বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক ভৌগলিক অঞ্চল, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনীতির গুরুত্ব

মোট প্রশ্ন১,৬৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক ভৌগলিক অঞ্চল, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনীতির গুরুত্ব

PrepBank · পাতা / ১৭ · ১০০ / ১,৬৩৯

.
আপালেশিয়ান পর্বতমালা মূলত কোন কোন দেশ জুড়ে বিস্তৃত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবা
  3. কানাডা ও গ্রিনল্যান্ড
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
ব্যাখ্যা

আপালেশিয়ান পর্বত:
- আপালেশিয়ান পর্বতমালা উত্তর আমেরিকার পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি ভঙ্গিল পর্বতশ্রেণী।
- এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডা জুড়ে বিস্তৃত।
- কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা পর্যন্ত প্রায় ৩,২০০ কিমি (২,০০০ মাইলের বেশি) বিস্তৃত। 
- এটি রকি পর্বতমালার চেয়ে প্রাচীন পর্বত। 
- এর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ নর্থ ক্যারোলিনার মাউন্ট মিচেল। 
- এই অঞ্চলটি কয়লা, লোহা এবং অন্যান্য খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। 

উৎস: Britannica.

.
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমারেখা কত কিলোমিটার?
  1. ২৫০ কিলোমিটার
  2. ২৮০ কিলোমিটার
  3. ৩০০ কিলোমিটার
  4. ৩২০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
২৮০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তরেখার দৈর্ঘ্য ২৮০ কিলোমিটার, এটা মূলত দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত।

বাংলাদেশের সীমা:
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য ও মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।
- বাংলাদেশের সর্বমোট সীমারেখা ৪,৭১১ কিলোমিটার।
- এর মধ্যে ভারত-বাংলাদেশের সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৩,৭১৫ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমারেখার দৈর্ঘ্য ২৮০ কিলোমিটার এবং
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে হাড়িয়াভাঙ্গা নদী এবং দক্ষিণপূর্বে নাফ নদী ভারত ও মিয়ানমারের সীমানায় অবস্থিত।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। 

.
'মদক তং' বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা

সাকা হাফং:
- সাকা হাফং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব পার্বত্য জেলা বান্দরবানের থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নে অবস্থিত একটি পাহাড়।
- স্থানীয়ভাবে এই শৃঙ্গকে 'মদক তং' নামেও ডাকা হয়।
- এর অবস্থান ভারত-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পর্বতশৃঙ্গ রয়েছে, যেগুলোর অবস্থান মূলত বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার দুর্গম এলাকায়।
- এদের মধ্যে তাজিংডং অন্যতম, এটা বান্দরবানের রুমা উপজেলায় অবস্থিত এবং সরকারিভাবে একে দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ বলা হয়ে থাকে।

উৎস: প্রথম আলো।

.
দেশের একমাত্র সোয়াম্প ফরেস্ট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) হাতিয়া
  2. খ) গোয়াইনঘাট
  3. গ) কলমাকান্দা
  4. ঘ) টেকনাফ
সঠিক উত্তর:
খ) গোয়াইনঘাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গোয়াইনঘাট
ব্যাখ্যা
- রাতারগুল হলো দেশের একমাত্র সোয়াম্প ফরেস্ট বা জলাভূমির বন। এটি সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত।
- এ বনের আয়তন প্রায় ২০৫ হেক্টর।
- এ বনের প্রধান বৃক্ষের মধ্যে হিজল, করচ, বরুন ও পিটালী উল্লেখযোগ্য।
- এ বনের বৃক্ষ বছরের প্রায় অর্ধেক সময় আংশিক জলমগ্ন থাকে।
(সূত্র: বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
.
চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা -
  1. পার্পল লাইন
  2. লাইন অব ডিমারকেশন
  3. লাইন অব কন্ট্রোল
  4. ম্যাকমোহন লাইন
সঠিক উত্তর:
ম্যাকমোহন লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাকমোহন লাইন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গ্যাস ফিল্ড 'তিতাস গ্যাসক্ষেত্র' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) ব্রাহ্মণবাড়ীয়া
  3. গ) হবিগঞ্জ
  4. ঘ) নারায়নগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
খ) ব্রাহ্মণবাড়ীয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্রাহ্মণবাড়ীয়া
ব্যাখ্যা
তিতাস গ্যাসক্ষেত্র:
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে। এরপর সিলেট অঞ্চলে আরও বেশকিছু গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হওয়ার পর যখন ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীরে একটি বিরাট গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় তখন বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারে নতুন আরেক এক দিগন্তের সূচনা হয়।
১৯৬৪ সালের ২০ নভেম্বর এ গ্যাসক্ষেত্রটি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড নামে জন্মলাভ করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্রটি পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি আবিষ্কার করেছিল।
• এক নজরে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রঃ
- প্রাথমিক মজুদ - ৮,১৪৮.৯ বিলিয়ন ঘনফুট
- উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদ (2P) - ৬৩৬৭ বিলিয়ন ঘনফুট
- উত্তোলনরত কূপের সংখ্যা - ২৬টি।

উৎসঃ বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২০।
.
প্লাইস্টোসিন যুগের বৃহত্তম উঁচুভূমি কোনটি?
  1. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  2. বরেন্দ্রভূমি
  3. লালমাই পাহাড়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
ব্যাখ্যা

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

ক) বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।
- বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ অঞ্চলটিকে কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে।

খ) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার এবং আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এখানকার মৃত্তিকা কৃষিকাজের জন্য তেমন উপযোগী নয়। এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসাব পরিচিত।

গ) লালমাই পাহাড়:
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার।
- এ পাহাড়ের মাটি লাল এবং নুড়ি, বালি ইত্যাদি দ্বারা গঠিত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
সেভেন সিস্টার্সের কতটি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত আছে?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. পাঁচটি
  4. সাতটি
সঠিক উত্তর:
চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারটি
ব্যাখ্যা

সেভেন সিস্টার্স:
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- এগুলো হলো- অরুণাচল, আসাম, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা।
- সেভেন সিস্টার্সের (আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মেঘালয়) এই চারটি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত আছে।
- সর্বপ্রথম রাজ্যগুলোকে একত্রে ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে উল্লেখ করেন ত্রিপুরার সাংবাদিক জ্যোতি প্রসাদ সাইকিয়া।
- এই সাত রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্সের মর্যাদা দেওয়া হয় ১৯৭২ সালে।
- সেভেন সিস্টার্সের মোট আয়তন ২,৬২,১৭৯ বর্গকিলোমিটার, যা ভারতের মোট এলাকার প্রায় ৭.৯৭ শতাংশ।
- এ অঞ্চলের জনসংখ্যা ভারতের মোট জনসংখ্যার ৩.৭৮ শতাংশ।
- আসামের গুয়াহাটিকে সেভেন সিস্টার্স রাজ্যের প্রবেশদ্বার বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

.
নিরক্ষরেখার উপর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয় কত তারিখে?
  1. ক) ২১ শে মার্চ ও ২৩ শে সেপ্টেম্বর
  2. খ) ২২ শে মার্চ ও ২৪ শে সেপ্টেম্বর
  3. গ) ২৪ শে মার্চ ও ২৬ শে মার্চ
  4. ঘ) ২৮ শে মার্চ ও ২৫ শে মার্চ
সঠিক উত্তর:
ক) ২১ শে মার্চ ও ২৩ শে সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২১ শে মার্চ ও ২৩ শে সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
২১ শে মার্চ ও ২৩ শে সেপ্টেম্বর এই দুদিন নিরক্ষরেখার উপর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং পৃথিবীর সর্বত্র দিবারাত্রি সমান হয়। সেদিনকে বিষুব (Equinox) বলে। ২১শে মার্চ উত্তর গােলার্ধে বসন্তকাল তাই একে বাসন্ত বিষুব (Vernal equinox) বলে। ২৩শে সেপ্টেম্বর উত্তর গােলার্ধে শরৎকাল। তাই ঐ দিনকে শারদ বিষুব (Autumnal equinox) বলে। (রেফারেন্স- ভূগােল ও পরিবেশ-৯ম-১০ম শ্রেণি)
১০.
সেন্ট মার্টিনস দ্বীপ বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে কত কিলোমিটার দূরে অবস্থিত?
  1. প্রায় ৬ কিমি
  2. প্রায় ৯ কিমি
  3. প্রায় ২১ কিমি
  4. প্রায় ২৭ কিমি
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৯ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৯ কিমি
ব্যাখ্যা

• সেন্ট মার্টিনস দ্বীপ:
 - বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ অংশে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা থেকে ৯ কিমি দক্ষিণে গড়ে ওঠা একটি ছোট দ্বীপ।
- মায়ানমারের উত্তর-পশ্চিম উপকূল থেকে ৮ কিমি পশ্চিমে নাফ নদীর মুখে দ্বীপটি অবস্থিত।
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান।
- স্থানীয় জনসাধারণ এটিকে নারিকেল জিনজিরা নামে চেনে। সর্বতোভাবে দ্বীপটি সমতল এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় উচ্চতা থেকে ৩.৬ মিটার উপরে।
- মূল ভূখন্ড এবং দ্বীপের মধ্যবর্তী ৯.৬৬ কিমি প্রশস্ত প্রণালী দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমের উন্মুক্ত সাগরের তুলনায় অনেক অগভীর।
- এখানে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিক জুড়ে রয়েছে ১০-১৫ কিমি প্রবাল প্রাচীর।
 
- দ্বীপটি ৭.৩১৫ কিমি দীর্ঘ এবং উত্তর-উত্তরপশ্চিম এবং দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্ব দিক জুড়ে বিন্যস্ত।
- ভৌগোলিকভাবে এটি তিনটি অংশে বিভক্ত। উত্তরাঞ্চলীয় অংশকে বলা হয় নারিকেল জিনজিরা বা উত্তর পাড়া এবং এ অংশ ২,১৩৪ মিটার দীর্ঘ ও ১,৪০২ মিটার প্রশস্ত।
- দক্ষিণাঞ্চলীয় অংশটি দক্ষিণ পাড়া হিসেবে পরিচিত, যা ১৯২৯ মিটার দীর্ঘ এবং এর সাথে সংযুক্ত রয়েছে দক্ষিণ পূর্ব দিকে বিস্তৃত একটি সংকীর্ণ লেজের মতো এলাকা, যার সর্বোচ্চ প্রশস্ততা ৯৭৫ মিটার।
- একটি সংকীর্ণ কেন্দ্রীয় অঞ্চল বা মধ্য পাড়া দুইটি অংশকে সংযুক্ত করেছে। বেল্ট বা ফিতার মতো এই অঞ্চলটির দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ যথাক্রমে ১৫২৪ মিটার ও ৫১৮ মিটার এবং সংকীর্ণতম অংশটি গলাচিপা নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১১.
ভারতের কোন অঞ্চলের সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘতম সীমানা বিদ্যমান?
  1. ক) পশ্চিমবঙ্গ
  2. খ) ত্রিপুরা
  3. গ) আসাম
  4. ঘ) মিজোরাম
সঠিক উত্তর:
ক) পশ্চিমবঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পশ্চিমবঙ্গ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫ টি রাজ্যের সীমানা রয়েছে।
যথা- আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, পশ্চিমবঙ্গ।
এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘতম সীমানা বিদ্যমান।
১২.
সুমেরুবৃত্ত বলা হয় -
  1. উত্তর মেরু
  2. দক্ষিণ মেরু
  3. পূর্ব মেরু
  4. পশ্চিম মেরু
সঠিক উত্তর:
উত্তর মেরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর মেরু
ব্যাখ্যা
সুমেরুবৃত্ত (Arctic Circle):
- ২১ শে জুন তারিখে সূর্য ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে (কর্কটক্রান্তি) লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- ঐ দিন উত্তর গোলার্ধে মেরুবিন্দু অর্থাৎ ৯০° উত্তর থেকে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা দিন থাকে।
- এ জন্য ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে উত্তর মেরু অঞ্চলের শেষ সীমানা ধরা হয় এবং এই অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত নামে অভিহিত করা হয়।

অন্যদিকে,
⇒ কুমেরুবৃত্ত (Antarctic Circle):
- ২২ শে ডিসেম্বর তারিখে সূর্য ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখায় (মকরক্রান্তি) লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- উক্ত তারিখে দক্ষিণ মেরু বিন্দু অর্থ্যাৎ ৯০° দক্ষিণ থেকে ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা দিন থাকে।
- ফলে ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরু অঞ্চলের শেষ সীমানা ধরা হয় এবং এই অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত (Antarctic Circle) নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
পৃথিবীতে কয়টি দেশ আছে যারা অপর দেশ দ্বারা সম্পূর্ণরূপে পরিবেষ্টিত?
  1. ক) ১ টি
  2. খ) ২ টি
  3. গ) ৩ টি
  4. ঘ) ৪ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ টি
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীতে মাত্র তিনটি দেশ আছে যারা অপর একটি দেশ দ্বারা সম্পূর্ণরূপে পরিবেষ্টিত।
- দেশগুলো হলো:
১. লেসোথো,
২. সানমারিনো এবং
৩. ভ্যাটিকান সিটি।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১৪.
বাংলাদেশের সর্বপূর্বের উপজেলা কোনটি?
  1. থানচি
  2. তেতুলিয়া
  3. টেকনাফ
  4. শিবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
থানচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানচি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান:
- সর্বপূর্বের স্থান : আখাইনঠং।
- উপজেলা : থানচি।
- জেলা : বান্দরবান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরে:
- স্থান : বাংলাবান্ধা।
- উপজেলা : তেঁতুলিয়া।
- জেলা : পঞ্চগড়।

সর্ব দক্ষিণে:
- স্থান : ছেঁড়া দ্বীপ/সেন্টমার্টিন;
- উপজেলা : টেকনাফ;
- জেলা : কক্সবাজার।

সর্বপশ্চিমে:
- স্থান : মনাকষা;
- উপজেলা : শিবগঞ্জ;
- জেলা : চাপাইনবাবগঞ্জ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৫.
পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠের স্থলভাগে বেশিভাগ ভূমিরূপ -
  1. পর্বত
  2. মালভূমি
  3. সমভূমি
  4. পাহাড়
সঠিক উত্তর:
সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমভূমি
ব্যাখ্যা
⇒ পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠের স্থলভাগে বেশিভাগ ভূমিরূপ - সমভূমি।

ভূ-পৃষ্ঠের গঠন: 

- পৃথিবীর ভূমিরূপ সর্বত্র একরকম নয়। স্থলভাগে রয়েছে সুউচ্চ পর্বত, মালভূমি, পাহাড় ও সমভূমি।
- সময়ের সাথে সাথে বিভিন্ন প্রাকৃতিক ক্রিয়ার ফলে ভূমিরূপের পরিবর্তন হয়।
- ভূমিরূপের পরিবর্তন ক্রিয়া কখনো দ্রুত, কখনো ধীরে ধীরে, আবার কখনো আকস্মিকভাবে ঘটে।
- সাধারণভাবে বৃহত্তর ভূমিরূপের পরবর্তী পর্যায়ে ক্ষুদ্রতর ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়।
- স্থলভাগের ভূমিরূপ পর্বত, মালভূমি, সমভূমি।
- পৃথিবীর মোট ভূমির শতকরা ৫৮ ভাগ সমভূমি।
- পৃথিবীর মোট ভূমির শতকরা ১৮ ভাগ পার্বত্য অঞ্চল।
 - পৃথিবীর মোট ভূমির শতকরা ২৪ ভাগ মালভূমি ও পাহাড়।

উল্লেখ্য, 
- মহাসাগর তলদেশের ভূমিরূপ মহীসোপান, মহীঢাল, গভীর সমুদ্রের সমভূমি, গভীর সমুদ্রখাত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
১৬.
বাংলাদেশের সাথে ভারতের কোন রাজ্যের স্থলসীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ?
  1. আসাম
  2. মেঘালয়
  3. মিজোরাম
  4. পশ্চিমবঙ্গ
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
ব্যাখ্যা

পশ্চিমবঙ্গ: 
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের স্থলসীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ, যা প্রায় ২,২৬২ কিলোমিটার।
- এই সীমান্ত বাংলাদেশের পশ্চিম, উত্তর-পশ্চিম এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বেশিরভাগ জেলার সাথে সংযুক্ত, যেমন রাজশাহী, কুষ্টিয়া, যশোর, সাতক্ষীরা, এবং দিনাজপুরের  এলাকা। 
- পশ্চিমবঙ্গের সাথে বাংলাদেশের এই দীর্ঘ সীমান্তের কারণে এটি দীর্ঘতম হিসেবে বিবেচিত।


• বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত: 
- বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত ভারতের পাঁচটি রাজ্যের সাথে সংযুক্ত। যথা: 
- পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম। 
- বাংলাদেশের সাথে মেঘালয়ের স্থলসীমান্ত রয়েছে, যা প্রায় ৪৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ। 
- আসামের সাথে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত প্রায় ২৬৪ কিলোমিটার। 
- ত্রিপুরার সাথে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত প্রায় ৮৭৪ কিলোমিটার। 
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের স্থলসীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ, যা প্রায় ২,২৬২ কিলোমিটার।
- সর্বমোট স্থল সীমানা ৪১৫৬ কিলোমিটার।

উৎস: বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড।

১৭.
নিম্নের কোন অঞ্চলে প্লাইস্টোসিনকালের সোপান দেখা যায়?
  1. ভাওয়ালের গড়
  2. পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
  3. সিলেটের পাহাড়ি অঞ্চল
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ভাওয়ালের গড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাওয়ালের গড়
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

• মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
প্যানজিয়া কী?
  1. ক) প্রাগৈতিহাসিক পৃথিবীর মালভূমি।
  2. খ) প্রাগৈতিহাসিক পৃথিবীর একক মহাদেশ।
  3. গ) প্রাগৈতিহাসিক পৃথিবীর একক পর্বতমালা।
  4. ঘ) প্রাগৈতিহাসিক পৃথিবীর একটি বিখ্যাত স্থাপনা।
সঠিক উত্তর:
খ) প্রাগৈতিহাসিক পৃথিবীর একক মহাদেশ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রাগৈতিহাসিক পৃথিবীর একক মহাদেশ।
ব্যাখ্যা
• প্যানজিয়া:
- প্যানজিয়া প্রাগৈতিহাসিক পৃথিবীর একটি একক মহাদেশ
- এটি প্যানথালাসা নামক একটি মাত্র মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত ছিল।
- আজ থেকে ১১০ কোটি বছর পূর্বেও পৃথিবীতে একটি মাত্র মহাদেশ ছিল।
- মহাদেশগুলো টেকটোনিক প্লেটের উপর অবস্থিত যারা চলমান।
- এই গতি রোডেনিয়ার ভগ্নাংশগুলোকে আবার একত্র করে প্রায় ৩০ কোটি বছর পূর্বে গঠন করেছিল প্যানজিয়া।
- তবে এটি পুরোপুরি গঠিত হয় আনুমানিক ২৭ কোটি বছর পূর্বে।

উৎস:ব্রিটানিকা।
১৯.
বিশ্বের উষ্ণতম স্থান কোনটি?
  1. সাহারা মরুভূমি
  2. ডেথ ভ্যালি
  3. দালোল
  4. দাস্ত-ই-লুত
সঠিক উত্তর:
ডেথ ভ্যালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেথ ভ্যালি
ব্যাখ্যা
ডেথ ভ্যালি:
- বিশ্বের উষ্ণতম স্থান ডেথ ভ্যালি।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্ব ক্যালিফোর্নিয়াতে অবস্থিত।
- এটি উত্তর আমেরিকার সর্বনিম্ন বিন্দু।
- ডেথ ভ্যালি প্রায় ১৪০ মাইল (২২৫ কিমি) দীর্ঘ।
- উপত্যকাটি পশ্চিমে প্যানামিন্ট রেঞ্জ দ্বারা এবং পূর্বে অমরগোসা রেঞ্জের কালো এবং গ্রেপভাইন পর্বত দ্বারা আবদ্ধ।
- এটি গ্রেট বেসিন এবং মোজাভে মরুভূমির মধ্যে অনির্ধারিত সীমান্তের কাছে অবস্থিত।
- এটি উষ্ণতম এবং শুষ্ক অঞ্চল।

উল্লেখ্য,
-  ১৯১৩ সালের ১০ জুলাই, ডেথ ভ্যালির ফার্নেস ক্রিক এলাকায় ৫৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল।

উৎস: i) BBC Science Focus. [link]
ii) Guinness World Records. [link]
২০.
গারো পাহাড় কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. কক্সবাজার
  3. ময়মনসিংহ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
• গারো পাহাড়:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এবং বৃহত্তম পাহাড় ময়মনসিংহের গারো পাহাড়।
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, পূর্ব-পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত একটি পর্বতশ্রেণী।
- গারো পাহাড় মূলত পূর্ব গারো পাহাড়, পশ্চিম গারো পাহাড় এবং দক্ষিণ গারো পাহার এই তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত।
- এর ভৌগোলিক অবস্থান ৮৯°৫০´ পূর্ব হতে ৯০°৫০´ পূর্ব অক্ষাংশ এবং ২৮°০৮´ উত্তর হতে ২৬°০১´ উত্তর দ্রাঘিমাংশে এর আয়তন প্রায় ৮১৬৭ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এবং এই অঞ্চলসমূহ এই পাহাড়ের পাদদেশীয় পালিজ সমৃদ্ধ।
- গারো পাহাড়ের উত্তর এবং উত্তর পশ্চিমে রয়েছে আসাম এবং পূর্বে মেঘালয়ে খাসি পাহাড়।
- গারো পাহাড় মূলত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারোখাসি পাহাড়শ্রেণীর অন্তর্গত, মেঘালয়ের রাজধানী শিলং এখানে অবস্থিত।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট জেলা সমূহের ওয়েবসাইট।
২১.
দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস কোনটি?
  1. জানুয়ারি
  2. মার্চ
  3. এপ্রিল
  4. জুলাই
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

- দক্ষিণ গোলার্ধ (Southern Hemisphere) পৃথিবীর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এটি অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের দেশগুলো অবস্থিত।
- এছাড়াও, এই গোলার্ধে দক্ষিণ আফ্রিকা, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল প্রভৃতি দেশসহ কিছু অঞ্চল রয়েছে।
- এখানকার ঋতু ও জলবায়ু উত্তর গোলার্ধের থেকে ভিন্ন।
- প্রতি বছর ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত বিরাজ করে।
- ২১ জুন দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও সবচেয়ে বড় রাত হয়।
- দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস জানুয়ারি এবং শীতলতম মাস জুলাই।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা ডটকম।

২২.
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ কী দ্বারা গঠিত?
  1. বেলেপাথর, শেল ও কদম
  2. মার্বেল ও গ্রানাইট
  3. কাদা মাটি
  4. চুনাপাথর
সঠিক উত্তর:
বেলেপাথর, শেল ও কদম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলেপাথর, শেল ও কদম
ব্যাখ্যা

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
• উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩.
নিচের কোন এলাকাটি রাস মেলার জন্য বিখ্যাত?
  1. দুবলার চর
  2. সন্দ্বীপ
  3. কুতুবদিয়া
  4. পাহাড়পুর
সঠিক উত্তর:
দুবলার চর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুবলার চর
ব্যাখ্যা
• দুবলার চর:
- চাঁদপাই রেঞ্জের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দুবলার চর।
- কুঙ্গা ও মরা পশুর নদের মাঝে দুবলা একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ।
- দুবলার চর মূলত জেলে গ্রাম। 
- সুন্দরবনের পূর্ব বিভাগের সদর দপ্তর বাগেরহাট থেকে মাছ সংগ্রহের পূর্বানুমতিসাপেক্ষে বহরদার ও জেলেরা দুবলার চরে প্রবেশ করে থাকেন।
- প্রতি বছর কার্তিক মাসে (খ্রিস্টীয় নভেম্বর) হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রাস মেলা এবং পূণ্যস্নানের জন্যও দ্বীপটি বিখ্যাত।

তথ্যসূত্র: খুলনা জেলার ওয়েবসাইট।
২৪.
ব্রিটিশদের তৈরি মানচিত্রের স্কেল কত?
  1. ক) ১:২৫,০০০ থেকে ১:১০০,০০০
  2. খ) ১:১২০০ থেকে ১:১৪০০
  3. গ) ১:২৮,০০০ থেকে ১:২৬০০
  4. ঘ) ২:২০০ থেকে ১:৩০০
সঠিক উত্তর:
ক) ১:২৫,০০০ থেকে ১:১০০,০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১:২৫,০০০ থেকে ১:১০০,০০০
ব্যাখ্যা
সবচেয়ে আদর্শ ও জনপ্রিয় হচ্ছে ব্রিটিশদের তৈরি করা মানচিত্র যার স্কেল ছিল ১:২৫,০০০ থেকে ১:১০০,০০০ এবং আমেরিকাতে এই মানচিত্রের স্কেল থাকে সাধারণত ১:৬২,৫০০ এবং ১:১২৫,০০০। বাংলাদেশ সাধারণত ব্রিটিশ স্কেলটি অনুসরণ করে। (রেফারেন্স- ভূগােল ও পরিবেশ-৯ম-১০ম শ্রেণি)
২৫.
পরিমাণের বিবেচনায় বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের অবস্থান -
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) দ্বিতীয়
  4. ঘ) প্রথম
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রথম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রথম
ব্যাখ্যা
- পরিমাণের বিবেচনায় বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের অবস্থান প্রথম।

• বায়ুমন্ডল:
- বায়ুমণ্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুইটি।
- যথা: নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন।
- বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- অক্সিজেনের পরিমাণ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
- বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলোর শতকরা পরিমাণ,
• নাইট্রোজেন ৭৮.০১%,
• অক্সিজেন ২০.৭১%,
• আর্গন ০.৮০%,
• জলীয়বাষ্প ০.৪১%,
• কার্বন-ডাই-অক্সাইড ০.০৩% ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৬.
নিম্নের কোন জেলার উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেনি?
  1. জামালপুর
  2. মাগুরা
  3. রাজবাড়ি
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা:
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- এটি ট্রপিক অব ক্যান্সার নামেও পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের উপর দিয়ে (চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি) অতিক্রম করেছে।

⇒ বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা:
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা) অতিক্রম করেছে। পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. এবং উত্তর-উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি.।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের, পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৭.
পলাশী দিবস কবে?
  1. ক) ২২ জুন
  2. খ) ২৩ জুন
  3. গ) ২৪ জুন
  4. ঘ) ২৫ জুন
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩ জুন
ব্যাখ্যা
পলাশী যুদ্ধ:
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর আমবাগানের যুদ্ধে স্বাধীন বাংলার নবাব ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে পরাজিত হয়। ফলে প্রায় ২০০ বছরের জন্য বাংলা স্বাধীনতা হারায়।
- প্রতি বছর সে জন্য ২৩ জুন পলাশী দিবস হিসাবে পালিত হয়।
- বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ও ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পলাশী নামক স্থানে যে যুদ্ধ সংঘটতি হয়েছিল তাই পলাশীর যুদ্ধ নামে পরচিতি।
সিরাজ-উদ-দৌলা বাংলার নবাব হওয়ার পর তিনি ইংরেজদের তাদের দুর্গের সম্প্রসারণ বন্ধ করার আদেশ দিয়েছিলেন। রবার্ট ক্লাইভ নবাবের সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি মীর জাফরকে ঘুষ দেন এবং তাকে বাংলার নবাব করার প্রতিশ্রুতিও দেন।
- ক্লাইভ ১৭৫৭ সালে সিরাজ-উদ-দৌলাকে পরাজিত করেন এবং কলকাতা দখল করেন।
- এই যুদ্ধে সিরাজ-উদ্দৌলা পরাজতি হন এবং ভারতর্বষে ইংরজে শাসন প্রতষ্ঠিার পথ সূচিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২৮.
২৪তম প্যারালাল কোন দুইটি দেশের সীমারেখা নির্দেশ করে?
  1. ভারত ও পাকিস্তান
  2. উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম
  3. ভারত ও মায়ানমার
  4. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ১০ ডিগ্রী চ্যানেল: আন্দামান ও নিকোবর,
- ১৬তম প্যারালাল: নামিবিয়া ও অ্যাঙ্গোলা,
- ১৭তম প্যারালাল: উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম,
- ২০তম প্যারালাল: লিবিয়া ও সুদান,
- ২২তম প্যারালাল: মিশর ও সুদান।
- ২৪তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ২৫তম প্যারালাল: মৌরিতানিয়া এবং মালি,
- ২৮তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ৩১তম প্যারালাল: ইরাক ও ইরান,
- ৩৭তম প্যারালাল: ভারত ও মায়ানমার,
- ৩৮তম প্যারালাল: উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া,
- ৪৯তম প্যারালাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা,
- ৮⁰ চ্যানেল: ভারত (মিনিকয় দ্বীপ) ও মালদ্বীপ,

উৎস: Britannica.
২৯.
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত-
  1. ডাকাতিয়া নদী
  2. মেঘনা নদী
  3. হাড়িয়াভাঙ্গা নদী
  4. গোমতী নদী
সঠিক উত্তর:
হাড়িয়াভাঙ্গা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাড়িয়াভাঙ্গা নদী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা : 
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য।
- পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা , মিজোরাম রাজ্য ও মিয়ানমার।
- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত - হাড়িয়াভাঙ্গা নদী।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত - নাফ নদী।
- দক্ষিণে- বঙ্গপোসাগর।
- বাংলাদেশের মোট সীমানারেখা - ৪,৭১১ কিলোমিটার।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের মোট সীমানা রেখা - ৩৭১৫ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশে - মিয়ানমারের সীমানা রেখা - ২৮০ কিলোমিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ - নবম ও দশম শ্রেণি।
৩০.
সূর্যের নিকটতম গ্রহ-
  1. বৃহস্পতি
  2. শনি
  3. ইউরেনাস
  4. বুধ
সঠিক উত্তর:
বুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুধ
ব্যাখ্যা

বুধ (Mercury):
- বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার;
- এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার।
- সূর্যের খুব কাছাকাছি থাকায় সূর্যের আলোর তীব্রতার কারণে সবসময় একে দেখা যায় না।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে আসতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন।
- সুতরাং বুধ গ্রহে ৮৮ দিনে এক বছর হয়।
- বুধের মাধ্যাকর্ষণ বল এত কম যে এটি কোনো বায়ুমন্ডল ধরে রাখতে পারে না।
- এখানে নেই মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস ও পানি। সুতরাং প্রাণির অস্তিত্ব নেই।
- ১৯৭৪ সালে মার্কিন মহাশূন্যযান মেরিনার-১০ বুধের যে ছবি পাঠায় তা থেকে দেখা যায় যে, বুধের উপরিতল একদম চাঁদের মতো।  - বুধের কোনো উপগ্রহ নেই।

অন্যদিকে,
- বৃহস্পতি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ।
- শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- ইউরেনাস সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩১.
সুয়েজ খাল কোন দুটি সাগরকে সংযোজিত করেছে?
  1. ভূমধ্যসাগর ও কাস্পিয়ান সাগর
  2. ভূমধ্যসাগর ও আরব সাগর
  3. লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগর
  4. লোহিত সাগর ও আরব সাগর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল:
• সুয়েজ খাল একটি কৃত্রিম সামুদ্রিক খাল যা লোহিত সাগরকে ভূমধ্যসাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
• ফরাসি প্রকৌশলী ফার্দিনান্দ দ্য লেসেপ্সের উদ্যোগে ১৮৫৯ সালে সুযেজ খালের খননকার্য শুরু হয়।
• ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর খালটি নৌ চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত‍ করে দেওয়া হয়।
• শুরুতে খালটি ফ্রান্স ও মিশরের জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হতো। পরবর্তীতে মিশর তার ৪৪ ভাগ শেয়ার ব্রিটেনের নিকট বিক্রি করে দেয়।
• ১৯৫৬ সালের ২৬ জুলাই মিশরের গামাল আবদেল নাসের সরকার সুয়েজ খালকে জাতীয়করণ করেন।
• এর ফলে ইসরাইল, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের সাথে মিশরের যুদ্ধ বেধে যায় যা ‘দ্বিতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ’ বা ‘সুয়েজ যুদ্ধ’ নামে পরিচিত।
• বর্তমানে সুয়েজ খাল মিশর সরকারের অধীন ‘সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ’ নামে একটি কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
• আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুসারে সুয়েজ খাল সবদেশের জন্যে সকল ধরনের বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজ চলাচলের চন্যে উন্মুক্ত থাকবে।

তথ্যসূত্র: সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৩২.
কাঁটাতারের বেড়া থেকে শূন্য পয়েন্ট কত পর্যন্ত কত মিটার জায়গা 'No-Man's-Land' হিসেবে চিহ্নিত?
  1. ১৫৮ মিটার
  2. ১৫০ মিটার
  3. ১৪৩ মিটার
  4. ১৩৯ মিটার 
সঠিক উত্তর:
১৫০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০ মিটার
ব্যাখ্যা

• কাঁটাতারের বেড়া থেকে শূন্য পয়েন্ট পর্যন্ত ১৫০ মিটার জায়গা নো ম্যানস ল্যান্ড হিসেবে চিহ্নিত।

- বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি, ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি নামে পরিচিত।
- এ চুক্তির অন্য সব বিষয়ের মধ্যে অন্যতম একটি বিষয় ছিল যে, যদি কোনো দেশ সীমান্ত বরাবর বেড়া দেয়, তবে তা শূন্য পয়েন্ট থেকে নিজ ভূখণ্ডের ১৫০ মিটার ভেতরে নির্মাণ করতে হবে।

• স্থলসীমান্ত চুক্তি ১৯৭৪:

- ১৯৭৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী যথাক্রমে শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধী স্থল সীমান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এর উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অমীমাংসিত স্থল সীমানা চূড়ান্ত করা।
- এই চুক্তি অনুযায়ী ভারতের ভেতরে থাকা দক্ষিণ বেরুবাড়ি ভারতের দখলে চলে যায় এবং দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অধিকারে আসে।
- ছিটমহল দুটি বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় পানবাড়ি মৌজার সঙ্গে যুক্ত করার জন্য তিনবিঘা জমি ভারত বাংলাদেশের অনুকূলে স্থায়ী ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- চুক্তি সইয়ের পরপরই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ এটি অনুমোদন করে।

এছাড়াও
➝ ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত সম্পর্কিত প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়।
➝ উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিটি প্রটোকল নয়, পূর্ণাঙ্গ চুক্তি ছিলো।

➝ ২০১১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বাংলাদেশ সফর করেন।
➝ ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ড. মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরে ওই প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়।
➝ উক্ত প্রটোকলে সীমান্তে অচিহ্নিত অংশগুলো চিহ্নিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল এবং অপদখলীয় ভূমি সমস্যার সমাধান করে স্থায়ী সীমানা চিহ্নিত করা হয়।
➝ এর আওতায় বাংলাদেশের ভেতর থাকা ভারতের ১১১টি ছিটমহল ও ভারতের মধ্যে থাকা বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল বিনিময়ে সম্মত হয়।
➝ পরবর্তীতে এই চুক্তির আওতায় ২০১৫ সালে ছিটমহল বিনিময় হয়।

উৎস: জাতীয়  তথ্য বাতায়ন।

৩৩.
পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ব-দ্বীপ কোনটি?
  1. ভারত
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. বাংলাদেশ 
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি (Physiography of Bangladesh):
- ভূপ্রকৃতি দেশের কৃষি, শিল্প, ব্যবসা, বাণিজ্য, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূপ্রকৃতির প্রভাব অপরিসীম।
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ব-দ্বীপ। 
- গঙ্গা নদী পশ্চিম, ব্রহ্মপুত্র নদ উত্তর, সুরমা ও কুশিয়ারানদী উত্তর-পূর্বদিক থেকে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে একযোগে সুবিশাল ব-দ্বীপের সৃষ্টি করেছে।

 • বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র অঞ্চল এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- বাংলাদেশে সামান্য পরিমাণে উচ্চভূমি রয়েছে।
- ভূপ্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ;
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৩৪.
সিলেটের পাহাড়গুলো কোন ভূমিরূপের অন্তর্ভুক্ত? 
  1. টারশিয়ারি যুগের
  2. প্লাইস্টোসিন যুগের
  3. সাম্প্রতিক কালের
  4. প্রাচীন প্রস্তর যুগের
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের
ব্যাখ্যা
উচ্চতা ও ভূমিরূপের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে প্রধান তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়:
-  টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
- প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ,
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড় সমূহ আবার দুইভাগে বিভক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান জেলা এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- উত্তর- পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ও হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
 প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলে।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।

সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি এলাকা এবং প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্ভুক্ত।


উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৫.
৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশকে কী বলে?
  1. কর্কটক্রান্তি
  2. কুমেরুবৃত্ত
  3. মকরক্রান্তি
  4. সুমেরুবৃত্ত
সঠিক উত্তর:
কুমেরুবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমেরুবৃত্ত
ব্যাখ্যা
- ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে কর্কটক্রান্তি বলে।
- ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলে মকরক্রান্তি।
- ৬৬.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলে সুমেরুবৃত্ত এবং
- ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলে কুমেরুবৃত্ত।
- বিষুবরেখাকে মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৬.
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ কি প্রকৃতির দ্বীপ?
  1. ক) প্রবাল দ্বীপ
  2. খ) কৃত্রিম দ্বীপ
  3. গ) আগ্নেয় দ্বীপ
  4. ঘ) ব-দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
ক) প্রবাল দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রবাল দ্বীপ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের একমাত্র সামুদ্রিক প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন।
- বাংলাদেশের পর্যটকদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গার মাঝে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ অন্যতম।
- কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে নয় কিলোমিটার দক্ষিণে নাফ নদীর মোহনায় এ দ্বীপটি অবস্থিত।
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি নারকেল জিঞ্জিরা হিসেবে পরিচিত। 
 
সূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন
৩৭.
কোনটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়?
  1. নরওয়ে
  2. লিথুনিয়া
  3. সুইডেন
  4. ডেনমার্ক
সঠিক উত্তর:
লিথুনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিথুনিয়া
ব্যাখ্যা
→ উল্লিখিত প্রশ্নে 'লিথুনিয়া' স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- ইতালি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া সাধারণত নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্ক নিয়ে গঠিত।

অন্যদিকে,
- নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
- নর্ডেন শব্দটি এই পাঁচটি দেশকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- যথা- আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।
- যাদের মধ্যে ভাষাগত, সাংস্কৃতিক এবং ভৌগোলিক মিল রয়েছে।
- যা উচ্চ সাক্ষরতা, দীর্ঘ জীবন প্রত্যাশা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্যের জন্য পরিচিত।
 
তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৩৮.
বাংলাদেশে কোন ভূমিরূপটি নেই?
  1. সমভূমি
  2. পার্বত্য ভূমি
  3. মালভূমি
  4. জলাভূমি
সঠিক উত্তর:
মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালভূমি
ব্যাখ্যা
ভূপ্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশ তিনভাগে বিভক্ত।
এগুলো হলো:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী
- প্লাইস্টোসিনকালের চত্বরভূমি এবং
- সাম্প্রতিক কালের প্লাবনসমভূমি।

বাংলাদেশে হাওর, বাওর, বিল, নদ-নদী, হ্রদ, জলাভূমি, চত্বরভূমি, উপকূলীয় সমভূমি, প্লাবিত সমভূমি, পাহাড় শ্রেণী প্রভৃতি বিদ্যমান রয়েছে।
তবে এদেশে মালভূমি নেই।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩৯.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির রায় হয় কত সালে?
  1. ২০১২
  2. ২০১৩
  3. ২০১৪
  4. ২০১৫
সঠিক উত্তর:
২০১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশর সমুদ্রসীমা:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি হয় নেদারল্যান্ডের হেগে অবস্থিত Permanent Court Arbitration (PCA) বা স্থায়ী সালিশী আদালতে।
-এই আদালত শুনানি শেষে ৭ জুলাই ২০১৪ রায় প্রদান করে।
- এতে বিরোধপূর্ণ ২৫,৬০২ বর্গ কিমি সমুদ্রসীমার মধ্যে বাংলাদেশ ১৯,৪৬৭ এবং ভারত ৬,১৩৫ বর্গকিমি এলাকা পায়।

উল্লেখ্য,
⇒ Permanent Court Arbitration (PCA) ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দেশ ও কমিউনিটির মধ্যে বিবাদের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য এই আদালত স্থাপন করা হয়। 
- এর সদস্য সংখ্যা ১২২ টি । বাংলাদেশ ২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল এর সদস্য হয়।

সূত্র: Permanent Court Arbitration ওয়েবসাইট।
৪০.
বাংলাদেশের কোন জেলার উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে? 
  1. গাজীপুর
  2. শরীয়তপুর
  3. রাজবাড়ি
  4. চাঁদপুর
সঠিক উত্তর:
রাজবাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজবাড়ি
ব্যাখ্যা

কর্কটক্রান্তি রেখা:
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় কর্কটক্রান্তি রেখা ও ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা পরস্পরকে ছেদ করেছে।

উৎস:  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

৪১.
বাংলাদেশের কোন জেলাটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যর সংলগ্ন নয়? 
  1. হবিগঞ্জ
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের বান্দরবান জেলাটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য সংলগ্ন অবস্থান নয়।

ভারতের রাজ্য: 

• বাংলাদেশের সংলগ্ন জেলা 
- আসাম ৪টি (কুড়িগ্রাম, সুনামগঞ্জ, সিলেট ও মৌলভীবাজার)
- ত্রিপুরা ৭টি (ফেনী, কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটি)
- মেঘালয়: ৪টি (নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ, শেরপুর ও জামালপুর)
- মিজোরাম: ১টি (রাঙ্গামাটি)
- অপরদিকে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের জেলা ৯টি। যথা: মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, উত্তর চব্বিশ পরগোনা, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, কুচবিহার ও দার্জিলিং।
- বাংলাদেশ সীমান্তের বিপরীতে মিয়ানমারের চিন প্রদেশের মংডু শহর অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪২.
প্রাচীন শহর পেট্রা কোন দেশে অবস্থিত?
  1. জর্ডান
  2. সিরিয়া
  3. ইরাক
  4. মিশর
সঠিক উত্তর:
জর্ডান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্ডান
ব্যাখ্যা
পেট্রা:
- পেট্রা হলো মরুভূমির মাঝে একটি প্রাচীন গোলাপি শহর। 
- পেট্রা ছিল একটি প্রাচীন নগরী, যা হেলেনিস্টিক ও রোমান যুগে একটি আরব রাজ্যের কেন্দ্র ছিল।
- এর ধ্বংসাবশেষ বর্তমানে জর্ডানের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে অবস্থিত।
- শহরটি গড়ে তোলা হয়েছিল একটি উঁচু চত্বরে, যার মধ্যে দিয়ে পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রবাহিত হয়েছে ওয়াদি মুসা (মুসার উপত্যকা)।
- ঐতিহ্য অনুসারে, এটি সেই স্থানগুলোর একটি যেখানে ইসরায়েলি নেতা মুসা (আঃ) একটি পাথরে আঘাত করলে সেখান থেকে পানি বের হয়েছিল।
- পুরো উপত্যকাটি ঘিরে আছে রঙিন বালুকাপাথরের পর্বত, যেগুলোতে লাল, বেগুনি এবং হালকা হলুদের বিভিন্ন শেড দেখা যায়।
- এ কারণেই ১৯শ শতকের ইংরেজ বাইবেল বিশারদ জন উইলিয়াম বারগন পেট্রাকে বর্ণনা করেছিলেন: "rose-red city half as old as Time."
- আধুনিক ওয়াদি মুসা শহর, যা পেট্রার ঠিক পাশেই অবস্থিত, মূলত এই বিশ্বখ্যাত পর্যটনকেন্দ্রে আসা দর্শনার্থীদের সেবা দেওয়ার জন্য গড়ে উঠেছে।

উৎস: Britannica.
৪৩.
বাংলাদেশের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল-
  1. ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল
  2. ২৪ নটিক্যাল মাইল
  3. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ১২ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা

- মিয়ানমার ও ভারতের সাথে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় বাংলাদেশ ১,১৮,৮১৩ বর্গকিলোমিটার টেরিটোরিয়াল সমুদ্র,
- ১২ নটিক্যাল মাইল রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা,
- ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল,
- চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশে অবস্থিত সব ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করতে পেরেছে।

৪৪.
কোন জেলাকে হাওরের মা বলা হয়?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) কিশোরগঞ্জ
  3. গ) সুনামগঞ্জ
  4. ঘ) মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
গ) সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৭টি জেলা নিয়ে বাংলাদেশের হাওর বেসিন বা হাওরাঞ্চল গঠিত। এই হাওরাঞ্চল এশিয়ার মধ্যে বৃহত্তম। সুনামগঞ্জ জেলাকে এই হাওরাঞ্চলের মা বলা হয়।
- সুনামগঞ্জ জেলায় মোট ৯৫টি হাওর রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হলো টাঙ্গুয়ার হাওর।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৪৫.
কর্কটক্রান্তি রেখা কোনটি?
  1. ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা
  2. ২৪.৫° উত্তর অক্ষরেখা
  3. ২৫.৫° উত্তর অক্ষরেখা
  4. ২৬.৫° উত্তর অক্ষরেখা
সঠিক উত্তর:
২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা

কর্কটক্রান্তি রেখা:
- ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কর্কট ক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখার অপর নাম ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা।
- বছরে সূর্য একবার বিষুবরেখা অতিক্রম করে উত্তর গোলার্ধের সর্বশেষ যে স্থান পর্যন্ত পরিক্রমা করে (২৩.৫ ডিগ্রী উত্তর অক্ষাংশ ) আবার বিষুবরেখার দিকে ফিরে আসে, সেই কাল্পনিক রেখাটিকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলে ।
- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে।
- ২৩.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে কর্কটক্রান্তি রেখা ও মকর ক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত হয়।
- ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত ও কুমেরু বৃত্ত নামে অভিহিত হয়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬.
বাংলাদেশের পাহাড়শ্রেণি ভূ-তাত্ত্বিক যুগের ভূমিরূপ হচ্ছে-
  1. প্লাইস্টোসিন যুগের
  2. টারশিয়ারী যুগের
  3. মায়োসিন যুগের
  4. ডেবোনিয়াস যুগের
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারী যুগের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারী যুগের
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশের ভূতত্ত্ব তিন ধরণের।
যথা- 
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর পূর্বে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ পাহাড়গুলো গঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের পাহাড়শ্রেণী ভূতাত্ত্বিকভাবে টারশিয়ারি যুগের। এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে মনে করা হয়।

বাংলাদেশে অবস্থিত টারশিয়ারি যুগের পাহাড়গুলোকে আবার দুইটি ভাগে বিভক্ত।
যথা- 
i) বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে অবস্থিত পাহাড়সমূহ নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।

ii) বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ: দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ছোট-বড় পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭.
জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) আগারগাঁও
  2. খ) শাহবাগ
  3. গ) সেগুনবাগিচা
  4. ঘ) গুলিস্তান
সঠিক উত্তর:
ঘ) গুলিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গুলিস্তান
ব্যাখ্যা
- জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এটি গুলিস্তান বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে অবস্থিত।
- ১৯৬০ সালে ইউনেস্কোর সহযোগিতায় গ্রন্থের উন্নয়ন ও প্রসারের লক্ষ্যে ‘ন্যাশনাল বুক সেন্টার অব পাকিস্তান’ এর শাখা হিসেবে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র যাত্রা শুরু করে।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র ওয়েবসাইট)
৪৮.
ভারতের কোন সীমান্তবর্তী রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম?
  1. আসাম
  2. পশ্চিমবঙ্গ
  3. ত্রিপুরা
  4. মেঘালয়
সঠিক উত্তর:
আসাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসাম
ব্যাখ্যা
- ভারতের মোট পাঁচটি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত রয়েছে।
এগুলো হলো:
- পশ্চিমবঙ্গ : ২২৬২ কি.মি.
- ত্রিপুরা : ৮৭৪ কি.মি.
- মেঘালয় : ৪৩৬ কি.মি.
- মিজোরাম : ৩২০ কি.মি.।
- আসাম : ২৬৪ কি.মি.
- ভারতের সাথে মোট সীমান্ত : ৪,১৫৬ কি.মি।
(তথ্যসূত্রঃ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর এবং বিজিবি)
৪৯.
বেনাপােল সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর কোনটি?
  1. ক) পেট্রাপােল
  2. খ) কৃষ্ণনগর
  3. গ) ডাউকি
  4. ঘ) মােহাদিপুর 
সঠিক উত্তর:
ক) পেট্রাপােল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পেট্রাপােল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর যশোর জেলার বেনাপোল সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর পেট্রাপোল।
- চুয়াডাঙ্গার দর্শনা স্থলবন্দর সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগর স্থলবন্দর।
- সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি স্থলবন্দর।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের মোহাদিপুর স্থলবন্দর।
সূত্রঃ পত্রিকার রিপোর্ট
৫০.
'সলোমান দ্বীপপুঞ্জ' নিম্নের কোন অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. ক) মেলানেশিয়ার
  2. খ) মাইক্রোনেশিয়া
  3. গ) পলিনেশিয়া
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) মেলানেশিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মেলানেশিয়ার
ব্যাখ্যা
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জকে ভৌগোলিকভাবে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। 
      - মাইক্রোনেশিয়া
      - মেলানেশিয়া
      - পলিনেশিয়া

মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু
- পালাউ
- কিরিবাতি
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
- মাইক্রোনেশিয়া।

মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
- ফিজি
- ভানুয়াতু
- পাপুয়া নিউগিনি।

পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু
- সামোয়া।

(সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস, ব্রিটানিকা )
৫১.
নিচের কোনটি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা নয়?
  1. সুন্দরবন
  2. হাকালুকি হাওড়
  3. আঁড়িয়াল বিল
  4. টাঙ্গুয়ার হাওর
সঠিক উত্তর:
আঁড়িয়াল বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঁড়িয়াল বিল
ব্যাখ্যা
প্রতিবেশগত  সংকটাপন্ন এলাকা:
- প্রবেশ সংরক্ষণ আইন- ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে সরকার কিছু এলাকাকে প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেন।
- এ পর্যন্ত সরকার ১৩ টি এলাকাকে  ECA  এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে। 
- টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাঁওড়, গুলশান-বারিধারা লেক , সুন্দরবন সেন্টমার্টিন দ্বীপ, কক্সবাজার ও টেকনাফ উপকূলবর্তী এলাকা, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, জাফলং - ডাউকি নদী, বালু নদী। 
- আঁড়িয়াল বিল প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা নয়।

উল্লেখ্য, 
আঁড়িয়াল বিল:
- আড়িয়াল বিল পদ্মা ও ধলেশ্বরী নদীর মাঝখানে অবস্থিত ও মুন্সিগঞ্জ জেলার অন্তর্গত একটি অবভূমি।
- এটি দেশের মধ্যাঞ্চলের সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন বিল।
- এর আয়তন ১৩৬ বর্গ কিলোমিটার।
- আড়িয়াল বিলের বেশিরভাগ এলাকাই শুষ্ক ঋতুতে আর্দ্র থাকে এবং বিলে যথেষ্ট পরিমাণ পানি সঞ্চিত থাকে।
- এখানে শীতকালে নানা ধরনের সবজির চাষ করা হয়, এ বিলের বিশেষ আকর্ষণ হচ্ছে বিশাল আকৃতির মিষ্টি কুমড়া।

উৎস: পরিবেশ আধিদপ্তর।
৫২.
কোন দেশটি ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্তর্গত নয়?
  1. ভানুয়াতু
  2. কেনিয়া
  3. সামোয়া
  4. টুভ্যালু
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া
ব্যাখ্যা
• ওশেনিয়া মহাদেশ:
- ওশেনিয়া হল একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল যা অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া এবং পলিনেশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরের উপ-অঞ্চলকে ঘিরে রয়েছে।
- ওশেনিয়ায় মোট ১৪টি দেশ রয়েছে।
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়ার বৃহত্তম এবং জনবহুল দেশ।

• ওশেনিয়ার দেশসমূহ:
- অস্ট্রেলিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি, নিউজিল্যান্ড, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ, মাইক্রোনেশিয়া, ভানুয়াতু, সামোয়া, কিরিবাতি, টোঙ্গা, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, পালাউ, টুভ্যালু, নাউরু।

তথসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৫৩.
নাফ নদীর দৈর্ঘ্য-
  1. ক) ৫৪ কিমি
  2. খ) ৫৫ কিমি
  3. গ) ৬২ কিমি
  4. ঘ) ৬৫ কিমি
সঠিক উত্তর:
গ) ৬২ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬২ কিমি
ব্যাখ্যা
- নাফ দেশের সর্বদক্ষিণে মায়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যকার সীমান্তরেখা বরাবর প্রবাহিত ৬২ কিমি দীর্ঘ একটি নদী।
- নাফ মায়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় পর্বত শ্রেণী থেকে উৎসারিত হয়ে কক্সবাজার জেলাধীন উখিয়া উপজেলার পালংখালির কাছ দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।  -অতঃপর দক্ষিণদিকে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- ১.৬১ কিমি থেকে ৩.২২ কিমি প্রস্থ বিশিষ্ট এ নদী জোয়ারভাটা প্রবণ।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।

উল্লেখ্য, নবম - দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বই অনুসারে, নাফ নদীর দৈর্ঘ্য - ৫৬ কি.মি।
যেহেতু অপশনে ৫৬ নেই, তাই বাংলাপিডিয়ার সূত্র অনুসারে, ৬২ কি.মি কে সঠিক উত্তর ধরা হয়েছে।
৫৪.
নিচের কোন দেশটি নিরক্ষীয় জলবায়ুর অন্তর্গত?
  1. পানামা
  2. মালয়েশিয়া
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় জলবায়ু:
-  নিরক্ষরেখায় অবস্থানকারী দেশসমূহ এবং এই নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থানরত দেশসমূহে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিরাজমান করে।

অবস্থান ও দেশসমূহ:
- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫° অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
-  সূর্যের উত্তরায়ন ও দক্ষিণায়নের ফলে এ অঞ্চলে দুইবার মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা দেখা যায়।
- কোনো কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার উত্তর ও দক্ষিণে ১০° অক্ষাংশের সীমা পর্যন্ত নিরক্ষরেখা বিস্তৃত।
- বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত।
- এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন: মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫.
নিচের কোনটি পদ্মার উপনদী?
  1. ক) তিস্তা
  2. খ) ব্রহ্মপুত্র
  3. গ) মহানন্দা
  4. ঘ) শীতলক্ষা
সঠিক উত্তর:
গ) মহানন্দা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মহানন্দা
ব্যাখ্যা
কোন নদীতে অপর কোন নদী পতিত হলে পতিত নদীকে উপনদী বলা হয়।
- পদ্মা নদীর উপনদী - মহানন্দা ও পুনর্ভবা।
- মহানন্দা নদীটি  হিমালয়ের পাদদেশে দার্জিলিং এর নিকটবর্তী মহালড্রীম পর্বত হতে মহানন্দা নদীর উৎপত্তি হয়েছে।
- আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব - ইত্যাদি পদ্মার শাখা নদী।

উল্লেখ্য,
- মহানন্দার উপনদীগুলোর মধ্যে রয়েছে পুনর্ভবা, নাগর, কুলিক, ট্যাংগন, পাগলা প্রভৃতি।
- ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী ধরলা ও তিস্তা। আর প্রধান শাখানদী হলো বংশী ও শীতলক্ষ্যা।
- মেঘনার উল্লেখযোগ্য উপনদী হলো মনু, বাউলাই, তিতাস, গোমতী এবং শাখানদী জাঙ্গালিয়া ও ডাকাতিয়া।
- যমুনার প্রধান উপনদী হলো করতোয়া ও আত্রাই। এছাড়া যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা।

সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং ভূগোল ও পরবিশে এসএসসি পোগ্রাম (উন্মুক্ত)।
৫৬.
ভারতের কোন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কোন সীমান্ত নেই?
  1. অরুণাচল
  2. মেঘালয়
  3. পশ্চিমবঙ্গ
  4. আসাম
সঠিক উত্তর:
অরুণাচল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অরুণাচল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতাপ্রাপ্ত বাংলাদেশের স্থলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত।
⇒ পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কুচবিহার জেলা এবং আসাম ও মেঘালয়, পূর্বে আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমার অবস্থিত।
- আর দক্ষিণে রয়েছে বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর।
- ভূ-রাজনৈতিক কারণে দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ- পূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের সাতটি রাজ্য - নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম, আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও অরুণাচল প্রদেশকে সেভেন সিস্টার বলা হয়।
- সেভেন সিস্টারের ৩ টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নাই। এগুলা হলো নাগাল্যান্ড, মণিপুর ও অরুণাচল প্রদেশ।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, দশম শ্রেণি- বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭.
'ক্লিউচেভস্কায়া' আগ্নেয়গিরি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. রাশিয়া
  2. জাপান
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা

• ক্লিউচেভস্কায়া আগ্নেয়গিরি:
- রাশিয়ার সুদূর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত কামচাটকা উপদ্বীপে অবস্থিত একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি ।
- এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরিগুলির মধ্যে একটি, যা ১৫,৫৮৪ ফুট (৪,৭৫০ মিটার) উচ্চতায় উত্থিত। 
-  আগ্নেয়গিরিটি একটি কেন্দ্রীয় গর্ত সহ একটি ছেঁটে ফেলা শঙ্কু নিয়ে গঠিত,
- এটির নীচের ঢালে প্রায় ৭০টি পার্শ্বীয় গর্ত এবং শঙ্কু রয়েছে।
- ১৭০০ সাল থেকে ৫০ বারেরও বেশি সময় ধরে অগ্ন্যুৎপাত হওয়া এই আগ্নেয়গিরির বৈশিষ্ট্য হল এর চূড়ার উপরে ক্রমাগত ধোঁয়া উড়ছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৫৮.
বিশ্বের সর্বাধিক সীমান্ত বেষ্টিত দেশ কোনটি?
  1. রাশিয়া
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. কানাডা
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• সীমান্ত বিষ্টিত দেশ:
- সবচেয়ে বেশি সীমান্ত বেষ্টিত দেশ - রাশিয়া ও চীন (১৪ টি করে)। তবে চীন অপশনে না থাকায় সঠিক উত্তর হচ্ছে রাশিয়া।

• রাশিয়ার সাথে সীমান্তবর্তী দেশসমূহ:
 - আজারবাইজান, বেলারুশ, চীন, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, জর্জিয়া, কাজাখস্তান, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, মঙ্গোলিয়া, উত্তর কোরিয়া, নরওয়ে, পোল্যান্ড, ইউক্রেন।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৫৯.
কোন অঞ্চলগুলো পূর্বববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ক) বিহার, রাজশাহী, কলকাতা
  2. খ) ঢাকা, চট্টগ্রাম, পার্বত্য ত্রিপুরা
  3. গ) আসাম, উড়িষ্যা, চট্টগ্রাম
  4. ঘ) ঢাকা, পার্বত্য ত্রিপুরা, কলকাতা
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা, চট্টগ্রাম, পার্বত্য ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা, চট্টগ্রাম, পার্বত্য ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয়।
- ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, জলপাইগুড়ি, মালদহ, পার্বত্য ত্রিপুরা ও আসাম নিয়ে পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠিত হয়।
- এর রাজধানী ছিলো ঢাকা।
- অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিম বাংলা প্রদেশ।
- যার রাজধানী ছিলো কলকাতা।
- কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুদের তীব্র বিরোধিতার কারণে ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৬০.
বাংলাদেশের কোন জেলায় কর্কটক্রান্তি রেখা ও ৯০ο দ্রাঘিমাংশের ছেদবিন্দু অবস্থিত?
  1. মাদারীপুর
  2. শরীয়তপুর 
  3. রাজবাড়ী
  4. ফরিদপুর 
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর 
ব্যাখ্যা

কর্কটক্রান্তি রেখা:
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
-- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় কর্কটক্রান্তি রেখা ও ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা পরস্পরকে ছেদ করেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

৬১.
বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা কয়টি?
  1. ১৩টি
  2. ১৭টি
  3. ১৯টি
  4. ২৩টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
উপকূলীয় জেলা:
- বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিমি.।
- উপকূলীয় জেলা ১৯টি।
- জেলাগুলো হলো: কক্সবাজার, বাগেরহাট, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, ফেনী, গোপালগঞ্জ, যশোর, ঝালকাঠি, খুলনা, লক্ষীপুর, নড়াইল, নোয়াখালী, পিরোজপুর, সাতক্ষীরা, শরীয়তপুর ও পটুয়াখালী।

উল্লেখ্য,
- উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, সুনামি বা জোয়ার-ভাটাজনিত কারণে যে বন্যা সৃষ্টি হয় তাকে উপকূলীয় বন্যা বলে।
- বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জেলাসমূহে এ ধরনের বন্যা দেখা দেয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬২.
'পলল সমভূমি' হিসাবে পরিচিত কোন জেলা?
  1. ঢাকা
  2. কক্সবাজার
  3. দিনাজপুর 
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর 
ব্যাখ্যা

• পাদদেশীয় পলল সমভূমি :
- অনেক সময় পাহাড়িয়া নদী দ্বারা পলি সঞ্চিত হয়ে পাহাড়ের পাদদেশে নতুন সমভূমি গড়ে ওঠে।
- এরূপ সমভূমিকে পাহাড়ের পাদদেশীয় পলল সমভূমি বলা হয়।
- বাংলাদেশের রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ স্থানই পলল সমভূমি নামে পরিচিত। 
- তিস্তা, আত্রাই, যমুনেশ্বরী প্রভৃতি নদী দ্বারা এ অঞ্চল বিধৌত।
- এসব নদী হিমালয় পর্বত হতে উৎপন্ন হয়েছে। 
- ফলে নদীগুলো সহজেই পাহাড় হতে পলল বহন করে এ অঞ্চলে সঞ্চয় করে পাদদেশীয় পললভূমি গঠন করেছে। 
- পাহাড়ের পাদদেশে দুই বা ততোধিক পলল পাখা বা কোণ মিলিত হয়েও পাদদেশীয় পলল সমভূমি গঠন করতে পারে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৩.
ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ কোনটি?
  1. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
  2. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
  3. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
ব্যাখ্যা

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

উৎস:  ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪.
নিচের কোন পর্বতমালা দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত?
  1. আল্পস পর্বতমালা
  2. রকি পর্বতমালা
  3. আন্দিজ পর্বতমালা
  4. আলাস্কা রেঞ্জ
সঠিক উত্তর:
আন্দিজ পর্বতমালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্দিজ পর্বতমালা
ব্যাখ্যা
• আন্দিজ পর্বতমালা:
- পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতশ্রেণী আন্দিজ পর্বতমালা।
- আন্দিজ পর্বতমালা দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- আন্দিজ পর্বতমালা আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া, চিলি, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, পেরু এবং ভেনেজুয়েলা মোট সাতটি দেশ জুড়ে অবস্থিত।
- আন্দিজ দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম উপকূল বরাবর প্রায় ৪,৩০০ মাইল পর্যন্ত প্রসারিত।
- পৃথিবীর ভূত্বকের নীচে থাকা টেকটোনিক প্লেটগুলি একত্রিত হয়ে আন্দিজ সৃষ্টি হয়।
- আন্দিজ পর্বতমালা পূর্ব থেকে পশ্চিমে ১২০ থেকে ৪৩০ মাইল প্রশস্ত।
- উত্তর আন্দিজ, মধ্য আন্দিজ এবং দক্ষিণ আন্দিজ হল আন্দিজ পর্বতমালার তিনটি বিভাগ।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস। 
৬৫.
সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন কত?
  1. ৮ বর্গ কিলোমিটার
  2. ১১ বর্গ কিলোমিটার
  3. ১৩ বর্গ কিলোমিটার
  4. ১৮ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৮ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
সেন্টমার্টিন দ্বীপ:
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত।
- এটি একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মায়ানমারের উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- জনসংখ্যায় বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিন।
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে।

⇒ সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা। 

উল্লেখ্য,
- কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার। 
- প্রথম আলো রিপোর্ট অনুয়ায়ী, সরকারি তথ্যে দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে ৮ বর্গকিলোমিটার।

⇒ উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- পরীক্ষায় যদি ৮ বর্গ কিলোমিটার না থাকে তখন ১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ১৩ বর্গ কিলোমিটার উত্তর করবেন, অথবা অপশন বিবেচনায় উত্তর করবেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৬.
বাংলাদেশের মোট ভূমির কত ভাগ নিয়ে টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চল নিয়ে গঠিত?
  1. ১১%
  2. ৮%
  3. ১২%
  4. ৯%
সঠিক উত্তর:
১২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২%
ব্যাখ্যা
• ভূপ্রকৃতির উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূমিকে তিনটি প্রধান ভূ-অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
- টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চল, প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি ,এবং প্লাবন সমভূমি ।
- ভূপ্রকৃতির বিস্তারিত ব্যাখ্যায় সমগ্র দেশটিকে ২৪টি উপ-অঞ্চল এবং ৫৪টি একক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
- প্লাইসটোসিন উচ্চভূমির অন্তর্গত ভূ-অঞ্চাল হল- লালমাই পাহাড়ি অঞ্চল, বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ভাওয়ালের গড়। 
- টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চলের অন্তর্গত ভূ-অঞ্চল -  উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চল, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চালের পাহাড় সমূহ।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% ভাগ নিয়ে টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চল নিয়ে গঠিত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চালের পাহাড় সমূহ- রাঙ্গামাটি, বান্দরবন, কক্সবাজার,ও চট্টগ্রাম, জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চল- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।  

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৬৭.
ফরায়েজী আন্দোলনের মূল কেন্দ্র ছিল-
  1. ক) যশোর
  2. খ) খুলনা
  3. গ) ফরিদপুর
  4. ঘ) ঢাকা
সঠিক উত্তর:
গ) ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
- ফরায়েজি আন্দোলন ছিলো একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন। উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তউল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত করেন। - - - - - ফরায়েজী আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল
- ১৮৪০ সালে শরীয়তউল্লাহর মৃত্যুর পর তার পুত্র মুহাম্মদ মুহসিন উদ্দিন ওরফে দুদু মিয়া এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।
- দুদু মিয়া ফরায়েজী আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেন।
- ১৮৬২ সালে দুদু মিয়ার মৃত্যুর পর সুযোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া)
৬৮.
’বরেন্দ্রভূমি’ বাংলাদেশের কোন ভূ-প্রকৃতিক অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. টারশিয়ারি যুগের পাহাড় অঞ্চল
  2. প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি
  3. প্লাবন সমভূমি
  4. পাদদেশীয় সমভূমি
সঠিক উত্তর:
প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি:
- বাংলাদেশের প্রায় সমগ্র অঞ্চল এক বিস্তীর্ণ সমভূমি। বাংলাদেশে সামান্য পরিমাণে উচ্চভূমি রয়েছে।
- ভূপ্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।

• টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চল, প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি ,এবং প্লাবন সমভূমি ।

• প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি:
- আনুমানিক ২৫০০০ বছর পূর্বের  সময়কে প্লাইস্টানকাল বলে।
- প্লাইসটোসিন উচ্চভূমির অন্তর্গত ভূ-অঞ্চাল হল- লালমাই পাহাড়ি অঞ্চল, বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ভাওয়ালের গড়। 

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ সকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত। পাহাড়গুলো আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয়।
এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
(ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও
(খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

• প্লাবন সমভূমি:
১. রংপুর দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি ।
২. ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, নোয়াখালি, কুমিল্লা অঞ্চলের অন্তর্গত বন্যা প্লাবন সমভূমি।
৩. ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, ঢাকা অঞ্চলের অংশ বিশেষ নিয়ে ব-দ্বিপ সমভূমি।
৪. নোয়খালী ও ফেনী নদীর নিম্ন ভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত উপকূলীয় সমভূমি।
৫. খুলনা, পটুয়াখালী অঞ্চল ও বরগুনা জেলার অংশবিশেষ স্রোতজ সমভূমি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
৬৯.
বাংলাদেশের 'পাহাড়ের রানি' নামে পরিচিত পাহাড় কোনটি?
  1. তাজিনডং পাহাড়
  2. লালমাই পাহাড়
  3. চিম্বুক পাহাড়
  4. সীতাকুণ্ড পাহাড়
সঠিক উত্তর:
চিম্বুক পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিম্বুক পাহাড়
ব্যাখ্যা
চিম্বুক পাহাড়:
- চিম্বুক পাহাড় বাংলাদেশের পাহাড়ি সৌন্দর্যের মধ্যে 'পাহাড়ের রানি' হিসেবে সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম পাহাড়।
- বান্দরবান জেলা শহর থেকে মাত্র ২৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত চিম্বুক পাহাড়।
- এর উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫০০ ফুট।
- চিম্বুক পাহাড়কে বাংলার দার্জিলিং হিসেবে অভিহিত করা হয়, কারণ এর মনোরম দৃশ্য এবং ঠান্ডা আবহাওয়া।
- এই পাহাড় থেকে সূর্যাস্ত এবং সূর্যোদয়ের দৃশ্য যে কাউকে মুগ্ধ করতে পারে।

এছাড়াও,
- চিম্বুক পাহাড়কে বাংলাদেশের 'পাহাড়ের রানি' নামে পরিচিতি পেয়েছে।
- এটি কালাপাহাড় নামেও পরিচিত।

তথ্যসূত্র:- বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭০.
বাংলাদেশের কোন বনাঞ্চল ক্রান্তীয় চিরহরিৎ?
  1. সুন্দরবন
  2. মধুপুর বনাঞ্চল
  3. পার্বত্য বনাঞ্চল
  4. বরেন্দ্র বনাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য বনাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্বত্য বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা
• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি:
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত। 
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।
- উষ্ণ ও আর্দ্র ভূমির কারণে বাংলাদেশে চিরহরিৎ অরণ্যের সৃষ্টি হয়েছে।
- উষ্ণ ও আর্দ্র ভূমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা জন্ম নেয়।
- এসব গাছের পাতা একসঙ্গে ফোটে না, ঝরেও না। ফলে বনগুলো সারা বছর সবুজ থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
৭১.
‘পোর্ট ব্লেয়ার’-এর অবস্থান -
  1. ক) প্রশান্ত মহাসাগর
  2. খ) আটলান্টিক মহাসাগর
  3. গ) বঙ্গোপসাগর
  4. ঘ) কৃষ্ণসাগর 
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গোপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গোপসাগর
ব্যাখ্যা
পোর্ট ব্লেয়ার

- ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ নামক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাজধানী।
- বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। 
- মূল ভূ-খন্ড থেকে নৌ ও বিমান পথে যোগাযোগ আছে।
- ব্রিটিশ নৌসেনা অফিসার লেফটেন্যান্ট আর্চিবাল্ড ব্লেয়ারের নামে এই দ্বীপের নামকরণ করা হয়।


তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
৭২.
দক্ষিণ গোলার্ধে শীতলতম মাস কোনটি?
  1. জানুয়ারি
  2. এপ্রিল
  3. জুলাই
  4. ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই
ব্যাখ্যা
গোলার্ধ:
- নিরক্ষরেখা নামক একটি কাল্পনিক রেখা উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধকে বিভক্ত করে।
- বিষুবরেখাকে 0° অক্ষাংশও বলা হয়।
- এটি পৃথিবীর মাঝখানে পূর্ব এবং পশ্চিমে চলে।
- নিরক্ষরেখার উত্তরে অবস্থিত স্থানগুলি উত্তর গোলার্ধের অংশ।
- নিরক্ষরেখার দক্ষিণে স্থানগুলি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।

⇒ উত্তর গোলার্ধের মধ্যে রয়েছে উত্তর আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা, ইউরোপ এবং এশিয়ার মূল ভূখণ্ড।
- আফ্রিকার প্রায় অর্ধেক এবং দক্ষিণ আমেরিকার একটি ছোট অংশও উত্তর গোলার্ধে রয়েছে।
⇒ আফ্রিকার বাকি অংশ, দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ অংশ এবং সমস্ত অস্ট্রেলিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকা দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।

⇔ দক্ষিণ গোলার্ধ:
- দক্ষিণ গোলার্ধ হল পৃথিবীর দক্ষিণ অংশ।
- ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত বিরাজ করে।
- ২১ জুন দক্ষিণ গোলার্ধে ক্ষুদ্রতম দিন ও দীর্ঘতম রাত।
- দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস জানুয়ারি এবং শীতলতম মাস জুলাই।

অন্যদিকে,
- উত্তর গোলার্ধে উষ্ণতম মাস জুলাই।
- উত্তর গোলার্ধে শীতলতম মাস জানুয়ারি।

উৎস: i) Britannica.
ii) World atlas.
৭৩.
নিচের কোন জেলাতে প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমি রয়েছে?
  1. চাঁদপুর
  2. পিরোজপুর
  3. মাদারীপুর
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

⇒ প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

• বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

• মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

• লালমাই পাহাড়:
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার।
- গড় উচ্চতা ২১ মিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪.
শালবনের প্রধান বৃক্ষ কোনটি?
  1. সেগুন
  2. গরান
  3. গজারি
  4. চাপালিশ
সঠিক উত্তর:
গজারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গজারি
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গাইলের মধুপুর ও গাজীপুর জেলার ভাওয়াল গড়ের বনভূমি ‘শালবন’ নামে পরিচিত। এই বনের প্রধান বৃক্ষ হলো ‘শাল বা গজারী’।
- এছাড়া অন্যান্য বৃক্ষের মধ্যে রয়েছে: বহেরা, হরিতকী, কড়ই, শিমুল, অর্জুন ইত্যাদি।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
(তথ্যসূত্রঃ বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
৭৫.
'হার্ট আইল্যান্ড দ্বীপ' কোথায় অবস্থিত?
  1. ইতালি
  2. ব্রিটেন
  3. জাপান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
হার্ট আইল্যান্ড:
- হার্ট আইল্যান্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির অধীন একটি ছোট্ট দ্বীপ যা পাবলিক সেমিট্রি বা কবর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- নিউইয়র্ক সিটি কর্পোরেশন বেওয়ারিশ লাশ এখানে দাফন করে থাকে।
- ১৮৬৯ সাল থেকে হার্ট আইল্যান্ড বেওয়ারিশ লাশের সমাধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- করোনা ভাইরাসে মৃতদের মধ্যে অজ্ঞাতনামাদের হার্ট আইল্যান্ডে কবর দেওয়া হয়েছে।
- এ দ্বীপে প্রায় ১ মিলিয়ন বেওয়ারিশ মৃতের কবর দেওয়া হয়েছে।

উৎস: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এবং সিএনএন পত্রিকা রিপোর্ট।
৭৬.
‘দেবতাখুম’ কোথায় অবস্থিত?
  1. আলীকদম
  2. রোয়াংছড়ি
  3. লামা
  4. বাঘাইছড়ি
সঠিক উত্তর:
রোয়াংছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোয়াংছড়ি
ব্যাখ্যা
দেবতাখুম:
- দেবতাখুম বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলায় অবস্থিত।
- খুম অর্থ হচ্চে জলাধার।
- দেবতাখুম মূলত তারাছা খালের একটি অংশ, যার দুই পাশে পাহাড় দিয়ে ঘেরা এবং গভীর পানির পাথুরে জায়গা।

⇒ বান্দরবানে ছোট বড় অনেক খুম আছে, যেমন থানচির আমিয়াখুম, ভেলাখুম ইত্যাদি। 
- এই খুমের দুইপাশে রয়েছে বিশাল জঙ্গল।
- উঁচু পাহাড়ের কারণে খুমের ভিতর সরাসরি সূর্যের আলো পৌঁছায় না, তাই খুমের যত ভিতরে যাওয়া যায় ততই শীতল মনে হয়।
- জায়গাটি খুব শান্ত এবং কোলাহলমুক্ত।
- এর পানিও বেশ স্বচ্ছ।
- বাঁশের ভেলায় চেপে এই খুমের ভিতর যাওয়ার সময় পর্যটকদেরকে এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি দেয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
ii) প্রথম আলো।
৭৭.
কোন দেশটি ককেশাস অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. বাহরাইন
  2. আর্মেনিয়া
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. আলজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্মেনিয়া
ব্যাখ্যা
• পশ্চিম এশিয়ার দেশ:
→ পশ্চিম এশিয়া এশিয়ার একটি উপ-অঞ্চল যা মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার পশ্চিমে, পূর্ব ইউরোপের দক্ষিণে, দক্ষিণ ইউরোপের পূর্বে এবং আফ্রিকার উত্তরে অবস্থিত।
→ পশ্চিম এশিয়ায় ১৮টি দেশ রয়েছে।
→ আরব এবং তুর্কি পশ্চিম এশিয়ার দুটি বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠী।
→ পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে জনবহুল দেশ তুরস্ক। 
→ সবচেয়ে কম জনবহুল সাইপ্রাস।
→ পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে উত্তরের অঞ্চল হল ককেশাস, যেখানে বর্তমান জর্জিয়া, আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান অবস্থিত।
→ ককেশাসের দক্ষিণ-পশ্চিমে হচ্ছে আনাতোলিয়া, যা এশিয়া মাইনর নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৭৮.
বৈরাগীর ভিটা' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) চট্রগ্রাম
  3. গ) জামালপুর
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ক) বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বগুড়া
ব্যাখ্যা
• বৈরাগী ভিটা বগুড়া মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
- এটি আনুমানিক ২৫০০ বছর পুরনো।
- সম্প্রতি এই ভিটায় ১৪০০ বছর আগের একটি স্থাপনার নিদর্শন পাওয়া গেছে।
- এর পূর্বেও এখানে তিনটি বৌদ্ধমন্দিরের সন্ধান পাওয়া যায়।

সূত্র: দৈনিক নয়াদিগন্ত।
৭৯.
'তাজিংডং' বা 'বিজয়' কোথায় অবস্থিত?
  1. নাইক্ষ্যংছড়ি, বান্দরবান
  2. আলীকদম, বান্দরবান
  3. থানচি, বান্দরবান
  4. রুমা, বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
রুমা, বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুমা, বান্দরবান
ব্যাখ্যা
তাজিংডং:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং।
- এটি বিজয় নামেও পরিচিত।
- স্থানীয় ভাষায় তাজিং অর্থ বড় আর ডং অর্থ পাহাড়। একত্রে বড় পাহাড় বা তাজিংডং।
- বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় এর অবস্থান।
- তাজিংডং পর্বতের উচ্চতা প্রায় ১২৩১ মিটার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন দৈনিক কালের কন্ঠ, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭।
৮০.
‘চিকেনস নেক' নামে পরিচিত নিচের কোনটি?
  1. তিন বিঘা করিডোর
  2. শিলিগুড়ি করিডোর
  3. মানবিক করিডোর
  4. সেভেন সিস্টার্স
সঠিক উত্তর:
শিলিগুড়ি করিডোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিলিগুড়ি করিডোর
ব্যাখ্যা

শিলিগুড়ি করিডোর:
- শিলিগুড়ি করিডোর ভারতের অন্তর্গত পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র ভূখণ্ড।
- এই করিডোর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বাকি দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে।
- এই করিডোর অনেকটা বাঁকানো মুরগির ঘাড়ের মতো দেখায় বলে, তা ‘চিকেনস নেক' নামেও পরিচিত।
- এ ভূখণ্ডের প্রস্থ প্রায় ২১-৪০ কিমি।
- এটি ভারতের একমাত্র অংশ, যা চারটি ভিন্ন দেশের সঙ্গে যুক্ত।
- এর দুপাশে নেপাল, বাংলাদেশ এবং রাজতান্ত্রিক ভুটান করিডোরের উত্তর দিকে অবস্থিত।
- ১৯৪৭ এর দেশভাগের সময় বৃহত্তর বাংলা প্রদেশ দ্বিখণ্ডিত হলে এই শিলিগুড়ি করিডোরের সৃষ্টি হয়।
- এই সংকীর্ণ করিডোরটির মাধ্যমে নয়াদিল্লির পক্ষে উত্তর–পূর্ব ভারতের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি রিপোর্ট, ব্রিটানিকা।

৮১.
বিখ্যাত 'মোজাবে মরুভূমি' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) উত্তর আমেরিকা
  2. খ) উত্তর আফ্রিকা
  3. গ) দক্ষিণ আমেরিকা
  4. ঘ) দক্ষিণ আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তর আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা
মোজাবে মরুভূমি উত্তর আমেরিকার দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্বাংশ জুড়ে অবস্থিত এবং কিছু অংশ নেবাদা, এরিজোনা, উতাহ অঙ্গরাজ্য জুড়ে বিস্তৃত। 

বিখ্যাত কিছু মরুভূমির অবস্থান:
- থর মরুভূমি : ভারত ও পাকিস্তান
- গোবি মরুভূমি : চীন ও মঙ্গোলিয়া
- সাহারা মরুভূমি : আফ্রিকা
- আতাকামা মরুভূমি : চিলি
- পাতাগোনিয়া মরুভূমি : চিলি, আর্জেন্টিনা।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
৮২.
আল্পস পর্বতমালা কোথায় অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ আমেরিকায়
  2. উত্তর আমেরিকায়
  3. দক্ষিণ ইউরোপে
  4. পূর্ব ইউরোপে
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ ইউরোপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ ইউরোপে
ব্যাখ্যা
আল্পস পর্বত:
- আল্পস পর্বত ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি একটি বিস্তৃত পর্বতমালা যা দক্ষিণ-মধ্য ইউরোপে অবস্থিত।
- অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, লিচেনস্টাইন, মোনাকো, স্লোভেনিয়া এবং সুইজারল্যান্ড নামে আটটি আল্পাইন দেশ জুড়ে রয়েছে এই পর্বতমালা।
- আল্পস পর্বতশ্রেণী প্রায় ১,২০০ কিমি অর্ধচন্দ্রাকার আকারে বিস্তৃত।

উল্লেখ্য,
- আল্পস এক ধরনের ভঙ্গিল পর্বত।
- আল্পস পর্বতমালাকে তিনটি বিস্তৃত ভাগে ভাগ করা যায়: পূর্ব, মধ্য এবং পশ্চিম আল্পস।
- এটি একটি অবিচ্ছিন্ন পর্বতশ্রেণী এবং বিভিন্ন উচ্চতা এবং গভীরতার অসংখ্য চূড়া এবং উপত্যকা নিয়ে গঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের ভ্যালাইস ক্যান্টনে অবস্থিত ২২.৬ কিমি দীর্ঘ আলেচ হিমবাহটি আল্পসের বৃহত্তম হিমবাহ।
- এই পর্বতমালা দক্ষিণ ফ্রান্সের মোনাকোর কাছে ভূমধ্যসাগরের উত্তর থেকে সুইজারল্যান্ড, তারপর উত্তর ইতালি হয়ে দক্ষিণ জার্মানি এবং অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছে।
- আল্পস পর্বতশ্রেণি আলবেনিয়ায় রুক্ষ অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের উপকূলে শেষ হয়েছে।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩.
বরেন্দ্র বলতে কোনটি বোঝায়?
  1. পূর্ববঙ্গ
  2. পশ্চিমবঙ্গ
  3. উত্তরবঙ্গ
  4. দক্ষিণবঙ্গ
সঠিক উত্তর:
উত্তরবঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরবঙ্গ
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্র:
- বরেন্দ্র বা বরেন্দ্রী উত্তর বঙ্গের প্রাচীন জনপদ পুন্ড্র বা পুণ্ড্রবর্ধনের সঙ্গে সমবিস্তৃত একটি প্রাচীন ভৌগোলিক অঞ্চল।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগীয় ভূগঠন বারিন্দ ভূভাগে অবস্থিত।
- বরেন্দ্র জনপদ বলতে রাজশাহী,চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর এই অংশকে বোঝায়।
- কানিংহাম বরেন্দ্রর সীমানা পশ্চিমে গঙ্গা ও মহানন্দা, পূর্বে করতোয়া, দক্ষিণে পদ্মা এবং উত্তরে কুচবিহার ও তরাই অঞ্চলের মধ্যবর্তী ভূভাগ নির্দিষ্ট করেন।
- তবকাত-ই-নাসিরীতে বারিন্দকে গঙ্গার পূর্ব দিকে লখনৌতি রাজ্যের একটি অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ বরেন্দ্রভূমি:
- বঙ্গ অববাহিকায় অবস্থিত প্লাইস্টোসিনকালের চত্বরসমূহের মধ্যে বরেন্দ্রভূমি উল্লেখযোগ্য।
- এর দু'টি স্তর রয়েছে।
- প্রথমটি ৩৯.৭ মিটার উচ্চতায় এবং দ্বিতীয়টি ১৯.৮ থেকে ২২.৯ মিটার উচ্চতায়।
- বরেন্দ্র চত্বরটির মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো: অপেক্ষাকৃত অধিক উচ্চতা, লালচে ও হলদেটে কর্দম মৃত্তিকা, শাখা- প্রশাখা যুক্ত নদী নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং উদ্ভিজ্জের স্বল্পতা।
- বরেন্দ্র চত্বরটি পাঁচটি উপ-অঞ্চলে বিভক্ত।
ক. উত্তর-পূর্বাঞ্চল
খ. পূর্ব বরেন্দ্রভূমি,
গ. পূর্ব বরেন্দ্রভূমির মধ্যভাগ,
ঘ. পশ্চিম বরেন্দ্রভূমির মধ্যভাগ,
ঙ. পশ্চিম বরেন্দ্রভূমি (Western Barind)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮৪.
টাইটান কোন গ্রহের সবচেয়ে বড় উপগ্রহ?
  1. ক) শুক্র
  2. খ) বুধ
  3. গ) বৃহস্পতি
  4. ঘ) শনি
সঠিক উত্তর:
ঘ) শনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শনি
ব্যাখ্যা
উপগ্রহ (Satellite) : কিছু কিছু জ্যোতিষ্ক গ্রহকে ঘিরে আবর্তিত হয়, এদের উপগ্রহ বলে। মহাকর্ষ বলের প্রভাবে এরা গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘােরে। এদের নিজস্ব আলাে বা তাপ নেই। এরা সূর্য বা নক্ষত্র থেকে আলাে বা তাপ পায়। চাঁদ পৃথিবী গ্রহের একমাত্র উপগ্রহ। কোনাে কোনাে গ্রহের উপগ্রহ আছে, কোনােটির নেই। বুধ ও শুক্রের কোনাে উপগ্রহ নেই। শনির উপগ্রহ সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি। টাইটান শনি গ্রহের সবচেয়ে বড় উপগ্রহ।
৮৫.
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ কোন পাহাড়ের সমগোত্রীয়?
  1. জাপানের ফুজিয়ামা
  2. আসামের লুসাই
  3. মিয়ানমারের আরাকান
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই ও মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয়।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:

- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ

⇒ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিনডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং (উচ্চতা ১,২৩০ মিটার)।

⇒ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৬.
কোন সমুদ্র সৈকত থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) পতেঙ্গা
  3. গ) সেণ্টমার্টিন
  4. ঘ) কুয়াকাটা
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুয়াকাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুয়াকাটা
ব্যাখ্যা
• কুয়াকাটা:
- পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা।
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকটা।
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলােকন করার মনােমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।

উৎস: পটুয়াখালী ওয়েবসাইট। 
৮৭.
পৃথিবীর দুই মেরু হতে সমান দূরত্বে (পৃথিবীর মাঝখানে) পূর্ব-পশ্চিমে পৃথিবীকে ঘিরে থাকা কল্পিত বৃত্তকে কী বলা হয়?
  1. কক্ষপথ
  2. বিষুবরেখা
  3. দ্রাঘিমা রেখা
  4. প্রান্তরেখা
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
ব্যাখ্যা
• বিষুবরেখা/ নিরক্ষরেখা:
- পৃথিবীর দুই মেরু হতে সমান দূরত্বে (পৃথিবীর মাঝখানে) পূর্ব-পশ্চিমে পৃথিবীকে ঘিরে থাকা কল্পিত বৃত্তকে বলা হয় নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে।
- বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখাকে বলা হয় মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত।
- আহ্নিক গতি নিরক্ষরেখায় সর্বাপেক্ষা বেশি। নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখার মান ০°। অর্থাৎ পৃথিবীর মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত এর মান ০°।
- তাহলে আমরা বলতে পারি যে, পৃথিবীর ০ ডিগ্রি অক্ষাংশকে মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত বলা হয়।
- নিরক্ষরেখার সমান্তরালে উত্তরে ও দক্ষিণে কতকগুলো রেখা কল্পনা করা হয়। এই রেখাগুলোকে অক্ষরেখা বা সমাক্ষরেখা বলে।
- অক্ষরেখাসমূহের দূরত্ব সর্বত্র সমান। নিরক্ষেরেখা থেকে উত্তরে বা দক্ষিণে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বের মানকে ডিগ্রিতে প্রকাশ করলে তাকে অক্ষাংশ বলে।
- নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখার মান ০°। নিরক্ষরেখা থেকে ৯০° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় সুমেরু এবং ৯০° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় কুমেরু।
- এছাড়া ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রামে- কর্কটক্রান্তি এবং ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশে বলা হয় মকরক্রান্তি।
- ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত এবং কুমেরু বৃত্ত।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস সর্বাপেক্ষা বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলে পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগও সর্বাপেক্ষা বেশি (ঘন্টা প্রতি ১৭০০ কি.মি. প্রায়)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮.
প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের বর্তমান নাম কি?
  1. ক) মালদ্বীপ
  2. খ) সন্দ্বীপ
  3. গ) হাতিয়া
  4. ঘ) বরিশাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
প্রাচীন যুগে বাংলা কোন একক বা অখন্ড রাজ্য/রাষ্ট্র ছিল না।
বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন অনেকগুলো ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল।
যেমন- পুণ্ড্র , বরেন্দ্র, বঙ্গ, সমতট, চন্দ্রদ্বীপ, হরিকেল, রাঢ় ইত্যাদি।
বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখন্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
মধ্যযুগে চন্দ্রদ্বীপ বেশ সমৃদ্ধ ছিল।
এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
৮৯.
কোন বিখ্যাত নগরীর অবস্থান দুটি মহাদেশের অংশ?
  1. আম্মান
  2. ইস্তানবুল
  3. বাকু
  4. এথেন্স
সঠিক উত্তর:
ইস্তানবুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্তানবুল
ব্যাখ্যা
ইস্তানবুল:
- দুটি মহাদেশে অবস্থিত নগরী তুরস্কের ইস্তানবুল।
- শহরটি তুরস্কের উত্তর - পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।
- ইউরোপ-এশিয়ার প্রবেশদ্বার, আন্তঃমহাদেশীয় নগরী, রোমান, বাইজান্টাইন ও অটোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী।
- জনবহুল ইউরোপীয় শহর ইস্তানবুল।
- একে কন্সটান্টিনোপল বলা হয়।
- মসজিদের শহর হিসেবেও পরিচিত এটি।
- সুলায়মানি মসজিদ ইস্তাম্বুলের বৃহত্তম মসজিদ এটি।
- মসজিদটি উসমানীয় স্থাপত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।

বসফরাস প্রণালি:
- কৃষ্ণ সাগর এবং মর্মর সাগরকে যুক্তকারী বসফরাস প্রণালি। 
- এই জলপ্রণালি এশিয়া ও ইউরোপের সীমানা নির্দেশ করে।
- একে ইস্তানবুল প্রণালিও বলা হয়।
- বসফরাস প্রণালি বিশ্বের নৌচলাচলে ব্যবহৃত সবচেয়ে সরু জলপথ। 

উৎস: Britannica & দৈনিক যুগান্তর।
৯০.
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (ICC) এর বর্তমান চেয়ারম্যান কে?
  1. ক) ডেভিড ক্যাপেল
  2. খ) নারায়ণস্বামী শ্রীনিবাসন
  3. গ) শশাঙ্ক মনোহর
  4. ঘ) গ্রেগ বারক্লে
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্রেগ বারক্লে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্রেগ বারক্লে
ব্যাখ্যা
- বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা International Cricket Council (ICC)।
- আইসিসির বর্তমান চেয়ারম্যান - গ্রেগ বারক্লে (Greg Barclay)।
- তিনি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং তিনি নভেম্বর, ২০২০ - এ আইসিসির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন।
- ১২ নভেম্বর ২০২২ তারিখে তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হন। 
- তিনি ভারতের শশাঙ্ক মনোহর এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার এবং আইসিসি ওয়েবসাইট।
 
৯১.
'বলিশিয়া ভ্যালি' কোথায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙামাটি
  3. মৌলভীবাজার
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
ভ্যালি:
- দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী প্রশস্ত সমতল ক্ষেত্র বা অসমতল ঢালু ক্ষেত্রকে উপত্যকা বা ভ্যালি বলে।

⇒ দেশের বিভিন্ন ভ্যালি:

- ভেঙ্গি ভ্যালি: রাঙামাটি,
- হালদা ভ্যালি: খাগড়াছড়ি,
- বলিশিয়া ভ্যালি: মৌলভীবাজার,
- সাজেক ভ্যালি: রাঙামাটি,
- সাঙ্গু ভ্যালি: চট্টগ্রাম,
- নাপিত খালি ভ্যালি: কক্সবাজার,
- মাইনমুখী ভ্যালি: রাঙামাটি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯২.
ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম উভয় রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী সাধারণ জেলা -
  1. রাঙামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
• সীমান্তবর্তী জেলা:
→ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩২ টি: ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি জেলার (রাঙামাটি, বান্দরবন ও কক্সবাজার) সীমান্ত রয়েছে।
→ রাঙামাটি জেলায় বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্তরেখা পরস্পরকে স্পর্শ করেছে। অর্থ্যাৎ এটি তিনদেশের সীমান্ত যুক্ত হওয়া একটি সাধারণ জেলা।
→ ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম উভয় রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী সাধারণ জেলা রাঙামাটি।
→ বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের সাথে কোন দেশের সীমান্ত সংযোগ নেই।

তথ্যসূত্র: ঢেমুশিয়া ইউনিয়ন ওয়েবসাইট।
৯৩.
কোনটিকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়?
  1. এন্টার্কটিকা
  2. পামির মালভূমি
  3. সাহারা মরুভূমি
  4. আমাজন বনভূমি
সঠিক উত্তর:
আমাজন বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাজন বনভূমি
ব্যাখ্যা
আমাজন বনভূমিকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।
পৃথিবীতে মোট অক্সিজেনের ২০ ভাগ সরবরাহ করে আমাজন রেইনফরেস্ট একাই। যার কারণে এটিকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।
দক্ষিণ আমেরিকার ৯টি দেশ জুড়ে বিস্তৃত এ বনাঞ্চলের আয়তন প্রায় ২১ লক্ষ বর্গ মাইল।
এটি বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট।
(উৎসঃ WEF ওয়েবসাইট)
৯৪.
Which one is known as the mangrove forest in Bangladesh?
  1. ক) Bhawal National Park
  2. খ) Ratargul Swamp Forest
  3. গ) Lawachara National Park
  4. ঘ) Sundarbans
সঠিক উত্তর:
ঘ) Sundarbans
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Sundarbans
ব্যাখ্যা
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলে কাঁচামাল হিসেবে এই সুন্দরী গাছের কাঠ ব্যবহৃত হয়।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- শাল বা গজারি শালবনের প্রধান বৃক্ষ।

তথ্যসূত্র: বন বিভাগ ওয়েবসাইট
৯৫.
প্লাবন সমভূমি থেকে বরেন্দ্রভূমির উচ্চতা কত মিটার?
  1. ৬-১২ মিটার
  2. ৮-১৬ মিটার
  3. ২৪-৩০ মিটার
  4. ৩০-৫২ মিটার
সঠিক উত্তর:
৬-১২ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬-১২ মিটার
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্রভূমি:
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬.
গ্রিনিচ মান সময়ের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য কত মিনিট? 
  1. ২৬০ মিনিট
  2. ৩৬০ মিনিট
  3. ৪৬০ মিনিট
  4. ৩১০ মিনিট
সঠিক উত্তর:
৩৬০ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০ মিনিট
ব্যাখ্যা
গ্রিনিচ মান সময়:
- গ্রিনিচ মান মন্দির যুক্তরাজ্য অবস্থিত।
- Greenwich Mean Time (GMT) একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে প্রণীত সময় পদ্ধতি।
- বাংলাদেশের সাথে GMT এর পার্থক্য +৬ ঘন্টা।
- গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ এর থেকে এগিয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৭.
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের আয়তন কত?
  1. ক) ১২ কিলোমিটার
  2. খ) ১৪ কিলোমিটার
  3. গ) ১৮ কিলোমিটার
  4. ঘ) ২৪ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
- কুয়াকাটা স্থানীয়ভাবে 'সাগরকন্যা' নামে পরিচিত।
-  বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার লতাচাপলি ইউনিয়নে কুয়াকাটার অবস্থান।
- কুয়াকাটা সাগর-সৈকতের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ কিলোমিটার আর প্রস্থে প্রায় ৩ কিলোমিটার। 
- কুয়াকাটা হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের নিকট একটি তীর্থ স্থান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯৮.
নিচের কোন জেলার সাথে মায়ানমারের সীমানা রয়েছে?
  1. হবিগঞ্জ
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাঙ্গামাটি
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি জেলার সাথে মায়ানমারের সীমানা রয়েছে।

• ভারত ও মিয়ারমার এদুটি দেশের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে।
- বাংলাদেশের মোট ৩২ টি জেলার সাথে দেশ দুটির সীমানা রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০ টি জেলা এবং মিয়ানমারের সাথে রয়েছে তিনটি জেলার সীমানা রয়েছে।
- মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা তিনটি হলো - রাঙামাটি , বান্দরবান ও কক্সবাজার।
- রাঙামাটি বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের  সীমানা রয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
৯৯.
শীতকালে কোন বনভূমির পাতা ঝড়ে যায়?
  1. ক) সুন্দরবন
  2. খ) শালবন
  3. গ) প্যারাবন
  4. ঘ) সিলেট পাহাড়িয়া বনভূমি
সঠিক উত্তর:
খ) শালবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শালবন
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়। শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর। এই বনের প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারী।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১০০.
বাল্টিক রাষ্ট্র কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• বাল্টিক রাষ্ট্র:
- উত্তর-পূর্ব ইউরোপের বাল্টিক সাগরের পূর্বতীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ বাল্টিক রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত।
- এই অঞ্চলে তিনটি দেশ রয়েছে।
১. এস্তোনিয়া,
২. লাতভিয়া এবং
৩. লিথুয়ানিয়া।
- বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহ বর্তমানে ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ।

উৎস: Britannica.com & WorldAtlas.com.