উত্তর
ব্যাখ্যা
- প্রতি বছর অক্টোবর মাসে বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রায় ৫০০ বছর ধরে ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা আয়োজিত হয়ে আসছে।
সূত্র: ডেইলি স্টার।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৭ / ১৭ · ১,৬০১–১,৬৩০ / ১,৬৩৯
সাগরকন্যা:
- পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা।
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকাটা।
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
চর কুকরি মুকরি:
- চর কুকরি মুকরি ভোলা জেলায় অবস্থিত।
- চর কুকরি মুকরির অবস্থান ভোলা শহর থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপাসাগরের কোল ঘেষা মেঘনা নদীর মোহনায় যা বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসাবে পরিচিত।
- এক সময় এই চরে অধিক কুকুর ও ইঁদুর (এখানে মেকুর নামে পরিচিত) পাওয়া যেত, এ কারণেই এটি চর কুকরি মুকরি নামে স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত হয়ে উঠে।
- ১৯৮৯ সালের ১৪ মে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার একর জমিতে সংরক্ষিত শ্বাসমূলীয় ম্যানগ্রোভ জাতীয় বৃক্ষের বনায়ন শুরু হয়।
- চর কুকরি মুকরির বনভূমিতে স্থান পেয়েছে সুন্দরী, গেওয়া, পশুর, কেওড়া, নারিকেল, বাঁশ ও বেত।
- মাছ ধরা ও কৃষিকাজ চর কুকরি মুকরিতে বসবাসকারী মানুষের প্রধান পেশা।
উল্লেখ্য,
- চর মানিক: ভোলা,
- চর জব্বর: ভোলা,
- চর নিউটন: ভোলা,
- চর সাকুচিয়া: ভোলা,
- চর গজারিয়া :লক্ষীপুর,
- চর আলেকজান্ডার: লক্ষীপুর,
- দুবলার চর: সুন্দরবনের দক্ষিণে,
- মহুরীর চর: ফেনী,
- নির্মল চর: রাজশাহী।
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
• উত্তমাশা অন্তরীপ দক্ষিণ আফ্রিকার আটলান্টিক উপকূলে অবস্থিত।
---------------------------------------
• উত্তমাশা অন্তরীপ (Cape of Good Hope):
- উত্তমাশা অন্তরীপ হলো আফ্রিকার এক গুরুত্বপূর্ণ ভূ-প্রান্ত।
- এটি দক্ষিণ আফ্রিকার আটলান্টিক উপকূলে অবস্থিত কেপ পেনিনসুলার অংশ।
- সাধারণভাবে, যখন কোনো ভূপৃষ্ঠ ক্রমশ সরু হয়ে সাগরে প্রবেশ করে, তখন সেই অংশকে অন্তরীপ বলা হয়।
- উত্তমাশা অন্তরীপের প্রথম আবিষ্কার করেন পর্তুগিজ অভিযাত্রী বার্থোলোমিউ ডিয়াজ।
- তিনি ১৪৮৮ সালে এই কেপে পৌঁছান এবং প্রথমে এটিকে নাম দেন ‘কেপ অব স্টর্মস’।
- পরে পর্তুগিজরা এই নাম পরিবর্তন করে রাখেন ‘কেপ অব গুড হোপ’ বা উত্তমাশা অন্তরীপ।
----------------------------------------------
• অন্যান্য উল্লেখযোগ্য অন্তরীপের উদাহরণ:
- হর্ন অন্তরীপ: চিলি।
- ট্রাফালগার অন্তরীপ: স্পেন।
- গার্দাফুই অন্তরীপ: সোমালিয়া।
- মরিস জেসাপ অন্তরীপ: গ্রিনল্যান্ড
উৎস: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ২০০৩৪' উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষরেখা এবং ৮৮০০১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ৯২০৪১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের প্রায় মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩০৫) অতিক্রম করেছে।
- যা এদেশকে ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- বাংলাদেশের তিনদিকের স্থলভাগ ভারত এবং মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত এবং দক্ষিণে অবস্থিত বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর।
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ভূ-প্রকৃতি (Physiography):
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
- এদেশের ভূ-খন্ড উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে বিস্তৃত।
- উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়ি অংশ ব্যতীত সমগ্র দেশ নদীবিধৌত পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি।
- এই পললের পুরুত্ব প্রায় ১৮-২২ কিলোমিটার।
- ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
আবু মুসা দ্বীপ পারস্য উপসাগরে অবস্থিত।
ইরানের পূর্বনাম ছিল পারস্য।
আবু মুসা দ্বীপ নিয়ে ইরান ও আরব আমিরাতের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
উৎসঃ সংশ্লিষ্ট দেশসমূহের সরকারি ওয়েবসাইট।
• বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মোট জেলা- ৩২টি।
- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমার দুটি দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩টি।
- বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের ২টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
- ভাওয়ালের সোপান ভূমি প্লাইস্টোসিনকালে গঠিত।
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
⇒ প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
• বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।
• মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
•বাংলাদেশের পাহাড়:
- ময়নামতি পাহাড় কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত।
- চিম্বুক পাহাড় বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত - গারো পাহাড়।
- হিন্দু সম্প্রদায়ের তীর্থস্থান চন্দ্রনাথ পাহাড় সীতাকুন্ডে অবস্থিত।
- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড বাজার থেকে ৪কি.মি. পূর্বে চন্দ্রনাথ পাহাড় অবস্থিত
- কালাউড়া পাহাড় মৌলভীবিাজার জেলায় অবস্থিত।
তথ্যসূত্র: কুলাউড়া উপজেলা, বান্দরবান জেলা, খাগড়াছড়ি জেলা, সীতাকুন্ড উপজেলা, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর।
• খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লি:
- খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লি, শহর খালিশপুর, খুলনা দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা।
- খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লি এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি'র) সময়ে ১৯৬৫ সালে।
- কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়।
- এটি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) এর অধিনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ।
- দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড মিলটি ১৯৬৫ সালে স্থাপন করা হয়।
- কানাডীয় অনুদানে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা মিলটি স্থাপন করে।
- স্বাধীনতার পরে সেটি বিসিআইসির কাছে আসে।
- তখন কারখানার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৩ কোটি বর্গফুট।
উল্লেখ্য,
বর্তমানে মিলটি বন্ধ রয়েছে এবং মিলটি চালুর জন্য বাংলাদেশের অন্তবর্তাকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লি. ও প্রথম আলো।