বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

Professional Ethics, Bar Council Order & Rules, Legal Decisions

মোট প্রশ্ন৪২৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Professional Ethics, Bar Council Order & Rules, Legal Decisions

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৪২৯

২০১.
যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে,অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ২০০ টাকা 
  2. ৩০০ টাকা 
  3. ৪০০ টাকা 
  4. ৫০০ টাকা 
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা 
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৪(৬)অনুসারে যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে,অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৪:
(১) অ্যাডভোকেটদের আচরণ সংক্রান্ত যে কোনো তদন্তে ট্রাইব্যুনাল নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করবে।
(২) ট্রাইব্যুনাল মামলার শুনানির একটি তারিখ নির্ধারণ করবে এবং উক্ত তারিখের নোটিশ সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেট ও বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলকে প্রদান করবে।
তাদেরকে সাক্ষ্য উপস্থাপন এবং শুনানি গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে, যাতে আদেশ দেওয়ার পূর্বে উভয় পক্ষ নিজ নিজ বক্তব্য পেশ করতে পারে।
(৩) এই আদেশ বা প্রচলিত অন্য কোনো আইনের যাই থাকুক না কেন, ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান প্রাথমিক বিষয় নির্ধারণ ও সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা ট্রাইব্যুনালের যেকোনো এক সদস্যকে দিতে পারেন।
(৪) তদন্ত শেষে ট্রাইব্যুনাল নিম্নোক্ত যেকোনো আদেশ দিতে পারে:
- অভিযোগ খারিজ করা; অথবা
- যদি বার কাউন্সিলের আবেদনে ট্রাইব্যুনালে রেফার করা হয়ে থাকে, তাহলে কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া; অথবা
- অনুচ্ছেদ ৩২(১)-এ উল্লিখিত শাস্তিগুলোর যেকোনোটি প্রদান করা।
(৫) যদি ট্রাইব্যুনাল কোনো অ্যাডভোকেটকে নিষেধাজ্ঞার (suspension) আদেশ দেয়, তবে নিষেধাজ্ঞার সময়কাল নির্ধারণ করতে হবে।
এই সময়কালের জন্য ঐ অ্যাডভোকেট বাংলাদেশের কোনো আদালত বা কর্তৃপক্ষ বা ব্যক্তির সামনে আইনচর্চা করতে পারবেন না।
(৬) ট্রাইব্যুনাল তার সামনে পরিচালিত কার্যক্রমের জন্য ব্যয়ের আদেশ (cost order) দিতে পারে। যদি ট্রাইব্যুনাল মনে করে যে অভিযোগটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহলে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে পারে, যা ক্ষতিপূরণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট অ্যাডভোকেটকে প্রদান করা হবে।
(৭) ব্যয় সংক্রান্ত যেকোনো আদেশ বা জরিমানার আদেশ হাইকোর্টের আদেশের মতো কার্যকরযোগ্য (executable) হবে।
(৮) ট্রাইব্যুনাল চায়, তাহলে নিজে থেকে বা আবেদন প্রাপ্ত হয়ে, ধারা ৩৪(৪) বা ৩৪(৬)-এর অধীনে প্রদত্ত আদেশ পর্যালোচনা (review) করতে পারে এবং তা অবিকল রাখতে, পরিবর্তন করতে বা বাতিল করতে পারে।
(৯) যদি কোনো অ্যাডভোকেটকে প্রতিনিধি (reprimanded) বা সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ (suspended) করা হয়, তবে সেই শাস্তির রেকর্ড তাঁর নামের পাশে রোলে সংযুক্ত করতে হবে। আর যদি কাউকে আইনচর্চা থেকে অপসারণ (removed) করা হয়, তবে তাঁর নাম রোল থেকে বাতিল করে দিতে হবে এবং তাঁর সনদপত্র প্রত্যাহার (recalled) করতে হবে।

২০২.
একজন আইনজীবীর জন্য কোন কাজটি আচরণ বিধির লঙ্ঘন?
  1. মামলা পরিচালনা করতে সম্মত না হওয়া
  2. সময় ও শ্রম অনুযায়ী ফি নির্ধারন করা 
  3. আইনপেশার পাশাপাশি আরেকটি ব্যবসা করা 
  4. মামলার পক্ষসমূহের সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ করা 
সঠিক উত্তর:
আইনপেশার পাশাপাশি আরেকটি ব্যবসা করা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনপেশার পাশাপাশি আরেকটি ব্যবসা করা 
ব্যাখ্যা

"Canons of Professional Conduct and Etiquette" এর অধ্যায় ৪ এবং বিধি ৮ অনুসারে একজন আইনজীবীর জন্য আইনপেশার পাশাপাশি আরেকটি ব্যবসা করা আচরণ বিধির লঙ্ঘন।

 "Canons of Professional Conduct and Etiquette" এর চতুর্থ অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর জনগণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কী তা উল্লেখ করা হয়েছে। একজন আইনজীবীর জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য- ৮টি:
[বিধি-১]-কোন ব্যক্তিকে হয়রানির উদ্দেশ্যে নিযুক্তি না নেওয়া: কোন ব্যক্তিকে বিরক্ত করা, হয়রানি করা বা মোকদ্দমা বিলম্বিত করা ইত্যাদি উদ্দেশ্যে বাদী বা বিবাদী কোন পক্ষে একজন আইনজীবী নিযুক্ত হবেন না।
[বিধি-২]- ভিন্ন পক্ষের সাথে ভালো আচরণ করা: একজন আইনজীবী সর্বদা তার ভিন্ন পক্ষের সাথে ভালো আচরণ করবেন। বিচার চলাকালে আইন বহির্ভুত কাজ করবেন না।
[বিধি-৩]- ক্ষতির উদ্দেশ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করা: একজন আইনজীবী কোন ব্যক্তির ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে মোকদ্দমা দায়ের বা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।
[বিধি ৪]- পরামর্শ প্রদানে বাধ্যবাধকতা: কোন আইনজীবী প্রত্যেককে পরামর্শ প্রদান করতে বা আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য নন।
[বিধি-৫]-মোকদ্দমা গ্রহণ বা বর্জন করতে পারেন: একজন আইনজীবী কোন ব্যক্তি বা সংস্থা যতই ক্ষমতাবান হোক অথবা রাজনৈতিক মোকদ্দমা যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক তিনি পেশাগত নিযুক্তি গ্রহণে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন।
[বিধি-৬]- পরিচয় প্রকাশ করা: কোন আইনজীবী কোন সরকারি অফিসার, বোর্ড কমিটি ইত্যাদির নিকট পেশাগত দায়িত্বে উপস্থিত হলে প্রথমে তিনি তার পরিচয় দিবেন।
[বিধি-৭]- পূর্বে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে: কোন আইনজীবী যদি কোন বিষয়ে পূর্বে বিচারক পদমর্যাদায় কাজ করেন তাহলে তিনি সেই বিষয়ে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ লাভ করবেন না।
[বিধি-৮]- ব্যবসা, চাকুরি বা অন্য পেশার সাথে জড়িত না হওয়া: একজন আইনজীবী নিজের আইন পেশা ব্যতীত অন্য কোন ব্যবসা, চাকুরি বা পেশার সাথে জড়িত হবে না।

২০৩.
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর কত বিধিতে আইনজীবীর শপথ সংক্রান্ত বিধান করা হয়েছে?
  1. ৬০ বিধি
  2. ৬০ক বিধি
  3. ৬২ বিধি
  4. ৬৪ বিধি
সঠিক উত্তর:
৬২ বিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২ বিধি
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৬২:
(১) যেখানে বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটি আবেদন গ্রহণ করে, সেখানে বার কাউন্সিল ফর্ম বি অনুযায়ী একটি এন্ট্রোলমেন্ট সনদ প্রস্তুত করবে এবং আবেদনকারীর প্র্যাকটিসের জায়গার স্বীকৃত বার অ্যাসোসিয়েশনে তার এন্ট্রোলমেন্টের খবর পাঠানো হবে।

(২) সনদ আবেদনকারী বার অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে বার কাউন্সিল থেকে আবেদন করার পর এবং বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হিসেবে যোগদানের পর নির্ধারিত নিয়ম ও শর্ত পূরণের ভিত্তিতে দেওয়া হবে। এরপর তিনি নিম্নলিখিত শপথ গ্রহণ করবেন:

অ্যাডভোকেটের শপথ:
আমি, _____, শপথ নিয়ে প্রতিজ্ঞা করছি যে আমি সর্বদা আমার পেশার মর্যাদা ও সম্মান রক্ষা করব, আমার ব্যক্তিগত সন্মান ও সততা বজায় রাখব এবং পেশাগত আচরণবিধি মেনে চলব। আমি বাংলাদেশের সংবিধান রক্ষা, সুপ্রিমেসি বজায় রাখা এবং মানুষের অধিকার রক্ষায় সর্বদা সতর্ক থাকব। আমি কোনো সংবিধান বিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করব না এবং একটি এমন সমাজ নির্মাণে কাজ করব যেখানে আইন শাসন, মৌলিক মানবাধিকার, স্বাধীনতা, সমতা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত থাকবে।

(৩) কোনো অ্যাডভোকেট তার পূর্বের বার অ্যাসোসিয়েশন বদলে বা অন্য কোনো বার অ্যাসোসিয়েশনে যোগ দিতে পারবে না বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া। এমন অনুমতির জন্য আবেদন জমা দিতে হবে এবং সঙ্গে ১,০০০ টাকা জমা দিতে হবে।

(৪) কোনো বার অ্যাসোসিয়েশন অন্য কোনো বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যকে তার সদস্য হিসেবে গ্রহণ করবে না বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া। অনুমতি ছাড়া বার পরিবর্তন স্বীকৃত হবে না।

(৫) বার কাউন্সিল অ্যাডভোকেটের এন্ট্রোলমেন্ট স্থগিত বা বাতিল করতে পারে এবং সনদ প্রত্যাহার করতে পারে যদি প্রমাণিত হয় যে এন্ট্রোলমেন্টের সময় জমাকৃত শিক্ষাগত সনদ জালিয়াতিপূর্ণ বা মিথ্যা তথ্য প্রদান করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বার কাউন্সিল অভিযোগকারীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারে।
২০৪.
বার কাউন্সিলের নির্বাচনে অংশগ্রহনের জন্য মনোনয়নপত্র কার কাছে দাখিল করতে হবে?
  1. চেয়ারম্যান
  2. সেক্রেটারি
  3. এনরোলমেন্ট কমিটি
  4. নির্বাচন কমিশন ট্রাইব্যুনাল
সঠিক উত্তর:
সেক্রেটারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেক্রেটারি
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৫:
বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচনের জন্য প্রতিটি প্রার্থীকে তিনজন ভোটার দ্বারা মনোনীত হতে হবে, যা বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে প্রদান করতে হবে। মনোনয়নপত্র নির্ধারিত তারিখের মধ্যে সেক্রেটারির কাছে জমা দিতে হবে। মনোনয়নপত্রের সাথে নমিনেশন ফি হিসাবে ১,০০০ টাকা জমা দিতে হবে।

একটি মনোনয়নপত্র শুধুমাত্র একজন প্রার্থীর জন্য হবে এবং যদি একাধিক প্রার্থীর জন্য হয়, তবে সেটি অবৈধ হবে। সেক্রেটারি প্রতিটি মনোনয়নপত্র প্রাপ্তির সময় তারিখ, সময় এবং ধারাবাহিক নম্বরসহ স্বাক্ষর করবেন।

শর্ত:
একজন ভোটার সাধারণ আসনের জন্য সর্বোচ্চ সাতটি প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর করতে পারবেন এবং প্রতিটি গ্রুপ আসনের জন্য একজন প্রার্থীর মনোনয়ন করতে পারবেন। যদি কেউ এর বেশি মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর করেন, তাহলে তার স্বাক্ষর শুধুমাত্র প্রথম সাতটি সাধারণ আসন এবং প্রতিটি গ্রুপ আসনের জন্য দেওয়া মনোনয়নপত্রের জন্যই বৈধ গণ্য হবে।
২০৫.
Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুসারে, বিচারকের সাথে অ্যাডভোকেটের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত?
  1. বিচারকের ব্যক্তিগত কাজে সহায়তা করা
  2. মামলার বিষয়ে গোপনে আলোচনা করা
  3. পেশাদার দূরত্ব বজায় রেখে সম্মানজনক আচরণ
  4. ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক বজায় রেখে মামলার সুবিধা আদায়
সঠিক উত্তর:
পেশাদার দূরত্ব বজায় রেখে সম্মানজনক আচরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেশাদার দূরত্ব বজায় রেখে সম্মানজনক আচরণ
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette, অধ্যায়-৩, বিধি-৪ অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেটের উচিত বিচারকের সাথে পেশাদার দূরত্ব বজায় রেখে সম্মানজনক আচরণ করা। বিচারকের সাথে গোপন আলোচনা বা ব্যক্তিগত সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করা উচিত নয়। আদালত এবং বিচারকের মর্যাদা রক্ষায় অ্যাডভোকেটের আচরণ হওয়া উচিত শ্রদ্ধাশীল এবং পেশাদার।

এছাড়া, বিচারকের ব্যক্তিগত কাজে সহায়তা (ক), মামলার বিষয়ে গোপনে আলোচনা (খ), এবং ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক বজায় রেখে মামলা আদায় (ঘ) — এসব অ্যাডভোকেটের পেশাদারিত্বের পরিপন্থী এবং অনুমোদিত নয়।

4. Marked attention and unusual hospitality on the part of an Advocate to a judge or judicial officer not called for by the personal relations of the parties, subject both the judge and the Advocate to misconstructions of motive and should be avoided. An Advocate should not communicate or argue privately with the judge as to the merits of a pending cause and he deserves rebuke and denunciation for any device or attempt to gain from a judge special consideration or favour. A self-respecting independence in the discharge of professional duty, without denial or diminution of courtesy and respect due to the Judge's station, is the only proper foundation for cordial personal and official relations between the Bench and the Bar.
২০৬.
বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভূক্তির ফি কত?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ১৫০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৬৮: অ্যাডভোকেটদের প্রদেয় ফি:

একজন অ্যাডভোকেটকে নিচের ফি প্রদান করতে হবে:
(ক) এন্ট্রোলমেন্ট ফি: ১,৫০০.০০ টাকা।
(খ) বার্ষিক ফি: ২০০.০০ টাকা, যা এন্ট্রোলমেন্টের আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রথম বছর বা আংশিক বছরের জন্য প্রদান করতে হবে, পরবর্তীতে প্রতি বছরের ফি আগের বছরের ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে জমা দিতে হবে।

শর্ত: যদি কোনো অ্যাডভোকেট নির্ধারিত সময় (৩১ ডিসেম্বর) এর মধ্যে বার্ষিক ফি দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি বিনা বিলম্ব ফি-তে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ফি প্রদান করতে পারবেন (Rule 69 অনুযায়ী)।
আরও শর্ত: যদি পরবর্তী ধারায় বর্ণিত হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতির জন্য ফি প্রদান করা হয়ে থাকে, তাহলে বার্ষিক ফি আর দিতে হবে না।

(গ) হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের জন্য অনুমতির ফি: ৫,০০০.০০ টাকা (যা Article 21 অনুযায়ী প্রযোজ্য)

সনদ ও রসিদ প্রদান:
অ্যাডভোকেট হিসেবে যে কেউ নিম্ন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের সামনে প্র্যাকটিসের জন্য এন্ট্রোলমেন্ট করলে তাকে Form B অনুযায়ী একটি সনদপত্র দেওয়া হবে।
যেসব অ্যাডভোকেট হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতি পান, তাদেরকে Form D অনুযায়ী সনদ দেওয়া হবে।
বার্ষিক ফি বা অন্য কোনো ফি প্রদান করলে Form C অনুযায়ী রসিদ প্রদান করা হবে।
২০৭.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচারের ক্যাননস অনুসারে জুনিয়র অ্যাডভোকেটদের প্রতি সিনিয়র অ্যাডভোকেটদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত?
  1. কেবলমাত্র নির্দেশমূলক
  2. ব্যক্তিগত সমালোচনামূলক
  3. সৌজন্যমূলক এবং সহায়ক
  4. উদাসীন এবং প্রতিযোগিতামূলক
সঠিক উত্তর:
সৌজন্যমূলক এবং সহায়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌজন্যমূলক এবং সহায়ক
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচারের ক্যাননস, ১৯৬৯-এর অধ্যায় ১-এর ধারা ১০-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
"Junior and younger members should always be respectful to senior and older members. The latter are expected to be not only courteous but also helpful to their junior and younger brethren at the Bar."
(জুনিয়র ও কম বয়সী সদস্যদের সর্বদা সিনিয়র ও বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা উচিত। সিনিয়রদের কাছ থেকে আশা করা হয় যে তারা শুধুমাত্র শিষ্টাচারপূর্ণই নন, বরং বারেতে তাদের জুনিয়র ও কম বয়সী সহকর্মীদের প্রতি সহায়তামূলকও হবেন।)

⇒এই ধারা অনুযায়ী, সিনিয়র অ্যাডভোকেটদের দায়িত্ব হলো:
- জুনিয়র অ্যাডভোকেটদের সাথে সৌজন্যপূর্ণ (courteous) আচরণ করা।
- তাদের পেশাগত বিকাশে সহায়ক (helpful) ভূমিকা পালন করা।
- জুনিয়রদেরকে নির্দেশনা, পরামর্শ ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে উৎসাহিত করা।
সুতরাং, সিনিয়র অ্যাডভোকেটদের সৌজন্যমূলক এবং সহায়ক আচরণই ক্যাননসসম্মত।

২০৮.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধনের অযোগ্যতাসমূহ উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২২
  2. অনুচ্ছেদ ২৫
  3. অনুচ্ছেদ ২৬
  4. অনুচ্ছেদ ২৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২৭(৩) অনুচ্ছেদ: কোনো ব্যক্তি আইনজীবী হিসাবে নিবন্ধনের জন্য অযোগ্য হবেন যদি -

(ক) তিনি নৈতিক অধঃপতনজনিত কোনো অপরাধের অভিযোগে সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার চাকরি থেকে বরখাস্ত হন এবং তার বরখাস্তের তারিখ হতে দুই বছর অতিবাহিত না হয়; অথবা

(খ) তিনি নৈতিক অধঃপতনজনিত কোনো অপরাধের জন্য দণ্ডিত হন এবং দণ্ডাদেশ কার্যকর হওয়ার তারিখ হতে পাঁচ বছর বা সরকার কর্তৃক সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারিত এরূপ সময়কাল অতিবাহিত না হয়।

⇒ এই ধারাটি দুইভাবে কোনো ব্যক্তিকে আইনজীবী হিসাবে নিবন্ধনের জন্য অযোগ্য করে:

১. সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মচারী যদি নৈতিক অধঃপতনজনিত অপরাধের অভিযোগে চাকরি থেকে বরখাস্ত হন, তাহলে তার বরখাস্তের তারিখ থেকে দুই বছর না হলে তিনি আইনজীবী হিসাবে নিবন্ধনের যোগ্য হবেন না।

২. কোনো ব্যক্তি যদি নৈতিক অধঃপতনজনিত অপরাধের জন্য দণ্ডিত হন, তাহলে তার দণ্ডাদেশ কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে পাঁচ বছর বা সরকার নির্ধারিত সময় অতিবাহিত না হলে তিনি আইনজীবী হিসাবে নিবন্ধনের যোগ্য হবেন না।
২০৯.
An Advocate must ________ to conduct a civil cause or to make a defence when convinced that it is intended merely to harass or to injure the opposite party.
  1. try
  2. decline
  3. accept
  4. obliged
সঠিক উত্তর:
decline
উত্তর
সঠিক উত্তর:
decline
ব্যাখ্যা
• Canons of Professional conduct & Etiquette-এর ৪ অধ্যায় বিধি-৩:
An Advocate must decline to conduct a civil cause or to make a defence when convinced that it is intended merely to harass or to injure the opposite party or to work any oppression or wrong. But otherwise it is his right, and having accepted a retainer, it becomes his duty to insist upon the judgment of the court as to the legal merits of his client's claim. His appearance in court should be deemed equivalent to an assertion on his honour that in his opinion his client's case is one proper for judicial determination.

- একজন আইনজীবীর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে কোন একটি দেওয়ানী মামলার বিবদমান পক্ষ একে অপরকে অযথা হয়রানি ও ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে মামলায় লিপ্ত হইয়াছে, সেই ক্ষেত্রে তিনি বাদী কিংবা বিবাদী পক্ষে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহনে অবশ্যই অস্বীকার করিবেন। উক্ত ব্যতিক্রম ব্যতীত একজন আইনজীবী যে কোন মামলা পরিচালনা করার অধিকার সংরক্ষণ করেন।
২১০.
Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর দ্বিতীয় অধ্যায়ে মোট কতগুলো বিধি রয়েছে যা আইনজীবীর মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব উল্লেখ করে?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪টি
ব্যাখ্যা

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।
- প্রথম অধ্যায়ে ১১ টি, দ্বিতীয় অধ্যায়ে ১৪টি, তৃতীয় অধ্যায়ে ৯টি, চতুর্থ অধ্যায়ে ৮টি।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর তাহার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে বর্ণিত আছে।
- সেখানে ১৪টি বিধি রয়েছে যেখানে একজন আইনজীবীর তাহার মক্কেলের প্রতি কী কী দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন তা উল্লেখ আছে।

অর্থাৎ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর দ্বিতীয় অধ্যায়ে আইনজীবীর মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে ১৪টি বিধি রয়েছে। এই অধ্যায়টি মক্কেলের সাথে আইনজীবীর সম্পর্ক, গোপনীয়তা, লয়্যালটি, কমিউনিকেশন ইত্যাদি বিষয়গুলো কভার করে।

২১১.
একজন অ্যাডভোকেটের প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. বিচারককে সমর্থন না করা
  2. বিচারকের ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষা করা
  3. বিচারকের ব্যক্তিগত সম্পর্ক উন্নত করা
  4. আদালতের মর্যাদা ও গুরুত্ব বজায় রাখা
সঠিক উত্তর:
আদালতের মর্যাদা ও গুরুত্ব বজায় রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের মর্যাদা ও গুরুত্ব বজায় রাখা
ব্যাখ্যা
⇒ একজন অ্যাডভোকেটের প্রধান দায়িত্ব হলো আদালতের মর্যাদা ও গুরুত্ব বজায় রাখা। এটি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ক্যাননস অব প্রফেশনাল কন্ডাক্ট অ্যান্ড এটিকেট, ১৯৬৯ এর অধ্যায় III, বিধি ১-এ উল্লেখ করা হয়েছে। অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব শুধুমাত্র তার ক্লায়েন্টের স্বার্থ রক্ষা করা নয়, বরং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং আদালতের প্রতি সম্মান ও বিশ্বাস বজায় রাখাও তার পেশাগত দায়িত্বের অংশ।

অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব হলো:
- আদালতের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা।
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা।
- ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহায়তা করা।
- আদালতের প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করা।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) বিচারকের ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষা করা: এটি অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব নয়, বরং এটি পেশাগত নৈতিকতার পরিপন্থী।
গ) বিচারকের ব্যক্তিগত সম্পর্ক উন্নত করা: অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব বিচারকের সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলা নয়, বরং আদালতের মর্যাদা রক্ষা করা।
ঘ) বিচারককে সমর্থন না করা: অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব হলো ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা, যা কখনো কখনো বিচারকের সিদ্ধান্তের সমালোচনাও করতে পারে।

অতএব, সঠিক উত্তর হলো খ) আদালতের মর্যাদা ও গুরুত্ব বজায় রাখা।
২১২.
যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সেক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ৩০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
♦ Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।
২১৩.
The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১ অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের কোন কমিটির সদস্য সংখ্যা ৯ জন?
  1. নির্বাহী কমিটি
  2. আর্থিক কমিটি
  3. আইন শিক্ষা কমিটি
  4. নিবন্ধন কমিটি
সঠিক উত্তর:
আইন শিক্ষা কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন শিক্ষা কমিটি
ব্যাখ্যা

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১(১) (গ) অনুযায়ী আইন শিক্ষা কমিটি (Legal Education Committee) গঠিত হবে ৯ জন সদস্য নিয়ে-যার মধ্যে -
- ৫ জন হবেন বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত, 
- এবং ৪ জন হবেন কো-অপ্টেড সদস্য, যাঁরা কাউন্সিলের সদস্য নন, এবং
- এই ৪ জন কো-অপ্টেড সদস্যের মধ্যে অন্তত ২ জন হতে হবে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের আইন বিভাগের শিক্ষক।

অন্যদিকে:
- নির্বাহী কমিটি ও অর্থ কমিটি – (অনুচ্ছেদ ১১ (১) (ক) ও  ১১ (১) (খ) অনুযায়ী উভয়ে কমিটির সদস্য সংখ্যা মাত্র ৫ জন।
- নিবন্ধন কমিটি-১১(খ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নিবন্ধন কমিটির  সংখ্যা মাত্র ৫ জন।

⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ অনুচ্ছেদ ১১:
(১) বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি গঠন করবে:
(ক) একটি নির্বাহী কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(খ) একটি অর্থ কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(গ) একটি আইন শিক্ষা কমিটি, যা নয়জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে-যার মধ্যে পাঁচজন কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন এবং চারজন কাউন্সিল কর্তৃক কো-অপ্টেড (co-opted) হবেন, যারা কাউন্সিলের সদস্য নন। এই চারজনের মধ্যে কমপক্ষে দুজন বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের আইন বিভাগের শিক্ষক হবেন।
(২) উল্লিখিত কমিটিগুলোর ক্ষমতা ও কার্যাবলী যেরূপ নির্ধারণ করা হবে, সেরূপ হবে।
(৩) বার কাউন্সিল এই আদেশের অধীনে তার কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রয়োজন মনে করলে তার সদস্যদের মধ্য থেকে অন্যান্য কমিটি গঠন করতে পারবে।

২১৪.
বার কাউন্সিল অর্ডারের কোন অনুচ্ছেদে বার কাউন্সিলের শূন্য পদের বিষয়ে বলা আছে?
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১১
  4. ১৫
সঠিক উত্তর:
১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২
ব্যাখ্যা
♣♣
• The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ১২ তে শূন্য পদের বিষয়ে বলা আছে
• যদি কোন পদ শূন্য হয় একই নির্বাচনে যিনি ওই ব্যক্তির পরে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছিলেন, তার দ্বারা উক্ত শূন্য পদ পূরণ হবে। 
২১৫.
অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা হলে, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর কোন আদেশের বিধান মোতাবেক বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে জরিমানা করতে পারে?
  1. ৩৪(২)
  2. ৩৪(৬)
  3. ৩৪(৮)
  4. ৩৪(৪)
সঠিক উত্তর:
৩৪(৬)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪(৬)
ব্যাখ্যা
⇒ Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) আদেশ অনুযায়ী, যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।
-----------------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Order-34: 
(6) The Tribunal may make such order as to the costs of proceedings before it as it may deem fit; and where the Tribunal is of the opinion that a complaint made against advocate is false and vexatious, it may, in addition, and without prejudice to any other remedy available to an advocate, impose deterrent costs not exceeding a sum of five hundred taka upon the complainant, which shall be paid to the advocate as compensation.

(7) Every order of the Tribunal as to costs or deterrent costs shall be executable as an order of the High Court.
২১৬.
কোন মোকদ্দমায় একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত হলে, মামলা পরিচালনা করবে কে?
  1. জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন
  2. কণিষ্ঠ আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন
  3. আদালত নির্ধারণ করে দিবে কে মামলা পরিচালনা করবে
  4. ৩য় কোন আইনজীবীর নিকট মামলা পাঠানো হবে
সঠিক উত্তর:
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মামলা পরিচালনা করবেন
ব্যাখ্যা

Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর প্রথম অধ্যায়: আইনজীবীদের প্রতি আচরণ:
১. পেশার সম্মান ও মান: সকল আইনজীবীর পেশার সম্মান ও উচ্চ মান বজায় রাখা এবং নিজের মর্যাদা রক্ষা করা কর্তব্য।
২. বিজ্ঞাপন নিষেধ: বিজ্ঞাপন বা অন্য কোন উপায়ে কাজ পাওয়ার চেষ্টা নিষেধ। তবে ভিজিটিং কার্ড, নেইমপ্লেট বা ডিরেক্টরীতে নাম ও পেশাদারী পরিচয় প্রকাশ করা যেতে পারে।
৩. বেতনাদির বিনিময় নিষেধ: কাজ যোগাড়ের জন্য কাউকে নিয়োগ দেওয়া বা বেতন দেয়া নিষেধ। লাইসেন্সবিহীন ব্যক্তির সাহায্য বা বিনিময় গ্রহণ নিষেধ।
৪. বির্তকিত বিষয় আলোচনা: কোনো পক্ষের এডভোকেটের অনুপস্থিতিতে বা অনুমতি ছাড়া বির্তকিত বিষয় আলোচনা করা নিষেধ।
৫. প্রকাশ্য আদালতের বাইরে আলোচনা নিষেধ: প্রকাশ্য আদালতের বাইরে বিরোধী পক্ষের আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে মামলার বিষয়বস্তু আলোচনা নিষেধ।
৬. মক্কেলের অধিকার: মক্কেল একাধিক আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারেন। তবে বর্তমান আইনজীবীর ফি পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত অন্য আইনজীবী মামলা গ্রহণ করবেন না।
৭. ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব: মামলার পক্ষভুক্তদের মধ্যে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব আইনজীবীদের আচরণে প্রভাবিত করা উচিত নয়।
৮. ফি ভাগাভাগি: আইনী সেবার বিনিময়ে অর্জিত ফি ভাগাভাগি অনুচিত। তবে চুক্তি অনুযায়ী ফি বিভাজন করা যেতে পারে।
৯. অগ্রাধিকার ও সৌজন্য: আদালতের কর্মকান্ডে এটর্নী জেনারেল ও এডভোকেট জেনারেলের অগ্রাধিকার রক্ষা করতে হবে। সিনিয়ার এডভোকেটদের অগ্রাধিকার ও ঐতিহ্য বজায় রাখা উচিত।
১০. নবীনদের সম্মান:
শিক্ষানবীশ ও নবীন আইনজীবীদের প্রবীণ আইনজীবীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা উচিত। প্রবীণ আইনজীবীরা নবীনদের সহযোগিতা করবেন।
১১. জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ আইনজীবীর ভূমিকা:
একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত হলে, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মামলার পরিচালনা করবেন এবং কনিষ্ঠ আইনজীবী সহযোগিতা করবেন।

২১৭.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হবে –
  1. ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের যে কোন একজন
  2. হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক
  3. ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ
  4. আপিল বিভাগের একজন বিচারক
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর  অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী তিন জন সদস্য নিয়ে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে। ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ, সেই বার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হবে।
-------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 Article-33. (1) The Bar Council may constitute one or more Tribunals and each such Tribunal shall consist of three persons of whom two shall be persons elected by the Council from amongst its members and the other shall be a person co-opted by the Council from amongst the advocates on the roll, and the senior-most advocate amongst the members of a Tribunal shall be its Chairman:
Provided that the Attorney-General for Bangladesh shall not be a member of any Tribunal.
২১৮.
১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির কয় নং আদেশের মাধ্যমে 'বাংলাদেশ বার কাউন্সিল' প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ৪৫ নং
  2. ৪৭ নং
  3. ৪৬ নং
  4. ৪৮ নং
সঠিক উত্তর:
৪৬ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬ নং
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ বার কাউন্সিল হলো দেশের আইনজীবীদের একমাত্র কেন্দ্রীয় সরকার অনুমোদিত সংগঠন। এটির প্রতিষ্ঠা ও কাঠামোগত বিষয়গুলো নিম্নরূপ:

স্বাধীন বাংলাদেশ গঠিত হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৩ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ এটি সরকার কর্তৃক অনুমোদিত একমাত্র কেন্দ্রীয় সংস্থা যা দেশের সকল আইনজীবী এবং আইন শিক্ষার্থীদের তালিকাভুক্তি, নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বভার পালন করে।

⇒ বার কাউন্সিলের নিজস্ব একটি আইন আছে যা Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 নামে পরিচিত। এই আইনে আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধন, শৃংখলা বিধি ইত্যাদি বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।

⇒ কাউন্সিলটি একটি চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নির্বাচিত এক প্যানেল দ্বারা পরিচালিত হয়। সদস্যরা দেশের বিভিন্ন বার সোসাইটি দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নির্বাচন করে।

⇒ বার কাউন্সিলের অন্যান্য দায়িত্বগুলোর মধ্যে আইনজীবী শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ, বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা রক্ষা করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
২১৯.
অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের নালিশ দায়ের করতে হয়-
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  2. বার কাউন্সিলে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. বিচারকের কাছে
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলে
ব্যাখ্যা
♦অনুচ্ছেদ-৩২ অনুযায়ী একজন এ্যাডভোকেটের অসদাচরনের জন্য তার বিরুদ্ধে আদালত বা কোন ব্যক্তি প্রথমে বার কাউন্সিলের নিকট অভিযোগ দিতে পারেন, কেননা অসদাচরনের জন্য সরাসরি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করা যায় না। অভিযোগ পাওয়ার পর বার কাউন্সিল অভিযোগের যৌক্তিক কারণ থাকলে, অভিযোগটি অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী গঠিত বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালে পাঠাবেন। এছাড়া বার কাউন্সিল নিজ উদ্যোগেও কোন আইনজীবীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ পাঠাতে পারে।
♦সুতরাং কোন আইনজীবীর পেশাগত অসদাচরনের বিরুদ্ধে ৩ জন অভিযোগ করতে পারে- i) আদালত, ii) বার কাউন্সিল অথবা iii) অন্য যে কোন ব্যক্তি।
২২০.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর কোন অনুচ্ছেদে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতা বর্ণিত আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২১
  2. অনুচ্ছেদ ২৫
  3. অনুচ্ছেদ ২৭
  4. অনুচ্ছেদ ৩০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
ব্যাখ্যা

⇒  বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ২৭-এ অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতা বর্ণিত আছে। এই অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, একজন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে পারবেন যদি তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন, ২১ বছর বয়স পূর্ণ করেন, নির্দিষ্ট আইনি ডিগ্রি অর্জন করেন, বার কাউন্সিলের নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং নির্ধারিত ফি প্রদান করেন। (অর্ডারের আর্টিকল ২৭(১))

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য অন্যূন বয়স হতে হবে ২১ বৎসর।
⇒ আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে Bangladesh Legal Practitioner and Bar Council Order 1972 এর অনুচ্ছেদ – ২৭ অনুযায়ী নিম্নোক্ত শর্তাবলি পূরণ করতে হবে:
১। প্রথমত তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২। তাকে ২১বছর বয়সী হতে হবে;
৩। আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে-
বাংলাদেশের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত দেশের বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের পূর্বে হলে পাকিস্তানের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ;
১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্টের পূর্বে হলে ভারতবর্ষের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
ব্যারিস্টার এট ল’ হয়ে থাকলে;
৪। বার কাউন্সিল কর্তৃক কোন পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে এবং পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি দিলে।
-----------------
⇒ -According to article 27 of The Bangladesh Legal Practitioner’s and Bar Council Order, 1972,
Qualifications to become a lawyer of the Subordinate Court: a person shall be qualified to be admitted as an advocate if he fulfills the following conditions, namely:-
-The Person must be a citizen of Bangladesh;
- He must complete the age of twenty-one years;
- (i) He had obtained a degree in law from any university situated within the territory which forms part of Bangladesh; or
[Note: 4-years LL. B (Hon’s) or 2 years LL.B pass the course (must have completed before 2018 because now these 2 years pass the course is not allowed anymore) from any approved university of Bangladesh]
- (ii) Any similar foreign course can be accepted with the clear permission given by the Bangladesh Bar Council; or
- (iii) A bachelor’s degree in law from any university outside Bangladesh recognized by the Bar Council;
-The applicant has to undergo pupilage for a period of 6 (six) months under a practicing Advocate of at least 10 years standing in the profession;
- He has passed such examination as may be prescribed by the Bar Council;
- He has paid such enrolment fee and fulfills such other conditions as may be specified in the rules made by the bar council.

২২১.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার এর কত অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে বার কাউন্সিল তালিকাভুক্ত সকল অ্যাডভোকেটকে সনদ প্রদান করবেন?
  1. ২০
  2. ২৩
  3. ২৪
  4. ৩২
সঠিক উত্তর:
২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার এর ২৪ অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে বার কাউন্সিল তালিকাভুক্ত সকল অ্যাডভোকেটকে সনদ প্রদান করবেন।
--------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 23. (1) Entries in the roll shall be made in the order of seniority and such seniority shall be determined as follows, namely:-
(a) all such persons as are referred to in clause (a) of Article 20 shall be entered first in the order in which they were respectively entitled to seniority immediately before the commencement of this Order; and
(b) the seniority of any other person admitted to be an advocate under this Order after the commencement of this Order shall be determined by the date of his admission.
(2) Where the date of seniority of two or more persons is the same, the one senior in age shall rank as senior to the other.

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 24. The Bar Council shall issue a certificate of enrolment in the prescribed form to every person enrolled under Article 23.
২২২.
অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার আগে একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে নিয়মিত কমপক্ষে কত দিন শিক্ষানবিশ থাকতে হবে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
⇒বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর বিধি-৬০: শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।

-আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
-অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
-শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
-হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে।
- ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
- বিধি-৬০(গ): এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর ২৫।
২২৩.
কেবল অপর পক্ষকে হয়রানীর লক্ষ্যে কোন পক্ষ একটি দেওয়ানি মামলা করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে একজন এ্যাডভোকেট-
  1. আদালতের অনুমতি নিয়ে মামলাটি গ্রহণ করবেন
  2. বিরুদ্ধ পক্ষের এ্যাডভোকেটকে সাহায্য করবেন
  3. মামলাটি পরিচালনায় করতে অস্বীকার করবেন
  4. নিযুক্তিয় এ্যাডভোকেট হিসাবে মামলাটি পরিচালনা করবেন
সঠিক উত্তর:
মামলাটি পরিচালনায় করতে অস্বীকার করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলাটি পরিচালনায় করতে অস্বীকার করবেন
ব্যাখ্যা

⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তীতা: ৪ অধ্যায়ে বিধি ৩ এর বিধান একজন আইনজীবীর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে কোন একটি দেওয়ানী মামলা বিবাদমান পক্ষ একে অপরকে হয়রানি ও ক্ষতিগ্রস্থ করার উদ্দেশ্যে মামলায় লিপ্ত হয়েছে, সেই ক্ষেত্রে তিনি বাদী কিংবা বিবাদী পক্ষে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহনে অবশ্যই অস্বীকার করবে। উক্ত ব্যতিক্রম ব্যতীত একজন আইনজীবী যে কোন মামলা পরিচালনা করার অধিকার সংরক্ষণ করে।
⇒ এডভোকেটের জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব সম্পকৃত ৩ নং বিধিতে বলা হয়েছে, কাউকে হয়রানি বা ক্ষতি করার জন্য কোন দেওয়ানী মামলা দায়ের করা হলে তা পরিচালনা করতে একজন আইনজীবী অবশ্যই অস্বীকার করবে।

২২৪.
কাউকে হয়রানির বা আক্রোশের বশবর্তী হয়ে কোনো পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে একটি মামলা করতে ইচ্ছুক। এক্ষেত্রে একজন অ্যাডভোকেট-
  1. মামলাটি পরিচালনা করবেন
  2. মামলাটি পরিচালনা করতে নিয়োজিত হবেন না
  3. আদালতের অনুমতি নিয়ে মামলাটি গ্রহণ করবেন
  4. বিরুদ্ধ পক্ষের অ্যাডভোকেটকে সাহায্য করবেন
সঠিক উত্তর:
মামলাটি পরিচালনা করতে নিয়োজিত হবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলাটি পরিচালনা করতে নিয়োজিত হবেন না
ব্যাখ্যা

উত্তর: মামলাটি পরিচালনা করতে নিয়োজিত হবেন না।

"Canons of Professional Conduct and Etiquette" এর অধ্যায় ৪- জনসাধারণের প্রতি আইনজীবীদের আচরণ

বিধি ১: কাউকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে আক্রোশের বশবর্তী হইয়া কিংবা মামলার কার্যক্রম বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে বাদী কিংবা আসামী পক্ষে কোন মামলা পরিচালনা করার জন্য একজন আইনজীবী নিয়োজিত হইবেন না। এমনকি অনুরূপ উদ্দেশ্যে কোন আপিল দায়েরের দায়িত্ব ও নিবেন না।
--------------------------------------
Rule 1: An Advocate shall not accept employment to prosecute or defend a case out of spite or for the purposing of harassing anyone or delaying any matter nor shall he take or prosecute an appeal willfully motivated to harass any one or delay any matter.

২২৫.
বার কাউন্সিল সদস্যগণের অফিস ধারণের মেয়াদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী কোন তারিখে শুরু হয়?
  1. ১লা জুলাই
  2. ১লা জানুয়ারি
  3. ১লা মে
  4. ১লা জুন
সঠিক উত্তর:
১লা জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১লা জুলাই
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ-৪ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী ১লা জুলাই থেকে ০৩ (তিন) বছর পর্যন্ত বার কাউন্সিলের মেয়াদ থাকবে। অর্থাৎ বার কাউন্সিলের মেয়াদ ৩ বছর। বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষে বার কাউন্সিলের সদস্যগণ অফিস ধারণের যোগ্যতা হারাবেন।

♦ অর্থাৎ অনুচ্ছেদ ৪ অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যদের পদের মেয়াদ ৩ বৎসর। এই ৩ বৎসর শুরু হবে সাধারণ নির্বাচনের পর পহেলা জুলাই থেকে।
২২৬.
সরকার পক্ষের আইনজীবীর দায়িত্ব কী?
  1. আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করা
  2. মামলায় জয় লাভ করা
  3. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
• 'Canons of Professional Conduct and Etiquette' এর অধ্যায় ৩- আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্য (সারমর্ম):

১- আদালতের মর্যাদা রক্ষা:
আইনজীবীদের আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাবনত দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শন করা উচিত। বিচারকদের বিরুদ্ধে অন্যায্য সমালোচনা ও কুৎসা থেকে সুরক্ষা প্রদান আইনজীবী সমাজের দায়িত্ব। তবে, যথার্থ অভিযোগ থাকলে আইনগত প্রতিকার চাওয়া তাদের অধিকার।

২- সাক্ষী সম্পর্কে পরামর্শ:
মামলার প্রমাণ নির্ধারণে সহায়ক ব্যক্তিদের সাক্ষ্য গ্রহণকে দুষপ্রাপ্য করার পরামর্শ আইনজীবীদের দেওয়া উচিত নয়।

৩- ভুল উদ্ধৃতি না করা:
বিচারকদের কাছে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল উদ্ধৃতি বা বাতিল হওয়া নজির পেশ করা উচিত নয়।

৪- আচরণ ও গোপন আলোচনা:
বিচারকদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণমূলক কিছু করা উচিত নয় এবং গোপনে বিচারকের সঙ্গে মামলার গুনাগুন বিষয়ে আলোচনা করা উচিত নয়।

৫- সরকার পক্ষে আইনজীবীর দায়িত্ব:
আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করা নয়, বরং ন্যায় বিচার হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা সরকারের আইনজীবীর দায়িত্ব।


৬- পত্রিকায় প্রকাশ:
বিচারাধীন মামলার তথ্য পত্রিকায় প্রকাশ করা উচিত নয়, কারণ তা মামলার স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করে।

৭- বিচারক নিয়োগ:
আইনজীবীদের বিচারক নিয়োগে রাজনৈতিক বিবেচনার বিরোধিতা করা উচিত এবং যোগ্য বিচারক নিয়োগে সক্রিয় থাকা উচিত।

৮- মামলা ডাকার সময় উপস্থিতি:
আইনজীবীদের আদালতে মামলার সময় উপস্থিত থাকা উচিত বা বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

৯- মতামত প্রদান:
নিজে জড়িত না থাকা মামলায় স্বেচ্ছায় মতামত প্রদান করা উচিত নয়, তবে আদালতের আহবানে মতামত প্রদান করা যেতে পারে।
২২৭.
বার কাউন্সিল কাদের জন্য দাতব্য তহবিল গঠন করতে পারে?
  1. জনসাধারনের জন্য
  2. বিচার বিভাগীয় সকল কর্মচারীদের জন্য
  3. আইজীবীদের জন্য
  4. অভিযুক্তদের জন্য
সঠিক উত্তর:
আইজীবীদের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইজীবীদের জন্য
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১৪:
(১) বার কাউন্সিল এডভোকেট ও তাদের পরিবার এবং নির্ভরশীলদের কল্যাণের জন্য গ্রুপ বীমা স্কিম এবং দাতব্য তহবিল গঠন করতে পারে।
(২) যদি এই ধরনের কোনো তহবিল গঠন করা হয়, তাহলে রোলভুক্ত প্রতিটি এডভোকেট তহবিলে দান হিসেবে বা প্রিমিয়াম হিসেবে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ প্রদান করতে বাধ্য থাকবে, এবং সেই পরিমাণ অর্থ ও প্রদানের পদ্ধতি নির্ধারিত হবে।
(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীনে গঠিত তহবিল নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরিচালিত, প্রশাসিত ও ব্যবহার করা হবে।
-----------
Article 14:
(1) The Bar Council may constitute, for the benefit of the advocates and their families and dependents, group insurance schemes and benevolent funds.
(2) Where any such fund is constituted, every advocate on the roll shall be liable to pay to the fund as contribution or, as the case may be, as premium such sum of money, and in such manner, as may be prescribed.
(3) A fund constituted under clause (1) shall be managed, administered and utilised in such manner as may be prescribed.

২২৮.
হাইকোর্ট বিভাগে আইনপেশা চর্চার যোগ্যতা সম্পর্কে The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে বিধান আছে?
  1. ২০ অনুচ্ছেদে
  2. ২১ অনুচ্ছেদে
  3. ২২ অনুচ্ছেদে
  4. ২৩ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২১ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ২১: 
(১) এই আদেশ ঘোষণা হইবার পূর্বে হাইকোর্ট আইন পেশা চর্চার উদ্দেশ্যে অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যতিরেকে, কোনো এডভোকেটকেই হাইকোর্ট আইন পেশা চর্চার অনুমতিপ্রাপ্ত হইবেন না, যদি না তিনি-
(a) বাংলাদেশের যেকোনো অধঃস্তন আদালতে তিনি ২ (দুই) বছর ধরে আইন পেশা চর্চা করিয়াছেন ;

(b) তিনি আইন বিষয়ে অনার্স এবং সরকার কতৃর্ক সরকারি গেজেটে নোটিফিকেশন কতৃর্ক নির্ধারিত বাংলাদেশের বাইরের কোনো হাইকোর্টে এডভোকেট হিসেবে আইন পেশা চর্চা করিয়াছেন;

(c) তাকে, তার আইনগত প্রশিক্ষণ বা অভিজ্ঞতার জন্য, বার কাউন্সিল উপরে বর্ণিত দফাসমূহের প্রয়োজনীয়তা পূরণ করা হইতে অব্যাহতি দিয়াছেন।

(২) হাইকোর্টে আইন পেশা চর্চার লক্ষ্যে বার কাউন্সিল অনুমতি দিয়াছেন ইহা প্রমাণ সাপেক্ষে অনুচ্ছেদ—২২ এ নির্ধারিত ফি দেওয়া হইয়াছে এবং ক্লজ—১ এ বর্ণিত সংশ্লিষ্ট শর্তাদি সন্তোষজনকভাবে পূরণ করা হইয়াছে।

২২৯.
বার কাউন্সিলের নির্বাচনের উদ্দেশ্যে সরকার স্থানীয় বার এ্যাসোসিয়েশন বা বার সমিতিকে কয়টি ভাগে বিভক্ত করবে?
  1. ২ টি
  2. ৭ টি
  3. ৬ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ টি
ব্যাখ্যা
♦The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972  এর ৫ অনুচ্ছেদ মতে আঞ্চলিক বার সমিতি হতে ৭ জন অ্যাডভোকেটকে নির্বাচিত করার জন্য সরকার বার সমিতি [Bar Assocaition] কে ৭টি গ্রুপে বিভক্ত করবে।
২৩০.
একজন অ্যাডভোকেট কখনই পেশাগতভাবে এমন পরামর্শ দেবেন না, যা—
  1. ক্লায়েন্টের স্বার্থ রক্ষা করে
  2. মামলা জেতার সম্ভাবনা বাড়ায়
  3. আইন লঙ্ঘনের পরামর্শ দেয়
  4. আদালতে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করতে সাহায্য করে
সঠিক উত্তর:
আইন লঙ্ঘনের পরামর্শ দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন লঙ্ঘনের পরামর্শ দেয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: (গ) আইন লঙ্ঘনের পরামর্শ দেয়।
⇒ একজন অ্যাডভোকেটের প্রধান দায়িত্ব হলো আইন মেনে ও নৈতিকতা বজায় রেখে তার ক্লায়েন্টকে আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা। তিনি কখনোই এমন পরামর্শ দিতে পারেন না, যা আইন লঙ্ঘন করে বা অন্যায় কাজে সহায়তা করে।

→ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণ বিধি, ১৯৬৯-এর Chapter II, Conduct with Regard to Clients-এর ৮ নম্বর নীতি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে:
"An Advocate in his professional capacity shall not advise the violation of any law. This rule shall not apply to advice given in good faith, that a law is invalid."
অর্থাৎ, একজন অ্যাডভোকেট কোনো আইন লঙ্ঘনের পরামর্শ দিতে পারবেন না।
তবে, যদি তিনি ন্যায়সঙ্গত কারণে বিশ্বাস করেন যে কোনো আইন অবৈধ বা অসাংবিধানিক, তাহলে তিনি সেক্ষেত্রে যুক্তি উপস্থাপন করতে পারেন।

⇒ সুতরাং, একজন অ্যাডভোকেটকে অবশ্যই তার ক্লায়েন্টের পক্ষে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দক্ষতার সাথে মামলা পরিচালনা করতে হবে, তবে তিনি কখনোই আইন লঙ্ঘনের পরামর্শ দিতে বা অন্যায় কাজে সহায়তা করতে পারেন না।
২৩১.
একজন বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূণ্য হয় না-
  1. পদত্যাগ করলে
  2. চেয়ারম্যানের অনুমতি ব্যতিত পর পর তিনটি মিটিংয়ে অনুপস্থিত থাকলে
  3. ফৌজদারি মামলায় কারাদন্ড প্রাপ্ত হলে
  4. আইনজীবীর তালিকা থেকে অপসৃত হলে
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলায় কারাদন্ড প্রাপ্ত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলায় কারাদন্ড প্রাপ্ত হলে
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর ৯১ বিধি অনুসারে, বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূন্য হবে যদি সে বার কাউন্সিলের সচিবের নিকট পদত্যাগ পত্র দাখিল করে পদত্যাগ করে বা আইনজীবীর তালিকা থেকে অপসারিত হয় বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের অনুমতি ব্যতীত পর পর ৩টি মিটিং-এ অনুপস্থিত থাকে বা তিনি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসাবে পদোন্নত হয়।
>অর্থাৎ ফৌজদারিমামলায় কারাদন্ড প্রাপ্ত হলে একজন বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূণ্য হয় না।

২৩২.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব নিয়োগ করেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. বার কাউন্সিল চেয়ারম্যান
  3. সরকার
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশ এর অনুচ্ছেদ ৬ক  এর বিধান মতে:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকবে। সরকার জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজদের মধ্য হতে বার কাউন্সিলের সচিব [Secretary] নিয়োগ করবে।
-বার কাউন্সিলের সচিবের পদের মেয়াদ হবে সরকার যেমন মেয়াদ নির্ধারণ করে।
-৬ক অনুচ্ছেদটি ২০১২ সালে সংযুক্ত করা হয়।
-বার কাউন্সিলের সচিবই হবে বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা [Chief Executive Officer বিধি ৫৫।
-----------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Article-6A. There shall be a Secretary of the Bar Council appointed by the Government from amongst the District Judges or Additional District Judges on such terms and conditions as may be determined by it.
২৩৩.
মামলার ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া যায় না-
  1. মামলার বিষয়বস্তুর নতুনত্ব
  2. একই ধরনের মামলার ক্ষেত্রে আইনজীবী সমিতিতে সাধারণত রেওয়াজ কেমন 
  3. মক্কেলের আর্থিক সক্ষ্মতা 
  4. ক্ষতিপূরন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কেমন নিশ্চয়তা/ অনিশ্চয়তা বিদ্যমান
সঠিক উত্তর:
মক্কেলের আর্থিক সক্ষ্মতা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মক্কেলের আর্থিক সক্ষ্মতা 
ব্যাখ্যা

অধ্যায় ২, বিধি ১০: ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে একজন আইনজীবী তাহার পরামর্শ ও সেবার জন্য নিজের অতি মূল্যায়ন কিংবা অবমূল্যায়ন করিবেন না। যদি কোন বিরোধপূর্ন সম্পত্তির মূল্য বিবেচনায় আইনজীবীর ফি কম বা না হওয়া যৌক্তিক হয়, সেক্ষেত্রে মক্কেলের সক্ষমতার কারণে উচ্চহারে ফি আদায় করা সমীচীন নহে। ফি নির্ধারনের ক্ষেত্রে সহআইনজীবীর পক্ষ হইতে কোন যৌক্তিক অনুরোধ করা হইলে তাহা সহৃদয়তার সহিত বিশেষ ভাবে বিবেচনা করিতে হইবে। কোন আইনজীবীর বিধবা স্ত্রী কিংবা তাঁহার এতিম সন্তানদের আইনী সহায়তা দেওয়ার প্রয়োজন হইলে কোনরূপ ফি ব্যতিরেকে তাহাদেরকে আইনী সহায়তা দিতে হইবে।

২৩৪.
একজন আইনজীবীর ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি বিবেচ্য বিষয় নয়?
  1. দায়িত্ব পালনে ব্যয়িত সময় ও শ্রম
  2. সংশ্লিষ্ট মামলায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অন্য পেশাগত দায়িত্ব
  3. বিরোধীয় বিষয়বস্তুর মূল্যের তুলনায় মামলায় মক্কেলের লাভ
  4. অতিরিক্ত ফি প্রদানের মক্কেলের সক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত ফি প্রদানের মক্কেলের সক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত ফি প্রদানের মক্কেলের সক্ষমতা
ব্যাখ্যা
♦অচরণবিধি এর অধ্যায় ২, বিধি ১০ তে বলা আছে ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে একজন আইনজীবী তার পরামর্শ ও সেবারজন্য নিজের অতি মূল্যায়ন কিংবা অবমূল্যায়ন করবেনা। যদি কোন বিরোধপূর্ন সম্পত্তির মূল্য বিবেচনায় আইনজীবীর ফি কম বা না হওয়া যৌক্তিক হয়, সেক্ষেত্রে মক্কেলের সক্ষমতার কারণে উচ্চহারে ফি আদায় করা সমীচীন নহে। ফি নির্ধারনের ক্ষেত্রে সহআইনজীবীর পক্ষ হতে কোন যৌক্তিক অনুরোধ করা হলে তা সহৃদয়তার সাথে বিশেষ ভাবে বিবেচনা করতে হবে। কোন আইনজীবীর বিধবা স্ত্রী কিংবা তার এতিম সন্তানদের আইনী সহায়তা দেওয়ার প্রয়োজন হলে কোনরুপ ফি ব্যতিরেকে তাদেরকে আইনী সহায়তা দিতে হবে। ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিম্ন বর্ণিত বিষয়সমূহ বিবেচনায় রাখা সমীচীন হবে :
i) মামলার বিষয়বস্তুর নতুনত্ব, অভিনবত্ব ও প্রশ্নের জটিলতা নিরসনে কিরুপ দক্ষতা, শ্রম এবং সময় বিনিয়োগ করতে হবে।
ii) কোন মামলায় আইনীসেবা দেওয়ার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হলে তা উক্ত আইনজীবীর জন্য অন্য মামলায় অংশগ্রহনের ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে কিনা কিংবা উক্ত মামলায় তার সম্পৃক্ততা না হলে ভাল হতো কিংবা উক্ত মামলায় তার অংশ গ্রহনের ফলে অন্য একটি মামলায় তার ক্ষতি হবে না।
iii) সদৃশ মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে আইনজীবী সমিতিতে ফি নেওয়ার কি নিয়ম প্রচলিত আছে।
iv)মামলার বিরোধপূর্ণ বিষয়ের মূল্যমান ও মামলার ফলাফলে মক্কেল কী পরিমাণ সুফল লাভ করবে।
v) ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তিতে কিরুপ অনিশ্চয়তা কিংবা নিশ্চয়তা বিদ্যমান, এবং 
vi. আইনীসেবা দেওয়ার জন্য নিয়োগের ধরণ অর্থাৎ উক্ত নিয়োগ সাময়িক নাকি দীর্ঘমেয়াদী। উপরোক্ত বিষয়ের কোনটিই ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক হিসাবে কাজ করেনা বরং সেবার প্রকৃত মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে নির্দেশনা হিসাবে কাজ করে।
ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে ইহা ভুললে চলবেনা যে, আইন পেশা সুবিচার নিশ্চিত করার একটি পেশা, উক্ত পেশা কেবল মাত্র অর্থ উপার্জনের কোন পেশা নহে।
২৩৫.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল কোন অ্যাডভোকেটকে অসদাচরণের জন্য নিবন্ধন বাতিলের আদেশ দিলে, অ্যাডভোকেট কি পদক্ষেপ নিতে পারে?
  1. আপিল করতে পারে
  2. রিভিউ করতে পারে
  3. আপিল এবং রিভিউ উভয় করতে পারে
  4. প্রথমে আপিল এবং পরে রিভিউ করতে পাওে
সঠিক উত্তর:
আপিল এবং রিভিউ উভয় করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল এবং রিভিউ উভয় করতে পারে
ব্যাখ্যা
♦বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪ (৮) অনুচ্ছেদের অধীন বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ করা যেতে পারে বা ৩৬ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করতে পারে।
২৩৬.
ট্রাইব্যুনালের কোন আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আপিল করতে পারে-
  1. জেলা জজ আদালতে
  2. আপিল বিভাগে
  3. বার কাউন্সিল আপিল বোর্ডে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে।
- এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।
-------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-36. (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
২৩৭.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 একটি -
  1. সংসদ কতৃর্ক পাশ হওয়া আইন
  2. সরকার এর আদেশবলে তৈরি আইন
  3. রাষ্ট্রপতির আদেশবলে তৈরি আইন
  4. সুপ্রীম কোর্ট এর আদেশবলে তৈরি আইন
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির আদেশবলে তৈরি আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির আদেশবলে তৈরি আইন
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, অর্থাৎ President’s Order No. 46 of 1972, একটি রাষ্ট্রপতির আদেশ হিসেবে ১৮ মে ১৯৭২ তারিখে জারি করা হয়, এবং তা বাংলাদেশের আইন সে সম্পর্কে বিকল্প ও সংহত আইন হিসেবে স্বীকৃত linkedin.com+15scribd.com+15legislativediv.portal.gov.bd+15। এ আদেশের মাধ্যমে Bangladesh Bar Council গঠিত হয় এবং এটি সংবিধান থেকে স্বাধীনভাবে রাষ্ট্রপতির নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার করে প্রণীত একটি আইন—সংসদ বা বিচার বিভাগ কর্তৃক তৈরি নয় scribd.comclcbd.org।

Bar Council Order-এর মূলে ছিল আইনজীবীবৃন্দ নিয়ন্ত্রণ এবং অ্যাডভোকেশন পেশার স্বকীয়তা রক্ষা। এই আদেশে Bar Council-এর গঠন, সদস্য সংখ্যা (১৫ জন: যার মধ্যে একজন অটো-চেয়ারম্যান ex‑officio হিসেবে Attorney‑General), সদস্য নির্বাচন প্রক্রিয়া, কার্যাবলী ও ক্ষমতা ইত্যাদি সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
২৩৮.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কোন ধরণের সংস্থা?
  1. বেসরকারী সংস্থা
  2. সরকারী নিয়ন্ত্রণাধীন সংস্থা
  3. সাংবিধানিক সংস্থা 
  4. সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
সঠিক উত্তর:
সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধিবদ্ধ সংস্থা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৩ অনুসারে,
(১) এই আদেশের বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নামে একটি বার কাউন্সিল গঠিত হইবে।
(২) বার কাউন্সিল একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে যাহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সিলমোহর থাকিবে, স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার ও অধিকারে রাখিবার ক্ষমতা থাকিবে, এবং চুক্তি করিবার অধিকার থাকিবে, এবং উক্ত নামে ইহা মামলা করিতে পারিবে এবং ইহার বিরুদ্ধে মামলা করা যাইবে।
---------
3. (1) There shall be constituted in accordance with the provisions of this Order a Bar Council to be called the Bangladesh Bar Council.
(2) The Bar Council shall be a body corporate having perpetual succession and a common seal, with power to acquire and hold property, both movable and immovable, and to contract, and shall by the said name sue and be sued.

২৩৯.
কার পূর্ব অনুমোদন নিয়ে বার কাউন্সিলের বিধি প্রণয়ন করতে হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. আইনমন্ত্রীর
  3. সরকারের
  4. প্রধান বিচারপতির
সঠিক উত্তর:
সরকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের
ব্যাখ্যা
♣ বার কাউন্সিলের বিধি প্রণয়ন করার পূর্বে সরকারের অনুমোদন লাগে।
২৪০.
যদি কোন অ্যাডভোকেট শিক্ষানবীশ চুক্তিপত্রে মিথ্যা বিবৃতি প্রদান করলে বা মিথ্যা সার্টিফিকেট প্রদান করলে উক্ত আইনজীবী
  1. ১ বৎসরের জন্য দণ্ডিত হবে
  2. অসদাচরণের জন্য দোষী হবে
  3. ২ বৎসরের জন্য দণ্ডিত হবে
  4. ৫ বৎসরের দণ্ডিত হবে
সঠিক উত্তর:
৫ বৎসরের দণ্ডিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বৎসরের দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
♦বিধি ৬০(৩) অনুযায়ী কোন প্রার্থী তার তালিকাভুক্তির দরখাস্তে ইচ্ছেকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে  ৫ বছরের জন্য অ্যাডভোকেট হিসেবে নিবন্ধিত হবার অযোগ্য হবে।
♦অর্থাৎ যদি কোন অ্যাডভোকেট শিক্ষানবীশ চুক্তিপত্রে মিথ্যা বিবৃতি প্রদান করলে বা মিথ্যা সার্টিফিকেট প্রদান করলে উক্ত আইনজীবী ৫ বৎসরের জন্য দণ্ডিত হবে।
২৪১.
নিচের কোনটি বার কাউন্সিলের দায়িত্ব?
  1. বিচারক নিয়োগ
  2. আইন পাস করা
  3. সুপ্রিম কোর্টের বাজেট তৈরি
  4. আইন শিক্ষার উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
আইন শিক্ষার উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন শিক্ষার উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-১০: বার কাউন্সিলের কতিপয় কার্যাবলী-
১. অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি করা এবং এই উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া, সনদ প্রদান, তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেয়া;
২. এরূপ তালিকা প্রণয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা;
৩. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা;
৪. অ্যাডভোকেটদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের বিচার ও শাস্তি দেওয়া;
৫. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেটগণের সুযোগ-সুবিধা ও স্বার্থ রক্ষা করা;
৬. বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা;
৭. সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন করা;
৮. অনুসরণযোগ্য বিধি প্রণয়ন করা;
৯. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা;
১০. অন্যান্য অনুমোদিত ও সহায়ক যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করা।
২৪২.
‘একজন আইনজীবী বৈরী সাক্ষী এবং মামলার পক্ষসমূহের সঙ্গে সৌজন্যমূলক আচরণ করিবেন।’ - এটি কার প্রতি একজন আইনজীবীর আচরণ?
  1. আদালত
  2. মক্কেল
  3. জনসাধারণ
  4. অন্যান্য আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
জনসাধারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসাধারণ
ব্যাখ্যা
একজন আইনজীবীর জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য: “Canons of Professional Conduct and Etiquette” অংশের চতুর্থ অধ্যায়ের ১-৮ বিধি অনুযায়ী একজন আইনজীবীর জনগণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কী তা উল্লেখ করা হয়েছে-

বিধি ২:
একজন আইনজীবী বৈরী সাক্ষী এবং মামলার পক্ষসমূহের সঙ্গে সৌজন্যমূলক আচরণ করিবেন। তিনি কখনই মামলা পরিচালনাকালে অমঙ্গলজনক কিংবা অন্যায় পক্ষপাতিত্ব উৎসাহিত হয় এমন কোন কাজ করিবেন না। পেশাগত দায়িত্ব পালন কালে একজন আইনজীবীর বিবেক ও নীতিবোধ কখনই তাঁহার মক্কেল দ্বারা প্রভাবিত হইবে না। প্রতিপক্ষকে গালিগালাজ করা কিংবা অশালীন ভাষায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করার জন্য আইনজীবীকে প্ররোচিত করার কোন অধিকার মক্কেলের নাই। আইনজীবীর অশালীন বচন ক্ষমার অযোগ্য। মক্কেল নিজে উপস্থাপন করিলে হয়তো উক্ত ভাষা ব্যবহার করিতেন, এইরূপ যুক্তিতে কোন আইনজীবী কর্তৃক আশোভনীয় ভাষা ব্যবহার করা ক্ষমার অযোগ্য। 

[An Advocate should always treat adverse witnesses and parties with fairness and due consideration, and he should never minister to the malevolence or prejudices, of a client in the trial or conduct of a cause. The client cannot be made the keeper of the Advocate's conscience in professional matters. He has no right to demand that his Advocate shall abuse the opposite party or indulge in offensive arguments. Improper speech is not excusable on the ground that it is what the client would say if speaking on his own behalf.]
২৪৩.
'বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল পদাধিকার বলে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হবেন।'- The Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪
  2. অনুচ্ছেদ ৫
  3. অনুচ্ছেদ ৫ক
  4. অনুচ্ছেদ ৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬
ব্যাখ্যা

The Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 অনুচ্ছেদ ৬- বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান এর বিষয়ে আলোচনা করা আছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-

১- বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল পদাধিকার বলে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হবেন।

২- বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচনের মাধ্যমে ভাইস চেয়ারম্যন নির্বাচিত হবেন।

৩- চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান এর কাজ ও ক্ষমতা এই বিধি দ্বারা নির্ধারিত হবে।

২৪৪.
শুনানীর কমপক্ষে কত দিন পূর্বে অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের জবাব বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করবেন?
  1. ৩ দিন
  2. ৫৭ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ১০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৪৬ বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে-
অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের জবাব দিতে পারবেন এবং উহার ২ কপি শুনানীর সময়ের কমপক্ষে ৭ দিন পূর্বে বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করবেন। সচিব শুনানীর কমপক্ষে দুই দিন পূর্বে তা অভিযোগকারী এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে সরবরাহ করবেন।

The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules, 1972. Rule- 46:
The advocate concerned shall be entitled to file a reply to the allegations against him whether or not he has already filed a reply before the Bar Council.
He shall deliver such reply along with two copies to the Secretary at least seven days before the date of hearing fixed by the Tribunal and the Secretary shall deliver the copies to the Attorney General and the complainant at least two days before such d hearing.
২৪৫.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর ৪৬ বিধি অনুসারে, সচিব অভিযোগকারী এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে জবাবের কপি কত দিন আগে সরবরাহ করবেন?
  1. শুনানীর ১ দিন আগে
  2. শুনানীর ২ দিন আগে
  3. শুনানীর ৫ দিন আগে
  4. শুনানীর ৭ দিন আগে
সঠিক উত্তর:
শুনানীর ২ দিন আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুনানীর ২ দিন আগে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর ৪৬ বিধি অনুসারে, অভিযোগকারী এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে অভিযুক্তের জবাবের কপি শুনানীর কমপক্ষে ২ দিন পূর্বে সরবরাহ করতে হবে।

বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৪৬ বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের জবাব দিতে পারবেন এবং উহার ২ কপি শুনানীর সময়ের কমপক্ষে ৭ দিন পূর্বে বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করবেন। সচিব শুনানীর কমপক্ষে দুই দিন পূর্বে তা অভিযোগকারী এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে সরবরাহ করবেন।
-------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules, 1972. Rule- 46: The advocate concerned shall be entitled to file a reply to the allegations against him whether or not he has already filed a reply before the Bar Council.
-He shall deliver such reply along with two copies to the Secretary at least seven days before the date of hearing fixed by the Tribunal and the Secretary shall deliver the copies to the Attorney General and the complainant at least two days before such d hearing.
২৪৬.
'An Advocate shall not represent conflicting interests.' এটি _________ এর প্রতি একজন আইনজীবীর আচরণ সম্পর্কিত নীতি।
  1. আদালত
  2. অন্যান্য আইনজীবী
  3. সাধারণ জনগণ
  4. মক্কেল
সঠিক উত্তর:
মক্কেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মক্কেল
ব্যাখ্যা
♦ BBC chapter 2 (4) এর বিধান মতে একজন আইনজীবী পরস্পর বিরোধী কোন ব্যাপারে কোন মক্কেলের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেনা।
২৪৭.
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভূক্তির পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন এর মেয়াদ হবে-
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ৫ বছর।

The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৬০(৩):
(i) কোনো আইনজীবী বার কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতিরেকে একসাথে চারজনের বেশি শিক্ষানবিশ নিতে পারবেন না।

(ii) আইনজীবী ও শিক্ষানবিশের মধ্যে একটি লিখিত চুক্তি থাকতে হবে, যা বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে সম্পাদিত হবে। এই চুক্তি সম্পাদনের ৩০ দিনের মধ্যে বার কাউন্সিলের সচিবের নিকট তা দাখিল করতে হবে, সেই সঙ্গে শিক্ষানবিশ কর্তৃক শপথপত্র দাখিল করতে হবে যাতে সে উক্ত চুক্তি সম্পাদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে। যদি তা না করা হয়, তবে পিউপিলেজ চুক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।

[চুক্তির সঙ্গে ৮০০ টাকা নিবন্ধন ফি, আইন ডিগ্রির সত্যায়িত কপি এবং বার কাউন্সিলের রেজিস্ট্রেশন ফরম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (যেমন: পিউপিলেজ রেজিস্ট্রেশন ফরম, লিখিত পরীক্ষার ফরম [ফরম-A], পুনরায় অংশগ্রহণের আবেদনপত্র ইত্যাদি) দাখিল করতে হবে, যেগুলো বার কাউন্সিল অফিস থেকে নির্ধারিত ফি দিয়ে সংগ্রহ করতে হবে।]

(iii) পিউপিলেজ শুরু হবে চুক্তি সম্পাদনের তারিখ থেকে, তবে কেবল সেই সময় হিসেব করা হবে যখন আইনজীবী প্রকৃতপক্ষে বার-এ প্র্যাকটিস করছিলেন।
শর্তসাপেক্ষে, একজন শিক্ষানবিশ একাধিক আইনজীবীর কাছে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন মোট ছয় মাসের জন্য, যা যথাসম্ভব ধারাবাহিকভাবে হতে হবে।

(iv) যদি কোনো আইনজীবী উক্ত উপনিয়ম অনুযায়ী চুক্তিতে মিথ্যা তথ্য দেন বা উপ-নিয়ম (২)-এর অধীনে মিথ্যা সার্টিফিকেট দেন, তবে তিনি পেশাগত অসদাচরণে (Professional Misconduct) দোষী হবেন।

(v) যদি কোনো প্রার্থী ইচ্ছাকৃতভাবে তার অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দেন, তবে তিনি ৫ (পাঁচ) বছরের জন্য তালিকাভুক্তি থেকে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।

[(vi) হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতির জন্য এবং অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য প্রার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ৫ (পাঁচ) বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। যদি প্রার্থী রেজিস্ট্রেশনের ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারেন, তবে তার রেজিস্ট্রেশন বাতিল বলে গণ্য হবে।]

(vii) অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য ও হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতির জন্য বার কাউন্সিল কর্তৃক এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষা সরকারি কলেজে অনুষ্ঠিত হবে, যার তত্ত্বাবধানে থাকবেন উক্ত কলেজের অধ্যক্ষ।
২৪৮.
অন্যান্য আইনজীবী এর উপর কার প্রাক-শ্রোতা অধিকার (Right of Pre-audience) রয়েছে?
  1. বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি
  2. সংশ্লিষ্টবার এসোসিয়েশনের সভাপতি
  3. এনরোলমন্ট কমিটির চেয়ারম্যান
  4. বাংলাদেশের অ্যাটর্নী জেনারেল
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের অ্যাটর্নী জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের অ্যাটর্নী জেনারেল
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশ এর অনুচ্ছেদ ২৬(১)  এর বিধান মতেঃ অন্যান্য আইনজীবী এর উপর বাংলাদেশের অ্যাটর্নী জেনারেল প্রাক-শ্রোতা অধিকার (Right of Pre-audience) রয়েছে। 
২৪৯.
সরকারি চাকরি হতে নৈতিক স্খলনের দায়ে বরখাস্তকৃত একজন ব্যক্তি কত দিন অতিবাহিত না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার জন্য অযোগ্য হবেন?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ২৭ (৩) অনুযায়ী অ্যাডভোকেট হওয়ার অযোগ্যতার কথা উল্লেখ আছে।
⇒The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972এর ২৭ (৩) অনুচ্ছে অনুযায়ী কোন ব্যক্তি সরকারি চাকরি হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হলে এবং ২ বছর অতিক্রম না হলে।
-নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে ৫ বছর অতিক্রম না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্য হবেনা।
-------------------------------------------
- The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-27.(3) A person shall be disqualified from being admitted as an advocate if-
(a) he was dismissed from service of Government or of a public statutory corporation on a charge involving moral turpitude, unless a period to two years has elapsed since his dismissal; or
(b) he has been convicted for an offence involving moral turpitude, unless a period of five years or such less period as the Government may, by notification in the official Gazette, specify in this behalf, had elapsed from the date of the expiration of the sentence.
২৫০.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচার বিধি, ১৯৬৯ অনুযায়ী, কোনটি পেশাদার আচরণের বিরুদ্ধে হবে?
  1. পেশাদারির মর্যাদা রক্ষা করা
  2. পেশাগত বিজ্ঞাপন দেওয়া
  3. ডিরেক্টরিতে নাম তালিকাভুক্ত করা
  4. পেশাগত যোগ্যতা বা সরকারি পদসমূহের তালিকা প্রকাশ করা
সঠিক উত্তর:
পেশাগত বিজ্ঞাপন দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেশাগত বিজ্ঞাপন দেওয়া
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: (খ) পেশাগত বিজ্ঞাপন দেওয়া।
⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচার বিধি, ১৯৬৯-এর প্রথম অধ্যায়ের ২ নম্বর বিধি অনুযায়ী, কোনো আইনজীবী পেশাগত বিজ্ঞাপন বা অন্য কোনো উপায়ে মামলা পাওয়ার জন্য প্রচারণা চালাতে পারবেন না। এটি আইন পেশার মর্যাদা ও শিষ্টাচারের পরিপন্থী।

তবে, এই বিধিতে ব্যতিক্রমও উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে আইনজীবীরা সাধারণ পেশাগত কার্ড, নামপ্লেট বা ডিরেক্টরির তালিকায় নিজের নাম, পেশাগত ও একাডেমিক যোগ্যতা, এবং সরকারি পদবির তথ্য সংযোজন করতে পারবেন, যতক্ষণ না তা ব্যক্তিগত বিজ্ঞাপনের পর্যায়ে পড়ে।

অতএব, "ডিরেক্টরিতে নাম তালিকাভুক্ত করা" ও "পেশাগত যোগ্যতা বা সরকারি পদসমূহের তালিকা প্রকাশ করা" অনুমোদিত হলেও, "পেশাগত বিজ্ঞাপন দেওয়া" সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
২৫১.
একজন অ্যাডভোকেট তার সনদ স্থগিত রাখার জন্য কোন অবস্থায় আবেদন করতে পারেন?
  1. আদালতের বিরুদ্ধে মামলা করতে চাইলে
  2. বার কাউন্সিলের বিরোধিতা করতে চাইলে
  3. অন্য দেশে পড়াশোনা করতে চাইলে
  4. ব্যবসা বা অন্য কোনো পেশায় যুক্ত হতে চাইলে
সঠিক উত্তর:
ব্যবসা বা অন্য কোনো পেশায় যুক্ত হতে চাইলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যবসা বা অন্য কোনো পেশায় যুক্ত হতে চাইলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) ব্যবসা বা অন্য কোনো পেশায় যুক্ত হতে চাইলে।

The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৭০:
একজন অ্যাডভোকেট আবেদন করতে পারেন যেন তাঁর সনদ (certificate) স্থগিত করা হয়, যদি তিনি আইন পেশা বিচ্ছিন্ন করে অন্য কোনো ব্যবসা, পেশা বা পেশাগত কাজে যুক্ত হতে চান।
তিনি পরবর্তীতে চাইলে এই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্যও আবেদন করতে পারেন। একজন অ্যাডভোকেট চাইলে এও আবেদন করতে পারেন যে, তাঁর নাম সম্পূর্ণভাবে অ্যাডভোকেটদের রোল থেকে বাদ দেওয়া হোক।
২৫২.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হবে –
  1. হাইকোর্ট বিচারক
  2. আপীল বিভাগের বিচারক
  3. ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ
  4. ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের যে কোন একজন
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ
ব্যাখ্যা
♦অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী তিন জন সদস্য নিয়ে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে। ট্রাইব্যুনালের ৩ সদস্যের মধ্যে যে প্রবীণ, সেই বার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হবে।
২৫৩.
'কোনো আইনজীবী সরকারি পদে থাকাকালে কোনো কাজ করলে অবসর গ্রহণের পর একই বিষয়ে নিজেকে নিযুক্ত করতে পারেন না।' -এটি কার প্রতি একজন আইনজীবীর আচরণ হওয়া উচিত?
  1. আদালত
  2. অন্যান্য আইনজীবী
  3. মক্কেল
  4. জনগণ
সঠিক উত্তর:
জনগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণ
ব্যাখ্যা
♦ পেশাগত সদাচারণ ও নিয়মানুবর্তিতা এর ৪র্থ অধ্যায় ৭ বিধি-
একজন আইনজীবী এমন কোন মামলা পরিচালনার দায়িত্ব নিবে না, যে মামলা সংক্রান্ত কোন বিষয়ে ইতোপূর্বে বিচারকের পদমর্যাদায় কোন দায়িত্বপালন করেছে। সরকারী দায়িত্ব পালন কিংবা সরকারী চাকুরিতে থাকা অবস্থায় যে সব বিষয়ে তিনি তদন্ত কিংবা দেখভাল করেছে অবসরগ্রহনের পর তিনি উক্ত বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোন মামলার আইনজীবী নিয়োজিত হতে পারবেনা।
২৫৪.
বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল কয়টি স্থায়ী কমিটি গঠন করবে? 
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১(১) অনুসারে বার কাউন্সিল ৩টি স্থায়ী কমিটি গঠন করবে। কমিটিগুলো হলো:
১. নির্বাহী কমিটি (Executive Committee)
২. অর্থ কমিটি (Finance Committee)
৩. আইন শিক্ষা কমিটি (Legal Education Committee)
- এই কমিটিগুলো ছাড়াও বার কাউন্সিল প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য কমিটি গঠন করতে পারে, কিন্তু স্থায়ী কমিটি হিসেবে এই তিনটি কমিটি গঠন বাধ্যতামূলক।

⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ - অনুচ্ছেদ ১১:
(১) বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি গঠন করবে:
(ক) একটি নির্বাহী কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(খ) একটি অর্থ কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(গ) একটি আইন শিক্ষা কমিটি, যা নয়জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে—যার মধ্যে পাঁচজন কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন এবং চারজন কাউন্সিল কর্তৃক কো-অপ্টেড (co-opted) হবেন, যারা কাউন্সিলের সদস্য নন। এই চারজনের মধ্যে কমপক্ষে দুজন বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের আইন বিভাগের শিক্ষক হবেন।
(২) উল্লিখিত কমিটিগুলোর ক্ষমতা ও কার্যাবলী যেরূপ নির্ধারণ করা হবে, সেরূপ হবে।
(৩) বার কাউন্সিল এই আদেশের অধীনে তার কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রয়োজন মনে করলে তার সদস্যদের মধ্য থেকে অন্যান্য কমিটি গঠন করতে পারবে।
---------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article-11: (1) The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.

(2) The aforesaid committees shall have such powers and functions as may be prescribed.
(3) The Bar Council may constitute from amongst its members such other committees as it may deem necessary for the performance of its functions under this Order.

২৫৫.
অ্যাডভোকেট হওয়ার জন্য নিম্নের কোনটি বাধ্যতামূলক যোগ্যতা?
  1. ১৮ বছর বয়স সম্পূর্ণ করা
  2. ২১ বছর বয়স সম্পূর্ণ করা
  3. ১০ বছর মোক্তার হিসেবে কাজ করা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২১ বছর বয়স সম্পূর্ণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর বয়স সম্পূর্ণ করা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ২১ বছর বয়স সম্পূর্ণ করা।

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ২৭: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা:
(১) এই আদেশ এবং এর অধীনে প্রণীত বিধিমালার বিধানাধীনভাবে, একজন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্য হবেন যদি তিনি নিম্নোক্ত শর্তাবলি পূরণ করেন:
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক;

(খ) তিনি ২১ বছর বয়স সম্পূর্ণ করেছেন;

(গ) তিনি নিচের যেকোনো একটি যোগ্যতা অর্জন করেছেন:
(i) বাংলাদেশ ভূখণ্ডের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছেন; অথবা

(ii) ২৬শে মার্চ, ১৯৭১ তারিখের পূর্বে পাকিস্তানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বার কাউন্সিল যদি সন্তুষ্ট হয় যে, কোনো ব্যক্তি ২৫শে মার্চ, ১৯৭১-এর পর বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করছিলেন এবং অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতির কারণে দেশে ফিরতে পারেননি, তাহলে কাউন্সিল ঐ ডিগ্রিকে স্বীকৃতি দিতে পারে; অথবা

(iii) ১৪ই আগস্ট, ১৯৪৭-এর পূর্বে, ভারত শাসন আইন, ১৯৩৫ অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত ভারতের অন্তর্ভুক্ত যেকোনো এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ডিগ্রি অর্জন করেছেন; অথবা

(iv) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন; অথবা
তিনি ব্যারিস্টার।

(ঘ) তিনি বার কাউন্সিল নির্ধারিত পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়েছেন; এবং

(ঙ) তিনি নির্ধারিত ভর্তি ফি প্রদান করেছেন এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য শর্ত পূরণ করেছেন।

(১ক) উপধারা (১) সত্ত্বেও, যে ব্যক্তি কমপক্ষে সাত বছর মোক্তার (Mukhtar) হিসেবে কর্মরত ছিলেন, এবং যদি তিনি উপধারা (১)-এর (ক), (খ), (ঘ) ও (ঙ) দফাগুলো পূরণ করেন, তাহলে তাঁকেও অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত করা যেতে পারে, তবে অন্যান্য প্রযোজ্য বিধির আলোকে।

(২) কাউকে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত করার পূর্বে, বার কাউন্সিল চাইলে তাঁকে কোনো নির্ধারিত প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করতে পারে।

(৩) একজন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার অযোগ্য হবেন যদি:
(ক) তিনি সরকার বা কোনো সরকারি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার চাকরি থেকে নৈতিক স্খলন সংক্রান্ত অভিযোগে বরখাস্ত হন এবং বরখাস্তির পর কমপক্ষে দুই বছর অতিক্রান্ত না হয়; অথবা
(খ) তিনি নৈতিক স্খলন সংক্রান্ত কোনো অপরাধে দণ্ডিত হন এবং দণ্ডভোগের পর কমপক্ষে পাঁচ বছর (বা সরকার কর্তৃক গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্ধারিত কম সময়) অতিক্রান্ত না হয়।
২৫৬.
"কোনো নারী শুধুমাত্র তার লিঙ্গের কারণে আইনজীবী হিসেবে প্রবেশের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না" – এটি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর কোন অনুচ্ছেদের অংশ?
  1. অনুচ্ছেদ ২৭
  2. অনুচ্ছেদ ২৮
  3. অনুচ্ছেদ ২৯
  4. অনুচ্ছেদ ৩০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৮
ব্যাখ্যা
⇒ "কোনো নারী শুধুমাত্র তার লিঙ্গের কারণে আইনজীবী হিসেবে প্রবেশের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না" বিষয়টি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ২৮-এ উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, নারীদের লিঙ্গের কারণে আইনজীবী হিসেবে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বৈষম্য করা যাবে না।
- অর্থাৎ, শুধুমাত্র নারীর লিঙ্গের কারণে তাকে আইনজীবী হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা সৃষ্টি করা হবে না।

অনুচ্ছেদ ২৭, ২৯, এবং ৩০-এ এই বিষয়টি আলোচিত হয়নি, তাই সঠিক উত্তর হলো অনুচ্ছেদ ২৮।

→ The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 (President's Order) Article-28.
- No woman shall be disqualified for admission to be an advocate for reason only of her sex.
২৫৭.
বিচারপতির সঙ্গে বিচারাধীন বিষয়ে গোপন আলোচনা আইনজীবীর পক্ষে কেমন আচরণ?
  1. স্বাভাবিক
  2. অনৈতিক
  3. প্রয়োজনীয়
  4. আইনসম্মত
সঠিক উত্তর:
অনৈতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনৈতিক
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ৩য় অধ্যায় অনুযায়ী, বিচারপতির সঙ্গে গোপনে বিচারাধীন বিষয়ে আলোচনা করা একটি অনুচিত ও অনৈতিক আচরণ, যা ন্যায়বিচার ও নিরপেক্ষতা নষ্ট করে। এটি বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থার ক্ষতি করতে পারে, তাই আইনজীবীকে এ ধরনের আচরণ থেকে বিরত থাকতে হয়।
- পেশাগত আচরণবিধি (Canons of Professional Conduct and Etiquette): অধ্যায়-৩ (আদালতের প্রতি কর্তব্য), বিধি ৪ অনুযায়ী: আদালতের প্রতি আইনজীবীর কর্তব্য হলো সর্বদা সম্মান বজায় রাখা এবং বিচারাধীন মামলার বিষয়ে বিচারকের সঙ্গে গোপন আলোচনা করা থেকে বিরত থাকা। এই ধরনের গোপন আলোচনা বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা ক্ষুণ্ন করে এবং আইনজীবীর পেশাগত নীতিমালা ও নৈতিকতার বিরুদ্ধে যায়। তাই বিচারাধীন বিষয়ে গোপন আলোচনা আইনজীবীর জন্য অনৈতিক আচরণ হিসেবে বিবেচিত।
- বিচারাধীন মামলা নিয়ে বিচারপতির সাথে গোপন আলোচনা অনৈতিক, পেশাবিরোধী ও আইনত নিষিদ্ধ। আইনজীবীকে অবশ্যই সততা, স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের নীতিতে আদালতের প্রতি কর্তব্য পালন করতে হবে।
২৫৮.
পেশাগত আচরণ বিধিমালা অনুসারে, বিচারক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে একজন আইনজীবীর কী ধরনের ভূমিকা রাখা উচিত?
  1. রাজনৈতিক দলের সুপারিশ অনুযায়ী সমর্থন জানানো
  2. পরিবারের সদস্যদের নিয়োগের জন্য বিশেষ সুপারিশ করা
  3. শুধুমাত্র নিজের চেম্বারের সহকর্মীদের পক্ষে সুপারিশ করা
  4. প্রার্থীর আইনি জ্ঞান, বিচারিক দক্ষতা ও চরিত্রগত সততাকে প্রাধান্য দেওয়া
সঠিক উত্তর:
প্রার্থীর আইনি জ্ঞান, বিচারিক দক্ষতা ও চরিত্রগত সততাকে প্রাধান্য দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রার্থীর আইনি জ্ঞান, বিচারিক দক্ষতা ও চরিত্রগত সততাকে প্রাধান্য দেওয়া
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) প্রার্থীর আইনি জ্ঞান, বিচারিক দক্ষতা ও চরিত্রগত সততাকে প্রাধান্য দেওয়া।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব হলো বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনা, ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক প্রভাব না রেখে শুধুমাত্র আইনি জ্ঞান, বিচারিক দক্ষতা এবং চরিত্রগত সততাকে প্রাধান্য দেওয়া।
এটি বিচারকদের নির্বাচন প্রক্রিয়ার একটি মৌলিক নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যাতে বিচারকদের নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিচারিক নিরপেক্ষতা এবং পেশাগত উৎকর্ষ বজায় থাকে। একজন অ্যাডভোকেটকে বিচারক নিয়োগে মুক্ত, নিরপেক্ষ, এবং ন্যায্য প্রক্রিয়ার দিকে মনোযোগ দিতে হবে, এবং তারা অবশ্যই এমন প্রার্থীকে সমর্থন করবেন যারা বিচারকের দায়িত্ব পালনে উপযুক্ত এবং নৈতিকভাবে সৎ।

অতএব, রাজনৈতিক বা পারিবারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা অনৈতিক এবং আইনিভাবে সমর্থনযোগ্য নয়।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette, অধ্যায়-৩, বিধি-৭ অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব হচ্ছে বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনা নয়, বরং যোগ্যতা এবং নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেওয়া। অ্যাডভোকেটদের উচিত শুধুমাত্র যোগ্য ও নৈতিকভাবে উপযুক্ত ব্যক্তিদের বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য সমর্থন করা। তারা অবশ্যই চেষ্টা করবেন এমন ব্যক্তিদের নিয়োগ দিতে যারা বিচারকদের দায়িত্ব পালনে মুক্ত এবং নিরপেক্ষ থাকবেন, এবং যারা রাজনৈতিক বা ব্যবসায়িক চাপ থেকে মুক্ত।

7. It is the duty of Advocates to endeavour to prevent political considerations from outweighing judicial fitness in the appointment and selection of Judges. They should protest earnestly and actively against the appointment or selection of persons who are unsuitable for the Bench and thus should strive to have elevated thereto only those willing to forego other employments whether of a business, political or other character, which may embarrass their free and fair consideration of questions before them for decision. The aspiration of Advocates for judicial position should be governed by an impartial estimate of their ability to add honour to the office and not by a desire for the distinction the position may bring to themselves.
২৫৯.
কোন ব্যক্তি নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে কতদিন অতিক্রম না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্য হবেনা?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒  The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ২৭ (৩) অনুযায়ী অ্যাডভোকেট হওয়ার অযোগ্যতার কথা উল্লেখ আছে।
⇒The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972এর ২৭ (৩) অনুচ্ছে অনুযায়ী কোন ব্যক্তি সরকারি চাকরি হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হলে এবং ২ বছর অতিক্রম না হলে।
-নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে ৫ বছর অতিক্রম না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্য হবেনা।
-------------------------------------------
- The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-27.(3) A person shall be disqualified from being admitted as an advocate if-
(a) he was dismissed from service of Government or of a public statutory corporation on a charge involving moral turpitude, unless a period to two years has elapsed since his dismissal; or
(b) he has been convicted for an offence involving moral turpitude, unless a period of five years or such less period as the Government may, by notification in the official Gazette, specify in this behalf, had elapsed from the date of the expiration of the sentence.
২৬০.
অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য নূন্যতম বয়স সীমা-
  1. ১৮ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ২১ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য অন্যূন বয়স হতে হবে ২১ বৎসর।
⇒ আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে Bangladesh Legal Practitioner and Bar Council Order 1972 এর অনুচ্ছেদ – ২৭ অনুযায়ী নিম্নোক্ত শর্তাবলি পূরণ করতে হবে:
১। প্রথমত তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২। তাকে ২১বছর বয়সী হতে হবে;
৩। আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে-
বাংলাদেশের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত দেশের বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের পূর্বে হলে পাকিস্তানের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ;
১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্টের পূর্বে হলে ভারতবর্ষের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
ব্যারিস্টার এট ল’ হয়ে থাকলে;
৪। বার কাউন্সিল কর্তৃক কোন পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে এবং পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি দিলে।
-----------------
⇒ Qualifications to become a lawyer of the Subordinate Court:-According to article 27 of The Bangladesh Legal Practitioner’s and Bar Council Order, 1972, a person shall be qualified to be admitted as an advocate if he fulfills the following conditions, namely:-
-The Person must be a citizen of Bangladesh;
- He must complete the age of twenty-one years;
- (i) He had obtained a degree in law from any university situated within the territory which forms part of Bangladesh; or
[Note: 4-years LL. B (Hon’s) or 2 years LL.B pass the course (must have completed before 2018 because now these 2 years pass the course is not allowed anymore) from any approved university of Bangladesh]
- (ii) Any similar foreign course can be accepted with the clear permission given by the Bangladesh Bar Council; or
- (iii) A bachelor’s degree in law from any university outside Bangladesh recognized by the Bar Council;
-The applicant has to undergo pupilage for a period of 6 (six) months under a practicing Advocate of at least 10 years standing in the profession;
- He has passed such examination as may be prescribed by the Bar Council;
- He has paid such enrolment fee and fulfills such other conditions as may be specified in the rules made by the bar council.
২৬১.
যদি কোন প্রার্থী তালিকাভুক্তির দরখাস্তে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে, তিনি তালিকাভুক্তির অযোগ্য হবেন-
  1. ৩ বৎসরের জন্য
  2. ৫ বৎসরের জন্য
  3. ৬ বৎসরের জন্য
  4. ১ বৎসরের জন্য
সঠিক উত্তর:
৫ বৎসরের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বৎসরের জন্য
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 বিধি-৬০ এর বিধান:

♦ শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হবার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।

♦আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।

♦কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।

♦অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা এফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারীর নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।

♦কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরনের জন্য দায়ী হবেন।

♦শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।

♦হাইকোর্ট বিভাগে প্রাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।

♦এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারী কলেজে হবে।
২৬২.
একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও এ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য তার অন্যুন বয়স হতে হবে-
  1. ৩০ বৎসর
  2. ২৭ বৎসর
  3. ২৫ বৎসর
  4. ২১ বৎসর
সঠিক উত্তর:
২১ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বৎসর
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও এ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য অনূন্য বয়স হতে হবে ২১ বৎসর।

♦ আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে Bangladesh Legal Practitioner and Bar Council Order 1972 এর অনুচ্ছেদ – ২৭ অনুযায়ী নিম্নোক্ত শর্তাবলী পূরণ করতে হবেঃ
১। প্রথমত তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২। তাকে ২১বছর বয়সী হতে হবে;
৩। আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে-
বাংলাদেশের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত দেশের বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের পূর্বে হলে পাকিস্তানের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ;
১৯৪৭ সালের ১৪ই আগষ্টের পূর্বে হলে ভারতবর্ষের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
ব্যরিস্টার এট ল’ হয়ে থাকলে;
৪। বার কাউন্সিল কর্তৃক কোন পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে এবং পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি দিলে।
২৬৩.
বার কাউন্সিল কার বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের বিচার করে?
  1. বিচারক
  2. মক্কেল
  3. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেট
  4. উল্লিখিত সবার
সঠিক উত্তর:
তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেট
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-১০: বার কাউন্সিলের কতিপয় কার্যাবলী-
১. অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি করা এবং এই উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া, সনদ প্রদান, তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেয়া;
২. এরূপ তালিকা প্রণয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা;
৩. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা;
৪. অ্যাডভোকেটদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের বিচার ও শাস্তি দেওয়া;
৫. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেটগণের সুযোগ-সুবিধা ও স্বার্থ রক্ষা করা;
৬. বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা;
৭. সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন করা;
৮. অনুসরণযোগ্য বিধি প্রণয়ন করা;
৯. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা;
১০. অন্যান্য অনুমোদিত ও সহায়ক যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করা।
২৬৪.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর ১১ অনুচ্ছেদে কয় ধরনের স্থায়ী কমিটির (Standing Committees] উল্লেখ আছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৪ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর ১১ অনুচ্ছেদে ৩ ধরনের স্থায়ী কমিটির (Standing Committees] উল্লেখ আছে।

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ১১(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি নিয়ে গঠিত হবে:
১. নির্বাহী কমিটি;
২. আর্থিক কমিটি;
৩. আইন শিক্ষা কমিটি।

Article-11(1): The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.
২৬৫.
বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরু হবে-
  1. ৩১ মে হতে
  2. ১ জুলাই হতে
  3. ১ জুন হতে
  4. ১ জানুয়ারি হতে
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই হতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই হতে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৪ অনুসারে: অনুচ্ছেদ ৮ এ উল্লিখিত প্রথম বার কাউন্সিল সম্পর্কিত বিধান ব্যতীত, বার কাউন্সিলের মেয়াদ হইবে উহার সাধারণ নির্ধাচনের পর পহেলা জুলাই হইতে তিন বৎসর; প্রত্যেক মেয়াদান্তে কাউন্সিলের সদস্যগণের পদের অবলুপ্তি হইবে।
------------
Subject to the provisions of Article 8, the term of the Bar Council be three years beginning on the first day of July following the general elections to the Bar Council; and at the end of each terms the members of the Bar Council shall cease to hold office

২৬৬.
'Canons of Professional Conduct and Etiquette' এর ১ম অধ্যায়ের বিষয়বস্তু কী?
  1. আদালতের প্রতি দায়িত্ব প্রতি দায়িত্ব
  2. জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব
  3. আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য
  4. মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য
ব্যাখ্যা
• "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।

অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য;
২য় অধ্যায়- মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব।

একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য ১১টি।
১) ব্যক্তিগত ও পেশাগত মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা। [বিধি-১]।
২) পেশাগত প্রচারণার জন্য কোনো বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে না তবে প্রকাশনা, পেশাগত কার্ড, নামফলক বা প্রচলিত ডাইরেক্টরী ব্যবহার করা যাবে--[বিধি-২]।
৩) একজন অ্যাডভোকেট অন্য ব্যক্তিকে বা দালালকে আইন পেশা পরিচালনার জন্য অনুমতি বা পারিশ্রমিক দিবেন না--[বিধি-৩]।
৪) প্রতিপক্ষ মক্কেলের সাথে মামলার বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করবেন না--[বিধি-৪]।
৫) প্রতিপক্ষের এডভোকেটের অনুপস্থিতিতে আদালতে মামলার বিষয়বস্তু উপস্থাপনা করবেন না [এক তরফা মামলার (ex- parte) ক্ষেত্র ব্যতীত] [বিধি ৫]।
৬) মক্কেল অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট নিয়োগ করতে পারবেন তবে এক্ষেত্রে নিযুক্তির এডভোকেটের বকেয়া পরিশোধ না করলে উক্ত মামলায় অতিরিক্ত এডভোকেটের জড়িত হওয়া উচিত হবে না---[এক্ষেত্রে নিযুক্তির অ্যাডভোকেট এন.ও.সি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) দিলে ভাল হয়।]----[বিধি-৬]।
৭) কোন মামলার বিচার চলার সময় কোনো অ্যাডভোকেট অপরপক্ষের এডভোকেটের ব্যক্তিগত ইতিহাস বা বৈশিষ্ট্যের বিষয়ে কোন বক্তব্য প্রদান করবেন না--[বিধি-৭]।
৮) একজন অ্যাডভোকেট বণ্টন নীতিমালাতে যে-রূপ আছে ঐভাবে আইন সহায়তার জন্য ফিস নিতে পারবে এবং তার ফিস অন্য কোন ব্যক্তির সাথে বণ্টিত বা ভাগ বাটোয়ারা হবে না--[বিধি-৮]।
৯) প্রত্যেক আইনজীবী বার কাউন্সিল প্রণীত তালিকাভুক্তির বিধান অনুসারে পদাধিকারের বিধান মেনে চলবে। [বিধি - ৯]।
১০) জুনিয়র এবং নবীন আইনজীবীরা সর্বদা সিনিয়র এবং প্রবীণ আইনজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে--[বিধি-১০]।
১১)কোন মামলায় কোন পক্ষে একাধিক অ্যাডভোকেট নিয়োজিত হলে, সেক্ষেত্রে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনা করবেন-- [বিধি-১১]।
২৬৭.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের শাস্তিমূলক আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কোথায় দায়ের করতে হয়?
  1. বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানের কাছে
  4. সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে
ব্যাখ্যা

⇒ শাস্তি বিধানের বিরুদ্ধে প্রতিকারের বিধান:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর ৩৬ আদেশের বিধান মোতাবেক কোন অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দিলে এবং উক্ত আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে, অনুরূপ আদেশ প্রাপ্তির দিন হতে নব্বই (৯০) দিনের মধ্যে উক্ত সংক্ষুব্ধ অ্যাডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে পারবেন।
- অনুরূপ আপিল হাই কোর্ট বিভাগের ডিভিশন বেঞ্চ কর্তৃক শ্রবণ করতে হবে এবং ঐ বেঞ্চের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে।
-এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।
----------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-36. (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.

২৬৮.
সরকারি চাকরি হতে নৈতিক স্খলনের দায়ে বরখাস্তকৃত একজন ব্যক্তি কত দিন অতিবাহিত না হলে, অ্যাডভোকেট হওয়ার জন্য অযোগ্য হবেন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ২৭ (৩) অনুযায়ী অ্যাডভোকেট হওয়ার অযোগ্যতার কথা উল্লেখ আছে।
⇒The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972এর ২৭ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি সরকারি চাকরি হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হলে এবং ২ বছর অতিক্রম না হলে।
-নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে ৫ বছর অতিক্রম না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্য হবেনা।
-------------------------------------------
- The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-27.(3) A person shall be disqualified from being admitted as an advocate if-
(a) he was dismissed from service of Government or of a public statutory corporation on a charge involving moral turpitude, unless a period to two years has elapsed since his dismissal; or
(b) he has been convicted for an offence involving moral turpitude, unless a period of five years or such less period as the Government may, by notification in the official Gazette, specify in this behalf, had elapsed from the date of the expiration of the sentence.
২৬৯.
বার কাউন্সিল নির্বাচনের জন্য নির্বাচনের কত দিন আগে তফসিল প্রকাশ করতে হয়?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৪৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ দিন
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৩:
চেয়ারম্যানকে [বার কাউন্সিল নির্বাচনের অন্তত ৪৫ দিন পূর্বে] সরকারি গেজেটে নির্বাচনের একটি তফসিল প্রকাশ করতে হবে, যাতে বার কাউন্সিলের সদস্যদের নির্বাচনের জন্য নিচের বিষয়গুলো উল্লেখ থাকবে-
(ক) প্রস্তাব জমা দেওয়ার নির্ধারিত তারিখ, যা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ১০ দিনের মধ্যে হবে না এবং প্রস্তাব বার কাউন্সিলের অফিসে জমা দিতে হবে;
(খ) উক্ত প্রস্তাবগুলোর যাচাই-বাছাই (scrutiny) করার তারিখ;
(গ) ভোটগ্রহণের তারিখ বা তারিখসমূহ;
(ঘ) নির্বাচনের বিরুদ্ধে আপত্তি দাখিলের শেষ তারিখ;
(ঙ) বার কাউন্সিলের অফিসে নির্বাচন পিটিশন কমিটি কর্তৃক প্রথমবারের মতো উক্ত আপত্তি গ্রহণের তারিখ।
২৭০.
একটি সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের কার্যক্রম একজন অ্যাডভোকেট কোনো পক্ষকে প্রতিনিধিত্ব করলে তিনি-
  1. সম্পত্তিটি বেনামীতে ক্রয় করতে পারেবেন
  2. পারিতোষিকের পরিবর্তে সম্পত্তিটি ক্রয় করতে পারবেন
  3. সম্পত্তিটি নিজে ক্রয় করতে পারবেন
  4. সম্পত্তিটি বা তার কোনো অংশ কোনোভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিটি বা তার কোনো অংশ কোনোভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিটি বা তার কোনো অংশ কোনোভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
♦Cannons of Professional Conduct and Etiquette  মতে একজন আইনজীবী নিজের পরিচালনাধীন মামলার সংশ্লিষ্ট উইল, ইচ্ছাপত্র (Probate), বন্ধক বন্ধ (Forclosure) বা বিচারিক নিলাম ইত্যাদি পদ্ধতিতে ক্রেতা হতে পারবে না।
২৭১.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলটি কোথায় দাখিল করতে হয়?
  1. জেলা জজ আদালতে
  2. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. বার কাউন্সিল আপিল বোর্ডে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৩৬-এ ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার বিধান রয়েছে। এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হন, তাহলে তিনি ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে পারেন। এবং এই আপিলটি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হবে এবং ডিভিশন বেঞ্চের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972: Article-36.
(1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
২৭২.
নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে এবং________বছর অতিক্রম না হলে কোন ব্যক্তি আইনজীবী হতে অযোগ্য হবে?
  1. ৫ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
♦অনুচ্ছেদ ২৭(৩) অনুযায়ী  কোন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার অযোগ্য হবে যদি নৈতিক স্থলনজনিত অপরাধে দণ্ডিত হয় এবং দণ্ডিত হওয়ার তারিখ হতে ৫ বছর বা সরকার কতৃক অফিশিয়াল গেজেটে নোটিফিকেশন দ্বারা সরকার যেমন কম মেয়াদ উল্লেখ করে এমন সময় অতিবাহিত না হলে।
২৭৩.
Cannons of Professional Conduct and Etiquette- এর ৩ অধ্যায়ের ৪নং বিধি অনুযায়ী, আইনজীবী কোন আচরণটি পরিহার করবেন?
  1. বিচারকের সাথে পেশাগত সম্পর্ক স্থাপন করা
  2. বিচারকের সাথে দুর্ব্যবহার করা
  3. প্রতিপক্ষের আইনজীবীর সাথে গোপনে যোগাযোগ করা
  4. আদালতের কর্ম-সময়ের পর বিচারকের সাথে গোপনে যোগাযোগ করা
সঠিক উত্তর:
আদালতের কর্ম-সময়ের পর বিচারকের সাথে গোপনে যোগাযোগ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের কর্ম-সময়ের পর বিচারকের সাথে গোপনে যোগাযোগ করা
ব্যাখ্যা
⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette] ৩ অধ্যায়ে ‘আদালতের প্রতি দায়িত্ব' শিরোনামে ৯টি বিধি আছে।

৪নং বিধির বিধান-
একজন আইনজীবী ব্যক্তিগত সম্পর্ক ব্যতিরেকে কোন বিচারক কিংবা কোন বিচারিক কর্মকর্তার প্রতি লক্ষণীয় আগ্রহ ও আতিথেয়তা পরিহার করবে অন্যথায় উক্ত আগ্রহ ও আতিথেয়তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা হতে পারে। কোন বিচারাধীন মামলার বিষয়ে কোন আইনজীবী বিচারকের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ কিংবা মামলার গ্রহণযোগ্যতার ব্যাপারে যুক্তি প্রদর্শন করতে পারবে না। উক্তরূপ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কোন বিচারকের বিশেষ অনুগ্রহ পাওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত আইনজীবী ভর্ৎসনা ও ঘৃণা লাভের যোগ্য।
বিচারকের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন পূর্ব নিজের স্বীয় মর্যাদা ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে পেশাগত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমেই আইনজীবী ও বিচারকের মধ্যে ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুসম্পর্ক যথাযথভাবে স্থাপন করা যেতে পারে।
 
- ৪নং বিধিতে যা বলা হয়েছে যে, তার সারসংক্ষেপ হলো:
আদালতের কর্ম-সময়ের পর যেকোনো জরুরি বিরোধীর বিষয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের সাথে সংশ্লিষ্ট মামলার অ্যাডভোকেট যোগাযোগ করা থেকে বিরত থাকবে।
২৭৪.
Which article of The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 ensures that no woman shall be disqualified from becoming an advocate based on her sex?
  1. Article 25
  2. Article 26
  3. Article 28
  4. Article 30
সঠিক উত্তর:
Article 28
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 28
ব্যাখ্যা
Article 28 of The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972:

"No woman shall be disqualified for admission to be an advocate for reason only of her sex."
"কোনো নারী তার লিঙ্গের কারণে অ্যাডভোকেট হিসেবে গৃহীত হওয়ার অযোগ্য হবে না।"
২৭৫.
একজন আইনজীবী সাধারণত অন্য কোনো পেশা বা ব্যবসা পরিচালনা করবেন না- এটি কার প্রতি আইনজীবীর দায়িত্ব?
  1. আদালত
  2. সাধারণ জনগণ
  3. মক্কেল
  4. অন্যান্য আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
সাধারণ জনগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ জনগণ
ব্যাখ্যা

• 'একজন আইনজীবী সাধারণত অন্য কোনো পেশা বা ব্যবসা পরিচালনা করবেন না'- এটি সাধারণ জনগণের প্রতি আইনজীবীর দায়িত্ব।

⇒ "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।

অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১১ টি বিধি;
২য় অধ্যায়- একজন আইনজীবীর তার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১৪ টি বিধি;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব প্রতি দায়িত্ব- ৯ টি বিধি;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব- ৮ টি বিধি।

৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব:

১. হয়রানি বা বিলম্বের উদ্দেশ্যে মামলা গ্রহণ নয়:
আইনজীবী আক্রোশ বা দুষ্ট উদ্দেশ্যে কোনো মামলা গ্রহণ বা পরিচালনা করবেন না।

২. ভদ্র আচরণ ও পেশাগত সম্মান বজায় রাখা:
প্রতিপক্ষ ও সাক্ষীদের সঙ্গে ভদ্র আচরণ করবেন এবং আদালতে কোনো পক্ষপাতদুষ্ট বা ক্ষতিকর আচরণ করবেন না।

৩. অবৈধ বা হয়রানিমূলক মামলায় অংশগ্রহণ নয়:
যদি মনে করেন মামলাটি শুধুই হয়রানির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, তবে তা পরিচালনা থেকে বিরত থাকবেন।

পেশাগত স্বাধীনতা বজায়:
আইনজীবী যে কোনো ক্লায়েন্ট বা মামলা গ্রহণে বাধ্য নন; কোন মামলা নেবেন তা নিজেই নির্ধারণ করবেন।
৫. আইনের মর্যাদা রক্ষা:
কোনোভাবেই আইনের লঙ্ঘন, দুর্নীতি, আদালতের অবমাননা বা জনসাধারণকে প্রতারণায় সহায়তা করবেন না।

৬. পরিচয় গোপন নয়:
সরকারি বা অন্য কর্তৃপক্ষের সামনে নিজের পরিচয় ও কার স্বার্থে এসেছেন তা প্রকাশ না করে হাজির হবেন না।

৭. বিচারকের ভূমিকায় থেকে কাজ করা বিষয়ে অংশগ্রহণ নিষেধ:
যে বিষয়ে আগে বিচারক বা সিদ্ধান্তদাতা হিসেবে কাজ করেছেন, সেখানে আইনজীবী হিসেবে নিযুক্তি গ্রহণ করবেন না।

৮. অন্যান্য পেশার সঙ্গে জড়িত না থাকা:
সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী আইনজীবী অন্য ব্যবসা বা পেশার সক্রিয় অংশীদার বা কর্মচারী হবেন না।

২৭৬.
বার কাউন্সিলের প্রথম সভায় কে আহ্বান করবেন ?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. বার কাউন্সিলের সচিব
  3. বার কাউন্সিলের সহ-সভাপতি 
  4. বার কাউন্সিলের সভাপতি 
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলের সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলের সচিব
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর বিধি ২৮ অনুসারে, বার কাউন্সিলের প্রথম সভা আহ্বান করবেন বার কাউন্সিলের সচিব।

⇒ বার কাউন্সিল বিধিমালা, ১৯৭২-এর বিধি ২৮ অনুযায়ী, একটি বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ থেকে এক মাসের মধ্যে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়া বাধ্যতামূলক। এই সভা আহ্বান করবেন বার কাউন্সিলের সম্পাদক, এবং সভায় ভোটে নির্বাচিত একজন সদস্য সভাপতিত্ব করবেন।
----------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972, Rule 28: The first meeting of the Bar Council shall be held within a month of the commencement of the term of the Bar Council and the Secretary shall convene such meeting. The meeting will be presided over by a member voted to chair.

২৭৭.
'Canons of Professional Conduct and Etiquette' এর ২য় অধ্যায়ে কয়টি বিধি রয়েছে?
  1. ৮ টি
  2. ৯ টি
  3. ১১ টি
  4. ১৪ টি
সঠিক উত্তর:
১৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ টি
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।

অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১১ টি বিধি;
২য় অধ্যায়- একজন আইনজীবীর তার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১৪ টি বিধি;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব প্রতি দায়িত্ব- ৯ টি বিধি;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব- ৮ টি বিধি।
২৭৮.
একজন এ্যাডভোকেটকে হাইকোর্ট বিভাগে আইন ব্যবসা করার অনুমতি প্রাপ্তির জন্য অধঃস্তন আদালতে অন্যূনতম কত বৎসর আইন ব্যবসা করতে হবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বৎসর
  3. ২ বৎসর
  4. ৩ বৎসর
সঠিক উত্তর:
২ বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বৎসর
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে হাইকোর্টে আইন পেশা করার অনুমতির জন্য এডভোকেট হিসাবে অধঃস্তন আদালতে অন্যূন ২ বৎসর আইন ব্যবসা করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
২৭৯.
আইনজীবীদের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচারের নীতিমালা প্রণয়নের উদ্দেশ্য কী?
  1. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা
  2. নাগরিকদের অধিকার রক্ষা
  3. আদালতের মর্যাদা রক্ষা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
উত্তর: ঘ) উপরের সবকটি।

→ আইনজীবীদের পেশাগত আচরণ ও শিষ্টাচারের নীতিমালা প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য হলো আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, নাগরিকদের অধিকার রক্ষা এবং আদালতের মর্যাদা রক্ষা করা। এই নীতিমালা আইনজীবীদের মধ্যে সঠিক ও পেশাগত আচরণ বজায় রাখতে সহায়তা করে, যা আইনি প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি করে এবং বিচার ব্যবস্থার সততা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করে।
২৮০.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল রুলস অনুযায়ী, অ্যাডভোকেটগণ শপথ গ্রহণ করেন কখন?
  1. বার কাউন্সিলে আবেদন করার সময়
  2. বার অ্যাসোসিয়েশনে যোগদানের সময়
  3. আদালতে প্রথম মামলা পরিচালনার সময়
  4. বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর বিধি ৬২(২) অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির পর সনদ (সার্টিফিকেট) গ্রহণের পূর্বে শপথ গ্রহণ করেন। এই শপথের মাধ্যমে অ্যাডভোকেটগণ সংবিধান মেনে চলা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত শিষ্টাচার সংক্রান্ত বিধি-বিধান মেনে চলার অঙ্গীকার করেন।
→ সুতরাং, বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে (বিকল্প ঘ) শপথ গ্রহণ করা হয়, যা সঠিক উত্তর।

অ্যাডভোকেটের শপথ:
- অ্যাডভোকেটগণ আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকেন। সামাজিক সুবিচার এবং জনগণের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় তাদের ভূমিকা অসামান্য। সংবিধান ব্যাখ্যা এবং সংবিধান সুরক্ষার দায়িত্বও তাদের উপর বর্তায়। সংবিধানের প্রাধান্য রক্ষা করা অন্যান্যদের মত অ্যাডভোকেটগণের রয়েছে। অ্যাডভোকেটগণ যাতে সংবিধান মেনে চলেন এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত শিষ্টাচার সংক্রান্ত বিধি বিধান মেনে চলেন সে জন্য ১৯৯৯ সনের ৩রা জুন তারিখে প্রকাশিত গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৬২(২) বিধি প্রতিস্থাপন করে উহাতে নিম্ন লিখিত শপথ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে অ্যাডভোকেটগণ ঐ শপথ গ্রহণ করে থাকেন।
-------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972-Rule-62(2) The certificate of enrolment shall then be issued to the advocate on his application to the Bar Council through the Bar Association after his admission as a member thereof in such manner and on fulfillment of such conditions as may be decided by the Bar Council upon taking such oath as prescribed.
২৮১.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী বার কাউন্সিলের মেয়াদ কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর ধারা ৪ অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের মেয়াদ ৩ বছর। এই মেয়াদ বার কাউন্সিলের সাধারণ নির্বাচনের পরবর্তী ১লা জুলাই থেকে শুরু হয়। মেয়াদ শেষ হলে বার কাউন্সিলের সদস্যগণ তাদের পদ হারান এবং নতুন নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সদস্য নির্বাচিত হন।

এই বিধানটি বার কাউন্সিলের কার্যক্রমকে সময়ানুগ ও কার্যকর রাখার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে। বার কাউন্সিলের মেয়াদ ৩ বছর হওয়ায় এটি নিয়মিতভাবে পুনর্গঠিত হয় এবং নতুন সদস্যদের মাধ্যমে আইন পেশার মানোন্নয়ন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখে।
-------
The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 (President's Order) Article 4.
- Subject to the provisions of Article 8, the term of the Bar Council be three years beginning on the first day of July following the general elections to the Bar Council; and at the end of each terms the members of the Bar Council shall cease to hold office.
২৮২.
কোন আইনের সংজ্ঞানুসারে বার কাউন্সিল ট্রাইবুনালের অধীনে প্রত্যেকটি অনুসন্ধান judicial proceeding বলে গণ্য হবে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারানুসারে
  2. দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারানুসারে
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭১ ধারানুসারে
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ ধারানুসারে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারানুসারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারানুসারে
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৫:
(১) উপরে উল্লিখিত যে কোনো তদন্তের জন্য, একটি ট্রাইব্যুনাল নিম্নলিখিত বিষয়ের ক্ষেত্রে ১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধি (Code of Civil Procedure, 1908 - Act V of 1908) অনুসারে একটি আদালতের মতো একই ক্ষমতা ভোগ করবে, যথা:
(ক) যেকোনো ব্যক্তিকে হাজির করানোর জন্য বাধ্য করা,
(খ) নথিপত্র উপস্থাপনে বাধ্য করা,
(গ) সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কমিশন জারি করা।
তবে শর্ত থাকে যে, ট্রাইব্যুনালের পক্ষে কোনো আদালতের সভাপতিকে হাজির হওয়ার জন্য বলা যাবে না, যদি না হাইকোর্ট (বা, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে, সরকার) পূর্বানুমতি দেয়।

(২) এই ধরনের প্রতিটি তদন্ত বাংলাদেশ দণ্ডবিধি (১৮৬০ সালের আইন নং XLV) এর ধারা ১৯৩ ও ২২৮ অনুযায়ী বিচারিক কার্যক্রম (judicial proceeding) হিসেবে গণ্য হবে;
এবং ট্রাইব্যুনালকে ফৌজদারি কার্যবিধি (১৮৯৮ সালের আইন নং V) এর ধারা ৪৮০ ও ৪৮২ অনুসারে দেওয়ানি আদালত (Civil Court) হিসেবে গণ্য করা হবে।

(৩) একজন ব্যক্তিকে হাজির করানো বা নথিপত্র উপস্থাপনে বাধ্য করা অথবা কমিশন জারি করার উদ্দেশ্যে:
(ক) ট্রাইব্যুনালের স্থানীয় এখতিয়ার হবে বার কাউন্সিলের এখতিয়ারভুক্ত অঞ্চল,
(খ) ট্রাইব্যুনাল, যেখানে বসেছে সেখানে অবস্থিত যে কোনো দেওয়ানি আদালতে, সাক্ষীর উপস্থিতি, নথিপত্র উপস্থাপন, বা কমিশন জারির জন্য সমন বা অন্য কোনো নির্দেশ পাঠাতে পারে।
ঐ দেওয়ানি আদালত এমন নির্দেশ কার্যকর করবে, যেন সেটি নিজের জন্যই জারি করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে তা বাধ্যতামূলকভাবে প্রয়োগ করতে পারবে।

(৪) ট্রাইব্যুনালে এই ধরনের তদন্ত সংক্রান্ত কার্যক্রম হবে সিভিল কার্যক্রম (civil proceedings) —
এবং ১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইন (Evidence Act, 1872 - Act I of 1872) এর ধারা ১৩২ অনুযায়ী সেই বিধান প্রযোজ্য হবে।
২৮৩.
শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ কত বছরের জন্য অযোগ্য হবেন?
  1. ২ বছরের
  2. ৩ বছরের
  3. ৫ বছরের
  4. ৭ বছরের
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছরের
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 বিধি-৬০ এর বিধান:
-শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।
-আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
- অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
- শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
- হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
২৮৪.
Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর Article 8 অনুযায়ী, Ad-hoc Bar Council-এর সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ১০ জন
  2. ১২ জন
  3. ১৫ জন
  4. ২০ জন
সঠিক উত্তর:
১৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ জন
ব্যাখ্যা
⇒ Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর সংশোধিত Article 8(2) এ বলা হয়েছে:
"...the Government may, by notification in the official Gazette, constitute an Ad-hoc Bar Council consisting of fifteen members..."
অর্থাৎ, Ad-hoc Bar Council-এ মোট সদস্য সংখ্যা হবে ১৫ জন।
এর মধ্যে বাংলাদেশের Attorney-General একজন সদস্য হবেন এবং তিনিই হবেন এই Ad-hoc Bar Council-এর চেয়ারম্যান।

সুতরাং, সঠিক উত্তর: গ) ১৫ জন।

Article- 8. (1) Elections to the Bar Council shall be held so as to conclude on or before the thirty first day of May in the year in which the term of the Bar Council expires.
(2) If the elections to the Bar Council cannot be held within the time specified in clause (1) due to pandemic, epidemic, act of God or for any other unavoidable circumstances as may be determined by the Government from time to time, the Government may, by notification in the official Gazette, constitute an Ad-hoc Bar Council consisting of fifteen members for a term not exceeding one year and this term shall not be further extended.
The Attorney-General for Bangladesh shall be one of the members of the Ad-hoc Bar Council and shall also be its Chairman.
(4) Notwithstanding anything contained in any other provision of this Order, the Ad-hoc Bar Council shall exercise such powers and functions of the Bar Council as specified in this Order and the rules made thereunder.
২৮৫.
বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১ অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের কোন কমিটির সদস্য সংখ্যা ৯ জন?
  1. নির্বাহী কমিটি
  2. আর্থিক কমিটি
  3. আইন শিক্ষা কমিটি
  4. তালিকাভুক্ত কমিটি
সঠিক উত্তর:
আইন শিক্ষা কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন শিক্ষা কমিটি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১(১)(গ) অনুযায়ী: আইন শিক্ষা কমিটি (Legal Education Committee) গঠিত হবে ৯ জন সদস্য নিয়ে—
যার মধ্যে - ৫ জন হবেন বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত, এবং ৪ জন হবেন কো-অপ্টেড সদস্য, যাঁরা কাউন্সিলের সদস্য নন, এবং
এই ৪ জন কো-অপ্টেড সদস্যের মধ্যে অন্তত ২ জন হতে হবে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের আইন বিভাগের শিক্ষক।

অন্যদিকে:
নির্বাহী কমিটি ও অর্থ কমিটি – উভয়ের সদস্য সংখ্যা মাত্র ৫ জন (অনুচ্ছেদ ১১(১)(ক) ও (খ) অনুযায়ী)।
"তালিকাভুক্ত কমিটি" নামে কোনো স্থায়ী কমিটি অনুচ্ছেদ ১১-তে উল্লেখ নেই।

⇒ বাংলাদেশ আইনজীবী ও বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ - অনুচ্ছেদ ১১:
(১) বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি গঠন করবে:
(ক) একটি নির্বাহী কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(খ) একটি অর্থ কমিটি, যা কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে;
(গ) একটি আইন শিক্ষা কমিটি, যা নয়জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে—যার মধ্যে পাঁচজন কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন এবং চারজন কাউন্সিল কর্তৃক কো-অপ্টেড (co-opted) হবেন, যারা কাউন্সিলের সদস্য নন। এই চারজনের মধ্যে কমপক্ষে দুজন বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের আইন বিভাগের শিক্ষক হবেন।
(২) উল্লিখিত কমিটিগুলোর ক্ষমতা ও কার্যাবলী যেরূপ নির্ধারণ করা হবে, সেরূপ হবে।
(৩) বার কাউন্সিল এই আদেশের অধীনে তার কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রয়োজন মনে করলে তার সদস্যদের মধ্য থেকে অন্যান্য কমিটি গঠন করতে পারবে।
---------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article-11: (1) The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.

(2) The aforesaid committees shall have such powers and functions as may be prescribed.
(3) The Bar Council may constitute from amongst its members such other committees as it may deem necessary for the performance of its functions under this Order.
২৮৬.
ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ পাওয়ার কত দিন পর শুনানির দিন ধার্য করবেন?
  1. ১৫ দিন
  2. ২১ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৭ দিন
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
ব্যাখ্যা
♦বিধি-৪৫ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ পাওয়ার ২১ দিন পর শুনানির দিন ধার্য করবেন।

♦ বিধি-৪৯ অনুযায়ী পদাধিকার বলে বার কাউন্সিলের সচিব ট্রাইব্যুনালের সচিব হবেন এবং ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ইস্যুকৃত প্রত্যেকটি নোটিশ জারি করবেন।
২৮৭.
According to Article 5A(2) of The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, an Advocate who has already served two consecutive terms before the Article’s enforcement –
  1. Must resign immediately
  2. Can be elected again without restriction
  3. Cannot be elected for the next term
  4. Must seek permission from the Chief Justice
সঠিক উত্তর:
Cannot be elected for the next term
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cannot be elected for the next term
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article-5A:
(1) No Advocate shall hold office of member of the Bar Council for more than two consecutive terms.

(2) An Advocate who has been elected for two consecutive terms as a member of the Bar Council immediately before this Article comes into force shall not be eligible to be elected as a member of the Bar Council for the next term.

অনুচ্ছেদ- ৫ক: 
(১) কোনো আইনজীবী দুইটি পরপর মেয়াদের বেশি সময়ের জন্য বার কাউন্সিলের সদস্য পদে অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন না।

(২) কোনো আইনজীবী যদি এই ধারা কার্যকর হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে পরপর দুই মেয়াদে বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি পরবর্তী মেয়াদে বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার জন্য যোগ্য হবেন না।
২৮৮.
মেয়াদান্তে বার কাউন্সিলের সদস্যদের শেষ কর্মদিবস কোনটি?
  1. ৩০ জুন
  2. ৩১ মে
  3. ৩১ জুলাই
  4. ৩১ মার্চ
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন
ব্যাখ্যা
⇒ নির্বাচিত কমিটির মেয়াদকাল হবে ৩ বছর। মেয়াদ শেষ হবার বছরে ৩১ শে মে অথবা তার পূর্বেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী ১লা জুলাই থেকে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য বার কাউন্সিল গঠিত হবে।
 
- অর্থাৎ মেয়াদান্তে বার কাউন্সিলের সদস্যদের শেষ কার্য দিবস হচ্ছে ৩০ জুন।
-----------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972, Article-4: Subject to the provisions of Article 8, the term of the Bar Council be three years beginning on the first day of July following the general elections to the Bar Council; and at the end of each terms the members of the Bar Council shall cease to hold office.
২৮৯.
Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুসারে, একজন অ্যাডভোকেট নিচের কোন উদ্দেশ্যে মামলা গ্রহণ বা আপিল করতে পারবে না?
  1. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য
  2. ক্লায়েন্টের আইনি অধিকার রক্ষার জন্য
  3. আদালতের রায়ের সমালোচনা করার জন্য
  4. বিপক্ষ পক্ষকে হয়রানি বা সময়ক্ষেপণের জন্য
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষ পক্ষকে হয়রানি বা সময়ক্ষেপণের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষ পক্ষকে হয়রানি বা সময়ক্ষেপণের জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর Chapter IV: Conduct with Regard to the Public Generally অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেটের নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব হলো সমাজ ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তার কার্যক্রম পরিচালনা করা।

এই অধ্যায়ের Rule 1-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
"An Advocate shall not accept employment to prosecute or defend a case out of spite or for the purpose of harassing anyone or delaying any matter nor shall he take or prosecute an appeal willfully motivated to harass any one or delay any matter."
অর্থাৎ, যদি কোনো মামলা গ্রহণ বা আপিল করার উদ্দেশ্য হয়: হিংসা, প্রতিহিংসা, হয়রানি করা, অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপণ করা, তাহলে সে কাজটি অ্যাডভোকেটের পেশাগত নৈতিকতা পরিপন্থী এবং এটি করা অনুচিত।

সুতরাং, অ্যাডভোকেটের পক্ষে “বিপক্ষ পক্ষকে হয়রানি বা সময়ক্ষেপণের জন্য” মামলা গ্রহণ বা আপিল করা নিষিদ্ধ ও নৈতিকতাবিরুদ্ধ।
২৯০.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর কত অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকার বিধান আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫(ক)
  2. অনুচ্ছেদ ৫
  3. অনুচ্ছেদ ৬(ক)
  4. অনুচ্ছেদ ৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬(ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬(ক)
ব্যাখ্যা

৬(ক): বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকিবেন যিনি জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজগণের মধ্য হইতে সরকার কর্তৃক এবং তদকর্তৃক নির্দিষ্টকৃত শর্তে নিযুক্ত হইবেন।
-----------
6(A): There shall be a Secretary of the Bar Council appointed by the Government from amongst the District Judges or Additional District Judges on such terms and conditions as may be determined by it.

২৯১.
অ্যাডভোকেটদের তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেওয়ার দায়িত্ব কে পালন করে?
  1. আদালত
  2. আইন মন্ত্রণালয়
  3. সুপ্রিম কোর্ট
  4. বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-১০: বার কাউন্সিলের কতিপয় কার্যাবলী-

১. অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি করা এবং এই উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া, সনদ প্রদান, তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেয়া।
২. এরূপ তালিকা প্রস্তুত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।
৩. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা।
৪. অ্যাডভোকেটদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের বিচার ও শাস্তি দেওয়া।
৫. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেটগণের সুযোগ-সুবিধা ও স্বার্থ রক্ষা করা।
৬. বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা।
৭. সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন করা।
৮. অনুসরণযোগ্য বিধি প্রণয়ন করা।
৯. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা।
১০. অন্যান্য অনুমোদিত ও সহায়ক যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করা।
২৯২.
Canons of Professional Conduct & Etiquette- এর চতুর্থ অধ্যায়ের বিষয়বস্তু কী?
  1. আদালতের প্রতি কর্তব্য
  2. মক্কেলদের প্রতি আচরণ
  3. জনসাধারণের প্রতি আচরণ
  4. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ
সঠিক উত্তর:
জনসাধারণের প্রতি আচরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসাধারণের প্রতি আচরণ
ব্যাখ্যা

Canons of Professional Conduct & Etiquette-এ মোট ৪টি অধ্যায় আছে। যথা-
১ম অধ্যায়- অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ।
২য় অধ্যায়- মক্কেলদের প্রতি আচরণ।
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি কর্তব্য।
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারণের প্রতি আচরণ।

২৯৩.
একজন অ্যাডভোকেট সরকারি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করার সময় কী বাধ্যতামূলকভাবে জানাতে হবে?
  1. তিনি কেন মামলা পরিচালনা করছেন
  2. তিনি কোন পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করছেন
  3. তিনি কোন বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য
  4. কোন কিছু জানাতে বাধ্য নন
সঠিক উত্তর:
তিনি কোন পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করছেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি কোন পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করছেন
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette, অধ্যায়-৪, বিধি-৬ অনুযায়ী, 
একজন অ্যাডভোকেট সরকারি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগের সময় অবশ্যই তার পেশাগত পরিচয় প্রকাশ করতে বাধ্য। বিশেষত, তাকে অবশ্যই এটি জানাতে হবে যে, তিনি কোন পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
- অর্থাৎ, অ্যাডভোকেটকে তার পেশাগত অবস্থান পরিষ্কারভাবে জানাতে হবে, যাতে সরকারি কর্মকর্তা বা সংস্থা তার পক্ষের সম্পর্ক এবং প্রভাব সম্পর্কে অবগত থাকে।

বিধি-৬:
“An Advocate shall not communicate with, nor appear before, a public officer, board, committee or body, in his professional capacity, without first disclosing that he is an Advocate representing interests that may be affected by the action of such officer, board, committee or body.”
২৯৪.
অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য নূন্যতম বয়স সীমা-
  1. ১৮ বছর
  2. ২১ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য অন্যূন বয়স হতে হবে ২১ বৎসর।
 
⇒ আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে Bangladesh Legal Practitioner and Bar Council Order 1972 এর অনুচ্ছেদ – ২৭ অনুযায়ী নিম্নোক্ত শর্তাবলি পূরণ করতে হবে:
১। প্রথমত তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২। তাকে ২১বছর বয়সী হতে হবে;
৩। আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে-
বাংলাদেশের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত দেশের বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের পূর্বে হলে পাকিস্তানের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ;
১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্টের পূর্বে হলে ভারতবর্ষের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
ব্যারিস্টার এট ল’ হয়ে থাকলে;
৪। বার কাউন্সিল কর্তৃক কোন পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে এবং পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি দিলে।
-----------------
⇒ Qualifications to become a lawyer of the Subordinate Court:
-According to article 27 of The Bangladesh Legal Practitioner’s and Bar Council Order, 1972, a person shall be qualified to be admitted as an advocate if he fulfills the following conditions, namely:-
 
-The Person must be a citizen of Bangladesh;
- He must complete the age of twenty-one years;
- (i) He had obtained a degree in law from any university situated within the territory which forms part of Bangladesh; or
[Note: 4-years LL. B (Hon’s) or 2 years LL.B pass the course (must have completed before 2018 because now these 2 years pass the course is not allowed anymore) from any approved university of Bangladesh]
- (ii) Any similar foreign course can be accepted with the clear permission given by the Bangladesh Bar Council; or
- (iii) A bachelor’s degree in law from any university outside Bangladesh recognized by the Bar Council;
-The applicant has to undergo pupilage for a period of 6 (six) months under a practicing Advocate of at least 10 years standing in the profession;
- He has passed such examination as may be prescribed by the Bar Council;
- He has paid such enrolment fee and fulfills such other conditions as may be specified in the rules made by the bar council.
২৯৫.
কোনটি বার কাউন্সিলের কাজ নয় ?
  1. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা;
  2.  বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা;
  3. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা
  4. আইনগত সহায়তা প্রদান করা
সঠিক উত্তর:
আইনগত সহায়তা প্রদান করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত সহায়তা প্রদান করা
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-১০ অনুসারে আইনগত সহায়তা প্রদান করা বার কাউন্সিলের কাজ নয়।

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-১০: বার কাউন্সিলের কতিপয় কার্যাবলী-
১. অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি করা এবং এই উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া, সনদ প্রদান, তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেয়া;
২. এরূপ তালিকা প্রণয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা;
৩. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা;
৪. অ্যাডভোকেটদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের বিচার ও শাস্তি দেওয়া;
৫. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেটগণের সুযোগ-সুবিধা ও স্বার্থ রক্ষা করা;
৬. বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা;
৭. সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন করা;
৮. অনুসরণযোগ্য বিধি প্রণয়ন করা;
৯. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা;
১০.অন্যান্য অনুমোদিত ও সহায়ক যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করা।
১১.উপরিউক্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় যাবতীয় অন্য সকল কার্যাবলী সম্পাদন করা

২৯৬.
কোনো অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের সদস্য পদে থাকিবে না পরপর -
  1. ৫ বারের বেশি
  2. ৪ বারের বেশি
  3. ৩ বারের বেশি
  4. ২ বারের বেশি
সঠিক উত্তর:
২ বারের বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বারের বেশি
ব্যাখ্যা
♦The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ- ৫ক: কোন অ্যাডভোকেট পরপর বা ধারাবাহিকভাবে ২ বারের বেশি সদস্য পদে থাকবেন না।
২৯৭.
রাষ্ট্রপতির কত নং আদেশ দ্বারা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল গঠিত হয়?
  1. ২৬নং আদেশ
  2. ৩৬নং আদেশ
  3. ৪৬নং আদেশ
  4. ৫৬নং আদেশ
সঠিক উত্তর:
৪৬নং আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬নং আদেশ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ বার কাউন্সিল হলো দেশের আইনজীবীদের একমাত্র কেন্দ্রীয় সরকার অনুমোদিত সংগঠন। এটির প্রতিষ্ঠা ও কাঠামোগত বিষয়গুলো নিম্নরূপ:

⇒ স্বাধীন বাংলাদেশ গঠিত হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৩ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
⇒ এটি সরকার কর্তৃক অনুমোদিত একমাত্র কেন্দ্রীয় সংস্থা যা দেশের সকল আইনজীবী এবং আইন শিক্ষার্থীদের তালিকাভুক্তি, নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বভার পালন করে।
⇒ বার কাউন্সিলের নিজস্ব একটি আইন আছে যা Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 নামে পরিচিত। এই আইনে আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধন, শৃংখলা বিধি ইত্যাদি বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।
⇒ কাউন্সিলটি একটি চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নির্বাচিত এক প্যানেল দ্বারা পরিচালিত হয়। সদস্যরা দেশের বিভিন্ন বার সোসাইটি দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নির্বাচন করে।
⇒ বার কাউন্সিলের অন্যান্য দায়িত্বগুলোর মধ্যে আইনজীবী শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ, বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা রক্ষা করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
২৯৮.
কোনটি আইনজীবীর আচরণবিধির লঙ্ঘন হবে।
  1. অপর পক্ষের আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে বিচারকের খাস কামরায় গিয়ে মোকদ্দমার বিষয়ে কথা বলা
  2. ভিজিটিং কার্ড ব্যবহার করা
  3. নিজের কাজ জুনিয়র আইনজীবীকে দিয়ে করানো
  4. উপরের সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষের আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে বিচারকের খাস কামরায় গিয়ে মোকদ্দমার বিষয়ে কথা বলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষের আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে বিচারকের খাস কামরায় গিয়ে মোকদ্দমার বিষয়ে কথা বলা
ব্যাখ্যা
♦ Canons of professional conduct and etitquette এর conduct with regard to other advocates –এর ৫ নং পয়েন্টে বলা আছে এই বিধিটি।
২৯৯.
নিম্নের কোন আচরণ একজন আইনজীবীর পেশাগত সদাচরণের লঙ্ঘন?
  1. পেশার প্রসারের উদ্দেশ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ
  2. পেশার প্রসারের উদ্দেশ্যে বেতনভুক্ত সহকারী রাখা
  3. নিজের পরিচালনাধীন মামলা সংশ্লিষ্ট বিচারিক নিলামে ক্রেতা
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ আইনজীবীদের জন্য অনুসৃত পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা (Canons of professional conduct and etiquettel এর অধ্যায় ১ এর ২ বিধি অনুসারে, কোনো আইনজীবী তার পেশার প্রসারের উদ্দেশ্যে বিজ্ঞাপন কিংবা অন্য কোন উপায়ে পেশাগত নিয়োগ কিংবা দায়িত্ব লাভের চেষ্টা করতে পারবেনা। তবে প্রকাশনা, পেশাগত কার্ড, নামফলক বা প্রচলিত ডাইরেক্টরী ব্যবহার করতে পারবে।
- অন্যদিকে, অধ্যায় ০২ এর বিধি ৫ অনুসারে, একজন আইনজীবী কোন উইল কিংবা ঋণের জন্য বন্ধককৃত কিংবা বিচারিক রায়ে নিলামকৃত সম্পত্তি নিজ নামে কিংবা বেনামে ক্রয় কিংবা পারিশ্রমিকের পরিবর্তে উক্ত সমুদয় সম্পত্তি কিংবা আংশিক সম্পত্তি গ্রহণ করতে পারবেনা, যদি তিনি উক্ত সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলার কোন পক্ষের আইনজীবী হিসাবে মামলা পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে থাকে।
-------------------
CHAPTER-1
CONDUCT WITH REGARD TO OTHER ADVOCATES:
Rule-2. An Advocate shall not solicit professional employment by advertisement or by any other means. This clause shall not be construed as prohibiting the publication or use of ordinary professional cards, name plates or conventional listings in directories, so long as the information contained therein is limited to professional and academic qualifications and public offices currently held, and does not contain any matter which savours of personal advertisement.

CHAPTER-II
CONDUCT WITH REGARD TO CLIENTS:
Rule-5. An Advocate shall not himself or in benami purchase any property at a probate, foreclosure or judicial sale in an auction or proceeding in which such Advocate appears for a party nor shall he accept the whole or part of the property, in respect of which he had been engaged to conduct the case, in lieu of his remuneration, or as a reward or bounty.
৩০০.
কে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব নিয়োগ করেন?
  1. সরকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. বার কাউন্সিল চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশ এর অনুচ্ছেদ ৬ক  এর বিধান মতে:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকবে। সরকার জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজদের মধ্য হতে বার কাউন্সিলের সচিব [Secretary] নিয়োগ করবে।
-বার কাউন্সিলের সচিবের পদের মেয়াদ হবে সরকার যেমন মেয়াদ নির্ধারণ করে।
-৬ক অনুচ্ছেদটি ২০১২ সালে সংযুক্ত করা হয়।
-বার কাউন্সিলের সচিবই হবে বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা [Chief Executive Officer বিধি ৫৫।
-----------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Article-6A. There shall be a Secretary of the Bar Council appointed by the Government from amongst the District Judges or Additional District Judges on such terms and conditions as may be determined by it.