বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১০৭ / ১২৪ · ১০,৬০১১০,৭০০ / ১২,৪২১

১০,৬০১.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে মহাত্মা গান্ধী ভারতে কোন আন্দোলনের ডাক দেন?
  1. স্বদেশী আন্দোলন
  2. অসহযোগ আন্দোলন
  3. ভারত ছাড় আন্দোলন
  4. আইন অমান্য আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ভারত ছাড় আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ছাড় আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ভারত ছাড়’ আন্দোলন
• ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
• মহাত্মা গান্ধী নামে তিনি পরিচিত।
• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ১৯৪২ সালে মহাত্মা গান্ধী ভারত ছাড় আন্দোলনের ডাক দেন।
• ক্রিপস মিশনের ব্যর্থতা, সম্ভাব্য জাপানি আক্রমণের আশঙ্কা, ভারতকে ব্রিটিশ ডোমিনিয়নের মর্যাদা প্রদানের দাবী ইত্যাদি ইস্যুতে কংগ্রেস ১৯৪২ সালের আগস্টে ভারত ছাড় আন্দোলনের ডাক দেন। 
• ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে শ্বেতাঙ্গ-বিরোধী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ স্বরূপ প্রথম স্বতঃস্ফূর্ত ব্যাপক আন্দোলন ভারত ছাড় আন্দোলন।
• মহাত্মা গান্ধী হরিজন পত্রিকায় ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে ভারত ছাড় পরিকল্পনা গ্রহণ করেন।
• গান্ধীর মনোভাব লক্ষ্য করে কংগ্রেসের কার্যকরী কমিটি ১৯৪২ সালের ১৪ জুলাই গান্ধীর ভারত ছাড়  নীতি অনুমোদন করে।
• কংগ্রেসের কার্যকরী কমিটি সিদ্ধন্ত গ্রহন করে যে অবিলম্বে ব্রিটিশ সরকারকে ভারত ছাড়তে হবে নতুবা দেশব্যাপী তারা আইন অমান্য আন্দোলন শুরু করবে।
• ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির (বোম্বাইর) অধিবেশনে বিখ্যাত ভারত ছাড় আন্দোলনের প্রস্তাব পাস হয় এবং পরপরই যতদূর সম্ভব ব্যাপকভাবে অহিংস পথে গান্ধীর নেতৃত্বে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়।

- ভারত ছাড় আন্দোলনের প্রধান তিনটি পর্ব দেখা যায়। প্রথম পর্বে এ আন্দোলন প্রধানত শহর অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল। এ পর্বের আন্দোলন ছিল খুবই ব্যাপক এবং সহিংস। কিন্তু দ্রুততার সাথেই এ আন্দোলনকে দমন করা হয়।
- আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয় আগস্টের মধ্যভাগ থেকে। এ পর্যায়ে ছাত্ররা বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ছড়িয়ে পড়ে।
- সেপ্টেম্বর মাসের শেষদিকে আন্দোলনের তৃতীয় পর্ব শুরু হয়। এ পর্বের বৈশিষ্ট্য হলো শিক্ষিত যুবক সম্প্রদায় ও কৃষক দলের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, অন্তর্ঘাতমূলক তৎপরতা এবং গেরিলা যুদ্ধ।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১০,৬০২.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ”যুদ্ধশিশু”এর পরিচালক কে?
  1. মমতাজ আলী
  2. তানভীর মোকাম্মেল
  3. মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রত
  4. আলমগীর কুমকুম
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রত
ব্যাখ্যা

- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র "যুদ্ধশিশু" এর পরিচালক- মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রত।

অন্যদিকে,
- রক্তাক্ত বাংলা - মমতাজ আলী।
- নদীর নাম মধুমতী- তানভীর মোকাম্মেল।
- আমার জন্মভূমি - আলমগীর কুমকুম।

• কয়েকটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র:
- বাঘা বাঙ্গালী - আনন্দ।
- রক্তাক্ত বাংলা - মমতাজ আলী।
- শ্লোগান - কবীর আনোয়ার।
- কার হাসি কে হাসে - আনন্দ।
- এখনো অনেক রাত খান আতাউর রহমান।
- '৭১-এর লাশ'- নাজিরউদ্দীন রিজভী।
- ইতিহাস কন্যা-শামীম আখতার।
- জয় বাংলা - ফখরুল আলম।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো[লিঙ্ক]

১০,৬০৩.
সিপাহি বিদ্রোহের সূচনা হয় কোথায়?
  1. দিল্লি
  2. কানপুর
  3. ব্যারাকপুর
  4. আগ্রা
সঠিক উত্তর:
ব্যারাকপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যারাকপুর
ব্যাখ্যা

সিপাহি বিদ্রোহ:
- সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে মঙ্গলপাণ্ডে নামে এক সিপাহী কর্তৃক গুলি বর্ষণের মাধ্যমে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।
- দ্রুত এই বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে মিরাট, কানপুর, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র। বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী এই বিদ্রোহে শামিল হয় ।
- পরবর্তীতে তা ভারতবর্ষের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
- তবে এ বিদ্রোহের ফলে ভারতে কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে।
- ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার সরাসরি তার হাতে নিয়ে নেয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৬০৪.
স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ছাত্র গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল-
  1. ১৯৯৬ সালের ৬ ডিসেম্বর
  2. ১৯৯০ সালের ৪ ডিসেম্বর
  3. ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর
  4. ১৯৮৯ সালের ৬ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সামরিক বাহিনীর প্রধান হোসাইন মোহাম্মাদ এরশাদ রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন।
- ক্ষমতা দখল করেই সামরিক ফরমান 'এমএলআর ৮২' জারি করেন।
- এতে বলা হয়, যেকোনো ভাবে সামরিক শাসনের বিরোধিতা করলে ৭ বছরের জেল।
- তথাকথিত এই কালো আইনে হাজারো রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার হয়।
- ক্ষমতা দখল করে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও তিনি কথা রাখেননি।
- বরং বেসামরিকীকরণ প্রক্রিয়ায় নিজের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করেন।
- স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ছাত্র গণ-অভ্যুত্থানে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ ক্ষমতাচ্যুত হন।

 উৎস: THE BUSINESS STANDARD বাংলা ।
১০,৬০৫.
Which one of the following is the ancient name of Barisal?
  1. Venico of Bangal
  2. Islampur
  3. Chandra Deep
  4. Fatehabad
  5. None
সঠিক উত্তর:
Chandra Deep
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chandra Deep
ব্যাখ্যা
বর্তমান বরিশাল জেলার পূর্বনাম ছিল চন্দ্রদ্বীপ।

চন্দ্রদ্বীপ:
- বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখন্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।
- চন্দ্রদ্বীপ নামের আগে এ অঞ্চলটির নাম ছিল ‘বাকলা’। 
- চন্দ্রদ্বীপের রাজধানী ছিল কচুয়া।
- মধ্যযুগে চন্দ্রদ্বীপ বেশ সমৃদ্ধ ছিল।
 
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৬০৬.
কোন সালে বাংলাদেশ সরকার প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প চালু করে?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০২ সালে
ব্যাখ্যা
প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি:
- দারিদ্রপীড়িত শিশুদের স্কুল গমন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার ১৯৯৩ সালে শিক্ষার জন্য খাদ্য কর্মসূচী (FFE) গ্রহণ করে। দেশের ১২৫৫টি ইউনিয়নের প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দরিদ্র শিক্ষার্থীকে এ কর্মসূচীর আওতায় আনা হয়। শহর এলাকা বাদে দেশের ২৭% এলাকায় এ কর্মসূচী চালু ছিল।
- (FFE) কর্মসূচীর সাফল্য বিবেচনায় সরকার ১৯৯৯ সালে পৌর এলাকা বাদে অবশিষ্ট ৭৩% এলাকার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রকল্পভুক্ত করে ছাত্র-ছাত্রীকে মাসিক ২৫.০০ টাকা হারে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্প চালু করা হয়।
- উভয় প্রকল্পের সুফল বিবেচনায় ২০০২ সালে প্রকল্প দুইটি একীভূত করে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প (২০০২-২০০৭) চালু করা হয়
- পরবর্তীতে এক বছর মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয় যা ২০০৮ সালে শেষ হয়।
- এ কর্মসূচীর আওতায় এক সন্তান বিদ্যালয়ে পাঠালে তার জন্য ১০০.০০ টাকা এবং একের অধিক সন্তানের জন্য ১২৫.০০ টাকা হারে উপবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।
- উক্ত প্রকল্পের সফল সমাপ্তির পর সরকার জুলাই ২০০৮ থেকে জুন ২০১৩ মেয়াদে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প (২য় পর্যায়) চালু করে।
- এ প্রকল্পে তৃতীয় পর্যায়ে সুবিধাভোগী শিক্ষার্থীর লক্ষ্যমাত্রা ১ কোটি ৩০ লক্ষ নির্ধারণ করা হয়।
- পরবর্তীতে দুই দফায় প্রকল্পটির মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০,৬০৭.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রথম নারী শহীদ- 
  1. সুলতানা রাজিয়া
  2. নাঈমা সুলতানা
  3. রাজিয়া আখতার
  4. ফিরোজা খানম
সঠিক উত্তর:
নাঈমা সুলতানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাঈমা সুলতানা
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণঅভ্যুত্থান:
- সম্প্রতি ৮৩৬ জন জুলাই শহীদের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে।(সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- এর মধ্যে ৬ থেকে ৬০ বছর বয়সী ১০ জন নারীর নাম রয়েছে।
- শহীদ ১০ জন নারীর মধ্যে ৭ জন ঢাকায়, ২ জন নারায়ণগঞ্জে ও ১ জন সাভারে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন।
- প্রথম নারী শহীদ নাঈমা সুলতানা।
- সময়:  ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীর উত্তরার বাসার বারান্দায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়।

 উৎস: প্রথম আলো।

১০,৬০৮.
গেজেট অনুসারে, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে কতজন শহীদ হয়েছে?
  1. ৮৩৪ জন
  2. ৮৩৬ জন
  3. ৮৩৮ জন
  4. ৮৪৪ জন
সঠিক উত্তর:
৮৩৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৩৬ জন
ব্যাখ্যা

জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ২০২৪–এর শহীদদের গেজেট:
- জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ২০২৪–এ শহীদদের গেজেট অনুসারে, জুলাই  গণঅভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৬ জন।
- গেজেট অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ১০ জন নারী শহীদ হয়েছেন। শহীদ ১০ জন নারীর মধ্যে ৭ জন ঢাকায়, ২ জন নারায়ণগঞ্জে ও ১ জন সাভারে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৭ জনই গুলিবিদ্ধ হন নিজ বাসার বারান্দা ও ছাদে। ৩ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন সড়কে।
- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এটি প্রকাশ করেছে।
- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হরিদাস ঠাকুর স্বাক্ষরিত ওই গেজেটে ‘মেডিকেল কেস আইডি’, শহীদদের নাম, বাবার নাম, বর্তমান ঠিকানা, স্থায়ী ঠিকানা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ প্রথম নারী নাঈমা সুলতানা।
- ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেল পাঁচটার দিকে রাজধানীর উত্তরার বাসার বারান্দায় শুকাতে দেওয়া কাপড় আনতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় সে।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) প্রথম আলো।

১০,৬০৯.
শালবন বিহার এর অবস্থান বাংলার কোন প্রাচীন জনপদে?
  1. সমতট
  2. তাম্রলিপ্তি
  3. চন্দ্রদ্বীপ
  4. বরেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
সমতট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতট
ব্যাখ্যা
সমতট:
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের পাশাপাশি সমতটের অবস্থান।
- সমতটের রাজধানী বড় কামতা এবং দেবপর্বত কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত।
- গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী এলাকা এবং বর্তমান ভারতের ত্রিপুরার প্রাচীন অংশই সমতট।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে কয়েকটি প্রাচীন নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- শালবন বিহার এদের অন্যতম।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০,৬১০.
বাংলার মুক্তির সনদ নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ৬ দফা
  2. ৭ মার্চের ভাষণ
  3. লাহোর প্রস্তাব
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৬ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ দফা
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- 'বাংলার মুক্তি সনদ‘ নামে পরিচিত- ৬ দফা।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

উৎস:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১০,৬১১.
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন -
  1. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
  2. লে. কর্নেল(অব.) আবদুর রব
  3. কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী
  4. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে।
- পাকিস্তান বাহিনীর পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে যৌথবাহিনীর পক্ষে লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপপ্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবদুল করিম খন্দকার (এ.কে খন্দকার)।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৬১২.
মুজিবনগর সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী কে ছিলেন ?
  1. ক) এ এইচ এম কামারুজ্জামান
  2. খ) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. গ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
  4. ঘ) তাজউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে প্রথম সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। এটি ‘অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার’ নামেও পরিচিত।
১৭ এপ্রিল ১৯৭১ এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।

মুজিবনগর সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

(তথ্যসূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)

১০,৬১৩.
ঐতিহাসিক ছয় দফার ষষ্ঠ দফা কী ছিল?
  1. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  2. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
  4. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌,
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬১৪.
বর্তমান বাংলাদেশ টি-টুয়েন্টি দলের অধিনায়কের দায়িত্বে রয়েছেন-
  1. ক) সাকিব আল হাসান
  2. খ) তামিম ইকবাল
  3. গ) মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
  4. ঘ) মুশফিকুর রহিম
সঠিক উত্তর:
গ) মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে বাংলাদেশ ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে তিনজন অধিনায়ক রয়েছে।
- টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে অধিনায়ক - মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।
- টেস্ট ক্রিকেটে অধিনায়ক - সাকিব আল হাসান।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে অধিনায়ক - তামিম ইকবাল।

তথ্যসূত্র:- বিসিবি ওয়েবসাইট।
১০,৬১৫.
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে কোন সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?
  1. তমদ্দুন মজলিস
  2. ভাষা পরিষদ
  3. মাতৃভাষা পরিষদ
  4. আমরা বাঙালি
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিস
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে তমদ্দুন মজলিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

• তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি। এটি ছিলো ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সংগঠন।

প্রতিষ্ঠা: ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে।
উদ্দেশ্য: বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা এবং দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা প্রচার করা।

প্রতিষ্ঠাতা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেম, যিনি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

মুখপত্র: সাপ্তাহিক "সৈনিক" পত্রিকা; প্রথম প্রকাশিত হয় ১৪ নভেম্বর, ১৯৪৮।

বিশেষ প্রকাশনা: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ সালে "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে, যা ভাষা আন্দোলনে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
১০,৬১৬.
ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন কে?
  1. হাজী শরীয়তুল্লাহ
  2. মওলানা আতাহার আলী
  3. মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ
  4. হাজী মোহাম্মদ দানেশ
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
ফরায়েজি আন্দোলন:
- ফরায়েজি আন্দোলন ছিল একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন।
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তুল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি।
- হাজী শরীয়তুল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে হাজী শরীয়তুল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
- ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
- ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর যোগ্যপুত্র মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।
- তিনি ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন।
- মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুদু মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬১৭.
When did the Sepoy Mutiny take place?
  1. 1857
  2. 1858
  3. 1757
  4. 1763
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
1857
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1857
ব্যাখ্যা
• সিপাহি বিদ্রোহ:
- সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
- ১৮৫৭ সালের মার্চে সিপাহী মঙ্গল পান্ডে ব্যারাকপুরের সামরিক গ্যারিসনে ব্রিটিশ অফিসারদের উপর আক্রমণ করেছিলেন ।
-  ব্রিটিশরা তাকে গ্রেপ্তার করে এবং তারপর মৃত্যুদণ্ড দেয়।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে মঙ্গলপাণ্ডে সিপাহী কর্তৃক গুলি বর্ষণের মাধ্যমে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।
- দ্রুত এই বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে মিরাট, কানপুর, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র।
- বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, - কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী এই বিদ্রোহে শামিল হয়।
- পরবর্তীতে তা ভারতবর্ষের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬১৮.
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ছিল -
  1. ০৯টি
  2. ১১টি
  3. ১৩টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আসন বন্টন:
- আইনগত কাঠামো আদেশ অনুযায়ী জাতীয় পরিষদের আসন সংখ্যা ৩১৩টি নির্ধারণ করা হয়।
- সাধারণ আসন সংখ্যা ৩০০টি এবং নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ১৩টি।
- পূর্ব পাকিস্তানে মোট আসন সংখ্যা ১৬৯টি।
• সাধারণ আসন সংখ্যা ১৬২টি।
• নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৭টি।
- পশ্চিম পাকিস্তানে মোট আসন সংখ্যা ১৪৪টি।
• সাধারণ আসন সংখ্যা ১৩৮টি।
• নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৬টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬১৯.
On which date the national flag of bangladesh upheld first?
  1. March 1, 1971
  2. March 2, 1971
  3. March 22, 1971
  4. March 23, 1971
  5. April 18, 1971
সঠিক উত্তর:
March 2, 1971
উত্তর
সঠিক উত্তর:
March 2, 1971
ব্যাখ্যা
প্রথম পতাকা উত্তোলন:
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- গৃহীত হয় ৬ মার্চ, ১৯৭১।
- ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করেন এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন: কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- মানচিত্র খচিত পতাকার নকশাকার: শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)।
- জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত: ১০:৬ (৫:৩)।
 
উৎস: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
১০,৬২০.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বঙ্গবন্ধু সর্বপ্রথম কোন দেশ সফর করেন?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. ভারত
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. ভুটান
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বঙ্গবন্ধু কোন দেশ হিসেবে সর্বপ্রথম ৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ ভারত সফর করেন।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বঙ্গবন্ধু সর্বপ্রথম ১৯৭৩ সালের ২-১০ আগস্ট কানাডায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় কমনওয়েলথ অংশগ্রহণ করেন।
(তথ্যসূত্র: অসমাপ্ত আত্মজীনী এবং দৈনিক যুগান্তর)
১০,৬২১.
বাংলাদেশের কোন অনুষ্ঠানটি জাতিসংঘের ইউনেস্কো সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. একুশের বই মেলা
  2. প্রভাত ফেরি
  3. মঙ্গল শোভাযাত্রা
  4. ফাল্গুনের মেলা
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল শোভাযাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল শোভাযাত্রা
ব্যাখ্যা

• পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভযাত্রা :

⇒ প্রতি বছর বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ বাঙালির জীবনে মঙ্গলের আহ্বান আর শুচিতার কামনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা আয়োজন করা হয় যা মঙ্গল শোভাযাত্রা নামে পরিচিত।

⇒ মূলতঃ চারুকলা অনুষদের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগে ও ব্যবস্থাপনায় এই আয়োজন করা হলেও শহরের সকল স্তরের মানুষ এই আনন্দযাত্রায় স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ করে থাকেন।

⇒ আশির দশকে বন্যা ও সামরিক শাসনের নাগপাশে বিপর্যস্থ জনপদে সৃষ্টিশীল ও গণমুখী প্রতিবাদ গড়ে তোলার মানসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের উদ্যোগে ১৯৮৯ সালের পহেলা বৈশাখ মঙ্গল শোভাযাত্রা (wellbeing procession) আয়োজন করা হয়।

⇒ এর পর থেকে প্রতি বছর বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে বিগত বছরের সকল অমঙ্গল আর গ্লানিকে পিছনে ফেলে আগত বছরের সাফল্য কামনায় বিপুল উৎসাহ আর উদ্দীপনায় এটি উদযাপিত হয়ে আসছে।

⇒ বাঙালি ঐতিহ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রার অপরিসীম প্রভাবের স্বীকৃতি হিসেবে ইউনেস্কো ২০১৬ সালে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র এগারোতম অধিবেশনে পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাজাত্রা-কে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।

  
উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।

১০,৬২২.
বীরশ্রেষ্ঠ লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল কোথায়?
  1. করাচি
  2. লাহোর
  3. থাট্টা
  4. কাশ্মীর
সঠিক উত্তর:
থাট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাট্টা
ব্যাখ্যা

• বীরশ্রেষ্ঠ লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান:
- ​ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ১৯৪১ সালের ২৯ নভেম্বর ঢাকার আগাসাদেক রোডে জন্মগ্রহণ করেন।
​- তিনি ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা শেষে পশ্চিম পাকিস্তানের সারগোদার পাকিস্তান বিমানবাহিনী পাবলিক স্কুলে পড়াশোনা করেন
- পরবর্তীতে পাকিস্তান বিমানবাহিনী একাডেমী থেকে ১৯৬৩ সালের জুনে কমিশন লাভ করেন।
-​ করাচিতে জেট কনভার্সন কোর্স সম্পন্ন করে তিনি জেট পাইলট হিসেবে পেশোয়ারে যোগ দেন।
-​ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি ছুটিতে এসে ভৈরবে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত ও যুদ্ধে অংশ নেন। 
​- পারিবারিক চাপে পাকিস্তানে ফিরে গিয়ে তিনি বিমান ছিনতাই করে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। 
১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট করাচি থেকে উড্ডয়নের সময় তিনি প্রশিক্ষণরত পাইলটের বিমানটি দখল করার চেষ্টা করেন, কিন্তু বিমানটি থাট্টায় বিধ্বস্ত হয় এবং তিনি শহীদ হন। 
- ​স্বাধীনতার পর তাঁর দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব “বীরশ্রেষ্ঠ” প্রদান করা হয়।

​উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১০,৬২৩.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কমিটির আহ্বায়ক কে ছিলেন?
  1. আবদুল জব্বর
  2. রাশেদুল হাসান
  3. আবদুল মতিন
  4. নুরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
আবদুল মতিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল মতিন
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের ঘটনা প্রবাহ :
- ১৯৪৮ সালে করাচিতে অনুষ্ঠিত নিখিল পাকিস্তান শিক্ষা সম্মেলনে বাংলা ভাষা আরবি হরফে লেখার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ এর প্রতিবাদ করেন।
- আরবি হরফে বাংলা লেখার ষড়যন্ত্রের প্রচেষ্টা হিসেবে বাংলা ভাষা সংস্কারের নামে ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে 'পূর্ব বাংলা ভাষা কমিটি' গঠন করা হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রতিবাদ জানায়।
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কমিটি গঠিত হয়,যার নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন পুনরায় সঞ্জীবিত হতে থাকে।

অন্যদিকে,
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গঠিত প্রথম সংঘঠন ’রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ যার আহ্বায়ক মনোনীত হন অধ্যাপক নুরুল হক ভূঁইয়া।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
১০,৬২৪.
কোন শাসনামলে বাংলায় কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়?
  1. ক) গুপ্ত শাসন
  2. খ) হাবশী শাসন
  3. গ) পাল শাসন
  4. ঘ) সেন শাসন
সঠিক উত্তর:
গ) পাল শাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাল শাসন
ব্যাখ্যা
- পাল শাসনামলে দ্বিতীয় মহীপালের সময়ে উত্তরাধিকার সংক্রান্ত অন্ত:কলহের সময় বাংলায় এক বিদ্রোহ সংঘটিত হয় যা `কৈবর্ত বিদ্রোহ’ নামে পরিচিত।
- দেবপালের মৃত্যুর পর পাল রাজারা সামরিক শক্তিতে অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়েন। 
- ৯৮৮ খ্রিস্টাব্দের পর বাংলার কিছু অংশ বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গ কম্বোজরাজ রাজ্যপালের অধীনে চলে যায়। 
- এরপর ১০৭৫ খ্রিস্টাব্দে বিদ্রোহী কৈবর্ত সম্প্রদায়ের সাথে সামন্তবর্গ একাত্মতা ঘোষণা করেন। 
- তাঁরা উচ্চ-পদস্থ রাজকর্মচারী দিব্যের নেতৃত্বে অত্যাচারী পাল রাজা দ্বিতীয় মহীপালকে পরাজিত করতে সক্ষম হন।
 - বাংলার ইতিহাসে এই প্রতিরোধ ‘কৈবর্ত বিদ্রোহ' হিসেবে পরিচিত।
 
- কৈবর্ত হলো বরেন্দ্র অঞ্চলের একটি জেলে সম্প্রদায়। ১০৮০ সালে দিব্য এর নেতৃত্বে কৈবর্তরা বরেন্দ্র অঞ্চলে পালদের পরাজিত করে ক্ষমতা দখল করে।
- তবে কৈবর্ত শাসন ছিলো স্বল্পস্থায়ী। ১০৮২ সালে দ্বিতীয় মহীপালের ভাই রামপাল কৈবর্ত শাসক ভীমকে পরাজিত করে বরেন্দ্র অঞ্চলে পাল শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেন।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : ষষ্ঠ শ্রেণী, বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১০,৬২৫.
যুক্তফ্রন্ট কতটি দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:

- ৪টি দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল।
- এ চারটি দল হলো আওয়ামী লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল।
- ১৯৫৩ সালের নভেম্বর মাসে যুক্তফ্রন্ট একটি একুশ দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করে এবং এটিকে নির্বাচনী ইশতেহারের অর্ন্তভুক্ত করে।
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল সম্মেলনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- প্রাদেশিক পরিষদে মোট ৩০৯টি মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসনে জয়লাভ করে।

[বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি  দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র ১ম ও ২য় খন্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র অধিক গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০,৬২৬.
সর্বপ্রথম কুরআন শরীফের বাংলা অনুবাদ কে করেন?
  1. কায়কোবাদ
  2. দৌলত কাজী
  3. গিরিশচন্দ্র সেন
  4. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
গিরিশচন্দ্র সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গিরিশচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যা
গিরিশচন্দ্র সেন:

- গিরিশচন্দ্র সেন নরসিংদী জেলার পাঁচদোনা গ্রামে ১৮৩৫ সালে জন্ম গ্রহন করেন।
- পেশাগত জীবনের প্রথম পর্যায়ে তিনি ময়মনসিংহের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের কাচারিতে নকলনবিশ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- পরে স্বল্প সময়ের জন্য ময়মনসিংহ জেলা স্কুলে শিক্ষকতা করে সাংবাদিকতা ও সাহিত্যচর্চায় আত্মনিয়োগ করেন।
- প্রথম পর্যায়ে তিনি ঢাকা প্রকাশে কাজ করেন এবং এতে তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়।
- তিনি সুলভ সমাচার ও বঙ্গবন্ধু পত্রিকার সহযোগী সম্পাদক এবং মাসিক মহিলা (১৩০২) পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের সার্থক ও পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ তিনিই প্রথম করেন।
- ১৯১০ সালে মৃত্যু বরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০,৬২৭.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন কে?
  1. অধ্যাপক নূরুল হক ভূঞা
  2. শামসুল আলম
  3. কাজী গোলাম মাহবুব
  4. আবদুল মতিন
সঠিক উত্তর:
আবদুল মতিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল মতিন
ব্যাখ্যা
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়।
- এর আহবায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহবায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঞা।
- ১৯৪৮ সালের ২রা মার্চ ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ পুনর্গঠন করা হয় (এটি দ্বিতীয় ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ নামেও পরিচিত) এবং আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
- ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় গঠিত ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহবায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
১০,৬২৮.
'বিক্রমশীল' কার উপাধি ছিল?
  1. গোপাল 
  2. ধর্মপাল 
  3. রামপাল 
  4. মহীপাল 
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল 
ব্যাখ্যা
ধর্মপাল: 
- ধর্মপাল প্রায় ৪০ বছর (৭৮১-৮২১ খ্রিষ্টাব্দ) রাজত্ব করেন।
- ধর্মপাল ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
- পাল রাজাদের মধ্যে তিনিই সর্বোচ্চ সার্বভৌম উপাধি পরমেশ্বর, পরমভট্টারক মহারাজাধিরাজ উপাধি ধারণ করেছিলেন।
- ভাগলপুরের পূর্ব দিকে তিনি একটি বৌদ্ধ বিহার বা মঠ নির্মাণ করেন।
- ধর্মপালের দ্বিতীয় নাম বা উপাধি ছিল 'বিক্রমশীল'।
- এ নামানুসারে বিহারটি 'বিক্রমশীল বিহার' নামে খ্যাত ছিল।
- নালন্দার মতো বিক্রমশীল বিহার বাংলা ও ভারতবর্ষের সর্বত্র ও বাইরে প্রসিদ্ধি লাভ করেছিল।
- নবম শতক থেকে বারো শতক পর্যন্ত এটি সমগ্র ভারতবর্ষের একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
- তিব্বতের অনেক বৌদ্ধ ভিক্ষু এখানে অধ্যয়ন করতে আসত এবং এখানকার অনেক প্রসিদ্ধ বৌদ্ধ আচার্য তিব্বতে বিশুদ্ধ বৌদ্ধ ধর্ম প্রচার করেছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০,৬২৯.
পাণিনি, কৌটিল্য কোন শিক্ষা কেন্দ্রের ছাত্র ছিলেন?
  1. তক্ষশীলা
  2. অজন্তা
  3. উজ্জয়িনী
  4. নালন্দা
সঠিক উত্তর:
তক্ষশীলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তক্ষশীলা
ব্যাখ্যা
গুপ্ত যুগে শিক্ষা-দীক্ষা:
- গুপ্ত যুগে ভারতে শিক্ষাক্ষেত্রে প্রভূত অগ্রগতি সাধিত হয়।
- নালন্দা, তক্ষশীলা, উজ্জয়িনী, সারনাথ এবং অজন্তা তৎকালীন গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
- এ সকল স্থানের শিক্ষাকেন্দ্রগুলোতে বিষয়ভিত্তিক পড়াশোনার অগ্রগতি লক্ষ করা যায়।
- বিহারের নালন্দা বিহারে মহাযান বৌদ্ধমতের ওপর বিশেষভাবে পড়ানো হতো।
- উত্তর-পশ্চিম ভারতে অবস্থিত তক্ষশীলা ছাত্র ছিলেন বিখ্যাত পন্ডিত পাণিনি, কৌটিল্য, চরক প্রমুখ।
- এছাড়া গুজরাটে বল্লভী এবং অন্যান্য অসংখ্য স্থানে নানা ধরনের শিক্ষাকেন্দ্র গড়ে উঠেছিল।
- এসব স্থানে ব্যাকরণ, যুক্তিবিদ্যা, চিকিৎসাশাস্ত্র, দর্শন, ধর্ম এবং জ্যোতির্বিদ্যা বিষয়ে শিক্ষার্থীরা জ্ঞান আহরণ করতো।
- গুপ্ত শাসকগণ এবং বড় বড় ব্যবসায়ীরা ছিলেন শিক্ষার পৃষ্ঠপোষক।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৩০.
বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারের বর্তমান কাঠামোটির উদ্ভব ঘটে কোন আমলে?
  1. পাকিস্তান আমলে
  2. সুলতানি আমলে
  3. মুঘল আমলে
  4. ব্রিটিশ আমলে
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশ আমলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশ আমলে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ইতিহাস দেখায় যে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, বিভিন্ন সময়ে সরকার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
- ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারের বর্তমান কাঠামোটির উদ্ভব ঘটে।

উল্লেখ্য,
-  ব্রিটিশ শাসনের সময় ১৮৭০ সালে বাংলার গ্রাম চৌকিদারি আইন পাস হয় প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে। তখন আইন অনুযায়ী স্থানীয় সরকার সংস্থা প্রতিষ্ঠা শুরু হয়। এই আইনের অধীনে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি ইউনিয়ন এবং চৌকিদারি পঞ্চায়েত (সংগঠন) গঠিত হয়। 
- ১৮৮৫ সালে কর্তৃপক্ষ Bengal Local Self Government Act আইন পাস করেন। এই আইনের অধীনে ইউনিয়ন কমিটি, স্থানীয় সরকার বোর্ড এবং জেলা বোর্ড সেটার ছিল।
- ১৯১৯ সালের The Bengal Village Self- Government Act আইনটি চৌকিদার পঞ্চায়েত ও ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত করে এবং তাদের জায়গায় ইউনিয়ন বোর্ড ও জেলা বোর্ড গঠন করে। 
- পাকিস্তান সময়কালে ১৯৫৯  সালের Basic Democracy Order আইনের অধীনে স্থানীয় সরকার সংস্থাগুলি চারটি টায়ারে স্থাপন করা হয়েছিল। ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ, থানা পর্যায়ে থানা কাউন্সিল, জেলা পর্যায়ে জেলা পরিষদ এবং বিভাগীয় স্তরে বিভাগীয় কাউন্সিল। 
- ১৯৬১ সালের Muslim Family and Marriage Ordinance আইন অনুসারে ইউনিয়ন কাউন্সিলকে সমঝোতা আদালত প্রতিষ্ঠা করার ক্ষমতা দেওয়া হয় এবং সদস্যদেরকে বিচার বিভাগীয় ক্ষমতা দেওয়া হয়।
- থানা পর্যায়ে নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯৮২ সালে উপজেলা পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮২ সালে চালু হওয়া উপজেলা পদ্ধতি ১৯৯১ সালে বিলুপ্ত হয়।
- বর্তমানে  নির্বাচিত  স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে। 

উৎস: স্থানীয় সরকার বিভাগ ওয়েবসাইট।
১০,৬৩১.
৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদে গড় জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা -
  1. ৮.১৫%
  2. ৮.৩৫%
  3. ৮.১৮%
  4. ৮.৫১%
সঠিক উত্তর:
৮.৫১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮.৫১%
ব্যাখ্যা
৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%। 
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট।
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।
- ২০৩১ এর মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে (UMIC) উন্নীত হওয়া এবং চরম দারিদ্র্য দূর করা হবে।
- ২০৪১ এর মধ্যে উচ্চ আয়ের দেশের (HIC) মর্যাদা লাভ করার রোডম্যাপ নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: portal.gov.bd.
১০,৬৩২.
ছয় দফা দাবিতে নিম্নের কোন বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না?
  1. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  2. আলাদা শিক্ষানীতি
  3. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  4. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
আলাদা শিক্ষানীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাদা শিক্ষানীতি
ব্যাখ্যা
• 'পূর্ব পাকিস্তানের জন্য আলাদা শিক্ষানীতি'- ছয় দফা দাবিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

• ছয় দফা:

পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার প্রশ্নে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সম্মিলিত ৬ দফাভিত্তিক ঘোষণা উত্থাপন বা পেশ করেন। এটাই ইতিহাসে ‘ছয় দফা কর্মসূচি’ নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিক ভাবে ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়। 
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।

• দফাগুলো হলো:
প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌,
দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১'।
১০,৬৩৩.
ময়নামতি -শালবন বিহার কার কীর্তি?
  1. শ্রী শান্তিদেব
  2. শ্রী আনন্দদেব
  3. শ্রী ভবদেব
  4. শ্রী বীরদেব
সঠিক উত্তর:
শ্রী ভবদেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রী ভবদেব
ব্যাখ্যা
শালবন বিহার:
- বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন কুমিল্লার শালবন বিহার যা দেব সাম্রাজ্যের কীর্তি।
- এটি দেববংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব খ্রিস্টীয় আট শতকে নির্মাণ করেন।
- বিহারের আসল নাম 'ভবদেব মহাবিহার'।
- সময়কাল:- অষ্টম শতক।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।
১০,৬৩৪.
'কারাগারের রোজনামচা' বইটির প্রচ্ছদ শিল্পী কে?
  1. ক) সমরজিৎ রায় চৌধুরী
  2. খ) কায়ুম চৌধুরী
  3. গ) তারিক সুজাত
  4. ঘ) সমর মজুমদার
সঠিক উত্তর:
গ) তারিক সুজাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তারিক সুজাত
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু রচিত 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বইটির প্রচ্ছদ শিল্পী সমর মজুমদার। 'কারাগারের রোজনামচা’ গ্রন্থটির প্রচ্ছদ ও নকশা করেছেন তারিক সুজাত।
উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো ও দৈনিক কালেরকণ্ঠ
১০,৬৩৫.
 মুক্তিযুদ্ধকালীন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিল না কোন সেক্টরে?
  1. ৭ নং
  2. ৮ নং
  3. ১০ নং
  4. ১১ নং
সঠিক উত্তর:
১০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ নং
ব্যাখ্যা
• ১০ নং সেক্টর: 
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে ১০নং সেক্টর গঠিত হয়।
- দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
- এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।
- ১০ নং সেক্টরে নিয়মিত কোন সেক্টর কমান্ডার ছিল না।
- যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো, সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০,৬৩৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কোন সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন?
  1. ৫নং সেক্টর
  2. ৬নং সেক্টর
  3. ৭নং সেক্টর
  4. ৮নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৭নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ: ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল: ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান: ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ: ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন: ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান: কোনো সেক্টরের অধীনে ছিলেন না।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১০,৬৩৭.
ভাওয়াইয়া লোকসংগীত কোন জেলার?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) কুষ্টিয়া
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
খ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

নরনারীর জীবন প্রবাহ, প্রেম বিরহ, ব্যাকুলতা, যৌন আবেগ, নারীর জীবন ইত্যাদি ভাওয়াইয়া গানের বিষয়বস্তু। বাংলাদেশের দিনাজপুর-রংপুর অঞ্চলে এগুলো বেশি প্রচলিত।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১০,৬৩৮.
বীরপ্রতীক তারামন বিবি কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন?
  1. ১ নং
  2. ২ নং
  3. ৭ নং
  4. ১১ নং
সঠিক উত্তর:
১১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ নং
ব্যাখ্যা
বীরপ্রতীক তারামন বিবি ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন।

মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান:

- ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নিয়েছেন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ প্রকৃত অর্থেই ছিল জনযুদ্ধ।
- নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বাত্মক এই যুদ্ধে শামিল হয়েছিল সমানভাবে।
- মোট গেজেটভুক্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২০৩ জন।
- বর্তমানে মোট বীরাঙ্গনা নারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৪৪৮ জন।
- এদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২ জন।
- ২ জন নারী বীর প্রতীক: ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি।

উল্লেখ্য,
- তারামন বিবি ১১ নং সেক্টর থেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
- তখন ১১ নং সেক্টরের নেতৃত্বে ছিলেন সেক্টর কমান্ডার আবু তাহের।
- মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পরে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার তাকে স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে।
- ১৯৯৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তারামন বিবির হাতে তুলে দেন বীর প্রতীক সম্মাননা।
- ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর সবাইকে ছেড়ে যান মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তী নারী মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি বীর প্রতীক।

উৎস: i) বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ওয়েবসাইট।
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
১০,৬৩৯.
রাজশাহীর উত্তরাংশ, বগুড়ার পশ্চিমাংশ, রংপুর ও দিনাজপুরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত‒
  1. পললগঠিত সমভূমি
  2. বরেন্দ্রভূমি
  3. চলনবিল
  4. পাহাড়পুর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
ব্যাখ্যা
জনপদগুলোর অবস্থান:
- গৌড় জনপদ: বর্তমান চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বহরমপুর এলাকায় এটি বিস্তৃত ছিলো।
- বঙ্গ জনপদ: বঙ্গ জনপদ অন্তর্ভুক্ত ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি, ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহের কিছু অংশ।
- পুণ্ড্র জনপদ: বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী প্রভৃতি অঞ্চল নিয়ে এই জনপদটি গঠিত হয়েছিলো।
- বরেন্দ্র জনপদ: বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো।

- হরিকেল জনপদ: সিলেট ও চট্টগ্রামের অংশবিশেষ ছিলো।
- চন্দ্রদ্বীপ জনপদ: বর্তমান বরিশাল অঞ্চলে চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি জনপদের সৃষ্টি হয়েছিল। এ জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।
- সমতট জনপদ: বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিলো।
- তাম্রলিপ্ত: মেদিনীপুর।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৬৪০.
সরকারি অনুদানে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. সংগ্রাম
  2. সূর্য দীঘল বাড়ি
  3. গেরিলা
  4. আমার জন্মভূমি
সঠিক উত্তর:
সূর্য দীঘল বাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য দীঘল বাড়ি
ব্যাখ্যা
সরকারি অনুদানে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশ সরকার মানসম্মত চলচ্চিত্র নির্মাণের লক্ষ্যে ১৯৭৬-৭৭ সাল থেকে চলচ্চিত্রে অনুদানের প্রথা চালু করে।

⇒ সূর্য দীঘল বাড়ি (১৯৭৯) ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের প্রথম সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র।  ১৯৭৬ সালে আড়াই লাখ টাকা করে অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন মসিহউদ্দিন শাকের ও শেখ নিয়ামত আলী। আবু ইসহাকের কালজয়ী উপন্যাস ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ অবলম্বনে ছবিটি নির্মাণ করা হয়।

⇒ এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী (১৯৮০) ১৯৮০ সালে সরকারি অনুদানে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিশুতোষ চলচ্চিত্র। জার্মান লেখক এরিখ কাস্টনার রচিত ‘এমিলের গোয়েন্দা দল’ কিশোর গোয়েন্দা উপন্যাস অবলম্বনে এটি নির্মিত হয়েছে। 

⇒ আগুনের পরশমণি (১৯৯৪) নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ‘আগুনের পরশমণি’ উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৯৪ সালে সরকারি অনুদানে হুমায়ূন আহমেদেরই পরিচালনায় নির্মিত হয় তার প্রথম চলচ্চিত্র। ১৯৭১ সালের মে মাসে ঢাকা শহরের এক অবরুদ্ধ পরিবার এবং সেখানে আশ্রয় নেয়া এক গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার কাহিনী চিত্রিত হয় এ চলচ্চিত্রে।

⇒ গেরিলা (২০১১) নির্মাতা নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রটি মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত সৈয়দ শামসুল হকের ‘নিষিদ্ধ লোবান’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সমকাল।
১০,৬৪১.
বাংলাদেশে সর্বকনিষ্ঠ খেতাবধারী মুক্তিযোদ্ধা কে?
  1. শহীদুল ইসলাম লালু
  2. শরীফুল হক ডালিম
  3. মুন্সী আব্দুর রব
  4. মোহাম্মদ শফিউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
শহীদুল ইসলাম লালু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদুল ইসলাম লালু
ব্যাখ্যা
শহীদুল ইসলাম লালু:
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ ছিলেন শহীদুল ইসলাম লালু।
- তিনি মাত্র ১৩ বছর বয়সে মহান স্বাধনীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ন অবদান রেখে বীর প্রতীক খেতাব পেয়ে ছিলেন।
- শহিদুল ইসলাম লালু বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত।
- তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১১ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুক্তিবাহিনী ছাড়াও দেশের ভেতরে বিভিন্ন জায়গায় কয়েকটি সশস্ত্র আঞ্চলিক বাহিনী গড়ে ওঠে।
- এর মধ্যে কাদেরিয়া বাহিনী অন্যতম।
- এ বাহিনীর একটি দলের সঙ্গে ছিলেন শহীদুল ইসলাম।
- শহীদুল ইসলামের গ্রামের বাড়ী ছিলো সুখী পলাশপাড়া, গোপালপুর, টাঙ্গাইল।
- শুরুতে তিনি স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য- সহযোগিতা, অস্ত্র-গোলাবারুদ বহন ও সংবাদ সংগ্রহের কাজ করতেন।
- পরে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরায় অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ নেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০,৬৪২.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি' উপাধি দেয়-
  1. নিউজ উইক ম্যাগাজিন
  2. তোফায়েল আহমেদ
  3. আ. স. ম. আবদুর রব
  4. বিবিসি
সঠিক উত্তর:
বিবিসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবিসি
ব্যাখ্যা

• ২০০৪ সালে বিবিসির এক জরিপে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি' খেতাব বা উপাধি পান।
• ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেন তোফায়েল আহমেদ।
• ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'জাতির জনক' উপাধি দেন আ. স. ম. আবদুর রব।
• ৫ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'রাজনীতির কবি' উপাধি দেন নিউজউইক ম্যাগাজিন।

১০,৬৪৩.
অপারেশন জ্যাকপট কী?
  1. মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এর অভিযান
  2. মুক্তিযুদ্ধে ক্র‍্যাক প্লাটুনের অভিযান
  3. মুক্তিযুদ্ধে বিমান বাহিনীর অভিযান
  4. মুক্তিযুদ্ধে নৌ কমান্ডোদের অভিযান
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধে নৌ কমান্ডোদের অভিযান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধে নৌ কমান্ডোদের অভিযান
ব্যাখ্যা
• অপারেশন জ্যাকপট:
- অপারেশন জ্যাকপট ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি নৌ-কমান্ডোরা বিভিন্ন অভিযানের মাধ্যমে অত্যন্ত অল্প সময়ে যুদ্ধের গতি সম্পর্কে বিশ্বকে ধারণা দিতে সক্ষম হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট পরিচালিত নৌ-কমান্ডো বাহিনীর প্রথম অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে পরিচিত।
- এদিন রাতে নৌ-কমান্ডোরা একযোগে মংলা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ বন্দর আক্রমণ করে এবং পাকিস্তান বাহিনীর ২৬ টি পণ্য ও সমরাস্ত্রবাহী জাহাজ ও গানবোট ডুবিয়ে দেয়।
- মুক্তিযুদ্ধকালে যুদ্ধাঞ্চলকে যে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এর মধ্যে ১০নং সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো।
- মূলত সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকা, নদী ও সমুদ্র বন্দরসহ বাংলাদেশের সমগ্র জলপথ নিয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১০,৬৪৪.
NAPA এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) National Adaptative Programme Authority
  2. খ) National Adaptation Programme of Action
  3. গ) National Adaptation Programme Authority
  4. ঘ) National Appropriate Programme of Action
সঠিক উত্তর:
খ) National Adaptation Programme of Action
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) National Adaptation Programme of Action
ব্যাখ্যা
NAPA এর পূর্ণ রূপ হলো National Adaptation Programme of Action (NAPA)
 
The purpose of the NAPA formulation project for Bangladesh is the development of a countrywide program that encompasses the immediate and urgent adaptation activities that address the current and anticipated adverse effects of climate change, including extreme events. The goal of the NAPA formulation for Bangladesh is the provision of a framework to guide the coordination and implementation of adaptation initiatives in the country, through a participatory approach and building synergies with related programs.
 
উৎস: nda.erd.gov.bd
১০,৬৪৫.
স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশ কয়টি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
  1. ক) ৭ টি
  2. খ) ১১ টি
  3. গ) ১৭ টি
  4. ঘ) ৯ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১ টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
১০,৬৪৬.
পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. মহীপাল
  2. ধর্মপাল
  3. গোপাল
  4. দেবপাল
সঠিক উত্তর:
গোপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপাল
ব্যাখ্যা

পাল রাজবংশ:
- পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল।
- গোপাল কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত পাল রাজবংশের শাসন বাংলায় প্রায় ‘চারশ' বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- গোপালের ক্ষমতা লাভ সম্পর্কে খালিমপুর তাম্রশাসন থেকেও জানা যায়।
- গোপালের উত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয় পাল রাজবংশ।
- ১৭ জন পাল নৃপতি বাংলা শাসন করেন।
- গোপাল কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত শাসনের উপর ভিত্তি করে তার পরবর্তী দুই উত্তরাধিকারী ধর্মপাল ও দেবপাল সাম্রাজ্যকে উন্নতির চরম শিখরে নিয়ে যান।

উৎস: ইতিহাস, এস এস এইচ এল প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৬৪৭.
মীর নিসার আলী ইতিহাস খ্যাত তাঁর বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন -
  1. কালনা
  2. আসানসোলে
  3. নারিকেলবাড়িয়ায়
  4. কাটোয়ায়
সঠিক উত্তর:
নারিকেলবাড়িয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারিকেলবাড়িয়ায়
ব্যাখ্যা
তিতুমীর:
- তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন তাহরিক ই মুহম্মদীয়া।
- মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- উত্তর ভারত ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে যখন ওয়াহাবি আন্দোলনের (তাহরিক ই মুহম্মদীয়া) জোয়ার চলছে, তখন পশ্চিম বঙ্গের বারাসাত অঞ্চলে তিতুমীরের নেতৃত্বে এই আন্দোলন প্রবল আকার ধারণ করে।
- ওয়াহাবি আন্দোলন ছিল উত্তর ভারতের সৈয়দ আহমদ শহীদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত।
- তিতুমীর হজ করার জন্য মক্কা শরিফ যান এবং ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে আসেন।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তিতুমীর তাঁর প্রধান ঘাটি স্থাপন করেন। নির্মাণ করেন ইতিহাস খ্যাত তাঁর বাঁশের কেল্লা।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে তিতুমীরের বিরুদ্ধে ইংরেজ সরকার এক বিশাল সুশিক্ষিত সেনা বাহিনী প্রেরণ করে। মেজর স্কটের নেতৃত্বে এই বাহিনী তিতুমীরের নারিকেলবাড়িয়ার বাঁশের কেল্লা আক্রমণ করে।এই যুদ্ধে তিনি নিহত হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৪৮.
বঙ্গভঙ্গের ফলে গঠিত নতুন প্রদেশের রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. রাজশাহী
  4. আসাম
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

• বঙ্গভঙ্গ :
- বঙ্গভঙ্গ অবিভক্ত বাংলায় তথা সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- ১৯০৫ সালের পূর্বে 'বাংলা প্রেসিডেন্সি' ছিল ভারতের সর্ববৃহৎ প্রদেশ।
- ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা প্রদান করা হয় এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়।
- ঘোষনা করেন বড় লাট লর্ড কার্জন। 
- ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং আসাম নিয়ে গঠিত হয় 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ'।
- ঢাকায় এ নতুন প্রদেশের রাজধানী স্থাপিত হয়।
- পশ্চিম বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় ‘পশ্চিমবঙ্গ’ প্রদেশ। এর রাজধানী হয় কলিকাতা । 

- বঙ্গভঙ্গের পর নবগঠিত ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম’ প্রদেশের গভর্নর নিযুক্ত হন স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার এবং ‘পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের' গভর্নর নিযুক্ত হন এনডু ফ্রেজার।
- নবাব স্যার সলিমুল্লাহ্ বঙ্গভঙ্গের সমর্থনে পূর্ববঙ্গের মুসলমান জনগণকে সংগঠিত করেন। 

- ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনকারীদের প্রতিহত করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ রহিত করে।
- রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লী দরবারে এ ঘোষণা দেন।  

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং
           ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৬৪৯.
জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ (NCID) এর সভাপতি কে?
  1. ক) শিল্পমন্ত্রী
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) অর্থমন্ত্রী
  4. ঘ) শিল্পসচিব
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ (NCID)
দেশব্যাপী ব্যাপক ভিত্তিতে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি জাতীয় শিল্প উন্নয়ন পরিষদ (NCID) গ্রহণ করে থাকে। 
এ পরিষদের সভাপতি হলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং সহ সভাপতি হলেন মাননীয় শিল্পমন্ত্রী। 
 
উৎস: শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট। 
১০,৬৫০.
পাল বংশের সর্বশেষ সফল শাসক কে?
  1. ধর্মপাল
  2. দ্বিতীয় মহীপাল
  3. রামপাল
  4. মদনপাল
সঠিক উত্তর:
রামপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামপাল
ব্যাখ্যা
- পাল বংশের সর্বশেষ সফল শাসক হলেন রামপাল। তিনি ১০৮২ খ্রি. সাল থেকে ১১২৪ খ্রি. পর্যন্ত শাসন করেন।
- রামপাল কৈবর্ত বিদ্রোহ দমন করে বরেন্দ্র অঞ্চলে পাল শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।
- রামপালের জীবনীগ্রন্থ ‘রামচরিত’ এর রচয়িতা কবি সন্ধ্যাকর নন্দী।
অন্যদিকে,
- ধর্মপাল (শাসনকাল: ৭৮১-৮২১ খ্রি.) পাল বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক।
- মদনপাল (শাসনকাল: ১১৪৩-১১৬১ খ্রি.) সর্বশেষ পাল রাজা।
- দ্বিতীয় মহীপালের সময়ে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১০,৬৫১.
পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন-
  1. নব সিং হাজারী
  2. ইয়ার লতিফ
  3. মোহন লাল
  4. মীর মর্দান
সঠিক উত্তর:
ইয়ার লতিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়ার লতিফ
ব্যাখ্যা
• পলাশী যুদ্ধ:
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন সকাল ৮টার দিকে যুদ্ধ আরম্ভ হয়।
- মীর মর্দান, মোহন লাল, খাজা আব্দুল হাদী খান, নব সিং হাজারী প্রমুখের অধীন নওয়াব সেনা বীরত্বের সঙ্গে যুদ্ধ চালায়,
- অন্যদিকে মীরজাফর, ইয়ার লতিফ এবং রায় দুর্লভরামের অধীন নওয়াবের প্রায় দুই তৃতীয়াংশ সেনা নিষ্ক্রিয়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকে ও পরিস্থিতি অবলোকন করে।
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- পলাশী যুদ্ধের ফলে ইংরেজ বা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১০,৬৫২.
অপারেশন সার্চ লাইট কবে পরিচালিত হয়?
  1. ২৫শে মার্চ ১৯৭১
  2. ০১ আগস্ট ১৯৭১
  3. ১৫ আগস্ট ১৯৭১
  4. ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
২৫শে মার্চ ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫শে মার্চ ১৯৭১
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে যে অভিযানের মাধ্যমে গণহত্যা চালায় তা অপারেশন সার্চলাইট নামে পরিচিত।

এই অভিযানের নীল নকশা প্রস্তুত করেন জেনারেল টিক্কা খান এবং মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী।
ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইট পরিচালনার দায়িত্বে ছিলো রাও ফরমান আলী।

২৫শে মার্চ রাতে পাকহানাদার বাহিনী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা, রাজারবাগ পুলিশ লাইনসহ বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডব চালায়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১০,৬৫৩.
১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে কোন সংগঠন?
  1. ছাত্রলীগ
  2. ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
  3. আওয়ামী লীগ
  4. মুসলিম লীগ
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
১১ দফা কর্মসূচি:
- উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে 'এগারো দফা' প্রণীত হয়।
- ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ।
- ১৯৬৮ সালের শেষের দিকে মওলানা ভাসানী বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে 'ঘেরাও কর্মসূচি' নামে নতুন এক আন্দোলনের ডাক দেন।
- এর সঙ্গে যুক্ত হয় ডাকসু ও চারটি ছাত্র সংগঠনের সাত জন নেতা প্রণিত ১১ দফা কর্মসূচি।
- ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্র নেতৃবৃন্দ ১১ দফা ঘোষণা করেন।
- মূলত ৬ দফার বিস্তারিত রূপই ১১ দফা।
- কেন্দ্রীয় শাসন থেকে বাঙালিদের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাধিকার অর্জনই ছিল ১১ দফা দাবির মূল বক্তব্য।
- এগার দফার আন্দোলনই ঊনসত্তরের গণ আন্দোলনে পর্যবসিত হয়।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফাও অন্তর্ভুক্ত করে আরো ৫টি দাবি সন্নিবেশিত করা হয়।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগারো দফা দাবির মধ্যে আওয়ামী লীগের ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এগারো দফায় বাঙালি মধ্যবিত্ত ও কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এগারো দফার আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্র-নেতৃবৃন্দের হাতে চলে আসে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৫৪.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলকসংখ্যা স্বাধীনতা সংগ্রামের কয়টি ঐতিহাসিক পর্যায়কে নির্দেশ করছে?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৭টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৮টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭টি
ব্যাখ্যা
সাভারে অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ "সম্মিলিত প্রয়াস" নামে পরিচিত। এটির স্থপতি সৈয়দ মইনুল হোসেন।
১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। তবে মূল সৌধের নির্মাণ শুরু হয় ১৯৭৮ সালে। 
১৯৮২ সালের ১৬ ডিস্বেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এটি উদ্বোধন করা হয়।

এই জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলক সাতটি। স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি ঐতিহাসিক পর্যায়ের জন্য স্মৃতিসৌধে ফলক সংখ্যা ৭টি রাখা হয়েছে।
পর্যায় গুলো হলো-
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন;
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন;
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন; (অনেকেই, ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনকেও বলে থাকেন।)
- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন;
- ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন;
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং
- ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ।

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট। 
১০,৬৫৫.
বাংলাদেশে নাইট্রোজেন জাতীয় সার উৎপাদনে কাঁচামাল হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. আমদানিকৃত ক্লিংকার
  2. গন্ধক
  3. প্রাকৃতিক গ্যাস
  4. অপরিশোধিত তেল
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রধান নাইট্রোজেন জাতীয় সার হলোর ইউরিয়া সার। ইউরিয়া সার উৎপাদনে কাঁচামাল হিসেবে এদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস বা মিথেন গ্যাস ব্যবহৃত হয়।

বাংলাদেশে কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন সারের মধ্যে ইউরিয়া সারের ব্যবহার সবচেয় বেশি হয়। দেশে ইউরিয়া সারের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২৫ লক্ষ টন।

(তথ্যসূত্র: ভুগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
১০,৬৫৬.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৮টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ১১টি
  4. ঘ) ১২টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১টি
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয়।
এ সরকার প্রথমে ১০ এপ্রিল সমগ্র দেশকে ৪ টি সেক্টরে ভাগ করে। ১১ এপ্রিল তা পুর্নগঠন করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন এবং ১১টি সেক্টরকে ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না। এটি ছিলো নৌ সেক্টর।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
১০,৬৫৭.
স্বত্ববিলোপ নীতি (Doctrine of Lapse) প্রবর্তন করেন কে?
  1. লর্ড ওয়েলেসলি
  2. লর্ড ডালহৌসি
  3. লর্ড ক্যানিং
  4. লর্ড হেস্টিংস
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা
- গভর্নর-জেনারেল লর্ড ডালহৌসি স্বত্ববিলোপ নীতি আগ্রাসীভাবে প্রয়োগ করে সাতারা, ঝাঁসি, নাগপুরের মতো অনেক রাজ্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করেন।

• স্বত্ববিলােপ নীতি
ব্রিটিশ সরকার ভারতে সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য যেসব নীতি অবলম্বন করে সেগুলির মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযােগ্য হল স্বত্ববিলােপ নীতি। বড়োলাট লর্ড ডালহৌসি ১৮৪৮ খ্রি: স্বত্ববিলোপ নীতির প্রবর্তন করেন।

• স্বত্ববিলোপ নীতির মূল বক্তব্য: 
- লর্ড ডালহৌসির উল্লেখযােগ্য সাম্রাজ্য বিস্তার নীতি ছিল স্বত্ববিলােপ নীতি।
- তিনি এক ঘােষণায় বলেন যে, কোনাে ব্রিটিশ আশ্রিত দেশীয় রাজ্যের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে সেই রাজ্যটি সরাসরি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হবে ।
- এই নীতি স্বত্ববিলােপ নীতি নামে পরিচিত।

• স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগ পদ্ধতি: 
লর্ড ডালহৌসি স্বত্ববিলোপ নীতি প্রয়ােগ করার আগে দেশীয় রাজ্যগুলিকে তিনভাগে ভাগ করেন –
(ক) স্বাধীন দেশীয় রাজ্য, 
(খ) কোম্পানির সৃষ্ট রাজ্য, 
(গ) কোম্পানির আশ্রিত বা কোম্পানির অধীনস্থ রাজ্য। 

• স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগ:  
- স্বত্ববিলোপ নীতি কঠোরভাবে প্রয়োগ করে ডালহৌসী প্রথমেই ব্রিটিশ প্রভাবাধীন সাতারা রাজ্যটি দখল করেন ১৮৪৮ খ্রিঃ,
- এরপর ১৮৫৩ সালে নাগপুরের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে তাঁর রাজ্যটি গ্রাস করা হয়, এক্ষেত্রে ডালহৌসীর যুক্তি ছিল যে, নাগপুর রাজ্যটি নাকি ইংরেজরাই সৃষ্টি করেছিল।
- ঝাঁসির রাজা গঙ্গাধর রাও-এর প্রয়াণ হলে ডালহৌসী তাঁর দত্তক পুত্রকে মেনে নিতে রাজি হলেন না এবং ঝাঁসির রানির মতামতকে উপেক্ষা করেই ঝাঁসি রাজ্যটি দখল করা হল।
- এছাড়া ভগৎপুর, করৌলী, সম্বলপুর, উদয়পুর, বাগৎ প্রভৃতি রাজ্যগুলি একই কারণে গ্রাস করা হয়, যদিও উদয়পুর কোম্পানির সৃষ্ট দেশীয় রাজ্য ছিল না।

সূত্র: দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস ১ম পত্র বই, বাংলাপিডিয়া।
১০,৬৫৮.
'তমদ্দুন মজলিস' এর প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত ছিলেন কে?
  1. অধ্যাপক আবুল হাশেম
  2. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  3. গোলাম মাহবুব
  4. অধ্যাপক আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিস:
- তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ছিলেন এবং সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - তাঁর পাশাপাশি দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ, অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া, শাহেদ আলী, আবদুল গফুর, বদরুদ্দীন উমর এবং কয়েকজন সিনিয়র ছাত্র এর প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরে দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ ১৯৪৯ সালে এর সভাপতি হন।

উল্লেখ্য,
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

সূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১০,৬৫৯.
নালন্দা মহাবিহার ভারতের কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) উড়িষ্যা
  2. খ) বিহার
  3. গ) পশ্চিমবঙ্গ
  4. ঘ) কর্ণাটক
সঠিক উত্তর:
খ) বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিহার
ব্যাখ্যা
- ভারতের বিহারে অবস্থিত নালন্দা মহাবিহার প্রাচীন ভারতের একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র। এটিকে পৃথিবীর প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় বিবেচনা করা হয়।
- বাঙালি বৌদ্ধ পণ্ডিত শীলভদ্র ৬৩৫ সালে নালন্দা মহাবিহারের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ শীলভদ্রের নিকট শিক্ষা লাভ করেন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১০,৬৬০.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শৈশব কাটে কোন নদীর তীরে?
  1. ক) বাইগার নদী
  2. খ) আড়িয়াল খা নদী
  3. গ) ভৈরব নদী
  4. ঘ) শীতলক্ষ্যা নদী
সঠিক উত্তর:
ক) বাইগার নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাইগার নদী
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন ফরিদপুর জেলার গােপালগঞ্জ মহকুমার পাটগাতি ইউনিয়নের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- বর্তমান গােপালগঞ্জ জেলা সদরের দক্ষিণে ও পশ্চিমে মধুমতি নদী।
- আর 'বাইগার' নদীর তীর ঘেঁষে অবস্থিত টুঙ্গিপাড়া গ্রাম।
- মধুমতীর অসংখ্য শাখা নদীর একটি বাইগার নদী।

উৎস: গোপালগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
১০,৬৬১.
স্বাধীন বাংলা বেতারের 'চরমপত্র' সিরিজটির উপস্থাপনা করেন কে?
  1. শামসুর রাহমান
  2. আবদুল মান্নান
  3. এম আর আখতার মুকুল
  4. আশফাকুর রহমান খান
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল
ব্যাখ্যা

⇒ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- বস্তুত, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- এই কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ছিল:
• 'চরমপত্র',
• 'জল্লাদের দরবার',
• 'মীর জাফরের রোজনামচা'।

⇒ 'চরমপত্র':
- চরমপত্র ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান।
- এটি ছিল ব্যঙ্গাত্মক ও শ্লেষাত্মক মন্তব্যে ভরপুর একটি অনুষ্ঠান, যা মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
- রচনা ও উপস্থাপনা: এম আর আখতার মুকুল।
- চরমপত্র প্রচারের পরিকল্পনা করেছিলেন: এমএ মান্নান [গণপরিষদ সদস্য]।

⇒ 'জল্লাদের দরবার':
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে তুলে ধরা হতো।
- এই ব্যঙ্গাত্মক সিরিজে তাকে 'কেল্লা ফতেহ খান' চরিত্রে চিত্রিত করা হয় এবং এই ভূমিকায় অভিনয় করেন রাজু আহমেদ। এটি মূলত ছিল রূপকধর্মী সিরিজ নাটক।
- 'জল্লাদের দরবার' নাটক রচনা ও প্রযোজনা করেন কল্যাণ মিত্র।
- এছাড়াও তিনি 'মীর জাফরের রোজনামচা' নামক আরেকটি নাটক রচনা করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক রিপোর্ট।

১০,৬৬২.
কোন ঘটনাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা বেসামরিক শাসন অবসানের উদ্যোগ নেন?
  1. যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রীসভা গঠন
  2. কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায় সোহরাওয়ার্দী স্থান পাওয়া
  3. ডেপুটি স্পীকার শাহেদ আলীর মৃত্যু
  4. জুটমিলে শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনা
সঠিক উত্তর:
ডেপুটি স্পীকার শাহেদ আলীর মৃত্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেপুটি স্পীকার শাহেদ আলীর মৃত্যু
ব্যাখ্যা
প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপ: 
- গোলাম মুহাম্মদের পদত্যাগের পর ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হন।
- তাঁর অগণতান্ত্রিক আচরণ ও হস্তক্ষেপের ফলে ১৯৫৬-৫৮ সালের মধ্যে কেন্দ্রে তিনটি মন্ত্রিসভার পতন ঘটে।
- এই সময় পূর্ব পাকিস্তানেও রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দেয়।
- পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ সদস্যদের মধ্যে গোলযোগে পরিষদ কক্ষেই ডেপুটি স্পীকার শাহেদ আলী আহত হন এবং পরদিন হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর ঘটনাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা বেসামরিক শাসন অবসানের উদ্যোগ নেন।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৬৩.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ কে?
  1. ক) মতিউর রহমান মল্লিক
  2. খ) মুহম্মদ শামসুদ্দোহা
  3. গ) আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান
  4. ঘ) সার্জেন্ট জহুরুল হক
সঠিক উত্তর:
গ) আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান
ব্যাখ্যা
- আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (আসাদ) ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ।
- মতিউর রহমান মল্লিক, সার্জেন্ট জহুরুল হক, মুহম্মদ শামসুদ্দোহা, শহীদ আনোয়ারা বেগম, শহীদ রুস্তম উনারা ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হন।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৬৬৪.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ১ নং আসন কোনটি?
  1. ঠাকুরগাঁও-১
  2. বান্দরবান-১
  3. পঞ্চগড়-১
  4. কক্সবাজার-১
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়-১
ব্যাখ্যা

সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা: ৩৫০টি।
- মহিলাদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন: ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন সংখ্যা: ৩টি।
• বান্দরবান।
• রাঙ্গামাটি।
• খাগড়াছড়ি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যেক জেলায় একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে। 

- জাতীয় সংসদের ১ নং আসন: পঞ্চগড়-১।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন: বান্দরবান।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- ঢাকা জেলায় ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০,৬৬৫.
কত সালে ঢাকার নামকরণ জাহাঙ্গীরনগর করা হয়?
  1. ১৬০১ সালে
  2. ১৬০২ সালে
  3. ১৬১০ সালে
  4. ১৬১২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৬১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১০ সালে
ব্যাখ্যা
রাজধানী ঢাকা:
- বাংলাদেশের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর।
- মুঘল সম্রাট আকবরের সময় বাংলার রাজধানী ছিল বিহারের রাজমহল।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছানুযায়ী ১৬১০ সালে ঢাকাকে সর্বপ্রথম সুবাহ বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়।

উল্লেখ্য,
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ফরমান অনুযায়ী ১৬ জুলাই ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়।
- এর আগে সম্রাট আকবরের আমলে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার প্রাদেশিক রাজধানী ছিলো বিহারের রাজমহল।
- বারো ভূইয়ার নিয়ন্ত্রণ থেকে বাংলাকে করতলগত করতে ১৫৭৬ থেকে ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বারবার চেষ্টা চালানো হয়।
- এরপর সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে ১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম খান চিশতীকে রাজমহলের সুবেদার নিযুক্ত করেন।
- তিনি ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনা করে রাজধানী রাজমহল থেকে সরিয়ে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০,৬৬৬.
খানুয়ার যুদ্ধে বাবর কাকে পরাজিত করেন?
  1. ইব্রাহীম লোদী
  2. মেদেনী রাও
  3. রানা সংগ্রাম সিংহ
  4. শের শাহ
সঠিক উত্তর:
রানা সংগ্রাম সিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রানা সংগ্রাম সিংহ
ব্যাখ্যা

সম্রাট বাবর:
- জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর ছিলেন ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা।
- বাবরের পিতা উমর শেখ মির্জা ছিলেন দুধর্ষ সমর নেতা তৈমুরের বংশধর এবং মাতা কুতলুঘ নিগার খানম ছিলেন মোঙ্গল নেতা চেঙ্গিস খানের অধস্তন বংশধর ইউনুস খানের কন্যা।
- মাত্র ১১ বছর বয়সে বাবর পিতৃ সিংহাসনে উপবেশন করেন।
- বাবর অল্পদিনের মধ্যেই সমগ্র আফগানিস্তানে নিজ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে 'পাদশাহ' (বাদশাহ) উপাধি গ্রহণ করে ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত কাবুলের শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৫১২ খ্রিস্টাব্দে উজবেকদের সাথে সংঘটিত এক যুদ্ধে বাবর পরাজিত হয়ে সমরকন্দ থেকে বিতাড়িত হন। অতঃপর মধ্য এশিয়ায় রাজ্য স্থাপন অসম্ভব মনে করে বাবর ভারতবর্ষের দিকে মনোনিবেশ করেন।

⇒  ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে ইব্রাহীম লোদীকে, ১৫২৭ খ্রিস্টাব্দে খানুয়ার যুদ্ধে মেবারের রাজপুত নেতা রানা সংগ্রাম সিংহকে, ১৫২৮ খ্রিস্টাব্দে চান্দেরী অভিযানের সময় মেদেনী রাওকে এবং সর্বশেষ ১৫২৯ খ্রিস্টাব্দে গোগরার যুদ্ধে সম্মিলিত আফগান শক্তিকে পরাস্ত করার মধ্যে বাবরের উন্নত সামরিক কৌশল, রণনিপুণতা এবং একজন সফল সমর নায়কের কৃতিত্ব ফুটে উঠে। 

⇒ জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মুঘল সাম্রাজ্য শাসন করেন। তাঁর সময় মুঘল সাম্রাজ্য পশ্চিমে কাবুল থেকে পূর্বে বিহার এবং উত্তরে হিমালয় থেকে দক্ষিণে চান্দেরি পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে। মাত্র চার বছরের সংক্ষিপ্ত রাজত্বকালে বাবর বিশাল সাম্রাজ্যে সুষ্ঠু শাসন ব্যবস্থা অব্যাহত রাখেন।
- তবে বাবর খলিফার ক্ষমতাকে অস্বীকার করে স্বয়ং 'বাদশাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- বাবর সমগ্র সাম্রাজ্যব্যাপী ১৫ মাইল অন্তর অন্তর ডাকচৌকির ব্যবস্থা করেন।
- তিনি তুর্কি ও ফার্সি ভাষায় অসংখ্য কবিতা রচনা করেন। তাঁর রচিত তুর্কি কবিতার সংকলন 'দিওয়ান' নামে পরিচিত। জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবরের সাহিত্যানুরাগের শ্রেষ্ঠ নির্দশন তুর্কি ভাষায় রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'তযুক-ই-বাবরী'। 'তুযুক-ই-বাবরী' মুঘল ইতিহাসের এক অমূল্য দলিল।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৬৬৭.
'ছয় দফা' কোন তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল?
  1. ক) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
  2. খ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  3. গ) ২৬ মার্চ, ১৯৬৬
  4. ঘ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
ক) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১০,৬৬৮.
কৌলিন্য প্রথা প্রবর্তন করেন কে?
  1. লক্ষ্মণ সেন
  2. হেমন্ত সেন
  3. বিজয় সেন
  4. বল্লাল সেন
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
ব্যাখ্যা

কৌলিন্য প্রথা: 
- কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক হিসেবে বল্লাল সেন ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত।
- বাংলাদেশে কৌলিন্য প্রথার বহুল প্রচলন দেখা যায় আঠারো ও উনিশ শতকে।
- ব্রাহ্মণগণ এ প্রথা প্রবর্তনের উদ্যোক্তা ছিলেন।
- সেন আমলে বল্লাল সেন কৌলিন্য প্রথা প্রবর্তন করেন।
- তবে সেন রাজাদের আমলে সাধারণত সম্মানীয় ব্রাহ্মণদেরকে সমাদর করার উদ্দেশ্যে জমি দান করা হতো।
- এরূপ জমিপ্রাপ্ত ব্রাহ্মণদের মধ্যে কয়েকজনের কথাসহ তাম্রশাসন পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য,
- বল্লাল সেন তাঁর পিতার ন্যায় শৈব ছিলেন। ধর্মপ্রচারে তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল।
- তিনি তাঁর পিতার অন্যান্য উপাধির সাথে 'অরিরাজ নিঃশঙ্কর' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি আনুমানিক ১৮ বছর রাজত্ব করার পর বৃদ্ধ বয়সে পুত্র লক্ষণ সেনের হাতে রাজ্যভার অপর্ণ করে সস্ত্রীক ত্রিবেণীর কাছে গঙ্গাতীরে বাণপ্রস্থ অবলম্বন করে শেষ জীবন অতিবাহিত করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৬৬৯.
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. এম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
এ এইচ এম কামরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এইচ এম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল এ সরকার শপথ গ্রহণ করে।

এই সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপ রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী - এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- অর্থ-বাণিজ্য মন্ত্রী - এম মনসুর আলী।
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী - খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণী।
১০,৬৭০.
একুশ দফার প্রথম দাবী ছিলো কোনটি?
  1. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন কার্যকর করা
  2. বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
  3. জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা
  4. ২১শে ফেব্রুয়ারির হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার
সঠিক উত্তর:
বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে একুশ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- এর প্রথম দফা বা দাবী ছিলো বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
এছাড়া অন্যান্য দাবীর মধ্যে ছিলো:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১০,৬৭১.
'জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থী'-এটি কার ঘোষণা? 
  1. তিতুমীর
  2. ফকির মজনু শাহ
  3. দুদু মিয়া
  4. হাজী শরীয়তউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
ব্যাখ্যা
• দুদু মিয়া:
- হাজী শরীয়তুল্লাহ ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে মাদারীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজী আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্র ছিল ফরিদপুর জেলায় এবং তার নেতৃত্বে এটি শুরু হয়।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পর ফরায়েজী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর পুত্র দুদু মিয়া।
- তিনি ধর্মীয় সংস্কারমূলক এ আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দেন।
- দুদু মিয়া ঘোষণা করেন, “জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থি”।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রথমপত্র,মো. মোজাম্মেল হক।
১০,৬৭২.
'শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ' নাম নিয়ে সিংহাসনে বসেন কে?
  1. হাজি ইলিয়াস
  2. আলি শাহ
  3. আলি মুবারক
  4. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
সঠিক উত্তর:
হাজি ইলিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজি ইলিয়াস
ব্যাখ্যা
ইলিয়াস শাহি বংশ: 
- সোনারগাঁয়ে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ যখন স্বাধীন সুলতান তখন লখনৌতির সিংহাসন দখল করেছিলেন সেখানকার সেনাপতি আলি মুবারক।
- সিংহাসনে বসে তিনি 'আলাউদ্দিন আলি শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- লখনৌতিতে তিনিও স্বাধীন রাজ্য গড়ে তোলেন।
- পরে রাজধানী স্থানান্তর করেন পাণ্ডুয়ায় (ফিরোজাবাদ)।
- আলি শাহ ক্ষমতায় ছিলেন ১৩৪২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত।
- তাঁর দুধভাই ছিলেন হাজি ইলিয়াস।
- তিনি আলি শাহকে পরাজিত ও নিহত করে 'শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ' নাম নিয়ে সিংহাসনে বসেন।
- বাংলায় তাঁর প্রতিষ্ঠিত রাজবংশের নাম ইলিয়াস শাহি বংশ।
- এরপর ইলিয়াস শাহের বংশধরগণ অনেক দিন বাংলা শাসন করেন।
- মাঝখানে কিছুদিনের জন্য রাজা গণেশের রাজত্বের উত্থান ঘটেছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০,৬৭৩.
চীনদেশের কোন ভ্রমণকারী গুপ্তযুগে বাংলাদেশে আগমন করেন?
  1. হিউয়েন সাং
  2. ফা হিয়েন
  3. আই সিং
  4. এদের সকলেই
সঠিক উত্তর:
ফা হিয়েন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফা হিয়েন
ব্যাখ্যা
ফা-হিয়েন:
- ফা-হিয়েন প্রাচীন চৈনিক বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী।
- তিনি মধ্য এশিয়া, ভারত ও শ্রীলংকা ভ্রমণ করেন ও তাঁর ভ্রমণ বৃত্তান্ত লিপিবদ্ধ করেন।
- ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি যখন ভারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন তখন তাঁর বয়স সম্ভবত ৬৪ বছর।
- তিনি পঞ্চম শতকের সূচনায় বাংলায় আসেন।
- তিনি তাঁর ভ্রমণের অধিকাংশ সময়ই মধ্য ভারত বা মগধ পরিভ্রমণ অতিবাহিত করেন।
- তাঁর গন্তব্যস্থল ছিল সে সময়ের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক বন্দর তাম্রলিপ্তি (বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত তমলুক)।

উল্লেখ্য,
- চিনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের শাসনকালে গৌতমবুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলি পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে ভারত অভিমুখে যাত্রা করেন।
- ফা-হিয়েনের বর্ণনায় পাটলীপুত্র, তাম্রলিপ্তি, তক্ষশীলা, সারনাথ, মথুরা, পেশোয়ার, কুশীনগরসহ বেশ কিছু প্রসিদ্ধ স্থানের বিবরণ আছে।
- তাঁর ভ্রমণ কাহিনী থেকে গুপ্তযুগীয় ভারতের আর্থ-সামাজিক, ধর্মীয় এবং পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক অবস্থার কিছু চিত্র পাওয়া যায়, যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- ফা-হিয়েন গুপ্ত শাসনের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন।

অন্যদিকে,
- হিউয়েন সাঙ বাংলায় আসেন ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দের দিকে।

উৎস:
i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১০,৬৭৪.
যুক্তফ্রন্ট মূলত কয়টি দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের নভেম্বর মাসে যুক্তফ্রন্ট একটি একুশ দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করে এবং এটিকে নির্বাচনী ইশতেহারের অর্ন্তভুক্ত করে।
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল সম্মেলনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট মূলত ৪টি দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।
- এ চারটি দল হলো,
• আওয়ামী লীগ।
• কৃষক শ্রমিক পার্টি।
• নেজামে ইসলাম।
• গণতন্ত্রী দল।
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল প্রধানত স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে।
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চের নির্বাচন ছিল পূর্ব বাংলায় প্রথম অবাধ ও সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন। 
- ২ এপ্রিল নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়।
- নির্বাচনে মুসলিম লীগ শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে যুক্তফ্রন্ট।
- মোট ৩০৯টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২২৩টি আসন।
- ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ পায় ৯টি আসন। পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস ২৪টি, তফসিল ফেডারেশন ২৭টি, খেলাফতে রব্বানী ২টি, খ্রিস্টান ১টি, বৌদ্ধ ১টি, কম্যুনিস্ট পার্টি ৪টি আসন লাভ করে।

[বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র ১ম ও ২য় খন্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র অধিক গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৬৭৫.
'সব কটা জানালা খুলে দাও না' গানটির সুরকার কে?
  1. নজরুল ইসলাম বাবু
  2. আপেল মাহমুদ
  3. আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
  4. আলতাফ মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
ব্যাখ্যা
সব ক'টাজানালা খুলে দাও না:

- এটি একটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক গান।
- গানের গীতিকার - নজরুল ইসলাম বাবু।
- সুরকার - আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০,৬৭৬.
কৌলিন্য প্রথা বাংলায় কে প্রবর্তন করেন?
  1. রাজা বল্লাল সেন
  2. রাজা বিজয় সেন
  3. রাজা লক্ষ্মণ সেন
  4. রাজা হেমন্ত সেন
সঠিক উত্তর:
রাজা বল্লাল সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা বল্লাল সেন
ব্যাখ্যা

কৌলিন্য প্রথা:
- কৌলিন্য প্রথা বলতে বোঝায় যে কোনো জাতি বা গোষ্ঠী বা বর্ণ বা সম্ভ্রান্ত বংশ যারা সামাজিক সম্মান ভোগ করে এবং ঐতিহ্যগতভাবে নিজেদের সামাজিক অবস্থান এবং ‘কুল’ পরিচিতি ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর। 

• বাংলাদেশে কৌলিন্য প্রথার বহুল প্রচলন দেখা যায় আঠারো ও উনিশ শতকে।
- কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক হিসেবে বল্লাল সেন ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত।
- ব্রাহ্মণগণ এ প্রথা প্রবর্তনের উদ্যোক্তা ছিলেন। তাঁরা তাঁদের দাবি প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এ প্রথার একটি ঐতিহাসিক ভিত্তি দেখানোর জন্য প্রচার করেন যে, সেন আমলে বল্লাল সেন কৌলিন্য প্রথা প্রবর্তন করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৬৭৭.
১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র কবে গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়?
  1. ৯ জানুয়ারি, ১৯৫৬
  2. ২৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬
  3. ২ মার্চ, ১৯৫৬
  4. ২৩ মার্চ, ১৯৫৬
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৫৬
ব্যাখ্যা

১৯৫৬ এর শাসনতন্ত্র আন্দোলন: 
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র। এটিকে বিলম্বিত শাসনতন্ত্র বলা চলে। সুদীর্ঘ ৯ বছর সাধনার পর শাসনতন্ত্র প্রণেতাগণ এ শাসনতন্ত্রটি দিতে পেরেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৫ সালে পাকিস্তানে দ্বিতীয় গণপরিষদ গঠিত হয়। এর অগ্রভাগে ছিল তৎকালীন গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ।
- ১৯৫৫ সালের ৭ই জুলাই এ পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এ পরিষদের সদস্য সংখ্যা ছিল ৮০ জন।
- ১৯৫৬ সালের ৯ই জানুয়ারি গণপরিষদে শাসনতন্ত্র বিল উত্থাপিত হয়। এ বিলের উপর আলোচনা-সমালোচনা চলে। আলোচনার পর ১৯৫৬ সালের ২৯শে ফেব্রুয়ারি গণপরিষদ পাকিস্তানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ধরনের শাসনতন্ত্র গ্রহণ করে। অবশেষে ১৯৫৬ সালের ২রা মার্চ গভর্নর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা শাসনতন্ত্র বিলে সম্মতি দেন। ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চে দ্বিতীয় গণপরিষদ কর্তৃক এ শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়।
- পাকিস্তানের ইতিহাসে এ শাসনতন্ত্রটি ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৬৭৮.
মেজর মীর শওকত আলী মুক্তিযুদ্ধে কত নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন?
  1. ক) ৫ নং সেক্টর
  2. খ) ৭ নং সেক্টর
  3. গ) ৮ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৯ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১ টি সেক্টরে ও ৬৪ টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং সিলেট জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ‘সেক্টর নং ৫‘ গঠিত হয় ।
- মেজর মীর শওকত আলী  ছিলেন ৫ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার।
- এই সেক্টরকে ৬টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।

এছাড়াও,
- মুক্তিযুদ্ধে ৭ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার  ছিলেন -  নাজমুল হক, সুবেদার মেজর এ রব ও মেজর (পরে লে. কর্নেল) কাজী নুরুজ্জামান।
- মুক্তিযুদ্ধে ৮ নং সেক্টরে সেক্টর কামান্ডার ছিলেন - মেজর আবু ওসমান ও এম এ মঞ্জর।
- মুক্তিযুদ্ধে ৯ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার  ছিলেন ছিলেন মেজর এম এ জলিল এবং মেজর জয়নাল আবেদীন।
- অতিরিক্ত দায়িত্বে ছিলেন মেজর এম এ মঞ্জুর। এই সেক্টরে ছিল ৩টি সাব-সেক্টর।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিবিসি বাংলা নিউজ রিপোর্ট।
১০,৬৭৯.
When was the movie "Mujib: The Making of a Nation" released?
  1. 7 October, 2023
  2. 13 October, 2023
  3. 15 October, 2023
  4. 17 October, 2023
সঠিক উত্তর:
13 October, 2023
উত্তর
সঠিক উত্তর:
13 October, 2023
ব্যাখ্যা
• মুজিব: একটি জাতির রূপকার’:
- ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ ১৩ অক্টোবর সারা দেশে মুক্তি পায়।
- এই চলচ্চিত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ এবং শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা।
- বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ফারিয়া।
- বঙ্গবন্ধুর জীবন, বাঙালির মুক্তিসংগ্রাম ও ১৯৭৫ সালের মর্মন্তুদ ঘটনাকে এই চলচ্চিত্রে তুলে ধরা হয়েছে।
- বাংলাদেশ ভারত যৌথ প্রযোজনার এই মুভিটি পরিচালনা করেছেন ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক শ্যাম বেনেগাল।
- ২০২১ সালের ২২ জানুয়ারি ভারতের মুম্বাই ফিল্ম সিটিতে শুরু হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে সিনেমা নির্মাণ।

সূত্র: প্রথম আলো।
১০,৬৮০.
ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচির কয়টি দফা অর্থনীতি বিষয়ক ছিল?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি
- ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের নেতৃবৃন্দের এক কনভেনশনে শেখ মুজিবুর রহমান যে ছয়দফা দাবিনামা উত্থাপন করেছিলেন তা আদায়ের জন্য তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল ইতিহাসে তা ‘ঐতিহাসিক ছয়দফা আন্দোলন' নামে অভিহিত হয়ে আছে। 
- ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচির ৩টি দফা অর্থনীতি বিষয়ক ছিল -
১. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি।
২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
৩. মুদ্রা ও অর্থ ব্যবস্থা।
৪. রাজস্ব, কর, শুল্ক ব্যবস্থা।
৫. বৈদেশিক মুদ্রা ও বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্রতিরক্ষা।

উৎস: ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৮১.
পাকিস্তানের গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রথম দাবি কে উত্থাপন করেন?
  1. আব্দুল মতিন
  2. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
◉ পাকিস্তানের গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রথম দাবি উত্থাপন করেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।

ভাষা আন্দোলনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:

- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার সন্তান ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সর্বপ্রথম পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব তুলেছিলেন।
- তিনি সরকারি কাগজে বাংলা ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের করাচিতে গণপরিষদের অধিবেশন শুরু হয়।
- ২৫ ফেব্রুয়ারি ওই অধিবেশনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্তই সর্বপ্রথম রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার দাবিতে সোচ্চার হন।
- তিনি অধিবেশনে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, গণপরিষদে যে কার্যবিবরণী লেখা হয় তা ইংরেজি ও উর্দু ভাষায় লিপিবদ্ধ হয়।
- সমগ্র পাকিস্তানের ৫৬ শতাংশ মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলেন।
- অধিবেশনে ইংরেজি ও উর্দুর সঙ্গে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবি তোলেন তিনি।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলা ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা।
- আর সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা হিসেবে 'বাংলার' রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে মর্যাদা লাভ ছিল স্বাভাবিক।
- কিন্তু পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং উর্দুভাষী বুদ্ধিজীবীগণ উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন।
- এক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভাষা হিসেবে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে ঘোষণার দাবি উপেক্ষা করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
১০,৬৮২.
‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটি রবীন্দ্রনাথ কখন রচনা করেন?
  1. ক) সিপাহী বিদ্রোহের সময়
  2. খ) স্বদেশী আন্দোলনের সময়
  3. গ) তেভাগা আন্দোলনের সময়
  4. ঘ) সত্যাগ্রহ আন্দোলনের সময়
সঠিক উত্তর:
খ) স্বদেশী আন্দোলনের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্বদেশী আন্দোলনের সময়
ব্যাখ্যা
স্বদেশী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বাংলা ভাষায় বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধকারী শ্রেষ্ঠ দেশাত্মবোধক গানগুলো রচনা করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, মুকুন্দ দাস এবং রজণীকান্ত সেন প্রমুখ। আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটি রবীন্দ্রনাথ ঐ সময় রচনা করেন। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
১০,৬৮৩.
বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা কে?
  1. ধর্মপাল
  2. শেরশাহ
  3. শশাঙ্ক 
  4. লক্ষণ সেন
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক 
ব্যাখ্যা

 শশাঙ্ক:
- শশাঙ্ক বাংলার প্রথম স্বাধীন রাজা।
- বাংলার ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- তিনি বাংলার বাইরেও রাজ্য জয় করে এক বিশাল সাম্রাজ্য স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- শশাঙ্ক উত্তর ভারতের রাজনীতিতেও ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- ড. নীহাররঞ্জনের মতে শশাঙ্ক "স্বতন্ত্র স্বাধীন নরপতিরূপে সুবিস্তৃত রাজ্যের অধিকারী হইয়াছিলেন।"
- শশাঙ্ক সনাতন হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন।
- হর্ষবর্ধনের সভাকবি বাণভট্ট শশাঙ্ককে বৌদ্ধবিদ্বেষী ও বৌদ্ধ ধর্মের নিগ্রহকারীরূপে চিহ্নিত করেন।
- প্রতিভা বলে স্বাধীন গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
- তিনি গৌড় রাজ্যকে ভারতের বিহার ও উড়িষ্যা পর্যন্ত বিস্তৃত করেন।

উল্লেখ্য,
- সেন বংশের সর্বশেষ সার্বভৌম ও বাংলার শেষ হিন্দু রাজা লক্ষণ সেন।
- শেরশাহ ভারতবর্ষের সম্রাট ও শূর রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- ধর্মপাল বাংলার পাল বংশের দ্বিতীয় এবং সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও সভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্বদ্যালয়।

১০,৬৮৪.
প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য নয় কোনটি?
  1. সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাস ও শিশুর মধ্যে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ সৃষ্টি করা।
  2. ভাষা ও যোগাযোগ দক্ষতার বিকাশ করতে সহায়তা করা।
  3. ভালো-মন্দের পার্থক্য অনুধাবনের মাধ্যমে সঠিক পথে চলতে উদ্বুদ্ধ করা।
  4. অনিরাপদ ও অস্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনে সচেষ্ট করা।
সঠিক উত্তর:
অনিরাপদ ও অস্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনে সচেষ্ট করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিরাপদ ও অস্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনে সচেষ্ট করা।
ব্যাখ্যা

অনিরাপদ ও অস্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনে সচেষ্ট করা - প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য নয়। 

প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য:
১. আল্লাহতায়ালা/সৃষ্টিকর্তার প্রতি বিশ্বাস ও শিশুর মধ্যে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ সৃষ্টি করা এবং সকল ধর্ম ও ধর্মাবলম্বীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া।
২. শেখার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টির মাধ্যমে শিশুর কল্পনাশক্তি, সৃজনশীলতা ও নান্দনিক বোধের উন্মেষে সহায়তা করা।
৩. বিজ্ঞানের নীতি-পদ্ধতি ও প্রযুক্তির জ্ঞান অর্জন, সমস্যা সমাধানে তার ব্যবহার এবং বিজ্ঞানমনস্ক ও অনুসন্ধিৎসু করে গড়ে তুলতে সহায়তা করা।
৪. ভাষা ও যোগাযোগ দক্ষতার বিকাশ এবং নিজেকে প্রকাশ করতে সহায়তা করা।
৫. গাণিতিক ধারণা, যৌক্তিক চিন্তা ও সমস্যা সমাধানের যোগ্যতা অর্জনে সহায়তা করা।
৬. সামাজিক ও সুনাগরিক হওয়ার গুণাবলি এবং বিশ্বজনীন দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনে সহায়তা করা।
৭. ভালো-মন্দের পার্থক্য অনুধাবনের মাধ্যমে সঠিক পথে চলতে উদ্বুদ্ধ করা।
৮. অন্যকে অগ্রাধিকার দেওয়া, পরমতসহিষ্ণুতা, ত্যাগের মনোভাব ও মিলেমিশে বাস করার মানসিকতা সৃষ্টি করা।
৯. প্রতিকূলতা মোকাবিলার মাধ্যমে শিশুর আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করা।
১০. নিজের কাজ নিজে করার মাধ্যমে শ্রমের মর্যাদা উপলব্ধি ও আত্মমর্যাদা বিকাশে সহায়তা করা।
১১. প্রকৃতি, পরিবেশ ও বিশ্বজগৎ সম্পর্কে জানতে ও ভালোবাসতে সহায়তা করা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্বুদ্ধ করা।
১২. নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনে সচেষ্ট করা।
১৩. জাতীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ধুদ্ধকরার মাধ্যমে বাংলাদেশকে ভালোবাসতে সাহায্য করা।

সূত্র: প্রাথমিক শিক্ষাক্রম-২০১১, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড। 

১০,৬৮৫.
কোন মুঘল সম্রাটের আমলে জিজিয়া কর পুন:স্থাপিত হয়?
  1. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  2. সম্রাট আওরঙ্গজেব
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. সম্রাট আকবর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আওরঙ্গজেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা
জিজিয়া কর:
- মুসলিম রাষ্ট্রের যুদ্ধক্ষম অমুসলিম নাগরিকদের থেকে আদায়যোগ্য এক ধরনের নিরাপত্তা 'কর'।

আরোপিত:
- এটা নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও বৃদ্ধদের ওপর আরোপিত হয় না।
- বলা যায়, এটা মুসলিম রাষ্ট্রে বসবাস করে প্রতিরক্ষা কাজে তাদের কায়িক অংশগ্রহণ না করার বিনিময়ে প্রদেয় কর।
- যুদ্ধের সময়ও এই করের বিনিময়ে অমুসলিমরা মুসলিম রাষ্ট্রে সব রকম নাগরিক অধিকার ভোগ করে।
- মুসলিম ভারতে সব সময়ই অমুসলমানদের নিকট থেকে জিজিয়া আদায় করা হত।

 রহিত:
- সম্রাট আকবর ১৫৬৪ সালে জিজিয়া কর রহিত করেন।

পুন:স্থাপন:
- সম্রাট আওরঙ্গজেব পুনরায় ১৬৭৯ সালে তা অমুসলমানদের উপর আরোপ করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১০,৬৮৬.
'কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা'  ছয় দফার কততম দফায় অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ক) ষষ্ঠ দফা
  2. খ) পঞ্চম দফা
  3. গ) তৃতীয় দফা
  4. ঘ) দ্বিতীয় দফা
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্বিতীয় দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্বিতীয় দফা
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসন ও শােষণ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ছয় দফা কর্মসূচি ঘােষণা করেন।

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
১০,৬৮৭.
বাংলাদেশের ইতিহাসে যে ঘটনা আগে ঘটেছিল -
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. যুক্তফ্রন্ট গঠন
  3. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
  4. লাহোর প্রস্তাব
সঠিক উত্তর:
লাহোর প্রস্তাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোর প্রস্তাব
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ইতিহাসে লাহোর প্রস্তাব আগে ঘটেছিল।

লাহোর প্রস্তাব:
- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ পাকিস্তানে লাহোরে মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ কে ফজলুল হক একটি প্রস্তাব পেশ করেন।
- জিন্নাহর সভাপতিত্বে প্রস্তাবটি সভায় গৃহীত হয়।
- এই প্রস্তাবই ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব নামে পরিচিত।
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল দ্বিজাতি তত্ত্ব।
- এ প্রস্তাবের কোথাও পাকিস্তান শব্দটি ছিল না।
- তথাপি এ প্রস্তাব ‘পাকিস্তান প্রস্তাব' হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
- এ প্রস্তাব ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে পৃথক আবাসভূমির স্বপ্ন বপন করে।

অন্যদিকে,
ভাষা আন্দোলন:
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

যুক্তফ্রন্ট গঠন:
- চারটি দল নিয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার হয় ২১ দফা।
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়ী হয় এবং মুসলিম লীগ শোচনীয়ভাবে পরাজয় বরণ করে।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১০,৬৮৮.
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কনিষ্ঠতম শহীদ কে? 
  1. আবু আহাদ
  2. আব্দুল আহাদ
  3. আবু সাঈদ
  4. আলী আহমেদ 
সঠিক উত্তর:
আব্দুল আহাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল আহাদ
ব্যাখ্যা

• জুলাই আন্দোলনে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ:
- ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ শহীদ আব্দুল আহাদ।

⇒ ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নিহত হয় ৪ বছরের শিশু আব্দুল আহাদ। 
- শহীদ হওয়া সবচেয়ে ছোট শিশুর বয়স ৪ বছর। রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগে নিজ বাসার বারান্দায় গুলিবিদ্ধ হয়েছিল সে। পরদিন ২০ জুলাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

⇒ আহাদের মতোই বাসায় থেকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছে আরও তিন শিশু।
- তারা হলো রাজধানীর মিরপুরে সাফকাত সামির (১০), উত্তরায় নাঈমা সুলতানা (১৫) ও নারায়ণগঞ্জে রিয়া গোপ (৬)।

উল্লেখ্য,
- জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে কমপক্ষে ১৩৩ শিশু শহীদ হয়েছে। তাদের মধ্যে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের শ্রমে নিয়োজিত শিশুরাও রয়েছে। এই শিশুদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়েছিল ১১৭ জন।

এছাড়াও,
- শিশু বলতে ১৮ বছরের কম বয়সীদের বোঝানো হয়েছে। বাংলাদেশের শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী, ১৮ বছরের কম বয়সী সবাই শিশু।
- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গেজেট অনুযায়ী, শহীদের সংখ্যা এখন ৮৩৬ জন।

তথ্যসূত্র:
i) জুলাই আর্কাইভ।
ii) প্রথম আলো।

১০,৬৮৯.
পলাশীর যুদ্ধে কোন ফরাসি সেনানায়ক বাংলার নবাবের পক্ষে লড়াই করে?
  1. ক) ক্যাপ্টেন হকিন্স
  2. খ) সিন ফ্রে
  3. গ) বার্থালিউ দিয়াজ
  4. ঘ) আল বুকার্ক
সঠিক উত্তর:
খ) সিন ফ্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিন ফ্রে
ব্যাখ্যা
- ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন ইংরেজদের সাথে সংঘটিত পলাশীর যুদ্ধে ফরাসি সেনানায়ক সিন ফ্রে নবাব সিরাজদ্দৌলার পক্ষে প্রাণপণ যুদ্ধ করেন।
- অন্যদিকে, নবাবের প্রধান সেনাপতি মীর জাফর সহ আরো কয়েকজন নবাবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করাই নবাব যুদ্ধে পরাজিত হন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : এসএসসি - উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১০,৬৯০.
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে শহিদ হননি কে?
  1. রফিক
  2. বরকত
  3. আসাদ
  4. জব্বার
সঠিক উত্তর:
আসাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসাদ
ব্যাখ্যা

- আসাদুজ্জামান আসাদ ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহিদ হন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন, আবদুল জব্বার ঘটনাস্থলে নিহত হন। আবদুস সালাম গুলিবিদ্ধ হয়ে ৭ এপ্রিল মেডিকেল কলেজে মারা যান। 

ভাষা আন্দোলন: 
- ভাষা আন্দোলন ছিল বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে পরিচালিত একটি গণআন্দোলন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার পর কেন্দ্রীয় সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার সিদ্ধান্ত নিলে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ তীব্র প্রতিবাদ করে। ঢাকার ছাত্র ও বুদ্ধিজীবীরা বাংলা ভাষার পক্ষে দাবিনামা তৈরি করেন এবং তমদ্দুন মজলিস-এর নেতৃত্বে আন্দোলন শুরু হয়।  

- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে ১৪৪ ধারা ভেঙে ছাত্ররা মিছিল করলে পুলিশের গুলিতে রফিক, জব্বার, বরকত, সালামসহ অনেকেই শহিদ হন। পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারিতে গণবিক্ষোভে আবারো পুলিশি দমন-পীড়নের ঘটনা ঘটে। শহিদদের স্মরণে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘ আন্দোলনের পর ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান সরকার বাংলা ও উর্দু উভয় ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়।

- এই আন্দোলনের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের স্বীকৃতিস্বরূপ ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালে। ভাষা আন্দোলন পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১০,৬৯১.
ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয় কোথায়?
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) করাচীতে
  3. গ) লাহোরে
  4. ঘ) কলকাতায়
সঠিক উত্তর:
গ) লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লাহোরে
ব্যাখ্যা
• শেখ মুজিবুর রহমান :
- ১৯৬৩ সালে হোসেন সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুর পর আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ মুজিব। তিনি ছিলেন আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্র তত্ত্বের কট্টর সমালোচক।
- ১৯৬৬ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর জাতীয় সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেন।
- এই ছয় দফা ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্ত্বশাসনের রূপরেখা।
- মুজিবের ৬ দফার প্রতি জনগণের ব্যাপক সমর্থনে ভীত হয়ে তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার শেখ মুজিবকে।
- ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে কেন্দ্ৰীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে শেখ মুজিবুর রহমানকে গণসম্বর্ধনা দেওয়া হয়।সেখানেই উত্থাপিত হয় এগার দফা দাবি যার মধ্যে ছয়দফার সবগুলোই দফাই অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- লাখো মানুষের এই জমায়েতে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানে পাকবাহিনীর নির্বিচার হত্যাযজ্ঞের ফলে একদিকে ছয়দফা কর্মসূচির পরিসমাপ্তি ঘটে এবং নয় মাস মুক্তিযুদ্ধের পর অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের। 

উৎস:  জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া।
১০,৬৯২.
বীরাঙ্গনাদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়-
  1. ক) ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  2. খ) ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩
  3. গ) ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের ৭৩তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ৬ জুন ২০২১, গেজেট প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 
- এই গেজেটের কারনে ২০১৫ সালের ১২ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ৪১৬ জন বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পায়।
- কিন্তু ২০২১ সালের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমান বীরাঙ্গনার সংখ্যা ৪৩৮ জন করা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো।
১০,৬৯৩.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'জাতীয় প্রতীক' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৪ (১) নং
  2. ৪ (২) নং
  3. ৪ (৩) নং
  4. ৪ (৪) নং
সঠিক উত্তর:
৪ (৩) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ (৩) নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক:
- সংবিধানের প্রথম ভাগের (প্রজাতন্ত্র) ৪ (৩) নং অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বর্ণনা করা আছে।

• বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের ৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা'র প্রথম দশ চরণ।
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হলো সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হলো উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, তার উভয় পার্শ্বে দুইটি করে তারকা।
(৪) উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা। 
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি। এ তিনটি উপাদানের ওপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হল অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক। তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।
- জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার পটুয়া কামরুল হাসান।

⇒ ভাসমান শাপলাটি এঁকেছেন মোহাম্মদ ইদ্রিস ও এর দুই পাশে ধানের শীষবেষ্টিত পাটপাতা ও চারটি তারকা যুক্ত করেছেন শামসুল আলম।
- কামরুল হাসান ও তাঁর দলের করা এই প্রতীকটি জাতীয় প্রতীক হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয় ১৯৭২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতি।
- জাতীয় প্রতীকের চারটি তারকা চিহ্ন দিয়ে এই চারটি মূলনীতিকেই বোঝানো হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০,৬৯৪.
‘জাপোনিকা জাতের’ ধান চাষের প্রমাণ পাওয়া গেছে-
  1. ক) সুনামগঞ্জে
  2. খ) ময়মনসিংহে
  3. গ) জয়দেবপুরে
  4. ঘ) উয়ারী-বটেশ্বরে
সঠিক উত্তর:
ঘ) উয়ারী-বটেশ্বরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উয়ারী-বটেশ্বরে
ব্যাখ্যা
নরসিংদীর উয়ারী-বটেশ্বরে আড়াই হাজার বছর আগের জাপোনিকা জাতের ধান চাষের প্রমাণ পেয়েছেন গবেষকেরা। জাপান, থাইল্যান্ড, চীনে এই জাতের ধান এখনো চাষ হয়। কিছুটা আঠালো এই ধানের ভাত পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় জনপ্রিয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ও যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের (ইউসিএল) পাঁচ গবেষকের যৌথ গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা(০৭ ডিসেম্বর ২০১৯)।
১০,৬৯৫.
বাকশাল গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৫
  2. খ) ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৫
  3. গ) ৭ জুন ১৯৭৫
  4. ঘ) ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী দেশের সকল রাজনৈতিক দল ভেঙে দিয়ে 'বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ' বা বাকশাল গঠন করা হয়। এর সভাপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী। এর আগে ২৫ জানুয়ারী জাতীয় সংসদে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেনী)
১০,৬৯৬.
ময়নামতিতে কোন সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া যায়?
  1. গুপ্ত সভ্যতা
  2. মৌর্য সভ্যতা
  3. বৌদ্ধ সভ্যতা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ সভ্যতা
ব্যাখ্যা
⇒ ময়নামতিতে বৌদ্ধ সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া যায়।

ময়নামতি:
- ময়নামতির পূর্ব নাম রোহিতগিরি।
- এটি কুমিল্লা শহরের প্রায় ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে বাংলাদেশের পূর্ব সীমায় বিচ্ছিন্ন অনুচ্চ পার্বত্য এলাকা।
- এখানে প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্যের ফলে অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ নিদর্শনাদি উন্মোচিত হয়েছে।
- মেঘনা বেসিনের ভাটিতে গোমতী নদী তীরস্থ ময়নামতী গ্রাম থেকে লালমাই রেলস্টেশনের নিকটে চান্দিমুরা পর্যন্ত এই ক্ষুদ্র শৈলশ্রেণি উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১৭ কিলোমিটার বিস্তৃত।
- এর প্রশস্ততম অংশটি ৪.৫ কিলোমিটার চওড়া এবং সর্বোচ্চ চূড়াটি ৪৫ মিটার উঁচু।
- ১৮৭৫ সালে পাহাড়গুলির মধ্য দিয়ে প্রসারিত পুরানো সড়কটির পুনঃনির্মাণ কালে শ্রমিকরা হঠাৎ কিছু ধ্বংসাবশেষ উদ্ঘাটন করে।
- প্রকৃতপক্ষে এটি ছিল একটি বৌদ্ধ মঠ।
- খননকৃত প্রত্নস্থান খননকৃত প্রত্নস্থানসমূহের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো শালবন বিহার।
- এটি শৈলরাজির প্রায় কেন্দ্রে বর্তমান কোটবাড়িস্থ বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন অ্যাকাডেমির সন্নিকটে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ও বাংলাপিডিয়া।
১০,৬৯৭.
উমহাদেশে প্রথম স্বর্ণমুদ্রা চালু করেন কারা?
  1. গুপ্তরা
  2. কুষাণরা
  3. দিল্লির সুলতানরা
  4. মৌর্যরা
সঠিক উত্তর:
কুষাণরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষাণরা
ব্যাখ্যা
কুষাণ যুগ:
- উমহাদেশে প্রথম স্বর্ণমুদ্রা চালু করেন কুষাণ সম্রাটগণ।
- কুষাণ সম্রাট বীম কদফিসেসই সম্ভবত সর্বপ্রথম স্বর্ণমুদ্রা প্রবর্তন করেন যেখানে মুদ্রার উপরিপৃষ্ঠে বেদিতে যজ্ঞরত রাজার প্রতিকৃতি উৎকীর্ণ রয়েছে।
- প্রত্নতাত্ত্বিকগণ মনে করেন, এই বিশেষ প্রতিকৃতি পার্থিয়ান রাজা গোটার্জেসের স্বর্ণমুদ্রার নকশা দ্বারা প্রভাবিত।
- তবে পরবর্তীকালের কুষাণ সম্রাট কনিষ্ক ও হুবিষ্ক তাদের স্বর্ণমুদ্রায় বিভিন্ন ধরনের নকশা ও প্রতীক ব্যবহার করেছেন যেগুলো আলাদাভাবে বিশ্লেষণের দাবি রাখে।
- প্রত্নতাত্ত্বিকগণ বাংলার বিভিন্ন প্রত্নস্থান থেকে কুষাণ সম্রাট কনিষ্ক, হুবিষ্ক ছাড়াও মহানাদ কুষাণ, প্রথম বাসুদেব ও দ্বিতীয় বাসুদেবের স্বর্ণমুদ্রা আবিষ্কার করেছেন।

উৎস: বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, বিবিএ বাংলা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৬৯৮.
কত সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. ক) ১৯৫২ সাল
  2. খ) ১৯৫৪ সাল
  3. গ) ১৯৫৬ সাল
  4. ঘ) ১৯৫৮ সাল
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৬ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৬ সাল
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি:

- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন। 
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংরাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত,
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
- ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা'র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী ও বাংলাপিডিয়া।
১০,৬৯৯.
জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ আবু সাঈদ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন?
  1. জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
  3. হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় 
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

জুলাই অভ্যুত্থান:
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহিদ- আবু সাইদ।
- ১৬ জুলাই ২০২৪ সালে তিনি শহিদ হন।
- আবু সাঈদ ২০০১ সালে রংপুরের জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন।
- তার বাবা-মা, মকবুল হোসেন ও মনোয়ারা বেগম।
- আবু সাইদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বায়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।

উৎস: প্রথম আলো।

১০,৭০০.
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের শরণার্থীদের সহায়তার জন্য ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়-
  1. ক) লন্ডনে
  2. খ) নিউইয়র্কে
  3. গ) ওয়াশিংটনে
  4. ঘ) জেনেভায়
সঠিক উত্তর:
খ) নিউইয়র্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিউইয়র্কে
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের শরণার্থীদের সহায়তার জন্য পণ্ডিত রবি শংকরের উদ্যোগে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।
স্থানঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে।
অনুষ্ঠানে ৪০,০০০ দর্শকের উপস্থিতিতে জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলানসহ বিশ্বখ্যাত শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলাপিডিয়া।