বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

যুদ্ধ ও বিপ্লবসমূহ

মোট প্রশ্ন১,০৫২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

যুদ্ধ ও বিপ্লবসমূহ

PrepBank · পাতা / ১১ · ৭০১৮০০ / ১,০৫২

৭০১.
'আরব বসন্ত'-এর সূচনা হয়- 
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
ব্যাখ্যা

• আরব বসন্ত:
- আরব বসন্ত হলো আরব মুসলিম দেশগুলোতে সংঘটিত হওয়া সিরিজ বা ধারাবাহিক গণঅভ্যুত্থান।
- ২০১০ সালের ডিসেম্বরে বোয়াজিজি নামে এক ফলবিক্রেতা কর্তৃক নিজ শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তিউনেশিয়ায় সর্বপ্রথম গণবিক্ষোভ বা আরব বসন্তের সূত্রপাত ঘটে।
- এর ফলে ২০১১ সালের ১৪ জানুয়ারি তিউনেশিয়ার স্বৈরশাসক জাইন এল বেন আলী এর পতন ঘটে।

- পরবর্তীতে এই গণবিক্ষোভ মিসর, ইয়েমেন, লিবিয়া, সিরিয়া, বাহরাইন ও মরক্কোতে ছড়িয়ে পড়ে।
- লিবিয়া, সিরিয়া ও ইয়েমেনে গণআন্দোলন গৃহযুদ্ধে রূপ নিয়েছে। এই দেশগুলোতে এখনো সংঘাত চলমান রয়েছে।

উৎস: হিস্টোরি.কম এবং দ্যা গার্ডিয়ান রিপোর্ট।

৭০২.
১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের (Russian Revolution) নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কারা?
  1. মেনশেভিকরা
  2. জারপন্থী বাহিনী
  3. বলশেভিকরা
  4. নৈরাজ্যবাদীরা
সঠিক উত্তর:
বলশেভিকরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলশেভিকরা
ব্যাখ্যা

- ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিক পার্টি ১৯১৭ সালের অক্টোবর বিপ্লবের মাধ্যমে রাশিয়ার ক্ষমতা দখল করে। এই বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়। এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে “১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব” (Russian Revolution of 1917) বলা হয়।

• ফেব্রুয়ারি বিপ্লব: 
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে - রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন - আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

• বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব: 
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে - রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন - ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

সূত্র: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম

৭০৩.
নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয় কবে?
  1. ৬ আগষ্ট, ১৯৪৫ সাল
  2. ৯ আগষ্ট, ১৯৪৫ সাল
  3. ১৫ আগষ্ট, ১৯৪৫ সাল
  4. ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সাল
সঠিক উত্তর:
৯ আগষ্ট, ১৯৪৫ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ আগষ্ট, ১৯৪৫ সাল
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ১৯৩৯ সালে শুরু হয় ও ১৯৪৫ সালে সমাপ্তি ঘটে।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, ইতালি, জাপান
- মিত্রশক্তি: ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, এবং আংশিকভাবে চীন
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অসমাপ্ত বিরোধের ফলস্বরূপ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- এটি ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, যেখানে প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি মানুষ নিহত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব বৃদ্ধি, চীনে কমিউনিস্ট শাসনের উত্থান এবং পশ্চিম ইউরোপের শক্তি হ্রাসের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নকে সুপারপাওয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
- ৬ আগস্ট ১৯৪৫: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হিরোশিমাতে প্রথম পারমাণবিক বোমা ফেলে, যেখানে ৭০,০০০+ মানুষ সঙ্গে সঙ্গে নিহত হয়।
- ৯ আগস্ট ১৯৪৫: নাগাসাকিতে দ্বিতীয় পারমাণবিক বোমা ফেলা হয়, যা জাপানকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করে।
- স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা: যুদ্ধ শেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে ক্ষমতার প্রতিযোগিতা শুরু হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা: ভবিষ্যতে বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধের জন্য ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা বিশ্ব রাজনীতির গতিপথ চিরতরে পরিবর্তন করে দেয়।

উৎস: Britannica.
৭০৪.
ইসলামের ইতিহাসে বিখ্যাত বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয় কবে?
  1. ৬২৫ সালে
  2. ৬২৪ সালে
  3. ৬২৭ সালে
  4. ৬২৯ সালে
সঠিক উত্তর:
৬২৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২৪ সালে
ব্যাখ্যা

• বদরের যুদ্ধ
- সংঘটন কাল:- ৬২৪ খিস্টাব্দ (২য় হিজরী)।
- যুদ্ধের পক্ষ:- মুসলমান এবং মক্কার কুরাইশগণ।
- ইসলামের ইতিহাসে প্রথম যুদ্ধ। ৩১৩ জন মুসলিম সৈন্য মক্কার কুরাইশদের প্রায় ১০০০ সৈন্যকে হারিয়ে দেয়। এই যুদ্ধ জয়ের ফলে ইসলাম ধর্মের্র রাজনৈতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।      
- ১৭ রমজান ঐতিহাসিক বদর দিবসকে পবিত্র কোরআনে ‘ইয়াওমুল ফুরকান’ বা সত্য-মিথ্যা প্রভেদের দিন নামে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।  

উল্লেখ্য, 
- উহুদের যুদ্ধ ৬২৫ খ্রিস্টাব্দ (৩য় হিজরী)
- খন্দকের যুদ্ধ ৬২৭ খিস্টাব্দ (৫ম হিজরী)
- খায়বারের যুদ্ধ ৬২৯ খিস্টাব্দ (৭ম হিজরী)  

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৭০৫.
'স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব' কোন বিপ্লবের সাথে সম্পর্কিত?
  1. রুশ বিপ্লব
  2. ভেলভেট বিপ্লব
  3. ফরাসি বিপ্লব
  4. কমলা বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব (Liberty, Equality and Fraternity)-এর শ্লোগানে ১৭৮৯ সালে মহান বিপ্লব সংগঠিত হয়েছিল ফ্রান্সে।
- রাজতান্ত্রিক শোষণের বিরুদ্ধে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত এবং সশস্ত্র এ বিপ্লবের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল লুই সম্রাটের শাসন ও শোষণের পরিসমাপ্তি।
- ফ্রান্সের বর্তমান সংবিধানটিকে বলা হয় পঞ্চম প্রজাতান্ত্রিক সংবিধান (The Fifth Republic)।
- অর্থাৎ ফ্রান্সের এ 'পঞ্চম প্রজাতন্ত্র'-এর আগে আরও চারটি প্রজাতন্ত্র বা সাধারণতন্ত্র কায়েম হয়েছিল।
- ফরাসী বিপ্লব সংঘটিত হয় ১৭৮৯ সালে।
- রাজশক্তির অপশাসন হটিয়ে মহান ফরাসী বিপ্লব যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শুরু করে তারই পথ ধরে ১৭৯২ সালে ফ্রান্সে নতুন একটি সংবিধান প্রণয়ন করা হয় এবং প্রথম প্রজাতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়।
- এরপর ১৯৪৮-এ ২য় প্রজাতন্ত্র, ১৮৭০-এ তৃতীয় প্রজাতন্ত্র, ১৯৪৬-এ চতুর্থ প্রজাতন্ত্র এবং ১৯৫৮ সালে পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের সূত্রপাত হয়।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৪, বিএ ও বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০৬.
শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধে কোন পক্ষদ্বয় জড়িত ছিল?
  1. ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড
  2. জাপান ও রাশিয়া
  3. চীন ও যুক্তরাজ্য
  4. জার্মান ও ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ:
- শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ (Hundred Years' War) ছিল ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে।
- ১৩৩৭ থেকে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত চলা এক দীর্ঘ ও জটিল সংঘর্ষ।
- এটি মূলত ফ্রান্সের সিংহাসনের উত্তরাধিকার এবং ভূখণ্ডগত বিরোধের কারণে শুরু হয়েছিল।​

• যুদ্ধের কারণ: 
- ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় এডওয়ার্ড, ফ্রান্সের রাজা ফিলিপ চতুর্থের নাতি, ফ্রান্সের সিংহাসনে তার অধিকার দাবি করেছিলেন।
- ফ্রান্সের অভিজ্ঞান অনুযায়ী, তার দাবিকে অগ্রাহ্য করে ফিলিপ চতুর্থের পুত্র ফিলিপ ষষ্ঠকে সিংহাসনে বসানো হয়।
- এটি ইংল্যান্ডকে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে প্ররোচিত করে।​

উল্লেখ্য,
- ফ্রান্সের রাজা চার্লস সপ্তমের নেতৃত্বে ফ্রান্স ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সফল প্রতিরোধ গড়ে তোলে।​
- ফ্রান্সের জাতীয় পরিচয় ও শক্তি বৃদ্ধি পায়।​
- ইংল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়,
- যা পরবর্তীতে 'রোজ যুদ্ধ' নামে পরিচিত গৃহযুদ্ধের সূচনা করে।​

উৎস: Britannica.
৭০৭.
ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের ফলে ভারতীয় উপমহাদেশের কোন শিল্প ধ্বংস হয়?
  1. বস্ত্রশিল্প
  2. পাটশিল্প
  3. চিত্রশিল্প
  4. রংশিল্প
সঠিক উত্তর:
বস্ত্রশিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্ত্রশিল্প
ব্যাখ্যা

→ ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের ফলে ভারতীয় উপমহাদেশের বস্ত্রশিল্প ধ্বংস হয়।

শিল্প বিপ্লব:
- শিল্প বিপ্লব সর্বপ্রথম ইংল্যান্ডে সংঘটিত হয়।
- ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হওয়ার নানা রকম কারণের মধ্যে একটি বড় কারণ ছিল পুঁজির জোগান।
- অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে প্রথমে ইংল্যান্ডে এবং পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি কাজে লাগিয়ে উৎপাদনব্যবস্থায় যে আমূল পরিবর্তন ঘটানো হয়, তা-ই শিল্প বিপ্লব নামে পরিচিত।
- ১৭৬০ সালে শুরু হওয়া শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে শিল্পায়নের সূত্রপাত।
- ১৭৮৪ সালে বাষ্পীয় ইঞ্জিন তৈরির মাধ্যমে যা ব্যাপক কলেবরে বৃদ্ধি পায়।
- ১৮৭০ সালে বিদ্যুৎ আবিষ্কারের মাধ্যমে মানুষ পেয়েছে আলোকিত বিশ্ব।
- ১৮৪৫ সালে আবার শিল্প বিপ্লব কথাটি ব্যবহার করেন জার্মান সমাজতন্ত্রী দার্শনিক ফ্রেডরিখ অ্যাঙ্গেলস।
- ১৮৮০ থেকে ৮১ সালে শিল্প বিপ্লব কথাটিকে জনপ্রিয় করেছিলেন বিশিষ্ট ব্রিটিশ ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি তাঁর লেখা 'Lectures on the Industrial Revolution in England' গ্রন্থে ব্যবহারের মাধ্যমে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও যুক্তরাজ্যের ওয়েবসাইট।

৭০৮.
'গোলাপ বিপ্লব' সংঘটিত হয় কোন দেশে?
  1. ক) ইউক্রেন
  2. খ) কিরগিজস্তান
  3. গ) চেক রিপাবলিক
  4. ঘ) জর্জিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) জর্জিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জর্জিয়া
ব্যাখ্যা
▪ ২০০৩ সালে জর্জিয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তরকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক ঘটনাবলীর সমষ্টিকে 'গোলাপ বিপ্লব' বলে। 
▪ ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চে কিরগিজস্তানে নির্বাচনে কারচুপির পরিপ্রেক্ষিতে টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
▪ ক্ষমতাবদলকে কেন্দ্র করে ২০০৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০০৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ইউক্রেনে সংঘটিত কিছু সরকার বিরোধী আন্দোলনকে “কমলা বিপ্লব” বা অরেঞ্জ রেভুলুশ্যন বলে। 
▪ ভেলভেট বিপ্লব সংঘটন হয় ১৭ নভেম্বর - ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৮৯ সাল। সংঘটন স্থান – চেকোস্লোভাকিয়া (বর্তমানে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া)।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।
৭০৯.
কমিউনিস্ট বিপ্লবের নেতা ফিদেল কাস্ত্রো কোন দেশের নাগরিক?
  1. ক) আর্জেন্টিনা
  2. খ) কিউবা
  3. গ) বলিভিয়া
  4. ঘ) কলম্বিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) কিউবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কিউবা
ব্যাখ্যা
ফিদেল কাস্ত্রোঃ লাতিন আমেরিকার কমিউনিস্ট বিপ্লবের নেতা।
জন্মগ্রহণ করেনঃ ১৩ আগস্ট, ১৯২৬ সালে, কিউবায়।
- ১৯৫৯ সালে কমিউনিস্ট বিপ্লবের মাধ্যমে তিনি তৎকালীন সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেকে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন।
- তিনি ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৯৭৬ সালে পদটি বিলুপ্ত করার পর তিনি পার্টি প্রধান এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট হন।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৭১০.
নিচের কোন দেশটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির অন্তর্ভূক্ত ছিলো?
  1. ক) জার্মান
  2. খ) হাঙ্গেরী
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) অস্ট্রিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির অন্তর্ভূক্ত ছিলো - যুক্তরাষ্ট্র।

• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ( ১৯১৪-১৯১৮):
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যাস্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে - আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে।
- যুদ্ধ শুরু হয়- ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়- ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।

- যুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিজোট ছিল- জার্মান, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি জোট ছিল- রাশিয়া, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম, জাপান, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র।
- যুদ্ধের ফলাফল- মিত্র শক্তির বিজয়।
- চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানী ঘটে।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৭১১.
'সানশাইন পলিসি'র প্রবক্তা-
  1. লি মিউং-বাক
  2. কিম ইয়ং-স্যাম
  3. রোহ মু-হিউন
  4. কিম দায়ে-জং
সঠিক উত্তর:
কিম দায়ে-জং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিম দায়ে-জং
ব্যাখ্যা
• সানশাইন পলিসি (Sunshine Policy):
- সানশাইন পলিসি (Sunshine Policy) হল উত্তর কোরিয়ার সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার বৈদেশিক নীতি বা শান্তিপূর্ণ কূটনীতি।  
- প্রবক্তা: দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং।
- ২০০০ সালে এ নীতি বাস্তবায়নের ফলস্বরূপ  কিম দায়ে জং নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। 
- এই নীতির ফলশ্রুতিতে ২০০১ সালের ১৩ জুন দু দেশের প্রেসিডেন্টের মধ্যে শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
- মেয়াদ: ১৯৯৮ থেকে ২০০৮ সাল অবধি।
- কিম দায়ে-জং ১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার অষ্টম রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- কিম ইয়ং-স্যাম ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার ৭ তম রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- রোহ মু-হিউন দক্ষিণ কোরিয়ায় ২০০৩ থেকে ২০০৮ সালের নবম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- লি মিউং-বাককে ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার ১০ তম রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও দক্ষিণ কোরিয়ার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।  
৭১২.
১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের সময় মধ্যস্থতাকারী রাষ্ট্রের ভূমিকা পালন করে -
  1. ক) সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. খ) সমাজতান্ত্রিক চীন
  3. গ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ক) সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
- ভৌগোলিক দিক দিয়ে চীনের মত সোভিয়েত ইউনিয়নও দক্ষিণ এশিয়ার নিকটবর্তী একটি পরাশক্তি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর হতেই ইউরোপীয় পরিমন্ডল ছাড়িয়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্বব্যাপী তার প্রভাব প্রতিপত্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষে সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং একটি নতুন পরাশক্তি হিসেবে ভূমিকা পালন করতে শুরু করে। 
- মধ্য ষাটের দশকে সোভিয়েত ইউনিয়ন নিজেকে একই সঙ্গে ইউরোপীয় ও এশীয় শক্তি হিসেবে দাবী করে।
-  তবে ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের সময় মধ্যস্থতাকারী রাষ্ট্রের ভূমিকা পালন করে সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রথম দক্ষিণ এশীয় ভূ-খন্ডে বিশেষ প্রভাবশালী হয়ে ওঠে। 
- সোভিয়েত ইউনিয়নের এই কূটনৈতিক প্রয়াসের পেছনে মৌল ভিত্তিই হলো এই যে, সোভিয়েত ইউনিয়ন বাইরের পৃথিবীকে জানাতে চেয়েছিল যে, ভৌগোলিক নৈকট্যের কারণে দক্ষিণ এশিয়া তার প্রভাব-বলয়ের অন্তর্ভুক্ত এলাকা। 

উৎস: ইতিহাস, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭১৩.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. এস্টার ম্যাকভে 
  2. ররি স্টুওয়ার্ট
  3. নেভিলি চেম্বারলেইন
  4. ম্যাট হ্যানকক
সঠিক উত্তর:
নেভিলি চেম্বারলেইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেভিলি চেম্বারলেইন
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় যুদ্ধকালীন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান:
▪ যুক্তরাষ্ট্র - ফ্রাঙ্কলিন ডি.রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান (প্রেসিডেন্ট)
▪ সোভিয়েত ইউনিয়ন - জোসেফ স্ট্যালিন (প্রেসিডেন্ট/নেতা)
▪ যুক্তরাজ্য - উইনস্টন চার্চিল ও নেভিলি চেম্বারলেইন (প্রধানমন্ত্রী)
▪ ফ্রান্স - চার্লস ডি গল (প্রবাসী সরকারের প্রধান)
▪ জার্মানি - এডলফ হিটলার (চ্যান্সেলর/ফুয়েরার)
▪ জাপান - হিরোহিতো (সম্রাট)
▪ ইতালি - বেনিতো মুসোলিনী ও পিয়েত্রো বাডুগোল্লি (প্রধানমন্ত্রী)।

উৎস: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।

৭১৪.
কোন যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ‘ডমিনো তত্ত্ব’ অনুসরণ করেছিল?
  1. উপসাগরীয় যুদ্ধ
  2. কোরীয় যুদ্ধ
  3. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  4. ইরাক যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ভিয়েতনাম যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েতনাম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

• ডমিনো তত্ত্ব:
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা করেছিলেন।
- ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।
- ভিয়েতনাম যুদ্ধ এবং স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করেছিল।
- তিনি এন্টি-কমিউনিস্ট দক্ষিণ ভিয়েতনাম সরকারকে সহায়তা করেন।
- ডমিনো তত্ত্বটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য প্রযোজ্য ছিল।
- ১৯৫০ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তত্ত্বটি প্রচার করেছিল।


তথ্যসূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।

৭১৫.
আফিম যুদ্ধে চীনের পরাজয়ের ফলাফলস্বরূপ স্বাক্ষরিত হয় কোন চুক্তি?
  1. হংকং চুক্তি
  2. নানকিং চুক্তি
  3. নিউ বেল্ট চুক্তি
  4. আফিম চুক্তি
সঠিক উত্তর:
নানকিং চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নানকিং চুক্তি
ব্যাখ্যা
• আফিম যুদ্ধ:
- আফিমের চোরাচালানকে কেন্দ্র করে যে যুদ্ধদ্বয় সংঘটিত হয়েছিলম, তাই আফিট যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি উনিশ শতকের গোড়া থেকে চীনের সঙ্গে ব্যবসায়ে ঘাটতি মেটাতে বঙ্গদেশ থেকে চীনে আফিম রপ্তানি শুরু করে।
- চীনা শাসকরা ১৮৩৯ সালে আফিম আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- কিন্তু ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অবৈধ উপায়ে এ ব্যবসা অব্যাহত রাখে।
- কোম্পানির অবৈধ আফিম ব্যবসার কারণে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ বাধে।
- চীনারা পরাজিত হয় এবং চীন ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।
- ব্রিটেনের প্রয়োজন ছিল আফিম ব্যবসা অব্যাহত রাখার অনুমতি লাভ করা।
- আফিমের বাজার সম্প্রসারণের দাবির প্রশ্নে ব্রিটিশের সঙ্গে চীনাদের দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ (১৮৫৮) শুরু হয়।
- চীন আবারও পরাজিত হয়।
- এই যুদ্ধ ইতিহাসের পাতায় এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় দখল করে আছে।
- এই যুদ্ধ তৎকালীন চীনের স্বাধীনতাকে খর্ব করে দিয়েছিল।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৭১৬.
১৯৭৩ সালে সংঘটিত আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ কী নামে পরিচিত?
  1. অক্টোবর যুদ্ধ
  2. রমজান যুদ্ধ
  3. ইয়ম কিপুর যুদ্ধ
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালে সংঘটিত আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অক্টোবর যুদ্ধ’, ‘রমজান যুদ্ধ’ ও ‘ইয়ম কিপুর যুদ্ধ’ নামে পরিচিত।

ইয়োম কিপুর যুদ্ধ:
- মিসর ও সিরিয়া নেতৃত্বাধীন জোট এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৭৩ সালের ৬ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত এ লড়াই সংঘটিত হয়।
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়ম কিপুরে ইসরায়েল অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোট অতর্কিত হামলা করে।
- মিসর ও সিরিয়া সেনারা যুদ্ধবিরতি রেখা ভেদ করে যথাক্রমে সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিতে ঢুকে পড়ে।
- এ অঞ্চলগুলো ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে ইসরায়েল দখল করে নেয়।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ে তাদের নিজ নিজ মিত্রদের এসময়ে সহায়তা করে।
- ফলে দুইটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।
- ইয়োম কিপুরের যুদ্ধে ইসরায়েল জয়ী হয়।

উলেখ্য
- Yom Kippur War নামে পরিচিত চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।
- এসময় মুসলিম পবিত্র মাস রমজান ছিল।
- এই যুদ্ধ অক্টোবর যুদ্ধ ও রমজান যুদ্ধ নামেও পরিচিত।

উৎস: Worldatlas.
৭১৭.
আর্মেনিয়ান হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় কবে?
  1. ১৯০৩ সালে
  2. ১৯১১ সালে
  3. ১৯১৫ সালে
  4. ১৯২২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১৫ সালে
ব্যাখ্যা
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ১৯১৫ সালে অটোমান সৈন্যদের দ্বারা জাতিগত আর্মেনীয়দের হত্যার ঘটনা আর্মেনীয় হত্যাকাণ্ড নামে পরিচিত।
- এই ঘটনায় ৬ থেকে ১৫ লক্ষ আর্মেনীয় নিহত হয় বলে আর্মেনিয়া দাবী করে থাকে।
- সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র এই হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করে। এছাড়া ফ্রান্স, ইতালিসহ পশ্চিমা আরো কিছু দেশ এই হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করে।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ডেইলি স্টার)
৭১৮.
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল কোন ঐতিহাসিক যুদ্ধের সাথে জড়িত? 
  1. স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধ
  2. আমেরিকার গৃহযুদ্ধ
  3. ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
  4. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

- ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল নামটি ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সাথে জড়িত।

• ক্রিমিয়ার যুদ্ধ:

- ১৮৫৩ সাল থেকে ১৮৫৬ সাল পর্যন্ত ক্রিমিয়ার যুদ্ধ চলে।
- রাশিয়ার সঙ্গে এই যুদ্ধ চলে তুরস্ক তথা অটোমান সাম্রাজ্যের মিত্রশক্তি ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সারডিনিয়ার।
- ১৮৫৩ সালে ইউরোপের তুর্কি এলাকায় রাশিয়া আক্রমণ চালালে এ যুদ্ধের সূচনা হয়।
- রাশিয়া তুরস্কের নিয়ন্ত্রিত দারদানেলিস প্রণালী দিয়ে যুদ্ধ জাহাজ চলাচলের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তুরস্কের খ্রিস্টানদের রক্ষার অজুহাত তুলে এই যুদ্ধ শুরু করে।
- প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হবার পর ১৮৫৬ সালে এই যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে।
- এই যুদ্ধে রাশিয়া পরাজিত হয়।
- যুদ্ধে বিজয়ী হয় ফ্রান্স, ব্রিটেন ও অটোমান সাম্রাজ্য।
- এই যুদ্ধে অপ্রতুল চিকিৎসাসেবা ও সৈন্যদের দুরবস্থার মধ্যে সেবার আলো হাতে নিয়ে পাশে এসে দাঁড়ান ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
- তিনি তাদের জন্য যথাযথ হাসপাতাল গড়ে তোলেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

৭১৯.
‘জ্যাকোবিন ক্লাব’ কোন বিপ্লবের সঙ্গে যুক্ত ছিল? 
  1. ফরাসি বিপ্লব
  2. আমেরিকান বিপ্লব
  3. রুশ বিপ্লব
  4. কমিউনিস্ট বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব
ব্যাখ্যা

• জ্যাকোবিন ক্লাব:
- জ্যাকোবিন ক্লাব ফরাসি বিপ্লবের সবচেয়ে পরিচিত রাজনৈতিক গোষ্ঠী ছিল। 
- তারা চরম সমতার পক্ষে ছিলেন এবং অনেক সময় কঠোর ও সহিংস পদক্ষেপ নিতেন। 
- ১৭৯৩ থেকে ১৭৯৪ সালের মধ্যে তারা বিপ্লবের সরকার চালিয়েছিল।

- ক্লাবটি প্রথম শুরু হয়েছিল ভার্সাইলে, যেখানে বিভিন্ন এলাকার প্রতিনিধি মিলিত হয়ে বিপ্লবের পরিকল্পনা করতেন। 
- পরবর্তীতে প্যারিসে এসে নাম হয় 'Society of the Friends of the Constitution', কিন্তু সবাই এটিকে 'জ্যাকোবিন ক্লাব' বলেই ডাকে। 
- এর নামকরণ করা হয়েছিল Jacobin Convent (একটি ডোমিনিকান মঠ) থেকে, যেখানে সদস্যরা প্রথম সভা করেছিল।
- ক্লাবের উদ্দেশ্য ছিল বিপ্লবের অর্জন রক্ষা করা এবং বিপরীতদের প্রতিহত করা।
- Maximilien Robespierre ছিলেন এর অন্যতম প্রধান নেতা। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

৭২০.
অরেঞ্জ বিপ্লব কোথায় হয়েছিল?
  1. কিয়েভ
  2. মস্কো
  3. তেহরান
  4. প্যারিস
সঠিক উত্তর:
কিয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়েভ
ব্যাখ্যা
"অরেঞ্জ বিপ্লব":
- অরেঞ্জ বিপ্লব সংঘটিত হয় ইউক্রেনে।
- ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এ আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।
- এটি ছিল ধারাবাহিক প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক ঘটনা।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ছিল নাগরিক প্রতিরোধ আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।

⇒ অপরদিকে,
- আরব বসন্ত সূচনা হয় তিউনেসিয়ায়।
- বলশেভিক বিপ্লব হয় রাশিয়ায়।
- অক্টোবর বিপ্লব হয় রাশিয়ায়।
- ইসলামিক বিপ্লব হয় ইরানে।
- ভেলভেট বিপ্লব হয় চেকোস্লোভাকিয়া।

উৎস: Britannica.
৭২১.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কবে?
  1. ১৯১৪ সালে
  2. ১৯২৯ সালে
  3. ১৯৩৯ সালে
  4. ১৯৪০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৩৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩৯ সালে
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫): 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ১৯৩৯ সালে শুরু হয় ও ১৯৪৫ সালে সমাপ্তি ঘটে। 
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, ইতালি, জাপান
- মিত্রশক্তি: ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, এবং আংশিকভাবে চীন
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অসমাপ্ত বিরোধের ফলস্বরূপ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- এটি ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, যেখানে প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি মানুষ নিহত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব বৃদ্ধি, চীনে কমিউনিস্ট শাসনের উত্থান এবং পশ্চিম ইউরোপের শক্তি হ্রাসের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নকে সুপারপাওয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
- ৬ আগস্ট ১৯৪৫: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হিরোশিমাতে প্রথম পারমাণবিক বোমা ফেলে, যেখানে ৭০,০০০+ মানুষ সঙ্গে সঙ্গে নিহত হয়।
- ৯ আগস্ট ১৯৪৫: নাগাসাকিতে দ্বিতীয় পারমাণবিক বোমা ফেলা হয়, যা জাপানকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করে।
- স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা: যুদ্ধ শেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে ক্ষমতার প্রতিযোগিতা শুরু হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা: ভবিষ্যতে বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধের জন্য ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা বিশ্ব রাজনীতির গতিপথ চিরতরে পরিবর্তন করে দেয়।

উৎস: Britannica.
৭২২.
চৌদ্দ দফার সাথে কার নাম জড়িত?
  1. আব্রাহাম লিংকন
  2. উড্রো উইলসন
  3. থিওডর রুজভেল্ট
  4. জন অ্যাডামস
সঠিক উত্তর:
উড্রো উইলসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উড্রো উইলসন
ব্যাখ্যা
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেসে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন চৌদ্দটি দফা সম্বলিত একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
- এর উদ্দেশ্য ছিলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বন্ধ করা এবং বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
- চৌদ্দ দফার ১৪ নং দফায় জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়। এছাড়া অন্যান্য দফায় ইউরোপিয়ান উপনিবেশগুলোর স্বাধীনতার কথা অন্তর্ভুক্ত ছিলো।
(সূত্র: ব্রিটানিকা)
৭২৩.
মার্কিন গৃহযুদ্ধের সময় কে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ছিলেন?
  1. ইউলিসিস এস. গ্রান্ট
  2. জন টাইলার
  3. আব্রাহাম লিংকন
  4. টমাস জেফারসন
সঠিক উত্তর:
আব্রাহাম লিংকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্রাহাম লিংকন
ব্যাখ্যা
মার্কিন গৃহযুদ্ধ (American Civil War):
- দক্ষিণের ১১টি রাজ্য বনাম যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য রাজ্যের মধ্যে যে যুদ্ধ হয়েছিল ইতিহাসে তা ‘আমেরিকার গৃহযুদ্ধ’ নামে পরিচিত।
- মার্কিন গৃহযুদ্ধ (American Civil War) ৪ বছর স্থায়ী ছিল।
- ১২ এপ্রিল, ১৮৬১ - ২৬ মে, ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সময় রাষ্ট্রপতি ছিলেন আব্রাহাম লিংকন। তিনি ১৮৬১ সাল থেকে ১৮৬৫ সালে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ১৬তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

⇒ এই যুদ্ধের মূল কারণ ছিল দাসপ্রথা নিয়ে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যে মতবিরোধ।
- উত্তরাঞ্চল দাসপ্রথা বিলোপের পক্ষে ছিল, যেখানে দক্ষিণাঞ্চল তাদের অর্থনীতির জন্য দাসপ্রথার উপর নির্ভরশীল ছিল।
- দাস প্রথার অবসান এবং দক্ষিণের রাজ্যগুলো দাস প্রথা অবসানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য সব রাজ্যের সিদ্ধান্ত না মেনে স্বাধীনভাবে নিজস্ব কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে কিনা সে প্রশ্নেই শুরু হয়েছিলে এই বিবাদ।
- ১৮৬০ সালে দাসপ্রথাবিরোধী রিপাবলিকান পার্টির সদস্য আব্রাহাম লিংকনের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার ফলে ১১টি দক্ষিণ রাজ্য বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় যার ফলে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।

⇒ ১৮৬১ সালে ফোর্ট সামটারে আক্রমণের মাধ্যমে যুদ্ধ শুরু হয়।
- ১৮৬৩ সালে লিংকন এক ঘোষণার মাধ্যমে কনফেডারেট রাজ্যগুলোতে দাসদের মুক্ত ঘোষণা করেন, যা যুদ্ধের উদ্দেশ্যকে দাসপ্রথা বিলোপের দিকে মোড় দেয়। 
- ১৮৬৫ সালের এপ্রিলে কনফেডারেট জেনারেল রবার্ট ই. লি ভার্জিনিয়ার অ্যাপোম্যাটাক্স কোর্ট হাউসে ইউনিয়ন জেনারেল ইউলিসিস এস. গ্রান্টের কাছে তার সৈন্যদের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে যুদ্ধের কার্যকরভাবে সমাপ্তি ঘটে। 
- ১৮৬৩ সালে লিংকন এই ঘোষণার মাধ্যমে কনফেডারেট রাজ্যগুলোতে দাসদের মুক্ত ঘোষণা করেন, যা যুদ্ধের উদ্দেশ্যকে দাসপ্রথা বিলোপের দিকে মোড় দেয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
৭২৪.
'অপারেশন বারবারোসা' কী ছিল?
  1. মিত্রবাহিনীর নরম্যান্ডি আক্রমণ
  2. জাপানের পার্ল হারবার আক্রমণ
  3. জার্মানির সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ
  4. জার্মানির যুক্তরাজ্য আক্রমণের পরিকল্পনা
সঠিক উত্তর:
জার্মানির সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানির সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ
ব্যাখ্যা
অপারেশন বারবারোসা:
- 'অপারেশন বারবারোসা' ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণের সাংকেতিক নাম।
- এটি ছিল ইতিহাসের বৃহত্তম সামরিক আক্রমণগুলির মধ্যে একটি যা ১৯৪১ সালের ২২ জুন শুরু হয়েছিল।
- জার্মানির লক্ষ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নকে দ্রুত পরাজিত করা এবং পূর্বে নিজেদের সাম্রাজ্য প্রসারিত করা।

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় পূর্ব ফ্রন্টের যুদ্ধ বা জার্মানীর রাশিয়া আক্রমণ।
- ১৯৪১ সালে ২২ জুন জার্মানীর হিটলার 'অপারেশন বারবারোসা' নামে পরিচিত সোভিয়েত ইউনিয়ন অভিযান শুরু করেছিলেন।
- এই অভিযানে ১৯টি প্যানযার ডিভিশন, ৩ হাজার ট্যাংক, ২৫০০ বিমান এবং ৭০০০ কামান অংশ গ্রহণ করে।
- সর্বমোট ত্রিশ লক্ষ সৈনিক সাথে ৬ লক্ষ মোটরযান এবং ৬-৭ লক্ষ ঘোড়া ব্যবহার হয়েছিল এই অভিযানে।
- তিনটি দলে ভাগ হয়ে তিনটি ভাগের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন ফিল্ড মার্শাল ভব লিন, ভন বক এবং ভন রান্সডেট।
- মাত্র ১৭ দিনের মধ্যেই তারা ৩ লাখ রাশিয়ান সৈনিককে বন্দি করা ছাড়াও আড়াই হাজার ট্যাঙ্ক, ১ হাজার ৪০০ আর্টিলারি গান এবং ২৫০টি রুশ ফাইটার প্লেন বিধ্বস্ত করে জার্মানরা।

উল্লেখ্য,
- সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা জোসেফ স্ট্যালিনের নেতৃত্ব নাৎসিদের অপারেশন বারবারোসাকে ব্যর্থ করে দেয়।
- রাশিয়ার কঠোর শীত ও সোভিয়েত পাল্টা আক্রমণে জার্মানি পিছু হটে।

উৎস: Britannica.
৭২৫.
'অপারেশন রাইজিং লায়ন' কোন দেশের বিরুদ্ধে পরিচালনা করা হয়?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. ইসরায়েল
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
 অপারেশন রাইজিং লায়ন (Operation Rising Lion):
- “অপারেশন রাইজিং লায়ন” ইসরায়েল কর্তৃক ইরানে পরিচালিত হয়।
- এই অভিযানটি ২০২৫ সালের ১৩ জুন শুরু হয় এবং লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা এবং সামরিক সক্ষমতায় আঘাত করা।
- বিমান হামলায় ২০০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান ব্যবহার করেছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (IDF)।
- এছাড়া, এই অভিযানে আইআরজিসি (IRGC) ও অন্যান্য উচ্চ পদস্থ সামরিক ও বিজ্ঞানীদের লক্ষ্য করা হয়।
- ২৪ শে জুন, ২০২৫ দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’-এর বিপরীতে ইরানের পরিচালিত অভিযানের নাম ‘ট্রু প্রমিজ ৩’। এর মাধ্যমে ইসরায়েলের ডজনখানেক সামরিক ঘাঁটি ও বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
৭২৬.
কোন বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে?
  1. রুশ বিপ্লব
  2. ফরাসি বিপ্লব
  3. হাইতি বিপ্লব
  4. শিল্প বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব
ব্যাখ্যা

ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এই বিপ্লব হয়েছিল ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই।
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল। এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় শিরশ্ছেদের মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৭২৭.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির অন্তর্ভূক্ত ছিলো না নিচের কোন দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র 
  2. বেলজিয়াম
  3. তুরস্ক
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ( ১৯১৪-১৯১৮):
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যাস্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে - আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিজোট: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি জোট ছিল: রাশিয়া, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম, জাপান, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম।
৭২৮.
নাগাসাকি নগরীতে বিস্ফোরিত পারমাণবিক বােমার নাম কী ছিল?
  1. ক) Little Boy
  2. খ) Fat Man
  3. গ) Agni
  4. ঘ) Tomahawk
সঠিক উত্তর:
খ) Fat Man
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Fat Man
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট জাপানের হিরোশিমা শহরে এবং ৯ আগস্ট নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে।
হিরোশিমায় নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো লিটলবয় এবং নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো ফ্যাটম্যান
৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান ১৯৪৫ সালের আগস্টে জাপানে পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

(সূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
৭২৯.
কত সালে চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয়েছিল?
  1. ১৯৪১ সাল
  2. ১৯৪৯ সাল
  3. ১৯৫৪ সাল
  4. ১৯৬৬ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সাল
ব্যাখ্যা

চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব:
- ১৯৬৬ সালে চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয়েছিল।
- এর নেতৃত্ব দেন কমিউনিস্ট নেতা মাও সেতুং।
- এটি ছিল একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন যা ১৯৬৬ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল।

⇒ মাও সেতুং-এর তরুণ সমর্থকেরা রেড গার্ডস নামের বাহিনী গঠন করেন। এই বাহিনীর নেতৃত্বে চলে সাংস্কৃতিক বিপ্লব।
- এই বিপ্লব প্রায় ১০ বছর স্থায়ী হয় এবং ১৯৭৬ সালে এই বিপ্লব সমাপ্ত হয়।
- সমগ্র চীনকে কমিউনিস্ট শাসনের আওতায় আনা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার ও কমিউনিস্ট বিরোধী ভাবধারা প্রতিহত করার জন্য এই
বিপ্লব শুরু হয়। 
- চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ফলে সমগ্র চীন ঐক্যবদ্ধ হয় এবং কমিউনিস্ট পার্টির অবস্থান দৃঢ় হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৯ সালের ১লা অক্টোবর, এক রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে China) বা গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।

উৎস: Britannica.

৭৩০.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. থিওডোর রুজভেল্ট
  2. উড্রো উইলসন
  3. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
  4. হার্বার্ট হুভার
সঠিক উত্তর:
ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা

- ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অধিকাংশ সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তার মৃত্যুর পর হ্যারি এস. ট্রুম্যান প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।  

​- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট। 
​- তিনি ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত টানা চার মেয়াদে প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
​- রুজভেল্ট অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলায় ‘নিউ ডিল’ কর্মসূচি চালু করেন।
​- ১৯৪১ সালে জাপান পার্ল হারবারে আক্রমণ করলে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রবেশ করে। 
​- রুজভেল্ট মিত্রশক্তির প্রধান নেতা হিসেবে যুদ্ধ পরিচালনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। 
​- তিনি ‘সৎ প্রতিবেশি নীতি’র মাধ্যমে লাতিন আমেরিকার সাথে সম্পর্ক উন্নত করেন। 
​- ১৯৪২ সালে তার উদ্যোগে “United Nations” বা জাতিসংঘ নামটি প্রথম ব্যবহার করা হয়।  

​সূত্র: Britannica & History.com

৭৩১.
ইরানের ইসলামি বিপ্লবের ফলে ক্ষমতাচ্যূত হয় কে?
  1. ক) রেজা শাহ
  2. খ) জহির শাহ
  3. গ) দাউদ খান
  4. ঘ) ইব্রাহিম খা
সঠিক উত্তর:
ক) রেজা শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রেজা শাহ
ব্যাখ্যা
১৯৭৮ সালের ৭ জানুয়ারী থেকে ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়। এতে ইরানের তদানীন্তন রাজা শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভী পদত্যাগ করে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেই। জহির শাহ ও দাউদ খান আফগানিস্তের সাবেক সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান। (সূত্রঃ ইরানি ওয়েবসাইট)
৭৩২.
ফ্যাটম্যান (Fat Man) পারমাণবিক বোমা ফেলা হয় জাপানের কোন শহরে?
  1. হিরোশিমা
  2. নাগাসাকি
  3. ইয়োকোহামা 
  4. টোকিও
সঠিক উত্তর:
নাগাসাকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগাসাকি
ব্যাখ্যা

• পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ:
- ১ম পারমাণবিক হামলা: 
- লক্ষ্য শহর: হিরোশিমা, জাপান।
- তারিখ: ৬ আগস্ট, ১৯৪৫। 
- বোমা নিক্ষেপকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- বোমার নাম: “Little Boy”
- Enola Gay নামে একটি B-29 বোমারু বিমান।

• দ্বিতীয় পারমাণবিক হামলা
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫।
- নাগাসাকি শহরে, জাপান।
- “Fat Man” নামে দ্বিতীয় বোমা ফেলা হয়। 

• উদ্দেশ্য
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং জাপানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭৩৩.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কোন দেশটি অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. চীন
  2. ব্রিটেন
  3. ইতালি
  4. পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল, জার্মানি, জাপান, ইতালি।
- অন্যদিকে, মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল, ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ও হিস্টোরি ওয়েবসাইট।
৭৩৪.
ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী কোথায় অবস্থিত?
  1. গ্রীস
  2. তুরস্ক
  3. মিশর
  4. আর্মেনিয়া
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা
ইতিহাস এবং অবস্থান:
- হোমারের মহাকাব্যে বর্ণিত ইতিহাসে, ট্রয় নগরী হলো বিখ্যাত একটি নগরী যা বর্তমান তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হেসারলিক নামক স্থানে অবস্থিত ছিল।
- উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে, ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক ফ্র্যাঙ্ক কালভার্ট এবং জার্মান প্রত্নতাত্ত্বিক হেনরিক শ্লিম্যানের প্রচেষ্টায় ট্রয় নগরীর সন্ধান লাভ করা সম্ভব হয়।
- গ্রিকদের দ্বারা ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
- ট্রয় এর ধ্বংসের কারণ হেলেনকেন্দ্রিক ঐতিহাসিক ট্রোজান যুদ্ধ।

উৎস: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ও ইউনেস্কোর ওয়েবসাইট।
৭৩৫.
'অপারেশন অডিসি ডন' পরিচালিত হয় কোথায়?
  1. ইরাক
  2. লিবিয়া
  3. সিরিয়া
  4. ফিলিস্তিন
সঠিক উত্তর:
লিবিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিবিয়া
ব্যাখ্যা
• 'অপারেশন অডিসি ডন' পরিচালিত হয় লিবিয়ায়।

• Operation Odyssey Dawn:
- অপারেশন অডিসি ডন লিবিয়ায় মার্কিন তথা আন্তর্জাতিক মিলিটারি অপারেশনস-এর কোড নাম।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্যই ছিল এই মিলিটারি অপারেশনস্।
- এই অপারেশন পরিচালিত হয় ১৯ থেকে ৩১ মার্চ ২০১১ পর্যন্ত। 
- এর মধ্য দিয়ে লিবিয়ায় বিমান হামলা চালানো হয় এবং লিবিয়ার উপর ‘নোফ্লাই জোন' প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বিমান হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আরো অংশ নিয়েছিল বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ইতালি, হল্যান্ড, নরওয়ে, কাতার, রোম, আরব আমিরাত ও যুক্তরাজ্যের বিমান বাহিনী।
- এই বিমান হামলায় গাদ্দাফী উৎখাত হন এবং তার সরকারের পতন ঘটে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
৭৩৬.
’অক্টোবর বিপ্লব’ কোন দেশে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ফিলিস্তিনে
  2. ইরানে 
  3. রাশিয়ায়
  4. ফ্রান্সে
সঠিক উত্তর:
রাশিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়ায়
ব্যাখ্যা

- ’অক্টোবর বিপ্লব’ রাশিয়ায় সংঘটিত হয়েছিল।
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।

• রুশ বিপ্লব:

- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে '১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

• ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

• বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উৎস: Britannica.com

৭৩৭.
১৯১৭ সালে রাশিয়ায় কয়টি বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই বিপ্লবের ফলে রাশিয়ার সাম্রাজ্যবাদী শাসনের পতন ঘটে এবং বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব (মার্চ, ১৯১৭):
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়। ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)। ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রোমানভ রাজবংশের পতন ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়। একটি অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং পরবর্তীতে অক্টোবর বিপ্লবে বলশেভিকরা ক্ষমতা দখল করে রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের অবসান ঘটায়।

⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব (নভেম্বর, ১৯১৭):
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে। বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন। ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিক পার্টি অস্থায়ী সরকারকে উৎখাত করে এবং ক্ষমতা দখল করে। বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.
৭৩৮.
ফরাসি বিপ্লব কত বছর স্থায়ী হয়েছিল?
  1. ৭ মাস
  2. ৪ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লব আধুনিক ইউরোপের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে।
- 'স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী'- ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।

উৎস: Britannica.
৭৩৯.
বলশেভিক বিপ্লব কোন দেশে সংঘটিত হয়?
  1. ইংল্যান্ড
  2. ফ্রান্স
  3. রাশিয়া
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে "১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব" (Russian Revolution of 1917) বলা হয়।
- এই বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে ও সমাজতন্ত্রের সূচনা ঘটে।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উৎস: Britannica
History.com
৭৪০.
সুয়েজ খাল সংকটের কারণে কোন যুদ্ধটি সংঘটিত হয়?
  1. আরব-ইসরাইল যুদ্ধ, ১৯৪৮
  2. আরব-ইসরাইল যুদ্ধ, ১৯৫৬
  3. আরব-ইসরাইল যুদ্ধ, ১৯৬৭
  4. আরব-ইসরাইল যুদ্ধ, ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
আরব-ইসরাইল যুদ্ধ, ১৯৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরব-ইসরাইল যুদ্ধ, ১৯৫৬
ব্যাখ্যা
২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- ২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে।

উল্লেখ্য,
- মিশর সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করলে সুয়েজ খাল সংকট তৈরি হয়।
- ফলে ১৯৫৬ সালের ২৯ অক্টোবর - ৬ নভেম্বর ২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধের ফলাফল: সুয়েজ খালের ওপর পশ্চিমা নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এবং মিশরের রাষ্ট্রপতি গামাল আবদেল নাসেরকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।
- এটি 'সুয়েজ সংকট' নামেও পরিচিত।

উৎস: Worldatlas.
৭৪১.
'Black Lives Matter' কি?
  1. একটি পানীয়
  2. বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন
  3. একটি গ্রন্থ
  4. একটি NGO
সঠিক উত্তর:
বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন
ব্যাখ্যা

- 'Black Lives Matter  বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন।

ব্ল‍্যাক লাইভস ম্যাটার আন্দোলন('Black Lives Matter)':

- উৎপত্তি স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- শুরু হয়: ২০১৩ সালে
• ঘটনার প্রেক্ষাপট:
- ট্রেভন মার্টিন নামে এক কৃষ্ণাঙ্গ কিশোরকে গুলি করে হত্যা করেন জর্জ জিমারম্যান।
- মামলায় জিমারম্যান খালাস পাওয়ার পর #BlackLives Matter হ্যাশট্যাগটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
- প্রতিষ্ঠাতা: তিনজন কৃষ্ণাঙ্গ নারীনেত্রী।
- অ্যালিসিয়া গারজা (Alicia Garza)।
- প্যাট্রিস কালারস (Patrisse Cullors)।
- ওপাল টোমেটি (Opal Tometi)।

• আন্দোলনের লক্ষ্য:
- কৃষ্ণাঙ্গদের বিরুদ্ধে পদ্ধতিগত বর্ণবাদ ও পুলিশি সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতনতা ও প্রতিবাদ গড়ে তোলা।
- পরবর্তীতে: এই আন্দোলন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়িয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়ের প্রতীকে পরিণত হয়।

উৎস: 'Black Lives Matter ওয়েবসাইট।

৭৪২.
কত সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়?
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৫৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
কোরিয়া বিভাজন:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- ১৯১০ সালে কোরীয় উপদ্বীপে জসন সাম্রাজ্যের ২৬তম রাজা গুজুং ছিলেন দায়িত্বে। তার শাসনামলের সময় কোরিয়া দখল করে নেয় জাপান। 

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে দুই পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোরিয়ার আক্রমণ করে।
- কোরিয়ার দক্ষিণ দিক থেকে আক্রমণ করে মার্কিন সেনাবাহিনী এবং উত্তর দিক থেকে আক্রমণ করে সোভিয়েত কমিউনিস্ট-এর রেড আর্মি।
- ১৯৪৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের যৌথ বাহিনীর কাছে জাপানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।
- ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ৩৮° সমান্তরাল রেখায় ভাগ করে।
- ফলে কোরিয়া বিভক্ত হয়ে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া গঠন করে।

⇒ ৩৮ ডিগ্রি সীমারেখার উত্তর দিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন সেনাবাহিনী কমিউনিস্ট শাসন ব্যবস্থা চালু করে এবং দক্ষিণ দিকে আমেরিকার সামরিক সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।

⇒ উত্তর কোরিয়ার নেতা ১৯৫০ সালে বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া দখল করার চেষ্টা করেন, দক্ষিণ কোরিয়াও পাল্টা আক্রমণ করে বসে।
- এর মাধ্যমে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ–কোরিয়া যুদ্ধ শুরু হয়।
- দুই কোরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে পরোক্ষভাবে জড়িয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া।
- প্রায় তিন বছর ধরে কোরিয়া যুদ্ধ চলে।
- ১৯৫৩ সালে দুপক্ষের মাঝে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ৩৮ ডিগ্রি সীমারেখায় দুদেশের মাঝে তিন মাইলব্যাপী ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ নির্ধারণ করা হয়। 

উৎস: Britannica.
৭৪৩.
ফরাসি বিপ্লবে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে কোন বিখ্যাত দার্শনিকের লেখনী?
  1. ক) প্লেটো
  2. খ) রুশো
  3. গ) ভলতেয়ার
  4. ঘ) খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা
• “স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী” - ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
• ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।
• এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
• রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
• ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
• ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
• বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।
৭৪৪.
কোন দেশে প্রথম পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয়?
  1. জার্মানি
  2. ইতালি
  3. জাপান
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের হিরোশিমা শহরে প্রথম পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে। 

লিটলবয় ও ফ্যাটম্যান:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন প্রায় শেষের পথে তখন আগস্টের জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে পরমাণু বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বে প্রথম কোন যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছিল গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্র। মারা গিয়েছিল হাজার হাজার মানুষ।
- জাপানের হিরোশিমা শহরে ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে বোমা বর্ষণ করে। নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো লিটলবয়।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে। নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো ফ্যাটম্যান।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উৎস: History.com.
৭৪৫.
ভারতের কোন রাজ্য থেকে নকশাল আন্দোলন শুরু হয়?
  1. কাশ্মীর
  2. পশ্চিমবঙ্গ
  3. গুজরাট
  4. ব্যাঙ্গালোর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
ব্যাখ্যা

- ১৯৬৭ সালের ২৫শে মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শিলিগুড়ি জেলার নকশালবাড়ি গ্রামে পুলিশের সাথে কৃষক ও আদিবাসীদের সংঘর্ষের মাধ্যমে নকশালবাড়ি বা নকশাল আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। পরবর্তীতে এ আন্দোলন বিহার, উডিষা, ছত্তিসগড়, অন্ধপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র প্রভৃতি রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
- এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কমিউনিস্ট নেতা চারু মজুমদার, কানু স্যানাল, জঙ্গল সাঁওতাল প্রমুখ।
- নকশালপন্থীরা মাও সেতুং এর অনুসারী ছিলেন।
- এরা ছিল উগ্র বামপন্থী যারা সশস্ত্র লড়াইয়ের মাধ্যমে ভারতে কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে সচেষ্ট।
- বর্তমানে নকশাল আন্দোলন অনেকটাই স্তিমিত।
উৎসঃ বিবিসি বাংলা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সরকারি ওয়েবসাইট।

৭৪৬.
কোন সংকটকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ শান্তির জন্যে ঐক্য প্রস্তাব গ্রহণ করে?
  1. ক) লেবানন যুদ্ধ
  2. খ) কোরীয় সংকট
  3. গ) সুয়েজ খাল সংকট
  4. ঘ) ফকল্যান্ড যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
খ) কোরীয় সংকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কোরীয় সংকট
ব্যাখ্যা
কোরিয়া যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
▪ যুদ্ধ সংঘটনকাল — ২৫ জুন, ১৯৫০ — ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত।
▪ বিবাদমান পক্ষসমূহ — সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের সমর্থিত — উত্তর কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সমর্থিত — দক্ষিণ কোরিয়া।
▪ ফলাফল — জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়।
▪ যুদ্ধের ফলাফল — কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ "শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace)  প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
▪ দীর্ঘ তিন বছর যুদ্ধ চলার পর জাতিসংঘের তত্ত্ববধানে ১৯৫৩ সালের ২৭ জুলাই দুই কোরিয়ার সীমান্তবর্তী নিরপেক্ষ অঞ্চল ”পানমুনজাম” - এ সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন ও যুক্তরাষ্টে্র  মধ্যে যুদ্ধবিরিতি চুক্তি "Armistice Agreement" স্বাক্ষরিত হয় এবং কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। এতে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই কোরিয়ার কেউ স্বাক্ষর করে নি।  

তথ্যসূত্র:- হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।   
৭৪৭.
জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে কত তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে?
  1. ৪ অক্টোবর, ১৯৪৫
  2. ২১ অক্টোবর, ১৯৪৫
  3. ২৮ অক্টোবর, ১৯৪৫
  4. ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫
সঠিক উত্তর:
২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- ১৯৪১ সালের ৮ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহন করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার হয়।
- ১৯৪৫ সালের ৭ মে জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

⇒ তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
⇒ যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
⇒ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• জার্মানি,
• জাপান,
• ইতালি।

⇒ মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• ব্রিটেন,
• ফ্রান্স,
• যুক্তরাষ্ট্র,
• সোভিয়েত ইউনিয়ন,
• চীন,
• পোল্যান্ড,
• নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

তথ্যসূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।
৭৪৮.
আফগানিস্তান থেকে সৌভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার শেষ হয় কবে?
  1. ক) ১৫ আগস্ট ১৯৮৮
  2. খ) ২৫ জুন ১৯৮৮
  3. গ) ১৫ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৯
  4. ঘ) ২৫ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৯
  5. ঙ) ২৮ নভেম্বর ১৯৮৯
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৯
ব্যাখ্যা
১৯৭৯ সালে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে তদানীন্তন শাসক বারবার কারমালের আহবানে সোভিয়েত সৈন্যরা আফগানিস্তানে প্রবেশ করে। এরপর এক দশকের লড়াইয়ে লক্ষাধিক মানুষ হতাহত হয়। পরবর্তীতে, ১৯৮৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী সর্বশেষ সোভিয়েত সৈন্য আফগানিস্তান ত্যাগ করে। (সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
৭৪৯.
কোন বিপ্লবের সাথে 'বাস্তিল দূর্গ' সম্পর্কিত?
  1. ক) ভেলভেট বিপ্লব
  2. খ) রুশ বিপ্লব
  3. গ) বলশেভিক বিপ্লব
  4. ঘ) ফরাসি বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফরাসি বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফরাসি বিপ্লব
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব
▪ ১৭৮৯ সালে পৃথিবী কাঁপানো ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
▪ এই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ফ্রান্সের শত বছরের পুরনো রাজতন্ত্র ও সামন্তব্যবস্থা ভেঙে জনগণের অধিকার স্বীকৃত হয়।
▪ ১৪ জুলাই ১৭৮৯ সালে বাস্তিল দূর্গে আক্রমণের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা ঘটে। বাস্তিল দূর্গ ছিলো একটি রাজকীয় কারাগার।
▪ ফরাসি বিপ্লবের ফলে ফ্রান্সের তৎকালীন রাজা ষোড়শ লুইস - এর পতন ঘটে।
▪ ফরাসি বিপ্লবের শ্লোগান ছিলো স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব (Liberty, Equality, Fraternity)।
▪ নেপোলিয়ান বোনাপার্টকে ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয়।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
৭৫০.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল কত ছিল?
  1. ১৯১৪-১৯১৭
  2. ১৯১৫-১৯১৯
  3. ১৯১৫-১৯১৮
  4. ১৯১৪-১৯১৮
সঠিক উত্তর:
১৯১৪-১৯১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১৪-১৯১৮
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যাস্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
• যুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিজোট:- জার্মান, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া।
• মিত্রশক্তি জোট: - রাশিয়া, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম, জাপান, ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়।
- চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানী ঘটে।

উৎস: Britannica ও History.com
৭৫১.
রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায় কোনটি?
  1. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  2. জুলাই বিপ্লব
  3. বলশেভিক বিপ্লব
  4. নভেম্বর বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
বলশেভিক বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলশেভিক বিপ্লব
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলে।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেট্রোগ্রাদে (সেন্ট পিটার্সবার্গে) খাদ্য ঘাটতি নিয়ে দাঙ্গা শুরু হয়।
- সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে নিকোলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয় ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের কারণে।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

তথ্যসূত্র - History.com & Britannica.com
৭৫২.
কোন চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে বসনিয়া যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছিলো?
  1. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. অসলো চুক্তি
  4. তাসখন্দ চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ডেটন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটন চুক্তি
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে বসনিয়া সংকট সমাধানের জন্য বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- এই চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- প্যারিসে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের ডেটন শহরের প্যাটারসন বিমানঘাটিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো চুক্তির ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছায়। যার কারণে চুক্তিটি ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
অন্যদিকে,
- অসলো চুক্তি (১৯৯৩) : ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান
- তাসখন্দ চুক্তি (১৯৬৬) : ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ বন্ধ
- ক্যাম্প ডেভিট চুক্তি (১৯৭৮) : ইসরাইল-মিশর শান্তি স্থাপন।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৭৫৩.
"অপারেশন ওভারলোড" কী?
  1. হিটলারের পরিকল্পনা
  2. জার্মান হামলা
  3. মিত্র বাহিনীর নরম্যান্ডি অভিযান
  4. জাপানের পার্ল হারবার হামলা
সঠিক উত্তর:
মিত্র বাহিনীর নরম্যান্ডি অভিযান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিত্র বাহিনীর নরম্যান্ডি অভিযান
ব্যাখ্যা
নরম্যান্ডির ডি ডে ল্যান্ডিং:
- জার্মান অধিকৃত ফ্রান্সের ভূখণ্ডে দুর্দান্ত হামলা চালিয়ে হিটলারের বাহিনীকে অনেকটাই নাজেহাল করে ছাড়ে মিত্রবাহিনী।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ১৯৪৪ সালে নরম্যান্ডি উপকূলে মিত্রবাহিনী এ হামলা চালায়।
- তুমুল লড়াইয়ে জার্মানরা ফ্রান্সের ওই অঞ্চল ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়।
- মিত্রবাহিনী ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে এসে সরাসরি নরম্যান্ডি উপকূলে হামলা চালায় যাকে ইতিহাসে ডি ডে ল্যান্ডিং তথা অপারেশন ওভারলোড নামে স্থান দেয়া হয়েছে।
- এক্ষেত্রে প্রায় ১২টি দেশের ৩০ লাখ সৈন্য গিয়ে হামলা চালায় নরম্যান্ডিতে।
- অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, চেকোশ্লোভাকিয়া, ফ্রান্স, গ্রিস, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, পোল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র এই ১২ দেশের সৈন্যরা একসাথে হামলা চালায় ৬ জুন।
- সেদিন রাতের বেলা ছত্রীসেনা অবতরণ, গ্লাইডার অবতরণ থেকে শুরু করে জঙ্গি ও বোমারু বিমানের পাশাপাশি যুদ্ধজাহাজ থেকে বোমা ও গোলাবর্ষণের মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়।
- মিত্র বাহিনীর ৩৭ হাজার নিহত হওয়ার পাশাপাশি আহত হয় দেড় লক্ষাধিক।
- অন্যদিকে জার্মানদের ২ লক্ষ সৈন্য নিহত হওয়ার পাশাপাশি ২ লাখ আত্মসমর্পণ করে।
- তবে ফিল্ড মার্শাল রোমেলের ৩৫২ তম ডিভিশন এখানে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে।
- প্রচণ্ড প্রতিরোধ যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে জার্মানদের পরাজয় আসলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভাগ্য অনেকটা এখানেই নির্ধারণ করে দেয়।

উৎস: ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫৪.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিরোশিমায় প্রথম পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপকরা হয়েছিল। বোমাটির নাম কি ছিল?
  1. ক) Fat Boy
  2. খ) Fat Man
  3. গ) Little Boy
  4. ঘ) Little Man
সঠিক উত্তর:
গ) Little Boy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Little Boy
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের হিরোশিমায় প্রথম পারমাণবিক বোমা( লিটল বয়) নিক্ষেপকারী বি-২৯ সুপারফোর্টেস বিমানের পরিবর্তীত নাম ছিল ‘Enola Gay’। বিমানটির পাইলট কর্ণেল পল ওয়য়ারফিল্ড টিবেটস এর মায়ের নামে এই নাম রাখা হয়। সূত্র- ব্রিটানিকা।
৭৫৫.
পৃথিবীতে প্রথম পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার করে কোন দেশ?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• লিটলবয় ও ফ্যাটম্যান: 
- ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের হিরোশিমা শহরে ‘লিটলবয়’ নামে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয়। 
- এটিই ছিল পৃথিবীতে প্রথম পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার।
- তার তিনদিন পর ৯ আগস্ট নাগাসাকি শহরে ‘ফ্যাটম্যান’ নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয়।
- পারমাণবিক বোমার তেজস্ক্রিয়তায় জাপানে লক্ষাধিক মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি শহর দুটি বসবাসের পরিত্যক্ত হয়ে যায়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান জাপানে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

সূত্র: হিস্টোরি ডটকম।
৭৫৬.
'Freedom, Equality, Fraternity' এটি কোন বিপ্লবের স্লোগান?
  1. ফরাসি বিপ্লব
  2. রুশ বিপ্লব
  3. শিল্প বিপ্লব
  4. আমেরিকান বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব
ব্যাখ্যা
'Freedom, Equality, Fraternity' এটি ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান।

ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয় ফ্রান্সে ১৭৮৯ সালে।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই ফ্রান্সের প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- বাস্তিল দুর্গেল পতনের মাধ্যমে সমস্ত বন্দিরাও মুক্তি পায় এবং ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- ১৭৯৯ সালে এই বিপ্লব শেষ হয়।
- ফরাসি বিপ্লব আধুনিক ইউরোপের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে।
- 'স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী (Freedom, Equality, Fraternity)'- ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।

উল্লেখ্য,
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।
- ১৭৯৯ সালে, নেপোলিয়নের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে, বিপ্লবী ধারার শেষ হয় এবং একটি নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা শুরু হয়, যার মধ্যে শাসন ব্যবস্থা বেশ কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরে পায়।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
৭৫৭.
অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম কোন ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় শুরু হয়?
  1. উপসাগরীয় যুদ্ধ
  2. ইরাক যুদ্ধ
  3. নাইন-ইলেভেন হামলা
  4. পার্ল হারবার আক্রমণ
সঠিক উত্তর:
নাইন-ইলেভেন হামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইন-ইলেভেন হামলা
ব্যাখ্যা

অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম (Operation Enduring Freedom):
- অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম মূলত ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরে (৯/১১) যুক্তরাষ্ট্রে চালানো আল-কায়েদার সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়ায় শুরু হয়েছিল।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক অভিযান অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয়।
- ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে অপারেশনটি মূলত আল-কায়েদা ও তালেবানদের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানে পরিচালিত হয়।
- মূল লক্ষ্য: আল-কায়েদা ধ্বংস করা ও তালেবানদের ক্ষমতা থেকে সরানো।
- ফলাফল: ২০০১ সালের ডিসেম্বরে তালেবান সরকার পতন ঘটে ও আল-কায়েদা নেতারা আত্মগোপনে যায় (ওসামা বিন লাদেন ২০১১ সালে হত্যা করা হয়)।

উল্লেখ্য,
- ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল-কায়দা চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে যুক্তরাষ্ট্রে একইসাথে চারটি সন্ত্রাসী হামলা চালায় যা নাইন-ইলেভেন নামে পরিচিত।
- ২টি বিমান দিয়ে আঘাত করে নিউইয়র্কে অবস্থিত ১১০ তলা বিশিষ্ট ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে, ১ টি পেন্টাগনে ও ১ টি পেনসিলভেনিয়ায়।
- আক্রমনে ২,৯৯৭ জন নিহত এবং ৬,০০০ এর অধিক মানুষ আহত হয়, এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অধিক অবকাঠামো ও সম্পদ।
- আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনের নেতৃত্বে এই হামলা সংঘটিত হয়েছিল।
- এই হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বুশ সরকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য Department of Homeland Security বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: Britannica.

৭৫৮.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কত তারিখকে D-Day বলা হয় ?
  1. ৬ জুন
  2. ৮ জুন
  3. ৬ মে
  4. ৮ মে
সঠিক উত্তর:
৬ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ জুন
ব্যাখ্যা

D-Day:
- ১৯৪৪ সালের ৬ জুন ফ্রান্সে মিত্রপক্ষের সেনাবাহিনীর অবতরণের দিন স্থির হয়।
- এই দিনটিকে বলা হয় ডি ডে বা মুক্তি দিবস।
- ৬ জুন ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করে চার হাজারেরও বেশি জাহাজে করে ১ লক্ষ ৫৬ হাজার মিত্রবাহিনীর সেনা নর্মান্ডি উপকূলে অবতরণ করে।
- তাদের নিরাপত্তার জন্য ১১ হাজার বিমান প্রস্তুত রাখা হয়।
- মিত্র পক্ষের সেনাবাহিনীতে আমেরিকান, ইংরেজ, কানাডীয়, ওলন্দাজ, পোল নরওয়েজিও, ফরাসি ও গ্রিক সৈনিক ছিল।
- ডি দিবস (D Day) বা অবতরণ দিবসের দিন ধার্য হয় ১৯৯৪ সালের ১ জুন।
- কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য পিছিয়ে ৬ জুন করা হয়।
- এই সুবিশাল সামরিক অভিযানের নেতা ছিরেন আমেরিকান সেনাপতি আইজেনহাওয়ার।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস-২, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭৫৯.
তৃতীয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ অন্য কী নামে পরিচিত?
  1. ক) রমজান যুদ্ধ
  2. খ) অক্টোবর যুদ্ধ
  3. গ) ছয় দিনের যুদ্ধ
  4. ঘ) ইয়োম কিপুর যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
গ) ছয় দিনের যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ছয় দিনের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালে সংঘটিত আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ ‘অক্টোবর যুদ্ধ’, ‘রমজান যুদ্ধ’ ও ‘ইয়োম কিপুর যুদ্ধ’ নামে পরিচিত। মিসর ও সিরিয়া নেতৃত্বাধীন জোট এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৭৩ সালের ৬ থেকে ২৫ অক্টোবর এ লড়াই সংঘটিত হয়। ‘ছয় দিনের যুদ্ধ’, যাকে ‘জুনের যুদ্ধ’ বা তৃতীয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধও বলা হয়। এটি ছিল সংক্ষিপ্ত যুদ্ধ যেটি ১৯৬৭ সালের ৫-১০ জুন সংঘটিত হয়েছিল। ইসরায়েল এই যুদ্ধে জয়ের মাধ্যমে সিনাই উপদ্বীপ, গাজা উপত্যকা, পশ্চিম তীর, পুরাতন শহর জেরুজালেম এবং গোলান মালভূমি দখল করে নিয়েছিল। এই অঞ্চলগুলি পরবর্তীকালে আরব-ইসরায়েল দ্বন্দ্বের প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল। সূত্র- Worlatlas ওয়য়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
৭৬০.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট ‘নক্ষত্র যুদ্ধ’-এর প্রস্তাবক ছিলেন?
  1. জর্জ বুশ
  2. রিচার্ড নিক্সন
  3. জিমি কার্টার
  4. রোনাল্ড রিগ্যান
সঠিক উত্তর:
রোনাল্ড রিগ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোনাল্ড রিগ্যান
ব্যাখ্যা
তারকা যুদ্ধ:
- তারকা যুদ্ধ নামে খ্যাত Strategic Defense Initiative এর প্রস্তাবক ছিলেন রোনাল্ড রিগ্যান।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ১৯৮৩ সালের ২৩ মার্চ ভূমি ও মহাকাশে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা ঘোষণা করেন, যা SDI (Strategic Defense Initiative) নামে পরিচিত।
- এই পরিকল্পনার লক্ষ্য ছিল, পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে রক্ষা করা, যাতে সেগুলি মহাকাশে বা পৃথিবীতে ধ্বংস করা যায়।
- তাই, একে সমালোচকরা 'নক্ষত্র যুদ্ধ' (Star Wars) হিসেবেও অভিহিত করেন।

⇒ ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং ঠান্ডাযুদ্ধের সমাপ্তির পর SDI প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা অনেকটাই কমে যায়।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং পরবর্তীতে রাশিয়ার সাথে সম্পর্কের উন্নতি এই প্রকল্পটির গুরুত্ব কমিয়ে দেয়, ফলে এটি কার্যকরভাবে স্তিমিত হয়ে যায়। 
- তবে, SDI প্রকল্পের ধারণা এবং এর বিভিন্ন প্রযুক্তিগত উদ্যোগগুলো পরবর্তীতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির বিকাশে কিছুটা প্রভাব ফেলেছিল।

উৎস: Britannica.
৭৬১.
‘ট্রাফালগার স্কয়ার' কোথায় অবস্থিত?
  1. জার্মানি
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. ইংল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• ট্রাফালগার স্কয়ার:
- ট্রাফালগার স্কয়ার ইংল্যান্ডের লন্ডনে অবস্থিত একটি সাধারণ জনগণের মিলনস্থল।
- ১৮০৫ সালে ইংল্যান্ড ফ্রান্স ও স্পেনের সম্মিলিত বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে জয়লাভ করে।
- ট্রাফালগারের যুদ্ধ জয়কে স্মরণীয় করে রাখতে লন্ডনের কেন্দ্রস্থল একটি চত্ত্বরের নামকরণ করা হয় ট্রাফালগার স্কয়ার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭৬২.
আরব বসন্তের সূচনা হয় কত সালে?
  1. ২০০৯
  2. ২০১০
  3. ২০১১
  4. ২০১৩
সঠিক উত্তর:
২০১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০
ব্যাখ্যা

আরব বসন্তে:
- আরব বসন্তের শুরু হয় ২০১০ সালের ১৭ ই ডিসেম্বর।
- আরব বসন্তের শুরু হয় উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়ায়। 

• উক্ত সময় তিউনিশিয়ায় ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা প্রবাহগুলো নিম্নরূপ:
- তিউনিশিয়ায় ২১ বছর (১৯৮৯ - ২০১১) ধরে ক্ষমতায় ছিলেন প্রেসিডেন্ট জিন আল আবেদীন বেন আলী। 
- তার শাসনব্যবস্থার দুর্বলতায় দেশটি অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়ে।
- ২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর তিউনিশিয়ান এক তরুন মোহাম্মদ বুয়াজিজি পুলিশের গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের প্রতিবাদে স্থানীয় এক সরকারি অফিসের সামনে নিজের গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
- ১৮ ডিসেম্বরে রাজধানী তিউনিশে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়।
- তীব্র আন্দোলন ও বিক্ষোভের মুখে ১৪ জানুয়ারি, ২০১১ সালে প্রেসিডেন্ট বেন আলী পদত্যাগ করে সৌদি আরব পালিয়ে যান।
- ২০১১ সালের ২৩ অক্টোবর তিউনিশিয়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আরব বসন্তের সময় তিউনিশিয়ায় ঘটে যাওয়া ঘটনাবলী - “জেসমিন বিপ্লব” (Jasmine Revolution) নামে পরিচিত।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 

৭৬৩.
ওয়াটারলুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. হোরেশিও নেলসন
  2. থমাস পিকটন
  3. ডিউক অব ওয়েলিংটন
  4. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
সঠিক উত্তর:
ডিউক অব ওয়েলিংটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিউক অব ওয়েলিংটন
ব্যাখ্যা
ওয়াটারলু যুদ্ধ:
- ওয়াটার লু যুদ্ধক্ষেত্র: ওয়াটারলু, বেলজিয়াম।
- 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয়: ১৮১৫ সালে।
- যুদ্ধের পক্ষ: নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ও ডিউক অব ওয়েলিংটনের অধীনে মিত্র বাহিনী (ব্রিটিশ, ডাচ, বেলজিয়ান এবং জার্মান ইউনিট)।
- এই যুদ্ধ ইউরোপে ২৩ বছর ধরে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- ওয়াটারলুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতি: ডিউক অব ওয়েলিংটন।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন: নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছে।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭৬৪.
'দাহিয়া ডকট্রিন' মূলত কোন দেশের যুদ্ধকৌশল?
  1. ইরান
  2. রাশিয়া
  3. ইসরায়েল
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

দাহিয়া ডকট্রিন:
- ‘দাহিয়া ডকট্রিন’ ইসরায়েলের একটি যুদ্ধকৌশল, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইচ্ছাকৃত ও সম্পূর্ণ ধ্বংস।
- এই নীতিতে বৈধতা ছাড়াই সম্পূর্ণ বেসামরিক অঞ্চল ধ্বংস করা হয়।
- দাহিয়া শব্দটি এসেছে লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠের দাহিয়া এলাকার নাম থেকে।
- এই যুদ্ধনীতি ইসরায়েলি সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট ২০০৬ সালে ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধে প্রবর্তন করেন।
- ওই যুদ্ধে হিজবুল্লাহর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত বৈরুতের দাহিয়া জেলাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
- পরবর্তীতে গাজায় এ নীতি প্রয়োগ করে ইসরায়েল।
- বর্তমানে ইরানে ‘দাহিয়া ধাঁচের’ সামরিক অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল।
- ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তারা এই অভিযানকে মূলত যুদ্ধের একটি কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেন।
- এর মাধ্যমে রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য বেসামরিক অবকাঠামো ও জনপদকে ইচ্ছাকৃতভাবে টার্গেট করা হয়।
- বহু মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ এই কৌশলকে গণবিধ্বংসী কৌশল হিসেবে অভিহিত করেছেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।

৭৬৫.
"তাহরির স্কয়ার" কোন দেশে অবস্থিত?
  1. লিবিয়া
  2. তুরস্ক
  3. মিশর
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর
ব্যাখ্যা
- মিশরের কায়রোতে অবস্থিত।

• তাহরির স্কয়ার:

- এটি  কায়রোর গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থল।
- "তাহরির" শব্দটির অর্থ "মুক্তি"। এই স্কোয়ারের নামকরণ হয়েছিল মিশরের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে।
- এটি মিশরের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত।
- তাহরির স্কোয়ার ছিল ২০১১ সালের "আরব বসন্ত" (Arab Spring) আন্দোলনের সময় মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভের মূল স্থান।
- লক্ষাধিক মানুষ এই স্কোয়ারে সমবেত হয়ে গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং সরকারের সংস্কারের দাবি জানায়।
- এই বিক্ষোভের ফলশ্রুতিতে ৩০ বছরের শাসনের পর হোসনি মোবারক ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করেন।

এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু স্কয়ার: 
• তাকসিম স্কয়ার:
- তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে অবস্থিত একটি স্থানের নাম তাকসিম স্কয়ার।
- তাকসিম স্কয়ার এলাকায় প্রধানত ইস্তাম্বুলের অমুসলিমদের বসবাস।
- এটিকে সেক্যুলার তুরস্কের অন্যতম প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

• গ্রিন স্কয়ার:
- গ্রিন স্কয়ার লিবিয়ার ত্রিপোলিতে অবস্থিত। 
- সরকার বিরোধী বিক্ষোভের স্থান, গাদ্দাফি সমর্থকদের বিক্ষোভ এবং নেতার নিজের জ্বালাময়ী বক্তৃতার জন্য গ্রিন স্কয়ার বিখ্যাত।

• রেড স্কয়ার:
- রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর প্রাণকেন্দ্রে এই রেড স্কয়ার অবস্থিত। 
- ঐতিহাসিক নিদর্শন এবং দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য নিদর্শনে সমৃদ্ধ এক পর্যটনকেন্দ্র মস্কোর রেড স্কয়ার।

উৎস: ব্রিটিনিকা।
৭৬৬.
রেঁনেসা আন্দোলন কোথায় শুরু হয়েছিল?
  1. গ্রিস
  2. জার্মানি
  3. স্পেন
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
রেঁনেসা আন্দোলন ইতালিতে শুরু হয়েছিল।

রেঁনেসা আন্দোলন:
- পঞ্চদশ শতকের ইউরোপের সমাজ, সংস্কৃতি, রাজনীতি, অর্থনীতি এবং মানুষের জীবন জিজ্ঞাসায় যে ব্যাপক পরিবর্তনের সূচনা ঘটে, এটাকে সাধারণভাবে ইউরোপের রেনেসাঁস বা নবজাগরণ বলা হয়ে থাকে।
- নবজাগরণ ইতালিতে শুরু হয়েছিল বলে ইউরোপের অনেক ঐতিহাসিক এটিকে ইতালির রেনেসাঁস হিসেবেও অভিহিত করে থাকেন।

উল্লেখ্য,
- রেনাইসান্স (Renaissance) শব্দটির অভিধানিক অর্থ হলো পুনর্জন্ম।
- রেনেসাঁস মূলত একটি দীর্ঘস্থায়ী সমাজ পরিবর্তন প্রক্রিয়া।
- আধুনিক সমাজ, সংস্কৃতি, সাহিত্য, চিত্রকলা, ভাস্কর্যকলা, সঙ্গীত, রাজনীতি, অর্থনীতি সর্বোপরি মানুষের মনন ও মেধা চর্চার অভিযাত্রা শুরু হয়েছিল এই রেনেসাঁস থেকে।
- এই রেনেসাঁস প্রথমে শুরু হয়েছিল পশ্চিম ইউরোপের ইতালিতে।
- ক্রমে তা ছড়িয়ে পড়ে ফ্রান্স, বৃটেন, জার্মানি, স্পেন, নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক সহ সমগ্র ইউরোপে।
- পরবর্তী পর্যায়ে ইউরোপ থেকে এই আধুনিক সভ্যতার ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে এশিয়া এবং আফ্রিকার দেশসমূহে।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৬৭.
The Bolshevik Revolution of 1917 led to the establishment of which political system in Russia?
  1. Fascism
  2. Monarchy
  3. Communism
  4. Democracy
সঠিক উত্তর:
Communism
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Communism
ব্যাখ্যা
বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:

- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়। 
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব। 
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে ১৯৯৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলে। 
- এই বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে। 
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এই বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় সাম্যবাদী বা কমিউনিস্ট শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং জার রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে।


তথ্যসূত্র: History.com & Britannica.com
৭৬৮.
রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে কী বলা হয়?
  1. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  2. বলশেভিক বিপ্লব
  3. অক্টোবর বিপ্লব
  4. খ + গ
সঠিক উত্তর:
খ + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ + গ
ব্যাখ্যা
→বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলা হয় রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে।

• রুশ বিপ্লব:
- রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয় ১৯১৭ সালে।
- যা ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব নামে পরিচিত।
- ১৯১৭ সালের এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে  রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

→ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- এই বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ১৯১৭ সালে ফেব্রুয়ারিতে সেন্ট পিটার্সবার্গে খাদ্য ঘাটতি নিয়ে দাঙ্গা সংঘঠিত হয়।
- সেনাবাহিনীরা এই বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে;
- তখন নিকোলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলা হয় রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে ।
- এই বিপ্লবের ফলে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে।
- এই বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উল্লেখ্য,
- পশ্চিম ইউরোপের পুঁজিবাদী সমাজ, সংস্কৃতি, অর্থনীতি এবং রাষ্ট্র ব্যবস্থার উপর চরম আঘাত করে এই বলশেভিক বিপ্লব।
- শ্রমিক ও কৃষক সমাজকে শোষণ বঞ্চনার হাত থেকে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে আরো অনুপ্রাণিত করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ধারাবাহিকতায় ১৯৪৯ সালে সংঘটিত হয় চৈনিক সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৬৯.
অক্টোবর বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছেন:
  1. কার্ল মার্কস
  2. ফ্রেডরিক এঙ্গেলস
  3. ভি. আই. লেনিন
  4. মাও সে তুং
সঠিক উত্তর:
ভি. আই. লেনিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভি. আই. লেনিন
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে '১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উৎস: Britannica.
৭৭০.
কোন যুদ্ধের পর নুরেমবার্গ ট্রায়াল অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  3. কোরিয়ান যুদ্ধ
  4. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা

নুরেমবার্গ ট্রায়াল:
- 'নুরেমবার্গ ট্রায়াল' যুদ্ধাপরাধ-এর সাথে সংশ্লিষ্ট।
- নুরেমবার্গ ট্রায়াল হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫-৪৬ সালে জার্মানির বাভারিয়া রাজ্যের নুরেমবার্গ শহরে অনুষ্ঠিত বিচার প্রক্রিয়ার নাম। 

⇒ ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল হিটলারের নাৎসি বাহিনীর নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ গঠন করে এবং তাদের বিচার করে।
- তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো ছিল মূলত চার ধরনের যথা:
১. শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন: আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন করে ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পরিকল্পনা, যুদ্ধের জোগাড় এবং যুদ্ধ শুরু করা।
২. মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন: মানুষকে সমূলে বিনাশ করা, বাসস্থান থেকে বিতাড়ন করা এবং গণহত্যা।
৩. যুদ্ধাপরাধ তথা যুদ্ধের আইনসমূহ লঙ্ঘন।
৪. উপরিউক্ত তিনটি অপরাধ করার সাধারণ পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র করা।

⇒ আন্তর্জাতিক এই সামরিক ট্রাইবুনালে বিশিষ্ট ২২ জন নাৎসি কর্মকর্তার বিচার শুরু হয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরপরই নুরেমবার্গের আদালতে শীর্ষ নাৎসি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
- যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের কারণে বিচার হয় তাদের।
- বিচারাধীনদের মধ্যে ছিল সামরিক কর্মকর্তা, রাজনীতিক, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা।
- ১৯৪৫ সালের ২০ নভেম্বর শুরু হয় এই বিচার।

উৎস: Britannica.

৭৭১.
মুসলমানদের মক্কা বিজয় সংঘটিত হয়-
  1. ৬২২ সালে
  2. ৬২৮ সালে
  3. ৬৩০ সালে
  4. ৬৩২ সালে
সঠিক উত্তর:
৬৩০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩০ সালে
ব্যাখ্যা
•মুসলমানদের মক্কা বিজয় সংঘটিত হয় ৬৩০ সালে।

এছাড়াও,
- মদিনা সনদ: ৬২২ সালে।
- বদর যুদ্ধ: ৬২৪ সালে।
- ওহুদ যুদ্ধ: ৬২৫ সালে।
- খন্দক যুদ্ধ: ৬২৭ সালে।
- হুদায়বিয়ার সন্ধি: ৬২৮ সালে।
- ৬২২সালকে ১ম হিজরি ধরে আরবি সাল গণনা শুরু হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭৭২.
ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার সীমান্ত সংলগ্ন ইউক্রেনের কয়টি বিচ্ছিন্নতাকামী অঞ্চলকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ডিক্রিতে স্বাক্ষর করেন?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
ব্যাখ্যা

রাশিয়া-ইউক্রেন দ্বন্দ্বের প্রধান কারণ:
- ইউক্রেন কর্তৃক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটো’তে যোগদানের সম্ভাবনা।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে মুক্ত বাণিজ্য এলাকার অর্থনৈতিক উৎপাদনের জন্য ইউক্রেনের আবেদন।
- রাশিয়া কর্তৃক ইউক্রেনের নিকট স্বল্প মূল্যে প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি স্থগিতকরণ এবং ‘নর্ড স্ট্রিম ২' পাইপলাইন নির্মাণ।
- ১৪ জানুয়ারি, ২০২১ সালে ইউক্রেনের অন্তত ৭০টি সরকারি ওয়েবসাইটে রাশিয়া হামলা চালায় বলে দাবি করে ইউক্রেন ও পশ্চিমা বিশ্ব।
- ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১ সালে রাশিয়া-মার্কিন নিরাপত্তা চুক্তি এবং মস্কো ও ন্যাটোর মধ্যে একটি নিরাপত্তা চুক্তির খসড়া প্রকাশ করা হয়। এতে ইউক্রেনকে ন্যাটো সামরিক জোটে ঢুকতে না দেয়ার দাবি জানায় রাশিয়া, তবে যুক্তরাষ্ট্র তা নাকচ করে দেয়।
- ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১ সালে ভ্লাদিমির পুতিন ও জো বাইডেনের মধ্যে এক ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। এতে উভয় নেতাই ইউক্রেন নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
- ২১ জানুয়ারি, ২০২২ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় কূটনৈতিক পর্যায়ের বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে চলমান উত্তেজনা হ্রাসের ব্যাপারে সম্মত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।
- এমন সময়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যখন ইউক্রেন সীমান্ত সংলগ্ন রুশ ভূখণ্ডে সামরিক শক্তি বাড়িয়ে ইউক্রেনে হামলার আশঙ্কা জোরদার করছে রাশিয়া। এই ইস্যুতে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে সম্প্রতি অস্থিরতা তৈরি হয়।
- পূর্ব ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাকামী দুই অঞ্চল 'লুহানস্ক' ও 'দোনেৎস্ক’ কে স্বাধীন দেশ হিসেবে ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
- চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটের সূচনা হয় অক্টোবর ২০২১ সালে।
- 'লুহানস্ক' ও 'দোনেৎস্ক' ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাকামী অঞ্চল।
- ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২২ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার সীমান্ত সংলগ্ন ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাকামী দুইটি অঞ্চল ‘দোনেৎস্ক’ ও ‘লুহানস্ক’ কে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ডিক্রিতে স্বাক্ষর করেন।
- ২০১৪ সাল থেকেই এই অঞ্চলের রুশপন্থি বিদ্রোহীরা ইউক্রেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা চাইছে।

উৎস: সাম্প্রতিক পত্রিকা রিপোর্ট (জাতীয় ও আন্তর্জাতিক)।

৭৭৩.
ফরাসি বিপ্লবের সময়ে ফ্রান্সের রাজা ছিলেন কে?
  1. চতুর্দশ লুই
  2. পঞ্চদশ লুই
  3. ষোড়শ লুই
  4. সপ্তদশ লুই
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ লুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ লুই
ব্যাখ্যা
⇒ ফরাসি বিপ্লবের সময়ে ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।

ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এই বিপ্লব হয়েছিল ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই।
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল। এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় শিরশ্ছেদের মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭৭৪.
মার্শাল প্ল্যান কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. গ্রিস-তুরস্ক সমুদ্রবিরোধ নিরসন
  2. ইউরোপ পুনর্গঠন
  3. স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা
  4. চীনা আগ্রাসন রোধ
সঠিক উত্তর:
ইউরোপ পুনর্গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপ পুনর্গঠন
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিধ্বস্ত ইউরোপ পুর্নগঠনের লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত আর্থিক প্রণোদনা ‘মার্শাল প্ল্যান বা মার্শাল পরিকল্পনা’ নামে পরিচিত।
- তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ সি. মার্শাল এটি প্রণয়ন করেন। ১৯৪৮ সালের ৩ এপ্রিল তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান এতে স্বাক্ষর করেন।
- ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত চার বছর মেয়াদি এই পরিকল্পনায় ১৫ বিলিয়নের মার্কিন ডলারের অধিক বরাদ্দ দেওয়া হয় যার বেশিরভাগই পায় ব্রিটেন এবং ফ্রান্স।
- ইউরোপ পুর্নগঠনের পাশাপাশি মার্শাল প্লানে পশ্চিম ইউরোপে কমিউনিজমের বিস্তার রোধ, ন্যাটো চুক্তি স্বাক্ষর, সিআইএ এর কর্মপরিধি বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন উদ্দেশ্য নিহিত ছিলো।
(তথ্যসূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
৭৭৫.
আরব বসন্তের সূচনা হয় কোন দেশে?
  1. মিশর
  2. লিবিয়া
  3. তিউনিশিয়া
  4. ইয়েমেন
সঠিক উত্তর:
তিউনিশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিউনিশিয়া
ব্যাখ্যা

আরব বসন্ত (Arab Spring):
- মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার কয়েকটি দেশে রাজতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্র উচ্ছেদ করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে আন্দোলন ২০১০ সালে শুরু হয়, সেগুলোকে একত্রে আরব বসন্ত বলে ।
- আরব বসন্তের শুরু হয়েছিল আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়ায়। এই কারনে তিউনিশিয়াকে আরব বসন্তের সূতিকাগার বলা হয়।
- পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যম ২০১১ সালে প্রথম মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংঘটিত গণআন্দোলনকে “আরব বসন্ত” ( Arab Spring ) আখ্যা দেয়।
- ২০১৩ সালের দিকে এসে আরব বসন্তের আন্দোলন স্তিমিত হয়ে যায়।
- আরব বসন্তের প্রভাবে তিউনিশিয়া, মিশর, লিবিয়া, ইয়েমেন, বাহরাইন, মরক্কো, সিরিয়া প্রভৃতি দেশে - ক্ষমতা বদল বা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ক্ষমতা হ্রাস ইত্যাদি পরিবর্তন ঘটেছে।
- এখনো এই তথাকথিত আরব বসন্তের জেরে সিরিয়া, ইয়েমেন, লিবিয়া প্রভৃতি দেশে চরম রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিরাজমান।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৭৭৬.
১৯১১-১২ সালে সংঘটিত সিনহাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে চীনের কোন রাজবংশের শাসনের অবসান হয়?
  1. কিং
  2. মিং
  3. জং
  4. শিয়ান
সঠিক উত্তর:
কিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিং
ব্যাখ্যা
১৯১১-১২ সালে সংঘটিত সিনহাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে চীনের কিং রাজবংশের শাসনের অবসান হয়।

সিনহাই বিপ্লব:
- ১৯১১ সালের ১০ অক্টোবরে সংঘটিত এক বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এটি সিনহাই বিপ্লব নামে পরিচিত।
- এই  বিপ্লবের মাধ্যমে কিং রাজবংশকে উৎক্ষাত করা হয়।
- ১৯১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে প্রায় দুই হাজার বছরের রাজতন্ত্র উচ্ছেদ হয়ে প্রজাতন্ত্রের সূচনা হয়।
- এই দিন চীনের কিং রাজবংশের সর্বশেষ সম্রাট পুয়িকে সিংহাসন থেকে উৎখাত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯১১ সালের অক্টোবরে সান ইয়েৎ সেনের নেতৃত্বে চীনে প্রজাতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- সান ইয়েৎ সেন ছিলেন চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।

উৎস: Britannica.
৭৭৭.
ইংল্যান্ডে কোন শতকে শিল্পবিপ্লবের সূচনা ঘটেছিলো?
  1. সতের শতকের প্রথম ভাগে
  2. আঠারো শতকের মধ্যভাগে
  3. উনিশ শতকের প্রথম ভাগে
  4. উনিশ শতকের শেষভাগে
সঠিক উত্তর:
আঠারো শতকের মধ্যভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঠারো শতকের মধ্যভাগে
ব্যাখ্যা
- আঠারো শতকের মধ্যভাগে ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লবের সূচনা ঘটে। এরপর তা সমগ্র ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে।
- শিপ্ল বিপ্লবের ফলে গ্রামীণ কৃষিভিত্তিক সমাজ শহুরে কলকারখানা নির্ভর সমাজে পরিবর্তিত হতে থাকে। এই পরিবর্তন মানবজীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলে।
- আঠারো শতকের দ্বিতীয়ার্ধের ইংল্যান্ডের সমাজের এরূপ পরিবর্তনকে আর্নল্ড টয়েনবি ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন হিসেবে অভিহিত করেন।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
৭৭৮.
In which country did the 1st Industrial Revolution begin in the late 18th century?
  1. France
  2. Germany
  3. Great Britain
  4. The United States
সঠিক উত্তর:
Great Britain
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Great Britain
ব্যাখ্যা
প্রথম শিল্প বিপ্লব:

- প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০-১৮৪০ সাল।
- ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়।
- তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।
- ব্রিটিশ অর্থনৈতিক ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি (Arnold Toynbee) ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝানোর জন্য ‘শিল্প বিপ্লব' (Industrial Revolution) শব্দটি ব্যবহার করেন।
- ইংল্যান্ডে শুরু হলেও খুব দ্রুতই ইউরোপের অন্যান্য দেশ বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে।
- ইউরোপের পাশাপাশি ১৭৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়া লাগে।
- শিল্প বিপ্লবের ফলে পণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা খুব দ্রুত পরিবর্তত হতে থাকে।
- এই সময় বিভিন্ন ইঞ্জিন, যন্ত্রপাতি ও তত্ত্ব আবিষ্কার হতে থাকে।
- ফলে বিশ্বের ইতিহাসও খুব দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৭৭৯.
শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয় কোন শতকে?
  1. ষোল শতকে
  2. আঠারো শতকে
  3. সতেরো শতকে
  4. উনিশ শতকে
সঠিক উত্তর:
আঠারো শতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঠারো শতকে
ব্যাখ্যা

- শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয় অষ্টাদশ শতকে।

শিল্প বিপ্লব:

- শিল্প বিপ্লব সর্বপ্রথম ইংল্যান্ডে সংঘটিত হয়।
- ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হওয়ার নানা রকম কারণের মধ্যে একটি বড় কারণ ছিল পুঁজির জোগান।
- শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয় অষ্টাদশ শতকে।
- অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে প্রথমে ইংল্যান্ডে এবং পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি কাজে লাগিয়ে উৎপাদনব্যবস্থায় যে আমূল পরিবর্তন ঘটানো হয়, তা-ই শিল্প বিপ্লব নামে পরিচিত।
- ১৭৬০ সালে শুরু হওয়া শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে শিল্পায়নের সূত্রপাত।
- ১৭৮৪ সালে বাষ্পীয় ইঞ্জিন তৈরির মাধ্যমে যা ব্যাপক কলেবরে বৃদ্ধি পায়।
- ১৮৭০ সালে বিদ্যুৎ আবিষ্কারের মাধ্যমে মানুষ পেয়েছে আলোকিত বিশ্ব।
- ১৮৪৫ সালে আবার শিল্প বিপ্লব কথাটি ব্যবহার করেন জার্মান সমাজতন্ত্রী দার্শনিক ফ্রেডরিখ অ্যাঙ্গেলস।
- ১৮৮০ থেকে ৮১ সালে শিল্প বিপ্লব কথাটিকে জনপ্রিয় করেছিলেন বিশিষ্ট ব্রিটিশ ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি তাঁর লেখা
'Lectures on the Industrial Revolution in England' গ্রন্থে ব্যবহারের মাধ্যমে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭৮০.
কোন যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে 'ম্যারাথন দৌড়' প্রতিযোগিতার উদ্ভব হয়?
  1. ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
  2. ইসলাম যুদ্ধ
  3. কলিঙ্গ যুদ্ধ
  4. গ্রিক-পারস্য যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
গ্রিক-পারস্য যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিক-পারস্য যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
গ্রিক-পারস্য যুদ্ধ:
- সাইরাস ছিলেন পারস্যের অ্যাকামেনীয় সম্রাট এবং তার শাসনামলে পারস্য একটি ক্ষতিকর রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
-  প্রথমে তিনি গ্রিক অভিযানে অংশ নিয়ে এবং নগর রাষ্ট্র সমূহের ওপর ধ্বংসলীলা চালায়।

• গ্রিক-পারস্য যুদ্ধ (ম্যারাথন):
- খ্রিস্টপূর্ব ৪৯০ অব্দে, ম্যারাথন নামক স্থানে সংঘটিত হওয়া গ্রিক-পারস্য যুদ্ধে সাইরাসের বিপক্ষে গ্রিকরা পারস্য বাহিনীকে পরাজিত ও বিতাড়িত করে।
- এই ঘটনাটি পরবর্তীতে ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতার জন্ম দেয়
- প্রতি ৪ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত এ খেলায় বিভিন্ন নগররাষ্ট্রের খেলোয়াড়রা অংশ নেয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮১.
আগস্ট বিপ্লব সংঘটিত হয়-
  1. কাজিকিস্তানে
  2. ভিয়েতনামে
  3. তিউনিসিয়ায়
  4. সোভিয়েতে
সঠিক উত্তর:
ভিয়েতনামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েতনামে
ব্যাখ্যা

• ১৯৪৫ সালে ভিয়েতনামে আগস্ট বিপ্লব সংঘটিত হয়।
• ২০০৫ সালে টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয় কিরগিজস্তানে।
• ২০১১ সালে জেসমিন বিপ্লব সংঘটিত হয় তিউনিসিয়ায়।
• ২০০৩ সালে রোজ বিপ্লব সংঘটিত হয় জর্জিয়ায়।
• ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অরেঞ্জ বা কমলা বিপ্লব সংঘটিত হয়।
• আরব বসন্তের সূচনা হয় তিউনিসিয়ায়।
• ১৯১৭ সালে রাশিয়ার রুশ/অক্টোবর/বলশেভিক বিপ্লব সংঘটিত হয়।
• ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়।

৭৮২.
রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায় কোনটি?
  1. অক্টোবর বিপ্লব
  2. বলশেভিক বিপ্লব
  3. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  4. রোজ বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
ব্যাখ্যা

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব (১৯১৭):
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লব রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়।
- সংঘটিত হয়: ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারি (জুলিয়ান) / মার্চ (গ্রেগরিয়ান)।
- জারতন্ত্রের অবসান ঘটে।
- জার দ্বিতীয় নিকোলাস ক্ষমতাচ্যুত হন।
- অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়।
- অস্থায়ী সরকারের প্রধান নেতা: আলেক্সান্ডার এফ. ক্যারেনস্কি।

উল্লেখ্য,
- বলশেভিক / অক্টোবর বিপ্লব (১৯১৭)- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়।
- সংঘটিত হয়: ১৯১৭ সালের অক্টোবর (জুলিয়ান) / নভেম্বর (গ্রেগরিয়ান)।
- অস্থায়ী সরকারের পতন ঘটে।
- বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিপ্লবের প্রধান নেতা: ভ্লাদিমির লেনিন।
- গুরুত্বপূর্ণ নেতা: লিওন ট্রটস্কি।

উৎস: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা।

৭৮৩.
বাস্তিল দুর্গে আক্রমণ করা হয় কত সালে?
  1. ১৭৭৯ সালে
  2. ১৭৮২ সালে
  3. ১৭৮৭ সালে
  4. ১৭৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮৯ সালে
ব্যাখ্যা

ফরাসি বিপ্লব:

- ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়- ১৭৮৯ সালে।
- এই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ফান্সের শত বছরের পুরনো রাজতন্ত্র ও সামন্তব্যবস্থা ভেঙ্গে জনগণের অধিকার স্বীকৃত হয়।
- ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সালে বাস্তিল দূর্গে আক্রমণের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা ঘটে।
- বাস্তিল দুর্গ ছিল একটি রাজকীয় কারাগার।
- ফরাসি বিপ্লবের ফলে ফ্রান্সের তৎকালীন রাজা ষোড়শ লুই এর পতন ঘটে।
- ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল- স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় -নেপোলিয়ান বোনাপোর্টকে।

উৎস: Britannica & history.com

৭৮৪.
ইউরোপে শিল্পবিপ্লবের সূচনা ঘটে কোন শতকে?
  1. ক) ষোড়শ শতকে
  2. খ) সপ্তদশ শতকে
  3. গ) আঠারো শতকে
  4. ঘ) উনিশ শতকে
সঠিক উত্তর:
গ) আঠারো শতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আঠারো শতকে
ব্যাখ্যা
- আঠারো শতকের মধ্যভাগে ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লবের সূচনা ঘটে। এরপর তা সমগ্র ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে।
- শিপ্ল বিপ্লবের ফলে গ্রামীণ কৃষিভিত্তিক সমাজ শহুরে কলকারখানা নির্ভর সমাজে পরিবর্তিত হতে থাকে। এই পরিবর্তন মানবজীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলে।
- আঠারো শতকের দ্বিতীয়ার্ধের ইংল্যান্ডের সমাজের এরূপ পরিবর্তনকে আর্নল্ড টয়েনবি ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন’ হিসেবে অভিহিত করেন।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
৭৮৫.
'ডেজার্ট ফক্স' নামে পরিচিত ছিলেন কে?
  1. ফিল্ড মার্শাল ভন লিস্ট
  2. ফিল্ড মার্শাল বার্নার্ড মন্টগোমরি
  3. ফিল্ড মার্শাল রোমেল
  4. ফিল্ড মার্শাল উইলহেম কেইটেল
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড মার্শাল রোমেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড মার্শাল রোমেল
ব্যাখ্যা
- ফিল্ড মার্শাল রোমেল (১৮৯১ - ১৯৪৪) ছিলেন একজন জার্মান ফিল্ড মার্শাল।
- তিনি ইতিহাসে ‘ডেজার্ট ফক্স’ বা ‘মরুভূমির শিয়াল’ নামে খ্যাত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আফ্রিকা কর্পের (Afrika Korps) যুদ্ধে তিনি বিশেষ কৃতিত্ব দেখান এবং খুব দ্রুতই এসব অঞ্চল জার্মান নাৎসি বাহিনীর আয়ত্বে নিয়ে আসেন।
- এই কারণেই তিনি 'ডেজার্ট ফক্স' নামে পরিচিত হয়ে উঠেন।

উৎস: হিস্টোরি ডট কম।
৭৮৬.
জার্মানির সাথে প্রাথমিকভাবে কোন কোন দেশ কেন্দ্রীয় শক্তিতে ছিল?
  1. ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, রাশিয়া
  2. জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি, তুরস্ক
  3. জাপান, ইতালি, রাশিয়া
  4. ফ্রান্স, ইতালি, সার্বিয়া
সঠিক উত্তর:
জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি, তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি, তুরস্ক
ব্যাখ্যা
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯১৪ সালে শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
- এটি ছিল একটি আন্তর্জাতিক সংঘাত যাতে ইউরোপের বেশিরভাগ অংশের পাশাপাশি এশিয়া, উত্তর আমেরিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দূরবর্তী দেশগুলি জড়িত। 
- জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং তুরস্কের কেন্দ্রীয় শক্তি।
- ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইতালি, জাপান এবং পরবর্তীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রবাহিনীর সাথে লড়াই করেছিল।
- ১৯১৮ সালে কেন্দ্রীয় শক্তির পরাজয়ের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়। অর্থ্যাৎ প্রায় ৪ বছর ধরে এই যুদ্ধ চলে।

উৎস: worldatlas.com
৭৮৭.
সিনহাই বিপ্লবের মাধ্যমে কোন রাজবংশের পতন ঘটে?
  1. হান রাজবংশ
  2. সাং রাজবংশ
  3. কুইং রাজবংশ
  4. চিং রাজবংশ
সঠিক উত্তর:
চিং রাজবংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিং রাজবংশ
ব্যাখ্যা
সিনহাই বিপ্লবের মাধ্যমে চিং রাজবংশের পতন ঘটে।

সিনহাই বিপ্লব:
- সিনহাই বিপ্লব যা চীনে 'Xinhai Revolution' হিসেবে পরিচিত।
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আন্দোলন ছিল যা চিং রাজবংশের (Qing Dynasty) এর পতন ঘটিয়ে চীনে প্রথম প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে।
- এই বিপ্লবের ফলে চীনে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯১১ সালের ১০ অক্টোবর এই বিপ্লব শুরু হয় যা ১৯১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংঘটিত হয়।

⇒ ১৯১১ সালের অক্টোবরে সান ইয়েৎ সেনের নেতৃত্বে চীনে প্রজাতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- সান ইয়েৎ সেন ছিলেন চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।

⇒ চিং রাজবংশ ছিল চীনের শেষ সামন্ততান্ত্রিক রাজবংশ যা ১৬৪৪ থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত শাসন করেছিল।
- জনগণের মধ্যে রাজবংশের শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ছিল। 
- চিং রাজবংশের শেষ সম্রাট পু ই স্বীকার করেন যে রাজবংশের শাসন অব্যাহত রাখার কোনও সম্ভাবনা নেই।
- এর ফলে, চীনের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে সান ইয়েৎ-সেন নির্বাচিত হন।
- চিং রাজবংশের পতনের সাথে সাথে চীনে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আধিপত্য কমে আসে।

উৎস: Britannica.
৭৮৮.
নকশালবাদ বিদ্রোহ কত সালে সংগঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৬৫
  2. খ) ১৯৬৬
  3. গ) ১৯৬৭
  4. ঘ) ১৯৬৯
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৭
ব্যাখ্যা
- নকশালবাদ নামটি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং জেলার নকশালবাড়ি গ্রাম থেকে উদ্ভূত যা ষাটের দশকে স্থানীয় জমিদারদের বিরুদ্ধে একটি উপজাতি কৃষক বিদ্রোহের কেন্দ্র ছিল। 
- ১৯৬৭ সালের ২৪ মার্চ, নকশালবাদ বিদ্রোহটি সংগঠিত হয়েছিল। 
- নকশালবাড়ী বিদ্রোহের পরের দিনগুলোতে অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীকাকুলামেও একই ধরনের বিদ্রোহ হয়।

উৎস:- Britannica.
৭৮৯.
শিল্প বিপ্লবের সূত্রপাত হয় কোন দেশে?
  1. ইতালি
  2. ফ্রান্স
  3. রাশিয়া
  4. ইংল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা

শিল্পবিপ্লব
- ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লবের সূত্রপাত হয় আঠার শতকের মধ্যভাগে।
- শিল্পোৎপাদন ক্ষেত্রে ইংল্যান্ডে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হয় সাধারণভাবে তা শিল্পবিপ্লব নামে পরিচিত।
- ১৮৩৭ সালে শিল্প বিপ্লব কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন ফরাসি সমাজতান্ত্রিক লেখক জেরোমি ব্লাংকি।
- এটি বিশেষ পরিচিতি লাভ করে ১৮৮১ সালের দিকে।
- বিখ্যাত ইতিহাস গবেষক আর্নল্ড জে. টয়েনবি অক্সফোর্ডে দেয়া তাঁর বক্তৃতায় এই কথাটি উচ্চারণ করেছিলেন।
- এর ফলে ইংল্যান্ড বিশ্বের প্রধান শিল্পোন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে দেশটির সমৃদ্ধির ভিত্তি রচিত হয় শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে।
- রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও শিল্প বিপ্লব প্রভাব বিস্তার করে।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৯০.
কিউবা বিপ্লবের মাধ্যমে কার পতন ঘটে?
  1. চে গুয়েভারা
  2. বাতিস্তা
  3. রাভেল করসো
  4. ফিদেল কাস্ত্রো
সঠিক উত্তর:
বাতিস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিস্তা
ব্যাখ্যা

কিউবা বিপ্লব:
- কিউবার বিপ্লবী মহানায়ক ফিদেল কাস্ত্রো।
- কিউবার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বাতিস্তা ও কিউবার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বিপ্লবের ময়দানে সক্রিয় হন কাস্ত্রো।
- তার প্রথম পদক্ষেপ ছিল মেক্সিকো থেকে কিউবায় আক্রমণ চালানো।
- ১৯৫৬ সালের ২৫ নভেম্বর তিনি ও তার বিপ্লবী সহযোগীরা কিউবার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।
- পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই বাতিস্তার সেনাবাহিনীর আক্রমণে নাস্তানাবুদ হন। শুরুর দিকেই তাকে কারাবন্দী করে বাতিস্তা সরকার। কিউবার মানুষের মুক্তির জন্য গেরিলা যুদ্ধে নামেন কাস্ত্রো।
- এরই মধ্যে চে গুয়েভারার সঙ্গে ফিদেল কাস্ত্রোর গেরিলা যুদ্ধে পরিকল্পনা আরও বিস্তৃতি পায়।
- ফিদেল কাস্ত্রো তাকে গ্রেনেড তৈরির কারখানা, রুটি বানানোর জন্য চুল্লি প্রস্তুত এবং নিরক্ষর সঙ্গীদের লেখাপড়ার জন্য স্কুল তৈরির দায়িত্ব দেন। আচমকা হামলায় বাতিস্তা সরকার পর্যুদস্ত হয়ে পড়ে।
- সিয়েরা পর্বতমালা, শহর পেরিয়ে তারা হাভানায় ঢুকে পড়লে বাতিস্তা সরকার পালিয়ে যায়। পতন ঘটে বাতিস্তা সরকারের।
- জয়ী হন কাস্ত্রো, জয় হয় বিপ্লবের। বিপ্লবের নেতা, ফিদেল কাস্ত্রো, ১৯৫৯ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কিউবা শাসন করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- কিউবা উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যস্থলে অবস্থিত। কিউবা ৪০০ বছর ধরে স্পেনের একটি উপনিবেশ ছিল।
- কিউবা আশপাশের অনেকগুলো ছোট দ্বীপের সঙ্গে মিলে কিউবা প্রজাতন্ত্র গঠন করেছে।

উৎস: Britannica.

৭৯১.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির কোন দেশটি সর্বপ্রথম আত্মসমর্পণ করে?
  1. ক) জাপান
  2. খ) ইতালি
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইতালি
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- জার্মানি, জাপান ও ইতালির মিলিত অক্ষশক্তি এবং ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন প্রভৃতি দেশের সমন্বয়ে গঠিত মিত্রশক্তির মধ্যে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ১৯৪৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর অক্ষশক্তির ইতালি সর্বপ্রথম মিত্রবাহিনীর নিকট শর্তসাপেক্ষে আত্মসমর্পণ করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
৭৯২.
'Me Too' আন্দোলন প্রধানত কোনটির বিরোধিতা করে?
  1. পরিবেশ দূষণ
  2. রাজনৈতিক দুর্নীতি
  3. অর্থনৈতিক বৈষম্য
  4. যৌন নিপীড়ন ও সহিংসতা
সঠিক উত্তর:
যৌন নিপীড়ন ও সহিংসতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌন নিপীড়ন ও সহিংসতা
ব্যাখ্যা
মি টু (MeToo) আন্দোলন:
- মি টু (MeToo) আন্দোলন যৌন নিপীড়ন এবং যৌন সহিংসতার বিরোধিতা করে।
- এই আন্দোলনের মাধ্যমে যৌন হয়রানি, নির্যাতন এবং লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ক্ষতিগ্রস্তদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হয়।

⇒ সমাজে ক্ষমতাবান এবং প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিদের হাতে কর্মক্ষেত্রে বা অন্য যেকোন জায়গায় যৌন নিগ্রহের শিকার হওয়ার ঘটনা যা বছরের পর বছর চেপে রাখা হয়েছিল, তা প্রকাশ করাই ছিল এই আন্দোলনের মূল ব্যাপার।
- ১৯৯৭ সালে মার্কিন সমাজকর্মী টারানা বার্কে যখন ১৩ বছরের এক কিশোরীর মুখে তার ওপর ঘটে যাওয়া যৌন নির্যাতনের অভিজ্ঞতার কথা শুনেছিলেন, তখনই তাঁর বুকের ভেতর জন্ম নিয়েছিল ওই ‘মি টু’।
- পরে যৌন হিংসার বিরুদ্ধে তাঁর প্রচার আন্দোলনের নাম দেন ‘মি টু’, মানে ‘আমিও’ যৌন হেনস্তার শিকার ।
- কৃষ্ণাঙ্গ বার্কের ২০০৬ সালে গড়ে তোলা ওই আন্দোলনকে সাদা চামড়ার নারীবাদীরা বেশি দিন পাত্তা দেননি, দেননি কোনো সমর্থন।

⇒ ২০১৭ সালের অক্টোবরে মি টু আন্দোলন বিশ্বব্যাপী মনোযোগ পায় যখন অভিনেত্রী অ্যালিসা মিলানো (Alyssa Milano) একটি টুইটের মাধ্যমে (যা এখন X প্ল্যাটফর্ম নামে পরিচিত) লোকজনকে তাদের যৌন নিপীড়নের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে উৎসাহিত করেন, এবং "#MeToo" হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করতে বলেন। এটি ভাইরাল হয়ে যায় এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ তাদের গল্প শেয়ার করেন।

উৎস: Britannica.
৭৯৩.
১৯৮২ সালে ফকল্যান্ড যুদ্ধের সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. মার্গারেট থ্যাচার
  2. উইনস্টন চার্চিল
  3. টনি ব্লেয়ার
  4. থেরেস মা
সঠিক উত্তর:
মার্গারেট থ্যাচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্গারেট থ্যাচার
ব্যাখ্যা

ফকল্যান্ড দ্বীপ:
- ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার বিরোধপূর্ণ দ্বীপ ফকল্যান্ড দ্বীপ।
- এই দ্বীপ নিয়ে ১৯৮২ সালে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ইতিহাসে এই আক্রমণ ফকল্যান্ড যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত।
- এই সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মার্গারেট থ্যাচার।

⇒ ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ হলো দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের প্যাটাগনিয়ান শেলফে অবস্থিত একটি দ্বীপপুঞ্জ।
- বিভিন্ন সময়ে দ্বীপগুলোতে ফরাসি, ইংরেজ, স্প্যানিশ ও আর্জেন্টাইন বসতি ছিল।
- ১৮৩৩ সালে ব্রিটেন দ্বীপটি দখল করে নেয় এবং সেখানে ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠা করে।
- ১৯৮২ সালের এপ্রিল মাসে আর্জেন্টাইন সামরিক বাহিনী দ্বীপপুঞ্জটিতে আক্রমণ করে।
- ব্রিটিশ প্রশাসন এই আক্রমণের দুই মাস পর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে।
- ২০১৩ সালের একটি গণভোটে সব ফকল্যান্ড অধিবাসী ব্রিটিশ বৈদেশিক অঞ্চলে থাকার পক্ষে ভোট দেয়।
- এই অঞ্চলটির সার্বভৌমত্ব আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের চলমান বিবাদের একটি অংশ।

উৎস: Britannica.

৭৯৪.
টিউলিপ বিপ্লব কোন দেশে সংঘটিত হয়?
  1. চেকোস্লোভাকিয়া
  2. জর্জিয়া
  3. কিরগিজস্থান
  4. ইউক্রেন
সঠিক উত্তর:
কিরগিজস্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিরগিজস্থান
ব্যাখ্যা
কতিপয় ঐতিহাসিক বিপ্লব:
- ভেলভেট বিপ্লব ( ১৯৮৯) - চেকোস্লোভাকিয়া।
- রোজ বিপ্লব (২০০৩) - জর্জিয়া।
- অরেঞ্জ বিপ্লব (২০০৪) - ইউক্রেন।
- টিউলিপ বিপ্লব (২০০৫) - কিরগিজস্থান।
- ইসলামিক বিপ্লব (১৯৭৯) ইরান।
- ফরাসি বিপ্লব (১৭৮৯) - ফ্রান্স।
- রুশ বিপ্লব (১৯১৭) - রাশিয়া।
- সাংস্কৃতিক বিপ্লব (১৯৬৬- ১৯৭৬) - চীন।
- নীল বিপ্লব (২০১১) - মিসর।
- জেসমিন বিপ্লব (২০১১) - তিউনিসিয়া।
- ইউরোমেইডেন বিপ্লব (২০১৩) - ইউক্রেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭৯৫.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন কে?
  1. মিখাইল গর্বাচভ
  2. ভ্লাদিমির ইলিচ লেলিন
  3. জোসেফ স্ট্যালিন
  4. উইন্সটন চার্চিল
সঠিক উত্তর:
জোসেফ স্ট্যালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোসেফ স্ট্যালিন
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন। তিনি ১৯২৯ সাল থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন। তার সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন কৃষিভিত্তিক সমাজ থেকে শিল্পোন্নত ও সামরিক সুপার পাওয়ারে পরিণত হয়। তাকে স্বৈরশাসক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
(সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
৭৯৬.
১৯৬৭ সালের আরব ইসরাইল যুদ্ধের স্থায়িত্বকাল ছিল -
  1. ৪ দিন
  2. ৬ দিন
  3. ১১ দিন
  4. ১৮ দিন
সঠিক উত্তর:
৬ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ দিন
ব্যাখ্যা
৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- ৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৬ দিন।
- এটি ছয় দিনের যুদ্ধ বা জুন যুদ্ধ নামেও পরিচিত।
- ৫ - ১০ জুন পর্যন্ত মাত্র ছয় দিনের এ যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।

⇒ ইসরায়েল মিসরের বিমানবাহিনীর ওপর নিবৃত্তিমূলক হামলা চালালে এই যুদ্ধ শুরু হয়। কারণ, মিসর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তারা গাজা ও সিনাই উপদ্বীপ থেকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী সদস্যদের বিতাড়ন করবে। একই সঙ্গে তারা তিরান প্রণালি দিয়ে ইসরায়েলের জাহাজ চলাচলও বন্ধ করে দিয়েছিল।
- ছয় দিন যুদ্ধের পর ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ, গাজা উপত্যকা, গোলান উপত্যকা, পশ্চিম তীর ও পুরো জেরুজালেম দখল করে নেয়।

উৎস: Worldatlas.
৭৯৭.
২০২১ সালে মিয়ানমারে নিম্নের কোন বিপ্লব শুরু হয়?
  1. টিউলিপ বিপ্লব
  2. শরৎ বিপ্লব
  3. বসন্ত বিপ্লব
  4. অরেঞ্জ বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
বসন্ত বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসন্ত বিপ্লব
ব্যাখ্যা
- ২০২১ সালের ২ মে মিয়ানমারজুড়ে জান্তাবিরোধী হাজারো মানুষের বিক্ষোভ থেকে 'বসন্ত বিপ্লব'-এর ডাক দেয়া হয়।
উল্লেখ্য,
- ২০২১ তারিখের ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচিত এনএলডির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের দিন মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়।
- মিয়ানমারের রাষ্ট্রক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করে দেশটির সেনাবাহিনী।
- ২ ফেব্রুয়ারি তারিখে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা ১১ সদস্যের State Administration Council (SAC) গঠন করে।
- ১ আগস্ট জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইংকে মিয়ানমারের প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করা হয়।

উৎস: আন্তর্জাতিক সংবাদ পত্রের বিভিন্ন রিপোর্ট।
৭৯৮.
'অপারেশন জেরোনিমো' পরিচালনা করে -
  1. মার্কিন নেভি সিল
  2. মার্কিন বিমানবাহিনী
  3. সোয়াট
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মার্কিন নেভি সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্কিন নেভি সিল
ব্যাখ্যা
অপারেশন জেরোনিমো:
- ওসামা বিন লাদেনকে হত্যার উদ্দেশ্যে মার্কিন নেভি সিল পরিচালিত কমান্ডো অভিযান।
- অপারেশনটি পরিচালনা করা হয় ২ মে, ২০১১ সালে।
- সামরিক এই অভিযান পরিচালিত হয় পাকিস্তানের এ্যাবোটাবাদে।
- এই অভিজানে নিহত হয়েছিলেন ওসামা বিন লাদেন।
- ১৯৮৮ সালের দিকে বিন লাদেন নিজেই আল–কায়েদা গঠন করেন।
- ২০০১ সালের যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে আত্মঘাতী বিমান হামলা চালায় আল–কায়েদা।
- এই হামলার কারণে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার নজদারিতে রাখা হয় ওসামা বিন লাদেনকে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা।
৭৯৯.
ট্রাফালগারের যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়?
  1. ক) ১৭৮৪ সালে
  2. খ) ১৭৯২ সালে
  3. গ) ১৮০০ সালে
  4. ঘ) ১৮০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮০৫ সালে
ব্যাখ্যা
ট্রাফালগারের যুদ্ধ ছিল ব্রিটিশ এবং ফরাসি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর মধ্যে একটি নৌযুদ্ধ।
- ১৮০৫ সালের ২১ অক্টোবর এটি সংঘটিত হয়।
-  এটি স্পেনের কেপ ট্রাফালগারের পশ্চিমে কেডিজ এবং জিব্রাল্টারের প্রণালীর মধ্যে ঘটেছিল।

উৎস: Britannica.
৮০০.
Coup d'état কী?
  1. ক) যুদ্ধ
  2. খ) আগ্রাসন
  3. গ) বিপ্লব
  4. ঘ) অভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
ঘ) অভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
• অভ্যুত্থান:
- Coup d'état বলতে অভ্যুত্থানকে বুঝানো হয়েছে।
- একটি ছোট গোষ্ঠী দ্বারা বিদ্যমান সরকারকে হঠাৎ, সহিংসভাবে উৎখাত করা।
-  একটি অভ্যুত্থানের প্রধান শর্ত হল সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ এবং অন্যান্য সামরিক উপাদানগুলির সমস্ত অংশের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া।
- ১৯৫২ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে নির্দিষ্ট ৩৩টি দেশে ৮৫ বার অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়।
- পশ্চিম আফ্রিকায় সর্বাধিক ৪২ বার অভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটেছে।
- গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন এনএলডি (ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসি) সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে।

উৎস: বিবিসি ওয়ার্ল্ড ও ব্রিটানিকা।