বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

জনমিতিক শুমারি ও জনসংখ্যা সংক্রান্ত

মোট প্রশ্ন৩৭৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জনমিতিক শুমারি ও জনসংখ্যা সংক্রান্ত

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৩৭৮

২০১.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে, দেশে প্রতিবন্ধীর হার মোট জনসংখ্যার -
  1. ১.৩৭ শতাংশ
  2. ২.৩৭ শতাংশ
  3. ৩.৩৭ শতাংশ
  4. ৪.৩৭ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১.৩৭ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৩৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
দেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হার:
⇒ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে,
- দেশে বর্তমানে ২২ লাখ ৬৫ হাজার ২০১ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছে, এটি মোট জনসংখ্যার ১.৩৭ শতাংশ।
- অর্থাৎ দেশে প্রতিবন্ধীর হার শতকরা ১.৩৭ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- পুরুষ প্রতিবন্ধী ১২ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯১ জন।
- নারী প্রতিবন্ধী ৯ লাখ ৭৭ হাজার ৮৬৯ জন।
- তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ৫৪১ জন।
- সবচেয়ে বেশি ৪,৫৮,৬৮৩ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির বাস ঢাকা বিভাগে, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪,১৬,১৫৮ জন, রাজশাহী বিভাগে রয়েছে ৩,২৭,৪৫২ জন এবং সবচেয়ে কম ১,৪২,০৯৬ জন বরিশাল বিভাগে।
- দেশে শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা সর্বাধিক যা মোট প্রতিবন্ধী ব্যক্তির ৩৩.৩৮%।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
২০২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, চার ফসলি জমির পরিমাণ কত?
  1. ৫০,০০০ একর
  2. ৫১,০৩৪ একর
  3. ৫২,৬৪০ একর
  4. ৫৩,৮০১ একর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ একর
ব্যাখ্যা
আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮২, ৯০,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৮৪,০০০ একর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪৯,০০০ একর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯২,০০০ একর।
- চার ফসলি জমি ৫০,০০০ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
২০৩.
NIPORT কী?
  1. নদীবন্দর বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  2. আবহাওয়া বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  3. জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  4. বাণিজ্য বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
NIPORT: 
- NIPORT (নিপোর্ট) বা National Institute of Population Research and Training হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে ঢাকার আজিমপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও
- মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

সূত্র: NIPORT ওয়েবসাইট।
২০৪.
২০২২ সালের জনশুমারীর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের কত শতাংশ লোক শহরে বাস করে?
  1. ২৮.৫৮
  2. ৩১.৬৬
  3. ৩৫.৩১
  4. ৪১.২৩
সঠিক উত্তর:
৩১.৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১.৬৬
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (৩১.৬৬%) নাগরিক এখন শহরে বাস করে; দুই-তৃতীয়াংশ (৬৮.৩৪%) থাকে গ্রামে।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশালে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
২০৫.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) কত?
  1. ৭৭.৬১%
  2. ৭৮.৪০%
  3. ৭৪.৮০%
  4. ৭২.৮৪%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮০%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। -
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

২০৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন জেলার সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি?
  1. পিরোজপুর
  2. জামালপুর
  3. ফরিদপুর
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
পিরোজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিরোজপুর
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

২০৭.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি কোন জেলায়?
  1. গাজীপুর
  2. পিরোজপুর
  3. ঢাকা
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি যে জেলায় - ঢাকা (১০,০৬৭ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম যে জেলায় - রাঙামাটি (১০৬ জন)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা (৭+) - পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি যে জেলায় - গাজীপুর (৩.৮৭%)।

তথ্যসূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন।
২০৮.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার -
  1. ১৬.৪%
  2. ১৭.৩%
  3. ১৮.৬%
  4. ২০.৫%
সঠিক উত্তর:
২০.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০.৫%
ব্যাখ্যা
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।
২০৯.
জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) কোথায় অবস্থিত?
  1. আজিমপুর, ঢাকা
  2. সেগুনবাগিচা, ঢাকা
  3. শাহবাগ, ঢাকা
  4. আগারগাঁও , ঢাকা
সঠিক উত্তর:
আজিমপুর, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজিমপুর, ঢাকা
ব্যাখ্যা
• জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ:
- জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- নিপোর্ট স্বস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনোভাবের পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে।
- নিপোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি জোরদার করার জন্য কর্মসূচিভিত্তিক মূল্যায়ন, গবেষণা এবং সার্ভে পরিচালনা করা এবং গবেষণার ফলাফলকে বিভিন্ন পর্যায়ে উপস্থাপন করে কর্মসূচি উন্নয়নে কাজে লাগানো।

উৎস: জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)।
২১০.
জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২ অনুসারে, কোন বিভাগে সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%।

⇒ সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি পিরোজপুর জেলায়।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম জামালপুর জেলায়।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
২১১.
সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপ–২০২৪ অনুযায়ী দেশের মোট শ্রমশক্তির কত শতাংশ নারী?
  1. ৩৯.২%
  2. ৪২.৬%
  3. ৪৪.২%
  4. ৪৬.৮% 
সঠিক উত্তর:
৪৪.২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪.২%
ব্যাখ্যা

নারী শ্রমশক্তি:
- সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপ–২০২৪ অনুযায়ী দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৪.২ শতাংশ নারী।
- এর মধ্যে প্রায় ৯৬.৬ শতাংশ নারী অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত (বিশ্বব্যাংক, ২০২৪)। অর্থাৎ তাঁরা কৃষি, গৃহকর্ম, চা-বাগান, গৃহকেন্দ্রিক কাজ, দোকান বা ছোট উৎপাদন ইউনিটে কাজ করেন, যেগুলো শ্রম আইন বা সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আসেনি।

⇒ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
- বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশ আসে তৈরি পোশাকশিল্প থেকে, যেখানে কাজ করেন প্রায় ৪০ লাখ নারী। 
- গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও কৃষিজমির মালিকানায় তাঁদের অংশ মাত্র ১২ শতাংশ (বিবিএস, ২০২৩)।
- বাংলাদেশে প্রায় ২০ লাখ নারী গৃহকর্মীর কাজ করেন (ডমেস্টিক ওয়ার্কার্স রাইটস নেটওয়ার্ক, ২০২৩)।
- চা-বাগানশ্রমিকদের মধ্যে ৭০ শতাংশ নারী।
- নির্মাণশিল্পে নারী শ্রমিকদের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু নিরাপত্তা ও মর্যাদা কমছে (আইএলও-বিজিএমইএ রিপোর্ট, ২০২৪ অনুযায়ী), নির্মাণ সাইটে নারী শ্রমিকদের মধ্যে ৬০ শতাংশ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সরঞ্জাম পান না। 

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
ii) প্রথম আলো।

২১২.
বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩ চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুসারে, দেশে প্রতি বর্গ কি.মি.-এ জনসংখ্যার ঘনত্ব -
  1. ১,১১৯ জন
  2. ১,১২৩ জন
  3. ১,১৫৬ জন
  4. ১,১৭১ জন
সঠিক উত্তর:
১,১৭১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,১৭১ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩
:
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: আগস্ট, ২০২৪।
- সংস্থা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি.মি.-এ: ১,১৭১ জন।

এছাড়াও,
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল জন্মহার ১৯.৪।
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল মৃত্যুহার ৬.১।
- পুরুষদের প্রথম বিবাহের গড় বয়স ২৪.২ বছর এবং নারীদের ১৮.৪ বছর।
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় অভ্যন্তরীণ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে পল্লিতে আগমনের হার ২০.৪ এবং শহরে আগমনের হার ৪৩.৪।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
২১৩.
জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম কোন জেলায়? (মে ২০২৫)
  1. বান্দরবান
  2. রাঙামাটি
  3. বরিশাল
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা

• জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ :
- বাংলাদেশের মোট আয়াতন-১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার।
- মোট জনসংখ্যা - ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার- ১.১২%
- জনসংখ্যার ঘনত্ব - ১,১১৯ জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা জেলায়।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রাঙামাটি জেলায়।

 উৎস : জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২।

২১৪.
ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে কোন বিভাগ?
  1. ময়মনসিংহ
  2. সিলেট
  3. বরিশাল
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
দেশে বসবাসকারী ভাসমান জনসংখ্যা:
- ভাসমান জনসংখ্যা বলতে সে সকল গৃহহীন মানুষকে বুঝায় যারা সাধারণত বিভিন্ন জায়গায় রাত্রি যাপন করে; যেমন রেলওয়ে স্টেশন, বাস টার্মিনাল, মাজার, ফুটপাথ, সিঁড়ি/ফুটওভারব্রিজের নিচে, লঞ্চ টার্মিনাল/ফেরি, বাজারের বারান্দা ইত্যাদি।
-তারা ২০২২ সালের আদমশুমারিতে ভাসমান জনসংখ্যা হিসাবে বিবেচিত হয়।

• ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বিভাগ (৯,৪৬২জন)।
• ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে- ময়মনসিংহ বিভাগ (৭০৩জন)।

উৎস:- জনশুমারি রিপোর্ট ২০২২। 
২১৫.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

আদমশুমারি:
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। যথা-
• ১৯৭৪ সালে,
• ১৯৮১ সালে,
• ১৯৯১ সালে,
• ২০০১ সালে,
• ২০১১ সালে,
• ২০২২ সালে।

⇒ উল্লেখ্য:
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে:  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে:  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

২১৬.
বাংলাদেশে জেলার সংখ্যা-
  1. ৬০টি
  2. ৬২টি
  3. ৬৪টি
  4. ৬৬টি
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার বিভাগ:
- সিটি কর্পোরেশন রয়েছে ১২ টি।
- জেলা রয়েছে ৬৪টি।
- পৌরসভা রয়েছে ৩৩০টি।
- উপজেলা রয়েছে ৪৯৫টি।
- ইউনিয়ন পরিষদ ৪৫৯৬টি।
- গ্রাম ৯০০৪৯টি।

উৎস: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
২১৭.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৩.৮%
  2. ৬.৫%
  3. ৮.৪%
  4. ১১.৩%
সঠিক উত্তর:
৬.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.৫%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।
২১৮.
২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.০৫%
  2. ১.২৫%
  3. ১.৩২%
  4. ১.১২%
সঠিক উত্তর:
১.১২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.১২%
ব্যাখ্যা

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- এটি অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৬৬%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ১৯৭৪ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

২১৯.
স্বাধীন বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট কয়টি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬] 
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

• কৃষি শুমারি/ Agriculture Census:
বাংলাদেশে কৃষি শুমারি হলো দেশের কৃষি খাতের (শস্য, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, বন ও পরিবেশ সহ) বিস্তারিত পরিসংখ্যান সংগ্রহের জাতীয় প্রক্রিয়া।
- স্বাধীন বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৫টি।  
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- তার আগে বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্ব প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।
- এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে (ট্যাবলেট ব্যবহার করে) তথ্য সংগ্রহ, যা সময় কমিয়েছে এবং নির্ভুলতা বাড়িয়েছে।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।
- প্রতি দশ বছর অন্তর কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- পরিসংখ্যান আইন-২০১৩ অনুযায়ী জনশুমারি এবং অর্থনৈতিক শুমারির পাশাপাশি কৃষি (শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) শুমারি পরিচালনা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
-  ২০০৮ সালে সমগ্র দেশে শহর ও পল্লি এলাকায় সকল সাধারণ খানায় তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে ৪র্থ কৃষি শুমারি পরিচালনা করা হয়। 
- এটিই দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ কৃষি শুমারি।

তথ্যসূত্র:
i) বিবিএস ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

২২০.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী জনসংখ্যার দিক দিয়ে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. ত্রিপুরা
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
মারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারমা
ব্যাখ্যা

• ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- জনসংখ্যার দিক দিয়ে -
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।

তথ্যসূত্র: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।

২২১.
মাতৃপ্রধান পরিবার ব্যবস্থার প্রচলন কোন জাতিসত্তায় রয়েছে?
  1. মারমা
  2. চাকমা
  3. গারো
  4. বম
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা

গারো:
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- আশ্বিন মাসে একেক গ্রামের মানুষদের সামর্থ্যানুযায়ী সাত দিন কিংবা তিনদিন ধরে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হতো।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।

সূত্র: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।

২২২.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার কত শতাংশ?
  1. ৩.৮%
  2. ৫.৬%
  3. ৬.৫%
  4. ৭.৩%
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
ব্যাখ্যা
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।
২২৩.
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়- 
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

- আদমশুমারি:
- আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় দশ বছর পরপর।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় – ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে যথা: ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম হয় 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।

২২৪.
বাংলাদেশের কোন জেলায় জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম? [জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২]
  1. রাঙামাটি
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. জামালপুর
  4. শেরপুর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি:
- বিভাগ: ঢাকা বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ২১৫৬ জন।
- জেলা: ঢাকা জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ১০,০৬৭ জন।

• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম:
- বিভাগ: বরিশাল বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ৬৮৮ জন।
- জেলা: রাঙামাটি জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ১০৬ জন।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
২২৫.
বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩ অনুসারে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.১২%
  2. ১.২২%
  3. ১.২৩%
  4. ১.৩৩%
সঠিক উত্তর:
১.৩৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৩৩%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩:
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: আগস্ট, ২০২৪।
- সংস্থা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

⇒ মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি.মি.-এ: ১,১৭১ জন।
- লিঙ্গ অনুপাত = পুরুষ : নারী = ১০০:৯৬.৩।

অন্যদিকে,
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ প্রাথমিক প্রতিবেদন: জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.২২%।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত প্রতিবেদন: জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
২২৬.
বাংলাদেশে সর্বশেষ কততম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ৪র্থ
  2. ৫ম
  3. ৬ষ্ঠ
  4. ৭ম
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
জনশুমারি:
- বাংলাদেশে সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারী অনুষ্ঠিত হয়।
- জনশুমারি পরিচালনা করে - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS).
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ১০ বছর পরপর।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২।
- তবে বন্যা পরিস্থির কারণে কিছু কিছু এলাকায় ২৭ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
- জনসংখ্যা - ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন। 
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার – ১.২২%
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে – ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ : ১০০
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৬৬%।
- খানার সংখ্যা - ৪,১০,১০,০৫১ জন।
- খানা প্রতি গড় সদস্য সংখ্যা – ৪.০ জন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
২২৭.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২- এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত? 
  1. ১.৩২%
  2. ১.১২%
  3. ১.২২%
  4. ১.৭৯%
সঠিক উত্তর:
১.১২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.১২%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

উল্লেখ্য,
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি:
- বিভাগ: ঢাকা বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস- ২১৫৬ জন।
- জেলা: ঢাকা জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস- ১০,০৬৭ জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম:
- বিভাগ: বরিশাল বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস ৬৮৮ জন।
- জেলা: রাঙ্গামাটি জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস ১০৬ জন।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।

২২৮.
নিম্নের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে বাস করেনা?
  1. চাক
  2. পাঙন
  3. লুসাই
  4. খুমি
সঠিক উত্তর:
পাঙন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঙন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য।

অন্যদিকে, পাঙন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- পাঙন নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- এদের অধিকাংশের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায়।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।
- এরা বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি।
- ধর্মীয় দিক থেকে এরা সুন্নি মুসলিম।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি।
২২৯.
নিম্নের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী 'রাখালরাস ও মহারাস উৎসব' পালন করে?
  1. গারো
  2. মণিপুরী
  3. চাকমা
  4. রাখাইন
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা

মণিপুরী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী: 
- রাস উৎসব পালন করে মণিপুরী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এটি তাদের প্রধান উৎসব,
- এটা সাধারণত শরতের পূর্ণিমা তিথিতে অনুষ্ঠিত হয়।
- মণিপুরী সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে এই উৎসব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- রাস উৎসবের দুটি প্রধান পর্ব রয়েছে।
- একটির নাম রাখালরাস, যা দিনব্যাপী পালন করা হয়, এবং
- অন্যটি মহারাস, যা রাতের বেলায় অনুষ্ঠিত হয়
- মণিপুরী জাতির পূর্ব পুরুষরা ছিলেন পাখাংবা নামক একজন প্রাচীন রাজা।
- ৩৩ সালে পাখাংবা সিংহাসনে আরোহণ করেছিলেন।
- মণিপুরী সম্প্রদায় বাংলাদেশের সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাস করে থাকে, বিশেষ করে মৌলভীবাজার জেলাতে তাদের সংখ্যা বেশি।

অন্যদিকে, 
- চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু।
- রাখাইনদের প্রধান উৎসব জলকেলি।
- গারো জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব ওয়ানগালা।

উৎস - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।

২৩০.
SVRS ২০২৩ রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে মোট জন্মশীলতার হার/Total fertility rate (TFR) কত?
  1. ২.৪০
  2. ২.৩১
  3. ২.১৭
  4. ১.৯৪
সঠিক উত্তর:
২.১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২.১৭
ব্যাখ্যা
মোট জন্মশীলতার হার/Total fertility rate (TFR):
- মোট জন্মশীলতার হার (টিএফআর) হলো প্রজনন ক্ষমতার একটি সংক্ষিপ্ত পরিমাপ, যা প্রতিটি একক বছরের জন্য প্রতিটি বয়সভিত্তিক গোষ্ঠীর নারীদের সন্তান জন্মদানের বয়সের জন্য নির্দিষ্ট বয়সের জন্মহারকে নির্দেশ করে।
- এসভিআরএস ২০২৩ এ প্রতি নারীর বিপরীতে টিএফআরের মান দাঁড়িয়েছে ২.১৭।
- প্রত্যাশা অনুযায়ী, পল্লি নারীদের মধ্যে টিএফআরের অনুপাত শহরের তুলনায় বেশি।
- পল্লি অঞ্চলে প্রতি নারীর বিপরীতে টিএফআরের মান ২.৩১।
- শহরাঞ্চলে এ হার পাওয়া গেছে ১.৭৮। 
- বিভাগভিত্তিক হিসাবে চট্টগ্রাম বিভাগে সর্বোচ্চ টিএফআর (২.৪৮) রেকর্ড করা হয়েছে।
- এর পরের অবস্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগ (২.৪০)। 
- সবচেয়ে কম টিএফআর রেকর্ড করা হয়েছে ঢাকা বিভাগে।
- এ বিভাগে টিএফআরের মান ১.৯৪।
- ধর্মভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, মুসলিম নারীরা অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের তুলনায় বেশি প্রজননক্ষম।
- মুসলিম নারীদের মধ্যে মাথাপিছু টিএফআর হার ২.২৩।

উৎস: SVRS ২০২৩ রিপোর্ট।
২৩১.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জনসংখ্যায় সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. বম
  2. ভিল
  3. গুর্খা
  4. লুসাই
সঠিক উত্তর:
ভিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিল
ব্যাখ্যা
• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা - ৫০টি।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী - চাকমা (৪,৮৩,৩৬৫ জন)।
- জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যথাক্রমে - মারমা (২,২৪,২৯৯ জন) ও ত্রিপুরা (১,৫৬,৬২০ জন)।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী - ভিল (৯৫জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় - রাঙ্গামাটি (৩,৭২,৮৭৫ জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় - লালমনিরহাট (১১৮ জন)।

উল্লেখ্য, 
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি: CPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-fecto.
- দেশে মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।

উৎস: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
২৩২.
২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা তে বাংলাদেশে মোট কয়টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কথা বলা হয়েছে?
  1. ৪৮টি
  2. ৪৯টি
  3. ৫০টি
  4. ৫১টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২:
- সময়কাল: ১৫-২১ জুন, ২০২২ সাল।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ তে বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কথা বলা হয়েছে।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি অনুসারে পরিচালনা করা হয়েছে।
- শুমারিতে জিআইএস (Geographic Information System) বেইজড ডিজিটাল ম্যাপ ব্যবহার করে CAPI (Computer Assisted Personal Interviewing) পদ্ধতিতে ট্যাবলেট এর মাধ্যমে তথ্যসংগ্রহ করা হয়।
- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮।
- পুরুষের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১ জন।
- জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে মারমা ও ত্রিপুরা।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর।এই জনগোষ্ঠীর মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে।
- এরপর গুর্খা জনগোষ্ঠী সংখ্যা ১০০ জন বাংলাদেশে বসবাস করছে।
- হো জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ২২৩ জন।
- রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- ২য় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।


উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
২৩৩.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার কত শতাংশ?
  1. ৩.২%
  2. ৩.৪%
  3. ৩.৬%
  4. ৩.৮%
সঠিক উত্তর:
৩.৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৮%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।
২৩৪.
জাতীয় শিশু নীতি-২০১১ অনুযায়ী, শিশু বলতে কাকে বোঝায়?
  1. ১৪ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি
  2. ১৬ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি
  3. ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি
  4. ২১ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিশু নীতি ২০১১:
১. ভূমিকা:
- শিশুদের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত হয় শিশু আইন ১৯৭৪, যা যুগোপযোগীকরণের মাধ্যমে শিশু আইন ২০১১ রূপে প্রণয়ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- পরিবার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রাসঙ্গিক সকল ক্ষেত্রে শিশুর অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা একান্ত আবশ্যক।
- শিশুর সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা ও অধিকার সংরক্ষণের মাধ্যমে একটি সৎ, দেশপ্রেমিক ও কর্মক্ষম ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার যত্নশীল ও সক্রিয়।

২.১ শিশু: শিশু বলতে আঠারো বছরের কম বয়সী বাংলাদেশের সকল ব্যক্তিকে বুঝাবে। দেশের প্রচলিত কোন আইনে এর ভিন্নতা থাকলে এই নীতির আলোকে প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে সামঞ্জস্য বিধানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
২.২ কিশোর কিশোরীঃ কিশোর-কিশোরী বলতে ১৪ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদেরকে বুঝাবে।
৩. পরিধি:
জাতীয় শিশু নীতি বাংলাদেশের নাগরিক সকল শিশুর ক্ষেত্রে বৈষম্যহীনভাবে প্রযোজ্য হবে।
৪. মূলনীতি:
বাংলাদেশের সংবিধান ও আন্তর্জাতিক সনদসমূহের আলোকে শিশু অধিকার নিশ্চিতকরণ।
শিশু দারিদ্র্য বিমোচন।
শিশুর প্রতি সকল প্রকার নির্যাতন ও বৈষম্য দূরীকরণ।
কন্যা শিশুর প্রতি সকল প্রকার নির্যাতন ও বৈষম্য দূরীকরণ।
শিশুর সার্বিক সুরক্ষা ও সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে শিশুদের অংশগ্রহণ ও মতামত গ্রহণ।

উৎস: জাতীয় শিশু নীতি- ২০১১।

২৩৫.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা  এর তথ্য সংগ্রহে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে?
  1. Traditional paper-based survey
  2. Telephone interviewing
  3. Computer-Assisted Personal Interviewing 
  4. Online self-reporting
সঠিক উত্তর:
Computer-Assisted Personal Interviewing 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Computer-Assisted Personal Interviewing 
ব্যাখ্যা

• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা
হয়েছে CAPI. (Computer Assisted Personal Interviewing)
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে- মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

২৩৬.
২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা-
  1. প্রায় উনিশ কোটি
  2. প্রায় সাড়ে ষোলো কোটি
  3. প্রায় আঠারো কোটি
  4. প্রায় সতেরো কোটি
সঠিক উত্তর:
প্রায় সতেরো কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় সতেরো কোটি
ব্যাখ্যা

⇒ ২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় সতেরো কোটি।

♦ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
→ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
→ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
→ এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
→ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
→ CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
→ গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
→ মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
→ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
→ জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।

♦ উল্লেখ্য:
⇒ সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
⇒ সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।

⇒ জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। (২১৫৬ জন)।
⇒ জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। (৬৮৮ জন)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

২৩৭.
সর্বশেষ জনশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) কত?
  1. ৭২.৯৪%
  2. ৭৪.৮০%
  3. ৭৬.৪৪%
  4. ৭৬.৭১%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮০%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- গণনা পদ্ধতি: Modified Defacto।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।  
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭৪.৮০% (পুরুষ: ৭৬.৭১%, নারী: ৭২.৯৪%)।
- মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারী - ৩০.৬৯%।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- খানার আকার: ৩.৯৮।

উল্লেখ্য,
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি পিরোজপুর জেলায়।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম জামালপুর জেলায়।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।

২৩৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা কোনটি?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে- মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। (২১৫৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। (৬৮৮ জন)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

২৩৯.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্যের হার কোন জেলায়? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. মাদারীপুর 
  2. শেরপুর
  3. পিরোজপুর
  4. ঝালকাঠি
সঠিক উত্তর:
মাদারীপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদারীপুর 
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সম্প্রতি জানুয়ারি, ২০২৫-এ 'বাংলাদেশের দারিদ্র্য ম্যাপ ২০২২' প্রকাশ করেছে।
- রিপোর্ট অনুযায়ী দেশে বর্তমানে দারিদ্র্যের হার ১৯.২ শতাংশ।
- শহরে দারিদ্র্যের হার ১৬.৫ শতাংশ এবং গ্রামে দারিদ্র্যের হার ২০.৩ শতাংশ।

⇒ দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি বরিশাল বিভাগে ২৬.৬ শতাংশ এবং সবচেয়ে কম চট্টগ্রাম বিভাগে ১৫.২ শতাংশ।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্যের হার মাদারীপুর জেলায়।

উল্লেখ্য,
- বিবিএস ১৯৭৩ সাল থেকে খানার আয় ও ব্যয় জরিপ থেকে দারিদ্র্য পরিমাপ করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালে খানার আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২-এর ১৭তম রাউন্ড পরিচালিত হয়েছিল। যেখান থেকে জাতীয় ও বিভাগ পর্যায়ের তথ্য উপাত্ত উঠে এসেছে। মূলত খানার আয় ও ব্যয় জরিপ এবং জনশুমারি ও গৃহগণনার উপর ভিত্তি করে স্মল এরিয়া এস্টিমেশন পদ্ধতি ব্যবহার করে দেশের সকল জেলা ও উপজেলার দারিদ্র্য হার প্রাক্কলন করা হয় এবং প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দারিদ্র্য মানচিত্র প্রণয়ণ করে থাকে, যেখানে দারিদ্র্য প্রবণ অঞ্চল ও অতি দারিদ্র্য প্রবণ অঞ্চলসমূহ মানচিত্রে উপস্থাপন করা হয়।
- ‘বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র ২০২২’ প্রণয়নে বিশ্ব ব্যাংক টেকনিক্যাল সহযোগিতা করেছে এবং বিশ্ব খাদ্য সংস্থা (ডব্লিউএফপি) আর্থিক সহযোগিতা করছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
ii) বণিক বার্তা।
২৪০.
জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা কোন বছরের পর বৃদ্ধি পাবে না?
  1. ২০৫৫ সাল
  2. ২০৬১ সাল
  3. ২০৬৫ সাল
  4. ২০৭০ সাল
সঠিক উত্তর:
২০৬১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৬১ সাল
ব্যাখ্যা

• 'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫:
- ২৪ জুলাই ২০২৫ সালে 'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫' প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
- রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের এক অনুষ্ঠানে এই নতুন জনসংখ্যা নীতি প্রকাশ করা হয়।
- এর আগে জনসংখ্যা নীতি ছিল ২০১২ সালের।

- এই নীতির প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০৬১ সালের পর আর বাড়বে না।
- তখন দেশের জনসংখ্যা হবে ২১ কোটি।
- ২০৬২ সাল থেকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঋণাত্মক হবে এবং মোট জনসংখ্যা কমতে থাকবে।
- ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশ জনসংখ্যার লভ্যাংশের যে সুযোগ পেয়ে আসছে তা অব্যাহত থাকবে ২০৬১ সাল পর্যন্ত।
- তখন সমাজে প্রবীণ মানুষের হার অনেক বেশি থাকবে।

- মানবাধিকার, ন্যায্যতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, জেন্ডার সমতা, বৈষম্যহীনতা, স্বেচ্ছা সম্মতি ও অবহিত পছন্দ, তথ্য প্রাপ্তি, গোপনীয়তা, সেবার মান ও অংশীদারত্ব–অংশগ্রহণকে ২০২৫ সালের জনসংখ্যা নীতির মূল ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ ও প্রথম আলো। 

২৪১.
শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুযায়ী কোন বিভাগে বেকারের সংখ্যা সবচেয়ে কম?
  1. বরিশাল
  2. ময়মনসিংহ
  3. সিলেট
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪:
- শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ময়মনসিংহ বিভাগে বেকারের সংখ্যা সবচেয়ে কম।

⇒ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
- প্রতিবেদন অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি বেকার ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে ৬ লাখ ৮৭ হাজার বেকার আছে।
- দেশের বিভাগওয়ারি হিসাবে ঢাকা বিভাগের পর চট্টগ্রাম বিভাগে ৫ লাখ ৮৪ হাজার, রাজশাহীতে ৩ লাখ ৫৭ হাজার, খুলনায় ৩ লাখ ৩১ হাজার, সিলেটে ২ লাখ ১৬ হাজার, রংপুরে ২ লাখ ৬ হাজার, বরিশালে ১ লাখ ৩৯ হাজার এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ১ লাখ ৪ হাজার বেকার আছে।
- বিবিএসের জরিপ অনুসারে, দেশে যত বেকার আছে, তাঁদের মধ্যে সাড়ে ১৩ শতাংশ স্নাতক ডিগ্রিধারী।

⇒ শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুসারে,
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৪৪.৬৭%।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ১৭.৩৭%।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৩৭.৯৬%।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
ii) প্রথম আলো।

২৪২.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে কোন নৃ-গোষ্ঠী সংখ্যায় সবচেয়ে কম?
  1. ভিল 
  2. কোচ 
  3. মুন্ডা 
  4. গুর্খা
সঠিক উত্তর:
ভিল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিল 
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশে দেশে ৫০টি ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী রয়েছে।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে শতকরা হিসাবে যা ২৯.২৯ শতাংশ।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর।

⇒ চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য চট্টগ্রামেরই দুই জাতিগোষ্ঠী মারমা ও ত্রিপুরা। সংখ্যার দিক থেকে চতুর্থ স্থানে থাকা সমতলের সাঁওতালদের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯ জন।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর। এই জনগোষ্ঠীর মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে।
- এরপর গুর্খা জনগোষ্ঠী সংখ্যা ১০১ জন বাংলাদেশে বসবাস করছে।
- আর হো জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ২২৪ জন।
- লুসাই জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ৩৮০ জন।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।

২৪৩.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশে সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা কোনটি? 
  1. ময়মনসিংহ
  2. ঢাকা
  3. পিরোজপুর
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
পিরোজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিরোজপুর
ব্যাখ্যা

- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। -
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

২৪৪.
CAPI পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রথম কোন শুমারি পরিচালনা করা হয়েছে?
  1. ৩য় জনশুমারি
  2. ৪র্থ জনশুমারি
  3. ৫ম জনশুমারি
  4. ৬ষ্ঠ জনশুমারি
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ জনশুমারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ জনশুমারি
ব্যাখ্যা
CAPI:
- CAPI এর পূর্ণরুপ: Computer Assisted Personal Interviewing.
- ২০২২ সালে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা-এর তথ্য সংগ্রহে CAPI পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ২০২২ সালে।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: ৯ এপ্রিল, ২০২৩।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মাধ্যমে মূলত দেশের প্রতিটি গৃহ, খানা ও ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
ii) বিবিসি।
২৪৫.
বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরী নাচ কোন অঞ্চলের?
  1. সিলেট
  2. রংপুর
  3. রাঙ্গামাটি
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
মণিপুরী:
- বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরী নাচ সিলেট অঞ্চলের।
- বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে। সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
- মণিপুরী সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী ও ঐতিহ্যবাহী। নৃত্য ও সঙ্গীত মণিপুরীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
- এই নৃত্যে শারীরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চালনার মাধ্যমে বৃত্ত বা উপবৃত্ত সৃষ্টি করা হয়।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে রাসা (Rasa) নৃত্য।
- ভারতীয় সংস্কৃতিতে রাসার অবদান অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২৪৬.
ষষ্ঠ জনশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যায় বৃহত্তম সিটি কর্পোরেশন কোনটি?
  1. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
  2. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
  3. কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন
  4. গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ জনশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যায় বৃহত্তম সিটি কর্পোরেশন হলো ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। 

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

⇒ সিটি করপোরেশনগুলোর মধ্যে সর্বাধিক জনসংখ্যা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে, সেখানে বাস করেন ৫৯ লাখ ৭৯ হাজার ৫৩৭ জন।
- আর সবচেয়ে কম বসবাস বরিশাল সিটি করপোরেশনে, সেখানে বাস করেন চার লাখ ১৯ হাজার ৩৫১ জন।

⇒ সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯৩৫৩ জন)।
- সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা রংপুর সিটি কর্পোরেশন (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৪৪৪ জন)।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
২৪৭.
'নিপোর্ট' কী নিয়ে কাজ করে?
  1. জনসংখ্যা
  2. মহাকাশ
  3. অর্থনীতি
  4. পরিবেশ
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
ব্যাখ্যা

• জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ (নিপোর্ট):
- নিপোর্ট জনসংখ্যা, পরিবার পরিকল্পনা, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য এবং পুষ্টি সংক্রান্ত গবেষণা ও প্রশিক্ষণের ওপর কাজ করে।
- ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সহায়তা করে।
- নিপোর্ট প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির মূল্যায়ন ও গবেষণা পরিচালনা করে।
- গবেষণার ফলাফল বিশ্লেষণ করে কার্যকর নীতিমালা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।    

সূত্র: নিপোর্ট ওয়েবসাইট।

২৪৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে কম?
  1. খুলনা
  2. রাজশাহী
  3. সিলেট
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারী (৫বছর ও তদূর্ধ্ব),
- মোট ব্যবহারকারী - ৩০.৬৯%।
- পুরুষ ব্যবহারকারী - ৩৮.০৪%।
- নারী ব্যবহারকারী - ২৩.৫২%।
- ঢাকা বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি - ৪০.৪২%।
- রংপুর বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে কম - ২৩.৫২%।
• শহর -৪১.৩০%।
• গ্রাম - ২৫.৭৩%।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

২৪৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, পার্বত্য চট্টগ্রামে কতটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বাস করে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে। জেলার দিক দিয়ে -দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা। তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।
২৫০.
প্রথম জনশুমারি কবে পরিচালিত হয়?
  1. ১৯৭২ সাল
  2. ১৯৭৩ সাল
  3. ১৯৭৪ সাল
  4. ১৯৭৬ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সাল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৪ সালে প্রথম জনশুমারি ও গৃহগণনা পরিচালিত হয়।
- ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি পরিচালিত হয়।
- ১৯৮৬ সালে প্রথম অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালিত হয়।
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ছয়টি আদম শুমারি ও গৃহগণনা শুমারি পরিচালিত হয় যার সর্বশেষটি হয় ২০২২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
২৫১.
ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম কী? 
  1. সাংগ্রাই
  2. বাইশু
  3. বিজু
  4. রাস 
সঠিক উত্তর:
বাইশু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাইশু
ব্যাখ্যা

➝ ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম ⎯ বৈসুখ/বৈসু/বাইশু,

অন্যদিকে,
➝ মারমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম ⎯ সাংগ্রাই,
➝ চাকমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম ⎯ বিজু।
➝ রাস হলো মণিপুরিদের প্রধান উৎসব। শরতের পূর্ণিমায় এই রাস হয়।

• বৈসাবি:
- পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর কাছে বর্ষবরণ উৎসবই সবচেয়ে বড় এবং ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। বাংলাদেশের ৩ বড় নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবকে একত্রে বৈসাবি বলা হয়।
- এই ৩ বড় উৎসবকে একত্রে বৈসাবি বলা হয়। সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়।

• ত্রিপুরা:
- একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জাতি। ব্রিটিশ আমলে ত্রিপুরা ছিল একটি দেশীয় রাজ্য।
- ১৯৪৭ সালের পর ত্রিপুরী জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বসবাস সুবাদে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ও মিরসরাই, নোয়াখালীর বিলোনীয়া অঞ্চল, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরা বসবাস করেন।
- ত্রিপুরা জাতি যে ভাষায় কথা বলে তা কক্-বরক নামে অভিহিত।
- কক্-বরক্ ভাষাটি ৫৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা ছিল।
- ত্রিপুরা ভারতে যোগ দিলে কক্-বরক্ রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা হারায়।
- ত্রিপুরা জাতির সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসু ।
- ধর্ম বিশ্বাসে ত্রিপুরা জাতি সনাতন ধর্মের অনুসারী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বোর্ড বই।

২৫২.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর ও তদূর্ধ্ব) কত?
  1. ৭২.৬৬%
  2. ৭২.৪৪%
  3. ৭৪.৬৬%
  4. ৭৪.৮২%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৬৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৬৬%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭৪.৬৬%।
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৫৬%।
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৮২%।

উল্লেখ্য,
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- খানার আকার: ৩.৯৮।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
২৫৩.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন জেলায় সর্বনিম্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস করে?
  1. লালমনিরহাট
  2. যশোর
  3. পাবনা
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

• ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাসে সর্বনিম্ন জেলা→ লালমনিরহাট।

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনত্ব: রাঙ্গামাটি।
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি: CPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-fecto.
- দেশে মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকায়।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি: ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম : বরিশাল বিভাগে।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা - ৫০টি
- বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী চাকমা →(২৯.২৯%)
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাসে শীর্ষ বিভাগ→-চট্টগ্রাম
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাসে সর্বনিম্ন বিভাগ→ বরিশাল
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাসে শীর্ষ জেলা→ রাঙ্গামাটি
 
উৎস: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।

২৫৪.
বাংলাদেশী পিতা-মাতার কোন সন্তান যদি আমেরিকায় জন্মগ্রহণ করে তবে সে কোন নীতি অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. জন্মস্থাননীতি
  2. জন্মনীতি
  3. অনুমোদনসূত্রে
  4. হতে পারবে না
সঠিক উত্তর:
জন্মস্থাননীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্মস্থাননীতি
ব্যাখ্যা
একজন অধিবাসী দুইভাবে কোন রাষ্ট্রের নাগরিক হতে পারে।
যেমন-(১) জন্মসূত্রে (২) অনুমোদনসূত্রে।

জন্মসূত্রে নাগরিকতা:
কোন ব্যক্তি যে দেশে জন্মগ্রহণ করে থাকে, তিনি সে দেশের নাগরিকতা লাভ করে থাকে। যেমন বাংলাদেশে জন্ম নেয়া সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। 

জন্মসূত্রে নাগরিকতা অর্জন আবার দুই রকম হয়ে থাকে। একটি হল জন্ম নীতি অন্যটি জন্মস্থান নীতি।
জন্মনীতি অনুযায়ী কোন সন্তান যে রাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করে তিনি সে রাষ্ট্রেরই নাগরিক হয়ে থাকে।
জন্মস্থাননীতি অনুযায়ী সন্তান যে রাষ্ট্রেই জন্মগ্রহণ করুক না কেন সে তার পিতা-মাতার জন্মস্থান অনুযায়ী নাগরিকত্ব পাবে। 
বাংলাদেশী পিতা-মাতার কোন সন্তান যদি আমেরিকায় জন্মগ্রহণ করে তবে সে আমেরিকার নাগরিক হবে। আমেরিকায় জন্ম নেয়া সেই সন্তান আবার বাংলাদেশেরও নাগরিক। 

অনুমোদনসূত্রে নাগরিকত্ব:
কোন রাষ্ট্র প্রদত্ত নাগরিকতার শর্ত পূরণ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করলে একজন বিদেশী একটি রাষ্ট্রের নাগরিক হতে পারে।
যেমন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক কোচ গর্ডন গ্রীনিজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের একজন নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও তাকে এ দেশের নাগরিকত্ব দেয়া হয়েছে। এই নাগরিকত্ব বাতিলযোগ্য।

দ্বৈত নাগরিকত্ব:
একই ব্যক্তি যখন একই সাথে দুই রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব উপভোগ করে তখন তাকে দ্বৈত নাগরিকত্ব বলে।
অনেক রাষ্ট্র দ্বৈত নাগরিকত্ব সমর্থন করে না।
কিন্তু বাংলাদেশ করে।
যেমন একজন বাংলাদেশী নাগরিক যদি ব্রিটেনের নাগরিকত্ব লাভ করে তবু তিনি নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশ থেকে তার প্রাপ্য অধিকার ভোগ করতে পারবে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৫.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৩.৮%
  2. ৪.২%
  3. ৪.৭%
  4. ৫.১%
সঠিক উত্তর:
৩.৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৮%
ব্যাখ্যা

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।

২৫৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুসারে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.০২%
  2. ১.১৭%
  3. ১.১২%
  4. ১.৩২%
সঠিক উত্তর:
১.১২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.১২%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।

সূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
২৫৭.
বর্তমান সময়ে সুনামগঞ্জ ও ময়মনসিংহের গারো পাহাড়ে কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে?
  1. খিয়াং
  2. রাখাইন
  3. চাকমা
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা

গারো:
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।

উৎস: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ ও বাংলাপিডিয়া।

২৫৮.
নিম্নে উল্লিখিত কোন বছর আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি?
  1. ১৯৯১
  2. ২০০১
  3. ২০১১
  4. ২০২১
সঠিক উত্তর:
২০২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২১
ব্যাখ্যা

• ২০২১ সালে বাংলাদেশে কোন আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি।

• আদমশুমারি:

- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- এ পর্যন্ত আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: পাঁচবার যথা- 
- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২সালে।
- আদম শুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পরপর।

⇒ উল্লেখ্য,
- উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৮৭২সালে।
- প্রথম আদমশুমারি হয় লর্ড মেয়োর সময়।
- সর্বশেষ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২ সাল।

উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।

২৫৯.
বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ -এর প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা কত সালের পর আর বাড়বে না?
  1. ২০৬০ সাল
  2. ২০৬১ সাল
  3. ২০৫০ সাল
  4. ২০৫১ সাল
সঠিক উত্তর:
২০৬১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৬১ সাল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫:
- 'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫' প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ২৪ জুলাই ২০২৫ সালে।
- এই নতুন জনসংখ্যা নীতি প্রকাশ করা হয় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে।
- এর আগে জনসংখ্যা নীতি ছিল ২০১২ সালের।
- এই নীতির প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০৬১ সালের পর আর বাড়বে না।
- তখন দেশের জনসংখ্যা হবে ২১ কোটি।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঋণাত্মক হবে এবং মোট জনসংখ্যা কমতে থাকবে ২০৬২ সাল থেকে।
- ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশ জনসংখ্যার লভ্যাংশের যে সুযোগ পেয়ে আসছে তা অব্যাহত থাকবে ২০৬১ সাল পর্যন্ত।
- তখন সমাজে প্রবীণ মানুষের হার অনেক বেশি থাকবে।
- মানবাধিকার, ন্যায্যতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, জেন্ডার সমতা, বৈষম্যহীনতা, স্বেচ্ছা সম্মতি ও অবহিত পছন্দ, তথ্য প্রাপ্তি, গোপনীয়তা, সেবার মান ও অংশীদারত্ব–অংশগ্রহণকে ২০২৫ সালের জনসংখ্যা নীতির মূল ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ ও প্রথম আলো।

২৬০.
বাংলাদেশের কোন জেলায় গারো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আবাসস্থল?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. ময়মনসিংহ 
  3. কক্সবাজার
  4. বান্দরবান 
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ 
ব্যাখ্যা

• 'গারো' উপজাতি:
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস — ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়।

তাছাড়া,
- শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলাতেও কিছু গারো উপজাতি বাস করে।

উল্লেখ্য, 
গারো উপজাতি মূলত ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে বাস করে। বিশেষ করে, গারো উপজাতির মানুষেরা ময়মনসিংহের গারো পাহাড়ী অঞ্চলে বসবাস করে। তাদের মূল আবাসস্থল হচ্ছে ময়মনসিংহের গারো পাহাড় এলাকা।
সিলেট জেলায় কিছু সংখ্যক গারো বাস করলেও বেশিরভাগ গারো 'ময়মনসিংহ' জেলায় বাস করে বিধায় উত্তর হিসেবে ময়মনসিংহ গ্রহণ করা হলো।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: 
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মের নাম 'সাংসারেক'। 
- গারোদের প্রধান দেবতা 'তাতারা রাবুগা'। 
- গারোদের ধর্ম খ্রিস্টান। 
- গারোদের উৎসব 'ওয়ানগালা'। 
- গারোদের ভাষা মান্দি। 
- গারোদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক। 

উৎস: ময়মনসিংহ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

২৬১.
বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল শুমারি 'জনশুমারি ও গৃহগণনা' কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
প্রথম ডিজিটাল শুমারি 'জনশুমারি ও গৃহগণনা':

• অনুষ্ঠিত হয়- ২০২২ সালের ১৫ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত।  
• এটি দেশের ষষ্ঠ জাতীয় আদমশুমারি। 
• বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তত্ত্বাবধানে এটি পরিচালিত হয়। 
• সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোণা জেলায় বন্যা থাকায় ২৮ জুন ২০২২ পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলমান ছিল। 
• ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী ইতিপূর্বে পরিচিত 'আদমশুমারি'-কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়। 
• প্রতি দশ বছর পর পর আদমশুমারি পরিচালিত হয়।
• কোভিড-১৯ এর বৈশ্বিক মহামারী, সিলেটে বন্যা এবং সরঞ্জামের অভাবের কারণে সৃষ্ট জটিলতার ফলে এই আদমশুমারি বিলম্বিত হয়।
• অবিভক্ত বাংলায় প্রথম আনুষ্ঠানিক আদমশুমারি হয় ১৮৭২ সালে লর্ড মেয়ারের সময়।
• পাকিস্তান আমলে ১৯৬১ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
• স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। 
• দ্বিতীয় আদমশুমারি: ১৯৮১ সালে।
• তৃতীয় আদমশুমারি: ১৯৯১ সালে। 
• চতুর্থ আদমশুমারি : ২০০১ সালে।
• পঞ্চম আদমশুমারি: ২০১১ সালে

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
২৬২.
২০২২ সালের জনশুমারির মূলমন্ত্র ছিল- 
  1. "সঠিক তথ্য প্রদান করুন, দেশের জন্য কাজ করুন" 
  2. "প্রতিটি বাড়ি গননা করুন, উন্নয়নে সাহায্য করুন"
  3. "জনশুমারিতে তথ্য দিন, পরিকল্পিত উন্নয়নে অংশ নিন"
  4. "সঠিক তথ্য দিন, উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশ নিন"
সঠিক উত্তর:
"জনশুমারিতে তথ্য দিন, পরিকল্পিত উন্নয়নে অংশ নিন"
উত্তর
সঠিক উত্তর:
"জনশুমারিতে তথ্য দিন, পরিকল্পিত উন্নয়নে অংশ নিন"
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা:
- ২০২২ সালের জনশুমারির মূলমন্ত্র ছিল- "জনশুমারিতে তথ্য দিন, পরিকল্পিত উন্নয়নে অংশ নিন"।
-
এই মূলমন্ত্রের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছিল। 
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।

- জনসংখ্যার ঘনত্ব ও বণ্টন অনুযায়ী,
→ ঢাকা জেলা সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ (১০,০৬৭ জন প্রতি বর্গকিমি),
→ আর রাঙ্গামাটি জেলা সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ (১০৬ জন প্রতি বর্গকিমি)।

- জেলা ও বিভাগের দিক থেকে,
→ সবচেয়ে বেশি মানুষ ঢাকা বিভাগে (৪৫,৬৪,৪৫,৮৬ জন) বসবাস করে;
→ এবং সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে (৯,৩২৫,৮২০ জন) বসবাস করে।

→ ঢাকা বিভাগের জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বাধিক (২,১৫৬ জন প্রতি বর্গকিমি),
আর বরিশাল বিভাগের জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বনিম্ন (৬৮৮ জন প্রতি বর্গকিমি)।

- শহরভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী,
→ সবচেয়ে বেশি মানুষ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (৫৯,৯০,৭২৩ জন) বসবাস করে; 
→ এবং সবচেয়ে কম বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে (৭,০৮,৫৭০ জন) বসবাস করে।

- শহরগুলোর ঘনত্বের দিক থেকে,
→ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে সর্বোচ্চ (৩৯,৪০৬ জন প্রতি বর্গকিমি)
→ এবং রংপুর সিটি কর্পোরেশনে সর্বনিম্ন (৩,৪৪৫ জন প্রতি বর্গকিমি)।

→ ভাসমান জনসংখ্যার দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বিভাগ
→ এবং সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে ময়মনসিংহ বিভাগ।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।

২৬৩.
'মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে- ২০২৫’ অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে নারীদের মোট প্রজনন হার কত? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ১ দশমিক ৪
  2. ২ দশমিক ৪
  3. ৩ দশমিক ৪
  4. ৪ দশমিক ৪
সঠিক উত্তর:
২ দশমিক ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ দশমিক ৪
ব্যাখ্যা

মোট প্রজনন হার:
- দেশের জনসংখ্যা এখন ১৮ কোটির বেশি।
- দেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ বাস করে।
- ইউনিসেফ ও বিবিএসের সর্বশেষ জরিপ বলছে, নারীদের গড় সন্তান জন্মদান হার বেড়েছে।
- ১৬ নভেম্বর, ২০২৫ প্রকাশিত ‘মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে ২০২৫’-এ বলা হয়েছে, নারীদের গড় সন্তান জন্মদান হার বা মোট প্রজনন হার ২ দশমিক ৪।
- ১৯৯৬ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত টিএফআর ৩ দশমিক ৩ ছিল।
- আবার ২০১২ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত টিএফআর ২ দশমিক ৩ ছিল।
- ২০১২ সালের জনসংখ্যা নীতিতে বলা হয়েছিল, ২০১৫ সালের মধ্যে টিএফআর ২ দশমিক ১ করা হবে।

উল্লেখ্য,
- প্রজননক্ষম নারী সারা জীবনে (২৫ থেকে ৪৯ বছর বয়স পর্যন্ত) গড়ে যত সন্তানের জন্ম দে, তাকে বলা হয় মোট প্রজনন হার (টোটাল ফার্টিলিটি রেট বা টিএফআর)।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

২৬৪.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি কখন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮১
  2. ১৯৬৪ 
  3. ১৯৭৪
  4. ১৯৭৭ 
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪
ব্যাখ্যা

জনশুমারি:
- জনশুমারি হলো দেশের জনগণ ও তাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহের একটি প্রক্রিয়া।
- বাংলাদেশে এই প্রক্রিয়া পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
- সাধারণত প্রতি ১০ বছর অন্তর  জনশুমারি সম্পন্ন করা হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম শুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি। 
- এই পর্যন্ত মোট ৬টি শুমারি সম্পন্ন হয়েছে—১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে।
- ২০২২ সালের শুমারি প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- জনশুমারি জনগণের সংখ্যা, বয়স, লিঙ্গ, শিক্ষা, পেশা, বসবাসের ধরন, পরিবার কাঠামো ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করে।
- তাছাড়া, জনশুমারি সরকারের জন্য নীতি নির্ধারণ, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং জনসংখ্যা সম্পর্কিত গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করে।

উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

২৬৫.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ কোন পদ্ধতি অনুসারে পরিচালনা করা হয়েছে?
  1. ডি-জুরি (de jure) পদ্ধতি
  2. ডি-ফ্যাক্টো (de facto) পদ্ধতি
  3. মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি
  4. মোডিফাইড ডি-জুরি (modified de jure) পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি অনুসারে পরিচালনা করা হয়েছে।

জাতিসংঘের গাইডলাইন অনুযায়ী জনশুমারি মূলত নিম্নবর্ণিত তিন ধরনের গণনা পদ্ধতি অনুসরণ করে পরিচালনা করা হয়:

ডি-জুরি (de jure) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যগণকে শুধুমাত্র তাদের সচরাচর বাসস্থানে গণনাভুক্ত করা হয়।

ডি-ফ্যাক্টো (de facto) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যগণকে শুমারি মুহূর্তে তাদের অবস্থানে গণনাভুক্ত করা হয়।

মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যগণকে শুমারি মুহুর্তে তাদের অবস্থানে গণনাভুক্ত করার পাশাপাশি শুমারি মুহুর্তে যারা ভ্রমণরত, হাসপাতাল ও হোটেলে থাকবেন বা কর্মরত থাকবেন তাদেরকে স্ব স্ব খানায় গণনাভুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
২৬৬.
আদমশুমারি পরিচালনার দায়িত্ব কোন মন্ত্রণালয়ের?
  1. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  4. জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• আদমশুমারি:
- আদমশুমারি হলো জনগণের সংখ্যা ও অন্যান্য সামাজিক-অর্থনৈতিক তথ্য সংগ্রহের একটি প্রক্রিয়া।
- এই প্রক্রিয়া বাংলাদেশে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- এই সময় দেশের জনসংখ্যা প্রায় ৭.৬৪ কোটি ছিল।
- এ পর্যন্ত মোট ৬টি আদমশুমারি সম্পন্ন হয়েছে [ডিসেম্বর,২০২৫]। 
- আদমশুমারি সম্পন্ন হয়েছে- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২ সালে।
- সর্বশেষ ২০২২ সালের ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’।

উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

২৬৭.
According to UNFPA, what is the current population of Bangladesh? [জুলাই, ২০২৫]
  1. 165.7 million
  2. 170.5 million
  3. 175.7 million
  4. 180.3 million
  5. None of these above
সঠিক উত্তর:
175.7 million
উত্তর
সঠিক উত্তর:
175.7 million
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৭ কোটি ৫৭ লাখ: ইউএনএফপিএ
- ইউএনএফপিএ’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি ক্যাথরিন ব্রিন কামকং প্রতিবেদন উন্মোচন করে বলেন,
- ২০২৫ সালে বিশ্ব জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮.২ বিলিয়নে।
- আর বাংলাদেশে জনসংখ্যা ১৭৫.৭ মিলিয়ন, যার অর্ধেক নারী এবং দুই-তৃতীয়াংশ (১১৫ মিলিয়ন) কর্মক্ষম।
- এটি ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুফল অর্জনের একটি সুযোগ।
- তিনি বলেন, জনসংখ্যার ৭ শতাংশ প্রায় ১.২ কোটি মানুষ ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী, যা বয়স্ক জনগণের সংখ্যা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

উৎস: ইত্তেফাক পত্রিকা।
২৬৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী নিম্নের কোনটি?
  1. মারমা
  2. চাকমা
  3. ত্রিপুরা
  4. বাঙালি 
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাস করে চট্টগ্রাম বিভাগে (এ জনগোষ্ঠীর ৬০.০৪%)।
- উপজাতির সংখ্যা সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে (০.২৫%)।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
• চাকমা - ৪,৮৩,৩৬৫।
• মারমা - ২,২৪,২৯৯।
• ত্রিপুরা - ১,৫৬,৬২০।
• সাঁওতাল - ১,২৯,০৫৬।
• ওরাওঁ - ৮৫,৮৫৮।
• গারো - ৭৬,৮৫৪।

অন্যদিকে,
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বসবাসকারী নৃগোষ্ঠী  - বাঙালি। 

সূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৬৯.
ষষ্ঠ জনশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বনিম্ন কোন সিটি কর্পোরেশনে?
  1. ঢাকা দক্ষিণ
  2. সিলেট
  3. রংপুর
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

উল্লেখ্য,
- জনসংখ্যার ঘনত্ব বিবেচনায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ যেখানে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন বসবাস করে।
- অন্যদিকে জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বনিম্ন রংপুর সিটি কর্পোরেশনে যেখানে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন বসবাস করে।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
২৭০.
বাংলাদেশে কোন জেলার জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বনিম্ন?
  1. রাঙামাটি 
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দারবান
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
ব্যাখ্যা

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে,

• বাংলাদেশের মোট আয়তন - ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার।
• প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব - ১,১১৯ জন।
• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি যে বিভাগে - ঢাকা (২১৫৬ জন)।
• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম যে বিভাগে - বরিশাল (৬৮৮ জন)।
• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি যে জেলায় ঢাকা (১০,০৬৭ জন)।
• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম যে জেলায় - রাঙামাটি (১০৬ জন)।
• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি যে সিটি কর্পোরেশনে - ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন।)
• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম যে সিটি কর্পোরেশনে - রংপুর সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন।)

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

২৭১.
বিবিএস এর সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ুষ্কাল কত বছর? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৭২.২ বছর
  2. ৭২.৩ বছর
  3. ৭২.৪ বছর
  4. ৭২.৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৭২.৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২.৩ বছর
ব্যাখ্যা
'বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩' শীর্ষক প্রতিবেদন:
- বিবিএস এর সর্বশেষ পরিসংখ্যান 'বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩' শীর্ষক প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ুষ্কাল ৭২.৩ বছর।

অন্যদিকে,
- ২০২২ সালে মানুষের গড় আয়ু ছিল ৭২ দশমিক ৪ বছর।

উল্লেখ্য ২০২৩ সালে -
- জনসংখ্যার সাধারণ বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
- মৃত্যুর শীর্ষ ১০টি কারণের মধ্যে মৃত্যুর প্রথম কারণ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ১.০২৭ শতাংশ।
- পুরুষদের প্রথম বিয়ের গড় বয়স ২৪.২ বছর এবং নারীদের ক্ষেত্রে ১৮.৪ বছর।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১৭৯ জন।

উৎস: বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩।
২৭২.
NIPORT কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1.  যোগাযোগ 
  2. সমুদ্র বন্দর
  3. পরমাণুবিজ্ঞান 
  4. জনসংখ্যা
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
ব্যাখ্যা

NIPORT:
- NIPORT (নিপোর্ট) এর পূর্ণরূপ:  National Institute of Population Research and Training. 
- বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে ঢাকার আজিমপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও
মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট।

২৭৩.
আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কত বছর পরপর?
  1. ৫ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৮ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
• আদমশুমারি:
- আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পরপর।
- এ পর্যন্ত আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ৬ বার।
- সর্বশেষ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- আদমশুমারি পরিচালনা করে: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- বাংলাদেশের নাগরিকের ভোটার হওয়ার জন্য সর্বনিম্ন বয়স ১৮  বছর।
- নিপোর্ট ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২সালে।

⇒ উল্লেখ্য,
- উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৮৭২সালে।
- প্রথম আদমশুমারি হয় লর্ড মেয়োর সময়।


উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
২৭৪.
জনশুমারি পরিচালনা করে -
  1. ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পপুলেশন রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং
  2. জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট
  3. বার্থ এন্ড ডেথ রেজিস্ট্রেশন অফিস
  4. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
২৭৫.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহার করে?
  1. ৩০.৬৯%
  2. ৩৪.২৪%
  3. ৩৯.৭৬%
  4. ৪৩.৯৭%
সঠিক উত্তর:
৩০.৬৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০.৬৯%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারী (৫বছর ও তদূর্ধ্ব),
- মোট ব্যবহারকারী: ৩০.৬৯%।
- পুরুষ ব্যবহারকারী: ৩৮.০৪%।
- নারী ব্যবহারকারী: ২৩.৫২%।
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষ বিভাগ: ঢাকা (৪০.৪২%)।
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যার দিক দিয়ে সর্বনিম্ন বিভাগ: রংপুর (২৩.৫২%)।
• শহর: ৪১.৩০%।
• গ্রাম: ২৫.৭৩%।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
২৭৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে বাংলাদেশের কোন বিভাগে সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি?
  1. ঢাকা
  2. রংপুর
  3. বরিশাল
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

⇒ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
-  বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- স্বাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
২৭৭.
জনশুমারি ২০২২-এর সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) কত শতাংশ?
  1. ৭০.৫৬%
  2. ৭৪.৬৬%
  3. ৭৬.৫৬%
  4. ৭২.৮২%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৬৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৬৬%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- গণনা পদ্ধতি: Modified Defacto।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ : ১০০।

- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭৪.৬৬%।
- পুরুষ: ৭৬.৫৬%।
- নারী: ৭২.৮২%।

উৎস: বিবিএস।

২৭৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাক্ষরতার হার -
  1. ৭৬.৫৬%
  2. ৭৪.৪৬%
  3. ৭৪.৬৬%
  4. ৭২.৮২%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৬৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৬৬%
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- গণনা পদ্ধতি: Modified Defacto।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭৪.৬৬%।
- পুরুষ: ৭৬.৫৬%।
- নারী: ৭২.৮২%।

উল্লেখ্য,
- ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি'-কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সে অনুসারে আদমশুমারি ও গৃহগণনার পরিবর্তে ২০২২ সালের জুন মাসে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করা হয়।
- ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় ও পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
২৭৯.
দেশে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা কতটি?
  1. ৪৫৭০
  2. ৩৫৭০
  3. ৪৪৮২
  4. ৪৫৭৯
সঠিক উত্তর:
৪৫৭৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫৭৯
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- দেশে মোট সিটি কর্পোরেশন আছে - ১২টি।
- দেশে মোট উপজেলা আছে - ৪৯৫টি।
- মেট্রো থানা আছে - ১০৫টি।
- পৌরসভা আছে - ৩২৭টি (বর্তমানে রয়েছে ৩৩০টি)।
- ইউনিয়নের সংখ্যা - ৪৫৯৬টি। 
- মোট গ্রামের সংখ্যা - ৯০০৪৯টি।

[প্রশ্নটি জব সল্যুশনের হওয়ায় কাছাকাছি উত্তর হিসেবে ৪৫৭৯ নেওয়া হয়েছে।]

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
২৮০.
২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী, কোন বিভাগের জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?
  1. চট্টগ্রাম
  2. বরিশাল
  3. ঢাকা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

- ঢাকা বিভাগ সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হয়।

ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২: 
- ২০২২ সালের ১৫ থেকে ২১ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনায় দেশে মোট জনসংখ্যা নির্ধারিত হয় ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন। এতে বার্ষিক বৃদ্ধি ১.১২% এবং সাক্ষরতার হার ৭৪.৮০% পাওয়া যায়।
- এই শুমারিতে CPI ও Modified De-facto পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়।
- ঢাকায় সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে এবং বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে কম।
- রাঙ্গামাটি জেলাটি সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ এবং
- ঢাকা বিভাগ সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হয়।

সূত্র: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ 

২৮১.
বিবিএস-এর সর্বশেষ রিপোর্ট অনুসারে, দেশে প্রতি হাজারে শিশু মৃত্যুহার (এক বছরের কম বয়সী) কত? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ২২ জন
  2. ২৪ জন
  3. ২৭ জন
  4. ৩৩ জন
সঠিক উত্তর:
২৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩:
- সর্বশেষ চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: আগস্ট, ২০২৪।
- সংস্থা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

⇒ মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি.মি.-এ: ১,১৭১ জন।
- লিঙ্গ অনুপাত = পুরুষ : নারী = ১০০:৯৬.৩।

⇒ জন্মহার:
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল জন্মহার ১৯.৪।

⇒ মৃত্যুহার:
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল মৃত্যুহার ৬.১।
- এক বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যু হার প্রতি হাজারে ২৭ জন।
- পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যুহার ৩৩ (প্রতি হাজারে)।
- নবজাতক মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ২০ জন। 
- মাতৃমৃত্যুর মৃত্যুর হার প্রতি লাখে জীবিত জন্মের বিপরীতে ১৩৬ জন।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
২৮২.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের সাক্ষরতার হার কত?
  1. ৭০.৮%
  2. ৭২.৭৪%
  3. ৭৪.৮%
  4. ৭৩.২%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮%
ব্যাখ্যা
• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনত্ব: রাঙ্গামাটি।
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি: CPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-fecto.
- দেশে মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকায়।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি: ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম : বরিশাল বিভাগে।
 
উৎস: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
২৮৩.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে, কোন জেলার জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খাগড়াছড়ি
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

- রাঙ্গামাটি জেলার জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম।

- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ পরিচালিত হয় ১৫-২১ জুনের মধ্যে। তথ্য সংগ্রহের জন্য CPI পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়েছে এবং গণনার জন্য Modified De-fecto পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। দেশের মোট জনসংখ্যা ছিল ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ১.১২% এবং সাক্ষরতার হার ৭৪.৮০%।
- ঢাকায় জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। 
- রাঙ্গামাটি জেলা ঘনত্বের দিক থেকে সবচেয়ে কম জনবসতি সম্পন্ন এলাকা।
- বরিশাল বিভাগে জনসংখ্যার ঘনত্ব ও মানুষের সংখ্যা উভয়ই সর্বনিম্ন।
- দেশের গড় জনসংখ্যার ঘনত্ব ছিল ১১১৯ জন প্রতি বর্গকিলোমিটার।
- ঢাকা বিভাগে জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বোচ্চ এবং বরিশাল বিভাগে সর্বনিম্ন।

উৎস: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।

২৮৪.
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ শহর বা নগর এলাকায় বাস করে? [জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২]
  1. প্রায় ৩২ শতাংশ
  2. প্রায় ৩৬ শতাংশ
  3. প্রায় ৩৮ শতাংশ
  4. প্রায় ৪২ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৩২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৩২ শতাংশ
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (৩১.৬৬%) নাগরিক এখন শহরে বাস করে; দুই-তৃতীয়াংশ (৬৮.৩৪%) গ্রামে বাস করে।

• সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

• ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।

• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
২৮৫.
বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র - ২০২২ অনুযায়ী, দেশে দারিদ্রের হার কত?
  1. ১৯.৫%
  2. ২০.৩%
  3. ১৯.২%
  4. ২০.২%
সঠিক উত্তর:
১৯.২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯.২%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র - ২০২২:
- বাংলাদেশের দারিদ্রো মানচিত্র - ২০২২, প্রকাশ করে  ৩০ জানুয়ারি ২০২৫।
- বিবিএস ১৯৭৩ সাল থেকে খানার আয় ও ব্যয় জরিপ থেকে দারিদ্র্য পরিমাপ করে আসছে।
- দারিদ্রের হার: ১৯.২%।
- গ্রামে: ২০.৩%।
- শহরে: ১৬.৫%।
- বিভাগ অনুযায়ী দারিদ্র হার বেশি: বরিশালে, (২৬.৬%)।
- বিভাগ অনুযায়ী দারিদ্র হার কম: চট্টগ্রাম, ( ১৫.২%)।
- জেলা অনুযায়ী দারিদ্র হার কম: নোয়াখালী, ( ৬.১%)।
- জেলা অনুযায়ী দারিদ্র হার বেশি: মাদারীপুর, ( ৫৪.৪%)।

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা- ডাসার, মাদারীপুর৷
- দারিদ্র্যের হার- ৬৩.২%
- সবচেয়ে ধনী উপজেলা- বেগমগঞ্জ , নোয়াখালী।

উৎস: ¡) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
          ¡¡) বণিক বার্তা।
২৮৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, নারী সাক্ষরতার হার কত?
  1. ৭০.৩২%
  2. ৭১.৮৯%
  3. ৭২.৯৪%
  4. ৭৩.৫১%
সঠিক উত্তর:
৭২.৯৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২.৯৪%
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

​জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

​- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

​তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

২৮৭.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, সাক্ষরতার হার কত?
  1. ৭৪.৮০%
  2. ৭৫.২৭%
  3. ৭৬.৮১%
  4. ৭৭.৩৬%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮০%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

২৮৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী দেশে মোট উপজেলা কয়টি?
  1. ৪৯২টি
  2. ৪৯৩টি
  3. ৪৯৪টি
  4. ৪৯৫টি
সঠিক উত্তর:
৪৯৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৫টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- দেশে মোট সিটি কর্পোরেশন আছে - ১২টি।
- দেশে মোট উপজেলা আছে - ৪৯৫টি।
- মেট্রো থানা আছে - ১০৫টি।
- পৌরসভা আছে - ৩২৭টি।
- ইউনিয়নের সংখ্যা - ৪৫৯৬টি।
- মোট গ্রামের সংখ্যা - ৯০০৪৯টি।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
২৮৯.
কত বছর বয়সীদের একটি দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী
  2. ১২ থেকে ৬০ বছর বয়সী
  3. ২০ থেকে ৬৫ বছর বয়সী
  4. ১৮ থেকে ৬৫ বছর বয়সী
সঠিক উত্তর:
১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী
ব্যাখ্যা
কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী:
- বাংলাদেশে সর্বশেষ জনশুমারি হয় ২০২২ সালে।
- এটির ওপর ভিত্তি করে চলতি বছর (২০২৪) জনসংখ্যার একটি প্রাক্কলিত হিসাব দেয় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
- এতে দেখা যায়, দেশে এখন জনসংখ্যা ১৭ কোটি ১৫ লাখ ৯০ হাজার।
- এর মধ্যে দেশে ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী মানুষের সংখ্যা ১১ কোটির বেশি। এসব মানুষকেই মূলত বলা হয় কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী।
- অর্থাৎ বয়সের দিক দিয়ে তারা কাজে নিযুক্ত হওয়ার উপযুক্ত।
- এই সংখ্যা মোট জনগোষ্ঠীর ৬৫ শতাংশ।

অন্যদিকে,
- যাদের বয়স ১৫ বছরের নিচে এবং ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বে, তাদের বলা হয় নির্ভরশীল জনগোষ্ঠী, অর্থাৎ তারা জীবিকার জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করেন।
- এমন মানুষের সংখ্যা ৬ কোটির বেশি, যা জনসংখ্যার ৩৫ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট, প্রথমআলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২৯০.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. চাকমা
  2. ত্রিপুরা
  3. গারো
  4. মারমা
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাস করে চট্টগ্রাম বিভাগে (এ জনগোষ্ঠীর ৬০.০৪%)।
- উপজাতির সংখ্যা সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে (০.২৫%)।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
• চাকমা - ৪,৮৩,৩৬৫।
• মারমা - ২,২৪,২৯৯।
• ত্রিপুরা - ১,৫৬,৬২০।
• সাঁওতাল - ১,২৯,০৫৬।
• ওরাওঁ - ৮৫,৮৫৮।
• গারো - ৭৬,৮৫৪।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

২৯১.
বাংলাদেশে জনশুমারি ও গৃহগণনা পরিচালনা করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. নির্বাচন কমিশন
  2. স্থানীয় সরকার বিভাগ
  3. স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
  4. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

২৯২.
স্বাধীন বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কয়বার কৃষি শুমারি করা হয়েছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ৪ বার
  2. ৫ বার
  3. ৬ বার
  4. ৭ বার
সঠিক উত্তর:
৫ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বার
ব্যাখ্যা
• কৃষিশুমারি:
- বাংলাদেশে ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ছয়বার (১৯৬০, ১৯৭৭, ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬, ২০০৮ ও ২০১৯) কৃষি শুমারি পরিচালনা করা হয়েছে।
- সর্বশেষ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালে।
- স্বাধীন বাংলাদেশে কৃষিশুমারি হয় ৫ বার।
- ০৯ জুন হতে ২০ জুন, ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত সারা দেশে শহর ও পল্লী এলাকার সকল খানায় ও খামারে ৬ষ্ঠ বারের মত কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
২৯৩.
বর্তমানে জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের স্থান কত?
  1. সপ্তম
  2. অষ্টম
  3. নবম
  4. দশম
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
----------------- 
[স্বাধীন অলাভজনক সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ’ নিজেদের ওয়েবসাইটে বিশ্বের জনসংখ্যার লাইভ (তাৎক্ষণিক) তথ্য প্রচার-প্রকাশ করে।]
ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের তথ্য অনুসারে, জনসংখ্যায় বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা দেওয়া হলো-

১. ভারত:
জনসংখ্যা: ১৪৫ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার।

২. চীন:
জনসংখ্যা: ১৪১ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার।

৩. যুক্তরাষ্ট্র:
জনসংখ্যা: ৩৪ কোটি ৫৪ লাখ ২৭ হাজার।

৪. ইন্দোনেশিয়া:
জনসংখ্যা: ২৮ কোটি ৩৪ লাখ ৮৮ হাজার।

৫. পাকিস্তান:
জনসংখ্যা: ২৫ কোটি ১২ লাখ ৬৯ হাজার।

৬. নাইজেরিয়া:
জনসংখ্যা: ২৩ কোটি ২৬ লাখ ৭৯ হাজার।

৭. ব্রাজিল:
জনসংখ্যা: ২১ কোটি ১৯ লাখ ৯৯ হাজার।

৮. বাংলাদেশ:
জনসংখ্যা: ১৭ কোটি ৩৫ লাখ ৬২ হাজার।

৯. রাশিয়া:
জনসংখ্যা: ১৪ কোটি ৪৮ লাখ ২০ হাজার।

১০. ইথিওপিয়া:
জনসংখ্যা: ১৩ কোটি ২০ লাখ ৬০ হাজার।
---------------------
বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট-২০২৪:
• জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান- অষ্টম।

Worldometer ওয়েবসাইট অনুসারে,
• জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান- অষ্টম।

সূত্র: বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট-২০২৪, Worldometer ওয়েবসাইট, প্রথম আলো রিপোর্ট।
২৯৪.
কোন পদ্ধতিতে কৃষি শুমারি ২০১৯-এ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে?
  1. De-facto
  2. De-Juri
  3. Modular Approach
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Modular Approach
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Modular Approach
ব্যাখ্যা
কৃষি শুমারি ২০১৯:
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করেছে।
- কৃষি শুমারি ২০১৯ এ Modular Approach পদ্ধতি অবলম্বন করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
- এ পদ্ধতিতে প্রথমে গণনা কাজের জন্য সংক্ষিপ্ত প্রশ্নপত্র (Short Questionnaire) ব্যবহার করা হবে এবং শুমারি শেষে প্রত্যেক গণনাকারী গণনা বই হতে একটি খানা তালিকা প্রস্তুত করেছে।
- তালিকায় মোট পরিচালনাধীন জমির পরিমাণ, হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল, মহিষ ইত্যাদির সংখ্যা এবং খানা মৎস্য চাষ বা আহরণে নিয়োজিত কি না এ বিষয়ক তথ্য রয়েছে।
- পরবর্তীতে একটি বিস্তারিত প্রশ্নপত্র (Long Questionnaire)-এর মাধ্যমে কৃষি খানায় নমুনা শুমারি (Sample Census) পরিচালিত হয়েছে।

উৎস: বিবিএস ওয়েবসাইট। [link]
২৯৫.
দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা কোনটি?
  1. চতুর্থ আদমশুমারি
  2. পঞ্চম আদমশুমারি
  3. ষষ্ঠ আদমশুমারি
  4. সপ্তম আদমশুমারি
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ আদমশুমারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ আদমশুমারি
ব্যাখ্যা
• আদমশুমারি:
- ১৫-২১ জুন ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা।
- ষষ্ঠ আদমশুমারি নাম- 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনার প্রতিপাদ্য ছিল: “জনশুমারিতে তথ্য দিন, পরিকল্পিত উন্নয়নে অংশ নিন”।
- পরিসংখ্যান আইন, ২০১৩ অনুযায়ী, আদমশুমারি ও গৃহগণনাকে ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা' নামে নামকরণ করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।

পরবর্তীতে-
- দ্বিতীয় আদমশুমারি ১৯৮১ সালে।
- তৃতীয় আদমশুমারি ১৯৯১ সালে।
- চতুর্থ আদমশুমারি ২০০১ সালে।
- পঞ্চম আদমশুমারি ২০১১ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারি ২০২২ সালে।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২৯৬.
বাংলাদেশের জাতীয় জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়- 
  1. ২ ফেব্রুয়ারি
  2. ৮ মার্চ
  3. ১১ জুলাই
  4. ১১ জুন
সঠিক উত্তর:
২ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা

• জাতীয় জনসংখ্যা দিবস:
- বাংলাদেশে প্রতি বছর ২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় জনসংখ্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- এই দিনটি পালন করার মূল উদ্দেশ্য হলো : জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রভাব, পরিবার পরিকল্পনা, স্বাস্থ্যসেবা এবং টেকসই উন্নয়ন সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা।
- দিবসটির স্লোগান হলো: "দুটি সন্তানের বেশি নয়, একটি হলে ভালো হয়"।

উল্লেখ্য, 
- বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস প্রতি বছর ১১ জুলাই পালিত হয়।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক আয়োজন, যা জনসংখ্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা এবং সমাধান সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে উদ্যোগী। 
- ১৯৮৭ সালের ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা ৫০০ কোটি অতিক্রম করলে সারা বিশ্বের মানুষ এই বিষয়ে আগ্রহী হয়।
- সেই আগ্রহের প্রেক্ষিতে ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির পরিচালনা পরিষদ এই দিবসটি প্রতিষ্ঠা করে।
- বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের মূল লক্ষ্য হলো পরিবার পরিকল্পনা, লৈঙ্গিক সমতা, দারিদ্র্য, মাতৃস্বাস্থ্য এবং মানবাধিকারের মতো জনসংখ্যা     বিষয়ক বিভিন্ন বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।

উৎস: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

২৯৭.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বর্তমানে কোন আইন অনুসারে পরিচালিত হচ্ছে?
  1. Statistics-Acts-2010
  2. Statistics-Acts-2011
  3. Statistics-Acts-2012
  4. Statistics-Acts-2013
সঠিক উত্তর:
Statistics-Acts-2013
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Statistics-Acts-2013
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো:
- ১৯৭৪ সালের ২৬ আগস্ট তৎকালীন ০৪ (চার)টি সংস্থা যথা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিসংখ্যান ব্যুরো, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি পরিসংখ্যান ব্যুরো ও কৃষি শুমারি কমিশন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন আদমশুমারি কমিশনকে একীভূত করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বিবিএস জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থা (এনএসও) হিসেবে নিয়মিতভাবে সর্বসাধারণের ব্যবহারের জন্য আর্থ-সামাজিক, জনমিতিক, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাণিজ্য, জাতীয় উৎপাদ, জাতীয় আয় নিরূপণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, সংকলন, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে থাকে।
- পরিসংখ্যান আইন, ২০১৩ (Statistics Act, 2013) এর আওতায় বর্তমানে বিবিএস এর সকল কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
২৯৮.
What is the literacy rate for males aged 7 years and above according to the 2022 census?
  1. 61.70%
  2. 67.23%
  3. 72.94%
  4. 76.71%
সঠিক উত্তর:
76.71%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
76.71%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

২৯৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম?
  1. খুলনা
  2. সিলেট
  3. রংপুর
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে- মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। (২১৫৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। (৬৮৮ জন)।
- সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বাস করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (৫৯,৯০,৭২৩ জন)।
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যা বাস করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে (৭,০৮,৫৭০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রংপুর সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন)।
- ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে - ঢাকা বিভাগ।
- ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে - ময়মনসিংহ বিভাগ।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৩০০.
Demographic Dividend বলতে কী বুঝায়?
  1. শিশু মৃত্যুহার হ্রাস
  2. জন্মহার শূনের কোটায় আনা
  3. জনসংখ্যার অধিকাংশ বেকার
  4. কর্মক্ষম বয়স গোষ্ঠীর অনুপাত বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
কর্মক্ষম বয়স গোষ্ঠীর অনুপাত বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মক্ষম বয়স গোষ্ঠীর অনুপাত বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

• ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড:
- যখন একটি দেশের কর্মক্ষম জনসংখ্যা অর্থাৎ ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী জনসংখ্যার পরিমাণ দেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশের অধিক হয় তখন তাকে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- জনসংখ্যার এরূপ অবস্থায় নির্ভরশীল জনগোষ্ঠী (১৫ বছরের কম ও ৬৪) সংখ্যা কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী অপেক্ষা কম হয়।
- বাংলাদেশ বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক লভ্যাংশ অবস্থা অতিবাহিত করছে।
- বিবিএসের জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২–এর সমন্বয়কৃত জনসংখ্যার চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২২ হাজার ৯১১ জন।
- তার মধ্যে ১৫-৬৪ বছর বয়সী কর্মক্ষম শ্রমশক্তির সংখ্যা হলো ১১ কোটি ৭ লাখ প্রায়, যা মোট জনসংখ্যার ৬৫.২৩ শতাংশ।
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের তথ্যানুসারে ২০৫০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জনমিতিক লভ্যাংশের সুবিধা ভোগ করবে।
- জনসংখ্যার এরূপ অবস্থাকে যথাযথভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হলে একটি দেশ দ্রুত উন্নয়ন সাধন করতে পারে।

উৎস: বিবিএস ও জাতিসংঘ ওয়েসাইট এবং প্রথম আলো।