বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

যুদ্ধ ও বিপ্লবসমূহ

মোট প্রশ্ন১,০৫২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

যুদ্ধ ও বিপ্লবসমূহ

PrepBank · পাতা ১০ / ১১ · ৯০১১,০০০ / ১,০৫২

৯০১.
In which year did the French Revolution begin?
  1. ক) 1789
  2. খ) 1791
  3. গ) 1793
  4. ঘ) 1795
সঠিক উত্তর:
ক) 1789
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 1789
ব্যাখ্যা
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে।
- ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সালে ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন।
- 'স্বাধীনতা, সমতা ও ভ্রাতৃত্ব' ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।

উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
৯০২.
কোন মহাদেশে শিল্প বিপ্লবের সূচনা হয়?
  1. ক) এশিয়া
  2. খ) আমেরিকা
  3. গ) ইউরোপে
  4. ঘ) আফিকা
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরোপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরোপে
ব্যাখ্যা
দৈহিক শ্রমের পরিবর্তে বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে শিল্পক্ষেত্রে উৎপাদন বৃদ্ধি ও তার গুণগত মানের ক্ষেত্রে যে ব্যাপক উন্নতি হয়, তাকেই সাধারণভাবে ‘শিল্প বিপ্লব’
( Industrial Revolution ) বলা হয়।
- আঠারো শতকের মধ্যভাগে ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লবের সূচনা ঘটে।
- পরবর্তীতে তা ইউরোপের অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

[উৎস:ব্রিটানিকা]
 
৯০৩.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ পুনর্গঠনের প্রোগ্রাম “Marshall Plan” - এর প্রবক্তা কোন দেশ?
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
  5. ঙ) বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
The Marshall Plan was an American initiative passed in 1948 to aid Western Europe, in which the United States gave over $12 billion in economic assistance to help rebuild Western European economies after the end of World War II.
Source: History.com
৯০৪.
নিচের কোনটি তালেবান বিরোধী অভিযান?
  1. অপারেশন ডেজার্ট ফক্স
  2. অপারেশন সি অ্যাঞ্জেল
  3. অপারেশন অ্যানাকোন্ডা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অপারেশন অ্যানাকোন্ডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন অ্যানাকোন্ডা
ব্যাখ্যা
♦অপারেশন অ্যানাকোন্ডা
- পরিচালিত হয় তারিখ ২ মার্চ থেকে ১৮, ২০০২
- অবস্থান শাহ-ই-কোট উপত্যকা, পাকতিয়া প্রদেশ, আফগানিস্তান
- ফলাফল: মার্কিন বাহিনীর বিজয়, তালেবানরা সরে গেছে, ব্যাপক হতাহতের শিকার। 
- অপারেশন অ্যানাকোন্ডার লক্ষ্য ছিল যুদ্ধের প্রথম তিন মাসে পরাজয়ের পরে উপত্যকায় জড়ো হওয়া শত্রু তালেবান এবং আল-কায়েদা বাহিনীকে নির্মূল করা।
- অভিযানের সময়, মার্কিন জোট ১৫ জন নিহত এবং ৮২ জন আহত হয়েছিল। হতাহতদের বেশিরভাগই আমেরিকান ছিল, ৮ জন নিহত এবং ৭২ জন আহত হয়েছিল। তালেবান ও আল-কায়েদা ৩০০ থেকে ৪০০ জন নিহত হয়; তবে শত্রু বাহিনীর অধিকাংশই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

উৎস: প্রথমআলো।
৯০৫.
ইরান ও ইসরায়েল যুদ্ধ-২০২৫ কতদিন স্থায়ী হয়েছিল?
  1. ৯ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১১ দিন
  4. ১২ দিন
সঠিক উত্তর:
১২ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ দিন
ব্যাখ্যা
ইরান ও ইসরায়েল যুদ্ধ:
- ইরান ও ইসরায়েল এর মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয় ১৩ জুন ২০২৫ তারিখে।
- এই যুদ্ধ ১৩ জুন-২৪ জুন মোট ১২ দিন স্থায়ী হয়েছিল।

⇒ ১৩ জুন ইরানে আকস্মিক ব্যাপক হামলা শুরু করে ইসরায়েল।
- এরপর পাল্টা প্রতিশোধ নিতে ইরানও ইসরায়েলের ওপর হামলা শুরু করে।
- এতে দেশ দুইটির মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়।
- এর মাঝে যুক্তরাষ্ট্র গত ২১ জুন ইরানের প্রধান তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়।
- সর্বশেষ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক ঘোষণায় জানান, ইসরায়েল ও ইরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। 
- ২৪ জুন এই যুদ্ধ শেষ হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এটিকে ‘১২ দিনের যুদ্ধ’ বলেছেন।

উল্লেখ্য,
- ১৩ জুন, ২০২৫ তারিখে ইসরাইল ইরানের তেহরানের পারমাণবিক স্থাপনা লক্ষ্য করে যে হামলা চালায় তার নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’। এর লক্ষ্য ছিল তেহরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ‘হৃদয়’-এ আঘাত হানা।
- ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’-এর বিপরীতে ইরানের পরিচালিত অভিযানের নাম ‘ট্রু প্রমিজ ৩’। এর মাধ্যমে ইসরায়েলের ডজনখানেক সামরিক ঘাঁটি ও বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে।

উৎস: i) CSIS ওয়েবসাইট।
ii) The Times of Israel. [link]
৯০৬.
১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. টনি ব্লেয়ার
  2. থেরেসা মে
  3. উইনস্টন চার্চিল
  4. মার্গারেট থ্যাচার
সঠিক উত্তর:
মার্গারেট থ্যাচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্গারেট থ্যাচার
ব্যাখ্যা
- ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মার্গারেট থ্যাচার (Margaret Thatcher)।

ফকল্যান্ড দ্বীপ:
- ফকল্যান্ড দ্বীপ দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- ফকল্যান্ড দ্বীপ নিয়ে আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে ১৯৮২ সালে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- যুদ্ধের স্থান ছিল ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ।
- যুদ্ধের যুক্তরাজ্য বিজয়ী হয় এবং ফকল্যান্ডসহ কিছু দ্বীপে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

উল্লেখ্য,
- ২ এপ্রিল, ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনার তৎকালীন সামরিক সরকার ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া এবং দক্ষিণ স্যান্ডইচ দ্বীপে আক্রমণ করে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণে থাকা এই অঞ্চলগুলো দখল করে নেয়।
- এর পর, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষণা করেন।
- ১৪ জুন, ১৯৮২ সালে, আর্জেন্টিনা সমর্পণ করতে বাধ্য হয় এবং ঐসকল দ্বীপে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ আবার প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই যুদ্ধে আর্জেন্টিনা পরাজিত হওয়ায়, ১৯৮৩ সালে আর্জেন্টিনায় সামরিক সরকার ক্ষমতা হারায়।

সূত্র: Britannica.
৯০৭.
'ডার্টি বোম' কী ধরনের অস্ত্র?
  1. ক) মুঘল অস্ত্র
  2. খ) গণবিধ্বংসী অস্ত্র
  3. গ) গণবিঘ্ন সৃষ্টিকারী অস্ত্র
  4. ঘ) ওয়াগনার অস্ত্র
সঠিক উত্তর:
গ) গণবিঘ্ন সৃষ্টিকারী অস্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গণবিঘ্ন সৃষ্টিকারী অস্ত্র
ব্যাখ্যা
- 'ডার্টি বোম' হচ্ছে - গণবিঘ্ন সৃষ্টিকারী অস্ত্র।

• ডার্টি বোম:

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক নিয়ন্ত্রণ কমিশন ডার্টি বোম সম্পর্কে বলেছে, বোমাটি গণবিধ্বংসী অস্ত্র নয়; বরং এটি একটি ‘গণবিঘ্ন সৃষ্টিকারী অস্ত্র’, যেখানে দূষণ ও উদ্বেগ সৃষ্টি প্রধান উদ্দেশ্য।
- এর মানে হলো, কেবল বিস্ফোরণ স্থলের লোকেরাই তাৎক্ষণিক বিকিরণের সংস্পর্শে আসবে ও গুরুতর অসুস্থতায় পড়বে।
- ডার্টি বোম থেকে বাচতে হলে এলাকা থেকে পালানো ছাড়া রক্ষা পাওয়া দুষ্কর।
- তবে এটি পরমাণু বোমার মতো নয়। কেননা, পরমাণু বোমা তৈরিতে তেজস্ক্রিয় উপাদান যে উচ্চমাত্রায় পরিশোধন করা হয়, ডার্টি বোমের ক্ষেত্রে তেমনটি করা হয় না।
- হাসপাতাল,পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র বা পরীক্ষাগারে ব্যবহৃত তেজস্ক্রিয় উপাদান যে মাত্রায় পরিশোধন করা হয়, ডার্টি বোমের ক্ষেত্রেও সেই মাত্রা একই। 
- বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধে ডার্টি বোম পলিটিক্স ও চলমান শীতকে মস্কোর অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

উৎস:
নয়া দিগন্ত পত্রিকা রিপোর্ট এবং সময় নিউজ।
৯০৮.
কোন শান্তি চুক্তির মাধ্যমে ভিয়েতনাম যুদ্ধের ইতি ঘটে?
  1. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  2. ডেটন চুক্তি
  3. লুজন চুক্তি
  4. অসলো চুক্তি
সঠিক উত্তর:
প্যারিস শান্তি চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারিস শান্তি চুক্তি
ব্যাখ্যা

• প্যারিস শান্তি চুক্তি:
- প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ২৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান-প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ- ভিয়েতনাম-যুক্তরাষ্ট্র।
- এই চুক্তির ফলে ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান হয়।
- এই শান্তি চুক্তির কারণে হেনরি কিসিঞ্জার ও লি ডাক থো ১৯৭৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন। 

তথ্যসূত্র: Britannica ও History.com, বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রেহমান।

৯০৯.
D-Day বলতে কোন দিনটিকে বোঝায়?
  1. মিত্রবাহিনীর নরম্যান্ডিতে অবতরণ
  2. মিত্রবাহিনীর ইউরোপ বিজয়
  3. জাপানের আত্মসমর্পণ
  4. হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ
সঠিক উত্তর:
মিত্রবাহিনীর নরম্যান্ডিতে অবতরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিত্রবাহিনীর নরম্যান্ডিতে অবতরণ
ব্যাখ্যা
D-Day:
- ১৯৪৪ সালের ৬ জুন ইউরোপ দখল মুক্ত করার জন্য মিত্রবাহিনীর নরম্যান্ডিতে অবতরণের দিনকে D- Day বলা হয়। 
- জার্মান অধিকৃত ফ্রান্সের ভূখণ্ডে দুর্দান্ত হামলা চালিয়ে হিটলারের বাহিনীকে অনেকটাই নাজেহাল করে ছাড়ে মিত্রবাহিনী।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ১৯৪৪ সালে নরম্যান্ডি উপকূলে মিত্রবাহিনী এ হামলা চালায়।
- তুমুল লড়াইয়ে জার্মানরা ফ্রান্সের ওই অঞ্চল ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়।
- মিত্রবাহিনী ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে এসে সরাসরি এখানে হামলা চালায় যাকে ইতিহাসে ডি ডে ল্যান্ডিং তথা অপারেশন ওভারলোড নামে স্থান দেয়া হয়েছে।
- এক্ষেত্রে প্রায় ১২টি দেশের ৩০ লাখ সৈন্য গিয়ে হামলা চালায় নরম্যান্ডিতে।
- অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, চেকোশ্লোভাকিয়া, ফ্রান্স, গ্রিস, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, পোল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র এই ১২ দেশের সৈন্যরা একসাথে হামলা চালায় ৬ জুন।
- সেদিন রাতের বেলা ছত্রীসেনা অবতরণ, গ্লাইডার অবতরণ থেকে শুরু করে জঙ্গি ও বোমারু বিমানের পাশাপাশি যুদ্ধজাহাজ থেকে বোমা ও গোলাবর্ষণের মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়।
- মিত্র বাহিনীর ৩৭ হাজার নিহত হওয়ার পাশাপাশি আহত হয় দেড় লক্ষাধিক।
- অন্যদিকে জার্মানদের ২ লক্ষ সৈন্য নিহত হওয়ার পাশাপাশি ২ লাখ আত্মসমর্পণ করে।
- তবে ফিল্ড মার্শাল রোমেলের ৩৫২ তম ডিভিশন এখানে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে।
- প্রচণ্ড প্রতিরোধ যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে জার্মানদের পরাজয় আসলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভাগ্য অনেকটা এখানেই নির্ধারণ করে দেয়।

উৎস: ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১০.
গণবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র-
  1. MAD
  2. WMD
  3. INF
  4. ABM
সঠিক উত্তর:
WMD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WMD
ব্যাখ্যা

- WMD (Weapons of Mass Destruction) হচ্ছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র।
- ২০০৩ সালে WMD আছে এমন আশঙ্কায় ইঙ্গ-মার্কিন জোট ইরাকে আক্রমণ করেছিল।
- Intermediate-Range Nuclear Force (INF) হচ্ছে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র।
- Anti-Ballistic Missile (ABM) হচ্ছে বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র।
- MAD (Mutually Assured Destruction) হচ্ছে পারস্পরিক ধ্বংস নিশ্চিতকরণ ক্ষেপণাস্ত্র।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯১১.
১ম বিশ্বযুদ্ধকালীন জার্মানির রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন -
  1. ক) দ্বিতীয় নিকোলাস
  2. খ) অ্যাডলফ হিটলার
  3. গ) দ্বিতীয় উইলহ্যাম
  4. ঘ) অটো ফন বিসমার্ক
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিতীয় উইলহ্যাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিতীয় উইলহ্যাম
ব্যাখ্যা
১ম বিশ্বযুদ্ধকালীন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান:
দেশ              -                  রাষ্ট্রপ্রধান
যুক্তরাষ্ট্র         -          উড্রো উইলসন (প্রেসিডেন্ট)
যুক্তরাজ্য       -       পঞ্চম জর্জ (রাজা) এবং হার্বার্ট হেনরি আসকুইথ ও ডেভিড লয়েড জর্জ (প্রধানমন্ত্রী)
জার্মানি         -      দ্বিতীয় উইলহ্যাম (কাইজার/সম্রাট) ও থিওবাল্ড ভন বাথম্যান (চ্যান্সেলর)
রাশিয়া          -       দ্বিতীয় নিকোলাস (জার/সম্রাট)
ইতালি          -      এন্টনিও সালেন্ড্রা (কাউন্সিল প্রেসিডেন্ট)
জাপান        -        ইউশিহিতো (সম্রাট)
ফ্রান্স           -       রেমন্ড পয়েনকেয়ার (প্রেসিডেন্ট) ও জর্জ ক্লেমেনশো (প্রধানমন্ত্রী)
 
উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 
৯১২.
রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় ধাপ কোন নামে খ্যাত?
  1. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  2. মার্চ বিপ্লব
  3. জুলাই বিপ্লব
  4. অক্টোবর বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
অক্টোবর বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্টোবর বিপ্লব
ব্যাখ্যা

রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো:
 • ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও
• বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়: ফেব্রুয়ারি বিপ্লব।
- এই বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেট্রোগ্রাদে (সেন্ট পিটার্সবার্গে) খাদ্য ঘাটতি নিয়ে দাঙ্গা শুরু হয়।
- সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে নিকোলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয় ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের কারণে।

⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় ধাপ বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব নামে খ্যাত।
- এই বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

তথ্যসূত্র - History.com & Britannica.com

৯১৩.
ইউরোপে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কোন চুক্তির মাধ্যমে ১৬৪৮ সালের ২৪ অক্টোবর ৩০ বছরের যুদ্ধের অবসান হয়?
  1. লুজান চুক্তি
  2. ভার্সাই চুক্তি
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
ব্যাখ্যা
Thirty Years War:
- ইউরোপে ধর্মকেন্দ্রিক যুদ্ধের সর্বশেষ উদাহরণ ছিলো ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধ।
- প্রোটেস্টান্ট জার্মানির উপর অস্ট্রিয়ান হ্যাপসবার্গের-এর প্রভাব অক্ষুন্ন রাখা, ডেনমার্কের রাজার উচ্চভিলাষ, বাল্টিক অঞ্চলে সুইডেনের একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার এবং হ্যাপসবার্গকে পরাজিত করে ফ্রান্সকে ইউরোপের শ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত করা এসব নিয়েই যুদ্ধ প্রলম্বিত হতে থাকে।
- ধর্মান্ধতা, স্বার্থপরতা, নিজেদের উচ্চাকাংক্ষা এবং প্রাধান্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় ইউরোপের সকল দেশ এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- দীর্ঘ ত্রিশবছর ধরে যুদ্ধে সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।

ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ত্রিশ বছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর বিপর্যস্ত ইউরোপের সকল দেশের প্রতিনিধিরা ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি ভিন্ন শান্তিচুক্তি পাস করে। 
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টাফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দীর্ঘ ত্রিশ বছরব্যাপী ধর্মজনিত এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি ইউরোপের শান্তির স্বপক্ষে প্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
- এই সন্ধির ভূ-খন্ডগত সীমানা নেপোলিয়নের যুগ পর্যন্ত বহাল থাকে।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১৪.
'আরব বসন্ত' এর সূচনা হয় কোথায়?
  1. সিরিয়া
  2. মিশর
  3. তিউনিশিয়া
  4. ইয়েমেন
সঠিক উত্তর:
তিউনিশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিউনিশিয়া
ব্যাখ্যা

আরব বসন্ত (Arab Spring):
- মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার কয়েকটি দেশে রাজতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্র উচ্ছেদ করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে আন্দোলন ২০১০ সালে শুরু হয়, সেগুলোকে একত্রে আরব বসন্ত বলে ।
- আরব বসন্তের শুরু হয়েছিল আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়ায়। এই কারনে তিউনিশিয়াকে আরব বসন্তের সূতিকাগার বলা হয়।
- পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যম ২০১১ সালে প্রথম মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংঘটিত গণআন্দোলনকে “আরব বসন্ত” ( Arab Spring ) আখ্যা দেয়।
- ২০১৩ সালের দিকে এসে আরব বসন্তের আন্দোলন স্তিমিত হয়ে যায়।
- আরব বসন্তের প্রভাবে তিউনিশিয়া, মিশর, লিবিয়া, ইয়েমেন, বাহরাইন, মরক্কো, সিরিয়া প্রভৃতি দেশে - ক্ষমতা বদল বা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ক্ষমতা হ্রাস ইত্যাদি পরিবর্তন ঘটেছে।
- এখনো এই তথাকথিত আরব বসন্তের জেরে সিরিয়া, ইয়েমেন, লিবিয়া প্রভৃতি দেশে চরম রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিরাজমান।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৯১৫.
ডোমিনো তত্ত্ব (domino theory) কী?
  1. একটি সামরিক কৌশল
  2. একটি অর্থনৈতিক তত্ত্ব
  3. একটি পরিবেশগত তত্ত্ব
  4. কমিউনিজমের বিস্তার সম্পর্কিত মার্কিন ধারণা
সঠিক উত্তর:
কমিউনিজমের বিস্তার সম্পর্কিত মার্কিন ধারণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিউনিজমের বিস্তার সম্পর্কিত মার্কিন ধারণা
ব্যাখ্যা
→ ডোমিনো তত্ত্ব (Domino theory) হল কমিউনিজমের বিস্তার সম্পর্কিত মার্কিন ধারণা।

ডোমিনো তত্ত্ব (Domino theory):
- ডোমিনো তত্ত্ব মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল ছিল, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গৃহীত হয়। এটি স্নায়ুযুদ্ধকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি।
- এই তত্ত্ব অনুযায়ী, যদি কোনো অ-কমিউনিস্ট রাষ্ট্র সমাজতন্ত্রের অধীনে চলে যায়, তবে তার প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলিও একে একে একই পরিণতির শিকার হবে, অর্থাৎ কমিউনিজম ছড়িয়ে পড়বে।
- ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করার সময় ডোমিনো তত্ত্ব ব্যাখ্যা করেন।
- প্রথমদিকে, প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান ১৯৪০-এর দশকে গ্রিস ও তুরস্ককে সামরিক সহায়তা পাঠানোর যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করতে এই তত্ত্ব ব্যবহার করেন।
- তবে এটি জনপ্রিয়তা পায় ১৯৫০-এর দশকে, যখন প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, বিশেষত দক্ষিণ ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসের ক্ষেত্রে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করেন।
- ডোমিনো তত্ত্বের ভিত্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনাম যুদ্ধে সামরিক হস্তক্ষেপ বাড়ায়।
- প্রেসিডেন্ট কেনেডি ও জনসন প্রশাসন এই তত্ত্বকে ভিত্তি করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সামরিক উপস্থিতি জোরদার করে।
- মার্কিন সরকার আশঙ্কা করেছিল, দক্ষিণ ভিয়েতনাম কমিউনিস্ট হলে লাওস, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, বার্মা ও ভারতেও এর প্রভাব পড়বে।
- ১৯৫০ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সমাজতন্ত্র ঠেকাতে সামরিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালায়।
- ১৯৭৫ সালে ভিয়েতনাম যুদ্ধের পর দক্ষিণ ভিয়েতনাম কমিউনিস্ট হলেও প্রতিবেশী দেশগুলোতে তত্ত্বটি পুরোপুরি কার্যকর হয়নি।
- স্নায়ুযুদ্ধের শেষদিকে ডোমিনো তত্ত্বের বৈধতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান এবং ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৯১৬.
গ্লাসনস্ত ও পেরেস্ত্রৈকা নীতি কোন নামে পরিচিত?
  1. ক) অখণ্ড ইউরোপ নীতি
  2. খ) সাম্যতার নীতি
  3. গ) সোভিয়েত পতন নীতি 
  4. ঘ) সংস্কার নীতি
সঠিক উত্তর:
ক) অখণ্ড ইউরোপ নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অখণ্ড ইউরোপ নীতি
ব্যাখ্যা
গ্লাসনস্ত (Glasnost)

প্রবর্তক: সাবেক সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ।
প্রবর্তন: ১৯৮৭।
পরিচয়: সোভিয়েত খোলানীতি (Open Discussion)।
বিষয়বস্তু: সোভিয়েত ইউনিয়নের জনগণ নির্ভয়ে খোলাখুলিভাবে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবেন, কমিউনিস্ট পার্টি ও রাষ্ট্রীয় নেতাদের কর্মকাণ্ডেরও সমালোচনা করতে পারবেন।
ফলাফল: এই নীতির আলোকে পশ্চিম ও পূর্ব ইউরোপের মধ্যে অখণ্ডতার প্রস্তাব দেন গর্বাচেভ। এই নীতি ব্যর্থ হওয়ায় সোভিয়েত বিভক্তি হয় ৷

পেরেস্ত্রৈকা (Perestroika)

প্রবর্তক: সাবেক সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ।
প্রবর্তন: ১৯৮৭।
পরিচয়: সোভিয়েত উদারনৈতিক অর্থনৈতিক সংস্কার (Development Discussion)।
বিষয়বস্তু: বনেদি সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে নয়া অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণে সচেষ্ট হয়। এরই সূত্র ধরে মার্কসবাদ আনুষ্ঠানিকভাবে বর্জিত হয়, লেনিনের রচনাবলি বিলুপ্ত হয়, বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু হয় ও বুর্জোয়া কালচারকে পুনরায় গ্রহণ করা হয়।
ফলাফল: ১৯৯১ সালে Union of Soviet Socialist Republics এর নাম পরিবর্তন হয়ে নতুন নাম হয় Union of Soviet Sovereign Republics। তবে এটিও ছিল ক্ষণস্থায়ী।


তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।
৯১৭.
ক্রিমিয়া যুদ্ধে পরাজিত হয় -
  1. রাশিয়া
  2. ফ্রান্স
  3. ব্রিটেন
  4. তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
ক্রিমিয়ার যুদ্ধ:
- ১৮৫৩ সাল থেকে ১৮৫৬ সাল পর্যন্ত ক্রিমিয়ার যুদ্ধ চলে।
- রাশিয়ার সঙ্গে এই যুদ্ধ চলে তুরস্ক তথা অটোমান সাম্রাজ্যের মিত্রশক্তি ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সারডিনিয়ার।
- ১৮৫৩ সালে ইউরোপের তুর্কি এলাকায় রাশিয়া আক্রমণ চালালে এ যুদ্ধের সূচনা হয়।
- রাশিয়া তুরস্কের নিয়ন্ত্রিত দারদানেলিস প্রণালী দিয়ে যুদ্ধ জাহাজ চলাচলের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তুরস্কের খ্রিস্টানদের রক্ষার অজুহাত তুলে এই যুদ্ধ শুরু করে।
- প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হবার পর ১৮৫৬ সালে এই যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে।
- এই যুদ্ধে রাশিয়া পরাজিত হয়।
- যুদ্ধে বিজয়ী হয় ফ্রান্স, ব্রিটেন ও অটোমান সাম্রাজ্য।

উৎস: Britannica.
৯১৮.
তৈমুর লঙ ভারতীয় উপমহাদেশে অভিযান পরিচালনা করেন কত সালে?
  1. ক) ১২৮৮
  2. খ) ১৩৫৬
  3. গ) ১৩৯৮
  4. ঘ) ১৩৯২
  5. ঙ) ১৩৯৪
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩৯৮
ব্যাখ্যা
মধ্য এশিয়ার সমরকন্দের অধিবাসী দুর্ধর্ষ বিজেতা তৈমুর লঙ এক বিশাল তুির্ক সৈন্যবাহিনী নিয়ে ১৩৯৮ খ্রিস্টাব্দে ভারত আক্রমণ করেন। ১৩৯৯ খ্রিস্টাব্দের ১৯ মার্চ অগণিত লুণ্ঠিত দ্রব্য, যুদ্ধবন্দী এবং কতিপয় বিখ্যাত শিল্পীসহ সমরকন্দে প্রত্যাবর্তনের পূর্বে খিজির খানকে লাহোর, মুলতান ও দিপালপুরের শাসনভার অর্পণ করেন। অর্থাৎ সমরকন্দের অধীনে ভারতের পশ্চিমাঞ্চলের শাসনকর্তা নিযুক্ত হন খিজির খান।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণির ইসলামের ইতিহাস -২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৯১৯.
কোন যুদ্ধটি “Arrow War” নামে পরিচিত?
  1. ক) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. খ) জাপান-চীন যুদ্ধ
  3. গ) প্রথম আফিম যুদ্ধ
  4. ঘ) দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
Opium Wars, two armed conflicts in China in the mid-19th century between the forces of Western countries and of the Qing dynasty, which ruled China from 1644 to 1911/12. The first Opium War (1839–42) was fought between China and Britain, and the second Opium War (1856–60), also known as the “Arrow War” or the “Anglo-French War” in China, was fought by Britain and France against China. In each case the foreign powers were victorious and gained commercial privileges and legal and territorial concessions in China.
Source: britannica.com
৯২০.
সম্প্রতি এশিয়ার কোন দেশটির গণআন্দোলন 'বসন্ত বিপ্লব' হিসেবে পরিচিতি লাভ করে?
  1. ক) শ্রীলঙ্কা
  2. খ) মিয়ানমার
  3. গ) তাজিকিস্তান
  4. ঘ) উজবেকিস্তান
সঠিক উত্তর:
খ) মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
- ২০২১ সালের ২ মে মিয়ানমার জুড়ে জান্তাবিরোধী হাজারো মানুষের বিক্ষোভ থেকে 'বসন্ত বিপ্লব'-এর ডাক দেয়া হয়।
- ২০২১ তারিখের ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচিত এন.এল.ডির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের দিন মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়।
- মিয়ানমারের রাষ্ট্রক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করে দেশটির সেনাবাহিনী।
- ২ ফেব্রুয়ারি তারিখে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা ১১ সদস্যের State Administration Council (SAC) গঠন করে।
- ১ আগস্ট জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইংকে মিয়ানমারের প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করা হয়।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও যুগান্তর রিপোর্ট।
৯২১.
'কমলা বিপ্লব' (Orange Revolution) সংঘটিত হয় কোন দেশে?
  1. ক) ইউক্রেন
  2. খ) জর্জিয়া
  3. গ) কিরগিজস্তান
  4. ঘ) তিউনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) ইউক্রেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
কমলা বিপ্লব (Orange Revolution)
ক্ষমতাবদলকে কেন্দ্র করে ২০০৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০০৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ইউক্রেনে সংঘটিত কিছু সরকার বিরোধী আন্দোলনকে “কমলা বিপ্লব” বা অরেঞ্জ রেভুলুশ্যন বলে।  

অন্যদিকে, 
• ২০০৩ সালে জর্জিয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তরকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক ঘটনাবলীর সমষ্টিকে গোলাপ বিপ্লব বলে।
• ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চে কিরগিজস্তানে নির্বাচনে কারচুপির পরিপ্রেক্ষিতে টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
• জেসমিন বিপ্লব : তিউনেশিয়া (২০১১)। 

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ডট কম।
৯২২.
মানব ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কবে?
  1. ক) ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ১৯৩৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৯৪১ সালের ৮ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৯৩৯ সালের ১ মে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিলো জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিলো ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ তে ৩০ টিরও বেশি দেশের ১০০ মিলিয়নেরও বেশি কর্মী সরাসরি জড়িত ছিলো।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাত; এর ফলে ৭০ থেকে ৮৫ মিলিয়ন প্রাণহানি ঘটে, যাদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক।

তথ্যসূত্র:- হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
৯২৩.
অপারেশন '_______' লোহিত সাগরে হুথি (Houthi) হামলার জবাবে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামুদ্রিক নিরাপত্তা উদ্যোগ।  
  1. ডেজার্ট স্টর্ম
  2. এন্ডিউরিং ফ্রিডম
  3. ব্লু হেলমেট
  4. প্রসপারিটি গার্ডিয়ান
সঠিক উত্তর:
প্রসপারিটি গার্ডিয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রসপারিটি গার্ডিয়ান
ব্যাখ্যা

● অপারেশন প্রসপারিটি গার্ডিয়ান লোহিত সাগরে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক হামলা ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের হুমকির জবাবে মার্কিন নেতৃত্বাধীন একটি বহুজাতিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা উদ্যোগ।

অপারেশন প্রসপারিটি গার্ডিয়ান (Operation Prosperity Guardian):
- অপারেশন প্রসপারিটি গার্ডিয়ান হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা উদ্যোগ যা ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ঘোষণা করা হয়।
- এটি লোহিত সাগর এবং এডেন উপসাগরে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা, ড্রোন ও মিসাইল আক্রমণের জবাবে গঠিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য ছিল আন্তর্জাতিক নৌপথে স্বাধীন নেভিগেশন (freedom of navigation) নিশ্চিত করা এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য ও সমুদ্রপথের নিরাপত্তা রক্ষা করা।

⇒ এই অপারেশন Combined Maritime Forces (CMF)-এর অধীনে Task Force 153-এর নেতৃত্বে পরিচালিত হয়।
- এতে যুক্তরাজ্য, বাহরাইন, কানাডা, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, সেশেলস, স্পেনসহ ২০টিরও বেশি দেশ অংশ নেয়।
- এটি হুথিদের হামলার প্রত্যক্ষ প্রতিক্রিয়া হিসেবে গঠিত হয়। 

উল্লেখ্য, 
- গাজা উপত্যকায় হামাসের বিরুদ্ধে ইসরাইলের হামলা শুরুর পর থেকেই লোহিত সাগরে রীতিমতো ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী- হুতি। 
- ইসরাইলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পাশাপাশি হুতিরা লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্যও হুমকি হয়ে উঠছে।

অন্যদিকে,
- ডেজার্ট স্টর্ম: অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম (Operation Desert Storm) হলো ১৯৯১ সালে ইরাকের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ৩৪টি দেশের যৌথ বাহিনী পরিচালিত একটি সামরিক অভিযান যা উপসাগরীয় যুদ্ধের মূল পর্যায় ছিল।
- এন্ডিউরিং ফ্রিডম: অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম (OEF) হলো ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর ৯/১১ হামলার জবাবে আফগানিস্তানে শুরু হওয়া মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক অভিযান। এটি আল-কায়েদা ও তালেবানকে ধ্বংস এবং ওসামা বিন লাদেনকে ধরার লক্ষ্যে শুরু হয়।
- ব্লু হেলমেট: ব্লু হেলমেট (Blue Helmets) হলো জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর সদস্য যারা বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠা, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে।

উৎস: i) Reuters.
ii) BBC.
iii) U.S. Department of War (.gov) ওয়েবসাইট।

৯২৪.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  2. উইনস্টন চার্চিল
  3. জোসেফ স্ট্যালিন
  4. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
সঠিক উত্তর:
উইনস্টন চার্চিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইনস্টন চার্চিল
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:

- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিলো জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিল ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

তথ্যসূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।
৯২৫.
'জনগণতান্তিক' বিপ্লবের তত্ত্ব দিয়েছিলেন কে?
  1. সান ইয়াৎ সেন
  2. মাও সেতুং
  3. কার্ল মার্কস
  4. কনফুসিয়াস
সঠিক উত্তর:
মাও সেতুং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাও সেতুং
ব্যাখ্যা
→ মাও সেতুং 'জনগণতান্তিক' বিপ্লবের তত্ত্ব দেন

• মাও সেতুং:
- চীনা কমিউনিষ্ট আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাও সেতুং।
- বর্তমান সংস্করণ মাও জে ডং ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রধান স্থপতি।
- তিনি হুনান প্রদেশে শাওশান গ্রামে কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- মাঞ্চু সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে (১৯১১-১২) ন্যাশনাষ্টি আর্মির পক্ষে যুদ্ধ করেন। 
- ১৯২০ সালে মাও জে ডং চাংশা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদে যোগদান করেন।
- মার্কসবাদী হয়ে উঠেন এবং সাংহাই কমিউনিষ্ট পার্টির দলে যোগ দেন।
- মাও জে ডং হুনান কৃষকদের সংগঠিত করার কাজে পুরোমাত্রায় রাজনৈতিক কর্মী বনে যান।
- চীনের মতো আধা সামন্ততান্তিক ও আধা উপনিবেশিক দেশে দরিদ্র চাষীরাই বিপ্লব সংগঠনে প্রধান শক্তি হিসেবে কাজ করবে।
- সর্বহারা শ্রেণীর বিপ্লবী তত্ত্বের সাথে;
- 'আধা উপনিবেশিক ও আধা-সামন্তবাদী' সমাজ ব্যবস্থায় 'জনগণতান্তিক' বিপ্লবের তত্ত্ব দেন।

উৎস: বিশ্ব ইতিহাস ও সভ্যতা, এস এস এইচ এল প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২৬.
পেলোপোনেশিয়ান যুদ্ধ কাদের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. গ্রিস ও তুরস্ক
  2. গ্রিস ও ইতালি
  3. এথেন্স ও স্পার্টা
  4. রোম ও সিসিলি
সঠিক উত্তর:
এথেন্স ও স্পার্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এথেন্স ও স্পার্টা
ব্যাখ্যা
পেলোপোনেশিয়ান যুদ্ধ:
- পেলোপোনেশিয়ান যুদ্ধ (৪৩১–৪০৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) প্রাচীন গ্রীসের দুই প্রধান নগর-রাষ্ট্র, এথেন্স এবং স্পার্টার মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল।
- প্রতিটি নগর-রাষ্ট্র তাদের নিজ নিজ মিত্রদের নেতৃত্ব দিয়েছিল, যা প্রায় প্রতিটি গ্রীক নগর-রাষ্ট্রকে অন্তর্ভুক্ত করেছিল।
- এই যুদ্ধ প্রায় পুরো গ্রীক বিশ্বকে গ্রাস করেছিল এবং ইতিহাসবিদ থুসিডিডিস এটিকে সেই সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করেন।
- এথেনীয় জোট আসলে একটি সাম্রাজ্য ছিল, যা এজিয়ান সাগরের উত্তর ও পূর্ব উপকূলের বেশিরভাগ দ্বীপ এবং উপকূলীয় নগর-রাষ্ট্রকে অন্তর্ভুক্ত করেছিল।
- স্পার্টা ছিল স্বতন্ত্র রাজ্যগুলোর একটি জোটের নেতা, যার মধ্যে পেলোপোনেশাস এবং মধ্য গ্রীসের প্রধান স্থলশক্তিগুলো এবং নৌ শক্তি করিন্থ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- এথেনীয়দের নৌবাহিনী ছিল শক্তিশালী।
- স্পার্টার স্থলবাহিনী ছিল অধিকতর ক্ষমতাবান।
- এথেনীয়রা তাদের সাম্রাজ্য থেকে প্রাপ্ত নিয়মিত খাজনার মাধ্যমে বড় আর্থিক সংস্থান তৈরি করেছিল, যা তাদের শত্রুদের তুলনায় আর্থিকভাবে বেশি প্রস্তুত থাকতে সাহায্য করেছিল।
- সর্বশেষ ফলাফল: এথেন্স এর পরাজয়। 

উৎস: Britannica. 
৯২৭.
কোন ঘটনাটি আগে ঘটেছিল?
  1. ক) জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা
  2. খ) চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব
  3. গ) ভারতের স্বাধীনতা লাভ
  4. ঘ) রাশিয়ার বলশেভিক বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাশিয়ার বলশেভিক বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাশিয়ার বলশেভিক বিপ্লব
ব্যাখ্যা
রাশিয়ার বলশেভিক বিপ্লব সংঘটিত হয় ১৯১৭ সালে, চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয় ১৯৬৬ সালে, ভারত স্বাধীনতা লাভ করে ১৯৪৭ সালে এবং আর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৪৫ সালে।
৯২৮.
'নুরেমবার্গ ট্রায়াল' কীসের সাথে সম্পর্কিত?  
  1. ১ম বিশ্বযুদ্ধ 
  2. ২য় বিশ্বযুদ্ধ
  3. ভিয়েতনাম যুদ্ধ 
  4. উপসাগরীয় যুদ্ধ 
সঠিক উত্তর:
২য় বিশ্বযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা

• নুরেমবার্গ ট্রায়াল:
- 'নুরেমবার্গ ট্রায়াল' যুদ্ধাপরাধ-এর সাথে সংশ্লিষ্ট।
- নুরেমবার্গ ট্রায়াল হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫-৪৬ সালে জার্মানির বাভারিয়া রাজ্যের নুরেমবার্গ শহরে অনুষ্ঠিত বিচার প্রক্রিয়ার নাম।

 ইন্টারন্যাশনাল মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল হিটলারের নাৎসি বাহিনীর নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ গঠন করে এবং তাদের বিচার করে।
- তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো ছিল মূলত চার ধরনের যথা:
১. শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন: আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন করে ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পরিকল্পনা, যুদ্ধের জোগাড় এবং যুদ্ধ শুরু করা।
২. মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন: মানুষকে সমূলে বিনাশ করা, বাসস্থান থেকে বিতাড়ন করা এবং গণহত্যা।
৩. যুদ্ধাপরাধ তথা যুদ্ধের আইনসমূহ লঙ্ঘন।
৪. উপরিউক্ত তিনটি অপরাধ করার সাধারণ পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র করা।

⇒ আন্তর্জাতিক এই সামরিক ট্রাইবুনালে বিশিষ্ট ২২ জন নাৎসি কর্মকর্তার বিচার শুরু হয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরপরই নুরেমবার্গের আদালতে শীর্ষ নাৎসি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
- যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের কারণে বিচার হয় তাদের।
- বিচারাধীনদের মধ্যে ছিল সামরিক কর্মকর্তা, রাজনীতিক, অর্থনৈতিক উপদেষ্টা।
- ১৯৪৫ সালের ২০ নভেম্বর শুরু হয় এই বিচার।

উৎস: Britannica.

৯২৯.
কী উদ্ভাবনের মধ্য দিয়ে ১ম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল?
  1. ইন্টারনেট
  2. বিদ্যুৎ
  3. মোবাইল ফোন
  4. বাষ্পীয় ইঞ্জিন
সঠিক উত্তর:
বাষ্পীয় ইঞ্জিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাষ্পীয় ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা
বাষ্পীয় ইঞ্জিন উদ্ভাবনের মধ্য দিয়ে ১ম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল।

শিল্প বিপ্লব (Industrial Revolution):

- আঠারো শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে যে দ্রুত শিল্পায়ন ও নগরায়ন সংঘটিত হয়, তাকে শিল্প বিপ্লব বলা হয়।

⇒ ১ম শিল্প বিপ্লব:
- প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০-১৮৪০ সাল।
- ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়।
- তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।
- ব্রিটিশ অর্থনৈতিক ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি (Arnold Toynbee) ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝানোর জন্য ‘শিল্প বিপ্লব' (Industrial Revolution) শব্দটি ব্যবহার করেন।
- ইংল্যান্ডে শুরু হলেও খুব দ্রুতই ইউরোপের অন্যান্য দেশ বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে।
- ইউরোপের পাশাপাশি ১৭৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়া লাগে।
- শিল্প বিপ্লবের ফলে পণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা খুব দ্রুত পরিবর্তত হতে থাকে।
- এই সময় বাষ্পীয় ইঞ্জিন, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও তত্ত্ব আবিষ্কার হতে থাকে।
- ফলে বিশ্বের ইতিহাসও খুব দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে।

উৎস: Britannica.
৯৩০.
কোন দেশ থেকে আরব বসন্তের সূচনা হয়?
  1. তিউনিসিয়া
  2. আলবেনিয়া
  3. আলজেরিয়া
  4. মিশর
সঠিক উত্তর:
তিউনিসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিউনিসিয়া
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত:
- আরব বসন্ত ছিল মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ঘটে যাওয়া এক তরঙ্গময় গণআন্দোলন।
- এই আন্দোলন শুরু হয় ২০১০ সালের শেষদিকে তিউনিসিয়া থেকে, এবং ২০১১ সালের শুরুতে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেন সহ অনেক আরব দেশে।
- তিউনিসিয়ার একজন তরুণ রাস্তার ফেরিওয়ালা মোহাম্মদ বুয়াজিজি, পুলিশের নির্যাতনের প্রতিবাদে নিজেকে আগুন দিয়ে আত্মাহুতি দেন।
- এই ঘটনাই “জ্যাসমিন বিপ্লব” নামে গণআন্দোলনের সূত্রপাত করে।

বিভিন্ন দেশে আন্দোলন:
- তিউনিসিয়া – সরকার পতন ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। 
- মিশর – হোসনি মুবারক পদত্যাগ করেন। 
- লিবিয়া – গাদ্দাফির পতন এবং সহিংস গৃহযুদ্ধ। 
- সিরিয়া – গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। 
- ইয়েমেন – সরকারে পরিবর্তন, কিন্তু পরে সংঘর্ষ। 

উৎস: Britannica.
৯৩১.
কোন বিপ্লবের ফলস্বরূপ চেক প্রজাতন্ত্র ও স্লোভাকিয়া নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়?
  1. ভেলভেট বিপ্লব
  2. অরেঞ্জ বিপ্লব
  3. সিডার বিপ্লব
  4. স্লোভান বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
ভেলভেট বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেলভেট বিপ্লব
ব্যাখ্যা

• ভেলভেট বিপ্লব (Velvet Revolution):
- ১৯৮৯ সালে চেকোস্লোভাকিয়াতে একটি অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে কমিউনিস্ট শাসনের পতন ঘটে।
- এই বিপ্লব খুব শান্তিপূর্ণভাবে সংঘটিত হয়েছিল, তাই একে "Velvet Revolution" বলা হয়।
- ফলাফল: কমিউনিস্ট শাসন থেকে দেশ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হয়।
- এরপর রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক টানাপোড়েনের কারণে চেক ও স্লোভাক অঞ্চলের মধ্যে আলাদা রাষ্ট্র গঠনের দাবি জোরদার হয়।
- চূড়ান্ত বিভাজন: ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি চেকোস্লোভাকিয়া শান্তিপূর্ণভাবে ভেঙে যায়।
- জন্ম নেয় দুটি নতুন স্বাধীন রাষ্ট্র:চেক প্রজাতন্ত্র (Czech Republic) ও স্লোভাকিয়া (Slovakia)।
- এই বিভাজনকে বলা হয়: "Velvet Divorce" (ভেলভেট তালাক) কারণ এটি রক্তপাতহীন ও শান্তিপূর্ণভাবে সংঘটিত হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯৩২.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় 'দ্য বিগ থ্রি' (The Big Three) বলতে কোন তিনজন নেতাকে বোঝানো হতো?
  1. হিটলার, মুসোলিনি, স্ট্যালিন
  2. রুজভেল্ট, চার্চিল, স্ট্যালিন
  3. দ্য গল, চিয়াং কাই-শেক, রুজভেল্ট
  4. চার্চিল, রুজভেল্ট, দ্য গল
সঠিক উত্তর:
রুজভেল্ট, চার্চিল, স্ট্যালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুজভেল্ট, চার্চিল, স্ট্যালিন
ব্যাখ্যা

- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মিত্রশক্তির প্রধান তিন নেতা ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা জোসেফ স্ট্যালিন। তাদের জোট 'গ্র্যান্ড অ্যালায়েন্স' নামে পরিচিত ছিল এবং বিজয়ের জন্য এটি অপরিহার্য ছিল।

তেহরান সম্মেলন:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪৩ সালের ২৮ নভেম্বর- ১ ডিসেম্বর ইরানের রাজধানী তেহরানে তেহরান সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনের কোড নাম ‘ইউরেকা’।
- এটি 'দ্য বিগ থ্রি' মিত্র নেতাদের (সোভিয়েত ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রথম সম্মেলন।

উল্লেখ্য,
- তেহরান সম্মেলনে প্রথমবারের মতো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট, সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বোচ্চ নেতা জোসেফ স্ট্যালিন এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল এক সাথে উপস্থিত ছিলেন।
- এরা 'দ্য বিগ থ্রি' নেতা হিসেবে খ্যাত।
- এই সম্মেলনকে ঘিরে তিন পক্ষের আকাঙ্ক্ষা ছিল সর্বোচ্চ।
- শুধুমাত্র জার্মানি এবং জাপানকে পরাজিত করাই এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য ছিল না।
- একইসাথে যুদ্ধত্তোর বিশ্ব কেমন হবে এবং সেখানে তাদের ভূমিকা কতটুক থাকবে এসব বিষয়কে আলোচনায় প্রাধান্য দেয়া হয়।

সূত্র: Britannica ও THE NATIONAL WWII MUSEUM NEW ORLEANS ওয়েবসাইট। 

৯৩৩.
জাপান মার্কিন নৌ-ঘাঁটি 'পার্ল হারবার' আক্রমণ করে কত সালে?
  1. ১৯৪০
  2. ১৯৪১
  3. ১৯৪২
  4. ১৯৪৩
সঠিক উত্তর:
১৯৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪১
ব্যাখ্যা
পার্ল হারবার আক্রমণ:

- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ পার্ল হারবার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি।
- ঘাঁটিটি বানানো হয় ১৯০৮ সালে।
- এরপর ১৯৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে স্থানান্তর করা হয়।
- কৌশলগত দিক দিয়ে এই ঘাঁটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকা।
- যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল এবং জাপান থেকে প্রায় চার হাজার মাইলে দূরে অবস্থিত ছিল এই নৌঘাঁটি।
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে আক্রমণ করে বসে জাপানের সামরিক বাহিনী।
- জাপানের এই আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যায়।
- জাপানের এই অতর্কিত ও ধ্বংসাত্মক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বযুদ্ধে উদাসীন থাকা যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে অংশ নেয় সক্রিয়ভাবে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে জাপান ছিল আগ্রাসি একটা দেশ। চীনের সঙ্গে পরপর দুটি যুদ্ধজয়ের পর রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধজয়ে জাপান আরও বেশি আগ্রাসি হয়ে ওঠে।
- এরপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জয়লাভ করায় জাপান আরও সাম্রাজ্যবাদী হয়ে ওঠে।
- ১৯৩১ সালে চীনের মাঞ্চুরিয়া আক্রমণের মধ্য দিয়ে জাপান তাদের আধিপত্য বিস্তার শুরু করে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২।
৯৩৪.
'ডেজার্ট ফক্স' নামে পরিচিত ছিলেন কে?
  1. ফিল্ড মার্শাল রোমেল
  2. ফিল্ড মার্শাল উইলহেম কেইটেল
  3. ফিল্ড মার্শাল বার্নার্ড রোমেল
  4. ফিল্ড মার্শাল ভন লিস্ট
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড মার্শাল রোমেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড মার্শাল রোমেল
ব্যাখ্যা
ডেজার্ট ফক্স:
- ফিল্ড মার্শাল রোমেল ছিলেন একজন জার্মান ফিল্ড মার্শাল।
- তিনি ইতিহাসে ‘ডেজার্ট ফক্স’ বা ‘মরুভূমির শিয়াল’ নামে খ্যাত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আফ্রিকা কর্পের (Afrika Korps) যুদ্ধে তিনি বিশেষ কৃতিত্ব দেখান এবং খুব দ্রুতই এসব অঞ্চল জার্মান নাৎসি বাহিনীর আয়ত্বে নিয়ে আসেন।
- এই কারণেই তিনি 'ডেজার্ট ফক্স' নামে পরিচিত হয়ে উঠেন।

উৎস: হিস্টোরি ডট কম।
৯৩৫.
কোন দুটি দেশের মধ্যে শাত-ইল-আরব জলপথকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. ক) সৌদি আরব-ইয়েমেন
  2. খ) বাহরাইন-ইরান
  3. গ) ইরাক-কুয়েত
  4. ঘ) ইরাক-ইরান
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইরাক-ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইরাক-ইরান
ব্যাখ্যা
‘শাত-ইল-আরব’: 
-  এই জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- এর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ইরাক ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে। 
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ চলে।
- তাঁর আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এতে ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে ইরাক ও ইরানের মধ্যে মীমাংসা।

তথ্যসূত্র: হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
৯৩৬.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কোন দেশটি নিরপেক্ষ ছিল? 
  1. সুইডেন
  2. অস্ট্রিয়া
  3. বুলগেরিয়া
  4. সার্বিয়া
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (World War-I): 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়েছিল ১৯১৪ সালে এবং এর পরিমাপ্তি হয় ১৯১৮ সালে। 
- ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
- এই যুদ্ধের কারণ হিসেবে ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্য বসনিয়া-হার্জেগোভিনা দখল করা এবং আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের হত্যাকাণ্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়।

⇒ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বা দ্য গ্রেট ওয়ার:
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।

উল্লেখ্য,
- সুইডেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিরপেক্ষ দেশ ছিল। সুইডেন তার নিরপেক্ষতার জন্য সারা বিশ্বে পরিচিত ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সুইডেন নিরপেক্ষতা ঘোষণা করে।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.

৯৩৭.
নিচের কোন দেশটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় অক্ষশক্তির পক্ষ অবলম্বন করে?
  1. ক) বুলগেরিয়া
  2. খ) বেলজিয়াম
  3. গ) সার্বিয়া
  4. ঘ) ইতালি
সঠিক উত্তর:
ক) বুলগেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বুলগেরিয়া
ব্যাখ্যা
• ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরি কর্তৃক সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা ঘটে।  
• যুদ্ধ সংঘটনকাল - ২৮ জুলাই, ১৯১৪ - ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দ।
• যুদ্ধ সংঘটন স্থান - ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্য।
অক্ষশক্তি - জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, গ্রীস ও তুরস্ক।
• মিত্রশক্তি - রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান, চীন, সার্বিয়া, রোমানিয়া ও বেলজিয়াম প্রভৃতি দেশ।  
• ফলাফল - মিত্রশক্তি বিজয়ী।    

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ডট কম।
৯৩৮.
হিরোশিমা নগরীতে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয় -
  1. ৩ আগস্ট, ১৯৪৫
  2. ৬ আগস্ট, ১৯৪৫
  3. ৯ আগস্ট, ১৯৪৫
  4. ১১ আগস্ট, ১৯৪৫
সঠিক উত্তর:
৬ আগস্ট, ১৯৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ আগস্ট, ১৯৪৫
ব্যাখ্যা

• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও পারমানবিক বোমা:
- ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র জাপানের হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা লিটল বয় নিক্ষেপ করে।
- ১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র আরেক শহর নাগাসাকিতে আরো একটি পারমাণবিক বোমা ফ্যাট ম্যান নিক্ষেপ করে।
- লিটল বয় ও ফ্যাট ম্যান নামক পারমাণবিক বোমা দুটি নিক্ষেপের নির্দেশদাতা ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হেনরি ট্রুম্যান।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯৩৯.
ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাশিয়ার কোন শাসকের পতন ঘটে?
  1. লেনিন
  2. জার দ্বিতীয় নিকোলাস
  3. কেরেনস্কি
  4. স্টালিন
সঠিক উত্তর:
জার দ্বিতীয় নিকোলাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার দ্বিতীয় নিকোলাস
ব্যাখ্যা

রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় রুশ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- মোট দুইটি বিপ্লব সংঘটিত হয়। এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই বিপ্লবের ফলে রাশিয়ার সাম্রাজ্যবাদী শাসনের পতন ঘটে এবং ১৯২২ সালে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব (মার্চ, ১৯১৭):
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রোমানভ রাজবংশের পতন ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়। 
- একটি অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং পরবর্তীতে অক্টোবর বিপ্লবে বলশেভিকরা ক্ষমতা দখল করে রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের অবসান ঘটায়।

⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব (নভেম্বর, ১৯১৭):
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন।
- ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিক পার্টি অস্থায়ী সরকারকে উৎখাত করে এবং ক্ষমতা দখল করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- লেনিন বিশ্বের প্রথম কমিউনিস্ট রাষ্ট্রের একনায়ক হয়ে ওঠেন।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.

৯৪০.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কী নামে পরিচিত ছিলো?
  1. ক) বার্লিন ট্রায়াল
  2. খ) হাইডেলবার্গ ট্রায়াল
  3. গ) নুরেমবার্গ ট্রায়াল
  4. ঘ) ট্রায়াল অব বার্লিন
সঠিক উত্তর:
গ) নুরেমবার্গ ট্রায়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নুরেমবার্গ ট্রায়াল
ব্যাখ্যা
নুরেমবার্গ ট্রায়াল হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫-৪৬ সালে জার্মানির বাভারিয়া রাজ্যের নুরেমবার্গ শহরে অনুষ্ঠিত বিচার প্রক্রিয়ার নাম।

- নাৎসি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার জন্য, নুরেমবার্গ ট্রায়াল ছিল ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৯ সালের মধ্যে জার্মানির নুরেমবার্গে অনুষ্ঠিত ১৩টি ট্রায়াল।
- নাৎসি নেতা অ্যাডলফ হিটলার (1889-1945) আত্মহত্যা করেছিলেন এবং তাকে কখনও বিচারের মুখোমুখি করা হয়নি।
- যদিও বিচারের জন্য আইনগত ন্যায্যতা এবং তাদের প্রক্রিয়াগত উদ্ভাবনগুলি সেই সময়ে বিতর্কিত ছিল।
- ১৯৪৫ সালের ২০ নভেম্বর শুরু হয় এই বিচার।

উৎস: History.com
৯৪১.
ট্রাফালগার যুদ্ধ সংঘটিত হয় কোন দেশে?
  1. ইংল্যান্ড
  2. স্পেন
  3. ফ্রান্স
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
স্পেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেন
ব্যাখ্যা

• ট্রাফালগার যুদ্ধ: 
- ট্রাফালগার যুদ্ধ ছিলো ইতিহাসের অন্যতম রক্তক্ষয়ী নৌযুদ্ধ।
- ট্রাফালগারের যুদ্ধ স্পেনে, কেপ ট্রাফালগারের উপকূলে সংঘটিত হয়েছিল।
- ১৮০৫ সালের ২১ অক্টোবর স্পেন উপকূলে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়, ফ্রান্স ও স্পেনের মিলিত নৌশক্তির বিরুদ্ধে এডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটেন জয় লাভ করে।
- এই যুদ্ধে ব্রিটেনের বিজয় ও নেলসনের প্রতি সম্মান জানাতে, লন্ডনে নেলসনের সমাধির পাশে ট্রাফালগার স্কয়ার নির্মিত হয়।
- ট্রাফালগার স্কয়ার বর্তমানে ইংল্যান্ডের সেন্ট্রাল লন্ডনে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মিলনস্থল। 

উৎস: ব্রিটানিকা.কম, হিস্টোরি ওয়েবসাইট।

৯৪২.
বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে কখন?
  1.  ১৮৮৯ সালে
  2.  ১৭৮৯ সালে
  3.  ১৭৯৯ সালে
  4.  ১৮৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
 ১৭৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ১৭৮৯ সালে
ব্যাখ্যা

ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এই বিপ্লব হয়েছিল ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই।
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল। এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।

উৎস: Britannica.com

৯৪৩.
বসনিয়ায় যুদ্ধ বিরতি স্বাক্ষরের মধ্যস্থতাকারী কে?
  1. ক) বিল ক্লিনটন
  2. খ) জিমি কার্টার
  3. গ) নিক্সন
  4. ঘ) রিগান
সঠিক উত্তর:
ক) বিল ক্লিনটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা

ডেটন শান্তি চুক্তি (Dayton Peace Agreement):
ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina। বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।

- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।

তথ্যসূত্রঃ হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।

৯৪৪.
কারগিল যুদ্ধ কোন দুটি দেশের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. চীন-ভারত
  2. বাংলাদেশ-ভারত
  3. আফগানিস্তান-পাকিস্তান
  4. ভারত-পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ভারত-পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত-পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
কারগিল যুদ্ধ: 
- কারগিল যুদ্ধ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল।
- ১৯৯৯ সালের মে মাসে পাকিস্তানি সেনারা লাইন অফ কন্ট্রোল (LoC) অতিক্রম করে ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে। 
- এতে যুদ্ধের সূচনা হয়। এই যুদ্ধ প্রায় তিন মাস স্থায়ী ছিল এবং ২৬ জুলাই ১৯৯৯ সালে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয় ঘোষণা করে। কারগিল যুদ্ধের কারণে দুই দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং এতে উভয় পক্ষের বহু সেনা হতাহত হয়। 

উল্লেখ্য, 
- ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকা কারগিল।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে অস্ত্রসজ্জিত সীমান্ত। 

সূত্র: বিবিসি নিউজ ও ডয়েচে ভেলে।
৯৪৫.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন কে?
  1. অটো ভন বিসমার্ক
  2. দ্বিতীয় উইলিয়াম
  3. থিওবাল্ড ভন বেথমান হলওয়েগ
  4. লিও ভন ক্যাপ্রিভিও
সঠিক উত্তর:
থিওবাল্ড ভন বেথমান হলওয়েগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থিওবাল্ড ভন বেথমান হলওয়েগ
ব্যাখ্যা
- ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরি কর্তৃক সার্বিয়া আক্রমণের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়। এই ‍যুদ্ধে পরবর্তীতে বিশ্বশক্তিগুলো অক্ষশক্তি ও মিত্রশক্তিতে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- অক্ষশক্তিতে ছিলো জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তিতে ছিলো সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।
- যুদ্ধে অক্ষশক্তি পরাজিত হয়। ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর জার্মানি ‍যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে বাধ্য হওয়ার মধ্যদিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কালীন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান:
- জার্মান চ্যান্সেলর : থিওবাল্ড ভন বেথমান হলওয়েগ, জর্জ মিখাইল, জর্জ ভন হার্টলিং, ফ্রেডেরিখ অ্যাবেট
- জার্মান কাইজার : দ্বিতীয় উইলিয়ম
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী : জর্জ লয়েড
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট : উড্রো উইলসন
- রাশিয়ার জার : দ্বিতীয় নিকোলাস
- জাপানের সম্রাট : যুসোহিতো
- ইতালির প্রধানমন্ত্রী : ভিট্টোরিও অরল্যান্ডো
- অটোমান সুলতান : ষষ্ঠ মেহমুদ।
(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
৯৪৬.
'১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ' কী নামে পরিচিত?
  1. অপারেশন এনডুরিং ফ্রিডম
  2. অপারেশন অডিসি ডন
  3. অপারেশন বারবারোসা
  4. অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
সঠিক উত্তর:
অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
ব্যাখ্যা
অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম:
- '১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ' অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- 'অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম' এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ইরাক এবং ৩৪টি দেশের জাতিসংঘ অনুমোদিত যৌথ বাহিনীর মধ্যে।
- ১৯৯০ সালের আগস্ট মাসে ইরাকের কুয়েত আগ্রাসন এবং কুয়েতি ভূ-খন্ড দখলের প্রেক্ষিতে ইরাক বাহিনীর হাত থেকে কুয়েতকে মুক্ত করাই ছিল সে যুদ্ধের উদ্দেশ্য।
- ১৯৯০ সালের ২ আগস্ট ইরাক কর্তৃক কুয়েত আক্রান্ত হলে ১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি মার্কিন নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক বাহিনী ইরাকের উপর বিমান হামলা শুরু করে।
- ইরাকের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধই ‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম’ নামে পরিচিত।
- বহুজাতিক বাহিনীর আক্রমণের মুখে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরাকি বাহিনী পরাজয় বরণ করে।
- এই যুদ্ধ প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
- আফগানিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান - অপারেশন এনডুরিং ফ্রিডম।
- অপারেশন অডিসি ডন (Operation Odyssey Dawn) লিবিয়ায় মার্কিন তথা আন্তর্জাতিক মিলিটারি অপারেশনস-এর কোড নাম।
- ১৯৪১ সালে ২২ জুন জার্মানীর হিটলার 'অপারেশন বারবারোসা' নামে পরিচিত সোভিয়েত ইউনিয়ন অভিযান শুরু করেছিলেন।

উৎস: Britannica.
৯৪৭.
Velvet Revolution ছিল-
  1. ক) দাস প্রথা বিরোধী বিপ্লব
  2. খ) শিল্প ও সাংস্কৃতিক বিপ্লব
  3. গ) অহিংস সমাজতন্ত্র বিরোধী বিপ্লব
  4. ঘ) ভোট কারচুপির অভিযোগে সংঘটিত বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
গ) অহিংস সমাজতন্ত্র বিরোধী বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অহিংস সমাজতন্ত্র বিরোধী বিপ্লব
ব্যাখ্যা
Velvet Revolution স্থানীয়ভাবে Gentle Revolution নামে পরিচিত। এটি ছিল চেকোস্লোভাকিয়ায় অহিংস সমাজতন্ত্র বিরোধী বিপ্লব। চেকোস্লোভাকিয়া কমিউনিস্ট পার্টির একদলীয় সরকার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী এবং প্রবীণদের নেতৃত্বে ১৭ নভেম্বর থেকে ২৯ শে ডিসেম্বর, ১৯৮৯ সালে এই বিক্ষোভটি হয়েছিল। এর ফলে চেকোস্লোভাকিয়ায় ৪১ বছরের একদলীয় শাসনের সমাপ্তি ঘটে। সূত্র- worldatlas ওয়েবসাইট।
৯৪৮.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কখন সংঘটিত হয়?
  1. ১৯২০-১৯২৫ সাল
  2. ১৯২৯-১৯৩৩ সাল
  3. ১৯৩৯-১৯৪৫ সাল
  4. ১৯৪৯-১৯৫২ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৩৯-১৯৪৫ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩৯-১৯৪৫ সাল
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (World War-II):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্থায়িত্বকাল ছিল ১৯৩৯ - ১৯৪৫ সাল।

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পক্ষ ছিলো দুইটি: অক্ষ শক্তি, মিত্র শক্তি। 
- অক্ষ শক্তির প্রধানতম দেশ: জার্মানি, ইতালি, জাপান। 
- মিত্র শক্তির প্রধানতম দেশ: যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, ফ্রান্স।

⇒ যুদ্ধের ফলাফল: মিত্রবাহিনী জয়লাভ করে। 
- জার্মানি মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে ১৯৪৫ সালের ৮ মে। এই দিনটিকে V-E (Victory in Europe) Day বলে।
- ১৯৪৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর টোকিও বে-তে যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস মিসৌরিতে জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে। এই দিনটিকে বলা হয় V-J (Victory over Japan) Day।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com 

৯৪৯.
ম্যারাথন দৌড়ের প্রচলন কোন ঐতিহাসিক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ঘটে?  
  1. ক্রুসেড যুদ্ধ 
  2. গ্রিক-পারস্য যুদ্ধ
  3. শতবর্ষ যুদ্ধ
  4. ট্রয় যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
গ্রিক-পারস্য যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিক-পারস্য যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

• গ্রিক-পারস্য যুদ্ধ:
- সাইরাস ছিলেন পারস্যের অ্যাকামেনীয় সম্রাট এবং তার শাসনামলে পারস্য একটি ক্ষতিকর রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
-  প্রথমে তিনি গ্রিক অভিযানে অংশ নিয়ে এবং নগর রাষ্ট্র সমূহের ওপর ধ্বংসলীলা চালায়। 

• গ্রিক-পারস্য যুদ্ধ (ম্যারাথন):
- খ্রিস্টপূর্ব ৪৯০ অব্দে, ম্যারাথন নামক স্থানে সংঘটিত হওয়া গ্রিক-পারস্য যুদ্ধে সাইরাসের বিপক্ষে গ্রিকরা পারস্য বাহিনীকে পরাজিত ও বিতাড়িত করে।
- এই ঘটনাটি পরবর্তীতে ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতার জন্ম দেয়। 
- প্রতি ৪ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত এ খেলায় বিভিন্ন নগররাষ্ট্রের খেলোয়াড়রা অংশ নেয়। 

তথ্যসূত্র: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৫০.
কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে পরমাণু বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন?
  1. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
  2. জন এফ. কেনেডি
  3. হ্যারি এস ট্রুম্যান
  4. ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
সঠিক উত্তর:
হ্যারি এস ট্রুম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যারি এস ট্রুম্যান
ব্যাখ্যা
লিটলবয় ও ফ্যাটম্যান:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন প্রায় শেষের পথে, তখন আগস্টে জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে পরমাণু বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বে প্রথম কোন যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছিল গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্র।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।
- মারা গিয়েছিল হাজার হাজার মানুষ।

লিটলবয়:
- জাপানের হিরোশিমা শহরে ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে বোমা বর্ষণ করে।

ফ্যাটম্যান:
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে।

উৎস: History.com.
৯৫১.
ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা কে ছিলেন?
  1. দ্বাদশ লুই
  2. ষোড়শ লুই
  3. নেপোলিয়ন
  4. ডিউক অব ওয়েলিংটন
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ লুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ লুই
ব্যাখ্যা
• ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের পেছনে ফ্রান্সের রাজনৈতিক অনিয়ম ও স্বৈরতান্ত্রিক শাসন অনেকাংশে দায়ী ছিলো।
- চতুর্দশ লুইয়ের শাসনামলে ফ্রান্স একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- তবে তার সাম্রাজ্যবাদী নীতি দেশকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দেয়। তার পুত্র পঞ্চদশ লুই এর অমিতব্যায়িতা জন্য এই দুর্বলতা আরও বৃদ্ধি পায়।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ষোড়শ লুই ১৭৭৪ সালে সিংহাসনে বসে ক্রমশ এক অরাজক পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন।
- আর্থ সামাজিক বৈষম্য রাজনৈতিক দুর্বলতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে ১৭৮৯ সলে এক বিস্ফোরক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
- "স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী"- ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯৫২.
নিচের কোন দেশটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. জার্মানি
  2. জাপান
  3. ইতালি
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• জার্মানি,
• জাপান,
• ইতালি।

- মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• ব্রিটেন,
• ফ্রান্স,
• যুক্তরাষ্ট্র,
• সোভিয়েত ইউনিয়ন,
• চীন,
• পোল্যান্ড,
• নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

তথ্যসূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।

৯৫৩.
চীনের কমিউনিস্ট বিপ্লব হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৪৮
  2. খ) ১৯৪৯
  3. গ) ১৯৫০
  4. ঘ) ১৯৫১
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৪৯
ব্যাখ্যা
সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব (Chinese Communist Revolution)

- সময়কাল: ১ অক্টোবর, ১৯৪৯
- নেতা: কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়নার নেতা মাও সে তুং।
- বিপ্লবে পতন হয়: কুওমিন্টাং দলের নেতা চিয়াং কাইশেকের।
- ফলাফল: পুঁজিবাদী শাসন ব্যবস্থার অবসান এবং সমাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা চালু।
- গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রথম চেয়ারম্যান: মাও সে তুং।


তথ্যসূত্র: হিস্টরি.কম।
৯৫৪.
কোন দেশের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে?
  1. জার্মানি
  2. জাপান
  3. ফ্রান্স
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত দেশ:
• জার্মানি,
• জাপান,
• ইতালি।

⇒ মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত দেশ:
• ব্রিটেন,
• ফ্রান্স,
• যুক্তরাষ্ট্র,
• সোভিয়েত ইউনিয়ন,
• চীন,
• পোল্যান্ড,
• নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

- সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১।
- জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে ৭ মে, ১৯৪৫।
- ১৯৪৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর জাপানের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

তথ্যসূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।
৯৫৫.
নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে কোন বিপ্লবের শিশু বলা হয়?
  1. বলশেভিক বিপ্লব
  2. অরেঞ্জ বিপ্লব
  3. রুশ বিপ্লব
  4. ফরাসি বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লব আধুনিক ইউরোপের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে।
- 'স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী'- ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।

উৎস: Britannica.
৯৫৬.
শিল্পবিপ্লব কোন শতকে সংঘটিত হয়?
  1. সতের শতকে
  2. বিশ শতকে
  3. উনিশ শতকে
  4. আঠার শতকে
সঠিক উত্তর:
আঠার শতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঠার শতকে
ব্যাখ্যা

- আঠারো শতকের মাঝামাঝি ব্রিটেনে শুরু হওয়া শিল্পবিপ্লব ছিল আধুনিক শিল্পসমাজের সূচনা।
-​ এটি মূলত কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি থেকে যন্ত্রনির্ভর শিল্প অর্থনীতিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়া।
- ​ প্রথমে বস্ত্রশিল্পে যান্ত্রিক অগ্রগতি ঘটে, পরে ধাতু, খনি ও পরিবহন ব্যবস্থায় তা ছড়িয়ে পড়ে।
​- জেমস ওয়াটের বাষ্প ইঞ্জিনের উদ্ভাবন, কারখানা ব্যবস্থা, রেলপথ ও বাষ্পচালিত জাহাজ এই বিপ্লবকে ত্বরান্বিত করে। 
- ​উৎপাদনশীলতা ও বাণিজ্য বৃদ্ধি পেলেও গ্রামীণ জীবন থেকে নগরকেন্দ্রিক জীবনে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। 
- ​সামাজিক কাঠামো, শ্রমব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় গভীর প্রভাব ফেলে শিল্পবিপ্লব, যা পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী শিল্পোন্নতির ভিত্তি স্থাপন করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯৫৭.
ন্যুরেমবার্গ আদালত কোন যুদ্ধের পর গঠিত হয়েছিল?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. শীতল যুদ্ধ
  3. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  4. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা

ন্যুরেমবার্গ আদালত (Nuremberg Trials):
- ন্যুরেমবার্গ আদালত ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নাৎসি জার্মানির শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য মিত্রশক্তি কর্তৃক গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সামরিক ট্রাইব্যুনাল। 

• ১৯৪৫-১৯৪৬ সালে জার্মানির নুরেমবার্গ শহরে অনুষ্ঠিত এই বিচার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতার ভিত্তিতে যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার করে।
- তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো ছিল মূলত চার ধরনের। যথা:
১. শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন— আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘন করে ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পরিকল্পনা, যুদ্ধের জোগাড় এবং যুদ্ধ শুরু করা।
২. মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। যেমন— মানুষকে সমূলে বিনাশ করা, বাসস্থান থেকে বিতাড়ন করা এবং গণহত্যা।
৩. যুদ্ধাপরাধ তথা যুদ্ধের আইনসমূহ লঙ্ঘন।
৪. উপরিউক্ত তিনটি অপরাধ করার সাধারণ পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র করা।

- প্রধান আসামি: হারম্যান গোরিং, রুডলফ হেস, জোয়াকিম ফন রিবেনট্রপ সহ ২৪ জন শীর্ষ নাৎসি নেতা।
- ১৯৪৫ সালের ২০ নভেম্বর শুরু হয় এই বিচার।
- আদালতের বিচারকদের আনা হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চার মিত্র শক্তি আমেরিকা, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, ফ্রান্স এবং ব্রিটেন থেকে।
- প্রধান কৌঁসুলি ছিলেন মার্কিন আইনজীবী রবার্ট জ্যাকসন।
- নুরেমবার্গ আদালতে বিচার কার্য চলে প্রায় ২১৮ দিন ধরে। হাজির করা হয় ২৩৬ জন সাক্ষী, উপস্থিত করা হয় প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার নথিপত্র।
- ১৯৪৬ সালের ১ অক্টোবর সামরিক ওই আদালত রায় ঘোষণা করেন।
-  প্রধান বিচারে ১২ জন মৃত্যুদণ্ড, ৩ জন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৪ জন দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড এবং ৩ জন খালাস পান।
- মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের একজন ছিলেন হ্যারমান গ্যোয়েরিং, যিনি মৃত্যদণ্ড কার্যকর হবার আগেই তার সেলে সায়ানাইড ক্যাপসুল খেয়ে আত্মহত্যা করেন।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.

৯৫৮.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত 'D-Day' বলতে কোন দিনটি বুঝানো হয়?
  1. ২ জুন, ১৯৪৪
  2. ৬ জুন, ১৯৪৪
  3. ৮ জুন, ১৯৪৪
  4. ১১ জুন, ১৯৪৪
সঠিক উত্তর:
৬ জুন, ১৯৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ জুন, ১৯৪৪
ব্যাখ্যা
D-Day:
- D-Day দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত।
- 'D-Day' ২য় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৪৪ সালের ৬ জুন দখলকৃত ফ্রান্স উদ্ধারের জন্য মিত্রবাহিনী স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে এক অপারেশন পরিচালনা করে যার কোড নাম ছিলো Operation Overlord।
- ১৯৪৪ সালের ৬ই জুন, নাৎসী বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে প্রায় ১ লক্ষ ৫৬ হাজার যৌথ বাহিনীর সদস্য ফ্রান্সের নরম্যান্ডি উপকূলের ৫টি সৈকতে অবতরণ করেন।
- ৬ জুন দিনটিকে ডি ডে (D-Day) হিসাবে পালন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৪ সালের ৬ জুন ফ্রান্সে মিত্রপক্ষের সেনাবাহিনীর অবতরণের দিন স্থির হয়।
- ৬ জুন ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করে চার হাজারেরও বেশি জাহাজে করে ১ লক্ষ ৫৬ হাজার মিত্রবাহিনীর সেনা নর্মান্ডি উপকূলে অবতরণ করে।
- তাদের নিরাপত্তার জন্য ১১ হাজার বিমান প্রস্তুত রাখা হয়।
- মিত্র পক্ষের সেনাবাহিনীতে আমেরিকান, ইংরেজ, কানাডীয়, ওলন্দাজ, পোল নরওয়েজিও, ফরাসি ও গ্রিক সৈনিক ছিল।
- ডি দিবস (D Day) বা অবতরণ দিবসের দিন ধার্য হয় ১৯৯৪ সালের ১ জুন।
- কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য পিছিয়ে ৬ জুন করা হয়।
- এই সুবিশাল সামরিক অভিযানের নেতা ছিরেন আমেরিকান সেনাপতি আইজেনহাওয়ার।

উৎস: History.com
৯৫৯.
'নরম্যান্ডির ডি ডে ল্যান্ডিং' কোন যুদ্ধের ঘটনা?
  1. ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
  2. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  3. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  4. রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
নরম্যান্ডির ডি ডে ল্যান্ডিং:
- জার্মান অধিকৃত ফ্রান্সের ভূখণ্ডে দুর্দান্ত হামলা চালিয়ে হিটলারের বাহিনীকে অনেকটাই নাজেহাল করে ছাড়ে মিত্রবাহিনী।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ১৯৪৪ সালে নরম্যান্ডি উপকূলে মিত্রবাহিনী এ হামলা চালায়। 
- তুমুল লড়াইয়ে জার্মানরা ফ্রান্সের ওই অঞ্চল ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়।
- মিত্রবাহিনী ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে এসে সরাসরি এখানে হামলা চালায় যাকে ইতিহাসে ডি ডে ল্যান্ডিং তথা অপারেশন ওভারলোড নামে স্থান দেয়া হয়েছে।
- এক্ষেত্রে প্রায় ১২টি দেশের ৩০ লাখ সৈন্য গিয়ে হামলা চালায় নরম্যান্ডিতে।
- অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, চেকোশ্লোভাকিয়া, ফ্রান্স, গ্রিস, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, পোল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র এই ১২ দেশের সৈন্যরা একসাথে হামলা চালায় ৬ জুন।
- সেদিন রাতের বেলা ছত্রীসেনা অবতরণ, গ্লাইডার অবতরণ থেকে শুরু করে জঙ্গি ও বোমারু বিমানের পাশাপাশি যুদ্ধজাহাজ থেকে বোমা ও গোলাবর্ষণের মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়।
- মিত্র বাহিনীর ৩৭ হাজার নিহত হওয়ার পাশাপাশি আহত হয় দেড় লক্ষাধিক।
- অন্যদিকে জার্মানদের ২ লক্ষ সৈন্য নিহত হওয়ার পাশাপাশি ২ লাখ আত্মসমর্পণ করে।
- তবে ফিল্ড মার্শাল রোমেলের ৩৫২ তম ডিভিশন এখানে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে।
- প্রচণ্ড প্রতিরোধ যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে জার্মানদের পরাজয় আসলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভাগ্য অনেকটা এখানেই নির্ধারণ করে দেয়।

উৎস: ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬০.
ভিয়েতনাম যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে কবে শেষ হয়?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
- ৩০ এপ্রিল ১৯৭৫ সালে ভিয়েতনাম যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে কবে শেষ হয়।

• ভিয়েতনাম যুদ্ধ: 
- প্যারিস শান্তি চুক্তি 
- স্বাক্ষরের তারিখ: ২৭ জানুয়ারি ১৯৭৩।
- স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স। 

• চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষসমূহ:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, 
- দক্ষিণ ভিয়েতনাম 
- উত্তর ভিয়েতনাম
- জাতীয় মুক্তি ফ্রন্ট।

• চুক্তির মূল বিষয়বস্তু:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র বাহিনী ভিয়েতনাম থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে।
- উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম দু’টি আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে সহাবস্থান করবে।
- দুই পক্ষই যুদ্ধবন্দীদের মুক্তি দেবে।
- ভিয়েতনামে বিদেশি হস্তক্ষেপ বন্ধ থাকবে।

• ফলাফল:
- মার্কিন বাহিনী ১৯৭৩ সালের মার্চের মধ্যে পুরোপুরি ভিয়েতনাম ত্যাগ করে।
- ৩০ এপ্রিল ১৯৭৫ সালে উত্তর ভিয়েতনাম সাইগন দখল করে নেয়,
- যার মাধ্যমে ভিয়েতনাম একত্রিত হয়ে একটি কমিউনিস্ট রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

উৎস: History.com.
৯৬১.
পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধ বিরতির মধ্যস্থতাকারী দেশ কোনটি?
  1. তুরস্ক
  2. চীন
  3. রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
পাকিস্তান- ভারত যুদ্ধ, ২০২৫:
- গত ২২ এপ্রিল, ২০২৫ ভারত-অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৫ জন ভারতীয় ও একজন নেপালি নাগরিক নিহত হন।
- এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে ৭ মে “অপারেশন সিঁদুর” নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করে ভারত।
- ভারতের অভিযানে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের অন্তত ৯টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়।
- এতে পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ ও লস্কর-ই-তৈয়বার প্রায় ১০০ সদস্য নিহত হয়েছে বলে ভারতের দাবি।
- এর জবাবে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী ১০ মে “বুনইয়ান-উন-মারসুস” নামে পাল্টা অভিযান শুরু করে।
- ইসলামাবাদ দাবি করেছে, এ অভিযানে ভারতের অন্তত ২৬টি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।
- ১০ মে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ আলোচনার পর ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে বলে ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- ট্রাম্প জানান, এই অবস্থায় মধ্যস্থতা করতে নেমে দুই দেশের সঙ্গেই বাণিজ্য বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল আমেরিকা।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট।
৯৬২.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে অষ্ট্রিয়ার যুবরাজকে কোন শহরে হত্যা করা হয়েছিল?
  1. সারায়েভো
  2. সালতারগ
  3. জাগরের
  4. ব্রাটিস্লাভা
সঠিক উত্তর:
সারায়েভো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সারায়েভো
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (World War I) ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল এবং এটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ।
- যুদ্ধটি মূলত ইউরোপের বিভিন্ন শক্তির মধ্যে সংঘটিত হলেও এর প্রভাব ছিল পৃথিবীজুড়ে।

⇒ যুদ্ধের পটভূমি:
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।

উল্লেখ্য,
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে অষ্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দকে বসনিয়ার সারায়েভো শহরে হত্যা করা হয়েছিল।
- ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
- এই যুদ্ধের কারণ হিসেবে ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্য বসনিয়া-হার্জেগোভিনা দখল করা এবং আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের হত্যাকাণ্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়।
 
উৎস: i) History.com
ii) Britannica.

৯৬৩.
কিউবার বিপ্লবী মহানায়ক ছিলেন-
  1. ক) হো চি মিন
  2. খ) ফিদেল কাস্ত্রো
  3. গ) ফুলগেনসিও বাতিস্তা
  4. ঘ) চে-গুয়েভারা
সঠিক উত্তর:
খ) ফিদেল কাস্ত্রো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফিদেল কাস্ত্রো
ব্যাখ্যা
কিউবার বিপ্লবী মহানায়ক ফিদেল কাস্ত্রো। কিউবার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বাতিস্তা ও কিউবার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বিপ্লবের ময়দানে সক্রিয় হন কাস্ত্রো। ১৯৫৩ সালে বাতিস্তা সরকার উৎখাতের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন তিনি। এ জন্য তাকে কারাবরণ করতে হয়। ১৯৫৬ সালে চে গুয়েভারাকে সঙ্গে নিয়ে বাতিস্তা সরকারের বিরুদ্ধে শুরু করেন গেরিলা যুদ্ধ। ১৯৫৯ সালে কিউবান বিপ্লবের মাধ্যমে পূর্বতন একনায়ক রাষ্ট্রপতি ফুলগেনসিও বাতিস্তাকে অপসারণ করেন এবং একদলীয় কমিউনিস্ট শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। চে গুয়েভারা ছিলেন এই আন্দোলনের অন্যতম নেতা। বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন চে গুয়েভারাকে ‘কাস্ত্রোর মস্তিষ্ক’ বলে আখ্যায়িত করেছিল। সূত্র- বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা ও ব্রিটানিকা।
৯৬৪.
২০০৪ সালে ইউক্রেনে সংঘটিত বিপ্লব কী নামে পরিচিত?
  1. জেসমিন বিপ্লব
  2. টিউলিপ বিপ্লব
  3. রোজ বিপ্লব
  4. অরেঞ্জ বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
অরেঞ্জ বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অরেঞ্জ বিপ্লব
ব্যাখ্যা

কমলা বিপ্লব (Orange Revolution):
- ক্ষমতাবদলকে কেন্দ্র করে ২০০৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০০৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ইউক্রেনে সংঘটিত কিছু সরকার বিরোধী আন্দোলনকে “কমলা বিপ্লব” বা অরেঞ্জ রেভুলুশ্যন বলে।

অপরদিকে,
- গোলাপ বিপ্লব (Rose Revolution): ২০০৩ সালে জর্জিয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তরকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক ঘটনাবলীর সমষ্টিকে গোলাপ বিপ্লব বলে।
- টিউলিপ বিপ্লব (Tulip Revolution): ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চে কিরগিজস্তানে নির্বাচনে কারচুপির পরিপ্রেক্ষিতে টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- জুঁই (জেসমিন) বিপ্লব সংগঠিত হয় ২০১১ সালে। জেসমিন বিপ্লব হয় তিউনিসিয়ায় ১৮ ডিসেম্বর- ১৪ জানুয়ারি ২০১১ সালে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

৯৬৫.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হয় কোন আদালতে?
  1. ইউরোপীয় ন্যায়বিচার আদালত
  2. জার্মান ফেডারেল আদালত
  3. ন্যুরেমবার্গ আদালত
  4. ভারতের সুপ্রিম আদালত
সঠিক উত্তর:
ন্যুরেমবার্গ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যুরেমবার্গ আদালত
ব্যাখ্যা
ন্যুরেমবার্গ  আদালত 
- ১৯৪৫ সালের নভেম্বর মাসে জার্মানির নুরেমবার্গ শহরে এক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের সামনে হাজির করা হচ্ছে হিটলারের থার্ড রাইখের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলারের বাহিনী পরিকল্পিতভাবে যে ভয়ংকর গণহত্যা চালিয়েছিল, তার মূল নায়কদেরই মূলত নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালে বিচারের আওতায় আনা হয়।
- বিশ্বের ইতিহাসে এত বড় আকারে যুদ্ধাপরাধের বিচার এই প্রথম।
- এই ট্রাইব্যুনালের অন্যতম এক তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন বেনজামিন ফেরেনজ। 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের  বিগ থ্রি হিসেবে পরিচিত যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে একমত পোষণ করলে জার্মানীর ন্যুরেমবার্গে একটি সামরিক আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয় যা ন্যুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনাল নামে পরিচিত।
- এই ট্রাইব্যুনালে প্রায় ২০০ জার্মান যোদ্ধাপরাধীর বিচার করা হয়।
- মোট অভিযুক্ত হয় ২৪ জন আর মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয় ১২ জন আসামিকে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯৬৬.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রথমবারের মতো কোন অস্ত্র ব্যবহার করা হয়?
  1. হাইপারসনিক অস্ত্র
  2. হাইড্রোজেন বোমা
  3. পারমাণবিক অস্ত্র
  4. রকেট হামলা
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক অস্ত্র
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে, যার মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- অক্ষশক্তির প্রধান দেশগুলো ছিলো: জার্মানি, জাপান, ও ইতালি।
- মিত্রশক্তির প্রধান দেশগুলো ছিলো: ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি।
- ৮ ডিসেম্বর ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যোগ দেয়।
- ৭ মে ১৯৪৫ সালে জার্মানি মিত্রবাহিনীর কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ সালে জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে, যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।
- এই যুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাত, যার ফলে ৭০ থেকে ৮৫ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয়; অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক।

উৎস: হিস্টোরি ডটকম ।
৯৬৭.
কোন বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে?
  1. চীনা বিপ্লব
  2. ফরাসি বিপ্লব
  3. রুশ বিপ্লব
  4. শিল্প বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব
ব্যাখ্যা

ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এই বিপ্লব হয়েছিল ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই।
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল। এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় শিরশ্ছেদের মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৯৬৮.
কোন সংকটকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘে 'Uniting for peace resolution' পাস করা হয় -
  1. কোরীয় যুদ্ধ
  2. উপসাগরীয় যুদ্ধ
  3. ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ
  4. ইজরাইল- ফিলিস্তিন যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
কোরীয় যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোরীয় যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

কোরীয় যুদ্ধ:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হওয়ার ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ভাগ করে।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।
- শুরু থেকেই দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে উত্তপ্ত সম্পর্ক বিরাজ করে। এই যুদ্ধকে 'the Forgotten War' বলে অভিহিত করেছেন।

⇒ যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ১৯৫০-১৯৫৩ সাল।
▪ বিবাদমান পক্ষসমূহ: সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের সমর্থিত - উত্তর কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সমর্থিত - দক্ষিণ কোরিয়া।
▪ যুদ্ধের ফলাফল: কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
- এ যুদ্ধের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ ৩ নভেম্বর, ১৯৫০ সালে 'Uniting for peace resolution' পাশ করে।
- এই যুদ্ধের ফলে ৩৮° সমান্তরাল রেখা বরাবর দুটি দেশের সীমান্ত নির্ধারিত হয়।
- অবশেষে ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৯৬৯.
চে গুয়েভারা ছিলেন -
  1. ক) বলিভিয়ার বিপ্লবী নেতা
  2. খ) পপ সঙ্গীত শিল্পী
  3. গ) কিউবার বিপ্লবী নেতা
  4. ঘ) উরুগুয়ের লেখক
সঠিক উত্তর:
গ) কিউবার বিপ্লবী নেতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কিউবার বিপ্লবী নেতা
ব্যাখ্যা

চে গুয়েভারার নাম শুনলেই চোখে ভাসে একজন রোমান্টিক-বিপ্লবীর অবয়ব।
১৯৬৭ সালে তাঁকে হত্যা করা হয়, কিন্তু দশকের পর দশক জুড়ে চে গুয়েভার হয়ে রয়েছেন তারুণ্যের প্রতীক।
চে গুয়েভার ১৪ জুন ১৯২৮ সালে আর্জেন্টিনায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ৯ অক্টোবর হাজার ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে বলিভিয়ায় তাকে হত্যা করা হয়।
তার জীবন নির্ভর চলচ্চিত্র The Motorcycle Diaries।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও Britannica.com

৯৭০.
রুশ বিপ্লবের নেতৃত্বদানকারী দল কোনটি?
  1. মেনশেভিক পার্টি
  2. বলশেভিক পার্টি
  3. সমাজতান্ত্রিক পার্টি
  4. সমাজবাদী পার্টি
সঠিক উত্তর:
বলশেভিক পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলশেভিক পার্টি
ব্যাখ্যা

• রুশ বিপ্লব:
- রাশিয়ার আর্থ-সামাজিক জীবনে এক গুণগত পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে এক নতুন যুগের সূচনা করে বলশেভিক বিপ্লব এর মধ্যদিয়ে।
- রুশ বিপ্লবের নেতৃত্বদানকারী দল- বলশেভিক পার্টি।
- অক্টোবর মাসে সংঘটিত হয়েছিল বলে এই বিপ্লবকে অক্টোবর বিপ্লব ও বলা হয়ে থাকে ।
- এটি পৃথিবীর প্রথম সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব।
- এই বিপ্লবকে বলশেভিক বিপ্লব নামে অভিহিত করা হয়।
- এই বিপ্লবের মূলশক্তি ছিল শ্রমিক শ্রেণি।
 - রুশ বিপ্লবের নেতৃত্বে ছিলেন-  ভ. ই . লেনিন।
- ১৯১৭ সালের বলশেভিক বিপ্লব বুর্জোয়া যুগের অবসান ঘটিয়ে শ্রমিক শ্রেণীর রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করে। 

উৎস: i). আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
ii)Britannica

৯৭১.
কিউবা সশস্ত্র বিপ্লব সংঘটিত হয় কবে?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৫৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৯ সালে
ব্যাখ্যা
• কিউবা বিপ্লব:
- কিউবা সশস্ত্র বিদ্রোহ হয় ১৯৫৯ সালের ১ জানুয়ারী।
- ফলে ফুলজেনসিও বাতিস্তার সরকারকে উৎখাত করে কিউবা ।
- বিপ্লবের নেতা ফিদেল কাস্ত্রো ১৯৫৯ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কিউবা শাসন করেছিলেন।
-  তিনি ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী পদে  ছিলেন।
- তিনি কিউবার রাজনৈতিক নেতা যিনি তার দেশকে প্রথম কমিউনিস্ট রাষ্ট্রে রূপান্তর করেছিলেন।
- ক্যাস্ট্রো লাতিন আমেরিকায় কমিউনিস্ট বিপ্লবের নেতৃত্ব দেন।
- আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদ ত্যাগ করেন ফেব্রুয়ারি ২০০৮ সালে ।
- তিনি ২৫ নভেম্বর ২০১৬ সালে মৃত্যু বরণ করেন।

উৎস: Britannica.
৯৭২.
ব্রিটিশ কৃষি বিপ্লব কখন সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ঊনবিংশ শতাব্দীতে
  2. অষ্টাদশ শতাব্দীতে
  3. ষোড়শ শতাব্দীতে
  4. চতুর্দশ শতাব্দীতে
সঠিক উত্তর:
অষ্টাদশ শতাব্দীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টাদশ শতাব্দীতে
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ কৃষি বিপ্লব:
- কৃষি বিপ্লব ছিল শিল্প বিপ্লবের পূর্ব শর্ত।
- এ বিপ্লবের ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং শ্রমিক হিসেবে কারখানায় নিয়োগের জন্য জনশক্তির অভাব হয় নি।

⇒ অষ্টাদশ শতাব্দীতে ব্রিটেনে এই বিপ্লব হয়েছিল।
- ব্রিটেনেও কৃষি বিপ্লবের চারটি বৈশিষ্ট্য ছিল।
- প্রথমত, তা বৃহদায়তন এবং সুসংহত কৃষি ব্যবস্থার জন্ম দিয়েছিল।
- দ্বিতীয়ত, কৃষি বিপ্লবের ফলে চালু হয়েছিল সাধারণের ব্যবহারযোগ্য অথচ উর্বর চারণভূমিতে কৃষির প্রসার এবং সুনিবিড় পশুপালন।
- তৃতীয়ত, গ্রামীণ সমাজে এক বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটিয়েছিল কৃষিবিপ্লব। স্বনির্ভর কৃষকরা সাধারণভাবে রূপান্তরিত হয়েছিলেন কৃষি শ্রমিকে। তাঁদের জীবনযাত্রার মান নির্ভর করতে শুরু করল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের উপর। শুধু আবহাওয়াকে কেন্দ্র করে তাঁদের ভাগ্যের চাকা আবর্তিত হওয়ার দিনের অবসান ঘটাল কৃষিবিপ্লব।
- চতুর্থত, এই বিপ্লবের ফলে কৃষি উৎপাদনশীলতা বেড়েছিল উল্লেখযোগ্য হারে।

উৎস: Britannica.
৯৭৩.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ৬ আগস্ট ১৯৪৫ যুক্তরাষ্ট্র জাপানের কোন শহরে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে?
  1. ক) ওসাকা
  2. খ) হিরোশিমা
  3. গ) নাগাসাকি
  4. ঘ) কিয়োটো
সঠিক উত্তর:
খ) হিরোশিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হিরোশিমা
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট জাপানের ‘হিরোশিমা’ শহরে এবং ৯ আগস্ট ‘নাগাসাকি’ শহরে পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে।
হিরোশিমায় নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো ‘লিটলবয়’ এবং নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো ‘ফ্যাটম্যান’।
৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।
(সূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
৯৭৪.
ফ্রান্সের স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্ব কে দেন?
  1. ক) চার্লস ডি গ্যালে
  2. খ) জুমো কেনিয়াটা
  3. গ) কিনেথ কাউন্ডা
  4. ঘ) আর্থার ওয়েলেসলি
সঠিক উত্তর:
ক) চার্লস ডি গ্যালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চার্লস ডি গ্যালে
ব্যাখ্যা
- ফ্রান্সের স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন চার্লস ডি গ্যালে। 
- জেনারেল শার্ল দ্য গোল (ফরাসি: Charles André Joseph Marie de Gaulle) (২২শে নভেম্বর, ১৮৯০ - ৯ই নভেম্বর, ১৯৭০) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিজেকে স্বাধীন ফ্রান্সের একমাত্র নেতা হিসেবে ঘোষণা করে ফ্রান্সে অবস্থানরত জার্মান নাৎসী বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধের সূচনা করেন।
- ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ছিলেন: ৮ জানুয়ারী, ১৯৫৯ – ২৮ এপ্রিল, ১৯৬৯।

উৎস:- Britannica.
৯৭৫.
যে যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সাধারণ পরিষদে 'Uniting for peace resolution' গৃহীত হয়েছিল-
  1. সুয়েজ যুদ্ধ
  2. কোরীয়া যুদ্ধ
  3. পাক-ভারত যুদ্ধ ১৯৬৫
  4. ফকল্যান্ড যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
কোরীয়া যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোরীয়া যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
কোরীয় যুদ্ধ:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হওয়ার ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ভাগ করে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন কর্তৃক অধিকৃত অঞ্চল নিয়ে ‘উত্তর কোরিয়া’ গঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক অধিকৃত অঞ্চল নিয়ে ‘দক্ষিণ কোরিয়া’ গঠিত হয়।
- ৩৮° সমান্তরাল রেখা বরাবর দুটি দেশের সীমান্ত নির্ধারিত হয়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।
- শুরু থেকেই দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে উত্তপ্ত সম্পর্ক বিরাজ করে।
- এই যুদ্ধকে 'the Forgotten War' বলে অভিহিত করেছেন।

⇒ যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ১৯৫০-১৯৫৩ সাল।
▪ বিবাদমান পক্ষসমূহ: সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের সমর্থিত - উত্তর কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সমর্থিত - দক্ষিণ কোরিয়া।
▪ যুদ্ধের ফলাফল: কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
- এ যুদ্ধের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ ৩ নভেম্বর, ১৯৫০ সালে 'Uniting for peace resolution' পাশ করে।
- অবশেষে ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৯৭৬.
‘জ্যাকোবিন ক্লাব’ কোন বিপ্লবের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. রুশ বিপ্লব 
  2. ফরাসি বিপ্লব 
  3. আমেরিকান বিপ্লব 
  4. চীনা বিপ্লব 
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরাসি বিপ্লব 
ব্যাখ্যা

• জ্যাকোবিন ক্লাব:
- জ্যাকোবিন ক্লাব ফরাসি বিপ্লবের সবচেয়ে পরিচিত রাজনৈতিক গোষ্ঠী ছিল। 
- ১৭৯৩ থেকে ১৭৯৪ সালের মধ্যে তারা বিপ্লবের সরকার চালিয়েছিল।

- ক্লাবটি প্রথম শুরু হয়েছিল ভার্সাইলে, যেখানে বিভিন্ন এলাকার প্রতিনিধি মিলিত হয়ে বিপ্লবের পরিকল্পনা করতেন। 
- পরবর্তীতে প্যারিসে এসে নাম হয় 'Society of the Friends of the Constitution', কিন্তু সবাই এটিকে 'জ্যাকোবিন ক্লাব' বলেই ডাকে। 
- এর নামকরণ করা হয়েছিল Jacobin Convent (একটি ডোমিনিকান মঠ) থেকে, যেখানে সদস্যরা প্রথম সভা করেছিল।
- ক্লাবের উদ্দেশ্য ছিল বিপ্লবের অর্জন রক্ষা করা এবং বিপরীতদের প্রতিহত করা।
- Maximilien Robespierre ছিলেন এর অন্যতম প্রধান নেতা। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

৯৭৭.
ক্রমওয়েল বিপ্লব কোন দেশে সংঘটিত হয়?
  1. ইংল্যান্ড
  2. ফ্রান্স
  3. রাশিয়া
  4. তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• ক্রমওয়েল বিপ্লব: 
- ক্রমওয়েল বিপ্লব ইংল্যান্ডের ওলিভার ক্রমওয়েলের নেতৃত্বে সংঘটিত গৃহযুদ্ধ ও তার পরবর্তী সময়।
- ১৭শ শতাব্দীতে ইংল্যান্ডের রাজনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়।
- ইংল্যান্ডের গৃহযুদ্ধ (১৬৪২-১৬৫১)।
- রাজা প্রথম চার্লসের স্বেচ্ছাচারী শাসন ও সংসদের সঙ্গে বিরোধ।
- পক্ষসমূহ:  রাজতন্ত্রপন্থী (রাজা সমর্থক) এবং পার্লামেন্ট পন্থি (পার্লামেন্ট সমর্থক)।
- ওলিভার ক্রমওয়েল পার্লামেন্ট বাহিনীর একজন দক্ষ নেতা ছিল।

• গৃহযুদ্ধের ফলাফল:
- পার্লামেন্ট বাহিনীর বিজয় ও রাজা চার্লসের বন্দিত্ব।
- রাজা চার্লসের বিচার ও ফাঁসি, যা ইংল্যান্ডে প্রথমবারের মতো রাজদণ্ডের অবসান ঘটায়।
- ইংল্যান্ডকে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ক্রোমওয়েল লর্ড প্রোটেক্টর হিসেবে শাসন করেন।
- ইংল্যান্ডের শাসনব্যবস্থা ও সমাজে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নিয়ে আসে।

উৎস: Britannica.
৯৭৮.
ফরাসি বিপ্লবকে অনুপ্রাণিত করেন কোন লেখক?
  1. প্লেটো
  2. শেক্সপিয়ার
  3. এরিস্টটল
  4. ভলতেয়ার
সঠিক উত্তর:
ভলতেয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভলতেয়ার
ব্যাখ্যা
• ফরাসি বিপ্লব:
- “স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী” - ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।

- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র: Britannica & history.com
৯৭৯.
রুশ বিপ্লবের দুই পর্যায়ের মধ্যে কোনটি বলশেভিকদের নেতৃত্বে ঘটে?
  1. অক্টোবর বিপ্লব
  2. মার্চ বিপ্লব
  3. জুলাই বিপ্লব
  4. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
অক্টোবর বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্টোবর বিপ্লব
ব্যাখ্যা

বলশেভিক বিপ্লব (অক্টোবর বিপ্লব):
- ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের দুই পর্যায়ের মধ্যে দ্বিতীয় পর্যায় বা অক্টোবর বিপ্লব (যাকে বলশেভিক বিপ্লবও বলা হয়) ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিকদের দ্বারা পরিচালিত হয়। 
- ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিক পার্টি অস্থায়ী সরকারকে উৎখাত করে এবং ক্ষমতা দখল করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- লেনিন বিশ্বের প্রথম কমিউনিস্ট রাষ্ট্রের একনায়ক হয়ে ওঠেন।

অন্যদিকে,
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়। ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)। ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রোমানভ রাজবংশের পতন ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।  একটি অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং পরবর্তীতে অক্টোবর বিপ্লবে বলশেভিকরা ক্ষমতা দখল করে রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের অবসান ঘটায়।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.

৯৮০.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সময়কাল কোনটি?
  1. ক) ১৮৪১-১৮৪৫ খ্রি.
  2. খ) ১৮৪৪-১৮৪৮ খ্রি.
  3. গ) ১৮৫৫-১৮৫৯ খ্রি.
  4. ঘ) ১৮৬১-১৮৬৫ খ্রি.
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮৬১-১৮৬৫ খ্রি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮৬১-১৮৬৫ খ্রি.
ব্যাখ্যা
- ১৮৬১ সাল থেকে ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কনফেডারেট ও ইউনিনিস্টদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয় যা মার্কিন গৃহযুদ্ধ নামে পরিচিত।
- গৃহযুদ্ধের পেছনে মূল কারণ ছিলো দাসপ্রথা নিষিদ্ধকরণ।
- যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরের রাজ্যগুলো ছিলো শিল্পনির্ভর এবং দাসপ্রথা বিলুপ্তের পক্ষপাতী। বিপরীতে দক্ষিণের রাজ্যগুলো ছিলো কৃষিনির্ভর। এসব রাজ্যের কৃষিকাজের জন্যে আফ্রিকান দাসদের ভূমিকা ছিলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- ফলে দাসপ্রথার বিষয়ে উদার মনোভাবসম্পন্ন রিপাবলিকান পার্টির নেতা আব্রাহাম লিংকন ১৮৬১ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে দক্ষিণের মোট ১১টি রাজ্য ফেডারেল সরকার থেকে পৃথক হয়ে নিজেদের স্বাধীনতা ঘোষণা করে। এর মাধ্যমে চার বছরের মার্কিন গৃহযুদ্ধের সূচনা হয়।
- ১৮৬৫ সালে সমাপ্ত হওয়া এই যুদ্ধে কনফেডারেটরা পরাজিত হয়।
- ১৮৬৫ সালের ডিসেম্বরে মার্কিন সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী কার্যকরের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে আনুষ্ঠানিকভাবে দাসপ্রথা নিষিদ্ধ হয়।
(তথ্যসূত্রঃ মার্কিন ন্যাশনাল আর্কাইভস এবং হিস্টোরি ডটকম)
৯৮১.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির অন্তর্ভূক্ত ছিলো না নিচের কোন দেশ?
  1. ফ্রান্স
  2. বেলজিয়াম
  3. জাপান
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
◉ প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ( ১৯১৪-১৯১৮):
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যাস্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে - আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিজোট: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি জোট ছিল: রাশিয়া, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম, জাপান, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম।
৯৮২.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল না কোন দেশ?
  1. জার্মান
  2. জাপান
  3. ইতালি
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ সালে জার্মান কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল- জার্মান, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিল- ফ্রন্স, পোল্যান্ড, সোভিয়েত ইউনিয়ন, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- যুক্তরাষ্ট্র ‍দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে।
- জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্থন করে- ৭ মে, ১৯৪৫ সালে।
- জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্থনের মাধ্যমে ‍দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার হয়- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে।

উৎস: Britannica & History.com
৯৮৩.
স্বাধীনতা লাভের পূর্বে আলজেরিয়া কোন ইউরোপীয় দেশের উপনিবেশ ছিল?
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) ইতালি
  3. গ) পর্তুগাল
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ক) ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
- ১৯৬২ সালে স্বাধীনতা লাভের পূর্বে আলজেরিয়া ফ্রান্সের উপনিবেশ ছিল।
- ১৮৩০ সালে ফ্রান্স আলজেরিয়ায় উপনিবেশ স্থাপন করে।
- আলজেরিয়ার স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আহমেদ বেন বেল্লা।
উৎসঃ history.com
৯৮৪.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে ?
  1. ৫ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সাল
  2. ৬ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সাল
  3. ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সাল
  4. ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সাল
সঠিক উত্তর:
৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সাল
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী জাপান, জার্মানি ও ইতালিকে একত্রে অক্ষশক্তি বলা হয়।
জাপান ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটি আক্রমণ করে।
এজন্য ১৯৪১ সালের ৮ ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।

উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৯৮৫.
সম্প্রতি কোন দেশ অত্যাধুনিক ড্রোন 'মোহাজের-১০' উন্মোচন করে?
  1. ইসরাইল
  2. ইরান
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা
• ড্রোন:
- ১৯৮২ সালে ইরাক-ইরান যুদ্ধের সময় এই ড্রোনের প্রথম সংস্করণ তৈরি করে ইরান। 
- সর্বশেষ সংস্করণ মোহাজের-১০ প্রায় সাত হাজার মিটার উপর দিয়ে বিরতিহীনভাবে দুই হাজার কিলোমিটার চলতে পারে।
- যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে সক্ষম এমন অত্যাধুনিক ড্রোন উম্মোচন করেছে ইরান
- ড্রোনটির নাম ‘মোহাজের-১০
- ড্রোনটি উম্মোচন করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি।
- ড্রোনটি সাত হাজার মিটার উচ্চতায় ২৪ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম। এর সর্বনিম্ন রেঞ্জ দুই হাজার কিলোমিটার।
- ৪৫০ লিটার জ্বালানি ক্ষমতাসম্পন্ন এই ড্রোন ৩০০ কেজি ওজন বহন করতে পারে।
- ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ও গোয়েন্দা সরঞ্জাম বহনে সক্ষম, ড্রোনের গতি ঘণ্টায় ২১০ কিলোমিটার।

এছাড়াও,
- সব ধরনের গোলাবারুদ, বোমা, হ্যান্ড গ্রেনেড প্রভৃতি বহন করারও ক্ষমতা রয়েছে।
- ইরানের এই ড্রোন যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-৯ রিপারের আদলে বানানো হয়েছে।

উৎস: আল জাজিরা এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৯৮৬.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিরোশিমায় পরমাণু বোমা ফেলা হয় কবে?
  1. ১ আগস্ট ১৯৪৫
  2. ৬ আগস্ট ১৯৪৫
  3. ৯ আগস্ট ১৯৪৫
  4. ১৫ আগস্ট ১৯৪৫
সঠিক উত্তর:
৬ আগস্ট ১৯৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ আগস্ট ১৯৪৫
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯-১৯৪৫ সালে সংঘটিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ১৯৩৯-১৯৪৫ ছিল একটি বৈশ্বিক সংঘাত।
- অক্ষ শক্তি: জার্মানি, ইতালি, জাপান।
- মিত্রশক্তি: ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং চীন।
- আনুমানিক ৪ থেকে ৫ কোটি মানুষ প্রাণ হারায়, যা এটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করে তোলে।
- হিরোশিমায় পরমাণু বোমা হামলা (৬ আগস্ট ১৯৪৫): যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে ৭০,০০০+ মানুষ নিহত হয়।

উৎস: Britannica.
৯৮৭.
রাশিয়ার ভেতরে হামলার জন্য ইউক্রেনকে সরবরাহকৃত যুক্তরাষ্ট্রের কোন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে?
  1. ALCM
  2. ATM- 1
  3. ATACMS
  4. AAM- 5
সঠিক উত্তর:
ATACMS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ATACMS
ব্যাখ্যা

ATACMS ক্ষেপণাস্ত্র: 
- যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ করা এটিএসিএমএস (ATACMS) ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইউক্রেন প্রথমবারের মতো রাশিয়ার ভেতরে হামলা চালিয়েছে।
- এটিএসিএমএস একটি দূরপাল্লার ভূমি থেকে ভূমিতে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র, যার পাল্লা ৩০০ কিলোমিটার।
- এটি সলিড রকেট প্রপোলেন্ট দিয়ে চলে, যা একে দ্রুত ও নির্ভুল করে তোলে।
- এই ক্ষেপণাস্ত্র গুচ্ছবোমা বা একক উচ্চমাত্রার বিস্ফোরকসহ বিভিন্ন ওয়ারহেড বহনে সক্ষম।
- গুচ্ছবোমা ব্যবহার বড় এলাকা ধ্বংস করতে পারে, তবে এতে অবিস্ফোরিত বোমার ঝুঁকি থাকে। 
- এটিএসিএমএস (ATACMS) ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে প্রথম ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে এটি প্রিসাইশন স্ট্রাইক মিসাইল দ্বারা প্রতিস্থাপিত হচ্ছে, যা আরও অত্যাধুনিক এবং ৫০০ কিলোমিটার পাল্লার। 

সূত্র: প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার।

৯৮৮.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কবে শুরু হয়?
  1. ১৯৩৯ সালে
  2. ১৯৪০ সালে
  3. ১৯৪১ সালে
  4. ১৯৪৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৩৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩৯ সালে
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯–১৯৪৫):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল এমন একটি সংঘাত, যা ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে বিশ্বের প্রায় সব অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, ইতালি এবং জাপান।
- মিত্রশক্তি: ফ্রান্স, ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং সীমিত আকারে চীন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর সমাধান না হওয়া বিরোধগুলো থেকে এই যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটে।
- ২০ বছরের অস্থির বিরতির পর এটি পূর্ববর্তী বিরোধগুলোর ধারাবাহিকতায় রূপ নেয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত ছিল, যেখানে ৪০ থেকে ৫০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু ঘটে।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম যুদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত।

উৎস: Britannica.
৯৮৯.
ওয়াটারলু যুদ্ধে ব্রিটিশ বাহিনীর নেতৃত্ব কে দিয়েছিলেন?
  1. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
  2. ডিউক অফ ওয়েলিংটন
  3. মার্শাল নে
  4. জার্মানির সম্রাট দ্বিতীয় উইলিয়াম
সঠিক উত্তর:
ডিউক অফ ওয়েলিংটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিউক অফ ওয়েলিংটন
ব্যাখ্যা
ওয়াটারলু যুদ্ধ (Battle of Waterloo):
- বিখ্যাত ওয়াটার লু যুদ্ধক্ষেত্র বেলজিয়ামে অবস্থিত।
- ওয়াটারলু যুদ্ধ ১৮১৫ সালের ১৮ জুন বর্তমান বেলজিয়ামের ওয়াটারলুতে সংঘটিত হয়।
- এটি ছিল নেপোলিয়ন বোনাপার্টের নেতৃত্বাধীন ফরাসি সেনাবাহিনী এবং ডিউক অফ ওয়েলিংটনের নেতৃত্বাধীন ব্রিটিশ-মিত্র বাহিনী ও প্রুশিয়ান সেনাবাহিনীর (জেনারেল ব্লুখারের নেতৃত্বে) মধ্যে একটি ঐতিহাসিক যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধে নেপোলিয়নের চূড়ান্ত পরাজয় ঘটে।
- ওয়াটারলু যুদ্ধ ইউরোপের রাজনৈতিক ভূগোল এবং ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উল্লেখ্য,
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছে।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: Britannica.
৯৯০.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির উপর কোন চুক্তি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল?
  1. প্যারিস চুক্তি
  2. ভার্সাই চুক্তি
  3. রোম চুক্তি
  4. ব্রাসেলস চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ভার্সাই চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভার্সাই চুক্তি
ব্যাখ্যা

- ১৯১৯ সালে স্বাক্ষরিত ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। এই চুক্তিতে জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করা হয় এবং তার উপর কঠোর শর্ত, যেমন বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ এবং সামরিক সীমাবদ্ধতা, আরোপ করা হয়। 

​ভার্সাই চুক্তি: 
​- দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি ফলাফল জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা এবং ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করা ।
- এই চুক্তির মাধ্যমেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়।
- ২৮ জুন ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ।
- ভার্সাই চুক্তির পক্ষসমূহ ছিল মিত্রশক্তি এবং জার্মানি।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে ।

সূত্র: Britannica.com

৯৯১.
টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয় কোথায়?
  1. কিরগিজস্তান
  2. ইরান
  3. কাজাখস্তান
  4. আর্মেনিয়া
সঠিক উত্তর:
কিরগিজস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিরগিজস্তান
ব্যাখ্যা
- ২০০৫ সালে কিরগিজস্তানে টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয়।

ঐতিহাসিক বিপ্লবসমূহ:
- জেসমিন বিপ্লব: সংঘটিত হয় তিউনিসিয়ায় ২০১১ সালে।
- আমেরিকান বিপ্লব: সংঘটিত হয় যুক্তরাষ্ট্রে ১৭৭৬ সালে।
- টিউলিপ বিপ্লব: সংঘটিত হয় কিরগিজস্থানে ২০০৫ সালে।
- ফরাসি বিপ্লব: সংঘটিত হয় ফ্রান্সে ১৭৮৯ সালে।
- রুশ বিপ্লব: সংঘটিত হয় রাশিয়ায় ১৯১৭ সালে।
- ইসলামিক বিপ্লব: সংঘটিত হয় ইরানে ১৯৭৯ সালে।
- রোজ বিপ্লব: সংঘটিত হয় জর্জিয়ায় ২০০৩ সালে।
- অরেঞ্জ বিপ্লব: সংঘটিত হয় ইউক্রেনে ২০০৪ সালে।

সূত্র: Britannica.
৯৯২.
বাস্তিল দুর্গ পতনের মাধ্যমে কোন রাজার শাসনকালের অবসান ঘটে?
  1. লুই চতুর্দশ
  2. লুই পঞ্চদশ
  3. লুই ষোড়শ
  4. লুই সপ্তদশ
সঠিক উত্তর:
লুই ষোড়শ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুই ষোড়শ
ব্যাখ্যা
বাস্তিল দুর্গ:
- বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্রের অত্যাচারের অন্যতম কেন্দ্র।
- এই বাস্তিল দুর্গে রাজতন্ত্রের বিরোধী ব্যক্তিদের বন্দি করে রাখা হতো ও অত্যাচার করা হতো।
- তাই জনগণের কাছে বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র এবং অত্যাচারের প্রতীক।
- ১৭৮৯ খ্রিষ্টাব্দে ফ্রান্সের বিদ্রোহী জনগণ বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করেছিল।
- বাস্তিল দুর্গের পতন রাজতন্ত্রের পতনের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।
- দুর্গের পতনের মাধ্যমে সমস্ত বন্দিরাও মুক্তি পায়।
- বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।

⇒ বাস্তিল দুর্গের পতনের ফলে রাজা ষোড়শ লুই-এর স্বৈরশাসনের অবসান হয়।
- রাজা জাতীয় পরিষদকে স্বীকৃতি দেন এবং এই সময় থেকে রাষ্ট্রের প্রকৃত ক্ষমতা আইনসভার হাতে চলে যায়।
- ফ্রান্সের প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের সূচনা হয় এবং অভিজাততন্ত্রের পতন আসন্ন হয়ে ওঠে।

উৎস: Britannica.
৯৯৩.
আফিম যুদ্ধে বিজিত পক্ষ কোনটি?
  1. ক) ব্রিটেন
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) চীন
  4. ঘ) হল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
গ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চীন
ব্যাখ্যা
- চীনে সাম্রাজ্যবাদের বিস্তার ঘটে ১৭ শতকে। সেখানে বাণিজ্য বিস্তারে এগিয়ে ছিল পর্তুগিজরা। তারা দক্ষিণ চীনের ম্যাকাও
বন্দর দখল করে বাণিজ্য পরিচালনা করে।
- ধীরে ধীরে ইংরেজ, ফরাসি ও ডাচ কোম্পানি চীনের সমুদ্র উপকূল ধরে বসতি স্থাপন করে। এরই ধারাবাহিকতায় ক্যান্টন, হংকং, তাইওয়ান প্রভৃতি এলাকায় ইঙ্গ-ফরাসি প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
-  ১৮৩৯ সালে চীন সরকার ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে নানকিংয়ের সন্ধিতে স্বাক্ষর করে। 
- তার শর্তানুযায়ী সমুদ্র উপকূলের পাঁচটি বন্দর ইংরেজ কোম্পানির দখলে চলে যায়। 
- এই সময়ে চীনে ইংরেজদের আফিম ব্যবসা ও আফিম বাণিজ্যের বিরুদ্ধে চীনা জনগণের সংগ্রামের ফলে ঘটে যায় প্রথম ইঙ্গ-চীন যুদ্ধ ও নানকিং সন্ধি।
- পরিস্থিতি সংঘাতময় হয়ে ওঠে ১৮৫৬ সালের দিকে  ইংরেজ ও ফরাসি কোম্পানির তাবেদার জনৈক ফরাসি ধর্মযাজককে কৃত অপরাধের জন্য চীন সরকার মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে । 
- এর প্রতিবাদে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স যৌথভাবে চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ইতিহাসে এটাকে দ্বিতীয় চীন যুদ্ধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। 
- তিয়েন্তসিন সন্ধির মাধ্যমে এ যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটলেও সন্ধির শর্তানুসারে ক্ষতিগ্রস্ত হয় চীন। 
- উপকূলবর্তী এগারোটি চীনা বন্দরে ইংরেজ ও ফরাসি শক্তির কর্তৃত্ব সুদৃঢ় হয় এ সন্ধির মাধ্যমে। 
 
- উভয় যুদ্ধে চীন ছিল বিজিত বা পরাজিত পক্ষ। 
 
Opium Wars, two armed conflicts in China in the mid-19th century between the forces of Western countries and of the Qing dynasty, which ruled China from 1644 to 1911/12.
The first Opium War (1839–42) was fought between China and Britain, and 
the second Opium War (1856–60), also known as the Arrow War or the Anglo-French War in China, was fought by Britain and France against China. 
In each case the foreign powers were victorious and gained commercial privileges and legal and territorial concessions in China. The conflicts marked the start of the era of unequal treaties and other inroads on Qing sovereignty that helped weaken and ultimately topple the dynasty in favour of republican China in the early 20th century.
 
উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; ব্রিটানিকা ।
৯৯৪.
‘অক্টোবর বিপ্লব’ নামে পরিচিত কোনটি?
  1. রুশ বিপ্লব
  2. ফরাসি বিপ্লব
  3. আমেরিকান বিপ্লব
  4. ইসলামিক বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
রুশ বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুশ বিপ্লব
ব্যাখ্যা

রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় রুশ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- মোট দুইটি বিপ্লব সংঘটিত হয়। এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই বিপ্লবের ফলে রাশিয়ার সাম্রাজ্যবাদী শাসনের পতন ঘটে এবং বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব (মার্চ, ১৯১৭):
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রোমানভ রাজবংশের পতন ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়। 
- একটি অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং পরবর্তীতে অক্টোবর বিপ্লবে বলশেভিকরা ক্ষমতা দখল করে রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের অবসান ঘটায়।

⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব (নভেম্বর, ১৯১৭):
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন।
- ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিক পার্টি অস্থায়ী সরকারকে উৎখাত করে এবং ক্ষমতা দখল করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- লেনিন বিশ্বের প্রথম কমিউনিস্ট রাষ্ট্রের একনায়ক হয়ে ওঠেন।

উল্লেখ্য,
- রুশ বিপ্লবের ফলে ১৯২২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.

৯৯৫.
ঐতিহাসিক 'বদর যুদ্ধ' কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ৬২৪ সালে
  2. ৬২৫ সালে
  3. ৬২৬ সালে
  4. ৬২৭ সালে
সঠিক উত্তর:
৬২৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২৪ সালে
ব্যাখ্যা
বদরের যুদ্ধ:
- ৬২৪ সালে মদিনার অদূরে বদর নামক স্থানে মক্কার কুরাইশ বাহিনীর সাথে মুসলমানদের বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ২ হিজরির ১৭ রমজান মদিনার মুসলিম ও মক্কার অমুসলিমদের মধ্যে বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধের আগে মুসলিম ও অমুসলিমদের মধ্যে বেশ কিছু খণ্ডযুদ্ধ হয়।
- কিন্তু বদর ছিল দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম বড় আকারের যুদ্ধ।
- ইসলামের এ প্রথম সামরিক যুদ্ধে প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী বিজয় লাভ করে।
- হজরত মুহাম্মদ (সা.) স্বয়ং যুদ্ধ পরিচালনা করেন। 
- ইসলামের এই প্রথম সামরিক যুদ্ধে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নেতৃত্বে মুসলমান বাহিনী বিজয়ী হয়। 

উৎস: History.com
৯৯৬.
The First Industrial Revolution began in -
  1. USA
  2. Germany
  3. Russia
  4. England
  5. France
সঠিক উত্তর:
England
উত্তর
সঠিক উত্তর:
England
ব্যাখ্যা
শিল্প বিপ্লব (Industrial Revolution):
- আঠারো শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে যে দ্রুত শিল্পায়ন ও নগরায়ন সংঘটিত হয়, তাকে শিল্প বিপ্লব বলা হয়।

প্রথম শিল্প বিপ্লব:
- প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০-১৮৪০ সাল।
- ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়।
- তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।
- ব্রিটিশ অর্থনৈতিক ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি (Arnold Toynbee) ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝানোর জন্য ‘শিল্প বিপ্লব' (Industrial Revolution) শব্দটি ব্যবহার করেন।
- ইংল্যান্ডে শুরু হলেও খুব দ্রুতই ইউরোপের অন্যান্য দেশ বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে।
- ইউরোপের পাশাপাশি ১৭৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়া লাগে।
- শিল্প বিপ্লবের ফলে পণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা খুব দ্রুত পরিবর্তত হতে থাকে।
- এই সময় বিভিন্ন ইঞ্জিন, যন্ত্রপাতি ও তত্ত্ব আবিষ্কার হতে থাকে।
- ফলে বিশ্বের ইতিহাসও খুব দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে।

দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব:

- দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৮৭০-১৯১৪ সাল পর্যন্ত।
- দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের সময় প্রযুক্তিগত উন্নতি সাধিত হয়।
- এই সময়ে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন ব্যবস্থা উন্নতকরণ, টেলিগ্রাফ, রেলযোগাযোগ ব্যবস্থা, পানিসরবরাহ ইত্যাদির আবিষ্কার হয়।
- এসবের ফলে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন ও জীবনযাপন এর মান বৃদ্ধি পায়।
- বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র আবিষ্কার হতে থাকে যা সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে সাহায্য করে।

উৎস: Britannica.
৯৯৭.
কোন বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের পতন হয়?
  1. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  2. আগস্ট বিপ্লব
  3. অক্টোবর বিপ্লব
  4. বলশেভিক বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলে।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেট্রোগ্রাদে (সেন্ট পিটার্সবার্গে) খাদ্য ঘাটতি নিয়ে দাঙ্গা শুরু হয়।
- সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে নিকোলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয় ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের কারণে।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

তথ্যসূত্র - History.com & Britannica.com
৯৯৮.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ডি-ডে (D-Day) বলতে কোন ঘটনাকে বোঝানো হয়?
  1. জার্মানির আত্মসমর্পণ
  2. জাপানের আত্মসমর্পণ
  3. মিত্রশক্তির নরম্যান্ডি অবতরণ
  4. হিরোশিমায় বোমা হামলা
সঠিক উত্তর:
মিত্রশক্তির নরম্যান্ডি অবতরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিত্রশক্তির নরম্যান্ডি অবতরণ
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৪ সালের ৬ জুন মিত্রশক্তি ফ্রান্সের নরম্যান্ডি উপকূলে ইতিহাসের বৃহত্তম উভচর সামরিক অভিযান পরিচালনা করে। এই ঘটনা 'ডি-ডে' নামে পরিচিত এবং এটি পশ্চিম ইউরোপকে নাৎসি দখলমুক্ত করার পথ প্রশস্ত করে ।  

​D-Day:
- D-Day দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত।
- 'D-Day' ২য় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৪৪ সালের ৬ জুন দখলকৃত ফ্রান্স উদ্ধারের জন্য মিত্রবাহিনী স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে এক অপারেশন পরিচালনা করে যার কোড নাম ছিলো Operation Overlord।
- ১৯৪৪ সালের ৬ই জুন, নাৎসী বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে প্রায় ১ লক্ষ ৫৬ হাজার যৌথ বাহিনীর সদস্য ফ্রান্সের নরম্যান্ডি উপকূলের ৫টি সৈকতে অবতরণ করেন।
- ৬ জুন দিনটিকে ডি ডে (D-Day) হিসাবে পালন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৪ সালের ৬ জুন ফ্রান্সে মিত্রপক্ষের সেনাবাহিনীর অবতরণের দিন স্থির হয়।
- ৬ জুন ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করে চার হাজারেরও বেশি জাহাজে করে ১ লক্ষ ৫৬ হাজার মিত্রবাহিনীর সেনা নর্মান্ডি উপকূলে অবতরণ করে।

সূত্র: History.com

৯৯৯.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল -
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফ্রান্স
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• জার্মানি,
• জাপান,
• ইতালি।

- মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• ব্রিটেন,
• ফ্রান্স,
• যুক্তরাষ্ট্র,
• সোভিয়েত ইউনিয়ন,
• চীন,
• পোল্যান্ড,
• নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

তথ্যসূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।

১,০০০.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলে কোন সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছিল?
  1. ব্রিটিশ সাম্রাজ্য
  2. ফরাসি সাম্রাজ্য
  3. অটোমান সাম্রাজ্য
  4. আমেরিকান সাম্রাজ্য
সঠিক উত্তর:
অটোমান সাম্রাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অটোমান সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাতের একটি।
- এ যুদ্ধের ফলে পরবর্তী সময়ে এর সঙ্গে যুক্ত থাকা দেশগুলোর রাজনীতিতে বিরাট পরিবর্তন আসে।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- কেন্দ্রীয়শক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ যুদ্ধের সূচনা:
- ১৯১৪ সালে অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্যের হবু সম্রাট ডিউক ফার্দিনান্দ সিংহাসনে আরোহণের কিছুদিন আগে সারায়েভো শহরে স্ত্রীসহ সার্বিয়ান বিচ্ছিন্নতাবাদী আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।
- অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সার্বিয়ার ওপর প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয় এবং ওই বছরের ২৮ জুলাই যুদ্ধ ঘোষণা করে। এ যুদ্ধে দুই দেশের বন্ধু রাষ্ট্রগুলো ধীরে ধীরে জড়িয়ে পড়ে। এতে যোগ দেয় সে সময়ের অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী প্রায় সব দেশ। এভাবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়।

⇒ যুদ্ধের ফলাফল: কেন্দ্রীয় শক্তির পতন ও মিত্র শক্তির বিজয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলে ৪টি সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছিল। এগুলো হলো: রুশ, জার্মান, অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় ও অটোমান।
- ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের ফলে জারতন্ত্রের পতন ঘটে।
- যুদ্ধের শেষে জার্মানি পরাজিত হলে এই সাম্রাজ্যেরও অবসান ঘটে।
- অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্য ভেঙে একাধিক ছোট ছোট রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- ১৯২২ সাল নাগাদ অটোমান সাম্রাজ্য সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে যায় যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রাজনৈতিক বিন্যাসের জন্ম দেয়। 

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.