বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক ভৌগলিক অঞ্চল, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনীতির গুরুত্ব

মোট প্রশ্ন১,৬৩৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক ভৌগলিক অঞ্চল, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনীতির গুরুত্ব

PrepBank · পাতা ১৬ / ১৭ · ১,৫০১১,৬০০ / ১,৬৩৯

১,৫০১.
কোনটি সূর্যোদয়ের দেশ নামে পরিচিত?
  1. নরওয়ে
  2. জাপান
  3. তিব্বত
  4. ভুটান
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা

জাপান:
- এশিয়ার পূর্ব উপকূলে অবস্থিত দ্বীপরাষ্ট্র জাপান।
- এটি উত্তর-পূর্ব-দক্ষিণ-পশ্চিম বৃত্তে অবস্থিত এক বিশাল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- পশ্চিম উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য দিয়ে প্রায় ১,৫০০ মাইল (২,৪০০ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত।
- প্রায় সমগ্র ভূমি এলাকা দেশের চারটি প্রধান দ্বীপ দ্বারা দখল করা হয়েছে; উত্তর থেকে দক্ষিণে এগুলি হল- হক্কাইডো, হনশু, শিকোকু, এবং কিউশু।
- পূর্ব-মধ্য হোনশুতে অবস্থিত জাতীয় রাজধানী টোকিও (টোকিও) বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহরগুলির মধ্যে একটি।
- সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয় জাপানকে।

• পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম-
- বজ্রপাতের দেশ: ভুটান।
- নিশীথ সূর্যের দেশ: নরওয়ে।
- নিষিদ্ধ দেশ: তিব্বত।
- সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
- ধীবরের দেশ: নরওয়ে।
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
- নীল নদের দেশ: মিশর।
- মরুভুমির দেশ: আফ্রিকা।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- বহ্মদেশ: মিয়ানমার।
- দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন: নিউজিল্যান্ড।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
- ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৫০২.
বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত নিচের কোন কোন দেশ দ্বারা বেষ্টিত?
  1. ভারত
  2. মিয়ানমার
  3. নেপাল
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমানা:
- বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত তিনদিকে ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫০৩.
দেশের সর্বাধিক আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলা কোনটি?
  1. গোপালগঞ্জ
  2. চাঁদপুর
  3. চাপাইনবাবগঞ্জ
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুর
ব্যাখ্যা
সর্বাধিক আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলাসমূহ
- চাঁদপুর : ৯০ শতাংশ
- মুন্সিগঞ্জ : ৮৩ শতাংশ
- গোপালগঞ্জ : ৭৯ শতাংশ
- ফরিদপুর : ৬৫ শতাংশ
- কুমিল্লা : ৬৫ শতাংশ।
(দুর্যোগকোষ : ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়)
১,৫০৪.
বাংলাদেশের সর্বপূর্বে অবস্থিত জেলা কোনটি?
  1. বান্দরবান
  2. সিলেট
  3. কক্সবাজার
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের

সর্ব পূর্বের:
- স্থান : আখাইনঠং
- উপজেলা : থানচি
- জেলা : বান্দরবান

সর্ব পশ্চিমের:
- স্থান : মনাকষা
- উপজেলা : শিবগঞ্জ
- জেলা : চাপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব দক্ষিণের:
- স্থান : ছেঁড়া দ্বীপ
- উপজেলা : টেকনাফ
- জেলা : কক্সবাজার

সর্ব উত্তরের:
- স্থান : বাংলাবান্দা
- উপজেলা : তেঁতুলিয়া
- জেলা : পঞ্চগড়।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
১,৫০৫.
বাংলাদেশের উত্তর সীমান্তে ভারতের কোন রাজ্যটি অবস্থিত নয়? 
  1. পশ্চিমবঙ্গ
  2. মেঘালয় 
  3. ত্রিপুরা
  4. আসাম 
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা

- ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যটি বাংলাদেশের উত্তর সীমান্তে অবস্থিত নয়।
- ত্রিপুরা রাজ্যটি বাংলাদেশের পূর্বে অবস্থিত। 

• বাংলাদেশের সীমানা: 

• বাংলাদেশের উত্তরে→  ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য;
• পূর্বে→ আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য ও মিয়ানমার; 
• দক্ষিণে→  বঙ্গোপসাগর;
• পশ্চিমে→  ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৫০৬.
কোনটিকে ইউরোপের ককপিট বলা হয়?
  1. তুর্কিয়ে
  2. ব্রিটেন
  3. জার্মানি
  4. বেলজিয়াম
সঠিক উত্তর:
বেলজিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
- প্রায়ই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে এরুপ স্থানকে ককপিট বলা হয়। 
- বেলজিয়ামকে ইউরোপের ককপিট বা ইউরোপের সমরক্ষেত্র বা রণক্ষেত্র বলা হয়।
- কারণ এখানে বিখ্যাত ওয়াটুর লু যুদ্ধসহ অনেক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।
এছাড়া,
- তুর্কিয়ে কে ইউরোপের রুগ্ন মানুষ এবং
- ব্রিটেনকে সমুদ্রের বধু বলা হয়।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১,৫০৭.
সর্বপ্রথম সামাজিক বনায়ন শুরু হয় কবে?
  1. ১৯৬২ সালে
  2. ১৯৬৬ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে চট্টগ্রাম জেলার বেতাগী ও পোমরাতে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম শুরু হয়।
এরপর ১৯৮১-৮২ সালে উত্তরবঙ্গের বৃহত্তর ৭টি জেলায় সরকারী বনভূমিতে কমিউনিটি ফরেষ্ট্রী প্রকল্পের মাধ্যমে জনগণের অংশগ্রহণে অংশীদারিত্বমূলক সামাজিক বনায়নের প্রচলন করে।
বর্তমান পর্যন্ত সামাজিক বনায়নের আওতায় ৯৯,৩১৪ হেক্টর জমি এবং ৭৩,২২৩ কিলোমিটার বাগান সৃজন করা হয়েছে। উপকূলীয় বনায়ন কর্মসূচি শুরু হয় ১৯৬৬ সাল থেকে।
(উৎসঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১,৫০৮.
রাফাহ ক্রসিং সংলগ্ন মরুভূমি কোনটি?
  1. পশ্চিম মরুভূমি
  2. গিলফ কেবির মরুভূমি
  3. সিনাই মরুভূমি
  4. সাহারা মরুভূমি
সঠিক উত্তর:
সিনাই মরুভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনাই মরুভূমি
ব্যাখ্যা
রাফা ও রাফা ক্রসিং
- গাজার সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত, মিশর আর গাজা ভূখণ্ডের মধ্যে একমাত্র সীমান্ত পারাপারের পথ রাফাহ ক্রসিং।
- এটি সিনাই মরুভূমি সংলগ্ন একটি সীমান্ত পথ।
- গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফা।
- রাফা ক্রসিং ছিল একমাত্র পথ যেখান দিয়ে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থেকে বাকি বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেতেন গাজার ফিলিস্তিনিরা।
- রাফাহ ক্রসিং ছাড়াও স্থলপথে গাজার আরও দুটি ক্রসিং রয়েছে। একটি কেরেম শালম ক্রসিং, আরেকটি বেইত হানুন বা ইরেজ ক্রসিং।
- এই দুটি ক্রসিং ব্যবহৃত হতো শুধু পণ্য পরিবহনে। যেগুলো পুরোপুরি ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে এবং দুটোই এখন বন্ধ।
- এর বাইরে গাজার সাথে ইসরায়েলের আরও চারটি ক্রসিং থাকলেও গত ১০/১৫ বছর ধরেই সেগুলো বন্ধ রয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- গত ৭ই অক্টোবর, ২০২৩ গাজার উত্তরাঞ্চলের ইরেজ সীমান্ত দিয়ে ইসরায়েলে আক্রমণ করে হামাস।
- হামাস ইসরায়েলে হামলা চালানোর সময় থেকেই ইসরায়েলের সাথে গাজার দুটি ক্রসিং বন্ধ করে দেয়া হয়।
- খোলা থাকে শুধুমাত্র রাফাহ ক্রসিং। এমন অবস্থায় রাফাহ ক্রসিং হয়ে উঠেছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষদের গাজা ছেড়ে যাওয়া এবং ভয়াবহ এই সংকটকালে গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর একমাত্র স্থলপথ।

অন্যদিকে,
- মিশরের পশ্চিম মরুভূমি হল সাহারার একটি এলাকা যা নীল নদের পশ্চিমে লিবিয়ার সীমান্ত পর্যন্ত এবং দক্ষিণে ভূমধ্যসাগর থেকে সুদানের সীমান্ত পর্যন্ত অবস্থিত।
- গিলফ কেবির হল মিশর এবং লিবিয়ার সীমান্তে একটি মালভূমি।
- সাহারা মরুভূমি হলো বিশ্বের বৃহত্তম গরম মরুভূমি এবং অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিকের পরে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি। আফ্রিকার ১১ টি দেশের সীমানাজুড়ে সাহারা মরুভূমি। উত্তর আফ্রিকার একটি বড় অংশ জুড়ে আধিপত্য। মিশর, মরক্কো, আলজেরিয়া, লিবিয়া, নাইজার, মালি, পশ্চিম সাহারা, তিউনিসিয়া, মৌরিতানিয়া, ইরিত্রিয়া, সুদানের অংশে রয়েছে এই মরুভূমি।

তথ্যসূত্র - The Daily Star, Britannica.
১,৫০৯.
নিচের কোনটি প্লাইস্টোসিনকালের ভূমিরূপ?
  1. নীলগিরি পাহাড়
  2. সুন্দরবন
  3. বরেন্দ্রভূমি
  4. উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়শ্রেণী
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
ব্যাখ্যা
ভূপ্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশে তিন ধরনের ভূমিরূপ দেখা যায়।
এগুলো হলো:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়শ্রেণী
- প্লাইস্টোসিনকালের চত্বরভূমি
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

উত্তরাঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের চত্বরভূমি এবং কুমিল্লার লালমাই পাহাড় প্লাইস্টোসিনকালের ভূমিরূপের অন্তর্ভুক্ত। আজ থেকে প্রায় পঁচিশ হাজার বছর আগে এরূপ ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়।

অন্যদিকে,

নীলগিরি পাহাড় ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়শ্রেণী : টারশিয়ারি যুগের ভূমিরূপ
- সুন্দরবন : সাম্প্রতিককালের প্লাবন ভূমিরূপ।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৫১০.
ভারতীয় কোন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কোনো সীমান্ত নেই?
  1. মিজোরাম
  2. আসাম
  3. ত্রিপুরা
  4. মণিপুর
সঠিক উত্তর:
মণিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুর
ব্যাখ্যা

- ভারতের মণিপুর রাজ্যের সাথে বাংলাদেশ কোনো সীমান্ত সংযোগ নেই।

• বাংলাদেশের সাথে ভারতের সেভেন সিস্টার্সভুক্ত চারটি রাজ্যসহ মোট ৫টি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে। এগুলো হলো:
- পশ্চিমবঙ্গ,
- আসাম,
- মেঘালয়,
- ত্রিপুরা এবং
- মিজোরাম৷

- উল্লেখ্য, সেভেন সিস্টার্সভুক্ত মণিপুর, অরুণাচল ও নাগাল্যান্ড রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

১,৫১১.
বাংলাদেশের কোন দ্বীপে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় রয়েছে?
  1. মহেশখালী
  2. মনপুরা
  3. নিঝুম দ্বীপ
  4. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র পার্বত্য দ্বীপ মহেশখালীতে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় রয়েছে।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:

- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

⇒ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
• ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।

• খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়। উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত। এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫১২.
কোনো বিশেষ দ্রাঘিমায় অবস্থিত স্থান সেই স্থানের বিপরীত দ্রাঘিমারেখায় দূরত্ব হবে-
  1. ৯০°
  2. ৩৬০°
  3. ১৭০°
  4. ১৮০°
সঠিক উত্তর:
১৮০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০°
ব্যাখ্যা
• প্রতিপাদ স্থান (The antipodes):-
- পৃথিবী গোল তাই এর কোনো একটি স্থানের বিপরীত দিকে অন্য কোনো একটি স্থান রয়েছে।
- ভূপৃষ্ঠের কোনো বিন্দু থেকে পৃথিবীর কোনো কল্পিত ব্যাস ভূকেন্দ্র ভেদ করে অপরদিকে ভূপৃষ্ঠকে যে বিন্দুতে স্পর্শ করে, সেই বিন্দুকে প্রথম বিন্দুটির প্রতিপাদ স্থান বলে ।
-কোনো বিশেষ দ্রাঘিমায় অবস্থিত স্থান সেই স্থানের বিপরীত দ্রাঘিমারেখায় অবস্থিত হয়। অর্থাৎ দুই দ্রাঘিমার যোগফল হবে ১৮০° ।
- যেহেতু দুই দ্রাঘিমার দূরত্ব হবে ১৮০° সেহেতু দুটির মধ্যে সময়ের পার্থক্য হবে (১৮০ × ৪ মিনিট = ৭২০ মিনিট বা ১২ ঘণ্টা) ১২ ঘণ্টা।
• ঢাকার প্রতিপাদ স্থান -চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
১,৫১৩.
তুন্দ্রা অঞ্চলের অন্তর্গত দেশ কোনটি?
  1. বলিভিয়া
  2. পেরু
  3. জাপান
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• তুন্দ্রা অঞ্চল:
- তুন্দ্রা অঞ্চল মেরু দেশীয় জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্গত।
- সুমেরু ও কুমেরু বৃত্তের মধ্যবর্তী স্থানে এই তন্দ্রা অঞ্চল অবস্থিত।
- দক্ষিণ গোলার্ধের এন্টার্কটিকা মহাদেশ; উত্তর গোলার্ধের সুইডেন, নরওয়ে, আলাস্কা, গ্রীনল্যান্ড, রাশিয়ার উত্তরাংশ, উত্তর কানাডা ইত্যাদি তুন্দ্রা অঞ্চলের অন্তর্গত।
- তুন্দ্রা অঞ্চল প্রায় সারাবছরই বরফাচ্ছন্ন থাকে। তাই হিমশীতল জলবায়ু এ অঞ্চলের প্রধান বৈশিষ্ট। এ
- অঞ্চলে বছরের অধিকাংশ সময়ই শীতকাল থাকে। আর গ্রীষ্মকাল হল ক্ষনস্থায়ী।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৫১৪.
বিশ্বের সবচেয়ে অস্ত্রসজ্জিত সীমান্ত হিসেবে পরিচিত-
  1. ক) কালাপানি
  2. খ) আকসাই চীন
  3. গ) সিয়াচেন
  4. ঘ) কারগিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) কারগিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কারগিল
ব্যাখ্যা
- ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকা কারগিল। এটি বিশ্বের সবচেয়ে অস্ত্রসজ্জিত সীমান্ত। 
- সিয়াচেন (ভারতের দখলে) কাশ্মীর অবস্থিত বিশ্বের উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র। 
- আকসাই চীন (চীনের দখলে) ভারত ও চীনের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সীমানা।
- ভারত-নেপালের মধ্যে অমিমাংসিত ভু-খন্ড।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
১,৫১৫.
বেননেভিস কী?
  1. ক) পর্বতশৃঙ্গ
  2. খ) মালভূমি
  3. গ) নদী
  4. ঘ) সমভূমি
সঠিক উত্তর:
ক) পর্বতশৃঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পর্বতশৃঙ্গ
ব্যাখ্যা
বেননেভিস যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।এটি স্কটল্যান্ডের লোচাবার অঞ্চলে গ্র্যাম্পিয়ান পর্বতমালার পশ্চিম প্রান্তে ফোর্ট উইলিয়াম শহরের কাছাকাছি অবস্থিত।
১,৫১৬.
'সেভেন সিস্টার্স' বলতে কী বোঝায়?
  1. ভারতের সাতটি নদী
  2. উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য
  3. পশ্চিম ভারতের সাতটি রাজ্য
  4. বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী সাতটি জেলা
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য
ব্যাখ্যা
সেভেন সিস্টার্স:
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলাে হচ্ছে: অরুণাচল, আসাম, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা।
- ত্রিপুরার সাংবাদিক জ্যোতি প্রসাদ সাইকিয়া সর্বপ্রথম রাজ্যগুলোকে একত্রে ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে উল্লেখ করেন। 
- ১৯৭২ সালে এই সাত রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্সের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- এই সাত রাজ্যের আয়তন ২,৬২,১৭৯ বর্গকিলোমিটার, যা ভারতের মোট এলাকার প্রায় ৭.৯৭ শতাংশ।
- এ অঞ্চলের জনসংখ্যা ভারতের মোট জনসংখ্যার ৩.৭৮ শতাংশ।
- আসামের গুয়াহাটিকে সেভেন সিস্টার্স রাজ্যের প্রবেশদ্বার বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১,৫১৭.
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান 'চন্দ্রনাথ পাহাড়টি' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. কুমিল্লা
  3. মৌলভীবাজার
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

•বাংলাদেশের পাহাড়:
- ময়নামতি পাহাড় কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত।
- চিম্বুক পাহাড় বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত - গারো পাহাড়।
- হিন্দু সম্প্রদায়ের তীর্থস্থান চন্দ্রনাথ পাহাড় চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে অবস্থিত।
- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড বাজার থেকে ৪কি.মি. পূর্বে চন্দ্রনাথ পাহাড় অবস্থিত
-  কালাউড়া পাহাড় মৌলভীবিাজার জেলায় অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: কুলাউড়া উপজেলা, বান্দরবান জেলা, খাগড়াছড়ি জেলা, সীতাকুন্ড উপজেলা, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর।

১,৫১৮.
সমুদ্রতল থেকে রাজশাহীর উচ্চতা কত?
  1. ৮ মিটার
  2. ১০ মিটার
  3. ১৮ মিটার
  4. ২০ মিটার
সঠিক উত্তর:
৮ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ মিটার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশের আয়তন: ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি.।
- পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ: বাংলাদেশ।
- মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় গাজীপুর, ময়মনসিংহ এবং টাঙ্গাইলে অবস্থিত।
- সমুদ্রতল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা ৩৭.৫০ মিটার।
- সমুদ্রতল থেকে বগুড়ার উচ্চতা ২০ মিটার।
- সমুদ্রতল থেকে নারায়নগঞ্জ এবং রাজশাহীর উচ্চতা ৮ মিটার।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৫,১৩৮ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কি.মি.।
- কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য ১৫৫ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৫১৯.
'ভেঙ্গী ভ্যালি' কোথায় অবস্থিত?
  1. মৌলভীবাজার
  2. খাগড়াছড়ি
  3. রাঙামাটি
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিভিন্ন উপত্যকা বা ভ্যালি:
- কাপ্তাই থেকে প্লাবিত উপত্যকা বা ভ্যালি 'ভেঙ্গি ভ্যালি' নামে পরিচিত।
-এটি রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইয়ে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- হালদা ভ্যালি : খাগড়াছড়ি
- সাজেক ভ্যালি : রাঙামাটি
- বালিশিরা ভ্যালি : মৌলভীবাজার।
- সাঙ্গু ভ্যালি - চট্টগ্রাম
- নাপিত খালি ভ্যালি - কক্সবাজার

সূত্র:  জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা। লিঙ্ক 
১,৫২০.
সমুদ্রের সমলবণাক্ততা সম্পন্ন স্থানসমূহের সংযোগকারী রেখা -
  1. ক) আইসোহাইট
  2. খ) আইসোথার্ম
  3. গ) আইসোবার
  4. ঘ) আইসোহেলাইন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইসোহেলাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইসোহেলাইন
ব্যাখ্যা
- আইসোহাইট : সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
- আইসোথার্ম : সমতাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
- আইসোবার : সমচাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
- আইসোহেলাইন : সমুদ্রের সমলবণাক্ততা সম্পন্ন স্থানসমূহের সংযোগকারী রেখা
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল-বিওবি এবং সায়েন্সডিরেক্ট ওয়েবসাইট)
১,৫২১.
জয়পুরহাট জেলা কোন বিভাগে অবস্থিত?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
খ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
জয়পুরহাট জেলা রাজশাহী বিভাগে অবস্থিত। রাজশাহী বিভাগে মোট ৮ টি জেলা রয়েছে। এগুলো হলো রাজশাহী, বগুড়া, নওগা, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, চাপাইনবাবগঞ্জ ও জয়পুরহাট। (সূত্রঃ এলজিআরডি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট)
১,৫২২.
পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই গোলার্ধে বিভক্ত করেছে কোন রেখাটি?
  1. কেন্দ্র
  2. মেরু
  3. নিরক্ষরেখা
  4. দ্রাঘিমারেখা 
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
• নিরক্ষরেখা (Equator):
→ পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুইটি গোলার্ধে বিভক্তকারী কাল্পনিক অক্ষরেখাটি নিরক্ষরেখা নামে অভিহিত।
→ ভূ-গোলককে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টনকারী সর্বাপেক্ষা বৃহৎ অক্ষরেখা নিরক্ষরেখা।
→ নিরক্ষরেখার মান হলো ০°।
→ নিরক্ষরেখার অপর নামসমূহ হলো- বিষুবরেখা (Equator) ও মহাবৃত্ত (Great Circle)।
→ নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবী আহ্নিক গতির বেগ সর্বাধিক।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫২৩.
বাংলাদেশে সামুদ্রিক বন্দর কয়টি?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশে সামুদ্রিক বন্দর ৩টি।

১. চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর:
- চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম শহরে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।

২. মংলা সমুদ্র বন্দর:
- মংলা বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- এটা দেশের ২য় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর।
- বন্দরটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ ডিসেম্বর, ১৯৫০ সালে।
- এটি পশুর নদী ও মংলা নদীর সংযোগস্থলে অবস্থিত।

৩. পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশের ৩য় সমুদ্র বন্দর 'পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের তৃতীয় এবং দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট বন্দরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৫২৪.
Which is the widest river in Bangladesh?
  1. ক) The Padma
  2. খ) The Maghna
  3. গ) The Jamuna
  4. ঘ) The Surma
  5. ঙ) None
সঠিক উত্তর:
খ) The Maghna
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) The Maghna
ব্যাখ্যা
- চাঁদপুরের পর থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনার মিলিত ধারার নাম মেঘনা।
- উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম ছিল বরাক নদী।
- ভোলার চরফ্যাশন এলাকায় মেঘনা বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে।
- এটি বাংলাদেশের গভীর ও প্রশস্ততম নদী এবং অন্যতম বৃহৎ ও প্রধান নদী।

সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণী এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৫২৫.
ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মরক্কো
  2. খ) গ্রিস
  3. গ) তুরস্ক
  4. ঘ) ইতালি
সঠিক উত্তর:
গ) তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তুরস্ক
ব্যাখ্যা

হোমারের মহাকাব্য ইলিয়াডে বর্ণিত ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কে অবস্থিত। গ্রিস এবং ট্রয়ের মধ্যকার ট্রোজান যুদ্ধের জন্য এই নগরী বিখ্যাত।
উৎসঃ ব্রিটানিকা

১,৫২৬.
West Bank কোন নদীর পশ্চিম তীর অবস্থিত?
  1. ইউফ্রেটিস নদী
  2. টাইগ্রিস
  3. জর্ডান
  4. নীল
সঠিক উত্তর:
জর্ডান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্ডান
ব্যাখ্যা
• পশ্চিম তীর(West Bank):
- পশ্চিম তীর (West Bank) হলো একটি ভূখণ্ড যা জর্ডান নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কিত অঞ্চল, মূলত ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু।
- পশ্চিম তীরের পূর্ব সীমান্তে জর্ডান নদী, এবং পশ্চিমে ইসরায়েল রয়েছে।
- অঞ্চলটির প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আংশিকভাবে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ এবং আংশিকভাবে ইসরায়েল দ্বারা পরিচালিত হয়।
- জেরুজালেম শহরের পূর্ব অংশও এই অঞ্চলের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অত্যন্ত সংবেদনশীল।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,৫২৭.
বাংলাদেশের কোন দুটি বিভাগের সবগুলো জেলা সীমান্তবর্তী?
  1. সিলেট ও চট্টগ্রাম
  2. খুলনা ও ময়মনসিংহ
  3. সিলেট ও ময়মনসিংহ
  4. চট্টগ্রাম ও রংপুর
সঠিক উত্তর:
সিলেট ও ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট ও ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
 সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশে মোট বিভাগ ৮টি তার মধ্যে ২টি বিভাগের সবগুলো জেলা সীমান্তবর্তী।
- বিভাগগুলো হলো - ময়মনসিংহ ও সিলেট।
- ময়মনসিংহ বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা।
- সিলেট বিভাগের সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলো হলো- সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৫২৮.
বাংলাদেশের কোথায় ল্যাটেরাইটযুক্ত মাটি পাওয়া যায়?
  1. মধুপুর গড়
  2. লালমাই পাহাড়
  3. বরেন্দ্রভূমি
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
লোহিত মৃত্তিকা:
- বাংলাদেশের অপেক্ষাকৃত উঁচু প্লাইস্টোসিন চত্বরগুলোতে এক প্রকার মাটি দেখতে পাওয়া যায়।
- এর আয়তন প্রায় ১১,০৯৫.৫৬ বর্গ কি.মি.।
- প্লাইস্টোসিন যুগের এ চত্বরগুলো ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর গড়, গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড়, উত্তরবঙ্গের বরেন্দ্রভূমি এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় নামে পরিচিত।
- এসব অঞ্চলের মৃত্তিকায় চুনের পরিমাণ বেশি।
- রাসায়নিক দিক হতে এসব মৃত্তিকাকে ল্যাটেরাইট শ্রেণীর মৃত্তিকা বলা যায়।
- লাল কাঁকড়যুক্ত হওয়ায় এ মৃত্তিকার বর্ণ লাল।
- তাই একে লোহিত মৃত্তিকা বলে।

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫২৯.
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি কার্যকরের ফলে বাংলাদেশের আয়তন বৃদ্ধি পেয়েছে-
  1. ক) ৯৭০০ একর
  2. খ) ১০০৪১ একর
  3. গ) ১৩০০০ একর
  4. ঘ) ১৭১১০ একর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০০৪১ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০০৪১ একর
ব্যাখ্যা
২০১৫ সালের ১ আগস্ট ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের ফলে উভয় দেশের অভ্যন্তরে থাকা ছিটমহলগুলো সংশ্লিষ্ট দেশের অন্তর্ভুক্ত হয়। এতে বাংলাদেশের ভেতরে থাকা ভারতের ১৭১৬০ একর জমি বাংলাদেশের সাথে যুক্ত হয় এবং ভারতের ভেতরে থাকা বাংলাদেশের ৭১১০ একর জমি ভারতের সাথে যুক্ত হয়। যার ফলে সার্বিকভাবে বাংলাদেশের ভূখন্ডে বাড়তি ১০০৪১.২৫ একর জমি যুক্ত হয়। (সূত্রঃ বিবিসি বাংলা, ৩১ জুলাই ২০১৫)
১,৫৩০.
পৃথিবীর ভূত্বক তৈরির প্রধান উপাদান হচ্ছে-
  1. নাইট্রোজেন
  2. কার্বন
  3. হাইড্রোজেন
  4. ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনেসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনেসিয়াম
ব্যাখ্যা
• ভূত্বক (Earth's Crust):
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক।
- তৃঅভ্যন্তরের অন্যান্য স্তরের তুলনায় ভূত্বকের পুরুত্ব সবচেয়ে কম; গড়ে ২০ কিলোমিটার।
- ভূত্বক মহাদেশের তলদেশে গড়ে ৩৫ কিলোমিটার এবং সমুদ্র তলদেশে তা গড়ে মাত্র ৫ কিলোমিটার পুরু।
- সাধারণভাবে মহাদেশীয় ভূত্বকের এ স্তরকে সিয়াল (Sial) স্তর বলে, যা সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (AI) দ্বারা গঠিত।
- এটি সিয়াল স্তরের তুলনায় ভারী এবং এর প্রধান খনিজ উপাদান সিলিকন (Si) ও ম্যাগনেসিয়াম (Mg) যা সাধারণভাবে সিমা (Sima) নামে পরিচিত।
- অনুমান করা হয় যে, এ ব্যাসল্ট স্তরই সারা পৃথিবী জুড়ে বহিরাবরণ ও গভীর সমুদ্র তলদেশে বিদ্যমান।
- ভূত্বকের উপরের ভাগেই বাহ্যিক অবয়বগুলো দেখা যায়।
যেমন- পর্বত, মালভূমি, সমভূমি ইত্যাদি।
- ভূত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
১,৫৩১.
কোনটি ক্ষয়জাত সমভূমি?
  1. সুন্দরবন
  2. বরেন্দ্রভূমি
  3. করতোয়া তীরবর্তী দিনাজপুর
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্রভূমি
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা উচ্চভূমি ক্ষয়ের ফলে যে সমভূমি গঠিত হয় তাকে ক্ষয়জাত সমভূমি বলে।
বাংলাদেশের মধুপুর ও ভাওয়ালগড় এবং বরেন্দ্রভূমি হলো ক্ষয়জাত সমভূমি।
সুন্দরবন ও ফরিদপুর হলো নদীবাহিত পলি দ্বারা সৃষ্ঠ বদ্বীপ, তিস্তা, করতোয়া ও আত্রাই নদী সংলগ্ন রংপুর ও দিনাজপুর জেলা হলো সঞ্চয়জাত পাদদেশীয় পলল সমভূমি।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৫৩২.
পানামা খাল কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) এশিয়া
  2. খ) আফ্রিকা
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) উত্তর আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তর আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা
পানামা খাল: 
- আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল।
- খালটি উত্তর আমেরিকার দেশ পানামাতে অবস্থিত।
- পানামা খালটির নির্মাণ ১৯০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে শুরু হয়েছিল এবং ১৯১৪ সালে শেষ হয়েছিল।
- ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত পানামা খালটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- ১৯৭৯ সালের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পানামা প্রজাতন্ত্রের যৌথ সংস্থা খালটির নিয়ন্ত্রণ করে।
- ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র পানামার কাছে খালটি পুরোপুরি হস্তান্তর করে।

অন্যদিকে,
- মিশরে অবস্থিত সুয়েজ খাল লোহিত সাগরকে ভূমধ্যসাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- জার্মানিতে অবস্থিত কিয়েল খাল উত্তর সাগরকে বাল্টিক সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- চীনে অবস্থিত গ্রান্ড খাল বিশ্বের দীর্ঘতম কৃত্রিম খাল। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৫৩৩.
ওশেনিয়া মহাদেশে জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি? [ মার্চ,২০২৬]
  1. নাউরু
  2. পালাউ
  3. টুভালু
  4. কিরিবাতি
সঠিক উত্তর:
টুভালু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টুভালু
ব্যাখ্যা

• ওশেনিয়া মহাদেশ:
- ওশেনিয়া হলো দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের সকল দ্বীপকে একত্রিত করে গঠিত একটি মহাদেশ। 
- এটি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ।
- ওশেনিয়ার মোট স্বাধীন দেশ ১৪টি।
- এই মহাদেশের সর্বশেষ স্বাধীন দেশ হলো পালাউ (Palau)।
- এটি ১৯৯৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাস্টশিপ থেকে পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।

- ওশেনিয়া মহাদেশকে চারটি প্রধান অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে:
• অস্ট্রেলেশিয়া- অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড);
• মেলানেশিয়া- পাপুয়া নিউগিনি, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, ভানুয়াতু, ফিজি, পালাউ);
• মাইক্রোনেশিয়া- ফেডারেল স্টেট অব মাইক্রোনেশিয়া, কিরিবাতি, নাউরু, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ;
• পলিনেশিয়া- সামোয়া, টোঙ্গা, টুভালু। 

- ওশেনিয়ার বৃহত্তম দেশ হলো অস্ট্রেলিয়া।
- আর ক্ষুদ্রতম দেশ আয়তনে হলো নাউরু।
- জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম দেশ হলো টুভালু।

- এই মহাদেশের দীর্ঘতম নদী হলো মারে-ডার্লিং (Murray-Darling River system), যা অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভারত মহাসাগরে পতিত হয়েছে।
- মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত হলো পুনকাক জায়া, যা ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়া প্রদেশে অবস্থিত।

উৎস:
Worldometer [link]. 
World Population Review [link]. 

১,৫৩৪.
জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট কী ধরনের পর্বত?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
  3. আগ্নেয় পর্বত
  4. ল্যাকোলিথ পর্বত
সঠিক উত্তর:
চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
ব্যাখ্যা
- ভূ-আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তরে সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে সৃষ্ট পর্বত চ্যুতি-স্তূপ পর্বত নামে পরিচিত।
চ্যুতি-স্তূপ পর্বতের মধ্যে রয়েছে:
- ব্ল্যাক ফরেস্ট (জার্মানি)
- বিন্ধ্যা পর্বত (ভারত)
- সাতপুরা পর্বত (ভারত)
- লবণ পর্বত (পাকিস্তান)।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৫৩৫.
Surma river known as the Barak river is originated from northeastern Indian state -
  1. ক) Assam
  2. খ) Manipur
  3. গ) Meghalaya
  4. ঘ) Sikkim
সঠিক উত্তর:
খ) Manipur
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Manipur
ব্যাখ্যা
- In the west of Manipur, the Surma River, known as the Barak River, cuts a narrow steep-sided valley through the West Manipur Hills to join the Meghna River in Bangladesh.
Manipur, state of India is located in the northeastern part of the country. 
The name Manipur means “land of gems.” 
 
Source: Britannica 
১,৫৩৬.
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত বনভূমি কী ধরনের বনাঞ্চল?
  1. সরলবর্গীয় বনভূমি
  2. স্রোতজ বনভূমি
  3. পর্ণমোচী বৃক্ষের বনভূমি
  4. সোয়াম্প ফরেস্ট
সঠিক উত্তর:
স্রোতজ বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্রোতজ বনভূমি
ব্যাখ্যা
- যে বন জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় আবার ভাটার সময় শুকিয়ে যায়, তাকে স্রোতজ বা টাইডাল বনভূমি বলে।
- সুন্দরবন একটি স্রোতজ বনভূমি।
- খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলা জুড়ে বিস্তৃত বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কি.মি.।
- এটি পৃথিবীর একক বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরী।
এছাড়া অন্যান্য উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে:
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- পশুর
- গোলপাতা প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,৫৩৭.
নিচের কোন জেলা নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত নয়?
  1. নওগাঁ
  2. রাজশাহী
  3. বগুড়া
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ: 
- প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়, যথা- বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড়।
- নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এ স্থানের মাটি ধূসর ও লাল বর্ণের।
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে মধুপুর ও ভাওয়ালের সোপানভূমি গঠিত।
- এর আয়তন প্রায় ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ৩০ মিটার। মাটির রং লালচে ও ধূসর।
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত লালমাই পাহাড়টি বিস্তৃত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৫৩৮.
বাংলাদেশের অন্তর্গত সুন্দরবনের আয়তন কত?
  1. ক) ২৪০০ বর্গমাইল
  2. খ) ১৯৫০ বর্গমাইল
  3. গ) ১৭৬০ বর্গমাইল
  4. ঘ) ১২২৫ বর্গমাইল
সঠিক উত্তর:
ক) ২৪০০ বর্গমাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৪০০ বর্গমাইল
ব্যাখ্যা
সুন্দরবনের মোট আয়তন ৩৮৬০ বর্গমাইল বা ১০০০০ বর্গকি.মি প্রায়।
- এর মধ্যে ৩/৫ অংশ বা ২৩১৮ বর্গমাইল বা ৬০০০ বর্গকি.মি বাংলাদেশ অংশে পড়েছে।
- কাছাকাছি অপশন হিসাবে ক) ২৪০০ বর্গমাইল অপশনটি নেওয়া হলো।

উল্লেখ্য,
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ৭৯৮ তম ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- এটি পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং বাংলাদেশের জাতীয় বন।

উৎস: বাংলাদেশ বনবিভাগ ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
১,৫৩৯.
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা থেকে হিমালয়ের কোন শৃঙ্গ দেখা যায়?
  1. কাঞ্চনজঙ্ঘা
  2. মাকালু
  3. নাঙ্গা পর্বত
  4. নামচা বারওয়া
সঠিক উত্তর:
কাঞ্চনজঙ্ঘা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঞ্চনজঙ্ঘা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা (অক্ষাংশ ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা)।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড় থেকে হিমালয়ের কাঞ্চনজংঘা দেখা যায়।
- তেঁতুলিয়ায় ডাক বাংলোতে দাঁড়িয়ে মহানন্দা নদীর পাড় থেকে এবং বাংলাবান্ধা গিয়ে উত্তরের মেঘমুক্ত আকাশে তাকালেই চোখে পড়ে হিমালয়ের নয়নাভিরাম দৃশ্য।

উল্লেখ্য,
- মাকালু: এটি মাউন্ট এভারেস্টের পূর্বে তিব্বত সীমান্তে অবস্থিত একটি শৃঙ্গ।  
- নাঙ্গা পর্বত:  এটি হিমালয়ের পশ্চিমতম শৃঙ্গ।  
- নামচা বারওয়া: এটি হিমালয়ের পূর্বতম শৃঙ্গ হিসেবে বিবেচিত। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। [লিঙ্ক]

১,৫৪০.
পৃথিবীর পৃষ্ঠের কত শতাংশ জল দ্বারা ঢাকা?
  1. ৭১%
  2. ৬৫%
  3. ৭৫%
  4. ৬০%
সঠিক উত্তর:
৭১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭১%
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর পৃষ্ঠ:
- পৃথিবীর মোট পৃষ্ঠফল হলো ৫১,০০,৭২,০০০ বর্গ কি.মি. (৫১ কোটি বর্গ কিমি)।
- এর মধ্যে প্রায় ৭১% পানিতে ঢাকা; 
- এবং ২৯% স্থলভাগ।

- পৃথিবী মূলত দুই ভাগ দিয়ে গঠিত: জল ও স্থল।
- পৃথিবীর মোট আয়তন ১.০৮৩২০৭ × ১০¹² ঘন কি.মি. অর্থাৎ পৃথিবী প্রায় ১০¹² ঘন কি.মি. আকারের।
- আমাদের চোখে পৃথিবীকে দেখলে মনে হয় অনেক স্থল আছে। 
- কিন্তু বাস্তবে— 
- জলভাগ: ৩৬,১১,৩২,০০০ বর্গ কি.মি. → পৃথিবীর পৃষ্ঠের ৭০.৮% বা ৭১% এবং 
- স্থলভাগ: ১৪,৮৯,৪০,০০০ বর্গ কি.মি. → পৃথিবীর পৃষ্ঠের ২৯%।

- তবে, পৃথিবীর মোট ভর ও ঘনত্ব অনেক বেশি—প্রায় ৫.৯৭ × ১০²⁴ কেজি;
- এবং গড় ঘনত্ব ৫.৫ গ্রাম/ঘন সে.মি.।
- এর মানে, পানি বেশি হলেও পৃথিবী ভারী ও ঘন, কারণ এর ভেতরের অংশ (কোর ও ম্যান্টল) অনেক ঘন ও ভারী ধাতু দিয়ে গঠিত।

উৎস: Britannica ও বিজ্ঞান চিন্তা [লিঙ্ক]। 

১,৫৪১.
ভোরের আকাশে শুকতারা হিসেবে পরিচিত-
  1. বুধ
  2. মঙ্গল
  3. শুক্র
  4. শনি
সঠিক উত্তর:
শুক্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুক্র
ব্যাখ্যা
শুক্র (Venus):
- বুধের মতো শুক্র গ্রহকেও ভোরের আকাশে শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে সন্ধ্যাতারা হিসেবে দেখা যায়। শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা আসলে কোনো তারা নয়।
- কিন্তু নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে বলেই আমরা একে ভুল করে তারা বলি।
- শুক্র গ্রহটি ঘন মেঘে ঢাকা।
- তাই এর উপরিভাগ থেকে সূর্যকে কখনই দেখা যায় না।
- শুক্রের মেঘাচ্ছন্ন বায়ুমণ্ডল প্রধানত কার্বন ডাইঅক্সাইডের তৈরি।
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ।
- সূর্য থেকে শুক্র গ্রহের দূরত্ব ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর দিন ও রাতের মধ্যে আলোর বিশেষ কোনো তারতম্য হয় না।
- এখানে বৃষ্টি হয় তবে এসিড বৃষ্টি। শুক্রের ব্যাস ১২,১০৪ কিলোমিটার। সূর্যকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সুতরাং শুক্রে ২২৫ দিনে একছর।
- শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই।
- সকল গ্রহ এদের নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বে পাক খেলেও একমাত্র শুক্র গ্রহ পূর্ব থেকে পশ্চিমে পাক খায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
১,৫৪২.
বলিভিয়ার মালভূমি কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
  1. পাদদেশীয় 
  2. পর্বতমধ্যবর্তী
  3. ক্ষয়জাত
  4. মহাদেশীয় 
সঠিক উত্তর:
পর্বতমধ্যবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্বতমধ্যবর্তী
ব্যাখ্যা

• মালভূমি:
- পর্বত থেকে কম উচ্চতার তবে সমভূমি থেকে অধিক উচ্চতার খাড়া ঢালযুক্ত বিস্তীর্ণ সমতল ভূমিকে মালভূমি বলে। 
​- মালভূমির উচ্চতা শত মিটার থেকে কয়েক হাজার মিটার পর্যন্ত হতে পারে। 
​- অবস্থানের ভিত্তিতে মালভূমি তিন ধরনের। যথা- 
​(ক) পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি;
​(খ) পাদদেশীয় মালভূমি;
​(গ) মহাদেশীয় মালভূমি।

পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি: 
​- পর্বতের মধ্যখানে এই প্রকারের মালভূমি দেখতে পাওয়া যায়। 
​- এই মালভূমির উচ্চতা প্রায় ৩,০০০ থেকে ৪,৫০০ মিটার হয়ে থাকে। 
​- তিব্বত মালভূমি একটি পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি। 
​- এই পর্বতের উত্তরে কুনলুন ও দক্ষিণে হিমালয় পর্বত এবং পূর্ব-পশ্চিমের অন্যান্য পর্বত ঘিরে আছে। 
​- দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়া, মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো এবং এশিয়ার মঙ্গোলিয়া এ ধরনের মালভূমি।

​তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৪৩.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. ক) আব্দুল জলিল
  2. খ) আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ
  3. গ) ফয়সল বিন জামান
  4. ঘ) আহমেদ বিন জায়েদ
সঠিক উত্তর:
খ) আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি:
- ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্রগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চটগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- চুক্তিতে বালাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির ফলে পার্বত্য শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- ২ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,৫৪৪.
মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের কয়টি প্রধান আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে? 
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

সীমান্তবর্তী নদী:
- আন্তঃসীমান্তবর্তী নদী হলো এমন নদী যা অন্তত এক বা একাধিক দেশের রাজনৈতিক সীমান্ত অতিক্রম করে।
- বাংলাদেশে মোট ৫৭টি আন্তঃসীমান্তবর্তী নদী রয়েছে।
-  বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তঃসীমান্ত নদী ৩টি, (সাঙ্গু, মাতামুহুরী, নাফ)। 
- এই তিনটি নদীর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নদী হলো নাফ নদী।
- নাফ নদী কক্সবাজার জেলার দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্ত বরাবর প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে।
-  বঙ্গোপসাগরে মিশে নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে প্রধান আন্তর্জাতিক সীমান্ত গঠন করে।
- নাফ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমারের রাখাইন/মংডু অঞ্চলকে আলাদা করে।
- অন্য দুটি নদী, মাতামুহুরী ও সাঙ্গু, মিয়ানমার থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

১,৫৪৫.
বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের জেলা কোনটি?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) ভোলা
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
গ) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার, সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়, সর্ব পশ্চিমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।
উৎসঃ কক্সবাজার জেলার ওয়েবসাইট।
১,৫৪৬.
জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা কোনটি?
  1. ওডার-নেইস লাইন
  2. সনেরা লাইন
  3. লাইন অব ডিমারকেশন
  4. ম্যাকমোহন লাইন
সঠিক উত্তর:
ওডার-নেইস লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওডার-নেইস লাইন
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,৫৪৭.
নিচের কোনটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র?
  1. ক) মালয়েশিয়া
  2. খ) কম্বোডিয়া
  3. গ) বলিভিয়া
  4. ঘ) সেনেগাল
সঠিক উত্তর:
গ) বলিভিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বলিভিয়া
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত দেশসমূহের মধ্যে বলিভিয়া একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র। বলিভিয়া ব্যতীত প্যারাগুয়ে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের অপর একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র।

অন্যদিকে,
মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া এবং সেনেগালের সমুদ্রতট রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
১,৫৪৮.
ভূ-প্রকৃতি অনুযায়ী কোন অঞ্চলটি বাকিগুলোর চেয়ে আলাদা?
  1. বরেন্দ্রভূমি 
  2. সিলেট জেলার পাহাড়সমূহ
  3. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  4. লালমাই পাহাড় 
সঠিক উত্তর:
সিলেট জেলার পাহাড়সমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট জেলার পাহাড়সমূহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি , ময়মনসিংহ ও টাংগাইলের মধুপুর , গাজীপুরের ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লার লালমাই পাহাড় প্লাইস্টোসিন কালে গঠিত ভূমিরূপ।
- আজ থেকে প্রায় ২৫০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয়।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ৮% এই যুগে গঠিত। 

অন্যদিকে, 
- দেশের উত্তর ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পার্ব্যত্য চট্রগ্রাম ও সিলেট জেলার পাহাড়সমূহ টারশিয়ারি যুগে উত্থিত ভূমি। 
- আজ থেকে প্রায় ৭০ মিলিয়ন বা ৭ কোটি বৎসর পূর্বে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার প্রক্রিয়ায় এসব পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- এই টারশিয়ারি যুগ আজ থেকে ৬ কোটি ৬০ লক্ষ বছর থেকে ২০ লক্ষ বছর আগে পর্যন্ত বিস্তৃত। 
উল্লেখ্য, 
- ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশ কে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা - 
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
২. প্লাইস্টোসিন কালের সোপান ভূমি।
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

তথ্যসূত্র – ভূগোল ও পরিবেশ (বাউবি ), বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (নবম দশম শ্রেণি)।
১,৫৪৯.
আল্পস পর্বতমালা কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. ইউরোপ
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
ইউরোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপ
ব্যাখ্যা

আল্পস পর্বতমালা:
- আল্পস পর্বতমালা ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি একটি বিস্তৃত পর্বতমালা।
- অবস্থান: দক্ষিণ-মধ্য ইউরোপে।
- অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, লিচেনস্টাইন, মোনাকো, স্লোভেনিয়া এবং সুইজারল্যান্ড নামে আটটি আল্পাইন দেশ জুড়ে রয়েছে এই পর্বতমালা।
- আল্পস পর্বতশ্রেণী প্রায় ১,২০০ কিমি অর্ধচন্দ্রাকার আকারে বিস্তৃত।
- আল্পস পর্বতমালাকে তিনটি বিস্তৃত ভাগে ভাগ করা যায়: পূর্ব, মধ্য এবং পশ্চিম আল্পস।
- এটি একটি অবিচ্ছিন্ন পর্বতশ্রেণী এবং বিভিন্ন উচ্চতা এবং গভীরতার অসংখ্য চূড়া এবং উপত্যকা নিয়ে গঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের ভ্যালাইস ক্যান্টনে অবস্থিত ২২.৬ কিমি দীর্ঘ আলেচ হিমবাহটি আল্পসের বৃহত্তম হিমবাহ।
- এই পর্বতমালা দক্ষিণ ফ্রান্সের মোনাকোর কাছে ভূমধ্যসাগরের উত্তর থেকে সুইজারল্যান্ড, তারপর উত্তর ইতালি হয়ে দক্ষিণ জার্মানি এবং অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছে।
- আল্পস পর্বতশ্রেণি আলবেনিয়ায় রুক্ষ অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের উপকূলে শেষ হয়েছে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com

১,৫৫০.
সমুদ্রসীমা নিয়ে মিয়ানমারের সাথে বিরোধ নিষ্পত্তির ফলে বাংলাদেশ পেয়েছে -
  1. ১ লক্ষ বর্গ কিলোমিটারেরও বেশি জলসীমা
  2. ৫৬ হাজার বর্গকিলোমিটার জলসীমা
  3. ২২ হাজার বর্গকিলোমিটার জলসীমা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১ লক্ষ বর্গ কিলোমিটারেরও বেশি জলসীমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ লক্ষ বর্গ কিলোমিটারেরও বেশি জলসীমা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয়:
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে 'The Territorial Water and Maritime Zones Act' আইন পাস হয়।
- এই আইনে বঙ্গোপসাগরের ১২ নটিক্যাল মাইল আঞ্চলিক সমুদ্র অঞ্চল, ২০০ নটিক্যাল মাইল অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং এর বাহিরে মহীসোপান অঞ্চল দাবি করা হয়। 
- বাংলাদেশ সরকার সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য জাতিসংঘ সমুদ্র আইন (UNCLOS) ১৯৮২ অনুযায়ী সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS)- এ ৮ অক্টোবর ২০০৯ সালে দুটি মামলা দায়ের করে।
- দুটি মামলা আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল (ITLOS) ২০১২ ও ২০১৪ সালে মামলা নিষ্পত্তি করে রায় প্রদান করে। 

⇒ প্রথমটি, ২০১২ সালের ১৪ মার্চ জার্মানির সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের রায়ে মিয়ানমারের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়।
- দ্বিতীয়টি, ৭ জুলাই, ২০১৪ নেদারল্যান্ডের স্থায়ী সালিশি আদালতে ভারতের বিপরীতে বাংলাদেশের বিজয়।
- যার ফলে দীর্ঘদিনের সমুদ্রসীমা বিরোধের অবসান হয়।

⇒ ভারতের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ ২৫,৬০২ বর্গকিলোমিটারের মধ্যে বাংলাদেশ পেয়েছে ১৯,৪৬৭ বর্গকিলোমিটার ও ভারত পেয়েছে ৬,১৩৫ বর্গকিলোমিটার।
- মিয়ানমারের সাথে বিরোধপূর্ণ এলাকা থেকে বাংলাদেশ পেয়েছে ১,১১,৬৩১ বর্গকিলোমিটার।
- এছাড়াও সমুদ্রে অবস্থিত ২৮টি ব্লকের মধ্যে ১৮টি ব্লকের মালিকানা বাংলাদেশ পায়।

উল্লেখ্য,
• অর্জিত মোট সমুদ্রসীমা: ১,১৮,৮১৩ বর্গ কি.মি.,
• উপকূলীয় দৈৰ্ঘ্য: ৭১২ কিলোমিটার,
• টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা: ১২ নটিক্যাল মাইল,
• EEZ সমুদ্রসীমা: ২০০ নটিক্যাল মাইল,
• মহীসোপান এলাকা: ৩৫০ নটিক্যাল মাইল,
• বঙ্গোপসাগরের গড় গভীরতা: ২,৬০০ মিটার,
• সর্বোচ্চ গভীরতা: ৫,২৫৮ মিটার,
• পৃথিবীর বৃহত্তম উপদ্বীপ: Bengal Fan.

উৎস: i) বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
১,৫৫১.
‘লাইন অব কন্ট্রোল’ কোন দুটি দেশের সীমারেখা নির্দেশ করে?
  1. ভারত-পাকিস্তান
  2. চীন-ভারত
  3. পাকিস্তান-আফগানিস্তান
  4. চীন-মায়ানমার
সঠিক উত্তর:
ভারত-পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত-পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
• সীমারেখা:
- ‘আলপাইন লাইন'- ইতালি - ফ্রান্স।
- ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ - ভারত-পাকিস্তান।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল - ভারত ও চীন।
- ভারত- চীন এর মধ্যবর্তী লাইন - ম্যাকমোহন লাইন।
- কার্জন লাইন - পোল্যান্ড-রাশিয়া।
- ওডারনিস লাইন - জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- 'ম্যাজিনো লাইন' - জার্মানি ও ফ্রান্স।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৫৫২.
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের ক্ষেত্রে সঠিক নয় কোনটি?
  1. পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি.
  2. আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি.
  3. মোট সীমারেখা ৪,৭১১ কি.মি.
  4. বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১২ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১২ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১২ কি.মি.
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ  ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার।
- পূর্ব থেকে পশ্চিমে বিস্তৃতি ৪৪০ কিলোমিটার এবং উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বিস্তৃতি প্রায় ৭৬০ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের মোট সীমারেখা ৪,৭১১ কিলোমিটার।
- ভারতের সাথে সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৩,৭১৫ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৫৩.
বাংলাদেশে উপকূলীয় অঞ্চলের পরিমাণ -
  1. ক) ৩.০৭ মিলিয়ন হেক্টর
  2. খ) ১.০৫ মিলিয়ন হেক্টর
  3. গ) ২.৫ মিলিয়ন হেক্টর
  4. ঘ) ১.২৫ মিলিয়ন হেক্টর
সঠিক উত্তর:
গ) ২.৫ মিলিয়ন হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২.৫ মিলিয়ন হেক্টর
ব্যাখ্যা
- লোনা পানির অনুপ্রবেশের মাধ্যমে মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কৃষিতে এক মারাত্মক সমস্যা। 
- বাংলাদেশের ২.৫ মিলিয়ন হেক্টর উপকূলীয় অঞ্চল। এর মধ্যে ১.০৫৬ মিলিয়ন হেক্টর জমি বিভিন্ন মাত্রায় লবণাক্ততায় আক্রান্ত হয়। - জলবায়ুর পরিবর্তন ও শুকনো মৌসুমে নদী প্রবাহ ক্রমাগত কমে যাওয়ায় চট্টগ্রাম ছাড়া দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সর্বত্র ভূ ভাগের অনেক গভীরে সমুদ্রের লোনা পানি অনুপ্রবেশ করে মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি করছে। 
- বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় মাটিতে লবণাক্ততার প্রভাব দেখা যায়। 
- বর্ষা মৌসুমে উপকূলীয় বন্যা (জুন থেকে অক্টোবর), সরাসরি লবণাক্ত পানি দিয়ে জমি ডুবে যাওয়া এবং শুষ্ক মৌসুমে (নভেম্বর থেকে মে) মাটির নিচে থাকা লবণাক্ত পানির উপরের দিকে বা পাশের দিকে প্রবাহিত হওয়ার কারণে মাটিতে লবণের পরিমাণ বেড়ে যায় যা মাটির উর্বরতা নষ্ট করে। 
- উপকূলীয় অঞ্চলের ৭টি জেলা- বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশালের ভূমি সমতল, জোয়ার ভাটাসমৃদ্ধ। 
 
উৎস: dae.portal.gov.bd
১,৫৫৪.
খাগড়াছড়ি অঞ্চলের পাহাড়সমূহ কোন যুগের পাহাড়?
  1. টারশিয়ারি যুগের
  2. প্লাইস্টোসিনকালের
  3. সাম্প্রতিক কালের
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের
ব্যাখ্যা

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
 
⇒ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।

⇒ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৫৫৫.
মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর-
  1. ক) বিভাগীয় প্রশাসন 
  2. খ) জেলা প্রশাসন 
  3. গ) উপজেলা প্রশাসন
  4. ঘ) সচিবালয়
সঠিক উত্তর:
গ) উপজেলা প্রশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উপজেলা প্রশাসন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর স্তর তিনটি। যথাঃ
১) বিভাগীয় প্রশাসন, 
২) জেলা প্রশাসন ও 
৩) উপজেলা প্রশাসন।
- মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর উপজেলা প্রশাসন।
- মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর বিভাগীয় প্রশাসন‌।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,৫৫৬.
আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম দেশ কোনটি?
  1. ক) সুদান
  2. খ) কঙ্গো
  3. গ) আলজেরিয়া
  4. ঘ) মৌরিতানিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) আলজেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আলজেরিয়া
ব্যাখ্যা
আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে বড় দেশ হলো আলজেরিয়া (২৩ লক্ষ ৮২ হাজার বর্গ কি.মি. প্রায়)। পূর্বে সুদান ছিলো বড় দেশ। কিন্তু দক্ষিণ সুদান স্বাধীন হয়ে সুদান থেকে পৃথক হয়ে যাওয়ায় সুদানের আয়তন কমে যায়। আয়তনে সবচেয়ে ছোট আফ্রিকান দেশ সিচেলিস (৪৯১ বর্গ কিমি প্রায়)। জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় দেশ নাইজেরিয়া (১৯ কোটি ৬০ লক্ষ প্রায়) এবং সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস (প্রায় ১ লক্ষ)। মিসর আফ্রো-এশিয়ান রাষ্ট্র। মিসরের সিনাই উপদ্বীপ এশিয়ায় অবস্থিত। (সূত্রঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস, ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ এবং ব্রিটানিকা ডটকম)
১,৫৫৭.
দুই বা ততোধিক নদীর মিলনস্থলকে কি বলে?
  1. ক) দোয়াব
  2. খ) নদীসঙ্গম
  3. গ) নদীসংযম
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) নদীসঙ্গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নদীসঙ্গম
ব্যাখ্যা
দোয়াব : প্রবহমান দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলে।
নদীসঙ্গম : দুই বা ততােধিক নদীর মিলনস্থলকে নদীসঙ্গম বলে।
(রেফারেন্স - বাংলাপিডিয়া)
১,৫৫৮.
উত্তর রোডেশিয়া কোন দেশের পূর্বনাম?
  1. ক) জাম্বিয়া
  2. খ) জিম্বাবুয়ে
  3. গ) ইথিওপিয়া
  4. ঘ) তাইওয়ান
সঠিক উত্তর:
ক) জাম্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জাম্বিয়া
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের পুরাতন নাম:
- জাম্বিয়া - উত্তর রোডেশিয়া।
- জিম্বাবুয়ে - দক্ষিণ রোডেশিয়া।
- ঘানা - গোল্ড কোস্ট।
- চীন - ক্যাথে।
- ইরাক - মেসোপটেমিয়া।
- থাইল্যান্ড - শ্যাম দেশ।
- জাপান - নিপ্পন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১,৫৫৯.
নিম্নোক্ত কোন দেশটি মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত?
  1. তাইওয়ান
  2. হংকং
  3. কিরগিজস্তান
  4. মঙ্গোলিয়া
সঠিক উত্তর:
কিরগিজস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিরগিজস্তান
ব্যাখ্যা

• মধ্য এশিয়া: 
- মধ্য এশিয়ার দেশ ৫ টি। যথা: 
- কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, তুর্কমেনিস্তান।

- অপরদিকে, 
- হংকং, তাইওয়ান, মঙ্গোলিয়া হচ্ছে পশ্চিম এশিয়ার দেশ।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১,৫৬০.
সাজেক উপত্যকা কোথায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি 
  2. রাঙামাটি 
  3. বান্দরবান 
  4.  সিলেট 
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
ব্যাখ্যা

• সাজেক:

- সাজেক উপত্যকা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত সাজেক ইউনিয়নে অবস্থিত।
- সাজেক উপত্যকা একটি বিখ্যাত পর্যটন আকর্ষণ।
- সাজেকে সর্বত্র মেঘ, পাহাড় আর সবুজের দারুণ মিতালী চোখে পড়ে । 
- এখানে তিনটি হেলিপ্যাড বিদ্যমান ; যা থেকে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের অপূর্ব দৃশ্য প্রত্যক্ষ করা যায় ।
- সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি জেলার সর্বউত্তরের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত।
- সাজেকের উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, দক্ষিণে রাঙামাটির লংগদু, পূর্বে ভারতের মিজোরাম, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা অবস্থিত।
- সাজেক হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন।যার আয়তন ৭০২ বর্গমাইল।
- সাজেকের বিজিবি ক্যাম্প বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উঁচুতে অবস্থিত বিজিবি ক্যাম্প।
- সাজেক রুইলুইপাড়া এবং কংলাক পাড়া এই দুটি পাড়ার সমন্বয়ে গঠিত।
- সাজেকে মূলত লুসাই, পাংখোয়া এবং ত্রিপুরা আদিবাসী বসবাস করে।
- সাজেক ভ্যালিকে বলা হয় রাঙামাটির ছাদ।

তথ্যসূত্র - রাঙ্গামাটি জেলার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৫৬১.
Time difference of Bangladesh with "Greenwich Mean Time" is
  1. ক) 5
  2. খ) 6
  3. গ) 7
  4. ঘ) 8
সঠিক উত্তর:
খ) 6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 6
ব্যাখ্যা
• গ্রিনিচ মান সময়:
- বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য +৬ ঘন্টা। অর্থাৎ, ৬ ঘন্টা আগে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- অন্যদিকে, গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৬২.
বাংলাদেশ কত ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে অবস্থিত?
  1. ৮৮°০১´ থেকে ৯২°৪১´
  2. ৮২°০১´ থেকে ৯৮°৪১´
  3. ২৪°৩০´ থেকে ২৬°৩৮´
  4. ২০°৩৪´ থেকে ২৬°৩৮´
সঠিক উত্তর:
২০°৩৪´ থেকে ২৬°৩৮´
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০°৩৪´ থেকে ২৬°৩৮´
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা:
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা) অতিক্রম করেছে।
- পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. এবং উত্তর-উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি.।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের, পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৫৬৩.
মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা কয়টি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমান্ত:
- বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে। যথা:
• ভারত ও
• মিয়ানমার।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা: ৩২টি।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা: ৩০টি।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা: ৩টি।
- বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৫৬৪.
SPARSO-এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. আগারগাঁও
  3. মতিঝিল
  4. তেজগাঁও
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগারগাঁও
ব্যাখ্যা

• SPARRSO:
- বাংলাদেশের একমাত্র ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের পূর্বাভাস কেন্দ্র হলো SPARRSO (Space Research and Remote Sensing Organisations)।
- এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।

- এর প্রধান কাজ হলো মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষি, বন, মৎস্য, পরিবেশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (ঘূর্ণিঝড় পূর্বাভাস), পানি সম্পদ ও ভূমি জরিপের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণা করা, তথ্য সরবরাহ করা, প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং নীতি নির্ধারণে সরকারকে সহায়তা করা

তথ্যসূত্র: SPARSO ওয়েবসাইট।

১,৫৬৫.
বেন নেভিস কোন দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ?
  1. আয়ারল্যান্ড
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ফ্রান্স
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

বেন নেভিস:
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হল বেন নেভিস।
- এটি স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ড অঞ্চলের ফোর্ট উইলিয়াম শহরের কাছে অবস্থিত।
- এর উচ্চতা প্রায় ১,৩৪৫ মিটার (৪,৪১৩ ফুট)।
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গটি গ্র্যাম্পিয়ান পর্বতমালার অংশ।

উল্লেখ্য,
- বেন নেভিসসহ যুক্তরাজ্যে ২০০ টিরও বেশি পর্বত রয়েছে যার বেশিরভাগই স্কটল্যান্ডে।
- প্রকৃতপক্ষে, যুক্তরাজ্যের ২০০টি সর্বোচ্চ পর্বতের মধ্যে ১৯২টি স্কটল্যান্ডে পাওয়া যায়।

উৎস: i) Britannica.
ii) Global Adventure Challenges.

১,৫৬৬.
বাংলাদেশের কোন জেলাটি কয়লা সমৃদ্ধ?
  1. কুমিল্লা
  2. সিলেট
  3. দিনাজপুর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি:
- বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলাটি কয়লা সমৃদ্ধ।
- বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কয়লা খনি।
- বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ১৯৮৫ সালে আবিষ্কৃত হয়।
- এর থেকে প্রাপ্ত কয়লা দিয়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
- বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দেশের কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য প্রধান সরবরাহ কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র: পার্বতীপুর উপজেলা ওয়েবসাইট।
১,৫৬৭.
মানচিত্রের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে সাধারণত কোন স্কেলটি অনুসরণ করা হয়?
  1. আমেরিকান স্কেল
  2. ব্রিটিশ স্কেল
  3. ইন্ডিয়ান স্কেল
  4. চাইনিজ স্কেল
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশ স্কেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশ স্কেল
ব্যাখ্যা
মানচিত্রের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে সাধারণত ব্রিটিশ স্কেল অনুসরণ করা হয়।

মানচিত্র:

- কোনো স্থানের অবস্থান থেকে শুরু করে ঐ স্থানের খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে অবহিত হওয়ার জন্য মানচিত্রের কোনো বিকল্প নেই।
- খুব কম সময়ে সহজ উপায়ে ঘরে বসে সারা বিশ্বকে জানার জন্যই মানচিত্রের উৎপত্তি।
- একটি মানচিত্রের মধ্যে কী ধরনের তথ্য থাকবে তা নির্ভর করবে- (ক) স্কেল, (খ) অভিক্ষেপ, (গ) কনভেনশনাল সাইন, (ঘ) মানচিত্র অঙ্কনকারীর দক্ষতা এবং (ঙ) মানচিত্র অঙ্কনের ধরনের উপর।
- একটি বৃহৎ স্কেলের মানচিত্রের মধ্যে একটি স্থানকে বেশি তথ্য দিয়ে দেখানো যায়।

উল্লেখ্য,
⇒ ভূসংস্থানিক মানচিত্র (Topographic map):
- এই মানচিত্রগুলো প্রকৃত জরিপকার্যের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়।
- সাধারণত এর মধ্যে প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক দুই ধরনের উপাদান দেখতে পাওয়া যায়।
- ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে পাহাড়, মালভূমি, সমভূমি, নদী, উপত্যকা, হ্রদ প্রভৃতি দেখানো হয়।
- অন্যদিকে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য হিসেবে রেলপথ, হাটবাজার, পোস্ট অফিস, সরকারি অফিস, খেলার মাঠ, মসজিদ, মন্দির প্রভৃতি নিখুঁতভাবে দেখানো হয়।
- এই মানচিত্রের স্কেল ১:২০,০০০ হলে ভালোভাবে বৈশিষ্ট্যগুলো প্রকাশ পায়।
- বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন স্কেলে এই মানচিত্র তৈরি করে।
- সবচেয়ে আদর্শ ও জনপ্রিয় হচ্ছে ব্রিটিশদের তৈরি করা মানচিত্র যার স্কেল ছিল ১:২৫,০০০ থেকে ১:১০০,০০০ এবং আমেরিকাতে এই মানচিত্রের স্কেল থাকে সাধারণত ১:৬২,৫০০ এবং ১:১২৫,০০০।
- সাধারণত ব্রিটিশ স্কেলটি অনুসরণ করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৬৮.
মাউন্ট এভারেস্ট-এর উচ্চতা কত?
  1. ৮,৮৪২.৮৬ মিটার
  2. ৮,৮২৮.৮৬ মিটার
  3. ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার
  4. ৮,৮৬৮.৮৬ মিটার
সঠিক উত্তর:
৮,৮৪৮.৮৬ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮,৮৪৮.৮৬ মিটার
ব্যাখ্যা
মাউন্ট এভারেস্ট:
- মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
- তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ভারতীয় এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল।
- মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
- এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।

উৎস: i) Britannica।
ii) National Geographic।
১,৫৬৯.
কোন যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ পরিমাপ করা যায়?
  1. ব্যারোমিটার
  2. হাইগ্রোমিটার
  3. সেক্সট্যান্ট
  4. অ্যানিমোমিটার
সঠিক উত্তর:
সেক্সট্যান্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেক্সট্যান্ট
ব্যাখ্যা

- সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ নির্ণয় করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়। 
- বিষুবলম্ব: সূর্য যেদিন যে অক্ষাংশের উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় সেটাই সেদিনের সূর্যের বিষুবলম্ব।
- স্থানটি যদি উত্তর গোলার্ধে হয় তবে উত্তরবাচক বিষুবলম্ব যোগ করতে হবে এবং দক্ষিণবাচক বিষুবলম্ব বিয়োগ করতে হবে।
- দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণবাচক বিষুবলম্ব যোগ এবং উত্তরবাচক বিষুবলম্ব বিয়োগ করতে হবে।

অন্যদিকে,
• ব্যারোমিটার (Barometer):
- এটি বায়ুমণ্ডলের চাপ (Atmospheric Pressure) পরিমাপের যন্ত্র।
- সাধারণত আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও উচ্চতা নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।

• হাইগ্রোমিটার (Hygrometer):
- এটি বাতাসে আর্দ্রতা (Humidity) পরিমাপের যন্ত্র।
- আবহাওয়া বিজ্ঞান ও কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

• অ্যানিমোমিটার (Anemometer):
- এটি বায়ুর বেগ (Wind Speed) ও দিক নির্ণয়ের যন্ত্র।
- আবহাওয়া পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৫৭০.
বাংলাদেশের কোন জেলা পলল সমভূমি নামে পরিচিত?
  1. ঢাকা
  2. কক্সবাজার
  3. দিনাজপুর 
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর 
ব্যাখ্যা

• পাদদেশীয় পলল সমভূমি :
- অনেক সময় পাহাড়িয়া নদী দ্বারা পলি সঞ্চিত হয়ে পাহাড়ের পাদদেশে নতুন সমভূমি গড়ে ওঠে।
- এরূপ সমভূমিকে পাহাড়ের পাদদেশীয় পলল সমভূমি বলা হয়।
- বাংলাদেশের রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ স্থানই পলল সমভূমি নামে পরিচিত। 
- তিস্তা, আত্রাই, যমুনেশ্বরী প্রভৃতি নদী দ্বারা এ অঞ্চল বিধৌত।
- এসব নদী হিমালয় পর্বত হতে উৎপন্ন হয়েছে। 
- ফলে নদীগুলো সহজেই পাহাড় হতে পলল বহন করে এ অঞ্চলে সঞ্চয় করে পাদদেশীয় পললভূমি গঠন করেছে। 
- পাহাড়ের পাদদেশে দুই বা ততোধিক পলল পাখা বা কোণ মিলিত হয়েও পাদদেশীয় পলল সমভূমি গঠন করতে পারে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৭১.
আমাজন বনভূমি কোন ধরণের বনভুমি?
  1. ক) ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল
  2. খ) গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘনবর্ধন বনাঞ্চল
  3. গ) ঘনবর্ধন বনাঞ্চল
  4. ঘ) উপক্রান্তীয় ঘনবর্ধন বনাঞ্চল
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘনবর্ধন বনাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘনবর্ধন বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা
আমাজন পৃথিবীর বৃহত্তম রেইন ফরেস্ট। এটি মূলত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘনবর্ধন বনাঞ্চল। এর আয়তন প্রায় ২.৬ মিলিয়ন বর্গ মাইল। এটি ৯ টি দেশ যথা- ব্রাজিল, বলিভিয়া, পেরু, ইকুয়েডর, কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা, গায়ানা, সুরিনাম ও ফ্রে গায়ানা জুড়ে বিস্তৃত।
উৎস: ওয়ার্ল্ডওয়াইল্ডলাইফ সংস্থার ওয়েবসাইট
১,৫৭২.
দক্ষিণ তালপট্টি কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত?
  1. নাফ
  2. তেতুলিয়া
  3. আড়িয়াল খাঁ
  4. হাড়িয়াভাঙ্গা
সঠিক উত্তর:
হাড়িয়াভাঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাড়িয়াভাঙ্গা
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ:
- পূর্ববাশা বা নিউ মুর আইল্যান্ড বঙ্গোপসাগরের অবস্থিত ভারতের ছোটো জনবসতিহীন সাগরমুখী দ্বীপ। 
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ অঞ্চলের উপকূলে অবস্থিত এবং১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনার অদূরে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ জেগে ওঠে। 
- নদীর মোহনা থেকে দুই কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
১,৫৭৩.
বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্য নয় কোনটি?
  1. আসাম
  2. মেঘালয়
  3. মিজোরাম 
  4. মণিপুর
সঠিক উত্তর:
মণিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যে নয় মণিপুর।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মোট জেলা- ৩২টি।
- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমার দুটি দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি। 
- মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান)।
- একমাত্র রাঙ্গামাটি জেলার সাথে বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে। যথা- পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মেঘালয়।
- বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের ২টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- মায়ানমারের রাখাইন ও চিন প্রদেশর সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত আছে।

উল্লেখ্য,
- অরুণাচল, আসাম, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এই সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- সেভেন সিস্টার্সের (আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মেঘালয়) এই চারটি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত আছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৫৭৪.
নিম্নের কোন শহরকে সাত পাহাড়ের দেশ বলা হয়?
  1. কায়রো
  2. প্যারিস
  3. জুরিখ
  4. রোম
সঠিক উত্তর:
রোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোম
ব্যাখ্যা
সাত পাহাড়ের দেশ:
- সাত পাহাড়ের দেশ বলা হয় রোমকে।
- কারন ইতালির রাজধানী রোম নগরীতে সাতটি পাহাড় রয়েছে।
- এগুলোর নাম হলো অ্যাভেনটাইন, কেইলিয়ান, ক্যাপিটোলাইন, ইসকুইলিন, প্যালেটাইন, কুইরিনাল ও ভিমিনাল।
- এই পাহাড়গুলো নগরীর ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ দখল করে আছে।
- এজন্য রোম নগরীকে সাত পাহাড়ের দেশ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- রোমুলাসের আদি শহর প্যালাটাইন পাহাড়ের উপর নির্মিত হয়েছিল।
- রোম রোমা প্রভিন্সিয়া (প্রদেশ), ল্যাজিও অঞ্চল এবং ইতালি দেশের রাজধানী।

উৎস: Britannica.
১,৫৭৫.
২১ মার্চ দক্ষিণ গোলার্ধে কোন ঋতু চলে?
  1. গ্রীষ্ম
  2. শরৎ
  3. হেমন্ত
  4. বসন্ত
সঠিক উত্তর:
শরৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরৎ
ব্যাখ্যা
মহাবিষুব:
- ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর সূর্য ঠিক পূর্বদিকে ওঠে এবং ঠিক পশ্চিমদিকে অস্ত যায়।
- বছরে মাত্র এই দুটি দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়।
- ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয় এবং ঐ দিনটিকে বাসন্ত বিষুব বা মহাবিষুব বলে।

উল্লেখ্য,
⇒ উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল:
- পৃথিবী তার কক্ষপথে চলতে চলতে ২২ ডিসেম্বরের পর থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত এমন স্থানে ফিরে আসে যখন সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে।
- ফলে ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয়।
- দিনের বেলায় সূর্যকিরণের কারণে ভূপৃষ্ঠের বায়ুস্তর গরম হয় এবং রাত্রিবেলায় বিকিরিত হয়ে ঠান্ডা হয়।
- এই সময় উত্তর গোলার্ধে বসন্তকালদক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৭৬.
পিনাটুবো পর্বত কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ফিলিপাইনে
  2. জাপানে
  3. জার্মানিতে
  4. ইতালিতে
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিলিপাইনে
ব্যাখ্যা
পিনাটুবো পর্বত:
- পিনাটুবো পর্বত (Mount Pinatubo) ফিলিপাইনের লুজন দ্বীপের পশ্চিম অংশে অবস্থিত।
- এটি একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি।
- ১৯৯১ সালে এর সর্বশেষ বড় অগ্নুৎপাত ঘটে।

উল্লেখ্য,
- পিনাটুবো পর্বতের অগ্নুৎপাতের ফলে ফিলিপাইনের আশপাশের এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, এবং প্রায় ১০০,০০০ মানুষ সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিল।
- এটি একটি অন্যতম প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যা বৈশ্বিক জলবায়ুতে কিছু সময়ের জন্য ঠান্ডা প্রভাব সৃষ্টি করে।

উৎস: Britannica.
১,৫৭৭.
কোনটিকে পশ্চিমা বাহিনীর নদী বলা হয়?
  1. হাকালুকি হাওর
  2. বুড়িগঙ্গা নদী
  3. শীতলক্ষ্যা নদী
  4. ডাকাতিয়া বিল
সঠিক উত্তর:
ডাকাতিয়া বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাকাতিয়া বিল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ন ভৌগলিক উপনাম: 
- সোনালী আঁশের দেশ - বাংলাদেশ।
- ভাটির দেশ- বাংলাদেশ।
- পশ্চিমা বাহিনীর নদী - ডাকাতিয়া বিল।
- বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার - চট্রগ্রাম।
- বারো আউলিয়ার দেশ- চট্রগ্রাম।
- বাংলার ভেনিস- বরিশাল।
- হিমালয়ের কন্যা - পঞ্চগড়।
- সাগর কন্যা - কুয়াকাটা।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বিভিন্ন পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৫৭৮.
নিচের কোন জেলায় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় র‍য়েছে?
  1. বান্দরবান
  2. নেত্রকোনা
  3. সিলেট
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

উল্লেখ্য,
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে:
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিনডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং (উচ্চতা ১,২৩০ মিটার)।

উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৭৯.
সূর্যের সবচেয়ে নিকটতম গ্রহ কোনটি?
  1. পৃথিবী
  2. শুক্র
  3. বুধ
  4. ইউরেনাস
সঠিক উত্তর:
বুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুধ
ব্যাখ্যা

বুধ:
- বুধ সূর্যের সবচেয়ে নিকটতম গ্রহ।
-
সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি থাকায় বুধের কক্ষপথগত গতি প্রায় ৪৭ কিমি/সেকেন্ড।
- যার কারণে  বুধ সৌরজগতের দ্রুততম গ্রহে পরিণত হয়েছে।
- বুধকে সৌরজগতের  সবচেয়ে ছোট ও ক্ষুদ্রতম গ্রহ ও বলা হয়।
- এর ব্যাস প্রায় ৪,৮৫০ কিলোমিটার।
- এবং সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ৫৮ কোটি কিলোমিটার।
- বুধ সূর্যের চারদিকে একবার প্রদক্ষিণ করতে প্রায় ৮৮ দিন সময় নেয়।
- এই গ্রহে দিনের বেলায় তাপমাত্রা প্রায় ৪০০° সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠলেও রাতে তা হিমাঙ্কের নিচে নেমে যায়।
- বুধের নিজস্ব কোনোবায়ুমণ্ডল নেই, ফলে তাপমাত্রার পার্থক্য অত্যন্ত বেশি হয়।
- এছাড়া এর কোনো উপগ্রহও নেই।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৮০.
গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় কত ঘণ্টা আগে?
  1. ১ ঘন্টা
  2. ২ ঘন্টা
  3. ৬ ঘণ্টা
  4. ১২ ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
গ্রীনিচ মান সময়:
- গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে অর্থাৎ +৬ ঘন্টা।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- অর্থাৎ ২ দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৮ মিনিট।
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।
- গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী ও ব্রিটানিকা।
১,৫৮১.
নিচের কোন জেলার সাথে ভারতের সীমান্ত নেই?
  1. নওগাঁ
  2. নড়াইল
  3. শেরপুর
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
নড়াইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নড়াইল
ব্যাখ্যা

⇒ নড়াইল জেলার সাথে ভারতের সীমান্ত নেই।

বাংলাদেশের সীমান্ত:
- বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে। যথা:
• ভারত ও
• মিয়ানমার।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা: ৩২টি।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা: ৩০টি।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা: ৩টি।
- বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৫৮২.
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের সীমান্তবর্তী স্থান মনাকষা এর দ্রাঘিমাংশ কত?
  1. ৮৮°০১′ পশ্চিম দ্রাঘিমা
  2. ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা
  3. ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা
  4. ৯২°৪১′ পশ্চিম দ্রাঘিমা
সঠিক উত্তর:
৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা:
⇒ যেহেতু বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের দ্রাঘিমাংশ ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা এবং বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের সীমান্তবর্তী স্থান মনাকষা তাইলে আমরা বলতে পারি যে বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের সীমান্তবর্তী স্থান মনাকষা এর দ্রাঘিমাংশ ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা।

উল্লেখ্য,
এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩°৫) অতিক্রম করেছে। পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. এবং উত্তর-উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি.।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের, পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা। ( ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।(৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা)
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা। (অক্ষাংশ ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।  
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ। (অক্ষাংশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট এবং ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৮৩.
ফিলিস্তিন কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) এশিয়া
  2. খ) আফ্রিকা
  3. গ) ইউরোপ
  4. ঘ) ওশেনিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এশিয়া
ব্যাখ্যা

ফিলিস্তিন মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ যা ভৌগোলিকভাবে এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত।
স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ঘােষণা করা হয় ১৫ নভেম্বর ১৯৮৮ সালে। স্বাধীন ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ আলজেরিয়া। ফিলিস্তিন জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করে ২৯ নভেম্বর, ২০১২ সালে।
উৎসঃ ফিলিস্তিনি সরকারি ওয়েবসাইট।

১,৫৮৪.
বাংলাদেশ কোন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. শীতপ্রধান অঞ্চল
  2. ক্রান্তীয় অঞ্চল
  3. উপক্রান্তীয় অঞ্চল
  4. মেরু অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রান্তীয় অঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- কোন দেশের ভৌগলিক অবস্থান বলতে অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমা রেখাভিত্তিক অবস্থানকে বোঝায়।
- বাংলাদেশ ৮৮° ০১′ থেকে ৯২° ৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা এবং ২০°৩৪′, থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষ রেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার বা ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল।
- পূর্ব থেকে পশ্চিমে বিস্তৃতি ৪৪০ কিলোমিটার।
- উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বিস্তৃতি প্রায় ৭৬০ কিলোমিটার।
- দেশের প্রায় মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- বাংলাদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশের তিনদিকের স্থলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৮৫.
ভূমিকম্পের ফলে বাংলাদেশে কোন নদীর গতিপথ বদলে গিয়েছিল?
  1. যমুনা
  2. ব্রহ্মপুত্র
  3. মেঘনা
  4. কর্ণফুলী
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প (Earthquake):

- ভূ-গাঠনিক দিক থেকে বাংলাদেশ ক্রমশ ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
- বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয় পর্বতের পাদদেশীয় অঞ্চলে, পূর্বে ইন্দো-বার্মা সীমান্তে আরাকান-ইয়োমা পার্বত্য অঞ্চলে, উত্তরে আসামের খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া পাহাড় অঞ্চলে, বঙ্গোপসাগরের তলদেশে ও আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে মূলত বৃহদাকার ফাটল ও দুইটি প্লেটের মধ্যবর্তী অঞ্চলে ভূমিকম্প প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।
- বাংলাদেশে ১৮৯৭ সালে ভুমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়।
- ১৫৪৮ সাল থেকে বাংলাদেশে এবং তৎসংলগ্ন এলাকাতে ভূমিকম্প সংক্রান্ত রেকর্ড সংগ্রহ শুরু হয়।
- ১৯৯৩ সালে সমগ্র বাংলাদেশকে তিনটি ভূ-কম্পন অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা- 
১) মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল (রিখটার স্কেল মাত্রা: ৭)। 
২) মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল (রিখটার স্কেল মাত্রা: ৬)।
৩) কম ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল (রিখটার স্কেল মাত্রা: ৫)। 
উল্লেখ্য, গবেষণা অনুসারে, আড়াই হাজার বছর আগে ভূমিকম্পের কারণে গঙ্গার পথ হঠাৎ স্থানান্তরিত হয়ে যায়। 

ছবির উৎস: দৈনিক গোপালগঞ্জ নিউজ পত্রিকা 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৮৬.
‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বলতে নিচের কোনটিকে নির্দেশ করে?
  1. ক) নির্ভরশীল জনসংখ্যার আধিক্য
  2. খ) জনসংখ্যার ঋণাত্মক বৃদ্ধির হার
  3. গ) নির্ভরশীল অপেক্ষা কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা অধিক
  4. ঘ) স্থিতিশীল জনসংখ্যা
সঠিক উত্তর:
গ) নির্ভরশীল অপেক্ষা কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা অধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নির্ভরশীল অপেক্ষা কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা অধিক
ব্যাখ্যা
- যখন একটি দেশের কর্মক্ষম জনসংখ্যা অর্থাৎ ১৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সী জনসংখ্যার পরিমাণ দেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশের অধিক হয় তখন তাকে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- জনসংখ্যার এরূপ অবস্থায় নির্ভরশীল জনগোষ্ঠী (১৫ বছরের কম ও ৬০+) সংখ্যা কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী অপেক্ষা কম হয়।
- বাংলাদেশ বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক লভ্যাংশ অবস্থা অতিবাহিত করছে। বর্তমানে দেশে ১৫-৫৯ বছর বয়সী জনসংখ্যার পরিমাণ শতকরা ৬৩.৩ শতাংশ।
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের তথ্যানুসারে ২০৫০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জনমিতিক লভ্যাংশের সুবিধা ভোগ করবে।
- জনসংখ্যার এরূপ অবস্থাকে যথাযথভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হলে একটি দেশ দ্রুত উন্নয়ন সাধন করতে পারে।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস ও জাতিসংঘ ওয়েসাইট এবং ডেইলি স্টার)
১,৫৮৭.
কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বত শৃঙ্গ কোন দুটি দেশে অবস্থিত?
  1. ক) ভারত ও ভুটান
  2. খ) নেপাল ও ভুটান
  3. গ) চীন ও নেপাল
  4. ঘ) নেপাল ও ভারত
সঠিক উত্তর:
ঘ) নেপাল ও ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নেপাল ও ভারত
ব্যাখ্যা
কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বত শৃঙ্গটি নেপাল ও ভারতের মধ্যে অবস্থিত একটি পর্বত শৃঙ্গ। এটি বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ।
মাউন্ট এভারেস্ট আবিষ্কারের পূর্বে এটিকে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ বিবেচনা করা হতো।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস এবং সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।
১,৫৮৮.
'মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ' নিম্নের কোন অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. পলিনেশিয়া
  2. মেলানেশিয়া
  3. মাইক্রোনেশিয়া
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
⇒ পলিনেশিয়া:
- মধ্য ও দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ১০০০টিরও বেশি দ্বীপ নিয়ে পলিনেশিয়া অঞ্চল গঠিত।
- এটিকে বৃহত্তর ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি উপ-অঞ্চল হিসেবে গণ্য করা হয়।
- পলিনেশিয়ার আদি অধিবাসীদেরকে 'পলিনেশীয়' বলা হয়।
- নিউজিল্যান্ড পলিনেশিয়ার বৃহত্তম দেশ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জটিকেও পলিনেশিয়ার অন্তর্গত করা হয়; এটি পলিনেশিয়া ত্রিভুজের উত্তর শীর্ষবিন্দুটি গঠন করেছে।

• পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা; টুভ্যালু ও সামোয়া।

⇒ মেলানেশিয়া:
- 'মেলানেশিয়া' শব্দটি গ্রীক থেকে এসেছে এবং এর অর্থ 'কালো দ্বীপ'।
- মেলানেশিয়া দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি অঞ্চল।
- এটি প্রায় ২,০০০ দ্বীপ নিয়ে গঠিত।

• মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ; ফিজি; ভানুয়াতু; ও পাপুয়া নিউগিনি।

⇒ মাইক্রোনেশিয়া:
- মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলটি প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এ অঞ্চলটি ফিলিপাইনের পূর্বে এবং নিউগিনি দ্বীপের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত।

• মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু; পালাউ; কিরিবাতি; মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ এবং মাইক্রোনেশিয়া।

উৎস: World Atlas.
১,৫৮৯.
বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত দ্বীপ কোনটি?
  1. কুতুবদিয়া দ্বীপ
  2. সেন্ট মার্টিন দ্বীপ
  3. সোনাদিয়া দ্বীপ
  4. শাহ পরীর দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
কুতুবদিয়া দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুতুবদিয়া দ্বীপ
ব্যাখ্যা
বাতিঘর:
- বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত কুতুবদিয়া দ্বীপ।
- কুতুবদিয়া কক্সবাজার জেলায় একটি দ্বীপ উপজেলা।
- চান্স এন্ড ব্রাদার্স কোম্পানী লিমিটেড কর্তৃক মনোনীত স্থপতি নেয়ার বার্মিংহাম এর তত্ত্বাবধানে ১৮৪৬ সালের দিকে কুতুবদিয়ায় আটতলা তথা আটকক্ষ বিশিষ্ট বাতিঘরটি নির্মাণ করা হয়।
- ১২০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট গোলাকৃতি আলোক স্তম্ভের প্রতিটি কক্ষে মূল্যবান কাঁচ খচিত জানালা ছিল।
- কক্ষের চারদিকে রেলিং ছিল।
- সর্বোচ্চ কক্ষে বাতিঘরটি প্রজ্জ্বলন করা হতো।
- ১৯ মাইল দূর থেকে নাবিকরা এ বাতিঘর থেকে আলো প্রত্যক্ষ করে দিক চিহ্নিত করতো।
- শংখ নদীর তীব্র স্রোতের তোড়ে বাতিঘরটি ধ্বংস হতে থাকে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে বাতিঘরটি পুরোপুরি ধ্বংস হলে গভীর সমুদ্রে চলাচলরত নাবিক ও মাঝিমাল্লাদের কথা মাথায় রেখে তদানীন্তন সরকার ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে একই এলাকায় অর্থাৎ এর দু’কিলোমিটার পূর্বে বাঁধের ভেতরে প্রায় সাত একর জমিতে আরো একটি বাতিঘর নির্মাণ করে।
- ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে ২৯ এপ্রিল প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে পুনঃ নির্মিত বাতিঘরটি সাগরে বিলীন হয়ে যায়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৫৯০.
যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোকে বিভক্তকারী সীমারেখা কোনটি?
  1. ডুরান্ড লাইন
  2. ম্যাজিনো লাইন
  3. ওডারনিস লাইন
  4. সনোরা লাইন
সঠিক উত্তর:
সনোরা লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সনোরা লাইন
ব্যাখ্যা

সনোরা লাইন:
- যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোকে পৃথককারী সীমান্তরেখা সনোরা লাইন।
- এটি মেক্সিকোর সনোরা প্রদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্য থেকে পৃথক করেছে।
- ১৮৫৩ সালে এই সীমান্ত রেখা ভাগ করা হয়।

• আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা:
- ওডারনিস লাইন- জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন- জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন- জার্মানি ও ফ্রান্স।
- ডুরান্ড লাইন- পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
- ম্যাজিনো লাইন- জার্মানি ও ফ্রান্স।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৫৯১.
মাউন্ট এভারেস্ট কোন দুইটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থল বরাবর অবস্থিত?
  1. ইন্ডিয়ান ও অস্ট্রেলিয়ান
  2. ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
  3. ইন্ডিয়ান ও অ্যান্টার্কটিক
  4. ইন্ডিয়ান ও বার্মিজ
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
ব্যাখ্যা
মাউন্ট এভারেস্ট ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থল বরাবর অবস্থিত।

এভারেস্ট পর্বত
- মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
- তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ভারতীয় এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল।
- মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
- এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।

উৎস: i) Britannica।
ii) National Geographic।
১,৫৯২.
দেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. পদ্মা
  2. মেঘনা
  3. সাঙ্গু
  4. ইছামতি
সঠিক উত্তর:
ইছামতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইছামতি
ব্যাখ্যা

• দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী:
- দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী ইছামতি।
- নদীর দৈর্ঘ্য ৩৩৪ কিলোমিটার।
- নদীটি খুলনা বিভাগের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- প্রবেশ পথ - (ভারত) ভৈরব-কপোতাক্ষ (দামুড়হুদা, চুয়াডাঙ্গা)।
- নদীটির পতনমুখ - রায়মঙ্গল (শ্যামনগর, সাতক্ষীরা)।

• দেশের দীর্ঘতম নদী:
- দেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা।
- নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৪১ কিলোমিটার।
- নদীটি তিন বিভাগের ১২টি জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- প্রবেশ পথ - শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- নদীটির পতনমুখ - মেঘনা (ভেদরগঞ্জ, শরীয়তপুর)।

• তৃতীয় দীর্ঘতম নদী:
- তৃতীয় দীর্ঘতম নদী সাঙ্গু।
- নদীর দৈর্ঘ্য ২৯৪ কিলোমিটার।
- নদীটি চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- প্রবেশ পথ - মিয়ানমার সীমান্ত (থানচি, বান্দরবান)।
- নদীটির পতনমুখ - বঙ্গোপসাগর (বাঁশখালী, চট্টগ্রাম)।

উৎস: বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট।

১,৫৯৩.
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা কোনটি?  
  1. শিবগঞ্জ
  2. মনাকষা
  3. থানচি
  4. শ্যামপুর
সঠিক উত্তর:
শিবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিবগঞ্জ
ব্যাখ্যা

 বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের:
- স্থান : বাংলাবান্দা।
- উপজেলা : তেঁতুলিয়া।
- জেলা : পঞ্চগড়।

সর্ব দক্ষিণের
- স্থান : ছেঁড়া দ্বীপ/সেন্ট মার্টিন্স।
- উপজেলা : টেকনাফ।
- জেলা : কক্সবাজার।

সর্বপশ্চিমের:
- স্থান : মনাকষা।
- উপজেলা : শিবগঞ্জ।
- জেলা : চাপাইনবাবগঞ্জ।

সর্বপূর্বের:
- স্থান : আখাইনঠং।
- উপজেলা : থানচি।
- জেলা : বান্দরবান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৫৯৪.
বাংলাদেশের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কি ধরণের বনাঞ্চল?
  1. চিরহরিৎ বন 
  2.  জলাভূমি বন
  3. পর্ণমোচী বন
  4. ম্যানগ্রোভ বন
সঠিক উত্তর:
চিরহরিৎ বন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিরহরিৎ বন 
ব্যাখ্যা

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। 
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে অবশিষ্ট চিরহরিৎ বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের ৭টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১০টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৫৯৫.
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা থেকে হিমালয়ের কোন শৃঙ্গ দেখা যায়?
  1. ক) কাঞ্চন জঙ্গা
  2. খ) চিম্বুক
  3. গ) এভারেস্ট
  4. ঘ) কেওক্রাডং
সঠিক উত্তর:
ক) কাঞ্চন জঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাঞ্চন জঙ্গা
ব্যাখ্যা

- ঢাকা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে দেশের সর্ব উত্তরের হাজার বছরের গৌরবগাথা আর প্রাচীন ইতিহাস-ঐতিহ্যের অগণিত স্মৃতিমণ্ডিত জেলা পঞ্চগড়।
- হিমালয়ের পাদদেশে জেলাটির ভৌগলিক অবস্থান হওয়ায় পঞ্চগড়কে বলা হয় হিমালয় কন্যা।
- প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি এ পঞ্চগড়। খালি চোখে হিমালয়ের সর্বোচ্চ চূড়া কাঞ্চনজঙ্ঘা অবলোকন, পাহাড়ি ঢল থেকে নেমে আসা স্বচ্ছ জলাধারার নদী, সমতল ভূমির চা-বাগান, বিস্তৃর্ণ বনাঞ্চল আর প্রাগৌতিহাসিক নানা স্থাপনা আর দুর্গ পঞ্চগড়কে গড়ে তুলতে পারে দেশের অন্যতম পর্যটন নগরী হিসেবে।

উৎসঃ দৈনিক যুগান্তর রিপোর্ট।

১,৫৯৬.
কে ''ষাট গম্বুজ'' মসজিদ নির্মাণ করেন?
  1. ক) হযরত আমানত শাহ্‌
  2. খ) বায়েজিদ বোস্তামী
  3. গ) পীর খান জাহান আলী
  4. ঘ) সুফি শাহ্‌ মখদুম
সঠিক উত্তর:
গ) পীর খান জাহান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পীর খান জাহান আলী
ব্যাখ্যা

ষাট গম্বুজ মসজিদ
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- মসজিদটি খান-ই-জাহান আলী নির্মাণ করেছিলেন।
- তিনি ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন। 
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।
- ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়।

উৎস: ষাট-গম্বুজ-মসজিদ - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন-গণপ্রজাতন্ত্রী, parjatan.gov.bd.

১,৫৯৭.
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য নয় -
  1. ক) আসাম
  2. খ) মেঘালয়
  3. গ) হরিয়ানা
  4. ঘ) ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
গ) হরিয়ানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হরিয়ানা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য ৫টি। যথা- আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য নয় - হরিয়ানা।

• সীমান্তবর্তী স্থান:

 বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য নয়- বিহার।
• উত্তরে- ভারতের পশ্চিবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় প্রদেশ।
• পূবে - ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম প্রদেশ এবং মিয়ানমার।
• দক্ষিণে - বঙ্গোপসাগর, আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (ভারত), মিয়ানমার।
• পশ্চিমে - ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ।
• ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
• মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩টি।
• ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙামাটি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৯৮.
'আল্পস পর্বতমালা' কোন শ্রেণির পর্বত?
  1. ক্ষয়জাত পর্বত
  2. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
  3. ভঙ্গিল পর্বত
  4. আগ্নেয় পর্বত
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
ব্যাখ্যা
ভঙ্গিল পর্বত (Folded Mountain):
- পাললিক শিলাস্তর আনুভূমিক আলোড়ন বা মহাদেশীয় পর্বতের সংকোচনের ফলে কুঞ্চিত হয়ে ঢেউয়ের আকারে যে পর্বত সৃষ্টি হয় তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- চার ধরনের পর্বতের মধ্যে ভঙ্গিল পর্বত সর্বাধিক বিস্তৃত।
- অভিসারী প্লেট সীমানায় সংকোচনজনিত চাপে এ ধরনের পর্বত গঠিত হয় বলে এর শিলা কাঠামো ভাঁজ ও চ্যুতিযুক্ত।
- ভঙ্গিল পর্বত সাধারণত পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত।
-যেমন: এশিয়ার হিমালয়, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ, উত্তর আমেরিকার রকি এবং ইউরোপের আল্পস পর্বতমালা।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৯৯.
সাহারা মরুভূমি কোথায় অবস্থিত?
  1. এশিয়া মহাদেশে
  2. আফ্রিকা মহাদেশে
  3. দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ
  4. ওশেনিয়া মহাদেশে
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা মহাদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফ্রিকা মহাদেশে
ব্যাখ্যা

সাহারা মরুভূমি:
- প্রায় ৯,২০০,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- সাহারা মরুভূমিকে বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ (গরম) মরুভূমি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- আয়তনের দিক থেকে এটি তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি,
- শুধুমাত্র অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিকের মেরু মরুভূমির পরেই অবস্থান।
- এবং এটি আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় ৩১% অংশ দখল করে রেখেছে।
- সাহারা মরুভূমি উত্তর আফ্রিকার ১১টি দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত।
- এই দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, মিশর, লিবিয়া, সুদান, মরক্কো, তিউনিশিয়া, চাঁদ, মালি, নাইজার, মরিতানিয়া, পশ্চিম সাহারা।
 
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১,৬০০.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত?
  1. ১২ নটিক্যাল মাইল
  2. ১৫০ নটিক্যাল মাইল
  3. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩৭০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমানা:
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকের দক্ষিণ অংশে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- ২০°৩৪' উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষরেখা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- আর ৮৮°০১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ৯২°৪১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখা পর্যন্ত বিস্তৃত আমাদের এই দেশ।
- বাংলাদেশের প্রায় মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩°৫) অতিক্রম করেছে।
- বাংলাদেশের তিনদিকের স্থলভাগ ভারত এবং মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত।
- দক্ষিণে অবস্থিত বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর।
- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ,
- উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কুচবিহার জেলা এবং আসাম ও মেঘালয় রাজ্য,
- পূর্বে আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমার অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার। 
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।