বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

যুদ্ধ ও বিপ্লবসমূহ

মোট প্রশ্ন১,০৫২এই পাতা৫০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

যুদ্ধ ও বিপ্লবসমূহ

PrepBank · পাতা ১১ / ১১ · ১,০০১১,০৫০ / ১,০৫২

১,০০১.
ওয়াটার’লু যুদ্ধে ব্রিটিশ সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. ক) আর্থার ওয়েলেস্‌লি
  2. খ) আর্থার জেনেডি
  3. গ) জন এফ আর্থার
  4. ঘ) নেপোলিয়ান
সঠিক উত্তর:
ক) আর্থার ওয়েলেস্‌লি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আর্থার ওয়েলেস্‌লি
ব্যাখ্যা
ওয়াটারলু যুদ্ধ (Battle of Waterloo)
• ফ্রান্সের সম্রাট নেপোলিয়ান বোনাপার্ট ও সম্মিলিত ব্রিটিশ বাহিনীর মধ্যে বেলজিয়ামের ওয়াটারলু নামক স্থানে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরর
• যুদ্ধ সংঘটনকাল - ১৮ জুন, ১৮১৫ সাল।
• বিবাদমান পক্ষ - নেপোলিয়ানের নেতৃত্বে ফ্রান্স বাহিনী ও সম্মিলিত ব্রিটিশ বাহিনী
• বিজয়ী - সম্মিলিত ব্রিটিশ বাহিনী।
• ব্রিটিশ সম্মিলিত বাহিনী গঠিত হয় - বেলজিয়ান, জার্মান ও ডাচ বাহিনীর সমন্বয়ে। এই বাহিনী নেতৃত্ব দেন - আর্থার ওয়েলেস্‌লি যিনি ছিলেন ‘প্রথম ডিউক অব ওয়েলিংটন’। যুদ্ধে নেপোলিয়ানের শোচনীয় পরাজয় ঘটে।
• ২২ জুন, ১৮১৫ সালে নেপোলিয়ানকে ক্ষমতাচ্যুত করে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত ‘সেইন্ট হেলেনা’ দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়। ৫ মে, ১৮২১ সালে নেপোলিয়ান মৃত্যুবরণ করেন। তাকে সেইন্ট হেলেনা দ্বীপে সমাহিত করা হয়।    

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ডট কম।
১,০০২.
চীন ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে যে যুদ্ধ হয়েছিল তার নাম -
  1. সাইয়াং যুদ্ধ
  2. আফিম যুদ্ধ
  3. নানকিং যুদ্ধ
  4. ম্যানচেস্টার যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
আফিম যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফিম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
আফিম যুদ্ধ:
- চীন ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে যে যুদ্ধ হয়েছিল তার নাম আফিম যুদ্ধ।
- আফিমের চোরাচালানকে কেন্দ্র করে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। 

⇒ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি উনিশ শতকের গোড়া থেকে চীনের সঙ্গে ব্যবসায়ে ঘাটতি মেটাতে বঙ্গদেশ থেকে চীনে আফিম রপ্তানি শুরু করে।
- চীনা শাসকরা ১৮৩৯ সালে আফিম আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- কিন্তু ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অবৈধ উপায়ে এ ব্যবসা অব্যাহত রাখে।
- কোম্পানির অবৈধ আফিম ব্যবসার কারণে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ বাধে।
- ১ম যুদ্ধে চীনারা পরাজিত হয় এবং চীন ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।

উল্লেখ্য,
- নানকিং চুক্তি প্রথম আফিম যুদ্ধের অবসান ঘটায়।

উৎস: Britannica.
১,০০৩.
প্রথম শিল্প বিপ্লবের ব্যাপ্তি ছিল -
  1. ক) ১৮৫০ থেকে ১৯৫০
  2. খ) ১৭৮০ থেকে ১৮৪০
  3. গ) ১৮৬০ থেকে ১৯৪০
  4. ঘ) ১৭৬০ থেকে ১৮৪০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭৬০ থেকে ১৮৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭৬০ থেকে ১৮৪০
ব্যাখ্যা
প্রথম শিল্প বিপ্লব 
▪ প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল - ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত।
▪ ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়। তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়। ১৮৩৭ সালে শিল্প বিপ্লব কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন ফরাসি সমাজতান্ত্রিক লেখক জেরোমি ব্লাংকি। ব্রিটিশ অর্থনৈতিক ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝানোর জন্য ‘শিল্প বিপ্লব' শব্দটি ব্যবহার করেন। এর পর থেকে এটি জনপ্রিয় হতে থাকে।       
▪ ইংল্যান্ডে শুরু হলেও খুব দ্রুতই ইউরোপের অন্যান্য দেশ বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে। ইউরোপের পাশাপাশি ১৭৯০ সালে যুক্তরাষ্টে্র শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়া লাগে।
▪ শিল্প বিপ্লবের ফলে পণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা খুব দ্রুত পরিবর্তত হতে থাকে। এই সময় বিভিন্ন ইঞ্জিন, যন্ত্রপাতি ও তত্ত্ব আবিষ্কার হতে থাকে। ফলে বিশ্বের ইতিহাসও খুব দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে। 

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।
১,০০৪.
ফকল্যান্ড দ্বীপকে কেন্দ্র করে কোন দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল?
  1. যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
  2. যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স
  3. আর্জেন্টিনা ও স্পেন
  4. যুক্তরাজ্য ও স্পেন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা

• ফকল্যান্ড যুদ্ধ (Falklands War)
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ২ এপ্রিল, ১৯৮২ — ১৪ জুন, ১৯৮২ সাল পর্যন্ত।
- পক্ষসমূহ: যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা। 
- যুদ্ধ সংঘটনের স্থান: ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ ও দক্ষিণ স্যান্ডুইচ দ্বীপ।  
- ফলাফল: যুক্তরাজ্য বিজয়ী ও ফকল্যান্ড সহ কয়েকটি দ্বীপাঞ্চলে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়।

- ২ এপ্রিল, ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনার তৎকালীন সামরিক সরকার দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া ও দক্ষিণ স্যান্ডুইচ দ্বীপে আক্রমণ করে দখল করে নেয়।
- ব্রিটিশ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার আর্জেন্টিনার উপর সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করেন।    
- সকল নৌযুদ্ধে হেরে আর্জেন্টিনা ১৪ জুন, ১৯৮২ সালে আত্মসমর্পনে সম্মত হয়।
- এর ফলে ঐসকল দ্বীপে আবার ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে ১৯৮৩ সালে আর্জেন্টিনায় সামরিক সরকার ক্ষমতা হারায়।    

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।   

১,০০৫.
অরেঞ্জ বিপ্লবের কেন্দ্রবিন্দু ছিল কোন শহর?
  1. মিনস্ক
  2. ওয়ারশ
  3. কিয়েভ
  4. তিবিলিসি
সঠিক উত্তর:
কিয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়েভ
ব্যাখ্যা

অরেঞ্জ বিপ্লব:
- ‘অরেঞ্জ বিপ্লব' সংঘটিত হয় ইউক্রেনে।
- অরেঞ্জ বিপ্লব ছিল একটি ধারাবাহিক প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক ঘটনা।
- এটি সংঘটিত হয়েছিল ২০০৪ সালে।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ছিল নাগরিক প্রতিরোধ আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।
- ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এ আন্দোলনের সূত্রপাত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,০০৬.
হিরোশিমায় পারমানবিক বোমা ফেলা হয় কখন?
  1. ৬ জুন, ১৯৪৫ সালে
  2. ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে
  3. ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে
  4. ৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সালে
সঠিক উত্তর:
৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা
• লিটলবয়:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন প্রায় শেষের পথে, তখন জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে পারমানবিক বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- জাপানের হিরোশিমা শহরে প্রথম ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে বোমা বর্ষণ করে।
- বোমাটির নাম ছিলো লিটলবয়।
- এটি বিশ্বে প্রথম কোন যুদ্ধে ব্যবহৃত গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্র।
- মারা গিয়েছিল হাজার হাজার মানুষ।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য,
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে নাগাসাকি শহরে দ্বিতীয় পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে।
- নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো ফ্যাটম্যান।

• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে এডলফ হিটলার কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমনের মাধ্যমে।
- মিত্রশক্তি ছিলো- ব্রিটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, যুক্তরাষ্ট্র, পোল্যান্ড, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন।
- অক্ষশক্তি ছিলো- জাপান, জার্মানি, ইতালি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে।
- মিত্রশক্তি যুদ্ধে জয়লাভ করে।

উৎস: History.com.
১,০০৭.
ফ্যাট ম্যান (Fat Man) বোমা জাপানের কোন শহরে নিক্ষেপ করা হয়?
  1. টোকিও 
  2. হিরোশিমা
  3. নাগাসাকি
  4. ইয়োকোহামা
সঠিক উত্তর:
নাগাসাকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগাসাকি
ব্যাখ্যা

- ফ্যাট ম্যান (Fat Man) বোমা জাপানের  নাগাসাকি শহরে নিক্ষেপ করা হয়।

• পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ:

- ১ম পারমাণবিক হামলা: 
- লক্ষ্য শহর: হিরোশিমা, জাপান।
- তারিখ: ৬ আগস্ট, ১৯৪৫। 
- বোমা নিক্ষেপকারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- বোমার নাম: “Little Boy”
- Enola Gay নামে একটি B-29 বোমারু বিমান।

• দ্বিতীয় পারমাণবিক হামলা
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫।
- নাগাসাকি শহরে, জাপান।
- “Fat Man” নামে দ্বিতীয় বোমা ফেলা হয়। 

• উদ্দেশ্য
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং জাপানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,০০৮.
কবে ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়?
  1. ১৭৮৯
  2. ১৭৯১
  3. ১৭৯৫
  4. ১৮০০
সঠিক উত্তর:
১৭৮৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮৯
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয় ১৭৮৯ সালে।

⇒ ফরাসি বিপ্লব আধুনিক ইউরোপের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে।
- 'স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী'- ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- ১৭৯৯ সালে এই বিপ্লব শেষ হয়।

উল্লেখ্য,
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।

⇒ ১৭৯৯ সালে, নেপোলিয়নের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে, বিপ্লবী ধারার শেষ হয় এবং একটি নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা শুরু হয়, যার মধ্যে শাসন ব্যবস্থা বেশ কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরে পায়।

উৎস: Britannica.
১,০০৯.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তি পক্ষ ছিল -
  1. রোমানিয়া
  2. ইতালি
  3. যুক্তরাজ্য
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (World War-II):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্থায়িত্বকাল ছিল ১৯৩৯ সাল - ১৯৪৫ সাল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পক্ষ ছিলো দুইটি: অক্ষ শক্তি, মিত্র শক্তি। 
- মিত্রশক্তি: সোভিয়েত ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন প্রজাতন্ত্র।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, জাপান, ইতালি, হাঙ্গেরি, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্রবাহিনী জয়লাভ করে। 
- জার্মানি মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে ১৯৪৫ সালের ৮ মে। 
- এই দিনটিকে V-E (Victory in Europe) Day বলে।

উৎস: i) Britannica.
         ii) History.com 
১,০১০.
নিম্নের কোন যুদ্ধে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট পরাজিত হন?
  1. ওয়াটারলু যুদ্ধ
  2. ফরাসি যুদ্ধ
  3. শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ
  4. বোরোডিনো যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ওয়াটারলু যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াটারলু যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

ওয়াটারলু যুদ্ধ:
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন বর্তমান বেলজিয়ামের ওয়াটারলুতে ওয়াটারলু যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এটি ছিল নেপোলিয়ন বোনাপার্টের নেতৃত্বাধীন ফরাসি সেনাবাহিনী এবং ডিউক অফ ওয়েলিংটনের নেতৃত্বাধীন ব্রিটিশ-মিত্র বাহিনী ও প্রুশিয়ান সেনাবাহিনীর (জেনারেল ব্লুখারের নেতৃত্বে) মধ্যে একটি ঐতিহাসিক যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধে নেপোলিয়নের চূড়ান্ত পরাজয় ঘটে।
- ওয়াটারলু যুদ্ধ ইউরোপের রাজনৈতিক ভূগোল এবং ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- যেখানে ১৮২১ সালে আর্সেনিকের বিষক্রিয়ায় নেপোলিয়ন মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন একাধারে ফ্রান্সের অবিসংবাদিত সম্রাট ও তুখোড় সেনাপ্রধান। তিনি ফরাসি বিপ্লবের ক্রান্তিলগ্নে ফ্রান্সের হাল ধরেছিলেন। ফ্রান্সকে ইউরোপের শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত করতে নেপোলিয়ন সক্ষম হয়েছিলেন।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয়।

অন্যদিকে,
- ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় এডওয়ার্ড ফ্রান্সের সিংহাসন দাবি করলে শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই যুদ্ধ স্থায়ীত্ব ছিল ১৩৩৮-১৪৫৩ সাল পর্যন্ত। এই যুদ্ধে ফ্রান্স জয়লাভ করে।

উৎস: Britannica.

১,০১১.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কত সালে যুক্তরাষ্ট্র জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে?
  1. ক) ১৯১৪
  2. খ) ১৯১৫
  3. গ) ১৯১৬
  4. ঘ) ১৯১৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯১৭
ব্যাখ্যা
১৯১৭ সালের ৬ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন সরাসরি জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। একইভাবে জার্মানির সাথে বন্ধুত্ব ধরে রাখায় ১৯১৭ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রো-হাঙ্গেরির বিরুদ্ধেও যুদ্ধ ঘোষণা করে।
জার্মানি মনে করেছিল তাদের ইউবোট মার্কিন বাহিনীর অগ্রযাত্রা রোধ করে দেবে। অন্যদিকে স্প্রিং অফেন্সিভের মাধ্যমে তারা দ্রুত জয়লাভের যে স্বপ্ন দেখেছিল সেটাও আস্তে আস্তে ফিকে হয়ে আসতে শুরু করে। আর এমনি পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী সরাসরি মিত্রবাহিনীর সাথে যুক্ত হয়ে ১৯১৮ সালের ৮ আগস্ট হান্ড্রেড ডেজ অফেন্সিভ শিরোনামে শুরু করে পাল্টা অভিযান। মার্শাল ফচের সুদক্ষ অভিযান জার্মানির গড়ে তোলা হিন্দেনবার্গ লাইনকে ছত্রখান করে দেয়। জার্মান ইউবোটগুলোকে আগেই প্রতিরোধ করেছিল বিশেষ মার্কিন নৌ ব্যবস্থা। মিত্রবাহিনী সার্বিয়া দখল করে নিলে ৩০ সেপ্টেম্বর বুলগেরিয়া শান্তিচুক্তিতে সই করে। এর একদিন পরেই ৩১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য হন তুর্কি সুলতান।
একইভাবে ইতালির যুদ্ধ পরাজিত হয়ে ৩ নভেম্বরেই শান্তিচুক্তিতে সম্মত হয়েছিল অস্ট্রিয়া। রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ গোলযোগের পাশাপাশি মিত্রবাহিনীর সুগঠিত আক্রমণ দেখে কাইজার দ্বিতীয় উইলহেম হল্যান্ডে পালিয়ে যান। ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর জার্মানির আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মিত্রবাহিনীর চূড়ান্ত বিজয় সম্পন্ন হয়।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস ২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
১,০১২.
'নানকিং চুক্তি' কোন যুদ্ধের সাথে জড়িত?
  1. আফিম যুদ্ধ
  2. কোরীয় যুদ্ধ
  3. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  4. ইন্দো-চীন যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
আফিম যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফিম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

• আফিম যুদ্ধ:
- আফিমের চোরাচালানকে কেন্দ্র করে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, তাই আফিম যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি উনিশ শতকের গোড়া থেকে চীনের সঙ্গে ব্যবসায়ে ঘাটতি মেটাতে বঙ্গদেশ থেকে চীনে আফিম রপ্তানি শুরু করে।
- চীনা শাসকরা ১৮৩৯ সালে আফিম আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- কিন্তু ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অবৈধ উপায়ে এ ব্যবসা অব্যাহত রাখে।
- কোম্পানির অবৈধ আফিম ব্যবসার কারণে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ বাধে। 
- ১ম যুদ্ধে চীনারা পরাজিত হয় এবং চীন ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।

• নানকিং চুক্তি:
- ব্রিটিশদের হাতে চীনের প্রথম আফিম যুদ্ধের পরাজয়ের পর, দেশটির শাসকগোষ্ঠী ব্রিটিশদের সাথে একটি অপমানজনক 'অসম চুক্তি' স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।
- এই চুক্তির নাম নানকিং চুক্তি।
- নানকিং চুক্তি প্রথম আফিম যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটিশদের হংকংয়ের নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

১,০১৩.
"ইয়েলো ও রেড শার্ট" আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলো কোনটি?
  1. থাইল্যান্ড
  2. মায়ানমার
  3. নেপাল
  4. ভুটান
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- "ইয়েলো ও রেড শার্ট" আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলো থাইল্যান্ড।

'ইয়েলো এবং রেড শার্ট' আন্দোলন:
- 'ইয়েলো এবং রেড শার্ট' আন্দোলন থাইল্যান্ডে ঘটে।
- ২০০৮ সালের মাঝামাঝি থেকে হলুদ শার্ট পরিধানকারী ব্যক্তিরা সামাক সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করেন, যা 'ইয়েলো শার্ট আন্দোলন' নামে পরিচিত।
- ২০০৯ সালের শুরুতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার সমর্থকরা আন্দোলন শুরু করেন এবং তারা লাল শার্ট পরিধান করতেন, ফলে এই আন্দোলনটি 'রেড শার্ট আন্দোলন' নামে পরিচিতি পায়।

উল্লেখ্য, 
- ২০০২ সালের নির্বাচনে থাকসিন সিনাওয়াত্রা এবং তার দল 'থাই রক থাই' পার্টি বিজয়ী হয়, কিন্তু ২০০৬ সালে সেনা অভ্যুত্থানে তার সরকার পতন ঘটে। এরপর রেড শার্ট আন্দোলনকারীরা 'United Front for Democracy Against Dictatorship' (UDD) ব্যানারে সংগঠিত হয় এবং ২০০৯-২০১০ সালে তারা বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তোলে। ২০১১ সালের জুলাই মাসে সেখানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ -তারেক শামসুর রেহমান।
১,০১৪.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের মূল কারণ কী ছিলো?
  1. উগ্রজাতীয়তাবাদ
  2. দাসপ্রথা নিষিদ্ধকরণ
  3. স্পেনিশ আগ্রাসন
  4. ব্রিটেনে সম্পদ পাচার
সঠিক উত্তর:
দাসপ্রথা নিষিদ্ধকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাসপ্রথা নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা

- ১৮৬১ সাল থেকে ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কনফেডারেট ও ইউনিয়নিস্টদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয় যা মার্কিন গৃহযুদ্ধ নামে পরিচিত।
- গৃহযুদ্ধের পেছনে মূল কারণ ছিলো দাসপ্রথা নিষিদ্ধকরণ।
- যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরের রাজ্যগুলো ছিলো শিল্পনির্ভর এবং দাসপ্রথা বিলুপ্তের পক্ষপাতী। বিপরীতে দক্ষিণের রাজ্যগুলো ছিলো কৃষিনির্ভর। এসব রাজ্যের কৃষিকাজের জন্যে আফ্রিকান দাসদের ভূমিকা ছিলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- ফলে দাসপ্রথার বিষয়ে উদার মনোভাবসম্পন্ন রিপাবলিকান পার্টির নেতা আব্রাহাম লিংকন ১৮৬১ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে দক্ষিণের মোট ১১টি রাজ্য ফেডারেল সরকার থেকে পৃথক হয়ে নিজেদের স্বাধীনতা ঘোষণা করে। এর মাধ্যমে চার বছরের মার্কিন গৃহযুদ্ধের সূচনা হয়।
- ১৮৬৫ সালে সমাপ্ত হওয়া এই যুদ্ধে কনফেডারেটরা পরাজিত হয়।
- ১৮৬৫ সালের ডিসেম্বরে মার্কিন সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী কার্যকরের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে আনুষ্ঠানিকভাবে দাসপ্রথা নিষিদ্ধ হয়।
(তথ্যসূত্রঃ মার্কিন ন্যাশনাল আর্কাইভস এবং হিস্টোরি ডটকম)

১,০১৫.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পার্লহারবার আক্রমন করেছিল কোন দেশ?
  1. জার্মানি
  2. জাপান
  3. ফ্রান্স
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: 
- সময়কাল: ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯অ
- শেষঃ ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫।
- যুদ্ধের সূচনা: ১৯৩৯ সালে নাজি জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে।
- এর ফলে ব্রিটেন ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
- জাপান পার্লহারবার আক্রমন করেছিল।
- ১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা ফেলে।
- এর পরিপ্রেক্ষিতে জাপান আত্মসমর্পণ করে।

উৎস: History. com.
১,০১৬.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কত সালে শুরু হয়?
  1. ১৯১৪ সালে
  2. ১৯১৫ সালে
  3. ১৯১৮ সালে
  4. ১৯৩৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯১৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১৪ সালে
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ যা গ্রেট ওয়ার নামেও পরিচিত ১৯১৪ সালে শুরু হয় এবং ১৯১৮ সালে শেষ হয়।
- এই যুদ্ধের মূল কারণ ছিল অস্ট্রিয়ার আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের হত্যা, যা ইউরোপজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে দেয়।
- চার বছর ধরে চলা এই যুদ্ধে জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া এবং অটোমান সাম্রাজ্য (সেন্ট্রাল পাওয়ারস বা মধ্যশক্তি) লড়াই করে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইতালি, রোমানিয়া, কানাডা, জাপান এবং যুক্তরাষ্ট্রের (অ্যালাইড পাওয়ারস বা মিত্রশক্তি) বিরুদ্ধে।
- নতুন সামরিক প্রযুক্তি এবং ভয়াবহ ট্রেঞ্চ যুদ্ধের কারণে এই যুদ্ধ নজিরবিহীন ধ্বংসযজ্ঞ ও প্রাণহানি ঘটায়।
- যুদ্ধের শেষে অ্যালাইড পাওয়ারস জয়ী হয়, তবে ১৬ মিলিয়নেরও বেশি সৈন্য ও সাধারণ মানুষ মারা যায়।

উৎস: History.com
১,০১৭.
কোন চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে?
  1. কিয়েটো চুক্তি
  2. গ্লাসগো চুক্তি
  3. ভিয়েনা চুক্তি
  4. ভার্সাই চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ভার্সাই চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভার্সাই চুক্তি
ব্যাখ্যা

- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ 'ভার্সাই চুক্তি'র মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

• দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি:
- বিধ্বংসী প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্থান: ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদের হল অফ মিররসে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- পক্ষসমূহ: মিত্রশক্তি (ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান) এবং জার্মানি।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির ওপর যে ক্ষতিপূরণ আরোপ করা হয়েছিল, তা মূলত স্বাক্ষরিত ভার্সাই চুক্তি (Treaty of Versailles)-এর মাধ্যমে হয়েছিল। এই চুক্তিটি জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করে এবং মিত্র দেশগুলোর ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করে। 
- ফলাফল: যুদ্ধের কারণে মিত্র দেশগুলোর যে ক্ষতি হয়েছিল, তার জন্য জার্মানিকে বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করা হয়।

• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (World War I) ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল এবং এটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ।
- যুদ্ধটি মূলত ইউরোপের বিভিন্ন শক্তির মধ্যে সংঘটিত হলেও এর প্রভাব ছিল পৃথিবীজুড়ে।

» যুদ্ধের পটভূমি:
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।

তথ্যসূত্র:
i) History.com
ii) Britannica.

১,০১৮.
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়? 
  1. স্পেন 
  2. জার্মানি
  3. ফ্রান্স
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা

• ওয়েস্টফেলিয়া শান্তিচুক্তি: 
- ওয়েস্টফেলিয়া  জার্মানিতে অবস্থিত।
- ১৬৪৮ সালের ২৪ অক্টোবর এখানে ওয়েস্টফেলিয়া শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- ইউরোপে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ১৬৪৮ সালে স্বাক্ষরিত এই চুক্তির ফলে ৩০ বছরের যুদ্ধ সমাপ্ত হয়।
- ওয়েস্টফালিয়ার চুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল ইউরোপের বিভিন্ন দেশ অর্থাৎ স্পেন, ফ্রান্স, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ডস, ওয়েস্টফালিয়ার, পবিত্র - রোম সাম্রাজ্য, সুইডেন, রাশিয়া, ইংল্যান্ড, পোল্যান্ড সহ অন্যান্য দেশের মধ্যে। 
- এসব দেশ প্রায় ৩০ বছর (১৬১৮-১৬৪৮) যাবত যুদ্ধে লিপ্ত ছিল। 
- এ যুদ্ধে প্রায় ৮০ লক্ষ সামরিক ও বেসামরিক লোক হতাহত হয়। 
- মূলত যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে শান্তি স্থাপনই এই চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল।

• ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধ/ Thirty Years War:
- ইউরোপে ধর্মকেন্দ্রিক যুদ্ধের সর্বশেষ উদাহরণ ছিলো ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধ।
- প্রোটেস্টান্ট জার্মানির উপর অস্ট্রিয়ান হ্যাপসবার্গের-এর প্রভাব অক্ষুন্ন রাখা, ডেনমার্কের রাজার উচ্চভিলাষ, বাল্টিক অঞ্চলে সুইডেনের একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার এবং হ্যাপসবার্গকে পরাজিত করে ফ্রান্সকে ইউরোপের শ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত করা এসব নিয়েই যুদ্ধ প্রলম্বিত হতে থাকে।
- ধর্মান্ধতা, স্বার্থপরতা, নিজেদের উচ্চাকাংক্ষা এবং প্রাধান্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় ইউরোপের সকল দেশ এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- দীর্ঘ ত্রিশবছর ধরে যুদ্ধে সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।

উৎস:
i) Britannica.
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০১৯.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল নয় কোনটি?
  1. জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা
  2. লীগ অব নেশনের প্রতিষ্ঠা
  3. জার্মানির বিভক্তি
  4. স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা
সঠিক উত্তর:
লীগ অব নেশনের প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লীগ অব নেশনের প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: 

• সময়কাল : ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ থেকে ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫
• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণ সমূহ:
- ২য় ভার্সাই চুক্তির কঠিন শর্ত।
- জার্মানীর উগ্র জাতীয়তাবাদ ।
- উপনিবেশ স্থাপনের প্রতিযোগিতা ।
- পরস্পর বিরোধী জোট গঠন ।
- উপনিবেশগুলোতে যুদ্ধের বিস্তার ।
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর লীগ অব নেশনের প্রতিষ্ঠিত হয়।
• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল:
- পরস্পর বিরোধী দুই মতাদর্শের বিকাশ।
- জার্মানির বিভক্তি।
- বিশ্বরাজনীতিতে বৃহৎ শক্তির হিসাবে ফ্রান্স ও ব্রিটেনের পতন।
- বৃহৎ শক্তি হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের আবির্ভাব।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা।

তথ্যসূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান ও  Live Mcq লেকচার।
১,০২০.
‘দাহিয়া ডকট্রিন’ কী?
  1. যুদ্ধনীতি
  2. শান্তি আলোচনা বিধি
  3. পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির নীতি
  4. পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক বিধি
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধনীতি
ব্যাখ্যা
দাহিয়া ডকট্রিন:
- ‘দাহিয়া ডকট্রিন’ ইসরায়েলের একটি যুদ্ধকৌশল, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইচ্ছাকৃত ও সম্পূর্ণ ধ্বংস।

- এই নীতিতে বৈধতা ছাড়াই সম্পূর্ণ বেসামরিক অঞ্চল ধ্বংস করা হয়।
- দাহিয়া শব্দটি এসেছে লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠের দাহিয়া এলাকার নাম থেকে।
- এই যুদ্ধনীতি ইসরায়েলি সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোট ২০০৬ সালে ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধে প্রবর্তন করেন।
- ওই যুদ্ধে হিজবুল্লাহর ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত বৈরুতের দাহিয়া জেলাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
- পরবর্তীতে গাজায় এ নীতি প্রয়োগ করে ইসরায়েল।
- বর্তমানে ইরানে ‘দাহিয়া ধাঁচের’ সামরিক অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল।
- ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তারা এই অভিযানকে মূলত যুদ্ধের একটি কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেন।
- এর মাধ্যমে রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য বেসামরিক অবকাঠামো ও জনপদকে ইচ্ছাকৃতভাবে টার্গেট করা হয়।
- বহু মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ এই কৌশলকে গণবিধ্বংসী কৌশল হিসেবে অভিহিত করেছেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।
১,০২১.
বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে উড্রো উইলসন কতদফা উপস্থাপন করেছিলেন কে?
  1. ৭ দফা
  2. ১১ দফা
  3. ১৪ দফা
  4. ২১ দফা
সঠিক উত্তর:
১৪ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দফা
ব্যাখ্যা

উইলসনের ১৪ দফা:
- উড্রো উইলসন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ক্ষমতায় ছিলেন ১৯১৩ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত।
- তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তার ১৪ দফা উপস্থাপন করেছিলেন।
- ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি তিনি কংগ্রেসে তার দাবিসমূহ উপস্থাপন করেন।

• তার ১৪ দফা প্রস্তাবে ছিল :
১. আলোচনার মাধ্যমে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর;
২. সমুদ্রপথে অবাধ যাতায়াত,
৩. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সব বাধা অপসারণ,
৪. যুদ্ধ উপকরণ ও যুদ্ধাস্ত্রের পরিমাণ হ্রাস করা,
৫. উপনিবেশগুলোর জনগণের স্বার্থানুসারে উপনিবেশ সম্পর্কিত দাবির বিচার ও কণ্টন করা; ৬. অধিকৃত রুশ অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার;
৭. বেলজিয়াম থেকে সকল সৈন্য প্রত্যাহার ও বেলজিয়ামের সার্বভৌমত্ব পুনঃস্থাপন;
৮. অধিকৃত ফরাসি এলাকা থেকে সকল বৈদেশিক সৈন্য প্রত্যাহার, আলসাস ও লোরেন এলাকায় ফরাসি অধিকার প্রতিষ্ঠা,
৯. পরিচিত জাতীয় সীমারেখা অনুসারে ইতালির সীমানা পুনর্বিন্যাস;
১০. অস্ট্রীয় হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের জনসাধারণের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার দান;
১১. রুমানিয়া, সার্বিয়া ও মন্‌টেনেগ্রো থেকে সেনা অপসারণ, সার্বিয়াকে সামুদ্রিক যোগসূত্র স্থাপনে সুবিধাদান ও বলকান অঞ্চলের দেশগুলোর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ;
১২. তুরস্কের অধীনস্থ সকল জাতিগোষ্ঠীর স্বায়ত্তশাসন দান;
১৩. পোলিশ জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত এলাকা নিয়ে স্বাতন্ত্র্য পোল্যান্ড রাষ্ট্র গঠন;
১৪. ক্ষুদ্র ও বৃহৎ সকল রাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও রাজ্যসীমার নিরাপত্তা রক্ষার জন্য একটি বিশ্বসংস্থা গঠন। 

উৎস: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।

১,০২২.
'এক দেশ দুই নীতি'র প্রণেতা-
  1. ক) শিন জিং
  2. খ) দেং শিয়াও পিং
  3. গ) ইয়াং পিং
  4. ঘ) চুচুয়াং
সঠিক উত্তর:
খ) দেং শিয়াও পিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দেং শিয়াও পিং
ব্যাখ্যা
- হংকং চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হলেও নিজস্ব বিচার বিভাগ, আইনসভা ও নিরাপত্তা বাহিনী রয়েছে।
- ১৯৯৭ সাল থেকে হংকং 'এক দেশ, দুই নীতি’র আওতায় স্বায়ত্তশাসনের মর্যাদা ভোগ করে আসছে। 
- ১৯৯৭ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে মুক্ত হয়ে ৫০ বছরের জন্য হংকং চীনের শাসনের অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এই নীতি ২০৪৭ সাল পর্যন্ত চালু থাকবে।
- এই 'এক দেশ দুই নীতি'র প্রণেতা দেং শিয়াও পিং।  
উল্লেখ্য,
- নানকিং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৮৪২ সালে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে বৃটিশরা চীন থেকে হংকং দ্বীপ লাভ করেছিলো।

উৎস:- ব্রিটানিকা ও  দৈনিক প্রথম আলো।
১,০২৩.
ফ্রাইডেস ফর ফিউচার আন্দোলন সংঘটিত হয় কবে?
  1. ২০০৭ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
ফ্রাইডেস ফর ফিউচার:
- এটি একটি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক আন্দোলন।
- স্কুল শিক্ষার্থীরা ফ্রাইডেস ফর ফিউচার আন্দোলনটি সংঘটিত করে।
- আন্দোলন সংঘটিত হয়: ২০১৮ সালে।
- সুইডেনে স্কুল শিক্ষার্থী গ্রেটা থুনবার্গের উদ্যোগে এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবীতে সারা বিশ্বে স্কুল শিক্ষার্থীরা শুক্রবারে স্কুলে না গিয়ে রাজপথে নেমে আসে।

তথ্যসূত্র - ফ্রাইডেস ফর ফিউচার মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।
১,০২৪.
সুদানের আল ফাশের গণহত্যার জন্য দায়ী কোন সংগঠন?
  1. Rapid Support Forces
  2. Abu Sayyaf Group
  3. Al Muzahidden Group 
  4. United Forces of Sudan
সঠিক উত্তর:
Rapid Support Forces
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rapid Support Forces
ব্যাখ্যা

• সুদানের আল ফাশের গণহত্যা: 
- তিন বছরে গড়িয়েছে উত্তর আফ্রিকার দেশ সুদানের গৃহযুদ্ধ।
- ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া সামরিক বাহিনী (SAF) ও আধাসামরিক Rapid Support Forces (RSF)-এর মধ্যে সংঘর্ষ দেশটিকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে।
- সংঘাতের মূল কারণ হচ্ছে ক্ষমতার কুণ্ডলি।
- সুদানের পশ্চিম দারফুরের আল–ফাশের শহর দখলের পর থেকে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে আধাসামরিক বাহিনী Rapid Support Forces (RSF)।
 - প্রকাশ্যে রাস্তায় মানুষকে গুলি করে হত্যা, ট্রাকচাপা দিয়ে পিষে ফেলার মতো নৃশংসতা চলছে।
 - এরপর শত শত মরদেহ গুম করে, পুড়িয়ে বা গণকবরে চাপা দিয়ে নৃশংসতার প্রমাণ মুছে ফেলার চেষ্টাও চলছে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও রয়টার্স।

১,০২৫.
'অরেঞ্জ বিপ্লব' সংঘটিত হয় কোন দেশে?
  1. ইউক্রেনে
  2. জার্মানিতে
  3. ইতালিতে
  4. ফ্রান্সে
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউক্রেনে
ব্যাখ্যা

 ”অরেঞ্জ বিপ্লব”:
- অরেঞ্জ বিপ্লব সংঘটিত হয় ইউক্রেনে।
- ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক  দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এ আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।
- এটি ছিল ধারাবাহিক প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক ঘটনা।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ছিল নাগরিক প্রতিরোধ আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।

অপরদিকে,
- আরব বসন্ত সূচনা হয় তিউনেসিয়ায়।
- বলশেভিক বিপ্লব হয় রাশিয়ায়।
- অক্টোবর বিপ্লব হয় রাশিয়ায়।
- ইসলামিক বিপ্লব হয় ইরানে।
- ভেলভেট বিপ্লব হয় চেকোস্লোভাকিয়া।

উৎস: Britannica.

১,০২৬.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় 'জার্মানি-জাপান-ইতালি' এই তিন শক্তিকে একত্রে কী বলা হত?
  1. অশ্বশক্তি
  2. মিশ্রশক্তি
  3. মিত্রশক্তি
  4. অক্ষশক্তি
সঠিক উত্তর:
অক্ষশক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্ষশক্তি
ব্যাখ্যা
◉ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে জার্মান কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল- জার্মানি জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিল- ফ্রন্স, পোল্যান্ড, সোভিয়েত ইউনিয়ন, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- যুক্তরাষ্ট্র ‍দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে।
- জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্থন করে- ৭ মে, ১৯৪৫ সালে।
- জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্থনের মাধ্যমে ‍দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার হয়- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
১,০২৭.
In which of the following countries did the 'Orange Revolution' take place?
  1. England
  2. Ukraine
  3. France
  4. Russia
  5. China
সঠিক উত্তর:
Ukraine
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ukraine
ব্যাখ্যা
অরেঞ্জ বিপ্লব:
- 'অরেঞ্জ বিপ্লব' সংঘটিত হয় ইউক্রেনে।
- অরেঞ্জ বিপ্লব ছিল একটি ধারাবাহিক প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক ঘটনা।
- এটি সংঘটিত হয়েছিল ২০০৪ সালে।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ছিল নাগরিক প্রতিরোধ আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।
- ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযােগ তুলে এ আন্দোলনের সূত্রপাত।

উৎস: Britannica.
১,০২৮.
ওয়াটারলু যুদ্ধ হয় কোন কোন দেশের মধ্যে?
  1. ক) স্পেন-ফ্রান্স
  2. খ) ফ্রান্স-ব্রিটেন
  3. গ) ফ্রান্স-পর্তুগাল
  4. ঘ) বেলজিয়াম-নেদারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রান্স-ব্রিটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রান্স-ব্রিটেন
ব্যাখ্যা

- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন বেলজিয়ামের ওয়াটার লু নামক স্থানে সংঘটিত যুদ্ধের নাম 'ওয়াটারলু' যুদ্ধ।
- ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট এই যুদ্ধে দুটি সম্মিলিত শক্তি- ডিউক অব ওয়েলিংটনের অধীন ব্রিটিশ সেনাবাহিনী এবং গাবার্ড ভন বুচারের অধীন পার্শিয়ান সেনাবাহিনীর নিকট পরাজিত হন।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।

১,০২৯.
সবুজ বিপ্লবের জনক বলা হয় কাকে?
  1. ক) পল ক্রুজেন
  2. খ) আর্নেস্ট হেকেল
  3. গ) নোরম্যান বোরলগ
  4. ঘ) গ্রাউন্ট পাউলি
সঠিক উত্তর:
গ) নোরম্যান বোরলগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নোরম্যান বোরলগ
ব্যাখ্যা
মার্কিন কৃষিবিদ অধ্যাপক নরম্যান আর্নেস্ট বোরলগকে সবুজ বিপ্লবের জনক বলা হয়।
তিনি ১৯৭০ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
বিংশ শতাব্দীতে নরম্যান বোরলগ কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের গমের ব্যাপক ফলনের মাধ্যমে এ বিপ্লবের সূচনা হয়। পরবর্তীতে এতে আরও নানা অনুষঙ্গ যুক্ত হয় যার ফলে কয়েক দশকের মধ্যেই বিশ্বে খাদ্য উৎপাদন প্রায় দ্বিগুণ হয়।
অন্যদিকে, পল ক্রুজেন প্রথম ওজনস্তরের ক্ষয়সাধন সম্পর্কে ধারণা দেন।
আর্নেস্ট হেকেল প্রথম ‘ইকোলজি’ শব্দ ব্যবহার করেন।
(সূত্রঃ ব্রিটানিকা)
১,০৩০.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯১২ সালে
  2. ১৯১৩ সালে
  3. ১৯১৪ সালে
  4. ১৯১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯১৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১৪ সালে
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যান্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।

⇒ যুদ্ধে অক্ষ শক্তিজোট:
- জার্মান, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া।

⇒ মিত্রশক্তি জোট:
- রাশিয়া, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম, জাপান, ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

১,০৩১.
কিউবায় ক্ষেপণাস্ত্র সঙ্কটের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন? 
  1. রিচার্ড এম নিক্সন
  2. জন এফ কেনেডি
  3. লিন্ডন বেইনস জনসন
  4. হ্যারি এস ট্রুম্যান
সঠিক উত্তর:
জন এফ কেনেডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন এফ কেনেডি
ব্যাখ্যা
কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট:
- কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি ৩৫ দিনের সংঘর্ষ, যা একটি আন্তর্জাতিক সংকটে পরিণত হয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পারমাণবিক শক্তি, সামরিক ও বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় নামে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।
- সেসময় কিউবায় অর্থনৈতিক সংকটের জেরে বাড়তে থাকে সমাজতান্ত্রিক ধারণার প্রভাব।
- কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট ১৯৬২ সালের অক্টোবরে হয়েছিল।
- ইতালি ও তুরস্কে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র বসানোর জবাবে কিউবায় ক্ষেপণাস্ত্র পাঠায় রাশিয়া।
- ফ্লোরিডা উপকূল থেকে মাত্র ৯০ মাইল দূরে রুশ এই হুমকি মেনে নিতে না পেরে, ১৯৬২ সালের ২২ অক্টোবর কিউবায় নৌ অবরোধের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি।
- ফলে সমগ্র ল্যাটিন আমেরিকায় যুদ্ধের পরিমন্ডল তৈরি হয়।
- এই পরিস্থিতি 'কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট' নামে পরিচিত।
- এই ঘটনা শীতল যুদ্ধের পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলে।

উৎস: Britannica.
১,০৩২.
ইসলামিক বিপ্লব কোন দেশে হয়?
  1. সৌদি আরব
  2. ইরাক
  3. ইরান
  4. লেবানন
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
কতিপয় ঐতিহাসিক বিপ্লব:
- ইসলামিক বিপ্লব (১৯৭৯) ইরান।
- ফরাসি বিপ্লব (১৭৮৯) - ফ্রান্স।
- রুশ বিপ্লব (১৯১৭) - রাশিয়া।
- সাংস্কৃতিক বিপ্লব (১৯৬৬- ১৯৭৬) - চীন।
- ভেলভেট বিপ্লব ( ১৯৮৯) - চেকোস্লোভাকিয়া।
- রোজ বিপ্লব (২০০৩) - জর্জিয়া।
- অরেঞ্জ বিপ্লব (২০০৪) - ইউক্রেন।
- টিউলিপ বিপ্লব (২০০৫) - কিরগিজস্থান।
- নীল বিপ্লব (২০১১) - মিসর।
- জেসমিন বিপ্লব (২০১১) - তিউনিসিয়া।
- ইউরোমেইডেন বিপ্লব (২০১৩) - ইউক্রেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,০৩৩.
ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে পতন হয়-
  1. নেপোলিয়ন
  2. ষোড়শ লুই
  3. দ্বাদশ লুই
  4. ফিলিপস
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ লুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ লুই
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
-১৭৮৯ সালে বাস্তিল দুর্গের পতনের মধ্যদিয়ে ফরাসি বিপ্লবের সূত্রপাত ঘটে।
- ফরাসি বিপ্লবের সময়কাল- ১৭৮৯-১৭৯৯
- বিপ্লবের পথিকৃৎ- ফারাসি দার্শনিক জ্যাঁ জ্যাক রুশো ও ভলতেয়ার।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয়- নেপোলিয়ান
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে পতন হয়-ষোড়শ লুই।
- ফ্রান্সের সামান্তবাদের অবসান।
- ফ্রান্সের প্রজাতন্ত্রের যাত্রা শুরু।

উৎস:
১.ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রম, বাংলাদেশের উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২.Britannica.
১,০৩৪.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন -
  1. উড্রো উইলসন
  2. জর্জ লয়েড
  3. উইলিয়াম হাওয়ার্ড ট্যাফট
  4. ভিট্টোরিও অরল্যান্ডো
সঠিক উত্তর:
উড্রো উইলসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উড্রো উইলসন
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল ১৯১৪-১৯১৮ সাল।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।

উল্লেখ্য,
⇒ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কালীন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান:
- জার্মান চ্যান্সেলর: থিওবাল্ড ভন বেথমান হলওয়েগ, জর্জ মিখাইল, জর্জ ভন হার্টলিং, ফ্রেডেরিখ অ্যাবেট।
- জার্মান কাইজার: দ্বিতীয় উইলিয়ম।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী: জর্জ লয়েড।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট: উড্রো উইলসন।
- রাশিয়ার জার: দ্বিতীয় নিকোলাস।
- জাপানের সম্রাট: যুসোহিতো।
- ইতালির প্রধানমন্ত্রী: ভিট্টোরিও অরল্যান্ডো।
- অটোমান সুলতান: ষষ্ঠ মেহমুদ।

⇒ উড্রো উইলসন:
- যুক্তরাষ্ট্রের ২৮ তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি বক্তব্য প্রদান করেন।
- তাতে ছিল ইউরোপে শান্তি প্রতিষ্ঠার ও জাতিপুঞ্জ গঠনের আহ্বান।
- এ বক্তব্যটি ছিল ১৪ দফা বিশিষ্ট।
- এই প্রস্তাবনার ১৪ নং পয়েন্টে জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।

উৎস: History.com
১,০৩৫.
ইউরোপে D-Day কোন তারিখে উদযাপিত হয়? 
  1. ১ জুন
  2. ৪ জুন
  3. ৬ জুন
  4. ৮ জুন
সঠিক উত্তর:
৬ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ জুন
ব্যাখ্যা

• D-Day:
- D-Day দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত।

⇒ নাৎসী বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে ১৯৪৪ সালের ৬ জুন প্রায় ১ লক্ষ ৫৬ হাজার যৌথ বাহিনীর সদস্য ফ্রান্সে অবতরণ করেন।
- ফ্রান্স উদ্ধারের জন্য মিত্রবাহিনী স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে যে অপারেশন পরিচালনা করে তার কোডনাম ছিলো Operation Overlord।
- দিনশেষে প্রায় সাড়ে চার হাজার সৈন্য মারা যান, যা বিশ্বের সেনা ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান।
- ফ্রান্সের নরম্যান্ডির উপকূলে ডি-ডে নামে খ্যাত ওই অভিযানের মধ্যে দিয়ে নাৎসী জার্মানির বিরুদ্ধে মিত্রবাহিনীর বিজয়ের সূচনা হয়।
- ৬ জুন দিনটিকে ডি ডে (D-Day) হিসাবে পালন করা হয়।
- এই লড়াইয়ের এক বছর পর পরাজয় স্বীকার করে জার্মানি।

উল্লেখ্য,
- ডি দিবস (D Day) বা অবতরণ দিবসের দিন ধার্য হয় ১৯৯৪ সালের ১ জুন।
- কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য পিছিয়ে ৬ জুন করা হয়।
- এই সুবিশাল সামরিক অভিযানের নেতা ছিরেন আমেরিকান সেনাপতি আইজেনহাওয়ার।

তথ্যসূত্র: History.com

১,০৩৬.
Which of the following was the slogan of ‘the French Revolution‘?
  1. ক) Revolution, Industrialization, Development
  2. খ) Democracy, Socialism, Secularism
  3. গ) Freedom, Equality, Fraternity
  4. ঘ) Freedom, Unity, Equality
সঠিক উত্তর:
গ) Freedom, Equality, Fraternity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Freedom, Equality, Fraternity
ব্যাখ্যা
• ফরাসি বিপ্লব:
- “স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী” - ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।

- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র: Britannica & history.com
১,০৩৭.
আফ্রিকায় 'জেন-জি' বিপ্লবের সূচনা কোন দেশে হয়েছিল?
  1. নাইজেরিয়া
  2. কেনিয়া
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. ইথিওপিয়া
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া
ব্যাখ্যা

আফ্রিকায় 'জেন-জি' বিপ্লবের সূচনা: 
- আফ্রিকায় 'জেন-জি' বিপ্লবের সূচনা কেনিয়াতে হয়েছিল।

- দেশটির সরকারের অতিরিক্ত কর আরোপের প্রতিবাদে জুন মাসে জেন-জি প্রজন্ম রাস্তায় নামতে শুরু করে।
- এ প্রতিবাদ মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষত টিকটক, মাধ্যমে সংগঠিত হয়।
- কেনিয়ার সরকার তখন প্রায় তিন বিলিয়ন ডলার রাজস্ব আদায়ের জন্য নতুন করের পরিকল্পনা নেয়, যা দেশটির গরিব জনগণের জন্য বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করে।
- এই করের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে জেন-জি প্রজন্ম রাজনৈতিক দলগুলোর সাহায্য ছাড়াই নিজেদের উদ্যোগে রাস্তায় নেমে আসে।  

কেনিয়া: 
- কেনিয়া পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ, 
- এটি ভারত মহাসাগরের উপকূলে অবস্থিত। 
- দেশের আয়তন প্রায় ৫৮২,৬৪৬ বর্গকিলোমিটার। 
- কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবি এটি একটি দ্রুতবর্ধনশীল শহর এবং আফ্রিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র। 
- কেনিয়ার মুদ্রার নাম শিলিং (Kenyan Shilling)। 

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

১,০৩৮.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির অন্তর্ভূক্ত ছিলো -
  1. ক) জার্মান
  2. খ) হাঙ্গেরী
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) অস্ট্রিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাপান
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির অন্তর্ভূক্ত ছিলো - জাপান।

• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ( ১৯১৪-১৯১৮):

- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যাস্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে - আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে।
- যুদ্ধ শুরু হয়- ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়- ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।

- যুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিজোট ছিল- জার্মান, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি জোট ছিল- রাশিয়া, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম, জাপান, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র।
- যুদ্ধের ফলাফল- মিত্র শক্তির বিজয়।
- চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানী ঘটে।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
১,০৩৯.
ফরাসি বিপ্লবের সময় মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার কোন পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে?
  1. শিরশ্ছেদ
  2. ফাঁসি
  3. ফায়ারিং স্কোয়াড
  4. বৈদ্যুতিক চেয়ার
সঠিক উত্তর:
শিরশ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিরশ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ ফরাসি বিপ্লবের সময় শিরশ্ছেদের মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল 'স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব'।
- সংঘটিত হয়: ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই।
- এর কারণে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে।
- এই বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল।
- এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,০৪০.
“The Art of War” গ্রন্থের রচয়িতা
  1. ক) সুন জু
  2. খ) আলফ্রেড মহান
  3. গ) কৌটিল্য
  4. ঘ) বার্ট্রান্ড রাসেল
সঠিক উত্তর:
ক) সুন জু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সুন জু
ব্যাখ্যা

খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে চীনের সামরিক বাহিনীর কৌশলবিদ সুন জু যুদ্ধের কৌশল নিয়ে রচনা করেন The Art of War।
সুন জু সীমিত সম্পদ, কৌশল ও সুযোগের ভিত্তিতে যুদ্ধের কৌশলের বর্ণনা করেন।
সুন জুকে দি মাস্টার সান বলা হত।

তথ্যসূত্র: Britannica.com

১,০৪১.
'D-Day'-এর সাথে নিম্নের কোন যুদ্ধটি সংশ্লিষ্ট?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  3. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  4. কোরিয় যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
D-Day:
- D-Day দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত।

⇒ নাৎসী বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে ১৯৪৪ সালের ৬ জুন প্রায় ১ লক্ষ ৫৬ হাজার যৌথ বাহিনীর সদস্য ফ্রান্সে অবতরণ করেন।
- ফ্রান্স উদ্ধারের জন্য মিত্রবাহিনী স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে যে অপারেশন পরিচালনা করে তার কোডনাম ছিলো Operation Overlord।
- দিনশেষে প্রায় সাড়ে চার হাজার সৈন্য মারা যান, যা বিশ্বের সেনা ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান।
- ফ্রান্সের নরম্যান্ডির উপকূলে ডি-ডে নামে খ্যাত ওই অভিযানের মধ্যে দিয়ে নাৎসী জার্মানির বিরুদ্ধে মিত্রবাহিনীর বিজয়ের সূচনা হয়।
- ৬ জুন দিনটিকে ডি ডে (D-Day) হিসাবে পালন করা হয়।
- এই লড়াইয়ের এক বছর পর পরাজয় স্বীকার করে জার্মানি।

উল্লেখ্য,
- ডি দিবস (D Day) বা অবতরণ দিবসের দিন ধার্য হয় ১৯৯৪ সালের ১ জুন।
- কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য পিছিয়ে ৬ জুন করা হয়।
- এই সুবিশাল সামরিক অভিযানের নেতা ছিরেন আমেরিকান সেনাপতি আইজেনহাওয়ার।

উৎস: History.com
১,০৪২.
'Black Lives Matter' কি?
  1. ক) একটি গ্রন্থের নাম
  2. খ) একটি পানীয়
  3. গ) বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন
  4. ঘ) একটি NGO
সঠিক উত্তর:
গ) বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন
ব্যাখ্যা
- Black Lives Matter is an anti-apartheid movement.
- The Black Lives Matter movement began in the United States in 2013 as part of a protest against the acquittal of George Zimmerman, the assassin of Troy Martin in the United States.
- The recent wave of the Black Lives Matter movement around the world centered on the assassination of George Floyd.
- The main purpose of this movement is to end global racism or discrimination against blacks.
(Source: Black Lives Matter website)
১,০৪৩.
কোন বিপ্লবের ফলে রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয়?
  1. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  2. টিউলিপ বিপ্লব
  3. নভেম্বর বিপ্লব
  4. জেসমিন বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মোট দুইটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই বিপ্লবের ফলে রাশিয়ার সাম্রাজ্যবাদী শাসনের পতন ঘটে এবং বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রুশ বিপ্লবের ফলে ১৯২২ সালে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব (মার্চ, ১৯১৭):
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রোমানভ রাজবংশের পতন ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- একটি অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং পরবর্তীতে অক্টোবর বিপ্লবে বলশেভিকরা ক্ষমতা দখল করে রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের অবসান ঘটায়।

⇒ রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন।
- ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিক পার্টি অস্থায়ী সরকারকে উৎখাত করে এবং ক্ষমতা দখল করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- লেনিন বিশ্বের প্রথম কমিউনিস্ট রাষ্ট্রের একনায়ক হয়ে ওঠেন।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.
১,০৪৪.
শতবর্ষ যুদ্ধে কোন দেশ জয় লাভ করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাজ্য
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
শতবর্ষ যুদ্ধ:

- ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ হয়েছিল।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্বকাল ছিল ১৩৩৭ সাল থেকে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত।
- 'জোয়ান অব আর্ক' ছিল ফ্রান্সের সেনাপতি।
- ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় এডওয়ার্ড এই যুদ্ধ শুরু করেন ফ্রান্সের সিংহাসনের দাবিতে।
- এই যুদ্ধে বিজয়ী হয় ফ্রান্স।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,০৪৫.
প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয় কোন শহরে?
  1. এথেন্সে
  2. রোমে
  3. প্যারিসে
  4. কোপেনহেগেনে
সঠিক উত্তর:
এথেন্সে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এথেন্সে
ব্যাখ্যা
গণতন্ত্রের সূচনা:
- 'গণতন্ত্র' পরিভাষাটি ইংরেজি 'Democracy' থেকে এসেছে।
- গ্রিক শব্দ Demos অর্থ হলো জনগণ আর Kritos অর্থ শাসনক্ষমতা বা কর্তৃত্ব।
- ব্যুৎপত্তিগত অর্থে গণতন্ত্র হলো জনগণের শাসন।
- খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে সলোন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেন।
- প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয় গ্রিসের নগররাষ্ট্র এথেন্সে।
- গ্রিক সভ্যতার এথেন্স নগররাষ্ট্র ছিলো তখন গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীলতার ধারক।
- অ্যাথেন্সকে সাধারণত গণতন্ত্রের জন্মস্থান হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও কালের কণ্ঠ, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮।
১,০৪৬.
ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধের অবসান ঘটে কোন চুক্তির মাধ্যমে?  
  1. লুজান চুক্তি 
  2. ভার্সাই চুক্তি
  3. ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
  4. প্যারিস চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
ব্যাখ্যা

• ত্রিশবছরব্যাপী যুদ্ধ/ Thirty years war:
- ত্রিশবছরব্যাপী যুদ্ধ ছিল ১৬১৮ খ্রিস্টাব্দ - ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সংঘটিত একটি দীর্ঘমেয়াদি অনুক্রমিক যুদ্ধ।
- সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথমভাগে ইউরোপে প্রোটেস্ট্যান্ট এবং ক্যাথলিকদের মধ্যে এই যুদ্ধ সংগঠিত হয়।
- ধর্মই এই যুদ্ধের একমাত্র কারণ ছিলো তা নয়, বরং ধর্ম এবং রাজনীতি উভয় কারণে এক জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে এটি একটি আন্তর্জাতিক যুদ্ধে পরিণত হয়।
- এই যুদ্ধে প্রোটেস্টান্ট এবং ক্যাথলিক উভয়েই তাদের নিজস্ব শক্তি বজায় রেখে এগিয়ে যেতে থাকে।
- দীর্ঘ ত্রিশবছর ধরে যুদ্ধে সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।

• ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি ইউরোপের শান্তির স্বপক্ষে প্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টফালিয়া চুক্তি এর মাধ্যমে ত্রিশবছরব্যাপী যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে প্রটেস্ট্যান্ট রাষ্ট্রগুলি ধর্মীয় স্বাধীনতা পায়, ফ্রান্সকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে এবং ইউরোপে তাদের রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধি পায়, অস্ট্রিয়ার হাবসবার্গ সম্রাটদের ক্ষমতা হ্রাস পায়।

তথ্যসূত্র:  i) Britannica. 
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৪৭.
Great Depression কত সালে শুরু হয়?
  1. ১৯২১ সালে
  2. ১৯২৯ সালে
  3. ১৯৩১ সালে
  4. ১৯৩৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৯ সালে
ব্যাখ্যা
Great Depression:
- গ্রেট ডিপ্রেশন বা বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা।
- শুরু হয়েছিল ১৯২৯ সালে।
- প্রায় ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল।
- ১৯২৯ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে নেমেছিল ভয়াবহ ধ্বস।
- আমেরিকা ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ও ইউরোপেও ছড়িয়ে পড়েছিল এর প্রভাব।
- এই মন্দায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকগুলো দেউলিয়া হয়ে যায় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা মেক্সিকান শরণার্থীদের একাংশ নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরতে বাধ্য হন।
- প্রায় এক দশক ধরে চলা অর্থনৈতিক মহামন্দায় সোভিয়েত ইউনিয়ন ছাড়া সারা বিশ্ব সম্মুখীন হয়েছিল অর্থনৈতিক ক্ষতির।

উৎস: Britannica.
১,০৪৮.
"অপারেশন প্রোটেকটিভ এজ" কোন দেশের সেনাবাহিনী পরিচালনা করেন? 
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ইসরাইল
  3. ইরান
  4. ইরাক
সঠিক উত্তর:
ইসরাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরাইল
ব্যাখ্যা
অপারেশন প্রোটেকটিভ এজ:
- ২০১৪ সালে ইসরাইলী সেনাবাহিনী গাজা এলাকায় (৮ জুলাই থেকে ২৭ আগস্ট) বড় ধরনের অপারেশন পরিচালনা করে।
- ইসরাইল এই অপারেশনের নাম দিয়েছিল 'অপারেশন প্রোটেকটিভ এজ।'
- ওই অপারেশনে ২১০০ জন ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হন।
- এবং গাজা এলাকা একটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।
- এর আগেও ২০০৮ সালে ইসরাইলী সেনাবাহিনী গাজা এলাকায় প্রবেশ করেছিল।

এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু অপারেশন:
• অপারেশন অডিসি ডন (Operation Odyssey Dawn):
- লিবিয়ায় মার্কিন তথা আন্তর্জাতিক মিলিটারি অপারেশনস-এর কোড নাম অপারেশন অডিসি ডন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্যই ছিল এই মিলিটারি অপারেশনস্।

• অপারেশন ওভারলর্ড (Operation Overlord):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সংঘটিত নরম্যান্ডি যুদ্ধের সাংকেতিক নাম ছিল- অপারেশন ওভারলর্ড।

• অপারেশন গেরোনিমো (Operation Geronimo):
- আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে যে গোপন অপারেশনটি পরিচালিত হয়েছিল, তার কোড নাম 'অপারেশন গেরোনিমো'।

• অপারেশন ডিপ ফ্রিজ (Operation Deep Freeze-ODF):
- এন্টারটিকা মহাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেসব অভিযান পরিচালিত করেছে তা ‘অপারেশন ডিপ ফ্রিজ' নামে পরিচিত।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,০৪৯.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল -
  1. ফ্রান্স
  2. চীন
  3. জাপান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• জার্মানি,
• জাপান,
• ইতালি।

- মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• ব্রিটেন,
• ফ্রান্স,
• যুক্তরাষ্ট্র,
• সোভিয়েত ইউনিয়ন,
• চীন,
• পোল্যান্ড,
• নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

তথ্যসূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।
১,০৫০.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন -
  1. উইনস্টন চার্চিল
  2. নেভিল চেম্বারলেইন
  3. ক্লিমেন্ট অ্যাটলি
  4. হ্যারল্ড ম্যাকমিলান
সঠিক উত্তর:
উইনস্টন চার্চিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইনস্টন চার্চিল
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল:
• জার্মানি,
• জাপান,
• ইতালি।

- মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল:
• ব্রিটেন,
• ফ্রান্স,
• যুক্তরাষ্ট্র,
• সোভিয়েত ইউনিয়ন,
• চীন,
• পোল্যান্ড,
• নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

তথ্যসূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।