PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
যুদ্ধ ও বিপ্লবসমূহ
যুদ্ধ ও বিপ্লবসমূহ
PrepBank · পাতা ৭ / ১১ · ৬০১–৭০০ / ১,০৫২
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্বকাল ছিল ১৩৩৭ সাল থেকে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত।
- ১৩৩৭ সালে ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় অ্যাডওয়ার্ড অবৈধভাবে ফ্রান্সের সিংহাসন দাবি করেন।
- এতে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের মধ্যে যুদ্ধ লেগে যায়, যা ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত চলে।
- ইতিহাসে এটি শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- 'জোয়ান অব আর্ক' ছিলেন ফ্রান্সের সেনাপতি।
- ব্রিটিশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ফ্রান্সকে বিজয়ী করতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন এই বীর কন্যা।
- এই যুদ্ধে বিজয়ী হয় ফ্রান্স।
উৎস: Britannica ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
বদরের যুদ্ধ:
- সংঘটনকাল: ৬২৪ খ্রিস্টাব্দ (২য় হিজরি)।
- যুদ্ধের পক্ষ: মুসলমান এবং মক্কার কুরাইশগণ।
- ইসলামের ইতিহাসে প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধ।
- মুসলমানদের সৈন্য সংখ্যা ছিল ৩১৩ জন, আর কুরাইশদের ছিল প্রায় ১০০০ জন।
- সংখ্যায় কম হওয়া সত্ত্বেও মুসলমানরা বিজয় লাভ করে।
- এই যুদ্ধ জয়ের মাধ্যমে ইসলাম একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য,
- উহুদের যুদ্ধ সংঘটিত হয় ৬২৫ খ্রিস্টাব্দে (৩য় হিজরী)।
- খন্দকের যুদ্ধ ৬২৭ খিস্টাব্দে (৫ম হিজরী) সংঘটিত হয়।
- খায়বারের যুদ্ধ ৬২৯ খিস্টাব্দে (৭ম হিজরী) সংঘটিত হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তি ছিল সার্বিয়া, রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জাপান, ইতালি এবং যুক্তরাষ্ট্র।
- এ সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন হেনরি আসকুইথ ও ডেভিড লয়েড জর্জ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ফরাসি বিপ্লবের পেছনে ফ্রান্সের রাজনৈতিক অনিয়ম ও স্বৈরতান্ত্রিক শাসন অনেকাংশে দায়ী ছিলো।
- চতুর্দশ লুইয়ের শাসনামলে ফ্রান্স একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- তবে তার সাম্রাজ্যবাদী নীতি দেশকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দেয়। তার পুত্র পঞ্চদশ লুই এর অমিতব্যায়িতা জন্য এই দুর্বলতা আরও বৃদ্ধি পায়।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ষোড়শ লুই ১৭৭৪ সালে সিংহাসনে বসে ক্রমশ এক অরাজক পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন।
- আর্থ সামাজিক বৈষম্য রাজনৈতিক দুর্বলতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে ১৭৮৯ সলে এক বিস্ফোরক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
- "স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী"- ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।
১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
অপারেশন ডেজার্ট ফক্স:
- ১৯৯৮ সালের ডিসেম্বরে, যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য ইরাকি লক্ষ্যবস্তুতে চার দিনের বোমা হামলা চালায়।
- যুদ্ধটি সংঘটিত হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোট ও ইরাকের মধ্যে।
- জাতিসংঘের অস্ত্র পরিদর্শকদের সাথে সহযোগিতা করতে সাদ্দাম হোসেনের ক্রমাগত অস্বীকৃতির প্রতিক্রিয়ায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯৯৮ সালে অপারেশন DESERT FOX পরিকল্পনা করেছিল।
- এতে ইরাকের শতাধিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়, ব্যবহার করা হয় এক হাজারেরও বেশি বোমা এবং ক্রুজ মিসাইল।
উল্লেখ্য,
- ১৯৯০ সালের আগস্টে ইরাক কর্তৃক পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র কুয়েত আক্রমণ ও দখলের মধ্য দিয়ে এই যুদ্ধ আরম্ভ হয়।
অন্যদিকে,
- অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম চালায় বহুজাতিক বাহিনী।
- অপারেশন ডেজার্ট শিল্ড চালায় মার্কিন বাহিনী।
- অপারেশন সি লায়ন চালায় জার্মানিরা।
- অপারেশন বারবারোস চালায় জার্মানিরা।
- অপারেশন হাস্কি চালায় বৃটেন ও যুক্তরাষ্ট্র।
- অপারেশন ক্লোজডোর চালায় বাংলাদেশ সরকার।
- অপারেশন জ্যাকপট চালায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
উৎস: BBC World.
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মোট ৪টি আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৪৮ সালে।
- ইসরায়েল এবং আরব রাষ্ট্রসমূহ ও ফিলিস্তিনি আরব বাহিনীর গুলোর সম্মিলিত সামরিক বাহিনী মধ্যে সংঘটিত হয়।
- এটি আরবিতে নাকবা (বিপর্যয়) ও হিব্রুতে মিলখেমেত হাতজমাউত (স্বাধীনতা যুদ্ধ) বলে পরিচিত।
২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে।
৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- ১৯৬৭ সালে ইসরাইল পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৬ দিন।
৪র্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- Yom Kippur War নামে পরিচিত ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়ম কিপুরের সময় ইসরায়েল-অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোটের অতর্কিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।
- মিশরীয় ও সিরিয়ান সেনারা যুদ্ধবিরতি রেখা ভেদ করে যথাক্রমে সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিতে ঢুকে পড়ে।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ে তাদের নিজ নিজ মিত্রদের এসময়ে সহায়তা করে।
- ফলে দুইটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।
তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যাস্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
• যুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিজোট:
- জার্মান, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া।
• মিত্রশক্তি জোট:
- রাশিয়া, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম, জাপান, ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়।
- চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানী ঘটে।
উৎস: i) Britannica.
ii) History.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এই বিপ্লব হয়েছিল ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই।
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল। এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় শিরশ্ছেদের মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯১৪ সালে শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
- এটি ছিল একটি আন্তর্জাতিক সংঘাত যাতে ইউরোপের বেশিরভাগ অংশের পাশাপাশি এশিয়া, উত্তর আমেরিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দূরবর্তী দেশগুলি জড়িত।
- জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং তুরস্কের কেন্দ্রীয় শক্তি
- ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইতালি, জাপান এবং পরবর্তীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রবাহিনীর সাথে লড়াই করেছিল।
- ১৯১৮ সালে কেন্দ্রীয় শক্তির পরাজয়ের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়। অর্থ্যাৎ প্রায় ৪ বছর ধরে এই যুদ্ধ চলে।
উৎস: worldatlas.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এই বিপ্লব হয়েছিল ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই।
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল। এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় শিরশ্ছেদের মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
-ক্রিমিয়ান যুদ্ধ রাশিয়া এবং ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং অটোমান সাম্রাজ্যের বাহিনীর মধ্যে ১৮৫৩ সনে ক্রিমিয়ান উপদ্বীপে সংঘটিত হয়েছিল।
-সময়কাল: অক্টোবর ১৮৫৩-ফেব্রুয়ারী ১৮৫৬
-পক্ষ-রাশিয়া।
-বিপক্ষ- তুরস্ক, বৃটেন, ফ্রান্স।
-ফলাফল-তুরস্ক তার মিত্রশক্তি জয়ী।
-ক্রিমিয়া যুদ্ধের প্রক্ষাপটে নার্সিং ব্যবস্থার প্রসার ঘটে।
-এ যুদ্ধে ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল - Lady with the Lampe.উপাধি পান।
উল্লেখ্য:
- ক্রিমিয়া উপদ্বীপ কৃষ্ণ সাগরের উত্তরে অবস্থিত।
- এ উপদ্বীপে ইয়াল্টা সামরিক ঘাটি অবস্থিত।
- ১৯৫৪ সালে সোভিযত নেতা নিকিতা ক্রশ্চেভ ক্রিমিয়া উপদ্বীপটি উপহার হিসেবে ইউক্রেনকে লিখে দেয়।
- ২০১৪ রাশিয়া ইউক্রেন থেকে ক্রিমিয়া দখল করে নেয়।
- ২০১৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেরে মধ্যকার সংঘটিত হওয়া যুদ্ধ দ্বিতীয় ক্রিমিয়া যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত।
উৎস: Britannica
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এই বিপ্লব হয়েছিল ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই।
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল। এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় শিরশ্ছেদের মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
Source: un.org
উত্তর
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন প্রায় শেষের পথে, তখন আগস্টের জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে পরমাণু বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বে প্রথম কোন যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছিল গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্র।
- মারা গিয়েছিল হাজার হাজার মানুষ।
- জাপানের হিরোশিমা শহরে ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে বোমা বর্ষণ করে।
- নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো লিটলবয়।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে।
- নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো ফ্যাটম্যান।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।
উৎস: History.com.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করে।
- এসইউ-৩৪ বোমারু বিমানের মাধ্যমে পরিচালিত একটি বিশেষ সামরিক অভিযানে কিনঝাল হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল ব্যবহার হয়েছে।
- কিনঝাল হচ্ছে আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিসটিক হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, যেখানে অত্যাধুনিক রুশ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। - শব্দের চেয়ে দ্রুত গতিতে চলতে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সাধারণত মিগ-৩১ কে যুদ্ধবিমানের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়।
- কিনঝাল ক্ষেপণাস্ত্র প্রচলিত রাডার ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে সক্ষম এবং এটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পথে একাধিকবার গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে।
- এটি মূলত স্থল ও নৌ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। প্রথমবারের মতো এ ধরনের একটি উদ্যোগ সাফল্যের সঙ্গে শেষ করায় ক্রুদের রাষ্ট্রীয় খেতাবে ভূষিত করা হবে।
- অভিযানে রাশিয়া ইউক্রেনের সামরিক স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা শুরু করেছে।
তথ্যসুত্র - ডেইলী স্টার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বেলফোর ঘোষণা হলো ব্রিটিশ ইহুদি সম্প্রদায়ের একজন নেতা ব্যারন রথচাইল্ডের কাছে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সচিব আর্থার জেমস বেলফোরের লেখা একটি চিঠি।
- বেলফোর ঘোষণার সাথে আজকের ইহুদী রাষ্ট্র ইসরাইল প্রতিষ্ঠা সরাসরিভাবে জড়িত।
- ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন ব্রিটেনের পররাষ্ট্র সচিব এ জে বেলফো ব্রিটিশ জায়নিষ্ঠ ফেডারেশনের সভাপতি লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি দেন।
এছাড়াও,
- তিনি ফিলিস্তিনে একটি আলাদা রাষ্ট্র তৈরির প্রস্তাব দেন।
- ঐ চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদিদের জন্য একটি জাতি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।
- ইতিহাসে এটি বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত।
অন্যদিকে,
- ১৯২২ সালে জাতিপুঞ্জ (League of Nations) বেলফোর ঘোষণা অনুমোদন করে।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ প্যালেস্টাইন অধ্যুষিত আরব এলাকা বিভক্তির মধ্যে দিয়ে ইসরাইল রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিন ভূখন্ডে ইসরাইল প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎস: Britannica এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• কোরিয়া যুদ্ধ:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হওয়ার ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ৩৮° সমান্তরাল রেখায় ভাগ করে।
- ফলে কোরিয়া বিভক্ত হয়ে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া গঠন করে।
- উত্তর কোরিয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে এবং দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে চলে যায়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।
যুদ্ধের ফলাফল:
- কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
- জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ১৯৫৩ সালে এই যুদ্ধের অবসান ঘটে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• আরব বসন্ত:
- আরব বসন্ত আন্দোলনের সূচনা ঘটে তিউনিসিয়ায় ২০১০ সালের ডিসেম্বরে।
- তিউনিসিয়ার সিদি বুজিদ শহরে মোহাম্মদ বুয়াজিজি নামে এক তরুণ সবজি বিক্রেতা প্রশাসনিক হয়রানি ও অপমানের প্রতিবাদে আত্মাহুতি দেন।
- এই ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করে এবং দ্রুত তা দেশব্যাপী গণআন্দোলনে রূপ নেয়।
- এই গণআন্দোলন পরে “জেসমিন বিপ্লব” নামে পরিচিতি পায়।
- এই আন্দোলনের মূল চালিকা শক্তি ছিল দুর্নীতি, বেকারত্ব, দমনমূলক শাসনব্যবস্থা এবং গণতন্ত্রের দাবির বিরুদ্ধে জনগণের অসন্তোষ।
- তিউনিসিয়ায় শুরু হওয়া এই গণবিক্ষোভ অল্প সময়ের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার অন্যান্য আরব দেশে ছড়িয়ে পড়ে—বিশেষত মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া ও ইয়েমেনে।
- তবে আরব বসন্তের সূচনাস্থল হিসেবে তিউনিসিয়াই প্রথম দেশ, যেখানে এই ধরনের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের আগুন জ্বলে ওঠে।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে ছিলো।
- ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ফ্রান্সের ভার্সাইয়ে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১০ জানুয়ারি ১৯২০ এই চুক্তি কার্যকর হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মিত্রশক্তি (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান ইত্যাদি এবং জার্মানির মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি অনুসারে জার্মানিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং বিপুল পরিমাণ আর্থিক জরিমানা করা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা ও দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এটি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক-ইরান বিরোধ শুরু হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ হয়েছিল।
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
⇒ আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন।
উল্লেখ্য,
- ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ সালে ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে আলজিয়ার্স চুক্তি অকার্যকর হয়।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর বর্ণনা পাওয়া যায় হোমারের মহাকাব্য ইলিয়াড -এ।
- ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের হেসারলিক বা আনাতোলিয়া নামক স্থানে অবস্থিত।
- ট্রয়ের যুদ্ধ শুরু খ্রিষ্টপূর্ব ১২৫০ শতকে এবং শেষ খ্রিষ্টপূর্ব ১২৪০ শতকে।
- দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চলেছিল যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধ ট্রোজান যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- ট্রয় নগরী ধ্বংস হয়েছিল, সেই সময়ে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী নারী স্পার্টার রানি ও ট্রয় রাজপুত্র প্যারিসের প্রেমিকা হেলেনের জন্য।
- ১৯৯৮ সালে ইউনেসকোর ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় যুক্ত হয় ট্রয়।
উল্লেখ্য,
- ইলিয়াড এবং ওডিসির কারনে এই রোমান্টিক ট্রয়ের ট্র্যাজেডি অমর হয়ে আছে।
- এই ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর রাজা ছিলেন প্রিয়াম এবং রাণীর নাম ছিলেন হেকবা।
- তাদের আদরের পুত্রের নাম ছিল প্যারিস।
- এই প্যারিসই ছিল মূলত ট্রয় যুদ্ধের পেছনে মূল হোতা।
- সেই সময় পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী রমণী ছিল হেলেন।
- হেলেন ছিলেন স্পার্টার রাজা মেনেলাউস এর স্ত্রী।
- প্যারিস স্পার্টা থেকে হেলেনকে নিয়ে ট্রয়ে পালিয়ে যায়।
- এতে ক্রোধান্বিত হয়ে মেনেলাউস তার ভাই আগামেমনন এর সহায়তায় ট্রয় আক্রমণ করে।
- গ্রিক ও ট্রোজানদের মধ্যে দীর্ঘ দশ বছর ধরে যুদ্ধ হয়।
- পরবর্তীতে গ্রিকদের দ্বারা ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- স্বাক্ষরিত হয় ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে।
- স্থান: ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনাম।
- উদ্দেশ্য: ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বন্দ্বের অবসান ঘটানো।
- ফলাফল: ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান।
উৎস: History Channel.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এটি ছিল মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ আন্তর্জাতিক সংঘাত, যেখানে ইউরোপের প্রায় সব দেশ ছাড়াও এশিয়া, উত্তর আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ অংশ নেয়। - একদিকে ছিল জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি ও তুরস্কের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় শক্তি,
- আরেকদিকে ছিল ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইতালি, জাপান ও পরে যুক্তরাষ্ট্রসহ মিত্রশক্তি।
- যুদ্ধের সূচনা হয় ১৯১৪ সালের ২৮ জুন, যখন সারায়েভোতে বসনিয়ান সার্ব গ্যাভ্রিলো প্রিন্সিপ আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্ডিনান্ডকে হত্যা করে।
- অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে পরপর জোট বাঁধা দেশগুলো এতে জড়িয়ে পড়ে। ইংল্যান্ড বেলজিয়াম আক্রমণের পর যুদ্ধে যোগ দেয়, এবং বছরের শেষ নাগাদ পশ্চিম ফ্রন্টে পরিখা যুদ্ধ শুরু হয়।
- ১৯১৫ সালের ২৬শে এপ্রিল লন্ডন চুক্তি স্বাক্ষরের পর, ইতালি মিত্রবাহিনীতে যোগ দিতে সম্মত হয়। ২৩শে মে তারা অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
-১৯১৭ সালের ৩রা ফেব্রুয়ারী জার্মানির সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার পর, অব্যাহত সাবমেরিন আক্রমণ অবশেষে ৬ই এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য করে।
- ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
- এই যুদ্ধে মোট ৪ কোটি ১০ লক্ষেরও বেশি সৈন্য ও বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারায়, যা একে ইতিহাসের অন্যতম প্রাণঘাতী সংঘাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
উৎস: worldatlas.com.
উত্তর
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত:
- মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার কয়েকটি দেশে রাজতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্র উচ্ছেদ করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে আন্দোলন ২০১০ সালে শুরু হয়, তাকে একত্রে আরব বসন্ত বলা হয়।
- এই আন্দোলনের সূচনা হয় আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়া থেকে, তাই দেশটিকে আরব বসন্তের সূতিকাগার বলা হয়।
- ২০১১ সালে পশ্চিমা সংবাদমাধ্যম প্রথম মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে সংঘটিত গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে আরব বসন্ত হিসেবে আখ্যা দেয়।
- তবে ২০১৩ সালের দিকে এসে এই আন্দোলন ধীরে ধীরে স্তিমিত হয়ে যায়।
- আরব বসন্তের প্রভাবে তিউনিশিয়া, মিশর, লিবিয়া, ইয়েমেন, বাহরাইন ও মরক্কোতে ক্ষমতা বদল বা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ক্ষমতা হ্রাসসহ নানা রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটে।
সূত্র: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা রিপোর্ট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিলো জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিলো ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে, ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
পার্ল হারবার আক্রমণ:
- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ পার্ল হারবার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি।
- ঘাঁটিটি বানানো হয় ১৯০৮ সালে।
- এরপর ১৯৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে স্থানান্তর করা হয়।
- কৌশলগত দিক দিয়ে এই ঘাঁটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকা।
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে আক্রমণ করে বসে জাপানের সামরিক বাহিনী।
- জাপানের এই আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যায়।
- জাপানের এই অতর্কিত ও ধ্বংসাত্মক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বযুদ্ধে উদাসীন থাকা যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে অংশ নেয় সক্রিয়ভাবে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে জাপান ছিল আগ্রাসি একটা দেশ।
সূত্র: Britannica ও প্রথম আলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যাস্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
• যুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিজোট:
- জার্মান, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া।
• মিত্রশক্তি জোট:
- রাশিয়া, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম, জাপান, ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়।
- দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৮ জুন, ১৯১৯ সালে।
- চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানী ঘটে।
উৎস: i) Britannica.
ii) History.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অটোমান সাম্রাজ্য (উসমানীয় সাম্রাজ্য) আনাতোলিয়ার (বর্তমান তুরস্ক) তুর্কি উপজাতিদের দ্বারা ১২৯৯ সালে ওসমান গাজীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ওসমান গাজীর নাম থেকেই উসমানীয় বা অটোমান নামে উদ্ভব ঘটেছে। তিনি ছিলেন দিরিলিস আর্তুগ্রুল এর ছেলে।
- ১৪৫৩ সালে অটোমান সুলতান দ্বিতীয় মেহমুদ বাইজানটাইনদের পরাজিত করে কনস্টান্টিনোপল বা ইস্তানবুল অধিকার করেন এবং একে অটোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী করেন।
- সুলতান প্রথম সুলেমানের শাসনামলে (১৫২০-১৫৬৬ খ্রি.) অটোমান সাম্রাজ্য তার সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করে।
- সে সময় বর্তমান গ্রিস, রোমানিয়া, হাঙ্গেরি, মেসিডোনিয়া, বুলগেরিয়া, তুরস্ক, সিরিয়া, লেবানন, ফিলিস্তিন, মিশর, জর্ডান ও আরবের অংশবিশেষ অটৈামান সাম্রাজ্যভুক্ত ছিলো।
- সতের শতক থেকে অটোমান সাম্রাজ্যের পতনের সূত্রপাত ঘটে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অটোমানরা কেন্দ্রীয় শক্তির পক্ষ অবলম্বন করে।
- ফলে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর ১৯২২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে অটোমান সাম্রাজ্যের অবসান ঘটে।
- শেষ অটোমান সুলতান ছিলেন ষষ্ঠ মুহাম্মদ ওয়াহিদউদ্দিন।
- আধুনিক তুরস্কের জনক মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক ১৯২৩ সালের ২৯ অক্টোবর তুরস্ককে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেন এবং আধুনিক তুরস্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে '১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।
ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।
বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
• অপারেশন ডেজার্ট ফক্স:
- ১৯৯৮ সালের ডিসেম্বরে, যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য ইরাকি লক্ষ্যবস্তুতে চার দিনের বোমা হামলা চালায়।
- যুদ্ধটি সংঘটিত হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোট ও ইরাকের মধ্যে।
- জাতিসংঘের অস্ত্র পরিদর্শকদের সাথে সহযোগিতা করতে সাদ্দাম হোসেনের ক্রমাগত অস্বীকৃতির প্রতিক্রিয়ায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯৯৮ সালে অপারেশন DESERT FOX পরিকল্পনা করেছিল।
- এতে ইরাকের শতাধিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়, ব্যবহার করা হয় এক হাজারেরও বেশি বোমা এবং ক্রুজ মিসাইল।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ধর্মযুদ্ধ ক্রুসেড:
- পবিত্র জেরুজালেমে অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য খ্রিস্টান ও মুসলমানদের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধকে ক্রসেড বা ধর্মযুদ্ধ বলা হয়।
- এটি একাদশ শতকের নব্বয়ের দশক থেকে ত্রিয়োদশ শতাব্দীর সত্তর দশক পর্যন্ত পরিচালিত হয়।
- খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের পক্ষে প্রথম ক্রুসেড পরিচালনাকারী গডফ্রে।
- মুসলিম সম্প্রদায়ের পক্ষে প্রথম ক্রুসেড পরিচালনাকারী কাজী আরসেনাল।
- পবিত্র জেরুজালেম উভয় সম্প্রদায়ের পবিত্র স্থান।
- জার্মান সম্রাট ফ্রেডারিক বারবারোসা, ফ্রান্সের রাজা ফিলিপ অগাস্টাস ও ইংল্যান্ডের রাজা রিচার্ড তাঁর বিরুদ্ধে ৩য় ক্রুসেড আহ্বান করেন।
- সম্মিলিত বাহিনী জেরুজালেম উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে ১১৯২ সালে তাঁর সাথে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- এটি শুধু ধর্মীয় যুদ্ধ ছিল না, বরং ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিস্থিতির উপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলেছিল।
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (World War I) ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল এবং এটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ।
- যুদ্ধটি মূলত ইউরোপের বিভিন্ন শক্তির মধ্যে সংঘটিত হলেও এর প্রভাব ছিল পৃথিবীজুড়ে।
⇒ যুদ্ধের পটভূমি:
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।
⇒ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যার মাধ্যমে অনেক সাম্রাজ্য ভেঙে যায়, যেমন অস্ট্রো-হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য, রাশিয়ার সাম্রাজ্য, এবং জার্মান সাম্রাজ্য।
- নতুন দেশ গঠন হয়, যেমন চেকোস্লোভাকিয়া, পোল্যান্ড, এবং যুগোস্লাভিয়া।
- জার্মানিকে বিশাল ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করা হয়।
- যদিও যুক্তরাষ্ট্র জয়ী ছিল, তবুও তারা ভার্সাই চুক্তি এবং লিগ অব নেশনস-এ যোগ দেয়নি, যা ভবিষ্যতে বিশ্বযুদ্ধের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
উল্লেখ্য,
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে অষ্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দকে বসনিয়ার সারায়েভো শহরে হত্যা করা হয়েছিল।
- ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
- এই যুদ্ধের কারণ হিসেবে ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্য বসনিয়া-হার্জেগোভিনা দখল করা এবং আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের হত্যাকাণ্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়।
উৎস: i) History.com
ii) Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ইউরোপে ধর্মকেন্দ্রিক যুদ্ধের সর্বশেষ উদাহরণ ছিলো ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধ।
- প্রোটেস্টান্ট জার্মানির উপর অস্ট্রিয়ান হ্যাপসবার্গের-এর প্রভাব অক্ষুন্ন রাখা, ডেনমার্কের রাজার উচ্চভিলাষ, বাল্টিক অঞ্চলে সুইডেনের একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার এবং হ্যাপসবার্গকে পরাজিত করে ফ্রান্সকে ইউরোপের শ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত করা এসব নিয়েই যুদ্ধ প্রলম্বিত হতে থাকে।
- ধর্মান্ধতা, স্বার্থপরতা, নিজেদের উচ্চাকাংক্ষা এবং প্রাধান্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় ইউরোপের সকল দেশ এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- দীর্ঘ ত্রিশবছর ধরে যুদ্ধে সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ত্রিশ বছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর বিপর্যস্ত ইউরোপের সকল দেশের প্রতিনিধিরা ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি ভিন্ন শান্তিচুক্তি পাস করে।
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টাফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দীর্ঘ ত্রিশ বছরব্যাপী ধর্মজনিত এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি ইউরোপের শান্তির স্বপক্ষে প্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
- এই সন্ধির ভূ-খন্ডগত সীমানা নেপোলিয়নের যুগ পর্যন্ত বহাল থাকে।
অন্যদিকে:
- বসনিয়া সংকট সমাধানে ডেটন শান্তি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- লুজান চুক্তিই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তকারী চূড়ান্ত চুক্তি।
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধিনতা যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ফ্রান্সের প্যারিসে যে চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তাদেরকে একত্রে প্যারিস চুক্তি বা পিস অব প্যারিস বলা হয়।
উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সম্রাট অশোক ভারতের মৌর্য সাম্রাজ্যের তৃতীয় শাসক ছিলেন।
- খ্রিস্টপূর্ব ২৭৩ অব্দে তিনি সিংহাসনে বসেন। এর তের বছর পর খ্রিস্টপূর্ব ২৬১ অব্দে অশোক পার্শ্ববর্তী কলিঙ্গ রাজ্য আক্রমণ করেন।
- ভয়াবহ কলিঙ্গ যুদ্ধে সাধারণ মানুষসহ প্রায় লক্ষাধিক মানুষ মারা যায়।
- এ ভয়াবহতা সম্রাট অশোকের মনে গভীর প্রভাব ফেলে। এতে করে তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন এবং যুদ্ধ পরিহার করে অহিংস নীতি গ্রহণ করেন।
- তিনি ঘোষণা করেন ‘সব মানুষই আমার সন্তান’।
- স্রমাট অশোক খ্রিস্টপূর্ব ২৭৩ অব্দ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ২৩২ অব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেন।
উৎস: ইতিহাস প্রথমপত্র, স্নাতক শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
– ‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম’ নামের এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ইরাক এবং ৩৪টি দেশের যৌথ বাহিনীর মধ্যে।
– ১৯৯০ সালের ২ আগস্ট বিপুল সেনাবাহিনী নিয়ে কুয়েত হামলা শুরু করে সাদ্দাম হোসেনের বাহিনী।
– ৮ আগস্ট কুয়েতকে ইরাকের ১৯তম প্রদেশ হিসেবে ঘোষণা করে বাগদাদ।
– ১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি ‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম’ নামে কুয়েত ও ইরাকে অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন বাহিনী।
– উদ্দেশ্য ছিল ইরাকের আগ্রাসন থেকে কুয়েতকে মুক্ত করা।
– ২৮ ফেব্রুয়ারী ইরাকি বাহিনী পরাজয় বরণ করে।
– প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ নামেও পরিচিত।
উৎস: i) প্রথম আলো রিপোর্ট।
ii) Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
অপারেশন বারবারোসা:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় পূর্ব ফ্রন্টের যুদ্ধ বা জার্মানীর রাশিয়া আক্রমণ।
- ১৯৪১ সালে ২২ জুন জার্মানীর হিটলার 'অপারেশন বারবারোসা' নামে পরিচিত সোভিয়েত ইউনিয়ন অভিযান শুরু করেছিলেন।
- এই অভিযানে ১৯টি প্যানযার ডিভিশন, ৩ হাজার ট্যাংক, ২৫০০ বিমান এবং ৭০০০ কামান অংশ গ্রহণ করে।
- সর্বমোট ত্রিশ লক্ষ সৈনিক সাথে ৬ লক্ষ মোটরযান এবং ৬-৭ লক্ষ ঘোড়া ব্যবহার হয়েছিল এই অভিযানে।
- তিনটি দলে ভাগ হয়ে আক্রমণ শুরু করে জার্মান বাহিনী।
- এই তিনটি ভাগের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন ফিল্ড মার্শাল ভব লিন, ভন বক এবং ভন রান্সডেট।
- আক্রমণের তীব্রতায় রাশিয়ান রেড আর্মিকে পিছু হটতে বাধ্য করে জার্মান বাহিনী।
- মাত্র ১৭ দিনের মধ্যেই তারা ৩ লাখ রাশিয়ান সৈনিককে বন্দি করা ছাড়াও আড়াই হাজার ট্যাঙ্ক, ১ হাজার ৪০০ আর্টিলারি গান এবং ২৫০টি রুশ ফাইটার প্লেন বিধ্বস্ত করে জার্মানরা।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা জোসেফ স্ট্যালিনের ইস্পাত-কঠিন নেতৃত্ব নাৎসিদের জয়রথ থামিয়ে অপারেশন বারবারোসাকে ব্যর্থ করে দেয়।
- স্ট্যালিনের নেতৃত্বে মাতৃভূমি রক্ষায় সোভিয়েত জনগণ জার্মানির বিরুদ্ধে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- জার্মানরা যেসব সোভিয়েত ভূখন্ড দখল করে, সেখানেও সোভিয়েত জনগণ গেরিলা যুদ্ধ চালিয়ে যায়।
- স্ট্যালিন সোভিয়েত জনগণ ও সৈন্যদের দেশরক্ষায় ব্যাপকভাবে উৎসাহিত করেন।
- মূলত সোভিয়েতদের প্রবল প্রতিরোধের ফলেই অপারেশন বারবারোসা ব্যর্থ হয়।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
▪ যুদ্ধ সংঘটনকাল - ২৫ জুন, ১৯৫০ - ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত।
▪ বিবাদমান পক্ষসমূহ - সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের সমর্থিত - উত্তর কোরিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সমর্থিত - দক্ষিণ কোরিয়া।
▪ ফলাফল - জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়।
▪ যুদ্ধের ফলাফল - কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ "শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
▪ দীর্ঘ তিন বছর যুদ্ধ চলার পর জাতিসংঘের তত্ত্ববধানে ১৯৫৩ সালের ২৭ জুলাই দুই কোরিয়ার সীমান্তবর্তী নিরপেক্ষ অঞ্চল ”পানমুনজাম” - এ সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন ও যুক্তরাষ্টে্র মধ্যে যুদ্ধবিরিতি চুক্তি "Armistice Agreement" স্বাক্ষরিত হয় এবং কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। এতে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই কোরিয়ার কেউ স্বাক্ষর করে নি।
তথ্যসূত্র:- হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সময়কাল: ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ – ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫
- অক্ষশক্তি (Axis Powers): জার্মানি, ইতালি, জাপান
- মিত্রশক্তি (Allied Powers): যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন
যুদ্ধের কারণ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের (১৯১৪-১৯১৮) অসমাপ্ত বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া
- জার্মানি, ইতালি ও জাপানের সাম্রাজ্যবাদী সম্প্রসারণ নীতি
- ১৯৩৯ সালে জার্মানির পোল্যান্ড আক্রমণ, যা ব্রিটেন ও ফ্রান্সকে যুদ্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য করে
মূল ঘটনাবলি:
- ১৯৪১ সাল: জার্মানি সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ (অপারেশন বারবারোসা) করে।
- ৭ ডিসেম্বর ১৯৪১: জাপানের পার্ল হারবার আক্রমণের ফলে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে প্রবেশ করে।
- ১৯৪৪ সাল: নরম্যান্ডি অভিযান (D-Day) এর মাধ্যমে পশ্চিম ইউরোপে মিত্রশক্তির অগ্রগতি।
- ৬ ও ৯ আগস্ট ১৯৪৫: যুক্তরাষ্ট্র হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা হামলা করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫: জাপানের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে যুদ্ধের সমাপ্তি হয়।
ফলাফল:
- প্রায় ৪-৫ কোটি মানুষের মৃত্যু, যা ইতিহাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন পূর্ব ইউরোপে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে।
- চীনে কমিউনিস্ট বিপ্লব ত্বরান্বিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে শীতল যুদ্ধ (Cold War) শুরু হয়।
- জাতিসংঘ (United Nations) প্রতিষ্ঠিত হয়, যাতে ভবিষ্যৎ বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধ করা যায়।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
▪ চেম্বারলেনের পর ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল। ১৯৪৫ সালের জুলাইয়ে Clement Attlee দায়িত্ব গ্রহণ করার আগ পর্যন্ত উইনস্টন চার্চিল প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
▪ Clement Attlee জুলাই ১৯৪৫ সাল থেকে অক্টোবর ১৯৫১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে।
অন্যদিকে,
▪ H.H. Asquith (1908–16)
▪ Stanley Baldwin (1935–37; 3rd time).
▪ David Lloyd George (1916–22)
উল্লেখ,
▪ ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
তথ্যসূত্র: যুক্তরাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• আরব বসন্ত (Arab Spring):
- মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার কয়েকটি দেশে রাজতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্র উচ্ছেদ করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে আন্দোলন ২০১০ সালে শুরু হয়, সেগুলোকে একত্রে আরব বসন্ত বলে ।
- আরব বসন্তের শুরু হয়েছিল আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়ায়। এই কারনে তিউনিশিয়াকে আরব বসন্তের সূতিকাগার বলা হয়।
- পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যম ২০১১ সালে প্রথম মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংঘটিত গণআন্দোলনকে “আরব বসন্ত” ( Arab Spring ) আখ্যা দেয়।
- ২০১৩ সালের দিকে এসে আরব বসন্তের আন্দোলন স্তিমিত হয়ে যায়।
- আরব বসন্তের প্রভাবে তিউনিশিয়া, মিশর, লিবিয়া, ইয়েমেন, বাহরাইন, মরক্কো, সিরিয়া প্রভৃতি দেশে - ক্ষমতা বদল বা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ক্ষমতা হ্রাস ইত্যাদি পরিবর্তন ঘটেছে।
- এখনো এই তথাকথিত আরব বসন্তের জেরে সিরিয়া, ইয়েমেন, লিবিয়া প্রভৃতি দেশে চরম রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিরাজমান।
তথ্যসূত্র: Britannica.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
▪ যুদ্ধ সংঘটনকাল:- ২৮ জুলাই, ১৯১৪ — ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দ।
▪ অক্ষশক্তি:- জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, গ্রীস ও তুরস্ক।
▪ মিত্রশক্তি:- রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান, চীন, সার্বিয়া, রোমানিয়া ও বেলজিয়াম প্রভৃতি দেশ।
▪ ফলাফল:- মিত্রশক্তি বিজয়ী।
তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কিউবায় ক্ষেপণাস্ত্র সঙ্কটের সময় প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি।
কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট:
- কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি ৩৫ দিনের সংঘর্ষ, যা একটি আন্তর্জাতিক সংকটে পরিণত হয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পারমাণবিক শক্তি, সামরিক ও বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় নামে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।
- সেসময় কিউবায় অর্থনৈতিক সংকটের জেরে বাড়তে থাকে সমাজতান্ত্রিক ধারণার প্রভাব।
- কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট ১৯৬২ সালের অক্টোবরে হয়েছিল।
- ইতালি ও তুরস্কে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র বসানোর জবাবে কিউবায় ক্ষেপণাস্ত্র পাঠায় রাশিয়া।
- ফ্লোরিডা উপকূল থেকে মাত্র ৯০ মাইল দূরে রুশ এই হুমকি মেনে নিতে না পেরে, ১৯৬২ সালের ২২ অক্টোবর কিউবায় নৌ অবরোধের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি।
- ফলে সমগ্র ল্যাটিন আমেরিকায় যুদ্ধের পরিমন্ডল তৈরি হয়।
- এই পরিস্থিতি 'কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট' নামে পরিচিত।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিগুলো প্রধানত জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং অটোমান সাম্রাজ্য (তুরস্ক) নিয়ে গঠিত ছিল। বুলগেরিয়াও পরে তাদের সাথে যোগ দেয়।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) ছিল একটি আন্তর্জাতিক সংঘর্ষ।
- এই যুদ্ধে ইউরোপের বেশিরভাগ দেশসহ রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য এবং অন্যান্য অঞ্চল জড়িয়ে পড়ে।
যুদ্ধে মুখোমুখি হয়েছিল দুটি পক্ষ—
১. কেন্দ্রীয় শক্তি: মূলত জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং অটোমান সাম্রাজ্য (তুরস্ক)।
২. মিত্রশক্তি: মূলত ফ্রান্স, ব্রিটেন, রাশিয়া, ইতালি, জাপান এবং ১৯১৭ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র।
- এই যুদ্ধ কেন্দ্রীয় শক্তির পরাজয়ের মাধ্যমে শেষ হয়।
সূত্র:- হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে জার্মান কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল- জার্মান, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিল- ফ্রন্স, পোল্যান্ড, সোভিয়েত ইউনিয়ন, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে।
- জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্থন করে- ৭ মে, ১৯৪৫ সালে।
- জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্থনের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার হয়- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে।
সূত্র: Britannica & History.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ হয়েছিল।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্বকাল ছিল ১৩৩৭ সাল থেকে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত।
- 'জোয়ান অব আর্ক' ছিল ফ্রান্সের সেনাপতি।
- ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় এডওয়ার্ড এই যুদ্ধ শুরু করেন ফ্রান্সের সিংহাসনের দাবিতে।
- এই যুদ্ধে বিজয়ী হয় ফ্রান্স।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ‘অপারেশন রাফ রাইডার’/ Operation Rough Ride:
- ২০২৫ সালের মার্চ মাসে লোহিত সাগর যুক্তরাষ্ট্র ও ইয়েমেনের হুতিদের মধ্যে একটা উত্তেজনাকর যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়।
- তথাকথিত প্রতিরোধের অক্ষশক্তির অংশ হিসেবে হুতিরা আন্তর্জাতিক জাহাজে তাদের হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছিল।
- পরিস্থিতি মোকবিলায় হুতিদের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘অপারেশন রাফ রাইডার’ নামে বড় সামরিক অভিযান শুরু করেন।
- এর খরচ হয় এক বিলিয়ন ডলার।
- এই মার্কিন সামরিক অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত, ড্রোন ও সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়া।
- ফলে হুথিদের আক্রমণ ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।
- ৬ মে ২০২৫-এ ওমান-মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র-হুথি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও রয়টার্স। (Link) (Link2)
উত্তর
ব্যাখ্যা
• পার্ল হারবার:
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর জাপানি সাম্রাজ্য হাওয়াইয়ান নৌঘাঁটি পার্ল হারবার আক্রমণ করে ।
- এই আক্রমণের একটি কারণ ছিল চীন , ভিয়েতনাম , কম্বোডিয়া এবং লাওয়া মতো দেশগুলিতে জাপানের আক্রমণের পর জাপানের উপর আরোপিত আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা ।
- পার্ল হারবার প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকার প্রবেশের ইঙ্গিত দেয়।
- তাছাড়া, আক্রমণের মাত্র কয়েকদিন পরেই হিটলার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন, যার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় সংঘাতে জড়িত হয়।
- ডানকার্কের বিষয়ে তার সিদ্ধান্তের মতো, এখানে হিটলারের যুক্তির পিছনে যুক্তি অস্পষ্ট।
- সোভিয়েত ইউনিয়নে জার্মানির ক্রমবর্ধমান অনিশ্চিত অবস্থানের কারণে, পূর্ব ফ্রন্ট থেকে যেকোনো সম্পদ সরিয়ে নেওয়া খুব একটা যুক্তিসঙ্গত ছিল না।
- যুক্তি যাই হোক না কেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন ইউরোপীয় এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় উভয় যুদ্ধেই জড়িত ছিল।
উৎস: worldatlas.com.
উত্তর
ব্যাখ্যা
♦ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি:
- বিধ্বংসী প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্থান: ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদের হল অফ মিররসে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- পক্ষসমূহ: মিত্রশক্তি (ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান) এবং জার্মানি।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির ওপর যে ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হয়েছিল, তা মূলত স্বাক্ষরিত ভার্সাই চুক্তি (Treaty of Versailles)-এর মাধ্যমে হয়েছিল। এই চুক্তিটি জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করে এবং মিত্র দেশগুলোর ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করে।
- ফলাফল: যুদ্ধের কারণে মিত্র দেশগুলোর যে ক্ষতি হয়েছিল, তার জন্য জার্মানিকে বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করা হয়।
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (World War I) ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল এবং এটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ।
- যুদ্ধটি মূলত ইউরোপের বিভিন্ন শক্তির মধ্যে সংঘটিত হলেও এর প্রভাব ছিল পৃথিবীজুড়ে।
⇒ যুদ্ধের পটভূমি:
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।
উৎস: i) History.com
ii) Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট হিরোশিমা ও ৯ আগস্ট নাগাসাকিতে নিউক্লীয় বোমা ফেলা হয়।
- হিরোশিমায় ১ লাখ ৪০ হাজার ও নাগাসাকিতে ৭৪ হাজার মানুষ মারা যায়।
- বেঁচে থাকা মানুষদের "হিবাকুশা" বলা হয়, যার অর্থ "বিস্ফোরণের দ্বারা আক্রান্ত জনগণ"।
- ১৪ আগস্ট, জাপান আত্মসমর্পণ করে, যার ফলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়।
উল্লেখ্য,
- জাপানের প্রধান ধর্ম শিন্তো এবং রাষ্ট্রের নাম ছিল "দাই নিপ্পন তেইকোকু"।
- রিউকিউ জাপানের অধীন একটি দ্বীপপুঞ্জ।
তথ্যসূত্র: - বিবিসি নিউজ ও ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এই যুদ্ধে ফ্রান্সকে নেতৃত্ব দেন সম্রাট নেপোলিয়ান বোনাপার্ট ও ইংল্যান্ডের পক্ষে নেতৃত্বে ছিলেন ডিউক অব ওয়েলিংটন আর্থার ওয়েলেসলি। যুদ্ধে নেপোলিয়ান আর্থার ওয়েলেসলির নিকট পরাজিন হন।
- পরবর্তীতে নেপোলিয়ানকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়। সেন্ট হেলেনা দ্বীপেই ১৮২১ সালের নেপোলিয়ান মারা যান।
(সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে '১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।
⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।
⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এর প্রতিষ্ঠাতা আবিমায়েল গুজম্যান বা কমরেড গঞ্জালো।
- মাও সেতুং এর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে এরা প্রায় তিন দশক ধরে পেরুতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে।
- ১৯৯২ সালে প্রধান নেতা কমরেড গঞ্জালো গ্রেফতার হলে শাইনিং পাথের কর্মকাণ্ড সংকোচিত হয়ে যায়।
উৎস:- এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
▪ ২০০৩ সালে জর্জিয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তরকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক ঘটনাবলীর সমষ্টিকে গোলাপ বিপ্লব বলে।
▪ ২০০৩ সালে সাবেক জাস্টিস মিনিস্টার এবং ইউনাইটেড ন্যাশনাল মুভমেন্ট (UNM) এর প্রধান মিখাইল সাকাশভিলি জর্জিয়ায় একটি শান্তিপূর্ণ বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন যাকে "গোলাপ বিপ্লব" বলা হয়।
▪ এর ফলে প্রেসিডেন্ট শেভার্ডনাদজের শাসনের অবসান হয়। সাকাশভিলি পরের বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং অবিলম্বে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেন, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার চেষ্টা করেন এবং জাতিগত বিরোধের বিরুদ্ধে দেশকে সুরক্ষিত করার চেষ্টা করেন।
অন্যদিকে,
▪ ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চে কিরগিজস্তানে নির্বাচনে কারচুপির পরিপ্রেক্ষিতে টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
▪ ক্ষমতাবদলকে কেন্দ্র করে ২০০৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০০৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ইউক্রেনে সংঘটিত কিছু সরকার বিরোধী আন্দোলনকে “কমলা বিপ্লব” বা অরেঞ্জ রেভুলুশ্যন বলে।
তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০-১৮৪০ সাল।
- ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়, তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।
- ব্রিটিশ অর্থনৈতিক ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি (Arnold Toynbee) ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝানোর জন্য ‘শিল্প বিপ্লব' (Industrial Revolution) শব্দটি ব্যবহার করেন।
- ১৭৮৪ সালে পানি ও বাষ্পীয় ইঞ্জিনের নানামুখী ব্যবহারের কৌশল আবিষ্কারের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছিল প্রথম শিল্পবিপ্লব।
- ইংল্যান্ডে শুরু হলেও খুব দ্রুতই ইউরোপের অন্যান্য দেশ বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে।
- ইউরোপের পাশাপাশি ১৭৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়া লাগে।
- শিল্প বিপ্লবের ফলে পণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা খুব দ্রুত পরিবর্তত হতে থাকে।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- Boston Tea party সংঘটিত হয়েছিল ১৭৭৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- এই পার্টিটি ছিল বোস্টনে সন অব লিবার্টিদের একটি রাজনৈতিক প্রতিবাদ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে টি পার্টিটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
- ১৭৭০ সালের ৫ মার্চ বোস্টন রাজস্ব বিভাগের সামনে আমেরিকানদের সাথে ব্রিটিশ সৈনিকরা কর আদায়ের ইস্যুকে কেন্দ্র করে কয়েক দফা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
- তখন ব্রিটিশরা উত্তেজিত ব্যবসায়ীদের দিকে গুলি ছুড়লে সেখানে ৫ জন নিহত হয়।
- অংশগ্রহণকারীরা কেউ কেউ আদিবাসী মার্কিনীদের ছদ্মবেশে চা আইনের বিরোধিতায়, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্তৃক প্রেরিত চায়ের একটি গোটা চালান ধ্বংস করে দেন।
- তারা এরপর জাহাজে উঠে পড়েন এবং চায়ের সিন্দুকগুলো বোস্টন পোতাশ্রয়ে ছুড়ে ফেলেন।
- ব্রিটিশ সরকার এর কঠোরভাবে জবাব দেয়।
- এই ঘটনাটি মার্কিন বিপ্লবের দিকে এগিয়ে যায়।
- এই ঘটনা ১৭৭৬ সালে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধকে ত্বরান্বিত করে।
উৎস: History.com.
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ফরাসি বিপ্লব (French Revolution):
- সময়কাল: ১৭৮৯ – ১৭৯৯ খ্রিষ্টাব্দ
- স্থান: ফ্রান্স
- প্রধান কারণসমূহ: সামাজিক বৈষম্য, অর্থনৈতিক সংকট, দার্শনিক প্রভাব, রাজনৈতিক অদক্ষতা, দারিদ্র্য ও দুর্ভিক্ষ।
- ফরাসি বিপ্লবের সূচনা হয় ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সালে বাস্তিল দুর্গ দখলের মাধ্যমে।
- মূল স্লোগান: স্বাধীনতা, সমতা, ভ্রাতৃত্ব (“Liberty, Equality, Fraternity”)।
• বিপ্লবের ধাপসমূহ :
- ১৭৮৯–১৭৯১: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ।
- ১৭৯২–১৭৯৪: প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও রাজা ষোড়শ লুইয়ের মৃত্যুদণ্ড।
- ১৭৯৩–১৭৯৪: রোবসপিয়েরের “আতঙ্কের রাজত্ব”।
- ১৭৯৫–১৭৯৯: ডিরেক্টরি শাসন।
- ১৭৯৯: নেপোলিয়ন বোনাপার্টের ক্ষমতা গ্রহণ।
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে রাজতন্ত্রের অবসান ও প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার ঘোষণা, ইউরোপজুড়ে গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদের বিস্তার ঘটে।
- এছাড়াও নেপোলিয়নের উত্থান ও নতুন আইনসংহিতা ও আধুনিক গণতান্ত্রিক সমাজের ধারণা প্রতিষ্ঠা হয় ।
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB) ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এতে জাহাজের থার্ড ইঞ্জিনিয়ার মো. হাদিসুর রহমান নিহত হয়েছেন।
- বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি সংস্থা।
- জাহাজে বাংলাদেশের ২৯ জন নাবিক ছিল।
উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস (২য় পত্র - উন্মুক্ত) বোর্ড বই।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ট্রোজান যুদ্ধ ছিল গ্রীক ও ট্রয় শহরের রক্ষকদের মধ্যে এক ঐতিহাসিক যুদ্ধ।
- ট্রোজান যুদ্ধ গ্রিক ও ট্রোজানদের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল
- এটি আনাতোলিয়ায় (আজকের তুরস্ক) ব্রোঞ্জ যুগের শেষের দিকে সংঘটিত হয়েছিল।
- যুদ্ধের কাহিনী গ্রীক সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে এবং হাজার বছর ধরে মানুষের কল্পনাকে আকৃষ্ট করেছে।
- এই যুদ্ধের প্রধান উৎস হলো হোমারের ইলিয়াড, যা ৮ম শতাব্দী খ্রিষ্টপূর্বে রচিত।
- গ্রীকরা বিশ্বাস করত যে যুদ্ধটি ১৩শ শতাব্দী খ্রিষ্টপূর্বে ঘটেছিল।
- ট্রোজান যুদ্ধের মূল কারণ ছিল হেলেনকে ফিরিয়ে আনার জন্য গ্রীকদের অভিযানে যাওয়া।
- হেলেন, স্পার্টার রাজা মেনেলাউসের স্ত্রী, যাকে ট্রোজান রাজপুত্র পারিস অপহরণ করেছিল।
- গ্রীকরা হেলেনকে ফিরিয়ে আনার জন্য ট্রোজানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছিল।
- গ্রীক বাহিনী নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মাইসেনের রাজা আগামেমনন।
- ট্রোজান সেনাবাহিনী নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রাজা প্রিয়াম।
তথ্যসূত্র: worldhistory.org ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সাত বছরের যুদ্ধ (১৭৫৬ - ১৭৬৩) ইউরোপের সবগুলো বড় শক্তিকেই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে বাধ্য করেছিল।
- এই যুদ্ধে ৯০০,০০০ থেকে ১,৪০০,০০০ জন মানুষ মারা গিয়েছিল।
- ১৭৫৪ থেকে ১৭৬৩ সালের মধ্যে সংঘটিত পমেরানীয় যুদ্ধ এবং ফরাসি ও ইন্ডিয়ান যুদ্ধকেও এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এই যুদ্ধের মূল প্রতিদ্বন্ধী ছিলো - গ্রেট ব্রিটেন ও ফ্রান্স।
- এ যুদ্ধে বিজয়ী পক্ষ: প্রুশিয়া, গ্রেট ব্রিটেন, পর্তুগাল, হ্যানোভার।
- বিপক্ষ শক্তি: ফ্রান্স, রাশিয়া, স্পেন, সুইডেন।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় রুশ বিপ্লব সংঘটিত হয়। মোট দুইটি বিপ্লব সংঘটিত হয়। এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব। এই বিপ্লবের ফলে রাশিয়ার সাম্রাজ্যবাদী শাসনের পতন ঘটে এবং বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব (মার্চ, ১৯১৭):
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রোমানভ রাজবংশের পতন ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- একটি অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং পরবর্তীতে অক্টোবর বিপ্লবে বলশেভিকরা ক্ষমতা দখল করে রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের অবসান ঘটায়।
⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব (নভেম্বর, ১৯১৭):
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন।
- ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিক পার্টি অস্থায়ী সরকারকে উৎখাত করে এবং ক্ষমতা দখল করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- লেনিন বিশ্বের প্রথম কমিউনিস্ট রাষ্ট্রের একনায়ক হয়ে ওঠেন।
উল্লেখ্য,
- রুশ বিপ্লবের ফলে ১৯২২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- বিপ্লবের পরে রাশিয়ায় গৃহযুদ্ধ (১৯১৭-১৯২২) শুরু হয়, যেখানে রেড আর্মি (বোলশেভিক সমর্থিত) এবং হোয়াইট আর্মি (বিপ্লব বিরোধী) একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
- রেড আর্মির বিজয়ের মাধ্যমে গৃহযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
উৎস: i) History.com
ii) Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ইংল্যান্ডের প্রথম শাসনতন্ত্র হচ্ছে ম্যাগনাকার্টা।
- ১২১৫ সালের ১৫ জুন ইংল্যান্ডে ম্যাগনাকার্টা স্বাক্ষরিত হয়।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
যুদ্ধ সংঘটনকাল ১৪ জানুয়ারি, ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দ।
যুদ্ধের পক্ষসমূহ:
ফলাফল: আহমদ শাহ দুররানি বিজয়ী।
যুদ্ধে মারাঠা সৈন্য সংখ্যা ছিলো প্রায় ৮০ হাজার। অন্যদিকে, দুররানির সৈন্য সংখ্যা ছিলো ৬০-৭০ হাজার। মারাঠাদের প্রায় ৪০ হাজার সৈন্য হতাহত হয় এবং প্রায় ৩০ হাজার বন্দী হয়। অন্যদিকে, দুররানির বাহিনীর ৫ হাজারের মতো সৈন্য হতাহত হয়েছিলো।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• জাতিপুঞ্জ:
- জাতিপুঞ্জের আত্মপ্রকাশ-প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জাতিপুঞ্জের (League of Nations) আত্মপ্রকাশ।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির একটি অংশ হিসেবে স্বাক্ষরিত হয় জাতিপুঞ্জের চুক্তিপত্র।
- জাতিপুঞ্জ আত্মপ্রকাশ করে: ১৯২০ সালে।
- জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাবক: উড্রো উইলসন।
- তিনি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৪১টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয়: ১৯ এপ্রিল, ১৯৪৬ সালে।
উৎস: United Nations ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে নেপোলিয়ন ফ্রান্সের সম্রাট হন।
- ১৮১৪ সালে প্রুশিয়া, অস্ট্রিয়াসহ বেশ কিছু দেশের সেনাবাহিনী ফ্রান্স আক্রমণ করে এবং নেপোলিয়নকে ক্ষমতাচ্যুত করে সেন্ট এলবা দ্বীপে নির্বাসন দেয় (প্রথম নির্বাসন) ।
- তবে তিনি আবার ফ্রান্সের ক্ষমতায় আসেন।
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন ওয়াটার লু’র যুদ্ধ সংঘটিত হয় বেলজিয়ামের ওয়াটারলু নামক স্থানে।
- নেপোলিয়ন প্রায় ৭২ হাজার সৈন্য নিয়ে ডিউক অব ওয়েলিংটন আর্থার ওয়েলেসলির নেতৃত্বে ৬৮ হাজার সৈন্যবিশিষ্ট ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর মুখোমুখি হন।
- ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের বাহিনী ও সম্মিলিত ব্রিটিশ-প্রুশিয়ান বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত হয়।
- ওয়াটার লু’র যুদ্ধে ডিউক অব ওয়েলিংটনের কাছে নেপোলিয়নের পরাজয় হয় এবং নেপোলিয়ন শাসনের অবসান ঘটে।
- এরপর তাকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয় (দ্বিতীয় নির্বাসন) ।
উৎস: i) কালের কণ্ঠ।
ii) Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- Yom Kippur War নামে পরিচিত ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।
- আরব দেশসমূহ পাশ্চাত্যের উপর তেল অবরোধ করে ইয়োম কিপুর যুদ্ধে।
- ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়ম কিপুরের সময় ইসরায়েল-অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোটের অতর্কিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।
- এই যুদ্ধ মিশর ও সিরিয়ার নেতৃত্বাধীন জোট এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৭৩ সালের ৬ থেকে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে সংঘটিত হয়।
- মিশরীয় ও সিরিয়ান সেনারা যুদ্ধবিরতি রেখা ভেদ করে যথাক্রমে সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিতে ঢুকে পড়ে।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ে তাদের নিজ নিজ মিত্রদের এসময়ে সহায়তা করে।
- ফলে দুইটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।
- এসময় মুসলিম পবিত্র মাস রমজান ছিল।
- এই যুদ্ধ অক্টোবর যুদ্ধ ও রমজান যুদ্ধ নামেও পরিচিত।
উৎস: World Atlas ও ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ৫ হিজরির (৬২৭ খ্রিষ্টাব্দ) শাওয়াল মাসে খন্দকের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধে মক্কার কুরাইশ, মদিনার ইহুদি, বেদুইন, পৌত্তলিকেরা সম্মিলিতভাবে মুসলমানদের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেছিল।
- খন্দক শব্দের অর্থ পরিখা বা গর্ত। যেহেতু এ যুদ্ধে অনেক পরিখা খনন করা হয়, তাই এর নাম দেওয়া হয়েছে খন্দকের যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধ আহজাব নামেও পরিচিত।
- আহজাব অর্থ সম্মিলিত বাহিনী।
উৎস: দৈনিক পত্রিকা
উত্তর
ব্যাখ্যা
কোরীয় যুদ্ধ:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হওয়ার ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ভাগ করে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন কর্তৃক অধিকৃত অঞ্চল নিয়ে ‘উত্তর কোরিয়া’ গঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক অধিকৃত অঞ্চল নিয়ে ‘দক্ষিণ কোরিয়া’ গঠিত হয়।
- ৩৮° সমান্তরাল রেখা বরাবর দুটি দেশের সীমান্ত নির্ধারিত হয়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।
- শুরু থেকেই দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে উত্তপ্ত সম্পর্ক বিরাজ করে।
- এই যুদ্ধকে 'the Forgotten War' বলে অভিহিত করেছেন।
⇒ যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ১৯৫০-১৯৫৩ সাল।
▪ বিবাদমান পক্ষসমূহ: সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের সমর্থিত - উত্তর কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সমর্থিত - দক্ষিণ কোরিয়া।
▪ যুদ্ধের ফলাফল: কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
- এ যুদ্ধের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ ৩ নভেম্বর, ১৯৫০ সালে 'Uniting for peace resolution' পাশ করে।
- অবশেষে ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বিখ্যাত ওয়াটার লু যুদ্ধক্ষেত্র বেলজিয়ামে অবস্থিত।
- ১৮১৫ সালে বেলজিয়ামে ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
উল্লেখ্য,
- ওয়াটারলু যুদ্ধে ফরাসি বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট এই যুদ্ধে পরাজিত হন।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছে।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- ওয়াটার লুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন)।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
শিল্প বিপ্লব:
- শিল্প বিপ্লব সর্বপ্রথম ইংল্যান্ডে সংঘটিত হয়।
- ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হওয়ার নানা রকম কারণের মধ্যে একটি বড় কারণ ছিল পুঁজির জোগান।
- অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে প্রথমে ইংল্যান্ডে এবং পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি কাজে লাগিয়ে উৎপাদনব্যবস্থায় যে আমূল পরিবর্তন ঘটানো হয়, তা-ই শিল্প বিপ্লব নামে পরিচিত।
- ১৭৬০ সালে শুরু হওয়া শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে শিল্পায়নের সূত্রপাত।
- ১৭৮৪ সালে বাষ্পীয় ইঞ্জিন তৈরির মাধ্যমে যা ব্যাপক কলেবরে বৃদ্ধি পায়।
- ১৮৭০ সালে বিদ্যুৎ আবিষ্কারের মাধ্যমে মানুষ পেয়েছে আলোকিত বিশ্ব।
- ১৮৪৫ সালে আবার শিল্প বিপ্লব কথাটি ব্যবহার করেন জার্মান সমাজতন্ত্রী দার্শনিক ফ্রেডরিখ অ্যাঙ্গেলস।
- ১৮৮০ থেকে ৮১ সালে শিল্প বিপ্লব কথাটিকে জনপ্রিয় করেছিলেন বিশিষ্ট ব্রিটিশ ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি তাঁর লেখা 'Lectures on the Industrial Revolution in England' গ্রন্থে ব্যবহারের মাধ্যমে।
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ট্রোজান যুদ্ধ ছিল প্রাচীন গ্রীকদের সঙ্গে পশ্চিম আনাতোলিয়ার (বর্তমান তুরস্কের) ট্রয় নগরীর জনগণের মধ্যে সংঘটিত একটি কিংবদন্তিপ্রসূত যুদ্ধ।
- এটি পরবর্তীকালে গ্রীক লেখকদের মতে খ্রিষ্টপূর্ব ১২শ অথবা ১৩শ শতকে সংঘটিত হয়েছিল।
- এই যুদ্ধ ছিল প্রাচীন গ্রীকদের কল্পনাশক্তিকে সবচেয়ে বেশি আলোড়িত করা ঘটনা।
- হোমার রচিত মহাকাব্য ইলিয়াড ও ওডিসি-তে এই যুদ্ধ বিস্তারিতভাবে বর্ণিত আছে।
- এছাড়াও প্রাচীন আরও অনেক সাহিত্যে এর উল্লেখ আছে, যদিও সেগুলোর অনেকগুলো আজ হারিয়ে গেছে।
- ক্লাসিক্যাল যুগের নাট্যকাররাও এই যুদ্ধকে তাদের নাটকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহার করেছেন।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বর্তমান বিশ্ব টিকে আছে শিল্পভিত্তিক অর্থনীতির ওপর।
- বিশ্ব অর্থনীতির সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে শিল্পবিপ্লবের ফলে।
- এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মোট তিনটি শিল্পবিপ্লব ঘটেছে।
⇒ ১ম শিল্প বিপ্লব:
- ১৭৮৪ সালে পানি ও বাষ্পীয় ইঞ্জিনের নানামুখী ব্যবহারের কৌশল আবিষ্কারের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছিল প্রথম শিল্পবিপ্লব।
- প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০ সাল।
- ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়।
- তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।
⇒ ২য় শিল্প বিপ্লব:
- দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৮৭০ সাল।
- দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের সময় প্রযুক্তিগত উন্নতি সাধিত হয়।
- এই সময়ে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন ব্যবস্থা উন্নতকরণ, টেলিগ্রাফ, রেলযোগাযোগ ব্যবস্থা, পানিসরবরাহ ইত্যাদির আবিষ্কার হয়।
- এসবের ফলে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন ও জীবনযাপন এর মান বৃদ্ধি পায়।
- বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র আবিষ্কার হতে থাকে যা সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে সাহায্য করে।
⇒ ৩য় শিল্প বিপ্লব:
- দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লবের ঠিক ১০০ বছরের মাথায় ১৯৬৯ সালে আবিষ্কৃত হয় ইন্টারনেট।
- শুরু হয় ইন্টারনেটভিত্তিক তৃতীয় শিল্পবিপ্লব।
- তৃতীয় শিল্পবিপ্লবের সময় তথ্যপ্রযুক্তির সহজ ও দ্রুত বিনিময় শুরু হলে সারা বিশ্বের গতি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
- ম্যানুয়াল জগৎ ছেড়ে যাত্রা শুরু হয় ভার্চুয়াল জগতের।
⇒ ৪র্থ শিল্প বিপ্লব:
- প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বিপ্লবকেই বলা হচ্ছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব।
- যেখানে মানুষের আয়ত্তে আসছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ইন্টারনেট অব থিংস বা যন্ত্রের ইন্টারনেট, যা সম্পূর্ণ রূপেই মানবসম্পদের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আরব বসন্ত চলাকালে মিশরের হোসনি মুবারক ক্ষমতা হারান।
আরব বসন্ত:
- আরব বসন্ত বলতে আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংঘটিত গণজাগরণ, বিক্ষোভ এবং স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকে বোঝায়।
- ২০১০ সালের শেষের দিকে তিউনিসিয়ায় এই গণআন্দোলনের সূচনা ঘটে এবং তা দ্রুত মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার নানা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। এই আন্দোলনগুলো মূলত সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকারের দাবি, দুর্নীতি, বেকারত্ব এবং স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভ থেকে জন্ম নেয়।
- তিউনিসিয়া ছিল এই আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু। এখান থেকেই গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়, যা পরে মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ বিভিন্ন দেশে বিস্তার লাভ করে।
- মিশরে হোসনি মুবারকের পতন, লিবিয়ায় মুয়াম্মার গাদ্দাফির শাসনের অবসানসহ বহু দেশে ক্ষমতার পালাবদল ঘটে।
সূত্র: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
▪ যুদ্ধ সংঘটনকাল: ৫ জুন - ১০ জুন, ১৯৬৭ সাল।
▪ বিবাদমান পক্ষসমূহ - ইসরায়েল এবং মিশর, সিরিয়া ও জর্ডান।
▪ ফলাফল - সকল ফ্রন্টে ইসরায়েল বিজয়ী।
▪ বেশ কয়েকটি সীমান্ত সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে ইসরায়েল প্রতিবেশী দেশগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ১৯৬৭ সালে সিরিয়া গোলান মালভূমি থেকে ইসরায়েলে রকেট হামলা চালায়। জবাবে ইসরায়েল গোলান মালভূমি দখল করে নেয়।
▪ ইসরায়েল অতর্কিত হামলা করে মিশরের প্রায় ৯০ শতাংশ বিমান ধ্বংস করে দেয় এবং মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। মিশর ও জর্ডানের নিয়ন্ত্রণ থেকে গাজা উপত্যকা ও পশ্চিমতীরসহ অনেক অঞ্চল দখল করে নেয়।
▪ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের আহবানে ১৯৬৭ সালের ৭ জুন ইসরায়েল জর্ডান, ৮ জুন মিশর ও ১০ জুন সিরিয়া অস্ত্রবিরতিতে যায়।
▪ জাতিসংঘের হস্তক্ষেপে ১৯৬৭ সালের ১০ জুন যুদ্ধ বিরতি চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধ সমাপ্ত হয়। প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে ইসরায়েলের সীমান্ত “গ্রীন লাইন” বিলুপ্ত হয় এবং নতুন সীমানা নির্ধারিত হয়।
তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্তিম লগ্নে জাপানের হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম বারের মতো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের দিনটিতে ভুক্তভোগীদের স্মরণ করে জাপান।
- 'লিটল বয়' নামের পারমাণবিক বোমাটি ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট হিরোশিমায় নিক্ষেপ করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে হাজারো মানুষ নিহত হন। বছরের শেষ নাগাদ প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
অপারেশন সিঁদুর:
- গত ২২ এপ্রিল, ২০২৫ ভারত-অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৫ জন ভারতীয় ও একজন নেপালি নাগরিক নিহত হন।
- এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে ৭ মে, ২০২৫ “অপারেশন সিঁদুর” নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করে ভারত।
- ভারতের অভিযানে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের অন্তত ৯টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়।
- এতে পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ ও লস্কর-ই-তৈয়বার প্রায় ১০০ সদস্য নিহত হয়েছে বলে ভারতের দাবি।
- এর জবাবে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী ১০ মে “বুনইয়ান-উন-মারসুস” নামে পাল্টা অভিযান শুরু করে।
- ইসলামাবাদ দাবি করেছে, এ অভিযানে ভারতের অন্তত ২৬টি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।
- ১০ মে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ আলোচনার পর ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে বলে ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
'ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল’:
- তিনি Lady with the Lamp নামে পরিচিত।
- ক্রিমিয়ার যুদ্ধে নার্সিং ইতিহাসের বৈপ্লবিক উন্নয়ন ও পরিবর্তন ঘটেছিল।
- অপ্রতুল চিকিৎসা সেবার আলো হাতে নিয়ে পাশে এসে দাঁড়ান ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
- তাকে আধুনিক নার্সিংয়ের অগ্রদূতও বলা হয়।
ক্রিমিয়া যুদ্ধ:
- যুদ্ধটি ১৮৫৩-১৮৫৬ সময়কালে সংঘটিত হয়।
- এ যুদ্ধে রাশিয়া, স্যারডিনা ও তুরস্কের বিরুদ্ধে ব্রিটেন ও ফ্রান্স বিজয়ী হয়।
- যুদ্ধের স্থান: ক্রিমিয়া উপদ্বীপ, রাশিয়া।
সূত্র: ব্রিটিনিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৪ সালের এপ্রিল-জুলাই মাসে রুয়ান্ডা গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল।
- মাত্র ১০০ দিনের মধ্যে প্রায় আট লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়, যাদের বেশিরভাগই ছিল সংখ্যালঘু তুতসি সম্প্রদায়ের।
- গণহত্যা পরিচালনাকারীরা ছিল হুতু সম্প্রদায়ের।
- গণহত্যার প্রভাবে রুয়ান্ডায় যেসব পরিবর্তন এসেছিল তার অন্যতম একটি হলো দেশটিতে ইসলাম ধর্মের উত্থান।
উল্লেখ্য,
- রুয়ান্ডার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জুভেনাল হাবিয়ারিমানাকে বহনকারী বিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সূত্রপাত হয়েছিল এই গণহত্যার।
- প্রেসিডেন্ট ছিলেন সংখ্যাগুরু হুতু সম্প্রদায়ের।
- প্রেসিডেন্ট হাবিয়ারিমানাকে হত্যার পেছনে তুতসিদের হাত আছে বলে দোষারোপ করেছিল হুতুরা।
- আর তারপরই হুতু চরমপন্থিরা তুতসিদের ওপর চড়াও হয়ে তাদের নির্বিচারে হত্যা করে।
- মধ্যপন্থি কিছু হুতু যারা তুতসিদের কাউকে কাউকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন তারাও হত্যার শিকার হন।
- গণহত্যার পর মূলত ক্ষমতা নেয় তুতসি বাহিনী।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
রোজ/গোলাপ বিপ্লব:
- ২০০৩ সালে জর্জিয়াতে সংঘটিত হয়েছিল।
- গোলাপ বিপ্লবের মাধ্যমে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট এডুয়ার্ড শেভার্দনাদজের শাসনের অবসান ঘটে এবং মিখাইল সাকাশভিলি ক্ষমতায় আসেন।
- গোলাপ বিপ্লব মূলত একটি শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন ছিল, যেখানে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং অনৈতিক নির্বাচনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়।
- এই বিপ্লবের প্রতীক হিসেবে গোলাপ ব্যবহার করা হয়েছিল।
- যা আন্দোলনের শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল প্রকৃতিকে নির্দেশ করে।
অন্যদিকে,
- ইউক্রেনে অরেঞ্জ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- জেসমিন বিপ্লব সংঘটিত হয় তিউনিশিয়ায়।
- গ্রীন বিপ্লব সংঘটিত হয় লিবিয়ায়।
উৎস: ব্রিটিনিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
রিদ্দা যুদ্ধ:
- এটি একটি ধর্মযুদ্ধ।
- আবু বকরের (রা) স্বল্পকালীন খিলাফতের বেশীর ভাগ সময় রিদ্দার (স্বধর্ম ত্যাগের) যুদ্ধে ব্যাপৃত ছিল।
- বস্তুত মহানবী (স) এর মৃত্যুর পর হেজাজ প্রদেশ ছাড়া প্রায় সমগ্র আরব দেশ নব প্রতিষ্ঠিত মুসলিম রাষ্ট্র ও ইসলাম ধর্ম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
- এসময় কতিপয় ভণ্ড নবীর উদ্ভব ঘটে।
- মুসলমানদের একদল যাকাত দানে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে।
- সমগ্র আরবে অন্তর্বিপ্লব দেখা দেয়।
- ইসলামের বিরুদ্ধে আরব গোত্রগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে উঠে।
- ইহুদি-খ্রিস্টানগণ মাথা চাড়া দিয়ে উঠে।
- মূলত মহানবীর (স) মৃত্যুর পর ইসলাম বিরোধী শক্তিসমূহ এবং ভণ্ড নবীদের পরিচালিত আন্দোলন ইসলামের ইতিহাসে 'রিদ্দা বা স্বধর্মত্যাগী আন্দোলন'
- এবং এ আন্দোলন দমনে হযরত আবু বকর (রা) ঘোষিত যুদ্ধ 'রিদ্দা যুদ্ধ' নামে পরিচিত।
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এটিকে স্ট্র্যাটোফোর্ট্রেসও বলা হয়।
- এটি এক ধরণের মার্কিন বোমারু বিমান।
- ১৯৪৮ সালে এর ডিজাইন করা হয়েছিল।
- ১৯৫২ সালে এটি প্রথম উড্ডয়ন করা হয়েছিল।
- ১৯৫৫ সালে প্রথম সামরিক পরিষেবা দেয় ।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
ফ্রাইডেস ফর ফিউচার:
- 'ফ্রাইডেস ফর ফিউচার' একটি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্দোলন।
- এটি স্কুল শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সূত্রপাত হওয়া একটি আন্দোলন।
- ২০১৮ সালের আগস্টে এই আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- সুইডেনে স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গের উদ্যোগে এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবীতে সারা বিশ্বে স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুলে না গিয়ে রাজপথে নেমে আসে।
তথ্যসূত্র - ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ( ১৯১৪-১৯১৮):
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যাস্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে - আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে।
- যুদ্ধ শুরু হয় - ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়- ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিজোট ছিল- জার্মান, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি জোট ছিল- রাশিয়া, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম, জাপান, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র।
- যুদ্ধের ফলাফল- মিত্র শক্তির বিজয়।
- চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানী ঘটে।
প্রথম বিশ্ব যুদ্ধে বিগ ফোর এর অন্তর্ভুক্ত চারজন ব্যক্তি হলেন:
- উড্রো উইলসন - মার্কিন প্রেসিডেন্ট
- জর্জেস ক্ল্যামেনকু - ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী
- ভিট্টোরিও অরল্যান্ডো - ইতালির প্রধানমন্ত্রী
- ডেভিড লয়েড জর্জ - ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী
তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে প্রথম যুদ্ধবিরতি হয় - ৫ মার্চ ২০২২।
- অর্থোডক্স খ্রিষ্টানদের বড়দিনের উৎসব উদ্যাপনের সুযোগ করে দিতে ইউক্রেনে সাময়িক যুদ্ধবিরতির আদেশ দিয়েছিল রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন
- যুদ্ধবিরতিকে ‘ভণ্ডামি’ বলেছিল ইউক্রেন।
- রাশিয়া ২০২২ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন আক্রমণ করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ইউরোপের সবচেয়ে বড় শরণার্থী সংকট ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ।
উৎস: প্রথমআলো এবং বিবিসি নিউজ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
ইসলামী বিপ্লব:
- ১৯৭৯ সালে ইরানে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনীর নেতৃত্বে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই বিপ্লবের সূত্রপাত ঘটে ১৯৭৮ সালের জানুয়ারিতে এবং ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ সালে ইরানের তদানীন্তন সরকারের পতনের মাধ্যমে এই বিপ্লব পূর্ণতা লাভ করে।
- এই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের তৎকালীন শাসক মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভীর পতন ঘটে।
- ১ এপ্রিল ১৯৭৯ খোমেনী ইরানকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিলো জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিলো ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট।
তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ফরাসি বিপ্লব:
- “স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী” - ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।
উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ মিয়ানমার ও জাপানের সরকারি ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- জার্মানি, জাপান ও ইতালির মিলিত অক্ষশক্তি এবং ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন প্রভৃতি দেশের সমন্বয়ে গঠিত মিত্রশক্তির মধ্যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ১৯৪৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর অক্ষশক্তির প্রথম দেশ হিসেবে ইতালি মিত্রশক্তির নিকট আত্মসমর্পণ করে।
- ১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাডলফ হিটলার আত্মহত্যা করার পর ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে। এতে করে ইউরোপে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক যুক্তরাষ্ট্রের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ডট কম।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এই বিপ্লবের নেতৃত্ব দেন ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন বা ভি আই লেনিন।
- এই বিপ্লবের ফলে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক দেশ হিসেবে রাশিয়ার আত্মপ্রকাশ ঘটে যা ১৯২২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন নামধারণ করে।
- লেনিন ১৯২৪ সালে মৃত্যুর পূর্বপর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের সরকার প্রধান ছিলেন।
(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- টিউলিপ বিপ্লব: সংঘটিত হয় কিরগিজস্থানে ২০০৫ সালে।
• ঐতিহাসিক বিপ্লবসমূহ:
- জেসমিন বিপ্লব: সংঘটিত হয় তিউনিসিয়ায় ২০১১ সালে।
- আমেরিকান বিপ্লব: সংঘটিত হয় যুক্তরাষ্ট্রে ১৭৭৬ সালে।
- ফরাসি বিপ্লব: সংঘটিত হয় ফ্রান্সে ১৭৮৯ সালে।
- রুশ বিপ্লব: সংঘটিত হয় রাশিয়ায় ১৯১৭ সালে।
- ইসলামিক বিপ্লব: সংঘটিত হয় ইরানে ১৯৭৯ সালে।
- রোজ বিপ্লব: সংঘটিত হয় জর্জিয়ায় ২০০৩ সালে।
- অরেঞ্জ বিপ্লব: সংঘটিত হয় ইউক্রেনে ২০০৪ সালে।
উৎস: Britannica.
উত্তর
ব্যাখ্যা
আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- মোট ৪টি আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৪৮ সালে।
- ইসরায়েল এবং আরব রাষ্ট্রসমূহ ও ফিলিস্তিনি আরব বাহিনীর গুলোর সম্মিলিত সামরিক বাহিনী মধ্যে সংঘটিত হয়।
- এটি আরবিতে নাকবা (বিপর্যয়) ও হিব্রুতে মিলখেমেত হাতজমাউত (স্বাধীনতা যুদ্ধ) বলে পরিচিত।
২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে।
৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- ১৯৬৭ সালে ইসরাইল পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৬ দিন।
৪র্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- Yom Kippur War নামে পরিচিত ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়ম কিপুরের সময় ইসরায়েল-অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোটের অতর্কিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।
- মিশরীয় ও সিরিয়ান সেনারা যুদ্ধবিরতি রেখা ভেদ করে যথাক্রমে সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিতে ঢুকে পড়ে।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ে তাদের নিজ নিজ মিত্রদের এসময়ে সহায়তা করে।
- ফলে দুইটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।
তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই – বাস্তিল দূর্গ পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লব শুরু।
- এই বিপ্লব দশ বছর স্থায়ী (১৭৮৯–১৭৯৯) হয়েছিল।
- এই বিপ্লবের মূল মন্ত্র ছিলো স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এ সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ১৭৯৩ সালের ২১ জানুয়ারি রাজা ষোড়শ লুইকে গিলোটিনে হত্যা করা হয়।
- লেখনীর মাধ্যমে বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।
উৎস: ইতিহাস-৪, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।