আনুমানিক খ্রিস্টীয় ৩২০ - ৫৫০ অব্দের মধ্যবর্তী সময়ে ভারতীয় উপমহাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলজুড়ে এই সাম্রাজ্য প্রসারিত ছিল।
- মহারাজ শ্রীগুপ্ত এই সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।

⇒ গুপ্তযুগে ভারতে শান্তি ও সমৃদ্ধি স্থাপিত হয়েছিল।
- এটা ছিল আবিষ্কার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বাস্তুবিদ্যা, শিল্প, ন্যায়শাস্ত্র, সাহিত্য, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, ধর্ম ও দর্শনের বিশেষ উৎকর্ষের যুগ।
- গণিতের জগতে ‘শূন্য’র ব্যবহার এ সময়েই যুগান্তকারী এক আবিষ্কার।
- এ জন্য গুপ্তযুগকে ভারতের স্বর্ণযুগ বলা হয়।

⇒ এই বংশের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে শ্রীগুপ্তের কথা বলা হলেও প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয় প্রথম চন্দ্রগুপ্তকে। তাঁর উপাধি ছিল মহারাজাধিরাজ।
- গুপ্ত বংশের শ্রেষ্ঠ শাসক বলা হয় সমুদ্রগুপ্তকে। তিনি সমগ্র বাংলা জয় করেন। তাঁকে প্রাচীন ভারতের নেপোলিয়ন বলেও অভিহিত করা হয়।

⇒ পাটালিপুত্রে ছিল চন্দ্রগুপ্ত সাম্রাজ্যের রাজধানী।
- গুপ্তদের সময় রাজতন্ত্র ছিল সামন্তনির্ভর।
- এদের রাজাদের অধীনে বড় কোনো অঞ্চলের শাসককে বলা হতো মহাসামন্ত।
- মৌর্যদের মতো এ দেশে গুপ্তদের রাজধানী ছিল মহাস্থানগড়ের পুণ্ড্রনগর।
- চীনা পর্যটক ফা হিয়েন গুপ্তযুগে ভারতে আসেন।
- গুপ্তযুগে বাংলায় স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার সর্বব্যাপী প্রচলন হয়।

উৎস: ইতিহাস, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৪৮.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংগঠন 'তমদ্দুন মজলিশ' প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ
• তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি। এটি ছিলো ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সংগঠন।
১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
• এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
• তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

বি:দ্র: - যদি কোথাও তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠার তারিখ ২ সেপ্টেম্বর না থেকে ১ সেপ্টেম্বর থাকে তাহলে ১ সেপ্টেম্বর উত্তর করতে হবে। অনুরুপ ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ পুস্তিকাটি কখন প্রকাশিত হয় জানতে চাইলে ১৬ সেপ্টেম্বর উত্তর হবে। আর যদি ১৬ সেপ্টেম্বর না থাকে তাহলে হবে ১৫ সেপ্টেম্বর।  

তথ্যসূত্র: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
২,৩৪৯.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলক কয়টি?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৯টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত। এই জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলক সাতটি। স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি ঐতিহাসিক পর্যায়ের জন্য স্মৃতিসৌধে ফলক সংখ্যা ৭টি রাখা হয়েছে। পর্যায় গুলো হলো- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন; ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন; ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন; ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন; ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন; ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ।
২,৩৫০.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন কবে?
  1. ২ মার্চ, ১৯৭১
  2. ৪ মার্চ, ১৯৭১
  3. ৫ মার্চ, ১৯৭১
  4. ৭ মার্চ, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
২ মার্চ, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• মার্চের অসহযোগ আন্দোলন:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন ২ মার্চ।
- অসহযোগ আন্দোলন ১৯৭১ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে ১৯৭১ সালের ২ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পরিচালিত আন্দোলন।
- এ আন্দোলনে কেন্দ্রীয় শাসনের বিপরীতে স্বশাসন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।
- ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে দিগনির্দেশনামূলক ভাষণের মাধ্যমে অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- অসহযোগ আন্দোলনের শুরুতেই ২ মার্চ ছাত্র সংগঠনগুলি ‘স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিততে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতাহার ঘোষণা করে।
- এতে ‘বাংলাদেশ' নামে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং এর তিনটি লক্ষ্য নির্দিষ্ট করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। [লিঙ্ক]
২,৩৫১.
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে আওয়ামীলীগ আসন লাভ করে-
  1. ১৬০টি
  2. ১৬২টি
  3. ১৬৯টি
  4. ১৮৮টি
সঠিক উত্তর:
১৬০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০টি
ব্যাখ্যা

- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে মোট ১৬৯টি আসন ছিল।
- এর মধ্যে সংরক্ষিত আসন ছিল ৭টি। আওয়ামী লীগ ১৬০টি সাধারণ আসন ও ৭টি মহিলা সংরক্ষিত আসনসহ মোট ১৬৭টি আসন লাভ করে।
- ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে মোট ১৬৭টি (সংরক্ষিত ৭টি মহিলা আসনসহ) আসনে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- আওয়ামীলীগ হেরে যায় দুটি আসনে। একটি ময়মনসিংহের নুরুল আমিন এবং অপরটি রাঙামাটির চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়ের কাছে।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

২,৩৫২.
দ্বিতীয়বারে মত ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৫০ সালে 
  2. ১৯৪৮ সালে 
  3. ১৯৪৭ সালে 
  4. ১৯৫১ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে 
ব্যাখ্যা

• 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ', যার আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া।

⇒ ১৯৪৮ সালে   ২রা মার্চ দেশের শিক্ষার্থী বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় বারের মতো 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- যার আহবায়ক ছিলেন শামসুল আলম।
-  রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহবানে ১১ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৩৫৩.
বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত একমাত্র বিদেশী উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড কোন দেশের নাগরিক?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাজ্য
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ঔডারল্যান্ড বাংলাদেশে ছিলেন।
- তিনি বাটা সু কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন।
- ১৯৭১ সালে ইতিহাসের অন্যতম জঘন্য গণহত্যা শুরু হয় তার চোখের সামনে।
- সেই বর্বরতার বিরুদ্ধে মিত্র বাহিনীর একজন গেরিলা সৈনিক হিসেবে লড়েছিলেন তিনি।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কমান্ডো হিসেবে তিনি ছিলেন অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ২ নম্বর সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেন।
- তার পরিকল্পনায় ও পরিচালনায় ঢাকা ও ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকায় বহু অপারেশন সংঘটিত হতে থাকে।
- মেজর হায়দারের দেওয়া এক সনদপত্রে উল্লেখ পাওয়া যায়, ঔডারল্যান্ড মুক্তিযুদ্ধে যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, পরামর্শ, নগদ অর্থ, চিকিৎসা সামগ্রী, গরম কাপড় ও অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছেন।
- মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অংশগ্রহণ ও অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে 'বীরপ্রতীক' সম্মাননায় ভূষিত করে।
- তিনিই একমাত্র বিদেশি যিনি এ স্বীকৃতি পেয়েছিলেন।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরপ্রতীক পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় তার নাম ২ নম্বর সেক্টরের যোদ্ধাদের তালিকায় ৩১৭ নম্বর।
- ১৯৯৮ সালের ৭ মার্চ খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে ঔডারল্যান্ডকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
- কিন্তু, অসুস্থ থাকায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি তিনি।
- বীরপ্রতীক পদকের সম্মানীর টাকা তিনি দান করে গেছেন মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টে।
- তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শনস্বরূপ গুলশানের একটি রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে।
- ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ার পার্থে ৮৪ বছর বয়সে বীরপ্রতীক উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ঔডারল্যান্ড মৃত্যুবরণ করেন।

 উৎস: দি ডেইলি স্টার বাংলা। [লিঙ্ক]
২,৩৫৪.
বাংলাদেশ জাতীয় সম্প্রচার নীতি কোন সনে প্রণীত হয়?
  1. ২০১৩
  2. ২০১৪
  3. ২০১৫
  4. ২০১৬
সঠিক উত্তর:
২০১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৪
ব্যাখ্যা
জাতীয় সম্প্রচার নীতি:
- বাংলাদেশ জাতীয় সম্প্রচার নীতি ২০১৪ সালে প্রণীত হয়।
- সম্প্রচার মাধ্যমে প্রচারিত অনুষ্ঠান এবং বিজ্ঞাপনসমূহ শ্রোতা ও দর্শকদের গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
- এ জন্যে সম্প্রচার মাধ্যমে প্রচারিত অনুষ্ঠানসমূহ মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, আদর্শ ও চেতনা এবং বাংলাদেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ভৌগলিক ও রাজনৈতিক ঐতিহ্য ও মূল্যবোধের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কিনা সেগুলোও বিচার বিবেচনা করা প্রয়োজন।
- এছাড়া সম্প্রচার মাধ্যমসমূহের সামাজিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিতকরণে সরকারের দায়িত্ব রয়েছে।
- এসব বিষয়কে বিবেচনায় রেখে সম্প্রচার মাধ্যমের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি সুষম নীতিমালা থাকা সমীচীন।

তথ্যসূত্র - তথ্য অধিদফতর ওয়েবসাইট।
২,৩৫৫.
সিলেটের হাওরাঞ্চলে প্রচলিত মেয়েদের আচার-কেন্দ্রিক গানের নাম-
  1. ধামাইল গান
  2. মনিপুরী গান
  3. ভাওয়াইয়া গান
  4. জারি গান
সঠিক উত্তর:
ধামাইল গান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধামাইল গান
ব্যাখ্যা
লোকসঙ্গীত:

- ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত হলো ভাটিয়ালি।
- ভাওয়াইয়া বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংগীত।ঃ
- রংপুর ও কুচবিহার জেলা এই গানের জন্মস্থান।
- ভাওয়াইয়া গানের বিখ্যাত শিল্পী হলেন আব্বাসউদ্দীন আহমেদ।
- গম্ভীরা হলো চাপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত।
- ধামাইল গান প্রধানত সিলেটের হাওরাঞ্চলে প্রচলিত মেয়েদের আচার-কেন্দ্রিক নাচ ও গানের নাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৩৫৬.
Where is 'Uttara Gonobhaban' located?
  1. Rajshahi
  2. Bogura
  3. Natore
  4. Shirajganj
  5. Netrokona
সঠিক উত্তর:
Natore
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Natore
ব্যাখ্যা
উত্তরা গণভবন:
- ইতিহাস খ্যাত দিঘাপতিয়া রাজবাড়ী তথা উত্তরা গণভবন নাটোরে অবস্থিত।
- নাটোরের রাণী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামের উপরে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন। 
- ১৯৫২ সালে দিঘাপতিয়ার শেষরাজা প্রতিভানাথ রায় সপরিবারে রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করে কলকাতায় চলে যান।
- পরবর্তীতে রাজ প্রাসাদটি ১৯৬৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিঘাপতিয়া রাজবাড়িকে ‘উত্তরা গণভবন’ নামকরণ করেন।
- উত্তরা গণভবন ৪১.৫১ একর জমির উপর অবস্থিত।
- বর্তমানে এই রাজপ্রাসাদ থেকে হারিয়ে যাওয়া রাজা-রাণীর ব্যবহৃত ঐতিহাসিক দ্রব্যসামগ্রী উদ্ধার করে একটি সংগ্রহশালা নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে।

উল্লেখ্য,
- ঢাকার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র বাসভবন নাটোরের উত্তরা গণভবন।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৩৫৭.
নিচের কোন সংস্থাটি ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. ক) UNDP
  2. খ) UNESCO
  3. গ) UNICEF
  4. ঘ) UNCTAD
সঠিক উত্তর:
খ) UNESCO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) UNESCO
ব্যাখ্যা
The idea to celebrate International Mother Language Day was the initiative of Bangladesh. It was approved at the 1999 UNESCO.
Source: unesco.org
২,৩৫৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজশাহী জেলা কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ক) আট
  2. খ) সাত
  3. গ) ছয়
  4. ঘ) নয়
সঠিক উত্তর:
খ) সাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাত
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়। প্রত্যেক সেক্টর বেশ কয়েকটি সাব- সেক্টরে বিভক্ত ছিল।
- সেক্টরগুলোর পরিচয় নিচে তুলে ধরা হলো-
এক নম্বর সেক্টর: চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ফেনী নদী পর্যন্ত এলাকা।
দুই নম্বর সেক্টর: নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত, কুমিল্লা জেলা, সিলেট জেলার হবিগঞ্জ (বর্তমানে জেলা), ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ।
তিন নম্বর সেক্টর: আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলা, সিলেট, ঢাকা জেলার অংশবিশেষ ও কিশোরগঞ্জ।
চার নম্বর সেক্টর: সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল, খোয়াই-শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন ছাড়াও পূর্ব ও উত্তর দিকে ডাউকি সড়ক পর্যন্ত অঞ্চল।
পাঁচ নম্বর সেক্টর: সিলেট জেলার পশ্চিমাঞ্চল, সিলেট-ডাউকি সড়ক থেকে সুনামগঞ্জ ময়মনসিংহ সড়ক পর্যন্ত এলাকা।
ছয় নম্বর সেক্টর: রংপুর জেলা, দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহকুমা (বর্তমানে জেলা)।
সাত নম্বর সেক্টর: দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চল, রাজশাহী, পাবনা ও বগুড়া জেলা
আট নম্বর সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুরের অধিকাংশ এবং খুলনা জেলার দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত এলাকা।
নয় নম্বর সেক্টর: দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক থেকে খুলনা জেলার দক্ষিণাঞ্চল, ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ এবং বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা।
দশ নম্বর সেক্টর: দশ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো, সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নৌপথ।
এগার নম্বর সেক্টর: কিশোরগঞ্জ ছাড়া ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
২,৩৫৯.
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে পাণ্ডুলিপিবিহীন ও অলিখিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় -
  1. ক) UNESCO
  2. খ) UNICEF
  3. গ) UNFPA
  4. ঘ) UNHCR
সঠিক উত্তর:
ক) UNESCO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) UNESCO
ব্যাখ্যা
- ২০১৭ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ কে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে     জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা, ইউনেসকো (UNESCO)। 
- ভাষণটি ইউনেসকো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য ‘Memory of the World International Heritage Register'-এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। - এ পর্যন্ত এসব স্বীকৃতির মধ্যে ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকেই প্রথম পাণ্ডুলিপিবিহীন এবং অলিখিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৩৬০.
সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারের প্রথম ইংরেজ দূত কে ছিলেন?
  1. এডওয়ার্ড টেরি
  2. পিয়েত্রা ডেলা ভেলা
  3. ক্যাপ্টেন হকিন্স
  4. উইলিয়াম ফিঞ্চ
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন হকিন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন হকিন্স
ব্যাখ্যা
সম্রাট জাহাঙ্গীর:
- সম্রাট জাহাঙ্গীর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের চতুর্থ সম্রাট। 
- তিনি জয়পুরের রাজপুত রাজকন্যা ও সম্রাট আকবর এর প্রথম পুত্র।
- তিনি তাঁর পিতার উত্তরাধিকারী হিসেবে নুরউদ্দীন মুহম্মদ জাহাঙ্গীর বাদশাহ গাজী' উপাধি ধারণ করে ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দে আগ্রার সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি ১৬২৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেন।

⇒ তিনি ছিলেন একাধারে আকর্ষণীয়, প্রজ্ঞাবান, দয়ালু ও বুদ্ধিমান শাসক।
- তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের সংহতি বাংলার বার ভূঁইয়াদের দমন এবং মেবার বিজয় করেন।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁর পিতার সময়ের বেশকিছু নির্যাতনমূলক আইন বাতিল করেন এবং 'দস্তুর-উল-আমল' নামে ১২টি আইন প্রণয়ন করে দয়া ও উদারতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। 

⇒ তুযুক-ই-জাহাঙ্গীরী রচনা করে তিনি যথেষ্ট কৃতিত্বের পরিচয় দেন। এটি ছিল তাঁর আত্মজিবনী যেখানে সমসাময়িক মোগল ইতিহাসের অনেক মূল্যবান তথ্য পাওয়া যায়। সাহিত্যের উৎকর্ষতার কারণে তাঁর সময়কালকে অনেকে মধ্যযুগীয় ভারতীয় সাহিত্যের 'অগাস্টাস যুগ' বলে অভিহিত করেন।
- ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের জন্য তিনি ভারতবর্ষে পর্তুগিজদের সব রকমের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও ইংরেজ বণিকদেরকে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করেন এবং সুরাটে কারখানা নির্মাণের অনুমতি দেন।
- ক্যাপ্টেন হকিন্স ও টমাস রো নামক দু'জন ইংরেজ দূত ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম জেমসের পত্র নিয়ে হাজির হন। এসকল দূতরা ভারতবর্ষে ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য সম্রাটের নিকট থেকে সুবিধা আদায় করেন। তার সময় থেকেই ভারতে ব্রিটিশদের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের বিস্তারের সূত্রপাত ঘটে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৬১.
কে সুলতান মাহমুদের সভাকবি ছিলেন?
  1. মহাকবি ফেরদৌসী
  2. আলাওল
  3. বাহরাম খাঁ
  4. শাহ মুহম্মদ সগীর
সঠিক উত্তর:
মহাকবি ফেরদৌসী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকবি ফেরদৌসী
ব্যাখ্যা
সুলতান মাহমুদ:
- সুলতান মাহমুদ ছিলেন তুর্কি বংশোদ্ভূত। 
- মুহম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধু অভিযানের প্রায় তিনশ বছর পর গজনির সুলতান মাহমুদ ভারত অভিযান করেন। 
- গজনি রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন আলপ্তগীন। 
- আলপ্তগীন এর ক্রীতদাস ও জামাতা গজনীর আমির সবুক্তগীনের পুত্র ছিলেন সুলতান মাহমুদ। 
- এ রাজবংশটি ইসলামের ইতিহাসে 'গজনি রাজবংশ' নামে পরিচিত। 
- সুলতান মাহমুদ ১০০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১০২৭ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে মাত্র ২৭ বছরে ১৭ বার ভারতীয় উপমহাদেশে অভিযান পরিচালনা করেন। 
- সুলতান মাহমুদের সভাকবি ছিলেন মহাকবি ফেরদৌসী। 

উল্লেখ্য, 
- ফেরদৌসীর রচিত অমর কাব্যগ্রন্থের নাম শাহনামা। 
- ফেরদৌসীকে বলা হয় প্রাচ্যের হোমার। 

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৬২.
৭ই মার্চের ভাষণে কয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয়?
  1. ক) ২ দফা
  2. খ) ৩ দফা
  3. গ) ৪ দফা
  4. ঘ) ৫ দফা
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ দফা
ব্যাখ্যা

৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৪ দফা দাবি উত্থাপন করেন।
উত্থাপিত দফাগুলো হলো-
১. সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে,
২. সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে,
৩. গণহত্যা'র তদন্ত ও বিচার করতে হবে এবং
৪. নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫ম তফসিল।

২,৩৬৩.
বাংলার চুচুড়া ও বাকুঁড়ায় বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করে কারা?
  1. ফরাসিরা
  2. ইংরেজরা
  3. ওলন্দাজরা
  4. পর্তুগিজরা
সঠিক উত্তর:
ওলন্দাজরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওলন্দাজরা
ব্যাখ্যা
ওলন্দাজ বা ডাচ:
- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- ১৬০২ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজরা জলপথে উপমহাদেশে আসে।
- প্রাচ্য বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে হল্যান্ডের একদল বণিক 'ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করে।
- তারা কালিকট, নাগাপট্টম, বাংলার চুঁচুড়া ও বাঁকুড়ায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- এছাড়া বালেশ্বর, কাশিমবাজার এবং বরানগরেও তাদের কুঠি ছিল।
- প্রথমে ওলন্দাজগণ ইংরেজদের সাথে রেশমী সূতা, সুতি কাপড় চাল, ডাল সোরা ও তামাক এদেশ থেকে রপ্তানি করত এবং অন্যদেশ থেকে এদেশে মসলা আমদানি করত।
- ইংরেজদের সাথে তাদের যে বাণিজ্য চুক্তি হয় তা দু'বছরের মধ্যে ভেঙ্গে গিয়ে বিরোধ দেখা দেয়।
- অন্যদিকে বাংলার শাসনকর্তাদের সাথেও তাদের প্রবল বিরোধ দেখা দেয়।
- এ বিরোধ বেশি বেড়ে গেলে ইংরেজগণ ওলন্দাজ কুঠিগুলো দখল করে ফেলে।
- আর এভাবে ওলন্দাজদের বাণিজ্যিক সুবিধা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় এবং তাঁরা উপমহাদেশ ছেড়ে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় চলে যায়।
- সেখানে তাঁরা উপনিবেশ স্থাপন করে।
- ফলে এদেশে ইংরেজদের শক্তি বেড়ে যায়।
- বর্তমান ইন্দোনেশিয়া ওলন্দাজদের কাছ থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৬৪.
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?
  1. জেলা
  2. উপজেলা
  3. ইউনিয়ন
  4. ওয়ার্ড
সঠিক উত্তর:
উপজেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপজেলা
ব্যাখ্যা

• প্রশাসনিক কাঠামোর স্তর: 
- মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর স্তর তিনটি। যথা- বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন।
- মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামো সর্বোচ্চ স্তর- বিভাগীয় প্রশাসন এবং সর্বনিম্ন স্তর উপজেলা প্রশাসন।

অন্যদিকে,
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচলিত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা রয়েছে ৫ ধরনের।
- গ্রাম অঞ্চলের ৩ ধরনের এবং শহর অঞ্চলে ২ ধরনের।
- গ্রাম অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা - ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং জেলা পরিষদ।
- শহর অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা - পৌরসভা এবং সিটি কর্পোরেশন।
- মাঠ পর্যায়ে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর - ইউনিয়ন পরিষদ।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

২,৩৬৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল কোন সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন?
  1. ২নং সেক্টর
  2. ৩নং সেক্টর
  3. ৪নং সেক্টর
  4. ৫নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
২নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ: ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল: ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান: ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ: ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন: ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান: কোনো সেক্টরের অধীনে ছিলেন না।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২,৩৬৬.
প্রান্তিক হ্রদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
• প্রান্তিক হ্রদ — বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।

• প্রান্তিক হ্রদ:
- বান্দরবান জেলা সদর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে বান্দরবান কেরানীহাট সড়কের হলুদিয়ার সন্নিকটে প্রায় ২৫.২৯ একর এলাকা নিয়ে প্রান্তিক হ্রদ গঠিত।

• বান্দরবানে অবস্থিত আরো কয়েকটি হ্রদ:
- বগাকাইন হ্রদ বা বগা লেক, 
- কিয়াচলং হ্রদ ইত্যাদি।

উৎস: বান্দরবান জেলার ওয়েবসাইট।
২,৩৬৭.
‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি কত তারিখে পালন করা হয়েছিল?
  1. ৩০ জুলাই, ২০২৪
  2. ৩১ জুলাই, ২০২৪
  3. ১ আগস্ট, ২০২৪
  4. ৩ আগস্ট, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
৩১ জুলাই, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ জুলাই, ২০২৪
ব্যাখ্যা

'মার্চ ফর জাস্টিস' কর্মসূচি:
- বাংলাদেশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবি- কোটা সংস্কার আন্দোলনের সহিংসতায় অনেক শিক্ষার্থীর প্রাণহানি হয়েছে।
- এমতাবস্থায় আন্দোলন দমনের জন্য সাধারণ ছাত্র ও আন্দোলনের সমন্বয়ক এবং বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে গণগ্রেপ্তার চালানো হয়েছে।
- যা রীতিমতো দেশের সংবিধান বিরোধী ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে দাবি করা হয়েছে।
- আর এরই প্রতিবাদে ছাত্ররা তাদের কর্মসূচি 'মার্চ ফর জাস্টিস' পালন করেছে।

⇒ ৩০ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তারা মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচী পালন করার ঘোষণা দিয়েছে।
- ৩১ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তারা মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচী পালন করেছে।
- ৯ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

২,৩৬৮.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ১০নং নৌ-সেক্টরের অধীনে পরিচালিত বিখ্যাত অভিযানটির নাম কী?
  1. অপারেশন লিবারেশন
  2. অপারেশন জ্যাকপট
  3. অপারেশন বিজয়
  4. অপারেশন মুক্তি
সঠিক উত্তর:
অপারেশন জ্যাকপট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন জ্যাকপট
ব্যাখ্যা

'অপারেশন জ্যাকপট':
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- যেখানে ১০নং সেক্টর ছিল নৌ-সেক্টর।
- এটি কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না;
- বরং সমুদ্রবন্দর, নদীপথ ও উপকূলীয় এলাকা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- এই সেক্টরের অধীনে নৌ-কমান্ডোরা গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করত; 
- এর মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হলো অপারেশন জ্যাকপট। 
- অপারেশন জ্যাকপট ১৯৭১ সালের ১৫-১৬ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালিত হয়েছিলো। 
- এ অভিযানে চট্টগ্রাম, মংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দরে পাকিস্তানি জাহাজ ও সমরাস্ত্র ধ্বংস করা হয়।
- অপারেশন সফল হওয়ায় পাকিস্তান সরকারের প্রচারণা ভ্রান্ত প্রমাণিত হয় এবং মুক্তিযুদ্ধ আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি পায়।
- ১০নং সেক্টরের কোনো নিয়মিত কমান্ডার ছিল না;
- নৌ-কমান্ডোদের কাজ প্রধান সেনাপতির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হতো।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

২,৩৬৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের বিরোধিতা করেছিল জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কোন দুইটি স্থায়ী রাষ্ট্র?
  1. ক) যুক্তরাজ্য ও চীন
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স
  3. গ) চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) রাশিয়া ও ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
গ) চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী চীন এ যুদ্ধকে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে উল্লেখ করে পাকিস্তানকে কৌশলগত সমর্থন দেয়। পক্ষান্তরে, ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও তাদের মিত্র দেশসমূহ এবং জাপান ও পশ্চিমের অনেক দেশের সাধারণ জনগণ বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নেয়। চীন-যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান অক্ষের বিরুদ্ধে কৌশলগত সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যে ১৯৭১ সালের ৯ আগস্ট ভারত সরকার সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে একটি মৈত্রীচুক্তি স্বাক্ষর করে। এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে এক নতুন মাত্রা যোগ হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
২,৩৭০.
বাংলায় আফগান শাসন প্রতিষ্ঠাকারী কে ছিলেন?
  1. আজম শাহ
  2. শের শাহ
  3. ইসলাম শাহ
  4. মোবারক শাহ
সঠিক উত্তর:
শের শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শের শাহ
ব্যাখ্যা
বাংলায় আফগান শাসন:
- ১৫৩৮ সালে শেরশাহ গৌড় জয় করে বাংলায় আফগান শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- আফগানরা ৩৮ বছর বাংলায় শাসন করে, এর মধ্যে মাত্র ৯ মাস মোগল সম্রাট হুমায়ুন গৌড় অধিকার করেন।
- শেরশাহ যুদ্ধে হুমায়ুনকে পরাজিত করে দিল্লির সিংহাসনও অধিকার করেন।
- শেরশাহ ও তাঁর ছেলের সময়ে বাংলাদেশ দিল্লির একটি প্রদেশে পরিণত হয়।
- ১৫৫৬ সালে শেরশাহের ছেলে ইসলাম শাহের মৃত্যুর পর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যায় এবং মোগল বিজয়ের আগে স্বাধীন থাকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৭১.
কোন পত্রিকাটি তথ্য বিকৃতি করে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেয়?
  1. ক) আজাদ
  2. খ) মর্নিং নিউজ
  3. গ) সৈনিক
  4. ঘ) পাকিস্তান অবজারভার
সঠিক উত্তর:
খ) মর্নিং নিউজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মর্নিং নিউজ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনে সংবাদপত্রের ভূমিকা ছিলো অসামান্য। সৈনিক, ইত্তেফাক, আজাদ, সংবাদ, অগত্যা, পাকিস্তান অবজারভার দৈনিক মিল্লাত, দৈনিক ইনসাফ, দৈনিক আমার দেশ প্রভৃতি পত্রিকা ভাষা আন্দোলনের সমর্থনে জোরালো ভূমিকা পালন করে।
অন্যদিকে মর্নিং নিউজ ছিল উর্দু ভাষার সমর্থক। পত্রিকাটি ভাষা আন্দোলনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উগ্র প্রচারণা চালায়। ২১ ফেব্রুয়ারির ঘটনাকেও তারা বিকৃত করে ২২ ফেব্রুয়ারি খবর প্রকাশ করে। ২২ ফেব্রুয়ারি বিক্ষুব্ধ জনতা ভিক্টোরিয়া পার্কের কাছে অবস্থিত মর্নিং নিউজের প্রেস ও অফিস জ্বালিয়ে দেয়।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক ইনকিলাব ও প্রথম আলো পত্রিকা]
২,৩৭২.
আইন অমান্য আন্দোলন কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ক) ১৯০৬ সালে
  2. খ) ১৯১৬ সালে
  3. গ) ১৯৩০ সালে
  4. ঘ) ১৯৪২ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৩০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
- মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ১৯৩০ সালে ভারতবর্ষ জুড়ে আইন অমান্য আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- চেমসফোর্ড-মন্টেগু আইনের ব্যর্থতার পরিপ্রেক্ষিতে ব্রিটিশ সরকার ভারতের জন্যে নতুন সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সায়মন কমিশন গঠন করে। এতে কোন ভারতীয় প্রতিনিধি না থাকায় কংগ্রেস এই কমিশন বয়কট করে।
- এর অংশ হিসেবেই আইন অমান্য আন্দোলন সংঘটিত হয়। এই আন্দোলন ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত চলে। তবে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২,৩৭৩.
কোন মুঘল সম্রাট চিশতীকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন?
  1. আকবর
  2. জাহাঙ্গীর
  3. বাবর
  4. হুমায়ুন
সঠিক উত্তর:
জাহাঙ্গীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা

ইসলাম খান চিশতী:
- মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর ইসলাম খান চিশতীকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন।
- ইসলাম খান চিশতীর মূল কৃতিত্ব হচ্ছে তিনি সমগ্র বাংলাদেশে এবং প্রতিবেশী কামরূপ এবং কাছাড়ে মুঘল অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি বার ভূঁইয়াদের দমন করেন এবং সকল ভূঁইয়া বা জমিদারকে পরাজিত করলে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের একটি সুবা বা প্রদেশে পরিণত হয়।
- তিনি ছিলেন ফতেহপুর সিক্রির শয়খ সলীম চিশতীর পৌত্র, তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমবয়সী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।
- ইসলাম খান রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় নিয়ে আসেন।
- ১৬১০ সালে তিনি ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন।
- তিনি এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
- ইসলাম খান বাংলার জমিদারদেরকে দমন করে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৩৭৪.
সর্বপ্রথম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কোথায় উত্তোলন করা হয়?
  1. ঢাকা সেনানিবাস
  2. কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
• জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন:
-  ১৯৭১ সালের ২ মার্চ, ছাত্র সংগঠনগুলো 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।
- একই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বটতলায় একটি ছাত্রসভায় ডাকসু ভিপি আ.স.ম আবদুর রব প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
- এই ঘটনাটি স্মরণীয় হয়ে থাকে, তাই ২ মার্চ 'জাতীয় পতাকা দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

• জাতীয় পতাকা:
- জাতীয় পতাকা  অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও জাতীয় পতাকার আকৃতি, গড়ন, রং ও পতাকা উত্তোলনের ধরনের কিছু অনুমোদিত নিয়মকানুন অনুসরণ করে।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার।
- তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দুর অবস্থান হবে পতাকার দৈর্ঘের ৯/২০ অংশ থেকে টানা লম্বের এবং প্রস্থের মাঝখান দিয়ে টানা আনুভূমিক রেখার ছেদবিন্দুতে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৩৭৫.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
  1. ক) হামিদুর রহমান
  2. খ) সৈয়দ মইনুল হোসেন
  3. গ) তানভীর কবির
  4. ঘ) ফজলুর রহমান খান
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ মইনুল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ মইনুল হোসেন
ব্যাখ্যা
সাভারে অবস্থিত ‘সম্মিলিত প্রয়াস’ বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ। এর স্থপতি সৈয়দ মইনুল হোসেন।
১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এটি উদ্বোধন করে।
এতে মোট সাতটি স্তম্ভ রয়েছে যা আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপটকে তুলে ধরে।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৩৭৬.
বাঁশের কেল্লা খ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী কে?
  1. ফকির মজনু শাহ
  2. দুদু মিয়া
  3. তিতুমীর
  4. মীর কাশেম
সঠিক উত্তর:
তিতুমীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিতুমীর
ব্যাখ্যা
তিতুমীর:

- তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন তাহরিক ই মুহম্মদীয়া।
- মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- উত্তর ভারত ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে যখন ওয়াহাবি আন্দোলনের (তাহরিক ই মুহম্মদীয়া) জোয়ার চলছে, তখন পশ্চিম বঙ্গের বারাসাত অঞ্চলে তিতুমীরের নেতৃত্বে এই আন্দোলন প্রবল আকার ধারণ করে।
- ওয়াহাবি আন্দোলন ছিল উত্তর ভারতের সৈয়দ আহমদ শহীদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত।
- তিতুমীর হজ করার জন্য মক্কা শরিফ যান এবং ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে আসেন।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তিতুমীর তাঁর প্রধান ঘাটি স্থাপন করেন। নির্মাণ করেন ইতিহাস খ্যাত তাঁর বাঁশের কেল্লা।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে তিতুমীরের বিরুদ্ধে ইংরেজ সরকার এক বিশাল সুশিক্ষিত সেনা বাহিনী প্রেরণ করে। মেজর স্কটের নেতৃত্বে এই বাহিনী তিতুমীরের নারিকেলবাড়িয়ার বাঁশের কেল্লা আক্রমণ করে।এই যুদ্ধে তিনি নিহত হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৭৭.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্য শুরু হয় কোথায়?
  1. ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
  2. লাহোর সুপ্রিম কোর্ট
  3. ইসলামাবাদ হাইকোর্ট
  4. ঢাকা দায়রা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”।
- তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধুসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

সূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
২,৩৭৮.
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?
  1. ৫নং সেক্টর
  2. ৬নং সেক্টর
  3. ৭নং সেক্টর
  4. ৮নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৮নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : পশ্চিম পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৩৭৯.
আওয়ামী লীগের ছয়-দফা পেশ করা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৬৬ সালে
  2. খ) ১৯৬৭ সালে
  3. গ) ১৯৬৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের লাহোরে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। 
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়।
-এটি বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত
- ছয় দফার প্রথম দফা ছিল 'প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন'।

• ৬ দফাগুলো হলো-
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোঃমোজাম্মেল হক)।
২,৩৮০.
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা -
  1. সোনাদিয়া দ্বীপ
  2. নিঝুম দ্বীপ
  3. চলনবিল
  4. লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
সঠিক উত্তর:
সোনাদিয়া দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনাদিয়া দ্বীপ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী। 

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
২,৩৮১.
যুক্তফ্রন্ট কতটি দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্ট:
- যুক্তফ্রণ্ট ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলার আইনসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য গঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দল সমুহের নির্বাচনী মোর্চা।
- এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে।
- যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।
- এ চারটি দল হলো আওয়ামী লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল।
- যুক্তফ্রন্ট চারটি দল নিয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর গঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- নির্বাচনী ইশতেহার ছিল ২১ দফা।

[বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি  দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র ১ম ও ২য় খন্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র অধিক গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

উৎস: ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র।
২,৩৮২.
ইসলাম ধর্মের বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা ও ইসলামের অতীত গৌরবের কথা তুলে ধরে গ্রন্থ লিখেছেন-
  1. ক) নওয়াব আবদুল লতিফ
  2. খ) এ.কে. ফজলুল হক
  3. গ) স্যার সলিমুল্লাহ
  4. ঘ) সৈয়দ আমীর আলী
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৈয়দ আমীর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
বাংলার মুসলিম সমাজকে আলোর পথে টেনে তুলতে যাঁদের অবদান মূল্যবান বলে বিবেচিত হয় সৈয়দ আমীর আলী তাঁদেরই একজন। শুধুমাত্র পাশ্চাত্য শিক্ষাই নয়, মুসলমানদের রাজনৈতিক শিক্ষার গুরুত্বও তিনি অনুভব করেছেন এবং সে কারণে তিনি ‘সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান এসোসিয়েশন’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। তাঁর বিখ্যাত দুটি গ্রন্থ হচ্ছে-‘The Spirit of Islam’ ও ‘A Short History of Saracens’ । এতে ইসলাম ধর্মের বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা ও ইসলামের অতীত গৌরবের কথা তুলে ধরা হয়েছে। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
২,৩৮৩.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কতজন নারীকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
সঠিক উত্তর:
খ) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য দুইজন নারীকে বীর প্রতীক উপাধীতে ভূষিত করা হয়।
- তারা হলেন : ডা. সিতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- পাঁচজন অবাঙালিও বীরত্বসূচক খেতাব পান, যাদের মধ্যে একজন বিদেশী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৩৮৪.
অপারেশন সার্চলাইট শুরু হয় কোথায়?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. চট্টগ্রাম
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

 অপারেশন সার্চলাইট (Operation Searchlight):
- অপারেশন সার্চলাইট (Operation Searchlight) ছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি পরিকল্পিত সামরিক অভিযান, যা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় শুরু হয়।
- এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমানে বাংলাদেশ) বাঙালিদের জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে দমন করা।
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে বাঙালির তথা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরলতম এবং একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা হয়, যা 'কালরাত্রি' নামে পরিচিত।
- সে সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র, নিরীহ, স্বাধীনতাকামী সাধারণ জনগণের ওপর ইতিহাসের নির্মমতম গণহত্যা চালায়।
- ১৮ই মার্চ টিক্কা খান, রাও ফরমান আলী 'অপারেশন সার্চলাইট' বা বাঙালির ওপর নৃশংস হত্যাকাণ্ড পরিচালনার নীলনকশা তৈরি করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

২,৩৮৫.
ঐতিহাসিক 'ছয়-দফা' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন—
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬
  2. খ) ২৩ মার্চ ১৯৬৬
  3. গ) ২৬ মার্চ ১৯৬৬
  4. ঘ) ৩১ মার্চ ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩ মার্চ ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩ মার্চ ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।

- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
২,৩৮৬.
এলাহাবাদ চুক্তি কাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ওয়ারেন হেস্টিংস ও সুজাউদ্দৌলা
  2. রবার্ট ক্লাইভ ও দ্বিতীয় শাহ আলম
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস ও দ্বিতীয় শাহ আলম
  4. রবার্ট ক্লাইভ ও মীর কাশিম
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ ও দ্বিতীয় শাহ আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ ও দ্বিতীয় শাহ আলম
ব্যাখ্যা
এলাহাবাদ চুক্তি ও বাংলার ক্ষমতা দখল:
- এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৭৬৫ সালে।
- রবার্ট ক্লাইভ ও মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম-এর মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করেছিল।
- সম্রাট শাহ আলমকে কোম্পানি প্রতি বছর ২৬ লক্ষ টাকা দান করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- এই চুক্তির ফলে রাজস্ব আদায় ও দেশ রক্ষার ভার ছিল কোম্পানির উপর, অন্যদিকে নিজামত তথা বিচার ও প্রশাসন বিভাগের দায়িত্ব বর্তায় নবাবের উপর।

⇒ বক্সার যুদ্ধের পর কোম্পানির কর্মচারীদের মধ্যে দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলা চরমে উঠলে এবং বাংলার রাজনৈতিক পরিবেশ খারাপ হলে, ইংরেজ সরকার ভীত হয়ে পড়লেন।
- ফলে ইংল্যান্ডের কর্তৃপক্ষ কোম্পানির দুর্নীতি দমন ও স্বার্থ বৃদ্ধির জন্য পুনরায় ক্লাইভকে লর্ড উপাধি দান করে বাংলায় দ্বিতীয়বার প্রেরণ করেন (১৭৬৫-১৭৬৭ খ্রি.)।
- এদেশে এসেই তিনি মীর কাশিমের মিত্রশক্তি অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা ও দিল্লির সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের প্রতি নজর দেন।
- বক্সার যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫০ লক্ষ টাকা এবং কারা ও এলাহাবাদ জেলা দু'টি পেয়ে অযোধ্যার নবাবের সাথে মিত্রতা স্থাপন করেন।
- তারপর তিনি দিল্লির দুর্বল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সাথে সন্ধি স্থাপন করেন।
- ক্লাইভ কারা ও এলাহাবাদ জেলা দু'টি ও বাৎসরিক ২৬ লক্ষ টাকা কর প্রদানের বিনিময়ে সম্রাটের নিকট হতে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করলেন (১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে ১২ আগস্ট ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিউয়ানি সনদ লাভ করে)।
- এর ফলে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইংরেজ উপনিবেশের পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৮৭.
Which of the following Muslim country was first, to recognize Bangladesh as an independent country?
  1. ক) Saudi Arabia
  2. খ) Kuwait
  3. গ) Egypt
  4. ঘ) Iraq
সঠিক উত্তর:
ঘ) Iraq
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Iraq
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:

- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়- ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- এটি মধ্যপ্রাচ্যের স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ ছিল।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২৮ মার্চ, ১৯৭৩।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪।
- সৌদি আরব ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

তথ্যসূত্র - বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান)।
২,৩৮৮.
বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে কত সালে সমগ্র পাকিস্তানে জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন বণ্টন সম্ভব হয়?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৬৬ সালে
  4. ১৯৬৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসার মূলে ছিল বাঙালির অধিকার আদায়ে তার ত্যাগ ও আজীবনের আপসহীন সংগ্রাম।
- পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যে জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন বণ্টন ছিল তাঁর অন্যতম প্রধান দাবি।
- এ দাবি আদায় করতে পারলেই যে সকল দাবি আদায় করা সম্ভব, এটি তিনি প্রতিটি বাঙালিকে উপলব্ধি করাতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- এ জন্য বাঙালিরা তার  নেতৃত্বে অবিচল থাকে।
- তাঁর এ দৃঢ় নেতৃত্বের কারণেই ১৯৬৯ সালে ইয়াহিয়া খানের কাছ থেকে সমগ্র পাকিস্তানের ৩১৩টি আসনের মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য ১৬৯টি আসন অর্জন করা সম্ভব হয়েছিল।
- তিনি তাঁর জনসমর্থনের আকাশচুম্বি শক্তি নিয়ে ইয়াহিয়া খানের ওপর প্রচণ্ড চাপ প্রয়ােগ করেছিলেন, যা উপেক্ষা করে সে সময়ে ইয়াহিয়া খানের পক্ষে ক্ষমতায় টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব ছিল।
- বঙ্গবন্ধু তা জানতেন এবং এ জন্য মৌলিক এ দাবি আদায়ে তিনি কোনােরূপ ছাড় না দিয়ে অবিচল থাকেন। ফলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হয়।
- বাংলা ভাষার অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি অর্জনের পর এটি ছিল তখন পর্যন্ত বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য।
- এ অর্জনই ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বাঙালিদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথ প্রশস্ত করে। এ নির্বাচনে পূর্বের ন্যায় পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যে আসনসংখ্যার সমতার ভিত্তিতে বণ্টন হলে বাঙালিদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভের কোনাে সুযােগ থাকত না।
- বঙ্গবন্ধু এ বিষয়টি পাকিস্তান রাষ্ট্রের শুরু থেকেই উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই সকল আন্দোলনসংগ্রামের মধ্যে এ লক্ষ্য থেকে কখনােই তিনি বিচ্যুত হননি।

উৎস: www.asiaticsociety.org.bd/
২,৩৮৯.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল -
  1. মোমবাতি
  2. বট গাছ
  3. নৌকা
  4. হারিকেন
সঠিক উত্তর:
নৌকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌকা
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল 'নৌকা'।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
- এই দফাগুলো সংক্ষেপে বর্ণিত হলো:
১. বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
২. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ করা এবং ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে উদ্বৃত্ত জমি বিতরণ।
৩. পাটের ব্যবসায় জাতীয়করণ করা।
৪. সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
৫. পূর্ব পাকিস্তানে লবণ শিল্প প্রতিষ্ঠা করা।
৬. কারিগর মুহাজিরদের কাজের ব্যবস্থা করা।
৭. বন্যা ও দুর্ভিক্ষ রোধের জন্য খাল খনন ও সেচের ব্যবস্থা করা।
৮. শিল্প ও খাদ্যে দেশকে স্বাবলম্বী করা।
৯. অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবর্তন করা।
১০. শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা।
১১. ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।
১২. শাসন ব্যয় হ্রাস করা ও মন্ত্রীদের বেতন এক হাজার টাকার বেশি না করা।
১৩. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
১৪. জন নিরাপত্তা আইন ও অর্ডিন্যান্স প্রভৃতি বাতিল করা।
১৫. বিচার ও শাসন বিভাগ পৃথকীকরণ করা।
১৬. মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন 'বর্ধমান হাউস'কে বাংলা ভাষা গবেষণাগারে পরিণত করা।
১৭. বাংলা ভাষা করার দাবিতে নিহত শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শহীদ মিনার নির্মাণ করা।
১৮. একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ঘোষণা করে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা।
১৯. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান।
২০. আইন পরিষদের মেয়াদ কোনোভাবেই বৃদ্ধি না করা।
২১. আইন পরিষদের আসন শূন্য হলে তিন মাসের মধ্যে উপনির্বাচন দিয়ে তা পূরণ করা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৯০.
বাঙালির জাতীয় ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা কোনটি?
  1. একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. শিক্ষা আন্দোলন
  4. ছয়দফা আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
বাঙালির ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

অন্যদিকে,
শিক্ষা আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬২ সালে।
ছয়দফা আন্দোলন আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬৬-৬৮ সময়ে।
মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭১ সালে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৩৯১.
উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেছিলেন কে?
  1. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. কামাল ফারুক
  3. মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  4. নূরুল আলম
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:

- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
- ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা'র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী ও বাংলাপিডিয়া।
২,৩৯২.
বাংলাদেশের মোট কয়টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:

- বাংলাদেশের মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-১৯৭৮)।
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-১৯৮৫)।
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৬-১৯৯০)।
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-১৯৯৫)।
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)।
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫)।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
২,৩৯৩.
'শরিফ কমিশন' এর বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম আন্দোলনের সূত্রপাত হয় কোথায়?
  1. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  2. ঢাকা কলেজ
  3. সিলেট এমসি কলেজ
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
ঢাকা কলেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা কলেজ
ব্যাখ্যা
শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট বিরোধী আন্দোলন:
- আইয়ুব খান শিক্ষা সংস্কারের উদ্দেশ্যে ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেছিলেন।
- তদানীন্তন শিক্ষা সচিব এস.এম.শরীফকে সভাপতি করে গঠিত এগার সদস্যবিশিষ্ট এই কমিশন ‘শরিফ কমিশন' নামে অভিহিত।
- এ কমিশন ১৯৫৯ সালের ডিসেম্বর মাসে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করেন ।
- কমিশনের এই রিপোর্টের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ বিক্ষুব্ধ হয়। 
- ঢাকা কলেজে সর্বপ্রথম আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। 
- ঐ কলেজের ছাত্ররা ‘ডিগ্রি স্টুডেন্টস ফোরাম' নামক একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে। 
- এই সংগঠনের নামে ঢাকা শহরের অন্যান্য কলেজের ছাত্ররা আন্দোলন পরিচালনা করে।
- পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আন্দোলনে যোগ দেয়।
- তখন সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে করা হয় ‘ইস্ট পাকিস্তান স্টুডেন্টস ফোরাম'। 
- এক পর্যায়ে আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের যৌথ নেতৃত্বের হাতে চলে যায়।
- ১৯৬২সালের ১৭ সেপ্টেম্বর হরতাল আহ্বান করা হয়।
- হরতালের দিন ছাত্র জনতা মিলিতভাবে রাস্তায় নেমে পড়ে।
- মিছিলে গুলিবর্ষণ করা হলে বাবুল, বাসকন্টাক্টর গোলাম মোস্তফা ও গৃহভৃত্য ওয়াজিউল্লাহ নিহত হয়।
-  ছাত্রদের আন্দোলনের ফলেই সরকার শরীফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত করে।
- এই আন্দোলনের তাৎপর্য এই যে, পরবর্তীকালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে ছাত্ররাই প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়। 

উৎস: শিক্ষার ইতিহাস-২,স্কুল অভ্ এগ্রিকালচার এন্ড রুর‍্যাল ডিভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৯৪.
মুজিবনগর সরকারের অর্থনৈতিক বিষয়াবলি ও পরিকল্পনা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. ক) খন্দকার মোশতাক আহমদ
  2. খ) এম মনসুর আলী
  3. গ) তাজউদ্দীন আহমদ
  4. ঘ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
গ) তাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ: 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- রাষ্ট্রপতি।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম- উপরাষ্ট্রপতি (রাষ্ট্রপতি পাকিস্তানে অন্তরীণ থাকার কারণে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত)। 
⇒ তাজউদ্দীন আহমদ- প্রধানমন্ত্রীএবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। 
- খন্দকার মোশতাক আহমদ- মন্ত্রী, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 
- এম মনসুর আলী- মন্ত্রী, অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
- এ এইচ এম কামরুজ্জামান- মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২,৩৯৫.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেন কে?
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. হাশেম খান
  3. হামিদুর রহমান
  4. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা: 
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেছেন শিল্পী কামরুল হাসান।
- ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি এই ডিজাইনটি গৃহীত হয়, এবং ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে এটি অনুমোদিত হয়।
- পতাকায় গাঢ় সবুজ রঙের মধ্যে একটি লাল বৃত্ত রয়েছে, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত।
- ডিজাইনের আয়তক্ষেত্রাকার রূপের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০:৬।
- মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইন হিসেবে বিবেচ্য করা হয় শিব নারায়ণ দাসকে। 

সূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
২,৩৯৬.
যশোরের নীল বিদ্রোহের নেতা কারা ছিলেন? 
  1. নবীন মাধব ও বেণী মাধব
  2. মেঘনা সর্দার ও বিশ্বনাথ সর্দার 
  3. বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস ও দিগম্বর বিশ্বাস
  4. বৈদ্যনাথ ও বিশ্বনাথ সর্দার 
সঠিক উত্তর:
নবীন মাধব ও বেণী মাধব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবীন মাধব ও বেণী মাধব
ব্যাখ্যা

নীল বিদ্রোহ:
- ইংরেজরা এদেশে এসেছিল ব্যবসা-বাণিজ্য করতে।
- উপমহাদেশের শাসকদের দুর্বলতার সুযোগে তারা এদেশের শাসক হয়ে ওঠে।
- নীল ছিল তাদের সেই বাণিজ্যিক ফসল।
- ঐ সময়ে নীল ব্যবসা ছিল খুবই লাভজনক। বস্তুত বস্ত্র শিল্পের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে কাপড় রং করার জন্য ব্রিটেনে নীলের চাহিদা খুব বেড়ে যায়।
- তাছাড়া আমেরিকার ব্রিটিশ উপনিবেশগুলো স্বাধীন হয়ে যাওয়ার কারণে ইংরেজ বণিকদের সেখানকার নীল চাষ বন্ধ হয়ে যায়।
- ফলে বাংলা হয়ে ওঠে নীল সরবরাহের প্রধান কেন্দ্র।
- ১৭৭০ থেকে ১৭৮০ সালের মধ্যে ইংরেজ আমলে বাংলায় নীল চাষ শুরু হয়।
- বাংলাদেশে নীলের ব্যবসা ছিল একচেটিয়া ইংরেজ বণিকদের। ফরিদপুর, যশোর, ঢাকা, পাবনা, রাজশাহী, নদীয়া, মুর্শিদাবাদে ব্যাপক নীল চাষ হতো।
-  শেষ পর্যন্ত ১৮৫৯ সালে প্রচণ্ড বিদ্রোহে ফেটে পড়ে নীল চাষিরা।
- যশোরের নীল বিদ্রোহের নেতা ছিলেন নবীন মাধব ও বেণী মাধব নামে দুই ভাই।
- হুগলিতে নেতৃত্ব দেন বৈদ্যনাথ ও বিশ্বনাথ সর্দার।
- নদীয়ায় ছিলেন মেঘনা সর্দার এবং নদীয়ার চৌগাছায় বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস ও দিগম্বর বিশ্বাস নামে দুই ভাই।
-  দীনবন্ধু মিত্রের লেখা 'নীলদর্পণ' নাটকের কাহিনি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- ১৮৬০ সালে ব্রিটিশ সরকার 'ইন্ডিগো কমিশন' বা 'নীল কমিশন' গঠন করে।
- এই কমিশনের সুপারিশের ওপর ভিত্তি করে নীল চাষকে কৃষকদের 'ইচ্ছাধীন' বলে ঘোষণা করা হয়।
- তাছাড়া ইন্ডিগো কন্ট্রাক্ট বাতিল হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে নীল বিদ্রোহের অবসান হয়।
- পরবর্তীকালে নীলের বিকল্প কৃত্রিম নীল আবিষ্কৃত হওয়ায় ১৮৯২ সালে এদেশে নীল চাষ চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৩৯৭.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদকের নাম -
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. মাহবুব উল আলম চৌধুরী
  3. জহির রায়হান
  4. হাসান হাফিজুর রহমান
সঠিক উত্তর:
হাসান হাফিজুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসান হাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম পত্রিকা:
- হাসান হাফিজুর রহমান ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদক।

উল্লেখ্য,
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সম্পাদনা 'একুশে ফেব্রুয়ারি'।
- এটি ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
- হাসান হাফিজুর রহমানের সাহিত্যচর্চার শুরু ছাত্রজীবনথেকেই।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং এ বছরই তাঁর বিখ্যাত কবিতা 'অমর একুশে' রচিত হয়।
- ১৯৫৩ সালে তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম সংকলন গ্রন্থ একুশে ফেব্রুয়ারী।

অন্যদিকে,
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম কবিতা 'কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' কবিতাটি লেখেন মাহবুব উল আলম চৌধুরী।
- ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট নিয়ে প্রথম উপন্যাস 'আরেক ফাল্গুন' এর রচয়িতা জহির রায়হান।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২,৩৯৮.
ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে পূর্ব বাংলায় কোন ভাবাদর্শ ছড়িয়ে পড়ে?
  1. স্বজাত্যবোধ
  2. বাঙালি জাতীয়তাবোধ
  3. দ্বিজাতিতত্ত্ব
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বাঙালি জাতীয়তাবোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙালি জাতীয়তাবোধ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- তমদ্দুন মজলিশ ছিলো ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৩৯৯.
পুন্ড্রনগর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. মহানন্দা
  2. করতোয়া
  3. বাঙ্গালী
  4. ব্রহ্মপুত্র
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করতোয়া
ব্যাখ্যা

পুণ্ড্র:
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুণ্ড্র।
- পুণ্ড্র 'জন' বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল।
- পুণ্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুণ্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুণ্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তী কালে এর নাম মহস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
- পুণ্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে।
- ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুণ্ড্র ৫ম-৬ষ্ঠ শতকে পুণ্ড্র বর্ধন নামে পরিচিত হয়।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ-৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- এখানে গুপ্তদের সুনিয়ন্ত্রিত শাসনব্যবস্থা ছিল।
- পুণ্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৪০০.
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা কে?
  1. শেরে বাংলা একে ফজলুল হক
  2. আবুল মনসুর আহমদ
  3. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমদ
ব্যাখ্যা

• যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ‘যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।