বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ২২ / ১২৪ · ২,১০১২,২০০ / ১২,৪২১

২,১০১.
কত সালে 'আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১' গঠিত হয়?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল - ১:
- ২০১০ সালের ২৫ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের পূর্বক্ষণে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- প্রথমে একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বিচার কাজ শুরু হলেও মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং তদন্ত কাজ দ্রুত সমাপ্ত হয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত হতে থাকলে ২২ মার্চ ২০১২ তারিখে আরও একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।

উল্লেখ -
- বিচারাধীন মামলার সংখ্যা বিবেচনায় ট্রাইব্যুনাল-২ এর কার্যক্রম ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ থেকে স্থগিত রাখা হয়েছে।

উৎস: ২৫ মার্চ ২০২০, প্রথম আলো।
২,১০২.
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ কতগুলো সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
  1. ১৯ টি
  2. ৯ টি
  3. ৮ টি
  4. ১১ টি
সঠিক উত্তর:
১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।

- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং সেক্টরের অধিনে ।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,১০৩.
শ্রী চৈতন্যের আবির্ভাব ঘটেছিল যে সুলতানের শাসনামলে -
  1. নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  2. সম্রাট হুমায়ুন
  3. গিয়াস উদ্দিন খলজি
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা
আলাউদ্দীন হোসেন শাহ:
- বাংলাদেশে হাবশি শাসনের অবসান ঘটিয়ে হোসেন শাহী বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৪৯৩ সালে হোসেন শাহ ‘আলাউদ্দীন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
- আলাউদ্দীন হোসেন শাহ এর শাসনকালে শ্রী চৈতন্যদেবের আবির্ভাব বাংলার ইসলামের ইতিহাস আলোচনা প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
- চৈতন্যদেব হুসেন শাহের আমলে বৈষ্ণব ধর্ম প্রচারের অবাধ সুযোগ লাভ করেন। হুসেন শাহ শ্রী চৈতন্য দেবকে যথেষ্ট সম্মান করতেন।
-  চৈতন্যদেবের গৌড়ে আগমনের সময় হুসেন শাহ তার কর্মচারীদের চৈতন্যদেবের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও সহযোগিতা করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন।
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ নিঃসন্দেহে মধ্যযুগীয় বাংলার ইতিহাসে একজন শ্রেষ্ঠ নরপতি ছিলেন।
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এর শাসনকালকে মুসলমান শাসনের ইতিহাসে 'স্বর্ণযুগ' বলা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং সমকাল পত্রিকা রিপোর্ট।
২,১০৪.
বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে তমদ্দুন মজলিশ কোন পুস্তিকা প্রকাশ করে?
  1. পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
  2. রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই
  3. মায়ের ভাষা
  4. বাংলা ভাষা
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম ১৯৪৭ সালে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু'।
- তমদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলাভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
- ১৯৪৭ সালের মধ্যেই বহু প্রখ্যাত এবং অখ্যাত লেখক বাংলা রাষ্ট্রভাষার প্রতি তাদের দ্ব্যর্থহীন সমর্থন জানিয়েছিলেন।
- পাকিস্তানের পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিষয়তালিকা থেকে এবং নৌ ও অন্যান্য বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাকে বাদ দেয়া হয়।
- এমনকি পাকিস্তানের গণপরিষদের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও উর্দুকে নির্বাচন করা হয়। ফলে বাঙালিরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১০৫.
'মৌলিক গণতন্ত্র' ব্যবস্থায় বেসিক ডেমোক্র্যাট কতজন ছিল?
  1. মোট ৪০ হাজার
  2. মোট ৬০ হাজার
  3. মোট ৮০ হাজার
  4. মোট ৭০ হাজার
সঠিক উত্তর:
মোট ৮০ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোট ৮০ হাজার
ব্যাখ্যা
• মৌলিক গণতন্ত্রের স্তরগুলো হচ্ছে:
- ইউনিয়ন কাউন্সিল,
- থানা কাউন্সিল,
- জেলা কাউন্সিল এবং
- বিভাগীয় কাউন্সিল।

• ছোট ছোট শহরে টাউন কমিটি এবং বড় বড় শহরে পৌরসভা গঠনের বিধান করা হয়।
- এই কাঠামোর সর্ব নিম্নস্তর ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং পৌরসভা বা টাউন কমিটি জনগণের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল।
- এর ওপরের স্তরগুলো পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে গঠিত ছিল।
- মৌলিক গণতন্ত্রের সর্ব নিম্নস্তরে যে ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান মিলে।
- এদের সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার করে মোট ৮০ হাজার। এদেরকে বেসিক ডেমোক্রাট বা সংক্ষেপে বি.ডি. মেম্বার বলা হতো।
- এই ৮০ হাজার বি.ডি. মেম্বার দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গকে নির্বাচিত করতেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১০৬.
নিচের কোন জনপদের রাজধানী শহর ছিল কর্ণসুবর্ণ?
  1. গৌড়
  2. পুণ্ড্র
  3. বঙ্গ
  4. হরিকেল
সঠিক উত্তর:
গৌড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌড়
ব্যাখ্যা
গৌড়:
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলো যে যুগে যুগে সীমানা সম্প্রসারণ করেছে তার বড় উদাহরণ হলো গৌড়।
- এই জনপদের খ্যাতি এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে, সমগ্র বাংলাকেই সময়ে সময়ে গৌড়দেশ বিবেচনা করা হতো।
- পূর্ব ভারতীয় দেশসমূহের সামগ্রিক নাম হিসেবে এমনকি উত্তর ভারতের আর্যাবর্তের নাম হিসেবেও কখনো কখনো গৌড়ের ব্যবহার দেখা যায়।
- সর্বপ্রথম পাণিনির গ্রন্থে গৌড়ের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- সেনবংশীয় রাজারা ‘গৌড়েশ্বর' উপাধি গ্রহণ করে গৌরববোধ করতেন।
- ব্যাপক অর্থে ‘গৌড়' বলতে অনেক সময় বাংলা ভাষাভাষী সমগ্র অঞ্চলকে বুঝাত।
- আদিকালে গৌড় বলতে বর্তমানের মুর্শিদাবাদ জেলা ও মালদা জেলার দক্ষিণাংশকে বুঝাত।
- হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং হর্ষচরিত গ্রন্থে শশাঙ্ককে ‘গৌড়াধিপতি' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- মুসলিম যুগে অঞ্চলটি কখনো ‘গৌড়' আবার কখনো লক্ষ্মণাবতী নামে পরিচিত ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১০৭.
মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্যে প্রদত্ত সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. ক) বীরউত্তম
  2. খ) বীরবিক্রম
  3. গ) বীরশ্রেষ্ঠ
  4. ঘ) বীরপ্রতীক
সঠিক উত্তর:
গ) বীরশ্রেষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বীরশ্রেষ্ঠ
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।
- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)।

অর্থ্যাৎ, স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে।
এর মধ্য,
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- বীর উত্তম: ৬৭ জন
- বীরবিক্রম : ১৭৪ জন
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো)
২,১০৮.
বর্তমানে 'বীর বিক্রম' খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ১৭২ জন
  2. ১৭৩ জন
  3. ১৭৪ জন
  4. ১৭৫ জন
সঠিক উত্তর:
১৭৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৪ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
২,১০৯.
বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন -
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. তাজউদ্দিন আহমেদ
  3. এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
  4. কর্নেল ওসমানী
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- এই সরকার শপথ গ্রহণ করে - ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে।
- এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
- মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন - এম.এ.জি ওসমানী।

যেহেতু, সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন, সেহেতু তিনিই কার্যত মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
২,১১০.
'বীরশ্রেষ্ঠ' ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর শহীদ হন -
  1. ক) ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১
  2. খ) ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. গ) ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  4. ঘ) ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• 'বীরশ্রেষ্ঠ' মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- 'বীরশ্রেষ্ঠ' মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে।
-  পিতা আব্দুল মোতালেব হাওলাদার ছিলেন কৃষক ও শৌখিন গাইয়ে এবং মা সাফিয়া বেগম ছিলেন গৃহিণী।
- পিতার আর্থিক দৈন্যতার কারণে মাত্র সাড়ে তিন বছর বয়সে মামার বাড়ি মুলাদি উপজেলার পাতারচর গ্রামে গমন করেন।
- ১৯৫৩ সালে পাতারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষা জীবনের সূচনা হয়।
- ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩রা অক্টোবর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
 - তার পোস্টিং হয় ৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টরে।
- ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তার নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করে।
- যুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে সকালে পাকিস্তানী বাহিনীর স্নাইপার বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন।
- পরদিন সহযোদ্ধারা লাশ উদ্ধার করে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করা হয়।

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
২,১১১.
'আমার দেখা নয়া চীন' বইটি সম্পাদনা করেন-
  1. অধ্যাপক ফখরুল আলম
  2. শেখ হাসিনা
  3. অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান
  4. শেখ রেহানা
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা

• 'আমার দেখা নয়া চীন' বইটির লেখক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
• বইটির ভূমিকা লিখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
• সম্পাদনা করেন অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান।
• ইংরেজি অনুবাদ করেন অধ্যাপক ফখরুল আলম।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, মার্চ-২০২০।

২,১১২.
মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম 
  2. খ) এ.এইচ.এম. কামারুজ্জামান
  3. গ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী 
  4. ঘ) তাজউদ্দীন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) তাজউদ্দীন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল ঘোষিত মুজিবনগর সরকার ১৭ এপ্রিল কুষ্টিয়ার মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করে।
- বৈদ্যনাথতলার পরিবর্তিত নাম মুজিবনগর।
- তাজউদ্দিন আহমেদ ১২ এপ্রিল মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান - প্রেসিডেন্ট।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম - ভাইস-প্রেসিডেন্ট।
- তাজউদ্দীন আহমেদ - প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
- খন্দকার মোশতাক আহমদ - পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ।
- এ.এইচ.এম. কামারুজ্জামান - অভ্যন্তরীণ সরকার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন।
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী - অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
২,১১৩.
শেখ মুজিবুর রহমান কখন আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন?
  1. ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  2. ১৩ মার্চ, ১৯৬৬
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
  4. ২৩ জুলাই, ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ৬ দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলার কারণ - এটি বাঙালির ন্যায্য অধিকারের সনদ।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ - মনু মিয়া।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১১৪.
মেজর এম এ জলিল কত নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন?
  1. ৬ নং
  2. ৭ নং
  3. ৮ নং
  4. ৯ নং
সঠিক উত্তর:
৯ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ নং
ব্যাখ্যা
৯ নং সেক্টর: 
- বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। 
- হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে। 
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন। 
- এই সেক্টরে প্রায় বিশ হাজার মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধ করে। 
- এই সেক্টরকে টাকি, হিঙ্গলগঞ্জ ও শমসেরনগর তিনটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। 
- ডিসেম্বর মাসে চূড়ান্ত আক্রমণের পূর্বে এই সেক্টরকে ৮ নং সেক্টরের সঙ্গে একীভূত করা হয় এবং এর দায়িত্ব অর্পিত হয় মেজর মঞ্জুরের উপর।

এছাড়া,
- ৬ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।
- ৭ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।
- ৮ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম এ মঞ্জুর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,১১৫.
বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি বা বাংলা প্রদেশকে দু’ভাগে ভাগ করার পরিকল্পনা গৃহীত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯০১ খ্রিস্টাব্দে
  2. খ) ১৯০৪ খ্রিস্টাব্দে
  3. গ) ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে
  4. ঘ) ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা গৃহীত হলেও শেষ পর্যন্ত ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে এর বাস্তবায়ন হয়।
এই পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, আসাম, জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদাহ নিয়ে গঠিত হয় পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশ। প্রদেশের রাজধানী হয় ঢাকা। অপরদিকে পশ্চিম বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিম বাংলা প্রদেশ, যার রাজধানী করা হয় কোলকাতাকে।

সূত্র: বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
২,১১৬.
দ্বৈত শাসন বলতে বোঝানো হয়-
  1. ক) রাজা ও মন্ত্রীর শাসন ব্যবস্থা
  2. খ) একাধিক শাসকের শাসন ব্যবস্থা
  3. গ) দুটি রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থা
  4. ঘ) প্রশাসনে দুটি কর্তৃপক্ষের উপস্থিতি
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রশাসনে দুটি কর্তৃপক্ষের উপস্থিতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রশাসনে দুটি কর্তৃপক্ষের উপস্থিতি
ব্যাখ্যা
- ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন দ্বারা বৃটিশ ভারতীয় প্রদেশগুলোতে দ্বৈতশাসন প্রবর্তন করা হয়।
- দ্বৈতশাসন বলতে কোনো প্রশাসনে দুটি কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিকে বোঝায়।
- সাধারণত এরূপ ক্ষেত্রে প্রশাসনিক বিষয়সমূহকে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয় এবং এগুলো পরিচালনার জন্য দু'ধরনের প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ সৃষ্টি করা হয়।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২,১১৭.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ক) বীরসিংহ
  2. খ) কাঁঠালপাড়া
  3. গ) মেহেন্দিগঞ্জ
  4. ঘ) দেবানন্দপুর
সঠিক উত্তর:
ক) বীরসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বীরসিংহ
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালে মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও মাতার নাম ভাগবতী দেবী।
- অসাধারণ মেধা আর অধ্যবসায়ের ফলে তিনি মাত্র একুশ বছর বয়সে সংস্কৃত সাহিত্য, ব্যাকরণ, ন্যায়, বেদান্ত, স্মৃতি ইত্যাদি বিষয়ে অগাত পাণ্ডিত্য অর্জন করেছিলেন।
- ১৮৩৯ সালে কলকাতার ‘সংস্কৃত কলেজ’ থেকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেওয়া হয়।

- তাঁকে বাংলা গদ্য সাহিত্যের জনক বলা হয়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হিন্দু সমাজে বিধবা বিবাহের পক্ষে কঠোর অবস্থান নেন এবং তাঁর নিরলস প্রচেষ্টার কারণে ১৮৫৬ সালে গভর্নরের সাহায্য নিয়ে বিধবা বিবাহ আইন পাস করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৯১ সালে ৭১ বছর বয়সে পরলোকগমন করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া। 
২,১১৮.
কত সালে Bangladesh Poribesh Andolon (BAPA) চালু হয়েছিল?
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
Bangladesh Poribesh Andolon (BAPA):
- BAPA (Bangladesh Poribesh Andolon) একটি পরিবেশবাদী সংগঠন।
- বাংলাদেশের পরিবেশ রক্ষার জন্য দেশব্যাপী, ঐক্যবদ্ধ এবং শক্তিশালী নাগরিক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য ২০০০ সালে Bangladesh Poribesh Andolon (BAPA) চালু করা হয়েছিল।
- ২০০০ সালে বাংলাদেশে পরিবেশ রক্ষার জন্য একটি দেশব্যাপী, ঐক্যবদ্ধ এবং শক্তিশালী নাগরিক আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (BAPA) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশগত অবক্ষয় রোধ করা এবং দেশের পরিবেশ সুরক্ষায় জনগণকে সাথে নিয়ে কাজ করা।

⇒ বাংলাদেশের পরিবেশ দ্রুত নষ্ট হচ্ছে। শহুরে বাতাসের মান হ্রাস পাচ্ছে। ভূ-পৃষ্ঠের জলাশয়গুলি দূষিত, সীমাবদ্ধ এবং অবক্ষয়িত হচ্ছে। উধাও হয়ে যাচ্ছে বন ও খোলা জায়গা। কোলাহল বাড়ছে। বিলুপ্ত হচ্ছে জীববৈচিত্র্য।
- এই অবক্ষয়ের প্রক্রিয়াগুলোকে ধীরগতি ও বিপরীতমুখী করা না হলে দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক অগ্রগতি ধীরে ধীরে ব্যাহত হবে এবং বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে।
- বাংলাদেশের পরিবেশ-পন্থী শক্তিরা বাংলাদেশের পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে এবং ভবিষ্যতের জন্য করণীয় নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ পরিবেশ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে (ICBEN) একত্রিত হয়।
- ICBEN ২০০০ এর সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে, BAPA গঠিত হয়।

উৎস: BAPA ওয়েবসাইট।
২,১১৯.
গৌড়ের 'আদিনা মসজিদ' নির্মাণ করেন কোন শাসক?
  1. নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  2. সুলতান সিকান্দার শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  4. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
সুলতান সিকান্দার শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুলতান সিকান্দার শাহ
ব্যাখ্যা
সিকান্দর শাহ:
- ইলিয়াস শাহের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র সিকান্দর শাহ ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি প্রায় ৩৪ বছর রাজত্ব করেন।
- তাঁর এ সুদীর্ঘ রাজত্বকালে বাংলাদেশে মুসলিম শাসন সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সিকান্দর শাহ সুশাসক ও বিদ্যানুরাগী ছিলেন।
- সুফি শেখ আলাউল হক ও শেখ শরফউদ্দীন ইয়াহিয়ার সাথে সিকান্দর শাহের সৌহার্দ্য ও পত্রালাপ ছিল।
- তাঁর রাজত্বকালে স্থাপত্যশিল্পের যথেষ্ট উন্নতি হয়।
- তাঁর সময় তৈরি আদিনা মসজিদ মধ্যযুগের বাংলার স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১২০.
মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করে-
  1. ক) ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর
  2. খ) ১৯৭১ সালের ২৫ নভেম্বর
  3. গ) ১৯৭১ সালের ২১ মার্চ
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই ভারত বিভিন্নভাবে বাংলাদেশকে সাহায্য সহযোগিতা করে। ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করে। ৬-১৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সাথে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে। যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়। [সূত্র: একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণীর (উন্মুক্ত) ইতিহাস বই]
২,১২১.
হোসেন শাহী রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কে?
  1. গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  2. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  3. নাসিরউদ্দিন নুসরত শাহ
  4. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা

হোসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠা: 
- হোসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন আলাউদ্দিন হোসেন শাহ। 
- তিনি ছিলেন আরবের সৈয়দ বংশের লোক। 
- তিনি হাবশি সুলতান বরবক শাহের আমলে বাংলায় আসেন এবং চাকুরি গ্রহণ করেন। 
- সর্বশেষ হাবশি সুলতান মুজাফ্ফর শাহ তাঁকে উজির নিযুক্ত করেন।
- মুজাফ্ফর শাহের স্বৈর শাসনে দেশে বিদ্রোহ দেখা দেয়।
- গৌড়ের অনেক অধিবাসীকে তিনি নির্মমভাবে হত্যা করেন।
- দেশের এরূপ পরিস্থিতিতে হোসেন শাহ হাবশি শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলার সিংহাসনে বসেন।
- তিনি আলাউদ্দিন হোসেন শাহ উপাধি গ্রহণ করেন।
- তাঁর নামানুসারেই তাঁর বংশের নাম হয় হোসেন শাহী বংশ।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১২২.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন কোনটি?
  1. মজিদ খান শিক্ষা কমিশন
  2. সামসুল হক শিক্ষা কমিশন
  3. আকরাম খান শিক্ষা কমিশন
  4. কুদরাত‑এ‑খুদা শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
কুদরাত‑এ‑খুদা শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুদরাত‑এ‑খুদা শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
কুদরত ই খুদা শিক্ষা কমিশন-১৯৭২:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
- দেশের খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ এবং বিজ্ঞানী কুদরত-ই-খুদা-কে প্রধান করে কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন ১৯৭২ সালে গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

তথ্যসূত্র - শিক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
২,১২৩.
মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন তারিখে বুদ্ধিজীবীদের ওপর হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়?
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  2. খ) ২৫ মার্চ ১৯৭১
  3. গ) ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
  4. ঘ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধকালীন ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবীদের ওপর ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
- ১৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকায় দুই শতেরও বেশি বুদ্ধিজীবীকে তাঁদের বাড়ি থেকে তুলে নেয়া হয়।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন ইতিহাসের নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
২,১২৪.
"নানান দেশের নানান ভাষা।
বিনে স্বদেশীয় ভাষা,
পুরে কি আশা।।" - গানটির রচয়িতা কে?
  1. অতুল প্রসাদ সেন
  2. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  3. নিধু বাবু
  4. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
সঠিক উত্তর:
নিধু বাবু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিধু বাবু
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত টপ্পাগান- "নানান দেশের নানান ভাষা।
                           বিনে স্বদেশীয় ভাষা
                            পুরে কি আশা।।" -এর রচয়িতা নিধু বাবু বা রামনিধি গুপ্ত (১৭৪১-১৮৩৯)
কবিগানের সমসাময়িক কালে কলকাতা ও শহরতলীতে টপ্পাগান নামে রাগ-রাগিনী সংযুক্ত এক ধরনের ওস্তাদি গানের প্রচলন ছিল। হিন্দি টপ্পাগান এর আদর্শ। 
- বাংলা  টপ্পাগানের জনক ছিলেন  নিধু বাবু বা রামনিধি গুপ্ত ।
- তাঁর টপ্পাগানের সংকলনের নাম গীতরত্ন (১৮৩২)। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২,১২৫.
প্রাচীন গুপ্ত সম্রাজের রাজধানী ছিল-
  1. সোনারগাঁও
  2. মুর্শিদাবাদ
  3. মহাস্থানগড়
  4. রহিতগিরি
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা

- ভারতে সাম্রাজ্যবাদী গুপ্তদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে। 
- গুপ্ত সম্রাট প্রথম চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালেই বাংলার উত্তরাংশের কিছু অংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধিকারে আসে।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকালে সমগ্র বাংলা অধিকৃত হলেও সমতট একটি করদ রাজ্য ছিল।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকাল থেকে ছয় শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলার উত্তরাংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনস্থ একটি 'প্রদেশ' বা 'ভুক্তি' হিসেবেপরিগণিত হতো।
- মৌর্যদের মতো গুপ্তদের রাজধানী ছিল মহাস্থানগড়ের পুণ্ড্রনগর।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম, শ্রেণি।

২,১২৬.
মুক্তিবাহিনীর চিফ অব স্টাফ কে ছিলেন?
  1. কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী
  2. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার
  3. কর্নেল আবদুর রব
  4. মেজর খালেদ মোশাররফ
সঠিক উত্তর:
কর্নেল আবদুর রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্নেল আবদুর রব
ব্যাখ্যা
মুক্তিবাহিনী গঠন ও কার্যক্রম: 
- মুজিবনগর সরকার সুষ্ঠু ও পরিকল্পিতভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
- মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী।
- এছাড়া চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল (অব.) আবদুর রব।
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে ১১জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।
- প্রত্যেক সেক্টর বেশ কয়েকটি সাব- সেক্টরে বিভক্ত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
২,১২৭.
৭ই মার্চের ভাষণকে উপজীব্য করে পূর্ণদৈর্ঘ্য শিশুতোষ চলচ্চিত্রের নাম কী?
  1. ওরা ১১ জন
  2. তর্জনী
  3. মাইক
  4. দ্য স্পিচ
সঠিক উত্তর:
মাইক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক
ব্যাখ্যা
মাইক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে উপজীব্য করে বাংলাদেশ সরকারের অনুদানে নির্মিত হয়েছে পূর্ণদৈর্ঘ্য শিশুতোষ চলচ্চিত্রমাইক’।
- চলচ্চিত্র ‘মাইক’ তরুণ লেখক, কলামিস্ট ও সংগঠক এফ এম শাহীনের প্রযোজনায় চলচ্চিত্রটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন এফ এম শাহীন ও হাসান জাফরুল (বিপুল)।
- এর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণসহ স্বাধীনতার ইতিহাস জানতে পারবে।
- মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে মাইক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
- পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল এবং রাজাকারদের যেভাবে উত্থান ঘটেছিল, সেই ইতিহাস এ সিনেমায় তুলে ধরা হয়েছে।
- সিনেমায় দাইয়ান, সানজিদ, মেঘসহ চার শিশুশিল্পী অভিনয় করে।

অন্যদিকে -
- চাষী নজরুল ইসলামের 'ওরা ১১ জন' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ চলচ্চিত্র।
- ৭ই মার্চের ভাষণে অনুপ্রাণিত সোহেল রানা বয়াতি নির্মিত চলচ্চিত্র ‘তর্জনী’।
- ১৯৭১ এর ৭ মার্চে রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া সেই দৃপ্ত ভাষণ নিয়ে গুণী নির্মাতা ফাখরুল আরেফীন নির্মাণ করেছেন তথ্যচিত্র ‘দ্য স্পিচ’।

উৎস: ২৮ মার্চ, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
২,১২৮.
'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' এর সদস্য নন -
  1. ক) তোফায়েল আহমেদ
  2. খ) শাজাহান সিরাজ
  3. গ) আ. স. ম. আব্দুর রব
  4. ঘ) আব্দুল কুদ্দুস মাখন
সঠিক উত্তর:
ক) তোফায়েল আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তোফায়েল আহমেদ
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১ মার্চ “স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” গঠিত হয় । “স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” - এর সদস্যগণ হলেন -
১. নুরে আলম সিদ্দিকী (সভাপতি, ছাত্রলীগ)
২. শাজাহান সিরাজ (সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রলীগ)
৩. আ. স. ম. আব্দুর রব (সহ-সভাপতি, ডাকসু)
৪. আব্দুল কুদ্দুস মাখন (সাধারণ সম্পাদক, ডাকসু)
• এই ৪ ছাত্র নেতাকে মুক্তিযুদ্ধের ৪ খলিফা বলা হত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম - দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,১২৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৯ টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ১১ টি
  4. ঘ) ৬৪ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ টি
ব্যাখ্যা

- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এসব সেক্টরকে আবার ৬৪টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়। এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- ১০ নং সেক্টর ছিল একমাত্র নৌ সেক্টর যেখানে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না।

তথ্যসূত্র- জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

২,১৩০.
কোন মুঘল সম্রাট বাংলার নাম দেন জান্নাতাবাদ?
  1. হুমায়ুন
  2. জাহাঙ্গীর
  3. আকবর
  4. শাজাহান
সঠিক উত্তর:
হুমায়ুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুমায়ুন
ব্যাখ্যা
মুঘল সম্রাট হুমায়ুন:
- হুমায়ুন (১৫৩০-১৫৫৬) মুঘল সম্রাট বাবরের জ্যেষ্ঠ পুত্র।
- ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দে পিতার উত্তরাধিকারী হিসেবে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- হুমায়ুনের শাসনামলে বাংলার রাজধানী ছিল গৌড়।
- সম্রাট হুমায়ুন বাংলার রাজধানীর নতুন নামকরণ করেন 'জান্নাতাবাদ'।
- হুমায়ূন এখানে ছয়মাস অবস্থান করেন।

উল্লেখ্য, 
- মুঘল সাম্রাজ্যের চতুর্থ সম্রাট জাহাঙ্গীর।
- মুঘল সম্রাট শাহজাহানের অমোঘ প্রেমের নিদর্শন তাজমহল নির্মাণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,১৩১.
গান্ধীজি কত সালে "ভারতছাড়" আন্দোলন প্রচার করেন?
  1. ১৯৪৩ সাল
  2. ১৯৪২ সাল
  3. ১৯৪৪ সাল
  4. ১৯৪৭ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৪২ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪২ সাল
ব্যাখ্যা

• গান্ধীজি কত সালে "ভারতছাড়" আন্দোলন প্রচার হয় ১৯৪২ সালে।

'ভারত ছাড়' আন্দোলন

- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে ক্রিপস মিশন প্রস্তাব সব মহল প্রত্যাখ্যান করলে সমগ্র ভারত ব্যাপী তীব্র গণঅসন্তোষ দেখা দেয়।
- উপমহাদেশের বাইরে এ সময় পৃথিবী ব্যাপী চলছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞ।
- জার্মানির মিত্র রাষ্ট্র জাপানের ভারত আক্রমণের আশঙ্কায় ভারতীয়দের মনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
- গান্ধীজি ভারতে ব্রিটিশ সরকারের উপস্থিতিকে এই আক্রমণের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন।
- সুতরাং ব্রিটিশ সরকার ভারত ছাড়লে জাপানের ভারত আক্রমণের পরিকল্পনার পরিবর্তন হতে পারে।
- এই চিন্তা করে তিনি ইংরেজদের ভারত ছেড়ে যেতে বলেন।
- শুরু হয় কংগ্রেসের 'ভারত ছাড়' আন্দোলন।
- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে মহাত্মা গান্ধীর ডাকে এই আন্দোলনে জনগণ ঝাঁপিয়ে পড়ে।
- নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির এক অধিবেশনে তিনি তাঁর দৃঢ় ঘোষণায় উল্লেখ করেন 'আমি অবিলম্বে স্বাধনিতা চাই।
- এমনকি এই রাত্রির মধ্যেই, ঊষালগ্নের আগেই যদি তা সম্ভব হয়।'
- তিনি আরো বলেন 'আমরা লড়াই করে স্বাধীনতা অর্জন করবো। আর এ হবে আমাদের জীবনে শেষ লড়াই।'

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৩২.
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে মুসলিম আসন কয়টি ছিল?
  1. ২২৩টি
  2. ২৩৬টি
  3. ২৩৭টি
  4. ২৯৮টি
সঠিক উত্তর:
২৩৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩৭টি
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে আসন বণ্টন:
১) মুসলমান আসন - ২৩৭টি (৯টি মহিলা আসনসহ)
২) সাধারণ বর্ণ হিন্দু - ৩১টি (১টি মহিলা আসনসহ)
৩) তফশিলি জাতি হিন্দু - ৩৮টি (২টি মহিলা আসনসহ)
৪) বৌদ্ধ - ২টি
৫) খ্রিস্টা - ১টি
সর্বমোট ৩০৯টি (১২টি মহিলা আসনসহ)

নির্বাচনের ফলাফল: 
- নির্বাচনী ফলাফল নির্বাচনে মুসলমান আসনে ৩৭.৬০% ভোট পড়ে।
- তখনকার যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থা, মহিলাদের ভোটকেন্দ্রে আসতে অনীহা প্রভৃতি কারণে ভোটদানের হার কম ছিল।
- নির্বাচনী ফলাফল ঘোষিত হয় ২ এপ্রিল।
- নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলমান আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২১৫টি, মুসলিম লীগ ৯টি, খেলাফতে রব্বানী পার্টি ১টি এবং স্বতন্ত্র ১২টি আসন।
- মুসলমান আসনে স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্যে ৮ জন যুক্তফ্রন্টে ও ১ জন মুসলিম লীগে যোগদান করেন।
- ফলে মুসলিম আসনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে। 
- যুক্তফ্রন্টের শরিকদলগুলোর মধ্যে আসনসংখ্যা নিম্নরূপ হয়: আওয়ামী লীগ ১৪২, কৃষক-শ্রমিক পার্টি ৪৮, নেজামে ইসলামী ১৯, গণতন্ত্রী দল ১৩ (১টি আসনে দলীয় পরিচয় অস্পষ্ট)।
- ৭২টি অমুসলমান আসনের ২৪টিতে জাতীয় কংগ্রেস, ২৭টিতে তফশিলি ফেডারেশন (রসরাজ মন্ডল গ্রুপ), সংখ্যালঘু যুক্তফ্রন্ট ১৩টি (এর মধ্যে গণতন্ত্রী দল ৩টি), কমিউনিস্ট পার্টি ৪টি, বৌদ্ধ ২টি, খ্রিস্টান ১টি এবং স্বতন্ত্র ১টি আসনে জয়লাভ করে।
- ফলে, যুক্তফ্রন্ট মোট আসন লাভ করে ২১৫টি+৮টি+১৩টি=২৩৬টি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৩৩.
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন কে?
  1. তোফাজ্জল হোসেন
  2. গাজীউল হক
  3. কাশেম আলী
  4. অলি আহাদ
সঠিক উত্তর:
গাজীউল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীউল হক
ব্যাখ্যা
একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনাবলি:
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহষ্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
- পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা জমায়েত হতে থাকে।
- সরকার ১৪৪ ধারা জারি করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্ররা দুজন দুজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে থাকে।
- বেলা ১১ টায় ছাত্রসভা শুরু হয়। সভায় ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এই বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক।
- বক্তব্য রাখেন শামসুল হক, মোহাম্মদ তোয়াহা, কাজী গোলাম মাহবুব, খালেক নেওয়াজ ও আবদুল মতিন।
- সভাপতি ১০ জন করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের নির্দেশ দেন।
- পুলিশ মিছিলকারীদের উপর বেপরোয়া লাঠিচার্জ করে এবং কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। কিন্তু সব বাধা উপেক্ষা করে ছাত্ররা মেডিকেল হোস্টেলের প্রধান ফটকের কাছে জমায়েত হন।
- মেডিকেল হোস্টেলের নিকটেই ছিল জগন্নাথ হলের অডিটোরিয়াম যেখানে পূর্ব বাংলা আইন পরিষদের সভা বসত।
- আন্দোলনকারী ছাত্রদের উদ্দেশ্য ছিল পূর্ববাংলা আইন পরিষদে যোগদানকারী সদস্যদের কাছে বাংলা ভাষার দাবির কথা পৌঁছে দেয়া যেন তাঁরা অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিষয়ে সুপারিশ গ্রহণ করেন।
- ছাত্ররা দলবদ্ধ হয়ে শ্লোগান দিতে থাকলে পুলিশ বাহিনী এসে তাদের তাড়া করে এবং ছাত্রদের উপর কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। প্রতিবাদে ছাত্ররা ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে।
- এক পর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। ঘটনাস্থলেই আব্দুল জব্বার ও রফিকউদ্দিন আহমদ শহীদ হন। ১৭ জনের মত গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে রাত আটটায় আবুল বরকত শহীদ হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও দৈনিক ইত্তেফাক, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
২,১৩৪.
জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান কে ছিলেন?
  1. ক) আনোয়ার হোসেন মঞ্জু
  2. খ) নাজিউর রহমান মঞ্জু
  3. গ) মেজর জিয়াউর রহমান
  4. ঘ) হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
ব্যাখ্যা
জাতীয় পার্টি (জে.পি):
- ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি লে. জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে চেয়ারম্যান করে গঠিত রাষ্ট্রীয় আনুকূল্য প্রাপ্ত একটি মধ্যপন্থী দল।
- ১৯৮৬ সালের মে মাসে এবং এরপর ১৯৮৮ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে এ দল সহজেই বিজয় অর্জন করে।
- গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য বিরোধী রাজনৈতিক দলসমূহ এবং ছাত্রদের দ্বারা পরিচালিত আন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- ১৯৯১ সালে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত দেশের পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ৩৫টি আসনে জয়ী হয়ে তৃতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়।
- জাতীয় পার্টি এখন নেতৃত্বের প্রশ্নে জাতীয় পার্টি (এরশাদ), জাতীয় পার্টি (আনোয়ার হোসেন মঞ্জু) এবং জাতীয় পার্টি (নাজিউর রহমান মঞ্জু) এই তিন ভাগে বিভক্ত।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
২,১৩৫.
মুক্তিযুদ্ধে কয়টি ব্রিগেড ফোর্সের নাম পাওয়া যায়?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- তখন সরকার ৪টি সামরিক জোনে বাংলাদেশকে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করে।
- ১১ই এপ্রিল তা পুনর্গঠিত করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- এবং ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

২,১৩৬.
নিচের কোন সংস্থার সদর দপ্তর বাংলাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) ESCAP
  2. খ) PLO
  3. গ) IAEA
  4. ঘ) CIRDAP
সঠিক উত্তর:
ঘ) CIRDAP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) CIRDAP
ব্যাখ্যা
- CIRDAP এর সদর দপ্তর বাংলাদেশে অবস্থিত।

CIRDAP

- CIRDAP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Center on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific.
- ১৯৭৯ সালের বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পল্লী জনগণের দারিদ্র্য বিমোচনে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় (চামেলি হাউজে) অবস্থিত।
- বর্তমানে এই সংস্থার সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
- বাংলাদেশে যেসব সংস্থার সদরদপ্তর অবস্থিত: 
• IJSG
• BIMSTEC
• SAARC Agricultural Centre প্রভৃতি। 

অন্যদিকে, 
- ESCAP এর সদর দপ্তর- ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- IAEA এর সদর দপ্তর- ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- PLO এর সদর দপ্তর- রামাল্লা, ফিলিস্তিন।

উৎস: সিরডাপ ওয়েবসাইট এবং অন্যান্য সংস্থার নিজস্ব ওয়েবসাইট।
২,১৩৭.
বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে কাকে ফাঁসি দেওয়া হয়?
  1. ক) বিনয় সেন
  2. খ) প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
  3. গ) ক্ষুদিরাম বসু
  4. ঘ) লোকনাথ বল
সঠিক উত্তর:
গ) ক্ষুদিরাম বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্ষুদিরাম বসু
ব্যাখ্যা
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন ব্যর্থ হলে কংগ্রেসের উগ্রপন্থিদের নেতৃত্বে স্বদেশী আন্দোলন ও সহিংস আন্দোলনের ‍সূত্রপাত ঘটে।
- এ সময় বিভিন্ন বিপ্লবী ও চরমপন্থি গ্রুপ ইংরেজদের উপর গুপ্ত হামলা চালায়। ১৯০৮ সালের ৩০ এপ্রিল ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ডকে হত্যা করতে গিয়ে দুজন ইংরেজ হত্যার অভিযোগে ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্ল চাকী গ্রেফতার হন।
- প্রফুল্ল চাকী আত্মহত্যা করেন এবং ক্ষুদিরামকে বিচারে ফাঁসি দেওয়া হয়।
- ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট মুজফফরপুর কারাগারে তার ফাঁসি কার্যকর হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২,১৩৮.
'সন্তু রায়' পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তথ্যচিত্র কোনটি?
  1. ধীরে বহে মেঘনা
  2. শ্যামল ছায়া
  3. টিয়ার্স অব ফায়ার
  4. গেরিলা
সঠিক উত্তর:
টিয়ার্স অব ফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিয়ার্স অব ফায়ার
ব্যাখ্যা
সন্তু রায় পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তথ্যচিত্র টিয়ার্স অব ফায়ার।

টিয়ার্স অব ফায়ার:
- 'টিয়ার্স অব ফায়ার' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তথ্যচিত্র।
- সন্তু রায় পরিচালিত টিয়ার্স অফ ফায়ার ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের উপর ভিত্তি করে একটি ডকুমেন্টারি।
- বুদ্ধিজীবীসহ পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের পরিবারের সদস্য এবং আত্মীয়রা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নয় মাসের মধ্যে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দ্বারা পরিচালিত নৃশংসতার ভয়াবহ বিবরণ দেয়।

অন্যদিকে,
ধীরে বহে মেঘনা (১৯৭৩):
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ধীরে বহে মেঘনা।
- এর পরিচালক আলমগীর কবির।
- এটি ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত।

শ্যামল ছায়া:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা তাদের যাত্রাপথে যখনই দেখা পেয়েছেন সাধারণ বাঙালিদের, তখনই পেয়েছেন তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা, অসুস্থ হলে সেবা-শুশ্রূষা পেয়েছে পরম আন্তরিকতায়।
- এ রকম একটি অখ্যান নিয়ে প্রখ্যাত কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘শ্যামলছায়া’।

গেরিলা চলচ্চিত্র:
- গেরিলা ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র।
- নাসির উদ্দিন ইউসুফ পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত।
- সৈয়দ শামসুল হকের 'নিষিদ্ধ লোবান' উপন্যাস অবলম্বনে নির্মাণ করা হয়েছে চলচ্চিত্রটি।
- যৌথভাবে চিত্রনাট্য রচনা করেছেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ ও এবাদুর রহমান।

উৎস: ৯ ডিসেম্বর, ২০১৪, The daily Sta।
২,১৩৯.
Who was the finance minister of the Mujibnagar government?
  1. Tajuddin Ahmed
  2. M Mansoor Ali
  3. Abul Hasnat Muhammad Kamaruzzaman
  4. Khandaker Mushtaq Ahmed
  5. Syed Nazrul Islam
সঠিক উত্তর:
M Mansoor Ali
উত্তর
সঠিক উত্তর:
M Mansoor Ali
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ,
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান,
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য:
- মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ।
- মন্ত্রীপরিষদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন গণপরিষদের আওয়ামীলীগের হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ।
- মুজিবনগর সরকারের ভারপ্রাপ্ত ও উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন- তৎকালীন ঝিনাইদহ মহকুমার পুলিশপ্রধান মাহবুব উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে আনসার, পুলিশ ও উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গঠিত ১২ সদস্যের একটি যৌথ দল।
- শপথগ্রহণের সময় শতাধিক ভারতীয় ও বিদেশি সাংবাদিক এবং প্রচার মাধ্যম কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, DMP ও তথ্য অধিদফতর ওয়েবসাইট।
২,১৪০.
প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. জয়যাত্রা
  2. বিদ্রোহ
  3. ওরা এগারো জন
  4. সংগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ওরা এগারো জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরা এগারো জন
ব্যাখ্যা
ওরা এগারো জন:
- প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা এগারো জন'।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- “ওরা এগারো জন” চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ আগস্ট ২০২২।
২,১৪১.
Who was the first to implement military rule in Pakistan?
  1. ক) Malik Feroze Khan
  2. খ) General Ayub Khan
  3. গ) Iskandar Mirza
  4. ঘ) General Yahya Khan
সঠিক উত্তর:
গ) Iskandar Mirza
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Iskandar Mirza
ব্যাখ্যা
পাকিস্থানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি:

- ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্থানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- পাকিস্তানের শাসন ব্যবস্থায় একধরনের স্বৈরতান্ত্রিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রবণতা লক্ষ করা যায়।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন। সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরিউক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।
- উচ্চবিলাসী আইয়ুব খান ২৭ অক্টোবর ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৪২.
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন যথাক্রমে -
  1. ক) মজনু শাহ ও ভবানী পাঠক
  2. খ) ইলা মিত্র ও হাজী মোহাম্মদ মুহসিন
  3. গ) মাস্টার দ্য সূর্য সেন ও ভবানী পাঠক
  4. ঘ) মঙ্গল পান্ডে ও ইলা মিত্র
সঠিক উত্তর:
ক) মজনু শাহ ও ভবানী পাঠক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মজনু শাহ ও ভবানী পাঠক
ব্যাখ্যা
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ (১৭৬০-১৮০০)
• বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছিল প্রথম ব্রিটিশ বিরোধী বিদ্রোহ।
• ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ চলে।
• আন্দোলনকারী ফকির-সন্ন্যাসীগণ ছিলেন মাদারিয়া সুফি তরিকার অনুসারী।
• নবাব মীর কাশিম ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধে ফকির-সন্ন্যাসীদের সাহায্য চান।
• বিদ্রোহী ফকির দলের নেতার নাম ছিল মজনু শাহ।
• সন্ন্যাসীদের নেতার নাম ছিল ভবানী পাঠক।
• তাদের আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল সরকারি কুঠি, জমিদারদের কাছারি ও নায়েব-গোমস্তার বাড়ি।
• ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
• ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন। -১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে।
• তবে এ আন্দোলনের তীব্রতা ছিল উত্তর বঙ্গে ফকির।
• মজনু শাহর যুদ্ধ কৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি, অর্থাৎ অতর্কিতে আক্রমণ করে নিরাপদে সরে যাওয়া।
• মজনু শাহর মত্যুর পর নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ।ণ
• ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চুড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম - ১০ম শ্রেণি এবং ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৪৩.
১৯৫৪ সালের পূর্ববাংলা প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মোট কতটি দল অংশগ্রহণ করে?
  1. ১৪টি দল
  2. ১৬টি দল
  3. ১৮টি দল
  4. ২৪টি দল
সঠিক উত্তর:
১৬টি দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬টি দল
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের নির্বাচন:
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের ব্যালট বাক্সে ব্যবহারের জন্য সরকার চূড়ান্তরূপে মোট ২৪টি প্রতীক নির্দিষ্ট করেন।
- নির্বাচনে মুসলিম লীগ 'হারিকেন' প্রতীক এবং যুক্তফ্রন্ট 'নৌকা' প্রতীক গ্রহণ করে। 
- ভোটগ্রহণ ৮ মার্চ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত ৫ দিনে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- নির্বাচন কমিশনার ছিলেন মো. আজফার। 

নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল ও জোট:
- ১৯৫৪ সালের পূর্ববাংলা প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে।
- মুসলমান আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মুসলিম লীগ, পূর্বপাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলামী, যুবলীগ, গণতন্ত্রী দল, খেলাফতে রব্বানী পার্টি প্রভৃতি।
- অমুসলমান আসনে অংশগ্রহণ করে পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস, তফশিলি ফেডারেশন, গণসমিতি, অভয় আশ্রম (কুমিল্লা), পূর্ব পাকিস্তান সমাজতন্ত্রী দল প্রভৃতি।
- কমিউনিস্ট পার্টির মুসলমান সদস্যগণ মুসলমান আসনে এবং হিন্দু সদস্যগণ হিন্দু আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
- মুসলমান আসনে আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি এবং নেজামে ইসলামী 'যুক্তফ্রন্ট' গঠন করে সম্মিলিতভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।
- হিন্দু আসনে গণসমিতি, অভয় আশ্রম ও পূর্ব পাকিস্তান সমাজতান্ত্রিক দল 'সংখ্যালঘু যুক্তফ্রন্ট' গঠন করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৪৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. জিয়াউর রহমান
  3. কর্নেল এম এ রব
  4. কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী
সঠিক উত্তর:
কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী
ব্যাখ্যা
জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কর্নেল মুহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী (যিনি এম.এ.জি. ওসমানী নামে পরিচিত) মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তার নেতৃত্বেই মুক্তিবাহিনী সংগঠিত হয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম চালায়।
- তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন এবং ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতেও কাজ করেছিলেন।
- তার সামরিক জ্ঞান ও নেতৃত্বের দক্ষতার কারণে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর নেতৃত্বের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে গঠিত অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার তাকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে নিযুক্ত করে।
- তার অধীনে মুক্তিবাহিনী ১১টি সেক্টরে বিভক্ত হয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালায়।
- এছাড়াও তিনি মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন পরিকল্পনা এবং কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- তার দক্ষ পরিচালনায় মুক্তিবাহিনী পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে পরাজিত করতে সক্ষম হয় এবং ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় লাভ করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২,১৪৫.
'All parties state language movement committee' was formed on-
  1. 18 February, 1952
  2. 20 February, 1952
  3. 2 February, 1952
  4. 31 January, 1952
সঠিক উত্তর:
31 January, 1952
উত্তর
সঠিক উত্তর:
31 January, 1952
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন:  
১৯৫২ সালের ৩১শে জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়। 
• পরিষদের আহবায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব। 
• এ সভায় একুশে ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী হরতাল, জনসভা ও বিক্ষোভ মিছিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।  

♣♣ 
• ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ৩ সদস্যবিশিষ্ট 'তমদ্দুন মজলিশ' গঠিত হয়। 
• এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন। 
• এ সংগঠনের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশিত হয়। 

• তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ';
• যার আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঞা।

• ২৩শে ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলা কংগ্রেস পার্টির সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এর প্রতিবাদ করেন এবং বাংলাকেও অধিবেশনের অন্যতম ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। 

• ১৯৪৮ সালের ২রা মার্চ দেশের ছাত্রসমাজ বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় বারের মতো ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।
• রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহ্বানে ১১ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।  

• ১৯৫২ সালের ২৬শে জানুয়ারি নতুন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন পল্টন ময়দানে ঘোষণা দেন, পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু ।
• এর প্রতিবাদে ভাষা আন্দোলন নতুন করে শুরু হয়ে যায়।
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ৩০শে জানুয়ারি সভা ও ছাত্র ধর্মঘটের আহ্বান করে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
২,১৪৬.
নিচের কোনটি বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত?
  1. ছয় দফা
  2. এগারো দফা
  3. একুশ দফা
  4. এক দফা
সঠিক উত্তর:
ছয় দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয় দফা
ব্যাখ্যা
মুক্তির সনদ:

- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত 'ছয় দফা' কোথায় উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলের এক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ওই কনভেনশনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন।
- ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
২,১৪৭.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী যৌথ কমান্ড গঠন করে—
  1. ১ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  2. ২১ নভেম্বর, ১৯৭১
  3. ৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  4. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
- মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করে ১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর।

উল্লেখ্য, 
- বিশ্ব ইতিহাসে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা ।
- বাংলাদেশ হচ্ছে তৃতীয় বিশ্বের মধ্যে প্রথম দেশ, যে দেশ সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছে।
- মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই ভারত আমাদের নানাভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করেছে।
- বিশেষভাবে ১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- পাকিস্তান ৩রা ডিসেম্বর ভারত আক্রমণ করলে যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়।
- ৬-১৬ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দেয় ৷

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শেণি।
২,১৪৮.
১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিম আসনে যুক্তফ্রন্ট মোট কয়টি আসন লাভ করে?
  1. ২২৩টি
  2. ২২৫টি
  3. ২২৭টি
  4. ২২০টি
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
ব্যাখ্যা

 নির্বাচনী ফলাফল: 
- নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলমান আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে (২১৫টি+ ৮টি স্বতন্ত্র সদস্য যোগদান করেন)= ২২৩টি।
- মুসলিম লীগ ৯টি, খেলাফতে রব্বানী পার্টি ১টি এবং স্বতন্ত্র ১২টি আসন।
- মুসলমান আসনে স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্যে ৮ জন যুক্তফ্রন্টে ও ১ জন মুসলিম লীগে যোগদান করেন।
- যুক্তফ্রন্টের শরিকদলগুলোর মধ্যে আসনসংখ্যা নিম্নরূপ হয়:
- আওয়ামী লীগ ১৪২, কৃষক-শ্রমিক পার্টি ৪৮, নেজামে ইসলামী ১৯, গণতন্ত্রী দল ১৩ (১টি আসনে দলীয় পরিচয় অস্পষ্ট)।
- ৭২টি অমুসলমান আসনের ২৪টিতে জাতীয় কংগ্রেস, ২৭টিতে তফশিলি ফেডারেশন (রসরাজ মন্ডল গ্রুপ), সংখ্যালঘু যুক্তফ্রন্ট ১৩টি (এর মধ্যে গণতন্ত্রী দল ৩টি)।
- কমিউনিস্ট পার্টি ৪টি, বৌদ্ধ ২টি, খ্রিস্টান ১টি এবং স্বতন্ত্র ১টি আসনে জয়লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৪৯.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা কতটি প্রাতিষ্ঠানিক স্তম্ভের উপর নির্ভরশীল?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. ছয়টি
  4. সাতটি
সঠিক উত্তর:
চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারটি
ব্যাখ্যা
- উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ২০২১-২০৪১ খ্রি. মেয়াদে বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা কমিশন দেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
এই পরিকল্পনা চারটি প্রাতিষ্ঠানিক স্তম্ভের উপর নির্ভরশীল।
এগুলো হলো:
- সুশাসন
- গণতন্ত্রায়ণ
- বিকেন্দ্রীকরণ এবং
- সক্ষমতা বৃদ্ধি।
(তথ্যসূত্র: দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা : ২০২১-২০৪১)
২,১৫০.
How many sectors were there during the Liberation War?
  1. ক) 10
  2. খ) 11
  3. গ) 7
  4. ঘ) 9
সঠিক উত্তর:
খ) 11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 11
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:

- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালে ১১ এপ্রিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে এবং ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং  সেক্টরের অধিনে ।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধিনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,১৫১.
ভাষার দাবিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত দিন অনশন করেছিলেন?
  1. ১৯ দিন
  2. ১৬ দিন
  3. ১৩ দিন
  4. ১৭ দিন
সঠিক উত্তর:
১৩ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ দিন
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় (বাইগার নদীর তীরে)।
- বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে অভিষিক্ত হন ১৯৪৪ সালে কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে।
- ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- বন্দী থাকা অবস্থায় ১৬ ফেব্রুয়ারিতে রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবিতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে অনশন শুরু করেন।
- ভাষার দাবিতে বঙ্গবন্ধু ১৩ দিন অনশন করেছিলেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আনুষ্ঠানিকভাবে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ ছয়দফা ঘোষণা করেন।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী ছিল ৩৫ জন। বঙ্গবন্ধু ১ নং আসামী ছিলেন।
- শেখ মুজিবুর রহমানকে ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে সংবর্ধনা দেয়া হয়।
- শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ।
- 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয় রেসকোর্স ময়দানে ।
- বঙ্গবন্ধু পূর্ব বাংলাকে 'বাংলাদেশ' নামকরণ করেন ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯।
- ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধুকে 'জাতির জনক' উপাধি দেওয়া হয় ৩ মার্চ ১৯৭১ (উপাধি দেন আ স ম আবদুর রব)।
- ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণ দেন ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে, যা এখন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত।
- বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের মূল বক্তব্য ছিল “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম"।
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণের ব্যাপ্তি ছিল ১৮ মিনিট ।
- বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাড়িতে প্রথম ২৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত অর্থাৎ ২৬ মার্চে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- এরপরই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে।
- বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয় অপারেশন বিগবার্ড এর মাধ্যমে।

উৎস: শতবর্ষে শত তথ্যে 'বঙ্গবন্ধু' ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,১৫২.
চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুণ্ঠিত হয় কোন সালে?
  1. ১৯১৪ সালে
  2. ১৯১৮ সালে
  3. ১৯২১ সালে
  4. ১৯৩০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৩০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
মাস্টারদা সূর্যসেন:
- চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুণ্ঠিত হয় ১৯৩০ সালে।
- ১৯৩০ সালের চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের প্রধান সংগঠক মাস্টারদা সূর্যসেন।
- মাস্টারদা সূর্যসেনের জন্ম ১৮৯৪ সালে চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়া গ্রামে।

- পুরো নাম সূর্যকুমার সেন। ডাক নাম কালু। 
- শিক্ষকতা করার কারণে তিনি পরিচিত মহলে ‘মাস্টারদা’ আখ্যা পান।
- ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিলের সশস্ত্র বিদ্রোহ ছিল সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীদের দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার ফসল।
- ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম কারাগারে তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,১৫৩.
মুক্তিযুদ্ধকালে কাদেরিয়া বাহিনী কোন অঞ্চলে সক্রিয় ছিল?
  1. টাঙ্গাইলে
  2. খুলনায়
  3. যশোরে
  4. বরিশালে
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইলে
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধে কাদেরিয়া বাহিনী:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী টাঙ্গাইলে তার নিজস্ব বাহিনী নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন।
- তাঁর বাহিনীর নাম ছিল কাদেরিয়া বাহিনী।
- এ বাহিনী মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন এলাকায় কৃতিত্বের সাথে পাকবাহিনীর মোকাবিলা করে।
- ২৮ মার্চ ভূয়াপুর কলেজের শহীদ মিনারের পাদদেশে ‘ভূঞাপুর সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ’-এর সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,১৫৪.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৯
  2. ২০০০
  3. ২০০১
  4. ২০০২
সঠিক উত্তর:
২০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০১
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়:
- ২০০১ সালের ২৩ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- এই মন্ত্রণালয়ের প্রথম মন্ত্রী ছিলেন রেদোয়ান আহমেদ।
- সর্বপ্রথম বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ভবনে ৩ টি কক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরম্ভ হয়।।
- বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল এবং বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এই মন্ত্রণালয়ের অধীন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।

২,১৫৫.
'মানসম্মত শিক্ষা' SDG-এর কত নং অভীষ্ট লক্ষ্যমাত্রার বিষয়বস্তু?
  1. ৪ নং
  2. ২ নং
  3. ৩ নং
  4. ১ নং
সঠিক উত্তর:
৪ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নং
ব্যাখ্যা
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।

এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,১৫৬.
১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে প্রচারিত ”চরমপত্র” সিরিজটি পরিকল্পনা করেন কে?
  1. এম.আর আখতার মুকুল
  2. গাজী মাজহারুল ইসলাম
  3. আব্দুর রব চৌধুরি
  4. আবদুল মান্নান
সঠিক উত্তর:
আবদুল মান্নান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল মান্নান
ব্যাখ্যা

• স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র :
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়। এই কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- ১৯৭১-এর ৩০ মার্চ পাকিস্তান বিমান বাহিনী কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করে। ফলে এটি অচল হয়ে যায়।
- ২৫ মে তারিখ কেন্দ্রটি কলকাতায় স্থানান্তরিত হয় এবং একই দিনে সেখানে এটি তার কার্যক্রম শুরু করে।
- স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র‘ ও ‘জল্লাদের দরবার’
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে তুলে ধরা হতো।
- চরমপত্র সিরিজটি পরিকল্পনা করেন - আবদুল মান্নান ।
- এম.আর আখতার মুকুল, এর উপস্থাপক ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২,১৫৭.
'আমাদের বাঁচার দাবি: ৬-দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক পুস্তিকা প্রচার করা হয় কার নামে?
  1. ক) মওলানা ভাসানী
  2. খ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. গ) শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) খাজা নাজিমউদ্দীন
সঠিক উত্তর:
গ) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
ছয় দফা
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লাগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ৬ দফা প্রস্তাব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি গৃহীত হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান বিরোধীদলীয় সম্মেলনে ৬ দফা পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়।
- ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সংগে মিল রেখে।
- ৬ দফা দাবির মূল উদ্দেশ্য-পাকিস্তান হবে একটি ফেডারেল রাষ্ট্র।
- ৬ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে এই ফেডারেল রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যকে পূর্ণ স্বায়ত্বশাসন দিতে হবে।
- ৬ দফাকে ‘ম্যাগনা কার্টা’ বা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদও বলা হয়।

উৎস: যুগান্তর, ০৭ জুন, ২০২১।
২,১৫৮.
‘তমদ্দুন মজলিশ’ সাংস্কৃতিক সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  2.  ড. মুহাম্মদ এনামুল হক
  3. ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ
  4. অধ্যাপক আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা

তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।

⇒ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিস"।
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর নতুন বাস্তবতায় তমদ্দুন মজলিস কেবল বাংলা ভাষায়ই নয়, বরং একটা সার্বিক জীবন ব্যবস্থা ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা সম্পর্কে পরিচ্ছন্ন ভাষায় একটা ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছিলো।
- তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে অধ্যাপক আবুল কাশেম সম্পাদিত একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- তমদ্দুন মজলিসের নেতৃত্বেই ১৯৪৭ সালের পহেলা অক্টোবর প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৪৮ সালের দোসরা মার্চ তমদ্দুন মজলিশসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের যৌথসভায় শামসুল আলমকে আহ্বায়ক করে 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্ম পরিষদ' নামে নতুন কমিটি হয়েছিলো।

উৎস: i) ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

২,১৫৯.
পাকিস্তানের ১৯৫৬ সালের সংবিধান প্রণয়নের পথ সুগম করে কোন ঘটনাটি?
  1. মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থা
  2. মারী চুক্তি
  3. সম্মিলিত বিরোধী দল (COP) গঠন
  4. 'পোডো' ও 'এবডো' আদেশ জারি
সঠিক উত্তর:
মারী চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারী চুক্তি
ব্যাখ্যা
১৯৫৬ সালের কোয়ালিশন সরকার:
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে কোয়ালিশন সরকার কেন্দ্রে ক্ষমতায় ছিল মাত্র ১৩ মাস।
- তিনি ১৯৫৪ সালে মোহাম্মদ আলীর মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী হিসেবে যোগ দেন।
- তিনি পাকিস্তানের ১৯৫৬ সালের সংবিধান প্রণয়নে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- আইনমন্ত্রী থাকাকালে সোহ্‌রাওয়ার্দীর বলিষ্ঠ ও উদ্যোগী ভূমিকার সুবাদেই পাকিস্তানের দুই অংশের নেতৃবৃন্দের মধ্যে ১৯৫৫ সালে মারী চুক্তি সম্ভব হয়। 
- এই চুক্তি পাকিস্তানের ১৯৫৬ সালের সংবিধান প্রণয়নের পথ সুগম করে।
- আওয়ামী লীগ প্রধান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ৫ দফা কর্মসূচীর ভিত্তিতে একটি কোয়ালিশন সরকার গঠন করেন।
- এর ফলে ১৯৫৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চৌধুরী মোহাম্মদ আলী পদত্যাগ করেন।
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৫৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হন।
- ইস্কান্দার মীর্জার গোপন ষড়যন্ত্রে রিপাবলিকান দলীয় কিছু সদস্য সমর্থন প্রত্যাহার করায় সোহরাওয়ার্দীর মন্ত্রিসভা দুর্বল হয়ে পড়ে।
- ফলে তিনি প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,১৬০.
বঙ্গভঙ্গ রদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কে দিয়েছিলেন?
  1. রাণি মেরী
  2. ব্যামফিল্ড ফুলার
  3. সম্রাট পঞ্চম জর্জ
  4. লর্ড হার্ডিঞ্জ
সঠিক উত্তর:
সম্রাট পঞ্চম জর্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট পঞ্চম জর্জ
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ রদ:
- বঙ্গভঙ্গ রদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছিলেন রাজা পঞ্চম জর্জ।
- ১৯১১ সালে ব্রিটিশ ভারতের সম্রাট পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে এক দরবারে এই ঘোষণা করেন।

⇒ ১৯১০ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জ ভারতের নতুন ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- তিনি বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অসন্তোষ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা লক্ষ্য করে বঙ্গভঙ্গ রদের বিষয়ে গোপন তৎপরতা শুরু করেন।
- লর্ড হার্ডিঞ্জ বঙ্গভঙ্গ রদ করে বাংলা পুনঃএকত্রীকরণের সুপারিশ করেন।
- ব্রিটেনের সম্রাট পঞ্চম জর্জ এবং ভারত সচিব লর্ড ক্রু প্রমুখ বঙ্গভঙ্গ রদের পক্ষে মত দেন।
- ১৯১১ সালে সম্রাট পঞ্চম জর্জ ও রাণি মেরী ভারত সফরে আসেন।
- তাদের সফর উপলক্ষে ১২ ডিসেম্বর দিল্লিতে এক ঐতিহাসিক দরবারের আয়োজন করা হয়।
- সেখানে সম্রাট পঞ্চম জর্জ আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- ফলে কার্জনের বাংলা বিভক্তির ব্যবস্থা বাতিল হয়।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গভঙ্গের ফলে ঢাকা চট্টগ্রাম, রাজশাহী, প্রেসিডেন্সী ও বর্ধমানের পাঁচটি বাংলা ভাষাভাষী বিভাগ নিয়ে বাংলা প্রদেশ পূনর্গঠন করা হয়।
- ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা হতে দিল্লিতে স্থানান্তর করা হয়।

উৎস: i) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
২,১৬১.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য প্রথমে কত জনকে 'বীরবিক্রম' উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. ৬৫ জন
  2. ১৬৮ জন
  3. ১৭৫ জন
  4. ৪২৬ জন
সঠিক উত্তর:
১৭৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৫ জন
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে বিভিন্ন খেতাব প্রদান করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর এই খেতাব প্রদান করা হয়।

• খেতাব:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।

২,১৬২.
What was the code name of Flight Lieutenant Matiur Rahman's hijacked plane?
  1. Big Bird
  2. Black Bird
  3. Blue Bird
  4. Sea Bird
সঠিক উত্তর:
Blue Bird
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Blue Bird
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান:

- বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান টি-৩৩ বিমানটি ছিনিয়ে আনতে গিয়ে শহীদ হন।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ঢাকার ১৯৪১ সালের ২৯ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন।
- ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৬৩ সালের জুন মাসে কমিশন লাভ করেন। কর্মস্থল ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের রিসালপুর।
- এর পরের বছর পেশোয়ারে জেট পাইলট নিযুক্ত হবার পূর্বে করাচিতে জেট কনভার্সন কোর্স সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন করেন।
- ২০ আগস্ট সকালে করাচির মশরুর বিমানঘাঁটি থেকে পাইলট অফিসার মিনহাজ রশীদের টি-৩৩ বিমান নিয়ে উড়বার শিডিউল ছিল।
- মতিউর ছিলেন তার প্রশিক্ষক।
- টি-৩৩ বিমানের সাংকেতিক নাম ছিল ব্লু বার্ড।
- প্রশিক্ষণকালে মতিউর বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিজ হাতে নিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পারেন নি।
- বিমানটি বিধ্বস্ত হয় ভারতীয় সীমান্তের কাছে থাট্টায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,১৬৩.
জুলাই আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদের জন্মস্থান কোনটি? 
  1. পীরগাছা
  2. বদরগঞ্জ
  3. তারাগঞ্জ
  4. পীরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
পীরগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পীরগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• শহীদ আবু সাঈদ:
- জুলাই আন্দোলনে আবু সাইদ ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে শহীদ হয়েছিলেন।
⇒ রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন।
- কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি লুটিয়ে পড়েন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন।
- ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান হাসিনা।

তথ্যসূত্র:
i) বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।

২,১৬৪.
কাগমারি সম্মেলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু কোথায়?
  1. কুষ্টিয়া
  2. পাবনা
  3. টাঙ্গাইল
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা
কাগমারি সম্মেলন:
- কাগমারি সম্মেলন  টাঙ্গাইল জেলার কাগমারিতে ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশন ও সাংস্কৃতিক সম্মেলন। 
- ৭ ফেব্রুয়ারি কাউন্সিল অধিবেশনে মূল আলোচ্যসূচি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের জন্য পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন এবং জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি।
- কিন্তু সিয়াটো ও সেন্টোর সামরিক চুক্তির প্রতি  আওয়ামী লীগ নেতা ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী  হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী দৃঢ় সমর্থন ব্যক্ত করলে সম্মেলনে মতবিরোধের সৃষ্টি হয়।
- আওয়ামী লীগের আইনসভার সদস্য ও নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে কাউন্সিল অধিবেশনে মওলানা ভাসানী সোহরাওয়ার্দীর অনুসৃত সামরিক জোটের সমালোচনা করেন।
- ওই ভাষণে মওলানা প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি তোলেন।
- তিনি পাকিস্তান স্বাক্ষরিত সামরিক চুক্তি এবং কেন্দ্র কর্তৃক পূর্ব পাকিস্তানে আরোপিত অর্থনৈতিক নীতিমালার পক্ষেও রায় দেন।
- শেখ মুজিবুর রহমানসহ দলের ডানপন্থি সদস্যগণ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্ব ও নীতি সমর্থন করেন এবং বামপন্থি সদস্যগণ সমর্থন জানান মওলানা ভাসানীকে।
- এখানেই আওয়ামী লীগ আদর্শিক কারণে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- পরবর্তী সময়ে মওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে এসে  ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,১৬৫.
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ কত টাকা ব্যয় করতে পারেন?
  1. ১৫ লক্ষ
  2. ২০ লক্ষ
  3. ২৫ লক্ষ
  4. ৫০ লক্ষ
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ লক্ষ
ব্যাখ্যা
- জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন প্রতিটি প্রার্থীর জন্য খরচের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেন। 
- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা খরচ করতে পারবেন।
- নির্বাচন কমিশন একজন প্রার্থীর ব্যয় সীমা ভোটার প্রতি ১০ টাকা অথবা সর্বোচ্ছ ২৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

উৎস: DW বাংলা। [লিঙ্ক]
২,১৬৬.
‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করে -
  1. ছাত্রলীগ
  2. ছাত্র ইউনিয়ন
  3. ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
  4. আওয়ামী লীগ
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ইশতেহার:

- ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় সমগ্র পূর্ব-পাকিস্তান বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- স্বাধিকার আন্দোলন পরিণত হয় স্বাধীনতা আন্দোলনে।
- ২ মার্চ হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের' ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ গণসমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন।
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক’ ঘোষণা করা হয় ।
- তিনি এদিন এ সমাবেশে তাঁর ভাষণে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে 'অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক দেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২,১৬৭.
ড. স্মিথ কোন শাসককে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছিলেন?
  1. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
  2. সমুদ্রগুপ্ত
  3. শ্রীগুপ্ত
  4. অশোক
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা
সমুদ্রগুপ্ত:
- সমুদ্রগুপ্ত সম্ভাব্য ৩৩৫ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং ৩৮০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে তাঁর মৃত্যু হয়।
- প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে রাজ্য বিজেতারূপে যে সকল সম্রাট খ্যাতি লাভ করেছেন, সমুদ্রগুপ্ত তাঁদের মধ্যে প্রথম সারিতে স্থান পেয়েছেন।
- উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত গাঙ্গেয় উপত্যকার স্থানীয় একটি রাজ্যকে তিনি সর্বভারতীয় এক সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।
- প্রাচীন ভারতের তৃতীয় সাম্রাজ্যবাদী পুরুষ হিসাবে সমুদ্রগুপ্ত বিখ্যাত।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজ্যজয় সম্পর্কে হরিষেণ রচিত এলাহাবাদ প্রশস্তিতে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।
- আর্যাবর্তের সকল রাজাকে পরাজিত করে তিনি 'সর্বরাজোচ্ছেত্তা' উপাধি গ্রহণ করেন।
- সমুদ্রগুপ্তের সাম্রাজ্য ছিল প্রভুত্ব ও স্বায়ত্ত্বশাসনের এক অপূর্ব সমন্বয়।
- দিগ্বিজয় সম্পন্ন করে তিনি 'অশ্বমেধযজ্ঞ' অনুষ্ঠান করেন এবং এই যজ্ঞের স্মৃতিরক্ষায় স্বর্ণমুদ্রা প্রচলন করেন।
- তিনি ছিলেন প্রচন্ড সাম্রাজ্যবাদী।
- ড. স্মিথ সম্ভবত এ কারণেই সমুদ্রগুপ্তকে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছেন।
- ভারতের জাতীয়তাবাদী ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, আসমুদ্রহিমাচল বিস্তৃত ভারতভূমিকে এক শাসনে আবদ্ধ করাই ছিল সমুদ্রগুপ্তের লক্ষ।
- কুষাণ সাম্রাজ্যের পতনের পর ভারতের রাজনীতিতে যে শক্তিশূন্যতা দেখা দেয় গুপ্ত সাম্রাজ্য তা দূর করে।
- সমুদ্রগুপ্ত ছিলেন সাধুব্যক্তিদের আশাস্বরূপ, আর অসাধুদের জন্য প্রলয়। হরিষেণ সমুদ্রগুপ্তকে মানুষের আকৃতিতে দেবতা তুল্য 'অচিন্ত্যপুরুষ' বলে আখ্যায়িত করেছেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৬৮.
গম্ভীরা বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকসঙ্গীত?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) রাঙামাটি
  3. গ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. ঘ) জামালপুর
সঠিক উত্তর:
গ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- ‘গম্ভীরা’ লোকসঙ্গীতের উৎপত্তি ভারতের মালদহ জেলার হিন্দু সমাজে। দেশভাগের পর রাজশাহী অঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মুসলিম সম্প্রদায় ‘গম্ভীরা’ গানের পৃষ্ঠপোষক হয়ে উঠে।
- আদিতে ‘গম্ভীরা’ গানের মূল বিষয়ে শিবের বন্দনা থাকলেও মুসলিম সমাজে এই গানের বিষয়বস্তু পরিবর্তিত হয়ে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার বিষয়বস্তু হয়ে উঠে।
- নানা-নাতির সংলাপের মাধ্যমে ‘গম্ভীরা’ গান রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ প্রভৃতি জেলায় ব্যাপক জনপ্রিয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
২,১৬৯.
How many people in the Air Force who received the title in the Liberation War?
  1. ক) 11
  2. খ) 21
  3. গ) 30
  4. ঘ) 46
সঠিক উত্তর:
খ) 21
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 21
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন বাহিনীতে খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা:

- বিমান বাহিনী - ২১  জন।
- সেনাবাহিনী - ২৮৮ জন।
- নৌবাহিনী - ২৪  জন।
- বাংলাদেশ রাইফেল্স - ১৪৯ জন।
- মুজাহিদ/ আনসার - ১৪ জন।
- গণবাহিনী - ১৭৫ জন।

তথ্যসূত্র - বাংলপিডিয়া।
২,১৭০.
'রেগুলেটিং অ্যাক্ট' অনুযায়ী, উপমহাদেশের প্রথম গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. লর্ড ক্লাইভ
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা

রেগুলেটিং অ্যাক্ট (১৭৭৩ খ্রি.):
- প্রথমদিকে উপমহাদেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির যাবতীয় কার্যক্রম ইংল্যান্ডের বোর্ড অব ডাইরেক্টরস পরিচালনা করত।
- পরবর্তীতে রাজ্য বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানির শাসনব্যবস্থায় বিভিন্ন বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।
- এসব বিশৃঙ্খলা দূর করার জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্ট উপমহাদেশের শাসনকার্যে প্রথমবারের মতো হস্তক্ষেপ করে।
- তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড নর্থ ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে উপমহাদেশে শাসন আইন নামে যে আইন পাস করেন, সেটিই ইতিহাসে রেগুলেটিং অ্যাক্ট নামে পরিচিত।
- এই আইনের মাধ্যমে বোর্ড অব ডাইরেক্টরসকে ব্রিটিশ সরকারের নিকট কোম্পানির শাসন ও রাজস্ব সংক্রান্ত সকল তথ্য পাঠাতে বাধ্য করা হয়।
- বাংলার গভর্নরকে গভর্নর জেনারেল উপাধি প্রদান করা হয়।
- এই আইনের অধীনে বাংলার গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস উপমহাদেশের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৭১.
৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু পরবর্তী আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য কতদফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন?
  1. ক) ৪ দফা
  2. খ) ৫ দফা
  3. গ) ৮ দফা
  4. ঘ) ১০ দফা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ দফা
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ

- ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বাঙ্গালির ইতিহাসের এক মহেন্দ্রক্ষণ। সকাল থেকেই ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ছাত্র-জনতা-অবাল-বৃদ্ধ-বণিতা-দলে দলে সমবেত হতে থাকে।
- বিকাল ৩ঃ২০ মিনিট নাগাদ প্রায় ১০ লাখ জনতা ময়দানে সমবেত হয়।
- এই ভাষণের শব্দসংখ্যা ছিল ১১০৫ টি ।
- ভাষণের সময় বঙ্গবন্ধুকে ঘিরে রেখেছিল সিরাজুল আলম খান , আ স ম আবদুর রব , তোফায়েল আহমেদ , মহিউদ্দিন , শেখ ফজলুল হক মনি। 

- বঙ্গবন্ধু তার ১৮ মিনিটের ঐতিহাসিক ভাষণে ৪টি দাবি উত্থাপন করেন। যথা−
(ক) সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে।
(খ) সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে।
(৩) গণহত্যার তদন্ত ও বিচার করতে হবে।
(৪) নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

৭ মার্চ ভিন্ন এক ঘোষণায় বঙ্গবন্ধু পরবর্তী সাতদিন আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য দশদফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। দফাগুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো:-

১. কর না দেওয়ার আন্দোলন অব্যাহত থাকবে,
২. সকল অফিস ও আদালতে ধর্মঘট চলতে থাকবে,
৩. রেল ও বন্দরসমূহ চালু থাকবে। তবে সেনাবাহিনী চলাচলের কাজে শ্রমিক-কর্মচারীরা সহযোগিতা করবে না,
৪. রেডিও, টেলিভিশন ও সংবাদপত্রে গণআন্দোলনের সংবাদ গোপন রাখা যাবে না,
৫. কেবল স্থানীয় এবং আন্তঃজেলার মধ্যে ট্রাঙ্ক ও টেলিফোন যোগাযোগ চালু থাকবে,
৬. সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে,
৭. কোন মাধ্যমেই ব্যাংক পশ্চিম পাকিস্তানে টাকা পাঠাবে না,
৮. প্রতিদিন সব ভবনের উপর কালো পতাকা ওড়ানো হবে,
৯. অন্য সব ক্ষেত্রে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হল, কিন্তু পরিস্থিতির কারণে ধর্মঘট আহŸান করা হলে তা পালন করতে হবে,
১০. প্রতিটি মহল্লা, ইউনিয়ন, থানা, মহকুমা এবং জেলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ইউনিটের নেতৃত্বে একটি করে সংগ্রাম
পরিষদ গঠন করা হবে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৭২.
সুন্দরবনের বাঘ গণনা এ ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) পাগ মার্ক
  2. খ) ফুট মার্ক
  3. গ) GIS
  4. ঘ) কোয়ার্ডবেট
সঠিক উত্তর:
ক) পাগ মার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাগ মার্ক
ব্যাখ্যা

২০০৪-০৫ সালে পাগ-মার্ক বা পায়ের ছাপ পদ্ধতিতে বাঘ শুমারি করা হয়েছিল।
[সূত্র: বিবিসি]

সুন্দরবনের বাঘ গণনায় ব্যবহৃত হয় পাগ-মার্ক ও ক্যামেরা ট্র্যাপিং পদ্ধতি।
[সূত্র: প্রথম আলো]

২,১৭৩.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চ এর ঐতিহাসিক ভাষণের বিষয়বস্তু নয় কোনটি?
  1. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
  2. সামরিক আইন প্রত্যাহার।
  3. নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর।
  4. সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া।
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
ব্যাখ্যা
৭ মার্চ এর ঐতিহাসিক ভাষণ
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চ এর ঐতিহাসিক ভাষণে সকল বাঙ্গালিকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
- এই ভাষণের জন্যই ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল জনপ্রিয় ম্যাগাজিন দ্য নিউজ উইক বঙ্গবন্ধুকে 'পোয়েট অব পলিটিক্স' বা রাজনীতির কবি হিসাবে অভিহিত করে।
- এই ভাষণের ৪ টি মূল বিষয় ছিল। যথা--
১. সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে।
২. সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া।
৩. পুলিশ ও সেনাবাহিনী কর্তৃক নিরীহ ও নিরস্ত্র লোকদের হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে।
৪. নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

উল্লেখ্য, 
- ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণকে ঐতিহাসিক দলিল হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে মেমরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্ট্রারে তালিকাভুক্ত করা হয়।
- ২০২১ সাল থেকে ৭ মার্চ 'ঐতিহাসিক দিবস' হিসাবে পালিত হচ্ছে।

অন্যদিকে, ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ঘোষিত ছয় দফা দাবির প্রথমটি ছিল 'প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন'।

তথ্য - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।
২,১৭৪.
'মাৎস্যন্যায়' এর অবসান ঘটিয়ে কে বাংলায় শাসন প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. শশাঙ্ক
  2. গোপাল
  3. ধর্মপাল
  4. মহিপাল
সঠিক উত্তর:
গোপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপাল
ব্যাখ্যা
- গোপাল পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা যিনি নৈরাজ্য কাটিয়ে শাসনের স্থিতি আনেন।

মাৎস্যন্যায়:
- প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পাল রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে।
- পাল রাজারা বাংলা ও বিহার অঞ্চলে অষ্টম শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় চারশ বছর শাসন করেছেন।
- নৈরাজ্য ও চরম অরাজকতার হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করে গোপাল নামক এক উচ্চবর্গীয় ব্যক্তি এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- ধর্মপাল, দেবপাল, মহিপাল নামে অনেক পাল রাজারা বাংলা শাসন করেছেন ।

উল্লেখ্য, 
- ‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার শশাঙ্ক পরবর্তী সময়কে নির্দেশ করে।
- মাৎস্যন্যায় ও গোপালের উত্থান শশাঙ্কের পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতক পর্যন্ত বাংলায় বিরাজ করছিল এক অন্ধকার যুগ। বাংলার ইতিহাসে এই সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়’ নামে খ্যাত।
- অরাজকতা এবং রাষ্ট্রহীনতার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল পাল বংশের শাসন।
- শত বছরের হানাহানির অবসান ঘটে যখন গোপাল রাজা হন।
- তাই বলা যায় ‘মাৎস্যন্যায়’ গোপাল পূর্ববর্তী সময়কে নির্দেশ করে।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৭৫.
সংস্কার কমিশনের মতে, একজন সংসদ সদস্য একই সাথে নিম্নলিখিত কোন পদগুলোর মধ্যে একটির বেশি ধারণ করতে পারবেন না? 
  1. সংসদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রী এবং দলীয় সাধারণ সম্পাদক
  2. রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং বিচারপতি
  3. স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার এবং মন্ত্রী 
  4. প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা এবং রাজনৈতিক দলের প্রধান
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা এবং রাজনৈতিক দলের প্রধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা এবং রাজনৈতিক দলের প্রধান
ব্যাখ্যা

নিম্নকক্ষ: 
- নিম্নকক্ষ গঠিত হবে সংখ্যগরিষ্ঠ ভোটে সরাসরি নির্বাচিত সদস্যদের সমন্বয়ে।
- ৪০০ (চারশো) আসন নিয়ে নিম্নকক্ষ গঠিত হবে।
- ৩০০ (তিনশো) জন সদস্য একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন।
- আরো ১০০ জন নারী সদস্য সারা দেশের সকল জেলা থেকে এই মর্মে নির্ধারিত ১০০ (একশটি) নির্বাচনী এলাকা থেকে কেবল নারী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন।
-  রাজনৈতিক দলগুলো নিম্নকক্ষের মোট আসনের ন্যূনতম ১০% আসনে তরুণ-তরুণীদের মধ্য থেকে প্রার্থী মনোনীত করবে।
- সংসদীয নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ন্যূনতম বয়স কমিয়ে ২১ বছর করা হবে।
- ২ (দুই) জন ডেপুটি স্পিকার থাকবেন, যাদের মধ্যে একজন বিরোধী দল থেকে মনোনীত হবেন।
- একজন সংসদ সদস্য একই সাথে নিম্নলিখিত যেকোনো একটির বেশি পদে অধিষ্ঠিত হবেননা:
- (ক) প্রধানমন্ত্রী, (খ) সংসদনেতা, এবং (গ) রাজনৈতিক দলের প্রধান।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন [লিঙ্ক]

২,১৭৬.
১৯০৫ সালে নবগঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের গভর্নরের নাম কী ছিল?
  1. ব্যামফিল্ড ফুলার
  2. লর্ড কার্জন
  3. অ্যান্ড্রু ফ্রেজার
  4. লর্ড মেয়ো
সঠিক উত্তর:
ব্যামফিল্ড ফুলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যামফিল্ড ফুলার
ব্যাখ্যা
ব্যামফিল্ড ফুলার:
- ১৯০৫ সালে নবগঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের গভর্নরের নাম স্যার জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার।

⇒ স্যার জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার ছিলেন ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের ফলে সৃষ্ট নতুন প্রদেশ পূর্ববঙ্গ এবং আসামের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর।
- তিনি ১৮৮৫ সালে মধ্য প্রদেশের ভূমি জরিপ ও কর নির্ধারণ এবং কৃষিবিষয়ক কমিশনার হিসেবে ভারতীয় সিভিল সার্ভিস-এ তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন।
- তিনি ১৮৯৯ সালে ভাইসরয়ের পরিষদের অতিরিক্ত সদস্য এবং ১৯০১-০২ সাল পর্যন্ত ভারত সরকারের সচিব ছিলেন।
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর নতুন প্রদেশ পূর্ববঙ্গ ও আসামের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের পদে নিয়োগ লাভের পূর্বে ফুলার আসামের প্রধান কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ভারতে ব্রিটিশ প্রশাসনে সেবা প্রদানের জন্য নাইট উপাধি লাভ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,১৭৭.
দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা সীমান্ত কোথায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. যশোর
  3. রাজশাহী
  4. লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
দহগ্রাম ছিটমহল:
- লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
- এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয়।
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,১৭৮.
'জীবন থেকে নেয়া' চলচ্চিত্রটির কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন -
  1. শওকত আকবর
  2. আমজাদ হোসেন
  3. আফজাল চৌধুরী
  4. জহির রায়হান
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
'জীবন থেকে নেয়া':
• পটভূমি - একটি দেশ। একটি সংসার। একটি চাবির গোছা। একটি আন্দোলন। নান্দনিক পোস্টারের এই স্লোগান পড়ে মনে হতে পারে কয়েকজন নারী আর একটি চাবির গোছা নিয়ে এক আটপৌরে বাঙালি পরিবারের গল্প। কিন্তু সেটি ছিল আসলে একটি রাষ্ট্রের গল্প। রাষ্ট্রের অধিকার আদায়ের গল্প। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমির গল্প।

- চলচ্চিত্রটির কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় ছিলেন জহির রায়হান।
- চলচ্চিত্রটির দৃশ্যধারণ করেন আফজাল চৌধুরী।
- আনিস ফিল্মস করপোরেশনের পরিবেশনায় ১৯৭০ সালে মুক্তি পেয়েছিল চলচ্চিত্রটি।
- চলচ্চিত্রটিতে খান আতাউর রহমান, আনোয়ার হোসেন, শওকত আকবর, রওশন জামিল, রাজ্জাক, রোজী সামাদ, আমজাদ হোসেন।
- চলচ্চিত্রটিতে ব্যবহৃত হয়েছে আবদুল গাফফার চৌধুরী রচিত কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটি যা পরবর্তীকালে একুশের প্রভাতফেরীর অত্যাবশ্যকীয় গান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এছাড়াও সিনেমাটির সঙ্গীত নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি আমাদের জাতীয় সঙ্গীত প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
- চলচ্চিত্রটিতে ব্যবহার হয় কাজী নজরুল ইসলামের ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটি যা আন্দোলন কর্মীদের গুরুত্বকে পর্দায় ফুটিতে তোলে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩।
২,১৭৯.
তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. আবুল কাশেম
  3. শামসুল হক
  4. আবদুল হক
সঠিক উত্তর:
আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা

→ তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা আবুল কাশেম।

ভাষা আন্দোলন:
- তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।

ভাষা আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য তথ্য:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

২,১৮০.
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়েছিল-
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) কোলকাতায়
  3. গ) মেহেরপুরে
  4. ঘ) চট্টগ্রামে
সঠিক উত্তর:
গ) মেহেরপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মেহেরপুরে
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়েছিল।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- যা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২,১৮১.
বরিশাল অঞ্চলের প্রাচীন নাম কী?
  1. হরিকেল
  2. নদীয়া
  3. বাকলা
  4. সমতট
সঠিক উত্তর:
বাকলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাকলা
ব্যাখ্যা
চন্দ্রদ্বীপ:
- প্রাচীন যুগে বাংলা কোন একক রাজ্য ছিল না।
- বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন অনেকগুলো ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল।
- যেমন: পুণ্ড্র, বরেন্দ্র, বঙ্গ, সমতট, চন্দ্রদ্বীপ, হরিকেল, রাঢ় ইত্যাদি।
- বরিশাল অঞ্চলের প্রাচীন নাম বাকলা বা চন্দ্রদ্বীপ।
- বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখন্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- মধ্যযুগে চন্দ্রদ্বীপ বেশ সমৃদ্ধ ছিল।
- এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,১৮২.
হিউয়েন সাং ভারতে আসেন কার শাসনামলে?
  1. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  2. হর্ষবর্ধন
  3. অশোক
  4. শশাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
হর্ষবর্ধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হর্ষবর্ধন
ব্যাখ্যা
- হিউয়েন সাং হর্ষবর্ধনের শাসনামলে ভারত ভ্রমণ করেন এবং তাঁর আতিথ্য গ্রহণ করেন।

হিউয়েন সাং:
- ফা-হিয়েনের পরবর্তী তীর্থ-ভ্রমণকারী ছিলেন হিউয়েন-সাং।
- তাঁর বিবরণী থেকে সাত শতকের দ্বিতীয়ার্ধের বাংলা সম্পর্কে কিছুটা তথ্য জানা যায়।
- সে সময় উত্তর ভারতে হর্ষবর্ধন, বাংলায় শশাঙ্ক এবং আসামে ভাস্করবর্মণ শাসন করছিলেন।
- ৬২৯ সালে চীন থেকে যাত্রা শুরু করে হিউয়েন সাং উত্তরের বাণিজ্য পথ ধরে মধ্য এশিয়ার কুশ হয়ে উত্তর ভারতে পৌঁছান।
- হিউয়েন সাং হর্ষবর্ধনের শাসনামলে ভারতবর্ষে আসেন।
- কনৌজনগরে পৌঁছে তিনি ভারতীয় সম্রাট হর্ষবর্ধনের আতিথ্য লাভ করেন।
- হিউয়েন-সাং যখন নালন্দা মহাবিহারে অধ্যয়ন করেন তখন বাঙালি বৌদ্ধ ভিক্ষু শীলভদ্র ছিলেন এর অধ্যক্ষ।
- হিউয়েন-সাং শীলভদ্রের একজন ছাত্র ছিলেন।
- হিউয়েন-সাং ৬৩৮ সালের দিকে বাংলায় আসেন।
- ৬৪৫ সালে হিউয়েন সাং চীনে প্রত্যাবর্তন করলে তাঁকে বিপুল সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
- ৬৬৪ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বৌদ্ধ রচনার অনুবাদে জীবনের বাকি সময় ব্যয় করেন হিউয়েন সাং।
- শৈশব থেকেই তিনি ধর্মগ্রন্থ, বিশেষ করে চৈনিক ধ্রুপদি গ্রন্থ ও প্রাচীন জ্ঞানী লোকদের লেখা পাঠে আগ্রহী হন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৮৩.
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে গঠিত “সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটি” গঠিত হয় কতজন সদস্য নিয়ে?
  1. ক) ৬ জন
  2. খ) ৮ জন
  3. গ) ১০ জন
  4. ঘ) ১২ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ জন
ব্যাখ্যা

- মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন - তাজউদ্দীন আহমেদ।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
- মনিসিংহ (কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)

উৎস:- নবম - দশম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই (উন্মুক্ত)।

২,১৮৪.
স্বাধীন সার্বভৌম ''গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার'' এর রাষ্ট্রপতির নাম -
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
খ) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন:
- ১০ই এপ্রিল ১৯৭১ নির্বাচিত সাংসদগণ আগরতলায় একত্রিত হয়ে এক সর্বসস্মত সিদ্ধান্তে সরকার গঠন করেন।
- এই সরকার স্বাধীন সার্বভৌম ''গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার''।
- স্বাধীনতার সনদ (Charter of Independence) বলে এই সরকারের কার্যকারিতা সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত হয়।
- ১৭ই এপ্রিল ৭১ মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামে বৈদ্যনাথ তলায় ''গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার'' আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন।
- রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির এই সরকারের মন্ত্রী পরিষদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পীকার অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- যে সমস্ত নেতৃবৃন্দকে নিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয় তাঁরা হলেনঃ

১।  রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (পাকিস্তানে বন্দী)
২।   উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি)
৩।   প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমেদ (প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত) 
৪।   অর্থমন্ত্রী: ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত)
৫।   পররাষ্ট্রমন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমেদ (আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত)
৬।   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: এ এইচ এম কামরুজ্জামান (ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত)

- এই অনুষ্ঠানে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসাবে (বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে) এবং কর্নেল এম এ জি ওসমানী মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে সরকারী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- দেশ বিদেশের শতাধিক সাংবাদিক ও হাজার হাজার দেশবাসীর উপস্থিতিতে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাংসদ জনাব আবদুল মান্নান।
- নবগঠিত সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে গার্ড অব অনার দেয়া হয়।
- বাঙালির প্রাণপুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে এই স্থানটির নামকরণ করা হয় ''মুজিব নগর''।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
২,১৮৫.
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চুড়ান্ত রায় হয় কবে ?
  1. ক) ১৯ নভেম্বর ২০০৯
  2. খ) ২৩ ডিসেম্বর ২০১০
  3. গ) ১৯ নভেম্বর ২০১০
  4. ঘ) ২৩ ডিসেম্বর ২০১০
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯ নভেম্বর ২০০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯ নভেম্বর ২০০৯
ব্যাখ্যা

- হত্যাকাণ্ডের ৩৪ বছর পর ১৯ নভেম্বর ২০০৯ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মামলাটির চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করল।
- অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে হত্যাকাণ্ডের ২১ বছর পর শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকার সময় তাঁর রিসেপসনিস্ট কাম রেসিডেন্ট পিএ আ ফ ম মুহিতুল ইসলাম ধানমন্ডি থানায় ২৪ আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ৷
- মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির আপিল আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ৷ ফলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মোট ১২ আসামিরই মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে।

সোর্স: দৈনিক পত্রিকা।

২,১৮৬.
বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী -
  1. নুরুল ইসলাম নাহিদ
  2. জনাব আসাদুজ্জামান খান
  3. দীপু মনি
  4. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক
সঠিক উত্তর:
দীপু মনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীপু মনি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী:
- শিক্ষামন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ।
- তিনি বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান।
- রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অসীন দলের প্রধান কর্তৃক মনোনীত ও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সেই মনোনয়ন গৃহীত হলে 'শিক্ষামন্ত্রী' হিসাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
- ৭ জানুয়ারি ২০১৯ থেকে তারিখ থেকে তিনি এই পদে রয়েছেন।

অন্যদিকে -
- জনাব আসাদুজ্জামান খান বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
- মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বর্তমান কৃষিমন্ত্রী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,১৮৭.
মুজিবনগরে কোন তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল?
  1. ক) ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  2. খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. গ) ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
  4. ঘ) ১০ নভেম্বর, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। মুজিবনগর সরকারের শপথ বাক্য পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
উৎসঃ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস
২,১৮৮.
বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত ভাষার মধ্যে বাংলার অবস্থান কততম ?
  1. ক) ৪র্থ
  2. খ) ৫ম
  3. গ) ৬ষ্ঠ
  4. ঘ) ৭ম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ম
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষা:
- সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ভাষা - ইংরেজি।
- ব্যবহারকারীর দিক থেকে বাংলা ভাষার অবস্থান - ৭ম
- মাতৃভাষার দিক থেকে বিশ্বে বাংলা ভাষার অবস্থান - পঞ্চম।
- মাতৃভাষার দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষ ভাষা - মান্দারিন (চীনা)।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২২ ও Ethnologue ওয়েবসাইট।
২,১৮৯.
সর্বস্তরে বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করতে ‘বাংলা ভাষা প্রচলন আইন’ প্রণয়ন করা হয় -
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
- দেশ স্বাধীনের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধানে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে বাংলাকে অন্তভু‌র্ক্ত করেন।
- সর্বস্তরে বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করতে ১৯৮৭ সালের ৮ মার্চ ‘বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭’ প্রণয়ন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ তিন অনুসারে বাংলা ভাষার ব্যবহার আইন দ্বারা বিধিবদ্ধ করার জন্য ১৯৮৭ সালে ‘বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭’ প্রবর্তন করা হয়।
- মাত্র চারটি ধারার সে আইনের ৩(১) ধারায় বলা হয়, ‘বাংলাদেশের সর্বত্র তথা সরকারী অফিস, আদালত, আধা-সরকারী, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদেশের সাথে যোগাযোগ ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে নথি ও চিঠিপত্র, আইন আদালতের সওয়াল জবাব এবং অন্যান্য আইনানুগত কার্যাবলী অবশ্যই বাংলায় লিখতে হবে।’
- ওই আইনের ৩(২) ধারায় আরও উল্লেখ করা হয়, ‘কোন কর্মস্থলে যদি কোন ব্যক্তি বাংলা ভাষা ব্যতীত অন্য কোন ভাষায় আবেদন বা আপীল করেন, তাহলে তা বেআইনী ও অকার্যকর বলে গণ্য হবে।’
- সরকারি কর্মকর্তাদের এ আইন অমান্যের জন্য ৩(৩) ধারায় শাস্তির বিধান করা হয়েছে।
- শাস্তি হিসেবে এ আইন আমান্যকারী ব্যক্তি, সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধির অধীনে অসদাচরণ করেছেন বলে গণ্য করে তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধি অনুসারে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
- ১৯৮৭ সালের পর থেকে বাংলাদেশের সব আইন, অধ্যাদেশ, বিধিবিধান ও প্রজ্ঞাপন ইত্যাদি বাংলায় প্রণীত হচ্ছে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, প্রথম আলো।
২,১৯০.
ডাক্তার সেতারা বেগম কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ৪ নম্বর
  2. ৭ নম্বর
  3. ২ নম্বর
  4. ৫ নম্বর
সঠিক উত্তর:
২ নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ নম্বর
ব্যাখ্যা
নারী মুক্তিযোদ্ধা সেতারা বেগম:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আহত বা অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিত্সাসেবা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সেক্টরে হাসপাতাল বা চিকিত্সাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল।
- এ রকম একটি হাসপাতাল ছিল ২ নম্বর সেক্টরে।
- নাম ‘বাংলাদেশ হাসপাতাল’।
- এটি প্রথমে স্থাপিত হয় সীমান্তসংলগ্ন ভারতের সোনামুড়ায়।
- পরে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তা স্থানান্তর করা হয় আগরতলার কাছাকাছি বিশ্রামগঞ্জে। 
- ডা. সিতারা বেগম জুলাইয়ের শেষ দিকে বাংলাদেশ হাসপাতালে যোগ দেন।
- পরে হাসপাতালের সিও (কমান্ডিং অফিসার) কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন। 
- ডা. সিতারা বেগম বাংলাদেশ হাসপাতালে অসাধ্য সাধনের মতো সব কাজ করতেন।
- পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিদিনই এ হাসপাতালে পাঠানো হতো। 
- আহত মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল চাঙা রাখতে তিনি ও তাঁর সহযোগীরা যে অবদান রেখেছেন, তা সত্যিই স্মরণীয়।

উৎস:  ১৬ জুন ২০২১, প্রথম আলো।
২,১৯১.
আগরতলা মামলায় আসামী পক্ষের প্রধান আইনজীবী কে?
  1. ক) টমাস ফেডারিক
  2. খ) টমাস উইলিয়াম
  3. গ) টমাস চার্লস
  4. ঘ) খ ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ) টমাস উইলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টমাস উইলিয়াম
ব্যাখ্যা

- মামলা পরিচালনা করার জন্য সরকার ১৯৬৮ সালের ১২ এপ্রিল আইন ও বিচার পদ্ধতি সংক্রান্ত একটি ফৌজদারী অধ্যাদেশ জারি করে। 
- অধ্যাদেশ নং ৫-১৯৬৮ অনুয়ায়ী বিচারকার্য সুচারুরূপে সম্পূর্ণ করার জন্য সাবেক প্রধান বিচারপতি এস এ রহমানকে চেয়ারম্যান এবং বিচারপতি এম আর খান ও বিচারপতি মকসুমুল হাকিম এর সমন্বয়ে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি ট্রাইবুনাল গঠন করা ।
- এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিখ্যাত আইনজীবী মঞ্জুর কাদের।

- অপরদিকে আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য একটি ‘ডিফেন্স কমিটি' গঠন করা হয়।
- এই কমিটিতে ছিলেন ড. আলীম আল রাজী, মওদুদ আহমেদ, আতাউর রহমান খান, আবদুস সালাম খান, খান বাহাদুর ইসলাম, খান বাহাদুর নাজিরুদ্দিন, জহিরুদ্দিন, জুলমত আলী খান ও মোল্লা জালাল উদ্দিন প্রমূখ এবং নেতৃত্ব দেন ইংল্যান্ডের রাণীর আইন বিষয়ক উপদেষ্টা বিখ্যাত ব্রিটিশ আইনজীবী টমাস উইলিয়াম।
- মামলার অভিযোগ সম্পর্কে শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকলেই লিখিত ও মৌখিকভাবে আত্মপক্ষ সমর্থন করে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। 
- শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে উচ্চ কণ্ঠে বলেন, পূর্ব পাকিস্তানের দাবি দাওয়া ধামাচাপা দেওয়ার জন্য অর্থাৎ জনগণের এবং সারা বিশ্বের দৃষ্টি অন্য দিকে ঘোরাতে এই মামলা নাটকের উদ্ভব ঘটানো হয়েছিল।
- মামলায় প্রায় আড়াই শতাধিক ব্যক্তির নিকট থেকে সাজানো সাক্ষ্য নেওয়া হয়।
- সরকারের কঠোর নীতি গ্রহণের জন্য অনেকেই সাক্ষী হতে বাধ্য হলেও তারা আদালতে এসে বঙ্গবন্ধুসহ অন্যান্য আসামিদের বিপক্ষে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে অনীহা প্রকাশ করে। ফলে বিচারকার্যে সরকারের আশানুরূপ অগ্রগতি ব্যাহত হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, ওপেন স্কুল; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৯২.
মুজিবনগর সরকারের অর্থনীতি বিষয়ক ও শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন কে? 
  1. খন্দকার মোশতাক আহমদ
  2. তাজউদ্দীন আহমদ
  3. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  4. এম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকারের অর্থনীতি বিষয়ক ও শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন- তাজউদ্দীন আহমদ।

• মুজিবনগর সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ:  
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- রাষ্ট্রপতি।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম- উপরাষ্ট্রপতি (রাষ্ট্রপতি পাকিস্তানে অন্তরীণ থাকার কারণে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত)।
- তাজউদ্দীন আহমদ- প্রধানমন্ত্রীএবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী।
- খন্দকার মোশতাক আহমদ- মন্ত্রী, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
- এম মনসুর আলী- মন্ত্রী, অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
- এ এইচ এম কামরুজ্জামান- মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২,১৯৩.
মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী 'ইউ কে চিং মারমা' যুদ্ধে অবদানের জন্য কোন খেতাবে ভূষিত হয়েছেন?
  1. বীরশ্রেষ্ঠ
  2. বীর বিক্রম
  3. বীর উত্তম
  4. বীর প্রতীক
সঠিক উত্তর:
বীর বিক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীর বিক্রম
ব্যাখ্যা
ইউ কে চিং মারমা:
- ইউ কে চিং মারমা ১৯৩৭ সালে বান্দরবানে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৫২ সাল থেকে ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ৬ নম্বর সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেন। 
- তিনি মূলত উত্তরবঙ্গের বৃহত্তর রংপুর জেলায় যুদ্ধ করেছেন। 
- তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সর্বোচ্চ খেতাবধারী একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা।
- সম্মুখ যুদ্ধে দেশের স্বাধীনতার জন্য অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার তাকে মুক্তিযুদ্ধের তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব ‘বীর বিক্রম’ উপাধিতে ভূষিত করে।

⇒ ১৯৫২ সালে ১৯ বছর বয়সে ইউ কে চিং ইপিআরে যোগদান করেন। একাত্তরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি নায়েক পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে তাকে হাবিলদার পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। স্বাধীনতার পর ১৯৮২ সালে তৎকালীন বিডিআর থেকে সুবেদার পদে অবসরগ্রহণ করেন। একাত্তরের ৩ মার্চ তিনি রংপুরের ১০ নম্বর উইংয়ের অধীন লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা বিওপিতে যোগ দেন। ২৯ মার্চ ভোর ৪টায় হাতিবান্ধা বিওপি’র বাঙালি ইপিআর সদস্যরা একযোগে বিদ্রোহ করে পরদিন ভারতের সোনারহাটে কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আরব আলীসহ প্রায় শতাধিক ইপিআর ও অন্যান্য মুক্তিবাহিনী সদস্যের সঙ্গে গিয়ে মিলিত হন।

উল্লেখ্য,
- ২০১৪ সালে ২৫ জুলাই এ বীর মুক্তিযোদ্ধার জীবনাবসান হয়।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়।
ii) যুগান্তর।
২,১৯৪.
প্রথম জেলা পরিষদ নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয়েছিলো?
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ স্তর হলো জেলা পরিষদ।
- ১ জন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সাধারণ সদস্য এবং ৫ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য সহ মোট ২১ জন সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয়।

- দেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
- জেলা পরিষদ নির্বাচন পরোক্ষ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়।
- স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা পরিষদের সংখ্যা ৬১টি।

(তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা ; নবম-দশম শ্রেণী)
২,১৯৫.
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন গঠিত হয় কবে?
  1. ১৬ জুলাই, ১৯৭১
  2. ২৬ জুলাই, ১৯৭১
  3. ১৬ জুলাই, ১৯৭২
  4. ২৬ জুলাই, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
২৬ জুলাই, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ জুলাই, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম - কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
- জাতীয় শিক্ষা কমিশন (১৯৭২) বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন'।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২,১৯৬.
সম্মিলিত বিরোধী জোট (COP) গঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৪ সালে
  4. ১৯৬৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
সম্মিলিত বিরোধী জোট:
- সম্মিলিত বিরোধী জোট বা Combined Opposition Party (COP)।

⇒ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে ১৯৬৪ সালের ২৬ জুলাই আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক জোট গঠিত হয় যা 'সম্মিলিত বিরোধী জোট' (Combined Opposition Party-COP) নামে পরিচিত।
- এ জোটের শরিক দলগুলো:
১. পাকিস্তান আওয়ামী লীগ,
২. ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী),
৩. পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কাউন্সিল),
৪. নেজাম-ই-ইসলাম,
৫. জামায়াতে ইসলামী।

উল্লেখ্য,
- 'সম্মিলিত বিরোধী জোট' আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছোট বোন ফাতেমা জিন্নাহকে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মনোনয়ন করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।
- এ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসতে থাকে ততই ফাতেমা জিন্নাহর প্রতি জনসমর্থন অতি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে।
- এর মূল কারণ ছিল আইয়ুব খানের স্বেচ্ছাচারী শাসনের ফলে জনগণের মনে সঞ্চিত ক্ষোভ, মৌলিক গণতন্ত্রীদের দুর্নীতি এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোনায়েম খানের তোষামোদি ও চাটুকারিতা, বিরোধী জোটের অন্তর্ভুক্ত নেতা-নেত্রীদের জনপ্রিয়তা ইত্যাদি।
- কিন্তু ৮০ হাজার মৌলিক গণতন্ত্রীকে (Basic Democrats) নগদ অর্থ প্রদানসহ বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খান পূর্বের মতোই তার সপক্ষে ধরে রাখতে সমর্থ হন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
২,১৯৭.
প্রাচীন বাংলার গৌরব মসলিন কাপড় ঢাকায় তৈরি হতো কোন আমলে?
  1. সুলতানি আমলে
  2. পাল আমলে
  3. মুঘল আমলে
  4. ব্রিটিশ আমলে
সঠিক উত্তর:
মুঘল আমলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুঘল আমলে
ব্যাখ্যা

মসলিন কাপড়:
-মসলিন একটি অতি সূক্ষ্ম মিহি সুতিবস্ত্র, যা বিশ্বব্যাপী “ঢাকাই মসলিন” নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহর ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের স্থানীয় কারিগররা ফুটি কার্পাস নামক তুলা থেকে তৈরি অতিচিকন সুতা দিয়ে মসলিন প্রস্তুত করতেন।
- মুঘল আমলে প্রাচীন বাংলার গৌরব মসলিন কাপড় ঢাকায় তৈরি হতো।
- মুঘল আমলে বাংলার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তরের পর থেকে ঢাকাই মসলিনের খ্যাতি বৃদ্ধি পায়।
- মুঘল সম্রাট ও অভিজাত শ্রেণি মসলিন শিল্পের পৃষ্ঠপোষকতা করতেন।
- সম্রাট, প্রাদেশিক শাসনকর্তা ও পদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যবহারের জন্য বিপুল পরিমাণ সূক্ষ্ম মসলিন সংগ্রহ করা হতো।
- অভিজাতদের জন্য অতি সূক্ষ্ম ও মিহি কাপড়, আর দরিদ্রদের জন্য মোটা ও ভারী কাপড় বোনা হতো। 

• ঢাকাই মসলিনের প্রকারভেদ
- মলমল
- ঝুনা
- রঙ্গ
- আবিরাওয়ান
- খাস
- শবনম
- আলাবালি
- তনজিব
- নয়ন-সুখ
- জামদানি

উল্লেখ্য, 
- বিভিন্ন ধরনের মসলিনের মধ্যে জামদানি এখনো প্রচলিত।
- কথিত আছে, ৫০ মিটার দীর্ঘ মসলিন কাপড় একটি দিয়াশলাই বাক্সে ভরে রাখা যেত।
- ঢাকাই মসলিনের শেষ প্রদর্শনী হয়েছিল লন্ডনে, ১৮৫০ সালে।
- ঢাকাই মসলিন ইতিমধ্যে জিআই (Geographical Indication) স্বত্বের অনুমোদন পেয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, পঞ্চম শ্রেণি।
         ii) প্রথম আলো।

২,১৯৮.
'Bluebird' was the code name of -
  1. ক) B1 aircraft
  2. খ) T-33 aircraft
  3. গ) B4 aircraft
  4. ঘ) T-I aircraft
সঠিক উত্তর:
খ) T-33 aircraft
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) T-33 aircraft
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত সাতজন মুক্তিযোদ্ধার অন্যতম ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ঢাকার আগাসাদেক রোডস্থ পৈতৃক বাসভবনে ১৯৪১ সালের ২৯ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন।
 
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ছুটিতে এসে মতিউর রহমান স্থানীয়ভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করেন। ভৈরবে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে তিনি অংশ নিয়েছিলেন। পরে পারিবারিক চাপে মে মাসে তিনি পাকিস্তান চলে যান। সেখানে তিনি বিমান ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল বিমান ছিনতাই করে সেটি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেবেন।
 
২০ আগস্ট সকালে করাচির মশরুর বিমানঘাঁটি থেকে পাইলট অফিসার মিনহাজ রশীদের টি-৩৩ বিমান নিয়ে উড়বার শিডিউল ছিল। মতিউর ছিলেন তার প্রশিক্ষক। টি-৩৩ বিমানের সাংকেতিক নাম ছিল ব্লু বার্ড। প্রশিক্ষণকালে মতিউর বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিজ হাতে নিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পারেন নি। বিমানটি বিধ্বস্ত হয় ভারতীয় সীমান্তের কাছে থাট্টায়। 
 
মতিউর রহমানের দেশপ্রেম ও আত্মদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করা হয়।
 
উৎস : বাংলাপিডিয়া 
২,১৯৯.
জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন?
  1. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস
  4. খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় 
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস
ব্যাখ্যা

জুলাই অভ্যুত্থান:
- শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ ছিলেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের সক্রিয় শিক্ষার্থী এবং দক্ষ ফ্রিল্যান্সার।
- তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রামরাইলে।
- তাঁর পিতা মীর মোস্তাফিজুর রহমান ও মাতা শাহানা চৌধুরী।
- তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০২৩ সালে গণিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। 
- মৃত্যুর সময় তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এ এমবিএ করছিলেন।
- মুগ্ধ ফাইভারে এক হাজারের বেশি কাজ সম্পন্ন করেছিলেন এবং এসইও ও সোশ্যাল মিডিয়ায় পারদর্শী ছিলেন।

- ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই (বৃহস্পতিবার) ঢাকার উত্তরার আজমপুর এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পানি ও বিস্কুট বিতরণ করার সময় পুলিশের গুলিতে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হন।
- পরে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
- মৃত্যুর আগে তাঁর উচ্চারিত “পানি লাগবে পানি” বাক্য পরবর্তীতে আন্দোলনের প্রতীকী স্লোগানে পরিণত হয়।
- ঢাকার উত্তরা মুক্তমঞ্চের নাম পরিবর্তন করে “মুগ্ধ মঞ্চ” রাখা হয়েছে তার প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন হিসেবে।

- এছাড়া, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের প্রথম নামকরণ করা হয়েছিল ‘বিজয় তোরণ’;
- এবং ৩০ জুন এর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়।
- কিন্তু ৫ আগস্টের পর শিক্ষার্থীরা ফটকের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ মীর মুগ্ধ তোরণ’ রাখেন।

উৎস:
The Daily Star Bangla; 
প্রথম আলো।

২,২০০.
কৈবর্ত বিদ্রোহ কোন আমলে সংঘঠিত হয়?
  1. ক) পাল
  2. খ) সেন
  3. গ) মোঘল
  4. ঘ) ইংরেজ
সঠিক উত্তর:
ক) পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাল
ব্যাখ্যা

রাজা দ্বিতীয় মহিপালের (১০৭৫-১০৮০) শাসনামলে কৈবর্ত বিদ্রোহ হয়। অনেকে শুধু জেলে সম্প্রদায়কে কৈবর্ত বললেও প্রকৃতপক্ষে জেলে, কৃষক এবং শ্রমজীবী মানুষকে সাধারণত কৈবর্ত বলা হতো।
পাল রাজাদের এক সামন্ত দিব্যর নেতৃত্বে কৈবর্তরা রাজ্যের বরেন্দ্রীয় অংশ দখল করে নেয়।
রাজা দ্বিতীয় মহীপাল কৈবর্তবাহিনীকে আক্রমন করতে দিয়ে নিজে নিহত হন।
উৎস - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া।