বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

রোবটিক্স ও সাইবার অপরাধ

মোট প্রশ্ন৪৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

রোবটিক্স ও সাইবার অপরাধ

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৪৭৯

২০১.
Which cybercrime involves sending unwanted and unsolicited emails or messages?
  1. Sniffing
  2. Spamming
  3. Phishing
  4. Spoofing
সঠিক উত্তর:
Spamming
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Spamming
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) Spamming.

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম - অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং - গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং - ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২০২.
কোনটি হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়ালের অসুবিধা?
  1. কনফিগার করা সহজ 
  2. উচ্চ প্রাথমিক খরচ
  3. একাধিক ডিভাইসকে রক্ষা করতে অক্ষম
  4. সফটওয়্যার ফায়ারওয়ালের চেয়ে ধীর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ প্রাথমিক খরচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ প্রাথমিক খরচ
ব্যাখ্যা

• হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা ডিভাইস হলেও এর কিছু অসুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো উচ্চ প্রাথমিক খরচ, যা ছোট বা মধ্যম আকারের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অর্থনৈতিকভাবে চ্যালেঞ্জ হতে পারে। এছাড়া, এটি কনফিগার করা তুলনামূলকভাবে কঠিন, কারণ যথাযথ নেটওয়ার্ক নীতি ও নিয়মাবলী নির্ধারণ করতে বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া, হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল সাধারণত একাধিক ডিভাইস বা দূরবর্তী নেটওয়ার্কের জন্য সমন্বিত সুরক্ষা প্রদান করতে সীমিত সক্ষমতা রাখে। যদিও সফটওয়্যার ফায়ারওয়ালের তুলনায় এটি দ্রুত, তবে এর মূল অসুবিধা হলো খরচ এবং স্থাপনার জটিলতা, যা ছোট প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রায়ই বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
 
• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- Unauthorized ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall)ব্যবহার করা হয়।
- অননুমোদিত ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়‍্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩.geeksforgeeks [link]

২০৩.
সোফিয়া হচ্ছে -
  1. ক) দৈত্যাকৃতির রোবট
  2. খ) এলিয়েন আকৃতির রোবট
  3. গ) বাংলাদেশে তৈরিকৃত রোবট
  4. ঘ) মানবাকৃতির সামাজিক যোগাযোগ সক্ষম রোবট
সঠিক উত্তর:
ঘ) মানবাকৃতির সামাজিক যোগাযোগ সক্ষম রোবট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মানবাকৃতির সামাজিক যোগাযোগ সক্ষম রোবট
ব্যাখ্যা
- রোবটটি তৈরি করেন ডেবিড হ্যানসন ও তার কোম্পানি হ্যানসন রোবটিক্স।
- হ্যানসন রোবটিক্স একটি হংকংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ।
- সোফিয়া হচ্ছে মানবাকৃতির সমাজিক যোগাযোগ সক্ষম রোবট যেটি তৈরি করে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্স।
- রোবটটি এমনভাবে নকশা করা হয় যাতে সে মানুষের ব্যবহারের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে ও শিখতে পারে এবং মানুষের সাথে কাজ করতে পারে।
-২০১৭ সালের অক্টোবরে সৌদি আরব তাকে নাগরিকত্ব প্রদান করে। সোফিয়া হচ্ছে প্রথম রোবট যে কোন দেশের নাগরিকত্ব লাভ করেছে।
২০৪.
নিম্নের কোনটি দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি?
  1. ভয়েস রিকগনিশন
  2. সিগনেচার ভেরিফিকেশন
  3. ফিঙ্গারপ্রিন্ট
  4. কীস্ট্রোক ভেরিফিকেশন
সঠিক উত্তর:
ফিঙ্গারপ্রিন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিঙ্গারপ্রিন্ট
ব্যাখ্যা

• ফিঙ্গারপ্রিন্ট মানুষের শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।

• বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
- গ্রিক শব্দ “Bio” অর্থ জীবন এবং “Metron” অর্থ পরিমাপ—এই দুইটি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির দেহের গঠনগত ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত বা চিহ্নিত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোনো সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• বায়োমেট্রিক পদ্ধতির প্রকারভেদ:
 - দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি প্রধানত দুই প্রকার—

• ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট (Fingerprint),
- হ্যান্ড জিওমেট্রি (Hand Geometry),
- আইরিস ও রেটিনা স্ক্যান (Iris and Retina Scan),
- ফেস রিকগনিশন (Face Recognition),
- ডিএনএ টেস্ট (DNA Test).

• খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
- ভয়েস রিকগনিশন (Voice Recognition),
- সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature Verification),
- টাইপিং কীস্ট্রোক ভেরিফিকেশন (Keystroke Verification).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০৫.
Phishing কী?
  1. অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া
  2. বিশ্বাসযোগ্য পরিচয় ভান করে ব্যক্তিগত তথ্য চুরির প্রচেষ্টা
  3. অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানো
  4. অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসযোগ্য পরিচয় ভান করে ব্যক্তিগত তথ্য চুরির প্রচেষ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসযোগ্য পরিচয় ভান করে ব্যক্তিগত তথ্য চুরির প্রচেষ্টা
ব্যাখ্যা
Phishing হচ্ছে বিশ্বাসযোগ্য পরিচয় ভান করে ব্যক্তিগত তথ্য চুরির প্রচেষ্টা।

• ফিশিং (Phishing)
- ইলেকট্রোনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বা ইন্টারনেটে কোন নির্ভরযোগ্য বা বিশ্বাসযোগ্য সত্ত্বার ছদ্মবেশ ধারণ করে বিদ্বেষপরায়ণ হয়ে ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের বিস্তারিত তথ্য, ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ডের মত সংবেদনশীল তথ্য চুরির প্রচেষ্টাকে ফিশিং (Phishing) বলে।

• প্লেজিয়ারিজম
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।

• Salami Attack
- অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।

• স্প্যামিং (Spamming)
- অনাকান্তিকত ব অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২০৬.
Electronic trespassing or criminal hacking is known as-
  1. ক) Cracking
  2. খ) Jacking
  3. গ) Spoofing
  4. ঘ) Smarming
সঠিক উত্তর:
ক) Cracking
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Cracking
ব্যাখ্যা
- সাধারণত অনুমতি ব্যতীত কোন কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করা অথবা কোন কম্পিউটারকে মোহাচ্ছন্ন করে তার পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেওয়াকে হ্যাকিং বলে।
- যে হ্যাকিং করে তাকে হ্যাকার বলে।
- হ্যাকিং বৈধ এবং অবৈধ হতে পারে।
- অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে বলা হয় ক্রেকার।
২০৭.
কোন কোম্পানির রোবট "আসিমো" নামে পরিচিত? 
  1. সনি কর্পোরেশন
  2. মাইক্রোসফট কোম্পানি
  3. মুরাতা কোম্পানি
  4. হোন্ডা কোম্পানি
সঠিক উত্তর:
হোন্ডা কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোন্ডা কোম্পানি
ব্যাখ্যা
রোবটিক্স: 
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে তাকে বলা হয় রোবট। 
- আর প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়। 
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে রোবটের দর্শন ক্ষমতা, স্পর্শ ক্ষমতা, হাত ও পায়ের যথাযথ পরিচালন, চলাচলের ক্ষমতা, শারীরিক মুভমেন্ট ইত্যাদি উদ্ভব হয়েছে। 
- রোবট অত্যন্ত দ্রুত, ক্লান্তিহীন ও নিখুঁত কর্মক্ষম একটি যন্ত্র। 
- রোবটের সাহায্যে যে কোন প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করা যায়। তবে রোবট তৈরি করা ব্যয়বহুল ও শ্রমসাধ্য ব্যাপার।
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির "মুরাতা বয়", হোন্ডা কোম্পানির "আসিমো”, সনি কর্পোরেশনের "আইবো” ইত্যাদি রোবট প্রায় মানুষের মতই বিশেষ কোন কাজ করতে পারে। 

রোবটের ব্যবহার: 
- বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন ক্ষেত্রে রোবটকে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
যেমন- 
• শিল্পের বিপজ্জনক ও কঠিন কাজ করা। 
• বৃহৎ মেশিনের কষ্টদায়ক যন্ত্রপাতির সংযোজন। 
• খনি হতে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ উত্তোলন। 
• মহাকাশ গবেষণায় রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে। 
• মহাশূন্যের ছবি সংগ্রহ। 
• ক্ষতিকর বিস্ফোরক সনাক্তকরণে। 
• গৃহস্থালীর কাজে রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে। 
• গভীর অরণ্য কিংবা বহুদূরত্বে শত্রুর উপস্থিতির প্রমাণে। 
• শিল্প কারখানায় দ্রুত উৎপাদন কার্য হাসিলে রোবটের ব্যবহার হচ্ছে ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০৮.
Android শব্দটির আসল অর্থ কি?
  1. ক) A Robot
  2. খ) Paid OS
  3. গ) Fiction
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) A Robot
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) A Robot
ব্যাখ্যা
Android - In science fiction books and films, an android is a robot that looks like a human being.
Source: Collins Dictionary
২০৯.
ইউনিমেট কী?
  1. প্রথম আবিষ্কৃত অপারেটিং সিস্টেম
  2. ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস
  3. প্রথম কোয়ান্টাম কম্পিউটার
  4. সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত রোবট
সঠিক উত্তর:
সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত রোবট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত রোবট
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স (Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক অসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২১০.
রোবট সোফিয়ার নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান-
  1. হোন্ডা কোম্পানি
  2. স্যামসাংয়
  3. হ্যানসন রোবটিক্স
  4. সনি কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
হ্যানসন রোবটিক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যানসন রোবটিক্স
ব্যাখ্যা
• রোবট সোফিয়া নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান 'হ্যানসন রোবটিক্স'।

• রোবটিক্স:

- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার।

• রোবট সোফিয়া:
- রোবট সোফিয়া তৈরি করেছে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিকস।
- এর মূল নির্মাতা ডেভিড হ্যানসন (David Hanson)।
- রোবট সোফিয়াকে নকশা করা হয় হলিউডের ব্রিটিশ অভিনয় শিল্পী অড্রে হেপবার্ন এর মত করে।
- রোবট সোফিয়াকে ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল থেকে সক্রিয় করা হয়।
- ২০১৭ সালের অক্টোবরে সৌদি আরবের নাগরিকত্ব দেয়া হয় এই রোবটকে এবং এটিই প্রথম রোবট যে কোন দেশের নাগরিকত্ব লাভ করে।
- ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি উৎসব ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে অংশ নিয়েছে সিঙ্গাপুরের তৈরি ও সৌদি আরবের নাগরিকত্ব পাওয়া এই রোবট সোফিয়া। এটি প্রায় ৫০ ধরনের ভাবভঙ্গি দেখাতে পারে।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- সনি কর্পোরেশনের কিউরিও (QRIO) এবং আইবো।
- হোন্ডা কোম্পানির আসিমো (ASIMO)।
- স্যামসাংয়ের রোবোরে (Roboray)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২১১.
'In digital era, privacy must be a priority'- উক্তিটি কার?
  1. স্টিভ জবস
  2. মার্শাল ম্যাকলুহান
  3. আল গোরে
  4. বিল গেটস
সঠিক উত্তর:
আল গোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল গোরে
ব্যাখ্যা
প্লেজিয়ারিজম সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫ তম ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোরে বলেন:
'In digital era, privacy must be a priority. Is it just me, or is secret blanket surveillance obscenely outrageous?' বা 'ডিজিটাল যুগে গোপনীয়তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে'।
• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম। 
- তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্লেজিয়ারিজমের প্রচলন লক্ষ করা যায়। 
- বিশেষ করে অন্যের ধ্যান-ধারণা, গবেষণা, কৌশল, প্রোগ্রামিং কোড, গ্রাফিক্স, লেখা, ডেটা, ছবি, গান ইত্যাদির উৎস অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ না করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া হয়। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২. 14 Jun 2013, The Guardian. [link]
২১২.
হোন্ডা কোম্পানির তৈরি রোবট কোনটি?
  1. রোবোরো
  2. মুরাতা বয়
  3. আসিমো
  4. আইবো
সঠিক উত্তর:
আসিমো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসিমো
ব্যাখ্যা
• হোন্ডা কোম্পানির রোবট 'আসিমো'।

• রোবট:

- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে তাকে বলা হয় রোবট।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'।
- স্যামসাং কোম্পানির রোবট 'রোবোরো'।
- হংকং ভিত্তিক হ্যানসন রোবটিক্স কোম্পানির রোবট 'সোফিয়া'।
- সনি কর্পোরেশন কোম্পানির রোবট 'আইবো'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৩.
স্পুফিং শব্দের অর্থ নয় কোনটি?
  1. ক) প্রতারণা করা
  2. খ) ধোঁকা দেওয়া
  3. গ) কূট কৌশল
  4. ঘ) সঠিক তথ্য দেওয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) সঠিক তথ্য দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সঠিক তথ্য দেওয়া
ব্যাখ্যা
স্পুফিং শব্দের অর্থ হলো প্রতারণা করা, ধোঁকা দেওয়া বা কূট কৌশল অবলম্বন করা।

আইটি জগতে স্পুফিং (Spoofing) মানে কোন কম্পিউটার সিস্টেম বা ইউজারকে ধোঁকা দেওয়া। সাধারনত কোন ইউজারের আইডি গোপন করে অথবা নকল করে স্পুফিং (Spoofing) করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২১৪.
কোন হ্যাকাররা সিস্টেমে প্রবেশ করে অর্থনৈতিক বা তথ্য সম্পর্কিত ক্ষতি করে?
  1. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  2. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  3. ডার্ক হ্যাট হ্যাকার
  4. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
সঠিক উত্তর:
ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা

• সিস্টেমে অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করে অর্থনৈতিক ক্ষতি, তথ্য চুরি, ডেটা নষ্ট বা সাইবার অপরাধমূলক কার্যক্রম যারা পরিচালনা করে, তারা হলো ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার। ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা সম্পূর্ণভাবে অসৎ উদ্দেশ্যে কাজ করে এবং ব্যক্তিগত লাভ, অর্থ আদায়, গোপন তথ্য বিক্রি কিংবা প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করাই তাদের মূল লক্ষ্য। তারা ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, র‍্যানসমওয়্যার ইত্যাদি ব্যবহার করে সিস্টেমে আক্রমণ চালায়। অন্যদিকে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য কাজ করে, গ্রে হ্যাট মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে এবং ডার্ক হ্যাট শব্দটি সাধারণত ব্ল্যাক হ্যাটের সাথেই সম্পর্কিত। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার।

• হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।

খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার: বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২১৫.
সফটওয়্যার ফায়ারওয়ালের তুলনায় হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়ালের নেতিবাচক দিক কোনটি?
  1. এগুলো ধীর
  2. এগুলো নেটওয়ার্ক-স্তরের ফিল্টারিং সমর্থন করে না
  3. এগুলো বেশি ব্যয়বহুল
  4. এগুলো ম্যালওয়্যারের প্রতি বেশি সংবেদনশীল
সঠিক উত্তর:
এগুলো বেশি ব্যয়বহুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগুলো বেশি ব্যয়বহুল
ব্যাখ্যা
• হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল একটি আলাদা যন্ত্র (ডিভাইস) যা পুরো নেটওয়ার্ককে সুরক্ষা দেয়। এটি একটি শক্তিশালী এবং নির্ভরযোগ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা হলেও, এর একটি প্রধান অসুবিধা হল - এর দাম বেশি। সাধারণত এই ধরনের ফায়ারওয়াল কিনতে এবং সেটআপ করতে বড় খরচ হয়, যা ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীদের বা ছোট ব্যবসার পক্ষে ব্যয়বহুল হতে পারে।

• অপশন আলোচনা:
ক) হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল সাধারণত সফটওয়্যার ফায়ারওয়ালের তুলনায় দ্রুতগতির হয়।
খ) হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল মূলত নেটওয়ার্ক-লেভেল ফিল্টারিং এর জন্যই তৈরি।
ঘ) হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল ভাইরাস বা ম্যালওয়্যারের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ কারণ এগুলো আলাদা যন্ত্র।

• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে।
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়। ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড
- সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২১৬.
নিম্নের কোনটি আচরণগত বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির উদাহরণ?
  1. আইরিস স্ক্যান
  2. রেটিনা স্ক্যান
  3. ডিএনএ টেস্ট
  4. ভয়েস রিকগনিশন 
সঠিক উত্তর:
ভয়েস রিকগনিশন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভয়েস রিকগনিশন 
ব্যাখ্যা

• ভয়েস রিকগনিশন ব্যক্তির আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে, শারীরিক গঠনের ওপর নয়।

• বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
- গ্রিক শব্দ “Bio” অর্থ জীবন এবং “Metron” অর্থ পরিমাপ—এই দুইটি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির দেহের গঠনগত ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত বা চিহ্নিত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোনো সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• বায়োমেট্রিক পদ্ধতির প্রকারভেদ:
 - দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি প্রধানত দুই প্রকার—

• ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট (Fingerprint),
- হ্যান্ড জিওমেট্রি (Hand Geometry),
- আইরিস ও রেটিনা স্ক্যান (Iris and Retina Scan),
- ফেস রিকগনিশন (Face Recognition),
- ডিএনএ টেস্ট (DNA Test).

• খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
- ভয়েস রিকগনিশন (Voice Recognition),
- সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature Verification),
- টাইপিং কীস্ট্রোক ভেরিফিকেশন (Keystroke Verification).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১৭.
সফটওয়্যার কোম্পানিগুলো তাদের মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ ও পাইরেসি নজরদারি করার জন্য কোন সংস্থা তৈরি করেছে?
  1. ক) BBS
  2. খ) BAS
  3. গ) BSA
  4. ঘ) BAA
সঠিক উত্তর:
গ) BSA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) BSA
ব্যাখ্যা
সফটওয়্যার কোম্পানিগুলো তাদের মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ ও পাইরেসি নজরদারি করার জন্য বিজনেস সফটওয়্যার এলায়েন্স (BSA) নামে একটি সংস্থা তৈরি করেছে।

সংস্থাটির ২০১১ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- পার্সোনাল কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৭ জনই পাইরেসিমুক্ত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই ( নবম - দশম শ্রেণি )
২১৮.
কোন সাইবার আক্রমণ সব সম্ভাব্য কম্বিনেশন ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড অনুমান করে?
  1. এসকিউএল ইনজেকশন
  2. ডিনায়াল অফ সার্ভিস অ্যাটাক
  3. ম্যান-ইন-দ্য-মিডল অ্যাটাক
  4. ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক
সঠিক উত্তর:
ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক।

ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক হলো একটি সাইবার আক্রমণের প্রকার যা পাসওয়ার্ড বা গোপন তথ্য পাওয়ার জন্য সব সম্ভাব্য কম্বিনেশন চেষ্টা করে। এই পদ্ধতিতে হ্যাকার বা আক্রমণকারী স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার ব্যবহার করে পাসওয়ার্ডের সম্ভাব্য সব অক্ষর, সংখ্যা, ও প্রতীক মিশিয়ে চেষ্টা চালায় যতক্ষণ না সঠিক পাসওয়ার্ড পাওয়া যায়। এটি ধীরে ধীরে হলেও কার্যকরী, কারণ এটি নিশ্চিতভাবে সঠিক পাসওয়ার্ড খুঁজে পায় যদি তা যথেষ্ট সময় ও কম্পিউটিং ক্ষমতা থাকে।
- অন্য সাইবার আক্রমণ যেমন এসকিউএল ইনজেকশন, ডিনায়াল অফ সার্ভিস, বা ম্যান-ইন-দ্য-মিডল ভিন্ন ধরনের টেকনিক ব্যবহার করে; তারা সরাসরি পাসওয়ার্ড অনুমানে কম্বিনেশন চেষ্টা করে না। তাই পাসওয়ার্ড অনুমানের জন্য ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক সবচেয়ে প্রযোজ্য।

• অপশন আলোচনা:
ক) এসকিউএল ইনজেকশন (SQL Injection)
এটি একটা অ্যাটাক যেখানে অ্যাটাককারী ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের ডাটাবেসে ম্যালিশিয়াস SQL কোড ইনজেক্ট করে ডাটাবেসের তথ্য চুরি বা ম্যানিপুলেট করে। এটা পাসওয়ার্ড অনুমানের জন্য নয়, বরং ডাটাবেসের নিরাপত্তা ভঙ্গ করার জন্য।

খ) ডিনায়াল অফ সার্ভিস অ্যাটাক (Denial of Service Attack)
এই আক্রমণের উদ্দেশ্য হলো সার্ভার বা নেটওয়ার্ককে এতটাই ব্যস্ত করে ফেলা যাতে সিস্টেম সঠিকভাবে কাজ করতে না পারে। এটা পাসওয়ার্ড অনুমানের সাথে সম্পর্কিত নয়।

গ) ম্যান-ইন-দ্য-মিডল অ্যাটাক (Man-in-the-Middle Attack)
এটি এমন একটি আক্রমণ যেখানে অ্যাটাককারী দুই পক্ষের যোগাযোগের মাঝে এসে তথ্য চুরি বা পরিবর্তন করতে পারে। এখানে পাসওয়ার্ড অনুমান করার জন্য সব সম্ভাব্য কম্বিনেশন ব্যবহার করা হয় না।

ঘ) ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack)
এটি হলো সেই আক্রমণ যেখানে কম্পিউটার প্রোগ্রাম সব সম্ভাব্য পাসওয়ার্ড কম্বিনেশন চেষ্টা করে সঠিক পাসওয়ার্ড খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। তাই, পাসওয়ার্ড অনুমানে সব কম্বিনেশন ব্যবহার করা হয়।

• সাইবার অপরাধ: 
- যেসব অপরাধ অনলাইন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে হয়ে থাকে সেগুলোকে সাইবার অপরাধ বলে। 
- সাইবার অপরাধ সংঘটনে কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইন্টারনেট অবশ্যই ব্যবহৃত হয় আবার কথনো কখনো ডিভাইস বা নেটওয়ার্ক নিজেই সাইবার আক্রমণের শিকার হয়। 
- সাইবার অপরাধীরা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে ফেলতে পারে। তাই সাইবার অপরাধ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা বিষয়ক ঝুঁকি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার উপায় সম্পর্কে জানা সকলের জন্য অতীব জরুরি। 
- ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ রয়েছে, যার মাধ্যমে তথ্যের নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়। 

• ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack): 
- ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক একটি সাইবার আক্রমণ পদ্ধতি, যেখানে আক্রমণকারী কোনো অ্যাকাউন্ট বা সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করতে পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন কী-এর সম্ভাব্য সব সংমিশ্রণকে একে একে চেষ্টা করে। এটি একটি অনুমানভিত্তিক পদ্ধতি, যেখানে আক্রমণকারী পাসওয়ার্ড বা নিরাপত্তা তথ্য সঠিকভাবে জানতে ট্রায়াল এবং এরর (trial and error) পদ্ধতিতে কাজ করে।
- এ ধরনের আক্রমণে আক্রমণকারী সাধারণত স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার বা স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে, যা ধারাবাহিকভাবে সমস্ত সম্ভাব্য পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন কী পরীক্ষণ করে। একে একে বিভিন্ন সম্ভাবনার মাধ্যমে আক্রমণকারী সঠিক পাসওয়ার্ডটি খুঁজে বের করার চেষ্টা চালায়। এই প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ হলেও, শক্তিশালী কম্পিউটার সিস্টেম বা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আক্রমণকারী অনেক সময় সফল হয়।
- ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক সাধারণত কোনো অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড চুরি করতে ব্যবহার করা হয়। আক্রমণকারী যখন সফল হয়, তখন তারা পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল তথ্য চুরি করতে পারে। এই তথ্য চুরির মাধ্যমে তারা আরও সাইবার অপরাধ যেমন অর্থ লেনদেন, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের অপব্যবহার বা অন্যান্য ক্ষতিকর কাজ করতে পারে।
অর্থাৎ, ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ, যেখানে অনুমানভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড বা নিরাপত্তা তথ্য চুরি করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
২১৯.
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি সিস্টেমকে প্রতারণা করে বেআইনিভাবে সুবিধা নেওয়ার জন্য কোন প্রোগ্রাম ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে?
  1. Phishing
  2. Sneaking
  3. Spoofing
  4. Pamming
সঠিক উত্তর:
Spoofing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Spoofing
ব্যাখ্যা

• নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি সিস্টেমকে প্রতারণা করে বেআইনিভাবে সুবিধা নেওয়ার জন্য এমন একটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয় যা ভুয়া তথ্য প্রদর্শন করে এবং বিশ্বাসযোগ্য হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করে। এটি মূলত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত করতে ব্যবহৃত হয়, যাতে তারা সংবেদনশীল তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড, ব্যাংক তথ্য বা ব্যক্তিগত ডেটা প্রদান করে। এই ধরনের আক্রমণকে Spoofing বলা হয়। Spoofing-এ হ্যাকার প্রায়ই একটি ভুয়া আইপি ঠিকানা, ইমেইল, বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ভুক্তভোগীকে বিশ্বাস করায় যে তারা নির্ভরযোগ্য উৎসের সাথে যোগাযোগ করছে। এর ফলে সিকিউরিটি সিস্টেমকে প্রতারিত করা সম্ভব হয় এবং অগোচরে তথ্য চুরি বা সিস্টেমে অনধিকার প্রবেশ ঘটানো যায়।

- সঠিক উত্তর: গ) Spoofing.

স্ফুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

ফিশিং (Phishing): 
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।
 
স্প্যামিং (Spamming):
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে। 
 স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে। 
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২২০.
বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণয়ন করে কোন দেশ?
  1. ডেনমার্ক
  2. যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইংল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- যুক্তরাজ্যে বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা দেশ হিসেবে তৈরি করে ''কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০''। 
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
 
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
• হ্যাকিং
• স্প্যামিং
• সাইবার থেফ্ট
• সাইবার বুলি
• স্ফুফিং
• ফিশিং
• ভিশিং
• স্নিকিং
• প্লেজিয়ারিজম ইত্যাদি। 
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং UK National Crime Agency [Link]. 
২২১.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
  1. ট্রোজান হর্স
  2. ঢাকা ভাইরাস
  3. ভিয়েনা
  4. নরটন
সঠিক উত্তর:
নরটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরটন
ব্যাখ্যা

নরটন হচ্ছে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২২.
Arduino কী?
  1. একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন
  2. একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল
  3. একটি মাইক্রোকন্ট্রোলার বোর্ড
  4. একটি অপারেটিং সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
একটি মাইক্রোকন্ট্রোলার বোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি মাইক্রোকন্ট্রোলার বোর্ড
ব্যাখ্যা

Arduino হলো একটি ওপেন-সোর্স মাইক্রোকন্ট্রোলার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড, যা ইলেকট্রনিক প্রকল্প তৈরি ও প্রোগ্রামিং শেখার জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

Arduino: 
- ওপেন-সোর্স ইলেকট্রনিক্স প্ল্যাটফর্ম যা সহজে ব্যবহারযোগ্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের উপর ভিত্তি করে তৈরি।
- এটি বিভিন্ন সেন্সর, মোটর এবং অন্যান্য ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত হয়ে অটোমেশন, রোবোটিক্স, এবং IoT প্রকল্পে ব্যবহৃত হয়।
- বিভিন্ন ইনপুট পড়তে সক্ষম, যেমন: সেন্সরে আলো পড়া, বোতামে আঙুলের চাপ, টুইটার মেসেজ গ্রহণ ইত্যাদি। 
- প্রোগ্রামিংয়ের জন্য Arduino IDE সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- বহুমুখী প্রয়োগ— রোবোটিক্স, IoT (Internet of Things), অটোমেশন, শিক্ষা, প্রোটোটাইপ ডেভেলপমেন্ট, এবং গবেষণা।

উৎস: Arduino ওয়েবসাইট। 

২২৩.
স্প্যামিং কী?
  1. অনাকাঙ্ক্ষিত মেইল বা বার্তা পাঠানো।
  2. পরোক্ষভাবে সিস্টেমে প্রবেশ করে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া।
  3. বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।
  4. অন্যের লেখা নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া
সঠিক উত্তর:
অনাকাঙ্ক্ষিত মেইল বা বার্তা পাঠানো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনাকাঙ্ক্ষিত মেইল বা বার্তা পাঠানো।
ব্যাখ্যা
স্প্যামিং হচ্ছে অনাকাঙ্ক্ষিত মেইল বা বার্তা পাঠানো।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২২৪.
কোনটি ভাইরাস নয়?
  1. ক) ক্রিপ্টোলকার
  2. খ) লোটাস-১
  3. গ) স্টর্মওয়ার্ম
  4. ঘ) আই লাভ ইউ
সঠিক উত্তর:
খ) লোটাস-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লোটাস-১
ব্যাখ্যা
লোটাস-১ হলো একটি স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম। অন্যদিকে ক্রিপ্টোলকার, স্টর্মওয়ার্ম এবং আই লাভ ইউ হলো তিনটি ভাইরাস। এর মধ্যে আই লাভ ইউ ভাইরাস ২০০০ সালের দিকে বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার সিস্টেমে বিপর্যয় নামিয়ে আনে। ক্রিপ্টোলকার ২০১৩ সালের দিকে আক্রমণ চালায়। অন্যান্য ভাইরাসের মধ্যে সিআইএইচ, ট্রজেন হর্স ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। (সূত্রঃ নরটন এবং আইবিএম ওয়েবসাইট )
২২৫.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. Spamming
  2. Avast
  3. Vishing
  4. Sneaking
সঠিক উত্তর:
Avast
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Avast
ব্যাখ্যা
• 'Avast' সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয়।
- Avast এক ধরনের অ্যান্টিভাইরাস।

• সাইবার অপরাধ:

- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং
- স্প্যামিং
- সাইবার থেফ্ট
- সাইবার বুলি
- স্ফুফিং
- ফিশিং
- ভিশিং
- স্নিকিং
- প্লেজিয়ারিজম
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

• অপশন আলোচনা:
• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২২৬.
কোন ধরনের সাইবার অপরাধে হ্যাকার ব্যবহারকারীর তথ্য ব্লক করে এবং মুক্তিপণ চাইতে পারে?
  1. Ransomware
  2. Data diddling
  3. Debugging
  4. Phishing
সঠিক উত্তর:
Ransomware
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ransomware
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে ক) Ransomware হলো সেই ধরনের সাইবার অপরাধ যেখানে হ্যাকার ব্যবহারকারীর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা পুরো সিস্টেমে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেয় এবং তা পুনরুদ্ধারের জন্য মুক্তিপণ দাবি করে।
সাধারণত ম্যালওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে ফাইলগুলো এনক্রিপ্ট করা হয়, ফলে ব্যবহারকারী নিজের ডেটা আর ব্যবহার করতে পারে না। হ্যাকার নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা (প্রায়ই ক্রিপ্টোকারেন্সিতে) পরিশোধ করলে ডেটা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। Data diddling ডেটা পরিবর্তনের সঙ্গে, Debugging ত্রুটি সংশোধনের সঙ্গে এবং Phishing প্রতারণামূলকভাবে তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত।

• ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software।
- সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়‍্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে।
- অপরপক্ষে ম্যালওয়‍্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়‍্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

উল্লেখ্য,
- Phishing: এটি এক ধরনের সাইবার অপরাধ যেখানে একজন প্রতারক ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে কোনো বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের ছদ্মবেশ ধারণ করে ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন পাসওয়ার্ড বা ক্রেডিট কার্ডের বিবরণ, হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
- Debugging: এটি কোনো অপরাধ নয়। এটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যেখানে কোডের মধ্যে থাকা ভুল বা ত্রুটি (bugs) খুঁজে বের করে তা ঠিক করা হয়।
- Data diddling: এটি এমন একটি সাইবার অপরাধ যেখানে ডেটা ইনপুট হওয়ার সময় বা প্রক্রিয়াকরণের সময় তাতে অবৈধভাবে পরিবর্তন করা হয়। এটি ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চাওয়ার মতো নয়।

তথ্যসূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। ব্রিটানিকা।

২২৭.
ব্রুট ফোর্স আক্রমণ বলতে কী বোঝায়?
  1. পাসওয়ার্ড ভাঙার জন্য সব ধরনের কম্বিনেশন চেষ্টা করা
  2. মানুষকে ফাঁদে ফেলার আক্রমণ (সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং)
  3. সফটওয়্যারের বাগ ব্যবহার করে আক্রমণ
  4. ফিশিং ইমেল পাঠিয়ে আক্রমণ করা
সঠিক উত্তর:
পাসওয়ার্ড ভাঙার জন্য সব ধরনের কম্বিনেশন চেষ্টা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাসওয়ার্ড ভাঙার জন্য সব ধরনের কম্বিনেশন চেষ্টা করা
ব্যাখ্যা

• ব্রুট ফোর্স আক্রমণ হলো একটি ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার পাসওয়ার্ড বা সিকিউরিটি কী ভাঙার জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের কম্বিনেশন পরীক্ষা করে। এটি স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম বা স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে করা হয়, যা ধাপে ধাপে সমস্ত সম্ভাব্য অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্ন মিলিয়ে সঠিক পাসওয়ার্ড বের করার চেষ্টা করে। যদিও এটি সময়সাপেক্ষ, তবে শক্তিশালী বা দুর্বল পাসওয়ার্ডের উপর নির্ভর করে সফল হতে পারে। ব্রুট ফোর্স আক্রমণ সরাসরি কম্পিউটার বা অ্যাকাউন্টে লক্ষ্য করে এবং এটি সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, সফটওয়্যার বাগ বা ফিশিং-এর মতো অন্যান্য পদ্ধতির সাথে আলাদা। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (ক) পাসওয়ার্ড ভাঙার জন্য সব ধরনের কম্বিনেশন চেষ্টা করা।

সাইবার অপরাধ: 
- যেসব অপরাধ অনলাইন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে হয়ে থাকে সেগুলোকে সাইবার অপরাধ বলে।
- সাইবার অপরাধ সংঘটনে কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইন্টারনেট অবশ্যই ব্যবহৃত হয় আবার কথনো কখনো ডিভাইস বা নেটওয়ার্ক নিজেই সাইবার আক্রমণের শিকার হয়।
- সাইবার অপরাধীরা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে ফেলতে পারে। তাই সাইবার অপরাধ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা বিষয়ক ঝুঁকি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার উপায় সম্পর্কে জানা সকলের জন্য অতীব জরুরি। 
- ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ রয়েছে, যার মাধ্যমে তথ্যের নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়। 

- নিচে কিছু সাইবার অপরাধ উল্লেখ করা হলো- 
১। হ্যাকিং (Hacking): 
- সাধারণত অনুমতি ব্যতীত কোনো ওয়েবসাইট বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে তা ব্যবহার করা অথবা তার পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়াকে হ্যাকিং বলে। 
- যে হ্যাকিং করে তাকে হ্যাকার (hcaker) বলে। হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ দুইই হতে পারে। 
- কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের সিস্টেমের সিকিউরিটির পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হ্যাকার নিয়োগ করেন, এই নিয়োগ প্রাপ্ত হ্যাকারদের কাজকে বৈধ হ্যাকিং বলে। এরা সিস্টেম সিকিউরিটি চেক করে; তবে সিস্টেমের কোন ক্ষতি করে না। যেমন-UNIX সিস্টেম চেক করার জন্য অনেক বৈধ হ্যাকার রয়েছে, এদেরকে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার বলা হয়। 
- আবার অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার (craker) বলে। অবৈধ হ্যাকার বা ক্রেকাররা ইন্টারনেট এবং অন্যান্য নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডেটা চুরি অথবা নষ্ট করে দেয়। ফলে সহজেই ক্ষতি সাধন করতে পারে। এদেরকে ব্লাক হ্যাট হ্যাকার বলে। 
- হ্যাকিং অপরাধের প্রবণতা দিনদিন বেড়েই চলেছে, হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সাইবার অপরাধ সংঘটিত হয়। 
- হ্যাকাররা অন্যের ই-মেইল দেখতে পারে, ওয়েব সার্ভারে বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করতে পারে অথবা নেটওয়ার্কে ফাইল চুরি করতে পারে। 

২। ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack): 
- ডিজিটাল মাধ্যমে অপরাধীরা মানুষের বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট যেমন- ব্যাংক, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইমেইল অ্যাকাউন্ট, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটাল ডিভাইসেও অবৈধভাবে প্রবেশ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে এবং ঐ গুলো নিয়ে একের পর এক অনুমান নির্ভর চেষ্টা করে। মাঝে মাঝে তারা সফলও হয় এবং সফল হলে তারা ঐ ব্যক্তির বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে। ঐ চুরি করা ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে তারা বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করে থাকে। এটি এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যা অবশ্যই একটি গুরুতর সাইবার অপরাধ। এই ধরনের সাইবার হামলা ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack) নামে পরিচিত। পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন কি-গুলোর বিভিন্ন সংমিশ্রণ নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে চেষ্টা করে। এটি ট্রায়াল এবং এরর (trial and error) এর উপর নির্ভর করে স্বয়ংক্রিয় সরঞ্জামাদি ব্যবহার করে সঠিকভাবে প্রতিটি বিকল্প খুঁজে সফল না হওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণভাবে চেষ্টা চালিয়ে যায়। 
অর্থাৎ, এই ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক সাইবার আক্রমণে অনুমানভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড চুরি করা হয়। 

৩। ডেটা ইন্টারসেপশন (Data Interception): 
- ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদানের সময় প্রাপক এবং প্রেরকের মধ্যবর্তী কেউ তা আড়ি পেতে চুরি করতে পারে, এই চুরি হবার প্রক্রিয়াটি ডেটা ইন্টারসেপশন নামে পরিচিত। 
- সাধারণত সফটওয়্যার বা অ্যাপস-এ এন্ড টু এন্ড ডেটা এনক্রিপশন করা থাকলে, মধ্যবর্তী কারও পক্ষে তথ্য (ম্যাসেজ, ছবি, ভিডিয়ো, ভয়েস কল রেকর্ড, ডকুমেন্ট ইত্যাদি) চুরি করা অসম্ভব হয়ে যায়। 
- এনক্রিপশন (Encryption) হলো মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে এনকোড করার এমন একটি বিশেষ প্রক্রিয়া যা অনুমোদনহীন কেউ পড়তে বা বুঝতে পারে না। এর ফলে অনুমোদনহীনদের কাছে মেসেজ, ডেটা বা তথ্য দুর্বোধ্য হয়ে থাকে।
- নেটওয়ার্কের পাবলিক পথ দ্বারা যে সকল গোপনীয় ডেটা স্থানান্তরিত হয় তাদেরকে সাধারণত বিশেষ কোডের মাধ্যমে এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ করা হয়, অর্থাৎ ডেটার গোপনীয়তা রক্ষা বা সিকিউরিটির জন্য ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয়। 

৪। ডি ডস আক্রমণ (DDoS-Distributed Denial of Service): 
-  ডিজিটাল জগতে ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়েল অফ সার্ভিস বা ডি ডস আক্রমণ হলো একই সময়ে একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট টার্গেটে আক্রমণ করা। 
- DDoS আক্রমণে একাধিক কম্পিউটার বা ডিভাইস কোনো ওয়েবসাইট বা অনলাইন সেবাকে প্রচুর পরিমাণে ট্র্যাফিকের সাথে প্লাবিত করতে ব্যবহৃত হয়, যার ফলে এটি ধীরগতির হয়ে যায় বা ক্রাশ (crash) হয়ে যায়। 
- এর উদ্দেশ্য হলো সিস্টেমটিকে মোহাবিষ্ট করা যাতে প্রকৃত ব্যবহারকারীরা এটি অ্যাক্সেস বা ব্যবহার করতে না পারে। 

৫। সাইবার বুলিং (Cyber bullying): 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে জোরপূর্বক কোনো কিছু করতে বাধ্য করাকে সাইবার বুলিং বা সাইবার সন্ত্রাস বলা হয়। 
- কাউকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা, হুমকি প্রদান করা, আতঙ্ক সৃষ্টি করা, অনুমতি ব্যতীত কারো ব্যক্তিগত তথ্য বা ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা, সামাজিক মাধ্যমগুলোতে বিভিন্ন স্পর্শকাতর বিষয় সম্পর্কে ভুল তথ্য প্রকাশ করা বা গুজব ছড়ানো, সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা বা সম্প্রদায়গত বিদ্বেষ ছড়ানো এসব কিছুই সাইবার সন্ত্রাসের অন্তর্ভুক্ত। 
- সাইবার সন্ত্রাসের জন্য মোবাইল, কম্পিউটার, ট্যাবলেট ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ওয়েবসাইট, ম্যাসেজ, ই-মেইল ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

২২৮.
কত তারিখে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার চেরনোবিল নামক ভাইরাসে আক্রান্ত হয়?
  1. April 1st
  2. April 26th
  3. December 31st
  4. January 1st
সঠিক উত্তর:
April 26th
উত্তর
সঠিক উত্তর:
April 26th
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২২৯.
কোন ধরনের হ্যাকার সাধারণত ক্ষতিসাধন করে না বরং দক্ষভাবে কাজ করে?
  1. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
  2. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা
হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার সাধারণত ক্ষতিসাধন করে না বরং দক্ষভাবে কাজ করে।

• হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।
খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার: বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৩০.
Which company developed the robot “ASIMO”?
  1. Samsung
  2. Murata Company
  3. Sony Corporation
  4. Honda Company
সঠিক উত্তর:
Honda Company
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Honda Company
ব্যাখ্যা

• “ASIMO” রোবটটি Honda Company দ্বারা নির্মিত।

• আসিমো (ASIMO) রোবট:
- ASIMO হলো মানুষের মতো কাজ করতে সক্ষম একটি উন্নত humanoid robot.
- এটি হাঁটা, দৌড়ানো, সিঁড়ি ভাঙা, হাত নড়াচড়া করা এবং মানুষের সাথে interaction করতে পারে।

• আসিমো রোবটের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান:
- ASIMO রোবটটি তৈরি করেছে Honda Company.
- Honda মূলত একটি জাপানি automobile ও technology–ভিত্তিক কোম্পানি।
- Robotics research–এর অংশ হিসেবে Honda এই রোবটটি উন্নয়ন করে।

• রোবটিক্স (Robotics):
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে যন্ত্র মানুষের মতো কাজ করতে সক্ষম, তাকে রোবট (Robot) বলা হয়।
- যে প্রযুক্তি শাখায় রোবটের নকশা, গঠন, নিয়ন্ত্রণ ও কার্যপ্রণালি নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে রোবটিক্স (Robotics) বলা হয়।

• রোবটিক্স প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- রোবটিক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে রোবটের দর্শন ক্ষমতা, স্পর্শ ক্ষমতা, হাত ও পায়ের সঠিক পরিচালনা, চলাচলের ক্ষমতা এবং শারীরিক মুভমেন্ট বিকশিত হয়েছে।
- রোবটিক্স প্রযুক্তির উন্নয়নের ধারা ক্রমাগত অব্যাহত রয়েছে।

• রোবটের সক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা:
- রোবট অত্যন্ত দ্রুতগামী, ক্লান্তিহীন ও নিখুঁত কর্মক্ষম যন্ত্র।
- রোবটের সাহায্যে মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বা প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করা সম্ভব।
- তবে রোবট তৈরি করা একটি ব্যয়বহুল ও শ্রমসাধ্য প্রক্রিয়া।

• অন্যান্য অপশন:
- Sony Corporation “AIBO” নামের robot তৈরি করেছে।
- Murata Company “Murata Boy” নামের robot তৈরি করেছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩১.
গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের থেকে কীভাবে আলাদা?
  1. গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা সিস্টেম পরীক্ষার জন্য অর্থ পায়
  2. গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে কাজ করে
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা নিরাপত্তা সমস্যার বিষয়ে ভুক্তভোগীদের জানান
  4. গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা কখনও আইন ভঙ্গ করে না
সঠিক উত্তর:
গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা নিরাপত্তা সমস্যার বিষয়ে ভুক্তভোগীদের জানান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা নিরাপত্তা সমস্যার বিষয়ে ভুক্তভোগীদের জানান
ব্যাখ্যা
• গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের থেকে মূলত উদ্দেশ্য ও নৈতিকতার দিক থেকে আলাদা। গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা সাধারণত নিরাপত্তা দুর্বলতা খুঁজে বের করে, কিন্তু ক্ষতি করার পরিবর্তে সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করে। তারা অনেক সময় আইন ভঙ্গ করেও থাকেন, যেমন অনুমতি ছাড়া সিস্টেমে প্রবেশ করা, তবে তাদের উদ্দেশ্য হয় ক্ষতি নয়, বরং নিরাপত্তা উন্নত করা। অন্যদিকে, ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করে ক্ষতি বা ব্যক্তিগত লাভের জন্য কাজ করে। সুতরাং, গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা সমস্যা জানায় এবং অনেক সময় সিস্টেম পরীক্ষার জন্য অর্থ পায় না। তাই উত্তর হবে (গ)।

• হ্যাকিং: 
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। 
যথা: 
১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার: 
- একজন ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটিকে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়। 
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে। 

২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: 
- এ ধরনের হ্যাকাররা বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজই করতে পারে। 
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মতো কাজ করে। 
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে। 

৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: 
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে। 
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৩২.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক
  2. ডেটা ইন্টারসেপশন
  3. ডেটা সিক্যুউরিটি
  4. ডি ডস অ্যাটাক
সঠিক উত্তর:
ডেটা সিক্যুউরিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা সিক্যুউরিটি
ব্যাখ্যা
- ডেটা সিক্যুউরিটি বা ডেটা নিরাপত্তা হল ডিজিটাল তথ্যকে দুর্নীতি, চুরি বা অননুমোদিত অ্যাক্সেস থেকে রক্ষা করার জন্য তার সমগ্র জীবনচক্র জুড়ে সুরক্ষিত করার প্রক্রিয়া। এটি সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত নয়। 

সাইবার অপরাধ:

- যেসব অপরাধ অনলাইন বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে হয়ে থাকে সেগুলোকে সাইবার অপরাধ বলে।
- সাইবার অপরাধ সংঘটনে কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইন্টারনেট অবশ্যই ব্যাবহৃত হয় আবার কখনো কখনো ডিভাইস বা নেটওয়ার্ক নিজেই সাইবার আক্রমণের শিকার হয়।
-সাইবার অপরাধীরা আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে আমাদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে ফেলতে পারে।
-তাই সাইবার অপরাধ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা বিষয়ক ঝুঁকি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার উপায় সম্পর্কে জানা আমাদের সকলের জন্য অতীব জরুরি।
-ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ রয়েছে, যার মাধ্যমে তথ্যের নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়।
-নিচে কিছু সাইবার অপরাধ উল্লেখ করা হলো: 
i) হ্যাকিং (Hacking)
ii) ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack)
iii) ডেটা ইন্টারসেপশন (Data Interception)
iv) ডি ডস অ্যাটাক (DDos Attack)
v) কম্পিউটার ম্যালওয়্যার (Computer Malware) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২৩৩.
কোনটি সাইবার ক্রাইম নয়?
  1. হ্যাকিং
  2. স্নিকিং
  3. সাইবার থেফ্ট
  4. ডিবাগিং
সঠিক উত্তর:
ডিবাগিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিবাগিং
ব্যাখ্যা
• ডিবাগিং সাইবার ক্রাইম নয়।

• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলিং,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং,
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম,
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৩৪.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস এর উদাহরণ?
  1. ট্রোজান হর্স
  2. মিউটেটিং
  3. স্টোন
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: সবগুলোই — ট্রোজান হর্স, মিউটেটিং ও স্টোন—সবই কম্পিউটার ভাইরাসের স্বীকৃত ধরন।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট (Execute) বা নির্বাহ হয়।
- এটি কম্পিউটারের তথ্য ও উপাত্তে আক্রমণ করে এবং বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি সাধন করে।
- ভাইরাস কম্পিউটারের ডাটা ফাইল নষ্ট করতে পারে।
- অনেক ক্ষেত্রে ভাইরাস কম্পিউটারকে বুট হতে বাধা দেয়।
- ভাইরাসের কারণে হার্ডডিস্ক ক্ষতিগ্রস্ত বা অচল হয়ে যেতে পারে।
 
• VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ:
- VIRUS শব্দটির অর্থ হলো—
- Vital Information Resources Under Seize.
- এর অর্থ হলো—গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেওয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
 
• কম্পিউটার ভাইরাসের ইতিহাস:
- ১৯৮০ সালে প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন (Fred Cohen) “কম্পিউটার ভাইরাস” শব্দটির নামকরণ করেন।
- তিনি প্রথম ভাইরাসকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে ছড়িয়ে পড়তে সক্ষম একটি প্রোগ্রাম হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।
 
• কম্পিউটার ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য:
- কম্পিউটারের তথ্য ও উপাত্তে আক্রমণ করে।
- নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে।
- এক পর্যায়ে পুরো কম্পিউটার সিস্টেমকে অচল করে দিতে পারে।
 
• কম্পিউটার ভাইরাসের ধরন:
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী ভাইরাস বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন—
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- ট্রোজান হর্স ভাইরাস,
- ফাইল সংক্রামক ভাইরাস,
- ম্যাক্রো ভাইরাস,
- ওভাররাইটিং ভাইরাস,
- মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস,
- মিউটেটিং ভাইরাস,
- স্টোন ভাইরাস, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩৫.
DDoS Attack হলো একটি-
  1. একটি হ্যাকার গ্রুপ
  2. সাইবার অপরাধ
  3. কম্পিউটার ভাইরাস
  4. সাইবার সিকিউরিটি
সঠিক উত্তর:
সাইবার অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার অপরাধ
ব্যাখ্যা
DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং,
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৩৬.
কোন সাইবার আক্রমণে ভুয়া ওয়াইফাই হটস্পট তৈরি করা হয়?
  1. Evil Twin Attack
  2. Phishing
  3. DDoS Attack
  4. SQL Injection
সঠিক উত্তর:
Evil Twin Attack
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Evil Twin Attack
ব্যাখ্যা

◉ Evil Twin Attack হলো এক ধরনের Wi-Fi based cyber attack, যেখানে আক্রমণকারী একটি ভুয়া (fake) Wi-Fi হটস্পট তৈরি করে, যা আসল নেটওয়ার্কের মতো দেখতে। ব্যবহারকারীরা ভুলে সেই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হলে আক্রমণকারী তাদের পাসওয়ার্ড, ব্যাংকিং তথ্য, ব্যক্তিগত ডেটা চুরি করতে পারে।
এর উদ্দেশ্য হলো ব্যবহারকারীরা যেন আসল নেটওয়ার্কের পরিবর্তে ভুল করে সেই ভুয়া নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়।
- যখন কেউ সেই ভুয়া Wi-Fi-তে সংযুক্ত হয়, তখন তার ইন্টারনেট ব্যবহার সম্পর্কিত সব ডেটা (যেমন পাসওয়ার্ড, মেসেজ, ব্যাংকিং তথ্য ইত্যাদি) আক্রমণকারীর নিয়ন্ত্রণে থাকা সার্ভারের মাধ্যমে যায়। ফলে আক্রমণকারী সহজেই এসব ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারে।
- এ ধরনের আক্রমণ তৈরি করতে আক্রমণকারী শুধু একটি স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট-সক্ষম ডিভাইস এবং কিছু সাধারণ সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে।
- Evil Twin Attack সাধারণত পাবলিক Wi-Fi নেটওয়ার্কে বেশি ঘটে, কারণ এসব নেটওয়ার্কে সুরক্ষা (Security) ব্যবস্থা দুর্বল থাকে এবং ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সহজেই ঝুঁকির মুখে পড়ে।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
Phishing → ভুয়া ইমেইল/ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়া।
DDoS Attack (Distributed Denial of Service) → সার্ভার বা নেটওয়ার্ককে অতিরিক্ত ট্রাফিক পাঠিয়ে অচল করে দেওয়া।
SQL Injection → ডেটাবেসে ক্ষতিকারক SQL কোড ঢুকিয়ে তথ্য চুরি বা পরিবর্তন করা।

সূত্র:
১। ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। Kaspersky ওয়েবসাইট। 

২৩৭.
ইউজার নেম, পাসওয়ার্ডের মত সংবেদনশীল তথ্য চুরির ঘটনাকে বলে-
  1. ক) স্প্যামিং
  2. খ) ফিশিং
  3. গ) প্লেজিয়ারিজম
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ফিশিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফিশিং
ব্যাখ্যা
নির্ভরযোগ্য সত্ত্বার ছদ্মবেশ ধারণ করে ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ডের বিস্তারিত তথ্য, ইউজার নেম, পাসওয়ার্ডের মত সংবেদনশীল তথ্য চুরির ঘটনাকে বলে ফিশিং।
উৎসঃতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান
২৩৮.
সফটওয়্যার পাইরেসি বলতে নিচের কোনটি বুঝায়-
  1. ক) বিনা অনুমতিতে কোনো সফটওয়্যার কপি করা।
  2. খ) বিনা অনুমতিতে কোনো সফটওয়্যার বিতরণ করা।
  3. গ) বিনা অনুমতিতে কোনো সফটওয়্যার আংশিক পরিবর্তন করা।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সফটওয়্যার পাইরেসি (Software Piracy):
- সফটওয়্যার পাইরেসি বলতে প্রস্তুতকারীর বিনা অনুমতিতে কোনো সফটওয়্যার কপি করা, বিতরণ করা, আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া ইত্যাদি কার্যক্রমকে বুঝায়
- অন্যের জিনিস চুরি করার মতো সফটওয়্যার পাইরেসি করাও একটি অপরাধ।
- সফটওয়্যার পাইরেসির কারণে সফটওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২৩৯.
কম্পিউটারের গতি বাড়াতে কোনটি সহায়ক নয়?
  1. অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার অপসারণ
  2. SSD ব্যবহার
  3. অতিরিক্ত RAM সংযোজন
  4. ভাইরাস সংক্রমণ রাখা
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস সংক্রমণ রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস সংক্রমণ রাখা
ব্যাখ্যা
ভাইরাস সংক্রমণ রাখা কম্পিউটারের গতি বাড়াতে সহায়ক নয় বরং এটি পারফরম্যান্স হ্রাসের অন্যতম কারণ।

• কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ:
- বাড়তি RAM সংযোজন: কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করতে অতিরিক্ত RAM লাগানো উচিত।
- সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার: SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় ও দ্রুত কাজ করে।
- রিস্টার্ট করা: দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পর রিস্টার্ট করলে গতি ঠিক থাকে।
- ক্লিন উইন্ডোজ ইনস্টল: ভাইরাস ও সফটওয়্যার বেশি থাকলে নতুনভাবে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে।
- আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার: সর্বশেষ ভার্সনের অ্যান্টিভাইরাস ইন্সটল ও নিয়মিত স্ক্যান
চালাতে হবে।

সোর্স: শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪০.
রোবট 'নিকো' তৈরি করেছে কোন বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা?
  1. ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
  3. গ) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঘ) যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
গ) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
- কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের 'কোয়ান্টা রোবটিক্স' টিম তৈরি করছে 'রোবট নিকো'।
- এরপর পূর্বে তারা রোবট 'সিনা' ও 'ব্লুবেরি'র তৈরি করেছিল।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে 'রোবট নিকো'।
- রাসবেরি পাই নামে ক্ষুদ্র কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়েছে; যা কাজ করবে নিকোর মস্তিষ্ক হিসেবে।
২৪১.
SSL এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Switch Socket Layer
  2. খ) Secure Socket Layer
  3. গ) Secure Switch Layer
  4. ঘ) Security Side Layer
সঠিক উত্তর:
খ) Secure Socket Layer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Secure Socket Layer
ব্যাখ্যা
SSL এর পূর্ণরূপ Secure Socket Layer.
ওয়েব সাইটের নিরাপত্তা সার্টিফিকেটের নাম SSL.
স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান যারা SSL certificate দিয়ে থাকে- 
- Sectigo
- Digicert
- Global Sign
- Cloudfare
২৪২.
'মুরাতা বয়' রোবটের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) হোন্ডা কোম্পানি
  2. খ) জাপানের মুরাতা কোম্পানি
  3. গ) সনি কর্পোরেশন
  4. ঘ) হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
খ) জাপানের মুরাতা কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জাপানের মুরাতা কোম্পানি
ব্যাখ্যা
জাপানের মুরাতা কোম্পানির 'মুরাতা বয়', হোন্ডা কোম্পানির 'আসিমো' এবং সনি কর্পোরেশনের 'আইবো' ইত্যাদি রোবট প্রায় মানুষের মতোই বিশেষ কোনো কাজ করতে পারে। আর সোফিয়া হচ্ছে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্স এর তৈরি রোবট।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৪৩.
কোন ধরনের ম্যালওয়্যার কম্পিউটারে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে?
  1. ক) Adware
  2. খ) Rootkits
  3. গ) Worms
  4. ঘ) Ransomware
সঠিক উত্তর:
ক) Adware
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Adware
ব্যাখ্যা
Malware (ম্যালওয়ার) 
• Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.

• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে -
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware)
- Keyloggers
- Rootkits
- ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

• বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত ম্যালওয়্যার হলো অ্যাডওয়্যার (Adware).
• সকল Malware কম্পিউটারের ভাইরাস নয়; কিন্তু সকল ভাইরাস Malware.

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
২৪৪.
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার কোনটি?
  1. Torjan Horse
  2. Boot Sector
  3. Norton
  4. Marcro
সঠিক উত্তর:
Norton
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Norton
ব্যাখ্যা
Virus = Vital Information Resource Under Siege.
» কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসঃ
- Trojan Horse,Perrin.exe,BUDDY LST.ZIP,Boot Sector virus,Macro virus, Overwriting virus etc.
কয়েকটি এন্টি ভাইরাস:
- Macafee Antivirus,Norton Antivirus,IBM antivirus,Thunder Byte antivirus,Red alert antivirus, Norman etc.

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই।
২৪৫.
র‍্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের-
  1. ফায়ারওয়াল
  2. ম্যালওয়্যার
  3. ফার্মওয়্যার
  4. ফ্রিওয়্যার
সঠিক উত্তর:
ম্যালওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যালওয়্যার
ব্যাখ্যা
• র‍্যানসমওয়্যার:
- ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
- র‍্যানসমওয়্যার নামটিই প্রকাশ করে যে, কম্পিউটারের ফাইল আটকে অর্থ নেওয়ার জন্য এটা করা হয়।
- কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে।
- যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
- সাধারণত একটি এনক্রিপশন কি বা প্রোগ্রাম চাবি ব্যবহার করে ফাইল আটকানো হয়।
- ওই চাবি সম্পর্কে তথ্য কেবল আক্রমণকারীর জানা থাকে।
- যদি অর্থ পরিশোধ করা না হয় তখন তথ্য পুরোপুরি মুছে ফেলার ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, ৯ম-১০ম শ্রেণি। [ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ]
২৪৬.
প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের ধারণা, নকশা, উৎপাদন, কার্যক্রম কিংবা ব্যবহার বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট তাকে কী বলে?
  1. ক) রোবটিক্স
  2. খ) বায়োমেট্রিক্স
  3. গ) বায়োইনফরমেটিক্স
  4. ঘ) বিহেভিয়ার
সঠিক উত্তর:
ক) রোবটিক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রোবটিক্স
ব্যাখ্যা
রোবটিক্স:
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে তাকে বলা হয় রোবট।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে রোবটের দর্শন ক্ষমতা, স্পর্শ ক্ষমতা, হাত ও পায়ের যথাযথ পরিচালন, চলাচলের ক্ষমতা, শারীরিক মুভমেন্ট ইত্যাদি উদ্ভব হয়েছে। 
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির 'মুরাতা বয়', হোন্ডা কোম্পানির 'আসিমো', সনি কর্পোরেশনের 'আইবো' ইত্যাদি রোবট প্রায় মানুষের মতই বিশেষ কোনো কাজ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪৭.
যে ভাইরাস নিজের স্বয়ংক্রিয় কপি তৈরি করে তাকে কী বলা হয়?
  1. অ্যাডওয়্যার
  2. ট্রোজান হর্স
  3. স্পাইওয়্যার
  4. ওয়ার্ম
সঠিক উত্তর:
ওয়ার্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ার্ম
ব্যাখ্যা

• ওয়ার্ম ভাইরাস নিজেই নিজের প্রতিলিপি তৈরি করে।

• কম্পিউটার ওয়ার্ম:
- কম্পিউটার ওয়ার্ম হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম, যা নিজেই নিজের কপি করে অন্য কম্পিউটারে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে।
- নিজের অনুলিপি তৈরি করতে এটির কোন 'হোস্ট' বা কোন সাহায্যের প্রয়োজন হয় না।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে এবং তার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে।
- এই ভাইরাস বাহ্যিক উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে এবং গোপনে বিস্তার লাভ করে, ফলে মূল্যবান প্রোগ্রাম এবং তথ্য নষ্ট হতে পারে, এমনকি অনেক সময় এটি কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।

উল্লেখ্য,
- এডওয়্যার: বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাস।
- ট্রোজান হর্স : এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা গোপনে সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।

 উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪৮.
সাইবার অপরাধ নিবারণের সবচেয়ে কার্যকর পন্থা কী?
  1. অপরাধ ঘটার আগেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা
  2. অপরাধীকে খুঁজে বের করা
  3. ইন্টারনেটে নিয়মিত তল্লাশি করা
  4. বেশি সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করা
সঠিক উত্তর:
অপরাধ ঘটার আগেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ ঘটার আগেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা
ব্যাখ্যা
অপরাধ ঘটে যাবার পর তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার চেয়ে অপরাধ যাতে না ঘটে সে ধরনের নিবারণমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সর্বদাই উত্তম।

• সাইবার অপরাধ নিবারণে করণীয়:

- নিজের একান্ত গোপন তথ্য অপরের নিকট উপস্থাপনা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- অনলাইনে সর্বদা নিজের বা পরিচিতজনের কোনো ফটোগ্রাফি অচেনা কিংবা কোনো চ্যাটের বন্ধুর নিকট পাঠানো উচিত নয়। কেননা ঐ ধরনের ফটোগ্রাফি কোনো খারাপ কাজে ব্যবহার হতে পারে।
- ভাইরাস এ্যাটাক প্রতিরোধ করতে সর্বদা নতুন এবং আপগ্রেড অ্যান্টি-ভাইরাস ব্যবহার করতে হবে।
- গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সর্বদা ব্যাকআপ রাখা উচিত যেন ভাইরাস এ্যাটাকের ফলে ঐ ডেটা চিরকালের মতো হারিয়ে না যায়।
- আর্থিকভাবে ঝুঁকিমুক্ত থাকতে কখনোই কোনো অনিরাপদ ওয়েবসাইটে ক্রেডিট কার্ডের নম্বর প্রদান করা উচিত নয়।
- শিশুরা যেন ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর সময় কোনো অযাচিত সাইটে এক্সেস না করে সেজন্য তার ব্রাউজিং এর দিকে সর্বদা নজর রাখা উচিত।
- ব্রাউজিং এর সময় অবশ্যই কোনো সিকিউরিটি প্রোগ্রাম করা উচিত যেগুলো ঝুঁকিসমূহকে নিয়ন্ত্রণ করবে এবং ক্ষতিকর ঝুঁকিগুলো ফেরত পাঠাবে।
- ওয়েব সাইটের অধিকারীগণের সর্বদা এর ট্র্যাফিক এবং এতে কোনো অনিয়মিত কিছু ঘটেছে কিনা তা পরীক্ষা করা।
- ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২৪৯.
কোন সাইবার আক্রমণ সার্ভারে অতিরিক্ত ট্রাফিক পাঠিয়ে সেটিকে বন্ধ করে দেয়?
  1. Ransomware
  2. DDoS Attack
  3. Phishing
  4. Evil Twin Attack
সঠিক উত্তর:
DDoS Attack
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DDoS Attack
ব্যাখ্যা

• যে সাইবার আক্রমণে হ্যাকাররা সার্ভারের প্রতি অতিরিক্ত ট্রাফিক বা অনুরোধ পাঠায়, সেটি সার্ভারের ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং সার্ভার ধীরে ধীরে প্রতিক্রিয়াহীন বা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এই ধরনের আক্রমণকে DDoS Attack (Distributed Denial of Service Attack) বলা হয়। এখানে একাধিক কম্পিউটার বা যন্ত্রকে ব্যবহার করে একই সময়ে লক্ষ্যবস্তু সার্ভারে প্রচুর অনুরোধ পাঠানো হয়, যাতে সার্ভার সেই চাপ সামলাতে না পারে। এর ফলে ব্যবহারকারীরা সার্ভারে প্রবেশ করতে বা পরিষেবা গ্রহণ করতে পারবে না। 

• DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং,
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম ইত্যাদি।

অন্যান্য অপশন:
- Evil Twin Attack: একটি ভুয়া ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক তৈরি করে তথ্য চুরির কৌশল।
- Phishing: এটি ছদ্মবেশ ধারণ করে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি।
- Ransomware: এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর ফাইল লক করে মুক্তিপণ দাবি করে।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- ব্রিটানিকা।

২৫০.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস?
  1. SQL
  2. Blueray
  3. CIH
  4. SPSS
সঠিক উত্তর:
CIH
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CIH
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস:
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো: ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।
-সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল (Chernobyl) ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।

• SQL হলো ডেটাবেজ মেনেজমেন্ট প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। 
• Blueray হচ্ছে অপটিক্যাল স্টোরেজ সিস্টেম।
• SPSS হলো Statistical software.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫১.
রোবটের হাত ও পায়ের পেশী বলে অভিহিত করা হয় কোনটিকে?
  1. অ্যাকচুয়েটর
  2. সিমুলেটর
  3. এনিমেটর
  4. হ্যানসন
সঠিক উত্তর:
অ্যাকচুয়েটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাকচুয়েটর
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স (Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়। 
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'। 
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক অসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ। 
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল। 
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট। 
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ। 
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের হাত-পা অথবা বিশেষ ভাবে তৈরি কোন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নড়াচড়া করার জন্য কতগুলো বৈদ্যুতিক মটরের সম্বন্বয়ে তৈরি বিশেষ ব্যবস্থা হলো অ্যাকচুয়েটর। - একে রোবটের হাত ও পায়ের পেশী বলেও অভিহিত করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৫২.
কম্পিউটারকে হ্যাকিং এর হাত থেকে রক্ষা করে কোনটি?
  1. সফটওয়্যার
  2. ফায়ারওয়াল
  3. কম্পিউটার ভাইরাস
  4. ম্যালওয়ার
সঠিক উত্তর:
ফায়ারওয়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফায়ারওয়াল
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল কম্পিউটারকে হ্যাকিং এর হাত থেকে রক্ষা করে।

• ফায়ারওয়াল:

- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে।
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না।
- শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ব্রিটানিকা
২৫৩.
মহাকাশ গবেষণায় কোন রোবটটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Curiosity
  2. খ) Superflex
  3. গ) Amazon Echo
  4. ঘ) Robo Brain
সঠিক উত্তর:
ক) Curiosity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Curiosity
ব্যাখ্যা

কিউরিওসিটি রোভার ২০১২ খ্রিস্টাব্দে মঙ্গল গ্রহে নাসার প্রেরিত চতুর্থ রোবটযান।
মঙ্গল গবেষণার ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত (২০১২) নাসার বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বড় সাফল্য।
সূত্র: NASA ওয়েবসাইট

২৫৪.
কোন মাধ্যমটি স্প্যামের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. টেলিভিশন বিজ্ঞাপন
  2. সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট
  3. ফোন কল
  4. ইমেইল
সঠিক উত্তর:
ইমেইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইমেইল
ব্যাখ্যা
• স্প্যামের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মাধ্যম হলো ইমেইল। কারণ ইমেইল সহজেই অনেক মানুষের কাছে দ্রুত পাঠানো যায় এবং খরচও তুলনামূলক কম। স্প্যামাররা সাধারণত ইমেইলের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন, ছদ্মবেশী প্রস্তাবনা, ফিশিং লিংক, বা ক্ষতিকর সফটওয়্যার পাঠিয়ে ব্যবহারকারীদের ধোঁকা দেয়। এছাড়া ইমেইল অ্যাকাউন্ট সহজে তৈরি করা যায়, যা স্প্যাম প্রচারে সহায়ক। অন্যদিকে, টেলিভিশন বিজ্ঞাপন এবং ফোন কলে খরচ বেশি হয় এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় স্প্যাম কম লক্ষ্য করা যায়, কারণ সেখানে নিয়মিত নজরদারি থাকে। তাই ইমেইল স্প্যাম সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

• সাইবার অপরাধ: 
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে। 
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হচ্ছে- 

• ভিশিং (Vishing): 
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। 

• স্প্যামিং (Spamming): 
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। 
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়। 

• স্পুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

• স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৫৫.
ম্যালওয়্যারের উদাহরণ হিসেবে কোনটি প্রযোজ্য নয়?
  1. ওয়ার্ম
  2. অ্যাডওয়্যার
  3. র‍্যানসমওয়্যার
  4. ফায়ারওয়াল
সঠিক উত্তর:
ফায়ারওয়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফায়ারওয়াল
ব্যাখ্যা

ফায়ারওয়াল একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা অননুমোদিত প্রবেশ থেকে কম্পিউটার সিস্টেমকে রক্ষা করে।

• Malware (ম্যালওয়ার):
- Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণরূপ হলো Malicious Software.
- ম্যালওয়্যার হলো ক্ষতিকর সফটওয়্যার যা সিস্টেমে অননুমোদিত প্রবেশ, তথ্য চুরি বা ক্ষতি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে: অ্যাডওয়্যার (Adware), স্পাইওয়্যার (Spyware), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware), ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

• ফায়ারওয়াল:
- একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা অননুমোদিত প্রবেশ থেকে কম্পিউটার সিস্টেমকে রক্ষা করে। এটি কোনো ম্যালওয়্যার নয়, বরং ম্যালওয়্যার প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল।
- ফায়ারওয়াল কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের মধ্যে ডেটা ট্র্যাফিকের ওপর নজর রাখে এবং ক্ষতিকর ডেটা বা প্রোগ্রামকে সিস্টেমে প্রবেশ করতে বাধা দেয়।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল),
২। ব্রিটানিকা।

২৫৬.
যে ম্যালওয়‍্যার একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে -
  1. ওয়ার্ম
  2. র‍্যানসমওয়‍্যার
  3. ট্রোজান হর্স
  4. স্পাইওয়্যার
সঠিক উত্তর:
র‍্যানসমওয়‍্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যানসমওয়‍্যার
ব্যাখ্যা

ম্যালওয়্যার:
- ম্যালওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলাে Malicious Software. 
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলাের মধ্যে রয়েছে- 
- অ্যাডওয়্যার (Adware), 
- স্পাইওয়্যার (Spyware), 
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), 
- ওয়ার্ম (worms) প্রভৃতি। 
- আর্থিক প্রতারণা ও অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলােকেও অ্যাডভান্স লেভেল ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যেমন: র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware)।

র‍্যানসমওয়্যার: 
- র‍্যানসমওয়‍্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়‍্যার যেটি একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা (Accessibility) সীমাবদ্ধ করে দেয়, গুরুত্বপূর্ণ ফোল্ডার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- যেহেতু এটি মুক্তিপণ আদায়কারী সফ্টওয়্যার হিসেবে পরিচিত তাই মুক্তিপণের ইংরেজি শব্দ Ransom এবং সফ্টওয়্যারের ইংরেজি শব্দ Software এর সংক্ষিপ্তরূপ থেকেই এই নামকরণ অর্থাৎ Ransom + Software = Ransomware. 
- কিছু র‍্যানসমওয়‍্যার সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী (Large Key) দিয়ে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে ফেলে।
- এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব।
- এছাড়াও কেউ কেউ সরল একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সিস্টেম লক করে দেয় এবং ডিসপ্লেতে বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
২. বাংলাদেশ ব্যাংক পরিক্রমা। [লিংক] 

২৫৭.
নিচের কোনটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড?
  1. ক) Rubel1234
  2. খ) $3Tr#345wE#Feb21S
  3. গ) SBAS
  4. ঘ) #Assistant#BB#Dhaka#
সঠিক উত্তর:
খ) $3Tr#345wE#Feb21S
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) $3Tr#345wE#Feb21S
ব্যাখ্যা
- মূলত পাসওয়ার্ড বলতে বোঝায় একটি মৌলিক সুরক্ষা ব্যবস্থা যা বর্ণমালা, সংখ্যাসূচক, বর্ণানুক্রমিক এবং প্রতীকী অক্ষর বা একটি সংমিশ্রণ ব্যবহার করে তৈরি একটি কোড।
- পাসওয়ার্ডকে অ্যাক্সেস কোড, পিন বা গোপন কোডও বলা যেতে পারে। 

পাসওয়ার্ড নির্বাচনে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে- 
- নিজের বা পরিবারের কারাে নাম বা ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার না করা।
- সংখ্যা, চিহ্ন ও অক্ষর ব্যবহারের ক্ষেত্রে ছােটো হাতের ও বড় হাতের দুই ধরনের অক্ষর মিশিয়ে নেয়া ভালাে।
- পাসওয়ার্ডটি বড় আকারের করা।
- পাসওয়ার্ড মনে রাখার জন্য নিজের পছন্দমত সংকেত ব্যবহার করা।


কঠিন পাসওয়ার্ড দিন:
আপনার কম্পিউটার, মোবাইলে, ইমেইলে সব সময় hard পাসওয়ার্ড দেওয়ার চেষ্টা করুন। 1-8, আটটা 1 এই সমস্ত পাসওয়ার্ড দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। পাসওয়ার্ড এ সব সময় @, নাম্বার, বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর ব্যবহার।

সূত্র: TCNJ College of New Jersey Website
২৫৮.
ব্যবহারকারীকে এসএমএস বা ই-মেইলের মাধ্যমে প্রতারণামূলক ওয়েবসাইটে নিয়ে গিয়ে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করার কৌশলটির নাম কী?
  1. Phishing
  2. Sneaking
  3. Debugging
  4. Plagiarism
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Phishing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phishing
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: ক) Phishing.

Phishing হল একটি সাইবার আক্রমণের কৌশল, যেখানে প্রতারকরা ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে মিথ্যা বা প্রতারণামূলক ওয়েবসাইট, ই-মেইল বা SMS ব্যবহার করে। তারা প্রায়ই বৈধ সংস্থার নাম বা লোগো ব্যবহার করে ব্যবহারকারীকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে তারা একটি নিরাপদ এবং পরিচিত প্ল্যাটফর্মে রয়েছে। এর ফলে ব্যবহারকারী তাদের লগইন তথ্য, পাসওয়ার্ড, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য বা ক্রেডিট কার্ডের বিবরণ প্রবেশ করালে তা চোরাই হয়। Phishing-এর লক্ষ্য হলো মানুষের বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে তাদের ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য হাতিয়ে নেওয়া। এটি আধুনিক ডিজিটাল নিরাপত্তার বড় হুমকি।

• সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

•বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

• হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। ।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

• ডিবাগিং (Debugging):
- প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে ডিবাগিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৫৯.
যেসব রোবট ঘূর্ণন ছাড়াই একাধিক দিক দিয়ে চলতে সক্ষম, সেগুলোকে বলা হয়:
  1. হুইল্ড রোবট
  2. লেগ রোবট
  3. হিউম্যানয়েড রোবট
  4. ওমনি-ডিরেকশনাল রোবট
সঠিক উত্তর:
ওমনি-ডিরেকশনাল রোবট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওমনি-ডিরেকশনাল রোবট
ব্যাখ্যা

• যেসব রোবট ঘূর্ণন ছাড়াই একাধিক দিক দিয়ে চলতে সক্ষম, সেগুলোকে ওমনি-ডিরেকশনাল রোবট বলা হয়। এই রোবটগুলোতে বিশেষ ধরনের চাকা থাকে, যা একদিকে ঘোরার পাশাপাশি পাশের দিকে বা তির্যকভাবে চলার ক্ষমতা দেয়। ফলে রোবটটি কোন স্থান পরিবর্তনের জন্য ঘূর্ণন করতে হয় না, বরং সরাসরি যেকোনো দিক দিয়ে চলতে পারে। এর ফলে ঘনবসতি বা জটিল পরিবেশে দ্রুত এবং নিখুঁতভাবে গতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়। সাধারণ হুইল্ড বা লেগ রোবটের তুলনায়, ওমনি-ডিরেকশনাল রোবট স্থানসংকুলে বা ফ্যাক্টরিতে মালামাল পরিবহনে অনেক বেশি কার্যকর। এটি স্বয়ংচালিত গাড়ি ও অটোমেশন সিস্টেমেও ব্যবহৃত হয়।

উত্তর: ঘ) ওমনি-ডিরেকশনাল রোবট। 

• রোবট:
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে তাকে বলা হয় রোবট।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'।
- স্যামসাং কোম্পানির রোবট 'রোবোরো'।
- হংকং ভিত্তিক হ্যানসন রোবটিক্স কোম্পানির রোবট 'সোফিয়া'।
- সনি কর্পোরেশন কোম্পানির রোবট 'আইবো'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।

• বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন ক্ষেত্রে রোবটকে ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন-
- শিল্পের বিপজ্জনক ও কঠিন কাজ করা।
- বৃহৎ মেশিনের কষ্টদায়ক যন্ত্রপাতির সংযোজন।
- খনি হতে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ উত্তোলন।
- মহাকাশ গবেষণায় রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে।
- মহাশূন্যের ছবি সংগ্রহ।
- ক্ষতিকর বিস্ফোরক সনাক্তকরণে।
- গৃহস্থালীর কাজে রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে।
- গভীর অরণ্য কিংবা বহুদূরত্বে শত্রুর উপস্থিতির প্রমাণে।
- শিল্প কারখানায় দ্রুত উৎপাদন কার্য হাসিলে রোবটের ব্যবহার হচ্ছে; ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬০.
প্রথম নাগরিকতাপ্রাপ্ত রোবটের নাম কী?
  1. ডলি
  2. ইউনিমেট
  3. সোফিয়া
  4. ফানুক
সঠিক উত্তর:
সোফিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোফিয়া
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স (Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন, পরিচালনা ও প্রয়োগের বিষয় আলোচনা করা হয়, তাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত একটি ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যন্ত্র, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের মতো কাজ করতে সক্ষম।
- 'রোবটিক্স' শব্দটি এসেছে 'রোবট' থেকে, যা প্রথম ব্যবহার করা হয় চেক লেখক কারেল কাপেকের ১৯২০ সালে প্রকাশিত নাটকে।
- রোবট শব্দটি স্লাভিক শব্দ "Robota" থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী, 'রোবটিক্স' শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয় ১৯৪১ সালে আইজাক অসিমভের সায়েন্স ফিকশন "লায়ার"-এ।

• রোবট সোফিয়া:
- রোবট সোফিয়া তৈরি করেছে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিকস।
- এর মূল নির্মাতা ডেভিড হ্যানসন (David Hanson)।
- রোবট সোফিয়াকে নকশা করা হয় হলিউডের ব্রিটিশ অভিনয় শিল্পী অড্রে হেপবার্ন এর মত করে।
- রোবট সোফিয়াকে ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল থেকে সক্রিয় করা হয়।
- ২০১৭ সালের অক্টোবরে সৌদি আরবের নাগরিকত্ব দেয়া হয় এই রোবটকে এবং এটিই প্রথম রোবট যে কোন দেশের নাগরিকত্ব লাভ করে।
- ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি উৎসব ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে অংশ নিয়েছে সিঙ্গাপুরের তৈরি ও সৌদি আরবের নাগরিকত্ব পাওয়া এই রোবট সোফিয়া। এটি প্রায় ৫০ ধরনের ভাবভঙ্গি দেখাতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৬১.
প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম কী?
  1. ASIMO
  2. Sophia
  3. Unimate
  4. Atlas
সঠিক উত্তর:
Unimate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Unimate
ব্যাখ্যা

• Unimate: প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট, কারখানায় স্বয়ংক্রিয় কাজের জন্য ব্যবহৃত।

• রোবটিক্স(Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কার্যপদ্ধতি ও প্রয়োগক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার(Joseph Frederick Engelberger)–কে রোবটিক্সের জনক(Father of Robotics) বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্ট বা গতি সৃষ্টির জন্য রোবটিক্সে অ্যাকচুয়েটর(Actuator) ব্যবহার করা হয়।

• রোবট ও রোবটিক্স শব্দের উৎপত্তি:
- Robotics শব্দটি এসেছে Robot শব্দ থেকে।
- Robot শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক(Karel Čapek)–এর একটি নাটকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে স্লাভিক শব্দ “Robota” থেকে, যার অর্থ হলো শ্রমিক(Labourer)।
 
• প্রথম রোবট ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট:
- আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল(George Charles Devol) প্রথম রোবট তৈরি করেন।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল “Unimate”।
- Unimate রোবট প্রকল্পের উদ্যোক্তা ছিলেন জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার, যিনি শিল্পক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার জনপ্রিয় করেন।

• অন্যান্য অপশন:
- ASIMO: হিউম্যানয়েড রোবট, যা মানুষের মতো বিভিন্ন কাজ করতে পারে।
- Sophia: সামাজিক ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক রোবট।
- Atlas: উন্নত গবেষণামূলক হিউম্যানয়েড রোবট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২৬২.
Who first introduced the term “computer virus”?
  1. Alan Turing
  2. Bill Gates
  3. Fred Cohen
  4. Tim Berners-Lee
সঠিক উত্তর:
Fred Cohen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fred Cohen
ব্যাখ্যা

• “Computer Virus” শব্দটির নামকরণ করেন Fred Cohen.

• Fred Cohen:
- Fred Cohen ছিলেন একজন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক।
- তিনি কম্পিউটার নিরাপত্তা ও ভাইরাস গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

• কম্পিউটার ভাইরাস শব্দের ইতিহাস:
- ১৯৮৩ সালের ১০ নভেম্বর Fred Cohen প্রথম “Computer Virus” শব্দটির ব্যবহার করেন।
- তিনি কম্পিউটার ভাইরাসকে এমন একটি প্রোগ্রাম হিসেবে ব্যাখ্যা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে ছড়িয়ে পড়তে সক্ষম।

• Fred Cohen–এর অবদান:
- তিনি প্রথম দেখান যে একটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম কীভাবে নিজেকে কপি করে অন্য ফাইল বা সিস্টেমে সংক্রমিত করতে পারে।
- তাঁর গবেষণার মাধ্যমেই কম্পিউটার ভাইরাস একটি স্বীকৃত প্রযুক্তিগত ধারণা হিসেবে পরিচিত হয়।

• কম্পিউটার ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য:
- ভাইরাস কম্পিউটারের তথ্য ও উপাত্তে আক্রমণ করে।
- নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রাখে।
- এক পর্যায়ে পুরো কম্পিউটার সিস্টেমকে অচল করে দিতে পারে।

• অন্যান্য অপশন:
- Alan Turing আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক হিসেবে পরিচিত।
- Bill Gates Microsoft–এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
- Tim Berners-Lee World Wide Web (WWW)–এর উদ্ভাবক।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬৩.
কোন হ্যাকাররা সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে আর্থিক বা তথ্যগত ক্ষতি করে?
  1. ডার্ক হ্যাট হ্যাকার
  2. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
  3. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  4. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
সঠিক উত্তর:
ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা

• যে হ্যাকাররা সিস্টেমে বেআইনিভাবে অনুপ্রবেশ করে এবং ব্যক্তিগত, আর্থিক বা সংবেদনশীল তথ্য চুরি বা ক্ষতি করে, তাদের বলা হয় ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার। তারা সাধারণত তাদের নিজের স্বার্থে বা মুনাফার উদ্দেশ্যে এই ধরনের কাজ করে। ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকাররা কম্পিউটার সিস্টেমের নিরাপত্তার ফাঁকফোকর খুঁজে বের করে এবং তা ভেঙে ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি, ম্যালওয়্যার ছড়ানো বা অর্থনৈতিক ক্ষতি ঘটাতে পারে। তারা কোন ধরনের অনুমতি ছাড়া কাজ করে, ফলে আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। তাই সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকারদের অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে দেখা হয়।

• হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।

খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২৬৪.
প্রতারণার মাধ্যমে কারো কাছ থেকে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করাকে বলে-
  1. ক) স্প্যামিং
  2. খ) হ্যাকিং
  3. গ) পাইরেসি
  4. ঘ) ফিশিং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিশিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফিশিং
ব্যাখ্যা

- প্রতারণার মাধ্যমে কারো কাছ থেকে ব্যক্তিগত তথ্য যেমন- ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ইত্যাদি সংগ্রহ করাকে ফিশিং বলে।
- সদ্য প্রকাশিত গান বা সিনেমার mp3 বা মুভি ফাইল ইন্টারনেট শেয়ার করাকে পাইরেসি বলে।
- স্প্যামিং হচ্ছে ই-মেইল একাউন্টে অচেনা ও অপ্রয়োজনীয় ই-মেইল আসা যা আমাদের বিরক্তি ঘটায়।
- হ্যাকিং হচ্ছে সাধারণত অনুমতি ছাড়া কোন কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করা অথবা কোন কম্পিউটারকে মোহচ্ছন্ন করে তা পুরো নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়া।

২৬৫.
রোবট সোফিয়ার মূল নির্মাতা কে?
  1. মার্শাল ম্যকলুহান
  2. ফানুক হ্যানসন
  3. অড্রে হেপবার্ন
  4. ডেভিড হ্যানসন
সঠিক উত্তর:
ডেভিড হ্যানসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেভিড হ্যানসন
ব্যাখ্যা
• রোবট সোফিয়া:
- রোবট সোফিয়া তৈরি করেছে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিকস।
- এর মূল নির্মাতা ডেভিড হ্যানসন (David Hanson)।
- রোবট সোফিয়াকে নকশা করা হয় হলিউডের ব্রিটিশ অভিনয় শিল্পী অড্রে হেপবার্ন এর মত করে।
- রোবট সোফিয়াকে ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল থেকে সক্রিয় করা হয়।
- ২০১৭ সালের অক্টোবরে সৌদি আরবের নাগরিকত্ব দেয়া হয় এই রোবটকে এবং এটিই প্রথম রোবট যে কোন দেশের নাগরিকত্ব লাভ করে।
- ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি উৎসব ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে অংশ নিয়েছে হংকং-এর তৈরি ও সৌদি আরবের নাগরিকত্ব পাওয়া এই রোবট সোফিয়া।
- এটি প্রায় ৫০ ধরনের ভাবভঙ্গি দেখাতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৬৬.
মেসেজ বা ই-মেইলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে ভুয়া ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে তার সংবেদনশীল তথ্য চুরি করার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. Phishing
  2. Sneaking
  3. Debugging
  4. Plagiarism
সঠিক উত্তর:
Phishing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phishing
ব্যাখ্যা

• মেসেজ বা ই-মেইলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে ভুয়া ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে তার সংবেদনশীল তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড, ব্যাংক তথ্য বা ব্যক্তিগত ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াকে Phishing বলা হয়। এই পদ্ধতিতে প্রতারকরা নিজেকে বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান বা পরিচিত ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে, যাতে ব্যবহারকারী সহজেই বিভ্রান্ত হয়। সাধারণত আকর্ষণীয় লিংক, জরুরি বার্তা বা ভয়ের ভাষা ব্যবহার করে ব্যবহারকারীকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করা হয়। ফিশিং আক্রমণের ফলে আর্থিক ক্ষতি, পরিচয় চুরি এবং গোপনীয়তা লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই অচেনা লিংক বা সন্দেহজনক ই-মেইল থেকে সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি।
- সঠিক উত্তর: ক) Phishing.

• সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

•বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

• হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। ।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

• ডিবাগিং (Debugging):
- প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে ডিবাগিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৬৭.
কুকিজ কোথায় জমা হয়?
  1. রমে
  2. ক্যাশ মেমোরিতে
  3. হার্ড ডিস্কে
  4. র‍্যামে
সঠিক উত্তর:
ক্যাশ মেমোরিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাশ মেমোরিতে
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেট ব্যবহার এখন অনেক সহজলভ্য এবং এটি অনেক উপকারে আসে ।
- ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
- এতে কম্পিউটারের কাজের গতি হ্রাস পায়।
- প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পর পর ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করতে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২৬৮.
নকল বা ফেইক ওয়েবসাইট দিয়ে কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করাকে কী বলে?
  1. Man-in-the-Middle
  2. স্প্যামিং
  3. DoS
  4. ফিশিং
সঠিক উত্তর:
ফিশিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিশিং
ব্যাখ্যা
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

স্প্যামিং (Spaming) :
- অনাকাঙিক্ষত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানােকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়। যখন কোনাে ব্যবহারকারী কোনাে ওয়েবসাইট ভিজিট করেন বা কোনাে গ্রুপের মেসেজ বাের্ডে প্রবেশ করেন তখন স্প্যামাররা সেখান থেকে ই-মেইল অ্যাড্রেস সংগ্রহ করে। ব্যবহারকারীর ই-মেইলে বিভিন্ন প্রতারণামূলক মেসেজ পাঠায়।
 
• DoS (Denial of Service):
- ইহা হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
 
• Man-in-the-Middle:
- দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়।
- ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

 
উৎস: প্রথম আলো, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২৬৯.
SQL ইনজেকশন হলো একটি সাইবার আক্রমণের ধরন যার উদ্দেশ্য মূলত - 
  1. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  2. ডেটাবেজ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট
  3. সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট
  4. ইমেইল সার্ভার
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা

• SQL ইনজেকশন হলো একটি সাইবার আক্রমণের ধরন যা মূলত ডেটাবেজ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট লক্ষ্য করে। এই আক্রমণে হ্যাকাররা ওয়েব ফর্ম বা URL ইনপুটে ক্ষতিকর SQL কোড ঢুকিয়ে ডেটাবেজের তথ্য চুরি, পরিবর্তন বা ধ্বংস করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, লগইন ফর্মে সাধারণ টেক্সটের পরিবর্তে বিশেষ SQL স্টেটমেন্ট প্রবেশ করিয়ে তারা অপ্রত্যাশিতভাবে অ্যাক্সেস পেতে পারে। SQL ইনজেকশন প্রতিরোধে প্রস্তুত ওয়েব কোডে ইনপুট যাচাই, প্রিপেয়ার্ড স্টেটমেন্ট ব্যবহার এবং যথাযথ অনুমতি সীমাবদ্ধতা রাখা জরুরি। এটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার, সোশ্যাল মিডিয়া বা ইমেইল সার্ভার নয়, বরং সরাসরি ওয়েবসাইটের ব্যাকএন্ড ডেটাবেজের উপর প্রভাব ফেলে।

- সঠিক উত্তর: খ) ডেটাবেজ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট। 

• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং (Phishing),
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism),
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- Microsoft. [link]

২৭০.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Symantec
  2. McAfee
  3. Perrin
  4. ESET NOD32
সঠিক উত্তর:
Perrin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Perrin
ব্যাখ্যা
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- Symantec,
- McAfee,
- AVG Anti-Virus,
- AVIRA,
- AVAST Anti-Virus,
-TREND micro,
- ESET NOD32,
- Kaspersky Anti-Virus,
- Microsoft Security Essential,
- ZoneAlarm Anti-Virus,
- Cobra Anti-Virus,
- Bitdefender,
- Norton Anti-Virus,
- Panda Anti-Virus,
- PC Tool Anti-virus ইত্যাদি।

অপরদিকে,
Perrin.Exeহলো কম্পিউটার ভাইরাস। 

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়); তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল
২৭১.
কোন ধরনের হ্যাকার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে?
  1. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  2. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  3. ডার্ক হ্যাট হ্যাকার
  4. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
সঠিক উত্তর:
ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা
ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

• হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।
খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার: বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৭২.
কোন ম্যালওয়্যার অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে?
  1. স্পাইওয়্যার
  2. ওয়ার্ম
  3. অ্যাডওয়্যার
  4. ট্রোজান
সঠিক উত্তর:
অ্যাডওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডওয়্যার
ব্যাখ্যা

অ্যাডওয়্যার অবাঞ্ছিত বা অননুমোদিত বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে।

​ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার হলো একটি সমষ্টিগত শব্দ, যা সাইবার আক্রমণে ব্যবহৃত ক্ষতিকর সফটওয়্যার প্রোগ্রাম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- ​সাধারণত ব্যবহারকারী বিপজ্জনক লিঙ্ক বা ইমেইলের সঙ্গে সংযোগ করলে এটি ডিভাইসে ইনস্টল হয়। 
​- ম্যালওয়্যারের মধ্যে রয়েছে ভাইরাস, ওয়ার্ম, ট্রোজান, রুটকিট, স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার ইত্যাদি।

ম্যালওয়ারের সাধারণ ধরণ
• স্পাইওয়্যার (Spyware):
ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে গোপনে ইনস্টল করা হয়।
ব্যক্তিগত তথ্য যেমন ওয়েবসাইটের ইতিহাস, পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর সংগ্রহ করে।

• ওয়ার্ম (Worm):
একটি স্বতন্ত্র প্রোগ্রাম যা নিজেকে অন্যান্য কম্পিউটারে নকল করে সংক্রমিত করে।
ভাইরাসের মতো হোস্ট প্রয়োজন হয় না এবং সাধারণত মানুষের সাহায্য ছাড়াই নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে যায়।

• ​ট্রোজান হর্স (Trojan horse):
অনুমোদিত প্রোগ্রামের মধ্যে গোপনভাবে অননুমোদিত নির্দেশাবলী লুকিয়ে রাখে।
 
​আরও কিছু ​ম্যালওয়্যার নিয়ে বিস্তারিত দেওয়া হলো: 
• ​রুটকিট (Rootkit):
কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের মূল স্তরে সংক্রমণ ঘটায়, যা ড্রাইভ পুরোপুরি মুছে ফেলা ছাড়া সরানো যায় না।  

• ​​ভাইরাস (Virus):
কম্পিউটার প্রোগ্রামের কোডের একটি অংশ যা নিজেকে অন্য কোড বা ফাইলের সাথে সংযুক্ত করে নকল করে।
সাধারণত কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমের প্রোগ্রামে সংযুক্ত হয়ে যায়।

​• র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware):

ডিভাইস বা ডেটার অ্যাক্সেস ব্লক করে রাখে এবং মালিককে মুক্তির জন্য মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।
সাধারণত ট্রোজান হর্সের মাধ্যমে কম্পিউটারে প্রবেশ করে ফাইল এনক্রিপ্ট করে।

• স্কেয়ারওয়্যার (Scareware):
ভুল সতর্কবার্তা দেখিয়ে ব্যবহারকারীকে আরও ম্যালওয়্যার ডাউনলোড করতে বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে প্ররোচিত করে।

​উৎস: ব্রিটানিকা।

২৭৩.
নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে কোন ধরনের হ্যাকাররা?
  1. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  2. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে গ্রে হ্যাট হ্যাকার  এবং হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা।

• হ্যাকিং:
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা:
১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- একজন Black hat hacker যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়।
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরনের হ্যাকাররা দুই ধরনের বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজ করতে পারে।
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করে।
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৭৪.
প্লেজিয়ারিজম বলতে কী বুঝায়?
  1. ক) প্রোগ্রামিং
  2. খ) খেলা করা 
  3. গ) চৌর্যবৃত্তি
  4. ঘ) শুরু করার প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) চৌর্যবৃত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চৌর্যবৃত্তি
ব্যাখ্যা
অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে উপস্থাপন বা প্রকাশ করাকেই বলা হয় প্লেজিয়ারিজম।
অর্থাৎ, তথ্যসূত্র উল্লেখ ব্যতিত কোন ছবি, অডিও, ভিডিও এবং তথ্য ব্যবহার করা হলো প্লেজিয়ারিজম।

প্লেজিয়ারিজম একটি অন্যায় কাজ ও অপরাধ।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (HSC) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই।
২৭৫.
নিচের কোনটি একটি সাইবার অপরাধের ধরণ?
  1. ক) ফিশিং
  2. খ) ডিফ্রেগমেন্টিং
  3. গ) ডিবাগিং
  4. ঘ) হান্টিং
সঠিক উত্তর:
ক) ফিশিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফিশিং
ব্যাখ্যা
সাইবার ক্রাইম
ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
- হ্যাকিং, স্প্যামিং, সাইবার বুলি, স্পুফিং, ফিশিং, স্নিকিং এসবই সাইবার অপরাধের বিভিন্ন ধরণ।

কম্পিউটার এবং কমিউনিকেশন টেকনোলজির বিকাশের সাথে সাথে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরণের ক্রাইম সংগঠিত হচ্ছে। এসব ক্রাইমকে বলা হয় সাইবার ক্রাইম।
নিম্নে প্রচলিত কিছু সাইবার ক্রাইম বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ভিত্তিক ক্রাইমের নাম দেওয়া হলো -
১. হ্যাকিং এর মাধ্যমে অন্যের তথ্য হস্তগত করা।
২. অবৈধভাবে কোন সিস্টেমের সকল রিসোর্স ব্যবহার বা ধ্বংসের জন্য বাইরে থেকে সিস্টেমে প্রবেশ করা ।
৩. কোন সিস্টেমকে এমনভাবে পরিবর্তন করা যাতে ঐ সিস্টেম তার নির্ধারিত সার্ভিস প্রদান না করে।
৪. আপত্তিকর ই-মেইল বার্তা প্রেরণ।
৫. কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি ও বিতরণ করা, ইত্যাদি।

[তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, HSC প্রোগ্রাম, পৃষ্ঠা - ৩০]
২৭৬.
যে সাইবার আক্রমণ সংঘটিত হলে গ্রাহকের বৈধ অনুরােধসমূহ কোন একটি web server সম্পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয় সেটি কী নামে পরিচিত?
  1. Phishing
  2. Man-in-the-Middle
  3. Denial of Service
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Denial of Service
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Denial of Service
ব্যাখ্যা
• যে সাইবার আক্রমণ সংঘটিত হলে গ্রাহকের বৈধ অনুরােধসমূহ কোন একটি web server সম্পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয় সেটি Denial of Service নামে পরিচিত।

• DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

• Man-in-the-Middle: দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়। ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

• Phishing: ফিশিং হলো এক ধরনের হ্যাকিং পদ্ধতি যেখানে একজন হ্যাকার একটি লোভনীয় অফার বা ইমেইলের মাধ্যেম একটি আসল ওয়েবসাইটের নকল করে বিভিন্ন তথ্য চুরি করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৭৭.
স্যালামি অ্যাটাক প্রধানত কোন শিল্পকে টার্গেট করে?
  1. ব্যাংক ও অর্থনীতি
  2. কৃষি
  3. নির্মাণ
  4. শিক্ষা
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক ও অর্থনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক ও অর্থনীতি
ব্যাখ্যা
• স্যালামি অ্যাটাক প্রধানত ব্যাংক ও অর্থনীতি খাতকে টার্গেট করে। এটি একটি ধরনের সাইবার ক্রাইম যেখানে হ্যাকাররা ছোট ছোট পরিমাণ অর্থ ক্রমাগত চুরি করে থাকে, যেন ব্যবহারকারী বা ব্যাংক সহজে বুঝতে না পারে। এই ছোট ছোট লেনদেনগুলো সময়ের সাথে যুক্ত হয়ে বড় আর্থিক ক্ষতি সৃষ্টি করে। কারণ এই ধরনের আক্রমণ খুব ধীরে ধীরে ঘটে এবং প্রতিটি লেনদেন খুবই সামান্য, তাই সিস্টেমে তেমন কোনো অস্বাভাবিকতা ধরা পড়ে না। ফলে, স্যালামি অ্যাটাক মূলত ব্যাংকিং ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার জন্য বড় একটি হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। কৃষি, নির্মাণ বা শিক্ষা ক্ষেত্রে সাধারণত এই ধরনের আক্রমণ কম দেখা যায়।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
১. কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
২. ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
৩. ই-মেইল বম্বিং।
৪. বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।

৫. Data didling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
৬. Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
৭. Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
৮. ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।

৯. লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
১০. ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
১১. ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
১২. ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২৭৮.
কোনটি সাইবারস্টকিং (Cyberstalking) -এর উদাহরণ?
  1. একটি ব্লগে ভদ্রভাবে মন্তব্য করা
  2. বন্ধুর প্রোফাইল অনুসরণ করা
  3. কারো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট পছন্দ করা
  4. বারবার হুমকিস্বরূপ বার্তা পাঠানো
সঠিক উত্তর:
বারবার হুমকিস্বরূপ বার্তা পাঠানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারবার হুমকিস্বরূপ বার্তা পাঠানো
ব্যাখ্যা

• সাইবারস্টকিং (Cyberstalking) হলো ইন্টারনেট বা ডিজিটাল মাধ্যমে কারও উপর নিয়মিতভাবে হুমকি, তাড়া বা অপ্রয়োজনীয় নজরদারি চালানোর একটি অবৈধ আচরণ। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো ব্যক্তি বিশেষকে মানসিকভাবে উত্তেজিত বা ভীত করে রাখা। প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে, ঘ) বারবার হুমকিস্বরূপ বার্তা পাঠানো হলো সাইবারস্টকিং-এর উদাহরণ। কারণ এটি পুনরায় পুনরায় তাড়া করার মতো আচরণ এবং প্রাপকের জন্য মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। অন্যদিকে, একটি ব্লগে ভদ্রভাবে মন্তব্য করা, বন্ধুর প্রোফাইল অনুসরণ করা বা কারো পোস্ট পছন্দ করা সাধারণ অনলাইন ব্যবহার এবং সেগুলো হুমকি বা দমনমূলক নয়। তাই শুধুমাত্র হুমকিস্বরূপ বার্তা পাঠানো সাইবারস্টকিং-এর অন্তর্ভুক্ত।
 
 • সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং,
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম,
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks, প্রভৃতি

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৭৯.
কলার আইডি স্পুফিং হলো:
  1. স্প্যাম কল ব্লক করার একটি উপায়
  2. কলের মান বাড়ানোর কৌশল
  3. কল রেকর্ড করার পদ্ধতি
  4. ভুল নম্বর দেখিয়ে কলারের পরিচয় গোপন করা
সঠিক উত্তর:
ভুল নম্বর দেখিয়ে কলারের পরিচয় গোপন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুল নম্বর দেখিয়ে কলারের পরিচয় গোপন করা
ব্যাখ্যা

• কলার আইডি স্পুফিং হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কল করার সময় কলারের আসল পরিচয় গোপন রেখে ভিন্ন বা ভুল নম্বর দেখানো হয়। অর্থাৎ, প্রাপক ব্যক্তি কলারকে চিনতে পারবে না, কারণ ফোনে যে নম্বরটি প্রদর্শিত হচ্ছে তা আসল নম্বর নয়। এটি সাধারণত প্রতারণা বা অবৈধ কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়, যেমন কেউ নিজের আসল পরিচয় লুকিয়ে কল করে অর্থ বা তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। কলার আইডি স্পুফিং স্প্যাম কল ব্লক করা বা কলের মান বাড়ানোর কোনো উপায় নয়, এবং এটি কল রেকর্ড করার পদ্ধতিও নয়।
- মূলত এটি কলারের পরিচয় গোপন করার একটি কৌশল।

 
• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম: অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং: গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং: ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।

- স্প্যামিং (Spamming): অনাকান্তিকত ব অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৮০.
রোবটের সেন্সরের মূল ভূমিকা কী?
  1. মোটর নিয়ন্ত্রণ করা
  2. ডেটা সংরক্ষণ করা
  3. বিদ্যুৎ সরবরাহ করা
  4. পরিবেশের পরিবর্তন সনাক্ত করা
সঠিক উত্তর:
পরিবেশের পরিবর্তন সনাক্ত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশের পরিবর্তন সনাক্ত করা
ব্যাখ্যা
• রোবটের সেন্সরের মূল ভূমিকা হলো পরিবেশের পরিবর্তন সনাক্ত করা (ঘ)। সেন্সর রোবটের চোখ, কান, নাক বা স্পর্শের মতো কাজ করে যা রোবটকে তার আশেপাশের তথ্য সংগ্রহ করতে সাহায্য করে। এটি তাপমাত্রা, আলো, অবস্থা, দূরত্ব, চাপ ইত্যাদি নানা ধরনের তথ্য নিতে পারে। সেন্সর থেকে প্রাপ্ত তথ্য রোবটের প্রসেসর বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিটে পাঠানো হয়, যা সেই তথ্যের ভিত্তিতে রোবটের কাজ বা চলাচল নির্ধারণ করে। মোটর নিয়ন্ত্রণ, ডেটা সংরক্ষণ বা বিদ্যুৎ সরবরাহ রোবটের অন্য উপাদানের কাজ, কিন্তু পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার মূল দায়িত্ব সেন্সরের। তাই রোবটের সেন্সর পরিবেশের পরিবর্তন সনাক্ত করার জন্যই ব্যবহৃত হয়।

• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক আসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৮১.
কয় ধরনের হ্যাকার রয়েছে?
  1. ক) ৫
  2. খ) ৬
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
সঠিক উত্তর:
গ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩
ব্যাখ্যা
সাধারণত অনুমতি ব্যতীত কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করা অথবা কোনো কম্পিউটারকে তার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেওয়াই হ্যাকিং।

হ্যাকার হচ্ছেন সেই ব্যক্তি যিনি নিরাপত্তা/অনিরাপত্তার সাথে জড়িত এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বল দিক খুঁজে বের করায় বিশেষভাবে দক্ষ অথবা অন্য কম্পিউটার ব্যবস্থায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে সক্ষম বা এর সম্পর্কে গভীর জ্ঞানের অধিকারী।

তিন ধরনের হ্যাকার রয়েছে। যথা-
১. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
২. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
৩. গ্রে হ্যাট হ্যাকার

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৮২.
ডিনায়াল অব সার্ভিস আক্রমণের প্রধান লক্ষ্য কোনটি?
  1. মুক্তিপণের জন্য ডেটা এনক্রিপশন করা
  2. প্রশাসনিক অধিকার দখল করা
  3. ব্যবহারকারীদের সিস্টেমে প্রবেশে বাধা দেওয়া
  4. সংবেদনশীল ডেটা হাতিয়ে নেওয়া
সঠিক উত্তর:
ব্যবহারকারীদের সিস্টেমে প্রবেশে বাধা দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যবহারকারীদের সিস্টেমে প্রবেশে বাধা দেওয়া
ব্যাখ্যা

• ডিনায়াল অব সার্ভিস (Denial of Service বা DoS) আক্রমণের প্রধান লক্ষ্য হলো বৈধ ব্যবহারকারীদের কোনো সিস্টেম, সার্ভার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া। এই আক্রমণে আক্রমণকারী অতিরিক্ত ট্রাফিক বা অনুরোধ পাঠিয়ে সিস্টেমকে অকার্যকর বা অত্যন্ত ধীর করে দেয়, ফলে সাধারণ ব্যবহারকারীরা প্রয়োজনীয় সেবা পায় না। এখানে ডেটা এনক্রিপশন, প্রশাসনিক অধিকার দখল বা সংবেদনশীল তথ্য চুরি মূল উদ্দেশ্য নয়। বরং সিস্টেমের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করাই মূল লক্ষ্য। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ব্যবহারকারীদের সিস্টেমে প্রবেশে বাধা দেওয়া।
 
• সাইবার অপরাধ (Different cyber crimes):
কোন অপরাধমূলক কাজ যেখানে কম্পিউটারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয় কিংবা অপরাধের জন্য কম্পিউটারকে টার্গেট করা হয় অথবা কম্পিউটারের দ্বারা অপরাধ করার পরবর্তীতে তার সাপেক্ষে অন্য কোনো অপরাধ করা হয়, এ সকল অপরাধই সাইবার ক্রাইমের অন্তর্ভুক্ত।

বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
১. কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
২. ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
৩. ই-মেইল বম্বিং।
৪. বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।

৫. Data didling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
৬. Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
৭. Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ কর।
৮. ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।

৯. লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
১০. ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা)।
১১. ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
১২. ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

২৮৩.
ICT ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য প্রাপ্তি বা হ্যাকিংকে কী বলা হয়?
  1. ফার্মিং
  2. ফিশিং
  3. স্প্যামিং
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ফিশিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিশিং
ব্যাখ্যা

• ICT ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য প্রাপ্তি বা হ্যাকিংকে ফিশিং (Phishing) বলা হয়। ফিশিং হল একটি সাইবার অপরাধের ধরন, যেখানে অপরাধীরা ইমেইল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা নকল ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর ব্যাংক একাউন্ট, পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য বা অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য চুরি করে। তারা প্রায়শই বিশ্বাসযোগ্য প্রতিষ্ঠান বা পরিচিত ব্যক্তির ছদ্মবেশ গ্রহণ করে ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত করে তথ্য সরবরাহ করতে প্ররোচিত করে। এটি একটি নকল বার্তা বা লিঙ্কের মাধ্যমে ঘটে, যা ব্যবহারকারীকে ঠিকঠাক যাচাই না করে ক্লিক করার সময় তাদের তথ্য ফাঁস করে দেয়। তাই নিরাপত্তার জন্য কখনো অচেনা লিঙ্ক বা অননুমোদিত বার্তা থেকে সতর্ক থাকা জরুরি।

- সঠিক উত্তর: খ) ফিশিং। 

• ফিশিং:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কারো কাছ থেকে প্রতরণার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যাদি যেমন- নাম, পাসওয়ার্ড, ডেভিড বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ইত্যাদি সংগ্রহ করাকে বা হ্যাক করাকে বলা হয় ফিশিং।
- সাধারণত ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ফিশিং করা হয়ে থাকে।
- এ পদ্ধতিতে ফিশার হ্যাকাররা ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে সংযুক্ত ব্যবহারকারীর কাছে ব্যক্তিগত তথ্য ভেরিফিকেশন বা যাচাইয়ের জন্য চায়।
- যদি কেউ এ ফাঁদে পা দেয় তাহলে ফিশার হ্যাকাররা তথ্য সংগ্রহ করে তাকে বিভিন্ন ধরনের বিপদে ফেলে দেয়।
- এ পদ্ধতিটা কিছুটা টোপ দিয়ে মাছ ধরার মত।

- ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটের পরিবর্তে অন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করানো বা নিয়ে যাওয়াকে বলা হয় ফার্মিং।
- স্পুফিং হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি যেখানে সাইবার অপরাধীরা নিজের পরিচয় গোপন করে অন্যের পরিচয় বা ভূয়া ওয়েবসাইটের ঠিকানা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের কিংবা নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্যাদি হাতিয়ে নেয় বা চুরি করে। 
- মোবাইল, টেলিফোন কিংবা ইন্টারনেটভিত্তিক ফোনের সাহায্যে কলের মাধ্যমে ফিশিং করাকে বলা হয় ভিশিং বা ভয়েস ফিশিং। 
- যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোনো ওয়েব সার্ভারকে ব্যস্ত রাখার জন্য অথবা ওয়েব সার্ভার অপ্রয়োজনীয় তথ্য দ্বারা পূর্ণ করার জন্য শত শত বা হাজার হাজার মেইল একই ঠিকানায় পাঠায় তখন তাকে স্প্যামিং বলে।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮৪.
পাইরেসি নজরদারী করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) BSA
  2. খ) ICA
  3. গ) BCA
  4. ঘ) কোনটিই না
সঠিক উত্তর:
ক) BSA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) BSA
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাপী বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের মেধাসত্ত্ব সংরক্ষণ ও পাইরেসি নজরদারির জন্য বিজনেস সফটওয়্যার এলায়েন্স(BSA) নামে একটি সংস্থা তৈরী করেছে৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই
২৮৫.
নিচের কোনটি সাইবার ক্রাইমের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. স্নিকিং
  2. অন্যের লেখা নিজের নামে পাবলিশড করা
  3. নকল পাসপোর্ট তৈরি করা
  4. স্পুফিং
সঠিক উত্তর:
নকল পাসপোর্ট তৈরি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নকল পাসপোর্ট তৈরি করা
ব্যাখ্যা
• নকল পাসপোর্ট তৈরি করা মূলত অফলাইনে ঘটে যা সাইবার ক্রাইমের আওতায় পড়ে না।
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো: হ্যাকিং, স্প্যামিং, সাইবার বুলিং, স্পুফিং, ফিশিং, সাইবার থেপ্ট, প্লেজিয়ারিজম, স্নিকিং ইত্যাদি।

• নিম্নে প্রচলিত কিছু সাইবার ক্রাইম বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ভিত্তিক ক্রাইমের নাম দেওয়া হলো:
- হ্যাকিং এর মাধ্যমে অন্যের তথ্য হস্তগত করা।
- অবৈধভাবে কোন সিস্টেমের সকল রিসোর্স ব্যবহার বা ধ্বংসের জন্য বাইরে থেকে সিস্টেমে প্রবেশ করা।
- কোন সিস্টেমকে এমনভাবে পরিবর্তন করা যাতে ঐ সিস্টেম তার নির্ধারিত সার্ভিস প্রদান না করে।
- আপত্তিকর ই-মেইল বার্তা প্রেরণ।
- কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি ও বিতরণ করা, ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৮৬.
অনুমতি ব্যতীত কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করাকে কী বলে?
  1. সফটওয়্যার পাইরেসি
  2. প্লেজিয়ারিজম
  3. ডিবাগিং
  4. হ্যাকিং
সঠিক উত্তর:
হ্যাকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যাকিং
ব্যাখ্যা
• হ্যাকিং (Hacking): 
- হ্যাকিং হচ্ছে অনধিকার প্রবেশ এবং অনৈতিক কর্মকান্ড, যা অন্যের কম্পিউটারে বা ওয়েবসাইটে ঢুকে তথ্যের ক্ষতিসাধন করে।
অর্থাৎ অবৈধভাবে বা বিনা অনুমতিতে কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করা, তথ্য নষ্ট করা, তথ্য চুরি করা, তথ্যের বিকৃতি ঘটানো বা অন্যের কম্পিউটারকে বিশেষ পন্থায় সম্পন্ন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়াকে কম্পিউটার হ্যাকিং বলে
- যারা হ্যাকিং এর কাজ করে তাদেরকে হ্যাকার (Hacker) বলে। হ্যাকারদের যাবতীয় কর্মকান্ডকে হ্যাকিং বলে।
- হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ হতে পারে। অবৈধভাবে যারা হ্যাকিং করে তাদেরকে ক্রেকার (Cracker) বলে।

• সফটওয়্যার পাইরেসি (Software Piracy):
- সফটওয়্যার পাইরেসি বলতে প্রস্তুতকারীর বিনা অনুমতিতে কোনো সফটওয়্যার কপি করা, বিতরণ করা, আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া ইত্যাদি কার্যক্রমকে বোঝায়।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):

- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম। 

• ডিবাগিং: 
- প্রোগ্রামের ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে বলে ডিবাগিং।
- 1945 সালে মার্ক 1 কম্পিউটারটির ভিতরে একটি মথপোকা ঢোকায় কম্পিউটারটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এ থেকেই ডিবাগিং কথাটির উৎপত্তি।
- সব ভুলত্রুটি দূর না হওয়া পর্যন্ত কোন প্রোগ্রামই ব্যবহার করা যায় না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২৮৭.
কম্পিউটার ইথিকস টার্মটির সাথে সর্বপ্রথম পরিচয় করিয়ে দেন কে?
  1. মার্শাল ম্যাকলুহান
  2. ওয়াল্টার ম্যানার
  3. টেড হফ
  4. জন ম্যাকার্থি
সঠিক উত্তর:
ওয়াল্টার ম্যানার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াল্টার ম্যানার
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ইথিকস:
- কম্পিউটার ইথিকস বা কম্পিউটার নীতিশাস্ত্র হলো ব্যবহারিক দর্শনশাস্ত্রের একটি শাখা যা পেশা বা সামাজিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী কম্পিউটিং প্রফেশনালদের বা ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগকে কিভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে।
- বোলিং গ্রিন স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. ওয়াল্টার ম্যানার সর্বপ্রথম কম্পিউটার ইথিকস টার্মটির সাথে পরিচয় করিয়ে দেন।
- ১৯৯২ সালে 'কম্পিউটার ইথিকস ইন্সটিটিউট' কম্পিউটার ইথিকস এর বিষয়ে দশটি নির্দেশনা তৈরি করেছিল।
- নির্দেশনাগুলো র‍্যামন সি. বারকুইন তাঁর গবেষণাপত্রে উপস্থাপন করেছিলেন। এই নির্দেশনা হলো-
১. অন্যের ক্ষতি করার জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার না করা
২. অন্য কোন ব্যক্তির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কাজের উপর হস্তক্ষেপ না করা
৩. অন্য ব্যক্তির ফাইলসমূহ হতে গোপনে তথ্য সংগ্রহ না করা।
৪. চুরির উদ্দেশ্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার না করা।
৫. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রমাণ বহনের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে ব্যবহার না করা।
৬. নিজের নয় এরূপ অন্যের যে কোন ধরনের সফ্টওয়্যার কপি না করা।
৭. অনুমতি ব্যতিরেকে অন্যের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির রিসোর্স ব্যবহার না করা।
৮. অন্যের বুদ্ধিবৃত্তি সংক্রান্ত ফলাফলকে আত্মসাৎ না করা।
৯. এমন কোন প্রোগ্রাম বা সফ্টওয়্যার তৈরি না করা যাতে সমাজের ক্ষতি হয়।
১০. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে ওই সব উপায়ে ব্যবহার করা উচিত নয় যা বিচার বিবেচনা ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৮৮.
"ফিশিং" বলতে নিচের কোনটি বোঝানো হয়?
  1. নিরাপদ উৎস থেকে সফটওয়্যার আপডেট করা
  2. নিরাপত্তা ঝুঁকি খুঁজে নেটওয়ার্ক স্ক্যান করা
  3. ডেটা এনক্রিপ্ট করে অননুমোদিত প্রবেশ বন্ধ করা
  4. সংবেদনশীল তথ্য আদায়ের জন্য নকল ইমেইল পাঠানো
সঠিক উত্তর:
সংবেদনশীল তথ্য আদায়ের জন্য নকল ইমেইল পাঠানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবেদনশীল তথ্য আদায়ের জন্য নকল ইমেইল পাঠানো
ব্যাখ্যা
• Phishing হলো এমন একটি কৌশল যেখানে অপরাধীরা নকল বা মিথ্যা ইমেইল পাঠিয়ে ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল তথ্য (যেমন পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর) চুরি করার চেষ্টা করে।

তাহলে,  অপশনগুলো থেকে সঠিক উত্তর হলো:
- সংবেদনশীল তথ্য আদায়ের জন্য নকল ইমেইল পাঠানো

• সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।

• বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

• হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। ।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৮৯.
প্রথম ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম কী?
  1. ASIMO
  2. Roomba
  3. Unimate
  4. Aibo
সঠিক উত্তর:
Unimate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Unimate
ব্যাখ্যা

• ১৯৬১ সালে জেনারেল মোটর্সে ব্যবহৃত Unimate ছিল প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট।

• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- চেক লেখক ক্যারেল ক্যাপেক ১৯২১ সালে Rossurovi Univerzilni Roboti নামে একটি সাইন্স ফিকশন গল্প লিখেন যাতে তিনি শ্রমিক বা কর্মী অর্থে সর্বপ্রথম 'robota' শব্দের ব্যবহার করেন।
- যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবটিক্সের জনক বলা হয়।

• Unimate রোবট:
- ১৯৫০ সালে আমেরিকান প্রকৌশলী, গণিতবিদ ও উদ্যোক্তা যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার এবং জর্জ চার্লস ডেভল মিলে সর্বপ্রথম ইউনিমেট (Unimate) নামে শিল্পে ব্যবহার উপযোগী রোবট উদ্ভাবন করেন।
- এটি ১৯৬১ সালে জেনারেল মোটরসের নিউ জার্সির কারখানায় প্রথম ব্যবহৃত হয়, যেখানে এটি গাড়ি উৎপাদনে গরম ধাতু ঢালাই ও সমাবেশের কাজে ব্যবহৃত হয়।
- Unimation Inc. নামে একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করা হয় রোবটটি উৎপাদনের জন্য।

অন্যান্য অপশন:
- ASIMO → হোন্ডার হিউম্যানয়েড রোবট (২০০০ সাল)।
- Roomba → আইরোবটের ভ্যাকুয়াম ক্লিনার রোবট (২০০২ সাল)।
- Aibo → সনির রোবট কুকুর (১৯৯৯ সাল)।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

২৯০.
শক্তিশালী ঝড়-তুফান ও বজ্রসহ আবহাওয়ার কারণে সাধারণত কোন বিষয়টি দেখা যায়?
  1. ট্রানসিয়েন্ট
  2. নয়েজ
  3. ব্ল্যাক আউট
  4. ব্রাউন আউট
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক আউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল্যাক আউট
ব্যাখ্যা

• শক্তিশালী ঝড়-তুফান এবং বজ্রসহ আবহাওয়ার সময় সাধারণত ব্ল্যাক আউট দেখা যায়। ঝড় এবং বজ্রপাত বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহের লাইনে প্রভাব ফেলে, যার ফলে বিদ্যুৎ সংযোগে হঠাৎ সমস্যা সৃষ্টি হয়। এর ফলে বৈদ্যুতিক গ্রিডে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটে এবং বিদ্যুৎ সম্পূর্ণভাবে চলে যায়। এই পরিস্থিতিকে ব্ল্যাক আউট বলা হয়। অন্যদিকে, ট্রানসিয়েন্ট হলো ছোট সময়ের বৈদ্যুতিক অস্থায়ী উত্তেজনা, নয়েজ হলো সিগন্যালে অপ্রয়োজনীয় গোলমাল, আর ব্রাউন আউট হলো ভোল্টেজের হ্রাস যা আলো বা যন্ত্রপাতি আংশিকভাবে কাজ করতে বাধা দেয়। তাই ঝড়-তুফানের সময় সবচেয়ে সাধারণ ঘটনা হলো ব্ল্যাক আউট।

• বিদ্যুৎ সরবরাহ সমস্যা:
- বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ একটি সাধারণ ব্যাপার।
- বিদ্যুৎ পাওয়ার লাইনে সাধারণত চার ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যথা-

১. ব্রাউন আউট:
- পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত কোনো কারণে সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে ব্রাউন আউট বলা হয়।
- সাধারণত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে এ ঘটনা ঘটে।
- এক্ষেত্রে কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

২. ব্ল্যাক আউট:
- হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে ব্লাক আউট বলে।
- সাধারণত প্রচণ্ড ঝড়, তুফান, বজ্রপাত প্রভৃতি কারণে ব্লাক আউট হতে পারে।
- ব্লাক আউটের কারণে কম্পিউটারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
- তাই ঝড়, তুফান ও বজ্রপাতের সময় কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

৩. ট্রানসিয়েন্ট:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন সৃষ্ট ভোল্টেজ বা কারেন্টের অপেক্ষাকৃত বড় ধরনের স্পাইককে ট্রানসিয়েন্ট বলা হয়।
- অনেক ট্রানসিয়েন্ট পাওয়ার সাপ্লাই দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে নিঃশ্বেষ হয় কিন্তু অনেক ট্রানসিয়েন্ট এ বাধা অতিক্রম করে কম্পিউটারের ভেতরের অনেক বর্তনীসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট করে দিতে পারে।

৪. নয়েজ:
- সাধারণত প্রিন্টারের শব্দ, স্পিকারের উচ্চমাত্রার শব্দ, পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদি থেকে নয়েজ সৃষ্টি হয়ে থাকে।
- প্রিন্টার, ডিস্ক ড্রাইভ, স্পিকার ইত্যাদির নয়েজকে শাব্দিক নয়েজ এবং পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদির নয়েজকে সিস্টেম নয়েজ বলা হয়।
- এ ধরনের নয়েজ কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যারের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯১.
সাইবার অপরাধের ধরন কোনটি?
  1. Cyberstalking
  2. DDoS
  3. Phishing
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
All of the above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of the above
ব্যাখ্যা
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।

• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং
- স্প্যামিং
- সাইবার থেফ্ট
- সাইবার বুলি
- স্ফুফিং
- ফিশিং
- ভিশিং
- স্নিকিং
- প্লেজিয়ারিজম
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৯২.
কোন ধরনের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত নয়?
  1. দীর্ঘ বাক্যাংশ
  2. বড় ও ছোট হাতের অক্ষরের সমন্বয়
  3. 123456 বা qwerty
  4. বিশেষ চিহ্নযুক্ত পাসওয়ার্ড 
সঠিক উত্তর:
123456 বা qwerty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
123456 বা qwerty
ব্যাখ্যা

• 123456 বা qwerty → এগুলো অত্যন্ত সহজ ও প্রচলিত হওয়ায় সহজেই অনুমান বা হ্যাক করা যায়।
- দীর্ঘ বাক্যাংশ সাধারণত শক্তিশালী ও নিরাপদ পাসওয়ার্ড হিসেবে বিবেচিত।
- বড় ও ছোট হাতের অক্ষরের সমন্বয় পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা বাড়ায়।
- বিশেষ চিহ্ন ব্যবহার করলে পাসওয়ার্ড আরও নিরাপদ হয়।

• অনলাইন পরিচিতি ও নিরাপত্তা:

- একজন ব্যক্তির অনলাইন পরিচিতি এক বা একাধিক পরিচয়-জ্ঞাপক দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে।
- অনলাইন পরিচিতির প্রধান উপাদান হলো—
- ই-মেইল ঠিকানা,
- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহৃত প্রোফাইলের নাম।
 
• অ্যাকাউন্ট নিরাপত্তার গুরুত্ব:

- ই-মেইল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট যেন অন্য কেউ ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সর্বদা সতর্ক থাকতে হয়।
প্রতিটি অনলাইন সাইটে ব্যবহৃত পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।
 
• পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা রক্ষার কৌশলসমূহ:

১. দীর্ঘ পাসওয়ার্ড ব্যবহার:

- সংক্ষিপ্ত পাসওয়ার্ডের তুলনায় দীর্ঘ পাসওয়ার্ড বেশি নিরাপদ।
- প্রয়োজনে প্রিয় বাক্য বা বাক্যাংশ পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
- তবে সহজ পাসওয়ার্ড, যেমন— 123456, abcdef, qwerty, asdfghjkl, password, ব্যবহার করা উচিত নয়।

২. বিভিন্ন ধরনের অক্ষর ব্যবহার:

- শুধু ছোট হাতের অক্ষর নয়, বড় হাতের অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ প্রতীক ব্যবহার করা উচিত।
- এতে পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা বৃদ্ধি পায়।

৩. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করা:

- শক্তিশালী পাসওয়ার্ডে শব্দ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নের সমন্বয় থাকা উচিত।
- উদাহরণ: Z26a1$alr18a1@gmail.com

৪. পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা যাচাই:

- অধিকাংশ অনলাইন সাইটে পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা যাচাইয়ের সুবিধা থাকে।
- নিয়মিত এই সুবিধা ব্যবহার করে প্রয়োজন অনুযায়ী পাসওয়ার্ড আরও শক্তিশালী করা উচিত।

৫. সামাজিক জায়গায় ব্যবহারে সতর্কতা:

- সাইবার ক্যাফে বা পাবলিক কম্পিউটারে অনলাইন ব্যবহারের পর অবশ্যই সংশ্লিষ্ট সাইট থেকে লগ আউট করতে হবে।

৬. পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার:

- LastPass, KeePass ইত্যাদি পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড নিরাপদে সংরক্ষণ করা যায়।

৭. নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন:

- নিরাপদ অভ্যাস হিসেবে নির্দিষ্ট সময় পরপর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা উচিত।
- এতে অ্যাকাউন্ট সর্বদা সুরক্ষিত থাকে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।

২৯৩.
কমিউনিকেশন লাইনের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের সময় কোন পদ্ধতিতে তথ্য চুরি করা হয়?
  1. স্নিফিং
  2. স্পুফিং
  3. স্প্যামিং
  4. ফার্মিং
সঠিক উত্তর:
স্নিফিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নিফিং
ব্যাখ্যা

• কমিউনিকেশন লাইনের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের সময় তথ্য চুরির একটি সাধারণ পদ্ধতি হলো স্নিফিং। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে হ্যাকার বা অবৈধ ব্যক্তি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরিত ডেটা পর্যবেক্ষণ করে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য, যেমন পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য বা ব্যক্তিগত বার্তা চুরি করে। স্নিফার সফটওয়্যার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক ট্রাফিকের প্যাকেট ধরা হয় এবং এতে থাকা তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। সাধারণত এটি অবৈধ এবং ব্যবহারকারীর অনুমতি ব্যতীত করা হয়। স্নিফিং থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এনক্রিপশন, ভিপিএন এবং সিকিউর প্রটোকল ব্যবহার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নেটওয়ার্কে তথ্য আদান-প্রদানের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা অপরিহার্য।

- উত্তর: ক) স্নিফিং।
 
• স্নিফিং:
- স্নিফিং হলো কমিউনিকেশন লাইনের মধ্য দিয়ে তথ্য আদান-প্রদানের সময় তথ্যকে ক্যাপচার বা হাতিয়ে নেওয়ার একটি পদ্ধতি।
- যে ডিভাইস বা সফ্টওয়‍্যারের মাধ্যমে এ ধরনের কাজ করা হয় তাকে প্যাকেট স্নিফার (Packet Sniffer) বলে।
- স্নিফিং তারযুক্ত বা তারবিহীন যেকোনো ধরনের কমিউনিকেশনে হতে পারে।
- ডেটাকে এনক্রিপশনের মাধ্যমেই এ ধরনের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

- স্পুফিং হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি যেখানে সাইবার অপরাধীরা নিজের পরিচয় গোপন করে অন্যের পরিচয় বা ভূয়া ওয়েবসাইটের ঠিকানা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের কিংবা নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্যাদি হাতিয়ে নেয় বা চুরি করে। 
- মোবাইল, টেলিফোন কিংবা ইন্টারনেটভিত্তিক ফোনের সাহায্যে কলের মাধ্যমে ফিশিং করাকে বলা হয় ভিশিং বা ভয়েস ফিশিং। 
- যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোনো ওয়েব সার্ভারকে ব্যস্ত রাখার জন্য অথবা ওয়েব সার্ভার অপ্রয়োজনীয় তথ্য দ্বারা পূর্ণ করার জন্য শত শত বা হাজার হাজার মেইল একই ঠিকানায় পাঠায় তখন তাকে স্প্যামিং বলে। 
- ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটের পরিবর্তে অন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করানো বা নিয়ে যাওয়াকে বলা হয় ফার্মিং।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯৪.
রোবট সোফিয়া সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল?
  1. মূল নির্মাতা ডেভিড হ্যানসন
  2. নকশা করা হয় হলিউডের ব্রিটিশ অভিনয় শিল্পী অড্রে হেপবার্ন এর মত করে
  3. নাগরিকত্ব পাওয়া প্রথম রোবট
  4. নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সনি কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সনি কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সনি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
• রোবট সোফিয়া:
- রোবট সোফিয়া তৈরি করেছে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিকস।
- এর মূল নির্মাতা ডেভিড হ্যানসন (David Hanson)।
- রোবট সোফিয়াকে নকশা করা হয় হলিউডের ব্রিটিশ অভিনয় শিল্পী অড্রে হেপবার্ন এর মত করে।
- রোবট সোফিয়াকে ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল থেকে সক্রিয় করা হয়।
- ২০১৭ সালের অক্টোবরে সৌদি আরবের নাগরিকত্ব দেয়া হয় এই রোবটকে এবং এটিই প্রথম রোবট যে কোন দেশের নাগরিকত্ব লাভ করে।
- ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি উৎসব ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে অংশ নিয়েছে সিঙ্গাপুরের তৈরি ও সৌদি আরবের  নাগরিকত্ব পাওয়া এই রোবট সোফিয়া। এটি প্রায় ৫০ ধরনের ভাবভঙ্গি দেখাতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৯৫.
এথিক্যাল হ্যাকার হলো-
  1. ব্লু হ্যাট হ্যাকার
  2. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  3. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  4. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
সঠিক উত্তর:
হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার হ্যাকিং: 
- হ্যাকিং বলতে বোঝানো হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বা ব্যবহারকারীর বিনা অনুমতিতে তার কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা। যারা এই কাজ করে থাকে তাদেরকে বলা হয় কম্পিউটার হ্যাকার বা হ্যাকার। 
- নানাবিধ কারণে একজন হ্যাকার অন্যের কম্পিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক বা ওয়েবসাইটে অনুপ্রবেশ করতে পারে। 
যেমন- অসৎ উদ্দেশ্য, অর্থ উপার্জন, হ্যাকিং এর মাধ্যমে কখনও কখনও প্রতিবাদ কিংবা চ্যালেঞ্জ করা, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতিগ্রস্থ করা, হেয়-প্রতিপন্ন করা, নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা ইত্যাদি বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকে। 
- অনেক কম্পিউটার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ হ্যাকারদের ক্র্যাকার হিসেবে চিহ্নিত করতে পছন্দ করেন। 
- তবে বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক বা ওয়েবসাইটে বিনা অনুমতিতে অনুপ্রবেশকারীকে সাধারণভাবে হ্যাকারই বলা হয়ে থাকে। 

- হ্যাকার সম্প্রদায় নিজেদেরকে নানান দলে ভাগ করে থাকে। 
যেমন- হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার, ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার, গ্রে হ্যাট হ্যাকার ইত্যাদি। 
- হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা কোনো সিস্টেমের উন্নতির জন্য সেটির নিরাপত্তা ছিদ্রসমূহ খুঁজে বের করে, এদেরকে এথিক্যাল হ্যাকারও (ethical hacker) বলা হয়। 
- অন্যদিকে ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকারগণ অসৎ উদ্দেশ্যে অনুপ্রবেশ করে থাকে। 
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হ্যাকিংকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। 
- বাংলাদেশে এটি অপরাধ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০০৬ (সংশোধিত ২০০৯) অনুসারে হ্যাকিংয়ের জন্য ৩ থেকে ৭ বছর কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
২৯৬.
Identify the oldest phone hacking technique used by hackers to make free calls.
  1. ক) Cracking
  2. খ) Phishing
  3. গ) Phreaking
  4. ঘ) Spamming
সঠিক উত্তর:
গ) Phreaking
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Phreaking
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
ফ্রেকিং (Phreaking): বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

হ্যাকিং (Hacking): কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

ফিশিং (Phishing): ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

ভিশিং (Vishing): মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

স্পুফিং (Spoofing): নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

স্নিকিং (Sneaking): গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৯৭.
নিচের কোনটি ভার্চুয়াল হোম রোবট নামে পরিচিত?
  1. ক) Azuma Hikari
  2. খ) Sophia
  3. গ) iRobot
  4. ঘ) Pepper
সঠিক উত্তর:
ক) Azuma Hikari
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Azuma Hikari
ব্যাখ্যা

আজুমা হিকারি হচ্ছে একটি ভার্চুয়াল হোম রোবট।

- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবটিক্স প্রযুক্তি একত্রে প্রয়োগ করে জাপানে একটি রোবট তৈরি করা হয়েছে, এই রোবটটির নামই হচ্ছে আজুমা হিকারি।
- হিকারি তার গৃহকর্তার সাথে কথোপকথন করে থাকে।
- হিকারি আপনাকে শুভেচ্ছা ও দৈনিক ছন্দ শুনাবে।
- দিনের কর্মসূচি জানাবে যেমন: আপনার জেগে ওঠার সময়, বাহিরে যাওয়ার সময়, আপনার ঘরে আসার সময় এবং ঘুমাতে যাওয়ার সময়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

২৯৮.
DDoS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Dynamic Domain of System
  2. Digital Data Overload System
  3. Distributed Denial of Service
  4. Data Disclosure and Security
সঠিক উত্তর:
Distributed Denial of Service
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Distributed Denial of Service
ব্যাখ্যা
♦ DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৯৯.
কাকে প্রায়শই "Godfather of AI" বলা হয়?
  1. Elon Musk
  2. Andrew Ng
  3. Yann LeCun
  4. Geoffrey Hinton
সঠিক উত্তর:
Geoffrey Hinton
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Geoffrey Hinton
ব্যাখ্যা
• Godfather of AI:
- জন হপফিল্ড (প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) এবং জিওফ্রি হিন্টন (ইউনিভার্সিটি অফ টরন্টো, কানাডা) ২০২৪ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তাঁদের কৃতিত্ব: কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্কের সাহায্যে মেশিন লার্নিং কার্যকরে সহায়ক মৌলিক আবিস্কার ও উদ্ভাবনের জন্য।

- হপফিল্ডের গবেষণা: তিনি অ্যাসোসিয়েটিভ মেমোরি তৈরি করেন, যা ডেটার ধরণ সংরক্ষণ ও পুনর্গঠন করতে পারে। এই মডেলটি পদার্থবিজ্ঞানের চুম্বকত্ব এবং স্পিন সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।​
- হিন্টনের গবেষণা: তিনি বোল্টজমান মেশিন নামে একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করেন, যা ডেটার নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করতে পারে। এটির মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা হয়।​
- Geoffrey Hinton - কে "Godfather of AI" বলা হয়।

- নিউরাল নেটওয়ার্কের প্রভাব: তাঁদের গবেষণা বর্তমানে মেশিন লার্নিং এবং এআই-এর ক্ষেত্রে চিত্র সনাক্তকরণ, ভাষা অনুবাদ এবং অন্যান্য জটিল কাজের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।​
- পুরস্কার অর্থ: তাঁরা ১১ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনার পুরস্কার হিসেবে ভাগ করে নেবেন।​

- এই গবেষণার ফলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বর্তমান উন্নতি এবং ভবিষ্যত সম্ভাবনাগুলি আরও স্পষ্ট হয়েছে।

সূত্র- theguardian [লিংক]
৩০০.
প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট তৈরি করা হয় কত সালে?
  1. ১৯২৫
  2. ১৯৩০
  3. ১৯৪০
  4. ১৯৫০
সঠিক উত্তর:
১৯৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫০
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।