বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক ভৌগলিক অঞ্চল, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনীতির গুরুত্ব

মোট প্রশ্ন১,৬৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক ভৌগলিক অঞ্চল, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনীতির গুরুত্ব

PrepBank · পাতা / ১৭ · ১০১২০০ / ১,৬৩৯

১০১.
বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

• ভূ-প্রকৃতি (Physiography):
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
- এদেশের ভূ-খন্ড উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে বিস্তৃত।
- উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়ি অংশ ব্যতীত সমগ্র দেশ নদীবিধৌত পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি।
- এই পললের পুরুত্ব প্রায় ১৮-২২ কিলোমিটার।
- ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০২.
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয় কোনটি?
  1. অস্ট্রিয়া
  2. ডেনমার্ক
  3. সুইডেন
  4. নরওয়ে
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
অস্ট্রিয়া স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়।

স্ক্যান্ডিনেভিয়া:

- স্ক্যান্ডিনেভিয়া ঐতিহাসিকভাবে স্ক্যান্ডিয়া, উত্তর ইউরোপের অংশ।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা: নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- দেশ তিনটি ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত দিক থেকে পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত।

⇒ তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।

অন্যদিকে,
⇒ নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
- যথা: আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।

উল্লেখ্য,
- তাদের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে পাতলা জনবহুল উত্তর অঞ্চল, মৎস্য সম্পদের একটি আপেক্ষিক সম্পদ, দীর্ঘ আয়ু এবং উচ্চ স্তরের সাক্ষরতা।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) Britannica.
১০৩.
'মাউন্ট এটনা (Mount Etna)' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. গ্রিস
  2. জাপান
  3. ইতালি
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
• মাউন্ট এটনা:
- মাউন্ট এটনা ইউরোপের সর্ববৃহৎ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি।
- এটি ইতালির সিসিলি (Sicily) দ্বীপে অবস্থিত।
- মাউন্ট এটনার উচ্চতা প্রায় ৩,৩৩০ মিটার (১০,৯২৫ ফুট), যদিও আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের কারণে এ উচ্চতা পরিবর্তিত হতে থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০৪.
গলিত শিলা বা ম্যাগমাসমূহ ভূ-ত্বকের নিচে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়ে, জমাট বেঁধে ও স্ফীত হয়ে কোন ধরনের পর্বত সৃষ্টি করে?
  1. ক) ভঙ্গিল পর্বত
  2. খ) আগ্নেয় পর্বত
  3. গ) চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
  4. ঘ) ল্যাকোলিথ পর্বত
সঠিক উত্তর:
ঘ) ল্যাকোলিথ পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ল্যাকোলিথ পর্বত
ব্যাখ্যা
ভূ-অভ্যন্তর থেকে গলিত শিলা বা ম্যাগমা বিভিন্ন উপায়ে ভূ-পৃষ্ঠে বের হয়ে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে ম্যাগমাসমূহ বাঁধা পেয়ে ভূ-পৃষ্ঠের বাইরে না এসে ভূ-ত্বকের নিচে জমাট বেঁধে উর্ধ্বমুখী চাপের কারণে স্ফীত হয়ে ভূ-ত্বকের অংশবিশেষ গম্বুজ আকার ধারণ করে। এভাবে সৃষ্ট শৃঙ্গবিহীন সামান্য খাড়া ঢাল বিশিষ্ট ও স্বল্প অঞ্চল ব্যাপী বিস্তৃত এই পর্বতকে ল্যাকোলিথ পর্বত বলে। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত এর উদাহরণ। সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১০৫.
ল্যানোস ও প্যাম্পাস তৃণভূমি কোথায় দেখা যায়?
  1. ক) উত্তর আমেরিকা
  2. খ) পূর্ব ইউরোপ
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) দক্ষিণ আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) দক্ষিণ আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা
ল্যানোস ও প্যাম্পাস হলো দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত দুটো তৃণভূমির নাম।

তৃণভূমি হলো ঘাস দ্বারা আচ্ছাদিত সুবিস্তৃত ভূমি। সাধারণত স্বল্প বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে তৃণভূমি গড়ে উঠে।

পৃথিবীর বিখ্যাত কিছু তৃণভূমি:
- প্রেইরি (উত্তর আমেরিকা)
- সাভানা (আফ্রিকা)
- স্তেপ (পূর্ব ইউরোপ ও মধ্য এশিয়া) প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট)
১০৬.
বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের উপজেলার নাম কি?
  1. ক) শিবগঞ্জ
  2. খ) থানচি
  3. গ) টেকনাফ
  4. ঘ) তেঁতুলিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) থানচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) থানচি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ, সর্ব পূর্বের উপজেলা থানচি, সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ এবং সর্ব উত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়া।
উৎসঃ বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট।

১০৭.
বিখ্যাত গিরিখাত গ্রান্ড ক্যানিয়ন কোন মালভূমিতে অবস্থিত?
  1. কলোরাডো মালভূমি
  2. তিব্বত মালভূমি
  3. দাক্ষিণাত্য মালভূমি
  4. আল্পাইন মালভূমি
সঠিক উত্তর:
কলোরাডো মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলোরাডো মালভূমি
ব্যাখ্যা
কলোরাডো মালভূমি:
- কলোরাডো মালভূমি উত্তর আমেরিকাঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের চারটি রাজ্য কলোরাডো, নিউ মেক্সিকো, ইউটা এবং অ্যারিজোনাতে বিস্তৃত।
- এই মালভূমিটি অত্যন্ত ঐতিহাসিক এবং ভূগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে বহু জাতীয় উদ্যান, যেমন গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন, আর্চস, ক্যাটেড্রাল ভ্যালি এবং মেসা ভার্ডে অবস্থিত।
- এটি পাদদেশীয় মালভূমি।
- কলোরাডো মালভূমিতে সর্বাপেক্ষা দীর্ঘ ও গভীর গিরিখাতটির নাম গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন।

⇒ গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন:
- বিখ্যাত গিরিখাত গ্রান্ড ক্যানিয়ন উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- গ্রান্ড ক্যানিয়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিম অ্যারিজোনার কলোরাডো উচ্চ মালভূমি অঞ্চলে অবস্থিত।
- এই গিরিখাতের মধ্য দিয়ে কলোরাডো নদী বয়ে গেছে।
- এটি এর চমৎকার আকার এবং রঙের জন্য বিখ্যাত।
- গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন মূলত অনুভূমিক স্তরযুক্ত শিলা এবং লাভা প্রবাহ নিয়ে গঠিত।
- গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে অনেক উপনদীর পাশের গিরিখাত এবং পার্শ্ববর্তী মালভূমিও রয়েছে।

উৎস: Britannica.
১০৮.
সারা বছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয় -
  1. মকরক্রান্তি রেখায়
  2. কর্কটক্রান্তি রেখায়
  3. নিরক্ষরেখায়
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখায়
ব্যাখ্যা
নিরক্ষরেখা (Equator):
- পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুইটি গোলার্ধে বিভক্তকারী কাল্পনিক অক্ষরেখাটি নিরক্ষরেখা নামে অভিহিত। 
- ভূ-গোলককে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টনকারী সর্বাপেক্ষা বৃহৎ অক্ষরেখা নিরক্ষরেখা।
- নিরক্ষরেখার মান হলো ০°।
- এই অক্ষরেখার অপর নামসমূহ হলো বিষুবরেখা (Equator) ও মহাবৃত্ত (Great Circle)।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবী আহ্নিক গতির বেগ সর্বাধিক।
- নিরক্ষরেখায় সূর্যরশ্মি সারা বছর প্রায় লম্বভাবে পড়ে এবং দিন রাত্রির দৈর্ঘ্য প্রায় সমান হয়।
- তাই নিরক্ষীয় অঞ্চলে অধিক উষ্ণতা বিরাজ করে।

উল্লেখ্য,
- ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার (০°) উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এই দুই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়।

অন্যদিকে,
দ্রাঘিমা রেখা:
- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দ্রাঘিমাংশ প্রকাশ করা হয়, তাকে দ্রাঘিমা রেখা বলে।
- অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ দ্রাঘিমা রেখা (Latitude)।
- প্রতিটি দ্রাঘিমারেখা একেকটি অর্ধবৃত্ত।

কর্কটক্রান্তি রেখা:
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

মকরক্রান্তি রেখা:
- দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৯.
কোনটিকে আন্তর্জাতিক নদী বলা হয়?
  1. ক) রাইন নদী
  2. খ) লা প্লাটা নদী
  3. গ) দানিয়ুব নদী
  4. ঘ) ইউফ্রেতিস নদী
সঠিক উত্তর:
গ) দানিয়ুব নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দানিয়ুব নদী
ব্যাখ্যা
- দানিয়ুব নদীকে আন্তর্জাতিক নদী বলা হয়।
- দানিয়ুব নদী জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট থেকে উৎপন্ন হয়ে ইউরোপের দশটি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কৃষ্ণসাগরে পতিত হয়েছে। এটি ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- দানিয়ুব নদীর তীরে ভিয়েনা, বেলগ্রেড, বুদাপেস্ট, ব্রাটিস্লাভা প্রভৃতি শহর অবস্থিত।
(তথ্যসূত্রঃ ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস এবং ব্রিটানিকা)
১১০.
বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চল বা একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive economic zone) কতটুকু রয়েছে?
  1. ১২ নটিক্যাল মাইল
  2. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  3. ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
  4. ১৩০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive economic zone): 
- ১৯৫৮ সালের কনভেনশন অনুযায়ী, সমুদ্র তীরবর্তী দেশগুলোর স্থলভাগের বেসলাইন থেকে লম্বালম্বিভাবে সমুদ্রের ২০০ মাইল পর্যন্ত এলাকার মালিকানা সম্পূর্ণ ওই দেশের।
- একে বলা হয় এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক অঞ্চল (ইইজেড) বা একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এখানে সমুদ্রের পানি ও তলদেশের ওপর ওই দেশের একছত্র অধিকার থাকে।
- সেখানকার সমুদ্রে অন্য কোন দেশ মাছ ধরতে পারে না।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা (Territorial Sea) ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার এবং
- একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive Economic Zone) ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার
- বাংলাদেশের উপকূলীয় ভূখণ্ড সমুদ্রে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে, যার ভৌগোলিক নাম মহীসোপান।
- (১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার)।  

সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১১১.
একটি দেশের পারস্পরিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির কতভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন?
  1. ২৫ ভাগ
  2. ২৯ ভাগ
  3. ২৩ ভাগ
  4. ১৭ ভাগ
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বনাঞ্চল (Forest of Bangladesh):
- বনভূমি থেকে যে সম্পদ উৎপাদিত হয় বা পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- কোনো দেশের পারস্পরিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- কিন্তু বাংলাদেশ বন অধিদপ্তর কর্তৃক ২০১৭ সালের হিসাব অনুযায়ী ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ শতকরা প্রায় ১৭.৪৭৯১ ভাগ।
- জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়:

ক) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
খ) ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
গ) স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১১২.
Which one is the second highest mountain on the earth? 
  1. ক) Makalu
  2. খ) Himalayas
  3. গ) Annapurna
  4. ঘ) K2
সঠিক উত্তর:
ঘ) K2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) K2
ব্যাখ্যা
বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ K2.
এটি কারাকুম রেঞ্জে অবস্থিত। 
K2 বিজয়ী প্রথম বাংলাদেশি - ওয়াসফিয়া নাজরীন।
 
- মাউন্ট এভারেস্ট বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।
- এই শৃঙ্গটি হিমালয়ের মহালঙ্গুর হিমাল পর্বতমালায় অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা, Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২।
১১৩.
বাংলাদেশ ভূখন্ডের মহীসোপানের সীমানা কত?
  1. উপকূল থেকে ২০০ কিলোমিটার
  2. উপকূল থেকে ৩৫০ কিলোমিটার
  3. উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. উপকূল থেকে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
উপকূল থেকে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপকূল থেকে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা
- বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা - ১২ নটিক্যাল মাইল।
- অর্থনোইতিক সমুদ্রসীমা - ২০০ নটিক্যাল মাইল।
- মহীসোপান বা সমুদ্রের তলদেশে বাংলাদেশ ভূখন্ডের সীমানা - উপকূল থেকে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিমি।

উল্লেখ্য,
- ২০১২ সালে ITLOS এবং ২০১৪ সালে PCA ভারত ও মিয়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা নিয়ে করা মামলায় বাংলাদেশের পক্ষে রায় দেয়।
- এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ মোট ১,১৮,৮১৩ বর্গ কিমি সমুদ্রসীমা অর্জন করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১১৪.
কুমিল্লা জেলার বিবিরবাজার সীমান্তের বিপরীতে ভারতের সীমান্ত কোনটি?
  1. শ্রীমন্তপুর
  2. ডাউকি
  3. কৃষ্ণনগর
  4. পেট্রাপোল
সঠিক উত্তর:
শ্রীমন্তপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীমন্তপুর
ব্যাখ্যা
- কুমিল্লা জেলার বিবির বাজারের বিপরীতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার শ্রীমন্তপুর।
- সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি স্থলবন্দর।
- চুয়াডাঙ্গার দর্শনা স্থলবন্দর সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগর স্থলবন্দর।
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর যশোর জেলার বেনাপোল সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর পেট্রাপোল।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের মোহাদিপুর স্থলবন্দর।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১৫.
দেশের বৃহত্তম কয়লা খনি আবিষ্কৃত হয়েছে কোথায়?
  1. ক) বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর
  2. খ) জামালগঞ্জ, জয়পুরহাট
  3. গ) খালীসপুর, রংপুর
  4. ঘ) ফুলবাড়ী, দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
খ) জামালগঞ্জ, জয়পুরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জামালগঞ্জ, জয়পুরহাট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমান পর্যন্ত মোট পাঁচটি কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কার হয়েছে। ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। এটিতে কয়লার আনুমানিক মজুদের পরিমাণ ১০৫ কোটি মেট্রিক টন। গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।

- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে। বড়পুকুরিয়ায় কয়লা মজুদের পরিমাণ আনুমানিক ৩৯ কোটি মেট্রিক টন।
দেশের অন্যান্য কয়লা খনিসমূহ হলো:
- দীঘিপাড়া : দিনাজপুর
- ফুলবাড়ী : দিনাজপুর
- খালীসপুর : রংপুর।

(তথ্যসূত্র: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১১৬.
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের ইংরেজি অনুবাদক-
  1. ক) মুনীর চৌধুরী
  2. খ) সৈয়দ আলী আহসান
  3. গ) আহসান হাবীব
  4. ঘ) হাসান হাফিজুর রহমান
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ আলী আহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৮ সালে ‘জাতীয় সঙ্গীত বিধিমালা’ অনুসারে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের একটি ইংরেজী অনুবাদ প্রণয়ন করা হয়।  
- ইংরেজি অনুবাদটি করেছিলেন সৈয়দ আলী আহসান।
- জাতীয় সঙ্গীতের মোট চরণ সংখ্যা পঁচিশটি (২৫)।
- এর মধ্যে গানের প্রথম ১০ ছত্র কণ্ঠসঙ্গীত এবং
- প্রথম ৪ ছত্র যন্ত্রসঙ্গীত হিসেবে পরিবেশনের বিধান রাখা হয়েছে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
১১৭.
কোথায় সারাবছর দিন ও রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান?
  1. কুমেরুবৃত্ত
  2. সুমেরুবৃত্ত
  3. বিষুবরেখা
  4. মূল মধ্যরেখা
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
ব্যাখ্যা
নিরক্ষরেখা:
- পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে সমভাবে দুইভাগে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটি নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা নামে অভিহিত।
- এটি সর্ববৃহৎ অক্ষাংশ রেখা।
- বিষুবরেখাকে 0° অক্ষাংশও বলা হয়।
- এটি পৃথিবীর মাঝখানে পূর্ব এবং পশ্চিমে চলে।
- পৃথিবীর কেন্দ্রীয় অক্ষের সাথে এর সম্পর্ক ঘূর্ণন এবং আবহাওয়ার পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা।
- বিষুব রেখার আশেপাশে অঞ্চলগুলোতে তাপমাত্রা এবং জলবায়ু তুলনামূলক ভাবে স্থিতিশীল অবস্থায় থাকে, যেখানে ঋতু পরিবর্তন খুবই কম হয়।

⇒ দিন-রাত্রি সমান:
- বিষুবরেখায় সারাবছর দিন ও রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়।
- ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার (০°) উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এই দুই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়।
- ২১শে মার্চ উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল থাকায় এই উত্তর গোলার্ধে বিষুব 'বাসন্ত বিষুব’ (Vernal Spring Equinox) নামে অভিহিত।
- অপরদিকে ২৩শে সেপ্টেম্বর উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করায় উত্তর গোলার্ধে এই বিষুব ‘শারদ বিষুব' (Autumnal Equinox) নামে অভিহিত হয়।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের নিকটবর্তী গ্রীনিচ নামক স্থানে একটি মান মন্দির বরাবর যে দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করেছে, তাকে মূল দ্রাঘিমা রেখা বা মূল মধ্যরেখা বলা হয়।
- সুমেরুবৃত্ত: ২১ শে জুন তারিখে সূর্য ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে (কর্কটক্রান্তি) লম্বভাবে কিরণ দেয়। ঐ দিন উত্তর গোলার্ধে মেরুবিন্দু অর্থাৎ ৯০° উত্তর থেকে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা দিন থাকে। এ জন্য ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে উত্তর মেরু অঞ্চলের শেষ সীমানা ধরা হয় এবং এই অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত নামে অভিহিত করা হয়।
- কুমেরুবৃত্ত: ২২ শে ডিসেম্বর তারিখে সূর্য ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখায় (মকরক্রান্তি) লম্বভাবে কিরণ দেয়। উক্ত তারিখে দক্ষিণ মেরু বিন্দু অর্থ্যাৎ ৯০° দক্ষিণ থেকে ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা দিন থাকে। ফলে ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরু অঞ্চলের শেষ সীমানা ধরা হয় এবং এই অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত (Antarctic Circle) নামে অভিহিত করা হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১১৮.
লন্ডনের গ্রীনিচ মানমন্দির বরাবর মূল মধ্যরেখার মান -
  1. ০°
  2. ২৩.৫°
  3. ১৮০°
  4. ৩৬০°
সঠিক উত্তর:
০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০°
ব্যাখ্যা
 গ্রিনিচ মানমন্দির:
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা ০° দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য +৬ ঘন্টা, অর্থাৎ বাংলাদেশের সময় ৬ ঘন্টা আগে।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১১৯.
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রম করে পূর্ব দিকে গেলে সময় কীভাবে পরিবর্তিত হয়?
  1. ২৪ ঘণ্টা কমে
  2. ১২ ঘণ্টা কমে 
  3. ১২ ঘণ্টা বাড়ে
  4. কোনো পরিবর্তন হয় না
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা কমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা কমে
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line): 
- দ্রাঘিমারেখার নিয়মানুসারে মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব ও পশ্চিমে অগ্রসর হলে প্রতি ১দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য ৪ মিনিট সময়ের ব্যবধান হয়।
- আমরা জানি ০° দ্রাঘিমার ঠিক উল্টো দিকে ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা।
- আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line—IDL) হলো উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত একটি কাল্পনিক রেখা, যা ক্যালেন্ডারের “এক দিন” এবং “পরের দিন”-কে আলাদা করে।
- এটি সাধারণভাবে ১৮০° দ্রাঘিমারেখার কাছাকাছি প্রশান্ত মহাসাগর দিয়ে গেছে, তবে দেশ/দ্বীপকে একদিনে রাখার সুবিধার জন্য কিছু জায়গায় পূর্ব-পশ্চিমে বাঁক নিয়েছে।
- কেউ যদি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রম করে পূর্ব দিকে (eastbound) যায়, তাহলে তাকে ক্যালেন্ডার থেকে ১ দিন কমাতে হয়—অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টা কমে।
- আর কেউ যদি পশ্চিম দিকে (westbound) যায়, তাহলে তাকে ক্যালেন্ডারে ১ দিন যোগ করতে হয়—অর্থাৎ তারিখ একদিন এগিয়ে যায়।

উৎস:
১। ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
২। Time and date ওয়েবসাইট। 

১২০.
আফ্রিকার কিলিমাঞ্জারো কোন জাতীয় পর্বত?
  1. ভঙ্গিল
  2. ক্ষয়জাত
  3. আগ্নেয়
  4. চ্যুতি-স্তূপ
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্নেয়
ব্যাখ্যা
- আফ্রিকা মহাদেশের কিলিমাঞ্জারো, জাপানের ফুজিয়ামা, ইতালির ভিসুভিয়াস, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের মওনালোয়া ও মওনাকেয়া হলো আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ।
- ভূঅভ্যন্তরস্থ ম্যাগমা লাভা হিসেবে অগ্ন্যুৎপাতের জন্যে উদগিরিত হয়ে জমাটবদ্ধ হয়ে আগ্নেয় পর্বত সৃষ্টি করে।
(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল)
১২১.
পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন পরিচিত মানচিত্রটি কোন নগরীর?
  1. চীনের 
  2. এথেন্সের
  3. ব্যাবিলনের 
  4. ইরানের
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনের 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাবিলনের 
ব্যাখ্যা

প্রাচীনতম মানচিত্র:
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন পরিচিত মানচিত্রটি প্রাচীন Babylon নগরীর, যা বর্তমান ইরাক–সিরিয়া অঞ্চলে অবস্থিত ছিল।
- এই মানচিত্রটির নাম ইমাগো মুন্ডি (Imago Mundi)।
- এটি আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে, অর্থাৎ যিশু খ্রিস্টের জন্মের প্রায় ছয় শতাব্দী আগে নির্মিত হয়।
- মানচিত্রটি হাতে আঁকা কাগজের ছিল না।
- বরং এটি পোড়ামাটির একটি ফলকের ওপর খোদাই করা ছিল।
- যদিও একে পৃথিবীর প্রাচীনতম মানচিত্র বলা হয়, বাস্তবে এটি সমগ্র পৃথিবীর নয়—মূলত ব্যাবিলন নগরী ও তার আশপাশের এলাকার চিত্রই এতে উপস্থাপিত হয়েছে।

- এই ব্যাবিলনীয় মানচিত্রটি ছিল বৃত্তাকার আকৃতির।
- এতে ব্যাবিলনকে কেন্দ্রস্থলে দেখানো হয়েছে এবং Euphrates River নদীকে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- এতে চারপাশের বিশ্বকে একটি বৃত্তাকার সমুদ্র দ্বারা পরিবেষ্টিত রূপে উপস্থাপন করা হয়েছিল, যা প্রাচীন মানুষের ভৌগোলিক ধারণাকে প্রতিফলিত করে।

উৎস: দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা [লিঙ্ক]। 

১২২.
ভারতের সাথে বাংলাদেশের স্থল সীমান্ত চুক্তি কবে সাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ১৬ মে, ১৯৭৪
  2. খ) ১৬ মার্চ, ১৯৭৪
  3. গ) ১৬ জুন, ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৬ জুলাই, ১৯৭৪
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬ মে, ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬ মে, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি (ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি) প্রথম স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে, ১৯৭৪ সালে। বাংলাদেশ অনুমোদন করে ১৯৭৪ সালে কিন্তু ভারত তখন অনুমোদন করেনি‌।
৬ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় রাজ্যসভায় বিলটি পাশ হয় এবং ৭ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় সংসদের লোকসভায় বিলটি পাস হয়।
চুক্তিটি কার্যকর হয় ১ আগস্ট ২০১৫ সালে। এর ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিট মহল বিনিময় হয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

১২৩.
এডাম’স পিক কোন দেশে অবস্থিত? 
  1. ভারত 
  2. নেপাল
  3. থাইল্যান্ড
  4. শ্রীলংকা 
সঠিক উত্তর:
শ্রীলংকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীলংকা 
ব্যাখ্যা

- এডাম’স পিক শ্রীলংকায় অবস্থিত।

শ্রীলংকা: 
- দাপ্তরিক নাম: ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট রিপাবলিক অফ শ্রীলংকা।
- পূর্ব নাম: সিলন- ১৯৭২ সালে "শ্রীলংকা" নাম গ্রহণ করে।
- প্রশাসনিক রাজধানী: শ্রী জয়বর্ধনপুর কোট্টে।
- বাণিজ্যিক রাজধানী: কলম্বো।
- ভাষা: সিংহলি ও তামিল (দুটি রাষ্ট্রভাষা), 
- ধর্ম: বৌদ্ধ প্রধান ধর্ম।
- মুদ্রা: শ্রীলংকান রুপি (LKR)।
- ভৌগোলিক অবস্থান: ভারত মহাসাগরে, দক্ষিণ এশিয়ায়, ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের নিকটে।
- সংবিধান: ১৯৭৮ সালে বর্তমান সংবিধান গৃহীত।
- আইনসভা: এককক্ষবিশিষ্ট সংসদ (Unicameral Parliament)
- প্রশাসনিক বিভাগ: ৯টি প্রদেশ ও ২৫টি জেলা।
- এডাম’স পিক হলো শ্রীলংকার একটি পবিত্র পাহাড়,
- অবস্থান: শ্রীলংকার কেন্দ্র-পশ্চিম অংশে, সবারাগামুওয়া প্রদেশে (Sabaragamuwa Province)
- এটি শ্রীলংকার অন্যতম বিখ্যাত ও পবিত্র পর্বত শৃঙ্গ।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১২৪.
সাঙ্গু ভ্যালী কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) রাঙ্গামাটি
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
সাঙ্গু ভ্যালি অবস্থিত - চট্টগ্রাম।

অন্যদিকে,
- হালদা ভ্যালি : খাগড়াছড়ি
- সাজেক ভ্যালি : রাঙামাটি
- বালিশিরা ভ্যালি : মৌলভীবাজার।
- ভেঙ্গি ভ্যালি - রাঙামাটি 
- নাপিত খালি ভ্যালি - কক্সবাজার

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২৫.
Radcliffe line is a boundary line between_____.
  1. ক) India and Bangladesh
  2. খ) India and China
  3. গ) India and Pakistan
  4. ঘ) India and Nepal
সঠিক উত্তর:
গ) India and Pakistan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) India and Pakistan
ব্যাখ্যা
• ব্রিটিশ সরকার ১৯৪৭ সালে ভারত শাসন আইনের অধীনে সিরিল জন র‌্যাডক্লিফকে ভারতে দুটি সীমানা নির্ধারণকারী কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করে।
- কমিশন দুটি হলো ‘বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন’ এবং ‘পাঞ্জাব বাউন্ডারি কমিশন’।

- ১৯৪৭ সালের ৩ জুন র‌্যাডক্লিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন এবং ৮ জুলাই ভারত আসেন।
- তিনি ভারত বিভাগ, নতুন দুটি রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানের মানচিত্র এবং আন্তর্জাতিক সীমা নির্দেশ করে তাঁর রিপোর্ট পেশ করেন।
- তাঁর পরিকল্পনা ভারতের ইতিহাসে র‌্যাডক্লিফ রোয়েদাদ হিসেবে পরিচিত।
 
- তাঁর প্রস্তাবনায় ব্রিটিশ ভারত বিভক্ত হয়ে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১২৬.
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ বিন্দু-
  1. মাউন্ট হিলাবি
  2. বেন্টলে সাবগ্লাসিয়াল
  3. ভিনসন ম্যাসিফ
  4. কিলিমানজারো
সঠিক উত্তর:
ভিনসন ম্যাসিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিনসন ম্যাসিফ
ব্যাখ্যা
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ: 
-  দক্ষিণ গোলার্ধে, দক্ষিণ মেরু ঘিরে অবস্থিত। 
-  প্রায় ১৪ মিলিয়ন বর্গ কিলোমিটার (দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে বড়)।
-  বরফে আবৃত পর্বতমালা, মালভূমি, হিমবাহ এবং বরফস্তর।
- পৃথিবীর সবচেয়ে শীতল, শুষ্ক এবং বায়ুমণ্ডলহীন মহাদেশ; তাপমাত্রা -১০°C থেকে -৮০°C পর্যন্ত।
- স্থলজ প্রাণী খুবই কম; তবে কিছু পাখি (যেমন: পেঙ্গুইন), সিল, মাছ এবং সমুদ্রজীব রয়েছে।
- ৭০টিরও বেশি গবেষণা কেন্দ্র পরিচালনা করে।
- বৈশ্বিক জলবায়ু ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে;
- পৃথিবীর ৭০% মিঠা জল এখানে বরফরূপে সংরক্ষিত।
- সাধারণত দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ প্রান্ত (উশুয়া, আর্জেন্টিনা) থেকে নৌপথে প্রবেশ
- এটি একমাত্র মহাদেশ যেখানে কোনো দেশ নেই এবং শুধুমাত্র বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত।
- অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ভিনসন ম্যাসিফ।

অন্যদিকে,
- মাউন্ট হিলাবি, বার্বাডোসের সর্বোচ্চ বিন্দু।
- এটি আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
- স্থলভাগের সর্বনিম্ন বিন্দু: বেন্টলে সাবগ্লাসিয়াল ট্রেঞ্চ।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১২৭.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত কোন স্থানে হয়?
  1. শ্রীমঙ্গল
  2. লালাখাল
  3. লালপুর
  4. বিছানাকান্দি
সঠিক উত্তর:
লালাখাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালাখাল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা ২৬.০১⁰ সেলসিয়াস।
- গড় বৃষ্টিপাত ২০৩⁰ সেন্টিমিটার।
- উষ্ণতম মাস: এপ্রিল, গড় তাপমাত্রা ২৮° সেলসিয়াস।
- শীতলতম মাস: জানুয়ারি, গড় তাপমাত্রা ১৭.৭° সেলসিয়াস।

⇒ দেশের উষ্ণতম স্থান: লালপুর, নাটোর।
- শীতলতম স্থান: শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
- বাংলাদেশের শীতলতম জেলা: সিলেট। 
- সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়: লালাখাল, সিলেট।
- সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হয়: লালপুর, নাটোর।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা: কক্সবাজার।
- সর্ব উত্তরের জেলা: পঞ্চগড়।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা: রাঙামাটি।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা: নারায়নগঞ্জ।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২৮.
সর্বপ্রথম খনিজ তেল পাওয়া যায় কোথায় ?
  1. ফেঞ্চুগঞ্জ
  2. হরিপুর
  3. বিয়ানীবাজার
  4. কৈলাসটিলা
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
ব্যাখ্যা

দেশের একমাত্র খনিজ তেলক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।

- এ তেলক্ষেত্রে তেলের মোট মজুতের পরিমাণ প্রায় ১০ মিলিয়ন ব্যারেল যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুতের পরিমাণ প্রায় ৬ মিলিয়ন ব্যারেল।

- ১৯৮৭ সালের জানুয়ারি মাসে হরিপুর তেলক্ষেত্র থেকে তেল উৎপাদন শুরু হয়।

-দেশের একমাত্র তেল-গ্যাস অনুসন্ধানকারী প্রতিষ্ঠান বাপেক্স সফলভাবে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে নিয়োজিত রয়েছে।

উৎস:https://mpemr.gov.bd/ (জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ)

১২৯.
গ্রীনিচের দ্রাঘিমা কত ডিগ্রী?
  1. ০°
  2. ২৩.৫°
  3. ৬৬.৫°
  4. ১২০°
সঠিক উত্তর:
০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০°
ব্যাখ্যা
মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian):
- মূল মধ্যরেখা প্রকৃতপক্ষে লন্ডনের গ্রীনিচ মানমন্দির বরাবর কল্পিত এক দ্রাঘিমা রেখা।
- ১৮৮৪ সালে এই দ্রাঘিমা রেখাকে মূলমধ্য রেখা হিসেবে স্থির করে এই রেখার পূর্ব ও পশ্চিমে অন্য দ্রাঘিমা রেখাগুলোর মান নির্ধারণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- গ্রীনিচ মান মন্দির বরাবর যে কল্পিত দ্রাঘিমা রেখা রয়েছে সেটির মান (০°) ধরা হয়।
- প্রতি ১° দ্রাঘিমান্তরে ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য হয়।
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩০.
ঘুমধুম সীমান্ত কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. সিলেট
  3. বান্দরবান
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
ঘুমধুম সীমান্ত:
- ঘুমধুম সীমান্ত বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার অন্তর্গত নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার একটি ইউনিয়ন।
- এর উত্তরে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন ও সোনাইছড়ি ইউনিয়ন; পশ্চিমে কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়ন, উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন, রত্নাপালং ইউনিয়ন, রাজাপালং ইউনিয়ন ও পালংখালী ইউনিয়ন এবং দক্ষিণে ও পূর্বে মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশ অবস্থিত।
- মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮৩ কিলোমিটার।
- এর বড় অংশ পড়েছে বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায়।
- সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত–সংলগ্ন এলাকায় যুদ্ধ জোরালো করেছে আরাকান আর্মিসহ কয়েকটি গোষ্ঠী। 
- তুমব্রু ও ঘুমধুমের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা আতঙ্কে এলাকা ছেড়েছেন।  

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো।
১৩১.
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের প্রদেশ কয়টি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক পরিচিতি:
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- এই দেশের ভূখণ্ডগত বিস্তৃতি ১৪৭, ৫৭০ বর্গ কিলোমিটার। 
- বাংলাদেশ ৮টি বিভাগ রয়েছে। 
- এগুলো হলো বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং রংপুর বিভাগ।
- এসকল বিভাগের অধীনে রয়েছে ৬৪টি জেলা।  
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি। 
- ভারতের সাথে ৩০টি ও মিয়ানমারের সাথে ৩টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙ্গামাটি জেলার সাথে উভয় দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- মিয়ানমারের আরাকান ও চিন; এই দুই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে।

সূত্র- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩২.
টারশিয়ারি যুগের অন্তর্ভুক্ত নয় কোন পাহাড়?
  1. তাজিং ডং
  2. কেওক্রাডং
  3. লালমাই
  4. ছাতক
সঠিক উত্তর:
লালমাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমাই
ব্যাখ্যা

- লালমাই পাহাড় টারশিয়ারি যুগের অন্তর্ভুক্ত নয় । এটি প্লাইস্টোসিনকালের অন্তর্গত পাহাড়। 
- অন্যদিকে তাজিং ডং, কেওক্রাডং ও ছাতক পাহাড় টারশিয়ারী যুগের পাহাড়।

• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে। 
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর। 
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত। 
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। 
- বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়, লালমাই পাহাড় এই ভূমিরূপের অন্তর্গত।

• লালমাই পাহাড়: 
- এটি প্লাইস্টোসিনকালে বা প্রায় ২৫ হাজার বছর আগে গঠিত একটি ভূমিরূপ।
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার।
- গড় উচ্চতা ২১ মিটার। 
- এ পাহাড়ের মাটি লাল এবং নুড়ি, বালি ইত্যাদি দ্বারা গঠিত।

তথ্যসূত্র: ভুগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৩.
বাংলাদেশের কোন উপজেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্ত বিদ্যমান?
  1. দিঘিনালা
  2. বিলাইছড়ি
  3. টেকনাফ
  4. নাইক্ষংছড়ি
সঠিক উত্তর:
বিলাইছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিলাইছড়ি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার বড়থলি ইউনিয়নে ভারত, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার তিন দেশের সীমান্ত মিলিত হয়েছে।
(তথ্যসূত্র: স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়)
১৩৪.
কোনটি বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য নয়?
  1. আসাম
  2. ত্রিপুরা
  3. মিজোরাম
  4. মনিপুর
সঠিক উত্তর:
মনিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনিপুর
ব্যাখ্যা
মনিপুর বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য নয়।

বাংলাদেশের সীমানা:
- বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- তিনদিকের মূলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়।
- রাজ্যগুলো হলো: আসাম, মেঘালয়, অরুণাচল, মনিপুর, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩৫.
সমবৃষ্টিপাতযুক্ত স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. আইসোহাইট
  2. আইসোপ্লিথ
  3. আইসোথার্ম
  4. আইসোবার
সঠিক উত্তর:
আইসোহাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোহাইট
ব্যাখ্যা
সমরেখ পদ্ধতি:
- পরিমাণগত বা ঘনত্ব জ্ঞাপক একই মান বিশিষ্ট বিভিন্ন স্থানকে মানচিত্রের উপর যে রেখা দ্বারা যোগ করা হয় সেই রেখাকে সমমান রেখা বা Isopleth line বলে।
- এ রেখা সমমান বিশিষ্ট অঞ্চলের ওপর দিয়ে টানা হয়।
- প্রকৃতিক বিষয় আবহাওয়া, জলবায়ু ইত্যাদি সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের উপাত্ত প্রদর্শনের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- যেমন- সমতাপ বা সমোষ্ণরেখা, সমচাপ রেখা, সমবর্ষণ রেখা এবং সমোষ্ণ রেখা।

উল্লেখ্য,
⇒ সমোষ্ণ রেখা (Isotherm line):
- ভূপৃষ্ঠের ওপর সমান তাপ বিশিষ্ট স্থানগুলোকে মানচিত্রের ওপর যে রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয় সে রেখাকে সমোষ্ণ রেখা বলে।

⇒ সমচাপ রেখা (Isobar line):
- ভূপৃষ্ঠের ওপর বায়ুর সমচাপ বিশিষ্ট স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তাকে সমচাপ রেখা (Isobar line) বলে।

⇒ সমবর্ষণ রেখা (Isohyet line):
- সম বৃষ্টিপাত যুক্ত স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তাকে সমবর্ষণ রেখা বলে।
- সমান উচ্চতা বিশিষ্ট স্থানগুলোকে মানচিত্রের ওপর যে রেখা দ্বারা যোগ করা হয় তাকে সমোচ্চ রেখা বলে।
- এ সমস্ত রেখা কাল্পনিক।

উৎস: ব্যবহারিক ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৬.
ট্রান্স ককেসিয়ান অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত -
  1. ক) আজারবাইজান
  2. খ) ফিলিপাইন
  3. গ) তাইওয়ান
  4. ঘ) জিবুতি
সঠিক উত্তর:
ক) আজারবাইজান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আজারবাইজান
ব্যাখ্যা
ককেশাস পর্বতমালার দক্ষিণে ট্রান্সককেশাস অঞ্চল অবস্থিত। এর মোট আয়তন প্রায় ১.৮৭ লক্ষ বর্গকিমি। এই অঞ্চলে তিনটি স্বাধীন রাষ্ট্র তথাঃ জর্জিয়া, আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান অবস্থিত।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
১৩৭.
উত্তমাশা অন্তরীপ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. খ) চিলি
  3. গ) পর্তুগাল
  4. ঘ) সোমালিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) দক্ষিণ আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
- উত্তমাশা অন্তরীপ : দক্ষিণ আফ্রিকা
- হর্ন অন্তরীপ : চিলি
- মরিস জেসাপ অন্তরীপ : গ্রিনল্যান্ড
- গার্দাফুই অন্তরীপ : সোমালিয়া
- কন্যাকুমারী অন্তরীপ : ভারত
- ট্রাফালগার অন্তরীপ : স্পেন।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
১৩৮.
গ্রেট বেরিয়াররিফ কোথায় অবস্থিত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর 
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর 
  4. পারস্য উপসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর 
ব্যাখ্যা

• গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ:
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত একটি অসাধারণ বৈচিত্র্য এবং সৌন্দর্যের স্থান।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম এবং দীর্ঘতম প্রবাল প্রাচীর ব্যবস্থা, 
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্ব উপকূলে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের দীর্ঘতম এবং বৃহত্তম রিফ কমপ্লেক্স, যা উত্তর-পশ্চিম-দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ১,২৫০ মাইল (২,০০০ কিলোমিটার) জুড়ে বিস্তৃত। রিফটি ১০ থেকে ১০০ মাইল (১৬ থেকে ১৬০ কিলোমিটার) পর্যন্ত বিস্তৃত এবং প্রস্থে ৩৭ থেকে ১৫৫ মাইল (৬০ থেকে ২৫০ কিলোমিটার) পর্যন্ত পরিবর্তিত হয়।
- প্রায় ১৩৫,০০০ বর্গমাইল (৩৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত, গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ তার জীববৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত এবং এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৩৯.
নিম্নের কোন দেশে 'আল্পস পর্বত' অবস্থিত?
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. ইতালি
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

আল্পস পর্বত:
- আল্পস পর্বত ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি একটি বিস্তৃত পর্বতমালা যা দক্ষিণ-মধ্য ইউরোপে অবস্থিত।
- অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, লিচেনস্টাইন, মোনাকো, স্লোভেনিয়া এবং সুইজারল্যান্ড নামে আটটি আল্পাইন দেশ জুড়ে রয়েছে এই পর্বতমালা।
- আল্পস পর্বতশ্রেণী প্রায় ১,২০০ কিমি অর্ধচন্দ্রাকার আকারে বিস্তৃত।
- আল্পস এক ধরনের ভঙ্গিল পর্বত।
- আল্পস পর্বতমালাকে তিনটি বিস্তৃত ভাগে ভাগ করা যায়: পূর্ব, মধ্য এবং পশ্চিম আল্পস।
- এটি একটি অবিচ্ছিন্ন পর্বতশ্রেণী এবং বিভিন্ন উচ্চতা এবং গভীরতার অসংখ্য চূড়া এবং উপত্যকা নিয়ে গঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের ভ্যালাইস ক্যান্টনে অবস্থিত ২২.৬ কিমি দীর্ঘ আলেচ হিমবাহটি আল্পসের বৃহত্তম হিমবাহ।
- এই পর্বতমালা দক্ষিণ ফ্রান্সের মোনাকোর কাছে ভূমধ্যসাগরের উত্তর থেকে সুইজারল্যান্ড, তারপর উত্তর ইতালি হয়ে দক্ষিণ জার্মানি এবং অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছে।
- আল্পস পর্বতশ্রেণি আলবেনিয়ায় রুক্ষ অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের উপকূলে শেষ হয়েছে।

উৎস:Worldatlas এবং ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪০.
মহাদেশীয় ভূত্বকের স্তরকে কি বলে?
  1. সিয়াল
  2. ভূত্বক
  3. সিমা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সিয়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিয়াল
ব্যাখ্যা

ভূত্বক (Earth's Crust):
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক।
- ভূঅভ্যন্তরের অন্যান্য স্তরের তুলনায় ভূত্বকের পুরুত্ব সবচেয়ে কম; গড়ে ২০ কিলোমিটার।
- ভূত্বক তলদেশে তা গড়ে মাত্র ৫ কিলোমিটার পুরু।
- সিয়াল (Sial) স্তর: সাধারণভাবে মহাদেশীয় ভূত্বকের এ স্তরকে সিয়াল (Sial) স্তর বলে, যা সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (AI) দ্বারা গঠিত।
- সিমা (Sima) স্তর: এটি সিয়াল স্তরের তুলনায় ভারী এবং এর প্রধান খনিজ উপাদান সিলিকন (Si) ও ম্যাগনেসিয়াম (Mg) যা সাধারণভাবে সিমা (Sima) নামে পরিচিত।
- অনুমান করা হয় যে, এ ব্যাসল্ট স্তরই সারা পৃথিবী জুড়ে বহিরাবরণ ও গভীর সমুদ্র তলদেশে বিদ্যমান।
- ভূত্বকের উপরের ভাগেই বাহ্যিক অবয়বগুলো দেখা যায়। যেমন- পর্বত, মালভূমি, সমভূমি ইত্যাদি।
- ভূত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১৪১.
বাংলাদেশের কোন জেলার সাথে ভারতের তিনটি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে?
  1. লালমনিরহাট
  2. সিলেট
  3. কুড়িগ্রাম
  4. রাঙামটি
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত:
- বাংলাদেশ ও ভারত ১৯৪৭ সালের র‍্যাডক্লিফ লাইন দ্বারা বিভক্ত।
- বাংলাদেশের প্রায় তিনদিকেই ভারতের অবস্থান।
- মোট ৩২ টি সীমান্তবর্তী জেলার মধ্যে ৩০ টি জেলার সাথে ভারতের সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের ৫ টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। যথা- পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম।
- তন্মধ্যে একমাত্র কুড়িগ্রাম জেলার সাথে তিনটি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে।
- কুড়িগ্রাম জেলার উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের কুচবিহার জেলা, পূর্বে ভারতের আসাম প্রদেশের ধুবড়ী ও মেঘালয় রাজ্যের তুরা পার্বত্য জেলা।
- আন্তর্জাতিক সীমারেখা রয়েছে ২৭৮.২৮ কিলোমিটার। 
 

উৎস: কুড়িগ্রাম জেলার সরকারি ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১৪২.
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত-
  1. হাড়িয়াভাঙ্গা নদী
  2. নাফ নদী
  3. হালদা নদী
  4. কর্ণফুলী নদী
সঠিক উত্তর:
নাফ নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাফ নদী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমানা: 
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য।
- পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা , মিজোরাম রাজ্য ও মিয়ানমার।
- পশ্চিমে -ভারতের পশ্চিমবঙ্গ।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত - হাড়িয়াভাঙ্গা নদী।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত - নাফ নদী।
- দক্ষিণে- বঙ্গপোসাগর।
- দক্ষিণ বঙ্গপোসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য - ৭১৬ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের মোট সীমানারেখা - ৪,৭১১ কিলোমিটার।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের মোট সীমানা রেখা - ৩৭১৫ কিলোমিটার
- বাংলাদেশে - মিয়ানমারের সীমানা রেখা - ২৮০ কিলোমিটার

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ - নবম ও দশম শ্রেণি
১৪৩.
কোন সালে বাংলাদেশে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৭ সালে
  4. ১৯৬৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র: প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো সিলেটের হরিপুরে।
• ১৯৫৫ সালে সর্বপ্রথম এখানে গ্যাসের খোঁজ পাওয়া যায়। ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
• বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে। 
• ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।
• বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।

⇒ অন্যদিকে,
বাংলাদেশে প্রথম ১৯৮৫ সালে দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়াতে কয়লা খনির সন্ধান পাওয়া যায়।
• ১৯৮৯ সালে রংপুর জেলার খালাশপীর নামক স্থানে এবং
• ১৯৯৫ সালে দিনাজপুরের দীঘিপাড়াতে পার্মিয়ান যুগের গন্ডোয়ানা কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কার করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪৪.
বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে কী নামে পরিচিত?
  1. টিলা
  2. ঢিবি
  3. খাড়ি
  4. গিরি
সঠিক উত্তর:
টিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিলা
ব্যাখ্যা

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।

• প্রকারভেদ: টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
• ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। 
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।

• খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

তথ্যসূত্র: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১৪৫.
গোয়াদার কোন দেশের সমুদ্রবন্দর?
  1. ক) ইরান
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) মরক্কো
  4. ঘ) সিরিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
- গোয়াদার, করাচি : পাকিস্তানের সমুদ্রবন্দর
- চাবাহার, বন্দর আব্বাস, আবাদান : ইরানের সমুদ্রবন্দর
- তাঞ্জিবার ও কাসাব্লাংকা : মরক্কোর সমুদ্রবন্দর
- লাতাকিয়া : সিরিয়ার সমুদ্রবন্দর।
(সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
১৪৬.
আতিতলাম আগ্নেয়গিরি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) গুয়েতেমালা
  2. খ) ইতালি
  3. গ) চিলি
  4. ঘ) আর্জেন্টিনা
সঠিক উত্তর:
ক) গুয়েতেমালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গুয়েতেমালা
ব্যাখ্যা

আতিতলাম আগ্নেয়গিরিটি গুয়েতেমালায় অবস্থিত।
এটি একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি।
সূত্র: volcanodiscovery.com

১৪৭.
নিচের কোনটি প্রবাল দ্বীপ?
  1. ক) সোনাদিয়া
  2. খ) সেন্ট মার্টিন
  3. গ) কুতুবদিয়া
  4. ঘ) মহেশখালি
সঠিক উত্তর:
খ) সেন্ট মার্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সেন্ট মার্টিন
ব্যাখ্যা
• সেন্টমার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং 
- মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। 
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। 
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান। 

টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার। 

 কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।

- সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। 

দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সরকারি তথ্যে দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে ৮ বর্গকিলোমিটার।

⇒ উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- পরীক্ষায় যদি ৮ বর্গ কিলোমিটার না থাকে তখন ১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ১৩ বর্গ কিলোমিটার উত্তর করবেন, অথবা অপশন বিবেচনায় উত্তর করবেন।

সূত্র: টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট,  কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট, সময় নিউজ ও দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।
১৪৮.
বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান কোনটি?
  1. লালখান
  2. ঈশ্বরদী
  3. রামু
  4. লালপুর
সঠিক উত্তর:
লালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালপুর
ব্যাখ্যা

উষ্ণতম:
- বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান লালপুর, নাটোর।
- বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা রাজশাহী।
- বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস এপ্রিল।

শীতলতম:
- বাংলাদেশের শীতলতম মাস জানুয়ারি।
- বাংলাদেশের শীতলতম জেলা সিলেট।
- বাংলাদেশের শীতলতম স্থান শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।

উৎস: বাংলিপিডিয়া।

১৪৯.
'গাবখান চ্যানেল' বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. গাইবান্ধা
  3. ঝালকাঠি
  4. নীলফামারী
সঠিক উত্তর:
ঝালকাঠি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝালকাঠি
ব্যাখ্যা
গাবখান চ্যানেল:
- গাবখান চ্যানেল বাংলাদেশের ঝালকাঠি জেলায় অবস্থিত।
- ঝালকাঠির সুগন্ধা-বিষখালী নদীর সাথে পিরােজপুরের সন্ধ্যা নদীর সংযােগ ঘটিয়েছে গাবখান চ্যানেল।
- গাবখান চ্যানেলটি বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম নৌপথ যা বাংলার সুয়েজখাল নামে পরিচিত।
- এর ঝালকাঠি অংশে সুগন্ধা, বিষখালী ও ধানসিঁড়ি নদীর মোহনা এবং পিরোজপুর অংশে কচা নদী।
- এর দৈর্ঘ্য ১৮ কিলোমিটার।

⇒ ঝালকাঠি জেলার মাঝখান দিয়ে বয়ে চলা গাবখান নদীর উপর নির্মিত এই সেতুটি ৫ম বাংলাদেশ-চীনমৈত্রী সেতু হিসেবে পরিচিত যা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে গাবখান চ্যানেলের উপর দিয়ে। ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির জন্য ১৯১২ সালে ব্রিটিশরা ঝালকাঠি পৌর শহরের গাবখান থেকে পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার আমড়াঝড়ি পর্যন্ত খনন করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫০.
The geographic location of Bangladesh is on the line of
  1. ক) Tropic of Capricorn
  2. খ) Tropic of Cancer
  3. গ) Equator
  4. ঘ) Arctic Circle
সঠিক উত্তর:
খ) Tropic of Cancer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Tropic of Cancer
ব্যাখ্যা
উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer) এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা (Tropic of Capricorn) বলে।
বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। এই দুটি অঞ্চলের মধ্য দিয়ে সূর্যের আলো লম্বভাবে পৃথিবীতে পড়ে৷

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি
১৫১.
হর্ন অন্তরীপ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. খ) চিলি
  3. গ) পর্তুগাল
  4. ঘ) সোমালিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) চিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চিলি
ব্যাখ্যা
- হর্ন অন্তরীপ : চিলি
- উত্তমাশা অন্তরীপ : দক্ষিণ আফ্রিকা
- মরিস জেসাপ অন্তরীপ : গ্রিনল্যান্ড
- গার্দাফুই অন্তরীপ : সোমালিয়া
- কন্যাকুমারী অন্তরীপ : ভারত
- ট্রাফালগার অন্তরীপ : স্পেন।
(সূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
১৫২.
বাংলাদেশের কোথায় প্লাইস্টোসিন কালের সোপান দেখা যায়?
  1. বান্দরবান
  2. কুষ্টিয়া
  3. কুমিল্লা
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

⇒ প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৩.
'গ্রেট বেরিয়ার রিফ' নামের প্রবাল প্রাচীরটি কোন মহাদেশের তীর ঘেঁষে উত্থিত হয়েছে?
  1. এশিয়া
  2. আফ্রিকা
  3. ইউরোপ
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
গ্রেট বেরিয়ার রিফ:
- গ্রেট বেরিয়ার রিফ হলো বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর।
- এটি ২৯০০ এর বেশি একক রিফের সমন্বয়ে গঠিত।
- অস্ট্রেলিয়ার উপকূলীয় শহর কুইন্সল্যান্ডের কোরাল সাগরে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রবাল প্রাচীর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অবস্থিত।
- অস্ট্রেলিয়ায় কুইন্সল্যান্ডের সমুদ্রতটে গড়ে ওঠা এই প্রবাল প্রাচীরটি প্রায় ৩৪,৪৪,০০০ বর্গ কিলোমিটার স্থান জুড়ে অবস্থিত।
- অর্থাৎ 'গ্রেট বেরিয়ার রিফ' নামের প্রবাল প্রাচীরটি অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের তীর ঘেঁষে উত্থিত হয়েছে।
- UNESCO এটিকে ১৯৮১ সালে বিশ্ব হেরিটেজ সাইটেও অন্তর্ভুক্ত করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। লিঙ্ক
১৫৪.
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের মধ্যে কোনটি সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি?
  1. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় 
  2. লালমাই পাহাড়
  3. বরেন্দ্রভূমি 
  4. পার্বত্য চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি 
ব্যাখ্যা

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।

• বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৫.
Western Wall কোন শহরে অবস্থিত?
  1. ক) বার্লিন
  2. খ) নিউইয়র্ক
  3. গ) জেরুজালেম
  4. ঘ) ওয়াশিংটন
সঠিক উত্তর:
গ) জেরুজালেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জেরুজালেম
ব্যাখ্যা

'Western Wall' জেরুজালেমে অবস্থিত।
Western Wall, also called Wailing Wall, in the Old City of Jerusalem, a place of prayer and pilgrimage sacred to the Jewish people.
সূত্র: ব্রিটানিকা

১৫৬.
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা থেকে হিমালয়ের কোন শৃঙ্গ দেখা যায়?
  1. এভারেস্ট
  2. লোৎসে
  3. মাকালু
  4. কাঞ্চনজংঘা
সঠিক উত্তর:
কাঞ্চনজংঘা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঞ্চনজংঘা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা (অক্ষাংশ ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা)।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

⇒ বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড় থেকে হিমালয়ের কাঞ্চনজংঘা দেখা যায়।
- তেঁতুলিয়ায় ডাক বাংলোতে দাঁড়িয়ে মহানন্দা নদীর পাড় থেকে এবং বাংলাবান্ধা গিয়ে উত্তরের মেঘমুক্ত আকাশে তাকালেই চোখে পড়ে হিমালয়ের নয়নাভিরাম দৃশ্য।

উল্লেখ্য,
- কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতশৃঙ্গ নেপাল ও ভারতের সিকিম সীমান্তে অবস্থিত।
- বাংদেশের সর্ব-উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন (স্থলবন্দর) থেকে নেপালের দূরত্ব ৬১ কিলোমিটার, ভুটানের দূরত্ব ৬৪ কিলোমিটার, চীনের দূরত্ব ২শ কিলোমিটার, ভারতের দার্জিলিংয়ের দূরত্ব ৫৮ কিলোমিটার, শিলিগুড়ির দূরত্ব ৮ কিলোমিটার।
- অন্যদিকে হিমালয়ের এভারেস্ট শৃঙ্গের দূরত্ব ৭৫ কিলোমিটার আর কাঞ্চনজঙ্ঘার দূরত্ব ১১ কিলোমিটার।
- কিন্তু মেঘ-কুয়াশামুক্ত আকাশের উত্তর-পশ্চিমে তাকালেই দেখা মেলে বরফ আচ্ছাদিত সাদা পাহাড় কাঞ্চনজঙ্ঘা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫৭.
দুইটি পাহাড়ের মধ্যবর্তী সমতল বা অসমতল ভূমিকে বলা হয় -
  1. হ্রদ
  2. উপত্যকা
  3. গিরিশৃঙ্গ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উপত্যকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপত্যকা
ব্যাখ্যা
উপত্যকা:
- দুইটি পাহাড়ের মধ্যে অবস্থিত সমতল বা অসমতল, ঢালু, প্রশস্ত ভূমিক্ষেত্রকে উপত্যকা বলে।
- পর্বতের শীর্ষ থেকে যখন বরফ গলা পানি বা বৃষ্টির পানির স্রোত যখন পর্বতের খাড়া ঢাল বেয়ে দ্রুতবেগে নেমে আসে, তখন পাহাড়ের শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ক্রমান্বয়ে ধীরে ধীরে, হাজার হাজার বছর ধরে উপত্যকার সৃষ্টি হয়।
- অনেক সময় হিমবাহ অর্থাৎ বরফের নদী পর্বতের শীর্ষ থেকে ধীরে ধীরে নিচে নামার সময় উঁচু নিচু শিলাপাথরগুলিকে সরিয়ে চূর্ণ করে সমতল মাটির স্তর তৈরি করে এবং ফলে উপত্যকার জন্ম হয়।
- আবার কখনো কখনো কোন নদী গতিপথ বদলালে এর পুরাতন অববাহিকাটি উপত্যকার জন্ম দেয়।
- উপত্যকা সাধারণত V-আকারের ও U- আকারের হয়ে থাকে।

⇒ উপত্যকা সাধারণত ৩ প্রকারের।
১.নদী উপত্যকা,
২.বরফ গঠিত উপত্যকা,
৩.সমতল উপত্যকা।

অন্যদিকে,
• হ্রদ:
- প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট বা মানুষের দ্বারা তৈরি স্থলভাগের কোনো অবনমিত বা নিচু অংশে বৃষ্টির পানি, নদীর পানি, হিমবাহ গলিত পানি, সমুদ্রের পানি সঞ্চিত হয়ে যে বিশাল জলরাশি সৃষ্টি হয় তাকে হ্রদ বলে।

• গিরিশৃঙ্গ:
-  গিরিশৃঙ্গ হল একটি পাহাড় বা পর্বতের শীর্ষস্থানের অংশ, যা সাধারণত অন্যসব স্থানের তুলনায় উঁচু এবং পাহাড়ের সর্বোচ্চ বিন্দু হিসেবে পরিচিত।

উৎস: Britannica.
১৫৮.
নিচের কোন অঞ্চলের পুরাতন ভৌগলিক নাম ছিল শ্রীহট্ট?
  1. চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. বরিশাল
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
শ্রীহট্ট বা সিলেট: 
- সিলেটের পুরাতন ভৌগলিক নাম ছিল শ্রীহট্ট। 

- মহান সাধক হযরত শাহজালাল (র.) ও হযরত শাহপরাণ (র.) সহ ৩৬০ আউলিয়ার পুণ্যভূমি সিলেট একটি প্রাচীন জনপদ।
- চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ এর ৬৪০ খ্রিষ্টাব্দের ভ্রমণ বিবরণী থেকে এ জেলা সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।
- চীন দেশীয় পর্যটক হিউয়েন সাং বলেছেন, ‘‘শ্রীহট্ট একটা প্রাচীন ও গৌরবশালী দেশ’’।
- দশম শতাব্দীতে মহারাজা শ্রীচন্দ্র কর্তৃক উৎকীর্ণ পশ্চিমভাগ তাম্রলিপি থেকে জানা যায় যে, তিনি এ জেলা জয় করেছিলেন।
- ঐতিহাসিকদের ধারণা সিলেট বা শ্রীহট্ট বহু আগে থেকেই একটি উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
- ১৪ শতকে ইয়েমেনের সাধক পুরুষ হযরত শাহজালাল (র.) সিলেট জয় করেন এবং ইসলাম প্রচার শুরু করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫৯.
সোনা মসজিদ স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চুয়াডাঙ্গা
  2. চাপাই নবাবগঞ্জ
  3. দিনাজপুর
  4. সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
চাপাই নবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাপাই নবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- সোনা মসজিদ স্থলবন্দর : চাপাই নবাবগঞ্জ
- ভোমরা স্থলবন্দর : সাতক্ষীরা
- দর্শনা স্থলবন্দর : চুয়াডাঙ্গা
- বিরল ও হিলি স্থলবন্দর : দিনাজপুর।
(সূত্র: স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ)
১৬০.
তেনেরিফে দ্বীপ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. স্পেন
  2. ইতালি
  3. অস্ট্রিয়া
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
স্পেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেন
ব্যাখ্যা
তেনেরিফে দ্বীপ:
- স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে তেনেরিফে দ্বীপ অবস্থিত।
- মোট আয়তন - ২,০৩৪ বর্গকিমি।
- তেনেরিফে দ্বীপের সর্বোচ্চ বিন্দু তেইদে (৩,৭১৮ মিটার (১২,১৯৮ ফুট)।
- এটি ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ সর্ববৃহৎ দ্বীপ।
- আফ্রিকার উত্তর-পশ্চিম উপকূলের বিপরীতে আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- তেনেরিফের অর্থনীতি প্রধানত কৃষিভিত্তিক।

⇒ ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ:
- ‘ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ’ স্পেনে অবস্থিত।
- স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে তেনেরিফে দ্বীপে অবস্থিত।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- দ্বীপগুলি আগ্নেয় দ্বীপ।

উৎস: Britannica.
১৬১.
নিচের কোনটি উত্তর ইউরোপের দেশ?
  1. বুলগেরিয়া
  2. স্লোভাকিয়া
  3. পোল্যান্ড
  4. আইসল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
আইসল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসল্যান্ড
ব্যাখ্যা
পূর্ব ইউরোপের দেশসমূহ:
• বেলারুশ
• বুলগেরিয়া
• চেক প্রজাতন্ত্র
• হাঙ্গেরি
• পোল্যান্ড
• মলদোভা
• রোমানিয়া
• রাশিয়া
• স্লোভাকিয়া
• ইউক্রেন

উত্তর ইউরোপের দেশসমূহ:
• নরওয়ে
• সুইডেন
• ডেনমার্ক
• ফিনল্যান্ড
• আইসল্যান্ড
• যুক্তরাজ্য
• আয়ারল্যান্ড
• লিথুয়ানিয়া
• লাটভিয়া
• এস্তোনিয়া

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
১৬২.
এন্টার্কটিকা মহাদেশের চতুর্দিকে কোন মহাসাগর রয়েছে? 
  1. আটলান্টিক মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. দক্ষিণ মহাসাগর
  4. ভারত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ মহাসাগর
ব্যাখ্যা

এন্টার্কটিকা (Antarctica):
- এন্টার্কটিকা মহাদেশ আয়তনে বিশ্বে পঞ্চম।
- এর মোট আয়তন :১ কোটি ৪২ লক্ষ বর্গকিমি; পঞ্চম বৃহত্তম।
- এটি ৯০° দক্ষিণ মেরুরেখা থেকে ৬০° দক্ষিণ অক্ষরেখা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মহাদেশটি পৃথিবীর দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এবং দক্ষিণ মেরুকে কেন্দ্র করে প্রায় বৃত্তাকারে অবস্থিত।
- এ মহাদেশের চতুর্দিকে দক্ষিণ মহাসাগর অবস্থিত।
- মহাদেশটি সারাবছর বরফে আচ্ছন্ন থাকে বলে মনুষ্য বসবাসের অনুপযোগী।
- শীতলতম এই মহাদেশে কোনো দেশ নেই।
- এখানকার উল্লেখযোগ্য প্রাণি অ্যালবাট্রস, পেঙ্গুইন, সীল ইত্যাদি। এছাড়া এ মহাদেশে মস ও শৈবাল জাতীয় উদ্ভিদ জন্মে।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচ এসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। এবং ব্রিটানিকা।

১৬৩.
নাফাখুম ঝর্ণা কোথায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবান জেলায়
  2. কক্সবাজার জেলায়
  3. মৌলভীবাজার জেলায়
  4. রাঙ্গামাটি জেলায়
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান জেলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান জেলায়
ব্যাখ্যা
নাফাখুম ঝর্ণা: 
- বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলায় নাফাখুম ঝর্ণা অবস্থিত। 
- মারমা ভাষায় 'খুম' মানে হচ্ছে জলপ্রপাত।
- পানি প্রবাহের ভলিউমের দিক থেকে সম্ভবত নাফাখুম-ই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জলপ্রপাত।
- সেপ্টেম্বর অক্টোবর মাসে নাফাখুমের প্রকৃত সৌন্দর্য দেখা যায়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬৪.
'সুমাত্রা' দ্বীপটি কোন দেশের অধিভুক্ত?
  1. ক) মালয়শিয়া
  2. খ) ইন্দোনেশিয়া
  3. গ) ফিলিপাইন
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
খ) ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
ইন্দোনেশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র। ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপগুলো হচ্ছে - সুমাত্রা, জাভা, বালি ইত্যাদি।
উল্লেখ্য যে, প্রায় ১৭,০০০ দ্বীপ নিয়ে গঠিত ইন্দোনেশিয়াই জনসংখ্যায় বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম দেশ।
সূত্র: Worldatlas
১৬৫.
সেন্টমার্টিন দ্বীপ-এর অপর নাম কী?
  1. নারিকেল জিঞ্জিরা
  2. সোনাদিয়া
  3. কুতুবদিয়া
  4. নিঝুম দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
নারিকেল জিঞ্জিরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারিকেল জিঞ্জিরা
ব্যাখ্যা
• সেন্টমার্টিন:
- দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হলো - সেন্টমার্টিন।
- সেন্ট মার্টিনের স্থানীয় নাম - নারিকেল জিঞ্জিরা।
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ হলো মহেশখালী।
- এই দ্বীপে আদিনাথ পাহাড় রয়েছে।
- এছাড়া এখানে আদিনাথ মন্দির রয়েছে।

অন্যদিকে,
- কুতুবদিয়া দ্বীপে বাতিঘর রয়েছে।
- সন্দ্বীপে প্রাচীনকালে বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ হতো।

বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য দ্বীপ ও তাদের অবস্থান:
- ভোলা - ভোলা(দ্বীপজেলা)।
- সেন্টমার্টিন - টেকনাফ, কক্সবাজার।
- দক্ষিণ তালপট্টি/পূর্বাশা/নিউমুর - শ্যামনগর, সাতক্ষীরা।
- নিঝুম দ্বীপ - হাতিয়া, নোয়াখালী।
- সোনাদিয়া - মহেশখালী, কক্সবাজার।
- মনপুরা দ্বীপ - মনপুরা, ভোলা।
- কতুবদিয়া - কুতুবদিয়া, কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া।
১৬৬.
কোন দেশটি ককেশাস অঞ্চলে অবস্থিত নয়?
  1. জর্জিয়া
  2. আর্মেনিয়া
  3. আজারবাইজান
  4. আলজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
আলজেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলজেরিয়া
ব্যাখ্যা
• পশ্চিম এশিয়ার দেশ:
→ পশ্চিম এশিয়া এশিয়ার একটি উপ-অঞ্চল যা মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার পশ্চিমে, পূর্ব ইউরোপের দক্ষিণে, দক্ষিণ ইউরোপের পূর্বে এবং আফ্রিকার উত্তরে অবস্থিত।
→ পশ্চিম এশিয়ায় ১৮টি দেশ রয়েছে।
→ আরব এবং তুর্কি পশ্চিম এশিয়ার দুটি বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠী।
→ পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে জনবহুল দেশ তুরস্ক। 
→ সবচেয়ে কম জনবহুল সাইপ্রাস।
→ পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে উত্তরের অঞ্চল হল ককেশাস, যেখানে বর্তমান জর্জিয়া, আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান অবস্থিত।
→ ককেশাসের দক্ষিণ-পশ্চিমে হচ্ছে আনাতোলিয়া, যা এশিয়া মাইনর নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১৬৭.
রাজশাহী বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলা কোনটি?
  1. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  2. নাটোর
  3. সিরাজগঞ্জ
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• সীমান্তবর্তী জেলা:
→ চট্টগ্রাম বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- চট্ট্রগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, ফেনী, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি।
→ খুলনা বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়া।
→ রাজশাহী বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও জয়পুরহাট।
→ রংপুর বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম।
→ ময়মনসিংহ বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা।
→ সিলেট বিভাগের সবগুলো জেলাই সীমান্ত সংলগ্ন। জেলাগুলো হলো- সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬৮.
কোন জেলায় রেলপথ নেই?
  1. ক) টাংগাইল
  2. খ) মাদারিপুর
  3. গ) হবিগঞ্জ
  4. ঘ) ভৈরববাজার
সঠিক উত্তর:
খ) মাদারিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাদারিপুর
ব্যাখ্যা
খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, বরিশাল, পটুয়াখালী, মাদারিপুর, শরীয়তপুর, মেহেরপুর, কক্সবাজার ও লক্ষ্মীপুর অঞ্চলে কোনাে রেলপথ নেই। (রেফারেন্স- বাংলাপিডিয়া)
১৬৯.
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জায়গা-
  1. ক) ভোলাহাট
  2. খ) শিবগঞ্জ
  3. গ) জকিগঞ্জ
  4. ঘ) মনাকশা
সঠিক উত্তর:
ঘ) মনাকশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মনাকশা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকশা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।
১৭০.
কোন নদীকে 'বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ক) সাঙ্গু
  2. খ) হালদা
  3. গ) মেঘনা
  4. ঘ) ব্রহ্মপুত্র
সঠিক উত্তর:
খ) হালদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হালদা
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীকে 'বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ' ঘোষণা করা হয়েছে। 
- চট্টগ্রামে অবস্থিত হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- এটি খাগড়াছড়ি (বাদনাতলী) থেকে উৎপন্ন হয়ে কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে।
- হালদী নদী সরকার ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।

উৎস: মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১৭১.
মেঘালয়ের রাজধানী কোনটি?
  1. ক) শীলং
  2. খ) আইজল
  3. গ) কোহিমা
  4. ঘ) ইম্ফল
সঠিক উত্তর:
ক) শীলং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শীলং
ব্যাখ্যা
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের স্বাধীনতাকামী সাতটি রাজ্য একত্রে সেভেন সিস্টারস হিসেবে পরিচিত। রাজ্যগুলাে হলাে—আসাম, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড, অরুণাচল, মনিপুর, মেঘালয় ও মিজোরাম। ৭টি রাজ্যের আয়তন ইন্ডিয়ার মােট আয়তনের ৭ শতাংশ।
ভারতের সেভেন সিস্টার্সের রাজ্যসমূহ ও রাজধানীঃ
১. আসাম -- দিসপুর
২. মিজোরাম -- আইজল
৩. অরুনাচল -- ইটানগর
৪. মেঘালয় -- শীলং
৫. ত্রিপুরা -- আগরতলা
৬. মণিপুর -- ইম্ফল এবং
৭. নাগাল্যান্ড -- কোহিমা
উৎসঃ Live MCQ Content (upcoming)
১৭২.
কোন নদীর উপর ফারাক্কা বাঁধ তৈরি করা হয়েছে?
  1. মেঘনা 
  2. যমুনা 
  3. পদ্মা
  4. গঙ্গা 
সঠিক উত্তর:
গঙ্গা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গঙ্গা 
ব্যাখ্যা

ফারাক্কা বাঁধ:
ফারাক্কা বাঁধ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলার মধ্যবর্তী গঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত একটি ব্যারেজ
• বাঁধটি বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে প্রায় ১৬.৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
• এটি ১৯৭৫ সালে চালু হয়।

উল্লেখ্য, 
- এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল গঙ্গার পানি ফিডার ক্যানালের মাধ্যমে হুগলি নদীতে প্রবাহিত করে কলকাতা বন্দরের নাব্যতা বজায় রাখা। 
- ১৯৬১ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্প ১৯৭১ সালে সম্পন্ন হয় এবং এর সঙ্গে একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সেচ সুবিধাও যুক্ত রয়েছে।
- তবে বাঁধটি চালুর পর থেকেই বাংলাদেশের পদ্মা নদীতে পানির প্রবাহ শুষ্ক মৌসুমে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়;
- যার ফলে নদীর নাব্যতা কমে, পলি জমে, কৃষি ও মৎস্য সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- এবং এর ফলে পরিবেশগত ভারসাম্যে নেতিবাচক প্রভাব দেখা দেয়। 
- পানির সংকট ও জীবিকা ক্ষতির কারণে সামাজিক-অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি পায়।
- অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে বাঁধ থেকে অতিরিক্ত পানি ছাড়া হলে বাংলাদেশের নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
- এসব কারণে পানি বণ্টন নিয়ে ভারত–বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক বিরোধ চলমান।
- যা আংশিকভাবে নিরসনের জন্য উভয় দেশ ১৯৯৬ সালে ৩০ বছরের ফারাক্কা পানি চুক্তি স্বাক্ষর করে। 
- এই চুক্তিটি ২০২৬ সালে শেষ হবে।

উৎস:
BBC Official Website;
প্রথম আলো।

১৭৩.
ভূ-অভ্যন্তরের কোন স্তর 'শিলামণ্ডল' নামে পরিচিত?
  1. অশ্মমণ্ডল
  2. গুরুমণ্ডল 
  3. কেন্দ্রমণ্ডল
  4. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
অশ্মমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অশ্মমণ্ডল
ব্যাখ্যা

• ভূ-অভ্যন্তরের স্তরসমূহ (Layers of Earth's Interior): 
- বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে ভূতত্ত্ববিদগণ ভূ-অভ্যন্তরকে তিনটি প্রধান স্তরে বিভক্ত করেছেন।এ স্তরগুলো হল
(১) অশ্মমণ্ডল, 
(২) গুরুমণ্ডল এবং
(৩) কেন্দ্রমণ্ডল।

• অশ্মমণ্ডল বা ভূত্বক: 
- পৃথিবীর ওপরের কঠিন ও পাতলা শিলাস্তরকে অশ্মমণ্ডল বা ভুত্বক বলে।
- 'অশ্ব' অর্থ শিলা তাই একে 'শিলামণ্ডল'ও বলা হয়।
- এর গভীরতা সর্বত্র সমান নয়। 
- এর গভীরতা ৩ কিলোমিটার (সমুদ্র তলদেশ) হতে ৪০ কিলোমিটার (পর্বতের তলদেশে)।
- তবে গড় গভীরতা প্রায় ১৭কিলোমিটার। এই স্তরের আপেক্ষিক গুরুত্ব ২ থেকে ৩ (অর্থাৎ পানির চেয়ে ২/৩ গুণ ভারি)।
- এ স্তরটি ওপরে থাকায় অন্যস্তর দুটির তুলনায় এর তাপমাত্রা খুবই কম।
- তবে অশ্মমণ্ডলের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- ভূকম্পন তরঙ্গ থেকে জানা যায় অশ্মমণ্ডল দুটি স্তরে বিভক্ত।
- ওপরের হালকা শিলা স্তরটিকে সিয়াল স্তর এবং নিচের ভারি শিলা স্তরটিকে সিমা স্তর বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী।

১৭৪.
বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপিত হয়-
  1. ক) জালালাবাদে
  2. খ) বেতবুনিয়ায়
  3. গ) তালিবাবাদে
  4. ঘ) মহাখালীতে
সঠিক উত্তর:
খ) বেতবুনিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বেতবুনিয়ায়
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি। যথা-
- রাঙ্গামাটি (বেতবুনিয়া)
- গাজীপুর (তালিবাবাদ)
- মহাখালী
- সিলেট
- বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উদ্বোধন করেন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র।

উৎস: আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।

১৭৫.
বাংলাদেশের জলসীমা বা উপকূলীয় সীমানা কত কি.মি.?
  1. ৬১০ কি.মি.
  2. ৬৭৮ কি.মি.
  3. ৭০৪ কি.মি.
  4. ৭১৬ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
৭১৬ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭১৬ কি.মি.
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সীমান্ত দৈর্ঘ্য:
- সর্বমোট সীমারেখা- ৪,৭১১ কি.মি. [BGB'র তথ্য মতে ৫,১৩৮ কি.মি.]
-  স্থলসীমা- ভারত-বাংলাদেশ ৩,৭১৫ কি.মি. ও মায়ানমার-বাংলাদেশ ২৮০ কি.মি. [BGB: ৪,১৫৬ কি.মি. ও ২৭১ কি.মি.]
- জলসীমা বা উপকূলীয় সীমানা- ৭১৬ কি.মি. [BGB: ৭১১ কি.মি.]
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৭৬.
ভারতের কতটি 'ছিটমহল' বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছ?
  1. ১৬২টি
  2. ৫১টি
  3. ১১১টি
  4. ১০১টি
সঠিক উত্তর:
১১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১১টি
ব্যাখ্যা

⇔ছিটমহল:
- ছিটমহল এমন এক ধরনের ভূখণ্ড, যা নিজের মূল রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সম্পূর্ণ অন্য দেশের সীমানার ভিতরে অবস্থান করে।
- ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের ফলে এ ধরনের জটিল ভূখণ্ডের সৃষ্টি হয়।
- পরে দীর্ঘ সময়ের আলোচনার পর ২০১৫ সালে বাংলাদেশ ও ভারত একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির মাধ্যমে মোট ১৬২টি ছিটমহল পরস্পরের মধ্যে বিনিময় করে।
- বিনিময়ের ফলে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে মোট ১০০৪১.২৫ একর জমি যোগ হয়।
- বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের মোট ১১১টি ছিটমহল ছিল।

উল্লেখ্য, 
- ভারতের ভূখণ্ডের মধ্যে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল অবস্থান করছিল।
- ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি কার্যকর হয়। 
- এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ বহুদিনের ছিটমহল সমস্যা সমাধান করে।
- দুই দেশের যৌথ জরিপে দেখা যায়, মোট ১৬২টি ছিটমহলে প্রায় ৫৫ হাজারের মতো মানুষ বাস করত।
- এর মধ্যে বাংলাদেশের ভেতরের ছিটমহলগুলোতে ছিল প্রায় ৪১ হাজার লোক,
- আর ভারতের ভেতরের ছিটমহলগুলোতে ছিল প্রায় ১৪ হাজার মানুষ।
- ১৯৭৪ সালের স্থল সীমান্ত চুক্তি ও ২০১১ সালের প্রটোকলের ধারাবাহিকতায় ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পরে দীর্ঘকাল ধরে চলা সীমান্ত জটিলতার অবসান ঘটে।
- চুক্তি অনুযায়ী ভারতের ছিটমহলগুলো বাংলাদেশের অংশ হয় এবং বাংলাদেশের ছিটমহলগুলো ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়। 

উৎস: 
বিবিসি বাংলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট;
প্রথম আলো;
বাংলাপিডিয়া (৩১ জুলাই ২০১৫)।

১৭৭.
Which state in northeastern India is surrounded by Bangladesh on three sides?
  1. ক) Mizoram
  2. খ) Tripura
  3. গ) Assam
  4. ঘ) Arunachal Pradesh
সঠিক উত্তর:
খ) Tripura
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Tripura
ব্যাখ্যা
- Tripura is located in the northeastern part of the Indian subcontinent. 
- It is bordered to the north, west, and south by Bangladesh, to the east by the state of Mizoram, and to the northeast by the state of Assam. It is among the smallest of India’s states and is located in an isolated hilly region of the country. 
- The capital is Agartala, near the Bangladesh border in the northwestern part of the state.
 
Source: Britannica
১৭৮.
ককেশাস অঞ্চলে অবস্থিত নয় কোন দেশটি?
  1. জর্জিয়া
  2. আর্মেনিয়া
  3. আজারবাইজান
  4. এস্তোনিয়া
সঠিক উত্তর:
এস্তোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস্তোনিয়া
ব্যাখ্যা
• পশ্চিম এশিয়ার দেশ:
→ আরব এবং তুর্কি পশ্চিম এশিয়ার দুটি বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠী।
→ পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে জনবহুল দেশ তুরস্ক। 
→ সবচেয়ে কম জনবহুল সাইপ্রাস।
→ পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে উত্তরের অঞ্চল হল ককেশাস, যেখানে বর্তমান জর্জিয়া, আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান অবস্থিত।
→ ককেশাসের দক্ষিণ-পশ্চিমে হচ্ছে আনাতোলিয়া, যা এশিয়া মাইনর নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১৭৯.
জিআইএস (GIS) কৌশল প্রথম কোথায় ব্যবহার শুরু হয়? 
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা

• GIS:
- GIS এর পূর্ণরূপ - Geographic Information System.
- ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে সংক্ষেপে জিআইএস বলে।
- এটি কম্পিউটারের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থা যার মধ্য দিয়ে ভৌগোলিক তথ্যগুলোর সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানিক ও পারিসরিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ, মানচিত্রায়ণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা করে থাকে।
- ১৯৬৪ সালে কানাডায় সর্বপ্রথম এই কৌশলের ব্যবহার আরম্ভ হয়।
- ১৯৮০ সালের দিক থেকে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে থাকে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯১ সালে ইসপান (Irrigation Support Project for Asia and the Near East) ফ্লাড অ্যাকশন প্লান-১৯ (ফ্যাপ-১৯) প্রকল্পে সর্বপ্রথম বাংলাদেশে জিআইএস ব্যবহার করে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা। 

১৮০.
ইন্দোচীন অঞ্চলে কোন কোন দেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ভারত, চীন, নেপাল
  2. ভিয়েতনাম, লাওস, কাম্বোডিয়া
  3. থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া
  4. মায়ানমার, লাওস, চীন
সঠিক উত্তর:
ভিয়েতনাম, লাওস, কাম্বোডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েতনাম, লাওস, কাম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা
ইন্দোচীন:
- ইন্দোচীনের অন্তর্ভুক্ত ভিয়েতনাম, লাওস এবং কম্বোডিয়া। 
- অষ্টাদশ শতকে ফ্রান্স ইন্দোচীন হিসেবে পরিচিত বর্তমান ভিয়েতনাম, লাওস ও কম্বোডিয়ার উপর উপনিবেশিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং এই শাসন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত অব্যাহত রাখে।
- তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জাপান এই ইন্দোচীন অঞ্চল দখল করে নেয়।
- যুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালে ভিয়েতনাম স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- কিন্তু ফ্রান্স ভিয়েতনামের স্বাধীনতা স্বীকার না করে ১৯৪৬ সালে এটিকে ফরাসি ইউনিয়নের অধীনে একটি পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে দেশটির উপর পুনরায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১৮১.
বাংলাদেশে আকস্মিক বন্যা সাধারণত কোথায় ঘটে?
  1. পার্বত্য অঞ্চল 
  2. উত্তরাঞ্চল
  3. সুন্দরবন অঞ্চল
  4. উপকূলীয় অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য অঞ্চল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য অঞ্চল 
ব্যাখ্যা

আকস্মিক বন্যা:
- পার্বত্য অঞ্চলে অত্যধিক বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যাকে আকস্মিক বন্যা বলা হয়।
- বাংলাদেশে আকস্মিক বন্যা সাধারণত পার্বত্য এলাকায় ঘটে, যেখানে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে দ্রুত পানি জমে যায় এবং উঁচু জায়গা থেকে নিচে নামতে থাকে, ফলে আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি হয়।
- বিশেষ করে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলে এ ধরনের বন্যা প্রায়ই দেখা যায়।
- অধিক বৃষ্টিপাতের দরুন ২০১২ সালে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটে আকস্মিক বন্যায় ১০০ মানুষ নিহত হয় ও প্রায় ২,৫০,০০০ লোক পানিবন্দি হয়ে পড়ে। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮২.
হিন্দু সম্প্রদায়ের তীর্থস্থানের জন্যে বিখ্যাত কোন পাহাড়?
  1. গারো পাহাড়
  2. চন্দ্রনাথ পাহাড়
  3. চিম্বুক পাহাড়
  4. তাজিংডং
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রনাথ পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রনাথ পাহাড়
ব্যাখ্যা

- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সনাতন ধর্মালম্বীদের তীর্থস্থান চন্দ্রনাথ পাহাড়।
- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড বাজার থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত এটি। 
- সীতাকুণ্ডের পূর্বদিকে চন্দ্রনাথ পাহাড় আর পশ্চিমে সুবিশাল সমুদ্র ।

•বাংলাদেশের পাহাড়:
- ময়নামতি পাহাড় কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত।
- চিম্বুক পাহাড় বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত - গারো পাহাড়।
- চন্দ্রনাথ পাহাড় চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে অবস্থিত।
- কালাউড়া পাহাড় মৌলভীবিাজার জেলায় অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর।

১৮৩.
‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত জেলা কোনটি?
  1. বরিশাল
  2. পটুয়াখালী
  3. ভোলা
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোলা
ব্যাখ্যা
ভোলা:
- ‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত ভোলা জেলা। 
- ‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ’ যা বাংলা করলে ‘বাংলাদেশের দ্বীপের রাণী’ হয়।

⇒ বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ ভোলা।
- ভোলা জেলার পূর্ব নাম দক্ষিণ শাহবাজপুর।
- হিমালয় থেকে নেমে আসা ৩টি প্রধান নদী পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র বাহিত পলি দিয়ে মোহনায় গড়ে উঠেছে এ দ্বীপ।
- জেলাটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
১৮৪.
'গোল্ডেন মিন' ধারণাটির প্রবর্তক-
  1. ক) ইমানুয়েল কান্ট
  2. খ) স্টুয়ার্ট মিল
  3. গ) জেরেমি বেন্থাম
  4. ঘ) এরিস্টটল
সঠিক উত্তর:
ঘ) এরিস্টটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এরিস্টটল
ব্যাখ্যা

- গোল্ডেন মিন (সুবর্ণ মধ্যক) ধারণাটির প্রবর্তক এরিস্টটল।
- তিনি সুবর্ণ মধ্যক ধারণাটি ব্যবহার করেন দুটি চরমপন্থার বা মতবাদের মধ্যবর্তী অবস্থান বুঝাতে।
- অর্থাৎ সুবর্ণ মধ্যক হলো দুটি চরমপন্থার মধ্যবর্তী অবস্থা। যেমন- একদিকে সম্পদের প্রাচুর্য এবং অন্য দিকে খুবই অভাব, এ দুটি অবস্থার মাঝামাঝি অবস্থাই হলো সুবর্ণ মধ্যক।
- এটি নীতিবিদ্যার সাথে জড়িত।
- জেরেমি বেন্থাম উপযোগবাদের জনক।

১৮৫.
বাংলাদেশের পূর্ব সীমা ভারতের কোন অঞ্চলের সাথে সংযুক্ত?
  1. পশ্চিমবঙ্গ
  2. মেঘালয়
  3. ত্রিপুরা
  4. জলপাইগুড়ি
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমানা (Boundary):
- বাংলাদেশের তিনদিকের স্থলভাগ ভারত এবং মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত এবং দক্ষিণে অবস্থিত বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর।
- এ দেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কুচবিহার জেলা এবং আসাম ও মেঘালয় রাজ্য, পূর্বে আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমার অবস্থিত।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
- অন্যদিকে, অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার।

উল্লেখ্য,
১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮৬.
কোন দুটি প্লেটের সংযোগস্থল বরাবর মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত?
  1. ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
  2. ইন্ডিয়ান ও বার্মিজ
  3. ইন্ডিয়ান ও আফ্রিকান
  4. বার্মিজ ও ইউরেশিয়ান
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
ব্যাখ্যা
ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান প্লেটের সংযোগস্থল বরাবর মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত।

এভারেস্ট পর্বত
- মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
- তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ভারতীয় এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল।
- মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
- এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।



উৎস: i) Britannica.
ii) National Geographic.
১৮৭.
মধুপুর ও ভাওয়ালের বনাঞ্চল কী ধরনের বনভূমি?
  1. ক্রান্তীয় আর্দ্র পর্ণমোচী বন
  2. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি
  3. স্রোতজ বনভূমি
  4. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমি
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বনভূমি:

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি:
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনাঞ্চাল বিস্তৃত ।
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায় ।

• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি :
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে।
- এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
১. ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
২. দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।
- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়।
- গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায় ।

• স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন: 
উত্তরে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর; পূর্বে হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে রাইমঙ্গল, হাড়িয়াভাঙ্গা নদী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আংশিক প্রান্ত সীমা পর্যন্ত এ বনভূমি বিস্তৃত। 
এটি খুলনা বিভাগের ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। 
সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের জন্য এ অঞ্চল বৃক্ষ সমৃদ্ধ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ।

১৮৮.
নিরক্ষরেখায় পৃথিবীর ব্যাস কত?
  1. ক) ১২,৭১৪ কি.মি.
  2. খ) ১২,৭৫৭ কি.মি.
  3. গ) ১২,৮০০ কি.মি.
  4. ঘ) ১২,৪৭৬ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
খ) ১২,৭৫৭ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১২,৭৫৭ কি.মি.
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর ব্যাস:
- নিরক্ষরেখায় ব্যাস : ১২,৭৫৭ কিলোমিটার
- মেরুরেখায় ব্যাস : ১২,৭১৪ কিলোমিটার
- পৃথিবীর গড় ব্যাস : ১২,৭৩৪.৫ কিলোমিটার।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে পৃথিবীর পরিধি : ৪০,০৭৭ কিলোমিটার
- মেরু অঞ্চলে পরিধি : ৪০,০০৯ কিলোমিটার।
(সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১৮৯.
গ্রীনিচ মানমন্দির বরাবর কল্পিত দ্রাঘিমা রেখাটি মূল মধ্যরেখা হিসেবে চিহ্নিত হয় -
  1. ১৮৮২ সালে
  2. ১৮৮৪ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৮৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৮৪ সালে
ব্যাখ্যা
মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian):
- মূল মধ্যরেখা প্রকৃতপক্ষে লন্ডনের গ্রীনিচ মানমন্দির বরাবর কল্পিত এক দ্রাঘিমা রেখা।
- ১৮৮৪ সালে এই দ্রাঘিমা রেখাকে মূলমধ্য রেখা হিসেবে স্থির করে এই রেখার পূর্ব ও পশ্চিমে অন্য দ্রাঘিমা রেখাগুলোর মান নির্ধারণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- গ্রীনিচ মান মন্দির বরাবর যে কল্পিত দ্রাঘিমা রেখা রয়েছে সেটির মান (০°) ধরা হয়।
- প্রতি ১° দ্রাঘিমান্তরে ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য হয়।
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯০.
দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত নয় কোন দেশটি?
  1. জ্যামাইকা
  2. বলিভিয়া
  3. ইকুয়েডর
  4. চিলি
সঠিক উত্তর:
জ্যামাইকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যামাইকা
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ:
- দক্ষিণ আমেরিকার মহাদেশ ১২ টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- দেশগুলো হচ্ছে - ব্রাজিল, কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা, পেরু, ভেনেজুয়েলা, চিলি, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, প্যারাগুয়ে, উরুগুয়ে, গায়ানা, সুরিনাম
- আয়তনে বৃহত্তম দেশ - ব্রাজিল।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ - ব্রাজিল।
- ব্রাজিল, গায়ানা এবং সুরিনাম ছাড়া সবকটিতেই স্প্যানিশ সরকারি ভাষা।
- ব্রাজিলের সরকারী ভাষা পর্তুগিজ।
-----------
- অপরদিকে, জ্যামাইকা হচ্ছে উত্তর আমেরিকার দেশ।
 
তথ্যসূত্র: ওয়াল্ড এটলাস।
১৯১.
কীসের ফলে ’ঋতু পরিবর্তন’ ঘটে?
  1. আহ্নিক গতি
  2. ঘূর্ণন গতি
  3. পর্যায়বৃত্ত গতি
  4. বার্ষিক গতি
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক গতি
ব্যাখ্যা
• বার্ষিক গতি :
- সূর্যের মহাকর্ষ বলের আকর্ষণে পৃথিবী নিজের অক্ষের উপর অবিরাম ঘুরতে ঘুরতে একটি নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে (ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে) এবং নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যের চারদিকে ঘুরছে।
পৃথিবীর এই গতিকে বার্ষিক গতি বা পরিক্রমণ গতি বলে।

• বার্ষিক গতির ফল (The results of Revolution):বার্ষিক গতির ফল হলো-
- দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি,
- ঋতু পরিবর্তন।
-----------------------------------------------------
• ঋতু পরিবর্তন:
- তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বছরকে চারটি ঋতুতে ভাগ করা হয়—গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, শীত, বসন্ত ও হেমন্ত। তবে সাধারণভাবে চারটি মৌলিক ঋতু হচ্ছে গ্রীষ্ম, শরৎ, শীত ও বসন্ত।
- পৃথিবীকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে—উত্তর গোলার্ধ ও দক্ষিণ গোলার্ধ।
- নিরক্ষরেখার উপরে উত্তর গোলার্ধ আর নিচে দক্ষিণ গোলার্ধ।
- উত্তর গোলার্ধে যখন গ্রীষ্ম, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন শীত।
- আবার উত্তর গোলার্ধে যখন শীত, দক্ষিণে তখন গ্রীষ্ম।
- বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত।
- তাই এখানে জুন মাসে গ্রীষ্ম থাকে, আর তখন দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল চলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৯২.
বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে পূর্ব-পশ্চিম বরাবর কোন রেখাটি অতিক্রম করেছে?
  1. ক) ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
  2. খ) সাড়ে ২৩ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষরেখা
  3. গ) মূল মধ্যরেখা
  4. ঘ) সাড়ে ২৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাড়ে ২৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাড়ে ২৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে পূর্ব-পশ্চিম বরাবর সাড়ে ২৩ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা (ট্রপিক অব ক্যান্সার) অতিক্রম করেছে।
- ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা উত্তর-দক্ষিণ বরাবর বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- রেখা দুটি ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় পরস্পরকে অতিক্রম করেছে।
(সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১৯৩.
বঙ্গোপসাগরের সর্বউত্তর প্রান্তে অবস্থিত-
  1. শ্রীলংকা
  2. মালদ্বীপ
  3. বাংলাদেশ
  4. মায়ানামার
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

- বঙ্গোপসাগরের সর্বউত্তর প্রান্তে বাংলাদেশ অবস্থিত।

• বঙ্গোপসাগর (Bay of Bengal): 

- বঙ্গোপসাগর (Bay of Bengal)  ভারত মহাসাগরের উত্তরের সম্প্রসারিত বাহু।
- ভৌগোলিকভাবে ৫° উত্তর ও ২২° দক্ষিণ অক্ষাংশ এবং ৮০° পূর্ব ও ১০০° পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।
- পৃথিবীর সর্ববৃহৎ এ উপসাগরটি পশ্চিমে ভারত ও শ্রীলংকার পূর্ব উপকূল,
- উত্তরে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীপ্রণালী সৃষ্ট বদ্বীপ ।
- এবং পূর্বে মায়ানমার উপদ্বীপ থেকে আন্দামান-নিকোবর শৈলশিরা (ridges) পর্যন্ত বিস্তৃত ভূভাগ দ্বারা বঙ্গোপসাগর তিনদিকে আবদ্ধ।
- বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ সীমা শ্রীলংকার দক্ষিণে দন্দ্রা চূড়া (Dondra Head) থেকে সুমাত্রার উত্তর প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সর্বমোট প্রায় ২২ লক্ষ বর্গ কিমি আয়তনের বিশাল এলাকা জুড়ে বঙ্গোপসাগর বিস্তৃত।
- এর গড় গভীরতা প্রায় ২,৬০০ মিটার এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ৫,২৫৮ মিটার।
- বঙ্গোপসাগরের সর্বউত্তর প্রান্তে বাংলাদেশ অবস্থিত।


উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৯৪.
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কোথায় অবস্থিত?
  1. কুলাউড়া
  2. বড়লেখা
  3. কমলগঞ্জ 
  4. শ্রীমঙ্গল
সঠিক উত্তর:
কমলগঞ্জ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমলগঞ্জ 
ব্যাখ্যা

• লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। 
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে অবশিষ্ট চিরহরিৎ বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৯৫.
দারফুর হলো ... একটি শহরের নাম।
  1. সুদানের
  2. উগান্ডার
  3. লেসোথোর
  4. ঘানার
সঠিক উত্তর:
সুদানের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুদানের
ব্যাখ্যা

- দারফুর সুদানের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল।
- অঞ্চলটি তিনটি স্বায়ত্বশাসিত প্রদেশ নিয়ে গঠিত।
- এই তিনটি প্রদেশ হচ্ছেঃ পশ্চিম দারফুর, দক্ষিণ দারফুর এবং উত্তর দারফুর।
- এটি সুদানের গোলযোগপূর্ণ অঞ্চল।
- দারফুর অঞ্চলে বর্তমানে জাতিগত সংঘাত চলছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও বিবিসি।

১৯৬.
পাটনি চর কোথায় অবস্থিত?
  1. নোয়াখালী
  2. ভোলা
  3. সুন্দরবন
  4. লক্ষ্মীপুর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
- নদীর মাঝে বা মোহনায় পলি সঞ্চিত হয়ে জেগে উঠা ভূখণ্ড চর নামে পরিচিত।
বাংলাদেশের বিভিন্ন চরের অবস্থান:
সুন্দরবনের চরসমূহ:
- পাটনি চর
- দুবলার চর।
লক্ষ্মীপুর জেলার চরসমূহ:
- চর গজারিয়া
- চর আলেকজান্ডার।
-ভোলা জেলার চরসমূহ:
- চরফ্যাশন
- চর মানিক
- চর কুকড়ি মুকড়ি
- চর নিউটন
- চর নিজাম প্রভৃতি।
নোয়াখালী জেলার চরসমূহ:
- ভাসান চর
- সুবর্ণ চর
- চর শ্রীজনী
- চর শাহাবানী প্রভৃতি।
ফেনী জেলার চরসমূহ:
- মুহুরীর চর
রাজশাহী জেলার চর:
- নির্মল চর
(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
১৯৭.
পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৮২ সালে
  2. খ) ১৯৮৯ সালে
  3. গ) ১৯৯২ সালে
  4. ঘ) ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৮৯ সালে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় গঠিত হয়। এর পূর্বে তা কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভাগ ছিলো। ২০১৮ সালের ১৪ মে এর নামকরণ করা হয় পরিবেশ, বন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। (সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট)
১৯৮.
’সুন্দরবন’ কী ধরনের বনাঞ্চল?
  1. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি
  2. স্রোতজ বনভূমি
  3. ক্রান্তীয় আর্দ্র পর্ণমোচী বন
  4. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমি
সঠিক উত্তর:
স্রোতজ বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্রোতজ বনভূমি
ব্যাখ্যা

• স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন: 
- উত্তরে খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলা; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর; পূর্বে হরিণঘাটা নদী, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা এবং পশ্চিমে রাইমঙ্গল, হাড়িয়াভাঙ্গা নদী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের আংশিক প্রান্ত সীমা পর্যন্ত এ বনভূমি বিস্তৃত। 
- এটি খুলনা বিভাগের ৬,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। 
- সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের জন্য এ অঞ্চল বৃক্ষ সমৃদ্ধ।

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি:
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনাঞ্চাল বিস্তৃত ।
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায় ।

• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি :
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে।
- এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
১. ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
২. দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।
- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়।
- গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায় ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৯৯.
পরিচলন প্রক্রিয়ায় কোন অঞ্চলে সারাবছর নিয়মিত বৃষ্টিপাত হয়?
  1. ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে
  2. নিরক্ষীয় অঞ্চলে
  3. ক্রান্তীয় অঞ্চলে
  4. মেরুবৃত্তীয় অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
দিনের বেলায় সূ্র্যকিরণের জন্যে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে উপরে উঠে শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে যে বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে পরিচলন বৃষ্টি বলে।

নিরক্ষীয় অঞ্চলে স্থলভাগ অপেক্ষা জলভাগের বিস্তৃতি অধিক এবং এখানে সূর্য সর্বদা লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় এখানকার বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ সব সময় বেশি থাকে। ফলে এই হালকা জলীয়বাষ্প উপরে উঠে শীতল বায়ু সংস্পর্শে এসে নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারাবছর বিকাল অথবা সন্ধ্যায় পরিচলন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টি ঘটায়।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২০০.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলটি ভারতের সীমান্তে অবস্থিত নয়?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. কক্সবাজার
  3. রাঙ্গামাটি
  4. শেরপুর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের কক্সবাজার ভারতের সীমান্তে অবস্থিত নয়। 

• বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলাসমূহ:

- বাংলাদেশের ৮ টি বিভাগে মোট জেলার সংখ্যা হল ৬৪।
- এর মধ্যে সীমান্তবর্তী জেলা রয়েছে ৩২ টি।
- এই সীমান্তবর্তী জেলাগুলো ভারত ও মিয়ানমার এর সাথে।
- ভারতের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে ৩০ টি জেলার আর মিয়ানমারের সাথে রয়েছে ৩টি জেলার।
- এদের মধ্যে ১টি জেলার (রাঙ্গামাটি) আবার দুই দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।
- ঢাকা ও বরিশাল বিভাগ ব্যতীত সকল বিভাগের সীমান্তবর্তী জেলা রয়েছে।
- মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের ৩টি সীমান্তবর্তী জেলা হল কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান।
- অপরদিকে ভারতের সাথে যে ৩০ টি সীমান্তবর্তী জেলা রয়েছে তার মধ্যে-

এছাড়াও, 
- চট্টগ্রাম বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো - চট্ট্রগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, ফেনী, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি।
- খুলনা বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো - সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়া।
- রাজশাহী বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো - রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও জয়পুরহাট।
- রংপুর বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো - পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম।
- ময়মনসিংহ বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো - জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা।
- সিলেট বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো - সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।

সূত্র: ডিএমপি নিউজ ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।