PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
Optional Laws-1
Optional Laws-1
PrepBank · পাতা ৪ / ৪ · ৩০১–৩৪৯ / ৩৫১
উত্তর
ব্যাখ্যা
এক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে দাখিলকৃত বা লিপিবদ্ধ সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ করতে পারে এবং মামলা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে সেই পর্যায় হতে বিচার অব্যাহত রাখতে পারে।
অর্থাৎ বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩১ ধারায় principle of double jeopardy এর প্রতিফলন ঘটেছে।
------------
Section 31. Bar on trial de-novo:
- A Special Tribunal, unless it otherwise decides, shall not be bound to recall or re-hear any witness whose evidence has already been recorded, or to re-open proceedings already held, but may act on the evidence already produced or recorded and continue the trial from the stage which the case has reached.
উত্তর
ব্যাখ্যা
(অ) আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচারপ্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(১) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
(২) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতার মাধ্যমে কোন বিরোধ বা মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা এই আইনের অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরকে সম্মানি প্রদান;
(৩) মামলার আনুষঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান;
(আ) যে কোন আবেদনকারীকে আইনি তথ্য ও পরামর্শসেবা প্রদান;
(ই) মামলাপূর্ব যেকোন বিরোধ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি;
(ঈ) যেকোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রেরিত মামলা মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি;
⇒ আইনগত সহায়তার আওতায় পড়ে না: গ) সালিশকারী নিয়োগ প্রদান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫- আইনজীবীগণের তালিকা
(১) সুপ্রীমকোর্ট কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য সুপ্রীমকোর্টের মামলা পরিচালনায় অন্যুন ৫(পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।
(২) প্রত্যেক জেলা কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে জেলার কোন আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য জেলা আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যুন ৫ (পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।
(২ক) বিশেষ কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালার জন্য সংশ্লিষ্ট শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।
(৩) এই ধারার অধীন প্রণীত প্রত্যেক তালিকায় অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ মহিলা আইনজীবী, যদি উপযুক্ত পাওয়া যায়, রাখা হইবে।
(৪) কোন বিচারপ্রার্থীর আবেদন বা দরখাস্ত বিবেচনাক্রমে যদি কোন ক্ষেত্রে, আইনগত সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, তাহা হইলে সুপ্রীম কোর্ট কমিটি বা, ক্ষেত্রমত, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি উক্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কোন আইনজীবীকে এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ নিযুক্তির ক্ষেত্রে বিচারপ্রার্থীর পছন্দ, যতদূর সম্ভব, বিবেচনা করা হইবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
“নবজাতক শিশু” অর্থ অনূর্ধ্ব চল্লিশ দিন বয়সের কোন শিশুকে বোঝাবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৬: বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্য, বস্তু, ইত্যাদি:
(১) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটিত হইলে মাদকদ্রব্য, মাদকদ্রব্যের সহিত জব্দকৃত অর্থ, সাজ-সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি, উপকরণ, আধার, পাত্র, মোড়ক, যানবাহন অথবা অন্য কোনো বস্তু সম্পর্কে অথবা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।
(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্যের সহিত যদি কোনো বৈধ মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়, তাহা হইলে উক্ত মাদকদ্রব্যও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।
(৩) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের জন্য যদি কোনো সরকারি অথবা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো যানবাহন ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা জব্দযোগ্য হইবে এবং মামলা রুজুকারী অফিসার সরকারি কার্যের স্বার্থে উক্ত যানবাহন সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী অফিসারের জিম্মায় প্রদান করিতে পারিবেন, তবে বিষয়টি এজাহারে উল্লেখ করিতে হইবে।
(৪) জব্দকৃত মাদকদ্রব্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের আদেশক্রমে উহা ধ্বংস করিতে হইবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- The Special Powers Act, 1974-এর ধারা ৩০(২)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
"যেক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনো মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে অনতিবিলম্বে উহার কার্যধারা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর করা যাইবে না।"
- উদ্ধৃতি (ধারা ৩০(২)):
"the proceedings shall be submitted forthwith to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by that Division."
উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ২১ক(১) অনুযায়ী, চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার এবং লিগ্যাল এইড অফিসার বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ করা হবে। এই নিয়োগ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে এবং সরকার কর্তৃক সম্পন্ন হবে।
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ২১ক - চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার, লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ, দায়িত্ব, ইত্যাদি:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য হইতে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার এবং লিগ্যাল এইড অফিসার নিয়োগ ও পদায়ন করিবে এবং তাহাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সংস্থা, সময় সময়, আদেশ দ্বারা নির্ধারণ করিবে।
(১ক) উপ-ধারা (১) এর অধীন চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার পদায়ন না হওয়া পর্যন্ত সংস্থা আদেশ দ্বারা লিগ্যাল এইড অফিসারকে, ক্ষেত্রমত, চীফ লিগ্যাল এইড অফিসারের দায়িত্ব প্রদান করিতে পারিবে।
(২) চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা লিগ্যাল এইড অফিসার আইনগত সহায়তা প্রার্থীকে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, আইনি পরামর্শ প্রদান করিতে পারিবে, মামলাপূর্ব মধ্যস্থতার (Pre-case Mediation) উদ্যোগ গ্রহণ করিতে পারিবে এবং প্রচলিত আইনের অধীন আপসযোগ্য যে কোন বিষয় কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল মামলা দায়ের-পরবর্তী মধ্যস্থতা (Post-case Mediation) কার্যক্রমের জন্য প্রেরণ করিলে উহা নিষ্পত্তির ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট অফিসারের থাকিবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৩১ "নতুন বিচারে বাধা" (Bar on trial de-novo) এর বিধান দেয়। এটি ট্রাইব্যুনালকে এই ক্ষমতা দেয় যে, যদি কোনো সাক্ষীর সাক্ষ্য ইতোমধ্যে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকে বা কোনো কার্যক্রম হয়ে থাকে, তবে ট্রাইব্যুনাল সেগুলো পুনরায় শুনানি বা পুনরায় শুরু করতে বাধ্য নয়। ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে দাখিলকৃত প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ করে মামলা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে সেখান থেকে বিচার অব্যাহত রাখতে পারে। এটি দ্বিবার সাজা নীতি (Principle of double jeopardy)-এর প্রতিফলন হিসেবে কাজ করে, কারণ এটি একই বিষয়ে বারবার বিচারের সম্ভাবনা সীমিত করে।
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ৩১ ধারার বিধান: নতুন বিচারে বাধা: যার সাক্ষ্য একবার লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, ট্রাইব্যুনাল এমন কোন সাক্ষীকে পুনরায় ডাকতে বা তার বক্তব্য শ্রবণ করতে বাধ্য নয় অথবা যে কার্যক্রম একবার অনুষ্ঠিত হয়েছে তা পুনরায় আরম্ভ করতে বাধ্য নয়।
এক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে দাখিলকৃত বা লিপিবদ্ধ সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ করতে পারে এবং মামলা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে সেই পর্যায় হতে বিচার অব্যাহত রাখতে পারে।
--------------
⇒ The Special Powers Act, 1974, - Section 31: Bar on trial de-novo:
- A Special Tribunal, unless it otherwise decides, shall not be bound to recall or re-hear any witness whose evidence has already been recorded, or to re-open proceedings already held, but may act on the evidence already produced or recorded and continue the trial from the stage which the case has reached.
উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৫ অনুযায়ী, নিয়ন্ত্রিত বিলি (Controlled Delivery) হলো একটি বিশেষ তদন্ত কৌশল। এই পদ্ধতিতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মাদকদ্রব্যকে তার উৎস থেকে গন্তব্য পর্যন্ত পৌঁছাতে দেয়, যাতে করে চোরাচালান কার্যক্রমের সাথে জড়িত সকল অপরাধী (যেমন: সরবরাহকারী, পরিবহনকারী, গ্রাহক) শনাক্ত ও গ্রেফতার করা যায়।
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ২(১৫) ধারার বিধান:
- ‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়।
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৫ ধারার বিধান: গোপন অভিযোগ ও নিয়ন্ত্রিত বিলি:
(১) উপ-ধারা (২) এবং কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের সহিত বাংলাদেশের স্বাক্ষরিত চুক্তি অথবা সমঝোতা সাপেক্ষে, সরকার, এই আইন অথবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের অনুরূপ কোনো আইনের অধীন সংঘটিত কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সম্পর্কে বাংলাদেশে অথবা অন্য কোথাও প্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে, নিয়ন্ত্রিত বিলির লিখিত অনুমোদন প্রদান করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন অনুমোদন প্রদান করা হইবে না, যদি না সরকার-
(ক) কোনো ব্যক্তিকে, যাহার পরিচিতি জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত যাহাই হউক না কেন, এই বলিয়া সন্দেহ করে যে, তিনি এইরূপ কোনো কার্যে লিপ্ত ছিলেন অথবা রহিয়াছেন অথবা হইবার উদ্যোগ গ্রহণ করিয়াছেন যাহা এই আইন অথবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের অনুরূপ কোনো আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধ বলিয়া পরিগণিত; এবং
(খ) এই মর্মে সন্তুষ্ট হয়, নিয়ন্ত্রিত বিলির ব্যবস্থা এইরূপ নির্ধারিত করা হইয়াছে যে, উহাতে উক্ত ব্যক্তির কার্য প্রকাশিত হইবার অথবা উক্ত কার্যসংক্রান্ত অন্য কোনো প্রমাণ লাভের সুযোগ রহিয়াছে।
(৩) সরকার অনধিক ৩ (তিন) মাসের জন্য, সময়ে সময়ে, উক্ত অনুমোদন প্রদান করিতে পারিবে।
(৪) উপ-ধারা (১) এর সামগ্রিকতা ক্ষুণ্ন না করিয়া, উক্ত উপ-ধারার অধীন অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি, নিয়ন্ত্রিত বিলি ও গোপন অভিযান চলাকালে এবং তদুদ্দেশ্যে, নিম্নরূপ কার্যাবলি সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:-
(ক) কোনো বাহনকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া;
(খ) কোনো বাহনকে মাদকদ্রব্য সরবরাহ অথবা সংগ্রহ করিতে দেওয়া;
(গ) কোনো বাহনে প্রবেশ ও তল্লাশির জন্য পরিস্থিতি অনুযায়ী যুক্তিসংগত শক্তি প্রয়োগ করা;
(ঘ) কোনো বাহনে গোপন সংকেত প্রদানকারী যন্ত্র (Tracking Device) স্থাপন করা; এবং
(ঙ) যে ব্যক্তির অধিকারে অথবা হেফাজতে মাদকদ্রব্য রহিয়াছে তাহাকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া।
(৫) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো গোপন অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণকারী কোনো অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যক্তি, অনুমোদনের শর্ত অনুযায়ী, উক্ত অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণের জন্য কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের দায়ে দায়ী হইবে না।
উত্তর
ব্যাখ্যা
‘মাদকাসক্ত’ অর্থ শারীরিক অথবা মানসিকভাবে মাদকদ্রব্যের উপর নির্ভরশীল কোনো ব্যক্তি অথবা অভ্যাসবশে মাদকদ্রব্য ব্যবহারকারী অথবা সেবনকারী কোনো ব্যক্তি।
⇒ এই সংজ্ঞাটির মাধ্যমে “মাদকাসক্ত” বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে তা পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এখানে মূলত তিন শ্রেণির ব্যক্তিকে “মাদকাসক্ত” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে:
শারীরিকভাবে নির্ভরশীল ব্যক্তি:
এমন ব্যক্তি যিনি মাদকদ্রব্য না পেলে শরীরিকভাবে অস্বস্তি অনুভব করেন।
মানসিকভাবে নির্ভরশীল ব্যক্তি:
এখানে বোঝানো হয়েছে এমন ব্যক্তি, যিনি মানসিকভাবে মনে করেন মাদক না পেলে তিনি স্বাভাবিক চিন্তা বা কাজ করতে পারবেন না। এটি মানসিক অভ্যাস বা আসক্তি।
অভ্যাসবশে ব্যবহারকারী বা সেবনকারী ব্যক্তি:
এমন ব্যক্তি যিনি হয়তো শারীরিক বা মানসিকভাবে নির্ভরশীল নন, কিন্তু নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করে মাদক সেবন করেন। এটি সামাজিক বা ব্যক্তিগত অভ্যাসের কারণে হতে পারে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৩৫: ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান:
(১) এই আইনে যাহা কিছু থাকুক না কেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ বলবৎ হওয়ার তারিখ হইতে ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচারার্থ গ্রহণীয় ও বিচারযোগ্য হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ বলবৎ হওয়ার পূর্বে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অধীন দায়েরকৃত অনিষ্পন্ন মামলাসমূহ এখতিয়ারসম্পন্ন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বদলি হইবে না এবং উক্ত অধ্যাদেশ বলবৎ হইবার পূর্বে এই আইনের অধীন অনিষ্পন্ন মামলাসমূহ তদন্তকারী কর্মকর্তা, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত, ট্রাইব্যুনাল এবং আপীল-সংশ্লিষ্ট আদালতে এমনভাবে পরিচালিত ও নিষ্পত্তি হইবে যেন উক্ত অধ্যাদেশ বলবৎ হয় নাই।
(২) ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধ আমলযোগ্য (Cognizable), আপসযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের অভিযোগ দায়ের, তদন্ত, বিচার, আপিল ও নিষ্পত্তিসহ পদ্ধতিগত সকল ক্ষেত্রে এই আইনের অন্যান্য ধারার বিশেষ বিধানাবলির পরিবর্তে ফৌজদারী কার্যবিধি ও Evidence Act, 1872 (Act I of 1872)-এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।
(৩) যদি ট্রাইব্যুনালে বিচার্য কোন অপরাধের সহিত ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধ এমনভাবে জড়িত থাকে যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে উভয় অপরাধের বিচার একই সংগে বা একই মামলায় করা প্রয়োজন, তাহা হইলে উক্ত ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধটির বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার্য অপরাধের সহিত এই আইনের বিধান অনুসরণে একই সংগে বা একই ট্রাইব্যুনালে করা যাইবে।]
উত্তর
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রাপ্তির যোগ্যতা:
(১) এই নীতিমালার অধীন নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণ আইনগত সহায়তা পাইবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন, যথা:-
(ক) অসচ্ছল বা আর্থিকভাবে অসচ্ছল ব্যক্তি যাহার বার্ষিক গড় আয় সুপ্রীম কোর্টে আইনগত সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ১,৫০,০০০/- টাকা এবং অন্যান্য আদালতের ক্ষেত্রে ১,০০,০০০/- টাকার ঊর্ধ্বে নয়;
(খ) কর্মে অক্ষম, আংশিক কর্মক্ষম, কর্মহীন কোন ব্যক্তি;
(গ) বাৎসরিক ১,৫০,০০০/- টাকার ঊর্ধ্বে আয় করিতে অক্ষম কোন মুক্তিযোদ্ধা; এবং
(ঘ) কোন শ্রমিক যাহার বার্ষিক গড় আয় ১,০০,০০০/- টাকার ঊর্ধ্বে নয়।
(২) উপ-অনুচ্ছেদ (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই নীতিমালার অধীন নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণও আইনগত সহায়তা পাইবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন, যথা:-
(ক) কোন শিশু;
(খ) মানব পাচারের শিকার কোন ব্যক্তি;
(গ) শারীরিক, মানসিক এবং যৌন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশু;
(ঘ) নিরাশ্রয় ব্যক্তি বা ভবঘুরে;
(ঙ) ক্ষুদ্র জাতিসত্তা বা নৃ-গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের কোন ব্যক্তি;
(চ) পারিবারিক সহিংসতার শিকার বা সহিংসতার ঝুঁকিতে রহিয়াছেন এইরূপ কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি;
(ছ) বয়স্ক ভাতা পাইতেছেন এইরূপ কোন ব্যক্তি;
(জ) ভি জি ডি কার্ডধারী কোন দুস্থ মাতা;
(ঝ) দুর্বৃত্ত কর্তৃক এসিড দগ্ধ নারী বা শিশু;
(ঞ) আদর্শ গ্রামে গৃহ বা ভূমি বরাদ্দপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি;
(ট) অসচ্ছল বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা এবং দুস্থ মহিলা;
(ঠ) প্রতিবন্ধী ব্যক্তি;
(ড) আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আদালতে অধিকার প্রতিষ্ঠা বা আত্মপক্ষ সমর্থন করিতে অসমর্থ ব্যক্তি;
(ঢ) বিনা বিচারে আটক এমন কোন ব্যক্তি যিনি আত্মপক্ষ সমর্থনের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে আর্থিকভাবে অসচ্ছল;
(ণ) আদালত কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া বিবেচিত ব্যক্তি;
(ত) জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া সুপারিশকৃত বা বিবেচিত কোন ব্যক্তি; এবং
(খ) আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সংস্থা কর্তৃক সময় সময় চিহ্নিত আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন, নানাবিধ আর্থ-সামাজিক এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি যিনি আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে স্বীয় অধিকার প্রতিষ্ঠা বা মামলা পরিচালনায় অসমর্থ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
(1) The Government may, at any time, direct that any person detained in pursuance of a detention order may be released for any specified period either without conditions or upon such conditions specified in the direction as that person accepts, and may, at any time, cancel his release.
(2) In directing the release of any person under sub-section (1), the Government may require him to enter into a bond, with or without sureties, for the due observance of the conditions specified in the direction.
(3) Any person released under sub-section (1) shall surrender himself at the time and place, and to the authority, specified in the order directing his release or cancelling his release, as the case may be.
(4) If any person fails without sufficient cause to surrender himself in the manner specified in sub-section (3), he shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
(5) If any person released under sub-section (1) fails to fulfil any of the conditions imposed upon him under the said sub-section or in the bond entered into by him, the bond shall be declared to be forfeited and any person bound thereby shall be liable to pay the penalty thereof.
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৪ ধারা সরকার আটককৃত ব্যক্তিকে অস্থায়ীভাবে মুক্তি দিতে পারে। এমন অস্থায়ীভাবে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি নির্ধারিত স্থান এবং সময়ে আত্মসমর্পণ করবে। যদি সে নিজেকে আত্মসমর্পণ করতে ব্যর্থ হয় সে যেকোন বর্ণনার কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে যার মেয়াদ ২ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৭(১) অনুযায়ী, জাতীয় শিশুকল্যাণ বোর্ডের সভাপতি হন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী। বোর্ডটি শিশুদের উন্নয়ন, সুরক্ষা ও কল্যাণ সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন, তদারকি এবং সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছে।
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৭ জাতীয় শিশুকল্যাণ বোর্ড: বোর্ড গঠন:
সভাপতি: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী।
মূল সদস্যরা:
- সংসদের মনোনীত ২ জন মহিলা এমপি (সরকার ও বিরোধীদল থেকে)
- পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগীয় সচিব/যুগ্মসচিব।
- বিভাগীয় কমিশনার (ঢাকা)।
- বিভিন্ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।
- সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির প্রতিনিধি।
- শিশু ও প্রতিবন্ধী সংস্থার প্রতিনিধিরা।
- ২ জন গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং ১টি এনজিও প্রতিনিধি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- লাইসেন্সপ্রাপ্ত নহেন এইরূপ কোনো ব্যক্তির নিকট অথবা তাহার দখলকৃত কোনো স্থানে যদি মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য কোনো যন্ত্রপাতি, ওয়াশ অথবা অন্যান্য উপকরণ পাওয়া যায়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১১(২) অনুসারে জেলা কমিটির সভা সম্পর্কে বলা হয়েছে: "(২) জেলা কমিটির সভা উহার চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রতিমাসে জেলা কমিটির কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে৷"
অর্থাৎ আইন অনুযায়ী জেলা কমিটিকে প্রতি মাসে অন্তত একবার সভা করতে হবে। সুতরাং, সঠিক উত্তর ক।
উত্তর
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৯ ধারার বিধান- বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশি, ইত্যাদির দণ্ড:
যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার-
(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান,
(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং
(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) তিন মাসের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
The Special Powers Act, 1974: ধারা ২৫: কালোবাজারি বা মজুতদারির জন্য শাস্তি:
(১) যে কেউ মজুতদারি বা কালোবাজারি করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইবে, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ড, অথবা আজীবন কারাদণ্ড, অথবা চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন, এবং তাহার উপর অর্থদণ্ডও আরোপযোগ্য হইবে।
তবে যদি কোনো ব্যক্তি প্রমাণ করিতে পারেন যে তিনি লাভের উদ্দেশ্যে নয়, অর্থাৎ আর্থিক বা অন্য কোনো স্বার্থের জন্য নয়, অন্য কোনো কারণে দ্রব্য মজুত করিয়াছিলেন, তাহা হইলে তিনি সর্বাধিক তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
(২) মজুতদারি বা কালোবাজারির অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালত নির্দেশ দিবে যে, অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে এমন দ্রব্য বা সামগ্রী সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত করা হইবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন, আদালতের রায় বা আদেশে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অপরাধ সংঘটনের তারিখই হইবে শিশুর বয়স নির্ধারণের জন্য প্রাসঙ্গিক তারিখ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ কোন শিশু;
⇒ মানব পাচারের শিকার কোন ব্যক্তি;
⇒ শারীরিক, মানসিক এবং যৌন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশু;
⇒ নিরাশ্রয় ব্যক্তি বা ভবঘুরে;
⇒ ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের কোন ব্যক্তি;
⇒ পারিবারিক সহিংসতার শিকার অথবা সহিংসতার ঝুঁকিতে রহিয়াছেন এইরূপ কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি;
⇒ বয়স্ক ভাতা পাইতেছেন এইরূপ কোন ব্যক্তি;
⇒ ভি জি ডি কার্ডধারী কোন দুঃস্থ মাতা;
⇒ দুর্বৃত্ত কর্তৃক এসিড দগ্ধ নারী বা শিশু;
⇒ আদর্শ গ্রামে গৃহ বা ভূমি বরাদ্দপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি;
⇒ অসচ্ছল বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা এবং দুস্থ মহিলা;
⇒ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি;
⇒ আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আদালতে অধিকার প্রতিষ্ঠা বা আত্মপক্ষ সমর্থন করিতে অসমর্থ ব্যক্তি;
⇒ বিনা বিচারে আটক এমন কোন ব্যক্তি যিনি আত্মপক্ষ সমথর্নের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে আর্থিকভাবে অসচ্ছল;
⇒ আদালত কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া বিবেচিত ব্যক্তি;
⇒ জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া সুপারিশকৃত বা বিবেচিত কোন ব্যক্তি;
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সংস্থা কর্তৃক সময় সময় চিহ্নিত আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন, নানাবিধ আর্থ-সামাজিক এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি যিনি আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে স্বীয় অধিকার প্রতিষ্ঠা বা মামলা পরিচালনায় অসমর্থ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
(১) পক্ষগণের সহি/স্বাক্ষর ও মধ্যস্থতাকারীর স্বাক্ষরক্রমে সম্পাদিত এবং চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক প্রত্যায়িত প্রতিটি মধ্যস্থতা চুক্তি চূড়ান্ত, বলবৎযোগ্য এবং পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হইবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন চুক্তি আদালতের ডিক্রি অথবা ক্ষেত্রমত, চূড়ান্ত আদেশ হিসাবে গণ্য হইবে এবং এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের মাধ্যমে উক্ত ডিক্রি বা আদেশ জারি করা যাইবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মামলার বিচারকার্য আরম্ভ হইলে উহা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিরাম চলিবে, তবে উক্ত আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিচারকার্য মুলতবি করা একান্ত প্রয়োজন, তাহা হইলে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য, যাহা তিন কার্য দিবসের অধিক হইবে না, বিচারকার্য মুলতবি করা যাইবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
(১) ফৌজদারি কার্যবিধিসহ বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন বা এই আইনের অন্য কোন বিধানে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর এই আইনের অধীন মুক্তি প্রদান বা বিকল্প পন্থায় প্রেরণ করা অথবা তাৎক্ষণিকভাবে আদালতে হাজির করা সম্ভবপর না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে, ক্ষেত্রমত, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বা প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে শর্ত ও জামানত সাপেক্ষে, অথবা, শর্ত ও জামানত ব্যতীত জামিনে মুক্তি প্রদান করিতে পারিবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন শিশুকে জামিনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কি না তাহা শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বিবেচনায় লইবেন না।
(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, অপরাধের প্রকৃতি গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে উহা শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু কোন কুখ্যাত অপরাধীর সাহচর্য লাভ করিতে পারে বা নৈতিক বিপদের সম্মুখীন হইতে পারে বা জামিন প্রদান করা হইলে ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত হইবার আশঙ্কা থাকিলে শিশু বিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট শিশুকে জামিন বা মুক্তি প্রদান করিবেন না।
(৪) গ্রেফতারকৃত শিশুকে উপ-ধারা (৩) এর অধীন জামিনে মুক্তি প্রদান করা না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা, গ্রেফতারের পর আদালতে উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ সময় ব্যতীত, ২৪ (চবিবশ) ঘন্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিশুকে নিকটস্থ শিশু-আদালতে হাজির করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
(৫) থানা হইতে জামিনপ্রাপ্ত হয় নাই এমন কোন শিশুকে শিশু-আদালতে উপস্থাপন করা হইলে শিশু-আদালত তাহাকে জামিন প্রদান করিবে বা নিরাপদ স্থানে বা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার আদেশ প্রদান করিবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
(১) সুপ্রীমকোর্ট কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য সুপ্রীমকোর্টের মামলা পরিচালনায় অন্যুন ৫(পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।
(২) প্রত্যেক জেলা কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে জেলার কোন আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য জেলা আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যুন ৫ (পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।
(২ক) বিশেষ কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালার জন্য সংশ্লিষ্ট শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।
(৩) এই ধারার অধীন প্রণীত প্রত্যেক তালিকায় অন্যুন এক-তৃতীয়াংশ মহিলা আইনজীবী, যদি উপযুক্ত পাওয়া যায়, রাখা হইবে।
(৪) কোন বিচারপ্রার্থীর আবেদন বা দরখাস্ত বিবেচনাক্রমে যদি কোন ক্ষেত্রে, আইনগত সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, তাহা হইলে সুপ্রীম কোর্ট কমিটি বা, ক্ষেত্রমত, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি উক্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কোন আইনজীবীকে এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ নিযুক্তির ক্ষেত্রে বিচারপ্রার্থীর পছন্দ, যতদূর সম্ভব, বিবেচনা করা হইবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
(১) এই আইনে বর্ণিত অপরাধের শিকার হইয়াছেন এইরূপ নারী বা শিশুর ব্যাপারে সংঘটিত অপরাধ বা তত্সম্পর্কিত আইনগত কার্যধারার সংবাদ বা তথ্য বা নাম-ঠিকানা বা ছবি বা অন্যবিধ তথ্য কোন সংবাদ পত্রে বা অন্য কোন সংবাদ মাধ্যমে বা অনলাইনে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে] এমনভাবে প্রকাশ বা পরিবেশন করা যাইবে যাহাতে উক্ত নারী বা শিশুর পরিচয় প্রকাশ না পায় ।
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করা হইলে উক্ত লংঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের প্রত্যেকে অনধিক দুই বৎসর কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
(১) ট্রাইব্যুনাল বা, ক্ষেত্রমত, ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিত্তে বা স্বীয় বিবেচনায় তদন্তাধীন বা বিচারাধীন মামলার অভিযোগকারী বা অপরাধের শিকার ব্যক্তি বা কোন সাক্ষীকে নিরাপত্তা বা সুরক্ষা প্রদানে প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান ও ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।
(২) ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীন দায়েরকৃত মামলায় আগত সাক্ষীদের যাতায়াত ও সময়ের ক্ষতিপূরণ বাবদ যুক্তিসংগত পরিমাণ অর্থ নির্ধারণ ও প্রদান করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে সরকার প্রত্যেক ট্রাইব্যুনালের অনুকূলে পৃথক অর্থ বরাদ্দ করিবে।]
উত্তর
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির অধ্যায় ২৯ এর বিধানাবলি ক্ষুণ্ণ না করিয়া, সরকার যে কোনো সময় এই আইনের অধীন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত যে কোনো দণ্ড মওকুফ করিতে, সাময়িকভাবে স্থগিত করিতে বা হ্রাস করিতে পারিবে।
[Without prejudice to the provisions of Chapter XXIX of the Code, the Government may at any time remit, suspend or commute any sentence passed by Special Tribunal under this Act.]
উত্তর
ব্যাখ্যা
ধারা ৩১- নিরাপত্তামূলক হেফাজত
এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার চলাকালে যদি ট্রাইব্যুনাল মনে করে যে, কোন নারী বা শিশুকে নিরাপত্তামূলক হেফাজতে রাখা প্রয়োজন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল উক্ত নারী বা শিশুকে কারাগারের বাহিরে ও সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নির্ধারিত স্থানে সরকারি কর্তৃপক্ষের হেফাজতে বা ট্রাইব্যুনালের বিবেচনায় যথাযথ অন্য কোন ব্যক্তি বা সংস্থার হেফাজতে রাখিবার নির্দেশ দিতে পারিবে৷
Section 31: Safe custody
if at any stage of the trial of an offence under this Act, the Tribunal thinks that any woman or child is needed to be kept in safe custody, the Tribunal can direct to keep the woman or the child, out of the jail and under the custody of a Govt. authority determined by the Govt. for this purpose or under the custody of a person or organization whom the tribunal thinks proper.
উত্তর
ব্যাখ্যা
ধারা বিবরণ:
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ছাড়া (মানে জোরপূর্বক বা হিংসা ছাড়া), বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে ১৬ বছরের বেশি বয়সের কোন নারীর সঙ্গে যৌনকর্ম করে এবং সে সময় ওই ব্যক্তির সাথে ওই নারীর মধ্যে আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহলে সে ব্যক্তি দণ্ডনীয়।
দণ্ড:
- সর্বোচ্চ সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড;
- সাথে অতিরিক্ত অর্থদণ্ড।
⇒ এই ধারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ১১ নং অধ্যাদেশ) এর ৫ ধারাবলে সন্নিবেশিত এবং সংশোধিত।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কোন ব্যক্তি যদি তাহার হেফাজতে, দায়িত্বে বা পরিচর্যায় থাকা কোন শিশুকে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, অরক্ষিত অবস্থায় পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যার কাজে ব্যবহার বা অশালীনভাবে প্রদর্শন করে এবং এইরূপভাবে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যা বা প্রদর্শনের ফলে উক্ত শিশুর অহেতুক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয় বা স্বাস্থ্যের এইরূপ ক্ষতি হয়, যাহাতে সংশ্লিষ্ট শিশুর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়, শরীরের কোন অঙ্গ বা ইন্দ্রিয়ের ক্ষতি হয় বা কোন মানসিক বিকৃতি ঘটে, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
(১) যদি মহাপরিচালক অথবা তদন্তকারী অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার যথেষ্ট কারণ থাকে যে, কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের সহিত জড়িত থাকিয়া অবৈধ অর্থ ও সম্পদ সংগ্রহে লিপ্ত রহিয়াছেন এবং উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের বিধান অনুসারে কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্ত তাহার ব্যাংক হিসাব অথবা আয়কর অথবা সম্পদের কর সম্পর্কীয় রেকর্ডপত্র পরীক্ষা করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তদন্তকারী অফিসার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
(২) তদন্তকারী অফিসার মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ২ এর উপ-ধারা (শ) এ উল্লিখিত সম্পৃক্ত মাদকদ্রব্য অপরাধ (অবৈধ মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যবসা) নিয়ন্ত্রণের জন্য তদন্তকারী অফিসার হিসাবে গণ্য হইবেন এবং তিনি অবৈধ মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ অথবা সম্পদ সম্পর্কে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী তদন্তসহ পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবেন।
(৩) প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত হিসাব অথবা রেকর্ডপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করা কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব নিষ্ক্রিয়করণ (Freezing) করা কিংবা সম্পদ যাচাই-বাছাইয়ের (Scrutinizing) অনুমতি প্রদানের জন্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আবেদন করিতে পারিবে।
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন পেশকৃত আবেদন পর্যালোচনা করিয়া এবং আবেদনকারীকে শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত আবেদনটি নিষ্পত্তি করিবে এবং যদি তিনি প্রার্থিত অনুমতি যুক্তিসংগত বলিয়া মনে করেন, তাহা হইলে অনুমতি প্রদান করিবেন এবং উহার একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, কর অফিসার অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করিবে।
(৫) উপ-ধারা (৪) এর অধীন অনুমতিপ্রাপ্ত অফিসার তাহার পরীক্ষা-নিরীক্ষার অগ্রগতি ও ফলাফল সম্পর্কে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতকে নির্ধারিত সময়ে অবহিত করিবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়;
⇒মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৫ ধারার বিধান: গোপন অভিযোগ ও নিয়ন্ত্রিত বিলি:
(১) উপ-ধারা (২) এবং কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের সহিত বাংলাদেশের স্বাক্ষরিত চুক্তি অথবা সমঝোতা সাপেক্ষে, সরকার, এই আইন অথবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের অনুরূপ কোনো আইনের অধীন সংঘটিত কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সম্পর্কে বাংলাদেশে অথবা অন্য কোথাও প্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে, নিয়ন্ত্রিত বিলির লিখিত অনুমোদন প্রদান করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন অনুমোদন প্রদান করা হইবে না, যদি না সরকার-
(ক) কোনো ব্যক্তিকে, যাহার পরিচিতি জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত যাহাই হউক না কেন, এই বলিয়া সন্দেহ করে যে, তিনি এইরূপ কোনো কার্যে লিপ্ত ছিলেন অথবা রহিয়াছেন অথবা হইবার উদ্যোগ গ্রহণ করিয়াছেন যাহা এই আইন অথবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের অনুরূপ কোনো আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধ বলিয়া পরিগণিত; এবং
(খ) এই মর্মে সন্তুষ্ট হয়, নিয়ন্ত্রিত বিলির ব্যবস্থা এইরূপ নির্ধারিত করা হইয়াছে যে, উহাতে উক্ত ব্যক্তির কার্য প্রকাশিত হইবার অথবা উক্ত কার্যসংক্রান্ত অন্য কোনো প্রমাণ লাভের সুযোগ রহিয়াছে।
(৩) সরকার অনধিক ৩ (তিন) মাসের জন্য, সময়ে সময়ে, উক্ত অনুমোদন প্রদান করিতে পারিবে।
(৪) উপ-ধারা (১) এর সামগ্রিকতা ক্ষুণ্ন না করিয়া, উক্ত উপ-ধারার অধীন অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি, নিয়ন্ত্রিত বিলি ও গোপন অভিযান চলাকালে এবং তদুদ্দেশ্যে, নিম্নরূপ কার্যাবলি সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:-
(ক) কোনো বাহনকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া;
(খ) কোনো বাহনকে মাদকদ্রব্য সরবরাহ অথবা সংগ্রহ করিতে দেওয়া;
(গ) কোনো বাহনে প্রবেশ ও তল্লাশির জন্য পরিস্থিতি অনুযায়ী যুক্তিসংগত শক্তি প্রয়োগ করা;
(ঘ) কোনো বাহনে গোপন সংকেত প্রদানকারী যন্ত্র (Tracking Device) স্থাপন করা; এবং
(ঙ) যে ব্যক্তির অধিকারে অথবা হেফাজতে মাদকদ্রব্য রহিয়াছে তাহাকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া।
(৫) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো গোপন অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণকারী কোনো অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যক্তি, অনুমোদনের শর্ত অনুযায়ী, উক্ত অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণের জন্য কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের দায়ে দায়ী হইবে না।
উত্তর
ব্যাখ্যা
১/ ফাঁসি দিয়ে, বা
২/ নির্ধারিত পদ্ধতিতে গুলি করে; মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যেতে পারে।
Section 34A: Execution of death sentences:
When a person is sentenced to death under this Act, the sentence may be executed by hanging him by the neck till he is dead or by shooting him in the prescribed manner till he is dead as the Special Tribunal may direct.
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড + অর্থদণ্ড।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ১১: যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন 28[কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-
(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(কক) মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে বা অনধিক বার বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২০ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে ধর্মের নামে বা ভিত্তিতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোনো সংগঠন বা ইউনিয়ন গঠন করা বা তাতে অংশগ্রহণ করা নিষিদ্ধ। এই ধারায় আরও বলা হয়েছে যে, যদি কোনো সংগঠন এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে, তবে সরকার সেই সংগঠনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করতে পারে এবং সংগঠনের সম্পত্তি ও তহবিল সরকারের কাছে বাজেয়াপ্ত হবে। এছাড়া, বিলুপ্তির পরও সংগঠনের সদস্য বা কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করলে বা অংশগ্রহণ করলে ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা, বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনি পরামর্শ ও মধ্যস্থতা) বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ২৫- মামলা দায়ের-পরবর্তী মধ্যস্থতা (Post-case Mediation) কার্যক্রম:
(১) কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা, ক্ষেত্রমত, লিগ্যাল এইড অফিসার এর নিকট মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তিযোগ্য যে কোনো বিষয় মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ করা হইলে, চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা, ক্ষেত্রমত, লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক উহা নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা থাকিবে।
(২) উপ-বিধি (১) এর অধীন আপসযোগ্য যে কোনো বিষয় মামলা দায়ের-পরবর্তী মধ্যস্থতা (Post-case Mediation) কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক কোনো নথি লিগ্যাল এইড অফিসে প্রেরণ করা হইলে সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ার নিয়ে কোনো প্রশ্ন করা যাইবে না।
(৩) চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনাল থেকে মধ্যস্থতার জন্য কোনো নথি প্রাপ্ত হইলে নির্ধারিত রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করত স্বয়ং নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করিবেন, বা ক্ষেত্রমতে, লিগ্যাল এইড অফিসারকে বা স্পেশাল মেডিয়েটর-কে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করিবেন।
(৪) এই বিধির অধীন কোনো মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে পক্ষদের প্রতি কোনো নোটিশ জারি ও মধ্যস্থতা সভার কার্যপ্রণালীর ক্ষেত্রে এই বিধিমালার তৃতীয় অধ্যায়ে বর্ণিত বিধিবিধান অনুসরণ করিতে হইবে।
(৫) মধ্যস্থতাকারী এই বিধিমালার অধীন মধ্যস্থতা কার্যক্রম সম্পন্ন হইবার বা ক্ষেত্রমত, উক্তরূপ কার্যক্রম বা প্রচেষ্টা ব্যর্থ হইবার পর অনধিক ৫ (পাঁচ) দিনের মধ্যে আদালত বা ট্রাইব্যুনাল হইতে প্রাপ্ত দলিল ও কাগজাদসহ প্রস্তুতকৃত মধ্যস্থতা-চুক্তি বা প্রতিবেদন যে নামেই অভিহিত হউক না কেন, নির্ধারিত ফরম অনুসারে সংশ্লিষ্ট আদালত বা ট্রাইব্যুনালের নিকট প্রয়োজনীয় কার্যার্থে প্রেরণ করিবেন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
(১) আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু এবং আইনের সংস্পর্শে আসা শিশুর পক্ষে আইনগত প্রতিনিধিত্ব ব্যতীত কোন আদালত কোন মামলার বিচার কার্য পরিচালনা করিবে না।
(২) শিশু তাহার আইনগত প্রতিনিধিকে নিজের ভাষায় এবং, ক্ষেত্রমত, ব্যাখ্যাকারীর সাহায্যে প্রয়োজনীয় মতামত প্রদান করিবার অধিকার সংরক্ষণ করিবে।
(৩) শিশুর মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য কর্তৃক কোন আইনজীবী নিয়োগ করা না হইলে অথবা মাতা-পিতা অথবা তাহাদের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা বর্ধিত পরিবারের সদস্য না থাকিলে অথবা আইনজীবী নিয়োগের আর্থিক সামর্থ্য না থাকিলে, শিশু-আদালত জেলা আইনগত সহায়তা প্রদান কমিটি বা, ক্ষেত্রমত, সুপ্রিম কোর্ট’ এর তালিকাভুক্ত বা প্যানেলভুক্ত আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একজন উপযুক্ত আইনজীবীকে মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দায়িত্ব প্রদান করিবার লক্ষ্যে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এবং উহার অধীন প্রণীত বিধিমালা, প্রবিধানমালা ও নীতিমালা অনুসারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
(অ) কোন বিবাহের বর বা বরের পিতা বা মাতা বা প্রত্যক্ষভাবে বিবাহের সহিত জড়িত বর পক্ষের অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত বিবাহের সময় বা তৎপুর্বে বা বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকাকালে, বিবাহ স্থির থাকার শর্তে, বিবাহের পণ হিসাবে বিবাহের কনে পক্ষের নিকট দাবীকৃত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ; অথবা
(আ) কোন বিবাহের কনে পক্ষ কর্তৃক বিবাহের বর বা বরের পিতা বা মাতা বা প্রত্যক্ষভাবে বিবাহের সহিত জড়িত বর পক্ষের অন্য কোন ব্যক্তিকে উক্ত বিবাহের সময় বা তৎপুর্বে বা বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকাকালে, বিবাহ স্থির থাকার শর্তে, বিবাহের পণ হিসাবে প্রদত্ত বা প্রদানে সম্মত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ;
উত্তর
ব্যাখ্যা
- (১) এই আইনের অধীন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার, ক্ষেত্রমত, প্রত্যেক জেলা, উপজেলা এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ করিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার অব্যবহিত পূর্বে, বিদ্যমান অন্য কোন আইনের অধীন কোন ব্যক্তিকে প্রবেশন কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ করা হইলে, তিনি, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত, এই আইনের অধীন প্রবেশন কর্মকর্তা হিসাবে এমনভাবে দায়িত্ব পালন করিবেন যেন তিনি উপ-ধারা (১) এর অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত হইয়াছেন।
(৩) কোন এলাকায় প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ না করা পর্যন্ত সরকার, প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনের জন্য, অধিদপ্তরে এবং উহার নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় কর্মরত সমাজসেবা কর্মকর্তা বা সমমানের অন্য কোন কর্মকর্তাকে প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব অর্পণ করিতে পারিবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ১৭(৩) অনুসারে, বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর রায় প্রদানকালে যদি অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক প্রমাণিত হয়, তাহলে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান করে অভিযুক্তের পক্ষে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে এবং প্রয়োজনে অভিযোগকারীকে অনধিক ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারে।
সুতরাং, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক অভিযোগ প্রমাণিত হলে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ দায়েরকারীকে সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবে।
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১৭: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির মর্যাদাহানি বা ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার করিতে পারিবে।
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর রায় প্রদানকালে যদি ট্রাইব্যুনালের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রমাণিত হয় যে, কোন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহা হইলে উক্ত ট্রাইব্যুনাল মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদানপূর্বক সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি বা অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ বরাবর যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারিবে এবং প্রয়োজন মনে করিলে ক্ষতিপূরণের আদেশ প্রদানের পাশাপাশি উক্ত মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে অনধিক দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
'কোনো বিরোধ আপোষ-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত, বিরোধের সাথে জড়িত আইনি প্রশ্নে মতামত প্রদানে, যতদূর সম্ভব, বিরত থাকবেন।'
অর্থাৎ- মীমাংসার ক্ষেত্রে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার স্ব-উদ্যোগে আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান করতে পারেন না। তবে, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি নিয়ে মতামত প্রদান করতে পারেন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ১৫ক- মামলা বিচারের জন্য প্রেরণ বা স্থানান্তর:
কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ করিবার পর, মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত করিয়া-
(ক) শিশু কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ বিচারের জন্য মামলাটি প্রয়োজনীয় কাগজাদিসহ শিশু আদালতে প্রেরণ করিতে হইবে;
(খ) প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ বিচারের জন্য মামলাটি প্রয়োজনীয় কাগজাদিসহ এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে প্রেরণ করিতে হইবে; এবং
(গ) দফা (ক) ও (খ) এর অধীন মামলা প্রেরণের বিষয়টি পাবলিক প্রসিকিউটরকে অবহিত করিতে হইবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
এই আইনের অধীনে কোন অর্থদণ্ড আরোপ করা হইলে, ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট জেলার কালেক্টরকে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে বা অনুরূপ বিধি না থাকিলে, ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে, অপরাধীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয়বিধ সম্পত্তির তালিকা প্রস্তুতক্রমে ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় বা ক্রোক ছাড়াই সরাসরি নিলামে বিক্রয় করিয়া বিক্রয়লব্ধ অর্থ ট্রাইব্যুনালে জমা দিবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং ট্রাইব্যুনাল উক্ত অর্থ অপরাধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রদানের ব্যবস্থা করিবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।]
উত্তর
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ১৪: অস্থায়ী মুক্তি (Temporary release):
১. সরকার যে কোনো সময় নির্দেশ দিতে পারে যে, কোনো ব্যক্তি যাকে আটকাদেশ (detention order) অনুযায়ী আটক রাখা হয়েছে, তাকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মুক্তি দেওয়া যেতে পারে। মুক্তি কোনো শর্ত ছাড়াই বা সরকারের নির্ধারিত শর্তাবলী অনুযায়ী হতে পারে, যা ওই ব্যক্তি গ্রহণ করে। সরকারের ইচ্ছায় যে কোনো সময় তার মুক্তি বাতিল করা যেতে পারে।
২. উপধারা (১) অনুযায়ী মুক্তি দেওয়ার সময় সরকার ওই ব্যক্তিকে একটি বন্ড (bond) করতে বাধ্য করতে পারে, যা নিশ্চয়তা (sureties) সহ বা ছাড়া হতে পারে, যাতে মুক্তির শর্তাবলী ঠিকভাবে পালন করা হয়।
৩. উপধারা (১) অনুযায়ী মুক্তি প্রাপ্ত যে কোনো ব্যক্তি মুক্তি নির্দেশ বা মুক্তি বাতিলের নির্দেশে উল্লেখিত সময়, স্থান এবং কর্তৃপক্ষের কাছে নিজেকে আত্মসমর্পণ করবে।
৪. যদি কোনো ব্যক্তি যথাযথ কারণ ছাড়া উপধারা (৩) অনুযায়ী নিজেকে আত্মসমর্পণ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
৫. যদি কোনো মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপধারা (১) অনুযায়ী বা নিজের বন্ডে উল্লেখিত শর্তগুলো পূরণ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে বন্ডটি বাজেয়াপ্ত (forfeit) ঘোষণা করা হবে এবং বন্ডে বাধ্য থাকাকালীন যে কোনো ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য অর্থ প্রদানে বাধ্য থাকবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(ট) এ 'শিশু' এর সংজ্ঞা এভাবে দেওয়া হয়েছে:
"(ট) 'শিশু' অর্থ অনধিক ষোল বৎসর বয়সের কোন ব্যক্তি;"
অর্থাৎ, এই আইনের আওতায় যে কোনো ব্যক্তি যার বয়স ১৬ বছর পূর্ণ হয়নি, তাকে শিশু হিসেবে গণ্য করা হবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ The Special Powers Act, 1974 এর Section 3(3) অনুসারে, যখন কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট Section 3(2)-এর অধীনে কোনো ব্যক্তিকে আটকের আদেশ (detention order) জারি করেন, তখন সেই আদেশ সরকারের অনুমোদন ছাড়া ৩০ দিনের বেশি বলবৎ থাকতে পারবে না।
⇒ The Special Powers Act, 1974, Section 3(3)- When any order is made under sub-section (2), the District Magistrate or the Additional District Magistrate making the order shall forthwith report the fact to the Government together with the grounds on which the order has been made and such other particulars as, in his opinion, have a bearing on the matter, and no such order shall remain in force for more than thirty days after the making thereof unless in the meantime it has been approved by the Government.