বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

যতিচিহ্ন ও যতিচিহ্নের ব্যবহার

মোট প্রশ্ন৪৬০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

যতিচিহ্ন ও যতিচিহ্নের ব্যবহার

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৪৬০

২০১.
‘পাদচ্ছেদ’ বলা হয় কোন যতিচিহ্ন কে?
  1. কোলন
  2. দাঁড়ি
  3. সেমিকোলন
  4. কমা
সঠিক উত্তর:
কমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমা
ব্যাখ্যা

• কমা:
- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। শব্দ , বর্গ ও অধীনে বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।
- যেমন:
• গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত- বাংলাদেশ এই ছয়টি ঋতুর দেশ।
• সুজন, দেখ তোকে আসছে।

দাঁড়ি:
- দাঁড়ি অর্থ  পূর্ণচ্ছেদ।
- দাঁড়ি সাধারণত বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে।
যেমন:
• প্রান্ত ফুটবল খেলা পছন্দ করে।
• যথাযথ অনুসন্ধানের পর বলা যাবে কী ঘটেছিল।

সেমিকোলন:
- সেমিকোলন অর্থ হচ্ছে ‘অর্ধচ্ছেদ’।
- স্বাধীন অথচ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে অথবা একই ধরনের বর্গকে পাশাপাশি সাজাতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়। যেমন: 
• সোহাগ ক্রিকেট পছন্দ করে; আমি ফুটবল পছব্দ করি।
• কোনো বইয়ের সমালোচনা করা সহজ; কিন্তু বই লেখা অত সহজ না।

কোলন:
- বাক্যের প্রথম অংশের কোনো উক্তিকে দ্বিতীয় অংশে ব্যাখ্যা করা এবং উদাহরণ উপস্থানের কাজে কোলন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
• ভাষার দুটি রূপ: কথ্য ও লেখ্য।
• সভার সিন্ধান্ত হলো: প্রতি মাসে সব সদস্যকে দশ টাকা করে চাদাঁ দিতে হবে।

উৎস:  বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

২০২.
নিচের কোন বাক্যে যতিচিহ্নের সঠিক প্রয়োগ ঘটে নি?
  1. ক) ‘আমি নির্দোষ, আমি খালাস প্রার্থনা করি।’
  2. খ) গঠিত কমিটিতে সভাপতি, মোহাম্মদ আমজাদ, সহ-সভাপতি, নুর উদ্দীন প্রমুখ।
  3. গ) ব্যাপারটা কী তা বোঝা যাচ্ছে না।
  4. ঘ) সিরাজ বললেন : ‘মূর্খ মানুষ পশুর চেয়ে নিকৃষ্ট।’
সঠিক উত্তর:
খ) গঠিত কমিটিতে সভাপতি, মোহাম্মদ আমজাদ, সহ-সভাপতি, নুর উদ্দীন প্রমুখ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গঠিত কমিটিতে সভাপতি, মোহাম্মদ আমজাদ, সহ-সভাপতি, নুর উদ্দীন প্রমুখ।
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ বাক্য - গঠিত কমিটিতে সভাপতি, মোহাম্মদ আমজাদ, সহ-সভাপতি, নুর উদ্দীন প্রমুখ।
• শুদ্ধ বাক্য - গঠিত কমিটিতে সভাপতি, মোহাম্মদ আমজাদ; সহ-সভাপতি, নুর উদ্দীন প্রমুখ।

সেমিকোলন:
সেমিকোলনের স্থানে কমার চেয়ে বেশি কিন্তু দাড়িঁর চেয়ে কম থামতে হয়। বাক্যের ভেতরে শুধু থামার জন্য কমা-সেমিকোলন ব্যবহার করা হয় না। অর্থ প্রকাশেও কমা ও সেমিকোলন ভূমিকা পালন করে। যেমন-

- কোনো তালিকায় বিদ্যমান একাধিক ব্যক্তির নাম ও পদের তালিকা অনুধাবনের সুবিধার্থে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
যেমন- গঠিত কমিটিতে সভাপতি, মোহাম্মদ আমজাদ; সহ-সভাপতি, নুর উদ্দীন; সাধারণ সম্পাদক, হামেদ আলি প্রমুখ।

- আইনের কোনো ধারায় এক বা একাধিক উপধারা কিংবা শর্ত থাকলে তা পৃথককরণের জন্য সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
যেমন- ধরা যাক, সংবিধানের ৩৬ নং ধারা নিম্নোক্ত উপধারা (১) বয়স ১৮ বছর হতে হবে; (২) প্রকৃতিস্থ হতে হবে।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
২০৩.
ত্রিবিন্দু ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী?
  1. প্রশ্ন বোঝাতে
  2. কোনো অংশ বাদ দিতে
  3. উচ্চারণ বোঝাতে
  4. বাক্য সংযোগ করার জন্য
সঠিক উত্তর:
কোনো অংশ বাদ দিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অংশ বাদ দিতে
ব্যাখ্যা
ত্রিবিন্দু (...):
- কোনাে অংশ বাদ দিতে চাইলে ত্রিবিন্দুর ব্যবহার হয়।

যেমন:
- তিনি রেগে গিয়ে বললেন, “তার মানে তুমি একটা ...।”
- আমাদের ঐক্য বাইরের। ... এ ঐক্য জড় অকর্মক, সজীব সকর্মক নয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২০৪.
সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়-
  1. একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে।
  2. বাক্যের প্রথম অংশের কোনো উক্তিকে দ্বিতীয় অংশে ব্যাখ্যা করার জন্যে।
  3. পরস্পর সম্পর্কিত একাধিক বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ একসঙ্গে ব্যবহৃত হলে।
  4. কোনো অংশ বাদ দিতে চাইলে।
সঠিক উত্তর:
একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে।
ব্যাখ্যা
• সেমিকোলন (;) :
- স্বাধীন অথচ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে অথবা একই ধরনের বর্গকে পাশাপাশি সাজাতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়।
যেমন-
• সোহাগ ক্রিকেট পছন্দ করে; আমি ফুটবল পছন্দ করি।
• কোনো বইয়ের সমালোচনা করা সহজ; কিন্তু বই লেখা অত সহজ নয়।
• তিনি পড়েছেন বিজ্ঞান; পেশা ব্যাংকার; আর নেশা সাহিত্যচর্চা।

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৫ সংস্করণ)।
২০৫.
অর্ধচ্ছেদ এর ক্ষেত্রে বিরতিকালের পরিমাণ কোনটি?
  1. ১ বলতে যে সময় লাগে
  2. ১ সেকেন্ড
  3. ১ বলার দ্বিগুণ সময়
  4. থামার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
১ বলার দ্বিগুণ সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বলার দ্বিগুণ সময়
ব্যাখ্যা
• অর্ধচ্ছেদ এর ক্ষেত্রে বিরতিকালের পরিমাণ - ১ বলার দ্বিগুণ সময়

বাক্যে যতিচিহ্ন অনুসারে থামার পরিমাণ:
• কমা বা পাদচ্ছেদ থাকলে -
- 'এক' বলতে যে সময় লাগে সেই পরিমাণ সময় থামতে হয়।

সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে -
- 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।

• হাইফেন, ইলেক বা লোপ চিহ্ন ও ব্র্যাকেট থাকলে -
- থামার প্রয়োজন হয় না।

• দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময় চিহ্ন, কোলন, কোলন ড্যাস, ড্যাস ইত্যাদি চিহ্ন থাকলে -
- 'এক' সেকেন্ড থামতে হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২০৬.
কোনটি প্রান্তিক বিরামচিহ্ন?
  1. ড্যাস
  2. সেমিকোলন
  3. বিস্ময়বোধক
  4. হাইফেন
সঠিক উত্তর:
বিস্ময়বোধক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিস্ময়বোধক
ব্যাখ্যা
যতিচিহ্ন:
- বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য বাক্যের মধ্যে বা শেষে নিয়মিত বর্ণের পাশাপাশি সাংকেতিক চিহ্নকে যতিচিহ্ন বোঝায়। যতিচিহ্ন ছেদ বা বিরাম চিহ্ন নামেও পরিচিত।

বাক্যে অবস্থান বিবেচনায় বিরাম চিহ্ন ২ প্রকার:
প্রান্তিক বিরামচিহ্ন: দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময়বোধক প্রভৃতি।
বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন: কমা, সেমিকোলন, ড্যাস, হাইফেন ইত্যাদি।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
২০৭.
ব্যাকরণের কোন অংশে 'যতিচিহ্ন' আলোচিত হয়?
  1. ধ্বনিতত্ত্ব
  2. রূপতত্ত্ব
  3. অর্থতত্ত্ব
  4. বাক্যতত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
বাক্যতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাক্যতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
• 'যতিচিহ্ন' ব্যাকরণের বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়। 

• বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাক্যের নির্মাণ ও গঠন বাক্যতত্ত্বের মূল আলোচ্য।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কিভাবে বিন্যস্ত থাকে বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করা হয়।
- এছাড়া বাক্যের রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি এই অংশের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন ইত্যাদি বাক্যতত্ত্ব অংশে আলোচিত হয়।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
২০৮.
'এক সেকেন্ড' বিরতি কাল নয় কোন যতিচিহ্নের?
  1. কোলন ড্যাস চিহ্ন
  2. বিস্ময় চিহ্ন
  3. ব্র্যাকেট চিহ্ন
  4. ড্যাস চিহ্ন
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাকেট চিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাকেট চিহ্ন
ব্যাখ্যা
• যতিচিহ্ন:
মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে যতিচিহ্ন বলে। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।

• নিম্নের উল্লেখিত যতিচিহ্নের বিরতি কালের পরিমাণ 'এক সেকেন্ড'-
- দাড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ,
- প্রশ্নবোধক চিহ্ন,
- বিস্ময় চিহ্ন,
- কোলন,
- কোলন ড্যাস,
- ড্যাস।

• থামার প্রয়োজন নেই-
- হাইফেন,
- ইলেক বা লোপ চিহ্ন,
- ব্র্যাকেট।

উৎস: বাংলা ভষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২০৯.
বাংলা ভাষার ব্যবহৃত কোলন চিহ্নটি হলো-
  1. :
  2. ;
  3. /
  4. " "
সঠিক উত্তর:
:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
:
ব্যাখ্যা
বাক্যের মধ্যে ব্যবহূত বিরামচিহ্নগুলো হচ্ছে:
- কমা (,),
- সেমিকোলন (;),
- কোলন (:),
- হাইফেন (-),
- ড্যাস (—),
- ঊর্ধ্বকমা (’),
- উদ্ধৃতিচিহ্ন (“ ”),
- বিকল্প চিহ্ন (/)।

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম- দশম শ্রেণি, ২০১৯ সংস্করণ]
২১০.
কোনাে অংশ বাদ দিতে চাইলে কোন চিহ্ন ব্যবহার হয়?
  1. ড্যাশ
  2. হাইফেন
  3. ত্রিবিন্দু
  4. কোলন
সঠিক উত্তর:
ত্রিবিন্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিবিন্দু
ব্যাখ্যা
ত্রিবিন্দু (...):
- কোনাে অংশ বাদ দিতে চাইলে ত্রিবিন্দুর ব্যবহার হয়।

যেমন:
- তিনি রেগে গিয়ে বললেন, “তার মানে তুমি একটা ...।”
- আমাদের ঐক্য বাইরের। ... এ ঐক্য জড় অকর্মক, সজীব সকর্মক নয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২১১.
পূর্ণযতি নয় কোনটি?
  1. কমা চিহ্ন 
  2. বিস্ময় চিহ্ন 
  3. প্রশ্নবোধক চিহ্ন 
  4. দাঁড়ি চিহ্ন 
সঠিক উত্তর:
কমা চিহ্ন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমা চিহ্ন 
ব্যাখ্যা

• কমা:
কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। কমা পূর্ণযতি নয়, তাই কমা দিয়ে কোনো বাক্য শেষ হয় না। কমা চিহ্নের বাংলা নাম পাদচ্ছেদ।

'কমা' যতিচিহ্নের ব্যবহার:
• শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।
• সম্বোধন পদের পরে সাধারণত কমা বসে।
যেমন:
- স্যার, আমাকে ব্যাপারটি বুঝিয়ে দেবেন?
- রব, এদিকে এসো।

• বাক্যে একাধিক বিশেষ্য কিংবা বিশেষণ পদের বিবৃতি প্রকাশের ক্ষেত্রে কমা বসাতে হয়।
যেমন:
- জনি বুদ্ধিমান, সাহসী ও জ্ঞানী।
- মীম, সানি, হারুন ও রব কক্সবাজার গিয়েছে।

• তারিখ লিখতে বার ও মাসের পরে 'কমা' বসে।
যেমন:
- ১৯শে আশ্বিন, বৃহস্পতিবার, ১৪২৫ সালে মীম বান্দরবান জেলায় জন্মগ্রহণ করে।

অন্যদিকে, 
অপশনে উল্লেখিত অন্যান্য যতিচহ্নিগুলো বাক্যের শেষে বসে। এগুলোকে প্রান্তিক যতিচিহ্ন বা বিরাম চিহ্ন বলে। দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক এবং বিস্ময় এই যতি-চিহ্নগুলো বাক্যের শেষে বসে বাক্যের সমাপ্তি প্রকাশ করে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

২১২.
জটিল বাক্যের অন্তর্গত প্রত্যেক খণ্ডবাক্যের পরে কোন চিহ্ন বসে?
  1. হাইফেন ( - )
  2. কমা ( , )
  3. সেমিকোলন ( ; )
  4. কোলন ( : )
সঠিক উত্তর:
কমা ( , )
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমা ( , )
ব্যাখ্যা

কমা {পাদচ্ছেদ ( , )} ব্যবহার:
ক) বাক্য পাঠকালে সুস্পষ্টতা বা অর্থ-বিভাগ দেখানোর জন্য যেখানে স্বল্প বিরতির প্রয়োজন, সেখানে কমা ব্যবহৃত হয়। যেমন- সুখ চাও, সুখ পাবে পরিশ্রমে।
খ)পরস্পর সম্বন্ধযুক্ত একাধিক বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ একসঙ্গে বসলে শেষ পদটি ছাড়া বাকি
সবগুলোর পরই কমা বসবে। যেমন- সুখ, দুঃখ, আশা, নৈরাশ্য একই মালিকার পুষ্প।
গ) সম্বোধনের পরে কমা বসাতে হয়। যেমন- রশিদ, এদিকে এসো।
ঘ) জটিল বাক্যের অন্তর্গত প্রত্যেক খণ্ডবাক্যের পরে কমা বসবে। যেমন- কাল যে লোকটি এসেছিল, সে আমার পূর্বপরিচিত।
ঙ) উদ্ধরণ চিহ্নের পূর্বে (খণ্ডবাক্যের শেষে) কমা বসাতে হবে। যেমন- সাহেব বললেন, "ছুটি পাবেন না।”
চ) মাসের তারিখ লিখতে বার ও মাসের পর 'কমা' বসবে। যেমন- ১৬ই পৌষ, বুধবার, ১৩৯৯ সন।
ছ) বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে কমা বসবে। যেমন- ৬৮, নবাবপুর রোড, ঢাকা-১০০০।
জ) নামের পরে ডিগ্রিসূচক পরিচয় সংযোজিত হলে সেগুলোর প্রত্যেকটির পরে কমা বসবে। যেমনডক্টর মুহম্মদ এনামুল হক, এম.এ. পি-এইচ.ডি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

২১৩.
নিচের কোনটি মিথ্যা?
  1. কমা - 'এক' বলতে যে সময় লাগে সেই পরিমাণ সময় থামতে হয়।
  2. সেমিকোলন - 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।
  3. দাঁড়ি - 'এক' সেকেন্ড থামতে হয়।
  4. হাইফেন - 'এক' সেকেন্ড থামতে হয়।
সঠিক উত্তর:
হাইফেন - 'এক' সেকেন্ড থামতে হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইফেন - 'এক' সেকেন্ড থামতে হয়।
ব্যাখ্যা
• "হাইফেন - 'এক' সেকেন্ড থামতে হয়।" - বাক্যটি অশুদ্ধ।
"হাইফেন -এর ক্ষেত্রে থামার প্রয়োজন নেই।
------------------------ 
• নিম্নের উল্লেখিত যতিচিহ্নের বিরতিকালের পরিমাণ 'এক সেকেন্ড'-

- দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ,
- প্রশ্নবোধক চিহ্ন,
- বিস্ময় চিহ্ন,
- কোলন,
- কোলন ড্যাস,
- ড্যাস।

অন্যদিকে,
• সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে -
- 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।

• থামার প্রয়োজন নেই-
- হাইফেন,
- ইলেক বা লোপ চিহ্ন,
- ব্র্যাকেট।

• ‘কমা’ এর বিরতিকাল - ১ বলতে যে সময় প্রয়োজন।

উৎস: বাংলা ভষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২১৪.
কোন যতিচিহ্নের বিরতিকাল এক সেকেন্ড? 
  1. সেমিকোলন
  2. দাঁড়ি
  3. হাইফেন
  4. কমা
সঠিক উত্তর:
দাঁড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাঁড়ি
ব্যাখ্যা
দাঁড়ি:
- দাঁড়ি সাধারণত বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে।
- বাংলা রচনায় দাঁড়ি চিহ্নের ব্যবহার অন্যান্য যতির তুলনায় বেশি।
- বিবৃতিমূলক সরল বাক্যে শুধু একটি দাঁড়ি দিয়ে শেষ হয়।
- এর বিরতিকাল এক সেকেন্ড।
- অনুরোধ, আদেশ ইত্যাদি বোঝায় এমন বাক্যের শেষে দাঁড়ি ব্যবহৃত হয়। 
যেমন:
- তোমার লেখা হলে কলমটা দিয়ো তো।
- প্রান্ত ফুটবল খেলা পছন্দ করে।

অন্যদিকে, 
- হাইফেন - থামার প্রয়োজন নেই।
- কমা - ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন।
- সেমিকোলন - ১ বলার দ্বিগুণ সময়।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২১৫.
'সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ' এর ক্ষেত্রে থামার পরিমাণ -
  1. এক সেকেন্ড থামতে হয়
  2. 'এক' বলার দ্বিগুণ সময়
  3. 'এক' উচ্চারণে যত সময় লাগে
  4. থামার প্রয়োজন হয় না
সঠিক উত্তর:
'এক' বলার দ্বিগুণ সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'এক' বলার দ্বিগুণ সময়
ব্যাখ্যা
• সেমিকোলন:
- স্বাধীন অথচ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে অথবা একই ধরনের বৰ্গকে পাশাপাশি সাজাতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়।

যেমন:
- সোহাগ ক্রিকেট পছন্দ করে; আমি ফুটবল পছন্দ করি।
- কোনো বইয়ের সমালোচনা করা সহজ; কিন্তু বই লেখা অত সহজ নয়।

সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে থামার পরিমাণ:
- 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি ( ২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।
২১৬.
নামের শেষে ডিগ্রি থাকলে কোন চিহ্নটি বসে?
  1. সেমিকোলন
  2. দাঁড়ি
  3. কমা
  4. কোলন
সঠিক উত্তর:
কমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমা
ব্যাখ্যা
• ‘কমা’ বিরামচিহ্ন:
বাংলায় কোনো কিছু লিখতে গিয়ে যত ধরনের যতিচিহ্ন আমরা ব্যবহার করি তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করি কমা (,)। বাক্যের ভেতরের বিরাম-চিহ্ন হলো কমা। বাক্যে ব্যবহৃত কমার ক্ষেত্রে ‘এক’ উচ্চারণ করার সমান সময় থামতে হয়।

অল্প বিরাম বোঝাতে কিছু স্থানে কমা ব্যবহৃত হয়। যথা:
• নামের শেষে ডিগ্রি থাকলে কমা বসে।
যেমন: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, এমএ. পিএইচডি।

• এক জাতীয় একাধিক বাক্য পাশাপাশি ব্যবহৃত হলে তাদের আলাদা করতে।
• একই পদের বারবার ব্যবহারের মাঝে কমা বসে।
• সম্বোধনের পর কমা বসে।
• তারিখ লিখতে কমা বসে ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২১৭.
নিচের কোন যতি চিহ্নের ক্ষেত্রে ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন ততটুকু সময় থামতে হয়?
  1. ক) কমা
  2. খ) কোলন
  3. গ) প্রশ্নবােধক চিহ্ন
  4. ঘ) ব্র্যাকেট
সঠিক উত্তর:
ক) কমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কমা
ব্যাখ্যা

যতি বা ছেদ চিহ্নের বিরতি কালঃ
কমা- ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন।
সেমিকোলন- ১ বলার দ্বিগুণ সময়।
দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ- এক সেকেন্ড।
প্রশ্নবোধক চিহ্ন- এক সেকেন্ড।
বিস্ময় ও সম্বোধন চিহ্ন- এক সেকেন্ড।
কোলন- এক সেকেন্ড।
ড্যাস- এক সেকেন্ড।
কোলন ড্যাস- এক সেকেন্ড।
হাইফেন - থামার প্রয়োজন নেই।
ইলেক বা লোপ চিহ্ন- থামার প্রয়োজন নেই।
একক উদ্ধৃতি চিহ্ন- 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
যুগল উদ্ধৃতি চিহ্ন- 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
ব্র্যাকেট (বন্ধনি চিহ্ন)- থামার প্রয়োজন নেই।
ধাতু দ্যোতক চিহ্ন- থামার প্রয়োজন নেই।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।

২১৮.
কোনটি বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন?
  1. হাইফেন
  2. দাঁড়ি
  3. বিস্ময়বোধক
  4. প্রশ্নবোধক চিহ্ন
সঠিক উত্তর:
হাইফেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইফেন
ব্যাখ্যা

যতিচিহ্ন:
- বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য বাক্যের মধ্যে বা শেষে নিয়মিত বর্ণের পাশাপাশি সাংকেতিক চিহ্নকে যতিচিহ্ন বোঝায়।
- যতিচিহ্ন ছেদ বা বিরাম চিহ্ন নামেও পরিচিত।

বাক্যে অবস্থান বিবেচনায় বিরাম চিহ্ন ২ প্রকার:
 - প্রান্তিক বিরামচিহ্ন: দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময়বোধক প্রভৃতি।
 - বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন: কমা, সেমিকোলন, ড্যাস, হাইফেন ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২১৯.
পরবর্তী শব্দ থেকে উৎপত্তি বুঝাতে কোন চিহ্ন বসে?
  1. ক) >
  2. খ) <
  3. গ) √
  4. ঘ) <-
সঠিক উত্তর:
খ) <
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) <
ব্যাখ্যা
• ধাতু বোঝাতে (√) চিহ্ন বসে।
• পরবর্তী শব্দ থেকে উৎপন্ন বোঝাতে (<)  চিহ্ন বসে - জাঁদরেল < জেনারেল। 
• পূর্ববর্তী শব্দ থেকে উৎপন্ন বোঝাতে (>)  চিহ্ন বসে -  গঙগা > গাঙ।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ নবম দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।
২২০.
একাধিক বাক্য সংযোজক অব্যয়ের দ্বারা যুক্ত না হলে কোন চিহ্ন বসে?
  1. কোলন ড্যাশ
  2. কোলন
  3. কমা
  4. সেমিকোলন
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
ব্যাখ্যা

সেমিকোলন (;):
- একাধিক বাক্যের মধ্যে নিকট সম্পর্ক থাকলে তাদের মাঝে যোগসূত্র রক্ষার জন্য সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
- সেমিকোলনচিহ্ন কমার চেয়ে দ্বিগুণ সময় বিরতি নেয়।
যেমন:

১. দুটো বাক্যের মধ্যে ভাব বা অর্থের সম্বন্ধ থাকলে সেমিকোলন বসে।
যেমন:
- দিনটা ভালো নয়; মাঝে মাঝে বৃষ্টি পড়ছে।
- কথাটা বলা সহজ; করা কঠিন।

২. একাধিক বাক্য সংযোজক অব্যয়ের দ্বারা যুক্ত না হলে সেমিকোলন বসে।
যেমন:
- আগে স্কুলের পড়া; পরে গল্পের বই।

৩. যেসব অব্যয় বৈপরীত্য বা অনুমান প্রকাশ করে, তাদের আগে সেমিকোলন বসে।
যেমন:
- মনোযোগ দিয়ে পড়; তাহলেই ভালো ফল করবে।
- ছেলেটি মেধাবী; কিন্তু ভারি অলস।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

২২১.
কোন যতিচিহ্নের অপর নাম- 'দৃষ্টান্তচ্ছেদ'?
  1. সেমিকোলন
  2. কোলন
  3. কমা
  4. দাঁড়ি
সঠিক উত্তর:
কোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোলন
ব্যাখ্যা

• 'কোলন' বিরামচিহ্নের অপর নাম - দৃষ্টান্তচ্ছেদ।

অন্যদিকে, 
• 'কমা' এর বাংলা অর্থ - পাদচ্ছেদ।
• 'দাড়ি' এর অপর নাম - পূর্ণচ্ছেদ।
• 'সেমিকোলন' এর অপর নাম - অর্ধচ্ছেদ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২২২.
কোন যতিচিহ্নটি বাক্যের মধ্যকার বিরতিকাল নির্দেশ করে?
  1. ইলেক চিহ্ন
  2. সেমিকোলন
  3. হাইফেন
  4. ব্র্যাকেট 
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
ব্যাখ্যা

• বাক্যের মধ্যকার বিরতিকাল নির্দেশ করে- সেমিকোলন।

-------------
• যতিচিহ্ন:
- মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।

⇒ সেমিকোলন:
সেমিকোলনের স্থানে কমার চেয়ে বেশি কিন্তু দাঁড়ির চেয়ে কম থামতে হয়। অর্থ্যাৎ, এক বলার দ্বিগুণ সময় পরিমাণ থামতে হয়। বাক্যের ভেতরে শুধু থামার জন্য কমা-সেমিকোলন ব্যবহার করা হয় না। অর্থ প্রকাশেও কমা ও সেমিকোলন ভূমিকা পালন করে। যেমন:

সেমিকোলনের ব্যবহার:
- একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একটি স্বাধীন বাক্যে লিখতে সেগুলোর মাঝে সেমিকোলন বসে।
- কমা’র বারংবার ব্যবহারের পর কিন্তু দাঁড়ির আগে সেমিকোলন বসে।
- কমা অপেক্ষা অধিক বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে।
- কোনো তালিকায় বিদ্যমান একাধিক ব্যক্তির নাম ও পদের তালিকা অনুধাবনের সুবিধার্থে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
যেমন: গঠিত কমিটিতে সভাপতি, মোহাম্মদ আমজাদ; সহ-সভাপতি, নুর উদ্দীন; সাধারণ সম্পাদক, হামেদ আলি প্রমুখ।
- আইনের কোনো ধারায় এক বা একাধিক উপধারা কিংবা শর্ত থাকলে তা পৃথককরণের জন্য সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
যেমন- ধরা যাক, সংবিধানের ৩৬ নং ধারা নিম্নোক্ত উপধারা (১) বয়স ১৮ বছর হতে হবে; (২) প্রকৃতিস্থ হতে হবে।

অন্যদিকে: 
• থামার প্রয়োজন নেই যেসব যতিচিহ্নে- 
- হাইফেন,
- ইলেক বা লোপ চিহ্ন,
- ব্র্যাকেট।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।

২২৩.
বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কোন চিহ্ন ব্যবহার হয়?
  1. কমা
  2. কোলন
  3. সেমিকোলন
  4. দাঁড়ি
সঠিক উত্তর:
কমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমা
ব্যাখ্যা
কমা:
- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়

যেমন,
- গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, ও বসন্ত - বাংলাদেশ এই ছয়টি ঋতুর দেশ।
- নিবিড় অধ্যাবসায়, কঠোর পরিশ্রম ও সময়নিষ্ঠ থাকলে সাফল্য আসবে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২২৪.
দুটি বাক্যের মধ্যে ভাবগত বা অর্থগত সম্পর্ক প্রকাশ করতে কোন যতিচিহ্ন ব্যবহার করা হয়? 
  1. সেমিকোলন
  2. হাইফেন
  3. কোলন
  4. কোলন ড্যাস
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
ব্যাখ্যা

• সেমিকোলন (;):
- একাধিক বাক্যের মধ্যে নিকট সম্পর্ক থাকলে তাদের মাঝে যোগসূত্র রক্ষার জন্য সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।

১. দুটো বাক্যের মধ্যে ভাব বা অর্থের সম্বন্ধ থাকলে সেমিকোলন বসে।
যেমন:
- দিনটা ভালো নয়; মাঝে মাঝে বৃষ্টি পড়ছে।
- কথাটা বলা সহজ; করা কঠিন।

২. একাধিক বাক্য সংযোজক অব্যয়ের দ্বারা যুক্ত না হলে সেমিকোলন বসে।
যেমন:
- আগে স্কুলের পড়া; পরে গল্পের বই।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

২২৫.
'সেমিকোলন’ এর বাংলা অর্থ কী?
  1. পাদচ্ছেদ
  2. দৃষ্টান্তচ্ছেদ
  3. অর্ধচ্ছেদ
  4. পূর্ণচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
অর্ধচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• 'সেমিকোলন’- এর বাংলা অর্থ - অর্ধচ্ছেদ।

• 'সেমিকোলন’:
- স্বাধীন অথচ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাযে অথবা একই ধরণের বর্গকে পাশাপাশি সাজাতে সেমিকোলন ( ; ) ব্যবহৃত হয়।
যেমন -
- সোহাগ ক্রিকেট পছন্দ করে; আমি ফুটবল পছন্দ করি।

• সেমিকোলন চিহ্নের ব্যবহার:
- একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একটি স্বাধীন বাক্যে লিখতে সেগুলোর মাঝে সেমিকোলন বসে।
- কমা’র বারংবার ব্যবহারের পর কিন্তু দাঁড়ির আগে সেমিকোলন বসে।
- কমা অপেক্ষা অধিক বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে।
- কোনো তালিকায় বিদ্যমান একাধিক ব্যক্তির নাম ও পদের তালিকা অনুধাবনের সুবিধার্থে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
যেমন- গঠিত কমিটিতে সভাপতি, মোহাম্মদ আমজাদ; সহ-সভাপতি, নুর উদ্দীন; সাধারণ সম্পাদক, হামেদ আলি প্রমুখ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি(২০১৮ সংস্করণ)।
২২৬.
অভ্যন্তর যতিচিহ্ন নয় কোনটি?
  1. প্রশ্নচিহ্ন
  2. ড্যাশ
  3. সেমিকোলন
  4. কমা
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নচিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নচিহ্ন
ব্যাখ্যা
• যতিচিহ্ন:
বাক্যের অর্থ সুস্পষ্টভাবে বোঝাবার জন্য বাক্যের মধ্যে বা বাক্যের শেষে কিংবা বাক্যের আবেগ (আনন্দ, বেদনা, দুঃখ), জিজ্ঞাসা ইত্যাদি প্রকাশের উদ্দেশে বাক্যগঠনে যেভাবে বিরতি দিতে হয়। লেখার সময় বাক্যের মধ্যে তা দেখানোর জন্য যেসব সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, সেগুলোই বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্ন বা ছেদচিহ্ন।

বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ অনুসারে, বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত যতিচিহ্ন হলো:
• অন্ত্যযতি:
১. দাঁড়ি (।),
২. প্রশ্নচিহ্ন (?),
৩. বিস্ময়চিহ্ন (!),
৪. দুই দাঁড়ি (।।)। 

• অভ্যন্তর যতি:
৫. কমা (,),
৬. সেমিকোলন (;),
৭. হাইফেন (-),
৮. ড্যাশ (_),
৯. কোলন (:), 
১০. কোলন-ড্যাশ (:-), 
১১. বিন্দু (.)। 

• অন্যান্য যতি:
১২. ঊর্ধ্বকমা ('), 
১৩. ত্রিবিন্দু (...), 
১৪. উদ্ধৃতিচিহ্ন ('...'/"..."), 
১৫. বন্ধনীচিহ্ন (({{-]})), 
১৬. বিকল্পচিহ্ন (/)। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (দ্বিতীয় খণ্ড)।
২২৭.
বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে কোন বিরামচিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
  1. কোলন ড্যাস ( :- )
  2. কোলন ( : )
  3. হাইফেন ( - )
  4. সেমিকোলন ( ; )
সঠিক উত্তর:
হাইফেন ( - )
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইফেন ( - )
ব্যাখ্যা

হাইফেন ( - ):
- বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- মা-বাবার কাছে সন্তানের গৌরব সবচেয়ে বড় গৌরব।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে নিয়েই গড়ে উঠেছে এই ক্লাব।

অন্যদিকে,
• কোলন( : )
- একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য একটি বাক্য লিখতে হলে কোলন ব্যবহার করতে হয়। যেমন:
- সভায় ঠিক করা হল: এক মাস পর আবার সভা অনুষ্ঠিত হবে।

• সেমিকোলন ( ; ):
- স্বাধীন অথচ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে অথবা একই ধরনের বৰ্গকে পাশাপাশি সাজাতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়। যেমন:
- সোহাগ ক্রিকেট পছন্দ করে; আমি ফুটবল পছন্দ করি।

• কোলন ড্যাস ( :- ):
- উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত প্রয়োগ করতে হলে কোলন এবং ড্যাস চিহ্ন একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়। যেমন-
পদ পাঁচ প্রকার:-
বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় ও ক্রিয়া।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

২২৮.
কোন যতিচিহ্নকে অর্ধচ্ছেদ বলে?
  1. ক) সেমিকোলন
  2. খ) কোলন
  3. গ) দাঁড়ি
  4. ঘ) ড্যাস
সঠিক উত্তর:
ক) সেমিকোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেমিকোলন
ব্যাখ্যা
• সেমিকোলন কে বলা হয় - অর্ধচ্ছেদ।

কিছু বিরাম-চিহ্নের বাংলা অর্থ:
দাড়ি - পূর্ণচ্ছেদ।
সেমিকোলন - অর্ধচ্ছেদ। 
কোলন - দৃষ্টান্তচ্ছেদ।
কোলন ড্যাস - ছেদ বাক্যসঙ্গতি চিহ্ন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২২৯.
একাধিক বাক্যের মধ্যে নিকট সম্পর্ক থাকলে তাদের মাঝে যোগসূত্র রক্ষার জন্য, কোন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়?
  1. সেমি
  2. সেমিকোলন
  3. হাইফেন
  4. কোলন
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
ব্যাখ্যা
সেমিকোলন (;):
- একাধিক বাক্যের মধ্যে নিকট সম্পর্ক থাকলে তাদের মাঝে যোগসূত্র রক্ষার জন্য সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়। সেমিকোলনচিহ্ন কমার চেয়ে দ্বিগুণ সময় বিরতি নেয়। দুটো বাক্যের মধ্যে ভাব বা অর্থের সম্বন্ধ থাকলে সেমিকোলন বসে।

যেমন:
- দিনটা ভালো নয়; মাঝে মাঝে বৃষ্টি পড়ছে।
- কথাটা বলা সহজ; করা কঠিন।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
২৩০.
কোনটি অন্ত্যযতি চিহ্ন?
  1. বন্ধনীচিহ্ন
  2. কোলন
  3. ঊর্ধ্বকমা
  4. দুই দাঁড়ি
সঠিক উত্তর:
দুই দাঁড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই দাঁড়ি
ব্যাখ্যা
• অন্ত্যযতি চিহ্ন হচ্ছে 'দুই দাঁড়ি (।।)'।

• যতিচিহ্ন:

- মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।

• বাক্যের শেষে যে যতিচিহ্নগুলো ব্যবহৃত হয়, এগুলোকে প্রান্তিক যতিচিহ্ন বা অন্ত্যযতি চিহ্ন বলে।
• অন্ত্যযতি:
১. দাড়ি (।),
২. প্রশ্নচিহ্ন (?),
৩. বিস্ময়চিহ্ন (!),
৪. দুই দাঁড়ি (।।)।

• অভ্যন্তর যতি:
৫. কমা (,),
৬. সেমিকোলন (;),
৭. হাইফেন (-),
৮. ড্যাশ (—),
৯. কোলন (:),
১০. কোলন-ড্যাশ (:-),
১১. বিন্দু (.)।

• অন্যান্য যতি:
১২. ঊর্ধ্বকমা ('),
১৩. ত্রিবিন্দু (...),
১৪. উদ্ধৃতিচিহ্ন ('...'/”...”),
১৫. বন্ধনীচিহ্ন (({{-]})),
১৬. বিকল্পচিহ্ন (/)।

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ(প্রথম খণ্ড), বাংলা একাডেমি।
২৩১.
পূর্ণ বাক্যের শেষে ব্যবহৃত হয়, এমন বিরামচিহ্নের সংখ্যা কতটি?
  1. ২টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• বাক্যে অবস্থান বিবেচনায় বিরামচিহ্নকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়।\
যথা - 
-  প্রান্তিক বিরামচিহ্ন।
- বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন।

• প্রান্তিক বিরামচিহ্ন:
- যেসব বিরামচিহ্ন বাক্যের শেষে বসে তাদের প্রান্তিক বিরামচিহ্ন বলে।
- এগুলোর সংখ্যা - ৩টি। 
- দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময়বোধক প্রভৃতি প্রান্তিক বিরামচিহ্ন।

• বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন:
- যেসব বিরামচিহ্ন বাক্যের শেষে ছাড়া অন্যান্য স্থানে বসে তাদের বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন বলা হয়। 
যেমন- কমা, কোলন, সেমিকোলন, ড্যাশ, হাইফেন ইত্যাদি।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি-ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
২৩২.
অনুরোধ, আদেশ ইত্যাদি বোঝায় এমন বাক্যের শেষে কোন যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
  1. দাঁড়ি
  2. ড্যাশ
  3. হাইফেন
  4. কমা
সঠিক উত্তর:
দাঁড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাঁড়ি
ব্যাখ্যা
দাঁড়ি:
- দাঁড়ি সাধারণত বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে। বাংলা রচনায় দাঁড়ি চিহ্নের ব্যবহার অন্যান্য যতির তুলনায় বেশি। বিবৃতিমূলক সরল বাক্যে শুধু একটি দাঁড়ি দিয়ে শেষ হয়। অনুরোধ, আদেশ ইত্যাদি বোঝায় এমন বাক্যের শেষে দাঁড়ি ব্যবহৃত হয়।

যেমন:
- তোমার লেখা হলে কলমটা দিয়ো তো।
- প্রান্ত ফুটবল খেলা পছন্দ করে।

অন্যদিকে,
কমা:
- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে।
- শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।
যেমন,
- গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, ও বসন্ত - বাংলাদেশ এই ছয়টি ঋতুর দেশ।
- নিবিড় অধ্যাবসায়, কঠোর পরিশ্রম ও সময়নিষ্ঠ থাকলে সাফল্য আসবে।

হাইফেন:
- বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- মা-বাবার কাছে সন্তানের গৌরব সবচেয়ে বড় গৌরব।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে নিয়েই গড়ে উঠেছে এই ক্লাব।

ড্যাশ:
- সাধারণত দুটি বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে এবং ব্যাখ্যাযোগ্য বাক্যাংশের আগে-পরে ড্যাস ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- বাংলাদেশ দল জয়লাভ করেছে - বিজয়ের আনন্দে দেশের জনগণ উচ্ছ্বসিত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২৩৩.
'কমা' চিহ্নের জন্য কতক্ষণ থামতে হয়?
  1. থামার দরকার নেই
  2. ১ বলার দ্বিগুণ সময়
  3. ১ বলার সময়
  4. ১ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
১ বলার সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বলার সময়
ব্যাখ্যা
বিরাম চিহ্ন:
- মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে বিরামচিহ্ন বলে। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।

যতি বা ছেদ চিহ্নের বিরতি কাল:
• কমা - ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন।
• সেমিকোলন - ১ বলার দ্বিগুণ সময়।
• দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ - এক সেকেন্ড।
• প্রশ্নবোধক চিহ্ন - এক সেকেন্ড।
• বিস্ময় ও সম্বোধন চিহ্ন - এক সেকেন্ড।
• কোলন - এক সেকেন্ড।
• ড্যাস - এক সেকেন্ড।
• কোলন ড্যাস - এক সেকেন্ড।
• হাইফেন - থামার প্রয়োজন নেই।
• ইলেক বা লোপ চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই।
• একক উদ্ধৃতি চিহ্ন - 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
• যুগল উদ্ধৃতি চিহ্ন - 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।
• ব্র্যাকেট (বন্ধনি চিহ্ন) - থামার প্রয়োজন নেই।
• ধাতু দ্যোতক চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৩৪.
কে প্রথম যতিচিহ্নের সার্থক প্রয়োগ ঘটান?
  1. ক) রাজা রামমোহন রায়
  2. খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা

১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে ‘বেতালপঞ্চবিংশতি’ গ্রন্থে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রথম যতিচিহ্নের সার্থক প্রয়োগ ঘটান।

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।

২৩৫.
হাইফেন কোন পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত হয় না?
  1. সমাসবদ্ধ শব্দ গঠনে
  2. বাক্যের মধ্যে বিরামচিহ্ন হিসেবে
  3. পদ সংযোজনে
  4. সমাসে বিভক্তির পরিবর্তে
সঠিক উত্তর:
বাক্যের মধ্যে বিরামচিহ্ন হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাক্যের মধ্যে বিরামচিহ্ন হিসেবে
ব্যাখ্যা
• হাইফেন:
- বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
- হাইফেন মূলত পদ সংযোজক চিহ্ন।
- সমাসে বিভক্তির বদলেও হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের সমাসবদ্ধ পদ তৈরি করার সময়ে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২৩৬.
উদাহরণ উপস্থাপনের কাজে ব্যবহৃত হয়-
  1. কমা
  2. কোলন
  3. দাঁড়ি
  4. সেমিকোলন
সঠিক উত্তর:
কোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোলন
ব্যাখ্যা
• কোলন (:)
- বাক্যের প্রথম অংশের কোনো উক্তিকে দ্বিতীয় অংশে ব্যাখ্যা করা এবং উদাহরণ উপস্থাপনের কাজে কোলন ব্যবহৃত হয়।
যেমন
- ভাষার দুটি রূপ: কথ্য ও লেখ্য।
- সভার সিদ্ধান্ত হলো: প্রতি মাসে সব সদস্যকে দশ টাকা করে চাঁদা দিতে হবে।

অন্যদিকে,
• কমা (,) এর ব্যবহার: 
- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।
যেমন:
- গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত বাংলাদেশ এই ছয়টি ঋতুর দেশ।
- নিবিড় অধ্যবসায়, কঠোর পরিশ্রম ও সময়নিষ্ঠ থাকলে সাফল্য আসবে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, "পাপকে ঠেকাবার জন্যে কিছুনা করাই তো পাপ।"

• দাঁড়ি :
- দাঁড়ি সাধারণত বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে।
যেমন
- প্রান্ত ফুটবল খেলা পছন্দ করে।

• সেমিকোলন (;)
- স্বাধীন অথচ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে অথবা একই ধরনের বর্গকে পাশাপাশি সাজাতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়।
যেমন
- সোহাগ ক্রিকেট পছন্দ করে; আমি ফুটবল পছন্দ করি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২৫ সালের সংস্করণ)।
২৩৭.
একই ধরনের একাধিক বাক্য বা বাক্যাংশকে আলাদা করতে, কোন বিরামচিহ্ন বসে?
  1. হাইফেন
  2. দাঁড়ি
  3. কোলন
  4. কমা
সঠিক উত্তর:
কমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমা
ব্যাখ্যা
কমা (,):
- বাক্যে অল্প বিরতি বোঝাতে কমা বসে। নানা প্রয়োজনে বাক্যে কমাচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:

১. বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য কমা বসে।
যেমন:
তুমি যাবে, না যাবে না?
সুখ চাও, সুখ পাবে পরিশ্রমে।

২. বাক্যে সম্বোধনের পর কমা বসে।
যেমন:
সেতু, পড়তে বসো।
বিধু, খাবে এসো।

৩. একই পদের একাধিক শব্দ পাশাপাশি ব্যবহৃত হলে কমা বসে।
যেমন:
বিশেষ্য: পদ্মা, মেঘনা, যমুনা বাংলাদেশের প্রধান প্রধান নদী।
বিশেষণ: সুখ, দুঃখ, আশা, নিরাশা একই মালার ফুল।
সর্বনাম: তুমি, আমি ও রবিন বাজারে যাব।

৪. একই ধরনের একাধিক বাক্য বা বাক্যাংশকে আলাদা করতে কমা বসে।
যেমন:
শ্রেষ্ঠা ক্লাসে ঢুকল, বই রাখল, তারপর বেরিয়ে গেল।
আমাদের কাছে স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, পহেলা বৈশাখ খুবই আনন্দের দিন।

৫. বাক্যে উদ্ধৃতিচিহ্নের আগে কমা বসে।
যেমন:
মা বললেন, "অঙ্ক করতে বসো।"
আমি বললাম, "গল্পের বই পড়তেই ভালো লাগছে।"

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
২৩৮.
প্রান্তিক যতিচিহ্ন কয়টি?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
গ) চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চারটি
ব্যাখ্যা
যতিচিহ্ন:
- বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য বাক্যের মধ্যে বা শেষে নিয়মিত বর্ণের পাশাপাশি সাংকেতিক চিহ্নকে বোঝায়।
- যতিচিহ্ন ছেদ বা বিরাম চিহ্ন নামেও পরিচিত।

বাক্যে অবস্থান বিবেচনায় বিরাম চিহ্নকে ২ প্রকার:
- প্রান্তিক বিরামচিহ্ন ৪টি: দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময়বোধক দুই দাঁড়ি (।।)।
- বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন: কমা, সেমিকোলন, ড্যাস, হাইফেন ইত্যাদি।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি ।
২৩৯.
নিচের কোন বাক্যটিতে যতিচিহ্ন সঠিকভাবে প্রয়োগ হয় নি?
  1. ক) ড. মুহম্মদ এনামুল হক, এম.এ. পি-এইচডি
  2. খ) সুখ, দুঃখ, আশা, নৈরাশ্য একই মালিকার পুষ্প।
  3. গ) ৬৮, জেল রোড, ঢাকা-১২০০
  4. ঘ) সাহেব বললেন ''ছুটি পাবেন না।''
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাহেব বললেন ''ছুটি পাবেন না।''
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাহেব বললেন ''ছুটি পাবেন না।''
ব্যাখ্যা
সাহেব বললেন ''ছুটি পাবেন না।'' - বাক্যটিতে যতিচিহ্ন সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয় নি।
- উদ্ধরণ চিহ্নের পূর্বে (খন্ডবাক্যের শেষে) কমা বসাতে হবে।
যেমন - সাহেব বললেন, ''ছুটি পাবেন না।''

- নামের পরে ডিগ্রিসূচক পরিচয় দেওয়া হলে সেগুলোর প্রত্যেকটির আগে কমা বসে।
যেমন - ড. মুহম্মদ এনামুল হক, এম.এ. পি-এইচডি।
- বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে কমা বসবে।
যেমন - ৬৮, জেল রোড, ঢাকা-১২০০।
- পরস্পর সমন্ধযুক্ত একাধিক বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ একসঙ্গে বসলে শেষ পদটি ছাড়া বাকি সবগুলোর পরই কমা বসবে।
যেমন - সুখ, দুঃখ, আশা, নৈরাশ্য একই মালিকার পুষ্প।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৪০.
শুদ্ধ যতিচিহ্নের ব্যবহার হয়েছে কোন বাক্যটিতে?
  1. ১৮ পৌষ, বুধবার ১৩১০, বঙ্গাব্দ।
  2. ১৮ পৌষ বুধবার, ১৩১০ বঙ্গাব্দ।
  3. ১৮ পৌষ, বুধবার, ১৩১০ বঙ্গাব্দ।
  4. ১৮, পৌষ বুধবার ১৩১০ বঙ্গাব্দ।
সঠিক উত্তর:
১৮ পৌষ, বুধবার, ১৩১০ বঙ্গাব্দ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ পৌষ, বুধবার, ১৩১০ বঙ্গাব্দ।
ব্যাখ্যা
• মাসের তারিখ লিখতে বার ও মাসের পরে - 'কমা' বসে।

• মাসের তারিখ লিখতে বার ও মাসের পর কমা বসবে।
যেমন;
১৮ পৌষ, বুধবার, ১৩১০ বঙ্গাব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৪১.
বক্তব্য স্পষ্ট করার জন্যে সমজাতীয় বাক্য পাশাপাশি প্রতিস্থাপন করলে কোন যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
  1. কোলন
  2. ড্যাশ
  3. সেমিকোলন
  4. ত্রিবিন্দু
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
ব্যাখ্যা
• সেমিকোলন-চিহ্ন (;):
সেমিকোলন বা অর্থচ্ছেদ হলো বাক্যের মধ্যে ব্যবহৃত এক ধরনের বাক্যান্তর্গত চিহ্ন। মনোভাব প্রকাশের বেলায় একটা ভাব একটিমাত্র বাক্যে শেষ হয়ে সন্নিহিত ভাবের নতুন বাক্য শুরু করতে চাইলে একটু বেশি থামতে হয়।

অর্থাৎ একাধিক বাক্যের মধ্যে অর্থের নিকট-সম্মন্ধ থাকলে বাক্যগুলোকে একটু বেশি থামার চিহ্ন দিয়ে ভাগ করতে হয়। এর জন্যে সেমিকোলন বসে। সেমিকোলনের বিরামের অনুপাত কমার (,) দ্বিগুণ। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়-

১. একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একটি বাক্যে লিখলে সেগুলোর মাঝখানে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়। যেমন- তিনি শুধু তামাশা দেখিতেছিলেন; কোথাকার জল কোথায় গিয়া পড়ে।

২. বক্তব্য স্পষ্ট করার জন্যে সমজাতীয় বাক্য পাশাপাশি প্রতিস্থাপন করলে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়। যেমন- 'বৃদ্ধ তাহারাই যাহারা মায়াচ্ছন্ন নব মানবের অভিনব জয়যাত্রার শুধু বোঝা নয়, বিঘ্ন; শতাব্দীর নব যাত্রীর চলার ছন্দে ছন্দ মিলাইয়া যাহারা কুচকাওয়াজ করিতে জানে না, পারে না; জীব হইয়াও জড়; যাহারা অটল সংস্কারের পাষাণ-স্তূপ আঁকড়িয়া পড়িয়া আছে।'

৩. দুটি বা তিনটি বাক্য যোজক শব্দের সাহায্যে যুক্ত না হলে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়। যেমন- আগে পাঠ্যবই পড়; পরে গল্প-উপন্যাস।

8. কোনো তালিকায় একাধিক ব্যক্তির নাম ও তাঁদের পদের উল্লেখ থাকলে বোঝবার সুবিধার জন্যে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়। যেমন- এবারের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদে যাঁরা রয়েছেন তাঁরা হলেন: আকবরউদ্দিন আহমদ, সভাপতি; আফসার রায়হান, সাধারণ সম্পাদক; চিত্ত বড়ুয়া, প্রচার সম্পাদক; এন্ড্রু গোমেজ, সংস্কৃতি সম্পাদক; ইত্যাদি।

৫. সেজন্যে, তবু, তথাপি, সুতরাং ইত্যাদি যে-সব যোজক বৈপরীত্য বা অনুমান প্রকাশ করে তাদের আগে সেমিকোলন বসে। যেমন- সে ফেল করেছে; সেজন্যে সে মুখ দেখায় না।

৬. যেসব বাক্যে ভাবসাদৃশ্য আছে তাদের মধ্যে সেমিকোলন বসে। যেমন- দিনটা ভালো নয়; মাঝে মাঝে বৃষ্টি পড়ছে।

৭. ছোটো ছোটো বিতর্কিত অংশ নির্দেশ করার জন্যে সেমিকোলন বসে। যেমন- মেয়েটি, যে প্রথম হয়েছে, একটি পুরস্কার পেয়েছে; এবার আশা করা যায়, সে আরো ভালো করবে।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৪২.
কমা (Comma) এর বাংলা কী?
  1. অর্ধছেদ
  2. দৃষ্টান্তছেদ
  3. পাদচ্ছেদ
  4. পূর্ণচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
পাদচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাদচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

'কমা (,)'- এর অপর নাম হচ্ছে পাদচ্ছেদ।

কমা (,):
- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।
- "কমা" চিহ্নের বিরতিকাল ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন।

অন্যদিকে,
- 'দাড়ি' এর অপর নাম পূর্ণচ্ছেদ।
- 'সেমিকোলন' এর অপর নাম অর্ধচ্ছেদ।
- 'কোলন' বিরামচিহ্নের অপর নাম দৃষ্টান্তচ্ছেদ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৪৩.
সেমিকোলন থাকলে থামতে হয় —
  1. এক বলার সময়
  2. এক সেকেন্ড
  3. এক বলার দ্বিগুণ সময়
  4. থামার প্রয়োজন হয় না
সঠিক উত্তর:
এক বলার দ্বিগুণ সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বলার দ্বিগুণ সময়
ব্যাখ্যা
• বাক্যে যতিচিহ্ন অনুসারে থামার পরিমাণ:
• কমা বা পাদচ্ছেদ থাকলে -
- 'এক' বলতে যে সময় লাগে সেই পরিমাণ সময় থামতে হয়।

• সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে -
- 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।

• হাইফেন, ইলেক বা লোপ চিহ্ন ও ব্র্যাকেট থাকলে -
- থামার প্রয়োজন হয় না।

• দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময় চিহ্ন, কোলন, কোলন ড্যাস, ড্যাস ইত্যাদি চিহ্ন থাকলে -
- 'এক' সেকেন্ড থামতে হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৪৪.
বাক্যে 'পাদচ্ছেদ' থাকলে কতক্ষণ থামতে হয়?
  1. ১ বলতে যে সময় লাগে
  2. এক সেকেন্ড
  3. ১ বলার দ্বিগুণ সময়
  4. থামার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
১ বলতে যে সময় লাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বলতে যে সময় লাগে
ব্যাখ্যা
• পাদচ্ছেদ (,) থাকলে - ১ বলতে যে সময় লাগে

♦ বাক্যে যতিচিহ্ন অনুসারে থামার পরিমাণ -

• কমা বা পাদচ্ছেদ থাকলে -
- 'এক' বলতে যে সময় লাগে সেই পরিমাণ সময় থামতে হয়।

• সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে -
- 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।

• হাইফেন, ইলেক বা লোপ চিহ্ন ও ব্র্যাকেট থাকলে -
- থামার প্রয়োজন হয় না।

• দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময় চিহ্ন, কোলন, কোলন ড্যাস, ড্যাস ইত্যাদি চিহ্ন থাকলে -
- 'এক' সেকেন্ড থামতে হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৪৫.
বাংলা ভাষায় প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন কয়টি?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪টি
ব্যাখ্যা
• ‘কোলন’ প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন নয়।
- বাক্যের শেষে বসে ৪টি যতিচিহ্ন বা বিরাম চিহ্ন।
- এগুলো হলো:
১. দাঁড়ি (।)
২. প্রশ্নচিহ্ন (?)
৩. বিস্ময়চিহ্ন (!)
৪. দুই দাঁড়ি (।।)।
- এগুলোকে প্রান্তিক যতিচিহ্ন বা বিরাম চিহ্ন বলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪৬.
‘বাক্যসঙ্গতি’ কোন বিরামচিহ্নের বাংলা নাম?
  1. সেমিকোলন
  2. কমা
  3. কোলন
  4. ড্যাশ
সঠিক উত্তর:
ড্যাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড্যাশ
ব্যাখ্যা
⇒ যতিচিহ্ন:
মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।

• ড্যাশ চিহ্ন:
- ‘ড্যাশ’ কথাটিতে আছে হঠাৎ সরে যাওয়ার ইঙ্গিত।
- ‘ড্যাশ’ বিরামচিহ্নের বাংলা অর্থ বাক্যসঙ্গতি চিহ্ন।
- যৌগিক ও মিশ্রবাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা ততোধিক বাক্যের সমন্বয় বা সংযোগ বুঝাতে- ব্যবহৃত হয়-ড্যাশ বিরাম চিহ্ন।
এছাড়াও,
- কোনো কথার উদাহরণ, দৃষ্টান্ত বা বিন্তার বুঝাতে ব্যবহৃত হয়- ড্যাশ।

আরো কিছু ক্ষেত্রে ড্যাশ চিহ্ন ব্যবহৃত হয়:
• বাক্য অসম্পূর্ণ থাকলে বাক্যের শেষে।
• কোন কথার দৃষ্টান্ত বা বিস্তার বোঝাতে।
• স্থান বা কালগত ব্যবধান নির্দেশ করতে।
• উদ্ধৃতি চিহ্নের পরিবর্তে ড্যাশ-চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
• অভিধানে শব্দ ও তার অর্থের মাঝখানে ড্যাশ বসে।

অন্যদিকে,
- ‘সেমিকোলন’ বিরামচিহ্নের বাংলা অর্থ অর্ধচ্ছেদ চিহ্ন।
- ‘কমা’ বিরামচিহ্নের বাংলা নাম ‘পাদচ্ছেদ চিহ্ন’।
- ‘কোলন’ এর বাংলা নাম দৃষ্টান্তছেদ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২৪৭.
কমা ( , ) - এর অপর নাম কী?
  1. পূর্ণচ্ছেদ
  2. অর্ধচ্ছেদ
  3. পাদচ্ছেদ
  4. স্বল্পচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
পাদচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাদচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

• ‘কমা ( , )’ - এর অপর নাম হচ্ছে পাদচ্ছেদ। 

• কমা (,):
- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।
- "কমা" চিহ্নের বিরতিকাল - ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন।

অন্যদিকে,
- 'দাড়ি' এর অপর নাম পূর্ণচ্ছেদ।
- 'সেমিকোলন' এর অপর নাম অর্ধচ্ছেদ। 
- 'কোলন' বিরামচিহ্নের অপর নাম দৃষ্টান্তচ্ছেদ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৪৮.
দুটো শব্দের সংযোগ বোঝাতে কোন বিরাম চিহ্নটি বসে?
  1. ড্যাস
  2. সেমিকোলন
  3. কোলন
  4. হাইফেন
সঠিক উত্তর:
হাইফেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইফেন
ব্যাখ্যা
হাইফেন (-)
- হাইফেনকে বাংলায় সংযোগ চিহ্ন বলা হয়। বিভিন্ন কারণে বাক্যে হাইফেনের ব্যবহার হয়।
যেমন:

১. দুটো শব্দের সংযোগ বোঝাতে হাইফেন বসে।
যেমন:
আমার মা-বাবা বেড়াতে গেছেন।
পাপ-পুণ্য, ভালো-মন্দ বিবেক দিয়ে বুঝতে হয়।

২. সমাসবদ্ধ পদের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করে দেখাবার জন্য হাইফেন বসে।
যেমন:
আমাদের প্রীতি-উপহার গ্রহণ করুন।
তাদের মধ্যে অহি-নকুল সম্পর্ক।

৩. একই ধরনের শব্দ প্রকাশের ক্ষেত্রে হাইফেন বসে।
যেমন:
বাংলাদেশ নদ-নদীর দেশ।
ঢাকা-খুলনা-বরিশাল এ দেশের বড় শহর।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
২৪৯.
বাক্যে প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?) থাকলে কতক্ষণ থামতে হয়?
  1. ১ বলতে যে সময় লাগে
  2. এক সেকেন্ড
  3. ১ বলার দ্বিগুণ সময়
  4. থামার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
এক সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?) থাকলে - এক সেকেন্ড থামতে হয়।

♦ বাক্যে যতিচিহ্ন অনুসারে থামার পরিমাণ -

• কমা বা পাদচ্ছেদ থাকলে -
- 'এক' বলতে যে সময় লাগে সেই পরিমাণ সময় থামতে হয়।

• সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে -
- 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।

• হাইফেন, ইলেক বা লোপ চিহ্ন ও ব্র্যাকেট থাকলে -
- থামার প্রয়োজন হয় না।

• দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময় চিহ্ন, কোলন, কোলন ড্যাস, ড্যাস ইত্যাদি চিহ্ন থাকলে -
- 'এক' সেকেন্ড থামতে হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৫০.
কোনটি পদসংযোজক চিহ্ন?
  1. হাইফেন
  2. কোলন
  3. কমা
  4. সেমিকোলন
সঠিক উত্তর:
হাইফেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইফেন
ব্যাখ্যা
• যতিচিহ্ন:
- মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।

• হাইফেন:
- বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
- হাইফেন মূলত পদসংযোজক চিহ্ন।
- সমাসে বিভক্তির বদলেও হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের সমাসবদ্ধ পদ তৈরি করার সময়ে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- মা-বাবার কাছে সন্তানের গৌরব সবচেয়ে বড় গৌরব।
- স্কুল-পালানো ছেলে।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে নিয়েই গড়ে উঠেছে এই ক্লাব।

-------------------
অন্যদিকে,
- 'কোলন' এর বাংলা অর্থ - দৃষ্টান্তচ্ছেদ।
- ‘কমা’ বিরামচিহ্নের বাংলা নাম ‘পাদচ্ছেদ চিহ্ন’।
- ‘সেমিকোলন’ বিরামচিহ্নের বাংলা নাম অর্ধচ্ছেদ চিহ্ন।

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২৫১.
চারটি বিরাম চিহ্নের মধ্যে পূর্ণচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) ড্যাস
  2. খ) হাইফেন
  3. গ) সেমিকোলন
  4. ঘ) দাড়ি
সঠিক উত্তর:
ঘ) দাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দাড়ি
ব্যাখ্যা
দাঁড়ি (।) পূর্ণচ্ছেদ চিহ্ন, এর ব্যবহারের ফলে এক সেকেন্ড বিরতি দিতে হয়৷
দাড়ি, জিজ্ঞাসা চিহ্ন (?) এবং বিস্ময়চিহ্ন (!) বাক্যের শেষে ব্যবহৃত হয়৷
হাইফেন (-) চিহ্নে থামার প্রয়োজন নেই, সেমিকোলন (;) চিহ্নে বিরতি-কাল হবে ১ বলার দ্বিগুণ সময়৷
ড্যাস (–) চিহ্নে এক সেকেন্ড থামতে হয়৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ষষ্ঠ এবং নবম-দশম শ্রেণি
২৫২.
বাড়ী বা রাস্তার নামের পরে কোন যতিচিহ্ন বসে?
  1. ক) দাঁড়ি
  2. খ) কমা
  3. গ) কোলন
  4. ঘ) ড্যাস
সঠিক উত্তর:
খ) কমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কমা
ব্যাখ্যা
কমা (,) এর ব্যবহার:
১) বাক্য সুস্পষ্ট করতে বাক্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে প্রতিটি ভাগের মাঝে কমা বসে। যেমন- সুখ চাও, সুখ পাবে বই পড়ে।
২) পরস্পর সম্পর্কিত একাধিক বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ একসঙ্গে ব্যবহৃত হলে শেষ পদটি ছাড়া প্রতিটির পরে কমা বসে। যেমন- ১৬ ডিসেম্বর আমাদের মন সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য, ভালবাসা, আনন্দে ভরে থাকে।
৩) সম্বোধনের পরে কমা বসে। যেমন- রশিদ, এদিকে এসো।
৪) জটিল বাক্যের প্রত্যেকটি খন্ডবাক্যের পরে কমা বসে। যেমন- যে পরিশ্রম করে, সেই সুখ লাভ করে।
৫) কোন বাক্যে উদ্ধৃতি থাকলে, তার আগের খন্ডবাক্যের শেষে কমা (,) বসে। যেমন- আহমদ ছফা বলেন, ‘মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ।’ তুমি বললে, ‘আমি কালকে আবার আসবো।’
৬) মাসের তারিখ লেখার সময় বার ও মাসের পর কমা বসে। যেমন- ২৫ বৈশাখ, ১৪১৮, বুধবার।
৭) ঠিকানা লেখার সময় বাড়ির নাম্বার বা রাস্তার নামের পর কমা বসে। যেমন- ৬৮, নবাবপুর রোড, ঢাকা- ১০০০।
8) ডিগ্রী পদবি লেখার সময় কমা ব্যবহৃত হয়। যেমন- ডক্টর মুহম্মদ এনামুল হক, এম,এ, পি-এইচ,ডি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৫৩.
বিরামচিহ্ন কেন ব্যবহৃত হয়?
  1. বাক্যকে অলংকৃত করার জন্যে
  2. বাক্যের সৌন্দর্যের জন্যে
  3. বাক্য সংকোচনের জন্যে
  4. বাক্যের অর্থ স্পষ্টকরণের জন্যে
সঠিক উত্তর:
বাক্যের অর্থ স্পষ্টকরণের জন্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাক্যের অর্থ স্পষ্টকরণের জন্যে
ব্যাখ্যা
বাক্যের অর্থ স্পষ্টকরণের জন্য- বিরামচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।

যতিচিহ্ন:
- মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।

• বাক্যের অর্থ সুস্পষ্টভাবে বোঝাবার জন্য,
- বাক্যের মধ্যে বা বাক্যের সমাপ্তিতে কিংবা বাক্যে আবেগ (হর্ষ, বিষাদ), জিজ্ঞাসা ইত্যাদি প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে,
- বাক্য গঠনে যেভাবে বিরতি দিতে হয় এবং লেখার সময় বাক্যের মধ্যে তা দেখাবার জন্য,
- যেসব সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, সেগুলোই যতি বা ছেদচিহ্ন বা বিরাম- চিহ্ন।

উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৫৪.
ভাবান্তরমূলক বাক্যাংশের পর কোন যতিচিহ্ন দিতে হয়?
  1. হাইফেন
  2. ড্যাশ
  3. কমা
  4. বিস্ময়
সঠিক উত্তর:
কমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমা
ব্যাখ্যা
• কমা (,):
বাক্যে অল্প বিরতি বোঝাতে কমা বসে। নানা প্রয়োজনে বাক্যে কমাচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।

কমার ব্যবহারগুলো নিম্নরূপ-
১. বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য কমা বসে।
যেমন:
- তুমি যাবে, না যাবে না?
- সুখ চাও, সুখ পাবে পরিশ্রমে।

২. বাক্যে সম্বোধনের পর কমা বসে।
যেমন:
- সেতু, পড়তে বসো।
- বিথু, খাবে এসো।

৩. একই পদের একাধিক শব্দ পাশাপাশি ব্যবহৃত হলে কমা বসে।
যেমন:
বিশেষ্য:
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা বাংলাদেশের প্রধান প্রধান নদী।
- বিশেষণ: সুখ, দুঃখ, আশা, নিরাশা একই মালার ফুল।
- সর্বনাম: তুমি, আমি ও রবিন বাজারে যাব।

৪. ভাবান্তরমূলক বাক্যাংশের পর কমা দিতে হয়।
যেমন:
- আমার মনে হয়, সে আসবে।
- তার কাঁধে বিরাট বোঝা, হাতে লাঠি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
২৫৫.
তারিখ লিখতে বার ও মাসের পরে বসে-
  1. কোলন
  2. কমা
  3. সেমিকোলন
  4. হাইফেন
সঠিক উত্তর:
কমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমা
ব্যাখ্যা
• কমা:
- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। কমা পূর্ণযতি নয়, তাই কমা দিয়ে কোনো বাক্য শেষ হয় না। কমা চিহ্নের বাংলা নাম পাদচ্ছেদ।

কমার ব্যবহার ক্ষেত্রগুলো হলো- 
• শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।

• উদ্ধৃতিচিহ্নের আগে কমা বসে।
যেমন:
- আমি বললাম, "আমি ভালো আছি।"

• সম্বোধন পদের পরে সাধারণত কমা বসে।
যেমন:
- স্যার, আমাকে ব্যাপারটি বুঝিয়ে দেবেন?
- রব, এদিকে এসো।

• বাক্যে একাধিক বিশেষ্য কিংবা বিশেষণ পদের বিবৃতি প্রকাশের ক্ষেত্রে কমা বসাতে হয়।
যেমন:
- জনি বুদ্ধিমান, সাহসী ও জ্ঞানী।
- মীম, সানি, হারুন ও রব কক্সবাজার গিয়েছে।

• তারিখ লিখতে বার ও মাসের পরে 'কমা' বসে।
যেমন:
- ১৯শে আশ্বিন, বৃহস্পতিবার, ১৪২৫ সালে মীম বান্দরবান জেলায় জন্মগ্রহণ করে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২৫৬.
'হায় এ আমার কী হল' বাক্যটিতে পর্যায়ক্রমে বিরামচিহ্ন বসবে
  1. ক) বিস্ময়সূচক, প্রশ্নবোধক
  2. খ) কমা, বিস্ময়সূচক
  3. গ) বিস্ময়সূচক, দাঁড়ি
  4. ঘ) বিস্ময়সূচক,বিস্ময়সূচক
সঠিক উত্তর:
গ) বিস্ময়সূচক, দাঁড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিস্ময়সূচক, দাঁড়ি
ব্যাখ্যা
বিস্ময়চিহ্ন (!)
সাধারণত বিস্ময়, দুঃখ, আনন্দ ইত্যাদি প্রকাশের জন্য বিস্ময়চিহ্ন ব্যবহৃত হয় ।
যেমন –
মানে কী! সে আর চাকরি করবে না!
তার গানের কণ্ঠ দারুণ!

একইভাবে, 
হায় ! এ আমার কী হল। 

[উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ , নবম দশম শ্রেণি, ২০২১ - সংস্করণ]
২৫৭.
কমা অপেক্ষা বেশি কিন্তু দাঁড়ির চেয়ে কম সময়ের বিরতির প্রয়োজন হলে কোন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়?
  1. হাইফেন
  2. সেমিকোলন
  3. কোলন
  4. কোলন-ড্যাস
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
ব্যাখ্যা

সেমিকোলন (;):
- কমা অপেক্ষা বেশি কিন্তু দাঁড়ির চেয়ে কম সময়ের বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে। একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একবাক্যে লিখতে মাঝখানে সেমিকোলন হয়। 
- শব্দ বা পদের পরে সেমিকোলন বসে না। সাধারণত বাক্যাংশের পরে বসে।
যেমন:
- চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে; পৃথিবী সূর্যের চারদিকে।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৫৮.
পূর্ণ যতিচিহ্ন নয় কোনটি?
  1. প্রশ্নবোধক চিহ্ন
  2. দাঁড়ি চিহ্ন
  3. কমা চিহ্ন
  4. বিস্ময় চিহ্ন
সঠিক উত্তর:
কমা চিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমা চিহ্ন
ব্যাখ্যা
• যতিচিহ্ন:
মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।

• কমা:
- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে।
- কমা পূর্ণযতি নয়, তাই কমা দিয়ে কোনো বাক্য শেষ হয় না।
- শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।
- সম্বোধন পদের পরে কমা বসে।
যেমন:
- গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত – বাংলাদেশ এই ছয়টি ঋতুর দেশ।
- নিবিড় অধ্যবসায়, কঠোর পরিশ্রম ও সময়নিষ্ঠ থাকলে সাফল্য আসবে।
- সুজন, দেখ তো কে এসেছে।
- কাল তুমি যাকে দেখেছ, তিনি আমার বাবা ।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, “পাপকে ঠেকাবার জন্যে কিছু না করাই তো পাপ ৷”

অন্যদিকে,
• দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক ও বিস্ময়চিহ্নের মাধ্যমে বাক্যের সমাপ্তি ঘটে। সুতরাং এগুলোপূর্ণ যতিচিহ্ন হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৫৯.
লেখার সময়ে কোন কথা অব্যক্ত রাখতে চাইলে কোন বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করা হয়?
  1. বিন্দু
  2. ত্রিবিন্দু
  3. কমা
  4. কোলন
সঠিক উত্তর:
ত্রিবিন্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিবিন্দু
ব্যাখ্যা

ত্রিবিন্দু (...):
- লেখার সময়ে কোনো অংশ বাদ দিতে চাইলে বা অব্যক্ত রাখতে চাইলে - ত্রিবিন্দুর ব্যবহার হয়।
যেমন:
- তিনি রেগে গিয়ে বললেন, "তার মানে তুমি একটা ...।"
- আমাদের ঐক্য বাইরের। ... এ ঐক্য জড় অকর্মক, সজীব সকর্মক নয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

২৬০.
কোন যতিচিহ্নের বিরতি কালের পরিমাণ 'এক সেকেন্ড' নয়?
  1. প্রশ্নবোধক চিহ্ন
  2. কোলন ড্যাস
  3. বিস্ময় চিহ্ন
  4. ইলেক বা লোপ চিহ্ন
সঠিক উত্তর:
ইলেক বা লোপ চিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেক বা লোপ চিহ্ন
ব্যাখ্যা
• নিম্নের উল্লিখিত যতিচিহ্নের বিরতি কালের পরিমাণ 'এক সেকেন্ড-
- দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ,
- প্রশ্নবোধক চিহ্ন,
- বিস্ময় চিহ্ন,
- কোলন,
- কোলন ড্যাস,
- ড্যাস।

• থামার প্রয়োজন নেই,
- হাইফেন,
- ইলেক বা লোপ চিহ্ন,
- ব্র্যাকেট।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৬১.
কোনো বাক্যে উদ্ধৃতি থাকলে তার আগের খণ্ডবাক্যের শেষে কোন চিহ্ন বসে?
  1. কোলন
  2. কমা
  3. সেমিকোলন
  4. ড্যাস
সঠিক উত্তর:
কমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমা
ব্যাখ্যা

কমা (,) :
- বাক্য সুস্পষ্ট করতে বাক্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে প্রতিটি ভাগের মাঝে কমা বসে। যেমন- সুখ চাও, সুখ পাবে বই পড়ে।
-  পরস্পর সম্পর্কিত একাধিক বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ একসঙ্গে ব্যবহৃত হলে শেষ পদটি ছাড়া প্রতিটির পরে কমা বসে।
যেমন- ১৬ ডিসেম্বর আমাদের মন সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য, ভালবাসা, আনন্দে ভরে থাকে।

• সম্বোধনের পরে কমা বসে। যেমন- রশিদ, এদিকে এসো।
• জটিল বাক্যের প্রত্যেকটি খণ্ডবাক্যের পরে কমা বসে। যেমন- যে পরিশ্রম করে, সেই সুখ লাভ করে।
কোন বাক্যে উদ্ধৃতি থাকলে, তার আগের খণ্ডবাক্যের শেষে কমা (,) বসে। যেমন- আহমদ ছফা বলেন, 'মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ।' তুমি বললে, 'আমি কালকে আবার আসবো।'
• মাসের তারিখ লেখার সময় বার ও মাসের পর কমা বসে। যেমন- ২৫ বৈশাখ, ১৪১৮, বুধবার।

উৎস:  বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-২০২১ সংস্করণ)।

২৬২.
একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে হলে কোন চিহ্ন বসবে?
  1. সেমিকোলন
  2. কোলন
  3. কোলন ড্যাস
  4. ড্যাস চিহ্ন
সঠিক উত্তর:
কোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোলন
ব্যাখ্যা
কোলন(:):
- একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা কতে হলে কোলন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- সভায় সাব্যস্ত হলো: একমাস পরে নতুন সভাপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যদিকে,
সেমিকোলন (;):
- স্বাধীন অথচ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে অথবা একই ধরনের বৰ্গকে পাশাপাশি সাজাতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- সোহাগ ক্রিকেট পছন্দ করে; আমি ফুটবল পছন্দ করি।

ড্যাস চিহ্ন(__):
- যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা তার বেশি বাক্যের সমন্বয় বা সংযোগ বোঝাতে ড্যাস চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
যেমন -
- তোমরা দরিদ্রের উপকার কর– এতে তোমাদের সম্মান যাবে না – বাড়বে।

কোলন ড্যাস (:-):
- উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত প্রয়োগ করতে হলে কোলন এবং ড্যাস চিহ্ন একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়।
যেমন-
পদ পাঁচ প্রকার:-
বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় ও ক্রিয়া।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৬৩.
হৃদয়াবেগ প্রকাশ করতে কোন চিহ্ন ব্যবহার হয়?
  1. কমা
  2. বিস্ময়সূচক
  3. প্রশ্নবোধক
  4. হাইফেন
সঠিক উত্তর:
বিস্ময়সূচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিস্ময়সূচক
ব্যাখ্যা
• হৃদয়াবেগ প্রকাশ করতে হলে - বিস্ময় চিহ্ন বসে।

বিস্ময়চিহ্ন (!):
- অবাক বা বিস্ময়ের ব্যাপার বোঝাতে প্রধানত বাক্যের শেষে বিস্ময়চিহ্ন বসে।
- আবেদন, ভর্তি, হতাশা, আনন্দ ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশের ক্ষেত্রেও বিস্ময়চিহ্ন বসে।
- বাক্যের ভেতরে বন্ধনীর মধ্যে, প্রয়োজন হলে বিস্ময়চিহ্ন বসানো যায়।
উদাহরণ:
- ইশ! যতি তুমি থাকতে।
- হঠাৎ বাড়িতে শোরগোল উঠল- চোর! চোর! চোর!

অন্যদিকে,
কমা (,):
- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে।
- কমা পূর্ণযতি নয়, তাই কমা দিয়ে কোনো বাক্য শেষ হয় না।
- শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।
- সম্বোধন পদের পরে কমা বসে।

হাইফেন (-):
- বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
- হাইফেন মূলত পদসংযোজক চিহ্ন।
- সমাসে বিভক্তির বদলেও হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের সমাসবদ্ধ পদ তৈরি করার সময়ে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- মা-বাবার কাছে সন্তানের গৌরব সবচেয়ে বড় গৌরব।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে নিয়েই গড়ে উঠেছে এই ক্লাব।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৬৪.
প্রান্তিক বিরামচিহ্নের সংখ্যা কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

⇒ বিরাম চিহ্ন:
মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে বিরামচিহ্ন বলে। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।

- বাক্যের শেষে বসে ৪টি যতিচিহ্ন বা বিরাম চিহ্ন।
- এগুলো হলো:
১. দাঁড়ি (।)
২. প্রশ্নচিহ্ন (?)
৩. বিস্ময়চিহ্ন (!)
৪. দুই দাঁড়ি (।।)।
- এগুলোকে প্রান্তিক যতিচিহ্ন বা বিরাম চিহ্ন বলে।

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (২য় খণ্ড)। 

২৬৫.
মাসের তারিখ লিখতে বার ও মাসের পরে কী বসে? 
  1. ক) কোলন
  2. খ) কমা
  3. গ) সেমিকোলন
  4. ঘ) ড্যাশ
সঠিক উত্তর:
খ) কমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কমা
ব্যাখ্যা
- মাসের তারিখ লিখতে বার ও মাসের পরে 'কমা' বসে।

• এ মাসের তারিখ লিখতে বার ও মাসের পর কমা বসবে।
- যেমন; ১৮ পৌষ, বুধবার, ১৩১০ সাল।

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
২৬৬.
কোনো কথার উদাহরণ, দৃষ্টান্ত বা বিন্তার বুঝাতে কোন বিরামচিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ড্যাশ
  2. খ) কোলন
  3. গ) সেমিকোলন
  4. ঘ) হাইফেন
সঠিক উত্তর:
ক) ড্যাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ড্যাশ
ব্যাখ্যা
• বিরাম চিহ্ন: বাক্য লেখার সময় যে সব চিহ্ন ব্যবহার করে লেখক নিজের আনন্দ আবেগ, জিজ্ঞাসা প্রশ্ন ইত্যাদি প্রকাশ করেন এবং যে সব চিহ্ন ব্যবহার করে ভাব প্রকাশের বিরতি বা সমাপ্তি ‍বুঝিয়ে থাকেন, সেই চিহ্নসমূহকে যতি বা বিরাম চিহ্ন বলে।
- বাংলা ভাষায় যতি বা ছেদ-চিহ্নের প্রবর্তক - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

ড্যাশ:
- যৌগিক ও মিশ্রবাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা ততোধিক বাক্যের সমন্বয় বা সংযোগ বুঝাতে- ব্যবহৃত হয়-ড্যাশ বিরাম চিহ্ন।
এছাড়াও---
- কোনো কথার উদাহরণ, দৃষ্টান্ত বা বিন্তার বুঝাতে ব্যবহৃত হয়- ড্যাশ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৬৭.
যেসব অব্যয় বৈপরীত্য বা অনুমান প্রকাশ করে তাদের আগে কোন চিহ্ন বসে?
  1. সেমিকোলন
  2. কোলন ড্যাশ
  3. কোলন
  4. কমা
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
ব্যাখ্যা
সেমিকোলন (;):
- একাধিক বাক্যের মধ্যে নিকট সম্পর্ক থাকলে তাদের মাঝে যোগসূত্র রক্ষার জন্য সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
- সেমিকোলনচিহ্ন কমার চেয়ে দ্বিগুণ সময় বিরতি নেয়।
যেমন:

১. দুটো বাক্যের মধ্যে ভাব বা অর্থের সম্বন্ধ থাকলে সেমিকোলন বসে।
যেমন:
- দিনটা ভালো নয়; মাঝে মাঝে বৃষ্টি পড়ছে।
- কথাটা বলা সহজ; করা কঠিন।

২. একাধিক বাক্য সংযোজক অব্যয়ের দ্বারা যুক্ত না হলে সেমিকোলন বসে।
যেমন:
- আগে স্কুলের পড়া; পরে গল্পের বই।

৩. যেসব অব্যয় বৈপরীত্য বা অনুমান প্রকাশ করে, তাদের আগে সেমিকোলন বসে।
যেমন:
- মনোযোগ দিয়ে পড়; তাহলেই ভালো ফল করবে।
- ছেলেটি মেধাবী; কিন্তু ভারি অলস।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
২৬৮.
বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে কোন যতিচিহ্ন বসে?
  1. ড্যাশ
  2. কলন
  3. হাইফেন
  4. কমা
সঠিক উত্তর:
কমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমা
ব্যাখ্যা
• কমা বা পাদচ্ছেদ চিহ্ন (,):
অল্পক্ষণ বিরামের জন্যে কমার ব্যবহার হয়। এখানে 'এক' উচ্চারণ করার সমান সময় থামতে হয়। অল্প বিরাম বোঝাতে নিম্নলিখিত স্থানে কমা ব্যবহৃত হতে পারে-

১) বাক্য পাঠকালে সুস্পষ্টতা বা অর্থ-বিভাগ দেখানোর জন্য যেখানে স্বল্প বিরতির প্রয়োজন, সেখানে কমা ব্যবহৃত হয়। যেমন- সুখ চাও, সুখ পাবে পরিশ্রমে।

২) পরস্পর সম্বন্ধযুক্ত একাধিক বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ একসঙ্গে বসলে শেষ পদটি ছাড়া বাকি সবগুলোর পরই কমা বসবে।
যেমন- সুখ, দুঃখ, আশা, নৈরাশ্য একই মালিকার পুষ্প।

৩) সম্বোধনের পরে কমা বসাতে হয়। যেমন- রশিদ, এদিকে এসো।

৪) জটিল বাক্যের অন্তর্গত প্রত্যেক খণ্ডবাক্যের পরে কমা বসবে। যেমন- কাল যে লোকটি এসেছিল, সে আমার পূর্বপরিচিত।

৫) উদ্ধরণ চিহ্নের পূর্বে (খণ্ডবাক্যের শেষে) কমা বসাতে হবে। যেমন- সাহেব বললেন, "ছুটি পাবেন না।”

৬) মাসের তারিখ লিখতে বার ও মাসের পর 'কমা' বসবে। যেমন- ১৬ই পৌষ, বুধবার, ১৩৯৯ সন।

৭) বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে কমা বসবে। যেমন- ৬৮, নবাবপুর রোড, ঢাকা-১০০০।

৮) নামের পরে ডিগ্রিসূচক পরিচয় সংযোজিত হলে সেগুলোর প্রত্যেকটির পরে কমা বসবে। যেমন-ডক্টর মুহম্মদ এনামুল হক, এম.এ. পি-এইচ.ডি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮-সংস্করণ)।
২৬৯.
কোনটির বিরতিকাল কোলন ড্যাসের বিরতিকালের সমান?
  1. কমা
  2. প্রশ্নবোধক চিহ্ন
  3. সেমিকোলন
  4. উদ্ধরণ চিহ্ন
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নবোধক চিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নবোধক চিহ্ন
ব্যাখ্যা
• কোলন ড্যাসের বিরতিকাল - এক সেকেন্ড।
• প্রশ্নবোধক চিহ্নের বিরতিকাল - এক সেকেন্ড।
 
কোলন ড্যাস (:-):
- উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত প্রয়োগ করতে হলে কোলন এবং ড্যাস চিহ্ন একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়।
যেমন-
পদ পাঁচ প্রকার:-
বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় ও ক্রিয়া।
 
অন্যদিকে,
- সেমিকোলনের বিরতিকাল - ১ বলার দিগুণ সময়।
- উদ্ধরণ চিহ্নের বিরতিকাল - 'এক' উচ্চারণের যে সময় লাগে।
- কমা'র বিরতিকাল - ১ বলতে যে সময় প্রয়োজন।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
২৭০.
'দাঁড়ি' যতিচিহ্নের বিরতির সময়কাল-
  1. ১ মিনিট
  2. ১ বলার দ্বিগুণ
  3. ১ সেকেন্ড
  4. থামার প্রয়োজন নয়
সঠিক উত্তর:
১ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
'দাঁড়ি' যতিচিহ্ন:
- দাঁড়ি সাধারণত বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে।
- দাঁড়ি যতিচিহ্ন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিরতির সময়কাল ১ সেকেন্ড।
- বাংলা রচনায় দাঁড়ি চিহ্নের ব্যবহার অন্যান্য যতির তুলনায় বেশি।
- বিবৃতিমূলক সরল বাক্যে শুধু একটি দাঁড়ি দিয়ে শেষ হয়।
- অনুরোধ, আদেশ ইত্যাদি বোঝায় এমন বাক্যের শেষে দাঁড়ি ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- যাও।
- তোমার লেখা হলে কলমটা দিয়ো তো।
- প্রান্ত ফুটবল খেলা পছন্দ করে।
- যথাযথ অনুসন্ধানের পর বলা যাবে কী ঘটেছিল।

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
২৭১.
বিবাহসভায় চারি দিকে হট্টগােল তাহারই মাঝখানে কন্যার কোমল হাতখানি আমার হাতের উপর পড়িল এমন আশ্চর্য আর কী আছে আমার মন বারবার করিয়া বলিতে লাগিল আমি পাইলাম আমি ইহাকে পাইলাম - অনুচ্ছেদটিতে কয়টি বিরামচিহ্ন বসবে?
  1. ক) ৫
  2. খ) ৬
  3. গ) ৭
  4. ঘ) ৮
সঠিক উত্তর:
গ) ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭
ব্যাখ্যা
বিরামচিহ্নযুক্ত অনুচ্ছেদটি নিম্নরূপ- 

বিবাহসভায় চারি দিকে হট্টগােল; তাহারই মাঝখানে কন্যার কোমল হাতখানি আমার হাতের উপর পড়িলএমন আশ্চর্য আর কী আছে আমার মন বারবার করিয়া বলিতে লাগিল, আমি পাইলাম, আমি ইহাকে পাইলাম।"

উৎস: হৈমন্তী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
২৭২.
'কোলন' এর বাংলা অর্থ কি?
  1. ক) অর্ধচ্ছেদ
  2. খ) দৃষ্টান্তচ্ছেদ
  3. গ) পাদচ্ছেদ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) দৃষ্টান্তচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দৃষ্টান্তচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
'কোলন'এর বাংলা অর্থ - দৃষ্টান্তচ্ছেদ

বাক্যের প্রথম অংশের কোন উক্তিকে দ্বিতীয় অংশে ব্যাখ্যা করা এবং উদাহরণ উপস্থাপনের কাজে কোলন ব্যবহৃত হয়.
যেমন-
সভার সিদ্ধান্ত হলো: প্রতি মাসে দশ টাকা করে চাঁদা দিতে হবে। 


উৎস: ভাষা শিক্ষা - বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ।
২৭৩.
নাটকের সংলাপের আগে কোন চিহ্ন বসে?
  1. সেমিকোলন
  2. হাইফেন
  3. কোলন
  4. কোলন ড্যাস
সঠিক উত্তর:
কোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোলন
ব্যাখ্যা

কোলন (:)
- বাক্যে নানা কারণে কোলনচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।

যেমন:
নাটকের সংলাপের আগে: 
দুকড়ি: কী চাই? 
কাঙালি: আজ্ঞে, মহাশয় হচ্ছেন দেশহিতৈষী। 
দুকড়ি: তা তো সকলেই জানে কিন্তু আসল ব্যাপারটা কী? 
কাঙালি: আপনি সাধারণের হিতের জন্য প্রাণপণ----

উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত বোঝাতে: 
বাংলা সন্ধি দু প্রকার: স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি। 

উদ্ধৃতির আগে: 
রবীন্দ্রনাথ বলেছেন: “মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে।"

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

২৭৪.
'কোলন' চিহ্ন কোন কাজে ব্যব্যহার হয়?
  1. স্বাধীন অথচ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে
  2. একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে
  3. উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত প্রয়োগ করতে
  4. যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা তার বেশি বাক্যের সমন্বয় বা সংযোগ বোঝাতে
সঠিক উত্তর:
একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে
ব্যাখ্যা

কোলন(:):
- একটি অপূর্ণ বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারণা করতে হলে কোলন ব্যবহৃত হয়
যেমন:
- সভায় সাব্যস্ত হলো: একমাস পরে নতুন সভাপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যদিকে,
সেমিকোলন (;):
- স্বাধীন অথচ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে অথবা একই ধরনের বৰ্গকে পাশাপাশি সাজাতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- সোহাগ ক্রিকেট পছন্দ করে; আমি ফুটবল পছন্দ করি।

ড্যাস চিহ্ন(__):
- যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা তার বেশি বাক্যের সমন্বয় বা সংযোগ বোঝাতে ড্যাস চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
যেমন -
- তোমরা দরিদ্রের উপকার কর– এতে তোমাদের সম্মান যাবে না – বাড়বে।

কোলন ড্যাস (:-):
- উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত প্রয়োগ করতে হলে কোলন এবং ড্যাস চিহ্ন একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়।
যেমন-
পদ পাঁচ প্রকার:-
বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় ও ক্রিয়া।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৭৫.
নিচের কোনটিতে বিরামচিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়নি?
  1. ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭১
  2. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  3. ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
  4. পয়লা বৈশাখ, চৌদ্দশো সাত
সঠিক উত্তর:
ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
ব্যাখ্যা
- যতিচিহ্নের অশুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে ‘ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২’ বাক্যে।
• বাক্যটির শুদ্ধরূপ হবে- ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২।

------------------------
• যতিচিহ্ন:

মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।

• কমা:

- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। কমা পূর্ণযতি নয়, তাই কমা দিয়ে কোনো বাক্য শেষ হয় না। কমা চিহ্নের বাংলা নাম পাদচ্ছেদ।
- শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।
• সম্বোধন পদের পরে সাধারণত কমা বসে।
যেমন:
- স্যার, আমাকে ব্যাপারটি বুঝিয়ে দেবেন?
- রব, এদিকে এসো।

• বাক্যে একাধিক বিশেষ্য কিংবা বিশেষণ পদের বিবৃতি প্রকাশের ক্ষেত্রে কমা বসাতে হয়।
যেমন:
- জনি বুদ্ধিমান, সাহসী ও জ্ঞানী।
- মীম, সানি, হারুন ও রব কক্সবাজার গিয়েছে।

• তারিখ লিখতে বার ও মাসের পরে ‘কমা’ বসে।
যেমন:
- ১৯শে আশ্বিন, বৃহস্পতিবার, ১৪২৫ সালে মীম বান্দরবান জেলায় জন্মগ্রহণ করে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২৭৬.
বাংলা ভাষার ব্যবহৃত "(;)" চিহ্নটিকে কী চিহ্ন বলে?
  1. ক) বিকল্প
  2. খ) সেমিকোলন
  3. গ) উদ্ধৃতিচিহ্ন
  4. ঘ) ঊর্ধ্বকমা
সঠিক উত্তর:
খ) সেমিকোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সেমিকোলন
ব্যাখ্যা
বাক্যের মধ্যে ব্যবহূত বিরামচিহ্নগুলো হচ্ছে:
- কমা (,),
- সেমিকোলন (;),
- কোলন (:),
- হাইফেন (-),
- ড্যাস (—),
- ঊর্ধ্বকমা (’),
- উদ্ধৃতিচিহ্ন (“ ”),
- বিকল্প চিহ্ন (/)।

[উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম- দশম শ্রেণি, ২০১৯ সংস্করণ]
২৭৭.
বিস্ময় বিহ্নের বিরতিকাল কতটুকু?
  1. ক) এক বলার দ্বিগুণ সময়
  2. খ) এক সেকেন্ড
  3. গ) থামার প্রয়োজন নেই
  4. ঘ) এক বলতে যে সময় প্রয়োজন
সঠিক উত্তর:
খ) এক সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এক সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
বিস্ময় বিহ্নের বিরতিকাল- 'এক সেকেন্ড'

• বাক্যে যতিচিহ্ন অনুসারে থামার পরিমাণ:
- কমা বা পাদচ্ছেদ এবং উদ্ধরণ চিহ্ন থাকলে -- 'এক' উচ্চারণে যত সময় লাগে সেই পরিমাণ সময় থামতে হয়।
- সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে -- 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।
- হাইফেন, ইলেক বা লোপ চিহ্ন ও ব্রাকেট থাকলে -- থামার প্রয়োজন হয় না।
- দাড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময় চিহ্ন, কোলন, কোলন ড্যাস, ড্যাস ইত্যাদি চিহ্ন থাকলে - এক সেকেন্ড থামতে হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
২৭৮.
"তখন রতন ধুলায় পড়িয়া তাঁহার পা জড়াইয়া ধরিয়া কহিল, দাদাবাবু তোমার দুটি পায়ে পড়ি তোমার দুটি পায়ে পড়ি আমাকে কিছু দিতে হবে না তোমার দুটি পায়ে পড়ি আমার জন্য কাউকে কিছু ভাবতে হবে না' বলিয়া এক দৌড়ে সেখান হইতে পলাইয়া গেল।"
- উদ্ধৃতিতে অনুপস্থিত সেমিকোলন ও ড্যাসের সংখ্যা যথাক্রমে -
  1. ১টি ; ১টি
  2. ২টি ; ১টি
  3. ৩টি ; ১টি
  4. ১টি ; ৩টি
সঠিক উত্তর:
১টি ; ১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১টি ; ১টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্নোল্লিখিত উদ্ধৃতিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পোস্টমাস্টার গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে।
এই গল্পে রতন নামের এক বালিকার স্নেহময়তা ও পোস্ট মাস্টারের প্রতি মাতৃত্বসুলভ আচরণ লক্ষ্য করা যায়।

প্রশ্নোল্লিখিত উদ্ধৃতিতে অনুপস্থিত সেমিকোলন ও ড্যাসের সংখ্যা ১ টি করে।



উৎস: রবীন্দ্র রচনাবলী
২৭৯.
কোন চিহ্নের বিরতিকাল 'এক সেকেন্ড'?
  1. উদ্ধৃতি চিহ্ন
  2. হাইফেন
  3. ইলেক বা লোপ চিহ্ন
  4. কোলন
সঠিক উত্তর:
কোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোলন
ব্যাখ্যা
কোলন (:)
- বাক্যের প্রথম অংশের কোনো উক্তিকে দ্বিতীয় অংশে ব্যাখ্যা করা এবং উদাহরণ উপস্থাপনের কাজে কোলন ব্যবহৃত হয়।
- কোলন চিহ্নের বিরতিকাল - এক সেকেন্ড

যেমন:
ভাষার দুটি রূপ: কথ্য ও লেখ্য।
সভার সিদ্ধান্ত হলো: প্রতি মাসে সব সদস্যকে দশ টাকা করে চাঁদা দিতে হবে।

অন্যদিকে,
হাইফেন - থামার প্রয়োজন নেই।
ইলেক বা লোপ চিহ্ন - থামার প্রয়োজন নেই।
একক উদ্ধৃতি চিহ্ন - 'এক' উচ্চরণে যে সময় লাগে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ-২০২১)।
২৮০.
উদ্ধরণ চিহ্নের পূর্বে ও খণ্ডবাক্যের শেষে কোন চিহ্ন বসে?
  1. কোলন
  2. ড্যাস
  3. কমা
  4. সেমিকোলন
সঠিক উত্তর:
কমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমা
ব্যাখ্যা
- উদ্ধরণ চিহ্নের পূর্বে (খণ্ডবাক্যের শেষে) কমা বসাতে হবে।

- বক্তার প্রত্যেক্ষ উক্তিকে এই চিহ্নের অন্তর্ভুক্ত করতে হয়।
যথা:
রহিম বলল, “দরিদ্রের উপকার করবে।”

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৮১.
পাদচ্ছেদ বলা হয় কোন যতিচিহ্নকে?
  1. সেমিকোলন
  2. কমা
  3. বিন্দু
  4. কোলন
সঠিক উত্তর:
কমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমা
ব্যাখ্যা
• ব্যবহৃত বিরাম-চিহ্ন কমা (,) -এর বাংলা অর্থ - পাদচ্ছেদ।

কিছু বিরাম-চিহ্নের বাংলা অর্থ:
• দাড়ি - পূর্ণচ্ছেদ।
• সেমিকোলন - অর্ধচ্ছেদ।
• কোলন - দৃষ্টান্তচ্ছেদ।
• কোলন ড্যাস - ছেদ বাক্যসঙ্গতি চিহ্ন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৮২.
পরবর্তী শব্দ থেকে উৎপন্ন বোঝাতে কোন চিহ্ন বসে?
  1.  :
  2. >
  3. <
সঠিক উত্তর:
<
উত্তর
সঠিক উত্তর:
<
ব্যাখ্যা

ব্যাকরণিক চিহ্ন:
- বিশেষভাবে ব্যাকরণে নিম্নলিখিত চিহ্নগুলো ব্যবহৃত হয়।
(ক) ধাতু বোঝাতে ( √ ) চিহ্ন: √স্থা = স্থা ধাতু।
(খ) পরবর্তী শব্দ থেকে উৎপন্ন বোঝাতে ( < ) চিহ্ন: জাঁদরেল < জেনারেল।
(গ) পূর্ববর্তী শব্দ থেকে উৎপন্ন বোঝাতে ( > )চিহ্ন: গঙ্গা > গাঙ।
(ঘ) সমানবাচক বা সমস্তবাচক বোঝাতে সমান ( = ) চিহ্ন: নর ও নারী = নরনারী।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই (২০১৮ - সংস্কারণ)।

২৮৩.
কোন যতিচিহ্নের বিরতি কালের পরিমাণ এক সেকেন্ড?
  1. ব্র্যাকেট
  2. লোপ চিহ্ন
  3. প্রশ্নবোধক চিহ্ন
  4. হাইফেন
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নবোধক চিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নবোধক চিহ্ন
ব্যাখ্যা

• নিম্নের উল্লেখিত যতিচিহ্নের বিরতি কালের পরিমাণ 'এক সেকেন্ড':
- দাড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ,
- প্রশ্নবোধক চিহ্ন,
- বিস্ময় চিহ্ন,
- কোলন,
- কোলন ড্যাস,
- ড্যাস।

অন্যদিকে,
• থামার প্রয়োজন নেই:
- হাইফেন,
- ইলেক বা লোপ চিহ্ন,
- ব্র্যাকেট।

উৎস: বাংলা ভষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৮৪.
দুটি অধীন বাক্যের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা নির্দেশ করতে কোন যতিচিহ্ন ব্যবহার করা হয়?
  1. কমা
  2. কোলন
  3. কোলন ড্যাশ
  4. সেমিকোলন
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
ব্যাখ্যা
• দুটি অধীন বাক্যের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা নির্দেশ করতে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।

যতিচিহ্ন:
- মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে যতিচিহ্ন বলে।
- বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।

সেমিকোলন (;):
স্বাধীন অথচ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে অথবা একই ধরনের বর্গকে পাশাপাশি সাজাতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়। যেমন -
- সোহাগ ক্রিকেট পছন্দ করে; আমি ফুটবল পছন্দ করি।
- কোনো বইয়ের সমালোচনা করা সহজ; কিন্তু বই লেখা অত সহজ নয়।
- তিনি পড়েছেন বিজ্ঞান; পেশা ব্যাংকার; আর নেশা সাহিত্যচর্চা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২৮৫.
কোন যতিচিহ্নের বিরতিকাল 'এক সেকেন্ড' নয়?
  1. দাঁড়ি
  2. ড্যাস
  3. কোলন ড্যাস
  4. সেমিকোলন
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
ব্যাখ্যা
যেসকল যতিচিহ্নের বিরতিকাল 'এক সেকেন্ড':
দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ - এক সেকেন্ড।
প্রশ্নবোধক চিহ্ন - এক সেকেন্ড।
বিস্ময় ও সম্বোধন চিহ্ন - এক সেকেন্ড।
ড্যাস - এক সেকেন্ড।
কোলন ড্যাস - এক সেকেন্ড।

অন্যদিকে, 
সেমিকোলনের বিরতিকাল  - ১ বলার দ্বিগুণ সময়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৮৬.
কোন বন্ধনী চিহ্নটি বিশেষ ব্যাখ্যামূলক অর্থে সাহিত্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে?
  1. ( )
  2. { }
  3. [ ]
  4. -
সঠিক উত্তর:
( )
উত্তর
সঠিক উত্তর:
( )
ব্যাখ্যা
ব্র্যাকেট বা বন্ধনী চিহ্ন:
- (), {},  এই তিনটি চিহ্নই গণিতশাস্ত্রে ব্যবহৃত হয়।
- তবে প্রথম বন্ধনীটি বিশেষ ব্যাখ্যামূলক অর্থে সাহিত্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
যেমন
- ত্রিপুরায় (বর্তমানে কুমিল্লা) তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

যতি বা ছেদচিহ্নের লিখন কৌশল:
- বাক্যের অর্থ সুস্পষ্টভাবে বোঝার জন্য বাক্যের মধ্যে বা বাক্যের সমাপ্তিতে কিংবা বাক্যে আবেগ (হর্ষ, বিষাদ), জিজ্ঞাসা ইত্যাদি প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে বাক্য-গঠনে যেভাবে বিরতি দিতে হয় এবং লেখার সময় বাক্যের মধ্যে তা দেখানোর জন্য যেসব সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তা-ই যতি বা ছেদচিহ্ন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৮৭.
বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য কোন চিহ্ন বসে?
  1. কোলন
  2. সেমিকোলন
  3. কমা
  4. হাইফেন
সঠিক উত্তর:
কমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমা
ব্যাখ্যা
কমা (,):
- বাক্যে অল্প বিরতি বোঝাতে কমা বসে। নানা প্রয়োজনে বাক্যে কমাচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:

১. বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার জন্য কমা বসে।
যেমন:
তুমি যাবে, না যাবে না?
সুখ চাও, সুখ পাবে পরিশ্রমে।

২. বাক্যে সম্বোধনের পর কমা বসে।
যেমন:
সেতু, পড়তে বসো।
বিধু, খাবে এসো।

৩. একই পদের একাধিক শব্দ পাশাপাশি ব্যবহৃত হলে কমা বসে।
যেমন:
বিশেষ্য: পদ্মা, মেঘনা, যমুনা বাংলাদেশের প্রধান প্রধান নদী।
বিশেষণ: সুখ, দুঃখ, আশা, নিরাশা একই মালার ফুল।
সর্বনাম: তুমি, আমি ও রবিন বাজারে যাব।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
২৮৮.
উদাহরণ উপস্থাপনের কাজে কী ব্যবহৃত হয়?
  1. কোলন
  2. ড্যাস
  3. কমা
  4. হাইফেন
সঠিক উত্তর:
কোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোলন
ব্যাখ্যা
• কোলন (:)
- বাক্যের প্রথম অংশের কোনো উক্তিকে দ্বিতীয় অংশে ব্যাখ্যা করা এবং উদাহরণ উপস্থাপনের কাজে কোলন ব্যবহৃত হয়।

যেমন-
- ভাষার দুটি রূপ: কথ্য ও লেখ্য।
- সভার সিদ্ধান্ত হলো: প্রতি মাসে সব সদস্যকে দশ টাকা করে চাঁদা দিতে হবে।

• ড্যাশ (-) :
সাধারণত দুটি বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে এবং ব্যাখ্যাযোগ্য বাক্যাংশের আগে-পরে ড্যাশব্যবহৃত হয়।
যেমন- বাংলাদেশ দল জয়লাভ করেছে- বিজয়ের আনন্দে দেশের জনগণ উচ্ছ্বসিত।
ঐ লোকটি- যিনি গতকাল এসেছিলেন- তিনি আমার মামা।

• কমা (,) :
বাক্য সুস্পষ্ট করতে বাক্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে প্রতিটি ভাগের মাঝে কমা বসে।
যেমন- সুখ চাও, সুখ পাবে বই পড়ে।
- পরস্পর সম্পর্কিত একাধিক বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ একসঙ্গে ব্যবহৃত হলে শেষ পদটি ছাড়া প্রতিটির পরে কমা বসে।
যেমন- ১৬ ডিসেম্বর আমাদের মন সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য, ভালবাসা, আনন্দে ভরে থাকে।
- সম্বোধনের পরে কমা বসে।
যেমন- রশিদ, এদিকে এসো।
- জটিল বাক্যের অন্তর্গত প্রত্যেক খণ্ড বাক্যের পর পরে কমা বসে।
যেমন- যে পরিশ্রম করে, সেই সুখ লাভ করে।
- মাসের তারিখ লেখার সময় বার ও মাসের পর কমা বসে।
যেমন- ২৫ বৈশাখ, ১৪১৮, বুধবার।
- ঠিকানা লেখার সময় বাড়ির নম্বর বা রাস্তার নামের পর কমা বসে।
যেমন- ৬৮, নবাবপুর রোড, ঢাকা- ১০০০।
- ডিগ্রী পদবি লেখার সময় কমা ব্যবহৃত হয়।
যেমন- ডক্টর মুহম্মদ এনামুল হক, এম,এ, পি-এইচ,ডি।

• হাইফেন বা সংযোগ চিহ্ন (-) : 
দুটি পদ একসঙ্গে লিখতে গেলে হাইফেন দিয়ে লিখতে হয়।
যেমন- সুখ-দুঃখ, মা-বাবা।

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২৫ সংস্করণ)।
২৮৯.
কোন যতিচিহ্নের বিরতি কালের পরিমাণ 'এক সেকেন্ড' নয়?
  1. দাড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ
  2. কোলন
  3. ড্যাস
  4. হাইফেন
সঠিক উত্তর:
হাইফেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইফেন
ব্যাখ্যা
• নিম্নের উল্লেখিত যতিচিহ্নের বিরতি কালের পরিমাণ 'এক সেকেন্ড'-
- দাড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ,
- প্রশ্নবোধক চিহ্ন,
- বিস্ময় চিহ্ন,
- কোলন,
- কোলন ড্যাস,
- ড্যাস।

• থামার প্রয়োজন নেই-
- হাইফেন,
- ইলেক বা লোপ চিহ্ন,
- ব্র্যাকেট।

উৎস: বাংলা ভষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৯০.
কমা অপেক্ষা অধিক বিরতির প্রয়োজন হলে কোন যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
  1. দাঁড়ি 
  2. সেমিকোলন 
  3. কোলন 
  4. হাইফেন 
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন 
ব্যাখ্যা

• সেমিকোলন:
সেমিকোলনের স্থানে কমার চেয়ে বেশি কিন্তু দাড়িঁর চেয়ে কম থামতে হয়। বাক্যের ভেতরে শুধু থামার জন্য কমা-সেমিকোলন ব্যবহার করা হয় না। অর্থ প্রকাশেও কমা ও সেমিকোলন ভূমিকা পালন করে। 

• সেমিকোলন চিহ্নের ব্যবহার:
- একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একটি স্বাধীন বাক্যে লিখতে সেগুলোর মাঝে সেমিকোলন বসে।
- কমা’র বারংবার ব্যবহারের পর কিন্তু দাঁড়ির আগে সেমিকোলন বসে।
- কমা অপেক্ষা অধিক বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে।
- কোনো তালিকায় বিদ্যমান একাধিক ব্যক্তির নাম ও পদের তালিকা অনুধাবনের সুবিধার্থে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
যেমন- গঠিত কমিটিতে সভাপতি, মোহাম্মদ আমজাদ; সহ-সভাপতি, নুর উদ্দীন; সাধারণ সম্পাদক, হামেদ আলি প্রমুখ।

- আইনের কোনো ধারায় এক বা একাধিক উপধারা কিংবা শর্ত থাকলে তা পৃথককরণের জন্য সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
যেমন- ধরা যাক, সংবিধানের ৩৬ নং ধারা নিম্নোক্ত উপধারা (১) বয়স ১৮ বছর হতে হবে; (২) প্রকৃতিস্থ হতে হবে।

উৎস: ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৯১.
যৌগিক ও মিশ্রবাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা ততোধিক বাক্যের সমন্বয় বা সংযোগ বুঝাতে কোন বিরাম চিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ড্যাশ
  2. খ) কোলন
  3. গ) সেমিকোলন
  4. ঘ) হাইফেন
সঠিক উত্তর:
ক) ড্যাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ড্যাশ
ব্যাখ্যা
- বিরাম চিহ্ন: বাক্য লেখার সময় যে সব চিহ্ন ব্যবহার করে লেখক নিজের আনন্দ আবেগ, জিজ্ঞাসা প্রশ্ন ইত্যাদি প্রকাশ করেন এবং যে সব চিহ্ন ব্যবহার করে ভাব প্রকাশের বিরতি বা সমাপ্তি ‍বুঝিয়ে থাকেন, সেই চিহ্নসমূহকে যতি বা বিরাম চিহ্ন বলে।
- বাংলা ভাষায় যতি বা ছেদ-চিহ্নের প্রবর্তক- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
ড্যাশ:
- যৌগিক ও মিশ্রবাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা ততোধিক বাক্যের সমন্বয় বা সংযোগ বুঝাতে- ব্যবহৃত হয়-ড্যাশ বিরাম চিহ্ন।
এছাড়াও---
- কোনো কথার উদাহরণ, দৃষ্টান্ত বা বিন্তার বুঝাতে ব্যবহৃত হয়- ড্যাশ।

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৯২.
একাধিক বাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত না হলে কোন চিহ্ন বসে?
  1. কোলন (:)
  2. সেমিকোলন (;)
  3. কমা (,)
  4. কোলন ড্যাস (:-)
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন (;)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন (;)
ব্যাখ্যা

সেমিকোলন (;):
- একাধিক বাক্যের মধ্যে নিকট সম্পর্ক থাকলে তাদের মাঝে যোগসূত্র রক্ষার জন্য সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়। সেমিকোলন চিহ্ন কমার চেয়ে দ্বিগুণ সময় বিরতি নেয়।যেমন:
১. দুটো বাক্যের মধ্যে ভাব বা অর্থের সম্বন্ধ থাকলে সেমিকোলন বসে।
যেমন:
- দিনটা ভালো নয়; মাঝে মাঝে বৃষ্টি পড়ছে।
২. একাধিক বাক্য সংযোজক অব্যয় (যেমন: ও, এবং, কিন্তু, অথবা) দ্বারা যুক্ত না হলে তাদের মাঝে সেমিকোলন (;) বসে।
যেমন:
- কথাটা বলা সহজ; করা কঠিন।
- আগে স্কুলের পড়া; পরে গল্পের বই।
৩. যেসব অব্যয় বৈপরীত্য বা অনুমান প্রকাশ করে, তাদের আগে সেমিকোলন বসে।
যেমন:
- মনোযোগ দিয়ে পড়; তাহলেই ভালো ফল করবে।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

২৯৩.
প্রান্তিক বিরামচিহ্ন কোনটি?
  1. সেমিকোলন
  2. প্রশ্নবোধক চিহ্ন
  3. কমা
  4. ড্যাশ
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নবোধক চিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নবোধক চিহ্ন
ব্যাখ্যা
• বাক্যে অবস্থান বিবেচনায় বিরামচিহ্নকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়:
-  প্রান্তিক বিরামচিহ্ন।
- বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন।

• প্রান্তিক বিরামচিহ্ন:
- যেসব বিরামচিহ্ন বাক্যের শেষে বসে তাদের প্রান্তিক বিরামচিহ্ন বলে।
- দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময়বোধক প্রভৃতি প্রান্তিক বিরামচিহ্ন।

• বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন:
- যেসব বিরামচিহ্ন বাক্যের শেষে ছাড়া অন্যান্য স্থানে বসে তাদের বাক্যান্তর্গত বিরামচিহ্ন বলা হয়। 
যেমন- কমা, কোলন, সেমিকোলন, ড্যাশ, হাইফেন ইত্যাদি।   

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি-ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন। 
২৯৪.
'বিস্ময়চিহ্ন'- এর বিরতি কাল কত সময়?
  1. ক) ১ বলার দ্বিগুণ সময়
  2. খ) ১ সেকেন্ড
  3. গ) ১ বলতে যে সময় প্রয়োজন
  4. ঘ) থামার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
খ) ১ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
- 'বিস্ময়চিহ্ন'- এর বিরতি কাল ১ সেকেন্ড।

• যতিচিহ্ন:
- মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।

• 'বিস্ময়চিহ্ন':
- অবাক বা বিস্ময়ের ব্যাপার বোঝাতে প্রধানত বাক্যের শেষে বিস্ময়চিহ্ন বসে।
- আবেদন, ভর্তি, হতাশা, আনন্দ ইত্যাদি মনোভাব প্রকাশের ক্ষেত্রেও বিস্ময়চিহ্ন বসে।
- বাক্যের ভেতরে বন্ধনীর মধ্যে, প্রয়োজন হলে বিস্ময়চিহ্ন বসানো যায়।
উদাহরণ:
- ইশ! জ্বরে একেবারে গাঁ পুড়ে যাচ্ছে।
- হঠাৎ রাস্তায় শোরগোল উঠল- চোর! চোর! চোর!

উৎস:
১। প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি।
২। বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
৩। ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৯৫.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন পাপকে ঠেকাবার জন্য কিছু না করাই তো পাপ- এ বাক্যে কী কী যতিচিহ্ন বসবে?
  1. ক) কোলন, উদ্ধারচিহ্ন, কমা
  2. খ) বিন্দু, কোলন, দাঁড়ি
  3. গ) কমা, উদ্ধারচিহ্ন, দাঁড়ি
  4. ঘ) কোলন, উল্কারচিহ্ন, দাঁড়ি
সঠিক উত্তর:
গ) কমা, উদ্ধারচিহ্ন, দাঁড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কমা, উদ্ধারচিহ্ন, দাঁড়ি
ব্যাখ্যা
বাক্যে কমা, উদ্ধারচিহ্ন, দাঁড়ি যতিচিহ্ন বসবে।

বাক্যটি হবে এমন- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, ‘পাপকে ঠেকাবার জন্য কিছু না করাই তো পাপ’।
- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে।
- দাড়ি সাধারণত বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে।
- কোন কিছু  উদ্ধৃত করার কাজে উদ্ধার চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
২৯৬.
বাক্যে কমা বা পাদচ্ছেদ থাকলে কতক্ষণ থামতে হয়?
  1. 'এক' বলার দ্বিগুণ সময়
  2. 'এক' সেকেন্ড 
  3. থামতে হয় না 
  4. 'এক' বলতে যে সময় লাগে
সঠিক উত্তর:
'এক' বলতে যে সময় লাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'এক' বলতে যে সময় লাগে
ব্যাখ্যা

বাক্যে যতিচিহ্ন অনুসারে থামার পরিমাণ:
• কমা বা পাদচ্ছেদ থাকলে- 'এক' বলতে যে সময় লাগে সেই পরিমাণ সময় থামতে হয়।
• সেমিকোলন বা অর্ধচ্ছেদ থাকলে- 'এক' বলার দ্বিগুণ সময় থামতে হয়।
• হাইফেন, ইলেক বা লোপ চিহ্ন ও ব্র্যাকেট (বন্ধনী) থাকলে- থামার প্রয়োজন হয় না।
• দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময় চিহ্ন, কোলন, কোলন ড্যাস, ড্যাস ইত্যাদি চিহ্ন থাকলে- 'এক' সেকেন্ড থামতে হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

২৯৭.
উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত বোঝাতে, কোন বিরামচিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
  1. সেমিকোলন
  2. কোলন
  3. ড্যাস
  4. ত্রিবিন্দু
সঠিক উত্তর:
কোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোলন
ব্যাখ্যা
কোলন (:)
বাক্যে নানা কারণে কোলনচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।

যেমন:
১. উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত বোঝাতে: বাংলা সন্ধি দু প্রকার: স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি।

২. উদ্ধৃতির আগে: রবীন্দ্রনাথ বলেছেন: “মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে।"

৩. নাটকের সংলাপের আগে:

দুকড়ি: কী চাই?
কাঙালি: আজ্ঞে, মহাশয় হচ্ছেন দেশহিতৈষী।
দুকড়ি : তা তো সকলেই জানে কিন্তু আসল ব্যাপারটা কী?
কাঙালি: আপনি সাধারণের হিতের জন্য প্রাণপণ-

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
২৯৮.
তারিখ লিখতে কোন যতিচিহ্নের ব্যবহার হয়?
  1. কোলন
  2. ড্যাশ
  3. সেমিকোলন
  4. কমা
সঠিক উত্তর:
কমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমা
ব্যাখ্যা
কমা:
- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। কমা পূর্ণযতি নয়, তাই কমা দিয়ে কোনো বাক্য শেষ হয় না। কমা চিহ্নের বাংলা নাম পাদচ্ছেদ।

কমার ব্যবহার ক্ষেত্রগুলো হলো:
• শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।

• সম্বোধন পদের পরে সাধারণত কমা বসে।
যেমন:
- স্যার, আমাকে ব্যাপারটি বুঝিয়ে দেবেন?
- রব, এদিকে এসো।

• তারিখ লিখতে বার ও মাসের পরে 'কমা' বসে।
যেমন:
- ১৯শে আশ্বিন, বৃহস্পতিবার, ১৪২৫ সালে মীম বান্দরবান জেলায় জন্মগ্রহণ করে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২৯৯.
বাংলা রচনায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত যতিচিহ্ন কোনটি?
  1. কমা
  2. দাঁড়ি
  3. সেমিকোলন
  4. প্রশ্নবোধক চিহ্ন
সঠিক উত্তর:
দাঁড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাঁড়ি
ব্যাখ্যা
দাঁড়ি:
- দাঁড়ি সাধারণত বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে। বাংলা রচনায় দাঁড়ি চিহ্নের ব্যবহার অন্যান্য যতির তুলনায় বেশি। বিবৃতিমূলক সরল বাক্যে শুধু একটি দাঁড়ি দিয়ে শেষ হয়। অনুরোধ, আদেশ ইত্যাদি বোঝায় এমন বাক্যের শেষে দাঁড়ি ব্যবহৃত হয়।

যেমন:
- তোমার লেখা হলে কলমটা দিয়ো তো।
- প্রান্ত ফুটবল খেলা পছন্দ করে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩০০.
প্রশ্ন রচনায় বসে-
  1. কোলন
  2. হাইফেন
  3. কমা
  4. সেমিকোলন
সঠিক উত্তর:
কোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোলন
ব্যাখ্যা
• কোলন যতিচিহ্ন (:):
বাংলায় কোলন চিহ্নের ব্যবহার খুব বেশি দিনের নয়, বড়োজোর পঞ্চাশ-ষাট বছরের। আগে যেসব ক্ষেত্রে ড্যাশ বা কোলনড্যাশ দেওয়া হতো, আজকাল সেসব জায়গায় কোলন ব্যবহৃত হচ্ছে।

নিম্নলিখিত স্থানে কোলন ব্যবহৃত হয়-
• বাক্যে কোনো প্রসঙ্গ অবতারণার আগে কোলন বসে। যেমন- শপথ নিলাম: পাশ করবই।
• কোনো বিবৃতিকে সম্পূর্ণ করতে দৃষ্টান্ত দিতে হলে কোলন ব্যবহার করা হয়। যেমন- পদ আট প্রকার: বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ, যোজক, অনুসর্গ ও আবেগ শব্দ।
• উদাহরণ, তালিকা, ব্যাখ্যা, বিশদ মন্তব্যের আগে কোলন বসে। যেমন- বাড়িতে যেসব জিনিস নিতে হবে: আম, চাল, ডাল, তেল ও দুই গজ সাদা সুতি কাপড়। কথায় বলে অতি লোভে তাঁতি নষ্ট।
• নাটকের চরিত্রের পরে ও সংলাপের আগে। রাজা: কে কোথায় আছ, উজির-নাজির সবাই এসো হাজির হও।
• কটা বেজে কত মিনিট তা সংখ্যায় নির্দেশ করতে কোলন বসে। যেমন- ৪:২০; ১১:৪৫; ১২:০৬।
• ধারাবাহিক উপস্থাপনের বেলায়। যেমন- ছবিতে: বাম থেকে সফিক, শুভ, মোস্তফা, মলি ও সালমা।
• গণিতের অনুপাত বোঝাতে কোলন বসে। যেমন-ফেলের হার ৪: ৮।
• প্রশ্ন রচনায় কোলন বসে। যেমন- টীকা লেখ:,  ব্যাখ্যা লেখ:।
• কোনো উদ্ধৃতির আগে কোলন বসে। যেমন- কবি বলেছেন: 'বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি'।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।