বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

Professional Ethics, Bar Council Order & Rules, Legal Decisions

মোট প্রশ্ন৪২৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Professional Ethics, Bar Council Order & Rules, Legal Decisions

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ৪২৯

১০১.
What is the primary purpose of Article 41 of the Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972?
  1. To encourage unregistered practitioners
  2. To protect the integrity of the legal profession
  3. To reduce the number of advocates
  4. To allow non-advocates to practice law
সঠিক উত্তর:
To protect the integrity of the legal profession
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To protect the integrity of the legal profession
ব্যাখ্যা
Answer: b) To protect the integrity of the legal profession.
- Article 41 aims to ensure that only qualified and registered advocates practice law, thereby protecting the integrity and standards of the legal profession.

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, 41. Any person who is not an advocate and practises the profession of law and any person who is not entitled under this Order to practise in the High Court practises before that Court shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to six months.

⇒ অনুচ্ছেদ ৪১ এর মূল উদ্দেশ্য হলো আইন পেশার সততা রক্ষা করা এবং যারা আইন পেশায় অবৈধভাবে কাজ করছেন তাদের শাস্তি প্রদান করা। এটি নিশ্চিত করে যে, যারা আইন পেশায় অনুপ্রবেশ করতে চান তাদের আইনজীবী হিসেবে যথাযথ নিবন্ধন থাকতে হবে এবং তারা যদি কোনো আদালতে পেশা পরিচালনা করেন, তবে সেটি বৈধ হতে হবে। এই অনুচ্ছেদে এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে যারা আইন পেশায় অবৈধভাবে কাজ করবেন।

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৪১-এর মূল উদ্দেশ্য হলো আইন পেশার সততা, মান এবং পেশাদারিত্ব রক্ষা করা। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি অ্যাডভোকেট না হয়ে আইন পেশা চালান বা হাইকোর্টে অনুশীলনের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও হাইকোর্টে অনুশীলন করেন, তাহলে তাকে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে।
এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে শুধুমাত্র যোগ্য এবং নিবন্ধিত অ্যাডভোকেটরাই আইন পেশা অনুশীলন করতে পারবেন। এটি অবৈধভাবে আইন পেশা চালানো রোধ করে এবং আইন পেশার মান ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখে।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) To encourage unregistered practitioners: এটি সঠিক নয়, কারণ এই বিধানটি অবৈধভাবে আইন পেশা চালানোকে নিরুৎসাহিত করে।
গ) To reduce the number of advocates: এটি সঠিক নয়, কারণ এই বিধানটি অ্যাডভোকেটের সংখ্যা কমানোর জন্য নয়, বরং যোগ্যতা ও নিবন্ধন নিশ্চিত করার জন্য।
ঘ) To allow non-advocates to practice law: এটি সঠিক নয়, কারণ এই বিধানটি অ্যাডভোকেট নয় এমন ব্যক্তিদের আইন পেশা চালানো নিষিদ্ধ করে।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো খ) To protect the integrity of the legal profession।
১০২.
বার কাউন্সিল অর্ডার এর অনুচ্ছেদ ২১(১)(a) অনুসারে, হাইকোর্টে প্র্যাকটিস করার জন্য অ্যাডভোকেটকে নিম্ন আদালতে কত বছরের প্র্যাকটিস অভিজ্ঞতা থাকতে হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ বার কাউন্সিল অর্ডার-এর ২১ নং আর্টিকেলে বলা আছে যে নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের অভিজ্ঞতা না থাকলে হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার অনুমতি পাবে না।
- অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাক্টিস করার জন্য নিম্ন আদালতে কমপক্ষে ২ বছরের প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
-------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-21. (1) No advocate other than an advocate permitted to practise before the High Court immediately before the commencement of this Order shall be permitted to practise before the High Court unless-
(a) he has practised as an advocate before subordinate courts in Bangladesh for a period of two years;
(b) he is a law graduate and has practised as an advocate before any High Court outside Bangladesh notified by the Government in the official Gazette;
(c) he has, for reason of his legal training or experience, been exempted by the Bar Council from the foregoing requirements of this clause on the basis of the prescribed criteria.
(2) Permission to practise before the High Court shall be given in the form prescribed by the Bar Council on proof that the fee prescribed under Article 22 has been paid and that the relevant condition laid down in clause (1) are duly satisfied.

১০৩.
"Canons of Professional Conduct and Etiquette"-এ মোট কতটি অধ্যায় ও বিধি রয়েছে?
  1. ৩টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি
  2. ৪টি অধ্যায়ে ৪০টি বিধি
  3. ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি
  4. ৫টি অধ্যায়ে ৪৫টি বিধি
সঠিক উত্তর:
৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি
ব্যাখ্যা

⇒ "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।
অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to other advocates) 
২য় অধ্যায়- মক্কেলদের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to clients) 
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি কর্তব্য (Duty to the court) 
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারণের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to the public generally)

১০৪.
কোন অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা হলে, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর কোন আদেশের বিধান মোতাবেক বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে জরিমানা করতে পারে?
  1. ৩৪(৩)
  2. ৩৪(৬)
  3. ৩৪(৪)
  4. ৩৪(৮)
সঠিক উত্তর:
৩৪(৬)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪(৬)
ব্যাখ্যা
⇒ Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) আদেশ অনুযায়ী, যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।
-----------------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972: Order-34: 
(6) The Tribunal may make such order as to the costs of proceedings before it as it may deem fit; and where the Tribunal is of the opinion that a complaint made against advocate is false and vexatious, it may, in addition, and without prejudice to any other remedy available to an advocate, impose deterrent costs not exceeding a sum of five hundred taka upon the complainant, which shall be paid to the advocate as compensation.

(7) Every order of the Tribunal as to costs or deterrent costs shall be executable as an order of the High Court.
১০৫.
The Bar Council Tribunal shall consist of _________ persons according to article 33 of The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972.
  1. two
  2. three
  3. four
  4. five
সঠিক উত্তর:
three
উত্তর
সঠিক উত্তর:
three
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী বার কাউন্সিলের ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে এবং এর সদস্য সংখ্যা হবে ৩ জন।
যথা-
- বার কাউন্সিলের নির্বাচিত দুইজন সদস্য এবং
- তালিকাভুক্ত যে কোনো একজন আইনজীবী।

Article-33:
(1) The Bar Council may constitute one or more Tribunals and each such Tribunal shall consist of three persons of whom two shall be persons elected by the Council from amongst its members and the other shall be a person co-opted by the Council from amongst the advocates on the roll, and the senior-most advocate amongst the members of a Tribunal shall be its Chairman.
১০৬.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৬২(২) বিধি অনুযায়ী, বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির পর কোন শর্তে সনদ প্রদান করা হয়?
  1. হাইকোর্ট অনুমোদনের পর
  2. অ্যাডভোকেট শপথ গ্রহণের পর
  3. আইনজীবী সমিতির সদস্য হওয়ার পর
  4. সংশ্লিষ্ট জেলার আদালতের অনুমোদনের পর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডভোকেট শপথ গ্রহণের পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডভোকেট শপথ গ্রহণের পর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) অ্যাডভোকেট শপথ গ্রহণের পর।
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৬২(২) বিধি অনুযায়ী, বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির পর সনদ প্রদান করার জন্য একটি শপথ গ্রহণ করতে হয়। অ্যাডভোকেট শপথ গ্রহণের পর বার কাউন্সিল অ্যাডভোকেটকে সনদ প্রদান করে, যা তার পেশাদারী কার্যক্রম শুরুর প্রমাণপত্র। শপথটি আইনের শাসন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সংবিধান সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য নেওয়া হয়।
এই বিধি অনুযায়ী, অ্যাডভোকেটের সনদ পাওয়ার জন্য অন্যান্য প্রক্রিয়া যেমন হাইকোর্ট বা সংশ্লিষ্ট জেলার আদালতের অনুমোদন প্রয়োজন হয় না।

অ্যাডভোকেটের শপথ:
- অ্যাডভোকেটগণ আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকেন। সামাজিক সুবিচার এবং জনগণের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় তাদের ভূমিকা অসামান্য। সংবিধান ব্যাখ্যা এবং সংবিধান সুরক্ষার দায়িত্বও তাদের উপর বর্তায়। সংবিধানের প্রাধান্য রক্ষা করা অন্যান্যদের মত অ্যাডভোকেটগণের রয়েছে। অ্যাডভোকেটগণ যাতে সংবিধান মেনে চলেন এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত শিষ্টাচার সংক্রান্ত বিধি বিধান মেনে চলেন সে জন্য ১৯৯৯ সনের ৩রা জুন তারিখে প্রকাশিত গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৬২(২) বিধি প্রতিস্থাপন করে উহাতে নিম্ন লিখিত শপথ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে অ্যাডভোকেটগণ ঐ শপথ গ্রহণ করে থাকেন।
-------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972-Rule-62(2) The certificate of enrolment shall then be issued to the advocate on his application to the Bar Council through the Bar Association after his admission as a member thereof in such manner and on fulfillment of such conditions as may be decided by the Bar Council upon taking such oath as prescribed.
১০৭.
মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোন আইনজীবী কোথায় আলোচনা করবেন না?
  1. প্রকাশ্য আদালতে
  2. প্রতিপক্ষের আইনজীবীর উপস্থিতিতে
  3. প্রকাশ্য আদালতের বাইরে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
প্রকাশ্য আদালতের বাইরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকাশ্য আদালতের বাইরে
ব্যাখ্যা
Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর প্রথম অধ্যায়: আইনজীবীদের প্রতি আচরণ:

১. পেশার সম্মান ও মান:
সকল আইনজীবীর পেশার সম্মান ও উচ্চ মান বজায় রাখা এবং নিজের মর্যাদা রক্ষা করা কর্তব্য।

২. বিজ্ঞাপন নিষেধ:
বিজ্ঞাপন বা অন্য কোন উপায়ে কাজ পাওয়ার চেষ্টা নিষেধ। তবে ভিজিটিং কার্ড, নেইমপ্লেট বা ডিরেক্টরীতে নাম ও পেশাদারী পরিচয় প্রকাশ করা যেতে পারে।

৩. বেতনাদির বিনিময় নিষেধ:
কাজ যোগাড়ের জন্য কাউকে নিয়োগ দেওয়া বা বেতন দেয়া নিষেধ। লাইসেন্সবিহীন ব্যক্তির সাহায্য বা বিনিময় গ্রহন নিষেধ।

৪. বির্তকিত বিষয় আলোচনা:
কোনো পক্ষের এডভোকেটের অনুপস্থিতিতে বা অনুমতি ছাড়া বির্তকিত বিষয় আলোচনা করা নিষেধ।

৫. প্রকাশ্য আদালতের বাইরে আলোচনা নিষেধ:
প্রকাশ্য আদালতের বাইরে বিরোধী পক্ষের আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে মামলার বিষয়বস্তু আলোচনা নিষেধ।

৬. মক্কেলের অধিকার:
মক্কেল একাধিক আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারেন। তবে বর্তমান আইনজীবীর ফি পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত অন্য আইনজীবী মামলা গ্রহণ করবেন না।

৭. ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব:
মামলার পক্ষভুক্তদের মধ্যে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব আইনজীবীদের আচরণে প্রভাবিত করা উচিত নয়।

৮. ফি ভাগাভাগি:
আইনী সেবার বিনিময়ে অর্জিত ফি ভাগাভাগি অনুচিত। তবে চুক্তি অনুযায়ী ফি বিভাজন করা যেতে পারে।

৯. অগ্রাধিকার ও সৌজন্য:
আদালতের কর্মকান্ডে এটর্নী জেনারেল ও এডভোকেট জেনারেলের অগ্রাধিকার রক্ষা করতে হবে। সিনিয়ার এডভোকেটদের অগ্রাধিকার ও ঐতিহ্য বজায় রাখা উচিত।

১০. নবীনদের সম্মান:
শিক্ষানবীশ ও নবীন আইনজীবীদের প্রবীণ আইনজীবীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা উচিত। প্রবীণ আইনজীবীরা নবীনদের সহযোগিতা করবেন।

১১. জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ আইনজীবীর ভূমিকা:
একাধিক আইনজীবী নিযুক্ত হলে, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মামলার পরিচালনা করবেন এবং কনিষ্ঠ আইনজীবী সহযোগিতা করবেন।
১০৮.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ-৮(১) অনুসারে বার কাউন্সিলের নির্বাচন কবে সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৩১ মে’র মধ্যে
  2. ৩১ মার্চের মধ্যে
  3. ৩০ জুনের মধ্যে
  4. ৩০ এপ্রিলের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৩১ মে’র মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ মে’র মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ-৮(১) অনুসারে, বার কাউন্সিলের নির্বাচন ৩১ মে বা তার আগে সম্পন্ন করতে হবে, যেই বছরে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।
- Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর সংশোধিত Article 8(1) অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের নির্বাচন ৩১ মে বা তার আগে সম্পন্ন করতে হবে, যে বছরে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।
- এই নিয়মটি নিশ্চিত করে যে, নির্বাচনের মাধ্যমে বার কাউন্সিলের সদস্যদের নির্বাচন নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে করা হবে। তবে, যদি কোনো অব্যাহতিপূর্ণ পরিস্থিতি (যেমন মহামারি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্য কোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি) ঘটে, তবে Ad-hoc Bar Council গঠন করা হতে পারে, যার মেয়াদ সর্বোচ্চ এক বছর হতে পারে।

Article- 8. (1) Elections to the Bar Council shall be held so as to conclude on or before the thirty first day of May in the year in which the term of the Bar Council expires.
(2) If the elections to the Bar Council cannot be held within the time specified in clause (1) due to pandemic, epidemic, act of God or for any other unavoidable circumstances as may be determined by the Government from time to time, the Government may, by notification in the official Gazette, constitute an Ad-hoc Bar Council consisting of fifteen members for a term not exceeding one year and this term shall not be further extended.
The Attorney-General for Bangladesh shall be one of the members of the Ad-hoc Bar Council and shall also be its Chairman.
(4) Notwithstanding anything contained in any other provision of this Order, the Ad-hoc Bar Council shall exercise such powers and functions of the Bar Council as specified in this Order and the rules made thereunder.
১০৯.
একজন বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূণ্য হয় না-
  1. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হলে
  2. ফৌজদারি মামলায় কারাদণ্ড প্রাপ্ত হলে
  3. আইনজীবীর তালিকা থেকে অপসারিত হলে
  4. চেয়ারম্যানের অনুমতি ব্যতিত পর পর তিনটি মিটিংয়ে অনুপস্থিত থাকলে
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলায় কারাদণ্ড প্রাপ্ত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলায় কারাদণ্ড প্রাপ্ত হলে
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর ৯১ বিধি অনুসারে, বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূন্য হবে যদি সে বার কাউন্সিলের সচিবের নিকট পদত্যাগ পত্র দাখিল করে পদত্যাগ করে বা আইনজীবীর তালিকা থেকে অপসারিত হয় বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের অনুমতি ব্যতীত পর পর ৩টি মিটিং-এ অনুপস্থিত থাকে বা তিনি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসাবে পদোন্নত হয়।
অর্থাৎ ফৌজদারি মামলায় কারাদন্ড প্রাপ্ত হলে একজন বার কাউন্সিল সদস্যের পদ শূণ্য হয় না।
--------------------------------------
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972, Article-91: (1) A member of the Bar Council shall vacate his seat if- (a) he resigns his seat by delivery of his resignation to the Secretary (the resignation being effective from the time it is so delivered); or
(b) he is removed from the roll; or
(c) he is absent for three consecutive meetings of the Bar Council, the interval between the first and the last meeting being of not less than four months;
Provided that a meeting for the absence from which the member has taken permission of the Chairman shall not be regarded as a meeting from which he is absent.
(d) he is elevated as a Judge of the Supreme Court.
 
(2) A member of the Bar Council who is suspended as a Advocate shall not act as a member during the period o his suspension but shall vacate his seat only if hi suspension is for a year or more or covers the whole c his remaining terms as a member.
১১০.
'Clients, not Advocate shall not represent confliction interests.' এটি _______ এর প্রতি একজন আইনজীবীর আচরণ সম্পর্কিত নীতি।
  1. আদালত
  2. অন্যান্য আইনজীবী
  3. সাধারণ জনগণ
  4. মক্কেল
সঠিক উত্তর:
অন্যান্য আইনজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যান্য আইনজীবী
ব্যাখ্যা
BBC chapter 1 (7) এর বিধান মতে  মোকদ্দমাকারী মক্কেল, আইনজীবী না। মক্কেলগনের মধ্যে বিদ্যমান তিক্ত সম্পর্ক আইনজীবীদের পারস্পরিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করবে না, এমনকি প্রতিপক্ষের মক্কেলের প্রতিও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবেনা। আইনজীবীদেরকে পারস্পরিক সংঘাত এড়িয়ে চলতে হবে। মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে এক পক্ষের আইনজীবী অপর পক্ষের আইনজীবীর ব্যক্তিগত স্বভাব বা বৈশিষ্ট্যের প্রতি বিদ্রুপাত্মাক কোন ইঙ্গিত করতে পারবেনা। মামলা দীর্ঘায়িত করতে পারে কিংবা অশোভনীয় কলহের সৃষ্টি করতে পারে এমন ধরনের কথোপকথন আইনজীবীদের অবশ্যই সতর্কতার সাথে পরিহার করতে হবে।
১১১.
"পেশাগত আচরণ ও শিষ্ঠাচার বিধিমালা" (Canons of Professional conduct & Etiquette) এর মোট কতটি অধ্যায় আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

⇒ “পেশাগত আচরণ ও শিষ্ঠাচার বিধিমালা” (Canons of Professional Conduct and Etiquette) – যা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত – এর মোট ৪টি অধ্যায় রয়েছে। এগুলো হলো:
- ১. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to other advocates)
- ২. মক্কেলদের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to clients)
- ৩. আদালতের প্রতি কর্তব্য (Duty to the court)
- ৪. জনসাধারণের প্রতি আচরণ (Conduct with regard to the public generally)
সুতরাং প্রশ্নের উত্তর: গ) ৪টি।

⇒ Canons of Professional conduct & Etiquette-এ মোট ৪টি অধ্যায় আছে।
যথা-
১ম অধ্যায়- অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ।
২য় অধ্যায়- মক্কেলদের প্রতি আচরণ।
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি কর্তব্য।
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারণের প্রতি আচরণ।

১১২.
অ্যাডভোকেট ব্যতিত অন্য কোন ব্যক্তি যদি আইন ব্যবসা করেন, তাহলে তাকে কি শাস্তি দিতে পারে?
  1. ২ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. ৪ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৪১ অনুযায়ী অ্যাডভোকেট না হয়ে কোন ব্যক্তি আইন ব্যবসা করলে তার ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
১১৩.
বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১১-এ কতগুলো স্থায়ী কমিটির উল্লেখ রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর ১১ অনুচ্ছেদে ৩ টি স্থায়ী কমিটির (Standing Committees] উল্লেখ আছে।
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ১১(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বার কাউন্সিল নিম্নলিখিত স্থায়ী কমিটি নিয়ে গঠিত হবে:
১. নির্বাহী কমিটি।
২. আর্থিক কমিটি।
৩. আইন শিক্ষা কমিটি। 
---------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article-11: (1) The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.
(2) The aforesaid committees shall have such powers and functions as may be prescribed.
(3) The Bar Council may constitute from amongst its members such other committees as it may deem necessary for the performance of its functions under this Order.

১১৪.
কত দিন অতিবাহিত না হলে সরকারি চাকরি হতে নৈতিক স্খলনের দায়ে বরখাস্তকৃত একজন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হওয়ার জন্য অযোগ্য হবেন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ২৭ (৩) অনুযায়ী অ্যাডভোকেট হওয়ার অযোগ্যতার কথা উল্লেখ আছে।
⇒The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972এর ২৭ (৩) অনুচ্ছে অনুযায়ী কোন ব্যক্তি সরকারি চাকরি হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হলে এবং ২ বছর অতিক্রম না হলে।
-নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে ৫ বছর অতিক্রম না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্য হবেনা।
-------------------------------------------
- The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-27.(3) A person shall be disqualified from being admitted as an advocate if-
(a) he was dismissed from service of Government or of a public statutory corporation on a charge involving moral turpitude, unless a period to two years has elapsed since his dismissal; or
(b) he has been convicted for an offence involving moral turpitude, unless a period of five years or such less period as the Government may, by notification in the official Gazette, specify in this behalf, had elapsed from the date of the expiration of the sentence.
১১৫.
"No woman shall be disqualified for admission to be an advocate for reason only of her sex."- এই বিধান The Bangladesh Legal practitioner's and Bar Council Order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. Article 27
  2. Article 28
  3. Article 29
  4. Article 30
সঠিক উত্তর:
Article 28
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 28
ব্যাখ্যা
Article 28 of The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972:

"No woman shall be disqualified for admission to be an advocate for reason only of her sex."
"কোনো নারী তার লিঙ্গের কারণে অ্যাডভোকেট হিসেবে গৃহীত হওয়ার অযোগ্য হবে না।"
১১৬.
দুর্দশাগ্রস্ত আইনজীবী বা তার পরিবারকে সহায়তা করার জন্য বার কাউন্সিল কেমন তহবিল গঠন করতে পারে? 
  1. যৌথ বীমা তহবিল
  2. কল্যাণ তহবিল 
  3. ত্রাণ তহবিল 
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ত্রাণ তহবিল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রাণ তহবিল 
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 এর অনুচ্ছেদ ১৫(১) অনুসারে বার কাউন্সিল, প্রয়োজনে, দুস্থ এডভোকেট বা তাহার পরিবার ও নির্ভরশীলকে অথবা যুদ্ধ বিধ্বস্ত বা প্রাকৃতিক দূযোর্গ বা অন্যান্য অস্বাভাবিক কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কোনো বার এসোসিয়েশনকে সহায়তা প্রদান করিবার উদ্দেশ্যে ত্রাণ তহবিল গঠন করিতে পারিবে।
(২) দফা (১) এর অধীন ত্রাণ তহবিল নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে প্রাপ্ত অর্থ সমন্বয়ে গঠিত হইবে-
বার কাউন্সিলের অন্য যে কোনো তহবিল হইতে স্থানান্তরিত অর্থ; (ক)
(খ) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান;
(গ) এডভোকেটগণ হইতে প্রাপ্ত চাঁদা; এবং
(ঘ) জনগণ, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা অন্যান্য উৎস হইতে প্রাপ্ত দান।
----------------
15. (1) A Bar Council may, whenever necessary, constitute a relief fund for the help of any distressed advocate or his family and dependents or for assistance to bar associations affected by war damage or natural calamities or other extraordinary causes.
(2) The relief fund constituted under clause (1) may consist of-
(a) amounts transferred from any other fund of the Bar Council;
(b) grants made by the Government;
(c) contributions received from the advocates; and
(d) donations received from the public, local authorities or other sources.

১১৭.
বার কাউন্সিল নির্বাচিত সদস্যগণের পদের মেয়াদ-
  1. ১ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ-৪ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী ১লা জুলাই থেকে ০৩ (তিন) বছর পর্যন্ত বার কাউন্সিলের মেয়াদ থাকবে। অর্থাৎ বার কাউন্সিলের মেয়াদ ৩ বছর। বার কাউন্সিলের মেয়াদ শেষে বার কাউন্সিলের সদস্যগণ অফিস ধারণের যোগ্যতা হারাবেন।
 
- অর্থাৎ অনুচ্ছেদ ৪ অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যদের পদের মেয়াদ ৩ বৎসর। এই ৩ বৎসর শুরু হবে সাধারণ নির্বাচনের পর পহেলা জুলাই থেকে।
১১৮.
পেশাগত নিয়োগ বা দায়িত্ব লাভের উদ্দেশ্যে একজন আইজীবী নিচের কোন কাজটি করতে পারবেন না ?
  1. পেশাগত কার্ড ব্যবহার
  2. নামফলক ব্যবহার
  3. বিজ্ঞাপন 
  4. প্রচলিত ডাইরেক্টরী ব্যবহার
সঠিক উত্তর:
বিজ্ঞাপন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজ্ঞাপন 
ব্যাখ্যা

পেশাগত নিয়োগ বা দায়িত্ব লাভের উদ্দেশ্যে একজন আইজীবী বিজ্ঞাপন করতে পারবেন না।

"Canons of Professional Conduct and Etiquette" এর অধ্যায় ১ এর বিধি ২ এ  উল্লেখ আছে যে, একজন অ্যাডভোকেট কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন বা অন্য কোনো মাধ্যম দিয়ে পেশাগত দায়িত্ব লাভের চেষ্টা করতে পারবেন না। তবে এটি সাধারণ পেশাগত কার্ড, নামফলক বা প্রচলিত ডাইরেক্টরিতে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, যদি সেখানে শুধুমাত্র তার পেশাগত ও একাডেমিক যোগ্যতা এবং বর্তমান সরকারি পদ (যদি থাকে) উল্লেখ থাকে।
-----------------------------------
Rule 2: An Advocate shall not solicit professional employment by advertisement or by any other means. This clause shall not be construed as prohibiting the publication or use of ordinary professional cards, name plates or conventional listings in directories, so long as the information contained therein is limited to professional and academic qualifications and public offices currently held, and does not contain any matter which savours of personal advertisement.

১১৯.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর কোন অনুচ্ছেদে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৪
  2. অনুচ্ছেদ ৩৫
  3. অনুচ্ছেদ ৩৬
  4. অনুচ্ছেদ ৩৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৩৬-এ ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার বিধান রয়েছে। এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হন, তাহলে তিনি ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে পারেন। এবং এই আপিলটি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হবে এবং ডিভিশন বেঞ্চের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।
-------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972: Article-36.
- (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
১২০.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর কোথায় অ্যাডভোকেটগণের শপথ গ্রহণ করার বিধান আছে?
  1. বিধি-৬০ক
  2. বিধি-৬১(২)
  3. বিধি-৬০গ
  4. বিধি-৬২(২)
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬২(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬২(২)
ব্যাখ্যা
অ্যাডভোকেটের শপথ:
- অ্যাডভোকেটগণ আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকেন। সামাজিক সুবিচার এবং জনগণের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় তাদের ভূমিকা অসামান্য। সংবিধান ব্যাখ্যা এবং সংবিধান সুরক্ষার দায়িত্বও তাদের উপর বর্তায়। সংবিধানের প্রাধান্য রক্ষা করা অন্যান্যদের মত অ্যাডভোকেটগণের রয়েছে। অ্যাডভোকেটগণ যাতে সংবিধান মেনে চলেন এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত শিষ্টাচার সংক্রান্ত বিধি বিধান মেনে চলেন সে জন্য ১৯৯৯ সনের ৩রা জুন তারিখে প্রকাশিত গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৬২(২) বিধি প্রতিস্থাপন করে উহাতে নিম্ন লিখিত শপথ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে অ্যাডভোকেটগণ ঐ শপথ গ্রহণ করে থাকেন।
-------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972-Rule-62(2): The certificate of enrolment shall then be issued to the advocate on his application to the Bar Council through the Bar Association after his admission as a member thereof in such manner and on fulfillment of such conditions as may be decided by the Bar Council upon taking such oath as prescribed.
১২১.
একটি সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের কার্যক্রমে একজন এ্যাডভোকেট কোন পক্ষকে প্রতিনিধিত্ব করলে তিনি-
  1. সম্পত্তিটি নিজে ক্রয় করতে পারবেন
  2. সম্পত্তিটি বেনামীতে ক্রয় করতে পারবেন
  3. পারিতোষিকের পরিবর্তে সম্পত্তিটি ক্রয় করতে পারবেন
  4. সম্পত্তিটি বা তার কোন অংশ কোনভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিটি বা তার কোন অংশ কোনভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিটি বা তার কোন অংশ কোনভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
♦ মক্কেলের সাথে এডভোকেটের আচরণ সংক্রান্ত ৫ নং বিধিতে বলা হয়েছে একজন এডভোকেট নিজের নামে অথবা বেনামে ইচ্ছাপত্রের মাধ্যমে, বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রয়, বিচারিক বা নিলামের মাধ্যমে সম্পত্তি ক্রয় করবে না যদি উক্ত এডভোকেট উক্ত মামলায় কোন পক্ষের হয়ে মামলা পরিচালনা করে।
১২২.
বার কাউন্সিলে কোনো সদস্যপদ শূন্য হলে তা কীভাবে পূরণ করা হবে?
  1. আদালতের মাধ্যমে নিয়োগ দিয়ে
  2. সর্বাধিক ভোট পাওয়া পরবর্তী ব্যক্তি দ্বারা
  3. সরকারের অনুমোদনের মাধ্যমে
  4. আইন মন্ত্রনালয়ের বিশেষ নির্দেশে নির্ধারিত হবে
সঠিক উত্তর:
সর্বাধিক ভোট পাওয়া পরবর্তী ব্যক্তি দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বাধিক ভোট পাওয়া পরবর্তী ব্যক্তি দ্বারা
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১২: বার কাউন্সিলের সাময়িক শূন্যতা নিম্নে বর্ণিত নির্দেশ মোতাবেক পূরণ করা হইবে-
যেক্ষেত্রে সদস্য পদ শূন্য হয় সেক্ষেত্রে একই নির্বাচনে ঐ ব্যক্তির পরবর্তী যে ব্যক্তি সর্বাধিক ভোট পাইয়াছিল সে ব্যক্তি দ্বারা ঐ শূন্য পদ পূরণ করা হইবে এবং যদি সেইরূপ কোন ব্যক্তি না পাওয়া যায় তাহা হইলে অত্র আদেশের অধীনে বার কাউন্সিলের নির্বাচন করার যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে বার কাউন্সিল সমন্বয়ের মাধ্যমে উক্ত শূন্যতা পূরণ করিতে পারিবে; এবং

যেক্ষেত্রে ভাইস-চেয়ারম্যান/সহ-সভাপতির পদ শূন্য হয়, সেক্ষেত্রে সদস্যবৃন্দের মধ্য হইতে তাদের দ্বারা নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে নির্বাচিত ব্যক্তির মাধ্যমে উক্ত শূন্য পদ পূরণ করা হইবে।

১২৩.
অ্যাডভোকেট হওয়ার সব যোগ্যতা থাকার পরও একজন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হতে পারবে না, যদি সে-
  1. সরকারী চাকরী হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হতে
  2. নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে কোন অপরাধে দন্ডিত হলে
  3. বাইরের দেশ থেকে আইনে ডিক্রি থাকলে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ২৭ (৩) অনুচ্ছে অনুযায়ী কোন ব্যক্তি সরকারী চাকরী হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হলে এবং ২ বছর অতিক্রম না হলে এবং নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে এবং ৫ বছর অতিক্রম না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্য হবেনা।
১২৪.
কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা রাজনৈতিক মামলা যতোই গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন, কোনো আইনজীবী সেই মামলা-
  1. গ্রহণ করতে বাধ্য
  2. প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন না
  3. দায়েরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবেন
  4. প্রত্যাখ্যান করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাখ্যান করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাখ্যান করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ এবং আইন পেশার গুণগত মান অক্ষুণ্ন রাখার জন্য বেশ কিছু নীতিমালা তৈরী করা হয়েছে। এই নীতিমালা Bangladesh Bar Council Canons of Professional Conduct and Etiquette নামে পরিচিত। এর ৪টি অধ্যায়ের শিরোনাম যথাক্রমে-
১. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ;
২. মক্কেলদের প্রতি আচরণ;
৩. আদালতের প্রতি কর্তব্য;
৪. জনসাধারণের প্রতি আচরণ।

জনগণের প্রতি দায়িত্ব:
১. কোনো মামলা বিলম্বিত করা বা কাউকে বিরক্ত করা ও হয়রানি করার জন্য কোনো আইনজীবী কোনো মামলা গ্রহণ করবে না।
২. বিরুদ্ধ পক্ষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবেন।
৩. কাউকে হয়রানি বা ক্ষতি করার জন্য কোনো দেওয়ানি মামলা দায়ের বা প্রতিবন্ধকতা তৈরী করবে না।
৪. কোনো আইনজীবী কোনো মামলার জন্য নিযুক্তি হতে বাধ্য নয়। তবে নিযুক্তি গ্রহণ করলে দায়িত্বের সঙ্গে তা গ্রহণ করতে হবে।
৫. কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা রাজনৈতিক মামলা যতোই গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন, তিনি তা প্রত্যাখ্যান করতে পারেন।
৬. কোনো পাবলিক অফিসার বোর্ড, কমিটি বা সংস্থার সামনে উপস্থিত হলে তিনি তার পরিচয় এবং যার পক্ষে উপস্থিত হয়েছে তার পরিচয় প্রকাশ করবে।
৭. কোনো বিষয়ে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে সে বিষয়ে আইনজীবী হিসেবে নিযুক্তি গ্রহণ করবে না।
৮. একজন আইনজীবী অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা বা বেতনভুক্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারী হিসেবে কোনো ব্যবসা বা পেশার সাথে যুক্ত হবেন না।
১২৫.
হাইকোর্ট পারমিশনের লিখিত পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করা প্রয়োজনীয় শর্ত বলা আছে-
  1. ২১ অনুচ্ছেদে
  2. ২২ অনুচ্ছেদে
  3. ১৯ অনুচ্ছেদে
  4. ২৭ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২১ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
♦ ২১ অনুচ্ছেদে হাইকোর্ট বিভাগে অ্যাডভোকেট হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতাসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে। ২১ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন ব্যক্তি হাইকোর্ট বিভাগে আইন পেশা করার জন্য তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য যোগ্য হবে যদি-

ক) অ্যাডভোকেট হিসাবে বাংলাদেশের অধঃস্তন আদালতে অন্যূন (সর্বনিম্ম ২ বৎসর) আইন পেশা করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে;

খ) সে আইনে স্নাতক পাশ এবং অ্যাডভোকেট হিসাবে সরকারী গেজেটে উল্লেখিত বাংলাদেশের বাইরের কোন আদালতে আইন পাশ করেছে;

গ) তার লিগ্যাল ট্রেনিং বা অভিজ্ঞতার জন্য বার কাউন্সিল তাকে উপরে উল্লেখিত শর্ত হতে অব্যাহতি দিলে।

উপরে উল্লেখিত শর্তপূরণ সাপেক্ষে এবং ২২ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় ফি পরিশোধ করলে, হাইকোর্ট বিভাগে প্রাক্টিস করার অনুমতি দিবে।
১২৬.
মামলার ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কী বিষয় বিবেচনা করা যায় না?
  1. মামলার বিষয়বস্তুর নতুনত্ব ও অভিনবত্ব
  2. ক্ষতিপূরণ পাওয়ার ক্ষেত্রে কীরুপ নিশ্চয়তা/অনিশ্চয়তা বিদ্যমান
  3. একই ধরণের মামলায় আইনজীবী সমিতিতে সাধারণ প্র্যাক্টিস কেমন
  4. মক্কেলের আর্থিক সক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
মক্কেলের আর্থিক সক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মক্কেলের আর্থিক সক্ষমতা
ব্যাখ্যা
♦Conduct with regard to clients এর ২ নং অধ্যায়ের ১০ নং দফায় ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কী কী বিষয় বিবেচনায় নেওয়া যাবে সেটি বলা আছে। মক্কেলের আর্থিক সক্ষমতা বেশি হলে বেশি টাকা নিতে হবে এই ধারণা সঠিক নয়। মক্কেলের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনার বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। বাকি ৩ টি বিষয় উল্লেখ আছে।
♦অচরণবিধি এর অধ্যায় ২, বিধি ১০ তে বলা আছে ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে একজন আইনজীবী তার পরামর্শ ও সেবারজন্য নিজের অতি মূল্যায়ন কিংবা অবমূল্যায়ন করবেনা। যদি কোন বিরোধপূর্ন সম্পত্তির মূল্য বিবেচনায় আইনজীবীর ফি কম বা না হওয়া যৌক্তিক হয়, সেক্ষেত্রে মক্কেলের সক্ষমতার কারণে উচ্চহারে ফি আদায় করা সমীচীন নহে। ফি নির্ধারনের ক্ষেত্রে সহআইনজীবীর পক্ষ হতে কোন যৌক্তিক অনুরোধ করা হলে তা সহৃদয়তার সাথে বিশেষ ভাবে বিবেচনা করতে হবে। কোন আইনজীবীর বিধবা স্ত্রী কিংবা তার এতিম সন্তানদের আইনী সহায়তা দেওয়ার প্রয়োজন হলে কোনরুপ ফি ব্যতিরেকে তাদেরকে আইনী সহায়তা দিতে হবে। ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিম্ন বর্ণিত বিষয়সমূহ বিবেচনায় রাখা সমীচীন হবে :
i) মামলার বিষয়বস্তুর নতুনত্ব, অভিনবত্ব ও প্রশ্নের জটিলতা নিরসনে কিরুপ দক্ষতা, শ্রম এবং সময় বিনিয়োগ করতে হবে।
ii) কোন মামলায় আইনীসেবা দেওয়ার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হলে তা উক্ত আইনজীবীর জন্য অন্য মামলায় অংশগ্রহনের ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে কিনা কিংবা উক্ত মামলায় তার সম্পৃক্ততা না হলে ভাল হতো কিংবা উক্ত মামলায় তার অংশ গ্রহনের ফলে অন্য একটি মামলায় তার ক্ষতি হবে না।
iii) সদৃশ মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে আইনজীবী সমিতিতে ফি নেওয়ার কি নিয়ম প্রচলিত আছে।
iv)মামলার বিরোধপূর্ণ বিষয়ের মূল্যমান ও মামলার ফলাফলে মক্কেল কী পরিমাণ সুফল লাভ করবে।
v) ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তিতে কিরুপ অনিশ্চয়তা কিংবা নিশ্চয়তা বিদ্যমান, এবং 
vi. আইনীসেবা দেওয়ার জন্য নিয়োগের ধরণ অর্থাৎ উক্ত নিয়োগ সাময়িক নাকি দীর্ঘমেয়াদী। উপরোক্ত বিষয়ের কোনটিই ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক হিসাবে কাজ করেনা বরং সেবার প্রকৃত মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে নির্দেশনা হিসাবে কাজ করে।
ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে ইহা ভুললে চলবেনা যে, আইন পেশা সুবিচার নিশ্চিত করার একটি পেশা, উক্ত পেশা কেবল মাত্র অর্থ উপার্জনের কোন পেশা নহে।
১২৭.
একজন অ্যাডভোকেট নিচের কোন উদ্দেশ্যে মামলা গ্রহণ বা আপিল করতে পারবেন না?
  1. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য
  2. মক্কেলের আইনি অধিকার রক্ষার জন্য
  3. প্রতিপক্ষকে হয়রানি বা মামলা দীর্ঘসূত্রিতার জন্য
  4. আদালতের সিদ্ধান্তের আইনগত ত্রুটি চিহ্নিত করার জন্য
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষকে হয়রানি বা মামলা দীর্ঘসূত্রিতার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষকে হয়রানি বা মামলা দীর্ঘসূত্রিতার জন্য
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) প্রতিপক্ষকে হয়রানি বা মামলা দীর্ঘসূত্রিতার জন্য।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette এর Chapter IV, Rule 1 অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেট প্রতিপক্ষকে হয়রানি বা মামলা দীর্ঘসূত্রিতার জন্য কোন মামলা গ্রহণ বা আপিল করতে পারবেন না। এর উদ্দেশ্য হলো আইনি প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করে হিংসা, প্রতিহিংসা, বা ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপণ করা প্রতিরোধ করা।

অন্যদিকে, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও মক্কেলের আইনি অধিকার রক্ষা বা আদালতের সিদ্ধান্তের আইনগত ত্রুটি চিহ্নিত করার জন্য মামলা গ্রহণ বা আপিল করা সম্পূর্ণভাবে সঠিক এবং নৈতিক।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর Chapter IV: Conduct with Regard to the Public Generally অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেটের নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব হলো সমাজ ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তার কার্যক্রম পরিচালনা করা।
এই অধ্যায়ের Rule 1-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:
"An Advocate shall not accept employment to prosecute or defend a case out of spite or for the purpose of harassing anyone or delaying any matter nor shall he take or prosecute an appeal willfully motivated to harass any one or delay any matter."
অর্থাৎ, যদি কোনো মামলা গ্রহণ বা আপিল করার উদ্দেশ্য হয়: হিংসা, প্রতিহিংসা, হয়রানি করা, অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপণ করা, তাহলে সে কাজটি অ্যাডভোকেটের পেশাগত নৈতিকতা পরিপন্থী এবং এটি করা অনুচিত।
১২৮.
বার কাউন্সিল অর্ডার অনুযায়ী আইনজীবী নয় এমন ব্যক্তি আইনচর্চা করলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি হবে?
  1. ৩ মাস কারাদণ্ড
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ বার কাউন্সিল অর্ডারের অনুচ্ছেদ ৪১ অনুসারে আইনজীবী নয় এমন ব্যক্তির আইনচর্চা করলে তার শাস্তির বিধান বলা আছে।
- বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৪১ অনুসারে, কোন ব্যক্তি যদি আইনজীবী না হয়েও আইন পেশা চর্চা করেন অথবা হাইকোর্টে অনুশীলন করার অধিকারী না হয়েও সেখানে অনুশীলন করেন, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
-------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 41. Any person who is not an advocate and practises the profession of law and any person who is not entitled under this Order to practise in the High Court practises before that Court shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to six months.

১২৯.
আদালত কর্ম সময়ের পর যে কোন জরুরী বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের সাথে একজন নিযুক্তিয় এডভোকেটের যোগাযোগ করার উপযুক্ত পন্থা হলো-
  1. বিচারকের সরকারি খাস কামরায় দেখা করা
  2. প্রতিপক্ষের অ্যাডভোকেটের সাথে নিয়ে বিচারকের সাথে দেখা করা
  3. স্থানীয় বারের সভাপতিকে সাথে নিয়ে বিচারকের সাথে দেখা করা
  4. এ ধরনের যোগাযোগ করা হতে বিরত থাকা
সঠিক উত্তর:
এ ধরনের যোগাযোগ করা হতে বিরত থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ ধরনের যোগাযোগ করা হতে বিরত থাকা
ব্যাখ্যা
♦ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তীতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette] ৩ অধ্যায়ে ‘আদালতের প্রতি দায়িত্ব' শিরোনামে ৯টি বিধি আছে। ৪নং বিধির বিধান- একজন আইনজীবী ব্যক্তিগত সম্পর্ক ব্যতিরেকে কোন বিচারক কিংবা কোন বিচারিক কর্মকর্তার প্রতি লক্ষণীয় আগ্রহ ও আতিথেয়তা পরিহার করবে অন্যথায় উক্ত আগ্রহ ও আতিথেয়তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা হতে পারে। কোন বিচারাধীন মামলার বিষয়ে কোন আইনজীবী বিচারকের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ কিংবা মামলার গ্রহণযোগ্যতার ব্যাপারে যুক্তি প্রদর্শন করতে পারবেনা। উক্তরুপ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কোন বিচারকের বিশেষ অনুগ্রহ পাওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত আইনজীবী ভর্ৎসনা ও ঘৃণা লাভের যোগ্য। বিচারকের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন পূর্বক নিজের স্বীয় মর্যাদা ও স্বাতান্ত্র্য বজায় রেখে পেশাগত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমেই আইনজীবী ও বিচারকের মধ্যে ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুসম্পর্ক যথাযথভাবে স্থাপন করা যেতে পারে।

♦ ৪নং বিধিতে যা বলা হয়েছে যে, তার সার-সংক্ষেপ হলো: আদালতের কর্ম-সময়ের পর যেকোনো জরুরি বিরোধীর বিষয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের সাথে সংশ্লিষ্ট মামলার অ্যাডভোকেট যোগাযোগ করা থেকে বিরত থাকবে।
১৩০.
বার কাউন্সিলের মেয়াদকাল কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article- 4:
Subject to the provisions of Article 8, the term of the Bar Council be three years beginning on the first day of July following the general elections to the Bar Council; and at the end of each terms the members of the Bar Council shall cease to hold office.

[অনুচ্ছেদ ৮ এর বিধানাবলী সাপেক্ষে, বার কাউন্সিলের মেয়াদকাল হবে তিন বছর যা বার কাউন্সিলের নির্বাচনের পরবর্তী জুলাই মাসের প্রথম দিন থেকে গণনা করা হবে; এবং প্রতিটি মেয়াদের শেষে বার কাউন্সিলের সদস্যগণ তাদের পদ হারাবেন।]
১৩১.
একজন অ্যাডভোকেটকে আইন পেশা থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় কার নিকট?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. আপিল বিভাগ
  3. আইনমন্ত্রী
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦ অনুচ্ছেদ-৩৬: অনুচ্ছেদ ৩৪ এর অধীন কোন আদেশ দেয়া হলে উক্ত আদেশের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের আদেশ চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
♦ অর্থাৎ একজন এ্যাডভোকেটকে আইন পেশা থেকে বহিস্কার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়  ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে।
১৩২.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ২৮ বিধি অনুযায়ী, প্রথম সভা আহ্বান করবেন কে?
  1. বার কাউন্সিলের সভাপতি
  2. বার কাউন্সিলের সম্পাদক
  3. বার কাউন্সিলের ট্রেজারার
  4. বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলের সম্পাদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলের সম্পাদক
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর ২৮ বিধি অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের প্রথম সভা আহ্বানের দায়িত্ব বার কাউন্সিলের সম্পাদক এর উপর বর্তায়। এই বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ থেকে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত করতে হবে এবং এই সভা আহ্বানের দায়িত্ব সম্পাদকের।
- সুতরাং, বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহ্বান করেন, যা সঠিক উত্তর।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর ২৮ বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে। বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহ্বান করবেন।
--------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972: Rules-28. The first meeting of a Bar Council shall be held within a month of the commencement of the term of the Bar Council and the Secretary shall convené such meeting. The meeting will be presided over by a member voted to chair.
১৩৩.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার , ১৯৭২ এর কত অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকার বিধান আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫(ক)
  2. অনুচ্ছেদ ৬
  3. অনুচ্ছেদ ৬(ক)
  4. অনুচ্ছেদ ৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬(ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬(ক)
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার , ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৬ (ক) অনুযায়ী বাংলাদেশের বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকবেন।
-----------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-6A. There shall be a Secretary of the Bar Council appointed by the Government from amongst the District Judges or Additional District Judges on such terms and conditions as may be determined by it.
১৩৪.
“Clients, not advocates, are the litigants”- এই মূলনীতির মূল শিক্ষা কী?
  1. ক্কেল আইনজীবীর মতো জ্ঞানী নন
  2. আইনজীবীগণ মক্কেলের আত্মীয় হতে পারবেন না
  3. মক্কেলের স্বার্থের জন্য আইনজীবীদের পারস্পরিক স্বার্থ নষ্ট করা যাবে না
  4. আইনজীবীদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব মামলায় প্রভাব ফেলতে পারবে
সঠিক উত্তর:
মক্কেলের স্বার্থের জন্য আইনজীবীদের পারস্পরিক স্বার্থ নষ্ট করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মক্কেলের স্বার্থের জন্য আইনজীবীদের পারস্পরিক স্বার্থ নষ্ট করা যাবে না
ব্যাখ্যা
♦Cannons of Professional Conduct and Etiquette, এর অধ্যায় ১, রুল ৭ অনুযায়ী ‘আইনজীবী নয়; মেক্কেলগণই মামলার ব্যক্তি’।
♦Conduct with regard to other advocates-এর ৭ নং দফায় এই মূলনীতি বলা হয়েছে। মামলা বা দ্বন্দ্ব হলো মক্কেলদের মধ্যে।
♦সুতরাং মক্কেলদের দ্বন্দ্ব যেমন আইনজীবীদের পারস্পরিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না তেমনি আইনজীবীদের পারস্পরিক ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব মক্কেলের মামলাকে প্রভাবিত করবে না। এটিই পেশার পেশাদারিত্ব।
১৩৫.
অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য একজন প্রার্থী কত নম্বরের ভাইভা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে?
  1. ১০০
  2. ৫০
  3. ২৫
  4. ২০০
সঠিক উত্তর:
৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules-60B. Every applicant who has qualified in the written examination under these rules shall appear at a viva-voce examination held under the direction and supervision of the Enrolment Committee of the Bar Council. The viva- voce examination shall be of 50 marks.

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules-60C. A candidate for enrolment as Advocate shall have to obtain at least 50 marks in written examination and 25 marks in viva-voce examination.
১৩৬.
বার কাউন্সিল আদেশের ৩৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কতদিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে?
  1. ২১ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে।
-এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।
----------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-36. (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
১৩৭.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল আদেশ অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে আপিল কোথায় দায়ের করতে হবে?
  1. বার কাউন্সিলে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: খ) হাইকোর্ট বিভাগে।

→ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে, ওই অ্যাডভোকেট বা ব্যক্তিকে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করার সুযোগ রয়েছে। এই আপিল ৯০ দিনের মধ্যে করতে হবে এবং তা ডিভিশন বেঞ্চ দ্বারা শ্রবণ করা হবে, যার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।
-------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972: Article-36.
- (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
১৩৮.
কোনো অ্যাডভোকেট ধারাবাহিকভাবে কত বারের বেশি বার কাউন্সিলের সদস্য পদে থাকিবে না?
  1. ২ বারের
  2. ৩ বারের
  3. ৪ বারের
  4. ৫ বারের
সঠিক উত্তর:
২ বারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বারের
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ- ৫ক: কোন অ্যাডভোকেট পরপর বা ধারাবাহিকভাবে ২ বারের বেশি সদস্য পদে থাকবেন না।

-The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article-5A. (1) No Advocate shall hold office of member of the Bar Council for more than two consecutive terms.
-(2) An Advocate who has been elected for two consecutive terms as a member of the Bar Council immediately before this Article comes into force shall not be eligible to be elected as a member of the Bar Council for the next term.
১৩৯.
অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভূক্তির অযোগ্যতা সংক্রান্ত বিষয়ে বার কাউন্সিল অর্ডারের কত অনুচ্ছেদে বিধান আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২১
  2. অনুচ্ছেদ ২৭
  3. অনুচ্ছেদ ২৯
  4. অনুচ্ছেদ ৩১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ২৭: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা:
(১) এই আদেশ এবং এর অধীনে প্রণীত বিধিমালার বিধানাধীনভাবে, একজন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্য হবেন যদি তিনি নিম্নোক্ত শর্তাবলি পূরণ করেন:
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক;

(খ) তিনি ২১ বছর বয়স সম্পূর্ণ করেছেন;

(গ) তিনি নিচের যেকোনো একটি যোগ্যতা অর্জন করেছেন:
(i) বাংলাদেশ ভূখণ্ডের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছেন; অথবা

(ii) ২৬শে মার্চ, ১৯৭১ তারিখের পূর্বে পাকিস্তানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বার কাউন্সিল যদি সন্তুষ্ট হয় যে, কোনো ব্যক্তি ২৫শে মার্চ, ১৯৭১-এর পর বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করছিলেন এবং অনিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতির কারণে দেশে ফিরতে পারেননি, তাহলে কাউন্সিল ঐ ডিগ্রিকে স্বীকৃতি দিতে পারে; অথবা

(iii) ১৪ই আগস্ট, ১৯৪৭-এর পূর্বে, ভারত শাসন আইন, ১৯৩৫ অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত ভারতের অন্তর্ভুক্ত যেকোনো এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ডিগ্রি অর্জন করেছেন; অথবা

(iv) বাংলাদেশের বাইরে অবস্থিত বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন; অথবা
তিনি ব্যারিস্টার।

(ঘ) তিনি বার কাউন্সিল নির্ধারিত পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়েছেন; এবং

(ঙ) তিনি নির্ধারিত ভর্তি ফি প্রদান করেছেন এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য শর্ত পূরণ করেছেন।

(১ক) উপধারা (১) সত্ত্বেও, যে ব্যক্তি কমপক্ষে সাত বছর মোক্তার (Mukhtar) হিসেবে কর্মরত ছিলেন, এবং যদি তিনি উপধারা (১)-এর (ক), (খ), (ঘ) ও (ঙ) দফাগুলো পূরণ করেন, তাহলে তাঁকেও অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত করা যেতে পারে, তবে অন্যান্য প্রযোজ্য বিধির আলোকে।

(২) কাউকে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত করার পূর্বে, বার কাউন্সিল চাইলে তাঁকে কোনো নির্ধারিত প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করতে পারে।

(৩) একজন ব্যক্তি অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার অযোগ্য হবেন যদি:
(ক) তিনি সরকার বা কোনো সরকারি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার চাকরি থেকে নৈতিক স্খলন সংক্রান্ত অভিযোগে বরখাস্ত হন এবং বরখাস্তির পর কমপক্ষে দুই বছর অতিক্রান্ত না হয়; অথবা
(খ) তিনি নৈতিক স্খলন সংক্রান্ত কোনো অপরাধে দণ্ডিত হন এবং দণ্ডভোগের পর কমপক্ষে পাঁচ বছর (বা সরকার কর্তৃক গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্ধারিত কম সময়) অতিক্রান্ত না হয়।
১৪০.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর কোথায় অ্যাডভোকেটগণের শপথ গ্রহণ করার বিধান আছে?
  1. বিধি-৬১(২)
  2. বিধি-৬২(২)
  3. বিধি-৬০ক
  4. বিধি-৬০গ
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬২(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬২(২)
ব্যাখ্যা
অ্যাডভোকেটের শপথ:
- অ্যাডভোকেটগণ আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকেন। সামাজিক সুবিচার এবং জনগণের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় তাদের ভূমিকা অসামান্য। সংবিধান ব্যাখ্যা এবং সংবিধান সুরক্ষার দায়িত্বও তাদের উপর বর্তায়। সংবিধানের প্রাধান্য রক্ষা করা অন্যান্যদের মত অ্যাডভোকেটগণের রয়েছে। অ্যাডভোকেটগণ যাতে সংবিধান মেনে চলেন এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত শিষ্টাচার সংক্রান্ত বিধি বিধান মেনে চলেন সে জন্য ১৯৯৯ সনের ৩রা জুন তারিখে প্রকাশিত গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৬২(২) বিধি প্রতিস্থাপন করে উহাতে নিম্ন লিখিত শপথ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে অ্যাডভোকেটগণ ঐ শপথ গ্রহণ করে থাকেন।
-------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972-Rule-62(2) The certificate of enrolment shall then be issued to the advocate on his application to the Bar Council through the Bar Association after his admission as a member thereof in such manner and on fulfillment of such conditions as may be decided by the Bar Council upon taking such oath as prescribed.
১৪১.
বার কাউন্সিলের নির্বাচনের উদ্দেশ্যে সরকার স্থানীয় বার এ্যাসোসিয়েশন বা বার সমিতিকে কয়টি ভাগে বিভক্ত করবে?
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৭ টি
  4. ৯ টি
সঠিক উত্তর:
৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ টি
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972  এর ৫ অনুচ্ছেদ মতে আঞ্চলিক বার সমিতি হতে ৭ জন অ্যাডভোকেটকে নির্বাচিত করার জন্য সরকার বার সমিতি [Bar Assocaition] কে ৭টি গ্রুপে বিভক্ত করবে।
--------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article-5. (1) The Bar Council shall consist of fifteen members, of whom-
(a) one shall be the Attorney-General for Bangladesh ex-officio;
(b) seven shall be elected in the prescribed manner by the advocates on the roll from amongst their members; and
(c) seven shall be elected by the Advocates who are members of the Local Bar Associations included in each group under clause (2), from amongst themselves.
(2) For the purpose of sub-clause (c) of clause (1), the bar associations shall be divided by the Government, by notification in the official Gazette, into seven groups.
১৪২.
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 এর অনুচ্ছেদ _____ এ আলোচনা করা হয়েছে।
  1. ১৮
  2. ২৫
  3. ২৭
  4. ৩০
সঠিক উত্তর:
২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭
ব্যাখ্যা
• আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ: আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির যোগ্যতাসমূহ অনুচ্ছেদ ২৭ এ আলোচনা করা আছে। অনুচ্ছেদ ২৭ অনুযায়ী-

১. তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২. ২১ বছর বয়স পূর্ণ হতে হবে;
৩. বাংলাদেশের কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে;
৪. বাংলাদেশের বাহিরে বার কাউন্সিল স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে, অথবা তাকে ব্যারিস্টার হতে হবে;
৫. তাকে বার কাউন্সিল নির্ধারিত পরীক্ষায় কৃতকার্য হতে হবে;
৬. নিধার্রিত পন্থায় বার কাউন্সিল নিধার্রিত ফি প্রদান করতে হবে;
৭. যিনি ন্যূনতম ৭ (সাত) বছর মোক্তার হিসেবে কাজ করেন, তিনি ২৭ অনুচ্ছেদের দফা ১ এর উপ দফা (ক), (খ), (ঘ), এবং (ঙ) দফার শর্তসমূহ পালন করে আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে পারবেন।
১৪৩.
কোন এ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত শিক্ষানবীশ নিতে পারবেন-
  1. ২ জনের বেশী নয়
  2. ৩ জনের বেশী নয়
  3. ৪ জনের বেশী নয়
  4. ৫ জনের বেশী নয়
সঠিক উত্তর:
৪ জনের বেশী নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জনের বেশী নয়
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 এর বিধি-৬০ (৩) এ বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া, কোন এ্যাডভোকেট ৪ জনের বেশি ব্যক্তিকে শিক্ষানবীশ হিসাবে নিতে পারবে না।
১৪৪.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল আদেশ অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে কত দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে?
  1. আদেশ প্রাপ্তির দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে
  2. আদেশ প্রাপ্তির দিন থেকে ৬০ দিনের মধ্যে
  3. আদেশ প্রাপ্তির দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে
  4. আদেশ প্রাপ্তির দিন থেকে ১২০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
আদেশ প্রাপ্তির দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ প্রাপ্তির দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এবং বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৩৬(১) অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি ট্রাইব্যুনালের আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ হন, তাহলে তিনি আদেশ প্রাপ্তির দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে পারবেন। এই সময়সীমা আইন দ্বারা নির্ধারিত এবং এর ব্যতিক্রম করা যায় না।
-------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972: Article-36.
- (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
১৪৫.
'অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগকারীকে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।'- The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর কত অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. ২৭ অনুচ্ছেদ
  2. ৩৪ অনুচ্ছেদ
  3. ৩৬ অনুচ্ছেদ
  4. ৩৯ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩৪ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর ৩৪ (৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
যদি বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল মনে করে, অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, সে ক্ষেত্রে অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা করতে পারে।

Article- 34(6):
The Tribunal may make such order as to the costs of proceedings before it as it may deem fit; and where the Tribunal is of the opinion that a complaint made against advocate is false and vexatious, it may, in addition, and without prejudice to any other remedy available to an advocate, impose deterrent costs not exceeding a sum of five hundred taka upon the complainant, which shall be paid to the advocate as compensation.
১৪৬.
সরকারি চাকরি হতে নৈতিক স্খলনের দায়ে বরখাস্তকৃত একজন ব্যক্তি এ্যাডভোকেট হবার জন্য অযোগ্য হবে, যদি না সে অতিবাহিত করে
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ২৭ (৩) অনুচ্ছে অনুযায়ী কোন ব্যক্তি সরকারী চাকরী হতে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে অপসারিত হলে এবং ২ বছর অতিক্রম না হলে এবং নৈতিক অবক্ষয় জনিত কোন অপরাধে দণ্ডিত হলে এবং ৫ বছর অতিক্রম না হলে অ্যাডভোকেট হওয়ার যোগ্য হবেনা।
১৪৭.
"Canons of Professional Conduct and Etiquette"-এর চতুর্থ অধ্যায়ের কোন বিধি অনুযায়ী একজন আইনজীবী তার পেশা ব্যতীত অন্য কোনো ব্যবসা বা চাকরির সাথে জড়িত হতে পারবেন না?
  1. বিধি-৫
  2. বিধি-৬
  3. বিধি-৭
  4. বিধি-৮
সঠিক উত্তর:
বিধি-৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-৮
ব্যাখ্যা

⇒ "Canons of Professional Conduct and Etiquette" হলো বাংলাদেশের আইনজীবীদের জন্য প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা যা তাদের পেশাগত আচরণ ও শালীনতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে। এটি একটি সামগ্রিক নিয়মাবলী যা আইনজীবীদের কর্তব্য, দায়িত্ব এবং নৈতিক আচরণের বিভিন্ন দিকগুলো আওতাভুক্ত করে। Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।
অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য;
২য় অধ্যায়- মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব।
------------------------------
-একজন আইনজীবীর জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য: “Canons of Professional Conduct and Etiquette” অংশের চতুর্থ অধ্যায়ের ১-৮ বিধি অনুযায়ী একজন আইনজীবীর জনগণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কী তা উল্লেখ করা হয়েছে-
- একজন আইনজীবীর জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য- ৮টি:
[বিধি-১]-কোন ব্যক্তিকে হয়রানির উদ্দেশ্যে নিযুক্তি না নেওয়া: কোন ব্যক্তিকে বিরক্ত করা, হয়রানি করা বা মোকদ্দমা বিলম্বিত করা ইত্যাদি উদ্দেশ্যে বাদী বা বিবাদী কোন পক্ষে একজন আইনজীবী নিযুক্ত হবেন না।
[বিধি-২]- ভিন্ন পক্ষের সাথে ভালো আচরণ করা: একজন আইনজীবী সর্বদা তার ভিন্ন পক্ষের সাথে ভালো আচরণ করবেন। বিচার চলাকালে আইন বহির্ভুত কাজ করবেন না।
[বিধি-৩]- ক্ষতির উদ্দেশ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করা: একজন আইনজীবী কোন ব্যক্তির ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে মোকদ্দমা দায়ের বা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।
[বিধি ৪]- পরামর্শ প্রদানে বাধ্যবাধকতা: কোন আইনজীবী প্রত্যেককে পরামর্শ প্রদান করতে বা আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য নন।
[বিধি-৫]-  মোকদ্দমা গ্রহণ বা বর্জন করতে পারেন: একজন আইনজীবী কোন ব্যক্তি বা সংস্থা যতই ক্ষমতাবান হোক অথবা রাজনৈতিক মোকদ্দমা যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক তিনি পেশাগত নিযুক্তি গ্রহণে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন।
[বিধি-৬]- পরিচয় প্রকাশ করা: কোন আইনজীবী কোন সরকারি অফিসার, বোর্ড কমিটি ইত্যাদির নিকট পেশাগত দায়িত্বে উপস্থিত হলে প্রথমে তিনি তার পরিচয় দিবেন।
[বিধি-৭]- পূর্বে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে: কোন আইনজীবী যদি কোন বিষয়ে পূর্বে বিচারক পদমর্যাদায় কাজ করেন তাহলে তিনি সেই বিষয়ে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ লাভ করবেন না।
[বিধি-৮]- ব্যবসা, চাকুরি বা অন্য পেশার সাথে জড়িত না হওয়া: একজন আইনজীবী নিজের আইন পেশা ব্যতীত অন্য কোন ব্যবসা, চাকুরি বা পেশার সাথে জড়িত হবে না।

১৪৮.
অ্যাডভোকেট সনদের জন্য আবেদনকারীর Pupilage Diary তে অন্যূন কয়টি মামলার নোট থাকতে হবে-
  1. ৫ টি
  2. ১০ টি
  3. ১২ টি
  4. ১৫ টি
সঠিক উত্তর:
১০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টি
ব্যাখ্যা
⇒বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর বিধি-৬০: শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।

-আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
-অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
-কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
-শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
-হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে।
- ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
- এম.সি.কিউ এবং লিখিত পরীক্ষা এবং হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস অনুমতির পরীক্ষা সরকারি কলেজে হবে।
- বিধি-৬০(গ): এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর ২৫।
১৪৯.
বার কাউন্সিলের ভোটার তালিকা ভোট গ্রহণের কতদিন পূর্বে প্রকাশ করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর : ৩০ দিন।

The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ১১:
১) বার কাউন্সিল ভোটারদের একটি তালিকা প্রকাশ করবে, যাতে বলা থাকবে কোন ভোটার কোন ভোটকেন্দ্রে তার ভোট প্রদান করবে। এই তালিকাটি ভোটগ্রহণের কমপক্ষে ত্রিশ (৩০) দিন আগে প্রকাশ করতে হবে।
শর্তসাপেক্ষ, ভোটগ্রহণ পর্যন্ত বার কাউন্সিল তালিকায় নতুন ভোটার যোগ করার ক্ষমতা রাখবে।
আরও শর্তসাপেক্ষ, যে ব্যক্তি ভোটের সময় পর্যন্ত আইনজীবী না থাকবেন, তিনি ভোট দেওয়ার অধিকার পাবেন না।

(২) সমস্ত ভোটার তালিকায় উল্লেখিত ভোটকেন্দ্রে ভোট দিবেন, তবে যেসব ব্যক্তি ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত, তারা তাদের নিয়োগপ্রাপ্ত কেন্দ্রেই ভোট দিতে পারবেন।
একজন প্রার্থী যে কোনো ভোটকেন্দ্রে তার ভোট দিতে পারবেন।
১৫০.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর ৩৬ অনুচ্ছেদের বিধান মোতাবেক কতদিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ শাস্তি বিধানের বিরুদ্ধে প্রতিকারের বিধান:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর ৩৬ আদেশের বিধান মোতাবেক কোন অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দিলে এবং উক্ত আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে, অনুরূপ আদেশ প্রাপ্তির দিন হতে নব্বই (৯০) দিনের মধ্যে উক্ত সংক্ষুব্ধ অ্যাডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে পারবেন।
- অনুরূপ আপিল হাই কোর্ট বিভাগের ডিভিশন বেঞ্চ কর্তৃক শ্রবণ করতে হবে এবং ঐ বেঞ্চের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে।
-এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।
----------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-36. (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.

১৫১.
বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর কোন অনুচ্ছেদটি 'লিঙ্গ বৈষম্য বিরোধী'?
  1. ২৭ অনুচ্ছেদ
  2. ২৮ অনুচ্ছেদ
  3. ২৯ অনুচ্ছেদ
  4. ৩০ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
২৮ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর  অনুচ্ছেদ - ২৮ এর বিধান: শুধুমাত্র লিঙ্গের কারণে কোনো নারীকে আইনজীবী হিসেবে ভর্তির যোগ্যতা অর্জনের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না।
-------------
⇒  The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972: Article 28. No woman shall be disqualified for admission to be an advocate for reason only of her sex.
১৫২.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের শুনানীর পূর্বে কতদিন সময় দিতে হয়-
  1. ১৪ দিন
  2. ২১ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৭ দিন
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
ব্যাখ্যা
♦বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর ৪৫ বিধি অনুযায়ী কোন অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রাপ্তির পর, ট্রাইব্যুনাল শুনানীর দিন নির্ধারণ করবে কিন্তু সেটা অভিযোগ প্রাপ্তির ২১ দিনের মধ্যে না এর পরে যে কোনো দিন। ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্ত অ্যাভোকেটকে একটি নোটিশ দিবে।
১৫৩.
পেশাগত আচরণ এবং শিষ্টাচারের বিধি অনুযায়ী 'মামলা ডাকার সময় আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব' কোন কর্তব্যের অন্তর্গত?
  1. মক্কেলদের প্রতি কর্তব্য
  2. আদালতের প্রতি কর্তব্য
  3. জনসাধারণের প্রতি কর্তব্য
  4. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি কর্তব্য
ব্যাখ্যা
পেশাগত আচরণ এবং শিষ্টাচারের বিধি অনুযায়ী, "মামলা ডাকার সময় আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব" আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্যের অন্তর্গত। এর মাধ্যমে আইনজীবী আদালতের মর্যাদা রক্ষা ও বিচার প্রক্রিয়ায় সঠিক ভূমিকা পালন করতে দায়িত্ববান হন।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্যের সারমর্ম:
১. মর্যাদা ও সুরক্ষা: - আদালতের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করা উচিত।
- বিচারকদের বিরুদ্ধে অন্যায় সমালোচনা বা কুৎসা থেকে সুরক্ষা প্রদান করা আইনজীবীদের কর্তব্য। তবে, সঠিক অভিযোগ থাকলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।
২. সাক্ষীর পরিচয়: - মামলার জন্য সহায়ক ব্যক্তির সাক্ষ্য সংগ্রহে আইনজীবীকে কোন প্রকার অস্বাভাবিক কার্যকলাপ বা পরামর্শ প্রদান করা উচিত নয়।
৩. সত্যতার প্রতি প্রতিশ্রুতি: - বিচারক, বিচারিক কর্মকর্তার কাছে ভুল তথ্য উপস্থাপন বা ভুল উদ্ধৃতি দেওয়ার বিরুদ্ধে থাকা উচিত।
- বাতিল হয়ে যাওয়া নজির বা আইন আদালতে উপস্থাপন করা উচিত নয়।
৪. বিচারকের সাথে আচরণ: - বিচারকের সাথে ব্যক্তিগতভাবে বা গোপনে মামলার বিষয় আলোচনা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- বিচারকের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রদর্শন করা এবং বিশেষ সুবিধার জন্য প্রচেষ্টা করা উচিত নয়।
৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব: - আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করার চেয়ে ন্যায়বিচার পর্যবেক্ষণ করা প্রধান দায়িত্ব।
- সত্য গোপন করা বা নির্দোষ সাক্ষীকে না আনা গুরুতর তিরস্কারযোগ্য।
৬. মামলা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তা: - বিচারাধীন মামলা পত্রিকায় প্রকাশ করা উচিত নয়।
- মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে একতরফা মন্তব্য করা উচিত নয়।
৭. বিচারক নিয়োগ: - রাজনৈতিক বিবেচনার ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া উচিত।
- বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য যোগ্যতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।
৮. মামলা ডাকার সময় উপস্থিতি: - আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব।
- উপস্থিত থাকতে না পারলে সন্তোষজনক বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।
৯. মতামত প্রদান: - নিজে জড়িত না থাকলে স্বেচ্ছায় মতামত দেওয়া উচিত নয়।
- প্রকাশ্য আদালতে বিজ্ঞ বিচারকের আহ্বানে মতামত প্রদান করা যেতে পারে, তবে নিরপেক্ষভাবে।
১৫৪.
কোনো অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত অভিযোগপত্রের সাথে কত টাকা ফি জমা দিতে হবে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০০ টাকা
  3. ১০০০ টাকা
  4. ২০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ বার কাউন্সিলে কোনো অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগে অভিযোগপত্রের সাথে সংযুক্ত করতে হবে-
i) আইনজীবীর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিবরণ।
ii) অভিযোগপত্রের সাথে ১০০০ টাকা ফি জমা দিতে হবে।
iii) অ্যাফিডেভিটসহ প্রয়োজনীয় সকল ডকুমেন্ট জমা দিতে হবে। কিন্তু অভিযোগ আদালত বা সরকারি কর্মকর্তার অফিসিয়াল দায়িত্বের বিরুদ্ধে হলে অ্যাফিডেভিট জমা দিতে হবে না।
-------------
⇒ Disciplinary Proceedings:
- The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules 1972:-41. A complaint against an advocate shall contain clear charge or charges against such advocate, and sha accompanied by all documents, or copies of documen are available to the complainant and in a case whe complaint is not by a court or by public officer acting official capacity, shall also be supported by an affidavi facts;
- Provided that the Bar Council may, dispense with the of an affidavit.
 
- The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules 1972:-41A. The petition of complaint against an Advocate shall be filed with the Bar Council along with payment of a fee of Tk.1,000.
১৫৫.
“কোনো একজন আইনজীবী পরস্পরবিরোধী স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করবেন না।”- এটি কার এর প্রতি একজন আইনজীবীর আচরণ সম্পর্কিত নীতি?
  1. মক্কেল
  2. সাধারণ জনগণ
  3. আদালত
  4. অন্যান্য আইনজীবী
সঠিক উত্তর:
মক্কেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মক্কেল
ব্যাখ্যা

CANONS OF PROFESSIONAL CONDUCT AND ETIQUETTEE- অধ্যায়- ২ [মক্কেলগণের প্রতি আচরণ]:

১. কোনো একজন আইনজীবী তাঁর মক্কেলের সম্পত্তি বা মামলায় জড়িত সম্পত্তি বা স্বার্থের প্রতি আসক্ত হইবেন না।

২. কোনো একজন আইনজীবী তাঁর মক্কেল বা পূর্ববর্তী মক্কেলের কোনো বিষয়ে নিযুক্তি হেতু বা অন্য কোনো কারণে, গোপনীয় তথ্য জেনে থাকলে তিনি তদ্বিষয়ে আইনগত সহায়তা দানের জন্য তাঁর মক্কেল বা পূর্ববর্তী মক্কেলের বিরুদ্ধে নিয়োগ লাভ করবেন না। অবশ্য যেক্ষেত্রে কোনো একজন আইনজীবী যিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যক্তি কতৃর্ক নিযুক্তি হননি এবং এরূপ নিযুক্তি লাভের জন্য সেবাগত ফি নিননি সেক্ষেত্রে তিনি এরূপ ব্যক্তির স্বাার্থের প্রতিকূলে নিযুক্তির লাভে বারিত নন।

৩. যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধ পক্ষের সাথে বা বিরোধীয় বিষয়বস্তুতে কোনো একজন আইনজীবীর সম্পর্ক থাকে, সেক্ষেত্রে তা প্রথমে ব্যক্ত না করে তিনি উক্ত ব্যক্তির পক্ষে পেশাগত নিযুক্তি গ্রহণ করবেন না।

৪. কোনো একজন আইনজীবী পরস্পরবিরোধী স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করবেন না।

৫. কোনো একজন আইনজীবী স্ব—নামে বা বেনামে কোনো সম্পত্তি ইচ্ছাপত্র কতৃর্ক, বন্ধক উদ্ধার কতৃর্ক বা আদালত—এর নিলাম কিনবেন না। তিনি কোনো একটি পক্ষের যে সম্পত্তির জন্য আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলা পরিচালনা করিয়াছেন সে কাজের পারিশ্রমিক, পুরস্কার বা দান হিসেবে উক্ত সম্পত্তি পুরোপুরি বা অংশবিশেষ গ্রহণ করবেন না।

৬. কোনো একজন আইনজীবী তাঁর নিজের সম্পত্তির সাথে মক্কেলের সম্পত্তি একত্রিত করে ফেলবেন না এবং যদি তিনি মক্কেলের অর্থ বা সম্পদ পেয়ে থাকেন বা রিসিভ করে থাকেন, তাহলে তা অতি তাড়াতাড়ি উক্ত মক্কেলকে জানিয়ে দিবেন।

৭. কোনো একজন আইনজীবী যে পর্যন্ত না একজন পরামর্শক নিযুক্তি না হবেন সে পর্যন্ত কোনো মামলার বাদী বা আসামি পক্ষে মামলা সম্পর্কে উপদেশ দেওয়া আরম্ভ করবেন না। অবশ্য যেক্ষেত্রে কোনো পক্ষের সাথে বা বিষয়বস্তুর সাথে তার সম্পর্ক এরূপ হয় যে তার পদক্ষেপ নেওয়া উচিত সেক্ষেত্রে তিনি তা করতে পারেন।

৮. কোনো একজন আইনজীবী তাঁর পেশাগত ক্ষমতায় কোনো আইন লংঘনের জন্য পরামর্শ দিবেন না। আইন বলবৎ নিন মর্মে সরল বিশ্বাসে পরামর্শ প্রদান করলে অত্র বিধি প্রযোজ্য হবে না।

৯. একজন আসামির অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে কোনো আইনজীবীর ব্যক্তিগতভাবে জানা হতে সৃষ্ট মতামত বা বিশ্বাস যা—ই হোক না কেন তিনি উক্ত আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনে মামলা চালানোর অধিকার রাখেন। অন্যদিকে, কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যিনি কেবলমাত্র পরিস্থিতির শিকার তার পক্ষে আইনজীবী রূপে মামলা চালানোর জন্য অস্বীকৃতি জ্ঞাপনও করতে পারেন। যদি আসামি পক্ষে মামলা চালানোর এরূপ দায়িত্ব গ্রহণ করে তাহলে কোনো একজন আইনজীবী ন্যায়ানুগ ও সম্মানজনকভাবে দেশের আইন কতৃর্ক অনুমোদিত সকল উপায়ে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে বাধ্য এজন্য যে, কোনো ব্যক্তিকেই আইনের সঠিক প্রক্রিয়া ব্যতিরেকে তার জীবন বা স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।

১০. ফি নির্ধারণের ক্ষেত্রে আইনজীবীগণ এরূপ কোনো প্রকার দাবি করবেন না যেন তাদের পরামর্শ ও সেবার চেয়ে অতিরিক্ত হয় অথবা তার অবমূল্যায়ন হয়।

১১. আইনজীবী তার মক্কেলের সাথে ফি বা পারিশ্রমিক সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো বিরোধ সেই পর্যন্ত পরিহার করে চলবেন যে পর্যন্ত তিনি তার বিবেচনায় তার সেবার জন্য যৌক্তিকভাবে পাওয়ার অধিকার রাখেন। মক্কেলের কোনো প্রকার আইন সম্পর্কিত বিষয়ে মামলার কেবলমাত্র অন্যায়, অপচাপ বা প্রবঞ্চনা প্রতিহতের চেষ্টা করতে হবে।

১২. কোনো একজন আইনজীবী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লোকগ্রাহ্য এরূপ কোনো হানিকর কোনো ঘটনাই কার্যকরভাবে উদ্ভূত বা পালিত হতে পারে না এবং প্রত্যাখ্যাত হইতে পারে না কেননা উক্ত পেশা জনসাধারণের উচ্চ ধারণা ও বিশ্বাস থেকে যা সঠিক দায়িত্ব পালন দ্বারা অর্জন করা হয়েছে।

১৩. যখন কোনো একজন আইনজীবী, আনুষ্ঠানিক বিষয় যেমন কোনো দলিলের প্রত্যয়ন বা জিম্মাদারী বা রীতিসিদ্ধ বিষয়ের সাক্ষী ব্যতিরেকে তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষী হন, তখন সে মামলার বিচার পরিচালনার দায়িত্ব অন্য আইনজীবীর উপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। ন্যায়বিচারের জন্য অপরিহার্যতা দায়িত্ব অন্য আইনজীবীর উপর ছেড়ে দেওয়া উচিত। ন্যায়বিচারের জন্য অপরিহার্যতা ব্যতিরেকে কোনো আইনজীবী তার মক্কেলের জন্য সাক্ষ্য প্রদান থেকে বিরত থাকবেন।

১৪. সচরাচর কোনো বিষয়ে যা বিচার ক্ষেত্রে মামলার গুণাগুণকে বারিত করে না, নতুবা মক্কেলের অধিকারের উল্লে­খযোগ্য ক্ষতিকারক রূপে নহে যথা, প্রতিপক্ষের আইনজীবীকে মামলা চালানোর তাগিদ দেওয়া যেক্ষেত্রে তিনি কোনো বিষয়ে শোকার্ত বা অসুস্থ থাকেন; প্রতিপক্ষের আইনজীবীর ক্ষতিকারক কোনো এক বিশেষ তারিখে মামলা চালানোর তাগিদ দেওয়া যেক্ষেত্রে অন্য তারিখে মামলা চালালে, কোনো ক্ষতির কারণ ছিলো না, বর্ধিত কোনো সময়ে লিখিত বর্ণনা পেশে রাজীনামা প্রদান করা, যুক্তিতর্ক পেশ ইত্যাদির ক্ষেত্রে আইনজীবীকে তার স্ব—বিবেক অনুযায়ী বুদ্ধি খাটানোর সুযোগ প্রদান করতে হবে। উক্ত রকমের বিষয়ে মক্কেলের এরূপ দাবি করার সুযোগ থাকবে না যে, তার আইনজীবী হবেন কিংবা তিনি তার সুবিচার ও আদর্শের প্রতিকুলে কাজ করবেন।

১৫৬.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ২৭ অনুচ্ছেদে অনুসারে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির সর্বনিম্ন বয়স কত?
  1. ২১
  2. ২২
  3. ২৩
  4. ২৫
সঠিক উত্তর:
২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ২৭ অনুচ্ছেদে অনুসারে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির সর্বনিম্ন বয়স ২১ বছর।

⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য যোগ্য হবে যদি সে নিম্নলিখিত শর্তপূরণ করে। যথা:
ক) তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
খ) তাকে ২১বছর বয়সী হতে হবে;
গ) সে
(i) বাংলাদেশের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে বা 
ii) ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের পূর্বে হলে পাকিস্তানের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছে বা 
(iii) ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্টের পূর্বে হলে ভারতবর্ষের যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছে বা
(iv) বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত বাংলাদেশের বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেছে বা
(v) তিনি ব্যারিস্টার হয়ে থাকলে;
ঘ। বার কাউন্সিল কর্তৃক কোন পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে এবং 
ঙ) পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি পরিশোধ করেছে এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য শর্ত প্রতিপালন করেছে।
--------------------------------------------------------------------
⇒The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972, Article 27. (1) Subject to provisions of this Order and the rules made thereunder, a person shall be qualified to be admitted as an advocate if he fulfils the following conditions, namely:
(a) he is a citizen of Bangladesh;
(b) he has completed the age of twenty-one years;
(c) he had obtained-
(i) a degree in law from any university situated within the territory which forms part of Bangladesh; or
(ii) before the 26th day of March, 1971, a degree in law from any university in Pakistan 21 or 
(iii) before the 14th day of August, 1947, a degree in law from any university in any area which was comprised before that date within India as defined by the Government of India Act, 1935; or
(iv) a bachelor's degree in law from any university outside Bangladesh recognised by the Bar Council or
 (v) he is a barrister;
(d) he has passed such examination as may be prescribed by the Bar Council and
(e) he has paid such enrolment fee and fulfils such other conditions as may be specified in the rules made by the Bar Council.

১৫৭.
বার কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতিরেকে কোনো আইনজীবী সর্বোচ্চ কতজন শিক্ষানবিশ একসাথে রাখতে পারবেন?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৬০(৩):
(i) কোনো আইনজীবী বার কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতিরেকে একসাথে চারজনের বেশি শিক্ষানবিশ নিতে পারবেন না।

(ii) আইনজীবী ও শিক্ষানবিশের মধ্যে একটি লিখিত চুক্তি থাকতে হবে, যা বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে সম্পাদিত হবে। এই চুক্তি সম্পাদনের ৩০ দিনের মধ্যে বার কাউন্সিলের সচিবের নিকট তা দাখিল করতে হবে, সেই সঙ্গে শিক্ষানবিশ কর্তৃক শপথপত্র দাখিল করতে হবে যাতে সে উক্ত চুক্তি সম্পাদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে। যদি তা না করা হয়, তবে পিউপিলেজ চুক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।

[চুক্তির সঙ্গে ৮০০ টাকা নিবন্ধন ফি, আইন ডিগ্রির সত্যায়িত কপি এবং বার কাউন্সিলের রেজিস্ট্রেশন ফরম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (যেমন: পিউপিলেজ রেজিস্ট্রেশন ফরম, লিখিত পরীক্ষার ফরম [ফরম-A], পুনরায় অংশগ্রহণের আবেদনপত্র ইত্যাদি) দাখিল করতে হবে, যেগুলো বার কাউন্সিল অফিস থেকে নির্ধারিত ফি দিয়ে সংগ্রহ করতে হবে।]

(iii) পিউপিলেজ শুরু হবে চুক্তি সম্পাদনের তারিখ থেকে, তবে কেবল সেই সময় হিসেব করা হবে যখন আইনজীবী প্রকৃতপক্ষে বার-এ প্র্যাকটিস করছিলেন।
শর্তসাপেক্ষে, একজন শিক্ষানবিশ একাধিক আইনজীবীর কাছে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন মোট ছয় মাসের জন্য, যা যথাসম্ভব ধারাবাহিকভাবে হতে হবে।

(iv) যদি কোনো আইনজীবী উক্ত উপনিয়ম অনুযায়ী চুক্তিতে মিথ্যা তথ্য দেন বা উপ-নিয়ম (২)-এর অধীনে মিথ্যা সার্টিফিকেট দেন, তবে তিনি পেশাগত অসদাচরণে (Professional Misconduct) দোষী হবেন।

(v) যদি কোনো প্রার্থী ইচ্ছাকৃতভাবে তার অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দেন, তবে তিনি ৫ (পাঁচ) বছরের জন্য তালিকাভুক্তি থেকে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।

[(vi) হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতির জন্য এবং অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য প্রার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ৫ (পাঁচ) বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। যদি প্রার্থী রেজিস্ট্রেশনের ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারেন, তবে তার রেজিস্ট্রেশন বাতিল বলে গণ্য হবে।]

(vii) অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য ও হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতির জন্য বার কাউন্সিল কর্তৃক এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষা সরকারি কলেজে অনুষ্ঠিত হবে, যার তত্ত্বাবধানে থাকবেন উক্ত কলেজের অধ্যক্ষ।
১৫৮.
আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে কোন শর্তটি পূরণ করা প্রয়োজন নেই?
  1. বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে
  2. ২১বছর বয়সী হতে হবে
  3. অবিবাহিত হতে হবে
  4. আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে
সঠিক উত্তর:
অবিবাহিত হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিবাহিত হতে হবে
ব্যাখ্যা
♦ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও এ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য অনূন্য বয়স হতে হবে ২১ বৎসর।

♦ আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে Bangladesh Legal Practitioner and Bar Council Order 1972 এর অনুচ্ছেদ – ২৭ অনুযায়ী নিম্নোক্ত শর্তাবলী পূরণ করতে হবেঃ
১। প্রথমত তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
২। তাকে ২১বছর বয়সী হতে হবে;
৩। আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে-
বাংলাদেশের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত দেশের বাইরের কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চের পূর্বে হলে পাকিস্তানের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ;
১৯৪৭ সালের ১৪ই আগষ্টের পূর্বে হলে ভারতবর্ষের যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে;
ব্যরিস্টার এট ল’ হয়ে থাকলে;
৪। বার কাউন্সিল কর্তৃক কোন পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে এবং পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত ফি দিলে।

অর্থাৎ আইনজীবী হতে হলে একজন ব্যক্তিকে অবিবাহিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।
১৫৯.
"ক্যাননস অফ প্রফেশনাল কন্ডাক্ট অ্যান্ড এটিকেট"-এর কোন অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর মক্কেলের সম্পত্তির প্রতি আচরণ সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. অধ্যায় ১
  2. অধ্যায় ২
  3. অধ্যায় ৩
  4. অধ্যায় ৪
সঠিক উত্তর:
অধ্যায় ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যায় ২
ব্যাখ্যা

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette (বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত) এর অধ্যায়-২-এর শিরোনাম হলো “মক্কেলগণের প্রতি আচরণ”। এই অধ্যায়ের বিধি-১-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, কোনো আইনজীবী তাঁর মক্কেলের সম্পত্তি বা মামলায় জড়িত সম্পত্তি বা স্বার্থের প্রতি আসক্ত হইবেন না।
- এটি পেশাগত সততা ও স্বার্থবিরোধের (conflict of interest) নীতির পরিপন্থী। আইনজীবীর দায়িত্ব কেবলমাত্র আইনগত সহায়তা প্রদান, ব্যক্তিগত লাভের চিন্তা নয়।

⇒ CANONS OF PROFESSIONAL CONDUCT AND ETIQUETTEE- অধ্যায়- ২ [মক্কেলগণের প্রতি আচরণ]:
বিধি-১. কোনো একজন আইনজীবী তাঁর মক্কেলের সম্পত্তি বা মামলায় জড়িত সম্পত্তি বা স্বার্থের প্রতি আসক্ত হইবেন না।

১৬০.
একজন আইনজীবী পরপর সর্বোচ্চ কয় মেয়াদে বার কাউন্সিলের সদস্য থাকতে পারবেন?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. ৫ বার
সঠিক উত্তর:
২ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৫ক :
(১): কোনো আইনজীবী দুইটি পরপর মেয়াদের বেশি সময় বার কাউন্সিলের সদস্য পদে অধিষ্ঠিত থাকতে পারবেন না।
(1) No Advocate shall hold office of member of the Bar Council for more than two consecutive terms.

(২): যে আইনজীবী এই অনুচ্ছেদ বলবৎ হওয়ার ঠিক পূর্বে পরপর দুই মেয়াদে বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন, তিনি পরবর্তী মেয়াদে বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচনের জন্য যোগ্য হবেন না।
(2) An Advocate who has been elected for two consecutive terms as a member of the Bar Council immediately before this Article comes into force shall not be eligible to be elected as a member of the Bar Council for the next term.
১৬১.
বিচারের লক্ষ্যে কোন মামলা আদালতে উত্থাপিত হলে উক্ত মামলার আইনজীবীর অবশ্যই আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে।এ বিধানটি "Canons of Professional Conduct and Etiquette" এর কোন অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত?
  1. মক্কেলদের প্রতি কর্তব্য
  2. আদালতের প্রতি কর্তব্য
  3. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ
  4. জনসাধারণের প্রতি কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি কর্তব্য
ব্যাখ্যা

উত্তর: Canons of Professional Conduct and Etiquette  এর ৩য় অধ্যায় আদালতের প্রতি কর্তব্য এর অন্তর্ভুক্ত।

Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্যের সারমর্ম:

১. মর্যাদা ও সুরক্ষা: আদালতের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করা উচিত।বিচারকদের বিরুদ্ধে অন্যায় সমালোচনা বা কুৎসা থেকে সুরক্ষা প্রদান করা আইনজীবীদের কর্তব্য। তবে, সঠিক অভিযোগ থাকলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।

২. সাক্ষীর পরিচয়: মামলার জন্য সহায়ক ব্যক্তির সাক্ষ্য সংগ্রহে আইনজীবীকে কোন প্রকার অস্বাভাবিক কার্যকলাপ বা পরামর্শ প্রদান করা উচিত নয়।

৩. সত্যতার প্রতি প্রতিশ্রুটী:  বিচারক, বিচারিক কর্মকর্তার কাছে ভুল তথ্য উপস্থাপন বা ভুল উদ্ধৃতি দেওয়ার বিরুদ্ধে থাকা উচিত।বাতিল হয়ে যাওয়া নজির বা আইন আদালতে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

৪. বিচারকের সাথে আচরণ: বিচারকের সাথে ব্যক্তিগতভাবে বা গোপনে মামলার বিষয় আলোচনা থেকে বিরত থাকা উচিত। বিচারকের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রদর্শন করা এবং বিশেষ সুবিধার জন্য প্রচেষ্টা করা উচিত নয়।

৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব: আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করার চেয়ে ন্যায়বিচার পর্যবেক্ষণ করা প্রধান দায়িত্ব। সত্য গোপন করা বা নির্দোষ সাক্ষীকে না আনা গুরুতর তিরস্কারযোগ্য।

৬. মামলা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তা: বিচারাধীন মামলা পত্রিকায় প্রকাশ করা উচিত নয়। মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে একতরফা মন্তব্য করা উচিত নয়।

৭. বিচারক নিয়োগ: রাজনৈতিক বিবেচনার ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া উচিত। বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য যোগ্যতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।

৮.মামলা ডাকার সময় উপস্থিতি: আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব। উপস্থিত থাকতে না পারলে সন্তোষজনক বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।

৯. মতামত প্রদান: নিজে জড়িত না থাকলে স্বেচ্ছায় মতামত দেওয়া উচিত নয়। প্রকাশ্য আদালতে বিজ্ঞ বিচারকের আহ্বানে মতামত প্রদান করা যেতে পারে, তবে নিরপেক্ষভাবে।

১৬২.
Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বার এসোসিয়েশনকে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-২৫
  2. অনুচ্ছেদ-৩৬
  3. অনুচ্ছেদ-৩৯
  4. অনুচ্ছেদ-৪২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-৩৯
ব্যাখ্যা
Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর Article 39 (অনুচ্ছেদ ৩৯) এ বলা হয়েছে:
- "The Bar Council may recognise a bar association in such manner and subject to such conditions as may be prescribed."
- বার কাউন্সিল নির্ধারিত পদ্ধতি এবং শর্ত সাপেক্ষে, কোনো বার এসোসিয়েশনকে স্বীকৃতি প্রদান করিতে পারিবে।
অর্থাৎ, বার কাউন্সিল নিজস্ব বিধি ও শর্ত অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন বার এসোসিয়েশনকে স্বীকৃতি প্রদান করতে পারে, এবং এই ক্ষমতা সরাসরি অনুচ্ছেদ ৩৯-এ উল্লেখ আছে।

সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) অনুচ্ছেদ-৩৯।
১৬৩.
অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের জবাব শুনানীর সময়ের কমপক্ষে কত দিন পূর্বে বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করবেন?
  1. ২ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৪৬ বিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের জবাব দিতে পারবেন এবং উহার ২ কপি শুনানীর সময়ের কমপক্ষে ৭ দিন পূর্বে বার কাউন্সিলের সচিব বরাবর দাখিল করবেন। সচিব শুনানীর কমপক্ষে দুই দিন পূর্বে তা অভিযোগকারী এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে সরবরাহ করবেন।
-------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules, 1972. Rule- 46: The advocate concerned shall be entitled to file a reply to the allegations against him whether or not he has already filed a reply before the Bar Council.
-He shall deliver such reply along with two copies to the Secretary at least seven days before the date of hearing fixed by the Tribunal and the Secretary shall deliver the copies to the Attorney General and the complainant at least two days before such d hearing.
১৬৪.
বার কাউন্সিল সচিবের অনুপস্থিতিতে সচিব এর স্থলে দায়িত্ব পালন করবেন কে?
  1. বার কাউন্সিল সভাপতি 
  2. বার কাউন্সিলের সহ-সভাপতি 
  3. উপ-সচিব
  4. এ্যাটর্ণী জেনারেল
সঠিক উত্তর:
উপ-সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপ-সচিব
ব্যাখ্যা

The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর ৫৫(২) অনুসারে বার কাউন্সিল  সচিব অনুপস্থিত বা ছুটিতে থাকলে উপ সচিব তার স্থলে দায়িত্ব পালন করবেন।

⇒The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972,
বিধি ৫৫ মতে বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলো সচিব। 
৫৫(১)বার কাউন্সিল সচিব হবেন তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তা এবং উপ সচিব হবেন নির্বাহী কর্মকর্তা।
৫৫(২) সচিব অনুপস্থিত বা ছুটিতে থাকলে উপ সচিব তার স্থলে দায়িত্ব পালন করবেন এবং সচিবের সমস্ত কাজ সম্পন্ন করবেন।
----------------------------------------
The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972,
Rules 55:The Secretary shall be the chief executive officer of the Council.
55 (1). The Secretary shall be the supervisory officer and Deputy Secretary shall be the executive officer of the Council.
55(2). In case of absence or leave of the Secretary, the Deputy Secretary shall be in-charge of the Secretary and perform all functions of the Secretary.

১৬৫.
একজন আইনজীবির আদালতের বিচারকের সাথে বিশেষ সম্পর্ক…
  1. রাখবে
  2. রাখবে না
  3. আংশিক রাখবে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
রাখবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাখবে না
ব্যাখ্যা
♠ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ৩য় অধ্যায়ের ৪নং বিধি অনুযায়ী বিচারকের সঙ্গে আইনজীবির বিশেষ সম্পর্ক থাকতে পারে না।
♠ যদি রাখেন তাহলে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে।  
১৬৬.
হাইকোর্ট বিভাগে আইনচর্চা করার জন্য একজন অ্যাডভোকেটকে সাধারণত কত বছর অধস্তন আদালতে আইনচর্চা করতে হয়?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972-এর অনুচ্ছেদ ২১:
(১) এই আদেশ কার্যকর হওয়ার আগে যেসব আইনজীবী হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস করার অনুমতি পেয়েছেন, তাদের ব্যতীত আর কেউ হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস করতে পারবেন না, যদি না-
(ক) তিনি বাংলাদেশের অধস্তন আদালতসমূহে অ্যাডভোকেট হিসেবে দুই বছর প্র্যাকটিস করে থাকেন; অথবা
(খ) তিনি আইনে স্নাতক ডিগ্রিধারী এবং এমন কোনো বিদেশি হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করেছেন, যেটিকে বাংলাদেশ সরকার গেজেটের মাধ্যমে ঘোষণা করেছে; অথবা
(গ) বার কাউন্সিল নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী তাঁর আইনি প্রশিক্ষণ বা অভিজ্ঞতার কারণে পূর্বোক্ত শর্তাবলি থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।

(২) হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস করার অনুমতি বার কাউন্সিল নির্ধারিত ফরমে প্রদান করা হবে, যদি প্রার্থী প্রমাণ করে যে তিনি ২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্ধারিত ফি পরিশোধ করেছেন এবং (১) উপ-দফায় বর্ণিত প্রাসঙ্গিক শর্তাবলি পূরণ করেছেন।
১৬৭.
The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর কত বিধি অনুযায়ী বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহ্বান করবেন?
  1. ২৭
  2. ২৩
  3. ৩০
  4. ২৮
সঠিক উত্তর:
২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972 এর ২৮ বিধিতে বলা হয়েছে বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ হতে ১ মাসের মধ্যে প্রথম সভা আয়োজন করতে হবে। বার কাউন্সিলের সম্পাদক প্রথম সভা আহ্বান করবেন।
--------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council Rules 1972: Rule-28. The first meeting of a Bar Council shall be held within a month of the commencement of the term of the Bar Council and the Secretary shall convene such meeting. The meeting will be presided over by a member voted to chair.
১৬৮.
বার কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান কীভাবে নির্বাচিত হন?
  1. বার অ্যাসোসিয়েশন মনোনীত করে
  2. বার কাউন্সিল সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচন হয়
  3. প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন
  4. এটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেন
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিল সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিল সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচন হয়
ব্যাখ্যা

The Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 অনুচ্ছেদ ৬- বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান এর বিষয়ে আলোচনা করা আছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
১- বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল পদাধিকার বলে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হবেন।
২- বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচনের মাধ্যমে ভাইস চেয়ারম্যন নির্বাচিত হবেন।
৩- চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান এর কাজ ও ক্ষমতা এই বিধি দ্বারা নির্ধারিত হবে।

১৬৯.
বাংলাদেশের বার কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী কে?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. ভাইস চেয়ারম্যান
  3. সচিব
  4. চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিব
ব্যাখ্যা
♠ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সচিব কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী হিসাবে বিবেচিত হবেন। 
১৭০.
'The right to be heard before another' - নীতিকে সংক্ষেপে কি বলা হয়?
  1. pro-audience
  2. pre-audience
  3. post-audience
  4. first-audience
সঠিক উত্তর:
pre-audience
উত্তর
সঠিক উত্তর:
pre-audience
ব্যাখ্যা

"Pre-audience" নীতিটি বলতে বোঝানো হয় যে, একজন পক্ষের কথা শোনার পূর্বে অন্য পক্ষের কথা শোনা হবে না। এটি সেই নীতিকে প্রকাশ করে যেখানে একটি পক্ষকে অন্যের উপস্থিতির আগে শুনে নেয়া হয়, অর্থাৎ, প্রাথমিকভাবে তার বক্তব্য শোনা হয়। The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 এর ২৬ অনুচ্ছেদে এই নীতি উল্লেখ আছে।

অনুচ্ছেদ ২৬:
(১) অন্যান্য সকল এডভোকেটগণের পূর্বে এটর্নি জেনারেল এর শুনানি করার অধিকার থাকিবে।
( 1) The Attorney-General for Bangladesh shall have the right of pre-audience over all other advocates.

(২) অপরাপর এডভোকেটগণের মধ্যে নিরীক্ষণ করিবার অধিকার তাদের পরস্পরের জ্যেষ্ঠতার উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হইবে।
(2) The right of pre-audience among other advocates shall be determined by seniority interse.

১৭১.
একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কয়টি?
  1. ৮টি
  2. ৯ টি
  3. ১১ টি
  4. ১৪ টি
সঠিক উত্তর:
১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টি
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ১ম  অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে বর্ণিত আছে। 
 একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য ১১টি।
১) ব্যক্তিগত ও পেশাগত মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা। [বিধি-১]।
২) পেশাগত প্রচারণার জন্য কোনো বিজ্ঞাপন দেওয়া যাবে না তবে প্রকাশনা, পেশাগত কার্ড, নামফলক বা প্রচলিত ডাইরেক্টরী ব্যবহার করা যাবে--[বিধি-২]।
৩) একজন অ্যাডভোকেট অন্য ব্যক্তিকে বা দালালকে আইন পেশা পরিচালনার জন্য অনুমতি বা পারিশ্রমিক দিবেন না--[বিধি-৩]।
৪) প্রতিপক্ষের এডভোকেটের অনুপস্থিতিতে আদালতে মামলার বিষয়বস্তু উপস্থাপনা করবেন না [এক তরফা মামলার (ex- parte) ক্ষেত্র ব্যতীত] [বিধি ৪]।
৫) প্রতিপক্ষ মক্কেলের সাথে মামলার বিষয় নিয়ে আলাপ-আলোচনা করবেন না--[বিধি-৫]।
৬) মক্কেল অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট নিয়োগ করতে পারবেন তবে এক্ষেত্রে নিযুক্তির এডভোকেটের বকেয়া পরিশোধ না করলে উক্ত মামলায় অতিরিক্ত এডভোকেটের জড়িত হওয়া উচিত হবে না---[এক্ষেত্রে নিযুক্তির অ্যাডভোকেট এন.ও.সি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) দিলে ভাল হয়।]----[বিধি-৬]।
৭) কোন মামলার বিচার চলার সময় কোনো অ্যাডভোকেট অপরপক্ষের এডভোকেটের ব্যক্তিগত ইতিহাস বা বৈশিষ্ট্যের বিষয়ে কোন বক্তব্য প্রদান করবেন না--[বিধি-৭]।
৮) একজন অ্যাডভোকেট বণ্টন নীতিমালাতে যে-রূপ আছে ঐভাবে আইন সহায়তার জন্য ফিস নিতে পারবে এবং তার ফিস অন্য কোন ব্যক্তির সাথে বণ্টিত বা ভাগ বাটোয়ারা হবে না--[বিধি-৮]।
৯) প্রত্যেক আইনজীবী বার কাউন্সিল প্রণীত তালিকাভুক্তির বিধান অনুসারে পদাধিকারের বিধান মেনে চলবে। [বিধি - ৯]।
১০) জুনিয়র এবং নবীন আইনজীবীরা সর্বদা সিনিয়র এবং প্রবীণ আইনজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে--[বিধি-১০]। 
১১)কোন মামলায় কোন পক্ষে একাধিক অ্যাডভোকেট নিয়োজিত হলে, সেক্ষেত্রে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনা করবেন-- [বিধি-১১]।
১৭২.
বার কাউন্সিলের সচিব কে হবেন?
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্টের বিচারক
  2. জেলা জজ মর্যাদার বিচারক
  3. সদস্যদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ জন
  4. চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত একজন সদস্য
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ মর্যাদার বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ মর্যাদার বিচারক
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৬ক:
বার কাউন্সিলের একজন সচিব থাকবেন, যিনি সরকার কর্তৃক জেলা জজ অথবা অতিরিক্ত জেলা জজদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া হবে এবং যার শর্তাবলি ও নিয়ম সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হবে।

"There shall be a Secretary of the Bar Council appointed by the Government from amongst the District Judges or Additional District Judges on such terms and conditions as may be determined by it."
১৭৩.
যে ব্যক্তি বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে পারেন তার জন্য কি শর্তাবলী রয়েছে?
  1. তিনি একজন নাগরিক হতে হবে
  2. তার বয়স কমপক্ষে ২১ বছর হতে হবে
  3. তিনি অবশ্যই আইন গ্র্যাজুয়েট হতে হবে
  4. উক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর ধারা ২৭ অনুযায়ী, বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার জন্য একজন ব্যক্তির নিম্নলিখিত শর্তাবলী পূরণ করতে হবে:
১. তিনি একজন নাগরিক হতে হবে:
- বাংলাদেশের নাগরিকত্ব থাকা আবশ্যক।
২. তার বয়স কমপক্ষে ২১ বছর হতে হবে:
- বার কাউন্সিলের সদস্য হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ২১ বছর।
৩. তিনি অবশ্যই আইন গ্র্যাজুয়েট হতে হবে:
- বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে।
- অথবা পাকিস্তান বা ভারতের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে (নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে)।
- অথবা বার কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত কোনো বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে ডিগ্রি অর্জন করতে হবে।
এই শর্তাবলী ছাড়াও বার কাউন্সিলের সদস্য হওয়ার জন্য প্রার্থীকে নির্দিষ্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে এবং বার কাউন্সিলের নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) তিনি একজন নাগরিক হতে হবে: এটি সঠিক, তবে এটি একমাত্র শর্ত নয়।
খ) তার বয়স কমপক্ষে ২১ বছর হতে হবে: এটি সঠিক, তবে এটি একমাত্র শর্ত নয়।
গ) তিনি অবশ্যই আইন গ্র্যাজুয়েট হতে হবে: এটি সঠিক, তবে এটি একমাত্র শর্ত নয়।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো ঘ) উক্ত সবগুলো।
১৭৪.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইন শিক্ষা কমিটিতে বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য কতজন থাকে?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৯ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ১১ অনুযায়ী আইন শিক্ষা কমিটি গঠিত হয় এই কমিটির সদস্য ৯ জন।
- এই কমিটির সদস্য নয়জনের মধ্যে পাঁচজন বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য, দুইজন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের শিক্ষক, অপর দুজন বার কাউন্সিলের সদস্য নয় এমন যে কোন ব্যক্তি হতে পারেন।

Article-11:
(1) The Bar Council shall constitute the following standing committees namely:-
(a) an executive committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(c) a finance committee consisting of five members elected by the Council from amongst its members;
(d) a legal education committee consisting of nine members-five elected by the Council from amongst its members and four co-opted by the Council from persons other than the members of the Council at least two of whom shall be teachers of law in any university or college in Bangladesh.

(2) The aforesaid committees shall have such powers and functions as may be prescribed.

(3) The Bar Council may constitute from amongst its members such other committees as it may deem necessary for the performance of its functions under this Order.
১৭৫.
যদি কোনো ব্যক্তি আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধনের আবেদনে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকে, তাহলে তিনি কত বছরের জন্য আইনজীবী হতে অযোগ্য হবেন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) ৫ বছর।

The Bangladesh Legal Practitioners & Bar Council Rules, 1972 এর বিধি ৬০(৩):
(i) কোনো আইনজীবী বার কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতিরেকে একসাথে চারজনের বেশি শিক্ষানবিশ নিতে পারবেন না।

(ii) আইনজীবী ও শিক্ষানবিশের মধ্যে একটি লিখিত চুক্তি থাকতে হবে, যা বার কাউন্সিল কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে সম্পাদিত হবে। এই চুক্তি সম্পাদনের ৩০ দিনের মধ্যে বার কাউন্সিলের সচিবের নিকট তা দাখিল করতে হবে, সেই সঙ্গে শিক্ষানবিশ কর্তৃক শপথপত্র দাখিল করতে হবে যাতে সে উক্ত চুক্তি সম্পাদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে। যদি তা না করা হয়, তবে পিউপিলেজ চুক্তি গ্রহণযোগ্য হবে না।

[চুক্তির সঙ্গে ৮০০ টাকা নিবন্ধন ফি, আইন ডিগ্রির সত্যায়িত কপি এবং বার কাউন্সিলের রেজিস্ট্রেশন ফরম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (যেমন: পিউপিলেজ রেজিস্ট্রেশন ফরম, লিখিত পরীক্ষার ফরম [ফরম-A], পুনরায় অংশগ্রহণের আবেদনপত্র ইত্যাদি) দাখিল করতে হবে, যেগুলো বার কাউন্সিল অফিস থেকে নির্ধারিত ফি দিয়ে সংগ্রহ করতে হবে।]

(iii) পিউপিলেজ শুরু হবে চুক্তি সম্পাদনের তারিখ থেকে, তবে কেবল সেই সময় হিসেব করা হবে যখন আইনজীবী প্রকৃতপক্ষে বার-এ প্র্যাকটিস করছিলেন।
শর্তসাপেক্ষে, একজন শিক্ষানবিশ একাধিক আইনজীবীর কাছে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন মোট ছয় মাসের জন্য, যা যথাসম্ভব ধারাবাহিকভাবে হতে হবে।

(iv) যদি কোনো আইনজীবী উক্ত উপনিয়ম অনুযায়ী চুক্তিতে মিথ্যা তথ্য দেন বা উপ-নিয়ম (২)-এর অধীনে মিথ্যা সার্টিফিকেট দেন, তবে তিনি পেশাগত অসদাচরণে (Professional Misconduct) দোষী হবেন।

(v) যদি কোনো প্রার্থী ইচ্ছাকৃতভাবে তার অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দেন, তবে তিনি ৫ (পাঁচ) বছরের জন্য তালিকাভুক্তি থেকে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।

[(vi) হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতির জন্য এবং অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য প্রার্থীদের রেজিস্ট্রেশন ৫ (পাঁচ) বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। যদি প্রার্থী রেজিস্ট্রেশনের ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারেন, তবে তার রেজিস্ট্রেশন বাতিল বলে গণ্য হবে।]

(vii) অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য ও হাইকোর্টে প্র্যাকটিসের অনুমতির জন্য বার কাউন্সিল কর্তৃক এম.সি.কিউ ও লিখিত পরীক্ষা সরকারি কলেজে অনুষ্ঠিত হবে, যার তত্ত্বাবধানে থাকবেন উক্ত কলেজের অধ্যক্ষ।
১৭৬.
বার কাউন্সিল কর্তৃক গঠিত ট্রাইব্যুনাল হয়-
  1. ৭ ব্যক্তির সমন্বয়ে
  2. ৫ ব্যক্তির সমন্বয়ে
  3. ৩ ব্যক্তির সমন্বয়ে
  4. ১ ব্যক্তির সমন্বয়ে
সঠিক উত্তর:
৩ ব্যক্তির সমন্বয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ব্যক্তির সমন্বয়ে
ব্যাখ্যা
♦The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972  এর ৩৩ অনুচ্ছেদ মতে  মোট ৩ জন সদস্য নিয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়।

♦বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্যে হতে বার কাউন্সিল কর্তৃক মনোনীত ২ জন সদস্য এবং অ্যাডভোকেটদের মধ্যে হতে ১ জন নিয়ে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে।
♦এই তিন জনের মধ্যে যে প্রবীণ, সেই ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হবে।
১৭৭.
বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্তিকরণ কমিটিতে প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত কতজন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক থাকবেন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
তালিকাভুক্তিকরণ কমিটি বা এনরোলমেন্ট কমিটি বিষয়ে ১১খ অনুচ্ছেদে বলা আছে-

১. এ কমিটির সদস্য হবে ৫ জন।
২. প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক হবে এ কমিটির চেয়ারম্যান।
৩. প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত ২ জন হাইকোর্ট এর বিচারপতি থাকবেন এই কমিটিতে।
৪. বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল থাকবেন এই কমিটিতে।
৫. বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে একজন নির্বাচিত সদস্য হবে এ কমিটির সদস্য।
১৭৮.
রাষ্ট্রপতির কত নং আদেশ দ্বারা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল গঠিত হয়?
  1. ২৬নং আদেশ
  2. ৩৬নং আদেশ
  3. ৪৬নং আদেশ
  4. ৫৬নং আদেশ
সঠিক উত্তর:
৪৬নং আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬নং আদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ স্বাধীন বাংলাদেশ গঠিত হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ২৩ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির ৪৬ নং আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
⇒ এটি সরকার কর্তৃক অনুমোদিত একমাত্র কেন্দ্রীয় সংস্থা যা দেশের সকল আইনজীবী এবং আইন শিক্ষার্থীদের তালিকাভুক্তি, নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বভার পালন করে।
⇒ বার কাউন্সিলের নিজস্ব একটি আইন আছে যা Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 নামে পরিচিত। এই আইনে আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধন, শৃংখলা বিধি ইত্যাদি বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।
⇒ কাউন্সিলটি একটি চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নির্বাচিত এক প্যানেল দ্বারা পরিচালিত হয়। সদস্যরা দেশের বিভিন্ন বার সোসাইটি দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নির্বাচন করে।
⇒ বার কাউন্সিলের অন্যান্য দায়িত্বগুলোর মধ্যে আইনজীবী শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ, বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা রক্ষা করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।

১৭৯.
"পেশাগত আচরণ ও শিষ্ঠাচার বিধিমালা" অনুযায়ী একজন আইনজীবী তার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য কয়টি?
  1. ১৪টি
  2. ১১টি
  3. ৯টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
১৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এ মোট ৪টি অধ্যায়ে ৪২টি বিধি আছে।

অধ্যায়সমূহ:
১ম অধ্যায়- আইনজীবীদের পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১১ টি বিধি;
২য় অধ্যায়- একজন আইনজীবীর তার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য- ১৪ টি বিধি;
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি দায়িত্ব প্রতি দায়িত্ব- ৯ টি বিধি;
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারনের প্রতি দায়িত্ব- ৮ টি বিধি।

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ২য় অধ্যায়ে একজন আইনজীবীর তাহার মক্কেলের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে বর্ণিত আছে।
সেখানে ১৪টি বিধি রয়েছে যেখানে একজন আইনজীবীর তাহার মক্কেলের প্রতি কী কী দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবেন তা উল্লেখ আছে।
১৮০.
Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ৩য় অধ্যায়ের ১ম বিধি অনুসারে, আদালতের মর্যাদার প্রতি আইনজীবীদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত?
  1. শ্রদ্ধাশীল
  2. উদাসীন
  3. রাজনৈতিক
  4. অসম্মানজনক
সঠিক উত্তর:
শ্রদ্ধাশীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রদ্ধাশীল
ব্যাখ্যা

⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ৩য় অধ্যায়ের ১ম বিধি অনুসারে, আইনজীবীদের আদালতের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ প্রদর্শন করা উচিত। এটি পেশাগত নৈতিকতার একটি মৌলিক নীতি।
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্যের সারমর্ম:
১. মর্যাদা ও সুরক্ষা: - আদালতের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করা উচিত।
- বিচারকদের বিরুদ্ধে অন্যায় সমালোচনা বা কুৎসা থেকে সুরক্ষা প্রদান করা আইনজীবীদের কর্তব্য। তবে, সঠিক অভিযোগ থাকলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।
২. সাক্ষীর পরিচয়: - মামলার জন্য সহায়ক ব্যক্তির সাক্ষ্য সংগ্রহে আইনজীবীকে কোন প্রকার অস্বাভাবিক কার্যকলাপ বা পরামর্শ প্রদান করা উচিত নয়।
৩. সত্যতার প্রতি প্রতিশ্রুতি: - বিচারক, বিচারিক কর্মকর্তার কাছে ভুল তথ্য উপস্থাপন বা ভুল উদ্ধৃতি দেওয়ার বিরুদ্ধে থাকা উচিত।
- বাতিল হয়ে যাওয়া নজির বা আইন আদালতে উপস্থাপন করা উচিত নয়।
৪. বিচারকের সাথে আচরণ: - বিচারকের সাথে ব্যক্তিগতভাবে বা গোপনে মামলার বিষয় আলোচনা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- বিচারকের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রদর্শন করা এবং বিশেষ সুবিধার জন্য প্রচেষ্টা করা উচিত নয়।
৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব: - আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করার চেয়ে ন্যায়বিচার পর্যবেক্ষণ করা প্রধান দায়িত্ব।
- সত্য গোপন করা বা নির্দোষ সাক্ষীকে না আনা গুরুতর তিরস্কারযোগ্য।
৬. মামলা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তা: - বিচারাধীন মামলা পত্রিকায় প্রকাশ করা উচিত নয়।
- মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে একতরফা মন্তব্য করা উচিত নয়।
৭. বিচারক নিয়োগ: - রাজনৈতিক বিবেচনার ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া উচিত।
- বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য যোগ্যতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।
৮. মামলা ডাকার সময় উপস্থিতি: - আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব।
- উপস্থিত থাকতে না পারলে সন্তোষজনক বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।
৯. মতামত প্রদান: - নিজে জড়িত না থাকলে স্বেচ্ছায় মতামত দেওয়া উচিত নয়।
- প্রকাশ্য আদালতে বিজ্ঞ বিচারকের আহ্বানে মতামত প্রদান করা যেতে পারে, তবে নিরপেক্ষভাবে।

১৮১.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার পূর্বের আদেশ পর্যালোচনা (review) করতে পারে কীভাবে?
  1. নিজ উদ্যোগে
  2. আবেদনের ভিত্তিতে
  3. উচ্চ আদালতের নির্দেশে
  4. ক অথবা খ 
সঠিক উত্তর:
ক অথবা খ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক অথবা খ 
ব্যাখ্যা

⇒ বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা (রিভিউ) করার ক্ষমতা: অনুচ্ছেদ ৩৪(৮) অনুযায়ী: বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল নিজস্ব উদ্যোগে বা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে তার পূর্বের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা (review), পরিবর্তন (vary) বা বাতিল (rescind) করতে পারে।
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪ (৮) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার নিজস্ব উদ্যোগে বা কোন আবেদনের প্রেক্ষাপটে তার সিদ্ধান্ত রিভিউ করতে পারে বা পরিবর্তন করতে পারে বা বাতিল করতে পারে।
------------------ 
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 Article-34(8):
The Tribunal may, of its own motion or on application made to it in this behalf, review any order passed under clause (4) or (6) and maintain, vary or rescind the same, as it thinks fit.

১৮২.
'মামলা ডাকার সময় আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব।'- এই বিধান Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর আইনজীবীদের কোন কর্তব্যের মধ্যে পড়ে?
  1. জনসাধারণের প্রতি কর্তব্য
  2. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি কর্তব্য
  3. আদালতের প্রতি কর্তব্য
  4. মক্কেলদের প্রতি কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি কর্তব্য
ব্যাখ্যা
Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্যের সারমর্ম:

১. মর্যাদা ও সুরক্ষা:
- আদালতের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করা উচিত।
- বিচারকদের বিরুদ্ধে অন্যায় সমালোচনা বা কুৎসা থেকে সুরক্ষা প্রদান করা আইনজীবীদের কর্তব্য। তবে, সঠিক অভিযোগ থাকলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।

২. সাক্ষীর পরিচয়:
- মামলার জন্য সহায়ক ব্যক্তির সাক্ষ্য সংগ্রহে আইনজীবীকে কোন প্রকার অস্বাভাবিক কার্যকলাপ বা পরামর্শ প্রদান করা উচিত নয়।

৩. সত্যতার প্রতি প্রতিশ্রুতি:
- বিচারক, বিচারিক কর্মকর্তার কাছে ভুল তথ্য উপস্থাপন বা ভুল উদ্ধৃতি দেওয়ার বিরুদ্ধে থাকা উচিত।
- বাতিল হয়ে যাওয়া নজির বা আইন আদালতে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

৪. বিচারকের সাথে আচরণ:
- বিচারকের সাথে ব্যক্তিগতভাবে বা গোপনে মামলার বিষয় আলোচনা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- বিচারকের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রদর্শন করা এবং বিশেষ সুবিধার জন্য প্রচেষ্টা করা উচিত নয়।

৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব:
- আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করার চেয়ে ন্যায়বিচার পর্যবেক্ষণ করা প্রধান দায়িত্ব।
- সত্য গোপন করা বা নির্দোষ সাক্ষীকে না আনা গুরুতর তিরস্কারযোগ্য।

৬. মামলা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তা:
- বিচারাধীন মামলা পত্রিকায় প্রকাশ করা উচিত নয়।
- মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে একতরফা মন্তব্য করা উচিত নয়।

৭. বিচারক নিয়োগ:
- রাজনৈতিক বিবেচনার ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া উচিত।
- বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য যোগ্যতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।

৮. মামলা ডাকার সময় উপস্থিতি:
- আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব।
- উপস্থিত থাকতে না পারলে সন্তোষজনক বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।

৯. মতামত প্রদান:
- নিজে জড়িত না থাকলে স্বেচ্ছায় মতামত দেওয়া উচিত নয়।
- প্রকাশ্য আদালতে বিজ্ঞ বিচারকের আহ্বানে মতামত প্রদান করা যেতে পারে, তবে নিরপেক্ষভাবে।
১৮৩.
Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর Article 8 অনুযায়ী, Ad-hoc Bar Council কিভাবে গঠিত হবে?
  1. নির্বাচনের মাধ্যমে
  2. সরকারী গেজেটের মাধ্যমে
  3. রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে 
  4. প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
সরকারী গেজেটের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী গেজেটের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-৮(২) অনুসারে Ad-hoc Bar Council গঠিত হবে  সরকারী গেজেটের মাধ্যমে।

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order,1972 এর অনুচ্ছেদ-৮(২): যখন নির্ধারিত সময়ে বার কাউন্সিলের নির্বাচন মহামারি, অতিমারি, দৈব দুর্বিপাক বা অন্য অনিবার্য কারণবশত সম্ভব না হয়, তখন সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের মাধ্যমে একটি Ad-hoc Bar Council গঠন করতে পারে। এই Ad-hoc Bar Council: সর্বোচ্চ এক বছর মেয়াদে কার্যকর থাকবে, এবং মেয়াদ বর্ধিতযোগ্য নয়, এতে Attorney-General সদস্য হিসেবে থাকবেন এবং তিনিই হবেন চেয়ারম্যান।
---------------------------------------------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article- 8. (1) Elections to the Bar Council shall be held so as to conclude on or before the thirty first day of May in the year in which the term of the Bar Council expires.
Article,8(2) If the elections to the Bar Council cannot be held within the time specified in clause (1) due to pandemic, epidemic, act of God or for any other unavoidable circumstances as may be determined by the Government from time to time, the Government may, by notification in the official Gazette, constitute an Ad-hoc Bar Council consisting of fifteen members for a term not exceeding one year and this term shall not be further extended. The Attorney-General for Bangladesh shall be one of the members of the Ad-hoc Bar Council and shall also be its Chairman.
(4) Notwithstanding anything contained in any other provision of this Order, the Ad-hoc Bar Council shall exercise such powers and functions of the Bar Council as specified in this Order and the rules made thereunder.

১৮৪.
কোন পরিস্থিতিতে প্রতিপক্ষের অ্যাডভোকেট অনুপস্থিত থাকলেও মামলা উপস্থাপন করা যেতে পারে?
  1. মক্কেল চাইলে
  2. ফৌজদারি মামলা হলে
  3. আপিলের সময়
  4. একতরফা বিচারাধীন বিষয় হলে
সঠিক উত্তর:
একতরফা বিচারাধীন বিষয় হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফা বিচারাধীন বিষয় হলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: একতরফা বিচারাধীন বিষয় হলে।

Canons of Professional Conduct and Etiquette-এর ১ম অধ্যায় অনুযায়ী, একজন আইনজীবীর সহ-আইনজীবির প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য মোট ১১টি।  এই বিধিগুলো আইনজীবীদের পেশাগত আচরণ, শিষ্টাচার এবং সহ-আইনজীবিদের প্রতি সম্মান ও সহযোগিতার নীতিমালা নির্ধারণ করে।

বিধি ৫:
একজন আইনজীবী প্রতিপক্ষের আইনজীবীর অনুপস্থিতিতে প্রকাশ্য আদালত ব্যতীত বিরোধপূর্ণ বিষয়ে কোন বিচারক কিংবা বিচারিক কর্মকর্তার নিকট কোন বক্তব্য প্রদান কিংবা যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করিতে পারিবেন না। এমনকি প্রতিপক্ষের আইনজীবীকে কপি সরবরাহ না করিয়া বিরোধপূর্ণ বিষয়ে কোন লিখিত বক্তব্য প্রদান করিতে পারিবেন না। তবে অত্র বিধি কোন একতরফা বিচারাধীন বিষয়ে এবং সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক ও বিচারিক কর্মকর্তার নিকট বিচারাধীন নহে এমন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।
১৮৫.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার রায় রিভিউ করতে পারে-
  1. নিজের ইচ্ছায়
  2. সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
  3. নিজের ইচ্ছায় এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
  4. সরকারের আবেদনে
সঠিক উত্তর:
নিজের ইচ্ছায় এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজের ইচ্ছায় এবং সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনে
ব্যাখ্যা
♦বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪ (৮) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার নিজস্ব উদ্যোগে বা কোন আবেদনের প্রেক্ষাপটে তার সিদ্ধান্ত রিভিউ করতে পারে বা পরিবর্তন করতে পারে বা বাতিল করতে পারে।
১৮৬.
সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী মামলায় আপিল বিভাগ এ মর্মে ঘোষণা করেন যে-
  1. তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি অবৈধ
  2. খন্দকার মোশতাক আহমদ কর্তৃক জারিকৃত সামরিক আদালত অবৈধ
  3. জেনারেল এইচ.এম. এরশাদ কর্তৃক জারিকৃত সামরিক আইন অবৈধ
  4. রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন অবৈধ
সঠিক উত্তর:
রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন অবৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন অবৈধ
ব্যাখ্যা
 ♦ সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬ টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন করে সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী আইন, ১৯৮৮ পাস করা হয়। এই সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে দুইটি রীট দায়ের করা হয়েছিল এই ভিত্তিতে যে প্রজাতন্ত্রের উপর বিচারিক ক্ষমতাসম্পন্ন সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ সংবিধানের মৌলিক ভিত্তি যা পরিবর্তন বা নষ্ট করা যায় না । সুতরাং উক্ত সংশোধনী অবৈধ। হাইকোর্টের বিভক্ত বেঞ্চ এই দুইটি রীট পিটিশন খারিজ করে দেয়। লিভ টু আপীল আপীলেট ডিভিশনে দায়ের করলে তা আপীল বিভাগ মঞ্জুর করে এবং সর্বশেষ সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬ টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন অবৈধ বলে আপীল বিভাগ রায় দেয়।
১৮৭.
বার কাউন্সিলের প্রথম সভায় কে সভাপতিত্ব করবেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. বার কাউন্সিলের সম্পাদক
  3. সবচেয়ে সিনিয়র অ্যাডভোকেট
  4. ভোটে নির্বাচিত একজন সদস্য
সঠিক উত্তর:
ভোটে নির্বাচিত একজন সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোটে নির্বাচিত একজন সদস্য
ব্যাখ্যা

⇒ বার কাউন্সিল বিধিমালা, ১৯৭২-এর বিধি ২৮ অনুযায়ী, একটি বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরুর তারিখ থেকে এক মাসের মধ্যে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়া বাধ্যতামূলক। এই সভা আহ্বান করবেন বার কাউন্সিলের সম্পাদক, এবং সভায় ভোটে নির্বাচিত একজন সদস্য সভাপতিত্ব করবেন।
⇒  বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর বিধি ২৮ অনুসারে, বার কাউন্সিলের প্রথম সভায় ভোটে নির্বাচিত একজন সদস্য সভাপতিত্ব করবেন।
--------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council rules 1972: Rules-28. The first meeting of a Bar Council shall be held within a month of the commencement of the term of the Bar Council and the Secretary shall convené such meeting. The meeting will be presided over by a member voted to chair.

১৮৮.
নিচের কোন ক্ষেত্রে একজন এ্যাডভোকেট তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করতে পারেন?
  1. কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে
  2. কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে
  3. অভিযুক্ত প্রকারে কোনো প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ পেশাগত সদাচরণ ও নিয়মানুবর্তিতা [Cannons of Professional Conduct and Etiquette] ২য় অধ্যায়ে বিধি-১৩ এর বিধান যদি কোন কারণে একজন আইনজীবীকে মক্কেলের দলিল দস্তাবেজ প্রত্যয়ন কিংবা উহার জিম্মাদারী সম্পর্কিত কোন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব ব্যতিরেকে, সাক্ষী হতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনজীবী উক্ত মামলাটি অন্য কোন আইনজীবীর নিকট হস্তান্তর করবে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রয়োজন না হলে তিনি তার মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করবেনা।

অর্থাৎ মক্কেলের প্রতি এ্যাডভোকেটের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিধি-১৩ অনুযায়ী কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে, কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে, অভিযুক্ত প্রকারে কোন প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে, একজন অ্যাডভোকেট মামলা পরিচালনার দায়িত্ব অন্য এ্যাডভোকেটকে অর্পণ করতে হয় না।
-------------------------
⇒ Rule-13. When an Advocate is a witness for his client except as to merely formal matters, such as the attestation or custody, of an instrument and the like, he should leave the trial of the case to other Advocates. Except when essential to the ends of justice, an Advocate should avoid testifying in court on behalf of his client.
১৮৯.
রাষ্ট্রপতির কত নং আদেশ দ্বারা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল গঠিত হয়?
  1. ৪৬ নং আদেশ
  2. ৩৬ নং আদেশ
  3. ৫৬ নং আদেশ
  4. ২৬ নং আদেশ
সঠিক উত্তর:
৪৬ নং আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬ নং আদেশ
ব্যাখ্যা
♦ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সরকারের একটি সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রপতির ৪৬ নম্বর আদেশ, Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 দ্বারা বার কাউন্সিল গঠিত হয়। এই কাউন্সিল আইনজীবীদের পেশার সনদপ্রদান ও নিয়ন্ত্রণ করে, সকল আইনজীবীর কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিবেচনা করে ইত্যাদি।
১৯০.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ পাওয়ার পর শুনানীর পূর্বে কতদিন সময় দিয়ে একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন?
  1. ১৪ দিন
  2. ২১ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২ এর ৪৫ বিধিতে বলা হয়েছে, বার কাউন্সিল হতে মামলাটি পাওয়ার পর ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান অভিযোগ শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবেন এবং উহা বার কাউন্সিল হতে মামলাটি পাওয়ার দিন হতে ২১ দিনের কম হবে না।
- মামলা শুনানীর কমপক্ষে ৭ দিন পূর্বে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মামলার নোটিশ ও কাগজপত্রের কপি সংশ্লিষ্ট এডভোকেট এবং বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের নিকট প্রেরণ করতে হবে।
------------------------------
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972: Rule-45: On receipt of reference from the Bar Council, the Chairman of the Tribunal shall fix a date for the hearing of the case not earlier than twenty one days from such receipt and a notice of the fixed date shall be served on the advocate concerned as well as the Attorney-General, along with copies of the record that has been forwarded to the Tribunal, so as to reach the advocate as well as the Attorney-General not less than seven days before the date fixed.

-Notice of the date shall also be served on the complainant in case the complaint is not by a court or by a public officer acting in his official capacity. Notice of the date should also be put up on the notice board of the Bar Council.
১৯১.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪(৮) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল কোন পরিস্থিতিতে তার পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র আদালতের নির্দেশে
  2. শুধুমাত্র আইনজীবী সমিতির নির্দেশ
  3. শুধুমাত্র বার কাউন্সিলের আবেদন পেলে
  4. ট্রাইব্যুনাল নিজস্ব উদ্যোগে বা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনাল নিজস্ব উদ্যোগে বা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনাল নিজস্ব উদ্যোগে বা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: ঘ) ট্রাইব্যুনাল নিজস্ব উদ্যোগে বা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে।

→ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩৪(৮) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল তার পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা (রিভিউ), পরিবর্তন (vary) বা বাতিল (rescind) করতে পারে নিজস্ব উদ্যোগে বা কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে। এর মানে হল যে, বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল নির্দিষ্ট কোনো পক্ষের প্রয়োজন না হলেও তার সিদ্ধান্ত পুনরায় পর্যালোচনা করার ক্ষমতা রাখে, অথবা যদি কেউ আবেদন করে, তখনও সে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন বা বাতিল করা সম্ভব।

অতএব, এটি আদালত বা আইনজীবী সমিতির নির্দেশনার উপর নির্ভরশীল নয়, বরং ট্রাইব্যুনাল নিজেই এই পদক্ষেপ নিতে পারে।
১৯২.
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 অনুযায়ী বার কাউন্সিল কতটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে?  
  1. ১ 
  2. এক বা একাধিক
সঠিক উত্তর:
এক বা একাধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বা একাধিক
ব্যাখ্যা

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Orders, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী বার কাউন্সিল এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে এবং এর সদস্য সংখ্যা হবে ৩ জন। যথা-
- বার কাউন্সিলের নির্বাচিত দুইজন সদস্য এবং
- তালিকাভুক্ত যে কোনো একজন আইনজীবী।
---------------
Article-33:
(1) The Bar Council may constitute one or more Tribunals and each such Tribunal shall consist of three persons of whom two shall be persons elected by the Council from amongst its members and the other shall be a person co-opted by the Council from amongst the advocates on the roll, and the senior-most advocate amongst the members of a Tribunal shall be its Chairman.

১৯৩.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ অনুসারে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবে-
  1. সরকার কর্তৃক
  2. প্রধান বিচারপতি কর্তৃক
  3. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক
  4. বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যগণ  কর্তৃক
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যগণ  কর্তৃক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যগণ  কর্তৃক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৬ অনুসারে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবে-বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যগণ  কর্তৃক।

⇒ The Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 অনুচ্ছেদ ৬ এ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান এর বিষয়ে আলোচনা করা আছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
(১) বার কাউন্সিলে একজন চেয়ারম্যান এবং একজন সহ-চেয়ারম্যান (ভাইস-চেয়ারম্যান) থাকবেন।
(২) বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল পদাধিকারবলে (ex officio) বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হবেন।
(৩) সহ-চেয়ারম্যান বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে নির্বাচন করে বেছে নেওয়া হবে।
(৪) চেয়ারম্যান ও সহ-চেয়ারম্যানের ক্ষমতা ও দায়িত্ব নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
----------------------------------------
⇒The Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972, Article 6:
(1) There shall be a Chairman and a Vice-Chairman of the Bar Council.
(2) The Attorney-General for Bangladesh shall be the Chairman ex officio of the Bar Council.
(3) The Vice-Chairman of the Bar Council shall be elected in the prescribed manner by the members of the Council from amongst themselves.
(4) The Chairman and the Vice-Chairman of the Bar Council shall have such powers and functions as may be prescribed.

১৯৪.
বার কাউন্সিল ট্রাইবুনাল কত জন সদস্যের সমন্বয়ে গঠন হবে?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ৯ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল:
The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order, 1972 এর অনুচ্ছেদ ৩৩ থেকে ৩৮ এ বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের গঠন, এখতিয়ার এবং কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ৩৩ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারে। বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের গঠনকারী প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-
১. বার কাউন্সিল ট্রাইবুনাল গঠন হবে ৩ জন সদস্যের সমন্বয়ে।
২. তিনজন সদস্যদের মধ্যে ২ জন থাকবে বার কাউন্সিলের সদস্য যারা বার কাউন্সিলের অন্যান্য সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হবে।
৩. অপর একজন সদস্য হবে বার কাউন্সিলের তালিকাভুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে থেকে একজন যাকে মনোনয়ন দিবে বার কাউন্সিল।
৪. তিন সদস্যদের মধ্যে যিনি বয়োঃজ্যেষ্ঠ্য হবেন তিনি হবেন ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান।
৫. বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল কোনো ট্রাইব্যুনালের সদস্য হতে পারবেন না।
১৯৫.
এ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য একজন প্রার্থীর বয়স কত হবে ?
  1. ১৮ বছর
  2. ২১ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩০ বছর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
ব্যাখ্যা
♦ Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 197 (President's Order No. 46 of 1972) এর ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য একজন প্রার্থীর ২১ বছর বয়স হতে হবে।
১৯৬.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের কোন আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আপিল করতে পারে-
  1. আপিল বিভাগে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. বার কাউন্সিল আপিল বোর্ডে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী-
ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে। এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।

Article-36: 
(1)Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.

(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
১৯৭.
বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রাপ্ত সমস্ত এনরোলমেন্ট ফি, অনুদান, দান বা সাবস্ক্রিপশন কীসের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. সরকারি তহবিল
  2. বার কাউন্সিল ফান্ড
  3. বিচার বিভাগীয় তহবিল
  4. অ্যাডভোকেট ওয়েলফেয়ার ফান্ড
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিল ফান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার কাউন্সিল ফান্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) বার কাউন্সিল ফান্ড।

⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস এবং বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রাপ্ত সমস্ত এনরোলমেন্ট ফি, অনুদান, দান বা সাবস্ক্রিপশন বার কাউন্সিল ফান্ডের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই তহবিলটি বার কাউন্সিলের ব্যবস্থাপনায় থাকবে এবং এটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হবে যে কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য পূরণের জন্য, যা বার কাউন্সিলের দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে।

According to Article 13 of the Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972,
- All sums received by the Bar Council as enrolment fees or as grants, donations or subscriptions shall form part of the Bar Council and that fund shall be managed, administered and utilized in such manner as may be prescribed. 
Explanation - In this Article, the expression, “enrolment fees” includes fees and their families and dependents, group insurance schemes and benevolent funds.

১৯৮.
Canons of Professional Conduct and Etiquette অনুযায়ী, বিচারক নিয়োগে অ্যাডভোকেটের ভূমিকা কী?
  1. রাজনৈতিক বিবেচনায় সমর্থন দেওয়া
  2. শুধুমাত্র ব্যক্তিগত পরিচিতদের সমর্থন করা
  3. যোগ্যতা ও নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা করা
  4. নিজের আত্মীয়স্বজনকে নিয়োগের সুপারিশ করা
সঠিক উত্তর:
যোগ্যতা ও নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোগ্যতা ও নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা করা
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional Conduct and Etiquette, অধ্যায়-৩, বিধি-৭ অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেটের দায়িত্ব হচ্ছে বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বিবেচনা নয়, বরং যোগ্যতা এবং নৈতিকতাকে প্রাধান্য দেওয়া। অ্যাডভোকেটদের উচিত শুধুমাত্র যোগ্য ও নৈতিকভাবে উপযুক্ত ব্যক্তিদের বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য সমর্থন করা। তারা অবশ্যই চেষ্টা করবেন এমন ব্যক্তিদের নিয়োগ দিতে যারা বিচারকদের দায়িত্ব পালনে মুক্ত এবং নিরপেক্ষ থাকবেন, এবং যারা রাজনৈতিক বা ব্যবসায়িক চাপ থেকে মুক্ত।

অতএব, বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সমর্থন (ক), ব্যক্তিগত পরিচিতদের সমর্থন (খ), অথবা আত্মীয়স্বজনের সুপারিশ (ঘ) করা আদর্শ আচরণ নয় এবং আইনিভাবে একে সমর্থন করা হয় না।

7. It is the duty of Advocates to endeavour to prevent political considerations from outweighing judicial fitness in the appointment and selection of Judges. They should protest earnestly and actively against the appointment or selection of persons who are unsuitable for the Bench and thus should strive to have elevated thereto only those willing to forego other employments whether of a business, political or other character, which may embarrass their free and fair consideration of questions before them for decision. The aspiration of Advocates for judicial position should be governed by an impartial estimate of their ability to add honour to the office and not by a desire for the distinction the position may bring to themselves.
১৯৯.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ৩১ অনুচ্ছেদ অনুসারে একজন অ্যাডভোকেট কী করতে পারেন?
  1. তার প্র্যাকটিস বন্ধ করতে পারেন
  2. তার লাইসেন্স বাতিল করতে পারেন
  3. তার প্র্যাকটিস স্থগিত করতে পারেন
  4. তার প্র্যাকটিস স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
তার প্র্যাকটিস স্থগিত করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার প্র্যাকটিস স্থগিত করতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর-৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, একজন অ্যাডভোকেট নির্ধারিত পদ্ধতি অনুযায়ী তার আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস (চর্চা) সাময়িকভাবে স্থগিত করতে পারেন।
- এটি কোনো স্থায়ী সিদ্ধান্ত নয়।
- এটি কেবল বার কাউন্সিলের বিধি অনুযায়ী একটি সাময়িক বিরতি।
- প্র্যাকটিস স্থগিত করা মানে হচ্ছে—তিনি কিছু সময়ের জন্য মামলা পরিচালনা করবেন না বা আদালতে হাজির হবেন না।
- এই ধারা অ্যাডভোকেটদের স্বেচ্ছায় কিছু সময়ের জন্য পেশাগত দায়িত্ব থেকে বিরত থাকার সুযোগ দেয়, যেমন: ব্যক্তিগত, স্বাস্থ্যগত বা পেশাগত কারণে।
----------- 
→ The Bangladesh Legal Practitioner's and Bar Council Order, 1972 (President's Order), Article-31:
- An advocate may suspend his practice in such manner as may be prescribed.
২০০.
মেয়াদান্তে বার কাউন্সিলের সদস্যদের শেষ কর্মদিবস কোনটি?
  1. ৩১ মে
  2. ৩০ জুন
  3. ৩১ জুন
  4. ১ লা জুলাই
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ জুন
ব্যাখ্যা
♦ নির্বাচিত কমিটির মেয়াদকাল হবে ৩ বছর। মেয়াদ শেষ হবার বছরে ৩১ শে মে অথবা তার পূর্বেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরবর্তী ১লা জুলাই থেকে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য বার কাউন্সিল গঠিত হবে।

♦ অর্থাৎ মেয়াদান্তে বার কাউন্সিলের সদস্যদের শেষ কার্য দিবস হচ্ছে ৩০ জুন