বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন১২,৪২১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১০০ / ১২৪ · ৯,৯০১১০,০০০ / ১২,৪২১

৯,৯০১.
বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান কোন বিমানটি ছিনিয়ে আনতে গিয়ে শহিদ হন?
  1. ভি-৭৮
  2. ডি-৪৫
  3. টি-৩৩
  4. এন-৬১
সঠিক উত্তর:
টি-৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টি-৩৩
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান:

- বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান টি-৩৩ বিমানটি ছিনিয়ে আনতে গিয়ে শহীদ হন।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ঢাকার ১৯৪১ সালের ২৯ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন।
- ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৬৩ সালের জুন মাসে কমিশন লাভ করেন। কর্মস্থল ছিল পশ্চিম পাকিস্তানের রিসালপুর।
- এর পরের বছর পেশোয়ারে জেট পাইলট নিযুক্ত হবার পূর্বে করাচিতে জেট কনভার্সন কোর্স সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন করেন।
- ২০ আগস্ট সকালে করাচির মশরুর বিমানঘাঁটি থেকে পাইলট অফিসার মিনহাজ রশীদের টি-৩৩ বিমান নিয়ে উড়বার শিডিউল ছিল।
- মতিউর ছিলেন তার প্রশিক্ষক।
- টি-৩৩ বিমানের সাংকেতিক নাম ছিল ব্লু বার্ড।
- প্রশিক্ষণকালে মতিউর বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিজ হাতে নিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পারেন নি।
- বিমানটি বিধ্বস্ত হয় ভারতীয় সীমান্তের কাছে থাট্টায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯,৯০২.
প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন শাসকের নাম কী?
  1. কনিস্ক
  2. শশাংক
  3. ধর্মপাল
  4. গোপাল
সঠিক উত্তর:
শশাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শশাংক
ব্যাখ্যা
- সপ্তম শতকের প্রারম্ভে বাংলার প্রথম স্বাধীন নৃপতি শশাঙ্ক উত্তর বাংলায় একটি শক্তিশালী স্বাধীন রাজ্য গড়ে তোলেন যা ‘গৌড়রাজ্য’ নামে পরিচিত।
- এই রাজ্যের রাজধানী ছিলো মুর্শিদাবাদ জেলার নিকটবর্তী কর্ণসুবর্ণ।
- উত্তর বাংলা থেকে উড়িষ্যা পর্যন্ত স্বাধীন গৌড়রাজ্যের বিস্তৃতি ছিলো।
- ৫৯৪-৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শশাঙ্ক গৌড়রাজ্য শাসন করেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৯০৩.
সদস্যপদ পাওয়ার জন্য বাংলাদেশ প্রথম কত সালে জাতিসংঘে আবেদন করে?
  1. ১৭ অক্টোবর, ১৯৭২ সাল
  2. ৮ জুলাই, ১৯৭৩ সাল
  3. ২০ অক্টোবর, ১৯৭৩ সাল
  4. ৮ আগস্ট, ১৯৭২ সাল
সঠিক উত্তর:
৮ আগস্ট, ১৯৭২ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ আগস্ট, ১৯৭২ সাল
ব্যাখ্যা

- স্বাধীনতার পর ৮ আগস্ট, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে। স্থায়ী সদস্য হওয়ার পর এটি ছিল চীনের প্রথম ভেটো।

- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ - ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সাল।
-----------------
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম স্থায়ী প্রতিনিধি হলেন এস এ করিম। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।
- ১৯৮৬ সালে সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন।

- বাংলাদেশ ১৯৭৯-১৯৮০ এবং ২০০০-২০০১ মেয়াদে মোট দুইবার নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদ লাভ করেছিলো।
- ১৯৮৮ সাল থেকে বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে আসছে।

সুত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট

৯,৯০৪.
শহীদ আবু সাঈদ কোন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন?
  1. সমাজবিজ্ঞান
  2. রাষ্ট্রবিজ্ঞান 
  3. ইংরেজি
  4. ইতিহাস
সঠিক উত্তর:
ইংরেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংরেজি
ব্যাখ্যা

শহীদ আবু সাঈদ:
- রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তিনি রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন।
- কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি লুটিয়ে পড়েন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন।
- ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান হাসিনা।

উৎস: i) বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।

৯,৯০৫.
কোন সংস্থার নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার ‘দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র' (PRSP) গ্রহণ করে?
  1. IFC
  2. IMF
  3. IDA
  4. IBRD
সঠিক উত্তর:
IMF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IMF
ব্যাখ্যা

- 'PRSP' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Poverty Reduction Strategy Papers (দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র)।
- আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র হচ্ছে PRSP।
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রথম এবং ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
- উল্লেখ্য ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র- IMF ও পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।

৯,৯০৬.
১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু কোন দফাটি উত্থাপন করেননি?
  1. ক) বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী করতে হবে
  2. খ) সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে
  3. গ) সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে
  4. ঘ) গণহত্যার তদন্ত ও বিচার করতে হবে
সঠিক উত্তর:
ক) বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী করতে হবে
ব্যাখ্যা
-১৯৭১ সালের ৭ মার্চ  বঙ্গবন্ধু তাঁর ১৮ মিনিটের ঐতিহাসিক ভাষণে ৪টি দাবি উত্থাপন করেন। 
১) সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে, 
২) সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে,
৩) গণহত্যার তদন্ত ও বিচার করতে হবে এবং
৪) নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।
- বাঙালির রাজনৈতিক ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলন অনন্য বৈশিষ্ট্য মন্ডিত।
-অসহযোগ আন্দোলনের মধ্যদিয়ে বাঙালি জনগোষ্ঠী হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খৃষ্টান নির্বিশেষে রাজনৈতিক ঐক্যবদ্ধতার যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল ১৯৭১  সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান স্বাধীনতার মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয় । 


উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯০৭.
পূর্ব পাকিস্তানে গভর্নরের শাসন প্রবর্তনের বিরুদ্ধে ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেন কে?
  1. ক) শামসুল আলম
  2. খ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. গ) শ্রী মনোরঞ্জন ধর
  4. ঘ) অলি আহাদ
সঠিক উত্তর:
খ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৯৪৭ সালের পর একজন অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিক হিসেবে পাকিস্তানের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। 
- ১৯৪৮ সালের ২৫ আগস্ট পাকিস্তান গণপরিষদে তিনি অধিবেশনের সকল কার্যবিবরণী ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাও অন্তর্ভুক্ত রাখার দাবি উত্থাপন করেন।
-  ১৯৫৪ সালের জুন মাসে পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে তিনি পূর্ব পাকিস্তানে গভর্নরের শাসন প্রবর্তনের বিরুদ্ধে একটি ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। 
- ১৯৫৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর পর্যন্ত আতাউর রহমান খান-এর মন্ত্রিসভায় তিনি পূর্ব পাকিস্তানের স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
 
উৎস : বাংলাপিডিয়া। 
৯,৯০৮.
১৯৭১ সালে ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চলাইট পরিচালনার মূল দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  2. জেনারেল খাদিম হুসাইন রাজা
  3. জেনারেল টিক্কা খান
  4. জেনারেল রাও ফরমান আলী
সঠিক উত্তর:
জেনারেল রাও ফরমান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা

অপারেশন সার্চলাইট:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
- পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
- ১৭ মার্চ, ১৯৭১ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- ২৫ মার্চ মধ্যরাতে ৩ ব্যাটেলিয়ান পাকিস্তানী সৈন্য 'অপারেশন সার্চলাইট-এ' অংশগ্রহণ করে।
- তারা ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যা সংগঠিত করে।

উল্লেখ্য,
⇒ সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন: গভর্নর লে. জে. টিক্কা খান।
- ঢাকা শহরের দায়িত্বে: মেজর রাও ফরমান আলী।
- ঢাকার বাইরে দায়িত্বে: মেজর খাদিম হোসেন রাজা।
- ১৯৭১ সালের ১৫ মার্চ ইয়াহিয়া খান শেখ মুজিবের সাথে সমঝোতার উদ্দেশ্যে কয়েকজন জেনারেলসহ ঢাকায় আসেন।
- ১৯৭১ সালের ১৬ - ২৪ মার্চ পর্যন্ত মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক চলে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) BBC.

৯,৯০৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত 'চরমপত্র' সিরিজটির পরিকল্পনা কার ছিল?
  1. ক) আব্দুল হান্নান
  2. খ) আব্দুল মান্নান
  3. গ) এম.আর. মুকুল
  4. ঘ) ইউসুফ আলী
সঠিক উত্তর:
খ) আব্দুল মান্নান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আব্দুল মান্নান
ব্যাখ্যা
'চরমপত্র'

- মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতারের জাতীয় সঙ্গীত, দেশাত্মবোধক গান, সংবাদ বুলেটিন এবং 'জল্লাদের দরবার' ও 'চরমপত্র' অনুষ্ঠান ছিল অত্যন্ত জনপ্রিয় অনুষ্ঠান। 
- 'জল্লাদের দরবার' অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ও প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খানকে 'কেল্লা ফতেহ্ খান' নামক একজন অমানবিক, পাশবিক ও নিষ্ঠুর চরিত্রের মানুষ হিসেবে তুলে ধরা হয়। 
- আর একটি জনপ্রিয় প্রোগ্রাম ছিল 'চরমপত্র'। এ সিরিজটির পরিকল্পনা ছিল আব্দুল মান্নান খান এম.এন.এ.-এর। 
- চরমপত্র'-এর স্ক্রিপট তৈরি ও তা পাঠ করতেন এম আর আখতার মুকুল। 
- তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গাত্মক শব্দে এবং ঢাকাইয়া ভাষায় রচিত চরমপত্র অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল এম.আর. মুকুলের অনবদ্য উপস্থাপনায়।


তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
৯,৯১০.
১৯৫২ সালে পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. খাজা নাজিমউদ্দিন
  2. নুরুল আমিন
  3. গোলাম মুহাম্মদ
  4. লিয়াকত আলী খান
সঠিক উত্তর:
নুরুল আমিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নুরুল আমিন
ব্যাখ্যা

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন:
- পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী- খাজা নাজিমউদ্দিন, 
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী- নুরুল আমিন
- পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল-  গোলাম মুহাম্মদ।

উল্লেখ্য,
- ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় দিনটি ছিল বাংলা ১৩৫৮ সনের ৮ ফাল্গুন।
- দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ও বিবিসি বাংলা নিউজ।

৯,৯১১.
সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে কোন জনপদের উল্লেখ রয়েছে?
  1. হরিকেলা
  2. সমতট
  3. গৌড়
  4. বরেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
সমতট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতট
ব্যাখ্যা
- চতুর্থ শতকের সমুদ্রগুপ্ত তাঁর পূর্ব সীমান্তে সমতটের উল্লেখ করেন।

সমতট জনপদ:
- চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ রয়েছে।
- সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল।
- মেঘনা-পূর্ববর্তী অঞ্চলই সমতট বলে পরিচিত ছিল।
- কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী ‘লালমাই' এলাকা।
- ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চলই নিয়েই ছিল প্রাচীন সমতট।  
- হিউয়েন সাঙ কোন সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন।

সূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৯,৯১২.
নৌ ঘাঁটি 'বানৌজা শের-ই-বাংলা’ কোথায় অবস্থিত?
  1. পটুয়াখালী
  2. গোপালগঞ্জ
  3. ফরিদপুর
  4. শরীয়তপুর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
বানৌজা শের-ই-বাংলা ঘাটি:
- আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অবস্থিত নৌ ঘাঁটি 'বানৌজা শের-ই-বাংলা’
- ১২ জুলাই, ২০২৩ তারিখে প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ ঘাঁটির উদ্বোধন করেন।
- ২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী বানৌজা শের-ই- বাংলা ঘাঁটির নামফলক উন্মোচন করেন। 
- এ সময় ৪টি পেট্রোল ক্রাফট স্কোয়াড্রন ও ৪টি যুদ্ধ জাহাজ উদ্বোধন করা হয়।
- খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড নির্মিত পেট্রোল ক্রাফট স্কোয়াড্রনগুলো হলো: শহীদ দৌলত, শহীদ ফরিদ, শহীদ মহিব্বুল্লাহ, শহীদ আখতার উদ্দিন।
- চারটি ল্যান্ডিং ক্রাফট ইউটিলিটি (এলসিইউ) হলো বানৌজা ডলফিন, তিমি, টুনা ও পেঙ্গুইন।
- নবনির্মিত এলসিইউ সমূহ আশ্রয়ণ-৩ প্রকল্পের আওতায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে চট্টগ্রাম থেকে ভাসানচরে স্থানান্তর ও তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় রসদ সরবরাহসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে নিয়োজিত থাকবে।
- এ সব জাহাজ ও ঘাঁটি কমিশনিংয়ের মাধ্যমে এ অঞ্চলে অবৈধ মৎস্য আহরণ রোধ, চোরাচালান দমন, মানবপাচার রোধ, জলদস্যুতা এবং মাদক পাচার রোধসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিরসনে ভূমিকা রাখবে।

উৎস: ১২ জুলাই ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
৯,৯১৩.
বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব - 
  1. ক) মুর্শিদকুলি খান
  2. খ) অক্ষয়কুমার দত্ত
  3. গ) সিরাজউদ্দৌলা
  4. ঘ) মুর্শিকুলি খান
সঠিক উত্তর:
ক) মুর্শিদকুলি খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মুর্শিদকুলি খান
ব্যাখ্যা
বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব ছিলেন-  নবাব মুর্শিদকুলি খান। 

• নবাব:
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর কোনো কোনো সুবা স্বাধীন হয়ে যায়।
- বাংলাও এর ব্যতিক্রম ছিল না।
- বিশেষ করে মুর্শিদকুলী খানের সময় থেকে বাংলায় নবাবী আমলের সূচনা হয়।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে কর তলব খান উপাধি দিয়ে ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার দিওয়ান নিযুক্ত করেন।
- বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুরশিদকুলি খান দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি ঢাকা বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন ১৭১৭ সালে।
- তিনি অতিরিক্ত রাজস্ব ধার্য না করে সঠিক ব্যবস্থাপনার দ্বারা রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করেন। 
- সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলা বিহার উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৯,৯১৪.
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা কত নম্বর সেক্টরের অধীন ছিল?
  1. ১ নং
  2. ৩ নং
  3. ২ নং
  4. ১০ নং
সঠিক উত্তর:
২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ নং
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল-১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)
-১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না

- চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর
- ঢাকা-২ নং সেক্টর
- রাজশাহী-৭ নং সেক্টর
- মুজিব নগর-৮ নং সেক্টর
- সুন্দরবন-৯ নং সেক্টর

সূত্র: ঢাকা বিভাগের ওয়েবসাইট
৯,৯১৫.
বঙ্গবন্ধু কত তারিখে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন?
  1. ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
  2. ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি
  3. ১৯৭৩ সালের ১০ জানুয়ারি
  4. ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
• স্বদেশ প্রত্যাবর্তন:
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি স্বপ্নের স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
- আন্তর্জাতিক চাপে বাধ্য হয়ে পাকিস্তানি সরকার ০৮ ই জানুয়ারি তারিখে ২৯০ দিন আটক রাখার পর তাকে মুক্ত করে দেয়।
- তিনি সেখান থেকে বিশেষ বিমানযোগে লন্ডনে চলে যান।
- তারপর লন্ডন থেকে ভারত হয়ে তিনি ১৯৭২ সালের ১০ ই জানুয়ারি আসেন মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে।
- ১০ ই জানুয়ারি ২০২২ সালে বঙ্গবন্ধুর  স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের ৫০ বছর পূর্তি হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৯,৯১৬.
আগ্রার দুর্গের নির্মাতা কে?
  1. ক) সম্রাট শাহজাহান
  2. খ) সম্রাট হুমায়ুন
  3. গ) সম্রাট আওরঙ্গজেব
  4. ঘ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
সঠিক উত্তর:
ক) সম্রাট শাহজাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সম্রাট শাহজাহান
ব্যাখ্যা
সম্রাট শাহজাহান

- ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দে ‘আবুল মুজাফ্ফর শিহাবুদ্দীন মুহম্মদ শাহজাহান’ উপাধি নিয়ে শাহজাহান আগ্রার সিংহাসনে আরোহণ করেন।(বাংলাপিডিয়া)
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের মৃত্যুর পর শাহজাহান ১৬২৮ খ্রি. ১৪ফেব্রুয়ারি গাজী উপাধি নিয়ে সিংহাসনে বসেন 
- মুঘল ইতিহাসে শাহজাহানের রাজত্বকাল “The Age of Marble” নামে খ্যাত।

- তিনি ছিলেন ভারতবর্ষের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ নির্মাতা। তিনি ইতিহাসে ‘The Prince of Builders or Engineer King” নামে পরিচিত।
- সম্রাট শাহজাহানের সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি হল আগ্রার তাজমহল। যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত তাজমহল হচ্ছে সম্রাট তার প্রিয়তমা পত্নী মমতাজ মহলের স্মৃতিকে অমর করে রাখার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত।  

- সম্রাট শাহজাহানের সময়ে ইংরেজরা বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন ওড়িষার পিপলিতে।
- পুত্র আওরঙ্গজেব কর্তৃক দীর্ঘ আট বছর আগ্রা দুর্গে অন্তরীণ থেকে ১৬৬৬ খ্রি. ২২ জানুয়ারি ৭৪ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা - ৯ম - ১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৯,৯১৭.
বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ কত নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেন?
  1. ৭নং সেক্টর
  2. ৫নং সেক্টর
  3. ৬নং সেক্টর
  4. ৮নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৮নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ: ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল: ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান: ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ: ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন: ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান: কোনো সেক্টরের অধীনে ছিলেন না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯,৯১৮.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কোন অভিযুক্তকে জেলখানায় হত্যা কয় হয়?
  1. সার্জেন্ট জহুর উদ্দীন
  2. মোয়াজ্জেম হোসেন
  3. আমির হোসেন
  4. সার্জেন্ট জহুরুল হক
সঠিক উত্তর:
সার্জেন্ট জহুরুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্জেন্ট জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম 'রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য'।
- তবে এটি 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার' আসামীদের মধ্যে প্রথম সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৯১৯.
বক্সারের যুদ্ধে কে পরাজিত হয়েছিল?
  1. মীর জাফর
  2. ইংরেজ বাহিনী
  3. মীর কাসিম
  4. মারাঠা বাহিনী
সঠিক উত্তর:
মীর কাসিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর কাসিম
ব্যাখ্যা
বক্সারের যুদ্ধ:
- বক্সারের যুদ্ধে মীর কাসিম পরাজিত হন।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৭৬০ সালের ২০ অক্টোবর মীর জাফরকে সরিয়ে দিয়ে তার জামাতা মীর কাসিমকে মুর্শিদাবাদের সিংহাসনে অধিষ্ঠিত করেছিল।
- মীর কাসিম নবাব হয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে চেষ্টা করে।
- ১৭৬৩ সালের ৭ জুলাই নবাব বাহিনীর সাথে ইংরেজদের ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু হয়।
- পরপর কাটোয়া, ঘেরিয়া, মুর্শিদাবাদ, সুটি, উদয়নালা ও মুঙ্গেরে নবাব বাহিনীর সাথে ইংরেজদের যুদ্ধ হয়েছিল।
- নবাব তখন পরাজিত হয়ে পাটনায় পালিয়ে গিয়েছিলেন।
- এরপর অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা এবং মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সাহায্য নিয়ে তিনি বাংলাকে পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেন।
- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে দু'পক্ষে প্রচণ্ড সংঘর্ষ হয়।
- তাদের সম্মিলিত বাহিনী বক্সারের যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে পরাজিত হয়।
- নিদারুণ দুঃখকষ্ট ও দারিদ্র ভোগ করে ১৭৭৭ সালের ৬ জুন জন্মভূমি থেকে অনেক দূরে শাজাহানাবাদের এক অখ্যাত পল্লীতে মৃত্যুবরণ করেছিলেন মীর কাসিম।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯২০.
বাংলার 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' কত খ্রিস্টাব্দে হয়েছিল?
  1. ১৭৫৬ খ্রিষ্টাব্দ
  2. ১৭৬০ খ্রিষ্টাব্দ
  3. ১৭৬৫ খ্রিষ্টাব্দ
  4. ১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দ
সঠিক উত্তর:
১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দ
ব্যাখ্যা

ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হলো ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (বাংলা ১১৭৬ বঙ্গাব্দ) বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যায় সংগঠিত ইতিহাসের ভয়াবহতম দুর্ভিক্ষ।
- ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনাধীন বাংলায় দেখা দেয় এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ। তীব্র খরা ও বন্যার কারণে ধানসহ অন্যান্য ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু কোম্পানির কর আদায় বন্ধ হয়নি, চাষিদের কাছ থেকে জোর করে খাজনা আদায় করা চলতেই থাকে। ফলস্বরূপ, খাদ্যের অভাব মারাত্মক রূপ নেয়। লক্ষ লক্ষ মানুষ অনাহারে, রোগে, ও ক্লান্তিতে মারা যায়। 
- এই দুর্ভিক্ষে প্রায় এক কোটি মানুষ খাবারের অভাবে মারা যায়, যা সমগ্র বাংলার জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ। অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় এবং খাদ্যশস্যের বাজারে বেশি মুনাফা অর্জন এই দুর্ভিক্ষের একটি বড় কারণ হলেও ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি এটিকে প্রাকৃতিক বিপর্যয় বলে আখ্যায়িত করে।

উল্লেখ্য,
- ১৭৬৫ সালে ইংরেজরা দিল্লির সম্রাট শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা-বিহার-ওড়িশার দেওয়ানি লাভ করে। ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাংলার গভর্নর রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। দ্বৈতশাসন অনুসারে রাজস্ব প্রশাসন ও দেশ রক্ষার ভার থাকে কোম্পানির হাতে এবং নিয়ামত বা প্রশাসন ও বিচার বিভাগের দায়িত্ব অর্পিত হয় নবাবের হাতে। দ্বৈত শাসনের দায়িত্বহীনতার ফলে বাংলার জনজীবনে অরাজকতা নেমে আসে।
- দুর্ভিক্ষের এই পরিস্থিতিতে ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা রহিত করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৯২১.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিচের কোনটিকে "দ্বিতীয় বিপ্লব" নামে অভিহিত করেছিলেন?
  1. সংবিধান প্রণয়ন
  2. জাতিসংঘে সদস্যপদ লাভ
  3. বাকশাল
  4. ৭৩-এর নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
বাকশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাকশাল
ব্যাখ্যা
- চতুর্থ সংশোধনী পাস করে বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতির বদলে রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির সরকার (বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ) কায়েম হয় ২৫ জানুয়ারি।
- তখন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের পর বাকশালকে 'দ্বিতীয় বিপ্লব' হিসেবে ঘোষণা করে তা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর ভিত্তিতে ১৯৭৫ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি একক জাতীয় দল হিসেবে বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) গঠিত হয়।
- বাকশালের চেয়ারম্যান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- বাকশাল গঠনের উদ্দেশ্য ছিলো বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি।
- ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাকশাল কার্যকর হওয়ার কথা ছিলো।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৯২২.
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যানের নাম
  1. মাহবুবুর রহমান
  2. শেখ ওয়াহিদুজ্জামান
  3. মোঃ আবদুস সাত্তার মিয়া
  4. সেখ আকতার হোসেন
সঠিক উত্তর:
মাহবুবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাহবুবুর রহমান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড:

- বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যানের নাম মাহবুবুর রহমান।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠার পর ১৯৭২ সালের ৩১ মে রাষ্ট্রপতির আদেশ বলে (পিও ৫৯) সাবেক ওয়াপদা থেকে পৃথক হয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশকে আলোকিত ও শিল্পায়িত করার দায়িত্ব নিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণের সমন্বিত সংস্থা হিসেবে মাত্র ৫০০ মেগাওয়াট স্থাপিত ক্ষমতাসহ যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো)।
- বিউবো বর্তমানে একক ক্রেতা হিসাবে বিদ্যুতের ক্রয় ও বিক্রয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি), ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) লি:, ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) লি:, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) লি:, নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) লি: এর এলাকা ব্যতীত দেশের অন্যান্য অংশে বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
৯,৯২৩.
BRTC কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬১
  2. ১৯৬২
  3. ১৯৬৩
  4. ১৯৬৪
সঠিক উত্তর:
১৯৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬১
ব্যাখ্যা
BRTC ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

বিআরটিসি (BRTC):
- বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি) একটি রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা।
- এটি ১৯৬১ সালে সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন অধ্যাদেশ নম্বর-৭ মোতাবেক আধুনিক সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীনতা যুদ্ধের পর সম্পূর্নরূপে বিদ্ধস্ত এ প্রতিষ্ঠান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর একক প্রচেষ্টায় ‘‘বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন’’ অর্থাৎ ‘‘বিআরটিসি’’ নামে নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করে।
- তারপর অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার ন্যায় বিআরটিসি অদ্যাবধি দেশের যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক অসামান্য ভূমিকা রেখে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
- বর্তমানে বিআরটিসি দেশের পরিবহন সেক্টরে যাত্রী সেবা প্রদানের মাধ্যমে সরকারের পক্ষে বিরাট মৌলিক ভূমিকা পালন করে আসছে। 

উৎস: বিআরটিসি ওয়েবসাইট।
৯,৯২৪.
আমদের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদ করেছেন কোন কবি?
  1. ক) সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন
  2. খ) সৈয়দ আলী আহসান
  3. গ) সৈয়দ শামসুল হক
  4. ঘ) শামসুর রাহমান
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ আলী আহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা
সৈয়দ আলী আহসান বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত ইংরেজীতে অনুবাদ করেন। তার রচিত অনুবাদ মূলক কাব্যগ্রন্থঃ হুইট্ম্যানের কবিতা, ইডিপাস ইত্যাদি। তার অন্যান্য কাব্যঃ অনেক আকাশ, একক সন্ধ্যায় বসন্ত, সহসা সচকিত, উচ্চারণ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
৯,৯২৫.
বাঙ্গালি জাতির মুক্তির সনদ বলা হয় কোনটিকে?
  1. ছয়দফা
  2. ৬২ এর শিক্ষা আন্দোলন
  3. ভাষা আন্দোলন
  4. ৬৯ এর গণ-অভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
ছয়দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয়দফা
ব্যাখ্যা
ছয়দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ - মনু মিয়া।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯২৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময়ে অপারেশন জ্যাকপট পরিচালনা করে -
  1. মিত্র বাহিনী
  2. নো-বাহিনী
  3. বিমান বাহিনী
  4. গেরিলা
সঠিক উত্তর:
নো-বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নো-বাহিনী
ব্যাখ্যা
অপারেশন জ্যাকপট:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ-বাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালিত হয় ১৫ই আগস্ট মতান্তরে ১৬ই আগস্ট ১৯৭১ সালে। [অপশনে ১৫ আগস্ট থাকলে ১৫ আগস্ট দাগাতে হবে। অপশনে ১৫ আগস্ট না থাকলে  সেই ক্ষেত্রে ১৬ আগস্ট দাগাতে হবে।]
- দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর - চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে পরিচালিত অপারেশনগুলো চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান।
- এই অপারেশনে পাকিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশ থেকে আসা অস্ত্র, খাদ্য ও তেলবাহী ২৬টি জাহাজ ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল।
- চট্টগ্রামে বন্দরে অপারেশন চালানোর জন্য বাছাই করা হয়েছিল ৬০ জনের একটি দল।
- ১৯৭১ সালের অগাস্টের ১৫ তারিখ রাতে অপারেশন জ্যাকপট পরিচালনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এর পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছিল সেই বছরের মে মাসে।
- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে এক নম্বর সেক্টরের কমান্ডার।
- অপারেশন জ্যাকপটে চট্টগ্রাম বন্দরের অভিযান তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর রফিকুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বীর উত্তম খেতাব লাভ করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বিবিসি বাংলা, ১৬ই আগস্ট ২০২১।
৯,৯২৭.
ঢাকায় প্রথম সাফ গেমস অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ১৯৮৩ সালে
  2. খ) ১৯৮৪ সালে
  3. গ) ১৯৮৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
সাফ গেমস
- সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ: সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন চ্যাম্পিয়নশিপ অথবা দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশন চ্যাম্পিয়নশিপ নামে পরিচিত।
- এটি একটি প্রাথমিক ফুটবল প্রতিযোগিতা, যেখানে দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) সদস্যপ্রাপ্ত পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দলগুলো প্রতিযোগিতা করে।
- সর্বপ্রথম এ প্রতিযোগিতাটি ১৯৮৪ সালে নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি প্রতি ২ বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ দক্ষিণ এশীয় গেমস, অফিসিয়ালভাবে ২য় দক্ষিণ এশীয় গেমস ২০শে ডিসেম্বর থেকে ২৬শে ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ দক্ষিণ এশীয় গেমস যা আনুষ্ঠানিকভাবে ১৪তম দক্ষিণ এশীয় গেমস নামে পরিচিত, যা ২০২৩ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত হবে।


উৎস: OCA » Dhaka 1985, Olympic Council of Asia.
৯,৯২৮.
‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১ জুলাই ১৯৭১
  2. খ) ১ আগস্ট ১৯৭১
  3. গ) ১ অক্টোবর ১৯৭১
  4. ঘ) ১ ডিসেম্বর ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
খ) ১ আগস্ট ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১ আগস্ট ১৯৭১
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ারে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য ছিলো কনসার্ট থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে বাংলাদেশের শরনার্থীদের সহায়তা করা।
- এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিখ্যাত ভারতীয় সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশংকর।
- তার আহবানে সাড়া দিয়ে মার্কিন ব্যান্ডদল বিটলসের জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলান, রিঙ্গো স্টার প্রমুখ এই কনসার্টে অংশগ্রহণ করেন।
- বাংলাদেশের আকবর আলী খাঁ, তবলাবাদক ওস্তাদ আল্লারাখা প্রমুখ এতে যুক্ত ছিলেন।
(তথ্যসূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওয়েবসাইট)
৯,৯২৯.
ভাষা আন্দোলন কোন চেতনার সঞ্চারণ করেছিলো?
  1. সাম্প্রদায়িক চেতনা
  2. বাঙালি জাতীয়তাবাদ
  3. ধর্মীয় জাতীয়তাবাদ
  4. বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
বাঙালি জাতীয়তাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঙালি জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
- বাঙালির ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে পূর্ব বাংলার জনগণের মধ্যে নিজস্ব জাতীয়তাবোধ তথা বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- এই জাতীয়তাবোধের ভিত্তি ছিলো বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতি।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে যে জাতীয় ঐক্যের সূচনা হয় তা-ই পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিসংগ্রামের মুখ্য প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিলো।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৯৩০.
স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন কে?
  1. ক) এম ইউসুফ আলী
  2. খ) শাহজাহান সিরাজ
  3. গ) আ স ম রব
  4. ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
খ) শাহজাহান সিরাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শাহজাহান সিরাজ
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১রা মার্চ ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- এই পরিষদের পক্ষ থেকে ৩রা মার্চ ঢাকার পল্টন ময়দানে আয়োজিত জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে ছাত্রনেতা শাহজাহান সিরাজ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন।
- একই দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক উপাধি দেওয়া হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৯,৯৩১.
স্বত্ববিলোপ নীতি প্রথম কোন রাজ্যে প্রয়োগ করা হয়?
  1. নাগপুর
  2. ঝাঁসি
  3. সাঁতারা
  4. সম্বলপুর
সঠিক উত্তর:
সাঁতারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁতারা
ব্যাখ্যা

স্বত্ববিলোপ নীতি:
- স্বত্ববিলোপ নীতি ছিল একটি সাম্রাজ্যবাদী নীতি।
- স্বত্ববিলোপ নীতির মূলকথা ছিল, ব্রিটিশের শাসনাধীন যেকোনো আশ্রিত রাজ্যের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে এবং তার রাজবংশে কোনো উত্তরাধিকার না থাকলে সেই রাজা সরাসরি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হবেন। এই নীতির মাধ্যমে সাঁতারা, নাগপুর, ঝাঁসি ও সম্বলপুর ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হয়।
- লর্ড ডালহৌসি প্রবর্তিত ‘স্বত্ববিলোপ নীতি’র অধীনে ১৮৪৮ সালে প্রথম সাতারা রাজ্যটি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

• মনেপ্রাণে সাম্রাজ্যবাদী ডালহৌসী সর্বপ্রথম সাঁতারা রাজ্যের উপর তার স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগ করেন। সাঁতারার রাজা ইংরেজের বিনা অনুমতিতে দত্তক পুত্র গ্রহণ করেছিলেন। ফলে ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে রাজা মারা গেলে ডালহৌসী দত্তক পুত্রের দাবি অগ্রাহ্য করে সাঁতারা রাজ্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করেন। এরপর সম্বলপুর রাজ্যের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে ডালহৌসী সম্বলপুর রাজ্যটিও ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করেন।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৯,৯৩২.
‘কার্পাস বিদ্রোহ’ কোথায় সংগঠিত হয়?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) সিলেট
  3. গ) পার্বত্য চট্টগ্রাম
  4. ঘ) বৃহত্তর ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
গ) পার্বত্য চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পার্বত্য চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- ১৭৭৬ সাল থেকে ১৭৮৭ সাল পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘটিত চাকমাদের বিদ্রোহ ‘কার্পাস বিদ্রোহ’ নামে পরিচিত।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে তুলার চাষ হতো এবং কর হিসেবে চাকমারা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে তুলা প্রদান করতে হতো।
- মোট চারবার চাকমা বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। 
- ১৭৭৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যভাগে চাকমারা প্রথম বিদ্রোহ ঘোষণা করে।
-  এই বিদ্রোহের নায়ক ছিলেন চাকমা দলপতি রাজা সের দৌলত ও তার সেনাপতি রামু খাঁ। 
- ১৭৮৭ সালে চাকমা রাজা ও ইংরেজদের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির ফলে কার্পাস বিদ্রোহের অবসান হয়।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস : সিরাজুল ইসলাম এবং দৈনিক প্রথম আলো, ntvbd.com)
৯,৯৩৩.
ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবির দ্বিতীয় দফা কী ছিল?
  1. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  2. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  3. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  4. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।


 উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৯৩৪.
১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তানকে সহায়তা করতে কোন দেশটি বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশ্যে নৌবহর প্রেরণ করেছিলো?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) চীন
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানকে সাহায্য করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশ্যে ‘টাস্কফোর্স-৭৪’ নামে একটি নৌবহর প্রেরণ করে।
- মার্কিন সপ্তম নৌবহরের কয়েকটি জাহাজের সমন্বয়ে টাস্কফোর্স-৭৪ গঠন করা হয় যার মধ্যে ছিলো তৎকালীন বিশ্বের সর্ববৃহৎ যুদ্ধজাহাজ বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস এন্টারপ্রাইজ’।
- কিন্তু ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের কঠিন অবস্থানের কারণে এই নৌবহর শেষ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করতে পারেনি।
(তথ্যসূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টার)
৯,৯৩৫.
কার অধিনায়কত্বে ‘জেড ফোর্স’ গঠিত হয়?
  1. খালেদ মোশাররফ
  2. জিয়াউর রহমান
  3. সফিউল্লাহ
  4. এ.কে খন্দকার
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা
- মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত ও অনিয়মিত দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল।
- অনিয়মিত বাহিনী গণবাহিনী নামে পরিচিত ছিল।
- নিয়মিত বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসের সৈন্যরা।
- ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণের পর বিভিন্ন সেক্টরে গণবাহিনীতে নিয়োগ করা হতো।
- গণবাহিনীর সদস্যদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শত্রুর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য পাঠানো হয়।
- নিয়মিত বাহিনীর সদস্যরা সশস্ত্রবাহিনীর প্রথাগত যুদ্ধে নিয়োজিত ছিলেন।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- এই ব্রিগেডের কমান্ডার মেজর জিয়াউর রহমানের নামের ইংরেজি আদ্যক্ষর ‘জেড’ অনুসারে ব্রিগেডটির নামকরণ করা হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।
- এ ব্রিগেডের অধিনায়ক ছিলেন সফিউল্লাহ।
- খালেদ মোশাররফের অধিনায়কত্বে ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৯,৯৩৬.
মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কে?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. এম এ জি ওসমানী
  4. আব্দুর রব
সঠিক উত্তর:
এম এ জি ওসমানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম এ জি ওসমানী
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।
মুক্তিবাহিনীর চিফ অব স্টাফ ছিলেন লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব এবং ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
(উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৯৩৭.
ভাষা আন্দোলনে ১৯৫২ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতার গণবিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন-
  1. ক) আবদুল জব্বার
  2. খ) রফিক উদ্দিন
  3. গ) আবুল বরকত
  4. ঘ) শফিউর রহমান
সঠিক উত্তর:
ঘ) শফিউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শফিউর রহমান
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার দাবি জানাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলে শহীদ হন আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন আহমদ, আবদুল জব্বার। আবদুস সালাম ঐদিন গুলিবিদ্ধ হয়ে ৭ই এপ্রিল শহীদ হন।
২২ ফেব্রুয়ারি পূর্বাহ্ণে ঢাকার নওয়াবপুর রোডে ছাত্র-জনতা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। আবারও বিক্ষোভ মিছিলের ওপর পুলিশ ও মিলিটারি লাঠি, গুলি ও বেয়োনেট ব্যবহার করে।
এতে শফিউর রহমানসহ আরও কয়েকজন শহীদ হন এবং অনেকে গ্রেফতার হন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া]
৯,৯৩৮.
প্রথম যে শহীদ মিনার নির্মিত হয় তার পরিকল্পনা করেন -
  1. ক) হামিদুর রহমান
  2. খ) কামরুল হাসান
  3. গ) মোর্তজা বশির
  4. ঘ) ড. সাঈদ হায়দার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ড. সাঈদ হায়দার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ড. সাঈদ হায়দার
ব্যাখ্যা
- বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারির রক্তাক্ত প্রহরের দুই দিন পর ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তৈরি করেন প্রথম শহীদ মিনার। 
- সাঈদ হায়দার ছিলেন ওই শহীদ মিনারের নকশাকার।
- ১৯৫২ সালের ২৪ তারিখে ডা. সাঈদ হায়দারের নকশা অনুসারে মেডিকেল কলেজের গেইটের সামনে শহীদ মিনার উদ্বোধন করা হয়।
- ২৬ তারিখে পুলিশ শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে। 
- ভাষা সংগ্রামে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার সাঈদ হায়দারকে ২০১৬ সালে একুশে পদকে ভূষিত করে। 
- সাঈদ হায়দার ১৯২৫ সালে পাবনায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫২ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস এবং ১৯৫৮ সালে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাবলিক হেলথে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা নেন।
- ভাষাসংগ্রামী ও শহীদ মিনারের অন্যতম এই উদ্যোক্তা ২০২০ সালে মারা যান। 
 
উৎস: প্রথম আলো, ইতিহাস, এসএইচএল প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৩৯.
ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা কে ?
  1. ক) আবুল মনসুর আহম্মেদ
  2. খ) রুহুল কুদ্দুস
  3. গ) শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) ‍সিরাজুল আলম খান
সঠিক উত্তর:
খ) রুহুল কুদ্দুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রুহুল কুদ্দুস
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা:
পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার প্রশ্নে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সম্মিলিত ৬ দফাভিত্তিক ঘোষণা উত্থাপন বা পেশ করেন। এটাই ইতিহাসে ‘ছয় দফা কর্মসূচি’ নামে পরিচিত।
• ১৯৬৬ সালের ৫ - ৬ ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলনে ছয় দফা দাবী পেশ করেন।
• ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা - রুহুল কুদ্দুস। তিনি একজন পাকিস্তান সিএসপি কর্মকর্তা ছিলেন। 

দফার দাবিসমূহ -
প্রস্তাব - এক : শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি
প্রস্তাব - দুই : কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
প্রস্তাব - তিন : মুদ্রা ও অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
প্রস্তাব - চার : রাজস্ব, কর, বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
প্রস্তাব - পাঁচ : বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
প্রস্তাব - ছয় : আঞ্চলিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা

SOURCE: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১।
৯,৯৪০.
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলে নিহত হন -
  1. ক) ৩ জন
  2. খ) ৬ জন
  3. গ) ৪ জন
  4. ঘ) ৫ জন
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ জন
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন, আবদুল জব্বার ঘটনাস্থলে নিহত হন। আবদুস সালাম গুলিবিদ্ধ হয়ে ৭ এপ্রিল মেডিকেল কলেজে মারা যান। 
অর্থাৎ, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলে নিহত হন ৩ জন। 
 
- ২১ ফেব্রুয়ারি গুলিতে ঠিক কতজন মারা গিয়েছে তা নিয়ে পরবর্তীকালে নানা কারণে মতভেদ দেখা দিয়েছে। 
- ২১ ফেব্রুয়ারি গুলি লেগে কেউ আবার পরে মৃত্যুবরণ করেছেন। 
- শেষপর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া গেছে ভাষার কারণে ৬ জন শহীদ হয়েছিলেন। 
 
- শহীদ রফিকউদ্দীন আই.কম. পড়তেন। তাঁর বয়স উনিশ/বিশ ছিল। তাঁর বাড়ি মানিকগঞ্জ। 
- আবুল বরকত ১৯২৭ সালের ১৬ জুন জন্মগ্রহণ এবং ১৯৪৫ সালৈ ম্যাট্রিক পাশ করেছিলেন। ১৯৪৮ সালে তিনি পাকিস্তানে আসেন। তাঁর পিতার নাম শামসুজ্জোহা। 
- শহীদ শফিউর রহমান ছিলেন হাইকোর্টের কর্মচারী। ১৯১৮ সালের ২৪ জানুয়ারি তার জন্ম। এঁদের তিনজনকেই আজিমপুর দাফন করা হয়। 
- শহীদ আব্দুল জব্বার ছিলেন পেশায় দর্জি। গফরগাঁওয়ের পাচাইয়া গ্রামে তাঁর বাড়ি। 
- শহীদ অলিউল্লাহর বয়স ৮/৯ বছর। তিনি রাজমিস্ত্রি হাবিবুর রহমানের ছেলে।
আবদুস সালাম ২১ ফেব্রুয়ারি গুলিবিদ্ধ হয়ে ৭ এপ্রিল মারা যান। তিনি পেশায় পিয়ন ছিলেন।

 
উৎস: ইতিহাস,  এসএসএইচএল প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৪১.
বাংলার ইতিহাসে প্রথম সার্বভৌম রাজা ছিলেন কে?
  1. গোপাল
  2. ধৰ্মপাল
  3. বিজয় সেন
  4. শশাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা

শশাঙ্ক:
- বাংলার প্রথম গুরুত্বপূর্ণ নৃপতি শশাঙ্ক সপ্তম শতাব্দীর প্রথমার্ধের শাসক।
- গুপ্ত শাসনের পর বাংলার গৌড় রাজ্যের তিনি অধিপতি হন।
- বাংলার ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ- পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
- শশাঙ্কই বাংলার প্রথম নৃপতি যার ভূমিদান করার মতো এবং মুদ্রা প্রকাশ করার মতো স্বাধীন ক্ষমতা ছিল।
- তিনি গৌড় রাজ্যকে ভারতের বিহার ও উড়িষ্যা পর্যন্ত বিস্তৃত করেন।
- শশাঙ্ক সনাতন হিন্দু (শৈব) ধর্মের অনুসারী ছিলেন।
- উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন হর্ষবর্ধন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইতিহাস, এস এস এইচ এল প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৯৪২.
গুপ্ত সাম্রাজ্যের রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. পাটলিপুত্র
  2. তক্ষশীলা
  3. কনৌজ
  4. বড়কামতা
সঠিক উত্তর:
পাটলিপুত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটলিপুত্র
ব্যাখ্যা

গুপ্ত সাম্রাজ্য:
- প্রাচীন ভারতের 'স্বর্ণযুগ' হিসেবে পরিচিত গুপ্ত যুগ। 
- শিল্প, সাহিত্য, বিজ্ঞান, গণিত (আর্যভট্ট) এবং জ্যোতির্বিদ্যায় অসামান্য অগ্রগতির জন্য বিখ্যাত।
- সময়কাল: ৪র্থ শতাব্দী- ৬ষ্ঠ শতাব্দী।
- গুপ্ত সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল পাটলিপুত্র।
- শ্রীগুপ্ত হচ্ছেন গুপ্ত বংশের আদি পুরুষ তবে প্রথম চন্দ্রগুপ্তের হাত ধরে গুপ্ত শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়, তাই প্রথম চন্দ্রগুপ্ত গুপ্ত যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিবেচিত।
- দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালে বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন ভারতে এসেছিলেন।
- সমুদ্রগুপ্ত 'ভারতের নেপোলিয়ন' নামে পরিচিত।
- মহাকবি কালিদাস, আর্যভট্ট (গণিত ও জ্যোতির্বিদ্যা) এই যুগের রত্ন ছিলেন।
- হূণ আক্রমণ এবং অভ্যন্তরীণ দুর্বলতার কারণে ৬ষ্ঠ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এই শক্তিশালী সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।

৯,৯৪৩.
নিম্নের কোন মুঘল সম্রাট 'জিজিয়া কর' রহিত করেন?
  1. আওরঙ্গজেব
  2. আকবর
  3. শাহজাহান
  4. হুমায়ুন
সঠিক উত্তর:
আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকবর
ব্যাখ্যা
সম্রাট আকবর:
- তৃতীয় মুঘল সম্রাট অবুল ফতেহ জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর।
- পিতা হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে সিংহাসনে বসেন আকবর।
- তখন তাঁর বয়স ছিল ১৩ বছর।
- তাঁর শাসনামলে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়।
- ১৫৭৬ সালে সম্রাট আকবর বাংলার শাসনভার গ্রহন করেন।
- ১৫৮২ সালে আকবর ‘দীন-ই-ইলাহি’ ধর্মের প্রবর্তন করেন।
- মুঘল সম্রাট আকবর 'জিজিয়া কর' রহিত করেন।
- কৃষিকাজের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- সম্রাট আকবরের শাসনামলেই 'বাংলার বারো ভুঁইয়ার' অভ্যুত্থান ঘটে।

সূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৯,৯৪৪.
শরিফ শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট মূলত কোন শাসনামলে গঠিত হয়?
  1. ইয়াহিয়া খান
  2. আইয়ুব খান
  3. ইস্কান্দার মির্জা
  4. জুলফিকার আলী ভুট্টো
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা

শরিফ শিক্ষা কমিশন:
- আইয়ুবের সামরিক শাসন জারির পর ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর শরিফ শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়েছিল।
- কমিশনের প্রধান ছিলেন তৎকালীন আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পশ্চিম পাকিস্তানের শিক্ষাবিভাগের সচিব এস এম শরিফ।
- উক্ত কমিশনে পূর্ব পাকিস্তান থেকে ৪ জন ও পশ্চিম পাকিস্তান থেকে ৬ জন সদস্য নিযুক্ত করা হয়। শিক্ষাকমিশনে পূর্ব পাকিস্তান থেকে ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মোনাজাতউদ্দিন, ঢাকা মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের প্রেসিডেন্ট আব্দুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আতোয়ার হোসেন ও ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যক্ষ ড. এ রশীদ।
- পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক প্রশাসক প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ১৯৫৯ সালের ৫ জানুয়ারি শিক্ষা কমিশনের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন ঘোষনা করেন। 
- কমিশন ১৯৬২ সালের ২৬ আগষ্টের মধ্যেই অন্তবর্তীকালীন এক প্রতিবেদন প্রেসিডেন্ট বরাবর পেশ করে। পরে ১৯৬২ সালে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট গন্থাকারে মুদ্রিত করা হয়। 

• এই শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টে ইংরেজিকে বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করা হয়।
- পাকিস্তানে যে সকল ভাষা রয়েছে সেসকল ভাষার জন্য অভিন্ন বর্ণমালা প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়। অর্থাৎ, বাংলা ভাষা বাংলা বর্ণমালায় না লিখে আরবি অথবা রোমান বা উর্দু বর্ণমালায় লেখার সুপারিশ করা হয়। একইসাথে বাংলা বর্ণামালার সংস্কারের সুপারিশও করা হয়।
- কমিশনের রিপোর্টে ডিগ্রি পর্যায়ের শিক্ষাকোর্সের মেয়াদ তিন বছর করার সুপারিশ করা হয়।
- এই রিপোর্টে শিক্ষাকে 'অধিকার' হিসেবে না দেখে শিক্ষাকে 'বাণিজ্য' হিসেবে দেখা হয়েছিল, অর্থাৎ রিপোর্টে 'অবৈতনিক শিক্ষার ধারণা'কে অসম্ভব বলা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।

৯,৯৪৫.
ঐতিহাসিক ছয় দফার ষষ্ঠ দফা ছিল-
  1. ক) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  2. খ) বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  3. গ) স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা চালু
  4. ঘ) আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠন
ব্যাখ্যা
• বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত বঙ্গবন্ধু ছয় দফা ঘোষিত হয় ১৯৬৬ সালে।
• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা, 
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা, 
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং 
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
৯,৯৪৬.
সর্বশেষ বাংলাদেশে গণভোট অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে গণভোটঃ
- এ পর্যন্ত মোট ৩ বার গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। 
- ১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- এর মধ্যে প্রশাসনিক গণভোট ২ বার অনুষ্ঠিত হয়।
- এবং সাংবিধানিক গণভোট ১ বার অনুষ্ঠিত হয়।
• প্রথম গণভোটঃ
- প্রশাসনিক গণভোট হয় ১৯৭৭ সালে।
- প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসন কার্যের বৈধতা দান।
- ফলাফল ৯৮.৮০% 'হ্যাঁ' ভোট।
• দ্বিতীয় গণভোটঃ
- প্রশাসনিক গণভোট ১৯৮৫ সালে।
- হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সমর্থন যাচাইয়ের লক্ষ্যে হ্যাঁ-না ভোট।
- ফলাফল ৯৪.১৪% হ্যাঁ ভোট।
• তৃতীয় গণভোটঃ
- সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়- ১৯৯১ সালে। এটি সর্বশেষ গনভোট।
- সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আইন প্রস্তাব।
- ফলাফল ৮৪.৩৮% হ্যাঁ ভোট।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৯৪৭.
নিম্নের কোনটি থেকে ‘জয়যাত্রা’ চলচ্চিত্রের কাহিনী রচিত হয়েছে?
  1. আমজাদ হোসেনের গল্প থেকে
  2. হুমায়ূন আহমেদের গল্প থেকে
  3. সেলিনা হোসেনের গল্প থেকে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
আমজাদ হোসেনের গল্প থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমজাদ হোসেনের গল্প থেকে
ব্যাখ্যা
‘জয়যাত্রা’ চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত চলচ্চিত্র জয়যাত্রা।
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক তৌকির আহমেদ।
- জয়যাত্রা সিনেমায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সম্পৃক্ততা ছিল। 
- ২০০৪ সালে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের বিখ্যাত সম্পাদক, কাহিনীকার ও চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন এর কাহিনী নিয়ে সংলাপ, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন তৌকির আহমেদ।
- এটি তার পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ ভিত্তিক এই ছবিটি প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিঃ।
- চলচ্চিত্রটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিপাশা হায়াত, আজিজুল হাকিম, মাহফুজ আহমেদ, হুমায়ুন ফরীদি, তারিক আনাম খান, আবুল হায়াত, চাঁদনী।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ পরিচালক তৌকির আহমেদ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও শ্রেষ্ঠ পরিচালক ২০০৪ পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: প্রথম আলো।
৯,৯৪৮.
ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী শরণার্থীদের জন্য কোন সরকার আন্তর্জাতিক ত্রাণ তৎপরতায় অংশ নেয়?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) সংযুক্ত আরব আমীরাত
  4. ঘ) চিন
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাজ্য সরকার নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ করে। যুক্তরাজ্যের নীতির মূল লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের কাঠামোর অভ্যন্তরে বাঙালির স্বাধীকার সমস্যার সমাধান করা। বাংলাদেশের ঘটনায় ব্রিটেন সরকারিভাবে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে এবং ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী শরণার্থীদের জন্য ব্রিটিশ সরকার আন্তর্জাতিক ত্রাণ তৎপরতায় অংশগ্রহণ করে। [সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা]
৯,৯৪৯.
ফরায়েজি আন্দোলনের সূত্রপাত করেন কে? 
  1. দুদু মিয়া 
  2. তিতুমীর 
  3. সৈয়দ আহমদ বেরলভী
  4. হাজী শরীয়তুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
হাজী শরীয়তুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজী শরীয়তুল্লাহ
ব্যাখ্যা

ফরায়েজি আন্দোলন:
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তুল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি 'ফরজ' (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে।
- যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি।
- হাজী শরীয়তউল্লাহ 
- হাজী শরীয়তুল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি ভারতবর্ষকে 'দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে হাজী শরীয়তুল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
- ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
- ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও সভ্যতা , নবম দশম শ্রেণি।

৯,৯৫০.
বর্তমান কোন রাষ্ট্রের সীমানায় মেসোপটেমীয়া অঞ্চল অবস্থিত ছিল?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) ইরান
  3. গ) সিরিয়া
  4. ঘ) মিশর
সঠিক উত্তর:
ক) ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইরাক
ব্যাখ্যা
- খ্রিস্টপূর্ব ৫,০০০ অব্দে মিশরে যখন নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল, সেই সময় আরো কিছু নগর সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- এই নগর সভ্যতাগুলোর আলাদা আলাদা নাম থাকলেও, একই ভূ-খন্ডে গড়ে ওঠার কারণে এদেরকে একত্রে মেসোপটেমীয় সভ্যতা বলা হয়।
- বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যেই প্রাচীন মেসোপটেমীয়া অঞ্চল অবস্থিত।
মেসোপটেমীয়া একটি গ্রিক শব্দ। যার অর্থ দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি।
- মেসোপটেমীয়া বলতে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস (দজলা-ফোরাত) এই দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে বোঝায়।
- এই উর্বর ভূখন্ডের উত্তরে আর্মেনিয়ার পার্বত্যাঞ্চল, পশ্চিম ও দক্ষিণে আরব মরুভূমি; দক্ষিণ-পূর্বে পারস্য উপসাগর, পূর্বে এলাম পার্বত্যাঞ্চল এবং পশ্চিমে ভূমধ্যসাগর অবস্থিত।
- মেসোপটেমীয়ার অর্ন্তভুক্ত সভ্যতাসমূহ প্রাচীন মেসোপটেমীয় অঞ্চলে বেশ কয়েকটি নগর সভ্যতার বিকাশ ঘটে।
- যেমন: সুমেরীয়, ব্যবিলনীয়, এ্যাসিরীয়, ক্যালডীয় ও আক্কাদীয় সভ্যতা।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৫১.
অপারেশন সার্চলাইট যে সালে সংঘটিত হয়-
  1. ১৯৬৯
  2. ১৯৭১
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৭০
সঠিক উত্তর:
১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
- পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
- ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।
- ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্ব পান জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
- এ পরিকল্পনার সার্বিক তত্ত্বাবধান অর্থাৎ মূল দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল টিক্কা খান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি।
৯,৯৫২.
সিপাহী হামিদুর রহমান কত নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন?
  1. ২ নং
  2. ৪ নং
  3. ৮ নং
  4. ১১ নং
সঠিক উত্তর:
৪ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নং
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান (১৯৫৩-১৯৭১):
- ১৯৫৩ সালে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার খোদ খালিশপুর গ্রামে।
- তাঁর পিতা আক্কাস আলী ও মাতা কায়দাছুন নেছা।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে তিনি যোগ দেন সেনাবাহিনীতে।
- হামিদুর রহমান মুক্তিবাহিনীর সাহসী সদস্য হিসেবে যুদ্ধ করছিলেন সিলেট শ্রীমঙ্গল এলাকায়।
- তিনি ৪ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধে বিরোচিত ভূমিকা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা বীরশ্রেষ্ট খেতাবে ভূষিত হন।
- সুদীর্ঘ ৩৬ বছর পর তাঁর দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয় এবং ১১ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে ঢাকার মিরপুরস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
- ঝিনাইদহ জেলা শহরের স্টেডিয়ামটি তাঁর নামে, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ তাঁর স্মরনে একটি ডাক টিকিট প্রকাশ করেছে।

এছাড়াও,
- বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল- ২ নম্বর সেক্টর।
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ৮ নম্বর সেক্টর।
- বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ১০ নম্বর সেক্টর (নৌবাহিনী)।
- বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ ১ নম্বর সেক্টর।
- বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ৭ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

উৎস: ঝিনাইদহ জেলার ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।।
৯,৯৫৩.
নিচের কোন স্থানটিকে রাঙামাটির ছাদ বলা হয়?
  1. ক) বাঘাইছড়ি
  2. খ) কাপ্তাই
  3. গ) সাজেক ভ্যালি
  4. ঘ) জুরাছড়ি
সঠিক উত্তর:
গ) সাজেক ভ্যালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাজেক ভ্যালি
ব্যাখ্যা
সাজেক ভ্যালি:

- সাজেক উপত্যকা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত সাজেক ইউনিয়নে অবস্থিত।
- সাজেক উপত্যকা একটি বিখ্যাত পর্যটন আকর্ষণ।
- এটি রাঙামাটি জেলার সর্বউত্তরের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত।
- এর উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, দক্ষিণে রাঙামাটির লংগদু, পূর্বে ভারতের মিজোরাম, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা অবস্থিত।
- সাজেক রুইলুই পাড়া এবং কংলাক পাড়া এই দুটি পাড়ার সমন্বয়ে গঠিত।
- এখানে মূলত লুসাই, পাংখোয়া এবং ত্রিপুরা আদিবাসী বসবাস করে।
- সাজেক হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন।
- এর আয়তন ৭০২ বর্গমাইল।
- সাজেকের বিজিবি ক্যাম্প বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উঁচুতে অবস্থিত বিজিবি ক্যাম্প।
- সাজেক ভ্যালিকে বলা হয় রাঙামাটির ছাদ।

তথ্যসূত্র - রাঙ্গামাটি জেলার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯,৯৫৪.
রোহিতগিরি কোন বিষয়টির জন্য বিখ্যাত?
  1. ক) বৌদ্ধ বিহার
  2. খ) প্রাচীন রাজধানী
  3. গ) টারশিয়ারি পাহাড়
  4. ঘ) কোনটি নয়?
সঠিক উত্তর:
ক) বৌদ্ধ বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বৌদ্ধ বিহার
ব্যাখ্যা
ময়নামতি :

- ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- ময়নামতির পূর্ব নাম রোহিতগিরি।
- এযাবৎ আবিষ্কৃত লালমাই অঞ্চলের প্রাচীনতম সভ্যতার নিদর্শন হল ময়নামতি প্রত্নস্থল।
- বর্তমানে ময়নামতি অঞ্চলে যে ধ্বংশস্তুপ দেখা যায় তা প্রকৃতপক্ষে একটি প্রাচীন নগরী ও বৌদ্ধ বিহারের অবশিষ্টাংশ।
- প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে ইহা জয়কর্মান্তবসাক নামক একটি প্রাচীন নগরীর ধ্বংসাবশেষ ।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান।
- ময়নামতি বৌদ্ধ বিহারের জন্য বিখ্যাত। ধারণা করা হয় যে খৃষ্টিয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৯,৯৫৫.
ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেন?
  1. ৫নং সেক্টর
  2. ৬নং সেক্টর
  3. ৭নং সেক্টর
  4. ৮নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৭নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:

- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : পশ্চিম পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯,৯৫৬.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আগামী’ এর পরিচালক -
  1. ক) রুবাইয়াত হোসেন
  2. খ) নাসির উদ্দীন ইউসুফ
  3. গ) মোরশেদুল ইসলাম
  4. ঘ) তৌকীর আহমেদ
সঠিক উত্তর:
গ) মোরশেদুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আগামী’ এর পরিচালক - মোরশেদুল ইসলাম।
- আগামী মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত ১৯৮৪ সালের বাংলাদেশী স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক এই চলচ্চিত্রের কাহিনি, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন মোরশেদুল ইসলাম।
- এতে অভিনয় করেছেন পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়, ফাহমিদা পারভীন মিঠু, আলী যাকের, মুজিবুর রহমান দিলু, রওশন জামিল প্রমুখ।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।
৯,৯৫৭.
অপারেশন জ্যাকপট পরিচালিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট
  2. খ) ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট
  3. গ) ১৯৭১ সালের ১০ অক্টোবর
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের ১ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোরা কর্তৃক পরিচালিত প্রথম অভিযান অপারেশন জ্যাকপট নামে পরিচিত।
এদিন নৌ-কমান্ডোরা একযোগে চট্টগ্রাম, মংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দরে পাকবাহিনীর উপর হামলা চালায়। এতে পাকবাহিনীর ২৬টি নৌযান ধ্বংস হয়।
মোট ১৪৮ জন নৌ-কমান্ডোরা চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে এ অপারেশনে অংশ নেয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৯,৯৫৮.
প্রাচীন বাংলায় 'উয়ারী বটেশ্বর' কী ছিলো? 
  1. ক) বানিজ্য কেন্দ্র
  2. খ) স্থল বন্দর
  3. গ) মন্দির
  4. ঘ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
ক) বানিজ্য কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বানিজ্য কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
- অতি সম্প্রতি নরসিংদী জেলায়  উয়ারী বটেশ্বর  নামে একটি প্রত্ন ত্তত্ব/ প্রাচীন নগর সভ্যতার  একটি নিদর্শন খুজে পাওয়া গেছে ,যা প্রাচীন বাংলার প্রাচীনতম নগরী এবং নদী বন্দর ও আন্তর্জাতিক বানিজ্য কেন্দ্র ছিল। 
- এখানে বিকশিত হয়েছিল স্বল্পমুল্যবান পুতির কারখানা। 
- এছাড়াও এখানে প্রাপ্ত রুলেটেড মৃৎপাত্র, স্যান্ডউইচ কাচের পুঁতি, স্বর্ণ আবৃত কাঁচের পুঁতি, টিন মিশ্রিত ব্রোঞ্জ ইত্যাদি সব উপকরণ এ তথ্যের সত্যতার প্রমাণ দেয়।
- সাম্প্রতিক প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে পেরেক, লৌহমল, লৌহ গলানোর ফলে অতি ক্ষুদ্র বল, মরিচাপড়া লৌহবস্ত্ত প্রভৃতি। 
- প্রত্নতাত্ত্বিক গর্ডন চাইল্ডের মতে, উয়ারী-বটেশ্বর অঞ্চলটি টলেমি (দ্বিতীয় শতকের ভূগোলবিদ) উল্লেখিত ‘সোনাগড়া’।

তথ্যসূত্রঃ উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৯৫৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিব নগর কত নং সেক্টরের অধীনে ছিলো?
  1. ক) ১০
  2. খ) ৮
  3. গ) ৯
  4. ঘ) ৬
সঠিক উত্তর:
খ) ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল - ১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)। ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।
চট্টগ্রাম - ১নং সেক্টর,
ঢাকা - ২ নং সেক্টর,
রাজশাহী - ৭ নং সেক্টর,
মুজিবনগর - ৮ নং সেক্টর,
সুন্দরবন - ৯ নং সেক্টর।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৯,৯৬০.
কোন মুগল সম্রাট বাংলার রাজধানী হিসেবে 'জান্নাতাবাদ' নামকরণ করেন?
  1. ক) বাবর
  2. খ) আকবর
  3. গ) হুমায়ুন
  4. ঘ) জাহাঙ্গীর
সঠিক উত্তর:
গ) হুমায়ুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হুমায়ুন
ব্যাখ্যা
- হুমায়ুন (১৫৩০-১৫৫৬)  মুগল সম্রাট  বাবরের জ্যেষ্ঠ পুত্র।
- ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দে পিতার উত্তরাধিকারী হিসেবে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
-  সম্রাট হুমায়ুন বাংলার রাজধানীর নতুন নামকরণ করেন ‘জান্নাতাবাদ’ এবং হুমায়ূন এখানে ছয়মাস অবস্থান করেন।
উৎস: বাংলা পিডিয়া।
৯,৯৬১.
প্রাচীন বাংলায় গুপ্তদের রাজধানী ছিল কোথায়?
  1. সমতট
  2. হরিকেল
  3. পুণ্ড্রনগর
  4. বরেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্রনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্রনগর
ব্যাখ্যা
গুপ্ত সাম্রাজ্য:
- ভারতে গুপ্ত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে।
- তখন বাংলায় কিছু স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে।
- এগুলোর মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার সমতট রাজ্য ও পশ্চিম বাংলার পুষ্করণ রাজ্য উল্লেখযোগ্য।
- গুপ্ত সম্রাট প্রথম চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালেই উত্তর বঙ্গের কিছু অংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধিকারে আসে।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকালে সমগ্র বাংলা জয় করা হলেও সমতট একটি করদ রাজ্য ছিল।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকাল থেকে ছয় শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত উত্তর বঙ্গ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনস্থ একটি 'প্রদেশ' বা 'ভুক্তি' হিসেবে পরিগণিত হতো।
- মৌর্যদের মতো এদেশে গুপ্তদের রাজধানী ছিল মহাস্থানগড়ের পুণ্ড্রনগর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৯,৯৬২.
“জীবন থেকে নেয়া” চলচ্চিত্রটি কত সালে মুক্তি পায়?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭১ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা

'জীবন থেকে নেওয়া':
- 'জীবন থেকে নেওয়া' জহির রায়হান পরিচালিত একটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র যা ১৯৭০ সালের ১০ এপ্রিল মুক্তি পায়৷
- চলচ্চিত্রটি পারিবারিক আবহে নির্মিত হলেও এর অন্তর্নিহিত পটভূমি ছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম।

ছবিতে প্রতীকী কাহিনীর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয় এবং জনগণকে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

• ১৯৫৬ সালে জহির রায়হান চলচ্চিত্রে প্রবেশ করেন। ১৯৬১ সালে তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র “কখনও আসেনি” মুক্তি পায়। তারপর একের পর এক তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র মুক্তি পেতে থাকে।

এসব চলচ্চিত্র হলো:
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- জীবন থেকে নেয়া,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম এবং
- বাহানা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯,৯৬৩.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশ সরকারের সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটি কত সদস্য বিশিষ্ট ছিলো?
  1. ৬ সদস্য
  2. ৭ সদস্য
  3. ১১ সদস্য
  4. ৮ সদস্য
সঠিক উত্তর:
৮ সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ সদস্য
ব্যাখ্যা

• মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন
- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১)।

- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
- মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৯৬৪.
SPARRSO কি?
  1. ক) একটি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র
  2. খ) সরকারি কলেরা গবেষণা কেন্দ্র
  3. গ) সরকারি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র
  4. ঘ) একটি আন্তর্জাতিক পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
গ) সরকারি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সরকারি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
SPARRSO = Space Research and Remote Sensing Organization.
- এটি বাংলাদেশের মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র এবং একমাত্র ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের পূর্বাভাস কেন্দ্র।
- SPARRSO - ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ঢাকা শহরের আগারগাঁও এ অবস্থিত।

উৎসঃ স্পারসোর ওয়েবসাইট।
৯,৯৬৫.
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র-
  1. আলোর মিছিল
  2. রক্তাক্ত বাংলা
  3. অস্তিত্বে আমার দেশ
  4. বাঘা বাঙালি
সঠিক উত্তর:
অস্তিত্বে আমার দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্তিত্বে আমার দেশ
ব্যাখ্যা

• ২৯ অক্টোবর, ১৯৪১ সালে জন্মগ্রহণ করেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান।
• তাঁর পৈতৃক নিবাস নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলায়।
• মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তানে কর্মরত ছিলেন।
• ২০ আগস্ট, ১৯৭১ সালে তিনি পাকিস্তান বিমানবাহিনীর একটি টি-৩৩ প্রশিক্ষণ বিমান ছিনতাই করে নিয়ে দেশে ফেরার পথে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন।
• তাঁকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র 'অস্তিত্বে আমার দেশ'।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও নরসিংদী জেলার ওয়েবসাইট।

৯,৯৬৬.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার দাপ্তরিক নাম ছিল -
  1. আগরতলা ষড়যন্ত্র বনাম পাকিস্তান
  2. রাওয়ালপিন্ডি বনাম আগরতলা ষড়যন্ত্র
  3. রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- মামলা দায়ের করা হয়: ১৯৬৮ সালে।
- এই মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামি করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামি করা হয়।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলার দাপ্তরিক নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য’। তবে এটি ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র’ মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৯,৯৬৭.
নিচের কোন জনপদ 'বজ্রভূমি ও সুহ্মভূমি' নামে পরিচিত ছিল?
  1. হরিকেল
  2. সমতট
  3. বঙ্গ
  4. রাঢ়
সঠিক উত্তর:
রাঢ়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঢ়
ব্যাখ্যা
রাঢ়:
- বিভিন্ন ঐতিহাসিক উৎস থেকে বলা যায় যে, রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- তবকত-ই-নাসিরীর বর্ণনায়ও গঙ্গার দক্ষিণে রাঢ়ের অবস্থান নির্দেশিত হয়েছে।
- এই জনপদটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল।
• দক্ষিণ রাঢ়।
• উত্তর রাঢ়।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সুহ্মভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- রাঢ় বা সূহ্মদেশের অন্তর্গত তাম্রলিপ্তের কথা টলেমির ভূগোলে উল্লিখিত ছিল ।
- অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৬৮.
মুক্তিযুদ্ধের পর নির্যাতিতা নারীদের সেবা প্রদানের জন্য আসা ডাক্তার জিওফ্রে ডেভিস কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. ইংল্যান্ড
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে নারীর প্রতি সহিংসতা:
- মুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন নারীরা। 
- মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস পাকিস্তানী বাহিনী ও তাদের দোসরদের দ্বারা ধর্ষিতা বা নির্যাতিতা নারীর সংখ্যা আনুমানিক ছয় লাখের কাছাকাছি। 
- মুক্তিযুদ্ধের পর নির্যাতিতা নারীদের সেবা প্রদানের জন্য এসেছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ডাক্তার জিওফ্রে ডেভিস। 
- তাঁর মতে নির্যাতিতা নারীর সংখ্যা চার লাখের কম নয়। 
- তাঁর বর্ণনায় অন্তঃসত্ত্বা মহিলার সংখ্যাই ছিল ২ লাখ। 
- অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের সাহায্য সংক্রান্ত কর্মসূচি শুরু হবার আগেই দেড় লাখ থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার মহিলা গর্ভপাত করেছেন। 
- অবশিষ্ট ৩০ হাজারের মধ্যে কেউ কেউ আত্মহত্যা করেছেন, কেউ কেউ তাদের শিশুদের নিজের কাছে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

উৎস: ইতিহাস প্রথমপত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৬৯.
কাগমারি সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ময়মনসিংহ
  2. সিরাজগঞ্জ
  3. টাঙ্গাইল
  4. কিশোরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা
কাগমারি সম্মেলন হলো ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল জেলার কাগমারিতে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের চতুর্থ কাউন্সিল ও সাংস্কৃতিক সম্মেলন।

এই সম্মেলনে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি প্রশ্নে দলটির বাম ও ডানপন্থী সদস্যদের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। এর ফলে মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে আওয়ামী ‍লীগের বামপন্থী সদস্যরা ১৯৫৭ সালের ১৮ মার্চ দল থেকে বেড়িয়ে যায়।

পরবর্তীতে, ১৯৫৭ সালের ২৪-২৫ জুলাই ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠিত হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৯৭০.
‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যটির ভাস্কর কে?
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ
  3. নিতুন কুন্ডু
  4. মৃণাল হক
সঠিক উত্তর:
নিতুন কুন্ডু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিতুন কুন্ডু
ব্যাখ্যা

সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্য:
- ‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- এটি স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মারক।
- এর ভাস্কর - নিতুন কুণ্ডু।
- শহীদ জননী জাহানারা ইমাম এটি উদ্বোধন করেন ১৯৯২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি।
- এটির নামকরণ করা হয় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের সাবাশ বাংলাদেশ কবিতার নামানুসারে ।

উল্লেখ্য,
- নিতুন কুন্ডু চিত্রশিল্পী, নকশাবিদ, ভাস্কর, শিল্পপতি।
- তার জন্ম ১৯৩৫ সালের ৩ ডিসেম্বর।
- তিনি ১৯৫৪ সালে ঢাকার চারুকলা ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন এবং ১৯৫৯ সালে এ প্রতিষ্ঠান থেকে চিত্রশিল্পে স্নাতক সমমানের পাঁচ বছরের কোর্স সমাপ্ত করেন।
- মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের অধীনে তথ্য ও প্রচার বিভাগে ডিজাইনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো।

৯,৯৭১.
মুক্তিযুদ্ধে কতজন বেসামরিক ব্যক্তিকে 'বীর উত্তম' খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ৬৮ জন
  2. ৬৭ জন
  3. ৭ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে ৫ জন বেসামরিক ব্যক্তিকে 'বীর উত্তম' খেতাব প্রদান করা হয়।

খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:

- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়।
- এই প্রস্তাব উপস্থাপন করেন মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী।
- মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে তিনি এই প্রস্তাব করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।

⇒ মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক অবদানের জন্য ৬৭৬ জনকে খেতাব প্রদান করা হয়।
যথা:
• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
• বীর উত্তম ৬৮ জন,
• বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং
• বীর প্রতীক ৪২৬ জন।

উল্লেখ্য,
- কোন বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধাকে সর্বোচ্চ খেতাব 'বীর শ্রেষ্ঠ' দেয়া হয়নি।
- বীর উত্তম খেতাব দেয়া হয় ৬৮ জন মুক্তিযোদ্ধাকে, যার মধ্যে ৫ জন ছিলেন বেসামরিক।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, BBC.
৯,৯৭২.
বাংলায় হাবসী শাসনের অবসান ঘটান কে?
  1. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  2. সিকান্দার শাহ
  3. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  4. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
ব্যাখ্যা
- ১৪৮৭ সাল থেকে ১৪৯৩ সাল পর্যন্ত বাংলায় হাবসি শাসন বিরাজমান ছিলো। হাবসিরা ছিলো আবিসিনিয়া থেকে আগত ক্রীতদাস। সুলতান বরবক শাহ প্রথম হাবসিদের সৈন্যদের বাহিনীতে নিয়োগ দেন।
- ১৪৮৭ সালে পরবর্তী ইলিয়াস শাহী বংশের শাসক ফতেহ শাহকে হত্যা করে হাবসি নেতা সুলতান শাহজাদা বাংলার সিংহাসন দখল করে হাবসি শাসনের সূত্রপাত করেন।
- ১৪৯৩ সালে সৈয়দ হোসেন নামের এক উজির হাবসি সুলতান শামসুদ্দিন মুজাফফর শাহকে হত্যা করে বাংলায় হাবসি শাসনের অবসান ঘটান।
- সৈয়দ হোসেন ১৪৯৩ সালে বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করে আলাউদ্দিন হুসেন শাহ নামধারণ করেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৯৭৩.
শীতকালে কোন বনভূমির গাছের পাতা ঝড়ে যায়?
  1. মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
  2. পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
  3. সুন্দরবন
  4. সিলেটের বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহের মধুপুর গড়, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত বনভূমি ‘শালবন’ নামে পরিচিত।
- শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
- শাল বা গজারি এই বনের প্রধান বৃক্ষ।
- এছাড়া অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে: পলাশ, সিধা জারুল, বহেড়া, হরিতকি, শীলকড়ই, শিমুল ইত্যাদি।
(তথ্যসূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)
৯,৯৭৪.
বাংলাদেশের সর্বশেষ বিভাগ কোনটি? [ফেব্রুয়ারি,২০২৬]
  1. রংপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. কুমিল্লা 
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সর্বশেষ প্রশাসনিক বিভাগ হলো ময়মনসিংহ।

বাংলাদেশের বিভাগ:
- বিভাগ: ৮টি,
- চট্টগ্রাম ,
- রাজশাহী,
- খুলনা,
- বরিশাল,
- সিলেট,
- ঢাকা,
- রংপুর,
- ময়মনসিংহ।

• ময়মনসিংহ বিভাগ:
- বাংলাদেশের অষ্টম প্রশাসনিক বিভাগ হলো ময়মনসিংহ।
- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত।
- ২০১৫ সালের ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত এই বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল ঢাকা বিভাগের অংশ ছিল।
- ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোনা এই ৪ জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ সৃষ্টি করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯,৯৭৫.
মুজিবনগর সরকারের অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. ক) আবদুল মান্নান
  2. খ) তাজউদ্দীন আহমদ
  3. গ) এম. মনসুর আলী
  4. ঘ) এএইচএম কামরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
গ) এম. মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় যা ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে।
মুজিবনগর সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ-পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী : এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৯৭৬.
প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন কোথায় অবস্থিত?
  1. পাহাড়পুর
  2. বিক্রমপুর
  3. ময়নামতি
  4. মহাস্থানগড়
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা

পুণ্ড্র জনপদ:
- পুণ্ড্র ছিল পূর্বাঞ্চলের জনপদসমূহের মধ্যে খুব সম্ভবত প্রাচীনতম।
- বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অবস্থানভূমিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে পুণ্ড্র জনপদ।
- প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর। এর বর্তমান নাম মহাস্থানগড়।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়। গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী। প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।

⇒ মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি। এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গেছে। সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল। ১৮৭৯ সালে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন আবিষ্কার করেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার কানিংহ্যাম। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান। ২০১৬ সালে এটিকে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
 
উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম।

৯,৯৭৭.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ৩ নং সেক্টরে নেতৃত্ব দেন -
  1. ক) মেজর কে. এম শফিউল্লাহ
  2. খ) উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার
  3. গ) মেজর এম.এ জলিল
  4. ঘ) মেজর রফিকুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
ক) মেজর কে. এম শফিউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মেজর কে. এম শফিউল্লাহ
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
• এসব সেক্টরকে আবার কতগুলো সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। প্রত্যেক সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।
• মুক্তিকালীন ১১টি সেক্টরের কমান্ডারগণ - 
১ নং সেক্টর:
- মেজর জিয়াউর রহমান
- মেজর রফিকুল ইসলাম
২ নং সেক্টর:
- মেজর খালেদ মোশাররফ
- মেজর এ.টি.এম হায়দার
৩ নং সেক্টর:
- মেজর কে. এম শফিউল্লাহ
- মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান
৪ নং সেক্টর:
- মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত
- ক্যাপ্টেন এ রব
৫ নং সেক্টর:
- মেজর মীর শওকত আলী
৬ নং সেক্টর:
- উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার
৭ নং সেক্টর:
- মেজর নাজমুল হক
- সুবেদার মেজর এ. রব
- মেজর কাজী নূরুজ্জামান
৮ নং সেক্টর:
- মেজর আবু ওসমান চৌধুরী
- মেজর এম.এ মঞ্জুর
৯ নং সেক্টর:
- মেজর এম.এ জলিল
- মেজর এম.এ মঞ্জুর
- মেজর জয়নাল আবেদীন
১০ নং সেক্টর: কোন নিয়মিত সেক্টর ছিলো না
১১ নং সেক্টর:
- মেজর এম. আবু তাহের
- স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৯,৯৭৮.
ভারত বিভাগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন-
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড ডালহৌসী
  3. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  4. লর্ড কর্নওয়ালিস
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্টব্যাটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্টব্যাটেন
ব্যাখ্যা
• অখণ্ড বাংলা প্রস্তাবের ব্যর্থতা:
- ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের প্রাক্কালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও এ. কে. ফজলুল হক "অখণ্ড স্বাধীন বাংলা" প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যাতে বাংলা ভারত পাকিস্তানের অংশ না হয়ে হয়ে একটি স্বাধীন, ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে গঠিত হয়।

- প্রথমদিকে এই প্রস্তাবে মুসলিম লীগের কিছু রক্ষণশীল নেতা, এমনকি মহাত্মা গান্ধী ও মোহাম্মদ আলী জিন্নাহও মৌন সমর্থন জানান। কিন্তু কংগ্রেসের কট্টর হিন্দু নেতাদের তীব্র বিরোধিতায় বিষয়টি জটিল হয়ে পড়ে।

- জওহরলাল নেহরু, বল্লভভাই প্যাটেলসহ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব কোলকাতা ও আসামের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ভারত থেকে ছিটকে যাওয়ার আশঙ্কায় এই প্রস্তাবকে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানান। হিন্দু মহাসভার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীও এর কঠোর বিরোধিতা করেন। ফলে প্রস্তাবটি কংগ্রেসের সমর্থন হারায় এবং পরবর্তীতে মুসলিম লীগও এটি থেকে সরে এসে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে মত দেয়।

- পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনে ১৯৪৭ সালের ৩ জুন লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারত বিভাগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।
২০ জুন বাংলার আইনসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য বাংলা ভাগের পক্ষে ভোট দেন। এর ফলস্বরূপ ভারত স্বাধীনতা আইন অনুযায়ী বাংলা ও পাঞ্জাব দুইটি প্রদেশে বিভক্ত হয়। পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের অংশ হয়ে পূর্ব পাকিস্তান নামে পরিচিত হয় এবং পশ্চিম বাংলা যুক্ত হয় ভারতের সঙ্গে।

এইভাবে ঐতিহাসিক বাংলার সংযুক্তির স্বপ্ন চিরতরে ভেঙে পড়ে এবং “অখণ্ড স্বাধীন বাংলা” রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।
৯,৯৭৯.
ছয় দফার কতটি দফা অর্থনীতি সংশ্লিষ্ট নয়?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
- এই ৬ দফার মধ্যে ৩ টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩ টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক দাবি ছিল।

ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,৯৮০.
বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম কোন দেশ সফর করেন?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
- প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে ১৯৭২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু ভারতের কলকাতায় যান।
- এর পরে পয়লা মার্চ তিনি মুক্তিযুদ্ধের আরেক মিত্রদেশ সোভিয়েত ইউনিয়ন সফর করেন।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্বাধীন বাংলাদেশের বিরোধিতাকারী প্রস্তাবের বিপক্ষে 'ভেটো' ক্ষমতা প্রয়োগ করেছিল দেশটি।
- ক্রেমলিনে তিনি তৎকালীন সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টির সেক্রেটারি জেনারেল লিওনিদ ব্রেজনেভ এবং প্রেসিডেন্ট নিকোলাই পদগর্নির সাথে বাংলাদেশের পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনা করেন।
- তেসরা মার্চ স্বাক্ষরিত হয় বাংলাদেশ-সোভিয়েত অর্থনৈতিক চুক্তি। একই সাথে স্বাক্ষরিত হয় 'মুজিব-কোসিগিন' ঘোষণা।
- এই ঘোষণায় বাংলাদেশের পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন তৎপরতায় সোভিয়েত ইউনিয়নের সাহায্য-সহায়তার প্রতিশ্রুতির উল্লেখ করা হয়।
- ১৯৭২ (বঙ্গবন্ধুর ৫৩তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে) ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশ সফরে আসেন।
- ওই সফরে দুই দেশের মধ্যে ২৫ বছর মেয়াদের বন্ধুত্ব, সহযোগিতা এবং শান্তি বিষয়ক একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- জানুয়ারি থেকে এপ্রিল, ১৯৭২ সালের এই চার মাসেই বঙ্গবন্ধুর কূটনৈতিক সাফল্যে বাংলাদেশের সাথে ভারত, সোভিয়েত, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্থাপন হয়। - এছাড়া এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে আরও ৫০টিরও অধিক রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অর্জন করে। একই সাথে বাংলাদেশ কমনওয়েলথ, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ পেতে শুরু করে।

সূত্র- বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।  
৯,৯৮১.
স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনী গঠিত হয় -
  1. ২৪ নভেম্বর, ১৯৭১
  2. ২৩ নভেম্বর, ১৯৭১
  3. ২২ নভেম্বর, ১৯৭১
  4. ২১ নভেম্বর, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ২১ শে নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করেছিল।
- পাকিস্তান ৩ ডিসেম্বর ভারত আক্রমণ করলে যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি পায় এবং ভারতীয় বাহিনী সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করে।
- ৬-১৬ ডিসেম্বর মুক্তি বাহিনীর সঙ্গে ভারতের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে যােগ দেয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান বাহিনী যৌথ কমান্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৯৮২.
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. তানভীর মাজহারুল তান্না
  2. আমিনুল ইসলাম
  3. জাকারিয়া পিন্টু
  4. ফজলে সাদাইন খোকন
সঠিক উত্তর:
জাকারিয়া পিন্টু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাকারিয়া পিন্টু
ব্যাখ্যা

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের একটি ফুটবল দল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত অর্জন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়।
- এই দলটি ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’ নামে পরিচিত ছিল।
- পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধকালীন প্রথম ফুটবল দল এটি।
- মূল পরিকল্পনাটা ছিলো শামসুল হকের।
- জুন মাসে কলকাতায় তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ক্রীড়া সমিতি এবং যারা সারা ভারতজুড়ে খেলে সমর্থন আদায় করবে আমাদের স্বাধীন বাংলার স্বীকৃতির জন্য।
- স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন জাকারিয়া পিন্টু।
- আর সহ-অধিনায়ক ছিলেন প্রতাপ শংকর হাজরা।
- কোচ ও ম্যানেজার ছিলেন যথাক্রমে ননি বসাক ও তানভীর মাজহারুল তান্না। 
- ম্যাচ খেলা থেকে অর্জিত পাঁচ লাখ ভারতীয় রুপি ক্রীড়া সমিতি জমা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ফান্ডে।

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলে যারা ছিলেন: 
- জাকারিয়া পিন্টু (অধিনায়ক), প্রতাপ শঙ্কর হাজরা (সহ-অধিনায়ক), আলী ইমাম, মোহাম্মদ কায়কোবাদ, অমলেশ সেন, আইনুল হক, নিহার কান্তি দাস, শেখ আশরাফ আলী, বিমল কর, শাহজাহান আলম, মনসুর আলী লালু, কাজী সালাউদ্দিন, এনায়েতুর রহমান, সুভাষ সাহা, কে এম নওশেরুজ্জামান, ফজলে সাদাইন খোকন, আবুল হাকিম, তসলিমউদ্দিন শেখ, আমিনুল ইসলাম, আবদুল মমিন জোয়ারদার, মনিরুজ্জামান পেয়ারা, সাত্তার, প্রাণ গোবিন্দ কুন্ডু, মুজিবর রহমান, মেজর জেনারেল (অব.) খন্দকার নুরুন্নবী, লুৎফর রহমান, সাইদুর রহমান প্যাটেল, অনিরুদ্ধ চ্যাটার্জি, সনজিব কুমার দে, মাহমাদুর রশিদ, দেওয়ান মোহাম্মদ সিরাজউদ্দিন, নিহার কান্তি দাস।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ২৬ মার্চ ২০২২, সময় নিউজ।

৯,৯৮৩.
'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' কোন শহরে আয়োজন করা হয়েছিল?
  1. নিউইয়র্কে
  2. লন্ডনে
  3. ওয়াশিংটন ডিসিতে
  4. মিশিগানে
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্কে
ব্যাখ্যা
দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:

- মহান মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি বন্ধুদের পাশে এসে দাঁড়ানোর অসাধারণ একটি উদ্যোগের নাম 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'।
- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট রোববার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আয়োজন করা হয়েছিল সেই ঐতিহাসিক কনসার্টটি।
- ম্যনহাটনের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে হওয়া সেই কনসার্টের অন্যতম দুই উদ্যোক্তা ছিলেন ইংল্যান্ডের সাড়া জাগানো ব্যান্ড দল দ্য বিটলস ব্যান্ডখ্যাত পশ্চিমা সঙ্গীতের অগ্রগণ্য শিল্পী জর্জ হ্যারিসন ও ভারতীয় উপমহাদেশের কিংবদন্তি সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর।
- মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য অংশ সেই কনসার্টের ৫০ বছর পূর্তিতে নিউইয়র্কে আয়োজন করা হয়েছে একটি উৎসবের।
- ৩১ জুলাই শনিবার বিকালে জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টারে 'ফ্রেন্ডস অব ফ্রিডম' নামে একটি সংগঠন এই উৎসবের আয়োজন করেছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১৬ জুলাই ২০২১।
৯,৯৮৪.
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের শরণার্থীদের জন্য কোন দেশের সরকার আন্তর্জাতিক ত্রাণ তৎপরতায় অংশ নেয়?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) পশ্চিম জার্মানি
  3. গ) ব্রিটেন
  4. ঘ) ইরান
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রিটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রিটেন
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাজ্য সরকার নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ করে। 
- যুক্তরাজ্যের নীতির মূল লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের কাঠামোর অভ্যন্তরে বাঙালির স্বাধীকার সমস্যার সমাধান করা।
- বাংলাদেশের ঘটনায় ব্রিটেন সরকারিভাবে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে এবং ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী শরণার্থীদের জন্য ব্রিটিশ সরকার আন্তর্জাতিক ত্রাণ তৎপরতায় অংশগ্রহণ করে। 
- ব্রিটিশ সরকারের নিরপেক্ষ নীতির কারণে ব্রিটেনের পত্র-পত্রিকায় ও বেতার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে প্রচারণা সহজতর হয়েছিল এবং ব্রিটেনের মাটিকে প্রবাসী বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গড়ে তোলার জন্য কোন সরকারি বাধা বিঘ্ন ছাড়াই জোরালো আন্দোলন গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিল। 
- এসব অবস্থা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সফল করে তুলতে সহায়ক হয়েছিল।
 
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯,৯৮৫.
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান কে? (অক্টোবর, ২০২৪)
  1. ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ
  2. ড. মিজানুর রহমান
  3. ড. কাজী রিয়াজুল হক
  4. ড. আমিনুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন:
- বাংলাদেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯ দ্বারা ২০১০ সালের ২২ জুন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়।
- একজন চেয়ারম্যান, একজন সার্বক্ষণিক সদস্য এবং পাঁচজন অবৈতনিক সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়।
- জাতীয় মানবাধিকার কমিশন একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ সরকারি সংস্থা।
- ৮ ডিসেম্বর ২০১২ সালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান, সার্বক্ষণিক সদস্য ও নতুন পাঁচ অবৈতনিক সদস্য নিয়োগ পেয়েছেন।
- জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ। (অক্টোবর, ২০২৪)
- কমিশনের নতুন পাঁচ অবৈতনিক সদস্য হলেন,
• সাবেক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. আমিনুল ইসলাম
• খাগড়াছড়ি চেম্বার্স অব কমার্সের সভাপতি কংজুরি চৌধুরী।
• বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য বিশ্বিজৎ চন্দ।
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইম্যান অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক তানিয়া হক।
• সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাওসার আহমেদ।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ৯ ডিসেম্বর ২০২২ ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ওয়েবসাইট।
৯,৯৮৬.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র?
  1. আবার তোরা মানুষ হ
  2. জীবন থেকে নেয়া
  3. কখনও আসেনি
  4. মাটির ময়না
সঠিক উত্তর:
মাটির ময়না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটির ময়না
ব্যাখ্যা
মাটির ময়না:
- মাটির ময়না বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কিত একটি বাংলাদেশী ফিচার চলচ্চিত্র।
- এটি ২০০২ সালে বাংলাদেশে এবং আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পায়।
- 'মাটির ময়না' চলচ্চিত্রের কাহিনী ও চিত্রনাট্য রচনা এবং পরিচালনা করেছেন তারেক মাসুদ।
- চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে মাসুদের ছেলেবেলার অভিজ্ঞতা ফুটে উঠেছে।
- এই চলচ্চিত্রের মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছেন নুরুল ইসলাম বাবলু, রাসেল ফরাজী, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, রোকেয়া প্রাচী, শোয়েব ইসলাম এবং লামিসা আর রিমঝিম। - ২০০২ সালের ১৫ মে ৫৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে চলচ্চিত্রটির আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনী হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সময় নিউজ, ১৩ এপ্রিল ২০২২।
৯,৯৮৭.
ঐতিহাসিক ৬ দফা কবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) ১ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ৫ ফেব্রুয়ারি
  3. গ) ৭ ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ৭ মার্চ
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা

- ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
- বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
২. ফেডারেল সরকার।
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা।
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য।
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য।
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,৯৮৮.
আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা-
  1. ক) রাষ্ট্রভাষা বাংলা
  2. খ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  3. গ) ধর্মনিরপেক্ষতা
  4. ঘ) স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা চালু
সঠিক উত্তর:
খ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যা
বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ১৯৬৬ সালের ছয় দফার প্রথম দফা ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌। ৬ দফার বাকি দফাগুলো হলো- কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা, মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা, রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা, বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৯,৯৮৯.
কোন প্রেক্ষাপটে ‘ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি’ গঠিত হয়?
  1. বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  2. পয়ষট্টির সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন
  3. উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. সত্তরের সাধারণ নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
- উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ১৯৬৯ সালের ৮ জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তানের বিরোধীদলগুলোর সমন্বয়ে ‘ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি (ডাক)’ গঠিত হয়।
- এই জোটে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ, মোজাফফর ন্যাপসহ আটটি রাজনৈতিক দল যুক্ত ছিলো।
- পাকিস্তানে ফেডারেল পার্লামেন্টারি পদ্ধতির সরকার প্রবর্তন, প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচন, জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার এবং শেখ মুজিবুর রহমান, খান আবদুল ওয়ালী খান ও জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ সকল রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি দাবিতে এই জোট গণআন্দোলনের ডাক দিয়েছিলো।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৯,৯৯০.
বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE)-র মহাপরিচালক কে?[ ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. আবু নূর মোঃ শামসুজ্জামান
  2. মোঃ আবুল কাশেম
  3. সৈয়দ আমানুল হক
  4. মোঃ কামরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
আবু নূর মোঃ শামসুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু নূর মোঃ শামসুজ্জামান
ব্যাখ্যা

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর:
- DPE-এর পূর্ণরূপ: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (Directorate of Primary Education).
- এটি বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন, তদারকি ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা একটি সরকারি সংস্থা।
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE) ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
 - এর মূল কাজের মধ্যে রয়েছে—
• দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা,
• শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান,
• প্রাথমিক শিক্ষা বিষয়ক নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা, এবং
• প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সম্প্রসারণে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ ও সম্পাদন করা।
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (DPE) বর্তমান মহাপরিচালক হলেন আবু নূর মোঃ শামসুজ্জামান।

উৎস: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

৯,৯৯১.
অন্ধকূপ হত্যা কাহিনী কার তৈরি?
  1. কর্ণওয়ালিস
  2. রবার্ট ক্লাইভ
  3. মীর জাফর
  4. জে.জেড হলওয়েল
সঠিক উত্তর:
জে.জেড হলওয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জে.জেড হলওয়েল
ব্যাখ্যা
→ অন্ধকূপ হত্যা কাহিনী  তৈরি জে.জেড হলওয়েল।

• অন্ধকূপ হত্যা:
- অন্ধকূপ হত্যা ১৭৫৬ সালের ২০ জুন কথিত ঘটনা।
- তখন বাংলার নওয়াব সিরাজউদ্দৌলা কর্তৃক কলকাতা দখল করে।
- মূলত কলকাতা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন ইংরেজ সেনাপতি জে.জেড হলওয়েল।
- তার কথিত বিবরণের ওপর ভিত্তি করে রচিত হয় এটি।
- তখন প্রায় পঞ্চাশ বছর পর্যন্ত বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয় নি।
- হিস্ট্রি অব ইন্ডিয়া গ্রন্থে- ১৮৫৮ সালে জেমস মিলের  আলোকপাত করেন।
- এর থেকে এটি ব্যাপকহারে আলোচিত হয়।
- বর্তমানে অন্ধকূপ হত্যা কাহিনীর বেশির ভাগই অসত্য এবং অতিরঞ্জিত বলে মনে করা হয়।
- এই অন্ধকূপ হত্যা কাহিনী  তৈরি জে.জেড হলওয়েল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৯৯২.
বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম স্পিকার ছিলেন -
  1. ক) মোহাম্মদ উল্লাহ
  2. খ) আবু সাইদ চৌধুরী
  3. গ) শাহ আব্দুল হামিদ
  4. ঘ) মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
গ) শাহ আব্দুল হামিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শাহ আব্দুল হামিদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম স্পিকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ
- মোহাম্মদ উল্লাহ জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার এবং গণপরিষদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার।
- মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ জাতীয় সংসদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার।
- আব্দুল মালেক উকিল জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় স্পিকার।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের বর্তমান স্পীকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী।

(সূত্রঃ জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
৯,৯৯৩.
'স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স' এর চেয়ারপারসন -
  1. ক) মন্ত্রী পরিষদ সচিব
  2. খ) অর্থমন্ত্রী
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
⇨ ২০০৮ সালে বর্তমান সরকার যে নির্বাচনি ইশতেহার প্রকাশ করেছিল তাতে বলা হয়, ২০২১ সালের লক্ষ্য ডিজিটাল বাংলাদেশ। গতবছর ‘রূপকল্প ২০২১’ বাস্তবায়ন হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ পর্ব শেষে আবারও নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের লক্ষ্যের নাম ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’।
⇨ গত ৭ এপ্রিল ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্সের তৃতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের চেয়ারপারসন ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই বৈঠকেই ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্সের নাম পরিবর্তন করে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স’ করার সিদ্ধান্ত হয়। 
⇨ স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স-এর চেয়ারপারসন - মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।  

তথ্যসূত্র:- মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ ও বাংলা ট্রিবিউন।
৯,৯৯৪.
ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চলাইট পরিচালনায় মূল দায়িত্ব পালন করেন কে? 
  1. জেনারেল আবরার হোসেন
  2. জেনারেল নিয়াজি খান
  3. গোলাম মুহাম্মদ
  4. রাও ফরমান আলী
সঠিক উত্তর:
রাও ফরমান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা

অপারেশন সার্চলাইট: 
- ১৮ই মার্চ টিক্কা খান, রাও ফরমান আলী 'অপারেশন সার্চলাইট' পরিচালনার নীলনকশা তৈরি করেন।
- ১৯শে মার্চ থেকে পূর্ব পাকিস্তানে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যদের নিরস্ত্রীকরণ শুরু হয়।
- ২০শে মার্চ সরকার অস্ত্র জমা দেয়ার নির্দেশ জারি করে।
- ঐ দিন জেনারেল ইয়াহিয়া খান তার সামরিক উপদেষ্টা হামিদ খান, জেনারেল টিক্কা খান, জেনারেল পিরজাদা, জেনারেল ওমর প্রমুখকে নিয়ে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে সামরিক প্রস্তুতিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেন।
- এ সময় প্রতিদিন ৬টি থেকে ১৭টি পর্যন্ত পিআইএ ফ্লাইট বোয়িং ৭০৭ বিমান সৈন্য ও রসদ নিয়ে ঢাকা আসে এবং অসংখ্য সৈন্য ও অস্ত্রশস্ত্র বোঝাই হয়ে আসা জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে অপেক্ষা করে।
- ২৪শে মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে এম ভি সোয়াত জাহাজ থেকে অস্ত্র ও রসদ খালাস শুরু হয়।
- ২৫শে মার্চ গণহত্যার জন্য বেছে নেওয়া হয়।
- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীকে ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চলাইটের মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম, শ্রেণি।

৯,৯৯৫.
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ক) ১৯৮৫
  2. খ) ১৯৭৮
  3. গ) ১৯৮৩
  4. ঘ) ১৯৯০
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮৫
ব্যাখ্যা
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কয়লা খনি। এটি দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত। এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৫ সালে। এর থেকে প্রাপ্ত কয়লা দিয়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
Source:parbatipur.dinajpur.gov.bd
৯,৯৯৬.
আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য কী গঠন করা হয়?
  1. বিশেষ আইন
  2. বিশেষ আইনজ্ঞ
  3. বিশেষ ফৌজ
  4. বিশেষ ট্রাইব্যুনাল
সঠিক উত্তর:
বিশেষ ট্রাইব্যুনাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ ট্রাইব্যুনাল
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম 'রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য'।
- তবে এটি 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন ‘ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা’ নামে।

উল্লেখ্য,
⇒ আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২১-ক ধারা এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন, রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।
- ১৯৬৮ সালের ৫ আগস্ট ব্রিটিশ আইনজীবী ও ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য টমাস উইলিয়ম শেখ মুজিবের পক্ষে ট্রাইব্যুনাল গঠন সংক্রান্ত বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন পেশ করেন।
- গণআন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত আইয়ুব সরকার ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয় এবং শেখ মুজিবসহ সকল বন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়া হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৯,৯৯৭.
'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' পুস্তিকাটি প্রকাশিত হয়-
  1. ২৫ আগস্ট, ১৯৪৭
  2. ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
  3. ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
  4. ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
সঠিক উত্তর:
১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
- তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৭ সালে।
- তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম।
- এই সংগঠন রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু'।
- পুস্তিকাটি প্রকাশিত হয়: ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ সালে।
- তমদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলাভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
- পাকিস্তানের পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিষয়তালিকা থেকে এবং নৌ ও অন্যান্য বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাকে বাদ দেয়া হয়।
- এমনকি পাকিস্তানের গণপরিষদের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও উর্দুকে নির্বাচন করা হয়। ফলে বাঙালিরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৯৯৮.
১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকার নাম কী ছিল?
  1. ক) জয় বাংলা
  2. খ) বাংলাদেশ
  3. গ) স্বাধীনতা
  4. ঘ) মুক্তির ডাক
সঠিক উত্তর:
ক) জয় বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জয় বাংলা
ব্যাখ্যা
• সাপ্তাহিক জয়বাংলা:
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বাংলা সাপ্তাহিক মুখপত্র - সাপ্তাহিক জয়বাংলা।
- পত্রিকাটি মূলত ছিল মুজিবনগরে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রচার মাধ্যম।
-  এর লক্ষ্য ছিল একদিকে মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতি ও মুক্তিযোদ্ধাদের কৃতিত্ব জনসমক্ষে তুলে ধরা এবং অন্যদিকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বিশ্বজনমত সৃষ্টি ও আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভ।
- সাপ্তাহিক জয়বাংলা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭১ সালের ১১ মে (২৭ বৈশাখ ১৩৭৮)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৯৯৯.
মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি নিয়ে নির্মিত সিনেমা 'গেরিলা’ চলচ্চিত্রটির পরিচালক-
  1. জহির রায়হান 
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. নাসির উদ্দীন ইউসুফ 
  4. খান আতাউর রহমান
সঠিক উত্তর:
নাসির উদ্দীন ইউসুফ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাসির উদ্দীন ইউসুফ 
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র:  
- নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি নিয়ে নির্মিত সিনেমা 'গেরিলা'।
- সৈয়দ শামসুল হকের 'নিষিদ্ধ লোবান' উপন্যাস থেকে নির্মিত হয় সিনেমাটি।
- ২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন- 
- জয়া আহসান, ফেরদৌস, এটিএম শামসুজ্জামান, রাইসুল ইসলাম আসাদ, পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী ওয়াদুদ, শম্পা রেজা, গাজী রাকায়েত প্রমুখ।

• মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত কয়েকটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র হলো:
- আবার তোরা মানুষ হ: খান আতাউর রহমান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত সিনেমা ।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা ১১ জন'। পরিচালনা করেছেন চাষী নজরুল ইসলাম। 
- হারুনর রশীদ পরিচালিত 'মেঘের অনেক রং' সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৭৬ সালে। 
- প্রথম সিনেমা 'আগুনের পরশমণি' দিয়েই পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে হুমায়ূন আহমেদের। 

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা।

১০,০০০.
লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল-
  1. ক) দ্বিজাতি তত্ত্ব
  2. খ) পাকিস্তান জাতীয়তাবাদ
  3. গ) বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদ
  4. ঘ) সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিজাতি তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিজাতি তত্ত্ব
ব্যাখ্যা
⇨ লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল দ্বিজাতি তত্ত্ব
⇨ এ প্রস্তাবের কোথাও পাকিস্তান শব্দটি ছিল না। তথাপি এ প্রস্তাব ‘পাকিস্তান প্রস্তাব’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
⇨ এ প্রস্তাব ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে পৃথক আবাসভূমির স্বপ্ন বপন করে।
⇨ কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ লাহোর প্রস্তাবের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে। 

উল্লেখ,
⇨ ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ কে ফজলুল হক একটি প্রস্তাব পেশ করেন। জিন্নাহর সভাপতিত্বে প্রস্তাবটি সভায় গৃহীত হয়। এই প্রস্তাবই ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব নামে পরিচিত। 

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।