বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

রোবটিক্স ও সাইবার অপরাধ

মোট প্রশ্ন৪৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

রোবটিক্স ও সাইবার অপরাধ

PrepBank · পাতা / · ৩০১৪০০ / ৪৭৯

৩০১.
'Trend Micro' কী?
  1. একটি আমেরিকারন হ্যাকার গ্রুপ।
  2. একটি ক্রিপ্টো কারেন্সি।
  3. একটি সাইবার সিকিউরিটি সফটওয়্যার কোম্পানি।
  4. একটি ফটোশপ টুল।
সঠিক উত্তর:
একটি সাইবার সিকিউরিটি সফটওয়্যার কোম্পানি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি সাইবার সিকিউরিটি সফটওয়্যার কোম্পানি।
ব্যাখ্যা
- 'Trend Micro' হলো একটি সাইবার সিকিউরিটি সফটওয়্যার কোম্পানি।

• সাইবার অপরাধ:
◊ ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগিতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
◊ বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার বুলি,
- স্পুফিং,
- ফিশিং,
- স্নিকিং,
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস:
১. Trend Micro website.
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩. ব্রিটানিকা।
৩০২.
শিল্পকারখানায় রোবট ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. কাজের গতি ও নির্ভুলতা বৃদ্ধি
  2. শ্রমিক সংখ্যা বৃদ্ধি
  3. কাগজের ব্যবহার বৃদ্ধি
  4. ম্যানুয়াল কাজ বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
কাজের গতি ও নির্ভুলতা বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজের গতি ও নির্ভুলতা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

• শিল্পকারখানায় রোবট ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য হলো কাজের গতি ও নির্ভুলতা বৃদ্ধি করা।

• রোবট:
- রোবট হলো একটি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র যা প্রোগ্রাম অনুযায়ী কাজ সম্পাদন করে।
- মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, কষ্টসাধ্য ও পুনরাবৃত্তিমূলক কাজে রোবট ব্যবহার করা হয়।
 
• শিল্পকারখানায় রোবটের ব্যবহার:
- উৎপাদন প্রক্রিয়ায় দ্রুত ও নির্ভুলভাবে কাজ সম্পাদনের জন্য রোবট ব্যবহৃত হয়।
- ভারী বস্তু স্থানান্তর, ওয়েল্ডিং, প্যাকেজিং, সংযোজন ও মান যাচাইয়ের কাজে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- দীর্ঘ সময় একই ধরনের কাজ ক্লান্তি ছাড়াই সম্পন্ন করতে পারে।
- ফলে উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি পায় এবং সময় ও শ্রম সাশ্রয় হয়।
 
• চিকিৎসাক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার:
- জটিল অস্ত্রোপচার ও সার্জারিতে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- রোগ নির্ণয়, পুনর্বাসন ও চিকিৎসা সহায়তায় রোবটের ব্যবহার বাড়ছে।
 
• সামরিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার:
- বিস্ফোরক দ্রব্য শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয়করণে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- যুদ্ধক্ষেত্র ও সীমান্ত এলাকায় নজরদারিতে রোবট ব্যবহৃত হয়।
 
• মহাকাশ গবেষণায় রোবটের ব্যবহার:
- গ্রহ অনুসন্ধান, মহাকাশযান পরিচালনা ও গবেষণায় রোবট ব্যবহৃত হয়।
- মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে রোবট গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে।
 
• শিক্ষা ও বিনোদনে রোবটের ব্যবহার:
- ব্যবহারিক শিক্ষা ও গবেষণায় শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- চলচ্চিত্র ও বিনোদন শিল্পে বিশেষ দৃশ্য নির্মাণে রোবট ব্যবহার করা হয়।
 
• গৃহস্থালি ও উদ্ধার কাজে রোবটের ব্যবহার:
- ঘর পরিষ্কার, নজরদারি ও স্বয়ংক্রিয় গৃহস্থালি কাজে রোবট ব্যবহৃত হয়।
- অগ্নিকাণ্ড, ভূমিকম্প ও দুর্ঘটনায় উদ্ধার কাজে রোবট ব্যবহৃত হয়।
 
• রোবট ব্যবহারের সামগ্রিক গুরুত্ব:
- কাজের গতি ও নির্ভুলতা বৃদ্ধি পায়।
- সময় ও শ্রম সাশ্রয় হয়।
- মানুষের জীবনঝুঁকি কমে।
 
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৩০৩.
Denial of Service কী?
  1. এক ধরনের ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার।
  2. দুই কম্পিউটারের মাঝে নতুন নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করা।
  3. বৈধ ব্যবহারকারীকে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক অ্যাক্সেসে বাধা প্রদান করা।
  4. ই-মেইলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে নকল ওয়েবসাইটে নিয়ে যাওয়া।
সঠিক উত্তর:
বৈধ ব্যবহারকারীকে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক অ্যাক্সেসে বাধা প্রদান করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈধ ব্যবহারকারীকে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক অ্যাক্সেসে বাধা প্রদান করা।
ব্যাখ্যা
• DoS (Denial of Service):
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
 
• Man-in-the-Middle:
- দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়।
- ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

• Phishing:
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• ম্যালওয়্যার:
- ম্যালওয়্যার হলো কম্পিউটারের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার।
- এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অনুমতি ছাড়া পরিকল্পিত কোনো নেটওয়ার্কে আক্রমণ করে তথ্য বা ডেটা হাতিয়ে নেওয়া কিংবা কম্পিউটারের ক্ষতি করতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)
৩০৪.
কোন ধরনের সাইবার অপরাধে ক্ষতির উদ্দেশ্যে ডেটা এনক্রিপ্ট করা হয় এবং মুক্তিপণ দাবি করা হয়?
  1. স্প্যামিং
  2. ডেটা ব্রিচ
  3. র‍্যানসমওয়্যার
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
র‍্যানসমওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যানসমওয়্যার
ব্যাখ্যা
• র‍্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার, এটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা সীমাবদ্ধ করে দেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করে।

• র‍্যানসমওয়্যার:
- ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
- র‍্যানসমওয়্যার নামটিই প্রকাশ করে যে, কম্পিউটারের ফাইল আটকে অর্থ নেওয়ার জন্য এটা করা হয়।
- কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে।
- যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
- সাধারণত একটি এনক্রিপশন কি বা প্রোগ্রাম চাবি ব্যবহার করে ফাইল আটকানো হয়।
- ওই চাবি সম্পর্কে তথ্য কেবল আক্রমণকারীর জানা থাকে।
- যদি অর্থ পরিশোধ করা না হয় তখন তথ্য পুরোপুরি মুছে ফেলার ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, ৯ম-১০ম শ্রেণি। [ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ]
৩০৫.
নিচের কোনটি সাইবারস্টকিং (Cyberstalking)-এর অন্তর্ভুক্ত বলে বিবেচিত হয়? 
  1. ব্লগে গঠনমূলক মন্তব্য করা
  2. বন্ধুর প্রোফাইল ভিজিট করা
  3. সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে লাইক দেওয়া
  4. অনবরত হুমকিমূলক বার্তা পাঠানো
সঠিক উত্তর:
অনবরত হুমকিমূলক বার্তা পাঠানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনবরত হুমকিমূলক বার্তা পাঠানো
ব্যাখ্যা

• • সাইবারস্টকিং হলো ইন্টারনেট ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে ক্রমাগত হয়রানি বা ভীতি প্রদর্শন করা। এটি মূলত কাউকে বারবার হুমকিমূলক বার্তা পাঠিয়ে তার মানসিক প্রশান্তি ও অনলাইন নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার একটি ডিজিটাল অপরাধ।
- সঠিক উত্তর: ঘ) অনবরত হুমকিমূলক বার্তা পাঠানো।

 • সাইবার ক্রাইম: 
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং,
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম,
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks, প্রভৃতি

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩০৬.
'Salami Attack' কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আর্থিক ক্ষতি সাধন করা
  2. সিস্টেমে ভাইরাস আক্রমণ করা
  3. ই-মেইল বম্বিং করা
  4. ট্রোজান এ্যাটাক করা
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতি সাধন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থিক ক্ষতি সাধন করা
ব্যাখ্যা
Salami Attack হচ্ছে অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকান্তিকত ব অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩০৭.
অবাঞ্ছিত ই-মেইল বা বার্তা পাঠানোকে কী বলা হয়?
  1. স্পুফিং
  2. স্প্যামিং
  3. ফিশিং
  4. স্নিকিং
সঠিক উত্তর:
স্প্যামিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্প্যামিং
ব্যাখ্যা

অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে

স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙিক্ষত মেসেজসমূহ ব্যাপকভাবে প্রেরণে ইলেকট্রনিক মেসেজিং সিস্টেমসমূহের ব্যবহার হলো স্প্যাম বা স্প্যামিং।
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- স্প্যামাররা বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এবং ইমেইল আইডি জেনারেট করে স্প্যাম মেইল পাঠায়।

উল্লেখ্য,
স্পুফিং(Spoofing): 
- স্পুফিং হলো মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা এবং সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করা।

ফিশিং(Phishing): 
- কারো ছদ্মবেশ ধারণ করে ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ চুরি করার প্রচেষ্টাকে ফিশিং বলে।

স্নিকিং:
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তার গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী  মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩০৮.
কোন হ্যাকাররা পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনি ও বেআইনি হ্যাকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে?
  1. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  2. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
  3. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  4. গ্রিন হ্যাট হ্যাকার
সঠিক উত্তর:
গ্রে হ্যাট হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রে হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ক) গ্রে হ্যাট হ্যাকার।

গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা এমন ধরনের হ্যাকার যারা পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনি বা বেআইনি হ্যাকিং কার্যক্রম করতে পারে। তারা সাধারণত সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে দুর্বলতা খুঁজে বের করে, কিন্তু তা সব সময় অনুমতি নিয়ে করে না। কখনও তারা নিরাপত্তা পরীক্ষার জন্য আইনি কাজেও নিযুক্ত থাকে, আবার কখনও বেআইনিভাবে সিস্টেমে প্রবেশ করতে পারে। অর্থাৎ, তারা হোয়াইট হ্যাট হ্যাকারদের মতো শুধুই আইনি কাজ করে না এবং ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের মতো সম্পূর্ণ বেআইনি কাজও করে না, বরং উভয় দিকের মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে। এজন্য তাদের কর্মকাণ্ড কখনও আইনগত এবং কখনও অনৈতিক- উভয় ধরনের হতে পারে।
 
হ্যাকিং:
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়।
যথা:

১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- একজন ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটিকে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়।
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরনের হ্যাকাররা বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজই করতে পারে।
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মতো কাজ করে।
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৩০৯.
নিচের কোনটি কনজ্যুমার বা হোম রোবট হিসেবে পরিচিত?
  1. QRIO
  2. Shakey
  3. Roomba
  4. KUKA
সঠিক উত্তর:
Roomba
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Roomba
ব্যাখ্যা

iRobot Corporation দ্বারা তৈরি Roomba কনজ্যুমার বা হোম রোবট হিসেবে পরিচিত।

রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবটিক্স (Robotics) শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে স্লাভিক শব্দ robota (রোবটা) থেকে যার ইংরেজি হলো robot (রোবট)।
- রোবট এর আভিধানিক অর্থ হল শ্রমিক, দাস বা কর্মী।
- চেক লেখক ক্যারেল ক্যাপেক ১৯২১ সালে Rossurovi Univerzilni Roboti নামে একটি সাইন্স ফিকশন গল্প লিখেন যাতে তিনি শ্রমিক বা কর্মী অর্থে সর্বপ্রথম 'robota' শব্দের ব্যবহার করেন।
- ১৯৫০ সালে আমেরিকান প্রকৌশলী, গণিতবিদ ও উদ্যোক্তা যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার এবং জর্জ চার্লস ডেভল মিলে সর্বপ্রথম ইউনিমেট (Unimate) নামে শিল্পে ব্যবহার উপযোগী রোবট উদ্ভাবন করেন।
- যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবটিক্সের জনক বলা হয়।

• আইরোবট (iRobot):
- ১৯৯০ সালে এমআইটি (Massachusetts Institute of Technology) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত iRobot নামক প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন ধরনের কনজ্যুমার রোবট বা হোম রোবট তৈরি করে বিশ্বে জনপ্রিয় হয়েছে।
- এই প্রতিষ্ঠালে তৈরি Roomba নামক রোবটটি বাসার মেঝ বা ফ্লোর পরিষ্কারের কাজে অত্যন্ত দক্ষ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩১০.
রোবট চলানোর জন্য কোন উপাদানটি ব্যবহৃত হয়?
  1. অ্যাকচুয়েটর
  2. ব্যাটারি
  3. প্রসেসর
  4. সেন্সর
সঠিক উত্তর:
অ্যাকচুয়েটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাকচুয়েটর
ব্যাখ্যা

• রোবট চলানোর জন্য অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়। অ্যাকচুয়েটর হল সেই যন্ত্রাংশ যা রোবটের কমান্ড অনুযায়ী মেকানিক্যাল বা ফিজিক্যাল মুভমেন্ট তৈরি করে। এটি রোবটের হাত, পা, চাকা বা যেকোনো চলন্ত অংশকে চালায়। ব্যাটারি রোবটকে শক্তি দেয়, প্রসেসর কমান্ড প্রক্রিয়াকরণ করে, আর সেন্সর তথ্য সংগ্রহ করে। কিন্তু সরাসরি চলাচলের কাজটি অ্যাকচুয়েটরের দায়িত্ব। উদাহরণস্বরূপ, রোবটের চাকা ঘোরানো বা হাত নাড়ানো হলে এটি অ্যাকচুয়েটরের মাধ্যমে সম্ভব হয়। তাই রোবটের চলাচল সম্ভব হয় মূলত অ্যাকচুয়েটরের কারণে।

- উত্তর: ক) অ্যাকচুয়েটর।

• রোবট:
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে তাকে বলা হয় রোবট।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'।
- স্যামসাং কোম্পানির রোবট 'রোবোরো'।
- হংকং ভিত্তিক হ্যানসন রোবটিক্স কোম্পানির রোবট 'সোফিয়া'।
- সনি কর্পোরেশন কোম্পানির রোবট 'আইবো'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।

• বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন ক্ষেত্রে রোবটকে ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন-
- শিল্পের বিপজ্জনক ও কঠিন কাজ করা।
- বৃহৎ মেশিনের কষ্টদায়ক যন্ত্রপাতির সংযোজন।
- খনি হতে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ উত্তোলন।
- মহাকাশ গবেষণায় রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে।
- মহাশূন্যের ছবি সংগ্রহ।
- ক্ষতিকর বিস্ফোরক সনাক্তকরণে।
- গৃহস্থালীর কাজে রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে।
- গভীর অরণ্য কিংবা বহুদূরত্বে শত্রুর উপস্থিতির প্রমাণে।
- শিল্প কারখানায় দ্রুত উৎপাদন কার্য হাসিলে রোবটের ব্যবহার হচ্ছে; ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১১.
Julian Assange কে?
  1. Wi-fi এর নির্মাতা
  2. একজন হ্যাকার
  3. প্রথম ইন্টারনেট ব্যবহারকারী
  4. paypal এর নির্মাতা
সঠিক উত্তর:
একজন হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একজন হ্যাকার
ব্যাখ্যা
- জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ ৩ জুলাই ১৯৭১ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ অস্ট্রেলীয় কম্পিউটার প্রোগ্রামার এবং হ্যাকার।
- তিনি বহুল আলোচিত উইকিলিকস এর প্রধান নির্বাহী।
- তিনি ১৯ জুন ২০১২ থেকে ১১ এপ্রিল ২০১৯ পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে অবস্থিত ইকুয়েডোর দূতাবাসে রিফিউজি হিসেবে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছিলেন।
- কিশোর বয়সে, তিনি কম্পিউটারের সাথে একটি অদ্ভুত দক্ষতা প্রদর্শন করেছিলেন, এবং হ্যাকিং ডাকনাম "মেন্ডাক্স" ব্যবহার করে তিনি NASA এবং পেন্টাগন সহ বেশ কয়েকটি সুরক্ষিত সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করেছিলেন।
- ১৯৯১ সালে অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ তাকে ৩১ টি সাইবার অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করে।

উৎস: [britannica.com]
৩১২.
নিচের কোনটি ওয়েব-ভিত্তিক আক্রমণ?
  1. ট্রোজান
  2. ট্যাম্পারিং
  3. স্কেয়ারওয়‍্যার
  4. এক্সপ্লয়েট
সঠিক উত্তর:
ট্যাম্পারিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্যাম্পারিং
ব্যাখ্যা
• ট্যাম্পারিং (Tampering):
- একটি ওয়েব-ভিত্তিক আক্রমণ যেখানে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর অজান্তে ওয়েবসাইটের ইউআরএল (URL)-এ কিছু প্যারামিটার পরিবর্তন করে।
- URL ব্যবহারকারীর কাছে বৈধ বলে মনে হয়।
- হ্যাকাররা সিস্টেমে অবৈধ অ্যাক্সেস বা মূল্যবান তথ্য হস্তক্ষেপ করার জন্য ট্যাম্পারিং করে থাকে।
- অবৈধ অনুমোদনের মাধ্যমে, ব্যবহারকারীর দ্বারা প্রবেশ করা কিছু প্যারামিটার নির্দিষ্ট ইউআরএল বা ওয়েব পৃষ্ঠায় পরিবর্তন করা হয়।
- যখন ক্লায়েন্ট এবং সার্ভারের মধ্যে কিছু তথ্য বিনিময় করা হচ্ছে তখন সেটি হ্যাকার দ্বারা চালিত হয়।
- এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর বিবরণ পরিবর্তন করেও ব্যবহারকারীর গোপনীয়তাকে প্রভাবিত করা হয়।
- স্কেয়ারওয়‍্যার হলো এক ধরনের হুমকি যেখানে পপ আপ মেসেজ-এর মাধ্যমে সিস্টেমে অকেজো সফটওয়্যার ডাউনলোড করার পরামর্শ দেওয়া হয়। 

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৩.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধের ধরন নয়?
  1. Sasser
  2. Cyberstalking
  3. Phishing
  4. Spamming
সঠিক উত্তর:
Sasser
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sasser
ব্যাখ্যা
♦ সাইবার অপরাধ:
• ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
• বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার বুলি,
- স্পুফিং,
- ফিশিং,
- স্নিকিং,
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

- Sasser একটি কম্পিউটার ভাইরাস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
৩১৪.
অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদের কী বলা হয়?
  1. ফিশিং
  2. পাইরেসি
  3. ক্রেকার
  4. হ্যাকার
সঠিক উত্তর:
ক্রেকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেকার
ব্যাখ্যা
• হ্যাকিং:
- হ্যাকিং হচ্ছে অনাধিকার প্রবেশ এবং অনৈতিক কর্মকান্ড; যা অন্যের কম্পিউটারে বা ওয়েবসাইটে ঢুকে তথ্যের ক্ষতিসাধন করে।
- অর্থাৎ অবৈধভাবে বা বিনা অনুমতিতে কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করা, তথ্য নষ্ট করা, তথ্য চুরি করা, তথ্যের বিকৃতি ঘটানো বা অন্যের কম্পিউটারকে বিশেষ পন্থায় সম্পন্ন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়াকে কম্পিউটার হ্যাকিং বলে।
- যারা হ্যাকিং এর কাজ করে তাদেরকে হ্যাকার (Hacker) বলে।
- অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার বলে।
- হ্যাকারদের যাবতীয় কর্মকাণ্ডকে হ্যাকিং বলে।
- হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ হতে পারে।
- হ্যাকাররা মূলত বিশেষ ধরনের সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে নেটওয়ার্কযুক্ত বিভিন্ন কম্পিউটারে আক্রমণ করে।
- বিশেষ ধরনের এ সফ্টওয়্যারকে বলে স্পাইওয়্যার।

• সাধারণত হ্যাকার তিন ধরনের হয়। যথা:
১. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- এই ধরনের হ্যাকার কোন অবৈধ কাজ করে না। এরা সিকিউরিটি বৃদ্ধি করতে হ্যাক করে।

২. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- ই ধরনের হ্যাকাররা অবৈধ কাজ করে এবং ইনফরমেশন চুরি করে সাইবার অপরাধ করে থাকে।

৩. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এই ধরনের হ্যাকাররা অবৈধ ও বৈধ উভয় কাজই করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।
৩১৫.
প্লেজিয়ারিজম বলতে সাধারণত কী বোঝায়?
  1. নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা
  2. ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা
  3. অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া
  4. বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা
সঠিক উত্তর:
অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া
ব্যাখ্যা

• প্লেজিয়ারিজম বলতে সাধারণত অন্য কারো লেখা, গবেষণা, বা আইডিয়া চুরি করে তা নিজের নামে প্রকাশ করা বোঝায়। এটি শুধুমাত্র শব্দের অনুলিপি নয়, বরং অন্যের ভাবনা বা তথ্যকে নিজের মূল ধারণা হিসেবে উপস্থাপন করাটাও অন্তর্ভুক্ত। শিক্ষাক্ষেত্রে, লেখালেখি ও গবেষণায় এটি একটি গুরুতর অসদাচরণের মধ্যে গণ্য হয়। অনৈতিকভাবে কপিরাইট লঙ্ঘন করা, বা অন্যের অবদানকে মানসিকভাবে গ্রহণ না করে ব্যবহার করা, সবকিছুই প্লেজিয়ারিজমের মধ্যে পড়ে। তাই লেখালেখি বা প্রবন্ধে সঠিকভাবে উদ্ধৃতিসহ মূল লেখকের অবদান স্বীকৃতি দেওয়া জরুরি।

উত্তর: গ) অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া।

• সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।

- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩১৬.
কম্পিউটার ভাইরাস প্রতিরোধের উপায় কোনটি?
  1. ক) এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা
  2. খ) ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা
  3. গ) সফটওয়্যার সবসময় আপ-টু-ডেইট রাখা
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস প্রতিরোধের উপায়: 
ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সতর্কতা মেনে চলা।
-  এজন্য সবসময় এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে।
- এছাড়াও উইন্ডোজ ডিফেনডার ফায়ার ওয়াল ব্যবহার করা যেতে পারে।
- পেনড্রাইভ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতনভাবে স্ক্যান করে নিতে হবে।
- ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় পপ-আপ উইন্ডোতে ক্লিক করার আগে সচেতন হতে হবে।
- ই-মেইলের কোন আটাচমেন্ট অপেনের আগে স্ক্যান করে নিতে হবে। ডাউনলোড করা ফাইল রান করার সময় সচেতন হতে হবে।
- পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহারের করা থেকে বিরত থাকতে হবে। পাসওয়ার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে স্ট্রং পাসওয়ার্ড দিতে হবে। অপারেটিং সিস্টেম ও অন্যান্য সফটওয়্যার সবসময় আপ-টু-ডেইট রাখতে হবে।
৩১৭.
বেআইনী কাজ কোনটি?
  1. ক) ই-মেইলিং
  2. খ) কমিউনিকেটিং
  3. গ) আপ-লোডিং
  4. ঘ) প্লেজিয়ারিজম
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লেজিয়ারিজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লেজিয়ারিজম
ব্যাখ্যা
প্লেজিয়ারিজম:  
অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে উপস্থাপন বা প্রকাশ করাকেই বলা হয় প্লেজিয়ারিজম।
অর্থাৎ তথ্যসূত্র উল্লেখ ব্যতিত কোন ছবি, অডিও, ভিডিও এবং তথ্য ব্যবহার করা অন্যায় কাজ ও অপরাধ হলো প্লেজিয়ারিজম ।

তাই প্লেজিয়ারিজম একটি বেআইনী কাজ ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই ( এইচ এস সি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩১৮.
কোন ধরনের হ্যাকার বৈধ কাজের সঙ্গে অপরাধমূলক কাজও করে থাকে?
  1. গ্রীন হ্যাট হ্যাকার
  2. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  4. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
সঠিক উত্তর:
গ্রে হ্যাট হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রে হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা

• গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা বৈধ ও অবৈধ দুই ধরনের কাজই করে।

হ্যাকিং:
- হ্যাকিং বলতে বোঝানো হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বা ব্যবহারকারীর বিনা অনুমতিতে তার কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা। যারা এই কাজ করে থাকে তাদেরকে বলা হয় কম্পিউটার হ্যাকার বা হ্যাকার।

 হ্যাকারদের শ্রেণিবিভাগ:
১. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার,
২. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার,
৩. গ্রে হ্যাট হ্যাকার ইত্যাদি।

হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা কোনো সিস্টেমের উন্নতির জন্য সেটির নিরাপত্তা ছিদ্রসমূহ খুঁজে বের কর।
- এদেরকে এথিক্যাল হ্যাকারও (ethical hacker) বলা হয়।
- এরা সিস্টেমের কোন ক্ষতি করে না বরং সিকিউরিটি বৃদ্ধি করে।

ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরণের হ্যাকাররা অবৈধ কাজ করে এবং ইনফরমেশন চুরি করে সাইবার অপরাধ করে। 
- এদের ক্রেকারও বলে।

গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এরা হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ও ব্লাক হ্যাট হ্যাকারের মাঝামাঝি এক ধরনের হ্যাকার।
- এরা নেটওয়ার্কের দূর্বলতাগুলো খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানায়।
- দূর্বল দিকগুলো ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩১৯.
কোন ধরনের হ্যাকাররা তথ্য চুরি এবং বেআইনি কাজ করে?
  1. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  2. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  3. পারপল হ্যাট হ্যাকার
  4. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা

• ইনফরমেশন চুরি এবং অবৈধ কাজ করা হ্যাকারদের ধরন হচ্ছে - তারা ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার।

• হ্যাকিং:
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা:

১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- একজন Black hat hacker যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়।
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরনের হ্যাকাররা দুই ধরনের বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজ করতে পারে।
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করে।
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• গ্রিন হ্যাট হ্যাকার নামে কোনো হ্যাকার গ্রুপের অস্থিত নেই।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৩২০.
মোবাইল, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে কী বলা হয়?
  1. ক) স্পুফিং
  2. খ) স্নিকিং
  3. গ) স্প্যামিং
  4. ঘ) ভিশিং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিশিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিশিং
ব্যাখ্যা
• মোবাইল, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং বলা হয়।

ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩২১.
ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটের পরিবর্তে অন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করানোকে কী বলে?
  1. র‍্যানসমওয়্যার
  2. ফার্মিং
  3. ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ফার্মিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফার্মিং
ব্যাখ্যা
• ফার্মিং (Pharming):
- ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটের পরিবর্তে অন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করানো বা নিয়ে যাওয়াকে বলা হয় ফার্মিং।
- ফার্মিং এর কারণে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন ধরনের বিরম্বনায় পড়ে এবং সময়ের অপচয় হয়।

• র‍্যানসমওয়্যার:
- ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।

• ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল:
- দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩২২.
যেকোনো কম্পিউটিং সিস্টেমে প্রচলিত সুরক্ষা নীতিগুলি এড়িয়ে নতুন লুকানো প্রবেশদ্বার তৈরি করাকে কী বলা হয়?
  1. ইভসড্রপিং
  2. প্লেজিয়ারিজম
  3. ব্যাকডোর
  4. স্প্যামিং
সঠিক উত্তর:
ব্যাকডোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকডোর
ব্যাখ্যা
• ব্যাকডোর অক্রমণ:
- যেকোনো কম্পিউটিং সিস্টেমের প্রচলিত প্রবেশপথটি এড়িয়ে ও প্রচলিত সুরক্ষা নীতিগুলি এড়িয়ে একটি নতুন লুকানো প্রবেশদ্বার তৈরি করাকে বলা হয় ব্যাকডোর অক্রমণ।
- এই আক্রমণে আক্রমণকারী কী-লগিং সফটওয়্যার বা অন্য কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল করে এবং এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ সিস্টেমের নাগাল পায়।
- এর মাধ্যমে আক্রমণকারী প্রতারিত ব্যক্তির কম্পিউটার এ অবস্থিত তথ্য পরিবর্তন করতে পারে বা অযাচিত সফটওয়্যার ইনস্টল করে থাকে।
এছাড়াও,
- এটি প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার ইন্টারফেস সর্বসমক্ষে উম্মোচিত করে থাকে।
- অপ্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্য সংযুক্ত করে থাকে, গোপন প্যারামিটার সৃষ্টি করে থাকে।
- উপরন্তু অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারকারী বা তৃতীয় পক্ষের অ্যাক্সেস সুগম করে থাকে।
- সিস্টেম-এর পুরাতন ব্যবহারকারীদের পরিচয় কাজে লাগিয়ে পরিচয় জালিয়াতি করে।
- প্রমাণীকরণ এবং অনুমোদন আক্রমণ, ডেটার নাগাল পায় ইত্যাদি।

• ইভসড্রপিং হলো একটি আক্রমণ যেখানে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই কথোপকথন শোনে।
• অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে উপস্থাপন বা প্রকাশ করাকে বলা হয় প্লেজিয়ারিজম।
• অনাকাঙিক্ষত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানােকে স্প্যামিং বলে।

উৎস: Computer Applications in Bussiness, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৩.
সর্বপ্রথম রোবট তৈরি করেন কে?
  1. অ্যালান টিউরিং
  2. চার্লস ব্যাবেজ
  3. জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ
  4. জর্জ চার্লস ডেভল
সঠিক উত্তর:
জর্জ চার্লস ডেভল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্জ চার্লস ডেভল
ব্যাখ্যা
সর্বপ্রথম রোবট তৈরি করেন জর্জ চার্লস ডেভল।

• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

• অন্যান্য:
- হোন্ডা কোম্পানির রোবট 'আসিমো'।
- সনি কর্পোরেশনের রোবট 'কিউরিও'।
- 'সোফিয়া' হচ্ছে হ্যানসন রোবটিক্স এর তৈরি রোবট।

• বাকি অপশন:
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ: রোবোটিক্সের জনক এবং ইউনিমেট প্রকল্পের উদ্যোক্তা।
- চার্লস ব্যাবেজ: একজন ইংরেজ যন্ত্র প্রকৌশলী, গণিতবিদ, আবিষ্কারক ও দার্শনিক।
- অ্যালান টিউরিং: তাকে “কম্পিউটিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পিতা” বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩২৪.
'হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার' কী ধরনের কাজ করে?
  1. আর্থিক বা তথ্যগত ক্ষতি সাধন করে
  2. সিস্টেম নিরাপত্তা জোরদারে সাহায্য করে
  3. কম্পিউটার ভাইরাস ছড়ানো
  4. শুধুমাত্র ডেটা নষ্ট করা
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম নিরাপত্তা জোরদারে সাহায্য করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম নিরাপত্তা জোরদারে সাহায্য করে
ব্যাখ্যা
হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার সিস্টেম নিরাপত্তা জোরদারে সাহায্য করে।

• হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।
খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার: বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩২৫.
ডেটা ব্রিচ মানে কী?
  1. নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট
  2. অংশীদারদের সাথে আইনিভাবে ডেটা শেয়ার করা
  3. গোপন তথ্যের অননুমোদিত প্রবেশ 
  4. যখন কোনো কোম্পানি অফিসের ফাইল হারায়
সঠিক উত্তর:
গোপন তথ্যের অননুমোদিত প্রবেশ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপন তথ্যের অননুমোদিত প্রবেশ 
ব্যাখ্যা

• ডেটা ব্রিচ বলতে এমন একটি পরিস্থিতিকে বোঝায় যেখানে কোনো প্রতিষ্ঠানের বা ব্যক্তির গোপন, সংবেদনশীল বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অননুমোদিত ব্যক্তি বা সিস্টেমের হাতে চলে যায়। এর ফলে ব্যক্তিগত তথ্য, আর্থিক তথ্য বা ব্যবসায়িক গোপনীয়তা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সাধারণত হ্যাকিং, দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা অভ্যন্তরীণ ত্রুটির কারণে ডেটা ব্রিচ ঘটে। এটি নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট, আইনিভাবে ডেটা শেয়ার করা বা অফিসের ফাইল হারানোর মতো সাধারণ বিষয় নয়। সঠিক অর্থে ডেটা ব্রিচ হলো গোপন তথ্যের অননুমোদিত প্রবেশ, যা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
 
• সাইবার অপরাধ :
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।

- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্মিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)

- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল ৷
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- IBM. [link]

৩২৬.
অবৈধ হ্যাকারদের কী নামে ডাকা হয়? 
  1. ক্রেকার
  2. সিজার
  3. রাশার
  4. ক্রাশার
সঠিক উত্তর:
ক্রেকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেকার
ব্যাখ্যা
হ্যাকার: 
- অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার (Craker) বলা হয়। 
- অবৈধ হ্যাকার বা ক্রেকাররা ইন্টারনেট এবং অন্যান্য নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডেটা চুরি অথবা নষ্ট করে দেয়। 
- এদের কাছে সাধারণত বেশ কিছু টেকনিক থাকে যা ব্যবহার করে এরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফট্ওয়্যার সিস্টেমের দুর্বলতা খুব সহজে খুঁজে বের করে পাসওয়ার্ড জেনে ফেলে। 
- এদেরকে ব্লাক হ্যাট হ্যাকার বলে। 
- গ্রে হ্যাট হ্যাকার নামে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ও ব্লাক হ্যাট হ্যাকারের মাঝামাঝি এক ধরনের হ্যাকার রয়েছে যারা নেটওয়ার্কের দূর্বলতাগুলো খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানায় এবং দূর্বল দিকগুলো ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৩২৭.
ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা কী নামে পরিচিত?
  1. স্পুফিং
  2. বম্বিং 
  3. স্প্যামিং
  4. স্নিকিং
সঠিক উত্তর:
স্পুফিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পুফিং
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) স্পুফিং

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকান্তিকত ব অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩২৮.
একটি 'স্টেটফুল' ফায়ারওয়াল কী?
  1. একটি ফায়ারওয়াল যা শুধুমাত্র ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কে কাজ করে
  2. একটি ফায়ারওয়াল যা ফাইলগুলি নিরাপদে সংরক্ষণ করতে ব্যবহার করা যেতে পারে
  3. একটি ফায়ারওয়াল যা পূর্ববর্তী সংযোগগুলি মনে রাখে না
  4. একটি ফায়ারওয়াল যা প্যাকেটগুলি পরিদর্শন করে এবং সংযোগগুলির অবস্থান ট্র্যাক করে
সঠিক উত্তর:
একটি ফায়ারওয়াল যা প্যাকেটগুলি পরিদর্শন করে এবং সংযোগগুলির অবস্থান ট্র্যাক করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি ফায়ারওয়াল যা প্যাকেটগুলি পরিদর্শন করে এবং সংযোগগুলির অবস্থান ট্র্যাক করে
ব্যাখ্যা
• স্টেটফুল ফায়ারওয়াল:
- একটি "stateful" ফায়ারওয়াল হলো এমন একটি ফায়ারওয়াল যা নেটওয়ার্কের কানেকশনের স্থিতি (state) ট্র্যাক করে এবং প্যাকেটগুলো পর্যালোচনা করে।
- এর মাধ্যমে এটি আগের কানেকশনের তথ্য মনে রাখে, যা পরবর্তী প্যাকেটগুলোর অনুমোদন বা অবরোধের জন্য সাহায্য করে।
- এই ধরনের ফায়ারওয়াল সার্বিকভাবে আরও উন্নত সুরক্ষা প্রদান করতে পারে, কারণ এটি নেটওয়ার্কের সক্রিয় সংযোগের স্টেট বুঝে কাজ করে।

• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে।
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: sciencedirect [লিংক]
৩২৯.
'কিউরিও' রোবট কোন কোম্পানির তৈরি?
  1. হোন্ডা
  2. সনি
  3. গুগল
  4. স্যামসাং
সঠিক উত্তর:
সনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সনি
ব্যাখ্যা
সনি কর্পোরেশনের রোবট হচ্ছে কিউরিও।

• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩৩০.
টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে অনৈতিক উদ্দেশ্যে হস্তক্ষেপ  করাকে কী বলা হয়?
  1. ফ্রেকিং
  2. ভিশিং
  3. ফিশিং
  4. ক্র্যাকিং
সঠিক উত্তর:
ফ্রেকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রেকিং
ব্যাখ্যা

• টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে অনৈতিক উদ্দেশ্যে হস্তক্ষেপ করার কাজকে ফ্রেকিং (Phreaking) বলা হয়। এটি মূলত ফোন বা টেলিফোন নেটওয়ার্কের সিগন্যালিং সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া বা সেবা ব্যবহার করার প্রক্রিয়া। ফ্রেকাররা সাধারণত ফ্রিকোয়েন্সি বা টেলিফোন সিস্টেমের ডিজিটাল কোড ব্যবহার করে নেটওয়ার্কে অনধিকার প্রবেশ করে, যা নেটওয়ার্কে ভুক্তভোগী বা অপারেটরের ক্ষতি করতে পারে। এটি হ্যাকিংয়ের একটি বিশেষ ধরনের উপায় হিসেবে ধরা হয়, যেখানে মূল লক্ষ্য টেলিফোন বা কমিউনিকেশন সিস্টেমের নিরাপত্তা ভঙ্গ করা। অন্যদিকে ভিশিং বা ফিশিং মূলত তথ্য চুরির জন্য ব্যবহৃত হয়, আর ক্র্যাকিং সফটওয়্যার বা সিস্টেম ভাঙার সাথে সম্পর্কিত। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ক) ফ্রেকিং।
 
 • বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
- ফ্রেকিং (Phreaking): বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।
- হ্যাকিং (Hacking): কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।
- ফিশিং (Phishing): ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যম ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
- ভিশিং (Vishing): মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- স্পুফিং (Spoofing): নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।
- স্নিকিং (Sneaking): গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৩১.
ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে নেটওয়ার্কে প্রবেশ করাকে কী বলে?
  1. স্ফুফিং
  2. ফিশিং
  3. স্নিকিং
  4. স্প্যামিং
সঠিক উত্তর:
স্নিকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নিকিং
ব্যাখ্যা
• নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।
• ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।  ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।
• যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে।
• গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৩২.
ওয়েব নিরাপত্তার ক্ষেত্রে 2FA কী?
  1. Two-Form Authentication
  2. Two Factor Agreement
  3. Two Form Access
  4. Two Factor Authentication
সঠিক উত্তর:
Two Factor Authentication
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Two Factor Authentication
ব্যাখ্যা

◉ Two-Factor Authentication (2FA) হলো একটি নিরাপত্তা পদ্ধতি যেখানে ব্যবহারকারীকে দুইটি ভিন্ন ধাপে (ফ্যাক্টর) পরিচয় নিশ্চিত করতে হয়।

টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA):
- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন অ্যাকাউন্টগুলোকে নিরাপদ রাখতে শুধুমাত্র পাসওয়ার্ডের ওপর নির্ভরশীলতা এখন পুরোপুরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। থেকে যায় হ্যাক হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি। অনলাইনের এসব অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখার জন্য প্রয়োজন টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা সংক্ষেপে টুএফএ সিস্টেম।

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সাধারণত দুটি ধাপে কাজ করে:
প্রথম স্তর: পাসওয়ার্ড বা পিন ইনপুট করা।
দ্বিতীয় স্তর:
- OTP (One-Time Password) মোবাইলে পাঠানো,
- Authenticator অ্যাপে কোড তৈরি,
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আইডি,
- USB Security Key.

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন গুরুত্বপূর্ণ, কারণ-
- পাসওয়ার্ড চুরি হলেও এক্সট্রা ভেরিফিকেশন থাকে,
- ফিশিং ও হ্যাকিং আক্রমণ থেকে রক্ষা করে,
- ব্যাংকিং, ইমেইল ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখে,
- Unauthorized Access প্রতিরোধ করে।

উৎস:
১। ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট। 
২। Microsoft Security Documentation on 2FA.

৩৩৩.
কোন ধরনের সাইবার অপরাধে একজন আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর ফাইল এনক্রিপ্ট করে এবং তার বিনিময়ে মুক্তিপণ দাবি করে?
  1. Phishing
  2. Debugging
  3. Ransomware
  4. Data diddling
সঠিক উত্তর:
Ransomware
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ransomware
ব্যাখ্যা

র‍্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যার (malware) যা কোনো কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করে ফাইলগুলো এনক্রিপ্ট করে দেয়, যাতে ব্যবহারকারী সেগুলোতে প্রবেশ করতে না পারে।
- ফাইল এনক্রিপ্ট করার পর, আক্রমণকারী সেই ফাইলগুলোর অ্যাক্সেস ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যবহারকারীর কাছে মুক্তিপণ (ransom) দাবি করে। 

ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software।
- সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়‍্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে।
- অপরপক্ষে ম্যালওয়‍্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়‍্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

উল্লেখ্য,
- Phishing: এটি এক ধরনের সাইবার অপরাধ যেখানে একজন প্রতারক ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে কোনো বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের ছদ্মবেশ ধারণ করে ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন পাসওয়ার্ড বা ক্রেডিট কার্ডের বিবরণ, হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
- Debugging: এটি কোনো অপরাধ নয়। এটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যেখানে কোডের মধ্যে থাকা ভুল বা ত্রুটি (bugs) খুঁজে বের করে তা ঠিক করা হয়।
- Data diddling: এটি এমন একটি সাইবার অপরাধ যেখানে ডেটা ইনপুট হওয়ার সময় বা প্রক্রিয়াকরণের সময় তাতে অবৈধভাবে পরিবর্তন করা হয়। এটি ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চাওয়ার মতো নয়।

তথ্যসূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। ব্রিটানিকা।

৩৩৪.
১৯৯২ সালে 'কম্পিউটার ইথিকস ইন্সটিটিউট' কম্পিউটার ইথিকস এর বিষয়ে দশটি নির্দেশনা তৈরি করেছিল?
  1. আটটি
  2. নয়টি
  3. দশটি
  4. বারোটি
সঠিক উত্তর:
দশটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশটি
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ইথিকস:
- কম্পিউটার ইথিকস বা কম্পিউটার নীতিশাস্ত্র হলো ব্যবহারিক দর্শনশাস্ত্রের একটি শাখা যা পেশা বা সামাজিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী কম্পিউটিং প্রফেশনালদের বা ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগকে কিভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে।
- বোলিং গ্রিন স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. ওয়াল্টার ম্যানার সর্বপ্রথম কম্পিউটার ইথিকস টার্মটির সাথে পরিচয় করিয়ে দেন।
- ১৯৯২ সালে 'কম্পিউটার ইথিকস ইন্সটিটিউট' কম্পিউটার ইথিকস এর বিষয়ে দশটি নির্দেশনা তৈরি করেছিল।
- নির্দেশনাগুলো র‍্যামন সি. বারকুইন তাঁর গবেষণাপত্রে উপস্থাপন করেছিলেন। এই নির্দেশনা হলো-
১. অন্যের ক্ষতি করার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার না করা
২. অন্য কোন ব্যক্তির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কাজের উপর হস্তক্ষেপ না করা
৩. অন্য ব্যক্তির ফাইলসমূহ হতে গোপনে তথ্য সংগ্রহ না করা।
৪. চুরির উদ্দেশ্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার না করা।
৫. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রমাণ বহনের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে ব্যবহার না করা।
৬. নিজের নয় এরূপ অন্যের যে কোন ধরনের সফ্টওয়্যার কপি না করা।
৭. অনুমতি ব্যতিরেকে অন্যের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির রিসোর্স ব্যবহার না করা।
৮. অন্যের বুদ্ধিবৃত্তি সংক্রান্ত ফলাফলকে আত্মসাৎ না করা।
৯. এমন কোন প্রোগ্রাম বা সফ্টওয়্যার তৈরি না করা যাতে সমাজের ক্ষতি হয়।
১০. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে ওই সব উপায়ে ব্যবহার করা উচিত নয় যা বিচার বিবেচনা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৩৫.
টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন কেন গুরুত্বপূর্ণ?
  1. পাসওয়ার্ড চুরি হলেও অতিরিক্ত ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হয়
  2. ফিশিং ও হ্যাকিং আক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়
  3. ব্যাংকিং ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
◉ টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) হলো একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর, যা শুধুমাত্র পাসওয়ার্ডের ওপর নির্ভর না করে অ্যাকাউন্টকে আরও সুরক্ষিত করে।
- যদি পাসওয়ার্ড চুরি হয়, তবুও OTP, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, বা সিকিউরিটি কী ছাড়া লগইন সম্ভব নয়।
- এটি ফিশিং ও হ্যাকিং আক্রমণ প্রতিরোধ করে।
- বিশেষ করে ব্যাংকিং, ইমেইল ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সুরক্ষায় এটি অত্যন্ত কার্যকর।
তাই সবগুলো কারণেই 2FA গুরুত্বপূর্ণ।

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) হলো একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যেখানে দুইটি ভিন্ন ধরণের ভেরিফিকেশন ফ্যাক্টর ব্যবহার করে একজন ব্যবহারকারীকে চিহ্নিত করা হয়। এটি পাসওয়ার্ড চুরির বিরুদ্ধে একটি বাড়তি সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রদান করে।
- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন অ্যাকাউন্টগুলোকে নিরাপদ রাখতে শুধুমাত্র পাসওয়ার্ডের ওপর নির্ভরশীলতা এখন পুরোপুরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। থেকে যায় হ্যাক হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি। অনলাইনের এসব অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখার জন্য প্রয়োজন টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা সংক্ষেপে টুএফএ সিস্টেম।

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সাধারণত দুটি ধাপে কাজ করে:
প্রথম স্তর: পাসওয়ার্ড বা পিন ইনপুট করা।
দ্বিতীয় স্তর:
- OTP (One-Time Password) মোবাইলে পাঠানো, 
- Authenticator অ্যাপে কোড তৈরি, 
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আইডি, 
- USB Security Key.

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন গুরুত্বপূর্ণ, কারণ- 
- পাসওয়ার্ড চুরি হলেও এক্সট্রা ভেরিফিকেশন থাকে, 
- ফিশিং ও হ্যাকিং আক্রমণ থেকে রক্ষা করে, 
- ব্যাংকিং, ইমেইল ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখে, 
- Unauthorized Access প্রতিরোধ করে। 

উৎস: 
১। ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট। 
২। Microsoft Security Documentation on 2FA.
৩৩৬.
কোন উপাদানটি মূলত রোবটকে চলাচল করতে সাহায্য করে?
  1. সেন্সর
  2. প্রসেসর
  3. ব্যাটারি
  4. অ্যাকচুয়েটর
সঠিক উত্তর:
অ্যাকচুয়েটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাকচুয়েটর
ব্যাখ্যা
• রোবটকে মূলত চলাচল করতে সাহায্য করে ঘ) অ্যাকচুয়েটর। অ্যাকচুয়েটর হল এমন একটি উপাদান, যা রোবটের নির্দেশ অনুযায়ী যান্ত্রিক শক্তি তৈরি করে চলাচল ঘটায়। এটি বৈদ্যুতিক, হাইড্রোলিক বা নিউমেটিক শক্তিকে গতিশীল শক্তিতে রূপান্তর করে রোবটের হাত, চাকা বা পা নড়াচড়া করায়। প্রসেসর কমান্ড দেয়, সেন্সর পরিবেশের তথ্য সংগ্রহ করে, ব্যাটারি শক্তি জোগায়, কিন্তু অ্যাকচুয়েটর সেই নির্দেশনা অনুযায়ী সরাসরি রোবটের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নাড়ায়। তাই রোবটকে চলাফেরায় সক্ষম করে তোলার পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে অ্যাকচুয়েটর।

• রোবট:
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে তাকে বলা হয় রোবট।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'।
- স্যামসাং কোম্পানির রোবট 'রোবোরো'।
- হংকং ভিত্তিক হ্যানসন রোবটিক্স কোম্পানির রোবট 'সোফিয়া'।
- সনি কর্পোরেশন কোম্পানির রোবট 'আইবো'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।

• বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন ক্ষেত্রে রোবটকে ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন-
- শিল্পের বিপজ্জনক ও কঠিন কাজ করা।
- বৃহৎ মেশিনের কষ্টদায়ক যন্ত্রপাতির সংযোজন।
- খনি হতে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ উত্তোলন।
- মহাকাশ গবেষণায় রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে।
- মহাশূন্যের ছবি সংগ্রহ।
- ক্ষতিকর বিস্ফোরক সনাক্তকরণে।
- গৃহস্থালীর কাজে রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে।
- গভীর অরণ্য কিংবা বহুদূরত্বে শত্রুর উপস্থিতির প্রমাণে।
- শিল্প কারখানায় দ্রুত উৎপাদন কার্য হাসিলে রোবটের ব্যবহার হচ্ছে; ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩৭.
DDoS আক্রমণ বলতে কী বোঝায়?
  1. ক্ষতিকর সফটওয়্যার ছড়িয়ে দেওয়া
  2. একসাথে অনেক অনুরোধ পাঠিয়ে সার্ভার বন্ধ করা
  3. ব্যবহারকারীর লগইন তথ্য বা পাসওয়ার্ড চুরি করা
  4. সিস্টেম থেকে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ইচ্ছাকৃতভাবে মুছে ফেলা
সঠিক উত্তর:
একসাথে অনেক অনুরোধ পাঠিয়ে সার্ভার বন্ধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একসাথে অনেক অনুরোধ পাঠিয়ে সার্ভার বন্ধ করা
ব্যাখ্যা

◉ DDoS (Distributed Denial of Service) আক্রমণ হলো এমন একটি সাইবার আক্রমণ যেখানে আক্রমণকারী একটি সার্ভার বা নেটওয়ার্কে প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক পাঠিয়ে তা অকার্যকর করে দেয়।

DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৩৮.
ট্রান্সমিশন লাইনের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের সময় তথ্য চুরি করাকে কী বলা হয়?
  1. স্নিকিং
  2. স্নিফিং
  3. স্প্যামিং
  4. ফিশিং
সঠিক উত্তর:
স্নিফিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নিফিং
ব্যাখ্যা

• ট্রান্সমিশন লাইনের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের সময় গোপনে তথ্য সংগ্রহ বা চুরি করার প্রক্রিয়াকে স্নিফিং (Sniffing) বলা হয়। এই পদ্ধতিতে একজন আক্রমণকারী নেটওয়ার্কে চলমান ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেমন ইউজারনেম, পাসওয়ার্ড বা ব্যক্তিগত ডেটা সংগ্রহ করে। সাধারণত এটি নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে করা হয়। স্নিফিং বৈধভাবেও ব্যবহৃত হতে পারে, যেমন নেটওয়ার্ক ট্রাবলশুটিং বা মনিটরিংয়ের জন্য, তবে অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে এটি সাইবার অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) স্নিফিং।
 
বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• স্নিফিং (Sniffing):
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।

• ফিশিং (Phishing):
ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৩৯.
কোনটি সাইবার অপরাধ নয়?
  1. ক) টেক্সট
  2. খ) স্প্যামিং
  3. গ) হ্যাকিং
  4. ঘ) স্পুফিং
সঠিক উত্তর:
ক) টেক্সট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টেক্সট
ব্যাখ্যা
কিছু সাইবার অপরাধ-
১। হ্যাকিং 
২। স্প্যামিং 
৩। সাইবার থেপ্ট 
৪। সাইবার বুলি 
৫। স্পুফিং
৬। ফিশিং 
৭। ভিশিং 
৮। স্নিকিং 
৯। প্লেজিয়ারিজম, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৩৪০.
অ্যাপল সম্প্রীতি কোন হ্যাকিং সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করে?
  1. এনএসও গ্রুপ
  2. অ্যামাজন
  3. মাইক্রোসফট
  4. পেগাসাস স্পাইওয়্যার
সঠিক উত্তর:
এনএসও গ্রুপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনএসও গ্রুপ
ব্যাখ্যা
ইসরায়েলের আড়িপাতার সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনএসও গ্রুপের কাছ থেকে বিভিন্ন দেশের সরকার পেগাসাস নামের আড়িপাতার সফটওয়্যার কিনেছে। সম্প্রতি এসব তথ্য সামনে এসেছে। এরপর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে এনএসও গ্রুপের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এই দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই এখন বলছে, তারা এনএসওর কাছ থেকে হ্যাকিং টুল কিনেছিল।

 রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এফবিআই এই হ্যাকিং সফটওয়্যারের পরীক্ষাও চালিয়েছিল। তবে ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে বুধবার সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা কোনো তদন্তের জন্য এই সফটওয়্যার ব্যবহার করেনি।

ইসরায়েলের এনএসও গ্রুপের তৈরি পেগাসাস স্পাইওয়্যার নিয়ে গত বছর অনুসন্ধান চালায় ১৭টি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। তাদের অনুসন্ধানে বলা হয়, এই সফটওয়্যার ব্যবহার করে আড়িপাতা হয়েছে বা পাতার চেষ্টা করা হয়েছে ৫০টির বেশি দেশে। এসব ব্যক্তির তালিকায় রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী, লেখক, গবেষক, এনজিও কর্মী, সরকারি কর্মকর্তা, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী এমনকি প্রেসিডেন্টরাও রয়েছেন। এ ছাড়া অ্যাপলের আইফোনও হ্যাক করতে এই সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।

এই ঘটনায় এনএসও গ্রুপের বিরুদ্ধে মামলাও করে অ্যাপল। প্রতিষ্ঠানটির অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের বিধি লঙ্ঘন করেছে এনএসও গ্রুপ। তবে এনএসওর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সন্ত্রাসী, অপরাধী ও শিশুদের যৌন হয়রানি করে এমন ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে সহায়তা করতে এই সফটওয়ার তৈরি করা হয়েছে।
 
এরপর গতকাল এফবিআইয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, একটি সফটওয়্যারের সীমিতসংখ্যক লাইসেন্স কিনেছে তারা। এ ছাড়া পরীক্ষা ও মূল্যায়নের জন্য এটি ব্যবহার করা হয়েছে। কোনো তদন্তের জন্য বা কোনো কাজের জন্য এটি ব্যবহার করা হয়নি। যে লাইসেন্সগুলো কেনা হয়েছিল, সেগুলোর মেয়াদও ফুরিয়েছে।

সূত্র - প্রথম আলো 
৩৪১.
প্ল্যাজিয়ারিজম এড়াতে আপনার কী করা উচিত?
  1. রেফারেন্স ব্যবহার না করা
  2. শুধু কয়েকটি শব্দ পরিবর্তন করা
  3. একাধিক ওয়েবসাইট থেকে কপি করা
  4. সব উৎস সঠিকভাবে উল্লেখ করা
সঠিক উত্তর:
সব উৎস সঠিকভাবে উল্লেখ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সব উৎস সঠিকভাবে উল্লেখ করা
ব্যাখ্যা

• প্ল্যাজিয়ারিজম এড়াতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ব্যবহৃত সব তথ্যের উৎস সঠিকভাবে উল্লেখ করা। কোনো বই, প্রবন্ধ, ওয়েবসাইট বা গবেষণা থেকে ধারণা, তথ্য বা উদ্ধৃতি নিলে অবশ্যই তার রেফারেন্স দিতে হয়। শুধু কয়েকটি শব্দ পরিবর্তন করা বা একাধিক ওয়েবসাইট থেকে কপি করলেও প্ল্যাজিয়ারিজম এড়ানো যায় না। আবার রেফারেন্স ব্যবহার না করাও সম্পূর্ণ ভুল। সঠিকভাবে উৎস উল্লেখ করলে মূল লেখকের প্রতি সম্মান দেখানো হয় এবং নিজের লেখার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে। তাই প্ল্যাজিয়ারিজম এড়ানোর সঠিক উপায় হলো সব উৎস যথাযথভাবে উল্লেখ করা।
 
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো- হ্যাকিং, স্প্যামিং, স্ফুফিং, ফিশিং (Phishing), ভিশিং, স্নিকিং, প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম।
- তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্লেজিয়ারিজমের প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।
- বিশেষ করে অন্যের ধ্যান-ধারণা, গবেষণা, কৌশল, প্রোগ্রামিং কোড, গ্রাফিক্স, লেখা, ডেটা, ছবি, গান ইত্যাদির উৎস অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ না করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।

৩৪২.
টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA) যাচাই করতে সাধারণত কী ব্যবহার করা হয়? 
  1. কোনো অতিরিক্ত যাচাই প্রয়োজন হয় না
  2. ইন্টারনেট ব্রাউজিং হিস্ট্রি
  3. ব্যবহারকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র
  4. ৬ ডিজিটের ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড
সঠিক উত্তর:
৬ ডিজিটের ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ডিজিটের ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড
ব্যাখ্যা
টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA): 
- টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন-এর অর্থ হচ্ছে যখন ই-মেইল, সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য অনলাইন অ্যাকাউন্টে প্রবেশের জন্য আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করা হয় তখন একটি ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড যা ৬ ডিজিটের হয়ে থাকে) ফোনে বা মেইলে আসে। 
অর্থাৎ, টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA) যাচাই করতে সাধারণত ৬ ডিজিটের ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (OTP) ব্যবহার করা হয়। 
- যখন সেই ওটিপি সঠিকভাবে দেওয়া হয় তখনই কেবল অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যায়, অন্যথায় নয়। 
- OTP সীমিত সময়ের জন্য পাঠানো হয়, একবার ব্যবহার করার পরে OTP এর মেয়াদ শেষ হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে একই OTP আর ব্যবহার করা যায় না। 
- টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন চালু থাকলে সাইবার অপরাধীর পক্ষে কোনো অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা বেশ কঠিন হয়ে যায়। 
- বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। বিভিন্ন প্রয়োজনে এবং বিনোদনের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাবহার করা হয়। তবে খুবই সতর্ক থাকতে হবে যে, কোন কোন ব্যক্তিগত তথ্য সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করা যায় এবং কোনগুলো করা যায় না। 
- হ্যাকাররা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোডকৃত বিভিন্ন কনটেন্ট এর সূত্র ধরে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে কোনো প্রতারণার মাধ্যমে অর্থসম্পদ হাতিয়ে নিতে পারে তাই এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৪৩.
একটি ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল অফ সার্ভিস (DDoS) আক্রমণ এবং সাধারণ DoS আক্রমণের মধ্যে পার্থক্য কী?
  1. কেবল ওয়েবসাইটকে টার্গেট করে
  2. ফাইল এনক্রিপ্ট করে
  3. একাধিক উৎস থেকে একই সময়ে আক্রমণ করা হয়
  4. সবসময় ক্ষতিকর নয়
সঠিক উত্তর:
একাধিক উৎস থেকে একই সময়ে আক্রমণ করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক উৎস থেকে একই সময়ে আক্রমণ করা হয়
ব্যাখ্যা

• ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল অফ সার্ভিস (DDoS) আক্রমণ এবং সাধারণ DoS আক্রমণের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো আক্রমণের উৎস। সাধারণ DoS আক্রমণে একক সিস্টেম বা সার্ভার থেকে লক্ষ্যবস্তু সার্ভার বা নেটওয়ার্কে অতিরিক্ত অনুরোধ পাঠিয়ে সেটি ধীরে ধীরে অপ্রাপ্য বা ধীর গতির করা হয়। অন্যদিকে DDoS আক্রমণে একাধিক উৎস, সাধারণত সংক্রমিত কম্পিউটার বা “বটনেট” ব্যবহার করে একই সময়ে লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ চালানো হয়। এই কারণে DDoS আক্রমণ অনেক বেশি শক্তিশালী এবং প্রতিরোধ করা কঠিন। সুতরাং, একাধিক উৎস থেকে একই সময়ে আক্রমণ করা হয় (গ) এই বৈশিষ্ট্য DDoS-কে সাধারণ DoS থেকে আলাদা করে। অন্যান্য অপশন যেমন ক, খ বা ঘ DDoS-র মূল বৈশিষ্ট্যকে সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করে না।

সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
-
প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)

- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৪৪.
ইন্টারনেট হতে প্রাপ্ত কোন আর্টিকেল বা গবেষণা সম্পূর্ণ অনুলিপি করাকে কী বলে?
  1. হ্যাকিং
  2. স্প্যামিং
  3. সফটওয়্যার পাইরেসি
  4. প্লেজিয়ারিজম
সঠিক উত্তর:
প্লেজিয়ারিজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লেজিয়ারিজম
ব্যাখ্যা
প্লেজিয়ারিজম:
ইন্টারনেট হতে প্রাপ্ত কোন আর্টিকেল বা গবেষণা সম্পূর্ণ অনুলিপি করা কিংবা ওয়েব হতে প্রাপ্ত কোন ধারণা প্রকৃত সূত্র উল্লেখ না করে ব্যবহার করাকে বলা হয় প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism).
অর্থাৎ অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।

অন্য অপশনগুলো –
হ্যাকিং: 
- কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক ও ডেটার উপর অননুমোদিত অধিকার লাভ করার উপায়কে বুঝায়। 
- যে হ্যাকিং করে তাকে হ্যাকার (Haker) বলে। 
- হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ হতে পারে। 
- বৈধ হ্যাকারকে বলা হয় - হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ও অবৈধভাবে হ্যাকার করাকে বলা হয় - ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার।

স্প্যামিং: 
- অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে বুঝায়। 
- এই কাজ যারা করে তাদের স্প্যামার বলা হয়।

সফটওয়্যার পাইরেসি: 
- পেশাগত দক্ষতা ও মেধার সর্বোচ্চ প্রয়োগ ঘটিয়ে প্রোগ্রামারগণ সফটওয়্যার পাইরেসি করে এবং স্বত্বাধিকারী হন।
- Business Software Alliance(BSA) এর তথ্যমতে ব্যবহৃত সকল সফটওয়্যারের প্রায় ৩৬ ভাগ পাইরেটেড সফটওয়্যার। 

সোর্স:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
 
৩৪৫.
কোনটিকে রোবটের হাত-পায়ের পেশি বলা হয়?
  1. ক) Gripper
  2. খ) Sensor
  3. গ) Actuator
  4. ঘ) Manipulator
সঠিক উত্তর:
গ) Actuator
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Actuator
ব্যাখ্যা
রোবট
- কম্পিউটার প্রোগ্রামের সাহায্যে রোবট নিয়ন্ত্রিত হয়। একটি সাধারণ রোবটে নিচের উপাদান বা অংশগুলো থাকে। যথা-

প্রোগ্রামকৃত মস্তিস্ক বা প্রসেসর: রোবটের মধ্যে এক বা একাধিক প্রসেসর থাকে যাতে রোবটকে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করার একটি প্রোগ্রাম সংরক্ষিত থাকে। এটি রোবটের মূল অংশ যা রোবটের চলাচল ও কর্মকান্ডসহ সকল কিছু নিয়ন্ত্রণ করে।

পাওয়ার সিস্টেম: সাধারণত লেড এসিড ব্যাটারী দিয়ে রোবটের পাওয়ার দেওয়া হয়। এই ব্যাটারী রিচার্জেবল অর্থাৎ এতে পুনরায় চার্জ করা যায়। তাই কাজ করার পূর্বে রোবটকে চার্জ দেওয়া হবে।

ইলেকট্রিক সার্কিট: রোবটের হাইড্রোলিক ও নিউমেট্রিক সিস্টেমেকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়।

অ্যাকচুয়েটর (Actuator): রোবটের হাত-পা অথবা বিশেষ ভাবে তৈরি কোন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নড়াচড়া করার জন্য কতগুলো বৈদ্যুতিক মটরের সম্বন্বয়ে তৈরি বিশেষ ব্যবস্থা হলো অ্যাকচুয়েটর। একে রোবটের হাত ও পায়ের পেশী বলেও অভিহিত করা যায়।

অনুভূতি (Sensing): অনুভূতি মানুষের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। সেন্সরের মাধ্যমে রোবটেও মানুষের মত অনুভূতি তৈরি করা হয়। কাজেই অনুভূতি রোবটের একটি বিশেষ উপাদান। রোবটের হাত বা পা কোন একটি জায়গায় স্পর্শ করলে সেই জায়গা সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য নেওয়ার ক্ষমতা থাকবে। মানুষের চোখের ন্যায় রোবটের ক্যামেরা দিয়ে সামনের বা পিছনের দৃশ্য নেওয়া হয়। কাজের প্রয়োজনে রোবটকে ৩৬০° কোণে ঘুরানো যেতে পারে।

ম্যানিপিউলেশন বা পরিবর্তন করা: রোবটের আশেপাশের বস্তুগুলোর অবস্থান পরিবর্তন বা বস্তুটি পরিবর্তন করার পদ্ধতিকে বলা হয় ম্যনিপিউলেশন। সাধারণত রোবটের হাত-পা এই পরিবর্তনের যাবতীয় কাজ করে থাকে। রোবটের হাতে কতগুলো আঙ্গুল থাকবে যা নড়াচড়া করে কোন বস্তু ধরতে পারবে। পায়ের সাহায্যে সামনে-পিছনে বা ডানে-বামে চলাচল করতে পারবে।

মুভেবল বডি: রোবটে ঢাকা, যান্ত্রিক পা এবং স্থানান্তর করা যায় এমন যন্ত্রপাতি যুক্ত থাকে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৪৬.
বিশ্বের প্রথম এআই শিশুর নাম কী?
  1. আইটানা
  2. টং টং
  3. আমেকা
  4. সোফিয়া
সঠিক উত্তর:
টং টং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টং টং
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রথম এআই শিশু
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির মাধ্যমে শিশুদের মতো আচরণ করতে সক্ষম এআই শিশু তৈরি করেছেন চীনের বেইজিং ইনস্টিটিউট অব জেনারেল আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (বিআইজিএআই) বিজ্ঞানীরা।
- শিশুটির নাম টং টং।
- বিজ্ঞানীদের দাবি, এটিই বিশ্বের প্রথম এআই শিশু।
- এআই শিশুটির মাধ্যমে প্রযুক্তি বিশ্বে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।
- বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে টং টং নামের শিশুটি।
- ফলে শিশুটির অবয়ব শুধু পর্দাতেই দেখা যাবে। তাই চাইলেও শিশুটিকে স্পর্শ করা যাবে না।
- ভার্চ্যুয়াল জগতের শিশুটির যে বুদ্ধিমত্তা রয়েছে, তা সাধারণত তিন থেকে চার বছর বয়সী বাচ্চাদের মধ্যে থাকে।

সূত্র- প্রথম আলো।  
৩৪৭.
ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে একজন ব্যবহারকারীকে ভুয়া ওয়েবসাইটে প্রবেশ করিয়ে তার বিশ্বাস অর্জন করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করার প্রক্রিয়া কী নামে পরিচিত?
  1. Plagiarism
  2. Sneaking
  3. Debugging
  4. Phishing
সঠিক উত্তর:
Phishing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phishing
ব্যাখ্যা
• সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

•বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

• হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। ।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

• ডিবাগিং (Debugging):
- প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে ডিবাগিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৪৮.
অনুমান নির্ভর পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে কারো ফোনে অবৈধভাবে প্রবেশ করাকে কী বলে?
  1. Data Interception
  2. DDos Attack
  3. Brute Force Attack
  4. Computer Malware
সঠিক উত্তর:
Brute Force Attack
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Brute Force Attack
ব্যাখ্যা
• ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক:
- ডিজিটাল মাধ্যমে অপরাধীরা মানুষের বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট যেমন- ব্যাংক, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইমেইল অ্যাকাউন্ট আবার অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটাল ডিভাইসে অবৈধভাবে প্রবেশ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে এবং ওইগুলো দিয়ে একের পর এক অনুমান নির্ভর চেষ্টা করে।
- সফল হলে, তারা ঐ ব্যক্তির বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে বিভিন্ন অপরাধ করে থাকে।
- এটি এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যা অবশ্যই একটি গুরুতর সাইবার অপরাধ।
- প্রযুক্তির ভাষায় একে ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack) বলা হয়।
- ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক থেকে পরিত্রানের জন্য কঠিন পাসওয়ার্ড, যেমন পাসওয়ার্ডে Upper case, lower case, number, symbol ইত্যাদির সংমিশ্রণ প্রয়োগ করা উচিত। 

- ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ রয়েছে, যার মাধ্যমে তথ্যের নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়। যেমন:
• ডাটা ইন্টারসেপশন (Data Interception):
- ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদানের সময় প্রাপক এবং প্রেরকের মধ্যবর্তী কেউ তা আড়ি পেতে চুরি করতে পারে।
- এই চুরি হবার প্রক্রিয়াটি ডেটা ইন্টারসেপশন নামে পরিচিত।
- সাধারণত সফটওয়্যার বা অ্যাপস এ এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন করা থাকলে, মধ্যবর্তী কারও পক্ষে তথ্য (ম্যাসেজ, ফটো, ভিডিও, ভয়েস কল বা মেসেজ, ডকুমেন্ট, স্ট্যাটাসের আপডেট) চুরি করা অসম্ভব হয়ে যায়।

• ডি ডস অ্যাটাক (DDos Attack):
- ডিজিটাল জগতে ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়েল অফ সার্ভিস বা ডি ডস হলো একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট টার্গেটে অ্যাটাক করা। 

• হ্যাকিং (Hacking):
- সাইবার অপরাধীরা অসৎ উদ্দেশ্যে একটি ওয়েবসাইট, কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্ক ফাংশনের সম্পূর্ণ বা অংশিক নিয়ন্ত্রণ নেয়।
- সাইবার জগতের এই অপরাধ হলো হ্যাকিং যা ভালো-মন্দ উভয় ধরনেরই হতে পারে।

• কম্পিউটার ম্যালওয়্যার (Computer Malware):
- ম্যালওয়্যার একটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার।
- এটি এমন এক ধরনের সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম যা আমাদের কম্পিউটার, মোবাইল বা অন্য কোনো ডিভাইসে আমাদের অনুমতি ছাড়া তার কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারে।
- সেই কার্যক্রম হতে পারে গোপন তথ্য চুরি করা, আমাদের উপর নজরদারি করা, আমাদের ডিভাইসের কার্যক্ষমতা হ্রাস করা বা আমাদের ডিভাইসে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সব ডেটার ক্ষতিসাধন করা।

উৎস: 
১. ডিজিটাল প্রযুক্তি, নবম শ্রেণি।[২০২৩ সংস্করণ]
২. IBM Website.
৩৪৯.
সফ্টওয়্যার পাইরেসি বন্ধ করতে কোন আইন প্রণয়ন করা হয়?
  1. ক) স্টপ পাইরেসি
  2. খ) পাইরেসিরাইট
  3. গ) কন্ট্রোল পাইরেসি
  4. ঘ) কপিরাইট
সঠিক উত্তর:
ঘ) কপিরাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কপিরাইট
ব্যাখ্যা
কপিরাইট আইন:
কপিরাইট (Copyright) একটি ইংরেজী শব্দ।
কপিরাইট শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ গ্রন্থস্বত্ব

একজন লেখকের রচিত পুস্তক বা গ্রন্থের ওপর তার মুদ্রণ, পুন:মুদ্রণ ও প্রকাশের অধিকারকেই বলা হয় কপিরাইট।

কপিরাইট আইন একটি একচেটিয়া, বৈধ ও নিশ্চিত অধিকার, যা একজনের বুদ্ধিবৃত্তিক বা মস্তিস্কজাত সৃষ্টিকে নকল বা পাইরেসি (Piracy) বা অন্যায় অনুসরণ হতে অন্য কাউকে বিরত রাখে।

কম্পিউটার সফ্টওয়্যারও কপিরাইট দ্বারা সংরক্ষিত হয়।

কপিরাইট আইনের কারণেই কোন নির্মাতা, শিল্পী, প্রোগ্রামার কিংবা লেখক তাদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন পেয়ে থাকেন। আর কপিরাইট আইনের কার্যকারিতা সৃজনশীল কর্মীদের নিরুৎসাহিত হওয়া থেকে রক্ষা করে ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই ( এইচ এস সি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫০.
ASIMO রোবট কোন কোম্পানি তৈরি করেছে?
  1. Panasonic
  2. Tesla
  3. Boston Dynamics
  4. Honda
সঠিক উত্তর:
Honda
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Honda
ব্যাখ্যা

ASIMO (Advanced Step in Innovative Mobility) হলো একটি হিউম্যানয়েড রোবট, যা জাপানি কোম্পানি Honda দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত রোবটগুলির মধ্যে একটি এবং মানুষের মতো হাঁটা, দৌড়ানো, সিঁড়ি আরোহণ এবং বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম। 

রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার।

এছাড়াও,
- সনি কর্পোরেশনের কিউরিও এবং আইবো।
- স্যামসাংয়ের রোবোরে (Roboray)।
- হ্যানসন রোবটিক্সের সোফিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৫১.
নিম্নের কোনটি মানুষের মতো নির্দিষ্ট কাজ করতে সক্ষম রোবটের উদাহরণ?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. মুরাতা বয়
  3. ডেস্কটপ কম্পিউটার
  4. সার্ভার কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
মুরাতা বয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুরাতা বয়
ব্যাখ্যা

• জাপানের মুরাতা কোম্পানির মুরাতা বয় একটি উন্নত রোবট, যা মানুষের মতো নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে সক্ষম।
- অন্যান্য অপশনগুলো কম্পিউটারভিত্তিক সিস্টেম, রোবট নয়।


• রোবটিক্স (Robotics):
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে যন্ত্র মানুষের মতো কাজ করতে সক্ষম, তাকে রোবট (Robot) বলা হয়।
- যে প্রযুক্তি শাখায় রোবটের নকশা, গঠন, নিয়ন্ত্রণ ও কার্যপ্রণালি নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে রোবটিক্স (Robotics) বলা হয়।

• রোবটিক্স প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- রোবটিক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে রোবটের দর্শন ক্ষমতা, স্পর্শ ক্ষমতা, হাত ও পায়ের সঠিক পরিচালনা, চলাচলের ক্ষমতা এবং শারীরিক মুভমেন্ট বিকশিত হয়েছে।
- রোবটিক্স প্রযুক্তির উন্নয়নের ধারা ক্রমাগত অব্যাহত রয়েছে।

• রোবটের সক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা:
- রোবট অত্যন্ত দ্রুতগামী, ক্লান্তিহীন ও নিখুঁত কর্মক্ষম যন্ত্র।
- রোবটের সাহায্যে মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বা প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করা সম্ভব।
- তবে রোবট তৈরি করা একটি ব্যয়বহুল ও শ্রমসাধ্য প্রক্রিয়া।

• উল্লেখযোগ্য রোবটের উদাহরণ:
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির “মুরাতা বয়”,
- হোন্ডা কোম্পানির “আসিমো”,
- সনি কর্পোরেশনের “আইবো”—
 এই রোবটগুলো মানুষের মতো নির্দিষ্ট কিছু কাজ দক্ষতার সঙ্গে সম্পাদন করতে সক্ষম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫২.
তথ্য Encryption করার মূল লক্ষ্য কী?
  1. মেমরি সাশ্রয়
  2. স্পিড বৃদ্ধি
  3. ডেটা সুরক্ষা
  4. ফাইল সাইজ কমানো
সঠিক উত্তর:
ডেটা সুরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা সুরক্ষা
ব্যাখ্যা

• তথ্য এনক্রিপশন করার মূল লক্ষ্য হলো ডেটা সুরক্ষা। এটি একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে সাধারণ বা পাঠযোগ্য তথ্যকে এমনভাবে রূপান্তর করা হয় যে তা শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যক্তিরাই পড়তে বা ব্যবহার করতে পারে। এনক্রিপশন ব্যবহার করে অননুমোদিত ব্যবহারকারী বা হ্যাকারদের থেকে সংবেদনশীল তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড, ব্যাংক তথ্য, ব্যক্তিগত নথি ইত্যাদিকে সুরক্ষিত রাখা যায়। এটি মেমরি সাশ্রয় বা ফাইল সাইজ কমানোর জন্য নয়, বরং তথ্য চুরি, হ্যাকিং বা অবৈধ ব্যবহার থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োগ করা হয়। তাই, উপরের অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) ডেটা সুরক্ষা।

ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)। 

• ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট,
২. সাইফার টেক্সট,
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম ও
৪. কী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫৩.
ক্রেকার বলা হয় কাদের?
  1. অবৈধ হ্যাকারদের
  2. বৈধ হ্যাকারদের
  3. যারা নেটওয়ার্কের দূর্বলতাগুলো খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানায়
  4. গ্রে হ্যাট হ্যাকারদের
সঠিক উত্তর:
অবৈধ হ্যাকারদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ হ্যাকারদের
ব্যাখ্যা
- অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার (Craker) বলা হয়।
- অবৈধ হ্যাকার বা ক্রেকাররা ইন্টারনেট এবং অন্যান্য নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডেটা চুরি অথবা নষ্ট করে দেয়।
- এদের কাছে সাধারণত বেশ কিছু টেকনিক থাকে যা ব্যবহার করে এরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফট্ওয়্যার সিস্টেমের দুর্বলতা খুব সহজে খুঁজে বের করে পাসওয়ার্ড জেনে ফেলে। 
- এদেরকে ব্লাক হ্যাট হ্যাকার বলে ।
- গ্রে হ্যাট হ্যাকার নামে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ও ব্লাক হ্যাট হ্যাকারের মাঝামাঝি এক ধরনের হ্যাকার রয়েছে যারা নেটওয়ার্কের দূর্বলতাগুলো খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানায় এবং দূর্বল দিকগুলো ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্ধাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৫৪.
Which cyber attack floods a system with excessive requests to make it unavailable?
  1. Spoofing
  2. Virus attack
  3. Email bombing
  4. DoS attack
সঠিক উত্তর:
DoS attack
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DoS attack
ব্যাখ্যা

• ডিনায়াল অফ সার্ভিস (DoS) অ্যাটাক:
- DoS (Denial of Service) attack হলো এমন একটি সাইবার আক্রমণ, যেখানে একটি সার্ভার বা সিস্টেমে অতিরিক্ত সংখ্যক request পাঠানো হয়।
- এর ফলে সিস্টেমটি বৈধ ব্যবহারকারীদের জন্য সেবা প্রদান করতে অক্ষম হয়ে পড়ে।

• সাইবার অপরাধ (Cyber Crime):
- সাইবার অপরাধ বলতে কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে সংঘটিত বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ও ক্ষতিকর কার্যক্রমকে বোঝায়।
- সাইবার অপরাধের ধরন বহুবিধ। সংক্ষিপ্তভাবে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সাইবার অপরাধ নিচে তুলে ধরা হলো—
 
• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা বা কাজ চুরি করে নিজের নামে ব্যবহার বা প্রকাশ করা।
 
• স্নিকিং (Sneaking):
- ব্যবহারকারীর অজান্তে বা নজর এড়িয়ে গোপনে কোনো সিস্টেমে প্রবেশ করা।
 
• স্পুফিং (Spoofing):
- ভুয়া বা ভুল তথ্য ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক বা সিস্টেমকে বিভ্রান্ত করা।
 
• ই-মেইল বম্বিং (Email Bombing):
- অতিরিক্ত সংখ্যক ই-মেইল পাঠিয়ে সার্ভার বা সিস্টেমকে অকার্যকর বা ক্র্যাশ করা।
 
• ডেটা ডিডলিং (Data Diddling):
- ডেটা প্রসেসিংয়ের আগে তথ্য পরিবর্তন বা সরিয়ে রাখা এবং পরে পুনরায় বসানো।
 
• সালামি অ্যাটাক (Salami Attack):
- অল্প অল্প করে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করা।
 
• ভাইরাস / ওয়ার্ম আক্রমণ:
- ক্ষতিকর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমের তথ্য নষ্ট করা বা নিয়ন্ত্রণ নেওয়া।
 
• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত ই-মেইল বা মেসেজ পাঠানো।
- এই কাজের সাথে জড়িত ব্যক্তিকে স্প্যামার (Spammer) বলা হয়।
 
• লজিক বম্ব (Logic Bomb):
- নির্দিষ্ট সময় বা ঘটনার ওপর নির্ভর করে সক্রিয় হওয়া ক্ষতিকর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে আক্রমণ করা।
 
• ট্রোজান অ্যাটাক (Trojan Attack):
- বৈধ সফটওয়্যারের ছদ্মবেশে সিস্টেমে প্রবেশ করে পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া।
 
• ইন্টারনেট ব্যবহার সময় বা ইউনিট চুরি:
- অনুমতি ছাড়া অন্যের ইন্টারনেট ব্যবহার করা বা ডেটা ইউনিট অপব্যবহার করা।
 
• ওয়েবসাইট হ্যাকিং:
- ওয়েবসাইটে অবৈধভাবে প্রবেশ করে তথ্য পরিবর্তন, বিকৃতি বা ধ্বংস করা।
 
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি–২ (ভোকেশনাল) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৫৫.
সাইবার সিকিউরিটির প্রেক্ষিতে ট্যাম্পারিং কী?
  1. বৈধভাবে নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক পর্যবেক্ষণ করা
  2. অনুমতি ছাড়া ডেটা পরিবর্তন বা ম্যানিপুলেশন করা
  3. আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য ডেটা এনক্রিপশন করা
  4. সংবেদনশীল ডেটার ব্যাকআপ তৈরি করা
সঠিক উত্তর:
অনুমতি ছাড়া ডেটা পরিবর্তন বা ম্যানিপুলেশন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমতি ছাড়া ডেটা পরিবর্তন বা ম্যানিপুলেশন করা
ব্যাখ্যা
• ট্যাম্পারিং (Tampering):
- একটি ওয়েব-ভিত্তিক আক্রমণ যেখানে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর অজান্তে ওয়েবসাইটের ইউআরএল (URL)-এ কিছু প্যারামিটার পরিবর্তন করে।
- URL ব্যবহারকারীর কাছে বৈধ বলে মনে হয়।
- হ্যাকাররা সিস্টেমে অবৈধ অ্যাক্সেস বা মূল্যবান তথ্য হস্তক্ষেপ করার জন্য ট্যাম্পারিং করে থাকে।
- অবৈধ অনুমোদনের মাধ্যমে, ব্যবহারকারীর দ্বারা প্রবেশ করা কিছু প্যারামিটার নির্দিষ্ট ইউআরএল বা ওয়েব পৃষ্ঠায় পরিবর্তন করা হয়।
- যখন ক্লায়েন্ট এবং সার্ভারের মধ্যে কিছু তথ্য বিনিময় করা হচ্ছে তখন সেটি হ্যাকার দ্বারা চালিত হয়।
- এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর বিবরণ পরিবর্তন করেও ব্যবহারকারীর গোপনীয়তাকে প্রভাবিত করা হয়।

উৎস: Computer Applications in Bussiness, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫৬.
'আসিমো' রোবটটি কোন কোম্পানির তৈরি?
  1. সনি
  2. হোন্ডা
  3. স্যামসাং
  4. মুরাতা
সঠিক উত্তর:
হোন্ডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোন্ডা
ব্যাখ্যা
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'
- হোন্ডা কোম্পানির রোবট 'আসিমো'
- সনি কর্পোরেশনের রোবট 'কিউরিও
- স্যামসাং এর রোবট 'রোবোরে'
- সোফিয়া হচ্ছে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্স এর তৈরি রোবট।
এই রোবটগুলো প্রায় মানুষের মতোই বিশেষ কোনো কাজ করতে পারে।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৫৭.
কোন আইন দ্বারা সৃজনশীল কাজের মেধাস্বত্ব সংরক্ষিত হয়?
  1. ক) ফৌজদারি আইন
  2. খ) মানবাধিকার আইন
  3. গ) কপিরাইট আইন
  4. ঘ) অপরাধ আইন
সঠিক উত্তর:
গ) কপিরাইট আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কপিরাইট আইন
ব্যাখ্যা
- কপিরাইট আইন দ্বারা সৃজনশীল কাজের মেধাস্বত্ব সংরক্ষিত হয়। 

• কপিরাইট (Copyright): 
- কপিরাইট শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ গ্রন্থস্বত্ব।
- একজন লেখকের রচিত পুস্তক বা গ্রন্থের বা বইয়ের ওপর তার মুদ্রণ, পুন:মুদ্রণ ও প্রকাশের অধিকারকে কপিরাইট বলে।
- কপিরাইট আইন দ্বারা একজনের বুদ্ধিবৃত্তিক বা মস্তিস্কজাত সৃষ্টিকে নকল বা পাইরেসি বা অন্যায় অনুসরণ হতে অন্য কাউকে বিরত রাখে।
- কপিরাইটের মাধ্যমে সাহিত্য, শিল্পকর্ম ও অন্যান্য শিল্পকলা সৃষ্টিকারীর সৃষ্ট মেধাসম্পদ ব্যবহারের একচ্ছত্র অধিকার প্রদান করা হয়। 
- গল্প, নাটক, প্রবন্ধ, কবিতা, জাতীয় সাহিত্যকর্ম, চিত্রকর্ম, চলচ্চিত্র, সঙ্গীত, ভাস্কর্য, স্থাপত্যকলা, কপিরাইট দ্বারা সংরক্ষিত হয়।
- কম্পিউটার সফ্টওয়্যারও কপিরাইট দ্বারা সংরক্ষিত হয়।
- কপিরাইট আইনের কারণেই কোন নির্মাতা, শিল্পী, প্রোগ্রামার কিংবা লেখক তাদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন পেয়ে থাকেন।
- কপিরাইট আইনের কার্যকারিতা সৃজনশীল কর্মীদের নিরুৎসাহিত হওয়া থেকে রক্ষা করে।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম।
৩৫৮.
কোন দেশ "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০" প্রণয়ন করেন?
  1. ইংল্যান্ড
  2. জাপান
  3. বাংলাদেশ
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।

• সাইবার অপরাধ:

- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং
- স্প্যামিং
- সাইবার থেফ্ট
- সাইবার বুলি
- স্ফুফিং
- ফিশিং
- ভিশিং
- স্নিকিং
- প্লেজিয়ারিজম
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৫৯.
রোবোটকে সর্বোচ্চ কত ডিগ্রি কোণ পর্যন্ত ঘুরানো যায়?
  1. ৯০°
  2. ১২০°
  3. ১৮০°
  4. ৩৬০°
সঠিক উত্তর:
৩৬০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০°
ব্যাখ্যা
• কাজের প্রয়োজনে রোবোটক ৩৬০° কোণ পর্যন্ত ঘুরানো যায়।

• রোবটিক্স:

- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক অসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩৬০.
রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবটিক্সে কী ব্যবহার করা হয়?
  1. প্রসেসর
  2. আইসি
  3. সেন্সর
  4. অ্যাকচুয়েটর
সঠিক উত্তর:
অ্যাকচুয়েটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাকচুয়েটর
ব্যাখ্যা
• রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবটিক্সে "অ্যাকচুয়েটর" ব্যবহার করা হয়।

• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩৬১.
প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম কী ছিলো?
  1. Talon
  2. Topio
  3. Unimate 
  4. Murata
সঠিক উত্তর:
Unimate 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Unimate 
ব্যাখ্যা
রোবটিক্স: 
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন, পরিচালনা, কার্যপ্রক্রিয়া ও প্রয়োগক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে রোবটিক্স বলা হয়। 
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রোমেকানিক্যাল যন্ত্র, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড সম্পাদন করতে পারে। 
- "রোবট" শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ শ্রমিক। 
- চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক ১৯২০ সালে প্রকাশিত তাঁর নাটকে সর্বপ্রথম 'রোবট' শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী, আইজাক আসিমভ ১৯৪১ সালে প্রকাশিত তাঁর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ প্রথম 'রোবটিক্স' শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- জর্জ চার্লস ডেভল প্রথম রোবট তৈরি করেন। 
- প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল "ইউনিমেট (Unimate), যা ১৯৫০ সালে তৈরি করা হয়। 
- আমেরিকান বিজ্ঞানী জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার "ইউনিমেট" রোবট তৈরির প্রকল্পের উদ্যোক্তা ছিলেন। 
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে "রোবোটিক্সের জনক" বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
৩৬২.
ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে গ্রাহককে পাসওয়ার্ড সুরক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে কোন ডিভাইস ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Augmented Reality
  2. খ) Virtual keyboard
  3. গ) Augmented key
  4. ঘ) Virtual Reality
সঠিক উত্তর:
খ) Virtual keyboard
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Virtual keyboard
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেট ব্যাংকিংসমূহ পাসওয়ার্ড সুরক্ষা হিসেবে Virtual keyboard ডিভাইস ব্যবহার করে। 
- একটি ভার্চুয়াল কীবোর্ড হলো এমন একটি সফ্টওয়্যার যা একটি আদর্শ কিবোর্ডের অনুরূপ।
- ভার্চুয়াল কীবোর্ড হল একটি অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা যা ম্যালিসিয়াস কী লগার প্রোগ্রামগুলির বিরুদ্ধে কাজ করে।
- "স্পাইওয়্যার" ও  "ট্রোজান" থেকে গ্রাহককে রক্ষা করতে মূলত এই কীবোর্ড ডিজাইন করা হয়েছে। 

উৎস : ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ওয়েবসাইট
৩৬৩.
সনি কর্পোরেশনের তৈরীকৃত রোবট কোনটি?
  1. সোফিয়া
  2. আইবো
  3. রোবোরো
  4. আসিমো
সঠিক উত্তর:
আইবো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইবো
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স (Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক অসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'।
- হোন্ডা কোম্পানির রোবট 'আসিমো'।
- স্যামসাং কোম্পানির রোবট 'রোবোরো'।
- হংকং ভিত্তিক হ্যানসন রোবটিক্স কোম্পানির রোবট 'সোফিয়া'।
- সনি কর্পোরেশন কোম্পানির রোবট 'আইবো'।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩৬৪.
রোবট সাধারণত কী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. ইন্টারনেট সার্ভার
  2. ডেটাবেজ সিস্টেম
  3. অপারেটিং সিস্টেম
  4. কম্পিউটার প্রোগ্রাম
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার প্রোগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা

• রোবট সাধারণত কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়, যা রোবটকে নির্দিষ্ট নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করতে সাহায্য করে।

• রোবট (Robot):
- রোবট হলো একটি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র যা কম্পিউটার প্রোগ্রামের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ সম্পাদন করে।
- এটি মানুষের মতো বিভিন্ন কাজ দ্রুত, নির্ভুল ও ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন করতে পারে।
- রোবট সাধারণত সেন্সর, কন্ট্রোলার এবং প্রোগ্রামিং ব্যবস্থার সমন্বয়ে পরিচালিত হয়।
- শিল্পকারখানা, চিকিৎসা, মহাকাশ গবেষণা, সামরিক কার্যক্রম এবং বিপজ্জনক পরিবেশে কাজের জন্য রোবট ব্যবহৃত হয়।

• রোবট নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা:
- রোবটের কার্যক্রম মূলত কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- প্রোগ্রাম অনুযায়ী রোবট নির্দিষ্ট কাজ যেমন চলাচল, বস্তু ধরার কাজ, মাপজোক বা বিশ্লেষণ করতে পারে।
- রোবটের নিয়ন্ত্রণে সেন্সর থেকে প্রাপ্ত তথ্যও ব্যবহৃত হয়।

• রোবটের ব্যবহার ক্ষেত্র:
- শিল্প উৎপাদন ও স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি পরিচালনা।
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে সূক্ষ্ম অস্ত্রোপচার।
- মহাকাশ গবেষণা ও অনুসন্ধান।
- বিপজ্জনক বা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ সম্পাদন।

• অন্যান্য অপশন:
- ইন্টারনেট সার্ভার → এটি মূলত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তথ্য ও সেবা প্রদানকারী কম্পিউটার ব্যবস্থা।
- ডেটাবেজ সিস্টেম → ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা ও অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার ব্যবস্থা।
- অপারেটিং সিস্টেম → কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার পরিচালনার মূল সফটওয়্যার।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- Encyclopaedia Britannica,
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.

৩৬৫.
ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করাকে কী বলে?
  1. ফিশিং
  2. ডিবাগিং
  3. স্নিকিং
  4. প্লেজিয়ারিজম
সঠিক উত্তর:
ফিশিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিশিং
ব্যাখ্যা
• সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

•বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।


• ফ্রেকিং (Phreaking):

- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

• হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। ।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• স্নিকিং (Sneaking):

- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

• ডিবাগিং (Debugging):
- প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে ডিবাগিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৬৬.
বাংলাদেশে প্রথম 'স্কুল অব রোবটিক্স' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
খ) কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম 'স্কুল অব রোবটিক্স' কুমিল্লার কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজে অবস্থিত। 

কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল ও কলেজ, কুমিল্লা এর নবনির্মিত ছয়তলা ভবন ও বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গৃহীত 'রূপকল্প-২০৪১' বাস্তবায়নে এবং 'চতুর্থ শিল্প বিপ্লব(4th IR)'কে সামনে রেখে কুমিল্লার প্রাণকেন্দ্র রাজবাড়ী কম্পাউন্ডে প্রতিষ্ঠিত 'স্কুল অব রোবটিক্স ' এর শুভ উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব জনাব মোঃ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া স্যার, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা ও সভাপতি(কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল ও কলেজ, এবং 'স্কুল অব রোবটিক্স') জনাব মোহাম্মদ কামরুল হাসান মহোদয়।

সূত্র: Comilla Collectorate School and College Website।
৩৬৭.
হ্যাকারদের যাবতীয় কর্মকাণ্ডকে কী বলে?
  1. ক্র্যাকিং
  2. হ্যাকিং
  3. স্পাইওয়্যার
  4. ম্যালওয়্যার
সঠিক উত্তর:
হ্যাকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যাকিং
ব্যাখ্যা
• হ্যাকিং:
- হ্যাকিং হচ্ছে অনাধিকার প্রবেশ এবং অনৈতিক কর্মকান্ড; যা অন্যের কম্পিউটারে বা ওয়েবসাইটে ঢুকে তথ্যের ক্ষতিসাধন করে।
- অর্থাৎ অবৈধভাবে বা বিনা অনুমতিতে কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করা, তথ্য নষ্ট করা, তথ্য চুরি করা, তথ্যের বিকৃতি ঘটানো বা অন্যের কম্পিউটারকে বিশেষ পন্থায় সম্পন্ন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়াকে কম্পিউটার হ্যাকিং বলে।
- যারা হ্যাকিং এর কাজ করে তাদেরকে হ্যাকার (Hacker) বলে।
- হ্যাকারদের যাবতীয় কর্মকাণ্ডকে হ্যাকিং বলে।
- হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ হতে পারে।
- অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার (Cracker) বলে।
- হ্যাকাররা মূলত বিশেষ ধরনের সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে নেটওয়ার্কযুক্ত বিভিন্ন কম্পিউটারে আক্রমণ করে।
- বিশেষ ধরনের এ সফ্টওয়্যারকে বলে স্পাইওয়্যার।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৮.
ইন্টারনেটে ছদ্মবেশ ধারণ করে কৌশলে অন্যের গোপন তথ্য বা পাসওয়ার্ড চুরি করাকে কী বলা হয়?
  1. Spamming
  2. Phreaking
  3. Phishing
  4. Plagiarism
সঠিক উত্তর:
Phishing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phishing
ব্যাখ্যা

• বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
- ফ্রেকিং (Phreaking): বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

- হ্যাকিং (Hacking): কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

- ফিশিং (Phishing): ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যম ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

- ভিশিং (Vishing): মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

- স্পুফিং (Spoofing): নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

- স্নিকিং (Sneaking): গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৬৯.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধ?
  1. রিবুটিং
  2. ডিবাগিং
  3. ফিশিং
  4. টেক্সট
সঠিক উত্তর:
ফিশিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিশিং
ব্যাখ্যা

ফিশিং(Phishing) এক ধরনের সাইবার অপরাধ

সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং(Phishing):
- একটি সাইবার আক্রমণ পদ্ধতি, যেখানে আক্রমণকারী ভুয়া ইমেইল, মেসেজ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্য (যেমন: পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস) চুরি করার চেষ্টা করে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।

• স্প্যামিং:
- অনাকাঙিক্ষত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।

• স্পুফিং:
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

এছাড়াও রয়েছে হ্যাকিং, স্নিকিং, Cyberstalking, DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।

৩৭০.
নিচের কোন কোন ক্ষেত্রের সাথে "DeepSeek" জড়িত?
  1. Quantum Computing
  2. Astrophysics
  3. Oceanography
  4. Artificial Intelligence
সঠিক উত্তর:
Artificial Intelligence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Artificial Intelligence
ব্যাখ্যা
• "Artificial Intelligence" - এর সাথে "DeepSeek" জড়িত।

• DeepSeek:

• ডিপসিকের পরিচিতি:
- "ডিপসিক" একটি চীনা কোম্পানি, যা চ্যাটজিপিটি বা এর থেকেও শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি তৈরি করে।
- এটি খরচ ও লোকবল দিক থেকে অনেক কম, কিন্তু কার্যকারিতায় সমান বা তার চেয়েও বেশি।

• এ-১০০ চিপের ভূমিকা:
- মার্কিন প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার এ-১০০ চিপ প্রয়োজন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রোগ্রাম তৈরি করতে।
- কিন্তু, আমেরিকা-চিনের চলমান দ্বন্দ্বের কারণে এই চিপের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

• লিয়াং ওয়েনফেংয়ের বুদ্ধিমত্তা:
- ডিপসিকের মালিক লিয়াং ওয়েনফেং, A-১০০ চিপের বড় মজুত সংগ্রহ করেছিলেন।
- এর মাধ্যমে, তিনি মার্কিন প্রযুক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে চীনা প্রযুক্তি উত্থাপন করেছেন।

• ডিপসিকের সাফল্য:
- ডিপসিক ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি, গুগলের জেমিনি, এবং ক্লাউড এআই সবকিছুকেই পেছনে ফেলে দিয়েছে।
- ডিপসিক এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে একটি শীর্ষস্থানীয় প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে।

• কার্যকারিতা এবং খরচের তুলনা:
- ডিপসিক চ্যাটজিপিটি বা ক্লাউড এআইয়ের থেকে অন্তত ১৪% বেশি কার্যকরী।
- খরচের দিক থেকে, ডিপসিক মার্কিন কোম্পানিগুলোর চেয়ে ৯০-৯৫% কম খরচে সেবা প্রদান করে।

• উপমা দিয়ে সহজ বিশ্লেষণ:
- ডিপসিকের কম খরচ এবং উচ্চ কার্যকারিতাকে এমনভাবে তুলনা করা যায়, যেমন আপনি যদি আইফোন ১৬ প্রো ম্যাক্সের থেকেও ভালো ফোন মাত্র ৫ হাজার টাকায় পান।
- এর ফলে, আমেরিকার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং তাদের শেয়ার দরের পতন হচ্ছে।

- ডিপসিক চীনের তৈরি একটি শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম, যা কম খরচে আরও বেশি কার্যকারিতা প্রদান করে, এবং মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৩৭১.
What is ROS in the context of robotics?
  1. Robotic Object Storage.
  2. Robot Operating System.
  3. Remote Observation System.
  4. Robotics Open Source.
সঠিক উত্তর:
Robot Operating System.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Robot Operating System.
ব্যাখ্যা
ROS (Robot Operating System):
- ROS ডেভেলপারদের ওপেন সোর্স সফটওয়্যার ফ্রেমওয়ার্ক, লাইব্রেরি এবং রোবটগুলির জন্য অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার সরঞ্জামগুলির একটি সেট সরবরাহ করে।
- ROS উইন্ডোজ বা লিনাক্সের মতো প্রথাগত অপারেটিং সিস্টেম নয়; বরং, এটি রোবটগুলির জন্য সফটওয়্যার তৈরি এবং পরিচালনার জন্য সরঞ্জাম, লাইব্রেরি এবং নিয়মাবলি প্রদান করে।

অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয়, তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয় ৷
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের সাথে সেতুবন্ধ রক্ষা করে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।
- অপারেটিং সিস্টেমকে 'সিস্টেম সফটওয়্যার'-ও বলা যায়।
- অপারেটিং সিস্টেমকে 'কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক' বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না। 
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজগুলো পরিচালনা করে সিস্টেম সফটওয়্যার।
- সিস্টেম সফটওয়্যার বিভিন্ন রকমের হতে পারে।

অপারেটিং সিস্টেম- এর উদাহরণ হল:

Microsoft Windows:
- Windows 11,
- Windows 10,
- Windows 8,
- Windows 7,
- Windows XP.

macOS:
- macOS Monterey,
- macOS Big Sur,
- macOS Catalina,
- macOS Mojave.

Linux Distributions:
- Ubuntu,
- Fedora,
- Arch Linux.

Unix Variants:
- AIX (IBM),
- HP-UX (Hewlett Packard),
- Solaris (Oracle).

Mobile Operating Systems:
- Android,
- iOS (Apple),
- HarmonyOS (Huawei).

Embedded Systems:
- FreeRTOS,
- VxWorks,
- QNX.

Server Operating Systems:
- Windows Server,
- Red Hat Enterprise Linux (RHEL),
- CentOS Stream.

Real-Time Operating Systems (RTOS):
- FreeRTOS,
- RTLinux,
- eCos.

Mainframe Operating Systems:
- z/OS (IBM),
- OS/390 (IBM).

Other Operating Systems:
- BSD (Berkeley Software Distribution),
- Haiku,
- ReactOS,
- Plan 9 from Bell Labs.

উৎস:
১) কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৪) ROS link ⇒ ROS

৩৭২.
কম্পিউটারে বুদ্ধির প্রচলন করতে কোন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়?
  1. ক) আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স
  2. খ) ন্যাচারাল ইন্টিলিজেন্স
  3. গ) আর্টিফিসিয়াল ইনস্ট্রাকশ
  4. ঘ) ন্যাচারাল ইনস্ট্রাকশন
সঠিক উত্তর:
ক) আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭৩.
অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়ার বিষয়টিকে কী বলে?
  1. ক) Sneaking
  2. খ) Plagiarism
  3. গ) Vishing
  4. ঘ) Spoofing
সঠিক উত্তর:
খ) Plagiarism
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Plagiarism
ব্যাখ্যা
অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়ার বিষয়টিকে প্লেজিয়ারিজম বলে। 

প্লেজিয়ারিজম এর প্রকারভেদ:

১. Direct Plagiarism- 
প্রত্যক্ষ প্লেজিয়ারিজম হলো অন্যের কোনো লিখা হুবহু নিজের নামে প্রকাশ করা। অর্থাৎ অন্যের লেখা বা লেখার অংশ হুবহু নকল করে নিজের কাজে ব্যবহার করা কোনো প্রকার রেফারেন্স ছাড়াই।

 ২. Self-Plagiarism:
প্যারাফ্রেজ হলো অন্যের লেখার কিছুটা পরিবর্তন করে নিজস্ব হিসাবে দাবী করা। অর্থাৎ লেখার শব্দ বা বাক্যের গড়মিল করে সামান্য পরিবর্তন করার মাধ্যমে নিজের কর্ম বলে দাবী করা।

৩. Mosaic Plagiarism: 
মোজাইক প্লেজিয়ারিজম হলো অন্যের লেখার বাক্যাংশ, কিছু শব্দ বা পাঠকে নিজের লেখার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা কোনো প্রকার উদ্ধৃতি চিহ্ন (Quotation mark) বা রেফারেন্স করা ছাড়াই। এটি প্রায় paraphrase Plagiarism এর মতো।

 ৪. Accidental Plagiarism- 
যখন কোনো ব্যক্তি তার সংগ্রহীত তথ্যের সঠিক রেফারেন্স দিতে ভুল করে বা অনিচ্ছাকৃত/অবহেলার জন্য ভুলভাবে দেখায় তখন তাকে Accidental Plagiarism বলে।

সূত্র- ৬৯ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং copyleaks website [লিঙ্ক]
৩৭৪.
সি‌রি - প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে উত্তর দেওয়ার জন্য কোন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. Blockchain
  2. Artificial Intelligence
  3. Augmented Reality
  4. Virtual Reality
সঠিক উত্তর:
Artificial Intelligence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Artificial Intelligence
ব্যাখ্যা

• সি‌রি প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে উত্তর দেওয়ার জন্য মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ব্যবহার করে। এটি ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বর, ভাষা এবং প্রশ্নের প্রেক্ষাপট বোঝার জন্য প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ (Natural Language Processing) প্রযুক্তি ব্যবহার করে। AI প্রশ্নের অর্থ বিশ্লেষণ করে এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য খুঁজে এনে সঠিক উত্তর প্রদান করে। অন্য প্রযুক্তিগুলি যেমন ব্লকচেইন ডেটা সংরক্ষণ ও নিরাপত্তার জন্য, অগমেন্টেড রিয়েলিটি বাস্তব জগতে ভার্চুয়াল উপাদান যুক্ত করার জন্য, এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সম্পূর্ণ কল্পিত পরিবেশ তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং, সি‌রি বা ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের মতো সিস্টেমের জন্য সঠিক উত্তর হলো খ) Artificial Intelligence.

 
• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- এটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল।
- প্রতিষ্ঠাতা: স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন।
- স্লোগান: Think Different.
- সদর দপ্তর: কিউপারটিনো, ক্যালিফোর্নিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র।
- অ্যাপলের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম অ্যাপল পার্ক।

• সিরি:
- অ্যাপলের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট হলো সিরি, যা প্রথম চালু হয় ২০১১ সালে আইফোন 4S-এর মাধ্যমে। এরপর থেকে এটি আইফোন, আইপ্যাড, ম্যাকবুক, অ্যাপল ওয়াচ, হোমপড সহ প্রায় সব অ্যাপল ডিভাইসে ব্যবহার করা যায়।

- সিরি ব্যবহারকারীর কণ্ঠ নির্দেশনা বুঝে বিভিন্ন কাজ করতে পারে, যেমন:
- কল বা মেসেজ করা,
- অ্যালার্ম সেট করা,
- আবহাওয়া বা খবর জানানো,
- ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজা,
- এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর দেয়।

- অ্যাপলের নিজস্ব ইকোসিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার কারণে সিরি অন্যান্য ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের থেকে আলাদা এবং ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষভাবে সুবিধাজনক।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence - Al):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হলো বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।

- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-এর প্রবর্তক John McCarthy।
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়।
- কারন ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে।
- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত।
- আর কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়।

⇒ AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

উৎস:
i) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ব্রিটানিকা। 

৩৭৫.
একজন ব্যবহারকারীকে মেসেজ বা ই-মেইলের মাধ্যমে ভুয়া ওয়েবসাইটে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে তার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. Plagiarism
  2. Debugging
  3. Sneaking
  4. Phishing
সঠিক উত্তর:
Phishing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phishing
ব্যাখ্যা
• একজন ব্যবহারকারীকে মেসেজ বা ই-মেইলের মাধ্যমে ভুয়া ওয়েবসাইটে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে তার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতিকে Phishing বলে। এটি একটি সাইবার অপরাধ যেখানে প্রতারকরা ব্যবহারকারীর বিশ্বাস অর্জনের জন্য নির্ভরযোগ্য উৎসের ছদ্মবেশে থাকে, যেমন ব্যাংক, ই-কমার্স সাইট বা সামাজিক মাধ্যম। ব্যবহারকারী যখন সেই ভুয়া লিঙ্কে ক্লিক করে, তখন তাকে একটি আসল ওয়েবসাইটের মতো দেখতে পেজে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে সে নিজের ব্যবহারকারীর নাম, পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর ইত্যাদি তথ্য প্রদান করে। এরপর প্রতারকরা সেই তথ্য ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে এবং অর্থ বা পরিচয় চুরি করতে পারে।

• সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

•বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

• হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। ।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

• ডিবাগিং (Debugging):
- প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে ডিবাগিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৭৬.
অনুমতি ছাড়া নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে তথ্য চুরি বা ক্ষতি করার প্রক্রিয়া কোনটি?
  1. হ্যাকিং
  2. স্নিকিং
  3. স্প্যামিং
  4. স্পুফিং
সঠিক উত্তর:
স্নিকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নিকিং
ব্যাখ্যা
• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
- অনাকাঙ্ক্ষিত বাল্ক মেসেজসমূহ ব্যাপকভাবে প্রেরণে ইলেকট্রনিক মেসেজিং সিস্টেমসমূহের ব্যবহার হলো স্প্যাম বা স্প্যামিং।
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• হ্যাকিং (Hacking):
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।
- স্পুফড সাইট হলো প্রকৃত সাইটের প্রায় কাছাকাছি একটি মিরর ইমেজ।

স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩৭৭.
আর্থিক তথ্য ও ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিয়ে ক্ষতি করার কাজ কোন ধরনের হ্যাকাররা করে?
  1. ব্লু হ্যাট হ্যাকাররা
  2. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা
  3. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা
  4. গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা
ব্যাখ্যা

• ব্যক্তিগত এবং আর্থিক তথ্য হাতিয়ে নিয়ে ক্ষতি করার কাজ মূলত ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা করে। এই ধরনের হ্যাকাররা আইন লঙ্ঘন করে অননুমোদিতভাবে কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা ডিভাইসে প্রবেশ করে। তাদের মূল উদ্দেশ্য থাকে অর্থনৈতিক লাভ, পরিচয় চুরি, ডেটা বিক্রি বা ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম ছড়ানো। ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা প্রায়ই ফিশিং, ম্যালওয়্যার, র‍্যানসমওয়্যার বা পাসওয়ার্ড চুরি করার মতো পদ্ধতি ব্যবহার করে। তারা নৈতিক বা আইনি সীমার বাইরে কাজ করে এবং ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা ও আর্থিক নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে। এর বিপরীতে, হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা নিরাপত্তা পরীক্ষা করে এবং সিস্টেম রক্ষা করে।

- সঠিক উত্তর: খ) ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা।

• গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরনের হ্যাকাররা বৈধ (Legal) ও অবৈধ (Illegal) দুই ধরনের কাজ করতে পারে।
- একজন Grey hat hacker যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করে।
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

• ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- একজন Black hat hacker যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়।
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

• হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- একজন white hat hacker একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৩৭৮.
অসৎ উদ্দেশ্যে টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমে হস্তক্ষেপ করাকে কী বলা হয়?
  1. ভিশিং
  2. ফিশিং
  3. ক্র্যাকিং
  4. ফ্রেকিং
সঠিক উত্তর:
ফ্রেকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রেকিং
ব্যাখ্যা

• অসৎ উদ্দেশ্যে টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমে হস্তক্ষেপ করাকে ফ্রেকিং (Phreaking) বলা হয়। এটি একটি ধরনের অবৈধ কার্যক্রম যেখানে কেউ টেলিফোন বা অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থায় অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করে, কল নিয়ন্ত্রণ করে বা তথ্য চুরি করে। মূলত এটি টেলিফোন লাইনের সিগন্যালিং সিস্টেমে হাত দিতে বা নিয়ন্ত্রণ নিতে করা হয়। ফ্রেকাররা প্রায়ই বিনা খরচে কল করা, নেটওয়ার্কের দুর্বলতা পরীক্ষা করা বা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে এটি ব্যবহার করে। এটি আইনের দৃষ্টিতে একটি গুরুতর অপরাধ এবং টেলিকমিউনিকেশন নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। আধুনিক ডিজিটাল যুগে ফ্রেকিং শুধু ফোনেই নয়, ইন্টারনেট ভিত্তিক সিস্টেমেও ঘটতে পারে।

উত্তর: ঘ) ফ্রেকিং।

• বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
- ফ্রেকিং (Phreaking): বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

- হ্যাকিং (Hacking): কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

- ফিশিং (Phishing): ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যম ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

- ভিশিং (Vishing): মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

- স্পুফিং (Spoofing): নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

- স্নিকিং (Sneaking): গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৭৯.
রেডিরফডটআরইউ হচ্ছে এক ধরণের -
  1. ইলেক্ট্রনিক পেমেন্ট সার্ভিস
  2. অনলাইন প্রতারণা
  3. ওয়েব ব্রাউজার
  4. সুপার কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
অনলাইন প্রতারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনলাইন প্রতারণা
ব্যাখ্যা
- রেডিরফডটআরইউ হচ্ছে এক ধরণের অনলাইন প্রতারণা। 
- ‘রেডিরফডটআরইউ’ নামের এই প্রতারণায় ব্যবহারকারীদের কাছে জরিপে অংশ নিতে একটি ওয়েব লিংক পাঠানো হয়।
- ব্যবহারকারীদের লোভনীয় পুরস্কারের প্রলোভনও দেয় তারা।
- জরিপে থাকা ফর্ম পূরণ করলেই ব্যবহারকারীদের নাম, বয়স, ঠিকানা, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্যসহ আর্থিক লেনদেনের গোপন তথ্য হাতিয়ে নেয় সাইবার অপরাধীরা।
- পরে চুরি করা তথ্য কাজে লাগিয়ে ব্যবহারকারীদের অজান্তেই তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ চুরি করে নেয় তারা। এমনকি নিজেরা অনলাইনে দামি পণ্য কিনে ব্যবহারকারীদের কার্ড থেকে মূল্যও পরিশোধ করে।
- আইপি ঠিকানার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অবস্থান শনাক্ত করে প্রতারণামূলক বিভিন্ন মেইল ও বিজ্ঞাপন পাঠাতে থাকে।
- এসব বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলেই ভুয়া ওয়েবসাইট চালু হয় এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারকারীদের ডিভাইসে মেলওয়্যারযুক্ত ক্ষতিকর অ্যাপ প্রবেশ করে। ফলে যন্ত্রের নিরাত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়। 
- অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অপারেটিং সিস্টেমের পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপের ডেস্কটপ সংস্করণেও এ প্রতারণা ছড়িয়ে পড়েছে।

উৎস: প্রথম আলো
৩৮০.
ফায়ারওয়াল কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়?
  1. গেমিং সফটওয়্যার
  2. এডিটিং সফটওয়্যার
  3. ডাটাবেজ সফটওয়্যার
  4. নেটওয়ার্ক সুরক্ষা ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক সুরক্ষা ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক সুরক্ষা ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

• ফায়ারওয়াল মূলত নেটওয়ার্ক সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে আসা–যাওয়া ডেটা পর্যবেক্ষণ করে এবং অবাঞ্ছিত বা ক্ষতিকর অ্যাক্সেস বন্ধ করে। ফায়ারওয়াল ব্যবহারকারীর নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ঠিক করে কোন ডেটা প্রবেশ করতে পারবে ও কোনটি ব্লক হবে। ফলে হ্যাকার, ভাইরাস, ম্যালওয়্যার বা অননুমোদিত ব্যবহারকারীর আক্রমণ থেকে নেটওয়ার্ককে সুরক্ষিত রাখা যায়। তাই গেমিং, এডিটিং বা ডাটাবেজ সফটওয়্যারের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই; এর মূল উদ্দেশ্য হলো নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করা।
- সঠিক উত্তর: ঘ) নেটওয়ার্ক সুরক্ষা ব্যবস্থা।


• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো নেটওয়ার্ক সংযোগ পর্যবেক্ষণকারী একটি নিরাপত্তা সিস্টেম।
- এটি নেটওয়ার্ক সংযোগ অনুমতি দেয় বা ব্লক করে নির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে।
- ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৩৮১.
একটি ইমেইল থেকে লক্ষাধিক মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করবার পদ্ধতিকে ______ বলে। 
  1. ক) হ্যাকিং 
  2. খ) ফিশিং
  3. গ) স্পামিং
  4. ঘ) স্পুফিং
সঠিক উত্তর:
গ) স্পামিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্পামিং
ব্যাখ্যা

একটি ইমেইল থেকে লক্ষাধিক মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করবার পদ্ধতিকে স্পামিং বলে। 

- স্পাম হছে অনাকাঙ্খিত, অবাঞ্চিত কোনো বার্তা বা লিংক, যা সাধারণত ইমেইল বা অন্য মাধ্যমে ইউজারের কাছে প্রেরণ করা হয়। 
- স্পামের মাধ্যমে সাধারণত বিভিন্ন সস্তা পন্যের বা সেবার বিজ্ঞাপণ যেমন বিভিন্ন প্রকার লোন, দ্রততম সময়ে বড়লোক হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ, অর্থ উপার্জনের উপায়, লটারি সহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য বিজ্ঞাপণ ইত্যাদি প্রেরন করা হয়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৮২.
বর্তমান বিশ্বে বহুল আলোচিত “রোবট (Robot)” একটি-
  1. ক) প্রযুক্তিজ্ঞান সম্পন্ন মানুষের নাম
  2. খ) উন্নত প্রজাতির জীব-জন্তুর নাম
  3. গ) কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের নাম
  4. ঘ) অতিথি পাখির নাম
সঠিক উত্তর:
গ) কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রের নাম
ব্যাখ্যা

স্লাভিক শব্দ রোবটা (Robota) থেকে যার ইংরেজি হলো Robot (রোবট) এবং আভিধানিক অর্থ হলো শ্রমিক, দাস বা কর্মী।
চেক লেখক ক্যারেল ক্যাপেক ১৯২১ সালে Rossumovi Univerzalni Roboti (ইংরেজিতে Rossum’s Universal Robots) নামে একটি সাইন্স ফিকশন গল্পে সর্বপ্রথম শ্রমিক অর্থে (Robota) শব্দটির ব্যবহার করেন।

কম্পিউটার রোবটের সকল কাজকর্ম নিয়ন্ত্রণ করে। প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়। রোবটের হাত-পা অথবা বিশেষভাবে তৈরি কোন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নড়াচড়া করার জন্য কতগুলো বৈদ্যুতিক মোটরের সমন্বয়ে তৈরি বিশেষ ব্যবস্থা হলো অ্যাকচুয়েটর। কিছু জনপ্রিয় রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হলোঃ FANUC, Yaskawa, Boston Dynamics, iRobot.
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩৮৩.
নেটওয়ার্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য ব্যবহার করে অনধিকারপ্রবেশ করে সুবিধা নেওয়ার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. ফিশিং
  2. স্পুফিং
  3. স্প্যামিং
  4. স্নিকিং
সঠিক উত্তর:
স্পুফিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পুফিং
ব্যাখ্যা

• নেটওয়ার্ককে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করে এবং সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অবৈধ সুবিধা নেওয়ার প্রক্রিয়াকে স্পুফিং (Spoofing) বলা হয়। স্পুফিং একটি সাইবার হামলার কৌশল, যেখানে হামলাকারী নিজের পরিচয় বা তথ্য পরিবর্তন করে অন্য কারো মতো দেখানোর চেষ্টা করে। 

• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।

• স্পুফিং:
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• ফিশিং:
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।

• স্প্যামিং:
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে।

• স্নিকিং:
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৮৪.
নিচের কোন সফটওয়্যারটি Plagiarism সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Telnet
  2. খ) Blocksolve
  3. গ) Turnitin
  4. ঘ) Hypertxt
সঠিক উত্তর:
গ) Turnitin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Turnitin
ব্যাখ্যা
লেখাচুরি (Plagiarism):
- গবেষণাকেন্দ্রিক পরিমণ্ডলে Plagiarism অতি প্রচলিত একটি শব্দ।
- ভিন্ন ব্যক্তির লেখা বা যে কোন কিছু সজ্ঞানে চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়াই Plagiarism ।
- অন্য ব্যক্তির আইডিয়া ধার করে নিজের কাজে ব্যবহার করতে হলে তার যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া কিংবা নাম জানা না থাকলে অন্তত ‘সংগৃহীত’ উল্লেখ করে দেওয়াই বাঞ্ছনীয় এবং ন্যূনতম ভদ্রতার পরিচায়ক।
- ছবি, গানের কথা, কবিতা, গবেষণাপত্র, প্রবন্ধ, প্রতিবেদন যে কোন গঠনমূলক রচনার ক্ষেত্রে অন্য উৎস মারফত সরাসরি বা হুবহু তথ্য ব্যবহারের প্রয়োজন হলে
মূল লেখকের নাম উল্লেখ না করা অশোভন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- Plagiarism প্রতিরোধে Paraphrasing চর্চা করা যেতে পারে।
- মূল লেখার বিষয়টিকে অপরিবর্তিত রেখে জুতসই প্রতিশব্দ সহযোগে নিজের ভাষায় সারমর্ম আকারে উপস্থাপন করাকে Paraphrasing বলে।
- তবে সেক্ষেত্রেও মূল লেখকের নাম, সম্ভব হলে সন উল্লেখপূর্বক কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা আবশ্যক।
- এছাড়াও বর্তমানে বিভিন্ন সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাহায্যে কোন লেখায় Plagiarism হয়েছে কিনা তা সনাক্ত করা সম্ভব।
- Turnitin তেমনি একটি জনপ্রিয় সফ্টওয়্যার যা অনলাইনে ক্রয় করে নিজস্ব অ্যাকাউন্ট খুলে যে কেউ এর সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

সূত্র: তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
৩৮৫.
রোবটের মুভমেন্ট নিয়ন্ত্রণ করতে রোবটিক্সে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. অ্যাকচুয়েটর
  2. সেন্সর
  3. আইসি
  4. প্রসেসর
সঠিক উত্তর:
অ্যাকচুয়েটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাকচুয়েটর
ব্যাখ্যা

• রোবটের মুভমেন্ট বা গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে প্রধানত অ্যাকচুয়েটর (Actuator) প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। অ্যাকচুয়েটর হল একটি ডিভাইস যা রোবটের সংকেত বা কমান্ড অনুযায়ী শক্তি ব্যবহার করে যান্ত্রিক গতি সৃষ্টি করে। এটি রোবটের হাত, পা, চাকা বা অন্যান্য অংশকে নির্দিষ্ট দিক এবং গতিতে চলতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, সেন্সর তথ্য সংগ্রহ করে, প্রসেসর সেই তথ্য বিশ্লেষণ করে এবং আইসি বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণ কার্য সম্পাদনায় সাহায্য করে। তবে সরাসরি মুভমেন্ট তৈরি করা এবং রোবটকে চলমান করা কাজটি অ্যাকচুয়েটরই করে। তাই রোবটিক্সে রোবটের গতি নিয়ন্ত্রণে অ্যাকচুয়েটর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৩৮৬.
কম্পিউটার সিস্টেমে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করে ডাটা চুরি করাকে কী বলে?
  1. ক) পাইরেসি
  2. খ) হ্যাকিং
  3. গ) স্টিলিং
  4. ঘ) স্নিচিং
সঠিক উত্তর:
খ) হ্যাকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হ্যাকিং
ব্যাখ্যা
হ্যাকিং:
হ্যাকিং হলো কম্পিউটার সিস্টেমের দুর্বলতা কে খুঁজে বের করে সেই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে  অনুমতি ছাড়া কম্পিউটার সিস্টেমের এক্সেস নেওয়া বা সিস্টেমে প্রবেশ করে ব্যক্তিগত তথ্য দেখা বা, চুরি করাকে হ্যাকিং বলে।

হ্যাকিং প্রধানত দুই প্রকার
১. ইথিক্যাল হ্যাকিং (Ethical Hacking)
২. আনইথিক্যাল হ্যাকিং (Unethical Hacking)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৩৮৭.
কৃষিকাজে ব্যবহৃত রোবট কোন প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে?
  1. ক) iRobot Corporation
  2. খ) Awabot
  3. গ) GCtronic
  4. ঘ) Motion Robotics Ltd
সঠিক উত্তর:
ঘ) Motion Robotics Ltd
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Motion Robotics Ltd
ব্যাখ্যা
Motion Robotics Ltd প্রতিষ্ঠানটি কৃষিকাজে ব্যবহৃত রোবট প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে। 

অপরদিকে, iRobot Corporation প্রতিষ্ঠানটি হোম রোবট নির্মাণ করে। 
Awabot প্রতিষ্ঠানটি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এ কাজে ব্যবহৃত হয়। 
GCtronic প্রতিষ্ঠানটি ইলেকট্রনিক এবং মেকাট্রনিক উন্নয়ন কাজে রোবট নির্মাণ করে থাকে। 

সূত্র: iRobot Website [লিঙ্ক]
৩৮৮.
Robot শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
  1. গ্রিক
  2. ল্যাটিন
  3. স্লাভিক
  4. রোমান
সঠিক উত্তর:
স্লাভিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্লাভিক
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স (Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক অসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩৮৯.
কোন টুলস্‌ ব্যবহার করে হ্যাকাররা ইমেইল পোর্টে প্রবেশ করতে পারে?
  1. ক) Turnitin
  2. খ) Excel
  3. গ) Telnet
  4. ঘ) Azure
সঠিক উত্তর:
গ) Telnet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Telnet
ব্যাখ্যা
টেলনেট (Telnet)
- টেলনেট টুলস্‌ ব্যবহার করে দূরবর্তী বা রিমোট কম্পিউটারের সাথে যুক্ত হয়ে ডেটা পড়া যায়।
- হ্যাকাররা টেলনেটের মাধ্যমে কম্পিউটারের ইমেইল পোর্টে প্রবেশ করতে পারে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে যায়।

- Microsoft Excel এক ধরনের স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
- Turnitin সফটওয়্যার প্লেজিয়ারিজম সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।
- Microsoft Azure এক ধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৯০.
'স্নিকিং' এক ধরনের -
  1. সাইবার সিকিউরিটি
  2. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  3. সাইবার অপরাধ
  4. ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
সাইবার অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার অপরাধ
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে ''কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০''।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ২০০৬ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় এবং পরবর্তীতে তা সংশোধন করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
• হ্যাকিং
• স্প্যামিং
• সাইবার থেফ্ট
• সাইবার বুলি
• স্ফুফিং
• ফিশিং
• ভিশিং
স্নিকিং
• প্লেজিয়ারিজম

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৯১.
কোন আক্রমণের ফলে একটি ওয়েব সার্ভার গ্রাহকের বৈধ অনুরোধ পূরণ করতে ব্যর্থ হয়?
  1. Denial of Service
  2. Man-in-the-Middle
  3. Phishing
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Denial of Service
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Denial of Service
ব্যাখ্যা

• যে সাইবার আক্রমণ সংঘটিত হলে গ্রাহকের বৈধ অনুরােধসমূহ কোন একটি web server সম্পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয় সেটি Denial of Service নামে পরিচিত।

• DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

• Man-in-the-Middle:
- দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়। ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

• Phishing:
- ফিশিং হলো এক ধরনের হ্যাকিং পদ্ধতি যেখানে একজন হ্যাকার একটি লোভনীয় অফার বা ইমেইলের মাধ্যেম একটি আসল ওয়েবসাইটের নকল করে বিভিন্ন তথ্য চুরি করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৯২.
Encryption এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. ডেটা সুরক্ষা
  2. ফাইল সাইজ কমানো
  3. স্পিড বৃদ্ধি
  4. মেমরি সাশ্রয়
সঠিক উত্তর:
ডেটা সুরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা সুরক্ষা
ব্যাখ্যা

Encryption (এনক্রিপশন) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে ডেটাকে বিশেষ অ্যালগরিদম ব্যবহার করে অপঠিত (unreadable) রূপে রূপান্তরিত করা হয়, যাতে অনুমোদিত ব্যবহারকারী ছাড়া আর কেউ আসল ডেটা পড়তে না পারে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ডেটার নিরাপত্তা (Data Security) নিশ্চিত করা। 

ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)

ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট,
২. সাইফার টেক্সট,
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম ও
৪. কী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯৩.
ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. Spoofing
  2. Sneaking
  3. Plagiarism
  4. Sniffing
সঠিক উত্তর:
Sniffing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sniffing
ব্যাখ্যা
• সাইবার অপরাধ:
• ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

• বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
১. ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

২. হ্যাকিং (Hacking):

- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে।
- যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

৩. ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

৪. ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

৫. স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

৬. র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware):
- র‍্যানসমওয়্যার এক ধরনের ম্যালওয়্যার। র‍্যানসমওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

৭. স্নিফিং (Sniffing):
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।

৮. স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

৯. স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

১০. প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩৯৪.
ভুল তথ্য প্রদান করে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অবৈধ সুবিধা অর্জনকে কী বলা হয়?
  1. স্নিকিং
  2. স্ফুফিং
  3. স্প্যামিং
  4. ফিশিং
সঠিক উত্তর:
স্ফুফিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ফুফিং
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।

• স্ফুফিং:
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• ফিশিং:
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।

• স্প্যামিং:
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে।

• স্নিকিং:
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৯৫.
যে ভাইরাস নিজেই নিজের প্রতিলিপি তৈরি করে তাকে কী বলা হয়?
  1. ওয়ার্ম
  2. স্পাইওয়্যার
  3. ট্রোজান হর্স
  4. অ্যাডওয়্যার
সঠিক উত্তর:
ওয়ার্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ার্ম
ব্যাখ্যা

ওয়ার্ম ভাইরাস নিজেই নিজের প্রতিলিপি তৈরি করে।

• কম্পিউটার ওয়ার্ম:
- কম্পিউটার ওয়ার্ম হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম, যা নিজেই নিজের কপি করে অন্য কম্পিউটারে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে।
- নিজের অনুলিপি তৈরি করতে এটির কোন 'হোস্ট' বা কোন সাহায্যের প্রয়োজন হয় না।

কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে এবং তার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে।
- এই ভাইরাস বাহ্যিক উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে এবং গোপনে বিস্তার লাভ করে, ফলে মূল্যবান প্রোগ্রাম এবং তথ্য নষ্ট হতে পারে, এমনকি অনেক সময় এটি কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।

উল্লেখ্য,
- এডওয়্যার: বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাস।
- ট্রোজান হর্স : এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা গোপনে সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।

 উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯৬.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ফিশিং
  2. স্প্যামিং
  3. অ্যাডওয়্যার
  4. স্নিকিং
সঠিক উত্তর:
অ্যাডওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডওয়্যার
ব্যাখ্যা
• Adware সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয়।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাডওয়্যার (Adware)।

• সাইবার ক্রাইম:

- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং (Phishing),
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism),
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৯৭.
Y-2K কি?
  1. ক) একটি কম্পিউটার ভাইরাস-এর নাম
  2. খ) ২০০০ সাল শুরুর মুহুর্তে সারা বিশ্বে কম্পিউটার বিপর্যয় এর কারণ
  3. গ) নতুন সহস্রাব্দের কম্পিউটার
  4. ঘ) কম্পিউটার-এর একটি নতুন অপারেটিং সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০০ সাল শুরুর মুহুর্তে সারা বিশ্বে কম্পিউটার বিপর্যয় এর কারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০০ সাল শুরুর মুহুর্তে সারা বিশ্বে কম্পিউটার বিপর্যয় এর কারণ
ব্যাখ্যা
Y2K bug, also called Year 2000 bug or Millennium Bug, a problem in the coding of computerized systems that was projected to create havoc in computers and computer networks around the world at the beginning of the year 2000 (in metric measurements K stands for thousand). [source: britannica.com]
৩৯৮.
CAPTCHA ব্যবহার করা হয় কোন উদ্দেশ্যে?
  1. ব্যাকআপ ডেটা তৈরি করা
  2. হ্যাকিং প্রতিরোধে ভাইরাস স্ক্যান করা
  3. ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানো
  4. মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করা
সঠিক উত্তর:
মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করা
ব্যাখ্যা

• CAPTCHA ব্যবহার করা হয় মূলত মানুষ এবং রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করার জন্য। এটি একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা ওয়েবসাইটে স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম বা বট থেকে সুরক্ষা দেয়। উদাহরণস্বরূপ, কোন ফর্মে অটোমেটেড স্প্যাম বা অননুমোদিত একাউন্ট তৈরি রোধ করতে CAPTCHA ব্যবহার করা হয়। এটি সাধারণত একটি ছবি, টেক্সট বা চ্যালেঞ্জ আকারে থাকে, যা মানুষ সহজে পূরণ করতে পারে, কিন্তু বট বা স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার ঠিকমতো করতে পারে না। এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটে নিরাপত্তা বাড়ানো হয় এবং অননুমোদিত কার্যক্রম প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। তাই CAPTCHA-এর মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষ এবং রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করা।

- সঠিক উত্তর: ঘ) মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করা।

• CAPTCHA:
- CAPTCHA এর পূর্ণরূপ Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart।
- CAPTCHA হচ্ছে ইন্টারনেটে মানব ব্যবহারকারী এবং স্বয়ংক্রিয় বটগুলির মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যবহৃত একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বটগুলিকে ক্ষতিকারক বা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কাজগুলি করা থেকে বিরত রাখতে, যেমন জাল অ্যাকাউন্ট তৈরি করা, স্প্যামিং ফর্ম বা সাইবার আক্রমণ শুরু করা।
- ক্যাপচা ব্যবহারকারীদের এমন কাজগুলি উপস্থাপন করে যা মানুষের পক্ষে সমাধান করা তুলনামূলকভাবে সহজ কিন্তু স্বয়ংক্রিয় স্ক্রিপ্ট বা বটগুলির জন্য কঠিন।
- এই কাজগুলির মধ্যে প্রায়ই বিকৃত পাঠ্য সনাক্ত করা, নির্দিষ্ট চিত্র নির্বাচন করা, ধাঁধা সমাধান করা বা সাধারণ গণিত সমস্যাগুলি সম্পূর্ণ করা জড়িত।
- ক্যাপচা চ্যালেঞ্জ সফলভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে, একজন ব্যবহারকারী প্রদর্শন করে যে তারা সম্ভবত মানুষ এবং একটি স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম নয়।
- ক্যাপচা-এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল অনলাইন সিস্টেমের নিরাপত্তা এবং অখণ্ডতা নিশ্চিত করা যাতে বটগুলিকে অপব্যবহার বা শোষণ করা থেকে বিরত রাখা যায়।
- CAPTCHA প্রযুক্তির বিকাশ দৃষ্টি শনাক্তকরণ (visual recognition) নামক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) একটি শাখায় গবেষণাকে উৎসাহিত করেছে, যার ব্যবহার রয়েছে অপটিক্যাল স্ক্যানিং সফটওয়্যার, রিমোট সেন্সিং, এবং রোবোটিক্স-এ।

• ক্যাপচাগুলির জন্য কিছু সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত:
- User Registration and Login,
- Form Submissions,
- Preventing DDoS Attacks,
- Online Polls and Surveys,
- Web Scraping Prevention.

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩৯৯.
Live MCQ এর সিস্টেমে কিছু সমস্যা ধরা পরলো। একজন ব্যক্তি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো সনাক্ত করে কর্তৃপক্ষকে জানালেন। উক্ত ব্যক্তি একজন -
  1. White hat hacker
  2. Black hat hacker
  3. Grey hat hacker
  4. Red hat hacker
সঠিক উত্তর:
White hat hacker
উত্তর
সঠিক উত্তর:
White hat hacker
ব্যাখ্যা
• হ্যাকিং (Hacking):
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়। 
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা:

ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার (White hat hacker):
- একজন white hat hacker একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহিত করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।
- সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।

খ. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার (Black hat hacker):
- একজন Black hat hacker যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়। 
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার (Grey hat hacker):
- একজন Grey hat hacker যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করে। 
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪০০.
কোনটি DoS আক্রমণের প্রচলিত ধরন?
  1. SQL Injection
  2. SYN Flood
  3. Phishing
  4. Man-in-the-Middle
সঠিক উত্তর:
SYN Flood
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SYN Flood
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো খ) SYN Flood.

DoS (Denial of Service) আক্রমণ মূলত একটি সিস্টেম, সার্ভার বা নেটওয়ার্ককে অতিভারিত করে বা তার পরিষেবা অপ্রাপ্য করে ফেলার চেষ্টা করে। এই ধরনের আক্রমণের মধ্যে SYN Flood একটি প্রচলিত ধরন। এতে হামলাকারী সার্ভারের সঙ্গে অসংখ্য অর্ধেক খোলা TCP সংযোগ তৈরি করে, যার কারণে সার্ভারের সংযোগ সীমা দ্রুত শেষ হয়ে যায় এবং বৈধ ব্যবহারকারীরা পরিষেবা নিতে পারে না। অন্যদিকে, SQL Injection ডেটাবেসে অননুমোদিত প্রবেশের চেষ্টা, Phishing ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করা এবং Man-in-the-Middle যোগাযোগে ছেদ ঘটানো জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই DoS-এর মধ্যে SYN Floodই সঠিক উদাহরণ।

• DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

• Man-in-the-Middle:
- দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়। ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

• Phishing:
- ফিশিং হলো এক ধরনের হ্যাকিং পদ্ধতি যেখানে একজন হ্যাকার একটি লোভনীয় অফার বা ইমেইলের মাধ্যেম একটি আসল ওয়েবসাইটের নকল করে বিভিন্ন তথ্য চুরি করে।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- AWS. [link]