বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

Optional Laws-1

মোট প্রশ্ন৩৫১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Optional Laws-1

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৩৫১

২০১.
লিগ্যাল এইড অফিসার যখন মিমাংসা সভা (মেডিয়েশন) আয়োজন করেন, তখন জারিকারক নোটিশ গ্রহণের কত দিনের মধ্যে পক্ষগুলোর ঠিকানায় জারি করতে হবে?
  1. অনধিক ৫ দিন
  2. অনধিক ৭ দিন
  3. অনধিক ১০ দিন
  4. অনধিক ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক মিমাংসা সভা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে জারিকারক নোটিশ গ্রহণের খ) অনধিক ৭ দিন-এর মধ্যে পক্ষগণের ঠিকানায় জারির ব্যবস্থা করবেন। 
- জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী, লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক প্রেরিত নোটিশ জারির জন্য জারিকারক নোটিশ প্রাপ্তির অনধিক সাত দিনের মধ্যে তা পক্ষগণের নিকট জারির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫  বিধি- ৬: পক্ষগণের প্রতি নোটিশ।
(১) লিগ্যাল এইড অফিসার, মিমাংসা সভায় হাজির হইবার জন্য, পক্ষগণ বরাবর ফরম-২(ক) মোতাবেক নোটিশ প্রেরণ করিবেন।
(২) পক্ষগণের ঠিকানা নোটিশে উল্লেখপূর্বক লিগ্যাল এইড অফিসের অফিস সহকারী এতদ্‌সংশ্লিষ্ট রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করতঃ উক্ত নোটিশ জারীকারক বরাবর হস্তান্তর করিবেন।
(৩) জারীকারক, নোটিশ গ্রহণের তারিখ হইতে অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে, পক্ষগণের ঠিকানায় নোটিশ জারীর ব্যবস্থা করিবেন।
(৪) উপ-বিধি (২) এ উল্লিখিত জারীকারক নিয়োগ না হওয়া অবধি জেলাজজ আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নেজারত শাখা উহার জারীকারক দ্বারা জারীকার্য সম্পাদনে লিগ্যাল এইড অফিসকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, জেলাজজ আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে নোটিশ জারীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসকে এতদসংক্রান্ত ব্যয়ভার বহন করিতে হইবে।

২০২.
নিচের কোনটি শিশু-আদালত আদেশ প্রদানের সময় বিবেচনার বিষয় নয়?
  1. শিশুর অভিমত
  2. শিশুর আর্থিক অবস্থা
  3. শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা
  4. শিশুর পরিবারের আর্থিক অবস্থা
সঠিক উত্তর:
শিশুর আর্থিক অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশুর আর্থিক অবস্থা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) শিশুর আর্থিক অবস্থা।

শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৩০: শিশু-আদালত কর্তৃক আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়:

এই আইনের অধীন কোন আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে শিশু-আদালত নিম্নবর্ণিত বিষয় বিবেচনা করিবে, যথা :- 
(ক) শিশুর বয়স ও লিঙ্গ; 
(খ) শিশুর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা; 
(গ) শিশুর শিক্ষাগত যোগ্যতা বা শিশু কোন্ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত; 
(ঘ) শিশুর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নৃতাত্ত্বিক অবস্থা; 
(ঙ) শিশুর পরিবারের আর্থিক অবস্থা; 
(চ) শিশুর ও তাহার পরিবারের জীবন-যাপন পদ্ধতি; 
(ছ) অপরাধ সংঘটনের কারণ, দলবদ্ধতার তথ্য, সার্বিক পরিস্থিতি ও পটভূমি; 
(জ) শিশুর অভিমত; 
(ঝ) সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন; এবং
(ঞ) শিশুর সংশোধন ও সর্বোত্তম স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য আনুষঙ্গিক যে সকল বিষয় বিবেচনার্থে গ্রহণ করা আবশ্যক ও প্রয়োজন।
২০৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় “শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল” গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২৫
  2. ধারা ২৫ক
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৬ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬ক
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৬ক: শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল:
(১) ধারা ২৬ এর উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও সরকার এই আইনের অধীন শিশু ধর্ষণ সংক্রান্ত অপরাধ বিচারের নিমিত্ত প্রত্যেক জেলায় ও মহানগর এলাকায় এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে এবং এইরূপ ট্রাইব্যুনাল শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল নামে অভিহিত হইবে।

(২) একজন বিচারক সমন্বয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং সরকার জেলা ও দায়রা জজগণের মধ্য হইতে উক্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিবে।

(৩) সরকার, প্রয়োজনবোধে, কোন জেলা ও দায়রা জজকে তাহার দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবে।

(৪) এই ধারায় জেলা ও দায়রা জজ বলিতে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজও অন্তর্ভুক্ত।

(৫) শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল এই আইনের অধীন গঠিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের কার্যপদ্ধতি প্রয়োজনীয় অভিযোজন সহকারে অনুসরণ করিবে।

(৬) এই ধারার অধীন ট্রাইব্যুনাল গঠিত না হওয়া পর্যন্ত ধারা ২৬ এর অধীন গঠিত ট্রাইব্যুনাল এই ধারায় উল্লিখিত ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব পালন করিতে পারিবে।]
২০৪.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৯ অনুযায়ী, কত বছর কম-বয়সী ব্যক্তির ক্ষেত্রে সম্মতিসহ যৌন সম্পর্ক “ধর্ষণ” হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ২১ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ১৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৯- ধর্ষণ ও ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু ইত্যাদির শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

ব্যাখ্যা-
(১) যদি কোন ব্যক্তি বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন করিয়া বা প্রতারণামূলকভাবে তাহার সম্মতি আদায় করিয়া, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন শিশুর সহিত তাহার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌনকর্ম করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, “ধর্ষণ” অর্থে বলাৎকারও অন্তর্ভুক্ত হইবে।
২০৫.
শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হতে __________ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে। 
  1. ৯০
  2. ১২০
  3. ১৮০
  4. ৩৬০
সঠিক উত্তর:
৩৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩২: বিচার সমাপ্তির সময়সীমা:
 (১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 

(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে। 

(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত 15[ যতদূর সম্ভব,] একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে। 

(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।
২০৬.
এক ব্যক্তি একজন নারীর সম্মতি ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে তার সম্ভ্রমহানি করল। এই ঘটনার কারণে অপমানিত হয়ে সেই নারী আত্মহত্যা করলেন। এই পরিস্থিতিতে অপরাধীর সর্বনিম্ন কত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. দুই বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. সাত বছর
  4. দশ বছর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ৯ক- নারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা, ইত্যাদির শাস্তি:
কোন নারীর সম্মতি ছাড়া বা ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তির ইচ্ছাকৃত (Wilful) কোন কার্য দ্বারা সম্ভ্রমহানি হইবার প্রত্যক্ষ কারণে কোন নারী আত্মহত্যা করিলে উক্ত ব্যক্তি উক্ত নারীকে অনুরূপ কার্য দ্বারা আত্মহত্যা করিতে প্ররোচিত করিবার অপরাধে অপরাধী হইবেন এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

Section 9A - Punishment for Abetment of Suicide of a Woman:
If a woman commits suicide as a direct result of any deliberate (willful) act by any person that violates her dignity without her consent or against her will, that person shall be guilty of abetting her to commit suicide through such act. For this offense, the offender shall be punishable with rigorous imprisonment for a term not exceeding ten years but not less than five years, and shall also be liable to a fine.
২০৭.
শিশু আইন, ২০১৩ এর কত ধারায় 'Minimum Standards of Care' সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৬১
  2. ধারা ৬৩
  3. ধারা ৬৫
  4. ধারা ৬৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬৩
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৬৩: পরিচর্যার ন্যূনতম মানদণ্ড (Minimum Standards of Care):
(১) সরকার, সময় সময়, অফিস আদেশ বা নির্দেশনা জারির মাধ্যমে প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে অবস্থানরত শিশুদের যথাযথ পরিচর্যার জন্য ন্যূনতম মানদণ্ড নির্ধারণ করিবে এবং প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানসমূহ উক্ত আদেশ বা নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচর্যার ন্যূনতম মানদণ্ড বজায় রাখিবে। 
 
(২) প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে অবস্থানরত শিশুদের অপরাধের মাত্রা, ধরণ ও বয়স বিবেচনায় লইয়া বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করিয়া রাখিতে হইবে : 
 
তবে শর্ত থাকে যে, উল্লিখিত শ্রেণি বিভাগের সময় বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখিতে হইবে যেন, ৯ (নয়) বৎসরের ঊর্ধ্বের কোন শিশুর সহিত ১০ (দশ) বৎসরের এবং ১০ (দশ) বৎসরের ঊর্ধ্বের কোন শিশুর সহিত ১২ (বার) বৎসরের ঊর্ধ্বের শিশুকে একত্রে একই কক্ষে এবং ফ্লোরে রাখা না হয়; 
 
আরও শর্ত থাকে যে, ১২ (বার) বৎসর এবং তদুর্ধ্ব বয়সের বয়স্ক শিশুর ক্ষেত্রে অপরাধের মাত্রা, শিশুর বাড়ন্ত শারীরিক কাঠামো, সবলতা, ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় লইয়া তাহাদের আবাসনের বিষয়টি সতর্কভাবে খেয়াল রাখিতে হইবে এবং, যতদূর সম্ভব, তাহাদের পৃথক পৃথক কক্ষে রাখিবার ব্যবস্থা করিতে হইবে। 
 
(৩) দণ্ডবিধির ধারা ৮২ এর উদ্দেশ্যপূরণকল্পে ৯ (নয়) বৎসর বয়সের কম বয়সী কোন শিশুকে কোন প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে রাখা যাইবে না : 
 
তবে শর্ত থাকে যে, কোন কারণে ৯ (নয়) বৎসর বয়সের কম বয়সী অভিভাবকহীন কোন শিশুকে কোথাও পাওয়া গেলে তাহাকে অধিদপ্তর বা উহার নিকটস্থ কোন কার্যালয়ে প্রেরণ করিতে হইবে এবং অধিদপ্তর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বোর্ডের গোচরীভূত করতঃ সংশ্লিষ্ট শিশুকে সুবিধাবঞ্চিত শিশু গণ্যে, ক্ষেত্রমত, ধারা ৮৪ বা ধারা ৮৫ এর বিধান অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে। 
 
(৪) প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানসমূহ, উক্ত প্রতিষ্ঠানে অবস্থানকারী, প্রত্যেক শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ রক্ষা এবং তাহাদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ, মানবিক আচরণ এবং যথোপযুক্ত শিক্ষাসহ কারিগরী শিক্ষা নিশ্চিত করিবে।
২০৮.
“নিয়ন্ত্রিত বিলি (Controlled Delivery)” বলতে কী বোঝায়?
  1. মাদকদ্রব্য বিক্রির অনুমোদন দেওয়া
  2. মাদকদ্রব্য ধ্বংস করার প্রক্রিয়া
  3. মাদক পরীক্ষার সরকারি অনুমতি
  4. মাদক অপরাধীদের সনাক্তকরণের জন্য বিশেষ তদন্ত কৌশল 
সঠিক উত্তর:
মাদক অপরাধীদের সনাক্তকরণের জন্য বিশেষ তদন্ত কৌশল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদক অপরাধীদের সনাক্তকরণের জন্য বিশেষ তদন্ত কৌশল 
ব্যাখ্যা

• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ২(১৫) ধারায় উল্লেখ আছে-
‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়।

২০৯.
শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে কোন আদালতে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যায়?
  1. স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে
  2. দায়রা জজ আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. পুনর্বিবেচনার বিধান নেই
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৪১: আপিল ও পুনর্বিবেচনা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত 18[ আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায়] প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 
(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।
(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
২১০.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশি করলে সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৯ ধারার বিধান বেআইনি অথবা হয়রানিমূলক তল্লাশি, ইত্যাদির দণ্ড:
- যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার- 
(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান, 
(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং 
(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
২১১.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯(খ) অনুসারে, অপরাধ সংঘটনের সময় নারীর বয়স হতে হবে-
  1. ১৮ বছরের অধিক
  2. ১৬ বছরের অধিক
  3. ১৫ বছরের অধিক
  4. ১৪ বছরের অধিক
সঠিক উত্তর:
১৬ বছরের অধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছরের অধিক
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ: বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড:
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।]

২১২.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীন “বিচারপ্রার্থী” বলতে বোঝাবে-
  1. দায়েরকৃত মামলার প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী
  2. দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী
  3. দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার প্রকৃত বাদী, বিবাদী
  4. দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার সম্ভাব্য বা প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী
সঠিক উত্তর:
দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার সম্ভাব্য বা প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার সম্ভাব্য বা প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-

ধারা ২(ছ) “বিচারপ্রার্থী” অর্থ-
কোন আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত [দেওয়ানী, পারিবারিক বা ফৌজদারী মামলার] সম্ভাব্য বা প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী।
২১৩.
'ক' তাঁর বাসায় কাজ করা ৮ বছর বয়সী শিশু মিঠুনকে না খাইয়ে, মারধর করে এবং প্রচণ্ড ঠান্ডায় বাইরে আটকে রাখে। এতে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় 'ক' এর সর্বোচ্চ কী দণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার দণ্ড- (ধারা ৭০, শিশু আইন ২০১৩)
কোন ব্যক্তি যদি তাহার হেফাজতে, দায়িত্বে বা পরিচর্যায় থাকা কোন শিশুকে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, অরক্ষিত অবস্থায় পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যার কাজে ব্যবহার বা অশালীনভাবে প্রদর্শন করে এবং এইরূপভাবে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যা বা প্রদর্শনের ফলে উক্ত শিশুর অহেতুক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয় বা স্বাস্থ্যের এইরূপ ক্ষতি হয়, যাহাতে সংশ্লিষ্ট শিশুর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়, শরীরের কোন অঙ্গ বা ইন্দ্রিয়ের ক্ষতি হয় বা কোন মানসিক বিকৃতি ঘটে, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
২১৪.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় হয়রানিমূলক তল্লাশির শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৩৮ ধারায়
  2. ৩১ ধারায়
  3. ৩৯ ধারায়
  4. ৪১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৯ অনুসারে, যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার- 

(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান, 

(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং 

(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
২১৫.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুসারে শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার শাস্তি সর্বোচ্চ কত বৎসর?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৭০ ধারার বিধান শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার দণ্ড: 
 কোন ব্যক্তি যদি তাহার হেফাজতে, দায়িত্বে বা পরিচর্যায় থাকা কোন শিশুকে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, অরক্ষিত অবস্থায় পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যার কাজে ব্যবহার বা অশালীনভাবে প্রদর্শন করে এবং এইরূপভাবে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যা বা প্রদর্শনের ফলে উক্ত শিশুর অহেতুক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয় বা স্বাস্থ্যের এইরূপ ক্ষতি হয়, যাহাতে সংশ্লিষ্ট শিশুর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়, শরীরের কোন অঙ্গ বা ইন্দ্রিয়ের ক্ষতি হয় বা কোন মানসিক বিকৃতি ঘটে, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
২১৬.
নিচের কোন ব্যক্তি আইনগত সহায়তা পাওয়ার উপযুক্ত বিবেচিত হবেন না?
  1. ভবঘুরে ব্যক্তি
  2. পলাতক অভিযুক্ত
  3. এসিড দগ্ধ নারী
  4. মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
পলাতক অভিযুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পলাতক অভিযুক্ত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) পলাতক অভিযুক্ত।

• আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ এর অধীন নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণও আইনগত সহায়তা পাইবার যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন:-

⇒ কোন শিশু;
মানব পাচারের শিকার কোন ব্যক্তি;
⇒ শারীরিক, মানসিক এবং যৌন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশু;
⇒ নিরাশ্রয় ব্যক্তি বা ভবঘুরে;
⇒ ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের কোন ব্যক্তি;
⇒ পারিবারিক সহিংসতার শিকার অথবা সহিংসতার ঝুঁকিতে রহিয়াছেন এইরূপ কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি;
⇒ বয়স্ক ভাতা পাইতেছেন এইরূপ কোন ব্যক্তি;
⇒ ভি জি ডি কার্ডধারী কোন দুঃস্থ মাতা;
⇒ দুর্বৃত্ত কর্তৃক এসিড দগ্ধ নারী বা শিশু;
⇒ আদর্শ গ্রামে গৃহ বা ভূমি বরাদ্দপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি;
⇒ অসচ্ছল বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা এবং দুস্থ মহিলা;
⇒ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি;
⇒ আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আদালতে অধিকার প্রতিষ্ঠা বা আত্মপক্ষ সমর্থন করিতে অসমর্থ ব্যক্তি;
⇒ বিনা বিচারে আটক এমন কোন ব্যক্তি যিনি আত্মপক্ষ সমথর্নের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে আর্থিকভাবে অসচ্ছল;
⇒ আদালত কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া বিবেচিত ব্যক্তি;
⇒ জেল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আর্থিকভাবে অসহায় বা অসচ্ছল বলিয়া সুপারিশকৃত বা বিবেচিত কোন ব্যক্তি;
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সংস্থা কর্তৃক সময় সময় চিহ্নিত আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন, নানাবিধ আর্থ-সামাজিক এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি যিনি আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে স্বীয় অধিকার প্রতিষ্ঠা বা মামলা পরিচালনায় অসমর্থ।
২১৭.
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনি পরামর্শ ও মধ্যস্থতা) বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ৪ অনুযায়ী, মধ্যস্থতা কার্যক্রমে উপযুক্ত কারণ ব্যতিরেকে প্রতিপক্ষ অনুপস্থিত বা অসম্মতি প্রদর্শন করলে কী হবে?
  1. এক পক্ষীয় কার্যক্রম পরিচালিত হবে
  2. আদালত উক্ত পক্ষকে দোষী ঘোষণা করবে
  3. স্পেশাল মেডিয়েটরের নিকট মধ্যস্থতা কার্যক্রম প্রেরিত হবে
  4. উক্ত পক্ষ পরবর্তী আইনগত সহায়তা প্রাপ্তিতে অযোগ্য হবে
সঠিক উত্তর:
উক্ত পক্ষ পরবর্তী আইনগত সহায়তা প্রাপ্তিতে অযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত পক্ষ পরবর্তী আইনগত সহায়তা প্রাপ্তিতে অযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনি পরামর্শ ও মধ্যস্থতা) বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ৪: মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার উদ্যোগ গ্রহণ:
(১) মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার উদ্যোগ গ্রহণের নিমিত্তে চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা ক্ষেত্রমত, লিগ্যাল এইড অফিসার নির্ধারিত ফরমে আবেদনকারীর সম্মতি গ্রহণ করিবেন ও মধ্যস্থতা সংক্রান্ত একটি নথি সৃজন করিবেন; অতঃপর মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের নিমিত্ত প্রতিপক্ষ বরাবর নির্ধারিত ফরমে ধার্য তারিখ উল্লেখ করিয়া নোটিশ ইস্যু করিবেন।

(২) নির্ধারিত তারিখে প্রতিপক্ষ উপস্থিত হইলে চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা ক্ষেত্রমত, লিগ্যাল এইড অফিসার নির্ধারিত ফরমে প্রতিপক্ষের সম্মতি গ্রহণ করিবেন।

(৩) উপ-বিধি (১) এর অধীনে মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করিতে প্রতিপক্ষ সম্মতি প্রদান না করিলে বা উপস্থিত না হইলে চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার বা ক্ষেত্রমত, লিগ্যাল এইড অফিসার সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে মধ্যস্থতা কার্যক্রম ব্যর্থ হইবার কারণ উল্লেখপূর্বক নির্ধারিত ফরমে প্রতিবেদন প্রদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, উপযুক্ত কারণ ব্যতিরেকে উক্তরূপ অসম্মতি বা অনুপস্থিতির কারণে সংশ্লিষ্ট বিরোধে পরবর্তী আইনগত সহায়তা প্রাপ্তিতে উক্ত প্রতিপক্ষ অযোগ্য বলিয়া গণ্য হইবেন।

(৪) উপ-বিধি (২) এর অধীনে প্রতিপক্ষ মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করিতে সম্মতি প্রদান করিলে চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার স্বয়ং মধ্যস্থতা কার্যক্রম গ্রহণ ও সম্পন্ন করিবেন অথবা আবেদন সম্বলিত নথি লিগ্যাল এইড অফিসার বা স্পেশাল মেডিয়েটরের নিকট মধ্যস্থতা কার্যক্রম গ্রহণ ও সম্পন্ন করিবার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন।

২১৮.
কোনো ব্যক্তির নিকট লাইসেন্সবিহীন মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য কোনো যন্ত্রপাতি পাওয়া গেলে, উক্ত ব্যক্তি সর্বনিম্ন কত বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে?
  1. ২ বছরের
  2. ১ বছরের
  3. ৩ বছরের
  4. ৫ বছরের
সঠিক উত্তর:
২ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭- মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি, ইত্যাদি রাখিবার দণ্ড

লাইসেন্সপ্রাপ্ত নহেন এইরূপ কোনো ব্যক্তির নিকট অথবা তাহার দখলকৃত কোনো স্থানে যদি মাদকদ্রব্য উৎপাদনে ব্যবহারযোগ্য কোনো যন্ত্রপাতি, ওয়াশ অথবা অন্যান্য উপকরণ পাওয়া যায়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবে।
২১৯.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ধারা ২৫খ (২) তে বর্ণিত অপরাধের শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974

ধারা ২৫খ (২):
 
নিষিদ্ধ পণ্য বাংলাদেশে এনে বিক্রি, বা বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রস্তাব বা প্রদর্শন, অথবা নিজ অধিকারে বা নিয়ন্ত্রণে রাখার অপরাধ করলে, উক্ত অপরাধের শাস্তি সর্বোচ্চ ৭ এবং সর্বনিম্ন ১ বছরের কারাদণ্ড, এবং অর্থদণ্ড।
 
Section 25B(2)- Penalty for smuggling
Whoever sells, or offers or displays for sale, or keeps in his possession or under his control for the purpose of sale, any goods the bringing of which into Bangladesh is prohibited by or under any law for the time being in force shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to seven years and shall not be less than one year, and shall also be liable to fine.
২২০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৪(১) ধারায় প্রদত্ত সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  2. সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. দশ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০ এর ৪(১) ধারায় 'দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার' শাস্তির বিধান রয়েছে। উক্ত ধারানুসারে,
- সর্বোচ্চ শাস্তি- মৃত্যুদণ্ড;
- সর্বনিম্ন শাস্তি- যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড;
- অর্থদণ্ড- অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা।

⇒ ধারা ৪- দহনকারী, ইত্যাদি পদার্থ দ্বারা সংঘটিত অপরাধের শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
(২) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী বা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীকে এমনভাবে আহত করেন যাহার ফলে উক্ত শিশু বা নারীর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয় বা শরীরের কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হয় বা তাহার শরীরের অন্য কোন স্থান আহত হয়, তাহা হইলে উক্ত শিশুর বা নারীর-

(ক) দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট বা মুখমণ্ডল, স্তন বা যৌনাংগ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) শরীরের অন্য কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার বা শরীরের কোন স্থানে আঘাত পাওয়ার ক্ষেত্রে, উক্ত ব্যক্তি অনধিক চৌদ্দ বৎসর কিন্তু অন্যূন সাত বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ হাজার টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৩) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ কোন শিশু বা নারীর উপর নিক্ষেপ করেন বা করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি, তাহার উক্তরূপ কার্যের দরুণ সংশ্লিষ্ট শিশু বা নারীর শারীরিক, মানসিক বা অন্য কোনভাবে কোন ক্ষতি না হইলেও, অনধিক সাত বৎসর কিন্তু অন্যূন তিন বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ হাজার টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৪) এই ধারার অধীন অর্থদণ্ডের অর্থ প্রচলিত আইনের বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত ব্যক্তির নিকট হইতে বা তাহার বিদ্যমান সম্পদ, বা তাহার মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর সময় রাখিয়া যাওয়া সম্পদ হইতে আদায় করিয়া অপরাধের দরুণ যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটিয়াছে তাহার উত্তরাধিকারীকে বা, ক্ষেত্রমত, যেই ব্যক্তি শারীরিক বা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হইয়াছেন, সেই ব্যক্তিকে বা সেই ব্যক্তির মৃত্যুর ক্ষেত্রে, তাহার উত্তরাধিকারীকে প্রদান করা হইবে।
২২১.
শিশু আইনের অধীন কোন এলাকায় প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ না করা পর্যন্ত প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন-
  1. শিশু আদালতের বিচারক
  2. জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা
  3. সমাজসেবা কর্মকর্তা
  4. সিভিল সার্জন
সঠিক উত্তর:
সমাজসেবা কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাজসেবা কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৫ ধারার বিধান প্রবেশন কর্মকর্তা:
 (১) এই আইনের অধীন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার, ক্ষেত্রমত, প্রত্যেক জেলা, উপজেলা এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ করিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইন কার্যকর হইবার অব্যবহিত পূর্বে, বিদ্যমান অন্য কোন আইনের অধীন কোন ব্যক্তিকে প্রবেশন কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ করা হইলে, তিনি, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত, এই আইনের অধীন প্রবেশন কর্মকর্তা হিসাবে এমনভাবে দায়িত্ব পালন করিবেন যেন তিনি উপ-ধারা (১) এর অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত হইয়াছেন। 
 
(৩) কোন এলাকায় প্রবেশন কর্মকর্তা নিয়োগ না করা পর্যন্ত সরকার, প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনের জন্য, অধিদপ্তরে এবং উহার নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় কর্মরত সমাজসেবা কর্মকর্তা বা সমমানের অন্য কোন কর্মকর্তাকে প্রবেশন কর্মকর্তার দায়িত্ব অর্পণ করিতে পারিবে।
২২২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী বিচারের উদ্দেশ্যে দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে পলাতক আসামীকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া যায়?
  1. ৯০
  2. ৬০
  3. ৩০
  4. ১৫
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ২১ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যদি ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-

(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছে বা আত্মগোপন করিয়াছেন; এবং
(খ) তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল অন্তত: দুইটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত সময়, যাহা ত্রিশ দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে।

(২) যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।
২২৩.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুসারে শিশুকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি বিবেচনা করা হবে না?
  1. শিশুর নিরাপত্তা
  2. অপরাধের প্রকৃতি
  3. শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ
  4. অপরাধ জামিনযোগ্য কি না
সঠিক উত্তর:
অপরাধ জামিনযোগ্য কি না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ জামিনযোগ্য কি না
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ৫২(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, শিশুকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা অপরাধটি জামিনযোগ্য বা অজামিনযোগ্য কি না, তা বিবেচনা করবেন না। এটি শিশু আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা ফৌজদারি কার্যবিধি বা অন্যান্য আইনের সাধারণ বিধান থেকে ভিন্ন। এর উদ্দেশ্য হলো শিশুদের সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিত করা এবং তাদের গ্রেফতার বা আটকের পর দ্রুত মুক্তির সুযোগ দেওয়া।
যদি অপরাধটি গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হয়, জামিন দেওয়া শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হয়, শিশু কুখ্যাত অপরাধীর সান্নিধ্যে যেতে পারে, নৈতিক বিপদের সম্মুখীন হতে পারে, বা ন্যায়বিচার ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তবে জামিন দেওয়া হবে না। এই ক্ষেত্রে শিশুকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিশু-আদালতে হাজির করতে হবে।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
শিশুর নিরাপত্তা (ক): ধারা ৫২(৩) অনুযায়ী, শিশুর নিরাপত্তা জামিন দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা। যদি জামিন দেওয়া শিশুর নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয় বা তাকে কুখ্যাত অপরাধীর সান্নিধ্যে নিয়ে যায়, তবে জামিন দেওয়া হবে না।
অপরাধের প্রকৃতি (খ): ধারা ৫২(৩)-এ বলা হয়েছে, যদি অপরাধ গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হয়, তবে জামিন দেওয়া থেকে বিরত থাকা যেতে পারে। অর্থাৎ, অপরাধের প্রকৃতি জামিনের সিদ্ধান্তে বিবেচিত হয়।
শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ (গ): শিশু আইনের মূলনীতি হলো শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিত করা। ধারা ৫২(৩)-এ উল্লেখ আছে যে, জামিন দেওয়া শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হলে তা দেওয়া হবে না। সুতরাং, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা।

⇒ শিশু আইন, ২০১৩-এর ধারা ৫২ জামিন, ইত্যাদি:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধিসহ বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন বা এই আইনের অন্য কোন বিধানে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর এই আইনের অধীন মুক্তি প্রদান বা বিকল্প পন্থায় প্রেরণ করা অথবা তাৎক্ষণিকভাবে আদালতে হাজির করা সম্ভবপর না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে, ক্ষেত্রমত, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বা প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে শর্ত ও জামানত সাপেক্ষে, অথবা, শর্ত ও জামানত ব্যতীত জামিনে মুক্তি প্রদান করিতে পারিবেন।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন কোন শিশুকে জামিনে মুক্তি প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য বা জামিন অযোগ্য কি না তাহা শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বিবেচনায় লইবেন না।
(৩) উপ-ধারা (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, অপরাধের প্রকৃতি গুরুতর বা ঘৃণ্য প্রকৃতির হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে উহা শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থের পরিপন্থী হইলে বা জামিন প্রদান করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু কোন কুখ্যাত অপরাধীর সাহচর্য লাভ করিতে পারে বা নৈতিক বিপদের সম্মুখীন হইতে পারে বা জামিন প্রদান করা হইলে ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত হইবার আশঙ্কা থাকিলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট শিশুকে জামিন বা মুক্তি প্রদান করিবেন না।
(৪) গ্রেফতারকৃত শিশুকে উপ-ধারা (৩) এর অধীন জামিনে মুক্তি প্রদান করা না হইলে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা, গ্রেফতারের পর আদালতে উপস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্রমণ সময় ব্যতীত, ২৪ (চবিবশ) ঘন্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিশুকে নিকটস্থ শিশু-আদালতে হাজির করিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
(৫) থানা হইতে জামিনপ্রাপ্ত হয় নাই এমন কোন শিশুকে শিশু-আদালতে উপস্থাপন করা হইলে শিশু-আদালত তাহাকে জামিন প্রদান করিবে বা নিরাপদ স্থানে বা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখিবার আদেশ প্রদান করিবে।

২২৪.
নিম্নের কোনটি The Special Powers Act, 1974 এর তফসিলভুক্ত আইন-
  1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
  2. মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮
  3. The Arms Acts, 1878
  4. The Explosive Act, 1884
সঠিক উত্তর:
The Arms Acts, 1878
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Arms Acts, 1878
ব্যাখ্যা

The Special Powers Act, 1974 এর তফসিলভুক্ত আইনসমূহ:
- এই আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ।
- Arms Act, 1878 (XI of 1878) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অর্থাৎ, অস্ত্র আইন, ১৮৭৮-এর অধীনে যেসব অপরাধ শাস্তিযোগ্য, সেগুলোও অন্তর্ভুক্ত।
- Explosive Substances Act, 1908 (VI of 1908) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অর্থাৎ, বিস্ফোরক পদার্থ আইন, ১৯০৮-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- Emergency Powers Act, 1975 (I of 1975) এর অধীনে বা সেই আইন অনুযায়ী গঠিত যে কোনো নিয়ম/আদেশের অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ।
- উপরোক্ত যে কোনো অপরাধ করার চেষ্টা, ষড়যন্ত্র বা প্ররোচনা/সহায়তা। 
অর্থাৎ, যদি কেউ এই অপরাধগুলোর প্রস্তুতি নেয়, সাহায্য করে বা ষড়যন্ত্র করে, তাহলে সেটিও শাস্তিযোগ্য হবে।

২২৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর কোন ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে ট্রাইব্যুনাল বিচার করতে পারে?
  1. ধারা ১৯
  2. ধারা ২০
  3. ধারা ২১
  4. ধারা ২৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ২১ ধারার বিধান অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার পরিচালনা করতে পারে। এই ধারায় উল্লেখ আছে যে, যদি ট্রাইব্যুনালের বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক বা আত্মগোপন করেছেন এবং তাঁর আশু গ্রেফতারের সম্ভাবনা না থাকে, তবে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া (যেমন, দুইটি বাংলা দৈনিক পত্রিকায় প্রজ্ঞাপন জারি) অনুসরণ করে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাজির না হলে, ট্রাইব্যুনাল তাঁর অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পারে। এছাড়াও, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি হাজির হওয়ার পর বা জামিনে মুক্তির পর পলাতক হন, তবে কারণ লিপিবদ্ধ করে ট্রাইব্যুনাল বিচার সম্পন্ন করতে পারে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ধারা ২১।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ২১ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যদি ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছে বা আত্মগোপন করিয়াছেন; এবং
(খ) তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল অন্তত: দুইটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত সময়, যাহা ত্রিশ দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে।

(২) যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।

২২৬.
জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার নির্বাহী পরিচালক কে নিয়োগ দেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সরকার
  3. সুপ্রীম কোর্ট কমিটি
  4. জাতীয় পরিচালনা বোর্ড
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২১- নির্বাহী পরিচালক:
(১) সংস্থার একজন নির্বাহী পরিচালক থাকিবেন এবং তিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন৷

(২) নির্বাহী পরিচালক, সংস্থার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য দায়ী থাকিবেন এবং বোর্ডের নির্দেশ মোতাবেক সংস্থার কার্য সম্পাদন করিবেন।

(৩) সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে।

(৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্বাহী পরিচালক নিয়োগ না হওয়া অবধি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্য হইতে চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত কোন কর্মকর্তা নির্বাহী পরিচালক]রূপে কাজ করিবেন৷

(৫) উপ-ধারা (৩) এর অধীন কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ না হওয়া অবধি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় উহার বিদ্যমান কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্য হইতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী দ্বারা উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত কার্য সম্পাদনে 52[নির্বাহী পরিচালক]কে সহায়তা প্রদান করিবে।

২২৭.
শিশু আইনের অধীন কোন ধরনের শিশুকে গ্রেফতার করা বা আটক রাখা যাবে না?
  1. ১৬ বছরের নিম্নের
  2. ৯ বছরের নিম্নের
  3. ১২ বছরের নিম্নের
  4. ১১ বছরের নিম্নের
সঠিক উত্তর:
৯ বছরের নিম্নের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ বছরের নিম্নের
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৪- গ্রেফতার, ইত্যাদি

(১) এই ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ৯ (নয়) বৎসরের নিম্নের কোন শিশুকে কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা বা, ক্ষেত্রমত, আটক রাখা যাইবে না। 
 
(২) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে নিবর্তনমূলক আটকাদেশ সংক্রান্ত কোন আইনের অধীন গ্রেফতার বা আটক করা যাইবে না। 
 
(৩) শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর গ্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারের কারণ, স্থান, অভিযোগের বিষয়বস্তু, ইত্যাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে অবহিত করিবেন এবং প্রাথমিকভাবে তাহার বয়স নির্ধারণ করিয়া নথিতে লিপিবদ্ধ করিবেন: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, গ্রেফতার করিবার পর কোন শিশুকে হাতকড়া বা কোমরে দড়ি বা রশি লাগানো যাইবে না। 
 
(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা, উক্ত সনদের অবর্তমানে স্কুল সার্টিফিকেট বা স্কুলে ভর্তির সময় প্রদত্ত তারিখসহ প্রাসঙ্গিক দলিলাদি উদ্‌ঘাটনপূর্বক যাচাই-বাছাই করিয়া তাহার বয়স লিপিবদ্ধ করিবেন: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তার নিকট প্রতীয়মান হয় যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন শিশু কিন্তু সম্ভাব্য সকল চেষ্টা করিয়াও দালিলিক প্রমাণ দ্বারা তাহা নিশ্চিত হওয়া যায় না, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিকে এই আইনের বিধান অনুযায়ী শিশু হিসাবে গণ্য করিতে হইবে। 
 
(৫) সংশ্লিষ্ট থানায় শিশুর জন্য উপযোগী কোন নিরাপদ স্থান না থাকিলে গ্রেফতারের পর হইতে আদালতে হাজির না করা সময় পর্যন্ত শিশুকে নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ক্ষেত্রে শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক বা ইতোমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হইয়াছেন এইরূপ কোন শিশু বা অপরাধী এবং আইনের সংস্পর্শে আসা কোন শিশুর সহিত একত্রে রাখা যাইবে না।
২২৮.
মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে -
  1. আপিল ট্রাইব্যুনালে
  2. দায়রা জজ আদলতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. স্পেশাল জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৪ ধারার বিধান অপরাধের বিচার, ইত্যাদি: (১) এই আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধসমূহ অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সংশ্লিষ্ট দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, উহার এখতিয়ারাধীন এলাকার জন্য, কেবল মাদকদ্রব্য অপরাধ বিচারের নিমিত্ত, প্রয়োজনে, এক বা একাধিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত নির্দিষ্ট করিবেন।]

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৫৩ ধারার বিধান আপিল:
- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে, রায় প্রদানের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে, আপিল করা যাইবে:
- তবে শর্ত থাকে যে, রায়ের জাবেদা নকল পাওয়ার জন্য যে সময় অতিবাহিত হইবে উহা উক্ত সময় হইতে কর্তন করিতে হইবে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৫৪ ধারার বিধান: ফৌজদারি কার্যবিধির প্রয়োগ:
- এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে মাদকদ্রব্য অপরাধের অভিযোগ (এফ আই আর) দায়ের, তদন্ত, অনুসন্ধান, বিচার ও  আপিল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

আপিল ৫৩ ধারা অনুযায়ী-
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে রায় প্রদানের তারিখ হতে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আপিল করা যাবে। কিন্তু কোন আদালতে আপিল করা যাবে তা নির্দিষ্ট করা হয়নি ৫৩ ধারায়। এ ক্ষেত্রে, সংশোধিত ৫৪ ধারা অনুসারে আপিলের নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে CrPC'র বিধানাবলি প্রযোজ্য হবে। যেহেতু সংশোধিত আইনে আপিলের Forum বর্ণিত হয়নি, সেহেতু আপিলের Forum'র ক্ষেত্রেও CrPC'র ৪০৮, ৪১০ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে। এ বিধান অনুযায়ী- দায়রা জজের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে। CJM/CMM কর্তৃক প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপিল দায়ের করতে হবে।

অর্থাৎ মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।
২২৯.
একজন ব্যক্তি যদি নিষিদ্ধ পণ্য (যেমন নিষিদ্ধ আমদানি সামগ্রী) বিক্রি, প্রদর্শন বা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখেন, তাহলে তিনি বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড পেতে পারেন?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: ধারা ২৫খ- চোরাচালানের শাস্তি–
(১) যদি কোনো ব্যক্তি আপাতত বলবত কোনো আইন দ্বারা বা আইনের অধীন আরোপিত বিধি-নিষেধ বা নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করিয়া বা আপাতত বলবত কোনো আইনের অধীন আদায়যোগ্য শুল্ক বা কর ফাঁকি দিয়া-
(ক) পাট, স্বর্ণ বা রৌপ্যের বাঁট, স্বর্ণ বা রৌপ্য নির্মিত দ্রব্য, মুদ্রা, খাদ্যদ্রব্য, ঔষধ, আমদানিকৃত পণ্যদ্রব্য, অথবা অন্য কোনো পণ্যদ্রব্য বাংলাদেশের বাহিরে নেয়; বা
(খ) বাংলাদেশের ভিতরে কোনো পণ্যদ্রব্য আনয়ন করেন,
তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে, বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, বা অনধিক চৌদ্দ বৎসর ও অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদন্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি আপাতত বলবত কোনো আইন দ্বারা বা আইনের অধীন বাংলাদেশে আনয়ন করা নিষিদ্ধ এইরূপ পণ্যদ্রব্য বিক্রয় করেন, বা বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করেন বা প্রদর্শন করেন বা বিক্রয়ের জন্য তাহার দখলে বা নিয়ন্ত্রণে রাখেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক সাত বৎসর কিন্তু এক বৎসরের নিম্নে নহে কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হইবেন।

ব্যাখ্যা: যা পণ্য নিষিদ্ধের সময় বাসভবনবহির্ভূত কোনো জায়গায় পাওয়া যায়, আদালত ধরে নেবে যে এটি ‘বিক্রির উদ্দেশ্যে’ রাখা হয়েছিল; মালিককে প্রমাণ করতে হবে যে তা বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়নি বা নিষেধাজ্ঞার বলবৎ হওয়ার আগে আমদানি করা হয়েছিল।
২৩০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বেআইনী উদ্দেশ্যে কোনো শিশুকে বিদেশ থেকে আনা , বিদেশে পাচার করা বা কোনো শিশুকে ক্রয়-বিক্রয় করার অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
• নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৬(১) ধারা তে এই বিধান ছিল যে, যদি কোন ব্যক্তি কোন বেআইনী বা নীতিবহির্ভূত উদ্দেশ্যে কোন শিশুকে বিদেশ হইতে আনয়ন করেন বা বিদেশে প্রেরণ বা পাচার করেন অথবা ক্রয় বা বিক্রয় করেন বা উক্তরুপ কোন উদ্দেশ্যে কোন শিশুকে নিজ জিম্মায় বা হেফাজতে রাখেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দন্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

বর্তমানে এই ধারা রহিত করা হয়েছে। মানব পাচার সংক্রান্ত সকল অপরাধ 'মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২' দ্বারা পরিচালিত হয়। এই আইনের ৬ ধারা অনুসারে, মানব পাচার অপরাধ সংঘটনকারী কোন ব্যক্তি অনধিক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
২৩১.
১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোন আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচার করতে পারে?
  1. The Arms Act,1878
  2. সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩
  3. মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮
  4. উল্লিখিত সকল আইনের
সঠিক উত্তর:
The Arms Act,1878
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Arms Act,1878
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ (২) ধারা অনুসারে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এই আইনের তফসিলে উল্লেখিত নির্দিষ্ট অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে। বিশেষ ট্রাইব্যুনাল তফসিলে উল্লেখিত নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের বা নিম্নলিখিত আইনে উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার করতে পারবে-

১. ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন বর্ণিত অপরাধসমূহ;
২. the Arms Act, 1878 (XI of 1878) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৩. the Explosive Substances Act, 1908 (VI of 1908) এর অধীন অপরাধসমূহ;
৪. the Emergency Powers Act, 1975 এর অধীন অপরাধসমূহ;
৫. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫ [Formalin Control Act, 2015)] এর অধীন অপরাধসমূহ;
৬. Any attempt or conspiracy to commit, or any abetment of, or any preparation for commission of, any of the above offences.
২৩২.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩২ অনুযায়ী, শিশু-আদালতের বিচারকার্য সম্পন্ন করার জন্য নির্ধারিত মূল সময়সীমা কত?
  1. ১৮০ দিন
  2. ২৪০ দিন
  3. ৩৬০ দিন
  4. ৪২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩২(১) অনুযায়ী, শিশু-আদালত শিশুর প্রথম উপস্থিতির তারিখ থেকে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে বাধ্য। যদি বিশেষ কারণে সময় বাড়ানোর প্রয়োজন হয়, তবে ধারা ৩২(২) অনুযায়ী আরও ৬০ দিন বাড়ানো যেতে পারে, কিন্তু মূল সময়সীমা ৩৬০ দিন।

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩২: বিচার সমাপ্তির সময়সীমা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে।
(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত যতদূর সম্ভব, একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে।
(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।

২৩৩.
The Special Powers Act, 1974 এর 25A ধারার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করা হয়েছে-
  1. ২০ বছর কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড
  4. ১৪ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
• The Special Powers Act, 1974 এর 25A ধারার বিধানুযায়ী-

কারেন্সী নোট ও সরকারি স্ট্যাম্প জাল করলে অথবা জাল করার যন্ত্রপাতি ব্যবহার /প্রস্তুত করলে শাস্তি হবে-
'মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।'
২৩৪.
নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটাতে দহনকারী, ক্ষয়কারী বা বিষাক্ত পদার্থ ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৪- দহনকারী, ইত্যাদি পদার্থ দ্বারা সংঘটিত অপরাধের শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব বিশ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী বা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন শিশু বা নারীকে এমনভাবে আহত করেন যাহার ফলে উক্ত শিশু বা নারীর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয় বা শরীরের কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হয় বা তাহার শরীরের অন্য কোন স্থান আহত হয়, তাহা হইলে উক্ত শিশুর বা নারীর-

(ক) দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট বা মুখমণ্ডল, স্তন বা যৌনাংগ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) শরীরের অন্য কোন অংগ, গ্রন্থি বা অংশ বিকৃত বা নষ্ট হওয়ার বা শরীরের কোন স্থানে আঘাত পাওয়ার ক্ষেত্রে, উক্ত ব্যক্তি অনধিক চৌদ্দ বৎসর কিন্তু অন্যূন সাত বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পাঁচ লক্ষ টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
 
(৩) যদি কোন ব্যক্তি কোন দহনকারী, ক্ষয়কারী অথবা বিষাক্ত পদার্থ কোন শিশু বা নারীর উপর নিক্ষেপ করেন বা করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি, তাহার উক্তরূপ কার্যের দরুণ সংশ্লিষ্ট শিশু বা নারীর শারীরিক, মানসিক বা অন্য কোনভাবে কোন ক্ষতি না হইলেও, অনধিক সাত বৎসর কিন্তু অন্যূন তিন বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অনূর্ধ্ব পাঁচ লক্ষ টাকার অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(৪) এই ধারার অধীন অর্থদণ্ডের অর্থ প্রচলিত আইনের বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত ব্যক্তির নিকট হইতে বা তাহার বিদ্যমান সম্পদ, বা তাহার মৃত্যুর ক্ষেত্রে মৃত্যুর সময় রাখিয়া যাওয়া সম্পদ হইতে আদায় করিয়া অপরাধের দরুণ যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটিয়াছে তাহার উত্তরাধিকারীকে বা, ক্ষেত্রমত, যেই ব্যক্তি শারীরিক বা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হইয়াছেন, সেই ব্যক্তিকে বা সেই ব্যক্তির মৃত্যুর ক্ষেত্রে, তাহার উত্তরাধিকারীকে প্রদান করা হইবে।
২৩৫.
সংবাদ মাধ্যমে নির্যাতিতা নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ক্ষেত্রে অনধিক কত টাকা অর্থদণ্ড দেয়া যেতে পারে?
  1. ৫০,০০০ টাকা
  2. ২,০০,০০ টাকা
  3. ১,০০,০০০ টাকা
  4. ৩,০০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১,০০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪- সংবাদ মাধ্যমে নির্যাতিতা নারী ও শিশুর পরিচয় প্রকাশের ব্যাপারে বাধা-নিষেধ

(১) এই আইনে বর্ণিত অপরাধের শিকার হইয়াছেন এইরূপ নারী বা শিশুর ব্যাপারে সংঘটিত অপরাধ বা তত্সম্পর্কিত আইনগত কার্যধারার সংবাদ বা তথ্য বা নাম-ঠিকানা বা অন্যবিধ তথ্য কোন সংবাদ পত্রে বা অন্য কোন সংবাদ মাধ্যমে এমনভাবে প্রকাশ বা পরিবেশন করা যাইবে যাহাতে উক্ত নারী বা শিশুর পরিচয় প্রকাশ না পায় ।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান লংঘন করা হইলে উক্ত লংঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের প্রত্যেকে অনধিক দুই বৎসর কারাদণ্ডে বা অনূর্ধ্ব এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।

Section 14: Prohibition on publishing acquaintance of a woman or a child oppressed, in new media

i. Any news, information or name & address or any other information regarding any offence, under this Act, committed or any legal proceeding thereof, of which a woman or a child is the victim, shall be published or presented as such that the acquaintance of the woman or the child shall be undisclosed.

ii. In case, where the provision under sub-section (і) is infringed, the person or persons liable for such infringement, each shall be punished with imprisonment for either description, which may extend to two years or with fine not exceeding one lac taka or both.
২৩৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ অনুযায়ী, বিবাহের প্রলোভনে যৌনকর্মের সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সাথে যৌনকর্ম করলে অপরাধী "অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে" দণ্ডনীয় হবেন। অর্থাৎ, এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি হলো ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড। এছাড়াও এই শাস্তির অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেরও বিধান রয়েছে।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ: বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড:
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

২৩৭.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীনে গঠিত সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার কতজন উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে?
  1. এক-তৃতীয়াংশ
  2. দুই-তৃতীয়াংশ
  3. এক-চতুর্থাংশ
  4. দুই-চতুর্থাংশ
সঠিক উত্তর:
এক-তৃতীয়াংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক-তৃতীয়াংশ
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৮গ ধারার বিধান সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা:
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, সুপ্রীম কোর্ট কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা উহার চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে:
 তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি দুইমাস অন্তর অন্তর কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৩) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির চেয়ারম্যান উক্ত কমিটির সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৪) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মূলতবী সভার ক্ষেত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৫) শুধুমাত্র কোন সদস্য পদের শূন্যতা বা কমিটি গঠনে ক্রটি থাকার কারণে কমিটির কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তৎসম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
২৩৮.
রিমার বিয়ের পর থেকে তার স্বামী যৌতুকের জন্য চাপ দিতে থাকে। একপর্যায়ে মারধর করে তাকে গুরুতর আহত করে। এই অবস্থায় অভিযুক্ত স্বামীর সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন 28[কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-
(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(কক) মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে বা অনধিক বার বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবে

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর] সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
২৩৯.
"আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনি পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা" কত সালে প্রণয়ন করা হয়?
  1. ২০০০
  2. ২০১৪
  3. ২০১৫
  4. ২০১১
সঠিক উত্তর:
২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ৬ নং আইন) এর ধারা ২২ক তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার "আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিক্রোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫" প্রণয়ন করেন।

- আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিক্রোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ এর প্রথম অধ্যায়ের প্রথম বিধিতে শিরোনাম দেওয়া আছে।

-বিধি-১ শিরোনাম: -এই বিধিমালা আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিক্রোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ নামে অভিহিত হইবে।
২৪০.
"ক্ষতিকর কার্যকলাপ" (prejudicial act) এর সংজ্ঞায় নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জনশৃঙ্খলা ব্যাহত করা
  2. সম্প্রদায়গত বিদ্বেষ সৃষ্টি
  3. ব্যক্তিগত ঋণ না পরিশোধ
  4. বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ক্ষতি
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ঋণ না পরিশোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত ঋণ না পরিশোধ
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ২(চ) অনুসারে "ক্ষতিকর কার্যকলাপ" (prejudicial act) এর সংজ্ঞায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত:
- বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বা প্রতিরক্ষার ক্ষতি করা
- বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট করা
- বাংলাদেশের নিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলা বিপন্ন করা
- বিভিন্ন সম্প্রদায়, শ্রেণি বা গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করা
- আইনের প্রশাসন বা জনশৃঙ্খলায় হস্তক্ষেপ করা
- জনগণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় সরবরাহ ও সেবা বিঘ্নিত করা
- জনগণের মধ্যে ভয় বা উদ্বেগ সৃষ্টি করা
- রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক বা আর্থিক স্বার্থের ক্ষতি করা
→ ব্যক্তিগত ঋণ না পরিশোধ এই সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এটি ব্যক্তিগত দেওয়ানি বিরোধ যা ক্ষতিকর কার্যকলাপের আওতায় পড়ে না। সুতরাং, সঠিক উত্তর গ।
 ------ 
⇒ The Special Powers Act, 1974, Section-2(f) “prejudicial act” means any act which is intended or likely- 
(i) to prejudice the sovereignty or defence of Bangladesh;  
(ii) to prejudice the maintenance of friendly relations of Bangladesh with foreign states; 
(iii) to prejudice the security of Bangladesh or to endanger public safety or the maintenance of public order; 
(iv) to create or excite feelings of enmity or hatred between different communities, classes or sections of people; 
(v) to interfere with or encourage or incite interference with the administration of law or the maintenance of law and order; 
(vi) to prejudice the maintenance of supplies and services essential to the community; 
(vii) to cause fear or alarm to the public or to any section of the public; 
(viii) to prejudice the economic or financial interests of the State; 
(h) “prescribed” means prescribed by rules made under this Act.

২৪১.
ক্ষতিকর কাজ [Prejudicial Acts] হতে বিরত রাখার জন্য সরকার 'খ' কে বাংলাদেশ হতে অপসারিত হবার নির্দেশ দেয়। কিন্তু 'খ' এই আদেশ পালনে ব্যর্থ হয়। এক্ষেত্রে 'খ' কোন দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে
  2. ৫ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে
  3. ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে
  4. ৭ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩(১) ধারায় সরকার কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখার জন্য আটক করার এবং অপসারিত হওয়ার আদেশ উভয় ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং ৩(২) ধারায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শুধুমাত্র কোন ব্যক্তিকে আটক আদেশ দিতে পারে।

সরকার ২(চ) ধারায় উল্লেখিত যে কোন ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখার জন্য সরকার কোন ব্যক্তিকে আটক বা অপসারিত হওয়ার আদেশ দিতে পারে কিন্তু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ২(চ) ধারার (৩), (৪), (৫); (৬), (৭) বা (৮) দফায় উল্লেখিত ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখার জন্য শুধুমাত্র আটক আদেশ দিতে পারে।

৩(৫) ধারায় উল্লেখ আছে যে, ক্ষতিকর কাজ [Prejudicial Acts] হতে কোন ব্যক্তিকে বিরত রাখার জন্য সরকার বাংলাদেশ হতে সেই ব্যক্তিকে স্বয়ং অপসারিত হবার নির্দেশ দিলে এবং উক্ত ব্যক্তি এই আদেশ পালনে ব্যর্থ হলে, তিনি ৩ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা জরিমানাসহ বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
২৪২.
কোনো অপরাধ সংঘটনে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু জড়িত থাকলে কী হবে?
  1. অভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন এবং অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ
  2. ভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন কিন্তু অপরাধ একই সাথে আমলে গ্রহণ
  3. অভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন এবং অপরাধ একইসাথে আমলে গ্রহণ
  4. ভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন এবং অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
ভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন এবং অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিন্ন তদন্ত প্রতিবেদন এবং অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৫- পুলিশ রিপোর্ট (investigation report) বা অনুসন্ধান প্রতিবেদন (inquiry report) বা তদন্ত প্রতিবেদন (enquiry report) পৃথকভাবে প্রস্তুত ও আমলে গ্রহণ

(১) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ সংঘটনে প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু জড়িত থাকিলে, পুলিশ রিপোর্ট (জি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা ক্ষেত্রমত, অনুসন্ধান প্রতিবেদন (সি.আর মামলার ক্ষেত্রে) বা তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশুর জন্য পৃথকভাবে প্রস্তুত করিয়া দাখিল করিতে হইবে। 

(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও শিশু কর্তৃক একত্রে সংঘটিত কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণের ক্ষেত্রে তাহাদের অপরাধ পৃথকভাবে আমলে গ্রহণ করিতে হইবে
২৪৩.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর অধীনে অনূর্ধ্ব কত দিনের জন্য লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাস সাময়িকভাবে স্থগিত করা যেতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর ধারা ১৭- লাইসেন্স, ইত্যাদি সাময়িকভাবে স্থগিতকরণ:
(১) লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাস প্রদানকারী কোনো অফিসারের নিকট যদি ইহা প্রতীয়মান হয় যে তৎকর্তৃক প্রদত্ত কোনো লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের শর্তাবলি যথাযথভাবে পালন করা হইতেছে না, তাহা হইলে উক্ত অফিসার লিখিত আদেশ দ্বারা এই আইনের অধীন অন্যান্য ব্যবস্থা গ্রহণ সাপেক্ষে লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাস অনূর্ধ্ব ৬০ (ষাট) দিনের জন্য সাময়িকভাবে স্থগিত করিতে পারিবে। 

(২) কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশের দ্বারা সংক্ষুব্ধ হইলে তিনি আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিবসের মধ্যে- 
(ক) আদেশটি যদি মহাপরিচালকের অধস্তন কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত হইয়া থাকে, তাহা হইলে মহাপরিচালকের নিকট আপিল করিতে পারিবে; এবং 
(খ) আদেশটি যদি মহাপরিচালক কর্তৃক প্রদত্ত হইয়া থাকে, তাহা হইলে সরকারের নিকট আপিল করিতে পারিবে। 

(৩) উপ-ধারা (২)-এ উল্লিখিত আপিল কর্তৃপক্ষের রায় চূড়ান্ত হইবে এবং উহার বিরুদ্ধে কোনো আদালতে মামলা দায়ের করা যাইবে না।
২৪৪.
শিশু ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগ সংক্রান্ত অপরাধে সর্বোচ্চ অর্থদণ্ড কত টাকা?
  1. ৫০,০০০ টাকা
  2. ৭৫,০০০ টাকা
  3. ১,০০,০০০ টাকা
  4. ২,০০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১,০০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৭১: শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগের দণ্ড:
কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগ করেন বা কোন শিশুর দ্বারা ভিক্ষা করান অথবা শিশুর হেফাজত, তত্ত্বাবধান বা দেখাশুনার দায়িত্বে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগদানে প্রশ্রয়দান করেন বা উৎসাহ প্রদান করেন বা ভিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রদান করেন, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
২৪৫.
'ক' এর বিরুদ্ধে 'খ' কর্তৃক নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে প্রমাণ হয়, 'খ', 'ক' এর ক্ষতিসাধনের জন্য এই মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে। এক্ষেত্রে 'খ' কি শাস্তি পেতে পারে?
  1. অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. অনধিক ৫ বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. অনধিক ১৪ বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি:

(১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (১) এর অধীন সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করিতে পারিবে।

Section 17: Punishment for filing any false case, complaint etc.

i. If any person files or causes to be filed any case or complaint against a person under this Act for the purpose of causing injury to that person, although he knows that he had not any proper or; legal ground to do so, the person filing or causing to be filed that case or complain shall be punished with rigorous imprisonment for either description which may extend to seven years and also with fine.

ii. The Tribunal can take cognizance and adjudicate any offence under subsection (і), on a written application by any person.
২৪৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সাক্ষীকে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করানোর দায়িত্ব কাকে প্রদান করা হয়েছে?
  1. ট্রাইব্যুনাল
  2. সরকারি কৌঁসুলি
  3. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  4. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
ধারা ২৪- সাক্ষীর উপস্থিতি:
(১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচারের জন্য সাক্ষীর সমন বা ওয়ারেন্ট কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট সাক্ষীর সর্বশেষ বসবাসের ঠিকানা যে থানায় অবস্থিত, সেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত সাক্ষীকে উক্ত ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করিবার দায়িত্ব উক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার থাকিবে

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও সাক্ষীর সমনের একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট সাক্ষীকে এবং সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সুপার বা, ক্ষেত্রমত, পুলিশ কমিশনারকে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সমেত নিবন্ধিত ডাকযোগে প্রেরণ করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন কোন সমন বা ওয়ারেন্ট কার্যকর করিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ইচ্ছাকৃত গাফিলতি করিলে ট্রাইব্যুনাল উহাকে অদক্ষতা হিসাবে চিহ্নিত করিয়া সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৪) কোন ব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে কিংবা ট্রাইব্যুনাল স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত মনে করিলে যে কোন দূরবর্তী সাক্ষীর সাক্ষ্য, এ সম্পর্কিত বলবৎ আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রহণ করিতে পারিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে সরকার এবং অন্যান্য কর্তৃপক্ষ ট্রাইব্যুনালকে তথ্যপ্রযুক্তিগত প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করিবে।
২৪৭.
The Special Powers Act, 1974 অনুযায়ী ভেজাল খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রয়ের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইনে ২৫গ বাধার বিধান: ভেজাল দেওয়া বা ভেজাল খাদ্য, পানীয়, ঔষধ বা প্রসাধনী বিক্রয় করার শাস্তি:
এখানে ভেজাল খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রয়ের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এর বিধান রয়েছে।

⇒ The Special Powers Act, 1974 Section-25C. Penalty for adulteration of, or sale of adulterated food, drink, drugs or cosmetics:
(1) Whoever-
(a) adulterates any article of food or drink, so as to make such article noxious as food or drink, intending to sell such article as food or drink, or knowing it to be likely that the same will be sold as food or drink; or
(b) sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit for food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink; or
(c) adulterates any drug or medical preparation in such a manner as to lessen the efficacy or change the operation of such drug or medical preparation, or to make it noxious, intending that it shall be sold or used for, or knowing it to be likely that it will be sold or used for, any medical purpose, as if it had not undergone such adulteration; or
(d) knowing any drug or medical preparation to have been adulterated is such a manner as to lessen its efficacy, to change its operation, or to render it noxious, sells the same, or offers or exposes it for sale, or issues it from any dispensary for medical purposes as unadulterated, or causes it to be used for medical purposes by any person not knowing of the adulteration; or
(e) knowingly sells, or offers or exposes for sale, or issues from a dispensary for medical purposes, any drug or medical preparation, as a different drug or medical preparation,
shall be punishable with death, or with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.

(2) Whoever-
(a) adulterates any hair oil, toilet soap or other cosmetic in such a manner as to make it harmful to hair, skin,
complexion or any part of the body, intending that it shall be sold or used for, or knowing it to be likely that it will be sold or used for, any cosmetic purpose; or
(b) knowing any hair oil, toilet soap or other cosmetic to have been adulterated in such a manner as to make it harmful to hair, skin, complexion or any part of the body, sells the same, or offers or exposes it for sale, as adulterated,
 shall be punishable with rigorous imprisonment for a term which may extend to five years, and shall also be liable to fine.
২৪৮.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার কত ঘন্টার মধ্যে এই সংক্রান্ত একটি সার্টিফিকেট বিনামূল্যে ভিকটিমকে প্রদান করতে হবে?
  1. ৩৬ ঘন্টা
  2. ৪৮ ঘন্টা
  3. ৭২ ঘন্টা
  4. ২৪ ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
৭২ ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২ ঘন্টা
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৩২ অনুসারে, অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসককে বিনামূল্যে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট প্রদান করতে হবে—শিকার ব্যক্তি বা তার পরিবারের সদস্য এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাকে। এই সার্টিফিকেটটি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রস্তুত হয় এবং এটি বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৩২ অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করিয়া সরকারি হাসপাতালে কিংবা সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে স্বীকৃত কোন বেসরকারি হাসপাতালে সম্পন্ন করা যাইবে এবং সরকারি হাসপাতালে এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তি নিজে হাজির হইলে কিংবা এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা অপরাধের শিকার ব্যক্তি পুলিশ কর্তৃক উপস্থাপিত হইলে তাহাদের মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য কোন ফি প্রদেয় হইবে না।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন হাসপাতালে এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য উপস্থিত করা হইলে, উক্ত হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাহার মেডিক্যাল পরীক্ষা অতিদ্রুত সম্পন্ন করিবে এবং উক্ত মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হইবার পরবর্তী বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যে এই সংক্রান্ত একটি সার্টিফিকেট বিনামূল্যে অপরাধের শিকার ব্যক্তিকে বা, ক্ষেত্রমত, তাহার পরিবারকে ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রদান করিবে এবং এইরূপ অপরাধ সংঘটনের বিষয়টি স্থানীয় থানাকে অবহিত করিবে।
(৩) এই ধারার অধীন যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে কোন মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন না করার ক্ষেত্রে, তৎসম্পর্কে ব্যাখ্যা সম্বলিত প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা কিংবা, ক্ষেত্রমত, মেডিক্যাল পরীক্ষার আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ম্যাজিষ্ট্রেট, ট্রাইব্যুনাল বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোন কর্তৃপক্ষ যদি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকই দায়ী, তাহা হইলে উহা দায়ী ব্যক্তির অদক্ষতা ও অসদাচরণ বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং এই অদক্ষতা ও অসদাচরণ তাহার বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে লিপিবদ্ধ করা হইবে এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে চাকুরী বিধিমালা অনুযায়ী তাহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে, এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কর্তব্যে অবহেলার জন্য তাহার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বা, ক্ষেত্রমত, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দিতে পারিবে ৷

২৪৯.
মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধসমূহ ___________ কর্তৃক বিচার্য হবে।
  1. স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল
  2. মাদকদ্রব্য ট্রাইব্যুনাল
  3. এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত
  4. শুধুমাত্র দায়রা আদালত
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৪৪: অপরাধের বিচার, ইত্যাদি:
(১) এই আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধসমূহ অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সংশ্লিষ্ট দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, উহার এখতিয়ারাধীন এলাকার জন্য, কেবল মাদকদ্রব্য অপরাধ বিচারের নিমিত্ত, প্রয়োজনে, এক বা একাধিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত নির্দিষ্ট করিবেন।
২৫০.
What does Section 34A of the Special Powers Act, 1974 primarily deal with?
  1. Bail conditions
  2. Arrest procedures
  3. Execution of death sentences
  4. Appeals against death sentences
সঠিক উত্তর:
Execution of death sentences
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Execution of death sentences
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974: Section 34A- Execution of death sentences:
When a person is sentenced to death under this Act, the sentence may be executed by hanging him by the neck till he is dead or by shooting him in the prescribed manner till he is dead as the Special Tribunal may direct.

ধারা ৩৪ক - মৃত্যুদণ্ডে কার্যকর করণ:
যখন কোনো ব্যক্তিকে এই আইনের অধীনে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, তখন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল যেভাবে নির্দেশ করবে সেই অনুযায়ী তার গলায় ফাঁসি দিয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখা হবে অথবা নির্ধারিত পদ্ধতিতে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে।
২৫১.
একজন ব্যক্তি সান্ধ্য আইন (কারফিউ) লঙ্ঘন করে বাড়ির বাইরে বের হয়। তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কী সাজা হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ২৪: সান্ধ্য আইন- 
(১) কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মহানগরী এলাকায় পুলিশ কমিশনার, সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, নির্দেশ প্রদান করিতে পারেন যে, আদেশে উল্লিখিত অব্যাহতি সাপেক্ষে, আদেশে উল্লেখিত এলাকা বা এলাকাসমূহে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি, আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত লিখিত অনুমতি ব্যতীত, ঘরের বাহির হইবে না।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি এই ধারার অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক এক বৎসরের কারাদণ্ডে, বা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

২৫২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৫ক(১) অনুযায়ী, অভিযোগকারী থানায় হাজির হলে অফিসার ইনচার্জের প্রাথমিক দায়িত্ব কী?
  1. মামলা তদন্ত শুরু করা
  2. অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা
  3. অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করা
  4. ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন পাঠানো
সঠিক উত্তর:
অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করা
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ২৫ক(১) অনুযায়ী, যখন কোনো অভিযোগকারী প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ থানায় হাজির হন, তখন অফিসার ইনচার্জের প্রাথমিক দায়িত্ব হলো অভিযোগটি তাৎক্ষণিকভাবে এজাহারভুক্ত করা। এর পাশাপাশি, তিনি অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন, যা এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলির সাপেক্ষে। এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ দ্রুত ও কার্যকরভাবে গ্রহণ এবং প্রক্রিয়াকরণ নিশ্চিত করা।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ২৫ক-থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ কোনো অভিযোগকারী থানায় হাজির হইলে অফিসার ইনচার্জ তাৎক্ষণিকভাবে তাহার অভিযোগটি এজাহারভুক্ত করিবেন এবং ক্ষেত্রমত এই আইনের অন্যান্য বিধানাবলি সাপেক্ষে অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন।
(২) অভিযোগকারী প্রাথমিক সাক্ষ্যপ্রমাণসহ থানায় হাজির হইলে তাহাকে কেবল এই যুক্তিতে ফিরাইয়া দেওয়া যাইবে না যে, তাহার ঘটনাটি অন্য থানার এখতিয়ারাধীন এলাকায় ঘটিয়াছে, বরং যেই থানাতেই অভিযোগ করা হউক না কেন, উক্ত থানার অফিসার ইনচার্জ অবিলম্বে অভিযোগকারীর বক্তব্য লিপিবদ্ধ করিবেন, অপরাধের শিকার ব্যক্তির প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করিবেন এবং অনতিবিলম্বে কেস ডায়েরিসহ অভিযোগটি উপযুক্ত থানায় প্রেরণ করিবেন।

২৫৩.
শিশু আদালত কোন ধরনের মামলায় শিশুকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে?
  1. শুধুমাত্র গুরুতর অপরাধে
  2. শুধুমাত্র জামিনযোগ্য মামলায়
  3. শুধুমাত্র অজামিনযোগ্য মামলায়
  4. জামিনযোগ্য ও অজামিনযোগ্য উভয় মামলায়
সঠিক উত্তর:
জামিনযোগ্য ও অজামিনযোগ্য উভয় মামলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিনযোগ্য ও অজামিনযোগ্য উভয় মামলায়
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩: ধারা ২৯ - শিশু-আদালত কর্তৃক আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুর জামিনে মুক্তি প্রদান:
(১) এই আইনসহ ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালতে হাজিরকৃত কোন শিশুর মামলা বিকল্প পন্থায় পরিচালনা করা না হইলে, শিশু-আদালত সংশ্লিষ্ট শিশুকে, অপরাধটি জামিনযোগ্য বা অজামিনযোগ্য যাহাই হউক না কেন, জামানতসহ বা জামানত ছাড়াই জামিনে মুক্তি প্রদান করিতে পারিবে।

(২) শিশুর নিজের মুচলেকায় অথবা শিশুর মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য, প্রবেশন কর্মকর্তা অথবা কোন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার, শিশু-আদালত যাহাকে উপযুক্ত বিবেচনা করিবে, তত্ত্বাবধানে জামানত প্রদান সাপেক্ষে অথবা জামানত ছাড়া শিশুকে জামিন প্রদান করা যাইবে।

(৩) উপ-ধারা (১) এবং (২) এর অধীন জামিন মঞ্জুর করা না হইলে, শিশু আদালত উক্তরূপ নামঞ্জুরের কারণ লিপিবদ্ধ করিবে এবং সংশ্লিষ্ট শিশুকে কোনো প্রত্যায়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণের জন্য আদেশ প্রদান করিবে।
২৫৪.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর অধীনে নারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা ইত্যাদির শাস্তি-
  1. অনধিক ১০ বছর অন্যূন ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. অনধিক ১২ বছর অন্যূন ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. অনধিক ৮ বছর অন্যূন ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. অনধিক ১০ বছর অন্যূন ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০ বছর অন্যূন ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০ বছর অন্যূন ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৯ক- নারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনা, ইত্যাদির শাস্তি

কোন নারীর সম্মতি ছাড়া বা ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তির ইচ্ছাকৃত (Wilful) কোন কার্য দ্বারা সম্ভ্রমহানি হইবার প্রত্যক্ষ কারণে কোন নারী আত্মহত্যা করিলে, উক্ত ব্যক্তি উক্ত নারীকে অনুরূপ কার্য দ্বারা আত্মহত্যা করিতে প্ররোচিত করিবার অপরাধে অপরাধী হইবেন এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
২৫৫.
শিশু আইন, ২০১৩ এর কোন ধারায় শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগের দণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৬৯
  2. ধারা ৭০
  3. ধারা ৭১
  4. ধারা ৭২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭১
ব্যাখ্যা

শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৭১: শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োগের দণ্ড:
কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগ করেন বা কোন শিশুর দ্বারা ভিক্ষা করান অথবা শিশুর হেফাজত, তত্ত্বাবধান বা দেখাশুনার দায়িত্বে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি যদি কোন শিশুকে ভিক্ষার উদ্দেশ্যে নিয়োগদানে প্রশ্রয়দান করেন বা উৎসাহ প্রদান করেন বা ভিক্ষার উদ্দেশ্যে প্রদান করেন, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং
উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

২৫৬.
শিশু-আদালত বিচার প্রক্রিয়া সমাপ্ত হওয়ার কত কর্মদিবসের মধ্যে বিচারের ফলাফল সম্পর্কে প্রবেশন কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে অবহিত করবে?
  1. ৫ কর্মদিবসের মধ্যে
  2. ৭ কর্মদিবসের মধ্যে
  3. ১৪ কর্মদিবসের মধ্যে
  4. ১০ কর্মদিবসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৭ কর্মদিবসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ কর্মদিবসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• শিশু আইন,২০১৩ এর ধারা ৪০ এর বিধান অনুসারে, শিশু-আদালত বিচার প্রক্রিয়া সমাপ্ত হওয়ার ৭ কর্মদিবসের মধ্যে বিচারের ফলাফল সম্পর্কে শিশুর অভিভবক, আইনজীবী এবং প্রবেশন কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে অবহিত করবে

ধারা ৪০- বিচারের ফলাফল ও মুক্তি সম্পর্কে তথ্য:

(১) বিচার প্রক্রিয়া সমাপ্ত হইবার ৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে শিশু-আদালত বিচারের ফলাফল সম্পর্কে শিশু, শিশুর মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য, শিশুর আইনজীবী ও প্রবেশন কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে। 
 
(২) কোন শিশু মুক্তিপ্রাপ্ত হইলে শিশু-আদালত তাহার মুক্তি প্রদানের তথ্য, তদ্‌কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে, অধিদপ্তর, প্রবেশন কর্মকর্তা বা আইনজীবীর মাধ্যমে অথবা সরাসরি উক্ত শিশু ও তাহার মাতা-পিতাকে এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্যকে অবহিত করিবে। 
 
(৩) কোন মামলায়, উপ-ধারা (২) এর অধীন, কোন শিশু মুক্তিপ্রাপ্ত হইলে এবং উক্ত মামলায় আইনের সংস্পর্শে আসা কোন শিশু জড়িত থাকিলে, শিশু-আদালত সংশ্লিষ্ট মুক্তি প্রদানের তথ্যটি, তদ্‌কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে, অধিদপ্তর, প্রবেশন কর্মকর্তা বা আইনজীবীর মাধ্যমে অথবা সরাসরি আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু ও তাহার মাতা-পিতাকে এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্যকে অবহিত করিবে।
২৫৭.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী “নবজাতক শিশু” বলতে বোঝায় জন্মের পর সর্বোচ্চ __________ বয়সী শিশু।
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৪০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ দিন
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০  এর ধারা - ২(চ):

“নবজাতক শিশু” অর্থ অনূর্ধ্ব চল্লিশ দিন বয়সের কোন শিশু;
“Newborn child” means a child who is not more than forty days old.

২৫৮.
'শিশুকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যাবে না' - এই বিধান শিশু আইন, ২০১৩ এর কত ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ৩২
  2. ধারা ৩৩
  3. ধারা ৩৫
  4. ধারা ৩৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩৩: শিশুর ওপর নির্দিষ্ট ধরনের দণ্ড আরোপে বাধা-নিষেধ:
(১) অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কারাদণ্ড প্রদান করা যাইবে না: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, কোন শিশুকে যখন এইরূপ কোন মারাত্নক ধরনের অপরাধ সংঘটন করিতে দেখা যায় যে, তজ্জন্য এই আইনের অধীন প্রদানযোগ্য কোন আটকাদেশ আদালতের মতে পর্যাপ্ত নহে, অথবা আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে শিশুটি এত বেশি অবাধ্য অথবা ভ্রষ্ট চরিত্র যে তাহাকে কোন প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করা চলে না এবং অন্যান্য যে সকল আইনানুগ পন্থায় মামলাটির সুরাহা হইতে পারে উহাদের কোন একটিও তাহার জন্য উপযুক্ত নহে, তাহা হইলে শিশু-আদালত শিশুকে কারাদণ্ড প্রদান করিয়া কারাগারে প্রেরণের জন্য আদেশ প্রদান করিতে পারিবে : 
 
আরও শর্ত থাকে যে, এইরূপে প্রদেয় কারাদণ্ডেরর মেয়াদ তাহার অপরাধের জন্য প্রদেয় দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদের অধিক হইবে না : 
 
আরও শর্ত থাকে যে, উক্তরূপ কারাদণ্ডে থাকাকালীন যেকোন সময়ে শিশু-আদালত উপযুক্ত মনে করিলে এই মর্মে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে যে, এইরূপ কারাদণ্ডে আটক রাখিবার পরিবর্তে অভিযুক্ত শিশুকে, তাহার বয়স ১৮ (আঠারো) বৎসর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত, কোন প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে আটক রাখিতে হইবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশের অধীন কোন শিশুকে কারাদণ্ড প্রদান করা হইলে, তাহাকে কারাগারে অবস্থানরত অন্যান্য প্রাপ্তবয়স্ক আসামীর সহিত মেলামেশা করিতে দেওয়া যাইবে না।
২৫৯.
The Special Powers Act, 1974- এ চোরাচালানের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ২৫খ: চোরাচালানের জন্য শাস্তি (Penalty for smuggling):
(১)যে কেউ- বাংলাদেশে প্রযোজ্য কোনো আইনের অধীনে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করে, অথবা যে কেউ কর বা শুল্ক ফাঁকি দিয়ে-
(ক) পাট, স্বর্ণ বা রূপার বুলিয়ন, স্বর্ণ বা রূপার তৈরি দ্রব্য, মুদ্রা, খাদ্যদ্রব্য, ওষুধ, আমদানিকৃত পণ্য বা অন্য যেকোনো পণ্য বাংলাদেশের বাইরে নেয়, অথবা
(খ) যেকোনো পণ্য বাংলাদেশে নিয়ে আসে,

তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি হবে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা সর্বোচ্চ ১৪ বছর ও ন্যূনতম ২ বছর মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ডে, দণ্ডিত হবেন এবং জরিমানারও অধিকারী হবেন।

(২) যে কেউ-
যেকোনো পণ্য, যার বাংলাদেশে প্রবেশ আইনত নিষিদ্ধ, তা বিক্রি করে, বিক্রির জন্য প্রদর্শন করে, বা বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজের দখলে বা নিয়ন্ত্রণে রাখে, তাহা হইলে তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর ও ন্যূনতম ১ বছর মেয়াদে কারাদণ্ডে, এবং জরিমানায় দণ্ডিত হবেন।

ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, যদি এ ধরনের নিষিদ্ধ পণ্য কোনো আবাসিক উদ্দেশ্যে নয় এমন ভবনে পাওয়া যায়, তাহলে ধরা হবে- ওই ভবনের মালিক, ভাড়াটে বা দখলকারী ব্যক্তি-ই ওই পণ্য বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করেছেন। এই ক্ষেত্রে, এটা প্রমাণ করার দায়িত্ব থাকবে মালিক বা দখলকারীর উপর যে,
- তিনি উক্ত পণ্য রাখেননি, অথবা
- পণ্য বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়নি, অথবা
- পণ্য এমন সময় আনা হয়েছিল যখন তা নিষিদ্ধ ছিল না।
২৬০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১(গ) এর অপরাধ কী ধরনের হবে?
  1. Cognizable, compoundable, and bailable
  2. Cognizable, non-compoundable, but bailable
  3. Cognizable, compoundable and non-bailable
  4. Non-cognizable, non-compoundable, and non-bailable
সঠিক উত্তর:
Cognizable, compoundable and non-bailable
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cognizable, compoundable and non-bailable
ব্যাখ্যা
ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান

১. বিচার ও আদালত কর্তৃপক্ষের বিষয় (দফা ১)
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ কার্যকর হবার পর, ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অন্তর্ভুক্ত অপরাধ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে বিচারযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য হবে।
তবে, যারা ২০২৫ সাল আগেই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ওই ধারা অনুযায়ী মামলা করেছিলেন, তাদের মামলাগুলো পুরনো নিয়মেই পরিচালিত ও নিষ্পত্তি হবে; অর্থাৎ নতুন অধ্যাদেশ বলবৎ হলেও আগের মামলা নতুন আদালতে বদলি হবে না এবং আগের নিয়মেই চলবে।

২. অপরাধের বৈশিষ্ট্য (দফা ২)
- ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অন্তর্ভুক্ত অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণযোগ্য (Cognizable) অর্থাৎ পুলিশ তদন্ত শুরু করতে পারবে।
- এই অপরাধ আপসযোগ্য (compoundable) অর্থাৎ বিবাদীদের সম্মতিতে মামলাটি বন্ধ করা যেতে পারে।
- অপরাধ জামিন-অযোগ্য (non-bailable) অর্থাৎ আসামীকে জামিন দেওয়া হবে না।
- এই অপরাধের ক্ষেত্রে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অন্য ধারার পরিবর্তে ফৌজদারী কার্যবিধি (Criminal Procedure Code) এবং সাক্ষ্য আইন (Evidence Act, 1872) এর বিধান প্রযোজ্য হবে।

৩. অপরাধের সমন্বয় (দফা ৩)
যদি ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন অন্য কোনো অপরাধের সঙ্গে ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অপরাধ যুক্ত থাকে, এবং ন্যায়বিচারের স্বার্থে উভয় অপরাধের বিচার একসঙ্গে বা একই মামলায় করা প্রয়োজন হয়, তাহলে উভয় অপরাধ একসঙ্গে একই ট্রাইব্যুনালে বিচার করা যাবে এই ক্ষেত্রে, ওই অপরাধটির বিচার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের বিধান অনুযায়ী করা হবে।
২৬১.
The Special Powers Act, 1974 অনুযায়ী নাশকতা (sabotage) এর সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১৫ বৎসর কারাদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বৎসর কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ The Special Powers Act, 1974 এর ১৫ ধারার বিধান অন্তর্ঘাতী কার্য/নাশকতা (Sabotage):
১) কোন ব্যক্তি কার্যক্ষমতাকে বিকল করার, কার্য ব্যাহত করার বা ক্ষতি সাধন করার উদ্দেশ্যে কোন কাজ করতে পারবে না যা:ঃ
(এ) কোন ভবন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, কলকব্জা বা অন্য কোন সম্পত্তি বা সরকারের বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বা কোন জাতীয়করণকৃত বাণিজ্যিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহৃত হয় বা ব্যবহৃত হতে পারে;
(বি) কোন রেলপথ, শূন্যে ঝুলন্ত রজ্জুপথ, রাস্তা, খাল, সেতু কালভার্ট, বাঁধ, বন্দর, ডকইয়ার্ড, বাতিঘর, বিমান বন্দর, টেলিগ্রাম লাইন বা পোস্ট বা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপনা;
(সি) কোন রেলওয়ে বা নৌযান বা বিমানপোতের কোন রোলিং স্টোক; (ডি) কোন অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্যের বা ময়লা নিষ্কাশন কাজে বা খনি বা কারখানার সরবরাহ বন্টন, উৎপাদনের সাথে জড়িত কোন ভবন বা অন্য সম্পত্তি;
(ই) এই আইন বা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে কোন নিষিদ্ধ বা সংরক্ষিত স্থান বা এলাকা; অথবা (এফ) পাট, পাটজাত দ্রব্য, পাটের গুদাম, পাটকল অথবা পাটের গাইট বাঁধার কল।

২) উপধারা (১) এর বিধান কোন ব্যক্তি কর্তৃক এমন কাজ না করার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, যে সকল কাজ করা সরকারের বা কোন সরকারি কর্তৃপক্ষের বা কোন ব্যক্তির প্রতি উপরিউক্ত ব্যক্তির কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

৩) এ ধারার বিধান লঙ্ঘনের শান্তি- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।
----------------------
⇒ Section 15. Sabotage:
(1) No person shall do any act with intent to impair the efficiency or impede the working of, or to cause damage to,- 
(a) any building, vehicle, machinery, apparatus or other property used, or intended to be used, for the purposes of the Government or of any local authority or nationalised commercial or industrial undertaking ;
(b) any railway, aerial ropeway, road, canal, bridge, culvert, causeway, port, dockyard, light-house, aerodrome, telegraph or telephone line or post, or television or wireless installation; 
(c) any rolling-stock of any railway or any vessel or aircraft; 
(d) any building or other property used in connection with the production, distribution or supply of any essential commodity, any sewage works, mine or factory ; 
(e) any place or area prohibited or protected under this Act or any other law for the time being in force ; or
(f) any jute, jute product, jute godown, jute mill or jute bailing press.
(2) The provisions of sub-section (1) shall apply in relation to any omission on the part of any person to do anything which he is under a duty, either to Government or to any public authority or to any person, to do, as they apply to the doing of any act by a person. 
(3) If any person contravenes any of the provisions of this section, he shall be punishable with death, or with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.
২৬২.
সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণের জন্য কোন শ্রেণির ব্যক্তি যোগ্য?
  1. শুধু নারী ও শিশু
  2. শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারী
  3. শুধুমাত্র আর্থিকভাবে অসচ্ছল
  4. তার আর্থিক সক্ষমতা নির্বিশেষে যে কেউ
সঠিক উত্তর:
তার আর্থিক সক্ষমতা নির্বিশেষে যে কেউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার আর্থিক সক্ষমতা নির্বিশেষে যে কেউ
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ অনুচ্ছেদ ৩: তথ্য সেবা গ্রহণ, ইত্যাদি-
অনুচ্ছেদ ২ এ বর্ণিত বিধান সত্ত্বেও ও যে কোন ব্যক্তি, তাহার আর্থিক সামর্থ্য যাই হোক না কেন, সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণ, আইনগত পরামর্শ গ্রহণ কিংবা বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির সেবা গ্রহণের জন্য যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।
২৬৩.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ভিক্ষাবৃত্তির উদ্দেশ্যে শিশুর অঙ্গহানী করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১২ ধারার বিধান: ভিক্ষাবৃত্তি, ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুকে অঙ্গহানি করার শাস্তি: 
 - যদি কোন ব্যক্তি ভিক্ষাবৃত্তি বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রির উদ্দেশ্যে কোন শিশুর হাত, পা, চক্ষু বা অন্য কোন অঙ্গ বিনষ্ট করেন বা অন্য কোনোভাবে বিকলাঙ্গ বা বিকৃত করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
২৬৪.
The Special Powers Act, 1974 এর ১৩ ধারার বিধান কী?
  1. Sabotage
  2. Revocation of detention orders
  3. Temporary release of persons detained
  4. Detention orders not to be invalid or inoperative on certain grounds
সঠিক উত্তর:
Revocation of detention orders
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Revocation of detention orders
ব্যাখ্যা
⇒ Section 13 of The Special Powers Act, 1974- Revocation of detention orders:
A detention order may, at any time, be revoked or modified by the Government.
-------------------------
বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ১৩ ধারার বিধান: আটক আদেশ প্রত্যাহার: সরকার যেকোন সময় আটক আদেশ প্রত্যাহার বা সংশোধন করতে পারবেন।
২৬৫.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সময়সীমা কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৩০: আপিল এবং মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন:
(১) বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশ, রায় বা দণ্ডের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ, রায় বা দণ্ড আরোপ বা প্রদানের ত্রিশ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা যাইবে।

(২) যেক্ষেত্রে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কোনো মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে অনতিবিলম্বে উহার কার্যধারা হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করিতে হইবে এবং হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মৃত্যুদণ্ড অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর করা যাইবে না।
২৬৬.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের বিধান আছে?
  1. ২১(৪) ধারায়
  2. ২২(৪)  ধারায়
  3. ২৩(৪)  ধারায়
  4. ২৪(৪)  ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৪(৪)  ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪(৪)  ধারায়
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৪: সাক্ষীর উপস্থিতি:
(১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচারের জন্য সাক্ষীর সমন বা ওয়ারেন্ট কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট সাক্ষীর সর্বশেষ বসবাসের ঠিকানা যে থানায় অবস্থিত, সেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত সাক্ষীকে উক্ত ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করিবার দায়িত্ব উক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার থাকিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও সাক্ষীর সমনের একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট সাক্ষীকে এবং সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সুপার বা, ক্ষেত্রমত, পুলিশ কমিশনারকে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সমেত নিবন্ধিত ডাকযোগে প্রেরণ করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন কোন সমন বা ওয়ারেন্ট কার্যকর করিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ইচ্ছাকৃত গাফিলতি করিলে ট্রাইব্যুনাল উহাকে অদক্ষতা হিসাবে চিহ্নিত করিয়া সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৪) কোন ব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে কিংবা ট্রাইব্যুনাল স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত মনে করিলে যে কোন দূরবর্তী সাক্ষীর সাক্ষ্য, এ সম্পর্কিত বলবৎ আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রহণ করিতে পারিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে সরকার এবং অন্যান্য কর্তৃপক্ষ ট্রাইব্যুনালকে তথ্যপ্রযুক্তিগত প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করিবে।

২৬৭.
আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের অভিজ্ঞতা ন্যূনতম কত বছর হতে হবে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১৫ এবং আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫ অনুযায়ী, আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের ন্যূনতম অভিজ্ঞতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্দিষ্টভাবে:
- ধারা ১৫(১): সুপ্রিম কোর্ট কমিটি সুপ্রিম কোর্টের মামলার জন্য এবং জেলা কমিটি জেলা আদালতের মামলার জন্য আইনজীবীদের তালিকা তৈরি করবে। এই তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের ন্যূনতম ৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজদের ক্ষেত্রে এই অভিজ্ঞতার শর্ত শিথিলযোগ্য।
- ধারা ১৫(২): বিশেষ কমিটি (যেমন শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতের জন্য) তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের জন্যও ন্যূনতম ৫ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
- আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং প্রবিধানমালা, ২০১৫ এও এই শর্ত অপরিবর্তিত রয়েছে।

- তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে অন্তত এক-তৃতীয়াংশ মহিলা আইনজীবী অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়, যদি উপযুক্ত মহিলা আইনজীবী পাওয়া যায় (ধারা ১৫(৩))।
- আইনজীবী নিয়োগের ক্ষেত্রে বিচারপ্রার্থীর পছন্দকেও বিবেচনা করা হয়।
- অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজদের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার শর্ত শিথিল করা যেতে পারে, যা আইনের একটি বিশেষ বিধান।

অর্থাৎ আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের ন্যূনতম ৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, যা ধারা ১৫ এবং সংশ্লিষ্ট প্রবিধানমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখিত। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ৫ বছর।

২৬৮.
আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থে বিকল্প পন্থা (Diversion) গ্রহণ করা হলে বিকল্প পন্থার শর্ত প্রতিপালন বিষয়ে লক্ষ্য রাখার দায়িত্ব কার উপর বর্তায়?
  1. শিশুর মাতা-পিতা বা অভিভাবক
  2. প্রবেশন কর্মকর্তা
  3. শিশু আদালত
  4. শিশু বিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
প্রবেশন কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবেশন কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) প্রবেশন কর্মকর্তা।

শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪৮(৩) অনুসারে:
যখন শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থে কোনো আইনগত বিরোধ এড়িয়ে Diversion (বিকল্প পন্থা) গ্রহণ করা হয়, তখন সেই বিকল্প শর্তগুলো পালন হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ ও বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব থাকে প্রবেশন কর্মকর্তার উপর। প্রবেশন কর্মকর্তা শিশুকে ও তার পরিবারকে পরামর্শ, তত্ত্বাবধান ও সহায়তা করে, শর্তাবলীর বাস্তবায়ন সম্পর্কে আদালতকে রিপোর্ট করে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনী/সহায়তা নিশ্চিত করে।

শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪৮- বিকল্প পন্থা (diversion):
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে গ্রেফতার বা আটকের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রমের পরিবর্তে, শিশুর পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আর্থিক, নৃতাত্ত্বিক, মনস্তাত্ত্বিক ও শিক্ষাগত পটভূমি বিবেচনাপূর্বক, বিরোধীয় বিষয় মীমাংসাসহ তাহার সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিতকল্পে বিকল্প পন্থা (diversion) গ্রহণ করা যাইবে।

(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশুর গ্রেফতারের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালত আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়ার পরিবর্তে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিমিত্ত বিকল্প পন্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি প্রবেশন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে পারিবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিকল্প পন্থা গ্রহণ করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার শর্ত প্রতিপালন করিতেছে কি না প্রবেশন কর্মকর্তা তাহা লক্ষ্য রাখিবেন এবং বিষয়টি, সময় সময়, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন।

(৪) শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার কোন শর্ত ভঙ্গ করিলে প্রবেশন কর্মকর্তা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে লিখিত আকারে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন।
 
(৫) বিকল্প পন্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

(৬) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অধিদপ্তর বিকল্প পন্থা বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ যুগোপযোগী ও বাস্তবায়নযোগ্য কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।

২৬৯.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনার দণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ২৮ ধারায়
  2. ৩০ ধারায়
  3. ৩৭ ধারায়
  4. ৪১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১- মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ইত্যাদির দণ্ড:
কোনো ব্যক্তি কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে কাহাকেও প্ররোচিত করিলে অথবা সাহায্য করিলে অথবা কাহারও সহিত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হইলে অথবা এতদুদ্দেশ্যে কোনো উদ্যোগ অথবা প্রচেষ্টা গ্রহণ করিলে, মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটিত হউক অথবা না হউক, তিনি সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের অনুরূপ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

Section 41: Punishment for instigation, assistance, or conspiracy to commit narcotics-related offenses:
If any person instigates, assists, conspires with anyone to commit a narcotics-related offense, or undertakes or attempts to undertake any initiative or effort for this purpose, whether or not the narcotics-related offense is ultimately committed, the person shall be punished with the penalty provided for the related offense.
২৭০.
The Special Powers Act, 1974 এর কত ধারায় 'Double Jeopardy' এর প্রতিফলন ঘটেছে?
  1. ২৭
  2. ২৮
  3. ৩১
  4. ৩২
সঠিক উত্তর:
৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ৩১ ধারার বিধান: নতুন বিচারে বাধা: যার সাক্ষ্য একবার লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, ট্রাইব্যুনাল এমন কোন সাক্ষীকে পুনরায় ডাকতে বা তার বক্তব্য শ্রবণ করতে বাধ্য নয় অথবা যে কার্যক্রম একবার অনুষ্ঠিত হয়েছে তা পুনরায় আরম্ভ করতে বাধ্য নয়।
এক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে দাখিলকৃত বা লিপিবদ্ধ সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ করতে পারে এবং মামলা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে সেই পর্যায় হতে বিচার অব্যাহত রাখতে পারে।
অর্থাৎ বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৩১ ধারায় principle of double jeopardy এর প্রতিফলন ঘটেছে।
-----------------------
⇒ The Special Powers Act, 1974,-Section 31: Bar on trial de-novo:
- A Special Tribunal, unless it otherwise decides, shall not be bound to recall or re-hear any witness whose evidence has already been recorded, or to re-open proceedings already held, but may act on the evidence already produced or recorded and continue the trial from the stage which the case has reached.
২৭১.
আইনগত সহায়তার কোন আবেদন জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি কর্তৃক অগ্রাহ্য হলে, তার বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে-
  1. আপীল বিভাগে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. সুপ্রীম কোর্ট কমিটির নিকট
  4. জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের নিকট
সঠিক উত্তর:
জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের নিকট
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ১৬ ধারাতে বলা আছে-
'আইনগত সহায়তার জন্য সকল আবেদন সুপ্রীম কোর্ট কমিটি, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটির নিকট পেশ করতে হবে।'

উল্লেখ্য, কোন আবেদন জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি কর্তৃক অগ্রাহ্য হলে তা মঞ্জুরের জন্য সংক্ষুদ্ধ বিচারপ্রার্থী উক্তরুপ সিদ্ধান্তের তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে জাতীয় পরিচালনা বোর্ডের নিকট আপীল পেশ করবে এবং এই ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।
২৭২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় “যৌতুক” এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২(গ)
  2. ধারা ২(জ)
  3. ধারা ২(ঝ)
  4. ধারা ২(ঞ)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(ঞ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(ঞ)
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২(ঞ)- “যৌতুক” অর্থ-
(অ) কোন বিবাহের বর বা বরের পিতা বা মাতা বা প্রত্যক্ষভাবে বিবাহের সহিত জড়িত বর পক্ষের অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত বিবাহের সময় বা তৎপুর্বে বা বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকাকালে, বিবাহ স্থির থাকার শর্তে, বিবাহের পণ হিসাবে বিবাহের কনে পক্ষের নিকট দাবীকৃত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ; অথবা

(আ) কোন বিবাহের কনে পক্ষ কর্তৃক বিবাহের বর বা বরের পিতা বা মাতা বা প্রত্যক্ষভাবে বিবাহের সহিত জড়িত বর পক্ষের অন্য কোন ব্যক্তিকে উক্ত বিবাহের সময় বা তৎপুর্বে বা বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকাকালে, বিবাহ স্থির থাকার শর্তে, বিবাহের পণ হিসাবে প্রদত্ত বা প্রদানে সম্মত অর্থ, সামগ্রী বা অন্যবিধ সম্পদ।
২৭৩.
কোন কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী ব্যক্তি সম্মতি বা অসম্মতি দিতে অক্ষম হলে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে কী অনুমান করতে পারে?
  1. উক্ত কার্যে তার সম্মতি ছিল
  2. উক্ত কার্যে তার সম্মতি ছিল না
  3. উক্ত কার্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করবে না
  4. কোনো অনুমান করতে পারে না
সঠিক উত্তর:
উক্ত কার্যে তার সম্মতি ছিল না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত কার্যে তার সম্মতি ছিল না
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ২৪ক (সম্মতি সংক্রান্তে অনুমান):
যেক্ষেত্রে কোন কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে অপরাধের শিকার ব্যক্তির সম্মতি বা অসম্মতি দানের সক্ষমতা থাকে না, সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ধরিয়া লইতে পারিবে যে, উক্ত কার্যে তাহার সম্মতি ছিল না
২৭৪.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় অ্যালকোহল পান, ইত্যাদি সম্পর্কে বিধি-নিষেধ আছে?
  1. ১০ ধারায়
  2. ১১ ধারায়
  3. ১৫ ধারায়
  4. ১৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ১১ ধারা- অ্যালকোহল পান, ইত্যাদি সম্পর্কে বিধি-নিষেধ:
(১) পারমিট ব্যতীত কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন না এবং চিকিৎসার প্রয়োজনে সিভিল সার্জন অথবা সরকারি মেডিক্যাল কলেজের অন্যূন কোনো সহযোগী অধ্যাপকের লিখিত ব্যবস্থাপত্র ব্যতীত কোনো মুসলমানকে অ্যালকোহল পান করিবার জন্য পারমিট প্রদান করা যাইবে না। 

(২) মুচি, মেথর, ডোম, চা শ্রমিক ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক তাড়ি ও পচুঁই পান করিবার ক্ষেত্রে এবং রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাসমূহ এবং অন্যান্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক ঐতিহ্যগতভাবে প্রচলিত অথবা প্রস্তুতকৃত মদ পান করিবার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৩) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন- 
(ক) লাইসেন্সপ্রাপ্ত বার-এ বসিয়া বিদেশি ও পারমিটধারী দেশিয় নাগরিকগণ অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন; এবং 
(খ) কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী বিদেশি নাগরিকরা শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত পাস বইধারী অথবা প্রচলিত ব্যাগেজ রুলসের দ্বারা স্বীকৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে, অ্যালকোহল আমদানি, রপ্তানি, ক্রয়, বহন, সংরক্ষণ অথবা পানের ব্যাপারে কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৪) অ্যালকোহল সংক্রান্ত সকল শুল্কমুক্ত কার্যক্রম (Duty Free Operations) এই আইনের অধীন প্রদত্ত লাইসেন্সবলে সম্পাদিত হইবে।
২৭৫.
মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করলে, উক্ত ব্যক্তি-
  1. শুধু অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  2. অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  3. অনূর্ধ্ব ২ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  4. অনূর্ধ্ব ৫ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনূর্ধ্ব ১০ বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২- শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় নাই, এইরূপ মাদকদ্রব্য অপরাধের দণ্ড:

(১) কোনো ব্যক্তি যদি এই আইন অথবা বিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে যাহার জন্য উহাতে স্বতন্ত্র কোনো দণ্ডের ব্যবস্থা নাই, তাহা হইলে তিনি উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন কার্যে নিয়োজিত কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যকে তাহার দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি কোনোভাবে অসহযোগিতা করিলে অথবা বাধা প্রদান করিলে কিংবা কোনোভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিলে তাহা মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা হিসাবে গণ্য হইবে এবং তজ্জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর, অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
২৭৬.
মাদকদ্রব্যের রাসায়নিক গঠনের অনুরুপ গঠন বিশিষ্ট বস্তু না হওয়া সত্ত্বেও মাদকের ন্যায় আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে কার্যকর বস্তুকে কী বলে?
  1. অ্যাগনিস্ট (Agonist)
  2. অ্যালকালয়েড (Alkaloid)
  3. অ্যালকোহল (Alcohol)
  4. অ্যানালগ (Analogue)
সঠিক উত্তর:
অ্যাগনিস্ট (Agonist)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাগনিস্ট (Agonist)
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২(২)-এ 'অ্যাগনিস্ট (Agonist)'-কে সুনির্দিষ্টভাবে এভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে: এইরূপ কোনো বস্তু যাহা তপশিলে উল্লিখিত কোনো মাদকদ্রব্যের রাসায়নিক গঠনের অনুরূপ গঠনবিশিষ্ট বস্তু না হওয়া সত্ত্বেও আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে উক্ত বস্তুর মতো একইভাবে কার্যকর। এটি মাদকের ফার্মাকোলজিক্যাল (pharmacological) প্রভাবের অনুরূপ কিন্তু স্ট্রাকচারাল (structural) সাদৃশ্য ছাড়া।

অন্যান্য অপশনের ব্যাখ্যা:
খ) অ্যালকালয়েড (Alkaloid): (৪)‘অ্যালকালয়েড (Alkaloid)’ অর্থ তপশিলের উল্লিখিত কোনো বস্তু বা মাদকদ্রব্য হইতে রাসায়নিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত কোনো বস্তু যাহার আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া মূল মাদকদ্রব্য বা মাদকজাতীয় বস্তুটির অনুরূপ;
গ) অ্যালকোহল (Alcohol): (৫) ‘অ্যালকোহল (Alcohol)’ অর্থ 1[হাইড্রোকার্বনজাত হাইড্রোক্সিল (OH-] মূলকসম্বলিত কোনো জৈব যৌগ অথবা তপশিলের ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্যের ক্রমিক নং ৩ এবং ‘গ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্যের ক্রমিক নং ১ ও ২ এ উল্লিখিত কোনো তরল পদার্থ;।
ঘ) অ্যানালগ (Analogue): (৩) ‘অ্যানালগ (Analogue)’ অর্থ তপশিলের অন্তর্ভুক্ত হয় নাই এইরূপ বস্তু, যাহার রাসায়নিক সংগঠন তপশিলের অন্তর্গত কোনো মাদকের রাসায়নিক সংগঠনের অনুরূপ এবং যাহার আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক কার্যক্রম একই রকম। 

অর্থাৎ মাদকদ্রব্যের রাসায়নিক গঠনের অনুরূপ না হওয়া সত্ত্বেও মাদকের ন্যায় আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে কার্যকর বস্তু বলতে অ্যাগনিস্ট (Agonist) বোঝায়। সুতরাং সঠিক উত্তর ক)।

২৭৭.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৬(৪) অনুযায়ী, জব্দকৃত মাদকদ্রব্য কার আদেশক্রমে ধ্বংস করা হবে?
  1. জব্দকারী অফিসারের
  2. থানার অফিসার ইন চার্জের
  3. তদন্তকারী অফিসারের
  4. এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৬: বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্য, বস্তু, ইত্যাদি:

(১) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটিত হইলে মাদকদ্রব্য, মাদকদ্রব্যের সহিত জব্দকৃত অর্থ, সাজ-সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি, উপকরণ, আধার, পাত্র, মোড়ক, যানবাহন অথবা অন্য কোনো বস্তু সম্পর্কে অথবা সহযোগে উক্ত অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে সেইগুলি বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(২) মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের সময় বাজেয়াপ্তযোগ্য মাদকদ্রব্যের সহিত যদি কোনো বৈধ মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়, তাহা হইলে উক্ত মাদকদ্রব্যও বাজেয়াপ্তযোগ্য হইবে।

(৩) কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনের জন্য যদি কোনো সরকারি অথবা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো যানবাহন ব্যবহার করা হয়, তাহা হইলে উহা জব্দযোগ্য হইবে এবং মামলা রুজুকারী অফিসার সরকারি কার্যের স্বার্থে উক্ত যানবাহন সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী অফিসারের জিম্মায় প্রদান করিতে পারিবেন, তবে বিষয়টি এজাহারে উল্লেখ করিতে হইবে।

(৪) জব্দকৃত মাদকদ্রব্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের আদেশক্রমে উহা ধ্বংস করিতে হইবে।

২৭৮.
নিচের কোনটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর অধীনে নিয়ন্ত্রিত বিলির অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যক্তির কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ট্র্যাকিং ডিভাইস স্থাপন
  2. বাহনকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা ত্যাগ করতে দেওয়া
  3. বাহনকে মাদকদ্রব্য সরবরাহ অথবা সংগ্রহ করতে দেওয়া
  4. উপরোক্ত সব
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৫: গোপন অভিযোগ ও নিয়ন্ত্রিত বিলি:
(৪) উপ-ধারা (১) এর সামগ্রিকতা ক্ষুণ্ন না করিয়া, উক্ত উপ-ধারার অধীন অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি, নিয়ন্ত্রিত বিলি ও গোপন অভিযান চলাকালে এবং তদুদ্দেশ্যে, নিম্নরূপ কার্যাবলি সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:- 
(ক) কোনো বাহনকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া; 
(খ) কোনো বাহনকে মাদকদ্রব্য সরবরাহ অথবা সংগ্রহ করিতে দেওয়া; 
(গ) কোনো বাহনে প্রবেশ ও তল্লাশির জন্য পরিস্থিতি অনুযায়ী যুক্তিসংগত শক্তি প্রয়োগ করা; 
(ঘ) কোনো বাহনে গোপন সংকেত প্রদানকারী যন্ত্র (Tracking Device) স্থাপন করা; এবং 
(ঙ) যে ব্যক্তির অধিকারে অথবা হেফাজতে মাদকদ্রব্য রহিয়াছে তাহাকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া। 
(৫) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো গোপন অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণকারী কোনো অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যক্তি, অনুমোদনের শর্ত অনুযায়ী, উক্ত অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণের জন্য কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের দায়ে দায়ী হইবে না।
২৭৯.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় ডোপ টেস্ট (Dope Test) এর বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২০ (৪)
  2. ধারা ২২ (৪)
  3. ধারা ২৪ (৪)
  4. ধারা ২৬ (৪)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪ (৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪ (৪)
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ধারা ২৪ (৪)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৪: দেহ তল্লাশির জন্য বিশেষ পরীক্ষা:

(১) এই আইনের অধীন কোনো তদন্ত অথবা তল্লাশি পরিচালনাকালে কোনো অফিসারের যদি ইহা বিশ্বাস করিবার যথেষ্ট কারণ থাকে যে কোনো ব্যক্তি তাহার শরীরের কোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গে মাদকদ্রব্য লুকাইয়া রাখিয়াছেন, তাহা হইলে, অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, তিনি তাহাকে তাহার শরীরের এক্স-রে, আলট্রাসনোগ্রাম, এন্ডোসকপি, কোলনস্কপি কিংবা রক্ত ও মলমূত্রসহ অন্য যে-কোনো প্রকার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করিবার নিমিত্তে নিজেকে সমর্পণ করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন এবং উক্ত নির্দেশ অমান্য করিলে নির্দেশ প্রদানকারী অফিসার তাহাকে নির্দেশ পালনে বাধ্য করিবার জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে। 

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান অনুসারে পরীক্ষার পর কোনো ব্যক্তির অঙ্গপ্রত্যঙ্গে যদি কোনো মাদকদ্রব্যের উপস্থিতি সনাক্ত হয়, তাহা হইলে তাহাকে প্রযোজ্যক্ষেত্রে ধারা ৩৬ এর সারণির ক্রমিক নম্বর ৬ হইতে ১১ কিংবা ১৩ হইতে ২০ এর বিধান অনুযায়ী দণ্ডিত মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য গ্রেফতার করা যাইবে। 

(৩) উপ-ধারা (১) এর বিধান অনুসারে পরীক্ষার পর যদি কোনো ব্যক্তি কর্তৃক কোনো মাদকদ্রব্য গ্রহণের, সেবনের, ব্যবহারের অথবা প্রয়োগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় এবং উহা যদি ধারা ৯ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (গ) কিংবা উপ-ধারা (২) এর দফা (গ) কিংবা ধারা ১০ এর (চ) এর বিধান লঙ্ঘনকারী হয় তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তিকে ধারা ৩৬ এর সারণি ক্রমিক নম্বর ১৬, ২১, ২৫, ২৯ অথবা ৩১ অনুসারে শাস্তিযোগ্য মাদকদ্রব্য অপরাধের জন্য গ্রেপ্তার করা যাইবে। 

(৪) মাদকাসক্ত ব্যক্তি শনাক্ত করিবার প্রয়োজনে, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ডোপ টেস্ট (Dope Test) করা যাইবে। ডোপ টেস্ট (Dope Test) পজেটিভ হইলে ধারা ৩৬(৪) অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে।
২৮০.
শিশু আইন, ২০১৩ এর অধীন সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন কে দাখিল করবেন?
  1. শিশুকল্যাণ বোর্ড
  2. শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা
  3. প্রবেশন কর্মকর্তা
  4. সমাজসেবা কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
প্রবেশন কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবেশন কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩১: সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন-
(১) আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে শিশু-আদালতে হাজির করিবার অনধিক ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে প্রবেশন কর্মকর্তা, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, শিশু-আদালতে একটি সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করিবেন এবং উহার অনুলিপি নিকটস্থ বোর্ড-এ ও অধিদপ্তরে দাখিল করিবেন। 

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনে সরেজমিনে তদন্তপূর্বক শিশুর পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আর্থিক, মনস্তাত্ত্বিক, নৃতাত্ত্বিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতা, পটভূমি এবং কোন্ অবস্থায় ও এলাকায় সে বসবাস করে এবং কোন্ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে, ইত্যাদির বর্ণনা অন্তর্ভুক্ত থাকিবে। 

(৩) প্রবেশন কর্মকর্তার সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনসহ শিশু সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিবেদন গোপনীয় বলিয়া গণ্য হইবে।
২৮১.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর প্রথম তপশিল অনুযায়ী নিচের কোনটি 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. তাঁড়ি, পঁচুই, ইত্যাদি
  2. গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ
  3. অপিয়াম পপি গাছের বীজ
  4. কোকা গাছ ও কোকা পাতা
সঠিক উত্তর:
গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর প্রথম তপশিল অনুযায়ী মাদকদ্রব্যগুলোকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে: 'ক', 'খ', এবং 'গ'। প্রতিটি শ্রেণির মাদকদ্রব্যের সংজ্ঞা এবং অন্তর্ভুক্ত পদার্থগুলো সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণিত।
⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর প্রথম তপশিল অনুযায়ী, 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হলো গাঁজা গাছ, ভাং গাছ, তাদের শাখা-প্রশাখা, পাতা, ফুল, এবং এগুলোর সাথে প্রস্তুতকৃত নেশা বা আসক্তি সৃষ্টিকারী পদার্থ।

প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে:
ক) তাঁড়ি, পঁচুই, ইত্যাদি: এটি 'গ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
খ) গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ: এটি 'খ' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
গ) অপিয়াম পপি গাছের বীজ: এটি 'ক' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
ঘ) কোকা গাছ ও কোকা পাতা: এটি 'ক' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: খ) গাঁজা গাছ ও ভাং গাছ।

২৮২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী, "শিশু" বলতে কত বছরের কম বয়সী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়?
  1. ১৪ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ২(ট)-এ স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত আছে যে, “শিশু” অর্থ ১৬ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি।
এই সংজ্ঞা আইনের অধীনে শিশু-সংক্রান্ত অপরাধসমূহে (যেমন: শিশু ধর্ষণ, শিশু অপহরণ, যৌন পীড়ন ইত্যাদি) প্রযোজ্য।
- উল্লেখ্য যে, শিশু আইন, ২০১৩-এ শিশুর বয়সসীমা ১৮ বছরের কম, কিন্তু নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ক্ষেত্রে এটি ১৬ বছরের কম।

২৮৩.
সাবিনাকে যৌতুকের জন্য তার স্বামী মারধর করে গুরুতর জখম করে।এ ক্ষেত্রে তার স্বামীর জন্য কোন শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৩ থেকে ১০ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ৫ থেকে ১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৫ থেকে ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ থেকে ১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ থেকে ১২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০: ধারা ১১: যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন 28[কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-
(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(কক) মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে বা অনধিক বার বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক পাঁচ বৎসর কিন্তু অন্যূন দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
২৮৪.
প্রবেশন কর্মকর্তা কত দিনের মধ্যে সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করবেন?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ৩১: সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন:
(১) আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে] শিশু-আদালতে হাজির করিবার অনধিক ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে প্রবেশন কর্মকর্তা, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, শিশু-আদালতে একটি সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করিবেন এবং উহার অনুলিপি নিকটস্থ বোর্ড-এ ও অধিদপ্তরে দাখিল করিবেন। 

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনে সরেজমিনে তদন্তপূর্বক শিশুর পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আর্থিক, মনস্তাত্ত্বিক, নৃতাত্ত্বিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতা, পটভূমি এবং কোন্ অবস্থায় ও এলাকায় সে বসবাস করে এবং কোন্ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে, ইত্যাদির বর্ণনা অন্তর্ভুক্ত থাকিবে। 

(৩) প্রবেশন কর্মকর্তার সামাজিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনসহ শিশু সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিবেদন গোপনীয় বলিয়া গণ্য হইবে।
২৮৫.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১ অনুযায়ী, শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে কোথায়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা জজ আদালত 
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. শিশু আপিল আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১(১) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, শিশু-আদালতের আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাবে। এটি ফৌজদারি কার্যবিধির সাধারণ বিধানকে অগ্রাহ্য করে সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে আপিলের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১- আপিল ও পুনর্বিবেচনা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 
(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।
(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।

২৮৬.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর অধীন আইনগত সহায়তার আবেদন অগ্রাহ্য হলে কত দিনের মধ্যে আপিল করা যাবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ১৬: আইনগত সহায়তার জন্য আবেদন:
(১) এই আইনের অধীন আইনগত সহায়তার জন্য সকল আবেদন সুপ্রীম কোর্ট কমিটি, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটির নিকট পেশ করিতে হইবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন আবেদন বা দরখাস্ত জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি কর্তৃক অগ্রাহ্য হইলে উহা মঞ্জুরীর জন্য সংতগুব্ধ বিচারপ্রার্থী উক্তরূপ সিদ্ধান্তর তারিখ হইতে ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে বোর্ডের নিকট আপীল পেশ করিতে পারিবেন এবং এই ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে৷
২৮৭.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এ স্পেশাল মেডিয়েটরগণের তালিকা প্রস্তুত করবে কে?
  1. আইন মন্ত্রণালয়
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. বিশেষ কমিটি
  4. জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা
সঠিক উত্তর:
জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ১৫ক: স্পেশাল মেডিয়েটরগণের (Special Mediators) তালিকা:
(১) এই আইনের অধীনে স্পেশাল মেডিয়েটর হিসাবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ এবং মধ্যস্থতা বিষয়ে অভিজ্ঞ ও বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আইনজীবীগণের মধ্য হইতে স্পেশাল মেডিয়েটরগণের একটি তালিকা প্রস্তুত করিবে।

(২) সংস্থা, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, উক্ত তালিকা হইতে প্রত্যেক লিগ্যাল এইড অফিসে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক স্পেশাল মেডিয়েটর নিয়োগ প্রদান করিবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরগণ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে দায়িত্ব পালন করিবে।

(৪) উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল মেডিয়েটরকে প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে সম্মানি বা ফি প্রদান করা হইবে।
২৮৮.
আপোষ-মিমাংসার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার_____________আইনগত প্রশ্নে মতামত দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন।
  1. উভয় পক্ষের মৌখিক সম্মতি ব্যতীত
  2. উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত
  3. উভয় পক্ষ আপোষে সম্মত না হলে
  4. যেকোনো এক পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ এর অনুচ্ছেদ ১৫- আইনগত প্রশ্নে মতামত প্রদান না করা:
কোন বিরোধ আপোষ-মিমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসার, উভয় পক্ষের লিখিত সম্মতি ব্যতীত, বিরোধের সহিত জড়িত আইনী প্রশ্নে মতামত প্রদানে, যতদূর সম্ভব, বিরত থাকিবেন।
২৮৯.
শিশু আদালতে বিশেষ কোন ধরনের সুবিধার বিধান নেই?
  1. বিচার প্রক্রিয়ায় অভিভাবকের নিকট শিশুকে বসার সুযোগ
  2. প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য বিশেষ ধরনের আসন
  3. আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের দূরবর্তী আসন
  4. আদালতের কোন কর্মচারী ইউনিফরম পরিধান করবেন না
সঠিক উত্তর:
আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের দূরবর্তী আসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের দূরবর্তী আসন
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯- শিশু আদালতের পরিবেশ ও সুবিধাসমূহ:

(১) আদালতকক্ষের ধরন, সাজসজ্জা ও আসন বিন্যাস বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে। 
 
(২) শিশু-আদালতের আসন বিন্যাস এমনভাবে করিতে হইবে যেন সকল শিশু বিচার প্রক্রিয়ায় তাহার মাতা-পিতা বা তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ বা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা বর্ধিত পরিবারের সদস্য এবং প্রবেশন কর্মকর্তা ও আইনজীবীর, যতদূর সম্ভব, সন্নিকটে বসিতে পারে। 
 
(৩) উপ-বিধি (১) এর সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ করিয়া আদালতকক্ষে শিশুর জন্য উপযুক্ত আসনসহ প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য, প্রয়োজনে, বিশেষ ধরনের আসন প্রদানের বিষয়টি শিশু-আদালত নিশ্চিত করিবে। 
 
(৪) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত কর্তৃক শিশুর বিচার চলাকালীন, আইনজীবী, পুলিশ বা আদালতের কোন কর্মচারী আদালতকক্ষে তাহাদের পেশাগত বা দাপ্তরিক ইউনিফরম পরিধান করিতে পারিবেন না।
২৯০.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ কখন থেকে কার্যকর হয়?
  1. ১ মার্চ, ২০০০
  2. ৮ এপ্রিল, ২০০০
  3. ১ জানুয়ারি, ২০০০
  4. ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০০
সঠিক উত্তর:
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০০
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ৮ নং আইন) ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০০ তারিখে কার্যকর হয়েছে। এটি নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, নির্যাতন (যেমন ধর্ষণ, অপহরণ, যৌতুক, দহন ইত্যাদি) দমনের জন্য প্রণীত, এবং কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। আইনটির সর্বশেষ সংশোধনী ২০২৫ সালে (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫) হলেও কার্যকর তারিখ পরিবর্তিত হয়নি।

২৯১.
শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখার বিষয়টি কিভাবে বিবেচনা করা হবে?
  1. প্রথম পন্থা
  2. অপরিহার্য পন্থা
  3. সর্বশেষ পন্থা
  4. সর্বোত্তম পন্থা
সঠিক উত্তর:
সর্বশেষ পন্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বশেষ পন্থা
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩, ধারা ২৬: শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা:
(১) শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখার বিষয়টি সর্বশেষ পন্থা হিসাবে বিবেচনা করিতে হইবে, যাহার মেয়াদ হইবে যথাসম্ভব স্বল্পতম সময়ের জন্য। 
 
(২) সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিরাপদ হেফাজতে রক্ষিত শিশুকে বিকল্পপন্থায় পরিচালনার জন্য প্রেরণ করিতে হইবে। 
 
(৩) শিশুকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা একান্ত প্রয়োজন হইলে শিশু-আদালত, সংশ্লিষ্ট শিশুকে উক্ত আদালত হইতে যুক্তিসঙ্গত দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত কোন প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করিবার জন্য আদেশ প্রদান করিবে : 
তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার অধীন কোন শিশুকে প্রত্যয়িত প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করা হইলে উক্ত প্রতিষ্ঠানে অবস্থানকারী অধিক বয়স্ক শিশুদের হইতে প্রেরিত শিশুকে পৃথক করিয়া রাখিতে হইবে।
২৯২.
কয়জন বিচারকের সমন্বয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জন
ব্যাখ্যা
ধারা ২৬- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল:
(১) এই আইনের অধীন অপরাধ বিচারের জন্য প্রত্যেক জেলা সদরে একটি করিয়া ট্রাইব্যুনাল থাকিবে এবং প্রয়োজনে সরকার উক্ত জেলায় একাধিক ট্রাইব্যুনালও গঠন করিতে পারিবে; এইরূপ ট্রাইব্যুনাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নামে অভিহিত হইবে।

(২) একজন বিচারক সমন্বয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হইবে এবং সরকার জেলা ও দায়রা জজগণের মধ্য হইতে উক্ত ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযু্‌ক্ত করিবে।

(৩) সরকার, প্রয়োজনবোধে, কোন জেলা ও দায়রা জজকে তাহার দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত করিতে পারিবে।

(৪) এই ধারায় জেলা জজ ও দায়রা জজ বলিতে [অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজও] অন্তর্ভুক্ত।
২৯৩.
বিশেষ ক্ষমতা আইন অনুযায়ী নাশকতার সর্বনিম্ন শাস্তি কত?
  1. ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ১২ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
• The Special Powers Act, 1974 এর ১৫ ধারার বিধান অন্তর্ঘাতী কার্য/নাশকতা (Sabotage):

১) কোন ব্যক্তি কার্যক্ষমতাকে বিকল করার, কার্য ব্যাহত করার বা ক্ষতি সাধন করার উদ্দেশ্যে কোন কাজ করতে পারবে না যা:ঃ
(এ) কোন ভবন, যানবাহন, যন্ত্রপাতি, কলকব্জা বা অন্য কোন সম্পত্তি বা সরকারের বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বা কোন জাতীয়করণকৃত বাণিজ্যিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যবহৃত হয় বা ব্যবহৃত হতে পারে;
(বি) কোন রেলপথ, শূন্যে ঝুলন্ত রজ্জুপথ, রাস্তা, খাল, সেতু কালভার্ট, বাঁধ, বন্দর, ডকইয়ার্ড, বাতিঘর, বিমান বন্দর, টেলিগ্রাম লাইন বা পোস্ট বা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপনা;
(সি) কোন রেলওয়ে বা নৌযান বা বিমানপোতের কোন রোলিং স্টোক; (ডি) কোন অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্যের বা ময়লা নিষ্কাশন কাজে বা খনি বা কারখানার সরবরাহ বন্টন, উৎপাদনের সাথে জড়িত কোন ভবন বা অন্য সম্পত্তি;
(ই) এই আইন বা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে কোন নিষিদ্ধ বা সংরক্ষিত স্থান বা এলাকা; অথবা (এফ) পাট, পাটজাত দ্রব্য, পাটের গুদাম, পাটকল অথবা পাটের গাইট বাঁধার কল।
 
২) উপধারা (১) এর বিধান কোন ব্যক্তি কর্তৃক এমন কাজ না করার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, যে সকল কাজ করা সরকারের বা কোন সরকারি কর্তৃপক্ষের বা কোন ব্যক্তির প্রতি উপরিউক্ত ব্যক্তির কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।
 
৩) এ ধারার বিধান লঙ্ঘনের শাস্তি- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড।

Section 15. Sabotage:
(1) No person shall do any act with intent to impair the efficiency or impede the working of, or to cause damage to,- 
(a) any building, vehicle, machinery, apparatus or other property used, or intended to be used, for the purposes of the Government or of any local authority or nationalised commercial or industrial undertaking ;
(b) any railway, aerial ropeway, road, canal, bridge, culvert, causeway, port, dockyard, light-house, aerodrome, telegraph or telephone line or post, or television or wireless installation; 
(c) any rolling-stock of any railway or any vessel or aircraft; 
(d) any building or other property used in connection with the production, distribution or supply of any essential commodity, any sewage works, mine or factory ; 
(e) any place or area prohibited or protected under this Act or any other law for the time being in force ; or
(f) any jute, jute product, jute godown, jute mill or jute bailing press.

(2) The provisions of sub-section (1) shall apply in relation to any omission on the part of any person to do anything which he is under a duty, either to Government or to any public authority or to any person, to do, as they apply to the doing of any act by a person. 

(3) If any person contravenes any of the provisions of this section, he shall be punishable with death, or with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.
২৯৪.
মাদক দ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধের সাথে নিম্নের কোন আইনের অপরাধ জড়িত?
  1. মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২
  2. এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২
  3. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২
ব্যাখ্যা

⇒ মাদক দ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধের সাথে মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২-এর অপরাধ সরাসরি জড়িত। অতএব, সঠিক উত্তর ক)।

মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২ এবং মাদক অপরাধের সম্পর্ক:
- মানি লন্ডারিং হলো অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থকে বৈধ আয় হিসেবে প্রদর্শনের প্রক্রিয়া।
- মাদক অপরাধ (যেমন মাদক পাচার, বিক্রি, উৎপাদন) থেকে প্রাপ্ত অর্থ সাধারণত অবৈধ এবং এই অর্থকে বৈধ করার জন্য মানি লন্ডারিং করা হয়।
- মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ধারা ৪(২) অনুযায়ী, মাদক দ্রব্য পাচার একটি "পূর্বশর্ত অপরাধ" (Predicate Offence) হিসেবে স্বীকৃত। অর্থাৎ, মাদক পাচারের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ পাচার করা মানি লন্ডারিং আইনের অধীনে দণ্ডনীয় অপরাধ।

উদাহরণস্বরূপ, কোনো ব্যক্তি মাদক বিক্রি করে অর্জিত অর্থ ব্যাংকে জমা রেখে বা সম্পত্তি ক্রয় করে তা বৈধ করলে, তা মানি লন্ডারিং আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য।

আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট: জাতিসংঘের মাদকদ্রব্য ও অপরাধ বিষয়ক কার্যালয় (UNODC) এবং ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF) মাদক অপরাধকে মানি লন্ডারিংয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
 
অন্যান্য অপশনগুলির ব্যাখ্যা:
খ) এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২: এই আইনটি এসিড নিক্ষেপ, এসিড বহন বা এসিড সংক্রান্ত অন্যান্য অপরাধ (যেমন হত্যা, শারীরিক আঘাত) নিয়ন্ত্রণ করে। এটি মাদক অপরাধের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। এসিড অপরাধ সাধারণত ব্যক্তিগত শত্রুতা, সন্ত্রাস বা সামাজিক দ্বন্দ্বের সাথে জড়িত।
গ) ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫: এই আইনটি খাদ্যদ্রব্য, ফলমূল বা অন্যান্য পণ্যে ফরমালিন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে। ফরমালিন একটি বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ যা খাদ্য সংরক্ষণে অবৈধভাবে ব্যবহৃত হয়। এটি মাদক অপরাধের সাথে কোনো সম্পর্ক রাখে না। ফরমালিন মাদক তৈরির উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয় না এবং এই আইন শুধুমাত্র খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত।
ঘ) উপরের কোনটিই নয়: এই অপশনটি ভুল, কারণ মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২ মাদক অপরাধের সাথে সরাসরি জড়িত।

সুতরাং, মাদক অপরাধ থেকে প্রাপ্ত অর্থকে বৈধ করার জন্য মানি লন্ডারিং করা হয়, যা মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২-এর অধীনে দণ্ডনীয়।
এসিড অপরাধ দমন আইন এবং ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন মাদক অপরাধের সাথে সম্পর্কিত নয়।
তাই সঠিক উত্তর: ক) মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২।

২৯৫.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের কোন ধারানুযায়ী Additional Special Tribunal গঠন করা হয়?
  1. ২৫গ
  2. ২৬
  3. ২৭
  4. ২৮
সঠিক উত্তর:
২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ ধারার বিধান:  এই আইন অনুসারে অপরাধসমূহ এবং অন্যান্য কতিপয় অপরাধের বিচার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক করা হবে:
-এই আইনের তফসিলে নির্দিষ্ট অপরাধসমূহ শুধুমাত্র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচারযোগ্য হবে।

-এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচারের জন্য দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ নিজ দায়রা বিভাগের মধ্যে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবে। দায়রা জজকে নিয়ে গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল বিচারের যেকোন স্তরে তার নিজের দায়রা বিভাগের মধ্যে একটি স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হতে অপর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল যেকোন মামলা হস্তান্তর করতে পারবেন।

- সরকার এই আইনের তফসিলের ৩য় এবং ৪র্থ প্যারায় বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচারের জন্য একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে।
----------------------------------------
⇒ The Special Powers Act, 1974 Section-26. Offences under this Act and certain other offences to be tried by Special Tribunals:

(1) Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force, the offences specified in the Schedule to this Act shall be triable exclusively by a Special Tribunal constituted under sub-section (2). 

(2) Every Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Assistant Sessions Judge shall, for the areas within his sessions division, be a Special Tribunal for the trial of offences triable under this Act 21:

Provided that the Government may, for the purpose of trial of offences mentioned in paragraphs 3 and 4 of the Schedule to this Act, constitute one or more additional Special Tribunals for such areas as may be specified by the Government and an additional Special Tribunal so constituted shall consist of one member, to be appointed by the Government, who shall be a person who is a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class.
 
(3) A Special Tribunal consisting of the Sessions Judge may transfer, at any stage of the trial, any case from one Special Tribunal to another Special Tribunal within his sessions division.
২৯৬.
‘নিয়ন্ত্রিত বিলি' বিধানটি কোন আইনে উল্লেখ রয়েছে?
  1. বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪
  2. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০০
  3. মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮
  4. শিশু আইন,২০১৩
সঠিক উত্তর:
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮
ব্যাখ্যা
• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ২(১৫) ধারায় উল্লেখ আছে-

‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়।
২৯৭.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০- এ ডিএনএ পরীক্ষার ক্ষেত্রে কার অনুমতি আবশ্যক?
  1. ট্রাইব্যুনালের
  2. চিকিৎসকের
  3. পরীক্ষিত ব্যক্তির
  4. তদন্তকারী কর্মকর্তার
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৩২ক অনুযায়ী,
এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং ভুক্তভোগীর ডিএনএ (ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড) পরীক্ষা করা যেতে পারে। এই পরীক্ষার উদ্দেশ্য হলো- তদন্তে বৈজ্ঞানিকভাবে সত্যতা যাচাই এবং অপরাধের প্রমাণ সংগ্রহ। এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মতি থাক বা না থাক, তদন্তকারী কর্মকর্তা যদি মামলার ঘটনা ও প্রেক্ষাপট বিচার করে মনে করেন যে ডিএনএ পরীক্ষা প্রয়োজন, তাহলে তিনি ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) আইন, ২০১৪ (২০১৪ সনের ১০ নং আইন) এবং উক্ত আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালা এর বিধান অনুযায়ী তা করতে পারেন।

তবে, এই পরীক্ষার আগে ট্রাইব্যুনাল বা এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন নিতে হবে। যদি তদন্তকারী কর্মকর্তা অনুমোদন নিয়েও ডিএনএ পরীক্ষা না করেন, তবে তাকে কেন পরীক্ষা করা হয়নি, সেই কারণ এবং অনুমোদনের বিস্তারিত তথ্য তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করতে হবে।

ধারা ৩২ক-এর উপধারা (২) অনুসারে, যদি এই আইনের অধীনে সংঘটিত ধর্ষণ সংক্রান্ত অপরাধে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা ডিএনএ ল্যাবে পাঠানো হয়, তাহলে সেই পরীক্ষা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করতে হবে। পরীক্ষার ফলাফল যত দ্রুত সম্ভব তদন্তকারী কর্মকর্তা, ট্রাইব্যুনাল, অথবা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
২৯৮.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ অনুসারে আসামির নিকট হতে ২৫টি ক্যানাবিস গাছ উদ্ধার হলে শাস্তির বিধান-
  1. অন্যূন ৩ বছর এবং অনুর্ধ্ব ১৫ বছর
  2. অন্যূন ২ বছর এবং অনুর্ধ্ব ১০ বছর
  3. অন্যূন ৬ মাস এবং অনুর্ধ্ব ৩ বছর
  4. কোনটিই সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
অন্যূন ৬ মাস এবং অনুর্ধ্ব ৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যূন ৬ মাস এবং অনুর্ধ্ব ৩ বছর
ব্যাখ্যা
• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ অনুসারে- ২৫টি ক্যানাবিস (গাঁজা) গাছ উদ্ধার হলে শাস্তির বিধান ছিল অন্যূন ৬ মাস এবং অনূর্ধ্ব ৩ বৎসর কারাদণ্ড।

• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ রহিত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ প্রণীত হয়। বর্তমানে মাদকদ্রব্যের নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ও চাহিদা হ্রাস, অপব্যবহার ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনকল্পে বিধান এই আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।

বর্তমানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুসারে,
গাছের সংখ্যা অনূর্ধ্ব ৫০টি হইলে অন্যূন ১ বৎসর অনূর্ধ্ব  ৫ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হবে।
২৯৯.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী ধর্ষণের ফলে জন্মলাভকারী শিশুর ভরণপোষণের ব্যয় কে বহন করবে?
  1. ধর্ষণকারী পিতা
  2. আদালত
  3. রাষ্ট্র
  4. মাতৃকুলীয় আত্মীয় স্বজন
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১৩ ধারার বিধান: ধর্ষণের ফলশ্রুতিতে জন্মলাভকারী শিশু সংক্রান্ত বিধান:
(১) অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধর্ষণের কারণে কোন সন্তান জন্মলাভ করিলে-
(ক) উক্ত সন্তানকে তাহার মাতা কিংবা তাহার মাতৃকুলীয় আত্মীয় স্বজনের তত্ত্বাবধানে রাখা যাইবে;
(খ) উক্ত সন্তান তাহার পিতা বা মাতা, কিংবা উভয়ের পরিচয়ে পরিচিত হইবার অধিকারী হইবে;
(গ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় রাষ্ট্র বহণ করিবে;
(ঘ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় তাহার বয়স একুশ বৎসর পূর্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রদেয় হইবে, তবে একুশ বত্সরের অধিক বয়স্ক কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে তাহার বিবাহ না হওয়া পর্যন্ত এবং পঙ্গু সন্তানের ক্ষেত্রে তিনি স্বীয় ভরণপোষণের যোগ্যতা অর্জন না করা পর্যন্ত প্রদেয় হইবে।
 
(২) সরকার বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সন্তানের ভরণপোষণ বাবদ প্রদেয় অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করিবে।
 
(৩) এই ধারার অধীন কোন সন্তানকে ভরণপোষণের জন্য প্রদেয় অর্থ সরকার ধর্ষকের নিকট হইতে আদায় করিতে পারিবে এবং ধর্ষকের বিদ্যমান সম্পদ হইতে উক্ত অর্থ আদায় করা সম্ভব না হইলে, ভবিষ্যতে তিনি যে সম্পদের মালিক বা অধিকারী হইবেন সেই সম্পদ হইতে উহা আদায়যোগ্য হইবে।
৩০০.
জেলা কমিটি বিচার প্রার্থীর বরাবর প্রদত্ত আইনগত সহায়তা প্রত্যাহার করতে পারবে-
  1. স্বীয় উদ্যোগে
  2. অভিযোগের ভিত্তিতে
  3. শুধুমাত্র আদালতের নির্দেশে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান প্রবিধানমালা, ২০১৫ এর অনুচ্ছেদ ১৫- আইনগত সহায়তা প্রত্যাহার:
(১) কমিটি স্বীয় উদ্যোগে অথবা কোন অভিযোগের ভিত্তিতে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে কোন বিচার প্রার্থীর বরাবর প্রদত্ত আইনগত সহায়তা প্রত্যাহার করিতে পারিবে, যথা:-
(ক) আইনগত সহায়তার আবেদন মঞ্জুর হইবার পর বিচারপ্রার্থীর পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্য রহিয়াছে বলিয়া সংশ্লিষ্ট কমিটির নিকট যদি প্রতীয়মান হয়;
(খ) বিচারপ্রার্থী মিথ্যা তথ্য বা প্রতারণার মাধ্যমে যদি আইনগত সহায়তা গ্রহণ করেন;
(গ) সংশ্লিষ্ট কমিটি কিংবা নিযুক্ত আইনজীবীকে বিচারপ্রার্থী যদি অসহযোগিতা করেন; অথবা
(ঘ) বিচারপ্রার্থী যদি আইনগত প্রক্রিয়া কিংবা আইনগত সহায়তার অপপ্রয়োগ করেন।

(২) উপ-প্রবিধান (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন বিচারপ্রার্থীকে কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদান না করিয়া তাহাকে প্রদত্ত আইনগত সহায়তা প্রত্যাহার করা যাইবে না।

⇒ এখানে, "কমিটি" অর্থ সুপ্রীম কোর্ট কমিটি, জেলা কমিটি বা ক্ষেত্রমত, বিশেষ কমিটিকে বোঝানো হয়েছে।