বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১০২ / ১২৪ · ১০,১০১১০,২০০ / ১২,৪২১

১০,১০১.
হিউয়েন সাঙ কোন শতকে সমতটে এসেছিলেন?
  1. ৬ষ্ঠ
  2. ৭ম
  3. ৮ম
  4. ৯ম
সঠিক উত্তর:
৭ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ম
ব্যাখ্যা
সমতট:
- দক্ষিণ পূর্ব বাংলার জনপদ সমতট নামটি বর্ণনামূলক এবং এর অর্থ তটের সমান্তরাল।
- চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ রয়েছে।
- হিউয়েন সাঙ সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন।
- হিউয়েন সাঙ বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিদ্যমান অবস্থার যে বর্ণনা রেখে গেছেন তা থেকে বোঝা যায় যে, কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই সমতট।
- সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল।
- মেঘনা পূর্ববর্তী অঞ্চলই সমতট বলে পরিচিত ছিল।
- সমতটের কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী 'লালমাই' এলাকা।
- ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চলই নিয়েই ছিল প্রাচীন সমতট।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১০২.
বাংলার শেষ হিন্দু শাসক কে ছিলেন?
  1. কেশব সেন
  2. গৌরী সেন
  3. তান সেন
  4. বল্লাল সেন
সঠিক উত্তর:
কেশব সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেশব সেন
ব্যাখ্যা
বাংলায় সেন বংশের শাসন:
- পাল বংশের পতনের বারো শতকের দ্বিতীয় ভাগে বাংলায় সেন বংশের শাসনের সূচনা হয়।
- বাংলার সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সামন্ত সেন।
- সামন্ত সেন কোনো রাজ্য প্রতিষ্ঠা না করায় সেন বংশের প্রথম রাজার মর্যাদা দেওয়া হয় সামন্ত সেনের পুত্র হেমন্ত সেনকে।
- এই বংশের শেষ উল্লেখযোগ্য রাজা ছিলেন - লক্ষ্মণ সেন। ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজী নদীয়া আক্রমণ করলে তিনি প্রতিরোধ না করে মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুর পালিয়ে আসেন। এই অঞ্চলে তিনি আরো ২/৩ বছর রাজত্ব করেন।
- ১২০৫/০৬ খ্রিস্টাব্দে লক্ষ্মণ সেনের মৃত্যুর পর তাঁর দুই পুত্র বিশ্বরূপসেন ও কেশব সেন যথাক্রমে সিংহাসনে বসেন। তাঁদের শাসনামলের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায় না।
- তবে বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে তাঁদের শাসন যে আরও প্রায় ২৫ বছর স্থায়ী ছিল, লিপি প্রমাণে তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।
- লক্ষ্মণ সেনের মৃত্যুর পর বিশ্বরূপসেন ও কেশবসেন কর্তৃক বিক্রমপুর ও বঙ্গে ভূমিদান করা থেকে প্রমাণিত হয় যে, এতদঞ্চলে তাঁদের আধিপত্য বজায় ছিল।
- কেশব সেনের (রাজত্বকাল ১২২৫ - ১২৩০ সাল) পর সেনগণ বাংলায় রাজত্ব করেছিলেন এমন কোন প্রমাণ এখনও পাওয়া যায় নি।
- সেন উপাধিধারী কেশব সেনেই ছিলেন বাংলার শেষ রাজা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১০,১০৩.
অষ্টম নারী এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন দেশ কোনটি?
  1. ক) পাকিস্তান
  2. খ) ভারত
  3. গ) বাংলাদেশ
  4. ঘ) শ্রীলঙ্কা
সঠিক উত্তর:
খ) ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভারত
ব্যাখ্যা
- অষ্টম নারী এশিয়া কাপের আয়োজক দেশ বাংলাদেশ। 
- অষ্টম নারী এশিয়া কাপের সবগুলো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় সিলেট স্টেডিয়ামে। 
- অষ্টম নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২।
১০,১০৪.
‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’ নামের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছবিটির পরিচালক ছিলেন-
  1. জহির রায়হান
  2. শাহরিয়ার কবির
  3. খান আতাউর রহমান
  4. সুভাষ দত্ত
সঠিক উত্তর:
সুভাষ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুভাষ দত্ত
ব্যাখ্যা

- সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের চলচ্চিত্র ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’।

• অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী (১৯৭২):
- স্বাধীনতা-পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধের দ্বিতীয় ছবি অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী। 
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হলেও বিষয়বস্তুতে অনন্যসাধারণ এই চলচ্চিত্রটি।
- 'লাঞ্ছিত নারীত্বের মর্যাদা দাও, নিষ্পাপ সন্তানদের বরণ কর'- এই স্লোগানে ১৯৭২ সালে প্রখ্যাত পরিচালক সুভাষ দত্ত নির্মাণ করেন অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী চলচ্চিত্রটি।
- ছবিটি মূলত একজন অভিনেতাকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে; যিনি যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে রক্ষা পেতে পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যান। 
- কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শুরু হয় নিজের বিবেকের দংশন। 
- এভাবেই এগিয়ে চলে ছবিটির গল্প। 
- ছবিটির সংগীত পরিচালনা করেন সত্য সাহা। 
- ছবিতে দারুণ লাগসইভাবে ব্যবহৃত হয় আপেল মাহমুদের কণ্ঠে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে’ গানটি।
- এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন ববিতা, উজ্জল, আনোয়ার হোসেনসহ আরো অনেকে।

তথ্যসূত্র: i) প্রথম আলো।
ii) কালের কন্ঠ।

১০,১০৫.
‘Concert for Bangladesh' কে আয়োজন করেন?
  1. জর্জ উইলিয়াম
  2. জর্জ হ্যারিসন
  3. জর্জ লেনন
  4. রাজার রয়টার্স
সঠিক উত্তর:
জর্জ হ্যারিসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্জ হ্যারিসন
ব্যাখ্যা
দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:

- মহান মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি বন্ধুদের পাশে এসে দাঁড়ানোর অসাধারণ একটি উদ্যোগের নাম 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'।
- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট রোববার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আয়োজন করা হয়েছিল সেই ঐতিহাসিক কনসার্টটি।
- ম্যনহাটনের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে হওয়া সেই কনসার্টের অন্যতম দুই উদ্যোক্তা ছিলেন ইংল্যান্ডের সাড়া জাগানো ব্যান্ড দল দ্য বিটলস ব্যান্ডখ্যাত পশ্চিমা সঙ্গীতের অগ্রগণ্য শিল্পী জর্জ হ্যারিসন ও ভারতীয় উপমহাদেশের কিংবদন্তি সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর।
- মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য অংশ সেই কনসার্টের ৫০ বছর পূর্তিতে নিউইয়র্কে আয়োজন করা হয়েছে একটি উৎসবের।
- ৩১ জুলাই শনিবার বিকালে জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টারে 'ফ্রেন্ডস অব ফ্রিডম' নামে একটি সংগঠন এই উৎসবের আয়োজন করেছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১৬ জুলাই ২০২১।
১০,১০৬.
সিপাহী বিদ্রোহ প্রথম ঘোষণা করেন কে?
  1. জোয়ান বকশ খান
  2. বাহাদুর শাহ জাফর
  3. মঙ্গল পাণ্ডে
  4. নানা সাহেব
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল পাণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল পাণ্ডে
ব্যাখ্যা
সিপাহী বিদ্রোহ:
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চের বিকেল, ব্রিটিশ ভারতের দেশীয় সেনাদের প্রশিক্ষণ চলছিল ব্যারাকপুরের সেনানিবাসে।
- প্রশিক্ষণে ব্যবহার করা হচ্ছিল 'বিতর্কিত' এনফিল্ড রাইফেল।
একজন সিপাহি প্রশিক্ষণের সময় চর্বিযুক্ত কার্তুজ ব্যবহারে অস্বীকৃতি জানান।
- তাকে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা করলে বিক্ষুব্ধ হয়ে ইংরেজ অফিসারকেই গুলি করে বসেন।
- সেই সিপাহির নাম মঙ্গল পাণ্ডে।
- লেফটেন্যান্ট বফকে গুলি করার সময় সৈনিকদের কেউ কেউ তাকে আটকানোর চেষ্টা করলেও বাকিরা মঙ্গল পাণ্ডের পক্ষ নেন।
- ২৯ মার্চ, ১৮৫৭ খ্রি. ব্যারাকপুরে মঙ্গল পান্ডে নামক জনৈক সিপাহী প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করে।
তাঁকে এবং তাঁর সঙ্গীদের প্রাণদন্ডে দন্ডিত করে বিদ্রোহ দমন করতে চেষ্টা করা হয়।

উৎস: ইতিহাস এসএসএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১০৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময়ে 'হেমায়েত বাহিনী' কোন অঞ্চলে যুদ্ধ করে?
  1. বরিশাল
  2. সিরাজগঞ্জ
  3. পাবনা
  4. টাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা

আঞ্চলিক বাহিনী:
- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

১০,১০৮.
১৯৭১ সালে ‘The Concert for Bangladesh’ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. কলকাতা
  3. লন্ডন
  4. নিউইয়র্ক
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
The Concert for Bangladesh:
- মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়ের মুখে যুদ্ধ বিরতি ঘটিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে বাধাগ্রস্ত করতে জাতিসংঘে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
- তবে যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেসের অনেক সদস্য, বিভিন্ন সংবাদপত্র, শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সর্বস্তরের জনগণ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ভূমিকা পালন করে।
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পী জর্জ হ্যারিসন 'কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ' আয়োজন করে তা থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন৷
- ভারতের খ্যাতিমান শিল্পী রবি শঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে মানুষকে উজ্জীবিত করেন।
- তিনি বাংলাদেশ কনসার্টের আয়োজকদের মধ্যে অন্যতম।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
ii) ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১, প্রথম আলো।
১০,১০৯.
'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' বলা হয় কাকে?
  1. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  2. গিয়াস উদ্দিন আযম শাহ
  3. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  4. ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা

শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ: 
- ইলিয়াস শাহের রাজত্বকাল বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল অধ্যায়।
- একজন সামান্য শাসক থেকে একত্রিত বৃহৎ বাংলা প্রতিষ্ঠিত করে এখানে সুষ্ঠু প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করে জনকল্যাণমূলক শাসন প্রতিষ্ঠিত করায় ইলিয়াস শাহ বাংলার ইতিহাসে উচ্চ স্থান অধিকার করে আছেন।
- দুইবাংলার সমগ্র সীমানাকে একত্রিত করে বাঙ্গালাহ নামটি তাঁর সময়েই প্রচলিত হয়
- শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহকে শাহ-ই-বাঙ্গালাহ বলা হয়।
- তাঁর রাজত্বকালে বাঙালিরা সর্বপ্রথম একটি জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এ সময় বাংলার লোকেরা বাঙালি হিসেবে পরিচিত হয়।
- এ কারণে ঐতিহাসিকগণ তাঁকে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক' বলে উল্লেখ করেছেন।
- বাংলার ইতিহাসের এ মহানায়ক সুদীর্ঘ ১৬ বছর রাজত্ব করার পর ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১১০.
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৮৮ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার: 

- শিশুসাহিত্যে সার্বিক অবদানের জন্য বাংলাদেশ শিশু একাডেমি বছরে একজন সাহিত্যসেবীকে এ পুরস্কার প্রদান করে।
- বাংলা ১৩৯৬ সন (১৯৮৯ খ্রি) থেকে এ পুরস্কার চালু করা হয়েছে।
- একজন কবি বা সাহিত্যিক জীবনে মাত্র একবার এ পুরস্কার লাভ করতে পারেন।
- এ পুরস্কার মরণোত্তর পুরস্কার হিসেবে দেওয়ার বিধান নেই।
- শিশু একাডেমি পুরস্কারের মান নগদ ২৫ হাজার টাকা।
- পুরস্কৃত সাহিত্যিককে নগদ অর্থ, সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০,১১১.
বাংলার বারোভূঁইয়াদের নেতা ছিলেন কে?
  1. ক) ভাওয়াল গাজী
  2. খ) চাঁদ রায়
  3. গ) ঈশা খান
  4. ঘ) পরমানন্দ রায়
সঠিক উত্তর:
গ) ঈশা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঈশা খান
ব্যাখ্যা
- মুঘল আমলে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের স্বাধীনচেতা জমিদারগণ ‘বারোভূঁইয়া’ নামে পরিচিত।
- বারোভূঁইয়াদের নেতা ছিলেন সোনারগাঁও এর জমিদার ঈসা খান এবং তার পুত্র মুসা খান।
- সম্রাট আকবরের সময় রাজমহলের যুদ্ধে দাউদ কররানী পরাজিত হলেও সমগ্র বাংলা মুঘলদের অধিকারে আসেনি। বারোভূঁইয়ারা স্বাধীনভাবেই তাদের জমিদারি বজায় রাখে।
- পরবর্তীতে সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময় বাংলার সুবাদার ইসলাম খান ১৬১১ সালে বারোভূঁইয়াদের চূড়ান্তভাবে পরাজিত করে সমগ্র বাংলা মুঘল শাসনের অধীনে আনেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১০,১১২.
ব্রিটিশবিরোধী তিতুমীর কোথায় বাঁশেরকেল্লা গড়ে তোলেন?
  1. নারিকেলবাড়িয়া
  2. হুগলি
  3. ব্যারাকপুর
  4. মুর্শিদাবাদ
সঠিক উত্তর:
নারিকেলবাড়িয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারিকেলবাড়িয়া
ব্যাখ্যা

• তিতুমীর:
- তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন তাহরিক ই মুহম্মদীয়া।
- মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- উত্তর ভারত ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে যখন ওয়াহাবি আন্দোলনের (তাহরিক ই মুহম্মদীয়া) জোয়ার চলছে, তখন পশ্চিম বঙ্গের বারাসাত অঞ্চলে তিতুমীরের নেতৃত্বে এই আন্দোলন প্রবল আকার ধারণ করে।
- ওয়াহাবি আন্দোলন ছিল উত্তর ভারতের সৈয়দ আহমদ শহীদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত।
- তিতুমীর হজ করার জন্য মক্কা শরিফ যান এবং ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে আসেন।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তিতুমীর তাঁর প্রধান ঘাটি স্থাপন করেন।
- নির্মাণ করেন ইতিহাস খ্যাত তাঁর বাঁশের কেল্লা।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে তিতুমীরের বিরুদ্ধে ইংরেজ সরকার এক বিশাল সুশিক্ষিত সেনা বাহিনী প্রেরণ করে। মেজর স্কটের নেতৃত্বে এই বাহিনী তিতুমীরের নারিকেলবাড়িয়ার বাঁশের কেল্লা আক্রমণ করে।এই যুদ্ধে তিনি নিহত হন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১১৩.
ঢাকা শহরে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ পরিচালনার মূল দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. টিক্কা খান
  2.  খাদিম হোসেন রাজা
  3.  ইয়াহিয়া খান
  4. রাও ফরমান আলী
সঠিক উত্তর:
রাও ফরমান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
- পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
- ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।
- ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্ব পান জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
- এ পরিকল্পনার সার্বিক তত্ত্বাবধান অর্থাৎ মূল দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল টিক্কা খান।

সূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,১১৪.
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানকে বর্তমানে কোথায় সমাহিত করা হয়েছে?
  1. ক) নরসিংদী
  2. খ) করাচি
  3. গ) আজিমপুর
  4. ঘ) মিরপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিরপুর
ব্যাখ্যা
- বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ১৯৪১ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলায়।

-  তিনি শহীদ হন ২০ আগস্ট, ১৯৭১ সালে।
- তিনি বিমান বাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট ছিলেন।
- তাঁকে প্রথমে কবর দেয়া হয়েছিল করাচিতে।
- ২০০৬ সালে করাচি থেকে এনে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো আর্কাইভ।
১০,১১৫.
ভারতবর্ষকে 'বিধর্মীর রাজ্য' বলে ঘোষণা করেছেন কে?
  1. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
  2. মীর নিসার আলী
  3. হাজী শরীয়ত উল্লাহ
  4. মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন
সঠিক উত্তর:
হাজী শরীয়ত উল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজী শরীয়ত উল্লাহ
ব্যাখ্যা
•ফরায়েজি মতবাদ:
- হাজী শরিয়ত উল্লাহ ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব’ অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি। 
- শরিয়ত উল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয়(ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি বিধর্মী বিজাতীয় শাসিত দেশে জুমা এবং দুই ঈদের নামাজ বর্জনের জন্য মুসলমানদের নির্দেশ দিয়েছিলেন।নুন-ভাতের দাবিও উত্থাপন করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে শরিয়ত উল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
-  ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

এছাড়াও,
- হাজী শরিয়ত উল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর যোগ্যপুত্র মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।
-  দুদু মিয়া ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুদু মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১১৬.
ইবনে বতুতা ভারতে আসেন কোন শাসকের আমলে?
  1. ফিরোজ শাহ তুঘলক
  2. মুহম্মদ বিন তুঘলক
  3. আলাউদ্দিন খলজি
  4. সিকান্দার লোদি
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ বিন তুঘলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ বিন তুঘলক
ব্যাখ্যা

 ইবনে বতুতা:
- মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় সফর করেন।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে একুশ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন।
- এবং আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন।
- ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি দিল্লিতে পৌঁছেন।
- ইবনে বতুতা ভারতে আসেন মুহম্মদ বিন তুঘলক শাসনামালে।
- সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক তাঁকে দিল্লির কাজী নিযুক্ত করেন।
- প্রায় আট বছর তিনি এ পদে বহাল ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- মুহম্মদ বিন তুঘলক দিল্লির তুগলক বংশের দ্বিতীয় সুলতান।
- তিনি ১৩২৫ থেকে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেন।
- হুমায়ুন মুগল মুঘল সম্রাট বাবরের জ্যেষ্ঠ পুত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১০,১১৭.
আসাদ গেইট কোন ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত?
  1. ১৯৫২ ভাষা আন্দোলন
  2. ১৯৬৯  গণঅভ্যুত্থান
  3. ১৯৭১  মুক্তিযুদ্ধ
  4. ১৯৬৬ ছয় দফা
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯  গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯  গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ গণ অভ্যুত্থান:
- ১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার , পূর্ব পাকিস্তানের - স্বায়ত্তশাসন ও আয়ুবখানের পদত্যাগ কেন্দ্র করে ছাত্র-জনতা ও সরকারি সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ হয় যা ১৯৬৯ গণ অভ্যুত্থান নামে পরিচিত ।
- ১৯৬৯ সালের ৪ ঠা জানুয়ারি সর্বদলীয় রাষ্ঠভাষা গঠন করা হয়।
-  ঐ সময় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবি ঘোষণা করে।
-  ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা ও ছাত্র আসাদুজ্জামান আসাদ শহিদ হন
-  ফলাফল -  আয়ুব সরকার পদত্যাগ করেন ও  ৭০ এর নির্বাচন দিতে সরকার বাধ্য হয় ।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও সভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১০,১১৮.
মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন কে?
  1. আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. কামরুজ্জামান
  4. মোশতাক আহমেদ
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।
এই সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ-
রাষ্ট্রপতিঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান;
উপরাষ্ট্রপতিঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম;
প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীঃ তাজউদ্দীন আহমদ;
অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রীঃ এম মনসুর আলী;
স্বরাষ্ট্র, কৃষি, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রীঃ এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান,
পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীঃ খন্দকার মোশতাক আহমেদ;
প্রধান সেনাপতিঃ কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত এম. এ. জি ওসমানী;
চিফ অব স্টাফঃ কর্নেল (অব.) আব্দুর রব এবং
ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এবং বিমান বাহিনীর প্রধানঃ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১০,১১৯.
গুপ্তদের পরবর্তী সময়ে কোন দুটি স্বাধীন রাজ্যের সৃষ্টি হয়? 
  1. মগধ ও থানেশ্বর
  2. বঙ্গ ও ত্রিপুরা
  3. বঙ্গ ও গৌড়
  4. গৌড় ও কামরূপ
সঠিক উত্তর:
বঙ্গ ও গৌড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গ ও গৌড়
ব্যাখ্যা

স্বাধীন গৌড় রাজ্য:
- ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে বিশাল গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।
- সেই অস্থিতিশীল পরিবেশে বাংলাদেশে দুটো স্বাধীন রাষ্ট্রের উত্থান ঘটে।
- এর একটি হচ্ছে স্বাধীন 'বঙ্গ রাষ্ট্র', অপরটি 'গৌড় রাজ্য।

উল্লেখ্য,
- সপ্তম শতকের গোড়ার দিকে গৌড়ের রাজা শশাঙ্কের নেতৃত্বে বাংলার পুন্ড্র বা পণ্ড্রবর্ধন, গৌড় এবং বঙ্গকে একত্রিত করে একটি বিশাল গৌড় রাজ্য স্থাপিত হয়।
- শশাঙ্ক আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল গৌড় রাজ্যের রাজধানী।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীতে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে গৌড়ের নাম লখনৌতি (প্রদেশের নামে) পরিচিতি পায়।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১২০.
হাজী মুহম্মদ মহসীন কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ক) নদীয়া
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) হুগলি
  4. ঘ) পাটনা
সঠিক উত্তর:
গ) হুগলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হুগলি
ব্যাখ্যা
দানবীর হাজী মুহম্মদ মহসীন ১৭৩২ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলিতে জন্মগ্রহণ করেন। ১৮০৩ সালে তার বোনের মৃত্যুর পর বোনের বিশাল সম্পত্তির মালিক হন তিনি। এই অর্থ তিনি বাংলায় শিক্ষা বিস্তার, চিকিৎসা ও দরিদ্রদের সহায়তা করার জন্যে দান করে যান। তার অর্থে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যালয় ও দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপিত হয়। ১৮১২ সালের ২৯ নভেম্বর তিনি হুগলিতে মারা যান।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১০,১২১.
জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্ম নয় কোনটি?
  1. পাইন্যার মা
  2. দুই মহিলা
  3. চরদখল
  4. ফসল মাড়াই
সঠিক উত্তর:
চরদখল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চরদখল
ব্যাখ্যা
জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন। 
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে,
- 'চর দখল' শিল্প কর্মটির চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০,১২২.
‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার'-প্রামাণ্য চিত্রটি নির্মাণ করেছেন কে?
  1. অতুল তিওয়ারি
  2. কিশোর চৌধুরী
  3. শামা জাইদি
  4. শ্যাম বেনেগাল
সঠিক উত্তর:
শ্যাম বেনেগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্যাম বেনেগাল
ব্যাখ্যা
‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’:
- ‘মুজিব’ শুধু একটি সিনেমা নয়, বাংলাদেশের ইতিহাসের অমূল্য প্রামাণ্য চিত্রও।
- সিনেমাটির প্রতিটি দৃশ্যে রূপায়ণ করা হয়েছে বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক জীবনকে।
- তার জীবনী নিয়ে নির্মিত হওয়া ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমা।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম কোনো বায়োপিক।
- সিনেমাটিতে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। 
- ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন শ্যাম বেনেগাল।
- এর চিত্রনাট্য রচনা করেছেন শামা জাইদি ও অতুল তিওয়ারি। 
- এটি বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি তিনটি ভাষায় করা হয়েছে।

এছাড়া,
- রেণু (শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব) চরিত্রে অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা,
- শেখ হাসিনা চরিত্রে নুসরাত ফারিয়া,
- শেখ রেহানা চরিত্রে সাবিলা নূর,
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী চরিত্রে রাইসুল ইসলাম আসাদ,
- তাজউদ্দীন আহমদ চরিত্রে রিয়াজ,
- এ কে ফজলুল হক চরিত্রে শহীদুল আলম সাচ্চুসহ অনেকেই অভিনয় করেছেন।

উৎস: ১৪ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
১০,১২৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ১১টি
  3. গ) ৬৩টি
  4. ঘ) ৬৪টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৪টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টরসমূহ
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালে ১১ এপ্রিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে এবং ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং  সেক্টরের অধিনে ।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধিনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০,১২৪.
কৌটিল্য কোন রাজার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন?
  1. সম্রাট অশোক
  2. কুমারগুপ্ত
  3. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  4. ধর্মপাল
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
ব্যাখ্যা

কৌটিল্য: 
- ভারতে মৌর্য শাসনের শুরু করেছিলেন রাজা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
- সেই রাজার প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষাগুরু ছিলেন কৌটিল্য।
- সংস্কৃত ভাষায় রচিত খ্রিস্টপূর্ব তিন শতকের এ গ্রন্থটির রচয়িতা ছিলেন সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী কৌটিল্য যিনি অতীব বুদ্ধিমান ‘চাণক্য’ বা সম্রাটের প্রাথমিক জীবনের শিক্ষক বিষ্ণুগুপ্ত বলেও পরিচিত।

⇒ বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, সেই সময় কৌটিল্য তাঁর অর্থশাস্ত্রে যা লিখে গেছেন, তা আজকের রাজনীতি, কূটনীতি, প্রশাসন ব্যবস্থাপনা, সমাজনীতি ও অর্থনীতিতে সমানভাবে প্রযোজ্য।
- কৌটিল্য তাঁর শাস্ত্রে লিখেছেন, ‘সকল উদ্যোগের সাফল্য নির্ভর করে অর্থের ওপর। সে জন্য সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিতে হবে খাজাঞ্চিখানার দিকে। জিহ্বার ডগায় বিষ রেখে যেমন মধুর স্বাদ আস্বাদন সম্ভব নয়, তেমনি একজন লোক রাজকর্মচারী হয়ে রাজার রাজস্বের সামান্য পরিমাণ না খেয়ে বসে থাকবেন, এটা অবিশ্বাস্য। জলের নিচের মাছের গতিবিধি যেমন লক্ষ করা সম্ভব নয়, তেমনি রাজকর্মচারীর তহবিল আত্মসাৎ করাও পর্যবেক্ষণ করা অসম্ভব। আকাশের অতি উঁচুতে পাখির ওড়াউড়ি দেখা সম্ভব, কিন্তু রাজকর্মচারীর সকল কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া অসম্ভব।’

উল্লেখ্য,
- ভারতবর্ষের প্রথম সাম্রাজ্যের নাম মৌর্য সাম্রাজ্য। মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ হচ্ছেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
- তার রাজত্বকাল খ্রিস্টপূর্ব ৩২২-২৯৮ অব্দ পর্যন্ত। 
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যই প্রাচীন ভারতে অখন্ড ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পথে প্রথম বড় ধরনের সফল পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তাঁর সময় থেকেই সর্বভারতীয় চিন্তা-চেতনার প্রসার ঘটে। বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার-প্রসার বাড়তে থাকে।
- তার রাজধানী ছিল পাটালিপুত্র।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
  ii) প্রথম আলো।

১০,১২৫.
২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন কে?
  1. ক) আবুল মনসুর আহমেদ
  2. খ) মাওলানা আতাহার আলী
  3. গ) হাজী মোহাম্মদ দানেশ
  4. ঘ) এ কে ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
ক) আবুল মনসুর আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আবুল মনসুর আহমেদ
ব্যাখ্যা
• ৪ ডিসেম্বর ১৯৫৩ আওয়ামী মুসলিম লীগ ও শেরে বাংলার কৃষক-শ্রমিক পার্টির সমন্বয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- পরবর্তীতে মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম ও হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিলো নৌকা।
- যুক্তফ্রন্টর পক্ষ থেকে ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে।
- ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র:-স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,১২৬.
দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. ইলিশা-১ গ্যাসক্ষেত্র
  2. শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্র
  3. জকিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র
  4. মোবারকপুর গ্যাসক্ষেত্র
সঠিক উত্তর:
ইলিশা-১ গ্যাসক্ষেত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলিশা-১ গ্যাসক্ষেত্র
ব্যাখ্যা
২৯ তম গ্যাসক্ষেত্র:
- ভোলার ইলিশা-১ কূপটি দেশের ২৯তম এবং সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র।
- এটি ভোলা জেলার তৃতীয় গ্যাসক্ষেত্র।
- সেখানকার অন্য দুটি হলো শাহবাজপুর ও ভোলা নর্থ গ্যাসক্ষেত্র।
- নতুন গ্যাসক্ষেত্রটিতে প্রায় ২০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুত রয়েছে।
- বাংলাদেশি মুদ্রায় এই গ্যাসের বাজারমূল্য ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- ধারণা করা হচ্ছে ২৬ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত এখান থেকে গ্যাস পাওয়ার যাবে।
- সম্প্রতি রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গাজপ্রম বাপেক্সের হয়ে কূপটি খনন করে।
- এই কূপের তিন স্তরে ২০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুত আছে বলে ধারণা করছে বাপেক্স।

অন্যদিকে -
- দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র জকিগঞ্জ।
- ২৭তম গ্যাসক্ষেত্র পাবনার মোবারকপুর গ্যাসক্ষেত্র।

উৎস: ২১মে, ২০২৩, প্রথম আলো।
১০,১২৭.
সারা দেশে প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক আইন কবে চালু করা হয়?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা

• জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি:
- ১৯৭৪ সালে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন জারি হয়।
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৮ সালে 'মৌলিক শিক্ষা একাডেমি' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটির নামকরণ করা হয় 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি'।
- এখানে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা- কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি দেশের ৬৮টি উপজেলায়।
- ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও দৈনিক প্রথম আলো। 

১০,১২৮.
উয়ারী-বটেশ্বর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. করতোয়া
  2. কয়রা
  3. শীতলক্ষ্যা
  4. মেঘনা
সঠিক উত্তর:
কয়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়রা
ব্যাখ্যা
নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে পুরাতন ব্রক্ষ্মপুত্র নদ বা কয়রা নদীর তীরে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
=> নির্মানকাল- ৪৫০ খ্রিস্টা- পূর্বাব্দ ।
=>  গ্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে ২৫০০ বছরের প্রাচীন দুর্গ।
=> স্কুল শিক্ষক মুহাম্মদ হানিফ পাঠান উয়ারী বটেশ্বরের প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব প্রথম জনসম্মুখে তুলে ধরেন ১৯৩০ সালে । 
=> এর খনন কাজ শুরু হয় ২০০০ সালে 
=> উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র। 
=> আবিস্কৃত হয় - পদ্ম  মন্দির বা লোটাস টেম্পল ।
=> পুঁতি তৈরির কারখানা এখানে বিকশিত হয়েছিল ।
=> প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর। দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
=> পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০ টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১০,১২৯.
সংসদ সচিবালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে কার উপর?
  1. ক) সংসদের উপর
  2. খ) প্রধানমন্ত্রীর উপর
  3. গ) রাষ্ট্রপতির উপর
  4. ঘ) স্পিকারের উপর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্পিকারের উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্পিকারের উপর
ব্যাখ্যা

- সংসদ সচিবালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্ব স্পীকারের উপর ন্যস্ত থাকবে।
- স্পীকার তার এই দায়িত্ব স্বয়ং পালন করবেন অথবা বিধি দ্বারা নির্ধারিত কোন কর্মকর্তার উপর অর্পণ করবেন৷
- স্পীকার বিধি বা স্থায়ী আদেশ দ্বারা সংসদ সচিবালয়ের কার্যাবলী বণ্টন ও পরিচালনার ব্যবস্থা করবেন৷
- সংসদ সচিবালয় সরকারের যে কোন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর বা অফিসের সাথে অথবা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবে৷

তথ্যসূত্র:- Ministry of Law , Legislative and Parliamentary Affairs Division।

১০,১৩০.
ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে -
  1. ক) ১৯৯৮ সালের ১৭ই নভেম্বর
  2. খ) ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর
  3. গ) ২০০০ সালের ১৭ই নভেম্বর
  4. ঘ) ২০০১ সালের ১৭ই নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৯ সালের ১৭ই নভেম্বর
ব্যাখ্যা
• ভাষার জন্য বাঙালির এই মহান আন্দোলনকে শ্রদ্ধা জানায় বিশ্ববাসী।
- ১৯৯৯ সালে আমাদের ভাষা আন্দোলন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে।
- কানাডায় বসবাসরত দু'জন বাঙ্গালি রফিকুল ইসলাম ও আব্দুস সালামের প্রাথমিক উদ্যোগে এবং তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার প্রধান শেখ হাসিনার জোরালো তৎপরতার কারণে সে বছর ১৭ই নভেম্বর ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- তাই এখন প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারি দিনটিতে পৃথিবীর সকল জাতি নিজ নিজ মাতৃভাষাকে বিশেষ সন্মান জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে।
- সেই সাথে স্মরণ করে ভাষার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগের কথা।

সূত্র: বাংলাদেশে ও বিশ্ব পরিচয়, ৭ম শ্রেণি।
১০,১৩১.
'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' বাংলা কোন সনে সংঘটিত হয়?
  1. ১২৭৬ সনে
  2. ১৩৭৬ সনে
  3. ১১৭৬ সনে
  4. ১১৭০ সনে
সঠিক উত্তর:
১১৭৬ সনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭৬ সনে
ব্যাখ্যা

ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
- ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) গ্রীষ্মকালে দেখা দেয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ।
- যা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- কোম্পানির মুর্শিদাবাদের প্রতিনিধি রিচার্ড বেচারের ভাষায় ‘দেশের কয়েকটি অংশে যে জীবিত মানুষ মৃত মানুষকে ভক্ষণ করিতেছে তাহা গুজব নয়, অতিসত্য।
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ মৃত্যু বরণ করে।
- ইংরেজ সরকার বাংলার জনগণকে এই বিপর্যয় থেকে রক্ষার জন্য কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।
- বরং ১৭৬৫-৭০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাৎসরিক রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ যা ছিল, দুর্ভিক্ষের বছরও রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ প্রায় তার কাছাকাছি ছিল। ফলে চরম শোষণ নির্যাতনে বাংলার মানুষ হত দরিদ্র ও অসহায় হয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১৩২.
আওয়ামী লীগের ছয়-দফা কোন সালে পেশ করা হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৬৫ সালে
  2. খ) ১৯৬৬ সালে
  3. গ) ১৯৬৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৮ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
পশ্চিম পাকিস্তানের বিরোধীদলীয় নেতারা তাসখন্দ- উত্তর রাজনীতির গতিধারা নিরূপণের উদ্দেশ্যে ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে এক জাতীয় সম্মেলন আহবান করেন। আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান সম্মেলনে যোগদানের জন্য ৪ ফেব্রুয়ারি লাহোর পৌঁছেন। পরদিন সাবজেক্ট কমিটির সভায় তিনি পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের দাবি হিসেবে ‘ছয়দফা’ প্রস্তাব পেশ করেন এবং তা সম্মেলনের আলোচ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। কিন্তু সম্মেলনের উদ্যোক্তারা এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং পরদিন পশ্চিম পাকিস্তানি পত্রপত্রিকায় ছয়দফার বিবরণ ছাপিয়ে শেখ মুজিবকে বিচ্ছিন্নতাবাদীরূপে চিত্রিত করা হয়। ফলে শেখ মুজিব ৬ ফেব্রুয়ারির সম্মেলন বর্জন করেন।
Source: Banglapedia
১০,১৩৩.
বাংলায় সংঘটিত ব্রিটিশবিরোধী প্রথম আন্দোলন কোনটি?
  1. নীল বিদ্রোহ
  2. ফরায়েজী আন্দোলন
  3. ফকির ও সন্ন্যাসী আন্দোলন
  4. স্বদেশী আন্দোলন
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ফকির ও সন্ন্যাসী আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফকির ও সন্ন্যাসী আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ফকির ও সন্ন্যাসী আন্দোলন:
- বাংলায় সংঘটিত ব্রিটিশবিরোধী প্রথম আন্দোলন হলো ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন।
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম সংগ্রাম শুরু করে।
- বিদ্রোহী ফকিরদের নেতা ছিলেন মজনু শাহ।
- সন্ন্যাসীদের নেতা ছিলেন ভবানী পাঠক। 

এছাড়া,
- ১৯০৫ সালে স্বদেশী আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- ১৮৫৯ - ৬২ খ্রি. পর্যন্ত নীল বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।
- ১৮১৮ সালে হাজী শরীয়তউল্লাহ বাংলায় ফরায়েজী আন্দোলন গড়ে তোলেন।
- ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে ওয়াহাবি আন্দোলন শুরু এবং শেষ হয় ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে।

উৎস: ইতিহাস, (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৩৪.
বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের সমাধি কোথায় অবস্থিত?
  1. চাঁপাইনবাবগঞ্জে
  2. ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ায়
  3. সিলেটে
  4. যশোরে
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জে
ব্যাখ্যা
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে.
- ১৯৫৩ সালে পাতারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষা জীবনের সূচনা হয়।
- ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩রা অক্টোবর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
- ১৯৬৮ সালের ২রা জুন তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কমিশন লাভ করেন।
- তিনি ৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টরের অধীনে যুদ্ধে অংশ নেন।
- তিনি অসামান্য বীরত্বের সাথে আরগরারহাট, কানসাট, শাহপুর এলাকায় যুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং মুক্তাঞ্চল গঠন করেন।
- ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তার নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করে।
- যুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে ১৪ ডিসেম্বর সকালে পাকিস্তানী বাহিনীর স্নাইপার বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন।
- পরদিন সহযোদ্ধারা লাশ উদ্ধার করে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১০,১৩৫.
প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের বর্তমান নাম কী?
  1. সন্দ্বীপ
  2. ভোলা
  3. বরিশাল
  4. নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের বর্তমান নাম বরিশাল। 

• চন্দ্রদ্বীপ:

- প্রাচীন যুগে বাংলা কোন একক রাজ্য ছিল না।
- বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন অনেকগুলো ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল।
- যেমন: পুণ্ড্র, বরেন্দ্র, বঙ্গ, সমতট, চন্দ্রদ্বীপ, হরিকেল, রাঢ় ইত্যাদি।
- মধ্যযুগের শেষ দিকে বাখরগঞ্জ জেলার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ব্যাপী চন্দ্রদ্বীপ জমিদারি বিস্তৃত ছিল।
- বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখন্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- মধ্যযুগে চন্দ্রদ্বীপ বেশ সমৃদ্ধ ছিল।
- এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।

সূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
১০,১৩৬.
দেশের কোন নদীকে 'বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ' ঘোষণা” করা হয়েছে?
  1. ক) সাঙ্গু
  2. খ) হালদা
  3. গ) ইছামতী
  4. ঘ) মধুমতী
সঠিক উত্তর:
খ) হালদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হালদা
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীকে 'বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ' ঘোষণা করা হয়েছে। 
- চট্টগ্রামে অবস্থিত হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- এটি খাগড়াছড়ি (বাদনাতলী) থেকে উৎপন্ন হয়ে কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে।
- হালদী নদী সরকার ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।

উৎস: মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১০,১৩৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সচিবালয় কোথায় ছিল?
  1. ঢাকা
  2. কলকাতা
  3. মেহেরপুর
  4. আগরতলা
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- মহান মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকার তথা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- এই সরকারকে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার নামেও অভিহিত করা হয়।
- এই সরকার ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকারের তথা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সচিবালয় ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড।
- এ সরকার গঠনের মাত্র ২ ঘণ্টা পর পাকিস্তানি বিমান বাহিনী মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- ফলে মুজিবনগর সরকারের তথা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তর করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,১৩৮.
বাংলায় স্বাধীন সুলতানি আমল কখন শুরু হয়?
  1. ১২৩৮ সালে
  2. ১৩৩৮ সালে
  3. ১৪৩৮ সালে
  4. ১৫৩৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৩৩৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৩৮ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সোনারগাঁয়ে স্বাধীন সুলতানি শাসনের সূচনা করেন।

স্বাধীন সুলতানি আমল: 
- বাংলায় স্বাধীন সুলতানি আমল প্রায় ২০০ বছর বিদ্যমান ছিলো। এই সময় দিল্লীর সুলতানগণ বাংলাকে তাঁদের শাসনের অধীন রাখতে পারেন নি।
- বাংলায় স্বাধীন সুলতানি আমলের সূচনা করেছিলেন - ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ।
- তিনি ১৩৩৮ সালে সোনারগাঁয়ে স্বাধীন সুলতানি শাসনের গোড়াপত্তন করেন।
- পরবর্তীতে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ সালে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ সোনারগাঁ দখলের মাধ্যমে সমগ্র বাংলা একত্রিত করে এক রাজ্যে পরিনট করেন।
- তাই তাকে বাংলায় সুলতানি শাসনের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,১৩৯.
বঙ্গবন্ধু রচিত 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থ অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. চিরঞ্জীব মুজিব
  2. 'মুজিব' একটি জাতির রূপকার
  3. দ্য অল টাইম হিরো
  4. মুজিব আমার পিতা
সঠিক উত্তর:
চিরঞ্জীব মুজিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিরঞ্জীব মুজিব
ব্যাখ্যা
চিরঞ্জীব মুজিব:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থ অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র হলো চিরঞ্জীব মুজিব।
- এটির পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম।
- হায়দার এন্টারপ্রাইজের ব্যানারে নির্মিত চলচ্চিত্রটি আগস্ট মাসে মুক্তি পায়।
- চলচ্চিত্রটিতে বঙ্গবন্ধু চরিত্রে অভিনয় করেন আহমেদ রুবেল।

অন্যদিকে -
- দেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র 'মুজিব আমার পিতা'।
- বঙ্গবন্ধুর আলোচিত ইংরেজি তথ্যচিত্র 'দ্য অল টাইম হিরো'- এর বাংলায় নির্মিত শিরোনাম 'হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি'। এটি পরিচালনা করেন নোমান রবিন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছেলেবেলা নিয়ে সরকারি অনুদানে নির্মিত চলচ্চিত্র 'টুঙ্গিপাড়ার দুঃসাহসী খোকা'।
- বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনায় এবং ভারতের প্রখ্যাত নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল পরিচালিত বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিতব্য জীবনীচিত্রের নাম 'মুজিব', যার ট্যাগলাইন 'একটি জাতির রূপকার', ইংরেজিতে 'MUJIB: THE MAKING OF A NATION'.

উৎস: ১ জানুয়ারি ২০২২, প্রথম আলো।
১০,১৪০.
বাংলাদেশে প্রথম চলচ্চিত্র আর্কাইভ কবে স্থাপিত হয়?
  1. ১৯৭৫
  2. ১৯৭৮
  3. ১৯৮২
  4. ১৯৮৫
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮
ব্যাখ্যা
চলচ্চিত্র আর্কাইভ: 
- চলচ্চিত্রের প্রিন্ট এবং চলচ্চিত্র সংক্রান্ত যাবতীয় নিদর্শনের বৈজ্ঞানিক সংগ্রহশালা ও সংরক্ষণাগার।
- হেনরি ল্যাংলোয়া ১৯৩৫ সালে ফ্রান্সে পৃথিবীর প্রথম চলচ্চিত্র বা ফিল্ম আর্কাইভ স্থাপন করেন।
- চলচ্চিত্র আর্কাইভে ছবির প্রিন্ট, চলচ্চিত্রের ইতিহাস, বইপুস্তক, পত্র-পত্রিকা, স্থিরচিত্র, ট্রেলার, সেন্সর সার্টিফিকেট, ডিস্ক, ক্যাসেট, টেপ, চিত্রনাট্য, পোস্টার, ব্যানার ও অন্যান্য নিদর্শন সংরক্ষণ করা হয়।
- এ ছাড়াও এখানে চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়; পত্রিকা, বই, ক্যাটালগ ও বুলেটিন প্রকাশ করা হয়; গবেষণা ও জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- ১৯৭৮ সালের জুন মাসে বাংলাদেশে প্রথম চলচ্চিত্র আর্কাইভ স্থাপিত হয়।
- এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এর প্রধান নির্বাহীর পদবি মহাপরিচালক (আগে পদবি ছিল কিউরেটর)।
- প্রতিষ্ঠালগ্নে সংস্থাটির নাম ছিল বাংলাদেশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট অ্যান্ড আর্কাইভ (বিফিয়া)।
- ১৯৮৪ সালে ফিল্ম ইনস্টিটিউটের দায়িত্ব ও কার্যক্রমকে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে একীভূত করা হয় এবং ফিল্ম আর্কাইভকে আলাদা প্রতিষ্ঠান হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়।
- প্রতিষ্ঠাপর্বে কিউরেটর এ.কে.এম আব্দুর রউফের নেতৃত্বে ফিল্ম আর্কাইভের কাজ শুরু হয় রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডিতে ভাড়া করা এক বাড়িতে।
- ১৯৮৬ সালে  তা প্রথমে শেরে-বাংলা নগরস্থ গণভবন এলাকায় এবং ১৯৯৮ সালে লালমাটিয়া এলাকায়, পরে ২০০৮ সালে শাহবাগস্থ বেতার ভবনে স্থানান্তর করা হয়।
- আগারগাঁও এলাকায় ‘ফিল্ম কমপ্লেক্স’ স্থাপনের একটি সরকারি পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ফিল্ম আর্কাইভের দপ্তর সেখানে স্থায়িভাবে স্থানান্তর করা হবে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১০,১৪১.
ঢাকা গেইটের নির্মাতা কে?
  1. শায়েস্তা খান
  2. মীর জুমলা 
  3. আবদুল গনি
  4.  লর্ড কার্জন
সঠিক উত্তর:
মীর জুমলা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর জুমলা 
ব্যাখ্যা

ঢাকা গেইট:
- ঢাকা গেইট ঐতিহাসিক মোগল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা।
- এটি মীর জুমলা গেইট, ময়মনসিংহ গেইট বা রমনা গেইট নামেও পরিচিত ছিল।
- 'ঢাকা গেইট' এর নির্মাতা হলেন 'মীর জুমলা'।
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়ে বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন মীর জুমলা।
- মীর জুমলা ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে ঢাকা গেইট নির্মাণ করেছিলেন।
-সীমানা চিহ্নিত করতে এবং স্থলপথে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এটি নির্মাণ করা হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০,১৪২.
বাংলাদেশে সাংবিধানিকভাবে গঠিত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কে?
  1. ক) শাহাবুদ্দিন আহমেদ
  2. খ) লতিফুর রহমান
  3. গ) হাবিবুর রহমান
  4. ঘ) ইয়াজউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
গ) হাবিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাবিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গৃহিত হয়। এর অধীনে ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান।
- ৩ এপ্রিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- ১৯৯০ সালে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে বাংলাদেশে প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হলেও এর সাংবিধানিক ভিত্তি ছিলো না।
- ফখরুদ্দিন আহমেদ সর্বশেষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাদ দেওয়া হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১০,১৪৩.
কোন প্রতিষ্ঠানটি ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটি পুরস্কার-২০২১ লাভ করেছে?
  1. টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড
  2. ভূমি মন্ত্রণালয়
  3. বিটিআরসি
  4. একসেস টু ইনফরমেশন প্রকল্প
সঠিক উত্তর:
বিটিআরসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিটিআরসি
ব্যাখ্যা
বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনব্যবস্থা চালুর জন্য ‘ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটি (WSIS) পুরস্কার-২০২১’ অর্জন করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

‘অ্যাকশন লাইন সি ৫’ ক্যাটাগরিতে বিটিআরসি এই পুরস্কার লাভ করে। গত ১৮ মে ২০২১ ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
১০,১৪৪.
কোন মুঘল সম্রাট গৌড়ের চমৎকার প্রাসাদ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে এর নামকরণ করেন ‘জান্নাতবাদ’ ?
  1. ক) সম্রাট হুমায়ুন
  2. খ) সম্রাট আকবর
  3. গ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
  4. ঘ) সম্রাট বাবর
সঠিক উত্তর:
ক) সম্রাট হুমায়ুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সম্রাট হুমায়ুন
ব্যাখ্যা
- গৌড়ের চমৎকার প্রাসাদ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে হুমায়ুন এর নামকরণ করেন ‘জান্নাতবাদ’ 
- হুমায়ুন ‘নাসির উদ্দিন মুহম্মদ হুমায়ুন’ নাম ধারণ করে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
- সম্রাট হুমায়ুনের রাজত্বকালকে দু’টি পর্বে বিভক্ত করা যায়। 
-প্রথম পর্বে ১৫৩০-১৫৪০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এবং 
-দ্বিতীয় পর্বে ১৫৫৫-১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ
- গুলবদন বেগম রচিত হুমায়ুনের ইতিহাস সম্বন্ধে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান উৎস গ্রন্থ। 
- ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দের ২৭ জানুয়ারি দিল্লিতে গ্রন্থাগারের সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে 
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই। 
১০,১৪৫.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম আরব দেশ নিচের কোনটি?
  1. কুয়েত
  2. ইরাক
  3. ইরান
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বীকৃত লাভ:

- ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে ০৮ জুলাই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি), মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ইরান ও তুরস্ক ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ, ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ ও বিবিসি, মার্চ ২৬, ২০২১।
১০,১৪৬.
বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৬৯ সালে জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য কয়টি আসন অর্জন করা সম্ভব হয়?
  1. ক) ১৫০টি
  2. খ) ৭৫টি
  3. গ) ১৬৯টি
  4. ঘ) ২২৩টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬৯টি
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসার মূলে ছিল বাঙালির অধিকার আদায়ে তার ত্যাগ ও আজীবনের আপসহীন সংগ্রাম।
- পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যে জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন বণ্টন ছিল তাঁর অন্যতম প্রধান দাবি।
- এ দাবি আদায় করতে পারলেই যে সকল দাবি আদায় করা সম্ভব, এটি তিনি প্রতিটি বাঙালিকে উপলব্ধি করাতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- এ জন্য বাঙালিরা তার  নেতৃত্বে অবিচল থাকে।
- তাঁর এ দৃঢ় নেতৃত্বের কারণেই ১৯৬৯ সালে ইয়াহিয়া খানের কাছ থেকে সমগ্র পাকিস্তানের ৩১৩টি আসনের মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য ১৬৯টি আসন অর্জন করা সম্ভব হয়েছিল।
- তিনি তাঁর জনসমর্থনের আকাশচুম্বি শক্তি নিয়ে ইয়াহিয়া খানের ওপর প্রচণ্ড চাপ প্রয়ােগ করেছিলেন, যা উপেক্ষা করে সে সময়ে ইয়াহিয়া খানের পক্ষে ক্ষমতায় টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব ছিল।
- বঙ্গবন্ধু তা জানতেন এবং এ জন্য মৌলিক এ দাবি আদায়ে তিনি কোনােরূপ ছাড় না দিয়ে অবিচল থাকেন। ফলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হয়।
- বাংলা ভাষার অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি অর্জনের পর এটি ছিল তখন পর্যন্ত বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য।
- এ অর্জনই ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বাঙালিদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথ প্রশস্ত করে। এ নির্বাচনে পূর্বের ন্যায় পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যে আসনসংখ্যার সমতার ভিত্তিতে বণ্টন হলে বাঙালিদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভের কোনাে সুযােগ থাকত না।
- বঙ্গবন্ধু এ বিষয়টি পাকিস্তান রাষ্ট্রের শুরু থেকেই উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই সকল আন্দোলনসংগ্রামের মধ্যে এ লক্ষ্য থেকে কখনােই তিনি বিচ্যুত হননি।

উৎস: এশিয়াটিক সোসাইটি ওয়েবসাইট
১০,১৪৭.
ফারসি ভাষায় লিখিত বাংলায় মুসলিম শাসনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস গ্রন্থ কোনটি?
  1. তারিখ-ই-ফিরুজশাহী
  2. রিয়াজ-উস-সালাতীন
  3. আর রিহলা
  4. আইন-ই-আকবরী
সঠিক উত্তর:
রিয়াজ-উস-সালাতীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিয়াজ-উস-সালাতীন
ব্যাখ্যা
- রিয়াজ-উস-সালাতীন  ফারসি ভাষায় লিখিত বাংলায় মুসলিম শাসনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস গ্রন্থ।
- গোলাম হোসেন সলিম জায়েদপুরী কর্তৃক রচিত এ গ্রন্থে ১২০৪-০৫ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজীর নদীয়া বিজয় থেকে ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধ পর্যন্ত ঘটনাবলির বিবরণ লিপিবদ্ধ হয়েছে।
- গ্রন্থের বর্ণনার কোন কোন অংশে বেশ ফাঁক পরিলক্ষিত হলেও এ গ্রন্থটি মুসলিম বাংলার পরিপূর্ণ ইতিহাস বলে বিবেচিত।
উৎস: বাংলা পিডিয়া।
১০,১৪৮.
’তমুদ্দিন মজলিশ’ কার নেতৃত্বে গঠিত হয়?
  1. অধ্যাপক হাসনাত মজুমদার
  2. সৈয়দ শামসুল হক
  3.  আব্দুল মতিন
  4. অধ্যাপক আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা

তমুদ্দিন মজলিশ:
​- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমুদ্দুন মজলিস গঠিত হয় ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর।
​- ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমুদ্দিন মজলিশ।
​- তমুদ্দুন মজলিস ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশ করে।
​- যেখানে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
​- ভাষা আন্দোলনে তমুদ্দিন মজলিশ সংগঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

​উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিল পত্র, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

১০,১৪৯.
নির্মাণাধীন উত্তরা-মতিঝিল মেট্রোরেলের স্টেশন সংখ্যা কতটি ?
  1. ১৫টি
  2. ১৬টি
  3. ১৪টি
  4. ১৮টি
সঠিক উত্তর:
১৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬টি
ব্যাখ্যা
- উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেল নির্মিত হচ্ছে যা এমআরটি লাইন-৬ নামে পরিচিত।
- এটির মোট দৈর্ঘ্য ২০.১ কিলোমিটার।
- স্টেশন সংখ্যা ১৬টি।
- যাত্রী পরিবহন ক্ষমতা : প্রতি ঘণ্টায় ৬০ হাজার এবং দৈনিক প্রায় ৫ লক্ষ।
- কাজের উদ্বোধন : ২৬ জুন ২০১৬ এবং কাজ শেষ হবে ১৬ ডিসেম্বর ২০২১।
- অর্থায়ন: Japan International Cooperation Agency (JICA)।
- মেট্রোরেল পরিচালনার জন্যে গঠিত সংস্থা Dhaka Mass Transit Company Limited.
(সূত্র: DMTCL ওয়েবসাইট)
১০,১৫০.
আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা কোনটি?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. বান্দরবান
  3. রাঙামাটি
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা

• রাঙামাটি জেলা:
- আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা রাঙামাটি।
- বিস্তৃত পাহাড়, ঝর্ণা, নদী, হ্রদ, বনানীর অপরূপ সমাহারে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের একটি জেলা হচ্ছে জেলা রাঙ্গামাটি।
- এটি চট্টগ্রাম বিভাগের একটি জেলা।
- রাঙ্গামাটির উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম, দক্ষিণে বান্দরবান, পূর্বে মিজোরাম ও পশ্চিমে চট্রগ্রাম ও খাগড়াছড়ি।
- দেশের এক মাত্র রিক্সা বিহীন শহর, হ্রদ পরিবেষ্টিত পর্যটন শহর এলাকা।
- এ জেলায় চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা, মুরং, বোম, খুমি, খেয়াং, চাক্, পাংখোয়া, লুসাই, সুজেসাওতাল, রাখাইন সর্বোপরি বাঙ্গালীসহ ১৪টি জনগোষ্ঠি বসবাস করে।

উল্লেখ্য,
- আয়তনে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলা নারায়ণগঞ্জ।
- জনসংখ্যায় বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা ঢাকা।
- জনসংখ্যায় বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলা বান্দরবান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০,১৫১.
ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন কোনটি?
  1. স্যাডলার কমিশন
  2. হান্টার কমিশন
  3. নাথান কমিশন
  4. রিপন কমিশন
সঠিক উত্তর:
হান্টার কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হান্টার কমিশন
ব্যাখ্যা
প্রথম শিক্ষা কমিশন: 
- ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন হলো হান্টার কমিশন,
- এটি ১৮৮২ সালে স্যার উইলিয়াম হান্টারকে প্রধান করে গঠিত হয়।
- এই কমিশনে মোট সাতজন সদস্য ছিলেন এবং এটি ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড রিপনের আমলে গঠিত হয়েছিল।

উল্লখ্য
- লর্ড লিটনের পদত্যাগের পর লর্ড রিপন ভারতের ভাইসরয় নিযুক্ত হন।
- তার শাসনকাল ছিল ১৮৮০ থেকে ১৮৮৪ সাল।
- তিনি সাম্রাজ্যবাদী নীতির বিরোধী ছিলেন এবং ভারতবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে উদারনীতি গ্রহণ করেন।  

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনির ইতিহাস বই, অধ্যাপক মোঃ গোলাম মোস্তফা।
১০,১৫২.
পেট্রোবাংলা কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
পেট্রোবাংলা:
- পেট্রোবাংলা সরকারি মালিকানাধীন বাংলাদেশের জাতীয় তেল কোম্পানি।
- এটি বাংলাদেশে খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন, পরিশোধন, ও বাজারজাতকরণের কাজ করে।
- এছাড়াও কোম্পানিটি বাংলাদেশে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান এবং উন্নয়নে আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিসমূহের সাথে উৎপাদন অংশীদারি চুক্তি করে থাকে। 
- ২৬ মার্চ, ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৭-এর মাধ্যমে দেশের তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ খনিজ, তেল ও গ্যাস করপোরেশন (বিএমওজিসি) গঠিত হয়।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সময়ে বাংলাদেশ খনিজ, তৈল ও গ্যাস করপোরেশন (বিএমওজিসি)-কে বাংলাদেশ তৈল ও গ্যাস করপোরেশন (বিওজিসি) নামে পুনর্গঠন করা হয় এবং ১৯৭৪ সালের ২২ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১৫ এর মাধ্যমে বিওজিসি’কে ‘পেট্রোবাংলা’ নামে সংক্ষিপ্ত নামকরণ করা হয়।
- উদ্দেশ্য: টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য জ্বালানি সরবরাহ করা এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বজায় রাখা/নিশ্চিত করা। 

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি পেট্রোবাংলা ও সামিট গ্রুপের মধ্যে ১৫ বছর মেয়াদি চুক্তি সই হয়েছে।
- পেট্রোবাংলা একটানা ১৫ বছর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের কাজ পাচ্ছে সামিট গ্রুপ।
- ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে বছরে ১৫ লাখ টন এলএনজি সরবরাহ করবে তারা।

উৎস: i) বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা) ওয়েবসাইট।
         ii) ১৯ জানুয়ারী ২০২৪, প্রথম আলো।
১০,১৫৩.
১৯৭১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনলে কোন দেশ তিনবার ভেটো প্রদান করে? 
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাজ্য
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে ভেটো প্রদান: 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনলে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন বর্তমান রাশিয়া তিন তিনবার ভেটো দেয়। 
• রাশিয়ার তৎকালীন রাষ্ট্রপ্রধান পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানকে বাংলাদেশে গণহত্যা বন্ধের আহ্বান জানান।  
• মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার পাকিস্তানকে রক্ষার আপ্রাণ চেষ্টা করে। 
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে ৭ম নৌবহর প্রেরণ করে। 
• ভারত মহাসাগরে অবস্থিত সোভিয়েত ইউনিয়নের ২০তম নৌবহর প্রেরণ করে। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৫৪.
যুক্তফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য কয়জন ছিল?
  1. ক) ১২ জন
  2. খ) ১৪ জন
  3. গ) ১৬ জন
  4. ঘ) ৮ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৪ জন
ব্যাখ্যা
• ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে যুক্তফ্রন্ট শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে।
• তিনি নিজে মুখ্যমন্ত্রির দায়িত্ব ছাড়াও অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্ব নেন।
• মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে আবু হোসেন সরকার বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার, সৈয়দ আজিজুল হক শিক্ষা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগের দায়িত্ব লাভ করেন৷
• মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার অবসান ঘটে।
কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পূর্ববাংলায় গভর্নরের শাসন ঘোষণা করে।
• যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভার মেয়াদ ছিল ৫৬ দিন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া, অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং প্রথম আলো।
১০,১৫৫.
কত সাল থেকে বিশ্বে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন শুরু হয়?
  1. ক) ১৯৯৯ সাল
  2. খ) ২০০০ সাল
  3. গ) ২০০১ সাল
  4. ঘ) ২০০২ সাল
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০০ সাল
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:

- ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- ১৯৯৯ সালের ২৬ অক্টোবর-১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সভায় ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
- ২০০০ সাল থেকে ইউনেস্কোর উদ্যোগে বিশ্বব্যাপী ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

তথ্যসূত্র - ইউনেস্কো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১০,১৫৬.
কোন মুঘল সম্রাটের সময়ে 'দিওয়ান-ই-খাস' নির্মাণ করা হয়?
  1. বাবর
  2. আকবর
  3. শাহজাহান
  4. আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
শাহজাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজাহান
ব্যাখ্যা

সম্রাট শাহজাহান:
- ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দের ৪ ফেব্রুয়ারি 'আবুল মুজাফফর শিহাব উদ্দিন মুহাম্মদ শাহজাহান বাদশাহ গাজী' উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন।
- তাঁর ত্রিশ বছরের রাজত্বকালে মোগল সাম্রাজ্য গৌরবের সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেছিল।
- সমরকুশলী হিসেবে সম্রাট শাহজাহান দক্ষতার পরিচয় দেন।
- মোগল আধিপত্য বিস্তারেও তিনি বিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দেন।
- তাঁর আমলে আহমদনগর, বিজাপুর, গোলকুণ্ডায় মোগল আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তিনি পর্তুগিজদের দমন করে হুগলী দখল করেন।
- সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালে সর্বপ্রথম পশ্চিম এশিয়ার এবং ইউরোপের সাথে ভারতবর্ষের বহির্বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
- সম্রাট শাহজাহান ছিলেন সৌন্দর্য পিপাসু শিল্পমনা মানুষ।
- The Prince of Builder নামে খ্যাত সম্রাট শাহজাহানের আমলে মোগল শিল্প ও স্থাপত্যের চরম উৎকর্ষ সাধিত হয়।
- সম্রাটের স্ত্রী মমতাজ মহলের সমাধির উপর নির্মিত স্মৃতিসৌধ তাজমহল বিশ্বের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম একটি নিদর্শন।
- তাজমহলকে ঐতিহাসিক হ্যাভেল ভারতের 'ভেনাস দ্যা মিলো' নামে আখ্যায়িত করেছেন।
- এছাড়া মতি মসজিদ, দিওয়ান-ই-আম, দিওয়ান-ই-খাস, জামে মসজিদ তাঁর আমলের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম কীর্তি।
- শাহজাহানের ময়ূর সিংহাসন তাঁর শিল্পানুরাগের এক অপূর্ব নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১৫৭.
ঐতিহাসিকদের মতে, গঙ্গারিডাই কোন জনপদের সমতুল্য?
  1. পুণ্ড্র
  2. হরিকেল
  3. রাঢ়
  4. বঙ্গ
সঠিক উত্তর:
বঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গ
ব্যাখ্যা

গঙ্গারিডাই:
- গঙ্গারিডাই প্রথম খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে দ্বিতীয় খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে গ্রিক ও ল্যাটিন লেখায় একটি জনগোষ্ঠী ও একটি দেশের নাম হিসেবে উল্লিখিত।
- গঙ্গারিডাই রাজ্যের অস্তিত্বকালে প্রধান গ্রিক সেনাপতি ছিলেন আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট। আলেকজান্ডার ও তাঁর সৈন্যবাহিনীর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ডিওডোরাস সিন্ধু পরবর্তী দেশ সম্বন্ধে লিখতে গিয়ে উল্লেখ করেছেন যে, গঙ্গা পেরিয়ে যে অঞ্চল সেখানে ‘প্রাসিয়ই' ও গঙ্গারিডাইদের আধিপত্য।
- টলেমি (দ্বিতীয় খ্রিস্টাব্দ) গঙ্গারিডাই-এর অবস্থান সম্পর্কে কিছুটা বিশদ বিবরণ দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন যে, গঙ্গার পাঁচটি মুখ সংলগ্ন প্রায় সমস্ত এলাকা গঙ্গারিডাইগণ দখল করে রেখেছিল, ‘গাঙ্গে’ (Gange) নগর ছিল এর রাজধানী। 
- প্রাচীন বাংলার বঙ্গ জনপদকে গ্রিক ও ল্যাটিন লেখকদের ‘গঙ্গারিডাই’-এর সমতুল্য গণ্য করা যেতে পারে।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে প্রাপ্ত নিদর্শনের ভিত্তিতে 'ঐতিহ্য অন্বেষণ' নামক সংস্থাটি দাবি করেছে যে, উয়ারী-বটেশ্বর অঞ্চলেই হয়তো ইতিহাস বিখ্যাত গঙ্গারিডি বা গঙ্গারিডাই রাজ্য গড়ে উঠেছিল।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১৫৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন না -
  1. তাজউদ্দীন আহমেদ
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
  4. মাওলানা ভাসানী
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধের সময় সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন না।

সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ:

- ১৯৭১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর মুক্তিযুদ্ধকে বেগবান করার জন্য আওয়ামী লীগসহ পাঁচটি দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয় ৮ সদস্যের 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ'।
- এই পরিষদের নেতৃবৃন্দ মূলত মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর একাত্তরের ১০ এপ্রিল শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে গঠিত মুজিবনগর সরকারকেই সার্বিক সহযোগিতা দিয়েছিল।
- ভারতের কলকাতায় গঠন করা হয় 'জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি', যা 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ' নামে পরিচিতি লাভ করে।

উল্লেখ্য,
⇒ সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন:
- আহবায়ক ছিলেন: তাজউদ্দীন আহমেদ
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন-
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি),
- মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি),
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা),
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি),
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি),
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,১৫৯.
'অল ইন্ডিয়া ফরওয়ার্ড ব্লক' দলের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. জওহরলাল নেহেরু
  2. নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
  3. ইয়ার মোহাম্মদ খান
  4. মহাত্না গান্ধী
সঠিক উত্তর:
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু:
- ১৮৯৭ সনের ২৩ জানুয়ারি  নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু উড়িষ্যায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় চতুর্থ স্থান লাভ করার পরও দেশসেবার ও স্বদেশের মুক্তির আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে সরকারি চাকুরি গ্রহণ করেননি।
- ১৯৩৮ সালে মহাত্না গান্ধীর বিরোধীতার মধ্যেই সুভাষ বসু কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন, গান্ধীর সাথে মতদ্বৈততার কারণে কংগ্রেস ত্যাগ করে অল ইন্ডিয়া ফরয়ার্ড ব্লক নামে দল গঠন করেন।
- ১৯৪৩ সালে তিনি 'আজাদ হিন্দ' ফৌজের দায়িত্ব নেন এবং আজাদ হিন্দ সরকার গঠন করেন।
- সুভাষ বসুর লক্ষ্য ছিল সামারিক অভিযানের মাধ্যমে ভারত থেকে ব্রিটিশদের বিতাড়িত করা।
- সুভাষ চন্দ্র বসু ১৯৪৫ সনের ১৮ আগস্ট রহস্যজনক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৬০.
প্রাচীন বাংলার কোন জনপদ দণ্ডভুক্তি নামে পরিচিত ছিল?
  1. তাম্রলিপ্ত
  2. গৌড়
  3. পুণ্ড্র
  4. সমতট
সঠিক উত্তর:
তাম্রলিপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাম্রলিপ্ত
ব্যাখ্যা
তাম্রলিপ্ত:
- হরিকেলের উত্তরে ছিল তাম্রলিপ্ত জনপদ।
- বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার (প্রাচীন যুগে মিধুনাপুর নামে পরিচিত) তমলুক শহরই ছিল প্রাচীন তাম্রলিপ্তি নগরস্থল।
- বর্তমান শহরটি বঙ্গোপসাগরের কাছে রূপনারায়ণের তীরে অবস্থিত।

⇒ সমুদ্র উপকূলবর্তী এ এলাকা ছিল খুব নিচু ও আর্দ্র।
- নৌ চলাচলের জন্য জায়গাটি ছিল খুবই উওম।
- প্রাচীনকালে তাম্রলিপ্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌ-বাণিজ্যের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
- চৈনিক তীর্থযাত্রী হিউয়েন-সাং তাম্রলিপ্তি শহরকে ‘তান-মো-লি-তি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
- সাত শতক থেকে এটি দণ্ডভুক্তি নামে পরিচিত হতে থাকে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১০,১৬১.
বাংলা জ্যৈষ্ঠ মাস কত দিনে?
  1. ৩১
  2. ৩০
  3. ২৯
  4. ৩২
সঠিক উত্তর:
৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১
ব্যাখ্যা

- বাংলা জ্যৈষ্ঠ মাস  ৩১দিনে হয়।

বাংলা সন:

- বাংলা একাডেমি দীর্ঘদিনের চেষ্টায় বাংলা বর্ষপঞ্জির এই সংস্কার করেছে।
- জাতির ইতিহাসের গৌরবময় দিনগুলো বাংলা ও গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জিতে অভিন্ন তারিখে সমন্বয় করতেই বাংলা বর্ষপঞ্জিতে এই সংস্কার আনা হয়েছে।
- ১৪২৬ বঙ্গাব্দ থেকে প্রথমবারের মতো আশ্বিন মাসের গণনা শুরু হয়েছে ৩১ দিন হিসাবে।
- বাংলা সনের ৩১ দিনের মাস মোট ৬টি।
- নতুন বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুসারে বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র ও আশ্বিন এই ছয় মাসের হিসাব হবে ৩১ দিনে।
- এখন ফাল্গুন মাস হবে ২৯ দিন এবং গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জিতে যে বছর অধিবর্ষ হবে (লিপইয়ার) সে বছর বাংলায় ফাল্গুন মাস ৩০ দিন গণনা করা হবে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক যুগান্তর।[লিঙ্ক]

১০,১৬২.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয় কবে?
  1. ২১ অক্টোবর ২০০১ সালে
  2. ২২ অক্টোবর ২০০১ সালে
  3. ২৩ অক্টোবর ২০০১ সালে
  4. ২৪ অক্টোবর ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
২৩ অক্টোবর ২০০১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ অক্টোবর ২০০১ সালে
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়:

- ২০০১ সালের ২৩ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- সর্বপ্রথম বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ভবনে ৩ টি কক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরম্ভ হয়।
- মন্ত্রণালয়ের কাজের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের নিমিত্ত ও মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নির্বিঘ্নে সেবা প্রদানের সুবিধার্থে ২০০২ সালে বিআরটিবি ভবন,এলেনবাড়ী, তেজগাঁও-এ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় স্থানান্তরিত হয়।
- বর্তমান ঠিকানা সচিবালয় লিংক রোড, ঢাকার সরকারি পরিবহন পুলভবনের ৬ষ্ঠ ও ৭ম তলায় গত ১০/১০/২০০৬ তারিখ হতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১০,১৬৩.
অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. গ) সুলতানউদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) এ.কে. ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
- অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

•হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:

- হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী ছিলেন একজন পূর্ব পাকিস্তানি বাঙালি রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী, যুক্তফ্রন্ট গঠনের মূলনেতাদের মধ্যে অন্যতম।
- গণতান্ত্রিক রীতি ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন, তাই সুধী সমাজ কর্তৃক 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলে আখ্যায়িত হন।
- ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলায় সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিমলীগ ১১৪টি আসন পেয়ে জয় লাভ করে এবং তিনি মুখ্যমন্ত্রী হন।
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হলে খাজা নাজিমুদ্দিন পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

অন্যদিকে,
 - অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক।
- ১৯৪০ সালের ২৩শে মার্চ মুসলিমলীগের লাহোর অধিবেশনে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
- এই প্রস্তাবে ভারতে একাধিক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হলেও ১৯৪৬ সালের দিল্লি অধিবেশনে কেবল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গৃহিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,১৬৪.
বাংলায় নবাবী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ইলিয়াস শাহ
  2. আব্বাস আলী মির্জা
  3. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
  4. নবাব মুর্শিদকুলি খান
সঠিক উত্তর:
নবাব মুর্শিদকুলি খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবাব মুর্শিদকুলি খান
ব্যাখ্যা
নবাব মুর্শিদকুলি খান:
- মুর্শিদকুলি খান বাংলায় নবাবী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর কোনো কোনো সুবা স্বাধীন হয়ে যায়।
- বাংলাও এর ব্যতিক্রম ছিল না।
- বিশেষ করে মুর্শিদকুলী খানের সময় থেকে বাংলায় নবাবী আমলের সূচনা হয়।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে কর তলব খান উপাধি দিয়ে ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার দিওয়ান নিযুক্ত করেন।
- বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদ কুলি খান দায়িত্ব গ্রহণ করে।
- তিনি ঢাকা বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন ১৭১৭ সালে।
- তিনি অতিরিক্ত রাজস্ব ধার্য না করে সঠিক ব্যবস্থাপনার দ্বারা রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করেন।
- সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলা বিহার উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব।

অন্যদিকে -
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলা-বিহার-ওড়িশার শেষ স্বাধীন নবাব।
- ইলিয়াস শাহ বাংলাদেশে ইলিয়াস শাহী রাজবংশ-এর প্রথম শাসক।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১০,১৬৫.
দুর্নীতি দমন কমিশন কী ধরনের প্রতিষ্ঠান?
  1. স্বায়ত্তশাসিত
  2. স্বাধীন ও নিরপেক্ষ
  3. সাংবিধানিক
  4. সরকারি
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন ও নিরপেক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন ও নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন:
- দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে ২০০৪ সালের ৯ মে দুদক আইন কার্যকরের মাধ্যমে পূর্বেকার দুর্নীতি দমন ব্যুরোর স্থলে দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়।
- এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
- এর কার্যালয়: ঢাকার সেগুনবাগিচা।
- একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনার নিয়ে দুদক কমিশন গঠিত হয়।
- দুদক দেশে দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে।
- তবে নানা সীমাবদ্ধতা কারণে দুদক দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছে না।

উল্লেখ্য,
- কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান সরকারের সাবেক সিনিয়র সচিব জনাব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ এবং কমিশনারদ্বয় হলেন  সাবেক জেলা জজ জনাব মো. জহুরুল হক এবং সরকারের সাবেক সচিব জনাব মোছাঃ আছিয়া খাতুন।
- তারা দুদক আইন ২০০৪ এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার যথাক্রমে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমান মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।
১০,১৬৬.
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ১০টি
  2. ৮টি
  3. ১১টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।

• ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

• ২ নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। আগরতলার মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

• ৩ নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।

• ৪নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত। সিলেটের ইপিআর বাহিনীর সৈন্যদের সঙ্গে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব। হেডকোয়ার্টার ছিল প্রথমে করিমগঞ্জ এবং পরে আসামের মাসিমপুরে।

• ৫ নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী। হেড কোয়ার্টার ছিল বাঁশতলাতে।

• ৬ নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

• ৭ নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়। ইপিআর সৈন্যদের নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী ক্যাপ্টেন গিয়াস ও ক্যাপ্টেন রশিদের নেতৃত্বে রাজশাহীতে প্রাথমিক অভিযান পরিচালনা করে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

• ৮ নং সেক্টর: এপ্রিল মাসে এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা। মে মাসের শেষে অপারেশন এলাকা সঙ্কুচিত করে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলা, সাতক্ষীরা মহকুমা এবং ফরিদপুরের উত্তরাংশ নিয়ে এই সেক্টর পুনর্গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।

• ৯ নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এই সেক্টরের হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।

• ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।

• ১১ নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের। মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়। মহেন্দ্রগঞ্জ ছিল সেক্টরের হেডকোয়ার্টার।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০,১৬৭.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করেন কে?
  1. আব্দুল কুদ্দুস মাখন
  2. নূরে আলম সিদ্দিকী
  3. আ স ম আব্দুর রব
  4. শাজাহান সিরাজ
সঠিক উত্তর:
আ স ম আব্দুর রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আ স ম আব্দুর রব
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।

⇒ ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।
- তিনি একজন ছাত্রনেতা ও স্বভাব আঁকিয়ে ছিলেন।
- ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলের (বর্তমান শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ১১৬ নং কক্ষে রাত এগারটার পর পুরো পতাকার নকশা সম্পন্ন করেন।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।

• পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে,
- জাতীয় পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- অর্থাৎ, পতাকার দৈর্ঘ্য, প্রস্থের অনুপাত = ১০ : ৬ = ৫ : ৩।
- পতাকার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং লাল বৃত্তের মাঝের অনুপাত = ১০ : ৬ : ২ = ৫ : ৩ : ১।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
iii) প্রথম আলো।
iv) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,১৬৮.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত 'বায়ান্নর দিনগুলো' তাঁর কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
  1. ক) অসমাপ্ত আত্মজীবনী
  2. খ) কারাগারের রোজনামচা
  3. গ) নয়া চীন ভ্রমণ
  4. ঘ) আমার দেখা নয়া চীন
সঠিক উত্তর:
ক) অসমাপ্ত আত্মজীবনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অসমাপ্ত আত্মজীবনী
ব্যাখ্যা
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের 'বায়ান্নর দিনগুলো' তাঁর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ (২০১২) গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে। উৎসঃ সাহিত্য পাঠ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
১০,১৬৯.
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে কয়টি স্তম্ভ রয়েছে?
  1. ৭ টি
  2. ১৬ টি
  3. ২৩ টি
  4. ২৬ টি
সঠিক উত্তর:
২৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ টি
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে। 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের স্থানকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য পরবর্তী সময়ে সেখানে নির্মিত হয় একটি স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৭৩ সালের ৩১ আগস্ট সরকার মুজিবনগরে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের নির্দেশ দেয়। 
- ১৯৭৪ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবসে মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এ প্রকল্পের কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। 
- মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ বাঙালির স্বাধীনতা যুদ্ধ ও আত্মত্যাগের প্রতীক। 
- ২০.১০ একর জমির উপর স্মৃতিসৌধটি স্থাপিত। 
- ২৩টি কংক্রিটের ত্রিকোণাকার স্তম্ভ সমন্বয়ে এ স্মৃতিসৌধ নির্মিত। 
- স্থপতি তানভীর কবিরের নকশায় এ সৌধটিকে উদীয়মান সূর্যের প্রতীক বলে মনে হয়। 
- ২৩টি স্তম্ভ পাকিস্তানের ২৩ বছর শাসনের প্রতীক। 
- এই ২৩ বছরে বাঙালি জাতি ধীরে ধীরে যে সংগ্রাম গড়ে তোলে, তার প্রতীকও ২৩টি স্তম্ভ। 
- ৩ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতায় ১৬০ ফুট ব্যাসে বেদীটি নির্মিত।
- ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে এখানে পাঠাগার, মসজিদ ও অতিথিশালা নির্মাণ করে একে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ কমপ্লেক্সে রূপান্তরিত করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০,১৭০.
মুক্তিযুদ্ধে কোন বীরশ্রেষ্ঠ 'পলাশের' ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার ছিলেন?
  1. বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ
  2. বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ
  3. বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান
  4. বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন
সঠিক উত্তর:
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন: 
- মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন 'পলাশ' নামক গানবোটের ইঞ্জিনরুম আর্টিফিশার ছিলেন।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়, তিনি ভারতের হলদিয়া নৌঘাটি থেকে মংলা বন্দরের দিকে অগ্রসর হন।
- 'পদ্মা' ও 'পলাশ' গানবোটের মাধ্যমে পাকিস্তানি নৌ ঘাঁটি 'পিএনএস তিতুমীর' দখলের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানো হয়েছিল।
- ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ তারিখে, এই অভিযানের সময় 'পলাশ' গানবোটে রুহুল আমিন সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

উল্লেখ্য, 
- যখন ভারতীয় বিমানগুলো আক্রমণ শুরু করেছিল, রুহুল আমিন সঙ্গীদের পরামর্শ দিয়েছিলেন যে, গানবোট সচল রাখতে হবে। একটি গোলা পলাশের ইঞ্জিন রুমে আঘাত করলে, রুহুল আমিন নদীতে লাফিয়ে পড়ে আহত হন। পরে, পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকারদের হাতে তার নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটে। রুহুল আমিনের এই সাহসিকতা ও আত্মত্যাগ তাকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করেছে। 

সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১০,১৭১.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ- 
  1. রফিকউদ্দিন আহমদ
  2. আব্দুল জব্বার 
  3. আবুল বরকত
  4. আব্দুস সালাম
সঠিক উত্তর:
রফিকউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিকউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা

• প্রথম ভাষাশহীদ:
- একুশের প্রথম ভাষাশহীদ রফিকউদ্দিন আহমদ।
- তিনি ছিলেন মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্রনাথ কলেজের বাণিজ্য বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তাঁর বাবার নাম আবদুল লতিফ এবং মায়ের নাম রাফিজা খানম। রফিক উদ্দিনের জন্ম ১৯২৬ সালে, মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলায়।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি শহীদ হন।
- ঘটনার সময় পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের কারণে ছাত্ররা ঢাকা মেডিকেল কলেজের ব্যারাকে আশ্রয় নেন।
- ওই সময় পুলিশের গুলিতে তাঁর মাথার খুলি উড়ে যায়।
- মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তখনই মারা যান তিনি। ম্যাজিস্ট্রেট ওবায়দুল্লাহর উপস্থিতিতে তাঁর জানাজার নামাজ পড়ান আজিমপুর মসজিদের ইমাম হাফেজ আবদুল গফুর। আত্মীয়স্বজনকে না জানিয়ে গোপনে আজিমপুর কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

⇒ ভাষাশহীদ রফিক ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদক পান।

উৎস: প্রথম আলো।

১০,১৭২.
দেশে প্রথম জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৯০ সালে
  2. খ) ২০০৯ সালে
  3. গ) ২০১৪ সালে
  4. ঘ) ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
৬১টি জেলায় পরোক্ষ পদ্ধতিতে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংশ্লিষ্ট জেলার নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করে।
১ জন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সাধারণ সদস্য এবং ৫ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য সহ মোট ২১ জন সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয়।
(সূত্র: বিবিসি বাংলা এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১০,১৭৩.
Who was martyred in the anti-dictatorship movement of the 1990?
  1. Asaduzzaman
  2. Noor Hossain
  3. Alliullah
  4. Shafiur Rahman
  5. Manu Mia
সঠিক উত্তর:
Noor Hossain
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noor Hossain
ব্যাখ্যা
নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন:
- স্বাধীন বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক অধিকার আন্দোলনের উজ্জ্বলতম অধ্যায় নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান।
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখল করে স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার ক্ষমতা দখলের পর থেকেই স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
- টানা ৯ বছর আন্দোলনের পর এ বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে ওঠা সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের দুর্বার আন্দোলনেই পতন ঘটে স্বৈরশাসক এরশাদের।
- ধারাবাহিক আন্দোলনের এক পর্যায়ে ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর শিক্ষার্থী জেহাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।
- ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর স্বৈরাচারবিরোধী মিছিলে হামলা চালায় নতুন বাংলা ছাত্র সমাজের ক্যাডাররা।
- সে হামলায় নিহত হন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম মহাসচিব ডা. শামসুল আলম খান মিলন। এর পর সারাদেশের শহর-বন্দর, এমনকি গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে পড়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন।
- অবশেষে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন এরশাদ।

উল্লেখ্য,
- সেই আন্দোলনের সময় গণতন্ত্রের দাবিতে বুকে-পিঠে শ্লোগান লিখে রাস্তায় নামা এক তরুণ নূর হোসেন পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর নূর হোসেন শহিদ হন।

⇒ নূর হোসেনের লেখা শ্লোগান -
- বুকে 'স্বৈরাচার নীপাত যাক' এবং পিঠে 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক'।

উৎস: ৬ ডিসেম্বর ২০২০, বিবিসি বাংলা।
১০,১৭৪.
বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনে বর্তমানে মোট কতটি চা বাগান রয়েছে?
  1. ক) ১৫৯টি
  2. খ) ১৬২টি
  3. গ) ১৬৭টি
  4. ঘ) ১৬৯টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৬৭টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনে দেশে মোট ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে।
এর মধ্যে,
- মৌলভীবাজারে : ৯১টি
- হবিগঞ্জে : ২৫টি
- চট্টগ্রামে : ২১টি
- সিলেটে : ১৯টি
- পঞ্চগড়ে : ৮টি
- রাঙামাটিতে : ২টি
- ঠাকুরগাঁওয়ে : ১টি।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট)
১০,১৭৫.
'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' কোন শহরে আয়োজন করা হয়েছিল?
  1. লন্ডনে
  2. জর্জিয়ায়
  3. নিউইয়র্কে
  4. মিশিগান
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্কে
ব্যাখ্যা
দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:

- মহান মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি বন্ধুদের পাশে এসে দাঁড়ানোর অসাধারণ একটি উদ্যোগের নাম 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'।
- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট রোববার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আয়োজন করা হয়েছিল সেই ঐতিহাসিক কনসার্টটি।
- ম্যনহাটনের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে হওয়া সেই কনসার্টের অন্যতম দুই উদ্যোক্তা ছিলেন ইংল্যান্ডের সাড়া জাগানো ব্যান্ড দল দ্য বিটলস ব্যান্ডখ্যাত পশ্চিমা সঙ্গীতের অগ্রগণ্য শিল্পী জর্জ হ্যারিসন ও ভারতীয় উপমহাদেশের কিংবদন্তি সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর।
- মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য অংশ সেই কনসার্টের ৫০ বছর পূর্তিতে নিউইয়র্কে আয়োজন করা হয়েছে একটি উৎসবের।
- ৩১ জুলাই শনিবার বিকালে জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টারে 'ফ্রেন্ডস অব ফ্রিডম' নামে একটি সংগঠন এই উৎসবের আয়োজন করেছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১৬ জুলাই ২০২১।
১০,১৭৬.
“সব কটা জানালা খুলে দাও না” - গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) গোবিন্দ হালদার
  2. খ) নজরুল ইসলাম বাবু
  3. গ) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
  4. ঘ) ফজলে এ খোদা
সঠিক উত্তর:
খ) নজরুল ইসলাম বাবু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নজরুল ইসলাম বাবু
ব্যাখ্যা
- “সব কটা জানালা খুলে দাও না” -গানটির রচয়িতা বা গীতিকার হলেন নজরুল ইসলাম বাবু।
তার রচিত অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
-‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’
- ‘আমায় গেঁথে দাও না মাগো একটা পলাশ ফুলের মালা’
- ‘ও আমার আট কোটি ফুল দেইখো গো মালি’ প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
১০,১৭৭.
অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী চলচ্চিত্রের নির্মাতা কে?
  1. সুভাষ মুখোপাধ্যায়
  2. খান আতাউর রহমান
  3. নারায়ণ ঘোষ মিতা
  4. নাসির উদ্দীন ইউসুফ
সঠিক উত্তর:
সুভাষ মুখোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুভাষ মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী:
- স্বাধীনতা-পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধের দ্বিতীয় ছবি অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী।
- সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের চলচ্চিত্র ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’।
- চলচ্চিত্রটি ১৯৭২ সালে নির্মিত হয়। 

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হলেও বিষয়বস্তুতে অনন্যসাধারণ এই চলচ্চিত্রটি।
- 'লাঞ্ছিত নারীত্বের মর্যাদা দাও, নিষ্পাপ সন্তানদের বরণ কর'- এই স্লোগানে ১৯৭২ সালে প্রখ্যাত পরিচালক সুভাষ দত্ত নির্মাণ করেন অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী চলচ্চিত্রটি।
- ছবিটি মূলত একজন অভিনেতাকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে; যিনি যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে রক্ষা পেতে পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যান।
- এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন ববিতা, উজ্জল, আনোয়ার হোসেনসহ আরো অনেকে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) কালের কন্ঠ।
১০,১৭৮.
সুবাদার ইসলাম খান ঢাকার নাম রাখেন-
  1. ক) জাহাঙ্গীরনগর
  2. খ) জান্নাতাবাদ
  3. গ) ইসলামাবাদ
  4. ঘ) নাসিরাবাদ
সঠিক উত্তর:
ক) জাহাঙ্গীরনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জাহাঙ্গীরনগর
ব্যাখ্যা

১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম খান বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হয়েছিলেন।
তিনি ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামে এর নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

১০,১৭৯.
১৯৪৮ সালে ‘বাংলা ভাষা আরবি হরফে’ লেখার প্রস্তাব দিলে কে প্রতিবাদ করেন?
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
  2. ফজলুল হক
  3. শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
ব্যাখ্যা
⇒ ভাষা আন্দোলন:
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- এটিই ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।

• তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম পুস্তিকা ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কি হবে? বাংলা নাকি উর্দু‌’।

• ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম পরিচালিত হলে পূর্ব বাংলা কংগ্রেস পার্টির সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এর প্রতিবাদ করেন।
- তিনি ‘বাংলা’ ভাষাকেও অধিবেশনের ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।

• ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ দ্বিতীয়বারের মতো ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়।

• ১৯৪৮ সালে ‘বাংলা ভাষা আরবি হরফে’ লেখার প্রস্তাব দিলে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ এর প্রতিবাদ করেন।

• ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি নতুন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন পল্টন ময়দানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু হবে এ ঘোষণা দেন।
- এর প্রতিবাদে নতুন করে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
১০,১৮০.
মোঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী ছিল -
  1. সোনারগাঁ
  2. ঢাকা
  3. গৌড়
  4. নদীয়া
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
১৬১০ সালে বাংলায় মোঘল শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মোঘল পূর্ব যুগে বাংলার হিন্দু ও মুসলিম শাসকগণ ঢাকার চারদিকে বিভিন্ন অবস্থানে রাজধানী স্থাপন করেছিলেন।
- এরকম উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রাজধানী হলো - সোনারগাঁ, বিক্রমপুর, ভাওয়াল ইত্যাদি।

পরবর্তীতে,
- ইসলাম খানের হাত ধরে ১৬১০ সালে বাংলায় মোঘল শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।
- ঢাকার নতুন নামকরণ করা হয় - জাহাঙ্গীরনগর।
- বাংলায় মোঘল শাসনের কেন্দ্রবিন্দু ছিলো - ঢাকা।

উৎস: ঢাকা জেলার ওয়েবসাইট।
১০,১৮১.
বাংলাদেশের স্থাপত্যের সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন-
  1. ক) বৌদ্ধ স্তূপ
  2. খ) বজ্রযোগিনী
  3. গ) শালবন বিহার
  4. ঘ) ময়নামতি
সঠিক উত্তর:
ক) বৌদ্ধ স্তূপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বৌদ্ধ স্তূপ
ব্যাখ্যা

- বৌদ্ধ স্তুপ বাংলাদেশের স্থাপত্যের সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন।
- ঢাকার আশ্রাফপুরে রাজা দেব খড়রের স্তুপটি বাংলার প্রাচীনতম স্তুপের নিদর্শন।
- ময়নামতি কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কি. মি. পশ্চিমে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।

- এর পূর্ব নাম রোহিতগিরি ।
- মুন্সীগঞ্জ জেলার সদর উপজেলায় বজ্রযোগিনী গ্রামটি অবস্থিত।
- অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞানের (৯৮০-১০৫৩) স্মৃতিবিজড়িত বজ্রযোগিনী গ্রাম।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত অধিদপ্তর।

১০,১৮২.
আইয়ুব গেটের নাম পরিবর্তন করে কী নাম করা হয়?
  1. মীর জুমলা গেট
  2. আসাদ গেইট
  3. বাহাদুর শাহ
  4. শহীদ বরকত স্মৃতি জাদুঘর
সঠিক উত্তর:
আসাদ গেইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসাদ গেইট
ব্যাখ্যা
আসাদ গেট
- বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরের লালমাটিয়ায় অবস্থিত একটি তোরন।
- জাতীয় সংসদ ভবনের ডান পার্শ্বে অবস্থিত।
- এর আগের নাম আইয়ুব গেট।
- পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইউব খান ঢাকা এসে করে মোহাম্মদপুর এলাকার প্রথম পনেরটি বাড়ি কিছু পরিবারের জন্য বরাদ্দ করেন।
- সেই কারনেই মোহাম্মদপুর এলাকার প্রধান রাস্তার প্রধানগেট টির নামকরণ করা হয়েছিল আইউব গেট।
- ১৯৬৯ সালে ১১ দফা দাবী আদায়ের গণ আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ছাত্রনেতা আমানুল্লাহ আসাদুজ্জামান।
- আসাদের শহীদ হওয়া সেই সময়ের গণ আন্দোলনে আনে নতুন মাত্রা।
- তবে আসাদুজ্জামান আসাদ বর্তমান আসাদ গেটের কাছে শহীদ হন নি।
- সেই সময়কার আন্দোলনটি ছিল প্রেসিডেন্ট আইউব খানের বিরোদ্ধে।
- সেজন্যই আসাদের স্মৃতি রক্ষার জন্য ঢাকাবাসী আইউব গেটের নাম পরিবর্তন করে আসাদ গেট রাখেন।  
- এই পরিবর্তনটি পাকিস্তান আমলেই হয়েছিল। 

তথ্যসূত্র: 
- নাজির হোসেন, "কিংবদন্তির ঢাকা", তৃতীয় সংস্করণ, এপ্রিল ১৯৯৫, থ্রিস্টার কো-অপারেটিভ মালটিপারপাস সোসাইটি লিঃ, ঢাকা, পৃষ্ঠা ১৯৯।  
১০,১৮৩.
গণ অভ্যুত্থান দিবস পালিত হয় কত তারিখ?
  1. ২০ জানুয়ারি
  2. ২৪ জানুয়ারি
  3. ২৪ ফেব্রুয়ারি
  4. ২০ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
২৪ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
- ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস।
গণ-অভ্যুত্থান দিবস:
- পাকিস্তানি সামরিক শাসন উৎখাতের লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা শাসকগোষ্ঠীর দমন-পীড়ন ও সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের করে।
- মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণে নিহত হন নবকুমার ইনস্টিটিউশনের নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর রহমান।
- জনতার রুদ্ররোষ এবং গণ-অভ্যুত্থানের জোয়ারে স্বৈরাচারী আইয়ুব সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান অভিযুক্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সবাইকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।
- পতন ঘটে আইয়ুবের স্বৈরতন্ত্রের।
- অপশাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামে তাই ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান আজও দেশের মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। 

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক ও প্রথম আলো।
১০,১৮৪.
বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা কে ছিলেন?
  1. ধর্মপাল
  2. বিজয় সেন
  3. গোপাল
  4. শশাঙ্ক 
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক 
ব্যাখ্যা

রাজা শশাঙ্ক:
- বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা ছিলেন শশাঙ্ক।

উল্লেখ্য,
- শশাঙ্ক বাংলার বাইরেও রাজ্য জয় করে এক বিশাল সাম্রাজ্য স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে তিনি গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী। বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
- তিনি প্রথমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে দণ্ডভুক্তি (মেদিনীপুর), উৎকল (উত্তর উড়িষ্যা) ও কঙ্গোদ (দক্ষিণ উড়িষ্যা) নিজ রাজ্যভুক্ত করেন। 

এছাড়া,
- শশাঙ্ক সনাতন হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন। এ কারণেই হর্ষবর্ধনের সভাকবি বাণভট্ট শশাঙ্ককে বৌদ্ধবিদ্বেষী ও বৌদ্ধ ধর্মের নিগ্রহকারীরূপে চিহ্নিত করেন।
- হিউয়েন সাঙ-এর বিবরণী থেকে জানা যায় যে, রাজধানী কর্ণসুবর্ণে এবং শশাঙ্কের রাজ্যের অন্যত্র বৌদ্ধধর্মের যথেষ্ট মর্যাদা ছিল।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১৮৫.
জাতীয় সংসদে বাংলাভাষাকে জীবনের সর্বস্তরে ব্যবহারের জন্য আইন পাস হয়েছে কোন সালে?
  1. ক) ১৯৮৬
  2. খ) ১৯৮৭
  3. গ) ১৯৯৯
  4. ঘ) ২০০০
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৭
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩নং অনুচ্ছেদের বিধানকে পূর্ণরূপে কার্যকর করবার উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালে প্রণীত আইন।

SOURCE: বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭ ( ১৯৮৭ সনের ২ নং আইন )
১০,১৮৬.
সাধারণত মন্ত্রীসভার নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ক) রবিবারে
  2. খ) সোমবার
  3. গ) মঙ্গলবারে
  4. ঘ) বুধবারে
সঠিক উত্তর:
খ) সোমবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোমবার
ব্যাখ্যা
- জুন মাসের শেষ রবিবারে সংসদে বাজেট পাশ করা হয়।
- মন্ত্রীসভার নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় সোমবার
- পরিকল্পনা কমিশনের বৈঠক ( ECNEC , NEC ) অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবারে।
- ক্রয়সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বুধবারে।
- জুন মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার সংসদে বাজেট পেশ করা হয়।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং দৈনিক প্রথম আলো।
১০,১৮৭.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বাংলাদেশে মোট কতজনকে রাষ্ট্রীয় খেতাব দেওয়া হয়েছে?
  1. ক) ৪২৬
  2. খ) ৬৭৬
  3. গ) ৬৭৫
  4. ঘ) ৫৭৬
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৭৬
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।
- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)।

অর্থ্যাৎ, স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে।
এর মধ্য,
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- বীর উত্তম: ৬৭ জন
- বীরবিক্রম : ১৭৪ জন
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো)
১০,১৮৮.
তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয় কখন?
  1. ক) ১৬ আগস্ট ১৯৪৭
  2. খ) ০১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭
  3. গ) ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭
  4. ঘ) ০১ জানুয়ারি ১৯৪৮
সঠিক উত্তর:
খ) ০১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ০১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭
ব্যাখ্যা

তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

উল্লেখ্য, বাংলাপিডিয়ার সূত্র অনুসারে, তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর গঠিত হয়।
তবে, এই ক্ষেত্রে স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্রের তথ্য অধিক গ্রহণযোগ্য। তাছাড়া অনেকগুলো বোর্ড বইগুলোতেও তারিখটি ২ সেপ্টেম্বর দেওয়া।
তাই সঠিক উত্তর হিসাবে ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ অধিকগ্রহণযোগ্য।
তবে অপশনে ২ সেপ্টেম্বর, না থাকলে ১ সেপ্টেম্বর উত্তর হবে।

১০,১৮৯.
সেন বংশের আদি নিবাস কোথায় ছিলো?
  1. ক) দাক্ষিণাত্য
  2. খ) নদীয়া
  3. গ) বিক্রমপুরে
  4. ঘ) কামরূপ
সঠিক উত্তর:
ক) দাক্ষিণাত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দাক্ষিণাত্য
ব্যাখ্যা
- সেন বংশের আদি নিবাস দাক্ষিণাত্য ছিলো। 

সেন বংশ: 

- প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে এগারো শতকের অন্তিমলগ্নে পাল বংশের অবসান ঘটিয়ে সেনদের উত্থান একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- সেন বংশের আদি নিবাস দাক্ষিণাত্য ছিলো। 
- বাংলায় সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সামন্ত সেন।
- তিনি যৌবনে কর্ণাটে বীরত্ব প্রদর্শন করে শেষ বয়সে বসতি স্থাপন করেন রাঢ় অঞ্চলে গঙ্গা তীরে।
- সামন্ত সেন কোনো রাজ্য প্রতিষ্ঠা না করায় সেন বংশের প্রথম রাজার মর্যাদা দেয়া হয় তাঁর পুত্র হেমন্ত সেনকে । 
-হেমন্ত সেনের পুত্র বিজয় সেন বাংলায় সেন বংশের শাসনকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন।
- বল্লালসেন সুপন্ডিত হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তিনি ১১৬৮ খ্রিস্টাব্দে দানসাগর লেখা সম্পন্ন করেন এবং ১১৬৯ খ্রিস্টাব্দে অদ্ভুতসাগর লেখায় হাত দেন। তবে তা তিনি সম্পন্ন করে যেতে পারেন নি।
- ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে লক্ষ্মণসেনের মৃত্যুর পর তাঁর দুই পুত্র বিশ্বরূপসেন ও কেশবসেন যথাক্রমে সিংহাসনে বসেন।
- তাঁদের শাসনামলের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায় না। তবে বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে তাঁদের শাসন যে আরও প্রায় ২৫ বছর স্থায়ী ছিল, লিপি প্রমাণে তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।
 উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১০,১৯০.
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বাংলাদেশের সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ক) চতুর্থ তফসিল
  2. খ) পঞ্চম  তফসিল
  3. গ) ষষ্ঠ তফসিল
  4. ঘ) সপ্তম তফসিল
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম  তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম  তফসিল
ব্যাখ্যা
- ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে নতুন করে ৩টি তফসিল যুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭ টি তফসিল রয়েছে :-ঃ
- প্রথম তফসিল:- অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল:- রাষ্টপতি নির্বাচন।
- তৃতীয় তফসিল- শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল – ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবালী
- পঞ্চম তফসিল – ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল -১৯৭১ সালের ২৫মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল- ১০এপ্রিল ১৯৭১ এর মুজিবনগর সরকারের জারিকৃ্ত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ।
- এই তফসিল  সংবিধানের  ১৫০(২) নং অনুচ্ছেদ র্বণনা প্রদান করা হয়েছে। 
- ১৫০(২) ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তারিখ হতে ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তন হওয়ার অব্যবহিত পূর্ব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ, ষষ্ঠ তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ তারিখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার টেলিগ্রাম এবং সপ্তম তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল তারিখে মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র হল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের ঐতিহাসিক ভাষণ ও দলিল, যাহা উক্ত সময়কালের জন্য ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী বলে গণ্য হবে।

 উৎস:-  বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,১৯১.
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে 'বাংলা ব্লকেড' কর্মসূচি শুরু হয় কবে?
  1. ০৬ জুলাই ২০২৪
  2. ০২ জুলাই ২০২৪
  3. ০৭ জুলাই ২০২৪
  4. ০৪ জুলাই ২০২৪
সঠিক উত্তর:
০৭ জুলাই ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০৭ জুলাই ২০২৪
ব্যাখ্যা

• বাংলা ব্লকেড ঘোষণা (০৬ জুলাই ২০২৪, শনিবার):
- দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আগের দিনের মতোই বিক্ষোভ ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়।
- এ সময় আন্দোলনকারীরা সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন, ছাত্রধর্মঘট এবং সারা দেশে সড়ক-মহাসড়ক অবরোধের ডাক দেন। এর নাম দেওয়া হয় 'বাংলা ব্লকেড'।

• বাংলা ব্লকেড পালিত হয় (০৭ জুলাই ২০২৪, শনিবার)।

উৎস: প্রথম আলো।

১০,১৯২.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে সমর্থন দিয়েছিল কোন দেশ? 
  1. রাশিয়া 
  2. ভারত
  3. সৌদি আরব
  4. ইরাক
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ কনসার্ট: 
- যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ, প্রচার মাধ্যম, কংগ্রেসের অনেক সদস্য এ দেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সোচ্চার ছিল;
-  যুক্তরাষ্ট্রের সরকার, চীন এবং ইরান ও সৌদি আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মুসলিম দেশ মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল।
- তবে মার্কিন শিল্পী, সাহিত্যিক এবং অনেক রাজনীতিবিদ বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন।
- পক্ষেছিল: রাশিয়া , ভারত, ইরাক নেপাল সমর্থন দিয়েছিল।
- পণ্ডিত রবি শংকরের উদ্যোগে আয়োজিত হয় ।
-  স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক।
- অনুষ্ঠান: 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'
- দর্শক: অনুষ্ঠানে ৪০,০০০ দর্শকের উপস্থিতি ছিল।
- শিল্পী: জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলানসহ বিশ্বখ্যাত শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন।
- এই অনুষ্ঠানটির মধ্য দিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ জোগানের ব্যবস্থা হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১০,১৯৩.
জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন কে?
  1. আসিফ নজরুল ইসলাম
  2. অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. নাহিদ ইসলাম
  4. আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

 ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’
- এটি হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল।
- যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।-
- বাংলাদেশের 'অন্তর্বর্তীকালীন সরকার' ৫ আগস্ট ২০২৫ আনুষ্ঠানিকভাবে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেছে।
- জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- এটি রাজনৈতিক, সাংবিধানিক ও শাসন কাঠামোর সংস্কারের পাশাপাশি ছাত্র-জনতা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের স্বীকৃতি ও আইনি সুরক্ষা বিষয়গুলোকে সংজ্ঞায়িত করে।

উৎস: প্রথম আলো।

১০,১৯৪.
বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়া হয় কোন সালে?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৮ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি:
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে মানুষ ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাস্তায় নামলে শহীদ হন সালাম, রফিক, সফিক, বরকত, জব্বার প্রমুখ জাতির সূর্যসন্তান।
- সেদিন থেকেই বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রক্রিয়াটি শুরু হয়ে গিয়েছিল।
- ৯ মে ১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয়া হয়।
- বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়া হয় তারও দু'বছর পর ১৯৫৬ সালে।

উৎস: i) BBC.
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১৯৫.
When was polythene bags banned in all super-shops in Bangladesh?
  1. 1 March, 2024
  2. 1 June, 2024
  3. 1 September, 2024
  4. 1 October, 2024
  5. 1 November, 2024
সঠিক উত্তর:
1 October, 2024
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1 October, 2024
ব্যাখ্যা
পলিথিন বা পলিপ্রপিলিনের ব্যাগ নিষিদ্ধ:
- অতিমাত্রায় পলিথিন ও পস্নাস্টিক ব্যবহারের কারণে মানব শরীরে বাসা বাঁধছে ক্যানসারসহ নানা রোগ।
- পলিথিন ও পস্নাস্টিক পণ্য কয়েকশ বছরেও মাটির সঙ্গে মেশে না। বরং মাটির উর্বরতা নষ্ট করছে। সেই সঙ্গে সাগর-মহাসাগরকে বিষিয়ে তুলছে বিষাক্ত পলিথিন ও পস্নাস্টিক।
- বাংলাদেশ ২০০২ সালে ১ মার্চ আইন করে বিষাক্ত পলিথিন উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে।
- আইনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ২০ বছর ধরে বেড়েই চলেছে পলিথিনের উৎপাদন ও ব্যবহার।
- সরকার ২০১০ সালে আরেকটি আইন করে।
- পলিথিনের বদলে পাটের ব্যবহারের জন্য জারি করা হয় 'পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০'।
- আইনে ১১টি পণ্যের মোড়ক হিসেবে পস্নাস্টিক বা পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

⇒ ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে দেশের সকল সুপারশপে পলিথিন বা পলিপ্রপিলিনের ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয়।
- ১ অক্টোবর থেকে সুপারশপে কোনো ধরনের পলিথিন বা পলিপ্রপিলিনের ব্যাগ রাখা যাবে না এবং ক্রেতাদের দেওয়া যাবে না।

⇒ ২০২৪ সালের ১ নিভেম্বর থেকে দেশের সকল কাঁচাবাজারে পলিথিন বা পলিপ্রপিলিনের ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয়।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
১০,১৯৬.
'শরিফ শিক্ষা কমিশন' কত সদস্য বিশিষ্ট ছিল?
  1. ১১ জন
  2. ১২ জন
  3. ১৩ জন
  4. ১৪ জন
সঠিক উত্তর:
১১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ জন
ব্যাখ্যা
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন:
- আইয়ুব খান শিক্ষা সংস্কারের উদ্দেশ্যে ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেছিলেন।
- তদানীন্তন শিক্ষা সচিব এস.এম. শরীফকে সভাপতি করে গঠিত এগার সদস্যবিশিষ্ট এই কমিশন 'শরিফ কমিশন' নামে অভিহিত।
- কমিশন ১৯৫৯ সালের ২৬ আগস্ট তার সুপারিশ পেশ করে। কমিশনের উল্লেখযোগ্য সুপারিশ ছিল নিম্নরূপ:
• তিন বছরের বি.এ কোর্স পদ্ধতি চালু করা (এর আগে ছিল দু'বছরের বি.এ পাস কোর্স)।
• স্কুল-কলেজের সংখ্যা সীমিত রাখা।
• শিক্ষা ব্যয়ের শতকরা ৮০ ভাগ অভিভাবককে বহন করতে হবে।
• ৬ষ্ঠ শ্রেণি হতে ডিগ্রি স্তর পর্যন্ত ইংরেজিকে বাধ্যতামূলক করা হবে।
- কমিশনের এই রিপোর্টের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ বিক্ষুব্ধ হয়।
- ঢাকা কলেজে সর্বপ্রথম আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- ঐ কলেজের ছাত্ররা 'ডিগ্রি স্টুডেন্টস ফোরাম' নামক একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে।
- এই সংগঠনের নামে ঢাকা শহরের অন্যান্য কলেজের ছাত্ররা আন্দোলন পরিচালনা করে।
- পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আন্দোলনে যোগ দেয়।
- তখন সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে করা হয় 'ইস্ট পাকিস্তান স্টুডেন্টস ফোরাম'।
- এক পর্যায়ে আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের যৌথ নেতৃত্বের হাতে চলে যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৯৭.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নিহত মাদার মারিও ভেরেনজি কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. পর্তুগাল
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. অস্ট্রিয়া
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
মাদার মারিও ভেরেনজি ছিলেন ইতালির নাগরিক। তিনি ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল যশোরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গুলিতে শহীদ হন, মুক্তিযুদ্ধে আহতদের সেবা দিতে গিয়ে।

মাদার মারিও ভেরেনজি:
- মাদার মারিও ভেরেনজি ইতালির নাগরিক ছিলেন।
- ফাদার ভেরেনজি যশোর ফাতিমা ক্যাথলিক হাসপাতালের চারজন ইতালীয় যাজকের একজন ছিলেন।
- সকলেই জাভেরিয়ান আদেশের সদস্য ছিলেন।
- বাংলাদেশের যশোর জেলায় স্থাপিত খ্রিস্টান চার্চের দায়িত্ব পালনকালে ৪ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুলিতে তিনি নিহত হন।
- তাকে যশোর ক্যাথলিক হাসপাতালের মাঠে সমাহিত করা হয়।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০,১৯৮.
মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরকে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ক) ১০ টি
  2. খ) ১১ টি
  3. গ) ০৯ টি
  4. ঘ) ০৬ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১ টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো। নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল-১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না, চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর, ঢাকা-২ নং সেক্টর, রাজশাহী-৭ নং সেক্টর, মুজিবনগর-৮ নং সেক্টর, সুন্দরবন-৯ নং সেক্টর।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
১০,১৯৯.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র 'মেঘের অনেক রং' কত সালে নির্মিত হয়?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
মেঘের অনেক রং:
- মেঘের অনেক রং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন হারুনর রশীদ।
- এটি ১৯৭৬ সালে নির্মিত হয়।
- যুদ্ধের সময় রুমা নামের একজন চিকিৎসকের স্ত্রী ধর্ষণের শিকার হয়।
- এরপর সন্তানসহ কীভাবে বিরূপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়, এর মর্মস্পর্শী চিত্র রয়েছে।
- এতে অভিনয় করেছেন মাথিন, ওমর এলাহী, রওশন আরা, আদনান প্রমুখ।

উৎস: প্রথম আলো।
১০,২০০.
বাংলাদেশে ও ভারতের মধ্যে কত তারিখে ছিটমহল বিনিময় হয়েছে?
  1. ৩০ জুন, ২০১৫
  2. ৩১ জুন, ২০১৫
  3. ৩০ জুলাই, ২০১৫
  4. ৩১ জুলাই, ২০১৫
সঠিক উত্তর:
৩১ জুলাই, ২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ জুলাই, ২০১৫
ব্যাখ্যা
ছিটমহল বিনিময়:
- দুদেশের যৌথ জরিপ অনুযায়ী ১৬২টি ছিটমহলে সাড়ে ৫৫ হাজারের মত মানুষ ছিল।
- দু দেশের সরকারের হিসেব অনুযায়ী ভারতের মধ্যে বাংলাদেশের ৫১টি এবং বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল।
- এর মধ্যে জরিপে বাংলাদেশের মধ্যে থাকা ছিটমহলে সাড়ে ৪১ হাজার এবং ভারতের মধ্যে থাকা ছিটমহলে ১৪ হাজার মানুষের বসবাসের তথ্য ছিল।
- ১৯৭৪ সালের বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি এবং ২০১১ সালের প্রটোকল অনুযায়ী - ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের ৬৮ বছর পর দুটি দেশের মধ্যেকার সীমান্ত সমস্যার নিষ্পত্তি হয়েছে ২০১৫ সালে।
- বাংলাদেশে ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়েছে ৩১ জুলাই, ২০১৫ তারিখে।
- এর ফলে বাংলাদেশের ভেতরকার ভারতের ছিটমহলগুলো বাংলাদেশের ভুমি হিসেবে এবং ভারতের ভিতরকার বাংলাদেশের ছিটমহলগুলো ভারতের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে।

উৎস: ৩১ জুলাই, ২০১৫, বিবিসি বাংলা